• ১৫ চৈত্র ১৪৩২, সোমবার ৩০ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Actor

বিনোদুনিয়া

টলিপাড়ায় গভীর শোকের ছায়া! শুটিঙের মধ্যেই দীঘার সমুদ্রে তলিয়ে গেলেন অভিনেতা!

টলিপাড়ায় নেমে এল গভীর শোকের ছায়া। অকালপ্রয়াণ হল অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়-এর। মাত্র ৪৩ বছর বয়সেই এই মর্মান্তিক ঘটনায় স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে বাংলা বিনোদন জগৎ।দিঘার শুটিংয়ে কী ঘটেছিল?জানা গিয়েছে, রবিবার দিঘা-র তালসারি এলাকায় একটি ধারাবাহিকের শুটিং চলছিল। ভোলে বাবা পার করেগা নামের ওই ধারাবাহিকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছিলেন রাহুল। শুটিংয়ের মাঝেই তিনি সমুদ্রের জলে নামেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আচমকাই তিনি জলে তলিয়ে যান।সঙ্গে থাকা টেকনিশিয়ানরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসেন। এরপর তাঁকে তড়িঘড়ি স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতাল সূত্রে খবর, সেখানে পৌঁছানোর আগেই তাঁর মৃত্যু হয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, জলে ডুবে যাওয়ার ফলেই এই মর্মান্তিক পরিণতি।সহ-অভিনেতার বক্তব্যধারাবাহিকে রাহুলের জেঠুর চরিত্রে অভিনয় করছিলেন ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, শুটিং প্রায় শেষের দিকেই ছিল এবং প্যাক-আপের পর এই দুর্ঘটনা ঘটে।ভাস্করের কথায়,আমরা সবাই শুটিং সেরে মধ্যাহ্নভোজ করতে গিয়েছিলাম। রাহুল বলেছিল, আরও কয়েকটা শট দিয়ে আসবে। তারপর হঠাৎই এই খবর পাই। বিশ্বাসই করতে পারছি নাএকজন সুস্থ, প্রাণবন্ত মানুষ এভাবে চলে যেতে পারেন!কী নিয়ে ধোঁয়াশা?ঘটনার সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। সমুদ্রের স্রোত, অসতর্কতা, নাকি অন্য কোনও কারণসবটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শুটিং ইউনিট এবং স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে।শোকস্তব্ধ টলিপাড়ারাহুল অরুণোদয়ের অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে টলিউডে। সহকর্মী থেকে অনুরাগীসকলেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শোকপ্রকাশ করছেন। একজন প্রতিভাবান অভিনেতার এই আকস্মিক বিদায়ে বাংলা ধারাবাহিক জগতে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি হল।এই মর্মান্তিক ঘটনাটি আবারও প্রশ্ন তুলে দিলসমুদ্রতীরবর্তী এলাকায় শুটিংয়ের সময় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা জরুরি। তদন্তের রিপোর্ট সামনে এলেই হয়তো স্পষ্ট হবে, ঠিক কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল।

মার্চ ২৯, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

WBFJA-র মঞ্চে সেরার শিরোপা ‘মায়ানগর’-এর, শ্রীলেখা'র শক্তিশালী অভিনয়ে উজ্জ্বল সমকালীন বাংলা ছবি

সমকালীন বাংলা সিনেমার জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি। ওয়েস্ট বেঙ্গল ফিল্ম জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (WBFJA)-র ২০২৫ সালের পুরস্কার মঞ্চে সেরা চলচ্চিত্রের সম্মান জিতে নিল মায়ানগর (Once Upon a Time in Calcutta)। ২০২৬ সালের শুরুতে অনুষ্ঠিত এই পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে ছবিটি বর্ষসেরা ছবি, সেরা পরিচালক ও শ্রেষ্ট স্ক্রিনপ্লে সহ একাধিক বিভাগে সাফল্য অর্জন করে কার্যত নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে।২০২১ সালে নির্মিত আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্ত পরিচালিত এই বাংলা ভাষার ভারতীয়-ফরাসি-নরওয়েজিয়ান চলচ্চিত্রটি উইশবেরি ফিল্মস প্রযোজিত, ফর ফিল্মস, ক্যাথেরিন ডুসার্ট প্রোডাকশনস ও ডিইউওফিল্ম এএস-এর সহযোগিতায় তৈরি। এটি সেনগুপ্তের তৃতীয় পূর্ণদৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র, যা প্রথমেই আন্তর্জাতিক মঞ্চে নজর কাড়ে। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে ৭৮তম ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ছবিটির বিশ্ব প্রিমিয়ার হয়, যা বাংলা ছবির ইতিহাসে এক উল্লেখযোগ্য সংযোজন।মায়ানগর আসলে শুধুই একটি গল্প নয়এটি কলকাতার পরিবর্তনশীল শহুরে বাস্তবতার এক গভীর, সংবেদনশীল দলিল। ২০১৫ সাল থেকে নির্মাণাধীন এই ছবিটি কান চলচ্চিত্র উৎসবের লআতেলিয়ে সিনেফন্ডেশন, সিএনসি, সরফন্ড এবং এনএফডিসি ফিল্ম বাজারের সমর্থন পেয়েছিল। পরিচালক আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তের মতে, কলকাতার সায়েন্স সিটির বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ডাইনোসরের মূর্তি ও পাশেই দ্রুতগতিতে তৈরি হতে থাকা ফ্লাইওভারের দৃশ্য থেকেই ছবিটির ভাবনার জন্ম। অতীতের নিদর্শন ও বর্তমানের উন্নয়নের মধ্যকার এই বৈসাদৃশ্যই মায়ানগর-এর আত্মা।এই ছবির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন শ্রীলেখা মিত্র। তাঁর অভিনীত প্রধান চরিত্রটি মায়ানগর-কে শুধু গল্পের স্তরে নয়, আবেগের স্তরেও এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। জীবনের চাপে ক্ষতবিক্ষত এক নারীর লড়াই, আত্মসম্মান রক্ষা ও টিকে থাকার সংগ্রামসবকিছু শ্রীলেখা মিত্র তুলে ধরেছেন অসামান্য সংযম ও গভীরতায়। তাঁর অভিনয়ে নেই অতিনাটকীয়তা; বরং নীরবতা, দৃষ্টিভঙ্গি ও শরীরী ভাষাই হয়ে উঠেছে সবচেয়ে বড় শক্তি।ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা নিউইয়র্ক-এ ভারতীয় আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন, আলিয়া ভাটদের সাথে নমিনেট হয়ে তিনিই একমাত্র বাঙালি অভিনেত্রী হিসেবে সেরা অভিনেত্রী পুরস্কার পেয়েছেন। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে নানা ধরনের চরিত্রে দর্শককে মুগ্ধ করা শ্রীলেখা মিত্রের কেরিয়ারে মায়ানগর নিঃসন্দেহে এক উল্লেখযোগ্য সংযোজন বলে মনে করছেন সমালোচকরা।ছবিতে তাঁর সঙ্গে অভিনয় করেছেন অরিন্দম ঘোষ, ব্রাত্য বসু, সত্রাজিৎ সরকার, অনির্বাণ চক্রবর্তী, রিকিতা নন্দিনী শিমু ও নবাগত শায়ক রায়। ব্রাত্য বসু তাঁর অভিনয়ের জন্য সেরা পার্শ্ব অভিনেতা (পুরুষ) বিভাগে পুরস্কৃত হন। পাশাপাশি ছবিটি সেরা চিত্রনাট্য ও সেরা সম্পাদনা বিভাগেও পুরস্কার জেতে এবং আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্ত সেরা পরিচালকের জন্য মনোনীত হন।সব মিলিয়ে, WBFJA-র সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার জিতে মায়ানগর প্রমাণ করলআন্তর্জাতিক ভাষায় কথা বলা সংবেদনশীল গল্প ও শক্তিশালী অভিনয় আজও বাংলা সিনেমার অন্যতম বড় শক্তি। আর সেই শক্তির অন্যতম মুখ হয়ে উঠেছেন শ্রীলেখা মিত্র, যাঁর অভিনয় মায়ানগর-কে সময়ের ঊর্ধ্বে এক শিল্পমূল্য দিয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

লড়াই শেষ! প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র: ৯০-এ থেমে গেল ছয় দশকের কিংবদন্তি যাত্রা

বার্ধক্যজনিত শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন অভিনয়জগতের হ্যাণ্ডসাম হিরো। নিজ বাসভবনেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন। অমিতাভ, আমির, জীতেন্দ্র-সহ চলচ্চিত্র দুনিয়ার তারকারা তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন।হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে সোনালি অধ্যায়ের অন্যতম স্তম্ভ ধর্মেন্দ্র প্রয়াত। সোমবার নিজের বাসভবনেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বর্ষীয়ান এই তারকা। বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। কিছু দিন ধরেই বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। কয়েক দফায় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল, তৈরি হয়েছিল উদ্বেগের আবহ। পরে কিছুটা উন্নতির পর বাড়ি ফিরলেও শেষ পর্যন্ত আর ফেরানো গেল না প্রজন্মের পর প্রজন্মকে প্রভাবিত করা এই কিংবদন্তিকে।পরিবারের তরফে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি এখনও না এলেও, প্রযোজকপরিচালক এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সূত্রে খবর মিলেছে অভিনেতার প্রয়াণের। সোমবারই পবনহংস শ্মশানে সম্পন্ন হয় তাঁর শেষকৃত্য। শেষযাত্রায় উপচে পড়া ভিড়ভক্ত, প্রতিবেশী, ইন্ডাস্ট্রির কলাকুশলীসবাই যোগ দেন প্রিয় তারকার শেষ দর্শনে।শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন অমিতাভ বচ্চন, অভিষেক বচ্চন, আমির খান, জীতেন্দ্র-সহ অসংখ্য তারকা। শোকবার্তা লিখে কর্ণ জোহর বলেন, একটা যুগের অবসান। ভারতীয় সিনেমা আজ এক মহান শিল্পীকে হারাল।গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে নানা গুজব ছড়িয়েছিল। ভেন্টিলেশনে থাকার খবরও ভাইরাল হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। পরে ধর্মেন্দ্রপুত্র সানি দেওলের সহকারী এবং স্ত্রী হেমা মালিনী সেই তথ্য খণ্ডন করেন। কিছুদিন আগে মৃত্যু-গুজব রটে তাঁর প্রথম স্ত্রীর কান্নার একটি ভিডিও ছড়ানোর পর পরিবারের তরফে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।অভিনেতার শেষ কর্মজীবনেও ছিল ব্যস্ততা। মাত্র ২৪ নভেম্বর প্রকাশ্যে আসে তাঁর অভিনীত ইক্কিস ছবিতে তাঁর চরিত্রের ঝলক। জন্মদিনের মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেই এমন খবর শোকস্তব্ধ করেছে অনুরাগীদের। আগামী ৮ ডিসেম্বর তাঁর ৯০তম জন্মদিন পালনের প্রস্তুতি চলছিল পরিবারেকিন্তু তার আগেই ইন্ডাস্ট্রি হারাল ধর্ম পাজি-কে।প্রায় ছয় দশকের দীর্ঘ অভিনয়জীবনে শোলে, চুপকে চুপকে, সীতা অউর গীতা, ধর্মবীর, মেরা গাঁও মেরা দেশ-এর মতো কালজয়ী ছবিতে অভিনয় করে দর্শকের হৃদয়ে চিরস্থায়ী হয়ে থাকবেন ধর্মেন্দ্র। আজ তাঁর প্রয়াণে শোকাহত গোটা দেশআরও এক অধ্যায় শেষ হল ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে।

নভেম্বর ২৪, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

চলে গেলেন ধর্মেন্দ্র! বিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন

ভারতীয় সিনেমার কিংবদন্তি তারকা ধর্মেন্দ্র আর নেই। ৮৯ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন হি-ম্যান নামে পরিচিত এই মহাতারকা। যদিও পরিবার প্রথমে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি, দুপুর থেকেই মুম্বইয়ের জুহুর বাড়ির বাইরে অস্বাভাবিক নড়াচড়ায় জোরালো হয় আশঙ্কা। দুপুরের পর তাঁর বাড়ি থেকে একটি অ্যাম্বুল্যান্স বেরিয়ে যায়, আর কিছুক্ষণের মধ্যেই সানি দেওল, ঈশা দেওল ও হেমা মালিনীকে দেখা যায় পাওয়ান হান্স শ্মশানে পৌঁছতে। এরপর অমিতাভ বচ্চন ও অভিষেককে দেখা যায় সাদা পোশাকে ভিলে পার্লের শ্মশানের সামনে। আমির খান পৌঁছন ধর্মেন্দ্রের বাসভবনে।কিছুদিন ধরেই শারীরিক অসুস্থতার কারণে মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ধর্মেন্দ্র। চিকিৎসকেরা তাঁকে বাড়িতে এনে নিয়মিত পর্যবেক্ষণের মধ্যে রেখেছিলেন। এক সময় শারীরিক অবস্থার খানিক উন্নতি হলেও শেষপর্যন্ত অসুস্থতাকে জয় করতে পারলেন না তিনি।মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই ছড়িয়ে পড়ে কিংবদন্তির প্রয়াণের খবর। সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তে ঢেউ তোলা শোকবার্তা, চলচ্চিত্র জগত শোকস্তব্ধ। পরিচালক করণ জোহর, যাঁর ছবিতে রকি অউর রানি কি প্রেম কাহানি-তে সর্বশেষ অভিনয় করেছিলেন ধর্মেন্দ্র, ইনস্টাগ্রামে আবেগঘন বার্তা লিখে জানান, একটা যুগের অবসান। ভারতীয় সিনেমার প্রকৃত কিংবদন্তি, অপরূপ ব্যক্তিত্ব, সবচেয়ে বড় কথাঅত্যন্ত ভালো মানুষ। আজ আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে যে শূন্যতা তৈরি হল, তা কোনওদিন পূরণ হবে না।ভারতীয় চলচ্চিত্র ইতিহাসের এক সোনালি অধ্যায় রচনা করে গেলেন ধর্মেন্দ্র। ছয় দশকের টানা সাফল্য, তিনশোরও বেশি ছবি, আর কোটি কোটি ভক্তের হৃদয়জয়সব মিলিয়ে তিনি ছিলেন বলিউডের এক অনন্য প্রতীক। তাঁর রেখে যাওয়া পরিবারে রয়েছেন দুই স্ত্রী প্রকাশ কৌর ও হেমা মালিনী এবং সন্তানসানি দেওল, ববি দেওল, বিজেতা, অজিতা, ঈশা দেওল ও আহানা দেওল।এ মুহূর্তে চলছে শেষকৃত্যের অনুষ্ঠান। চলচ্চিত্র দুনিয়ার বন্ধু, সহকর্মী, পরিবারের সদস্য এবং অগণিত শুভানুধ্যায়ী ভিড় জমিয়েছেন শেষ শ্রদ্ধা জানাতে। মুম্বইয়ের বাতাসে যেন ভেসে বেড়াচ্ছে একটি কথাইএভাবেই কি সত্যিই শেষ হয়ে গেল ভারতীয় সিনেমার সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্রদের একটির অধ্যায়?

নভেম্বর ২৪, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

অবশেষে স্বস্তি! হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন বলিউডের হি-ম্যান ধর্মেন্দ্র

বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর শারীরিক অবস্থাকে ঘিরে কয়েকদিন ধরেই উদ্বেগ ছড়িয়েছিল ভক্তদের মনে। কখনও শ্বাসকষ্ট, কখনও জল্পনা সব মিলিয়ে আতঙ্কের আবহ। অবশেষে বুধবার সকালে মিলল স্বস্তির খবর। হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরলেন ৮৯ বছরের এই কিংবদন্তি অভিনেতা।মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে গত ৩১ অক্টোবর ভর্তি করা হয়েছিল ধর্মেন্দ্রকে। শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। দীর্ঘ চিকিৎসার পর বুধবার সকালে হাসপাতাল থেকে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ একটি অ্যাম্বুল্যান্স অভিনেতার বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেয়। তখনই চর্চা শুরু হয় ধর্মেন্দ্র কি সত্যিই ছাড়া পাচ্ছেন? কিছুক্ষণের মধ্যেই হাসপাতালের চিকিৎসক প্রতীত সমদানি সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে জানান, হ্যাঁ, আজ সকালেই ধর্মেন্দ্রজিকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেওয়া হয়েছে। পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এবার থেকে তাঁর চিকিৎসা চলবে বাড়িতেই।ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, বর্ষীয়ান এই অভিনেতার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। চিকিৎসার প্রতি তিনি ভালোভাবে সাড়া দিচ্ছেন। নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা হবে তাঁকে।তবে গত দুই দিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছিল এক বিভ্রান্তিকর খবর দাবি করা হয়েছিল, প্রয়াত হয়েছেন ধর্মেন্দ্র। মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায় সেই ভুয়ো খবর। পরিবার থেকে শুরু করে বলিউড মহল পর্যন্ত নিন্দায় মুখর হয়। কন্যা এষা দেওল ক্ষোভ উগরে দিয়ে ইনস্টাগ্রামে লেখেন, আমার বাবা সম্পূর্ণ স্থিতিশীল। তিনি চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন। দয়া করে ভুয়ো খবর না ছড়িয়ে পরিবারের গোপনীয়তাকে সম্মান করুন।ধর্মেন্দ্রর স্ত্রী, অভিনেত্রী হেমা মালিনীও তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি লেখেন, এই ধরনের মিথ্যে খবর ছড়ানো মানে এক অসুস্থ মানুষের প্রতি নির্মমতা। বরং তাঁর দীর্ঘায়ুর জন্য প্রার্থনা করুন। একই সুরে সানি দেওলের টিমও অনুরোধ জানায়, ধর্মেন্দ্রজি ভালো আছেন, সবাই তাঁর দ্রুত আরোগ্যের জন্য প্রার্থনা করুন।প্রায় ১০ দিন হাসপাতালে কাটানোর পর অবশেষে নিজের ঘরে ফিরলেন বলিউডের হি-ম্যান। ভক্তদের মুখে এখন একটাই প্রার্থনা ধর্মেন্দ্রজি, তাড়াতাড়ি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে পর্দায় ফিরে আসুন।

নভেম্বর ১২, ২০২৫
রাজ্য

স্কুবা ডাইভিং করতে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু বিখ্যাত গায়কের

জনপ্রিয় গায়ক ও অভিনেতা জুবীন গর্গ আজ স্কুবা ডাইভিং করতে গিয়ে প্রাণ হারালেন। ঘটনাটি ঘটেছে আজ দুপুরে, সিঙ্গাপুরে সমুদ্রসৈকতের কাছে পর্যটনকেন্দ্রে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ডাইভিংয়ের নামার কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং জলের নিচে শ্বাসকষ্টে ভুগতে থাকেন। সমুদ্র থেকে গায়ককে উদ্ধার করে সিঙ্গাপুর পুলিশ। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুর দেড়টা নাগাদ ঘটেছে দুর্ঘটনা।সংগীতজগতে এক বহুমুখী প্রতিভা ছিলেন জুবীন গর্গ। আসামিয়া, হিন্দি ও বাংলাসহ বিভিন্ন ভাষায় তাঁর গান বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। অভিনেতা হিসেবেও তিনি সমানভাবে প্রশংসিত ছিলেন। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে ভক্তমহল ও সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।সামাজিক মাধ্যমে ইতিমধ্যেই ভক্তরা শোকবার্তা জানাচ্ছেন। সংগীত মহলের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, জুবীন গর্গের মৃত্যু শুধু উত্তর-পূর্ব ভারতের নয়, গোটা দেশের সংগীতভুবনের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

টলিউড অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরাকে তলব ED-র, কারণ জানলে তাজ্জব হবেন!

কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ED টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরাকে তলব করেছে। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর ইডির কলকাতার সিএজিও কমপ্লেক্সের দফতরে অঙ্কুশ হাজরাকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। যদিও অঙ্কুশ বা তাঁর প্রতিনিধি কারও তরফেই ইডির সমন প্রসঙ্গে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে, বিষয়টি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর আগেও নানা ঘটনায় টলিউডের একাধিক অভিনেতা-অভিনেত্রীকে ডেকে পাঠিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা।গত বছর থেকে, বলিউড এবং দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্র তারকাদের পাশাপাশি ক্রিকেটারদের অবৈধ অনলাইন বেটিং অ্যাপের প্রচার নিয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থা তদন্ত করছে। ইতিমধ্যেই এই তালিকায় নাম রয়েছে রানা দত্তুগুথি, বিজয় দেবেরাকোন্ডা (Vijay Deverakonda), প্রকাশ রাজ (Prakash Raj), হরভজন সিং, উর্বশী রাউতেলা এবং সুরেশ রৈনার মতো তারকাদের।এবার অঙ্কুশ হাজরাও সেই তালিকায় রয়েছেন। জানা গেছে যে নিষিদ্ধ অনলাইন বেটিং অ্যাপ প্ল্যাটফর্মের প্রচারের বিষয়ে ইডির চলমান তদন্তের অংশ হিসেবে অভিনেতাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সেই প্রেক্ষাপটে, বাঙালি অভিনেতাকেও ইডি অফিসে হাজির হতে হবে।সূত্র জানিয়েছে, যে বেটিং কোম্পানিগুলি তাদের অ্যাপ এবং ওয়েবসাইট প্রচারের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করছে। যেহেতু জনপ্রিয় তারকারা এই বিজ্ঞাপনের সাথে যুক্ত, তাই স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষ এই ধরনের অ্যাপ ব্যবহারে প্রভাবিত হচ্ছে।

আগস্ট ৩০, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

মুম্বাইয়ের অভিনেত্রী ও মডেল 'কাঁটা লাগা গার্ল'-এর অকাল মৃত্যু, শোকের ছায়া শিল্পী মহলে

মাত্র ৪২ বছরে মৃত্য়ু হল মুম্বাইয়ের অভিনেত্রী মডেলের। শেফালি জারিওয়ালা শুক্রবার মুম্বাইয়ে মারা গেছেন। জানা গিয়েছে, তার স্বামী পরাগ ত্যাগী এবং আরও তিনজন তাকে বেলভিউ মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যান। ডাক্তাররা পরে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর কারণ এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।মুম্বাই পুলিশের এক কর্তা সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, আন্ধেরি এলাকায় নিজের বাসভবনে মেডেলের মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে। মুম্বাই পুলিশ রাত ১টায় এই খবর পেয়েছে। তার মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুপার হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর কারণ এখনও স্পষ্ট নয়।শেফালি জারিওয়ালা ২০০০-এর দশকের প্রথম দিকের হিট কাঁটা লাগা গানের মিউজিক ভিডিওতে তার অভিনয়ের জন্য সর্বাধিক পরিচিতি পান। এমনকি এই গানটি তাকে কাঁটা লাগা গার্ল উপাধিও এনে দেয়। এরপর তিনি সলমান খানের মুঝসে শাদি কারোগিতে অভিনয় করেন। পরে, তিনি সলমানের সঞ্চালনায় রিয়েলিটি শো, বিগ বস ১৩-তেও অংশ নেন। ২০০৪ সালে, শেফালি মিট ব্রাদার্স খ্যাত সঙ্গীতশিল্পী হরমিত সিংয়ের সাথে বিয়ে করেন। কিন্তু ২০০৯ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ ঘটে। ২০১৫ সালে, তিনি অভিনেতা পরাগ ত্যাগীর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।সেলিব্রিটিরা শেফালি জারিওয়ালার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। আমি গভীরভাবে মর্মাহত, শোকাহত। আমাদের প্রিয় তারকা এবং আমার প্রিয় বন্ধু @শেফালিজারিওয়ালা আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছেন। এখনও বিশ্বাস করতে পারছি না। তোমার অনুগ্রহ, হাসি এবং চেতনার জন্য তোমাকে সর্বদা স্মরণ করব। ওম শান্তি,। গায়ক মিকা সিং X-তে তার শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান। রাজীব আদাতিয়া, কাম্যা পাঞ্জাবি, আলি গনি সহ আরও সেলিব্রিটিরা অভিনেতার আকস্মিক মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন।অভিনেত্রী দিব্যাঙ্কা ত্রিপাঠি লিখেছেন, এটা অবিশ্বাস্য। আমরা পরিবারের জন্য মর্মাহত এবং দুঃখিত। আমার বন্ধু শেফালি জারিওয়ালা আর নেই শুনে একেবারে হতবাক হয়ে গেলাম। শেষবার আমি তার সঙ্গে একটি পার্টিতে দেখা করেছিলাম। জীবন এত ছোট। সে আমার সাথে #BiggBoss13 তে ছিল।

জুন ২৮, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

মুম্বাইয়ের নিজের বাড়িতেই ছুরি দিয়ে কোপানো হল সাইফ আলি খানকে, হাসপাতালে ভর্তি: পুলিশ

মুম্বাইয়ের বাড়িতে অনুপ্রবেশকারীর ছুরিকাঘাতে জখম হয়েছেন বলিউডের শীর্ষ অভিনেতা সাইফ আলি খান। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি।ঘটনাটি ঘটে রাত ২টার দিকে বান্দ্রার সাইফ আলি খানের ১১ তলার ফ্ল্যাটে এক অঞ্জাত পরিচয় ব্যাক্তি ঢুকে পড়ে। অভিনেতা অনুপ্রবেশকারীকে ধরতে চেষ্টা করলেও অনুপ্রবেশকারী তাকে ছুরিকাঘাত করে।গত রাতে এক অজ্ঞাত ব্যক্তি অভিনেতা সাইফ আলি খানের বাড়িতে প্রবেশ করে এবং তার পরিচারিকার সাথে তর্ক করে। অভিনেতা যখন হস্তক্ষেপ করে লোকটিকে শান্ত করার চেষ্টা করেন, তখন সে সাইফ আলি খানের উপর হামলা করে তাকে আহত করে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে, মুম্বাই পুলিশ জানিয়েছে।প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে, মুম্বইয়ের বান্দ্রায় বাড়ি সইফের। এই বাড়িতেই থাকেন অভিনেতার স্ত্রী তথা বলিউডের ডাকসাইটে অভিনেত্রী করিনা কপূর। সুত্রের খবর, দুষ্কৃতী যখন সেই বাড়িতে প্রবেশ করে সেই সময় অভিনেতা এবং তাঁর পরিবারের সদস্যেরা গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন।জানা গেছে বান্দ্রা থানার পুলিশ সইফ আলি খানের ওপর এই হামলার ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। বিভিন্ন সুত্র ধরে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করার চেষ্টা চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, সইফ আলি খান আপাতত লীলাবতী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সইফ-কে ছুরি দিয়ে-ই কোপানো হয়েছে না কি হামলাকারীদের সাথে ধস্তাধস্তির জন্য তিনি আহত হয়েছেন, এব্যাপারে স্পষ্ট কোনও প্রমান মেলেনি। তাঁরা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছে। বান্দ্রা থানার পাশাপাশি এই ঘটনার তদন্ত শুরু করছে মুম্বই পুলিসের ক্রাইম ব্রাঞ্চ।বিস্তারিত আসছে......

জানুয়ারি ১৬, ২০২৫
রাজ্য

কুইন্টাল কুইন্টাল জল! আবার মাস্টার প্ল্যন! শেষমেশ বিজেপি মন্ডল সভাপতির সঙ্গে ছবি, রচনার বন্যা-পরিদর্শন

বলাগড় প্লাবিত এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন হুগলির তৃণমূল সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিনেত্রী সাংসদ বললেন, কুইন্টাল কুইন্টাল জল ছাড়ায় মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। বাড়ি ঘর কিছু নেই। মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে এসেছেন। তৃণমূল সাংসদদের এমন মন্তব্য়ে চারিদিকে বিতর্কের ঝড় শুরু করেছে। কটাক্ষ করতে ছাড়ছেন না বিরোধীরা। কুইন্টাল কুইন্টাল জল! এমন মন্তব্য় জনপ্রতিনিধিরে মুখ থেকে বেরিয়ে আসায় সমালোচনা সর্বত্র। এদিন বাজার থেকে ওল কেনেন সাংসদ। ওল কিনে রচনা জিজ্ঞেস করেন, গলা ধরবে না তো।এদিন দুপুরে হঠাতই হুগলির তৃণমূল সাংসদ রচনা ব্যানার্জি তাঁর সঙ্গীসাথী দের নিয়ে চলে যান বাঁশবেড়িয়ার বিজেপি মন্ডল সভাপতি সুমিত অধিকারী বিরিয়ানির দোকানে। তখনও বিরিয়ানি রান্না সম্পূর্ণ হয়নি। তাই লাঞ্চ হল না। বিজেপি সভাপতিকে সঙ্গে নিয়ে ছবিও তুললেন তৃণমূল সাংসদ রচনা। আর এই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় রাজনৈতিক মহলে। এদিন হুগলির শ্রীপুর বলাগড় গ্রাম পঞ্চায়েতের চাঁদরা কলোনী, মিলনগর গ্রামে ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে যান তৃণমূল সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। সব দেখে তিনি বলেন, মাত্র তিনমাস এসেছি সাংসদ হয়ে। চেষ্টা করছি। বলাগড় থেকে চন্দননগর পর্যন্ত নদী বরাবর পাড় ভাঙছে দ্রুত। এই বিশাল জায়গা সামাল দিতে মাস্টার প্ল্যান দরকার এবং একা রাজ্যের দ্বারা সম্ভব নয়। কেন্দ্রের সাহায্য দরকার। আমি দিল্লি গিয়ে এবিষয়ে দরবার করবো সংশ্লিষ্ট জায়গায়। তাঁর অভিযোগ,আগের বিজেপি সাংসদ এলাকার জন্য কিছুই করেনি। এলাকাবাসীদের ক্ষোভের মুখেও পড়েছেন তৃণমূল সাংসদ।রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তিনমাস আগে যেখানে দাঁড়িয়ে প্রচার করে গিয়েছি সেই জায়গা তলিয়ে গিয়েছে। কয়েকটি বাড়ি, রাস্তাও গঙ্গায় মিশে গিয়েছে। খুবই খারাপ অবস্থা। এলাকার মানুষকে ত্রান দিয়েছি। গঙ্গা ভাঙন রোধ একটা বড় ব্যাপার। আমি লোকসভায় বলেছি। আবারও বলব। কেন্দ্রের সাহায্য ছাড়া হবে না। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের আদলে বলাগড় মাস্টার প্ল্যান করতে হবে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৪
রাজনীতি

দু'দফায় ৫০ লক্ষ টাকা! দেবের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ শুভেন্দুর, পাল্টা দাবি অভিনেতার

ষষ্ঠ দফার ভোটের ঠিক ৩ দিন আগে ঘাটালের তৃণমূল প্রার্থী দীপক অধিকারী তথা দেবের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এক্স হ্যান্ডলে ডায়েরির পাতার ছবি দিয়ে দেবের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন শুভেন্দু অধিকারী। গরু পাচারে অভিযুক্ত এনামুল হকের ভাইয়ের থেকে দেব দুদফায় ৫০ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। এই অভিযোগের পাল্টা জবাবও দিয়েছেন দেব।দেবের কীর্তি শীর্ষক একটি পোস্ট এক্স হ্যান্ডলে করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ডায়েরির দুটি পাতার ছবি পোস্ট করেছেন তিনি। সেই পাতায় দেবের নাম করে মোবাইল ও ঘড়ির টাকা দেওয়ার উল্লেখ রয়েছে। এছাড়াও আরণ্যক ট্রেডার্সের নামে ৫০ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।দেবের কীর্তি:- pic.twitter.com/5RrzlxvDcr Suvendu Adhikari (Modi Ka Parivar) (@SuvenduWB) May 23, 2024এদিন শুভেন্দু অধিকারীর এই পোস্ট নিয়ে পাল্টা নিজের এক্স হ্যান্ডলে দেব লিখেছেন, তাহলে উনিও কি গরু চোর ? শুভেচ্ছা দুজনকেই। আর একটা কথা, আমার ভদ্রতা কিন্তু আমার দুর্বলতা নয়। ও শুভেন্দু দা, তুমি নাকি কোথায় মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখছো, হিরণের পাল্লায় পড়ে তোমাকে তো কাউন্সিলরে নামিয়ে দিচ্ছে। ভালোবাসি বলে বললাম, আমিও জানি তুমি আমাকে ভালোবাসো। আর রইলো কথা গরু চুরির টাকা, তোমার কোলের ছেলে হিরো হিরণ সেও পিন্টু মন্ডলের থেকে টাকা নিয়েছেন,তাহলে উনিও..পরে সংবাদমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন ঘাটালের তারকা তৃণমূল প্রার্থী দেব। তিনি বলেন, ইডি-সিবিআইয়ের কাছে যে ডকুমেন্ট ছিল সেটা শুভেন্দু অধিকারীর কাছে গেল কী করে? শুভেন্দু অধিকারীর এজেন্সিগুলির সঙ্গে যোগ আছে সেটা স্পষ্ট হল। যে টাকা আমি নিয়েছি, সেটা ফেরত দিয়েছি।তাঁর কথায়, ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী হিরণ ৩ বছর ধরে আমাকে গরু চোর বলছেন। উনিও পিন্টু মণ্ডলের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। আমি আজ অবধি সরাসরি আক্রমণ করিনি। শুভেন্দুদা সেই সুযোগ আমায় করে দিলেন। যদি আমি গরু চোর হই, তাহলে ইন্ডাস্ট্রির ৯০ শতাংশ লোকই গরু চোর। বলিউডও আছে এর মধ্যে। তদন্তের জন্য আমাকে ডাকা হয়েছে, কারণ আমি তৃণমূলের সাংসদ বলে।দেব আরও বলেন, আজ শুভেন্দু অধিকারীকে আমি মেসেজ করেছি। আমার ৫০ হাজার ভোট বাড়বে। আমাকে জোর করে ফাঁসানো হচ্ছে। ব্যবসার জন্য টাকা নিতে হয়। ২০১৭-তেই ৬-৮ মাসের মধ্যে সেই টাকা ফেরতও দিয়েছি।

মে ২৩, ২০২৪
রাজ্য

অশান্তির সন্দেশখালিতে বাদশা, দেবদূতরা, শুনলেন অত্যাচারিতদের কথা

অশান্তির স্রোত বইছে সন্দেশখালির আনাচ-কানাচে। শাহজাহানদের বাগে না পেয়ে তাদের ঘনিষ্ঠদের বাড়িতেই ফি দিন চড়াও হচ্ছেন ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা। জমি দখল-লুঠতরাজ-শাসানির বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সুর চড়া হচ্ছে দিনে-রাতে। সন্দেশখালির পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এক রকম পালা করে দ্বীপাঞ্চলে ছুটে যাচ্ছেন ডান-বাম রাজনৈতিক দল, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধি থেকে শুরু করে একাধিক ব্যক্তিত্ব। আজ গিয়েছেলিন বাম মনোভাবাপন্ন সাংস্কৃতিক কর্মী, অভিনেতা, চলচ্চিত্র শিল্পীদের কয়েকজন।এবার সন্দেশখালির সাধারণ মানুষের যন্ত্রণা-অভিযোগের কথা নিজে কানে শুনে এলেন বাদশা মৈত্র, দেবদূত ঘোষ, সৌরভ পালোধীরা। অশান্তি নিয়ন্ত্রণে উত্তর ২৪ পরগনার এই এলাকার দিকে দিকে ১৪৪ ধারা (Section 144) জারি করেছে পুলিশ। আর তাই আইন মেনেই এদিন এই দলটি গিয়েছিল সন্দেশখালিতে। ১৪৪ ধারার নিয়ম মেনে চারজন-চারজন করে ভাগ হয়ে সন্দেশখালির বাড়ি-বাড়ি ঘুরেছেন বাদশারা। শেখ শাহজাহান, সিরাজউদ্দিন, শিবু-উত্তমদের বিরুদ্ধে ভুরি-ভুরি অভিযোগ তাঁদের কাছে জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা।এদিন বাড়ি-বাড়ি ঘুরে একদিকে যেমন গ্রামবাসীদের অভাব-অভিযোগের কথা শুনেছেন তাঁরা তেমনই প্ররোচনায় পা না দিয়েই লড়াইয়ে থাকার বার্তা দিতেও দেখা গিয়েছে বাদশা মৈত্র, দেবদূত ঘোষেদের। এদিন সন্দেশখালির একটি বাড়ির উঠোনে দাঁড়িয়ে এক মহিলার সঙ্গে কথা বলতে দেখা গিয়েছে বাদশা মৈত্রকে।ওই মহিলার উদ্দেশে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, আপনারা যে লড়াইটা লড়ছেন, রাজ্যের বাকি মানুষদের মতো আমরাও সেই লড়াইয়ে আপনাদের পাশে আছি। রাতারাতি সব কিছুর বদল হবে না। দলমত নির্বিশেষে এই লড়াই। আইন হাতে তুলে নেবেন না। কোনও প্ররোচনায় পা দেবেন না। সন্দেশখালির পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বাদশা। সেখানেও তাঁকে বলতে শোনা যায়, সন্দেশখালির মানুষজন আমাদের বলেছেন, যে ওই মানুষগুলো আবারও গ্রামে ফিরে এলে আমরা আর বেঁচে থাকতে পারব না।মঙ্গলবার সাংস্কৃতিক কর্মীদের এই দলটিতে বাদশা মৈত্র, দেবদূত ঘোষ ছাড়াও ছিলেন সৌরভ পালোধী, জয়রাজ ভট্টাচার্য, বিমল চক্রবর্তী, সীমা মুখোপাধ্যায়-সহ অন্যরা। উল্লেখ্য, সন্দেশখালির একদা বেতাজ বাদশা শেখ শাহজাহান এখনও অধরা। প্রায় ২ মাস কেটে গেলেও শাহজাহানের টিকিও খুঁজে পায়নি পুলিশ।এর আগে শাহজাহানকে গ্রেফতারে আদালতের স্থগিতাদেশ বিষয়টি নিয়ে ধন্দ তৈরি হয়েছিল। আদালতের জন্যই শাহজাহানকে গ্রেফতার করা যাচ্ছে না বলেও বিবৃতি মেলে কারও কারও তরফে। যদিও গতকালই বিষয়টি স্পষ্ট করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতারে কোনও স্থগিতাদেশ নেই বলেই স্পট করে দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৪
বিনোদুনিয়া

কেউ কথা রাখেনি, গল্প শুনে কফি খেয়ে ছবি তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েই পগারপার!

টালিগঞ্জ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কান পাতলেই তাঁকে দুর্মুখ, ঠোঁটকাটা সহ নানাবিধ বিশেষণ ভূষিত করতে শোনা যায়। আদতে তিনি শ্রীলেখা মিত্র সরলরেখায় চলতে অভ্যস্ত। কোনও বিষয়েই তাঁর ঢাকঢাক গুরুগুরু ব্যপারটা নেই। তিনি সোজা কথাটা সোজা ভাবেই বলতে অভ্যস্ত, তাতে বোমটা যত জোরেই ফাটুক। এর আগেও বহুবার তিনি যেমন ইন্ডাস্ট্রিতে কোনও গরবর দেখলে সপাট জবাব দিয়েছেন, ঠিক তেমনই জ্বলে উঠেছেন পোষ্যদের (বিশেষ করে সারমেয়) অবহেলা নিয়েও। লকডাউনে পথ কুকুরদের অবহেলা নিয়ে বারবার শিরোনামে এসেছেন শ্রীলেখা। শ্রীলেখা মিত্র এর আগে বহুবার জানিয়েছেন, তিনি ফেবার পাওয়ার জন্য কখনই কারুর কাছে নিজেকে ফেবারিট করে তুলতে চাননি। কয়েকদিন আগেই টালিগঞ্জের এক রন্ধন পটীয়সী ঘোষীকা তাঁর প্রযোজক স্বামী কে নিয়ে করা কানাঘুঁশো অভিযোগ, প্রকাশ্য মিডিয়ায় সপাট জবাব দিয়ে শ্রীলেখা বুঝিয়ে দিয়েছেন সব ক্ষারক-ই ক্ষার নয়।একসময়ের টলিউডের জনপ্রিয় লাস্যময়ী নায়িকা, এখন পরিচালক, প্রযোজক এবং অবশ্যই একজন খ্যাতানামা অভিনেত্রী। সম্প্রতি তাঁর অভিনীত পরিচালিত বেশ কয়েকটা ছবি শিরোনামে উঠে এসেছে। উল্লেখযোগ্য ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা। কলকাতার শহরের ওপর আধারিত এই ছবিটি কলকাতা আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে অবশ্যই দেখানো উচিত ছিল বলে মনে করেছিলেন ফিল্ম ক্রিটিক্স রা। সেই ঘটনায় তিনি তীব্র প্রতিবাদ করেও ছিলেন। অনেকেই সে সময় বলেছিলেন, যে অভিনেত্রী ভেনিস নিউ ইয়র্কে সমাদৃত তাঁর কি বা আসে যায় কলকাতাতে উপেক্ষা করলে। কিন্তু কিছু চলচ্চিত্র সমলোচক অনুপ্রেরণার আরাল থেকে মনে করেছিলেন, হ্যাঁ আসে! তাঁদের মতে, যখন অযোগ্যরা মঞ্চ দাপিয়ে বেড়ায় তখন অবশ্যই যোগ্য ব্যক্তিদের কিছু এসে যায়।ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা মেলবোর্নের ভারতীয় আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে। অবশেষে তিনি বাংলা সংস্কৃতির প্রানকেন্দ্র নন্দনে হাজির হন তাঁর নিজের প্রযোজিত, পরিচালিত ও অভিনীত স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি এবং ছাদ এর সৌজন্যে। এবং ছাদ শ্রীলেখার প্রযোজিত প্রথম শর্টফিল্ম। প্রযোজনা সংস্থা পসাম প্রোডাকশনস প্রযোজিত এবং ছাদ ছাড়াও আরও তিনটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবির অংশ জুড়ে একটি পূর্ণ দৈর্ঘের অ্যান্থোলজি ছবি তৈরি করার পরিকল্পনা শ্রীলেখার।এবং ছাদ ছবিটি নিয়ে তিনি প্রথম থেকেই বারবার বিড়ম্বনাই পড়েছেন। তিনি একাধিকার সামাজিক মাধ্যমে তাঁর আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। এমনকি সামাজিক মাধ্যমে প্রযোজকের জন্য আবেদন করতেও তাঁকে দেখা গেছে। অনেক ঘাত প্রতিঘাত, প্রত্যাখ্যান-র সিঁড়ি পেড়িয়ে তিনি সত্যিই ছাদ তুলতে পেরেছেন। আজ আক্ষরিক অর্থেই ছাদে উঠে শ্রীলেখা নিচের দিকে তাকিয়ে বলতে চাইছেন, তোমরা আমাকে বহু চেষ্টা করেও আমার ছাদে ওঠা আটকাতে পারলে না। সেই একগুচ্ছ অভিমান, আক্ষেপ, অবহেলা, বিশ্বাসঘাতকদের উদ্দেশ্যে গর্জে উঠেছে তাঁর কলম। তিনি সামাজিক মাধ্যমে উগরে দিয়েছেন সেই কথা।শ্রীলেখা সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেনঃছবি তো বানিয়েছি নিজের পয়সায়, প্রচুর festival ঘুরলো। সামনেই আবার দিল্লি যাচ্ছি এবং ছাদ নিয়ে। ছবিটা বানিয়ে ইচ্ছে হয়েছিল আরো তিনটে শর্ট বানাবো তারপর অ্যান্থোলজি হিসেবে হল রিলিজ করব। নতুন পরিচালকের পাশে দাঁড়ান বলে যারা দাবি করেন তারা অনেকেই ফোন ধরেননি বা মেসেজের রিপ্লাই ব্যাক করেননি।। যারা করেছেন তারা কফি খেয়ে এবং খাইয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ছবির জন্য পয়সা দেবেন। এক ভদ্রলোক সামান্য কিছু টাকা এডভান্স করেছিলেন ছবি আরম্ভের দশ দিন আগে থেকে উনি ফোন ধরা এবং মেসেজের রিপ্লাই ব্যাক করা বন্ধ করে দিলেন। আমরা তার আগে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছি লোকেশন রেইকি করেছি একটার্সদের নিয়ে ওয়ার্কশপ করেছি কিছু কিছু টাকা এডভান্সও দিয়েছিলাম। প্রডিউসার ভদ্রলোক তখন গায়েব। এখন উনি এবং উনার পরিবার আমার কাছে সেই যৎসামান্য এডভান্স যেটা দিয়েছিলেন যা কিনা পুরোটাই খরচ হয়ে যায় তা ফেরত চাইছেন। নিয়ম মতে সেই টাকা দেওয়ার কথা নয় আমাদের সময় পরিশ্রমের কোন মূল্যই দেয়া হয়নি। তাও বলেছি ফাইন্যান্সার পেলে বা প্রোডিউসার পেলে কিছু দেবো। উনি টাকাটা দেখলেন সময়ের পরিশ্রমের মূল্যটা দিলেন না। এর মধ্যে হলো আমার টাকা চোট। আমি দমবো না ছবি তো আমি করবই দরকার হলে নিজের ফিক্স ডিপোজিট ভেঙ্গে করব। সাথে থেকো।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

বক্ষ জুড়ে চলে বেড়াচ্ছে জীবন্ত মাছ! ফ্যাশনের নিত্যনতুন আঙ্গিকে উরফি

গড়পড়তা ফ্যাশনের কনসেপ্ট থেকে বেরিয়ে এসে তিনি তাঁর এক নিজস্ব জগৎ তৈরি করে ফেলেছেন ফ্যাশান দুনিয়ায়, যেখানে নিয়ম ভাঙ্গাটাই নিয়ম। ছকে বাঁধা ফ্যাশন স্টেটমেন্ট তাঁকে কখনই টানে না। তিনি কখনও বাচ্চাদের খেলার গাড়ি দিয়ে বক্ষবন্ধনী করেন তো কখনও বেতের লাঠি দিয়ে গাউন আবার কখনও লাল অ্যাডেশিভ টেপ জড়িয়ে লজ্জা নিবাড়ন। নিত্যনতুন ভাবনা তাঁর মাথায় কিলবিল করে। তাঁর সাজপোশাক দেখার আগে কারোর মাথাতেই আশার কথা নয় এটাকে পোশাক ভাবা যেতে পারে। এহেন ফ্যাশান আইটেম গ্ল্যামার কুইনের হলেন উরফি যাভেদ।তাঁর পরনে কখনো চিরুনি দিয়ে তৈরি পোশাক তো কখনও আবার বস্ত্রহীন শরীরের লজ্জা ঢাকেন বেলি ফুলের মালা দিয়ে। ছকভাঙ্গা ফ্যাশানের অভিনব কায়দার পোশাকেই উরফিকে দেখতে অভ্যস্ত দর্শক। তাঁর অভিনব পোশাক নিত্যদিন বলিউডের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। তাঁর পোশাকে অভিনবত্ব আনতে গিয়ে তিনি বারবার বিতর্কে জড়িয়েছেন। নানারকম হুমকিতে জর্জরিত তাঁর জীবন। কিন্ত উরফি যেনো অন্য ধাতুতে গড়া। ছোটখাটো চেহারা দেখে তাঁর অবমূল্যায়ন কারীদের তিনি বারবার ভুল প্রমান করেছেন।সমোলচনায় বিদ্ধ উরফি থেমে না থেকে, উল্টে ফ্যাশান নিয়ে তাঁর নানারকম পরীক্ষা-নিরীক্ষার উৎসাহ আরও কয়েকগুণ বেড়িয়ে দিয়েছেন। এমন সব জিনিস দিয়ে তিনি পোশাক বানিয়ে পরেছেন যা এর আগে কারুর কলপনাতেই আসেনি। ঘাসের ফ্লোর কার্পেট দিয়ে বানানো গাউন তো কখনো শুধুমাত্র পুঁথির মালা দিয়ে ঢেকেছেন বক্ষজুগল, আবার কখনো উন্মুক্ত বক্ষ ঢেকেছেন এক্স-রে প্লেট দিয়ে। কখনও সেই সমস্ত পোশাক প্রশংসা কুড়িয়েছে তো আবার কখনও তাঁর উগ্ধট পোশাকের কারণে জুটেছে কটুক্তি। এবার তিনি আর এক নতুন রূপে ধরা দিলেন।উরফির সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন তাঁর এক নতুন অবতার। যা দেখে স্তম্ভিত নেটিজ়েনরা। উন্মুক্ত বক্ষদেশে কোনও অন্তর্বাস নেই,তার জায়গায় একটি স্বচ্ছ প্লাস্টিকের প্যাকেটের জলে কিছু জীবন্ত মাছ চলে বেড়াচ্ছে। জীবন্ত মাছভর্তি প্লাস্টিকের থলি দিয়েই ব্রালেট বানিয়ে ফেলেছেন উরফি। গোলাপি জিন্স পরিহিত উরফির এহেন ইন্সটা ভিডিও মুহুর্তে ভাইরাল। ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে উরফির উন্মুক্ত বক্ষদেশে জুড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে কমলা রঙের ছোট ছোট গোল্ড ফিশ। বুকে দুটি প্লাস্টিকের প্যাকেট ঝুলিয়ে ক্যামেরার সামনে নানা কায়দার পোজ দিতে ব্যস্ত মছলি জল কি রানী উরফি। গোলাপি অধরঞ্জনীতে অধর রাঙ্গিয়ে, স্কুল গার্লের মত চুলে দুটি বিনুনি করে, হালকা মেকআপে উষ্ণতা ছড়িয়েছেন উরফি। তাঁর ছিমছাম সাজ নজর কেড়েছে নেট অনুগামীদের।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২৩
রাজ্য

এবার নিয়োগ দুর্নীতিতে ইডির তলব তৃণমূল নেত্রী অভিনেত্রী সায়নী ঘোষকে

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে এবার ইডির নজরে যুব তৃণমূল সভানেত্রী সায়নী ঘোষ। টলিউডের এই অভিনেত্রীকে জিজ্ঞাসাবদের জন্য তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সূত্রের খবর, শুক্রবার তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নোটিসে।সূত্রের খবর, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষের সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ের তদন্তে নাম উঠে এসেছে সায়নীর নাম। সম্পত্তি কেনাবেচাতেও নাম জড়িয়েছে সায়নীর, এমনটাই দাবি ইডির। সেই প্রসঙ্গে যুব সভানেত্রীকে জেরা করতে চায় ইডি। জানা গিয়েছে, আরেক গ্রেফতার যুব তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ও সায়নীর সঙ্গে কুন্তলের যোগের কথা তদন্তকারীূের জানিয়েছেন।চলতি বছরের মার্চ মাসে কুন্তলের সঙ্গে পরিচিতি থাকায় ইডির নজরে এসেছিলেন অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত। অভিযোগ ছিল, কুন্তলের টাকায় গাড়ি কিনেছিলেন তিনি। তা নিয়ে গোয়েন্দাদের প্রশ্নের মুখেও পড়তে হয়েছিল তাঁকে। ইডির হাতে কুন্তলের গ্রেফতারির পর তাঁর এক ঘনিষ্ঠের সঙ্গে যোগসূত্র মেলে বনির প্রেমিকা অভিনেত্রী কৌশানী মুখোপাধ্যায়ের।কুন্তল ঘনিষ্ঠ সোমা চক্রবর্তীর নেল পার্লারে মডেলিংয়ের কাজ করেছিলেন অভিনেত্রী। এর পর নাম আসে বনিরও। কুন্তল জেরার মুখে ইডি আধিকারিকদের কাছে দাবি করেছিলেন, নিয়োগ দুর্নীতিতে বাজার থেকে তোলা টাকার মধ্যে তিনি বনিকে ৪০ লক্ষ দিয়েছিলেন গাড়ি কিনতে। বনি পরে সেই টাকা ইডিকে ফেরতও দিয়েছে। ভোট বাজারে সায়নী ইডি দফতরে যায় কিনা তাই এখন দেখার।

জুন ২৮, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

বাংলা সিনেমা ও মডেলিং জগতে নতুন মুখ অভিনেত্রী, মডেল অঙ্কিতা বিশ্বাস

বাংলা সিনেমা জগত ও মডেলিং জগতের খুব পরিচিত নাম অঙ্কিতা বিশ্বাস। মডেলিং থেকে অভিনয় দর্শকদের কাছে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছেন এই অভিনেত্রী মডেল। নানা মিউজিক ভিডিও তে অভিনয় করেছেন এই অভিনেত্রী। শুধু অভিনয় নয়, মডেলিং জগতে বেশ কিছু নামকরা ব্র্যান্ডের শ্যুটে দেখা গিয়েছে তাকে। আরো কিছু নামকরা ব্র্যান্ডের শ্যুটে দেখা যাবে তাকে।তবে অভিনেত্রী, মডেল অঙ্কিতা বিশ্বাস জানান ভালো প্রজেক্টে ভালো চরিত্রের জন্য অপেক্ষা করছি। যেখানে নিজের ভালো অভিনয় উপহার দিতে পারবো আমার দর্শকদের। কারন ভালো চরিত্র পাওয়া প্রতিটি অভিনেত্রীর কাছে সবচেয়ে বড়ো পাওনা।

জুন ১০, ২০২৩
রাজনীতি

মুখ্যমন্ত্রী হলে কি রাতারাতি আশ্চর্যসাধন করবেন বিজেপি নেতা অভিনেতা মিঠুন? ঘোষণা করে কি বললেন 'মহাগুরু'?

রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর অভিযোগ মিঠুন চক্রবর্তীর। শুধু অভিযোগ করেই ক্ষান্ত হননি মিঠুন, মুখ্যমন্ত্রী হলে কি করবেন তা-ও ঘোষণা করেছেন। শুক্রবার সল্টলেকের ইজেডসিসি-তে বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, এ রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বলে কিছু অবশিষ্ট নেই। আইএএস, আইপিএস, স্কুল, কলেজ, সরকারি অফিস, যেখানেই হাত দেবেন, দুর্নীতি বাসা বেঁধেছে। পুরো সিস্টেমটা নষ্ট হয়ে গিয়েছে। কোনও ২-৪ জন নেতাকে গ্রেফতার করলে কিছু হবে না। কারণ একজন দুজনের কাজ এটা নয়। সবাই দুর্নীতিগ্রস্ত।জাতীয় পুরস্কার প্রাপক অভিনেতা তথা একসময়ের তৃণমূল সাংসদের মন্তব্যের পর রেরে করে উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ টুইটে লিখেছেন, মিঠুন চক্রবর্তী সারদার টাকা নিয়েছেন, অ্যালকেমিস্ট চিট ফান্ডের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাস্যাডর। আরও একাধিক বিতর্কে জড়িত। গ্রেফতারি এড়াতে @MamataOfficial-র দেওয়া রাজ্যসভার এম পি পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে বেইমানি বিজেপির কথা বলা পুতুল হয়েছেন। এখন তিনি বাংলাকে অপমান করছেন, কুৎসা করছেন। উল্লেখ্য সারদা চিটফাণ্ড কেলেঙ্কারিতে দীর্ঘ দিন জেলবন্দি ছিলেন তৎকালীন তৃণমূল সাংসদ কুণাল ঘোষ।এরপরই একসময়ের যুবকদের হার্টথ্রব মিঠুনের দাবি, আমায় মুখ্যমন্ত্রী করে দিলে ৬ মাসের মধ্যে গোটা সিস্টেম বদলে দেব। পশ্চিমবঙ্গ আর এই পশ্চিমবঙ্গ থাকবে না। কোনও প্রজন্মকে শেষ করতে গেলে আগে শিক্ষাকে শেষ করো। এই মুহূর্তে রাজ্যের কোনও ভবিষ্যৎ দেখতে পাই না। রাজ্যের ভবিষ্যৎ নিরাপদ করতে গেলে পরিবর্তন করতে হবে। সেটা ঠিক করবে মানুষ। আর যদি রাজনৈতিক দল বলতে বলেন, তাহলে আমি বলব বিজেপি।রাজ্যের বুদ্ধিজীবীদের নীরবতা নিয়েও মিঠুন চক্রবর্তীর তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। তিনি বলেন, বাংলায় যখনই কোনও ঘটনা ঘটেছে আমরা কিন্তু জেগেছি। তার প্রতিবাদ করেছি। কিন্তু এখন আমরা প্রতিবাদ করতে ভুলে গিয়েছি। কারণ, যারা প্রতিবাদের সামনে থাকেন তাদের আত্মা বিক্রি হয়ে গেছে। তাদের আত্মা মরে গেছে কি না জানি না। মরে গেলে আর জাগবে না। পড়াশুনো করা লোকেদের আবার কী আবেদন করব? তারা তো সব জেনে শুনে করছেন।

জুন ০২, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

নতুন লুকে মডেল ও অভিনেত্রী মিতা মন্ডল

বাংলা সিনেমা জগত ও মডেলিং জগতের খুব পরিচিত নাম মিতা মন্ডল। মডেলিং থেকে অভিনয় দর্শকদের কাছে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছেন এই অভিনেত্রী মডেল। নানা মিউজিক ভিডিও তে অভিনয় করেছেন এই অভিনেত্রী। শুধু অভিনয় নয়, মডেলিং জগতে বেশ কিছু নামকরা ব্র্যান্ডের শ্যুটে দেখা গিয়েছে তাকে। আরো কিছু নামকরা ব্র্যান্ডের শ্যুটে দেখা যাবে তাকে।তবে অভিনেত্রী, মডেল মিতা মন্ডল জানান ভালো প্রজেক্টে ভালো চরিত্রের জন্য অপেক্ষা করছি। যেখানে নিজের ভালো অভিনয় উপহার দিতে পারবো আমার দর্শকদের। কারণ ভালো চরিত্র পাওয়া প্রতিটি অভিনেত্রীর কাছে সবচেয়ে বড়ো পাওনা।

এপ্রিল ০১, ২০২৩
রাজ্য

'পাঠান' শাহরুখ প্রচন্ড ব্যস্ত, সাংসদ অভিনেতা দেবকে বড় দায়িত্ব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা

তৃণমূল সাংসদ তথা অভিনেতা দেবকে পর্যটনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হওয়ার প্রস্তাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দেব ঘাড় নেড়ে সেই প্রস্তাবে রাজিও হয়ে যান। রাজ্যের পর্যটন দফতরের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসাবে কাজ করবেন টলি অভিনেতা।বুধবার নবান্ন সভাগৃহে ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোমোশনের বৈঠক চলছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন দেবও। হঠাৎই মুখ্যমন্ত্রী দেবকে বলেন, তুমি বাংলার অ্যাম্বাসাডর হও। দেব মাথা নাড়ে। প্রশ্ন ওঠে তাহলে কি বলিউডের বাদশা শাহরুখ খান থাকছে না। বিষয়টি স্পষ্ট করে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন, তা নয়। শাহরুখ ব্যস্ত। তাই পর্যটনের ব্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হচ্ছে দেব। এ ব্যাপারে বিজ্ঞাপন তৈরির জন্য গৌতম ঘোষকে দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী দেবকে বলেন, তুমি আরও দু তিনজনকে সঙ্গে নিয়ে নাও।

মার্চ ১৫, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

ইডি, সিবিআই-র ডাক না পেয়ে 'পতিবাদ' করলেন টলি অভিনেত্রী!

রাজনীতির আঙ্গিনা ছেড়ে ঢেউ এখন টালিগঞ্জে আছড়ে পড়েছে। কখন এসএসসি দুর্নীতিতে কার ডাক আসে সেই আতঙ্কে কাঁপছে টলিউড, ঠিক অন্যদিকে জনপ্রিয় টলি অভিনেত্রী আবার মর্মাহত কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের তলব না পেয়ে। সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই টালিগঞ্জের প্রথম সারির বেশ কয়েকজন অভিনেতা ও অভিনেত্রীকে তলব করতে পারে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি।অন্যদিকে জাতে উঠতে না পারার দুঃখে মরমে মরছেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। রবিবারের সকালে শ্রীলেখা মিত্রর সামাজিক মাধ্যমের এহেন পোস্ট দেখে ঘাবরে গেছেন তাঁর অনুরাগীরা। আচমকাই এহেন উপলবদ্ধির হেতু বুঝতে একটু সময় লাগে তাঁদের। হঠাৎ কেন এমন কথা বললেন শ্রীলেখা?নিয়োগ দুর্নীতি মামলার জল গড়িয়েছে বহু দূর। কুন্তল ঘোষের বয়ানের ওপর ভিত্তি করে ডাকা হয়েছে টলি অভিনেতা বনি সেনগুপ্তকে। গোয়েন্দাদের ধারণা শুধু বনি সেনগুপ্ত নয়, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়াতে চলেছে টালিউডের নামি-অনামি একঝাঁক অভিনেতা-অভিনেত্রীর। মূলত যাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করেছেন ইডির হাতে গ্রেফতার হওয়া তৃণমূল কংগ্রেসের যুবনেতা কুন্তল ঘোষ। ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে অভিনেতা বনি সেনগুপ্তকে, আগামী মঙ্গলবার আবার তাঁকে ডাকা হয়েছে। কুন্তলের অভিযোগ ছিল, বনিকে ৪০ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন তিনি। সূত্রের খবর, শীঘ্রই টালিগঞ্জের প্রথম সারির দুই অভিনেতা ও তিন অভিনেত্রীকে তলব করতে চলেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।শ্রীলেখার পোস্টে অনেকেই কটাক্ষের ইঙ্গিত পাচ্ছেন। সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে শ্রীলেখা মিত্র লেখেন, জীবনে একটা ইডি, সিবিআই-এর ডাক পেলাম না!!! রোজ়ভ্যালি থেকে কুন্তল... ছিঃ ছিঃ তিনি টলিউডের একজন স্বনামধন্যা নায়িকা হওয়া সাত্তেও যে বহু বছর ধরে যে একই কোম্পানির গাড়ি ব্যবহার (ভার্না ফ্লুইডিক) ব্যবহার করছেন, সে কথাও তিনি আক্ষেপের সাথে উল্লেখ করেছেন তাঁর পোস্টে। কয়েক বছরের অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত কুন্তলের টাকায় ল্যান্ড রোভার কেনাতেই কি শ্রীলেখার আক্ষেপ? অভিনেত্রী আরও লেখেন, আর পরের ছবির প্রযোজকের আশায়। ধুর ধুর! পতিবাদ থুরি প্রতিবাদ করছি।তাঁর প্রতিবাদ কে পতিবাদ বলার ধরনের মধ্যেই ভয়ঙ্কর শ্লেষ-র আভাস পাচ্ছেন নেটিজেনরা। বিশিষ্টজনেদের ধারণা বিদ্যজনেদের মতাদর্শ ভুলে ইস্যু ভিত্তিক প্রতিবাদকেই শ্রীলেখা হয়ত পতিবাদ বলে ব্যঙ্গ করতে চেয়েছেন।

মার্চ ১২, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

টলিপাড়ায় গভীর শোকের ছায়া! শুটিঙের মধ্যেই দীঘার সমুদ্রে তলিয়ে গেলেন অভিনেতা!

টলিপাড়ায় নেমে এল গভীর শোকের ছায়া। অকালপ্রয়াণ হল অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়-এর। মাত্র ৪৩ বছর বয়সেই এই মর্মান্তিক ঘটনায় স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে বাংলা বিনোদন জগৎ।দিঘার শুটিংয়ে কী ঘটেছিল?জানা গিয়েছে, রবিবার দিঘা-র তালসারি এলাকায় একটি ধারাবাহিকের শুটিং চলছিল। ভোলে বাবা পার করেগা নামের ওই ধারাবাহিকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছিলেন রাহুল। শুটিংয়ের মাঝেই তিনি সমুদ্রের জলে নামেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আচমকাই তিনি জলে তলিয়ে যান।সঙ্গে থাকা টেকনিশিয়ানরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসেন। এরপর তাঁকে তড়িঘড়ি স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতাল সূত্রে খবর, সেখানে পৌঁছানোর আগেই তাঁর মৃত্যু হয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, জলে ডুবে যাওয়ার ফলেই এই মর্মান্তিক পরিণতি।সহ-অভিনেতার বক্তব্যধারাবাহিকে রাহুলের জেঠুর চরিত্রে অভিনয় করছিলেন ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, শুটিং প্রায় শেষের দিকেই ছিল এবং প্যাক-আপের পর এই দুর্ঘটনা ঘটে।ভাস্করের কথায়,আমরা সবাই শুটিং সেরে মধ্যাহ্নভোজ করতে গিয়েছিলাম। রাহুল বলেছিল, আরও কয়েকটা শট দিয়ে আসবে। তারপর হঠাৎই এই খবর পাই। বিশ্বাসই করতে পারছি নাএকজন সুস্থ, প্রাণবন্ত মানুষ এভাবে চলে যেতে পারেন!কী নিয়ে ধোঁয়াশা?ঘটনার সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। সমুদ্রের স্রোত, অসতর্কতা, নাকি অন্য কোনও কারণসবটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শুটিং ইউনিট এবং স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে।শোকস্তব্ধ টলিপাড়ারাহুল অরুণোদয়ের অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে টলিউডে। সহকর্মী থেকে অনুরাগীসকলেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শোকপ্রকাশ করছেন। একজন প্রতিভাবান অভিনেতার এই আকস্মিক বিদায়ে বাংলা ধারাবাহিক জগতে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি হল।এই মর্মান্তিক ঘটনাটি আবারও প্রশ্ন তুলে দিলসমুদ্রতীরবর্তী এলাকায় শুটিংয়ের সময় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা জরুরি। তদন্তের রিপোর্ট সামনে এলেই হয়তো স্পষ্ট হবে, ঠিক কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটার তালিকা সংশোধন: ১৮ লক্ষ বাদ! ৪০ লক্ষ-র নিষ্পত্তি, এখনও অনিশ্চয়তায় ২০ লক্ষ নাম

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া জোরকদমে চলছে। প্রায় ৬০ লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটারের মধ্যে রবিবার পর্যন্ত প্রায় ৪০ লক্ষের তথ্য যাচাই ও নিষ্পত্তি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই প্রায় ১৮ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এখনও প্রায় ২০ লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীন রয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রথম দফার ভোটের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ৬ এপ্রিলের আগেই এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে।এখন পর্যন্ত খসড়া ও চূড়ান্ত তালিকা মিলিয়ে রাজ্যে মোট ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২ জনের নাম বাদ গিয়েছে। প্রথম অতিরিক্ত তালিকা থেকেই বাদ পড়েছে প্রায় ১২ লক্ষ নাম। Supreme Court of India-এর নির্দেশে এই বিবেচনাধীন ভোটারদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ করছেন বিচারকেরা। এই কাজে ভিন্রাজ্য থেকেও বিচারক আনা হয়েছে।২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করে Election Commission of India। তখন বিবেচনাধীন ভোটারের সংখ্যা ছিল ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫। এই বিশাল সংখ্যক আবেদন নিষ্পত্তির দায়িত্বে রয়েছেন মোট ৭০৫ জন বিচারক। কমিশন জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে ধাপে ধাপে সংশোধিত তালিকা প্রকাশ করা হচ্ছে। সেই অনুযায়ী ২৩ মার্চ রাতে প্রকাশিত হয় প্রথম অতিরিক্ত তালিকা। যদিও ওই তালিকায় কতজনের নাম যুক্ত বা বাদ পড়েছে, তার বিস্তারিত তথ্য এখনও জানানো হয়নি।এসআইআর শুরুর আগে রাজ্যে মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯। খসড়া তালিকা প্রকাশের সময় ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৯ নাম বাদ পড়ে এবং মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৬৩০। পরে ২৮ ফেব্রুয়ারির চূড়ান্ত তালিকায় আরও ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৩ জনের নাম বাদ যায়। ফলে ওই সময় পর্যন্ত মোট বাদ পড়া নামের সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২।খসড়া তালিকায় থাকা ৭ কোটি ৮ লক্ষের বেশি ভোটারের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৫২ লক্ষকে শুনানির জন্য চিহ্নিত করা হয়। এর মধ্যে নো-ম্যাপিং ভোটারের সংখ্যা ছিল ৩১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৪২৬যাঁরা ২০০২ সালের শেষ এসআইআরের সঙ্গে নিজেদের তথ্যের মিল দেখাতে পারেননি। বাকি প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ ভোটারকে তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে চিহ্নিত করা হয়।সব মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি ৪২ লক্ষ ভোটারের শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ৮২ লক্ষ ভোটারের নথি গ্রহণযোগ্য বলে মনে করেছে কমিশন। অন্যদিকে, শুনানির ভিত্তিতে বাছাই করে ৫ লক্ষের বেশি নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এরপরই প্রকাশিত হয় প্রথম দফার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা, যেখানে রাজ্যের মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ২৮৪। তবে সেই তালিকাতেও ৬০ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম বিবেচনাধীন হিসেবে রেখে দেওয়া হয়।নির্বাচনের মুখে এই বৃহৎ পরিসরের যাচাই প্রক্রিয়া প্রশাসনের কাছে যেমন বড় চ্যালেঞ্জ, তেমনই রাজনৈতিক দিক থেকেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এখন নজর, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাকি থাকা ভোটারদের ভাগ্য কীভাবে নির্ধারণ করে কমিশন।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

পুনর্নির্বাচন ঘিরে তীব্র অভিযোগ, “আমাদের এলাকাতেই টার্গেট”— মমতার দাবি

পুরুলিয়ার সভা থেকে আবারও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, যেখানে তৃণমূল শক্তিশালী, সেখানেই পরিকল্পিতভাবে পুনর্নির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।সভামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মা-বোনেরা নির্বাচনের দিন ভাল করে বুথ পাহারা দেবেন। ওদের পরিকল্পনা আমাদের এলাকাগুলোতে পুনর্নির্বাচন করানো। অনেক চক্রান্ত হচ্ছে, এটা দিল্লির চক্রান্ত। এই চক্রান্ত আমরা ব্যর্থ করে দেব। তিনি আরও বলেন, মনে রাখবেন, সুস্থ বাঘের থেকে আহত বাঘ আরও ভয়ঙ্কর।মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, তাঁর কাছ থেকে প্রশাসনিক অনেক ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তবে তিনি মানুষের শক্তির ওপরই ভরসা রাখছেন। তাঁর কথায়, আমি মানুষের ক্ষমতা চাই। মানুষই এর জবাব দেবে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন এ বার অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে কড়া অবস্থান নিয়েছে। কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, কোথাও ভয় দেখানো হলে বা ভোট দিতে বাধা দেওয়া হলে তা গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজন হলে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।কমিশনের এক পর্যবেক্ষক জানান, যদি কোনও ভোটার নিজের বুথে গিয়ে ভোট দিতে না পারেন বা বাধার মুখে পড়েন, তবে সেটিকে গুরুতর সমস্যা হিসেবে ধরা হবে। সেই ক্ষেত্রে পরিস্থিতি বিবেচনা করে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকও জানিয়েছেন, আগে পুনর্নির্বাচন ছিল ব্যতিক্রমী ঘটনা। কিন্তু এখন কোনও সন্দেহ বা অভিযোগ উঠলেই তা খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরাও পুনর্নির্বাচনের সুপারিশ করতে পারবেন।এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য এবং কমিশনের কড়া অবস্থান দুই মিলিয়ে রাজ্যের নির্বাচনী আবহ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

টিকিট না পেয়ে বিস্ফোরক অসিত! রচনার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগে তোলপাড় চুঁচুড়া

সাংবাদিক বৈঠকে অসিত মজুমদার বলেন, রচনা চান না দেবাংশু জিতুক। সবাইকে নিয়ে চলার মানসিকতা তাঁর নেই। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার বলেছেন সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলতে, কিন্তু তিনি তা মানছেন না। এখানেই থেমে থাকেননি তিনি। তাঁর অভিযোগ, রচনার জন্যই তিনি টিকিট পাননি। তাঁর কথায়, আমি এখনও বিধায়ক, অথচ মিছিলে আমার নাম নেই। রচনা দেবাংশুকে নিয়ে মিছিল করবে আর নির্দেশ দেবে, এটা মেনে নেওয়া যায় না।তিনি আরও বলেন, যাঁরা টিকিট পাননি সেই ৭৪ জন বিধায়ককে অপমান করা হয়েছে। রচনাকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ও নতুন এসে দল শেখাবে? ও চান না দেবাংশু জিতুক। দীর্ঘদিনের সংগঠক হিসেবে নিজের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন অসিত।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমরা দীর্ঘদিন লড়াই করে দলকে এগিয়ে এনেছি। এখন যারা নতুন, তারা এসে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে। তাঁর অভিযোগ, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে ভুল তথ্য পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।ক্ষোভের সুরে তিনি আরও বলেন, দল যা বলেছে তাই করেছি। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে পুরনোদের আর বিশ্বাস করা হচ্ছে না। রচনাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, দম থাকলে চুঁচুড়ায় নির্দলে দাঁড়ান। আমিও দাঁড়াব। যদি ওর থেকে বেশি ভোট না পাই, তবে মাথা ন্যাড়া করে জেলায় ঘুরব।অন্যদিকে, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় এই অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, নতুন প্রার্থী নির্ধারণ করেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। পুরনো প্রার্থীদের ক্ষেত্রে মানুষের বিশ্বাস এবং সমর্থনের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই প্রক্রিয়ার ভিত্তিতেই প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।এই ঘটনার পর চুঁচুড়া সহ গোটা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের অন্দরমহলের এই দ্বন্দ্ব আগামী নির্বাচনে কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেক আসার আগেই সভায় হাঙ্গামা, তৃণমূলের অন্দরেই সংঘাত প্রকাশ্যে

নওদায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাকে ঘিরে আচমকা চরম বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি তৈরি হল। সভামঞ্চের সামনেই তৃণমূল কর্মীদের একাংশ বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। একে অপরের দিকে চেয়ার ছুড়ে মারার ঘটনাও দেখা যায়। ফলে সভাস্থলের একটি বড় অংশ লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়।চোখে পড়ে, এক যুবক মঞ্চের সামনে এসে বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তাঁর পরনে ছিল সাদা রঙের টি-শার্ট। মূলত বিধানসভা নির্বাচনে পছন্দের নেতাকে টিকিট না দেওয়ার অভিযোগেই এই বিক্ষোভ শুরু হয়।জানা গিয়েছে, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি শফিউজ্জামান শেখ টিকিট না পাওয়ায় তাঁর অনুগামীরাই এই বিক্ষোভে সামিল হন। তাঁরা মিছিল করে সভামঞ্চের সামনে চলে আসেন। প্রথমে তাঁরা দর্শক আসনের বাইরে ছিলেন। পরে ব্লক সভাপতি ভিতরে ঢোকার পর হঠাৎ করেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য মঞ্চ থেকে দলের নেতারা বারবার কর্মীদের শান্ত থাকার আবেদন জানান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কিছুক্ষণের মধ্যেই সভায় উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই ভাঙা চেয়ার গুছিয়ে নেওয়ার কথাও বলা হয়। কিন্তু সেই কথা অনেকেই উপেক্ষা করে বিক্ষোভ চালিয়ে যান। আগে থেকে বসে থাকা অনেককে সেখান থেকে উঠে যেতে বাধ্য করা হয়।এই ঘটনার জেরে সভাস্থলে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। সূত্রের খবর, নওদা কেন্দ্রে এ বার টিকিট পেয়েছেন শাহিনা মমতাজ। সেই কারণেই ব্লক সভাপতির অনুগামীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।এই ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
কলকাতা

এক ধাক্কায় ৮৩ অফিসার বদলি, ভোটের আগে বড় পদক্ষেপ কমিশনের!

নির্বাচনের আগে প্রশাসনিক মহলে বড়সড় রদবদলের সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। এক ধাক্কায় ৮৩ জন বিডিও এবং সহকারী রিটার্নিং আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, রাজ্যের একাধিক জেলায় এই বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক আধিকারিককে সরানো হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে ১৪ জন এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১১ জন আধিকারিকের বদলি হয়েছে।উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের একাধিক ব্লকের বিডিও বদল করা হয়েছে। মালদহ ও মুর্শিদাবাদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্লকেও এই রদবদল হয়েছে। পাশাপাশি নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনার একাধিক জায়গাতেও বদলি হয়েছে আধিকারিকদের।দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন হয়েছে। মগরাহাট, বাসন্তী, কাকদ্বীপ, ফলতা, বিষ্ণুপুর, মিনাখা, পাথরপ্রতিমা, ডায়মন্ড হারবার, মথুরাপুর, ক্যানিং ও ভাঙড়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্লকে নতুন বিডিও নিয়োগ করা হয়েছে। হাওড়া এবং হুগলির বেশ কয়েকটি এলাকাতেও এই বদল কার্যকর করা হয়েছে।পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি, চণ্ডীপুর, পটাশপুর, তমলুক, রামনগর, মহিষাদল, নন্দীগ্রাম, কাঁথি, এগরা, ভগবানপুর ও সুতাহাটার মতো জায়গাতেও একাধিক বিডিও বদলি হয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরেও একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এছাড়াও পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান এবং বীরভূম জেলার একাধিক ব্লকের বিডিও বদল করা হয়েছে। এই হঠাৎ রদবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, এর আগে একাধিকবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে প্রশাসনের আধিকারিকদের সরানো হচ্ছে। সেই অভিযোগের আবহেই কমিশনের এই বড় সিদ্ধান্তকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

“আমাকে মারার ছক কষছে?” পুরুলিয়া থেকে বিস্ফোরক মমতা, তীব্র আক্রমণ শাহকে

শনিবার রাজ্যে এসে তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কলকাতার একটি হোটেলে বসে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে বলেন, তিনি নাকি বারবার ভিক্টিম কার্ড খেলেন। এই মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে পুরুলিয়ার জনসভা থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এবার কি আমাকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করছে?শাহর অভিযোগ ছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কখনও পায়ে চোট পান, কখনও কপালে ব্যান্ডেজ বাঁধেন, আবার কখনও অসুস্থ হয়ে নিজেকে অসহায় হিসেবে তুলে ধরেন। তাঁর মতে, বাংলার মানুষ এই ধরনের রাজনীতি ভালোভাবেই বুঝে গিয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনকে অপমান করা বাংলার সংস্কৃতির বিরোধী।এই বক্তব্যের পাল্টা দিতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ওরা বলছে আমি নাকি ব্যান্ডেজ নিয়ে ঘুরি। আমি বহুবার মৃত্যুর মুখ থেকে লড়াই করে ফিরেছি। হাসপাতালে গিয়ে আমার রিপোর্ট দেখে আসুন। আমার ওপর কী অত্যাচার হয়েছে, তা আপনারা জানেন না। তিনি আরও দাবি করেন, আগের নির্বাচনের সময় ইচ্ছা করে তাঁর পায়ে আঘাত করা হয়েছিল। তখনও তিনি প্লাস্টার নিয়ে হুইলচেয়ারে করে মানুষের কাছে পৌঁছেছিলেন।নন্দীগ্রামে বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁর পায়ে চোট লাগার ঘটনাও তিনি তুলে ধরেন। সেই সময় তিনি অভিযোগ করেছিলেন, কিছু অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি তাঁকে ধাক্কা দেয়, যার ফলে গাড়ির দরজা তাঁর পায়ে লাগে। যদিও তদন্তে জানানো হয়েছিল, সেটি পরিকল্পিত হামলা নয়, বরং দুর্ঘটনা।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এভাবে কথা বলার মানে কী? কেউ কাউকে আক্রমণ করার আগে পরিকল্পনা করে। যে ভুল করে, সে কিছু প্রমাণ রেখে যায়। তাঁর কথাতেই বোঝা যাচ্ছে, কিছু একটা পরিকল্পনা চলছে।২০২৪ সালেও তাঁর মাথায় গুরুতর চোট লাগে। তখন জানা গিয়েছিল, নিজের বাড়িতে পড়ে গিয়ে তিনি আঘাত পান এবং কয়েকদিন তাঁর মাথায় ব্যান্ডেজ ছিল।মমতার এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আসলে ভয় পেয়েছেন। তাঁর দাবি, এই অভিযোগপত্র বাংলার মানুষের কথা বলছে এবং মুখ্যমন্ত্রীর উচিত রাজ্যের উন্নয়ন নিয়ে কথা বলা।

মার্চ ২৯, ২০২৬
কলকাতা

টিকিট না পেয়ে বিস্ফোরণ! তৃণমূল ছাড়ার ইঙ্গিত সুনীল সিংয়ের, নোয়াপাড়ায় বাড়ছে ক্ষোভ

প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই রাজ্যের শাসকদলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছে। অনেক বিধায়ক টিকিট না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। সেই ক্ষোভ এবার প্রকাশ্যে আনলেন নোয়াপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক সুনীল সিং। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আর তৃণমূলে থাকতে চান না তিনি।নোয়াপাড়ায় তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যকে বেছে নেওয়ায় ক্ষুব্ধ সুনীল। তাঁর অভিযোগ, এলাকার বাইরে থেকে প্রার্থী এনে দলের ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, নোয়াপাড়ার মানুষ এই সিদ্ধান্তে খুশি নন। দলের কর্মীরাও ক্ষুব্ধ। তাঁর কথায়, এলাকায় অনেক যোগ্য নেতা থাকলেও তাঁদের কাউকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।একইসঙ্গে তিনি বলেন, চারবারের বিধায়ক মঞ্জু বসুকে প্রার্থী না করায় নোয়াপাড়ার মানুষ অপমানিত বোধ করছেন। এই সিদ্ধান্ত মানুষ মেনে নেবে না বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর মতে, রাজ্যে যেমন পরিবর্তন এসেছিল, তেমনই নোয়াপাড়াতেও পরিবর্তন আসতে পারে।উল্লেখ্য, মঞ্জু বসুও আগে টিকিট না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, টাকা না দেওয়ার কারণেই তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি।সুনীল আরও প্রশ্ন তুলেছেন, কেন এলাকার বাইরে থেকে প্রার্থী আনা হল। তাঁর বক্তব্য, স্থানীয় অনেকেই প্রার্থী হওয়ার যোগ্য ছিলেন, কিন্তু তাঁদের কাউকেই বেছে নেওয়া হয়নি। তিনি দাবি করেন, নোয়াপাড়ার মানুষ বাইরের প্রার্থীকে ভোট দিতে রাজি নন।এর আগেও সুনীল সিংয়ের দলবদল নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। তিনি বিরোধী শিবিরের এক নেতার সঙ্গে দেখা করেছিলেন, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়। সেই সময় তাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ নিয়েও অনেক জল্পনা তৈরি হয়েছিল।এখন সুনীল সিংয়ের গলায় স্পষ্ট অভিমান। তিনি বলেন, দলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তাঁকে বিশ্বাস করা হয়নি। তাঁর মতে, যে দলে বিশ্বাস নেই, সেখানে থাকার কোনও মানে হয় না। তাই ভবিষ্যতে তিনি কী সিদ্ধান্ত নেবেন, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal