• ২১ বৈশাখ ১৪৩৩, বুধবার ০৬ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

MP ,

কলকাতা

কেন্দ্রে এখন ফেক নিউজের সরকার চলছেঃ কাকলি

বাংলায় এখন শান্তি ফিরেছে। বিজেপি বাংলার সংস্কৃতি মানে না। বহিরাগত ইস্যুতে এবার সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপিকে আক্রমণ করলেন তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। এদিন তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন, বাংলার সম্মান, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতিকে অপমান করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এছাড়াও তিনি বলেন , কেন্দ্রীয় সরকারের উদাসীনতা এবং ভুল নীতিতেই করোনার প্রকোপ ক্রমশ বেড়েছে। যখন আমরা সংসদে এ নিয়ে জানুয়ারিতে বলেছিলাম, তখন আমাদের বলা হয়েছিল বাচ্চাদের মতো কথা বলবেন না, বসে পড়ুন। লকডাউনে অসংখ্য দিনমজুর মারা গিয়েছে। শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনেই ৯০ জন অভিবাসী মারা গিয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকার কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। লকডাউনে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছেন। সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে এগিয়ে এসেছে রাজ্য সরকার। সেই জায়গায় অভিবাসী শ্রমিকদের কথা ভাবেনি কেন্দ্রীয় সরকার। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে নারী নির্যাতনের অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি ধনকড়ের তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার ফেক নিউজের সরকার। মিথ্যাচার করার জন্য হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খোলা হয়েছে। ২০২১ বিধানসভা ভোটে রাজ্যের ক্ষমতা দখলে সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে বিজেপি। যা বাংলার মানুষ মেনে নেবে না বলে উল্লেখ করে কাকলি বলেন, দেশে এখন ভয়ানক পরিস্থিতি চলছে। ভারতে দলিতদের উপর অত্যাচার চলছে। দলিতরা সুরক্ষিত নয়। দেশে নারীসুরক্ষা তলানিতে। গণপিটুনি চলছে। ধর্মের নামে ভাগাভাগি চলছে। অন্যদিকে , এদিন সকালে অর্জুন সিং শুভেন্দুকে বিজেপিতে স্বাগত জানিয়েছেন। সে প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তৃণমূল সাংসদ বলেন, অর্জুন সিং কি শুভেন্দু অধিকারীর মুখপাত্র ? শুভেন্দু অধিকারী দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা । একজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী ।

নভেম্বর ২১, ২০২০
রাজনীতি

শুধু শুভেন্দু নয় , সৌগত রায় সহ আরও ৫ তৃণমূল সাংসদ যোগ দেবেন বিজেপিতেঃ অর্জুন

শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হচ্ছে রাজ্য রাজনীতিতে। এরমধ্যেই এবার বিস্ফোরক দাবি করলেন অর্জুন সিং। তিনি বলেন, শুধু শুভেন্দু অধিকারীই নয়, সৌগত রায়-সহ অন্তত ৫ জন তৃণমূল সাংসদ যে কোনও সময়ে ইস্তফা দিয়ে বিজেপিতে যোগদানের জন্য প্রস্তুত। এটা শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা। শনিবার সকালে ছটপুজো উপলক্ষে নৌকায় করে গঙ্গা ভ্রমণের সময়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ। তিনি আরও বলেন, শুভেন্দু অধিকারীকে বিজেপিতে স্বাগত। উনি যেদিন বিজেপিতে যোগ দেবেন সেদিই সরকার ভেঙে যাবে। রাজ্যের শাসক দলের সঙ্গে শুভেন্দুর দূরত্ব বাড়ছে। আরও পড়ুন ঃ অনেকেই মনে করছেন , রাজ্যে ৩৫৬ প্রয়োগ হোকঃ দিলীপ এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে বিজেপি সাংসদ বলেছেন, শুভেন্দু একজন জননেতা। সচেতন মানুষ। ওনাকে তৃণমূলে ক্রমাগত অপমান করা হচ্ছে। ওনার তৃণমূল ছেড়ে চলে আসা উচিত। বিজেপি শুভেন্দু অধিকারীকে স্বাগত জানাতে সবসময় প্রস্তুত। যদিও অর্জুনের দাবি খণ্ডন করে সৌগত রায় জানিয়েছেন, রাজনীতি ছেড়ে দেব, মরে যাব, তবু বিজেপিতে যাব না। রাজ্যে এসে এসব শিখিয়ে দিয়ে গেছেন অমিত মালব্যরা।

নভেম্বর ২১, ২০২০
রাজ্য

নাম না করে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শুভেন্দুর

অতীতে সিপিএম সাংসদ অনিল বসু ব্যক্তিগত কটু কথার রাজনীতি করতেন বলে মানুষ সমর্থন করত না। সমালোচনা হতে পারে। আমরা কেউ তার উর্ব্ধে নই। কিন্তু যদি কোনও জনপ্রতিনিধি আমাকে বা আমার পরিবারকে ব্যক্তিগত কটূকথা বলে, আপনারা কি তাঁকেও সমর্থন করবেন? এনিয়ে জনতার মতামত নেন শুভেন্দু। জনতা তাঁকে সমর্থন করেন। শুক্রবার হুগলির বলাগড়ে জনসভা থেকে নাম না করে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে আক্রমণ শানালেন রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আরও পড়ুন ঃ জগদ্ধাত্রী পুজোয় ভক্তদের জন্য বন্ধ বেলুড়ের সারদা পিঠ প্রসঙ্গত কয়েকদিন আগে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় শুভেন্দুর নাম না করে এক দলীয় সভায় বলেছিলেন, হিসাবটা আমরা বুঝে নেব। চলে যা বিজেপিতে। কোনও অসুবিধা নেই। যাবি কংগ্রেসে, চলে যা। তাতেও কোনও অসুবিধা নেই। সিপিএমে যাবি, চলে যা। তাতেও কোনও অসুবিধা নেই। দাদার অনুগামী হলে দাদার সঙ্গে চলে যা। তৃণমূল কংগ্রেস করে বেইমানি করলে বাড়ি ঢুকতে দেব না। দেখি কত বড়। দেখতে চাই কত হিম্মত রয়েছে। বাংলার মাটিতে দেখতে চাই, কোন দাদার কত অনুগামী? লড়াই করতে এসেছি। লড়ে যাব। লড়াইয়ের ময়দানে এক ইঞ্চিও ছাড়ব না। বেইমানদের আগামী দিনে বুঝিয়ে দেব।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নামের গাছের তলায় বড় হয়েছিস। ৪টে মন্ত্রিত্ব পেয়েছিস, ৪ খানা চেয়ারে আছিস। কত পেট্রোল পাম্প করেছিস! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় না থাকলে মিউনিসিপ্যালিটিতে আলু বিক্রি করতিস রে, আলু বিক্রি করতিস।

নভেম্বর ২০, ২০২০
রাজনীতি

খুনের রাজনীতি বন্ধে প্রয়োজনে ব্যবস্থা নেওয়া হবেঃ বাবুল

ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কড়া আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। শুক্রবার বাবুল সুপ্রিয় রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেছেন , হিংস্র সরকারকে থামানোর পথ কিন্তু সংবিধানে রয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি ভাবেন, ভয় দেখিয়ে মানুষকে ভোট দিতে যেতে দেবেন না, বিরোধীদের ওপর আক্রমণ করবেন, তা হলে সংবিধানে এসব থামানোর ব্যবস্থা আছে। আগামী ছমাসে নিজেকে শুধরে নিন মমতা। এভাবে হিংসার রাজনীতি কিন্তু চলবে না। আমরা এই নিয়ে বারবার রাস্ট্রপতির কাছে আবেদন করেছি। হিংসার রাজনীতি, খুনের রাজনীতি কিন্তু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। প্রয়োজনমতা ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাংলার মানুষ আমাদের পাশে রয়েছে। যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবারও ক্ষমতায় আসেন তবে ধরে নিতে হবে তা পুলিশ, প্রশাসনের উপর প্রভাব খাটিয়েই হয়েছে। আমরা আশাবাদী কমপক্ষে ২০০ আসন পেয়ে বাংলায় ক্ষমতায় আসব। বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় আসলে রাজ্যবাসী সবকিছুই পাবে। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি বিস্ফো্রণের ঘটনা নিয়ে রাজনীতি করছেঃ ফিরহাদ যদিও সাংসদ সৌগত রায় পালটা প্রতিক্রিয়া দিয়ে বলেন, বাবুল গানবাজনা নিয়ে থাকতেন। তাই তিনি রাজনীতির কিছুই বোঝেন না। এসব কথা বলে তৃণমূলকে ভয় দেখিয়ে লাভ হবে না।

নভেম্বর ২০, ২০২০
কলকাতা

বহিরাগতদের নিয়ে এসে রাজ্যে শান্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছেঃ সুখেন্দুশেখর রায়

লোকসভা নির্বাচনে ১৮ আসনে পেয়ে ভাবছেন বাজিমাত। ৷ ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে ১৮টি আসন পাওয়ায় বিধানসভা নির্বাচনেও আসন পাওয়ার দিবাস্বপ্ন দেখছে বিজেপি। লোকসভা-বিধানসভা নির্বাচনের তুলনা হাস্যকর। বাংলা কারও কাছে মাথানত করে না, করবে না। বাংলার মানুষ গুজরাত মডেল চান না। বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে এই ভাষাতেই বিজেপি-কে পালটা জবাব দেন তৃণমূল নেতা সুখেন্দুশেখর রায়। শুধু তাই নয়, তাঁর আরও অভিযোগ, বহিরাগতদের নিয়ে এসে রাজ্যে শান্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছে। আরও পড়ুন ঃ নেতাজির জন্মজয়ন্তীকে জাতীয় ছুটি ঘোষণার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি মমতার তৃণমূল নেতা বলেন, ২০০৯ সাল থেকে আজ অবধি জনগণের সমর্থন নিয়েই সরকার তৈরি করেছে তৃণমূল। সেই সময় সবচেয়ে পিছিয়ে ছিল বাংলা। মাথায় ছিল ঋণের বোঝা। জঙ্গলমহলে শান্তি ফিরিয়েছে তৃণমূল। বাংলাকে ভেঙে দাও, গুড়িয়ে দাও, জ্বালিয়ে দাও এটা আগে ছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার এসে তা বন্ধ করেছে। কিন্তু আবার শুরু হয়েছে। কেবল রাজনৈতিক দলটা বদলে গিয়েছে। পাশাপাশি দিলীপ ঘোষের বাংলাকে গুজরাত বানাব মন্তব্যেরও তীব্র নিন্দা করেন সুখেন্দু শেখর। তাঁর দাবি, বাংলায় না কি গুজরাট মডেল চালু হবে। এদিকে ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পে গুজরাটের থেকে এগিয়ে বাংলাই। এমনকী ১০০ দিনের কাজেও এগিয়ে এই রাজ্য। কৃষিক্ষেত্রে তৃণমূল সরকার ৬৫ শতাংশ বাজেট বৃদ্ধি হয়েছে, গুজরাতে ৪ শতাংশ। মানবাধিকার লঙ্ঘনে গুজরাতে নজির সৃষ্টি হয়েছে। বাংলা কারও কাছে মাথা নথ করে না। বাংলাকে গুজরাত বানাতে দেবে না বাংলার মানুষ। রাজ্যের শান্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছে। বহিরাগতদের দিয়ে এই কাজ চলছে।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
বিনোদুনিয়া

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে সম্মান দেওয়ার কথা ভাবেনি রাজ্য সরকারঃ অধীর

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর তাঁর মরদেহ নিয়ে এই বাংলায় অনেক নাটক হয়ে গেল , রাজনীতি হয়ে গেল। অথচ সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে যে যে অধিকার দেওয়া হয়, যে সব পদে বসানো হয়, ২০১১ সালের পর সমস্ত কিছু এক এক করে কেড়ে নেওয়া হয়। বুধবার সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়ে পৌ্লমী বসুর সঙ্গে দেখা করার পর এই মন্তব্য করেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। তিনি আরও বলেন, ২০২০ সাল পর্যন্ত অনেক ছোটখাটো, মাঝারি, এপাড়ার-সেপাড়ার শিল্পীদের সম্মান দেওয়া হয়েছে। সৌমিত্রর মত আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন মানুষকে সম্মান দেওয়ার কথা এই সরকার ভাবেনি। ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পর যে সমস্ত জায়গায় তাঁকে সম্মানিত করার সুযোগ ছিল, তা থেকে শিল্পীকে বঞ্চিত করা হয়েছে। এরপরেই তিনি রাজ্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে বলেন, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের স্মৃতিকে মানুষের মনে বাঁচিয়ে রাখার জন্য সরকার কোনও পদক্ষেপ করুন। একটা ভাল অডিটোরিয়াম করুন তাঁর নামে। আমরা খুশি হব। আমি নিজে ভারত সরকারের কাছে দাবি করতে চলেছি, এসআরএফটিআই-এ যেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের নামে একটি চেয়ার উৎসর্গ করা হয়। সত্যজিৎ রায়ের অতি প্রিয় অভিনেতার নাম সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। তাই একটি চেয়ার প্রদান করার আবেদন জানাব। আরও পড়ুন ঃ সাইবার ক্রাইম নিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ সব্যসাচী তিনি আরও বলেন , সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় যে কত সাধারণ জীবনযাপন করতেন , তাঁর ঘরে ঢুকলেই বোঝা যায়। মনে হল , যেন তীর্থ দর্শন করলাম। এরকম একজন ব্যক্তিত্ব যিনি বাংলার প্রতীক। শুধু ভারতবর্ষের শিল্প জগৎ নয় , সারা বিশ্বে তাঁর পরিচিতি। সেইরকম একজন মানুষ এত সাধারণ জীবনযাপন করতে পারেন , সেটা এখানে না আসলে , না দেখলে বোঝা যেত না। আজও টেবিলের উপরে তাঁর আঁকা ছবি রয়েছে। যেন একটা তীর্থ দর্শন করে গেলাম।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
রাজ্য

বিজেপির বুথ কমিটির সম্পাদক খুন , অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

বিজেপির বুথ কমিটির সম্পাদককে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। মৃতের নাম কালাচাঁদ কর্মকার। তিনি বিজেপির বুথ সম্পাদক পদে ছিলেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। ঘটনার জেরে বুধবার সকাল থেকে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে তুফানগঞ্জের নাককাটি গাছ গ্রাম পঞ্চায়েতের চামটা গ্রামের কর্মকারপাড়ায়। খবর পেয়ে তুফানগঞ্জ থানার বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। মৃতের পরিবারের তরফ থেকে লক্ষ্মী বর্মন বলেন, বুধবার সকালে কালাচাঁদবাবুকে রাস্তায় ফেলে মারছিল কয়েকজন। সেই সময় বাড়ির লোকরা বাঁচাতে যায়। ওই সময়ই কালাছাঁদের পেটে লাথি মারা হয়েছে। তখই জ্ঞান হারান তিনি। এরপর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কালাচাঁদকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। পরিবারের তরফ থেকে স্থানীয় তৃণমূল নেতা রঞ্জিত বর্মন, কমল বর্মন, সঞ্জিত বর্মন, নারায়ণ বর্মন ও দিলীপ বর্মনকে এই মারধরের জন্য দায়ী করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার সকালে দুই ক্লাবের সদস্যদের মধ্যে ফের বচসা বাধে। শুরু হয় হাতাহাতি। ঘরের সামনে অশান্তি দেখে তা মেটাতে বের হন কালাচাঁদবাবু। অভিযোগ, তখনই তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয়। তড়িঘড়ি রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ডাক্তাররা মৃত বলে ঘোষণা করে। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, দুই ক্লাবের বচসার জেরেই এই ঘটনা। মৃত ব্যক্তি অশান্তি মেটাতে গিয়েছিলেন। আপাতদৃষ্টিতে এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ কমল বর্মন নামে একজন ব্যক্তিকে আটক করেছে। ইতিমধ্যেই তার মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। আরও পড়ুন ঃ প্রয়াত জেলা কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি আভাস ভট্টাচার্য্য বিজেপির তরফে টুইটে বলা হয়েছে, কোচবিহারে বিজেপির বুথ সম্পাদক কালাচাঁদ কর্মকারকে তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনী নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছে। রক্তের রাজনীতি করে বাংলার মানুষের সমর্থন পাওয়া যায় না মমতা ব্যানার্জী। আপনার দিন গোনার পালা শুরু! অন্যদিকে বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, কোচবিহারে বিজেপির বুথ সম্পাদক কালাচাঁদ কর্মকারকে তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনী পিটিয়ে হত্যা করেছে, কিন্তু প্রশাসন চোখে কাপড় বেঁধে রেখেছে কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে। খুব শীঘ্রই মানুষ এর জবাব দেবে এই অহংকারী সরকারকে।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
রাজ্য

বিধানসভা নির্বাচনে জোটবদ্ধ হয়েই লড়বে বাম- কংগ্রেস

আগামী বিধানসভা নির্বাচনে জোট বেধে লড়বে বাম - কংগ্রেস। মঙ্গলবার জোট নিয়ে আজ আরও এক দফা বৈঠক ছিল বাম ও কংগ্রেসের। বৈঠক পর একসঙ্গে সাংবাদিক বৈঠক করেন অধীর চৌধুরি ও বিমান বসু। বিমান বসু জানান, বাংলায় জোট শক্তিশালী হচ্ছে। অধীরবাবু বলেন , জোটকে অস্বীকার করা যাচ্ছে না। তবে আসন-বণ্টন কী হবে তা নিয়ে আজকের বৈঠকে কোনও আলোচনা হয়নি। এই বিষয়ে আগামীদিনে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান অধীরবাবু। এছাড়াও ২৬ নভেম্বর বামেদের ডাকা সাধারণ ধর্মঘটে শামিল হবে কংগ্রেসও। ধর্মঘটের সমর্থনে ২৩ নভেম্বর মিছিল করবে বাম ও কংগ্রেস। মেট্রো চ্যানেল থেকে হেদুয়া পর্যন্ত পদযাত্রা করবেন অধীর-বিমানরা । ২৬ নভেম্বর বামেদের ডাকা সাধারণ ধর্মঘটে শামিল হবে কংগ্রেসও । ধর্মঘটের সমর্থনে ২৩ নভেম্বর মিছিল করবে বাম ও কংগ্রেস। মেট্রো চ্যানেল থেকে হেদুয়া পর্যন্ত পদযাত্রা করবেন অধীর-বিমানরা। আরও পড়ুন ঃ শহিদ সুবোধ ঘোষের অন্ত্যেষ্টিতে বিজেপি সাংসদকে প্রবেশে বাধা , সমালোচনায় ধনকড় অন্যদিকে , এদিন জাঙ্গিপাড়ায় ফুরফুরা শরিফে পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী এবং পীরজাদা ইব্রাহিম সিদ্দিকীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরি এবং বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নান। ফুরফুরায় আসার আগে ডানকুনিতে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেন অধীরবাবু । সেখানে দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে বার্তা দেন, পশ্চিমবঙ্গের মানুষের স্বার্থে বিজেপি ও তৃণমূলকে দূরে রাখতে হবে এবং সাধারণ মানুষকে বোঝাতে হবে পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে কংগ্রেস এবং বামেদের উপর। ফুরফুরায় দুই পীরজাদার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেন, সিদ্দিকী সাহেবরা বাংলার সর্বস্তরের, সর্বধর্মের মানুষের জন্য মঙ্গল কামনা করেন। ফুরফুরা শরিফ একটি পীঠস্থান । বাংলার রাজনীতিতে ধর্মনিরপেক্ষ শক্তি হিসেবে কংগ্রেস এবং বাম আগামী দিনে জোটবদ্ধভাবে লড়াই করতে চাইছে। বাংলাকে রক্ষা করার স্বার্থে ধর্মনিরপেক্ষ শক্তির হাত মজবুত করা দরকার। তাই পীরজাদাদের কাছে দোয়া করার আবেদন করেছি ।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
রাজ্য

শহিদ সুবোধ ঘোষের অন্ত্যেষ্টিতে বিজেপি সাংসদকে প্রবেশে বাধা , সমালোচনায় ধনকড়

শহিদ সুবোধ ঘোষের অন্ত্যেষ্টিতে বিজেপি সাংসদকে প্রবেশে বাধা দেওয়ায় ফের রাজ্য সরকার ও পুলিশ -প্রশাসনের বিরুদ্ধে সমালোচনায় সরব হলেন জগদীপ ধনকড়। মঙ্গলবার সকালে বেশ কয়েকটি ভিডিও পোস্ট করে রাজ্যপাল লেখেন , একদিকে এই অনুষ্ঠানে স্বাগত জানানো হচ্ছে শাসকদলের সাংসদকে। অন্যদিকে, বিজেপি সাংসদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করছে রাজ্যের পুলিশ। রাজনৈতিক নেতাদের মতো আচরণ করছে। এই ঘটনা রাজ্য পুলিশের কর্তাদের কর্তব্যচ্যুতি। সাংসদকে বাধা দেওয়ার পিছনে কোনও কারণ নেই বলেই দাবি করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ রেণুকা মাড্ডির কাছ থেকে ভাইফোঁটা নিলেন অধীর উল্লেখ্য , শহিদ সুবোধ ঘোষের অন্ত্যেষ্টিতে শাসক দলের বিধায়ক - সাংসদরা উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু স্থানীয় বিজেপি সাংসদ সেখানে প্রবেশ করতে গেলে তাঁকে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। তার পরিপ্রেক্ষিতেই এদিন রাজ্যপালের টুইট।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
রাজ্য

রেণুকা মাড্ডির কাছ থেকে ভাইফোঁটা নিলেন অধীর

রেণুকা মাড্ডির কাছ থেকে ভাইফোঁটা নিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। বহরমপুরের মাজদিয়াপুরের বাসিন্দা রেণুকার কাছে ফোঁটা নিয়ে মিষ্টিমুখের পর বোনের হাতে শাড়ি, উপহার তুলে দেন অধীর। দাদাকে ব্লেজার উপহার দিয়েছেন রেণুকা। উল্লেখ্য , এই রেণুকা মাণ্ডি ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে চতুর্থ দফার নির্বাচনের দিন ছেলের মৃত্যুর পরও অধীর চৌধুরী যাতে হেরে না যান, তার জন্য ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিয়েছিলেন। সেই খবর শুনে আগেও তাঁর বাড়িতে হাজির হয়েছিলেন বহরমপুরের সাংসদ। এবার রাখির দিনেও রেণুকার বাড়িতে গিয়ে রাখি পরে এসেছিলেন। এ বার ভাইফোঁটার দিন সবার আগে বোন রেণুকার বাড়িতে পৌঁছে গেলেন দাদা অধীর। আরও পড়ুন ঃ মহিলাদের কটূক্তির প্রতিবাদ করায় দুই যুবককে বেধড়ক মারধর দুষ্কৃ্তীদের প্রসঙ্গত , গত লোকসভা নির্বাচনের দিন রেণুকার মেজ ছেলে রজত আত্মঘাতী হন। এদিকে সেদিনই ছিল বহরমপুর কেন্দ্রের নির্বাচন। ছেলের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে যেতেই তিনি ভোট কেন্দ্রে চলে যান। প্রিসাইডিং অফিসারকে বলে আগে ভোটে দিয়ে ফের হাসপাতালের মর্গের সামনে এসে দাঁড়ান। রেণুকা জানান, এদিন ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেছি, দাদা যেন আগামী দিনে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হন।

নভেম্বর ১৬, ২০২০
দেশ

রাহুল গান্ধীকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য , ওবামার কড়া সমালোচনা অধীরের

প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা তাঁর নিজের লেখা বইতে রাহুল গান্ধী সম্পর্কে যে মন্তব্য করেছেন , তা নিয়ে বিতর্ক ক্রমেই বেড়ে চলেছে জাতীয় রাজনীতিতে। লোকসভার কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী বারাক ওবামার সমালোচনা করে টুইটে লিখেছেন , মিস্টার বারাক ওবামা, আপনাকে বলব এই ধরনের রুক্ষ মন্তব্য করার আগে আমাদের প্রিয় নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে একবার কথা বলে নিতে পারতেন। সামনাসামনি কিংবা ভারচুয়াল মাধ্যমে। তাহলেই তাঁর ব্যক্তিত্বের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে সঠিক অনুধাবন করতে পারতেন।আমাদের নেতার মূল্যায়ন করার আগে এরপর দুবার ভাববেন। নাহলে অজ্ঞতার মহাবিশ্বেই থাকতে হবে। আরও পড়ুন ঃ বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে ফের বসতে চলেছেন নীতিশ কুমার প্রসঙ্গত , ওবামা তাঁর বইতে লিখেছিলেন , প্রাক্তন কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট এখনও ঠিক আকার নিয়ে উঠতে পারেননি। এবং এখন শিক্ষককে তুষ্ট করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু কোনও বিষয়ে সিদ্ধহস্ত হতে যে মানসিকতা বা যোগ্যতার প্রয়োজন হয়, সেটা হয়তো তাঁর নেই।

নভেম্বর ১৫, ২০২০
রাজনীতি

নন্দীগ্রামের আন্দোলনকে স্মরণ করে টুইট মমতা , অভিষেকের

রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে বুধবার নন্দীগ্রাম দিবস পালন করা হচ্ছে। তার আগে টুইট করে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এদিন টুইটে লেখেন , আজ নন্দীগ্রাম দিবস। নতুন সূর্যোদয়ের নামে মানুষের উপর বর্বরোচিত আক্রমণের ১৩ বছর পূর্তি। রাজনৈতিক হিংসায় সারা বিশ্বে প্রাণ হারানো প্রতিটি মানুষের প্রতি আমার শ্রদ্ধার্ঘ রইল। দিনের শেষে শান্তির জয় হব। এই আশা রাখি। আরও পড়ুন ঃ রাজনীতির মঞ্চে দেখা হবেঃ শুভেন্দু অন্যদিকে , তৃণমূল যুব সভাপতি তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বামেদের আক্রমণ করে লিখেছেন , সিপিএমের হার্মাদ বাহিনীর হাতে নিহত শহিদদের জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা। শহিদের রক্ত হবে নাকো ব্যর্থ।

নভেম্বর ১০, ২০২০
রাজ্য

বিভিষণ হাঁসদার মেয়ের চিকিৎসায় সবরকম সাহায্যের আশ্বাস বিজেপি সাংসদ সুভাষ সরকারের

বাঁকুড়ার প্রত্যন্ত গ্রামের বিভীষণ হাঁসদার বাড়িতে গিয়ে মধ্যাহ্নভোজ সেরেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তারপর থেকে তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে নিয়ে শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক টানাপোড়েন। শনিবারই ্তৃ্ণমূলের এক জেলা পরিষদ সদস্যা বিভিষণ হাঁসদার বাড়িতে গিয়ে আর্থি্ক সাহায্য করেছিলেন। সেই ঘটনার পর ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই বিভীষণ হাঁসদার পরিবারের কাছে সাহায্যের ডালি নিয়ে হাজির হলেন বাঁকুড়া লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ চিকিৎসক সুভাষ সরকার। রবিবার তিনি বিভীষণবাবুর মেয়ের চিকিৎসার কাগজপত্র খতিয়ে দেখেন। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, প্রয়োজনে এইমসে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানো হবে ওই ছাত্রীর। বিজেপির এই সহযোগিতায় আপ্লুত বিভীষণ হাঁসদা। তিনি বলেন , আমি রাজনীতি করি না। কোনওদিন রাজনীতি করিনি। আজ সুভাষবাবু সরকার আসায় মনে হচ্ছে মেয়েটা ফের সুস্থ হয়ে যাবে।বিভীষণবাবুর একটাই আবেদন, তাঁকে নিয়ে যেন রাজনীতি না করা হয়। আরও পড়ুন ঃ বেশি বাড়াবাড়ি করলে শ্মশানে পাঠিয়ে দেব , হুঁশিয়ারি দিলীপের জানা গিয়েছে , বিভীষণ হাঁসদার মেয়ে রচনা দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়া। দীর্ঘদিন ধরেই ডায়বেটিস ইনসিপিডাসে আক্রান্ত সে। ২ বছর ধরে চলছে চিকিৎসা। নিয়মিত নিতে হয় ইনসুলিন। ফলে মাসে মেয়ের চিকিৎসার জন্যই বিভীষণের খরচ হয় ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা। যা জোগাতে কার্যত হিমশিম খেতে হয় তাঁকে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর বাড়িতে যাবে জানার পরই তাই বিভীষণ স্থির করেছিলেন, অমিত শাহের কাছে মেয়ের চিকিৎসার জন্য সরকারি সাহায্যের আরজি জানাবেন। ঘটনাচক্রে সেই মুহূর্তে মনের কথা শাহের কাছে প্রকাশ করতে পারেননি বিভীষণ। যদিও পরবর্তীতে তা জানতে পারেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জানান, ওই পড়ুয়ার খরচ নেবে বিজেপি। এরপরই রবিবার সকালে বিভীষণ হাঁসদার বাড়ি যান সুভাষ সরকার।

নভেম্বর ০৮, ২০২০
রাজ্য

বিজেপি যুব মোর্চার কর্মীদের উপর হামলা , অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

ফের বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে হালিশহর মহাশ্মশানে। এই ঘটনায় বিজেপি যুব মোর্চার দুজন সদস্য আক্রান্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ , হালিশহর শ্মশানে এক বৃদ্ধের মৃতদেহ দাহ করতে এসে তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের হাতে এই দুই বিজেপি কর্মী আক্রান্ত হন। আহত বিজেপি কর্মীদের নাম শান্তনু গাঙ্গুলি ও সুকান্ত গাঙ্গুলি। শ্মশানে তাঁদের ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ। আহত হয়ে দুজনই আপাতত কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালে ভরতি রয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে খবর, শুক্রবার গভীর রাতে এক বন্ধুর বাবার শেষকৃত্যের জন্য শ্মশানে গিয়েছিলেন সুকান্ত ও শান্তনু। আরও পড়ুন ঃ দলের মহিলা কর্মীকে কুপ্রস্তাব, তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে এফআইআর অভিযোগ, সেখানেই তাঁদের উপর হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, রাতে তৃণমূল আশ্রিত গুন্ডাবাহিনীর প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন আমাদের উপর আচমকা চড়াও হয়ে মারধর শুরু করে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। আমরা বিজেপি যুব মোর্চার সদস্য, সেটাই আমাদের অপরাধ।এদিকে এই ঘটনায় শনিবার দুপুরে নদীয়ার কল্যাণী জওহরলাল নেহরু মেমোরিয়াল হাসপাতালে জখম বিজেপি কর্মীদের দেখতে যান ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং । তিনি বলেন, তৃণমূলের পায়ের তলার মাটি সরে গেছে । জনসমর্থন নেই। তাই আমাদের নিরীহ কর্মীদের উপর হামলা করছে। তৃণমূলের সরকার আর বেশিদিন নেই। এভাবে মারধর করে বিজেপির জয় আটকাতে পারবে না। পুলিশকে বলে লাভ হবে না। বাঁচতে গেলে আমাদের পালটা দিতে হবে। তৃণমূলের তরফ থেকে অবশ্য বিজেপির উপর হামলার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২০
কলকাতা

আদিবাসী ও মতুয়া পরিবারগুলোর সঙ্গে একবারও কথা বলার প্রয়োজন বোধ করেননি অমিত শাহঃ অভিষেক

রাজ্য সফরের দু দিনেই আদিবাসী ও মতুয়াদের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সেরেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এবার আদিবাসী ও মতুয়াদের বাড়িতে খাওয়া নিয়ে অমিত শাহকে বিঁধলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার তিনি টুইটে লিখেছেন , তফসিলি ও সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকী ওই পরিবারগুলোর সঙ্গে একবারও কথা বলারও প্রয়োজন বোধ করা হয়নি। এটাই অমিত শাহের মধ্যাহ্নভোজনের নেপথ্যের বাস্তব। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী- আপনি কি শুধু ছবি তুলতে এখানে এসেছেন? আরও পড়ুন ঃ বাগুইআটির মতুয়া পরিবারে মধ্যাহ্নভোজন অমিত শাহের উল্লেখ্য , এর আগে অমিত শাহের মিছিল চলাকালীন বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার অভিযোগ উঠেছিল বিজেপির বিরুদ্ধে। এছাড়াও বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে কানহু মুর্মুর মূর্তি ভাঙারও অভিযোগ ওঠে। বাঙালি কি এটা পাওয়ার যোগ্য ? এদিন তৃণমূলের তরফ থেকে এই প্রশ্ন তোলা হয়। অন্যদিকে , বৃহস্পতিবার বীরসা মুন্ডার মূর্তিতে মাল্যদান করার বিষয়েও অমিত শাহকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল। প্রসঙ্গত , বৃহস্পতিবার বাঁকুড়ার পুয়াবাগানে যে মূর্তিকে ভগবান বীরসা মুণ্ডার বলে মালা দিয়েছেন অমিত শাহ , জানা গিয়েছে তা আসলে এক অজ্ঞাত পরিচয় আদিবাসী শিকারীর মূর্তি। যদিও ভুল বুঝতে পেরেই পরে বীরসার একটি ছবি এনে মূর্তির নীচে রাখা হয়। অমিত শাহ তাতেই মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। আবারও বহিরাগত একই কাজ করলেন। অন্য একজনের মূর্তির পায়ের কাছে ভগবান বীরসা মুণ্ডার ছবি রেখে মাল্যদান সত্যিই অপমানকর। এই ধরণের আচরণে বাংলার সংস্কৃতি উপেক্ষিত। তিনি কি কখনও বাংলাকে সম্মান করবেন? টুইটে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেও ট্যাগ করা হয়েছে।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
কলকাতা

আগামী ৬ নভেম্বর পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর  বাড়িতে অমিত শাহঃ অর্জু্ন সিং

ক্যানিংয়ে আমাদের কোনও সংগঠন নেই যে আমাদের লোকেরা ওদের গুলি মারবে। নিজের নিজের ভাগ বাঁটোয়ারা নিয়ে লড়ছে । ভাইপো বনাম পিসির লড়াই চলছে ওখানে। মঙ্গলবার তৃ্ণমূলের সমালোচনা করে এমনই মন্তব্য করলেন বিজেপি সাংসদ অর্জু্ন সিং। তিনি বলেন , পশ্চিমবঙ্গে যারা রাজনৈতিক দলের লোক আছে , তাদের সবাইকে বলব , সাবধানে থাকুন। তৃ্ণমূলের গোষ্ঠী্দ্বন্ধের লড়াইতে সাধারণ মানুষ খুন হচ্ছে। আর দোষ চাপাচ্ছে বিজেপির উপরে। কখনও অন্য রাজনৈতিক দলের উপরে। ভো্ট যখন আসে , তখন তৃ্ণমূলের লোকেরা এসব করে থাকে। পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর বাড়িতে যাওয়া ্প্রসঙ্গে তিনি বলেন , এটা পুরোপুরি অরাজনৈতিক ব্যাপার। আগামী ৬ নভেম্বর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ওনার সঙ্গে দেখা করবেন। সে বিষয়ে ওনার কাছে আবেদন জানাতে গিয়েছিলাম। আরও পড়ুন ঃ পাহাড়ে গুরুংয়ের কোনও অস্তিত্ব নেইঃ বিনয় কৈলাস বিজয়বর্গীয় পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর বাড়িতে যাওয়া ্প্রসঙ্গে বলেন , উনি বাংলা তথা দেশের গর্ব। আমি ওনাকে প্রণাম করতে গিয়েছিলাম। তৃ্ণমূলের যে গণ্ডগো্ল তা সিন্ডিকেট , কাট্মানি ও পয়সার জন্য হচ্ছে।কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেন, সকালে ও বিকালে বিজেপি নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দুটি বৈঠক করবেন অমিত শাহ। অনেকের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের কথা।

নভেম্বর ০৩, ২০২০
রাজ্য

রাষ্ট্রদ্রোহীদের হাত ধরে পাহাড়ে উঠতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ঃ দিলীপ

রাজ্যের রাজ্যপালের পাহাড় সফর নিয়ে যাঁরা বিরোধিতা করছেন তাদের পাহাড়ে ওঠার হিম্মত নেই। তাই তাঁরা রাজ্যপালকে নিয়ে বিভিন্ন ভাবে সমালোচনা করছেন। মঙ্গলবার সকালে বিষ্ণুপুর রসিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে চায়ে পে চর্চা কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে রাজ্যপালের স্বপক্ষে এই মন্তব্য করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এই প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি আরও বলেন , রাজ্যপালের পাহাড় সফর যুক্তি সম্মত। রাজ্যপালের পাহাড়ে যাওয়াতে পাহাড়ের মানুষ সাহস পাবে, উৎসাহিত হবে। একজন রাজ্যপাল তার দায়িত্ব কর্তব্যকে বজায় রেখে কাজ করছেন। আরও পড়ুন ঃ বিমল গুরং আইনের ঊর্ধ্বে নয়ঃ বিনয় উল্লেখ্য , পাহাড় ইস্যুতে বুধবার নবান্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে বিনয় তামাংয়ের। এই প্রসঙ্গে দিলীপবাবু বলেন , যাঁরা রাষ্ট্রদ্রোহী যাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহীতার অভিযোগ রয়েছে তাদের হাত ধরে মমতা ব্যানার্জী পাহাড়ে উঠতে চাইছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাই করুক পাহাড়ে তৃণমুলের ঝান্ডা উড়বে না। এদিনের এই কর্মসূচিতে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।

নভেম্বর ০৩, ২০২০
রাজ্য

অবিলম্বে লোকাল ট্রেন চালানোর দাবিতে রেলমন্ত্রীকে চিঠি অধীরের

অবিলম্বে পশ্চিমবঙ্গে লোকাল ট্রেন চালানো নিয়ে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলকে চিঠি লিখলেন লোকসভার সাংসদ অধীর চৌধুরী। তিমি আবেদন জানিয়েছেন, কোভিড বিধি মেনে অবিলম্বে রাজ্যে লোকাল ট্রেন পরিষেবা শুরু করতে হবে। এই বিষয়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে অবিলম্বে আলোচনা শুরু করার জন্য আবেদন জানান তিনি। আরও পড়ুন ঃ মল্লারপুরের ঘটনায় পুলিশের বক্তব্যে সিলমোহর ময়নাতদন্তের রিপোর্টে কংগ্রেস সাংসদ এই চিঠিতে লেখেন, কোভিড পরিস্থিতিতে লকডাউন হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। কিন্তু কয়েকটি রাজ্যে লোকাল ট্রেন পরিষেবা ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। কিন্তু বাংলায় লোকাল ট্রেন শুরু করা নিয়ে রাজনীতি শুরু হয়েছে। এর জেরে সাধারণ মানুষকে চরম সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে। বিভিন্ন সেক্টরে কর্মরত মানুষ রেল পরিষেবা গ্রহণ করে। দূরপাল্লার ট্রেন সহ রেলের বিভিন্ন পরিষেবা স্বাভাবিক হলেও লোকাল ট্রেন চালু না হওয়ায় প্রবল অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছে চাকরিজীবীরা। সম্প্রতি কলকাতায় শুরু হয়েছে মেট্রো পরিষেবা। কিন্তু কলকাতার মানুষ সেই পরিষেবা গ্রহণ করলেও শহরতলির অনেক সাধারণ মানুষ এই পরিষেবা থেকে বঞ্চিত। তিনি আরও বলেন , সম্প্রতি লোকাল ট্রেন চালু করার দাবিতে বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ হয়েছে। মারধর করা হয়েছে রেলকর্মীদের। চলতি সপ্তাহের শুক্র ও শনিবার হাওড়া স্টেশনে লোকাল ট্রেনে উঠতে দেওয়ার দাবিতে জনতার বিক্ষোভ চরম আকার ধারণ করে। আরপিএফ লাঠিচার্জ করে।

নভেম্বর ০১, ২০২০
কলকাতা

৬ নভেম্বর কলকাতায় অমিত শাহঃ দিলীপ

আগামী ৫ ও ৬ নভেম্বর কলকাতায় আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আমাদের হিসেব অনুযায়ী ৫ টা জোনের মধ্যে একটা জোনের বৈঠক হয়ে গেছে। রাঢ়বঙ্গ ও মেদিনীপুর জোনের বৈঠক ৫ তারিখ বাঁকুড়া জেলায় হবে। বাঁকুড়াতে রবীন্দ্র ভবনে অথবা সপ্তর্ষি হোটেলে এই সভা হবে। ৬ তারিখ নবদ্বীপ ও কলকাতা জোনের বৈঠক কলকাতায় হবে। কলকাতার ইজেডসিসিতে এই বৈঠক হবে। আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে এই বৈঠক হবে। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংস্থাগুলির সঙ্গে বৈঠক করবেন। শনিবার ছিল বিজেপির সাংগঠনিক সভা। সেই সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দলের আগামীদিনের কর্মসূচি বিস্তারিত জানান বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ( সংগঠন) শিবপ্রকাশ , জাতীয় সম্পাদক অরবিন্দ মেনন সহ আরও অনেকে। আরও পড়ুন ঃ নিম্নচাপের জের , বিকেলে কলকাতায় হালকা বৃষ্টিপাত এদিন তিনি আরও বলেন , মল্লারপুরের ওই নাবালক যদি তৃণমূলেরই হয় , তাহলে তাকে মারার অধিকার পুলিশের আছে নাকি ? ওখানে তো মরে গেলে সব টিএমসি হয়ে যায়। কার দলের মারা গেছে তা গৌণ। সে তো নাবালক ছিল , কোনও দলের সদস্যই সে ছিল না। তাকে তুলে নিয়ে এসে পুলিশ লক আপে মেরে ফেলা হল। সেটা নিয়ে আবার রাজনীতি খোঁজা হচ্ছে। তার মৃত্যুটা নিঃসন্দেহে খুব মর্মান্তিক। এটা আইনশৃঙ্খলাহীনতা।পুলিশ যে কি নির্মম হয়ে গেছে , কেবল রাজনৈ্তিক দলের কথা বলছে।তারপর তার পরিবারকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে বলানো হচ্ছে, আমরা টিএমসি করি। তাতে কি সাতখুন মাফ হয়ে গেল ? প্রশাসনের উদ্দেশে এমনই প্রশ্ন তোলে্ন তিনি। বিমল গুরুং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক নেই , উনি ঘোষণা করেছেন। আমরা কাউকে তাড়াইনি। এবার তাদের ওখানে জমি দখলের লড়াই হচ্ছে। সেটা ওনারা বুঝে নেবেন।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
বিনোদুনিয়া

আমাদের দেশ বিজেপি এবং নরেন্দ্র মোদীর হাতে জ্বলছেঃ নুসরত

বিজেপিদের থেকে বাংলা বাঁচাও ক্যাম্পেন শুরু হয়েছে তৃণমূলের তরফ থেকে। এবার এই নিয়ে ফের সোশ্যাল মিডিয়ায় তোপ দাগলেন অভিনেত্রী তথা সাংসদ নুসরত জাহান। তিনি টুইটারে লিখেছেন , আমাদের দেশ বিজেপি এবং নরেন্দ্র মোদির হাতে জ্বলছে। আজ মোট ৫ লক্ষ মানুষ বিজেপির এই অসাম্য আর ঘৃণার রাজনীতির বিরুদ্ধে লড়তে নিজেরা একত্রিত হয়েছেন। বাংলাকে বাঁচান আর নিজেদের সুরক্ষিত রাখুন। আরও পড়ুন ঃ শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের এর আগেও দেশে বাড়তে থাকা বেকারত্ব নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বাক্যবাণে বিঁধেছিলেন নুসরত। এই অতিমারী আবহে দেশের ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ট্রাস হওয়া নিয়েও বিজেপি সরকারকে তুলোধোনা করেছিলেন।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

হার নয়, নতুন লড়াই! “আমি এখন মুক্ত পাখি”—দেশ জয়ের ইঙ্গিত দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ভোটের আগে তিনি বলেছিলেন, বাংলা জিতে দিল্লির দিকে এগোবেন। কিন্তু ফল তাঁর বিপক্ষে গেলেও লক্ষ্য থেকে সরে আসছেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরাজয়ের পর প্রথম সাংবাদিক বৈঠকেই তিনি নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা স্পষ্ট করে দিলেন। তাঁর সাফ কথা, আমি এখন মুক্ত পাখি। কোনও পদে নেই। সাধারণ কর্মীর মতো ইন্ডিয়া জোটকে শক্তিশালী করব।ফল ঘোষণার আগেই বিরোধী শিবিরের একাধিক নেতার সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। তিনি জানান, সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, হেমন্ত সোরেন এবং তেজস্বী যাদব-এর সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। অখিলেশ যাদব আসতে চাইলেও তিনি পরের দিনের জন্য সময় দিতে বলেন।মমতার দাবি, ইন্ডিয়া জোটের নেতারা তাঁর পাশে আছেন। তিনি বলেন, আমি ছোট কর্মীর মতো কাজ করব। ইন্ডিয়া জোটকে আরও শক্তিশালী করব। এই জোট খুব শক্তিশালী হবে।ভোট প্রক্রিয়া নিয়েও গুরুতর অভিযোগ করেছেন তিনি। তাঁর দাবি, বাংলাতেও গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি নির্বাচন ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ভোট গণনার প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে বাইরে থেকে।এই বিষয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী-ও তৃণমূলের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, বাংলা এবং অসমে ভোটে অনিয়ম হয়েছে এবং এটি বৃহত্তর চক্রান্তের অংশ। এমনকি কংগ্রেসের কিছু নেতাকে সতর্কও করেছেন তিনি, যাতে এই পরিস্থিতি নিয়ে ভুল বার্তা না যায়।এতে রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। কংগ্রেস ও তৃণমূল কি আরও কাছাকাছি আসতে চলেছে? ভবিষ্যতে কি কোনও বড় জোট গড়ে উঠতে পারে? এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেননি মমতা। তিনি শুধু বলেন, এই ধরনের কৌশল নিয়ে এখনই কিছু বলব না।পরাজয়ের পরেও তাঁর এই অবস্থান স্পষ্ট করে দিচ্ছে, আগামী দিনে জাতীয় রাজনীতিতে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে চান তিনি।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

চাঞ্চল্যকর বিস্ফোরণ! “রাজভবনে কেন যাব?”—ইস্তফা নয়, চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee), তিনি রাজভবনে যাবেন না। তাঁর সাফ কথা, আমি কেন রাজভবনে যাব? যদি শপথ নিতে যেতাম, তাহলে যেতাম। ওরা দখল করেছে ভেবে আমি পদত্যাগ করতে যাবএটা ভুল। আমরা ভোট হারিনি, তাই ইস্তফা দেওয়ার প্রশ্নই নেই।কংগ্রেসের সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনও জোট হবে কি না, এই প্রশ্নে তিনি কৌশলী উত্তর দেন। জানান, এই বিষয়ে এখনই কিছু বলবেন না।ভোটের ফল ঘোষণার পর একাধিক গুরুতর অভিযোগও তুলেছেন মমতা। তিনি দাবি করেন, বিভিন্ন জায়গায় তাঁর দলের কর্মীদের উপর হামলা হয়েছে। বেলেঘাটায় খুনের ঘটনা, মহিলাদের ধর্ষণের হুমকিএমন অভিযোগও করেন তিনি। তাঁর কথায়, এতে বিশ্বের কাছে ভুল বার্তা যাচ্ছে যে নির্বাচন গণতান্ত্রিক ভাবে হয়নি।তিনি আরও বলেন, মা-মাটি-মানুষকে ধন্যবাদ। ওঁরা ভোট দিয়েছিলেন, কিন্তু আমরা সেই ভোট রক্ষা করতে পারিনি। একই সঙ্গে প্রশ্ন তোলেন, দেশে কি একটাই দল থাকবে?কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকাও তীব্রভাবে আক্রমণ করেন তিনি। অভিযোগ করেন, তারা গুণ্ডার মতো আচরণ করেছে। তাঁর দাবি, এভাবে অত্যাচার চলতে থাকলে খুব তাড়াতাড়ি সত্য সামনে চলে আসবে।মমতা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, তাঁর দলের উপর যদি অত্যাচার করা হয়, তবে তার জবাব মিলবে। তিনি অভিযোগ করেন, জোর করে ভোট দখল করা হয়েছে। এই পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে তিনি দশ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। সেই কমিটি বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে ঘটনার সত্যতা যাচাই করবে।তিনি আরও দাবি করেন, ভোট গণনার সময় তাঁর এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেওয়া হয়েছে। এমনকি তাঁকেও শারীরিকভাবে হেনস্থা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর কথায়, আমাকে ধাক্কা মেরে বের করে দেওয়া হয়েছে। একজন মহিলা হিসেবে যে ব্যবহার করা হয়েছে, তা অত্যন্ত অপমানজনক।মমতা অভিযোগ করেন, সংবাদমাধ্যমের একাংশ আগেই দেখাতে শুরু করেছিল যে তিনি পিছিয়ে রয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা জিতলে বলেছিলাম বদল চাই, বদলা নয়। কিন্তু এখন তিন দিন ধরে অত্যাচার চলছে।তাঁর অভিযোগ, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তফশিলি জাতি ও উপজাতিদের উপরও হামলা হয়েছে। ভাঙর থেকে বারাসত, কলকাতা থেকে জঙ্গলমহলসব জায়গাতেই অশান্তির অভিযোগ তোলেন তিনি।নিজের অবস্থান নিয়ে মমতা বলেন, আমি এখন পদে নেই, আমি স্বাধীন। আমি কখনও বেতন নিইনি, সারা জীবন মানুষের জন্য কাজ করেছি।তিনি আরও দাবি করেন, এমন নির্বাচন তিনি আগে কখনও দেখেননি। সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, উদ্ধব ঠাকরে, হেমন্ত সোরেন-সহ বিরোধী জোটের নেতাদের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে বলে জানান।সবচেয়ে বড় অভিযোগ হিসাবে তিনি বলেন, প্রায় একশো আসন জোর করে কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, লড়াই হয়েছে শুধু একটি দলের বিরুদ্ধে নয়, নির্বাচন ব্যবস্থার বিরুদ্ধেও। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।ভোটের ফলের পর রাজ্যের রাজনৈতিক ছবি আমূল বদলে গিয়েছে। একাধিক মন্ত্রী পরাজিত হয়েছেন, কিছু এলাকায় দল টিকে থাকলেও কয়েকটি জেলায় একেবারে শূন্য হয়ে গিয়েছে তৃণমূল। তবে এই পরিস্থিতিতেও পরাজয় মানতে নারাজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

ফল ঘোষণার পরই চমক! রাজভবনে যাচ্ছেন না মমতা, বললেন “আমরা হারিনি”

সোমবার ভোটের ফল স্পষ্ট হতেই বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দাবি উঠতে থাকে যে এবার রাজ্যের ক্ষমতা গিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টির হাতে। জল্পনা ছিল, বিকেলের মধ্যেই লোকভবনে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু রাত গড়ালেও তিনি সেখানে যাননি।মঙ্গলবার কালীঘাটে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দেন, তিনি পরাজয় মানছেন না। তাঁর কথায়, আমরা হারিনি। তাই লোকভবনে যাওয়ার প্রশ্ন নেই। আমাদের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হয়েছে। যদি শপথ নিতে হত, তাহলে যেতাম।২০১১ সালে যেমন ৩৪ বছরের বামশাসনের অবসান ঘটিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন মমতা, তখন ফলাফল স্পষ্ট হতেই তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য রাজ্যপালের কাছে ইস্তফা দিয়েছিলেন। অনেকেই ভেবেছিলেন, ২০২৬ সালেও একই ছবি দেখা যাবে। কিন্তু সেই প্রত্যাশা ভেঙে দিয়ে এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন অবস্থান নিলেন মমতা।নিয়ম অনুযায়ী রাজ্যপাল আর এন রবি তাঁকে ইস্তফা দিতে বলতে পারেন। তবে মমতা জানিয়েছেন, সেই নির্দেশ এলেও তিনি ইস্তফা দেবেন না। অর্থাৎ ফলাফলকে তিনি কোনওভাবেই মেনে নিতে রাজি নন।এই অবস্থানে তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বিজেপি। দলের মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, এই আচরণ ভারতের সংবিধানের পরিপন্থী।এদিন সাংবাদিক বৈঠকে ভোটের ফল নিয়ে আরও বিস্ফোরক অভিযোগ করেন মমতা। তিনি বলেন, সকাল থেকেই সংবাদমাধ্যমে বিজেপির জয়ের খবর দেখানো হচ্ছিল। কয়েক রাউন্ড গণনার পর থেকেই তাঁদের কর্মীদের উপর হামলা শুরু হয় বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, কর্মীদের মারধর করা হয়েছে, মহিলাদেরও রেহাই দেওয়া হয়নি, এমনকি গুরুত্বপূর্ণ নথিও কেড়ে নেওয়া হয়েছে।মমতা আরও বলেন, তাঁকেও অপমানের মুখে পড়তে হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, তাঁকে ধাক্কা মেরে বের করে দেওয়া হয় এবং শারীরিকভাবে হেনস্থা করা হয়। তাঁর কথায়, একজন মহিলা এবং একজন মানুষ হিসেবে যে অপমান করা হয়েছে, তাতে বোঝা যায় কর্মীদের সঙ্গে কী করা হয়েছে।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

নবান্নে নজিরবিহীন দৃশ্য! কর্মীদের মুখে ‘জয় শ্রীরাম’—গেরুয়া আবিরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ল প্রশাসন

বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির জয়ের পর নবান্নে দেখা গেল এক বিরল ছবি। ফল প্রকাশের পরই নবান্নের ভিতরে সরকারি কর্মচারীদের একাংশের মুখে শোনা গেল জয় শ্রীরাম স্লোগান। বিভিন্ন তলা থেকে কর্মীদের বাইরে বেরিয়ে এসে স্লোগান দিতে দেখা যায়। গেরুয়া আবিরে একে অপরকে শুভেচ্ছা জানানোর ছবিও সামনে আসে।চোখে পড়ার মতো বিষয়, মহিলা ও পুরুষউভয় কর্মীদেরই এই উচ্ছ্বাসে অংশ নিতে দেখা যায়। নবান্নের বিভিন্ন তলায় একই ছবি ধরা পড়ে। কর্মীদের দাবি, এতদিন তারা ভয়ের মধ্যে কাজ করতেন, এখন সেই ভয় কাটিয়ে উঠেছেন। তাঁদের কথায়, এখন আমরা মুক্ত।অন্যদিকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তেও জয় উদ্যাপনে মেতে উঠেছেন ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মী ও সমর্থকরা। বিশেষ করে বিধাননগরের গণনাকেন্দ্রের বাইরে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে।এই নির্বাচনে প্রায় ১৫ বছর পর বাংলায় বড় রাজনৈতিক পালাবদল ঘটেছে। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে ভারতীয় জনতা পার্টি। ফলাফল অনুযায়ী, তারা ২০৭টি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৮০টি আসন।উত্তর থেকে দক্ষিণরাজ্যের প্রায় সর্বত্রই গেরুয়া শিবিরের সাফল্য চোখে পড়েছে। তৃণমূলের একাধিক শক্ত ঘাঁটিতেও এবার জয় ছিনিয়ে নিয়েছে তারা।নবান্নের আশপাশেও গেরুয়া পতাকা উড়তে দেখা গিয়েছে। ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকেই পরিবর্তনের আবহ স্পষ্ট হয়েছে রাজ্যের প্রশাসনিক কেন্দ্রেও।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বড় ঘোষণা! বাংলায় সরকার গঠনের আগে বড় দায়িত্বে অমিত শাহ—মুখ্যমন্ত্রী কে হচ্ছেন?

বাংলার ভোটে বহু প্রতীক্ষিত জয়ের পর এখন সরকার গঠনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। গেরুয়া ঝড়ে কার্যত বিপর্যস্ত হয়েছে তৃণমূল শিবির। এই পরিস্থিতির মধ্যেই দলের কেন্দ্রীয় সংসদীয় বোর্ড পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের জন্য কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে। এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অমিত শাহ-কে।দল সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলায় পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়া তিনি তদারকি করবেন। তাঁর সঙ্গে সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি-কে। এই দুই নেতার উপরই এখন বড় দায়িত্ব, কারণ তাঁদের তত্ত্বাবধানেই ঠিক হবে বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন।মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবিদার নিয়ে ইতিমধ্যেই জল্পনা শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের শীর্ষ নেতৃত্বের এই পদক্ষেপ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এখন সকলের নজর, শেষ পর্যন্ত কাকে বেছে নেয় পদ্ম শিবিরের নেতৃত্ব।অন্যদিকে অসমেও একইভাবে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে দল। সেখানে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক করা হয়েছে জেপি নাড্ডা-কে। সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নবাব সিং সাইনি। দল ইতিমধ্যেই বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।উল্লেখ্য, বুথ ফেরত সমীক্ষার ইঙ্গিতকেই সত্যি করে বাংলায় বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। দুইশোর বেশি আসন পেয়েছে তারা। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস শতকের গণ্ডিও পার করতে পারেনি।ফলাফল অনুযায়ী, বিজেপি পেয়েছে ২০৭টি আসন, তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৮০টি আসন। কংগ্রেস পেয়েছে ২টি আসন। হুমায়ুনের আম জনতা উন্নয়ন পার্টিও পেয়েছে ২টি আসন। এছাড়া সিপিএম এবং আইএসএফ পেয়েছে ১টি করে আসন।তবে এই ফলাফল নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল। তাদের অভিযোগ, ভোট প্রক্রিয়ায় একাধিক অনিয়ম হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। যদিও রেকর্ড সংখ্যক ভোটদানের সাক্ষী থেকেছে গোটা রাজ্য, যা দেশের নজর কেড়েছে।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত! মমতার বাড়ির সামনে থেকে সরল কড়া নিরাপত্তা, কী ঘটছে ভিতরে?

এখনও ইস্তফা দেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে তাঁর নামের পাশে প্রাক্তন শব্দটি যুক্ত হওয়া এখন সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে দুই শতাধিক আসন পেয়ে জয়ী হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। এমনকি তাঁর নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরেও প্রায় পনেরো হাজার ভোটে পরাজিত হয়েছেন তিনি (Mamata Banerjee)।এই পরিস্থিতিতে তাঁর পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। এরই মধ্যে সামনে এল আরও এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ছবি। তাঁর বাড়ির সামনে থেকে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেকটাই সরিয়ে নেওয়া হয়েছে (Mamata Banerjee)।দীর্ঘদিন ধরেই কলকাতার হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাড়িতেই থাকেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এই বাড়িতেই তাঁর রাজনৈতিক জীবনের দীর্ঘ পথচলা। সময়ের সঙ্গে বাড়ির আশপাশের পরিবেশ বদলালেও তাঁর বাড়ির গঠন খুব একটা বদলায়নি। তবে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর ওই এলাকার নিরাপত্তা অনেকটাই বাড়ানো হয়েছিল।বিশেষ করে ২০১৬ সালের পর তাঁর বাড়ির সামনে শক্ত নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়। বাড়ির সামনে রাস্তা প্রায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। বাইরের কেউ ওই এলাকায় ঢুকতে গেলে গার্ডরেল পেরোতে হত এবং কারণ জানাতে হত। এমনকি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও নিজেদের পরিচয় জানিয়ে ঢুকতে হত (Mamata Banerjee)।এখন সেই গার্ডরেল সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের যাতায়াতে আর আগের মতো বাধা থাকছে না। তবে গলির মুখে পুলিশি নজরদারি এখনও বজায় রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।উল্লেখ্য, অতীতে একাধিকবার তাঁর বাড়ির নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কয়েকবার সন্দেহভাজন ব্যক্তির ঢুকে পড়ার ঘটনাও সামনে এসেছে। এমনকি অস্ত্র নিয়ে ঢোকার অভিযোগও উঠেছিল। বিভিন্ন সময়ে এই ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করা হয়েছে।কয়েক মাস আগেও অভিযোগ উঠেছিল, কিছু অচেনা ব্যক্তি তাঁর বাড়ির আশপাশে সিসিটিভি ক্যামেরার মুখ ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। এই ঘটনাগুলি সামনে আসার পরই নিরাপত্তা আরও কড়া করা হয়েছিল।তবে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির পর সেই নিরাপত্তা বলয়ে শিথিলতা আসায় নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

হার মানলেন না মমতা! পরাজয়ের পরেই বড় ঘোষণা, কালই সাংবাদিক বৈঠক

বিধানসভা নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। হেরে গিয়েছেন দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই পরিস্থিতিতে আগামীকাল মঙ্গলবার কালীঘাটের বাসভবনে সাংবাদিক বৈঠক ডেকেছেন তিনি। বিকেল চারটেয় এই বৈঠক হবে বলে জানা গিয়েছে। সেখানে উপস্থিত থাকবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও।প্রায় পনেরো বছর রাজ্যে ক্ষমতায় থাকার পর এই প্রথমবার বড় পরাজয়ের মুখে পড়ল তৃণমূল। অন্যদিকে বিজেপি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে। ভবানীপুর কেন্দ্রে প্রায় পনেরো হাজারের বেশি ভোটে হেরে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু এই কেন্দ্রই নয়, রাজ্যের একাধিক জায়গায় তৃণমূল পরাজিত হয়েছে। মুর্শিদাবাদ, কলকাতা এবং পূর্ব বর্ধমানের মতো এলাকাতেও বিজেপি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।এর মধ্যেই সোমবার বিকেলে গণনাকেন্দ্রে গিয়ে উত্তেজনার মুখে পড়েন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শাখাওয়াত মেমোরিয়াল গণনাকেন্দ্রে দলের এজেন্টকে বের করে দেওয়ার খবর পেয়ে তিনি হঠাৎই সেখানে পৌঁছে যান। কয়েক ঘণ্টা পর বেরিয়ে এসে তিনি গুরুতর অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, তাঁকে মারধর করা হয়েছে এবং জোর করে হারানো হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রায় একশোটি আসনে ভোট লুঠ হয়েছে।এই ঘটনার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। মমতার এই অভিযোগকে সমর্থন করেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, নির্বাচন কমিশনের সহায়তায় ভোটে কারচুপি হয়েছে এবং বহু আসন ছিনতাই করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আগামীকালের সাংবাদিক বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

মে ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মমতার দুর্গেই ভাঙল ঘাঁটি! ভবানীপুরে বিশাল ব্যবধানে শুভেন্দুর জয়

দীর্ঘদিন ধরে ভবানীপুরে লড়াই করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এবারের নির্বাচনে সেই কেন্দ্রেই বড় ধাক্কা খেলেন তিনি। কুড়ি রাউন্ড গণনা শেষে প্রায় ১৫ হাজার ১১৪ ভোটে তাঁকে পরাজিত করলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। এর ফলে নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুর থেকেও জয়ী হলেন শুভেন্দু।ভবানীপুরে ভোটগণনা ঘিরে দিনভর উত্তেজনা ছিল। গণনার মাঝপথে নিজেই কেন্দ্রে পৌঁছে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, ভোট গণনায় কারচুপি হচ্ছে। যদিও সেই অভিযোগের মধ্যেই গণনা চলতে থাকে। রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ স্পষ্ট হয়ে যায় ফলাফল। দেখা যায়, ২০ রাউন্ড শেষে শুভেন্দু অধিকারী পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৪৬৩ ভোট, আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়েছেন ৫৮ হাজার ৩৪৯ ভোট।নির্বাচনের আগেই শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন, তিনি ধীরে ধীরে ব্যবধান বাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত জিতবেন। তাঁর সেই পূর্বাভাসই যেন মিলল বাস্তবে। শুরুতে কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও পরের রাউন্ডগুলোতে ব্যবধান কমিয়ে শেষে এগিয়ে যান তিনি এবং জয় নিশ্চিত করেন।জয়ী হওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারী প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানান। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, তাঁকে জোর করে হারানো হয়েছে এবং ভোট লুঠ করা হয়েছে। তিনি জানান, এই লড়াই এখানেই শেষ নয়, তিনি আবার ফিরে আসবেন।শুধু ভবানীপুর নয়, নন্দীগ্রামেও জয় পেয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় তৃণমূলের অবস্থানও এই নির্বাচনে দুর্বল হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের মত।

মে ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal