• ১৫ চৈত্র ১৪৩২, সোমবার ৩০ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Murder

রাজ্য

Rape: বৃদ্ধ বাবা-মাকে খুনের হুমকি দিয়ে তরুণীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার

আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে বৃদ্ধ বাবা-মাকে খুনের হুমকি দিয়ে তরুণীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল এক যুবক। ধৃতের নাম সফিকুল ইসলাম। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থানার কেসিয়ায়। কাটোয়া থানার পুলিশ মঙ্গলবার বিকেলে কাটোয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে অভিযুক্ত সফিকুলকে গ্রেফতার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ বুধবার ধৃতকে কাটোয়া মহকুমা আদলতে পেশ করে পুলিশি হেপাজতে নেওয়ার আবেদন জানায়। আদালতে এদিনই তরুণী তাঁর গোপন জবানবন্দী দেয়। বিচারক ধৃতকে ৫ দিন পুলিশি হেফাজতের পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, কাটোয়া শহরের কুমোরপাড়া এলাকায় বাড়ি বছর ২৩ বয়সী তরুণীর। বাড়িতে তাঁর বৃদ্ধ বাবা-মা রয়েছেন। তরুণীর বাবা ফুলের ব্যবসা করেন। গত শনিবার লিখিত অভিযোগে তরুণীর বাবা কাটোয়া থানার পুলিশকে জানান, গত মাসের ২৬ তারিখ বিকেল তাঁর মেয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তিনি তাঁর মেয়ের কোনও সন্ধান পান না।তরুণীর বাবা পরদিন কাটোয়া থানায় একটি নিখোঁজ ডায়রি করেন। এরপর গত ১৩ অক্টোবর তরুণী নিজেই বাড়ি ফিরে আসে। তরুণী এই কদিন কোথায় ছিল তা তরুণীর কাছে জানতে চায় তাঁর বাবা। জিজ্ঞাসাবাদে তরুণী তাঁর বাবাকে জানায় সফিকুল ইসলাম জোরপূর্ব তাঁকে রাস্তা এক অজ্ঞাত জায়গায় নিয়ে যায়। তারপর পরিবারের লোকজনদের মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে সফিকুল তাঁর সঙ্গে জোর করে সহবাস করে। প্রতিবাদ করলে তাঁকে শারীরিকভাবে নির্যাতনও করে সফিকুল। কোনওভাবে প্রাণ বাঁচিয়ে তাঁর মেয়ে ওই অজ্ঞাত জায়গা থেকে পালিয়ে আসতে সক্ষম হয়। বৃদ্ধর আরও অভিযোগ তাঁর মেয়ে বাড়ি ফিরে আসার দদিন পর রাত সাড়ে দশটা নাগাদ সফিকুল ইসলাম লাথি মেরে তাঁর বাড়ির দরজা খুলে ঘরের ভিতরে ঢোকে। আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে তাঁর মেয়েকে ফের জোর করে তুলে নিয়ে যায়। বৃদ্ধ বাধা দিতে গেলে সফিকুল গুলি করে বৃদ্ধকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেয়।এই ঘটনার পরের দিন তরুণীর বৃদ্ধ বাবা সফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে কাটোয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরেই পুলিশ নড়েচড়ে বসে। অপহরণ, ধর্ষণ ও অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করে পুলিশ অভিযুক্ত সফিকুলের খোঁজ শুরু করে। অবশেষে মঙ্গলবার সফিকুল ইসলাম কাটোয়া থানার পুলিশের জালে ধরা পড়ে।উদ্ধার হয় তরুণীও। ধৃতকে হেপাজতে নিয়ে পুলিশ আগ্নেআস্ত্রটি উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে।

অক্টোবর ২১, ২০২১
রাজ্য

Supari Killer: মঙ্গলকোটের তৃণমূল নেতাকে খুনের ঘটনায় চেন্নাই থেকে গ্রেফতার সুপারি কিলার

তৃণমূল নেতাকে খুনের ঘটনার তিন মাস পর সুপারি কিলারকে গ্রেফতার করলো সিআইডি। ধৃতের নাম মহম্মদ সুরজ মানালি। তাঁর বাড়ি বীরভূম জেলার ঘিদহ গ্রামে। সিআইডি দল চেন্নাই থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে। সিআইডির দাবি, চলতি বছরের ১২ জুলাই গুলি করে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের লাখুড়িয়া অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি আসীম দাসকে খুন করে চেন্নইয়ে পালিয়েছিল কুখ্যাত সুপারি কিলার সুরজ। সিআইডি সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার ধৃতকে কাটোয়া মহকুমা আদালতে পেশকরে সিআইডি হেপাজতে নেওয়া হবে।সিআইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১২ জুলাই সন্ধ্যায় মঙ্গলকোটের লাখুড়িয়া অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি অসীম দাস বাইকে চেপে পার্টি অফিস থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। ওই সময়ে স্থানীয় শিউর গ্রামের মোড়ে দুস্কৃতীরা খুব কাছ থেকে তাঁকে গুলি করে খুন করে পালায়। ঘটনার চার দিনের মাথায় এই খুনের ঘটনার তদন্তভার হাতে নেয় সিআইডি। তদন্তে নেমে সিআইডি আধিকারিকরা নিশ্চিৎ হন মঙ্গলকোটে অজয় নদে অবৈধ বালির কারবারে অসীম দাস বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তার কারণেই তাঁকে খুন হতে হয়। গ্রেফতার হয় খুনের ঘটনার মূল অভিযুক্ত তথা অবৈধ বালির কারবারি শেখ রাজু। তাকে জেরা করে সিআইডি গত ১৩ আগস্ট বীরভূম জেলার ঘিদহ গ্রামের বাসিন্দা পেশায় কাঠমিস্ত্রী শেখ খোকন ওরফে বাবুলকে গ্রেফতার করে। এবার গ্রেফতার হল সুপারি কিলার মহম্মদ সুরজ মানালি। এই নিয়ে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিকে খুনের ঘটনায় সিআইডির জালে ধরা পড়লো আট জন।

অক্টোবর ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Afganistan Volleybal : তালিবানদের নৃশংসতা, শিরোচ্ছেদ আফগান মহিলা ভলিবল খেলোয়াড়ের

আফগানিস্তানে ক্ষমতা দখলের পরপরই তালিবানরা ফতোয়া জারি করেছিল, মহিলারা কোনও ধরণের খেলায় অংশ নিতে পারবে না। কিন্তু তালিবানরা যে এতটা নৃশংস হয়ে উঠবে, তা ছি কল্পনারও অতীত। তালিবানদের এক নারকীয় ঘটনা সামনে এসেছে। তাদের হাতই প্রাণ গেছে আফগানিস্তানের জাতীয় মহিলা জুনিয়র ভলিবল দলের এক খেলোয়াড়ের। তালিবানরা দেশের ক্ষমতা হাতে নেওয়ার পর থেকেই আতঙ্কিত আফগানিস্তানের মহিলা ক্রীড়াবিদরা। অনেকেই ইতিমধ্যে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। যারা এখনও দেশে রয়েছেন, রীতিমতো উৎকন্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন। যে কোনও মুহূর্তে প্রাণ হারানোর আশঙ্কা। যেমন শিরচ্ছেদ করা হয়েছে মাহজাবিন হাকিমির। দেশের হয়ে ভলিবল খেলার অপরাধেই তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। পার্সিয়ান ইন্ডিপেন্ডেন্ট পত্রিকায় তাঁর হত্যার খবর প্রকাশিত হয়েছে।কাবুল মিউনিসিপ্যালিটি ভলিবল ক্লাবের হয়ে খেলতেন মাহজাবিন হিকিমি। দলের মধ্যে তিনিই ছিলেন সেরা। এই ক্লাবে খেলতে খেলতেই আফগানিস্তান জাতীয় জুনিয়র দলে সুযোগ পান। দেশের হয়ে রীতিমতো নজর কেড়েছিলেন। জাতীয় সিনিয়র দলে সুযোগের অপেক্ষায় ছিলেন। তার আগেই দেশে পট পরিবর্তন। তালিবানরা ক্ষমতায় সেই মহিলেদের সব ধরণের খেলার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। মহিলা খেলোয়াড়দের খুঁজে বার করে তাঁদের ওপর অত্যাচার শুরু করেছে। অনেক মহিলা ক্রীড়াবিদ দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। এদের মধ্যে জাতীয় মহিলা ভলিবল দলের দুজন সদস্য রয়েছেন। মাহজাবিন হাকিমি পালাতে পারেননি। তাঁকে খুঁজে বার করে এই মাসের শুরুতে শিরোচ্ছেদ করেছে তালিবানরা।আফগানিস্তানের এক ভলিবল কোচ পার্সিয়ান ইন্ডিপেন্ডেন্টকে বলেছেন, এই মাসের শুরুর দিকে মাহজাবিনকে হত্যা করা হয়। তাঁর পরিবারের সদস্যদের হুমকিও দেয় তালিবানরা, যাতে এই ঘটনার কথা কাউকে না বলে। কিছুদিন আগে মাহজাবিনের নিথর দেহের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়আর পর সকলে জানতে পারে। আফগানিস্তানের মহিলা ভলিবল দলের ওই কোচ আরও বলেছেন, তালিবানরা আফগানিস্তানে ক্ষমতা দখলের পরপরই দুজন মহিলা ভলিবল খেলোয়াড় দেশ ছেড়ে পালাতে সক্ষম হয়েছে। পালাতে না পেরে মাহজাবিনকে প্রাণ দিতে হয়েছে।আফগানিস্তানের দখল নেওয়ার পর তালিবানরা মহিলা অ্যাথলিটদের সন্ধানে নেমেছে। এমনকী মহিলা খেলোয়াড়দের পরিবারের সদস্যদেরও সন্ধান চালাচ্ছে। আফগানিস্তানের যেসব মহিলা ক্রীড়াবিদরা বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন, তাঁদের পরিবারের লোকজনদেরও খুঁজছে তালিবানরা। স্বাভাবিকভাবেই মহিলা ক্রীড়াবিদ ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা চরম উৎকন্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন। কেউ কেউ পালিয়ে বেড়াচ্ছেন, কেউ কেউ আবার আত্মগোপন করে রয়েছেন। আফগানিস্তানের মহিলা ভলিবল দলের সদস্যরা দেশ ছাড়তে চেয়ে আন্তর্জাতিক মহলের সাহায্য চেয়েও পাননি। আফগানিস্তানে ভলিবল মহিলাদের মধ্যে দারুণ জনপ্রিয়। সেই জনপ্রিয়তায় আঘাত করতেই মাহজাবিনকে হত্যা করে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করেছে তালিবানরা।

অক্টোবর ২০, ২০২১
কলকাতা

Gariahat Double Murder: সুবীর চাকি খুনে ডায়মন্ড হারবার থেকে আটক দুই

গড়িয়াহাটের কাঁকুলিয়া রোডে জোড়া খুনের ঘটনার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে লালবাজার ও ডায়মন্ড হারবার থানায় একাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করল পুলিশ। আজ সেই জোড়া খুনের তদন্তে এক মহিলা ও তাঁর ছেলেকে আটক করেছে কলকাতা পুলিশের হোমিসাইড শাখা। কিছু তথ্যের ভিত্তিতে আজ ওই মা ও ছেলেকে আটক করা হয়েছে। ডায়মন্ড হারবার থেকে তাঁদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।আজই তাঁদের লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। খুনের সঙ্গে তাঁদের প্রত্যক্ষ যোগ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশের ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর নীরবতায় অসন্তুষ্ট বিজেপিপুলিশ সূত্রে খবর, ডায়মন্ড হারবারে থাকেন কলকাতায় পরিচারিকা ও আয়ার কাজ করা মিঠু হালদার নামে এক মহিলা। সুবীর যখন কর্মসূত্রে কলকাতার বাইরে থাকতেন, তখন তাঁর মায়ের দেখভাল করতেন মিঠু। প্রাথমিক তদন্তে গোয়েন্দারা মনে করছেন, সুবীর এবং রবীন খুনের ঘটনায় মিঠুর যোগ আছে। শুধু তাই নয়, মিঠু-সহ তাঁর ছেলে এবং ছেলের তিন বন্ধুর ভূমিকাকেও আতশকাচের তলায় রাখছেন গোয়েন্দারা। গোয়েন্দাদের অনুমান, কাঁকুলিয়া রোডের ওই বাড়ি বিক্রির প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিলেন মিঠুর ছেলেও। তিনিও বিভিন্ন জায়গা থেকে ক্রেতা নিয়ে আসতেন। গোয়েন্দাদের ধারণা, সম্ভবত বাড়ি বিক্রি সংক্রান্ত কোনও চুক্তি নিয়ে মিঠুর ছেলের সঙ্গে সুবীরের বিবাদ হয়। সেই কারণেই খুন কি না তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।রবিবার গড়িয়াহাট থানা এলাকার ৭৮ এ কাঁকুলিয়া রোডের একটি তিনতলা বাড়ি থেকে সুবীর চাকি ও তাঁর গাড়ির চালক রবীন মণ্ডলের রক্তাক্ত, ক্ষত বিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়। তদন্তে নেমে প্রথম দিকে ধোঁয়াশা থাকলেও ধীরে ধীরে এবার বোধহয় কিছু সূত্র হাতে আসছে তদন্তকারীদের। মঙ্গলবার সকালে লালবাজারের ডগ স্কোয়াড ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে পৌঁছতেই পুলিশ কুকুর বাড়িটিতে ঘোরাফেরার পরই সোজা চলে যায় বালিগঞ্জ রেল স্টেশনে। সেখানকার এক ও দুনম্বর প্ল্যাটফর্মে ঘোরাঘুরি করে ডগ স্কোয়াডের ওই দক্ষ সদস্য। এরপরই ফের আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে চলে যায় সে। তদন্তকারীরা অনুমান করছেন, আততায়ীরা এই দুজনকে খুন করার পর ট্রেনে চেপেই গা ঢাকা দিয়েছে।

অক্টোবর ২০, ২০২১
কলকাতা

Double Murder: গড়িয়াহাটে জোড়া খুনে ঘনীভূত রহস্য

শহরে ফের খুন। তবে এবার জোড়া খুন।গড়িয়াহাট থানা এলাকার কাকুলিয়া রোডের দোতলা একটি বাড়ি থেকে গতকাল গভীর রাতে ষাটোর্ধ্ব দুই ব্যক্তির ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। একটি দেহ দোতলার ঘরে পড়েছিল। অন্য দেহটি পড়েছিল বাড়ির একতলায়। দুজনের দেহের হাতে, পায়ে ও গলায় ধারাল অস্ত্রের একাধিক আঘাত মিলেছে। মৃতের নাম সুবীর চাকি ও রবীন মণ্ডল।আরও পড়ুনঃ সপ্তাহের শুরুতেই প্রবল ঝড়-বৃষ্টি কলকাতায়পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে জেনেছে, ৭৮ এ কাকুলিয়া রোডের ওই বাড়ি মালিক সুবীর চাকি। তিনি ও তাঁর গাড়ি চালক রবীন মণ্ডল খুন হয়েছেন। সুবীর এখন নিউ টাউনে থাকতেন। কাকুলিয়া রোডের বাড়িটি মোটা দামে বিক্রি করতে চাইছিলেন। একাধিক ক্রেতার সঙ্গে কথাবার্তাও চলছিল। গতকাল বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ নিউ টাউন থেকে গাড়িতে কাকুলিয়া রোডে আসেন সুবীরবাবু। সম্ভবত কোনও ক্রেতাকে সম্পত্তি দেখানোই উদ্দেশ্য ছিল বলে পুলিশের অনুমান। রাতেও তিনি বাড়ি না ফেরায় তাঁর পরিবারের লোকজন গড়িয়াহাট থানায় ফোন করে জানায়, সুবীরবাবুর মোবাইল ফোন বন্ধ। তাঁর ও তাঁর চালকের খোঁজ মিলছে না। রাতে পুলিশ দেহ দুটি উদ্ধার করে। সুবীরবাবু ও তাঁর চালকের মোবাইল ফোনের হদিশ নেই।সুবীর চাকির দেহ পাওয়া গিয়েছে বাড়ির এক তলায়। দোতলায় পড়ে ছিল গাড়ি চালকের দেহ। দুজনেরই দেহ ক্ষতবিক্ষত ছিল। জোড়া খুনে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে। তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

অক্টোবর ১৮, ২০২১
রাজ্য

BJP Murder: উত্তর দিনাজপুরে বিজেপির জেলা সহ সভাপতিকে খুন

বিজেপির যুব মোর্চার উত্তর দিনাজপুর জেলা সহ সভাপতি মিঠুন ঘোষকে গুলি করে খুন করল একদল দুষ্কৃতী। ইটাহারের দুর্গাপুর পঞ্চায়েতের রাজবাড়ি এলাকার বাড়ির সামনে তিন দুষ্কৃতী ওই যুব নেতাকে লক্ষ্য করে পরপর গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে বাড়ির সামনে লুটিয়ে পড়ে ছিল ওই নেতা। শেষপর্যন্ত স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবারের লোকজনেরা উদ্ধার করে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।@MedinipurSp (Purba) seems to be in a hurry to pass on judgement before conducting a conclusive investigation. If his assertion is true, why doesnt he release the CCTV footage to the Media?By the way, the twitter handle is unverified, keeping the door open for denial in future. pic.twitter.com/Qdckvb7AHn Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) October 18, 2021রবিবার রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে গুলি করে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। পুলিশ সূত্রে খবর, ইটাহারে খুন হওয়া ওই ব্যক্তি উত্তর দিনাজপুর জেলা বিজেপির সহ- সভাপতি। কে বা কারা তাঁকে খুন করল, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা। যদিও মৃতের পরিবারের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তদন্তে নেমেছে পুলিশ।Shri Mithun Ghosh, District Yuva Morcha Secretary was brutally shot dead by Trinamool goons.One after another opposition activist in West Bengal is being killed in a jihadist manner! Intellectuals are tight-lipped. Death of democracy in West Bengal! pic.twitter.com/FHrBi6UvWC BJP Bengal (@BJP4Bengal) October 18, 2021 ঘটনার নিন্দা করে টুইট করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পুরো ঘটনার পিছনে তৃণমূলের গুন্ডার হাত রয়েছে বলে মত তাঁর। রাজ্য বিজেপির তরফেও নিজেদের টুইটার হ্যান্ডেলে ঘটনার তীব্র নিন্দা করা হয়েছে।ফের একবার রাজ্যে দলীয় কর্মী হত্যার ঘটনায় সরব হয়েছে বিজেপি।

অক্টোবর ১৮, ২০২১
রাজ্য

Murder: রেললাইনের ধার থেকে উদ্ধার নিখোঁজ যুবকের মৃতদেহ

রেল লাইনের ধার থেকে উদ্ধার হল নিখোঁজ এক যুবকের মৃতদেহ। এই ঘটনা জানাজানি হতেই শুক্রবার চাঞ্চল্য ছড়ায় পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ১ ব্লকের ডাঙ্গাপাড়া এলাকায়। মৃতর নাম শাহাজান শেখ(৩৩)। তাঁর বাড়ি স্থানীয় নসরতপুর পঞ্চায়েতের পারুলডাঙ্গা গ্রামের পূর্বপাড়ায়। ময়নাতদন্তের জন্য এদিনই যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করে পাঠানো হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। যুবকের মৃত্যু নিয়ে রহস্য দানা বেঁধেছে। পরিবারের সদস্যরা আশঙ্কা করছেন যুবককে প্রাণে মেরে দিয়ে কেউ রেল লাইনের ধারে ফেলে দিয়ে পালিয়েছে। পুলিশ যুবকের মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।আরও পড়ুনঃ আরপিএফের বিরুদ্ধে জুলুমবাজির অভিযোগ, প্রতিবাদে গর্জে উঠলেন পূর্বস্থলীর ব্যবসায়ীরাপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পেশায় তাঁত শ্রমিক ছিলেন শাহাজান শেখ। বাড়িতে তাঁর স্ত্রী ও চার শিশু সন্তান ছাড়াও অন্য সদস্যরা রয়েছেন। পরিবার সদস্যরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাতে খাওয়া-দাওয়া সেরে শাহাজান বাড়ি থেকে বের হয়। তারপর থেকে তিনি আর বাড়ি ফেরেনি। সারারাত নিখোঁজ ছিলেন। শুক্রবার সকালে রেল লাইনের ধারে শাহাজানের ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ পড়ে থাকে। সেই খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন সেখানে ছুটে গিয়ে মৃতদেহ শনাক্ত করেন। মৃতের ভাই আহম্মদ শেখ জানান, সমুদ্রগড় স্টেশনের ৪ নম্বর লাইনের ধারে তাঁর দাদার মৃতদেহ পড়েছিল। ওই লাইন দিয়ে কোনও ট্রেন চলে না। সেই কারণে তাঁরা মনে করছেন কোনও দুর্ঘটনায় তাঁর দাদা শাহাজান শেখ মারা যায়নি। তাঁর দাদাকে প্রাণে মেরে দিয়ে কেউ ওই লাইনের ধারে দেহ ফেলে দিয়ে পালিয়েছে। শাহাজানের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তের দাবি করেছে পরিবার।

অক্টোবর ০৮, ২০২১
বিদেশ

Taliban Brutality: পঞ্জশিরে তালিবানি বুলেটে ছিন্নভিন্ন শিশুর দেহ

মুখে অনেক বড় বড় কথা বললেও, তালিবানিরা আছে তালিবানিই। গত ২০ বছরে কিছুই বদলায়নি। যত দিন যাচ্ছে, একে একে নিজেদের উদার ভাবমূর্তি ক্রমশ ভয়ঙ্কর দাঁত-নখ বের করছে। শুধুমাত্র, সন্দে্হের বশে পঞ্জশিরের এক শিশুর দেহ নৃশংসভঅবে বুলেটে ছিন্নভিন্ন করল তালিবানরা। তাদের অনুমান, শিশুর বাবা প্রতিরোধ বাহিনীর সদস্য।পঞ্জশীরের পর্যবেক্ষকের রিপোর্ট অনুযায়ী, তালিবান এক শিশুকে হত্যা করেছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তরফে একটি টুইট করা হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে চারপাশে ছড়িয়ে আছে রক্ত। তার মধ্যে পড়ে রয়েছে এক শিশুর মৃতদেহ। তার চারপাশে বেশ কয়েকজন শিশুকে কাঁদতে দেখা যাচ্ছে। ওই পর্যবেক্ষক টুইটে লিখেছেন, শিশুর বাবা প্রতিরোধ বাহিনীর সদস্য, এমনটা সন্দেহ করেই শিশুকে হত্যা করেছে তালিবরা। তাঁর টুইটের সঙ্গেই রয়েছে সেই ভিডিও, যেখানে দেখা যাচ্ছে রাস্তার ওপর পড়ে আছে শিশুর নিথর দেহ।আরও পড়ুনঃ কোভিড প্রজন্ম ভিন্নভাবে ভাষা ব্যবহার করবেকয়েকদিন আগে আরও এক নৃশংসতাএ ছবি দেখা যায় আফগানিস্তানের হেরাট প্রদেশে। এক ব্যবসায়ী ও তাঁর ছেলেকে অপহরণের অভিযোগে তালিবানের সঙ্গে গুলির লড়াই হয় ওই চারজনের। চারজনকেই নিকেশ করে তালিবানিরা। এরপরই তাদের দেহ নিয়ে সড়কের মাঝখানে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়, যাতে সকলেই দেখতে পান। হেরাটের ডেপুটি গভর্নর মৌলবি সইর আহমেদ এমার জানান, অপহরণের খবর পেতেই তালিবানি যোদ্ধারা ওই অভিযুক্তদের খুঁজে বের করে এবং তাদের সঙ্গে গুলির সংঘর্ষ শুরু হয়। অপহরণের উচিত শাস্তি দিতে এবং বাকি অপহরণকারীদের সতর্ক করতে হেরাট স্কোয়ারে তাদের দেহ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১
রাজ্য

Illicit Affair: অবৈধ সম্পর্কের তিক্ততায় মহিলাকে নৃশংস ভাবে খুন, গ্রেপ্তার তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য

মহিলার সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তাঁকে নৃশংসভাবে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য। ধৃতের নাম শোভন টুডু। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার কুচুট গ্রামের কদমতলা এলাকায়। তিনি তৃণমূলের প্রতীকে নির্বাচিত কুচুট গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য। মুখ থেঁতলে দিয়ে মহিলা সুখী মাণ্ডি(৪৭)কে খুনের অভিযোগে জেলার জামালপুর থানার পুলিশ শুক্রবার রাতে শোভন টুডুকে গ্রেপ্তার করে। শনিবার ধৃতকে পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। খুনের ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার ও ঘটনার তদন্তের প্রোয়োজনে তদন্তকারী অফিসার এদিন ধৃতকে ১০ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান । বিচারক ধৃতকে ৬ দিন পুলিশি হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।পুলিশ জানিয়েছে ,গত ১৯ সপ্টেম্বর জেলার জামালপুর থানার জৌগ্রামের জলেশ্বরতলা এলাকার একটি বাঁশবাগান থেকে উদ্ধার হয় অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার মুখ থেঁতলানো মৃতদেহ।মহিলার মৃতদেহ উদ্ধারের সময় পুলিশ তাঁর কোমরে গোঁজা থাকা একটি পুঁটলি পায়। ওই পুঁটলির মধ্যে থাকা কাগজে লেখা ছিল কিছু ফোন নম্বার। তার সূত্র ধরে তদন্ত চালিয়ে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে পুলিশ মহিলার পরিচয় উদ্ধার করে। পুলিশ জানতে পারে মহিলার নাম সুখী মাণ্ডি। তাঁর স্বামীর নাম সাধন মাণ্ডি। তাঁরা মেমারি থানার নবস্তা ১ পঞ্চায়েতের পলশা গ্রামের বাসিন্দা। গত মঙ্গলবার মৃতার পরিবারের লোকজন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে মৃতদেহ সনাক্ত করেন।মহিলকে খুনের প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ তাঁর পরিবার পরিজনের পাশাপাশি এলাকাবাসীর সঙ্গেও কথা বলে। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ জানতে পারে সাধন মাণ্ডির দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী সুখী। সাধনের প্রথম পক্ষের স্ত্রীর কোন সন্তান নেই। সুখীর দুটি পুত্র সন্তান রয়েছে। সুখী পলশা গ্রামে না থেকে কিছু দূরে গাঙ্গুয়া গ্রামের সাপার পাড়ায় থাকতেন বলেও পরিবার সদস্যরা পুলিশকে জানায়। এমনকী অন্য এক পুরুষের সঙ্গে সুখীর সম্পর্ক থাকার কথাও পরিবার সদস্যদের কাছ থেকে পুলিশ জানতে পারে।এসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ )আমিনুল ইসলাম খাঁন এদিন বলেন, সুখীর অন্য পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার কথা জানতে পারার পরেই ওই পুরুষ ব্যক্তির খোঁজ চালানো শুরু হয়। খোঁজ চালিয়ে পুলিশ জানতে পারে মেমারির কুচুট পঞ্চায়েতের সদস্য শোভন টুডুর সঙ্গে দীর্ঘদিন যাবৎ সুখীর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে।পঞ্চায়েত সদস্যের ফোন কলের ডিটেইলস খতিয়ে দেখেও পুলিশ নিশ্চিৎ হয় সুখীর সঙ্গে শোভন টুডুর নিয়মিত কথা হত। শুক্রবার শোভন টুডুকে থানায় টানা জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সুখী মান্ডিকে খুনের কথা স্বীকার করে শোভন টুডু। তার পরেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের দাবি খুনের কারণ হিসাবে শোভন জানিয়েছে, মহিলা তাঁর কাছে প্রায়শই প্রচুর টাকার দাবি করতো। মহিলাকে অত অর্থ যোগান দেওয়ার চাপ তিনি আর নিতে পারছিলন না। সেই কারণে তিনি সুখীকে খুনের পরিকল্পনা কষেন। পরিকল্পনা মাফিক পরিচিতর বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে তিনি সুখীকে সঙ্গে নিয়ে জৌগ্রাম জলেশ্বরতলা এলাকায় আসেন।আগে থেকেই একটি মোটা পাইপ কিনে তিনি তাঁর বাইকের টুল বক্সে ভরে রেখেছিলেন। জলেশ্বরতলা এলাকার বাঁশ বাগানে সুখী বসতেই তিনি সেই পাইপ দিয়ে তার মুখ ও মাথার অংশে একাধিকবার আঘাত করেন। সুখীর মৃত্যু নিশ্চিৎ হবার পর শোভন বাইকে চেপে ঘটনাস্থল ছেড়ে পালায়। ওই পাইপ উদ্ধারের জন্য পুলিশ শোভন টুডুকে হেপাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
রাজ্য

CBI Burdwan: আলাদা ভাবে খুনের মামলা রুজু করে বর্ধমানের বিজেপি কর্মীর মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করলো সিবিআই

খুনের মামলা রুজু করেই বর্ধমানের কাঞ্চননগরের বিজেপি কর্মী নারায়ণ দের মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেদিল সিবিআই।খুনের মামলা রুজু করার বিষয়টি মঙ্গলবার বর্ধমান সিজেএম আদালতে জানান সিবিআইয়ের স্পেশাল ক্রাইম ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সঞ্জয়কুমার সিনহা। তার পর এদিনই সিবিআইয়ের ৪ সদস্যের তদন্তকারী দল শুরু করে দিলেন বিজেপি কর্মী নারায়ন দে কে খুনের ঘটনার তদন্ত।নারায়ন দে-র মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে গত ২৪ জুন খুনের মামলা রুজু করে বর্ধমান থানার পুলিশ তদন্তে নামে। কিন্তু কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। সিবিআই আলাদা ভাবে খুনের মামলা রুজু করে তদন্তে নামায় খুনিরা ধরা পড়বে বলে আশাবাদী নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবার।আরও পড়ুনঃ ভবানীপুরের উপনির্বাচনের অভিঘাত ভিন্ন, তবে মনে করাচ্ছে ৬৫ বছর আগের বাংলার রাজনীতির কথাসিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, পেশায় টোটো চালক নারায়ণ দে বিজেপি কর্মী ছিলেন। গত ১৮ এপ্রিল বর্ধমানের কাঞ্চননগর এলাকায় বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সেই সময় নারায়ণ টোটো চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। তৃণমূলের লোকজন নারায়ণ কে ধরে প্রচণ্ড মারধর করে। মারধরে তিনি গুরুতর জখম হন। অথচ সেই সময়ে ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ নারায়ণ সহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার হওয়ার তিনদিন পর আদালত থেকে জামিনে ছাড়া পান নারায়ণ। এরপর পরিবারের লোকজন তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখান থেকে তাঁকে শহরের খোসবাগান এলাকার একটি নার্সিংহোমে স্থানান্তরিত করা হয়। পরে বোরহাট এলাকার একটি নার্সিংহোমেও তাঁর চিকিৎসা হয়। নার্সিংহোম থেকে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ৬ মে নারায়ণ দে মারা যান। তাঁর স্ত্রী পূর্ণিমা দে ২৪ জুন ঘটনার কথা জানিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ভোট পরবর্তী এই রাজনৈতিক হিংসার মামলার তদন্তভারও সিবিআই হাতে নেয়।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১
রাজ্য

CBI: বর্ধমানের কাঞ্চননগরে বিজেপি কর্মীকে খুনের ঘটনায় পৃথক মামলা রুজু সিবিআইয়ের

ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসার ঘটনার তদন্তে নেমে আবারও একটি খুনের মামলা রুজু করল সিবিআই। এবার সিবিআই বর্ধমানের কাঞ্চননগরে বিজেপি কর্মী নারায়ণ দে-কে পিটিয়ে মারার ঘটনা নিয়ে খুনের মামলা রুজু করল। মামলা রুজুর বিষয়টি মঙ্গলবার বর্ধমান সিজেএম আদালতে জানিয়েছেন সিবিআইয়ের স্পেশাল ক্রাইম ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সঞ্জয়কুমার সিনহা। নারায়ন দে-র মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে গত ২৪ জুন খুনের মামলা রুজু বর্ধমান থানার পুলিশ তদন্তে নামে। কিন্তু কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। সিবিআই আলাদা ভাবে খুনের মামলা রুজু করে তদন্তে নামায় খুনিরা ধরা পড়বে বলে আশাবাদী নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবার।আরও পড়ুনঃ বিরলতম ঘটনা, পুরুলিয়া সূচকাণ্ডে মৃত্যুদণ্ডসিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, পেশায় টোটো চালক নারায়ণ দে বিজেপি কর্মী ছিলেন। গত ১৮ এপ্রিল বর্ধমানের কাঞ্চননগর এলাকায় বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সেই সময় নারায়ণ টোটো চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। তৃণমূলের লোকজন নারায়ণকে ধরে প্রচণ্ড মারধর করে। মারধরে তিনি গুরুতর জখম হন। অথচ সেই সময়ে ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ নারায়ণসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার হওয়ার তিনদিন পর আদালত থেকে জামিনে ছাড়া পান নারায়ণ। এরপর পরিবারের লোকজন তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভির্ত করেন। সেখান থেকে তাঁকে শহরের খোসবাগান এলাকার একটি নার্সিংহোমে স্থানান্তরিত করা হয়। পরে বোরহাট এলাকার একটি নার্সিংহোমেও তাঁর চিকিৎসা হয়। নার্সিংহোম থেকে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ৬ মে নারায়ণ দে মারা যান। তাঁর স্ত্রী পূর্ণিমা দে ২৪ জুন ঘটনার কথা জানিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ভোট পরবর্তী এই রাজনৈতিক হিংসার মামলার তদন্তভারও সিবিআই হাতে নেয়। আরও পড়ুনঃ মুখ থেঁতলানো মহিলার পরিচয় মিলল, খুনির খোঁজে পুলিশএকই ভাবে হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই জেলার জামালপুরের নবগ্রামে বিজেপি নেতার মাকে খুনের ঘটনারও তদন্ত চালাচ্ছে। তবে এই খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত তৃণমূলের তিন জনের আগাম জামিন এদিন মঞ্জুর করে বর্ধমান আদালত। গ্রেপ্তারি এড়াতে নবগ্রামের বাসিন্দা কুমারেশ ঘোষ, সমীর ঘোষ ও অমরেশ বাগ জেলা জজের আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন। মঙ্গলবার সেই আবেদনের শুনানি হয়। অভিযুক্তদের আইনজীবী বিশ্বজিৎ দাস আদালতে সওয়াল পর্বে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তিনজনকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। তিনজনের কেউ এই ঘটনায় জড়িত নয়। মামলায় অন্যান্য অভিযুক্তরাও জামিন পেয়ে গিয়েছেন। সিবিআইয়ের আইনজীবী অবশ্য জামিনের জোরালো বিরোধিতা করেন। সিবিআইনের আইনজীবী বলেন, অভিযুক্তরা জামিন পেলে সাক্ষীদের ভয় দেখাতে পারে। মামলা প্রভাবিত হতে পারে। তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে অভিযুক্তদের জামিন দিলে মামলা ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে সিবিআইয়ের আইনজীবী আদলতে দাবি করেন। যদিও সিবিআইয়ের বক্তব্যকে আমল না দিয়ে ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা বিচারক অর্জুন মুখোপাধ্যায় ৩ জনের আগাম জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেন।আরও পড়ুনঃ খড়দায় চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু বাবা-মা-ছেলেরসিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোটের ফল বের হওয়ার পর দিন অর্থাৎ গত ৩ মে দুপুরে নবগ্রামে বিজেপির শক্তিপ্রমুখ আশিস ক্ষেত্রপালের বাড়িতে তৃণমূলের লোকজন হামলা চালায়। তাঁদের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। আশিসের বাবা অনিল ক্ষেত্রপালকে টাঙি দিয়ে কোপানো হয়। ওই সময়ে স্বামীকে বাঁচাতে গেলে কাকলি ক্ষেত্রপাল(৪৭)-কে বেধড়ক মারধর করা হয়। তাঁর গলায় ভোজালির কোপ মারা হয়। কাকলিকে জামালপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার কথা জানিয়ে কাকলির প্রতিবেশী মামণি ক্ষেত্রপাল জামালপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নেমে পুলিশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই এই খুনের মামলারও তদন্ত চালাচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
রাজ্য

Superi Killers: আউশগ্রামে তৃণমূল যুবনেতাকে খুনে ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই সুপারি কিলার

সুপারি কিলারদের দিয়ে তৃণমূল নেতাকে খুনের আশঙ্কাই শেষপর্যন্ত সত্যি হল। পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের দেবশালা অঞ্চলের তৃণমূল যুবনেতা চঞ্চল বক্সীকে খুনের ঘটনায় অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়লো দুই সুপারি কিলার। ধৃতরা হল মহম্মদ ইমরান কুরেশি ও শেখ শের আলি। ধৃতদের মধ্যে ইমরানের বাড়ি দুর্গাপুরের ডিভিসি মোড়ের কাছে ভবানীপল্লিতে। আর অপর ধৃত শের আলির বাড়ি বীরভূম জেলার দুবরাজপুর এলাকায়। খুনের ঘটনার মূল চক্রী আসানুল মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আউশগ্রাম থানার পুলিশ দুই সুপারি কিলারের নাম জানতে পারে। তারপরেই শুক্রবার আউশগ্রাম থানার পুলিশ দুই দলে ভাগ হয়ে দুর্গাপুর ও বীরভূমের সাঁইথিয়ায় হানা দিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।পুলিশের দাবি, ধৃতরা তৃণমূলের যুব নেতা চঞ্চল বক্সিকে খুনের কথা কবুল করেছে। তৃণমূলের যুব নেতাকে খুনের ঘটনায় এই নিয়ে আট জন গ্রেপ্তার হল। গত বৃহস্পতিবার পুলিশের জালে ধরা পড়েছিল বিহারের মুঙ্গেরের দুই অস্ত্রকারবারী মহম্মদ ইনতিয়াজ ও মহম্মদ পাপ্পু। ঝাড়খণ্ডে ধরা পড়া এই দুই অস্ত্র কারবারী তৃণমূলের যুব নেতাকে খুনে ব্যবহৃত আগ্নেআস্ত্র সরবরাহ করেছিল বলে পুলিশ জানতে পেরেছে। শনিবার ধৃতদের বর্ধমান আদালতে পেশ করে পুলিশ তদন্তের প্রয়োজনে ১২ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায়। সিজেএম ধৃতদের ৮ দিন পুলিশি হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, গত ৭ সেপ্টেম্বর গেরাই থেকে বাড়ি ফেরার পথে দুস্কৃতীদের হাতে গুলিতে খুন হন দেবশালা পঞ্চায়েতের প্রধান শ্যামল বক্সির ছেলে তৃণমূল কংগ্রেসের যুব নেতা চঞ্চল বক্সি। দুই বর্ধমান জেলার পুলিশ সিট গঠন করে এই খুনের তদন্ত শুরু করে পুলিশ। এক সপ্তাহের মধ্যেই পুলিশ গ্রেফতার করে দেবশালা অঞ্চল যুব তৃণমূল সভাপতি তথা পঞ্চায়েতের সদস্য আসানুর মণ্ডলকে। ধরা পড়ে দেবশালা পঞ্চায়েতের সদস্য মনির হোসেন মোল্লা এবং তৃণমূলের দেবশালা অঞ্চল সভাপতির ছেলে বিশ্বরূপ মণ্ডল। তাদের জেরা করে পুলিশ ভাতকুন্ডা গ্রামের আয়ূব খান নামে আরও এক তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করে। এরপর ধৃতদের জেরা করে বৃহস্পতিবার পুলিশ ঝাড়খণ্ডের জামতাড়া এলাকা থেকে মহম্মদ পাপ্পু ও মহম্মদ ইমতিয়াজ ওরফে পিন্টু নামে দুই দুস্কৃতীকে গ্রেফতার করে। খুনের পর তারা ঝাড়খণ্ডে গা ঢাকা দিয়েছিল। পুলিশ ধৃতদের জেরা করে দুই সুপারিকিলারকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
দেশ

Rape Convicted: এনকাউন্টারের হুমকির পরই রেললাইনে মিলল দেহ

দুদিন আগেই রাজ্যের এক মন্ত্রী হুমকি দিয়েছিলেন ধর্ষককে পেলেই এনকাউন্টার করে খতম করবেন। এ বার রহস্যজনকভাবেই রেললাইন থেকে উদ্ধার হল হায়দরাবাদে ছয় বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণকাণ্ডে অভিযুক্তের দেহ। পুলিশের দাবি, ওই অভিযুক্তকে ধাওয়া করা হয়েছিল। পালানোর চেষ্টায় সে রেললাইনে ঝাঁপ দিয়েছিল, সেই সময়ই ট্রেনের ধাক্কায় তাঁর মৃত্যু হয়।আরও পড়ুনঃ মাকে খুন করে ঘরের মেঝেতে দেহ পুঁতে রেখে দিয়েছিল ছোট ছেলে, খুঁড়তেই উদ্ধার কঙ্কালঘটনার সূত্রপাত হয় ৯ সেপ্টেম্বর। হায়দরাবাদের সিনগারেনি কলোনির বাড়ি থেকে ৯ সেপ্টেম্বর নিখোঁজ হয়ে যায় বছর ছয়েকের ওই নাবালিকা। সারাদিন খোঁজ না মেলায় পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরের দিন প্রতিবেশীর বাড়ি থেকেই বিছানার চাদরে জড়ানো অবস্থায় নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে যৌন নির্যাতন ও দম বন্ধ করে খুনের প্রমাণ মেলে। এরপরই ওই প্রতিবেশীর খোঁজ শুরু করে পুলিশ। জানা যায়, যেদিন নাবালিকার দেহ উদ্ধার করা হয়, সেই সময় থেকেই পলাতক পাল্লাকোন্ডা রাজু নামক ওই প্রতিবেশী যুবক।প্রাথমিক তদন্ত চলাকালীনই শোনা যায়, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু পরে যখন বোঝা যায়, খবরটি ভুয়ো ছিল, তখন এলাকাবাসীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে থাকে। উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দারা সুবিচারের দাবিতে ধর্ষকের এনকাউন্টারের দাবি জানান। এ দিকে, ধর্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, এই ভুল তথ্য ছড়ানোর জন্য তেলঙ্গনার মন্ত্রী কেটি রামা রাও নিজের আগের টুইটের জন্য ক্ষমা চেয়ে নেন এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করার জন্য সাধারণ নাগরিকদের সাহায্য চান। এনকাউন্টার না হলেও এ দিন সকালে ওই ধর্ষকের দেহ রেললাইনে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হল। দেহের একাধিক ট্যাটু দেখেই অভিযুক্তকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে পুলিশের বিবৃতি ঘিরেও রহস্য তৈরি হয়েছে। ধর্ষকদের সঙ্গে সঙ্গে শাস্তি দেওয়ার নামে এনকাউন্টার বিতর্কে এর আগেও হায়দরাবাদ পুলিশের নাম জড়িয়েছিল।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২১
রাজ্য

Arrest: তৃণমূল নেতা খুনের ঘটনায় পুলিশের জালে আরও এক দুস্কৃতি

তৃণমূল নেতাকে খুনের ঘটনায় পূর্ব বর্ধমানের আউসগ্রাম থানার পুলিশের জালে ধরা পড়লো আরও এক দুস্কৃতি। ধৃতের নাম আয়ুব খান। তার বাড়ি আউসগ্রামের ভাতকুন্ডা গ্রামে। সোমবার রাতে পুলিশ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। আউশগ্রামের দেবশালা অঞ্চলের প্রাক্তন যুব তৃণমূলের সভাপতি চঞ্চল বক্সীকে খুনের ঘটনায় এই নিয়ে গ্রেপ্তার হল চারজন। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ মঙ্গলবার ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। তদন্তের প্রয়োজনে ধৃতকে ১৪ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান তদন্তকারী অফিসার। বিচারক ধৃতকে ৬ দিন পুলিশি হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ আউসগ্রামে তৃণমূল যুব নেতার খুনের ঘটনায় ভয়ঙ্কর নিদান অনুব্রতরপুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ৭ সেপ্টেম্বর দুপুরে দুষ্কৃতীদের গুলিতে নিহত হন আউসগ্রামের দেবশালা পঞ্চায়েত প্রধান শ্যামল বক্সীর ছেলে চঞ্চল বক্সী(৪৪)। এই ঘটনার তদন্তে নেমে আউসগ্রাম থানার পুলিশ রবিবার দেবশালা পঞ্চায়েতের দুই তৃণমূল সদস্য আসানুল মোল্লা, মনির হোসেন মোল্লা ও দেবশালা অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি হিমাংশু মণ্ডলের ছেলে বিশ্বরূপ মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করে। এরাই সুপারি কিলারদের দিয়ে চঞ্চল বক্সীকে খুন করায় বলে পুলিশ এক প্রকার নিশ্চিৎ হয়ে গিয়েছে। সুপারি কিলারদের নাগাল পেতে পুলিশ সোমবার ওই তিন ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করে ৭ দিনের জন্য নিজেদের হেপাজতে নিয়েছে। তিন ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে পুলিশ জানতে পারে চঞ্চল বক্সীকে খুনের ঘটনার পর থেকে আয়ুব খান খুনের ঘটনার মূল চক্রীদের সব খবরা খবর জানাচ্ছিল। এমনকি ঘটনার পর সুপারি কিলারদের পালাতে সাহায্য করার ব্যাপারেও আয়ুবের ভূমিকা ছিল বলে পুলিশ মনে করছে। আয়ুব সহ চার ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে পুলিশ খুনের ঘটনার বাকি ষড়যন্ত্রকারীদের জালে ভরার তৎপরতা শুরু করে দিয়েছে।আরও পড়ুনঃ নিহতের বাবার আশঙ্কাই সত্যি, তৃণমূল নেতাকে খুনের ঘটনার গ্রেপ্তার দলেরই তিন কর্মী

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
রাজ্য

Chanchal Bakshi: নিহতের বাবার আশঙ্কাই সত্যি, তৃণমূল নেতাকে খুনের ঘটনার গ্রেপ্তার দলেরই তিন কর্মী

পরিবারের সদস্যদের আশঙ্কাই সত্যি হল। পূর্ব বর্ধমানের আউসগ্রামের দেবশালা অঞ্চলের প্রাক্তন যুব তৃণমূল সভাপতি চঞ্চল বক্সীকে খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার হলেন দলেরই তিন সদস্য। ধৃতরা আসানুল মোল্লা, মনির হোসেন মোল্লা এবং বিশ্বরূপ মণ্ডল। ধৃতরা দেবশালা অঞ্চলের বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা। ধৃতদের মধ্যে আসানুল ও মনির দেবশালা পঞ্চায়েতে তৃণমূল সদস্য। অপর ধৃত বিশ্বরুপ মণ্ডল দেবশালা অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি হিমাংশু মণ্ডলের ছেলে। রবিবার সন্ধ্যায় এই গ্রেপ্তারির কথা ঘোষণা করেন জেলার পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন। সুপারিকিলারদের দিয়েই যে এই খুনের ঘটনা ঘাটানো হয়েছে সেই বিষয়ে তদন্তকারী পুলিশ কর্তারাও একপ্রকার নিশ্চিত হয়ে গিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ আউসগ্রামে তৃণমূল যুব নেতার খুনের ঘটনায় ভয়ঙ্কর নিদান অনুব্রতরএই গ্রেপ্তারির কথা এদিন জানাজানি হতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে আউসগ্রামের রাজনৈতিক মহলে। সবাই বলছেন, নিহত চঞ্চল বক্সীর বাবা শ্যামল বক্সীর আশঙ্কাই শেষ পর্যন্ত সত্যি হল। কারণ এই খুনের ঘটনা ঘটার পর তৃণমূলের অনেক নেতা বিজেপির দিকে আঙুল তুললেও তা মানেননি নিহত চঞ্চল বক্সীর বাবা শ্যামল বক্সী। তিনি প্রথম দিন থেকেই দাবি করে আসছিলেন তাঁর ছেলেকে খুনের ঘটনায় বিজেপি বা সিপিএমের কেউ জড়িত থাকতে পারে না। দেবশালা অঞ্চল তৃণমূলের প্রাক্তন যূব সভাপতি চঞ্চল বক্সীকে খুনের ঘটনায় শেষপর্যন্ত তৃণমূলের লোকজন গ্রেপ্তার হওয়ায় কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধীরা। তাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন, তাহলে কি অনুব্রত মণ্ডল তাঁর ঘোষিত নিদান মতোই এবার ধৃতদের গুলি করে মারবেন!আরও পড়ুনঃ বাতিল টেস্ট ম্যাচ নিয়ে আইসিসিকে চিঠি ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডেরপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত মঙ্গলবার আউসগ্রাম ২ ব্লকের গেঁড়াইয়ে হওয়া দলীয় বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন ব্লকের দেবশালা পঞ্চায়েতের প্রধান শ্যামল বক্সী ও তার ছেলে চঞ্চল বক্সী(৪৪)। চঞ্চল একদা দেবশালা অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি ছিলেন। বৈঠক শেষে দুপুর ৩ টে নাগাদ বাবা ও ছেলে একটি বাইকে চেপে দেবশালা গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন। বাইক চালাচ্ছিলেন চঞ্চল। পথে আউসগ্রাম ও বুদবুদ থানার বর্ডার লাগোয়া গেঁড়াই-মানকর রোডে উলুগড়িয়া জঙ্গলের কাছে পিছু ধাওয়া করে এসে দুস্কৃতিরা তাঁদের লক্ষ্য করে পর পর গুলি চালায়। ওই পরিস্থিতিতে শ্যামলবাবু বাইক থেকে পড়ে যান। চঞ্চলের বুকের পাঁজরে ও হাতে মোট তিনটি গুলি লাগে। তাঁকে উদ্ধার করে ওই এলাকার লোকজন স্থানীয় জামতারা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক চঞ্চল বক্সীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই খুনের ঘটনার পর দুই বর্ধমান জেলার পুলিশ সিট গঠন করে তদন্তে নামে। সিআইডিও ঘটনাস্থলে তদন্তে যায় । পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, চঞ্চল বক্সীকে খুনের ঘটনায় ধৃত তিন জনকে সোমবার বর্ধমান আদালতে পেশ করে তদন্তকারী অফিসাররা ১৪ দিন নিজেদের হেপাজতে নেওয়ার আবদন জানাবেন। ধৃতদের হেপাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে পুলিশ সুপারি কিলারের নাগাল পেতে চাইছে।আরও পড়ুনঃ রাগী ষাঁড়ের গুঁতোয় প্রাণে বাঁচলেও মুখের একপাটি দাঁত খোয়ালেন এক শ্রমিকচঞ্চল বক্সী নিহত হওয়ার দুদিন বাদ তাঁর বাড়িতে যান বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি তথা আউসগ্রামের পর্যবেক্ষক অনুব্রত মণ্ডল। খুনিদের গ্রেপ্তারের জন্য তিনি পুলিশকে ১৫ দিনের সময়সীমা বেঁধে দেন।একই সঙ্গে অনুব্রত মণ্ডল ওই দিন সংবাদ মাধ্যম ও দেবশালা অঞ্চলের বাসিন্দাদের জানিয়ে দেন , খুনিরা তাঁর দলের লোক হলে তাঁদের গুলি করে মেরে দেওয়া উচিত।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১
রাজ্য

Anubrata: আউসগ্রামে তৃণমূল যুব নেতার খুনের ঘটনায় ভয়ঙ্কর নিদান অনুব্রতর

দিনেদুপুরে গুলি করে তৃণমূলের যুব নেতাকে খুনের ঘটনার পর দুদিন পেরিয়ে গেলেও খুনিরা কেউ ধরা পড়েনি। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল বৃহস্পতিবার তাঁর কড়া হুঁশিয়ারি কথা জানিয়ে দিলেন পুলিশকে। এদিন পুলিশকে উদ্দেশ্য করে অনুব্রত মণ্ডল জানিয়ে দেন, ১৫ দিনের মধ্যে গ্রেপ্তার করতে পূর্ব বর্ধমানের আউসগ্রামের দেবশালা অঞ্চল তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি চঞ্চল বক্সীকে খুনের ঘটনায় জড়িত ন্যায্য আসামীদের। তা না হলে ভয়ংকর খেলা খেলে দেবেন বলে তিনি জানিয়ে দেন। একই সঙ্গে অনুব্রত মণ্ডল এদিন স্পষ্ট জানিয়ে দেন, খুনি যদি তাঁদের দলের কেউ হয় তবে তাঁকে আগে গুলি করে মেরে দেওয়া উচিৎ। অনুব্রতর এই ঘোষণাকে সঠিক বলে এদিন দাবি করেছেন নিহত তৃণমূল যুব নেতার বাবা শ্যামল বক্সী।আরও পড়ুনঃ আউশগ্রামে জঙ্গলের রাস্তায় খুন তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধানের ছেলে, চরম উত্তেজনাআউসগ্রামের তৃণমূল নেতৃত্ব জানিয়েছেন, গত মঙ্গলবার আউসগ্রাম ২ ব্লকের গেঁড়াইয়ে হওয়া দলীয় বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন ব্লকের দেবশালা পঞ্চায়েতের প্রধান শ্যামল বক্সী ও তার ছেলে চঞ্চল বক্সী(৪৪)। চঞ্চল একদা দেবশালা অঞ্চল যুব তৃণমূলের সভাপতি ছিলেন। বৈঠক শেষে দুপুর ৩ টে নাগাদ বাবা ও ছেলে একটি বাইকে চেপে দেবশালায় গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন। বাইক চালাচ্ছিলেন চঞ্চল। পথে আউসগ্রাম ও বুদবুদ থানার বর্ডার লাগোয়া গেঁড়াই-মানকর রোডে উলুগড়িয়া জঙ্গলের কাছে পিছু ধাওয়া করে এসে দুস্কৃতিরা তাঁদের লক্ষ্য করে পর পর গুলি চালায়। ওই পরিস্থিতিতে শ্যামলবাবু বাইক থেকে পড়ে যান। চঞ্চলের বুকের পাঁজরে ও হাতে মোট তিনটি গুলি লাগে। তাঁকে উদ্ধার করে ওই এলাকার লোকজন স্থানীয় জামতারা হাসপাপালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক চঞ্চল বকসিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।আরও পড়ুনঃ আউসগ্রামে তৃণমূল নেতাকে গুলি করে খুনের ঘটনায় যৌথ ভাবে তদন্ত শুরু করলো সিআইডি ও পুলিশদিনে দুপুরে গুলির পর গুলি চালিয়ে তৃণমূল নেতাকে খুনের ঘটনার খবর পেয়েই আউসগ্রাম ও বুদবুদ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছায়। পরে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন ও দুর্গাপুর কমিশনারেটের উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তারাও ঘটনাস্থলে পৌছান। তদন্তে নেমে ঘটনাস্থলের খানিকটা দূর থেকে পুলিশ একটি আগ্নেআস্ত্র পায়। রাতে পুলিশ কুকুর এনেও তদন্ত চলে। বুধবার বেলা ১১ টা নাগাদ ঘটনাস্থলে পৌছায় ৪ সদস্যের সিআইডি আধিকারিক দল। তাঁরা ঘটনাস্থল ছাড়াও যে জায়গা থেকে আগ্নেয়াস্ত্রটি ও একটি জামা উদ্ধার হয়েছিল সেই জায়গা গুলি খতিয়ে দেখেন। তাঁরা মাপযোগ করেন ও ছবি তোলেন। সেখান থেকে সিআইডি আধিকারিক দলটি সোজা চলে যান নিহতের বাড়িতে। দরজা বন্ধ করে তাঁরা কথা বলেন চঞ্চল বক্সীর বাবা শ্যামল বক্সীর সঙ্গে। ওই দিন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে নিহতের দেহের ময়না তদন্ত হয়। সেখানে গিয়েও সিআইডি আধিকারিকরা বিস্তারিত খোঁজ খবর নেন চিকিৎসকদের কাছে। সিআইডি আধিকারিকরা বিকালে ফের ঘটনাস্থলে যান। নিহতের ভাই রাহুল বক্সী বুধবার পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ সুপারের কাছে তাঁর দাদাকে খুনের বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে আউসগ্রাম থানার পুলিশ খুনের ধারায় মামলা রুজু করে। তদন্তের জন্য দুই বর্ধমান জেলার পুলিশকে নিয়ে সিট গঠন করা হয়েছে। তবুও দুদিন পার হয়ে যাওয়ার পরেও খুনিরা এখনও অধাই রয়ে গিয়েছে।আরও পড়ুনঃ ঘরের দরজা ভেঙে শিক্ষিকার ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধারনিহত চঞ্চল বক্সীর বাড়িতে এদিন গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানান বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি তথা আউসগ্রামের পর্যবেক্ষক অনুব্রত মণ্ডল। চঞ্চল বক্সীর বাবা শ্যামল বক্সী জানান, তাঁর ছেলেকে বিজেপি বা সিপিএমের কেউ খুন করেছে বলে তিনি মনে করেন না। উল্টে তিনি দাবি করেন, খুনিরা সমাজ বিরোধী হতে পারে, তৃণমূলও হতে পারে। অনুব্রত মণ্ডলের কায়দাতেই এদিন শ্যামল বাবু জানিয়েদেন, তিনি চান তাঁর ছেলেকে খুনের ঘটনায় জড়িত প্রকৃত দোষীরা শাস্তি পাক। গরু, ছাগলের দুটো পাইকেরকে ধরে এনে পুলিশ যদি দেখায় ওরা দোষী তা তিনি মানবেন না। তেমনটা হলে রাস্তা অবরোধ করার পাশাপাশি বিডিও অফিস ও পঞ্চায়েত অফিসেও কাজ বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে শ্যামল বাবু এদিন হুঁশিয়ারী দিয়ে রাখেন।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
কলকাতা

Roma Jhaowar Case: ১৬ বছর বাদে দোষী সাব্যস্ত মূল অভিযুক্ত

অরবিন্দ প্রসাদ হত্যা মামলায় দোষী সাব্যস্ত হল গুঞ্জন ঘোষ-সহ মোট ৪ জন। ১৬ বছর আগের এই খুনের মামলার তদন্ত করছিল সিআইডি। আজ সেই মামলার অভিযুক্তদের হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল আলিপুর আদালত। সেই মামলার শুনানিতেই চারজনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। আগামী সোমবার এই মামলায় সাজা ঘোষণা করবেন বিচারপতি। খুনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলেও আদতে রোমা ঝাওয়ার অপহরণ-কাণ্ডের সঙ্গে যোগ ছিল এদের। আর সেই অপহরণে মুক্তিপণের পাওয়া টাকা ভাগ করতে গিয়েই অরিবন্দ প্রসাদ নামে দলেরই এক সদস্যকে খুন করে গুঞ্জন সহ চার জন।এরপর দেহ লোপাটের জন্য ধাপার মাঠে ফেলে যাওয়া হয়। গ্রেপ্তার করার পরই জানা যায় আসল সত্যি।অবশেষে এত বছর বাদে সেই ঘটনার বিচার হল।আরও পড়ুনঃ অভিজিতের দেহ নিয়ে পুলিশ-বিজেপি ধুন্ধুমার আজ যাদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে তারা হল গুঞ্জন ঘোষ, মুন্না সিং, মুকেশ সিং ও গুড্ডু যাদব। পাপ্পু নামে আরও এক অভিযুক্ত পলাতক। মোট চারটি ধারায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছে এই চারজনকে। ৩০২ অর্থাৎ খুনের মামলা, ২০১ অর্থাৎ প্রমাণ লোপাট, ৩৪ নম্বর ধারা অর্থাৎ একই উদ্দেশ্য নিয়ে করা অপরাধ ও ২৫ ও ২৭ নম্বর ধারা অর্থাৎ অস্ত্র আইনে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে এদের। সরকারি আইনজীবী প্রত্যেকের সর্বোচ্চ সাজার আবেদন করেছেন। এদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের জন্য আগেই আবেদন জানিয়েছিল সিআইডি। আলিপুর আদালতের বিচারক শেখ কামালউদ্দিন আগামী সোমবার এই সাজা ঘোষণা করবেন।২০০৫ সালে রোমা ঝাওয়ার নামে এক ব্যবসায়ীর মেয়েকে অপহরণ করা হয়েছিল। রাস্তা থেকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। রোমাকে মুক্ত করার জন্য ২০ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ চাওয়া হয়েছিল। সেই টাকা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার কথা ছিল অপহরণকারীদের। টাকার ভাগাভাগি নিয়ে বচসার জেরেই দলেরই সদস্য অরবিন্দ প্রসাদকে খুন করা হয়।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
রাজ্য

Aushgram: আউসগ্রামে তৃণমূল নেতাকে গুলি করে খুনের ঘটনায় যৌথ ভাবে তদন্ত শুরু করলো সিআইডি ও পুলিশ

ঘটনার পর পেরিয়ে গিয়েছে গোটা একটা দিন।আগ্নেআস্ত্র মিললেও মেলেনি পূর্ব বর্ধমানের আউসগ্রামের দেবশালা পঞ্চায়েতের প্রধানের ছেলে চঞ্চল বক্সীকে খুনের ঘটনায় জড়িত আততায়ীদের হদিশ। তাই আততায়ীদের হদিশ পেতে দুই বর্ধমান জেলা পুলিশের পাশাপাশি বুধবার বেলা থেকেই জোরদার তদন্তে নেমে পড়লো সিআইডি দল। মৃতর পরিজন ও আউসগ্রামের তৃণমূল নেতৃত্বের প্রত্যাশা খুব শিঘ্রই সিআইডির জালে ধরা পড়বে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা চঞ্চল বক্সীকে খুনের ঘটনায় জড়িত দুস্কৃতিরা। তার পরেই পর্দা ফাঁস হবে খুনের রহস্যের।আউসগ্রাম ২ ব্লকের গেঁড়াইয়ে মঙ্গলবার হওয়া দলীয় বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন ব্লকের দেবশালা পঞ্চায়েতের প্রধান শ্যামল বক্সী ও তার ছেলে চঞ্চল বক্সী(৪৪)। একদা দেবশালা অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি ছিলেন চঞ্চল। বৈঠক শেষে দুপুর ৩টে নাগাদ বাবা ও ছেলে একটি বাইকে চেপে দেবশালা গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন। বাইক চালাচ্ছিলেন চঞ্চল। পথে আউসগ্রাম ও বুদবুদ থানার বর্ডার লাগোয়া গেঁড়াই-মানকর রোডে উলুগড়িয়া জঙ্গলের কাছে পিছু ধাওয়া করে এসে দুস্কৃতিরা তাঁদের লক্ষ্য করে পর পর গুলি চালায়। ওই পরিস্থিতিতে শ্যামলবাবু বাইক থেকে পড়ে যান। চঞ্চলের বুকের পাঁজরে ও হাতে মোট তিনটি গুলি লাগে। তাঁকে উদ্ধার করে ওই এলাকার লোকজন স্থানীয় জামতারা হাসপাপালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক চঞ্চলকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। দিনে দুপুরে গুলির পর গুলি চালিয়ে তৃণমূল নেতাকে খুনের ঘটনার খবর পেয়েই আউসগ্রাম ও বুদবুদ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। পরে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন ও দুর্গাপুর কমিশনারেটের উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তারাও ঘটনাস্থলে পৌছান। তদন্তে নেমে ঘটনাস্থলের খানিকটা দূর থেকে পুলিশ একটি আগ্নেআস্ত্র পায়। রাতে পুলিশ কুকুর এনেও তদন্ত চলে। বুধবার বেলা ১১ টা নাগাদ ঘটনাস্থলে পৌছায় ৪ সদস্যের সিআইডি আধিকারিকের দল। তাঁরা ঘটনাস্থল ছাড়াও যে জায়গা থেকে আগ্নেয়াস্ত্রটি ও একটি জামা উদ্ধার হয়েছিল সেইসব জায়গা খতিয়ে দেখেন। তাঁরা মাপযোগ করেন ও ছবি তোলেন।সেখান থেকে সিআইডি আধিকারিক দল সোজা চলে যান নিহতের বাড়িতে। দরজা বন্ধ করে তাঁরা কথা বলেন চঞ্চল বক্সীর বাবা শ্যামল বক্সীর সঙ্গে। এদিন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে নিহতের দেহের ময়না তদন্ত হয়। সেখানে গিয়েও সিআইডি আধিকারিকরা বিস্তারিত খোঁজ খবর নেন চিকিৎসকদের কাছে। সিআইডি আধিকারিকরা বিকালে ফের ঘটনাস্থলে যান।তারই মধ্যে এদিন নিহতের ভাই রাহুল বক্সী পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ সুপারের কাছে তাঁর দাদাকে খুনের বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে আউসগ্রাম থানার পুলিশ খুনের ধারায় মামলা রুজু করেছে। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খুনের ঘটনার তদন্তের জন্য দুই বর্ধমান জেলার পুলিশকে নিয়ে সিট গঠন করা হয়েছে। চঞ্চল বক্সূকে খুনের ঘটনায় কারা জড়িত থাকতে পারে সে বিষয়ে এদিনও সঠিক কিছু জানাতে পারেননি তাঁর বাবা শ্যামল বক্সী। পুলিশের কাছে দায়ের করা অভিযোগেও কারও নাম উল্লেখ করেননি নিহতের ভাই।আউসগ্রামের বিধায়ক অভেদানন্দ থান্ডার বলেন, খুনি যারাই হোক কেউ পার পাবে না। সিআইডি তদন্তে ভরসার কথা শোনা গিয়েছে তৃণমূল বিধায়কের গলায়। ময়নাতদন্ত শেষে এদিন বিকালে নিহতের মৃতদেহ দেবশালা অঞ্চল তৃণমূল কার্যালয়ে পৌছায়। সেখানে দলের সর্বস্তরের নেতা, কর্মী ও এলাকার বিধায়ক তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১
রাজ্য

Arrest: অশোক মাঝি খুনের ঘটনায় গ্রেফতার বিধায়ক ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা

বর্ধমানের ৬ নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী অশোক মাঝি খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার জেলা নেতা শিবশংকর ঘোষ। ওই খুনের ঘটনায় জেলা নেতা আব্দুল রব, প্রাক্তন জেলা আইএনটিটিইউসি সভাপতি ইফতেকার আহমেদ ওরফে পাপ্পুকে খুঁজছে পুলিশ। দলীয় সূত্রে খবর, শিবশংকর বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাসের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত।তৃণমূল কর্মীকে খুনের ঘটনায় এর আগে দলেরই ৩ মহিলা সহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। শহর বর্ধমানের খালাসি পাড়ার তৃণমূল কর্মী অশোক মাঝি(৩৮)কে খুনের ঘটনায় ধৃতরা হল টুম্পা দাস, শেফালি বিবি, পপি বেগম ও বাবলু বাগ।আরও পড়ুনঃ বর্ধমানে তৃণমূল কর্মীকে খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার দলের ৩ মহিলা সহ ৪ জনের পুলিশি হেপাজতধৃতরা সকলেই খালাসি পাড়ার বাসিন্দা। তদন্তের প্রয়োজনে ও খুনের ঘটনায় জড়িত বাকিদের হদিশ পেতে তদন্তকারী অফিসার ধৃতদের ১০ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান। বুধবার সিজেএম ধৃতদের ৮ দিন পুলিশি হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকায় রাজনৈতিক দখলদারি কায়েম করতে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর বিরোধের জেরে কয়েকদিন ধরেই উত্তপ্ত হয়ে ছিল বর্ধমান পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড এলাকা। জানা গিয়েছে, ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলার সৈয়দ মহম্মদ সেলিম ও জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক শিবশংকর ঘোষ গোষ্ঠীর বিরোধ মঙ্গলবার দুপুরে চরমে ওঠে।আরও পড়ুনঃ গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে খুন তৃণমূল কর্মী, উত্তপ্ত বর্ধমানখুনের ঘটনায় খোকন দাস ও শিবু অনুগামীরা যুক্ত বলে অভিযোগ করেন সেলিম। যদিও খোকন দাসের দাবি, দীর্ঘ বছর ধরে সেলিমের সঙ্গে রাজার বিবাদ রয়েছে। তা থেকেই গন্ডগোলের সূত্রপাত।

আগস্ট ২৬, ২০২১
রাজ্য

Murder: বর্ধমানে তৃণমূল কর্মীকে খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার দলের ৩ মহিলা সহ ৪ জনের পুলিশি হেপাজত

নির্মম ভাবে পিটিয়ে এক তৃণমূল কর্মীকে খুনের ঘটনায় দলেরই ৩ মহিলা সহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ। শহর বর্ধমানের খালাসি পাড়ার তৃণমূল কর্মী অশোক মাঝি (৩৮)কে খুনের ঘটনায় ধৃতরা হল টুম্পা দাস, শেফালি বিবি, পপি বেগম ও বাবলু বাগ।আরও পড়ুনঃ গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে খুন তৃণমূল কর্মী, উত্তপ্ত বর্ধমানধৃতরা সকলেই খালাসি পাড়ার বাসিন্দা। বুধবার বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে নিহত তৃণমূল কর্মীর দেহের ময়নাতদন্ত হয়। এদিনই খুনের ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ চার ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। তদন্তের প্রয়োজনে ও ঘটনায় জড়িত বাকিদের হদিশ পেতে তদন্তকারী অফিসার ধৃতদের ১০ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান। সিজেএম ধৃতদের ৮ দিন পুলিশি হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ তপসিলি জাতি-উপজাতি উন্নয়নে উদারনীতি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীরপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকায় রাজনৈতিক দখলদারি কায়েম করতে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর বিরোধের জেরে কয়েকদিন ধরেই উত্তপ্ত হয়ে ছিল বর্ধমান পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড এলাকা। ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলার সৈয়দ মহম্মদ সেলিম ও জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক শিবশংকর ঘোষ গোষ্ঠীর বিরোধ মঙ্গলবার দুপুরে চরমে ওঠে। সশস্ত্র বিরোধী গোষ্ঠীর নির্মম আক্রমণে প্রাণ হারান তৃণমূল কর্মী অশোক মাঝি।আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই দিনই অশোকের স্ত্রী চন্দনা মাঝিকে উদ্ধার করে ভর্তি করা হয় বর্ধমান মেডিকেল হাসপাতালে।আরও পড়ুনঃ আন্দোলনকারী শিক্ষিকাদের বিজেপির ক্যাডার বলে তোপ শিক্ষামন্ত্রীরপ্রাক্তন কাউন্সিলার সৈয়দ মহম্মদ সেলিম আক্রমনের সবিস্তার উল্লেখ করে মঙ্গলবার রাতে বর্ধমান থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ, মঙ্গলবার দুপুর ৩ টে নাগাদ তিনি পৌরসভা থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে খালাসীপাড়া এলাকায় সশস্ত্র অবস্থায় থাকা ৫০-৬০ জন অতর্কিতে তাঁর উপর আক্রমন চালায়। তাঁকে মারতে দেখে খালাসী পাড়ার দলের কর্মী অশোক মাঝি ও তাঁর স্ত্রী চন্দনা মাঝি ছুটে আসে। মহম্মদ সেলিম বলেন, আক্রমণকারীদের হাত থেকে তিনি নিজেকে কোনওরকমে বাঁচাতে সক্ষম হন। তবে আক্রমণকাীদের নির্মম মারধরের হাত থেকে রেহাই পায়নি অশোক মাঝি ও তাঁর স্ত্রী চন্দনা। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁরা ঘটনাস্থলে পড়ে থাকে। তাঁদের দুজনকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করা হয়। সন্ধ্যায় সেখানেই দলের কর্মী অশোক মাঝি মারা যায়। আক্রমণকারী সকলে বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস সহ তৃণমূল নেতা শিবশংকর ঘোষ, আব্দুল রব, ইফতিকার আহমেদের অনুগামী। এইসব নেতাদের মদতে ও নির্দেশেই চলেছে আক্রমণ। আক্রমণকারী সহ আক্রমণে মদতকারী সকলের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে সৈয়দ মহম্মদ সেলিম এদিন দাবি করেন। একই দিনে মৃতর স্ত্রী চন্দনা মাঝিও বর্ধমান থানায় ১০ জনের নামে বর্ধমান থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ বাকি অভিযুক্তদের সন্ধান চালাচ্ছে।মৃত তৃণমূল কর্মীর মা কল্পনা মাঝি এদিন বলেন, তাঁর ছেলে অশোক পেশায় ছিল গাড়ি চালক। শিবশংকর ঘোষের দলে না ভিড়ে সেলিমের সঙ্গে থাকাটাই কাল হল ছেলে ও বৌমার। নির্মম মারধরে অকালে প্রাণ হারাতে হল ছেলে অশোককে। বৌমা চন্দনাও মারাত্মক জখম হয়েছে। ছেলেকে খুনের ঘটনায় জড়িত সকলের দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবি করেছেন কল্পনাদেবী।আরও পড়ুনঃ তালিবানের থেকে বাঁচলেও করোনা থেকে শেষরক্ষা হল নাপূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় যদিও এদিন দাবি করেন, যা ঘটেছে তা গোষ্ঠীদন্দের কোন ঘটনা নয়। এটা পাড়াগত বিবাদ। পুলিশ ঘটনার উচ্চপর্যায়ে তদন্ত শুরু করেছে। দোষীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি হবে। বিধায়ক খোকন দাস ও শিবশংকর ঘোষ এই ঘটনা নিয়ে মুখে কুলুপ আঁটায় তাঁদের কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আগস্ট ২৫, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

টলিপাড়ায় গভীর শোকের ছায়া! শুটিঙের মধ্যেই দীঘার সমুদ্রে তলিয়ে গেলেন অভিনেতা!

টলিপাড়ায় নেমে এল গভীর শোকের ছায়া। অকালপ্রয়াণ হল অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়-এর। মাত্র ৪৩ বছর বয়সেই এই মর্মান্তিক ঘটনায় স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে বাংলা বিনোদন জগৎ।দিঘার শুটিংয়ে কী ঘটেছিল?জানা গিয়েছে, রবিবার দিঘা-র তালসারি এলাকায় একটি ধারাবাহিকের শুটিং চলছিল। ভোলে বাবা পার করেগা নামের ওই ধারাবাহিকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছিলেন রাহুল। শুটিংয়ের মাঝেই তিনি সমুদ্রের জলে নামেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আচমকাই তিনি জলে তলিয়ে যান।সঙ্গে থাকা টেকনিশিয়ানরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসেন। এরপর তাঁকে তড়িঘড়ি স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতাল সূত্রে খবর, সেখানে পৌঁছানোর আগেই তাঁর মৃত্যু হয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, জলে ডুবে যাওয়ার ফলেই এই মর্মান্তিক পরিণতি।সহ-অভিনেতার বক্তব্যধারাবাহিকে রাহুলের জেঠুর চরিত্রে অভিনয় করছিলেন ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, শুটিং প্রায় শেষের দিকেই ছিল এবং প্যাক-আপের পর এই দুর্ঘটনা ঘটে।ভাস্করের কথায়,আমরা সবাই শুটিং সেরে মধ্যাহ্নভোজ করতে গিয়েছিলাম। রাহুল বলেছিল, আরও কয়েকটা শট দিয়ে আসবে। তারপর হঠাৎই এই খবর পাই। বিশ্বাসই করতে পারছি নাএকজন সুস্থ, প্রাণবন্ত মানুষ এভাবে চলে যেতে পারেন!কী নিয়ে ধোঁয়াশা?ঘটনার সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। সমুদ্রের স্রোত, অসতর্কতা, নাকি অন্য কোনও কারণসবটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শুটিং ইউনিট এবং স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে।শোকস্তব্ধ টলিপাড়ারাহুল অরুণোদয়ের অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে টলিউডে। সহকর্মী থেকে অনুরাগীসকলেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শোকপ্রকাশ করছেন। একজন প্রতিভাবান অভিনেতার এই আকস্মিক বিদায়ে বাংলা ধারাবাহিক জগতে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি হল।এই মর্মান্তিক ঘটনাটি আবারও প্রশ্ন তুলে দিলসমুদ্রতীরবর্তী এলাকায় শুটিংয়ের সময় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা জরুরি। তদন্তের রিপোর্ট সামনে এলেই হয়তো স্পষ্ট হবে, ঠিক কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটার তালিকা সংশোধন: ১৮ লক্ষ বাদ! ৪০ লক্ষ-র নিষ্পত্তি, এখনও অনিশ্চয়তায় ২০ লক্ষ নাম

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া জোরকদমে চলছে। প্রায় ৬০ লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটারের মধ্যে রবিবার পর্যন্ত প্রায় ৪০ লক্ষের তথ্য যাচাই ও নিষ্পত্তি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই প্রায় ১৮ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এখনও প্রায় ২০ লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীন রয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রথম দফার ভোটের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ৬ এপ্রিলের আগেই এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে।এখন পর্যন্ত খসড়া ও চূড়ান্ত তালিকা মিলিয়ে রাজ্যে মোট ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২ জনের নাম বাদ গিয়েছে। প্রথম অতিরিক্ত তালিকা থেকেই বাদ পড়েছে প্রায় ১২ লক্ষ নাম। Supreme Court of India-এর নির্দেশে এই বিবেচনাধীন ভোটারদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ করছেন বিচারকেরা। এই কাজে ভিন্রাজ্য থেকেও বিচারক আনা হয়েছে।২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করে Election Commission of India। তখন বিবেচনাধীন ভোটারের সংখ্যা ছিল ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫। এই বিশাল সংখ্যক আবেদন নিষ্পত্তির দায়িত্বে রয়েছেন মোট ৭০৫ জন বিচারক। কমিশন জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে ধাপে ধাপে সংশোধিত তালিকা প্রকাশ করা হচ্ছে। সেই অনুযায়ী ২৩ মার্চ রাতে প্রকাশিত হয় প্রথম অতিরিক্ত তালিকা। যদিও ওই তালিকায় কতজনের নাম যুক্ত বা বাদ পড়েছে, তার বিস্তারিত তথ্য এখনও জানানো হয়নি।এসআইআর শুরুর আগে রাজ্যে মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯। খসড়া তালিকা প্রকাশের সময় ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৯ নাম বাদ পড়ে এবং মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৬৩০। পরে ২৮ ফেব্রুয়ারির চূড়ান্ত তালিকায় আরও ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৩ জনের নাম বাদ যায়। ফলে ওই সময় পর্যন্ত মোট বাদ পড়া নামের সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২।খসড়া তালিকায় থাকা ৭ কোটি ৮ লক্ষের বেশি ভোটারের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৫২ লক্ষকে শুনানির জন্য চিহ্নিত করা হয়। এর মধ্যে নো-ম্যাপিং ভোটারের সংখ্যা ছিল ৩১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৪২৬যাঁরা ২০০২ সালের শেষ এসআইআরের সঙ্গে নিজেদের তথ্যের মিল দেখাতে পারেননি। বাকি প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ ভোটারকে তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে চিহ্নিত করা হয়।সব মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি ৪২ লক্ষ ভোটারের শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ৮২ লক্ষ ভোটারের নথি গ্রহণযোগ্য বলে মনে করেছে কমিশন। অন্যদিকে, শুনানির ভিত্তিতে বাছাই করে ৫ লক্ষের বেশি নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এরপরই প্রকাশিত হয় প্রথম দফার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা, যেখানে রাজ্যের মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ২৮৪। তবে সেই তালিকাতেও ৬০ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম বিবেচনাধীন হিসেবে রেখে দেওয়া হয়।নির্বাচনের মুখে এই বৃহৎ পরিসরের যাচাই প্রক্রিয়া প্রশাসনের কাছে যেমন বড় চ্যালেঞ্জ, তেমনই রাজনৈতিক দিক থেকেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এখন নজর, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাকি থাকা ভোটারদের ভাগ্য কীভাবে নির্ধারণ করে কমিশন।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

পুনর্নির্বাচন ঘিরে তীব্র অভিযোগ, “আমাদের এলাকাতেই টার্গেট”— মমতার দাবি

পুরুলিয়ার সভা থেকে আবারও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, যেখানে তৃণমূল শক্তিশালী, সেখানেই পরিকল্পিতভাবে পুনর্নির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।সভামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মা-বোনেরা নির্বাচনের দিন ভাল করে বুথ পাহারা দেবেন। ওদের পরিকল্পনা আমাদের এলাকাগুলোতে পুনর্নির্বাচন করানো। অনেক চক্রান্ত হচ্ছে, এটা দিল্লির চক্রান্ত। এই চক্রান্ত আমরা ব্যর্থ করে দেব। তিনি আরও বলেন, মনে রাখবেন, সুস্থ বাঘের থেকে আহত বাঘ আরও ভয়ঙ্কর।মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, তাঁর কাছ থেকে প্রশাসনিক অনেক ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তবে তিনি মানুষের শক্তির ওপরই ভরসা রাখছেন। তাঁর কথায়, আমি মানুষের ক্ষমতা চাই। মানুষই এর জবাব দেবে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন এ বার অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে কড়া অবস্থান নিয়েছে। কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, কোথাও ভয় দেখানো হলে বা ভোট দিতে বাধা দেওয়া হলে তা গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজন হলে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।কমিশনের এক পর্যবেক্ষক জানান, যদি কোনও ভোটার নিজের বুথে গিয়ে ভোট দিতে না পারেন বা বাধার মুখে পড়েন, তবে সেটিকে গুরুতর সমস্যা হিসেবে ধরা হবে। সেই ক্ষেত্রে পরিস্থিতি বিবেচনা করে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকও জানিয়েছেন, আগে পুনর্নির্বাচন ছিল ব্যতিক্রমী ঘটনা। কিন্তু এখন কোনও সন্দেহ বা অভিযোগ উঠলেই তা খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরাও পুনর্নির্বাচনের সুপারিশ করতে পারবেন।এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য এবং কমিশনের কড়া অবস্থান দুই মিলিয়ে রাজ্যের নির্বাচনী আবহ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

টিকিট না পেয়ে বিস্ফোরক অসিত! রচনার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগে তোলপাড় চুঁচুড়া

সাংবাদিক বৈঠকে অসিত মজুমদার বলেন, রচনা চান না দেবাংশু জিতুক। সবাইকে নিয়ে চলার মানসিকতা তাঁর নেই। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার বলেছেন সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলতে, কিন্তু তিনি তা মানছেন না। এখানেই থেমে থাকেননি তিনি। তাঁর অভিযোগ, রচনার জন্যই তিনি টিকিট পাননি। তাঁর কথায়, আমি এখনও বিধায়ক, অথচ মিছিলে আমার নাম নেই। রচনা দেবাংশুকে নিয়ে মিছিল করবে আর নির্দেশ দেবে, এটা মেনে নেওয়া যায় না।তিনি আরও বলেন, যাঁরা টিকিট পাননি সেই ৭৪ জন বিধায়ককে অপমান করা হয়েছে। রচনাকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ও নতুন এসে দল শেখাবে? ও চান না দেবাংশু জিতুক। দীর্ঘদিনের সংগঠক হিসেবে নিজের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন অসিত।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমরা দীর্ঘদিন লড়াই করে দলকে এগিয়ে এনেছি। এখন যারা নতুন, তারা এসে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে। তাঁর অভিযোগ, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে ভুল তথ্য পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।ক্ষোভের সুরে তিনি আরও বলেন, দল যা বলেছে তাই করেছি। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে পুরনোদের আর বিশ্বাস করা হচ্ছে না। রচনাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, দম থাকলে চুঁচুড়ায় নির্দলে দাঁড়ান। আমিও দাঁড়াব। যদি ওর থেকে বেশি ভোট না পাই, তবে মাথা ন্যাড়া করে জেলায় ঘুরব।অন্যদিকে, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় এই অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, নতুন প্রার্থী নির্ধারণ করেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। পুরনো প্রার্থীদের ক্ষেত্রে মানুষের বিশ্বাস এবং সমর্থনের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই প্রক্রিয়ার ভিত্তিতেই প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।এই ঘটনার পর চুঁচুড়া সহ গোটা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের অন্দরমহলের এই দ্বন্দ্ব আগামী নির্বাচনে কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেক আসার আগেই সভায় হাঙ্গামা, তৃণমূলের অন্দরেই সংঘাত প্রকাশ্যে

নওদায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাকে ঘিরে আচমকা চরম বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি তৈরি হল। সভামঞ্চের সামনেই তৃণমূল কর্মীদের একাংশ বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। একে অপরের দিকে চেয়ার ছুড়ে মারার ঘটনাও দেখা যায়। ফলে সভাস্থলের একটি বড় অংশ লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়।চোখে পড়ে, এক যুবক মঞ্চের সামনে এসে বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তাঁর পরনে ছিল সাদা রঙের টি-শার্ট। মূলত বিধানসভা নির্বাচনে পছন্দের নেতাকে টিকিট না দেওয়ার অভিযোগেই এই বিক্ষোভ শুরু হয়।জানা গিয়েছে, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি শফিউজ্জামান শেখ টিকিট না পাওয়ায় তাঁর অনুগামীরাই এই বিক্ষোভে সামিল হন। তাঁরা মিছিল করে সভামঞ্চের সামনে চলে আসেন। প্রথমে তাঁরা দর্শক আসনের বাইরে ছিলেন। পরে ব্লক সভাপতি ভিতরে ঢোকার পর হঠাৎ করেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য মঞ্চ থেকে দলের নেতারা বারবার কর্মীদের শান্ত থাকার আবেদন জানান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কিছুক্ষণের মধ্যেই সভায় উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই ভাঙা চেয়ার গুছিয়ে নেওয়ার কথাও বলা হয়। কিন্তু সেই কথা অনেকেই উপেক্ষা করে বিক্ষোভ চালিয়ে যান। আগে থেকে বসে থাকা অনেককে সেখান থেকে উঠে যেতে বাধ্য করা হয়।এই ঘটনার জেরে সভাস্থলে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। সূত্রের খবর, নওদা কেন্দ্রে এ বার টিকিট পেয়েছেন শাহিনা মমতাজ। সেই কারণেই ব্লক সভাপতির অনুগামীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।এই ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
কলকাতা

এক ধাক্কায় ৮৩ অফিসার বদলি, ভোটের আগে বড় পদক্ষেপ কমিশনের!

নির্বাচনের আগে প্রশাসনিক মহলে বড়সড় রদবদলের সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। এক ধাক্কায় ৮৩ জন বিডিও এবং সহকারী রিটার্নিং আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, রাজ্যের একাধিক জেলায় এই বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক আধিকারিককে সরানো হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে ১৪ জন এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১১ জন আধিকারিকের বদলি হয়েছে।উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের একাধিক ব্লকের বিডিও বদল করা হয়েছে। মালদহ ও মুর্শিদাবাদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্লকেও এই রদবদল হয়েছে। পাশাপাশি নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনার একাধিক জায়গাতেও বদলি হয়েছে আধিকারিকদের।দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন হয়েছে। মগরাহাট, বাসন্তী, কাকদ্বীপ, ফলতা, বিষ্ণুপুর, মিনাখা, পাথরপ্রতিমা, ডায়মন্ড হারবার, মথুরাপুর, ক্যানিং ও ভাঙড়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্লকে নতুন বিডিও নিয়োগ করা হয়েছে। হাওড়া এবং হুগলির বেশ কয়েকটি এলাকাতেও এই বদল কার্যকর করা হয়েছে।পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি, চণ্ডীপুর, পটাশপুর, তমলুক, রামনগর, মহিষাদল, নন্দীগ্রাম, কাঁথি, এগরা, ভগবানপুর ও সুতাহাটার মতো জায়গাতেও একাধিক বিডিও বদলি হয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরেও একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এছাড়াও পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান এবং বীরভূম জেলার একাধিক ব্লকের বিডিও বদল করা হয়েছে। এই হঠাৎ রদবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, এর আগে একাধিকবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে প্রশাসনের আধিকারিকদের সরানো হচ্ছে। সেই অভিযোগের আবহেই কমিশনের এই বড় সিদ্ধান্তকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

“আমাকে মারার ছক কষছে?” পুরুলিয়া থেকে বিস্ফোরক মমতা, তীব্র আক্রমণ শাহকে

শনিবার রাজ্যে এসে তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কলকাতার একটি হোটেলে বসে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে বলেন, তিনি নাকি বারবার ভিক্টিম কার্ড খেলেন। এই মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে পুরুলিয়ার জনসভা থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এবার কি আমাকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করছে?শাহর অভিযোগ ছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কখনও পায়ে চোট পান, কখনও কপালে ব্যান্ডেজ বাঁধেন, আবার কখনও অসুস্থ হয়ে নিজেকে অসহায় হিসেবে তুলে ধরেন। তাঁর মতে, বাংলার মানুষ এই ধরনের রাজনীতি ভালোভাবেই বুঝে গিয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনকে অপমান করা বাংলার সংস্কৃতির বিরোধী।এই বক্তব্যের পাল্টা দিতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ওরা বলছে আমি নাকি ব্যান্ডেজ নিয়ে ঘুরি। আমি বহুবার মৃত্যুর মুখ থেকে লড়াই করে ফিরেছি। হাসপাতালে গিয়ে আমার রিপোর্ট দেখে আসুন। আমার ওপর কী অত্যাচার হয়েছে, তা আপনারা জানেন না। তিনি আরও দাবি করেন, আগের নির্বাচনের সময় ইচ্ছা করে তাঁর পায়ে আঘাত করা হয়েছিল। তখনও তিনি প্লাস্টার নিয়ে হুইলচেয়ারে করে মানুষের কাছে পৌঁছেছিলেন।নন্দীগ্রামে বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁর পায়ে চোট লাগার ঘটনাও তিনি তুলে ধরেন। সেই সময় তিনি অভিযোগ করেছিলেন, কিছু অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি তাঁকে ধাক্কা দেয়, যার ফলে গাড়ির দরজা তাঁর পায়ে লাগে। যদিও তদন্তে জানানো হয়েছিল, সেটি পরিকল্পিত হামলা নয়, বরং দুর্ঘটনা।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এভাবে কথা বলার মানে কী? কেউ কাউকে আক্রমণ করার আগে পরিকল্পনা করে। যে ভুল করে, সে কিছু প্রমাণ রেখে যায়। তাঁর কথাতেই বোঝা যাচ্ছে, কিছু একটা পরিকল্পনা চলছে।২০২৪ সালেও তাঁর মাথায় গুরুতর চোট লাগে। তখন জানা গিয়েছিল, নিজের বাড়িতে পড়ে গিয়ে তিনি আঘাত পান এবং কয়েকদিন তাঁর মাথায় ব্যান্ডেজ ছিল।মমতার এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আসলে ভয় পেয়েছেন। তাঁর দাবি, এই অভিযোগপত্র বাংলার মানুষের কথা বলছে এবং মুখ্যমন্ত্রীর উচিত রাজ্যের উন্নয়ন নিয়ে কথা বলা।

মার্চ ২৯, ২০২৬
কলকাতা

টিকিট না পেয়ে বিস্ফোরণ! তৃণমূল ছাড়ার ইঙ্গিত সুনীল সিংয়ের, নোয়াপাড়ায় বাড়ছে ক্ষোভ

প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই রাজ্যের শাসকদলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছে। অনেক বিধায়ক টিকিট না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। সেই ক্ষোভ এবার প্রকাশ্যে আনলেন নোয়াপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক সুনীল সিং। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আর তৃণমূলে থাকতে চান না তিনি।নোয়াপাড়ায় তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যকে বেছে নেওয়ায় ক্ষুব্ধ সুনীল। তাঁর অভিযোগ, এলাকার বাইরে থেকে প্রার্থী এনে দলের ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, নোয়াপাড়ার মানুষ এই সিদ্ধান্তে খুশি নন। দলের কর্মীরাও ক্ষুব্ধ। তাঁর কথায়, এলাকায় অনেক যোগ্য নেতা থাকলেও তাঁদের কাউকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।একইসঙ্গে তিনি বলেন, চারবারের বিধায়ক মঞ্জু বসুকে প্রার্থী না করায় নোয়াপাড়ার মানুষ অপমানিত বোধ করছেন। এই সিদ্ধান্ত মানুষ মেনে নেবে না বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর মতে, রাজ্যে যেমন পরিবর্তন এসেছিল, তেমনই নোয়াপাড়াতেও পরিবর্তন আসতে পারে।উল্লেখ্য, মঞ্জু বসুও আগে টিকিট না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, টাকা না দেওয়ার কারণেই তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি।সুনীল আরও প্রশ্ন তুলেছেন, কেন এলাকার বাইরে থেকে প্রার্থী আনা হল। তাঁর বক্তব্য, স্থানীয় অনেকেই প্রার্থী হওয়ার যোগ্য ছিলেন, কিন্তু তাঁদের কাউকেই বেছে নেওয়া হয়নি। তিনি দাবি করেন, নোয়াপাড়ার মানুষ বাইরের প্রার্থীকে ভোট দিতে রাজি নন।এর আগেও সুনীল সিংয়ের দলবদল নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। তিনি বিরোধী শিবিরের এক নেতার সঙ্গে দেখা করেছিলেন, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়। সেই সময় তাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ নিয়েও অনেক জল্পনা তৈরি হয়েছিল।এখন সুনীল সিংয়ের গলায় স্পষ্ট অভিমান। তিনি বলেন, দলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তাঁকে বিশ্বাস করা হয়নি। তাঁর মতে, যে দলে বিশ্বাস নেই, সেখানে থাকার কোনও মানে হয় না। তাই ভবিষ্যতে তিনি কী সিদ্ধান্ত নেবেন, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal