• ১০ চৈত্র ১৪৩২, মঙ্গলবার ২৪ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Public Rally

রাজ্য

মা-মাটি-মানুষের স্লোগান তোলাবাজি-ভাইপোরাজে বদলে গিয়েছে, তোপ অমিত শাহর

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে মেদিনীপুরে কলেজ মাঠের সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন অমিত শাহ। শুভেন্দুকে দলে টেনে এদিন তিনি বলেন, বাংলায় যেভাবে রাজনৈতিক সংস্কৃতি বদলে যাচ্ছে, তাতে মনে হচ্ছে ভাইপো-কেন্দ্রিক রাজনীতি করছে তৃণমূল। অমিত শাহকে বলতে শোনা গেল, মমতার একসময়ের মা-মাটি-মানুষের স্লোগান এখন বদলে গিয়েছে তোলাবাজি-ভাইপোরাজে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন, মমতা ১০ কোটি বাঙালির কথা ভাবেন না, শুধু ভাবেন, কখন কীভাবে ভাইপোকে মুখ্যমন্ত্রী করব। যদিও বিজেপি তাতে ভয় পায় না। বাংলার মানুষও ভয় পাবে না। আরও পড়ুন ঃ এবার গেরুয়া শিবিরের পথে হলদিয়ার সিপিএম বিধায়ক তৃণমূল নেত্রীকে নিশানা করে অমিত বলেন, আজ রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী, প্রাক্তন সাংসদ-সহ এক ঝাঁক বিধায়ক ও নেতা বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। দিদি, ভোট আসতে আসতে তৃণমূলে আপনি শুধু একা থাকবেন। তিনি আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গে কোনও আইন-শৃঙ্খলা নেই। বিজেপির বাঙালি অবাঙালি সব কার্যকর্তাদের সম্মান করে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলছি, আপনাকে হারানোর কাজ বিজেপির বাঙালি কার্যকর্তারা করবেন। আর আপনাকে হারিয়ে যিনি মুখ্যমন্ত্রী হবেন, তিনিও এই মাটিরই মানুষ হবেন। অমিত শাহ বলেন, আপনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, কিন্তু উন্নয়ন হয়নি। দুর্নীতিমুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, কিন্তু আমফানের টাকা তৃণমূলের পকেটে। করোনাকালে কেন্দ্রের দেওয়া জিনিস পাননি গরিবরা। হাইকোর্ট পর্যন্ত সিএজি তদন্তের কথা বলেছে। শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। দিদি, আপনার লজ্জা হওয়া উচিত। আপনি নিজেও উন্নয়ন করেন না, মোদিজিকেও করতে দেন না। ভাবেন, তাহলে মোদিজি বেশি জনপ্রিয় হয়ে যাবে। কিন্তু আপনি জানেন না, মোদিজি এমনিতেই বাংলার মানুষের মনের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছেন। বাংলার কৃষকদের সমস্যার সমাধান, বেকারদের সমস্যার সমাধান নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপিই করবে।এবার আমাদের ৫ বছর সুযোগ দিন, বাংলাকে সোনার বাংলা করব। বাংলার মানুষের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, কমিউনিস্টকে ৩৪ বছর দিয়েছেন, মমতাকে ১০ বছর সময় দিয়েছেন। তিন দশক সুযোগ দিয়েছেন কংগ্রেসকেও। বাংলার মানুষকে আহ্বান করতে চাই, একবার বিজেপিকে সুযোগ দিন। তিনি এদিন জানান, একুশের বিধানসভা নির্বাচনে দুশোর বেশি আসনে জিতে বাংলায় ক্ষমতায় আসবে বিজেপি। তৃণমূলের শাসনকালে ৩০০-রও বেশি বিজেপি কর্মীর প্রাণ গিয়েছে। কিন্তু এভাবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় দলকে দমিয়ে রাখা সম্ভব হবে না। বরং তারা আরও জ্বলে উঠবে। অমিত শাহ বলেন, কান খুলে শুনে নিন দিদি, বিধানসভা ভোটে দুশোর বেশি আসন পেয়ে বিজেপি বাংলায় আসবে। যে সোনার বাংলার প্রতিশ্রুতি দিয়েও পূরণ করতে পারেনি তৃণমূল, বিজেপি সরকার তা করে দেখাবে। কৃষক থেকে শ্রমিক, সব সমস্যার সমাধান হবে। বাংলায় বন্ধ হবে হিংসা।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২০
রাজনীতি

বিজেপির পতাকা হাতে নিয়ে শুভেন্দুর শ্লোগান ‘তোলাবাজ ভাইপো হঠাও’

তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বকে নিজের মূল প্রতিপক্ষ বলে চিহ্নিত করে নাম না করেই গর্জে উঠলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। মেদিনীপুর কলেজ মাঠের মঞ্চ থেকে বিজেপি নেতার হুঙ্কার, তোলাবাজ ভাইপো হঠাও। সমস্তরকম জল্পনার অবসান ঘটিয়ে শনিবার শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যোগদান করেন। অমিত শাহ তাঁর হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে দলে বরণ করে নেন। অমিত শাহকে দাদা বলে সম্বোধন করে বললেন, আমার যখন কোভিড হয়েছিল, ২১ বছর ধরে যে দলে ছিলাম , সেই দলের কেউ খোঁজ নেননি। অমিতজি খোঁজ নিয়েছেন। তিনি বলেন, অর্জুন সিংহের বিরুদ্ধে ১০০টি মামলা হয়েছে। আপনাদের সকলকে আশ্বস্ত করছি, শুভেন্দু কারও উপর নজরদারি করবে না, মাতব্বরি করবে না। কর্মী হিসেবে কাজ করবে। পতাকা লাগাতে বললে, তাইই লাগাব। পার্টি যা নির্দেশ দেবে, সেটাই করব। আমি ছাত্র রাজনীতি করে এসেছি, সব কাজই গুরুত্বপূর্ণ কাজ বলে মনে করি। আমি সিঁড়ি দিয়ে উঠে এসেছি। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূলের দলটা ভিতর থেকে পচে গিয়েছে, খোলা চিঠি শুভেন্দুর তিনি আরও বলেন, আমায় মুকুল রায় বলেছিলেন, আত্মসম্মানবোধ থাকলে তৃণমূলে থাকবি না। তুই বিজেপিতে চলে আয়। তাঁর কথা রাখতে পেরেছি। আত্মসম্মান আছে বলেই তৃণমূল ছেড়েছি। আজ যিনি আমাকে পৃথিবীর সবথেকে বড় পার্টি পরিবারে প্রাথমিক সদস্য হিসাবে গ্রহণ করলেন আমার বড় ভাই অমিত শাহ। বললেন বিজেপি বহুত্ববাদে বিশ্বাস করে। দেশের শান অমিতজি। ২০১৯ সালে নির্বাচনে জেতার পর যশস্বী প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তা পূরণ করেছেন। ২০১৪ সালে নির্বাচনে দলকে উত্তরপ্রদেশে বিশাল জয় পাইয়ে দিয়েছিলেন। অশোক রোডে পুরনো পার্টি অফিসের ছোট্ট ঘরে দর্শন দেন তিনি। সুযোগ করে দিয়েছিলেন তৎকালীন রাজ্যের পর্যবেক্ষক সিদ্ধার্থনাথ সিং। ভাইয়ের মতো ভালবাসেন আমায়। শুভেন্দু বলেন, আজকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পার্টিতে যোগ দিলাম। জাতীয়তাবাদ, বহুত্ববাদ, দেশপ্রেমে বিশ্বাস করে এই দল। বসুধৈব কুটুম্বকম, সর্বজন হিতায় সর্বজন সুখায় আদর্শ মেনে চলে। পাশাপাশি তাঁর দিতে ওঠা অনেক অভিযোগের জবাব দিলেন কড়া ভাবে। বলেন, অনেকে আমাকে বিশ্বাসঘাতক বলছে! অনেকে বলছেন মায়ের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছি। আমার মা গায়ত্রী দেবী। আর দেশ আমার মা। আর কেউ আমার মা নয়। এবারও দ্বিতীয় হবেন মমতা, প্রথম হবে বিজেপিই। এবার বাংলায় বিজেপিরই সরকার হবে। মোদীর হাতে বাংলাকে না তুলে দিলে রাজ্যের সর্বনাশ হবে, এমন তোপ দাগেন শিশির পুত্র। তাঁর দাবি, মা বলতে হলে ভারতমাতাকে বলব, অন্য কাউকে নয়।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

আরামবাগের সভা থেকে তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দিলীপের, সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সরব শমীকও

বৃহস্পতিবার হুগলির আরামবাগে সভা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সভা থেকে তৃণমূলকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন, দুর্নীতিগ্রস্ত দলকে সরাতেই একুশের লড়াই। পঞ্চায়েত ভোটে অত্যাচারের জবাব মানুষ বিধানসভা ভোটে দেবে। এই কাটমানি আর সিন্ডিকেটের সরকার আর চলবে না। এছাড়াও বলেন, বাংলায় রোজ খুন-ধর্ষণ হচ্ছে। একমাত্র বাংলায় মহিলাদের উপর সবচেয়ে বেশি অত্যাচার হয়। তৃণমূলের ভাঙন প্রসঙ্গ টেনেও দিলীপবাবু বলেন, রাজ্যের এই অবস্থার জন্য তৃণমূল থেকে নেতারা পালাচ্ছেন। মানুষ কাটমানির হিসাব চাইছে তাই পালাচ্ছে। এমনকি বিজেপিতে যোগদানের ভয়ে তৃণমূল নেতাদের পুলিশ পাহারা দিচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ সাঁতরাগাছি পাখিরালয়ের পরিবেশ রক্ষা করতে একাধিক পরিকল্পনা রেলের অন্যদিকে আজ হেস্টিংসে বিজেপি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন শমীক ভট্টাচার্য। সেখানে নাড্ডার কনভয়ে হামলা থেকে পাহাড় প্রসঙ্গে মুখ খোলেন তিনি। বিজেপি নেতা বলেন, জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কোন তদন্ত ছাড়া পুলিশের ট্যুইটার হ্যান্ডেল থেকে ট্যুইট করেছিল তৃণমূল। রাজ্যে বাধাহীনভাবে রাজনৈতিক কর্মসূচী করার অবস্থা নেই। বর্তমান পরিস্থিতিতে রাজ্যে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্ভব না। শমীক আরও বলেন, ধর্ম ও জনগোষ্ঠীর নামে বিভাজন করতে চাইছে তৃণমূল। পাহাড় নিয়ে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে বিজেপি। দলের তরফ থেকে সর্বদলীয় বৈঠকে জানানো হয়েছিল কোন গোষ্ঠী বা জনজাতির নামে এই ধরনের পরিষদ গঠন করলে ভারতবর্ষের একতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আমরা পাহাড়ের উন্নয়ন চাই। পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে রেখেই পাহাড়ের আর্থ-সামাজিক অবস্থার বিকাশ চায় বিজেপি। আমরা পশ্চিমবঙ্গকে নতুন করে ভাগ করতে চাই না। পাশাপাশি গোর্খাল্যান্ড নিয়ে বিজেপির অবস্থান এদিন স্পষ্ট করেন তিনি। সাম্প্রতিক টেট পরীক্ষা-সহ ও নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। সেই প্রসঙ্গে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি এই বিজেপি নেতা। পুরভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজ্য সরকার মুখে নির্বাচন চাই বললেও এখনও অবস্থান স্পষ্ট করেনি। আমরা চাই, সব পুরভোট সঠিক সময়ে হোক। কিন্তু রাজ্য সরকার, প্রত্যেক বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ থাকার কারণে গণতান্ত্রিক পরিসরকে সংকুচিত করে দিয়েছে। একইভাবে পুরনিগম ও পুরসভায় রাজনৈতিক নেতাকে প্রশাসকের পদে বসিয়ে অগণতান্ত্রিক পদক্ষেপ নিয়েছে।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২০
রাজ্য

মোদী সরকার কোনও সংবিধান মানছে নাঃ মমতা

কৃষি বিলের বিরুদ্ধে মানুষকে এবার একজোট হওয়া প্রয়োজন। সভা থেকে একথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আমি নিজে ২৬ দিন ধর্মতলার মঞ্চে অনশন করেছিলাম। জমি রক্ষা করতে গিয়ে সেই সময় আমাদের উপর কি অত্যাচার করেছিল, তা আপনারা জানেন। আমাকে এমনভাবে মারা হয়েছিল, আমার বুকে রক্তক্ষরণ হয়েছিল। আমার পালস রেট ৪৪ এ নেমে গেছিল। আমাকে লাইফ সেভিংয়ে দেওয়ার জন্য চিকিৎসকরা রেডি হয়েছিলেন। রেলের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, রেলের অনেক কাজ করেছি আমি এখানে, সব কাজ করেছি। বিজেপি কি করেছে? একটাও কাজ করেনি। ঘেউ ঘেউ করে ঘুরে বেড়ায়। কি করেছে বাংলার জন্য। কৃষি আইন নিয়ে তিনি বলেন, আজ এমন আইন করেছে , এখন শীতকাল তাই আলু পাচ্ছেন। শীতকালে উৎপাদন হয়। গরমকালে ক্রাইসিস দেখা যাবে। আমার ক্রাইসিস হলে আমরা হাফ দামে দিতাম। কিন্তু নরেন্দ্র মোদির সরকার কোনও সংবিধান মানছে না। বিজেপি সরকার যা ইচ্ছে, তাই করছে। আর আইন দেখাচ্ছে। রাজীব গান্ধীর সরকার ৪০০ এমপি নিয়েও এই সাহস দেখাত না। আর ওদের ৩০০ এমপিও না। তবু এসব করে বেড়াচ্ছে। কখনও নোট বাতিল, কখনও এই বিক্রি, ওই বিক্রি। প্রতিদিন সকালে উঠছে আর এসব করে বেড়াচ্ছে। আর এস এস হিন্দু ধর্মের প্রবর্তক, আমি মানি না। মনে করি না। আরও পড়ুন ঃ নাড্ডা ডায়মন্ড হারবারে গাড্ডায় পড়েছেঃ অভিষেক তিনি আরও বলেন, এই নরেন্দ্র মোদির সরকার নিজেরা ভিডিও বানিয়ে মিডিয়াকে দিচ্ছে, আর মিডিয়া সেন্টার প্রতিবাদ করার সাহস দেখাতে পারছে না। ওদের দোষ না। ওদের মালিকগুলো সব বিক্রি হয়ে গেছে। আপনাদের কাছে তথ্য আছে, আর আমাদের কাছে নেই, এটা ভাববেন না। আমাদের কাছেও তথ্য আছে। শুধু ব্যক্তিগত আক্রমণ আমরা করি না।

ডিসেম্বর ১০, ২০২০
রাজ্য

স্রেফ মা দুর্গার কৃপায় সভায় পৌঁছতে পেরেছি , নাড্ডা

এ রাজ্যে জঙ্গলরাজ চলছে, আইনের শাসন বলে কিছু নেই। শুধু কাটমানি আর কাটমানি। বৃহস্পতিবার ডায়মন্ড হারবারে গিয়ে এমনই কথা বললেন বিজেপির সর্ভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। তিনি বলেন, মোদিজি অর্থ দিচ্ছেন আর কাটমানিতেই সব শেষ হয়ে যাচ্ছে। ডায়মন্ড হারবারে কার্যকর্তাদের বৈঠকে আসার পথে আমার কনভয় হামলা হয়েছে। মুকুল রায়, কৈলাস বিজয়বর্গীয়র উপরও আক্রমণ হয়েছে। দেখুন, তাঁরা জখম। এই আক্রমণের তীব্র ধিক্কার জানাচ্ছি। পুলিশ প্রশাসনেরও রাজনীতিকরণ হয়ে গিয়েছে, বোঝা যাচ্ছে। এরপর সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের নাম নিয়ে নাড্ডার হুঙ্কার, মমতাজির দিন শেষ। বর্বর সরকার উৎখাত হবেই। এখানে পদ্ম ফুটবে। মমতাজি, আপনি বিশ্রাম নিন। এবার বিজেপিকে বাংলার উন্নয়নে কাজ করতে দিন। তিনি আরও বলেন, আমরা আসার সময় যে দৃশ্য দেখলাম তাতে বোঝা যাচ্ছে, মমতাজির আমলে বাংলায় অরাজকতা ও অসহিষ্ণুতার শিখরে পৌঁছে গিয়েছে। আমার কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী না থাকলে কী অবস্থা হত কে জানে। এখানকার বিজেপি কর্মীদের কী অবস্থা তাও আন্দাজ করতে পারছি। মা দুর্গার কৃপায় ডায়মন্ড হারবারে পৌঁছেছি। তৃণমূলের ক্যাডাররা আটকানোর কোনও চেষ্টা বাদ দেয়নি। কিন্তু এই গুন্ডারাজের পতন অনিবার্য। আরও পড়ুন ঃ নাড্ডার কনভয়ে হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে এরপরই তিনি সরাসরি মমতাকে তোপ দেগে বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী ভাষায় কথা বলছেন! তুইতোকারি করে বিরোধীদের আক্রমণ করছেন, এটা কি বাংলার সংস্কৃতি! মমতার পরই নাম না করে ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন নাড্ডা। এই ডায়মন্ডহারবারের সাংসদকে পার্লামেন্টে দেখাই যায় না, বলে কটাক্ষ করেন তিনি। এছাড়াও সর্বভারতীয় সভাপতি বলেন, কৃষকদের পাওনা ৬ হাজার টাকা মমতাজি আটকে দিয়েছেন। বলেছেন, কৃষকদের নয় আমাকে দিয়ে দাও, কৃষকদের নয় আমাকে দাও। এদিকে, ডায়মন্ড হারবারের পথে কনভয়ে হামলার কথা নিজেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে জানিয়েছেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। আর সঙ্গে সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে রাজ্যের কাছে এ বিষয়ে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২০
রাজনীতি

কেউ আমার মতো কাজ করে দেখাক, পদত্যাগ করবঃ মমতা

রাজ্যের সাড়ে ৯ কোটি মানুষ সরকারের কোনও না কোনও প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। ১০ কোটি মানুষ স্বাস্থ্যসাথী কার্ড পাবেন। জীবন থেকে মৃত্যু প্রতিটি ক্ষেত্রে মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে সরকার। তাঁরপরেও কুৎসা ছড়াচ্ছে বিজেপি। কেউ আমার মতো কাজ করে দেখাক, পদত্যাগ করব। বনগাঁর জনসভা থেকে কিছুটা অভিমানী সুরে এমন কথাই জানালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর সভা চলাকালীন কয়েকজন মহিলা হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে নিজেদের দাবি জানাতে থাকেন। এই ঘটনায় কিছুটা ক্ষুব্ধ হন মুখ্যমন্ত্রী। পরে তিনি কিছুটা সামলে নিয়ে বলেন, এরকম ভাবে আমার দলীয় পাবলিক মিটিংয়ে দাবি জানাবেন না। কিছু বলার থাকলে দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে যান। আমাদের চিঠি দিন। সবটা করা সম্ভব নয়, যতটা পারি করে দেব। অন্যায় দাবি করবেন না। সরকারেরও কিছু লিমিটেশন আছে, নিয়ম মেনে চলতে হয়। এরকম ঘটনায় কিছুটা দুঃখই পেলাম। আরও পড়ুন ঃ দিলীপ ঘোষ একটা ফোর টোয়েন্টি, দালালঃ অনুব্রত এদিনের সভা থেকে কৃষকদের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে বলেন, মোদিবাবু গায়ের জোরে তিনটি কৃষি আইন করেছেন। কৃষকদের জমি কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। আগামী দিনে আলুর দাম ৬০টাকা কেজি, পেঁয়াজের দাম ১৮০ টাকা কেজি হয়ে যাবে। ডাল, আলুভাতও খাওয়া যাবে না। কিছু করার থাকবে না। কৃষকদের জিনিস কেড়ে বিজেপি চাইছে কর্পোরেটদের দিয়ে দিতে। মজুতদার, মুনাফাখোড়েদের সুবিধা করে দিতে। কৃষকরা ফসলের কত দাম পাবে তার কোনও গ্যারান্টি নেই। কৃষকদের অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। রাজ্যে ফের তৃণমূল সরকার আসবে এবং বিনামূল্যেই রেশন দেওয়া হবে সবাইকে বলেও এদিন জানিয়েছেন মমতা। মমতা এদিন বলেন, আমফানের পর হেলিকপ্টারে চড়ে নাটক করতে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। কোনও টাকা দেয়নি। আমাদের টাকাই এক হাজার কোটি অ্যাডভান্স দেওয়ার ঘোষণা করেছিলেন। আমাদের টাকাই আমাদের দিয়েছে।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
রাজ্য

মতুয়ারা সকলেই নাগরিক, ঘোষণা মমতার

ক্যা ক্যা বলে প্রতারণা করা হচ্ছে। এদের একবার সুযোগ দিলেই ঠাকুমার বাবা, ঠাকুরদাদার জন্ম তারিখ চাইবে। দিতে পারবেন? রাজ্য সরকার আপনাদের নাগরিক বলে দিয়েছে। বনগাঁর গোপালনগরের সভা থেকে কেন্দ্রকে পালটা জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আরও বলেন, রাজ্য সরকার উদ্বাস্তু কলোনিগুলিকে স্বীকৃতি দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দাঁড়িয়ে বলছি মতুয়ারা সকলে নাগরিক। রাজ্যে যারা থাকেন, তাঁরা সবাই এরাজ্যের বাসিন্দা। আপনাদের কোনও প্রমাণপত্রের প্রয়োজন নেই। এনআরসি, এনপিআর করতে দেব না। মতুয়াদের উন্নয়নের স্বার্থেও রাজ্য সরকার অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করছে বলেও জানান তিনি। উল্লেখ্য, এর আগেই ১০ কোটি টাকা মতুয়াদের উন্নয়নের স্বার্থে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আপনারা কমিটি তৈরি করলেই কাজ শুরু হবে। মমতা বলেন, ৩০ বছর ধরে বড়মার চিকিৎসা করিয়েছেন। মতুয়া মন পেতে এদিন মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেচ্ছেন হরিচাঁদ ঠাকুর, গুরুচাঁদ ঠাকুরের জীবনী স্কুল পাঠ্যের অন্তর্ভুক্ত হবে। গুরুচাঁদ-হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মতিথিতে ছুটি ঘোষণা করবে রাজ্য সরকার। এদিনের সভা থেকে একথাও তিনি ঘোষণা করেন। মমতা এদিন বলেন, রাজ্যে কে থাকবে তা রাজ্য ঠিক করবে। এটা রাজ্যের বিষয়। বিজেপি বাংলা থেকে বাঙ্গালীদের তাড়িয়ে গুজরাত বানাতে চাইছে। কিন্তু বহিরাগত গুন্ডা নয় বাংলায় বাংলার বাসিন্দারাই থাকবেন। বাইরে থেকে আরএসএসের গুণ্ডাদের নিয়ে আসছে বিজেপি। নজর রাখতে হবে। সিপিএম এর হার্মাদ, বিজেপির ওস্তাদ। আরও পড়ুন ঃ কৈলাস-দিলীপের নামে এফআইআর শিলিগুড়ি পুলিশের দলনেত্রী আরও বলেন, আমরা কথা দিলে কথা রাখি। আমরা বিজেপি পার্টি নয় যে ভোটের সময় কথা দিয়ে পালিয়ে যাব। বাইরে থেকে আরএসএস নিয়ে এসেছে। তারা মতুয়াদের ধর্ম সম্পর্কে শেখাচ্ছে। হিন্দু ধর্ম কী তা স্বামী বিবেকানন্দের থেকে শিখব। তোমরা কোন হরিদাস? পাড়ায় পাড়ায় বহিরাগত দেখলে এফআইআর করবেন। না নিলে আমাদের কার্যালয়ে জানাবেন।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
রাজনীতি

বিজেপিতে যোগ দেওয়ার অফার আছে আমার কাছেওঃ উদয়ন

এবার দলের কয়েকজন নেতা- কর্মীর ভূমিকা নিয়ে সরব হলেন দিনহাটার তৃণমূল বিধায়ক উদয়ন গুহ। রবিবার দিনহাটায় দলের এক সভায় তিনি দাবি করেন, পদ্মশিবির যোগের অফার রয়েছে তাঁর কাছেও। তিনি বলেন, আমি তৃণমূলের আদর্শ দেখে দলে আসিনি। আমি এসেছি একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখে। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখে। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনওদিন বিজেপিতে গেলে আমিও যাব, নাহলে নয়। এদিনের সভায় দলবদল প্রসঙ্গে আলোচনা করতে গিয়ে দলের নেতা-কর্মীদের নিশানা করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ অম্বেডকর নয়, রাজ্যজুড়ে চলছে ভাইপোর সংবিধানঃ কৈলাস বলেন, তৃণমূলের লোকেরাই দলের ক্ষতি করছেন। তাঁদের একাংশের উপর ক্ষোভ থেকেই দলত্যাগের ঘটনা ঘটছে। যদিও এই দলবদল কোচবিহার তৃণমূলে অন্তত প্রভাব ফেলতে পারবে না বলেই দাবি বিধায়কের। তাঁর কথায়, দল ছেড়ে যে-ই যাক না কেন, যেখানেই যাক না কেন, কোচবিহারে তৃণমূলের কেউ ক্ষতি করতে পারবে না। তাঁর কথায়, দলত্যাগে নয়, দলে থেকেই দলের ক্ষতি করার সুযোগ বেশি! এদিনের সভায় কারা অনুপস্থিত তাঁদের চিহ্নিত করার কথাও বলেন তিনি। সরাসরি স্থানীয় তৃণমূল নেতত্বকে আক্রমণ করে বলেন, গত ১০দিন কলকাতায় ছিলাম, এখানে তৃণমূল কর্মীরা রটিয়েছে উদয়ন গুহ বিজেপিতে যেতে পারে। এমনও হতে পারে, উদয়ন গুহ টিকিট পাবে না, তাঁকে কোচবিহার দক্ষিণে দিতে পারে, তাই ধরাধরি করতে গিয়েছে, টাকাপয়সা দিতে গিয়েছে, যাতে দিনহাটায় পেতে পারে।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২০

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ভোটের আগে বড় চমক? ভবানীপুর কেন্দ্রে প্রচার করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলায় ভোট প্রচারের শেষ কর্মসূচি নিয়ে কিছুটা আভাস মিললেও প্রথম কর্মসূচি এখনও স্পষ্ট নয়। এই নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে। বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব চাইছে, আগামী ছাব্বিশ মার্চ থেকেই বাংলায় প্রচার শুরু করুন প্রধানমন্ত্রী। তবে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি।এদিকে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে, এপ্রিলের শুরুতেই উত্তরবঙ্গে আসতে পারেন নরেন্দ্র মোদী। বিশেষ করে শিলিগুড়িতে তাঁর একটি রোড শো হওয়ার সম্ভাবনার কথাও শোনা যাচ্ছে। যদিও এই কর্মসূচি নিয়েও এখনও নিশ্চিত কিছু জানা যায়নি।ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক আবহ ক্রমশ গরম হচ্ছে। কবে, কোথা থেকে প্রচার শুরু হবে, তা জানতে আগ্রহ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যেও। সব মিলিয়ে মোদীর বাংলায় আগমন ঘিরে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে।

মার্চ ২৩, ২০২৬
রাজ্য

আজই বেরোচ্ছে সাপ্লিমেন্টরি তালিকা! আপনার নাম আছে তো? নাহলে বিপদ

আজ প্রকাশিত হতে চলেছে ভোটার তালিকার প্রথম সম্পূরক তালিকা। এই তালিকায় প্রায় আটাশ লক্ষ ভোটারের নাম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে (Supplementary List)। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে, এখনও বিবেচনাধীন তালিকায় রয়েছে ষাট লক্ষেরও বেশি নাম। রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রায় আটাশ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি করা হয়েছে। ফলে এখনও প্রায় বত্রিশ লক্ষ নাম বাকি রয়েছে (Supplementary List)।কমিশন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, মোট নামের প্রায় চল্লিশ শতাংশ বাদ দেওয়া হতে পারে। সেই হিসেবে প্রথম সম্পূরক তালিকাতেই প্রায় দশ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা রয়েছে (Supplementary List)। এই তালিকা আজ বিকেলের মধ্যেই প্রকাশ করা হবে।এই তালিকায় দুটি ভাগ থাকবে। একটি অংশে থাকবে নতুন করে যুক্ত হওয়া ভোটারদের নাম, অন্য অংশে থাকবে যাদের নাম বাদ গিয়েছে তাদের তালিকা। ফলে একই তালিকার মধ্যেই সংযোজন এবং বিয়োজনদুই ধরনের তথ্য পাওয়া যাবে (Supplementary List)।সাধারণ মানুষ অনলাইন এবং অফলাইন দুইভাবেই এই তালিকা দেখতে পারবেন। অনলাইনে নির্বাচন কমিশনের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজের নাম খোঁজা যাবে। সেখানে রাজ্য এবং বছর নির্বাচন করে সম্পূরক তালিকার অপশনে গিয়ে পরিচয়পত্র নম্বর দিয়ে নাম খুঁজতে হবে। এছাড়া রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের ওয়েবসাইট এবং মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমেও এই তথ্য পাওয়া যাবে (Supplementary List)।অফলাইনে তালিকা দেখতে চাইলে জেলাশাসকের দফতর, উপযুক্ত প্রশাসনিক অফিস অথবা স্থানীয় বুথে গিয়ে তা দেখা যাবে। প্রতিটি বুথেই তালিকা টাঙিয়ে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।যদি কারও নাম বাদ পড়ে, তাহলে তা তালিকার বিয়োজন অংশে দেখা যাবে। নাম বাদ গেলে নির্দিষ্ট ট্রাইবুনালে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত বিচারকদের নিয়ে গঠিত একাধিক ট্রাইবুনালে এই বিষয়ে আবেদন জানানো যাবে।এই তালিকা প্রকাশকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের মধ্যে আগ্রহ ও উদ্বেগ দুইই বাড়ছে। কারণ ভোটার তালিকায় নাম থাকা বা না থাকা সরাসরি ভোটাধিকারকে প্রভাবিত করে।

মার্চ ২৩, ২০২৬
দেশ

১৪.২ কেজির এলপিজিতে ভর্তি গ্যাস নাও দেওয়া হতে পারে! সঙ্কটে নতুন করে ভাবছে কেন্দ্র

হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলের ট্যাঙ্কার ভারতে পৌঁছাতে শুরু করলেও এলপিজি সঙ্কট পুরোপুরি কাটেনি। এই পরিস্থিতিতে গ্যাসের সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করতে নতুন পরিকল্পনা নিতে পারে দেশের তেল বিপণন সংস্থাগুলি। সূত্রের খবর, গৃহস্থালির ব্যবহারের জন্য যে ১৪.২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার দেওয়া হয়, তাতে পূর্ণ পরিমাণ গ্যাস দেওয়া নাও হতে পারে।জানা যাচ্ছে, ভবিষ্যতে একটি সিলিন্ডারে প্রায় দশ কেজি গ্যাস ভরে দেওয়া হতে পারে। এর ফলে কম গ্যাস দিয়ে বেশি সংখ্যক গ্রাহকের মধ্যে বণ্টন করা সম্ভব হবে। সীমিত মজুতের কারণে যাতে সবাই গ্যাস পায়, সেই লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপের কথা ভাবা হচ্ছে।ইরান, আমেরিকা এবং ইজরায়েলের সংঘাত শুরু হওয়ার পর হরমুজ প্রণালীতে সমস্যা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে ভারতে গ্যাস সরবরাহেও। দেশের মোট চাহিদার একটি বড় অংশ বিদেশ থেকে আসে। ফলে সরবরাহে সামান্য বাধা এলেই সঙ্কট তৈরি হচ্ছে।গত সপ্তাহে কয়েকটি জাহাজ হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে ভারতে পৌঁছেছে। বর্তমানে যে পরিমাণ গ্যাস মজুত রয়েছে, তা দিয়ে কিছুদিন চাহিদা মেটানো সম্ভব। তবে নতুন করে কবে গ্যাস আসবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। অনেক জাহাজ এখনও পারস্য উপসাগরে অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে।ভারতে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ এলপিজি ব্যবহার হয়। সাধারণত একটি পূর্ণ সিলিন্ডার এক মাসেরও বেশি সময় চলে যায়। কিন্তু যদি গ্যাসের পরিমাণ কমিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা কম দিন চলবে। যদিও এতে সবার মধ্যে গ্যাস বণ্টন সহজ হবে।এছাড়া যদি সিলিন্ডারে গ্যাসের পরিমাণ কমানো হয়, তাহলে তার দামও সেই অনুযায়ী কমানো হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। এই নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে তার প্রভাব পড়তে পারে।

মার্চ ২৩, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের ধাক্কা! এক লহমায় ধসে পড়ল শেয়ার বাজার, উধাও লক্ষ কোটি টাকা

যুদ্ধের উত্তেজনার সরাসরি প্রভাব পড়ল শেয়ার বাজারে। ইরান, ইজরায়েল এবং আমেরিকার সংঘাতের জেরে তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে। সেই সঙ্গে অনিশ্চয়তার ছায়া নেমে এসেছে শেয়ার বাজারেও। সপ্তাহের প্রথম দিনেই বাজার খুলতেই বড় ধস নামল।সোমবার সকালে বাজার খোলার কিছুক্ষণের মধ্যেই দ্রুত নেমে যায় সেনসেক্স। সকাল প্রায় সাড়ে নটার সময় সূচক নেমে দাঁড়ায় প্রায় তেহাত্তর হাজারের সামান্য উপরে। এক ধাক্কায় প্রায় দেড় হাজার পয়েন্ট পড়ে যায়। একই সময়ে নিফটিও চারশোর বেশি পয়েন্ট হারিয়ে বাইশ হাজার সাতশোর কাছাকাছি নেমে আসে।এই ধসের মধ্যে খুব কম সংখ্যক সংস্থাই লাভের মুখ দেখেছে। তেলের সঙ্গে যুক্ত একটি সংস্থার শেয়ারের দাম কিছুটা বেড়েছে। অন্যদিকে বড় বড় ব্যাঙ্কের শেয়ারে পতন দেখা গিয়েছে। তথ্য প্রযুক্তি ক্ষেত্রেও চাপ স্পষ্ট, একাধিক সংস্থার শেয়ারের দাম কমেছে।অটোমোবাইল এবং ভোক্তা পণ্যের সংস্থাগুলিও এই ধাক্কা থেকে বাঁচতে পারেনি। একাধিক বড় সংস্থার শেয়ারের দাম কমেছে। নির্মাণ এবং পরিকাঠামো ক্ষেত্রের সংস্থাগুলির শেয়ারেও পতন দেখা গিয়েছে।এই পতনের জেরে বাজার থেকে এক ধাক্কায় বিপুল অর্থ উধাও হয়ে গিয়েছে। কয়েক লক্ষ কোটি টাকার সমপরিমাণ মূল্য কমে গিয়েছে বলে হিসাব মিলছে। কয়েক দিন আগেও যে বাজার মূলধন ছিল অনেক বেশি, তা আজ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।শুধু ভারতেই নয়, আন্তর্জাতিক বাজারেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার শেয়ার বাজারেও বড় পতন হয়েছে। বিশ্ব জুড়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।শেয়ার বাজারের পাশাপাশি সোনার দামেও বড় পতন হয়েছে। গত কয়েক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তরে নেমে এসেছে দাম। রুপোর দামও কমেছে। তবে বিপরীত চিত্র দেখা যাচ্ছে তেলের ক্ষেত্রে। তেলের দাম ক্রমাগত বেড়েই চলেছে এবং এক মাসের মধ্যে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্ব অর্থনীতির উপর তার গভীর প্রভাব পড়তে পারে। এমনকি অতীতের বড় তেল সঙ্কটের থেকেও এই পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মার্চ ২৩, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজে চমক! জাহাজ ছাড়তে কোটি কোটি টাকা নিচ্ছে ইরান?

যুদ্ধের পরিস্থিতির মধ্যেই হরমুজ প্রণালী কার্যত নিয়ন্ত্রণে রেখে বিশ্বকে চাপে রাখছে ইরান। তবে এই কড়াকড়ির মধ্যেও কিছু নির্দিষ্ট দেশের জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। কিন্তু সেই অনুমতির বিনিময়ে মোটা অঙ্কের অর্থ নেওয়া হচ্ছে বলেই দাবি উঠেছে।সূত্রের খবর, প্রতিটি জাহাজকে হরমুজ প্রণালী পার হতে প্রায় দুই মিলিয়ন মার্কিন ডলার দিতে হচ্ছে ইরানকে। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় উনিশ কোটি টাকা। এই অর্থকে যুদ্ধ খরচের অংশ হিসেবেই দেখছে তেহরান।একটি বিদেশি সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ইরানের জাতীয় সুরক্ষা কমিটির সদস্য আলাদিন বোরোজের্দির বক্তব্য উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর দাবি, যুদ্ধের বিপুল খরচ সামলাতে হরমুজ দিয়ে যাওয়া জাহাজগুলির কাছ থেকে এই অর্থ নেওয়া হচ্ছে। তাঁর মতে, এর মাধ্যমেই বোঝা যায় এই গুরুত্বপূর্ণ প্রণালীর উপর ইরানের কতটা নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে ইরান, আমেরিকা এবং ইজরায়েলের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়েছে। ইরানের নেতৃত্ব স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, হরমুজ প্রণালী নিয়ন্ত্রণ করে তারা বিশ্ব অর্থনীতির উপর চাপ বজায় রাখবে। কারণ এই পথ দিয়েই বিশ্বের বড় অংশের তেল ও গ্যাস সরবরাহ হয়।তবে এই উত্তেজনার মধ্যেও ভারতকে কিছুটা ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই কয়েকটি জাহাজ হরমুজ পেরিয়ে ভারতে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক মহলের মতে, এটি ভারতের কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবেই দেখা হচ্ছে।কিন্তু এই ছাড়ের পেছনে আর্থিক লেনদেন রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর জানিয়েছেন, ঐতিহাসিক সম্পর্কের ভিত্তিতেই ইরানের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং কোনও অর্থ দেওয়া হয়নি। তবুও ইরানের নেতার মন্তব্যের পর নতুন করে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের উপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা থাকায় এই ধরনের অর্থ লেনদেন ভবিষ্যতে আরও জটিল পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। ফলে ভারতীয় জাহাজ চলাচল নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে।

মার্চ ২৩, ২০২৬
বিদেশ

রানওয়েতে দমকল গাড়ির সঙ্গে যাত্রীবাহী বিমানের সংঘর্ষে চাঞ্চল্য! মৃত্যু দুই পাইলটের

নিউ ইয়র্কের একটি ব্যস্ত বিমানবন্দরে বড়সড় দুর্ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। খারাপ আবহাওয়ার মধ্যে গেটের দিকে এগোচ্ছিল একটি যাত্রীবাহী বিমান। সেই সময় রানওয়েতে একটি দমকল গাড়ির সঙ্গে তার সংঘর্ষ হয়। এই ঘটনায় পাইলট এবং সহকারী পাইলট গুরুতর আহত হন এবং পরে তাঁদের মৃত্যু হয়। দমকল গাড়িতে থাকা দুই পুলিশ কর্মীও আহত হয়েছেন, তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং বর্তমানে তাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গেছে।জানা গেছে, মন্ট্রিয়াল থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী বিমান ধীরে ধীরে এগোচ্ছিল। সেই সময় প্রায় চল্লিশ কিলোমিটার গতিতে সেটি দমকল গাড়িতে ধাক্কা মারে। দুর্ঘটনার ঠিক আগে বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে বারবার সতর্কবার্তা দেওয়া হচ্ছিল বলে জানা গেছে। তবুও শেষ পর্যন্ত সংঘর্ষ এড়ানো যায়নি।এই দুর্ঘটনার পরই বিমানবন্দরে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। কিছু সময়ের জন্য সমস্ত বিমান ওঠানামা বন্ধ রাখা হয়। পরে আগত এবং প্রস্থানের সব বিমান অন্যত্র ঘুরিয়ে দেওয়া হয় বা আগের জায়গায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়। বিমানবন্দরের ওয়েবসাইটেও এই পরিবর্তনের কথা জানানো হয়।দুর্ঘটনার সময় বিমানে প্রায় একশো জন যাত্রী ছিলেন। তাঁদের শারীরিক অবস্থার পরীক্ষা করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে জরুরি পরিষেবার কর্মীরা পৌঁছে যান। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে বিমানের সামনের অংশে ক্ষতির চিহ্ন দেখা গিয়েছে।এরই মধ্যে জানা যাচ্ছে, এই বিমানবন্দরে আগে থেকেই ভিড় এবং নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়েছিল। কর্মীসংকটের কারণে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছিল। অনেক কর্মী কাজ বন্ধ রেখেছিলেন এবং যারা কাজ করছিলেন, তাঁদেরও বেতন সংক্রান্ত সমস্যা ছিল।এই পরিস্থিতির পেছনে কেন্দ্রীয় স্তরে অর্থ বরাদ্দ নিয়ে জটিলতা দায়ী বলে জানা গেছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার দায়িত্বে থাকা সংস্থার কাজেও তার প্রভাব পড়েছে। ফলে বিমানবন্দরের পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে সমস্যা দেখা দেয়।এই ঘটনার পর পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত কর্মী মোতায়েনের কথা জানানো হয়েছে। তবে পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে এখনও কিছুটা সময় লাগবে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২৩, ২০২৬
কলকাতা

আবার মৃত্যু, আবার অভিযোগ! আর জি করে স্ট্রেচার না পেয়ে রোগীর প্রাণ গেল?

ফের বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এল আর জি কর হাসপাতাল। কয়েক দিন আগেই লিফটে আটকে এক ব্যক্তির মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও নতুন অভিযোগ সামনে এল। এবার স্ট্রেচার না পাওয়ায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ তুলেছেন পরিবারের সদস্যরা। মৃতের নাম বিশ্বজিৎ সামন্ত। হাসপাতালের অব্যবস্থার কারণেই এই মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি পরিবারের। মাত্র বাহাত্তর ঘণ্টার মধ্যে এই নিয়ে দুজনের মৃত্যুর ঘটনায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে হাসপাতালের পরিষেবা নিয়ে।নিমতার বাসিন্দা বিশ্বজিৎ সামন্ত বুকে ব্যথা নিয়ে ভোর রাতে হাসপাতালে ভর্তি হন। পরিবারের দাবি, ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসা শুরু হয়েছিল। কিছুক্ষণ পরে তিনি শৌচালয়ে যেতে চান। তখন তাঁকে জানানো হয়, কাছাকাছি শৌচালয় নেই, প্রায় একশো মিটার দূরে যেতে হবে। পরিবারের অভিযোগ, সেই সময় তাঁরা স্ট্রেচার চেয়েও পাননি। বাধ্য হয়ে অসুস্থ অবস্থাতেই হেঁটে যেতে হয় তাঁকে।পরিবারের দাবি, শুধু হেঁটে যাওয়াই নয়, শৌচালয়ে পৌঁছতে গিয়ে তাঁকে সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠতেও হয়। কিন্তু শৌচালয়ে পৌঁছনোর আগেই তিনি অচৈতন্য হয়ে পড়েন। পরে তাঁকে দ্রুত জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরিবারের অভিযোগ, বারবার অনুরোধ করলেও হাসপাতালের কেউ তাঁদের সাহায্য করেনি।এই ঘটনার পর হাসপাতাল চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, গুরুতর অসুস্থ অবস্থায়ও স্ট্রেচার দেওয়া হয়নি বলেই এই মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালের অব্যবস্থাকেই দায়ী করছেন তাঁরা।এই ঘটনাকে ঘিরে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা। কেন গুরুতর অসুস্থ একজন রোগীকে এত দূরের শৌচালয়ে যেতে বলা হল, কেন তাঁকে হেঁটে যেতে বাধ্য করা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও শুরু হয়েছে। বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন, রাজ্যের হাসপাতালগুলির অবস্থা অত্যন্ত খারাপ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে। তিনি সরকারের ভূমিকাও নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

মার্চ ২৩, ২০২৬
কলকাতা

এবার লোডশেডিং হয়ে যেতে পারে ভবানীপুরে! কর্মিসভা থেকে বিস্ফোরক বার্তা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

গত পাঁচ বছর ধরে রাজ্যে রাজনৈতিক টানাপোড়েন চলছেই। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই ভবানীপুরে দলের কর্মিসভায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়ালেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। রবিবার কর্মীদের উদ্দেশে তিনি সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, ভোট মিটে গেলেই যেন কেউ বাড়ি না চলে যান, কারণ লোডশেডিং করে দেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে তিনি জানান, স্ট্রং রুমের ওপরেও কড়া নজর রাখতে হবে (Mamata Banerjee)।আসন্ন নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্রকে ঘিরে বিশেষ গুরুত্ব তৈরি হয়েছে। একুশ সালের মতোই এবারও এই কেন্দ্রে মুখোমুখি হচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)এবং বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। এর আগে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে তাঁদের মধ্যে সরাসরি লড়াই হয়েছিল। সেই নির্বাচনে অল্প ব্যবধানে মমতাকে হারিয়েছিলেন শুভেন্দু। পরে সেই ফল নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন মমতা এবং লোডশেডিংয়ের অভিযোগও তোলেন।পাঁচ বছর পর আবারও ভবানীপুরে এই দুই নেতার লড়াই ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। এদিন কর্মিসভায় তৃণমূলের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কর্মীদের বলেন, অন্তত ষাট হাজার ভোটে জেতাতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি সবাইকে আত্মতুষ্টি থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন (Mamata Banerjee)।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এদিন আরও বলেন, ভোটগ্রহণ শেষ হলেও সতর্ক থাকতে হবে। তাঁর কথায়, যেকোনও পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে এবং স্ট্রং রুমে নজর রাখা জরুরি। কেন্দ্র এবং বিজেপিকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, তারা সাধারণ মানুষের জন্য গ্যাস দিতে পারে না, কিন্তু নির্বাচনের সময় টাকা বিলি করে। এছাড়া যদি ভোটার তালিকা থেকে কারও নাম বাদ যায়, তবে তৃণমূল আইনি সাহায্য করবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।ভোট শেষ হওয়ার পরেই তৃণমূলের পরবর্তী লক্ষ্য হবে দিল্লি অভিযান, ভবানীপুরের কর্মিসভা থেকেই সেই ইঙ্গিত স্পষ্ট করে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মার্চ ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal