• ১৫ চৈত্র ১৪৩২, রবিবার ২৯ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Police

রাজ্য

বোমা বন্দুক বেআইনি ভাবে মজুতের ক্ষেত্রে বীরভূমের কেষ্টর গড়ের থেকে খুব একটা পিছিয়ে নেই পূর্ব বর্ধমান

মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর ৮ দিনে পূর্ব বর্ধমানে উদ্ধার ৩৬৮টি বোমা ও ৪১টি আগ্নেআস্ত্র , বোমা গুলি ও আগ্নেআস্ত্র উদ্ধারের সংখ্যার বিচারে বীরভূমের থেকে খুব একটা পিছিয়ে নেই প্রতিবেশী পূর্ব বর্ধমান জেলাও। বগটুই কাণ্ডের পর মুখ্যমন্ত্রী বোমা গুলি ও অস্ত্রসস্ত্র উদ্ধারের জন্য পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। তার পর থেকে বীরভূম জেলা পুলিশ যেমন অভিযানে নামে তেমনই অভিযানে নামে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশও।মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর বীরভূম জেলা পুলিশ অভিযানে নেমে চারদিনে উদ্ধার হয় ৪০০-র বেশী বোমা ও ৩০ কেজির বেশী বোমা তৈরীর মশলা। আর পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ৮ দিনে অর্থাৎ ৩১ মার্চ পর্যন্ত উদ্ধার করেছে ৩৬৮টি বোমা ও ৩ কেজি বোমা তৈরির মশলা। এছাড়াও উদ্ধার হয়েছে ৪১ টি আগ্নেআস্ত্র ও ৭৭ টি গুলি।বেআইনি ভাবে অস্ত্রসস্ত্র মজুতের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছে ৪৫ জন্য দুস্কৃতি। এই তথ্য সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে।শুরু হয়ে গিয়েছে শাসক ও বিরোধীদের তর্জা।মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষানার দিন রাতেই আগ্নেআস্ত্র সহ দুই দুস্কৃতিকে গ্রেপ্তার করে বর্ধমান থানার পুলিশ। এর পর থেকেই জেলার বিভিন্ন থানা এলাকা থেকে বোমা, গুলি ও আগ্নেআস্ত্র উদ্ধার হয়েই চলে। অস্ত্রসস্ত্র উদ্ধারে বড়সড় সাফল্য পায় কাটোয়া থানার পুলিশ। তারা এক রাতের অভিযানে তিন দুস্কৃতিকে গ্রেপ্তার করার পাশাপাশি ৪ টি বন্দুক,২৪ রাউণ্ড বন্দুকের গুলি ,১ টি পিস্তল ও ২ রাউণ্ড পিস্তলের গুলি ও ১৬ টি সকেট বোমা উদ্ধার করে ।ভাতার,দেওয়ানদিঘী ও গলসি থানার পুলিশও ভরি সংখ্যায় বোমা উদ্ধার করে। এইসব থানা গুলি বোমা ও বন্দুক উদ্ধারে সফল হলেও জেলার জামালপুর, মাধবডিহি ও শক্তিগড় থানার পুলিশ তেমন কোন সফলতা দেখাতে পারে নি।তবে কালনা মহকুমার একাধীক থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে বেশকিছু আগ্নেআস্ত্র, বোমা, গুলি উদ্ধার করেছে। কালনা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক (এসডিপিও) সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন, ২৯ ও ৩০ মার্চ, এই দুদিন অভিযান চালিয়ে কালনা ,নাদনঘাট ও মন্তেশ্বর থানার পুলিশ ৬ টি আগ্নেআস্ত্র ও বেশ কয়েকটি গুলি উদ্ধার করেছে। বেআইনি ভাবে আগ্নেআস্ত্র মজুতের অভিযোগে ৫ জন গ্রেপ্তার হয়েছে বলে এসডিপিও জানিয়েছেন।জেলা তৃণমূলের নেতৃত্ব এই বিষয়টিকে পুলিশের সাফল্য বলে দাবী করলেও কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধীরা। বিজেপি নেতা কল্লোল নন্দন এদিন বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বলার পরেই পুলিশ একেবারে ম্যাজিকের মত বোমা, গুলি,আগ্নেআস্ত্র উদ্ধার করে ফেললো। তাহলে এতদিন পুলিশ কি কারণে হেলদোল দেখাইনি সেটা ভেবেই তাঁদের আশ্চর্য্য লাগছে। তবুও এটা প্রকাশ্যে এল যে বোমা বন্দুক বেআইনি ভাবে মজুতের ক্ষেত্রে বীরভূমের কেষ্টর গড়ের থেকে খুব একটা পিছিয়ে নেই পূর্ব বর্ধমান।

এপ্রিল ০১, ২০২২
রাজ্য

ভাদু খুনে গ্রেপ্তার আরও তিন, মিহিলালকে ফের জেরা সিবিআই-এর

বগটুই-কাণ্ডে আরও তিন জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। রামপুরহাটের বড়শাল গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ভাদু শেখ খুনে বুধবার এ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভাদু খুনের পর অভিযুক্তেরা এলাকা ছেড়ে চম্পট দিয়েছিল। ধৃতদের ১০ দিনের পুলিশি হেপাজত দিয়েছেন রামপুরহাট আদালতের বিচারক। ধৃত তিন জনের মধ্যে সঞ্জু এবং শেরার নাম রয়েছে এফআইআরে। রাজা নামে এক জনকে সন্দেহের বশে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।অন্য দিকে, নিহত ভাদুর বাড়িতে বুধবার সিবিআইয়ের একটি দল পৌঁছয়। ভাদুর প্রতিবেশীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি নলহাটি থানার এক পুলিশ আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদ করবে।বুধবার সিবিআই আধিকারিকরা আবারও এক বার জিজ্ঞাসাবাদ করেন বগটুইয়ের বাসিন্দা মিহিলাল শেখকে। পাশাপাশি রামপুরহাট থানার এএসআই সত্যেন্দ্রনাথ সাহাকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়। বুধবার সাঁইথিয়ার বাতাসপুর থেকে বগটুইয়ের পার্শ্ববর্তী গ্রাম কুমারড্ডায় রওনা দিয়েছেন মিহিলাল। তাঁর কথায়, বগটুই গ্রামে আপাতত কোনও আতঙ্ক নেই। কিন্তু ভবিষ্যতে কী হবে জানি না। আপাতত বগটুইয়ের পাশের গ্রাম কুমারড্ডায় আত্মীয়ের বাড়িতে থাকব। মেয়ে মারা গিয়েছে। ছেলে ইব্রাহিমকে মানুষ করতে চাই। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। বাড়ি ঘরদোর ঠিক হলে তার পর বগটুইতে ফিরব।

মার্চ ৩০, ২০২২
রাজ্য

বিদ্যুৎ চুরিতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে গিয়ে কাটোয়ায় আক্রান্ত পুলিশ

বিদ্যুৎ চুরিতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে গিয়ে আক্রান্ত হল পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়া থানার বাঁধমুড়ো গ্রামে। এই গ্রামেই বাড়ি বিদ্যুৎ চুরিতে অভিযুক্ত আনসার মল্লিকের। তাঁর পরিবারের লোকজনের হামলায় জখম হন এএসআই আবদুল হাসিম হাজারি ও সিভিক ভলান্টিয়ার কৈলাস সাহা। জখমদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য রাতেই পাঠানো হয় কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে। এই ঘটনার পরেই পুলিশ বিদ্যুৎ চুরিতে অভিযুক্ত আনসার মল্লিক ও তাঁর পরিবার সদস্যদের সন্ধানে জোরদার অভাযানে নেমে পড়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, আনসার মল্লিক দীর্ঘদিন ধরে হুকিং করে সাবমার্বিল পাম্প চালাচ্ছেন বলে বিদ্যুৎ দপ্তর থানায় অভিযোগ জানায়। তার ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্ত আনসারের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রজু করে। এদিন রাতে আনসারকে ধরতে বাঁধমুড়ো গ্রামে গিয়েছিলেন কাটোয়া থানার এসআই আবদুল হাসিম হাজারি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সিভিক ভলেন্টিয়ার কৈলাস সাহা। তাঁরা আনসারকে ধরে যেই গাড়িতে তুলতে যাবেন ঠিক সেই সময় অভিযুক্তের তিন ছেলে, পুত্রবধূরা, আরও কয়েকজন আত্মীয় মিলে পুলিশের উপর চড়াও হয়। তারা পুলিশের কাছ থেকে জোরপূর্বক আনসারকে ছিনিয়ে নিয়ে পালায়। এরপর আনসারের পরিবারের মহিলারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইঁট ছুড়তে শুরু করে। ইঁটের আঘাতে মাথা ফাটে এসআই আবদুল হাসিম হাজারির। জখম হয় সিভিক ভলান্টিয়ার কৈলাস সাহাও। কাটোয়া থানার এক পুলিশ অফিসার জানিয়েছেন, পুলিশের উপর হামলা চালানোর ঘটনায় জড়িত কাউকেই রেয়াত করা হবে না।

মার্চ ১৮, ২০২২
রাজ্য

আনিস-মৃত্যু তদন্তে রাজ্য পুলিশেই ভরসা হাইকোর্টের

ছাত্রনেতা আনিস খানের দ্বিতীয়বার ময়না তদন্তের রিপোর্টও ইতিমধ্যেই এসেছে বলে সূত্রের খবর। সেখানে আনিসের মৃত্যুর কারণ খুব স্পষ্ট নয় বলে সূত্রের দাবি। এরইমধ্যে সোমবার রাজ্য পুলিশের হাতে এই ঘটনার তদন্তভার রাখার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। সিটই এই ঘটনার তদন্ত করবে। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা এদিন বলেন, আপাতত রাজ্য পুলিশ আনিসের মৃত্যুর তদন্ত করবে।অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ পর্যবেক্ষণ বিচারপতির, রাজ্যের পুলিশ পৃথিবীর কারও থেকে কম নয়, যদি কেউ তাদের বাধা না দেয়। নিজেদের প্রমাণ করার সময় এটা। তারাই এই ঘটনার তদন্ত করবে। আগামী একমাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১৮ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানি।এদিন আদালত জানিয়ে দিয়েছে, অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ ক্ষেত্র ছাড়া এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে না গেলে তদন্তের সময়সীমা বাড়ানো হবে না। একইসঙ্গে তদন্তকারীদের এক সপ্তাহের মধ্যে ফরেনসিক রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। স্বচ্ছতার সঙ্গে এবং কোনওভাবে প্রভাবিত না হয়ে তদন্ত করতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা।

মার্চ ১৪, ২০২২
কলকাতা

বইমেলায় কেপমারিতে অভিযুক্ত অভিনেত্রীর জেল হেপাজত

বইমেলা থেকে কেপমারির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন অভিনেত্রী রূপা দত্ত। শনিবার সন্ধ্যায় কলকাতা বইমেলা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। রবিবার তাঁকে আদালতে তোলা হলে জেল হেপাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। একদিনের জেল হেপাজত হয়েছে রূপা দত্তের। তাঁর আইনজীবী এদিন এজলাসে ১৪ দিনের জামিনের আবেদন করেন। কিন্তু তা খারিজ করে দেন বিধাননগর মহকুমা আদালতের বিচারক। গ্রেপ্তারের পরই রূপার কাছ থেকে ৭৫ হাজার টাকা, একাধিক পার্স উদ্ধার করে পুলিশ।তবে এই ঘটনা ঘিরে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু প্রশ্ন উঠে এসেছে। টেলি দুনিয়ায় বেশ কয়েকটি সিরিয়ালে অভিনয় করেছেন রূপা দত্ত। মুম্বইয়েও যোগাযোগ ছিল বলেই তদন্তে উঠে এসেছে। সেলুলয়েডের দুনিয়ায় যাঁর এত পরিচিতি, এভাবে চুরির অভিযোগে তাঁর নাম কেন জড়াল? অন্যদিকে এদিন এজলাসেও বিচারক মামলাটি নিয়ে বেশ কিছু প্রশ্ন তুলেছেন। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সিজার লিস্টে দুজন সাক্ষীর নাম ছিল। একজন এর মধ্যে মহিলা কনস্টেবল। প্রশ্ন উঠেছে, দ্বিতীয় জনের জবানবন্দি কেন নেওয়া হল না? অন্যদিকে রূপা দত্ত কেন ডাস্টবিনের পার্সের দিকে হাত বাড়াতে গেলেন তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিচারক।

মার্চ ১৪, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে পুরভোটের ২৪ ঘন্টা আগে শনিবার বিজেপি নির্বাচনী কার্যালয়ের সামনে বোমা উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালো

বর্ধমানে পুরভোটের আর ২৪ ঘন্টাও বাকি নেই। তার আগেই শনিবার সকালে বিজেপির নির্বাচনী কার্যালয়ের সামনে দুটি সুতলি বোমা উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালো। দুদিন আগেই এই অফিসে বিজেপির ফ্লেক্স পোড়ানোর অভিযোগ ওঠে। বিজেপির অভিযোগ; শাসকদলের বহিরাগত দুস্কৃতীরা এসে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। তৃণমূল এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে।৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী সুধীররঞ্জন কুমার সাউ জানান; সকালে ফোন পেয়ে তিনি এবং দলীয় কর্মীরা এসে দেখেন দুটি বোমা পড়ে আছে দলের অফিসের সামনে। পুলিশ এসে জায়গাটিকে ঘিরে দেয়। তার দাবি; বাইরে থেকে লোক এনে এই ওয়ার্ডের শাসকদলের প্রার্থী ও তার স্বামী আতঙ্ক ছড়াতে চাইছেন। এভাবে ভয় দেখিয়ে এলাকার মানুষ ও বিজেপি কর্মীদের আতঙ্কিত করতে চাইছেন তাঁরা। এভাবে অফিস বন্ধ থাকলে তার ভোট প্রস্তুতি কীভাবে হবে। এলাকার বাসিন্দা; হারু পন্ডিত জানান; বোমার কথা শুনে আর দেখে এলাকার মানুষ আতঙ্কে ভুগছেন।এর পিছনেই জনবসতি।অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস জানান, এসব ভুলে ভরা অভিযোগ। তৃণমূল বোমা বন্দুকের রাজনীতি করে না। কোথা থেকে সুতলি জড়ানো কিছু ওরাই নিয়ে আসতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
কলকাতা

পুলিশি ঘেরাটোপে কাল ১০৮ পুরসভায় ভোটগ্রহণ

রবিবার রাজ্যের ২০টি জেলায় ছড়িয়ে থাকা ১০৮টি পুরসভায় নির্বাচন হতে চলেছে। বিজেপি-সহ বিরোধী দলগুলি সেই নির্বাচন কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে করাতে চাইলেও রাজ্য নির্বাচন কমিশন আস্থা রেখেছে পুলিশের ওপরেই। বিজেপি তার জেরে কলকাতা হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে মামলা করে।কিন্তু হাইকোর্ট কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কোর্টেই বল ঠেলে দেয়, আর সুপ্রিম কোর্ট সরাসরি মামলা খারিজ করে দেয়। এই অবস্থায় আগামিকাল ৪৪ হাজার পুলিশ মাঠে নামিয়ে ১০৮ পুরসভায় নির্বাচন করাতে চলেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। আর সেই কারনেই প্রতিটি বুথের নিরাপত্তায় থাকছে কড়া পুলিশি ঘেরাটোপ। যে ভোটকেন্দ্রের বুথের সংখ্যা যত বেশি সেই সেই জায়গায় তত বেশি পুলিশি নিরাপত্তা থাকছে।ইতিমধ্যেই কমিশনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ভোটকেন্দ্রে বুথের সংখ্যা যাই হোক না কেন প্রতিটি বুথের জন্য থাকবে সশস্ত্র পুলিশকর্মী ও আধিকারিক। সেই সঙ্গে থাকছেন ১৭ জন বিশেষ পর্যবেক্ষক। এছাড়াও ভোট পরিচালনার বিষয়ে অভিজ্ঞ এইরকম ১০ জন আইএএস আধিকারিক থাকবেন মাঠে যারা পুলিশ এবং সাধারণ ও বিশেষ পর্যবেক্ষকদের ওপর নজরদারি করবেন। আগামিকাল ১০৮টি পুরসভার ২ হাজার ২৭৬টি বুথে থাকছে ভোটগ্রহণের ব্যবস্থা। প্রতিটি বুথকে ইতিমধ্যেই স্পর্শকাতর বলে ঘোষণা যেমন করা হয়েছে তেমনি থাকছে প্রতিটি বুথে সিসিটিভির ব্যবস্থাও। দুই ২৪ পরগনা, নদিয়া, পূর্ব বর্ধমান, পূর্ব মেদিনীপুর ও বীরভূম জেলায় থাকছে বাড়তি নজরদারি। ওই সব জেলায় অভিযোগ পাওয়া মাত্রই পুলিশকে ব্যবস্তাহ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। পাশাপাশি সব বুথ ধরে ধরে পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।যে ভোটকেন্দ্রে ১টি করে বুথ থাকবে সেখানে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন একজন এএসআই, ২ জন সশস্ত্র পুলিশ এবং ১ জন লাঠিধারী পুলিশ। যেখানে ২টি বুথ থাকবে সেখানে ১ জন এসআই, ২ জন সশস্ত্র পুলিশ ও ২ জন লাঠিধারী পুলিশ। ৩টি বুথের জায়গায় থাকবেন ১ জন এসআই, ১ জন এএসআই, ২ জন সশস্ত্র পুলিশ ও ৩ জন লাঠিধারী পুলিশ। ৪টি বুথের ক্ষেত্রে থাকবেন ১ জন এআই, ১ জন এএসআই, ৪ জন সশস্ত্র পুলিশ ও ৪ জন লাঠিধারী পুলিশ। ৫টি বুথের ক্ষেত্রে ১ জন এসআই, ১ জন এএসআই, ৪ জন সশস্ত্র পুলিশ ও ৫ জন লাঠিধারী পুলিশ। ভোটকেন্দ্রে ৬ এর বেশি বুথ থাকলেই সেখানে থাকবেন একজন করে ইন্সপেক্টর পদমর্দার পুলিশ আধিকারিক। ৬টি বুথের ক্ষেত্রে ওই ইন্সপেক্টর ছাড়াও থাকবেন ১ জন এসআই, ৪ জন সশস্ত্র পুলিশ ও ৬ জন লাঠিধারী পুলিশ। ৭টি বুথের ক্ষেত্রে ইন্সপেক্টর ছাড়াও থাকবেন ১ জন এএসআই, ৪ জন সশস্ত্র পুলিশ ও ৭ জন লাঠিধারী পুলিশ। যে ভোটকেন্দ্রে ৮টি বুথ আছে সেখানে একজন ইন্সপেক্টর, ২জন এএসআই, ৪জন সশস্ত্র পুলিশ ও ৮ জন লাঠিধারী পুলিশ থাকবেন। ৯টি বুথের ক্ষেত্রে থাকবেন ১ জন ইন্সপেক্টর, ৩ জন এএসআই, ৪ জন সশস্ত্র পুলিশ ও ৯ জন লাঠিধারী পুলিশ। যে ভোটগ্রহণকেন্দ্রে ১০টি বুথ থাকবে সেখানে ১ জন ইন্সপেক্টর ছাড়াও থাকবেন ৪ জন এএসআই, ৪ জন সশস্ত্র পুলিশ ও ১০ জন লাঠিধারী পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
রাজ্য

আনিস খান হত্যায় দোষীদের শাস্তির দাবিতে বাম ছাত্র যুবদের মিছিল ঘিরে রণক্ষেত্র পাঁচলা! আটক বেশ কয়েকজন ছাত্র যুব

আনিস খানের মৃত্যুর ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবিতে পথে নামে বাম ছাত্র যুবরা। শনিবার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় হাওড়ার পাঁচলা। ইটবৃষ্টিতে আহত হন বেশ কয়েকজন। অভিযোগ, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন বিক্ষোভকারীরা। এদিন রানিহাটি থেকে পাঁচলায় পুলিশ সুপারের অফিস পর্যন্ত মিছিলের ডাক দিয়েছিল বাম ছাত্র সংগঠনগুলি। সেইমতো মিছিল পাঁচলায় পৌঁছতেই পরিস্থিতি ঘোরাল হয়ে ওঠে। পুলিশের ব্যারিকেডের বাধায় ক্ষোভের আগুন আরও তীব্র হয়। শুরু হয় ইটবৃষ্টি। অভিযোগ, পুলিশ সুপারের অফিসের সামনে যে পুলিশ কর্মীরা দাঁড়িয়েছিলেন তাঁদের লক্ষ্য করে ইট ছুড়তে থাকেন বিক্ষোভকারীরা। এরপরই পাল্টা পুলিশও প্রতিরোধে নামে বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি। এদিকে, কলকাতার রাজপথেও আনিসের মৃত্যুর সুবিচার চেয়ে মিছিলে নামে সিপিএম। সামনের সারিতে পা মেলান বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্র।শুধু বাম ছাত্র নেতাই নন, বাইরে থেকেও বহু লোক এই মিছিলে যোগ দেন বলে দাবি ওঠে। তুলকালাম পরিস্থিতির মধ্যে একজন অসুস্থও হয়ে পড়েন। রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন তিনি। এই ইট বৃষ্টির ঘটনায় একাধিক ছাত্র নেতা জখম হন বলে জানা গিয়েছে। একইভাবে আহত হয়েছেন একাধিক পুলিশ কর্মীও। এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের সেল ফাটায় বলে অভিযোগ ওঠে। আনিস খানের মৃত্যু রহস্যের উন্মোচনের দাবি নিয়ে যে প্রতিবাদ মিছিল এদিন পাঁচলায় শুরু হয়, মুহূর্তে তা রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। বাম ছাত্রনেত্রী মীনাক্ষি মুখোপাধ্যায়কে মিছিল থেকে আটক করে পুলিশ। টানতে টানতে তাঁকে পুলিশ সুপারের অফিসের ভিতর নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ঘিরে পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে জাতীয় সড়ক।এরপরই বিশাল পুলিশ বাহিনী নামানো হয় রাস্তায়। শুরু হয় লাঠিচার্জ বলে অভিযোগ। বিক্ষোভকারীরা হাওড়া গ্রামীণ পুলিশের পাইলট গাড়িতে ভাঙচুর চালায়। এমনকী তাতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী এতে জখমও হয়েছেন বলে খবর।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
রাজ্য

শেষমেশ অপরাধীদের চিহ্নিত করতে উলুবেড়িয়া জেলে হাজির আনিস খানের বাবা

টিআই প্যারেডে অপরাধীদের চিহ্নিত করতে উলুবেড়িয়া জেলে গিয়েছেন আনিস খানের বাবা সালেম খান। আনিস খুনের সঙ্গে পুলিশ জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন সালেম খান। একজন বন্দুকধারী পুলিশ ও তিনজন সিভিক পুলিশ রাতে আমতার সারদা দক্ষিণখান পাড়ায় আনিসদের বাড়িতে গিয়েছিল। বন্দুকধারী পুলিশ নীচে সালেম খানকে আটকে রাখে। বাকি তিনজন ওপরে গিয়ে ছেলে খুন করে ফেলে নীচে ফেলে দিয়েছে। এমনই অভিযোগ করেছেন সালেম খান। ওই অভিযোগেই অনড় রয়েছেন আনিসের বাবা।এরইমধ্যে হোমগার্ড কাশীনাথ বেরা এবং সিভিক ভলান্টিয়ার প্রীতম ভট্টাচার্যকে গ্রেফতার করে পুলিশ। প্রথমে টিআই প্যারেডে সালেম খান যাবেন কীনা তা নিয়ে সন্দেহ ছিল। পরে অবশ্য সিটের দল এদিন দুপুরে দক্ষিণখান পাড়ায় আনিসদের বাড়িতে যায়। পরে অবশ্য আইনজীবী আসার পর উলুবেড়িয়া রওনা দেন সালেম খান। পুলিশের গাড়িতে যাননি সালেম খান। তাঁর আইনজীবীর গাড়িতে তিনি উলুবেড়িয়া যান। এখন ঘটনার একমাত্র প্রত্য়ক্ষদর্শী টিআই প্যারেডে গ্রেফতার দুজনকে চিনতে পারেন কীনা বা এরাই তাঁর বাড়িতে গিয়েছিল কীনা সেটাই এখন দেখার। তবে সালেম খানের বক্তব্য ছিল বন্দুকধারী পুলিশ কর্মীকে তাঁর স্পষ্ট মনে রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
রাজ্য

আনিসকাণ্ডে এসএফআইয়ের ভবানী ভবন অভিযানে রাসবিহারীতে ধুন্ধুমার, মিছিল শুরুতেই বাধা

ছাত্র নেতা আনিস খানের খুনিদের শাস্তির দাবিতে ও রাজ্য পুলিশের ভূমিকার প্রতিবাদ জানাতে ভবানী ভবন অভিযানের ডাক দিয়েছিল এসএফআই। শুক্রবার মিছিল শুরুর আগেই থেকে রাসবিহারী এলাকা প্রায় দুর্গে পরিণত করে পুলিশ। বিশাল পুলিশ বাহিনী পুরো এলাকার দখল নেয়। সাদা পোষাকের পুলিশও ছিল যথেষ্ট সংখ্যক। মিছিলে শুরু হওয়ার আগেই হাজির এসএফআই নেতৃত্বকে প্রিজন ভ্যানে তুলে নেয় পুলিশ। পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয় আন্দোলনকারীদের। ধুন্ধমার কান্ড ঘটে রাসবিহারী মোড়ে।গ্রেফতার ছাত্রনেতা সৃজন ভট্টাচার্যআলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র আনিস খানকে আমতার সারদা দক্ষিণ খানপাড়ার বাড়িতে গিয়ে পুলিশ খুন করে বলে অভিযোগ তোলে তাঁর বাবা সালেম খান। ইতিমধ্যে ওই ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার পর দিন থেকে আন্দোলন শুরু করে ছাত্র সংগঠনগুলো। এসএফআই ও বাম ছাত্র সংগঠনগুলো পথে নামে আনিসের খুনিদের গ্রেফতারের দাবিতে। রাজ্য পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে এসএফআই। এদিন রাসবিহারীতে রীতিমতো আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের খন্ডযুদ্ধ বেধে যায়। দেখা যায় এসএফআইয়ের রাজ্য সম্পাদক সৃজন ভট্টাটার্যকে চ্যাংদোলা করে পুলিশ প্রিজন ভ্যানে তুলছে। মিছিল শুরুই করতে দেয়নি পুলিশ। ছাত্র সংগঠনের নেতা-কর্মীরা হাজির হতেই তাঁদের গ্রেফতার করে পুলিশ।সৃজন ভট্টাচার্য বলেন, পুলিশ বলেছিল, এক পাও মিছিল করতে দেবে না। আমরা ওই হুমকি ফু্ঁ দিয়ে উড়িয়ে মিছিল করেই ভবানীভবন যাচ্ছিলাম। মাঝপথে পুলিশের আক্রমণ, আহত একাধিক ছাত্র৷ পুরুষ পুলিশ আক্রমণ করেছে ছাত্রীদের৷ আটক করে লালবাজার নিয়ে যাচ্ছে। প্রতীকউরদা ও যুব নেতৃত্ব আমতায় আছে। মিছিল করবে। থামানো যাবে না আক্রমণ করে আমাদের। কাল হাওড়া জেলা গ্রামীণ এসপি ঘেরাও। তার আগে আজ বিকেল থেকে সর্বত্র আরেক দফা রাস্তা অবরোধ৷

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
রাজ্য

অনির্দিষ্টকালের ছুটিতে পাঠানো হল আমতা থানার ওসিকে

আমতা থানার ওসি-কে বৃহস্পতিবার অনির্দিষ্টকালের জন্য ছুটিতে পাঠিয়ে দেওয়া হল। ঘটনাচক্রে, বৃহস্পতিবার সকালেই ওসি-র গ্রেপ্তারের দাবিতে আমতা থানায় তুমুল বিক্ষোভ দেখায় আনিসের পরিবার ও পড়শিরা। পুলিশ সূত্রে খবর, এ বার আমতা থানায় ওসি-র দায়িত্বে এলেন কিঙ্কর মণ্ডল।বৃহস্পতিবার আমতায় ছাত্রনেতা আনিস খানের বাড়ি থেকে মিছিল করে আমতা থানা পর্যন্ত যান তাঁর পাড়া প্রতিবেশীরা। থানার বাইরে ব্যারিকেড ভেঙে বিক্ষোভ দেখান। পরে সেখানেই বিক্ষোভকারীদের উপস্থিতিতে নিজের দাবি জানান আনিসের বাবা সালেম। একটু উঁচু জায়গায় দাঁড়িয়ে মাইক্রোফোন হাতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, আমি ওসিকে গ্রেপ্তার করার জন্য, সিবিআই তদন্ত করার জন্য, পঞ্চায়েত প্রধান এবং উপপ্রধানকে গ্রেপ্তার করার দাবি জানাচ্ছি। এর পরেই আমতা থানার ওসি-তে অনির্দিষ্টকালের জন্য ছুটিতে পাঠিয়ে দেওয়া হল।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
রাজ্য

ওসির নির্দেশে গিয়েছিলাম, আমরা বলির পাঁঠা, দাবি ধৃত দুই পুলিশকর্মীর

ওসি-র নির্দেশ পেয়েই শুক্রবার রাতে ছাত্রনেতা আনিস খানের বাড়িতে গিয়েছিলেন, জানালেন আনিস-হত্যা মামলায় জড়িত সন্দেহে ধৃত দুজন পুলিশকর্মী। তাঁদের দাবি, গোটা ঘটনাটিতে তাঁদেরকে বলির পাঁঠা করা হচ্ছে। আসলে আনিস-হত্যার আগুনে জল ঢালা হচ্ছে এই ভাবে।বুধবারই আনিস-হত্যায় জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার করা হয়েছে হোমগার্ড কাশীনাথ বেরা এবং সিভিক ভলান্টিয়ার প্রীতম ভট্টাচার্যকে। বৃহস্পতিবার আদালতে নিয়ে যাওয়ার পথে তাঁরা জানান, শুক্রবার আনিসের বাড়িতে গেলেও আনিসের মৃত্যু কী ভাবে হয়েছে তা তাঁদের জানা নেই। তাঁদের প্রশ্ন করা হয়েছিল, কেন সেই রাতে আনিসের বাড়িতে গিয়েছিলেন তাঁরা? কেউ কি তাঁদের যেতে বলেছিল? জবাবে ধৃত দুই পুলিশকর্মী জানান, তাঁরা ছাত্রনেতার আমতার বাড়িতে গিয়েছিলেন ওসি-র নির্দেশে। এই ওসি আমতা থানার ওসি কি না তা অবশ্য ধৃতরা জানাননি।এখানেই শেষ নয়, সরাসরি ওসি-র বিরুদ্ধে নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ করেন তাঁরা। এই বিষয়ে আনিস খানের দাদা সাবির খান বলেন, আমরা এজন্যই প্রথম থেকে বলছিলাম পুলিশ নাটক করছে। এই নাটক আমাদের পছন্দ হচ্ছে না। এ জন্য আমরা পুলিশকে মানি না। পুলিশকে পছন্দ করি না। সিটের উপর ভরসা নেই। আমরা সিবিআই চাইছি। ওসি-কে জিজ্ঞেস করুক। ওসি-কে তুলছে না কেন?

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২২
রাজ্য

পুলিশকে দিয়ে কারা আনিস খানকে খুন করাল? প্রশ্ন তুলে তৃণমূল নেতৃত্বকে বিঁধলেন রাহুল

পুলিশকে দিয়ে কারা আনিস খানকে খুন করাল তার তদন্ত হলে অনেক তৃণমূল নেতা জড়িয়ে যাবে। বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে বুধবার কাটোয়ায় প্রচারে এসে এমনটাই দাবি করলেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। তৃণমূল নেতৃত্ব যদিও রাহুল সিনহার এইসব বক্তব্যকে কোন গুরুত্বই দিতে চাননি। তাঁদের বক্তব্য, রাহুল সিনহা বোধহয় যোগী রাজ্যের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গকে গুলিয়ে ফেলছেন। কাটোয়ায় রোড শো শেষ করে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাহুল সিনহা আরও বলেন, আনিস খানকে খুনের ঘটনার ভিতরে লুকিয়ে আছে অনেক রহস্য। পুলিশ হত্যা করেছে ঠিকই, কিন্তু পুলিশকে দিয়ে কারা হত্যা করিয়েছে? অনেক তৃণমূল নেতা জড়িয়ে যাবে। সিট গঠন করে আসল সত্য সামনে আসবে না। একমাত্র সিবিআই তদন্ত হলেই সব সত্য বেড়িয়ে আসবে। চারটে পুলিশকে সাসপেন্ড করে ন্যাকামি দেখানোর দরকার নেই। আনিসের পরিবার সিবিআই তদন্তের দাবি করেছে বলে এখন তাঁদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এবার মিথ্যা মামলা দেওয়া হবে। গ্রেফতার পর্যন্ত করা হতে পারে । এইসবই শাসকদলের এক একটা ফর্মুলা। আগে চাকরির লোভ দেখিয়ে পরিবারকে বসে আনার চেষ্টা করা। যখন পারবে না তখন হুমকি দেখানো হবে। মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হবে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২২
রাজ্য

সিট অনিস খানের মৃত্যুর ঘটনায় নীচু তলার দুই পুলিশ কর্মীকে বলির পাঁঠা করলো, বললেন সজল ঘোষ

আনিস খানকে খুনের ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছে দুই পুলিশ কর্মী। আর এই গ্রেফতারি নিয়ে বুধবার সিটের তদন্তকারী অফিসার ও মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে কটাক্ষ ছুঁড়ে দিলেন বিজেপি নেতা সজল ঘোষ। পুর ভোটের প্রচারে এদিন সন্ধ্যায় বর্ধমানে সভা করতে এসে সজলবাবু দাবি করেন, আনিসের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে যা হওয়ার ছিল সেটাই হয়েছে। বলির পাঁঠা করা হল নীচু তলার দুই পুলিশ কর্মীকে। এই প্রসঙ্গে সজলবাবু স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আমরা আনিসের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে সিবিআই তদন্ত চাইছি। আনিসের বাবাও তাঁর ছেলের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে সিবিআই তদন্তই চাইছেন। বর্ধমান পুরসভার ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে এদিন সন্ধ্যায় শহর বর্ধমানের কার্জনগেট এলাকায় একটি সভা হয়। সেই সভায় যোগ দেন বিজেপির মুখপত্র তথা কলকাতা পুরসভার বিরোধী দলনেতা সজল ঘোষ। সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সজল ঘোষ আরও বলেন, সিটের মাথা করে দেওয়া হয়েছে জ্ঞানবন্ত সিংকে। তিনি রিজওআনুর কেসের আসামী। সজল ঘোষ প্রশ্ন তোলেন তপসী মালিকের মৃত্যুর তদন্ত হয়েছে?২১ শে জুলাইয়ের ঘটনায় কেউ শাস্তি পেয়েছে? নন্দীগ্রাম ঘটনায় দোষীদের সাজা কি হয়েছে? কেউ শাস্তি পায়নি। বরং পুরস্কার পেয়েছে। মণিশ গুপ্তকে বিধায়ক করে দেওয়া হয়েছিল। এই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একদিন রিজওয়ানুরের সময়ে বলেছিলেন, যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ। এখন তারাই যদি তদন্ত করে সেই তদন্তের কি ফল বেরুবে। আমি তো তার কথাই বলছি। সিবিআই গ্রেফতার না করলে উনিও তো করতে পারতেন। আজকে উনি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) সিবিআই চান না । কারণ ওনার জায়গা পাওয়া হয়ে গিয়েছে। উনি ভাইপো ছাড়া আর কিছুই চেনেন না । আবার ভাইপো বেশী লাফালে ভাইপোকেও চেনেন না।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২
রাজ্য

Big Breaking: আনিস হত্যায় গ্রেফতার দুই পুলিশ কর্মী, নবান্নে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

সিট তদন্ত শুরু করার দুদিনের মাথায় আনিস খুনে দুজন গ্রেফতার হল। গ্রেফতার করা হয়েছে হোমগার্ড কাশীনাথ বেরা ও সিভিক ভলান্টিয়ার প্রীতম ভট্টাচার্যকে। আমতা-কান্ডে ২ জন পুলিশ কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আইন আইনের পথে চলবে। পুলিশের নামে অভিযোগ এসেছে। যাতে নিরপেক্ষে তদন্ত হয় তাই দুজনকে পুলিশকে কাষ্টডিতে রাখা হয়েছে। জানি না প্রমানিত হবে কীনা। সরকার কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এদিন নবান্নে একথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এর আগে আনিস কান্ডে তিনজন পুলিশ কর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে চার পুলিশ কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ভবানীপুরে তলব করা হয়েছে। সিট তদন্তে নেমে আমতায় আনিসের বাড়িতে গেলেও তাঁদের তদন্তে সহযোগিতা করেনি আনিসের পরিবার।আনিস-খুনে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে তাঁর পরিবার। তাঁরা সিবিআই তদন্তের দাবি করেছেন। রাজ্যের পুলিশ নিরপেক্ষ তদন্ত করতে পারবে না বলেই আনিসের পরিবারের দাবি। এদিকে আনিস হত্যার অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই বিক্ষোভ চলছে রাজ্যে। উত্তাল হয়েছে কলকাতা।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২
রাজ্য

আনিসের মৃত্যু দায় চাপিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে কাঠগড়ায় তুললেন সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম

পুর ভোটের প্রচারে বর্ধমানে এসে আনিস খানের মৃত্যু নিয়ে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকেই কাঠগড়ায় তুললেন সিপিএমের পলিটব্যুরো সদস্য মহম্মদ সেলিম। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন,দোষীদের আড়াল করতে চাইছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশ মন্ত্রী। বর্ধমান শহরের কালিবাজারে এক নির্বাচনী জনসভা হয় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ।সেখানেই বর্ধমান পুরসভার ভোটে প্রতিদ্বন্দি দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে সিপিএমের পলিটব্যুরো সদস্য মহম্মদ সেলিম বক্তব্য রাখেন ।সভায় সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আভাস রায়চৌধুরী সহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বক্তব্য রাখতে উঠেই মহম্মদ সেলিম রাজ্যে তোলপাড় ফেলা ইস্যু আনিস খানের মৃত্যু নিয়ে সরব হন । তিনি বলেন, প্রথমে মুখ্যমন্ত্রী বললেন পুলিশ যায়নি। তারপর বললেন পুলিশ গিয়েছিল। সঙ্গে সঙ্গে নীচুতলার কয়েকজন পুলিশকে সাসপেন্ড করা হল। নিচুতলার পুলিশকে কেন সাসপেন্ড করা হল? তার উপরে তো হাওড়া গ্রামীণের পুলিশ সুপার আছে।সেলিমের আরও অভিযোগ, ঘটনার পরেই মুখ্যমন্ত্রী বলে দিলেন, পুলিশ যায়নি। কারণ যে কোন বড় ঘটনাকে খেলো করে দেখা ওনার স্বভাব। যখন বড় ঘটনা হয় তখন নীচুতলায় কোপ পড়ে। এই আনিসের ঘটনায় এস পি বা পুলিশ মন্ত্রী কি দায় এড়াতে পারেন?। তার প্রশ্ন, আনিসের বাবা আমতা থানায় ফোন করার ছয় ঘন্টা পর পুলিশ আসে। আজ পড়ুয়ারা কলকাতার রাজপথে প্রতিবাদ করছিল। সেখানে শয়ে শয়ে পুলিশ চলে এলো? কেন কি হচ্ছে? শাসকদল বলছে, এই মৃত্যু নিয়ে বিরোধীরা ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমেছে, সেলিমের প্রশ্ন, জল ঘোলা করল কারা?

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২
রাজ্য

জনগনকে চোর চেনাতে কোমরে দড়ি পরিয়ে চোরেদের নিয়ে রোড মার্চ করলো পুলিশ

ভোট আসলেই পুলিশকে দেখা যায় বিভিন্ন এলাকায় রোড মার্চ করতে। তা বলে পুলিশ চোরেদের সঙ্গে নিয়ে এলাকায় রোড মার্চ করবে এমনটা বোধহয় সকলের কাছেই কল্পনার অতীত। কিন্তু না, এটা কোন আজগুবি গল্পকথা নয়। বাস্তবেই মঙ্গলবার এমন ঘটনাই ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে। একের পর এক দোকানে চুরির ঘটনায় ধৃত চোরেদের কোমরে দড়ি পরিয়ে রোড মার্চের মতন করে দীর্ঘ সড়ক পথে ঘোরালো পুলিশ কর্মীরা।যার উদ্দেশ্য ছিল এলাকার সকল মানুষজনকে চোরেদের চিনিয়ে দিয়ে সচেতন করে রাখা।চোর চেনাতে জামালপুর থানার পুলিশের এমন কৌশল প্রথমে সবাইকে হতবাক করে ঠিকই। পরে অবশ্য চোরেদের ছবি তুলে রাখা নিয়ে পথচারীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়।কোমরে দড়ি পরিয়ে চোরেদের নিয়ে রোড মার্চ করলো পুলিশজামালপুর থানার সন্নিকটে সড়ক পথের ধারে চা ,পান বিড়ি সিগারেটের দোকান যেমন রয়েছে তেমনি রয়েছে ছোট খাটো স্টেশনারি দোকান।দিন দুই আগে রাতের অন্ধকারে চোরেদের দল ৩টি দোকানের এ্যাজবেসটার্স চাল ভেঙে দোকানের ভিতরে ঢোকে। তার পর তারা দোকানে থাকা বিভিন্ন সামগ্রী চুরি করে নিয়ে পালায়। পরদিন সকালে দোকান খুলতেই চুরির ঘটনা নজরে আসে দোকান মালিকদের।তাঁরা চুরির সবিস্তার উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ জানান ।অভিযোগ পেয়েই পুলিশ চোরেদের সন্ধানে নামে। মঙ্গলবার বিকালের মধ্যেই পুলিশ দুই চোর সেখ সাবির ও লব বেরা কে জালে পোরে। ধৃতদের মধ্যে সাবিরের বাড়ি জামালপুর থানা থেকে ২ কিমি দূরে সেলিমাবাদ গ্রামে। অপর ধৃত লবের বাড়ি প্রায় একই দূরত্বে থাকা পুলমাথা এলাকায়। জেরায় ধৃতরা দোকানে চুরির কথা স্বীকার করে নেবার পরেই পুলিশ তাঁদের নিয়ে চুরি হওয়া সামগ্রী উদ্ধারে নামে। উদ্ধার হয় প্রচুর প্যাকেট সিগারেট, গুটকা ও গায়ে মাখার সাবান। এর পরেই থানার পুলিশ কর্মীরা ধৃত দুই চোরের কোমরে দড়ি পরিয়ে রোড মার্চের মতন করে জামালপুরের সড়পথে ঘোরায়।চুরি যাওয়া বিভিন্ন সামগ্রপুলিশের লোকজনই পথে থাকা লোকজনকে ডেকে ডেকে বলেন, দেখে রাখুন এই দুই যুবক হল চোর।রাতে এদের আপনার এলাকায় দেখলেই আপনারা সচেতন হবেন। প্রয়োজনে পুলিশকে জানাবেন। পাশাপাশি যে যে দোকানে চোরেরা চুরি করেছিল সেইব দোকান মালিকদেরও পুলিশ ধৃত চোরেদেরকে দেখায়। পুলিশের লোকজনের মুখথেকে এমন কথা শোনার পরেই চোরেদের ছবি মোবাইল ফোনের ক্যামেরায় বন্দি করে রাখার হিড়িক পড়ে যায়। এই বিষয়ে জামালপুর থানার এক পুলিশ অফিসার বক্তব্য, এলাকায় মানুষজন যাতে চোরেদের চিনে রাখতে পারে তাই তাঁদের এলাকায় ঘোরানো হয়েছে। বুধবার ধৃতদের পেশ করা হবে বর্ধমান আদালতে। তবে জামালপুর বাস স্ট্যান্ডের কাছে দাঁড়িয়ে দুই চোরের ছবি এদিন মোবাইল ক্যামেরায় বন্দি করেন রায়নার বাসিন্দা হারাধন বৈরাগ্য নামে এক ব্যক্তি। পঞ্চাশ উর্ধ্ব এই ব্যক্তি বলেন, এলাকার লোকজনকে চোরেদের চেনাতে পুলিশের চোরেদের নিয়ে রোড মার্চ জীবনে এই প্রথম দেখলাম।চোরদেরকেও দেখলাম। চুরি করলে এমন শাস্তি হবে দখলে কোন চোর জামালপুরে চুরি করতে আসার সাহস আর দেখাবে মলে মনে হয় না। হারাধন বাবু এও বলেন, চোর চেনাতে পুলিশের এমন অভিনব কৌশল ক্যামেরা বন্দি না করে ততাই থাকতে পারলাম না। রায়নার বাসিন্দাদেরও এই চেরেদের সম্পর্কে জানাবো।পূর্ব বর্ধমানের পুলিশ সুপার কামনাশিস সেনের ব্যাখ্যা, আমার কাছে এই ঘটনা সম্পর্কে তথ্য নেই। কাউকে এমন করে ঘোরানো যায় না। তবে এটা করে থাকলে অপরাধের পুনর্নির্মাণের জন্য করা হয়েছে বলেই মনে হয়।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
কলকাতা

আনিস-কাণ্ডে উত্তাল কলকাতা, শাস্তির দাবিতে পথে আলিয়া-র পড়ুয়ারা, পা মিলিয়েছে যাদবপুরও

আনিস-কাণ্ডের জেরে কলকাতায় ধুন্ধুমার। আনিস মৃত্যু-রহস্যকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ কলকাতার রাজপথ জুড়ে। জায়গায় জায়গায় ছাত্রনেতা আনিসের মৃত্যুর প্রতিবাদে বিক্ষোভে শামিল হয়েছেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা। রাস্তায় নেমেছে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়-সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পড়ুয়ারা। তিন দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও কিনারা হয়নি আনিস মৃত্যু-রহস্যের। অধরা অভিষুক্তরাও। তাই অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার করে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়ার দাবিতেই রাস্তায় নেমেছেন পড়ুয়ারা।কলেজ স্ট্রিটে গার্ডরেল সরিয়ে মিছিল এগোনোর চেষ্টা করে পড়ুয়ারা। বাধা দিলে পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ আন্দোলনকারীদের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে র্যা ফ নামানো হয়। আনা হয় জলকামান। বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।আনিস-কাণ্ডের প্রতিবাদে মিছিল করে মহাকরণ অভিযানে নেমেছে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। এই মিছিল নবান্নের দিকে যেতে পারে আশঙ্কা করে পার্ক সার্কাসেই পড়ুয়াদের আটকে দেয় পুলিশ। ডোরিনা ক্রসিং-এ পড়ুয়াদের আটকাতে ত্রিস্তরীয় ব্যারিকেড দিয়ে আগে থেকেই তৎপর হয় পুলিশ। কিন্তু তার আগেই পার্ক সার্কাসে পুলিশি প্রতিরোধের মুখে পড়েন পড়ুয়ারা। পথ আটকানোর কারণে পার্ক সার্কাস-এ পৌঁছে রাস্তায় শুয়ে পড়ে স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভও দেখান পড়ুয়ারা। মল্লিক বাজার, মৌলালি হয়ে মহাকরণের দিকে যাওয়ার কথা এই মিছিলের। এই মিছিলের ফলে তীব্র যানজটের মুখেও পড়েন নিত্যযাত্রীরা।আনিস খানের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তোলপাড় গোটা বাংলা। অভিযুক্তদের হদিশ পেতে গঠন করা হয়েছে সিট। এরই মাঝে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের মহাকরণ অভিযানকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল খাস কলকাতা। মঙ্গলবার দুপুরে পূর্বসূচি অনুযায়ী পার্ক সার্কাস সেভেন পয়েন্ট থেকে মিছিল শুরু করে আন্দোলনকারীরা। আনিস কাণ্ডের বিচারের দাবিতে বহু পড়ুয়া সামিল হন অভিযানে। ছিলেন ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। প্রথমে মৌলালিতে পুলিশি বাধার মুখে পড়েন আন্দোলনকারীরা। সেখানে পুলিশের সঙ্গে শুরু হয় বচসা। পরবর্তীতে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। মৌলালি হয়ে ডোরিনা ক্রসিংয়েরর দিকে আসার কথা ছিল মিছিলটির। সেখানে জলকামান নিয়ে প্রস্তুত ছিল পুলিশ।ডোরিনা ক্রসিং-এর পাশাপাশি এসএন ব্যানার্জি রোডেও ব্যারিকেড দিয়ে রাস্তা ঘিরে রাখে পুলিশ। মিছিলে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে তা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ইতিমধ্যেই প্রচুর পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। সাউথ-ইস্ট ডিভিশনের ডেপুটি কমিশনার অব পুলিশ নিজে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত আছেন।পাশাপাশি আনিস মৃত্যুর প্রতিবাদে উত্তপ্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরও। মঙ্গলবার এসএফআই-এর ডাকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অরবিন্দ ভবনের কাছে আন্দোলনে শামিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। আন্দোলনে নেমে দফায় দফায় তৃণমূল সংগঠনের ছাত্র এবং কর্মীদের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়ান আন্দোলনকারী পড়ুয়ারা। পরিস্থিতি ক্রমশই উত্তাল হচ্ছে বলেও জানা গিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
রাজ্য

আনিস হত্যাকাণ্ডে সাসপেন্ড আমতা থানার তিন পুলিশ কর্মী

আনিস মৃত্যুরহস্যের তদন্ত চলাকালীন সাসপেন্ড করা হল আমতা থানার দুই পুলিশ কর্মীকে। পাশাপাশি বসিয়ে দেওয়া হয়েছে এক জন হোমগার্ডকেও। কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে এই দুই পুলিশ কর্মীকে সাসপেন্ড এবং এক পুলিশ কর্মীকে বসিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিল প্রশাসন। সাসপেন্ড হওয়া পুলিশ কর্মীদের মধ্যে এক জন এ এস আই এবং এক জন কনস্টেবল রয়েছেন। এই পুলিশ কর্মীরা হলেন, এএসআই নির্মল দাস, কনস্টেবল জিতেন্দ্র হেমব্রম এবং হোমগার্ড কাশীনাথ বেরা।জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন রাতে এই পুলিশ কর্মীরা এলাকায় টহলদারির দায়িত্বে ছিলেন। নিয়ম মেনে সই করেই নিজেদের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিয়েই তাঁরা টহলে বেরিয়েছিলেন বলেও জানা যাচ্ছে। তদন্ত চলাকালীন এই পুলিশ কর্মীরা থাকলে তদন্তে প্রভাব পড়তে পারে। তাই স্বচ্ছ তদন্ত-র স্বার্থেও দুই পুলিশ কর্মীকে সাসপেন্ড করা হল এবং এক জনকে বসিয়ে দেওয়া হল বলেই জানা যাচ্ছে।জানা গিয়েছে, আনিস খান হত্যাকাণ্ডের মতো স্পর্শকাতর ঘটনার তদন্তে একটুও গাফিলতি করতে চাইছে না সিট। তাই দায়িত্ব হাতে পেয়ে সোমবার রাত ১০টা নাগাদ আমতা থানায় পৌঁছন মিরাজ খালিদ ও ধ্রুবজ্যোতি দে। তাঁরা প্রায় আড়াইটে পর্যন্ত পুলিশের সঙ্গে কথা বলেন, ঘটনার দিন নানা তথ্য সংগ্রহ করেন। মঙ্গলবার সেখানে যাওয়ার কথা সিটের প্রধান এডিজি, সিআইডি জ্ঞানবন্ত সিংয়ের। তবে এদিন সকালে আমতা থানার ৩ পুলিশ কর্মীকে সাসপেনশনের ঘটনায় পুলিশের প্রতি সন্দেহ আরও দৃঢ় হচ্ছে। জানা গিয়েছে, ওইদিন রাতে আমতা থানার ডিউটিতে ছিলেন এই তিনজন। তবে কি তাঁরাই আনিসের বাড়িতে গিয়েছিলেন? এই প্রশ্নও কিন্তু উঠে আসছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
রাজ্য

আনিস মৃত্যুরহস্য, ৩ পুলিশ কর্মী সাসপেন্ড

আনিস কান্ডে ৩ জন পুলিশ কর্মীকে সাসপেন্ড করা হল। আনিসের মৃত্যুরহস্য ক্রমশ ঘনীভূত হচ্ছে। সূত্রের খবর, সাসপেন্ড করা হয়েছে, এএসআই নির্মল দাস, কনস্টেবল জিতেন্দ্র হেবরম ও হোমগার্ড কৃষ্ণনাথ বেরাকে। আনিসের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, পুলিশ খুন করে তিন তলা থেকে ফেলে দিয়েছে ওই যুবককে। যদিও পুলিশ এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি। আমতার সারদা দক্ষিণ পাড়ায় আনিসদের বাড়িতে ভিড় জমিয়েছেন স্থানীয়রা।ঘটনার পর চারদিন পর সাসপেন্ডের সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। তবে এখনও ছাত্রনেতা আনিস খানের আততায়ীদের ধরা যায়নি। বিক্ষোভের আঁচ ক্রমশ বাড়ছে। সোমবার ওই যুবকের মৃত্যু রহস্য উদঘাটনে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দলের সদস্যরা কাজ শুরু করেছে। কর্তব্যে গাফিলতির জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ...
  • 15
  • 16
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

প্রতিটি বুথে নজরদারি, এবার ভোটে থাকবে ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরা

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু ভোট করাতে বড় পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। এবার প্রতিটি বুথে ওয়েবকাস্টিংয়ের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে। বুথের ভিতরে এবং বাইরে দুজায়গাতেই ক্যামেরা বসানো হবে। প্রতি বুথে অন্তত দুটি ক্যামেরা থাকবে এবং তার সঙ্গে ৩৬০ ডিগ্রি দৃশ্যধারণ করতে সক্ষম বিশেষ ক্যামেরাও বসানো হবে।কমিশন জানিয়েছে, রাজ্যের শতভাগ বুথেই এই নজরদারি চালানো হবে। ত্রিস্তরীয় ব্যবস্থায় এই পর্যবেক্ষণ করা হবে। প্রথম স্তরে রিটার্নিং অফিসার, দ্বিতীয় স্তরে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক এবং তৃতীয় স্তরে মুখ্য নির্বাচনী দফতর থেকে সবকিছু দেখা হবে। একাধিক স্ক্রিনে এই সমস্ত ফুটেজ নজরদারি করা হবে এবং প্রতিটি স্ক্রিনের সামনে দুইজন করে পর্যবেক্ষক থাকবেন, একজন নজর রাখবেন এবং অন্যজন তথ্য নথিভুক্ত করবেন।এছাড়াও ভোটযন্ত্র বহনকারী গাড়িগুলির উপরও নজর রাখা হবে। সেই গাড়িগুলিতে জিপিএস থাকবে, যাতে তারা নির্দিষ্ট পথেই যাচ্ছে কি না তা বোঝা যায়। কন্ট্রোল রুমে সিসিটিভির মাধ্যমে সবকিছু রেকর্ড করা হবে। ভোটের এক থেকে দুই দিন আগে থেকেই বুথগুলিতে ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু হবে এবং হাজার হাজার মাইক্রো পর্যবেক্ষক এই কাজে যুক্ত থাকবেন।সংবেদনশীল বুথগুলিতে বাড়তি নজরদারির ব্যবস্থা থাকবে। সেখানে বুথের ভিতরে একাধিক ক্যামেরা বসানো হবে। যদি কোথাও বুথ দখলের ঘটনা ঘটে, তাহলে সেই ভোট বাতিল করে পুনরায় ভোটগ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।কমিশন আরও স্পষ্ট করে জানিয়েছে, কেউ যদি ভোট প্রক্রিয়ায় বাধা দেয়, ভোটারদের ভোট দিতে না দেয় বা জোর করে বুথ দখল করে, তাহলে তা গুরুতর অপরাধ হিসেবে ধরা হবে। এই ধরনের অপরাধে জেল ও জরিমানার শাস্তি হতে পারে। সরকারি কর্মচারী কেউ এই ধরনের কাজে যুক্ত থাকলে তাঁর বিরুদ্ধেও কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।পুনর্নির্বাচনের ক্ষেত্রে শুধু প্রিসাইডিং অফিসারের রিপোর্ট নয়, পর্যবেক্ষক এবং রিটার্নিং অফিসারের রিপোর্টও গুরুত্ব পাবে বলে জানিয়েছে কমিশন। নিরাপত্তার দিক থেকেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যেখানে পর্যাপ্ত পুলিশ দেওয়া সম্ভব নয় সেখানে অতিরিক্ত কর্মী রাখা হবে, যারা বুথের বাইরে নজর রাখবেন।এই ব্যবস্থার মাধ্যমে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে চাইছে নির্বাচন কমিশন।

মার্চ ২৮, ২০২৬
রাজ্য

‘বিচারাধীন’ থেকে সরাসরি বাদ, প্রাক্তন সাংসদের নাম ঘিরে চাঞ্চল্য

নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত নতুন তালিকায় বড় চমক সামনে এল। আগে যার নাম বিচারাধীন হিসেবে ছিল, দ্বিতীয় দফার তালিকায় সেই নামই সম্পূর্ণ বাদ পড়ে গেল। এই ঘটনায় জড়িত প্রাক্তন সাংসদ ও এসইউসি নেতা তরুণ মণ্ডল। তাঁর স্ত্রীর নামও আগে বিবেচনাধীন তালিকায় ছিল। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।শুক্রবার রাতে নির্বাচন কমিশন দ্বিতীয় দফার তালিকা প্রকাশ করে। তবে কত নাম রাখা হয়েছে বা কত নাম বাদ গেছে, তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। এর মধ্যেই জানা যায়, তরুণ মণ্ডলের নাম আর তালিকায় নেই।এক সময় রাজ্য রাজনীতিতে পরিচিত মুখ ছিলেন তরুণ মণ্ডল। তিনি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার জয়নগর কেন্দ্র থেকে সাংসদ হয়েছিলেন। বর্তমানে তিনি স্ত্রীকে নিয়ে হাওড়ায় থাকেন। তাঁর নাম দক্ষিণ হাওড়া এলাকার একটি বুথে ছিল।প্রথম তালিকায় দেখা গিয়েছিল, তিনি এবং তাঁর স্ত্রী দুজনেই বিচারাধীন তালিকায় রয়েছেন। পরে শুনানির সময় তিনি একাধিক নথি জমা দেন। তারপর তাঁর নাম বিবেচনাধীন তালিকায় ওঠে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় দফার তালিকায় তাঁর নাম সম্পূর্ণ বাদ পড়ে যায়।এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তরুণ মণ্ডল। তিনি বলেন, তিনি সরকারি চাকরি করেছেন, পেনশন পান এবং সাংসদও ছিলেন। তিনি একাধিক নথি জমা দিয়েছেন। তবুও কেন তাঁর নাম বাদ গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।তিনি জানিয়েছেন, এই বিষয়টি নিয়ে তিনি দেশের রাষ্ট্রপতি ও লোকসভার অধ্যক্ষকে চিঠি লিখবেন। তাঁর মতে, একজন প্রাক্তন সাংসদের যদি এই পরিস্থিতি হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের কী হবে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।এই ঘটনাকে ঘিরে নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে কড়া বার্তা কমিশনের, থানার ওসিদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশ

আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে হিংসামুক্ত, অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট করাতে একাধিক কড়া নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী দফতরের পক্ষ থেকে থানার ওসিদের জন্য এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।নির্দেশ অনুযায়ী, আগের নির্বাচনের সময় হওয়া সমস্ত ফৌজদারি মামলার তদন্ত দ্রুত শেষ করতে হবে। জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দ্রুত কার্যকর করতে হবে এবং কোনও পরোয়ানা ১০ দিনের বেশি ফেলে রাখা যাবে না। থানাগুলিকে পলাতক ও ওয়ান্টেড আসামিদের তালিকা তৈরি করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।এছাড়া, এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে সব ধরনের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে পুলিশকে। অতীতে যেখানে রাজনৈতিক সংঘর্ষ বা গোলমালের ইতিহাস রয়েছে, সেই সব এলাকা চিহ্নিত করে আগে থেকেই নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।অপরাধপ্রবণ এলাকা ও মাদক চক্র সক্রিয় এমন জায়গাগুলিকে চিহ্নিত করে সেখানে নিয়মিত টহল চালাতে হবে। সন্দেহজনক হোটেল, লজ বা অন্য জায়গায় তল্লাশি চালানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। কোনও অশান্তির খবর পেলেই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ব্যবস্থা নিতে হবে।আন্তঃজেলা ও আন্তঃরাজ্য সীমান্তে দিনরাত নাকা চেকিং চালু রাখার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। সব গাড়িতে তল্লাশি বাড়াতে হবে এবং সিসিটিভি ক্যামেরা সবসময় চালু রয়েছে কি না তা নিশ্চিত করতে হবে।রাজনৈতিক সভা, রোড শো এবং প্রার্থীদের নিরাপত্তার দিকেও বিশেষ নজর দিতে বলা হয়েছে। যেসব ব্যক্তি নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন বা ঝুঁকিতে থাকতে পারেন, তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ভোট সংক্রান্ত সমস্ত আধিকারিক কমিশনের অধীনে কাজ করবেন এবং নির্দেশ অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
কলকাতা

তৃণমূলকে আক্রমণ, বাম শাসনের প্রশংসা শাহর, রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক

বিধানসভা নির্বাচনের আগে কলকাতায় এসে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন তিনি দাবি করেন, বর্তমান তৃণমূল সরকারের তুলনায় বাংলায় বামফ্রন্টের শাসন অনেক ভালো ছিল। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।কলকাতায় বিজেপির চার্জশিট প্রকাশ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহ বলেন, বাংলায় সোনার বাংলা গড়ার নামে হিংসা ও অরাজকতা বেড়েছে। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকার অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করছে এবং সিন্ডিকেট ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, তোষণের রাজনীতি করা হচ্ছে এবং এর ফলে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।শাহ দাবি করেন, পরিবর্তনের আশায় বাংলার মানুষ একসময় তৃণমূলকে ক্ষমতায় এনেছিল। কিন্তু এখন অনেকেই মনে করছেন, আগের বাম শাসনই ভালো ছিল। এই প্রসঙ্গে তিনি তৃণমূল সরকারের সঙ্গে বাম আমলের তুলনা টানেন।এদিন তিনি তৃণমূলের ১৫ বছরের শাসনের বিরুদ্ধে চার্জশিট প্রকাশ করেন। সেখানে দুর্নীতি, নারী নিরাপত্তা, সিন্ডিকেট রাজ এবং অনুপ্রবেশ ইস্যুতে একাধিক অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, এবারের নির্বাচনে বাংলার মানুষকে ভয় আর ভরসার মধ্যে একটি বেছে নিতে হবে।শাহ আরও দাবি করেন, গত কয়েক বছরে দেশের একাধিক রাজ্যে বিজেপি প্রথমবার ক্ষমতায় এসেছে। এবার বাংলাতেও বিজেপি বড় জয় পাবে বলে তিনি আশাবাদী। তাঁর কথায়, অঙ্গ, বঙ্গ এবং কলিঙ্গে একই দলের সরকার গঠনের সময় এসে গেছে।এই মন্তব্যের পর রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
কলকাতা

বাংলায় এসে বিস্ফোরক চার্জশিট অমিত শাহর, তৃণমূলের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ

বাংলায় এসে তৃণমূল সরকারের ১৫ বছরের শাসনের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ তুলে চার্জশিট প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। নিউ টাউনের একটি হোটেলে এই চার্জশিট প্রকাশ করেন তিনি। শাহর দাবি, এটি শুধু বিজেপির চার্জশিট নয়, বাংলার মানুষের অভিযোগের প্রতিফলন।তিনি বলেন, দুর্নীতি, নারী নিরাপত্তা, শিল্প ও স্বাস্থ্যসব ক্ষেত্রেই তৃণমূল সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরা হয়েছে এই নথিতে। তাঁর কথায়, গত ১৫ বছরে বাংলায় ভয়, সন্ত্রাস, দুর্নীতি এবং বিভেদের রাজনীতি চলেছে। এবার মানুষকে ঠিক করতে হবে তারা ভয়ের পক্ষে থাকবে, না উন্নয়নের পক্ষে।অমিত শাহ অনুপ্রবেশের বিষয়টি নিয়েও কড়া অবস্থান নেন। তিনি অভিযোগ করেন, অনুপ্রবেশকারীদের প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে এবং এর ফলে দেশের নিরাপত্তা ও সাধারণ মানুষের জীবিকা দুটোই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে অনুপ্রবেশকারীদের দেশ থেকে বের করে দেওয়ার পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকার জমি দিচ্ছে না। বিজেপি ক্ষমতায় এলে অল্প সময়ের মধ্যেই প্রয়োজনীয় জমি দেওয়া হবে এবং সীমান্ত সুরক্ষিত করা হবে।বাংলায় বিজেপির ভোটের বৃদ্ধি নিয়েও তথ্য দেন শাহ। তাঁর দাবি, গত কয়েক বছরে বিজেপির ভোটের হার অনেক বেড়েছে এবং রাজ্যে একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি হয়েছে।অমিত শাহ বলেন, এই নির্বাচন বাংলার মুক্তির নির্বাচন। অনেক মানুষ নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং পরিবর্তন চান।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে তিনি বলেন, তিনি বারবার সহানুভূতি পাওয়ার জন্য বিভিন্ন কৌশল নেন। তবে বাংলার মানুষ এখন সেই রাজনীতি বুঝে গিয়েছেন।নারী নিরাপত্তার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন শাহ। তিনি দাবি করেন, বাংলায় মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে বড় সমস্যা রয়েছে এবং বিভিন্ন ঘটনার উদাহরণও তুলে ধরেন।এছাড়া তিনি বলেন, ভবিষ্যতে বাংলা, বিহার ও ওড়িশায় একই দলের সরকার গঠন হতে পারে। তাঁর বক্তব্যে একাধিকবার শুভেন্দু অধিকারীর নামও উঠে আসে, যা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
রাজ্য

সভা শেষে হঠাৎ আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা অভিষেকের

শনিবার বীরভূমের লাভপুরে তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা শেষে হঠাৎ মঞ্চের একাংশে আগুন লাগে। এই ঘটনায় সভাস্থলে উপস্থিত মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে দ্রুত দমকল কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।জানা গিয়েছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বক্তব্য শেষ করে মঞ্চ থেকে নেমে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই এই আগুন লাগে। তিনি তখন হেলিপ্যাডের দিকে যাচ্ছিলেন। ফলে তিনি সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছেন বলে জানা গেছে।এদিন সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি কেন্দ্র সরকারকে একাধিক বিষয়ে আক্রমণ করেন। রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভেদ তৈরির অভিযোগ তোলেন তিনি। পাশাপাশি রাজ্য সরকারের উন্নয়নের কথাও তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যতের পরিকল্পনার কথাও জানান।সভা শেষ হওয়ার পর হঠাৎ মঞ্চের উপরের অংশ থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই কাপড়ে আগুন ধরে যায়। সেখানে উপস্থিত দমকল কর্মীরা দ্রুত মঞ্চে উঠে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। নিরাপত্তার জন্য এলাকাটি ফাঁকা করে দেওয়া হয় এবং সাধারণ মানুষকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে দেওয়া হয়।কিছু সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে কীভাবে আগুন লাগল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে দমকল ও পুলিশ।এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরও একটি সভা করার কথা ছিল। কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে সেখানে যাওয়া সম্ভব হয়নি। পরে তিনি কলকাতায় ফিরে ভারচুয়াল মাধ্যমে প্রচার করবেন বলে জানা গেছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
রাজ্য

রঘুনাথগঞ্জে সংঘর্ষে বিস্ফোরক মমতা, সরাসরি কমিশন ও বিজেপিকে দায়ী

মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষের ঘটনায় বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, ইচ্ছাকৃতভাবে অফিসারদের সরিয়ে দিয়ে দাঙ্গা বাধানো হয়েছে। তাঁর হুঁশিয়ারি, এই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, কাউকেই ছাড়া হবে না।শনিবার রানিগঞ্জের খান্দরা ফুটবল মাঠে এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, কারা দাঙ্গা বাধানোর অধিকার দিল, তা খতিয়ে দেখা হবে। তাঁর অভিযোগ, এই ঘটনার পিছনে টাকা ঢোকানো হয়েছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, রাম নবমীর শোভাযাত্রায় অস্ত্র নিয়ে বের হওয়া হয়েছে, কিন্তু তার বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।এই ঘটনার জন্য তিনি দুঃখপ্রকাশও করেন। বলেন, প্রশাসন বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণে থাকায় কিছু ক্ষেত্রে গা ছাড়া মনোভাব দেখা গিয়েছে। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, দায়িত্বে থাকা আধিকারিকরা নিরপেক্ষভাবে কাজ করবেন এবং এলাকায় শান্তি বজায় রাখবেন।নির্বাচন ঘোষণার পর শীর্ষ স্তর থেকে জেলা প্রশাসনের একাধিক অফিসার বদলি করা হয়েছিল। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে। তৃণমূলের দাবি, রঘুনাথগঞ্জের ঘটনা সেই আশঙ্কাকেই সত্যি প্রমাণ করেছে।প্রসঙ্গত, প্রতি বছরের মতো এবারও রঘুনাথগঞ্জে রাম নবমীর শোভাযাত্রা বের হয়। বিভিন্ন এলাকা থেকে ছোট ছোট মিছিল ম্যাকাঞ্জি পার্কের দিকে যাচ্ছিল। সিসাতলা এলাকায় একটি মিছিল পৌঁছলে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে বচসা শুরু হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।মিছিলে ইট-পাটকেল ছোড়ার অভিযোগ ওঠে এবং এলাকা মুহূর্তে অশান্ত হয়ে পড়ে। অন্যদিকে বড় শোভাযাত্রা ফুলতলা মোড় এলাকায় পৌঁছলে আবারও উত্তেজনা ছড়ায়। দুই পক্ষের মধ্যে ঢিল ছোড়াছুড়ি চলতে থাকে এবং পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। অভিযোগ, উত্তেজিত জনতা কয়েকটি ফলের দোকানে ভাঙচুর চালায় এবং আগুন লাগিয়ে দেয়।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স, কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পুলিশ। তাদের হস্তক্ষেপে শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
বিদেশ

গোপন ফোনালাপে তৃতীয় ব্যক্তি, মোদি-ট্রাম্প কথোপকথনে কেন মাস্ক

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ ফোনালাপ হয়। সেই ফোনালাপে অপ্রত্যাশিতভাবে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। একটি মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এই তথ্য সামনে এসেছে।জানা গিয়েছে, ইরানকে ঘিরে চলা উত্তেজনা নিয়ে আলোচনা করার জন্য ট্রাম্প মোদিকে ফোন করেন। ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ অভিযানের পর এই প্রথম দুই নেতার মধ্যে কথা হয়। সেই আলোচনায় মাস্কের উপস্থিতিকে অস্বাভাবিক বলেই মনে করা হচ্ছে, কারণ যুদ্ধের সময় এমন উচ্চ পর্যায়ের আলোচনায় তৃতীয় কোনও ব্যক্তির থাকা খুবই বিরল।প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন প্রশাসনের দুই উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন, মাস্ক ফোনালাপে ছিলেন ঠিকই, তবে তিনি কথা বলেছেন কি না তা স্পষ্ট নয়। হোয়াইট হাউসের তরফে জানানো হয়েছে, মোদি ও ট্রাম্পের মধ্যে সম্পর্ক খুবই ভালো এবং তাঁদের আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে।এই ফোনালাপে হরমুজ প্রণালী নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। দুই দেশনেতাই মনে করেন, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথকে খোলা ও নিরাপদ রাখা জরুরি। প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, এই পথ বিশ্ব শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, গত বছর প্রশাসন ছাড়ার পর ট্রাম্প ও ইলন মাস্কের সম্পর্ক খারাপ হয়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁদের সম্পর্ক আবার স্বাভাবিক হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। এই ঘটনাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal