• ৩ আশ্বিন ১৪৩৩, বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

West Bengal

কলকাতা

বিদেশি ভোটার ইস্যুতে কড়া নির্বাচন কমিশন! একাধিক জেলাশাসক তিরস্কৃত

ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসককে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়, কোন কর্তৃত্বে এআরও-রা ইআরএমও-দের ডেকেছিলেন। একাধিক জেলার জেলাশাসকের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে কমিশন।কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও মালদার জেলাশাসকদের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। কোচবিহারের জেলাশাসককে নথি আপলোডে দেরির জন্য তিরস্কার করা হয়েছে। দুই ২৪ পরগনার জেলাশাসকের কাজ নিয়েও অসন্তোষ জানানো হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসককে রাজনৈতিক মন্তব্য না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এসআইআর শেষ হওয়ার আগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বৈঠক করেন। ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকও। বৈঠকে স্পষ্ট বলা হয়, কোনও বিদেশি নাগরিকের নাম যেন ভোটার তালিকায় না থাকে। ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে তথ্য যাচাই করতে হবে। সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে, যদি ভবিষ্যতে কোনও নাম থেকে যায়, তা হলে এক বা পাঁচ বছর পরেও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। মামলা পর্যন্ত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ভারতের সংবিধান যাঁদের বৈধ ভোটার বলে চিহ্নিত করে, তাঁদের বাইরে কাউকে বৈধ ভোটার হিসেবে মানা যায় না। তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের বৈধ ভোটার হিসেবে দেখছেন। নির্বাচন কমিশন সংবিধান অনুযায়ী কাজ করছে বলেও দাবি করেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিবকে তলব করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।অন্যদিকে তৃণমূলের সোশাল মিডিয়া সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, তাঁরাও চান না কোনও বিদেশি ভোটার থাকুক। তবে বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না যায়, সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষ, পরিযায়ী শ্রমিক বা গরিব মানুষদের বারবার নোটিস দিয়ে ডাকা হচ্ছে। তাঁদের পক্ষে বারবার যাতায়াত করা সম্ভব নয়। ফলে তাঁদের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।সব মিলিয়ে ভোটার তালিকা সংশোধনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক কড়াকড়ি এবং রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে। বিদেশি ভোটার বিতর্কে আগামী দিনে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

জ্বর-শ্বাসকষ্ট থেকে নিপা, তারপর মৃত্যু! আতঙ্ক বাড়িয়ে রাজ্যের প্রথম বলি

পশ্চিমবঙ্গে চলতি মরশুমে প্রথম নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত এক নার্সের মৃত্যু হয়েছে। দীর্ঘ ৩৯ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর বৃহস্পতিবার তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনাটি ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। যদিও হাসপাতাল সূত্রে দাবি করা হয়েছে, নিপা নয়, হার্ট অ্যাটাকেই মৃত্যু হয়েছে ওই নার্সের।মৃতার নাম সৌমি রায় চৌধুরী। বেশ কিছুদিন ধরে তিনি জ্বর, শ্বাসকষ্ট এবং শারীরিক দুর্বলতায় ভুগছিলেন। পরে পরীক্ষা করে জানা যায়, তিনি নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত। গত ৪ জানুয়ারি তাঁকে বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিটে রেখে চিকিৎসা শুরু হয়। টানা ৩৯ দিন চিকিৎসার পর তাঁর মৃত্যু হয়। হাসপাতাল সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, শেষ দিকে তিনি নাকি নিপামুক্ত হয়েছিলেন।স্বাস্থ্য দপ্তর আগেই নিপা আক্রান্ত ও তাঁদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ নির্দেশিকা জারি করেছে। বলা হয়েছে, যাঁরা দীর্ঘ সময় আক্রান্তের খুব কাছাকাছি ছিলেন, তাঁরাই বেশি ঝুঁকিতে। উপসর্গ না থাকলেও ২১ দিন আলাদা থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সেই সময় স্বাস্থ্যকর্মীরা দিনে দুবার করে খোঁজ নেবেন বলেও জানানো হয়েছে।চিকিৎসকদের মতে, নিপা ভাইরাস রুখতে সচেতনতা খুব জরুরি। বিশেষ করে ফল খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। বাদুড় বা অন্য কোনও পশুর কামড় দেওয়া ফল খাওয়া যাবে না। এই সময়ে খেজুর রস না খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। পেয়ারা, লিচু বা অন্য ফল খাওয়ার আগে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। রাস্তায় কাটা ফল খাওয়া এড়ানোই ভালো। নইলে সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।রাজ্যে নিপা আক্রান্তের এই প্রথম মৃত্যুর ঘটনায় স্বাস্থ্য মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

নির্মলাকে ‘ঈর্ষাকাতর’ বলেই ক্ষান্ত নন কল্যাণ! কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন

পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সংসদে মন্তব্য করেছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। তার জবাব দিতে গিয়ে তাঁকে তীব্র আক্রমণ করলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্মলা সীতারমণ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঈর্ষা করেন বলে দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ।কল্যাণ বলেন, গত কয়েক বছর ধরেই তিনি দেখছেন নির্মলা সীতারমণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঈর্ষা করেন। তাঁর বক্তব্য, নির্মলা কোনওদিন প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী হতে পারবেন না। এমনকি কোনও প্রদেশের নেত্রী হিসেবেও নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন না বলে মন্তব্য করেন তিনি। রাজ্যসভা থেকে তাঁকে এনে মন্ত্রী করা হয়েছে বলেও কটাক্ষ করেন কল্যাণ। অর্থ বিষয়ক দায়িত্ব সামলানোর মতো অভিজ্ঞতা তাঁর নেই বলেও দাবি করেন তৃণমূল সাংসদ। নির্মলাকে ঝগড়ুটে গোছের বলেও মন্তব্য করেন তিনি।কল্যাণের এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়েছে বিজেপি। দলের নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় কটাক্ষ করে বলেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের আগে জানতে হবে তাঁর হাতে বোতল ছিল কি না। তিনি বলেন, নেত্রীর মনোযোগ আকর্ষণ করতেই কল্যাণ এ ধরনের মন্তব্য করছেন। তৃণমূলের মধ্যে নিজের পুরনো পদ ফিরে পেতেই তিনি আরও আক্রমণাত্মক হচ্ছেন বলেও দাবি বিজেপি নেতার।প্রসঙ্গত, সংসদে নির্মলা সীতারমণ পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। দুর্গাপুরের একটি মেডিক্যাল কলেজে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ এবং নদিয়ার কালীগঞ্জে বোমাবাজিতে তামান্না খাতুনের মৃত্যুর প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। সেই সময় তিনি মন্তব্য করেন, বাংলায় বোমা চলে, আইন চলে না। সেই মন্তব্যের জবাব দিতেই তৃণমূলের তরফে তীব্র আক্রমণ শানালেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।এই ঘটনাকে ঘিরে কেন্দ্র ও রাজ্যের রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

এসআইআর ইস্যুতে রাজ্য পুলিশের ডিজিকে শোকজ সুপ্রিম কোর্টের, চাপে প্রশাসন

পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে বিভিন্ন জায়গায় গন্ডগোলের অভিযোগ সামনে আসতেই কড়া পদক্ষেপ করল সুপ্রিম কোর্ট। এসআইআর-এর কাজে যুক্ত কর্মীদের ভয় দেখানো এবং হিংসার অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজি পীযূষ পান্ডেকে শোকজ করেছে শীর্ষ আদালত। তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে হলফনামা জমা দিয়ে ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ।গত বছরের নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শুরু থেকেই বিভিন্ন ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করে আসছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। এসআইআর-এ শুনানি পর্ব শুরু হওয়ার পর রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অশান্তির খবর সামনে আসে। কোথাও বিডিও অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে, আবার কোথাও অফিসে ঢুকে আধিকারিককে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও সামনে আসে।এই সব অভিযোগ সুপ্রিম কোর্টে তুলে ধরে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের দাবি, হুমকি, হিংসা এবং ভয় দেখিয়ে এসআইআর প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করার চেষ্টা করা হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও এফআইআর দায়ের হয়নি বলেও জানানো হয় আদালতে। এর পরই শীর্ষ আদালত রাজ্য পুলিশের ডিজিকে শোকজ করে ব্যক্তিগত হলফনামা জমা দিতে নির্দেশ দেয়।ডিজি পীযূষ পান্ডে এই শোকজের কী জবাব দেন, সেটাই এখন দেখার। এদিকে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, এসআইআর সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ইআরও-রাই। তাঁদের নথি যাচাইয়ের জন্য ১৪ ফেব্রুয়ারির পর আরও এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, এসআইআর প্রক্রিয়ায় কোনও বাধা বরদাস্ত করা হবে না।রাজ্য পুলিশের ডিজিকে শোকজ করা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার চূড়ান্ত অবনতি হয়েছে। তাঁর দাবি, ডিজিকে শোকজ করার অর্থই হল রাজ্যের পুলিশমন্ত্রীকে শোকজ করা, যেহেতু পুলিশ দফতরের দায়িত্ব মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
দেশ

৮৫০৫ অফিসার মঙ্গলবার হাজিরা দেবেন? রাজ্যকে কড়া বার্তা প্রধান বিচারপতির

ভোটার তালিকা সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে টানাপোড়েন পৌঁছল সুপ্রিম কোর্টে। কমিশনের অভিযোগ ছিল, রাজ্য পর্যাপ্ত অফিসার দিচ্ছে না। সোমবারের শুনানির আগেই রবিবার রাজ্য সরকার কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানায়, অফিসার নিয়োগ করা হচ্ছে। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সওয়াল করার এক্তিয়ার নিয়েও একাধিক মামলা দায়ের হয়।সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চে সেই সব মামলার শুনানি হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অখিল ভারত হিন্দু মহাসভা যে মামলা করেছে, তার বৈধতা নিয়েই প্রশ্ন তোলে শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন ছিল, যে সংগঠন মূলত মন্দিরের দেখভাল করে, তাদের সঙ্গে নির্বাচনের সম্পর্ক কোথায়। একসঙ্গে অনেকে কথা বলায় এদিন বিরক্তিও প্রকাশ করেন তিনি।রাজ্যের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান। তিনি জানান, আনম্যাপড ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৩২ লক্ষ। বাকি ভোটারদের লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির কারণে ডাকা হয়েছে। মোট ১.৩৬ কোটি মানুষকে নোটিস দেওয়া হয়েছে। শুধু বানান ভুলের কারণেই প্রায় ৫০ শতাংশ ভোটারকে তলব করা হয়েছে বলে তিনি জানান।নির্বাচন কমিশনের দাবি, অফিসার চেয়ে রাজ্যকে পাঁচ বার চিঠি দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের বক্তব্য, আদালতে আসার পরই তারা এই দাবি জানতে পেরেছে। এই প্রসঙ্গে রাজ্যের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন প্রধান বিচারপতি। তিনি জানতে চান, ৮৫০৫ জন অফিসার মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার মধ্যে ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন অফিসারের কাছে রিপোর্ট করতে পারবেন কি না এবং তাঁদের নামের তালিকা কমিশনকে দেওয়া হয়েছে কি না। কমিশনের আইনজীবী জানান, কোনও নামের তালিকা তারা পাননি। তখন প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট বলেন, শুধু সংখ্যা পাঠালে হবে না, অফিসারের নাম, পদ এবং সমস্ত তথ্য দিতে হবে।প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, চার বা পাঁচ তারিখেই তালিকা দেওয়া যেত। এ নিয়ে অযথা বিতর্ক চাই না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। রাজ্য জানায়, কোথায় কত অফিসার দরকার, তা জানতে সময় লেগেছে।রাজ্যের তরফে আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি জানান, রাজসাহিত্য সংস্থা থেকে কর্মীদের এনে মাইক্রো অবজার্ভার করা হয়েছে এবং কমিশন কখনও গ্রুপ-বি অফিসার চায়নি। কমিশনের পাল্টা দাবি, এসডিএম বা এসডিও র্যাঙ্কের অফিসার চেয়ে একাধিক চিঠি দেওয়া হয়েছে।ইআরও ও মাইক্রো অবজার্ভারদের ক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ইআরও-রাই, মাইক্রো অবজার্ভাররা নন। তিনি কড়া ভাষায় জানান, প্রয়োজনে আদালত নির্দেশ দেবে, কিন্তু কোনও অবস্থাতেই এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাধা বরদাস্ত করা হবে না।আদালতের নির্দেশে ১৪ ফেব্রুয়ারির পর আরও এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে স্ক্রুটিনির জন্য, অর্থাৎ রাজ্যে এসআইআর-এর সময়সীমা বাড়ানো হল। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার মধ্যে ৮৫০৫ জন অফিসারকে ইআরও-র কাছে রিপোর্ট করতে হবে। সমস্ত তথ্য যাচাই করে নির্বাচন কমিশন ঠিক করবে, কাকে নিয়োগ করা হবে আর কাকে নয়। শেষ সিদ্ধান্ত ইআরও-র হাতেই থাকবে।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
রাজ্য

শীত বিদায়ের কাউন্টডাউন! প্রেম দিবসেই বদলে যাবে আবহাওয়া

শীতের শেষ পর্ব শুরু হয়ে গিয়েছে শহরে। টানা দুদিন রাতের তাপমাত্রা ছিল ১৪ ডিগ্রির ঘরে। তবে গত রাত থেকে পারদ কিছুটা বাড়তে শুরু করেছে। রবিবার রাতে শহরের তাপমাত্রা ছিল প্রায় ১৬ ডিগ্রি। ফলে শীতের হালকা আমেজ এখনও রয়েছে, তবে তা বেশিদিন থাকবে না।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাত ও ভোরের দিকে শীতের অনুভূতি থাকবে। কিন্তু সকাল ৮টার পর থেকে শীতের পোশাকের প্রয়োজন কমে যাবে। ১২ ফেব্রুয়ারির পর ধাপে ধাপে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে। প্রেম দিবসের সময় শহরে বসন্তের হাওয়া অনুভূত হতে পারে। মার্চ মাসে, বিশেষ করে দোলের সময়, তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে বলে মনে করছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। এই সময়ে শহরে ঘন কুয়াশার কোনও সম্ভাবনা নেই।জেলার আবহাওয়া এখনও ততটা বদলায়নি। দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কালিম্পংয়ে ঘন কুয়াশা দেখা যাচ্ছে।দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলায় দিন ও রাতের তাপমাত্রা এখনও স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা কম। উত্তুরে হাওয়ার জন্য ভোর ও রাতে হালকা শীতের অনুভূতি থাকছে। উপকূল ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১৩ থেকে ১৫ ডিগ্রির মধ্যে রয়েছে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির কাছাকাছি নেমে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস রয়েছে। আগামী সাত দিনে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই।উত্তরবঙ্গে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এখনও ৫ থেকে ৬ ডিগ্রির মধ্যে রয়েছে। আগামী চার থেকে পাঁচ দিনে তাপমাত্রায় বিশেষ পরিবর্তন হবে না। তার পর ধীরে ধীরে সেখানেও তাপমাত্রা বাড়বে। তবে দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রা তুলনামূলক দ্রুত বাড়বে। এই সময়ে বাংলায় কোনও পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবের সম্ভাবনা নেই।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
রাজ্য

সেলিমের নেতৃত্বেই জোট! না হলে একাই ১৮২ আসনে লড়বেন হুমায়ুন

সিপিএম, আইএসএফ ও মিমের সঙ্গে জোট হবে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা চলছে। এই পরিস্থিতিতে ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন নতুন করে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন। তিনি জানিয়েছেন, সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই জোট চূড়ান্ত হয়ে যাবে।হুমায়ুন বলেন, জোট হলে তিনি ১৩৫ আসনের নিচে নামবেন না। আর যদি জোট হয়, তবে সেই জোটের নেতৃত্ব তিনি শুধু সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিমের হাতেই মানবেন। অন্য কাউকে নেতা হিসেবে মেনে নেবেন না বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।কয়েক দিন আগে নিউটাউনে একটি বৈঠক নিয়ে মুখ খুলেছিলেন সেলিম। তখন তিনি বলেছিলেন, তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে হলে মন্দির-মসজিদের রাজনীতি করা চলবে না। সেই প্রসঙ্গেই হুমায়ুন বলেন, শূন্যের সঙ্গে শূন্য যোগ করলে শূন্যই হয়। সেই শূন্যের একটা কেটে গেছে। আর একটা শূন্য আমাদের সঙ্গে থাকতে আগ্রহ দেখিয়েছে। ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মিম, আইএসএফ ও সিপিএমের মধ্যে কার সঙ্গে জোট হবে, তা মানুষ জানতে পারবেন।কত আসনে লড়তে চান, সেই প্রশ্নের জবাবে হুমায়ুন বলেন, জোট হলে আসন ভাগাভাগির কারণে তাঁদের আসন সংখ্যা কমে যাবে। তবে তা যতই কমুক, তিনি ১৩৫ আসনের নিচে নামবেন না। আর জোট না হলে তিনি একাই ১৮২ আসনে লড়বেন বলে দাবি করেছেন।তাঁর কথায়, প্রধান লক্ষ্য তৃণমূলকে পরাজিত করা এবং বিজেপিকে সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পৌঁছাতে না দেওয়া। সে ক্ষেত্রে জোটের নেতৃত্ব যদি সেলিম দেন, তবে তিনি তা মেনে নেবেন।এদিকে এই মন্তব্য নিয়ে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। দলের নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন, ভোটের আগে অনেকেই ফাঁকা আওয়াজ দেন। শেষ পর্যন্ত কী হয়, তা দেখার অপেক্ষা।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৬
কলকাতা

এসআইআর শুনানিতে নাটকীয় মোড়, হঠাৎ নিয়ম বদলে ডোমিসাইল মানল কমিশন

এসআইআর শুনানির একেবারে শেষ পর্বে এসে নিয়ম বদলাতে বাধ্য হল নির্বাচন কমিশন। তৃণমূল কংগ্রেসের লাগাতার চাপের মুখে এবার থেকে কমিশন নির্ধারিত ১১টি নথির পাশাপাশি ডোমিসাইল সার্টিফিকেট বা পারমানেন্ট রেসিডেন্স সার্টিফিকেটকেও প্রামাণ্য নথি হিসেবে গ্রহণ করা হবে। শনিবার এই সিদ্ধান্তের কথা রাজ্য নির্বাচনী দপ্তরকে জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।তবে এই ক্ষেত্রে শর্তও স্পষ্ট করে দিয়েছে কমিশন। জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক বা মহকুমা শাসকের সই করা ডোমিসাইল সার্টিফিকেটই গ্রহণযোগ্য হবে। অন্য কোনও আধিকারিকের সই করা শংসাপত্র নথি হিসেবে গ্রাহ্য করা হবে না। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় এই নতুন সংযুক্তি নিঃসন্দেহে বহু ভোটারের কাছে বড় স্বস্তির খবর।এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই নির্বাচন কমিশনের একাধিক নির্দেশিকা নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছিল রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। ভোটার তালিকায় নাম থাকার জন্য যে নথিগুলির তালিকা দেওয়া হয়েছিল, তার মধ্যে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড কিংবা ডোমিসাইল সার্টিফিকেট না থাকায় বিতর্ক তৈরি হয়। এই বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তাঁর প্রশ্ন ছিল, বিহারে এসআইআর চলাকালীন যদি ডোমিসাইল সার্টিফিকেট গ্রহণ করা হয়ে থাকে, তবে বাংলায় তা করা হচ্ছে না কেন।এই একই প্রসঙ্গ ওঠে সুপ্রিম কোর্টেও। গত বুধবার এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানির সময় মুখ্যমন্ত্রী নিজেই সওয়াল করে ডোমিসাইল সার্টিফিকেট ও মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণ না করার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, তৃণমূলের চাপ এবং বিহার ও বাংলার জন্য আলাদা নিয়ম করা নিয়ে সমালোচনার মুখেই শুনানির শেষ দিনে এসে নিয়ম বদলাতে বাধ্য হল নির্বাচন কমিশন।ডোমিসাইল সার্টিফিকেট হল স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ার প্রমাণ হিসেবে রাজ্য সরকার বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের অনুমোদিত আধিকারিকদের দেওয়া শংসাপত্র। সাধারণত যাঁরা অন্তত ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে একই এলাকায় বসবাস করছেন, তাঁরাই এই সার্টিফিকেট পাওয়ার যোগ্য। এই নথিতে জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক বা মহকুমা শাসকের সই থাকে।উল্লেখযোগ্য ভাবে, ২০২৫ সালে বিহারে এসআইআর প্রক্রিয়ায় এই ডোমিসাইল সার্টিফিকেটকেই প্রামাণ্য নথি হিসেবে গ্রহণ করেছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু বাংলার ক্ষেত্রে তা বাদ দেওয়ায় বহু ভোটারকে নথি জোগাড় করতে সমস্যায় পড়তে হয়েছিল। আজ, ৭ ফেব্রুয়ারি, শুনানির শেষ দিনে কমিশনের তরফে জানানো হল, ডোমিসাইল সার্টিফিকেট এবার গ্রহণযোগ্য হবে। কয়েকটি জেলায় এখনও শুনানি শেষ হয়নি। সেই জেলাগুলিতে যদি শুনানির সময় বাড়ানো হয়, তবে ওই অতিরিক্ত সময়ে ডোমিসাইল সার্টিফিকেট জমা দিয়ে শুনানিতে অংশ নিতে পারবেন ভোটাররা।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬
দেশ

আদালতের নির্দেশেও শুরু হয়নি ১০০ দিনের কাজ! সংসদে মুখোমুখি কেন্দ্র-রাজ্য

আদালতের নির্দেশের পরেও বাংলায় এখনও শুরু হয়নি একশো দিনের কাজ। এবার সেই বিষয়টি সংসদে তুলে ধরল তৃণমূল কংগ্রেস। লোকসভায় রাজ্যের শাসক দলের সাংসদ মালা রায় বাংলায় একশো দিনের কাজ নিয়ে একাধিক প্রশ্ন করেন। তাঁর প্রশ্নের লিখিত জবাব দেয় কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক।লিখিত জবাবে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী কমলেশ পাসওয়ান জানান, ২০২২ সালের ৯ মার্চ থেকে পশ্চিমবঙ্গের জন্য একশো দিনের কাজের বরাদ্দ টাকা বন্ধ রাখা হয়েছে। তাঁর দাবি, কেন্দ্রের নির্দেশ রাজ্য সরকার না মানার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।লোকসভায় মালা রায় জানতে চান, ২০২৫ সালের ১ অগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামোন্নয়ন কর্মসূচি বা এমজিএনরেগা প্রকল্পে পশ্চিমবঙ্গে কতদিন কাজ হয়েছে। পাশাপাশি তিনি প্রশ্ন তোলেন, গত ছমাসে এই প্রকল্পের জন্য রাজ্য সরকার কত টাকা পেয়েছে। যদি টাকা না দেওয়া হয়ে থাকে, তবে তার কারণ কী।এই প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্র স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পরেও একশো দিনের কাজ শুরু না হওয়ার দায় রাজ্যেরই। কমলেশ পাসওয়ান বলেন, ২০২৫ সালের ১৮ জুন কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে গত বছরের ৬ ডিসেম্বর রাজ্যে একশো দিনের কাজ শুরু করার বিষয়ে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছিল। তবে প্রকল্পটি সঠিক ও আইন মেনে চালানোর জন্য কিছু বিশেষ শর্ত মানার কথা বলা হয়।কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের জন্য শ্রম বাজেটের প্রস্তাব পাঠাতে রাজ্য সরকারকে অনুরোধ করা হয়েছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সেই প্রস্তাব কেন্দ্রের কাছে আসেনি। মালা রায়ের প্রশ্নের জবাবে কেন্দ্র কার্যত স্পষ্ট করে দেয়, রাজ্যের অসহযোগিতার কারণেই বাংলায় একশো দিনের কাজ শুরু করা যায়নি।এই পরিস্থিতি এমন এক সময়ে তৈরি হয়েছে, যখন বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের আর একশো দিনেরও কম সময় বাকি। রাজনৈতিক মহলের মতে, নির্বাচনী প্রচারে একশো দিনের কাজ বন্ধ থাকার বিষয়টি নিয়ে বিজেপি ও তৃণমূল একে অপরকে তীব্রভাবে আক্রমণ করবে। ভোটের ময়দানে এই তথ্য দুই পক্ষ কীভাবে ব্যবহার করে, সেদিকেই নজর থাকবে।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬
কলকাতা

“বুক ফুলিয়ে বিধানসভায় ঢুকব”—আসন সংখ্যা নিয়ে বড় হুঙ্কার বিজেপির

পরিবর্তন আসন্ন এবং জয় নিশ্চিতএমনই আত্মবিশ্বাসের সুরে কথা বললেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবার তিনি আরও বড় দাবি করলেন। তাঁর বক্তব্য, গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি যেখানে ৭৭টি আসন পেয়েছিল, সেখানে এবার সেই সংখ্যা বেড়ে হবে ১৭৭। শুভেন্দুর কথায়, ১৭৭টি আসন নিয়ে বিজেপি বুক ফুলিয়ে বিধানসভায় ঢুকবে।শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, গত নির্বাচনে ৩৯ শতাংশ হিন্দু ভোট বিজেপির পক্ষে গিয়েছিল। এবার সেই হার বেড়ে ৪৫ শতাংশ হবে বলে তাঁর দাবি। হিন্দুদের পাশাপাশি আদিবাসীরাও বিজেপিকে ভোট দেবেন বলেই তিনি আশাবাদী। তাঁর কথায়, বিজেপি এক সময় ৩টি আসন থেকে ৭৭-এ পৌঁছেছিল, এবার সেই ৭৭ থেকে সরাসরি ১৭৭-এ পৌঁছবে দল।তবে শুভেন্দুর এই দাবিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের এক মুখপাত্র বলেন, আগে বিজেপির নেতারা ২০০ আসনের কথা বলেছিলেন, কিন্তু ফল হয়েছিল ৭৭। এবার শুভেন্দু বলছেন ১৭৭। আগের হিসাব ধরলে সংখ্যাটা ৫০-এর নিচেই নেমে যাবে বলে কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি ব্যঙ্গ করে বলেন, শুভেন্দু বুক ফুলিয়ে বিধানসভায় দর্শক হিসেবে ঢুকবেন কি না, সেটাই দেখার। বিধানসভায় দর্শক হিসেবে ঢুকতে হলে বিধায়কের সুপারিশ লাগে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এর মধ্যেই বাংলার রাজনীতিতে আরেকটি বড় পরিবর্তন সামনে এসেছে। আসন্ন বিধানসভা ভোটে কংগ্রেস এবার বামেদের সঙ্গে জোটে যাচ্ছে না। আগের বার জোটের ছবি দেখা গেলেও এবার সেই সমীকরণ ভেঙে গিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নিয়েও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি শুভেন্দু অধিকারী। কংগ্রেস ও তৃণমূলকে একই বন্ধনীতে রেখে তিনি বলেন, মালদহ ও মুর্শিদাবাদে কংগ্রেস মুসলিম ভোট পায়, আর তৃণমূল মুসলিম ভোটের উপর ভর করেই রাজ্য চালাচ্ছে। তবে বিজেপির এসব নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই বলেই জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির লক্ষ্য হিন্দু সমাজকে এক করা।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
দেশ

অনুপ্রবেশ ইস্যুতে তৃণমূলকে তুলোধোনা, রাজ্যসভায় বিস্ফোরক মোদী

রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর রাজ্যসভায় জবাবি ভাষণ দিতে উঠে উত্তাল পরিস্থিতির মুখে পড়লেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভাষণ শুরু হতেই বিরোধী সাংসদদের তুমুল স্লোগানে সরগরম হয়ে ওঠে রাজ্যসভা। তবে সেই অবস্থার মধ্যেই নিজের বক্তব্য শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। স্লোগান তোলাকে কেন্দ্র করে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গেকে খোঁচা দিয়ে মোদী বলেন, বয়সের কথা মনে রেখে তিনি যেন বসে থেকেই স্লোগান দেন।প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই একাধিক বিরোধী সাংসদ রাজ্যসভা থেকে ওয়াকআউট করেন। সেই বিষয়টিকেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি মোদী। তিনি বলেন, কিছু মানুষ এত তাড়াতাড়ি ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন, কিন্তু তাঁদেরও একদিন প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। একই সঙ্গে কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী।মোদীর বক্তব্যে উঠে আসে কংগ্রেস আমলের প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, লালকেল্লা থেকে কংগ্রেসের প্রধানমন্ত্রীদের দেওয়া ভাষণগুলি বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট বোঝা যাবে যে তাঁদের কোনও দীর্ঘমেয়াদি ভাবনা ছিল না। সেই কারণেই দেশ বহু বছর পিছিয়ে পড়েছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি। মোদীর দাবি, কংগ্রেসের ভুল সংশোধন করতেই বর্তমান সরকারকে অনেক শক্তি ব্যয় করতে হয়েছে। তাঁর কথায়, বর্তমান সরকার ভবিষ্যতের কথা ভেবেই নীতি তৈরি করেছে এবং আজ দেশ নীতির ভিত্তিতেই চলছে।জবাবি ভাষণের সময় বাংলার প্রসঙ্গও তোলেন প্রধানমন্ত্রী। রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে নির্মম সরকার বলে কটাক্ষ করেন তিনি। রাজ্যসভায় উপস্থিত তৃণমূল সাংসদদের উদ্দেশে মোদীর মন্তব্য, নির্মমতার যত রেকর্ড ছিল, সবকিছুই তারা ভেঙে দিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, বাংলার মানুষের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে, অথচ ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য সেই নির্মমতাকেই প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে।অনুপ্রবেশ ইস্যুতেও তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী। মোদীর বক্তব্য, সারা পৃথিবীর দেশ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। অথচ তৃণমূল সরকার অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করতে আদালতে যাচ্ছে এবং আদালতের উপর চাপ সৃষ্টি করছে। তাঁর দাবি, এই অনুপ্রবেশকারীরাই যুব সমাজের চাকরি কেড়ে নিচ্ছে এবং আদিবাসীদের জমি দখল করছে। অথচ এসব বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ না নিয়ে তৃণমূল সরকার কেন্দ্রকে উপদেশ দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
দেশ

ডিএ মামলায় সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশ, রাজ্যকে দিতে হবে বকেয়া টাকা

ডিএ মামলায় সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা মিটিয়ে দেওয়ার স্পষ্ট নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত। শুধু ডিএ নয়, এরিয়ারও টাকা দিতে হবে রাজ্যকে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ মামলার রায় ঘোষণা করেন বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের বেঞ্চ।আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, রাজ্য সরকারকে এখনই ২৫ শতাংশ ডিএ দিতে হবে, এরিয়ার সহ। বাকি ৭৫ শতাংশ বকেয়া ডিএ আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে মেটাতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই মামলায় সুপ্রিম কোর্টের এই রায়কে ঐতিহাসিক বলে মনে করছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা।ডিএ-র দাবিতে টানা ১১০৬ দিন ধরে আন্দোলন চালাচ্ছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। এদিন আদালতের রায় ঘোষণার পর কর্মচারীদের মুখে চওড়া হাসি দেখা যায়। সুপ্রিম কোর্ট এই মামলার তদারকির জন্য একটি কমিটি গঠনের নির্দেশও দিয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বে এই কমিটি গঠিত হয়েছে। আগামী ১৫ মে-র মধ্যে ওই কমিটিকে রিপোর্ট জমা দিতে হবে।আদালত জানিয়ে দিয়েছে, রোপা এবং এআইসিপিআই অনুযায়ী ডিএ দিতে হবে রাজ্য সরকারকে। তবে মহার্ঘ্য ভাতা মৌলিক অধিকার কি না, সেই বিষয়টি এই মুহূর্তে বিচার করেনি সুপ্রিম কোর্ট। কমিটি রাজ্য সরকারের আর্থিক পরিস্থিতিও খতিয়ে দেখবে। বছরে দুবার ডিএ দেওয়া সম্ভব কি না, সেই বিষয়েও মতামত দেবে তারা। পাশাপাশি রাজ্য সরকার ধাপে ধাপে বকেয়া মেটাচ্ছে কি না, সেটিও রিপোর্টে উল্লেখ করতে হবে।রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম বলেন, এই রায় কর্মচারীদের বড় জয়। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, ডিএ দিতেই হবে এবং সময়ের মধ্যেই বকেয়া মেটাতে হবে। একটি নজরদারি কমিটি গঠন করে দেওয়াও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।এদিকে ধর্মতলায় আন্দোলনরত এক কর্মচারী বলেন, বহু সংগঠন তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। দীর্ঘদিনের লড়াইয়ের পর এই রায় এসেছে। তাঁদের দাবি ছিল কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেওয়া হোক। সেই দাবি নিয়ে মামলার গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত।উল্লেখ্য, এর আগেও ২০২৫ সালের মে মাসে সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য সরকারকে পঞ্চম বেতন কমিশনের বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ মেটানোর নির্দেশ দিয়েছিল। তখন ছসপ্তাহ সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। রাজ্যের হিসাব অনুযায়ী, এই খাতে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা তখনই দেওয়ার কথা ছিল। তবে রাজ্য সরকার সেই টাকা দিতে না পেরে আরও ছমাস সময় চেয়েছিল।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
রাজনীতি

মমতার বাধাতেই থমকে কেন্দ্রীয় প্রকল্প, বাংলায় ভোটের আগে বড় বার্তা বিজেপি সভাপতির

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বাধার কারণেই পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের কাজ হচ্ছে নাএই অভিযোগকে সামনে রেখে আগামী নির্বাচনে লড়াইয়ের নির্দেশ দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। মঙ্গলবার সুকান্ত মজুমদারের বাড়িতে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সাংসদদের সঙ্গে প্রথম বৈঠকেই এই বিষয়টিকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার বার্তা দেন তিনি।এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা ভূপেন্দ্র যাদব, বিপ্লব দেব, অমিত মালব্য-সহ বাংলার দায়িত্বে থাকা একাধিক শীর্ষ নেতা। বৈঠকে নীতিন নবীন প্রথমে সাংসদদের সঙ্গে পরিচয় পর্ব সারেন। এরপর একে একে প্রত্যেক সাংসদের লোকসভা এলাকার রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নেন। কোথায় কী উন্নয়ন হয়েছে, কোথায় কেন্দ্রীয় প্রকল্প আটকে রয়েছে, সেই সব বিষয় নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।বৈঠকে সাংসদদের নির্দেশ দেওয়া হয়, ভোটের আগে নিজেদের এলাকায় আরও বেশি সময় দিতে হবে। সাধারণ মানুষের মধ্যে গিয়ে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা আটকে যাওয়ার জন্য রাজ্য সরকারকেই দায়ী করতে হবে। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, রাজ্য সরকারের বাধার কারণেই একশো দিনের কাজ, আবাস যোজনা-সহ একাধিক প্রকল্পের কাজ থমকে রয়েছে।প্রসঙ্গত, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হওয়ার পর জানুয়ারির শেষ সপ্তাহেই প্রথমবার বাংলায় এসেছিলেন নীতিন নবীন। তখনই তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছিলেন তিনি। অভিযোগ করেছিলেন, অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাকে বাংলাদেশে পরিণত করার চেষ্টা চলছে। সেই সুরেই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার ডাক দিয়েছিলেন।একদিকে তৃণমূল কংগ্রেস বারবার অভিযোগ করেছে, কেন্দ্র রাজ্যের প্রাপ্য টাকা আটকে রেখেছে। অন্যদিকে বিজেপি পাল্টা দাবি করছে, দুর্নীতির কারণেই কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা ছাড়া হচ্ছে না। সাংসদদের সঙ্গে প্রথম বৈঠকেই এই ইস্যুকে আরও জোরালো ভাবে তুলে ধরার নির্দেশ দিলেন বিজেপির নতুন সর্বভারতীয় সভাপতি।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২৬
রাজ্য

এপ্রিলের পর বদলে যাবে বাংলা? ৫০ শতাংশ ভোটের দাবি অমিত শাহের

বঙ্গ সফরে এসে আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডকে কেন্দ্র করে তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শনিবার ব্যারাকপুরের আনন্দপুরী মাঠে বিজেপির কর্মিসভা থেকে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ড কোনও দুর্ঘটনা নয়। তাঁর দাবি, এই ঘটনা তৃণমূল সরকারের দুর্নীতির ফল।অমিত শাহ বলেন, জলাভূমির উপর বেআইনিভাবে গুদাম তৈরি হয়েছিল। প্রশাসন সব জানত, তবু কেউ কিছু করেনি। শুভেন্দু অধিকারী ও শমীক ভট্টাচার্য তাঁকে জানিয়েছেন, এই গুদাম তৈরির সময় কোনও রকম বাধা দেওয়া হয়নি। শাহ প্রশ্ন তোলেন, যদি ওই গুদামের মালিক অনুপ্রবেশকারী হত, তা হলে কি রাজ্য সরকার একইভাবে চোখ বন্ধ করে থাকত? তাঁর কথায়, তৃণমূল সরকার সব কিছু জানত, তবু আড়াল করতে চেয়েছে।আনন্দপুরে এই অগ্নিকাণ্ডে ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেন শাহ। তিনি প্রশ্ন তোলেন, মোমো কারখানার মালিক কার সঙ্গে বিদেশ সফরে গিয়েছিলেন এবং কেন এখনও তাঁকে গ্রেফতার করা হয়নি। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল সরকার অপরাধীদের রক্ষা করছে।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে অমিত শাহ বলেন, তিনি ভাইপোকে মুখ্যমন্ত্রী বানানোর স্বপ্ন দেখছেন। সেই কারণেই চারদিকে দুর্নীতি দেখেও কিছু দেখতে পাচ্ছেন না। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যে হাজার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে, অথচ মুখ্যমন্ত্রী সব কিছু অস্বীকার করছেন। শাহ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছেন।শাহ আরও বলেন, তাঁকে চ্যালেঞ্জ দিলে তৃণমূল কখনওই জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মতো অভিযুক্ত নেতাদের টিকিট দিতে অস্বীকার করতে পারবে না। কারণ, তাঁদের নাম বাদ দিলে তাঁরা ভাইপোর নাম বলে দেবেন বলেই তৃণমূল ভয় পায়।মতুয়া ও নমশূদ্র সমাজের উদ্দেশে অমিত শাহ বলেন, তাঁদের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। বিজেপি তাঁদের পাশে আছে। সীমান্তে অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে এপ্রিল মাসের পর ৪৫ দিনের মধ্যেই সীমান্তে কাঁটাতারের কাজ সম্পূর্ণ হবে। তাঁর অভিযোগ, অনুপ্রবেশকারীরা তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্ক বলেই রাজ্য সরকার জমি দেয়নি। আদালতের নির্দেশের পরও জমি দেওয়া হয়নি।বিগত নির্বাচনের পরিসংখ্যান তুলে ধরে অমিত শাহ দাবি করেন, আগামী নির্বাচনে বিজেপি ৫০ শতাংশ ভোট পাবে। তিনি বলেন, পর্দার আড়ালে অপরাধ লুকোতে চাইলে লুকোন। এপ্রিলের পরে বিজেপি সরকার এলে এক এক করে সব অপরাধীকে খুঁজে বার করা হবে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

‘সাহস মানে গুলি চালানো নয়’—বিদায়বেলায় তীব্র বার্তা রাজ্য পুলিশের ডিজির

সৎ সাহস থাকলে যে কোনও সমস্যার মোকাবিলা করা সম্ভবনিজের বিদায় সংবর্ধনায় এমনই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, সাহস মানে গুলি চালানো বা মানুষ মারা নয়। বরং শান্ত থেকে পরিস্থিতি সামলানোই প্রকৃত সাহস। তিনি বলেন, প্রাণহানি ছাড়াই রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা সামলাতে সক্ষম হচ্ছে পুলিশ, যা অন্য অনেক রাজ্যের তুলনায় বাংলাকে আলাদা করে তুলে ধরছে।বিদায়ী ভাষণে রাজীব কুমার বলেন, পুলিশকর্মীরা তাঁদের কাজের সূত্রে প্রয়োজনে প্রাণ দিতেও প্রস্তুত থাকেন এবং সেখান থেকেই আসে সৎ সাহস। নানা সমস্যার মধ্যেও যদি এই সৎ সাহস বজায় থাকে, তাহলে পরিস্থিতি সামলানো অনেক সহজ হয়। তাঁর কথায়, সাহস মানে হঠাৎ সিদ্ধান্ত নেওয়া নয়, সাহস মানে নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো।তিনি আরও বলেন, কলকাতা পুলিশ ও রাজ্য পুলিশ একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে। রাজীব কুমারের মতে, ভৌগোলিক ও কৌশলগত দিক থেকে বাংলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রাজ্য। তিনটি আন্তর্জাতিক সীমান্ত থাকায় এখানে চ্যালেঞ্জও অনেক বেশি। সেই পরিস্থিতিতেও শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে পুলিশ যে কাজ করে চলেছে, তা সত্যিই গর্বের বলে মন্তব্য করেন তিনি।৩১ জানুয়ারি রাজ্য পুলিশের ডিজি হিসেবে রাজীব কুমারের কর্মজীবনের শেষ দিন। তাঁর অবসর ঘিরে রাজ্য পুলিশের শীর্ষপদ নিয়ে জট আরও বেড়েছে। ক্যাটের নির্দেশের পর ইউপিএসসি দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওয়ায় বিষয়টি নতুন মোড় নেয়। এর মধ্যেই ইউপিএসসির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ তুলেছেন আইপিএস অফিসার রাজেশ কুমার।রাজ্য সরকার এখনও রাজীব কুমারকেই ডিজি পদে রাখতে চাইছে। সেই কারণে নবান্নের তরফে ইউপিএসসিতে আট জন আইপিএস আধিকারিকের নাম পাঠানো হয়েছে, যার মধ্যে রাজীব কুমারের নামও রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী ইউপিএসসির তিন জনের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা রাজ্যকে পাঠানোর কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই দিল্লি হাইকোর্টে মামলা হওয়ায় প্রক্রিয়া থমকে যায়।জানা গিয়েছে, গত ২১ জানুয়ারি রাজ্য সরকার ইউপিএসসিতে ওই আট জনের নাম পাঠায়। কিন্তু চূড়ান্ত তালিকা পাঠানোর আগেই ইউপিএসসি আদালতের দ্বারস্থ হওয়ায় আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হয়। উল্লেখ্য, গত বছরের নভেম্বর মাসে ক্যাটে মামলা করেছিলেন আইপিএস অফিসার রাজেশ কুমার। তাঁর অভিযোগ ছিল, ইউপিএসসির একটি বৈঠকে রাজ্যের প্রস্তাব থাকা সত্ত্বেও রাজীব কুমার, রাজেশ কুমার এবং রণবীর কুমারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়।

জানুয়ারি ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ট্যাংরা-তপসিয়া জুড়ে সিবিআই অভিযান! কোন কেলেঙ্কারির খোঁজ?

ট্যাংরার শিল্পতালুকে সিবিআইয়ের হানায় চাঞ্চল্য ছড়াল। ভারা টেকনোলজি নামে একটি সংস্থার অফিসে তল্লাশি চালান সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা। সূত্রের খবর, ওই সংস্থার সঙ্গে কানোরিয়া ফাউন্ডেশনের যোগ রয়েছে। যে বহুতলে ভারা টেকনোলজির অফিস রয়েছে, সেটিও কানোরিয়া গোষ্ঠীর সংস্থা শ্রেই ফাউন্ডেশনের নামে নথিভুক্ত। একই দিনে তপসিয়াতেও সংস্থার আর একটি অফিসে তল্লাশি চালায় সিবিআই।প্রায় এক হাজার কোটি টাকার প্রতারণা মামলার তদন্তে সকাল থেকেই কলকাতার একাধিক জায়গায় তল্লাশি শুরু করেন সিবিআই আধিকারিকরা। সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরিয়ে সিবিআইয়ের একটি দল নিউ রোডের ৩২ কিউ নম্বর বাড়িতে সুনীল কানোরিয়ার অফিসে পৌঁছয়। সেখানে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে ওই ঠিকানায় সুনীল কানোরিয়া থাকেন না। সেখানে তাঁর পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা থাকেন।এর কিছু সময় পরে সিবিআই আধিকারিকরা আলিপুরের ৭ নম্বর আলিপুর অ্যাভিনিউয়ে সুনীল কানোরিয়ার আরও একটি অফিসে যান। সিবিআই সূত্রে জানা যাচ্ছে, বিপুল অঙ্কের টাকা ফেরতের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক হাজার কোটি টাকার একটি বিনিয়োগ স্কিমের মাধ্যমে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। এই মামলার সূত্র ধরেই শ্রেই ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফিন্যান্স প্রাইভেট লিমিটেড-এর কর্ণধার সুনীল কানোরিয়া ও হেমন্ত কানোরিয়ার বিভিন্ন অফিস এবং বাড়িতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, চলতি মাসেই কয়লা কেলেঙ্কারি মামলায় ইডি আধিকারিকরা মোট দশটি জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছিলেন। সেই তালিকায় ছিল আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসও। ওই তল্লাশির সময়েই সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নথি হাতে নিয়ে বেরিয়ে আসতে দেখা যায় তাঁকে, যা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়। বিষয়টি শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়। বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, ভোটের আগে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি পুরনো মামলাগুলি নতুন করে সক্রিয় করে তুলছে।

জানুয়ারি ২৯, ২০২৬
রাজ্য

জানুয়ারিতেই শেষ শীত? বাংলার আবহাওয়ায় বড় বদল, সতর্কতা জারি উত্তরে

জানুয়ারির মাঝামাঝি থেকেই ধীরে ধীরে বিদায় নিচ্ছে শীত। দক্ষিণবঙ্গে শীতের আমেজ এখন অনেকটাই ফিকে। সকাল আর রাতে হালকা ঠান্ডা অনুভূত হলেও দিনের বেলায় ঠান্ডা প্রায় নেই বললেই চলে। রোদ উঠলেই উধাও হচ্ছে শীতের দাপট। তবে দক্ষিণবঙ্গে যখন এমন আবহাওয়া, ঠিক সেই সময় উত্তরবঙ্গে একেবারে উল্টো ছবি।উত্তর-পশ্চিম ভারতের জম্মু-কাশ্মীর ও সংলগ্ন এলাকায় সক্রিয় রয়েছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, শুক্রবার নতুন করে আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকতে পারে। এর পাশাপাশি দক্ষিণ-পূর্ব উত্তরপ্রদেশ থেকে উত্তর কর্ণাটক পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে একটি সক্রিয় অক্ষরেখা। উত্তর-পূর্ব বিহারের উপর অবস্থান করছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। এই সমস্ত আবহাওয়াগত পরিবর্তনের প্রভাব সরাসরি পড়ছে বাংলায়।দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই সকালের দিকে হালকা কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা এবং তার পার্শ্ববর্তী এলাকাতেও সকালে হালকা কুয়াশা দেখা যেতে পারে। আজ কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে প্রায় ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। উপকূলবর্তী জেলা ও উত্তরবঙ্গ সংলগ্ন এলাকাগুলিতে আগামী কয়েক দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ১৫ থেকে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা নামতে পারে ১১ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। দিনের বেলায় শীতের প্রভাব কম থাকলেও সকাল ও সন্ধ্যায় ঠান্ডার অনুভূতি বজায় থাকবে।উত্তরবঙ্গে শীতের দাপট তুলনামূলকভাবে বেশি। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুর জেলায় আজ ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগামীকালও দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে ঘন কুয়াশা থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলা এবং দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে সকালে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা যেতে পারে। তবে দিনের দিকে আকাশ থাকবে মূলত পরিষ্কার। রোদ উঠতেই ধীরে ধীরে কমবে শীতের আমেজ।

জানুয়ারি ২৯, ২০২৬
রাজ্য

দার্জিলিংয়ে বরফ-বৃষ্টি, কলকাতায় রোদ—দু’মুখো আবহাওয়ায় বাংলা

মাঘের মাঝামাঝি সময়ে এসে রাজ্যের দুই প্রান্তে যেন দুই রকম আবহাওয়ার ছবি। এক দিকে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকায় তুষারপাত ও বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, অন্য দিকে দক্ষিণবঙ্গে ধীরে ধীরে ফিকে হয়ে যাচ্ছে শীতের আমেজ। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনে উত্তরের জেলাগুলিতে বড়সড় পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।সিকিমে প্রবল তুষারপাত ও বৃষ্টির জেরে তার সরাসরি প্রভাব পড়তে চলেছে দার্জিলিং ও আশপাশের পাহাড়ি এলাকায়। দার্জিলিংয়ের পাশাপাশি কালিম্পং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় এক বা দুই পশলা হালকা বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার থেকে বৃহস্পতিবারের মধ্যে এই বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আপাতত উত্তরবঙ্গের কোথাও ঘন কুয়াশার সতর্কতা নেই। শনিবার সকাল পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা যেতে পারে।আগামী পাঁচ দিন তাপমাত্রার তেমন বড় পরিবর্তন হবে না বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় রাতের তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে। তবে জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারের মতো নিচের দিকের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা তুলনামূলক ভাবে বেশি থাকবে।অন্য দিকে দক্ষিণবঙ্গে শীতের দাপট অনেকটাই কমে এসেছে। সকাল ও সন্ধ্যায় হালকা ঠান্ডা থাকলেও, রোদ উঠলেই শীতের আমেজ উধাও হয়ে যাচ্ছে। কলকাতায় এ দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১৫ থেকে ১৭ ডিগ্রির মধ্যে থাকলেও, পশ্চিমের জেলা যেমন পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ায় তা ১১ থেকে ১৪ ডিগ্রির ঘরে রয়েছে।এক দিন আগে কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ৪৭ থেকে ৯১ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গের আকাশ মূলত পরিষ্কার থাকবে। সকালের দিকে কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা দেখা যেতে পারে, তবে ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা নেই।হাওয়া অফিসের মতে, উত্তরে শীতের গতি কমে যাওয়ার পিছনে বড় কারণ পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। এই মুহূর্তে জম্মু ও কাশ্মীর সংলগ্ন এলাকায় একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা সক্রিয় রয়েছে। আগামী ৩০ জানুয়ারি, শুক্রবার নতুন করে আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢোকার সম্ভাবনা আছে। পাশাপাশি দক্ষিণ-পশ্চিম রাজস্থানের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে, যার প্রভাবেও রাজ্যের আবহাওয়ায় এই বদল দেখা যাচ্ছে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুর থেকে তৃণমূলে আক্রমণ নিতিন নবীনের, ‘এবার বাংলার পালা’

বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হওয়ার পর ভোটের রাজ্য বাংলায় এসে পৌঁছলেন বিজেপি নেতা নিতিন নবীন। মঙ্গলবার দুর্গাপুরে আসেন তিনি। বুধবার সেখান থেকেই জনসভা করে তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ শানান বিজেপির নতুন সভাপতি। সভামঞ্চ থেকে রাজ্যের দুর্নীতি, ধর্মীয় ইস্যু, প্রশাসনের ভূমিকা ও অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গে একের পর এক কড়া মন্তব্য করেন তিনি।নিতিন নবীন বলেন, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে তৃণমূলের একাধিক নেতা জেলে রয়েছেন, আবার অনেকে বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। যাঁরা এখনও বাইরে আছেন, তাঁরাও জেলে যাবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তাঁর দাবি, দুর্নীতির সঙ্গে যাঁরাই যুক্ত, কাউকেই ছাড়া হবে না।দুর্গাপুজো প্রসঙ্গে নিতিন নবীন বলেন, শক্তির আরাধনা দুর্গাপুজো থেকেই শুরু হয় এবং বাংলা থেকেই তা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। অথচ এই রাজ্যেই মায়ের পুজোয় বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, আজান চলার সময় কোনও সমস্যা হয় না, কিন্তু দুর্গার আরাধনায় বাধা তৈরি করা হয়। বিজেপি নেতা বলেন, কোনও হিন্দুই এই পরিস্থিতি মেনে নেবে না এবং পরম্পরা রক্ষায় বিজেপি সব রকম ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত।তিনি আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায় ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক চরিত্র বদলের চেষ্টা চলছে। তামিলনাড়ুতে দীপম উৎসবে পুজো করতে বাধা দেওয়া হয়েছে আজানের কারণে বলে অভিযোগ করেন তিনি। ওই রাজ্যের সরকার ইন্ডি জোটে রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন নিতিন নবীন। আদালত পুজোর অনুমতি দেওয়ার পর বিচারপতিকে সরাতে ইমপিচমেন্টের চেষ্টা হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর কথায়, সনাতনী সংস্কৃতি বাঁচানোর লড়াই শুধু বাংলার নয়, গোটা দেশের।প্রশাসনিক আধিকারিকদের উদ্দেশে নিতিন নবীন বলেন, এটি চার দিনের সরকার। তৃণমূলের কথায় নাচবেন না। কাঠের পুতুল হয়ে থাকবেন না। প্রশাসনের কাজ সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো। বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ঘরে ঘরে গিয়ে তৃণমূলের দুর্নীতির কথা মানুষকে জানাতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে বলেন, রাজ্যে যে অরাজকতা তৈরি হয়েছে, তার উল্টো গোনা শুরু করে দিয়েছে বাংলার মানুষ। খুব শিগগিরই বিজেপি বাংলার বিকাশের দায়িত্ব নেবে বলে দাবি করেন তিনি।এসআইআর ইস্যুতেও তৃণমূলকে আক্রমণ করেন নিতিন নবীন। তাঁর বক্তব্য, দিল্লিতে গিয়ে কান্নাকাটি করা হবে, অথচ রাজ্যে এসপি ও ডিএমদের দিয়ে সাধারণ মানুষকে ভয় দেখানো হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, কমিশন অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াতে চাইছে। যাঁদের জন্ম বাংলায়, যাঁরা এই মাটির মানুষ, তাঁরাই বাংলার অধিকার পাবেন। বাংলাদেশ থেকে আসা কোনও অনুপ্রবেশকারীকে বাংলায় থাকার অধিকার দেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট বার্তা দেন বিজেপি সভাপতি।তৃণমূলের বিধায়ক ও মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ তুলে নিতিন নবীন বলেন, একসময় দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের কথা বলা হয়েছিল, কিন্তু এখন তার থেকেও বড় দুর্নীতির কারখানা তৈরি হয়েছে। বিজেপি আগেও উত্তরপ্রদেশ ও বিহারের মতো রাজ্যে তথাকথিত জঙ্গলরাজ শেষ করেছে বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, এবার বাংলার পালা। বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই, প্রত্যেক কর্মীর পিছনে পুরো বিজেপি পরিবার রয়েছে। লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

জানুয়ারি ২৮, ২০২৬
দেশ

ভোটের মুখে পদ্ম সম্মান! এগিয়ে বাংলা, কেরলকে কেন এত গুরুত্ব দিল কেন্দ্র?

এগিয়ে বাংলা, তার পরেই কেরল। ভোটের মুখে এই দুই রাজ্যে কেন্দ্র বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। রবিবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক চলতি বছরের পদ্ম সম্মান প্রাপকদের তালিকা প্রকাশ করার পর সেই জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে। সরাসরি কোনও রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু না হলেও তালিকা প্রকাশের পর থেকেই নানা প্রশ্ন উঠছে।প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, এ বছর বাংলা থেকে পদ্ম সম্মান পেয়েছেন ১১ জন, আর কেরল থেকে পেয়েছেন আট জন। এই দুই রাজ্যই চলতি বছরে বিজেপির কাছে বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ বলে মনে করা হচ্ছে। সেই কারণেই সম্মানের তালিকা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক গুঞ্জন।চলতি বছরের পদ্ম সম্মান প্রাপকদের তালিকায় একাধিক পরিচিত রাজনৈতিক মুখের নাম রয়েছে। এমনকি রয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীরাও। কেন্দ্রের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, এ বছর পদ্মভূষণ সম্মান পাচ্ছেন মোট ১৩ জন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রয়াত ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শিবু সোরেন। ঝাড়খণ্ডের আদিবাসী ও পিছিয়ে পড়া মানুষের কাছে তিনি গুরুজি বা দিশম গুরু নামে পরিচিত ছিলেন।শিবু সোরেনের পাশাপাশি পদ্ম সম্মান পাচ্ছেন কেরলের প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভি এস অচ্যুতানন্দন। সাধারণত বামপন্থীরা রাষ্ট্রীয় সম্মান গ্রহণ করেন না। অতীতে জ্যোতি বসু ও বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ভারতরত্ন এবং পদ্মবিভূষণ সম্মান ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। সেই প্রেক্ষাপটে অচ্যুতানন্দনের নাম পদ্ম সম্মানের তালিকায় থাকায় বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে বিষয়টি। প্রয়াত এই বাম মুখ্যমন্ত্রীকে এ বছর পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করছে কেন্দ্র।এই সম্মান নিয়ে কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়ন কোনও মন্তব্য করতে চাননি। দলের তরফে শুধু জানানো হয়েছে, কেরল সরকার অচ্যুতানন্দনের নাম পদ্ম সম্মানের জন্য সুপারিশ করেনি। একই সুর শোনা যাচ্ছে বাংলার বাম শিবিরেও। এই বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ তাঁরা।তবে অচ্যুতানন্দনের পুত্র অরুণকুমার কেন্দ্রকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। বাবার এই সম্মানে তিনি খুশি বলে জানান। উল্লেখ্য, শুধু অচ্যুতানন্দনই নন, কেরল থেকে এ বছর আরও সাতজন বিশিষ্ট ব্যক্তি পদ্ম সম্মান পাচ্ছেন। সব মিলিয়ে পদ্ম সম্মানের তালিকা প্রকাশের পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন করে আলোচনা ও জল্পনা।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • ...
  • 30
  • 31
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

দক্ষিণেশ্বর থেকে দিল্লি, পথে বর্ধমান—পথ নিরাপত্তার বার্তা নিয়ে ফিজিওথেরাপিস্টদের বিশেষ র‍্যালি

বর্ধমান: চিকিৎসা পরিষেবার গণ্ডি পেরিয়ে এবার পথ নিরাপত্তার সচেতনতা ছড়ানোর বার্তা নিয়ে রাস্তায় নামলেন ফিজিওথেরাপিস্টরা। দক্ষিণেশ্বর থেকে দিল্লি পর্যন্ত দীর্ঘপথে বিশেষ র্যালির আয়োজন করা হয়েছে। গোটা দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ফিজিওথেরাপিস্ট, চিকিৎসক এবং পড়ুয়ারা এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। মঙ্গলবার সেই র্যালিরই একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্বের সাক্ষী থাকল বর্ধমান শহর।দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দিয়ে পূর্ব ভারতের এই র্যালির সূচনা হয়। এরপর বর্ধমানের বিজয় তোরণ তথা কার্জন গেট হয়ে র্যালিটি এগিয়ে যাবে দুর্গাপুর, আসানসোল, ধানবাদ-সহ একাধিক শহরের দিকে। শেষপর্যন্ত দিল্লিতে গিয়ে এই যাত্রার সমাপ্তি হবে।র্যালিতে অংশ নেওয়া ফিজিওথেরাপিস্টদের বক্তব্যে উঠে আসে পথ নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। হেলমেট পরে বাইক চালানো, গাড়িতে সিটবেল্ট ব্যবহার এবং ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলার মতো বিষয়গুলিতে সাধারণ মানুষকে সচেতন করাই এই কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।দক্ষিণবঙ্গ তথা বাংলার বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট ডঃ সত্যেন ভট্টাচার্য জনতার কথা-কে জানান, ফিজিওথেরাপিস্টরা প্রতিদিনই দুর্ঘটনার পর গুরুতর শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা করেন। সড়ক দুর্ঘটনার পরে অনেক রোগী পক্ষাঘাত, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের অক্ষমতা কিংবা দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত হন। দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো গেলে এই ধরনের বহু বিপর্যয় প্রতিরোধ করা সম্ভব।ডঃ ভট্টাচার্যের কথায়, আমরা ফিজিওথেরাপিস্ট হিসেবে এমন বহু রোগীকে দেখি, যারা সড়ক দুর্ঘটনার পরে পক্ষাঘাতগ্রস্ত বা পঙ্গুত্বের মতো গুরুতর সমস্যায় আমাদের কাছে আসেন। তাঁদের জীবন একেবারে অন্য জায়গায় চলে যায়। তাই দুর্ঘটনার পরে চিকিৎসার পাশাপাশি দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে, সেই সচেতনতা তৈরি করাও আমাদের দায়িত্ব।এই কর্মসূচি শুধুমাত্র পূর্ব ভারতেই সীমাবদ্ধ নয়। দেশের পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণচার প্রান্ত থেকেই একই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা। তাঁদের দাবি, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ফিজিওথেরাপিস্টরা এই সচেতনতা কর্মসূচিতে যুক্ত হয়েছেন।র্যালির সঙ্গে ছিলেন West Bengal IFP-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট কৌশিক মল্লিক এবং EC মেম্বার তথা জয়েন্ট সেক্রেটারি শুভেন্দু জানা। বর্ধমানের পক্ষ থেকেও একাধিক বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন IFP-এর কনভেনর শুভেন্দু দ্বিবেদী, বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট আদিত্য পাল, সুখদেব, অতনু, অনিন্দ্য-সহ আরও অনেকে।দিল্লিতে বড় সম্মেলন, বিশ্ব রেকর্ডের লক্ষ্যর্যালির পাশাপাশি আগামী ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে একটি বৃহৎ ফিজিওথেরাপি সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে বলেও জানান আয়োজকরা। সেখানে প্রায় ১২ হাজার প্রতিনিধি অংশ নেবেন বলে দাবি করা হয়েছে। এত বিপুল সংখ্যক ফিজিওথেরাপিস্টের একসঙ্গে সম্মেলনে যোগ দেওয়ার ঘটনাটি বিশ্ব রেকর্ডের জন্য মনোনীত হয়েছে বলেও জানান তাঁরা।দক্ষিণেশ্বর থেকে শুরু হওয়া র্যালির মূল সুর তাই শুধু চিকিৎসা পেশার প্রচার নয়দুর্ঘটনার পরে চিকিৎসার চেয়ে দুর্ঘটনা প্রতিরোধ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণএই বার্তাই সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।বর্ধমান শহরের বুক দিয়ে ফিজিওথেরাপিস্টদের এই বিশেষ র্যালি অতিক্রম করার সময় সেই বার্তাই হয়ে উঠল দিনের অন্যতম আলোচ্য বিষয়। চিকিৎসক ও ছাত্রছাত্রীদের এই উদ্যোগে পথ নিরাপত্তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কতটা সচেতনতা তৈরি হয়, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
দেশ

‘বন্দে মাতরম’ না গাইলেই কি জেল? সুপ্রিম কোর্টের বড় পর্যবেক্ষণে নড়েচড়ে বসল কেন্দ্র

বন্দে মাতরম-এর সবকটি স্তবক না গাওয়া বা গান গাইতে অস্বীকার করার ক্ষেত্রে ফৌজদারি শাস্তি দেওয়া যায় কি না, সেই প্রশ্ন এবার খতিয়ে দেখবে সুপ্রিম কোর্ট। কর্নাটকের শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী টিএম কৃষ্ণের দায়ের করা মামলায় মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জবাব চেয়েছে শীর্ষ আদালত। দুই সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রকে জবাব দিতে বলা হয়েছে।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়। কৃষ্ণ কেন্দ্রের নির্দেশিকা এবং জাতীয় সম্মানের অবমাননা প্রতিরোধ আইনে ২০২৬ সালে আনা সংশোধনীর সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। তাঁর মূল আপত্তি, সরকারি অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম-এর ছয়টি স্তবক গাওয়ার নির্দেশ এবং তার সঙ্গে যুক্ত শাস্তির বিধান নিয়ে।তবে শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করেছে, জাতীয় গান হিসেবে কোন গান বা তার কোন সংস্করণ নির্ধারণ করা হবে, সেই প্রশ্নে আদালত আপাতত ঢুকছে না। দুই স্তবক না ছয় স্তবকএই বিতর্কের পরিবর্তে আদালতের নজর মূলত অন্য একটি বিষয়ে। ধর্মীয় বিশ্বাস বা বিবেকগত আপত্তির কারণে কেউ গান না গাইলে তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি শাস্তি দেওয়া যাবে কি না, সেটিই খতিয়ে দেখতে চায় বেঞ্চ।এই প্রসঙ্গে ১৯৮৬ সালের বিজয় ইমানুয়েল মামলার নজিরের কথা উল্লেখ করে আদালত। ওই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে জাতীয় সঙ্গীত না গাওয়া কয়েক জন পড়ুয়ার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপের বিষয়টি খতিয়ে দেখেছিল। মঙ্গলবারের শুনানিতে বেঞ্চ জানায়, সেই মামলায় আদালত যে আইনি অবস্থান জানিয়েছিল, সেটি বন্দে মাতরম সংক্রান্ত বিষয়েও প্রাসঙ্গিক হতে পারে।আবেদনকারীর পক্ষে প্রবীণ আইনজীবী এস মুরলীধর যুক্তি দেন, ২০২৬ সালের সংশোধনীতে জাতীয় গান-এর স্পষ্ট সংজ্ঞা নেই। তাঁর বক্তব্য, এই অস্পষ্টতার সুযোগ নিয়ে ভবিষ্যতে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সংশ্লিষ্ট নির্দেশিকা সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হয়নি বলেও তিনি আদালতের সামনে দাবি করেন।মুরলীধরের আরও বক্তব্য, বন্দে মাতরম-এর শেষের কয়েকটি স্তবকে দুর্গা, লক্ষ্মী ও সরস্বতীর মতো হিন্দু দেবদেবীর উল্লেখ রয়েছে। সেই কারণে সব নাগরিককে ওই স্তবক গাইতে বাধ্য করা হলে ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতার নীতির প্রশ্ন উঠতে পারে বলে তাঁর দাবি। এই বক্তব্য অবশ্য মামলাকারীর যুক্তি; এ বিষয়ে এখনও আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।শুনানিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীও বিভিন্ন প্রশ্ন তোলেন। তিনি ইঙ্গিত করেন, অন্য দেশে জাতীয় প্রতীকের সঙ্গে ধর্মীয় শব্দের উপস্থিতি থাকলেও তা একা ধর্মনিরপেক্ষতার প্রশ্নের উত্তর নয়। মামলাটি নিয়ে আদালতে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা এবং মুরলীধরের মধ্যে তীব্র বাক্যবিনিময়ও হয়। মেহতা মামলাকারীর যুক্তির সমালোচনা করতে গিয়ে নকশাল শব্দ ব্যবহার করেন। সেই মন্তব্যের বিরোধিতা করেন মুরলীধর।এদিন আদালত অবশ্য এই পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক নোটিস জারি করেনি। তবে কেন্দ্রের কাছ থেকে জবাব চাওয়া হয়েছে। বেঞ্চের মৌখিক পর্যবেক্ষণ, ধর্মীয় কারণে কেউ বন্দে মাতরম না গাইলে তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি শাস্তি হওয়া উচিত নয়বিজয় ইমানুয়েল মামলার আইনি অবস্থানই এই বিষয়ে প্রাসঙ্গিক থাকবে বলে আদালত আশা করছে।ফলে বন্দে মাতরম-এর ছয়টি স্তবক গাওয়া নিয়ে বিতর্কের পাশাপাশি এখন সামনে এসেছে আরও গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্নকেউ ধর্মীয় বিশ্বাস বা বিবেকগত কারণে গানটি না গাইলে তাঁকে অপরাধী করা যাবে কি না। কেন্দ্রের জবাব পাওয়ার পর এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট কী অবস্থান নেয়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
কলকাতা

পুরনো মামলায় জেল, আরও পাঁচ মামলায় রক্ষাকবচ চেয়েছিলেন মিলন! হাই কোর্টে কী হল?

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের গ্রেফতারি ঘিরে তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েন। ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময়ের একটি পুরনো মামলায় গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছেন তিনি। এর মধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে থাকা আরও পাঁচটি মামলা নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে শুনানি হয় মঙ্গলবার। শুনানিতে রাজ্য জানায়, মিলনের বিরুদ্ধে নতুন করে যে পাঁচটি মামলা নিয়ে তিনি রক্ষাকবচ চেয়েছিলেন, সেগুলি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।মিলন প্রধানের আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য অবশ্য জানান, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে নন্দীগ্রাম ছাড়াও আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে। সেই মামলাগুলিতেও গ্রেফতারি থেকে সুরক্ষা দেওয়ার আবেদন করেন তিনি। আইনজীবীর বক্তব্য ছিল, ১৯ বছর আগের মামলায় গ্রেফতারির পর ভোটের প্রচারেও মিলন অংশ নিতে পারছেন না। ৪ অক্টোবর প্রচারের শেষ দিন হওয়ায় বিষয়টি দ্রুত বিবেচনা করার আবেদন জানানো হয়।তবে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের আদালতে শুনানির সময় জানানো হয়, নন্দীগ্রাম থানার মামলাটি ছাড়া বাকি পাঁচটি মামলায় মিলন প্রধান অভিযুক্ত নন। সেই কারণে ওই মামলাগুলির ক্ষেত্রে এই মুহূর্তে আলাদা করে রক্ষাকবচ দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলে আদালত মন্তব্য করে। মামলাটির পরবর্তী শুনানি আগামী ১০ অক্টোবর।এর আগে পুরনো একটি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর আরও কয়েকটি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন মিলন। সেই আশঙ্কা থেকেই কলকাতা হাই কোর্টে রক্ষাকবচ চেয়ে আবেদন করা হয়। তাঁর আইনজীবী আদালতের কাছে ভবিষ্যতে যাতে একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সেই বিষয়ে সুরক্ষা চেয়েছিলেন।মিলন প্রধানের গ্রেফতারির সময় নিয়েও রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। শুক্রবার নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা জানান। সেই দিনই পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয় মিলনকে। এই ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূল ও কংগ্রেসের নেতারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের অভিযোগ তুলেছেন। সেই অভিযোগ অবশ্য সংশ্লিষ্ট মামলার বিচারিক সিদ্ধান্ত নয়।তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ও মিলনের গ্রেফতারি নিয়ে রাজনৈতিক অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, বিরোধীদের হেনস্থা করার জন্য মামলা ব্যবহার করা হচ্ছে। আদালতের নির্দেশ নিয়ে অবশ্য তিনি মন্তব্য করতে চাননি বলে জানিয়েছেন।অন্য দিকে, মিলনের বিরুদ্ধে যে পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে, সেটি ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম জমি অধিগ্রহণবিরোধী আন্দোলনের সময়ের মামলা। বিভিন্ন প্রতিবেদনে ওই মামলায় গুরুতর অভিযোগ এবং দীর্ঘদিনের গ্রেফতারি পরোয়ানার কথা উঠে এসেছে। মিলন বর্তমানে ওই মামলাগুলির কারণে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন।নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন হওয়ার কথা ৬ অক্টোবর। তার আগে কংগ্রেস প্রার্থীর জেলবন্দি থাকা এবং তাঁর বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলির আইনি অবস্থান স্বাভাবিক ভাবেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবারের শুনানিতে পাঁচটি মামলা প্রত্যাহারের কথা রাজ্য জানালেও, মিলনের রক্ষাকবচের আবেদন নিয়ে আদালতের তরফে বড় কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। আগামী ১০ অক্টোবর ফের মামলাটি আদালতে উঠবে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
দেশ

আবারও ডেডলাইন শেষ! স্পিকারের নোটিসের জবাব দিতে আরও ৪ সপ্তাহ চাইলেন সুদীপ-কাকলিরা

আবারও সময়সীমা শেষ। কিন্তু লোকসভার স্পিকারের নোটিসের জবাব এখনও দেননি তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদ। ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জবাব দেওয়ার কথা থাকলেও, তার আগেই আরও চার সপ্তাহ সময় চেয়ে স্পিকার ওম বিড়লার কাছে আবেদন জানাতে চলেছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ ওই সাংসদেরা। ফলে সাংসদ পদ খারিজের আবেদনকে ঘিরে ফের তৈরি হয়েছে নতুন টানাপোড়েন।লোকসভা সচিবালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্পিকারকে চিঠি দিয়ে নোটিসের জবাব দেওয়ার জন্য আরও চার সপ্তাহ সময় চাওয়া হবে। অর্থাৎ আরও প্রায় এক মাস সময় চেয়েছেন তৃণমূলত্যাগী সাংসদেরা। এর আগে প্রথমে তাঁদের এক সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। পরে অতিরিক্ত সময়ের আবেদনের ভিত্তিতে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়। এবার সেই সময়সীমাও শেষ হওয়ার মুখে।বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেন ২০ জন সাংসদ। তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনে সাংসদ পদ খারিজের আবেদন করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। লোকসভার স্পিকারের কাছে পৃথক ভাবে ওই সাংসদদের বিরুদ্ধে আবেদন জানানো হয়।স্পিকার দীর্ঘ সময় কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে গত ২৫ অগস্ট ২০ জন সাংসদের কাছে নোটিস পাঠানোর নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। তাঁদের বক্তব্য জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে স্পিকারের কাছেও এই বিষয়ে বক্তব্য জানতে চেয়েছিল আদালত।এর পর লোকসভার স্পিকারের সচিবালয়ও ২০ জন সাংসদকে নোটিস পাঠায়। প্রথমে সাত দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার পর সাংসদদের তরফে আরও সময় চাওয়া হয়। তাঁদের আবেদনের ভিত্তিতে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়েছিলেন স্পিকার ওম বিড়লা।কিন্তু ২২ সেপ্টেম্বরও জবাব জমা না দিয়ে ফের সময় চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ ২০ সাংসদ। এবার তাঁদের আবেদনে চার সপ্তাহ সময় দেওয়ার অনুরোধ জানানো হবে। স্পিকার সেই আবেদন মঞ্জুর করবেন কি না, এখন সেটাই দেখার।এই ২০ সাংসদের দলবদল এবং তাঁদের সাংসদ পদ নিয়ে শুরু থেকেই রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েন চলছে। তৃণমূলের অভিযোগ, তাঁরা দল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দিলেও লোকসভার নথিতে এখনও তাঁদের তৃণমূল সাংসদ হিসাবেই দেখা হচ্ছে। সেই কারণেই দলত্যাগ বিরোধী আইনে তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, সাংসদদের বক্তব্য এখনও স্পিকারের কাছে সম্পূর্ণ ভাবে জমা পড়েনি। ফলে অভিযোগের জবাব এবং তাঁদের বক্তব্যের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। স্পিকার নতুন করে চার সপ্তাহ সময় দেন কি না, নাকি দ্রুত পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু করেন, এখন সেই সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।অর্থাৎ, একবার নয়পরপর সময়সীমা পেরিয়ে ফের সময় চাওয়ার পথে হাঁটছেন সুদীপ-কাকলিরা। এবার স্পিকার ওম বিড়লা তাঁদের আরও এক মাস সময় দেন কি না, নাকি নোটিসের জবাব না পাওয়ার পর অন্য কোনও পদক্ষেপ করেন, সেটাই পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
রাজ্য

ফোন নিজে থেকেই নিল ‘আপডেট’, খুলতেই দেখলেন অ্যাকাউন্ট ফাঁকা! উধাও ৯৯ হাজার

ডিজিটাল লেনদেনের সময়ে সাইবার প্রতারণার অভিযোগ নতুন নয়। তবে পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে এক যুবকের অভিযোগ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তাঁর দাবি, স্মার্টফোন নিজে থেকেই আপডেট হওয়ার পর ফোন কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। ফোন চালু হওয়ার পর ব্যাঙ্কের বার্তায় তিনি জানতে পারেন, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে ৯৯ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।ভাতার থানার ভুমশোর গ্রামের বাসিন্দা শেখ রাজেশের একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট রয়েছে। তাঁর দাবি, গত শনিবার তিনি লক্ষ্য করেন, তাঁর স্মার্টফোন নিজে থেকেই আপডেট নিতে শুরু করেছে। পরে রবিবার ব্যক্তিগত কাজে কলকাতায় গিয়েছিলেন তিনি।রাজেশ জানিয়েছেন, রবিবার কলকাতা থেকে ফেরার পথে বিকেল চারটে নাগাদ তাঁর ফোনে ফের আপডেট শুরু হয়। প্রায় ২০ মিনিট ফোনটি বন্ধ ছিল। আপডেট শেষ হওয়ার পর ফোন চালু করতেই তাঁর কাছে ব্যাঙ্কের বার্তা আসে। সেই বার্তায় তিনি জানতে পারেন, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে ৯৯ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।বিষয়টি প্রথমে বিশ্বাস করতে পারেননি রাজেশ। বাড়ি ফেরার পর তিনি ব্যাঙ্কে গিয়ে অ্যাকাউন্ট পরীক্ষা করেন। সেখানে টাকা কেটে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয় বলে তাঁর দাবি।রাজেশের আরও দাবি, তিনি কাউকে কোনও ওটিপি দেননি। এমনকি টাকা তোলার জন্য কোনও অনুমতিও দেননি বলে জানিয়েছেন তিনি। তাহলে কী ভাবে তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নেওয়া হল, তা নিয়ে ধন্দে রয়েছেন ওই যুবক।ঘটনার পর প্রথমে ভাতার থানায় অভিযোগ জানান রাজেশ। পরে জেলা পুলিশের সাইবার অপরাধ শাখায় বিস্তারিত জানিয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।তদন্তকারীরা ঘটনাটিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। কী ভাবে অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলা হল, লেনদেনটি কোন পথে হয়েছে এবং ফোন আপডেট হওয়ার সময়ের সঙ্গে ঘটনার কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।তবে ফোনের আপডেটের কারণেই টাকা খোয়া গিয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। গোটা বিষয়টি তদন্তের পরেই পরিষ্কার হবে। অভিযোগের সত্যতা এবং টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পদ্ধতি জানতে সাইবার অপরাধ শাখা বিভিন্ন তথ্য খতিয়ে দেখছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
রাজ্য

তোলাবাজির মামলায় ভবানী ভবনে কীর্তি আজাদ! সিআইডির জেরায় কী বললেন তৃণমূল সাংসদ?

তোলাবাজির অভিযোগের মামলায় সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হলেন বর্ধমান-দুর্গাপুরের তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ। কলকাতা হাই কোর্ট তাঁকে আপাতত কড়া পদক্ষেপ থেকে রক্ষাকবচ দিলেও তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশ মেনেই মঙ্গলবার ভবানী ভবনে সিআইডির দফতরে হাজির হন তিনি।মামলাটি এক ব্যবসায়ীর অভিযোগকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ, ২০২৫ সালের মে মাসে ওই ব্যবসায়ীকে দুর্গাপুরের একটি বাংলোয় ডাকা হয়েছিল। সেখানে কীর্তি আজাদের এক সহযোগী তাঁর কাছে ১৫ লক্ষ টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ। টাকা না দিলে তাঁর ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি অভিযোগকারীর। ওই কথোপকথনের একটি অডিয়ো রেকর্ড তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ বলে উঠে এসেছে।ঘটনার পর ব্যবসায়ী পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়। পরে তদন্তভার নেয় সিআইডি। কীর্তি আজাদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যও তলব করা হয়। গ্রেফতারির আশঙ্কায় এরপর কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন সাংসদ।আদালতে কীর্তি আজাদের আইনজীবী অভিযোগের সময় এবং মামলা দায়েরের মধ্যে দীর্ঘ ব্যবধানের বিষয়টি তুলে ধরেন। তাঁদের দাবি ছিল, ঘটনার প্রায় ১৫ মাস পরে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। কীর্তির বিরুদ্ধে সরাসরি টাকা নেওয়ার প্রমাণ নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। কীর্তি আজাদ নিজেও অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, তাঁকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে।এর পর কলকাতা হাই কোর্ট কীর্তি আজাদকে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দেয়। আদালত তাঁকে তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দেয় এবং ভবানী ভবনে হাজির হয়ে সিআইডির প্রশ্নের উত্তর দিতে বলে। ভবিষ্যতে ফের জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হলে তাঁকে আগাম নোটিস দেওয়ার কথাও আদালত জানিয়েছে।কীর্তি আজাদ মঙ্গলবার নির্দিষ্ট সময়ে ভবানী ভবনে পৌঁছন। সেখানে তাঁকে মামলার অভিযোগ নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সাংসদের দাবি, তোলাবাজির কোনও ঘটনার সঙ্গে তিনি যুক্ত নন। যে দিনের ঘটনা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, সেই দিন তিনি দুর্গাপুরে ছিলেন না বলেও দাবি করেছেন তিনি। নিজের বক্তব্যের সমর্থনে তাঁর কাছে একাধিক নথি রয়েছে বলেও জানিয়েছেন কীর্তি।অন্য দিকে, ব্যবসায়ীর অভিযোগ এবং অডিয়ো রেকর্ডের ভিত্তিতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে সিআইডি। আদালত আপাতত কীর্তি আজাদকে রক্ষাকবচ দিলেও তদন্ত বন্ধ করেনি। ফলে জিজ্ঞাসাবাদ এবং তদন্তের পরবর্তী ধাপে মামলায় আরও কী তথ্য সামনে আসে, সে দিকেই নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
টুকিটাকি

আপনি কি ডায়াবেটিক? করলার জুস কি সত্যিই কমায় সুগার?

সকালে খালি পেটে করলার জুসডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের সহজ সমাধান, নাকি শুধুই প্রচলিত ধারণা? বিজ্ঞান কী বলছে?সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস করলার জুস। অনেকের কাছেই এটি যেন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের ঘরোয়া ফর্মুলা। কারও দাবি, নিয়মিত করলার জুস খেলেই কমে যায় রক্তে শর্করা। কেউ আবার বলেন, ওষুধের পাশাপাশি করলা নাকি প্রাকৃতিক ইনসুলিন হিসেবে কাজ করে। সামাজিক মাধ্যমেও এমন নানা পরামর্শের ছড়াছড়ি।কিন্তু সত্যিই কি করলার জুস ডায়াবেটিস কমাতে পারে? কতটা উপকারী এই তেতো পানীয়? প্রতিদিন খাওয়া কি নিরাপদ? আর সবচেয়ে বড় প্রশ্নকরলার জুস খেলে কি ডায়াবেটিসের ওষুধ বন্ধ করা যায়?বিজ্ঞানের উত্তর একেবারে সরল নয়।গবেষণায় করলার কিছু উপাদানের রক্তে গ্লুকোজ কমানোর সম্ভাবনা দেখা গিয়েছে। কিছু clinical trial ও meta-analysis-এ fasting blood glucose এবং HbA1c কমার ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে। কিন্তু অন্য গবেষণায় আবার উল্লেখযোগ্য উপকার মেলেনি। ফলে করলাকে ডায়াবেটিসের চিকিৎসা হিসেবে নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠা করার মতো শক্তিশালী প্রমাণ এখনও নেই। অর্থাৎ, করলা উপকারী হতে পারে, কিন্তু করলা ডায়াবেটিসের ওষুধ নয়।কেন করলাকে ঘিরে এত আলোচনা?করলায় রয়েছে একাধিক bioactive compound। এর মধ্যে charantin, polypeptide-p-সহ কয়েকটি উপাদান নিয়ে বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করছেন।ল্যাবরেটরি ও প্রাণী-গবেষণায় করলার কিছু উপাদান insulin-এর মতো প্রভাব ফেলতে পারে, glucose metabolism-এ প্রভাব ফেলতে পারে এবং insulin sensitivity বাড়াতে পারেএমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।কিন্তু এখানেই গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে।ল্যাবরেটরিতে কোনও উপাদান কার্যকর প্রমাণিত হওয়া আর মানুষের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সেটি কার্যকর প্রমাণিত হওয়া এক বিষয় নয়। মানুষের উপর clinical trial-ই শেষ পর্যন্ত বেশি গুরুত্বপূর্ণ।গবেষণা কী বলছে?২০১৯ সালের একটি systematic review ও meta-analysis-এ টাইপ-২ ডায়াবেটিস নিয়ে করা ১০টি গবেষণা এবং ১,০৪৫ জন অংশগ্রহণকারীর তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। সেখানে করলার বিভিন্ন preparation ব্যবহারে fasting glucose, post-meal glucose এবং HbA1c কমার কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তবে গবেষণার প্রমাণের মান ছিল কম থেকে খুব কম।অন্যদিকে, ২০২৪ সালের একটি systematic review-তে ৯টি randomised trial এবং ৪১৪ জন অংশগ্রহণকারীর তথ্য বিশ্লেষণ করে placebo-র তুলনায় fasting glucose বা HbA1c-তে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ, গবেষণার ফলাফল এখনও একমুখী নয়।আরও সাম্প্রতিক গবেষণাতেও করলার সম্ভাব্য উপকারের কথা উঠে এসেছে, কিন্তু একই সঙ্গে গবেষণার সীমাবদ্ধতার কথাও বলা হয়েছে।তাই বিজ্ঞানীদের বর্তমান অবস্থানকে সংক্ষেপে বলা যায়করলা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে, কিন্তু এটিকে diabetes treatment-এর বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করার মতো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এখনও নেই।তাহলে করলার জুস খাবেন কীভাবে?এখানেই রয়েছে আর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।সামাজিক মাধ্যমে প্রায়ই বলা হয়, সকালে খালি পেটে এক গ্লাস করলার জুস ডায়াবেটিসের জন্য সবচেয়ে কার্যকর। কিন্তু করলার জুস খালি পেটে খেতেই হবেএমন কোনও শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।আর প্রতিদিন কত মিলিলিটার করলার জুস খেতে হবে, তারও কোনও সর্বজনস্বীকৃত therapeutic dose নেই।তাই তাজা করলা ভালোভাবে ধুয়ে নিন। অতিরিক্ত ঘন করে জুস বানাবেন না। জুসে চিনি, মধু বা অন্য কোনও মিষ্টি উপাদান মেশাবেন না। প্রথম থেকেই বেশি পরিমাণে খাওয়া শুরু করবেন না। খালি পেটে খাওয়াকে অবশ্যই করণীয় মনে করবেন না।অনেক ক্ষেত্রে করলাকে জুস না করে সাধারণ সবজি হিসেবে খাবারের সঙ্গে খাওয়াই বেশি বাস্তবসম্মত। এতে খাদ্যতালিকায় সবজি ও fibre যোগ হয় এবং অতিরিক্ত concentrated preparation নেওয়ার ঝুঁকিও কম থাকে।ডায়াবেটিসের ওষুধের সঙ্গে করলার জুস?এখানে কিন্তু যথেষ্ট সতর্ক হতে হবে।যাঁরা insulin অথবা রক্তে glucose কমানোর ওষুধ খান, তাঁদের ক্ষেত্রে করলার সম্ভাব্য glucose-lowering effect ওষুধের সঙ্গে যোগ হয়ে রক্তে শর্করা অতিরিক্ত কমিয়ে দিতে পারে।ফলে নিজের মতো করে প্রতিদিন করলার জুস শুরু করা ঠিক নয়।হঠাৎ ঘাম হওয়া হাত-পা কাঁপা মাথা ঘোরা দুর্বল লাগা অতিরিক্ত ক্ষুধা বিভ্রান্তিইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিলে hypoglycaemia-এর সম্ভাবনা বিবেচনা করতে হবে।কারা সাবধান?গর্ভবতী মহিলা: concentrated বা medicinal preparation এড়ানো উচিত।Insulin বা diabetes medicine গ্রহণকারী: চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত করলার জুস শুরু করা উচিত নয়।কিডনি বা লিভারের সমস্যা রয়েছে যাঁদের: বিশেষ করে concentrated extract বা supplement নেওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।শিশুদের ক্ষেত্রে: নিজের মতো করে করলার জুস বা extract দেওয়া উচিত নয়।সবচেয়ে বড় ভুলটা কী?ডায়াবেটিস ধরা পড়ার পর অনেকে ওষুধের পাশাপাশি বিভিন্ন ঘরোয়া উপায় শুরু করেন। সমস্যা তখনই হয়, যখন সেই ঘরোয়া উপায়কে ওষুধের বিকল্প ভাবা শুরু হয়।করলার ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।করলার জুস খেয়ে যদি কারও blood sugar কিছুটা কমেও, তার অর্থ এই নয় যে তাঁর diabetes সেরে গেছে।ডায়াবেটিস একটি দীর্ঘমেয়াদি metabolic condition। এর নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ, সুষম খাদ্য, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মিত blood glucose ও HbA1c পরীক্ষা।তাহলে করলা খাবেন কি খাবেন না?উত্তরটা সহজ।খাবার হিসেবে করলাহ্যাঁ।ডায়াবেটিসের ওষুধ হিসেবে করলানা।করলা একটি পুষ্টিকর, কম-ক্যালোরির সবজি হিসেবে সুষম খাদ্যের অংশ হতে পারে। রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে এর সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে গবেষণা চলছে। কিন্তু শুধুমাত্র করলার জুসের উপর নির্ভর করে diabetes management করা বৈজ্ঞানিকভাবে যুক্তিযুক্ত নয়।শেষ কথাতেতো স্বাদ মানেই বেশি ওষুধি শক্তিএমন ধারণার কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।করলা নিয়ে গবেষণা আশাব্যঞ্জক হলেও এখনও চূড়ান্ত নয়। তাই করলার জুস খেলেই সুগার নিয়ন্ত্রণএমন সরল দাবি থেকে দূরে থাকাই ভালো।ডায়াবেটিস থাকলে করলাকে সহায়ক খাদ্য হিসেবে ভাবুন, চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে নয়।আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণওষুধ বন্ধ করার আগে নয়, করলার জুস শুরু করার আগেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
রাজ্য

সমুদ্রে নামার আগে সতর্কবার্তা, তারপরেই তলিয়ে গেল তিনজন! মন্দারমণিতে চাঞ্চল্য

মন্দারমণিতে ফের সমুদ্রস্নানে নেমে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। জোয়ারের টানে সমুদ্রে তলিয়ে গিয়ে মৃত্যু হল দুজনের। মৃতদের মধ্যে রয়েছে এক নাবালক। এখনও নিখোঁজ আরও এক জন। তাঁর খোঁজে সমুদ্রজুড়ে তল্লাশি চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল। গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্র উত্তাল থাকায় উদ্ধারকাজেও সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার বিকেলে মন্দারমণির তিন নম্বর ঘাটের কাছে ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে খবর, দিঘা থেকে টোটো ভাড়া করে মোট আট জন মন্দারমণিতে এসেছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সুমন শীল, বৃষ্টি শীল এবং প্রায় দশ বছরের নাবালক সোমনাথ হালদার।একটি রিসর্টের সামনে তাঁরা সমুদ্রে স্নান করছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সেই সময় আচমকা জোয়ারের টানে তিন জন গভীর জলে চলে যান। কিছুক্ষণ পর স্থানীয় বাসিন্দারা সোমনাথকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করেন। তাঁকে দ্রুত বালিসাই বড় রাঙ্গুয়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।সোমনাথের বাবা সন্তু হালদারের কথায়, ছেলে পাড়ের কাছেই স্নান করছিল। তিনি কিছুটা দূরে গিয়েছিলেন। ফিরে এসে দেখেন, ছেলে সেখানে নেই। পরে খোঁজাখুঁজির পর তাঁকে উদ্ধার করা হয়। ছেলেকে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছেন তিনি।অন্য দিকে, সোমবার রাতে বৃষ্টি শীলের দেহও উদ্ধার করা হয়। তবে এখনও খোঁজ মেলেনি সুমন শীলের। তাঁর সন্ধানে স্পিড বোট নামিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। উত্তাল সমুদ্রের কারণে উদ্ধারকাজে সমস্যা তৈরি হলেও নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে উদ্ধারকারী দল।ঘটনার পর মন্দারমণির উপকূল এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। পর্যটকদের সমুদ্রের কাছাকাছি যেতে দেওয়া হচ্ছে না। পুলিশ-প্রশাসনের তরফে মাইকিং করে পর্যটকদের সতর্ক করা হচ্ছে।পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা জানিয়েছেন, ওই আট জন নদিয়ার বাসিন্দা এবং তাঁরা দিঘা মোহনায় কাজ করেন। তাঁরা মন্দারমণিতে বেড়াতে এসেছিলেন। তাঁর দাবি, পর্যটকদের সতর্ক করতে নিয়মিত মাইকিং করা হয় এবং নজরদারির জন্য নুলিয়ার সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।পুলিশের দাবি, সমুদ্র উত্তাল থাকলে পর্যটকদের আরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন। প্রশাসনের তরফে নজরদারি চললেও পর্যটকদের অসতর্কতার কারণে এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।গভীর নিম্নচাপের কারণে আপাতত মন্দারমণি-সহ উপকূলের সমুদ্র উত্তাল রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সমুদ্রের ধারে পর্যটকদের নামার ক্ষেত্রে কড়া নজরদারি রাখা হচ্ছে। নিখোঁজ সুমন শীলের খোঁজে এখনও তল্লাশি চলছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal