• ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১৩ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Train

রাজ্য

সৈকত শহর দীঘার পথে রেল বৃদ্ধির দাবি বাংলা পক্ষের

বাংলা পক্ষ -এর তরফে দীঘা-সাঁতরাগাছি লোকাল ট্রেন এবং দীঘা-হাওড়া এক্সপ্রেস ট্রেনের অপ্রতুলতা এবং এই রেল পথের ট্রেন বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার দাবিতে দীঘা স্টেশন ম্যানেজারের কাছে রবিবার ১৭ জুলাই স্মারকলিপি জমা দেওয়া হল। এই রেলপথ হাওড়া এবং কলকাতার সঙ্গে পূর্ব মেদিনীপুরের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের যোগাযোগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রতিদিন বাণিজ্যিক, চিকিৎসা, শিক্ষার প্রয়োজনে, পেশাগত, পরীক্ষার জন্য ও বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজে বহু মানুষ এই পথে যাতায়াত করেন। ট্রেনের অপ্রতুলতার ফলস্বরূপ স্থানীয় মানুষদের কর্মস্থলে পৌঁছানো এবং ফিরবার ক্ষেত্রে ব্যাপক হায়রানির শিকার হতে হয়। বাংলা পক্ষের দাবি, এই সমস্যা সমাধানের জন্য লোকাল এবং এক্সপ্রেস ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি। যাতে বাংলার রাজধানীর সঙ্গে পূর্ব মেদিনীপুরের রেলপথ যোগাযোগের শ্রীবৃদ্ধি ঘটে, নিত্যদিনের সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তির শিকার না হতে হয় এবং সৈকত শহর দীঘায় পর্যটকদের আসা-যাওয়া অত্যন্ত সুগম এবং সুলভ হয়। বাংলা পক্ষ মনে করে, দীঘা বাংলার অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র। এই কেন্দ্রে রেলের সংখ্যা বৃদ্ধি করলে রাজ্যের অর্থনীতির উপর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। স্টেশন ম্যানেজারের তরফে ইতিবাচক প্রচেষ্টার প্রতিশ্রুতি পাওয়া গিয়েছে। আশা করা যায়, আগামী দিনে হাওড়া থেকে দীঘা এবং জেলার মধ্যে চলাচলের জন্য লোকাল ট্রেন বৃদ্ধি পাবে।

জুলাই ১৭, ২০২২
রাজ্য

দমদমের পর নদিয়া, শ্লীলতাহানির পর চলন্ত ট্রেন থেকে ধাক্কা মহিলাকে

দমদমের পর এবার নদিয়া। ফের একবার চলন্ত ট্রেনে মহিলাকে শ্লীলতাহানি করার চেষ্টা। শুধু তাইই নয়, এরপর সেই মহিলা তার প্রতিবাদ করলে সুযোগ বুঝে ধাক্কা দেওয়া হয় সেই ট্রেন থেকেই। বরাত জোরে প্রাণে বাঁচলেও গুরুতর আহত সেই মহিলা হাসপাতালে ভর্তি। ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১ জনকে। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার গাংনাপুরে। আরও একবার লোকাল ট্রেনে মহিলা যাত্রীদের সুরক্ষার নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেল।সূত্রের খবর, রানাঘাট-বনগাঁ শাখার গাংনাপুরের কাছে চলন্ত ট্রেনে ছিলেন সেই মহিলা। গাড়ি যখন রায়নগর স্টেশনে ঢুকছে, সেই মুহূর্তে সেই মহিলাকে শ্লীলতাহানি করার চেষ্টা করেন অভিযুক্ত ব্যক্তি। ক্রমাগত উত্যক্ত করতে থাকেন সেই মহিলাকে। সেই হেনস্থার প্রতিবাদ করায় এরপর চলন্ত লোকাল ট্রেন থেকে ধাক্কা মারেন অভিযুক্ত ব্যক্তি সেই মহিলাকে। প্ল্যাটফর্মে পড়ে যাওয়ার পরে মহিলাকে উদ্ধার করে জেএনএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে তিনি গুরুতরভাবে আহত। ঘটনায় ১ জনকে গ্রেপ্তার করলেও, আরও এক অভিযুক্ত এখনও পলাতক।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
রাজ্য

Local Train: সন্ধ্যা ৭টা নয়, সোমবার থেকেই রাত ১০টায় ছাড়বে শেষ লোকাল ট্রেন

রাজ্য সরকার রবিবার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছিল, ৩ জানুয়ারি সোমবার থেকে সন্ধ্যা ৭টার পরে লোকাল চলবে না। এ নিয়ে যাত্রী থেকে রেল, সকলেই বিভ্রান্তিতে ছিলেন। পূর্ব রেল জানিয়েছিল, সন্ধ্যা ৭টায় দিনের শেষ লোকাল ট্রেন ছাড়বে। অন্য দিকে, দক্ষিণ-পূর্ব রেলের বক্তব্য ছিল, ৭টার মধ্যে সব লোকাল ট্রেন গন্তব্যে পৌঁছবে। আর সেই আবহেই সোমবার সন্ধ্যায় নবান্নের এক নির্দেশিকায় সমস্তটা স্পষ্ট করে দেওয়া হল। জানিয়ে দেওয়া হল, সোমবার থেকে সন্ধ্যা ৭টা নয়, রাত ১০টাতেই ছাড়বে শেষ লোকাল।রাজ্যে করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় রবিবার রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী কিছু বিধিনিষেধ ঘোষণা করেছিলেন। জানিয়েছিলেন আগামী ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সন্ধ্যা ৭টার পরে লোকাল ট্রেন চলবে না। ভোর পাঁচটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে চলবে লোকাল ট্রেন। কিন্তু সন্ধ্যা ৭টায় লোকাল চলাচল বন্ধ মানে ঠিক কী তা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। সোমবার সন্ধ্যা হতে না হতেই যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। আর তার আঁচ পেতে না পেতেই সিদ্ধান্ত বদল করল রাজ্য সরকার। নবান্নের পক্ষে জানানো হয়েছে, সোমবার থেকে সন্ধ্যা ৭টা নয়, রাত ১০টায় ছাড়বে শেষ লোকাল।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
রাজ্য

Mamata Bannerjee: ট্রেনে চড়েই আজ জেলা সফরে মুখ্যমন্ত্রী

খারাপ আবহাওয়ার কারণে দীর্ঘ সময় পর ফের একবার ট্রেনে করে জেলা সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সোমবার উত্তরবঙ্গ সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। কিন্তু বাধ সাধছে প্রকৃতি।এমত অবস্থায় হেলিকপ্টার সফর নিরাপদ নয়। প্রশাসনিক সূত্রের খবর মুখ্যমন্ত্রী সফর সূচি পরিবর্তন করতে রাজি হননি। তাই বিকল্প হিসাবে রেলকেই বেছে নেওয়া হয়েছে।নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার দুপুরে শতাব্দী এক্সপ্রেসে করে তিনি মালদা যাবেন।সন্ধ্যায় মালদহ পৌঁছে সেখানেই থাকবেন তিনি। মঙ্গলবার ৭ ডিসেম্বর উত্তর দিনাজপুর জেলার করণদিঘিতে উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার প্রশাসনিক বৈঠক।বৈঠক শেষ করে মঙ্গলবারই মালদহ ফিরে আসবেন। পরদিন বুধবার সকালে মালদহ জেলার প্রশাসনিক বৈঠক। সেই বৈঠক শেষ করে সড়কপথে মুখ্যমন্ত্রী যাবেন মুর্শিদাবাদ। বিকেলে মুর্শিদাবাদ জেলার প্রশাসনিক বৈঠক ডাকা হয়েছে। বুধবারই মুর্শিদাবাদ থেকে আসবেন নদিয়া জেলার সদর শহর কৃষ্ণনগরে। বৃহস্পতিবার কৃষ্ণনগরেই হবে মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক বৈঠক।প্রোটোকল অনুযায়ী মুখ্যমন্ত্রী জেড প্লাস নিরাপত্তা পান। তাই রেল সফরে তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে রেল ও রাজ্য প্রশাসনের মধ্যে দফায় দফায় আলোচনা চলে।এদিন এক বৈঠকে আরপিএফের আধিকারিকদের পাশাপাশি রেলের আধিকারিক ও হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটেরর আধিকারিকেরাও রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করে রেল সফরে মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।প্রসঙ্গত, ২০০৯-১১ সাল পর্যন্ত রেলমন্ত্রী থাকাকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলা সফর করতেন মূলত ট্রেনে চড়েই। দীর্ঘদিন পরে ফের একবার একইভাবে তার জেলা সফরের কর্মসূচি এই সফরে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গী হতে চলা প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের পুরনো দিনের স্মৃতি মনে করিয়ে দিচ্ছে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২১
রাজ্য

শিরোমণি প্যাসেঞ্জার ও হাটিয়া প্যাসেঞ্জার পুনরায় চালুর দাবিতে বাংলা পক্ষ-র ডেপুটেশন

শিরোমণি প্যাসেঞ্জার ও হাটিয়া প্যাসেঞ্জার পুনরায় চালুর দাবিতে বাংলা পক্ষর ডেপুটেশন কর্মসূচির আয়োজন করা হয। রবিবার বাংলা পক্ষ পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা শাখার পক্ষ থেকে শিরোমণি প্যাসেঞ্জার ও হাটিয়া প্যাসেঞ্জার পুনরায় চালু করা ও চক্রধরপুর লোকালের গড়বেতা স্টপেজ পুনরায় চালুর দাবিতে স্মারকলিপি তুলে দেওয়া হল স্টেশন মাস্টারের হাতে। দুটি নতুন ট্রেনের দাবি- সহ বাংলা ভাষার ব্যবহারের মতো গুরুত্বপূর্ণ দাবিসমূহ-ও ছিল স্মারকলিপিতে। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সুমিত দে, দসর জানা, জামাল খানের মতো জেলার সহযোদ্ধারা। এই স্মারকলিপির সাথে ৩৫ জন সাধারণ মানুষের স্বাক্ষরও তুলে দেওয়া হয় স্টেশন মাস্টারের হাতে। এই দাবি না মানা হলে স্থানীয় মানুষ নিয়ে আরও বৃহত্তর আন্দোলন হবে বলে জানায় সহযোদ্ধারা। আগামী দিনে জেলার অন্যান্য স্টেশন থেকেও এক-ই দাবিতে আন্দোলনে নামবে বাংলা পক্ষ, এমনটাই জানায় বাংলা পক্ষের সহযোদ্ধা সুমিত দে। সাম্প্রতিক কালে বেশ কিছু ট্রেন বাতিল হয়ে যাওয়ায় এলাকার মানুষ খুবই সমস্যার মধ্যে পড়েছে। চাকরিজীবি, ব্যবসায়ী ও ছাত্রছাত্রীদের নানান কাজে তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে প্রচণ্ড সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।। এই সমস্যার প্রভাব পড়েছে স্থানীয় অর্থনীতিতে। একই ভাবে বিভিন্ন স্টেশনে বাংলা ভাষার ব্যবহার কমিয়ে দেওয়ার ফলে স্থানীয় মানুষের যথেষ্ট অসুবিধা হচ্ছে। আমরা এই সমস্যাগুলির সমাধানে নিম্নোক্ত দাবিগুলি জানিয়েছে বাংলা পক্ষ।১. শিরোমণি ও হাটিয়া প্যাসেঞ্জার পুনরায় চালু করতে হবে।২. বিগত দশকের দাবি মেনে গড়বেতা পর্যন্ত দুটি নতুন লোকাল ট্রেন চালু করতে হবে অথবা হাওড়া-মেদিনীপুর লোকালের যে-কোনো দুটি ট্রেন গড়বেতা পর্যন্ত সম্প্রসারিত করতে হবে।৩. চক্রধরপুর লোকালের গড়বেতায় স্টপেজ পুনরায় চালু করতে হবে।৪. মেমু প্যাসেঞ্জার ট্রেনগুলির ভাড়া এক্সপ্রেস ট্রেনের ভাড়া করা যাবে না।৫. রূপসী বাংলা ট্রেনের রুট বর্ধমান হয়ে পরিবর্তন করা যাবে না।৬. গড়বেতা রেল স্টেশনকে পুনরায় আগের মতো কার্যক্ষম করে তুলতে হবে৷৭. ইদানিং গড়বেটা স্টেশনে লক্ষ্য করা যাচ্ছে বাংলা ভাষার ব্যবহার কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে, যা বন্ধ করতে হবে এবং বাংলা ভাষার সঠিক ব্যবহার ও মর্যাদা দিতে হবে।

নভেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Local Train: লোকাল চালু হলেও শিকেয় দূরত্ববিধি, চিন্তায় যাত্রীরা

দীর্ঘ পাঁচ মাস বন্ধ থাকার পর রবিবার থেকে চালু হয়েছে লোকাল ট্রেন। ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে শুরু হয়েছে পরিষেবা। সোমবার সপ্তাহের প্রথমদিন কার্যত সবথেকে বড় পরীক্ষা রেলের জন্য। কিভাবে ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ন্ত্রণ করা যাবে এবং কিভাবে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করবে পুলিশ প্রশাসন এবং রেল সেই দিকে নজর রয়েছে সকলের।বিভিন্ন যাত্রী জানিয়েছেন, ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে কোভিড বিধি মানার কথা থাকলেও বেশিরভাগ মানুষই সেই বিধি মানছেন না বলে অভিযোগ যাত্রীদের। অনেকেই মনে করছেন যে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সময়ে ট্রেন চালানো এবং ১২ বগির ট্রেন চালানোর মধ্য দিয়ে এই বিধি মানা তুলনামূলক বেশি সহজ হবে। সোমবার অফিস টাইমে কিভাবে কোভিড প্রোটোকল মানা হবে সেই দিকে তাকিয়ে রয়েছে শহরবাসী। যদিও প্রথমদিন অর্থাৎ রবিবারে অনেক মানুষই স্টেশনে মাস্ক নিয়েই আসেননি। সোমবারেও বহু স্টেশনে চোখে পড়ার মত ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে। অনেকের মুখেই দেখা যায়নি মাস্ক। অনেকেই পকেটে ঢুকিয়ে রেখেছেন মাস্ক এবং এই প্রবণতাই ক্রমশ দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে বিশেষজ্ঞদের।

নভেম্বর ০১, ২০২১
রাজ্য

Local Train: উঠে গেল বিধিনিষেধ, রাজ্যে কবে থেকে চালু হচ্ছে লোকাল ট্রেন?

করোনা পরিস্থিতিতে লোকাল ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়েছিল এই রাজ্যে। দীর্ঘ দিন লোকাল ট্রেন বন্ধ থাকায় তা চালু করার দাবিও উঠেছিল। স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে উঠতে না পেরে অবরোধের ঘটনাও ঘটে। ক্ষোভ-বিক্ষোভে ফেটে পড়ে যাত্রীরা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে ছিলেন কলকাতা সংলগ্ন জেলায় ৫০ শতাংশ টিকাকরণ হলে ট্রেন চালু করা হবে। যদিও পরে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এলে স্টাফ স্পেশাল ও বিশেষ ট্রেন চলাচলে ছাড় দেয় রাজ্য।স্পেশাল বললেও লোকাল ট্রেনের টাইম টেবিলেই বেশ কিছু ট্রেন চলাচল শুরু করে। হয়রানির শিকার হচ্ছিলেন যাত্রীরা। তবে পরবর্তী ক্ষেত্রে ট্রেনের টিকিট দেওয়া শুরু হওয়ায় যাত্রী হয়রানি কিছুটা কমে। এবার অবসানের পথে সেই কষ্ট। লোকাল ট্রেন চলাচলে ছাড় ঘোষণা করল নবান্ন। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে কোভিড বিধি মেনে রাজ্যে চলবে লোকাল ট্রেন। আগামী রবিবার থেকেই রাজ্যে লোকাল ট্রেন পরিষেবা চালু হবে।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Waterlogged Carshed: টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন হাওড়া ও টিকিয়াপাড়া কারশেড, বাতিল একাধিক ট্রেন

রাতভর ব্যাপক বৃষ্টিতে জল জমেছে রেললাইনে। জলমগ্ন হাওড়া ও টিকিয়াপাড়া কারশেড। তার ফলে ব্যাহত হয়েছে রেল পরিষেবা। হাওড়া স্টেশনের দুই শাখায় খুব ধীরগতিতে চলছে ট্রেন। বেশ কিছু ট্রেন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা। জানা গিয়েছে, রাতের বৃষ্টিতে টিকিয়াপাড়া এবং হাওড়া কারশেডে জমেছে জল। ফলে কারশেড থেকে ট্রেন বের করতে সমস্যা হচ্ছে। তাই জল না নামলে অনেক ট্রেনই চালান সম্ভব হবে না। জল জমে যাওয়ার কারণে আটকে রয়েছে হাওড়া জব্বলপুর স্পেশ্যাল ট্রেনও। তবে ঠিক কোন কোনও ট্রেনের ক্ষেত্রে পরিষেবা ব্যহত হয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। শুধু হাওড়া নয়, একই অবস্থা কলকাতা স্টেশনেরও। স্টেশনে ঢোকার মুখে জল জমেছে। কলকাতা স্টেশন থেকে যে সমস্ত দূরপাল্লার ট্রেন ছাড়ে কিংবা কলকাতা স্টেশনে আসে সেই সব ট্রেনও বাতিল হতে পারে বা দেরি হতে পারে।আরও পড়ুনঃ মুখ থেঁতলানো রক্তাক্ত মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার, ব্যাপক চাঞ্চল্য জামালপুরেজল না নামলে বেশ কিছু ট্রেন বার করা যাবে না বলেই খবর। সকাল থেকে যে ট্রেনগুলি চলছে তার গতিও খুব ধীরে। তার ফলে বেশির ভাগ ট্রেনেরই গন্তব্যে পৌঁছতে দেরি হচ্ছে। সমস্যায় পড়েছেন নিত্যযাত্রীরা। শুধু হাওড়া নয়, শিয়ালদহ ও কলকাতা স্টেশনের অবস্থাও অনেকটা একই। কলকাতা স্টেশনে ঢোকার মুখে জল জমেছে। শিয়ালদহ স্টেশনের দক্ষিণ শাখায় বেশ কিছু জায়গায় রেললাইনে জল জমায় ব্যাহত হয়েছে ট্রেন চলাচল। রেললাইনে জল জমায় চক্ররেল পরিষেবাও ব্যাহত হয়েছে। জানিয়েছে, আগামী কয়েক ঘণ্টায় কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বৃষ্টি হবে। বৃষ্টি চলতে পারে দুই মেদিনীপুরেও। আলিপুর জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণাবর্ত। পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গে সক্রিয় হয়েছে মৌসুমী অক্ষরেখা। তার জেরেই বেড়েছে বৃষ্টির দাপট।কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস আগেও হয়েছিল। আর সেই বৃষ্টিপাতের জেরেই ব্যহত রেল পরিষেবা। কয়েকদিন আগেও বৃ্ষ্টি জেরে একাধিক ট্রেন বাতিল হতে দেখা গিয়েছিল। এবার ফের হাওড়া বা কলকাতা স্টেশন থেকে একাধিক ট্রেন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
দেশ

Terrorists: উৎসবের মরশুমে হামলার ছক! ৩ রাজ্য থেকে গ্রেপ্তার ৬ জঙ্গি

নাশকতার ছক ভেস্তে দিয়ে জঙ্গিদমনে বড় সাফল্য পেল দিল্লি পুলিশ। মঙ্গলবার বিকেলে ৬ জঙ্গিকে হাতেহাতে গ্রেপ্তার করে দিল্লি পুলিশের বিশেষ সেল। সূত্রের খবর, গ্রেপ্তার হওয়া ৬ জনের মধ্যে দুজন সদ্যই পাকিস্তান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে ফিরেছিল। পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, আসন্ন উৎসবের মরশুমে উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্রের মতো রাজ্যে জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা ছিল এই জঙ্গিদের।আরও পড়ুনঃ বর্ধমানে বৃদ্ধা মাকে খুন করে দেহ ঘরের মেঝেতে পুঁতে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার ছেলেনানা গোয়েন্দা সংস্থা মারফৎ খবর পেয়ে দিল্লি, রাজস্থান ও উত্তরপ্রদেশজুড়ে জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছিল পুলিশের বিশেষ সেল। গ্রেপ্তারির পর ওই সেলের বরিষ্ঠ আধিকারিক নীরজ ঠাকুর সংবাদ মাধ্যমকে জানান, ৬ জনের মধ্যে একজন সকাল বেলা তল্লাশি অভিযানে মহারাষ্ট্রের একজন জঙ্গি রাজস্থানের কোটা থেকে গ্রেপ্তার হয়। তিনজন উত্তর প্রদেশ এটিএসের সাহায্যে সেই রাজ্যে গ্রেপ্তার হয়। বাকি দুজন ধরা পড়ে রাজধানী দিল্লিতেই। তবে দিল্লি পুলিশের স্পেশ্যা ল সেলের বিশেষ কমিশনার অন্য একটি তথ্য প্রকাশ্যে এনেছেন যা অধিক পরিমাণ চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তিনি জানান, ধৃতরা জানিয়েছে যে তাদের সঙ্গে আরও ১৪-১৫ এমন ছিল যারা বাংলা ভাষায় কথা বলত। তারাও একই ধরনের প্রশিক্ষণ শিবিরে যোগ দিয়েছিল। জঙ্গিরা ভারতে ঘাপটি মেরে বসে থাকলেও তাদের পরিচালনা সীমান্তের ওপার থেকেই করা হত বলে জানিয়েছেন পুলিশকর্তা। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের কাছে থেকে আগ্নেয়াস্ত্র এবং বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে। আসন্ন উৎসবের মরসুমকেই তারা নিশানা করেছিল জঙ্গি হামলা চালানোর জন্য।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
দেশ

Economy: বেসরকারিকরণ হতে পারে টয় ট্রেন, কলকাতা মেট্রো

বেসরকারিকরণ হতে চলেছে টয় ট্রেন, কলকাতা মেট্রো! জাতীয় সড়ক থেকে রেলস্টেশন। ট্রেনের রুট, বিদ্যুতের লাইন থেকে শুরু করে গ্যাসের পাইপলাইন-পরিকাঠামো। এমন বহু সরকারি সম্পদ কর্পোরেট সংস্থাকে ব্যবহার করার সুযোগ দিয়ে আগামী চার বছরে ৬ লক্ষ কোটি টাকা লাভের অংশ তুলতে চাইছে কেন্দ্র।আরও পড়ুনঃ পূর্ব বর্ধমানে উদ্ধার বিরল প্রজাতির ক্যামেলিয়ন, পুলিশের হাতে তুলে দিল দিনমজুর যুবকআগামী চার বছরে কোন কোন ক্ষেত্রের কী কী সম্পত্তি বেসরকারি সংস্থাকে কাজে লাগাতে দেওয়া হবে, সোমবার তার বিশদ পরিকল্পনা (ন্যাশনাল মনিটাইজেশন পাইপলাইন) ঘোষণা করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। সরকারি সূত্রের ব্যাখ্যা, এক দিকে এয়ার ইন্ডিয়া, ভারত পেট্রোলিয়ামের মতো রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বেসরকারিকরণের মাধ্যমে রাজকোষে টাকা আনার চেষ্টা হচ্ছে। অন্যদিকে, সরকারি সম্পত্তি বেসরকারি সংস্থার হাতে তাদের পরিকল্পনামাফিক ব্যবহারের জন্য তুলে দিয়েও (অ্যাসেট মনিটাইজেশন) রাজকোষ ভরতে চাইছে কেন্দ্র। নীতি আয়োগের সুপারিশ অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সচিবদের একটি কোর গ্রুপ প্রায় ৩০টি ক্ষেত্রকে চিহ্নিত করেছে। তাদের প্রায় ১০০টি সম্পত্তি বেসরকারি ব্যবহারের পথ খুলে দেওয়া হবে। এর মধ্যে যেমন বিভিন্ন সরকারি সংস্থার অব্যবহৃত জমি, বাড়ি রয়েছে, তেমনই রয়েছে জাতীয় সড়ক, রেলের প্রকল্পও।সূত্রের খবর, দিল্লি মেট্রোর কিছু রুট, রেলের ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর, কলকাতা মেট্রোর কিছু পরিকাঠামো এই তালিকায় রয়েছে। জাতীয় সড়কের ১২টি অংশও (দৈর্ঘ্য প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার) চিহ্নিত করা হয়েছে। ১৫০টি যাত্রিবাহী ট্রেন, নয়াদিল্লি, মুম্বই-সহ ৫০টি রেলস্টেশন এই তালিকায় আছে। ইন্ডিয়ান অয়েল, গেল-এর পাইপলাইন, পাওয়ার গ্রিডের বিদ্যুৎ পরিবহণ লাইনও বেসরকারি সংস্থাকে ব্যবহার করতে দেওয়ার সম্ভাবনা।

আগস্ট ২৩, ২০২১
কলকাতা

Local Train: লোকাল ট্রেন কবে চালু হবে, জানালেন মমতা

ফের একবার লোকাল ট্রেন নিয়ে ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। গ্রামাঞ্চলে অন্তত ৫০ শতাংশ টিকাকরণ না হলে লোকাল চলবে না। বুধবার নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠকের পর একথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতায় বসবাসকারী ৭৫ শতাংশের টিকাকরণ সম্পূর্ণ হয়েছে বলে এ দিন জানান মুখ্যমন্ত্রী । এ দিন তিনি বলেন,৭৫ শতাংশ শহরাঞ্চলের জনসংখ্যাকে প্রথম কভার করছি। আমরা ৭৫ শতাংশ কভার করেছি কলকাতায়। হাওড়ায় ৮০ শতাংশ কভার করেছি। শহরাঞ্চল, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলিতে আগে টিকাকরণ করছি। গ্রামের মানুষ অনেক সচেতন। তাঁরা ফাঁকা আবহাওয়ায় নিঃশ্বাস পায়। মুক্ত হাওয়া ও সবুজ পায়। এরপর গ্রামগুলিকে ধরব।আরও পড়ুনঃ কলকাতা লিগে দুর্দান্ত শুরু মহমেডানের, নায়ক সার্বিয়ান নিকোলাএরপরই মুখ্যমন্ত্রী বলেন,গ্রামগুলিকে ৫০ শতাংশ টিকা দিতে পারলে কিছুটা নিশ্চিন্ত হয়ে আমরা লোকাল ট্রেন চালু করব। মমতার ব্যাখ্যা, এখনই করতে পারছি না কারণ তৃতীয় ঢেউয়ে বাচ্চারা আক্রান্ত হওয়ার কথা। ধরুন মা-বাবা গাদাগাদি করে ট্রেনে যাতায়াত করে। তাঁরা বাড়ি ফিরে গেল। বাড়িতে বাচ্চারা আছে। বাচ্চাদের স্বার্থে কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।

আগস্ট ১৮, ২০২১
কলকাতা

Metro: সোম থেকে বাড়ছে মেট্রো, দেখে নিন নতুন সময়সূচি

আগামী সোমবার থেকে রাতের দিকে আরও এক ঘণ্টা বাড়ানো হল মেট্রো পরিষেবা। বৃহস্পতিবারই ৩১ অগস্ট পর্যন্ত কোভিডবিধি বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। সেই সঙ্গে বিধিনিষেধও আরও কিছুটা শিথিল করা হয়েছে। আর তার পরই এই সিদ্ধান্ত নিল মেট্রো কর্তৃপক্ষ।আরও পড়ুনঃ ফিল্মি কায়দায় দরজা ভেঙে বিজেপি নেতাকে গ্রেপ্তার করল পুলিশমেট্রো কর্তৃপক্ষের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে, আগামী সোমবার থেকে রাত আটটার পরিবর্তে শেষ মেট্রো ছাড়়বে রাত নটায়। এছাড়াও জানানো হয়েছে, সোমবার থেকে বাড়ছে মেট্রো রেলের সংখ্যা। সোম থেকে শুক্র সকাল এবং সন্ধের ব্যস্ত সময়ে ৫ মিনিট অন্তর চলবে মেট্রো। ওই পাঁচ দিন আপ ও ডাউন মিলিয়ে ২৪০টি করে ট্রেন চলবে দিনে। এতদিন চলছিল ২২৮টি ট্রেন। এর মধ্যে ১৬১টি ট্রেন চলবে কবি সুভাষ এবং দক্ষিণেশ্বরের মধ্যে। শনিবার সকাল ৮টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা এবং বিকেল সাড়ে ৩টে থেকে সন্ধে সওয়া ৭টা পর্যন্ত বিশেষ মেট্রো পরিষেবা চালু থাকবে কবি সুভাষ এবং দক্ষিণেশ্বরের মধ্যে। রবিবার কোনও মেট্রো চলবে না।

আগস্ট ১৩, ২০২১
দেশ

Dudh Durant: "দুধ দুরন্ত"-র দুধ পরিবহন দশ কোটি লিটার ছাড়াল

ভারতীয়দের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যের তালিকায় দুধ বেশ ওপরের দিকেই থাকবে। দুধের পুষ্টিগুন নিয়ে আলোচনা করতে শুরু করলে ভারতীয়দের থামানো মুশকিল। ভারতের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম ভাগে দুধ ও দুগ্ধ জাত খাদ্যের প্রতি আগ্রহ নিয়ে অনেক জনশ্রুতি আছে। এহেন উত্তর ভারতের দুগ্ধের আকাল মেটাতে দক্ষিণ মধ্য রেলওয়ের এক অভিনব উদ্যোগকে সকলেই সাধুবাদ জানাচ্ছে।আরও পড়ুনঃ ফর্ম বিলির আগেই বিতর্কে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারঅন্ধ্রপ্রদেশের রেনিগুন্টা থেকে ভারতের রাজধানী দিল্লি পর্যন্ত দুধ দুরন্ত নামে বিশেষ ট্রেনের মাধ্যমে দুধ পরিবহণ দশ কোটি লিটার পার করলো। প্রকল্পটি শুরু হয়েছিল ২৬ মার্চ ২০২০। দক্ষিণ মধ্য রেলওয়ের বিশেষ ট্রেনগুলি নিরবচ্ছিন্নভাবে ভাবে এই মহান কাজটি করে চলেছে এবং আজ পর্যন্ত ৪৩২ টি ট্রিপে ২৫০২ টি দুধের ট্যাঙ্কার রাজধানীতে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের ত্রিপুরা অভিযান অব্যাহত, আজ যাচ্ছেন ৯ সাংসদদেশের চাহিদা পুরনের জন্য রেনিগুন্টা থেকে নয়াদিল্লি পর্যন্ত রেলপথে দুধ পরিবহণ করা খুবই অপরিহার্য এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কোভিড -১৯ এর আগে, নয়াদিল্লি এবং আশপাশের অঞ্চলে মানুষের দুধের চাহিদা পূরণের জন্য সাপ্তাহিক সুপারফাস্ট ট্রেনের সঙ্গে দুধের ট্যাঙ্কার সংযুক্ত করা হচ্ছিল। যখন দেশে সম্পূর্ণভাবে লকডাউন ঘোষণা করা হল, সেই ব্যবস্থাপনাই ধাক্কা পেল। তখন এই ব্যবস্থার পরিপূরক হিসেবে, দক্ষিণ মধ্য রেল বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে শুধুমাত্র দুধের ট্যাঙ্কার সংযুক্ত করে দুধ দুরন্ত নামে এক বিশেষ ট্রেন চালানোর অভিনব উদ্যোগ নেয়। দীর্ঘক্ষণ রেল যাত্রায় দুধ নষ্ট হওয়ার কথা মাথায় রেখে রেল কতৃপক্ষ এই ট্রেনগুলিকে মেল / এক্সপ্রেস ট্রেনের সমতুল্যভাবে অগ্রাধিকার দিয়ে পরিচালনা করে আসছে। রেনিগুন্টা থেকে নয়াদিল্লির নিজামুদ্দিন স্টেশন পর্যন্ত যাত্রাপথটি প্রায় ২৩০০ কিলোমিটার, কিন্তু মেল / এক্সপ্রেস মর্যাদা পাওয়ার যন্য দুগ্ধ পরিবহণকারী ট্রেনটির সমগ্র যাত্রাপথটি অতিক্রান্ত করতে সময় লাগে মাত্র ৩০ ঘণ্টা!আরও পড়ুনঃ এবছর কী লক্ষ্য স্থির করেছেন এটিকে মোহনবাগানের রয় কৃষ্ণা?দুধ দুরন্ত স্পেশাল ৬ টি দুধের ট্যাঙ্কার দিয়ে সাধারণত চালানো হয়, প্রতিটি দুধের ট্যাঙ্কারের বহন ক্ষমতা ৪০,০০০ লিটার, অর্থাৎ একটি ট্রেনে মোট ২.৪০ লক্ষ লিটার দুধ পরিবহণ করতে পারে। এখনও পর্যন্ত এই বিশেষ ট্রেনের ৪৪৩ বার যাত্রা করে ২,৫০২ টি দুধের ট্যাঙ্কার বহন করে দিল্লি পৌছেছে। এর অর্থ দক্ষিণ মধ্য রেলওয়ের এই বিশেষ উদ্যোগে দশ কোটি লিটারেরও বেশি দুধ রাজধানীতে পৌঁছানো গিয়েছে। দক্ষিণ মধ্য রেলওয়ের গুন্টাকাল ডিভিশনের কর্মকর্তারা মালবাহী গ্রাহকদের সঙ্গে অবিরত যোগাযোগ রেখে চলেছেন, যারা দুধের লোডিং অফার করছেন এবং তাদের প্রয়োজনীয়তার প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখছেন যাতে এই বিশেষ ট্রেন চলাচলে কোনওরকম বাধা না আসে। এই মহান এবং অভিনব উদ্যোগের শুরু থেকে এই ট্রেনগুলির প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। দেশ জুড়ে যখন কোভিডের পিক চলছে সেই সময়েও এই বিশেষ ট্রেনটিকে ছাড় দেওয়া হয়েছে চাহিদা ও যোগানের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য। দেশে এই ধরণের উদ্যোগ প্রথম।

আগস্ট ১৩, ২০২১
রাজ্য

Covid 19: কেন বন্ধ লোকাল ট্রেন? তা বিস্তারিত জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

লোকাল ট্রেন বন্ধই থাকছে। আগামী ৩০ অগাস্ট পর্যন্ত এরাজ্যে চলবে না লোকাল ট্রেন। বৃহস্পতিবার নবান্নে একথা জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাতের কার্ফুর সময় ৯টা থেকে কমে হয়েছে রাত ১১ টা থেকে সকাল ৫টা পর্যন্ত। করোনাবিধি চালু থাকবে ৩০ অগাস্ট পর্যন্ত। কেন লোকাল ট্রেন বন্ধ রাখা হচ্ছে তার কারণও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।নানা মহল থেকে লোকাল ট্রেন চালু করার দাবি উঠছে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, অনেকেরই প্রশ্ন লোকাল ট্রেন কেন চলছে না? আমি জানি মানুষের কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু ভ্যাকসিনটা এখনও সর্বত্র দেওয়া যায়নি। করোনার প্রকোপ বেড়ে যেতে পারে। দূরবর্তী ট্রেন চলছে, প্লেন চলছে, বাস, অটো, মেট্রো, গাড়ি সব চলছে। মমতা আরও বলেন, লোকাল ট্রেন বন্ধ রাখতে হচ্ছে কারণ সেপ্টেম্বরে থার্ড ওয়েভ আসার কথা আছে। তাই কন্ট্রোলে রাখতে হচ্ছে। কারণ থার্ড ওয়েভ দেখে নিতে হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, থার্ড ওয়েভে শিশুরা আক্রান্ত হতে পারে। শিশুরা আমাদের ভবিষ্যৎ। নিয়ম মেনে চলতে বললে নিয়ম মানা দূরের কথা সবাই দেখলাম গাদাগাদি করে চলে গেল। পরে সমস্যা হয়ে যাচ্ছে। লোকাল ট্রেন বন্ধ থাকার ফলে অনেকের জীবীকায় টান পড়েছে। অনেকের যাতায়াতের খরচ বেড়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর উপলব্ধি, মানুষের জীবন সব থেকে আগে। তিনি বলেন, বিশেষ করে দুই ২৪ পরগানা, হাওড়া, হুগলি, বর্ধমান, নদিয়া, এসব এলাকা থেকেই লোকজন কাজের সূত্রে কলকাতায় বেশি যাতায়াত করে। এসব এলাকায় ৫০ শতাংশ টিকা দেওয়ার পর লোকাল ট্রেন চালু করে দেব। কোনও সমস্যা হবে না।

আগস্ট ১২, ২০২১
রাজ্য

Local Train: ফের রাজ্যে বাড়লো কোভিড বিধি, সময়সীমা কমলো নাইট কার্ফুর

৩১ অগস্ট পর্যন্ত চলবে না লোকাল ট্রেন। এদিন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে এমনটাই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। জানালেন, আগামী ৩১ অগস্ট পর্যন্ত রাজ্যে কোভিড বিধিনিষেধ বহাল থাকবে। ওই সময় পর্যন্ত চলবে না লোকাল ট্রেন। তবে কমছে নাইট কার্ফুয়ের সময়সীমা। এতদিন রাত ৯টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে নাইট কার্ফু চলছিল। কিন্তু ১৬ অগস্ট থেকে তার সময় বদলাচ্ছে। জনগণের দাবি এবং কাজকর্মের কথা বিবেচনা করে রাত ১১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত থাকবে রাত্রিকালীন বিধিনিষেধ।এদিন সাংবাদিক বৈঠক মুখ্যমন্ত্রী আর যে যে বিষয়গুলো বলেন, তা নিম্নরূপ:১. ২৫ থেকে ৬০ বছর পর্যন্ত সব মহিলা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা পাবেন। বাংলা একদিন বিশ্ব বাংলায় পরিণত হবে।২. অনেকে প্রশ্ন করছেন লোকাল ট্রেন কেন চলছে না? আমি জানি সাধারণ মানুষের কষ্ট হচ্ছে। সেজন্য মেট্রো, বাস চালু করে দেওয়া হচ্ছে। আরও কয়েকটা দিন কষ্ট করতে হবে। লোকাল ট্রেন চালাতে আরও কিছুদিন সময় নিচ্ছি। তৃতীয় ঢেউয়ের বিষয়টি দেখছি। অগস্টের ৩১ তারিখ পর্যন্ত লোকাল ট্রেন বন্ধ থাকবে।৩. সাধারণ মানুষের দাবি মেনে রাত ১১ টা থেকে সকাল ৫টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ বন্ধ থাকবে। এতে মানুষের কোনও অসুবিধা হবে না।৪. ভাইফোঁটার দিন থেকে চালু হচ্ছে দুয়ারে রেশন।৫. তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা আছে, তাই আরও কিছু দিন কষ্ট করতে হবে৬. সংক্রমণের হার কমেছে বাংলা।৭. গ্রামাঞ্চলে টিকাকরণ বেড়েছে। ইতিমধ্যেই ৫০ শতাংশ টিকাকরণ হয়ে গিয়েছে।৮. টিকা পাচ্ছি না, তাও সাধ্য মতো চেষ্টা করে যাচ্ছি।রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গত মে মাস থেকে দফায় দফায় চলছে বিধিনিষেধ। দৈনন্দিন কাজের সুবিধার্থে একাধিক বিষয়ে ছাড় দিয়ে চলতি নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ছিল ১৫ অগস্ট পর্যন্ত। এবার তা আরও বাড়ানো হল। ৩১ অগস্ট পর্যন্ত তা বাড়ল। তবে এখনই খুলছে না লোকাল।

আগস্ট ১২, ২০২১
রাজ্য

Fraud: চাকরি দেওয়ার নামে আর্থিক প্রতারণার ঘটনায় দু’জন গ্রেফতার বর্ধমানে

চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার হল দুই প্রতারক। ধৃতদের নাম প্রবীর মণ্ডল ও কিষাণ মণ্ডল। এদের মধ্যে প্রবীরের বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাটে। অপর ধৃত কিষাণ একই জেলার শাসন থানা এলাকার বাসিন্দা। তারা বর্তমানে শক্তিগড় থানার গাংপুর দিঘিরপাড় এলাকায় বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকছিল। বর্ধমান সাইবার থানার পুলিশ মঙ্গলবার রাতে সেখান থেকেই তাদের গ্রেপ্তার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ বুধবার দুই ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। চাকরি দেওয়ার নামে হাতিয়ে নেওয়া টাকা উদ্ধার ও প্রতারণার ঘটনায় জড়িত বাকিদের হদিশ পেতে তদন্তকারী অফিসার ধৃতদের ১০ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে এদিন আদালতে আবেদন জানায়। সিজেএম ধৃতদের ৬ দিন পুলিশি হেফাজত মঞ্জুর করেছেন।আরও পড়ুনঃ গলসির হোটেলে মধুচক্রের আসরে পুলিশের হানা, গ্রেপ্তার ৪ যুবতী ২ যুবকপুলিশ জানিয়েছে, আউশগ্রাম থানার দারিয়াপুরের বাসিন্দা পূজা চট্টোপাধ্যায়। একটি বেসরকারি সংস্থায় চাকরির জন্য তিনি চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ইন্টারভিউ দেন। সেদিনই সন্ধ্যাবেলায় এক ব্যক্তি তাঁকে ফোন করে ইন্টারভিউয়ে উত্তীর্ণ হওয়ার কথা জানান। ওই ব্যক্তি পরের দিন পূজাকে তাদের অফিসে যোগাযোগ করতে বলে। অফিসে গেলে চাকরি পাওয়ার জন্য পূজাকে কম্পিউটার কোর্স করতে বলা হয়। তার জন্য তাঁর কাছ থেকে দুদফায় নেওয়া হয় ১৮ হাজার টাকা। পাশাপাশি পূজা সহ কয়েকজনের ট্রেনিংও হয়। এর কিছুদিন পর পূজাকে ফের একটি অ্যাকাউন্ট নম্বর দিয়ে তাতে টাকা পাঠাতে বলা হয়। টাকা না দিলে চাকরি হবে না বলেও তাঁকে জানানো হয়। চাকরি না পাওয়া সত্ত্বেও বারবার টাকা চাওয়া দেখে পূজার সন্দেহ হয়। সংস্থাটি চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণা চক্র চালাচ্ছে বুঝতে পেরে ওই সংস্থার কর্তাদের কাছে পূজা টাকা ফেরত চান। তারপর থেকেই সংস্থার কর্তারা তাঁকে টাকা ফেরত না দিয়ে তাঁকে এড়িয়ে চলতে থাকে। এরপরেই পূজা বর্ধমান সাইবার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে মামলা রুজু করে পুলিশ মঙ্গলবার রাতে দুই প্রতারককে গ্রেপ্তার করে।

আগস্ট ১২, ২০২১
রাজ্য

Weather: টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন শহর থেকে জেলা, বাতিল একাধিক ট্রেন

নিম্নচাপের জেরে টানা ভারী বৃষ্টির আগাম সতর্কবার্তা ছিলই। সেই মতো বুধবার থেকে শুরু হয়েছিল লাগাতার বর্ষণ। শুক্রবার পর্যন্ত চলবে বলে খবর। বৃহস্পতিবারই শহরের জলচিত্র দেখে রীতিমতো আতঙ্কিত শহরবাসী এবং ট্র্যাফিক পুলিশ। বাংলাদেশ উপকূলে অবস্থান করা নিম্নচাপের জেরে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় টানা বৃষ্টির সতর্কবার্তা আগেই দিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। সেই মতো বুধবার দিনভর হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হয়। তবে বুধবার রাত থেকেই বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে থাকে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে বিরতিহীনভাবে অঝোরে হয়ে চলে বৃষ্টিআরও পড়ুনঃ তিরন্দাজির ব্যক্তিগত বিভাগে চমক অতনুর, পৌঁছে গেলেন প্রিকোয়ার্টারে উত্তর থেকে দক্ষিণের বহু রাস্তায় জমা জলের কারণে গাড়ির গতি একেবারে ছিল না বললেই চলে। কোথাও জলে গাড়ি বিকল হয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এমনকী, বেহাল রাস্তায় দুর্ঘটনায় পড়লেন বাইকচালক। বেশ কিছু এলাকায় জল বাড়িতে ঢুকে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে শহরবাসীর একাংশের। এসএসকেএম-সহ বিভিন্ন হাসপাতাল চত্বরে জল জমে যাওয়ায় ভোগান্তির শিকার হন রোগী ও তাঁদের আত্মীয়েরা। দীর্ঘ সময় ধরে যানজটে থমকে থাকে গাড়ি। সেই জট ছাড়াতে নাকাল হতে হয় ট্র্যাফিক পুলিশের কর্মীদের। লালবাজার সূত্রের খবর, পরিস্থিতি এমন হয় যে, বেলার দিকে পথে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করতে হয়। এ দিকে, রাত থেকে একটানা অঝোর বৃষ্টিতে ফের জলমগ্ন হয় শহরের বিস্তীর্ণ অংশ।অথচ, কলকাতা পুরসভার প্রশাসকমণ্ডলীর চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিম বিকেলে দাবি করেছিলেন, তেমন বৃষ্টিই হয়নি। কিছু কিছু নিচু জায়গায় জল জমেছে ঠিকই। তবে তা তাড়াতাড়ি সরেও গিয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, এ দিন সকাল সাড়ে আটটা থেকে বিকেল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত শহরে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ৪৭ মিলিমিটার। আবহাওয়াবিদদের মতে, ওই সময়ের মধ্যে বৃষ্টিপাতের এই পরিমাণকে ভারী বৃষ্টিই বলা হয়। আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি কাণ্ডে গ্রেফতার অভিনেত্রী নন্দিতাহাওড়া এবং সংলগ্ন এলাকায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকেই মুষলধারে চলছে বৃষ্টি। প্রবল বৃষ্টিপাতের জেরে হাওড়া কারশেডের বিভিন্ন জায়গায় এবং রেললাইনে জল জমেছে। যে জন্য বেশ কয়েকটি দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল করেছে পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব রেল। কিছু ট্রেনের সময়সূচির পরিবর্তনও করা হয়েছে। চক্র রেলও পুরোপুরি ভাবে বাতিল করা হয়েছে।০২৩০৩ পূর্বা এক্সপ্রেস, ০২৩৫৩ লাল কুয়াঁ এক্সপ্রেস, ০৩০০১ হুল এক্সপ্রেস এবং ০৩০১৫ হাওড়া-ভাগলপুর এক্সপ্রেস শুক্রবারের জন্য বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি কিছু ট্রেনের হাওড়া ছাড়ার সময় পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। যেমন, ০২৩৩১ হিমগিরি এক্সপ্রেসে নির্ধারিত সময়ের থেকে ৩ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট দেরিতে ছাড়বে। ০৩০০৯ দুন এক্সপ্রেস ছাড়বে ৩ ঘণ্টা ২০ মিনিট দেরিতে। ০২৩২৩ হাওড়া-নয়াদিল্লি সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস নির্ধারিত সময়ের থেকে ৫ ঘণ্টা ৫ মিনিট পরে ছাড়বে।

জুলাই ৩০, ২০২১
রাজ্য

Job Cheat: প্রশিক্ষণ শেষে চাকরি! মহিলাদের বড়সড় প্রতারণার ঘটনায় ধৃত ৩

মহিলাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ উঠল একটি সংস্থার বিরুদ্ধে। কাজ পাওয়া তো দূরের কথা দেওয়া টাকাও ফেরত না মেলায় শনিবার প্রতারিত মহিলারা পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়া থানার দ্বারস্থ হন। মহিলাদের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ওই সংস্থার এক ব্যক্তি ও দুই মহিলাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনকাটোয়া শহরের সুবোধ স্মৃতি রোড এলাকায় একটি মার্কেট কমপ্লেক্সে রয়েছে। সেখানেই রয়েছে কালনার বাসিন্দা এক ব্যক্তির অফিস ঘর। অফিসটি ২০১৯ সালে খোলা হয়। অফিসের সামনে ঝোলানো রয়েছে ভারত সরকারের বাণিজ্য এবং উদ্যোগ মন্ত্রালয়ের অধীনে ফুটওয়্যার ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউট লেখা ব্যানার। ব্যানারে ব্যবহার করা হয়েছে অশোকস্তম্ভ লোগো। এছাড়া কৌশল বিকাশ কেন্দ্রলেখা আছে ওই ব্যানারে। ওই ব্যক্তি সেখানে নিজেকে ওই কেন্দ্রীয় সংস্থার লোক বলে পরিচয় দিতেন।আরও পড়ুনঃ মরণোত্তর অঙ্গদানের শপথ অভিনেতারতৃপ্তি লাহা, মিনা দেবনাথ, মাধবী দাস সরকার প্রমুখ মহিলারা বলেন, ওই ব্যক্তি নিজের কাজের সুবিধার জন্য স্থানীয় দুই গৃহবধূকে নিয়োগ করেছিলেন। সেই দুজন মহিলাই তাঁদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেলাইসহ বিভিন্ন হাতের কাজ শিখিয়ে কাজ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতেন। কেন্দ্রীয় সরকারের নামে ব্যানার থাকায় তাঁরা ওই দুই মহিলার কথা বিশ্বাস করেছিলাম। এজন্য তাঁডের কাছ থেকে ১২০০-২৩০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখন কাজের ব্যাবস্থা তো করছেই না, উপরন্ত টাকা চাইতে গেলে ফের নতুন গল্প শোনাচ্ছে। এলাকার ১ হাজারের অধিক মহিলা প্রতারিত হয়েছেন। কোথাও কোন সুরাহা না পেয়ে তাই বাধ্য হয়ে এদিন তাঁরা পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে জানান। গৃহবধুদের প্রত্যাশা পুলিশ তাঁদের টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করতে পারবে।

জুলাই ২৪, ২০২১
রাজ্য

বড় খবর: রাজ্যে বাড়ল করোনার বিধিনিষেধ, চালু হচ্ছে না লোকাল ট্রেন

রাজ্যে করোনার বিধিনিষেধ ফের বাড়ল। আগামী ৩০ জুলাই পর্যন্ত এই বিধিনিষেছ লাগু থাকছে। এখনই চলবে না লোকাল ট্রেন। তবে সাধারণের জন্য ১৬ জুলাই থেকে শর্তসাপেক্ষে মেট্রো চলাচল শুরু হবে। শনি ও রবিবার বাদে ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে চলবে মেট্রো। স্কুল, কলেজ যথারীতি বন্ধই থাকছে। স্কুল, কলেজ যথারীতি বন্ধই থাকছে। গত জুন মাস থেকেই করোনা নিয়ে রাজ্যে বিধিনিষেধ চালু হয়েছিল।আরও পড়ুনঃ সংক্রমণ নিম্নমুখী হলেও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে মৃত্যুহার, কি বলছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট? জানুনপ্রতিদিন মেট্রো স্যানিটাইজ করতে হবে। মেট্রোর কর্মী ও যাত্রীদের নির্দিষ্ট বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে। নবান্নের তরফে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়-সহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধই থাকবে। ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে সরকারি ও বেসরকারি বাস, ফেরি, ট্রাম, ট্যাক্সি, ক্যাব ও অটো চলবে। তবে চালক ও যাত্রীদের কোভিড বিধি মেনে চলতে হবে। শনি-রবি বাদে সপ্তাহে ৫ দিন চালু থাকবে মেট্রো রেল। ব্যাংক খোলার সময়সীমা এক ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টে পর্যন্ত খোলা থাকবে ব্যাংক। সমস্ত দোকান খোলার অনুমতি দেওয়া হল। শপিংমলে খুচরো বিপণনী ৫০ শতাংশ কর্মী নিয়ে খোলা যাবে। তবে নির্দিষ্ট সময়ে থাকতে হবে ৫০ শতাংশ ক্রেতা। রেস্তোরাঁগুলি ৮টার পর খোলা রাখা যাবে না। সিনেমাহল, স্পা ও সুইমিংপুল বন্ধ থাকছে। যদিও রাজ্য, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সাতারুদের প্রাত্যহিক অভ্যাসের জন্য সকাল ৬টা থেকে ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে সুইমিংপুল। সামাজিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষাগত, বিনোদনমূলক ও রাজনৈতিক সভা-জমায়েত নিষিদ্ধ। বিবাহ অনুষ্ঠানে ৫০ জনের বেশি অতিথি থাকতে পারবেন না। দাহকার্যে ২০ জনের বেশি থাকতে পারবেন না।আরও পড়ুনঃ করোনা প্রতিরোধে নতুন দিশা, বাজারে আসছে ন্যাজাল স্প্রেকরোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার সতর্কবার্তা আইএমএ-র তরফে আসার পরই নড়েচড়ে বসেছে কেন্দ্র ও রাজ্যগুলো। ইতিমধ্যে করোনা সংক্রমণও গত ২দিনে সামান্য হলেও ঊর্ধ্বমুখী। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে সংক্রমণের হার নিয়ন্ত্রণে রাখতে আগেভাগেই করোনা বিধিনিষেধে লাগাম টানল রাজ্য সরকার।১৫ জুলাই পর্যন্ত রাজ্যে কার্যত লকডাউনের বিধিনিষেধ ফের একবার ১৫ দিন বাড়ানো হল। যান চলাচলে ছাড় দেওয়া হলেও সংশ্লিষ্ট করোনা বিধিনিষেধ অবশ্যই পালন করার কড়া নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

জুলাই ১৪, ২০২১
দেশ

Local Train: লোকাল ট্রেন চালানোর দাবিতে রেলমন্ত্রীকে চিঠি স্বপন দাশগুপ্তর

রাজ্যে যে কার্যত লকডাউন পরিস্থিতি চলছে তার নিন্দা আগেই করেছে বিজেপি। এ বার রেলমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে লোকাল ট্রেন চালু করার দাবি জানাল গেরুয়া শিবির। দলের রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত বৃহস্পতিবারই লোকাল ট্রেন চালানোর দাবি জানিয়ে রেলমন্ত্রী পীযূষ গয়ালকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। সেই চিঠি-সহ টুইটও করেছেন স্বপন। লিখেছেন, রাজ্যে এখন যে লকডাউন চলছে তা খামখেয়ালি এবং শৃঙ্খলাহীন। এই দাবির সঙ্গে গয়ালকে চিঠিতে বিজেপি সাংসদ লিখেছেন, বাংলার সাধারণ মানুষের সুবিধা করে দিতে রেলমন্ত্রী হিসেবে এবং ব্যক্তিগতভাবে আপনি আশা করি উদ্যোগী হবেন। আমি বিশ্বাস করি, বাংলার মানুষ আপনার পদক্ষেপের আশায় রয়েছেন।আরও পড়ুনঃ দুয়ারে সরকার,-এর পর এবার পূর্ব বর্ধমানে দুয়ারে পুলিশবিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরে গত ৬ মে রাজ্যে করোনা রুখতে কড়া বিধিনিষেধ চালু করা হয়। রাজ্য সরকার সেটাকে লকডাউন না বললেও কার্যত সেই পরিস্থিতিই তৈরি হয়। লোকাল ট্রেন চলাচল সেই থেকেই বন্ধ রয়েছে। সম্প্রতি বিধিনিষেধে রাজ্য সরকার অনেক ছাড় দিলেও এখনও লোকাল ও মেট্রো রেল চালুর অনুমতি দেওয়া হয়নি। সম্প্রতি তা নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় যাত্রী বিক্ষোভও হয়েছে।The terms of the lockdown in W Bengal are whimsical. Buses are allowed but local trains Kolkata Metro are not. Commuters are facing enormous hardship loss of livelihood. I have today requested the Rail Minister to initiate the process of resumption of services. pic.twitter.com/5jQ6LOrb1L Swapan Dasgupta (@swapan55) July 1, 2021বৃহস্পতিবার থেকেই রাজ্যে বিধিনিষেধে নতুন ছাড় শুরু হচ্ছে। এই সময় ট্রেল চলাচল স্বাভাবিক না হলেও কিছু ছাড় মিলবে বলে আশা করা হয়েছিল। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্টই জানিয়েছেন, এখন ট্রেন চালালে করোনা সংক্রমণ এক লাফে বেড়ে যাবে। তারই বিরোধিতা করে রেলমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠিতে স্বপন দাবি করেছেন, গত ১৫ দিনে রাজ্যে লকডাউন পরিস্থিতিতে অনেক ছাড় মিলেছে। অফিস, থেকে রেস্তরাঁ, জিম, সেলুন ও পার্লার চালু হয়েছে। লোকাল বাসও চালু হয়েছে। কিন্তু ট্রেন চালু না হওয়ায় সাধারণ মানুষকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। যে অল্পসংখ্যক গণপরিবহণ চালু রয়েছে তাতে খুবই ভিড় হচ্ছে। সুতরাং লোকাল ট্রেন চালু হলে যাত্রী সমস্যা অনেকটাই মিটে যাবে।

জুলাই ০১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

সঙ্গীদের বাঁচাতে ফোন ভাঙলেন রানা, নোটবুক খুলতেই তদন্তকারীদের হাতে এল বড় সূত্র

মোবাইল ভেঙে ফেলেও রক্ষা হল না! সঙ্গীদের নাম আড়াল করতে ফোন নষ্ট করেছিলেন বলে জেরায় দাবি করেছেন ধৃত পাক গুপ্তচর রানা রউফ খালিদ। কিন্তু তাঁর নোটবুক থেকেই তদন্তকারীদের হাতে উঠে এসেছে আরও ছয় জন সন্দেহভাজনের নাম। তাঁদের মধ্যে পাঁচ জন নেপালের বাসিন্দা এবং এক জন বাংলাদেশের বাসিন্দা বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর।রাজ্য পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দলের হাতে হাবড়া থেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন রানা রউফ খালিদ ওরফে সানি ওরফে ওয়াহাব আলম। তাঁর সহযোগী মহম্মদ ইজাজকেও তপসিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, রানার সঙ্গে বিদেশে থাকা কয়েক জন সন্দেহভাজনের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।জেরায় রানা কী তথ্য দিয়েছেন, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। অভিযোগ, কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকার সেনা ছাউনি, সীমান্তে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ছাউনি, রেলস্টেশন এবং রেলপথের ছবি, ভিডিয়ো ও মানচিত্র সংগ্রহ করে বিদেশে পাঠানো হত। এই কাজে তপসিয়ার ইজাজ তাঁকে সাহায্য করতেন বলে তদন্তকারীদের দাবি।তদন্তকারীদের আরও দাবি, নেপালে থাকা পাঁচ জনের কাছে ওই তথ্য পাঠানো হত। তাঁদের নাম কাশিফ, হানিফ চৌধুরি, সোহায়েল, জেডি এবং হারুণ সফদার বলে রানা তাঁর নোটবুকে লিখে রেখেছিলেন। বাংলাদেশের বাসিন্দা পাভেলের নামও সেই নোটবুকে পাওয়া গিয়েছে বলে খবর। তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই ছয় জনের সঙ্গে রানার যোগাযোগ ছিল।বিদেশে থাকা ওই ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের তথ্য মুছে ফেলতেই নেপালে গিয়ে নিজের মোবাইল ভেঙে ফেলেছিলেন বলে জেরায় রানা দাবি করেছেন। তবে দুটি সিম কার্ড নষ্ট করেননি তিনি। সেই সিম কার্ড দুটি তদন্তকারীরা উদ্ধার করেছেন। ফলে মোবাইল নষ্ট করলেও যোগাযোগের সূত্র পুরোপুরি মুছে ফেলা সম্ভব হয়নি বলে তদন্তকারীদের অনুমান।জেরায় রানা আরও জানিয়েছেন, কাঠমান্ডুতে কয়েক জনের সঙ্গে বৈঠকের পর বনগাঁ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। বাংলাদেশে পাভেল নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর দেখা করার কথা ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। যশোরে পৌঁছনোর পর পাভেল তাঁকে একটি নতুন মোবাইল দেওয়ার কথা ছিল। সেই ফোনে দুটি সিম ঢুকিয়ে নেপাল ও পাকিস্তানের সঙ্গে ফের যোগাযোগের পরিকল্পনা ছিল বলে জেরায় উঠে এসেছে।বাংলাদেশ ও নেপালে থাকা ওই ছয় জনের বিষয়ে বিদেশ মন্ত্রকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দুই দেশের সরকারের কাছে তথ্য পাঠানো হচ্ছে বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর। তাঁদের সঙ্গে রানার যোগাযোগের ধরন এবং কী ধরনের তথ্য আদানপ্রদান হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারীদের দাবি, চরবৃত্তির মাধ্যমে তথ্য পাচার করে অর্থ সংগ্রহ করতেন রানা। যদিও গ্রেপ্তারের সময় তাঁর কাছ থেকে মাত্র ৩৫০ টাকা পাওয়া গিয়েছে। হাবড়ার চোংদা বাজারের কাছে ধরা পড়ার পর নিজের আধার ও ভোটার কার্ড দেখিয়ে নিজেকে তপসিয়ার বাসিন্দা ওয়াহাব আলম বলে পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন তিনি বলে অভিযোগ।বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় তাঁর নাম বাদ পড়া নিয়ে প্রশ্ন করা হলে রানা প্রথমে অস্বস্তিতে পড়েন বলে তদন্তকারীদের দাবি। পরে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তিনি পাকিস্তানের নাগরিক বলে স্বীকার করেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাঁর কাছ থেকে সিম কার্ড উদ্ধারের পর মোবাইলের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে শেষ পর্যন্ত সেটি ভেঙে ফেলার কথাও স্বীকার করেন বলে তদন্তকারীদের দাবি।

আগস্ট ১২, ২০২৬
দেশ

সৌরভের বাড়িতে পুলিশ কেন? জিজ্ঞাসাবাদের অভিযোগের পর সরাসরি কেন্দ্রের দিকে আঙুল

পুদুচেরিতে সৌরভ দাসের বাড়িতে পুলিশের যাওয়াকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির অন্যতম মুখপাত্র সৌরভের অভিযোগ, জিজ্ঞাসাবাদের নামে তাঁর পরিবারের সদস্যদের হেনস্তা করা হয়েছে। তাঁর দাবি, এই ঘটনার পিছনে বিজেপি সরকারের পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র রয়েছে।সমাজমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সৌরভ জানান, কয়েক ঘণ্টা আগে পুদুচেরি পুলিশ তাঁর বাড়িতে যায়। সেখানে পরিবারের সদস্যদের নানা বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে অভিযোগ তাঁর। কেন পুলিশ বাড়িতে এসেছিল, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।সৌরভের অভিযোগ, পুদুচেরি পুলিশ কেন এ ভাবে হয়রানি করছে? কে নির্দেশ দিয়েছে এবং কী উদ্দেশ্যে? এটাই কি আইনি প্রক্রিয়া? তাঁর দাবি, শুধুমাত্র তাঁকে ভয় দেখানোর জন্যই পরিবারের সদস্যদের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে।ককরোচ জনতা পার্টির এই মুখপাত্রের আরও অভিযোগ, পুদুচেরির বিজেপি সরকার তাঁর পরিবারকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। যদিও তাঁর এই অভিযোগের সমর্থনে কোনও প্রমাণ প্রকাশ্যে আনেননি সৌরভ।সৌরভ আরও বলেন, তাঁকে চুপ করানোর জন্য পরিবারের উপর চাপ তৈরি করা হলেও তিনি পিছিয়ে যাবেন না। ভয় দেখিয়ে তাঁর বক্তব্য বন্ধ করা সম্ভব নয় বলেও দাবি করেছেন তিনি। তাঁর কথায়, এই ধরনের ঘটনা বরং আইন মেনে চলা এবং আরও উন্নত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার লড়াইকে আরও শক্তিশালী করবে।তবে সৌরভের অভিযোগ নিয়ে এখনও পর্যন্ত পুদুচেরি প্রশাসন বা বিজেপির তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে কেন পুলিশ তাঁর বাড়িতে গিয়েছিল এবং সেখানে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা।

আগস্ট ১২, ২০২৬
রাজ্য

১৪ বছর ভারতে থেকে ভুয়ো পরিচয়! বাংলাদেশ পালানোর আগেই হাবড়ায় ধরা পাক গুপ্তচর

ভারতে ১৪ বছর ধরে বসবাস, তৈরি হয়েছিল ভুয়ো ভারতীয় নথি! বাংলাদেশে পালানোর আগেই হাবড়ায় পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দলের হাতে ধরা পড়ল পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থার সঙ্গে যোগ থাকার অভিযোগে এক ব্যক্তি। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃত রানা রউফ খালিদ ওরফে সানি ওরফে ওয়াহাব আলম এবং তাঁর সহযোগী মহম্মদ ইজাজের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে কলকাতার ফোর্ট উইলিয়মের ছবি, একটি মানচিত্র, একাধিক দেশের ফোন নম্বর এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।মঙ্গলবার রাতে যশোর রোড ধরে বেনাপোল সীমান্তের দিকে যাওয়ার সময় হাবড়ার চোংদা মোড়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করে বিশেষ তদন্তকারী দল। তদন্তকারীদের সন্দেহ, বাংলাদেশে পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তাঁরা। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে ভারতীয় সেনা, সামরিক পরিকাঠামো এবং রেলের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিদেশে পাঠানোর অভিযোগ সামনে এসেছে।তদন্তকারীদের দাবি, রানা ও ইজাজের কাছ থেকে কলকাতার সেনা সদর দফতর ফোর্ট উইলিয়মের ছবি এবং একটি মানচিত্র পাওয়া গিয়েছে। সেই ছবি এবং মানচিত্র কী ভাবে তাঁদের হাতে এল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। আগামী ১৫ অগস্টের আগে কোনও বড় নাশকতার পরিকল্পনা ছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও তদন্তের আওতায় রাখা হয়েছে। এই বিষয়ে সেনা গোয়েন্দাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর।জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা গিয়েছে, ভারতীয় সেনার গতিবিধি, সামরিক পরিকাঠামো এবং রেলের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পৌঁছে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে ধৃতদের বিরুদ্ধে। পেট্রাপোল ও ঘোজাডাঙা সীমান্ত এলাকায় সেনার গতিবিধি সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। ঠিক কী কী তথ্য কোথায় পাঠানো হয়েছিল, তা জানার চেষ্টা চলছে।তদন্তকারীদের দাবি, ধৃত দুজনের বাড়ি পাকিস্তানের ফয়সলাবাদ জেলার হাফিজাবাদ গ্রামে। ২০১২ সালে নেপালের কাঠমান্ডু সীমান্ত দিয়ে রক্সৌল হয়ে ভারতে ঢোকার পর কলকাতার তপসিয়া এলাকায় বসবাস শুরু করেন রানা। পরে সহযোগী ইজাজের সাহায্যে ওয়াহাব আলম নামে ভুয়ো ভোটার ও আধার কার্ড তৈরি করেছিলেন বলে অভিযোগ। পরে বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় তাঁর নাম বাদ পড়ে।রানা একাধিক বার পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে গিয়েছিলেন বলেও তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন। সম্প্রতি বাংলাদেশ হয়ে পালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তিনি। ১১ অগস্ট বিশেষ সূত্রে রানার গতিবিধি সম্পর্কে খবর পাওয়ার পর নজরদারি শুরু করে বিশেষ তদন্তকারী দল। যশোর রোড ধরে বেনাপোল সীমান্তের দিকে যাওয়ার সময় তাঁদের গতিবিধি নজরে আসে। এর পর রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ হাবড়ার চোংদা মোড়ে অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।তদন্তকারীদের আরও দাবি, বাংলাদেশে ঢোকার আগে কয়েক জন সীমান্ত দালালের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছিলেন রানা। তাঁদের কাছ থেকে পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং বাংলাদেশের একাধিক ফোন নম্বর, দুটি সিম কার্ড, একটি নোটবুক এবং বিভিন্ন বার্তার তথ্য উদ্ধার হয়েছে। কিছু তথ্য ও ফোন নম্বর মুছে ফেলার চেষ্টার প্রমাণও মিলেছে বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর।পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগের সন্দেহে আগে ধৃত কয়েক জনের সঙ্গেও রানা ও ইজাজের যোগাযোগ ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। রানার ফোনে তাঁদের নম্বরও পাওয়া গিয়েছে। সেই সূত্র ধরে আরও কয়েক জনের নাম তদন্তকারীদের হাতে এসেছে বলে খবর। ফলে গত ১৪ বছরে ভারতে থেকে ধৃতেরা ঠিক কী ধরনের কার্যকলাপ চালিয়েছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তাঁরা কার আশ্রয়ে ছিলেন, কী ভাবে ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করলেন, তাঁদের অর্থের উৎস কী ছিল এবং সেনা ও রেলের তথ্য কী ভাবে বিদেশে পৌঁছতএই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা। ফোর্ট উইলিয়মের ছবি ও মানচিত্র উদ্ধারের বিষয়টিও তদন্তে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

আগস্ট ১২, ২০২৬
দেশ

ভারত চতুর্থ নয়, ষষ্ঠ! সংসদে মোদি সরকারের দেওয়া নতুন তথ্যে তোলপাড়

ভারতের অর্থনীতি নিয়ে কেন্দ্রের বক্তব্যে বড় চমক। এক সময় ভারতকে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে তুলে ধরা হলেও, রাজ্যসভায় কেন্দ্রের দেওয়া নতুন তথ্য বলছে অন্য কথা। অর্থ প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরি জানিয়েছেন, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে নমিনাল জিডিপির হিসাবে ভারত বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম অর্থনীতি ছিল। এই তথ্য সামনে আসতেই নতুন করে শুরু হয়েছে বিতর্ক।রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে পঙ্কজ চৌধুরি জানান, আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডারের হিসাব অনুযায়ী নমিনাল জিডিপির ভিত্তিতেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থনীতির ক্রমতালিকা তৈরি হয়। মার্কিন ডলারের বর্তমান বিনিময়মূল্য, সংশ্লিষ্ট দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি এবং অন্যান্য দেশের আর্থিক পরিস্থিতির মতো একাধিক বিষয়ের উপর এই ক্রমতালিকা নির্ভর করে। তাই কোনও দেশের অবস্থান সময়ের সঙ্গে বদলাতেই পারে।কেন্দ্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপির পরিমাণ ছিল ৩.৯২ লক্ষ কোটি ডলার। সেই হিসাবে আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডারের তালিকায় ভারত ছিল ষষ্ঠ স্থানে। ফলে ভারত বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি হয়ে গিয়েছে বলে আগে যে দাবি সামনে এসেছিল, তার সঙ্গে নতুন তথ্যের ফারাক নিয়েই এখন প্রশ্ন উঠছে।ভারতের অর্থনীতিকে আরও বড় করার লক্ষ্য অবশ্য বদলায়নি। নরেন্দ্র মোদি সরকার প্রথম থেকেই পাঁচ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা সামনে রেখেছে। কেন্দ্রের সেই লক্ষ্য এখনও পুরোপুরি পূরণ হয়নি। তবে অর্থনীতির বর্তমান বৃদ্ধির হার ধরে রাখতে পারলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই ভারত সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে পারে বলে বিভিন্ন অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।বিনিয়োগ সংস্থা জেফ্রিসের একটি অর্থনৈতিক মূল্যায়নেও দাবি করা হয়েছে, ২০২৭ সালের মধ্যে ভারত পাঁচ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হতে পারে। পাশাপাশি ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে ভারতকে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় তুলে আনার লক্ষ্য নিয়েও জল্পনা রয়েছে।অর্থনীতি নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বিরোধীদের অন্যতম অভিযোগ, নরেন্দ্র মোদি সরকার যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে অর্থনৈতিক সমস্যার মোকাবিলা করছে না। নতুন পরিসংখ্যান প্রকাশ্যে আসার পর সেই বিতর্ক আরও জোরালো হতে পারে। কারণ, একদিকে ভারত দ্রুত অর্থনৈতিক শক্তি হয়ে ওঠার দাবি, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডারের হিসাবে ষষ্ঠ স্থানে থাকার তথ্যদুইয়ের মধ্যে ফারাক নিয়েই এখন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

আগস্ট ১২, ২০২৬
রাজ্য

নেতাজিকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জের, অনন্ত মহারাজকে কি গ্রেপ্তার করা হবে? মুখ্যমন্ত্রীর বার্তায় তীব্র জল্পনা

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজের মন্তব্যকে ঘিরে বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। একাধিক থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর বুধবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, আইন সবার জন্য সমান এবং নেতাজি সম্পর্কে কটূক্তি করলে আইন অনুযায়ী কড়া পদক্ষেপ করা হবে। এরপরই অনন্ত মহারাজকে ঘিরে গ্রেপ্তারির জল্পনা শুরু হয়েছে।দিনহাটায় একটি কর্মসূচি শেষে অনন্ত মহারাজ নেতাজি এবং আজাদ হিন্দ ফৌজকে নিয়ে একাধিক বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন। তাঁর দাবি ছিল, কোচবিহারের মহারাজার ভূমিকার কারণেই ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে আজাদ হিন্দ ফৌজের লড়াই সম্ভব হয়েছিল। একই সঙ্গে নেতাজির নেতৃত্ব এবং আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। নেতাজিকে নিয়ে এমন বক্তব্যের প্রতিবাদে বিভিন্ন থানায় অভিযোগ জমা পড়ে। বিতর্ক ক্রমশ বাড়তে থাকায় বুধবার মুখ্যমন্ত্রীকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়।জবাবে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কোনও ব্যক্তির নাম না করে স্পষ্ট করে দেন, আইন সবার জন্য সমানভাবে কার্যকর হবে। নেতাজি সম্পর্কে কটূক্তি বা অসম্মানজনক মন্তব্যের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলেও তিনি জানান। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি অনন্ত মহারাজের বিরুদ্ধেও এবার কঠোর পদক্ষেপ হতে পারে?এই পরিস্থিতিতে নিজের বক্তব্য নিয়ে সুর কিছুটা নরম করেছেন অনন্ত মহারাজ। তাঁর দাবি, তিনি কারও নামে বদনাম করেননি এবং কোনও মিথ্যা বা মনগড়া কথা বলেননি। তাঁর বক্তব্য, তিনি ইতিহাসের কথাই বলেছেন এবং কাউকে গালাগালি করেননি।অনন্ত মহারাজ আরও জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তাঁর কোনও কথা হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী কী বলেছেন, সেটি তাঁর বিষয় বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।তবে মুখ্যমন্ত্রীর আইন সবার জন্য সমান বার্তার পর অনন্ত মহারাজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগে প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। ইতিমধ্যেই দায়ের হওয়া অভিযোগগুলির ভিত্তিতে তদন্ত কতদূর এগোয় এবং নেতাজিকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের ঘটনায় আইনগত কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয় কি না, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

আগস্ট ১২, ২০২৬
কলকাতা

অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা নিয়ে বড় ঘোষণা, ১৭ অগস্ট থেকেই কার কার অ্যাকাউন্টে ঢুকবে টাকা?

অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা নিয়ে বড় ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আগামী ১৭ অগস্ট থেকে যোগ্য উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই যাঁদের যাচাই প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে, তাঁদের পাশাপাশি নতুন আবেদনকারীরাও এই সুবিধা পাবেন।সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা নিয়ে একদিকে যেমন অনেক মহিলা টাকা না পাওয়ার অভিযোগ করেছিলেন, অন্যদিকে আবার যোগ্য নন এমন ব্যক্তিদেরও টাকা পাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই কারণেই উপভোক্তাদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ শুরু করে রাজ্য সরকার।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী ১৩ অগস্ট পর্যন্ত এই যাচাইয়ের কাজ চলবে। যাঁদের নাম এবং তথ্য যাচাই হয়ে গিয়েছে, তাঁদের অ্যাকাউন্টে ১৭ অগস্ট থেকেই টাকা পাঠানো হবে। নতুন করে যাঁরা আবেদন করেছেন, তাঁরাও নির্ধারিত নিয়ম মেনে এই সুবিধা পাবেন।শুধু প্রথম দফার টাকা নয়, প্রতি মাসে যাতে নির্দিষ্ট সময়ে টাকা পৌঁছয়, সেই বিষয়েও বড় বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, প্রতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যেই অর্থ দফতরের মাধ্যমে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, সরকারি প্রকল্পের টাকা নিয়ে কোনও ধরনের অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। যোগ্য উপভোক্তাদের চিহ্নিত করেই টাকা দেওয়া হবে। গত সরকারের আমলে বিভিন্ন আর্থিক প্রকল্পে যে ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল, নতুন সরকারের আমলে তা কোনওভাবেই হতে দেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা নিয়ে ইতিমধ্যেই যে তথ্য যাচাই শুরু হয়েছে, সেটিও নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই করা হচ্ছে বলে সরকারের তরফে জানানো হয়েছে। যাচাই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই যোগ্য উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছবে। ফলে ১৭ অগস্ট থেকে শুরু হওয়া টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়ায় নজর থাকছে রাজ্যের বহু মহিলার।

আগস্ট ১২, ২০২৬
কলকাতা

ওবিসি শংসাপত্রে বড় ধাক্কা! ২০১০-এর পরের সব শংসাপত্র বাতিল, কারা এবার সাধারণ শ্রেণিতে?

ওবিসি শংসাপত্র নিয়ে দীর্ঘদিনের মামলায় বড় সিদ্ধান্ত কলকাতা হাই কোর্টের। বুধবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ ২০১০ সালের পর জারি হওয়া ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি শ্রেণির সব শংসাপত্র বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে রাজ্যে ওই দুই আলাদা শ্রেণির ওবিসি শংসাপত্র আর কার্যকর থাকল না।২০১০ সালের পর জারি হওয়া ওবিসি শংসাপত্র নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিযোগকে কেন্দ্র করে মামলা গড়ায় কলকাতা হাই কোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। পরে মামলাটি ফের কলকাতা হাই কোর্টে ফিরে আসে। বুধবার সেই মামলার শুনানিতেই গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল আদালত।২০১১ সালে রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ওবিসির জন্য ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি নামে দুটি শ্রেণি তৈরি করেছিল। এই ব্যবস্থা নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্ক ছিল। নির্দিষ্ট কিছু শ্রেণিকে অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়ার অভিযোগও উঠেছিল।মামলাটি আগে কলকাতা হাই কোর্টে উঠলে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ ওই শংসাপত্রগুলির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে এবং সেগুলি বাতিলের নির্দেশ দেয়। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে তৎকালীন রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়। শীর্ষ আদালত পরে মামলায় অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছিল।এর মধ্যে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল ঘটে। নতুন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর ওবিসি সংক্রান্ত মামলাটি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে অবস্থান বদল করা হয়। এরপর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কলকাতা হাই কোর্টে বিশেষ বেঞ্চের মাধ্যমে মামলার শুনানি ফের শুরু হয়।এবার সেই শুনানিতেই ২০১০ সালের পর জারি হওয়া ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি শংসাপত্র বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে ওই সময়ের মধ্যে এই দুই শ্রেণির শংসাপত্র পাওয়া ব্যক্তিদের সামনে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে তাঁদের সংরক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট সুবিধার ভবিষ্যৎ নিয়ে।মামলার এই রায়ের ফলে রাজ্যের ওবিসি সংরক্ষণ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে চাকরি, শিক্ষা এবং অন্যান্য সরকারি সুবিধার ক্ষেত্রে এই রায়ের প্রভাব কতটা পড়বে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।

আগস্ট ১২, ২০২৬
টুকিটাকি

এ এক অন্য রান্নার গল্প: কচু বাটা, এই স্বাদের সত্যিই কোনও ভাগ হয় না

রান্না শুধু পেট ভরানোর কাজ নয়, এটি স্মৃতি, ভালোবাসা আর সৃষ্টির এক সুন্দর প্রকাশ। বাঙালির রান্নাঘরে এমন অনেক পদ আছে, যার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে শৈশবের স্মৃতি, মায়ের হাতের স্বাদ আর পরিবারের একসঙ্গে বসে খাওয়ার আনন্দ। তেমনই একটি সহজ অথচ অসাধারণ স্বাদের পদ হলো কচু বাটা।কচু বাটা নাম শুনলেই মনে পড়ে যায় গ্রামের রান্নাঘর, মাটির উনুনের আঁচ আর সরল অথচ সুস্বাদু খাবারের কথা। কচুর মধ্যে লুকিয়ে থাকা মাটির গন্ধ ও নিজস্ব স্বাদকে মশলার সঙ্গে মিশিয়ে যে অপূর্ব পদ তৈরি হয়, তা সত্যিই বাঙালির ঐতিহ্যের অংশ।কচু পরিষ্কার করা থেকে শুরু হয় এই রান্নার গল্প। কচু কাটার সময় অনেকের হাত চুলকায়, তাই সাবধানে তা পরিষ্কার করতে হয়। তারপর কাঁচা কচুকে গ্রিড করে নিতে হবে। কালো ও সাদা সর্ষে, কাঁচালঙ্কা, নুন, নারকেল, পোস্ত, কাজু বাদাম যোগ করলে এতে স্বাদ আরও বেড়ে যায়। সব কিছু একসঙ্গে নিয়ে মিক্সারে ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর কড়াইতে পরিমান মতো সর্ষের তেল নিতে হবে। এবার গরম সর্ষের তেলে ফ্রাই করে নিলেই কচু বাদা অমৃতে পরিনত হবে। কচু বাটা যখন গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করা হয়, তখন তার সরল স্বাদ মন ছুঁয়ে যায়। প্রথম গ্রাসেই মনে হয় এ যেন শুধু খাবার নয়, পুরনো দিনের এক টুকরো স্মৃতি। দুপুরের শান্ত সময়ে ভাতের সঙ্গে কচু বাটা, পাশে একটু ডাল বা ভাজা, এই সাধারণ খাবারেও লুকিয়ে থাকে এক গভীর তৃপ্তি।আজকের ব্যস্ত জীবনে অনেক নতুন নতুন রান্নার ভিড়ে কচু বাটার মতো দেশি পদ আমাদের মনে করিয়ে দেয় আমাদের শিকড়ের কথা। রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে ধীরে ধীরে তৈরি করা এই পদে যেমন শ্রম আছে, তেমনই আছে ভালোবাসা ও আনন্দ। কচু বাটা তাই শুধু একটি রান্না নয়, এটি বাঙালির ঘরের স্বাদ, স্মৃতি আর ভালোবাসার এক ছোট্ট গল্প। এর স্বাদ সত্যিই কোনও ভাবে ভুলে যাওয়ার নয়।কচু বাটা: উপকরণমান কচু, নারকেল, কালো সর্ষে, সাদা সর্ষে, পোস্ত, কাদুবাদাম, নুন, চিনি, লঙ্কা।

আগস্ট ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal