• ১৪ মাঘ ১৪৩২, সোমবার ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

TMC

রাজ্য

রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বাজেট ভাষণে ক্ষুব্ধ বিজেপি, এক বছরেই উলোট-পূরাণ

রাজ্যপাল হায় হায় বলে স্লোগান দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্য সরকারের দেওয়া লিখিত ভাষণ পাঠ করা নিয়েই যাবতীয় বিতর্কের সূত্রপাত। রাজ্যপালের ভাষণ চলাকালীন চোর ধরো জেল ভরো স্লাগান দিতে থাকেন বিজেপি বিধায়করা। ছিঁড়ে দেওয়া হয় রাজ্যপালের ভাষণের কপি। ওয়াকআউট করে বিজেপি বিধায়করা। এমনকী রাজ্যপাল বিধানসভা চত্বরে গাড়িতে ওঠার সময়ও গেরুয়া শিবিরের বিধায়করা স্লোগান দিতে থাকেন।এর আগে প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরের সময় বিপরীত দৃশ্য দেখা যেত। তখন রাজ্যপালকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাত তৃণমূলের মন্ত্রী-বিধায়করা, এখন রাজ্যপালের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়ছে বিজেপি বিধায়করা। একেবারেই উলোট-পূরাণ।গতবছর ২০২২ রাজ্য বাজেট অধিবেশনে তৎকালীন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় ভাষণ না পাঠ করেই বিধানসভার কক্ষ ত্যাগ করছিলেন। তখন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, শশী পাঁজা, শিউলি সাহারা ঘেরাও করে ফেলেছিলেন ধনকড়কে। কোনওরকম ভাবে নামকা ওয়াস্তে রাজ্য সরকারের লিখিত ভাষণ পাঠ করে দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর চোখের ইশারায় তৃণমূলের মহিলা বিধায়করা এমন কান্ড ঘটিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এখন বিজেপির স্লোগান-বিক্ষোভের সমালোচনা করছে তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যপাল বদলে যেতেই বদলে গেল বিধানসভার পরিস্থিতি। এমনকী রাজভবনকে তৃণমূল বলত বিজেপির সদর দফতর। এখন পরিস্থিতির অনেকটাই বদল ঘটেছে। জগদীপ ধনকড় রাজ্যপালের পদ ছেড়ে ভারতের উপরাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হলে তাঁর বিরুদ্ধে ভোটই দেয়নি তৃণমূল কংগ্রেস।২৬ জানুয়ারি সাধারণতন্ত্র দিবসে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের জয় বাংলা স্লোগান নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল। তখনও কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছে বিজেপি। তারপর সেন্ট জেভিয়ার্সে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডি লিট প্রদান অনুষ্ঠানে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করেছিলেন রাজ্যপাল।মোদ্দা কথা রাজ্যপালের কর্মকান্ডে খুশি নয় বঙ্গ বিজেপি। এখনও অবধি রাজ্যপালের অবস্থানে তৃণমূল স্বস্তিতে।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৩
রাজ্য

কেতুগ্রামে তৃণমূল কর্মী খুন, এর পিছনে কি গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব না বালির কারবার?

সাতসকালে দুষ্কৃতীদের গুলিতে ভরা বাজারেই লুটিয়ে পড়ল তৃণমূল কর্মী। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হল। এই ঘটনার পর এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রামের আমগরিয়া এলাকার জনবহুল বাজারে। মৃতের নাম দুলাল শেখ (৪৫)। এই তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী বালির কারবারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মৃতের বাড়ি কেতুগ্রামের রতনপুরের পীড়তলা এলাকায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় পুলিশ। কে বা কারা এই ঘটনা ঘটাল তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। মৃতের পরিবারের অভিযোগ দলের অন্তর্কলহে খুন হয়েছেন দুলাল।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দুলাল শেখ বালির ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিল, পাশাপাশি ঠিকাদারিও করতেন। তবে এলাকায় সক্রিয় তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত, পরিচিতিও আছে। পরিবার সূত্রে খবর, এদিন সকালে আমগরিয়ায় গিয়েছিলেন কোনও কাজে। সেখানেই বাজারে বসে গল্প করতে করতে চা খাচ্ছিলেন। তখন হঠাৎ করে বাইকে চেপে এসে কেউ বা কারা তাঁর মাথা লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি ছোঁড়া হয়। ঘটনাস্থলেই দুলালের মৃত্যু হয়। সাতসকালে ভরাবাজারে প্রকাশ্যে জনবহুল এলাকায় শুটআউটের ঘটনায় আতঙ্কিত স্থানীয়রা।পুলিশ তদন্ত করে দেখছে ব্যক্তিগত আক্রোশ নাকি ব্যবসায়িক শত্রুতার জেরে এই ঘটনা ঘটল। বালি ব্যবসায় একচ্ছত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টাই কি কাল দুলালের? তা নিয়েও জল্পনা চলছে। গোষ্ঠী কোন্দলের অভিযোগ করেছে বিজেপি।জেলা পুলিশ সুপারকামনাশী সেন নিজে ঘটনাস্থলে তদন্তে গেছেন। পুলিশ সুপার জানান, কেস রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। খুনিদের সন্ধানে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। দুষ্কৃতীদের সন্ধান পাওয়ার জন্য জেলা ও ভিন জেলার সঙ্গে সংযোগকারী বিভিন্ন সড়কপথে পুলিশি নাকা চেকিং শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দেব টুডু বলেন, কি কারনে এমন ঘটনা ঘটলো সেটা আমাদের কাছে এখনো পরিষ্কার নয়, পুলিশ তদন্ত করে দেখছে। তৃণমূল কর্মী খুনের পর থেকে পুরো এলাকা থমথমে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৩
রাজ্য

গরীবের রেশন কার্ড কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রীর, বড়সড় অভিযোগ সিপিএম নেতা তন্ময় ভট্টাচার্যের

বুধবার গাইঘাটা বিডিও অফিসে আবাস যোজনার ডেপুটেশন মঞ্চ থেকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সিপিএম নেতা তন্ময় ভট্টাচার্য রেশন কার্ড নিয়ে ভয়ংকর অভিযোগ তুললেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী তথা বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের বিরুদ্ধে। তন্ময় ভট্টাচার্য একটি রেশন কার্ডের নম্বর উল্লেখ করে বিডিও-র উদ্দেশ্যে বলেন, আমি একটা নাম্বার বলছি বিডিও সাহেব শুনে রাখুন। এই রেশন কার্ডটি PHH( প্রায়োরিটি হাউজ হোল্ড ) ভুক্ত। কার্ডটি বনগাঁ লোকসভার সংসদ শান্তনু ঠাকুরের। তাঁর প্রশ্ন, একজন সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কি করে এই কার্ড ব্যবহার করেন? শান্তনু ঠাকুর চাইলে আমার বিরুদ্ধে কোর্টে যেতে পারেন আমি কোর্টে গিয়ে তার রেশন কার্ডটি তুলে ধরব।গাইঘাটা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি গোবিন্দ দাস বলেন, আমরা জানতে পেরেছি শান্তনু ঠাকুর সহ তার পরিবারের কয়েকজনের PHH ( প্রায়োরিটি হাউজ হোল্ড ) আছেন । তাদের উচিত ছিল এই কার্ডগুলিকে সারেন্ডার করানো কিন্তু তারা করেনি। এর বিরুদ্ধে আইঅনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া যায় কিনা আমরা খতিয়ে দেখছি। রেশন ডিলার জয়ন্ত মৃধা জানিয়েছেন, শান্তনু ঠাকুরের পরিবারের কয়েকজনের PHH ( প্রায়োরিটি হাউজ হোল্ড) কার্ড আছে এবং কার্ডগুলো সক্রিয় আছে তা্র মা ছবিরানি ঠাকুর প্রতি মাসে রেশন তুলতে আসেন। গত মাসেও তারা রেশন তুলেছে। PHH কার্ডে চাল ৬ কেজি ৭৫০ গ্রাম, গম ১ কেজি ২৫০ গ্রাম আটা ২ কেজি সহ মোট ১০ কেজি জিনিস মেলে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের বক্তব্য, তাঁর জানা নেই এমন কোনও কার্ড তাঁর বাড়িতে আছে। মা হয়তো রেশন তুলতে পারে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৩
রাজ্য

মালদায় শূন্যে গুলি চালিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা, অভিযোগ পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যের বিরুদ্ধে

মালদায় আচমকাই এলাকার তৃণমূল কার্যালয়ে শূন্যে গুলি চালিয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল সশস্ত্র দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় তৃণমূলেরই এক পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। আতঙ্ক সৃষ্টি করতেই এই গুলিকাণ্ড। মঙ্গলবার রাত সাড়ে নটা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে ইংরেজবাজার থানার কাজিগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের লক্ষীপুর এলাকার তৃণমূল কার্যালয়ে। সংশ্লিষ্ট এলাকার তৃণমূল কার্যালয়ে দলেরই এক নেতার আশ্রিত দুষ্কৃতীরা সশস্ত্র অবস্থায় হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি শূন্যে গুলি চালিয়ে এলাকায় সন্ত্রাস চালানোর অভিযোগ উঠেছে হামলাকারী দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ভাঙচুর করা হয়েছে লক্ষীপুর এলাকার তৃণমূলের কার্যালয়। বিষয়টি জানতে পেরে ইংরেজবাজার থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে। যদিও বিরোধীদের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী আন্দোলনের জেরেই এই হামলা ভাঙচুরের ঘটনাটি ঘটেছে।লক্ষ্মীপুর এলাকার তৃণমূল কার্যালয়ের এক দলীয় কর্মী রকি শেখ জানিয়েছেন, ইংরেজবাজার পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য মাইনুল শেখ তার গুন্ডাবাহিনী নিয়েই এদিন লক্ষ্মীপুর এলাকার তৃণমূল কার্যালয়ে হামলা চালায়। তখন আমরা সাত থেকে দশ জন ক্যারাম খেলছিলাম। প্রায় ১০০ জন দুষ্কৃতী পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য মইনুল শেখের নেতৃত্বে অতর্কিতে পার্টি অফিসে হামলা চালায়। গোটা পার্টি অফিস ভাঙচুর করা হয়। আমি তখন কার্যালয়ের ছাদের একটি ঘরে লুকিয়ে পড়ি। আমার চোখের সামনে ওই দুষ্কৃতীরা ২ রাউন্ড গুলীয় ছুড়ে। এই ঘটনার পর গ্রামবাসীদের মধ্যে শোরগোল পড়ে গেলে দুষ্কৃতীরা সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করে। পরে অবশ্য পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এদিকে যার বিরুদ্ধে অভিযোগ ইংরেজবাজার পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সী জানিয়েছেন, ইংরেজবাজারের লক্ষীপুর এলাকায় কি ঘটনা ঘটেছে এই মুহূর্তে বলতে পারব না। তবে পার্টি অফিসে যদি কেউ কোনওরকম ভাবে হামলা চালিয়ে থাকে সে ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা পুলিশ নেবে। ইংরেজবাজার থানার পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে । অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

জানুয়ারি ১০, ২০২৩
রাজ্য

কাউন্সিলরের পদপ্রার্থীর টিকিট বিক্রি ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকায়! মেমারিতে প্রকাশ্য মঞ্চে ভয়ঙ্কর অভিযোগ তৃণমূল নেতার

এত দিন দলের অভ্যন্তরে অভিযোগ উঠছিল টাকা দিয়ে কাউন্সিলরের প্রার্থী হওয়ার টিকিট বিক্রির। এবার প্রকাশ্য মঞ্চে সেই অভিযোগ করলেন তৃণমূলেরই নেতা। টাকার অঙ্ক শুনলে যে কেউ ভিমরি খেতে বাধ্য। তখন মঞ্চে ছিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। ছিল দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। সেই মঞ্চেেই তৃণমূল নেতা দাবি করলেন কোটি টাকার ওপরে কাউন্সিলর পদের টিকিট বিক্রি হয়েছে।শনিবার মেমারি শহর তৃণমূল কংগ্রেস চকদিঘী মোড়ে মেমারি তৃণমূল কংগ্রেসের সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি ফারুক আবদুল্লা টিকিট কেনাবেচার দাবি করে মেমারির এক কাউন্সিলার ও এক নেতার উদ্দেশ্যে চরম হুঁশিয়ারিও দিয়ে রাখেন এই নেতা। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে তৃণমূল নেতার এই দাবি ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহল। শনিবারের ওই মঞ্চে মেমারি শহর তৃণমূলের সভাপতি স্বপন ঘোষাল ছাড়াও অন্য বেশ কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন। মেমারি শহর তৃণমূলের সংখ্যলঘু সেলের সভাপতি ফারুক আবদুল্লা বলেন, সই করতে গেলে ক্লাস টু পাশ কাউন্সিলর নাকি কলম ভেঙে ফেলেন। ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা দিয়ে টিকিট কিনে তুমি কাউন্সিলার হয়েছো। তোমার নেতাও ১কোটি ৪০ লক্ষ টাকা দিয়ে টিকিট কিনেছে। আপনার কথা বলা সাজে না। বেশী কথা বলবেন না। নয়তো আপনার কথা আপনার বুকের মধ্যে চেপে দেব। ফারুক আবদুল্লা যখন প্রকাশ্যে দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ করছেন তখন তার প্রতিবাদ না করে উল্টে মঞ্চে থাকা নেতাদের কেউ কেউ হাততালি দিয়ে ফারুককে সমর্থন জানান।মেমারি শহর তৃণমূল সভাপতি স্বপন ঘোষাল বলেন, ফারুক যখন মঞ্চে বক্তব্য রাখতে ওঠে তখন আমি মঞ্চে ছিলাম। একটু পরেই মঞ্চ থেকে আমি নেমে যাই। তবে ফারুক তৃণমূলের কাউন্সিলর পদ প্রার্থী হওয়ার টিকিট কেনাবেচার যে কথা বলেছে সেটা আমিও শুনেছি।ফারুকের বক্তব্য সমর্থন করি না। কারণ ফারুক দলের সম্পর্কে সঠিক বলেনি। তাই ফারুকের মন্তব্যের বিষয়টি নিয়ে তিনি দলের উচ্চ নেতৃত্বকে জানিয়েছে স্বপন ঘোষাল।

জানুয়ারি ০৮, ২০২৩
রাজ্য

'রাজ্যবাসী শীতে কাঁপছে, তৃণমূল সিবিআইয়ের ভয়ে কাঁপছে,', কেন বললেন দিলীপ ঘোষ?

পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে রাজ্যে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন দিদির দূত। এই প্রসঙ্গে কটাক্ষ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি দিলীপ ঘোষ। অন্য দিনের মতো শনিবার সকালে নিউটাউন ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমনে যান বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ। এক প্রশ্নের জবাবে দিলীপ ঘোষ বলেন, দিল্লীর দূত এখন তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে বাড়িতে পৌছে যাচ্ছে। সেই ভয়ে তৃণমূল কাঁপছে। রাজ্যবাসী শীতে কাঁপছে। তৃণমূল সিবিআইয়ের ভয়ে কাঁপছে। ওরা যে দিদির সুরক্ষা কবচ আনছে, ওটা ওদের নেতাদের লাগবে।শহীদ দিবস নিয়ে তরজা প্রসঙ্গে দিলীপ বলেন, যারা শহীদ হল তাদের কথা ভুলে গিয়ে সবাই নিজেদের কথা ভাবছে। শহীদ তো সারা বাংলায় আগে হয়েছে। এখনও হচ্ছে। কোনো একটা দিবস রাজনীতির ইস্যু হয়ে যায়। এটা আগেও হত এখনও হয়।সিপিএম কি বিজেপিকে সাপোর্ট করছে? খড়্গপুরের সাংসদ বলেন, বিজেপির কারও সাপোর্ট লাগে না। সামাজিক সাপোর্টে বিজেপি এগোয়। ওনারা এতদূর এগোলেন কার সাপোর্ট নিয়ে? যাদের সাপোর্ট নিয়ে এলেন, তাদেরই খুন হতে হচ্ছে। পার্টির লোক পার্টির নেতার বিরুদ্ধে আবাস যোজনায় নাম কেটে দেওয়ার অভিযোগ তুলছে। হুমকি দিচ্ছে। নিজেদের মধ্যে গুলি চালাচ্ছে। এটা তৃণমূল কালচার। বিজেপি সারা দেশে আছে। বিজেপিকে সবাই চেনে, জানে।আবার কি তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দিতে চাইছে, বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, বহু লোক আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। ওই দলে আর ভদ্রলোকেরা থাকতে চাইছে না। যোগদান তো চলছে। আমাদের থেকে জোর করে নিয়ে যাওয়া কিছু লোক আবার ফিরছে। লোকে দেখতে চাইছে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়।

জানুয়ারি ০৭, ২০২৩
রাজ্য

বাংলায় আবাস যোজনা খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল

আবাস কেলেঙ্কারির অভিযোগ নিয়ে আরও উত্তপ্ত হচ্ছে বঙ্গ রাজনীতি। তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্ব থেকে শাসকদলের পঞ্চায়েতের জনপ্রতিনিধিদের আবাস যোজনার তালিকায় নাম থাকা নিয়েই যাবতীয় বিতর্কের সূত্রপাত। যদিও অনেকে তাঁদের নাম কাটিয়ে দেওয়ার জন্য স্থানীয় বিডিওর কাছে আবেদন জানিয়েছেন। এদিকে এই কেলেঙ্কারি বিশদে খতিয়ে দেখতে আসছেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। কেন্দ্রীয় দল মূলত দুটি ভাগে পূর্ব মেদিনীপুর ও মালদা জেলা পরিদর্শন করবেন। কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের পক্ষে বুধবারই পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের প্রধান সচিবকে পত্র মারফত বিষয়টি জানানো হয়েছে।বাংলার গ্রামে গ্রামে আবাস দুর্নীতি নিয়ে সরব শুভেন্দু অধিকারী, সকান্ত মজুমদাররা ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে নালিশও জানিয়েছেন। তাঁরা দেখা করেছিলেন কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েতমন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের সঙ্গেও। এদিকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার তহবিলও আটকে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রতিবাদ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই পরিস্থিতিতে বাংলায় কেন্দ্রীয় দল পাঠানোর মতো পদক্ষেপ আদতে মমতা সরকারের উপর চাপ বাড়ানোর কৌশল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের আন্ডার সেক্রেটারি অনিলকুমার সিং-য়ের লেখা চিঠিতে রাজ্যকে জানিয়ে দিয়েছে, কেন্দ্রের দুটি দল আসবে বাংলায়। একটি দল পূর্ব মেদিনীপুর এবং অপরটি মালদহের আবাস যোজনার প্রাপক তালিকা খতিয়ে দেখবেন। দুটি দলেই তিনজন করে প্রতিনিধি থাকবেন। পূর্ব মেদিনীপুরে যাবেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের ডিরেক্টর শৈলেশ কুমার, আন্ডার সেক্রেটরি অনিল কুমার সিং এবং সিনিয়র স্ট্যাটিস্টিক্যাল অফিসার সুভাষ দ্বিবেদী। মালদহে পর্যালোচনা করবেন, মন্ত্রকের ডেপুটি সেক্রেটারি শক্তিকান্ত সিং, অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার চাহাত সিং এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট সেকশন অফিসার গৌরব আহুজা। জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই কেন্দ্রীয় দল আসবেন। আবাস যোজনার আপডেট করা নথি ও লজিস্টিক সাপোর্ট কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদের জন্য রাজ্যের তরফে ওই দুই জেলায় আয়োজনের কথা বলা হয়েছে। স্বভাবতই কেন্দ্রের এই পদক্ষেপে উচ্ছ্বসিত বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৩
রাজনীতি

পঞ্চায়েত ভোটের আগে তৃণমূল কংগ্রেসের নয়া কর্মসূচি ঘোষণা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন দুয়ারে কড়া নাড়ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে রাশি রাশি দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। কাটমানি, আবাস যোজনার কেলেঙ্কারি থেকে শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে জর্জরিত মমতার দল। এই পরিস্থিতিতে সোমবার নজরুল মঞ্চের কর্মী সম্মেলন থেকে দলীয়স্তরে একাধিক কর্মসূচি ঘোষণা করা হল। দিদির সুরক্ষাকবচ নয়া কর্মসূচি সূচনা করলেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এই কর্মসূচির মাধ্যমেই জমসংযোগে জনগণকে জুড়বে জোড়া-ফুল শিবির।তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আগামী ৬০ দিন ধরে বুথস্তরে কর্মসূচি চলবে। সেই কর্মসূচির আওতায় আগামী দুমাস তৃণমূলের সাড়ে সাড়ে তিন লাখ কর্মী ১০ কোটি মানুষের কাছে পৌঁছবেন। রাজ্যস্তরের নেতারা সাধারণ মানুষের বাড়ি গিয়ে অভাব-অভিযোগ শুনবেন। তারপর তৃণমূলের দূতরা পৌঁছে যাবেন। জানতে চাইবেন যে সমস্যার সুরাহা হয়েছে কিনা।এই কর্মসূচির নাম দেওয়া হয়েছে, দিদির সুরক্ষাকবচ। দুয়ারে সরকারে যে ১৫টি সরকারি প্রকল্প রয়েছে সেগুলির সুবিধা প্রকৃত উপভোক্তারা পাচ্ছেন কিনা, তা দেখা হবে দিদির সুরক্ষাকবচ-এর মাধ্যমে। আগামী ১১ জানুয়ারি থেকে এই কর্মসূচির সূত্রপাত হবে। কোনও মানুষ সরকারি সুবিধা না পেলে দিদির দূতরা অর্থাৎ তৃণমূল কর্মীরা নাম নথিভুক্ত করে দেবে।অভিষেকের পরই বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দিদির সুরক্ষাকবচ নামটা আমার দেওয়া নয়। তৃণমূলের আইটি সেল সেই নাম দিয়েছে। দিদির সরক্ষাকবচ কর্মসূচির সূচনা করে মমতা বলেন, আমরা মানুষের কাছে দায়বদ্ধ। আমরা যত এগোব, তত তৃণমূলের দায়বদ্ধতা বাড়বে। দুয়ারে সরকারের মতো মানুষের দরজায় পৌঁছাবে তৃণমূল কংগ্রেস। দুয়ারে সরকারের অপর একটা রূপ হল দিদির সুরক্ষাকবচ। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই কর্মসূচি ক্ষোভ উগরে দেওয়ার জন্য নয়, বরং মানুষ যাতে প্রকৃত সরকারি প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধা পায় তাতে নজরদারির জন্য।তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতোই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দলের উপর নজরদারি দরকার। মমতা বলেন, তৃণমূল করে খাওয়ার জায়গা নয়। দলের প্রতিষ্ঠাদিবসে এই কথা বলেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বার্তা দিয়েছিলেন দলীয় নেতা, কর্মী ও জনপ্রতিনিধিদের। সোমবার নজরুল মঞ্চে তৃণমূলের দলীয় বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যদি পোকা জন্মে থাকে, তা হলে প্রথমে তাকে সতর্ক করতে হবে। বলতে হবে, হয় নিজেকে সংশোধন করো, না হলে আমাদের অন্য কিছু ভাবতে হবে। একটা ধানে পোকা লাগলে সেটাকে সমূলে বিনাশ করতে হয়। নইলে ওই একটা ধান সব ধানকে নষ্ট করে দেয়। মনে রাখবেন, আমি নিজেও দলের ঊর্ধ্বে নই, মানুষের ঊর্ধ্বে নই।এই প্রেক্ষাপটে দলের উপর নজরদারি জোরদার ও ছাঁকনি প্রক্রিয়াকে বজায় রাখতে চাইছেন খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো। কেন এই নজরদারি? জবাবে তৃণমূল নেত্রী বলেছেন, গ্রাম পঞ্চায়েতের টাকা আগে রাজ্য সরকারের মাধ্যমে যেত। এখন সরাসরি চলে যায়। কাজেই আমরা যে মনিটরিং করব, সিস্টেমের জন্য সেই সুযোগ কম। তবুও আমাদের নজর রাখতেই হয়।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৩
রাজনীতি

জেলবন্দি অনুব্রত মন্ডলের বীরভূমে তৃণমূলের জেলা সহসভাপতির পদত্যাগ, কেন?

গরুপাচার কাণ্ডে বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি জেলবন্দি। এই সময়ে দল ছাড়লেন তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি বিপ্লব ওঝা। সেই সঙ্গে বীরভূমের জেলা পরিষদের সদস্য পদ থেকেও পদত্যাগ করলেন তিনি। মঙ্গলবার ঘট করে সাংবাদিক সম্মেলনে দলত্যাগ ও পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেন বিপ্লববাবু।একসময় বিপ্লব ওঝা বীরভূম জেলা কংগ্রেসের রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লক সভাপতি ছিলেন তিনি। ২০০৭-এ তিনি নলহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান হন। ২০০৯ বীরভূম লোকসভায় তৃণমূলের টিকিটে সংসদ শতাব্দী রায় জয়ী হন। তারপরই প্রথম সমস্ত কাউন্সিলর নিয়ে তৃণমূল যোগদান করেন বিপ্লববাবু। সে সময় নলহাটি পুরসভা রাজ্যে তৃণমূলের প্রথম দখলে আসে। পরবর্তী সময়ে তিনি নলহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান হন। নলহাটি বিধানসভার উপনির্বাচনে তিনি তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছিলেন। জিততে পারেননি। বামফ্রন্টের কাছে পরাজিত হন।পরবর্তীকালে তিনি তৃণমূলের টিকিটে জেলা পরিষদের সদস্য হন। কিন্তু তাঁকে কোন পদে রাখা হয়নি। কিন্তু বছরখানেক ধরে দলে ব্রাত্য করে রাখা হয় বিপ্লববাবুকে। সেই আক্ষেপেই তিনি দলত্যাগ করলেন বলে দাবি বিপ্লববাবুর। তবে এখনও কোন দলে যোগদান করছেন সে কথা না জানাননি। তবে আজই নলহাটিতে আসছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ওই মঞ্চেই বিপ্লববাবুর বিজেপিতে যোগদান করার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সূত্রের খবর। তিনি যে রাজনীতি থেকে সরে যাবেন না তা স্পষ্ট।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২২
রাজ্য

'সিনেমার জন্য দেব হয়েছি, রাজনীতির জন্য নয়,' মিঠুনদার সঙ্গে ফের সিনেমা করবঃ সাংসদ অভিনেতা

নন্দনে জায়গা হয়নি মিঠুন ও দেব অভিনীত সিনেমা প্রজাপতি। তা নিয়ে চরম বিতর্ক শুরু হয়েছে বঙ্গ রাজনীতিতে। মিঠুন বিজেপি নেতা ও দেব তথা দীপক অধিকারী তৃণমূল কংগ্রেসের সাসংদ। বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষের দাবি, মিঠুন চক্রবর্তী বিজেপি করেন বলেই নন্দনে জায়গা পায়নি প্রজাপতি। এদিকে এদিন এক সংবাদ মাধ্যমে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন দেব। এই প্রসঙ্গে দেব বলেছেন, আমার কাছে সিনেমা আগে। রাজনীতির জন্য নয়, আমি সিনেমার জন্য দেব হয়েছি। প্রয়োজনে হলে আবার মিঠুনকে নিয়ে সিনেমা করব।এদিন ছিল দেবের জন্ম দিন। টলিউডের অভিনেতা বলেন, প্রজাপতি মানুষ শুধু দেখছে না অন্যদের দেখতে বলছে। নন্দনে শো পাওয়া না পাওয়া নিয়ে আমার কোনও দুঃখ নেই। তবে কম পয়সায় নন্দনে সিনেমা দেখতে পারতেন মানুষজন। মিঠুন আছেন বলে নন্দনে স্থান পায়নি প্রজাপতি। এই প্রসঙ্গে দেব বলেন, এরপরেও যদি স্ক্রিপ্ট আসে তাহলে ফের তাঁকে নিয়ে সিনেমা করব। আমি কোনও দিন সিনেমার মধ্যে রাজনীতি করিনি, রাজনীতিতে সিনেমা আনিনি। সিনেমা করতে গিয়ে রাজনীতির ক্ষমতা দেখায়নি। আমি ব্যালেন্স করেছি। ছবি ও সিনেমা আমার প্রথম থেকে ভাললাগা, ভালবাসা। সিনেমার জন্য আজ দেব হয়েছি। রাজনীতির জন্য নয়।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২২
রাজ্য

নবান্নের ১৪ তলায় অমিত-মমতা একান্তে বৈঠক, সাফাই শুভেন্দুর

একান্তে বৈঠক মানেই সেটিং গত কয়েক বছর ধরেই বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসকে এভাবেই কটাক্ষ করেছে সিপিএম ও কংগ্রেস। বিজেমূল কটাক্ষের ফের সুযোগ পেয়েছে নবান্নের ১৪ তলায় অমিত শাহ ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ২০ মিনিটের বৈঠকের পর। যদিও সৌজন্য সাক্ষাৎ বলেই দুদলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তো এক পা এগিয়ে ওই বৈঠক নিয়ে অমিত শাহ যা তাঁকে বলেছেন তা সাংবাদিকদের শুনিয়েছেন। শুভেন্দু বলেছেন, সীমান্তে বিএসএফের চৌকি নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা হয়েছে। যদিও রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য, শুভেন্দু যাই বলুক না কেন মমতা-অমিতের বৈঠকের প্রকৃত নির্যাস কি তা কি সহজে প্রকাশ্যে আসবে? প্রথমত মমতা বা শাহ কেউই সাংবাদিক বৈঠক করে কিছু বলেননি। তাছাড়া দুজন শীর্ষ নেতৃত্ব একান্তে কোনও কথা বললে তা প্রকাশ্যে চলে আসবে তা ভাবার কোনও কারণ নেই।এর আগে দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠক করলেই সেটিং সেটিং বলে চিৎকার জুড়ে দিত সিপিএম ও কংগ্রেস। এবার তো নবান্নে বৈঠক করলেন মমতা-শাহ। শুভেন্দু আবার ওই বৈঠকের সাফাই গাইতে অমিত শাহ কি বলেছেন তা ঘোষণা করে দিলেন। সময়ই জানান দিতে পারে আদৌ শাহ-মমতা কি আলোচনা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২২
রাজ্য

দলেরই এক কাউন্সিলরের ছোঁড়া কাপের আঘাতে জখম অপর কাউন্সিলর, দলীয় কোন্দলে জেরবার কালনা শহর তৃণমূল কংগ্রেস

তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এবার বাইরে নয় একেবারে কালনা পুরসভার অন্দরমহলে। তৃণমূলেরই এক কাউন্সিলর এর ছোঁড়া কাপের আঘাতে জখম অপর কাউন্সিলর, ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও উত্তেজনা। বুধবার দুপুরে কালনা পৌরসভায় পৌরসভার বোর্ড মিটিং চলার সময়, কালনা শহরের তৃণমূল কংগ্রেসের শহর সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চ্যাটার্জির উপর হামলার অভিযোগ, কালনা শহরেরই ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সন্দীপ বসু এবং ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুমন বসুর বিরুদ্ধে।ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য এরপরই এদিন বুধবার সন্ধ্যায় কালনা কাটোয়া এসটিকে রোডের উপর আগুন জ্বালিয়ে, রাস্তা অবরোধ করে সন্দীপ বসু এবং অনিল বসুর বিরুদ্ধে ধিক্কার জানিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে তৃণমূল কংগ্রেসেরই একাংশ। কালনা পৌরসভারই ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তাপস দাসের ওয়ার্ডে ঠিক মতন নিকাশী নালা পরিষ্কার হয় না, আর সেই বিষয় নিয়ে আজকের বোর্ড মিটিংয়ে প্রশ্ন উঠতেই সুমন বসু ওরফে অনিল বসু ওই ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, তাপস দাস কে চেয়ার ছুড়ে মারতে যায়, এরপর তাকে লক্ষ্য করে একের পর এক কাপ ছুঁড়তে থাকে,সেই কাপ দিয়ে লাগে রবীন্দ্রনাথ চ্যাটার্জীর দাঁতে এবং কপালে।গুরুতর জখম অবস্থায় থাকে কানলা মহকুমা হসপিটালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়। পঞ্চায়েত ভোটের আগে তৃণমূলের অন্তরে এই এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযুক্ত কাউন্সিলর অনিল বসু দিন জানান, আমার নামে মিথ্যে অভিযোগ করা হচ্ছে, উনি বয়স্ক মানুষ আমি ওনাকে যথেষ্ট সম্মান করি। কালনা এসটিকেকে সড়কে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ করার পর বিক্ষোভকারীরা কালনা থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায়, অন্যদিকে এই ঘটনাটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন সুমন বসু।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২২
রাজ্য

কর্তব্যরত পুলিস আধিকারিক তৃণমূলের দলীয় সভায় সংবর্ধিত, সমলোচনায় মুখর বিরোধীরা

কর্তব্যরত অবস্থায় তৃণমূল কংগ্রেসের একটি কর্মসূচিতে সম্বর্ধনা নেবার অভিযোগ উঠল বর্ধমানের এক পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে। বর্ধমান গোলাপবাগ ট্রাফিক পোস্টের ওসি বিশ্বনাথ পাইনের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে। তিনি অবশ্য এই অভিযোগ স্বীকার করেননি।গতকাল সন্ধ্যায় পূর্ব বর্ধমানের খাগড়াগড় এলাকায় খাগড়াগড় তৃণমূল কংগ্রেস ও খাগড়াগড় যুব সংঘ একটি মশারি বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করেন। সেখানে বিধায়ক খোকন দাস, জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতিসহ অন্যান্য দলীয় নেতারা হাজির ছিলেন।এখানেই একটি ভিডিওতে ট্রাফিক ওসি বিশ্বনাথ পাইনকে সম্বর্ধনা নিতে দেখা যায়। তিনি পুলিশের পোশাকেই ছিলেন।এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিরোধী দলের নেতারা। বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র জানান, এই রাজ্যের পুলিশ মমতা পুলিশে পরিণত হয়েছে। আমাদের দাবি, এ কাজ অন্যায়। এর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।অন্যদিকে জেলা যুব কংগ্রেস সভাপতি গৌরব সমাদ্দারের দাবি, এ রাজ্যে পুলিশের পোশাকের নীচে দলের পতাকা রয়েছে। এই কাজ নিয়মের বাইরে।জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস জানান, এটা একটা ক্লাবের কর্মসূচি। দলীয় কর্মসূচিতে সরকারি আধিকারিক যেতে পারেন না। কী হয়েছে তা খোঁজ নিয়ে দেখবো।অভিযুক্ত আধিকারিক বিশ্বনাথ পাইনের বক্তব্য, ওটা একটা ক্লাবের কর্মসূচি বলেই তিনি জানতেন। তিনি ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ওখানে ছিলেন। সেই সময় তাঁকে অনুরোধ করায় অল্প সময় সেখানে ছিলেন। দলের কর্মসূচি বলে সেখানে যাননি।এমনিতেই বর্ধমানে ট্রাফিক পুলিশের কাজকর্ম নিয়ে বিস্তর অভিযোগ বর্ধমানে। তার উপর এই নতুন বিতর্ক। জেলা পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন বলেন, খবরটা আপনাদের মাধ্যমেই জানতে পেরেছি। প্রয়োজনে শোকজ করা হবে আইন অনুযায়ী।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২২
রাজ্য

তৃণমূল কংগ্রেসের নিচুতলা নেতাদের সতর্ক করে যুবনেত্রী জানালেন "বাপেরও বাপ আছে"

নদীয়ার চাপড়ার ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সুকদেব ব্রহ্মের বিরোধীদের হুঁশিয়ারি সম্পর্কে সরব হলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সভানেত্রী সায়নী ঘোষ। তিনি বলেন, এইসব বড় বড় কথা যাঁরা বলছেন তাঁরা নিজেকে মমতা বন্দ্যপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকেও বড় নেতা ভাবছেন। যাঁরা নিজেদেরকে দলের থেকেও বড় মনে করবেন তাঁদের ক্ষেত্রে মানুষ অবধি সুযোগ যাবে না। দলই ঠিক সময়ে তাঁদেরকে বসিয়ে দেবে। একই সঙ্গে সায়নী স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, দেখছেন তো অভিষেকদা যাবার পরেই এদিন পঞ্চায়েত প্রধান, উপপ্রধান ও অঞ্চল সভাপতিকে পদ থেকে ইস্তফা দিতে হয়েছে।সায়নী আরও বলেন, কেউ যদি ভাবে আমি তৃণমূল করি, তৃণমূল আমাদের জায়গা দিয়েছে। কিন্তু আমরা আমাদের লিডারের কথা অমান্য করে, প্রশাসনকে অমান্য করে ধমকি দেব ধামকি দেব সেই সব চলবে না। তাদের যেন মাথায় থাকে বাপেরও বাপ আছে।রবিবার বিকেলে পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের একটি ফুটবল প্রতিযোগিতার আসরে সায়নী ঘোষ উপস্থিত ছিলেন। সেখানে তিনি বলেন খেলা হবে। দুমাস পর খেলা হবে। এখানে উল্লেখ্য চাপড়ার ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুকদেব ব্রহ্ম প্রকাশ্য জনসভা মঞ্চ থেকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, পঞ্চায়েত ভোটের দিন সিপিএম ও বিজেপিকে ঘর থেকে বার হতে দেব না। ওদের ঘরবন্দী করে রাখবো।পঞ্চায়েত ভোট অবাধ ও শান্তিপূর্ণ হবে বলে প্রতিনিয়ত বলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেণ্ড ইন কমাণ্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও রাজ্যের বিভিন্ন জেলা ও ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব পঞ্চায়েত ভোটে বিরোধীদের টাইট দেওয়ার নানা নিদান দিচ্ছেন প্রকাশ্য জনসভা মঞ্চ থেকে।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২২
রাজনীতি

শুভেন্দু খেলাও করবেন আবার ডায়মন্ড হারবারে লাড্ডুও খাওয়াবেন, অভিষেক গড়ে বিরোধী দলনেতা

এত দিন বাংলাদেশের খেলা হবে স্লোগান আয়ত্বে ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের। এবার ডায়মন্ডহারবারের জনসভায় সেই স্লোগান দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। একইসঙ্গে ইঙ্গিত রেখে নানা বক্তব্য রাখলেন তিনি। হুঁশিয়ারি দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আগামী গ্রামপঞ্চায়েত নির্বাচনে গ্রামে-গ্রামে দলের নেতা-কর্মীদের প্রার্থী ঠিক করার নির্দেশ দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। কর্মীদের পাশে থাকার বার্তাও দিলেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু বলেন, গ্রামে প্রার্থী ঠিক করতে পারবেন তো? মঞ্চের সামনে থেকে নেতা-কর্মীরা হ্যাঁ বলতেই শাসক তৃণমূলকে দুষে শুভেন্দুর হুংকার, এবারে খেলাটা দেখাব!শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, ২০১৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ডায়মন্ড হারবারে নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে হলেও তারপর থেকে এখানে ভোট কার্যত লুঠ হয়েছে। যদিও ২০১৬ সালের পর ২০২১-র বিধানসভা ভোটের কয়েক মাস আগে পর্যন্তও শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলেই ছিলেন। অভিষেককে নিশানা করে শুভেন্দু বলেন, ২০১৮-এর পঞ্চায়েতে এই এলাকাতেও বিরোধী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে দেওয়া হয়নি। তবে এবার আসন্ন পঞ্চায়তে ভোট লুঠ আটকাতে সবরকম চেষ্টা করা হবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন শুভেন্দু।বিরোধী দলনেতা বলেন, ২০১৪- ১৬ সাল পর্যন্ত এখানে ভোট হতো। ২০১৬ সালের পর এখানে ভাইপো বাহিনী ভোট করতে দেয়নি। ২০১৮ সালের পঞ্চায়েতে মনোনয়ন জমা দিতে দেয়নি। এবার খেলাটা দেখাব। গ্রামে প্রার্থী ঠিক করতে পারবেন তো? আমরা মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করব। এবারে আমরা খেলা দেখাব।খাস অভিষেকের গড়ে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু বলে গেলেন এমাসেই ডায়মন্ড হারবারের বাসিন্দাদের লাড্ডু খাওয়াব। কেন এই লাড্ডু বিলি? তা অবশ্য তাঁর বক্তব্য়ে স্পষ্ট করেননি। তবে লাড্ডু তিনি আনবেন বলেই ধনুকভাঙা পন করেছেন। গতকাল রাতেই ডায়মন্ড হারবারের লাইট হাইস ময়দানে বিজেপির সভামঞ্চ খুলে দেয় ডেকরেটার। মাঠ থেকে চেয়ার ফিরিয়ে নিয়ে যায়। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল ডেকরেটর মালিককে ভয় দেখিয়ে এই কাজ করিয়েছেন। শেষমেশ শুভেন্দুর উদ্য়োগে হাওড়া থেকে ডেকরেটর নিয়ে আনিয়ে সভামঞ্চ বাধা হয়।শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেছন, এই মাসেই এখানে ফের আসব। এবার সঙ্গে করে এক গাড়ি লাড্ডু নিয়ে আসব। জগন্নাথ বলেছেন কারণ বলা যাবে না। তাই কেন লাড্ডু আনব তা বলছি না। লাড্ডু নিয়ে আসব। এই মাসেই আসব। গুজরাটে নির্বাচন চলছে, তবে শুভেন্দুর ইঙ্গিত রয়েছে বাংলার ঘটনার দিকে।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২২
রাজনীতি

কাঁথিতে অধিকারী পরিবারের বাড়ির কাছের সভা থেকে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে অভিযোগের বন্যা অভিষেকের

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ির ঢিলছোড়া দূরত্বে কাঁথির জনসভা থেকে দীর্ঘ বক্তব্য রাখলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক প্রায় সারাক্ষণই নিশানা করে গেলেন শুভেন্দু অধিকারীকে। নন্দীগ্রামের বিধায়কের বিরুদ্ধে আনলেন একের পর এক ভয়ঙ্কর অভিযোগ। তৃণমূল ছাড়া থেকে নির্বাচনে জয়, তোলাবাজি থেকে কয়লাপাচারকারীর সঙ্গে যোগাযোগ সমস্ত অভিযোগ করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।শুভেন্দুর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে অভিষেক বলেন, আগে সরকারি পরিষেবা থেকে টাকা মারত। আমি ১০টা ক্যামেরা ও মোবাইলের সামনে বলে যাচ্ছি ইডি, সিবিআই ও এনআইয়ের নাম করে টাকা তুলছে। যদি বুকের পাটা থাকে আমার বিরুদ্ধে মামলা কর। আমার কাছে কাগজ-পত্র আছে। আদালতে গিয়ে জমা দিয়ে দেব। এর পাশাপাশি এদিন কয়লাপাচারে প্রধান অভিযুক্ত বিনয় মিশ্রের সঙ্গে শুভেন্দুর কথোপকথনের অডিও ক্লিপ তাঁর কাছে আছে বলেও দাবি করেছেন অভিষেক। তিনি বলেন, বিনয় মিশ্র ও শুভেন্দু অধিকারীর কথোকথন, অডিও ক্লিপ আছে। সেটা ছাড়িনি। কথায় কথায় বলত না কয়লা চোর, গরু চোর। কে কার সঙ্গে কথা বলেছে বোঝাপড়ার কি চুরি সংক্রান্ত, কে কত বড় তোলাবাজ, কে কত বড় মিরজাফর, কে কত বড় গদ্দার। সব বার করব।এসবের পাশাপাশি সারদা-নারদায় টাকা নেওয়া ও স্থানীয় স্তরে নানা দুর্নীতি নিয়ে অভিষেক শুভেন্দুর বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন।শুভেন্দু অধিকারীর দলবদল ইস্যুকে সামনে রেখে বিশ্বাসঘাতক, মিরজাফর তকমা থেকে সেরে আসতে পারছে না তৃণমূল কংগ্রেস। এত দিন এভাবে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে এসেছে তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। শনিবার কাঁথির এই জনসভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মিরজাফরকে যেমন বিশ্বাসঘাতক হিসেবে বাংলার মানুষ মনে রেখেছেন। তেমনই শুভেন্দু অধিকারীকেও আগামী ৫০০ বছর বিশ্বাসঘাতকতার জন্য বাংলার মানুষ মনে রাখবেন। আগামীকাল থেকেই প্রতিটি বুথে আগামী একমাসের জন্য বেইমান মুক্ত কর্মসূচি চালাবে তৃণমূল।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২২
রাজনীতি

বর্ধমানে 'ধেরে ইঁদুর' বলে কোন তৃণমূল নেতাকে সম্বোধন করলেন সৌমিত্র খাঁ?

ডিসেম্বরে ধেরে মাথা অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধরা পড়বে বলে মন্তব্য করলেন বিজেপির রাজ্য সহসভাপতি তথা বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। শুক্রবার পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে সারের কালোবাজারির প্রতিবাদে ডেপুটেশন দেওয়া হয় বিডিওকে। ডেপুটেশনে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। তিনি বলেন ধেরে ইঁদুর মানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পিসি ভাইপো সহ গোটা পরিবার চোর বলে কটাক্ষ করেন তিনি।এদিন জামালপুরের নেতাজী ময়দান থেকে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা মিছিল করে যায় বিডিও অফিসে।মিছিলে নেতৃত্ব দেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। মিছিল জমায়েত হয় বিডিও অফিসের সামনে। আলুচাষের ভরা মরশুমে রাসায়নিক সারের কালোবাজারি হচ্ছে। চাষীরা চড়া দামে সার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। এদিন কালো বাজারী রুখতে প্রশাসনকে সক্রিয় হওয়ার জন্য ডেপুটেশন দেওয়া হয় বিজেপির পক্ষ থেকে। বিডিও অফিসের সামনে সাংসদ সৌমিত্র খাঁ বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্যালিকা চোর,শ্বশুর চোর। এরা সোনা চোর বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

ডিসেম্বর ০২, ২০২২
রাজ্য

পঞ্চায়েতে প্রার্থী হওয়ার জন্য কাউকে টাকা দিতে নিষেধ করলেন তৃণমূলের মন্ত্রী

পঞ্চায়েতে প্রার্থী হবার জন্য কাউকে কোন টাকা দেবেন না, খোলা মঞ্চ থেকে দলীয় কর্মীদের বার্তা মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরীর। মন্ত্রীর কথাতেই স্পষ্ট তৃণমূলে টাকা ছাড়া কিছু নেই, কটাক্ষ বিরোধীদের। মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের সাতগাছিয়ায় কেন্দ্রীয় সরকারের জনবিরোধী নীতি, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বৃদ্ধি ও একশো দিনের কাজ বন্ধের বিরুদ্ধে পথসভার আয়োজন করা হয়। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ বলেন, দলের টিকিট আমি দেব না। অনেকে ভাবছে আমি টিকিট দেব। কিন্তু না, টিকিট দেবে দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব। যারা ভাল কাজ করেছেন তারা টিকিট পাবেন। যারা ভাল কাজ করতে পারেননি তারা লাইনে থাকবেন এ, বি, সি, ডি হিসাবে। দল চাইবে ভাল ও পরিচ্ছন্ন মানুষকে প্রার্থী করতে। আমরা বলবো টাকা দাও প্রার্থী করবো ওই সব গ্যাজাখুরি গল্প হবে না। আপনারাও দলের প্রার্থী পদের জন্য একটাও ফুটো পয়সা দেবেন না। তিনি বলেন, অনেক গ্রামের খবর রয়েছে সেখানে রাস্তা নেই, বিদ্যুৎ নেই। আমাদের মনটা ফেটে যায়। এতদিন নেতারা কি করছিলেন? কেন গ্রামের রাস্তা হয়নি? এর কৈফিয়ৎ নেতাদের দিতে হবে বলে সমালোচনা করেন তিনি। সভাশেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী জানান, সমাজে অনেক ধরনের মানুষ থাকে। যাতে কেউ কারো খপ্পরে পরে টাকা লেনদেনের কথা ভাববেন না সেকারণেই আমি সাবধান হওয়ার বার্তা দিয়েছি। মন্ত্রীর এই বক্তব্যকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধী দল বিজেপি। বিজেপির জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা বলেন, মন্ত্রী পরোক্ষে স্বীকার করে নিলেন তৃণমূলের টিকিট টাকা নিয়ে দেওয়া হয়। উনি সত্যিটা বলছেন তাই মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। তৃণমূলের আমলে টাকা ছাড়া কিছু হয়না মন্ত্রীর বক্তব্যে তা স্পষ্ট বলে জানান জেলা বিজেপি সভাপতি।

নভেম্বর ৩০, ২০২২
রাজনীতি

ফিরহাদ হাকিমের সাথে ভাইপোর লড়াইয়ে বোমা পড়বে! ভবিষ্যত বানী বিজেপি নেতার

বোম তৈরি করা আর সবাইকে বোম ছোড়া, এটাই তৃণমূল কংগ্রেসের কালচার। আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে না এটা তার আভাস। কালীঘাটেও বোমা পড়বে, যেদিন ফিরহাদ হাকিমের সাথে ভাইপোর লড়াই হবে বোমা পড়বে আমরা দেখবো। মঙ্গলবার বর্ধমানে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই মন্তব্য করেন বিজেপি নেতা সৌমিত্র খাঁ এর। তিনি আরও বলেন, এই ফিরহাদ হাকিম একদিন কালীঘাটে পাথর ছুঁড়েছিল। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, তৃণমূলের উন্নয়ন মানে পারিবারিক উন্নয়ন। একই সাথে বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাসকে একহাত নেন তিনি। বর্ধমানে যত অপসংস্কৃতি খোকন দাস এনেছেন, উনি বর্ধমানের কেষ্ট হয়ে গেছেন। খুব তাড়াতাড়ি উনি যাবেন বলে মন্তব্য করেন সৌমিত্র খাঁ।মঙ্গলবার বর্ধমান জেলা বিজেপি কার্যালয়ে কার্যাকারিনী বৈঠকে উপস্থিত হয়েছেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।

নভেম্বর ২৯, ২০২২
রাজ্য

আবার বর্ধমানে নিখোঁজ পোস্টার তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলারের নামে

পোস্টার রাজনীতি অব্যাহত বর্ধমানে। রাজ্যে বিভিন্ন জায়গার রাজনৈতিক নেতাদের নিখোঁজ নোটিশ দেখতে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে সাধারণ জনসাধারণ। বর্ধমানে আবার তৃণমূল কাউন্সিলরের সন্ধান চেয়ে পোষ্টার পড়লো শহর জুড়ে। তৃণমূল কংগ্রেসকে বদনাম করার জন্য এই পোষ্টার বিরোধীরা লাগিয়েছে বলে দাবি তৃণমূল নেতৃত্বের। যদিও বিজেপির দাবি, এটা তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল।সোমবার সকালে বিষয়টি নজরে আসে স্থানীয়দের। বিষয়টি নজরে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। বর্ধমান পৌরসভার ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর উমা সাঁই। উমা সাঁই হলেন ১৯৭০-এর ১৭ই মার্চ বর্ধমান শহরের হারহিম হত্যা কান্ড সাঁই বাড়ির প্রতিনিধি। সেই উমা সাঁইয়ের সন্ধান চেয়ে কার্জনগেট চত্ত্বরে পোষ্টার দেখতে পাওয়া যায়। যা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।পোষ্টারে উমা সাঁইয়ের ছবি দিয়ে সন্ধান চাই লেখা হয়েছে। কাউন্সিলর জানিয়েছেন, ওয়ার্ডের মানুষজন জানেন আমি ওয়ার্ডে যাই কিনা। সপ্তাহে দুদিন আমি ওয়ার্ডে গিয়ে বিভিন্ন সমস্যা দেখি ও তার সমাধান করার চেষ্টা করি। ২০১৩ সালে এই ওয়ার্ড থেকে আমি জয়লাভ করি এবং এবছরও এই ওয়ার্ড থেকে আমি বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছি। কে বা কারা কি উদ্দেশ্য নিয়ে এই পোষ্টার লাগিয়েছে বলতে পারবো না।যদিও পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমুল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস এটাকে বিরোধীদের চক্রান্ত বলেই দাবি করেছেন। রাজনৈতিক ভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের সাথে লড়াই করতে না পেরে তৃণমূলকে বদনাম করতে এটা করা হচ্ছে বলে দাবি তার। বিজেপি নেতা সুধীর রঞ্জন সাউ জানান, এটা তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। তিনি আরও জানান, তৃণমূল কংগ্রেস ভোট লুট করে ক্ষমতায় এসেছে, লজ্জায় তাঁরা মানুষের কাছে জেতে পারছে না। নিজেদের মধ্যে তোলাবাজির ভাগবাটোয়ারা নিয়ে সমস্যার জেরে এই পোষ্টার বলে দাবি বিজেপি নেতা সুধীর রঞ্জন সাউয়ের।উল্লেখ্য, মাস চারেক আগে বর্ধমানে পোস্টার রাজনীতির আমদানি হয়। শহরের কোর্ট কম্পাউণ্ডে বিজেপির প্রাক্তন জেলা সভাপতি সন্দীপ নন্দীকে ফের পদে ফেরানোর দাবিতে পোস্টার পড়ে। মাস খানেক আগে ফের কোর্ট কম্পাউণ্ডে পোস্টার পড়ে বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভার সাংসদ সুরিন্দর সিংহ আলুওয়ালিয়া নিখোঁজ বলে। তারপর বর্ধমান পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর চায়না কুমারী নিখোঁজ বলে পোস্টার পড়ে। পোস্টার রাজনীতির নবতম সংযোজন বর্ষিয়াণ উমা সাঁই।

নভেম্বর ২৮, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • ...
  • 49
  • 50
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

শেষ কি আমেরিকার দাপট? আইএমএফ রিপোর্টে চমক, মুখ খুললেন এলন মাস্ক

বিশ্ব অর্থনীতিতে আমেরিকার একছত্র আধিপত্য কি শেষের পথে? সদ্য প্রকাশিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের রিপোর্ট সামনে আসার পর তেমনই ইঙ্গিত মিলছে। আর সেই রিপোর্ট দেখেই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন ধনকুবের এলন মাস্ক। তাঁর মতে, বিশ্ব অর্থনীতিতে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাতে শুরু করেছে।আইএমএফ তাদের সাম্প্রতিক রিপোর্টে ২০২৬ সালে গোটা বিশ্বের সম্ভাব্য আর্থিক প্রবৃদ্ধির হিসাব তুলে ধরেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, বিশ্বের মোট আর্থিক বৃদ্ধিতে আমেরিকাকে ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত। বিশ্ব জিডিপিতে ভারতের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে প্রায় ১৭ শতাংশ। সেই তুলনায় আমেরিকার অবদান মাত্র ৯.৯ শতাংশ। ফলে তালিকায় তৃতীয় স্থানে নেমে গিয়েছে ডলারের দেশ।এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে চিন। বিশ্ব জিডিপিতে চিনের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে ২৬.৬ শতাংশ। অর্থাৎ প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এশিয়ার দুই দেশ চিন এবং ভারত। একসঙ্গে এই দুই দেশের আর্থিক যোগদান দাঁড়াচ্ছে ৪৩.৬ শতাংশ। অর্থাৎ গোটা বিশ্বের প্রায় অর্ধেক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র এখন এশিয়ায়।আইএমএফের রিপোর্টে আরও দেখা গিয়েছে, এই তালিকায় রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভিয়েতনাম, ব্রাজিল, নাইজেরিয়া, জার্মানির মতো দেশগুলিও। তবে ইউরোপ এবং আমেরিকার তুলনায় এশিয়ার দেশগুলির প্রভাব যে দ্রুত বাড়ছে, তা স্পষ্ট।এই রিপোর্ট সোশাল মিডিয়ায় তুলে ধরেই এলন মাস্ক লেখেন, অবশেষে বিশ্বে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাচ্ছে। তাঁর এই মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব অর্থনীতির কেন্দ্র ছিল আমেরিকা ও ইউরোপ। কিন্তু এখন সেই জায়গা দখল করছে চিন ও ভারত।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এলন মাস্কের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন আমেরিকার কড়া শুল্কনীতি এবং কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের জেরে বিশ্ব অর্থনীতি অস্থির। চিন ও ভারতের উপর সবচেয়ে বেশি শুল্ক আরোপ করেছে আমেরিকা। অথচ আইএমএফের রিপোর্ট বলছে, আগামী দিনে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হতে চলেছে এই দুই দেশই।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

মেঝেতে কিশোরী, উপর ঝুঁকে প্রিন্স অ্যান্ড্রু! এপস্টেইন ফাইলসে ফাঁস চাঞ্চল্যকর ছবি

মেঝেতে শুয়ে রয়েছে এক কিশোরী। তাঁর উপর ঝুঁকে পড়ে আছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ প্রিন্স অ্যান্ড্রু। এপস্টেইন ফাইলসের সদ্য প্রকাশিত নথিতে এই ছবি সামনে আসতেই নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। বহুদিন ধরেই যৌন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে অ্যান্ড্রুর সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক চলছিল। এ বার সেই বিতর্ক আরও তীব্র হল নতুন ছবি ও তথ্য প্রকাশ্যে আসায়।এপস্টেইন ফাইলস ঘিরে সামনে এসেছে ব্রিটেনের রাজপরিবারের নামও। গত বছরই জানা যায়, যৌন অপরাধে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল প্রিন্স অ্যান্ড্রুর। সেই ঘটনার পর ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস নিজের ছোট ভাই অ্যান্ড্রুর সমস্ত রাজকীয় উপাধি, সম্মান এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা কেড়ে নেন। রাজপরিবার থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় তাঁকে।এই পরিস্থিতিতেই গত শুক্রবার এপস্টেইন সংক্রান্ত নথির নতুন একটি অংশ প্রকাশ্যে আসে। সেখানে একাধিক ছবিতে দেখা যাচ্ছে, এক অজ্ঞাত পরিচয়ের কিশোরী মাটিতে শুয়ে রয়েছেন। তাঁর পাশে এবং উপর ঝুঁকে আছেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু। একটি ছবিতে দেখা যায়, কিশোরীর পেটের উপর হাত রেখেছেন তিনি। তবে ওই কিশোরী কে, ছবিগুলি কোথায় এবং কবে তোলা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।শুধু ছবি নয়, এই নথিতে উঠে এসেছে আরও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, ২০১০ সালে জেফ্রি এপস্টেইন ও প্রিন্স অ্যান্ড্রুর মধ্যে ইমেলে যোগাযোগ হয়েছিল। সেই ইমেলে এপস্টেইন অ্যান্ড্রুকে লেখেন, তাঁর এক রুশ বান্ধবী রয়েছে, যিনি ২০ থেকে ২৪ তারিখের মধ্যে লন্ডনে থাকবেন। এপস্টেইনের দাবি ছিল, ওই মহিলার সঙ্গে নৈশভোজ অ্যান্ড্রু উপভোগ করবেন। তবে এই রহস্যময়ী রুশ মহিলার সঙ্গে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর আদৌ কখনও দেখা হয়েছিল কি না, তা এখনও জানা যায়নি।নতুন করে সামনে আসা এই নথি ও ছবিকে ঘিরে ফের প্রশ্নের মুখে পড়েছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ। এপস্টেইন কাণ্ডে তাঁর ভূমিকা নিয়ে তদন্ত এবং বিতর্ক যে এখনও শেষ হয়নি, তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
রাজ্য

তৃণমূলের মিছিলে ভাতারে বিধায়কের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগান, মুচকি হাসি বিরোধীদের

বিধানসভা ভোটের আগে প্রার্থী হওয়ার দাবিদারের লড়াই চরমে উঠেছে। ভাতারের তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিলে চোর চোর স্লোগান উঠলো। তবে এই চোর চোর স্লোগান বিজেপির বিরুদ্ধে ছিল না। ভাতারের তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের বিরুদ্ধেই এই চোর চোর স্লোগান উঠেছে মুহূর্মুহু। এই মিছিলে নেতৃত্ব দেন ভাতারের প্রবীণ তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক বনমালী হাজরা। ভাতারের এই মিছিলে স্লোগান ওঠে, মানু চোর, শান্তনু চোর। কেন তাঁদের চোর বলা হচ্ছে? মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, পঞ্চায়েত সমিতি থেকে গ্রামপঞ্চায়েত, সর্বত্র লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতি হচ্ছে। লুঠপাট চলছে। পকেট ভরছে নেতারা। তাদের দাবি, মানগোবিন্দ অধিকারীকে আর যেন বিধায়কপদের টিকিট না দেওয়া হয়। প্রার্থী করতে হবে বনমালী হাজরাকে।সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বিধায়ক পদের টিকিট পাওয়া নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে দড়ি টানাটানি চলছে। কে হবেন বিধানসভার প্রার্থী, এখন সেই প্রতিযোগিতা চলছে। বর্ধমান জেলার প্রায় প্রতিটি জায়গায় দলের তরফে দুই পক্ষের মিছিল হয়। বর্ধমানে কখনও বিধায়ক খোকন দাসের নেতৃত্বের মিছিল হয়, আবার কখনও কাউন্সিলর রাসবিহারী হালদারের নেতৃত্বে পৃথক মিছিল হয়। ভাতারেও সেই অবস্থা চলছে। সেখানে একাংশ চাইছে মানু অধিকারী নয়, বনমালী হাজরাকে তৃণমূল প্রার্থী করুক। তবে তৃণমূলের মিছিলেই নেতৃত্বের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগানে মুচকি হাসছে বিরোধী শিবির।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

রক্তে ভাসল পাকিস্তান! একযোগে জঙ্গি হামলায় মৃত ১২০ ছাড়াল

পরপর গুলির শব্দ, তার পর একের পর এক বিস্ফোরণ। শনিবার ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় কেঁপে উঠল পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।হামলা শুধু গুলি ও বোমাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। সন্ত্রাসীরা কারাগারেও হামলা চালায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের মাস্তুং জেলার একটি জেল ভেঙে প্রায় ৩০ জনেরও বেশি বন্দিকে পালাতে সাহায্য করেছে তারা। একই সঙ্গে নুস্কি জেলার আধাসামরিক বাহিনীর দফতরেও হামলা চালানো হয়। এই হামলায় একাধিক নিরাপত্তারক্ষী আহত হয়েছেন। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৪ জন নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ভয়াবহ হামলার ঘটনাগুলি ঘটেছে বালোচিস্তানে। গত কয়েক মাস ধরেই এই এলাকায় পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে। দফায় দফায় সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন। শনিবারও একযোগে একাধিক জায়গায় হামলা চালানো হয়। এখনও পর্যন্ত কোনও সংগঠন প্রকাশ্যে এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, কোয়েটা, গোদার, মাস্তুং, নুস্কি, দালবানদিন এবং পাঞ্জগুর-সহ বালোচিস্তানের একাধিক জেলায় একসঙ্গে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। হামলার পরই পাল্টা অভিযানে নামে পাকিস্তানের সেনা। সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ান-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা ৪৮ ঘণ্টা ধরে সন্ত্রাসদমন অভিযান চালিয়ে এখনও পর্যন্ত ১৩৩ জনের বেশি জঙ্গিকে খতম করেছে পাক সেনা। শুধু শনিবারেই নিহত হয়েছে অন্তত ৯২ জন সন্ত্রাসী।যদিও এই হামলার দায় বালোচ লিবারেশন আর্মি এখনও স্বীকার করেনি, তবে হামলার দিনেই একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ওই সংগঠন। সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পাকিস্তান সরকার ও সেনার বিরুদ্ধে সংঘর্ষে বন্দুক হাতে অংশ নিচ্ছেন মহিলারাও। এই ছবি নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

ভুল নাকি অপরাধ? গোমাংস কাণ্ডে অলি পাবের ক্ষমা চাওয়ায় প্রশ্ন

সায়ক চক্রবর্তীর গোমাংস বিতর্কে অবশেষে মুখ খুলল পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। পাঁঠার মাংসের বদলে গোমাংস পরিবেশনের অভিযোগে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার দায়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায় তীব্র বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে এই ঐতিহ্যবাহী পাব। রবিবার সোশাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতি জারি করে রেস্তরাঁর তরফে জানানো হয়েছে, এটি একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। এই ঘটনার জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।অলি পাবের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ৩০ জানুয়ারি রাতে রেস্তরাঁর এক কর্মী ভুলবশত একটি গুরুতর ভুল করে ফেলেন। কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। ওই কর্মীর ভুলের জন্য রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ ক্ষমা চেয়েছে এবং জানিয়েছে, অনিচ্ছাকৃতভাবে ক্রেতার ভাবাবেগে আঘাত লাগায় তারা গভীরভাবে দুঃখিত।এদিকে সায়ক চক্রবর্তীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার পুলিশ অলি পাবের বেয়ারা শেখ নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। এই গ্রেপ্তারি ঘিরে শহরজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। একাংশ ওই কর্মীর পাশে দাঁড়ান, আবার অনেকে সেলেব ইনফ্লুয়েন্সারের বিরুদ্ধে রেস্তরাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার অভিযোগ তোলেন। সোশাল মিডিয়ায় প্রশ্ন উঠতে থাকে, ভুল খাবার পরিবেশন করা কি অপরাধ, না কি কর্মীর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে বিষয়টিকে অন্য খাতে বইয়ে দেওয়া হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে অলি পাবের তরফে জানানো হয়, জাতি, ধর্ম বা বর্ণ নির্বিশেষে সকলের প্রতি সম্মানের ভিত্তিতেই রেস্তরাঁটি পরিচালিত হয়। আট দশকের ঐতিহ্য নিয়ে তারা গর্বিত বলেও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে রেস্তরাঁর সমস্ত কর্মী ও সহযোগীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার বার্তাও দেওয়া হয়।এর মাঝেই গুজব ছড়ায় যে এই ঘটনার জেরে অলি পাব বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেই খবরে বহু নিয়মিত অতিথির মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। তবে রবিবারের বিবৃতিতে রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, অলি পাব বন্ধ হচ্ছে না। বরং এই কঠিন সময়ে যাঁরা পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আগের মতোই পরিষেবা চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।এদিকে শুক্রবার রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে পরপর ফেসবুক লাইভে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছিলেন সায়ক চক্রবর্তী। যদিও বর্তমানে সেই পোস্টগুলি আর পাওয়া যাচ্ছে না। জানা গিয়েছে, সেদিন রাতে সায়ক তাঁর দুই বন্ধু অনন্যা গুহ ও সুকান্ত কুণ্ডুর সঙ্গে অলি পাব যান। তাঁরা মাটন স্টেক অর্ডার করেছিলেন। খাবার পরিবেশনের পর প্রথমে খিদের চোটে বিষয়টি বুঝতে পারেননি তাঁরা। পরে টেবিলে আরও একটি স্টেক আসতেই সন্দেহ হয়।সায়কের দাবি, তাঁরা একটি মাত্র স্টেক অর্ডার করেছিলেন। কিন্তু বেয়ারা জানান, দুটি স্টেক অর্ডার করা হয়েছেএকটি মাটন এবং একটি বিফ। তখনই সায়ক প্রতিবাদ করেন। তাঁর কথায়, অজান্তে গরুর মাংস খাওয়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। বচসার মধ্যেই বেয়ারা স্বীকার করেন যে তিনি ভুল করেছেন। বিষয়টি নিয়ে রেস্তরাঁর মধ্যেই উত্তেজনা ছড়ায়। পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন সায়ক। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার ওই বেয়ারাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

গোমাংস বিতর্কে ইউটার্ন! বেয়ারার বিরুদ্ধে এফআইআর প্রত্যাহার সায়কের

রবিবার সোশাল মিডিয়ায় বিবৃতি জারি করে অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছে পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। তাদের বক্তব্যে জানানো হয়েছে, কোনও ক্রেতার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্য তাদের ছিল না। এই ক্ষমা প্রার্থনার কিছুক্ষণের মধ্যেই রেস্তরাঁ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিলেন অভিনেতা ও ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তী।অলি পাবের বিবৃতি প্রকাশের পরই সায়ক সোশাল মিডিয়ায় জানান, তিনি জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেন। তাঁর কথায়, তিনি জনগণের উপর নির্ভরশীল এবং মানুষ যা বলবেন, সেটাই তিনি মেনে নেবেন। সেই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি চাপের মুখেই নিজের অবস্থান বদল করলেন অভিনেতা।গত ২৪ ঘণ্টায় গোমাংস বিতর্ক ঘিরে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয় সোশাল মিডিয়ায়। ঘটনার সূত্রপাত একটি ভ্লগকে কেন্দ্র করে। সেই ভ্লগে রেস্তরাঁর এক বেয়ারার ধর্মীয় পরিচয় উল্লেখ করে মন্তব্য করায় সমালোচনার মুখে পড়েন সায়ক। পরে অলি পাব এবং ওই কর্মীর বিরুদ্ধে পার্ক স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের করেন তিনি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার সকালে গ্রেপ্তার হন রেস্তরাঁর কর্মী শেখ নাসির উদ্দিন। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৯৯ ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়। আদালতে তোলা হলেও শনিবার তিনি জামিন পাননি বলে খবর।এদিকে শনিবার রাতেই সায়কের বিরুদ্ধেও পার্ক স্ট্রিট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নাট্যব্যক্তিত্ব জয়রাজ ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ ছিল, সায়কের বক্তব্য থেকে দাঙ্গায় উসকানি দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠার মধ্যেই রবিবার অলি পাব প্রকাশ্যে ক্ষমা চায়। তার পরই সায়ক নিজে থেকে অভিযোগ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন।সায়ক চক্রবর্তী তাঁর পোস্টে লেখেন, অলি পাব শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চেয়েছে, তাই নতুন করে কোনও গল্প বানানোর প্রয়োজন নেই। তিনি স্বীকার করেন, রাগের মাথায় থানায় গিয়েছিলেন এবং সেই সময় তাঁর মাথা ঠিক ছিল না। তিনি জানান, তিনি কোনওদিন গোমাংস খাননি এবং ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকবেন। অলি পাব ও সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে করা অভিযোগ তিনি প্রত্যাহার করছেন বলেও স্পষ্ট করে দেন।অভিনেতা আরও লেখেন, রেস্তরাঁর ভুল নিয়ে তাঁর সমস্যা ছিল, কিন্তু তাঁর প্রতিক্রিয়াও হয়তো ভুল ছিল। সে জন্য তিনি দুঃখিত। ভবিষ্যতে ভ্লগ বা ইনস্টাগ্রাম কনটেন্ট বানাতে গিয়ে এই ধরনের বিতর্কে জড়াতে চান না বলেও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন, তাঁর হিন্দু-মুসলিম কোনও সমস্যা নেই। তিনি কেবল নিজের কিছু ব্যক্তিগত আচার মেনে চলতে চান। তাঁর কনটেন্ট আগেও মানুষের মধ্যে ঐক্যের কথা বলেছে, ভবিষ্যতেও বলবে। পুরো ঘটনায় অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আবারও দুঃখপ্রকাশ করেন সায়ক।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

বাজেট ২০২৬–এ পশ্চিমবঙ্গের প্রাপ্তি: মেট্রোতে জোরালো বিনিয়োগ, গতি পাচ্ছে ফ্রেট করিডর

কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ পশ্চিমবঙ্গের পরিকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিল কেন্দ্র সরকার। বিশেষ করে কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলের মেট্রো রেল প্রকল্পে অতিরিক্ত বিনিয়োগ এবং রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্য সম্ভাবনাকে চাঙ্গা করতে ফ্রেট করিডর সম্প্রসারণে বরাদ্দএই দুই ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি হয়েছে রাজ্যের।মেট্রো রেলে গতি, শহুরে যাত্রায় স্বস্তির আশ্বাসবাজেটে কলকাতা মেট্রোর একাধিক চলমান ও প্রস্তাবিত প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নিউ গড়িয়াএয়ারপোর্ট মেট্রো, জোকাএসপ্ল্যানেড লাইন এবং ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো করিডরের কাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।কেন্দ্রের দাবি, এই বিনিয়োগের ফলে শহরের যানজট কমবে, যাত্রার সময় বাঁচবে এবং পরিবেশবান্ধব গণপরিবহণ আরও জনপ্রিয় হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মেট্রো নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হলে কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর ২৪ পরগনার যাত্রীদেরও সরাসরি উপকার হবে।কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ কলকাতা মেট্রো সম্প্রসারণে ফের বড়সড় বিনিয়োগের ঘোষণা করল কেন্দ্র সরকার। শহর ও শহরতলির গণপরিবহণকে আরও গতিশীল করতে অরেঞ্জ লাইন, পার্পল লাইন ও গ্রিন লাইনের জন্য মোট ২,১৪১.১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই বরাদ্দকে পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহৎ শহুরে পরিবহণ বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।অরেঞ্জ লাইন: বিমানবন্দরের সঙ্গে সরাসরি সংযোগে জোরনিউ গড়িয়ানেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংযোগকারী অরেঞ্জ লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৭০৫.৫০ কোটি টাকা। এই অর্থ মূলত ভায়াডাক্ট নির্মাণ, স্টেশন অবকাঠামো, সিগন্যালিং ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার কাজে ব্যবহার করা হবে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে দক্ষিণ কলকাতা ও সল্টলেক-নিউ টাউনের সঙ্গে বিমানবন্দরের যাত্রা অনেকটাই সহজ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।পার্পল লাইন: জোকাএসপ্ল্যানেডে শহর-উপশহর সেতুবন্ধনজোকাএসপ্ল্যানেড পার্পল লাইনের জন্য সর্বাধিক বরাদ্দ৯০৬.৬০ কোটি টাকা। এই লাইনের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিম কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্রথমবারের মতো মেট্রো নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হবে। বাজেট বরাদ্দের বড় অংশ যাবে এলিভেটেড স্টেশন নির্মাণ, রোলিং স্টক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে। কেন্দ্রের দাবি, এই লাইনের কাজ দ্রুত শেষ হলে শহরের দক্ষিণ প্রান্তের যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতে বড় স্বস্তি মিলবে।গ্রিন লাইন: পূর্ব-পশ্চিম মেট্রোতে গতি ফেরানোর চেষ্টাপূর্ব-পশ্চিম মেট্রো করিডর বা গ্রিন লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৫২৯.০০ কোটি টাকা। হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর-৫ পর্যন্ত এই লাইন কলকাতার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইস্ট-ওয়েস্ট করিডর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বরাদ্দের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ অংশের প্রযুক্তিগত কাজ, স্টেশন ফিনিশিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।শহুরে পরিবহণে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবপরিবহণ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তিনটি লাইনে বিনিয়োগ শুধু যাত্রী সুবিধা বাড়াবে না, বরং যানজট ও দূষণ কমাতেও বড় ভূমিকা নেবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শহরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনবে এই মেট্রো প্রকল্পগুলি।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬২৭-এ অরেঞ্জ, পার্পল ও গ্রিন লাইনের জন্য ঘোষিত বরাদ্দ কলকাতা মেট্রোকে নতুন মাত্রা দিতে চলেছে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।ফ্রেট করিডর: শিল্প ও বাণিজ্যের নতুন দিগন্তবাজেট ২০২৬-এ পূর্ব ভারতের শিল্প সম্ভাবনাকে সামনে রেখে ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর (EDFC)-এর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সংযোগ আরও শক্ত করার ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যের শিল্পাঞ্চল, বন্দর ও লজিস্টিক হাবগুলিকে এই করিডরের সঙ্গে যুক্ত করতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।বিশেষ করে হলদিয়া বন্দর, দুর্গাপুরআসানসোল শিল্পাঞ্চল এবং কলকাতা বন্দরের সঙ্গে দ্রুত মাল পরিবহণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পরিবহণ খরচ কমবে, শিল্পে বিনিয়োগ বাড়বে এবং রাজ্যে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক তাৎপর্যবিশ্লেষকদের মতে, এই বাজেট বরাদ্দ শুধু পরিকাঠামো উন্নয়ন নয়, বরং পূর্ব ভারতের প্রবৃদ্ধিতে পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় আনার ইঙ্গিতও দিচ্ছে। যদিও রাজ্য সরকার আরও বেশি বরাদ্দের দাবি তুলতে পারে, তবু মেট্রো ও ফ্রেট করিডরএই দুই ক্ষেত্রে ঘোষণাকে রাজ্যের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬এ পশ্চিমবঙ্গের জন্য মেট্রো রেল ও ফ্রেট করিডর সংক্রান্ত বিনিয়োগ রাজ্যের শহুরে জীবনযাত্রা ও শিল্প-বাণিজ্যে নতুন গতি আনতে পারে বলেই আশা।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির ফাঁকে কেন্দ্রের বাজেট: স্বস্তি সীমিত, হতাশা বিস্তৃত

রবিবার সংসদে ২০২৬২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। টানা নবমবার বাজেট বক্তৃতা করলেন তিনি। নরেন্দ্র মোদী তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটি তাঁর সরকারের তৃতীয় পূর্ণাঙ্গ বাজেট। তবে বাজেট বক্তৃতা শেষ হতেই স্পষ্টপ্রত্যাশার পাহাড়ের তুলনায় প্রাপ্তি অনেকটাই খর্ব।বাজেট পেশের আগেই ব্যয় বরাদ্দ ও করছাড় ঘিরে সাধারণ মানুষ থেকে শিল্পমহলসর্বত্র উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ সংসদে ভাষণ শুরু করেন অর্থমন্ত্রী। তার আগে প্রথামাফিক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। কিন্তু বাজেট ঘোষণার পর ক্রমশ স্পষ্ট হয়, বড় কোনও চমক নেই।বিশেষ করে রাজ্যভিত্তিক বরাদ্দের ক্ষেত্রে বাংলা কার্যত ব্রাত্য। পরিকাঠামো, শিল্প বা বিশেষ প্রকল্পকোনও ক্ষেত্রেই রাজ্যের জন্য উল্লেখযোগ্য ঘোষণা শোনা যায়নি। করদাতাদের ক্ষেত্রেও হতাশা চোখে পড়ার মতো। আয়কর কাঠামোয় তেমন কোনও বড় পরিবর্তন বা অতিরিক্ত ছাড় ঘোষণা হয়নি।তবে সম্পূর্ণ হতাশার ছবি নয়। কিছু পণ্যে শুল্ক কমানোর ফলে দৈনন্দিন জীবনে সীমিত হলেও স্বস্তি মিলতে পারে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, বিমানের যন্ত্রাংশে শুল্ক কমানো হবে। এর ফলে বিমান সংক্রান্ত খরচ কমার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে মাইক্রোওভেনের যন্ত্রাংশ-সহ বেশ কিছু বৈদ্যুতিন পণ্যের উপর শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে, যা বাজারদরে প্রভাব ফেলতে পারে।স্বাস্থ্যক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ঘোষণা হিসেবে ১৭টি ক্যানসারের ওষুধে আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। পাশাপাশি ডায়াবেটিসের কিছু ওষুধও সস্তা হতে চলেছে। এতে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা খরচ কিছুটা কমবে বলেই আশা।পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও শুল্কছাড়ের ঘোষণা করা হয়েছে। বৈদ্যুতিন গাড়ির ব্যাটারি এবং সৌরশক্তিচালিত প্যানেলের দাম কমতে পারে। মোবাইল ফোন তৈরির কাঁচামালের উপর শুল্ক কমানোয় দেশীয় স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট সস্তা হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।চামড়াশিল্পকে উৎসাহ দিতে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত আমদানির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকার উচ্চ শুল্কের চাপে থাকা চামড়া রফতানিকারকদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তির খবর। পাশাপাশি বিদেশে পড়াশোনা ও ভ্রমণের খরচ কমার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, স্বস্তির পাশাপাশি চাপও বাড়ছে কিছু ক্ষেত্রে। বিলাসবহুল ঘড়ি এবং বিদেশি মদের উপর কর বাড়ানো হয়েছে। ফলে এই সব পণ্যের দাম আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে। কফি রোস্টিং ও ব্রিউইং মেশিনে ছাড় তুলে নেওয়ায় সেগুলিও আরও ব্যয়বহুল হতে পারে। পাশাপাশি কিছু সার, আমদানিকৃত টেলিভিশন সরঞ্জাম, ক্যামেরা এবং চিত্রগ্রহণ সংক্রান্ত যন্ত্রাংশের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।বাজেট বক্তৃতাজুড়ে আত্মনির্ভর ভারত ও বিকশিত ভারত-এর কথা বারবার উঠে এসেছে। অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার এবং ভোক্তাদের স্বস্তি দেওয়ার দাবি করেছে কেন্দ্র। কিন্তু অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বাস্তবে এই বাজেটে এমন কোনও যুগান্তকারী ঘোষণা নেই, যা সাধারণ মানুষের জীবনে বড় পরিবর্তন আনবে।সব মিলিয়ে, ২০২৬২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট সীমিত স্বস্তি দিলেও বৃহত্তর প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থএই মূল্যায়নই এখন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal