• ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

England

খেলার দুনিয়া

Bhuvnesh‌war Kumar : সব ধরণের ফরম্যাটেই খেলতে চান ভুবনেশ্বর কুমার

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের দল ঘোষণার পরপরই ভুবনেশ্বর কুমারকে দলে না দেখে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন। শোনা গিয়েছিল তিনি নাকি টেস্ট ক্রিকেট খেলতে চান না। সীমিত ওভারের ক্রিকেটকে বাড়তি গুরুত্ব দিতে চান। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজ শুরুর আগে জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন ভারতীয় দলের এই জোরে বোলার। পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি সব ধরণের ফরম্যাটেই খেলতে চান। অভিজ্ঞ ও তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে দল গড়ে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সীমিত ওভারের সিরিজ খেলতে দল পাঠিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। রবিবার সিরিজের প্রথম ম্যাচ। মাঠে নামার আগে আত্মবিশ্বাসী ভারতীয় শিবির। ভাঙাল দল নিয়ে শ্রীলঙ্কা খেলতে নামলেও বিপক্ষকে যথেষ্ট গুরুত্বও দিচ্ছেন ক্রিকেটাররা। যার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে জোরে বোলার ভুবনেশ্বর কুমারের কথাতে। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সিরিজ টি২০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবেও দেখছে ভারতীয় শিবির। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে ভারতীয় দলের সহঅধিনায়ক ভুবনেশ্বর কুমার বলেন, এই টি২০ সিরিজ বিশ্বকাপের প্রাথমিক প্রস্তুতি। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে তিনটি একদিনের ম্যাচেরল সঙ্গে তিনটি টি২০ ম্যাচও খেলব। টি২০ বিশ্বকাপের আগে এটাই আমাদের কাছে শেষ টি২০ সিরিজ। চোটের জন্য ভারতীয় দলে এখন আর নিয়মিত নন ভুবনেশ্বর। ২০১৮ সাল থেকে চোট সমস্যায় ভুগছেন। গতবছর আইপিএলেও খেলতে পারেননি। চোট সারিয়ে মাঠে ফিরে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সাদা বলের ক্রিকেটে দারুণ ছন্দে ছিলেন। সিরিজ জয়ে দারুণ অবদান রেখেছিলেন। চোট থেকে বাঁচতে ওয়ার্কলোডের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন ভুবনেশ্বর। চোটের কারণে বারবার ছিটকে যাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চোট পাওয়াটা খেলার অঙ্গ। তবে আমার লক্ষ্য থাকে দ্রুত ফিট হয়ে খেলার মতো অবস্থায় ফিরে আসা। শুক্রবারই আইসিসি টি২০ বিশ্বকাপে গ্রুপ ঘোষণা করেছে। একই গ্রুপে রয়েছে ভারত ও পাকিস্তান। গ্রুপ প্রসঙ্গে ভুবনেশ্বর বলেন, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সবসময়ই খেতলে ভাল লাগে। এই ম্যাচের উত্তেজনাই আলাদা। তবে ওই ম্যাচ অনেক দেরি আছে। আমাদের ফোকাস এখন শ্রীলঙ্কা সিরিজ। সেটা নিয়েই ভাবছি। শ্রীলঙ্কা দলে কোনও সিনিয়র ক্রিকেটার নেই। তাসত্বেও শ্রীলঙ্কাকে হালকাভাবে নিতে চাইছেন না ভুবনেশ্বর। তিনি বলেন, ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কা সবসময় চ্যালেঞ্জিং দল। জুনিয়র ক্রিকেটাররা যথেষ্ট প্রতিভাববান। সিরিজে জোর লড়াই হবে।

জুলাই ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Ravichandran Ashwin : দুরন্ত ফর্মে অশ্বিন, তুলে নিলেন ৬ উইকেট

বিরাট কোহলিরা যখন ছুটি কাটাতে ব্যস্ত, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের জন্য নিজেকে তৈরি করছেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। সারের হয়ে নেমে পড়েছেন কাউন্টি খেলতে। আর মাঠে নেমেই দুরন্ত ছন্দে ভারতের এই অফস্পিনার। তুলে নিয়েছেন ৬ উইকেট। তাঁর দাপটেই দ্বিতীয় ইনিংসে ৬৯ রানে গুটিয়ে যায় সমারসেট।আরও পড়ুনঃ এটিকে মোহনবাগানের স্বার্থে নিয়ম বদল! প্রশ্নের মুখে আইএফএনিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নিজের সেরা ছন্দে ছিলেন না রবিচন্দ্রন অশ্বিন। একেবারেই দাগ কাটতে পারেননি। ইংল্যান্ডের পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য কাউন্টি ক্রিকেটে খেলার সিদ্ধান্ত নেন। অন্য ক্রিকেটাররা যখন ছুটি উপভোগ করতে ব্যস্ত, সারের হয়ে মাঠে নেমে পড়েন অশ্বিন।আরও পড়ুনঃ আন্তর্জাতিক টেনিসে ঐতিহাসিক সাফল্য বাঙালি তরুণেরসমারসেটের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে অবশ্য তেমন সুবিধা করতে পারেননি রবিচন্দ্রন অশ্বিন। সারের হয়ে বোলিং ওপেন করতে নেমেছিলেন ভারতের এই অফস্পিনার। প্রথম দিন মাত্র ১টা উইকেট পান। প্রথম ইনিংসে তাঁর বোলিং বিশ্লেষণ ছিল ৪২৯৯৬১। সমারসেট তোলে ৪২৯। জবাবে ২৪০ রানে শেষ হয়ে যায় সারের ইনিংস। ইংল্যান্ডের বাঁহাতি স্পিনার জ্যাক লিচ ৪৩ রানে ৬ উইকেট তুলে নেন।আরও পড়ুনঃ দুধের স্বাদ ঘোলে মিটল দীপক খাবরার, প্রথম ভারতীয় হিসেবে যাচ্ছেন অলিম্পিকেদ্বিতীয় ইনিংসে অবশ্য ভয়ঙ্কর মূর্তি ধারণ করেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। বোলিংয়ের গোড়াপত্তন করতে নেমে ১৫ ওভারে ২৭ রান দিয়ে তুলে নেন ৬ উইকেট। তাঁর ঘূর্ণিতে বেসামাল হয়ে মাত্র ৬৯ রানে গুটিয়ে যায় সমারসেটের ইনিংস। দুর্দান্ত বোলিং করে সারেকে ম্যাচে ফেরান রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তাঁর বিধ্বংসী ফর্ম ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ খেলতে নামার আগে নিশ্চিতভাবেই স্বস্তিতে রাখবে বিরাট কোহলিকে। কাউন্টিতে অশ্বিনের এই দাপট ইংল্যান্ড শিবিরের যে চিন্তা বাড়াবে সেকথা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়।আরও পড়ুনঃ নিয়মে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসছে দ্য হান্ড্রেড ক্রিকেটভারতীয় শিবিরের আশা ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে এই ফর্ম ধরে রাখবেন দেশের সেরা এই অফস্পিনার। অন্য ক্রিকেটারদের সঙ্গে তাঁর মানসিকতার যে আকাশপাতাল তফাৎ আবার প্রমাণ করে দিলেন অশ্বিন। অশ্বিন ছাড়াও হনুমা বিহারী কাউন্টি ক্রিকেটে খেলার অভিজ্ঞতা নিয়ে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ খেলতে নামবেন। টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে ভারতীয় দল কাউন্টি একাদশের বিরুদ্ধে একটা প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে।

জুলাই ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

The Hundred : নিয়মে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসছে ‘‌দ্য হান্ড্রেড’‌ ক্রিকেট

আম্পায়াররা আর ৬ বল হওয়ার পর ওভার শেষের ইঙ্গিত দেবেন না। একপ্রান্ত থেকে ওভার শেষ হওয়ার পর অন্য প্রান্ত থেকেও বোলিং শুরু হবে না। একজন বোলার ইচ্ছে করলে একপ্রান্ত থেকে টানা ১০টি বল করতে পারবেন না। আর ধারাভাষ্যকাররাও ব্যাটসম্যানদের ব্যাটসম্যান বলবেন না। পরিবর্তে বলবেন ব্যাটার্স। ক্রিকেটে আসতে চলেছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। আর এই সব পরিবর্তন দেখা যাবে ইংল্যান্ডের দ্য হান্ড্রেড ক্রিকেটে।আরও পড়ুনঃ আন্তর্জাতিক টেনিসে ঐতিহাসিক সাফল্য বাঙালি তরুণেরসীমিত ওভারের ক্রিকেটের পর অনেক আগেই এসে গেছে টি২০ ক্রিকেট। এবার আত্মপ্রকাশ ঘটতে চলেছে দ্য হান্ড্রেড ক্রিকেটের। ২১ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের মস্তিষ্কপ্রসূত নতুন ফরম্যাটের ১০০ বলের ক্রিকেট দ্য হান্ড্রেড। ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে পুরুষ ও মহিলাদের দল। মঙ্গলবারই এই প্রতিযোগিতার নিয়মকানুন প্রকাশ করেছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড।আরও পড়ুনঃ উচ্চ মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ এ মাসেইএই নতুন ফরম্যাটের ক্রিকেটে ওভারের ধারণা থাকছে না। একজন বোলারের ৫টি বল শেষ হলেই আম্পায়ার সাদা কার্ড দেখাবেন। ইচ্ছে হলে অধিনায়ক বোলার পরিবর্তন করতেও পারেন, আবার নাও পারেন। একজন বোলার টানা ১০টি বল করতে পারবেন। ক্রিকেটে সাধারণত ওভার শেষ হলেই প্রান্ত বদল হয়। দ্য হান্ড্রেড ক্রিকেটে ৫ বল করার পর প্রান্ত বদল করা যাবে না। একপ্রান্ত থেকেই ১০টি বল করতে হবে। একজন বোলার ম্যাচে ২০টি বল করতে পারবেন। পাওয়ার প্লের নিয়মেও নতুনত্ব। ১০০ বলের ইনিংসে প্রথম ২৫টি বল হবে পাওয়ার প্লে। পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার পর ফিল্ডিংকারী দল ২ মিনিটের স্ট্র্যাটেজিক টাইম আউট নিতে পারবে।আরও পড়ুনঃ গুগল পিসেমশাই জন্মদিনের তারিখ ভুল বলছে মনামীরএখানেই শেষ নয়, নিয়মে আরও নতুনত্ব থাকছে। কোনও ব্যাটসম্যান যদি ক্যাচ আউট হন, তাহলে রান নিতে যাওয়া নন স্ট্রাইকিং প্রান্তে থাকা ব্যাটসম্যান যদি আউট হওয়া ব্যাটসম্যানকে অতিক্রম করেন, তাঁকে আবার সেই নন স্ট্রাইকিং প্রান্তেই ফিরে যেতে হবে। নতুন যে ব্যাটসম্যান ক্রিজে আসবেন তাঁকেই স্ট্রাইক নিতে হবে। উইকেটের মাঝে দাঁড়িয়ে টস করার ব্যাপারটাও থাকছে না। বিনোদনের জন্য তৈরি মঞ্চেই টস করতে হবে দুই অধিনায়ককে। গ্রুপ পর্যায়ে ম্যাচ টাই হলে দুটি দলকেই ১ পয়েন্ট করে দেওয়া হবে। এলিমিনেটর ও ফাইনাল টাই হবে সুপার ফাইভ হবে। সেখানেও টাই হলে আবার সুপার ফাইভ হবে। পরপর দুবার সুপার ফাইভ টাই হলে গ্রুপ পর্যায়ে ভাল জায়গায় থাকা দলকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হবে। মন্থর বোলিংয়ের জন্য জরিমানা করা হবে না। শাস্তি হিসেবে অভিযুক্ত দলকে একজন কম ফিল্ডার নিয়ে খেলতে হবে।

জুলাই ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Euro 2020 Champion Italy: ইংল্যান্ডের স্বপ্ন চুরমার করে ইউরো চ্যাম্পিয়ন ইতালি

১৯৬৬ সালের পর বড় আসরে সাফল্য নেই ইংল্যান্ডের। এই ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামেই সেবার বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ববি মুরের ইংল্যান্ড। তারপর আর কোনও প্রতিযোগিতার ফাইনালে খেলার সুযোগ হয়নি। এবারের ইউরোর সেমিফাইনালে ডেনমার্ককে হারিয়ে শাপমুক্তি। ইতালিকে হারিয়ে স্বপ্ন ছোঁয়ার অপেক্ষায় ছিল ইংল্যান্ড। স্বপ্নপূরণ হল না সাউথগেটের দলের। শুরুতে এগিয়ে গিয়েও সুযোগ কাজে লাগাতে পারল না ইংল্যান্ড। টাইব্রেকারে ৩২ ব্যবধানে হেরে স্বপ্নের সলিল সমাধি। নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে খেলার ফল ছিলে ১১। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার ইউরো চ্যাম্পিয়ন হল ইতালি। ২০১৮ বিশ্বকাপ খেলতে না পারার আক্ষেপ মিটল।Complimenti Itlia 👏👏🇮🇹🏆 @azzurri https://t.co/gmRug6PjYt Nuno Gomes (@21nunogomes) July 12, 2021ঘরের মাঠে খেলা। ওয়েম্বলির জনসমর্থন নিয়ে ম্যাচের শুরু থেকেই ইতালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ইংল্যান্ড। চিয়েলিনিরা নিজেদের গুছিয়ে নেওয়ার আগেই এগিয়ে যায় গ্যারেথ সাউথগেটের দল। ম্যাচের ২ মিনিটে কর্ণার পায় ইতালি। বল ক্লিয়ার হতেই প্রতিআক্রমণে উঠে আসে ইংল্যান্ড। ডানদিক থেকে ট্রিপিয়ের সেন্টার করেন লুক শর উদ্দেশ্যে। জোরালো হাফভলিতে জালে পাঠান লুক শ। শুরুতে এগিয়ে যাওয়ার পর ইতালির ওপর বাড়তি উদ্যম নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন হ্যারি কেন, রাহিম স্টার্লিং, ম্যাসন মাউন্টরা। ইতালির রক্ষণকে চাপে রাখলেও ব্যবধান বাড়াতে পারেননি। প্রচন্ড গতিতে আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিল ইংল্যান্ড। এইরকম পরিস্থিতিতে বিপক্ষকে আটকাতে গেলে খেলার গতি কমিয়ে দেওয়া ছাড়া উপায় থাকে না। সেটাই করেছিলেন মানচিনি। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল ভেরাত্তি। তাঁর শট আটকে দেন ইংল্যান্ড গোলকিপার পিকফোর্ড। স্টোনসের নেতৃত্বে ইংল্যান্ড ডিফেন্স প্রথমার্ধে সুবিধা করতে দেয়নি ইম্মোবিলেদের।🇮🇹 For Leonardo Spinazzola 👊#EURO2020 | #ITA pic.twitter.com/Ir1Hp4tnu6 UEFA EURO 2020 (@EURO2020) July 12, 2021সমতা ফেরানোর জন্য দ্বিতীয়ার্ধে মরিয়া হয়ে ওঠে ইতালি। ৫৫ মিনিটে দুদুটি পরিবর্তন করেন মানচিনি। বারেল্লাকে তুলে নামান ক্রিস্টান্টেকে। আর ইম্মোবিলের জায়গায় বেরার্ডি। এই দুটি পরিবর্তনই বদলে দেয় ইতালিকে। অনেকবেশি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে আজুরিরা। ৬২ মিনিটে চিয়েসার পুশ আটকে দলকে বাঁচান পিকফোর্ড। অবশেষে ৬৭ মিনিটে সমতা ফেরায় ইতালি। ইনসাইনের কর্ণার ভেরাত্তি হেড করলে বল পোস্টে লেগে ফিরে আসে। পিকফোর্ড থাবা দিয়ে বল বিপদমুক্ত করার চেষ্টা করেন। লুজ বল পেয়ে জালে পাঠান বোনুচ্চি। ৭৩ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল ইতালি। বেরার্ডির ভলি দারুণভাবে বাঁচান পিকফোর্ড। দ্বিতীয়ার্ধে খেলায় গতি ছিল। ইতালি প্রথমার্ধের তুলনায় নিজেদের গুছিয়ে নিয়েছিল। ফলে ম্যাচ অনেক বেশি প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছিল। তবে কোনও দল গোল করতে না পারায় ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ায়।অতিরিক্ত সময়েও সেই প্রাণবন্ত ফুটবল। দুই দলই আক্রমণ শানিয়েছে। তবে ইংল্যান্ডের চাপ একটু বেশি ছিল। গ্রিলিশ, স্টার্লিংরা বারবার আক্রমণ তুলে নিয়ে এলেও চিয়েলিনি, বোনুচ্চিরা সুযোগ দেননি। ১০৭ মিনিটে বার্নার্ডেসচির বাঁপায়ের দুরন্ত ফ্রিকিক বাঁচান পিকফোর্ড। শেষদিকে কোনও দলই আর ঝুঁকি নিতে চায়নি। ফলে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। টাইব্রেকারে বাজিমাত ইতালির। আজুরিদের হয়ে গোল করেন বেরার্ডি, বোনুচ্চি, বার্নার্ডেস্কি। বেলোত্তি, জর্জিনহোর শট সেভ করেন ইংল্যান্ডের গোলকিপার পিকফোর্ড। ইংল্যান্ডের হয়ে গোল করেন হ্যারি কেন, ম্যাগুয়ের। র্যাশফোর্ড ও স্যাঞ্চো পোস্টে মারেন। সাকার শট সেভ করেন ডোনারুমা।

জুলাই ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

EURO 2020‌‌: স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে শিয়েরারের, ১৯৮২–র কথা মনে পড়ছে জফের

নাসরীন সুলতানানিজের ফুটবল জীবনে দেশের জার্সি গায়ে কখনও ট্রফির স্বাদ পাননি। তাঁর দেশ বড় আসরে শেষবার ট্রফি জিতেছিল ১৯৬৬ বিশ্বকাপ। তখনও জন্ম হয়নি অ্যালান শিয়েরারের। তবে ফুটবলার হিসেবে অনেক স্মরণীয় মুহূর্তের সাক্ষী থেকেছেন। দেশের ইউরো কাপের ফাইনালে ওঠা তাঁর কাছে স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে। অন্যদিকে, ইতালির প্রাক্তন অধিনায়ক দিনো জফের ১৯৮২ বিশ্বকাপের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। আরও পড়ুনঃ স্প্যানিশ তারকা এডু গার্সিয়াকে ছেড়ে দিচ্ছে এটিকেমোহনবাগানইংল্যান্ডের ফাইনালে ওঠা প্রসঙ্গে অ্যালান শিয়েরার বলেছেন, জন্মের পর থেকে ইংল্যান্ডকে কোনও বড় প্রতিযোগিতার ফাইনালে উঠতে দেখিনি। আমার মতো ইংল্যান্ডের অনেক প্রজন্মই দেখেনি। এই দীর্ঘ অপেক্ষা এবারের ইউরো কাপে ফাইনালে ওঠা অন্য আমেজ এনে দিয়েছে। আমার কাছে রীতিমতো স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে। ইংল্যান্ডের এই প্রাক্তন অধিনায়ক আরও বলেন, ইংল্যান্ডকে বড় আসরে প্রথম সেমিফাইনাল খেলতে দেখি ১৯৯০ বিশ্বকাপে। পশ্চিম জার্মানির কাছে টাইব্রেকারে ইংল্যান্ড হেরেছিল। পরিবারের সঙ্গে ছুটি কাটাতে গিয়ে ওই ম্যাচ দেখেছিলাম। ১৯৯৬তে আমি নিজেই দলে ছিলাম। ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপেও দেশকে হারতে দেখেছি। এবার ইউরোতে অবিশ্বাস্য একটা মাস কাটালাম। এখন রবিবারের জন্য অপেক্ষা করছি। এবার আমাদের জিততেই হবে। আরও পড়ুনঃ জন্মদিনে বাড়িতে গিয়ে সৌরভকে শুভেচ্ছা মমতার, দিদিকে দাদার দুর্দান্ত উপহারঅন্যদিকে, ইতালির প্রাক্তন অধিনায়ক দিনো জফের হাত ধরেই ১৯৬৮ সালে ইউরো জিতেছিল ইতালি। তবে তাঁর কাছে জীবনের সেরা মুহূর্ত ১৯৮২র বিশ্বকাপ জয়। তিনি এবারের ইউরোতে রবার্তো মানচিনির সঙ্গে মিল খুঁজে পাচ্ছেন ১৯৮২র বিশ্বকাপজয়ী দলের সঙ্গে। ইতালির এই কিংবদন্তী গোলকিপার বলেন, ১৯৮২ বিশ্বকাপজয়ী দলের সঙ্গে এই দলের অনেক মিল পাচ্ছি। সব ফুটবলার দারুণ গতিতে ফুটবল খেলছে। অনেক খোলামেলা মনে হচ্ছে। রবার্তো মানচিনিরও প্রশংসা করেছেন দিনো জফ। তিনি বলেন, খেলোয়াড়রা দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দিচ্ছে মানচিনির জন্যই। দলকে দারুণ তৈরি করেছে। কখন কোন সিদ্ধান্ত নিতে হয় খুব ভাল জানে। খেলোয়াড়দের মধ্যে আত্মবিশ্বাস এনে দিয়েছে।

জুলাই ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Euro Cup Semi Final 2020: ৫৫ বছরের শাপমুক্তি, এই প্রথম ইউরো কাপের ফাইনালে উঠল ইংল্যান্ড

নাসরীন সুলতানাইউরো কাপের প্রথম সেমিফাইনালে ইতালি ও স্পেনের মধ্যে রোমাঞ্চকর পরিসমাপ্তি। ইংল্যান্ড ও ডেনমার্কের মধ্যে দ্বিতীয় সেমিফাইনাল ততটা রুদ্ধশ্বাস না হলেও তুল্যমূল্য লড়াই হল। শেষপর্যন্ত অতিরিক্ত সময়ে হ্যারি কেনের করা গোলে ফাইনালে পৌঁছে গেল গ্যারেথ সাউথগেটের দল। ডেনমার্কের বিরুদ্ধে জিতল ২১ ব্যবধানে। এই প্রথম ইউরো কাপের ফাইনালে উঠল ইংল্যান্ড। ১১ জুলাই ওয়েম্বলিতে ইতালির মুখোমুখি।আরও পড়ুনঃ মার্টিনেজ যেন ১৯৯০ র গাইকোচিয়া। কোপা ফাইনালে মেসি-নেইমার১৯৬৬ সালের পর কোনও বড় প্রতিযোগিতার ফাইনালে খেলার সুযোগ হয়নি ইংল্যান্ডের। বিশ্বকাপই বলুন, আর ইউরো কাপ, প্রতিবার ডাকহর্স হিসেবে শুরু করে শুধুই ব্যর্থতা। এবার ইউরোতে শাপমোচনের অঙ্গীকার নিয়ে মাঠে নেমেছিল সাউথগেটের দল। শেষপর্যন্ত স্বপ্নের ফাইনালের ছাড়পত্র। ৫৫ বছর পর কোনও বড় প্রতিযোগিতার ফাইনালে উঠে শাপমুক্তি। ওয়েম্বলিতে ডেনমার্কের বিরুদ্ধে ফেবারিট হিসেবেই মাঠে নেমেছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু ড্যানিশদের বিরুদ্ধে জয় পেতে যথেষ্ট বেগ পেতে হল হ্যারি কেনদের। জার্মানির বিরুদ্ধে প্রিকোয়ার্টার ফাইনালে, কিংবা ইউক্রেনের বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনালে যে ফুটবল উপহার দিয়েছিলেন রাহিম স্টার্লিংরা, ডেনমার্কের বিরুদ্ধে ততটা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারেননি। তবে ডেনমার্কের লড়াইও প্রশংসার যোগ্য।আরও পড়ুনঃ জখম কলেজ ছাত্রী, রক্তমাখা ধারালো কাঁচিসহ গ্রেপ্তার যুবকম্যাচের শুরু থেকে ইংল্যান্ডকে কখনোই স্বস্তিতে থাকতে দেয়নি ডেনমার্ক। বিশেষ করে ড্যামসগর্ডের কথা বলতে হবে। বারবার আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে ব্যতিব্যস্ত রাখছিল ইংল্যান্ডের রক্ষণকে। ম্যাচের ৩০ মিনিটে এগিয়ে যায় ডেনমার্ক। বক্সের বাইরে ফ্রিকিক পেয়েছিল। ফ্রিকিক থেকে দুরন্ত গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ড্যামসগার্ড। এই গোলের আগে আরও একটা সুযোগ পেয়েছিলেন ড্যামসগার্ড। তাঁর বাঁক খাওয়ানো শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। যদিও এই লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি ডেনমার্ক। ৩৯ মিনিটে ম্যাচে সমতা ফেরে। ডানদিক থেকে উঠে এসে বুকায়ো সাকা রাহিম স্টার্লিংকে উদ্দেশ্য করে পাস বাড়ান। স্টার্লিং শট নেওয়ার আগেই বল বিপদমুক্ত করতে গিয়ে নিজেদের জালে বল পাঠান ডেনমার্কের ডিফেন্ডার সিমোন শ্যার।আরও পড়ুনঃ বিধানসভায় দিলীপ-মদনের রঙিন রসিকতাদুই দলই প্রথমার্ধে কোনও ঝুঁকি নেয়নি। দ্বিতীয়ার্ধে তুলনায় অনেক বেশি আক্রমণাত্মক ফুটবল। ইংল্যান্ডের আক্রমণে যাওয়া ছাড়া উপায় ছিল না। ডেনমার্কও সমানে প্রতি আক্রমণ চালিয়ে যায়। বল পজেশন ইংল্যান্ডের বেশি থাকলেও দুই দলের সামনেই গোলের সুযোগ এসেছিল। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি। নির্ধারিত সময়ে খেলার ফল থাকে ১১। ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। ১০৪ মিনিটে ডেনমার্কের ম্যাশহোলে অবৈধভাবে রাহিম স্টার্লিংকে বাধা দেন। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। হ্যারি কেনের পেনাল্টি ডেনমার্ক গোলকিপার ক্যাস্পার স্কিমেচেল বাঁচালেও ফিরতি বলে গোল করেন।

জুলাই ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Euro 2020: ২৫ বছর আগের যন্ত্রণা ভুলিয়ে দিলেন স্টারলিং ও হ্যারিকেন

২-০ গোলে জার্মানিকে হারাল ইংল্যান্ড। খেলার শুরু থেকেই আক্রমণের বন্যা বইয়ে দেয় ইংল্যান্ড। নিজেদের ঘরের মাঠে দেশের সমর্থকদের সামনে তাঁরা উজাড় করে খেলতে থাকেন। ১৬ মিনিটের মাথায় গোলের সহজ সুযোগ পেয়েছিলেন রহিম স্টারলিং। মাঝমাঠ থেকে উঠে এসে গোল লক্ষ্য করে জোরালো শট নেন তিনি। বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে অসীম দক্ষতায় বল বাইরে বার করেন গোলকিপার নয়্যার। এটা প্রায় লোকগাঁথায় পরিণত হয়ে গেছে, যে খেলায় স্টারলিং গোল করবে সে ম্যাচ সহজে হারবে না ইংল্যান্ড। ম্যান সিটির ফুটবলার সেই প্রবাদটির সপক্ষে আবার প্রমান দিলেন। ইংল্যান্ড ও জার্মানি দুই দলই ৩-৫-২ ফর্মেশনের খেলার জন্য প্রথমার্ধের বেশিরভাগ আক্রমণ খেই হারিয়ে যাচ্ছিলো মাঝমাঠে এসে। খেলার ৭৫ মিনিটে মাথায় প্রথম গোল করেন স্টারলিং। তাঁর পা থেকেই শুরু হয় আক্রমণ। বক্সের বাঁদিক খেকে লুক শ-র ব্যাক হিল পাস থেকে নিখুঁত টাচে স্টারলিং গোল করে যান। ম্যানুয়েল নয়্যারকে নড়তে না দিয়ে ডান দিক দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন শুরু থেকেই স্টারলিং বল ধরলেই জার্মান ডিফেন্সে হৃদকম্পন শুরু হয়ে যাচ্ছিল। 🏴󠁧󠁢󠁥󠁮󠁧󠁿 England have beaten Germany for the first time in a knockout round of a major tournament since 1966 🎉#EURO2020 pic.twitter.com/G8HBoO9gHJ UEFA EURO 2020 (@EURO2020) June 29, 2021খেলার ৮৬ মিনিটে ফের জার্মানির জালে বল জড়িয়ে দেয় ইংল্যান্ড। এবার ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারিকেন গোল করেন। গ্রেলিশের ক্রস বক্সের ডান দিকে ধরে গোলকিপারকে এগিয়ে থাকতে দেখে মাথার উপর দিয়ে ভাসিয়ে দেন। ১৯৯৬ সালে ইউরো কাপে নক আউট পর্যায়ে খেলায় ইংল্যান্ড ও জার্মানি মুখোমুখি হয়েছিল। খেলাটি নির্ধারিত সময়ে অমীমাংসিত থাকায় পেনাল্টি শুট আউটে ফল নির্ধারন হয়। শুট আউটে হার স্বীকার করে ইংল্যান্ড টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয়। এবারের ইংল্যান্ড প্রশিক্ষক সাউথগেট পেনাল্টি মিস করেছিলেন। মঙ্গলবার তিনি জার্মানিকে হারিয়ে সেই হিসাব বরাবর করে দিলেন। গ্যারেথ সাউথগেটের দীর্ঘ ২৫ বছর আগের যন্ত্রণা ভুলিয়ে দিলেন দিলেন স্টারলিং ও হ্যারিকেন।England 2-0 Germany! What a day ⚽️🏴󠁧󠁢󠁥󠁮󠁧󠁿 Fans were UNBELIEVABLE ️🏴󠁧󠁢󠁥󠁮󠁧󠁿 pic.twitter.com/nbWPZ8Dsmc Jack Grealish (@JackGrealish) June 29, 2021১৯৮৮ সালে রাশিয়ার বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারনের প্লে-অফ জয়ের পর ইংল্যান্ড এই প্রথম কোনও ইওরোকাপ নকআউট ম্যাচ ট্রাইব্রেকার ছাড়া সরাসরি জিতল। ইংল্যান্ড ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে কোনও বড় টুর্নামেন্টের নক আউটে হার স্বীকার করেনি।জার্মানির বিরুদ্ধে এই জয় তাদের মনোবল অনেকাংশে বাড়িয়ে দেবে বলে আশা ইংল্যান্ড প্রশিক্ষক সাউথগেটের। কিন্তু এখনই তিনি আনন্দে গা ভাসাতে রাজি নন। সামনের কোয়ার্টার ফাইনালে ম্যাচ নিয়ে মনোনিবেশ করতে চান। তিনি বলেন কেউই এই জয় মনে রাখবে না যদি আমরা সামনের ম্যাচে ভালো খেলতে না পারি।জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

জুন ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারত, তিন দিনেই শেষ চতুর্থ টেস্ট!

চারদিনেই ম্যাচ শেষ করে ৩-১ এ সিরিজ জয়ের সাথে সাথে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালেও পৌছগেল ভারতীয় ক্রিকেট দল। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দু-দিনে দিন রাতের টেস্ট জিতে পিচ নিয়ে সমলোচকদের বাক্যবানে বিদ্ধ ভারতীয় দল উপযুক্ত জবাব ফিরিয়ে দিল। কোনও ম্যচ-ই কোনদিন পিচ খেলেনি। খেলোয়াড় দের সেখানে নেমে পারফর্ম করতে হয়। শুধু ক্রিকেটে নয়, লন-টেনিসেও ক্লে কোর্ট ও ঘাসের কোর্ট নিয়ে অসট্রেলিয়ান ও ব্রিটিশ দের মধ্যে নাক শোঁকাশুকি আছে। উপমহাদেশের মাঠে খেলতে এসে প্রথম বিশ্বের দলগুলির পিচ নিয়ে অভিযোগ এটাই প্রথম বার নয়। এর আগেও বহুবার করেছেন। তবে এই ম্যচের পিচ সেরকম স্বাভাববিরুদ্ধ আচরণ করেনি ইংল্যন্ডের হয়ে যেমন পেসাররা সফল (বেন স্টোকস ও জেমস অ্যান্ডারসন), তেমনই ভরতের হয়ে আবার স্পিনাররা। ভারত এই ম্যাচে এক ইনিংস ও ২৫ রানে জয় পায়। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে লর্ডসে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে টিম ইন্ডিয়া।উপমহাদেশে খেলতে গেলে স্পিন বোলিং-এ বিরুদ্ধে ব্যাট করার যে টেকনিক রপ্ত করতে হয় তার হোমওয়ার্ক-এর যথেষ্ট ঘাটতি ছিল এই ইংল্যন্ড দলের। তারা আরও একবার স্পিন অস্ত্রে নাজেহাল হল। ওই একই ঘূর্ণি পিচে জ্যাক লিচ, ডম বেসদের তোয়াক্কা না করে প্রথম ইনিংসে ৩৬৫ রান তোলে ভারত, সেই একই পিচে তৃতীয় ইনিংসে ১৬০ রান তুলতে পারলেন না তারা। তাদের ব্যাটিং অর্ডার তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে। অশ্বিন ও অক্ষর যেন তাদের স্পিন বোলিং-এর ক্লাস নিলেন। আরও একবার গুটিয়ে গেল ব্রিটিশদের স্বানামধন্য ব্যাটিং বিভাগ। প্রকট হয়ে উঠল তাদের স্পিন খেলার অক্ষমতা। প্রথম টেস্টের একটা ইনিংস ছাড়া গোটা সিরিজে ভারতীয়দের প্রাধান্যই ছিল লক্ষণীয়। টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় ইংল্যান্ড। ভারতীয় বোলারদের বিক্রমে প্রথম দিনের সুর্য ডোবার আগেই ২০৫ রানে মুড়িয়ে যায় তারকাখচিত জো রুটদের প্রথম ইনিংস। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৫ রান করেন বেন স্টোকস। অক্ষর প্যাটেল প্রথম ইনিংসে ৪ উইকেট নেন। ৩টি উইকেট নিয়ে তাকে যোগ্য সাহায্য করেন অভিঞ্জ রবিচন্দ্রণ অশ্বিন।জবাবে ব্যাট করতে নামা ভারতীয় দলে শুরুতেই বিরাট ধাক্কা খায়। শূন্য রান করে ফিরে যান শুভমান গিল। রান করতে ব্যর্থ হন চেতেশ্বর পূজারা। মাত্র ১৭ রান আঊট হয়ে ফিরে আসেন। ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলিও কোনও রান না করেই সাজঘরে ফিরে যান। রোহিত ও অজিঙ্ক রাহানের হাল ধরার চেস্টা করেন তারা ৩৯ রান যোগ করে সাময়িক ধাক্কা সামলান। ১৪৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে কোমাতে চলে যাওয়া ভারতীয় দলকে অক্সিজেন দিয়ে জাগিয়ে তোলেন ঋষভ পন্থ ও ওয়াশিংটন সুন্দর। তারা ১১৩ রানের পার্টনারশিপ করেন। অনবদ্য শতরান করেন ঋষভ পন্থ। নতুন অলরাউন্ডার ওয়াশিংটন সুন্দর এক সময়োচিত দূর্মুল্য ইনিংস উপহার দেন দলকে, তার দুর্ভাগ্য যোগ্য সঙ্গীর আভাবে শতরান থেকে ৪ রান দূরে অপরাজিত হয়ে সাজঘরে ফিরে আসতে হয়। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বাধা অতিক্রম করতে পারলে বিশ্বের প্রথম দল হিসেবে এক অনন্য কীর্তি গড়বে বিরাট কোহলি শিবির। এই মুহুর্তে ভারতীয় দল প্যেন্ট তালিকায় শীর্ষে।দেখে নেওয়া যাক আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চূড়ান্ত তালিকার কোথায় অবস্থান করছে ভারত। তালিকার কে কোথায়India on 🔝Virat Kohli and Co. are No.1 in the @MRFWorldwide ICC Test Team Rankings 🔥 pic.twitter.com/uHG4q0pUlj ICC (@ICC) March 6, 2021ম্যচ রিপোর্টঃ জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

মার্চ ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

দুরন্ত ঘুর্নীর পাক বোঝার আগেই ম্যাচ শেষ , ভারত ২-১ এ এগিয়ে

রবীন্দ্রোত্তর সাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক প্রবন্ধে লিখেছিলেন ঝোলের সমুদ্র মন্থন করে হার-মাংসের অস্বিত্ত খুঁজে পেতে গেলে, ডুবুড়ি কে গামছা কিনে দিতে হবে। মোতেরার বা আধুনা নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম-এ দুই দলের ব্যাটসম্যানরা মনে হয় সেই গামছাটাই খুঁজছিলেন রানের অস্তিত্ত্ব সন্ধান করতে। তারা হিমসিম খেলেন ঘুর্নী পিচে। সারা ম্যাচে মাত্র দুটি অর্ধশতরান! খেলা দেখতে দেখতে মনে হচ্ছিল কোলকাতার সিএবি দু দিনের লীগ হচ্ছে। ১২ ঘন্টাও স্থায়ী হলনা ম্যাচ!ভারতের দুই পেস বোলার ইশান্ত শর্মা এবং যশপ্রীত বুমরা এক বারও হাত না ঘুরিয়ে ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংস শেষ হয়ে গেলো মাত্র ৩০.৪ ওভারে! ভূমিপুত্র অক্ষর পটেল ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন দুজনেই মাত্র ১৫ ওভার করে হাত ঘোরালেন এবং শেষ উইকেটটা ৩১তম ওভার করতে এসে তার চতুর্থ বলে তুলে নিলেন ওয়াশিংটন সুন্দর। ইংল্যন্ডের দ্বিতীয় ইনিংস এক সেশনেরও (দু ঘণ্টার-ও কম) কম সময়ে শেষ হয়ে যাওয়াই এই ম্যাচের পিচের ভঙ্করতা স্পষ্ট করে দিয়েছে।এখনো পর্যন্ত যতগুলি পিঙ্ক টেস্ট (দিনরাতের) হয়েছে, তার প্রায় সব গুলোতেই পেস বোলারদের প্রাধান্যই বেশী দেখা গিয়েছে। স্পিন বোলাররা সেরকমভাবে হালে পানি পাননি, সর্বত্র গতির দাপটে কাহিল হয়েছেন ব্যাটসম্যানরা। ইডেনে হওয়া প্রথম দিন-রাতের পিঙ্ক টেস্টেও পেসারদেরই প্রাধান্য ছিল তারা ১৯টি উইকেট নিয়েছিলেন।পিচ নিয়ে বিদেশী মিডিয়াতে গেল গেল রব উঠেছে। এখনো পর্যন্ত তারা ঘূর্ণি পিচের থেকে বেশি মাত্রাই ইংরেজ ব্যাটসম্যানদের স্পিন খেলার অক্ষমতা নিয়েই প্রশ্ন ছুঁড়ে দিচ্ছেন। পেস বোলাররা সাহায্য ভারতের কোন মাঠের কোনও পিচেই সেভাবে পাননি কোনদিন, শোনা যায় সেই কারনেই ভারত সফরে প্রচণ্ড অনীহা ছিল প্রবাদ প্রতিম স্যর রিচার্ড হ্যাডলি এবং ইয়ান বোথামের, ভারতের পিচে কিছুটা সাহায্য সিম বোলাররা পান, বিপক্ষ্যে দুই ভয়ঙ্কর সিম বোলার জেমস অ্যান্ডারসন এবং স্টুয়ার্ট ব্রড রয়েছেন, যাঁরা অসম্ভব পারদর্শি দুদিকেই বল সুইং করাতে। সে কারণেই হয়ত পেস পিচের ঝুঁকি নিতে চাননি রবি শাস্ত্রী ব্রিগেড।প্রথম বল থেকেই বনবন করে বল ঘুরেছে। খুব কম বল-ই হাঁটুর ওপর উঠেছে। কখনো কখনো মনে হচ্ছিল ব্যাটসম্যানরা হয়ত সোজা হয়ে দাঁড়াতেই ভুলে গেছেন। প্রথম ইনিংসে ১১২ রানে ইংল্যান্ড শেষ হয়ে যায়। প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন জ্যাক ক্রাউলি (৫৩), বাকি ব্যাটসম্যানরা কেউই কুড়ি রানের গণ্ডী পার করতে পারেননি। জবাবে ভারত প্রথম ইনিংসে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৪৫ রান সংগ্রহ করে। ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ রান রোহিত শর্মার(৬৬), ভারত অধিনায়ক ২৭ রান করে জ্যাক লিচ এর বলে বোল্ড আউট হয়ে ফিরে যান। দ্বিতীয় দিন মাত্র চার ঘণ্টাতেই দু দলের ১৭টি উইকেটের পতন হয়। ভারতীয় ব্যটসম্যানরা যারা স্পিন বল খেলতে সিদ্ধহস্ত তারাও হিমসিম খেলেন, একটা উদাহরন-ই যথেষ্ট এটা বোঝানোর জন্য। জো রুটের মত একজন অনিয়মিত অফস্পিনারের বোলিং গড় ৬.২ ওভার ৩ মেডেন, ৮ রান ৫ উইকেট! এক সময় তো রুট কে মনে হচ্ছিল যেন মুথাইয়া মুরলীধরন বল করছেন। একের পর এক ভারতীয় ব্যাটসম্যান রুটের বলে দিসেহারা হয়ে সাজঘর থেকে ক্রিজে আসা-যাওয়া করছিলেন। মাত্র ৩৩ রানে এগিয়ে থেকে শেষ হয়ে যায় ভারতের প্রথম ইনিংস। যদিও ম্যাচের শেষে রোহিত শর্মার জানান এই পিচে সে রকম কোন জুজু ছিল না।বোলার্স ফুটমার্ক এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল যে আম্পায়ার কে বার বার গ্রাঊন্ডসম্যান ডেকে ক্ষত রিপেয়ার করতে হচ্ছিল। টেস্ট ম্যাচে প্রথম দিনেই এ দৃশ্য শেষ কবে দেখা গেছে সেটা নিয়ে গবেষনা চলতেই পারে। পিচের হাল এতটাই খারাপ তা অনুমান করে বিরাট কোহালি দ্বিতীয় ইনিংসে জোরে বোলারদের না এনে প্রথম থেকেই স্পিনারদের লেলিয়ে দিলেন। প্রথম ওভারের প্রথম বলে জ্যাক ক্রলি আউট হবার পর তৃতীয় বলে জনি বেয়ারস্টোও আউট হয়ে ফিরে যান।পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ছাড়া ভারতের ঘুর্নী উইকেটে অন্য দলের সাফল্য দুরবীন দিয়েও বড় একটা দেখা যায় না। অক্ষর এবং অশ্বিনের বল এই ঘুর্নী পিচে সামলানোর মত টেকনিক ইংল্যন্ড দলের ব্যটসম্যানদের ছিল না। কতক্ষণ তারা টেকে সেটাই বড় প্রশ্ন ছিল ক্রিকেটপ্রেমীদের। এক সেশনও পার করতে পারলো না!৪৯ রানের টার্গেট অতিক্রম করতে ভারতকে বিশেষ আসুবিধা হয়নি। বিনা উইকেট তারা জয়ের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌছে যায়। সহজাত ভঙ্গীতে জো রুটের বলে ছয় মেরে ম্যাচ শেষ করলেন রোহিত শর্মা (২৫) অপরদিকে শুভমন গিল ১৫ রান করে অপরাজিত থেকে যোগ্য সহয়তা করেন। এই জয়ের সৌজন্যে ১-০ পেছিয়ে থেকেও ভারত ২-১ ফলে সিরিজে এগিয়ে গেল। জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal