• ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩, শুক্রবার ১৪ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Man

কলকাতা

কালীপুজোর মণ্ডপেও নো-এন্ট্রিঃ হাইকোর্ট

কালীপুজোর মণ্ডপেও দুর্গাপুজোর মতো নো-এন্ট্রি থাকবে বলে জানিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। পাশাপাশি গোটা নভেম্বর মাসজুড়ে বাজি কেনাবেচার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বিচারপতি সঞ্জীব বন্দোপাধায় ডিভিশন বেঞ্চ। ফলে কালীপুজোর পাশাপাশি ছট, জগদ্ধাত্রী পুজোতেও ফাটানো যাবে না বাজি। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ, ৩০০ বর্গমিটারের মণ্ডপে ৫ মিটার দূরে নো এন্ট্রি বোর্ড থাকবে। আরও পড়ুন ঃ আলু-পেঁয়াজের দামের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের হাতেঃ মমতা একসঙ্গে ১০ জন ঢুকতে পারবে এই আয়তনের মণ্ডপে ৷ মণ্ডপ থেকে ৫ মিটার দূরত্বে থাকবেন ঢাকি ৷ অন্যদিকে ৩০০ বর্গমিটারের থেকে বড় মণ্ডপে একসঙ্গে ৪৫ জন ঢুকতে পারবে । জগদ্ধাত্রী ও কার্তিক পুজোর ক্ষেত্রেও একই নির্দেশ বহাল থাকবে। এইসঙ্গে অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধিকে মান্যতা দিতে হবে। পাশাপাশি বিচারপতিরা জানিয়েছেন , কালীঘাট, দক্ষিণেশ্বর , তারাপীঠ, কল্যাণেশ্বরী মন্দিরের ভিড় নিয়ন্ত্রণ করবে পুলিশ। কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে, তা ঠিক করবে পুলিশই।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
উৎসব

কবিগুরুর "দুঃসময়" কবিতাকে আশ্রয় করেই সেজে উঠেছে চেতলা অগ্রণীর মণ্ডপ

কলকাতার মেগাপুজোগুলোর অন্যতম চেতলা অগ্রণী। এই পুজো মন্ত্রী ববি হাকিমের পুজো হিসেবে বেশি পরিচিত। প্রত্যেক বছরই লক্ষ লক্ষ মানুষের পদার্পণ হয় এই মণ্ডপে। এবার পরিস্থিতিটা একটু অন্যরকম। হাইকোর্টের নির্দেশে মণ্ডপের ভিতরে দর্শকদের প্রবেশাধিকার নেই। তাই এখানকার পুজো কমিটির সঙ্গে যু্ক্ত সকলেরই মন খারাপ। প্রসঙ্গত, গত ১২ অক্টোবর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখানকার দুর্গাপ্রতিমার চক্ষুদান করেছেন। চক্ষুদান করার পর, ১৯ তারিখ থেকেই খুলে দেওয়া হয় এই মণ্ডপ। আরও পড়ুনঃ ভারতচক্রের পুজোয় এবার মহামারীর অন্ধকার কাটিয়ে আলোয় জেগে ওঠার কাহিনি গত বছর তাদের থিম ছিল কলিকাতা চলিয়াছে নড়িতে নড়িতে। আঠাশতম বর্ষেও তাঁদের মণ্ডপভাবনায় রবীন্দ্রনাথের কবিতা। কবিগুরুর দুঃসময় কবিতাকে আশ্রয় করেই সেজে উঠেছে এবারের মণ্ডপ। অতিমারী ও ঘূর্ণিঝড় বিধ্বস্ত বঙ্গে এই কবিতাটি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক বলেই মনে করছেন শিল্পী। বাঁশ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে বিরাট একটা পাখি। মহাশূন্যে ডানা মেলে উড়ছে সে। প্রদীপ হাতে অভয় দিচ্ছেন ভয়ঙ্করী চামুণ্ডারূপিণী মা দুর্গা। কঠিন সময় কাটিয়ে আশার প্রতীক ওই বিরাট ডানামেলা পাখিটি, যাকে উদ্দেশ্য করে ধ্বনিত হয় লক্ষ মানুষের মানুষের বেঁচে থাকার আর্তি ---এখনই অন্ধ, বন্ধ কোরো না পাখা।

অক্টোবর ২২, ২০২০
দেশ

ক্ষমতায় এলে বিনামূল্যে করোনা ভ্যাকসিন , বিহারের ইস্তেহারে প্রতিশ্রুতি বিজেপির

সামনেই বিহারে নির্বাচন। তার আগে নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করে তাতে প্রতিশ্রুতির বন্যা বইয়ে দিল বিজেপি। বৃহস্পতিবার নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। বিজেপির প্রকাশ করা সংকল্পপত্রে সবচেয়ে চমকপ্রদ প্রতিশ্রুতি হল ক্ষমতায় ফিরলে বিনামূল্যে সকলের জন্য করোনার ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করা এবং বিহারবাসীর জন্য ১৯ লক্ষ চাকরি। এছাড়াও, ৩ লক্ষ শিক্ষক নিয়োগ, বিহারকে আইটি হাব হিসেবে গড়ে তোলা, এক কোটি মহিলাকে আত্মনির্ভর করা সহ বহু প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্য বোনাসের ঘোষণা কেন্দ্রের তিনি এদিন ইস্তেহার প্রকাশ করে বলেন, বিহারের বৃদ্ধি ভারতের বিকাশের একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। তিনি ভোটারদের এনডিএর মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী নীতীশ কুমারের সমর্থন বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছিলেন।

অক্টোবর ২২, ২০২০
কলকাতা

বিভিন্ন দাবিতে ধর্মতলায় মিছিল বাংলা সংস্কৃতি মঞ্চের

উত্তরপ্রদেশের হাথরাসের ঘটনা , কৃষিবিল প্রত্যাখ্যান সহ পাঁচ দফা দাবিতে সো্মবার ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেল থেকে গান্ধী্মূর্তির পাদদেশ পর্যন্ত মিছিল করল বাংলা সংস্কৃতি মঞ্চ। তাদের আরও দাবিগুলি হল , দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে। রাজ্যগুলির জিএসটি বাবদ যা প্রাপ্য , সেই টাকা মিটিয়ে দিতে হবে। বাংলাকে ভাগ করার যে চেষ্টা চলছে , এদিনের মিছিল থেকে তারও প্রতিবাদ জানিয়েছেন তাঁরা। মিছিল শেষ হওয়ার পরে তারা অবস্থান বিক্ষোভে বসে। তাদের দাবি, রাজ্যপালকে স্মারকলিপি জমা দেবে। কয়েক ঘণ্টা ধরে তাদের এই অবস্থান বিক্ষোভ চলে। আরও পড়ুনঃ বাংলায় সব পুজো মণ্ডপ দর্শকশূন্য রাখতে হবে , রায় হাইকোর্টের এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন , বাংলা সংস্কৃতি মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক তন্ময় ঘোষ , সভাপতি শামিরুল ইসলাম । এছাড়াও গুড হিউম্যান ফাউন্ডেশনের তরফ থেকে রাফে সিদ্দিকি , জাতীয় বাংলা সম্মেলনের তরফ থেকে সভাপতি অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অন্যান্যরা।

অক্টোবর ১৯, ২০২০
রাজ্য

মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিতে হাল্লাবোল মিছিল বিজেপি' র

মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিতে শুক্রবার হাল্লাবোল মিছিল করল বিজেপি। টিটাগড় থেকে ব্যারাকপুরের চিড়িয়ামোড় পর্যন্ত এদিন এই মিছিল আয়োজন করা হয়। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায়, সাংসদ লকেট চট্টো্পাধ্যয়, সাংসদ অর্জুন সিং , বিধায়ক সব্যসাচী দত্ত সহ আরও অনেকে। কৈলাস বিজয়বর্গীয় সাংবাদিকদের বলেন, সিআইডিকে দিয়ে এই তদন্ত করলে কো্নওদিনও ্প্রকৃত দোষী ধরা পড়বে না। তাই সিবিআইকে দিয়ে এই তদন্ত করাতে হবে। মণীশের পরিবার ক্রমাগত হুমকির মুখে পড়ছে। আরও পড়ুনঃ বলবিন্দরকে মুক্তি না দিলে আগামীকাল নবান্নের সামনে অনশনে বসবেন স্ত্রী ও পুত্র অন্যদিকে , টিটাগড়ের বিজেপি কাউন্সিলর মণীশ শুক্লা খুনের তদন্তে এখনও সিআইডির উপরই ভরসা রাখছে কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে তদন্তের বিস্তারিত রিপোর্ট জমা করেন সিআইডি আধিকারিকরা। সেই রিপোর্ট দেখে বিচারপতিরা জানান যে আপাতত রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থার তদন্ত চলুক। পরে এই তদন্তে কোনও ত্রুটি দেখা গেলে সিবিআই তদন্তের কথা ভাবা যাবে। আগামী ১০ নভেম্বর মামলাটির পরবর্তী শুনানি।

অক্টোবর ১৬, ২০২০
রাজ্য

বিক্ষোভ কর্মসূচি মুক্ত মঞ্চ বাঁচাও কমিটির

মুক্ত মঞ্চ বাঁচাও কমিটির পক্ষ থেকে সোমবার দুর্গাপুরে মহকুমা শাসকের দপ্তরের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুর মহকুমার সমস্ত সংগীতশিল্পী, বাদ্যযন্ত্র শিল্পী ও বাচিকশিল্পীরা। আরও পড়ুন ঃ আমরা দাদার অনুগামীদের উদ্যো্গে মাস্ক বিতরণ শিল্পী সুমন দাস বলেন, দুর্গাপুর ও আসানসোল মহকুমায় প্রায় ১ হাজার শিল্পী গত সাত মাস ধরে অনাহারে দিন কাটাচ্ছে । করোনার জন্য অনুষ্ঠান কোথাও করা যাচ্ছে না। খুব কষ্টের মধ্যে দিন কাটছে, তাই আমাদের আবেদন রাজ্য সরকার অনুষ্ঠানের অনুমতি দিক।

অক্টোবর ১২, ২০২০
রাজ্য

মনীশ শুক্লা হত্যার ঘটনায় মোমবাতি মিছিল বিজেপির

বৃহস্পতিবারের নবান্ন অভিযানে পুলিশের লাঠি ও বেগুনি জল দিয়ে দলের কার্যকর্তাদের অসুস্থ করার প্রতিবাদে শুক্রবার মৌ্ন মিছিলের ঘোষণা করে বিজেপি। সেইমতো শুক্রবার বিকেল ৪ টে নাগাদ মুরলীধর সেন লেনের বিজেপির সদর অফিস থেকে গান্ধী মূর্তির পাদদেশ অবধি মৌন মিছিল করেন। এই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ, দলের অন্যতম নেতা সায়ন্তন বসু সহ বহু সমর্থক। পাশাপাশি এদিন ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রে্র সাংসদ অর্জুন সিংয়ের নেতৃত্বে আর একটি মৌন মিছিল বের হয়। অর্জুনের সঙ্গে ছিলেন বিধায়ক সুনীল সিং, পবন সিং সহ এলাকার নেতৃবর্গ ও সমর্থক। মনীশ শুক্লার হত্যার প্রতিবাদে মোমবাতি নিয়ে ছিল এই মিছিল। অর্জুন সিং জানান, সিআইডি নয় তাঁরা সিবিআই তদন্ত চান। এ বিষয়ে তাঁরা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দপ্তরেও অনুরোধ জানাবেন। কারণ, সিআইডি রাঘব - বোয়া্লদের ছেড়ে চুনোপুটিদের ধরছে। আরও পড়ুনঃ মণীশ শুক্লাকে হত্যার জন্য ভাড়া করা হয়েছিল ভিন রাজ্যের সুপারি কিলার অন্যদিকে, বৃহস্পতিবারের নবান্ন অভিযানে মহামারী প্রতিরোধ আইন ভঙ্গ করায় দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়, লকেট চট্টোপাধ্যায়, জয়প্রকাশ মজুমদার সহ রাজ্য বিজেপি নেতাদের নামে মামলা দায়ের হয়েছে। দিলীপ ঘোষ এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বলেন, সরকার ভয় পেয়ে তাদের নামে মামলা দায়ের করেছে।

অক্টোবর ০৯, ২০২০
কলকাতা

বর্তমান শিক্ষার হালহকিকত নিয়ে বিকল্প ইস্তেহার প্রকাশ এসএফআইয়ের

এসএফআই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির উদ্যোগে বুধবার প্রকাশিত হল বর্তমান শিক্ষার হালহকিকত নিয়ে বিকল্প ইস্তেহার। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ নিয়ে বিকল্প বক্তব্য হাজির করা হয়েছে এই বইতে। 'মহামারীর শিক্ষা ও শিক্ষায় মহামারী ' আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করলেন প্রাক্তন ছাত্র-যুব নেতৃত্ব কমরেড মহ: সেলিম।এছাড়াও এদিনের বইপ্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এসএফআইয়ের রাজ্য সম্পাদক সৃজন ভট্টাচায।বইটি এসএফআইয়ের রাজ্য কমিটির দফতর, জেলা দফতরে পাওয়া যাবে। এছাড়াও এনবিএ'র বিপণি কেন্দ্রে পাওয়া যাবে। দাম ২৫ টাকা।প্রসঙ্গত, জাতীয় শিক্ষানীতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বামেদের অভিযোগ রয়েছে। এবার সেটাই বই আকারে প্রকাশ করে মানুষের কাছে পৌঁছে দেবে এসএফআই।

অক্টোবর ০৮, ২০২০
রাজ্য

মণীশ হত্যা, রণক্ষেত্র ব্যারাকপুর, সিবিআই তদন্তের দাবি বিজেপির

টিটাগড়ের বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বিজেপির ডাকা ১২ ঘণ্টার বন্ধের দিন শুনশান ছিল ব্যারাকপুর লো্কসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকা। দোকানপাট ,বাজার বন্ধ রয়েছে। এলাকায় চলছে পুলিশি টহল। বিজেপি কর্মীরা বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা অবরোধ করে টায়ার জালিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। হত্যাকাণ্ডের সিসিটিভি ফুটেজ দেখা নিয়ে পুলিশের সাথে তাদের বচসা শুরু হয়। থানার উপর বোমাবাজি শুরু হয়। সাংবাদিকদের দিকে ছোঁড়া হয় ইট। দফায় দফায় বিক্ষোভ করেন বিজেপি কর্মীরা। রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে টিটাগড় থেকে ব্যারাকপুর সাব ডিভিশন। অবশেষে বাধ্য হয়ে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। ছোঁড়া হয় কাঁদানে গ্যাস। বিটি রোড থেকে অবরোধকারীদের সরিয়ে দেওয়া হয়।এদিকে, সোমবার সকালে নিহত মণীশের বাড়িতে যান কৈলাস বিজয়বর্গীয়র নেতৃত্বে বিজেপির এক প্রতিনিধিদল। তার সঙ্গে ছিলেন মুকুল রায়,অরবিন্দ মেনন। তাঁরা নিহত নেতার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন।পাশাপাশি দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গেও কথা বলেন। সকলেই পুলিশের বিরুদ্ধে কৈলাসের কাছে ক্ষোভ উগরে দেন । তারপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কৈলাস বলেন , মণীশ খুনে পুলিশের ভূমিকা সন্দেহজনক। ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মা ও ডেপুটি কমিশনার অজয় ঠাকুরের ভূমিকা ভীষণ সন্দেহজনক । রাজ্য পুলিশের উপর আমাদের কোনও বিশ্বাস নেই । আমরা ঘটনার সিবিআই তদন্ত চাই । সেই তদন্তে পুলিশের ভূমিকাও দেখা হোক । এরপর মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে কৈলাস বলেন , এটা কোনও সামান্য হত্যাকাণ্ড নয় । স্টেনগান নিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের হত্যা হয়েছে । মমতাজি জনতা আপনাকে ঠিক সাজা দেবে । বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, একজন প্রাক্তন কাউন্সিলার ও আইনজীবীকে স্টেনগান দিয়ে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ ধীরে ধীরে উত্তর প্রদেশ এবং বিহারের মতো মাফিয়া রাজ্যে পরিণত হচ্ছে।পুলিশ সুপারি কিলার পাঠিয়েছে তাকে খুন করবার জন্য। এর আগেও অনেকবার আমাদের সাংসদ অর্জুন সিং এবং অন্যদেরও হত্যা করার পরিকল্পনা করেছিল। একজন জনপ্রিয় যুবনেতা এভাবে প্রকাশ্যে গুলি করে মারা হল তাতে এটা পরিস্কার পশ্চিমবঙ্গে আইন শৃঙ্খলা বলে কিছু নেই।এই ঘটনাকে তৃণমূলের অমানবিক ও রাজ্য সরকারের নৈরাজ্যের মুখ বলে টুইট করেছেন মুকুল রায়। বিজেপি মুখপাত্র সম্বিত পাত্র বলেন, নিহত নেতার মৃত্যুর ঘটনা বেদনাদায়ক। অন্যদিকে,ব্যারাকপুর লো্কসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং টুইটে লিখেছেন, ছোট ভাইয়ের মতো ছিলেন মণীশ শুক্লা। তৃণমূল ও পুলিশকে তাদের কৃতকর্মের ফল ভুগতে হবে। বিস্ফোরক অভিযোগে তিনি বলেন, মনীশ শুক্লাকে খুন করিয়েছে পুলিশই। এই খুনের ঘটনায় পুলিশের অস্ত্রই ব্যবহার করা হয়েছে। সোমবার সকালে বিজেপির সাংসদ অর্জুন সিং দাবি করে বলেন মণীশ শুক্লাকে পুলিশ প্ল্যান করে খুন করেছে। এই খুনে সামান্য কোনও অস্ত্র ব্যবহার করা হয়নি। এই অস্ত্র বারাকপুর লাটবাগানের পুলিশ ট্রেনিং কলেজ থেকে বেরিয়েছিল। আর যে বুলেট ব্যবহার করা হয়েছে তাও পুলিশের থেকেই এসেছে। তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন এটি একটি রাজনৈতিক হত্যার ঘটনা। এই খুনের ঘটনাটি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অঙ্গুলিহেলনেই বারাকপুর পুলিশ এই ঘটনা ঘটিয়েছে। আমরা এই ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি করছি।সিবিআই তদন্ত ছাড়া এই খুনের আসল খুনিদের গ্রেফতার করা যাবে না। আমরা চাই পুলিশ এই কাজ করেছে তাই পুলিশ কোনও সঠিক তদন্ত করবে না। তাই সিবিআই তদন্তের দাবি করছি আমরা। আর পুলিশ এই ঘটনায় জড়িত বলেই থানার সামনে ঘটনা ঘটল আর থানার সিসিটিভি ক্যামেরা গুলো সব খারাপ হয়ে গেল ? এটা মানা কি সম্ভব? ব্যারাকপুরে খুনের ঘটনায় সাধারণ মানুষকে সংযত থাকার আবেদন জানিয়েছে পুলিশ। তারা টুইট করে এই ঘটনা কিংবা মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্কিত মন্তব্য না করার পরামর্শ দিয়েছেন। টুইটে লেখা আছে, গত সন্ধ্যায় ব্যারাকপুরের টিটাগড় এলাকায় একজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ অপরাধের তদন্ত করছে এবং ব্যক্তিগত শত্রুতা-সহ সম্ভাব্য সমস্ত কারণ খতিয়ে দেখছে কারণ মৃত ব্যক্তি কয়েকটি হত্যা ও হত্যার চেষ্টা মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন। যথাযথ তদন্ত ছাড়াই কোন সিদ্ধান্তে উপনীত হবেন না। সোশ্যাল মিডিয়াতে দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করার অর্থ তদন্তে হস্তক্ষেপ করা। দয়া করে এ থেকে বিরত থাকুন। এদিকে, মণীশ শুক্লা মৃত্যুর তদন্ত শুরু করল সিআইডি। ঘটনাস্থলে গিয়ে পৌঁছয় সিআইডির তদন্তকারী দল। তারা সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছেন। অন্যদিকে, নিহত বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লার দেহ এনআরএস হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য আনা হয়। সঙ্গে ছিলেন বিপুল সংখ্যক দলীয় কর্মী-সমর্থক। তবে হাসপাতালের দরজাতেই আটকে দেওয়া হয় বিজেপি নেতাকর্মীদের। অতিমারী পরিস্থিতিতে এত সংখ্যক মানুষজনকে হাসপাতালের ভিতর ঢুকতে দেওয়া যাবে না বলেই জানিয়ে দেন পুলিশকর্মীরা। তাতে বেজায় ক্ষুব্ধ হন বিজেপি নেতাকর্মীরা। হাসপাতালের সামনে ব্যারিকেড ভেঙে ঢোকার চেষ্টা করে তারা। তাতে বাধা দেন পুলিশকর্মীরা। পুলিশ এবং বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। ইতিমধ্যেই হাসপাতালের সামনে এসে পৌঁছন কৈলাস বিজয়বর্গীয়, অর্জুন সিং, অরবিন্দ মেনন,সব্যসাচী দত্তরা।টানাপোড়েনের পর পুলিশের তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, রাজ্যস্তরের নেতা্নেত্রীদের সঙ্গে নিহত বিজেপি নেতার পরিজনেরা ভিতরে ঢুকতে পারবেন। সেই অনুযায়ী তাঁদের হাসপাতালে ঢুকতে দেওয়া হয়। তবে সাধারণ নেতাকর্মীদের হাসপাতালে ঢুকতে না দেওয়ায় বেজায় ক্ষুব্ধ গেরুয়া শিবির। কৈলাস বিজয়বর্গীয়র দাবি, এটা কোনও সাধারণ ঘটনা নয়। আগেও আমাদের দলীয় নেতাকর্মীদের মেরে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। রাজ্য পুলিশ জাদুকর। তারা যখন খুশি খুনকে আত্মহত্যা বানিয়ে দেয় তাই ময়নাতদন্ত চলাকালীন হাসপাতালে ঢোকার প্রয়োজনীয়তা ছিল।

অক্টোবর ০৫, ২০২০
রাজনীতি

টিটাগড়ে খুন বিজেপি নেতা, ১২ ঘণ্টা ব্যারাকপুর বনধের ডাক বিজেপির

ফের বিজেপি নেতা খুন। রবিবার ৪ অক্টোবর রাতে টিটাগড় থানার সামনে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা সাংসদ অর্জুন সিং ঘনিষ্ঠ মণীশ শুক্লাকে গুলি করে হত্যা করে বলে অভিযোগ। এর প্রতিবাদে সোমবার ১২ ঘণ্টা ব্যারাকপুর বনধের ডাক দিয়েছে বিজেপি। কৈলাস বিজয়বর্গীয়, মুকুল রায়রা সোমবার মণীশ শুক্লার বাড়িতেও যাবেন। কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেন, টিটাগড় থানার সামনে এই ঘটনায় পুলিশের উপর আর আস্থা নেই। অনেক দিন ধরেই অর্জুন সিং বলছিলেন ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার অজয় ঠাকুরদের দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার ও আমাদের দলের কর্মীদের মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র করছেন। অর্জুন-ঘনিষ্ঠ মণীশকে গুলি করে হত্যার ঘটনার সিবিআই তদন্ত দাবি করে বিজয়বর্গীয় বলেন, পুলিশের সন্দেহজনক ভূমিকা খতিয়ে দেখা উচিত। এমন নীচ কাজ করার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জনগণ ক্ষমা করবে না। উল্লেখ্য, মৃত্যুর আগের দিনও কৃষক সুরক্ষা পদযাত্রায় পা মিলিয়েছিলেন মণীশ। তাঁকে হত্যার ঘটনায় ব্যথিত অর্জুন সিং টুইটে লেখেন, এবার সীমা ছাড়াল। এর ফল ভুগতে হবে তৃণমূলকে।

অক্টোবর ০৫, ২০২০
রাজনীতি

অনুব্রতকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েও অনড় নিত্যানন্দ

নিত্যানন্দ চট্টোপাধ্যায়। পূর্ব বর্ধমানের গুসকরার বিদায়ী তৃণমূল কাউন্সিলর। কয়েক মাস আগে দলে যোগ্য মর্যাদা না পেয়ে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা করেছিলেন। তারপর বিভিন্ন ফেসবুক পোস্টে দলের নেতৃত্বের প্রতি অসন্তোষ, বিধানসভা ভোটে জিততে দলে সংস্কারের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। এমনকী আউশগ্রামের এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে ফোনে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ এনে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। এবার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে নিজেই গ্রেফতার হলেন। তাও আবার যাকে তাকে নয়। বীরভূমের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে! আরও পড়ুন- নন্দীগ্রামে বিস্ফোরক শুভেন্দু অধিকারী বিজেপি রাজ্য সহ সভাপতি রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় অনুব্রতকে এনকাউন্টার করে বিকাশ দুবের মতো মারার হুমকি দিয়ে গ্রেফতার না হলেও, অনুব্রতকেই প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হলেন গুসকরা পুরসভার বিদায়ী তৃণমূল কাউন্সিলর নিত্যানন্দ চট্টোপাধ্যায়। মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর দুপুরে গুসকরা শহরের স্কুল মোড় এলাকা থেকে নিত্যানন্দবাবুকে গ্রেফতার করা হয়। গুসকরার ইটাচাঁদার বাসিন্দা এক তৃণমূলকর্মী শেখ সুজাউদ্দিনের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে। এদিনই ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পাঠায় পুলিশ। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন। বলেন, এটা ঠিক অনুব্রতকে হুমকি দিয়েছি, তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল অডিওর গলা আমার নয়। কেষ্ট মণ্ডল ওর স্ত্রীর অসুখের সময় আমার কাছ থেকে ২০ লক্ষ টাকা ধার নিয়েছিল। সেই টাকা ফেরত দিচ্ছে না।বারবার চেয়েও ফেরত পাইনি। তাই আমি ওকে হুমকি দিয়েছিলাম। ক্ষমতা চিরদিন থাকে না। জামিনে ছাড়া পেয়ে টাকা চেয়ে আমি ওর কলার ধরব। প্রয়োজনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানাব। টাকা নেওয়ার কথা এখন অস্বীকার করছে কেষ্ট। ও নিজেকে সিএমের উপরে ভাবে। মাগুর মাছ কাটত আগে, এখন হাজার কোটির মালিক হলো কীভাবে? দুশোর উপর মার্ডার করেছে। একটা ক্রিমিনাল। ওর মেয়ের দুটো চাকরি হয় কী করে? ওকে যারা তৃণমূল বলে তাদের লজ্জা হওয়া উচিত। আরও পড়ুন- তৃণমূলকে সার্কাসের জোকার বললেন সায়ন্তন, দলের লোকেরা ওকেই বলে, প্রবীণ রাজনৈতিক কর্মী নিত্যানন্দ চট্টোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেসের জন্মলগ্ন থেকে দলের সঙ্গে যুক্ত। বাম আমলেও গুসকরা পুরসভায় তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন। বিগত পুর বোর্ডে পুরসভার পূর্ত বিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।গুসকরা পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার বিদায়ী কাউন্সিলর নিত্যানন্দবাবু দলের মধ্যেই একাধিকবার বিতর্কে জড়িয়েছেন। তবে তাঁর ওয়ার্ড এলাকায় সাধারণ মানুষ অনেকেই তাঁকে পছন্দ করেন। তবে ইঁটাচাদা এলাকার বাসিন্দা শেখ সুজাউদ্দিন নামে ওই তৃণমূল কর্মী জানান, অনুব্রত মণ্ডলের উদ্দেশে ওই হুমকি অডিও এলাকায় ভাইরাল হয়। তারপর তিনি অভিযোগ দায়ের করেছেন। অনুব্রত মণ্ডল বলেন, নিত্যানন্দ চট্টোপাধ্যায়ের কাজই সবাইকে হুমকি দেওয়া। ওর কাছে লাইসেন্সপ্রাপ্ত আগ্নেয়াস্ত্র আছে, বিনা লাইসেন্সের আগ্নেয়াস্ত্র আছে বলে হুমকি দিয়ে বেড়ায়। যত সব পাগলামো। আমি ওর কাছে কোনও টাকা নিইনি।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২০
রাজ্য

রাতের  মঙ্গলাহাটে দেখা মিলল না ক্রেতার

একদমই জমল না গভীর রাতের হাট। বিক্রেতারা সারা রাত দোকান খুলে পশরা সাজিয়ে রাখলেও দেখা মিলল না ক্রেতার। ৬ মাস বন্ধ থাকার পরে শনিবার রাতে মঙ্গলাহাটের এমনই হাল ছিলো বলে জানান হাটের দোকানদাররা। প্রসঙ্গত, করোনা পরিস্থিতির জেরে গত ২৪মার্চ থেকে শুরু হয় দেশ ব্যাপী লকডাউন। সেই সময় থেকেই বন্ধ হয়ে যায় মঙ্গলাহাট। হাট বন্ধ থাকায় সমস্যায় পড়েন প্রায় ৬০-৭০ হাজার ব্যবসায়ী। আনলক পর্ব শুরু হয় ১লা জুন। সেই সময় থেকেই বারেবারে হাট চালু করার জন্য ব্যবসায়ীরা জেলা প্রশাসনের কাছে চিঠি দিয়ে আর্জি জানিয়ে আসছিলেন। তারপরে হাট খোলার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। আগের মত সপ্তাহে সোম ও মঙ্গলবার দুদিনের বদলে শনিবার একদিন এবং দিনের বদলে সারারাত হাট খোলার সিদ্ধান্ত নেয় হাওড়া জেলা প্রশাসন। মূলত করোনা সংক্রমণ রূখতেই এমন সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। যদিও গভীর রাতে কিভাবে ক্রেতারা হাটে আসবেন সেই প্রশ্ন ওঠে। শুধু তাই নয় রাত্রিবেলায় ক্রেতা-বিক্রেতা উভয় পক্ষের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন হাটের ব্যাবসায়ীদের একাংশ। শনিবার রাতে হাটের ১১টি ভবনের ভেতরে থাকা দোকান মালিকরা করোনা বিধি মেনে দোকান খুললেও দেখা মেলেনি ক্রেতাদের। পশ্চিমবঙ্গ বস্ত্র ব্যাবসায়ী সমিতির সভাপতি কামাক্ষা সাহার কথায়, প্রথম দিনের হাট একদম ফ্লপ। গভীর রাতের এই হাটে সব দোকানদাররা যেমন আসতে পারেননি, তেমনই দেখা মেলেনি ক্রেতাদেরও। তাঁরা আগামী দুই সপ্তাহ দেখার পরে বিষয়টি নিয়ে আবার প্রশাসনের কাছে যাবেন। এর আগেও একদিন গভীর রাতের বদলে শনিবার ও রবিবার সকালে হাট বসতে দেওয়ার আর্জি জানান মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ীরা।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০
রাজ্য

রাতের  মঙ্গলাহাটে দেখা মিলল না ক্রেতার

একদমই জমল না গভীর রাতের হাট। বিক্রেতারা সারা রাত দোকান খুলে পশরা সাজিয়ে রাখলেও দেখা মিলল না ক্রেতার। ৬ মাস বন্ধ থাকার পরে শনিবার রাতে মঙ্গলাহাটের এমনই হাল ছিলো বলে জানান হাটের দোকানদাররা। প্রসঙ্গত, করোনা পরিস্থিতির জেরে গত ২৪মার্চ থেকে শুরু হয় দেশ ব্যাপী লকডাউন। সেই সময় থেকেই বন্ধ হয়ে যায় মঙ্গলাহাট।  হাট বন্ধ থাকায় সমস্যায় পড়েন প্রায় ৬০-৭০ হাজার ব্যবসায়ী। আনলক পর্ব শুরু হয় ১লা জুন। সেই সময় থেকেই বারেবারে হাট চালু করার জন্য ব্যবসায়ীরা জেলা প্রশাসনের কাছে চিঠি দিয়ে আর্জি জানিয়ে আসছিলেন। তারপরে হাট খোলার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। আগের মত সপ্তাহে সোম ও মঙ্গলবার দুদিনের বদলে শনিবার একদিন এবং দিনের বদলে সারারাত হাট খোলার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। মূলত করোনা সংক্রমণ রূখতেই এমন সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। যদিও গভীর রাতে কিভাবে ক্রেতারা হাটে আসবেন সেই প্রশ্ন ওঠে। শুধু তাই নয় রাত্রিবেলায় ক্রেতা-বিক্রেতা উভয় পক্ষের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন হাটের ব্যাবসায়ীদের একাংশ। শনিবার রাতে হাটের ১১টি ভবনের ভেতরে থাকা দোকান মালিকরা করোনা বিধি মেনে  দোকান খুললেও দেখা মেলেনি ক্রেতাদের।  পশ্চিমবঙ্গ বস্ত্র ব্যাবসায়ী সমিতির সভাপতি কামাক্ষা সাহার  কথায়,  প্রথম দিনের হাট একদম ফ্লপ। গভীর রাতের এই হাটে সব দোকানদাররা যেমন আসতে পারেননি,  তেমনই দেখা মেলেনি ক্রেতাদেরও। তাঁরা আগামী দুই সপ্তাহ দেখার পরে বিষয়টি নিয়ে আবার প্রশাসনের কাছে যাবেন। এর আগেও একদিন গভীর রাতের বদলে শনিবার ও রবিবার সকালে হাট বসতে দেওয়ার আর্জি জানান মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ীরা।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০
খেলার দুনিয়া

কবে থেকে ‌জিম, ফিজিক্যাল ট্রেনিংয়ে নামছেন মনোজরা?

পরিকাঠামো, নির্দেশিকা তৈরি। তা সত্ত্বেও প্রাক-মরশুম প্রস্তুতিতে নামতে পারছেন না বাংলার ক্রিকেটাররা। আসলে এখনও রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর ও ক্রীড়া দপ্তরের অনুমতি না। জিম ও ফিজিক্যাল ট্রেনিং শুরু করার জন্য অনুমতি চেয়ে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর ও ক্রীড়া দপ্তরের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে সি এ বি। অনুমতি পেলেই ট্রেনিং শুরু করবেন মনোজ তিওয়ারিরা। ক্রিকেটারদের জিম ও ফিজিক্যাল ট্রেনিং অনুশীলনের জন্য নির্দেশিকা তৈরি করেছে সি এ বি। ক্রিকেটাররা কীভাবে অনুশীলনে আসবেন, কীভাবে জিম করবেন, কোন কোন বিধি মেনে চলতে হবে, কী করা যাবে, কী করা যাবে না, এইসব নিয়ে। স্বাস্থ্য দপ্তর ও ক্রীড়া দপ্তর এই নির্দেশিকা অনুমোদন করলে তা কার্যকর করা হবে। সি এ বি চাইছে খুব তাড়াতাড়ি প্রস্তুতি শুরু করতে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০
ব্যবসা

শর্তসাপেক্ষে মঙ্গলাহাট খোলার অনুমতি প্রশাসনের

আর মঙ্গলবারে নয় এবারে শনিবারে বসবে হাওড়ার শতাব্দী প্রাচীন মঙ্গলাহাট। বর্তমান কোভিড পরিস্থিতিতে ভিড় এড়াতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। প্রায় ৬ মাস পরে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার আবার বসবে এই হাট। গত ২৪ মার্চ থেকে করোনা আবহে প্রশাসনের নির্দেশে বন্ধ ছিল মঙ্গলাহাট। হাট চালু হওয়ার পর দুসপ্তাহ দেখা হবে যে কোভিড রীতি মেনে হাটে ব্যবসা হচ্ছে কিনা। একইসঙ্গে হাট চালু হওয়ার জন্য কোভিড সংক্রমণ বেড়ে যাচ্ছে কিনা। যদি তা হয় তাহলে হাট ফের বন্ধ করে দেওয়া হবে। এমনটাই সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। শনিবার রাত ৯ টা থেকে খুলবে মঙ্গলাহাট। চলবে রবিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত। শুধুমাত্র স্থায়ী দোকানগুলিই চালু থাকবে। হাওড়া ময়দান চত্বর জুড়ে রাস্তার ফুটপাথে বসা খুচরো বিক্রেতা এবং স্টলগুলিকে আপাতত বসার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। শনিবার রাতের মঙ্গলাহাটে কীরকম জনসমাগম হচ্ছে, করোনার স্বাস্থ্যবিধি কতটা মানা হচ্ছেসেসব পর্যবেক্ষণ করে ধাপে ধাপে হাটের পুরানো চেহারা ফিরিয়ে আনা হবে। পাশাপাশি সোম ও মঙ্গল দুদিন নয়, এবার মঙ্গলাহাট বসবে সপ্তাহে একদিন শনিবার। শুধু শনিবার রাতেই চালু থাকবে মঙ্গলাহাট। মূলত পাইকারি কেনাবেচা হবে। হাওড়ার জেলাশাসক মুক্তা আর্য জানালেন, হাওড়া ময়দানে যেখানে হাট বসে সেই চত্বরেই হাওড়া জেলা হাসপাতালসহ প্রচুর প্রশাসনিক ভবন রয়েছে। এখানে নানা কাজে নিত্যদিন প্রচুর মানুষ যাতায়াত করেন। তাই কোনওভাবেই যাতে ওই এলাকায় সংক্রমণ না ছড়ায় তা বিচার করেই রাতে হাট খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও এই সিদ্ধান্তে ইতিমধ্যে আপত্তি জানিয়েছেন মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা। তাঁদের দাবি, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনার পর হাট কীভাবে চালু করা সম্ভব, সেই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু এক্ষেত্রে তাঁদের কিছুই জানানো হয়নি। শনিবার রাতে পাইকারি কেনাবেচার জন্য কম মানুষই আসবেন এবং ওই দিনে কলকাতার একটি পাইকারি বস্ত্রহাট খোলা থাকে বলে ক্রেতার সংখ্যা আরও কমবে বলে আশঙ্কা তাঁদের। জানা গিয়েছে, মঙ্গলাহাটে মোট প্রায় ১১টি বড় বিল্ডিং রয়েছে, যেখান থেকে পাইকারি হারে নানা বস্ত্র বিক্রি করা হয়। সেগুলি খোলা থাকবে। প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের বড় অংশ। হাওড়া হাট সমন্বয় সমিতির সহ সম্পাদক কানাই পোদ্দার বলেন, শনিবার রাতে তো কোনও ক্রেতাই আসবে না। তাঁর দাবি, রবিবার হলে ভালো, তা না হলে কোনও একটা দিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত হাট খোলার অনুমতি না দিলে তা ব্যবসায়ীদের কোনও কাজে আসবে না। তাছাড়া এই সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে প্রশাসনের তরফে কেউই তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করেননি বলে দাবি ওই প্রতিনিধির। প্রয়োজনে ফের প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়ে এই নতুন নিয়ম পরিবর্তনের আবেদন করা হবে বলে জানান কানাইবাবু। হাট বন্ধ থাকায় চূড়ান্ত আর্থিক সমস্যায় পড়েন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ হাজার ব্যবসায়ী। ১ জুন থেকে আনলক পর্ব শুরু হতেই ব্যবসায়ীরা জেলা প্রশাসনের কাছে চিঠি দিয়ে হাট খোলার আর্জি জানিয়ে আসছিলেন।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

গুরুদ্বারের সামনেই সুখবীর বাদলকে কোপ! পেটে হামলার চেষ্টা, রক্তাক্ত প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী

মহারাষ্ট্রের নন্দেদে অকালি দল প্রধান তথা পঞ্জাবের প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী সুখবীর সিং বাদলের উপর আচমকা হামলার অভিযোগ উঠল। বৃহস্পতিবার একটি গুরুদ্বারে যাওয়ার সময় তাঁর উপর ছুরি নিয়ে হামলা করা হয় বলে জানা গিয়েছে। হামলায় হাতে চোট পেয়েছেন সুখবীর বাদল। তাঁকে রক্ষা করতে গিয়ে এক পুলিশকর্মীও আহত হয়েছেন।জানা গিয়েছে, নন্দেদের একটি গুরুদ্বারে যাওয়ার সময় ঘটনাটি ঘটে। গুরুদ্বারের সামনেই আচমকা এক ব্যক্তি সুখবীর বাদলের দিকে এগিয়ে এসে হামলা করার চেষ্টা করেন। অভিযোগ, হামলাকারী তাঁর পেটে আঘাত করার চেষ্টা করেছিলেন। তবে নিরাপত্তারক্ষী এবং পুলিশকর্মীদের তৎপরতায় বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়। হামলার সময় সুখবীর বাদলের হাতে চোট লাগে এবং তিনি রক্তাক্ত হন।ঘটনার পর দ্রুত তাঁকে নন্দেদের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে বলে জানা গিয়েছে। হামলার সময় তাঁর স্ত্রী তথা অকালি দলের সাংসদ হরসিমরত কৌর বাদলও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। ঘটনার পর সুখবীর বাদলকে ধরে নিয়ে যাওয়ার একটি ভিডিয়োও প্রকাশ্যে এসেছে। তাতে তাঁর ডান হাতে কাপড় বাঁধা দেখা যায়।হামলার ঘটনায় এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। তাঁর নাম যশপাল সিং বলে জানা গিয়েছে। তিনি নিহাঙ্গ শিখ বলে সূত্রের দাবি। হামলায় কৃপাণ ব্যবহার করা হয়েছিল বলেও জানা গিয়েছে। যশপাল সিং গত দুই বছর ধরে তখত শ্রী হাজুর সাহিব গুরুদ্বারে কাজ করছিলেন বলে সূত্রের খবর। তবে হামলার প্রকৃত কারণ কী, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।সুখবীর বাদলের উপর এই প্রথম হামলার চেষ্টা নয়। এর আগে ২০২৪ সালের ৪ ডিসেম্বর অমৃতসরের স্বর্ণমন্দিরের বাইরে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর চেষ্টা হয়েছিল। সেই ঘটনায়ও অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান তিনি। ঘটনাস্থল থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।ফলে নন্দেদের এই হামলার পর নতুন করে তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঠিক কী কারণে সুখবীর বাদলকে লক্ষ্য করে হামলা করা হল এবং এর পিছনে অন্য কোনও পরিকল্পনা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
দেশ

ঝাড়খণ্ডে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে আগুন! ছ’শো বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে মামলা, আরও পাঁচশো আটক

সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে ঝাড়খণ্ডে আন্দোলনের আঁচ আরও বাড়ল। গত সোমবার বিধানসভা অভিযানের পর বৃহস্পতিবার ৬০০ বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে ১০০ জনের নাম এফআইআরে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আরও প্রায় ৫০০ বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে বলেও খবর।গত প্রায় ২০ দিন ধরে নিয়োগ পরীক্ষায় স্বচ্ছতার দাবিতে আন্দোলন করছেন ঝাড়খণ্ডের তরুণ প্রজন্ম। রাঁচির জয়পাল সিং মুন্ডা স্টেডিয়ামে জেপিএসসি-জেএসএসসি সংস্কার মঞ্চ-এর ব্যানারে চলছে লাগাতার বিক্ষোভ। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, সরকারি চাকরির একাধিক নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম হয়েছে। তাঁদের দাবি, অভিযোগ ওঠা পরীক্ষাগুলি বাতিল করতে হবে এবং পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে হবে।আন্দোলনকারীরা নিরপেক্ষ তদন্তেরও দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের প্রস্তাব, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অথবা ঝাড়খণ্ডের বাইরের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়ে একটি বিশেষ প্যানেল তৈরি করে অভিযোগের তদন্ত করা হোক। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার বার্তাও দিয়েছেন তাঁরা।সোমবার বিধানসভা অভিযানের সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীদের মিছিল আটকাতে পুলিশ লাঠিচার্জ, জলকামান এবং কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে বলে অভিযোগ। এর পরেই রাজ্য রাজনীতিতে বিষয়টি নিয়ে চাপানউতোর শুরু হয়। পুলিশের পদক্ষেপের প্রতিবাদে বিজেপি রাজ্যজুড়ে বন্ধের ডাক দেয়।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাসও আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়িয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। দাবি পূরণ না হলে অনশনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি ২০২৪ সালে আবগারি কনস্টেবল পদের শারীরিক পরীক্ষায় মৃত্যু হওয়া ১৯ জন চাকরিপ্রার্থীর পরিবারকে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার দাবিও তুলেছেন।এই ইস্যুতে বিজেপির ছাত্র সংগঠনও আন্দোলনে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ এখন শুধু ঝাড়খণ্ডের রাজনীতিতেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, জাতীয় স্তরেও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক চাপ তৈরি হচ্ছে।অন্যদিকে আন্দোলনকারীদের উপর পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে জোট সরকারের শরিক কংগ্রেসের মধ্যেও অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। পুলিশের লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহারের সমালোচনা করেছেন রাহুল গান্ধী। একই সঙ্গে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বিজেপির ছাত্র সংগঠন আন্দোলনকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে সরকারি চাকরির নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে ঝাড়খণ্ডে আন্দোলন ক্রমেই বড় আকার নিচ্ছে। এক দিকে পড়ুয়া ও চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলন, অন্য দিকে পুলিশের মামলা এবং বিরোধীদের চাপসব মিলিয়ে হেমন্ত সোরেন সরকারের উপর রাজনৈতিক চাপও বাড়ছে।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
দেশ

‘আপনারা না পারলে আমরা করে দেখাব’, প্যাকেটজাত খাবার নিয়ে কেন্দ্রকে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের

প্যাকেটজাত খাবারে চিনি, নুন এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ বেশি হলে তার গায়ে স্পষ্ট স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা থাকা উচিতএই বিষয়টি ফের মনে করিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। এ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের গড়িমসি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে শীর্ষ আদালত। এমনকি কর্পোরেট সংস্থাগুলির চাপের কারণে বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্র বা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা নরম মনোভাব দেখাচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নও উঠেছে।একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে কড়া মন্তব্য করেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জে পি পার্দিওয়ালা এবং বিচারপতি কে বিনোদ চন্দ্রনের বেঞ্চ। আদালতের বক্তব্য, বিষয়টির সঙ্গে সরাসরি সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য জড়িত। তাই কোনও শিল্পগোষ্ঠীর চাপের কারণে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত প্রভাবিত হওয়া উচিত নয়।মামলাকারীর পক্ষ থেকে আদালতে অভিযোগ করা হয়, প্যাকেটজাত খাদ্যপণ্যের গায়ে স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা দেওয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিল্পমহলের আপত্তি রয়েছে। সেই কারণেই খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করছে না বলে অভিযোগ করা হয়। মামলাকারীর আইনজীবী আরও জানান, গত ৭ মার্চ খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার বৈঠকে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তা সুপ্রিম কোর্টের আগের নির্দেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে অবশ্য শিল্পমহলের আপত্তির কথা আদালতে জানানো হয়। তাদের প্রস্তাব ছিল, প্যাকেটের গায়ে সরাসরি সতর্কবার্তা না দিয়ে প্রতিদিন কতটা অতিরিক্ত চিনি, নুন বা স্যাচুরেটেড ফ্যাট খাওয়া উচিত, সেই পরিমাণ উল্লেখ করা যেতে পারে।কেন্দ্রের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ব্রিজেন্দর চাহার বিষয়টি আদালতে ব্যাখ্যা করেন। কেন্দ্রের যুক্তি ছিল, সতর্কবার্তা বাধ্যতামূলক করলে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। কারণ, দেশের বহু প্রচলিত খাবারেই ঐতিহ্যগত ভাবে চিনি ও নুনের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি থাকে।কেন্দ্রের এই যুক্তি শুনে আরও কড়া প্রশ্ন করেন বিচারপতিরা। তাঁদের বক্তব্য, সাধারণ মানুষকে সুস্থ রাখার বিষয়টি কি সরকারের অগ্রাধিকার নয়? বিশেষ করে শিশুদের স্বাস্থ্যের সঙ্গে যখন বিষয়টি জড়িত, তখন আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন বলেই মত শীর্ষ আদালতের।আদালত স্পষ্ট করে জানায়, প্যাকেটজাত খাবারে অতিরিক্ত চিনি, নুন এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাটের বিষয়টি জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার এবং খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন। ফলে প্যাকেটজাত খাবারের গায়ে স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা দেওয়ার বিষয়ে আগামী দিনে বড় সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
দেশ

পাইলটের শরীরে নিষিদ্ধ মাদক? ৩০০ ফুট নীচে নেমে যাওয়া বিমানের ঘটনায় তদন্তে বড় তথ্য

ফুকেত থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমানে আচমকা প্রায় ৩০০ ফুট উচ্চতা কমে যাওয়ার ঘটনায় তদন্তে নয়া মোড়। বিমানের পাইলটদের পরীক্ষার ফল নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। সরকারি সূত্র এবং সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিমানের প্রধান পাইলটের নিশ্চিতকরণমূলক পরীক্ষায় গাঁজার উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছে। তবে ওই পরীক্ষার ফল এবং বিমানের উচ্চতা কমে যাওয়ার ঘটনার মধ্যে সরাসরি কোনও যোগ এখনও তদন্তকারীরা নিশ্চিত করেননি।৪ অগস্ট ফুকেত থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা হয়েছিল বিমানটি। মাঝ আকাশে আচমকাই বিমানের উচ্চতা প্রায় ৩০০ ফুট কমে যায়। ঘটনায় যাত্রী ও কেবিনকর্মীদের কয়েক জন আহত হন। বিমানটি শেষ পর্যন্ত নিরাপদে দিল্লিতে অবতরণ করে।ঘটনার পর দুই পাইলটেরই বাধ্যতামূলক মাদক পরীক্ষা করা হয়। প্রধান পাইলটের প্রথম পরীক্ষার ফল নেতিবাচক ছিল না। সেই কারণে নমুনা নিশ্চিতকরণমূলক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। পরের পরীক্ষাতেও গাঁজার উপস্থিতি পাওয়ার দাবি সামনে এসেছে। দুই পাইলটকেই তদন্ত চলাকালীন উড়ান থেকে সরিয়ে রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এর পাশাপাশি বিমানের যান্ত্রিক অবস্থাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উড়ানের সময় একাধিক সতর্কবার্তা দেখা গিয়েছিল বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। হাইড্রলিক ব্যবস্থা, উড়ান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং স্বয়ংক্রিয় উড়ান ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত সমস্যার কথাও তদন্তে উঠে এসেছে। ফলে শুধু পাইলটের ভূমিকা নয়, বিমানের প্রযুক্তিগত বিষয়ও তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।প্রধান পাইলট তদন্তকারীদের কাছে দাবি করেছেন, ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে তাঁকে ঘুমের ওষুধ দেওয়া হয়েছিল। তাঁর বক্তব্য, সেই ওষুধের কারণেই পরীক্ষায় এমন ফল আসতে পারে। এই দাবি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। বিমানে তাঁর আচরণ নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেবিনকর্মীরা তাঁর আচরণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।ঘটনার গুরুত্ব বুঝে বিমান সংস্থার নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। বিমান সংস্থাকে পরিচালনাগত নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার কথাও জানানো হয়েছে বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে তদন্তে যে বা যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হবে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তাও দেওয়া হয়েছে।তবে বিমানের আচমকা উচ্চতা কমে যাওয়ার প্রকৃত কারণ এখনও চূড়ান্তভাবে জানা যায়নি। পাইলটের পরীক্ষার ফল, বিমানের প্রযুক্তিগত সমস্যা, উড়ানের তথ্য এবং ককপিটে ঠিক কী ঘটেছিলসব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও একটি কারণকে দুর্ঘটনার জন্য দায়ী করা ঠিক হবে না।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
কলকাতা

এনআরএসে নয়, অন্য হাসপাতালে ময়নাতদন্ত! নার্সের মৃত্যু ঘিরে বড় সিদ্ধান্ত, কী জানাল স্বাস্থ্যদপ্তর?

এনআরএস হাসপাতালের শৌচালয় থেকে নার্সের দেহ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন মোড়। মৃত নার্সের স্বামী ও পরিবারের দাবি মেনে এনআরএস হাসপাতালে ময়নাতদন্ত হবে না। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ফরেন্সিক বিভাগের প্রধানের নেতৃত্বে ময়নাতদন্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার পর তিনি জানান, মৃতার স্বামী রাহুল দাস এবং পরিবারের পক্ষ থেকে অন্য হাসপাতালে ময়নাতদন্তের আবেদন জানানো হয়েছিল। সেই আবেদন মেনে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ফরেন্সিক বিভাগের প্রধানের নেতৃত্বে ময়নাতদন্ত হবে।নার্সের কীভাবে মৃত্যু হল, তা নিয়ে এখনই কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছতে চাইছে না স্বাস্থ্যদপ্তর। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে না আসা পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ নিয়ে কোনও অনুমান করা ঠিক হবে না। তাঁর কথায়, বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে অনুমানের জায়গা নেই। রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।ঘটনার তদন্তে আলাদা অভ্যন্তরীণ কমিটিও গঠন করা হয়েছে। এনআরএস হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্যদপ্তরের উদ্যোগে তৈরি এই কমিটিতে হাসপাতালের ফরেন্সিক বিভাগের প্রধান, এমএসভিপি, নার্সিং সুপারিনটেনডেন্ট, পরিচ্ছন্নতা বিভাগের প্রতিনিধি-সহ একাধিক বিভাগের প্রধানদের রাখা হয়েছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে ওই কমিটিকে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।বুধবার রাতে এনআরএস হাসপাতালের স্ত্রী রোগ বিভাগের এইচডিইউতে কর্মরত ওই নার্সের দেহ বিভাগেরই শৌচালয় থেকে উদ্ধার হয়। জানা গিয়েছে, রাত আটটা নাগাদ তিনি কাজে যোগ দিয়েছিলেন। রাত নটা নাগাদ এক রোগীকে পরিষেবা দেওয়ার পর শৌচালয়ে যান। এরপর দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও তিনি ফিরে না আসায় সহকর্মীদের সন্দেহ হয়।এক জন জুনিয়র চিকিৎসক তাঁর খোঁজ শুরু করেন। শৌচালয়ের সামনে গিয়ে ডাকাডাকি করেও কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে গ্রুপ ডি কর্মীদের ডেকে দরজা ভাঙা হয়। ভিতর থেকে নার্সকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। চিকিৎসকরা তাঁকে দ্রুত উদ্ধারের চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো যায়নি।এরপর থেকেই নার্সের মৃত্যু ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল, শৌচালয়ের ভিতরে ঠিক কী ঘটেছিল এবং মৃত্যুর আগে তাঁর শারীরিক বা মানসিক অবস্থার কী পরিস্থিতি ছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, শৌচালয় থেকে কিছু জিনিস উদ্ধার হয়েছে। সেগুলিও তদন্তের আওতায় থাকবে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও অভ্যন্তরীণ কমিটির রিপোর্ট সামনে এলেই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ছবি পাওয়া যাবে।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
দেশ

স্বাধীনতা দিবসের আগে রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে বিস্ফোরক তথ্য! লালকেল্লা ঘিরে কেন বাড়ল নিরাপত্তা?

স্বাধীনতা দিবসের আগে রাষ্ট্রপুঞ্জের একটি বিশেষ রিপোর্ট ঘিরে নতুন করে সতর্ক হয়েছে দিল্লি। ১৫ অগস্ট লালকেল্লায় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের আগে ওই রিপোর্টে আল কায়দার ভারতীয় উপমহাদেশে নতুন করে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা নিয়ে একাধিক তথ্য উঠে এসেছে। রিপোর্ট সামনে আসার পর নিরাপত্তা সংস্থাগুলির তৎপরতাও বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে।রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশে গোপন ঘাঁটি তৈরি করার চেষ্টা চালাচ্ছে আল কায়দার একটি শাখা। ভারতীয় উপমহাদেশে এই সংগঠনের কার্যকলাপ নিয়ে রিপোর্টে সতর্ক করা হয়েছে। সংগঠনটির নাম উল্লেখ করা হয়েছে আল কায়দা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট হিসেবে।রিপোর্ট অনুযায়ী, বড় কোনও সংগঠিত ইউনিট হিসেবে কাজ না করে ছোট ছোট বিচ্ছিন্ন দলের মাধ্যমে নিজেদের কার্যকলাপ বাড়ানোর চেষ্টা করছে এই গোষ্ঠী। বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ তৈরি, অর্থ সংগ্রহের ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে বলেও রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।বাংলাদেশে সংগঠনটির সম্ভাব্য তৎপরতা নিয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা হতে পারে কি না, তা নিয়েও নিরাপত্তা মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। রিপোর্টে সংগঠনটির সঙ্গে পাকিস্তানভিত্তিক একটি জঙ্গি গোষ্ঠীর যোগাযোগের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।গত বছর নভেম্বর মাসে লালকেল্লার বাইরে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনায় অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই হামলার সঙ্গে আল কায়দার যোগ থাকার তথ্যও রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে উঠে এসেছে বলে দাবি করা হয়েছে।স্বাধীনতা দিবসের আগে লালকেল্লায় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণকে কেন্দ্র করে এমনিতেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। তার উপর রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে আল কায়দার নতুন করে সক্রিয় হওয়ার তথ্য সামনে আসায় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির নজরদারি আরও বাড়তে পারে।রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, ছোট ছোট গোষ্ঠীর মাধ্যমে কাজ করায় সংগঠনটির প্রকৃত পরিধি চিহ্নিত করা কঠিন। অর্থ সংগ্রহ এবং বিভিন্ন ধরনের পরিকাঠামোগত সহযোগিতার মাধ্যমে ধীরে ধীরে নিজেদের শক্তি বাড়ানোর চেষ্টা চলছে বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।স্বাধীনতা দিবসের আগে এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসায় বিষয়টি নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। লালকেল্লায় প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা এবং ভারতীয় ভূখণ্ডে সম্ভাব্য জঙ্গি তৎপরতার বিষয়ে এখন নিরাপত্তা সংস্থাগুলি কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
কলকাতা

আর জি করের ফাইল খুলতেই প্রথম গ্রেপ্তার! ওড়িশা থেকে পুলিশের জালে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ

আর জি কর মামলার ফাইল নতুন করে খোলার পরই বড় পদক্ষেপ করল পুলিশ। এই মামলায় প্রথম গ্রেপ্তার হলেন পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ। অভয়ার দেহ দ্রুত সৎকার এবং পরিবারের সদস্যদের সই ছাড়াই দেহ সৎকারের অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকালে ওড়িশা থেকে নির্মল ঘোষকে গ্রেপ্তার করা হয়। আর জি কর কাণ্ডের পর নিহত তরুণী চিকিৎসকের দেহ তড়িঘড়ি সৎকার করে প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। পরিবারের সদস্যদের সই ছাড়াই দেহ সৎকার করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে।এই ঘটনা নিয়ে সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সরব হয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, অভয়ার দেহ দ্রুত সৎকার করে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এমনকি দেহ সৎকারের খরচও পরিবারের কাছ থেকে নেওয়া হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।এই ঘটনায় পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষের পাশাপাশি ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সোমনাথ দে এবং প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ের নামও সামনে এসেছিল। গত সোমবার খড়দা থানায় তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন অভয়ার বাবা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ তদন্ত শুরু করে।তদন্তের মধ্যেই বৃহস্পতিবার সকালে ওড়িশা থেকে নির্মল ঘোষকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁকে রাজ্যে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত অথবা শুক্রবার সকালে তাঁকে রাজ্যে নিয়ে আসা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।এর আগে ৯ অগস্ট আর জি কর কাণ্ডে নিহত তরুণী চিকিৎসকের দেহ দ্রুত সৎকারের অভিযোগের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় থেকেই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়। পরিবারের সই ছাড়া কীভাবে দেহ সৎকার করা হয়েছিল এবং ওই প্রক্রিয়ায় কারা যুক্ত ছিলেন, তা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।নির্মল ঘোষের পরিবারের বিরুদ্ধেও এর আগে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। গত ১৩ জুলাই তাঁর ছেলে তীর্থঙ্কর ঘোষকে তোলাবাজি-সহ একাধিক অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। নির্মল ঘোষের নাম লটারিকাণ্ডের সঙ্গেও জড়িয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।নির্মল ঘোষের গ্রেপ্তারির পর আর জি কর মামলার তদন্তে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। অভয়ার দেহ সৎকারের ঘটনায় আর কারা জড়িত ছিলেন এবং পুলিশের তদন্তে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
রাজ্য

স্বপ্ন ছিল পাক আর্মিতে যোগ দেওয়ার! আইএসআইএয়ের এজেন্ট হয়ে কত বার ভারতে এসেছিল পাক জঙ্গি

বেঙ্গল এসটিএফের হাতে গ্রেফতার রানা রউফ ওরফে ওয়াহাব আলমকে জেরা করে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। তদন্তকারীদের দাবি, রানা মোট পাঁচ বার ভারতে এসেছিল। প্রতিবারই কলকাতায় এসে তিলজলায় ইজাজের বাড়িতে থাকত বলে জানা গিয়েছে। ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে তার কলকাতায় আসার তথ্য পেয়েছেন তদন্তকারীরা।এসটিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতে আসার পর ভুয়ো পরিচয়ে একাধিক সরকারি নথি তৈরি করেছিল রানা। ইজাজের বাবা যুবের আলমকে নিজের বাবা বলে পরিচয় দিয়ে ভোটার কার্ড তৈরি করা হয় বলে অভিযোগ। পরে সেই পরিচয়ের ভিত্তিতেই প্যান কার্ড এবং আধার কার্ডও তৈরি করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি।জেরায় রানা জানিয়েছে, ছোটবেলা থেকেই পাকিস্তান সেনায় চাকরি করার ইচ্ছা ছিল তার। কিন্তু শারীরিক সমস্যার কারণে সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। এরপর পাকিস্তান সেনা এবং আইএসআইয়ের সঙ্গে তার যোগাযোগ তৈরি হয় বলে তদন্তকারীদের দাবি। সেই যোগাযোগের সূত্রেই সে গুপ্তচরবৃত্তির কাজে যুক্ত হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।তদন্তকারীরা আরও জানতে পেরেছেন, পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশে ক্যারাটের প্রশিক্ষণ নিয়েছিল রানা। পাশাপাশি কাঠমান্ডুতেও তার ব্যবসা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেখানেই একটি মসজিদে ইজাজের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে সেই পরিচয় বন্ধুত্বে গড়ায়। অভিযোগ, ইজাজের সাহায্যেই কাঠমান্ডু থেকে ভারতে ঢুকত রানা।প্রথম বার কলকাতায় আসার সময় রানার কাছে কোনও ভারতীয় পরিচয়পত্র ছিল না বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, বিহারের রক্সৌল সীমান্ত দিয়ে চোরাপথে ভারতে প্রবেশ করত সে। পাঁচ বার ভারতে আসার সময়ই একই পথ ব্যবহার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। প্রতিবার কাঠমান্ডু থেকে ইজাজই তাকে ভারতে নিয়ে আসত বলে জানা গিয়েছে।সম্প্রতি ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় রানাকে ডেকেছিলেন বুথ স্তরের আধিকারিক। কিন্তু সে হাজির না হওয়ায় ভোটার তালিকা থেকে তার নাম বাদ যায় বলে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন। ইজাজ রানার পাকিস্তানি পরিচয় সম্পর্কে জানত কি না, তা-ও তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। অভিযোগ, পরিচয় জানার পরেও ইজাজ তাকে নিজের বাড়িতে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছিল।রানার গতিবিধি নিয়েও তদন্তকারীদের হাতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এসেছে। ফোর্ট উইলিয়াম ছাড়াও ব্যারাকপুর ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় সে ঘোরাফেরা করেছিল বলে জানা গিয়েছে। ওই সব জায়গার ছবি ও ভিডিয়ো তুলে সেগুলি বিদেশে থাকা সন্দেহভাজন যোগাযোগের কাছে পাঠানো হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।ভুয়ো পরিচয়ে ভোটার কার্ড তৈরি করার পর একাধিক সিম কার্ড সংগ্রহ করেছিল রানা বলেও অভিযোগ। ওই সিম ব্যবহার করেই সে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ রাখত বলে তদন্তকারীদের দাবি। তার যোগাযোগের জাল কত দূর পর্যন্ত ছড়িয়েছিল, তা জানতে ফোন ও অন্যান্য নথি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারীদের দাবি, গ্রেফতারের আগে বাংলাদেশের পথে পাকিস্তানে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল রানার। বনগাঁ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকে সেখান থেকে পাকিস্তানে যাওয়ার ছক ছিল বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু সীমান্ত পেরোনোর আগেই এসটিএফের হাতে গ্রেফতার হয় সে। এখন রানা ও তার সহযোগীদের মাধ্যমে আর কারা এই কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিল, সেটাই খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

আগস্ট ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal