• ১৯ কার্তিক ১৪৩৩, সোমবার ০৯ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

MLA

দেশ

Mukul Roy-Supreme Court: মুকুল রায়কে নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্তের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ নিয়ে যা সিদ্ধান্ত তা বিধানসভার অধ্যক্ষকেই নিতে হবে। সোমবার এমনই ইঙ্গিত দিল সুপ্রিম কোর্ট। অধ্যক্ষ দ্রুত যাতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেন, সে কথাই বলা হয়েছে। ২০২২ সালের জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহে ফের এই মামলার শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টে।মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ সংক্রান্ত এক মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন সেই মামলারই শুনানি ছিল। এদিন বর্ষীয়ান আইনজীবী অভিষেক মনুসিংভি অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়ে বিচারপতি নাগেশ্বর রাও ও বিচারপতি হিমা কোহলির বেঞ্চে জানান, আগামী ২১ ডিসেম্বর মুকুল রায়ের সদস্যপদ খারিজের আর্জি নিয়ে অধ্যক্ষের কাছে শুনানি রয়েছে।Justice triumphs again....historic observation by Honble Supreme Court of India leaves no discretion to the Honble Speaker to delay Mukul Roys defection proceedings. First time since 2011 when a defection petition will be finally decided in West Bengal. Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) November 22, 2021আগামী জানুয়ারিতে ফের সুপ্রিম কোর্টে শুনানি। তার আগে ২১ ডিসেম্বর এই বিষয়ে অধ্যক্ষ পদক্ষেপ করবেন বলেই আশা করছে সুপ্রিম-আদালত। আইনের পথে হেঁটেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের।এ প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, সুপ্রিম কোর্টের এই রায়কে আমরা স্বাগত জানাই। মুখ্যমন্ত্রী নাকি বলেছেন উনি সুপ্রিম কোর্টের রায়কে খুব মানেন। আশা করব মুখে ও কাজে একইরকম হবে। উনি বা ওনার পার্টি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত বিধানসভার অধ্যক্ষ, যাঁর নিরপেক্ষ থাকার কথা কিন্তু থাকেন না, তাঁর কাজে মুখ্যমন্ত্রীর কথার প্রমাণ থাকবে। অন্যদিকে টুইটারে শুভেন্দু অধিকারী লেখেন, সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক পর্যবেক্ষণ। আবারও আইনের জয়।অন্যদিকে অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যদি সুপ্রিম কোর্টের কোনও নির্দেশিকা থাকে তা আমরা নিশ্চয়ই মেনে চলব। এটা তো খুব স্বাভাবিক কথা। আইনের বিচার প্রক্রিয়াকে আমরা সব সময় মর্যাদা দিই। সম্মান করি। নতুন করে বলার কিছু নেই। যে পিটিশনটা ফাইল হয়েছে ওর (মুকুল রায়) সদস্যপদ খারিজ করার জন্য, সেটা অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েই দেখছি।

নভেম্বর ২২, ২০২১
রাজ্য

Rabiranjan: প্রয়াত বর্ধমান দক্ষিণের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক, ছিলেন বিডিএ-র চেয়ারম্যান

প্রয়াত হলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান রবিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। ছিলেন রাজ্যের কারিগরী শিক্ষা, বিজ্ঞান ও জৈবপ্রযুক্তি মন্ত্রী। ২০১১ সালে বর্ধমান দক্ষিণ কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী অধ্যাপক রবিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায় সিপিএমের দাপুটে নেতা নিরুপম সেনকে বিপুল ভোটে পরাজিত করেছিলেন। তারপর ২০১৬-তে ফের এই কেন্দ্র থেকে তিনি বিধায়ক নির্বাচিত হন। ২০২১-এ তাঁকে টিকিটই দেয়নি দল। তবে তিনি বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান পদে ছিলেন দীর্ঘ দিন।জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে রবিরঞ্জনবাবু হাই সুগার ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থার কারণে কলকাতায় বাইপাসের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। চিকিৎসারত অবস্থায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে আসে বর্ধমানে। শোকজ্ঞাপন করেছেন রাজ্যের প্রাণী সম্পদ দপ্তরের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন তিনি।

নভেম্বর ০২, ২০২১
রাজনীতি

TMC: বিজেপির সংখ্যা কমল আরও এক, তৃণমূলে ফিরলেন কৃষ্ণ কল্যাণী

বিজেপি-র ছেড়ে আরও এক বিধায়ক যোগ দিলেন তৃণমূলে। বুধবার দক্ষিণ কলকাতার এক বেসরকারি হোটেলে রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণীকে তৃণমূলে যোগদান করান তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। যোগদানপর্বে ছিলেন তৃণমূলে হিন্দিভাষী সেলের সভাপতি তথা জোড়াসাঁকোর বিধায়ক বিবেক গুপ্ত।তৃণমূলে ফিরে কৃষ্ণ বলছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা কথা দেন, তা করে দেখান। ভোটের আগে উনি যা যা বলেছিলেন, ক্ষমতায় ফিরে সব করে দেখিয়েছেন। আমি তা দেখে অভিভূত। ধন্যবাদ জানাই মমতাদি এবং অভিষেকদাকে। আগের দল সম্পর্কে তাঁর ব্যাখ্যা, বিজেপি-তে ভাল কাজের মূল্যায়ন নেই। ছমাস আগে ভুল করেছিলাম। এ বার তা শুধরে নিচ্ছি। মূল্যবৃদ্ধি ইস্যুতেও বিজেপি-র সমালোচনা করেছেন তিনি।গত ১ অক্টোবর দলবিরোধী কাজের অভিযোগে কৃষ্ণকে শোকজ করেছিল বিজেপি। শোকজের সিদ্ধান্ত জানার পরেই দলত্যাগের কথা ঘোষণাও করেছিলেন কৃষ্ণ। এ বার সরাসরি নিজের পুরনো দলে ফিরে গেলেন তিনি। তাঁকে নিয়ে মোট পাঁচজন বিজেপি বিধায়ক তৃণমূলে যোগ দিলেন।উল্লেখ্য, বিধানসভা ভোটের আগেই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি-তে গিয়েছিলেন কৃষ্ণ। গিয়েই রায়গঞ্জ কেন্দ্রে বিজেপি-র টিকিট পেয়ে জিতেও যান তিনি। কিন্তু বিধায়ক হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই রায়গঞ্জের সাংসদ তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরীর সঙ্গে বিরোধী শুরু হয় তাঁর। প্রকাশ্যেই দলীয় সাংসদের বিরুদ্ধে তাঁকে হারানোর চক্রান্ত করার অভিযোগ আনেন রায়গঞ্জের বিধায়ক। বিরোধী এমন জায়গায় পৌঁছয় অঘোষিতভাবে দলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন তিনি। আর বুধবার বিজেপি ছেড়ে ঘর ওয়াপসি হল কৃষ্ণর।

অক্টোবর ২৭, ২০২১
রাজনীতি

Suvendu-Mukul: মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে হাইকোর্টে মামলা শুভেন্দুর

দলত্যাগী মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে এ বার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোমবারই রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হাইকোর্টে এসে মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে মামলা দায়ের করেন।আরও পড়ুনঃ ভবানীপুরে দিলীপের প্রচারে ধুন্ধুমার, মাথা ফাটল বিজেপি কর্মীরসোমবার শুভেন্দু জানান, বিধানসভা ভোটে নদিয়ার কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে বিজেপি-র টিকিটে জেতা মুকুলের দলত্যাগ এবং তৃণমূলে যোগদানের পর প্রায় চার মাস হতে চললেও স্পিকার এ বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেননি। তিনি বলেন, আদলতের কাছে বিচার চেয়েছি। আইন কার্যকরের আবেদন জানিয়েছি। গোটা ভারতবর্ষে সব বিধানসভায় হয়। গত ১০ বছর ধরে এ দিক-ও দিক ৫০ জনকে করিয়েছে কিন্তু কার্যকর হয়নি। আমরা আদালতের উপর আস্থাশীল। শুভেন্দুর আইনজীবী বিল্বদল ভট্টাচার্য বলেন, বিরোধী দলনেতা হিসেবে শুভেন্দু অধিকারী আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ আছে, তিন মাসের মধ্যে বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে হয়। এ ক্ষেত্রে তিন মাস অতিক্রান্ত হয়ে গিয়েছে। কিন্তু বার বার সময় নেওয়া হচ্ছে বিভিন্নভাবে। তাই আদালতের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে, হয় এক সপ্তাহের মধ্যে শেষ করতে বলা হোক মহামান্য স্পিকারকে, নয়তো বিকল্প হিসেবে সরাসরি আদালতের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হোক, মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ হয়ে গিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
রাজ্য

TMC joining: ৭৭ থেকে কমে ৭১! ফের ভাঙন বিজেপি শিবিরে

মাত্র ৪৮ ঘণ্টা আগেই বিজেপির তরফের ঘোষণা করা হয়েছিল ফাটলের কোনও সম্ভাবনা নেই দলের অন্দরে। কিন্তু দুদিনের মাথায় আবারও ছন্দপতন বিজেপিশিবিরে। পদ্মশিবির ছেড়ে ঘাসফুলে যোগ দিলেন কালিয়াগঞ্জের বিধায়ক। উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জের বিধায়ক সৌমেন রায় শনিবার তৃণমূলের ভবনে গিয়ে দলীয় মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে যোগ দেন তৃণমূলে।প্রায় দুমাস আগে সৌমেন জেলা বিজেপির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। পরে অবশ্য সৌমেন বিজেপিতেই আছেন বলে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। কিন্তু মাঝেমধ্যেই বিধানসভা কেন্দ্র থেকে উধাও হয়ে যাওয়া নিয়ে গুঞ্জন চলছিল বিজেপির অন্দরে। শেষ পর্যন্ত শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে সৌমেন তৃণমূলে যোগ দেন। সূত্রের খবর, যেদিন বাগদার বিজেপি বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস তৃণমূলে যোগ দেন, সে দিনই সৌমেন রায়েরও তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু একটু অপেক্ষা করেই তৃণমূলে যোগ দিলেন তিনি। ঘটনাচক্রে, সৌমেন রায়ও আগে তৃণমূলেই ছিলেন। কিন্তু বাকি দলবদলুদের মতো ভোটের আগে তিনিও তৃণমূলে যোগ দেন। তৃণমূলে শামিল হয়ে সৌমেন বলেন, আমি ছাত্রজীবন থেকেই তৃণমূলে আছি। ঘটনাচক্রে আমি বিজেপির টিকিটে দাঁড়িয়ে জয়লাভ করি। কিন্তু আমার মন-প্রাণ তৃণমূল কংগ্রেসেই পড়ে ছিল।আরও পড়ুনঃ কয়লা-কাণ্ডে শহরের একাধিক জায়গায় ইডি হানাআজকের দলবদলের পরে বাংলার বিধানসভায় বিজেপির আরও শক্তিক্ষয় হল বলা চলে। কারণ বিধানসভা ভোটে ৭৭ আসনে জয়লাভের পর নিশীথ প্রামাণিক ও জগন্নাথ সরকার বিধায়ক পদ ত্যাগ করেন। এরপর প্রথমে মুকুল রায় ও পরবর্তী সময় তন্ময় ঘোষ ও বিশ্বজিৎ দাসও দলত্যাগ করেন। এ বার চলে এলেন সৌমেন রায়ও। ফলে বিজেপি যে আরও দুর্বল হল, তা বলাই যায়। ফলে বর্তমানে রাজ্য বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ৭৭ থেকে কমে হল ৭১।সৌমেন রায়ের দল পরিবর্তন নিয়ে অবশ্য বিজেপির কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তবে বিজেপি সূত্র বলছে, এই দলবদল নিয়ে শীর্ষ নেতৃত্ব মাথা ঘামাচ্ছেন না। তাঁরা ধরেই নিচ্ছেন, যে সকল নেতারা তৃণমূল থেকে এসে বিধায়ক হয়েছেন, তাঁরা দলে ফিরে যাবেন। খানিকটা এমন ভেবে নিয়েই এবার সামনের দিকে এগোনোর পরিকল্পনা রয়েছে বিজেপির।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২১
কলকাতা

Narad Case: নারদ মামলায় ফের তলব সুব্রত-ফিরহাদ-মদন-শোভনকে

নারদ মামলায় ফের সক্রিয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেট। চার্জশিটের তোড়জোড়ের মধ্যেই ফের তলব করা হল রাজ্যের দুই মন্ত্রী এবং এক তৃণমূল বিধায়ককে। জানা গিয়েছে, শুধু তাই নয়, বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী ও অধুনা তৃণমূল নেতা মুকুল রায়ের বিরুদ্ধেও তদন্তের আর্জি জানিয়েছে ইডি।সূত্রের খবর, ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায় এবং মদন মিত্রকে সমন জারি করা হয়েছে। একইসঙ্গে ডেকে পাঠানো হচ্ছে শোভন চট্টোপাধ্যায়কে।উল্লেখ্য, নারদ মামলায় ইতিমধ্যেই সিবিআই চার্জশিট পেশ করেছে। তবে এখনও ইডির চার্জশিট জমা পড়েনি। এই প্রেক্ষিতে ফাইনাল চার্জশিট জমা দেওয়ার আগে সিবিআই-র স্পেশ্যাল কোর্টে ইডি জানিয়েছে, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং ফিরহাদ হাকিমকে আগামী ১৬ নভেম্বর তারা জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায়। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে সিবিআই-র বিশেষ আদালতের নির্দেশ, বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাধ্যমে তিন বিধায়ককে সমন পাঠানো হবে।আরও পড়ুনঃ দেশে ফের ৮০ হাজারের গণ্ডি পেরোল করোনা সংক্রমণএকইসঙ্গে, শোভন চট্টোপাধ্যায় ও প্রাক্তন পুলিশ কর্তা মির্জাকেও একই দিনে সমনও পাঠানো হচ্ছে। তাছাড়া নারদ মামলার এফআইআর-এ থাকা বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী এবং তৃণমূল নেতা মুকুল রায়কেও একই দিনে সমন পাঠানো হয়েছে। একই দিনে তাঁদেরও হাজির হতে হবে। তদন্তের স্বার্থে শুভেন্দু ও মুকুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এর আগে গত ১৭ মে সুব্রত-মদন-ফিরহাদকে গ্রেপ্তার করে সিবিআই। রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় শুরু হয়।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২১
কলকাতা

TMC Joining: ৬ মাসের জল্পনা মিটিয়ে তৃণমূলে ফিরলেন বিশ্বজিৎ দাস

সোমবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষ। মঙ্গলবার তৃণমূলে যোগ দিলেন উত্তর ২৪ পরগনার বাগদার বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস। দুজনেই বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি-তে গিয়েছিলেন। গেরুয়া শিবির তাঁদের টিকিটও দেয়। এবং দুজনেই ভোটে জেতেন। তার পর ফের তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন।আরও পড়ুনঃ টিকার লাইনে ধুন্ধুমার-রক্তারক্তি, পদপিষ্ট ২৫মঙ্গলবার তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং মহিলা তৃণমূলের সভানেত্রী কাকলি ঘোষদস্তিদারের হাত থেকে ঘাসফুল পতাকা তুলে নেন বিশ্বজিৎ। দলে ফিরে বাগদার বিধায়ক জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে উন্নয়নের যজ্ঞে শামিল হতেই বিজেপি ছেড়েছেন। বিজেপিত্যাগী বিধায়কের মন্তব্য, ভুল বোঝাবুঝির কারণেই তৃণমূল ছেড়েছিলাম। ঠিক হয়নি। কিন্তু বিজেপিতে কাজের পরিবেশ নেই, দমবন্ধ হয়ে আসছিল। তাই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরলাম। তাঁর মতে, বিজেপি নেতৃত্ব বাংলা বোঝেন না। বাংলার আবেগ ধরতে পারেনি বিজেপি। বিশ্বজিতের হাতে দলের পতাকা ধরিয়ে পার্থ বলেন, বিজেপি-র ধ্বংসাত্মক রাজনীতির সঙ্গে নিজেকে মেলাতে পারছিলেন না বিশ্বজিৎ। দলের কাছে আবেদন করেন। দল তাঁর আবেদন মঞ্জুর করেছে।২৪ ঘণ্টা আগে একইভাবে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরেছেন বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষ। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলে তন্ময়ের ফেরা নিয়ে বলেছিলেন, তৃণমূল পুলিশের ভয় দেখিয়ে দলে টেনেছে।

আগস্ট ৩১, ২০২১
রাজ্য

Take Oath: দিল্লি ও ত্রিপুরা জয়ের শপথ নিলেন পূর্ব বর্ধমানের সকল নেতা, মন্ত্রী ও বিধায়করা

মোদি ও অমিত শাহ একাধিকবার প্রচারে এসেও পদ্ম ফোটাতে পারেননি পূর্ব বর্ধমানে। এই জেলার ১৬টি বিধানসভা আসনেই বিজেপি প্রার্থীদের পরাজিত করে জয়ী হয় তৃণমূল প্রার্থীরা। ঘাসফুল দুর্গ অটুট রাখতে পারা সকল বিধায়ককে রবিবার সম্বর্ধনা দিল জেলার জামালপুর ব্লক তৃণমূল নেতৃত্ব।এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠান থেকেই শ্লোগান উঠলো আর নয় মোদি- ২৪ শে দিল্লির মসনদে চাই দিদি।আরও পড়ুনঃ নিহত বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে গেলেও সিবিআই গরহাজির হত দুই তৃণমূল কর্মীর বাড়ি, বিতর্ক চরমেএদিন জামালপুর থানা সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত হয় তৃণমূলের নেতা, মন্ত্রী ও বিধায়কদের সম্বর্ধনা অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানের আয়োজক ব্লক তৃণমূলের সভাপতি মেহেমুদ খাঁন, যুব সভাপতি ভূতনাথ মালিক ও জামালপুর বিধানসভার বিধায়ক তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি আলোক মাঝি। এদিনের সভায় জেলার বিধায়করা ছাড়াও জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, রাজ্যের মন্ত্রী স্বপনদেবনাথ, মুখ্যমন্ত্রীর কৃষি উপদেষ্টা তথা দুর্গাপুরের বিধায়ক প্রদীপ মজুমদার, জেলাপরিষদ সভাধিপতি শম্পা ধারা, সহ সভাধিপতি দেবু টুডু উপস্থিত ছিলেন। সংবর্ধনা সভায় তৃণমূলের কর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল নজরকাড়া।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় রাজ্যে প্রথম, নদিয়া থেকে গ্রেপ্তার ২তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় এদিন বলেন, এই সংবর্ধনা সভা আসলে ২০২৪-এ বিজেপিকে কেন্দ্র থেকে উৎখাত করার শপথ নেওয়ার সভা। বিধানসভা ভোটে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক পায়ে খেলে বিজেপিকে পর্যুদস্ত করেছে। মোদি, অমিত শাহর বংলা জয়ের স্বপ্ন এক পায়ে খেলেই ভঙ্গ করে দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। ২০২৪-এ দলনেত্রী দুপায়ে খেলবেন। দলের সবাইকে এই সভা থেকেই শপথ নিতে হবে কেন্দ্র থেকে বিজেপিকে উৎখাতের জন্য। এখন থেকেই শ্লোগান তুলতে হবে আর নয় মোদি, ২৪ শে দিল্লির মসনদে চাই দিদি। অন্যদিকে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন, ভোটে ভরাডুবির পর বিজেপির এখন ভরসা সিবিআই আর ইডি। তবে বিজেপি যতই সিবিআই ও ইডি এই রাজ্যে পাঠাক না কেন লাভ কিছু হবে না। এবার ত্রিপুরাতে ঘাসফুল ফুটবে। কেন্দ্র থেকে বিজেপি সরকারকে উৎখাত করার জন্য তৃণমূল কংগ্রেস লড়াই চালাবে। সেই লড়াই আন্দোলনেও দিশা দেখাবেন এই বাংলার মানুষ।

আগস্ট ৩০, ২০২১
রাজ্য

Bankura BJP: স্বামী-সন্তান ছেড়ে পালিয়ে বিয়ে করলেন চন্দনা বাউড়ি! কী বলছেন বিধায়িকা?

বাঁকুড়ার শালতোড়ার বিজেপি বিধায়ক চন্দনা বাউড়ির বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ উঠল। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বামী-সন্তানকে ছেড়ে গাড়ির চালককে বিয়ে করেছেন চন্দনা। সেই মর্মে বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাটি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন অভিযুক্ত গাড়িচালক কৃষ্ণ কুণ্ডুর স্ত্রী রুম্পা কুণ্ডু। যদিও যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চন্দনা। স্বামী শ্রবণের সঙ্গে পারিবারিক গোলমালকেই রাজনৈতিক উদ্দেশে অন্য কারণ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ ফের বাড়ছে দৈনিক সংক্রমণ, চিন্তা বাড়াচ্ছে কেরলগরিব ঘরের বধূ চন্দনা বাউড়ি বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পর থেকেই খবরের শিরোনামে থেকেছেন। ভোটের প্রচারে বাঁকুড়া এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও চন্দনার কথা আলাদা করে বলেছিলেন। সেই চন্দনা সম্পর্কে পরকীয়ার খবর নিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই নানা জল্পনা শুরু হয়। বিজেপি-র পক্ষ থেকে অবশ্য এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি দুপুর পর্যন্ত। তবে চন্দনা তাঁর স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে একটি ফেসবুক লাইভ করে তাঁদের বক্তব্য প্রকাশ্যে জানান। সেখানেও তিনি গোটা বিষয়টিকেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। তবে জেলা বিজেপি-র একাংশের দাবি, কৃষ্ণ গাড়িচালক নন। তিনি শালতোড়া বিধানসভার দলীয় কো-কনভেনর।আরও পড়ুনঃ অতিরিক্ত টোল আদায়, অভব্য আচরণের অভিযোগ বালি টোল সংস্থার বিরুদ্ধেপুলিশ জানিয়েছে, বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাটি থানায় বধূ নির্যাতনের অভিযোগ দায়ের হয়েছে চন্দনার বিরুদ্ধে। গাড়িচালক কৃষ্ণর স্ত্রী রুম্পার দাবি, বুধবার রাতে চন্দনা এবং কৃষ্ণা বিয়ে করেছেন। পুলিশের একাংশের দাবি, বিবাহের বিষয়টি নাকি পুলিশের কাছে চন্দনা স্বীকার করেছেন। যদিও চন্দনার দাবি, তিনি একেবারেই তা বলেননি। পুলিশের একাংশের ওই দাবি অসত্য। প্রসঙ্গত, চন্দনা এবং কৃষ্ণ দুজনেই নিজের নিজের জীবনে বিবাহিত। তাঁদের সন্তানও রয়েছে। অভিযোগ পেয়ে গঙ্গাজলঘাটি থানার পুলিশ চন্দনা ও কৃষ্ণর বিরুদ্ধে ৪৯৮-এ ধারায় বধূ নির্যাতনের মামলা রুজু করেছে।এ ছাড়াও,৫০৬ ধারায় দুজনের বিরুদ্ধেই ভয় দেখানোর অভিযোগও আনা হয়েছে।

আগস্ট ১৯, ২০২১
রাজ্য

Pandaveshwar: চরম বিক্ষোভের মুখে প্রাক্তন বিধায়ক, ধুন্ধুমার পান্ডবেশ্বরে

অসুস্থ বিজেপি কর্মীকে দেখতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন পাণ্ডবেশ্বরের প্রাক্তন বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি। তাঁকে কার্যত গালিগালাজ করে হেনস্তা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস, অভিযোগ করেছেন জিতেন্দ্র তেওয়ারি। যদিও তৃণমূল এই ঘটনার দায় নিতে নারাজ। প্রাক্তন বিধায়ক তথা বিজেপি নেতাকে ঘিরে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে তুলকালাম কান্ড ঘটে যায় পান্ডবেশ্বরের খোট্টাডিহিতে।আরও পড়ুনঃ অশান্ত আফগানিস্তানের জন্য শান্তির আবেদন ক্রিকেটার রশিদ খানেরঅসুস্থ বিজেপি কর্মী সোনালী গিরির সঙ্গে দেখা করতে বুধবার খোট্টাডিহি যান জিতেন্দ্র তেওয়ারি। অভিযোগ, তখন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা জিতেন্দ্র তিওয়ারির নাম করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে শুরু করে। একইসঙ্গে সোনালী গিরির বাড়ির বাইরে স্লোগান দেয়। সোনালী গিরির বাড়িতে পাথর ছোড়া হয় বলেও অভিযোগ। সোনালী গিরির সঙ্গে দেখা করার পর বেরিয়ে আসার সময় তৃণমূল সমর্থকরা তাঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ করেছেন জিতেন্দ্র তিওয়ারির।জিতেন্দ্র তিওয়ারি বলেন, একজন ব্যক্তির খারাপ সময়ে তাঁর খবর নেওয়া কি অপরাধ? একজন নাগরিক হিসেবে আমি যে কোন জায়গায় যেতে পারি। জিতেন্দ্রবাবু জানান, সম্প্রতি সেনালী গিরির টিউমারের অস্ত্রোপচার হয়েছে। আমি সোনালী গিরির বাড়িতে গিয়ে মানবিক ভাবে তাঁর স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিলাম। এটাকে রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা ভুল। এখানে আসা নিয়ে একদিন আগে স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসনকে জানানো হয়েছিল। তা সত্ত্বেও, পুলিশের উপস্থিতিতে নিন্দনীয় কাজ করে তৃণমূলের লোকেরা। জিতেন্দ্র তিওয়ারির হুঁশিয়ারি, ভয় দেখিয়ে আমাকে আটকানো যাবে না। আমি যখন খুশি আমার দলের কর্মীদের সাথে দেখা করতে পারি।আরও পড়ুনঃ বিধায়কের ফেসবুক পোস্ট নিয়ে বিভ্রান্তি হুগলির তৃণমূলে, মুচকি হাসছে গেরুয়া শিবিরপাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী জানান, এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। সোনালী গিরি নামে পাণ্ডবেশ্বরের ওই বিজেপি কর্মী একসময় চাকরি দেওয়ার নাম করে লোকের কাছে টাকা নিয়েছিলেন। আজ এলাকার মানুষজন তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলেন। তখন প্রাক্তন বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে মানুষ তাঁর ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ করে। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনেও যোগ নেই।

আগস্ট ১১, ২০২১
রাজ্য

Khokan Das: এবার দলের কর্মীদের দিয়ে পায়ে জুতো গলিয়ে বিতর্কে বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক

দলের কর্মীরাই দলের সম্পদ। দলীয় সভা থেকে একথা হামেশাই বলে থাকেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে অহংকারহীন ব্যবহারের পরামর্শও দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের দিয়েছেন। কিন্তু নেত্রী এমনটা বললেও দলের দুই কর্মীর বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাসের পায়ে জুতো পরিয়ে দেওয়ার ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই বিতর্ক চরমে উঠেছে। যদিও বিধায়ক খোকন দাস বৃহস্পতিবার দাবি করেছেন, সব বাজে কথা। কোনও সরকারী লোক আমার পায়ে জুতো পরিয়ে দেয়নি। আমার নিজের লোক, আমার ভাইয়ের ব্যাটাই আমার পায়ে জুতোর চেনটা ঢুকিয়ে দেয়। বিরোধীদের কাজ নেই। তাই এইসব নিয়ে অহেতুক বিতর্ক তৈরি করছে বলে খোকন দাস মন্তব্য করেন।আরও পড়ুনঃ পুরসভার কর্মী বদলিতে বিধায়কের সম্মতি! শোরগোল বর্ধমানে ঘটনা সূত্রে জানা গিয়েছে, কিশোর কুমারের জন্মদিন উপলক্ষ্যে বুধবার বর্ধমান পৌরসভার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে রাধারানী স্টেডিয়ামে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। ওই রক্তদান শিবিরের আনুষ্ঠানিক সূচনা করতে উপস্থিত হন বিধায়ক খোকন দাস সহ একাধিক নেতা। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে সেখানে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের আগে খোকন দাস তাঁর পায়ের জুতো খোলেন। জাতীয় পতাকা উত্তোলন শেষে তিনি তাঁর জুতোয় পা দিতেই দুই যুবক জুতো পায়ে গলাতে তাঁকে সাহায্য করছে। জুতোর পিছনের অংশ পায়ে গলিয়েও দিতে দেখা যায় এক যুবককে। এই ভিডিও নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হতেই শুরু হয়ে যায় বিতর্ক। কারণ, যে দুই যুবককে বিধায়কের পায়ে জুতো পরিয়ে দিতে দেখা গিয়েছে তাঁরা দলেরই কর্মী। জানা গিয়েছে, তাঁদের একজনের নাম অমিত মল্লিক আর অপর জনের নাম শেখ চাঁদ। বিধায়ক খোকন দাসের সঙ্গেই তাঁরা সবসময়ে থাকেন। বুধবার বিধায়কের ওয়ার্ডের শাসকদলের এক কর্মী ফেসবুক লাইভে বিজেপির নাম ও নিশান ঘুচিয়ে দেবার হুমকি দেন। সেই ফেসবুক লাইভ নিয়েও শোরগোল পড়ে বর্ধমানের রাজনৈতিক মহলে। এরপর বিধায়ক খোকন দাসকে জুতো পরানোর ভিডিও ভাইরাল হতেই বিতর্কেরঝড় বইতে শুরু করেছে। উল্লেখ্য, বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক এই প্রথম বিতর্কে জড়ালেন এমন নয়। ইতিপূর্বে বর্ধমান পৌরসভার টেন্ডার কমিটির মিটিংয়ে থেকে তিনি বিতর্কে জড়িয়েছিলেন। এছাড়াও, বিজেপি সাংবাদিকদের মদ আর টাকা দিয়ে কিনে ক্ষমতায় আসতে চেয়েছিল বলে প্রকাশ্য সভা থেকে মন্তব্য করেও বিধায়ক খোকন দাস বিতর্কে জড়িয়ে ছিলেন।বিজেপির বর্ধমান শহর কমিটির আহ্বায়ক কল্লোল নন্দন বলেন, তৃণমূল নেতা ও বিধায়কদের অহংকার মানুষ এখন দেখছে। তৃণমূলের বিধায়ককে জুতোও এখন পায়ে পরিয়ে দিতে হচ্ছে।এর থেকে দুঃখজনক আর কিছু হতে পারে না !

আগস্ট ০৫, ২০২১
রাজ্য

Tree Thief: গাছ চুরির এফআইআরে নাম, পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বিধায়ক ঘনিষ্ট তৃণমূলের জয়হিন্দ বাহিনীর নেতা

প্রশাসনের করা এফআইআরে অভিযুক্ত হিসাবে চিহ্নিত হলেন গাছ চুরির তদন্ত চেয়ে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দায়ের করা তৃণমূল নেতাই। পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ বিধানসভার বিধায়ক নবীনচন্দ্র বাগের ঘনিষ্ট ওই তৃণমূল নেতা হলেন গুল মোহম্মদ মোল্লা ওরফে গুলু। তিনি আবার যে সে নেতা নন। তিনি জেলার গলসি ২ ব্লকের তৃণমূলের জয়হিন্দ বাহিনীর সভাপতি। এই ঘটনা জানাজানি হতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে গলসির রাজনৈতিক মহলে। অবিলম্বে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা গুল মহম্মদকে গ্রেপ্তারের দাবি করেছেন গলসির মসজিদপুর এলাকার বাসিন্দারা। এদিকে বহু লক্ষাধিক টাকা মূল্যের গাছ চুরির ঘটনায় দলের নেতাই অভিযুক্ত বনে যাওয়ায় অস্বস্তিতে পড়ে গিয়েছেন তৃণমূল নেতৃত্ব।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গলসি ২ ব্লকের মসজিদপুর পঞ্চায়েত এলাকায় রয়েছে ফকিরচন্দ্র রায় রোড। ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ ওই সড়কপথের দুই ধারে বহু সোনাঝুরি, শিরিষ, বাবলা সহ অন্য মল্যবান গাছ লাগিয়েছিল পঞ্চায়েত। গত ৫ জুলাই থেকে ১১ জুলাইয়ের মধ্যে ওই রাস্তার দুই ধারে থাকা প্রায় ২ হাজার গাছ কেটে পাচার করে দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী প্রথমে মনে করেন পঞ্চায়েতের অনুমতিতে গাছ কাটা হয়েছে। পরে তাঁরা জানতে পারেন গাছ কাটার ব্যাপারে পঞ্চায়েত কাউকে কোন অনুমতি দেয়নি ,গাছ কাটার টেন্ডারও পঞ্চায়েত ডাকেনি। এরপরেই এলাকার বাসিন্দারা বিষয়টি বিডিওকে অভিযোগ জানান। তাঁদের অভিযোগের তীর ব্লকের জয়হিন্দ বাহিনীর সভাপতি গুল মহম্মদ মোল্লার দিকে।আরও পড়ুনঃ একনজরে টোকিও অলিম্পিক ভিলেজের অন্দরমহলএই ঘটনা জানার পর নিজেকে সাধু প্রমাণ করতে তড়িঘড়ি আসরে নামেন গুল মহম্মদ। গত ২৩ জুলাই তিনি ব্লকের বিডিওর কাছে অভিযোগ দায়ের করে গাছ চুরির তদন্ত ও ঘটনায় অভিযুক্তদের আইনানুগ শাস্তির দাবি করেন। গাছ চুরি নিয়ে একের পর এক অভিযোগ জমা পড়ার পর তদন্তে নামেন বিডিও সঞ্জীব সেন। তদন্তে সারবত্তা পেয়ে ২৫ জুলাই তিনি ৭ জনের নামে গলসি থানায় এফআইআর দায়ের করেন। সেই এফআইআর-এ রয়েছে গুল মহম্মদ মোল্লার নাম। এফআইআরের ভিত্তিতে লক্ষ লক্ষ টাকা মূল্যের গাছ কেটে পাচারের ঘটনায় গলসি থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।তার মধ্যে ৬ জনের নাম এফআইআরে রয়েছে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে চুরি হওয়া ৪৮০টি কাটা গাছের লগ। এত কিছুর পরেও গুল মহম্মদ গ্রেপ্তারি এড়াতে পালিয়ে বেড়ানোয় মসজিদপুর এলাকার বাসিন্দা মহলে ব্যাপক ক্ষোভ-বিক্ষোভ ছড়িয়েছে। পুলিশ যদিও গুল মহম্মদকে গ্রেপ্তারের জন্য হন্যে হয়ে তার সন্ধান চালাচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, গুল মহম্মদ যতই পালিয়ে বেড়াক না কেন সে গ্রেপ্তারি থেকে রেহাই পাবে না।আরও পড়ুনঃ স্বস্তিকার কাছে টাকা চাইলেন পরমব্রত!খণ্ডঘোষের তৃণমূল বিধায়ক নবীনচন্দ্র বাগ অবশ্য এখন গুল মহম্মদ মোল্লার নামটাই মনে করতে পারছেন না। এদিন তিনি বলেন, কাকে আমার প্রতিনিধি করেছিলাম মনে নেই। ব্লক অফিসে প্যাড রাখা থাকে। সেখান থেকে কিছু হয়ে থাকতে পারে। তবে কেউ যদি আমার নাম ব্যবহার করে কোন অপরাধ করে থাকে, তাহলে সে শাস্তি পাবে। অন্যদিকে গলসি ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তথা প্রাক্তন ব্লক সভাপতি বাসুদেব চৌধুরী বলেন, গুল মহম্মদ মোল্লা ওরফে গুলু বিধায়ক নবীনচন্দ্র বাগের প্রতিনিধি হিসেবেই তাঁদের এলাকায় কাজ করতেন। ব্লকের অফিসের মিটিংয়েও গুল মহম্মদ বিধায়ক প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত থাকতেন। তবে এখন গুল মহম্মদ কোথায় সেটা বলতে পারবেন না বলে জানান পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি।

আগস্ট ০৪, ২০২১
রাজ্য

Raina: রায়নায় শুরু ’দুয়ারে কাস্ট সার্টিফিকেট প্রদান’ কর্মসূচি

দুয়ারে সরকার কর্মসূচির অনুকরণে এবার শুরু হল দুয়ারে জাতিগত শংসাপত্র প্রদান। পূর্ব বর্ধমানের রায়না বিধানসভার রায়না ২ ব্লকের ৩ হাজার জনের বাড়িতে বৃহস্পতিবার জাতিগত শংসাপত্র (কাস্ট সার্টিফিকেট ) পৌছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। রায়নার বিধায়ক তথা জেলাপরিষদ সভাধিপতি শম্পা ধাড়া দুয়ারে জাতিগত শংসাপত্র পৌছে দেওয়ার কর্মসূচী নেওয়ায় খুশি রায়নার বাসিন্দারা।আরও পড়ুনঃ নোরার হট ছবি, ইনস্টাগ্রামে ভাইরালবিধানসভা ভোটের প্রাক্কালে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে শুরু হয় দুয়ারে সরকার কর্মসূচি। রাজ্য সরকারের চালু করা এই কর্মসূচি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। এর পর থেকেই দুয়ারে রেশন, দুয়ারে পুলিশ প্রভৃতি কর্মসূচি নেওয়া হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে। বিধায়ক শম্পা ধাড়া নিজে উদ্যোগ নিয়ে রায়নায় শুরু করলেন দুয়ারে জাতিগত শংসাপত্র প্রদান কর্মসূচি। যা জানমানসে সাড়া ফেলে দিয়েছে।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?বিধায়ক শম্পা ধারা এদিন রায়না ২ ব্লকের আরুই গ্রাম পঞ্চায়েতের আলমপুর গ্রাম থেকে এই কর্মসূচির সূচনা করেন। ব্লকের বিডিও অনিষা যশ জানান, এদিন ৩ হাজার জনের বাড়ি বাড়ি জাতিগত শংসাপত্র পৌছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে । বিধায়ক শম্পা ধাড়া বলেন,আগে কাস্ট সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য মানুষজনকে চূড়ান্ত হয়রানি হতে হত। দপ্তরে ঘুরে ঘুরে হয়রান হয়েও মিলতো না কাস্ট সার্টিফিকেট। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদ্যোগী হওয়ায় কাস্ট সার্টিফিকেট পাওয়ার জটিলতার দিন শেষ হয়। এখন ঘরে বসেই মানুষজন জাতিগত শংসাপত্র অর্থাৎ কাস্ট সার্টিফিকেট পেয়ে যাচ্ছেন। বাড়িতে বসেই কাস্ট সার্টিফিকেট পেয়ে রায়নার বাসিন্দারা খুশী বলে শম্পা ধারা দাবি করেন।আরও পড়ুনঃ একনজরে টোকিও অলিম্পিক ভিলেজের অন্দরমহলআরুইগ্রামের বাসিন্দা তমাল রুইদাস বলেন, কাস্ট সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য বহুবার দপ্তরে গিয়েছিলেন। কিন্তু তখন হতাশ হয়েই তাঁকে ফিরতে হয়। কিন্তু এদিন ঘরে বসেই কাস্ট সার্টিফিকেট পেয়ে যথেষ্টই খুশি বলে তমাল রুইদাস জানান। অপর বাসিন্দা সুমিত্রা দাস বলেন, যে কাস্ট সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য হন্যে হয়ে ঘুরছিলেন সেই কাস্ট সার্টিফিকেট একেবারে বাড়ির দুয়ারে এসে কেউ দিয়ে যাবে সেটা কল্পনাও করতে পারেননি। এ এক অভাবনীব কর্মসূচি বলে সুমিত্রা দাস মন্তব্য করেন।আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়াএদিনের দুয়ারে জাতিগত শংসাপত্র প্রদান কর্মসূচিতে রায়নার বিধায়ক শম্পা ধাড়া ছাড়াও মহকুমাশাসক (দক্ষিণ) কৃষ্ণেন্দু কুমার মণ্ডল, বিডিও অনিশা যশ, যুগ্ম বিডিও পার্থসারথি রায় চৌধুরী, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পার্বতী ধারা মালিক সহ অন্য জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

জুলাই ২৯, ২০২১
রাজ্য

Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর বিরুদ্ধে এফআইআর

সোমবারই জেলার পুলিশ সুপারকে কাশ্মীর বদলির হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই ঘটনার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই শুভেন্দু অধিকারী-সহ একাধিক বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে এক ডজন স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করল পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশ।করোনাকালে সরকারি নিয়ম লঙ্ঘন করে জমায়েত করা-সহ একাধিক কারণে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। তমলুক থানার পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিতভাবে এই মামলা করেছে। এফআইআরে শুভেন্দু ছাড়াও নাম রয়েছে একাধিক বিজেপি বিধায়ক এবং নেতাদের। ময়নার বিধায়ক অশোক দিন্ডা, ভগবানপুরের বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ মাইতি, খেজুরির বিধায়ক শান্তনু প্রামাণিক, দক্ষিণ কাঁথির বিধায়ক অরূপ কান্তি দাস এবং হলদিয়ার বিধায়ক তাপসী মণ্ডলের নাম রয়েছে এই এফআইআর-এ।আরও পড়ুনঃ টোকিওতে কেন গেমস ভিলেজে থাকছেন না ১ নম্বর মহিলা টেনিস তারকা?ভোটের ফল প্রকাশের পর বিজেপি কর্মীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো থেকে একাধিক অভিযোগে সোমবার তমলুকে জেলা পুলিশ সুপারের অফিস ঘেরাও করে বিজেপি। জেলার বিজেপি বিধায়ক ছাড়াও সেই সভায় হাজির ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। সেই সমাবেশ থেকেই পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা পুলিশ সুপার অমরনাথকে কাশ্মীরে বদলির হুমকি দেন তিনি।পুলিশ সূত্রে দাবি, বেআইনি জমায়েত, সরকারি কাজে বাধাদান, পুলিশের ফোনে আড়িপাতা, পুলিশকে হুমকি দেওয়া, ষড়যন্ত্র-সহ একাধিক অভিযোগে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভারতীয় দণ্ডবিধির ১০ টির বেশি ধারা প্রয়োগ করা হয়েছে বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে।

জুলাই ২০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

June Malia : নতুন সিনেমার শুটিং শুরু করলেন জুন মালিয়া

বিধায়ক হওয়ার পর প্রথমবার শ্যুটিং ফ্লোরে ফিরলেন অভিনেত্রী জুন মালিয়া। সৌজন্যে পরিচালক পীযূষ গঙ্গোপাধ্যায়ের ছবি জালবন্দি। শনিবার টুইট করে সেই ভিডিয়ো শেয়ার করেছেন তিনি। রাজনীতিতে আসার পর প্রথমবার শুটিং ফ্লোরে তাঁকে দেখা গেল। চোখে বড় রোদচশমা, মুখে হাল্কা মেকআপ, ক্যাজুয়াল পোশাকে ধরা দিয়েছেন জুন। সেট প্রস্তুত করছেন টেকনিশিয়ানরা, ভিডিয়োতে উঠে এসেছে তারই ঝলক। ক্যাপশনে অভিনেত্রী লেখেন, আপনি কতটা মাল্টিটাস্ক করতে পারেন এবং সামঞ্জস্য রক্ষা করতে পারেন, সেটাই সব। বিহাইন্ড দ্য সিন। পরিচালক পীযূষ গঙ্গোপাধ্যায়ের ছবি জালবন্দি-র ফ্লোর থেকে। এই সিনেমায় জুন মালিয়া ছাড়াও অভিনয় করবেন টলিউডের বেশ কিছু পরিচিত মুখ।আরও পড়ুনঃ ইচ্ছে ছবির ১০ বছর, আবেগে ভাসলেন পরিচালকবিধানসভা ভোটের আগে আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূলে যোগদান করেন জুল মালিয়া। এবারই প্রথম নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি। প্রচারে কোনও খামতি রাখেননি জুন। ২০২১ বিধানসভা ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসের হেভিওয়েট তারকা প্রার্থীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন জুন। মেদিনীপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হন প্রথমবারেই। জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাজের পাশাপাশি অভিনয়কেও সমান তালে বজায় রেখেছেন নায়িকা। জালবন্দি-র পাশাপাশি অরিন্দম শীলের খেলা যখন-এ যাবে তাঁকে। প্রথমবার একসঙ্গে কোনোও ছবিতে অভিনয় করবেন বিধায়ক জুন এবং সাংসদ মিমি।Its all about how you can multitask and strike a balance ! Behind the scenes ! From the floors of Jaalbandi directed by Piyush Ganguly pic.twitter.com/Rfs1mdlBfJ June Maliah (@MaliahJune) July 17, 2021

জুলাই ১৮, ২০২১
কলকাতা

Sadhan Pandey: ভেন্টিলেশনে সাধন পাণ্ডে

ফের অসুস্থ তৃণমূল বিধায়ক সাধন পাণ্ডে (Sadhan Pandey)। সূত্রের খবর, শুক্রবার শ্বাসকষ্ট ও অস্বাভাবিক রক্তচাপের সমস্যা শুরু হয় মানিকতলার বিধায়কের। তড়িঘড়ি তাঁকে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, কাশি ও ফুসফুসের গুরুতর সংক্রমণে ভুগছিলেন সাধন পাণ্ডে। শুক্রবার সন্ধ্যায় তাঁর শারীরিক অবস্থায় আচমকা অবনতি হয়।আরও পড়ুনঃ বিহারে বিষমদের বলি ১৬জানা গিয়েছে, প্রবীণ তৃণমূল নেতা সাধনবাবু হার্টবিট এবং রক্তচাপ অস্বাভাবিক। তাছাড়া শ্বাসকষ্টেরও সমস্যা দেখা যায় তাঁর। এর পরই তাঁকে এদিন সন্ধেবেলা কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এখন আচ্ছন্ন অবস্থায় আইসিইউ-তে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি। সংকটজনক হলেও আপাতত সাধনবাবুর শারীরিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল বলে খবর। জানা গিয়েছে, সাধন পাণ্ডের চিকিৎসার জন্য চার সদস্যের মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। সেখানে ফুসফুসরোগ বিশেষজ্ঞ ছাড়াও রয়েছেন এন্ডোক্রিনোলজিস্ট, মেডিসিনের বিশেষজ্ঞ রয়েছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন দীর্ঘদিন ধরেই বিধায়কের সিওপিডি (COPD) রয়েছে। তাঁর ফুসফুস সম্পূর্ণ কাজ করে না। রয়েছে কিডনির সমস্যা।

জুলাই ১৭, ২০২১
রাজ্য

Petrol Hike: পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির অভিনব প্রতিবাদ, ’ডোঙার' সাহায্যে জল সেচ তৃণমূল বিধায়কের

জ্বালানির আঁচে জ্বলছে গোটা দেশ। ১০০ পেরিয়েছে লিটার প্রতি পেট্রোলের দাম। ডিজেলের দামও ১০০ ছুঁইছুঁই। জ্বালানির এই অগ্নিমূল্যের প্রভাবে সংকট তীব্র হবে রাজ্যের কৃষিক্ষেত্র। সেচের কাজে পাম্প মেশিন ছেড়ে চাষিদের ফের ডোঙা ব্যবহারেই ফিরতে হবে। সোমবার রথযাত্রার দিন ডোঙায় জল সেচ করে নিজের চাষজমি কর্ষণ কাজের শুভারম্ভ ঘটিয়ে সেই বার্তাই দিলেন বর্ধমান উত্তরের তৃণমূল বিধায়ক নিশীথ মালিক। বিধায়কের এই বার্তা রাজ্যের শস্যগোলা বলে পরিচিত পূর্ব বর্ধমান জেলার কৃষক মহলকেও ভাবিয়ে তুলেছে। তবে বিধায়কের এদিনের কর্মকাণ্ডকে নাটক বলেই মনে করছেন বিজেপি নেতৃত্ব।বর্ধমান ২ ব্লকের গোবিন্দপুর পঞ্চায়েতের হাটকান্ডা গ্রামে বাড়ি বিধায়ক নিশীথ মালিকের। তাঁর পরিবারের সকলেই কৃষিজীবী। পরিবারের চাষবাস বিধায়ক নিজেই দেখেন । বরাবরই জমিতে নেমে চাষ-আবাদের কাজ তিনি নিজেই তদারকি করেন ।প্রতিবছরের মতো এবছরও রথযাত্রা উৎসবের দিন বিধায়ক নিশীথ মালিক তাঁদের পারিবাবিক চাষ জমির কর্ষণ কাজ শুরু করেন । এদিন বাড়িতে থাকা সাবেকি আমলের ডোঙা কাঁধে নিয়েই বিধায়ক জমির উদ্দেশ্যে রওনা নেন । বহুকাল পর ডোঙা নিয়ে নিশীথ মালিককে চাষের জমির দিকে যেতে দেখে এলাকার অন্য চাষিরা কার্যত তাজ্জব বনে যান । ডোঙা নিয়ে জমিতে পৌছে বিধায়ক নিশীথ মালিক প্রথমে ডোঙার সাহায্যে তাঁদের ধান জমিতে জল সেচ করেন। এর পরেই শুরু হয় তাঁর জমির কর্ষণ কাজ। কর্ষণ কাজ পুরোপুরি শেষ হবার পর জমিতে আউশ ধান রোয়ার কাজ শুরু হবে।বেশ কয়েক বছর ধরে পাম্প মেশিনের সাহায্যে জমিতে জল সেচ করে চাষাবাদের কাজ করে আসছেন নিশীথ মালিক ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু হঠাৎ করেই পাম্প মেশিন ছেড়ে বাবা ঠাকুরদার আমলের ডোঙা নিয়ে জমিতে কেন জল সেচ করতে হল? এই প্রশ্নের উত্তরে বিধায়ক নিশীথ মালিক বলেন, দেশে পেট্রোল, ডিজেল ও রান্নার গ্যাস এখন অগ্নিমূল্য। পেট্রোলের লিটার প্রতি মূল্য ১০০ পার হবার পর এখন ডিজেলও ১০০ ছুঁইছুঁই । অগ্নিমূল্য জ্বালানি তেল পাম্প মেশিনে ভরে জল সেচ করে ধান চাষ করতে গেলে চাষের খরচ বহুগুণ বেড়ে যাবে। খরচ বেড়ে গেলে চাষিরা চাষ করেও লাভের মুখ দেখতে পাবেন না। নিশীথ বলেন, পেট্রোপণ্যের এমন মূল্য বৃদ্ধির কারণে তিনি বাবা ঠাকুরদার আমলে সেচের কাজে ব্যবহৃত ডোঙা দিয়েই তাই জমিতে সেচের কাজ সারলেন ।একই সঙ্গে তিনি জেলার কৃষিজীবী মহলকে এই বার্তাও দিলেন, কেন্দ্রে মোদি সরকারের দৌলতে পেট্রোল, ডিজেলের দাম এখন যে জায়গায় পৌঁছেছে তাতে সবাইকেই এবার সেই ডোঙা নিয়েই চাষের কাজে ফিরতে হবে । ডোঙা নিয়ে জমিতে জল সেচ করাটা একপ্রকার তাঁর পেট্রৌপণ্যের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদ বলেও এদিন বিধায়ক নিশীথ মালিক মন্তব্য করেন। তৃণমূল বিধায়কের এমন প্রতিবাদকে নাটক বলে বলে কটাক্ষ করেছেন জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি প্রবাল রায়। তিনি দাবি করেন, দেশের কৃষকদের স্বার্থের কথা কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি নেতৃত্বাধীন সরকার ভাবে বলেই কৃষকদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা পাঠাচ্ছেন। কৃষকদের প্রতি দরদ থাকলে নাটক, প্রতিবাদ ছেড়ে এই রাজ্যের সরকার নিজেদের অংশের কর কমাচ্ছেন না কেন? পাল্টা সেই প্রশ্ন রেখেছেন জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি।

জুলাই ১২, ২০২১
রাজনীতি

Suvendu-Mamata: "২৩৫-এর দম্ভের মতো ২১৩-এর দম্ভ", তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুর

বামেদের ২৩৫-এর দম্ভ যেন তাড়া করছে তৃণমূল কংগ্রেসকে। এমনই দাবি করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি রাজ্যে ভূয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে কলকাতা পুরসভার পুরপ্রশাসক, বিধায়ক, আইপিএস, আইএএসরা যুক্ত বলে দাবি করেছেন শুভেন্দু। সেই বিষয়ে বৃহস্পতিবার মূলতুবি প্রস্তাব অধ্যক্ষ বাতিল করে দেওয়ায় ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।আরও পড়ুনঃ জন্মদিনে বাড়িতে গিয়ে সৌরভকে শুভেচ্ছা মমতার, দিদিকে দাদার দুর্দান্ত উপহার২০০৬-তে ২৩৫টি আসন পেয়ে বামফ্রণ্ট সরকার বাংলায় ক্ষমতায় ফিরে এসেছিল। সেই বিপুল জনসমর্থনে মাথা ঘুরিয়ে দিয়েছিল বামফ্রণ্টকে, বিশেষত সিপিএমকে। মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বলেছিলেন, আমরা ২৩৫, আপনারা ৩০। এভাবেই ক্ষমতা জাহির করেছিলেন তিনি। এবার সিপিএম বা বাম প্রতিনিধি বিধানসভায় শূন্য। সেই প্রসঙ্গ টেনে আনেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, সব কথায় ক্ষমতা দেখাচ্ছেন। ২৩৫-এর দম্ভের মতো ২১৩-এর দম্ভ যদি দেখান, তাহলে বিএ কমিটিতে গিয়ে সহযোগিতার হস্ত প্রসারিত করার ক্ষেত্রে আমাদের প্রতিবন্ধকতা আছে। তাই বিএ কমিটির বৈঠকে যাইনি। এটা আমাদের বয়কট নয়। এটা বলতে না দেওয়ার প্রতিবাদ। আরও পড়ুনঃ জেলাশাসক থেকে সফল ব্যবসায়ী, মেধাবী অশ্বিনী এখন দেশের বড় দায়িত্বেভূয়ো টিকা নিয়ে এরইমধ্যে বেশ কয়েকজন গ্রেফতার হয়েছে। একাধিক তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীর সঙ্গে ভূয়ো আইএএস দেবাঞ্জন দেবের ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। শুভেন্দু সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, আজ আমাদের বিধায়ক ভ্যাকসিন কাণ্ড নিয়ে আলোচনার জন্য মূলতুবি প্রস্তাব দেয়। কেন আলোচনা হবে না ভূয়ো টিকা নিয়ে? ভূয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ড নিয়ে মূলতুবি প্রস্তাব বাতিল করা হয়েছে। ভূয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে কলকাতা কর্পোরেশনের পুরপ্রশাসক থেকে একাধিক বিধায়ক, আইপিএস, জনপ্রতিনিধি, ছোট থেকে বড় নেতা সকলেই যুক্ত। তা প্রমাণিত।

জুলাই ০৮, ২০২১
রাজ্য

BJP MLA: সোনামুখীতে আক্রান্ত বিজেপি বিধায়ক

রাজ্যে ফের আক্রান্ত বিজেপি বিধায়ক। রবিবার দলীয় কর্মীদের সঙ্গে দেখা করে বাড়ি ফেরার পথে আক্রান্ত হন বাঁকুড়ার সোনামুখীর বিফায়ক দিবাকর ঘরামি। জানি গিয়েছে, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা দিবাকরবাবুর গাড়ির উপর লাঠি নিয়ে হামলা করে। নিরাপত্তারক্ষীদের তৎপরতায় রক্ষা পান বিজেপি বিধায়ক। যদিও দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত হয়েছে অন্তত ১০ জন বিজেপি কর্মী। জখম সকলকেই সোনামুখী প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। পরে তাদের বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজে রেফার করা হয়। যথারিতি এই হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। আরও পড়ুনঃ গানওয়ালার গান চুরির অভিযোগ, ক্ষোভপ্রকাশ সামাজিক মাধ্যমেজানা গিয়েছে, রবিবার সন্ধেবেলা মানিকবাজারের কাষ্ঠসাঙা গ্রামের দলীয় কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন সোনামুখীর (Sonamukhi) বিজেপি বিধায়ক দিবাকর ঘরামি। তিনি সেখানে কথাবার্তা বলার পর ফেরার পথে মানিকবাজারের কাছে দুষ্কৃতী হামলার মুখে পড়েন।চলে গো ব্যাক স্লোগান।দুপক্ষের সংঘর্ষের মাঝে পড়ে অনেকের মাথা ফেটে যায়, কেউ বা হাতে-পায়ে চোট পেয়েছেন। ঘটনার পরও রাতভর সেখানে উত্তেজনা জারি ছিল। বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষের খবর মিলেছে একাধিকবার। যদিও এই ঘটনায় তৃণমূলের জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে, সবটাই বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। এলাকায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। ঘটনার কথা টুইট করে তীব্র নিন্দা করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, একজন বিধায়কও অবিধায়ক মুখ্যমন্ত্রীর জঙ্গলরাজে নিরাপদ নন।Sonamukhi MLA Dibakar Gharami attacked by TMC goons today at Manikbajar Panchayat area.7 BJP party members accompanying him were seriously injured alongside others had to be referred to Bankura Medical College.An MLA is not even safe in the Non-MLA CMs jungle raj. Horrific pic.twitter.com/Q8UpJqVeTP Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) July 4, 2021উল্লেখ্য, ভোট পরবর্তী হিংসায় রাজ্যে একের পর এক বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের আক্রান্ত হওয়ার, ঘরছাড়া হওয়ার খবর আসছে রাজ্যজুড়ে। এই নিয়ে দিল্লিতে গিয়ে দরবারও করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হাইকোর্টের নির্দেশে রাজ্যে এসেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধিরা। হামলার মুখে পড়তে হয়েছে তাঁদেরও। এই পরিস্থিতিতে ফের একবার আক্রান্ত হলেন বিজেপি বিধায়ক।

জুলাই ০৫, ২০২১
রাজ্য

TMC MLA: সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বিতর্কিত মন্তব্য করলেন তৃণমূল বিধায়ক

দুপয়সার প্রেস বলে সংবাদমাধ্যমকে অপমান করেছিলেন কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র।আর এবার সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে আপত্তিকর মন্তব্য করে বিতর্কে জড়ালেন বর্ধমান দক্ষিণের নবনির্বাচিত তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাস। তাঁর মন্তব্য নিয়ে ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে বর্ধমানের রাজনৈতিক মহলে। তৃণমূল বিধায়কের মন্তব্যের প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছে বিজেপি। আরও পড়ুনঃ বাংলা ভাগের ষড়যন্ত্র-র প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি বাংলা পক্ষরবর্ধমানের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে রবিবার তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে দুঃস্থদের খাদ্যসামগ্রী বিলির অনুষ্ঠান হয়। সেই অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে তৃণমূল বিধায়ক বলেন, এবারেও তৃণমূল কংগ্রেস সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়ে ক্ষমতায় এসেছে। আর একটা রাজনৈতিক দল সাংবাদিকদের মাধ্যমে টাকা দিয়ে, পয়সা ছড়িয়ে, মদের বোতল দিয়ে ভেবেছিল ওরা ক্ষমতা দখল করবে। এভাবে ক্ষমতা দখল করা যায় না। কারণ, বাংলার নেত্রী সব মানুষের মনে রয়েছেন। সাংবাদিকদের নিয়ে তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাসের করা এমন মন্তব্য নিয়েই নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। একদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমস্ত জনসভা ও অনুষ্ঠান থেকে সংবাদমাধ্যমের প্রতি তাঁর সহানুভূতি উজার করে দেন। আর তাঁর দলের সাংসদ ও বিধায়করা কেন একের পর এক সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে কুৎসিত বক্তব্য ছুঁড়ে দিচ্ছেন তা নিয়ে অসন্তোষ সংবাদিকদের মধ্যে। এদিকে, তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাসের করা এদিনের মন্তব্য নিয়ে বিজেপির পূর্ব বর্ধমান জেলার সহ-সভাপতি প্রবাল রায় বলেন, সংবিধান মেনে চলার শপথ নেওয়া একজন বিধায়ক সংবাদমাধ্যমকে জড়িয়ে যে সব মন্তব্য করেছেন তা তীব্র নিন্দনীয়। এর পাশাপশি তিনি বলেন, সাংবাদিকদের বিজেপি গণতন্ত্রের একটা স্তম্ভ বলেই মনে করে। তাদের টাকা কিংবা মদের বোতল দিয়ে কেনবার কথা বিজেপির কেউ ভাবতেও পারে না। বরং বিধায়ক হওয়ার জন্য তৃণমূলের সদস্যরা কি পথ নিয়েছিলেন সেটা ওনারাই ভালো বলতে পারবেন। প্রবালবাবু আরও বলেন, গত বছর সাংসদ মহুয়া মৈত্র দুপয়সার প্রেস বলে সংবাদমাধ্যমকে অপমান করেছিলেন। আর এবার একইরকমভাবে সাংবাদিকদের অপমান করলেন বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়কের। এর বিরুদ্ধে সাংবাদিকদেরই গর্জে উঠতে হবে বলেই তিনি আবেদন করেন।

জুন ২৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

দিল্লিতে বাধা, তাই কেরলে নতুন কৌশল! মোদী সরকারের বিরুদ্ধে পথে অভিজিৎ দীপক, পাশে প্রকাশ রাজ

ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন প্রথম দিকে বেশ সাড়া ফেলেছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই আন্দোলনের প্রভাব কিছুটা কমেছে। এর আগে দিল্লিতে দুবার গ্রেফতার হয়েছেন দলের নেতা অভিজিৎ দীপক ও সৌরভ দাসরা। অন্য দিকে, দিল্লিতে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআরের বিরুদ্ধে আন্দোলনও তেমন জমেনি। তাই এ বার কংগ্রেস শাসিত কেরলের কোচিতে নতুন করে আন্দোলনের কর্মসূচি নিলেন অভিজিৎ দীপকেরা। এসআইআর বিরোধী বিক্ষোভের মঞ্চ থেকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করলেন তাঁরা।সম্প্রতি একাধিক বার গ্রেফতার হয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির নেতারা। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপককেও তাঁর বাড়ি থেকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। তবে গ্রেফতারি বা পুলিশের পদক্ষেপে যে তিনি পিছিয়ে আসবেন না, কোচির সভা থেকে সেই বার্তাই দিলেন তিনি।শনিবার কোচির মেরিন ড্রাইভে মিছিল করেন দলের নেতা ও সমর্থকেরা। এই কর্মসূচি থেকে নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি মোদী সরকারকেও আক্রমণ করেন অভিজিৎ। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিও ওঠে মিছিল থেকে।সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে অভিজিৎ বলেন, জাতীয় পতাকা তোলার জন্য তাঁকে জেলে পাঠানো হয়েছিল। তাঁর দুই সঙ্গী সৌরভ ও আশুকেও একই কারণে জেলে যেতে হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। অভিজিতের কথায়, ব্রিটিশ শাসনের সময় ভারতে এমন ঘটনা ঘটত। স্বাধীনতার পর আবার কেন এই পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিশানা করে অভিজিৎ জানান, আন্দোলন থামাতে গ্রেফতার করা হলেও তিনি পিছিয়ে আসবেন না। আগামী দিনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ কর্মসূচি করবেন তাঁরা। দিল্লি, মহারাষ্ট্র, কেরল কিংবা তামিলনাড়ুযেখানেই তাঁদের আটক করা হোক না কেন, আবার জাতীয় পতাকা তুলে প্রতিবাদ জানাবেন বলে ঘোষণা করেন তিনি।এ দিন কোচির রাস্তায় জাতীয় পতাকা হাতে মিছিলে হাঁটেন ককরোচ জনতা পার্টির বহু সমর্থক। মিছিলের সামনের সারিতে ছিলেন অভিনেতা প্রকাশ রাজ। দলের এই কর্মসূচির নাম দেওয়া হয়েছিল যন্তর মন্তর অ্যাট কোচি। বামপন্থী যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআইও এই কর্মসূচিকে সমর্থন করে। ফলে মিছিলে বেশ ভালো ভিড় দেখা যায়।তবে এই বিক্ষোভ কর্মসূচিকে ঘিরে আরও একটি বিষয় নজর কেড়েছে। মিছিল থেকে একাধিক বার আজাদি স্লোগান ওঠে। সব মিলিয়ে দিল্লিতে বারবার গ্রেফতারির পর কেরলের কোচিতে নতুন করে আন্দোলনের মঞ্চ তৈরি করে কেন্দ্রীয় সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করলেন অভিজিৎ দীপকেরা।

নভেম্বর ০৮, ২০২৬
দেশ

সীমান্তে জওয়ানদের সঙ্গেই দীপাবলি কাটাবেন মোদি! কোথায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী? জল্পনা তুঙ্গে

দেশবাসীকে দীপাবলির শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আলোর উৎসবের দিনে সীমান্তে কর্তব্যরত সেনাদের সঙ্গে সময় কাটানোর কথাও জানালেন তিনি। শনিবার সমাজমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী জানান, প্রতি বছরের মতো এ বারও দীপাবলির দিন দেশের বীর জওয়ানদের সঙ্গে কাটাবেন তিনি। তবে এ বার ঠিক কোন সেনা ছাউনি বা সীমান্ত এলাকায় যাবেন, তা এখনও জানাননি প্রধানমন্ত্রী।ভিডিও বার্তায় মোদি বলেন, দীপাবলির পবিত্র উৎসবে গোটা দেশ আলোয় সেজে উঠেছে। অন্ধকারের বিরুদ্ধে লড়াই এবং নতুন আশার বার্তা দেয় এই উৎসব। দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, দীপাবলি সকলের জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি নিয়ে আসুক।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, অন্য সকলের মতো তিনিও অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে এই উৎসব পালন করেন। তবে দীপাবলির দিন সেনাদের সঙ্গে সময় কাটানো তাঁর কাছে বিশেষ অভ্যাস হয়ে উঠেছে। তাই এ বারও দেশের নিরাপত্তায় সীমান্তে পাহারায় থাকা জওয়ানদের সঙ্গেই উৎসবের দিনটি কাটাবেন তিনি।তবে এ বার প্রধানমন্ত্রীর গন্তব্য কোথায়, তা নিয়ে এখনও কৌতূহল রয়েছে। নিরাপত্তার কারণে সাধারণত শেষ মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রীর সফরের জায়গা প্রকাশ করা হয়। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে প্রতি বছরই সেনা বা নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে দীপাবলি পালন করেছেন মোদি। কখনও সিয়াচেনে, কখনও কাশ্মীরে, আবার কখনও নৌসেনার যুদ্ধজাহাজ আইএনএস বিক্রান্তে গিয়ে জওয়ানদের সঙ্গে উৎসব কাটিয়েছেন তিনি।এ দিন সকালে উপরাষ্ট্রপতি সি পি রাধাকৃষ্ণণের সঙ্গেও দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী। দুজনে একে অপরকে দীপাবলির শুভেচ্ছা জানান। পরে সেই সাক্ষাতের ছবি সমাজমাধ্যমে প্রকাশ করেন মোদি। তিনি জানান, উপরাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে দীপাবলির শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন।এর আগে ধনতেরস উপলক্ষেও দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এ বার দীপাবলির শুভেচ্ছা বার্তার পাশাপাশি সেনাদের সঙ্গে উৎসব কাটানোর কথা জানিয়ে দেশের নিরাপত্তারক্ষীদের প্রতি সম্মান ও কৃতজ্ঞতার বার্তাও দিলেন তিনি।

নভেম্বর ০৮, ২০২৬
বিদেশ

আমেরিকায় দীপাবলির অনুষ্ঠানেই তাণ্ডব! হিন্দুদের ‘দেশছাড়া’র ডাক, ট্রাম্পের মাগা সমর্থকদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

আমেরিকার সিয়াটেলে দীপাবলির অনুষ্ঠান ঘিরে তৈরি হল তীব্র উত্তেজনা। অভিযোগ, উৎসব চলাকালীন সেখানে ঢুকে হিন্দুদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক স্লোগান দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থক কয়েকজন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন কট্টর দক্ষিণপন্থী সমাজকর্মী জেক ল্যাং। শুধু স্লোগান নয়, অনুষ্ঠানে উপস্থিত মানুষদের হেনস্থা ও হামলার অভিযোগও উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমেরিকায় শুরু হয়েছে তীব্র প্রতিবাদ।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সিয়াটেলে দীপাবলির অনুষ্ঠান চলাকালীন সেখানে প্রবেশ করেন জেক ল্যাং এবং তাঁর অনুগামীরা। তাঁদের হাতে ছিল একাধিক প্ল্যাকার্ড। তাতে লেখা ছিল হিন্দু-বিরোধী নানা বার্তা। অভিযোগ, তাঁরা হিন্দুদের আমেরিকা থেকে বহিষ্কারের দাবিও জানান। এমনকি খ্রিস্টানদের দেশে হিন্দুদের কোনও জায়গা নেই বলেও মন্তব্য করেন তাঁরা।এই ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে একটি বিশেষ অবমাননাকর শব্দডট হেড। মূলত কপালে টিপ, তিলক বা সিঁদুর পরা ভারতীয় এবং হিন্দুদের অপমান করতে এই শব্দ ব্যবহার করা হয়। দীপাবলির মতো একটি ধর্মীয় উৎসবের অনুষ্ঠানে এই ধরনের মন্তব্য ঘিরে স্বাভাবিক ভাবেই ক্ষোভ ছড়িয়েছে।ঘটনার পর সমাজমাধ্যমেও সরব হন জেক ল্যাং। সেখানে হিন্দুদের উদ্দেশে কটূক্তি করার পাশাপাশি আমেরিকার রাজনীতিতে তাঁদের ভূমিকা নিয়েও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর দাবি, হিন্দুদের কারণেই আমেরিকায় ডেমোক্র্যাটরা জয়ী হয়েছেন। তাঁর এই মন্তব্য নিয়েও শুরু হয়েছে বিতর্ক।এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন মার্কিন কংগ্রেসের সদস্য তথা ভারতীয় বংশোদ্ভূত ডেমোক্র্যাট নেত্রী প্রমিলা জয়পাল। গোটা ঘটনাকে ঘৃণ্য এবং বর্ণবিদ্বেষী বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। সমাজমাধ্যমে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রমিলা লেখেন, এই ধরনের আচরণ অত্যন্ত নিন্দনীয়। দীপাবলি একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। আমেরিকায় বসবাসকারী হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ যাতে নিরাপদে এই উৎসব পালন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তাঁর কথায়, আমেরিকায় বিদ্বেষের কোনও জায়গা নেই।প্রমিলা জয়পাল ছাড়াও বহু মার্কিন নাগরিক এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন। আমেরিকার একাধিক হিন্দু সংগঠনও ঘটনার নিন্দা করেছে। তাঁদের বক্তব্য, ধর্মীয় উৎসবের অনুষ্ঠানে ঢুকে কোনও সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানো শুধু অগ্রহণযোগ্য নয়, তা আমেরিকার বহুত্ববাদী সমাজের ভাবনারও বিরোধী।দীপাবলির মতো উৎসব যেখানে আলো, আনন্দ এবং সম্প্রীতির বার্তা দেয়, সেখানে এমন ঘটনায় স্বাভাবিক ভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সিয়াটেলের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমেরিকায় হিন্দুদের নিরাপত্তা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

নভেম্বর ০৮, ২০২৬
বিদেশ

কপালে তিলক পরায় স্কুলে বাধা! ছেলেকে অন্যত্র ভর্তি করাতে বাধ্য বাবা, ২৫ হাজার পাউন্ডের মামলা

ছোট থেকেই স্বামীনারায়ণ সম্প্রদায়ের ভক্ত সে। হিন্দু ধর্মাচরণের অঙ্গ হিসাবে কপালে তিলক ও চন্দন পরত। বাড়ির পাশাপাশি স্কুলেও সেই অভ্যাস বজায় রাখতে চাইত ৯ বছরের পড়ুয়া। কিন্তু অভিযোগ, তার কপালে তিলক দেখে আপত্তি জানায় স্কুল কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয় যে ছেলেকে ওই স্কুল থেকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হন বাবা-মা। এ বার পশ্চিম লন্ডনের সেই প্রাথমিক স্কুলের বিরুদ্ধেই মামলা করলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ওই পড়ুয়ার বাবা। তাঁর দাবি, ধর্মাচরণের স্বাধীনতায় বাধা দেওয়া হয়েছে ছেলেকে। ক্ষতিপূরণ হিসাবে ২৫ হাজার পাউন্ড দাবি করেছেন তিনি। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা। মামলাটির এখনও নিষ্পত্তি হয়নি।পশ্চিম লন্ডনের ভাইকারস গ্রিন প্রাথমিক স্কুলে পড়ত ওই ছাত্র। সে স্বামীনারায়ণ সম্প্রদায়ের অনুগামী। বাড়িতে যেমন তিলক ও চন্দন পরত, স্কুলেও একই ভাবে যেত। অভিযোগ, ছাত্রের কপালে তিলক দেখে স্কুল কর্তৃপক্ষ নানা প্রশ্ন করতেন। এমনকি তাকে কটূক্তির মুখেও পড়তে হয়েছিল বলে দাবি পরিবারের। ২০২৫ সালের ওই ঘটনার পর ছেলেকে স্কুল থেকে সরিয়ে অন্য স্কুলে ভর্তি করান তার বাবা-মা।এ বার ওই স্কুলের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন ছাত্রের বাবা। আদালতে জমা দেওয়া হলফনামায় তাঁর অভিযোগ, তিলক পরার কারণে ছেলেকে ক্লাস থেকে বের করে দিয়েছিল স্কুল কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনায় মানসিক ভাবে ভেঙে পড়ে সে। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়েই তাকে ওই স্কুল ছাড়াতে হয়। বাবার দাবি, ছেলের পড়াশোনার খরচ বাবদ ২৫ হাজার পাউন্ড ক্ষতিপূরণ দিতে হবে স্কুলকে।লন্ডনের আশ্রয় নামে একটি আইনি পরামর্শদাতা সংস্থার মাধ্যমে মামলা করেছেন ওই ব্যক্তি। তাঁর আইনজীবী অম্বরীশ লিম্বাচিয়ার দাবি, এই ঘটনা শুধু একটি স্কুল বা এক পড়ুয়ার সমস্যা নয়। তাঁর মতে, ব্রিটেনে প্রত্যেকের নিজের ধর্মবিশ্বাস অনুযায়ী জীবনযাপনের অধিকার রয়েছে। স্কুলে পড়ার সময়েও কোনও পড়ুয়াকে নিজের ধর্মীয় বিশ্বাস বা পরিচয় থেকে দূরে থাকতে বাধ্য করা যায় না।আইনজীবী বলেন, এটি স্বাধীন ভাবে ধর্মাচরণের অধিকারের প্রশ্ন। কোনও পড়ুয়া স্কুলে পড়ছে বলে তার ধর্মীয় বিশ্বাসে বাধা দেওয়া যায় না। ব্রিটেনে প্রত্যেক শিশুর স্বাধীন ভাবে বেড়ে ওঠার অধিকার রয়েছে। সেখানে কোনও ভেদাভেদ থাকার কথা নয়। তাঁর আরও দাবি, ব্রিটেনে প্রায় ১০ লক্ষ হিন্দু নাগরিক রয়েছেন। এই ঘটনার মাধ্যমে তাঁদের ধর্মীয় বিশ্বাসে আঘাত করা হয়েছে। আদালত শিশুদের স্বাধীনতা ও ধর্মাচরণের অধিকারকে গুরুত্ব দিয়ে রায় দেবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।তবে মামলাটির এখনও চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি। স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য বা আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সামনে না আসা পর্যন্ত অভিযোগগুলিকে অভিযোগ হিসাবেই দেখা হচ্ছে।

নভেম্বর ০৮, ২০২৬
দেশ

এক সময় নকশাল হামলায় প্রাণ যেত জওয়ানদের, এখন বদলেছে পরিস্থিতি! বস্তারে দাঁড়িয়ে কী বললেন মোদী?

নকশাল দমনে বড় সাফল্যের দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর দাবি, গত এক বছরে কর্তব্যরত অবস্থায় প্রাণ হারাননি কোনও সিআরপিএফ জওয়ান। রবিবার দীপাবলি উপলক্ষে ছত্তীসগঢ়ের বস্তারে নিরাপত্তাবাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই দেশের নকশালবিরোধী লড়াইয়ের সাফল্যের কথা তুলে ধরেন তিনি। মোদীর দাবি, ২০১৪ সালের পর থেকে মাওবাদী দমনে দেশের পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের নিরাপত্তার জন্য বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার রাজনৈতিক সদিচ্ছা ২০১৪ সালের পর আরও শক্তিশালী হয়েছে। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে শত্রুদের বিরুদ্ধে দৃঢ় মনোভাব এবং সঠিক পরিকল্পনা নিয়ে লড়াই করতে হবে। তাঁর কথায়, একটা সময় নকশাল হামলায় নিরাপত্তাবাহিনীর জওয়ানদের মৃত্যুর সংখ্যা নকশালদের মৃত্যুর সংখ্যার চেয়ে বেশি ছিল। কিন্তু গত এক বছরে কর্তব্যরত অবস্থায় কোনও সিআরপিএফ জওয়ানের মৃত্যু হয়নি। গত ৪৭ বছরের ইতিহাসে এমন ঘটনা এই প্রথম বলে দাবি করেন তিনি।এই সাফল্যের কৃতিত্ব নিরাপত্তাবাহিনীর সাহস, ধৈর্য এবং দৃঢ় মনোভাবের পাশাপাশি সরকারের নীতিকেও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, নকশাল দমনে দীর্ঘদিন ধরে যে সমস্যা ছিল, তা মোকাবিলায় আগের সরকারগুলি যথেষ্ট পদক্ষেপ করেনি।২০০৪ থেকে ২০১৩ সালের পরিসংখ্যান তুলে ধরে পূর্বতন সরকারগুলিকে নিশানা করেন মোদী। তাঁর দাবি, ওই সময়ে প্রতি বছর নকশালদের তুলনায় বেশি সংখ্যায় নিরাপত্তাবাহিনীর জওয়ান প্রাণ হারাতেন। তাঁর অভিযোগ, তৎকালীন সরকারগুলি নকশাল সমস্যাকে এমন একটি রোগ বলে মনে করত, যার কোনও সমাধান নেই। ফলে সমস্যার মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হয়নি।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মাওবাদীরা শুধু নিরাপত্তাবাহিনীর উপরেই হামলা চালায়নি, সাধারণ মানুষকেও নিশানা করেছে। বহু এলাকায় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বাধা দিয়েছে তারা। এমনকি সাধারণ মানুষের ভোট দেওয়ার অধিকারও কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। এক বছরে দেশে প্রায় ২ হাজার নকশাল হামলার ঘটনাও ঘটেছিল বলে জানান তিনি।ছত্তীসগঢ়ের ২০১০ সালের ভয়াবহ হামলার কথাও স্মরণ করেন মোদী। দান্তেওয়াড়ায় নকশাল হামলায় ৭৬ জন সিআরপিএফ জওয়ানের মৃত্যুর ঘটনা উল্লেখ করেন তিনি। ওই বছরই একই জেলায় আরও একটি ঘটনায় ৪৪ জন সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, এত বড় হামলার পরেও তৎকালীন প্রভাবশালী নেতাদের মধ্যে সেই ঘটনার জন্য যথেষ্ট উদ্বেগ দেখা যায়নি।মোদীর দাবি, দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে ছত্তীসগঢ়ে নকশাল হিংসা চলেছে। এই সময়ে শুধু ওই রাজ্যেই এক হাজারের বেশি নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। তাঁর কথায়, শত্রুরা হামলা চালিয়ে যাবে আর দেশ চুপ করে সব মেনে নেবে, এমন মনোভাব নিয়ে কোনও দেশ চলতে পারে না।এ দিন ২০২৬ সালের দীপাবলিকে বিশেষ বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর দাবি, কয়েক দশকের নকশাল ও মাওবাদী সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারত বড় জয় পেয়েছে। দেশের প্রতিটি জেলা এখন নকশালমুক্ত বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, নকশাল আতঙ্কের ভয় ছাড়াই এ বার কোটি কোটি মানুষ দীপাবলি উদ্যাপন করতে পারছেন।বস্তারে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মোদী বলেন, ১৪০ কোটি ভারতীয়ের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি নিরাপত্তাবাহিনীর জওয়ানদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে এসেছেন। দেশের সীমান্তে যাঁরা পাহারা দেন এবং দেশের ভিতরে নিরাপত্তা বজায় রাখেন, তাঁদের ভূমিকা সমান গুরুত্বপূর্ণ। দেশের ঐক্য ও অখণ্ডতা রক্ষায় দুই বাহিনীর অবদান অপরিসীম বলেও মন্তব্য করেন তিনি।দীপাবলি উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কর্তব্যরত নিরাপত্তাকর্মীদের শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের আত্মত্যাগ, নিষ্ঠা এবং দেশের প্রতি দায়িত্ববোধের জন্য গোটা দেশ গর্বিত বলেও জানান তিনি।

নভেম্বর ০৮, ২০২৬
রাজ্য

এক প্রতিবাদের মূল্য প্রাণ! ১৮ বছর পরেও কালীপুজোয় বাজি ফাটে না এই গ্রামগুলিতে

কালীপুজো আসে, গ্রামে গ্রামে শ্যামামায়ের আরাধনা হয়। দীপাবলিতে বাড়ি, রাস্তা সাজে আলোয়। কিন্তু পুরুলিয়ার সাঁওতালডিহি শিল্পাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় আর শোনা যায় না শব্দবাজির আওয়াজ। ফাটে না চকোলেট বোম বা কালীপটকা। তুবড়ি, চড়কির ফুলকিও যেন মাটিতে পড়ে না। এর পিছনে রয়েছে এক মর্মান্তিক স্মৃতি। শব্দবাজির প্রতিবাদ করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছিলেন সুবোধচন্দ্র মাহাতো। এলাকার মানুষের কাছে তিনি আজও শব্দ শহিদ।দুবড়া-সাঁওতালডিহি সড়কের দুপাশে রয়েছে পাহাড়িগোড়া, দেউলি, পড়াশ্যা, শ্যামপুর, মধুডি, ডুমুরডি, বেলকুঁড়া এবং চকবাদের মতো একাধিক গ্রাম। স্থানীয়দের দাবি, এই এলাকায় শব্দবাজি ফাটানো হয় না। এ জন্য পুলিশকে আলাদা করে প্রচারও করতে হয় না। সুপ্রিম কোর্ট বা কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ মেনে চলার কথা মাইকে ঘোষণা করারও প্রয়োজন পড়ে না। কারণ, এলাকার মানুষের স্মৃতিতে এখনও অমলিন সুবোধচন্দ্রের মৃত্যু।ঘটনাটি ২০০৮ সালের ২৮ অক্টোবরের। কালীপুজোর রাত। দেউলি কালীমন্দিরে তখন পুজো চলছে। দুবড়া-সাঁওতালডিহি রাস্তার ধারে নিজের তিনতলা বাড়িতে ছিলেন সুবোধচন্দ্র। বয়স পঞ্চাশ পেরিয়েছে। তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মী ছিলেন। ঝাড়খণ্ডের ধানবাদের সিন্দ্রি সার কারখানায় কাজ করতেন।সেই রাতে এলাকায় চলছিল শব্দবাজি ফাটানো। একের পর এক বাজির আওয়াজে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন সুবোধচন্দ্র। রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ খাওয়াদাওয়া সেরে ঘুমোতে যাওয়ার আগে বাড়ির দরজা খুলে বাইরে আসেন তিনি। বাজি ফাটানো যুবকদের লোকালয় থেকে দূরে গিয়ে বাজি ফাটাতে অনুরোধ করেন।কিন্তু তাঁর সেই প্রতিবাদে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। যুবকেরা তাঁর বাড়ির দরজার সামনেই বাজি ফাটাতে শুরু করেন। এলাকার কয়েক জনের হস্তক্ষেপে কিছুক্ষণের জন্য বাজি ফাটানো বন্ধ হলেও পরে আবার তা শুরু হয়। এমনকি বাড়ির ভিতরেও বাজি ছুড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।রাত ১২টা পেরিয়ে যাওয়ার পর ছেলে মানসকে সঙ্গে নিয়ে ফের বাইরে আসেন সুবোধচন্দ্র। শান্তভাবেই যুবকদের বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু আচমকাই এক যুবক তাঁর বুক ও পেটের মাঝখানে ঘুসি মারেন বলে অভিযোগ। মাটিতে লুটিয়ে পড়েন সুবোধচন্দ্র। এর পর তাঁর শরীরে একের পর এক বাজি ছুড়ে মারা হয়। বাবাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন ছেলে মানস। কিন্তু বাবাকে সামলাতেই ব্যস্ত হয়ে পড়েন তিনি। তড়িঘড়ি সুবোধচন্দ্রকে কাছের পিডিসিএল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। মৃত্যু হয় তাঁর।এখনও সেই রাতের স্মৃতি ভুলতে পারেননি সুবোধচন্দ্রের ছেলে মানস। তাঁর কথায়, বাবা হয়তো সবাইকে সচেতন হওয়ার বার্তা দিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু আমরা তো তাঁকে হারালাম। আমাদের যা ক্ষতি হওয়ার, তা হয়ে গিয়েছে। মানসের দাবি, এই ঘটনায় অভিযুক্ত নজনই বেকসুর খালাস পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে চার জনের মৃত্যু হয়েছে।মানসের বয়স এখন ৪৪ বছর। তবু কালীপুজোর সময় সেই রাতের আতঙ্ক তাঁকে তাড়া করে বেড়ায়। তাঁর কথায়, সেই বছরই দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের কর্তা এবং রাজ্যের আধিকারিকেরা বাবার নামে শব্দ শহিদ শংসাপত্র ও এক লক্ষ টাকার চেক দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তারা শাস্তি পাবে। কিন্তু কোথায় কী?দেউলি গ্রামের বাসিন্দা এবং বিজেপির পাড়া তিন মণ্ডলের সহ-সভাপতি চিনিবাস মাহাতো বলেন, আগে কী হয়েছে, জানি না। তবে এখানে আর কোনও উৎসবে শব্দবাজি ফাটবে না। এটাই আমাদের শপথ।একটি প্রতিবাদ, একটি মৃত্যু। সেই ঘটনার পর বহু বছর কেটে গিয়েছে। কিন্তু সুবোধচন্দ্র মাহাতোর স্মৃতি আজও ভুলতে পারেননি এলাকার মানুষ। তাই কালীপুজো ও দীপাবলিতে আলো জ্বললেও সাঁওতালডিহির এই গ্রামগুলিতে শব্দবাজির আওয়াজ শোনা যায় না।

নভেম্বর ০৮, ২০২৬
রাজ্য

ক্ষমতায় নেই তৃণমূল, তবু অনুব্রতর কালীপুজোয় ৭০০ ভরি সোনা! কী বললেন কেষ্ট?

রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদল হয়েছে। তৃণমূল আর ক্ষমতায় নেই। বোলপুরে দলের কার্যালয়ের কালীপুজোয় তাই আগের মতো জৌলুস নেই। কমেছে লোকজনের ভিড়ও। তবে পুজোর আয়োজনে কোনও খামতি রাখতে চান না অনুব্রত মণ্ডল। তাঁর দাবি, এ বারও মায়ের প্রতিমা সাজানো হয়েছে প্রায় ৭০০ ভরি সোনার গয়নায়। তিহার জেল থেকে ফিরে এসেও মায়ের গয়নার পরিমাণে কোনও পরিবর্তন দেখেননি তিনি।শনিবার বোলপুরে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে কালীপুজো নিয়ে স্মৃতিচারণা করেন অনুব্রত। তিনি জানান, ছোটবেলা থেকেই কালীপুজোর সঙ্গে যুক্ত তিনি। প্রথমে বোলপুরের নিচুপট্টিতে পুজো করতেন। পরে তৃণমূলের জেলা কার্যালয়ে পুজো শুরু করেন। সেই পুজোর বয়সও প্রায় ৫০ থেকে ৬০ বছর। অনুব্রতর কথায়, দল ক্ষমতায় নেই। ভেবেছিলাম, পুজোর উপকরণ জোগাড় করতে সমস্যা হবে। কিন্তু মায়ের আশীর্বাদে কোনও অভাব হয়নি।পুজোর আয়োজন নিয়ে অনুব্রত বলেন, সবাই নিজের মতো করে জিনিস দিয়ে যাচ্ছে। আগে মায়ের যত ভরি গয়না ছিল, এ বারও ততটাই রয়েছে। তাঁর দাবি, এ বারও প্রতিমাকে সাজানো হয়েছে প্রায় ৭০০ ভরি সোনার গয়নায়। রবিবার মায়ের ভোগে থাকছে খিচুড়ি, তরকারি, ন রকম ভাজা, পায়েস, চাটনি এবং পাঠার মাংস।২০২১ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে অনুব্রতর কালীপ্রতিমার গয়নার পরিমাণ ছিল ৫৭০ ভরি। তার পর থেকে প্রতি বছর গয়নার পরিমাণ বেড়েছে বলে দাবি করা হয়। এ বার সেই পরিমাণ প্রায় ৭০০ ভরি। গয়নার আনুমানিক বাজারমূল্য সাড়ে ১১ কোটি টাকা বলে জানা যাচ্ছে।একসময় এই কালীপুজো ঘিরে বোলপুরে বড়সড় আয়োজন হত। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছোট-বড় তৃণমূল নেতা, বিধায়ক, মন্ত্রী এবং সাংসদেরা ভিড় জমাতেন। খাওয়াদাওয়ার আয়োজনও থাকত চোখে পড়ার মতো। কিন্তু রাজনৈতিক পালাবদলের পর এ বারের ছবিটা অনেকটাই আলাদা। এখন হাতে গোনা কয়েক জনকে নিয়েই পুজোর আয়োজন করছেন অনুব্রত। তবু পুজোর প্রস্তুতিতে কোনও খামতি রাখতে চাইছেন না উদ্যোক্তারা। ইতিমধ্যেই সাজিয়ে তোলা হয়েছে বোলপুরের তৃণমূল কার্যালয়।অন্য দিকে, বোলপুরের বাড়িপুকুর সম্মিলনীর কালীপুজোর সঙ্গেও একসময় অনুব্রতর যোগ ছিল। তাঁর হাত ধরেই ওই পুজোর সূচনা হয়েছিল। এ দিন সেই পুজোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিজেপির বোলপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি শ্যামাপদ মণ্ডল। তিনি বলেন, এটাই জগতের নিয়ম। উনি যখন নিজের জায়গায় ছিলেন, তখন পুজো করেছেন। আজ এলেও কোনও বাধা ছিল না। পুজোর ক্ষেত্রে রাজনীতি নেই। পুজো সবার। এখানে পাড়ার লোকেরাই সমস্ত আয়োজন করেছেন।রাজনৈতিক পালাবদলের পর বোলপুরে অনুব্রতর কালীপুজো কেমন হয়, তা নিয়ে কৌতূহল ছিল অনেকের। ক্ষমতায় না থাকলেও পুজোর আয়োজন ঘিরে নিজের পুরনো ঐতিহ্য ধরে রাখার চেষ্টা করছেন অনুব্রত।

নভেম্বর ০৮, ২০২৬
কলকাতা

ফের সাইবার হানার আশঙ্কা! রাজ্যের সব সরকারি দফতরকে জরুরি চিঠি, কোন বিপদের কথা জানাল প্রশাসন?

: পুজোর আগে সাইবার হামলার শিকার হয়েছিল রাজ্যের একাধিক সরকারি দফতরের ওয়েবসাইট। অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে ওই ওয়েবসাইটগুলিতে হামলা চালিয়েছিল হ্যাকাররা। সেই ঘটনার পর ফের সতর্ক রাজ্য সরকার। আগাম বিপদের আশঙ্কায় রাজ্যের সমস্ত সরকারি দফতরকে চিঠি পাঠিয়েছে রাজ্য সরকারের অধীনস্থ নেক্সট জেনারেশন সাইবার সিকিউরিটি অপারেশন সেন্টার। গত সেপ্টেম্বরের সাইবার হামলার অভিজ্ঞতা থেকেই এই সতর্কবার্তা বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।চিঠিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা না নিলে ফের সরকারি ওয়েবসাইটে হানা দিতে পারে হ্যাকাররা। এর ফলে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ এবং গোপন তথ্য অন্যের হাতে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। গত সেপ্টেম্বরে রাজ্যের একাধিক সরকারি ওয়েবসাইট আচমকা অচল হয়ে পড়েছিল। এর জেরে জন্ম ও মৃত্যুর শংসাপত্র তৈরি-সহ বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের কাজ ব্যাহত হয়। যদিও সেই সময় সাইবার হামলার বিষয়টি সরকারি ভাবে স্বীকার করা হয়নি।এ বার সরকারি তথ্যের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে নতুন করে সতর্কবার্তা জারি করেছে সাইবার সিকিউরিটি অপারেশন সেন্টার। সরকারি ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত পিএইচপি প্রযুক্তির কয়েকটি সংস্করণে নিরাপত্তার ত্রুটি থাকতে পারে বলে জানানো হয়েছে। বিশেষ করে সিভিই-২০২৬-১০৯৬১৮ এবং সিভিই-২০২৬-১০৯৬১৯ নম্বরের নিরাপত্তা সংক্রান্ত দুর্বলতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।পিএইচপি হল এক ধরনের প্রোগ্রামিং ভাষা। মূলত ওয়েবসাইট তৈরি এবং পরিচালনার কাজে এটি ব্যবহার করা হয়। এই প্রযুক্তিতে কোনও নিরাপত্তার ত্রুটি থাকলে হ্যাকাররা তার সুযোগ নিতে পারে। তাই কোন কোন সরকারি কম্পিউটার, সার্ভার এবং অনলাইন পরিষেবায় পিএইচপি ব্যবহার করা হচ্ছে, প্রথমেই তার তালিকা তৈরি করতে বলা হয়েছে।পাশাপাশি কোন সরকারি ওয়েবসাইটে পিএইচপি-র কোন সংস্করণ ব্যবহার করা হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার সমস্যা থাকলে দ্রুত প্রয়োজনীয় হালনাগাদ ব্যবস্থা নিতে হবে। বিশেষ করে যে সমস্ত ওয়েবসাইট সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যবহার করা যায়, সেগুলির ক্ষেত্রে আরও বেশি সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।এ ছাড়াও বেশ কিছু সরকারি ওয়েবসাইটে বাইরে থেকে তথ্য পাঠানো বা ফাইল জমা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এই ধরনের ওয়েবসাইটগুলিতে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার কথা জানিয়েছে সাইবার সিকিউরিটি অপারেশন সেন্টার। কোথাও কোনও নিরাপত্তার ত্রুটি ধরা পড়লে দেরি না করে দ্রুত তার সমাধান করতে হবে।গত সেপ্টেম্বরের ঘটনার পর ফের এই সতর্কবার্তা ঘিরে রাজ্যের সরকারি দফতরগুলিতে তৎপরতা বেড়েছে। সরকারি ওয়েবসাইটে থাকা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যাতে কোনও ভাবেই হ্যাকারদের হাতে না পৌঁছয়, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

নভেম্বর ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal