• ১৯ কার্তিক ১৪৩৩, সোমবার ০৯ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Trinamool

রাজ্য

সাগরদিঘির ধাক্কা, পঞ্চায়েত ভোটের আগে শক্ত হাতে সংগঠন গড়তে ময়দানে মমতা

মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘির উপনির্বাচনে পরাজয়ে রীতিমতো নাড়াচাড়া দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসকে। মুসলিম ভোট যে পুরোপুরি সুরক্ষিত নয়, তাও জানান দিয়েছে সাগরদিঘি। শুক্রবার কালীঘাটে তৃণমূলের সাংগঠনিক বৈঠকে বেশ প্রভাব ফেলেছে সাগরদিঘির পরাজয়। ফের দলের সংগঠন শক্ত হাতে ধরছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কালীঘাটে তৃণমূলের বৈঠকের পর সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণায় রাজ্যে ও সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাংগঠনিক কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, মাসে তিন দিন জেলা স্তরে সাংগঠনিক বৈঠক করবেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উদ্দেশ্য সংগঠনকে শক্তিশালী করা। এর পাশাপাশি সর্বভারতীয় স্তরে বিজেপি ও কংগ্রেসের সঙ্গে সমদূরত্ব বজায় রেখে আঞ্চলিক দলগুলির সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সুপ্রিমো শুক্রবার বৈঠক করেন সমাজবাদী নেতা অখিলেশ যাদবের সঙ্গে। ২৩ এপ্রিল মমতা বৈঠক করবেন ওডিশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েকের সঙ্গে। তারপর দিল্লি যাবেন মমতা। রাজনৈতিক মহলের মতে, ফের রাজ্যে ও সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে দলকে শক্তিশালী করতে নিজেই উদ্যোগী হচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়নি।পর্যবেক্ষক না বললেও ফের জেলায় জেলায় দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হচ্ছে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে। এই পর্যবেক্ষক প্রথা তুলে দিয়েছিল তৃণমূল। একটা সময় মনে করা হচ্ছিল শুভেন্দু অধিকারীর ক্ষমতা খর্ব করতেই তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব পর্যবেক্ষক প্রথা তুলে দিয়েছিল। পরে শুভেন্দু বিজেপিতে যোগ দেয়। রাজনৈতিক মহলের মতে, ঘুরিয়ে পর্যবেক্ষক প্রথা চালু করে দিল তৃণমূল। মোদ্দা কথা দলের হাল ধরলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আদি তৃণমূলীরা অবহেলিত বলে দলে দাবি উঠছিল। আজকের বৈঠকে অনেকটাই বাড়তি দায়িত্ব বর্তেছে প্রবীন নেতাদের ওপর। বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে সংখ্যালঘু ভোটের দিকে। মালদা ও মুর্শিদাবাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী ও মোশাররফ হোসেনকে।

মার্চ ১৭, ২০২৩
রাজনীতি

তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি বদলের দাবিতে মালদায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ

অঞ্চল সভাপতি ঘোষণা হতেই মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরে ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীকন্দল। পুনরায় কুশিদা অঞ্চলের সভাপতি মোহাম্মদ নুর আজমকে করায় রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন তৃণমূল কর্মীদের একাংশের। বিক্ষোভকারী তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ মোহাম্মদ নুর আজমকে তাঁরা সভাপতি হিসেবে মানবেন না। নুর আজম দুর্নীতিগ্রস্ত। এমনকি তিনি কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধানের পদেও রয়েছেন। তার পরিবর্তে অলোক পোদ্দারকে অঞ্চল সভাপতি করতে হবে বলে দাবি বিক্ষোভকারী তৃণমূল কর্মীদের। যদি বিহার থেকে লোক নিয়ে এসে এই বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হচ্ছে বলে পাল্টা দাবি মহম্মদ নুর আজমের। পঞ্চায়েত ভোটের আগে ফের অস্বস্তিতে শাসক দল। বিজেপির উত্তর মালদা সাংগঠনিক জেলার সভাপতি উজ্জ্বল দত্ত বলেন, তৃণমূলের শেষের শুরু এটা। আজকে কাটমানি কার হাতে যাবে কে কাট মানির ভাগ পাবে সেই নিয়ে তাদের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দল। এখানে দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দল আছে। এটা আরো বেশি প্রকট হচ্ছে। এটা হচ্ছে কাটমানি খাওয়ার রাশ দুর্নীতি করার রাস কার হাতে থাকবে। এটা নিয়েই তাদের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দল। কারণ তৃণমূল বুঝে গেছে মানুষ তাদের সঙ্গে নেই। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী জানান, একটা কমিটি গঠন করা হয়েছে। ক্ষোভ বিক্ষোভ তো থাকতেই পারে। দুই দলকে নিয়ে বসে আলোচনা করা হবে দুই দলের কথাই শোনা হবে। কেন তাদের মধ্যে ক্ষোভ বিক্ষোভ রয়েছে। আর বিজেপিকে বলবো আমাদের দলের বিষয় নাক গলানোর কোন দরকার নেই। আমাদের দলের ব্যাপার আমরা মিটিয়ে নেব।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৩
রাজ্য

রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বাজেট ভাষণে ক্ষুব্ধ বিজেপি, এক বছরেই উলোট-পূরাণ

রাজ্যপাল হায় হায় বলে স্লোগান দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্য সরকারের দেওয়া লিখিত ভাষণ পাঠ করা নিয়েই যাবতীয় বিতর্কের সূত্রপাত। রাজ্যপালের ভাষণ চলাকালীন চোর ধরো জেল ভরো স্লাগান দিতে থাকেন বিজেপি বিধায়করা। ছিঁড়ে দেওয়া হয় রাজ্যপালের ভাষণের কপি। ওয়াকআউট করে বিজেপি বিধায়করা। এমনকী রাজ্যপাল বিধানসভা চত্বরে গাড়িতে ওঠার সময়ও গেরুয়া শিবিরের বিধায়করা স্লোগান দিতে থাকেন।এর আগে প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরের সময় বিপরীত দৃশ্য দেখা যেত। তখন রাজ্যপালকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাত তৃণমূলের মন্ত্রী-বিধায়করা, এখন রাজ্যপালের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়ছে বিজেপি বিধায়করা। একেবারেই উলোট-পূরাণ।গতবছর ২০২২ রাজ্য বাজেট অধিবেশনে তৎকালীন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় ভাষণ না পাঠ করেই বিধানসভার কক্ষ ত্যাগ করছিলেন। তখন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, শশী পাঁজা, শিউলি সাহারা ঘেরাও করে ফেলেছিলেন ধনকড়কে। কোনওরকম ভাবে নামকা ওয়াস্তে রাজ্য সরকারের লিখিত ভাষণ পাঠ করে দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর চোখের ইশারায় তৃণমূলের মহিলা বিধায়করা এমন কান্ড ঘটিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এখন বিজেপির স্লোগান-বিক্ষোভের সমালোচনা করছে তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যপাল বদলে যেতেই বদলে গেল বিধানসভার পরিস্থিতি। এমনকী রাজভবনকে তৃণমূল বলত বিজেপির সদর দফতর। এখন পরিস্থিতির অনেকটাই বদল ঘটেছে। জগদীপ ধনকড় রাজ্যপালের পদ ছেড়ে ভারতের উপরাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হলে তাঁর বিরুদ্ধে ভোটই দেয়নি তৃণমূল কংগ্রেস।২৬ জানুয়ারি সাধারণতন্ত্র দিবসে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের জয় বাংলা স্লোগান নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল। তখনও কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছে বিজেপি। তারপর সেন্ট জেভিয়ার্সে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডি লিট প্রদান অনুষ্ঠানে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করেছিলেন রাজ্যপাল।মোদ্দা কথা রাজ্যপালের কর্মকান্ডে খুশি নয় বঙ্গ বিজেপি। এখনও অবধি রাজ্যপালের অবস্থানে তৃণমূল স্বস্তিতে।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৩
রাজ্য

কেতুগ্রামে তৃণমূল কর্মী খুন, এর পিছনে কি গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব না বালির কারবার?

সাতসকালে দুষ্কৃতীদের গুলিতে ভরা বাজারেই লুটিয়ে পড়ল তৃণমূল কর্মী। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হল। এই ঘটনার পর এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রামের আমগরিয়া এলাকার জনবহুল বাজারে। মৃতের নাম দুলাল শেখ (৪৫)। এই তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী বালির কারবারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মৃতের বাড়ি কেতুগ্রামের রতনপুরের পীড়তলা এলাকায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় পুলিশ। কে বা কারা এই ঘটনা ঘটাল তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। মৃতের পরিবারের অভিযোগ দলের অন্তর্কলহে খুন হয়েছেন দুলাল।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দুলাল শেখ বালির ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিল, পাশাপাশি ঠিকাদারিও করতেন। তবে এলাকায় সক্রিয় তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত, পরিচিতিও আছে। পরিবার সূত্রে খবর, এদিন সকালে আমগরিয়ায় গিয়েছিলেন কোনও কাজে। সেখানেই বাজারে বসে গল্প করতে করতে চা খাচ্ছিলেন। তখন হঠাৎ করে বাইকে চেপে এসে কেউ বা কারা তাঁর মাথা লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি ছোঁড়া হয়। ঘটনাস্থলেই দুলালের মৃত্যু হয়। সাতসকালে ভরাবাজারে প্রকাশ্যে জনবহুল এলাকায় শুটআউটের ঘটনায় আতঙ্কিত স্থানীয়রা।পুলিশ তদন্ত করে দেখছে ব্যক্তিগত আক্রোশ নাকি ব্যবসায়িক শত্রুতার জেরে এই ঘটনা ঘটল। বালি ব্যবসায় একচ্ছত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টাই কি কাল দুলালের? তা নিয়েও জল্পনা চলছে। গোষ্ঠী কোন্দলের অভিযোগ করেছে বিজেপি।জেলা পুলিশ সুপারকামনাশী সেন নিজে ঘটনাস্থলে তদন্তে গেছেন। পুলিশ সুপার জানান, কেস রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। খুনিদের সন্ধানে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। দুষ্কৃতীদের সন্ধান পাওয়ার জন্য জেলা ও ভিন জেলার সঙ্গে সংযোগকারী বিভিন্ন সড়কপথে পুলিশি নাকা চেকিং শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দেব টুডু বলেন, কি কারনে এমন ঘটনা ঘটলো সেটা আমাদের কাছে এখনো পরিষ্কার নয়, পুলিশ তদন্ত করে দেখছে। তৃণমূল কর্মী খুনের পর থেকে পুরো এলাকা থমথমে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৩
রাজ্য

গরীবের রেশন কার্ড কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রীর, বড়সড় অভিযোগ সিপিএম নেতা তন্ময় ভট্টাচার্যের

বুধবার গাইঘাটা বিডিও অফিসে আবাস যোজনার ডেপুটেশন মঞ্চ থেকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সিপিএম নেতা তন্ময় ভট্টাচার্য রেশন কার্ড নিয়ে ভয়ংকর অভিযোগ তুললেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী তথা বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের বিরুদ্ধে। তন্ময় ভট্টাচার্য একটি রেশন কার্ডের নম্বর উল্লেখ করে বিডিও-র উদ্দেশ্যে বলেন, আমি একটা নাম্বার বলছি বিডিও সাহেব শুনে রাখুন। এই রেশন কার্ডটি PHH( প্রায়োরিটি হাউজ হোল্ড ) ভুক্ত। কার্ডটি বনগাঁ লোকসভার সংসদ শান্তনু ঠাকুরের। তাঁর প্রশ্ন, একজন সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কি করে এই কার্ড ব্যবহার করেন? শান্তনু ঠাকুর চাইলে আমার বিরুদ্ধে কোর্টে যেতে পারেন আমি কোর্টে গিয়ে তার রেশন কার্ডটি তুলে ধরব।গাইঘাটা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি গোবিন্দ দাস বলেন, আমরা জানতে পেরেছি শান্তনু ঠাকুর সহ তার পরিবারের কয়েকজনের PHH ( প্রায়োরিটি হাউজ হোল্ড ) আছেন । তাদের উচিত ছিল এই কার্ডগুলিকে সারেন্ডার করানো কিন্তু তারা করেনি। এর বিরুদ্ধে আইঅনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া যায় কিনা আমরা খতিয়ে দেখছি। রেশন ডিলার জয়ন্ত মৃধা জানিয়েছেন, শান্তনু ঠাকুরের পরিবারের কয়েকজনের PHH ( প্রায়োরিটি হাউজ হোল্ড) কার্ড আছে এবং কার্ডগুলো সক্রিয় আছে তা্র মা ছবিরানি ঠাকুর প্রতি মাসে রেশন তুলতে আসেন। গত মাসেও তারা রেশন তুলেছে। PHH কার্ডে চাল ৬ কেজি ৭৫০ গ্রাম, গম ১ কেজি ২৫০ গ্রাম আটা ২ কেজি সহ মোট ১০ কেজি জিনিস মেলে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের বক্তব্য, তাঁর জানা নেই এমন কোনও কার্ড তাঁর বাড়িতে আছে। মা হয়তো রেশন তুলতে পারে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৩
রাজ্য

মালদায় শূন্যে গুলি চালিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা, অভিযোগ পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যের বিরুদ্ধে

মালদায় আচমকাই এলাকার তৃণমূল কার্যালয়ে শূন্যে গুলি চালিয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল সশস্ত্র দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় তৃণমূলেরই এক পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। আতঙ্ক সৃষ্টি করতেই এই গুলিকাণ্ড। মঙ্গলবার রাত সাড়ে নটা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে ইংরেজবাজার থানার কাজিগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের লক্ষীপুর এলাকার তৃণমূল কার্যালয়ে। সংশ্লিষ্ট এলাকার তৃণমূল কার্যালয়ে দলেরই এক নেতার আশ্রিত দুষ্কৃতীরা সশস্ত্র অবস্থায় হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি শূন্যে গুলি চালিয়ে এলাকায় সন্ত্রাস চালানোর অভিযোগ উঠেছে হামলাকারী দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ভাঙচুর করা হয়েছে লক্ষীপুর এলাকার তৃণমূলের কার্যালয়। বিষয়টি জানতে পেরে ইংরেজবাজার থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে। যদিও বিরোধীদের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী আন্দোলনের জেরেই এই হামলা ভাঙচুরের ঘটনাটি ঘটেছে।লক্ষ্মীপুর এলাকার তৃণমূল কার্যালয়ের এক দলীয় কর্মী রকি শেখ জানিয়েছেন, ইংরেজবাজার পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য মাইনুল শেখ তার গুন্ডাবাহিনী নিয়েই এদিন লক্ষ্মীপুর এলাকার তৃণমূল কার্যালয়ে হামলা চালায়। তখন আমরা সাত থেকে দশ জন ক্যারাম খেলছিলাম। প্রায় ১০০ জন দুষ্কৃতী পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য মইনুল শেখের নেতৃত্বে অতর্কিতে পার্টি অফিসে হামলা চালায়। গোটা পার্টি অফিস ভাঙচুর করা হয়। আমি তখন কার্যালয়ের ছাদের একটি ঘরে লুকিয়ে পড়ি। আমার চোখের সামনে ওই দুষ্কৃতীরা ২ রাউন্ড গুলীয় ছুড়ে। এই ঘটনার পর গ্রামবাসীদের মধ্যে শোরগোল পড়ে গেলে দুষ্কৃতীরা সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করে। পরে অবশ্য পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এদিকে যার বিরুদ্ধে অভিযোগ ইংরেজবাজার পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সী জানিয়েছেন, ইংরেজবাজারের লক্ষীপুর এলাকায় কি ঘটনা ঘটেছে এই মুহূর্তে বলতে পারব না। তবে পার্টি অফিসে যদি কেউ কোনওরকম ভাবে হামলা চালিয়ে থাকে সে ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা পুলিশ নেবে। ইংরেজবাজার থানার পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে । অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

জানুয়ারি ১০, ২০২৩
রাজ্য

কাউন্সিলরের পদপ্রার্থীর টিকিট বিক্রি ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকায়! মেমারিতে প্রকাশ্য মঞ্চে ভয়ঙ্কর অভিযোগ তৃণমূল নেতার

এত দিন দলের অভ্যন্তরে অভিযোগ উঠছিল টাকা দিয়ে কাউন্সিলরের প্রার্থী হওয়ার টিকিট বিক্রির। এবার প্রকাশ্য মঞ্চে সেই অভিযোগ করলেন তৃণমূলেরই নেতা। টাকার অঙ্ক শুনলে যে কেউ ভিমরি খেতে বাধ্য। তখন মঞ্চে ছিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। ছিল দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। সেই মঞ্চেেই তৃণমূল নেতা দাবি করলেন কোটি টাকার ওপরে কাউন্সিলর পদের টিকিট বিক্রি হয়েছে।শনিবার মেমারি শহর তৃণমূল কংগ্রেস চকদিঘী মোড়ে মেমারি তৃণমূল কংগ্রেসের সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি ফারুক আবদুল্লা টিকিট কেনাবেচার দাবি করে মেমারির এক কাউন্সিলার ও এক নেতার উদ্দেশ্যে চরম হুঁশিয়ারিও দিয়ে রাখেন এই নেতা। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে তৃণমূল নেতার এই দাবি ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহল। শনিবারের ওই মঞ্চে মেমারি শহর তৃণমূলের সভাপতি স্বপন ঘোষাল ছাড়াও অন্য বেশ কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন। মেমারি শহর তৃণমূলের সংখ্যলঘু সেলের সভাপতি ফারুক আবদুল্লা বলেন, সই করতে গেলে ক্লাস টু পাশ কাউন্সিলর নাকি কলম ভেঙে ফেলেন। ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা দিয়ে টিকিট কিনে তুমি কাউন্সিলার হয়েছো। তোমার নেতাও ১কোটি ৪০ লক্ষ টাকা দিয়ে টিকিট কিনেছে। আপনার কথা বলা সাজে না। বেশী কথা বলবেন না। নয়তো আপনার কথা আপনার বুকের মধ্যে চেপে দেব। ফারুক আবদুল্লা যখন প্রকাশ্যে দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ করছেন তখন তার প্রতিবাদ না করে উল্টে মঞ্চে থাকা নেতাদের কেউ কেউ হাততালি দিয়ে ফারুককে সমর্থন জানান।মেমারি শহর তৃণমূল সভাপতি স্বপন ঘোষাল বলেন, ফারুক যখন মঞ্চে বক্তব্য রাখতে ওঠে তখন আমি মঞ্চে ছিলাম। একটু পরেই মঞ্চ থেকে আমি নেমে যাই। তবে ফারুক তৃণমূলের কাউন্সিলর পদ প্রার্থী হওয়ার টিকিট কেনাবেচার যে কথা বলেছে সেটা আমিও শুনেছি।ফারুকের বক্তব্য সমর্থন করি না। কারণ ফারুক দলের সম্পর্কে সঠিক বলেনি। তাই ফারুকের মন্তব্যের বিষয়টি নিয়ে তিনি দলের উচ্চ নেতৃত্বকে জানিয়েছে স্বপন ঘোষাল।

জানুয়ারি ০৮, ২০২৩
রাজ্য

'রাজ্যবাসী শীতে কাঁপছে, তৃণমূল সিবিআইয়ের ভয়ে কাঁপছে,', কেন বললেন দিলীপ ঘোষ?

পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে রাজ্যে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন দিদির দূত। এই প্রসঙ্গে কটাক্ষ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি দিলীপ ঘোষ। অন্য দিনের মতো শনিবার সকালে নিউটাউন ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমনে যান বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ। এক প্রশ্নের জবাবে দিলীপ ঘোষ বলেন, দিল্লীর দূত এখন তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে বাড়িতে পৌছে যাচ্ছে। সেই ভয়ে তৃণমূল কাঁপছে। রাজ্যবাসী শীতে কাঁপছে। তৃণমূল সিবিআইয়ের ভয়ে কাঁপছে। ওরা যে দিদির সুরক্ষা কবচ আনছে, ওটা ওদের নেতাদের লাগবে।শহীদ দিবস নিয়ে তরজা প্রসঙ্গে দিলীপ বলেন, যারা শহীদ হল তাদের কথা ভুলে গিয়ে সবাই নিজেদের কথা ভাবছে। শহীদ তো সারা বাংলায় আগে হয়েছে। এখনও হচ্ছে। কোনো একটা দিবস রাজনীতির ইস্যু হয়ে যায়। এটা আগেও হত এখনও হয়।সিপিএম কি বিজেপিকে সাপোর্ট করছে? খড়্গপুরের সাংসদ বলেন, বিজেপির কারও সাপোর্ট লাগে না। সামাজিক সাপোর্টে বিজেপি এগোয়। ওনারা এতদূর এগোলেন কার সাপোর্ট নিয়ে? যাদের সাপোর্ট নিয়ে এলেন, তাদেরই খুন হতে হচ্ছে। পার্টির লোক পার্টির নেতার বিরুদ্ধে আবাস যোজনায় নাম কেটে দেওয়ার অভিযোগ তুলছে। হুমকি দিচ্ছে। নিজেদের মধ্যে গুলি চালাচ্ছে। এটা তৃণমূল কালচার। বিজেপি সারা দেশে আছে। বিজেপিকে সবাই চেনে, জানে।আবার কি তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দিতে চাইছে, বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, বহু লোক আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। ওই দলে আর ভদ্রলোকেরা থাকতে চাইছে না। যোগদান তো চলছে। আমাদের থেকে জোর করে নিয়ে যাওয়া কিছু লোক আবার ফিরছে। লোকে দেখতে চাইছে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়।

জানুয়ারি ০৭, ২০২৩
রাজনীতি

পঞ্চায়েত ভোটের আগে তৃণমূল কংগ্রেসের নয়া কর্মসূচি ঘোষণা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন দুয়ারে কড়া নাড়ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে রাশি রাশি দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। কাটমানি, আবাস যোজনার কেলেঙ্কারি থেকে শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে জর্জরিত মমতার দল। এই পরিস্থিতিতে সোমবার নজরুল মঞ্চের কর্মী সম্মেলন থেকে দলীয়স্তরে একাধিক কর্মসূচি ঘোষণা করা হল। দিদির সুরক্ষাকবচ নয়া কর্মসূচি সূচনা করলেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এই কর্মসূচির মাধ্যমেই জমসংযোগে জনগণকে জুড়বে জোড়া-ফুল শিবির।তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আগামী ৬০ দিন ধরে বুথস্তরে কর্মসূচি চলবে। সেই কর্মসূচির আওতায় আগামী দুমাস তৃণমূলের সাড়ে সাড়ে তিন লাখ কর্মী ১০ কোটি মানুষের কাছে পৌঁছবেন। রাজ্যস্তরের নেতারা সাধারণ মানুষের বাড়ি গিয়ে অভাব-অভিযোগ শুনবেন। তারপর তৃণমূলের দূতরা পৌঁছে যাবেন। জানতে চাইবেন যে সমস্যার সুরাহা হয়েছে কিনা।এই কর্মসূচির নাম দেওয়া হয়েছে, দিদির সুরক্ষাকবচ। দুয়ারে সরকারে যে ১৫টি সরকারি প্রকল্প রয়েছে সেগুলির সুবিধা প্রকৃত উপভোক্তারা পাচ্ছেন কিনা, তা দেখা হবে দিদির সুরক্ষাকবচ-এর মাধ্যমে। আগামী ১১ জানুয়ারি থেকে এই কর্মসূচির সূত্রপাত হবে। কোনও মানুষ সরকারি সুবিধা না পেলে দিদির দূতরা অর্থাৎ তৃণমূল কর্মীরা নাম নথিভুক্ত করে দেবে।অভিষেকের পরই বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দিদির সুরক্ষাকবচ নামটা আমার দেওয়া নয়। তৃণমূলের আইটি সেল সেই নাম দিয়েছে। দিদির সরক্ষাকবচ কর্মসূচির সূচনা করে মমতা বলেন, আমরা মানুষের কাছে দায়বদ্ধ। আমরা যত এগোব, তত তৃণমূলের দায়বদ্ধতা বাড়বে। দুয়ারে সরকারের মতো মানুষের দরজায় পৌঁছাবে তৃণমূল কংগ্রেস। দুয়ারে সরকারের অপর একটা রূপ হল দিদির সুরক্ষাকবচ। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই কর্মসূচি ক্ষোভ উগরে দেওয়ার জন্য নয়, বরং মানুষ যাতে প্রকৃত সরকারি প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধা পায় তাতে নজরদারির জন্য।তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতোই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দলের উপর নজরদারি দরকার। মমতা বলেন, তৃণমূল করে খাওয়ার জায়গা নয়। দলের প্রতিষ্ঠাদিবসে এই কথা বলেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বার্তা দিয়েছিলেন দলীয় নেতা, কর্মী ও জনপ্রতিনিধিদের। সোমবার নজরুল মঞ্চে তৃণমূলের দলীয় বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যদি পোকা জন্মে থাকে, তা হলে প্রথমে তাকে সতর্ক করতে হবে। বলতে হবে, হয় নিজেকে সংশোধন করো, না হলে আমাদের অন্য কিছু ভাবতে হবে। একটা ধানে পোকা লাগলে সেটাকে সমূলে বিনাশ করতে হয়। নইলে ওই একটা ধান সব ধানকে নষ্ট করে দেয়। মনে রাখবেন, আমি নিজেও দলের ঊর্ধ্বে নই, মানুষের ঊর্ধ্বে নই।এই প্রেক্ষাপটে দলের উপর নজরদারি জোরদার ও ছাঁকনি প্রক্রিয়াকে বজায় রাখতে চাইছেন খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো। কেন এই নজরদারি? জবাবে তৃণমূল নেত্রী বলেছেন, গ্রাম পঞ্চায়েতের টাকা আগে রাজ্য সরকারের মাধ্যমে যেত। এখন সরাসরি চলে যায়। কাজেই আমরা যে মনিটরিং করব, সিস্টেমের জন্য সেই সুযোগ কম। তবুও আমাদের নজর রাখতেই হয়।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৩
রাজনীতি

জেলবন্দি অনুব্রত মন্ডলের বীরভূমে তৃণমূলের জেলা সহসভাপতির পদত্যাগ, কেন?

গরুপাচার কাণ্ডে বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি জেলবন্দি। এই সময়ে দল ছাড়লেন তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি বিপ্লব ওঝা। সেই সঙ্গে বীরভূমের জেলা পরিষদের সদস্য পদ থেকেও পদত্যাগ করলেন তিনি। মঙ্গলবার ঘট করে সাংবাদিক সম্মেলনে দলত্যাগ ও পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেন বিপ্লববাবু।একসময় বিপ্লব ওঝা বীরভূম জেলা কংগ্রেসের রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লক সভাপতি ছিলেন তিনি। ২০০৭-এ তিনি নলহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান হন। ২০০৯ বীরভূম লোকসভায় তৃণমূলের টিকিটে সংসদ শতাব্দী রায় জয়ী হন। তারপরই প্রথম সমস্ত কাউন্সিলর নিয়ে তৃণমূল যোগদান করেন বিপ্লববাবু। সে সময় নলহাটি পুরসভা রাজ্যে তৃণমূলের প্রথম দখলে আসে। পরবর্তী সময়ে তিনি নলহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান হন। নলহাটি বিধানসভার উপনির্বাচনে তিনি তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছিলেন। জিততে পারেননি। বামফ্রন্টের কাছে পরাজিত হন।পরবর্তীকালে তিনি তৃণমূলের টিকিটে জেলা পরিষদের সদস্য হন। কিন্তু তাঁকে কোন পদে রাখা হয়নি। কিন্তু বছরখানেক ধরে দলে ব্রাত্য করে রাখা হয় বিপ্লববাবুকে। সেই আক্ষেপেই তিনি দলত্যাগ করলেন বলে দাবি বিপ্লববাবুর। তবে এখনও কোন দলে যোগদান করছেন সে কথা না জানাননি। তবে আজই নলহাটিতে আসছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ওই মঞ্চেই বিপ্লববাবুর বিজেপিতে যোগদান করার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সূত্রের খবর। তিনি যে রাজনীতি থেকে সরে যাবেন না তা স্পষ্ট।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২২
রাজ্য

'গোলগাল, নাদুস নুদুস, মেরুদণ্ড নেই, গলায় গেরুয়া উত্তরীয়' পোস্টারে ছয়লাপ বর্ধমানসহ নানা জেলা, বঙ্গ রাজনীতি তোলপাড়

বর্ধমান, সল্টলেক, মালদা সহ রাজ্যের নানা জায়গায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কার্টুন ছবি দিয়ে নিরুদ্দেশ সংবাদের পোস্টার পড়ায় হইচই পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। সমস্ত ক্ষেত্রেই পোস্টারের নীচে লেখা রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস সোশ্যাল মিডিয়া ও আইটি সেল। বর্ধমান শহরের প্রাণকেন্দ্র কার্জন গেটের পাশে বড় বড় করে পোস্টার লাগানো আছে। সেই পোস্টারে লেখা রয়েছে-নিরুদ্দেশ সংবাদ- শুভেন্দুর কার্টুন ছবি তার নীচে লেখা রয়েছে এমন কোন ব্যক্তিকে খুঁজে পেলে দ্রুত সন্ধান দিন। রূপ-দেখতে গোলগাল, নাদুস নুদুস। মেরুদণ্ড নেই। গলায় গেরুয়া উত্তরীয়। ঠিকানা-কাঁথি।অসুখ-ভোট এলে লাইট বন্ধ করে দেন। নিয়মিত ২০০ চিৎকার করে মধ্যরাতে ঘুম থেকে উঠে পড়েন। অকারণ ভ্যাট বকতে ভালোবাসেন। ডিসেম্বরে সরকার ফেলে দেওয়ার হুমকি দেন ,তারপর লজ্জাবতী হয়ে মুখ লুকান ক্যামেরায় ঠোঙ্গা মুড়িয়ে খাম নিতে দেখা যায়।বিশেষ চিহ্ন-অভিষেক শব্দটি শুনলে দাঁত খেচিয়ে কামড়াতে আসেন। বেগম বেগম করে হেঁচকি তোলেন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দেওয়া হলে বিরোধিতা করেন, কিন্তু গ্যাসের দাম বাড়লে চুপ থাকেন। এই পোস্টারের নীচে লেখা রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস সোশ্যাল মিডিয়া ও আইটি সেল এদিন মালদা শহর জুড়ে এমনই পোস্টারকে ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র চাঞ্চল্য। মালদা শহরের প্রাণকেন্দ্র পোস্ট অফিস মোড়, নেতাজি মোড় এলাকায় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মূর্তির পাশেই নিরুদ্দেশ সংবাদ বলে শুভেন্দুর কার্টুন পোস্টার দেখা যায়।একই ধরনের পোস্টার দেখা গিয়েছে বিধান নগর স্টেশন ও সল্টলেকের করুণাময়ী, বিকাশ ভবনের সামনে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এই পোস্টার তৃণমূল কংগ্রেস টাঙিয়েছে, যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব অস্বীকার করেছে।

ডিসেম্বর ২২, ২০২২
রাজ্য

নবান্নের ১৪ তলায় অমিত-মমতা একান্তে বৈঠক, সাফাই শুভেন্দুর

একান্তে বৈঠক মানেই সেটিং গত কয়েক বছর ধরেই বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসকে এভাবেই কটাক্ষ করেছে সিপিএম ও কংগ্রেস। বিজেমূল কটাক্ষের ফের সুযোগ পেয়েছে নবান্নের ১৪ তলায় অমিত শাহ ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ২০ মিনিটের বৈঠকের পর। যদিও সৌজন্য সাক্ষাৎ বলেই দুদলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তো এক পা এগিয়ে ওই বৈঠক নিয়ে অমিত শাহ যা তাঁকে বলেছেন তা সাংবাদিকদের শুনিয়েছেন। শুভেন্দু বলেছেন, সীমান্তে বিএসএফের চৌকি নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা হয়েছে। যদিও রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য, শুভেন্দু যাই বলুক না কেন মমতা-অমিতের বৈঠকের প্রকৃত নির্যাস কি তা কি সহজে প্রকাশ্যে আসবে? প্রথমত মমতা বা শাহ কেউই সাংবাদিক বৈঠক করে কিছু বলেননি। তাছাড়া দুজন শীর্ষ নেতৃত্ব একান্তে কোনও কথা বললে তা প্রকাশ্যে চলে আসবে তা ভাবার কোনও কারণ নেই।এর আগে দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠক করলেই সেটিং সেটিং বলে চিৎকার জুড়ে দিত সিপিএম ও কংগ্রেস। এবার তো নবান্নে বৈঠক করলেন মমতা-শাহ। শুভেন্দু আবার ওই বৈঠকের সাফাই গাইতে অমিত শাহ কি বলেছেন তা ঘোষণা করে দিলেন। সময়ই জানান দিতে পারে আদৌ শাহ-মমতা কি আলোচনা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২২
রাজ্য

দলেরই এক কাউন্সিলরের ছোঁড়া কাপের আঘাতে জখম অপর কাউন্সিলর, দলীয় কোন্দলে জেরবার কালনা শহর তৃণমূল কংগ্রেস

তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এবার বাইরে নয় একেবারে কালনা পুরসভার অন্দরমহলে। তৃণমূলেরই এক কাউন্সিলর এর ছোঁড়া কাপের আঘাতে জখম অপর কাউন্সিলর, ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও উত্তেজনা। বুধবার দুপুরে কালনা পৌরসভায় পৌরসভার বোর্ড মিটিং চলার সময়, কালনা শহরের তৃণমূল কংগ্রেসের শহর সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চ্যাটার্জির উপর হামলার অভিযোগ, কালনা শহরেরই ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সন্দীপ বসু এবং ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুমন বসুর বিরুদ্ধে।ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য এরপরই এদিন বুধবার সন্ধ্যায় কালনা কাটোয়া এসটিকে রোডের উপর আগুন জ্বালিয়ে, রাস্তা অবরোধ করে সন্দীপ বসু এবং অনিল বসুর বিরুদ্ধে ধিক্কার জানিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে তৃণমূল কংগ্রেসেরই একাংশ। কালনা পৌরসভারই ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তাপস দাসের ওয়ার্ডে ঠিক মতন নিকাশী নালা পরিষ্কার হয় না, আর সেই বিষয় নিয়ে আজকের বোর্ড মিটিংয়ে প্রশ্ন উঠতেই সুমন বসু ওরফে অনিল বসু ওই ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, তাপস দাস কে চেয়ার ছুড়ে মারতে যায়, এরপর তাকে লক্ষ্য করে একের পর এক কাপ ছুঁড়তে থাকে,সেই কাপ দিয়ে লাগে রবীন্দ্রনাথ চ্যাটার্জীর দাঁতে এবং কপালে।গুরুতর জখম অবস্থায় থাকে কানলা মহকুমা হসপিটালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়। পঞ্চায়েত ভোটের আগে তৃণমূলের অন্তরে এই এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযুক্ত কাউন্সিলর অনিল বসু দিন জানান, আমার নামে মিথ্যে অভিযোগ করা হচ্ছে, উনি বয়স্ক মানুষ আমি ওনাকে যথেষ্ট সম্মান করি। কালনা এসটিকেকে সড়কে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ করার পর বিক্ষোভকারীরা কালনা থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায়, অন্যদিকে এই ঘটনাটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন সুমন বসু।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২২
রাজ্য

কর্তব্যরত পুলিস আধিকারিক তৃণমূলের দলীয় সভায় সংবর্ধিত, সমলোচনায় মুখর বিরোধীরা

কর্তব্যরত অবস্থায় তৃণমূল কংগ্রেসের একটি কর্মসূচিতে সম্বর্ধনা নেবার অভিযোগ উঠল বর্ধমানের এক পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে। বর্ধমান গোলাপবাগ ট্রাফিক পোস্টের ওসি বিশ্বনাথ পাইনের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে। তিনি অবশ্য এই অভিযোগ স্বীকার করেননি।গতকাল সন্ধ্যায় পূর্ব বর্ধমানের খাগড়াগড় এলাকায় খাগড়াগড় তৃণমূল কংগ্রেস ও খাগড়াগড় যুব সংঘ একটি মশারি বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করেন। সেখানে বিধায়ক খোকন দাস, জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতিসহ অন্যান্য দলীয় নেতারা হাজির ছিলেন।এখানেই একটি ভিডিওতে ট্রাফিক ওসি বিশ্বনাথ পাইনকে সম্বর্ধনা নিতে দেখা যায়। তিনি পুলিশের পোশাকেই ছিলেন।এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিরোধী দলের নেতারা। বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র জানান, এই রাজ্যের পুলিশ মমতা পুলিশে পরিণত হয়েছে। আমাদের দাবি, এ কাজ অন্যায়। এর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।অন্যদিকে জেলা যুব কংগ্রেস সভাপতি গৌরব সমাদ্দারের দাবি, এ রাজ্যে পুলিশের পোশাকের নীচে দলের পতাকা রয়েছে। এই কাজ নিয়মের বাইরে।জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস জানান, এটা একটা ক্লাবের কর্মসূচি। দলীয় কর্মসূচিতে সরকারি আধিকারিক যেতে পারেন না। কী হয়েছে তা খোঁজ নিয়ে দেখবো।অভিযুক্ত আধিকারিক বিশ্বনাথ পাইনের বক্তব্য, ওটা একটা ক্লাবের কর্মসূচি বলেই তিনি জানতেন। তিনি ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ওখানে ছিলেন। সেই সময় তাঁকে অনুরোধ করায় অল্প সময় সেখানে ছিলেন। দলের কর্মসূচি বলে সেখানে যাননি।এমনিতেই বর্ধমানে ট্রাফিক পুলিশের কাজকর্ম নিয়ে বিস্তর অভিযোগ বর্ধমানে। তার উপর এই নতুন বিতর্ক। জেলা পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন বলেন, খবরটা আপনাদের মাধ্যমেই জানতে পেরেছি। প্রয়োজনে শোকজ করা হবে আইন অনুযায়ী।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২২
রাজ্য

পঞ্চায়েত ভোটের প্রাক্কালে উল্টো পুরান বর্ধমানে! দলীয় কর্মিদেরই প্রকাশ্যে হুমকি বিধায়কের

পঞ্চায়েত নির্বাচনের ঢাকে কাঠি পড়ে গেছে। রাজ্যে নেতৃত্বের নির্দেশে ইতিমধ্যেই রাজ্যে জুড়ে গুটি সাজাতে শুরু করেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। বিরোধী রাজনৈতিক দল বিশেষ করে বিজেপিকে কোনঠাসা করতে ছোট-বড় বিভিন্ন জনসভা থেকে আক্রমণ শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব। কিন্তু পূর্ব বর্ধমানে বর্ধমান ১ নম্বর ব্লকে চিত্রটা ঠিক উল্টো। বিরোধীদের পরিবর্তে প্রকাশ্যে নিজের দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্য হুমকি দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ধমান-উত্তরের বিধায়ক নিশীথ কুমার মালিক।রবিবার বর্ধমান ১ নম্বর ব্লক তৃণমূল পক্ষ থেকে আয়োজিত শীতবস্ত্র প্রদান অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে বিধায়ক তার দলের বেশ কয়েকজন নেতার নাম না করেই পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর কুত্তার দশা হবে বলে হুঁশিয়ারী করেন। সেই সঙ্গে পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর তাদের দেখে নেওয়ার হুমকিও দেন তিনি। বিধায়ক নিশীথ কুমার মালিক বলেন, আমি প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে বলছি, খেলা শুরু হয়ে গেছে। জামালের (সেখ জামাল রায়ান ১ নম্বর অঞ্চলের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি) টিম রেডি আছে। তুমি তোমার দম নিয়ে রেডি হও। যেদিন বলবে, যে জায়গায় বলবে সেখানে দেখা হবে। কার কত প্লেয়ার আছে।বিধায়ক নিশীথ মালিকের এই মন্তব্যর পরেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পরে। তৃণমূলের অন্দরমহলেও শুরু হয় চাপান উতর। উল্টোদিকে এই মন্তব্যর পরিপেক্ষিতে ব্লকের জেলাপরিষদ সদস্য নরুল হাসান জানান, বিধায়ক অনেক পরে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। আমরা দলের পুরাতন কর্মী, দলের জন্মলগ্ন থেকে আছি। বিধায়ক ১১ সালের পর তৃণমূলে এসেছেন। উচ্চ নেতৃত্বের নির্দেশ সত্ত্বেও বিধায়ক পুরানো দিনের নেতা-কর্মীদের নিয়ে কাজ করছেন না, তাদের প্রাপ্য সম্মান টুকুও দেন না। বিধায়ক নিশীথ মালিক নিজেই একজন অশিক্ষিত, তাই তিনি বিরোধী রাজনৈতিক দলকে ছেড়ে নিজের দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছেন বলে দাবী নরুল হাসানের।বিজেপি অবশ্য গোটা বিষয়টি তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করছে। বিজেপি নেতা সুধীররঞ্জন সাউ বলেন, পঞ্চায়েত ভোটে এলাকায় রক্তগঙ্গা বয়ে যাবে। কারণ তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের মধ্যেই লড়াই করবে। গোটা ব্লক দুর্নীতিতে ভরে গেছে। এলাকার সাধারণ মানুষ পঞ্চায়েতে গেলে পরিষেবা পাচ্ছেন না।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২২
রাজ্য

তৃণমূল কংগ্রেসের নিচুতলা নেতাদের সতর্ক করে যুবনেত্রী জানালেন "বাপেরও বাপ আছে"

নদীয়ার চাপড়ার ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সুকদেব ব্রহ্মের বিরোধীদের হুঁশিয়ারি সম্পর্কে সরব হলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সভানেত্রী সায়নী ঘোষ। তিনি বলেন, এইসব বড় বড় কথা যাঁরা বলছেন তাঁরা নিজেকে মমতা বন্দ্যপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকেও বড় নেতা ভাবছেন। যাঁরা নিজেদেরকে দলের থেকেও বড় মনে করবেন তাঁদের ক্ষেত্রে মানুষ অবধি সুযোগ যাবে না। দলই ঠিক সময়ে তাঁদেরকে বসিয়ে দেবে। একই সঙ্গে সায়নী স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, দেখছেন তো অভিষেকদা যাবার পরেই এদিন পঞ্চায়েত প্রধান, উপপ্রধান ও অঞ্চল সভাপতিকে পদ থেকে ইস্তফা দিতে হয়েছে।সায়নী আরও বলেন, কেউ যদি ভাবে আমি তৃণমূল করি, তৃণমূল আমাদের জায়গা দিয়েছে। কিন্তু আমরা আমাদের লিডারের কথা অমান্য করে, প্রশাসনকে অমান্য করে ধমকি দেব ধামকি দেব সেই সব চলবে না। তাদের যেন মাথায় থাকে বাপেরও বাপ আছে।রবিবার বিকেলে পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের একটি ফুটবল প্রতিযোগিতার আসরে সায়নী ঘোষ উপস্থিত ছিলেন। সেখানে তিনি বলেন খেলা হবে। দুমাস পর খেলা হবে। এখানে উল্লেখ্য চাপড়ার ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুকদেব ব্রহ্ম প্রকাশ্য জনসভা মঞ্চ থেকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, পঞ্চায়েত ভোটের দিন সিপিএম ও বিজেপিকে ঘর থেকে বার হতে দেব না। ওদের ঘরবন্দী করে রাখবো।পঞ্চায়েত ভোট অবাধ ও শান্তিপূর্ণ হবে বলে প্রতিনিয়ত বলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেণ্ড ইন কমাণ্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও রাজ্যের বিভিন্ন জেলা ও ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব পঞ্চায়েত ভোটে বিরোধীদের টাইট দেওয়ার নানা নিদান দিচ্ছেন প্রকাশ্য জনসভা মঞ্চ থেকে।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২২
রাজনীতি

বর্ধমানে 'ধেরে ইঁদুর' বলে কোন তৃণমূল নেতাকে সম্বোধন করলেন সৌমিত্র খাঁ?

ডিসেম্বরে ধেরে মাথা অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধরা পড়বে বলে মন্তব্য করলেন বিজেপির রাজ্য সহসভাপতি তথা বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। শুক্রবার পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে সারের কালোবাজারির প্রতিবাদে ডেপুটেশন দেওয়া হয় বিডিওকে। ডেপুটেশনে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। তিনি বলেন ধেরে ইঁদুর মানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পিসি ভাইপো সহ গোটা পরিবার চোর বলে কটাক্ষ করেন তিনি।এদিন জামালপুরের নেতাজী ময়দান থেকে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা মিছিল করে যায় বিডিও অফিসে।মিছিলে নেতৃত্ব দেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। মিছিল জমায়েত হয় বিডিও অফিসের সামনে। আলুচাষের ভরা মরশুমে রাসায়নিক সারের কালোবাজারি হচ্ছে। চাষীরা চড়া দামে সার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। এদিন কালো বাজারী রুখতে প্রশাসনকে সক্রিয় হওয়ার জন্য ডেপুটেশন দেওয়া হয় বিজেপির পক্ষ থেকে। বিডিও অফিসের সামনে সাংসদ সৌমিত্র খাঁ বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্যালিকা চোর,শ্বশুর চোর। এরা সোনা চোর বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

ডিসেম্বর ০২, ২০২২
রাজ্য

পঞ্চায়েতে প্রার্থী হওয়ার জন্য কাউকে টাকা দিতে নিষেধ করলেন তৃণমূলের মন্ত্রী

পঞ্চায়েতে প্রার্থী হবার জন্য কাউকে কোন টাকা দেবেন না, খোলা মঞ্চ থেকে দলীয় কর্মীদের বার্তা মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরীর। মন্ত্রীর কথাতেই স্পষ্ট তৃণমূলে টাকা ছাড়া কিছু নেই, কটাক্ষ বিরোধীদের। মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের সাতগাছিয়ায় কেন্দ্রীয় সরকারের জনবিরোধী নীতি, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বৃদ্ধি ও একশো দিনের কাজ বন্ধের বিরুদ্ধে পথসভার আয়োজন করা হয়। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ বলেন, দলের টিকিট আমি দেব না। অনেকে ভাবছে আমি টিকিট দেব। কিন্তু না, টিকিট দেবে দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব। যারা ভাল কাজ করেছেন তারা টিকিট পাবেন। যারা ভাল কাজ করতে পারেননি তারা লাইনে থাকবেন এ, বি, সি, ডি হিসাবে। দল চাইবে ভাল ও পরিচ্ছন্ন মানুষকে প্রার্থী করতে। আমরা বলবো টাকা দাও প্রার্থী করবো ওই সব গ্যাজাখুরি গল্প হবে না। আপনারাও দলের প্রার্থী পদের জন্য একটাও ফুটো পয়সা দেবেন না। তিনি বলেন, অনেক গ্রামের খবর রয়েছে সেখানে রাস্তা নেই, বিদ্যুৎ নেই। আমাদের মনটা ফেটে যায়। এতদিন নেতারা কি করছিলেন? কেন গ্রামের রাস্তা হয়নি? এর কৈফিয়ৎ নেতাদের দিতে হবে বলে সমালোচনা করেন তিনি। সভাশেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী জানান, সমাজে অনেক ধরনের মানুষ থাকে। যাতে কেউ কারো খপ্পরে পরে টাকা লেনদেনের কথা ভাববেন না সেকারণেই আমি সাবধান হওয়ার বার্তা দিয়েছি। মন্ত্রীর এই বক্তব্যকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধী দল বিজেপি। বিজেপির জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা বলেন, মন্ত্রী পরোক্ষে স্বীকার করে নিলেন তৃণমূলের টিকিট টাকা নিয়ে দেওয়া হয়। উনি সত্যিটা বলছেন তাই মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। তৃণমূলের আমলে টাকা ছাড়া কিছু হয়না মন্ত্রীর বক্তব্যে তা স্পষ্ট বলে জানান জেলা বিজেপি সভাপতি।

নভেম্বর ৩০, ২০২২
রাজনীতি

তৃণমূল দলটা নিজেদের মধ্যে লড়াই করতে গিয়ে শেষ হয়ে যাবেঃ লকেট

এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস মেদিনীপুরে দাঁত ফোটাতে পারবে না। মঙ্গলবার বর্ধমানে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্তব্য করলেন বিজেপির সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। তিনি আরও বলেন, পঞ্চায়েতে নিজেদের সিণ্ডিকেট বাজির জন্য, টাকা তোলার জন্য ক্ষমতার লড়াই চলছে। আগে এটা তৃণমূল - বিজেপি ছিল। বহু বিজেপি কার্যকর্তা শহীদ হয়েছে। এখন নিজেদের মধ্যে লড়াই চলছে। তৃণমূল দলটা নিজেদের মধ্যে লড়াই করতে করতে শেষ হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।ভুপতি নগর থানায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিক্ষোভ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তৃণমূল বিভিন্ন ভাবে বিজেপিকে আক্রমণ করার চেষ্টা করছে। এই পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল মেদিনীপুরে দাঁত ফোটাতে পারবে না। প্রশ্নপত্র ফাঁস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা এখন পশ্চিমবঙ্গে ফ্যাশান হয়ে গেছে। সর্ষের মধ্যেই ভূত আছে। গোটা শিক্ষা মন্ত্রালয় জেলে চলে গেছে কিন্তু এখনো এই ভূতগুলো বসে আছে।বাংলার যে শিক্ষা নিয়ে আমরা গর্ববোধ করতাম কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীকে বলবো বাংলার শিক্ষা কোন জায়গায় চলে গেছে উনি যেন ধ্যান দেন। মঙ্গলবার বর্ধমান জেলা বিজেপি কার্যালয়ে কার্যাকারিনী বৈঠকে যোগ দিতে আসেন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও ছিলেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ, বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি সহ একাধিক বিজেপি নেতৃত্ব।

নভেম্বর ২৯, ২০২২
রাজ্য

আবার বর্ধমানে নিখোঁজ পোস্টার তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলারের নামে

পোস্টার রাজনীতি অব্যাহত বর্ধমানে। রাজ্যে বিভিন্ন জায়গার রাজনৈতিক নেতাদের নিখোঁজ নোটিশ দেখতে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে সাধারণ জনসাধারণ। বর্ধমানে আবার তৃণমূল কাউন্সিলরের সন্ধান চেয়ে পোষ্টার পড়লো শহর জুড়ে। তৃণমূল কংগ্রেসকে বদনাম করার জন্য এই পোষ্টার বিরোধীরা লাগিয়েছে বলে দাবি তৃণমূল নেতৃত্বের। যদিও বিজেপির দাবি, এটা তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল।সোমবার সকালে বিষয়টি নজরে আসে স্থানীয়দের। বিষয়টি নজরে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। বর্ধমান পৌরসভার ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর উমা সাঁই। উমা সাঁই হলেন ১৯৭০-এর ১৭ই মার্চ বর্ধমান শহরের হারহিম হত্যা কান্ড সাঁই বাড়ির প্রতিনিধি। সেই উমা সাঁইয়ের সন্ধান চেয়ে কার্জনগেট চত্ত্বরে পোষ্টার দেখতে পাওয়া যায়। যা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।পোষ্টারে উমা সাঁইয়ের ছবি দিয়ে সন্ধান চাই লেখা হয়েছে। কাউন্সিলর জানিয়েছেন, ওয়ার্ডের মানুষজন জানেন আমি ওয়ার্ডে যাই কিনা। সপ্তাহে দুদিন আমি ওয়ার্ডে গিয়ে বিভিন্ন সমস্যা দেখি ও তার সমাধান করার চেষ্টা করি। ২০১৩ সালে এই ওয়ার্ড থেকে আমি জয়লাভ করি এবং এবছরও এই ওয়ার্ড থেকে আমি বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছি। কে বা কারা কি উদ্দেশ্য নিয়ে এই পোষ্টার লাগিয়েছে বলতে পারবো না।যদিও পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমুল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস এটাকে বিরোধীদের চক্রান্ত বলেই দাবি করেছেন। রাজনৈতিক ভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের সাথে লড়াই করতে না পেরে তৃণমূলকে বদনাম করতে এটা করা হচ্ছে বলে দাবি তার। বিজেপি নেতা সুধীর রঞ্জন সাউ জানান, এটা তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। তিনি আরও জানান, তৃণমূল কংগ্রেস ভোট লুট করে ক্ষমতায় এসেছে, লজ্জায় তাঁরা মানুষের কাছে জেতে পারছে না। নিজেদের মধ্যে তোলাবাজির ভাগবাটোয়ারা নিয়ে সমস্যার জেরে এই পোষ্টার বলে দাবি বিজেপি নেতা সুধীর রঞ্জন সাউয়ের।উল্লেখ্য, মাস চারেক আগে বর্ধমানে পোস্টার রাজনীতির আমদানি হয়। শহরের কোর্ট কম্পাউণ্ডে বিজেপির প্রাক্তন জেলা সভাপতি সন্দীপ নন্দীকে ফের পদে ফেরানোর দাবিতে পোস্টার পড়ে। মাস খানেক আগে ফের কোর্ট কম্পাউণ্ডে পোস্টার পড়ে বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভার সাংসদ সুরিন্দর সিংহ আলুওয়ালিয়া নিখোঁজ বলে। তারপর বর্ধমান পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর চায়না কুমারী নিখোঁজ বলে পোস্টার পড়ে। পোস্টার রাজনীতির নবতম সংযোজন বর্ষিয়াণ উমা সাঁই।

নভেম্বর ২৮, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

দিল্লিতে বাধা, তাই কেরলে নতুন কৌশল! মোদী সরকারের বিরুদ্ধে পথে অভিজিৎ দীপক, পাশে প্রকাশ রাজ

ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন প্রথম দিকে বেশ সাড়া ফেলেছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই আন্দোলনের প্রভাব কিছুটা কমেছে। এর আগে দিল্লিতে দুবার গ্রেফতার হয়েছেন দলের নেতা অভিজিৎ দীপক ও সৌরভ দাসরা। অন্য দিকে, দিল্লিতে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআরের বিরুদ্ধে আন্দোলনও তেমন জমেনি। তাই এ বার কংগ্রেস শাসিত কেরলের কোচিতে নতুন করে আন্দোলনের কর্মসূচি নিলেন অভিজিৎ দীপকেরা। এসআইআর বিরোধী বিক্ষোভের মঞ্চ থেকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করলেন তাঁরা।সম্প্রতি একাধিক বার গ্রেফতার হয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির নেতারা। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপককেও তাঁর বাড়ি থেকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। তবে গ্রেফতারি বা পুলিশের পদক্ষেপে যে তিনি পিছিয়ে আসবেন না, কোচির সভা থেকে সেই বার্তাই দিলেন তিনি।শনিবার কোচির মেরিন ড্রাইভে মিছিল করেন দলের নেতা ও সমর্থকেরা। এই কর্মসূচি থেকে নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি মোদী সরকারকেও আক্রমণ করেন অভিজিৎ। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিও ওঠে মিছিল থেকে।সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে অভিজিৎ বলেন, জাতীয় পতাকা তোলার জন্য তাঁকে জেলে পাঠানো হয়েছিল। তাঁর দুই সঙ্গী সৌরভ ও আশুকেও একই কারণে জেলে যেতে হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। অভিজিতের কথায়, ব্রিটিশ শাসনের সময় ভারতে এমন ঘটনা ঘটত। স্বাধীনতার পর আবার কেন এই পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিশানা করে অভিজিৎ জানান, আন্দোলন থামাতে গ্রেফতার করা হলেও তিনি পিছিয়ে আসবেন না। আগামী দিনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ কর্মসূচি করবেন তাঁরা। দিল্লি, মহারাষ্ট্র, কেরল কিংবা তামিলনাড়ুযেখানেই তাঁদের আটক করা হোক না কেন, আবার জাতীয় পতাকা তুলে প্রতিবাদ জানাবেন বলে ঘোষণা করেন তিনি।এ দিন কোচির রাস্তায় জাতীয় পতাকা হাতে মিছিলে হাঁটেন ককরোচ জনতা পার্টির বহু সমর্থক। মিছিলের সামনের সারিতে ছিলেন অভিনেতা প্রকাশ রাজ। দলের এই কর্মসূচির নাম দেওয়া হয়েছিল যন্তর মন্তর অ্যাট কোচি। বামপন্থী যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআইও এই কর্মসূচিকে সমর্থন করে। ফলে মিছিলে বেশ ভালো ভিড় দেখা যায়।তবে এই বিক্ষোভ কর্মসূচিকে ঘিরে আরও একটি বিষয় নজর কেড়েছে। মিছিল থেকে একাধিক বার আজাদি স্লোগান ওঠে। সব মিলিয়ে দিল্লিতে বারবার গ্রেফতারির পর কেরলের কোচিতে নতুন করে আন্দোলনের মঞ্চ তৈরি করে কেন্দ্রীয় সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করলেন অভিজিৎ দীপকেরা।

নভেম্বর ০৮, ২০২৬
দেশ

সীমান্তে জওয়ানদের সঙ্গেই দীপাবলি কাটাবেন মোদি! কোথায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী? জল্পনা তুঙ্গে

দেশবাসীকে দীপাবলির শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আলোর উৎসবের দিনে সীমান্তে কর্তব্যরত সেনাদের সঙ্গে সময় কাটানোর কথাও জানালেন তিনি। শনিবার সমাজমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী জানান, প্রতি বছরের মতো এ বারও দীপাবলির দিন দেশের বীর জওয়ানদের সঙ্গে কাটাবেন তিনি। তবে এ বার ঠিক কোন সেনা ছাউনি বা সীমান্ত এলাকায় যাবেন, তা এখনও জানাননি প্রধানমন্ত্রী।ভিডিও বার্তায় মোদি বলেন, দীপাবলির পবিত্র উৎসবে গোটা দেশ আলোয় সেজে উঠেছে। অন্ধকারের বিরুদ্ধে লড়াই এবং নতুন আশার বার্তা দেয় এই উৎসব। দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, দীপাবলি সকলের জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি নিয়ে আসুক।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, অন্য সকলের মতো তিনিও অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে এই উৎসব পালন করেন। তবে দীপাবলির দিন সেনাদের সঙ্গে সময় কাটানো তাঁর কাছে বিশেষ অভ্যাস হয়ে উঠেছে। তাই এ বারও দেশের নিরাপত্তায় সীমান্তে পাহারায় থাকা জওয়ানদের সঙ্গেই উৎসবের দিনটি কাটাবেন তিনি।তবে এ বার প্রধানমন্ত্রীর গন্তব্য কোথায়, তা নিয়ে এখনও কৌতূহল রয়েছে। নিরাপত্তার কারণে সাধারণত শেষ মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রীর সফরের জায়গা প্রকাশ করা হয়। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে প্রতি বছরই সেনা বা নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে দীপাবলি পালন করেছেন মোদি। কখনও সিয়াচেনে, কখনও কাশ্মীরে, আবার কখনও নৌসেনার যুদ্ধজাহাজ আইএনএস বিক্রান্তে গিয়ে জওয়ানদের সঙ্গে উৎসব কাটিয়েছেন তিনি।এ দিন সকালে উপরাষ্ট্রপতি সি পি রাধাকৃষ্ণণের সঙ্গেও দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী। দুজনে একে অপরকে দীপাবলির শুভেচ্ছা জানান। পরে সেই সাক্ষাতের ছবি সমাজমাধ্যমে প্রকাশ করেন মোদি। তিনি জানান, উপরাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে দীপাবলির শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন।এর আগে ধনতেরস উপলক্ষেও দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এ বার দীপাবলির শুভেচ্ছা বার্তার পাশাপাশি সেনাদের সঙ্গে উৎসব কাটানোর কথা জানিয়ে দেশের নিরাপত্তারক্ষীদের প্রতি সম্মান ও কৃতজ্ঞতার বার্তাও দিলেন তিনি।

নভেম্বর ০৮, ২০২৬
বিদেশ

আমেরিকায় দীপাবলির অনুষ্ঠানেই তাণ্ডব! হিন্দুদের ‘দেশছাড়া’র ডাক, ট্রাম্পের মাগা সমর্থকদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

আমেরিকার সিয়াটেলে দীপাবলির অনুষ্ঠান ঘিরে তৈরি হল তীব্র উত্তেজনা। অভিযোগ, উৎসব চলাকালীন সেখানে ঢুকে হিন্দুদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক স্লোগান দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থক কয়েকজন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন কট্টর দক্ষিণপন্থী সমাজকর্মী জেক ল্যাং। শুধু স্লোগান নয়, অনুষ্ঠানে উপস্থিত মানুষদের হেনস্থা ও হামলার অভিযোগও উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমেরিকায় শুরু হয়েছে তীব্র প্রতিবাদ।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সিয়াটেলে দীপাবলির অনুষ্ঠান চলাকালীন সেখানে প্রবেশ করেন জেক ল্যাং এবং তাঁর অনুগামীরা। তাঁদের হাতে ছিল একাধিক প্ল্যাকার্ড। তাতে লেখা ছিল হিন্দু-বিরোধী নানা বার্তা। অভিযোগ, তাঁরা হিন্দুদের আমেরিকা থেকে বহিষ্কারের দাবিও জানান। এমনকি খ্রিস্টানদের দেশে হিন্দুদের কোনও জায়গা নেই বলেও মন্তব্য করেন তাঁরা।এই ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে একটি বিশেষ অবমাননাকর শব্দডট হেড। মূলত কপালে টিপ, তিলক বা সিঁদুর পরা ভারতীয় এবং হিন্দুদের অপমান করতে এই শব্দ ব্যবহার করা হয়। দীপাবলির মতো একটি ধর্মীয় উৎসবের অনুষ্ঠানে এই ধরনের মন্তব্য ঘিরে স্বাভাবিক ভাবেই ক্ষোভ ছড়িয়েছে।ঘটনার পর সমাজমাধ্যমেও সরব হন জেক ল্যাং। সেখানে হিন্দুদের উদ্দেশে কটূক্তি করার পাশাপাশি আমেরিকার রাজনীতিতে তাঁদের ভূমিকা নিয়েও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর দাবি, হিন্দুদের কারণেই আমেরিকায় ডেমোক্র্যাটরা জয়ী হয়েছেন। তাঁর এই মন্তব্য নিয়েও শুরু হয়েছে বিতর্ক।এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন মার্কিন কংগ্রেসের সদস্য তথা ভারতীয় বংশোদ্ভূত ডেমোক্র্যাট নেত্রী প্রমিলা জয়পাল। গোটা ঘটনাকে ঘৃণ্য এবং বর্ণবিদ্বেষী বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। সমাজমাধ্যমে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রমিলা লেখেন, এই ধরনের আচরণ অত্যন্ত নিন্দনীয়। দীপাবলি একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। আমেরিকায় বসবাসকারী হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ যাতে নিরাপদে এই উৎসব পালন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তাঁর কথায়, আমেরিকায় বিদ্বেষের কোনও জায়গা নেই।প্রমিলা জয়পাল ছাড়াও বহু মার্কিন নাগরিক এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন। আমেরিকার একাধিক হিন্দু সংগঠনও ঘটনার নিন্দা করেছে। তাঁদের বক্তব্য, ধর্মীয় উৎসবের অনুষ্ঠানে ঢুকে কোনও সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানো শুধু অগ্রহণযোগ্য নয়, তা আমেরিকার বহুত্ববাদী সমাজের ভাবনারও বিরোধী।দীপাবলির মতো উৎসব যেখানে আলো, আনন্দ এবং সম্প্রীতির বার্তা দেয়, সেখানে এমন ঘটনায় স্বাভাবিক ভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সিয়াটেলের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমেরিকায় হিন্দুদের নিরাপত্তা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

নভেম্বর ০৮, ২০২৬
বিদেশ

কপালে তিলক পরায় স্কুলে বাধা! ছেলেকে অন্যত্র ভর্তি করাতে বাধ্য বাবা, ২৫ হাজার পাউন্ডের মামলা

ছোট থেকেই স্বামীনারায়ণ সম্প্রদায়ের ভক্ত সে। হিন্দু ধর্মাচরণের অঙ্গ হিসাবে কপালে তিলক ও চন্দন পরত। বাড়ির পাশাপাশি স্কুলেও সেই অভ্যাস বজায় রাখতে চাইত ৯ বছরের পড়ুয়া। কিন্তু অভিযোগ, তার কপালে তিলক দেখে আপত্তি জানায় স্কুল কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয় যে ছেলেকে ওই স্কুল থেকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হন বাবা-মা। এ বার পশ্চিম লন্ডনের সেই প্রাথমিক স্কুলের বিরুদ্ধেই মামলা করলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ওই পড়ুয়ার বাবা। তাঁর দাবি, ধর্মাচরণের স্বাধীনতায় বাধা দেওয়া হয়েছে ছেলেকে। ক্ষতিপূরণ হিসাবে ২৫ হাজার পাউন্ড দাবি করেছেন তিনি। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা। মামলাটির এখনও নিষ্পত্তি হয়নি।পশ্চিম লন্ডনের ভাইকারস গ্রিন প্রাথমিক স্কুলে পড়ত ওই ছাত্র। সে স্বামীনারায়ণ সম্প্রদায়ের অনুগামী। বাড়িতে যেমন তিলক ও চন্দন পরত, স্কুলেও একই ভাবে যেত। অভিযোগ, ছাত্রের কপালে তিলক দেখে স্কুল কর্তৃপক্ষ নানা প্রশ্ন করতেন। এমনকি তাকে কটূক্তির মুখেও পড়তে হয়েছিল বলে দাবি পরিবারের। ২০২৫ সালের ওই ঘটনার পর ছেলেকে স্কুল থেকে সরিয়ে অন্য স্কুলে ভর্তি করান তার বাবা-মা।এ বার ওই স্কুলের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন ছাত্রের বাবা। আদালতে জমা দেওয়া হলফনামায় তাঁর অভিযোগ, তিলক পরার কারণে ছেলেকে ক্লাস থেকে বের করে দিয়েছিল স্কুল কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনায় মানসিক ভাবে ভেঙে পড়ে সে। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়েই তাকে ওই স্কুল ছাড়াতে হয়। বাবার দাবি, ছেলের পড়াশোনার খরচ বাবদ ২৫ হাজার পাউন্ড ক্ষতিপূরণ দিতে হবে স্কুলকে।লন্ডনের আশ্রয় নামে একটি আইনি পরামর্শদাতা সংস্থার মাধ্যমে মামলা করেছেন ওই ব্যক্তি। তাঁর আইনজীবী অম্বরীশ লিম্বাচিয়ার দাবি, এই ঘটনা শুধু একটি স্কুল বা এক পড়ুয়ার সমস্যা নয়। তাঁর মতে, ব্রিটেনে প্রত্যেকের নিজের ধর্মবিশ্বাস অনুযায়ী জীবনযাপনের অধিকার রয়েছে। স্কুলে পড়ার সময়েও কোনও পড়ুয়াকে নিজের ধর্মীয় বিশ্বাস বা পরিচয় থেকে দূরে থাকতে বাধ্য করা যায় না।আইনজীবী বলেন, এটি স্বাধীন ভাবে ধর্মাচরণের অধিকারের প্রশ্ন। কোনও পড়ুয়া স্কুলে পড়ছে বলে তার ধর্মীয় বিশ্বাসে বাধা দেওয়া যায় না। ব্রিটেনে প্রত্যেক শিশুর স্বাধীন ভাবে বেড়ে ওঠার অধিকার রয়েছে। সেখানে কোনও ভেদাভেদ থাকার কথা নয়। তাঁর আরও দাবি, ব্রিটেনে প্রায় ১০ লক্ষ হিন্দু নাগরিক রয়েছেন। এই ঘটনার মাধ্যমে তাঁদের ধর্মীয় বিশ্বাসে আঘাত করা হয়েছে। আদালত শিশুদের স্বাধীনতা ও ধর্মাচরণের অধিকারকে গুরুত্ব দিয়ে রায় দেবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।তবে মামলাটির এখনও চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি। স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য বা আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সামনে না আসা পর্যন্ত অভিযোগগুলিকে অভিযোগ হিসাবেই দেখা হচ্ছে।

নভেম্বর ০৮, ২০২৬
দেশ

এক সময় নকশাল হামলায় প্রাণ যেত জওয়ানদের, এখন বদলেছে পরিস্থিতি! বস্তারে দাঁড়িয়ে কী বললেন মোদী?

নকশাল দমনে বড় সাফল্যের দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর দাবি, গত এক বছরে কর্তব্যরত অবস্থায় প্রাণ হারাননি কোনও সিআরপিএফ জওয়ান। রবিবার দীপাবলি উপলক্ষে ছত্তীসগঢ়ের বস্তারে নিরাপত্তাবাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই দেশের নকশালবিরোধী লড়াইয়ের সাফল্যের কথা তুলে ধরেন তিনি। মোদীর দাবি, ২০১৪ সালের পর থেকে মাওবাদী দমনে দেশের পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের নিরাপত্তার জন্য বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার রাজনৈতিক সদিচ্ছা ২০১৪ সালের পর আরও শক্তিশালী হয়েছে। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে শত্রুদের বিরুদ্ধে দৃঢ় মনোভাব এবং সঠিক পরিকল্পনা নিয়ে লড়াই করতে হবে। তাঁর কথায়, একটা সময় নকশাল হামলায় নিরাপত্তাবাহিনীর জওয়ানদের মৃত্যুর সংখ্যা নকশালদের মৃত্যুর সংখ্যার চেয়ে বেশি ছিল। কিন্তু গত এক বছরে কর্তব্যরত অবস্থায় কোনও সিআরপিএফ জওয়ানের মৃত্যু হয়নি। গত ৪৭ বছরের ইতিহাসে এমন ঘটনা এই প্রথম বলে দাবি করেন তিনি।এই সাফল্যের কৃতিত্ব নিরাপত্তাবাহিনীর সাহস, ধৈর্য এবং দৃঢ় মনোভাবের পাশাপাশি সরকারের নীতিকেও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, নকশাল দমনে দীর্ঘদিন ধরে যে সমস্যা ছিল, তা মোকাবিলায় আগের সরকারগুলি যথেষ্ট পদক্ষেপ করেনি।২০০৪ থেকে ২০১৩ সালের পরিসংখ্যান তুলে ধরে পূর্বতন সরকারগুলিকে নিশানা করেন মোদী। তাঁর দাবি, ওই সময়ে প্রতি বছর নকশালদের তুলনায় বেশি সংখ্যায় নিরাপত্তাবাহিনীর জওয়ান প্রাণ হারাতেন। তাঁর অভিযোগ, তৎকালীন সরকারগুলি নকশাল সমস্যাকে এমন একটি রোগ বলে মনে করত, যার কোনও সমাধান নেই। ফলে সমস্যার মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হয়নি।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মাওবাদীরা শুধু নিরাপত্তাবাহিনীর উপরেই হামলা চালায়নি, সাধারণ মানুষকেও নিশানা করেছে। বহু এলাকায় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বাধা দিয়েছে তারা। এমনকি সাধারণ মানুষের ভোট দেওয়ার অধিকারও কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। এক বছরে দেশে প্রায় ২ হাজার নকশাল হামলার ঘটনাও ঘটেছিল বলে জানান তিনি।ছত্তীসগঢ়ের ২০১০ সালের ভয়াবহ হামলার কথাও স্মরণ করেন মোদী। দান্তেওয়াড়ায় নকশাল হামলায় ৭৬ জন সিআরপিএফ জওয়ানের মৃত্যুর ঘটনা উল্লেখ করেন তিনি। ওই বছরই একই জেলায় আরও একটি ঘটনায় ৪৪ জন সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, এত বড় হামলার পরেও তৎকালীন প্রভাবশালী নেতাদের মধ্যে সেই ঘটনার জন্য যথেষ্ট উদ্বেগ দেখা যায়নি।মোদীর দাবি, দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে ছত্তীসগঢ়ে নকশাল হিংসা চলেছে। এই সময়ে শুধু ওই রাজ্যেই এক হাজারের বেশি নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। তাঁর কথায়, শত্রুরা হামলা চালিয়ে যাবে আর দেশ চুপ করে সব মেনে নেবে, এমন মনোভাব নিয়ে কোনও দেশ চলতে পারে না।এ দিন ২০২৬ সালের দীপাবলিকে বিশেষ বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর দাবি, কয়েক দশকের নকশাল ও মাওবাদী সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারত বড় জয় পেয়েছে। দেশের প্রতিটি জেলা এখন নকশালমুক্ত বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, নকশাল আতঙ্কের ভয় ছাড়াই এ বার কোটি কোটি মানুষ দীপাবলি উদ্যাপন করতে পারছেন।বস্তারে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মোদী বলেন, ১৪০ কোটি ভারতীয়ের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি নিরাপত্তাবাহিনীর জওয়ানদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে এসেছেন। দেশের সীমান্তে যাঁরা পাহারা দেন এবং দেশের ভিতরে নিরাপত্তা বজায় রাখেন, তাঁদের ভূমিকা সমান গুরুত্বপূর্ণ। দেশের ঐক্য ও অখণ্ডতা রক্ষায় দুই বাহিনীর অবদান অপরিসীম বলেও মন্তব্য করেন তিনি।দীপাবলি উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কর্তব্যরত নিরাপত্তাকর্মীদের শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের আত্মত্যাগ, নিষ্ঠা এবং দেশের প্রতি দায়িত্ববোধের জন্য গোটা দেশ গর্বিত বলেও জানান তিনি।

নভেম্বর ০৮, ২০২৬
রাজ্য

এক প্রতিবাদের মূল্য প্রাণ! ১৮ বছর পরেও কালীপুজোয় বাজি ফাটে না এই গ্রামগুলিতে

কালীপুজো আসে, গ্রামে গ্রামে শ্যামামায়ের আরাধনা হয়। দীপাবলিতে বাড়ি, রাস্তা সাজে আলোয়। কিন্তু পুরুলিয়ার সাঁওতালডিহি শিল্পাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় আর শোনা যায় না শব্দবাজির আওয়াজ। ফাটে না চকোলেট বোম বা কালীপটকা। তুবড়ি, চড়কির ফুলকিও যেন মাটিতে পড়ে না। এর পিছনে রয়েছে এক মর্মান্তিক স্মৃতি। শব্দবাজির প্রতিবাদ করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছিলেন সুবোধচন্দ্র মাহাতো। এলাকার মানুষের কাছে তিনি আজও শব্দ শহিদ।দুবড়া-সাঁওতালডিহি সড়কের দুপাশে রয়েছে পাহাড়িগোড়া, দেউলি, পড়াশ্যা, শ্যামপুর, মধুডি, ডুমুরডি, বেলকুঁড়া এবং চকবাদের মতো একাধিক গ্রাম। স্থানীয়দের দাবি, এই এলাকায় শব্দবাজি ফাটানো হয় না। এ জন্য পুলিশকে আলাদা করে প্রচারও করতে হয় না। সুপ্রিম কোর্ট বা কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ মেনে চলার কথা মাইকে ঘোষণা করারও প্রয়োজন পড়ে না। কারণ, এলাকার মানুষের স্মৃতিতে এখনও অমলিন সুবোধচন্দ্রের মৃত্যু।ঘটনাটি ২০০৮ সালের ২৮ অক্টোবরের। কালীপুজোর রাত। দেউলি কালীমন্দিরে তখন পুজো চলছে। দুবড়া-সাঁওতালডিহি রাস্তার ধারে নিজের তিনতলা বাড়িতে ছিলেন সুবোধচন্দ্র। বয়স পঞ্চাশ পেরিয়েছে। তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মী ছিলেন। ঝাড়খণ্ডের ধানবাদের সিন্দ্রি সার কারখানায় কাজ করতেন।সেই রাতে এলাকায় চলছিল শব্দবাজি ফাটানো। একের পর এক বাজির আওয়াজে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন সুবোধচন্দ্র। রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ খাওয়াদাওয়া সেরে ঘুমোতে যাওয়ার আগে বাড়ির দরজা খুলে বাইরে আসেন তিনি। বাজি ফাটানো যুবকদের লোকালয় থেকে দূরে গিয়ে বাজি ফাটাতে অনুরোধ করেন।কিন্তু তাঁর সেই প্রতিবাদে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। যুবকেরা তাঁর বাড়ির দরজার সামনেই বাজি ফাটাতে শুরু করেন। এলাকার কয়েক জনের হস্তক্ষেপে কিছুক্ষণের জন্য বাজি ফাটানো বন্ধ হলেও পরে আবার তা শুরু হয়। এমনকি বাড়ির ভিতরেও বাজি ছুড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।রাত ১২টা পেরিয়ে যাওয়ার পর ছেলে মানসকে সঙ্গে নিয়ে ফের বাইরে আসেন সুবোধচন্দ্র। শান্তভাবেই যুবকদের বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু আচমকাই এক যুবক তাঁর বুক ও পেটের মাঝখানে ঘুসি মারেন বলে অভিযোগ। মাটিতে লুটিয়ে পড়েন সুবোধচন্দ্র। এর পর তাঁর শরীরে একের পর এক বাজি ছুড়ে মারা হয়। বাবাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন ছেলে মানস। কিন্তু বাবাকে সামলাতেই ব্যস্ত হয়ে পড়েন তিনি। তড়িঘড়ি সুবোধচন্দ্রকে কাছের পিডিসিএল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। মৃত্যু হয় তাঁর।এখনও সেই রাতের স্মৃতি ভুলতে পারেননি সুবোধচন্দ্রের ছেলে মানস। তাঁর কথায়, বাবা হয়তো সবাইকে সচেতন হওয়ার বার্তা দিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু আমরা তো তাঁকে হারালাম। আমাদের যা ক্ষতি হওয়ার, তা হয়ে গিয়েছে। মানসের দাবি, এই ঘটনায় অভিযুক্ত নজনই বেকসুর খালাস পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে চার জনের মৃত্যু হয়েছে।মানসের বয়স এখন ৪৪ বছর। তবু কালীপুজোর সময় সেই রাতের আতঙ্ক তাঁকে তাড়া করে বেড়ায়। তাঁর কথায়, সেই বছরই দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের কর্তা এবং রাজ্যের আধিকারিকেরা বাবার নামে শব্দ শহিদ শংসাপত্র ও এক লক্ষ টাকার চেক দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তারা শাস্তি পাবে। কিন্তু কোথায় কী?দেউলি গ্রামের বাসিন্দা এবং বিজেপির পাড়া তিন মণ্ডলের সহ-সভাপতি চিনিবাস মাহাতো বলেন, আগে কী হয়েছে, জানি না। তবে এখানে আর কোনও উৎসবে শব্দবাজি ফাটবে না। এটাই আমাদের শপথ।একটি প্রতিবাদ, একটি মৃত্যু। সেই ঘটনার পর বহু বছর কেটে গিয়েছে। কিন্তু সুবোধচন্দ্র মাহাতোর স্মৃতি আজও ভুলতে পারেননি এলাকার মানুষ। তাই কালীপুজো ও দীপাবলিতে আলো জ্বললেও সাঁওতালডিহির এই গ্রামগুলিতে শব্দবাজির আওয়াজ শোনা যায় না।

নভেম্বর ০৮, ২০২৬
রাজ্য

ক্ষমতায় নেই তৃণমূল, তবু অনুব্রতর কালীপুজোয় ৭০০ ভরি সোনা! কী বললেন কেষ্ট?

রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদল হয়েছে। তৃণমূল আর ক্ষমতায় নেই। বোলপুরে দলের কার্যালয়ের কালীপুজোয় তাই আগের মতো জৌলুস নেই। কমেছে লোকজনের ভিড়ও। তবে পুজোর আয়োজনে কোনও খামতি রাখতে চান না অনুব্রত মণ্ডল। তাঁর দাবি, এ বারও মায়ের প্রতিমা সাজানো হয়েছে প্রায় ৭০০ ভরি সোনার গয়নায়। তিহার জেল থেকে ফিরে এসেও মায়ের গয়নার পরিমাণে কোনও পরিবর্তন দেখেননি তিনি।শনিবার বোলপুরে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে কালীপুজো নিয়ে স্মৃতিচারণা করেন অনুব্রত। তিনি জানান, ছোটবেলা থেকেই কালীপুজোর সঙ্গে যুক্ত তিনি। প্রথমে বোলপুরের নিচুপট্টিতে পুজো করতেন। পরে তৃণমূলের জেলা কার্যালয়ে পুজো শুরু করেন। সেই পুজোর বয়সও প্রায় ৫০ থেকে ৬০ বছর। অনুব্রতর কথায়, দল ক্ষমতায় নেই। ভেবেছিলাম, পুজোর উপকরণ জোগাড় করতে সমস্যা হবে। কিন্তু মায়ের আশীর্বাদে কোনও অভাব হয়নি।পুজোর আয়োজন নিয়ে অনুব্রত বলেন, সবাই নিজের মতো করে জিনিস দিয়ে যাচ্ছে। আগে মায়ের যত ভরি গয়না ছিল, এ বারও ততটাই রয়েছে। তাঁর দাবি, এ বারও প্রতিমাকে সাজানো হয়েছে প্রায় ৭০০ ভরি সোনার গয়নায়। রবিবার মায়ের ভোগে থাকছে খিচুড়ি, তরকারি, ন রকম ভাজা, পায়েস, চাটনি এবং পাঠার মাংস।২০২১ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে অনুব্রতর কালীপ্রতিমার গয়নার পরিমাণ ছিল ৫৭০ ভরি। তার পর থেকে প্রতি বছর গয়নার পরিমাণ বেড়েছে বলে দাবি করা হয়। এ বার সেই পরিমাণ প্রায় ৭০০ ভরি। গয়নার আনুমানিক বাজারমূল্য সাড়ে ১১ কোটি টাকা বলে জানা যাচ্ছে।একসময় এই কালীপুজো ঘিরে বোলপুরে বড়সড় আয়োজন হত। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছোট-বড় তৃণমূল নেতা, বিধায়ক, মন্ত্রী এবং সাংসদেরা ভিড় জমাতেন। খাওয়াদাওয়ার আয়োজনও থাকত চোখে পড়ার মতো। কিন্তু রাজনৈতিক পালাবদলের পর এ বারের ছবিটা অনেকটাই আলাদা। এখন হাতে গোনা কয়েক জনকে নিয়েই পুজোর আয়োজন করছেন অনুব্রত। তবু পুজোর প্রস্তুতিতে কোনও খামতি রাখতে চাইছেন না উদ্যোক্তারা। ইতিমধ্যেই সাজিয়ে তোলা হয়েছে বোলপুরের তৃণমূল কার্যালয়।অন্য দিকে, বোলপুরের বাড়িপুকুর সম্মিলনীর কালীপুজোর সঙ্গেও একসময় অনুব্রতর যোগ ছিল। তাঁর হাত ধরেই ওই পুজোর সূচনা হয়েছিল। এ দিন সেই পুজোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিজেপির বোলপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি শ্যামাপদ মণ্ডল। তিনি বলেন, এটাই জগতের নিয়ম। উনি যখন নিজের জায়গায় ছিলেন, তখন পুজো করেছেন। আজ এলেও কোনও বাধা ছিল না। পুজোর ক্ষেত্রে রাজনীতি নেই। পুজো সবার। এখানে পাড়ার লোকেরাই সমস্ত আয়োজন করেছেন।রাজনৈতিক পালাবদলের পর বোলপুরে অনুব্রতর কালীপুজো কেমন হয়, তা নিয়ে কৌতূহল ছিল অনেকের। ক্ষমতায় না থাকলেও পুজোর আয়োজন ঘিরে নিজের পুরনো ঐতিহ্য ধরে রাখার চেষ্টা করছেন অনুব্রত।

নভেম্বর ০৮, ২০২৬
কলকাতা

ফের সাইবার হানার আশঙ্কা! রাজ্যের সব সরকারি দফতরকে জরুরি চিঠি, কোন বিপদের কথা জানাল প্রশাসন?

: পুজোর আগে সাইবার হামলার শিকার হয়েছিল রাজ্যের একাধিক সরকারি দফতরের ওয়েবসাইট। অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে ওই ওয়েবসাইটগুলিতে হামলা চালিয়েছিল হ্যাকাররা। সেই ঘটনার পর ফের সতর্ক রাজ্য সরকার। আগাম বিপদের আশঙ্কায় রাজ্যের সমস্ত সরকারি দফতরকে চিঠি পাঠিয়েছে রাজ্য সরকারের অধীনস্থ নেক্সট জেনারেশন সাইবার সিকিউরিটি অপারেশন সেন্টার। গত সেপ্টেম্বরের সাইবার হামলার অভিজ্ঞতা থেকেই এই সতর্কবার্তা বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।চিঠিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা না নিলে ফের সরকারি ওয়েবসাইটে হানা দিতে পারে হ্যাকাররা। এর ফলে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ এবং গোপন তথ্য অন্যের হাতে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। গত সেপ্টেম্বরে রাজ্যের একাধিক সরকারি ওয়েবসাইট আচমকা অচল হয়ে পড়েছিল। এর জেরে জন্ম ও মৃত্যুর শংসাপত্র তৈরি-সহ বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের কাজ ব্যাহত হয়। যদিও সেই সময় সাইবার হামলার বিষয়টি সরকারি ভাবে স্বীকার করা হয়নি।এ বার সরকারি তথ্যের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে নতুন করে সতর্কবার্তা জারি করেছে সাইবার সিকিউরিটি অপারেশন সেন্টার। সরকারি ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত পিএইচপি প্রযুক্তির কয়েকটি সংস্করণে নিরাপত্তার ত্রুটি থাকতে পারে বলে জানানো হয়েছে। বিশেষ করে সিভিই-২০২৬-১০৯৬১৮ এবং সিভিই-২০২৬-১০৯৬১৯ নম্বরের নিরাপত্তা সংক্রান্ত দুর্বলতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।পিএইচপি হল এক ধরনের প্রোগ্রামিং ভাষা। মূলত ওয়েবসাইট তৈরি এবং পরিচালনার কাজে এটি ব্যবহার করা হয়। এই প্রযুক্তিতে কোনও নিরাপত্তার ত্রুটি থাকলে হ্যাকাররা তার সুযোগ নিতে পারে। তাই কোন কোন সরকারি কম্পিউটার, সার্ভার এবং অনলাইন পরিষেবায় পিএইচপি ব্যবহার করা হচ্ছে, প্রথমেই তার তালিকা তৈরি করতে বলা হয়েছে।পাশাপাশি কোন সরকারি ওয়েবসাইটে পিএইচপি-র কোন সংস্করণ ব্যবহার করা হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার সমস্যা থাকলে দ্রুত প্রয়োজনীয় হালনাগাদ ব্যবস্থা নিতে হবে। বিশেষ করে যে সমস্ত ওয়েবসাইট সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যবহার করা যায়, সেগুলির ক্ষেত্রে আরও বেশি সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।এ ছাড়াও বেশ কিছু সরকারি ওয়েবসাইটে বাইরে থেকে তথ্য পাঠানো বা ফাইল জমা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এই ধরনের ওয়েবসাইটগুলিতে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার কথা জানিয়েছে সাইবার সিকিউরিটি অপারেশন সেন্টার। কোথাও কোনও নিরাপত্তার ত্রুটি ধরা পড়লে দেরি না করে দ্রুত তার সমাধান করতে হবে।গত সেপ্টেম্বরের ঘটনার পর ফের এই সতর্কবার্তা ঘিরে রাজ্যের সরকারি দফতরগুলিতে তৎপরতা বেড়েছে। সরকারি ওয়েবসাইটে থাকা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যাতে কোনও ভাবেই হ্যাকারদের হাতে না পৌঁছয়, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

নভেম্বর ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal