• ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩, রবিবার ০৯ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Central

রাজ্য

কেন্দ্রীয় প্রকল্পে বকেয়া আদায়ে তৃণমূলের লক্ষ লক্ষ চিঠি মোদি সরকাকে

এবার দিল্লির বুকে বাংলার প্রতি কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়াতে চলেছে তৃণমূল। একশো দিনের কাজের বকেয়া টাকা এবং আবাস যোজনার কাজের টাকা মিলিয়ে বাংলার মোট ১৫ হাজার কোটি বকেয়া টাকা মোদী সরকার আটকে রেখেছে বলে অভিযোগ তৃণমূলের। জোড়া-ফুলের দাবি, এ জন্য পশ্চিমবঙ্গের বহু গরিব মানুষ সমস্যায় পড়ছেন। এবার প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে সেই ভুক্তভোগী মানুষদের চিঠি দিল্লিতে নিয়ে যেতে চলছে তৃণমূল।মঙ্গলবার তৃণমূলের অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডলার থেকে বান্ডিল বান্ডিল চিঠির ছবি পোস্ট করা হয়েছে। ছবির সঙ্গেই লেখা রয়েছে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলছে বাংলার মানুষ! বিজেপি মনরেগা এবং আবাস যোজনার অধীনে বাংলার জন্য ১৫ হাজার কোটি টাকা নির্মমভাবে আটকে রেখেছে। এর ফলে যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাঁরা প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছেন তাদের ন্যায্য পাওনার দাবিতে। ন্যায়বিচার পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত বাংলা লড়াই করবে।দলের সেই এক্সবার্তা শেয়ার করে পরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, পশ্চিমবঙ্গ কেন্দ্রীয় সরকারের অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ, যা আমাদের অধিকার তা দাবি করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। গণতন্ত্রে জনগণের ক্ষমতাই সর্বোচ্চ। রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে বঞ্চিত মানুষদের সব চিঠি এসে জমা হয়েছে ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসে। এই চিঠিগুলিই পাঠানো হচ্ছে দিল্লিতে।গান্ধী জয়ন্তীতে রাজধানীর বুকে আরও বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলতে চাইছে তৃণমূল। আগামী ২ ও ৩ অক্টোবর দিল্লি চলোর ডাক দিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। এখনও পর্যন্ত যা খবর, ১ অক্টোবরই রাজধানীতে পৌঁছে যাবেন তৃণমূলের বিধায়ক ও সাংসদরা। কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগে অবস্থান বিক্ষোভ চালাবে ঘাসফুল শিবির। সেই আন্দোলনের মাত্রা কেমন হবে? এ দিন চিঠির ছবি প্রকাশ করে যেন সেই হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন তৃণমূল নেতৃত্ব।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৩
রাজ্য

ফের ইডির তলব অভিষেককে, কড়া আক্রমণ নরেন্দ্র মোদিকে

ফের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইডির তলব। জানা গিয়েছে, চলতি মাসের ১৩ই সেপ্টেম্বর, বুধবার তাঁকে সশরীরে ইডির দফতরে হাজিরা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। শিক্ষা নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এই তলব। এদিকে এই তলবের পরই টুইট করে অভিষেক বিঁধেছেন নরেন্দ্র মোদীকে। এর আগে ইডির তলবের সময় অভিষেক জানিয়ে ছিলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনে ব্যস্ত থাকবেন। তাই যেতে পারছেন না। ইডিও অনেক দিন চুপচাপ ছিল।FIRST meet of INDIAs coordination comm is on 13th Sept in Delhi, where Im a member. But, @dir_ed conveniently served me a notice just now to appear before thm on the VERY SAME DAY! One cant help but marvel at the TIMIDITY VACUOSNESS of the 56-inch chest model. #FearofINDIA Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) September 10, 2023তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় টুইট করে লিখেছেন, ভারতের সমন্বয় কমিটির প্রথম বৈঠক ১৩ই সেপ্টেম্বর দিল্লিতে। ওই কমিটির আমি একজন সদস্য। কিন্তু, ইডি ওই দিন হাজির হওয়ার জন্য এখনই একটি নোটিশ দিয়েছে! ৫৬ইঞ্চি ছাতির ভীরুতা এবং শূন্যতা দেখে অবাক না হয়ে কেউ পারে না।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৩
রাজ্য

বীরভূমে মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের হেলিপ্যাড বেদখল, আবর্জনার স্তুপে দুর্গন্ধে এলাকায় টেকাই দায়

আবর্জনার স্তুপে মুখ ঢেকেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের হেলিপ্যাড। মুখ্যমন্ত্রী বোলপুর সফরে এলেই ওই হেলিপ্যাড ব্যবহার করেন। এখন সেই জায়গার উপর নজর পড়েছে ঠিকাদারদের। ফলে লোকচক্ষুর আড়ালে হেলিপ্যাডটিকে রীতিমতো ভাগাড়ে পরিণত করা হয়েছে। ফাঁকা অংশ ঠিকাদারদের ফেলে রাখা ইমারতি দ্রব্য দখল করে নিয়েছে। তবে বিষয়টি নাকি জানা নেই পুরসভার। শুক্রবার সেই হেলিপ্যাড পরিদর্শন করেন বোলপুরের প্রাক্তন সাংসদ, বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা।রাজ্যে পালা বদলের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন তীর্থক্ষেত্র এবং পর্যটন কেন্দ্র থেকে কলকাতার সঙ্গে যোগাযোগের জন্য হেলিকপ্টার চলাচলের সিদ্ধান্ত নেন। সেই তালিকায় বোলপুরের পাশাপাশি ছিল তারাপীঠ, দিঘা সহ বেশ কয়েকটি জায়গা। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হয় হেলিপ্যাড। বোলপুরে গীতাঞ্জলী প্রেক্ষাগৃহ সংলগ্ন এলাকায় সেই হেলিপ্যাড নির্মাণ করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী বোলপুর সফরে এলে তাঁর হেলিকপ্টার সেখানেই অবতরণ করত। এখন সেই জায়গা কার্যত ঠিকাদারদের দখলে চলে গিয়েছে। হেলিপ্যাডের চারিদিক আগাছায় ঢেকেছে। পুরসভা শহরের আবর্জনা সেখানে ফেলে ভাগাড়ের রুপ দেওয়া হয়েছে। আর এক শ্রেণির ঠিকাদার বিল্ডিং নির্মাণ করার জন্য ইমারতি দ্রব্য মজুতের জায়গা করে নিয়েছে সেই হেলিপ্যাড। এনিয়ে ক্ষুব্ধ এলাকার মানুষ। তবে বিষয়টি জানা নেই বোলপুর পুরসভার চেয়ারম্যান পর্ণা ঘোষের। তিনি জানিয়েছেন, স্থানীয় কাউন্সিলরের মাধ্যমে খোঁজ নেবেন।এদিকে খবর পেয়ে শুক্রবার সেই হেলিপ্যাড পরিদর্শনে যান বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা। তিনি বলেন, তৃণমূল এক বিচিত্র দল। বোলপুরে স্বয়ং দলনেত্রীর হেলিকপ্টার অবতরণের জায়গাটার অর্ধেক দখল করে নিয়েছে দিদিমনির স্থানীয় কিছু প্রমোটার এবং তোলাবাজ ভাইয়েরা। এলাকায় গিয়ে দেখলাম কেষ্টবাবুর পাচার করতে না পারা দু-চারটে গরু ঘুরে বেড়াচ্ছে। আশপাশটা আবর্জনায় ভরে গিয়েছে। পুরসভার সহযোগিতায় দুর্গন্ধে পারিপার্শ্বিক এলাকা সুরভিত। যারা মুখ্যমন্ত্রীর হেলিপ্যাড দখল করতে পারে তারা সমস্ত জায়গা দখল করতে পারে। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রী বোলপুরে এসে তাঁর হেলিপ্যাড একবার দেখে যান।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৩
রাজনীতি

‘দুষ্টু গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো’, বিজেপির কাকে কটাক্ষ অনুপমের?

সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ কিছু মন্তব্য পোস্ট করে শোরগোল ফেলে দিয়েছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা।আবারও সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ কিছু মন্তব্য পোস্ট করে শোরগোল ফেলে দিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা। এর মাধ্যমে দলেরই একাংশকে দুষেছেন অনুপম, তারঁ পোস্টে এই ব্যাপারটা স্পষ্ট হয়েছে। বঙ্গ বিজেপির কোনও নেতার নাম নিয়েছেন অনুপম? সংবাদমাধ্যমে নিজের এই ফেসবুক পোস্ট সম্পর্কে মুখ খুলেছেন বিজেপির এই কেন্দ্রীয় নেতা।অনুপম হাজরার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন..আপনার সাংগঠনিক দায়িত্বকে কাজে লাগানোর দায়িত্ব আমার। আর যদি এখনও মনে হয় পার্টির সংগঠনের থেকে নিজের ইগো বা অভিমানটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ বা পদ আগলে বসে থেকে ভেতরে-ভেতরে দলের ক্ষতি করবেন, তাহলে আমি অন্তত আমার সীমিত ক্ষমতার মধ্যে এটুকু চেষ্টা করব যে আপনি যেন কোনওভাবেই আপনার পদের বা ক্ষমতার অপব্যবহার না করতে পারেন!!! কারণ অতি প্রচলিত একটি প্রবাদ রয়েছে- দুষ্টু গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো!!!নিজের এই ফেসবুক পোস্ট সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমেও এদিন মুখ খুলেছেন অনুপম। অনুপম বলেছেন, এটা বলতে কোনও বাধা নেই প্রতিটি সাংগঠনিক জেলাতেই এমন লোকজন আছেন যারা দলের পুরনো কর্মী, যাদের সংগঠন আছে। কিন্তু মান-অভিমান করে নিজেদের সরিয়ে রেখেছেন বা বসে আছেন বা সক্রিয় নন। তাঁদেরই এই পোস্টের মাধ্যমে বার্তা দিতে চেয়েছি। দলের অনেকে অনেক পদে আছেন, কিন্তু মাঠে নামছেন না। তাঁরাই দুষ্টু গরু।বিজেপি নেতা আরও বলেন, অনেকে দলের পদে থেকেও মাঠে নামছেন না। অনেকে নিজেও কাজ করেন না, অন্যদেরও করতে দেন না। এই দাদা ওই দাদার লবি না ধরে মোদীর লবি ধরে দলকে শক্তিশালী করুন। দুষ্টু গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২৩
দেশ

কেন্দ্রীয় নয়া প্রকল্পে আধুনিকীকরণ বাংলার ৩৭টি রেল স্টেশনে

রেলের উন্নয়নে দেশব্যাপী কর্মসূচি নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সারা দেশের ১৩০০ স্টেশনের মধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে ৫০৮টি রেলস্টেশনের পুনর্বিকাশ করার পরিকল্পনা নিয়েছে রেল। এই তালিকায় রয়েছে এই রাজ্যের ৩৭টি স্টেশন। রবিবার এই স্টেশনগুলোর পুনর্বিকাশের কাজ শুরুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।মেদী বলেন, বিকাশের পথে ভারত তার যাত্রা শুরু করেছে। নতুন উদ্যম, নতুন প্রেরণা, নতুন সঙ্কল্পের সঙ্গে আজ ভারতীয় রেল নতুন অধ্যায়ের সূচনা করছে। অমৃত ভারত প্রকল্পের আওতায় ভারতের প্রায় ১৩০০ রেলস্টেশনের উন্নয়ন হবে। স্টেশনগুলো আরও আধুনিক হবে। আজ থেকেই ৫০৮টি স্টেশনের উন্নয়নের কাজ শুরু হয়ে গেল।এরাজ্যের মধ্যে সব থেকে বেশি জলপাইগুড়ি রয়েছে এই প্রকল্পে। এই জেলায় সর্বাধিক আটটি স্টেশনের পুনর্বিকাশ হবে। বিকাশের তালিকায় রয়েছে বিন্নাগুড়ি, ধুপগুড়ি, হলদিবাড়ি, জলপাইগুড়ি, হাসিমারা, জলপাইগুড়ি রোড, কামাক্ষাগুড়ি এবং নিউ মাল স্টেশন। এরপর বর্ধমানের পাঁচটি স্টেশনেও আধুনিকীকরণ হবে। নদিয়া জেলার চারটি স্টেশন নতুন রূপ পাবে।। এ ছাড়াও জেলাভিত্তিক তালিকায় আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর, হুগলির তিনটি করে রেলস্টেশনের আধুনিকীকরণ হবে। অমৃত ভারত স্টেশন হবে কোচবিহারের দিনহাটা। আধুনিকীকরণের তালিকায় রয়েছে শিয়ালদহ।পশ্চিমবঙ্গের কোন জেলার কোন কোন স্টেশনের পুনর্বিকাশ হবে?আলিপুরদুয়ার (৩)দলগাঁও, ফালাকাটা, নিউ আলিপুরদুয়ারবর্ধমান (৫)অণ্ডাল জংশন, বর্ধমান, আসানসোল, কাটোয়া, পাণ্ডবেশ্বরবীরভূম (২)বোলপুর (শান্তিনিকেতন), রামপুরহাট জংশনকোচবিহার (১)দিনহাটাউত্তর দিনাজপুর (৩)আলুয়াবাড়ি, ডালখোলা, কালিয়াগঞ্জহুগলি (৩)অম্বিকা কালনা, শেওড়াফুলি জংশন,তারকেশ্বরজলপাইগুড়ি (৮)বিন্নাগুড়ি, ধুপগুড়ি, হলদিবাড়ি, জলপাইগুড়ি, হাসিমারা, জলপাইগুড়ি রোড, কামাক্ষাগুড়ি, নিউ মাল জংশনকলকাতা (১)শিয়ালদহমালদা (২)মালদহ টাউন, সামসিমুর্শিদাবাদ (৩)আজিমগঞ্জ, বহরমপুর কোর্ট, নিউ ফরাক্কা জংশননদিয়া (৪)কৃষ্ণনগর সিটি জংশন, বেথুয়াডহরি, নবদ্বীপ ধান, শান্তিপুরউত্তর ২৪ পরগনা (২)ব্যারাকপুর জংশন, চাঁদপাড়া

আগস্ট ০৮, ২০২৩
দেশ

দিলীপ ঘোষ ফের কি রাজ্যে সংগঠনের দায়িত্বে? অনুপম কেন্দ্রীয় সম্পাদকই থেকে গেলেন

আগমী লোকসভা নির্বাচনের আগে জেপি নাড্ডার সর্বভারতীয় টিম থেকে বাদ পরলেন দিলীপ ঘোষ।কিন্তু সম্পাদক পদে থেকে গিয়েছেন অনুপম হাজরা। দলের সর্বভারতীয় স্তরে সাংগঠনিক ক্ষেত্রে রদবদল করল গেরুয়া দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। এতদিন দলের সর্বভারতীয় সহ সভাপতি ছিলেন দিলীপ ঘোষ। এবার সেই পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হল।লোকসভা নির্বাচনের আগে দলের সাংগঠনিকস্তরে রদবদল শুরু করল বিজেপি। সম্প্রতি বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে দিল্লিতে বৈঠক করেছিলেন অমিত শাহ, জেপি নাড্ডারা। কেন্দ্রীয় স্তর থেকে সরিয়ে ফের কি রাজ্যে দিলীপ ঘোষকে দায়িত্বে আনা হতে পারে? সেই প্রশ্নও ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক মহলে।তাঁর এই পদ খোয়ানো প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমে দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, আগামী বছরের লোকসভা নির্বাচনে যাঁরা লড়বেন, তাঁরা যাতে আরও বেশি করে নিজেদের সংসদীয় ক্ষেত্রে সময় দিতে পারেন সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।Honble Sri @narendramodi ji 🙏Honble Sri @JPNadda ji 🙏 pic.twitter.com/0XHpLliibd Dr. Anupam Hazra 🇮🇳 ডঃ অনুপম হাজরা ✨ (@tweetanupam) July 29, 2023সূত্রের খবর, শীঘ্রই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভাতেও রদবদল হতে পারে। সেক্ষেত্রে কি এবার দিলীপ ঘোষকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীত্বে আনা হবে? বাড়ছে সেই জল্পনাও। এদিকে ৩ বছর কেন্দ্রীয় সম্পাদক পদে থাকার পর ফের তাঁর মেয়াদ বৃদ্ধি করল দল। অনুপম হাজরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও দলের সভাপতি জেপি নাড্ডাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

জুলাই ২৯, ২০২৩
রাজ্য

একুশের আগে আদালতে আপাত স্বস্তি অভিষেকের, তৎপর ইডি

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আপাতত স্বস্তিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বিরুদ্ধে আপাতত কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে না কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। বৃহস্পতিবার এই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। তবে, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে গ্রেফতার করার দরকার আছে কি না, এদিন তা ইডি-র কাছে জানতে চেয়েছে আদালত। সেই সঙ্গে নথি পেশের সুযোগ দেওয়া হয়েছে ইডি-কে।কুন্তল ঘোষের বিতর্কিত মন্তব্যের পরই নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জড়িয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের করা এফআইআর খারিজ করার আর্জি জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ডায়মন্ড হারবারারে সাংসদ। বৃহস্পতিবার সেই মামলায় হাইকোর্টের নির্দেশ, নিয়োগ মামলায় আগামী সোমবার অর্থাৎ ২৪ জুলাই, ২০২৩ পর্যন্ত অভিষেকের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের সিঙ্গল বেঞ্চে আগামী সোমবার ফের এই মামলার শুনানি।আগেই নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নিজাম প্যালেসে সিবিআই-এর জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়েছিলেন অভিষেক। পরে তাঁকে তলব করেছিল ইডি-ও। তবে পঞ্চায়েত নির্বাচনের ব্যস্ততায় তিনি ইডি দফতরে হাজিরা দেননি। এদিন বিচারপতি বলেন, আমরা ইডি-র কাছে জানতে চাই অভিষেককে হেফাজতে নিয়ে গ্রেফতার করার দরকার আছে কি না?ইডি-র তরফে আইনজীবী এদিন আদালতে জানান, শিক্ষক নিয়োগের মামলায় ইডি অভিষেককে ফের করে তলব করার পরিকল্পনা করেছে, সেটা এখনও বলা যাচ্ছে না। ইডি আরও জানিয়েছে, গত ১৪ জুন ডাকা হয়েছিল অভিষেককে। কিন্তু তিনি ভোটে ব্যস্ততার কথা বলে হাজিরা দেননি। অভিষেকের বিরুদ্ধে ইডি-র কাছে পর্যাপ্ত নথি আছে বলেও জানানো হয়।নিয়োগ মামলায় সুপ্রিম কোর্টে স্বস্তি পাননি অভিষেক। এরপর ইডি-র করা এফআইআর খারিজ করার আর্জি জানান তিনি। শীর্ষ আদালত কোনও রক্ষাকবচ দেয়নি তাঁকে। তবে নির্দেশ ছিল, প্রয়োজনে মামলা দায়ের করতে পারেন অভিষেক। হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা ইডি-কে আগেই এফআইআর করে তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এরপর এফআইআর করে ইডি।নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত কুন্তল ঘোষ দাবি করেছিলেন, অভিষেকের নাম বলতে তাঁকে চাপ দেওয়া হচ্ছে কেন্দ্রীয় সংস্থার তরফে। ওই বক্তব্যের ঠিক একদিন আগে দলীয় সভা থেকে অভিষেক বলেছিলেন, সারদায় অভিযুক্তদেরকে তাঁর নাম বলানোর জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল। প্রশ্ন ওঠে, অভিষেকের মন্তব্যের ছায়া কেন কুন্তলের বক্তব্যে? সেই সংক্রান্ত মামলায় হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন, অভিষেককে তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে ইডি ও সিবিআই। ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। শীর্ষ আদালতের নির্দেশে বেঞ্চ বদল হয়। কিন্তু আদেশের বদল হয়নি। যা এখনও বিচারাধীন।

জুলাই ২০, ২০২৩
রাজ্য

গ্রাম বাংলার দখল কার হাতে? সকাল ৮টা থেকে শুরু পঞ্চায়েতের ভোট গণনা

নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে গননা কেন্দ্রগুলিকে। প্রতি গণনা কেন্দ্রের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে ১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী তাঁর সাথেথাকছে রাজ্য পুলিশও। ভোট গণনা চলবে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়ে। অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে আর কিছুক্ষণ পরেই, গ্রাম বাংলার রাশ কার দখলে যাবে? গননা কেন্দ্র গুলিতে এসে পরেছেন ভোট কর্মীরা, প্রয়োজনীয় ঔষধ ছাড়া আর কিছু নিয়েই ভিতরে প্রবেশ নিশিদ্ধ। সকাল ৮টা থেকেই শুরু হবে ২০২৩ পঞ্চায়েতের ভোট গণনা। সারা রাজ্যের মোট ৩৩৯টি কেন্দ্রে হবে ভোট গণনা।রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সুত্রে জানা যাচ্ছে, তিনটি স্তর (গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদ) মিলিয়ে প্রায় ১২% আসনে (মোট ৭৩৮৮৭ টি আসনের মধ্যে ৯০০৯ টি আসনে) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় হয়েছে। গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬৩২২৯টি আসনের মধ্যে বিনা যুদ্ধে জয় ৮০০২ টি আসনে। পঞ্চায়েত সমিতির মোট ৯৭৩০ টি আসনের মধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় ৯৯১ টি আসনে। জেলা পরিষদের মোট ৯২৮টি আসনের মধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় ১৬টি আসনে।এখানে উল্লেখ্য, ২০১৮ মতো ২০২৩ এও পঞ্চায়েত ভোটেও দেখা গেছে ভয়াবহ হিংসার ছবি। ভোট ঘোষণা র দিন থেকে মৃত্যুর সংখ্যা ধরলে ২০১৮-কেও ছাপিয়ে গেল ২০২৩। বিরধীদের রোষনলের মুখে নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য সরকার। যে শান্তিপূর্ণ পঞ্চায়েত ভোটের আশ্বাস অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর নবজোয়ার কর্মসুচীতে দিয়েছিলেন সেটা কি তাহলে শুধুই কথার কথা ছিল? এনিয়ে পাল্টা জবাব পালটা জবাব চলছে। আজ মঙ্গলবার ফলাফল।পঞ্চায়েত ভোটের ঠিক বিপরীত ছবি দেখা গেলো পুননির্বাচনে,লাগামছাড়া সন্ত্রাসের ছবি উধাও! পুলিস ও কেন্দ্রীয়বাহিনী দাপিয়ে বেরালো বুথ ও সংলগ্ন এলাকা, রূটিন রুট মার্চ, এরিয়া ডোমিনেসন সবই করতে দেখা গেলো। সেখানেই প্রশ্ন বিরোধীদের, তাহলে কি এটা ড্যমেজ কন্ট্রোল? ৮ই জুলাই কোথায় ছিলো পুলিশের এই সক্রিয়তা? বিরোধীদের আরও দাবী হাইকোর্টের নির্দেশ স্বত্তেও কেনো সমস্ত বুথে দেখা যায়নি সশস্ত্র বাহিনী কে? তাহলে কি এটা দিদি-মোদি পরিকল্পনারই ফসল?বিরোধীদের দাবী, ভোটের দিন যেভাবে সারা রাজ্যে বুথে বুথে অশান্তি হয়েছে, বন্দুক হাতে দাপাদাপি করতে দেখা গিয়েছে রাজনৈতিক কর্মীদের, মুড়ি মুড়কির মতো বোমা পড়েছে, দেদার ছাপ্পা, কিন্তু কোথাও কোনও কেন্দ্রীয় বাহিনী কে দেখা যায়নি। পূর্ববর্ধমান জেলার মেমারি-র বাম নেতা অভিজিৎ কোনার (খোকন) তাঁর সামাজিক মাধ্যমে ছবি দিয়ে দাবী করেছেন, আজ ৮/৭/২০২৩ পশ্চিমবঙ্গে অবাধে লুটপাটের পঞ্চায়েত নির্বাচন চলছে।হাইকোর্টের নির্দেশ স্বত্বেও মেমারি ১ ব্লক,মেমারি ২ ব্লক সহ পূর্ব বর্ধমান জেলার কোন বুথেই কেন্দ্রীয়বাহিনী নেই। আজ সকাল ৭.১৮ মিনিটে মেমারি ষ্টেশনে অসংখ্য পুলিশের জমিয়ে গল্প, হাওয়া খাওয়ার ফটো দেখুন।ভোট হচ্ছে গ্রামে,আর পুলিশ রয়েছে রেল স্টেশনে। এতদিন কেন্দ্রীয়বাহিনী নিয়ে TMC-BJP র নাটক এখন বুঝতে পারছেন? কেন্দ্র ও রাজ্যের বোঝাপড়া বুঝুন। তবে বিভিন্ন বুথে প্রতিরোধের ঘটনাও ঘটছে।কোথা ব্যালট বক্স ভোট কক্ষ থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। কোথাও আবার ভোট কক্ষের ভিত্রেই বোতলে জল নিয়ে গিয়ে ঢেলে দেওয়া হয়েছে ব্যলট বক্সের ভিতর। কিন্তু কোথাও পুলিশর দেখা মেলেনি, না মিলেছে হাইকোর্টের নির্দেশে আসা কেন্দ্রীয় বাহিনীও!

জুলাই ১১, ২০২৩
রাজ্য

চাপের ঠেলায় ২২ থেকে ৮২২, তবু কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা নিয়ে অসন্তুষ্ট বিরোধীরা

পঞ্চায়েত নির্বাচনে একের পর এক নাটকীয় ঘটনা। রাজ্যপাল, হাইকোর্ট, সুপ্রিমকোর্ট, হাইকোর্ট পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে পর পর গুঁতো খেয়ে নির্বাচন কমিশন ২২ কোম্পানির পর ৮০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে চিঠি পাঠাল। তবে এই সংখ্যায় সন্তুষ্ট নয় বিরোধীরা। তারা চাইছে অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করুক কমিশন.পঞ্চায়েতে মাত্র ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে গোটা বাংলায় ভোট করার পরিকল্পনা করেছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে চিঠি পাঠায় কমিশন। এই কারণে বুধবারই কমিশনকে ভর্ৎসনা করেছিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। পঞ্চায়েত মামলার নির্দেশে প্রধান বিচারপতি বলেছিলেন, দেখে মনে হচ্ছে কমিশন এমন ভাবে আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়িত করছে, যাতে কাজের কাজ কিছু না হয়। এরপরই প্রধান বিচারপতি নির্দেশ দেন, ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে যে পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করা হয়েছিল (সেবার এসেছিল ৮২০ কোম্পানি), এবার তার থেকে বেশি বাহিনী নির্বাচনের কাজে মোতায়েন করতে হবে। নির্দেশ কার্যকর করতে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল আদালত। যা মানতে বাধ্য হল কমিশন।এছাড়া কমিশনার রাজীব সিনহাকেও ওই দিনই ভর্ৎসনা করেছিলেন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম। পর্যবেক্ষণে বলেছিলেন, আপনি (কমিশনার রাজীব সিনহা) চাপ নিতে না পারলে ছেড়ে দিন।এরপই বুধবার রাতে কড়া পদক্ষেপ করেন রাজ্যপাল। রাজ্য নির্বাচন কমিশনার পদে রাজীব সিনহা যোগ দেওয়ার পর তাঁর জয়েনিং রিপোর্ট গ্রহণ করেননি সি ভি আনন্দ বোস। এদিও ফের কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অনৃতা সিনহা সমালোচনা করেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের। বৃহস্পতিবার দুপুরেও নিজের প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে কমিশনারের পাশে থাকারই বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানান, কমিশনার পদ খেরে রাজীবকে সরাতে হলে ইমপিচমেন্ট পদ্ধতির প্রয়োগ প্রয়োজন। পাল্টা রাজ্যপাল বলেন, কমিশনারের কাজে বাংলার মানুষ হতাশ।

জুন ২২, ২০২৩
রাজ্য

৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দ্রের কাছে বাহিনী চেয়ে আবেদন জানাবে কমিশন, কড়া নির্দেশ হাইকোর্টের

বিরোধীরা প্রথম থেকেই দাবি করে আসছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে পঞ্চায়েত ভোট করানোর। বৃহস্পতিবার দুপুরে কড়া সুরে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। আর এদিন বিকেলেই সেই ইঙ্গিতের বাস্তবায়ণ হল। শুধু স্পর্শকাতর জেলা নয়, আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটে সব জেলাতেই থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা। এর আগে বহিনী সংক্রান্ত নির্দেশ পুনর্বিবেচনার জন্যই আদালতে আর্জি জানিয়েছিল কমিশন। সেই মামলার নির্দেশেই জোর ধাক্কা খেল রাজ্য নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য সরকার।প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম কমিশনের উপর ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তাঁর কথায়, স্পর্শকাতর এলাকা চিহ্নিতকরণে যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তাতে কমিশন পদক্ষেপ করেনি। অবাধ মনোনয়ন প্রক্রিয়া সুনিশ্চিত করতেও কমিশনের ভূমিকা দৃঢ় নয়। এরপরই পঞ্চায়েত ভোটে সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়।কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, অবিলম্বে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য কেন্দ্রের কাছে আবেদন জানাতে হবে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দ্রের কাছে বাহিনী চেয়ে আবেদন জানাবে কমিশন। তৎক্ষণাৎ বাহিনী দিতে হবে কেন্দ্রকে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর খরচ বহন করবে কেন্দ্র।এদিনের হাইকোর্টের বাহিনী নির্দেশকে স্বাগত জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। অন্যদিকে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, তৃণমূল কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ভয় পায় না। বাহিনীর সুরক্ষা সত্ত্বেও ভোটে তৃণমূলই জিতবে। কিন্তু নীতিগত প্রশ্নে এই নির্দেশের যৌক্তিকতা খতিয়ে দেখার প্রয়োজন আছে। অন্য রাজ্যে তো স্থানীয় প্রশাসনের নির্বাচন সেই রাজ্যের পুলিশ দিয়েই হয়। তাহলে বাংলার ক্ষেত্রে আলদা নিয়ম কেন? বিরোধী দলগুলো পরিকল্পিতভাবে অশান্তি পাকিয়ে আদালতকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে বলেও এদিন দাবি করেছেন কুণাল।পঞ্চায়েত ভোট রাজ্যজুড়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে করানোর দাবি নিয়ে আদালতে মামলা করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। সেই মামলায় কমিশনকে স্পর্শকাতর জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানোর নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। বাহিনী সংক্রান্ত সেই নির্দেশ পুনর্বিবেচনার জন্য ফের আদালতে আর্জি জানায় রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যেই মনোনয়ন ঘিরে হিংসায় জর্জরিত হয় বাংলা। পুলিশ কার্যত নীরব দর্শক ছিল। এসবের মধ্যেও স্পর্শকাতর এলাকা চিহ্নিত করতে পারেনি কমিশন। আর কমিশনের এই ভূমিকাতেই ক্ষুব্ধ ছিলেন প্রধান বিচারপতি। বৃহস্পতিবারের শুনানিতে কমিশনের আইনজীবীকে প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন ছিল, এবার কী তাহলে গোটা রাজ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোটের নির্দেশ দিয়ে দেব? এর মধ্যেই মনোনয়নে হিংসায় নিহত হয়েছেন চার জন। শেষ পর্যন্ত উভয়পক্ষের সওয়াল শুনে রাজ্যজুড়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে পঞ্চায়েত ভোট করানোর নির্দেশ দেয় আদালত।

জুন ১৫, ২০২৩
রাজ্য

হাজিরায় ইডিকে অভিষেকের না, আইনি পদক্ষেপ করতে চলেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা

শিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে সিবিআইয়ের পরে ইডি তলব করেছিল তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ১৩ জুন, মঙ্গলবার সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দফতরে যাওয়ার সমন পাঠিয়েছিল অভিষেককে। নবজোয়ার কর্মসূচিতে অভিষেক জানিয়ে দিয়েছিল তিনি রাজনৈতিক কাজে ব্যস্ত থাকবেন এখন আর যেতে পারবেন না। জানা গিয়েছে, গতকাল বৃহস্পতিবার ১৩ জুন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনি ইডি দফতরে হাজির হবেন না বলে মেইল করে জানিয়ে দিয়েছেন।সূত্রের খবর, অভিষেকের মেইল পাওয়ার পর নতুন করে ভাবছেন ইডি আধিকারিকরা। আগামী সোমবার তাঁরা এবিষয়ে বৈঠক করবেন। আইনি পদক্ষেপ করতে পারে ইডি। জানা গিয়েছে, আবার তলব করতে পারে বা আদালতের দ্বারস্থ হতে পারে ইডি। এদিকে ইতিমধ্যেই ইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়েছিলেন অভিষেক জায়া রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়।অভিষেকের অভিযোগ, অহেতুক তলব করছে ইডি। সময় নষ্ট করছে। তৃণমূলের অভিযোগ, নবজোয়ার যাত্রার সাফল্য দেখে বিজেপি কেন্দ্রীয় এজেন্সি দিয়ে দলীয় শীর্ষ নেতৃত্বকে হয়রান করছে।

জুন ০৯, ২০২৩
রাজ্য

রামনবমীর শোভাযাত্রার পর হনুমান জয়ন্তী, তিন কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে

রামনবমীর শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে অশান্তির জেরে এখনও থমথমে হুগলির রিষড়া। রামনবমীর মিছিলকে কেন্দ্র করে অশান্তি হয়েছে, উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলা, হাওড়ার শিবপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরে। এদিকে আগামী কাল, বৃহস্পতিবার হনুমান জয়ন্তী পালন করতে চলেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। কলকাতা হাইকোর্ট এদিন রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছে হনুমান জয়ন্তীতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মতোয়েন করতে।কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে হনুমান জয়ন্তীতে বাংলায় তিন কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবান্ন। জানা গিয়েছে, হাওড়া, হুগলি ও কলকাতায় উপদ্রুত এলাকায় এই তিন কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে। বুধবার নাবান্নে মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে রাজ্যে তিন কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হয়। পাশাপাশি অশান্তি রুখতে বেশ কয়েকটি নির্দেশ জারির পথে রাজ্য প্রশাসন। বৃহস্পতিবারের কোনও শোভাযাত্রায় ১০০ জনের বেশি লোক থাকতে পারবে না। স্পর্শকাতর এলাকায় থাকবে ১৪৪ ধারা।এদিন, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম স্পষ্ট জানিয়েছেন, মানুষের নিরাপত্তা ও আস্থার থেকে বড় কিছু হতে পারে না। এই দুটি বিষয়কে সুনিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে রাজ্য সরকারকে। হনুমান জয়ন্তী উপলক্ষে কোথাও হিংসার সম্ভাবনা থাকলে রাজ্য সরকারকে আগে থেকে প্রস্তুতি নিতে হবে। প্রয়োজনে সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় বাহিনী চাইলে সঙ্গে সঙ্গে সাহায্য করতে হবে কেন্দ্রকে। আদালত আরও বলেছে, মানুষের মনে আস্থা ফেরাতে হিংসা কবলিত এলাকায় পুলিশ ও আধাসেনার রুট মার্চ অত্যন্ত দরকারি।

এপ্রিল ০৫, ২০২৩
রাজ্য

বাংলায় আবাস যোজনা খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল

আবাস কেলেঙ্কারির অভিযোগ নিয়ে আরও উত্তপ্ত হচ্ছে বঙ্গ রাজনীতি। তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্ব থেকে শাসকদলের পঞ্চায়েতের জনপ্রতিনিধিদের আবাস যোজনার তালিকায় নাম থাকা নিয়েই যাবতীয় বিতর্কের সূত্রপাত। যদিও অনেকে তাঁদের নাম কাটিয়ে দেওয়ার জন্য স্থানীয় বিডিওর কাছে আবেদন জানিয়েছেন। এদিকে এই কেলেঙ্কারি বিশদে খতিয়ে দেখতে আসছেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। কেন্দ্রীয় দল মূলত দুটি ভাগে পূর্ব মেদিনীপুর ও মালদা জেলা পরিদর্শন করবেন। কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের পক্ষে বুধবারই পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের প্রধান সচিবকে পত্র মারফত বিষয়টি জানানো হয়েছে।বাংলার গ্রামে গ্রামে আবাস দুর্নীতি নিয়ে সরব শুভেন্দু অধিকারী, সকান্ত মজুমদাররা ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে নালিশও জানিয়েছেন। তাঁরা দেখা করেছিলেন কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েতমন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের সঙ্গেও। এদিকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার তহবিলও আটকে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রতিবাদ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই পরিস্থিতিতে বাংলায় কেন্দ্রীয় দল পাঠানোর মতো পদক্ষেপ আদতে মমতা সরকারের উপর চাপ বাড়ানোর কৌশল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের আন্ডার সেক্রেটারি অনিলকুমার সিং-য়ের লেখা চিঠিতে রাজ্যকে জানিয়ে দিয়েছে, কেন্দ্রের দুটি দল আসবে বাংলায়। একটি দল পূর্ব মেদিনীপুর এবং অপরটি মালদহের আবাস যোজনার প্রাপক তালিকা খতিয়ে দেখবেন। দুটি দলেই তিনজন করে প্রতিনিধি থাকবেন। পূর্ব মেদিনীপুরে যাবেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের ডিরেক্টর শৈলেশ কুমার, আন্ডার সেক্রেটরি অনিল কুমার সিং এবং সিনিয়র স্ট্যাটিস্টিক্যাল অফিসার সুভাষ দ্বিবেদী। মালদহে পর্যালোচনা করবেন, মন্ত্রকের ডেপুটি সেক্রেটারি শক্তিকান্ত সিং, অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার চাহাত সিং এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট সেকশন অফিসার গৌরব আহুজা। জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই কেন্দ্রীয় দল আসবেন। আবাস যোজনার আপডেট করা নথি ও লজিস্টিক সাপোর্ট কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদের জন্য রাজ্যের তরফে ওই দুই জেলায় আয়োজনের কথা বলা হয়েছে। স্বভাবতই কেন্দ্রের এই পদক্ষেপে উচ্ছ্বসিত বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৩
রাজ্য

আবাস যোজনার তালিকায় উপপ্রধানের নাম! তাঁর বিলাসবহুল অট্টালিকা নিয়ে কটাক্ষ বিরোধীদের

আবাস যোজনার তালিকা প্রকাশিত হতেই বিরোধীদের অভিযোগে শিলমোহর পড়লো পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষে। আবাস যোজনার বাড়ি নিয়ে অভিযোগ নতুন নয়। বাম ডান সব আমলেই স্বজনপোষণ নিয়ে বিস্তর অভিযোগ হয়েছে। শাসকদলের নেতারা কমবেশি অনেকেই ক্ষমতার অপব্যবহার করে ক্ষমতার জাহির করেছেন।কিন্তু খণ্ডঘোষের শাঁকারি গ্রাম পঞ্চায়েতের কেশবপুর গ্রামে চুরি নয় রীতিমত পুকুর চুরি বললেও কম বলা হবে। এককথায় ডাকাতি হয়েছে। তাই নিয়ে সরব হয়েছেন শাসকদলের একাংশ।শাঁকারি পঞ্চায়েতের উপপ্রধান জাহাঙ্গীর সেখ। গ্রামেই রয়েছে তার বিলাসবহুল চোখ ধাঁধানো চারতলা ইমারত। তবুও সদ্য প্রকাশিত আবাস যোজনার তালিকায় উপপ্রধান জাহাঙ্গীর সেখের স্ত্রী সীমা সেখের নাম রয়েছে। এখানেই শেষ নয় পাশাপাশি তার মৃত বাবা সেখ মহসিন, ভাই আমনগীর সেখ ও আর এক ভাই আজমগীর সেখের নামেও আবাস যোজনার বাড়ি নথিভুক্ত হয়েছে। গোল বেঁধেছে এখানেই। এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের একাংশের অভিযোগ তারা গরিব হলেও তারা আবাস যোজনার বাড়ি পাচ্ছেন না। তাদের মাটির বাড়ি আছে,কারো মাটির বাড়ি ভেঙে গেছে। তবুও তাদের নামে আবাস যোজনার বাড়ি আসে নি।শাঁকারি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শিউলী খাঁ বলেন, আমাকে কোন কাজ করতে দেওয়া হয় নি।আমাকে পুরোপুরি নিক্রিয় করে রাখা হয়েছে। উপপ্রধান জাহাঙ্গীর সেখ নিজের খুশী মত সব ঠিক করেছে।এখানে আমার কোন ভূমিকাই নেই। এই বিষয়ে আমি উদ্বর্তন কর্তৃপক্ষকেও জানিয়েছিলাম।এই বিষয়ে অভিযুক্ত উপপ্রধান জাহাঙ্গীর সেখের সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে তার সাফাই তিনি দলের কাজে ব্যস্ত থাকেন।অফিসে খুব একটা যান না। কে বা কারা এই লিস্ট করেছে তা আমার জানা নেই। বিষয়টি তার নজরে আসা মাত্র নাম বাতিলের জন্য উদ্যোগ নিয়েছেন বলে জানান। খণ্ডঘোষের বিডিও সত্যজিৎ কুমারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এই সব নাম বাতিল করা হয়েছে।জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী পাকা বাড়ি থাকলে বা আর্থিক অবস্থা ভালো হল তিনি আবাস যোজনার বাড়ি পাবেন না। এই ক্ষেত্রে কি ভুল ভ্রান্তি হয়েছে প্রশাসন তা দেখছে। আর এটা আগেকার তালিকা।এই বিষয়ে জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, দুর্নীতিতে ছেয়ে গেছে। চারতলা বাড়ির মালিক অথচ তার নামে আবাস যোজনার বাড়ি আসছে।প্রশাসন ব্যবস্থা নিলে আমরা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবো বলে তিনি হুঁশিয়ারী দেন।

ডিসেম্বর ১০, ২০২২
রাজনীতি

বিজেপি নেতাদের ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে রাখার নিদান দিলেন রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র

বিজেপিকে মিটিং মিছিল করতে দেওয়া হবে না বলে নিদান দিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সহসভাধিপতি তথা রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দেবু টুডু। যতক্ষণ না কেন্দ্র সরকার পাওনা টাকা দিচ্ছে ততক্ষণ বিজেপিকে মিটিং মিছিল করতে দেওয়া হবে না বলে কর্মীদের বার্তা দিলেন দেবু টুডু। পাশাপাশি তার হুশিয়ারি, মিটিং মিছিল করতে এলে ওদের ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে রাখা হবে।শনিবার পূর্ব বর্ধমানের গুসকরায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয়া সম্মিলনীর সভায় দেবু টুডু উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, বিজেপি গরিব মানুষদের একশো দিনের কাজের টাকা আটকে রেখেছে। গরিব মানুষদের আবাস যোজনার টাকা আটকে রেখেছে। আমাদের পাওনা টাকা দিচ্ছে না। পাওনা টাকা না দিলে ওদের মিটিং মিছিল করতে দেওয়া হবে না। প্রতিবাদ করুন। ওরা মিটিং মিছিল করতে এলে বেঁধে রাখুন। আগে পাওনা টাকা মেটাক। তারপর ওদের মিটিং মিছিল করতে দেওয়া হবে। আদিবাসী গরিব খেটে খাওয়া মানুষের টাকা আটকে রেখেছে বিজেপি সরকার।গুসকরায় তৃণমূলের বিজয়া সম্মিলনী সভায় বিতর্কিত মন্তব্যকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।বিজেপির জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা বলেন, তৃণমূল সরকার শিক্ষকদের চাকরী চুরি করেছে। টাকা নিয়ে অযোগ্যদের চাকরীতে ঢুকিয়েছে।এ খন সেসব ধরা পড়ছে। সেই আতঙ্কে এসব বলে হাওয়া গরম করতে চাইছে। এতদিন বলতো সব টাকা দিদি দেয়। তাহলে এখন তারা বলতে বাধ্য হচ্ছেন টাকা দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। দুর্নীতি করেছে একশো দিনের কাজে, আবাস যোজনায়। অডিট রিপোর্টে সব ধরা পড়েছে।

অক্টোবর ১৫, ২০২২
রাজ্য

১০০ দিনের কাজে বেনিয়মের অভিযোগ কেন্দ্রের, শাস্তি প্রত্যাহারের প্রতিবাদে অবরোধ কর্মসূচি বর্ধমানে

মঙ্গলবার বর্ধমান শহরের ইতিহ্যবাহী টাউন হল থেকে মিছিল করে জেলার ত্রিস্তর পঞ্চায়েত কর্মচারী সংগঠনের প্রতিনিধিরা কার্জনগেটের কাছে জিটি রোডে পাঁচ দফা দাবি জানিয়ে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। সভার শেষে ত্রিস্তর পঞ্চায়েত কর্মচারী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অতিরিক্ত জেলাশাসক (জেলা পরিষদ) কাজল রায়ের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন।কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল রাজ্যে গ্রামীন উন্নয়ন প্রকল্পের (১০০ দিনের) কাজের অসংগতি ও পদ্ধতিগত ত্রুটির জন্য ২০১৯ -এ কিছু নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশের প্রতিবাদে আজ রাজ্যের ত্রিস্তর পঞ্চায়েত কর্মচারী সংগঠনের প্রতিনিধিরা জেলায় জেলায় প্রতিবাদ সভা করেন। ২০১৯-এ রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি ও পদ্ধতি যাচাই করতে দিল্লি থেকে প্রতিনিধি দল জেলার বিভিন্ন পঞ্চায়েত পরিদর্শন করেন। কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের রিপোর্ট অনুযায়ী পূর্ব বর্ধমান জেলার বিভিন্ন পঞ্চায়েতের ৩ জন নির্মাণ সহায়ক, ১ জন এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্টান্টের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে ও ৪ জন গ্রাম রোজগার সহায়ক (GRS), ২ জন এসটিপি (STP) এবং ১ জন ভিএলই (VLE) বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ (Show Cause Notice) করা হয়েছে। প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ত্রিস্তর পঞ্চায়েত কর্মচারী সংগঠন সমূহের সমন্বয় কমিটির আজকের এই আন্দোলন কর্মসুচি।অতিরিক্ত জেলাশাসক (জেলা পরিষদ) কাজল রায় বলেন, বিভাগীয় তদন্ত মানে শাস্তি নয়, ব্লক আধিকারিকরা দেখে শুনেই নির্দেশ দিয়েছেন। এখন দেখা যাক তদন্তকারী আধিকারিকরা কি রিপোর্ট দেয়, তারপর পরবর্তী চিন্তাভাবনা করা হবে।কর্মচারি সংগঠনের প্রতিনিধি দলের তরফে জনতার কথা কে জানানো হয়, ২০১৯ -এ কেন্দ্রীয় পরিদর্শক দল রাজ্যে গ্রামীন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি ও পদ্ধতি খতিয়ে দেখতে বেশ কিছু পঞ্চায়েত পরিদর্শন করেন। এবং তাঁদের পাঠানো রিপোর্টের ভিত্তিতে বেশ কিছু কর্মচারি স্বার্থের পরিপন্থী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাঁরা তাঁদের ডেপুটেশনে উল্লেখ করে জানান, উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া কোনও কাজই পঞ্চায়েত স্তরে হয় না। আর্থিক বছরের শুরুতে অ্যানুয়াল অ্যাকসান প্ল্যান মোতাবেক সকল কাজ হয় এবং তাঁরা আরও জানান, অ্যানুয়াল অ্যাকসান প্ল্যান পঞ্চায়েত তৈরি করে ঠিক-ই কিন্তু তা উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের অনুমদন না দিলে প্রকল্পের কাজ শুরু করা যায় না। সেক্ষেত্রে কোনও ভুল যদি হয়ে থাকে, তাহলে কেন একতরফা ভাবে শুধুমাত্র কয়েকজন চুক্তি ভিত্তিক কর্মচারীর বিরুদ্ধে শাস্তির খাঁড়া ঝুলবে?জেলাশাসক করণের সামনে অবস্থান কর্মসূচিপ্রশাসন সুত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় তিন বছর আগে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল রাজ্যে গ্রামীন উন্নয়ন প্রকল্পের বিশেষত ১০০ দিনের কাজের পদ্ধতিতে রীতিমত অসন্তুষ্ট। ১০০ দিনের কাজের পদ্ধতির বাইরে গিয়ে বেশ কিছু কাজে বেনিয়ম হয়েছে বলে তাঁরা মনে করে। সেই নিয়ম বহির্ভূত প্রকল্পের জন্য তাঁরা পঞ্চায়েতগুলিকে জরিমানাও করেন। পঞ্চায়েতগুলি জরিমানার টাকা বেশ কিছুটা ফেরতও দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের দপ্তর থেকে বাকি জরিমানার টাকা দ্রুত পরিশোধ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। তাঁর সঙ্গে জানতে চাওয়া হয় সেই সমস্ত পঞ্চায়েতের কর্মীদের বিরুদ্ধে কি শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সেই নির্দেশ আসামাত্র নড়ে চড়ে বসে জেলা প্রশাসনিক মহল।ত্রিস্তর পঞ্চায়েত কর্মচারী সংগঠনের প্রতিনিধিরা জেলা শাসকের কাছে আবেদন রাখেন, তাঁদের পাঁচদফা দাবি বিবেচনা করে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। যে সমস্যার সম্মুখীন তাঁরা তা থেকে যেন দ্রুত বেরিয়ে আসতে পারেন। তাঁরা জেলাশাসকের কাছে অনুরোধ রাখেন, জেলা প্রশাসনের অধীনস্ত ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত সকল কর্মচারীর স্বার্থে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করে কর্মচারীদের নির্ভয়ে উন্নয়নমূলক সরকারি কর্মসূচি সমূহের রূপায়ণে উদ্বুদ্ধ করা হয়। এবং অভিযুক্ত কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণের পদ্ধতি যেন প্রত্যাহার করা হয়। তাঁরা জেলা প্রশাসনের সর্বোচ্চ আধিকারিকের কাছে বিনীত অনুরোধ রাখেন যাতে, সাধারণ কর্মচারীদের জীবন, জীবিকা ও পরিবারের স্বার্থে বিশেষভাবে বিবেচনা করা হয়।

আগস্ট ০৩, ২০২২
দেশ

৭২ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্ট তলব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের, রাজ্যে আসবে কেন্দ্রীয় দল

রাজ্যে ভেঙে পড়েছে আইন শৃঙ্খলা। কেন্দ্রের হস্তক্ষেপের দাবি নিয়ে মঙ্গলবার সংসদে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন রাজ্য বিজেপি-র সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সঙ্গে ছিলেন দিলীপ ঘোষ, অর্জুন সিংরা। অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করে বেরিয়ে আসার পর সুকান্ত দাবি করেন, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ঘটনার রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। রাজ্যে কেন্দ্রীয় দলও পাঠাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, দাবি সুকান্তের।মঙ্গলবার সংসদ ভবনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দপ্তরে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন বঙ্গ বিজেপি-র সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর সঙ্গে ছিলেন, দিলীপ ঘোষ, লকেট চট্টোপাধ্যায়, অর্জুন সিং, রাজু বিস্তারা। সাক্ষাৎ সেরে বেরিয়ে এসে সুকান্ত সংবাদমাধ্যমকে বলেন, অমিত শাহ আমাদের আমাদের আশ্বস্ত করেছেন, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ঘটনার রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়েছে। তার পর যুগ্মসচিব স্তরের আধিকারিকের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় দল বাংলায় যাবে। যে ঘটনা ঘটেছে তা মানবতার লজ্জা। বাংলায় এই ধরনের ঘটনা বার বার ঘটছে। রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি কেমন, তা খতিয়ে দেখতে দিল্লি থেকে দল যাবে বাংলায়।মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, কেরলে, রাজস্থানে, উত্তরপ্রদেশে যখন গোলমাল হয়, তখন কি সেখানে কেন্দ্রীয় দল যায়? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এই পশ্চিম বাংলার মানুষের শান্তি, সম্প্রীতি বিঘ্নিত করাই আসল উদ্দেশ্য।জানা গিয়েছে, কেন্দ্রের ওই প্রতিনিধি দল রামপুরহাটের ঘটনাস্থল ঘুরে দেখে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে বিস্তারিত রিপোর্ট দেবে। আর সেই পরিপ্রেক্ষিতেই ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে, এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন অমিত শাহ।

মার্চ ২২, ২০২২
কলকাতা

পুরভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী নয়, বিজেপির আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টেও

আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি পুরভোট রাজ্যের ১০৮ টি পুরসভায়। এই নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়ার আর্জি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য বিজেপি। আগেই হাইকোর্টে সেই আর্জি খারিজ হয়ে গিয়েছে। নির্বাচনের নিরাপত্তার জন্য রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ওপরেই ভরসা করতে বলেছে হাইকোর্ট। আর এবার সেই একই নির্দেশ শীর্ষ আদালতের। রাজ্যের ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট।বিজেপির পক্ষ থেকে সুপ্রিম কোর্টে আবেদনে বলা হয়েছে, ১০৮ পুরসভার নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। কলকাতা হাইকোর্টের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেই সর্বোচ্চ আদালতে আবেদন জানায় বিজেপি। বিভিন্ন জেলা থেকে বিরোধীরা হামলার অভিযোগ তুলেছেন। অন্য একটি মামলায় বিজেপি প্রার্থীরা নিরাপত্তার অভাবের কথাও জানিয়েছেন আদালতে। এই সব অভিযোগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল বিজেপি।এর আগে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে বলা হয়েছে, যদি কেন্দ্রীয় বাহিনী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য নির্বাচন কমিশন, তাহলে কেন দেওয়া হল না, সেই কারণ আদালতে জানাতে হবে কমিশনারকে। আর তারপর যদি ভোটের দিন কোনও অশান্তির অভিযোগ ওঠে, তাহলে তার দায় নিতে হবে কমিশনারকেই।কমিশন সূত্রের খবর, ১০৮ পুরসভার ভোটের দায়িত্বে থাকবে রাজ্য পুলিশই। মোতায়েন করা হবে ৪৪ হাজার পুলিশ। প্রতি বুথে থাকবে সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী। প্রাথমিকভাবে স্থির হয়েছে, প্রতিটি বুথে সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী থাকবে। এছাড়াও স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স, ইএফআর জওয়ান, র্যা ফের তত্ত্বাবধানে থাকবে বাইরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে পঞ্চায়েতের কাজ খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রের বিশেষ প্রতিনিধি দল

একশো দিনের প্রকল্প এবং আবাস যোজনার কাজ সরেজমিনে দেখতে দিল্লি থেকে রাজ্যে এল কেন্দ্রীয় দল। ছদিন ধরে গত দুবছরে ১০০ দিনের প্রকল্পে কী-কী হয়েছে, আবাস যোজনার কাজ নিয়ম মেনে হয়েছে কি না, সরেজমিন পরিদর্শন করবে রাজ্যে আসা আটটি দল। পূর্ব বর্ধমান, দুই চব্বিশ পরগনা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দুই মেদিনীপুর, জলপাইগুড়ি, হুগলি, পুরুলিয়া, আলিপুরদুয়ার, বাঁকুড়া, মালদহ ও বীরভূম জেলায় তিন-চারটে ব্লকের ১০-১২টি পঞ্চায়েতে তারা ঘুরবেন। ২০১৯-এর শেষ দিকে আগে এ রকমই কেন্দ্রীয় দল এসে পূর্ব বর্ধমান ও হুগলিতে ১০০ দিনের কাজে বেশ কিছু অনিয়ম খুঁজে পাওয়ার দাবি করে রাজ্যকে রিপোর্ট করে। তার ভিত্তিতে বেশ কয়েকটি পঞ্চায়েতকে টাকা ফেরতের নির্দেশ দেওয়া হয়। রাজ্য প্রশাসন সেই সূত্র ধরে পঞ্চায়েতের কর্তাদের বিরুদ্ধে এফআইআর-ও করেছিল।বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ কয়েকদিন আগে দাবি করেন, এ রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার দুর্নীতি নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে তথ্য দিয়ে এসেছিলেন। আর ১০০ দিনের কাজে সব থেকে বেশি টাকা পায় পশ্চিমবঙ্গ। সেখানেও দুর্নীতির অজস্র অভিযোগ। সে সব অভিযোগ খতিয়ে দেখতেই সম্ভবত কেন্দ্রের বিশেষ দল আসছে।জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, গত দুবছরের প্রকল্পের কাজের সব নথি ঠিক করে রাখতে বলা হয়েছে। প্রকল্পের কাজের সব রসিদ, ক্যাশবুক থেকে সাতটি রেজিস্টার যথাযথ ভাবে পূরণ করে রাখার জন্য পঞ্চায়েতগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যে প্রকল্পে কাজ চলছে, সেখানে যাতে কাজের নাম, বরাদ্দ, কাজের বিবরণ-সহ বোর্ড টাঙানো থাকে, তা-ও সুনিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা বা বাংলা আবাস যোজনায় ২১০ বর্গফুটের মধ্যে বাড়ি করার নিয়ম। তা মানা হয়েছে কি না, যোগ্য প্রাপক বাড়ি পেয়েছেন কি না, জিও ট্যাগিং যথাযথ হয়েছে কি না কিংবা বাড়ির বাইরে লোগো দেওয়া বোর্ড লাগানোর মতো খুঁটিনাটি বিষয় খতিয়ে দেখা হবে।জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া বলেন, জেলার চারটি ব্লকে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল যাবে।খণ্ডঘোষ, মঙ্গলকোট,আউশগ্রাম ২ ও গলসি ২ নম্বর ব্লকে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা যাবেন। সোমবার কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের দুই সদস্য জেলা প্রশাসনের সঙ্গে প্রথমে বৈঠক করেন। তারপর তারা খণ্ডঘোষ ব্লকের লোদনা পঞ্চায়েতে যান। সভাধিপতি বলেন, প্রতিবছরই কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল আসে। এটা নতুন কিছু নয়। পাশাপাশি তিনি দাবী করেন, কেন্দ্রীয় দলের সদস্যরা লোদনা পঞ্চায়েতের কাজ দেখে খুশী হয়েছেন।অন্যদিকে বিজেপির জেলা সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন,আবাস যোজনার ঘর ও একশো দিনের কাজ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ করেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। তার পরিপেক্ষিতে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে দলের পক্ষ থেকে বিষয়টি জানানো হয়। আশা করছি কেন্দ্রীয় দল আসায় এবার সত্য উদঘাটন হবে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২২
রাজ্য

"নেতাজি" সুভাষচন্দ্র বসু-র ট্যাবলো বাতিল করলো কেন্দ্র সরকার, প্রতিবাদে মুখর 'বাংলা পক্ষ'

একদিকে যখন বিজেপি শাসিত কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করছে এই বছর ২৩ জানুয়ারি থেকেই সাধারণতন্ত্র দিবস পালন শুরু হবে, সরকার আরও জানিয়েছে, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মবার্ষিকীকে মর্যাদা দিতেই তাঁরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়া ২০১৯ এ নেতাজির জন্মবার্ষিকীকে পরাক্রম দিবস হিসেবে পালন করার কথা ঘোষণা করেছিল মোদি সরকার, এবং এই উপলক্ষে কলকাতার ভিক্টোরিয়া মেমরিয়াল হলে এক মনোজ্ঞ অনুষ্টানের আয়োজন করে। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।অদ্ভুত ভাবে সেই সরকারই ২৬ শে জানুয়ারী-র সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ উপলক্ষে বীর সুভাষ ও আজাদ-হিন্দ-ফৌজ-কে কেন্দ্র করে তৈরি বাংলার ট্যাবলো বাতিল করেছে। একই সরকারের এই দ্বিমুখী আচরণে অবাক সাধারন মানুষ থেকে শুরু করে বিদ্বজন।এই আচরণের তীব্র বিরোধিতা করে বাংলা পক্ষ। বেশ কিছুদিন ধরেই বাংলা ও বাঙালি বিদ্বেষি কোনও ঘটনার প্রতিবাদে মুখর হয়ে উঠেছে এই বাংলা প্রেমী সংগঠন। তাঁরা তাদের টুইটার হ্যাণ্ডেল থেকে প্রতিবাদের ঝড় তুলেছে। জনতার কথার প্রতিনিধি কে বাংলা পক্ষ জানিয়েছে, বাঙালির শত্রু বিজেপি শাসিত দিল্লির কেন্দ্র সরকার। বিজেপি ও হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী কেন্দ্র সরকারের সর্বদাই বাংলা ও বাঙালি বিরোধী চরিত্র দেখি আমরা।আরও পড়ুনঃ নেতাজির জীবন নিয়ে লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হলেবাংলা পক্ষ-এর তরফ থেকে আরও জানানো হয়েছে, যখন বাঙালি বীর সন্তানরা ভারতের স্বাধীনতার জন্য প্রাণ দিচ্ছে তখন আরএসএস ব্রিটিশের দালালি করতো। ইতিহাসক্রমেই বিজেপি ও আরএসএস (RSS) সুভাষ বিরোধী। এবার সাধারণতন্ত্র দিবসে সুভাষের নামাঙ্কিত বাংলার ট্যাবলো বাতিল হওয়ায় দিল্লির সুভাষ বিরোধিতা আরও প্রকট ভাবে প্রকাশিত হল। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বাঙালি বিরোধী বিজেপি ও কেন্দ্র সরকারকে ধিক্কার জানিয়ে ট্যুইটার প্রচার শুরু করেছে বাংলা পক্ষ। যদিও এবিষয়ে আরএসএসের কোনও মন্তব্য মেলেনি।বাংলা পক্ষর শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি জানিয়েছেন, বাঙালিদের তাঁরা আহ্বান জানাচ্ছেন #AntiNetajiBJP হ্যাসট্যাগ ব্যবহার করে ট্যুইটারে ঝড় তোলার জন্য। এছাড়াও আরও একটি হ্যাসট্যাগ #BengalNetajibannedinDelhi তাঁরা ব্যবহার করছেন এই প্রচারে। হাজার হাজার ট্যুইটের মাধ্যমে সুভাষচন্দ্রের অমর্যাদার প্রতিবাদে গর্জে ওঠার আবেদন তাঁরা রাখছেন সমগ্র ভারতীয়দের কাছে। তাঁরা জানিয়েছেন সুভাষচন্দ্র শুধু বাঙালির গর্ব নয় সমগ্র ভারতবর্ষের অলঙ্কার।কৌশিক মাইতি আরও জানিয়েছেন, তাঁরা বাংলা পক্ষ এই ট্যুইটার প্রচারে আরও কয়েকটি দাবি রেখেছে সেগুলি হলঃ১. সুভাষ চন্দ্র বসু সম্পর্কিত সমস্ত ফাইল প্রকাশ করতে হবে।২. ভারতীয় সেনায় বাঙালি রেজিমেন্ট চাই।৩. ভারতীয় সেনাবাহিনীর পরীক্ষা বাংলা ভাষায় দেওয়ার সুযোগ চাই।

জানুয়ারি ১৬, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

হাসিনা ফেরার আগেই বাংলাদেশে বড় ‘পালাবদল’! বিএনপির সঙ্গে কি মিশছে আওয়ামী লিগ? সাংসদের মন্তব্যে তুঙ্গে জল্পনা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে কি তৈরি হতে চলেছে নতুন সমীকরণ? দীর্ঘদিনের দুই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপি এবং আওয়ামী লিগ কি এবার কাছাকাছি আসতে পারে? বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার জল্পনার মধ্যেই এমনই এক মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক চর্চা।চলতি বছরের ডিসেম্বরেই বাংলাদেশে ফিরতে চান শেখ হাসিনা, এমন খবর সামনে এসেছে। তার মধ্যেই আওয়ামী লিগকে নিয়ে বড় মন্তব্য করেছেন বিএনপির এক সাংসদ। সুনামগঞ্জ-২ আসনের সাংসদ নাসির উদ্দিন চৌধুরী বৃহস্পতিবার একটি সমাবেশে বলেন, আওয়ামী লিগ তাঁদের শত্রু নয়, বরং মিত্র। তাঁর দাবি, মুক্তিযুদ্ধের সময় দুই পক্ষ একসঙ্গে লড়াই করেছে এবং অদূর ভবিষ্যতে আওয়ামী লিগ বিএনপির সঙ্গে মিশে যেতে পারে।এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। তা হলে কি নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা আওয়ামী লিগকে ফের রাজনীতির মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনার কোনও পরিকল্পনা রয়েছে? বিএনপির সঙ্গে কি সত্যিই তৈরি হতে চলেছে নতুন রাজনৈতিক সমঝোতা? আপাতত এই প্রশ্নগুলির কোনও নিশ্চিত উত্তর মেলেনি।কারণ বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব এখনও আওয়ামী লিগের সঙ্গে দল মিশে যাওয়ার বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি। তারেক রহমানও এমন কোনও ইঙ্গিত দেননি। বরং শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে বাংলাদেশে ফেরানোর দাবি দীর্ঘদিন ধরেই করে আসছে বিএনপি।২০২৪ সালের ৫ অগস্ট ছাত্র-যুব আন্দোলনের জেরে আওয়ামী লিগ সরকারের পতন হয়। দেশ ছাড়েন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লিগ এবং তাদের ছাত্র সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রেও আওয়ামী লিগের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।এর পর থেকেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিএনপি এবং আওয়ামী লিগের সম্পর্ক আরও তিক্ত হয়েছে। শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার দাবিও জোরালো হয়েছে। সম্প্রতি শেখ হাসিনার অডিয়ো বার্তা প্রকাশ নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিল বিএনপি।অন্যদিকে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা ঘিরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে জুলাইয়ের গণআন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে এবং তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বিএনপি সাংসদের আওয়ামী লিগকে মিত্র বলা এবং দুই দলের এক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনার কথা বলাকে ঘিরে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে তাঁর এই মন্তব্যই দলের আনুষ্ঠানিক অবস্থান কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ফলে হাসিনার দেশে ফেরার আগে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সত্যিই নতুন কোনও সমীকরণ তৈরি হচ্ছে কি না, এখন সেটাই বড় প্রশ্ন।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
কলকাতা

১০ ঘণ্টার জেরা শেষে সুমিত সোজা অভিষেকের বাড়িতে, ভবানী ভবনে কী জানলেন গোয়েন্দারা?

ভবানী ভবনে প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদের পর সিআইডি দফতর থেকে বেরোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক হিসেবে পরিচিত সুমিত রায়। শনিবার সকালে নির্ধারিত সময়ের কয়েক মিনিট আগেই ভবানী ভবনে পৌঁছেছিলেন তিনি। দীর্ঘ জেরার পর সিআইডি দফতর থেকে বেরিয়ে সোজা চলে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে। তবে জেরায় সুমিতের কাছ থেকে ঠিক কী তথ্য পাওয়া গেল, তা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। তাঁকে ফের তলব করা হয়েছে কি না, তা-ও স্পষ্ট নয়।পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনির জমি প্রতারণার মামলায় শুক্রবার রাতে সুমিতকে নোটিস পাঠায় সিআইডি। সেই নোটিসে সাড়া দিয়েই শনিবার ভবানী ভবনে হাজির হন তিনি। সুমিতের বিরুদ্ধে মোট চারটি মামলা রয়েছে বলে তাঁর আইনজীবী আগে জানিয়েছিলেন। এর মধ্যে জমি সংক্রান্ত মামলায় শীর্ষ আদালত থেকে সুরক্ষা পেয়েছেন তিনি। তদন্তে সহযোগিতা করার শর্তেই সেই সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই নির্দেশ মেনেই সিআইডির জেরায় হাজির হন সুমিত।জমি প্রতারণার মামলায় সুমিতের বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, দুর্নীতির টাকা তাঁর কাছে পৌঁছেছিল। যদিও এই মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনও অভিযোগের কথা সামনে আসেনি। তবে সুমিত দীর্ঘ জেরার পর অভিষেকের বাড়িতে যাওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।সুমিতের নাম সামনে আসে মেদিনীপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরাকে গ্রেফতারের পর। অভিযোগ ওঠে, বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট পাইয়ে দেওয়ার নামে কয়েক লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি শালবনির জমি সংক্রান্ত মামলাতেও সুমিতের নাম অভিযুক্ত হিসেবে উঠে আসে।অভিযোগের তদন্তে সুমিতের খোঁজে এর আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও গিয়েছিল পুলিশ। সেখানে দীর্ঘ সময় তল্লাশি চালানো হলেও সুমিতের সন্ধান মেলেনি বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। এরপর থেকেই তাঁকে নিয়ে তদন্তকারীদের তৎপরতা বাড়ে। পুলিশের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা এবং লুকআউট নোটিসও জারি করেছিল বলে জানা গিয়েছে।পরে আদালতের দ্বারস্থ হন সুমিতের আইনজীবী। সেই আইনি প্রক্রিয়ার পর শনিবার সিআইডির তলবে ভবানী ভবনে হাজির হন তিনি। প্রায় ১০ ঘণ্টার জেরা শেষে বেরিয়ে তাঁর গন্তব্য হয় অভিষেকের কালীঘাটের বাড়ি। এখন সিআইডির জেরায় কী তথ্য উঠে এল এবং তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
কলকাতা

ফের খুলছে আর জি করের ‘ফাইল’! অভয়ার ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় এ বার পৃথক তদন্ত স্বাস্থ্যদপ্তরের

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর ফের সক্রিয় হয়েছে আর জি কর-কাণ্ডের তদন্ত। হাই কোর্টের নির্দেশে ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই। এর মধ্যেই পৃথক ভাবে ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তর। শনিবার স্বাস্থ্যদপ্তরে সাংবাদিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ঘটনার দিন রাতে ধর্ষণ ও খুনের আগে এবং পরে ঘটনাস্থলে যাঁরা গিয়েছিলেন, তাঁদের ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। পাশাপাশি আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের ওই তরুণী চিকিৎসকের সঙ্গে কাজ করা অধ্যাপকদের সঙ্গেও কথা বলবেন তদন্তকারীরা। তদন্ত শেষে যে তথ্য উঠে আসবে, তা রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।স্বাস্থ্যদপ্তরের দাবি, নতুন করে তদন্তে হাসপাতালের প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হবে। কোথায় কী ধরনের ঘাটতি ছিল, সেই ঘাটতি কীভাবে তৈরি হয়েছিল এবং কেন তা আগে থেকে দূর করা যায়নি, তা জানার চেষ্টা করবেন তদন্তকারীরা।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর আগে থেমে থাকা তদন্তের বিষয়গুলিও নতুন করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই আর জি কর-কাণ্ডে পৃথক তদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আর জি কর-কাণ্ডের পর হাসপাতালের বিভিন্ন ত্রুটি এবং অনিয়ম নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। এমনকি ওই তরুণী চিকিৎসক হাসপাতালের কিছু অন্ধকার দিক সম্পর্কে জানতে পেরেছিলেন এবং সেই কারণেই তাঁকে খুন করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছিল। তবে এই দাবিগুলি এখনও অভিযোগের পর্যায়েই রয়েছে। নতুন তদন্তে হাসপাতালের ত্রুটি বা অনিয়ম আড়াল করার কোনও চেষ্টা হয়েছিল কি না, হয়ে থাকলে তার নেপথ্যে কারা ছিলেন, সেই বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তর।এদিকে রবিবার রাজ্যজুড়ে পালিত হবে অভয়া দিবস। দুই বছর আগে ৯ আগস্ট আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে চেস্ট মেডিসিন বিভাগের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার স্মরণে রাজ্যের সমস্ত সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।সকাল ১১টায় অভয়ার স্মরণে দুই মিনিট নীরবতা পালন এবং প্রদীপ প্রজ্বলনের কর্মসূচি রয়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি জায়গায় ছোট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যদপ্তরের কর্তারা।অভয়ার মা বিজেপি বিধায়ক রত্না দেবনাথও নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে রবিবার একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন। সেখানে বিকেলে উপস্থিত থাকার কথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের।সিবিআইয়ের তদন্ত চলার মধ্যেই রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তরের এই পৃথক তদন্তে নতুন করে কোন তথ্য সামনে আসে, আর জি কর-কাণ্ডের তদন্তে তা কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিদেশি প্রতিযোগীদের টেক্কা দিয়ে সাফল্য, আন্তর্জাতিক ক্যারাটে মঞ্চে গুসকরার জয়জয়কার

আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে ফের উজ্জ্বল হল পূর্ব বর্ধমানের গুসকরার নাম। কলকাতার নেতাজী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দশম আন্তর্জাতিক ক্যারাটে চ্যাম্পিয়নশিপে দুর্দান্ত সাফল্য পেল গুসকরার একটি ক্যারাটে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রতিযোগীরা। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের খেলোয়াড়দের পাশাপাশি বিদেশের প্রতিযোগীদের সঙ্গে লড়াই করে একসঙ্গে ৩১টি পদক জয় করেছেন এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ১৬ জন প্রতিযোগী।গত ৩১ জুলাই থেকে ২ আগস্ট পর্যন্ত আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় গুসকরার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রতিযোগীরা মোট ৩১টি ইভেন্টে অংশ নেন। তাঁদের ঝুলিতে এসেছে ৫টি স্বর্ণ, ৮টি রৌপ্য এবং ১৮টি ব্রোঞ্জ পদক। এই সাফল্যের পর স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বাস ছড়িয়েছে গুসকরা জুড়ে।স্বর্ণপদক জয়ীদের মধ্যে রয়েছেন শ্রেয়াঙ্ক মুর্মু, অন্যরা সাউ, সৌরদীপ অধিকারী এবং অরণ্যা দত্ত। তাঁদের পাশাপাশি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের বাকি প্রতিযোগীরাও বিভিন্ন ইভেন্টে সাফল্য অর্জন করে গুসকরার ক্রীড়াক্ষেত্রকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন।আন্তর্জাতিক এই প্রতিযোগিতায় ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের প্রতিযোগীদের পাশাপাশি বাংলাদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা-সহ সাতটিরও বেশি দেশের প্রতিযোগীরা অংশ নেন। ফলে এমন একটি প্রতিযোগিতার মঞ্চে গুসকরার খেলোয়াড়দের এই সাফল্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন জেলার ক্রীড়ামহলের সঙ্গে যুক্তরা।প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কর্ণধার তথা প্রধান প্রশিক্ষক সেনসাই পার্থ সারথী পাল বলেন, গুসকরা থেকে এই প্রথম এত সংখ্যক প্রতিযোগী আন্তর্জাতিক স্তরের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সাফল্য অর্জন করল। তাঁর মতে, ক্যারাটেকে শুধুমাত্র পদক জয়ের খেলা হিসেবে দেখলে চলবে না। শিশুদের শারীরিক সক্ষমতা বাড়ানো, আত্মরক্ষার কৌশল শেখানো, শৃঙ্খলাবোধ তৈরি, আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এবং মানসিক দৃঢ়তা গড়ে তোলাই এই খেলার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।অভিভাবকরা যদি সেই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সন্তানদের ক্যারাটে প্রশিক্ষণে উৎসাহিত করেন, তাহলে আগামী দিনে আরও বহু প্রতিভাবান খেলোয়াড় উঠে আসবে বলেও আশাবাদী তিনি।এলাকার ক্রীড়াপ্রেমীদের মতে, গুসকরার এই সাফল্য কোনও একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সাফল্য নয়। এটি গোটা পূর্ব বর্ধমান জেলার গর্ব। আন্তর্জাতিক মঞ্চে গুসকরার খেলোয়াড়দের এই নজরকাড়া পারফরম্যান্স আগামী দিনে জেলার ক্যারাটে চর্চাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে বলেই মনে করছেন তাঁরা। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দেরও আন্তর্জাতিক স্তরে নিজেদের মেলে ধরার ক্ষেত্রে এই সাফল্য বড় অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

‘মেসি’ হয়ে ওঠার নেপথ্যের মানুষ আর নেই, প্রয়াত জর্জ মেসি

৬৮ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন লিওনেল মেসির বাবা জর্জ মেসি। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন তিনি। শুক্রবার রাতে আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরের একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে মেসির পরিবারের তরফে নিশ্চিত করা হয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ফুটবল মহলেজর্জ মেসি শুধু লিওনেল মেসির বাবা ছিলেন না, ছেলের দীর্ঘদিনের এজেন্ট ও পরামর্শদাতাও ছিলেন। মেসির ফুটবলজীবনের শুরু থেকে তাঁর পাশে ছিলেন জর্জ। ছেলের প্রতিভার উপর আস্থা রেখে ছোটবেলা থেকেই তাঁকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন তিনি।রোজারিওতেই ছোটবেলায় ফুটবলের হাতেখড়ি হয়েছিল মেসির। নিউওয়েলস ওল্ড বয়েজের যুব দলে খেলার সময় তাঁর প্রতিভা নজর কাড়ে। শারীরিক বৃদ্ধির জন্য হরমোনের চিকিৎসার প্রয়োজন ছিল মেসির। সেই পরিস্থিতিতে ছেলের ভবিষ্যতের কথা ভেবে জর্জই তাঁকে নিয়ে স্পেনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পরে বার্সেলোনায় মেসির ফুটবলজীবনের নতুন অধ্যায় শুরু হয়।ছেলের সঙ্গে বার্সেলোনায় থেকেছেন জর্জ। মেসির পেশাদার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলির সঙ্গেও জড়িয়ে ছিলেন তিনি। পরবর্তী সময়ে বার্সেলোনা থেকে প্যারিস সাঁ জাঁ এবং ইন্টার মায়ামিমেসির ক্লাবজীবনের নানা গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বাবার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।শুধু ফুটবল নয়, মেসির ব্যক্তিগত জীবনেও বাবার প্রভাব ছিল গভীর। কঠিন সময়েও জর্জ ছেলের পাশে থেকেছেন। তাই মেসির জীবনে জর্জ ছিলেন একইসঙ্গে বাবা, অভিভাবক, পরামর্শদাতা এবং দীর্ঘদিনের পেশাদার প্রতিনিধি।চলতি বছর বিশ্বকাপের সময় থেকেই জর্জের অসুস্থতার খবর সামনে আসতে শুরু করেছিল। মেসিও একসময় জানিয়েছিলেন, ব্যক্তিগত জীবনের নানা কারণে তিনি কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন। পরে দীর্ঘ অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই শেষ হল জর্জ মেসির।মেসির ফুটবলজীবনের উত্থানের সঙ্গে জর্জের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে। ছেলের প্রতিভায় বিশ্বাস রেখে যে মানুষটি তাঁর পথচলার শুরু থেকে পাশে ছিলেন, তাঁর প্রয়াণে মেসির জীবনে তৈরি হল এক গভীর শূন্যতা। ফুটবল দুনিয়াতেও নেমে এসেছে শোকের আবহ।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
ভ্রমণ

সিকিমের অফবিট সৌন্দর্যে মুগ্ধ করবে জুলুক থেকে জোংগু, ঘুরে এলে মন চাইবে বারবার

ব্যস্ত শহরের কোলাহল, কর্মব্যস্ত জীবনের একঘেয়েমি আর প্রতিদিনের দৌড়ঝাঁপ থেকে কিছুদিনের জন্য মুক্তি পেতে আমরা কয়েকজন বন্ধু বেরিয়ে পড়লাম ভারতের উত্তর-পূর্বের ছোট্ট অথচ অপরূপ সুন্দর রাজ্য সিকিমের উদ্দেশ্যে। পাহাড়, মেঘ, ঝরনা আর সবুজ প্রকৃতির টানে বহুদিন ধরেই সিকিম আমাদের স্বপ্নের গন্তব্য ছিল।শিলিগুড়ি থেকে গাড়িতে চড়ে যখন সিকিমের পথে যাত্রা শুরু করলাম, তখনই বুঝতে পারলাম এক অন্য জগতে প্রবেশ করতে চলেছি। তিস্তা নদী আমাদের পথসঙ্গী হয়ে বয়ে চলছিল। পাহাড়ের গা বেয়ে আঁকাবাঁকা রাস্তা, দূরে মেঘে ঢাকা পাহাড়ের সারি আর নদীর কলকল শব্দ যেন মনকে এক অদ্ভুত প্রশান্তিতে ভরিয়ে দিল।গ্যাংটক পৌঁছে আমরা প্রথমেই শহরের পরিচ্ছন্নতা এবং শৃঙ্খলা দেখে মুগ্ধ হলাম। তবে আমাদের আসল লক্ষ্য ছিল সিকিমের কিছু অফবিট বা কম পরিচিত স্থান ঘুরে দেখা। তাই পরদিন সকালে আমরা রওনা দিলাম জুলুকের উদ্দেশ্যে। পূর্ব সিকিমের এই ছোট্ট পাহাড়ি গ্রামটি পর্যটকদের কাছে এখনও তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত। পথে বিখ্যাত জিগজ্যাগ রোডের ৩২টি বাঁক দেখে আমরা অভিভূত হয়ে গেলাম। পাহাড়ের চূড়া থেকে নিচের রাস্তা দেখতে যেন বিশাল কোনো শিল্পকর্মের মতো লাগছিল।জুলুকের ঠান্ডা আবহাওয়া আর নিস্তব্ধ পরিবেশ আমাদের মন জয় করে নিল। রাতের আকাশে অসংখ্য তারার মেলা দেখে মনে হচ্ছিল যেন স্বর্গের খুব কাছাকাছি এসে গেছি। শহরের কৃত্রিম আলো থেকে দূরে এই অভিজ্ঞতা সত্যিই ছিল অসাধারণ।পরের দিন আমরা গেলাম থাম্বি ভিউ পয়েন্টে। ভোরবেলায় সূর্যের প্রথম আলো যখন কাঞ্চনজঙ্ঘার বরফঢাকা শৃঙ্গে পড়ল, তখন সেই দৃশ্য ভাষায় বর্ণনা করা কঠিন। সোনালি আলোয় ঝলমল করা পর্বতশ্রেণি আমাদের চোখে এক অবিস্মরণীয় স্মৃতি হয়ে রইল।এরপর আমরা উত্তর সিকিমের এক সুন্দর অফবিট গ্রাম জোংগুতে পৌঁছালাম। এটি লেপচা সম্প্রদায়ের সংরক্ষিত এলাকা। এখানকার মানুষজন অত্যন্ত আন্তরিক এবং অতিথিপরায়ণ। তাদের সংস্কৃতি, জীবনযাপন এবং প্রকৃতির প্রতি শ্রদ্ধাবোধ আমাদের গভীরভাবে মুগ্ধ করল। ছোট ছোট কাঠের বাড়ি, পাহাড়ি ঝরনা এবং সবুজ বনভূমির মধ্যে কয়েকটি দিন কাটিয়ে মনে হলো প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের এক অপূর্ব সহাবস্থান প্রত্যক্ষ করছি।জোংগু থেকে ফেরার পথে আমরা কয়েকটি অজানা ঝরনা এবং ছোট পাহাড়ি গ্রামে থামলাম। প্রতিটি স্থান যেন প্রকৃতির নিজস্ব হাতে সাজানো একেকটি চিত্রপট। কোথাও পাখির ডাক, কোথাও ঝরনার শব্দ, আবার কোথাও শুধুই নীরবতাসব মিলিয়ে সিকিমের প্রকৃতি যেন হৃদয়কে নতুন করে বাঁচতে শেখায়।ভ্রমণের শেষ দিনে আমরা বুঝতে পারলাম, সিকিম শুধু একটি পর্যটন কেন্দ্র নয়; এটি এক অনুভূতির নাম। এখানে পাহাড় শুধু চোখকে নয়, মনকেও ছুঁয়ে যায়। প্রকৃতির এত কাছে এসে জীবনের ছোট ছোট সুখগুলোর মূল্য আরও ভালোভাবে উপলব্ধি করা যায়।ফেরার পথে গাড়ির জানালা দিয়ে শেষবারের মতো পাহাড়গুলোর দিকে তাকিয়ে মনে হচ্ছিল, সিকিম যেন নীরবে বলছেআবার এসো। আমরাও মনে মনে প্রতিশ্রুতি দিলাম, এই অফবিট সৌন্দর্যের রাজ্যে আবার ফিরে আসব। কারণ সিকিমের মায়া একবার যার মনে জায়গা করে নেয়, তাকে বারবার টেনে নিয়ে যায় তার সবুজ পাহাড়, নীল আকাশ আর মেঘের দেশে।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
কলকাতা

‘রাজনীতিটাই জটিলতা’, শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠকের পর এনডিএ নিয়ে বড় বার্তা দুই সাংসদের

এনডিএ-তে যোগ দেওয়া নিয়ে জল্পনার মধ্যেই শনিবার কলকাতায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করলেন এনসিপিআইয়ের দুই সাংসদ আবু তাহের ও খলিলুর রহমান। বৈঠকের পর এনডিএ নিয়ে তাঁদের অবস্থানও স্পষ্ট করেছেন তাঁরা। আবু তাহের জানান, এনডিএ-র নামে কোনও বৈঠকে তাঁরা যাবেন না। একই সঙ্গে তিনি বলেন, রাজনীতিটাই জটিলতা। প্রতিদিন জটিলতার মধ্যে দিয়ে চলছি।এনসিপিআইয়ের মোট ২০ জন সাংসদ রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে আবু তাহের, খলিলুর রহমান এবং ইউসুফ পাঠানকে ঘিরেই মূলত জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এই তিন সাংসদের নির্বাচনী এলাকায় সংখ্যালঘু ভোটারের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। ফলে তাঁদের বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দেওয়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠেছে।এই তিন সাংসদ এখনও পর্যন্ত এনডিএ-র বিভিন্ন বৈঠক থেকে দূরে থেকেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ডাকা বৈঠকে তাঁদের উপস্থিতি নিয়ে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়। তার পরেই শনিবার শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আবু তাহের ও খলিলুর রহমানের বৈঠককে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আগ্রহ তৈরি হয়।পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী শনিবার নবান্নে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন দুই সাংসদ। বৈঠকে তাঁদের রাজ্য এবং নিজ নিজ লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তাঁরা। পাশাপাশি সংখ্যালঘুদের বিভিন্ন সমস্যার কথাও মুখ্যমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেছেন বলে দাবি করেন দুই সাংসদ।বৈঠকের পর আবু তাহের এবং খলিলুর রহমান জানান, তাঁদের উত্থাপিত সমস্যাগুলি নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে এনডিএ-র সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক বা ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে জল্পনা পুরোপুরি থামেনি।বিশেষ করে তিন সংখ্যালঘু সাংসদকে ঘিরে যে রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে, তার মধ্যেই আবু তাহেরের এনডিএ-র নামে কোনও বৈঠকে যাব না মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অন্য দিকে, প্রধানমন্ত্রী ডাকা বৈঠকে তাঁদের উপস্থিতি এবং তার পরেই নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎদুই ঘটনাকে পাশাপাশি রেখে রাজনৈতিক মহলও পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
রাজ্য

রাতের অন্ধকারে পুলিশের অভিযান, দত্তপুকুর থেকে পাকড়াও নৈহাটির প্রাক্তন বিধায়ক

নৈহাটির প্রাক্তন বিধায়ক সনৎ দে-কে গ্রেফতার করল পুলিশ। শুক্রবার গভীর রাতে উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরে অভিযান চালিয়ে তাঁকে পাকড়াও করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে তোলাবাজি এবং ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। শনিবার তাঁকে বারাকপুর আদালতে তোলা হবে।২০২৪ সালের উপনির্বাচনে নৈহাটি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন সনৎ দে। তবে তার আগে থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। স্থানীয় সূত্রে তাঁর বিরুদ্ধে তোলাবাজি এবং জমি দখলের অভিযোগ ছিল বলে জানা যায়। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনাতেও তাঁর নাম জড়িয়েছিল বলে অভিযোগ।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল হয়। এরপর সনৎ দে-র বিরুদ্ধে থানায় একাধিক অভিযোগ জমা পড়ে। সেই অভিযোগগুলির ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তের সূত্র ধরেই শুক্রবার রাতে দত্তপুকুরে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকেই প্রাক্তন বিধায়ককে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।এর আগে গত জুন মাসে জনরোষের মুখেও পড়েছিলেন সনৎ দে। নৈহাটির বিজয়নগরে নিজের বাড়ির কাছে দলীয় কার্যালয় খোলার সময় তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। তাঁকে লক্ষ্য করে চোর, চোর স্লোগানও দেওয়া হয়েছিল। সেই ঘটনার পর এলাকায় তাঁর বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ সামনে আসে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।তদন্তকারীরা সেই অভিযোগগুলিও খতিয়ে দেখছেন। সব অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলি আদালতে প্রমাণিত হয়নি।শুক্রবার গভীর রাতে গ্রেফতারের পর শনিবার সনৎ দে-কে বারাকপুর আদালতে পেশ করার কথা। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্তে পুলিশ কী তথ্য পায় এবং আদালতে কী অবস্থান জানায়, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal