• ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩, শনিবার ১৫ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Blast

দেশ

আমদাবাদ বিস্ফোরণ মামলায় ৩৮ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১১ জনের যাবজ্জীবন

আমদাবাদ ধারাবাহিক বিস্ফোরণ মামলায় অভিযুক্ত ৪৯ জনের মধ্যে ৩৮ জনকে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দিল আদালত। ২০০৮ সালের ওই বিস্ফোরণে অভিযুক্ত আরও ১১ জনকে যাবজ্জীবনের নির্দেশ শোনাল আদালত। শুক্রবার আমদাবাদের বিশেষ আদালত এই নির্দেশ দিয়েছে। ওই ধারাবাহিক বিস্ফোরণের ঘটনায় মোট ৫৬ জন নিহত হয়েছিলেন। পাশাপাশি ২০০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হন। তদন্তে নামার পর তদন্ত সংস্থাগুলি মোট ৪৯ জনকে এই ঘটনার জন্য দায়ী করে।A special court in Gujarat pronounced the death sentence to 38 out of 49 convicts in the 2008 Ahmedabad serial bomb blast case. Eleven others have been sentenced to life imprisonment by the court, the special public prosecutor Amit Patel said pic.twitter.com/3zpjSFeQBY ANI (@ANI) February 18, 2022এই বিস্ফোরণের ১৪ বছর পর অভিযুক্তদের সাজার ঘোষণা করা হল। গত ৮ ফেব্রুয়ারি ঘটনায় অভিযুক্ত ৪৯ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। এর পর শুক্রবার তাদের সাজা ঘোষণা করা হল। ২০০৮ সালের ২৬ জুলাই গুজরাতের আমদাবাদে ৭০ মিনিটের মধ্যেই গোটা শহরজুড়ে পরপর ২১টি বিস্ফোরণ হয়। ওই বিস্ফোরণে ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল এবং ২০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছিলেন। বিস্ফোরণের কয়েকদিন পরে সুরাত শহরের বিভিন্ন অংশ থেকে বোমা উদ্ধার করা হয়। আমদাবাদে মোট ২০টি এফআইআর ও সুরাতে ১৫টি এফআইআর দায়ের করা হয়। মোট ৩৫টি এফআইআর মিলিয়ে গুজরাত বিশেষ আদালতে শুনানি শুরু হয়। উল্লেখ্য, সেই সময় গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি সেই সময় বিস্ফোরণস্থল পরিদর্শন করে দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দেন।প্রসঙ্গত, বিস্ফোরণের মূল লক্ষ্য ছিল আমদাবাদের হাসপাতালগুলি। নিহত ৫৬ জনের মধ্যে আমদাবাদের সিভিল হাসপাতালের বিস্ফোরণেই প্রাণ যায় ৩৭ জনের। এলজি হাসপাতালেও একটি বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। তবে সেখানে কেউ আহত বা নিহত হননি।অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আমদাবাদ এবং সুরাতে ৩৫টি ভিন্ন মামলা নথিভুক্ত করা হয়। বোমা বিস্ফোরণের জন্য আমদাবাদে মোট ২০টি এবং সুরাতে মোট ১৫টি মামলা দায়ের করা হয়। বিস্ফোরণের কয়েক দিন পরে শহরের বিভিন্ন জায়গায় ২৯টি তাজা বোমা উদ্ধার করা হয়।ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন (আইএম) এই বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করে। ২০০২ সালের গুজরাত দাঙ্গার প্রতিশোধ নিতেই এই বিস্ফোরণ ঘটানো হয় বলে এই জঙ্গি সংগঠন দাবি করে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবার হার, লজ্জা আরও বাড়ছে এসসি ইস্টবেঙ্গলের

এসসি ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর ফিটনেস সমস্যার জন্য দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে বসেই ছিলেন। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে ফ্রান সোতাকে প্রথম একাদশে জায়গা দিয়েছিলেন মারিও রিভেরা। দিনেন সহজতম সুযোগ নষ্ট করে দলকে পরাজয়ের দিকে ঠেলে দিলেন ফ্রান সোতা। কেরালা ব্লাস্টার্সের কাছে ১০ গোলে হারল এসসি ইস্টবেঙ্গল। আবার টানা দ্বিতীয় হার লালহলুদের। ম্যাচের আগের দিন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মারিও রিভেরা বলেছিলেন, তাঁর দলের বিরুদ্ধে যে কোনও দল খেলতে ভয় পাবে। কথাটা খুব একটা ভুল বলেননি। লিগ টেবিলে চার নম্বরে থাকা কেরালা ব্লাস্টার্সকে জয় পেতে রীতিমতো ঘাম ঝড়াতে হল। আর ফ্রান সোতা যদি দিনের সহজতম সুযোগ নষ্ট না করতেন, তাহলে তো জয়ই পেত না কেরালা ব্লাস্টার্স। চোট সমস্যার জন্য কেরালা ব্লাস্টার্সের প্রথম একাদশের কয়েকজন ফুটবলার ছিলেন না। ড্যারেন সিডোয়েল ও গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্য জ্বরে আক্রান্ত হওয়ায় এসসি ইস্টবেঙ্গলও সমস্যায় পড়ে। প্রথম একাদশে এদিন বেশ কয়েকটা পরিবর্তন করে দল সাজিয়েছিলেন লালহলুদ কোচ মারিও রিভেরা। ফ্রান সোতা, জয়নার লরেন্সো, মহম্মদ রফিক, শঙ্কর দাস, রাহুল পাসোয়ানদের নিয়ে প্রথম একাদশ সাজিয়েছিলেন। প্রথমার্ধে কেরালা ব্লাস্টার্সের সঙ্গে সমানে সমানে লড়াই করেন লালহলুদ ফুটবলাররা। প্রথমার্ধের ২৫ মিনিট পর্যন্ত এসসি ইস্টবেঙ্গল সেভাবে ছন্দে ছিল না। এরপর আস্তে আস্তে খেলাটা ধরে নেয়। দারুণ ফুটবল উপহার দেন আন্তোনীয় পেরোসেভিচ। বেশ কয়েকবার গোল করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছিলেন। তাঁর সেন্টার থেকে লালহলুদ জার্সি গায়ে অভিষেককারী রাহুল পাসোয়ান গোল করতে পারলে ছবিটা বদলে যেত। প্রথমার্ধে ম্যাচের ফল ছিল গোলশূন্য। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে কেরালা ব্লাস্টার্স। ৪৯ মিনিটে কর্ণার থেকে হেডে ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেন এনেস সিপোভিচ। পিছিয়ে পড়েও হতদ্যোম হয়ে পড়েনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। পেরোসেভিচের নেতৃত্বে আবার ম্যাচে ফিরে আসে। ৮২ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল ফ্রান সাতো। সামনে শুধু গোলকিপারকে পেয়েও বাইরে মারেন। গোল করতে পারলে অন্তত ড্র করে মাঠ ছাড়তে পারত এসসি ইস্টবেঙ্গল।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‘‌যে কোনও দলই এখন আমাদের বিরুদ্ধে খেলতে ভয় পাবে’‌, কেন একথা বললেন লালহলুদ কোচ রিভেরা?‌

প্লে অফের আশা অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। সেমিফাইনালের লড়াই থেকে ছিটকে গেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। বাকি ৩ ম্যাচ লালহলুদের কাছে শুধুই সম্মানরক্ষার লড়াই। মারিও রিভেরার দলের সামনে হারানোর কিছু নেই। এই পরিস্থিতিতে তাঁদের বিরুদ্ধে খেলতে যে কোনও দলই যে ভয় পাবে, একথা মনে করিয়ে দিয়েছেন লালহলুদ কোচ। রবিবার কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে খেলতে নামছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। কেরালার কাছে ম্যাচটা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। সেমিফাইনালের দৌড়ে ভালভাবে টিকে থাকার জন্য এই ম্যাচটা জিততেই হবে কেরালা ব্লাস্টার্সকে। হারলেই পিছিয়ে পড়তে হবে। কেরালার কাছে ম্যাচটা সহজ হবে না। সেই ইঙ্গিত পাওয়া গেছে মারিও রিভেরার মুখে। কেরালার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে লালহলুদ কোচ বলেন, আমার দল আগের থেকে অনেক ভাল ছন্দে রয়েছে। আমাদের এখন হারানো বেশ কঠিন। কোনও দলই এখন আর আমাদের বিরুদ্ধে খেলতে খুশি হবে না। যে কোনও দলই আমাদের এখন ভয় পাবে। দল নিয়ে খুব একটা চিন্তায় নেই লালহলুদ কোচ। জ্যাকিচাঁদ সিং, ফ্রান সোতারা খেলার মতো জায়গায় চলে এসেছেন। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে থাকতে পারেন সোতা। না হলে পরিবর্ত হিসেবে নামবেন। কয়েকজন ফুটবলারের হালকা চোট থাকলেও তাঁদের মাঠে নামতে কোনও অসুবিধা নেই বলে জানিয়েছেন মারিও রিভেরা। তাঁর কথায়, ফ্রান সোতা পুরোপুরি ফিট। কেরালার বিরুদ্ধে ওকে মাঠে নামানোর কথা ভাবছি। জ্যাকিচাঁদও অনুশীলন করছে। ওকেও স্কোয়াডে রাখব। কয়েকজন একটু মানসিক চাপে ভুগছে। দুএকজন ছাড়া বাকিরা মাঠে নামার জন্য তৈরি। এই মুহূর্তে ১৪ ম্যাচে ২৩ পয়েন্ট পেয়ে লিগ টেবিলে পঞ্চম স্থানে রয়েছে কেরালা ব্লাস্টার্স। চতুর্থ স্থানে রয়েছে বেঙ্গালুরু এসি। ১৬ ম্যাচে তাদের পয়েন্টও ২৩ পয়েন্ট। ১৪ ম্যাচে ২৫ পয়েন্ট পেয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে জামশেদপুর এফসি। এসসি ইস্টবেঙ্গলকে হারালে তৃতীয় স্থানে উঠে আসার সুযোগ কেরালা ব্লাস্টার্সের সামনে। তাই বিপক্ষ যে জয়ের জন্য মরিয়া হবে, সেকথা মাথায় রাখছেন মারিও রিভেরা। কেরালাকে যথেষ্ট গুরুত্বও দিচ্ছেন। লালহলুদ কোচ বলেন, কেরালার সব বিভাগেই ভাল ভাল ফুটবলার আছে। দলে যথেষ্ট ভারসাম্য রয়েছে। গুরুত্ব তো দিতেই হবে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যজুড়ে পুরভোটের মুখে কেতুগ্রামে বোমা বাঁধার সময় বিস্ফোরণ-গ্রেফতার তিন

ক্লাবঘরে বসে বোমা বাঁধার সময় আচমকা বিস্ফোরণ ঘটে যাওয়ায় আহত হল এক দুস্কৃতী। বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম-১ ব্লকের আনকোনা পঞ্চায়েতের ইছাপুর গ্রামে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় কেতুগ্রাম থানার পুলিশ। তারা ঘটনাস্থল থেকে ১১ টি তাজা বোমা ও বেশ কিছু পরিমাণ বোমা তৈরির মশলা উদ্ধার করে। এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ আহত একজন সহ মোট ৩ দুস্কৃতীকে গ্রেফতার করে। এদিকে পুরভোটের সময়ে ঘটনা ক্লাবঘরে বসে বোমা তৈরির ঘটনা সামনে আসতেই বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক চাপান-উতোর।পুলিশ জানিয়েছে, বোমা কাণ্ডে ধৃতদের নাম বিকাশ ঘোষ, অপূর্ব পাল ও উৎপল দাস। ধৃতদের মধ্যে প্রথম দুজনের বাড়ি কেতুগ্রাম থানার ইছাপুর ও মহুলা গ্রামে। উৎপল মুর্শিদাবাদের সালার থানার মাখালতোড় উত্তর মাঝিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। এলাকা সৃত্রে খবর, বোমা বিস্ফোরণে বিকাশ ঘোষের একটি হাতের তালু কার্যত উড়ে যায়। সঙ্গীসাথীরা তাঁকে লুকিয়ে স্থানীয় এক হাতুড়ে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করায়। তারই মধ্যে এই খবর পৌছে যায় কেতুগ্রাম থানায়। পুলিশ তিন জনকেই ধরে ফেলে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ বৃহস্পতিবার তিন ধৃতদের কাটোয়া মহকুমা এসিজেএম আদালতে পেশ করে। বিচারক ধৃতদের ১৪ দিন বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। উদ্ধার হওয়া বোমা এদিন নিস্কৃয় করে বোম স্কোয়াড। ঘটনার বিষয়ে কেতুগ্রামের তৃণমূলের বিধায়ক শেখ শাহনেওয়াজ দাবি করেছেন, ওই ক্লাবটি বিজেপি আশ্রিত দুস্কৃতিদের দ্বারা পরিচালিত হয়। অশান্তি পাকানোর জন্য বিধানসভা ভোটের আগে ওই ক্লাবঘরে বোমা মজুত করেছিল বিজেপির দুস্কৃতিরা। বিষয়টি জানতে পেরে তখন তিনি পুলিশকেও জানিয়ে ছিলেন। বাস্তবেই যে ওই ক্লাব ঘরে বসে বিজেপির দুস্কৃতিরা বোমা বাঁধে তা এবার প্রমাণ হয়ে গেল। তৃণমূল বিধায়কের মন্তব্যের বিরোধিতা করে কেতুগ্রামের বিজেপি নেতা অনিল দত্ত বলেন, ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কোনও সম্পর্ক নেই । তৃণমূলের চক্রান্তেই এই ঘটনা ঘটেছে ।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
দেশ

ঝাড়খণ্ডের গিরিডিতে রেললাইনে বিস্ফোরণ! মিলল মাওবাদী পোস্টার

ধানবাদ-গয়া শাখার রেললাইনে বিস্ফোরণ। বিস্ফোরণের জেরে রেললাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় রুট বদল করতে হয়েছে রাজধানী-সহ বহু ট্রেনের। বুধবার রাত দেড়টা নাগাদ ধানবাদ-গয়া ডিভিশনে এই বিস্ফোরণটি ঘটে। ধানবাদ ডিভিশনের কারামাবাদ ও চিচাকি স্টেশনের মাঝামাঝি এই বিস্ফোরণটি ঘটেছে বলেও জানা গিয়েছে। কিন্তু কোনও প্রাণহানি হয়নি। ঘটনাস্থল থেকে মিলেছে মাওবাদীদের একাধিক পোস্টার। বড় নাশকতার ছকও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে খবর, ঝাড়খণ্ড-বিহার বনধে্র ডাক দেওয়ার পর থেকেই মাওবাদীরা রেলকে টার্গেট করেছে। ২৭ জানুয়ারি ঝাড়খণ্ড-বিহারে বনধে্র ডাক দিয়েছিল মাওবাদীরা। সিপিআই পলিটব্যুরোর সদস্য প্রশান্ত বোস এবং তাঁর স্ত্রী শীলা মারান্ডিকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে এই বনধ্ ডাকা হয়েছিল।Jharkhand | Suspected Naxals blow up a portion of railway tracks on the Howrah-New Delhi line between Chichaki and Chaudharybandh railway stations in Giridih; details awaited pic.twitter.com/9cx7GE14NK ANI (@ANI) January 27, 2022আবার নাশকতার আশঙ্কা থাকায় গতি নিয়ন্ত্রণ করে ট্রেন চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে নেওয়া হচ্ছে বিশেষ সতর্কতাও। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন রেলের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। ট্র্যাক মেরামতের কাজ চলছে। বিস্ফোরণের খবর পাওয়া মাত্রই ওই রুটে বহু ট্রেন বাতিল করা হয়। রাজধানী-সহ অনেক ট্রেনের রুট পরিবর্তনও করা হয়েছে। নিরাপত্তার কারণে, হাওড়া-দিল্লি রেল রুটের গোমো-গয়া (জিসি) রুটের ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে ধানবাদ-দেহরি এক্সপ্রেস। একই সঙ্গে গয়া-আসানসোল প্যাসেঞ্জার এবং আসানসোল-বারাণসী প্যাসেঞ্জারও বাতিল করা হয়েছে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
বিদেশ

পাকিস্তানে ভরা বাজারে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, মৃত ৩, জখম বহু

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বারবার বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন ও ভারত বিরোধী গোষ্ঠীকে মদত দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রমাণও মিলেছে ভুরি ভুরি। ভারতের বিভিন্ন স্থানে জঙ্গি নাশকতার সঙ্গে পাকিস্তান যোগ দীর্ঘদিনের। সম্ভবত এবার সেই জঙ্গিদেরই নিশানায় খোদ পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার লাহোরের লোহরি গেট এলাকার আনারকলি বাজার ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে। জানা গিয়েছে, এই বিস্ফোরণের ঘটনায় ৩ জন মারা গিয়েছেন এবং ২৫ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণে ফলে আশেপাশে বাড়িঘর ও দোকানের ক্ষতি হয়েছে। জানালার কাঁচ ভেঙে পড়ছে বিস্ফোরণের তীব্রতায়। বিস্ফোরণস্থলের সামনে থাকা মোটরবাইকগুলিও বিস্ফোরণের তীব্রতায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। লাহোরে ডেপুটি ইনস্পেক্টর জেনারেল অব অপারেশন ডঃ মহম্মদ আবিদ খান জানিয়েছেন, তদন্ত চলছে। তদন্ত এখন প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে, বিস্ফোরণের কারণ জানার চেষ্টা করা হচ্ছে এবং কী ধরনের বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছিল তা জানার চেষ্ঠা চলছে। ওই পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যার ফলে মাটি দেড় ফুট গভীরতার গর্ত তৈরি হয়েছে। বিস্ফোরণের ফলে আহতদের স্থানীয় মায়ো হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।লাহোর পুলিশের ডেপুটি কমিশনার জানান, দুপুর ১টা ৪৫ মিনিট নাগাদ এই বিস্ফোরণটি ঘটে। বিস্ফোরণের স্থল লাহৌরের সেফ সিটি প্রকল্পের আওতায় পড়ে। লাহোর পুলিশের ডিআইজি (অপারেশন) মহম্মদ আবিদ খান বলেন, ইতিমধ্যেই প্রাথমিক তদন্ত শুরু হয়েছে এবং কী ভাবে এই বিস্ফোরণ ঘটল তাও জানার চেষ্টা চলছে।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
রাজ্য

Khagragarh Blasts: খাগড়াগড় বিস্ফোরণ কাণ্ডের পর এবার অস্ত্র চুরির ঘটনায় বর্ধমানে তদন্ত করে গেল এনআইএ

সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্সের অস্ত্র চুরি করে মাওবাদী শীর্ষ নেতাদের সরবরাহ করার ঘটনার নিয়ে বর্ধমানেও তদন্তে এল ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি(এনআইএ)। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দারা বুধবারএকযোগে ধানবাদ, রাঁচি, পাটনা, ছাপড়া, গয়া, উত্তর প্রদেশের চাণ্ডুলি ও বর্ধমান জেলায় তল্লাশি চালিয়ে গেলেও কাকপক্ষীতেও তার টের পায়নি। গোয়েন্দারা অত্যন্ত গোপনে বিভিন্ন জায়গায় হানা দেন। হানায় হিসেব বহির্ভূত ১ লক্ষ ৪৬ হাজার টাকা, ল্যাপটপ, সেল ফোন, কম্পিউটার, ডিজিটাল স্টোরেজ ডিভাইস, আপত্তিকর নথি, চুরি করা অস্ত্রের বাক্স এবং বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র উদ্ধার হয়েছে।সেন্ট্রাল আর্মড ফোর্সের অস্ত্র চুরি সংক্রান্ত মূল মামলাটি শুরু হয়েছে ঝাড়খণ্ডের রাঁচির এটিএস থানায়। পরে ঘটনার গুরুত্ব বুঝে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক তদন্তভার এনআইএ-র হাতে তুলে দেয়। সেই নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে নতুন করে কেস রুজু করে এনআইএ তদন্তে নামে। এর আগে বর্ধমানে খাগড়াগড় বিস্ফোরণ কাণ্ডে তদন্তে নামে এনআইএ। তদন্তে নেমে এনআইএ জামাতুল মুজাহিদিন জঙ্গি গোষ্ঠীর সম্পের্ক বেশ কিছু নতুন তথ্য পায়। খাগড়াগড় বিস্ফোরণ কাণ্ডের পর এবার মাওবাদীদের অস্ত্র সরবরাহে বর্ধমানের নাম জড়িয়ে যাওয়ায় স্বাভাবতই জেলা প্রশাসনিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।এনআইএ সূত্রে জানা গিয়েছে, দেশবিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত একটি গ্যাং বিভিন্ন জায়গা থেকে আগ্নেয়াস্ত্র লুট করে তা মাওবাদীদের সরবরাহ করছে বলে গোয়েন্দারা খবর পান। গ্যাংটি যে শুধু অস্ত্র লুট করে তা মাওবাদীদের সরবরাহ করছে তাই নয়, তারা দেশবিরোধী শক্তিকে আর্থিক ভাবে সাহায্যও করছে। এমনকি তারা আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ভীতি প্রদর্শন করে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে মোটা টাকা তোলা আদায়ও করছে। ইতিমধ্যেই বিহারের গয়া জেলার ইমামগঞ্জ থানার অভিনাশ কুমার ওরফে চুন্নু শর্মা, পাটনার সালিমপুরের ঋষি কুমার, ঝাড়খণ্ডের ধানবাদের আজাদনগরের পঙ্কজকুমার সিং, আমান সাহু ওরফে সাউ, অরুণকুমর সিং ওরফে ফৌজি গোয়েন্দাদের হাতে ধরা পড়েছে। গ্যাংয়ের রাঁচি এয়ারপোর্ট থানা এলাকার বাসিন্দা সঞ্জয়কুমার সিং, পেশায় কনট্রাক্টর মুজাহিদ খান এখনও ধরা পড়েনি। এনআইএর গোয়েন্দারা হন্যে হয়ে তাদের খোঁজ চালাচ্ছে। সিভিল কনট্রাক্টর মুজাহিদ এবং সঞ্জয় দুজনে মাওবাদীদের হয়ে ফান্ড সংগ্রহ করছে এবং তা মাওবাদীদের সরবরাহ করছে। মুজাহিদ ইনসাস রাইফেলের ২৫০টি কার্তুজ ও ১ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা মাওবাদীদের দিয়েছে বলে গোয়েন্দারা জেনেছেন। এছাড়াও ধৃত ঋষি কুমারের কাছ থেকে ৪৫০ রাউন্ড ৫.৫৬ এমএম কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে। ঋষি এবং অভিনাশ মিলে তা একটি টেররিস্ট গ্যাংকে সরবরাহের জন্য মজুত করেছিল বলে জেনেছেন গোয়েন্দারা।তাদের কাছে দেশিয় প্রযুক্তিতে তৈরি পিস্তলও রয়েছে, যা তারা টেররিস্ট গ্যাংকে সরবরাহ করে থাকে বলে গোয়েন্দারা জেনেছেন। তবে বর্ধমানে তল্লাশির বিষয়ে এনআইএর কোনও আধিকারিক মুখ খুলতে চাননি।

জানুয়ারি ০২, ২০২২
বিদেশ

Karachi Blast: করাচিতে বিস্ফোরণে নিহত কমপক্ষে ১০ জন

করাচিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। জানা গিয়েছে, নালায় জমা গ্যাস থেকে এই বিস্ফোরণ বলে মনে করা হচ্ছে। শনিবার দুপুরে বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১০ জনের। আহত আরও কয়েকজন। তবে নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে।সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, করাচির শেরশাহ পারাচা চক এলাকায় একটি বহুতলের নীচে নালায় বিস্ফোরণ হয়েছে। ওই বহুতলে একটি ব্যাংকের দপ্তর। প্রাথমিক ভাবে একে জঙ্গি হামলার ঘটনা বলে মনে করছে না পুলিশ। পুলিশের অনুমান, নালায় বিভিন্ন গ্যাস জমে বিস্ফোরণ হয়ে থাকতে পারে। কিন্তু নালায় জমা গ্যাস থেকে এত বড় বিস্ফোরণ! প্রশ্ন উঠছে। বিস্ফোরণ বিশেষজ্ঞরা ঘটনার তদন্ত করে দেখছেন।বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল, যে অট্টালিকাটি ভেঙে পড়ে। ধ্বংসস্তূপের তলায় অনেকে চাপা পড়ে রয়েছেন বলে আশঙ্কা। চলছে উদ্ধারকাজ। আশপাশের বিল্ডিংয়ের জানালার কাচ ভেঙে পড়ে। পাশের বিল্ডিং-এর দেওয়ালেও চিড় ধরা পড়েছে। ব্যাংকের সামনে রাখা গাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় বেশ কয়েকজনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এখনও পর্যন্ত ১০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২১
বিদেশ

Tankar Blast: হাইতিতে ভয়াবহ ট্যাংকার বিস্ফোরণে জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মৃত কমপক্ষে ৬২ জন

ভয়াবহ ট্যাংকার বিস্ফোরণে হাইতিতে মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৬২ জনের। মঙ্গলবার সকালে সেই ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আচমকা বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়েই মৃত্যু হয়েছে সকলের। জিনিসপত্র সরিয়ে মৃতদেহ খুঁজে বের করা হয় স্থানীয় প্রশাসনের তরফে।একদিকে দারিদ্র, জ্বালানি সংকট এবং হিংসার ঘটনা-সহ একাধিক সমস্যায় ভুগছে হাইতি। এরই মধ্যে হাইতির এই ক্যাপ হাইতিয়েন শহরের বুকে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা। ডেপুটি মেয়র প্যাট্রিক আলমোনোর জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত ৬২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। শহরের উত্তর উপকূলে অবস্থিত দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই শহরে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে মৃতদেহ খোঁজার কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি। আলমোনোর জানিয়েছেন, এমনভাবে দগ্ধ হয়ে মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যাতে মৃতদেহগুলি শনাক্ত করাই মুশকিল হয়ে উঠছে।জানা গিয়েছে, যে এলাকায় ট্যাংকারটি দাঁড়িয়ে ছিল, সেই অঞ্চলের অন্তত ৪০ টি বাড়ি জ্বলে পুড়ে গিয়েছে। বাড়ির ভিতরে কত জনের মৃত্যু হয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। স্থানীয় জাস্টিন ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে ক্রমশ বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। হাসপাতালের এক নার্স জানিয়েছেন, এত বেশি সংখ্যক রোগীকে একসঙ্গে চিকিৎসা দেওয়ার মতো পরিকাঠামো হাসপাতালে নেই, তাই সবাইকে বাঁচানো সম্ভব হবে কি না, সেই আশঙ্কাই প্রকাশ করছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।এই ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন হাইতির প্রধানমন্ত্রী হেনরি। অতিরিক্ত স্বাস্থ্য কর্মী ও চিকিৎসক নিয়ে প্রধানমন্ত্রী যাচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে। হাইতিতে জাতীয় শোক ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ISL : ‌কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে ভাল খেলেও জয় অধরা থেকে গেল এসসি ইস্টবেঙ্গলের

৬ ম্যাচ খেলা হয়ে গেল। এবারের আইএসএলে এখনও জয় পেল না এসসি ইস্টবেঙ্গল। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে এগিয়ে গিয়েও আটকে গেল লালহলুদ শিবির। ম্যাচের ফল ১১। অন্যদিনের তুলনায় এদিন ভাল খেলেও আটকে যেতে হল মানোলো দিয়াজের দলকে।লিগ টেবিলে কেরালা ব্লাস্টার্সও খুব একটা ভাল জায়গায় নেই। জয়ের জন্য তারাও যথেষ্ট মরিয়া হয়ে মাঠে নেমেছিল। শুরু থেকে এসসি ইস্টবেঙ্গলের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে কেরালা ব্লাস্টার্সের ফুটবলাররা। আলভারো ভাজকোয়েজ, আদ্রিয়ান লুনারা একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিল। কিন্তু টমিস্লাভ মার্সেলা, রাজু গায়কোয়াড়রা সজাগ থাকায় সুবিধা করতে পারেননি কেরালা ব্লাস্টার্সের ফুটবলাররা। এসসি ইস্টবেঙ্গলও মাঝেমাঝে প্রতি আক্রমণে উঠে আসছিল। এর মাঝেই ১৫ মিনিটে লালহলুদের জালে বল পাঠান কেরালা ব্লাস্টার্সের আলভারো ভাজকোয়েজ। কিন্তু ভাজকোয়েজের কাছে বল যাওয়ার আগে হ্যান্ডবল হয় অমরজিৎ কিয়ামের। রেফারি গোল বাতিল করে ফ্রিকিকের নির্দেশ দেন।এরপরই আস্তে আস্তে খেলাটা ধরে নেয় এসসি ইস্টবেঙ্গল। ২০ মিনিটে এগিয়েও যেতে পারত লালহলুদ। পেরোসেভিচের বাঁপায়ের দুরন্ত শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ৩৭ মিনিটে এগিয়ে যায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। ডান দিক থেকে রাজু গায়কোয়াড়ের লম্বা থ্রো হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন টমিস্লাভ মার্সেলা। ৪৪ মিনিটে সমতা ফেরায় কেরালা ব্লাস্টার্স। রাজু গায়কোয়াড়ের মিস পাস থেকে এসসি ইস্টবেঙ্গলের পেনাল্টি বক্সের বাইরে ডানদিকে বল পেয়ে ডানপায়ে শট নেন আদ্রিয়ান লুনা। তাঁর শট টমিস্লাভ মার্সেলার মাথায় লেগে বল জালে জড়িয়ে যায়।অন্যান্য দিনের তুলনায় কেরালা ব্লাস্টার্স ম্যাচে এসসি ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণ অনেকটাই সংগঠিত ছিল। আলভারো ভাজকোয়েজ, আদ্রিয়ান লুনাদের সেভাবে সুযোগ দেননি রাজু গায়কোয়াড়, টমিস্লাভ মার্সেলারা। একবার ছাড়া বাকি ম্যাচে মুন্সিয়ানার পরিচয় দিয়েছেন রাজু। দ্বিতীয়ার্ধে লালহলুদ ডিফেন্ডারদের জন্য গোলের সুযোগ পায়নি কেরালা। অধিকাংশ সময়ই মাঝমাঠে খেলা ঘোরাফেরা করছিল। ড্যানিয়েল চিমা এদিন একেবারে নিঃস্প্রভ ছিলেন। ৬৮ মিনিটে তাঁকে তুলে নিয়ে আমির ডার্বিসেভিচকে মাঠে নামান এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মানোলো দিয়াজ। একই সঙ্গে মাঠে নিয়ে আসেন বিকাশ জাইরু ও লুয়াংকে। ৮১ মিনিটে প্রতি আক্রমণে উঠে এসে দারুণ শট নিয়ে ছিলেন পেরিসেভিচ। কেরালা ব্লাস্টার্স গোলকিপার দুর্দান্ত সেভ করে দলের নিশ্চিত পতন রোধ করেন। ৮৯ মিনিটে আবার গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন পেরিসেভিচ। তাঁর পা থেকে আবার নিশ্চিত গোল বাঁচান কোরালা ব্লাস্টার্স গোলকিপার। শেষদিকে চাপ রাখলেও জয়ের গোল তুলতে পারেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল

ডিসেম্বর ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে জয় আসবে?‌ আশা দেখাতে পারছেন না দিয়াজ

পাঁচ ম্যাচ খেলা হয়ে গেছে। এবারের আইএসএলে এখনও জয়ের মুখ দেখেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। কোচ মানোলো দিয়াজকে নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠে গেছে। দলের অভ্যন্তরেই কোচের সিদ্ধান্ত নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। দলগত সংহতিও তলানিতে। ৫ ম্যাচ খেলা হয়ে গেল অথচ এখনও প্রথম একাদশ ঠিক করে উঠতে পারেননি। ফুটবলারদের মধ্যে কোনও বোঝাপড়া নেই। এই অবস্থায় রবিবার কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে মাঠে নামছে এসসি ইস্টবেঙ্গল।কঠিন পরিস্থিতিতেও সমর্থকদের কোনও আশার আলো দেখাতে পারছেন না লালহলুদ কোচ মানোলো দিয়াজ। আগের ৫ ম্যাচে এসসি ফুটবলারদের দেখে মনে হয়নি তাঁরা ফিট। মানোলো দিয়াজ অবশ্য একথা মানতে নারাজ। তাঁর দাবি, দক্ষতার দিক দিয়েই দলকে পিছিয়ে পড়তে হচ্ছে। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে দল প্রথম জয় তুলতে পারবে কিনা, সে ব্যাপারেও আত্মবিশ্বাসী নন। কেরালার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে দিয়াজ বলেন, দল খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। সমর্থকদের মানসিক অবস্থা বুঝতে পারছি। সমর্থকরা যেমন জয়ের দিকে তাকিয়ে রয়েছে, আমিও জয়ের খোঁজে রয়েছি। চেষ্টা করব কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটানোর।গোল করেও তা ধরে রাখতে পারছেন না লালহলুদ ডিফেন্ডাররা। এসসি ইস্টবেঙ্গলের খেলায় কোনও ছন্দ দেখা যায়নি। তিনটি ম্যাচে হার, দুটি ম্যাচে ড্র। যে দুটি ম্যাচে মানোলো দিয়াজের দল ড্র করেছে, তাতে নিজেদের থেকে বিপক্ষ দলের ফুটবলারদের কৃতিত্ব বেশি। ফুটবলারদের ভুল শুধরে দিলেও বারবার একই ভুল হচ্ছে। সংশোধনের কোনও ইচ্ছে লালহলুদ ফুটবলারদের নেই। এইরকম চলতে থাকলে কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধেও জয় আসা কঠিন।একেই দল খারাপ অবস্থায়, তার ওপর একাধিক ফুটবলারের চোট। সমস্যা আরও বেড়েছে মানোলো দিয়াজের। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধেও মাঠে নামার মতো জায়গায় আসেননি গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্য। জ্যাকিচাঁদ সিং, সিডোয়েলরাও এখনও পুরো ফিট নন। এই দুই ফুটবলারকেও কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে পাবেন না মানোলো দিয়াজ। আগের ম্যাচে জয়ে ফিরেছে কেরালা ব্লাস্টার্স। বিপক্ষকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন লালহলুদ কোচ।

ডিসেম্বর ১১, ২০২১
দেশ

Delhi Court Blast: ফের রোহিণীর আদালতে বিস্ফোরণ! মাঝপথে বন্ধ শুনানি, জখম এক

ফের দিল্লির আদালতে বিস্ফোরণ। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের ঘটনা। রোহিণী আদালতের দৈনন্দিন কাজ তখন সবে শুরু হয়েছে। আদালত চত্বরে আইনজীবী, পুলিশকর্মী এবং মামলাকারীদের ভিড় জমতে শুরু করেছে। শুরু হয়েছে মামলার শুনানিও। আচমকা বিস্ফোরণে দ্রুত আতঙ্ক ছড়ায়। বন্ধ হয়ে যায় শুনানি। পরে জানা যায় বিস্ফোরণে এক পুলিশকর্মী জখম হয়েছেন। আপাতত হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে তাঁর।আদালত চত্বরে একটি পরিত্যক্ত ব্যাগে আইইডি বিস্ফোরক রেখে গিয়েছিল কেউ। সকালে আদালতের কাজ শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই ব্যাগ থেকে তীব্র বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণের পরই আদালত চত্বরে এসে পৌঁছয় দমকলের সাতটি ইঞ্জিন। প্রথমে ভাবা হয়েছিল, আদালতে কোনও ল্যাপটপ ফেটে ওই বিস্ফোরণ হয়েছে। পরে অবশ্য সেই ভুল ভাঙে।কিছুদিন আগে দুই গ্যাংস্টার দলের লড়াই হয়েছিল দিল্লির রোহিণী আদালতে। সেই ঘটনায় এক গ্যাংস্টার এবং তার দুই সঙ্গী আদালত চত্বরেই নিহত হয়। তারপরেই এই বিস্ফোরণ।তবে আদালত চত্বরে নিরাপত্তারক্ষী এবং সিসিটিভি ক্যামেরার নজর এড়িয়ে কে বা কারা ওই বিস্ফোরকের ব্যাগ এনে রেখেছিল, আদালতে তাদের কোনও নাশকতা ঘটানোর ছক ছিল কি না তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ISL : বোমাস ঝড়ে উড়ে গেল কেরালা ব্লাস্টার্স, বড় জয় দিয়ে আইএসএল অভিযান বাগানের

কেরালা ব্লাস্টার্সকে ৪২ ব্যবধানে হারিয়ে দুর্দান্তভাবে আইএসএল অভিযান শুরু করল এটিকে মোহনবাগান। জোড়া গোল করে ম্যাচের নায়ক হুগো বোমাস, একটা করে গোল করেন রয় কৃষ্ণা ও লিস্টন কোলাসো। ম্যাচের সেরা হুগো বোমাস। গত মরশুমে এই কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধেই আইএসএল অভিযান শুরু করেছিল এটিকে মোহনবাগান। সেই ম্যাচে গোল করে দলকে জয় এনে দিয়েছিলেন রয় কৃষ্ণা। এবছরই সেই আইএসএল অভিযানে প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি কেরালা ব্লাস্টার্স। এবারও জয় দিয়ে অভিযান শুরু। গত মরশুমের তুলনায় এবছর কেরালা ব্লাস্টার্সের শক্তি বেড়েছে। তবে এটিকে মোহনবাগানের শক্তি আরও বেড়েছে। মরশুমের শুরুতে মুম্বই সিটি এফসি থেকে হুগো বোমাসকে তুলে নিয়ে সবুজমেরুণ কর্তারা যে ভুল করেননি, প্রথম ম্যাচেই প্রমাম করে দিলেন হুগো বোমাস। তাঁর দুরন্ত ফুটবলে দাঁড়াতেই পারেনি কেরালা ব্লাস্টার্স। ম্যাচের শুরু থেকেই কেরালা ব্লাস্টার্সের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এটিকে মোহনবাগান। ২ মিনিটে এগিয়েও যায়। কর্ণার থেকে বল পেয়ে লিস্টন কোলাসো বল বাড়ান কেরালা ব্লাস্টার্স বক্সের ডানদিকে দাঁড়ানো হুগো বোমাসকে। বক্সের মাথা থেকে ডান পায়ের দুরন্ত শটে বল জালে জড়িয়ে দেন বোমাস। আইএসএলের প্রস্তুতি সেট পিসের ওপর বাড়তি গুরুত্ব দিয়েছিলেন এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তোনীয় লোপেজ হাবাস। হুগো বোমাসের গোল সেই প্রস্তুতির ফসল।শুরুতে গোল পেয়ে আরও উজ্জীবিত হয়ে ওঠেন এটিকে মোহনবাগান ফুটবলাররা। বারবার কেরালা ব্লাস্টার্সের রক্ষণভাগে আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিলেন রয় কৃষ্ণা, জনি কাউকো, মনবীর সিং, লিস্টন কোলাসোরা। সমতা ফেরানোরল জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে কেরালার ফুটবলাররাও। ২৪ মিনিটে সমতাও ফেরায়। রাহুল প্রবীনের পাস থেকে ডান পায়ের জোরালো শটে গোল করেন সাহাল আব্দুল সামাদ। মিনিট তিনেক পর আবার এগিয়ে যায় এটিকে মোহনবাগান। বক্সের মধ্যে রয় কৃষ্ণাকে ফাউল করেন কেরালা ব্লাস্টার্সের ডিফেন্ডার আলবিনো গোমস। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। পেনাল্টি থেকে ২১ করেন রয় কৃষ্ণা। ৩৩ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন রয় কৃষ্ণা। বক্সের মাঝখান থেকে নেওয়া তঁার শট বারের ওপর দিয়ে উড়ে যায়। ৩৯ মিনিটে আবার গোল হুগো বোমাসের। বক্সের বাঁদিকের কোণ থেকে নেওয়া তাঁর শট জালে জড়িয়ে যায়। প্রথমার্ধে ৩১ গোলে এগিয়ে গেলেই রাশ আলগা করেননি হাবাসের দলের ফুটবলাররা। ৫০ মিনিটে ৪১ করেন লিস্টন কোলাসো। রয় কৃষ্ণার পাস থেকে বক্সের বাঁদিক থেকে ডানপায়ের দুরন্ত শটে তিনি গোল করেন। ৪ গোল খেয়ে হতদ্যোম না হয়ে মরিয়া হয়ে ওঠে কেরালা ব্লাস্টার্স। ৬৯ মিনিটে আদ্রিয়ান লুনার ডিফেন্স চেরা থ্রু দুজন ডিফেন্ডারের মাঝখান দিয়ে বেরিয়ে ডান পায়ের শটে গোল করে ব্যবধান কমান জর্জ পেরেইরা। শেষ দিকে চাপ রাখলেও আর গোল করতে পারেনি কেরালা ব্লাস্টার্স।

নভেম্বর ১৯, ২০২১
রাজনীতি

Tathagata Roy: ফের টুইটবোমা তথাগতর

বিজেপি রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে ক্রমশ চওড়া হচ্ছে ফাটল! দিলীপ ঘোষের কটাক্ষের পরেও তিনি যে দমে যাননি, তার প্রমাণ মিলল তথাগত রায়ের নতুন টুইটে। রাজ্য নেতৃত্বের উদ্দেশে ফের চড়া সুরে আক্রমণ শানালেন তিনি। শুধু আক্রমণ নয়, দলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগও আনলেন তথাগত রায়। তবে সেইসঙ্গে নয়া রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর উপর ভরসা রেখে তাঁদের আহ্বান জানালেন দলকে খাদ থেকে টেনে তুলতে।বেকারী,দলবাজি,তোলাবাজি, খুনখারাপি,সংখ্যালঘু তোষণ ইত্যাদি সমস্যায় মানুষ পর্যুদস্ত হয়ে বিজেপিকে চাইছিলেন।তা সত্ত্বেও বিজেপি কেন এরকম শোচনীয় ফল করল তা নিয়ে বিশ্লেষণ প্রয়োজন। কারা এর জন্য দায়ী তাও চিহ্নিত করতে হবে। আগেই করা উচিত ছিল, এখনো হতে পারে। কিন্তু এড়িয়ে গেলে চলবে না। Tathagata Roy (@tathagata2) November 8, 2021নয়া টুইটে তথাগত রায় লিখেছেন, বেকারি,দলবাজি, তোলাবাজি, খুনখারাপি,সংখ্যালঘু তোষণ ইত্যাদি সমস্যায় মানুষ পর্যুদস্ত হয়ে বিজেপিকে চাইছিলেন। তা সত্ত্বেও বিজেপি কেন এরকম শোচনীয় ফল করল তা নিয়ে বিশ্লেষণ প্রয়োজন। কারা এর জন্য দায়ী তাও চিহ্নিত করতে হবে। আগেই করা উচিত ছিল, এখনো হতে পারে। কিন্তু এড়িয়ে গেলে চলবে না। ৩ থেকে ৭৭ (এখন ৭০) গোছের আবোলতাবোল বুলিতে পার্টি পিছোবে, এগোবে না। অর্থ এবং নারীর চক্র থেকে দলকে টেনে বার করা অত্যাবশ্যক। দলের নবনিযুক্ত সভাপতি ও বিরোধী দলনেতা - এঁরা দুজনে নেতৃত্ব দিন। পুরোনো চক্রে ফেঁসে থাকলে এখন যে পুরভোটের প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না এরকম অবস্থাই চলবে।

নভেম্বর ০৮, ২০২১
রাজ্য

Nandigram Blast: বল ভেবে খেলতে গিয়েই কেঁপে উঠল পরিত্যক্ত বাড়ি, ছিটকে পড়ল রক্ত

শুক্রবার রাতে বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল নন্দীগ্রাম। জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে এক নাবালিকার। জখম হয়েছে আরও দুই শিশু। একজনের আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাকে নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নন্দীগ্রামের কালীচরণপুর-১ অঞ্চলের একটি পরিত্যক্ত বাড়িতেই এই বিস্ফোরণ হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। বল ভেবে খেলতে গিয়েই বিস্ফোরণ হয় বলে স্থানীয়দের তরফে জানানো হয়েছে। আরও পড়ুনঃ দাম কমছে না পেট্রোপণ্যের, রাজ্যের আপত্তিতে পেট্রোল-ডিজেলে বসছে না জিএসটিকালীচরণপুর-১ পঞ্চায়েত সমিতির জাদুবাড়ি চক। সেখানে জাকির শা নামে এক ব্যক্তির একটি পরিত্যক্ত বাড়ি রয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা আটটা নাগাদ এলাকার তিন শিশু খেলার সময় ওই বাড়িতে ঢোকে। সেখানেই বল ভেবে একটি গোলাকার বস্তুকে হাতে তুলতেই ভয়ঙ্কর শব্দে সেটি ফেটে যায়। বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে এলাকা। ওদিকে তিন শিশুর চিল চিৎকার শুনে ছুটে আসেন বাড়ির লোকজন। দেখা যায়, বাড়ির সামনে রক্তে ভেসে যাচ্ছে। ন থেকে দশ বছরের মধ্যে এক নাবালিকা মাটিতে পড়ে ছটফট করছে। স্থানীয়রা কোনও মতে তাঁকে তুলে নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছয়। কিন্তু শেষ রক্ষা করা যায়নি। সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। বাকি দুজনের মধ্যে একজনের মাথায় চোট লেগেছে। অপরজনের আঘাত গুরুতর। পায়ে গভীর ক্ষত তৈরি হয়েছে। তাঁকে নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পায়ে ব্যান্ডেজের পাশাপাশি অক্সিজেনও দিতে হয়েছে তাকে। এই বাড়িতে কে বা কারা বোমা রেখে গিয়েছিল, তা খুঁজতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সঙ্গে রয়েছে চাপা আতঙ্কও।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
বিদেশ

Kabul Rocket attack: ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই রকেট হানা, ভয়ে কাঁপছে কাবুলবাসী

মার্কিন প্রেসিডেন্টের সতর্কবার্তা, আশঙ্কা সত্যি করে রবিবার বিকেলে কাবুল বিমানমন্দরের বাইরে মার্কিনিদের লক্ষ্য করে রকেটহানা চালায় তালিবানরা। জানা গিয়েছে শিশু-সহ ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। জখম হয়েছে আরও বেশ কয়েকজন। এদিকে ভোরের আলো ফোটার আগেই কান ফাটানো আওয়াজে একের পর এক রকেট ভেসে আসতে শুরু করেছে কাবুলের আকাশে। আরও পড়ুনঃ দিল্লি ও ত্রিপুরা জয়ের শপথ নিলেন পূর্ব বর্ধমানের সকল নেতা, মন্ত্রী ও বিধায়করাসোমবার সকাল থেকে এমনটাই পরিস্থিতি আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে। স্থানীয় সূত্রে খবর,কাবুল বিমানবন্দর লক্ষ্য করেই রকেটগুলি ছোড়া হচ্ছে, তবে বিমানবন্দরে যে এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম বসানো রয়েছে, তা ভেদ করে প্রবেশ করতে পারেনি রকেটগুলি। রবিবারই বিকেল নাগাদ কাবুল বিমানবন্দর লক্ষ্য করে রকেট হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। আফগানিস্তানের স্থানীয় সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা যায়, কাবুলের খাওজা বুঘরা জেলার গুলাই অঞ্চলে ওই বিস্ফোরণ হয়। জন বসতিপূর্ণ এলাকায় একটি বাড়িতে রকেট হামলা চালানোয় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ল্যাব জার খইরখানার কাছে অবস্থিত খোরশিদ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনেই দাঁড়িয়ে থাকা একটি গাড়ি থেকে রকেট হামলাগুলি চালানো হয় বলে জানা যায়। প্রতিটি রকেটই কাবুলের হামিদ কারজ়াই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে চালানো হচ্ছিল।আফগানিস্তানের এক সাংবাদিক টুইটে লেখেন, কমপক্ষে দুটি রকেট হামলা চালানো হয়েছে। ভোর ৬টা ৪০ থেকে কাবুলের লাব-ই-জার অঞ্চল থেকে হামিদ কারজাই বিমানবন্দরের দিকে লক্ষ্য করে রকেটগুলি পাঠানো হচ্ছিল। আর্য শহরাঞ্চলের বাসিন্দারা জানিয়েছেন বাড়ির ছাদে রকেটগুলি পড়েছে। মাঝ আকাশেই রকেটগুলি ফেটে যায়, ভাঙা অংশগুলি আছড়ে পড়ে বাড়ির ছাদে।আরও পড়ুনঃ সোনার স্বপ্ন অধরা, ভাবনাবেনকে ৩ কোটি টাকা আর্থিক পুরস্কার দেবে গুজরাট সরকারগতকালের রকেট হামলার পরই পাল্টা হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন যেমন সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন, সেই অনুযায়ীই ফের একবার বিমানবন্দরের বাইরে আত্মঘাতী হামলা চালানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছিল। যেই অংশে হামলা চালানো হবে, সেখানে হামলাকারীদের গাড়িও পৌঁছে যায়। ভিতরে উপস্থিত ছিলেন এক আত্মঘাতী বোমারু। কিন্তু গোপন সূত্রে আগেই খবর পেয়ে গিয়ে ওই গাড়ির উপরই এয়ারস্ট্রাইক চালায় মার্কিন বাহিনী। বিস্তারিত তথ্য এখনও জানা না গেলেও ওই এয়ারস্ট্রাইক সফল হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে।মার্কিন আধিকারিকরা জানান, আগামিকাল অর্থাৎ ৩১ অগস্ট উদ্ধারকার্য শেষ করার শেষদিন। একাধিক দেশের উদ্ধারকার্য শেষ হলে গেলেও মার্কিন বাহিনী এখনও কাজ জারি রেখেছে। সেই কাজে বাধা দিতেই পরিকল্পনা করে এই হামলাগুলি চালানো হচ্ছে। তবে হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না মার্কিন বাহিনীও। পাল্টা আক্রমণ চালাবে তারাও।

আগস্ট ৩০, ২০২১
বিদেশ

Kabul Airport: কাবুল বিমানবন্দরে আবারও হতে পারে সন্ত্রাসবাদী হামলা!

বৃহস্পতিবারের বিস্ফোরণের ক্ষত এখনও টাটকা। কাবুল বিমানবন্দরের বাইরে সন্ত্রাসবাদী হামলায় মৃতের সংখ্যা ১৭০ পেরিয়েছে। এরই মধ্যে শনিবার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জানালেন, আগামী ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে কাবুল বিমানবন্দর চত্বরে ফের হামলা হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।আরও পড়ুনঃ অসহায় আত্মসমর্পন কোহলিদের, সিরিজে সমতা ফেরাল ইংল্যান্ড এখনও আফগানিস্তানে রয়ে গিয়েছেন প্রায় ৩৫০ জন আমেরিকার নাগরিক, যাঁরা দেশে ফিরতে চান। তাঁদের সতর্ক করে বাইডেন বলেছেন, পরিস্থিতি এখনও বেশ বিপজ্জনক। আগামী ২৪-৩৬ ঘণ্টার মধ্যে আবার হামলা হতে পারে। অত্যন্ত সতর্ক থাকুন। দরকারে সেনাবাহিনীর সাহায্য নিন। বাইডেনের এই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পরে কাবুলে আমেরিকার দূতাবাসও জানিয়েছে বিমানবন্দর সংলগ্ন বিস্তৃত এলাকায় যেন লাল সতর্কতা জারি করা হয়। হামিদ কারজাই বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকার পাশাপাশি বিমানবন্দরের দক্ষিণ প্রান্তের এয়ারপোর্ট সার্কেল গেট এবং উত্তর-পূর্ব দিকের পঞ্জশির পেট্রল স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় অবিলম্বে নজরদারি বাড়াতে বলা হয়েছে বিবৃতিতে।বাইডেন এই ঘোষণা করেন আমেরিকার সময়ে শনিবার দুপুরে। তার ঘণ্টা খানেক আগেই আমেরিকার সেনাবাহিনীর এক কর্তা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবারের বিস্ফোরণের নেপথ্যে থাকা দুজন শীর্ষস্তরের আইসিস-কে জঙ্গিকে খতম করেছে আমেরিকা। দুই জঙ্গির মৃত্যু সংবাদ দিয়ে পেন্টাগনের ওই শীর্ষ পদাধিকারী বলেন, আমেরিকার ড্রোন হামলাতে দুই জঙ্গি নেতার মৃত্যু হয়েছে। হামলায় এক আইসিস-কে জঙ্গি আহতও হয়েছে। এমনকী, ওই জঙ্গি সংগঠনের আর এক শীর্ষনেতার উপরও নিয়ত নজর রাখা হচ্ছে বলেও জানান পেন্টাগনের ওই কর্তা। উক্ত জঙ্গি নেতা, আপাতত জালালাবাদেরই একটি বাড়ির ভিতর লুকিয়ে আছে বলেও জানান তিনি।

আগস্ট ২৯, ২০২১
বিদেশ

Kabul Blast: কাবুল বিমানবন্দরে ছিন্নভিন্ন মৃতদেহের সারি, বিস্ফোরণের দায় নিল আইএস

বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই কাবুল বিমানবন্দরে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ হওয়ার খবর ঘুরছিল। কিন্তু তা যে এভাবে সত্যি হয়ে যাবে, তা স্বপ্নেও ভাবতে পারেনি বিমানবন্দরে পৌঁছে যাওয়া মানুষগুলো। নিজেদের আপাতত নিরাপদ আশ্রয়ই ভেবে নিয়েছিলেন কাবুল বিমানবন্দর চত্বরকে। কিন্তু, এই নিরাপদ আশ্রয়েই ঘাপটি মেরে রয়েছে নির্মম পরিণতি তা কেউই ভাবেননি। বিভিন্ন দেশের গোয়েন্দাদের আশঙ্কা সত্যি প্রমাণ করে আত্মঘাতী বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল কাবুল। গভীর রাতে বিস্ফোরণের দায় নিয়েছে ইসলামিক স্টেট (আইএস)। এর আগে তালিবানও এক বিবৃতি দিয়ে দাবি করে, এই হামলা আইএসেরই কাজ। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সন্ধে সাড়ে ছটা নাগাদ বিমানবন্দরের কাছে পর পর দুটি আত্মঘাতী বিস্ফোরণে শিশু-সহ অন্তত ৬০ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ১২ জন আমেরিকান সেনা। জখম হয়েছেন দেড়শোরও বেশি। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আরও পড়ুনঃ জোড়া বিস্ফোরণ, গুলিতে কাঁপল কাবুল বিমানবন্দর চত্বর, মৃত কমপক্ষে শিশু-সহ ১৩ বিস্ফোরণের পরে বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের ভিডিও ফুটেজে দেখা গিয়েছে, রাস্তায় মৃতদেহের স্তূপ, বিমানবন্দরের বাইরের পরিখায় অসংখ্য দেহ ভাসছে। পরে বিমানবন্দরের কাছে ফের একটি বিস্ফোরণ হয়। রাতে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়, বিস্ফোরণ হয়েছে অন্তত ৬টি। গুলির লড়াইও চলে বলে খবর। প্রথম বিস্ফোরণটি হয় হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অ্যাবি গেটের সামনে। এই ফটক দিয়েই এখন বিমানবন্দরের ভিতরে ঢুকছেন দেশ ছাড়ার অনুমতি পাওয়া মানুষেরা। দ্বিতীয় বিস্ফোরণটি হয় বিমানবন্দরের খুব কাছেই ব্যারন হোটেলের সামনে। এই হোটেলে এখন ব্রিটিশ নাগরিকেরা রয়েছেন। বিমানবন্দরের সামনে বিস্ফোরণের পরে একাধিক দুষ্কৃতী সেখানে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। তাতেও অনেকে জখম হন। এক আফগান স্বাস্থ্য আধিকারিককে উদ্ধৃত করে এক ব্রিটিশ চ্যানেল জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা অন্তত ৬০। হাসপাতালগুলিতে উপচে পড়া ভিড়। আক্রান্তদের মধ্যে বিমানবন্দরের দায়িত্বে থাকা আমেরিকান মেরিন কোরের ১১ জন-সহ মোট ১২ জন এবং বিমানবন্দরের বাইরে থাকা কয়েক জন তালিবান রক্ষীও রয়েছেন।প্রথম বিস্ফোরণের পরই সন্দেহের তির তালিবানের দিকে গেলেও তারা সাফ জানিয়ে দেয়, এই হামলার পিছনে তাদের হাত নেই। তালিবান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদের দাবি, আইসিস-কে এই হামলা চালিয়েছে। আগামিদিনে জঙ্গিরা যাতে কোনওভাবেই সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের জন্য আফগানিস্তানের মাটিকে না ব্যবহার করতে পারে, সেটা নিশ্চিত করতে তালিবান গোটা আন্তর্জাতিক মহলের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আগস্ট ২৭, ২০২১
রাজ্য

Bomb Blast: কেতুগ্রাম বোমা বিস্ফোরণ কাণ্ডে ধৃত দুই, পলাতকদের খুঁজছে পুলিশ

মজুত রাখা বোমা বিস্ফোরণে বাড়ি ভেঙে পড়ার পর গা ঢাকা দেওয়া ষাটোর্দ্ধ বাড়ির মালিক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ। ধৃতদের নাম সাক্ষী ঘোষ ও মিনতি ঘোষ। পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম থানার সুজাপুর গ্রামে ধৃতদের বাড়ি। বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। পরিবারের বাকি সদস্যরা এখনও গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে। পুলিশ তাদের সন্ধান চালাচ্ছে। বৃহস্পতিবার দুই ধৃতকেই পেশ করা হয় কাটোয়া মহকুমা আদালতে। বোমাগুলি কোথা থেকে এনে কি উদ্দেশ্যে বাড়িতে মজুত করা হয়েছিল সেই তথ্য উদ্ধারের জন্য তদন্তকারী অফিসার ধৃত সাক্ষী ঘোষকে নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান । বিচারক সাক্ষী ঘোষের ৩ দিনের পুলিশি হেপাজত ও স্ত্রী মিনতি ঘোষকে ১৪ দিন জেল হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ চমৎকারী শ্রীফল, জানুন নানাবিধ উপকারপুলিশ জানিয়েছে,গত বৃহস্পতিবার ভোররাতে সুজাপুর গ্রামের বাসিন্দা সাক্ষী ঘোষের বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের জেরে ভেঙে পড়ে ঘোষ পরিবারের কংক্রিটের বাড়ির ছাদ ও দেওয়ালের একাংশ। ফাটল ধরে যায় বাড়ির অন্য দেওয়ালগুলিতেও। এই ঘটনার জেরে এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।বিস্ফোরণের খবর পেয়েই কেতুগ্রাম থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। তারই মধ্যে বাড়ি ছেড়ে গা ঢাকা দেয় সাক্ষী ঘোষ ও মিনতি ঘোষ সহ পরিবারের ৮ সদস্য।আরও পড়ুনঃ চুক্তিপত্রে সই না করায় প্রতিবাদের ঝড় ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে, কর্তাদের পদত্যাগ দাবিগোটা বাড়ি খতিয়ে দেখার পর পুলিশ নিশ্চিৎ হয় বোমা বিস্ফোরণের কারণেই সাক্ষী ঘোষেদের বাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর পরেই পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে তদন্তে নেমে বাড়ির পলাতক লোকজনের খোঁজ শুরু করে ।বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ ঘোষ বাড়ির গৃহকর্তা ও গৃহকর্তীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এদিন ফরেনসিক দল বোমা বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রত বাড়িটি সরোজমিনে খতিয়ে দেখে। শনিবার ফরেনসিক দল কেতুগ্রামে বোমা বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি খতিয়ে দেখতে আসছে বলে জানা গিয়েছে।

জুলাই ২৩, ২০২১
রাজ্য

Ketugram Blast: ভাতারের পর কেতুগ্রামে বোমা বিস্ফোরণে উড়ল আস্ত কংক্রিটের বাড়ি, পলাতক বাড়ির লোকজন

মজুত বোমা বিস্ফোরণে বাড়ি ভঙে পড়ার ঘটনা ঘটেই চলেছে পূর্ব বর্ধমানে। ভাতারের বানেশ্বরপুর গ্রামের পর বৃহস্পতিবার ভোর রাতে বোমা বিস্ফোরণের জেরে ভেঙে পড়লো কেতুগ্রামের সুজাপুর গ্রামের জনৈক সাক্ষীগোপাল ঘোষের বাড়ির একাংশ। বোমা বিস্ফোরণের কারণে জখম হওয়া বাড়ির মালিক সহ ৩ জনই গা ঢাকা দিয়েছেন বলে স্থানীয়দের দাবি। পুলিশ বাড়িটি ঘিরে রেখে পলাতকদের সন্ধান চালাচ্ছে। এই ঘটনা জানাজানি হতেই কেতুগ্রামে তুঙ্গে উঠেছে তৃণমূল ও বিজেপির তর্জা।আরও পড়ুনঃ প্রকাশিত উচ্চ মাধ্যমিকের ফল, ৪৯৯ পেয়ে প্রথম মুর্শিদাবাদের ছাত্রীসুজাপুর গ্রামের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, তাঁদের গ্রামেই সাক্ষীগোপাল ঘোষের একতলা পাকা বাড়ি। সেই বাড়িতে থাকেন সাক্ষীগোপালের স্ত্রী, ছেলে, পুত্রবধূ ও ভাইসহ মোট ৬ জন সদস্য।প্রতিবেশীরা বলেন, এদিন ভোর রাতে বিকট বিস্ফোরণের কেঁপে ওঠে এলাকা। তারপরেই এলাকার সবাই যে যার ঘর থেকে বেরিয়ে দেখেন সাক্ষীগোপালের পাকা কংক্রাটের বাড়ির একাংশ ভেঙে পড়েছে। এমনকি সাক্ষীগোপালের বাড়ির পাকা দেওয়ালগুলিতেও ফাটল দেখতে পান গ্রামবাসীরা। ঘটনা নিয়ে এলাকার বাসিন্দা মহলে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এলাকা সূত্রে খবর, বোমা বিস্ফোরণে সাক্ষীগোপাল ছাড়াও তাঁর ছেলে ও ভাই আহত হয়েছেন। গ্রেপ্তারি এড়াতে ঘটনার পরেই আহতদের সবাইকে নিয়ে পালিয়ে যায় পরিবারের বাকি সদস্যরা।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে সামান্য বাড়লেও দেশে করোনা সংক্রমণে স্বস্তিএই বিস্ফোরণের খবর পেয়েই এদিন সকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কেতুগ্রাম থানার পুলিশ। তদন্তে নেমে পুলিশ বাড়িটি খতিয়ে দেখে। বাড়িতে আর বোমা মজুত রাখার আছে কিনা খতিয়ে দেখার জন্যে বোম ডিসপোজাল স্কোয়াডে খবর দেওয়া হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান ওই বাড়িতে মজুত থাকা একাধিক বোমা বোস্ফোরণ ঘটাতেই বাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জেলা পুলিশের কর্তাদের কথাতেই স্পষ্ট, পলাতকদের খুঁজে বার করাটাই এখন পুলিশের কাছে বড় চ্যালেঞ্জের বিষয় হয়ে দাঁড়িছে। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ধ্রুব দাস জানিয়েছেন ,পুলিশ ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করছে।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?সুজাপুর গ্রামের বিস্ফোরণ প্রসঙ্গে বিজেপির পূর্ব বর্ধমান কাটোয়া সাংগাঠনিক জেলার সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষ বলেন, সুজাপুর গ্রামে যার বাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটেছে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের একজন সক্রিয় কর্মী। ওই বাড়িতেই বোমা মজুত রাখা হয়েছিল। কোনও ভাবে তাতে বিস্ফোরণ হয়ে যায়। তার পরেই বোমা মজুত রাখার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। বোমা মজুতের ঘটনায় জড়িত সকলের কঠোর শাস্তির দাবি করেছেন বিজেপি নেতা কৃষ্ণ ঘোষ। যদিও সাক্ষীগোপালের ছেলে শুভজিৎকে বিজেপি কর্মী বলে পালটা দাবি করেছে তৃণমূল। কেতুগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক শেখ শাহনাওয়াজ বলেন, তাঁর বিধানসভা এলাকা অনেক বড়। তার মধ্যে কে কাকে ভোট দিয়েছে বা কে কোন দলের সমর্থক অত খবর রাখা কারোও পক্ষেই সম্ভব নয় । পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে৷ আইন আইনের পথে চলবে। কেউ দোষী হলে শাস্তি পাবে।

জুলাই ২২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

শিক্ষা

সাহিত্য, বিজ্ঞানচিন্তা ও সৃজনশীলতার আলোকবর্তিকা ‘INSPIRE 2026’

সাহিত্য, বিজ্ঞান, বিজ্ঞানচিন্তা, প্রযুক্তি এবং সৃজনশীলতার এক অনন্য মেলবন্ধনের বার্তা নিয়ে বর্ধমান শহরে সূচনা হল বহুল প্রতীক্ষিত বার্ষিক প্রদর্শনী INSPIRE - 2026। নতুনকে জানার কৌতূহল, অজানাকে আবিষ্কারের আকাঙ্ক্ষা এবং ভবিষ্যৎকে নিজের মতো করে গড়ে তোলার স্বপ্নসব মিলিয়ে প্রথম দিনেই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ যেন হয়ে উঠল এক টুকরো জীবন্ত বিজ্ঞানভুবন।বর্ধমান মডেল স্কুলের উদ্যোগে এবং Oriental Association for Education and Research (OAER)-এর সহযোগিতায় আয়োজিত এই প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় যথেষ্ট উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিল্প, বাণিজ্য ও উদ্যোগ এবং বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও জৈবপ্রযুক্তি দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র ১৪ আগস্ট ২০২৬ ফিতে কেটে ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে তিনদিনব্যাপী এই প্রদর্শনীর শুভ সূচনা করেন। প্রদর্শনী চলবে আগামী ১৬ ই আগস্ট পর্যন্ত।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র ও OAER এবং বর্ধমান মডেল স্কুলের পরিচালক ও আধিকারিকবৃন্দ। তবে অনুষ্ঠানের প্রকৃত প্রাণ হয়ে উঠেছিল বিদ্যালয়ের খুদে ও তরুণ শিক্ষার্থীরা। তাদের কল্পনা, অনুসন্ধিৎসা এবং উদ্ভাবনী চিন্তার প্রতিফলন ছড়িয়ে ছিল প্রদর্শনীর প্রতিটি প্রান্তে। কোথাও বিজ্ঞানের জটিল সূত্র পেয়েছে সহজবোধ্য মডেলের রূপ, কোথাও প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মিলেমিশে তৈরি করেছে ভবিষ্যতের সম্ভাবনার ছবি। আবার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির পাশাপাশি সাহিত্য, ইতিহাস, ভাষা, নৃত্য, সঙ্গীত এবং নাট্যচর্চার নানা আয়োজন প্রদর্শনীকে দিয়েছে আরও বহুমাত্রিক রূপ।উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র INSPIRE - 2026 -এর উদ্দেশ্য এবং আগামী প্রজন্মের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা ও সৃজনশীল চিন্তার বিকাশের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। তাঁর কথায়, তিনদিনের এই প্রদর্শনীর নামকরণই যেন তার অন্তর্নিহিত দর্শনকে প্রকাশ করেINSPIRE - 2026। তিনি বলেন, এই প্রদর্শনীতে এসে বোঝা যায়, আগামী প্রজন্মের প্রতিভা কতটা বিস্ময়কর। শিক্ষকদের সহযোগিতা থাকলেও ভাবনার মূল উৎস যে শিক্ষার্থীরাই, তাঁদের তৈরি মডেল, তাঁদের ব্যাখ্যা এবং দর্শনার্থীদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আত্মবিশ্বাসই তার প্রমাণ।শিক্ষার্থীদের এই উদ্যোগ দেখে মন্ত্রী নিজের অভিজ্ঞতার কথাও জানান। তাঁর উপলব্ধিআজকের প্রজন্মের কাছ থেকে শেখার মতো এখনও অনেক কিছুই বাকি। তাঁর কথায়, একসময় ছিল আমাদের প্রজন্ম, তারপর এল কম্পিউটারের যুগ, আর এখন আমরা প্রবেশ করেছি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে। ফলে সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে শুধু নতুন প্রজন্মকে শেখানো নয়, তাদের কাছ থেকেও শেখার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। কারণ, সমাজ ও দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথ তৈরি করবে এই নতুন প্রজন্মই।সাংবাদিকদের রিয়েল জেন জি প্রসঙ্গেও মন্ত্রীর বক্তব্য ছিল যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। তাঁর মতে, ছাত্রছাত্রীরাই ভবিষ্যৎতারা সতেজ, সৃষ্টিশীল এবং সম্ভাবনাময়। বাংলা তথা ভারতবর্ষকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার শক্তি নিহিত রয়েছে তাদের মধ্যেই। তাই তাদের সঙ্গে দূরত্ব নয়, বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি করাই প্রয়োজন। বয়সের ব্যবধান থাকলেও নতুন প্রজন্মের সঙ্গে বন্ধুর মতো মিশে তাদের কথা শোনা এবং তারা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে কী ভাবছে, কী চায়তা জানা জরুরি। সেই ভাবনা থেকেই তিনি ঘোষণা করেন তাঁর পরবর্তী উদ্যোগআড্ডা উইথ জেন জি।মন্ত্রী বর্ধমান মডেল স্কুলের সকলকে শুভেচ্ছা জানান এবং INSPIRE - 2026 -এর সাফল্য কামনা করেন। শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে আবারও তাঁদের সঙ্গে সময় কাটানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি।বিদ্যালয়ের কর্ণধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল-এর বক্তব্যেও উঠে আসে সময়ের সঙ্গে পথ চলার অপরিহার্যতার কথা। তাঁর স্পষ্ট উপলব্ধি, সময়ের সঙ্গে তাল না মেলাতে পারলে পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকেই যায়। তাই বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে সঙ্গে নিয়েই আগামী দিনের শিক্ষাব্যবস্থাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও শিক্ষার্থীদের আধুনিকতম শিক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে বর্ধমান মডেল স্কুল কখনও পিছিয়ে থাকেনি, ভবিষ্যতেও সেই ধারাই অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি অভিভাবক ও বিজ্ঞানপ্রেমী সকলকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এসে নতুন প্রজন্মের এই প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতার উন্মেষ প্রত্যক্ষ করার আহ্বান জানান তিনি।OAER-এর অন্যতম সদস্য সত্যরাজ আদিত্যাংশু মেদ্দা-ও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ বিপিন বিহারী সিং ১৪ থেকে ১৬ আগস্ট আয়োজিত INSPIRE-এ অংশগ্রহণকারী সকল ছাত্রছাত্রীকে শুভেচ্ছা জানান। তাঁর কথায়, শিক্ষার্থীদের অক্লান্ত পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং নিষ্ঠা ছাড়া এই আয়োজন কখনও সার্থক হয়ে উঠত না।তবে INSPIRE 2026 কেবল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রদর্শনী নয়; বরং এটি যেন শিক্ষার্থীদের বহুমুখী প্রতিভার এক বর্ণময় ক্যানভাস। সাহিত্য, ইতিহাস, ভাষা, নৃত্য, সঙ্গীতের পাশাপাশি নাট্য ও আবৃত্তির আয়োজনও রয়েছে এই অনুষ্ঠানে।নাট্য ও আবৃত্তি বিভাগের শিক্ষিকা এবং বিশিষ্ট বাচিক শিল্পী সুদেষ্ণা আচার্য জানান, এবারের পরিবেশনায় থাকছে প্রবাদপ্রতিম নাট্যকার মনোজ মিত্রের কালজয়ী নাটক নরক গুলজার। ব্যঙ্গ, হাস্যরস এবং গভীর সামাজিক বাস্তবতার অনন্য সংমিশ্রণে নির্মিত এই নাটক বাংলা নাট্যসাহিত্যে এক বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় সেই নাটক নতুন প্রজন্মের কাছে নতুন করে পৌঁছে দেওয়ার প্রয়াসও INSPIRE - 2026 -এর সাংস্কৃতিক পরিসরকে করেছে আরও অর্থবহ।সব মিলিয়ে প্রথম দিনেই Inspiring Thoughts, Creating Futureএই মূলমন্ত্র যেন বাস্তব রূপ পেল INSPIRE - 2026-এর প্রাঙ্গণে। এখানে বিজ্ঞান কেবল পাঠ্যবইয়ের পাতায় আবদ্ধ নয়, প্রযুক্তি কেবল যন্ত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, আর সৃজনশীলতা কেবল কল্পনার জগতে বন্দি নয়। বরং তিনটির সম্মিলিত শক্তিতে শিক্ষার্থীরা আঁকছে আগামী দিনের ছবি।নতুন ভাবনার অঙ্কুর, উদ্ভাবনের সাহস এবং ভবিষ্যৎ নির্মাণের স্বপ্নকে সামনে রেখে বর্ধমান মডেল স্কুলের এই আয়োজন তাই নিছক একটি বার্ষিক প্রদর্শনী নয়এ যেন আগামী দিনের সম্ভাবনাময় প্রজন্মের আত্মপ্রকাশের এক উজ্জ্বল মঞ্চ।

আগস্ট ১৪, ২০২৬
কলকাতা

নির্মলকে ঘিরে থানা চত্বরে তুমুল উত্তেজনা, ডিম-জুতোর মালা! অভয়ার বাবার গোপন জবানবন্দিতে কী উঠে এল?

ওড়িশা থেকে ট্রানজিট রিমান্ডে প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষকে খড়দহ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তাঁকে ঘিরে শুক্রবার সকাল থেকেই থানার বাইরে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। নির্মলকে গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই বহু মানুষ থানার সামনে জড়ো হন। তাঁদের মধ্যে অনেককে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে এবং গান বাজিয়ে নাচতেও দেখা যায়।বারাকপুর মহকুমা আদালতে নির্মল ঘোষকে পেশ করার সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে পারে বলে আগেই আশঙ্কা করেছিল পুলিশ। সেই কারণে তাঁকে হেলমেট পরিয়ে থানা থেকে বের করা হয়। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়নি। থানার বাইরে জড়ো হওয়া কয়েক জন নির্মলকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়েন। তাঁর দিকে জুতোর মালাও ছোড়া হয়। এমনকি তাঁকে চড় এবং লাথি মারার অভিযোগও উঠেছে।অন্যদিকে, শ্মশানঘাটে ঠিক কী ঘটেছিল, তা জানতে অভয়ার বাবার গোপন জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই নির্মল ঘোষ, সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় এবং সোমনাথ দে-র বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। তদন্তকারীরা এখন ওই রাতের ঘটনাক্রম খতিয়ে দেখছেন।গত ৯ অগস্ট অভয়ার দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে পানিহাটিতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই তিনি অভয়ার মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি, মৃত্যুর পর শ্মশানঘাটে কী ঘটেছিল, তা খতিয়ে দেখার জন্য বারাকপুরের পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই নির্দেশের পরই অভয়ার বাবা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগ দায়েরের মাত্র দুদিনের মধ্যেই ওড়িশা থেকে গ্রেফতার হন নির্মল ঘোষ। পুলিশ সূত্রে খবর, বালেশ্বরের সিমুলিয়া থানার একটি হোটেলে আত্মগোপন করেছিলেন তিনি। পুলিশের নজর এড়াতে পুরনো মোবাইল নম্বর বন্ধ করে দিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। পরে মোবাইলের টাওয়ারের অবস্থান খতিয়ে দেখে তাঁর সন্ধান পায় রাজ্য পুলিশ। সিমুলিয়া পুলিশের সাহায্যে ওই হোটেলে পৌঁছে নির্মলকে গ্রেফতার করা হয়।এরপর তাঁকে ওড়িশার আদালতে পেশ করা হয়। সেখান থেকে ট্রানজিট রিমান্ডে নির্মল ঘোষকে খড়দহে নিয়ে আসা হয়। শ্মশানঘাটের ঘটনার সঙ্গে তাঁর ভূমিকা কী ছিল, তা জানতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে অভয়ার প্রতিবেশী সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে খড়দহ থানার পুলিশ। শুক্রবার নির্মল ঘোষ এবং সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে বারাকপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়।দুই অভিযুক্তের গ্রেফতারে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অভয়ার মা। সমাজমাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি। এদিকে নির্মল ঘোষের গ্রেফতারের পর অভয়ার বাবা ও মায়ের নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে। শ্মশানঘাটে সেই রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, নির্মল ঘোষ এবং সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকা কী ছিল, তদন্তের পরেই তা স্পষ্ট হবে।

আগস্ট ১৪, ২০২৬
দেশ

বেরনোর সুযোগও পেলেন না! চামোলির সুড়ঙ্গে আচমকা জলস্রোত, মৃত্যু ৭ শ্রমিকের, আটকে আরও ২

উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলায় জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আচমকা তীব্র জলস্রোত ঢুকে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৭ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১৪ জন। সুড়ঙ্গের ভিতরে এখনও দুই শ্রমিক আটকে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের উদ্ধারে জোরদার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিট নাগাদ চামোলির পিপলকোটির মায়াপুরে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে শিফট বদলের কাজ চলছিল। সেই সময় আচমকাই সুড়ঙ্গের ভিতরে প্রবল জলস্রোত ঢুকে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে জল ও ধ্বংসাবশেষে ভরে যায় সুড়ঙ্গের একটি অংশ।ঘটনার সময় সুড়ঙ্গের ভিতরে প্রায় ২২ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন বলে জানা গিয়েছে। দুর্ঘটনার পর দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু হয়। রাতেই বেশ কয়েক জন শ্রমিককে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে সাত হয়েছে।খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, সীমান্তরক্ষী বাহিনী এবং সেনার উদ্ধারকারী দল। সুড়ঙ্গের ভিতরে জমে থাকা জল বের করতে পাম্প ব্যবহার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে আটকে থাকা শ্রমিকদের কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা চলছে।আহত শ্রমিকদের স্থানীয় গোপেশ্বর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে যাঁদের অবস্থা গুরুতর, তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে।উদ্ধারকারী দল আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে সুড়ঙ্গের ভিতরে তল্লাশি চালাচ্ছে। জলস্তর কমিয়ে আটকে থাকা দুই শ্রমিককে দ্রুত বাইরে নিয়ে আসাই এখন প্রধান লক্ষ্য। উদ্ধারকাজ যত এগোচ্ছে, ততই তাঁদের পরিবারের উৎকণ্ঠা বাড়ছে।ঘটনার পর উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি জানিয়েছেন, সুড়ঙ্গের ভিতরে আটকে থাকা প্রত্যেক শ্রমিককে নিরাপদে বের করে আনার জন্য সমস্ত রকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে। দুর্ঘটনার কারণ এবং ঠিক কী ভাবে এত বিপুল জল সুড়ঙ্গের ভিতরে ঢুকল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আগস্ট ১৪, ২০২৬
দেশ

সুপ্রিম কোর্টে বড় স্বস্তি সুমিত রায়ের, বুধবার পর্যন্ত গ্রেফতার নয়! পরের শুনানিতে কী হবে?

সুপ্রিম কোর্টে বড় স্বস্তি পেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়। আপাতত তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে শীর্ষ আদালত। তাঁর অন্তর্বর্তীকালীন রক্ষাকবচের মেয়াদ বুধবার পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। আগামী ১৯ অগস্ট মামলাটির পরবর্তী শুনানি হবে।শুক্রবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চে সুমিত রায়ের অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের আবেদনের শুনানি হয়। আদালতে সুমিতের আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণ জানান, তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করছেন তাঁর মক্কেল। গত আট দিনে তাঁকে ছয় বার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে। প্রতিবারই তিনি তদন্তকারীদের কাছে হাজির হয়েছেন এবং সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়েছেন।সুমিতের আইনজীবীর বক্তব্য শোনার পর তাঁর রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়িয়ে দেয় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। একই সঙ্গে তদন্ত কতটা এগিয়েছে, সে বিষয়েও জানতে চায় আদালত।তদন্তের অগ্রগতি এবং জিজ্ঞাসাবাদে কী কী তথ্য উঠে এসেছে, সেই সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য সময় চান সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। সোমবার পর্যন্ত সময় চাওয়া হলে আদালত তা মঞ্জুর করে। এরপরই জানানো হয়, বুধবার মামলাটির পরবর্তী শুনানি হবে। সেই পর্যন্ত সুমিত রায়ের গ্রেফতারির উপরও রক্ষাকবচ বহাল থাকবে।নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন পেয়েছিলেন সুমিত রায়। তবে শালবনির জমি সংক্রান্ত মামলায় আগাম জামিন না মেলায় তিনি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। ওই মামলায় তাঁর গ্রেফতারির উপর স্থগিতাদেশ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত।এ ছাড়াও জমি ও চাকরি সংক্রান্ত মামলার বাইরে সুমিতের বিরুদ্ধে আরও চারটি এফআইআর রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই কারণে গ্রেফতারির আশঙ্কা প্রকাশ করে ফের কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। দ্রুত শুনানির আবেদনও করা হয়েছিল। তবে সেই আবেদন গ্রহণ করেননি বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য ছিল, মামলাটি জরুরি ভিত্তিতে শোনার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। নিয়ম মেনেই পরে মামলাটি শুনানি হতে পারে।এই পরিস্থিতিতে সুমিত রায়ের জন্য আপাতত স্বস্তি এনে দিল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ। বুধবারের শুনানিতে তদন্তের অগ্রগতি এবং সুমিতকে জিজ্ঞাসাবাদ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ১৪, ২০২৬
কলকাতা

বঙ্গবিভূষণ গেল, কয়েক ঘণ্টাতেই সুরবদল! নেতাজি মন্তব্যে প্রকাশ্যে দুঃখপ্রকাশ অনন্ত মহারাজের

বঙ্গবিভূষণ সম্মান হারানোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে করা মন্তব্যের জন্য প্রকাশ্যে দুঃখপ্রকাশ করলেন রাজ্যসভার বিজেপি সাংসদ অনন্ত মহারাজ। সমাজমাধ্যমে ভিডিওবার্তায় তিনি জানান, নেতাজি সম্পর্কে তাঁর কোনও অনিচ্ছাকৃত বক্তব্যে কেউ মানসিক ভাবে আঘাত পেয়ে থাকলে তিনি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত।নেতাজিকে নিয়ে অনন্ত মহারাজের মন্তব্য ঘিরে গত কয়েক দিন ধরেই রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র বিতর্ক চলছিল। তাঁর বক্তব্যের পর বিভিন্ন মহল থেকে প্রতিবাদ শুরু হয়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, নেতাজিকে অপমান করলে তা কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না এবং প্রয়োজনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এর পর বৃহস্পতিবার রাজ্য সরকার অনন্ত মহারাজের বঙ্গবিভূষণ সম্মান ফিরিয়ে নেয়। মমতা সরকারের আমলে গত ২১ ফেব্রুয়ারি তাঁকে এই সম্মান দেওয়া হয়েছিল। সম্মান প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।তবে সম্মান প্রত্যাহারের পরেও প্রথমে নিজের বক্তব্যের পক্ষেই সাফাই দিয়েছিলেন অনন্ত মহারাজ। তাঁর দাবি ছিল, তিনি নেতাজিকে অপমান করেননি। ইতিহাসে থাকা কিছু তথ্যই তিনি মানুষের সামনে তুলে ধরেছেন। তাঁর কথায়, নিজের বক্তব্যে কোনও মনগড়া তথ্য বা মিথ্যা যোগ করেননি তিনি।অনন্ত মহারাজ আরও দাবি করেছিলেন, তিনি যে সময়ের কথা বলেছেন, সেই সময়ে তাঁর জন্মই হয়নি। তাই সেই ইতিহাস নিয়ে নিজের বক্তব্য রাখাকে তিনি অপরাধ বলে মনে করেন না। তবে ভুল হয়ে থাকলে আইনি পথে শাস্তি দেওয়ার কথাও বলেছিলেন তিনি।এর কয়েক ঘণ্টা পরেই অবশ্য তাঁর সুর বদলে যায়। সমাজমাধ্যমে প্রকাশ করা ভিডিওবার্তায় অনন্ত মহারাজ বলেন, নেতাজির প্রতি সম্মান রেখেই তিনি দুঃখপ্রকাশ করছেন। তাঁর বক্তব্যের কোনও অংশে কেউ মানসিক ভাবে আঘাত পেয়ে থাকলে তার জন্য তিনি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত বলেও জানান।ফলে বঙ্গবিভূষণ প্রত্যাহারের পর অনন্ত মহারাজের এই দুঃখপ্রকাশকে ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। এক দিকে তাঁর আগের বক্তব্য, অন্য দিকে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে প্রকাশ্যে ক্ষমাপ্রার্থনাদুই অবস্থান নিয়েই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। এখন এই ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী কোনও আইনি বা প্রশাসনিক পদক্ষেপ হয় কি না, সেদিকেই নজর।

আগস্ট ১৪, ২০২৬
দেশ

গুরুদ্বারের সামনেই সুখবীর বাদলকে কোপ! পেটে হামলার চেষ্টা, রক্তাক্ত প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী

মহারাষ্ট্রের নন্দেদে অকালি দল প্রধান তথা পঞ্জাবের প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী সুখবীর সিং বাদলের উপর আচমকা হামলার অভিযোগ উঠল। বৃহস্পতিবার একটি গুরুদ্বারে যাওয়ার সময় তাঁর উপর ছুরি নিয়ে হামলা করা হয় বলে জানা গিয়েছে। হামলায় হাতে চোট পেয়েছেন সুখবীর বাদল। তাঁকে রক্ষা করতে গিয়ে এক পুলিশকর্মীও আহত হয়েছেন।জানা গিয়েছে, নন্দেদের একটি গুরুদ্বারে যাওয়ার সময় ঘটনাটি ঘটে। গুরুদ্বারের সামনেই আচমকা এক ব্যক্তি সুখবীর বাদলের দিকে এগিয়ে এসে হামলা করার চেষ্টা করেন। অভিযোগ, হামলাকারী তাঁর পেটে আঘাত করার চেষ্টা করেছিলেন। তবে নিরাপত্তারক্ষী এবং পুলিশকর্মীদের তৎপরতায় বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়। হামলার সময় সুখবীর বাদলের হাতে চোট লাগে এবং তিনি রক্তাক্ত হন।ঘটনার পর দ্রুত তাঁকে নন্দেদের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে বলে জানা গিয়েছে। হামলার সময় তাঁর স্ত্রী তথা অকালি দলের সাংসদ হরসিমরত কৌর বাদলও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। ঘটনার পর সুখবীর বাদলকে ধরে নিয়ে যাওয়ার একটি ভিডিয়োও প্রকাশ্যে এসেছে। তাতে তাঁর ডান হাতে কাপড় বাঁধা দেখা যায়।হামলার ঘটনায় এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। তাঁর নাম যশপাল সিং বলে জানা গিয়েছে। তিনি নিহাঙ্গ শিখ বলে সূত্রের দাবি। হামলায় কৃপাণ ব্যবহার করা হয়েছিল বলেও জানা গিয়েছে। যশপাল সিং গত দুই বছর ধরে তখত শ্রী হাজুর সাহিব গুরুদ্বারে কাজ করছিলেন বলে সূত্রের খবর। তবে হামলার প্রকৃত কারণ কী, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।সুখবীর বাদলের উপর এই প্রথম হামলার চেষ্টা নয়। এর আগে ২০২৪ সালের ৪ ডিসেম্বর অমৃতসরের স্বর্ণমন্দিরের বাইরে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর চেষ্টা হয়েছিল। সেই ঘটনায়ও অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান তিনি। ঘটনাস্থল থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।ফলে নন্দেদের এই হামলার পর নতুন করে তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঠিক কী কারণে সুখবীর বাদলকে লক্ষ্য করে হামলা করা হল এবং এর পিছনে অন্য কোনও পরিকল্পনা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
দেশ

ঝাড়খণ্ডে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে আগুন! ছ’শো বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে মামলা, আরও পাঁচশো আটক

সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে ঝাড়খণ্ডে আন্দোলনের আঁচ আরও বাড়ল। গত সোমবার বিধানসভা অভিযানের পর বৃহস্পতিবার ৬০০ বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে ১০০ জনের নাম এফআইআরে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আরও প্রায় ৫০০ বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে বলেও খবর।গত প্রায় ২০ দিন ধরে নিয়োগ পরীক্ষায় স্বচ্ছতার দাবিতে আন্দোলন করছেন ঝাড়খণ্ডের তরুণ প্রজন্ম। রাঁচির জয়পাল সিং মুন্ডা স্টেডিয়ামে জেপিএসসি-জেএসএসসি সংস্কার মঞ্চ-এর ব্যানারে চলছে লাগাতার বিক্ষোভ। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, সরকারি চাকরির একাধিক নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম হয়েছে। তাঁদের দাবি, অভিযোগ ওঠা পরীক্ষাগুলি বাতিল করতে হবে এবং পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে হবে।আন্দোলনকারীরা নিরপেক্ষ তদন্তেরও দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের প্রস্তাব, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অথবা ঝাড়খণ্ডের বাইরের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়ে একটি বিশেষ প্যানেল তৈরি করে অভিযোগের তদন্ত করা হোক। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার বার্তাও দিয়েছেন তাঁরা।সোমবার বিধানসভা অভিযানের সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীদের মিছিল আটকাতে পুলিশ লাঠিচার্জ, জলকামান এবং কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে বলে অভিযোগ। এর পরেই রাজ্য রাজনীতিতে বিষয়টি নিয়ে চাপানউতোর শুরু হয়। পুলিশের পদক্ষেপের প্রতিবাদে বিজেপি রাজ্যজুড়ে বন্ধের ডাক দেয়।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাসও আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়িয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। দাবি পূরণ না হলে অনশনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি ২০২৪ সালে আবগারি কনস্টেবল পদের শারীরিক পরীক্ষায় মৃত্যু হওয়া ১৯ জন চাকরিপ্রার্থীর পরিবারকে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার দাবিও তুলেছেন।এই ইস্যুতে বিজেপির ছাত্র সংগঠনও আন্দোলনে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ এখন শুধু ঝাড়খণ্ডের রাজনীতিতেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, জাতীয় স্তরেও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক চাপ তৈরি হচ্ছে।অন্যদিকে আন্দোলনকারীদের উপর পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে জোট সরকারের শরিক কংগ্রেসের মধ্যেও অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। পুলিশের লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহারের সমালোচনা করেছেন রাহুল গান্ধী। একই সঙ্গে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বিজেপির ছাত্র সংগঠন আন্দোলনকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে সরকারি চাকরির নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে ঝাড়খণ্ডে আন্দোলন ক্রমেই বড় আকার নিচ্ছে। এক দিকে পড়ুয়া ও চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলন, অন্য দিকে পুলিশের মামলা এবং বিরোধীদের চাপসব মিলিয়ে হেমন্ত সোরেন সরকারের উপর রাজনৈতিক চাপও বাড়ছে।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
দেশ

‘আপনারা না পারলে আমরা করে দেখাব’, প্যাকেটজাত খাবার নিয়ে কেন্দ্রকে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের

প্যাকেটজাত খাবারে চিনি, নুন এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ বেশি হলে তার গায়ে স্পষ্ট স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা থাকা উচিতএই বিষয়টি ফের মনে করিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। এ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের গড়িমসি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে শীর্ষ আদালত। এমনকি কর্পোরেট সংস্থাগুলির চাপের কারণে বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্র বা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা নরম মনোভাব দেখাচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নও উঠেছে।একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে কড়া মন্তব্য করেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জে পি পার্দিওয়ালা এবং বিচারপতি কে বিনোদ চন্দ্রনের বেঞ্চ। আদালতের বক্তব্য, বিষয়টির সঙ্গে সরাসরি সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য জড়িত। তাই কোনও শিল্পগোষ্ঠীর চাপের কারণে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত প্রভাবিত হওয়া উচিত নয়।মামলাকারীর পক্ষ থেকে আদালতে অভিযোগ করা হয়, প্যাকেটজাত খাদ্যপণ্যের গায়ে স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা দেওয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিল্পমহলের আপত্তি রয়েছে। সেই কারণেই খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করছে না বলে অভিযোগ করা হয়। মামলাকারীর আইনজীবী আরও জানান, গত ৭ মার্চ খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার বৈঠকে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তা সুপ্রিম কোর্টের আগের নির্দেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে অবশ্য শিল্পমহলের আপত্তির কথা আদালতে জানানো হয়। তাদের প্রস্তাব ছিল, প্যাকেটের গায়ে সরাসরি সতর্কবার্তা না দিয়ে প্রতিদিন কতটা অতিরিক্ত চিনি, নুন বা স্যাচুরেটেড ফ্যাট খাওয়া উচিত, সেই পরিমাণ উল্লেখ করা যেতে পারে।কেন্দ্রের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ব্রিজেন্দর চাহার বিষয়টি আদালতে ব্যাখ্যা করেন। কেন্দ্রের যুক্তি ছিল, সতর্কবার্তা বাধ্যতামূলক করলে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। কারণ, দেশের বহু প্রচলিত খাবারেই ঐতিহ্যগত ভাবে চিনি ও নুনের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি থাকে।কেন্দ্রের এই যুক্তি শুনে আরও কড়া প্রশ্ন করেন বিচারপতিরা। তাঁদের বক্তব্য, সাধারণ মানুষকে সুস্থ রাখার বিষয়টি কি সরকারের অগ্রাধিকার নয়? বিশেষ করে শিশুদের স্বাস্থ্যের সঙ্গে যখন বিষয়টি জড়িত, তখন আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন বলেই মত শীর্ষ আদালতের।আদালত স্পষ্ট করে জানায়, প্যাকেটজাত খাবারে অতিরিক্ত চিনি, নুন এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাটের বিষয়টি জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার এবং খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন। ফলে প্যাকেটজাত খাবারের গায়ে স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা দেওয়ার বিষয়ে আগামী দিনে বড় সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal