• ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩, বুধবার ০৫ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Allegation

রাজ্য

'এসএসসি-র নয়া নিয়োগ পরীক্ষায় ফের দাগিদের সুযোগ', বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

নয় বছর পর আবারও হতে চলেছে স্কুল সার্ভিস কমিশনের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা। কিন্তু পরীক্ষার আগেই উঠছে একাধিক প্রশ্নআসন্ন পরীক্ষা কি সত্যিই হবে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ? আর কি দেখা যাবে না অনিয়ম, কারও চোখের জল? প্রায় ৬ লক্ষ প্রার্থীর ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে এই পরীক্ষার ওপর। তবু রাজনৈতিক মহলে সংশয় কাটছে না।এই পরিস্থিতিতেই আসানসোলে গিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, এখনও ১৫২ জন দাগি প্রার্থীকে অ্যাডমিট কার্ড দেওয়া হয়েছে এবং তাঁরা পরীক্ষায় অংশ নেবেন। যদিও তাঁদের নাম প্রকাশ্যে আনা হয়নি। শুভেন্দুর কথায়, ১৯৫৮ জন দাগি শিক্ষক-শিক্ষিকার মধ্যে ১৮০৬ জনের নাম প্রকাশ করেছে কমিশন। কিন্তু ১৫২ জনকে বাদ রাখা হয়েছে না, বরং তাঁদের পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এ এক প্রহসনের পরীক্ষা। প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে, টাকা নিয়ে কেন্দ্র ঠিক হয়েছে, তৃণমূল নেতারা পুলিশের সহযোগিতায় গোটা প্রক্রিয়াকে ভণ্ডুল করছে। এর ফল কিছুই হবে না, হবে কেবল অশ্বডিম্ব।অন্যদিকে, পরীক্ষা শুরুর ঠিক আগে শনিবার সাংবাদিক বৈঠক করেন এসএসসি চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার। তিনি জানান, এবারের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা মোট ৫ লক্ষ ৬৫ হাজার। এর মধ্যে ৭ সেপ্টেম্বর নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বসবেন ৩ লক্ষ ১৯ হাজার ৯১৯ জন প্রার্থী। আর ১৪ সেপ্টেম্বর একাদশ-দ্বাদশের জন্য বসবেন ২ লক্ষ ৪৬ হাজার জন। প্রথম দিনে গোটা রাজ্যে থাকছে ৬৩৬টি পরীক্ষা কেন্দ্র, দ্বিতীয় দিনে ৪৭৮টি কেন্দ্র।অর্থাৎ, দীর্ঘ বিরতির পর শুরু হতে চলা শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে প্রশাসন আশাবাদী হলেও বিরোধীরা মনে করছে এর মধ্যেও লুকিয়ে আছে অনিয়মের ছাপ

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৫
কলকাতা

"সত্যের জয় হবেই, বাংলায় দুর্নীতি ও হিংসার বিরুদ্ধে আমার লড়াই থামবে না", অভিযোগের পর বিবৃতি রাজ্যপালের

রাজভবনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আসার আগে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠলো। রাজভবনের এক অস্থায় মহিলা কর্মী রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানীর অভিযোগ এনেছেন। যদিও রাজভবনের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে নির্বাচনে ফায়দা তোলার জন্য এমন অভিযোগ করা হয়েছে।রাজভবন থেকে এক বিবৃতিতে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বলেছেন, সত্যের জয় হবেই। আমি কারও চক্রান্তকে ভয় করি না। কেউ যদি আমার নামে কুৎসা করে নির্বাচনী সুবিধা পেতে চায়, ঈশ্বর তাঁদের মঙ্গল করুন। কিন্তু তাঁরা বাংলায় দুর্নীতি ও সহিংসতার বিরুদ্ধে আমার লড়াই থামাতে পারবে না।Truth shall triumph. I refuse to be cowed down by engineered narratives. If anybody wants some election benefits by maligning me, God Bless them. But they cannot stop my fight against corruption and violence in Bengal. Raj Bhavan Kolkata (@BengalGovernor) May 2, 2024এই ঘটনার তৃণমূল কংগ্রেস রেরে করে নেমে পড়েছে। তয়ঁদের বক্তব্য, এই রাজভবনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থাকবেন। রাজ্যপালের বিরুদ্ধে এত বড় অভিযোগ। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখবে কেন্দ্রীয় সরকার।

মে ০২, ২০২৪
রাজ্য

কাউন্সিলরের পদপ্রার্থীর টিকিট বিক্রি ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকায়! মেমারিতে প্রকাশ্য মঞ্চে ভয়ঙ্কর অভিযোগ তৃণমূল নেতার

এত দিন দলের অভ্যন্তরে অভিযোগ উঠছিল টাকা দিয়ে কাউন্সিলরের প্রার্থী হওয়ার টিকিট বিক্রির। এবার প্রকাশ্য মঞ্চে সেই অভিযোগ করলেন তৃণমূলেরই নেতা। টাকার অঙ্ক শুনলে যে কেউ ভিমরি খেতে বাধ্য। তখন মঞ্চে ছিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। ছিল দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। সেই মঞ্চেেই তৃণমূল নেতা দাবি করলেন কোটি টাকার ওপরে কাউন্সিলর পদের টিকিট বিক্রি হয়েছে।শনিবার মেমারি শহর তৃণমূল কংগ্রেস চকদিঘী মোড়ে মেমারি তৃণমূল কংগ্রেসের সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি ফারুক আবদুল্লা টিকিট কেনাবেচার দাবি করে মেমারির এক কাউন্সিলার ও এক নেতার উদ্দেশ্যে চরম হুঁশিয়ারিও দিয়ে রাখেন এই নেতা। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে তৃণমূল নেতার এই দাবি ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহল। শনিবারের ওই মঞ্চে মেমারি শহর তৃণমূলের সভাপতি স্বপন ঘোষাল ছাড়াও অন্য বেশ কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন। মেমারি শহর তৃণমূলের সংখ্যলঘু সেলের সভাপতি ফারুক আবদুল্লা বলেন, সই করতে গেলে ক্লাস টু পাশ কাউন্সিলর নাকি কলম ভেঙে ফেলেন। ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা দিয়ে টিকিট কিনে তুমি কাউন্সিলার হয়েছো। তোমার নেতাও ১কোটি ৪০ লক্ষ টাকা দিয়ে টিকিট কিনেছে। আপনার কথা বলা সাজে না। বেশী কথা বলবেন না। নয়তো আপনার কথা আপনার বুকের মধ্যে চেপে দেব। ফারুক আবদুল্লা যখন প্রকাশ্যে দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ করছেন তখন তার প্রতিবাদ না করে উল্টে মঞ্চে থাকা নেতাদের কেউ কেউ হাততালি দিয়ে ফারুককে সমর্থন জানান।মেমারি শহর তৃণমূল সভাপতি স্বপন ঘোষাল বলেন, ফারুক যখন মঞ্চে বক্তব্য রাখতে ওঠে তখন আমি মঞ্চে ছিলাম। একটু পরেই মঞ্চ থেকে আমি নেমে যাই। তবে ফারুক তৃণমূলের কাউন্সিলর পদ প্রার্থী হওয়ার টিকিট কেনাবেচার যে কথা বলেছে সেটা আমিও শুনেছি।ফারুকের বক্তব্য সমর্থন করি না। কারণ ফারুক দলের সম্পর্কে সঠিক বলেনি। তাই ফারুকের মন্তব্যের বিষয়টি নিয়ে তিনি দলের উচ্চ নেতৃত্বকে জানিয়েছে স্বপন ঘোষাল।

জানুয়ারি ০৮, ২০২৩
সম্পাদকীয়

দুর্নীতির অভিযোগে তোলপাড় শিক্ষাক্ষেত্র, কলেজ-বিশ্ববিদ্য়ালয় স্বজন-পোষণের আঁতুরঘর!

উচ্চমাধ্যমিক, প্রাথমিক, শিক্ষাক্ষেত্রে গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি নিয়োগ নিয়ে এখন দুর্নীতির আর অভিযোগের স্তরে নেই। কিছু ক্ষেত্রে বেআইনি নিয়োগের জন্য চাকরি খোয়াতে হয়েছে। এরইমধ্যে প্রাক্তন সিবিআই কর্তা উপেন বিশ্বাসের বাগদার রঞ্জন ওরফে চন্দন মন্ডলের বিরুদ্ধে সিবিআই এফআইআর করেছে। সে এখন নিপাত্তা। কিন্তু সারা রাজ্যে আর কত রঞ্জন আছে সেটাই এখন মূল বিষয়। তাছাড়া দুর্নীতির চূড়ায় বসে থাকা কর্তা-ব্যক্তিরা তো আছেনই। তবে এটা ঠিক এখন আদালতের নির্দেশে সরকারি চাকরি নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ মান্যতা পাচ্ছে। কিন্তু ৩৪ বছরের বাম আমলেও বিভিন্ন সরকারি পোষিত সংস্থায় নিয়োগে চূড়ান্ত স্বজন-পোষণের অভিযোগ রয়েছে, নিরপেক্ষ তদন্ত করলেই তা-ও স্পষ্ট হবে। মোদ্দা কথা কিছু চাকরি বেআইনি ভাবেই যেন সংরক্ষিত থাকে।বর্ধমান জেলাতেও বেআইনি নিয়োগে প্রাথমিক শিক্ষকদের তালিকায় বেশ কয়েকজনের নাম রয়েছে। তবে বাগদার রঞ্জন-এর ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই এই জেলায় তেমন কোনও ব্যক্তি আছে কীনা তা নিয়ে রীতিমতো চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। তদন্তকারীদের ধারনা রাজ্যের অন্যত্রও এই বেআইনি নিয়োগে অনেকেই যুক্ত থাকতে পারেন। তাঁদের হন্যে হয়ে খুঁজছে সিবিআই। সাধারণ চাকরি প্রার্থীদের বঞ্চিত করে যেভাবে নিয়োগ হয়েছে তা নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছে আম জনতা। তাহলে কী তাদের বরাতে কিছুই জুটবে না? সাধারণ ঘরে জন্ম নেওয়াটাই কী অপরাধ? ভাল চ্যানেল বা অর্থ না থাকলে শুধু যোগ্য়তা দিয়ে চাকরি জুটবে না। এ কেমন গণতান্ত্রিক দেশ!তবে শুধু প্রাথমিক বা মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক স্তরে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠেনি। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় স্তরেও শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে ইতিমধ্যে বিক্ষোভ দেখিয়েছে প্রার্থীরা। ছাত্র ইউনিয়নের অনেকেই এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বা উচ্চপদে রয়েছে। এর আগে কিছু অভিযোগ উঠলেও তা ফাইল বন্দি হয়ে রয়েছে বলে সূত্রের খবর। বাম আমলেও যে কোনও বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজে অধিকাংশ কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে বেনিয়ম হয়তো প্রমানিত হয়নি তবে তদন্ত হলে

জুন ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মহিলা সাইক্লিস্টের ঘরে ঢুকে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা!‌ মারাত্মক অভিযোগ কোচের বিরুদ্ধে

হোটেলের ঘরে ঢুকে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব!। স্ত্রীর মতো আচরণ করার দাবি! জাতীয় কোচের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ তুলেছেন ভারতের এক মহিলা সাইক্লিস্ট। যার অভিযোগের ভিত্তিতে স্লোভেনিয়া থেকে দেশে ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হল ভারতীয় সাইক্লিং দলকে। কড়া চিঠি পাঠানো হয়েছে অভিযুক্ত কোচ আরকে শর্মাকে। এশিয়ান ট্র্যাক সাইক্লিং চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য প্রস্তুতি এবং একটি প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পুরুষ দলের সঙ্গে স্লোভেনিয়া গিয়েছিলেন এক মহিলা সাইক্লিস্ট। স্লোভেনিয়ায় হোটেলে সাইক্লিস্টের ঘরে জোর করে ঢুকে পড়েন কোচ আরকে শর্মা। ঘরে ঢুকে তিনি মহিলা সাইক্লিস্টের বিছানায় শুয়ে পড়েন। জোর করে মহিলা সাইক্লিস্টকে নিজের কাছে টানার চেষ্টা করেন। তখনই তাঁকে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব দেন। অভিযুক্ত কোচ আরকে শর্মা ওই সাইক্লিস্টকে বলেন, তাঁর সঙ্গে স্ত্রীর মতো আচরণ করতে হবে। তিনি ওই সাইক্লিস্টকে স্ত্রী বানাতে চান। বাধা দেওয়ায় সাইক্লিস্টের কেরিয়ার নষ্ট করে দেওয়ার হুমকি দেন তিনি। বলেন, অভিযোগ জানালে কোনও লাভ হবে না।এরপরই মহিলা সাইক্লিস্ট টার্গেট অলিম্পিক পোডিয়াম স্কিমএর সিইও পুস্পেন্দ্র গর্গকে স্লোভেনিয়া থেকে সমস্ত ঘটনা জানান। গর্গ তখনই সাইক্লিস্টকে দেশে ফেরানোর সিদ্ধান্ত নেন। সাইও যোগাযোগ রেখেছিল। মানসিক ভাবে পুরোপুরি ভেঙে পড়েন ওই সাইক্লিস্ট। এরপর মহিলা সাইক্লিস্টকে স্লোভেনিয়া থেকে দেশে ফেরার নির্দেশ দেয় ভারতের সাইক্লিং সংস্থা। স্লোভেনিয়া থেকে ট্রেনিংয়ের জন্য জার্মানি গিয়েছিল ওই সাইক্লিং দল। সেখানে যাওয়ার আগে ১৯ মে অনুশীলনের পর ওই সাইক্লিস্টকে নিজের ঘরে ম্যাসাজ করার জন্য ডেকেছিলেন কোচ আরকে শর্মা। কিন্তু তিনি যাননি। ২৫ মে বিশেষ প্রস্তুতি নিতে ছেলেদের দলের সঙ্গে জার্মানি যাওয়ার কথা ছিল ওই মহিলা সাইক্লিস্টের। প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য কোচ তাঁকে নিয়ে যাননি। জার্মানি থেকে স্লোভেনিয়া ফেরার পরেই চরম বিতর্ক তৈরি হয়। মহিলা সাইক্লিস্টকে স্লোভেনিয়া থেকে আগেই দেশে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এবার গোটা দলকেই দেশে ফেরার নির্দেশ দিয়েছে সাই। কোচ আরকে শর্মাকে তদন্ত কমিটির সামনে বসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জুন ০৮, ২০২২
কলকাতা

বিধাননগরে একাধিক ভুয়ো ভোটারের অভিযোগ বিজেপি প্রার্থীর

বিধাননগর ভোটের শুরুতেই ভুয়ো ভোটারের অভিযোগ বিরোধীদের। লাইনেই রয়েছে বহু ভুয়ো ভোটার। এমনই অভিযোগ বিধাননগর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস জানার।শনিবার ভোটের শুরুতেই দেবাশিস জানা বিএফ কমিউনিটি সেন্টারে ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। তাঁর দাবি, ভোটার লাইনে এক ব্যক্তিকে দেখে তাঁর সন্দেহ হয়। তিনি তাঁকে প্রশ্ন করতে শুরু করেন। খুবই সাধারণ প্রশ্ন, ওই ব্যক্তির বাবার নাম জিজ্ঞাসা করেন দেবাশিস জানা। বিজেপি প্রার্থীর বক্তব্য, ওই ব্যক্তি তাঁর বাবার নামই বলতে পারেননি। বেশি চাপাচাপি করতে তিনি লাইন ছেড়ে বেরিয়ে যান। বিজেপি প্রার্থীর অভিযোগ, লাইনে বহু ভুয়ো ভোটার রয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় বিজেপি এজেন্টদের ভয় দেখানো হচ্ছে বলে অভিযোগ।অন্যদিকে, বিধাননগর ১৮৫ নম্বর বুথেও উত্তেজনা ছড়ায়। বিজেপি প্রার্থী পিয়ালি বসুর অভিযোগ, ভোটকেন্দ্রে অন্য একটি দরজা তালা খোলা অবস্থায় ছিল। তা দেখে তিনি আপত্তি জানান। পরে তালা বন্ধ করা হয়। প্রসঙ্গত, বিধাননগরে অশান্তি এড়াতে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে প্রশাসন।বিধাননগর ভোট যাতে শান্তিপূর্ণ ও অবাধে হয়, তার জন্য শুক্রবারই গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ ছিল হাইকোর্টের। আদালত নির্বাচন কমিশনকে স্পষ্ট করে দিয়েছিল, বিধাননগরের ভোটে কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে, তার দায় থাকবে কমিশনের ওপর। আর তার জবাবদিহি করতে হবে কমিশনারকে। সেক্ষেত্রে এদিনটা কমিশনের কাছেও অনেকটাই চ্যালেঞ্জের বলে মনে করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২২
রাজ্য

দুই কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়ায় পাশবিক, নিষ্ঠুর নির্যাতনের অভিযোগ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গৃহবধূ

বিয়ের পর থেকে গৃহবধূ যে দুটি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন সেই দুটি সন্তানই কন্যা সন্তান। শুধুমাত্র সেই কারণে গৃহবধূর যৌনাঙ্গে রড, লাঠি ঢুকিয়ে নির্মম পাশবিক অত্যাচার চালানোর অভিযোগ উঠলো স্বামীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনা জানাজানি হতেই শনিবার সকাল থেকে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে পূর্ব বর্ধমানের কালনার বাঘনাপাড়ার বিজার গ্রামে। ঘটনা নিয়ে এলাকার অন্য মহিলারা প্রতিবাদে সোচ্চার হতেই গা ঢাকা দিয়েছে গৃহবধূর স্বামী তৌফিক শেখ। গুরুতর জখম অবস্থায় গৃহবধূকে উদ্ধার করে এদিনই কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করেছেন বাপের বাড়ির লোকজন। কালনা থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। শুরু হয়েছে অভিযুক্ত নিষ্ঠুর স্বামীর খোঁজ। স্বামীর এমন নিষ্ঠুরতার নিন্দা করেছে আপামর কালনাবাসী। গৃহবধূর বাবা ভোলা শেখ জানিয়েছেন, ২০১৬ সালে তাঁর মেয়ে শরিফার সঙ্গে বিয়ে হয় কালনার বিজারা গ্রামের যুবক তৌফিক শেখের। বিয়ের পর থেকে তাঁর মেয়ে যে দুটি সন্তানের জন্ম দেয় সেই দুটি সন্তানই কন্যা সন্তান। শরিফা পুত্র সন্তানের জন্ম দিতে না পারায় তার উপর বেজায় চটে যায় জামাই তৌফিক। সে অমানুষিক নির্যাতন শুরু করে দেয় তাঁর স্ত্রী শরিফার উপর। কখনও শরিফার যৌনাঙ্গে রড কিংবা লাঠি ঢুকিয়ে দিয়ে,আবার কখনও যৌনাঙ্গের পাশে সিরিশ কাগজ ঘষে দিত তৌফিক। ভোলা শেখ তাঁর অভিযোগে আরও বলেন, এত অত্যাচার চালিয়েও তাঁর জামাইয়ের নিষ্ঠুর স্পৃহা মিটতো না। সে নিজের স্ত্রীর বুকে পর্যন্ত বেপরোয়া ভাবে মারতো। বেশ কয়েক মাস ধরেই তৌফিক এই ভাবে নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছিল তাঁর স্ত্রী শরিফার উপর। এমনকি শরিফাকে ডিভোর্স দিয়ে অন্য মেয়েকে বিয়ে করেবে বলেও তৌফিক জানায়। শরিফা তাঁর স্মামীর এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রতিবাদে সরব হয়। তার জন্য শরিফার উপর নির্যাতনের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেয় তৌফিক। গলায় দড়ির ফাঁস লাগিয়ে ঝুলিয়ে দিয়ে শরিফাকে প্রাণে মারার চেষ্টাও করে জামাই। এই পরিস্থিতিতে একান্ত নিরুপায় হয়ে গৃহবধূ শরিফা তাঁর স্বামীর নির্যাতনের কথা বাপের বাড়িতে জানায়। গৃহবধূর বাবা সহ বাড়ির অন্যরা শনিবার জামাই তৌফিকের বাড়িতে পৌছান। তাঁরা সেখান থেকে জখম অবস্থায় শরিফাকে উদ্ধার করে কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করে। তারই মধ্যে গা ঢাকা দেয় তৌফিক। গৃহবধূ এখন সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এদিনই গৃহবধূর বাবার বাড়ির লোকজন মৌখিক ভাবে তৌফিকের বিরুদ্ধে পুলিশকে অভিযোগ জানিয়েছেন। ভোলা শেখ বলেন, লিখত ভাবেও তাঁরা জামাই তৌফিকের নির্যাতনের কথা পুলিশের কাছে জানাবেন।গৃহবধূ জানিয়েছে, তিনি পর পর দুটি কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছ এটাই আমার অপরাধ। সেই কারণে আমার স্বামী নিষ্ঠুর অত্যাচার চালিয়ে গিয়েছে। এমনকি প্রাণে মেরে দেওয়ার চেষ্টাও করেছে। নির্যাতন আর সহ্য করতে না পেরে বাপের বাড়িতে স্বামীর কুকীর্তির কথা জানাতে বাধ্য হন, বলে তিনি জানিয়েছেন।কলনা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক(এসডিপিও )সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন, পুলিশের একটি টিম হাসপাতালে গিয়ে গৃহবধূর সঙ্গে কথা বলেছে। ঘটনার বিষয়ে আরও খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। লিখিত অভিযোগ এখনও গৃহবধূর পরিবারের কেউ থানায় জমা দেননি। অভিযোগ পেলে আইন মাফিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
রাজ্য

Uttarpara State General Hospital: হাসপাতালের বাইরের নর্দমায় পড়ে রোগীর আর্ত চিৎকার!

অমানবিক দৃশ্য উত্তরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে। নর্দমায় পড়ে রোগী! হাতে স্যালাইনের চ্যানেল, চিৎকার করছেন, বাঁচাও বাঁচাও করে! এমনই আজব ঘটনা ঘটেছে হুগলির উত্তরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে। রোগীর চিৎকারে ছুটে এসে তাঁকে নর্দমা থেকে উদ্ধার করেন অন্য রোগীর পরিবারের লোকজন।জানা গিয়েছে, উত্তরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন বালি নিমতলা এলাকার এক ব্যক্তি। তাঁর মৃত্যু হলে, এলাকাবাসী দেহ নিতে আসে। হাসপাতালে যখন তাঁরা ঢুকছেন, সেইসময়ই তাঁরা শুনতে পান, কেউ একজন বাঁচাও, বাঁচাও করে চিৎকার করছে।প্রত্যক্ষদর্শী এক যুবক জানিয়েছেন, হাসপাতালের পাশে নর্দমা থেকে সেই চিৎকার আসছিল। চিৎকার শুনে সেখানে গিয়ে দেখি, একজন নর্দমায় পড়ে রয়েছেন। তাঁর হাতে স্যালাইনের চ্যানেল করা। তারপর ওই রোগীকে তুলে নিয়ে আসি আমরা। কর্তব্যরত নার্সকে ডেকে আনি। তাঁকে আবার হাসপাতালের মেল ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।কী করে ওই রোগী নর্দমায় পড়লেন? এ প্রশ্নের কোনও স্পষ্ট উত্তর পাওয়া যায়নি। ওই রোগীর দাবি, তাঁকে নাকি খুনের চক্রান্ত করা হচ্ছে! তাই তাঁকে উপর থেকে ফেলে দেওয়া হয়েছে। যদিও এই দাবি অস্বীকার করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের স্পষ্ট কথা, কেউ ফেলে দেয়নি ওই রোগীকে। কিন্তু কী করে সে হাসপাতালের বাইরে গেল? তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নভেম্বর ১১, ২০২১
রাজ্য

MLA Allegations: তৃণমূল পরিচালিত দুটি গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ দলীয় বিধায়কের

তৃণমূল পরিচালিত দুটি গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনে প্রশাসনের দ্বারস্থ হলেন তৃণমূলেরই বিধায়ক। শুনতে অবাক লাগলেও বাস্তবেই এমনটা ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীতে।এখানকার জাহান্নগর ও দোগাছিয়া পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে ১০০ দিনের কাজে ভূয়ো মাস্টার রোল তৈরি করে দুর্নীতি সহ নানা বিষয়ে অনিয়মের অভিযোগ এনেছেন পূর্বস্থলী উত্তর বিধানসভার বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়। তবে শুধু অভিযোগ আনাই নয়, দুটি গ্রাম পঞ্চায়েতের কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধেই জেলা শাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ পেশ করে বিধায়ক ব্যবস্থা গ্রহনেরও আর্জি জানিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ লর্ডসে বেঙ্গসরকারের অনন্য নজির আজও অমিলযদিও বিধায়কের আনা অভিযোগ সত্য নয় বলে দুটি পঞ্চায়েতের কর্তারা দাবি করেছেন। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, জাহান্নগর ও দোগাছিয়া পঞ্চায়েত দুটি পূর্বস্থলী উত্তর বিধানসভার পূর্বস্থলী ১ ব্লকের অন্তর্ভুক্ত। জেলা শাসক ও জেলাপরিষদের সভাধিপতির কাছে দায়ের করা অভিযোগে বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, জাহান্নগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দাদের কাছ থেকে উচ্চহারে ট্যাক্স নেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও উন্নয়ন কাজের ই-টেন্ডারনা করে এই পঞ্চায়েতে পক্ষপাতিত্ব করা হয়। অন্যদিকে দোগাছিয়া পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে বিধায়কের অভিযোগ, এই পঞ্চায়েত ১০০ দিনের কাজে ভুয়ো মাস্টার রোল তৈরি করে আর্থিক দুর্নীতি করেছে। এই পঞ্চায়েতও উন্নয়ন কাজের ই- টেন্ডার না করে নির্দিষ্ট কয়েকজন ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেয় । বিধায়কের অভিযোগ, পশ্চিম মুদাফরে ১ হাজার লেবারের কাজ না হলেও ৬ হাজার লেবার কাজ করেছে দেখিয়ে টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। এই সকল দুর্নীতি ও অনিয়মের যথাযথ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের কথা প্রশাসনকে জানিয়েছেন বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়।আরও পড়ুনঃ জয় দিয়ে এএফসি কাপ অভিযান শুরু করল এটিকে মোহনবাগানযদিও বিধায়কের এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে জাহান্নগর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সুভাষ ঘোষ বলেন, কেউ বিধায়ককে ভুল বুঝিয়েছেন। তাই তিনি এইসব অভিযোগ আনছে। উনি চাইলে পঞ্চায়েতে এসে যে কোন বিষয়ে সবিস্তার তথ্য নিজে দেখে যেতে পারেন। অপর দিকে দোগাছিয়া পঞ্চায়েতের প্রধান ইলিজা শেখ দাবি করেন, অভিযোগ সত্য নয়। ১০০ দিনের কাজে কোনও দুর্নীতি হয়নি। জেলা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, অভিযোগের বিষয়গুলি তদন্ত করে দেখা হবে।

আগস্ট ১৮, ২০২১
রাজ্য

TMC Murder: খড়দহে তৃণমূল নেতা খুনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

বিজেপি-র ছোড়া গুলিতে এক তৃণমূল নেতা খুন হওয়ার অভিযোগ উঠল উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহে। শুক্রবার রাতের ঘটনা। এই ঘটনার পর থেকেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। চাপানউতর শুরু হয়েছে বিজেপি এবং তৃণমূলের মধ্যে। গভীর রাতে খড়দহে তৃণমূল নেতাকে গুলি করে খুন। মৃত রণজয় শ্রীবাস্তব ব্যারাকপুর লোকসভায় তৃণমূলের হিন্দি সংগঠনের সম্পাদক। এই ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে খড়দহ থানার পুলিশ। টিটাগড় পুরসভার প্রশাসক ও তৃণমূল নেতা প্রশান্ত চৌধুরীর অভিযোগ, খুনের পিছনে বিজেপির হাত রয়েছে। গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ওই যুবকের নাম রণজয় শ্রীবাস্তব। তিনি গাড়ি নিয়ে খড়দহের বিটি রোড ধরে টাটা গেটের দিকে যাচ্ছিলেন। অভিযোগ, তখনই তাঁর গাড়ি ঘিরে ধরে কয়েকজন দুষ্কৃতী। তারপর গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি এবং বোমা ছুড়তে শুরু করে। গুরুতর জখম হন রণজয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসা চলাকালীনই মৃত্যু হয় তাঁর।আরও পড়ুনঃ শুরুতে ধাক্কা সিরাজের, লর্ডসে অ্যাডভান্টেজ ভারতএ নিয়েই রাজনৈতিক তরজা বেধেছে তৃণমূল-বিজেপিদুই দলের মধ্যে। তৃণমূল নেতা প্রশান্ত চৌধুরী এই ঘটনার পিছনে বিজেপিকে দায়ী করেছেন। আবার উল্টো দিকে বিজেপি নেতা অর্জুন সিংয়ের অভিযোগ, পুরোটাই তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। তারই পাল্টা অর্জুন সিং বলেন, প্রশান্ত চৌধুরীর বয়স হয়ে গিয়েছে। এর জন্য কেসটা ঘোরানোর চেষ্টা করছে। পশ্চিমবাংলায় ১৮২ জনের ওপর বিজেপি কর্মী খুন হয়েছে। কালকেই সোদপুরে জয় সাহাকে গুলি করে খুনের চেষ্টা হয়েছে। কাজল সিনহার অনুগামীরা গোষ্ঠী কোন্দলে জড়িয়ে। বিজেপি খুনের রাজনীতি করেনি। এটা পুরোপুরি ওদের গোষ্ঠীকোন্দলের লড়াই। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, খড়দহের বাগদিপাড়া এলাকায় তাঁকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। মোট চার রাউন্ড গুলি চলে।

আগস্ট ১৪, ২০২১
কলকাতা

BJP woman Leader: বেপরোয়া গাড়ির ধাক্কায় জখম বিজেপি নেত্রী

প্রাতঃভ্রমণ করতে গিয়ে গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত হন এক বিজেপি নেত্রী। বৃহস্পতিবার সকালে হাওড়া ডুমুরজলায় এই ঘটনা ঘটে। তাঁকে ইচ্ছাকৃতভাবে ধাক্কা মারা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিজেপির রাজ্য মহিলা মোর্চার সদস্য প্রিয়াঙ্কা শর্মা। আরও পড়ুনঃ ধর্মঘটে ন্যাশনাল মেডিক্যালের গ্রুপ ডি কর্মীরাবৃহস্পতিবার ভোর ৫টা নাগাদ, হাওড়ার দাসনগরের বাসিন্দা বিজেপি নেত্রী প্রিয়াঙ্কা শর্মা ডুমুরজলার রিং রোডে এক সঙ্গীর সঙ্গে যখন প্রাতঃভ্রমণ করছিলেন, সেই সময়ে হঠাৎই একটি কালো রঙের আইটেন গাড়ি দ্রুতগতিতে এসে পিছন থেকে তাঁকে ধাক্কা মারে। বিজেপি নেত্রীর দাবি, তিনি রাস্তার ধার দিয়েই হাঁটছিলেন, তাঁকে পিছন থেকে এসে ধাক্কা মারে গাড়িটি। ছিটকে রাস্তায় পড়েন তিনি। অভিযোগ, ইচ্ছাকৃতভাবে পর পর দুবার গাড়িটি তাঁকে ধাক্কা মেরে দ্রুতগতিতে চম্পট দেয়। আশেপাশে থাকা অন্য প্রাতঃভ্রমণকারীদের সাহায্যে তিনি হাসপাতালে যান। ডান হাতে ও পায়ে চোট লেগেছে তাঁর। স্থানীয় চ্যাটার্জিহাট থানায় ঘটনার বিবরণ দিয়ে অভিযোগ জানান প্রিয়াঙ্কা। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনাটি ইচ্ছাকৃত, নাকি দুর্ঘটনা তা জানতে এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেছে পুলিশ।

জুলাই ১৫, ২০২১
রাজ্য

নির্যাতিতাদের অভিযোগ নথিভুক্ত করল জাতীয় মহিলা কমিশন

হাইকোর্টের নির্দেশে রাজ্যে ভোটপরবর্তী হিংসায় অত্যাচারিতদের সঙ্গে কথা বলা শুরু করেছে জাতীয় মহিলা কমিশন। অত্যাচারিতদের সঙ্গে কথা বলতে সোমবার বর্ধমান সার্কিট হাউসে আসেন মহিলা কমিশনের সদস্য রাজুলবেন এল দেশাই ও তাঁর টিম ।পূর্ব বর্ধমান জেলা ছাড়াও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম ও নদিয়া থেকেও নির্যাতিতরা বর্ধমান সার্কিট হাউসে এদিন হাজির হয়েছিলেন। সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৩টে পর্যন্ত তিনি মোট ১৭২ জনের সঙ্গে কথা বলেন । অত্যাচারিতদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের অভিযোগ, ফোন নম্বর, ঠিকানা কমিশনের সদস্যরা নথিবদ্ধ করেন। আরও পড়ুনঃ দত্ত কুলোদ্ভব কবি শ্রীমধুসূদনএদিকে অভিযোগ নথিভুক্তকরণ চলার মাঝেই কয়েকজন অত্যাচারিতা কমিশনের কাছে অভিযোগ করেন, জাতীয় মহিলা কমিশনের কাছে অভিযোগ জানাতে চাওয়ায় তাঁদের নানারকমভাবে বাধা দেওয়া হচ্ছ পুলিশের তরফে। এমন অভিযোগ পাওয়ার পরই সার্কিট হাউসের ঘর থেকে বাইরে বেরিয়ে এসে পুলিশ কর্তাদের সামনে হাজির হন রাজুলবেন এল দেশাই । স্থানীয় পুলিশ আধিকারিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমার তো মনে হচ্ছে কোনও না কোনওভাবে তাঁদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আপনারা শুধু নজরদারি করুন। এই বিষয়ে পুলিশ সুপার কামনাশীস সেনের যদিও দাবি, পুলিশ কাউকে আটকায়নি। তবে কোভিড-বিধি মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে । মহিলা কমিশনের সদস্য রাজুলবেন এল দেশাই আরও বলেন, অত্যাচারিতদের বক্তব্য শোনা হচ্ছে। এটা গোপন ব্যাপার। হাইকোর্টে এর রিপোর্ট জমা করতে হবে।

জুন ২৯, ২০২১
রাজ্য

তৃতীয় দফার ভোটযুদ্ধে বিক্ষিপ্ত অশান্তি তিন জেলায়

বঙ্গে শুরু হয়ে গিয়েছে ভোটযুদ্ধ। বিক্ষিপ্ত অশান্তির মধ্যে দিয়ে শেষ হয়েছে দুদফার মোট ৬০ আসনের ভোটগ্রহণ পর্ব। আজ তৃতীয় দফায় দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হুগলি, হাওড়া এই তিন জেলার মোট ৩১ আসনে ভোটগ্রহণ। ভাগ্য নির্ধারণ বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট প্রার্থীর। সকাল থেকে ভোটের লাইনে উৎসাহী জনতার ভিড়। পাল্লা দিয়ে ভোট শুরুর পর থেকেঈ নানা অশান্তির খবর আসতে শুরু করেছে। অভিযোগ, তৃণমূল-বিজেপি উভয়পক্ষের। আসুন দেখে নেওয়া যাক কোথায় কোথায় অশান্তির পারদ চড়ছে।সকাল ৫.৫০: উলুবেড়িয়া উত্তরের তুলসিবেড়িয়ায় তৃণমূল কর্মীর বাড়ির সামনে থেকে ইভিএম। ভোট লুটের চেষ্টা করছিলেন গৌতম ঘোষ নামে ওই কর্মী, অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। এ নিয়ে চূড়ান্ত উত্তেজনা এলাকায়। ঘটনার খবর পেয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।সকাল ৬: ভোট শুরুর আগেই হুগলির গোঘাটে বিজেপি কর্মীর মাকে খুনের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। নিহতের নাম মাধবী আদক। ছেলে বীরুর উপর দুষ্কৃতীরা হামলা চালালে, ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হন মা। ব্যাপক মারধরের অভিযোগ ওঠে। তাতেই মাধবীদেবীর মৃত্যু হয় বলে দাবি বিজেপির। অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। সকাল ৬.১৬: ক্যানিং পশ্চিমের হিঞ্চেখালি গ্রামে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে ঢুকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ। ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি তিনি।সকাল ৬.৩০: ক্যানিংয়ের জীবনতলার হেদিয়া গ্রামে আইএসএফ এজেন্টকে বুথে যেতে বাধাদানের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ক্যানিং পূর্ব কেন্দ্রের অন্তর্গত দুর্গাপুরের ১২৭ নং বুথের ঘটনা। আইএসএফ-তৃণমূলের হাতাহাতিতে হেদিয়া গ্রামে চলল গুলি। ভোট শুরুর আগেই আতঙ্ক এলাকায়।সকাল ৬.৫৪: বাগনানে তৃণমূলের বুথ সভাপতির উপর হামলার অভিযোগ। ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ মারা হয় তাঁকে। জখম হয়ে উলুবেড়িয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি তিনি। অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে।সকাল ৭.০২: ভোট শুরুর আগে রাজনৈতিক অশান্তি হাওড়ার জগৎবল্লভপুরে। ১৮৮ নং বুথে বিজেপি ও আইএসএফ এজেন্টদের বসতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে।সকাল ৭.০৮: ক্যানিংয়ে আক্রান্ত বিজেপি কর্মী। তাঁর পায়ে গুলি লেগেছে। ভর্তি হাসপাতালে। কাঠগড়ায় তৃণমূল।সকাল ৭.১৭: মগরাহাট পশ্চিম কেন্দ্রের আইএসএফ প্রার্থীকে বুথে ঢুকতে বাধাদানের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। নেত্রা হাইস্কুলের বুথের বাইরেই বসে বিক্ষোভ প্রার্থী মইদুল ইসলামের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২ ঘণ্টা বুথে বসতে পারলে আমি কেন পারব না? প্রশ্ন মইদুলের। তাঁর অভিযোগ, ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে। সকাল ৭.২৮: বাগনানের দেউলটিতে বুথের বাইরে অতিরিক্ত জমায়েত। তা হঠাতে লাঠি উঁচিয়ে তাড়া কেন্দ্রীয় বাহিনীর। বুথের বাইরে উত্তেজনা। সকাল ৭.৩৫: তুলসিবেড়িয়ায় তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে ইভিএম উদ্ধারের ঘটনায় কড়া নির্বাচন কমিশন। সেক্টর অফিসারকে সাসপেন্ড। ৪ টি ইভিএম ব্যবহার করা যাবে না, জানাল কমিশন। রিপোর্ট তলব করলেন ডেপুটি কমিশনার সুদীপ জৈন।সকাল ৭.৪১: দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুর বিধানসভার অন্তর্গত কুলেরদাঁড়ি অঞ্চলের ১০৭ বুথে বিরোধী এজেন্টদের বসতে দিচ্ছে না বলে অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভোটের আগে রাত থেকে চলছে বাড়ি ভাঙচুর, মারধর, খুনের হুমকি।সকাল ৭.৪৪: তারকেশ্বরের রামনগরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ। ভোটের আগের রাতে এক নাবালিকাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ ২ জওয়ানের বিরুদ্ধে। তাকে ধরে গণপিটুনি উত্তেজিত জনতার। ভোরে থানায় গিয়ে অভিযোগ জানান স্থানীয়রা। কিন্তু থানা অভিযোগ গ্রহণ না করায় ফের বিক্ষোভ জনতার।সকাল ৭.৫৫: ক্যানিংয়ের তালদির কুমোরখালির বুথে ইভিএম বিভ্রাট। কুলতলির ২৩৮, ২৩৮এ, ২৩৯ বুথে রাত থেকে বিদ্যুৎ বিভ্রাট, শুরু হয়নি ভোট। সকাল ৮.০১: উলুবেড়িয়া দক্ষিণের বিজেপি তারকা প্রার্থী পাপিয়া অধিকারীকে বুথে ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। সেখানে দাঁড়িয়ে জওয়ানদের সঙ্গে বচসায় জড়ালেন তিনি। পরে বুথে থাকা তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গেও বাকবিতণ্ডা হয় তাঁর।সকাল ৮.১০: ভোটের দিনই বাসন্তীর সোনাখালিতে উদ্ধার ২ ড্রাম বোমা। এলাকায় উত্তেজনা।সকাল ৮.১৭: রায়দিঘি বিধানসভার উত্তর কুমড়োপাড়া ২১৩ ও ২১৪ নং বুথের ৬০ মিটারের মধ্যে ক্যাম্প করে ভোটারদের প্রভাবিত করছে বিজেপি, অভিযোগ তৃণমূলের। সকাল ৮.৩৬: তারকেশ্বরের ১৪ নং বুথে বিজেপি প্রার্থী স্বপন দাশগুপ্তকে ঘিরে জয় বাংলা স্লোগান কয়েকজন যুবকের। এ নিয়ে সাময়িক উত্তেজনা। পুলিশের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি আয়ত্তে আসে।সকাল ৮.৪৯: বারুইপুর পূর্বের বেলাগাছি, কানাপাড়ায় উত্তেজনা। ভোটারদের ভোটদানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ। তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেতেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোটারদের অভয়বার্তা বাহিনীর জওয়ানদের।সকাল ৯.১৭: মগরাহাট পশ্চিম কেন্দ্রের লক্ষীকান্তপুরের চৌকিতলায় বিজেপির বিরুদ্ধে বোমাবাজির অভিযোগ তৃণমূলের। সাতগাছিয়া বিধানসভার ২০৫ ও ২০৬ নম্বর বুথে বিজেপির অভিযোগ, তাদের কর্মীদের মারধর করে তৃণমূল। ৫ জন আহত হন। সাতগাছিয়া বিধানসভার নোদাখালির আইমা এফপি স্কুলের বুথে বোমাতঙ্কও হয়েছে। সকাল ৯.৩৫: হাওড়ার শ্যামপুরে ১৭৩ নং বুথে তৃণমূলের ক্যাম্প ভাঙচুরের অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে। সকাল ১০.০৮: ডায়মন্ড হারবারের পূর্ব দাগিরায় ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ। তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললেন বিজেপি প্রার্থী দীপক হালদার।সকাল ১০.১৯: হাওড়ার জগৎবল্লভপুরে ফের অশান্তি। বিজেপি কর্মীর বাড়িতে ঢুকে হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মহিলাদেরও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।সকাল ১০.২৬: তারকেশ্বর টাউনের ২৬০ নম্বর বুথে বিজেপি এজেন্ট পাপ্পু সিংকে বুথ থেকে সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ টাউন তৃণমূলের চেয়ারম্যান স্বপন সামন্তের বিরুদ্ধে। দুপক্ষের মধ্যে বচসা।

এপ্রিল ০৬, ২০২১
রাজ্য

কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে ভোটারদের মারধরের অভিযোগ

হিংসা শুরু হয়েছিল বুধবার রাত থেকেই। বৃহস্পতিবার সকালে দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ শুরু হওয়া ইস্তক পশ্চিম মেদিনীপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে রাজনৈতিক সংঘর্ষের খবর আসতে শুরু করেছে। যদিও ভোটদানের হার বলছে, রক্তপাত এবং সংঘর্ষও প্রভাব ফেলতে পারেনি গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের উৎসাহে। বিকেল ৫ টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৮০ শতাংশেরও বেশি। পাশের জেলা পূর্ব মেদিনীপুরেও একই ছবি।খড়গপুর সদরে কেন্দ্রীয় বাহিনী এমনকি রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে ভোটারদের মারধরের অভিযোগ তোলেন তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক প্রদীপ সরকার। তাঁর অভিযোগ, বিনা প্ররোচনায় ভোটদাতাদের বাধা দেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে খড়গপুর সদর থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। প্রদীপ বলেন, অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া না হলে আমি থানার সামনে ধর্নায় বসব।তাৎপর্যপূর্ণভাবে, দাসপুর বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী প্রশান্ত বেরাকে কুলটিকরি বোর্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২২৫ এবং ২২৬ নম্বর বুথে ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। দাসপুরের সোনামুই এলাকার ২৬৬ নম্বর বুথে পতাকা ছেঁড়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ হয়। তবে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় সবচেয়ে বড় ঘটনাটি ঘটেছে কেশপুরে। সেখানে বুধবার রাতে এক তৃণমূল কর্মীকে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছিল। রাত ১১টা নাগাদ কেশপুর ব্লকের ৪ নম্বর অঞ্চলের অন্তর্গত দাদপুর গ্রামের হরিহর চক বুথ এলাকায় তৃণমূল কর্মী উত্তম দলুইকে ছুরি মেরে খুন করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে কেশপুরে পৃথকভাবে হামলা হয়েছে বিজেপি প্রার্থী প্রীতিশরঞ্জন কুঁয়ার এবং তাঁর নির্বাচনী এজেন্ট তন্ময় ঘোষের উপর। তাঁদের গাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি আক্রান্ত হয়েছে সংবাদমাধ্যমও। সেখানে হামলার অভিযোগে ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলার পুলিশ সুপার দীনেশ কুমার। অন্যদিকে, কেশপুরের তৃণমূল প্রার্থী শিউলি শাহার নির্বাচনী এজেন্ট হাবিবুর রহমানকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তাঁকে কেশপুর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।বিজেপি সূত্রের খবর, স্থানীয় বাঁকাবর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বুথে গন্ডগোলের খবর পেয়ে যাচ্ছিলেন প্রীতীশ। সে সময় গুণহারা অঞ্চলে তাঁর গাড়িতে হামলা চালায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। যদিও তৃণমূলের দাবি, বিজেপি-র গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণেই এই ঘটনা। ওই ঘটনার আগে বেলেরা এলাকার ১৭৩ নম্বর বুথে প্রীতিশরঞ্জনের নির্বাচনী এজেন্ট তন্ময় ঘোষের গাড়ি ভাঙচুর এবং বিজেপি মহিলা এজেন্টকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। তবে প্রীতিশ বা তন্ময়ের আঘাত লাগেনি। আবার তৃণমূলের তরফে কেশপুরের বিলাসবাড়ের ২৩৫ নম্বর বুথ বিজেপি কর্মীরা কেন্দ্রীয় বাহিনীর মদতে দখল করেছে বলে অভিযোগ তোলা হয়।পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরা বিধানসভার শানরপুর, জালিবান্দা পূর্ব, জালিবান্দা পশ্চিম এবং রাধাকান্তপুর থেকে বিজেপি-তৃণমূল গন্ডগোলের খবর এসেছে। ডেবরার বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষের বিরুদ্ধে টাকা বিলির অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। রাধাকান্তপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তাঁকে ঢুকতে কেন্দ্রীয় বাহিনী বাধা দিয়েছে বলে অভিযোগ তৃণমূল প্রার্থী হুমায়ুন কবীরের। আবার ডেবরার বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষ তৃণমূলের বিরুদ্ধে চকমানু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বুথে গিয়ে ভোটদাতাদের স্যানিটাইজার দেওয়ার নাম করে প্রভাবিত করার চেষ্টার অভিযোগ তুলেছেন। পিংলা বিধানসভার জলচকে তৃণমূলের প্রতীকে এবং পাইকান বুথে বিজেপির প্রতীকে কালি লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। নিশ্চিন্তা ও কাওয়াগেড়িয়া বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ তুলেছেন পিংলার তৃণমূল প্রার্থী তথা দলের জেলা সভাপতি অজিত মাইতি।

এপ্রিল ০১, ২০২১
কলকাতা

নিমতায় শোভারানির ডেথ সার্টিফিকেট নিয়ে প্রশ্ন তৃণমূলের

বৃদ্ধা শোভারানি মজুমদারের মৃত্যুকে সামনে রেখে ভোট রাজনীতি করছে বিজেপি, অভিযোগ তৃণমূলের। এমনকী, বৃদ্ধাকে দেওয়া ডেথ সার্টিফিকেটে তাঁর মৃত্যুর যে কারণ বর্ণনা করা হয়েছে, তারও কোনও ভিত্তি নেই বলে সাংবাদিক বৈঠক করে জানালেন তৃণমূলের দুই চিকিৎসক রাজনীতিবিদ কাকলি ঘোষদস্তিদার এবং শশী পাঁজা।বিতর্কের কেন্দ্রে যে ডেথ সার্টিফিকেট সেটি লিখেছেন বিজেপির উত্তর দমদমের প্রার্থী, পেশায় চিকিৎসক অর্চনা মজুমদার। তৃণমূলের প্রশ্ন, বিষয়টি যেখানে তদন্তাধীন, তখন তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কী করে ডেথ সার্টিফিকেট লিখলেন অর্চনা? ডেথ সার্টিফিকেটে শোভারানির মৃত্যুর কারণ হিসাবে লেখা হয়েছে শরীরের অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণের কথা। তৃণমূলের সাংসদ কাকলি এবং রাজ্যের মন্ত্রী শশী জানতে চেয়েছেন, ময়নাতদন্ত না করে শুধু মৃতদেহ দেখে কী ভাবে এমন মন্তব্য করলেন অর্চনা। পেশাদার চিকিৎসক হিসেবে তাঁর এই আইনি সমস্যাগুলি জানার কথা। তৃণমূল ভবনে এ দিন সাংবাদিক বৈঠক করে দুজনে বলেন, ডেথ সার্টিফিকেটের নীচে নিজের প্রার্থিপদের কথাও উল্লেখ করেছেন অর্চনা। অর্থাৎ এই মৃত্যুকে ব্যবহার করে যে বিজেপি তার প্রার্থীকে জেতাতে চাইছে তা স্পষ্ট। কাকলি বলেন, এটা বিজেপির ট্রেডমার্ক। আর এই বিষয়ে সমর্থন আসছে একেবারে সরাসরি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছ থেকে। অমিত শাহকে কটাক্ষ করে কাকলি বলেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের মন্ত্রী হিসেবে তিনি জানেন, কোনও মামলা তদন্তাধীন হলে তা নিয়ে মন্তব্য করা যায় না। তারপরও কী ভাবে তারই দলের প্রার্থী এমন মন্তব্য করল তা ভেবে আমরা তাজ্জব হয়ে যাচ্ছি।উল্লেখ্য, নিমতার বিজেপি কর্মী গোপাল মজুমদার এবং তাঁর ৮৫ বছরের বৃদ্ধা মা শোভারানি মাস খানেক আগে নিজের বাড়িতেই আক্রান্ত হয়েছিলেন। রবিবার ভোর রাতে মৃত্যু হয় শোভারানির। তারপর সোমবার দিনভর ভোটের বাংলা সরগরম রইল শোভারানির মৃত্যু নিয়েই। প্রথমে এই ঘটনায় শোক প্রকাশ করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তারপর একে একে বিজেপির শীর্ষ নেতা জেপি নযড্ডা, এমনকী, বাংলায় বিজেপি-র সহ পর্যবেক্ষক অমিত মালব্যও এই মৃত্যু নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করে টুইট করেন। প্রসঙ্গত বৃদ্ধা শোভারানির আক্রান্ত চেহারার ছবি সংবাদমাধ্যম ও সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরে বিস্তর চর্চা হয়। বিজেপি অভিযোগ করেছিল, তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের হাতেই আক্রান্ত হয়েছেন বৃদ্ধা। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূল। তারা ওই বৃদ্ধার পরিবারের সদস্যদের ভিডিও দিয়ে নেটমাধ্যমে দাবি করে, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল যুক্ত নয়। যদিও বৃদ্ধার মৃত্যুর পরে টুইট করে ফের তৃণমূলকেই দায়ী করে বিজেপি। সোমবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠক করে পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানাল তৃণমূলও। পেশায় চিকিৎসক শশী পাঁজা বলেন, যে কোনও মৃত্যু দুঃথজনক। কিন্তু যেটা বিস্ময়কর তা হল সার্টিফিকেটে অর্চনা মজুমদার ওই বৃদ্ধাকে সুস্থ বলে মন্তব্য করেছেন। আবার অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণের কথাও বলেছেন। একজন সুস্থ মানুষের অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হয় কী করে?

মার্চ ২৯, ২০২১
কলকাতা

কুটিল চিত্রনাট্য ছিল নন্দীগ্রামে, সরব তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী

বর্তমানের পরে এ বার প্রাক্তন। প্রায় দেড় দশক আগে নন্দীগ্রামে এবং সিঙ্গুরের জমি রক্ষা আন্দোলনের পিছনে কুটিল চিত্রনাট্যের অভিযোগ তুললেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। সিঙ্গুর এবং নন্দীগ্রামে জমি রক্ষা আন্দোলনের পিছনে চক্রান্ত, তার জেরে রাজ্যের যুবসমাজের কর্মসংস্থানের সুযোগ হাতছাড়া হওয়া নিয়ে সোমবার এ বিষয়ে একটি লিখিত বিবৃতি দিয়েছেন বুদ্ধ। তৃণমূল এবং বিজেপি-কে দুষে লিখেছেন, নন্দীগ্রাম, সিঙ্গুরে এখন শশ্মানের নীরবতা। সে সময়ের কুটিল চিত্রনাট্যের চক্রান্তকারীরা আজ দুভাগে বিভক্ত হয়ে পরস্পরের বিরুদ্ধে কাদা ছোড়াছুড়ি করছে। কর্মসংস্থানের সুযোগ হারিয়েছে বাংলার যুব সমাজ।পাশাপাশি, দেড় দশক আগে বামফ্রন্টের স্লোগানের প্রসঙ্গ তুলে বুদ্ধ লিখেছেন, বামফ্রন্ট সরকারের সময় থেকেই যে অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক ভাবনা আমরা রাজ্যের মানুষকে বলার চেষ্টা করেছি, তা হল কৃষি আমাদের ভিত্তি-শিল্প আমাদের ভবিষ্যৎ। আমরা সেই পথ ধরেই এগিয়েছি। ঘটনাচক্রে, নন্দীগ্রামের জমি রক্ষা আন্দোলনে পুলিশের গুলি চালানোর ঘটনা নিয়ে রবিবার রেয়াপাড়ায় তৃণমূলের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুষেছিলেন শিশির এবং শুভেন্দু অধিকারীকে। ২০০৭ সালের ১৪ মার্চ বাপ-ব্যাটার অনুমতি নিয়েই পুলিশ নন্দীগ্রামে অভিযান চালিয়েছিল বলে অভিযোগ করেছিলেন তিনি। এমনকী, হাওয়াই চটি-পরা পুলিশ ঢোকানোর দায়ও মমতা চাপিয়ে দেন তাঁদের ঘাড়ে। তবে স্থানের উল্লেখ করেও সরাসরি কাল এবং পাত্রের নাম না করেননি সে সময়ের পুলিশমন্ত্রী বুদ্ধ। ২০০৭ সালে ১৪ মার্চের পুলিশের গুলিতে ১৪ জনের মৃত্যু কিংবা নভেম্বরের সূর্যোদয় (নন্দীগ্রামে সিপিএমের পুনর্দখল) প্রসঙ্গ নিয়েও কিছু বলেননি। রবিবার মমতার মন্তব্যের পরেই নন্দীগ্রামে গুলিচালনার ঘটনা নিয়ে নেটমাধ্যমে প্রচারে নামে সিপিএম। তাদের বক্তব্য, তৎকালীন বিরোধী নেত্রী স্বীকার করে নিলেন যে, ওই ঘটনা তৃণমূলের চক্রান্ত ছিল! কারণ, শিশির-শুভেন্দু এবং মমতা তিনজনেই তখন বিরোধী তৃণমূলে ছিলেন। বুদ্ধ অবশ্য এর আগেও নন্দীগ্রামের ঘটনার (পুলিশি গুলিচালনা) পিছনে চক্রান্ত আছে বলে অভিযোগ তুলেছিলেন। পরবর্তী কালে নন্দীগ্রামে পুলিশি অভিযানে গ্রামবাসীদের মৃত্যু নিয়ে দুঃখপ্রকাশও করেছিলেন তৎকালীন পুলিশমন্ত্রী।

মার্চ ২৯, ২০২১
রাজ্য

রাজ্যের আবেদন খারিজ, আমফানের দুর্নীতির ঘটনায় তদন্তে ক্যাগই, নির্দেশ হাইকোর্টের

আমফান দুর্নীতি মামলার অডিট করবে ক্যাগ। প্রসঙ্গত , দুদিন আগেই কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল আমফানের ত্রাণে কোনও দুর্নীতি হয়েছে কিনা, তার তদন্ত করবে ক্যাগ। সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন জানিয়েছিল। শুক্রবার রাজ্যের সেই আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। সেখানে রাজ্য সরকারের আইনজীবী কিশোর দত্ত বলেন, আমফান ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত মামলায় রাজ্যের আরও কিছু বক্তব্য রয়েছে। সেগুলো শোনা হোক। আদালত জানিয়ে দিয়েছে, এই ব্যাপারে রাজ্য সরকারকে আর সময় দেওয়া যাবে না। রাজ্যের যদি এরপরেও কিছু বলার থাকে, তাহলে তারা সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে। আরও পড়ুন ঃ আদর্শের জন্য লড়াই চলবে, সভায় জানালেন শুভেন্দু গত ১ ডিসেম্বর কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ এক নির্দেশে জানায়, এখনও পর্যন্ত আমফান ঝড়ে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে ক্যাগকে তিন মাসের মধ্যে রিপোর্ট দিতে হবে। পাশাপাশি ক্যাগেকে সমস্ত রকমের সহযোগিতা করার জন্য রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ৷ প্রসঙ্গত, ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণবণ্টন নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে, এই মর্মে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কৃষক সংগঠন। মামলা করেন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংও। গত মঙ্গলবার সবকটি মামলার একত্রে শুনানি হয় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
কলকাতা

আমফানের ত্রাণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ, ক্যাগ তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

আমফানের দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ক্যাগকে তদন্ত করার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালত বলেছে, কাদের ত্রাণ পাওয়ার কথা অথচ পাননি, কেন পাননি, কোন প্রক্রিয়ায় ত্রাণ বিধ্বস্ত এলাকায় ত্রাণ বন্টন হয়েছিল , প্রকৃ্ত ক্ষতিগ্রস্তরা যদি ত্রাণ না পেয়ে থাকেন , তাহলে তারা কেন পাননি - এই সমস্ত বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ রিপোর্ট আগামী তিন মাসের মধ্যে আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ক্যাগকে। বিচারপতি টিবিএন রাধাকৃষ্ণণ ও অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দেয়। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূল নেতৃ্ত্বকে কদর্য ভাষায় আক্রমণ বিজেপি সাংসদের এই ব্যাপারে মঙ্গলবার চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, দুর্নীতি বলছেন কেন? বলুন হাইকোর্ট রিপোর্ট চেয়েছে। প্রসঙ্গত, ঘূর্ণিঝড় আমফানে ক্ষতিগ্রস্তদের ২০ হাজার টাকা করে সাহায্যের কথা ঘোষণা করেছিল রাজ্য সরকার। তবে অভিযোগ উঠেছিল ক্ষতিপূরণের সেই টাকা আসল ক্ষতিগ্রস্তদের বদলে শাসক দলের নেতা-কর্মীদের পকেটে ঢুকেছে। সেই অভিযোগেই কলকাতা হাইকোর্টে একটি মামলা দায়ের হয় । সেই মামলায় রাজ্য সরকারের কাছে বারবার আমফানে ক্ষতিগ্রস্তদের কীভাবে টাকা বণ্টন করা হচ্ছে, তা জানতে চেয়ে হলফনামা জমা দিতে বলে আদালত। তবে, রাজ্য সরকারের তরফে এনিয়ে কোনও উচ্চবাচ্চ্য করা হয়নি ৷ তারপরেই আজ আদালতের তরফে ক্যাগকে তদন্তভার দেওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
রাজ্য

খেজুরিতে বিজেপি কর্মীদের উপর বোমাবাজি ও গুলির অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি থানার খেজুরি ২ দক্ষিণ মণ্ডলের বোগা মোড়ে বিজেপির তরফে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে জমায়েত করেন বিজেপি কর্মীরা। কিছুক্ষণ পরেই হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশ্যে বোমা ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। এছাড়াও গুলিও চলে। আরও পড়ুন ঃ টুইটে করে ফের রাজ্যের পাওনার দাবিতে সরব ডেরেক অভিযোগ, একের পর বিজেপি কর্মীদের বাইকে ভাঙচুর চালায় অভিযুক্তরা। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যায় খেজুরি থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় আয়ত্তে আসে পরিস্থিতি। বিজেপির অভিযোগ, এই হামলার নেপথ্যে রয়েছে শাসকদলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। বিজেপি কর্মীদের ভয় দেখাতেই এই হামলা। যদিও অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলেই দাবি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বে। তাদের দাবি, এটা বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্ধের ফল।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
রাজ্য

বিজেপি যুব মোর্চার কর্মীদের উপর হামলা , অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

ফের বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে হালিশহর মহাশ্মশানে। এই ঘটনায় বিজেপি যুব মোর্চার দুজন সদস্য আক্রান্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ , হালিশহর শ্মশানে এক বৃদ্ধের মৃতদেহ দাহ করতে এসে তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের হাতে এই দুই বিজেপি কর্মী আক্রান্ত হন। আহত বিজেপি কর্মীদের নাম শান্তনু গাঙ্গুলি ও সুকান্ত গাঙ্গুলি। শ্মশানে তাঁদের ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ। আহত হয়ে দুজনই আপাতত কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালে ভরতি রয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে খবর, শুক্রবার গভীর রাতে এক বন্ধুর বাবার শেষকৃত্যের জন্য শ্মশানে গিয়েছিলেন সুকান্ত ও শান্তনু। আরও পড়ুন ঃ দলের মহিলা কর্মীকে কুপ্রস্তাব, তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে এফআইআর অভিযোগ, সেখানেই তাঁদের উপর হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, রাতে তৃণমূল আশ্রিত গুন্ডাবাহিনীর প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন আমাদের উপর আচমকা চড়াও হয়ে মারধর শুরু করে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। আমরা বিজেপি যুব মোর্চার সদস্য, সেটাই আমাদের অপরাধ।এদিকে এই ঘটনায় শনিবার দুপুরে নদীয়ার কল্যাণী জওহরলাল নেহরু মেমোরিয়াল হাসপাতালে জখম বিজেপি কর্মীদের দেখতে যান ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং । তিনি বলেন, তৃণমূলের পায়ের তলার মাটি সরে গেছে । জনসমর্থন নেই। তাই আমাদের নিরীহ কর্মীদের উপর হামলা করছে। তৃণমূলের সরকার আর বেশিদিন নেই। এভাবে মারধর করে বিজেপির জয় আটকাতে পারবে না। পুলিশকে বলে লাভ হবে না। বাঁচতে গেলে আমাদের পালটা দিতে হবে। তৃণমূলের তরফ থেকে অবশ্য বিজেপির উপর হামলার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২০

ট্রেন্ডিং

দেশ

মোদির ভিডিও সরাতেই বড় বিপাকে মেটা! ফের তলব শীর্ষ কর্তা, এবার কী হতে চলেছে?

ফেসবুক থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাইরাল সেলফি ভিডিও সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই ঘটনায় এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বার মেটার বৈশ্বিক জননীতি বিষয়ক প্রধানকে তলব করল কেন্দ্র। বুধবার সকালে সংশ্লিষ্ট সরকারি আধিকারিকের সামনে হাজির হতে বলা হয়েছে মেটার শীর্ষ কর্তা জোয়েল কাপলানকে। সূত্রের খবর, একই বিষয়ে ইনস্টাগ্রামের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তাকেও ডেকে পাঠানো হয়েছে।জেন-জি প্রজন্মের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তৈরি সেলফি ভিডিও হঠাৎ ফেসবুক থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়। পরে মেটা এই ঘটনার জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেও তাতে সন্তুষ্ট নয় কেন্দ্র।তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় কমিটির বৈঠকের পর কমিটির প্রধান নিশীকান্ত দুবে স্পষ্ট জানান, শুধু ক্ষমা চাইলেই দায় শেষ হয় না। এই ঘটনার পূর্ণ দায় মেটাকেই নিতে হবে। প্রয়োজনে সংস্থার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপও করা উচিত বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।প্রসঙ্গত, নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদ এবং পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতার দাবিতে দেশজুড়ে আন্দোলনের আবহের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী একটি বিশেষ ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছিলেন। সেখানে তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁসকে অত্যন্ত গুরুতর সমস্যা বলে উল্লেখ করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের স্বার্থে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।প্রধানমন্ত্রীর এই ভিডিও প্রকাশের পর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তা ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। ইনস্টাগ্রামে মাত্র চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে ভিডিওটির দর্শকসংখ্যা তিনশো তিন মিলিয়ন ছাড়িয়ে যায়। সেই সাফল্যের মধ্যেই ফেসবুক থেকে ভিডিওটি সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। এখন কেন্দ্রের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
বিদেশ

পাকিস্তানে কি ফের সেনা অভ্যুত্থান? এক মন্ত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্যে তীব্র জল্পনা

পাকিস্তানের রাজনীতিতে আবারও অনিশ্চয়তার মেঘ ঘনিয়ে উঠেছে। দেশের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী মহসিন নকভির একের পর এক মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, পাকিস্তানে কি আবারও সেনা অভ্যুত্থানের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে?পাকিস্তানের ইতিহাসে একাধিকবার সামরিক শাসন এসেছে। অতীতে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে তিনবার দেশের ক্ষমতা পরিবর্তন হয়েছে। সেই অতীতের প্রেক্ষাপটেই নকভির সাম্প্রতিক মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক।সম্প্রতি তিনি দাবি করেছেন, পাকিস্তানের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় দুর্নীতির ঘটনা সামনে এসেছে। তাঁর অভিযোগ, এই দুর্নীতির সঙ্গে রাজনীতিবিদ, আমলা, বিচারপতি এবং ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার বহু ব্যক্তি জড়িত। দীর্ঘদিন ধরে ঘুষ ও দুর্নীতির সংস্কৃতি চলেছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, তদন্তে যাঁদের নাম উঠে আসবে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তবে রাজনৈতিক মহলের নজর কেড়েছে অন্য একটি বিষয়। দুর্নীতির অভিযোগে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কথা উল্লেখ করলেও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে কোনও মন্তব্য করেননি নকভি। এই ঘটনাকে ঘিরেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, সেনাবাহিনীর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তাঁর উপস্থিতি রাজনৈতিক সমীকরণকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, পাকিস্তানের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ক্ষমতার অন্দরে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদিও সেনা অভ্যুত্থান নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি ঘোষণা বা নির্ভরযোগ্য প্রমাণ সামনে আসেনি। ফলে বিষয়টি এখন জল্পনার পর্যায়েই রয়েছে। তবে নকভির ধারাবাহিক মন্তব্যে পাকিস্তানের রাজনীতি যে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
দেশ

বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর! আরও পাঁচ হাজার মহিলা পাবেন অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা, কারা থাকছেন তালিকায়?

দিল্লির বঙ্গভবনে এনসিপিআই সাংসদদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রায় এক ঘণ্টার এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়-সহ দলের অন্যান্য সাংসদরা। বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা দেন, রাজ্যের উন্নয়নের কাজ আরও দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছেও পৌঁছে দিতে হবে।বৈঠকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ছিল অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে। যাঁরা আবেদন করার পরেও এখনও এই প্রকল্পের আর্থিক সুবিধা পাননি, তাঁদের জন্য নতুন সুযোগের ঘোষণা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রত্যেক এনসিপিআই সাংসদ তাঁদের নিজ নিজ লোকসভা এলাকায় অতিরিক্ত পাঁচ হাজার উপভোক্তার নাম সুপারিশ করতে পারবেন। সেই তালিকায় থাকবেন এমন মহিলারা, যাঁরা এখনও অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাননি।ইতিমধ্যেই বহু উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পৌঁছে গিয়েছে। তবে অনেক আবেদনকারী এখনও এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। তাঁদের কথা মাথায় রেখেই এই নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে কুড়ি জন সাংসদের মাধ্যমে মোট এক লক্ষ নতুন উপভোক্তা এই প্রকল্পের আওতায় আসতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।বৈঠকের পরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে শতাব্দী রায় জানান, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে অত্যন্ত ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, এলাকার উন্নয়নের জন্য নতুন রাস্তা, সমন্বিত শিশু বিকাশ কেন্দ্র এবং বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি যাঁরা অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা এখনও পাননি, তাঁদের মধ্যে পাঁচ হাজার জনের নাম প্রত্যেক সাংসদ সুপারিশ করতে পারবেন বলেও জানানো হয়েছে।সূত্রের খবর, বৈঠকে কয়েকজন সাংসদ অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরেও অনেক এলাকায় নিচুতলার কর্মীদের সহযোগিতা তাঁরা পাচ্ছেন না। কোথাও কোথাও প্রশাসনিক সহযোগিতার অভাবের কথাও তুলে ধরা হয়। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ আরও বাড়ানো এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মহালয়ার অমর কণ্ঠকে বড় সম্মান! বদলে যেতে পারে শ্যামবাজার মেট্রোর নাম, সামনে এল বড় প্রস্তাব

বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে আরও মর্যাদা দিতে বড় উদ্যোগের প্রস্তাব সামনে এল। প্রবাদপ্রতিম কণ্ঠশিল্পী বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জন্মদিনে তাঁর স্মৃতিকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের দাবি তুললেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি প্রস্তাব দিয়েছেন, শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশনের নাম বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের নামে করা হোক। পাশাপাশি তাঁর ঐতিহাসিক বাড়িকে হেরিটেজ হিসেবে সংরক্ষণের উদ্যোগও নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন।মঙ্গলবার বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জন্মদিনে শ্যামবাজারের রামধন মিত্র লেনের বাড়িতে যান অগ্নিমিত্রা পাল। সেখানে তিনি কিংবদন্তি শিল্পীর মূর্তিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। বীরেন্দ্রকৃষ্ণের পুত্রবধূ সুস্মিতা ভদ্রের সঙ্গেও দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেন তিনি।মন্ত্রী জানান, মহালয়ার ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের চণ্ডীপাঠ ছাড়া বাঙালির দুর্গাপুজোর আবহ যেন সম্পূর্ণ হয় না। তাই তাঁর অবদানকে আগামী প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় করে রাখতে স্থায়ী উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। সেই কারণেই শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশনের নাম তাঁর নামে করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।শ্যামবাজারের রামধন মিত্র লেনের পুরনো বাড়িটিও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন মন্ত্রী। বর্তমানে বাড়িটির অবস্থা অনেকটাই জীর্ণ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঐতিহাসিক এই বাড়ির গুরুত্ব আরও বেড়েছে। তাই এটিকে হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করে সংরক্ষণ করার পরিকল্পনা রয়েছে।কলকাতার একাধিক মেট্রো স্টেশনের নাম ইতিমধ্যেই বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের নামে রাখা হয়েছে। মহানায়ক উত্তম কুমার, কাজী নজরুল ইসলাম, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং সুকান্ত ভট্টাচার্যের নামে মেট্রো স্টেশন রয়েছে। এবার সেই তালিকায় বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের নামও যুক্ত হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অনেকে।রাজ্য সরকার বাংলার ঐতিহ্য ও মনীষীদের স্মৃতি সংরক্ষণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল। শুধু বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র নন, অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ঐতিহাসিক বাড়িও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক বাসভবন সংরক্ষণের বিষয়েও পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
দেশ

বড় ভাঙনের ইঙ্গিত! বিজেপির সঙ্গে যাব না, স্পষ্ট জানালেন আবু তাহের, বাড়ল নতুন জল্পনা

রাজ্যের রাজনীতিতে আবারও নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। এনসিপিআইয়ের সাংসদ আবু তাহের স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি এনসিপিআইতে থাকলেও বিজেপির সঙ্গে কোনওভাবেই যেতে চান না। একই ধরনের বক্তব্য রেখেছেন খলিলুর রহমানও। এই মন্তব্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।তৃণমূল ছেড়ে একসঙ্গে বিশ জন সাংসদ এনসিপিআইতে যোগ দিয়েছিলেন। পরে তাঁরা লোকসভার স্পিকারের কাছে নতুন দল হিসেবে স্বীকৃতির আবেদন করেন। পাশাপাশি এনডিএর শরিক হওয়ার জন্যও আবেদন করা হয়। সেই পরিস্থিতিতে আবু তাহের ও খলিলুর রহমানের এই অবস্থান নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে।রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, যদি শুরু থেকেই এনডিএর অংশ হওয়ার পরিকল্পনা থাকে, তাহলে এখন কেন বিজেপির সঙ্গে যাওয়ার ক্ষেত্রে আপত্তি জানানো হচ্ছে? এই অবস্থান কি শুধুই রাজনৈতিক, নাকি ভবিষ্যতের বড় কোনও সমীকরণের ইঙ্গিত?আবু তাহের বলেন, তাঁদের নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়েছেন, সংখ্যালঘু সাংসদরা এনডিএর বৈঠকে অংশ নেননি। তাঁদের রাজনৈতিক ও সামাজিক কিছু বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেই কারণেই তাঁরা এনডিএর বৈঠকে যাননি এবং ভবিষ্যতেও যাওয়ার পরিকল্পনা নেই। তাঁরা এনসিপিআইতেই থাকবেন।এই বক্তব্যের পর আরও একটি প্রশ্ন সামনে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই এনসিপিআইকে এনডিএর শরিক হিসেবে পরিচয় করিয়েছেন। সে ক্ষেত্রে একই দলে থেকেও কয়েকজন সাংসদ কীভাবে এনডিএ থেকে নিজেদের দূরে রাখবেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এর আগে দিল্লিতে এনডিএর বৈঠকে এনসিপিআইয়ের কয়েকজন সাংসদ উপস্থিত থাকলেও আবু তাহের, খলিলুর রহমান এবং আরও এক সংখ্যালঘু সাংসদ সেখানে যাননি। সেই ঘটনাও যথেষ্ট আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। এরই মধ্যে সংসদ চত্বরে তাঁদের সঙ্গে তৃণমূলের নেতাদের কথোপকথন ঘিরেও নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে আগামী দিনে এনসিপিআইয়ের রাজনৈতিক অবস্থান কী হবে এবং এই দল এনডিএর সঙ্গে কতটা এগোবে, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
কলকাতা

চিনার পার্ক থেকে নবান্ন! হামিমের নিশানায় কি মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা? জেরায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

জঙ্গি সন্দেহে ধৃত হামিম মণ্ডল এবং তার সহযোগীদের জেরা করে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। তাঁদের দাবি, শুধু মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সভা বা যাতায়াতের পথ নয়, চিনার পার্কের বাড়ির আশপাশেও নজরদারি চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি হামিম বা তার সহযোগীরা নবান্ন চত্বরেও গিয়েছিল কি না, তা জানতে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।গত সপ্তাহে বর্ধমান থেকে হামিম মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, জেরায় জানা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজর রাখা ছিল তার অন্যতম দায়িত্ব। অভিযোগ, বিদেশে থাকা হ্যান্ডলারদের নির্দেশেই এই নজরদারি চলছিল। নিরাপত্তার কোথাও দুর্বলতা রয়েছে কি না, সেটাই খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে তদন্তকারীদের ধারণা।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, হামিম মুখ্যমন্ত্রীর একাধিক জনসভা এবং কর্মসূচির আশপাশে গিয়েছিল। পাশাপাশি চিনার পার্কের বাড়ির অবস্থানও খতিয়ে দেখেছিল বলে দাবি। এমনকি বাড়ির কাছাকাছি কোথাও থাকার পরিকল্পনাও করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের অনুমান। যদিও সত্যিই সেখানে কোনও বাড়ি ভাড়া নেওয়া হয়েছিল কি না, তা এখনও নিশ্চিত হয়নি।তদন্তকারীদের ধারণা, হামিম ও তার সহযোগীরা নবান্ন চত্বরেও গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে থাকতে পারে। সেই কারণেই ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে। হামিমের গতিবিধি এবং তার সঙ্গে কারা যোগাযোগ রেখেছিল, সেই তথ্যও সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।তদন্তে আরও দাবি করা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও হাওড়ার উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক এবং রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাইও হামিমদের নজরদারির তালিকায় ছিলেন। অভিযোগ, তাঁর ছেলেকে হানিট্র্যাপের মাধ্যমে ফাঁদে ফেলে অপহরণের পরিকল্পনাও করা হয়েছিল। এই তথ্য হামিমকে জেরা করেই পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার।ইতিমধ্যেই হামিমের ঘনিষ্ঠ অর্পিতা সরকার এবং আদিত্য সিংকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, অর্পিতার বিদেশে থাকা হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। তবে এই নেটওয়ার্কে আরও কারা জড়িত, অর্থ কোথা থেকে আসত এবং আর কী কী পরিকল্পনা ছিল, সেই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ধৃতদের জেরা চলছে।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
রাজ্য

জঙ্গি সন্দেহে তদন্তে বড় মোড়! হামিমের পর গ্রেফতার আরও এক যুবক, সামনে চাঞ্চল্যকর দাবি

জঙ্গি সন্দেহে ধৃত হামিমকে ঘিরে তদন্তে আরও এক বড় সাফল্যের দাবি করল বিশেষ তদন্তকারী দল। হামিম এবং তাঁর বান্ধবী অর্পিতার পর এবার গ্রেফতার করা হয়েছে আদিত্য সিং ওরফে রাজুকে। ভোররাতে হাওড়ার বেলিলিয়াস রোডের বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করে তদন্তকারীরা।তদন্তকারীদের দাবি, আদিত্য দীর্ঘদিন ধরেই হামিমের পরিচিত ছিল এবং বিভিন্নভাবে তাকে সাহায্য করত। তদন্তে এমন তথ্যও উঠে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে, যেখানে বলা হয়েছে এক মন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজর রাখার দায়িত্ব আদিত্যর উপর ছিল। তদন্তকারীদের অভিযোগ, ওই মন্ত্রী এবং তাঁর ছেলের গাড়ি, বাড়ি ও চলাফেরার ছবি এবং ভিডিও সংগ্রহ করে হামিমের কাছে পাঠিয়েছিল আদিত্য। তবে এই অভিযোগের সত্যতা এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি।এখন তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, শুধুমাত্র ওই মন্ত্রী এবং তাঁর পরিবারের উপরই নজর রাখা হচ্ছিল, নাকি আরও কেউ তাদের লক্ষ্য ছিল। সেই কারণেই আদিত্যকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।আদিত্যর গ্রেফতারের পর তাঁর পরিবার এবং প্রতিবেশীরা কার্যত হতবাক। পরিবারের দাবি, তিনি কলেজে বাণিজ্য বিভাগে পড়াশোনা করতেন। কীভাবে হামিমের সঙ্গে তাঁর পরিচয় বা যোগাযোগ তৈরি হল, তা তাঁদের জানা নেই।এক প্রতিবেশীর কথায়, আদিত্যকে সবসময় পড়াশোনা করতে দেখা যেত। তিনি কখনও এমন কোনও কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন, তা বিশ্বাস করা কঠিন। আর এক প্রতিবেশীর দাবি, আদিত্যর বাড়িতে কোনও বন্ধুবান্ধবকে নিয়মিত আসতে দেখা যেত না। তাই এই ঘটনায় তাঁরাও বিস্মিত।আদিত্যর মা জানিয়েছেন, তাঁর ছেলে নিয়মিত কলেজে যেত এবং পড়াশোনাতেই মন দিত। সম্প্রতি পড়াশোনার জন্য একটি ল্যাপটপও কিনে দিয়েছিলেন তাঁর বাবা। প্রতিদিন হাতখরচের টাকাও দিতেন। পরিবারের দাবি, যদি আগে কোনও সন্দেহজনক বিষয় তাঁদের নজরে আসত, তাহলে অবশ্যই তাঁকে সতর্ক করা হত।পরিবারের এক আত্মীয় জানান, কয়েক দিন আগে তদন্তকারী আধিকারিকরা বাড়িতে এসে কিছু প্রশ্ন করেছিলেন। কিন্তু তারপর অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি এতটা বদলে যাবে, তা তাঁদের কল্পনারও বাইরে ছিল।তদন্ত এখনও চলছে। আদিত্যর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা আদালতের বিচার এবং তদন্তের মাধ্যমেই স্পষ্ট হবে।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
দেশ

অন্যকে জেতানোর কারিগর এবার নিজেই জিতলেন! বাঁকিপুরে প্রশান্ত কিশোরের ঐতিহাসিক চমক

অন্যকে নির্বাচনে জেতানোর কৌশল তৈরি করেই এতদিন পরিচিত ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। এবার নিজেই ভোটে লড়ে ইতিহাস গড়লেন তিনি। বিহারের বাঁকিপুর বিধানসভা উপনির্বাচনে দীর্ঘ একত্রিশ বছর ধরে বিজেপির দখলে থাকা আসন ছিনিয়ে নিয়ে প্রথমবার বিধায়ক হলেন প্রশান্ত কিশোর। তাঁর জয়ের হাত ধরেই প্রথমবার বিধানসভায় প্রতিনিধিত্ব পেল জন সুরাজ।গণনার শুরু থেকেই এগিয়ে ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। বত্রিশ দফা গণনা শেষে তাঁর জয় নিশ্চিত হয়। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, তিনি পেয়েছেন চৌষট্টি হাজার একশো একান্ন ভোট। বিজেপি প্রার্থী নীরজ কুমার পেয়েছেন চুয়াল্লিশ হাজার আটশো সাতাশ ভোট। ফলে উনিশ হাজার তিনশো চব্বিশ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন প্রশান্ত কিশোর। আরজেডি প্রার্থী রেখা কুমারী চৌদ্দ হাজার দুইশো তিয়াত্তর ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে শেষ করেন।জয়ের পর বাঁকিপুরের ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রশান্ত কিশোর বলেন, বিহারের উন্নয়ন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। তাঁর দাবি, এই ফলের মাধ্যমে রাজ্যের মানুষ এমন নেতৃত্বের পক্ষেই মত দিয়েছেন, যিনি শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের উন্নতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবেন।জন সুরাজের নেতাদের দাবি, তরুণ ভোটারদের সমর্থন তাদের সাফল্যের অন্যতম কারণ। যদিও এই দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব নয়। ভোটের আগে বিহারে বিভিন্ন ছাত্র আন্দোলন এবং শিক্ষা নিয়ে বিতর্ক রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। সেই কারণেই তরুণ ভোটারদের ভূমিকা নিয়ে জোর আলোচনা চলছিল।বাঁকিপুর দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপির অন্যতম শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। উনিশশো পঁচানব্বই সাল থেকে এই আসন বিজেপির দখলে ছিল। এখান থেকেই একাধিকবার জয়ী হয়েছিলেন দলের শীর্ষ নেতা নিতিন নবীন। পরে তিনি রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি ছেড়ে দেন। সেই শূন্য আসনেই অনুষ্ঠিত হয় এই উপনির্বাচন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, দুই হাজার পঁচিশ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনে জন সুরাজ একটি আসনও জিততে পারেনি। সেই নির্বাচনে প্রশান্ত কিশোর নিজেও প্রার্থী হননি। মাত্র এক বছরের মধ্যে পটনার গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে জয় পেয়ে দলকে প্রথমবারের মতো বিধানসভায় পৌঁছে দিলেন তিনি।জন সুরাজের সভাপতি মনোজ ভারতী বলেন, বাঁকিপুরের মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছেন। তাঁর দাবি, নীরব ভোটারদের বড় অংশ জন সুরাজের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং এই ফল বিহারের রাজনীতিতে নতুন বার্তা দিল।অন্যদিকে, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী জনগণের রায়কে সম্মান জানিয়ে প্রশান্ত কিশোরকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, গণতন্ত্রে জনগণের সিদ্ধান্তই সর্বোচ্চ এবং সেই রায়কে সম্মান জানানোই সকলের দায়িত্ব।

আগস্ট ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal