• ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Pass

খেলার দুনিয়া

‌তিন ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি, বিদেশি বাছাইয়ে চমক দিতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল

ডুরান্ড কাপকে পাখির চোখ করে জোর কদমে চলছে ইমামি ইস্টবেঙ্গলের প্রস্তুতি। এর পাশাপাশি দল গঠনের ব্যাপারেও অনেক তোড়জোড় শুরু হয়েছে। নতুন নতুন স্বদেশি ফুটবলারের পাশাপাশি বিদেশি ফুটবলার নির্বাচনেও চোখ লালহলুদ কর্তাদের। বিদেশি বাছাইয়ের ব্যাপারে চমক দিতে চলেছে লালহলুদ। অস্ট্রেলিয়ার এক ডিফেন্ডারের সঙ্গে কথাবার্তা অনেকটাই এগিয়েছে। লালহলুদ কর্তাদের নজরে রয়েছেন সাইপ্রাসের এক ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারও।এশিয়া কোটার বিদেশি হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার অ্যারন ইভান্সকে নেওয়ার পথে অনেকটাই এগিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। সূত্রের খবর, কথাবার্তা প্রায় চূড়ান্ত। বড় কোনও অঘটন না ঘটলে কয়েকদিনের মধ্যেই চুক্তিপত্রে সই হয়ে যাবে। আদপে ডিফেন্ডার হলেও ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার পজিশনেও খেলতে পারেন ২৭ বছর বয়সী অ্যারন ইভান্স। অস্ট্রেলিয়ার এ লিগ ছাড়াও ইন্দোনেশিয়ার লিগ ১এ খেলার অভিজ্ঞতাও রয়েছে এই অসি ডিফেন্ডারের।সাইপ্রাসের মিডফিল্ডার অ্যালেক্স গজিকের এজেন্টের সঙ্গেও একপ্রস্থ কথা বলেছেন লালহলুদ কর্তারা। ইংল্যান্ডের প্রথম সারির দল সোয়ান্স সিটির ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট থেকে উঠে এসেছেন অ্যালেক্স। এই মুহূর্তে সাইপ্রাসের হিবারনিয়ানে খেলছেন তিনি। সাইপ্রাসের জাতীয় দলের হয়েও খেলেছেন অ্যালেক্স।এদিকে, বৃহস্পতিবার তিন ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি করল ইমামি ইস্টবেঙ্গল। মূলত কোচ স্টিফেন কনস্টানটাইনের সুপারিশেই গোলকিপার কমলজিৎ সিং, ডিফেন্ডার লালচুংনুঙ্গা ও ফরোয়ার্ড সুমিত পাসিকে দলে নেওয়া হয়েছে। কনস্ট্যান্টাইনের প্রিয় ফুটবলার সুমিত। ভারতের কোচ থাকাকালীন তাঁকে জাতীয় দলে সুযোগ দিয়েছিলেন কনস্টানটাইন। তবে বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি। মাত্র ৮টি ম্যাচ খেলেছিলেন। গত মরসুমে আই লিগে রাউন্ডগ্লাস এফসির হয়ে খেলেছিলেন সুমিত। তার আগে জামশেদপুর এফসির হয়ে আইএসএলে ৩২টি ম্যাচ খেলেছেন।গোলকিপার কমলজিৎ সিংকে ওড়িশা এফসি থেকে রিলিজ করে নিয়ে আসা হয়েছে। আইএসএলে এখনও পর্যন্ত ৪৪টি ম্যাচ খেলেছেন কমলজিৎ। ওড়িশা এফসির জার্সি গায়ে খেলেছেন ১২টি ম্যাচ। ওড়িশা ছাড়াও আইএসএলে এফসি পুণে সিটি এবং হায়দরাবাদ এফসির হয়ে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। লালচুংনুঙ্গাকে নেওয়া হয়েছে আই লিগের ক্লাব শ্রীনিধি ডেকান এফসি থেকে। গত মরসুমে শ্রীনিধির হয়ে ১৭টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি।

আগস্ট ১২, ২০২২
দেশ

শততন্ত্রীবীনা-র তার ছিঁড়ে গেলো, চলে গেলেন পণ্ডিত শিবকুমার শর্মা

ইন্দ্রপতন ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত জগতে। চলে গেলেন ভারতীয় মার্গ সঙ্গীতের মহীরুহ পণ্ডিত শিবকুমার শর্মা। প্রবাদ প্রতীম এই সন্তুর বাদক ভারতীয় প্রচলিত ভারতীয় সিনেমায় সঙ্গীত রচনা করেছেন। তিনি মঙ্গলবার মুম্বইয়ে নিজের বাসভবনে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন শিবকুমার। মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। রেখে গেলেন স্ত্রী মনোরমা এবং পুত্র রাহুল শর্মাকে। তিনি গত ছয় মাস ধরে কিডনি সংক্রান্ত সমস্যায় ভুগছিলেন এবং ডায়ালাইসিসে ছিলেন। উত্তর ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে সন্তুর বা শততন্ত্রীবীনা একটি লোক সঙ্গীত বাদ্যযন্ত্র বলেই গন্য করা হত। সেই যন্ত্রকে মার্গ শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের মূল ধারায় এনে ফেলার কৃতিত্ব সম্পুর্ন কৃতিত্ব শিবকুমার শর্মার। তিনি হরিপ্রসাদের চৌরাশিয়ার সঙ্গে জুটি বেঁধে বলিউডের বেশ কয়েকটি কালজয়ী সিনেমাতে সুরসৃষ্টি করেছেন। সেগুলির মধ্যে অন্যতম সিলসিলা, লমহে, চাঁদনী। তাঁর সুযোগ্য পুত্র রাহুল বাবার পিতার যোগ্য উত্তরসূরি। সন্তুরবাদক হিসাবে তিনি আজ সুপ্রতিষ্টিত।তিনি বহু ভারতীয় ও আন্তর্জাতীক পুরস্কার পেয়েছেন। তিনি সঙ্গীত নাটক অ্যাকাডেমি ও পদ্মবিভূষণ পান। এ ছাড়াও আমেরিকার বাল্টিমোরে তাঁকে সম্মাননীয় নাগরিকত্ব প্রদান করা হয়।

মে ১০, ২০২২
বিদেশ

১৩৩ জন যাত্রী-সহ দক্ষিণ চিনে ভেঙে পড়ল বিমান

ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার মুখোমুখি চিন। দক্ষিণ চিনে ভেঙে পড়ল যাত্রীবাহী বিমান। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে ওই বিমানে ১৩৩ জন যাত্রী ছিল। জানা গিয়েছে চিনে যে বিমানটি ভেঙে পড়েছে সেটি বোয়িং ৭৩৭ বিমান ছিল। মনে করা বিমান থাকা কোনও যাত্রীরই বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নেই। সবেমাত্র উদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে বিমানটি কুনমিং শহর থেকে গুয়াংজুর দিকে যাচ্ছিল। ভেঙে পড়া বোয়িং বিমানটি চিন ইস্টার্ন এয়ারলাইন্সের বিমান ছিল। চিনের সিভিল অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন জানিয়েছে, এখনও অবধি এই বিমান দুর্ঘটনায় কত জন মারা গিয়েছেন তা জানা যায়নি।বিমান ভেঙে পড়ার ঘটনায় চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তদন্তের নির্দেশ দিলেন। কীভাবে আচমকা ভেঙে পড়ল সুরক্ষিত বোয়িং ৭৩৭ বিমান, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে খবর।Crash site pic.twitter.com/8qJWYK8FhS ChinaAviationReview (@ChinaAvReview) March 21, 2022তবে বিমানে থাকা ১৩৪ জন যাত্রী বেঁচে থাকার কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই মনে করা হচ্ছে। বিমান সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, ভেঙে পড়া বিমানটি ৬ বছরের পুরানো। সিএএসি জানিয়েছে, উঝুর এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমানটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। বিমানটিতে মোট ১২৩ জন যাত্রী এবং পাইলট সহ মোট ৯ জন কর্মী ছিলেন। ইতিমধ্যে জরুরি ভিত্তিতে উদ্ধারকাজ চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছে এবং উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। উদ্ধারকারী দলের এক সদস্যকে উদ্ধৃত করে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, দুর্ঘটনার ফলে বিমানটি ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে বিমান দুর্ঘটনার সময়ে আগুন দেখা গিয়েছিল। পাহাড়ের কোলে যে এলাকার বিমানটি ভেঙে পড়েছে, সেখানকার বাঁশ বনে আগুন লেগে গিয়েছে বলেই জানা গিয়েছে।

মার্চ ২১, ২০২২
রাজ্য

দমদমের পর নদিয়া, শ্লীলতাহানির পর চলন্ত ট্রেন থেকে ধাক্কা মহিলাকে

দমদমের পর এবার নদিয়া। ফের একবার চলন্ত ট্রেনে মহিলাকে শ্লীলতাহানি করার চেষ্টা। শুধু তাইই নয়, এরপর সেই মহিলা তার প্রতিবাদ করলে সুযোগ বুঝে ধাক্কা দেওয়া হয় সেই ট্রেন থেকেই। বরাত জোরে প্রাণে বাঁচলেও গুরুতর আহত সেই মহিলা হাসপাতালে ভর্তি। ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১ জনকে। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার গাংনাপুরে। আরও একবার লোকাল ট্রেনে মহিলা যাত্রীদের সুরক্ষার নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেল।সূত্রের খবর, রানাঘাট-বনগাঁ শাখার গাংনাপুরের কাছে চলন্ত ট্রেনে ছিলেন সেই মহিলা। গাড়ি যখন রায়নগর স্টেশনে ঢুকছে, সেই মুহূর্তে সেই মহিলাকে শ্লীলতাহানি করার চেষ্টা করেন অভিযুক্ত ব্যক্তি। ক্রমাগত উত্যক্ত করতে থাকেন সেই মহিলাকে। সেই হেনস্থার প্রতিবাদ করায় এরপর চলন্ত লোকাল ট্রেন থেকে ধাক্কা মারেন অভিযুক্ত ব্যক্তি সেই মহিলাকে। প্ল্যাটফর্মে পড়ে যাওয়ার পরে মহিলাকে উদ্ধার করে জেএনএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে তিনি গুরুতরভাবে আহত। ঘটনায় ১ জনকে গ্রেপ্তার করলেও, আরও এক অভিযুক্ত এখনও পলাতক।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
রাজ্য

Bus Accident: কাদায় চাকা স্লিপ করে ধান জমিতে উল্টে গেল যাত্রীবাহী বাস, আহত ১২ যাত্রী

যাত্রী বোঝাই একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধান জমিতে উল্টেপড়ায় আহত হলেন ১২ জন যাত্রী। বৃহস্পতিবার সকালে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের আউসগ্রামের বাবুরবাঁধ বাস স্ট্যান্ড মোড় এলাকায় ।খবর পেয়ে আউসগ্রাম থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছায়। পুলিশ ও এলাকার মানুষজন বাসটির সামনের অংশে থাকা কাচ খুলে আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে স্থানীয় বন নবগ্রাম ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায়। সেখানেই তাঁদের চিকিৎসা চলে। পরে ক্রেনের সাহায্যে বাসটিকে জমি থেকে রাস্তায় তোলা হয়। বাসটি আটক করে পুলিশ দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেসরকারী যাত্রীবাহী বাসটি গলসির পারাজ থেকে বোলপুর যাচ্ছিল।বাসটিতে ১৮- ২০ জনের মত যাত্রী ছিল। পথে আউসগ্রামের বাবুরবান্ধ বাস স্ট্যান্ডের কাছে বাঁক কাটানোর সময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে জোরে ব্রেক কষেন। তখনই বাসের চাকা কাদায় স্লিপ করলে বাসটি পাল্টি খেয়ে রাস্তার পাশের ধান জমিতে গিয়ে উল্টে পড়ে। এই দুর্ঘটনায় বাসে থাকা মহিলা সহ ১২ জন যাত্রী আহত হন। তাঁদের মধ্যে ৪ জন একটু বেশী চোট পেয়েছেন।উল্টে গেল যাত্রীবাহী বাসপ্রত্যক্ষদর্শী সবির হেসেন মোল্লা, একরাম আলী খাঁন বলেন, বুধবার রাতে হালকা বৃষ্টি হওয়ায় রাস্তা ভিজে ছিল। তার উপর চাষের জমির কাদা ট্র্যাক্টর থেকে রাস্তায় পড়তে পড়তে যাওয়ায় রাস্তাও পিচ্ছিল হয়েছিল। সেই কারণে বাস চালক ব্রেক কষার সাথে সাথেই কাদায় চাকা হড়কে গিয়ে বাসটি রাস্তা থেকে ধান জমিতে গিয়ে উল্টে পড়ে। তবে বরাত জোরে বাসের কোন যাত্রীর প্রাণহাণির ঘটনা ঘটেনি।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২১
দেশ

Farm Law Withdrawn: তুমুল হট্টগোলে ধ্বনিভোটে লোকসভায় পাশ কৃষি আইন প্রত্যাহার বিল

বিরোধীদের প্রবল হইচইয়ের মধ্যে লোকসভায় ধ্বনিভোটে পাশ হয়ে গেল কৃষি আইন প্রত্যাহার বিল। কৃষি আইন নিয়ে আলোচনার দাবিতে শীতকালীন অধিবেশনের শুরুতেই হই-হট্টগোল শুরু করে বিরোধীরা। ওয়েলে নেমে এসে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। তার পর সংসদের দুই কক্ষেই অধিবেশন বেলা ১২টা পর্যন্ত মুলতুবি করে দেন স্পিকার।বেলা ১২টায় অধিবেশনের ফের শুরু হতেই কৃষি আইন প্রত্যাহার বিল, ২০২১ পেশ করেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর। ধ্বনিভোটে তা সঙ্গে সঙ্গেই পাশ হয়ে যায়। বিরোধীরা কৃষি আইনের উপর আলোচনার যে দাবি করেছিল, তা খারিজ করে দিয়েছে সরকার পক্ষ।আজ থেকেই শুরু হল সংসদের শীতকালীন অধিবেশন, চলবে ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত। অধিবেশন শুরুর আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অনুরোধ করেছিলেন, শান্তিপূর্ণভাবেই যেন অধিবেশনের কাজ হয়। তিনি বলেন, সরকার সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে প্রস্তুত। আমরা চাই সংসদে আলোচনা হোক, তবে শান্তিও যেন বজায় থাকে। সরকারের বিরুদ্ধে হোক বা সরকারের কোনও সিদ্ধান্ত- প্রশ্ন উঠতেই পারে। তবে সংসদের অধ্যক্ষ ও স্পিকারের সম্মান যাতে রক্ষা হয়, তাও মাথায় রাখতে হবে। আমাদের এমন আচরণ বজায় রাখা উচিত, যা পরবর্তী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।তবে এ দিন লোকসভা-র অধিবেশন শুরু হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিরোধীদের হইহট্টগোলে উত্তাল হয়ে ওঠে সংসদ। সংসদের যৌথ অধিবেশনে নতুন সাংসদরা শপথ গ্রহণের পরই লোকসভার অধিবেশন শুরু হয়। এরপরই বিরোধী সাংসদরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে কৃষক ইস্যুতে। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা সাংসদদের শান্তি বজায় রাখার অনুরোধ করে তিনি বলেন, আজ অধিবেশনের প্রথম দিন। গোটা দেশই অধিবেশনের দিকে নজর রাখছে।

নভেম্বর ২৯, ২০২১
কলকাতা

Dhankhar: বিএসএফ সংক্রান্ত প্রস্তাব পাশ নিয়ে বিস্তারিত জানতে চান রাজ্যপাল

বিএসএফের এক্তিয়ার নিয়ে ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় সরকারি প্রস্তাব পাশ হয়েছে। এবার সেই প্রস্তাবের বিস্তারিত চেয়ে পাঠালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। সূত্রের খবর, বিএসএফের এক্তিয়ার বৃদ্ধির বিরোধিতা করে রাজ্য সরকার যে প্রস্তাব পাশ করেছে তার বিস্তারিত তথ্য বিধানসভার কাছে চেয়ে পাঠিয়েছেন রাজ্যপাল। একই সঙ্গে সিবিআই ও ইডির বিরুদ্ধে প্রিভিলেজ সংক্রান্তও সমস্ত তথ্য চেয়েছেন তিনি।এই প্রস্তাব পাশ সংক্রান্ত এবার যাবতীয় তথ্য দেখতে এবং জানতে চান রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। অর্থাৎ কত ভোটাভুটিতে এই প্রস্তাব পাশ হল, প্রস্তাবে কী বলা হয়েছিল, কারা বক্তা ছিলেন, তাঁদের বক্তব্য কী ছিল গোটা বিষয়টাই তিনি জানতে চান বলে সূত্রের খবর।গত ১৬ নভেম্বর বিএসএফের এক্তিয়ার বৃদ্ধির বিরোধিতা করে সরকারি প্রস্তাব আনা হয়েছিল বিধানসভায়। ভোটাভুটিতে তা পাশও হয়ে যায়। প্রস্তাবের পক্ষে ভোট পড়ে ১১২টি ও বিপক্ষে ভোট পড়ে ৬৩টি। বিএসএফের এক্তিয়ার বাড়ালে সংবিধানের বিরোধিতা করা হবে বলে দাবি করে তৃণমূল সরকার। এই ইস্যুতেই সরব হন তৃণমূল বিধায়করা।অন্যদিকে ইডি-সিবিআই-এর বিরুদ্ধে বিধানসভায় স্বাধিকারভঙ্গের অভিযোগ এনেছিলেন বিধানসভার উপ মুখ্যসচেতক তাপস রায়। সিবিআই ও ইডির দুই আধিকারিক সত্যেন্দ্র সিং ও রথীন বিশ্বাসকে তলব করেছিলেন বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু বারবার তাঁরা সেই হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন। যা স্পিকারের মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করা হয় বলে অভিযোগ করেন সরকারি দলের উপ মুখ্যসচেতক তাপস রায়। আর সেই কারণেই ডিএসপি সিবিআই সত্যেন্দ্র সিং ও অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর রথীন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিধানসভার স্বাধিকার ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়।এ সংক্রান্তও বিস্তারিত জানতে চেয়েছেন রাজ্যপাল। কী ঘটেছিল, কী কারণে কেন্দ্রীয় দুই তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকের বিরুদ্ধে রাজ্য বিধানসভায় স্বাধিকারভঙ্গের অভিযোগ উঠল সে সংক্রান্ত বিষয়ও জানতে চান জগদীপ ধনখড়। অর্থাৎ এই দুই ঘটনাকে সামনে রেখে আরও একবার বিধানসভা ও রাজভবনের মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হতে চলেছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

নভেম্বর ১৯, ২০২১
কলকাতা

BSF: বিএসএফের ক্ষমতাবৃদ্ধি-বিরোধী প্রস্তাব পাশ বিধানসভায়

বিএসএফ-এর এক্তিয়ার বৃদ্ধির বিরোধিতা করে আজ সরকারি প্রস্তাব আনা হয়েছিল বিধানসভায়। ভোটাভুটিতে পাশ হয়ে গেল সেই প্রস্তাব। প্রস্তাবের পক্ষে ভোট পড়েছে ১১২টি ও বিপক্ষে ভোট পড়েছে ৬৩টি। বিএসএফের এক্তিয়ার বাড়ালে সংবিধানের বিরোধিতা করা হবে বলে দাবি তৃণমূল সরকারের। এই ইস্যুতেই এ দিন সরব হয়েছিলেন তৃণমূল বিধায়কেরা। এই প্রসঙ্গে বিধানসভার পরিষদীয় নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, ক্রমশ সীমান্তবর্তী নয়, এমন এলাকাতেও ক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে বিএসএফ-এর। এ দিন ভোট দেননি আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি।কেন্দ্রীয় সরকার বিএসএফের এলাকাবৃদ্ধির যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা আদতে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ওপরে আঘাত, এই মর্মেই সরকারি প্রস্তাব আনা হয় মঙ্গলবার। এই ইস্যুতে এ দিন বিধানসভায় সরব হন উদয়ন গুহ, তাপস রায়-সহ তৃণমূল বিধায়কেরা।এই প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, এই বিধানসভায় যেহেতু তৃণমূলের সংখ্যগরিষ্ঠতা আছে, তাই কোনও দিন আমরা হয়ত দেখব ভারতের সীমান্ত সুরক্ষার বিরুদ্ধে এরা প্রস্তাব পাশ করবে, কোনও দিন ভারতের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে এরা প্রস্তাব পাশ করবে। বলবে ভারতের কোনও সুরক্ষার দরকার নেই। এরা ভুলে যায় যে এটা পশ্চিমবঙ্গের সুরক্ষার বিষয় নয়, ভারতের সুরক্ষার বিষয়। তৃণমূল সরকার বিধানসভায় বসে অধিকার বহির্ভূত চর্চা করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর কথায়, এ ভাবে তৃণমূল শত্রুদের ইন্ধন জোগাচ্ছে, সন্ত্রাসবাদীদের ইন্ধন জোগাচ্ছে। সরকারের এই প্রস্তাব নিন্দনীয় বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

নভেম্বর ১৬, ২০২১
রাজ্য

Local Train: লোকাল চালু হলেও শিকেয় দূরত্ববিধি, চিন্তায় যাত্রীরা

দীর্ঘ পাঁচ মাস বন্ধ থাকার পর রবিবার থেকে চালু হয়েছে লোকাল ট্রেন। ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে শুরু হয়েছে পরিষেবা। সোমবার সপ্তাহের প্রথমদিন কার্যত সবথেকে বড় পরীক্ষা রেলের জন্য। কিভাবে ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ন্ত্রণ করা যাবে এবং কিভাবে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করবে পুলিশ প্রশাসন এবং রেল সেই দিকে নজর রয়েছে সকলের।বিভিন্ন যাত্রী জানিয়েছেন, ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে কোভিড বিধি মানার কথা থাকলেও বেশিরভাগ মানুষই সেই বিধি মানছেন না বলে অভিযোগ যাত্রীদের। অনেকেই মনে করছেন যে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সময়ে ট্রেন চালানো এবং ১২ বগির ট্রেন চালানোর মধ্য দিয়ে এই বিধি মানা তুলনামূলক বেশি সহজ হবে। সোমবার অফিস টাইমে কিভাবে কোভিড প্রোটোকল মানা হবে সেই দিকে তাকিয়ে রয়েছে শহরবাসী। যদিও প্রথমদিন অর্থাৎ রবিবারে অনেক মানুষই স্টেশনে মাস্ক নিয়েই আসেননি। সোমবারেও বহু স্টেশনে চোখে পড়ার মত ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে। অনেকের মুখেই দেখা যায়নি মাস্ক। অনেকেই পকেটে ঢুকিয়ে রেখেছেন মাস্ক এবং এই প্রবণতাই ক্রমশ দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে বিশেষজ্ঞদের।

নভেম্বর ০১, ২০২১
রাজ্য

Palsit Toll Plaza: বাস যাত্রীদের মারধোর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার পালসিট টোলপ্লাজার ২ কর্মী

টোল আদায় নিয়ে বিবাদ চলাকালীন বাসের কয়েকজন যাত্রীকে মারধর ও মহিলাদের শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার হল টোল প্লাজার দুই কর্মী। মঙ্গলবার ভোরে ঘটনাটি ঘটেছে জাতীয় সড়কে পূর্ব বর্ধমানের মেমারির পালসিট টোল প্লাজায়। ধৃতদের নাম রাজু মুখোপাধ্যায় ও ইন্দ্রজিৎ ঘোষ। হুগলির উত্তরপাড়া থানার ভদ্রকালীতে রাজুর বাড়ি। অপর ধৃত ইন্দ্রজিৎতের বাড়ি হুগলির ডানকুনি থানা এলাকায়। বাসযাত্রীদের অভিযোগের ভিত্তিতে মেমারি থানার পুলিশ এদিনই তাদের গ্রেফতার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ এদিনই ধৃতদের পেশ করে বর্ধমান আদালতে। ধৃতদের বিচারবিভাগীয় হেপাজতে পাঠিয়ে বৃহস্পতিবার ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।পুলিশ জানিয়েছে, পশ্চিম বর্ধমানের চিত্তরঞ্জন থেকে একটি বাস যাত্রী নিয়ে হাওড়ার লিলুয়ায় যাচ্ছিল। পালশিট টোল প্লাজার কর্মীরা বাসটির কাছে টোল বাবদ ২৯০ টাকা চায়। ফাস্ট ট্যাগ থাকা সত্বেও কেন বাসের টোল বাবদ নগদে টাকা চাওয়া হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বাস যাত্রীরা। তা সত্ত্বেও টাকা নিয়ে বাসটিকে তখন ছাড়া হয়। এরপর ফেরার সময় ফের বাসটির চালকের কাছে টোল বাবদ ৩০০ টাকা চায় পালসিট টোল প্লাজার কর্মীরা। কেন এত টাকা চাওয়া হচ্ছে তা নিয়ে ফের প্রশ্ন তোলেন বাসের যাত্রীরা। তা নিয়ে বচসা চলাকালীন টোলের কর্মীরা লাঠি, রড প্রভৃতি নিয়ে বাসের যাত্রীদের উপর হামলা চালায়। যাত্রীদের মারধর করে। বাসের মহিলা যাত্রী ও বৃদ্ধরাও হামলাকারীদের হাত থেকে রেহাই পান না। মহিলা যাত্রীদের শ্লীলতাহানি পর্যন্ত করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার বিষয়ে রাহুল কুমার বাল্মীকি নামে বাসের এক যাত্রী মেমারি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে মামলা রুজু করে পুলিশ টোল প্লাজার দুই কর্মীকে গ্রেপ্তার করে।

অক্টোবর ২৭, ২০২১
রাজ্য

Waterlogged Carshed: টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন হাওড়া ও টিকিয়াপাড়া কারশেড, বাতিল একাধিক ট্রেন

রাতভর ব্যাপক বৃষ্টিতে জল জমেছে রেললাইনে। জলমগ্ন হাওড়া ও টিকিয়াপাড়া কারশেড। তার ফলে ব্যাহত হয়েছে রেল পরিষেবা। হাওড়া স্টেশনের দুই শাখায় খুব ধীরগতিতে চলছে ট্রেন। বেশ কিছু ট্রেন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা। জানা গিয়েছে, রাতের বৃষ্টিতে টিকিয়াপাড়া এবং হাওড়া কারশেডে জমেছে জল। ফলে কারশেড থেকে ট্রেন বের করতে সমস্যা হচ্ছে। তাই জল না নামলে অনেক ট্রেনই চালান সম্ভব হবে না। জল জমে যাওয়ার কারণে আটকে রয়েছে হাওড়া জব্বলপুর স্পেশ্যাল ট্রেনও। তবে ঠিক কোন কোনও ট্রেনের ক্ষেত্রে পরিষেবা ব্যহত হয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। শুধু হাওড়া নয়, একই অবস্থা কলকাতা স্টেশনেরও। স্টেশনে ঢোকার মুখে জল জমেছে। কলকাতা স্টেশন থেকে যে সমস্ত দূরপাল্লার ট্রেন ছাড়ে কিংবা কলকাতা স্টেশনে আসে সেই সব ট্রেনও বাতিল হতে পারে বা দেরি হতে পারে।আরও পড়ুনঃ মুখ থেঁতলানো রক্তাক্ত মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার, ব্যাপক চাঞ্চল্য জামালপুরেজল না নামলে বেশ কিছু ট্রেন বার করা যাবে না বলেই খবর। সকাল থেকে যে ট্রেনগুলি চলছে তার গতিও খুব ধীরে। তার ফলে বেশির ভাগ ট্রেনেরই গন্তব্যে পৌঁছতে দেরি হচ্ছে। সমস্যায় পড়েছেন নিত্যযাত্রীরা। শুধু হাওড়া নয়, শিয়ালদহ ও কলকাতা স্টেশনের অবস্থাও অনেকটা একই। কলকাতা স্টেশনে ঢোকার মুখে জল জমেছে। শিয়ালদহ স্টেশনের দক্ষিণ শাখায় বেশ কিছু জায়গায় রেললাইনে জল জমায় ব্যাহত হয়েছে ট্রেন চলাচল। রেললাইনে জল জমায় চক্ররেল পরিষেবাও ব্যাহত হয়েছে। জানিয়েছে, আগামী কয়েক ঘণ্টায় কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বৃষ্টি হবে। বৃষ্টি চলতে পারে দুই মেদিনীপুরেও। আলিপুর জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণাবর্ত। পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গে সক্রিয় হয়েছে মৌসুমী অক্ষরেখা। তার জেরেই বেড়েছে বৃষ্টির দাপট।কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস আগেও হয়েছিল। আর সেই বৃষ্টিপাতের জেরেই ব্যহত রেল পরিষেবা। কয়েকদিন আগেও বৃ্ষ্টি জেরে একাধিক ট্রেন বাতিল হতে দেখা গিয়েছিল। এবার ফের হাওড়া বা কলকাতা স্টেশন থেকে একাধিক ট্রেন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
দেশ

Land Slide: কয়েক সেকেন্ডের তফাতে প্রাণে বাঁচলেন যাত্রীরা, কীভাবে জানুন

কয়েক দিন আগে ঘটে যাওয়া হিমাচল প্রদেশের কিন্নরের ভয়ানক স্মৃতি ফের একবার উস্কে দিল শনিবারের ঘটনা। পাহাড়ের উপর থেকে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে এল বিশাল ধস।অল্পের জন্য রক্ষা পেল যাত্রীবোঝাই বাস। আতঙ্কে বাস থেকে লাফ মারলেন অনেকে। কেউ কেউ জানলা দিয়ে গলে বেরোনোর প্রাণপণ চেষ্টাও করলেন। শনিবার সকালে নৈনিতালে পাহাড়ি রাস্তা দিয়ে ১৪ জন যাত্রী নিয়ে যাচ্ছিল একটি বাস। হঠাৎ কয়েক হাত দূরে হুড়মুড়িয়ে ধস নামতেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। চালক কোনওক্রমে বাস থামিয়ে দেন। বাস থামতেই আতঙ্কে বাস ছেড়ে বেরিয়ে আসেন যাত্রীরা। কেউ আবার জানলা দিয়ে বেরোনোর চেষ্টা করেন। তবে এই ঘটনায় কারও মৃত্যু হয়নি। আহত হওয়ারও কোনও খবর নেই। এক মিনিটের একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে। দেখা যাচ্ছে বাসটির সামনেই ধস নেমেছে। পাহাড় থেকে লাগাতার পাথর, বোল্ডার ও কাদামাটি নেমে আসছে। ধস কিছুটা কমতেই যাত্রীরা হাতে ব্যাগ নিয়ে বাস থেকে নেমে পড়েন ও পিছন দিকে দৌ্ঁড়তে থাকেন। বাসের চালককেও দেখা যায়, রিভার্সে বাসটিকে ধসের জায়গা থেকে কিছুটা পিছিয়ে আনতে।#WATCH | Uttarakhand: A bus carrying 14 passengers narrowly escaped a landslide in Nainital on Friday. No casualties have been reported. pic.twitter.com/eyj1pBQmNw ANI (@ANI) August 21, 2021কয়েক দিন আগেই হিমাচল প্রদেশের কিন্নরের পাহাড়ি রাস্তায় যাত্রিবোঝাই বাস, বেশ কয়েকটি গাড়ির উপর আছড়ে পড়েছিল ধস। সেই ঘটনায় বেশ কয়েক জনের মৃত্যু হয়। আহত হয়েছিলেন অনেকে। ধসের ধাক্কা পাহাড়ের খাদে আছড়ে ফেলেছিল বাস এবং কয়েকটি গাড়িকে। ভয়ানক সেই ঘটনার স্মৃতি ফিকে হতে না হতেই নৈনিতালের এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

আগস্ট ২১, ২০২১
রাজ্য

102 Ambulance: ১০২ অ্যাম্বুলেন্সে যাত্রী পরিবহণের অভিযোগে গ্রেপ্তার চালক, আটক অ্যাম্বুলেন্স

টাকার লোভে আ্যাম্বুলেন্সে যাত্রী পরিবহণের অভিযোগে ফের বর্ধমানে গ্রেপ্তার হল ১০২ অ্যাম্বুলেন্সের চালক। বুধবার রাতে বর্ধমান থানার পুলিশের হাতে ধরা পড়েন অ্যাম্বুলেন্স চন্দন বৈরাগ্য।অ্যাম্বুলেন্সটিও পুলিশ আটক করেছে। এই ঘটনা প্রমাণ করে অতিমারির সময়কালে অ্যাম্বুলেন্সে যাত্রী পরিবহণ চালিয়ে যাচ্ছে কিছু অসাধু অ্যাম্বুলেন্স চালকরা।পুলিশ জানিয়েছে, টাকার লোভে গত ৫ আগষ্ট মুর্শিদাবাদের চাঁদেমোড় এলাকা থেকে ১০ জন যাত্রীকে নিয়ে একটি ১০২ অ্যাম্বুলেন্স হুগলীর ডানকুনির উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। ওই দিন বর্ধমানের কার্জনগেট চত্ত্বরে থাকা পুলিশ কর্মীরা ওই অ্যাম্বুলেন্সটির পথ আটকায়।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশগ্রেপ্তার হন ওই অ্যাম্বুলেন্সের চালক । এরপর হাতে গোনা কয়েকটা দিন কাটতে না কাটতে ফের বুধবার রাতে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখলো বর্ধমান থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে , বুধবার রাতে শহর বর্ধমানের বাজেপ্রতাপপুর এলাকায় ডিউটি করছিলেন কয়েকজন পুলিশ কর্মী। ওই সময়ে যাত্রী বোঝাই ১০২ অ্যাম্বুলেন্সটিকে বর্ধমান-কাটোয়া রোড ধরে যেতে দেখেন পুলিশ কর্মীরা।পুলিশ অ্যাম্বুলেন্সটির পথ আটকানোর সঙ্গে সঙ্গে ভিতরে থাকা ৪-৫ জন যাত্রী অ্যাম্বুলেন্স থেকে নেমে দৌড়ে পালিয়ে যায়। বর্ধমান থানার পুলিশ অ্যাম্বুলেন্সটিকে আটক করার পাশাপাশি অ্যাম্বুলেন্সেটির চালক চন্দন বৈরাগ্যকে গ্রেপ্তার করে।আরও পড়ুনঃ অতিরিক্ত টোল আদায়, অভব্য আচরণের অভিযোগ বালি টোল সংস্থার বিরুদ্ধেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সে যাত্রী পরিবহণের ঘটনার নিন্দা করেছেন বর্ধমানের মানুষজন। তবে তাঁরা দাবি রেখেছেন ,যেসব মানুষের কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফিরতে রাত হয়ে যায় তাঁদের জন্য প্রশাসন বিকল্প যানবাহণের ব্যবস্থা করুক। তা না হলে হয়তো অ্যাম্বুলেন্সে যাত্রী পরিবহনে লাগাম টানা যাবে না।

আগস্ট ১৯, ২০২১
শিক্ষা

Result: সিবিএসই দ্বাদশের ফলপ্রকাশ, পাশের হার ৯৯.৩৭%

শুক্রবার প্রকাশিত হল সিবিএসই দ্বাদশ শ্রেণির ফলাফল। অতিমারি পরিস্থিতিতে রেকর্ড পাশের হার দ্বাদশের পরীক্ষাতেও। এ বার উত্তীর্ণ হয়েছেন ৯৯.৩৭ শতাংশ পড়ুয়া। চলতি বছরে সিবিএসই বোর্ডের দ্বাদশ শ্রেণিতে কোনও পরীক্ষা হয়নি। অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন পদ্ধতি মেনে ফলাফল প্রকাশ করা হল। সিবিএসই বোর্ডের ওয়েবসাইট cbseresults.nic.in থেকে ফলাফল জানতে পারবেন ছাত্রছাত্রীরা। আরও পড়ুনঃ সোমবার ত্রিপুরা যাচ্ছেন অভিষেকবোর্ডের নিজস্ব অ্যাপ থেকেও জানা যাবে ফল। সিবিএসই বোর্ডের ওয়েবসাইট cbseresults.nic.in থেকে ফলাফল জানতে পারবেন ছাত্রছাত্রীরা। ফলাফল দেখার সময়ে সিবিএসই-র ওয়েবসাইট কোনওভাবে বিকল হয়ে পড়ে, তা হলে আরও কয়েকটি ওয়েবসাইট বা অ্যাপ থেকে পড়ুয়ারা পরীক্ষার ফল জানতে পারবেন। যেমন results.gov.in, digilocker.gov.in, UMANG app, SMS Organiser, Digiresult।এ বছরের পরীক্ষায় ছাত্রদের তুলনায় ভাল ফল করেছেন ছাত্রীরা। ছাত্রীদের পাশের হার ৯৯.৬৭ শতাংশ, অন্য দিকে ছাত্রদের পাশের হার ৯৯.১৩ শতাংশ। উল্লেখযোগ্যভাবে রূপান্তরকামী পড়ুয়াদের পাশের হার ১০০ শতাংশ। বোর্ডের তরফে আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কোনও পড়ুয়া যদি পরীক্ষা ফল নিয়ে অসন্তুষ্ট হন, সে ক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষায় বসতে পারবেন তিনি।

জুলাই ৩০, ২০২১
শিক্ষা

Result: আইসিএসই- আইএসসিতেও পাশের হার প্রায় একশো শতাংশ

আইসিএসই-র দশম শ্রেণি এবং আইএসসি-র ১২ স্তরের ফলাফল শনিবার ঘোষিত হয়েছে। মাধ্যমিকের মত একশো শতাংশ না হলেও এই দুই কেন্দ্রীয় বোর্ডের পরীক্ষাতেও প্রায় সব পড়ুয়া পাশ করেছেন। মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিকের মত করোনা পরিস্থিতির কারণে এবছর আইসিএসই ও আইএসসি পরীক্ষাও বাতিল করা হয়। ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের ভিত্তিতে।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে প্রথম পদক ভারতেরশনিবার দুপুরে কাউন্সিল ফর ইন্ডিয়ান স্কুল সার্টিফিকেট-এর তরফে তাদের ওয়েবসাইটে রেজাল্ট প্রকাশ করা হয়েছে।সেখানে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী আইসিএসই-তে এই বছরের সামগ্রিক পাশের হার ৯৯.৯৮% এবং আইএসসি ফলাফলের পাশের হার ৯৯.৭৬%। শনিবার রাজ্যে আইএসসিতে পাশের হার ৯৯.৬৩ শতাংশ। আইসিএসইতে পাশের হার ৯৯.৯৮ শতাংশ। পশ্চিমবঙ্গে ছেলের তুলনায় মেয়েদের পাশের হার বেশি। রাজ্যে আইসিএসইতে মেয়েদের পাশের হার ৯৯.৯৯ শতাংশ। আইসিএসইতে ছাত্রদের পাশের হার ৯৯.৯৭ শতাংশ। পাশাপাশি রাজ্যে আইএসসিতে মেয়েদের পাশের হার ৯৯.৮২ শতাংশ। পশ্চিমবঙ্গে আইএসসিতে ছেলেদের পাশের হার ৯৯.৪৮ শতাংশ।আরও পড়ুনঃ মহানায়ক উত্তম কুমার ও মান্না দে বাংলার সিনেমার আমি জামিনী তুমি শশীকাউন্সিল সূত্রে জানা গিয়েছে, মোট ২৪২২টি স্কুল থেকে আইসিএসই -এর জন্য নাম নথিভুক্ত করা হয়েছিল। ১ হাজার ১৬৬টি স্কুল থেকে নাম নথিভুক্ত করা হয়েছিল আইএসসি-র জন্য। আইসিএসই-র জন্য মোট নাম নথিভুক্ত করে ২ লক্ষ ১৯ হাজার ৪৯৯ জন। ৯৪ হাজার ১১ জন নাম নথিভুক্ত করে আইএসসি-র জন্য। অন্যদিকে রাজ্য থেকে আইসিএসই-র জন্য নাম নথিভুক্ত করেছিল ৩৯ হাজার ৫২০ জন। ২৬ হাজার ৮৫৯ জন নাম নথিভুক্ত করেছিল আইএসসি-র জন্য।আরও পড়ুনঃ মরণোত্তর অঙ্গদানের শপথ অভিনেতারকরোনা পরিস্থিতির মধ্যে এবার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের মতো এই পরীক্ষাও বাতিল করা হয়েছিল। পরীক্ষার্থীদের বিকল্প পদ্ধতিতে মূল্যায়ন করা হয় । তবে পরীক্ষা না হওয়ায় এবার মেধা তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। পরীক্ষার্থীরা ওয়েবসাইট থেকেই মার্কশিট ও সার্টিফিকেট ডাউনলোড করতে পারছেন।

জুলাই ২৪, ২০২১
কলকাতা

Rail Block: সোনারপুরের পর দমদম ক্যান্টনমেন্টে যাত্রীবিক্ষোভ

শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার পর এবার লোকাল ট্রেন চালুর দাবিতে বনগাঁ শাখায় রেল অবরোধ। সোমবার সকালে দমদম (Dumdum) ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেনে সকলের চড়ার দাবিতে অবরোধ (Rail Block) করেন নিত্যযাত্রীরা। তাঁদের দাবি, রোজকার কাজকর্ম করার জন্য বেরতেই হচ্ছে। এই স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেনে শুধু জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্তদেরই নয়, উঠতে দেওয়া হোক সকলকেই। নয়ত পুরোদমে লোকাল ট্রেন চালু করে দেওয়া হোক। সপ্তাহের প্রথম কাজের দিন তাঁদের অবরোধের জেরে আটকে পড়ে বেশ কয়েকটি স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় রেলপুলিশ ও স্থানীয় থানার পুলিশ। ঘণ্টাখানেক পর অবরোধ ওঠে।আরও পড়ুনঃ জেনে নিন হাওড়ায় কোথায় কোথায় কন্টেনমেন্ট জোনগত সপ্তাহে পরপর দুদিন লোকাল ট্রেন চালুর দাবিতে যাত্রী বিক্ষোভের উত্তাল হয়ে উঠেছিল শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার সোনারপুর (Sonarpur), মল্লিকপুর স্টেশন। সেই বিক্ষোভ থামাতে গিয়ে আক্রান্ত হন আরপিএফ জওয়ানরা। রীতিমতো রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে এসব স্টেশন। এর জেরে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় গত সপ্তাহে রেলের তরফে ফের রাজ্যের কাছে আবেদন জানানো হয়। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী এখনই ট্রেন চালানোর অনুমোদন দেননি।এরপর আজ ফের দমদম ক্যান্টনমেন্টে একই ঘটনা। সকাল সাড়ে ৯ টা থেকে অবরোধ শুরু করেন যাত্রীরা। স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেনে (Staff special trains) সবাইকে ওঠার অনুমতি দিতে হবে, এই দাবি তোলেন তাঁরা। ঘটনাস্থলে গিয়ে আরপিএফ, জিআরপি ও পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারা তাঁদের সঙ্গে কথা বলে বোঝানোর চেষ্টা করেন। এ বিষয়ে সরকারের অনুমোদন ছাড়া কোনও সিদ্ধান্ত রেল নিতে পারবে না বলে জানানো হয়। শেষে ঘণ্টাখানেক পর ওঠে অবরোধ। যদিও বাড়তি ভিড় সামাল দিতে আজ থেকে শিয়ালদহ শাখায় আরও বাড়তি স্টাফ স্পেশ্যাল চালানো হচ্ছে। গত সপ্তাহে সোনারপুরের ঘটনার পর থেকে আরও ১০০টি ট্রেন বাড়ানো হয়েছে। আগামী দিনে তা আরও বাড়বে বলে শিয়ালদহ ডিভিশনের রেলকর্তারা জানিয়েছেন।

জুন ২৮, ২০২১
কলকাতা

Local Train: লোকাল ট্রেন চালানোর দাবিতে বিক্ষোভ সোনারপুরে

সোনারপুর স্টেশনে যাত্রী বিক্ষোভের জেরে বন্ধ ট্রেন চলাচল। বুধবার সকাল থেকেই লোকাল ট্রেন চালু করার দাবিতে স্টেশন চত্বরে বিক্ষোভ দেখান কয়েকশো মানুষ। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে অধিকাংশই শহর কলকাতায় জীবিকার সন্ধানে আসা পরিচারিকরা ও শ্রমিক শ্রেণির মানুষ।আরও পড়ুনঃ সৌমিত্রকে জরুরি তলব দিল্লিতেবুধবার সকালে স্টাফ স্পেশ্যালে চড়তে দেওয়া এবং ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর দাবিতে সোনারপুরে ট্রেন অবরোধ করেন সাধারণ যাত্রীরা। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে মূলত কলকাতায় জীবিকার সন্ধানে যাওয়া পরিচারিকরা এবং শ্রমিকরা রয়েছেন। এদিন সকাল ৭.৩০ থেকে হওয়া প্রতিরোধে আপ ডাউন দুটো লাইনই আটকে গিয়েছে। এর ফলে রেলের কর্মী-সহ বাকিরা কর্মস্থলে পৌঁছতে পারছেন না। আরপিএফ, জিআরপি ও পুলিশের আবেদন সত্বেও প্রতিবাদকারীরা অবস্থান থেকে সরতে নারাজ। তাঁদের বক্তব্য, আমরা খেতে পাচ্ছি না। এভাবে না খেয়ে মরার চেয়ে লড়াই করে মরা ভাল। ট্রেনে চড়তে দিতেই হবে। এই বিষয়ে শিয়ালদহের ডিআরএম এসপি সিং জানিয়েছেন, আমরা ট্রেন চালাতে চাই। রাজ্যের অনুমতি পেলেই ট্রেন চলবে। শিয়ালদহ ডিভিশনে অত্যাধিক চাপ। যার মধ্যে বনগাঁ শাখায় অস্বাভাবিক ভিড়। ফলে কোভিড বিধি মানা হচ্ছে না। ঝামেলা বাড়ছে। যে কোনও সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। এদিকে, বিক্ষোভের জেরে বেশ কিছু ট্রেন আটকে পড়ে। চরম সমস্যার মধ্যে পড়েন যাত্রীরা। তারাও পালটা ক্ষোভ দেখিয়েছেন। ট্রেন খোলার দাবি করছেন অনেকেই। যাত্রীদের বক্তব্য, ট্রেনের সংখ্যা বাড়লে দূরত্ব বজায় রাখা যাবে।

জুন ২৩, ২০২১
রাজ্য

China Citizen: হানের আইফোন খুলতে সক্ষম এসটিএফ, উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য

অবশেষে চিনা চর হান জুনেইয়ের আইফোনের (iPhone) লক খুলতে সক্ষম হল এসটিএফ (STF)। ধৃতের ল্যাপটপ থেকেও কিছু তথ্য মিলেছে। ভারতে হানের নেটওয়ার্কের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও পেয়েছেন গোয়েন্দারা। আরও পড়ুনঃ উইঘুর নির্যাতন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ রাষ্ট্রসঙ্ঘের মানবাধিকার পরিষদের পুলিশ জানিয়েছে, মালদহের সীমান্ত থেকে হান জুনেইকে গ্রেপ্তারের পর তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় একটি আইফোন-সহ তিনটি মেবাইল ও তিনটি ল্যাপটপ। ওই তিনটি মোবাইলে ছিল চারটি সিমকার্ড। তার মধ্যে একটি বাংলাদেশের, একটি ভারত ও দুটি চিনের। মালদহ (Maldah) জেলা পুলিশও তার মোবাইল ও ল্যাপটপ খোলার চেষ্টা করে। কিন্তু চিনের ম্যান্ডারিন ভাষায় থাকা ওই পাসওয়ার্ড ক্র্যাক করা যাচ্ছিল না। রাজ্য পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স চিনা হানকে নিজেদের হেপাজতে নেওয়ার পর তার ল্যাপটপ ও মোবাইলের পাসওয়ার্ড ক্র্যাক করার চেষ্টা করে। অবশেষে তা সম্ভব হয়েছে। সূত্রের খবর, বর্তমানে আইফোনটি খতিয়ে দেখেছেন গোয়েন্দারা। ওই ফোনের মাধ্যমে তার ভারতের নেটওয়ার্ক খতিয়ে দেখা হয়। একটি বেসরকারি সংস্থার অংশীদার হয়ে টাকা জালিয়াতির কারবার শুরু করে হান। যে পদ্ধতিতে চিনা চক্রটি জলিয়াতি করে, তাতে তার ভারতের কয়েকটি কোম্পানির প্রয়োজন ছিল। হায়দরাবাদের একটি সংস্থার মাধ্যমে হান জালিয়াতি করত। হানের এক সঙ্গী প্রশান্ত পৌত্তলিকে হায়দরাবাদ থেকে ভিনরাজ্যের পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। কিন্তু আরও এক সঙ্গী তথা অংশীদার আবদুল রেজ্জাক পালিয়ে বেড়াচ্ছে, জানতে পেরেছেন রাজ্য পুলিশের এসটিএফের গোয়েন্দারা। ওই ব্যক্তি মুম্বইয়ের বাসিন্দা। নিজেকে ব্যবসায়ী বলে পরিচয় দিলেও চিনা জালিয়াতিতে সাহায্য করত সে। রেজ্জাক হানের নেটওয়ার্ক সম্পর্কে অনেক তথ্য জানে বলে নিশ্চিত গোয়েন্দারা।উল্লেখ্য, এই মাসেই দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে চিনা জালিয়াতি চক্রের ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের বাসিন্দাকেই অংশীদার করে ও মোটা টাকা দিয়ে নিজেদের কাজে লাগাচ্ছে চিনা জালিয়াতরা। এই রাজ্যে যে চিনা জালিয়াতি চক্র ফাঁদ পেতেছে, সেই ব্যাপারেও গোয়েন্দারা নিশ্চিত। এখানেও রয়েছে তাদের নেটওয়ার্ক। এই রাজ্যে তাদের নেটওয়ার্কে কারা রয়েছে, গোয়েন্দারা তা জানার চেষ্টা করছেন। গোয়েন্দাদের মতে, আইফোন ও নেটওয়ার্ক দেখে তা জানা সম্ভব। এ ছাড়াও দেশের কোনও সরকারি আধিকারিক বা কর্মীর সঙ্গে চিনা জালিয়াতরা যোগাযোগ রাখত কি না, সেই তথ্যও জানার চেষ্টা হচ্ছে মোবাইলগুলি থেকে।

জুন ২২, ২০২১
বিদেশ

পদ্মায় নৌকোডুবি, মৃত অন্তত ২৫

ফের ভয়াবহ দুর্ঘটনার সাক্ষী থাকল বাংলাদেশ । সোমবার পদ্মা নদীতে দুটি নৌকার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন। দ্রুত অভিযান চালিয়ে ডুবে যাওয়া নৌকার পাঁচজন যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়।পুলিশ সূত্রে খবর, এদিন সকাল ৭টা নাগাদ মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় বাংলাবাজার ফেরিঘাটে বালিবোঝাই একটি নৌকার সঙ্গে সংঘর্ষ হয় এক যাত্রীবাহী স্পিডবোটের। এর ফলে মৃত্যু হয় অন্তত ২৫ জনের। ওই নৌকাটিতে সওয়ার ছিলেন কমপক্ষে তিরিশ জন যাত্রী। এই ঘটনায় পাঁচজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। হতাহত ব্যক্তিদের নাম ও পরিচয় এখনও জানা যায়নি। গুরুতর আহতদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাংলাবাজার ফেরিঘাটের ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক আশিকুর রহমান স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে জানান, মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া থেকে ৩০ জন যাত্রী নিয়ে একটি স্পিডবোট বাংলাবাজার ফেরিঘাটের দিকে যাচ্ছিল। স্পিডবোটটি বাংলাবাজার ফেরিঘাটের পুরাতন কাঁঠালবাড়ি ঘাটের কাছাকাছি আসার পর বালুবোঝাই একটি নৌকার সঙ্গে সংঘর্ষ হয় যানটির। সংঘর্ষে স্পিডবোটটি উলটে যায়। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ২৫ জনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।উল্লেখ্য, গত এপ্রিল মাসে শীতলক্ষ্যা নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় মৃত্যু হয় ৫ জনের। সেবার মদনগঞ্জ এলাকায় শীতলক্ষ্যা সেতুর কাছাকাছি আসার পর এসকে-৩ নামে একটি পণ্যবাহী জাহাজের সঙ্গে ধাক্কা লাগে একটি লঞ্চের। তাতেই ডুবে যায় লঞ্চটি। দুর্ঘটনার পর অনেক যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠে যেতে সক্ষম হন। উদ্ধারকাজ চালিয়েও বেশ কয়েকজনের প্রাণরক্ষা করা হয়। তবে এর আগেও একাধিক নৌকা দুর্ঘটনার সাক্ষী ঠেকেছে বাংলাদেশ। এর জন্য জলপুলিশের গাফিলতিকে দায়ী করছেন অনেকে। তাছাড়া, অতিরিক্ত মুনাফার লোভে ক্ষমতার বেশি যাত্রী বোঝাই করে বিপদ ডেকে আনছে নৌকাগুলি বলেও অভিযোগ অনেকের।

মে ০৩, ২০২১
রাজ্য

চলন্ত ট্রেন ও প্ল্যাটফর্মের মাঝে পড়ে যাওয়া যাত্রীকে বাঁচিয়ে সাহসিকতার পরিচয় আরপিএফ কর্মীর

ফের চলন্ত ট্রেনে উঠতে গিয়ে ট্রেন ও প্ল্যাটফর্মের মাঝে পড়ে গেলেন যাত্রী। আরপিএফ কর্মীর চেষ্টায় ওই যাত্রী প্রাণে বেঁচে গেলেন। ডিউটিতে থাকা আরপিএফ কর্মীর নাম মাইকেল সোরেন। যাত্রীর নাম বিপ্লব চ্যাটার্জি। তিনি বর্ধমানের বাসিন্দা। ঘটনাটি ঘটেছে, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ। আরও পড়ুন ঃ হাওড়ায় কেপমারি, প্রায় ২লক্ষ টাকার সোনার গহনা লুট হাওড়া স্টেশনের ওল্ড কমপ্লেক্সের চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে চলতে শুরু করা ৩৬৮৩৭আপ হাওড়া -বর্ধমান(মেন) লোকালে দৌড়ে এসে উঠতে যান তিনি। কিন্তু পা স্লিপ করায় প্ল্যাটফর্মে পড়ে যান বিপ্লববাবু। তাঁর পা কিছুটা চলে যায় ট্রেন ও প্ল্যাটফর্মের ভিতরে। সেই সময়ে ঘটনাস্থলে থাকা আরপিএফ কর্মী মাইকেল সোরেনের নজরে আসে বিষয়টি। সঙ্গে সঙ্গেই ছুটে গিয়ে নিজের জীবন বিপন্ন করে ওই যাত্রীকে উদ্ধার করেন তিনি বলে পূর্ব রেল সূত্রে জানা গিয়েছে। ওই আরপিএফ কর্মীর সাহসিকতার প্রশংসা করেন নিত্যযাত্রীরা।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

আমেরিকা-ইউরোপের সমালোচনার মাঝেই রাশিয়া নিয়ে বড় বার্তা জয়শংকরের, মনে করালেন সেই পুরনো ‘বন্ধুত্ব’

রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক নিয়ে ফের নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল নয়াদিল্লি। রুশ তেল কেনা নিয়ে আমেরিকা ও ইউরোপের একাংশের সমালোচনার মধ্যেই বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর মনে করিয়ে দিলেন, ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক শুধুমাত্র বর্তমান পরিস্থিতির উপর নির্ভরশীল নয়। এর পিছনে রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস এবং কঠিন সময়ে মস্কোর পাশে থাকার অভিজ্ঞতা। জয়শংকরের কথায়, দেশের নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা যখনই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে, তখনই সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পরে রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।রবিবার নয়াদিল্লিতে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের আলোচনায় রাশিয়া প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখেন জয়শংকর। তিনি বলেন, মানুষ যেমন ভাল ইতিহাস ভুলে যায় না, তেমনই খারাপ ইতিহাসও ভুলে যায় না। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে স্বাধীনতার পর থেকে ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়নের দীর্ঘ সম্পর্কের প্রসঙ্গ। বিদেশমন্ত্রীর মতে, প্রতিটি দেশ নিজের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে অন্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বিচার করে। তাই ইউরোপ যে ভাবে রাশিয়াকে দেখবে, ভারত একই ভাবে রাশিয়াকে দেখবে, এমনটা হওয়ার নয়।জয়শংকর বিশেষ করে সেই সময়ের কথা মনে করিয়ে দেন, যখন আন্তর্জাতিক মহলের বড় অংশ পাকিস্তানের সামরিক শাসনের পাশে ছিল। তাঁর বক্তব্যে ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের প্রসঙ্গও উঠে আসে। সেই সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠতার কথা উল্লেখ করে বিদেশমন্ত্রী বলেন, ভারতের নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা যখন চাপের মুখে পড়েছিল, তখন মস্কো নয়াদিল্লির পাশে ছিল। ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময় বঙ্গোপসাগরে আমেরিকার নৌবহর পাঠানোর ঘটনাকেও তাঁর বক্তব্যের প্রেক্ষাপট হিসেবে দেখা হচ্ছে।বিদেশমন্ত্রীর বক্তব্য, রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক সময়ের সঙ্গে বদলেছে ঠিকই, কিন্তু তার ভিত্তি এখনও শক্তিশালী। সামরিক সহযোগিতার পাশাপাশি পরমাণু শক্তি, বাণিজ্য, জ্বালানি ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের ক্ষেত্রেও দুই দেশের সম্পর্ক বিস্তৃত হয়েছে। তাঁর কথায়, রাশিয়া সম্পর্কে ভারতের অভিজ্ঞতা দীর্ঘদিন ধরেই ইতিবাচক এবং সেই অভিজ্ঞতা বর্তমান নীতিতেও প্রভাব ফেলছে।এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন রাশিয়া থেকে ভারতের অপরিশোধিত তেল কেনা নিয়ে পশ্চিমী দেশগুলির চাপ ও সমালোচনা অব্যাহত। জয়শংকর এর আগেও স্পষ্ট করেছেন যে জ্বালানি কেনার ক্ষেত্রে ভারতের সিদ্ধান্ত নির্ভর করে জ্বালানির প্রাপ্যতা, দাম এবং ঝুঁকির মতো বিষয়গুলির উপর। ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং জাতীয় স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়েই সরবরাহের উৎস ঠিক করা হয়।রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়েও ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করেন জয়শংকর। তাঁর বক্তব্য, যুদ্ধের অবসান হওয়া প্রয়োজন এবং আলোচনার মাধ্যমেই তার পথ খুঁজতে হবে। তিনি জানান, ভারত রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয় পক্ষের সঙ্গেই যোগাযোগ রেখে সংঘাতের অবসানে সহায়ক ভূমিকা নেওয়ার চেষ্টা করছে। কৃষ্ণসাগরে জাহাজ চলাচল, খাদ্য ও জ্বালানি রফতানি এবং সংঘাত কমানোর মতো বিষয়েও ভারতের আলোচনা চলছে বলে জানান তিনি।সব মিলিয়ে রুশ তেল নিয়ে পশ্চিমী চাপের মধ্যেও জয়শংকরের বক্তব্যে ভারতের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের অবস্থানই ফের সামনে এসেছে। ইতিহাস, নিরাপত্তা এবং জ্বালানি প্রয়োজনএই তিনটি বিষয়কে সামনে রেখেই মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার বার্তা দিয়েছে নয়াদিল্লি।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
কলকাতা

এসআরএফটিআই-এর গেট ভেঙে ঢোকার চেষ্টা! মিছিল ঘিরে তুমুল উত্তেজনা, ছোড়া হল ইট-পাথর

বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিল ঘিরে ফের উত্তেজনা ছড়াল এসআরএফটিআই-এর সামনে। অজয়নগর থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গেট পর্যন্ত মিছিল করে সংগঠনটি। অভিযোগ, গেটের সামনে পৌঁছনোর পর কয়েক জন মিছিলকারী ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।এ দিকে, মিছিলকারীরা গেটের বাইরে জড়ো হওয়ার সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতরে পড়ুয়া এবং অধ্যাপকদের হেলমেট পরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে। বাইরে থেকে ভিতরে ইট ও জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগও উঠেছে। পাল্টা বিক্ষোভকারীদের কয়েক জনও আহত হয়েছেন বলে দাবি বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের।এই ঘটনার সূত্রপাত গত রবিবারের একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে। এসআরএফটিআই-এর অডিটোরিয়ামে অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত সমিতির একটি অনুষ্ঠান ছিল। অভিযোগ, সেখানে এসএফআইয়ের কয়েক জন পড়ুয়া গিয়ে উত্তেজনা তৈরি করেন। ভারতমাতা এবং স্বামী বিবেকানন্দের ছবি ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগও ওঠে। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত সমিতির তরফে প্রতিবাদ জানানো হয়।এর পর দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ইট-পাথর ছোড়াছুড়ির অভিযোগে পরিস্থিতি অশান্ত হয়ে ওঠে। ঘটনায় কয়েক জন আহত হন বলে দাবি। প্রায় ছয় থেকে সাত ঘণ্টা পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এই ঘটনায় চারটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ সরকার জানিয়েছিলেন, ভারতমাতা বা স্বামী বিবেকানন্দকে অসম্মান করার অভিযোগে কাউকে রেয়াত করা হবে না। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই এ দিন বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিল হয়।অজয়নগর থেকে মিছিলটি এসআরএফটিআই-এর গেটের সামনে পৌঁছতেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। অভিযোগ, কয়েক জন বিক্ষোভকারী গেট ধরে ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন এবং ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। এর মধ্যেই ভিতরে থাকা পড়ুয়া এবং অধ্যাপকদের দিকে জলের বোতল ও পাথর ছোড়ার অভিযোগ ওঠে।এই ঘটনায় অধ্যাপক দেবাশিস সেনশর্মা আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। বিক্ষোভকারীদের ছোড়া ইটের আঘাতেই তিনি আহত হন বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বেশ কয়েক জন বিক্ষোভকারীকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়।অন্য দিকে, বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের দাবি, তাঁদের কয়েক জন সদস্যও আহত হয়েছেন। সংগঠনের অভিযোগ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতর থেকে পড়ুয়া এবং অধ্যাপকদের ছোড়া জলের বোতলের আঘাতেই তাঁদের কয়েক জন জখম হয়েছেন। তবে এই অভিযোগের স্বাধীন ভাবে নিশ্চিত হওয়ার মতো তথ্য মেলেনি।বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যদের বক্তব্য, ভারতমাতা এবং স্বামী বিবেকানন্দের ছবিকে অসম্মান করার অভিযোগের প্রতিবাদেই তাঁদের এই কর্মসূচি। সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়েছে, এই মিছিলের মাধ্যমে তাঁরা নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের উত্তেজনা তৈরি হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে পুলিশ। এসআরএফটিআই-এর তরফে এই দিনের ঘটনার বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে গেটের সামনে ঠিক কী ভাবে ইট-পাথর ও জলের বোতল ছোড়াছুড়ি শুরু হয়েছিল, তা নিয়ে দুই পক্ষের অভিযোগই এখন সামনে রয়েছে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
বিদেশ

‘বিমানটাকে ধ্বংস করাই ছিল লক্ষ্য’, জেরায় কী বললেন ফ্লাইদুবাইয়ের সহকারী পাইলট? সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

মাঝ আকাশে ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানে ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরের উপর হামলার ঘটনায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন তথ্য। তদন্তকারীদের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ওমানের নাগরিক সহকারী পাইলট হামাম আল-হামামি জেরায় জানিয়েছেন, যাত্রী-সহ বিমানটি ধ্বংস করাই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য। একই জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নাকি বলেছেন, আমি মৃত্যুকে ভয় পাই না।এই তথ্য প্রকাশ করেছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। তদন্তকারীদের বক্তব্য উদ্ধৃত করে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনের দাবি অনুযায়ী, সৌদি আরবে জিজ্ঞাসাবাদের সময় হামাম নিজের উদ্দেশ্য সম্পর্কে এমন কথা জানিয়েছেন। তবে তদন্ত এখনও চলছে এবং তাঁর বক্তব্যের পাশাপাশি অন্য তথ্য-প্রমাণও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ঘটনাটি ঘটে গত বুধবার। দুবাই থেকে তেল আভিভ যাচ্ছিল ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানটি। মাঝ আকাশে আচমকাই ককপিটে ভারতীয় অধিনায়ক স্মিত মচ্ছরের উপর হামলা করেন সহকারী পাইলট হামাম। বিমানের ককপিটে থাকা জরুরি কুঠার ব্যবহার করে হামলা করা হয়েছিল বলে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এরপর বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দ্রুত নীচের দিকে নামতে শুরু করে।আক্রমণের পরেও স্মিত মচ্ছর ককপিটের দরজা খোলার চেষ্টা করেন। শেষ পর্যন্ত যাত্রী এবং বিমানে থাকা অন্যদের সাহায্যে হামামকে কাবু করা সম্ভব হয়। পরে অন্য পাইলটরা বিমানের নিয়ন্ত্রণ সামলে নেন। বিমানটি সৌদি আরবের তাবুকে জরুরি অবতরণ করে।এই ঘটনার পর থেকেই প্রশ্ন উঠেছিল, ককপিটে এমন ভয়াবহ হামলার আসল উদ্দেশ্য কী ছিল। প্রথম দিকে ব্যক্তিগত বিরোধের সম্ভাবনা নিয়েও নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সংযুক্ত আরব আমিরশাহির অ্যাটর্নি জেনারেল জানিয়েছেন, তদন্তে সহকারী পাইলটের সন্ত্রাসী হামলা চালানোর চেষ্টা ধরা পড়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও তদন্তে উঠে এসেছে।এখন তদন্তকারীরা হামামের অতীত, তাঁর মতাদর্শ এবং অন্য কোনও ব্যক্তি বা সংগঠনের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন। ওমানের কর্তৃপক্ষ আগে তাঁর বিমান চালানোর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল বলে তদন্ত-সূত্র উদ্ধৃত করে একাধিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। তাঁর কথিত উগ্রপন্থী ভাবধারার বিষয়টিও তদন্তের আওতায় রয়েছে।হামামকে সৌদি আরব থেকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানেও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং ইজরায়েলের তদন্তকারী সংস্থাগুলি ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে। তাঁর সঙ্গে কোনও বহিরাগত শক্তির যোগাযোগ ছিল কি না, সেই প্রশ্নও তদন্তের অংশ।বিমানটির আকস্মিক পতনের ভয়াবহতাও তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে। উড়ান-তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাটির সময় বিমানটি মাত্র কিছুক্ষণের মধ্যে প্রায় ১৬ হাজার ফুট নীচে নেমে গিয়েছিল। যাত্রী ও বিমানের অন্য কর্মীদের দ্রুত পদক্ষেপ এবং পরে অতিরিক্ত পাইলটদের সহায়তায় বড় বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়।ফলে ফ্লাইদুবাইয়ের এই ঘটনা এখন শুধু ককপিটে পাইলটের উপর হামলার তদন্তে সীমাবদ্ধ নেই। বিমানটি কেন নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিল, হামামের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল, তাঁর অতীত সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ কতটা তথ্য জানত এবং তাঁর সঙ্গে অন্য কারও যোগাযোগ ছিল কি নাএই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হামামের জেরায় উঠে আসা দাবিগুলির পাশাপাশি অন্যান্য প্রমাণও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির ম্যাচে টিকিট কেটেও ঢুকতে পারেননি? এ বার উরুগুয়ে ম্যাচে বড় উপহার, ২২ হাজার পাস বিনামূল্যে!

মেসির ম্যাচে টিকিট কেটেও যাঁরা বঞ্চিত হয়েছিলেন, তাঁদের জন্য বড় ঘোষণা। আগামী ৬ অক্টোবর যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচে ২২ হাজার বিনামূল্যের পাস দেওয়া হবে। গত বছর মেসির কলকাতা সফরের অনুষ্ঠানের জন্য অনলাইনে টিকিট কেনা দর্শকদের মধ্য থেকেই এই সুবিধা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।তবে প্রশ্ন ছিল, সেই পাস পাওয়া যাবে কোথা থেকে এবং কী ভাবে? এ বার সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। তাঁর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩ ডিসেম্বর কলকাতায় মেসির অনুষ্ঠানের জন্য যাঁরা টিকিট কিনেছিলেন, তাঁরাই ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচের বিনামূল্যের পাস সংগ্রহ করতে পারবেন।পাস সংগ্রহের সময়ও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ৫ অক্টোবর সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে পাস সংগ্রহ করতে হবে। তবে শুধু আগের টিকিট থাকলেই হবে না। পাস নিতে গেলে সঙ্গে রাখতে হবে বৈধ সরকারি ছবি-সহ পরিচয়পত্র। ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স অথবা পাসপোর্টের মতো পরিচয়পত্র দেখাতে হবে। একই সঙ্গে গত ডিসেম্বরে মেসির অনুষ্ঠানের জন্য কেনা আসল টিকিটও সঙ্গে রাখতে হবে।অর্থাৎ মেসির অনুষ্ঠানের পুরনো টিকিটটি এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সেই টিকিট এবং বৈধ পরিচয়পত্র যাচাই করার পরেই বিনামূল্যের পাস দেওয়া হবে। নতুন করে ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচের টিকিট কেনার প্রয়োজন হবে না এই নির্দিষ্ট দর্শকদের।গত বছরের ডিসেম্বরে মেসিকে দেখতে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে বিপুল ভিড় হয়েছিল। বহু দর্শক টাকা দিয়ে টিকিট কেনার পরেও প্রত্যাশিত ভাবে অনুষ্ঠান দেখতে পারেননি। ভিড় ও বিশৃঙ্খলা নিয়ে সেই সময় ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই ঘটনার পর বঞ্চিত দর্শকদের ক্ষতিপূরণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্ন ছিল। এ বার তাঁদের মধ্য থেকে ২২ হাজার দর্শককে ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচ দেখার সুযোগ করে দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে।ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই এই ঘোষণা সামনে আসে। তার পর থেকেই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল, বঞ্চিত দর্শকরা কোথা থেকে পাস সংগ্রহ করবেন। ক্রীড়ামন্ত্রীর ঘোষণায় এ বার সেই অপেক্ষার অবসান হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পুরনো টিকিট এবং বৈধ পরিচয়পত্র নিয়ে পাস সংগ্রহ করতে হবে।ফলে যাঁরা গত ডিসেম্বরে মেসির অনুষ্ঠান ঘিরে টিকিট কেটেও বঞ্চিত হয়েছিলেন, তাঁদের জন্য এ বার যুবভারতীতেই ফের আন্তর্জাতিক ম্যাচ দেখার সুযোগ তৈরি হল। ৬ অক্টোবর ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচে সেই দর্শকদের একাংশ গ্যালারিতে থাকবেন কি না, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

সৃজলার কাছে বারবার ক্ষমা, এবার প্রকাশ্যেই কাঁদতে কাঁদতে কী বললেন নন্দিনীর মা?

বিগ বসের দুর্গে সৃজলা গুহর সঙ্গে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনা নিয়ে এখনও অনুশোচনায় রয়েছেন নন্দিনী দত্ত। ঘটনার পর একাধিক বার সৃজলার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। এবার প্রকাশ্যেই সৃজলার পরিবারের কাছে ক্ষমা চাইলেন নন্দিনীর মা। একটি সাক্ষাৎকারে মেয়ের হয়ে ক্ষমা চেয়ে তিনি আবেদন করেন, সৃজলার পরিবার যেন নন্দিনীকে ক্ষমা করে দেয়।নন্দিনীর মা বলেন, পারলে প্লিজ ওকে ক্ষমা করে দিন। দুসপ্তাহ ধরে তো দেখছি, ঘটনার পর থেকে নন্দিনী ভালো নেই।কী ঘটেছিল বিগ বসের দুর্গে? কয়েক সপ্তাহ আগে ক্যাপ্টেন হওয়ার টাস্কে প্রথমে সঙ্গীতের চেয়ার খেলা হয়। সেই পর্বের পর পরবর্তী খেলায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পান সৃজলা, মনামী, জীতু, তনুশ্রী এবং রাজবীর। তাঁদের সামনে ছিল কাঠের ঘোড়ায় বসে থাকার টাস্ক। যিনি শেষ পর্যন্ত ঘোড়ায় বসে থাকতে পারবেন, তিনিই ক্যাপ্টেন হবেন।খেলার নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিযোগীরা অন্যদের ঘোড়া থেকে নামানোর চেষ্টা করতে পারতেন। তবে সেই সময় কারও শরীরে আঘাত না করার নিয়ম ছিল। সেই টাস্ক চলাকালীন নন্দিনী সৃজলাকে ঘোড়া থেকে নামানোর চেষ্টা করেন। সেই সময় সৃজলা পড়ে গিয়ে গুরুতর চোট পান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।চোটের কারণে সৃজলাকে পাঁচ দিন হাসপাতালে থাকতে হয়েছিল। চিকিৎসার পর তিনি আবার বিগ বসের দুর্গে ফিরে আসেন। সৃজলা ফিরে আসার পর থেকেই নন্দিনীকে একাধিক বার তাঁর কাছে ক্ষমা চাইতে দেখা যায়। নিজের ভুল স্বীকার করে ফের বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি করার চেষ্টাও করতে দেখা যায় তাঁকে।তবে সৃজলার পক্ষ থেকে এই ঘটনায় কষ্ট বা রাগ থাকা স্বাভাবিক বলেই মনে করছেন অনেকেই। সেই আবহেই কয়েক দিন আগে প্রতিযোগীদের পরিবারের উদ্দেশে চিঠি লেখার সুযোগ দেওয়া হয়। সেই চিঠিতে নন্দিনী তাঁর মা-বাবাকে সৃজলার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ক্ষমা চাওয়ার অনুরোধ করেছিলেন।এবার সেই অনুরোধের কথাই প্রকাশ্যে জানালেন নন্দিনীর মা। মেয়ের হয়ে সৃজলার পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়ে তিনি জানিয়েছেন, ঘটনার পর থেকে নন্দিনী মানসিক ভাবে ভালো নেই। তাই সৃজলার পরিবার যদি তাঁকে ক্ষমা করে, সেটাই তাঁদের কাছে বড় বিষয় হবে।অন্য দিকে, সাক্ষাৎকারে রাজবীরের প্রসঙ্গও ওঠে। সেই প্রসঙ্গে নন্দিনীর মা স্পষ্ট করে জানান, মেয়ের পছন্দই তাঁদের পছন্দ। ফলে বিগ বসের দুর্গে সৃজলা-নন্দিনীকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের মধ্যেই নন্দিনীর পরিবারের তরফে এল নতুন বার্তা।সৃজলার চোটের পর থেকে এই ঘটনা নিয়ে বিগ বসের দর্শকদের মধ্যেও আলোচনা চলছে। এক দিকে নন্দিনীর অনুশোচনা ও ক্ষমা চাওয়া, অন্য দিকে সৃজলার পরিবারের প্রতি তাঁর মায়ের প্রকাশ্য আবেদনসব মিলিয়ে ঘটনাটি ফের নতুন করে চর্চায় এসেছে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
কলকাতা

‘পা ভাঙেনি’ শুভেন্দুর দাবির পরেই নতুন বিস্ফোরণ, মমতার পুরনো ছবি দেখিয়ে কী প্রশ্ন শান্তনুর?

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে ঠিক কী হয়েছিল, পাঁচ বছর পর সেই পুরনো ঘটনা ঘিরে ফের তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে কোনও হাড় ভাঙার প্রমাণ ছিল না। একটি চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথি দেখিয়ে তিনি এই দাবি করেন এবং বিষয়টি নিয়ে তদন্তের কথাও জানান।শুভেন্দুর ওই দাবির পরেই এ বার সরব হলেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ তথা চিকিৎসক শান্তনু সেন। সমাজমাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে চোট লাগার সময়ের চারটি ছবি প্রকাশ করে তিনি একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন। একটি ছবিতে গোড়ালির কাছে কালশিটের দাগ দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি। অন্য একটি ছবিতে গোড়ালির কাছে রক্তপাতের মতো দাগ রয়েছে। বাকি ছবিগুলিতে পায়ে প্লাস্টার দেখা যাচ্ছে।এই ছবিগুলি প্রকাশ করে শান্তনু সেন দাবি করেছেন, ১০ মার্চ চোট পাওয়ার পর এসএসকেএম হাসপাতালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ের যে ছবি দেখা গিয়েছিল, সেখানে গোড়ালির উপরে কালশিটে ছিল, কিন্তু রক্তপাতের চিহ্ন ছিল না। তাঁর প্রশ্ন, পরে প্রকাশিত ছবিতে রক্তের দাগ দেখা গেল কী ভাবে?শান্তনুর আরও প্রশ্ন, যদি চোট পাওয়ার সময় রক্তপাত না হয়ে থাকে, তা হলে পরবর্তী সময়ে ছবিতে রক্তের মতো দাগ কেন দেখা গেল? একই সঙ্গে পায়ে দীর্ঘদিন প্লাস্টার থাকার বিষয়টিও প্রশ্নের মুখে তুলেছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, চিকিৎসক হিসেবে তিনি অভিযোগ করছেন না, কিছু বিষয় নিয়ে পর্যবেক্ষণ জানাচ্ছেন।শান্তনু সেনের দাবি, কোনও আঘাতের কারণে রক্তপাত হলে সাধারণত সেই সময়েই তার প্রকাশ ঘটে। পরে সেই রক্তপাতের ছবি সামনে এলে সেটিকে পুরনো আঘাতের সঙ্গে যুক্ত করা কঠিন। পায়ে প্লাস্টার করার প্রয়োজন হলে সাধারণত নির্দিষ্ট সময়ের পর তা খুলে ফেলার কথাও বলেন তিনি। তবে এই মন্তব্য তাঁর চিকিৎসক হিসেবে ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ, ২০২১ সালের চিকিৎসা-ঘটনা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়।এত দিন কেন তিনি এই প্রশ্ন তোলেননি, সেই প্রশ্নেরও জবাব দিয়েছেন শান্তনু। তাঁর বক্তব্য, এত দিন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল না বলেই তিনি কিছু বলেননি। এখন নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে বলেই তিনি নিজের পর্যবেক্ষণ জানিয়েছেন।একই সঙ্গে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং চিকিৎসকদের নিয়ে পুরনো অভিযোগের প্রসঙ্গও টেনে এনেছেন শান্তনু। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পারিবারিক চিকিৎসক এসপি দাসকে ঘিরেও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর দাবি, আগে তিনি স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় কথিত ভয় দেখানোর সংস্কৃতি নিয়ে অভিযোগ করেছিলেন এবং তার জেরেই তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল।তবে শান্তনুর এই বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছেন তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলে থাকাকালীন শান্তনু সেন দলের কাছ থেকে একাধিক রাজনৈতিক সুযোগ পেয়েছেন। এত বছর পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো চোট নিয়ে প্রশ্ন তোলারও সমালোচনা করেন তিনি।এর মধ্যেই ২০২১ সালের নন্দীগ্রাম-চোটের ঘটনা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী যে চিকিৎসা-নথি প্রকাশ্যে এনেছেন, তাতে ১১ মার্চের পরীক্ষার রিপোর্টে পায়ে হাড় ভাঙার প্রমাণ না থাকার কথা বলা হয়েছে বলে তাঁর দাবি। অন্য দিকে, সেই সময়ের চিকিৎসা-পর্বে মমতার পায়ে গুরুতর আঘাতের কথা হাসপাতালের চিকিৎসা-সংক্রান্ত বিবৃতিতে বলা হয়েছিল। ফলে পুরনো নথি, নতুন দাবি এবং পাল্টা প্রশ্ন ঘিরে বিতর্ক আরও জটিল হয়েছে।এই আবহে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষও পুরনো ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে মমতার চোট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ফলে নন্দীগ্রামে ২০২১ সালের সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাঁচ বছর পর আবারও রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আসলে সেদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে কী ধরনের চোট হয়েছিল, প্রকাশ্যে আসা চিকিৎসা-নথি ও ছবির মধ্যে কী সম্পর্ক রয়েছে, সেই প্রশ্নের উত্তর নিয়েই এখন শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

সিপিএম অফিসের সামনেই হনুমান চালিশা পাঠ! স্বপনের মন্তব্যে তেতে উঠল বাঁকুড়া, ‘ওষুধ’-এর হুঁশিয়ারি

হনুমান চালিশা নিয়ে সিপিআই-এর রাজ্য সম্পাদক স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক আরও বাড়ল। তাঁর মন্তব্যের প্রতিবাদে বাঁকুড়া জেলা সিপিএম কার্যালয়ের সামনে হনুমান চালিশা পাঠের আয়োজন করল বজরং দল। শনিবার সন্ধ্যার এই কর্মসূচিকে ঘিরে বাঁকুড়া সদর এলাকায় রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে। সংগঠনের তরফে স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।সম্প্রতি পশ্চিম মেদিনীপুরের একটি সভায় হনুমান চালিশা পাঠ নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, হনুমান চালিশা হনুমানেরাই পড়ে। তাঁরা হনুমান নন এবং হনুমানের দলও করেন না। তাঁদের রাজনৈতিক আদর্শ মার্কসবাদ, লেনিনবাদ এবং গান্ধীবাদএমনই বক্তব্য রেখেছিলেন তিনি। সেই মন্তব্যের পরেই রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তৈরি হয়।এর পর শনিবার সন্ধ্যায় বাঁকুড়া জেলা সিপিএম কার্যালয়ের সামনে হাজির হন বজরং দলের কর্মীরা। সেখানে হনুমান চালিশা পাঠ করা হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। কিন্তু কোনও ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে কটাক্ষ করা হলে তার প্রতিবাদ করা হবে।বজরং দলের নেতা বাপ্পা দাস বলেন, স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে। ক্ষমা না চাইলে তাঁরা তাঁদের মতো করে ওষুধ ঠিক করে রেখেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ওষুধ বলতে ঠিক কী বোঝানো হয়েছে, তা স্পষ্ট করেননি বাপ্পা। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরেই নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।বজরং দলের দাবি, তাঁদের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ছিল। কোনও হিংসাত্মক কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়নি বলেও সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, রাজনৈতিক মতাদর্শের সমালোচনা করা যেতে পারে, কিন্তু ধর্মীয় বিশ্বাসকে আঘাত করে মন্তব্য করা উচিত নয়। সেই কারণেই স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে প্রকাশ্যে মন্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, ওষুধ শব্দটি ব্যবহার করে দেওয়া বার্তাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে। বিরোধীদের একাংশের বক্তব্য, ধর্মীয় আবেগকে সামনে রেখে এমন ভাষা ব্যবহার করলে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেনি এবং বজরং দলের পক্ষ থেকেও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের কথাই জানানো হয়েছে।ফলে হনুমান চালিশা নিয়ে স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বাঁকুড়ায় নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ তৈরি হয়েছে। সিপিএম কার্যালয়ের সামনে হনুমান চালিশা পাঠ এবং তার পরেই ক্ষমা না চাইলে ওষুধ-এর মন্তব্যকে ঘিরে বিতর্ক কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

বাইরনের বাড়িতে আগুনের নেপথ্যে কী? দুর্ঘটনা, না কি ইচ্ছাকৃত অগ্নিকাণ্ড—তদন্তে পুলিশ

মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানে নিজের বাড়িতে অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন সাগরদিঘির বিধায়ক বাইরন বিশ্বাস। শনিবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ তাঁর বাড়ি থেকে আগুনের শিখা ও ঘন কালো ধোঁয়া বের হতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর দেওয়া হয় দমকলে। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে বাড়ির ভিতর থেকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় বাইরনকে উদ্ধার করা হয়। এই অগ্নিকাণ্ড কী ভাবে ঘটল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।স্থানীয়দের দাবি, বাড়ির দোতলা থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে তাঁরা প্রথমে বিষয়টি বুঝতে পারেন। খবর পেয়ে দমকল ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়দের তৎপরতায় বাইরনকে উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রায় এক ঘণ্টার মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয় বলে পুলিশ ও দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে।অগ্নিকাণ্ডে বাইরনের হাত ও পায়ের বেশ কিছু অংশ পুড়ে গিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল। একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে শরীরের কতটা অংশ পুড়েছে, তা নিয়ে ভিন্ন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। তবে তাঁর আঘাতের মূল জায়গা হাত ও পা বলেই জানা গিয়েছে।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, কী ভাবে বাইরনের বাড়িতে আগুন লাগল? প্রাথমিক ভাবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ নিশ্চিত হয়নি। পুলিশ ও দমকল বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। একটি প্রতিবেদনে বৈদ্যুতিক গোলযোগ বা বাড়ির সঙ্গে যুক্ত বিড়ি তৈরির কারখানা থেকে আগুন ছড়ানোর সম্ভাবনার কথাও উঠে এসেছে। ফলে এখনই ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হামলা বা পুড়িয়ে মারার চেষ্টা বলে নিশ্চিত করার মতো তথ্য সামনে আসেনি।তবে ঘটনাটি ঘিরে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। বাইরন সেই সময় বাড়ির ভিতরে কেন ছিলেন, আগুনের সূত্রপাত ঠিক কোথায় এবং কী ভাবে আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ল, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। অগ্নিকাণ্ডের পিছনে দুর্ঘটনা নাকি অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তা স্পষ্ট হবে না।বাইরন বিশ্বাসের শারীরিক অবস্থা নিয়ে আপাতত স্বস্তির খবর দিয়েছে পুলিশ। জঙ্গিপুরের পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, তাঁর আঘাত খুব গভীর নয় এবং তিনি স্থিতিশীল রয়েছেন। অন্য দিকে, অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ ও দমকল। ফলে সাগরদিঘির বিধায়কের বাড়িতে এই আগুন নিছক দুর্ঘটনা, না কি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, সেই প্রশ্নের উত্তরই এখন খুঁজছে তদন্তকারীরা।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal