• ৫ চৈত্র ১৪৩২, শুক্রবার ২০ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Minister

দেশ

প্রতিরক্ষা শক্তিতে আত্মনির্ভর হয়ে উঠেছে ভারতঃ মোদি

১৩০ কোটি ভারতীয় আপনাদের সঙ্গে রয়েছেন। প্রতিটি নাগরিক আমাদের জওয়ানদের শক্তি ও আত্মত্যাগের জন্য গর্বিত। তাঁরা গর্ব অনুভব করে আপনাদের অদ্যম মনোভাবের জন্য। আমাদের দেশের সীমান্ত রক্ষার কাজে নিয়োজিত বীর সৈনিকদের নিজেদের কর্তব্য করা থেকে পৃথিবীর কোনও শক্তিই আটকাতে পারবে না বলেও সাধারণ নাগরিকরা বিশ্বাস করেন। শনিবার জয়সলমীরের লোঙ্গেওয়ালায় ভারতীয় স্বশস্ত্র বাহিনীর জওয়ানদের দিওয়ালির শুভেচ্ছা জানাতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই মন্তব্য করেন। তিনি এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, হিমালয়ের শীর্ষ থেকে মরুভূমির তপ্ত পরিবেশ কিংবা ঘন জঙ্গল থেকে গভীর সমুদ্র, সর্বক্ষেত্রেই আপনারা হার না মানা মনোভাব নিয়ে প্রতিটি চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করেন। তাই গোটা ভারত আপনাদের জন্য গর্ব অনুভব করে। আপনারা আছেন বলেই আমরা প্রতিবছর ধুমধাম করে দিওয়ালি উদযাপন করতে পারি। তাই আজ প্রত্যেক দেশবাসীর তরফে আপনাদের দিওয়ালির শুভেচ্ছা জানাই। আমারও দিওয়ালি আপনাদের সঙ্গে উপযাপন না করলে ভাল লাগে না। আপনাদের আনন্দিত মুখ আমার খুশিও দ্বিগুণ হয়ে যায়। আরও পড়ুন ঃ আজ দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে শিশু দিবস তিনি আরও বলেন , গোটা বিশ্ব বুঝতে পেরেছে যে নিজের স্বার্থের বিষয়ে এই দেশ কোনও মূল্যেই সমঝোতা করবে না। আজকে ভারত জঙ্গিদের নিকেশ করছে আর তাদের নেতারা ঘরে ঢুকে পড়ছে। আপনাদের শক্তি ও দক্ষতার জন্যই এটা সম্ভব হয়েছে। আপনাদের দেশকে সুরক্ষিত রেখেছেন বলেই আন্তর্জাতিক মহল আজ আমাদের সম্পর্কে এই ধারণা পোষণ করে। এর জন্য ভারতও তার প্রতিরক্ষা শক্তি ক্রমশ বাড়িয়ে চলেছে। আত্মনির্ভর হয়ে উঠেছে। দেশবাসীও স্থানীয়ভাবে প্রতিরক্ষা সামগ্রী তৈরির বিষয়ে উৎসাহ প্রকাশ করেছে।

নভেম্বর ১৪, ২০২০
রাজনীতি

আমাকে আটকানোর ক্ষমতা কারও নেইঃ শুভেন্দু

ঘূর্ণিঝড়ের পর নন্দীগ্রামে কেউ আসেনি। আমিই বারবার ছুটে এসেছি, পাশে থেকেছি। শুক্রবার নন্দীগ্রামে কালীপুজো উদ্বোধনে এসে ফের বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন রাজ্যের সেচ ও পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন নিজের মনোভাব আরও স্পষ্ট করে দিলে শুভেন্দু জানান, আমাকে আটকানোর ক্ষমতা কারও নেই। আপনাদের আশীর্বাদ, দোয়া, প্রার্থনাকে সঙ্গী করে আমি এগিয়ে যাব। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দুকে নিয়ে জল্পনার মাঝেই কাঁথিতে শিশির অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক পিকের প্রসঙ্গত , বৃহস্পতিবার রাতে শুভেন্দু অধিকারীর বাড়িতে যান ভোটকৌশলী প্রশান্ত কিশোর। তিনি কাঁথির অধিকারী বাড়িতে যখন যান, শুভেন্দু বাড়িতে ছিলেন না। তারপর সেখানে বসেই ফোনে কথা হয় শুভেন্দুর সঙ্গে। কিন্তু পিকেকে ময়দানে নামিয়েও যে শুভেন্দুর মনোভাব বদলানো যায়নি, তা এদিন তাঁর মন্তব্যেই স্পষ্ট।

নভেম্বর ১৩, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দুকে নিয়ে জল্পনার মাঝেই কাঁথিতে শিশির অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক পিকের

রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তৃ্ণমূলের দূরত্ব বাড়ছে বলে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক জল্পনার সৃষ্টি হয়েছে। এই অবস্থায় শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সমঝোতায় যেতে কাঁথির অধিকারী বাড়িতে দল নিয়ে হাজির হলেন ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর। সেখানে শুভেন্দু অধিকারী ছিলেন না। তিনি তখন কালীপুজো উদ্বোধন করতে গিয়েছিলেন। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সভাপতি শিশির অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করেন প্রশান্ত কিশোর। তাদের মধ্যে ঘণ্টা দুয়েক বৈঠক হয় বলে সূ্ত্র মারফত জানা গিয়েছে। ্কি বিষয়ে আলোচনা হয়েছে , তা অবশ্য জানা যায়নি। আরও পড়ুন ঃ পাহাড়ের জনতা দরিদ্রই থেকে গিয়েছেঃ দিলীপ প্রসঙ্গত , বৃহস্পতিবার ঘাটালে বিজয়া সম্মিলনীর মঞ্চে শুভেন্দুর ভাষণে ছিল দল ও নেত্রীর কথা। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামে শহিদ স্মরণে সমাবেশের মঞ্চ থেকে ভাষণে দল এবং নেত্রীর কথা একবারও উচ্চারণ করেননি রাজ্যের পরিবহণ, সেচ ও জলসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী।

নভেম্বর ১৩, ২০২০
রাজ্য

দেখবি আর জ্বলবি, লুচির মত ফুলবিঃ শুভেন্দু

ফের সমালোচকদের উদ্দেশে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন রাজ্যের সেচ ও পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার পান্ডুয়া সহ বিভিন্ন জায়গায় পুজো উদ্বোধন করতে যাওয়ার পথে ঘাটালে দুপুর দুটো নাগাদ একটি বিজয়া সম্মিলনীতে যোগ দেন তিনি। সেখানে তিনি বলেন , আমি ছিলাম, আছি, থাকবো। আপনারা আমার সঙ্গে আছেন তো ? পরিবহণ মন্ত্রীর সমর্থনে চিৎকার করে ওঠে বিশাল জনতা। এরপরেই তিনি বলেন , চরৈবতী চরৈবতী। দেখবি আর জ্বলবি, লুচির মত ফুলবি। এর পর হাসতে হাসতে তাঁর মন্তব্য, দেখবেন এই স্লোগানটা লরি বা বাসের পিছনে লেখা থাকে। লরি-বাস এগিয়ে যায় পিছনে সবাই পড়ে থাকে। সেটাই হবে এবার। আরও পড়ুন ঃ ৬ মাসের মধ্যে সব খুনের বিচার হবেঃ সায়ন্তন এদিন সভাস্থলে এসে বিদ্যাসাগরের মূর্তিতে মালা দেন তিনি। তিনি এদিন আরও বলেন , আমরা বিদ্যাসাগর, ক্ষুদিরাম, মাতঙ্গিনী হাজরার জেলার ছেলে। স্বাধীনতা সংগ্রামীদের বাড়িতে আমার জন্ম। আমরা লড়াই করতে জানি। এ সব কথা বলার পাশাপাশি হঠাৎই তাঁর মুখে শোনা যায়, ছাত্রাবস্থা থেকেই এখানে আসছি। এখানে আসা আমার নতুন নয়। ২০১১ তে যখন আমার দল ও নেত্রী দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের যুদ্ধ করেছিলেন তখন এই অঞ্চলে আমি সংগঠন তৈরি করেছিলাম। আমাদের নেতা কর্মীদের মেরে ধরে হাত-পা ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছিল। আমি নিজে তাদের হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলাম। এদিনের এই বিজয়া সম্মিলনীতে রমাপ্রসাদ গিরি , তপন দত্ত, কাবেরী চ্যাটার্জি, দুলাল মণ্ডল সহ একদল দাপুটে তৃণমূল নেতা উপস্থিত ছিলেন।

নভেম্বর ১২, ২০২০
দেশ

কর্মসংস্থানের জন্য আত্মনির্ভর ভারত রোজগার যোজনা ঘোষণা নির্মলা সীতারমনের

করোনা পরবর্তী সময়ে দেশে নয়া কর্মসংস্থানের জন্য আত্মনির্ভর ভারত রোজগার যোজনা ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। যেখানে বলা হয়েছে , ২০২০ সালের অক্টোবরের পর যে সমস্ত সংস্থা নতুন কর্মী নিয়োগ করবে সেই সব সংস্থা ইপিএফও র অধীন বিশেষ কিছু সুবিধা পাবে। এছাড়াও পুরনো যেসব কর্মী ইপিএফও র সদস্য ছিল না , তাদেরকেও ইপিএফও র অধীনে নিয়ে আসা হবে। এছাড়াও যে সমস্ত সংস্থায় ১ হাজারের কম কর্মী থাকবে, সেই সংস্থায় নতুন কর্মীদের ইপিএফওর ২৪ শতাংশ খরচই কেন্দ্র বহন করবে। আর যে সমস্ত সংস্থায় ১ হাজারের বেশি কর্মী, সেই সব সংস্থার শুধুমাত্র কর্মীদের ভাগের ১২ শতাংশ অর্থ ভারত সরকার দেবে। অর্থাৎ ইপিএফও বাবদ সংস্থাকে শুধু সংস্থার অংশের টাকাই দিতে হবে, কর্মীর ভাগের টাকা দিতে হবে না। এই সুবিধা মিলবে আগামী ২ বছর পর্যন্ত। দেশের প্রায় ৯৫ শতাংশ সংস্থাই প্রথম অংশে পড়বে। আরও পড়ুন ঃ কাজ করলে সমর্থন মিলবেঃ মোদি পাশাপাশি কৃষকদের জন্যও বড় ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী। আগামী অর্থবর্ষে ৬৫ হাজার কোটি টাকা সার এবং কৃষি উপকরণে ভরতুকি হিসেবে দেওয়া হবে। ১৪ কোটি কৃষক এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ রোজগার যোজনার আওতায় আরও ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হল। যা ১০০ দিনের কাজের মাধ্যমে খরচ করা হবে। এর ফলে ১০০ দিনের কাজের বাজেট বেড়ে হল ১ লক্ষ ১১ হাজার কোটি। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন বলেন, বেশ কয়েকটি সূচক দেখাচ্ছে, অর্থনীতি সুস্পষ্টভাবে পুনরুদ্ধার হচ্ছে। একটানা সংস্কারের ভিত্তিতে অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করে চলেছে সরকার। তিনি আরও বলেন , জিএসটি আদায়ের পরিমাণ বেড়েছে। বাজারের বিভিন্ন ক্ষেত্রে চাহিদা বাড়ছে। আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্পে দেশবাসী বিনামূল্যে খাদ্যশস্য পেয়েছে।

নভেম্বর ১২, ২০২০
দেশ

কাজ করলে সমর্থন মিলবেঃ মোদি

কাজ করলে সমর্থন মিলবে , বিহার ভোটে তা স্পষ্ট হয়েছে। যারা বোঝেনি , তাদের জামানত জব্দ হয়েছে। বুধবার দিল্লিতে বিহার জয়ের জন্য জনতাকে অভিনন্দন দিতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । তিনি এদিন বলেন, আগে ভোটের পর দিন হেডলাইন হত, ভোট লুঠ হয়েছে। এখন হেডলাইন হয়, এত শতাংশ ভোট পড়েছে। একটা ভোটকেন্দ্রেও পুনর্গণনার প্রয়োজন হয়নি। করোনাকালে এই নির্বাচন করা সহজ ছিল না। কিন্তু তা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তিনি এদিন বলেন , দেশবাসীর কাছে কৃতজ্ঞ। কাল সকাল থেকে মাঝরাত পর্যন্ত গোটা দেশের নজর ছিল টিভি, টুইটার, নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে। ভোটে হারজিত হয়। কিন্তু ভোট প্রক্রিয়া সকল ভারতীয়র কাছে জরুরি। আরও পড়ুন ঃ অবশেষে জামিন পেলেন অর্ণব গোস্বামী কোটি কোটি দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।শান্তিপূর্ণ, সফলভাবে ভোট করার জন্য কমিশন, প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সুশাসন মানে বিজেপি সরকার বলে মন্তব্য করেন তিনি। কংগ্রেসের নাম না করে তিনি বলেন, যে সব দলে পরিবারতন্ত্র রয়েছে , সেই সব পার্টি ্দেশের পক্ষে ভয়ঙ্কর। দেশের যু্বকদের বিজেপিতে যোগ দিয়ে দেশসেবায় যোগ ্দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান। আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তোলার পক্ষে ্তিনি সওয়াল করেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিজেপি কর্মীদের হত্যার ঘটনার নিন্দা করে তিনি বলেছেন, অনেক দল ভোটে জিততে না পেরে বিজেপি কর্মী্দের হত্যা করছেন। যাতে তাদের মনস্কামনা পূর্ণ হয়। জনতাই তাদের জবাব দেবে।

নভেম্বর ১১, ২০২০
রাজনীতি

রাজনীতির মঞ্চে দেখা হবেঃ শুভেন্দু

রাজনীতির মঞ্চে দেখা হবে। লড়াইয়ের মাঠে দেখা হবে। শুভেন্দু ভয় পায় না। ২০০৭ সালের রক্তস্নাত সূর্যোদয় দিবসের বর্ষপূতি উপলক্ষে গড়চক্রবেড়িয়া হাইস্কুল মাঠে সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন রাজ্যের সেচ ও পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবারের এই সভায় তিনি আরও বলেন , রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে থেকে রাজনৈতিক কথা বলব। কোন রাস্তায় গর্ত, কোথায় হোঁচট খাঁচ্ছি, কোন রাস্তায় হাঁটলে মসৃণ ভাবে চলব, সেটা তো রাজনৈতিক মঞ্চে বলব। পবিত্র প্ল্যাটফর্মে রাজনীতি করি না, করব না। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন , আমি জানি সংবাদমাধ্যম ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা অপেক্ষা করে আছেন। তারা আমার মুখ থেকে কিছু শুনতে চান। আমি বলব। সব বলব। নন্দীগ্রামের মঞ্চ থেকে একের পর এক ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য শুভেন্দু অধিকারীর। এছাড়াও তৃণমূলের নাম না করে শুভেন্দু খোঁচা দিয়ে বলেন, ১৩ বছর পর নন্দীগ্রামকে মনে পড়ল? ভোটের পর নন্দীগ্রামে আসবেন তো। এদিনের অরাজনৈতিক মঞ্চ থেকে বারবার শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমি নন্দীগ্রামে নতুন লোক নই, চেনা বামুনের পৈতের দরকার নেই। সবসময় আপনাদের পাশে রয়েছি। ক্ষমতা নিয়ে কোনও কিছু করিনি। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লড়াই করেছি। এই আন্দোলন শুভেন্দু অধিকারীর আন্দোলন নয়, স্বত:স্ফূর্ত লোকের আন্দোলন। তিনি আরও বলেন , নন্দীগ্রামের আন্দোলন কারও একার নয়। শুভেন্দু নিজের বক্তব্য শেষ করেছেন ভারতমাতা জিন্দাবাদ বলে। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দুর সঙ্গে তৃণমূলের বিভাজন? সভা-পাল্টা সভায় সরগরম নন্দীগ্রাম নন্দীগ্রামে অত্যাচারের কাহিনী তুলে ধরে বাংলার সুশীল সমাজের অবদানের প্রসঙ্গ টেনে মহাশ্বেতা দেবী, শুভাপ্রসন্ন, পল্লব কীর্তনীয়া, অর্পিতা ঘোষদের নাম নেন শুভেন্দু। সভার শেষে শুভেন্দুর জয় জয় নন্দীগ্রাম স্লোগানে মুখরিত হয়েছে গোটা এলাকা। এদিনের শুভেন্দুর সভায় উপস্থিত ছিলেন তমলুকের সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী, খেজুরীর বিধায়ক রণজিৎ মণ্ডল, নন্দীগ্রামের শহিদ মাতা ফিরোজা বিবি, সংগ্রাম দলুই সহ ভূমি উচ্ছেদ কমিটির সদস্যরা। শুভেন্দুর ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্যের পূর্বে মঞ্চ থেকে উপস্থিত জনস্রোতকে প্রণাম জানিয়ে নন্দীগ্রামের আন্দোলনের ইতিহাস বর্ণনা করেন। সঙ্গে নন্দীগ্রামের প্রতিটি শহীদ পরিবারের সদস্যদের হাতে শীতের চাদর তুলে দেন।

নভেম্বর ১০, ২০২০
রাজ্য

পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে চালু এবার নতুন ওয়েবসাইট

পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে এবার নতুন ওয়েবসাইট চালু করল আমরা দাদার অনুগামীরা। www.dadaranugami.com এই লিঙ্ক-এ গিয়ে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন করা যাবে ১২ নভেম্বর থেকে। তিনিই যে প্রকৃ্ত জননেতা , তা সকলের সামনে তুলে ধরার জন্য এই ওয়েবসাইটটি চালু করা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ ভূমিপুত্র সংরক্ষণ আইন অবিলম্বে পাস করানোর দাবিতে বিধায়ককে স্মারকলিপি বাংলা পক্ষের প্রসঙ্গত , সম্প্রতি দলের ব্যানার ছাড়া বিভিন্ন কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি বিভিন্ন বক্তব্য রাখছেন। তাঁর এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে জল্পনা সৃষ্টি হয়েছে শাসক দলের অন্দরে। এরইমধ্যে আগামিকাল মঙ্গলবার নন্দীগ্রামে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির সভা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। পালটা সভা করবেন ফিরহাদ হাকিম। এই দুটি সভার দিকে সকলের লক্ষ্য রয়েছে। ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির সদস্য অশোক করন বলেন, প্রস্তুতি প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছে। তিনটে মঞ্চ করা হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীর জন্য আলাদা একটি মঞ্চের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমরা আশা করছি মঙ্গলবারের সভায় লক্ষাধিক লোক আসবেন। মাঠে ৫০ হাজারের ওপর লোক হবে। অন্য জেলা থেকেও একাধিক গাড়িতে মানুষ আসবেন সভা শুনতে। উল্লেখ্য , শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে পোস্টার পড়েছে। এনিয়ে দলের মধ্যে থেকে শুভেন্দু বিরোধী কিছু বক্তব্য মাঝেমধ্যেই প্রকাশ্যে চলে আসছে। রবিবারই দেখা গিয়েছিল , দলনেত্রীর সঙ্গে একই ব্যানারে শুভেন্দুর ছবি জায়গা করে নিয়েছে। এই ছবি দলের মধ্যে বেড়ে চলা বিরোধকে কিছুটা মেটাতে চেষ্টা করবে বলে মত রাজ্যের রাজনৈ্তিক মহলের।

নভেম্বর ০৯, ২০২০
দেশ

নোটবন্দির একাধিক সাফল্য তুলে ধরে টুইট সীতারামনের , সমালোচনা কংগ্রেসের

ভারতকে দুর্নীতিমুক্ত করার প্রতিশ্রুতি মাফিক মোদি সরকার চার বছর আগে নোটবন্দি করেছিল এই দিনে। কালো টাকার বিরুদ্ধে এই সার্জিক্যাল স্ট্রাইক দেশের করকাঠামোর উন্নয়ন এবং ডিজিটার অর্থনীতির দিকে দেশে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রথম পদক্ষেপ ছিল। রবিবার নোট বাতিলের চার বছরের বর্ষপূর্তির দিনে টুইট করে এই মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তিনি আরও জানিয়েছেন, ৯০০ কোটি হিসাব বহির্ভূত আয় বাজেয়াপ্ত হয়েছে নোটবন্দির প্রথম চার মাসের মধ্যে। গত তিন বছরে ৩,৯৫০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হয়েছে। অপারেশন ক্লিন মানি দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে সাহায্য করেছে নোটবন্দির পর। নোটবন্দি শুধুমাত্র কর ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা এবং ব্যাপকতাই আনেনি, এটা টাকার মূল্যহ্রাস এবং সার্কুলেশনকেও নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করেছে। আরও পড়ুন ঃ হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে হাথরাস কাণ্ডে সিবিআই তদন্ত অন্যদিকে , কংগ্রেসের তরফ থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি অভিযান শুরু করা হয়েছে। নোটবন্দি বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলার জন্য এই কর্মসূচিতে রাহুল গান্ধীর দাবি, নোটবন্দির প্রধান লক্ষ্যই ছিল বড় ঋণখেলাপিদের ঋণ মকুব করা। কংগ্রেসের আরও দাবি, নোটবন্দির ফলে দেশের আর্থিক বৃদ্ধি কমে ২.২ শতাংশ এবং কর্মসংস্থান ৩ শতাংশে এসে ঠেকে। একটি ভিডিওতে রাহুল প্রশ্ন তুলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি ভারতের অর্থনীতিকে ছাপিয়ে যাচ্ছে। যেখানে ভারতের অর্থনীতি এখন ভাল পারফর্ম করার জায়গায় দাঁড়িয়ে রয়েছে।

নভেম্বর ০৮, ২০২০
বিদেশ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত জো বিডেন , শুভেচ্ছাবার্তা মোদির

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন সেদেশের প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জো বিডেন। আমেরিকার ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হতে চলেছেন তিনি। শনিবার পঞ্চম দিনের ভোট গণনা শুরু হতেই পেনসিলভেনিয়ার ২০টি ইলেক্টোরাল ভোট চলে যায় বিডেনের ঝুলিতে। ফলে সহজেই ২৭০টি ইলেক্টোরাল ভোটের ম্যাজিক ফিগার পার করে ফেলেন তিনি। তাঁর ইলেক্টোরাল ভোটের সংখ্যা এখন ২৭৩। অন্যদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প আটকে রইলেন ২১৩তেই। ফলে আমেরিকার সবচেয়ে বেশি বয়স্ক প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন বিডেন। ইতিমধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ভোট পাওয়ারও নজির গড়ে ফেলেছেন তিনি। জো বিডেন বলেছেন , এ দেশের মানুষ একসঙ্গে কথা বলেছেন। তাঁরা একযোগে জয়ের বার্তা দিয়েছেন। সব চেয়ে বেশি ভোটে আমরা জিতেছি। এই জয় মানুষের দ্বারা সম্ভব হয়েছে। তাই এই জয় আমেরিকাবাসীর জয়। জয়ের যত কাছাকাছি এসেছেন বিডেন ততই আমেরিকার রাস্তায় ভিড় জমতে শুরু করেছে। উচ্ছ্বাস দেখিয়েছেন মানুষ। এতেই আপ্লুত বিডেন। তাঁর কথায়, এটা উন্মাদনা জয়ের বহিঃপ্রকাশ। ভবিষ্যতের শুভ সূচনার আশায় মানুষের আস্থা। আমি এই আশা-আস্থা পূরণের চেষ্টা করব।মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত জো বিডেনকে অভিনন্দন জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। আরও পড়ুন ঃ করোনা প্রতিরোধই লক্ষ্য , ঘোষণা বিডেনের রবিবার একটি টুইট করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, অভিনন্দন জো বিডেন। ভাইস প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন ভারত-আমেরিকা সম্পর্ক মজবুত করতে আপনার অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে আমি আপনার সঙ্গে কাজ করতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। একইসঙ্গে ভাইস প্রেসিডেন্ট হতে চলা ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা হ্যারিসকেও অভিনন্দন জানান মোদি। টুইটারে তিনি লেখেন, ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিনিদের জন্য আপনার সফলতা অত্যন্ত গর্বের। আপনার নেতৃত্ব ও সমর্থনে ভারত-আমেরিকা সম্পর্ক আরও মজবুত হবে। বিডেনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও।

নভেম্বর ০৮, ২০২০
কলকাতা

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ২০০ -র বেশি আসনে জয়লাভ করবে বিজেপিঃ অমিত শাহ

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ২০০ -র বেশি আসনে জয়লাভ করবে বলে মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা অমিত শাহ। শুক্রবার তাঁর সফরের দ্বিতীয় দিনে এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি রাজ্য সরকারের কড়া সমালোচনা করে বলেন, অনেক আশা নিয়ে ২০১০ সালে মা-মাটি-মানুষকে ক্ষমতায় এনেছিল বাংলার জনতা। মানুষের কোনও আশাই পূরণ করেনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার । মা-মাটি-মানুষের সরকারের স্লোগান এখন বদলে গিয়ে তুষ্টিকরণের স্লোগানে পরিণত হয়েছে। ১০ বছর ধরে শুধু তোষণের রাজনীতি হয়েছে। বাংলায় সঠিক পরিবর্তন আনতে পারে মোদির নেতৃ্ত্বাধীন বিজেপি সরকার। নরেন্দ্র মোদির দিকে আশা নিয়ে তাকিয়ে রয়েছে বাংলার মানুষ। যে রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে , সেখানে উন্নয়ন হয়েছে। সুযোগ পেলে ৫ বছরের সোনার বাংলা বানাবে বিজেপি। বাংলার মানুষের কাছে তাঁর আর্জি, আপনারা সবাইকে একটা করে সুযোগ দিয়েছেন। কমিউনিস্টদের সুযোগ দিয়েছেন, কংগ্রেসকে দিয়েছেন, তৃণমূলকেও দিয়েছেন। এবার মোদীজিকে একটা সুযোগ দিন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর মমতার আমলে প্রশাসনের রাজনীতিকরণ হয়েছে, রাজনীতির সঙ্গে অপরাধ জড়িয়ে গিয়েছে ও অবৈধ কাজকর্ম রাজ্যে প্রতিষ্ঠা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ আদিবাসী ও মতুয়া পরিবারগুলোর সঙ্গে একবারও কথা বলার প্রয়োজন বোধ করেননি অমিত শাহঃ অভিষেক অমিত শাহ আরও বলেন, কেন্দ্রীয় প্রকল্পের রূপায়ণে সবথেকে খারাপ অবস্থায় রয়েছে রাজ্য। আয়ুষ্মান ভারত ও কৃষক সম্মান নিধি প্রকল্পের সুবিধা পায়নি এই রাজ্যের মানুষ। পাশাপাশি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপি -তে যোগদানের জল্পনাও জিইয়ে রাখলেন তিনি। বললেন, শুধুমাত্র দুজনের নামই না, তালিকা আরও অনেক বড় । তবে সরাসরি এই বিষয়ে কোনও উত্তর দেননি তিনি। তিনি আরও বলেন , করোনা পরিস্থিতি গেলেই দেশজুড়ে সিএএ চালু হবে। রাজ্যপাল প্রসঙ্গে তিনি বলেন , রাজ্যপাল তার সাংবিধানিক সী্মার মধ্যে থেকে কাজ করছে। এই রাজ্যে ৩৫৬ ধারা জারি প্রসঙ্গে তিনি বলেন , রাজ্যপালের রিপোর্ট ও অন্যান্য আনুষাঙ্গিক বিষয়ের উপর ভিত্তি করে যে কোনও রাজ্যে ৩৫৬ ধারা জারি করা হয়। সামনের বছরের এপ্রিল মাসে তো বিজেপি সরকার রাজ্যে আসবেই। তাই ৩৫৬ ধারা জারির কোনও প্রশ্ন নেই। এনসিআরবি রিপোর্ট নিয়ে তিনি বলেন, সব রাজ্য সেখানকার অপরাধের রিপোর্ট দিচ্ছে। বাংলা থেকে দেওয়া হচ্ছে না। ২০১৮ সালের পর আর রিপোর্ট পাঠাচ্ছে না রাজ্য । অ্যাসিড আক্রান্তে ঘটনায় বাংলা শীর্ষে । কতজন অভিযুক্তকে সাজা দেওয়া সম্ভব হয়েছে ? পাশাপাশি রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় বিজেপির মুখ্যমন্ত্রীর মুখ কে হবেন তা নিয়েও আজ দলের অবস্থান স্পষ্ট করেন তিনি। বলেন, বিজেপি বহু নির্বাচন কোনও মুখ ছাড়াই লড়েছে । বাংলায় বিজেপি-র মুখ শীর্ষ নেতৃত্ব ঠিক করবে । তিনি আরও বলেন , মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতি মাসে চিঠি লিখে টাকা চান। ওঁর হাতে অর্থ গেলে তৃণমূলের ক্যাডাররা খেয়ে নেবে।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
কলকাতা

আদিবাসী ও মতুয়া পরিবারগুলোর সঙ্গে একবারও কথা বলার প্রয়োজন বোধ করেননি অমিত শাহঃ অভিষেক

রাজ্য সফরের দু দিনেই আদিবাসী ও মতুয়াদের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সেরেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এবার আদিবাসী ও মতুয়াদের বাড়িতে খাওয়া নিয়ে অমিত শাহকে বিঁধলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার তিনি টুইটে লিখেছেন , তফসিলি ও সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকী ওই পরিবারগুলোর সঙ্গে একবারও কথা বলারও প্রয়োজন বোধ করা হয়নি। এটাই অমিত শাহের মধ্যাহ্নভোজনের নেপথ্যের বাস্তব। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী- আপনি কি শুধু ছবি তুলতে এখানে এসেছেন? আরও পড়ুন ঃ বাগুইআটির মতুয়া পরিবারে মধ্যাহ্নভোজন অমিত শাহের উল্লেখ্য , এর আগে অমিত শাহের মিছিল চলাকালীন বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার অভিযোগ উঠেছিল বিজেপির বিরুদ্ধে। এছাড়াও বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে কানহু মুর্মুর মূর্তি ভাঙারও অভিযোগ ওঠে। বাঙালি কি এটা পাওয়ার যোগ্য ? এদিন তৃণমূলের তরফ থেকে এই প্রশ্ন তোলা হয়। অন্যদিকে , বৃহস্পতিবার বীরসা মুন্ডার মূর্তিতে মাল্যদান করার বিষয়েও অমিত শাহকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল। প্রসঙ্গত , বৃহস্পতিবার বাঁকুড়ার পুয়াবাগানে যে মূর্তিকে ভগবান বীরসা মুণ্ডার বলে মালা দিয়েছেন অমিত শাহ , জানা গিয়েছে তা আসলে এক অজ্ঞাত পরিচয় আদিবাসী শিকারীর মূর্তি। যদিও ভুল বুঝতে পেরেই পরে বীরসার একটি ছবি এনে মূর্তির নীচে রাখা হয়। অমিত শাহ তাতেই মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। আবারও বহিরাগত একই কাজ করলেন। অন্য একজনের মূর্তির পায়ের কাছে ভগবান বীরসা মুণ্ডার ছবি রেখে মাল্যদান সত্যিই অপমানকর। এই ধরণের আচরণে বাংলার সংস্কৃতি উপেক্ষিত। তিনি কি কখনও বাংলাকে সম্মান করবেন? টুইটে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেও ট্যাগ করা হয়েছে।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
কলকাতা

বাগুইআটির মতুয়া পরিবারে মধ্যাহ্নভোজন অমিত শাহের

বাগুইআটির একটি মতুয়া পরিবারে শুক্রবার মধ্যাহ্নভোজ সারলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপির অন্যতম শীর্ষ নেতা অমিত শাহ। মধ্যাহ্নভোজ সেরে গৃহকর্তা নবীন বিশ্বাসকে অমিত শাহ জানালেন , বাঙালিয়ানায় ভরপুর নিরামিষ খাবার খেয়ে তৃপ্তি পেয়েছি। এদিন সকাল থেকে কয়েকটি কর্মসূচি সেরে বিকেলের দিকে আমিত শাহ পৌঁছে যান বাগুইআটির আদর্শনগরের গৌরাঙ্গপল্লিতে। আরও পড়ুন ঃ আমার দল মিউজিক পার্টি, জল্পনা উড়িয়ে জবাব পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর প্রথমেই এলাকার হরিচাঁদ মন্দিরে যান শাহ। সেখানে পুজো দিয়ে ঢোকেন নবীন বিশ্বাসের বাড়িতে। সেখানেই মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জন্য। ভাত, রুটি, ডাল, পনির, শুক্তো, চাটনি, পায়েস-সহযোগে জমিয়ে খাওয়া-দাওয়া সারেন অমিত শাহ। অমিত শাহের সঙ্গে ছিলেন দিলীপ ঘোষ, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, রাহুল সিনহা ও মুকুল রায়।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
কলকাতা

‘আমার দল মিউজিক পার্টি’, জল্পনা উড়িয়ে জবাব পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর

পূর্বঘোষণা মতো পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর সঙ্গে দেখা করলেন অমিত শাহ। তাঁর সঙ্গীত প্রতিষ্ঠান শ্রুতিনন্দনে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর বাড়িতে অমিত শাহের আসা প্রসঙ্গে অজয় চক্রবর্তী বলেন , অমিত শাহের মত একজন ব্যক্তি এসেছেন, এই সম্মান পাওয়ার জন্য আমি গুরুদের ধন্যবাদ দেব। তাঁর কথায়, রাজনীতি সংক্রান্ত কোনও কথা তাঁকে বলা হয়নি। আর তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে তিনি কোনও দলের সঙ্গে নেই। তাঁর দল একটাই, সঙ্গীত। তাছাড়া আমি মনে করি , দেশ সেবার জন্য রাজনীতি করতে হবে , তার কোনও মানে নেই। যে কোনও মানুষ তাঁর নিজের ক্ষেত্র থেকে দেশ সেবা করতে পারেন। আমি গানের মাধ্যমেই দেশ সেবা করতে চাই। দিল্লিতে অমিত শাহের বাসভবনে তাঁকে আমন্ত্রণও জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অমিত শাহ বলেছেন , আমার গান খুব পছন্দ করেন। তাই কলকাতায় এসে একবার আমার বাড়িতে আসার ইচ্ছা ছিল। তাই আমার বাড়িতে আসা। আরও পড়ুন ঃ আগামী বুধবার থেকে রাজ্যে চলবে লোকাল ট্রেন একইসঙ্গে অজয় বাবু বলেন, শুধু অমিত শাহ নন , এর আগে অনেক রাজনীতিবিদ আমার বাড়িতে ঘুরে গিয়েছেন। দেশের রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন এপিজে আবদুল কালাম আমার বাড়ি ঘুরে গিয়েছেন। তিনি নিয়মিত আমার গান শুনতেন। দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগতভাবে খুব সুসম্পর্ক ছিল। জ্যোতি বসু আমার বাড়িতে এসেছেন। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য্য এই বাড়ি করার জন্য জমি দিয়েছেন। বাবুল সুপ্রিয় আমার ছাত্র। ওকে স্নেহ করি। দিলীপ ঘোষের সঙ্গেও কথা হয়। এছাড়াও তিনি বলেন , মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আমার খুব ভাল সম্পর্ক।আমার খুব ইচ্ছা ওনাকে একদিন আমন্ত্রণ করে বাড়িতে আনার।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
রাজ্য

তোষণের রাজনীতিতে বাংলার ঐতিহ্য ক্ষুণ্ন হচ্ছেঃ অমিত শাহ

বাংলায় তুষ্টিকরণের রাজনীতি চলছে বলে অভিযোগ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার তিনি পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী সকাল ১১ টা নাগাদ দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দেন। তাঁর জন্য গোটা মন্দির চত্বরে ছিল কড়া নিরাপত্তা। মন্দিরে অমিত শাহকে স্বাগত জানান বঙ্গ বিজেপির মহিলা মোর্চার সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। পুজো দিয়ে তিনি সাংবাদিকদের সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন , পুজো দিয়ে আমি আপ্লুত। তিনি আরও বলেন , বাংলার এই পবিত্র ভূমি রামকৃষ্ণ, স্বামী বিবেকানন্দ, প্রণবানন্দ ঠাকুর, শ্রী অরবিন্দের। কিন্তু এখানেই তুষ্টিকরণের রাজনীতি চলছে। তোষণের রাজনীতিতে ঐতিহ্য ক্ষুণ্ন হচ্ছে। আধ্যাত্মিক-ও ধর্মীয় চেতনায় দেশের শীর্ষে ছিল বাংলা। সেই গৌরব আবার ফিরিয়ে আনতে হবে। রাজ্যবাসীকে বিচার-বিবেচনার উপর বিশেষ নজর দিয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানাব। আরও পড়ুন ঃ বালি বোঝাই লরি উলটে দুর্ঘটনা , মৃত্যু একই পরিবারের তিনজনের এছাড়াও তিনি আরও বলেন, মা কালীর কাছে গোটা দেশ তথা বাংলার মঙ্গল কামনা করেছি। মোদীর নেতৃত্বে দেশ এক নম্বরে পৌঁছক তাই চাই। দক্ষিণেশ্বরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এ দিন ছিলেন মুকুল রায়, দিলীপ ঘোষ, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, বাবুল সুপ্রিয়, অনুপম হাজরা-সহ আরও অনেকে। এছাড়াও মন্দিরে উপস্থিত ছিলেন মন্দিরে ছিলেন বিজেপির মহিলার মোর্চার সদস্যারাও।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
রাজ্য

অমিত শাহকে খাইয়েও মনের কথা বলা হল না বিভীষণ হাঁসদার

রাজ্য সফরে এসে পূর্বসূচি অনুযায়ী চতুরদিহি গ্রামে গিয়ে বিভীষণ হাঁসদার বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দুপুর তিনটে নাগাদ তিনি বিভীষণ হাঁসদার বাড়িতে আসেন। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে স্বাগত জানান। তিনি প্রথমে উঠোনে থাকা খাটিয়াতে বসেন। তারপর তাকে যখন খেতে দেওয়া হয় , তখন তিনি খেঁজুর পাতার চাটাইয়ের উপর বসেন। কাঁসার থালার উপর কলাপাতায় মধ্যাহ্নভোজ সারেন তিনি। মেনুতে ছিল, ভাত, শাক, পটল বেগুন ভাজা, বিউলির ডাল, কুমড়োর ডালনা, আলু পোস্ত ও পোস্তর বড়া। আর শেষ পাতে ছিল চাটনি ও বেলিয়াতোড়ের বিখ্যাত মেচা সন্দেশ। তিনি অবশ্য মিষ্টি খাননি। তাঁর সঙ্গে খেতে বসেছিলেন বিভীষণ হাঁসদা , দিলীপ ঘোষ , কৈলাস বিজয়বর্গীয়, রাহুল সিনহা-সহ অন্য নেতারাও। খাওয়ার পর রান্নার প্রশংসা করতে ভোলেননি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি টুইটে লেখেন, চতুরডিহি গ্রামে শ্রী বিভীষণ হাঁসদার বাড়িতে চমৎকার বাঙালি খাবার খাওয়ার সুযোগ পেলাম। কোনো শব্দই তাদের আতিথেয়তা বর্ণনা করতে পারবে না। আরও পড়ুন ঃ অমিত শাহকে রেঁধে খাওয়ানো গীতা মাহালিকে হোমগার্ডের চাকরি দিল রাজ্য অবশ্য বিজেপি কর্মী বিভীষণ হাঁসদা বলেন, আমি ও আমার স্ত্রী মণিকাকে নিয়ে আমাদের পরিবারে মোট ৬ জন সদস্য। দিনমজুরির কাজ করেই সংসার চলে। আমার একটি ছেলে ও মেয়ে রয়েছে। মেয়ে রচনা হাঁসদা বর্তমানে ক্লাস টুয়েলভ পড়ে। এমনিত পড়াশোনায় ভাল তবে মধুমেহ রোগের জন্য তাকে মাসে তিন বার ইনসুলিন নিতে হয়। এর জন্য প্রায় ৫-৬ হাজার টাকা খরচ হয়। আমি ভেবেছিলাম আজ এই বিষয়ে সাহায্য করার জন্য আবেদন জানাব কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে। কিন্তু, প্রচুর মানুষের ভিড় তাঁকে আর সেই কথা বলে উঠতে পারলাম না। তাই ভাবছি চিঠি লিখে মেয়ের চিকিৎসায় সাহায্য করার জন্য ওনার কাছে আবেদন জানাব।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

মমতা সরকারের মৃত্যুঘণ্টা বেজে গিয়েছেঃ অমিত শাহ

মমতা সরকারের মৃত্যুঘণ্টা বেজে গিয়েছে। দুই তৃতীয়াংশ আসনে ক্ষমতায় আসবে বিজেপি। এভাবেই বৃহস্পতিবার তৃণমূ্লের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ । এদিন তিনি সাড়ে এগারোটা নাগাদ আকাশপথে বাঁকুড়ায় পৌঁছন । সেখানে তিনি মালদ্যান করেন বিরসা মুণ্ডার মূর্তিতে। এরপর তিনি সাংবাদিকদের বলেন , বিরসা মুণ্ডাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলা সফর শুরু করলাম। গতকাল রাত থেকে বাংলার যে প্রান্তেই ছিলাম সব জায়গায় মানুষের উৎসাহ দেখেছি। বিপুল অভ্যর্থনা পেয়েছি। এটা থেকেই স্পষ্ট, মমতা সরকারের প্রতি ভয়ংকর জন আক্রোশ তৈরি হয়েছে। আর মোদির প্রতি তৈরি হয়েছে আশা আর শ্রদ্ধা। আরও পড়ুন ঃ বর্ধমান থেকে হারিয়ে যাওয়া বালক হাওড়া থেকে উদ্ধার এরপর পুয়াবাগান এলাকা থেকেও রাজ্যের বিরুদ্ধে হুঙ্কার দেন শাহ। বলেন, মমতা সরকারের মৃত্যু ঘণ্টা বেজে গিয়েছে। এদিন রাজ্যবাসীকে উদ্দেশ্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিজেপি সরকার এলে কর্মসংস্থান হবে। বেকার যুবক-যুবতীরা চাকরি পাবে। তাই কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে রাজ্য সরকারকে ছুঁড়ে ফেলুন। বিজেপি ক্ষমতায় এলে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে সোনার বাংলা তৈরি হবে। বাংলায় পরিবর্তন আসন্ন। এদিন অমিত শাহ আরও বলেন , মমতা সরকারের কারণেই কেন্দ্রের একাধিক প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন না প্রান্তিক মানুষেরা। এছাড়াও তিনি বলেন , বাংলার সুরক্ষার সঙ্গে দেশের সুরক্ষা জড়িয়ে রয়েছে। আপনাদের সকলের কাছে আর্জি, বিজেপিকে একটা সুযোগ দিন। আগামী দিনে সোনার বাংলা গড়ব আমরা।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
কলকাতা

রাজ্যে পা রেখেই মদন ঘড়ুইয়ের পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন অমিত শাহ

বুধবার রাতে কলকাতা শহরে পা রাখলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ । স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বুধবার দমদম বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়, দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়, অনুপম হাজরা-সহ একাধিক বিজেপি নেতা। পূর্বসূচি অনুযায়ী রাত ৯. ০৫ নাগাদ বিমানবন্দরে নামেন অমিত শাহ। পুষ্পবৃষ্টি ও ঢাকঢোল বাজিয়ে তাঁকে বরণ করা হয়। শহরে এসেই তিনি কথা বললেন মৃত বিজেপি কর্মী মদন ঘড়ুইয়ের পরিবারের সঙ্গে। পুলিশের বিরুদ্ধে হেনস্তা ও লাগাতার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেন মৃত ওই বিজেপি কর্মীর পরিবার। সব শুনে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আরও পড়ুন ঃ বিজেপির মিছিলকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ জানা গিয়েছে, এদিন অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাত করতে শঙ্কুদেব পণ্ডার সঙ্গে বিমানবন্দরে হাজির হয়েছিলেন মদন ঘড়ুইয়ের ছেলে, বউ ও ভাই। অভিযোগ, বিধাননগর পুলিশ বাধা দেয় তাঁদের। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে কথা বললে তাঁদের শাহর সঙ্গে দেখা করানোর অনুমতি মেলে। শঙ্কুদেব পণ্ডার দাবি, অমিত শাহই মৃত কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন বলেছিলেন। বৃহস্পতিবারও ময়নাতদন্ত না হলে তা জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অমিত শাহ বলেন , নিষ্ঠুরতা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে যারা আত্মত্যাগ করেছে , বিজেপি সবসময় সেই কার্যকর্তাদের কাছে ঋণী থাকবে।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

আজ দু'দিনের রাজ্য সফরে অমিত শাহ

বিধানসভা ভোটের লক্ষ্যে বুধবার রাতে দুদিনের সফরে রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দুদিনের সফরে একাধিক কর্মসূচি রয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। আজ রাতে তিনি থাকবেন রাজারহাটের একটি হোটেলে। সেখানে তিনি বৈঠক করবেন মুকুল রায়, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, অরবিন্দ মেননের সঙ্গে। আগামীকাল তিনি বাঁকুড়ায় সাংগঠনিক বৈঠক করবেন নেতৃত্বের সঙ্গে। সেখানে বিরসা মুণ্ডার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে আদিবাসী গ্রাম চতুর্দহীতে আদিবাসী পরিবারের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারবেন বলে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ ক্ষমতার দম্ভ থাকলে মানুষ পাশে থাকে নাঃ শুভেন্দু এছাড়াও শুক্রবার, ৬ নভেম্বর দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দেবেন অমিত শাহ। তারপর সল্টলেকে বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে একুশের রণকৌশল নিয়ে বৈঠক করবেন শাহ। এছাড়াও সল্টলেকের ইজেডসিসিতে দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। শুক্রবারই বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ২০০ জন প্রতিনিধির সঙ্গে দেখা করবেন শাহ। জানা গিয়েছে , উত্তর ২৪ পরগনার গৌরাঙ্গনগরে কর্মসূচি রয়েছে অমিত শাহের। রাজ্য সফরে এসে বৃহস্পতিবার রাজারহাটের মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষ নবীন বিশ্বাসের বাড়িতে গিয়ে মাটিতে বসে ভাত-ডাল খাবেন অমিত শাহ। এছাড়াও তিনি পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর বাড়িতে গিয়ে সাক্ষাৎ করবেন বলে জানা গিয়েছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
রাজ্য

ক্ষমতার দম্ভ থাকলে মানুষ পাশে থাকে নাঃ শুভেন্দু

ক্ষমতার দম্ভ থাকলে মানুষ পাশে থাকে না। ক্ষমতা থেকে সরে যেতে হয়। মঙ্গলবার পটাশপুরে এক সভা থেকে এই মন্তব্য করলেন রাজ্যের সেচ ও পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি আরও বলেন , আপনারা দেখেছেন ২০০৯ সালে আমার মার্জিন ছিল এক লক্ষ ৭২ জাজার, ২০১৪-তে মার্জিন আড়াই লক্ষ হয়ে যায়। ভাল কাজ করলে, মানুষের সঙ্গে থাকলে সমর্থন বাড়বে। আরও পড়ুন ঃ ক্যানিংয়ে গুলিবিদ্ধ তিন তৃণমূল কর্মী , ধৃত ২ আর ক্ষমতার দম্ভ দেখালে ২৩৫ যেমন এখন উঠে গেছে, যারা পঞ্চায়েতে আছেন তারা মানুষকে নিয়ে চলেন অনেক দিন থাকবেন মানুষকে নিয়ে না চললে মানুষই সরিয়ে দেবে। তাঁর বক্তব্য , পার্টি দেখে কাজ করলে বেশি দিন থাকবেন না। মানুষকে নিয়ে কাজ করলে বেশি দিন থাকবেন। যতই ক্ষমতার দম্ভ দেখান না কেন মানুষ শেষ কথা বলে। আমি তা নন্দীগ্রামে দেখেছি। ২৩৫ আমরা, ৩০ জনের কথা শুনব কেন? তাঁর এদিনের করা মন্তব্য নিয়ে ফের রাজ্য রাজনীতিতে জল্পনা শুরু হয়েছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

বিজেপির দ্বিতীয় তালিকায় বড় চমক! কে কোথা থেকে লড়ছেন জানলে অবাক হবেন

দ্বিতীয় দফায় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি। এর আগে প্রথম দফায় ১৪৪টি আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। এবার আরও ১১১টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে এখনও পর্যন্ত মোট ২৫৫টি আসনে প্রার্থী ঠিক করেছে দল। বাকি রয়েছে আরও ৩৯টি আসন।বুধবার প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব একাধিক বৈঠক করে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সেই বৈঠক হয়। আগে শোনা যাচ্ছিল প্রায় ৪৫টি আসনে সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে দ্বিতীয় তালিকা প্রকাশের পর দেখা গেল এখনও ৩৯টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা বাকি।এই তালিকায় একাধিক চমক রয়েছে। হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে টিকিট দেওয়া হয়েছে, তবে খড়গপুর সদর থেকে নয়। সেখানে আগে থেকেই দিলীপ ঘোষের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। ফলে জল্পনা তৈরি হয়েছিল হিরণ আদৌ টিকিট পাবেন কি না। শেষ পর্যন্ত তাঁকে শ্যামপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে।এগরা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে দিব্যেন্দু অধিকারীকে। মানিকতলা থেকে তাপস রায় এবং টালিগঞ্জ থেকে পাপিয়া অধিকারীকে প্রার্থী করা হয়েছে।লোকসভা নির্বাচনের পর আবারও বিধানসভা ভোটে সুযোগ পেলেন রেখা পাত্র। আগে বসিরহাট কেন্দ্র থেকে লড়লেও তিনি হেরে গিয়েছিলেন। এবার তাঁকে হিঙ্গলগঞ্জ কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছে বিজেপি।সব মিলিয়ে দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জমে উঠেছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটে নামছেন তিলোত্তমার মা? বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হওয়ার জল্পনায় চাঞ্চল্য

তিলোত্তমার মাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, তিনি বিজেপির টিকিটে নির্বাচনে লড়তে পারেন। দলের তরফে তাঁকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল এবং তিনি তাতে সম্মতিও জানিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।কয়েক দিন আগে বিজেপি নেতা অর্জুন সিং তিলোত্তমার বাড়িতে যান। সেখানে তিনি প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে তিলোত্তমার বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলেন। সেই সাক্ষাতের পর থেকেই তিলোত্তমার মায়ের বিজেপিতে যোগ দেওয়া এবং প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। সূত্রের খবর, পানিহাটি কেন্দ্র থেকেই তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে।তিলোত্তমার বাবা জানিয়েছেন, বিরোধী শক্তি হিসেবে বিজেপির উপরই তাঁদের ভরসা রয়েছে। তাঁর মতে, এই দলই ক্ষমতায় এসে পরিবর্তন আনতে পারে এবং রাজ্যে নারী সুরক্ষার পরিস্থিতি আরও উন্নত করা সম্ভব।অন্যদিকে তিলোত্তমার মা জানিয়েছেন, নিজের গভীর দুঃখ ও যন্ত্রণার মধ্যেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি তাঁকে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে। তিনি নিজেই ফোন করে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, তাঁর মেয়ের ঘটনাকে কেউ যেন ভোটের স্বার্থে ব্যবহার না করে, সেই কারণেই তিনি নিজে সামনে আসতে চান।এই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী বলেন, তিলোত্তমার বিচার সবাই চান, কিন্তু নির্বাচনে দাঁড়ানো তার একমাত্র পথ নয়। তাঁর মতে, ভোটে জয় বা পরাজয়ের সঙ্গে বিচার পাওয়ার সম্পর্ক থাকা উচিত নয়।সব মিলিয়ে তিলোত্তমার মায়ের সম্ভাব্য রাজনৈতিক পদক্ষেপ রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের আঁচে কাঁপছে বাজার! এক ধাক্কায় ১৬০০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স

আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ক্রমশই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। ইরান এবং কাতারের গ্যাস ভাণ্ডারে হামলার ঘটনার পর বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। তার সরাসরি প্রভাব পড়েছে শেয়ার বাজারে। বৃহস্পতিবার সকালে বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গেই বড়সড় ধস নামে।সকাল প্রায় ৯টা ১৬ মিনিট নাগাদ বোম্বে শেয়ার বাজারের প্রধান সূচক সেনসেক্স ১৬০০ পয়েন্টের বেশি পড়ে যায়। প্রায় ২ শতাংশের বেশি পতন হয়ে সূচক নেমে আসে ৭৫ হাজারের কিছু উপরে। অন্যদিকে নিফটিও প্রায় ৫০০ পয়েন্ট কমে যায়। বিভিন্ন বড় সংস্থার শেয়ারের দাম ২ থেকে ৪ শতাংশ পর্যন্ত নেমে যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পতনের প্রধান কারণ আন্তর্জাতিক অস্থিরতা। প্রথমে ইরানের সাউথ পারস গ্যাস ক্ষেত্রে হামলা হয়। পরে কাতারের রাস লাফান গ্যাস ভাণ্ডারে পাল্টা হামলার খবর সামনে আসে। এই ঘটনার ফলে বিশ্বজুড়ে গ্যাসের ঘাটতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তেলের দাম দ্রুত বাড়তে থাকলে ভারতের মতো তেল আমদানিকারক দেশের অর্থনীতির উপর তার খারাপ প্রভাব পড়বে। দীর্ঘ সময় ধরে তেলের দাম বেশি থাকলে দেশের বৃদ্ধি এবং সংস্থাগুলির আয় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।এদিকে আমেরিকার কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে এ বছর খুব বেশি সুদের হার কমানো হবে না বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। তার প্রভাব পড়েছে বিশ্বের বিভিন্ন শেয়ার বাজারে।সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক অস্থিরতার জেরে শেয়ার বাজারে অনিশ্চয়তা বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মার্চ ১৯, ২০২৬
রাজ্য

প্রচারের শুরুতেই বিস্ফোরক মন্তব্য! ‘ডেবরায় আসার কথা ছিল না’—বলেই বিতর্কে রাজীব

নির্বাচনী প্রচারের শুরুতেই অস্বস্তিতে পড়লেন ডেবরা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। বালিচকের দলীয় কার্যালয়ে কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে প্রথম বৈঠকেই তাঁর একটি মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক ছড়িয়েছে। সেখানে তিনি বলেন, তাঁর ডেবরায় আসার কথা ছিল না।এই মন্তব্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, এতে তৃণমূলের অন্দরে দীর্ঘদিনের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আবার প্রকাশ্যে চলে এসেছে। প্রার্থীর এমন মন্তব্যে সাধারণ কর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।একটি ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, কর্মীদের সামনে রাজীব বলছেন, দল তাঁকে এই দায়িত্ব দিয়েছে। তবে এর আগে তাঁকে অন্য একটি জায়গার কথা বলা হয়েছিল। পরে সেই সিদ্ধান্ত বদলানো হয়। তাঁর কথায়, প্রথমে ডেবরায় আসার কথা ছিল না, অন্যত্র যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল।এদিকে দলের তরফেও এই বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করা হয়নি। তৃণমূলের ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অজিত মাইতি স্বীকার করেছেন, দলের মধ্যে কিছু মতভেদ রয়েছে। তবে তিনি জানিয়েছেন, এটি বড় সমস্যা নয় এবং খুব দ্রুত সব পক্ষকে নিয়ে আলোচনা করে সমাধান করা হবে। তাঁর মতে, নির্বাচনে সবাই একসঙ্গে লড়াই করবে।উল্লেখ্য, এতদিন ডেবরার বিধায়ক ছিলেন প্রাক্তন পুলিশ আধিকারিক হুমায়ুন কবীর। এবার তাঁকে অন্য কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে। তাঁর জায়গায় রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। ২০২১ সালে তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন এবং একটি আসনে প্রার্থীও হয়েছিলেন। পরে আবার তৃণমূলে ফিরে আসেন।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপিও আক্রমণ শানিয়েছে। দলের এক নেতা দাবি করেছেন, ডেবরার মানুষ স্থানীয় প্রার্থীই চান। তাঁদের অভিযোগ, তৃণমূলের মধ্যে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে, অনেকেই প্রার্থী হতে চাইছেন না। তাই বাইরে থেকে প্রার্থী আনতে হচ্ছে।সব মিলিয়ে ভোটের শুরুতেই এই মন্তব্য ঘিরে ডেবরা কেন্দ্রের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা বিমানবন্দরে সিনেমার মতো গ্রেফতার! কে এই বিদেশি ‘চর’ ম্যাথু?

কলকাতা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে মার্কিন নাগরিক ম্যাথু ভ্যানডাইককে। তিনি কলকাতা থেকে দুবাই যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তার আগে তিনি মায়ানমার ঘুরে এসেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে চরবৃত্তি এবং জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগ থাকার অভিযোগ উঠেছে।গত ১২ মার্চ কলকাতা বিমানবন্দরে তাঁকে আটক করা হয়। ওই দিন রাতে তিনি দুবাই যাওয়ার জন্য বিমানে উঠেছিলেন। সেখান থেকে তাঁর পোল্যান্ড যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। বিমান ছাড়ার কিছুক্ষণ আগেই তাঁকে নাটকীয়ভাবে নামিয়ে আনা হয়।বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, সমস্ত নিয়ম মেনে তিনি বিমানে উঠেছিলেন এবং তাঁর লাগেজও বিমানে তুলে দেওয়া হয়েছিল। রাত প্রায় একটা নাগাদ তিনি বিমানে বসে ছিলেন। সেই সময়ই গোপন সূত্রে খবর আসে যে তিনি একজন সন্দেহভাজন বিদেশি চর।তারপরই নিরাপত্তা বাহিনী এবং অভিবাসন দফতরের আধিকারিকরা বিমানে গিয়ে তাঁকে নামিয়ে নিয়ে আসেন। বিমানবন্দরের একটি ঘরে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। পরে দিল্লি থেকে গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা এসে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।১২ মার্চ রাত থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত তাঁকে কলকাতায় আটক রাখা হয়। এরপর তাঁকে গ্রেফতার করে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। তদন্তে জানা গিয়েছে, তিনি প্রথমে দিল্লিতে আসেন, তারপর কলকাতা হয়ে মিজোরাম যান এবং সেখান থেকে মায়ানমারে প্রবেশ করেন। অভিযোগ, সেখানে তিনি বিদ্রোহীদের অস্ত্র এবং ড্রোন চালানোর প্রশিক্ষণ দিতেন।এছাড়াও জানা গিয়েছে, তিনি সিরিয়ার সংঘর্ষে যুক্ত ছিলেন এবং ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার বিরুদ্ধে প্রশিক্ষণ দিতেন। গেরিলা কৌশলেও তিনি দক্ষ বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারী সংস্থার আশঙ্কা, এই ধরনের আধুনিক প্রযুক্তি যদি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হাতে পৌঁছয়, তাহলে উত্তর-পূর্ব ভারতের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক চক্রের যোগ থাকতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬
রাজ্য

একাধিক কোপ, বিকৃত মুখ! তৃণমূল কর্মীর নৃশংস খুনে তোলপাড় এলাকা

প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর থেকেই উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁ এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভের মাঝেই এবার এক তৃণমূল কর্মীর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।মৃত যুবকের নাম মশিউর কাজি, বয়স ৩৮। তিনি হাড়োয়া বিধানসভার গাংনিয়া গ্রামের বাসিন্দা বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, তাঁকে খুন করে রাস্তার ধারে ফেলে রেখে যাওয়া হয়েছে।মিনাখাঁর সোনাপুকুর শঙ্করপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঝুঝুরগাছা গ্রামে বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথম দেহটি দেখতে পান। রাস্তার ধারে পড়ে থাকা দেহে একাধিক জায়গায় ধারাল অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় হাড়োয়া থানার পুলিশ। পরে দেহ উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।ভোটের আগে এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। মৃতের পরিবারের দাবি, এটি পরিকল্পিত খুন। মৃতের ভাই জানান, সকালে খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন। তাঁর অভিযোগ, নৃশংসভাবে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে এবং এর পিছনে রাজনৈতিক শত্রুতা থাকতে পারে। তিনি দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, দেহের অবস্থা এতটাই খারাপ ছিল যে প্রথমে চেনা যায়নি। পরে অনেকক্ষণ দেখে শনাক্ত করা সম্ভব হয়। তিনি আরও বলেন, মৃত যুবক তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। আগের দিন রাতে তিনি কাজের কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন, কিন্তু আর ফেরেননি। সকালে তাঁর দেহ উদ্ধারের খবর পাওয়া যায়।এই ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং খুনের কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬
রাজ্য

অভিমান ভাঙল? অসিতের বাড়িতে দেবাংশু, সামনে এল নাটকীয় মুহূর্ত

প্রার্থী না হওয়ায় নিজের অভিমান ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। এমনকি জানিয়েছিলেন, রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াতে চান। কিন্তু সেই পরিস্থিতিতেই তাঁর বাড়িতে গিয়ে দেখা করলেন দেবাংশু। তারপর থেকেই নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর অসিত স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, তিনি আপাতত রাজনীতি থেকে বিশ্রাম নেবেন এবং প্রয়োজনে আবার আইন পেশায় ফিরবেন। অন্যদিকে দেবাংশু আগে থেকেই বলেছিলেন, অসিত তাঁর কাছে পিতৃসম। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে মতভেদ থাকতেই পারে, কিন্তু সম্পর্ক ভাঙার নয়। তিনি আশ্বাস দিয়েছিলেন, খুব শীঘ্রই দেখা করবেন।শেষ পর্যন্ত সেই সাক্ষাৎ হল বুধবার সন্ধ্যায়। প্রিয়নগরে অসিতের বাড়িতে পৌঁছে যান দেবাংশু। গিয়ে প্রথমেই প্রণাম করেন। অসিতও তাঁকে জড়িয়ে ধরেন। তারপর দুজনের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে আলোচনা হয়।পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দুজনেই নিজেদের মতামত জানান। সেখানে সৌজন্যের একটি মুহূর্তও সামনে আসে। বড় চেয়ার ছেড়ে দেন দেবাংশু। অসিত তাঁকে বসতে বললেও তিনি তা মানেননি। শেষে অসিতের পাশেই একটি সাধারণ চেয়ারে বসেন তিনি। দেবাংশু জানান, অসিতের কাছ থেকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ নিয়েছেন এবং সেই পরামর্শ তাঁর নির্বাচনী লড়াইয়ে কাজে লাগবে। তিনি আরও বলেন, অসিত তাঁর পাশে থাকবেন বলেও জানিয়েছেন।তবে অসিতের বক্তব্যে এখনও অভিমানের সুর স্পষ্ট। তিনি বলেন, দলের কর্মীরা নিশ্চয়ই প্রার্থীকে জেতাতে কাজ করবেন এবং তিনি চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবার মুখ্যমন্ত্রী হন। কিন্তু দেবাংশুকে নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই তিনি বলেন, দেবাংশুকে আলাদা করে পরিচয় করানোর প্রয়োজন নেই। তাঁর পিছনে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব রয়েছে। নিজের প্রসঙ্গে অসিত বলেন, তিনি তৃণমূলের একজন সামান্য কর্মী।এই মন্তব্যের পরই দেবাংশু তাঁর হাত ধরে বলেন, অসিত নিজেকে যতটা ছোট ভাবছেন, তিনি ততটা ছোট নন। তাঁর মতে, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব যেমন রয়েছেন, তেমনই চুঁচুড়ায় অসিতও তাঁদের অভিভাবক হিসেবে প্রয়োজন।এই ঘটনার পর থেকেই প্রশ্ন উঠছে, অসিতের অভিমান কি সত্যিই কেটেছে, নাকি এর মধ্যেই লুকিয়ে আছে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা।

মার্চ ১৯, ২০২৬
রাজ্য

রাতারাতি বড় নির্দেশ! বাংলার ১৫ পুলিশ অফিসারকে ভিনরাজ্যে পাঠানোয় চাঞ্চল্য

আবারও গভীর রাতে এল নতুন নির্দেশ। যাঁদের কিছুদিন আগেই এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বদলি করা হয়েছিল, সেই পুলিশ অফিসারদেরই এবার পাঠানো হচ্ছে ভিনরাজ্যে। বুধবার রাতেই এই নির্দেশ জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। মোট ১৫ জন পুলিশ অফিসারকে অন্য রাজ্যে পাঠানো হচ্ছে।এবার তামিলনাড়ু ও কেরলে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। সেই কারণে আগেই এ রাজ্যের কয়েকজন অফিসারকে সেখানে পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠানো হয়েছিল। ভোট ঘোষণার আগে যিনি রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব ছিলেন, সেই জগদীশ প্রসাদ মিনাকেও তামিলনাড়ুতে অবজারভার হিসেবে পাঠানো হয়েছে।এবার আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ পুলিশ আধিকারিককে ওই দায়িত্ব দেওয়া হল। বিধাননগর কমিশনারেটের পুলিশ কমিশনার মুরলীধর শর্মা এবং শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার সৈয়দ ওয়াকার রাজাকেও তামিলনাড়ুতে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, ধৃতিমান সরকার এবং আমনদীপ সিংকেও পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে মোট ১৫ জন অফিসারকে তামিলনাড়ু ও কেরলে পাঠানো হয়েছে। তালিকায় রয়েছেন রাশিদ মুনির খান, সন্দীপ কারা, প্রিয়ব্রত রায়, প্রবীণ কুমার ত্রিপাঠী, মুকেশ, মুরলীধর শর্মা, ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়, ধৃতিমান সরকার, সি সুধাকর, ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, আমনদীপ সিং, আকাশ মাঘারিয়া, অলোক রাজোরিয়া এবং সৈয়দ ওয়াকার রাজা।এই অফিসারদের অনেককেই সম্প্রতি এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বদলি করা হয়েছিল। এবার তাঁদেরই আবার ভিনরাজ্যে পাঠানো হল। শুধু তাই নয়, পর্যবেক্ষক হিসেবে কাজ করার জন্য যে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রয়োজন, সেই প্রশিক্ষণও এই ১৫ জনের অধিকাংশের নেই বলে জানা যাচ্ছে। ফলে এত তাড়াহুড়ো করে তাঁদের পাঠানো হল কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal