• ৯ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Man

রাজ্য

অনুব্রত মন্ডলের মাথায় রুপোর মুকুট, কটাক্ষ দিলীপের

কেউ বলছেন ঝেঁটিয়ে সাফ করে দিন। কেউ বলছেন থেকে ঠেঙিয়ে পগার পার করে দিন। ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের আগে জানুয়ারির প্রথমেই তাপ উত্তাপ চরমে উঠেছে। এসবের মাঝেই বীরভূমের দোর্দণ্ডপ্রতাপ তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অনুব্রত মণ্ডল মাথায় রুপোর মুকুট পড়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন।কোথায় পেলেন এই মুকুট? অনুব্রত গিয়েছিলেন নানুরের একটি মেলাতে। সেই মিলন মেলায় উদ্যোক্তারা তাঁকে একটি দু কেজি ওজনের রুপোর মুকুট উপহার দেন। তিনি সেই রুপোর মুকুট পরে মঞ্চে বসেছিলেন। সেই দৃশ্য দেখতে মঞ্চের সামনে হাজির জনতা হা করে তাঁর দিকে তাকিয়ে ছিলেন। অদ্ভুত সেই দৃশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরে বেড়াচ্ছে।মুকুট পরে হালকা মেজাজে থাকলেও বিজেপির বিরুদ্ধে হুঙ্কার দিতে ছাড়েননি বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি। তাঁর হুঁশিয়ারি, ঠেঙিয়ে বিজেপিকে পগার পার করে দিন। এডাল থেকে ওডাল উঠলেই হবে নাকি। বড় হনু নাকি? মন্তব্য অনুব্রতর।এদিকে তাঁর মাথায় রুপোর মুকুট দেখে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ এর মুখ বন্ধ করে রাখতে পারেননি। তিনি কটাক্ষ করতে ছাড়েননি অনুব্রত মন্ডলকে। দিলিপের বক্তব্য, রাজ্য, রাজ্যপাট চলে যাবে। আর মুকুট পরার সময় পাবে না। তাই আগেভাগেই মুকুট পড়ে নিয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। অনুব্রত রুপোর মুকুট নিয়ে রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

জানুয়ারি ০২, ২০২১
রাজ্য

এবার 'বেসুরো' তৃণমূল সাংসদ সুনীল মণ্ডল

এবার বেসুরো বর্ধমান পূর্বের তৃণমূল সাংসদ সুনীল মণ্ডল। তিনি বলেন, দল এই বিপদের মুহূর্তে একজোট হচ্ছে না। খোকন দাস, জিতেন্দ্র তিওয়ারি বোমা ফাটিয়েছেন। এরা সবাই এক নম্বর সৈনিক। দলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে বাধ্য হয়ে সবাই বোমা ফাটাচ্ছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন,দলের মধ্যে যারা তোলাবাজ, যারা বিভ্রান্তির সৃষ্টি করছে তারাই দলে ভাল পদ পাচ্ছে। এটা নিয়েই তৃণমূলের যাঁরা প্রকৃত কর্মী তাঁদের ক্ষোভ বাড়ছে। আরও পড়ুন ঃ জোয়ারে আসে, ভাটায় চলে যায়, নাম না করে বেসুরোদের তোপ মমতার প্রশান্ত কিশোর সম্পর্কে সুনীল মণ্ডল বলেন, ও বাংলার রাজনীতি নিয়ে কি বোঝে? সাংগঠনিক শক্তি যদি কোনও দলে মজবুত না হয় তাহলে সে দল বেশিদিন টিকে থাকতে পারে না। যে পয়সা নিয়ে রাজনীতি করে সে কি বোঝে। ভাড়াটে সৈন্য দিয়ে কখনও যুদ্ধ জয় করা যায় না। ওই স্তাবকেরা কথা বলবে, আদেশ দেবে সেটা মেনে নেব না। ওর থেকে আমাদের লেখাপড়া ও রাজনৈতিক শিক্ষা বেশি। এইভাবে দল চলতে পারে না। প্রয়োজনে দল ছাড়ারও হুমকি দেন তিনি। যদিও ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি বলেছেন, শুভেন্দুর সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরিচয়। এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নিইনি। সুনীল মণ্ডল দলের বিরুদ্ধে মুখ খোলার পরেই বুধবার সকালে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তাঁর ছবি দিয়ে পোস্টার পড়েছে কাঁকসা থানার সামনে এবং তাঁর বাড়ির আশেপাশে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
রাজ্য

হাওড়া স্টেশন থেকে প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা সহ ধৃত ১

কয়েক লক্ষ টাকা ভরতি ব্যাগ নিয়ে হাওড়া স্টেশনে ঘোরাঘুরি করছিল এক ব্যক্তি। শনিবার দুপুর দেড়টা নাগাদ সেই ব্যক্তির খোঁজেই তল্লাশি চালাচ্ছিল আরপিএফ জওয়ানরা। তল্লাশি চালানোর সময় জওয়ানদের চোখে পড়ে পাশের ক্যাব রোডে পিঠে নীল রঙের পিট্টু ব্যাগ নিয়ে এক ব্যক্তি সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করছে। জওয়ানদের দেখে ভয় পেয়ে পালাতে গিয়ে ধরা পড়ে গেল সে। তার কাছ থেকে ২৪লক্ষ ৫০হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়া স্টেশনের ওল্ড কমপ্লেক্সের ৮নম্বর প্ল্যাটফর্মে। ধৃত ব্যক্তির নাম সরোজ কুমার(২৪)। বিহারের বেগুসরাই জেলার ছেরিয়া বারিয়ারপুর থানা এলাকার ১০নম্বর ওয়ার্ডের সাপুরের বাসিন্দা। আরও পড়ুন ঃ পূর্বস্থলীতে বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধা্র সে আরো জানায় শনিবার ডাউন পাটনা-হাওড়া জনশতাব্দী এক্সপ্রেস হাথিদাহ জংশন থেকে হাওড়া আসে ওই বিপুল পরিমাণ নগদ নিয়ে। ওই টাকা কলকাতার বউবাজারের এক সোনার দোকানে দেওয়ার জন্য তাকে দিয়েছিলেন তার মালিক পবন। এরপরে তাকে আরো নানা কথা জিজ্ঞাসা করা হলে সে সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেনি। এরপর বিকেল ৪টে নাগাদ নিজেদের হেফাজত থেকে নগদ অর্থসহ ধৃত ব্যক্তিকে হাওড়া জিআরপিকে হস্তান্তর করা হয়।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২০
রাজ্য

ইস্তেহার নিয়ে বৈঠকে বিজেপি

নির্বাচনের আগে ইস্তেহার নিয়ে আলোচনার জন্য বৈঠকে বসল বিজেপির ইস্তাহার বিষয়ক কমিটি। বৃহস্পতিবার শহরের একটি হোটেলে তারা বৈঠকে বসে। ওই বৈঠকে ছিলেন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়-সহ দলের ১৪ জন সাংসদ। সাধারণত ভোটের কাছাকাছি সময়ে শুরু হয় ইস্তাহার তৈরির প্রক্রিয়া। তবে অপেক্ষা করতে নারাজ বিজেপি নেতৃত্ব। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূলই আসল ভোগীঃ দিলীপ ইস্তাহার বিষয়ক কমিটির সুভাষ সরকার, রন্তিদেব সেনগুপ্ত, অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায় ও অসীম ঘোষ। হাজির হন ১৪ জন সাংসদ। রাজ্য বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় নেতৃত্বে বৈঠক হয়েছে। সূত্রের খবর, এলাকাভিত্তিক বিভিন্ন বিষয়ের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। নথিবদ্ধ করা হয়েছে সমাজের বিভিন্ন অংশের মানুষের অভাব-অভিযোগ। এ দিনই দিলীপ ঘোষ ডাক দিয়েছেন, সবাই মিলে লড়ব, সোনার বাংলা গড়ব। সংবিধান দিবস নতুন কর্মসূচির সূচনা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। নাম দেওয়া হয়েছে, আমরা সবাই সাংসদ। আমাদের দিলীপদা ওয়েবসাইটে সরাসরি সমস্যা বলতে পারবেন সাধারণ মানুষ।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
কলকাতা

করোনায় আক্রান্ত কংগ্রেস নেতা আব্দুল মান্নান

করোনায় আক্রান্ত হলেন বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা আব্দুল মান্নান। তিনি রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতাও। মঙ্গলবার রাতে তাঁর কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। হাই সুগার-সহ একাধিক কো-মর্বিডিটি থাকায় বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতাকে ভরতি করা হয়েছে এক বেসরকারি হাসপাতালে। তবে তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। আরও পড়ুনঃ অগ্নিমিত্রা পলের মন্তব্যের কড়া নিন্দা পার্থর জানা গিয়েছে, সম্প্রতি দার্জিলিংয়ে গিয়েছিলেন চাঁপদানির এই বিধায়ক। সেখান থেকে ফিরেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তাঁর ফুসফুসে সংক্রমণ হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। আপাতত তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল। বিরোধী দলনেতার এই অসুস্থতার খবরে উদ্বিগ্ন বিধান ভবন। দ্রুত সুস্থতা কামনায় শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সহকর্মী, অনুরাগীরা।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
রাজ্য

এনামূলের ল্যাবরেটরিতে অনুব্রত মণ্ডল সহ অনেকেরই ভ্যাকসিন তৈরি হচ্ছেঃ সায়ন্তন

অনুব্রতকে দিয়ে শুরু করে এরপর যে যে তৃণমূল নেতার ভাইরাস রয়েছে তাঁদের টিকাদান কর্মসূচী নেবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি। রবিবার দুর্গাপুরের মায়াবাজারে চায়ে পে চর্চায় যোগ দিয়ে এই মন্তব্য করেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। তিনি তৃণমূলকে আক্রমণ করে আরও বলেন, ইডি, সিবিআই, আইটি , এনামূলের ল্যাবরেটরিতে অনুব্রত মণ্ডল সহ অনেকেরই ভ্যাকসিন তৈরি হচ্ছে। অনুব্রত মণ্ডলের মতো কয়েকশো ভাইরাস আছে তাঁদের উপর প্রয়োগ করা হবে। আর ছয় মাস অপেক্ষা করুন। আরও পড়ুন ঃ পারদ অনেকটাই নেমে ফিরল শীতের আমেজ বহিরাগত ইস্যুতে এদিন সায়ন্তনবাবু পালটা প্রশ্ন করেন, পিকে কোন রাজ্যের বাসিন্দা? এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, আমাদের সর্বভারতীয় দল। কেন্দ্রীয় নেতারা আসবেন। আমাদের রাজ্য নেতারাও ভিন রাজ্যে যান। তৃণমূলের ভোটের প্রচারে বাংলাদেশ থেকে চিত্র তারকা আসতে পারেন কিংবা জামাত, রোহিঙ্গারা তারা বহিরাগত নয় প্রধানমন্ত্রী এখানে বহিরাগত? তৃ্ণমূল সাংসদদের বিজেপিতে যোগদানের প্রসঙ্গে সায়ন্তনবাবু বলেন, এই বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।

নভেম্বর ২২, ২০২০
বিদেশ

একটানা ৭ দিন ঘুমিয়ে থাকতে পারেন বাংলাদেশের মানিকগঞ্জের যুবক

একজন স্বাভাবিক মানুষ কতক্ষণ ঘুমোতে পারেন ৮ ঘন্টা। খুব বেশি হলে ১০ ঘণ্টা। কিন্তু কখনও কি শুনেছেন , কোনও মানুষ ৭ দিন একটানা ঘুমিয়ে থাকতে পারে। কোনওরকম খাওয়াদাওয়া ছাড়াই। সকাল থেকে বিকেল হয়ে গেলেও তার ঘুম থেকে ওঠার নাম নেই। হ্যাঁ , এরকম অদ্ভূত প্রকৃ্তির মানুষের সন্ধান পাওয়া গেছে বাংলাদেশের মানিকগঞ্জের কৃষ্ণপুর গ্রামে। শুধু তাই নয় , টয়লেটে গিয়েও তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। সেখানে কেটে যায় দু থেকে তিনদিন। এমন অদ্ভূত প্রকৃ্তির মানুষের নাম তো জানতেই হবে। তার নাম ভোম্বল শীল (৩৫)। তার এই অস্বাভাবিক জীবনযাপন চলছে ২০ বছর ধরে। এই জীবনযাপনে তার কোনও অসুবিধেই হয়নি। বরং দিব্যি কাটিয়ে দিয়েছেন বছরের পর বছর। চলাফেরা ও কথাবার্তা শুনলে বোঝা যাবে না , আর পাঁচজন মানুষের থেকে তিনি কতটা আলাদা। আরও পড়ুন ঃ দীপাবলির শুভেচ্ছা জানালেন জো বিডেন ও কমলা হ্যারিস তার অস্বাভাবিক জীবনের নিদর্শন আরও আছে। অথচ একাই তিনি ১০ জনের খাবার খেয়ে নিতে পারেন। কিন্তু তার দেহ জীর্ণ ও শীর্ণকায়। এমন রেকর্ডও তার রয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে গেলে কেবল তারই খাওয়া হয় পেটভোরে। ভোম্বলকে তাই খেতে দিতে পারে না পরিবারের লোকেরা। ্এছাড়াও স্নান করতে গেলেও অনেকক্ষণ সময় লাগে। চিকিৎসকরা বলছেন , ভোম্বল জটিল মানসিক রোগে আক্রান্ত । দ্রুত চিকিৎসা করলে তার সুস্থ হয়ে ওঠা সম্ভব। কিন্তু অর্থের অভাবে সেই চিকিৎসাও আটকে রয়েছে। কারণ , ভোম্বলের ভাইয়ের পক্ষে চিকিৎসার খরচ টানা সম্ভব নয়।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
রাজ্য

বিধানসভা নির্বাচনে জোটবদ্ধ হয়েই লড়বে বাম- কংগ্রেস

আগামী বিধানসভা নির্বাচনে জোট বেধে লড়বে বাম - কংগ্রেস। মঙ্গলবার জোট নিয়ে আজ আরও এক দফা বৈঠক ছিল বাম ও কংগ্রেসের। বৈঠক পর একসঙ্গে সাংবাদিক বৈঠক করেন অধীর চৌধুরি ও বিমান বসু। বিমান বসু জানান, বাংলায় জোট শক্তিশালী হচ্ছে। অধীরবাবু বলেন , জোটকে অস্বীকার করা যাচ্ছে না। তবে আসন-বণ্টন কী হবে তা নিয়ে আজকের বৈঠকে কোনও আলোচনা হয়নি। এই বিষয়ে আগামীদিনে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান অধীরবাবু। এছাড়াও ২৬ নভেম্বর বামেদের ডাকা সাধারণ ধর্মঘটে শামিল হবে কংগ্রেসও। ধর্মঘটের সমর্থনে ২৩ নভেম্বর মিছিল করবে বাম ও কংগ্রেস। মেট্রো চ্যানেল থেকে হেদুয়া পর্যন্ত পদযাত্রা করবেন অধীর-বিমানরা । ২৬ নভেম্বর বামেদের ডাকা সাধারণ ধর্মঘটে শামিল হবে কংগ্রেসও । ধর্মঘটের সমর্থনে ২৩ নভেম্বর মিছিল করবে বাম ও কংগ্রেস। মেট্রো চ্যানেল থেকে হেদুয়া পর্যন্ত পদযাত্রা করবেন অধীর-বিমানরা। আরও পড়ুন ঃ শহিদ সুবোধ ঘোষের অন্ত্যেষ্টিতে বিজেপি সাংসদকে প্রবেশে বাধা , সমালোচনায় ধনকড় অন্যদিকে , এদিন জাঙ্গিপাড়ায় ফুরফুরা শরিফে পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী এবং পীরজাদা ইব্রাহিম সিদ্দিকীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরি এবং বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নান। ফুরফুরায় আসার আগে ডানকুনিতে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেন অধীরবাবু । সেখানে দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে বার্তা দেন, পশ্চিমবঙ্গের মানুষের স্বার্থে বিজেপি ও তৃণমূলকে দূরে রাখতে হবে এবং সাধারণ মানুষকে বোঝাতে হবে পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে কংগ্রেস এবং বামেদের উপর। ফুরফুরায় দুই পীরজাদার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেন, সিদ্দিকী সাহেবরা বাংলার সর্বস্তরের, সর্বধর্মের মানুষের জন্য মঙ্গল কামনা করেন। ফুরফুরা শরিফ একটি পীঠস্থান । বাংলার রাজনীতিতে ধর্মনিরপেক্ষ শক্তি হিসেবে কংগ্রেস এবং বাম আগামী দিনে জোটবদ্ধভাবে লড়াই করতে চাইছে। বাংলাকে রক্ষা করার স্বার্থে ধর্মনিরপেক্ষ শক্তির হাত মজবুত করা দরকার। তাই পীরজাদাদের কাছে দোয়া করার আবেদন করেছি ।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
রাজ্য

দলের মহিলা কর্মীকে কুপ্রস্তাব, তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে এফআইআর

ফের বিতর্কে হলদিয়ায় শাসক দলের নেতা তথা প্রাক্তন চেয়ারম্যান দেবপ্রসাদ মণ্ডল। হলদিয়া শহরে শুভেন্দু অধিকারীর বিরোধী গোষ্ঠীর এই নেতাকে শহর তৃণমূলের সহ সভাপতি পদে বসানো হয়েছে। খারাপ ইমেজের এমন একজনকে রাজ্য নেতৃত্ব পদ দেওয়ায় অসন্তোষ বাড়ছিল তৃণমূলের অন্দরে। পদে বসেই নিজের জাত চেনালেন দেবু মণ্ডল। হলদিয়ার এই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে অশালীন ইঙ্গিত এবং কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ তুললেন দলেরই এক মহিলা কর্মী! সদ্য হলদিয়া টাউন ব্লক তৃণমূলের সহ সভাপতি, হলদিয়া পুরসভার বর্তমান ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও প্রাক্তন চেয়ারম্যান দেবপ্রসাদ মণ্ডলের বিরুদ্ধে অশালীন ইঙ্গিত ও কুপ্রস্তাব দেওয়ার প্রমাণ-সহ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তৃণমূলের মহিলা কর্মী চান্দ্রেয়ী বিশ্বাস। চান্দ্রেয়ী বিশ্বাস গত ২০১২ সালে হলদিয়া পুরসভা নির্বাচনে তৃণমুলের টিকিটে প্রার্থীও হয়েছিলেন। সেই চান্দ্রেয়ীদেবী দলেরই নেতা দেবপ্রসাদ মণ্ডলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলায় অস্বস্তিতে পড়েছে তৃণমূল। তাঁকে লাগাতার হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ ও ভিডিও কল যে দেবপ্রসাদ মণ্ডল করতেন তার স্ক্রিনশট-সহ হলদিয়া থানার পুলিশের কাছে অভিযোগ জানান চান্দ্রেয়ীদেবী। শুভেন্দু-বিরোধী এই নেতার বিরুদ্ধে পুলিশ পদক্ষেপ করে কিনা সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল। অভিযুক্ত নেতা অভিযোগ অস্বীকার করলেও তার সপক্ষে কিছু জানাতে পারেননি। তৃণমূল নেতা, কর্মীরা পদাধিকারীর এমন কাণ্ড শীর্ষ নেতাদের নজরে আনতে চাইছে। যদিও রাজ্যজুড়ে পিকের টিমের রিপোর্টের ভিত্তিতে গঠিত কমিটি নিয়ে যা চলছে তাতে আদৌ কিছু হবে কিনা তা নিয়ে সন্দিহান। বিজেপি গোটা বিষয়টি গ্যালারিতে বসে আপাতত উপভোগ করছে।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
কলকাতা

কালীপুজোর মণ্ডপেও নো-এন্ট্রিঃ হাইকোর্ট

কালীপুজোর মণ্ডপেও দুর্গাপুজোর মতো নো-এন্ট্রি থাকবে বলে জানিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। পাশাপাশি গোটা নভেম্বর মাসজুড়ে বাজি কেনাবেচার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বিচারপতি সঞ্জীব বন্দোপাধায় ডিভিশন বেঞ্চ। ফলে কালীপুজোর পাশাপাশি ছট, জগদ্ধাত্রী পুজোতেও ফাটানো যাবে না বাজি। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ, ৩০০ বর্গমিটারের মণ্ডপে ৫ মিটার দূরে নো এন্ট্রি বোর্ড থাকবে। আরও পড়ুন ঃ আলু-পেঁয়াজের দামের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের হাতেঃ মমতা একসঙ্গে ১০ জন ঢুকতে পারবে এই আয়তনের মণ্ডপে ৷ মণ্ডপ থেকে ৫ মিটার দূরত্বে থাকবেন ঢাকি ৷ অন্যদিকে ৩০০ বর্গমিটারের থেকে বড় মণ্ডপে একসঙ্গে ৪৫ জন ঢুকতে পারবে । জগদ্ধাত্রী ও কার্তিক পুজোর ক্ষেত্রেও একই নির্দেশ বহাল থাকবে। এইসঙ্গে অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধিকে মান্যতা দিতে হবে। পাশাপাশি বিচারপতিরা জানিয়েছেন , কালীঘাট, দক্ষিণেশ্বর , তারাপীঠ, কল্যাণেশ্বরী মন্দিরের ভিড় নিয়ন্ত্রণ করবে পুলিশ। কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে, তা ঠিক করবে পুলিশই।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
উৎসব

কবিগুরুর "দুঃসময়" কবিতাকে আশ্রয় করেই সেজে উঠেছে চেতলা অগ্রণীর মণ্ডপ

কলকাতার মেগাপুজোগুলোর অন্যতম চেতলা অগ্রণী। এই পুজো মন্ত্রী ববি হাকিমের পুজো হিসেবে বেশি পরিচিত। প্রত্যেক বছরই লক্ষ লক্ষ মানুষের পদার্পণ হয় এই মণ্ডপে। এবার পরিস্থিতিটা একটু অন্যরকম। হাইকোর্টের নির্দেশে মণ্ডপের ভিতরে দর্শকদের প্রবেশাধিকার নেই। তাই এখানকার পুজো কমিটির সঙ্গে যু্ক্ত সকলেরই মন খারাপ। প্রসঙ্গত, গত ১২ অক্টোবর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখানকার দুর্গাপ্রতিমার চক্ষুদান করেছেন। চক্ষুদান করার পর, ১৯ তারিখ থেকেই খুলে দেওয়া হয় এই মণ্ডপ। আরও পড়ুনঃ ভারতচক্রের পুজোয় এবার মহামারীর অন্ধকার কাটিয়ে আলোয় জেগে ওঠার কাহিনি গত বছর তাদের থিম ছিল কলিকাতা চলিয়াছে নড়িতে নড়িতে। আঠাশতম বর্ষেও তাঁদের মণ্ডপভাবনায় রবীন্দ্রনাথের কবিতা। কবিগুরুর দুঃসময় কবিতাকে আশ্রয় করেই সেজে উঠেছে এবারের মণ্ডপ। অতিমারী ও ঘূর্ণিঝড় বিধ্বস্ত বঙ্গে এই কবিতাটি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক বলেই মনে করছেন শিল্পী। বাঁশ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে বিরাট একটা পাখি। মহাশূন্যে ডানা মেলে উড়ছে সে। প্রদীপ হাতে অভয় দিচ্ছেন ভয়ঙ্করী চামুণ্ডারূপিণী মা দুর্গা। কঠিন সময় কাটিয়ে আশার প্রতীক ওই বিরাট ডানামেলা পাখিটি, যাকে উদ্দেশ্য করে ধ্বনিত হয় লক্ষ মানুষের মানুষের বেঁচে থাকার আর্তি ---এখনই অন্ধ, বন্ধ কোরো না পাখা।

অক্টোবর ২২, ২০২০
দেশ

ক্ষমতায় এলে বিনামূল্যে করোনা ভ্যাকসিন , বিহারের ইস্তেহারে প্রতিশ্রুতি বিজেপির

সামনেই বিহারে নির্বাচন। তার আগে নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করে তাতে প্রতিশ্রুতির বন্যা বইয়ে দিল বিজেপি। বৃহস্পতিবার নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। বিজেপির প্রকাশ করা সংকল্পপত্রে সবচেয়ে চমকপ্রদ প্রতিশ্রুতি হল ক্ষমতায় ফিরলে বিনামূল্যে সকলের জন্য করোনার ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করা এবং বিহারবাসীর জন্য ১৯ লক্ষ চাকরি। এছাড়াও, ৩ লক্ষ শিক্ষক নিয়োগ, বিহারকে আইটি হাব হিসেবে গড়ে তোলা, এক কোটি মহিলাকে আত্মনির্ভর করা সহ বহু প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্য বোনাসের ঘোষণা কেন্দ্রের তিনি এদিন ইস্তেহার প্রকাশ করে বলেন, বিহারের বৃদ্ধি ভারতের বিকাশের একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। তিনি ভোটারদের এনডিএর মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী নীতীশ কুমারের সমর্থন বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছিলেন।

অক্টোবর ২২, ২০২০
কলকাতা

বিভিন্ন দাবিতে ধর্মতলায় মিছিল বাংলা সংস্কৃতি মঞ্চের

উত্তরপ্রদেশের হাথরাসের ঘটনা , কৃষিবিল প্রত্যাখ্যান সহ পাঁচ দফা দাবিতে সো্মবার ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেল থেকে গান্ধী্মূর্তির পাদদেশ পর্যন্ত মিছিল করল বাংলা সংস্কৃতি মঞ্চ। তাদের আরও দাবিগুলি হল , দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে। রাজ্যগুলির জিএসটি বাবদ যা প্রাপ্য , সেই টাকা মিটিয়ে দিতে হবে। বাংলাকে ভাগ করার যে চেষ্টা চলছে , এদিনের মিছিল থেকে তারও প্রতিবাদ জানিয়েছেন তাঁরা। মিছিল শেষ হওয়ার পরে তারা অবস্থান বিক্ষোভে বসে। তাদের দাবি, রাজ্যপালকে স্মারকলিপি জমা দেবে। কয়েক ঘণ্টা ধরে তাদের এই অবস্থান বিক্ষোভ চলে। আরও পড়ুনঃ বাংলায় সব পুজো মণ্ডপ দর্শকশূন্য রাখতে হবে , রায় হাইকোর্টের এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন , বাংলা সংস্কৃতি মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক তন্ময় ঘোষ , সভাপতি শামিরুল ইসলাম । এছাড়াও গুড হিউম্যান ফাউন্ডেশনের তরফ থেকে রাফে সিদ্দিকি , জাতীয় বাংলা সম্মেলনের তরফ থেকে সভাপতি অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অন্যান্যরা।

অক্টোবর ১৯, ২০২০
রাজ্য

মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিতে হাল্লাবোল মিছিল বিজেপি' র

মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিতে শুক্রবার হাল্লাবোল মিছিল করল বিজেপি। টিটাগড় থেকে ব্যারাকপুরের চিড়িয়ামোড় পর্যন্ত এদিন এই মিছিল আয়োজন করা হয়। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায়, সাংসদ লকেট চট্টো্পাধ্যয়, সাংসদ অর্জুন সিং , বিধায়ক সব্যসাচী দত্ত সহ আরও অনেকে। কৈলাস বিজয়বর্গীয় সাংবাদিকদের বলেন, সিআইডিকে দিয়ে এই তদন্ত করলে কো্নওদিনও ্প্রকৃত দোষী ধরা পড়বে না। তাই সিবিআইকে দিয়ে এই তদন্ত করাতে হবে। মণীশের পরিবার ক্রমাগত হুমকির মুখে পড়ছে। আরও পড়ুনঃ বলবিন্দরকে মুক্তি না দিলে আগামীকাল নবান্নের সামনে অনশনে বসবেন স্ত্রী ও পুত্র অন্যদিকে , টিটাগড়ের বিজেপি কাউন্সিলর মণীশ শুক্লা খুনের তদন্তে এখনও সিআইডির উপরই ভরসা রাখছে কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে তদন্তের বিস্তারিত রিপোর্ট জমা করেন সিআইডি আধিকারিকরা। সেই রিপোর্ট দেখে বিচারপতিরা জানান যে আপাতত রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থার তদন্ত চলুক। পরে এই তদন্তে কোনও ত্রুটি দেখা গেলে সিবিআই তদন্তের কথা ভাবা যাবে। আগামী ১০ নভেম্বর মামলাটির পরবর্তী শুনানি।

অক্টোবর ১৬, ২০২০
রাজ্য

বিক্ষোভ কর্মসূচি মুক্ত মঞ্চ বাঁচাও কমিটির

মুক্ত মঞ্চ বাঁচাও কমিটির পক্ষ থেকে সোমবার দুর্গাপুরে মহকুমা শাসকের দপ্তরের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুর মহকুমার সমস্ত সংগীতশিল্পী, বাদ্যযন্ত্র শিল্পী ও বাচিকশিল্পীরা। আরও পড়ুন ঃ আমরা দাদার অনুগামীদের উদ্যো্গে মাস্ক বিতরণ শিল্পী সুমন দাস বলেন, দুর্গাপুর ও আসানসোল মহকুমায় প্রায় ১ হাজার শিল্পী গত সাত মাস ধরে অনাহারে দিন কাটাচ্ছে । করোনার জন্য অনুষ্ঠান কোথাও করা যাচ্ছে না। খুব কষ্টের মধ্যে দিন কাটছে, তাই আমাদের আবেদন রাজ্য সরকার অনুষ্ঠানের অনুমতি দিক।

অক্টোবর ১২, ২০২০
রাজ্য

মনীশ শুক্লা হত্যার ঘটনায় মোমবাতি মিছিল বিজেপির

বৃহস্পতিবারের নবান্ন অভিযানে পুলিশের লাঠি ও বেগুনি জল দিয়ে দলের কার্যকর্তাদের অসুস্থ করার প্রতিবাদে শুক্রবার মৌ্ন মিছিলের ঘোষণা করে বিজেপি। সেইমতো শুক্রবার বিকেল ৪ টে নাগাদ মুরলীধর সেন লেনের বিজেপির সদর অফিস থেকে গান্ধী মূর্তির পাদদেশ অবধি মৌন মিছিল করেন। এই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ, দলের অন্যতম নেতা সায়ন্তন বসু সহ বহু সমর্থক। পাশাপাশি এদিন ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রে্র সাংসদ অর্জুন সিংয়ের নেতৃত্বে আর একটি মৌন মিছিল বের হয়। অর্জুনের সঙ্গে ছিলেন বিধায়ক সুনীল সিং, পবন সিং সহ এলাকার নেতৃবর্গ ও সমর্থক। মনীশ শুক্লার হত্যার প্রতিবাদে মোমবাতি নিয়ে ছিল এই মিছিল। অর্জুন সিং জানান, সিআইডি নয় তাঁরা সিবিআই তদন্ত চান। এ বিষয়ে তাঁরা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দপ্তরেও অনুরোধ জানাবেন। কারণ, সিআইডি রাঘব - বোয়া্লদের ছেড়ে চুনোপুটিদের ধরছে। আরও পড়ুনঃ মণীশ শুক্লাকে হত্যার জন্য ভাড়া করা হয়েছিল ভিন রাজ্যের সুপারি কিলার অন্যদিকে, বৃহস্পতিবারের নবান্ন অভিযানে মহামারী প্রতিরোধ আইন ভঙ্গ করায় দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়, লকেট চট্টোপাধ্যায়, জয়প্রকাশ মজুমদার সহ রাজ্য বিজেপি নেতাদের নামে মামলা দায়ের হয়েছে। দিলীপ ঘোষ এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বলেন, সরকার ভয় পেয়ে তাদের নামে মামলা দায়ের করেছে।

অক্টোবর ০৯, ২০২০
কলকাতা

বর্তমান শিক্ষার হালহকিকত নিয়ে বিকল্প ইস্তেহার প্রকাশ এসএফআইয়ের

এসএফআই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির উদ্যোগে বুধবার প্রকাশিত হল বর্তমান শিক্ষার হালহকিকত নিয়ে বিকল্প ইস্তেহার। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ নিয়ে বিকল্প বক্তব্য হাজির করা হয়েছে এই বইতে। 'মহামারীর শিক্ষা ও শিক্ষায় মহামারী ' আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করলেন প্রাক্তন ছাত্র-যুব নেতৃত্ব কমরেড মহ: সেলিম।এছাড়াও এদিনের বইপ্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এসএফআইয়ের রাজ্য সম্পাদক সৃজন ভট্টাচায।বইটি এসএফআইয়ের রাজ্য কমিটির দফতর, জেলা দফতরে পাওয়া যাবে। এছাড়াও এনবিএ'র বিপণি কেন্দ্রে পাওয়া যাবে। দাম ২৫ টাকা।প্রসঙ্গত, জাতীয় শিক্ষানীতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বামেদের অভিযোগ রয়েছে। এবার সেটাই বই আকারে প্রকাশ করে মানুষের কাছে পৌঁছে দেবে এসএফআই।

অক্টোবর ০৮, ২০২০
রাজ্য

মণীশ হত্যা, রণক্ষেত্র ব্যারাকপুর, সিবিআই তদন্তের দাবি বিজেপির

টিটাগড়ের বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বিজেপির ডাকা ১২ ঘণ্টার বন্ধের দিন শুনশান ছিল ব্যারাকপুর লো্কসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকা। দোকানপাট ,বাজার বন্ধ রয়েছে। এলাকায় চলছে পুলিশি টহল। বিজেপি কর্মীরা বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা অবরোধ করে টায়ার জালিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। হত্যাকাণ্ডের সিসিটিভি ফুটেজ দেখা নিয়ে পুলিশের সাথে তাদের বচসা শুরু হয়। থানার উপর বোমাবাজি শুরু হয়। সাংবাদিকদের দিকে ছোঁড়া হয় ইট। দফায় দফায় বিক্ষোভ করেন বিজেপি কর্মীরা। রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে টিটাগড় থেকে ব্যারাকপুর সাব ডিভিশন। অবশেষে বাধ্য হয়ে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। ছোঁড়া হয় কাঁদানে গ্যাস। বিটি রোড থেকে অবরোধকারীদের সরিয়ে দেওয়া হয়।এদিকে, সোমবার সকালে নিহত মণীশের বাড়িতে যান কৈলাস বিজয়বর্গীয়র নেতৃত্বে বিজেপির এক প্রতিনিধিদল। তার সঙ্গে ছিলেন মুকুল রায়,অরবিন্দ মেনন। তাঁরা নিহত নেতার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন।পাশাপাশি দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গেও কথা বলেন। সকলেই পুলিশের বিরুদ্ধে কৈলাসের কাছে ক্ষোভ উগরে দেন । তারপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কৈলাস বলেন , মণীশ খুনে পুলিশের ভূমিকা সন্দেহজনক। ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মা ও ডেপুটি কমিশনার অজয় ঠাকুরের ভূমিকা ভীষণ সন্দেহজনক । রাজ্য পুলিশের উপর আমাদের কোনও বিশ্বাস নেই । আমরা ঘটনার সিবিআই তদন্ত চাই । সেই তদন্তে পুলিশের ভূমিকাও দেখা হোক । এরপর মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে কৈলাস বলেন , এটা কোনও সামান্য হত্যাকাণ্ড নয় । স্টেনগান নিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের হত্যা হয়েছে । মমতাজি জনতা আপনাকে ঠিক সাজা দেবে । বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, একজন প্রাক্তন কাউন্সিলার ও আইনজীবীকে স্টেনগান দিয়ে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ ধীরে ধীরে উত্তর প্রদেশ এবং বিহারের মতো মাফিয়া রাজ্যে পরিণত হচ্ছে।পুলিশ সুপারি কিলার পাঠিয়েছে তাকে খুন করবার জন্য। এর আগেও অনেকবার আমাদের সাংসদ অর্জুন সিং এবং অন্যদেরও হত্যা করার পরিকল্পনা করেছিল। একজন জনপ্রিয় যুবনেতা এভাবে প্রকাশ্যে গুলি করে মারা হল তাতে এটা পরিস্কার পশ্চিমবঙ্গে আইন শৃঙ্খলা বলে কিছু নেই।এই ঘটনাকে তৃণমূলের অমানবিক ও রাজ্য সরকারের নৈরাজ্যের মুখ বলে টুইট করেছেন মুকুল রায়। বিজেপি মুখপাত্র সম্বিত পাত্র বলেন, নিহত নেতার মৃত্যুর ঘটনা বেদনাদায়ক। অন্যদিকে,ব্যারাকপুর লো্কসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং টুইটে লিখেছেন, ছোট ভাইয়ের মতো ছিলেন মণীশ শুক্লা। তৃণমূল ও পুলিশকে তাদের কৃতকর্মের ফল ভুগতে হবে। বিস্ফোরক অভিযোগে তিনি বলেন, মনীশ শুক্লাকে খুন করিয়েছে পুলিশই। এই খুনের ঘটনায় পুলিশের অস্ত্রই ব্যবহার করা হয়েছে। সোমবার সকালে বিজেপির সাংসদ অর্জুন সিং দাবি করে বলেন মণীশ শুক্লাকে পুলিশ প্ল্যান করে খুন করেছে। এই খুনে সামান্য কোনও অস্ত্র ব্যবহার করা হয়নি। এই অস্ত্র বারাকপুর লাটবাগানের পুলিশ ট্রেনিং কলেজ থেকে বেরিয়েছিল। আর যে বুলেট ব্যবহার করা হয়েছে তাও পুলিশের থেকেই এসেছে। তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন এটি একটি রাজনৈতিক হত্যার ঘটনা। এই খুনের ঘটনাটি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অঙ্গুলিহেলনেই বারাকপুর পুলিশ এই ঘটনা ঘটিয়েছে। আমরা এই ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি করছি।সিবিআই তদন্ত ছাড়া এই খুনের আসল খুনিদের গ্রেফতার করা যাবে না। আমরা চাই পুলিশ এই কাজ করেছে তাই পুলিশ কোনও সঠিক তদন্ত করবে না। তাই সিবিআই তদন্তের দাবি করছি আমরা। আর পুলিশ এই ঘটনায় জড়িত বলেই থানার সামনে ঘটনা ঘটল আর থানার সিসিটিভি ক্যামেরা গুলো সব খারাপ হয়ে গেল ? এটা মানা কি সম্ভব? ব্যারাকপুরে খুনের ঘটনায় সাধারণ মানুষকে সংযত থাকার আবেদন জানিয়েছে পুলিশ। তারা টুইট করে এই ঘটনা কিংবা মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্কিত মন্তব্য না করার পরামর্শ দিয়েছেন। টুইটে লেখা আছে, গত সন্ধ্যায় ব্যারাকপুরের টিটাগড় এলাকায় একজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ অপরাধের তদন্ত করছে এবং ব্যক্তিগত শত্রুতা-সহ সম্ভাব্য সমস্ত কারণ খতিয়ে দেখছে কারণ মৃত ব্যক্তি কয়েকটি হত্যা ও হত্যার চেষ্টা মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন। যথাযথ তদন্ত ছাড়াই কোন সিদ্ধান্তে উপনীত হবেন না। সোশ্যাল মিডিয়াতে দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করার অর্থ তদন্তে হস্তক্ষেপ করা। দয়া করে এ থেকে বিরত থাকুন। এদিকে, মণীশ শুক্লা মৃত্যুর তদন্ত শুরু করল সিআইডি। ঘটনাস্থলে গিয়ে পৌঁছয় সিআইডির তদন্তকারী দল। তারা সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছেন। অন্যদিকে, নিহত বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লার দেহ এনআরএস হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য আনা হয়। সঙ্গে ছিলেন বিপুল সংখ্যক দলীয় কর্মী-সমর্থক। তবে হাসপাতালের দরজাতেই আটকে দেওয়া হয় বিজেপি নেতাকর্মীদের। অতিমারী পরিস্থিতিতে এত সংখ্যক মানুষজনকে হাসপাতালের ভিতর ঢুকতে দেওয়া যাবে না বলেই জানিয়ে দেন পুলিশকর্মীরা। তাতে বেজায় ক্ষুব্ধ হন বিজেপি নেতাকর্মীরা। হাসপাতালের সামনে ব্যারিকেড ভেঙে ঢোকার চেষ্টা করে তারা। তাতে বাধা দেন পুলিশকর্মীরা। পুলিশ এবং বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। ইতিমধ্যেই হাসপাতালের সামনে এসে পৌঁছন কৈলাস বিজয়বর্গীয়, অর্জুন সিং, অরবিন্দ মেনন,সব্যসাচী দত্তরা।টানাপোড়েনের পর পুলিশের তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, রাজ্যস্তরের নেতা্নেত্রীদের সঙ্গে নিহত বিজেপি নেতার পরিজনেরা ভিতরে ঢুকতে পারবেন। সেই অনুযায়ী তাঁদের হাসপাতালে ঢুকতে দেওয়া হয়। তবে সাধারণ নেতাকর্মীদের হাসপাতালে ঢুকতে না দেওয়ায় বেজায় ক্ষুব্ধ গেরুয়া শিবির। কৈলাস বিজয়বর্গীয়র দাবি, এটা কোনও সাধারণ ঘটনা নয়। আগেও আমাদের দলীয় নেতাকর্মীদের মেরে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। রাজ্য পুলিশ জাদুকর। তারা যখন খুশি খুনকে আত্মহত্যা বানিয়ে দেয় তাই ময়নাতদন্ত চলাকালীন হাসপাতালে ঢোকার প্রয়োজনীয়তা ছিল।

অক্টোবর ০৫, ২০২০
রাজনীতি

টিটাগড়ে খুন বিজেপি নেতা, ১২ ঘণ্টা ব্যারাকপুর বনধের ডাক বিজেপির

ফের বিজেপি নেতা খুন। রবিবার ৪ অক্টোবর রাতে টিটাগড় থানার সামনে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা সাংসদ অর্জুন সিং ঘনিষ্ঠ মণীশ শুক্লাকে গুলি করে হত্যা করে বলে অভিযোগ। এর প্রতিবাদে সোমবার ১২ ঘণ্টা ব্যারাকপুর বনধের ডাক দিয়েছে বিজেপি। কৈলাস বিজয়বর্গীয়, মুকুল রায়রা সোমবার মণীশ শুক্লার বাড়িতেও যাবেন। কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেন, টিটাগড় থানার সামনে এই ঘটনায় পুলিশের উপর আর আস্থা নেই। অনেক দিন ধরেই অর্জুন সিং বলছিলেন ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার অজয় ঠাকুরদের দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার ও আমাদের দলের কর্মীদের মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র করছেন। অর্জুন-ঘনিষ্ঠ মণীশকে গুলি করে হত্যার ঘটনার সিবিআই তদন্ত দাবি করে বিজয়বর্গীয় বলেন, পুলিশের সন্দেহজনক ভূমিকা খতিয়ে দেখা উচিত। এমন নীচ কাজ করার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জনগণ ক্ষমা করবে না। উল্লেখ্য, মৃত্যুর আগের দিনও কৃষক সুরক্ষা পদযাত্রায় পা মিলিয়েছিলেন মণীশ। তাঁকে হত্যার ঘটনায় ব্যথিত অর্জুন সিং টুইটে লেখেন, এবার সীমা ছাড়াল। এর ফল ভুগতে হবে তৃণমূলকে।

অক্টোবর ০৫, ২০২০
রাজনীতি

অনুব্রতকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েও অনড় নিত্যানন্দ

নিত্যানন্দ চট্টোপাধ্যায়। পূর্ব বর্ধমানের গুসকরার বিদায়ী তৃণমূল কাউন্সিলর। কয়েক মাস আগে দলে যোগ্য মর্যাদা না পেয়ে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা করেছিলেন। তারপর বিভিন্ন ফেসবুক পোস্টে দলের নেতৃত্বের প্রতি অসন্তোষ, বিধানসভা ভোটে জিততে দলে সংস্কারের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। এমনকী আউশগ্রামের এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে ফোনে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ এনে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। এবার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে নিজেই গ্রেফতার হলেন। তাও আবার যাকে তাকে নয়। বীরভূমের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে! আরও পড়ুন- নন্দীগ্রামে বিস্ফোরক শুভেন্দু অধিকারী বিজেপি রাজ্য সহ সভাপতি রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় অনুব্রতকে এনকাউন্টার করে বিকাশ দুবের মতো মারার হুমকি দিয়ে গ্রেফতার না হলেও, অনুব্রতকেই প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হলেন গুসকরা পুরসভার বিদায়ী তৃণমূল কাউন্সিলর নিত্যানন্দ চট্টোপাধ্যায়। মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর দুপুরে গুসকরা শহরের স্কুল মোড় এলাকা থেকে নিত্যানন্দবাবুকে গ্রেফতার করা হয়। গুসকরার ইটাচাঁদার বাসিন্দা এক তৃণমূলকর্মী শেখ সুজাউদ্দিনের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে। এদিনই ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পাঠায় পুলিশ। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন। বলেন, এটা ঠিক অনুব্রতকে হুমকি দিয়েছি, তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল অডিওর গলা আমার নয়। কেষ্ট মণ্ডল ওর স্ত্রীর অসুখের সময় আমার কাছ থেকে ২০ লক্ষ টাকা ধার নিয়েছিল। সেই টাকা ফেরত দিচ্ছে না।বারবার চেয়েও ফেরত পাইনি। তাই আমি ওকে হুমকি দিয়েছিলাম। ক্ষমতা চিরদিন থাকে না। জামিনে ছাড়া পেয়ে টাকা চেয়ে আমি ওর কলার ধরব। প্রয়োজনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানাব। টাকা নেওয়ার কথা এখন অস্বীকার করছে কেষ্ট। ও নিজেকে সিএমের উপরে ভাবে। মাগুর মাছ কাটত আগে, এখন হাজার কোটির মালিক হলো কীভাবে? দুশোর উপর মার্ডার করেছে। একটা ক্রিমিনাল। ওর মেয়ের দুটো চাকরি হয় কী করে? ওকে যারা তৃণমূল বলে তাদের লজ্জা হওয়া উচিত। আরও পড়ুন- তৃণমূলকে সার্কাসের জোকার বললেন সায়ন্তন, দলের লোকেরা ওকেই বলে, প্রবীণ রাজনৈতিক কর্মী নিত্যানন্দ চট্টোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেসের জন্মলগ্ন থেকে দলের সঙ্গে যুক্ত। বাম আমলেও গুসকরা পুরসভায় তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন। বিগত পুর বোর্ডে পুরসভার পূর্ত বিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।গুসকরা পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার বিদায়ী কাউন্সিলর নিত্যানন্দবাবু দলের মধ্যেই একাধিকবার বিতর্কে জড়িয়েছেন। তবে তাঁর ওয়ার্ড এলাকায় সাধারণ মানুষ অনেকেই তাঁকে পছন্দ করেন। তবে ইঁটাচাদা এলাকার বাসিন্দা শেখ সুজাউদ্দিন নামে ওই তৃণমূল কর্মী জানান, অনুব্রত মণ্ডলের উদ্দেশে ওই হুমকি অডিও এলাকায় ভাইরাল হয়। তারপর তিনি অভিযোগ দায়ের করেছেন। অনুব্রত মণ্ডল বলেন, নিত্যানন্দ চট্টোপাধ্যায়ের কাজই সবাইকে হুমকি দেওয়া। ওর কাছে লাইসেন্সপ্রাপ্ত আগ্নেয়াস্ত্র আছে, বিনা লাইসেন্সের আগ্নেয়াস্ত্র আছে বলে হুমকি দিয়ে বেড়ায়। যত সব পাগলামো। আমি ওর কাছে কোনও টাকা নিইনি।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

এশিয়ান গেমসে মেয়েদের ক্রিকেটে পরপর ২ সোনা ভারতের, ভিত তৈরির নেপথ্যে সৌরভেরই অবদান

এশিয়ান গেমসে ভারত পরপর ২ বার সোনা জিতল মেয়েদের ক্রিকেটে। এবারের গেমসে দেশকে প্রথম সোনা এনে দিল হরমনপ্রীত কৌরের নেতৃত্বাধীন দল। ফাইনাল-সহ এবারের এশিয়ান গেমসে দলের জয়ে অবদান রেখেছেন বাংলার রিচা ঘোষও। ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের এই সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বড় ভূমিকা। এক সাক্ষাৎকারে এই বিষয়ে আলোকপাত করেছেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক ঝুলন গোস্বামী।ঝুলন বলেন, ২০১৭-র পর থেকেই আমরা বিসিসিআইকে বলেছিলাম ইংল্যান্ডে যেমন সুপার লিগ (এখন দ্য হান্ড্রেড), অস্ট্রেলিয়ায় মেয়েদের বিগ ব্যাশ লিগ হচ্ছে। আমাদের দেশে কেন হবে না? তখন বিসিসিআই চলছিল কমিটি অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটরসের নেতৃত্বে। কীভাবে আমাদের দেশে এমন লিগ হতে পারে তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়। বিসিসিআই ভাবছিল বড় কেউ আসবে কিনা, টিম নেবে না। আইপিএল অনেক বড় মাপের। তার পাশাপাশি এই টুর্নামেন্ট নিয়ে মানুষের আগ্রহ থাকবে কিনা। ফলে তিনটি টিমকে আইপিএলের ফাঁকে নিজেদের মধ্যে খেলানো শুরু হলো। যা ট্রায়াল রান বলা যেতে পারে। বিদেশিদের আনা হলো। আমরা প্রথম খেলেছিলাম জয়পুরে। প্রথম থেকেই রেসপন্স ভালো ছিল।ঝুলনের কথায়, মহারাজদা (সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়) ২০১৯ সালে বিসিসিআই সভাপতি হলেন। কঠিন সময়ে। কেন না, এর পরেই কোভিড শুরু হয়। যা প্রায় ২ বছর ক্রিকেটকে স্তব্ধ করে দেয়। তবে ক্রিকেট এই সময়কালেও অন্য জায়গায় পৌঁছেছিল মহারাজদা, জয় শাহর জন্য। প্লেয়ার, সাপোর্ট স্টাফ, আম্পায়ার, স্কোরার- পুরুষ ও মহিলা নির্বিশেষে কারও স্যালারি আটকায়নি। সবাই জানেন ওই সময় কতটা কঠিন ছিল। তার মধ্যেই ম্যাচ খেলানোর ব্যবস্থা হয়েছে। চার্টার্ড বিমানে পুরুষ ও মহিলা দলকে দুবাই পাঠিয়ে খেলানোর সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। ট্রাভেল করে কোয়ারান্টিনের মধ্যে কাটানোর পর সকলে পারফর্ম করেছেন। মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়া হয়। মানসিক স্বাস্থ্য যাতে ভেঙে না পড়ে তা নিশ্চিত করতে কেউ না কেউ সব সময় থাকতেন। ঝুলন জানান, দেশের মহিলাদের ক্রিকেটে সৌরভের বড় পদক্ষেপ টেস্ট ক্রিকেট ফেরানো। ঝুলন বলেন, আমি এতদিনে মাত্র ১২টি টেস্ট খেলেছি। কারণ ২০০৬-এর পর ৮ বছর কোনও টেস্ট খেলিনি। ২০১৪-১৫ নাগাদ খেলার পর আবার বন্ধ ছিল দীর্ঘদিন। মহারাজদা টেস্ট ক্রিকেট ফেরান। কোভিডকালে দাদা, জয় শাহরা আমাদের ইংল্যান্ড সফরে টেস্ট খেলার বন্দোবস্ত করেন। অস্ট্রেলিয়ায় গোলাপি বলে টেস্ট ক্রিকেট খেলি, যা দেশের মেয়েদের ক্রিকেটে সবচেয়ে বড় বিপ্লব। টেস্টই আল্টিমেট ক্রিকেট। যেখানে দক্ষতা, মানসিকতার বিকাশ ঘটে। সবরকম চ্যালেঞ্জের জন্য প্লেয়ারকে তৈরি করে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

হোল্ডিং সেন্টারের দেওয়াল টপকে চম্পট, গন্ধ শুঁকে রোহিঙ্গা যুবককে খুঁজে দিল অরল্যান্ডো

হোল্ডিং সেন্টারের কড়া নিরাপত্তা এড়িয়ে দেওয়াল টপকে পালিয়েও শেষরক্ষা হল না এক রোহিঙ্গা যুবকের। বন দপ্তরের প্রশিক্ষিত স্নিফার ডগ অরল্যান্ডোর নিখুঁত ট্র্যাকিংয়ের জেরে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাকে ফের আটক করল পুলিশ। রাজগঞ্জের ফাটাপুকুর হোল্ডিং সেন্টার থেকে পালানোর পর প্রায় এক কিলোমিটার দূরে একটি চা বাগান থেকে ওই যুবককে উদ্ধার করা হয়।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত যুবকের নাম মোহাম্মদ সোলেমান। গত ২০ সেপ্টেম্বর নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন এলাকা থেকে চার জনের একটি সন্দেহভাজন রোহিঙ্গা দলকে আটক করা হয়েছিল। সেই দলের সদস্য সোলেমানকেও রাজগঞ্জের ফাটাপুকুর হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়।রবিবার সকালে শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলে সেন্টারের ভিতর থেকে বেরিয়েছিল সোলেমান। সেই সুযোগেই উঁচু দেওয়াল টপকে ঝোপঝাড়ের মধ্যে দিয়ে পালিয়ে যায় সে। কিছুক্ষণ পর বিষয়টি নিরাপত্তারক্ষীদের নজরে আসে। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় রাজগঞ্জ থানায়। শুরু হয় বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি।দীর্ঘক্ষণ খোঁজ চালিয়েও পলাতক যুবকের সন্ধান না মেলায় পুলিশের পক্ষ থেকে বন দপ্তরের সাহায্য চাওয়া হয়। মালবাজার মহকুমা পুলিশের অনুরোধে জলপাইগুড়ি বন্যপ্রাণী বিভাগের পক্ষ থেকে গরুমারা জাতীয় উদ্যানের প্রশিক্ষিত স্নিফার ডগ অরল্যান্ডোকে ঘটনাস্থলে আনা হয়।সোলেমানের পরনে থাকা বা ফেলে যাওয়া পোশাকের গন্ধ শুঁকিয়ে অরল্যান্ডোকে তল্লাশি অভিযানে নামানো হয়। এরপর গন্ধ অনুসরণ করে সে হোল্ডিং সেন্টার থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে পানিকৌড়ি মোড় সংলগ্ন একটি চা বাগানের দিকে এগিয়ে যায়। অরল্যান্ডোর দেখানো পথ অনুসরণ করে তল্লাশি চালাতেই চা বাগানের মধ্যে লুকিয়ে থাকা অবস্থায় সোলেমানের সন্ধান পান পুলিশকর্মীরা। সেখান থেকেই তাকে ফের আটক করা হয়।বন দপ্তরের সহকারী বনাধিকারিক রাজীব দে জানান, পুলিশের সঙ্গে যৌথ অভিযানে তাঁদের প্রশিক্ষিত কুকুর সফলভাবে পলাতক বন্দিকে খুঁজে বের করায় তাঁরা অত্যন্ত আনন্দিত। এর আগে গরুমারা এলাকায় চোরাশিকারীদের দমনে একাধিকবার সাফল্য দেখিয়েছে অরল্যান্ডো। এবার পলাতক বন্দির সন্ধানেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিল সে।তবে এই ঘটনায় রাজগঞ্জের হোল্ডিং সেন্টারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কড়া পাহারা ও নজরদারি থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এক যুবক সেন্টারের উঁচু দেওয়াল টপকে পালিয়ে গেল, তা নিয়ে শুরু হয়েছে তদন্ত। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোথায় গলদ ছিল, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

দমকা ঝড়ে লন্ডভন্ড পূর্বস্থলীর গ্রাম, উড়ল চাল, উপড়ে পড়ল গাছ, খতিয়ে দেখলেন বিধায়ক

হঠাৎ ঝড়ের তান্ডবে লন্ডভন্ড পূর্বস্থলীর গ্রাম। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ২ ব্লকের কালেখাঁতলা ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের চাপাতলা তিনপাড়া এলাকা ঝড়ের দাপটে তছনছ হয়ে গিয়েছে। কারও কারও বাড়ির ওপর গাছ ভেঙে পড়েছে। কারও টিনের চালা উড়ে গিয়েছে। মোদ্দা কথা পুজোর মুখে এই ঘটনায় মাথায় হাত পড়েছে গ্রামবাসীদের। কি করে সামাল দেবেন এই অবস্থা তা নিয়ে কপালে ভাঁজ পড়েছে বাসিন্দাদের। প্রশাসন গ্রামবাসীদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে। গ্রামে গিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায়।গ্রামবাসীরা জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে হঠাৎ দমকা ঝড় ওঠে। ঝড় মাত্র কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী ছিল বলে তাঁরা জানিয়েছেন। কিছু সময়ের প্রবল ঝড়ে আঁতকে ওঠেন তাঁরা। গ্রামের প্রায় ২৫-৩০ টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এর মধ্যে অনেকগুলো কাঁচা বাড়িও রয়েছে। অসহায় মানুষগুলো এবার কি করবেন তা ভেবেই পাচ্ছেন না। হঠাৎ মাথার ছাদ চলে যাওয়ায় গ্রামবাসীরা অসহায় বোধ করছেন। ঝড়ে একজন জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। খবর পেয়ে স্থানীয় বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায় শনিবার সাকালে ওই গ্রামে গিয়ে হাজির হন। ঝড়ে ক্ষয়-ক্ষতি খতিয়ে দেখেন তিনি। বিধায়ক গ্রামবাসীদের জানিয়ে দেন, তিনি গ্রামবাসীদের পাশে আছেন। সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দেন। পূর্বস্থলী উত্তরের বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায় জানান, বিধ্বংসী ঝড়ে ওই গ্রামের প্রায় ৩০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেশ কিছু বাড়ির চালা উড়ে গিয়েছে। কয়েকটা গাছপালাও ঝড়ে পড়ে গিয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে চাষাবাদেরও। প্রশাসনের কর্তাদের নজরদারিতে উদ্ধারের কাজ চলছে। সরকারি ভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করা হবে। বিডিও পারিজাত বোস জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্তদের নামের তালিকা অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
কলকাতা

অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠান, তারপরই বচসা থেকে হাতাহাতি! উত্তপ্ত সত্যজিৎ রায় ফিল্ম ইনস্টিটিউট

কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটে একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের পশ্চিমবঙ্গ শাখার একটি কর্মসূচি প্রতিষ্ঠানের অডিটোরিয়ামে চলছিল। সেই অনুষ্ঠানকে ঘিরে পড়ুয়াদের একাংশ আপত্তি জানালে প্রথমে বচসা এবং পরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলেছে। ঘটনায় একাধিক জন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের তরফে প্রতিষ্ঠানের অডিটোরিয়াম ভাড়া নিয়ে ওই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অনুষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠানের অনুমতি নিয়েই আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠান চলাকালীন কয়েক জন পড়ুয়া সেখানে গিয়ে কেন প্রতিষ্ঠানের ভিতরে এই ধরনের কর্মসূচি হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।পড়ুয়াদের অভিযোগ, অনুষ্ঠানে কয়েক জন বক্তার বক্তব্য নিয়ে তাঁদের আপত্তি ছিল। সেই আপত্তি জানাতে গেলে তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং মারধর করা হয়। কয়েক জন পড়ুয়া ও শিক্ষকের উপরেও হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পড়ুয়াদের আরও দাবি, তাঁদের নানা নামে কটাক্ষ করা হয়েছে এবং ক্যাম্পাসের ভিতরে তাঁদেরই আক্রান্ত হতে হয়েছে। এই অভিযোগগুলির স্বাধীনভাবে সত্যতা এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি।অন্য দিকে, অনুষ্ঠান আয়োজকদের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাঁদের দাবি, টাকা দিয়ে অডিটোরিয়াম ভাড়া নেওয়ার পর তাঁরা নিজেদের কর্মসূচি করছিলেন। সেই সময় পড়ুয়ারা অনুষ্ঠানে বাধা দেন এবং তাঁদের পোস্টার ও ব্যানার ছিঁড়ে দেওয়া হয়। সেখান থেকেই বচসা এবং পরে হাতাহাতি শুরু হয় বলে আয়োজকদের দাবি। অর্থাৎ, সংঘর্ষের সূত্রপাত নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্য সম্পূর্ণ আলাদা।ঘটনার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পড়ুয়ারা ক্যাম্পাসের গেট আটকে বিক্ষোভ দেখান বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। অনুষ্ঠান আয়োজকদের একটি বাসও আটকে রাখা হয়েছিল বলে জানা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের বড় বাহিনী ক্যাম্পাসে পৌঁছয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।ক্যাম্পাসের বাইরে থেকেও ইট ও জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। কয়েক জন পড়ুয়া আহত হয়েছেন বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলে। ঘটনার জেরে দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ উত্তপ্ত ছিল।এই ঘটনার সঙ্গে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক অশান্তির প্রসঙ্গও টেনে আনছেন অনেকে। তবে দুই ঘটনার মধ্যে সরাসরি কোনও যোগসূত্র রয়েছে, এমন তথ্য এখনও সামনে আসেনি। ফলে এই তুলনা রাজনৈতিক বা সামাজিক আলোচনার অংশ হলেও, তা প্রতিষ্ঠিত তথ্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে বিভিন্ন স্লোগান এবং পাল্টা স্লোগানও শোনা গিয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছে। পরিস্থিতি যাতে আরও না ছড়ায়, সে জন্য পুলিশ ক্যাম্পাসে অবস্থান করছে। সংঘর্ষের ঘটনায় ঠিক কত জন আহত এবং কার বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, সে বিষয়ে তদন্ত ও পুলিশের পরবর্তী বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠেছে। কেন অনুষ্ঠান নিয়ে পড়ুয়াদের আপত্তি তৈরি হয়েছিল, সংঘর্ষ কী ভাবে শুরু হল এবং দুই পক্ষের অভিযোগের মধ্যে কোনগুলি তদন্তে সত্যি প্রমাণিত হয়, এখন সেদিকেই নজর। পুলিশি তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলির বক্তব্যের ভিত্তিতেই ঘটনার পূর্ণ চিত্র স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
বিদেশ

কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পরপর বন্দুকবাজের হামলা! দক্ষিণ আফ্রিকায় মৃত অন্তত ২৭

কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পরপর বন্দুকবাজের হামলায় কেঁপে উঠল দক্ষিণ আফ্রিকা। জোহেনেসবার্গ এবং কেপটাউনে দুটি পৃথক ঘটনায় অন্তত ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। হামলার পর অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। তবে রবিবার সকাল পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।প্রথম হামলাটি ঘটে শনিবার সন্ধ্যায় জোহেনেসবার্গে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি পানশালায় আচমকা ঢুকে পড়ে কয়েক জন বন্দুকধারী। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাঁরা এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করেন। ওই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১৫ জন।পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের মধ্যে ১৩ জন পুরুষ এবং ৪ জন মহিলা। হামলার পর পালিয়ে যাওয়ার আগে বন্দুকধারীরা বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা দুটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় বলেও জানা গিয়েছে। ঠিক কী কারণে এই হামলা চালানো হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।এর কয়েক ঘণ্টা পরেই দ্বিতীয় হামলার ঘটনা ঘটে কেপটাউনের একটি জনবহুল এলাকায়। রবিবার ভোরে একটি বিনোদন কেন্দ্রের বাইরে আচমকা গুলির শব্দ শোনা যায়। সেখানে গুলিবিদ্ধ হয়ে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১১ জন।পুলিশ জানিয়েছে, দ্বিতীয় ঘটনায় পাঁচ জনের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় বাকিদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও পাঁচ জনের মৃত্যু হয়। এই হামলার পিছনে কারা রয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। কোনও সংগঠিত সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীর যোগ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।দুটি হামলার পর দক্ষিণ আফ্রিকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হামলাকারীদের সন্ধানে বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তবে রবিবার সকাল পর্যন্ত কোনও সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।সাম্প্রতিক বছরগুলিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার এবং গ্যাং-হিংসা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। মাদক পাচার, অবৈধ খনি এবং বিভিন্ন অপরাধচক্রের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনাও দেশটির একাধিক এলাকায় ঘটে থাকে। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি বড় বন্দুক হামলার ঘটনায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।তবে জোহেনেসবার্গ ও কেপটাউনের দুটি হামলার মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। হামলার নেপথ্যে উদ্দেশ্য কী ছিল এবং একই গোষ্ঠী এর সঙ্গে জড়িত কি না, তদন্তের পরই তা স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
কলকাতা

‘মৌসম বদলেছে, জমানাও বদলেছে’, সাধুদের কী বার্তা দিলেন শুভেন্দু?

নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ১১ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাধু-সন্তদের উদ্দেশে বড় বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, সময় বদলেছে, পরিস্থিতিও বদলেছে। তাই সাধু-সন্তদের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। তাঁরা মন খুলে গীতাপাঠ, গীতা বিতরণ এবং হনুমান চালিশা পাঠ করতে পারেন।শুভেন্দুর দাবি, সাধু-সন্তদের অপমান করা বা তাঁদের ভয় দেখানোর ঘটনা কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। এমন ঘটনা ঘটলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে জেল পর্যন্ত হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। সম্প্রতি বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ানোর অভিযোগে কলকাতায় এক কংগ্রেস নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার আগে বিধানসভা থেকে ওই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন শুভেন্দু।গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে নিজের বক্তব্যের শেষে গীতার একটি অধ্যায়ও পাঠ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সাধু-সন্তদের ধর্মীয় কাজকর্ম নিয়ে ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। গীতা পাঠ, গীতা বিতরণ, হনুমান চালিশা পাঠের পাশাপাশি ধর্মীয় বাদ্যযন্ত্র বাজানো বা হরেকৃষ্ণ নাম করার ক্ষেত্রেও কোনও ভয় থাকা উচিত নয়।শুভেন্দুর বক্তব্যে বাগেশ্বর বাবার প্রসঙ্গও উঠে আসে। তিনি বলেন, কোনও সাধু-সন্ত নিজের মতো করে সনাতনী ধর্মের প্রচার করতে পারেন। কেউ তাঁর বক্তব্য গ্রহণ করবেন কি না, সেটা ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু তাঁর ছবি পোড়ানো বা তাঁকে অপমান করার ঘটনা গ্রহণযোগ্য নয়। বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ানোর অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই পুলিশি পদক্ষেপ হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।শুভেন্দু আরও বলেন, সাধু-সন্তদের অপমান করা বা ভয় দেখানোর চেষ্টা করলে ভবিষ্যতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাঁর বক্তব্যে ধর্মীয় আচার পালনের পাশাপাশি সবাইকে এক থাকার বার্তাও উঠে আসে।এদিনের অনুষ্ঠানে আগামী ২৯ ডিসেম্বর কলকাতায় আরও বড় গীতাপাঠের আয়োজনের কথা জানান শুভেন্দু। তাঁর ঘোষণা অনুযায়ী, ওই দিন ১০ লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রধান মোহন ভাগবত প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে পারেন বলেও জানান তিনি।গীতাপাঠের মঞ্চ থেকেই রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করেন শুভেন্দু। শ্রীরামপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আজাদি সংক্রান্ত মন্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে তিনি তীব্র রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া জানান।শুভেন্দুর বক্তব্য, এই ধরনের মন্তব্য করলে রাষ্ট্রবাদী মানুষের প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়তে হবে। তাঁর বক্তব্যে উপড়ে ফেলে দেওয়ার মতো তীব্র রাজনৈতিক ভাষাও উঠে আসে। এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এদিনের অনুষ্ঠানে ধর্মীয় আচার, সাধু-সন্তদের নিরাপত্তা ও সম্মানের পাশাপাশি রাজনৈতিক বিষয়ও উঠে আসে। একদিকে বাগেশ্বর বাবাকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক, অন্যদিকে ছবি পোড়ানোর ঘটনায় পুলিশি পদক্ষেপএই দুই ঘটনাপ্রবাহের মধ্যেই শুভেন্দুর নতুন বক্তব্য সামনে এল। বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যের সঙ্গে বিজেপির একাংশের মতপার্থক্যের কথাও সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।সব মিলিয়ে ১১ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠের অনুষ্ঠান থেকে সাধু-সন্তদের উদ্দেশে শুভেন্দুর বার্তা এবং আগামী দিনে আরও বড় গীতাপাঠের ঘোষণা রাজনৈতিক ও ধর্মীয়দুই ক্ষেত্রেই নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট, হঠাৎ বিরোধীদের দাবিতে বড় প্রশ্ন তুললেন মুকুল রোহতগি

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে সংসদে নতুন করে প্রস্তাব আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিরোধীরা। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বিরোধী শিবিরের তরফে লোকসভা ও রাজ্যসভাদুই কক্ষেই প্রস্তাব আনার প্রস্তুতির কথা জানানো হয়েছে। সেই আবহেই প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল তথা প্রবীণ আইনজীবী মুকুল রোহতগির মন্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রোহতগি দাবি করেছেন, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে যে ধরনের অভিযোগ সামনে আনা হচ্ছে, সেগুলি ইমপিচমেন্টের সাংবিধানিক ভিত্তি তৈরি করার জন্য যথেষ্ট নয়। তাঁর বক্তব্য, সম্পূর্ণ অস্পষ্ট এবং শক্ত প্রমাণহীন অভিযোগের ভিত্তিতে এমন প্রস্তাব আনা যায় না।রোহতগির যুক্তি, নির্বাচন কমিশনের তিন সদস্যের মধ্যে কোনও বিষয়ে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। তাঁর মতে, মতের অমিল নিজে থেকে অসাংবিধানিক বা বেআইনি কাজের প্রমাণ নয়। বরং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আলোচনা ও মতপার্থক্য সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাভাবিক অংশ হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।এই প্রসঙ্গে রোহতগি নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথাও উল্লেখ করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কমিশনের অন্দরে কোনও পর্যায়ে মতের অমিল থাকলেও শেষ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক ভাবে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সেটিই কমিশনের সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। নির্বাচন কমিশনও জানিয়েছে, তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবে গৃহীত হয়েছে এবং অভ্যন্তরীণ পর্যায়ের মতামতকে আনুষ্ঠানিক ভিন্নমত হিসেবে দেখা ঠিক নয়।তিন সদস্যের কমিশনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ভোট অন্য দুই নির্বাচন কমিশনারের চেয়ে বেশি নয় বলেও ব্যাখ্যা দিয়েছেন রোহতগি। অর্থাৎ তিন সদস্যের প্রত্যেকের ভোটের মূল্য সমান। কোনও বিষয়ে দুই কমিশনার এক দিকে থাকলে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায় বলে তাঁর বক্তব্য।রোহতগি এই পরিস্থিতির সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের একাধিক বিচারপতির বেঞ্চের তুলনাও করেছেন। তাঁর যুক্তি, বিচারপতিদের মধ্যে কোনও মামলায় মতপার্থক্য থাকলেও সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতির রায়ই শেষ পর্যন্ত আদালতের সিদ্ধান্ত হিসেবে কার্যকর হয়। একই ভাবে নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের মধ্যে মতের অমিলকে শুধুমাত্র সেই কারণেই অসদাচরণ বলা যায় না বলে মত তাঁর।তবে জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্ক শুধু কমিশনের অন্দরের মতপার্থক্যে সীমাবদ্ধ নেই। প্রাক্তন কেরল মুখ্যসচিব জিজি থমসন সম্প্রতি দাবি করেছেন, ২০১৬ সালে একটি বিমানে দিল্লি যাওয়ার সময় তৎকালীন আমলা জ্ঞানেশ কুমার তাঁকে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। থমসনের দাবি, তাঁকে পাঠানমতিট্টা কেন্দ্র থেকে লড়ার কথা বলা হয়েছিল এবং তিনি সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।থমসনের এই দাবি অবশ্য তাঁর নিজের বক্তব্য হিসেবেই সামনে এসেছে। জ্ঞানেশ কুমারের তরফে এই অভিযোগের কোনও জবাব প্রকাশ্যে এসেছে কি না, তা নিয়েও সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে যে তিনি এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাননি। তাই অভিযোগটির সত্যতা নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য সামনে আসা প্রয়োজন।জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বর্তমান বিতর্কের আরও একটি বড় কারণ নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন। একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত কয়েক মাসে কমিশনের দুই নির্বাচন কমিশনার একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি নথিভুক্ত করেছিলেন। নির্বাচন কমিশন অবশ্য জানিয়েছে, মতের পার্থক্য স্বাভাবিক এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এক দিকে জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে বিরোধীদের প্রস্তাব আনার প্রস্তুতি, অন্য দিকে সেই প্রস্তাবের সাংবিধানিক ভিত্তি নিয়ে মুকুল রোহতগির প্রশ্নদুই ঘটনাই জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে চর্চার জন্ম দিয়েছে। পাশাপাশি প্রাক্তন আমলার বিজেপির টিকিটের প্রস্তাব সংক্রান্ত দাবিও বিতর্ককে আরও জটিল করেছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগ, দাবি ও পাল্টা বক্তব্যের মধ্যে কোনগুলি প্রমাণিত এবং কোনগুলি রাজনৈতিক দাবি, তা নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট নথি, প্রক্রিয়া এবং সব পক্ষের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

মায়ের গর্ভগৃহে পুজো, প্রবীণ নেতার পায়ে প্রণাম—বর্ধমানে মুখ্যমন্ত্রীর সফরে আবেগের অন্য ছবি

মন্দির সংস্কার ও সৌন্দর্যায়নে পূর্ণাঙ্গ ডিপিআর চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী, ৫ তারিখের ক্যাবিনেট বৈঠকে জমা দেওয়ার নির্দেশ।বর্ধমান: বর্ধমানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী মা সর্বমঙ্গলার মন্দিরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পুজো ঘিরে শুক্রবার শহরে তৈরি হল এক অন্য আবহ। প্রশাসনিক কর্মসূচি শুরুর আগে সর্বমঙ্গলা মন্দিরে পৌঁছে গর্ভগৃহে গিয়ে প্রায় ১০ মিনিট ধরে পুজো দেন আরতি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে তাঁর এই সফরের সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত হয়ে রইল মন্দিরে প্রবেশের মুখে এক প্রবীণ বিজেপি নেতার সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ এবং অগ্রজের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর দৃশ্য।মন্দিরে প্রবেশের সময় অবিভক্ত বর্ধমান জেলার প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি দেবীপ্রসাদ মল্লিকের সঙ্গে দেখা হয় মুখ্যমন্ত্রীর। দেবীপ্রসাদ মল্লিক পুষ্পস্তবক দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান। এরপরই কোনও আনুষ্ঠানিকতার তোয়াক্কা না করে তাঁর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন শুভেন্দু অধিকারী। মুহূর্তের সেই দৃশ্য উপস্থিত সকলের নজর কাড়ে।বর্ধমানের বিজেপি সংগঠনের প্রবীণ কর্মীদের মধ্যে দেবীপ্রসাদ মল্লিকের নাম দীর্ঘদিনের। আশির দশক থেকেই তিনি বিজেপির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত বলে দলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি। সেই সময় বর্ধমান - দুর্গাপুর ভাগ হয়নি, গোটা বর্ধমানই ছিল একটি জেলা। বিরোধী রাজনীতির কঠিন সময়ে সংগঠন বিস্তারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন তিনি।আজকের বিজেপি যখন বাংলার রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি, তখন তার অতীতের সাংগঠনিক পথচলার সঙ্গে যুক্ত প্রবীণ কর্মীদের ভূমিকার কথাও সামনে আসে এই ধরনের ঘটনায়। স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের একাংশের মতে, বর্ধমান শহরে দলের সংগঠনকে শূন্য থেকে দাঁড় করানোর সময় দেবীপ্রসাদ মল্লিকের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিবেশে সংগঠনের কাজ চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি কর্মীদের একত্রিত করার কাজও করেছেন তিনি।আর সেই প্রবীণ নেতার সামনে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এই শ্রদ্ধাজ্ঞাপনকে তাই শুধুমাত্র সৌজন্য বিনিময় হিসেবে দেখছেন না স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের একাংশ। তাঁদের মতে, এর মধ্যে উঠে এসেছে একটি দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার প্রতি সম্মান জানানোর বার্তা। অবশ্য এই ঘটনার রাজনৈতিক ব্যাখ্যা যার যার নিজস্ব হলেও, মুহূর্তটির আবেগ এবং তাৎপর্য বর্ধমানের মানুষের নজর কেড়েছে।এরপরই মুখ্যমন্ত্রী প্রবেশ করেন বর্ধমানের ঐতিহ্যবাহী সর্বমঙ্গলা মন্দিরে। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এই প্রথম কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সর্বমঙ্গলা মন্দিরে এসে পুজো দিলেন।পুরোহিতদের উপস্থিতিতে গর্ভগৃহে গিয়ে নিজের হাতে দেবীর পুজো করেন তিনি। পুজোর ডালিতে ছিল পাঁচ রকম ফল ও মিষ্টি, নারকেল, চেলি, পদ্মফুলের মালা, আলতা-সিঁদুর এবং দেবীর জন্য একটি বেনারসি শাড়ি।পুজো শেষে মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে মুখ্যমন্ত্রীকে সম্মান জানানো হয়। বর্ধমান পুরসভার চেয়ারম্যান তথা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান তাঁর হাতে তুলে দেন দেবী সর্বমঙ্গলার প্রতিকৃতি। ট্রাস্টের সম্পাদক আইনজীবী সঞ্জয় ঘোষ বাঁশ দিয়ে তৈরি সর্বমঙ্গলা মন্দিরের একটি রেপ্লিকা এবং দেবীর একটি প্রতিমা মুখ্যমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।তবে শুধু পুজো বা সৌজন্য সাক্ষাতেই শেষ হয়নি মুখ্যমন্ত্রীর মন্দির সফর। মন্দিরের ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং সামগ্রিক উন্নয়ন নিয়েও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি।মন্দির সংস্কার, ঐতিহ্যবাহী হেরিটেজ ভবন সংরক্ষণ, সংলগ্ন এলাকার সৌন্দর্যায়ন এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়নের বিষয়গুলি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হয়। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, বিষয়গুলি শুনে রাজ্যের শিল্প প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্রকে একটি পূর্ণাঙ্গ ডিপিআর (Detailed Project Report) তৈরি করার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামী ৫ তারিখের ক্যাবিনেট বৈঠকে সেই ডিপিআর জমা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে বলে মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।প্রায় তিনশো বছরের ঐতিহ্য বহন করে চলা সর্বমঙ্গলা মন্দির বর্ধমানের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। মন্দিরের স্থাপত্য, ইতিহাস এবং স্থানীয় জনজীবনের সঙ্গে তার দীর্ঘ সম্পর্ককে সামনে রেখে দীর্ঘদিন ধরেই সংস্কার ও সৌন্দর্যায়নের দাবি উঠেছে।মুখ্যমন্ত্রীর সফরে সেই দাবিই নতুন করে গুরুত্ব পেল বলে মনে করছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ধর্মীয় পর্যটনের পাশাপাশি বর্ধমানের ঐতিহাসিক স্থাপত্য ও সংস্কৃতিকে আরও বৃহত্তর পর্যায়ে তুলে ধরা সম্ভব হবে বলেও তাঁদের আশা।সময়াভাবে মন্দিরে বসে ভোগ গ্রহণ করতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর জন্য অবশ্য বিশেষভাবে ভোগ পার্সেল করে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। মন্দির কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সেই ভোগের মেনুতে ছিল পোলাও, ফুলকপি-আলুর তরকারি, ছানার ডালনা, মাগুর মাছের ঝোল, ডাল, পায়েস এবং বর্ধমানের বিখ্যাত কেশরভোগ।একদিকে কয়েক শতকের ধর্মীয় ঐতিহ্য, অন্যদিকে বর্ধমানের রাজনৈতিক ইতিহাসের প্রবীণ এক চরিত্রের প্রতি প্রকাশ্য শ্রদ্ধামুখ্যমন্ত্রীর সর্বমঙ্গলা মন্দির সফর তাই একাধিক কারণে আলাদা মাত্রা পেল।সর্বমঙ্গলার গর্ভগৃহে মুখ্যমন্ত্রীর পুজো, মন্দির সংস্কারের জন্য ডিপিআর তৈরির নির্দেশ এবং প্রবীণ বিজেপি নেতা দেবীপ্রসাদ মল্লিকের পায়ে হাত দিয়ে তাঁর প্রণামএকসঙ্গে এই তিনটি মুহূর্ত বর্ধমানের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিসরে তৈরি করেছে আলোচনার নতুন আবহ।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal