• ১৪ মাঘ ১৪৩২, সোমবার ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

MInister

রাজনীতি

সিঁড়ি ভাঙতে ভাঙতে উঠেছিঃ শুভেন্দু

ছোটলোকদের দিয়ে বাজে কথা বলিয়ে ভেবেছে আমি উত্তর দেব। আমার লেভেলটা ওই নাকি ? শনিবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রামে শহিদ তীর্থ নন্দীগ্রাম সীতানন্দ কলেজে এক বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন রাজ্যের সেচ ও পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন তাঁকে মঞ্চে পুষ্পস্তবক দিয়ে সম্মান জানানো হয়। সেখানে তিনি বিরোধীদের উদ্দেশে কটাক্ষ করে এই মন্তব্য করেন। তিনি বিরোধীদের সমালোচনা করে আরও বলেন , কুকুর পায়ে কামড়ালে মানুষ কখনো কুকুরের পায়ে কামড়ায় না। আমি প্যারাসুটে নামিনি এবং লিফটেও উঠিনি। সিঁড়ি ভাঙতে ভাঙতে উঠছি। আমাকে ওসব করে লাভ নেই। তিনি আরো বলেন, ভোটের পরে সংকীর্ণ রাজনীতি আমাদের নন্দীগ্রামের প্রতিনিধি করেনি। আমার বিভিন্ন সময়ে পদের পরিবর্তন হয়েছে , হতে পারে। আমি আপনাদের সঙ্গে ছিলাম, আছি, থাকব। সংবাদমাধ্যমের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, যতক্ষণ না আমার মুখ থেকে কিছু শুনছেন , ততক্ষণ বাজারি সংবাদপত্র ও ঘরে এসিতে বসে পোর্টাল চালাচ্ছেন, এগুলো উপেক্ষা করুন। নিজের লড়াই নিজে করুন। আরও পড়ুন ঃ জেপি নাড্ডার বদলে নভেম্বরে রাজ্যে অমিত শাহ এদিন তিনি ঘোষণা করেন , ১০ নভেম্বর রক্তাক্ত সূর্যোদয়ের বর্ষপূর্তি। সাড়ে দশটায় করপল্লিতে আসব। আমার সমস্ত আত্মীয়রা সেখানে থাকবেন। সেখানে পুষ্পার্ঘ্য দেব। তারপরে গোকূলনগরে হাইস্কুলের মাঠে সমাবেশ করব। খেজুরির সাধারণ মানুষকে সেই সভায় যোগ দেওয়ার জন্য তিনি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, কোভিড যখন আমার হয়েছিল তখন বহু মানুষ ফোন বা মেসেজ করেছিলেন কিন্তু এমন অনেকেই ফোন করেননি যাঁদের নাম বললে তাঁরা বিপদে পড়বেন। এদিন তিনি বললেন, আশ্চর্য হয়ে যায় কেউ কেউ অতীত ভুলে যায়। তিনি কিভাবে ধাপে ধাপে আন্দোলন করেছেন , সে কথা এদিনের সভা থেকে তিনি তুলে ধরেন। প্রসঙ্গত , কয়েকদিন আগে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, একক শক্তি দিয়ে কোনও কাজ কেউ করতে পারেন না। স্বামী বিবেকানন্দ এটা বলেছিলেন। স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন আমি, আমি করা হল সর্বনাশের মূল। শুভেন্দু অধিকারীর এই মন্তব্য ঘিরে জোরদার জল্পনা শুরু হয় রাজ্য রাজনীতিতে।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
দেশ

পুলওয়ামা হামলা নিয়ে রাজনীতি করেছিল বিরোধীরা , তোপ প্রধানমন্ত্রীর

সদ্য পুলওয়ামা হামলার দায় স্বীকার করেছে পাকিস্তান। এবার পাকিস্তানের সেই স্বীকারোক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিরোধীদের বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার রাষ্ট্রীয় একতা দিবসে স্ট্যাচু অফ ইউনিটিতে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলকে শ্রদ্ধা জানান তিনি । এরপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন , আজ পড়শি দেশ থেকে যে খবর পাওয়া গেছে, যেভাবে সেখানকার সংসদে সত্যিটা স্বীকার করা হয়েছে, তা এই লোকগুলির আসল চেহারা দেশের সামনে ফুটিয়ে তুলেছে। দয়া করে এমন রাজনীতি করবেন না। এই ধরনের কাজ থেকে দূরে থাকুন। এতে জেনে বা না জেনে আপনারা দেশবিরোধী শক্তির বোড়ে হয়ে উঠছেন। এভাবে আপনারা দেশের উপকার করতে পারবেন না। নিজেদের দলেরও ভালো করতে পারবেন না। আরও পড়ুন ঃ কাশ্মীরে খুন তিন বিজেপি কর্মী , নিন্দা মোদির বিরোধীদের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন , একটু আগে আধা সেনার প্যারেড দেখতে দেখতে মনে পড়ছিল পুলওয়ামা হামলার কথা। সেই হামলায় আমাদের যে বীর সঙ্গীরা শহিদ হয়েছিলেন, তাঁরা আধা সেনারই অংশ ছিলেন। সেই সময় গোটা দেশ শোকার্ত ছিল। কিন্তু তখনও কিছু লোক নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ দেখছিল। সেই সময় আমার হৃদয়ে বীর শহিদদের গভীর ক্ষত ছিল। তাই বিরোধীদের সমস্ত অশ্লীল অভিযোগ আমি চুপচাপ সহ্য করে গেছি। উল্লেখ্য , চলতি সপ্তাহেই ইমরান খানের মন্ত্রিসভার সদস্য পাকিস্তানের যুক্তরাষ্ট্রীয় মন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী ঘোষণা করেন, পুলওয়ামা আমাদের সাফল্য। ঘরে ঢুকে ভারতকে মেরেছি।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
রাজনীতি

জেপি নাড্ডার বদলে নভেম্বরে রাজ্যে অমিত শাহ

বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা রাজ্যে আসছেন না। তাঁর বদলে রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানান, ৫ নভেম্বর মেদিনীপুর এবং রাঢ়বঙ্গের বৈঠক এবং ৬ ডিসেম্বর কলকাতা এবং নবদ্বীপ জোনের বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জেপি নাড্ডা আসছেন না, সেকথাও জানিয়ে দেন তিনি। বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলের সংগঠন এই এলাকাগুলিতে কি অবস্থায় রয়েছে , সে বিষয়ে এই বৈঠকে আলোচনা হবে বলে দলীয় সূত্র থেকে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ পুলিশ হেপাজতে কিশোরের মৃত্যুতে উত্তপ্ত মল্লারপুর , শনিবার ১২ ঘণ্টার বনধ বিজেপির প্রসঙ্গত , নভেম্বর মাসে রাজ্যে আসবেন জেপি নাড্ডা , দলের তরফ থেকে এমনটাই জানানো হয়েছিল। কিন্তু বিশেষ অনিবার্য কারণ বশত তিনি এই সময় রাজ্যে আসতে পারছেন না বলে জানা গিয়েছে। এর পাশাপাশি বিধানসভা ভোটকে মাথায় রেখে রাজ্যে অমিত শাহকে এনে সভা করতে চেয়ে দিল্লির কাছে দরবার করেছিল রাজ্য বিজেপি। দলের সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু নিজেই সেকথা জানিয়েছিলেন।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
কলকাতা

পুলিশের মাধ্যমে শাসন চালাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ঃ ধনকড়

পশ্চিমবঙ্গে মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে । সংবিধান, আইন-প্রশাসনকে উপেক্ষা করছেন মুখ্যমন্ত্রী । প্রাশসনকে বারবার চিঠি লিখেও উত্তর পাইনি । শুধু পুলিশের মাধ্যমে শাসন চালাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । রাজনৈতিক আদেশ পালন করতেই কি রয়েছে পুলিশ? বৃহস্পতিবার দিল্লিতে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে এমনই অভিযোগ করলেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। এদিন তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে কি আলোচনা হয়েছে , সে বিষয়ে তিনি সংবাদমাধ্যমের কাছে কিছু জানাননি। সাংবাদিকদের সামনে তিনি আরও বলেন, রাজ্যে আল-কায়দা জঙ্গি মিলেছে, বোমা তৈরির কারখানার হদিশ মিলছে। রাজ্যে প্রায় প্রতিদিন খুন হচ্ছে। রাজনৈতিক হিংসা হচ্ছে। অথচ প্রশাসন ঘুমিয়ে রয়েছে। দেশের সংবাদমাধ্যমের জানা উচিত এই সমস্ত কথা। আরও পড়ুন ঃ ডাঃ সুকুমার হাঁসদার প্রয়াণে শোকপ্রকাশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এখানেই শেষ করেননি তিনি। বছর ঘুরলেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। কিন্তু সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনা নিয়েই আশঙ্কা প্রকাশ করলেন জগদীপ ধনকর। বলেন, রাজ্য প্রশাসন কোনও প্রোটোকল মানে না। সংবিধানকে উপেক্ষা করছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। এখানে আমলারা রাজনৈতিক দলের অনুগত। তাই রাজ্যে আসন্ন নির্বাচন নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন। এসব নিয়ে রীতিমতো খবর করার জন্যও সাংবাদিকদের অনুরোধ করলেন রাজ্যপাল। নভেম্ব্র মাসে উত্তরবঙ্গে যাচ্ছেন রাজ্যপাল। সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি তিনবার উত্তরবঙ্গে গিয়েছি। আবার যাব। উত্তরবঙ্গও পশ্চিমবঙ্গের অংশ। সেখানকার মানুষের সঙ্গে আভাব-অভিযোগ শুনব।

অক্টোবর ২৯, ২০২০
রাজ্য

কোনও নির্দিষ্ট লক্ষ্যর জন্য কাজ করলে হবে নাঃ শুভেন্দু

যার হুঁশ আছে , তাকে মানুষ বলে। আর এই হুঁশযু্ক্ত মানুষই একে অপরের জন্য কাজ করে। বুধবার বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠানে এসে এই মন্তব্য করেন রাজ্যের সেচ ও পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মনীষিদের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন , কো্নও নির্দিষ্ট লক্ষ্যর জন্য কাজ করলে হবে না। সকলের জন্য কাজ করতে হবে। আরও পড়ুন ঃ নৌকাডুবির ঘটনায় মৃতদের পরিবার পিছু ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ রাজ্য সরকারের তিনি আরও বলেন , মানুষের জন্য কাজ করতে গেলে কারও ছাড়পত্র লাগে না। কোনও পদ লাগে না। ভারত সেবাশ্রম সংঘকে সঙ্গে নিয়ে লকডাউনের সময় সাড়ে চার হাজার লোককে খাইয়েছি। সব রাজনৈতিক দল ও রাজনৈতিক ব্যক্তির নির্দিষ্ট গণ্ডি আছে। তিনি সকলের কাছে আবেদন করেন, চলুন এবার আমরা নিজেদের মানুষের কাজে লাগাই।

অক্টোবর ২৮, ২০২০
কলকাতা

আগামীকাল দিল্লিতে অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক রাজ্যপালের

আজ অর্থাৎ বুধবার সন্ধ্যেবেলায় দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। ২৯ অক্টোবর সেখানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক সেরে আগামী ৩০ অক্টোবর কলকাতায় ফিরে আসবেন তিনি। জগদীপ ধনখড়ের টুইটার অ্যাকাউন্টে এদিন এমনটাই জানানো হয়েছে। তারপরই তিনি পুরো নভেম্বর মাস উত্তরবঙ্গেই থাকবেন বলে রাজভবন সূত্র থেকে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু কলকাতা পুলিশের সাব ইন্সপেক্টরের জানা গিয়েছে , আগামী ১ নভেম্বর শিলিগুড়ি যাচ্ছেন রাজ্যপাল। সেখানে সাংবাদিক সম্মেলন করে চলে যাবেন দার্জিলিংয়ে। জগদীপ ধনকরের পাশাপাশি রাজভবনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও থাকবেন তাঁর সঙ্গে।

অক্টোবর ২৮, ২০২০
রাজ্য

ভারত সীমান্তের সমস্যার শেষ চায়ঃ রাজনাথ সিং

সুকনা ওয়ার মেমোরিয়ালে নিহত সৈনিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। সেখানে তিনি অস্ত্র পুজো করেন। এছাড়া অনলাইনে সিকিম বর্ডার রোড অর্গানাইজ়েশনের তৈরি একটি রাস্তারও উদ্বোধন করেন তিনি ৷ আর সেখানে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় সেনা বাহিনীর প্রধান এমএন নারাভানে। আরও পড়ুনঃ ষষ্ঠীর সকাল থেকে নিম্নচাপের জের , শুরু বৃষ্টি আর সেখানেই একটি অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, সীমান্তের সমস্যার শেষ চান। ভারত সর্বদা তার প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে চলে। কিন্তু তাতে যদি কেউ মনে করে ভারত দুর্বল তাহলে সেই দেশ ভুল করবে। তিনি আরও বলেন, দেশের অখণ্ডতা আর সার্বভৌমত্ব বজায় রাখতে সর্বদা মরিয়া প্রয়াস চালায়। কিন্তু ভারতীয় জওয়ানরা মাথা নিচু করবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।

অক্টোবর ২৫, ২০২০
দেশ

একটা করে প্রদীপ বীর জওয়ানদের স্মরণ করে জ্বালানঃ মোদি

মন কি বাত অনুষ্ঠানে দেশবাসীকে বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এই উৎসব আমাদের বার্তা দেয়, এই লড়াইয়ে আমরা জিতবই। এদিনের অনুষ্ঠানে সচেতনভাবে উৎসব পালনের জন্য দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এদিনের অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আপনারা অন্তত একটা করে প্রদীপ বীর জওয়ানদের স্মরণ করে জ্বালান। আমি আমার বীর জওয়ানদের বলব, আপনারা হয়তো সীমান্তে পাহার দিচ্ছেন। কিন্তু গোটা দেশ আপনাদের পাশে আছে। আমি সেইসব পরিবারকে ধন্যবাদ জানাব যাদের পরিবারের সদস্যরা দেশের সেবার জন্য ঘরে থাকতে পারছেন না। আরও পড়ুনঃ সেনা ক্যান্টিনে বিদেশি পণ্য বাতিলের সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের এদিনের মন কি বাতে আরও একবার ভোকাল ফর লোকাল আপ্তবাক্যকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন মোদি। প্রধানমন্ত্রী বলেন,দেশে অনেক বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তি কাজ করছে, যারা বিভাজন তৈরির চেষ্টা করছে।

অক্টোবর ২৫, ২০২০
উৎসব

গভীর নিম্নচাপ , পুজো কমিটিগুলিকে সতর্ক থাকতে নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

শক্তি বাড়িয়ে অতি গভীর নিম্নচাপ বাংলার দিকে। সব পুজো কমিটিগুলিকে সতর্ক থাকতে নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যো্পাধ্যায়। প্রসঙ্গত , শুক্রবার বিকেলে রাজ্যে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে এই নিম্নচাপের। ইতিমধ্যেই আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফ থেকে চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ হাইকোর্টের রায় ও বৃষ্টির জের , পুজোর ষষ্ঠীতে চেনা ভিড় উধাও এই মুহূর্তে কলকাতা থেকে ৩৫০ কিমি দক্ষিণ - দক্ষি্ণ পূর্বে ও বাংলাদেশের খেপুপাড়া থেকে ৪৯০ কিমি দক্ষিণ - দক্ষিণ পশ্চি্ম দিকে অবস্থান করছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় এই নিম্নচাপ আরও শক্তি বাড়িয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তার প্রভাবে শুক্রবার কলকাতা সহ দক্ষি্ণবঙ্গে বৃষ্টি হতে পারে। তাই মুখ্যমন্ত্রী এদিন সকল পুজো কমিটিকে সতর্ক করলেন।

অক্টোবর ২২, ২০২০
কলকাতা

পুলিশের প্রশংসা করে টুইট রাজ্যপালের

রাজ্য এবং কলকাতা পুলিশের প্রশংসা করে বুধবার টুইট করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তিনি এদিন তাঁর টুইটে লেখেন , সাহসী পুলিশকর্মীদের কুর্নিশ। তাঁরা যেভাবে পারিবারিক দায়িত্বকে তুচ্ছ প্রমাণ করে করোনার মতো মহামারী এবং আমফানের মতো প্রবল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যে লড়াই চালাচ্ছে, তাঁদের নিঃস্বার্থ ত্যাগকে সম্মান জানাই। তবে টুইটের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফের নিরপেক্ষতার বার্তা দিয়েছেন রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান। প্রসঙ্গত , বিভিন্ন সময় টুইট করে রাজ্যের পুলিশ ও প্রশাসনের সমালোচনা করেছেন তিনি। এহেন রাজ্যপালেরই ফের পুলিশের প্রশংসা দেখে তাজ্জব প্রায় সকলেই।

অক্টোবর ২১, ২০২০
কলকাতা

রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে অ্যাম্বুল্যান্স ও বেডের পর্যাপ্ত ব্যবস্থার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্যে করোনার সংক্রমণ আরও বিপজ্জনক হতে পারে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদেরও। এই পরিস্থিতি সোমবার রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে পর্যাপ্ত বেডের ব্যবস্থা ও রাজ্যের নানা প্রান্তে পর্যাপ্ত সংখ্যায় অ্যাম্বুল্যান্স তৈরি রাখার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নবান্নে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে পুজোর আগে রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়েই আলোচনা হয়। ভার্চুয়াল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, স্বাস্থ্যসচিব, ডিজি, কলকাতা, হাওড়ার পুলিশ কমিশনার। এছাড়াও ছিলেন কলকাতা ও হাওড়া কর্পোরেশনের কমিশনার, বিপর্যয় মোকাবিলা এবং অন্যান্য দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। জেলাশাসক, পুলিশ সুপার-সহ অন্য প্রশাসনিক আধিকারিকরাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। আরও পড়ুনঃ বিভিন্ন দাবিতে ধর্মতলায় মিছিল বাংলা সংস্কৃতি মঞ্চের নবান্নের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে নিজে উপস্থিত না থাকলেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টেলিফোনে আরও একবার পুজোয় মাস্কের আবশ্যকতার কথাও উল্লেখ করেন। এছাড়া সকলে মাস্ক পরছেন কিনা সেদিকে পুলিশ এবং জেলা প্রশাসনিক আধিকারিকদের নজর রাখার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। তাছাড়া সকলকে পুজোয় ঠাকুর দেখার সময় মাস্ক (Mask) পরার কথাও বলেন তিনি। সকলে আদৌ মাস্ক পরছেন কিনা তা পুলিশ এবং জেলা প্রশাসনিক আধিকারিকদের সুনিশ্চিত করার নির্দেশও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

অক্টোবর ১৯, ২০২০
কলকাতা

অমিত শাহ সম্পর্কে এ কি বললেন অভিষেক !

অমিত শাহের কাছে বাংলার বোমা কারখানা নিয়ে তথ্য আছে। কিন্তু পরিযায়ী শ্রমিকদের বিষয়ে কোনও তথ্য নেই। সো্মবার টুইট করে অমিত শাহের অভিযোগের বিরুদ্ধে এভাবেই তোপ দাগলেন তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আপনি বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার কথা বলে সাধারণ মানুষকে হুমকি দিচ্ছেন। সামাজিক সম্প্রীতি বিঘ্নিত করার চেষ্টা করছেন। আরও পড়ুনঃ পটাশপুরের বিজেপি কর্মীর মৃত্যু নিয়ে ফের প্রশাসনের বিরুদ্ধ তোপ রাজ্যপালের প্রসঙ্গত , গত শনিবার একটি বেসরকারি বৈদ্যুতিন মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে অমিত শাহ বলেন, সঙ্গত কারণেই বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি তুলেছেন বিজেপি নেতারা। পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। আমফানের ত্রাণের টাকা নিয়ে চরম দুর্নীতি হয়েছে। বাংলার জেলায়-জেলায় বোমা কারখানার হদিশ মিলছে। তাঁর এই মন্তব্যকে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজ্য - রাজনীতি। এই মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করা হয় তৃণমূলের তরফ থেকে। আর এদিন এর প্রতিবাদে তোপ দাগলেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। Ironic that Mr @AmitShah has found data on bomb factories but when it comes to data on migrants, his @BJP4India govt is clueless! How dare you threaten the people of Bengal with Presidents Rule to disturb our social harmony. Disgusting poll propaganda!#BengalRejectsTanaShah https://t.co/gZfSImveIA Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) October 19, 2020

অক্টোবর ১৯, ২০২০
খেলার দুনিয়া

মোহনবাগানকে আই লিগ জয়ের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর

আইলিগ চ্যাম্পিয়ন মোহন বাগানকে শুভেচ্ছা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি টুইটে লেখেন , আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য মোহনবাগান খেলোয়াড়, সাপোর্ট স্টাফ, সভ্যসমর্থকদের অসংখ্য অভিনন্দন। এটা খুবই আনন্দের দিন। এরপর টুইট করেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী কিরেন রিজিজুও। এছাড়াও মোহনবাগানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তিনি লেখেন , মোহনবাগানকে আই লিগ জয়ের জন্য অসংখ্য অভিনন্দন। সবুজমেরুন ব্রিগেড অসাধারণ মাইলস্টোন স্পর্শ করেছে। আইএসএল অভিযানের জন্য তাঁদের অনেক শুভেচ্ছা। Congratulations to the players, staff and fans of the illustrious @Mohun_Bagan for emerging as @ILeagueOfficial Champions! Indeed, a joyful occasion. #Champion5 Narendra Modi (@narendramodi) October 18, 2020 Heartiest congratulations to @Mohun_Bagan for becoming @ILeagueOfficial Champions. Wonderful achievement for the Green Maroon Brigade best wishes as you step into upcoming @IndSuperLeague season as @atkmohunbaganfc.#Champions5 Mamata Banerjee (@MamataOfficial) October 18, 2020

অক্টোবর ১৮, ২০২০
কলকাতা

বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন নিয়ে এ কি বললেন অমিত শাহ !

সঙ্গত কারণেই বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি তুলেছেন বিজেপি নেতারা। পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। আমফানের ত্রাণের টাকা নিয়ে চরম দুর্নীতি হয়েছে। বাংলার জেলায়-জেলায় বোমা কারখানার হদিশ মিলছে। সর্বভারতীয় নিউজ চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এমনই মন্তব্য করেন। তবে তিনি বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের বিষয়ে বলতে গিয়ে বলেন, বিরোধী রাজনৈতিক দল দাবি করতেই পারে। কিন্তু, রাষ্ট্রপতি শাসন কোনও রাজনৈতিক দলের নেতার দাবি মেনে হয় না ৷ ভারতীয় সংবিধানে যে নিয়ম রয়েছে , সেই নিয়ম মেনেই একমাত্র রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হয় ৷ কোথাও রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করতে গেলে আগে রাজ্যপালের রিপোর্ট দেখতে হবে ৷ সেখানকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে হবে, তারপর রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয়। তবে, বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের মত ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি রয়েছে। আরও পড়ুনঃ করোনা আক্রান্ত নির্মল মাজি তৃ্ণমূলের সমালো্চনা করে তিনি আরও বলেন, ভারতের আর কোনও রাজ্যে পশ্চিমবঙ্গের মতো পরিস্থিতি নেই। বাংলায় বিরোধীদের উপর অনবরত আক্রমণ চলছে। বিরোধীদের খুন করা হচ্ছে। মিথ্যা মামলায় তাঁদের ফাঁসানো হচ্ছে। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় পালাবদল হবেই, প্রত্যয়ী অমিত শাহ। তিনি বলেন, নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে বাংলায় বদল আসবে। তৃণমূলকে বাংলা থেকে সরানোই প্রধান লক্ষ্য।

অক্টোবর ১৮, ২০২০
কলকাতা

দোতলা বাসের উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী

দোতলা বাসের উদ্বোধন করবেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার বাসের উদ্বোধন করবেন তিনি। ১৫ বছর পর এই দোতলা বাস কলকাতার রাস্তায় এই বাস চলবে। ্কলকাতার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতীক মনে করা হয় এই বাসকে। ২০২০ সালের কোভিড আবহে এই দোতলা বাস পথে নামলে সাধারণ মানুষের মনে খুশির বাতাস বয়ে যাবে বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের। আরও পড়ুন ঃ ষষ্ঠীতে বঙ্গবাসীকে ভারচুয়াল শুভেচ্ছা জানাবেন মোদি

অক্টোবর ১২, ২০২০
কলকাতা

এবার ভার্চুয়ালি পুজো উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী

এবার কোভিড বদলে দিয়েছে সবকিছুই। তাই এবার সব পুজোর ভার্চুয়াল উদ্বোধন হবে নবান্ন থেকে। সোমবার নজরুল মঞ্চে তৃণমূলের মুখপত্র জাগো বাংলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে একথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী নিজেই। মুখ্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী , আগামী ১৬ অক্টোবর উত্তর কলকাতার প্রতিমা ভার্চুয়ালি উদ্বোধন হবে। তার পরেরদিন অর্থাৎ ১৭ অক্টোবর দক্ষিণ কলকাতা এবং ১৮ অক্টোবর বেহালা ও যাদবপুরের প্রতিমা ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করা হবে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন করোনা সংক্রমণ বাড়ছে,সংক্রমণ আটকাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। পুজো প্যান্ডেলে যাওয়ার সময় মাস্ক পরুন। আরও পড়ুন ঃ বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড , পুড়ে ছাই প্লাস্টিক কারখানা তাঁর কথায় , প্রচুর মানুষ এই সময় কাজ হারিয়েছেন। অনেকেই আট মাস বাড়িতে বসে বসে ডিপ্রেশনে চলে গিয়েছেন। তাই পুজো উপভোগ করুন। কিন্তু, বাড়ি থেকে বেরোবেন না। কোভিড প্রটোকল মেনে চলার জন্যও আবেদন করেন তিনি। মাইকে গানের পাশাপাশি কোভিড সতর্কতা জারির কথাও বলেছেন তিনি। পুজো কমিটিগুলোর উদ্দেশে তিনি বলেন, মাস্ক না পরলে প্যান্ডেলে ঢুকতে দেবেন না। প্রয়োজনে প্যান্ডেলে ঢোকার সময় স্যানিটাইজার, মাস্ক দিন। ব্যবস্থাপনা দেখে বিশ্ববাংলা শারদ সম্মানে অতিরিক্ত পয়েন্ট দেওয়া হবে। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, দিল্লিতে একটা পুজোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে, অন্য রাজ্য তো দেয়ইনি, আমি কিন্তু দিলাম। বাংলায় পুজো হবে, কিন্তু সংক্রমণও আটকাতে হবে।

অক্টোবর ১২, ২০২০
দেশ

প্রয়াত রামবিলাস পাসোয়ানকে শেষ শ্রদ্ধা রাষ্ট্রপতি , প্রধানমন্ত্রীর

দিল্লির বাসভবনে নিয়ে আসা হয় কেন্দ্রীয় খাদ্যমন্ত্রী রামবিলাস পাসওয়ানের মরদেহ । তাঁকে শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা । অন্যান্য দলের রাজনৈতিক নেতারা তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। রামবিলাসকে শ্রদ্ধা জানিয়ে শুক্রবার রাষ্ট্রপতিভবন এবং সংসদে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে । শনিবার বিহারে তাঁর শেষকৃ্ত্য সম্পন্ন হবে বলে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুনঃ পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির একটি মামলায় জামিন লালুপ্রসাদ যাদবের প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় খাদ্যমন্ত্রী তথা লোক জনশক্তি দলের নেতা ছিলেন রামবিলাস পাসওয়ান । বৃহস্পতিবার দিল্লির এইমসে তাঁর মৃত্যু হয় । বিগত কয়েকদিন ধরেই শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন বর্ষীয়ান এই নেতা । সম্প্রতি দিল্লির এক হাসপাতালে হার্ট সার্জারিও হয়েছিল তাঁর । টুইট করে তাঁর মৃত্যু সংবাদ জানান ছেলে চিরাগ পাসোয়ান। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করে তিনটি টুইট করেন প্রধানমন্ত্রী । টুইটে তিনি লেখেন, শোকপ্রকাশ করার ভাষা নেই । আমার এক বন্ধু, এক সহকর্মীকে হারালাম । গরিবরা যাতে সম্মানের সঙ্গে জীবন কাটাতে পারে, তা নিশ্চিত করেছিলেন তিনি ।

অক্টোবর ০৯, ২০২০
কলকাতা

কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ, আটক ৩

মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে আটক বিজেপির তিন মহিলা কর্মী। জয় শ্রীরাম স্লোগানও তারা দিতে থাকেন। সঙ্গে সঙ্গে সেখানে উপস্থিত পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ধরপাকড় শুরু করে দেয়। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে দশটায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে বিক্ষোভে বসেন বিজেপি মহিলা মোর্চার সমর্থকরা। আরও পড়ুনঃ বর্তমান শিক্ষার হালহকিকত নিয়ে বিকল্প ইস্তেহার প্রকাশ এসএফআইয়ের বিক্ষোভকারীরা কালীঘাট মন্দিরে যাওযার দিকের রাস্তা দিয়ে ঢোকেন বলেই পুলিশ সূ্ত্রে খবর পাওয়া গিয়েছে।এরপর বড় রাস্তার ওপরেই প্ল্যাকার্ড হাতে বসে পড়েন, তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ এসে তিন বিক্ষোভকারীকে সরিয়ে দেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় ইতিমধ্যেই প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

অক্টোবর ০৮, ২০২০
রাজ্য

পথশ্রী প্রকল্পের টেন্ডার নিয়ে যেন গন্ডগোল না হয়ঃ মুখ্যমন্ত্রী

চেন্নাই-মুম্বই থেকে লরি আসে। এই লরির চাকায় জীবাণু ছড়াচ্ছে। যেমন কাপড়জামা, বাজারের থলি থেকে ছড়ায়। তেমন হলে মাঝেমধ্যে চাকার ফরেন্সিক পরীক্ষাও করা যেতে পারে। বুধবার ঝাড়গ্রামে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি এই বিষয়ে বলতে গিয়ে আরও বলেন, বাইরের রাজ্য থেকে আসা লরি ড্রাইভারদের যদি ধাবায় বসে খেতে হয়, সেক্ষেত্রে কোভিড বিধি মেনে পুরোপুরি স্যানিটাইজ করার ব্যবস্থা করতে হবে। এই পুরো বিষয়টি নজরে রাখার জন্য প্রশাসনকে বলেন তিনি। মমতা বলেন,এখানে অনেককেই দেখছি মাস্ক ব্যবহার করছেন না। তাদের বলছি মাস্ক পরুন। যাঁরা গরীব, টাকার জন্য মাস্ক ব্যবহার করতে পারছেন না, তাঁদের সবাইকে মাস্ক কিনে দেওয়ার জন্য সরকারি আধিকারিকদের নির্দেশ দেন তিনি। এছাড়াও তিনি বলেন, পথশ্রী প্রকল্পের কাজে বাধা দেবেন না। টেন্ডার নিয়ে কোনও গন্ডগোল যেন না হয়। সব পঞ্চায়েত, সব রাজনৈতিক নেতৃত্বকে বলছি। সরকারি প্রকল্পের সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে কেউ টাকা চাইলে সোজা থানায় যান। সরকার জনগণের। কোনও রাজনৈতিক দলের নয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ঝাড়গ্রামে অনেক কাজ হয়েছে। তা সত্ত্বেও যারা বড় বড় কথা বলছেন তারা আগে নিজেরা একটু কাজ করে দেখান। নির্বাচনের আগে যাতে নতুন করে ঝাড়গ্রামে কোনও অশান্তির পরিবেশ তৈরি না হয় সেদিকে নজর রাখুন। এছাড়াও এদিন মাটির সৃষ্টি প্রকল্প নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। তিনি বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রচুর কর্মসংস্থান হবে। কমপক্ষে ৫ লক্ষ মানুষ কাজ পাবেন। এছাড়াও তিনি ঘোষণা করেন, ঝাড়গ্রামে সাংবাদিকদের জন্য ভবন তৈরি হবে। ভবনের জন্য পাঁচ কাটা জমি দেওয়া হয়েছে । খরচ দেবে রাজ্য সরকার।

অক্টোবর ০৭, ২০২০
কলকাতা

কেন্দ্রের জাতীয় শিক্ষানীতির সমালোচনা মুখ্যমন্ত্রীর

কোভিড আবহে সোমবার নবান্ন সভাঘরে রাজ্যের বোর্ড পরীক্ষার কৃতীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ছিল ভারচুয়ালি।সেখানে কৃতীদের উদ্দেশে একাধিক বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা, স্কলারশিপ সহ সমস্ত বিষয় নিয়ে বক্তব্য পেশ করেন।নেতাজির বিখ্যাত স্লোগান জয় হিন্দ নামে একটি নতুন বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করা হবে বলে জানালেন তিনি।এদিন তিনি কেন্দ্রের নয়া জাতীয় শিক্ষানীতির সমালোচনা করে বলেন, মেধাতালিকা না থাকলে, কেউ নিজেদের ফলাফল নিয়ে গর্ববোধ করবে কীভাবে? এসব রেজাল্ট তো ছাত্রছাত্রীদের জীবনের সম্পদ। আমার মনে হয়, যে যেভাবেই পাশ করুক, একটা মেধাতালিকা দরকার।

অক্টোবর ০৫, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

শেষ কি আমেরিকার দাপট? আইএমএফ রিপোর্টে চমক, মুখ খুললেন এলন মাস্ক

বিশ্ব অর্থনীতিতে আমেরিকার একছত্র আধিপত্য কি শেষের পথে? সদ্য প্রকাশিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের রিপোর্ট সামনে আসার পর তেমনই ইঙ্গিত মিলছে। আর সেই রিপোর্ট দেখেই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন ধনকুবের এলন মাস্ক। তাঁর মতে, বিশ্ব অর্থনীতিতে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাতে শুরু করেছে।আইএমএফ তাদের সাম্প্রতিক রিপোর্টে ২০২৬ সালে গোটা বিশ্বের সম্ভাব্য আর্থিক প্রবৃদ্ধির হিসাব তুলে ধরেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, বিশ্বের মোট আর্থিক বৃদ্ধিতে আমেরিকাকে ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত। বিশ্ব জিডিপিতে ভারতের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে প্রায় ১৭ শতাংশ। সেই তুলনায় আমেরিকার অবদান মাত্র ৯.৯ শতাংশ। ফলে তালিকায় তৃতীয় স্থানে নেমে গিয়েছে ডলারের দেশ।এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে চিন। বিশ্ব জিডিপিতে চিনের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে ২৬.৬ শতাংশ। অর্থাৎ প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এশিয়ার দুই দেশ চিন এবং ভারত। একসঙ্গে এই দুই দেশের আর্থিক যোগদান দাঁড়াচ্ছে ৪৩.৬ শতাংশ। অর্থাৎ গোটা বিশ্বের প্রায় অর্ধেক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র এখন এশিয়ায়।আইএমএফের রিপোর্টে আরও দেখা গিয়েছে, এই তালিকায় রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভিয়েতনাম, ব্রাজিল, নাইজেরিয়া, জার্মানির মতো দেশগুলিও। তবে ইউরোপ এবং আমেরিকার তুলনায় এশিয়ার দেশগুলির প্রভাব যে দ্রুত বাড়ছে, তা স্পষ্ট।এই রিপোর্ট সোশাল মিডিয়ায় তুলে ধরেই এলন মাস্ক লেখেন, অবশেষে বিশ্বে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাচ্ছে। তাঁর এই মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব অর্থনীতির কেন্দ্র ছিল আমেরিকা ও ইউরোপ। কিন্তু এখন সেই জায়গা দখল করছে চিন ও ভারত।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এলন মাস্কের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন আমেরিকার কড়া শুল্কনীতি এবং কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের জেরে বিশ্ব অর্থনীতি অস্থির। চিন ও ভারতের উপর সবচেয়ে বেশি শুল্ক আরোপ করেছে আমেরিকা। অথচ আইএমএফের রিপোর্ট বলছে, আগামী দিনে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হতে চলেছে এই দুই দেশই।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

মেঝেতে কিশোরী, উপর ঝুঁকে প্রিন্স অ্যান্ড্রু! এপস্টেইন ফাইলসে ফাঁস চাঞ্চল্যকর ছবি

মেঝেতে শুয়ে রয়েছে এক কিশোরী। তাঁর উপর ঝুঁকে পড়ে আছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ প্রিন্স অ্যান্ড্রু। এপস্টেইন ফাইলসের সদ্য প্রকাশিত নথিতে এই ছবি সামনে আসতেই নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। বহুদিন ধরেই যৌন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে অ্যান্ড্রুর সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক চলছিল। এ বার সেই বিতর্ক আরও তীব্র হল নতুন ছবি ও তথ্য প্রকাশ্যে আসায়।এপস্টেইন ফাইলস ঘিরে সামনে এসেছে ব্রিটেনের রাজপরিবারের নামও। গত বছরই জানা যায়, যৌন অপরাধে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল প্রিন্স অ্যান্ড্রুর। সেই ঘটনার পর ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস নিজের ছোট ভাই অ্যান্ড্রুর সমস্ত রাজকীয় উপাধি, সম্মান এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা কেড়ে নেন। রাজপরিবার থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় তাঁকে।এই পরিস্থিতিতেই গত শুক্রবার এপস্টেইন সংক্রান্ত নথির নতুন একটি অংশ প্রকাশ্যে আসে। সেখানে একাধিক ছবিতে দেখা যাচ্ছে, এক অজ্ঞাত পরিচয়ের কিশোরী মাটিতে শুয়ে রয়েছেন। তাঁর পাশে এবং উপর ঝুঁকে আছেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু। একটি ছবিতে দেখা যায়, কিশোরীর পেটের উপর হাত রেখেছেন তিনি। তবে ওই কিশোরী কে, ছবিগুলি কোথায় এবং কবে তোলা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।শুধু ছবি নয়, এই নথিতে উঠে এসেছে আরও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, ২০১০ সালে জেফ্রি এপস্টেইন ও প্রিন্স অ্যান্ড্রুর মধ্যে ইমেলে যোগাযোগ হয়েছিল। সেই ইমেলে এপস্টেইন অ্যান্ড্রুকে লেখেন, তাঁর এক রুশ বান্ধবী রয়েছে, যিনি ২০ থেকে ২৪ তারিখের মধ্যে লন্ডনে থাকবেন। এপস্টেইনের দাবি ছিল, ওই মহিলার সঙ্গে নৈশভোজ অ্যান্ড্রু উপভোগ করবেন। তবে এই রহস্যময়ী রুশ মহিলার সঙ্গে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর আদৌ কখনও দেখা হয়েছিল কি না, তা এখনও জানা যায়নি।নতুন করে সামনে আসা এই নথি ও ছবিকে ঘিরে ফের প্রশ্নের মুখে পড়েছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ। এপস্টেইন কাণ্ডে তাঁর ভূমিকা নিয়ে তদন্ত এবং বিতর্ক যে এখনও শেষ হয়নি, তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
রাজ্য

তৃণমূলের মিছিলে ভাতারে বিধায়কের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগান, মুচকি হাসি বিরোধীদের

বিধানসভা ভোটের আগে প্রার্থী হওয়ার দাবিদারের লড়াই চরমে উঠেছে। ভাতারের তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিলে চোর চোর স্লোগান উঠলো। তবে এই চোর চোর স্লোগান বিজেপির বিরুদ্ধে ছিল না। ভাতারের তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের বিরুদ্ধেই এই চোর চোর স্লোগান উঠেছে মুহূর্মুহু। এই মিছিলে নেতৃত্ব দেন ভাতারের প্রবীণ তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক বনমালী হাজরা। ভাতারের এই মিছিলে স্লোগান ওঠে, মানু চোর, শান্তনু চোর। কেন তাঁদের চোর বলা হচ্ছে? মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, পঞ্চায়েত সমিতি থেকে গ্রামপঞ্চায়েত, সর্বত্র লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতি হচ্ছে। লুঠপাট চলছে। পকেট ভরছে নেতারা। তাদের দাবি, মানগোবিন্দ অধিকারীকে আর যেন বিধায়কপদের টিকিট না দেওয়া হয়। প্রার্থী করতে হবে বনমালী হাজরাকে।সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বিধায়ক পদের টিকিট পাওয়া নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে দড়ি টানাটানি চলছে। কে হবেন বিধানসভার প্রার্থী, এখন সেই প্রতিযোগিতা চলছে। বর্ধমান জেলার প্রায় প্রতিটি জায়গায় দলের তরফে দুই পক্ষের মিছিল হয়। বর্ধমানে কখনও বিধায়ক খোকন দাসের নেতৃত্বের মিছিল হয়, আবার কখনও কাউন্সিলর রাসবিহারী হালদারের নেতৃত্বে পৃথক মিছিল হয়। ভাতারেও সেই অবস্থা চলছে। সেখানে একাংশ চাইছে মানু অধিকারী নয়, বনমালী হাজরাকে তৃণমূল প্রার্থী করুক। তবে তৃণমূলের মিছিলেই নেতৃত্বের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগানে মুচকি হাসছে বিরোধী শিবির।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

রক্তে ভাসল পাকিস্তান! একযোগে জঙ্গি হামলায় মৃত ১২০ ছাড়াল

পরপর গুলির শব্দ, তার পর একের পর এক বিস্ফোরণ। শনিবার ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় কেঁপে উঠল পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।হামলা শুধু গুলি ও বোমাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। সন্ত্রাসীরা কারাগারেও হামলা চালায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের মাস্তুং জেলার একটি জেল ভেঙে প্রায় ৩০ জনেরও বেশি বন্দিকে পালাতে সাহায্য করেছে তারা। একই সঙ্গে নুস্কি জেলার আধাসামরিক বাহিনীর দফতরেও হামলা চালানো হয়। এই হামলায় একাধিক নিরাপত্তারক্ষী আহত হয়েছেন। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৪ জন নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ভয়াবহ হামলার ঘটনাগুলি ঘটেছে বালোচিস্তানে। গত কয়েক মাস ধরেই এই এলাকায় পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে। দফায় দফায় সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন। শনিবারও একযোগে একাধিক জায়গায় হামলা চালানো হয়। এখনও পর্যন্ত কোনও সংগঠন প্রকাশ্যে এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, কোয়েটা, গোদার, মাস্তুং, নুস্কি, দালবানদিন এবং পাঞ্জগুর-সহ বালোচিস্তানের একাধিক জেলায় একসঙ্গে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। হামলার পরই পাল্টা অভিযানে নামে পাকিস্তানের সেনা। সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ান-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা ৪৮ ঘণ্টা ধরে সন্ত্রাসদমন অভিযান চালিয়ে এখনও পর্যন্ত ১৩৩ জনের বেশি জঙ্গিকে খতম করেছে পাক সেনা। শুধু শনিবারেই নিহত হয়েছে অন্তত ৯২ জন সন্ত্রাসী।যদিও এই হামলার দায় বালোচ লিবারেশন আর্মি এখনও স্বীকার করেনি, তবে হামলার দিনেই একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ওই সংগঠন। সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পাকিস্তান সরকার ও সেনার বিরুদ্ধে সংঘর্ষে বন্দুক হাতে অংশ নিচ্ছেন মহিলারাও। এই ছবি নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

ভুল নাকি অপরাধ? গোমাংস কাণ্ডে অলি পাবের ক্ষমা চাওয়ায় প্রশ্ন

সায়ক চক্রবর্তীর গোমাংস বিতর্কে অবশেষে মুখ খুলল পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। পাঁঠার মাংসের বদলে গোমাংস পরিবেশনের অভিযোগে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার দায়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায় তীব্র বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে এই ঐতিহ্যবাহী পাব। রবিবার সোশাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতি জারি করে রেস্তরাঁর তরফে জানানো হয়েছে, এটি একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। এই ঘটনার জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।অলি পাবের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ৩০ জানুয়ারি রাতে রেস্তরাঁর এক কর্মী ভুলবশত একটি গুরুতর ভুল করে ফেলেন। কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। ওই কর্মীর ভুলের জন্য রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ ক্ষমা চেয়েছে এবং জানিয়েছে, অনিচ্ছাকৃতভাবে ক্রেতার ভাবাবেগে আঘাত লাগায় তারা গভীরভাবে দুঃখিত।এদিকে সায়ক চক্রবর্তীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার পুলিশ অলি পাবের বেয়ারা শেখ নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। এই গ্রেপ্তারি ঘিরে শহরজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। একাংশ ওই কর্মীর পাশে দাঁড়ান, আবার অনেকে সেলেব ইনফ্লুয়েন্সারের বিরুদ্ধে রেস্তরাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার অভিযোগ তোলেন। সোশাল মিডিয়ায় প্রশ্ন উঠতে থাকে, ভুল খাবার পরিবেশন করা কি অপরাধ, না কি কর্মীর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে বিষয়টিকে অন্য খাতে বইয়ে দেওয়া হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে অলি পাবের তরফে জানানো হয়, জাতি, ধর্ম বা বর্ণ নির্বিশেষে সকলের প্রতি সম্মানের ভিত্তিতেই রেস্তরাঁটি পরিচালিত হয়। আট দশকের ঐতিহ্য নিয়ে তারা গর্বিত বলেও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে রেস্তরাঁর সমস্ত কর্মী ও সহযোগীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার বার্তাও দেওয়া হয়।এর মাঝেই গুজব ছড়ায় যে এই ঘটনার জেরে অলি পাব বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেই খবরে বহু নিয়মিত অতিথির মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। তবে রবিবারের বিবৃতিতে রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, অলি পাব বন্ধ হচ্ছে না। বরং এই কঠিন সময়ে যাঁরা পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আগের মতোই পরিষেবা চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।এদিকে শুক্রবার রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে পরপর ফেসবুক লাইভে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছিলেন সায়ক চক্রবর্তী। যদিও বর্তমানে সেই পোস্টগুলি আর পাওয়া যাচ্ছে না। জানা গিয়েছে, সেদিন রাতে সায়ক তাঁর দুই বন্ধু অনন্যা গুহ ও সুকান্ত কুণ্ডুর সঙ্গে অলি পাব যান। তাঁরা মাটন স্টেক অর্ডার করেছিলেন। খাবার পরিবেশনের পর প্রথমে খিদের চোটে বিষয়টি বুঝতে পারেননি তাঁরা। পরে টেবিলে আরও একটি স্টেক আসতেই সন্দেহ হয়।সায়কের দাবি, তাঁরা একটি মাত্র স্টেক অর্ডার করেছিলেন। কিন্তু বেয়ারা জানান, দুটি স্টেক অর্ডার করা হয়েছেএকটি মাটন এবং একটি বিফ। তখনই সায়ক প্রতিবাদ করেন। তাঁর কথায়, অজান্তে গরুর মাংস খাওয়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। বচসার মধ্যেই বেয়ারা স্বীকার করেন যে তিনি ভুল করেছেন। বিষয়টি নিয়ে রেস্তরাঁর মধ্যেই উত্তেজনা ছড়ায়। পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন সায়ক। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার ওই বেয়ারাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

গোমাংস বিতর্কে ইউটার্ন! বেয়ারার বিরুদ্ধে এফআইআর প্রত্যাহার সায়কের

রবিবার সোশাল মিডিয়ায় বিবৃতি জারি করে অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছে পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। তাদের বক্তব্যে জানানো হয়েছে, কোনও ক্রেতার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্য তাদের ছিল না। এই ক্ষমা প্রার্থনার কিছুক্ষণের মধ্যেই রেস্তরাঁ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিলেন অভিনেতা ও ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তী।অলি পাবের বিবৃতি প্রকাশের পরই সায়ক সোশাল মিডিয়ায় জানান, তিনি জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেন। তাঁর কথায়, তিনি জনগণের উপর নির্ভরশীল এবং মানুষ যা বলবেন, সেটাই তিনি মেনে নেবেন। সেই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি চাপের মুখেই নিজের অবস্থান বদল করলেন অভিনেতা।গত ২৪ ঘণ্টায় গোমাংস বিতর্ক ঘিরে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয় সোশাল মিডিয়ায়। ঘটনার সূত্রপাত একটি ভ্লগকে কেন্দ্র করে। সেই ভ্লগে রেস্তরাঁর এক বেয়ারার ধর্মীয় পরিচয় উল্লেখ করে মন্তব্য করায় সমালোচনার মুখে পড়েন সায়ক। পরে অলি পাব এবং ওই কর্মীর বিরুদ্ধে পার্ক স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের করেন তিনি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার সকালে গ্রেপ্তার হন রেস্তরাঁর কর্মী শেখ নাসির উদ্দিন। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৯৯ ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়। আদালতে তোলা হলেও শনিবার তিনি জামিন পাননি বলে খবর।এদিকে শনিবার রাতেই সায়কের বিরুদ্ধেও পার্ক স্ট্রিট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নাট্যব্যক্তিত্ব জয়রাজ ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ ছিল, সায়কের বক্তব্য থেকে দাঙ্গায় উসকানি দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠার মধ্যেই রবিবার অলি পাব প্রকাশ্যে ক্ষমা চায়। তার পরই সায়ক নিজে থেকে অভিযোগ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন।সায়ক চক্রবর্তী তাঁর পোস্টে লেখেন, অলি পাব শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চেয়েছে, তাই নতুন করে কোনও গল্প বানানোর প্রয়োজন নেই। তিনি স্বীকার করেন, রাগের মাথায় থানায় গিয়েছিলেন এবং সেই সময় তাঁর মাথা ঠিক ছিল না। তিনি জানান, তিনি কোনওদিন গোমাংস খাননি এবং ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকবেন। অলি পাব ও সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে করা অভিযোগ তিনি প্রত্যাহার করছেন বলেও স্পষ্ট করে দেন।অভিনেতা আরও লেখেন, রেস্তরাঁর ভুল নিয়ে তাঁর সমস্যা ছিল, কিন্তু তাঁর প্রতিক্রিয়াও হয়তো ভুল ছিল। সে জন্য তিনি দুঃখিত। ভবিষ্যতে ভ্লগ বা ইনস্টাগ্রাম কনটেন্ট বানাতে গিয়ে এই ধরনের বিতর্কে জড়াতে চান না বলেও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন, তাঁর হিন্দু-মুসলিম কোনও সমস্যা নেই। তিনি কেবল নিজের কিছু ব্যক্তিগত আচার মেনে চলতে চান। তাঁর কনটেন্ট আগেও মানুষের মধ্যে ঐক্যের কথা বলেছে, ভবিষ্যতেও বলবে। পুরো ঘটনায় অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আবারও দুঃখপ্রকাশ করেন সায়ক।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

বাজেট ২০২৬–এ পশ্চিমবঙ্গের প্রাপ্তি: মেট্রোতে জোরালো বিনিয়োগ, গতি পাচ্ছে ফ্রেট করিডর

কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ পশ্চিমবঙ্গের পরিকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিল কেন্দ্র সরকার। বিশেষ করে কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলের মেট্রো রেল প্রকল্পে অতিরিক্ত বিনিয়োগ এবং রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্য সম্ভাবনাকে চাঙ্গা করতে ফ্রেট করিডর সম্প্রসারণে বরাদ্দএই দুই ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি হয়েছে রাজ্যের।মেট্রো রেলে গতি, শহুরে যাত্রায় স্বস্তির আশ্বাসবাজেটে কলকাতা মেট্রোর একাধিক চলমান ও প্রস্তাবিত প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নিউ গড়িয়াএয়ারপোর্ট মেট্রো, জোকাএসপ্ল্যানেড লাইন এবং ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো করিডরের কাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।কেন্দ্রের দাবি, এই বিনিয়োগের ফলে শহরের যানজট কমবে, যাত্রার সময় বাঁচবে এবং পরিবেশবান্ধব গণপরিবহণ আরও জনপ্রিয় হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মেট্রো নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হলে কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর ২৪ পরগনার যাত্রীদেরও সরাসরি উপকার হবে।কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ কলকাতা মেট্রো সম্প্রসারণে ফের বড়সড় বিনিয়োগের ঘোষণা করল কেন্দ্র সরকার। শহর ও শহরতলির গণপরিবহণকে আরও গতিশীল করতে অরেঞ্জ লাইন, পার্পল লাইন ও গ্রিন লাইনের জন্য মোট ২,১৪১.১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই বরাদ্দকে পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহৎ শহুরে পরিবহণ বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।অরেঞ্জ লাইন: বিমানবন্দরের সঙ্গে সরাসরি সংযোগে জোরনিউ গড়িয়ানেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংযোগকারী অরেঞ্জ লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৭০৫.৫০ কোটি টাকা। এই অর্থ মূলত ভায়াডাক্ট নির্মাণ, স্টেশন অবকাঠামো, সিগন্যালিং ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার কাজে ব্যবহার করা হবে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে দক্ষিণ কলকাতা ও সল্টলেক-নিউ টাউনের সঙ্গে বিমানবন্দরের যাত্রা অনেকটাই সহজ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।পার্পল লাইন: জোকাএসপ্ল্যানেডে শহর-উপশহর সেতুবন্ধনজোকাএসপ্ল্যানেড পার্পল লাইনের জন্য সর্বাধিক বরাদ্দ৯০৬.৬০ কোটি টাকা। এই লাইনের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিম কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্রথমবারের মতো মেট্রো নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হবে। বাজেট বরাদ্দের বড় অংশ যাবে এলিভেটেড স্টেশন নির্মাণ, রোলিং স্টক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে। কেন্দ্রের দাবি, এই লাইনের কাজ দ্রুত শেষ হলে শহরের দক্ষিণ প্রান্তের যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতে বড় স্বস্তি মিলবে।গ্রিন লাইন: পূর্ব-পশ্চিম মেট্রোতে গতি ফেরানোর চেষ্টাপূর্ব-পশ্চিম মেট্রো করিডর বা গ্রিন লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৫২৯.০০ কোটি টাকা। হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর-৫ পর্যন্ত এই লাইন কলকাতার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইস্ট-ওয়েস্ট করিডর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বরাদ্দের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ অংশের প্রযুক্তিগত কাজ, স্টেশন ফিনিশিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।শহুরে পরিবহণে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবপরিবহণ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তিনটি লাইনে বিনিয়োগ শুধু যাত্রী সুবিধা বাড়াবে না, বরং যানজট ও দূষণ কমাতেও বড় ভূমিকা নেবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শহরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনবে এই মেট্রো প্রকল্পগুলি।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬২৭-এ অরেঞ্জ, পার্পল ও গ্রিন লাইনের জন্য ঘোষিত বরাদ্দ কলকাতা মেট্রোকে নতুন মাত্রা দিতে চলেছে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।ফ্রেট করিডর: শিল্প ও বাণিজ্যের নতুন দিগন্তবাজেট ২০২৬-এ পূর্ব ভারতের শিল্প সম্ভাবনাকে সামনে রেখে ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর (EDFC)-এর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সংযোগ আরও শক্ত করার ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যের শিল্পাঞ্চল, বন্দর ও লজিস্টিক হাবগুলিকে এই করিডরের সঙ্গে যুক্ত করতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।বিশেষ করে হলদিয়া বন্দর, দুর্গাপুরআসানসোল শিল্পাঞ্চল এবং কলকাতা বন্দরের সঙ্গে দ্রুত মাল পরিবহণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পরিবহণ খরচ কমবে, শিল্পে বিনিয়োগ বাড়বে এবং রাজ্যে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক তাৎপর্যবিশ্লেষকদের মতে, এই বাজেট বরাদ্দ শুধু পরিকাঠামো উন্নয়ন নয়, বরং পূর্ব ভারতের প্রবৃদ্ধিতে পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় আনার ইঙ্গিতও দিচ্ছে। যদিও রাজ্য সরকার আরও বেশি বরাদ্দের দাবি তুলতে পারে, তবু মেট্রো ও ফ্রেট করিডরএই দুই ক্ষেত্রে ঘোষণাকে রাজ্যের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬এ পশ্চিমবঙ্গের জন্য মেট্রো রেল ও ফ্রেট করিডর সংক্রান্ত বিনিয়োগ রাজ্যের শহুরে জীবনযাত্রা ও শিল্প-বাণিজ্যে নতুন গতি আনতে পারে বলেই আশা।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির ফাঁকে কেন্দ্রের বাজেট: স্বস্তি সীমিত, হতাশা বিস্তৃত

রবিবার সংসদে ২০২৬২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। টানা নবমবার বাজেট বক্তৃতা করলেন তিনি। নরেন্দ্র মোদী তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটি তাঁর সরকারের তৃতীয় পূর্ণাঙ্গ বাজেট। তবে বাজেট বক্তৃতা শেষ হতেই স্পষ্টপ্রত্যাশার পাহাড়ের তুলনায় প্রাপ্তি অনেকটাই খর্ব।বাজেট পেশের আগেই ব্যয় বরাদ্দ ও করছাড় ঘিরে সাধারণ মানুষ থেকে শিল্পমহলসর্বত্র উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ সংসদে ভাষণ শুরু করেন অর্থমন্ত্রী। তার আগে প্রথামাফিক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। কিন্তু বাজেট ঘোষণার পর ক্রমশ স্পষ্ট হয়, বড় কোনও চমক নেই।বিশেষ করে রাজ্যভিত্তিক বরাদ্দের ক্ষেত্রে বাংলা কার্যত ব্রাত্য। পরিকাঠামো, শিল্প বা বিশেষ প্রকল্পকোনও ক্ষেত্রেই রাজ্যের জন্য উল্লেখযোগ্য ঘোষণা শোনা যায়নি। করদাতাদের ক্ষেত্রেও হতাশা চোখে পড়ার মতো। আয়কর কাঠামোয় তেমন কোনও বড় পরিবর্তন বা অতিরিক্ত ছাড় ঘোষণা হয়নি।তবে সম্পূর্ণ হতাশার ছবি নয়। কিছু পণ্যে শুল্ক কমানোর ফলে দৈনন্দিন জীবনে সীমিত হলেও স্বস্তি মিলতে পারে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, বিমানের যন্ত্রাংশে শুল্ক কমানো হবে। এর ফলে বিমান সংক্রান্ত খরচ কমার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে মাইক্রোওভেনের যন্ত্রাংশ-সহ বেশ কিছু বৈদ্যুতিন পণ্যের উপর শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে, যা বাজারদরে প্রভাব ফেলতে পারে।স্বাস্থ্যক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ঘোষণা হিসেবে ১৭টি ক্যানসারের ওষুধে আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। পাশাপাশি ডায়াবেটিসের কিছু ওষুধও সস্তা হতে চলেছে। এতে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা খরচ কিছুটা কমবে বলেই আশা।পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও শুল্কছাড়ের ঘোষণা করা হয়েছে। বৈদ্যুতিন গাড়ির ব্যাটারি এবং সৌরশক্তিচালিত প্যানেলের দাম কমতে পারে। মোবাইল ফোন তৈরির কাঁচামালের উপর শুল্ক কমানোয় দেশীয় স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট সস্তা হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।চামড়াশিল্পকে উৎসাহ দিতে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত আমদানির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকার উচ্চ শুল্কের চাপে থাকা চামড়া রফতানিকারকদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তির খবর। পাশাপাশি বিদেশে পড়াশোনা ও ভ্রমণের খরচ কমার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, স্বস্তির পাশাপাশি চাপও বাড়ছে কিছু ক্ষেত্রে। বিলাসবহুল ঘড়ি এবং বিদেশি মদের উপর কর বাড়ানো হয়েছে। ফলে এই সব পণ্যের দাম আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে। কফি রোস্টিং ও ব্রিউইং মেশিনে ছাড় তুলে নেওয়ায় সেগুলিও আরও ব্যয়বহুল হতে পারে। পাশাপাশি কিছু সার, আমদানিকৃত টেলিভিশন সরঞ্জাম, ক্যামেরা এবং চিত্রগ্রহণ সংক্রান্ত যন্ত্রাংশের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।বাজেট বক্তৃতাজুড়ে আত্মনির্ভর ভারত ও বিকশিত ভারত-এর কথা বারবার উঠে এসেছে। অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার এবং ভোক্তাদের স্বস্তি দেওয়ার দাবি করেছে কেন্দ্র। কিন্তু অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বাস্তবে এই বাজেটে এমন কোনও যুগান্তকারী ঘোষণা নেই, যা সাধারণ মানুষের জীবনে বড় পরিবর্তন আনবে।সব মিলিয়ে, ২০২৬২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট সীমিত স্বস্তি দিলেও বৃহত্তর প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থএই মূল্যায়নই এখন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal