• ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৭ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Kolkata

কলকাতা

বসন্তের মাঝেই আচমকা বৃষ্টি ও ঠান্ডা হাওয়া, কলকাতায় ফের শীতের ছোঁয়া

ক্যালেন্ডারে বসন্ত শুরু হলেও গত কয়েকদিন ধরেই উষ্ণতার ইঙ্গিত মিলছিল। তবে মঙ্গলবার ভোররাতে আচমকা ঝড় ও হালকা বৃষ্টিতে সেই ছন্দে বদল আসে। ভিজে যায় কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক এলাকা। সকালে হালকা ঠান্ডা হাওয়া বইতে শুরু করায় তাপমাত্রা কিছুটা নেমে যায় এবং অনেককেই ফের হালকা শীতপোশাক ব্যবহার করতে দেখা যায়। বৃষ্টি কতদিন চলবে তা স্পষ্টভাবে জানাতে পারেনি আবহাওয়া দপ্তর, তবে আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রায় বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম বলেই পূর্বাভাস।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ভিজতে পারে হাওড়া, হুগলি, দুই চব্বিশ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, নদিয়া এবং উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং ও জলপাইগুড়ি। মঙ্গলবার সারাদিন আকাশ মেঘলা থাকার সঙ্গে মাঝেমধ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, দুই মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামে হলুদ সতর্কতাও জারি করা হয়েছে। বুধবার থেকে ধীরে ধীরে বৃষ্টির প্রভাব কমতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই কলকাতার পাশাপাশি সংলগ্ন জেলা এবং পশ্চিমাঞ্চলের পুরুলিয়া ও বাঁকুড়া জেলাতেও বৃষ্টির খবর মিলেছে।আবহাওয়ার এই পরিবর্তনের পিছনে মূল কারণ হিসেবে জানা যাচ্ছে বঙ্গোপসাগর-এ তৈরি হওয়া নিম্নচাপ। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন ভারত মহাসাগর অঞ্চলে তৈরি ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হয়ে বর্তমানে মধ্য-দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এটি ধীরে ধীরে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে পরে পূর্ব ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের দিকে সরে যাবে। নিম্নচাপের প্রভাব কেটে গেলে রাজ্যজুড়ে আবার স্বাভাবিক বসন্তের আবহাওয়া ফিরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬
রাজ্য

গেল শীত, হঠাৎই বাড়ছে গরম—বসন্ত না আসতেই বদলে গেল আবহাওয়া

শীত বিদায় নিতেই বাংলায় দ্রুত বাড়ছে গরমের প্রভাব। বসন্তের স্বস্তি প্রায় দেখা না মিলতেই গ্রীষ্মের পথে হাঁটছে রাজ্য। দিন ও রাতের তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়ছে এবং রোদের তেজও বেড়েছে। ভোর ও রাতে সামান্য ঠান্ডা থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গরম স্পষ্ট অনুভূত হচ্ছে। আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী প্রায় দীর্ঘ সময় পর কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা উনিশ ডিগ্রির ঘরে নেমেছে। আজ শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা উনিশ দশমিক দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে দিনের দিকে তাপমাত্রা আরও বাড়বে বলে পূর্বাভাস।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে তাপমাত্রা এক ধাক্কায় প্রায় তিন ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্নদুই তাপমাত্রাই বাড়বে। সকালে ও রাতে শীতের আমেজ দ্রুত কমে যাবে। ইতিমধ্যেই দিনের বেলায় শীতের অনুভূতি প্রায় নেই বললেই চলে। সপ্তাহের শেষে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কুড়ি থেকে একুশ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছতে পারে এবং দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বত্রিশ ডিগ্রি ছাড়াতে পারে।বর্তমানে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা উত্তর-পশ্চিম ভারতের কিছু অংশে সক্রিয় রয়েছে এবং নতুন করে আরেকটি ঝঞ্ঝা প্রবেশের সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে বঙ্গোপসাগরে তৈরি নিম্নচাপ ধীরে ধীরে দুর্বল হলেও আবার নতুন নিম্নচাপ তৈরির ইঙ্গিত মিলেছে। এর প্রভাবে জলীয় বাষ্প রাজ্যে প্রবেশ করবে এবং আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটবে।দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় উত্তরবঙ্গে দিনের গরম বেশি অনুভূত হচ্ছে। বাগডোগরা ও জলপাইগুড়িতে তাপমাত্রা তেত্রিশ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে। পুরুলিয়াতেও পারদ বত্রিশ ডিগ্রি ছুঁয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের বেশির ভাগ জেলায় তাপমাত্রা ত্রিশ ডিগ্রির আশেপাশে রয়েছে। কলকাতায় টানা কয়েক দিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ত্রিশ ডিগ্রির ঘরে থাকায় গরমের অস্বস্তি বাড়ছে। ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে রাতের তাপমাত্রাও আরও কয়েক ডিগ্রি বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস।দক্ষিণবঙ্গে আপাতত শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। তবে আগামী সপ্তাহের শুরুতে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উপকূল সংলগ্ন কিছু জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি, অন্য জেলাগুলিতে আংশিক মেঘলা আকাশ দেখা যেতে পারে। নিম্নচাপের প্রভাবে বাতাসে আর্দ্রতা বাড়বে।শুক্রবার থেকে রবিবারের মধ্যে কলকাতা ও আশপাশের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আঠারো থেকে কুড়ি ডিগ্রির মধ্যে থাকবে। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে তাপমাত্রা সতেরো থেকে উনিশ ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পনেরো থেকে আঠারো ডিগ্রির মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।উত্তরবঙ্গেও তাপমাত্রা দ্রুত বাড়ছে। পাহাড়ে হালকা কুয়াশা থাকলেও দিনের দিকে আকাশ পরিষ্কার থাকবে। আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা ছয় থেকে সাত ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে। দার্জিলিং পার্বত্য এলাকায় তাপমাত্রা ছয় থেকে আট ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে এবং সমতল সংলগ্ন এলাকায় এগারো থেকে পনেরো ডিগ্রির মধ্যে থাকবে। শিলিগুড়ি ও মালদা সহ সংলগ্ন জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ষোলো থেকে উনিশ ডিগ্রির মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
রাজ্য

বিদায় নিচ্ছে শীত! রাতের তাপমাত্রাও বাড়বে ২-৩ ডিগ্রি, সপ্তাহের শেষে বদলে যাবে আবহাওয়া

পশ্চিমবঙ্গে শীতের মরশুম প্রায় শেষের পথে। এতদিন দিনে তাপমাত্রা অনেকটাই বেড়েছিল। সোয়েটার বা মাফলারের প্রয়োজনও কমে গিয়েছিল। তবে রাতে হালকা ঠান্ডা থাকছিল। এবার সেই রাতের ঠান্ডাও কমতে চলেছে।আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনে রাতের তাপমাত্রা আরও ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে উত্তুরে হাওয়ার জোগান কমে গিয়েছে। ফলে রোদের তেজও বাড়বে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি নিম্নচাপ শক্তি বাড়াচ্ছে। এটি পূর্ব ভারত মহাসাগর এবং দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করবে। তবে এই নিম্নচাপের জেরে বৃষ্টি হবে কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়। চলতি সপ্তাহে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই। সব জেলাতেই আবহাওয়া থাকবে শুষ্ক।শুক্রবার থেকে রবিবারের মধ্যে কলকাতা ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে রাতের তাপমাত্রা ১৮ থেকে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছতে পারে। উপকূলের জেলা যেমন দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে তাপমাত্রা থাকবে ১৭ থেকে ১৯ ডিগ্রির মধ্যে। পশ্চিমের জেলা বাঁকুড়া, বীরভূম, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রামে তাপমাত্রা ১৫ থেকে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছতে পারে।সকালে হালকা কুয়াশা বা শিশিরের সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে কুয়াশার প্রভাব কিছুটা বেশি থাকতে পারে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা কুয়াশার সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে।উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই আগামী দুদিন হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকতে পারে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি। সপ্তাহের শেষে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা দুটোই কিছুটা বাড়বে। দার্জিলিং ও পার্বত্য এলাকায় তাপমাত্রা থাকবে ৬ থেকে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। কালিম্পং ও সংলগ্ন এলাকায় ১১ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শিলিগুড়ি, মালদা ও আশপাশের জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ১৭ থেকে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ২৭ থেকে ৮২ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। সব মিলিয়ে শীতের আমেজ ফুরিয়ে এখন ধীরে ধীরে গরমের ইঙ্গিত স্পষ্ট হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ! বসন্তের মুখে আবহাওয়ার নতুন বার্তা, বাড়বে নাকি বৃষ্টি?

দুয়ারে বসন্তের আমেজ। সকাল ও রাতে হালকা শীতের ছোঁয়া এখনও রয়েছে। ঠিক এই সময়েই দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার খবর দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তবে আপাতত বাংলায় এর সরাসরি কোনও প্রভাব পড়বে না বলেই জানানো হয়েছে।আবহাওয়া দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন ভারত মহাসাগর এলাকায় একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছিল। সেটিই শক্তি বাড়িয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে সেটি মধ্য দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। আগামী দিনে এটি আরও শক্তিশালী হয়ে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোবে। ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পূর্ব ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই মুহূর্তে বাংলার আবহাওয়ায় তার কোনও বড় প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা নেই।এদিকে রাজ্যে তাপমাত্রায় বড় কোনও পরিবর্তন হয়নি। কলকাতায় মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৩৫ থেকে ৮২ শতাংশের মধ্যে রয়েছে। সকালে ও রাতে হালকা শীতের আমেজ থাকলেও দিনের বেলা শীতের অনুভূতি অনেকটাই কমছে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আরও দুদিন একই রকম আবহাওয়া থাকবে। বৃহস্পতিবার থেকে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে। সপ্তাহের শেষে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দু থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। ফলে দিনের বেলা শীত কার্যত বিদায় নেবে বলেই মনে করা হচ্ছে। কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় সপ্তাহের শেষে তাপমাত্রা ১৮ থেকে ২০ ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে। উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে তা ১৭ থেকে ১৯ ডিগ্রির মধ্যে থাকবে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১৫ থেকে ১৮ ডিগ্রির মধ্যে থাকার সম্ভাবনা।দক্ষিণবঙ্গে আপাতত রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে এক থেকে দুই ডিগ্রি কম রয়েছে। তবে ধীরে ধীরে তা বাড়বে। দিনের তাপমাত্রা আপাতত স্বাভাবিকের কাছাকাছিই থাকবে। সপ্তাহের শেষের দিকে গরমের আভাস মিলতে পারে।উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই আগামী দুদিন হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর ও কোচবিহার জেলায় কুয়াশার পরিমাণ কিছুটা বেশি হতে পারে। সকালবেলায় দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।সব মিলিয়ে বসন্তের শুরুতে আবহাওয়া মোটামুটি স্বাভাবিক থাকলেও সমুদ্রের নিম্নচাপ নিয়ে নজর রাখছে আবহবিদরা।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬
কলকাতা

উড়ান থামিয়ে নামানো হল যাত্রীদের, শৌচাগার থেকে মিলল বোমা-হুমকি

সাতসকালে তুমুল চাঞ্চল্য ছড়াল নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ। শিলংগামী ইন্ডিগো-র 6E-7304 নম্বর বিমানে বোমাতঙ্ক ছড়ায়। খবর ছড়াতেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন যাত্রীরা।জানা গিয়েছে, কলকাতা থেকে শিলং যাওয়ার কথা ছিল ওই বিমানের। উড়ানের আগে বিমানের শৌচাগার থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করেন এক ক্রু সদস্য। চিরকুটে লেখা ছিল, বিমানে বোমা রাখা আছে। এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।বিমান কর্তৃপক্ষকে সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয়। দ্রুত একে একে সব যাত্রীকে বিমান থেকে নামিয়ে আনা হয়। সতর্কতাবশে বিমানটিকে আলাদা বে-তে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পুরো বিমান জুড়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, শিলংগামী ওই উড়ানটি দুপুর ১টা ১০ মিনিট নাগাদ রওনা দেওয়ার কথা ছিল। তবে তল্লাশি শেষ না হওয়া পর্যন্ত উড়ান সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিমানবন্দরে কড়া নিরাপত্তা জারি করা হয়েছে। গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

বাসস্টপে ধাক্কা, তারপর ডিভাইডারে সজোরে আঘাত—মত্ত চালকের তাণ্ডব

বেপরোয়া গতির জেরে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা ঘটল নিউটাউনে। শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি সকালে নিউটাউন-এর ইকো পার্ক-এর দুই নম্বর গেটের কাছে প্রথমে একটি গাড়ি বাসস্টপে ধাক্কা মারে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এরপর গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আরও কিছুটা এগিয়ে সিগন্যালের কাছে ডিভাইডারে সজোরে ধাক্কা মারে। তারপরই গাড়িটি সম্পূর্ণ উল্টে যায়।রাস্তায় উল্টে পড়ে থাকতে দেখা যায় গাড়িটিকে। সামনের অংশ বেশ খানিকটা দুমড়ে-মুচড়ে যায়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়। গাড়িতে থাকা তিনজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, গাড়িতে থাকা তিনজনের মধ্যে যিনি চালাচ্ছিলেন, তিনি মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান। দ্রুতগতিতে গাড়ি চালাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়েই এই দুর্ঘটনা ঘটে।গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিউটাউনের ব্যস্ত রাস্তায় এ ধরনের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
রাজ্য

ফেব্রুয়ারিতেই গরমের ঝাঁজ! ৩০ ডিগ্রির পথে কলকাতা, শীত কার্যত বিদায়

বসন্তের শুরুতেই চড়া রোদের তেজ টের পাচ্ছে কলকাতা। তাপমাত্রা ধীরে ধীরে ৩০ ডিগ্রির দিকে এগোচ্ছে। শীতের আমেজ প্রায় উধাও। এমনটাই জানাল আলিপুর আবহাওয়া অফিস।আগেই বলা হয়েছিল, ফেব্রুয়ারির মধ্যেই শীত বিদায় নেবে। এখন সেই পূর্বাভাসই মিলছে। কলকাতা সহ গোটা রাজ্যেই তাপমাত্রা বাড়ছে। পশ্চিমাঞ্চলের বেশ কয়েকটি জেলায় ইতিমধ্যেই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি ছাড়িয়েছে। দিনের বেলায় গরম অনুভূত হচ্ছে, রাতেও ঠান্ডা কমে আসছে।পূর্বাভাস বলছে, আগামী সপ্তাহে কলকাতার রাতের তাপমাত্রা ১৯ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছতে পারে। ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে আরও বাড়তে পারে পারদ। মার্চ মাস থেকে গরম পুরোপুরি দাপট দেখাতে শুরু করবে। তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রিও ছুঁতে পারে বলে আশঙ্কা।আজ কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে প্রায় ১৬ ডিগ্রি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রির আশেপাশে ঘোরাফেরা করবে। আকাশ মূলত পরিষ্কার থাকবে। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৩৭ শতাংশ থেকে ৮২ শতাংশের মধ্যে থাকতে পারে।দক্ষিণবঙ্গেও আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। আজ এবং আগামী কয়েক দিনে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা আরও বাড়বে। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, কোচবিহার ও উত্তর দিনাজপুরে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকতে পারে। তবে সপ্তাহের শেষ দিক থেকে সেখানেও তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে।সব মিলিয়ে, ফেব্রুয়ারিতেই গরমের ইঙ্গিত স্পষ্ট। মার্চে পরিস্থিতি আরও বদলাতে পারে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

ফের আগুনে আতঙ্ক! সল্টলেক সেক্টর ফাইভের বহুতলে ধোঁয়া, দমকলের তৎপরতা

আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডের ক্ষত এখনও তাজা। তার মধ্যেই ফের আগুন শহরে। এবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল সল্টলেক সেক্টর ফাইভ-এ। একটি বহুতল অফিস ভবন থেকে গলগল করে ধোঁয়া বের হতে দেখে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।জানা গিয়েছে, গ্লোবসিন ক্রিস্টাল বিল্ডিং-এ আচমকাই আগুন লাগে। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের ৩টি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীরা পৌঁছেই গোটা বিল্ডিং খালি করে দেন। আতঙ্কে একে একে বাইরে বেরিয়ে আসেন তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থাগুলির কর্মীরা। অফিস টাইম হওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে রাস্তায় ভিড় জমে যায়। আশপাশের এলাকা থেকেও বহু মানুষ ছুটে আসেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, হঠাৎ করেই অফিসের ভিতরে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে সকলকে নিচে নেমে যেতে বলা হয়। এক কর্মী জানান, তখন তাঁরা অফিসের ভিতরেই ছিলেন। হঠাৎ বলা হয় বাইরে বেরিয়ে যেতে। পরে নিচে নেমে শোনা যায়, উপরের একটি রেস্তোরাঁয় আগুন লেগেছে।তবে ঠিক কোথা থেকে আগুনের সূত্রপাত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রেস্তোরাঁ থেকেই আগুন ছড়িয়েছে, না কি অন্য কোনও জায়গা থেকে, তা খতিয়ে দেখছেন দমকল কর্মীরা। ভবনের অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করেছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দমকলের চেষ্টায় কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানা গিয়েছে। তবুও ব্যস্ত সময়ে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে অফিস কর্মীদের মধ্যে। এলাকায় এখনও কৌতূহলী মানুষের ভিড় রয়েছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

শীত কি তবে বিদায় নিল? সপ্তাহান্তেই ৩ ডিগ্রি বাড়বে তাপমাত্রা, ইঙ্গিত আলিপুরের

মাঝে কয়েক দিন ঠান্ডা পড়েছিল ঠিকই, তবে সেই শীতের তেজ এখন অনেকটাই কমে এসেছে। রাতের দিকে হালকা শীতের অনুভূতি থাকলেও সকালে আর তেমন ঠান্ডা নেই। ধীরে ধীরে বাড়ছে তাপমাত্রা। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, সপ্তাহের শেষে তাপমাত্রা আরও দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে। রবিবারের মধ্যে দিনের বেলায় শীত কার্যত উধাও হয়ে যাবে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, উত্তর-পশ্চিমের পার্বত্য এলাকায় একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ছিল, যা সরে যাচ্ছে। তবে শুক্রবার ও সোমবার আবার নতুন করে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকতে পারে। দক্ষিণবঙ্গে আপাতত ঘন কুয়াশার কোনও সতর্কতা নেই। তবে উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই সকালবেলায় কিছুক্ষণ হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা যেতে পারে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুর জেলায় কুয়াশার প্রভাব তুলনামূলক বেশি থাকতে পারে আগামী কয়েক দিন।এতদিন রাতের তাপমাত্রা কম থাকলেও এখন তা ধীরে ধীরে বাড়ছে। শীতের আমেজ ক্রমশ কমে আসছে। দিনের তাপমাত্রা প্রায় স্বাভাবিকের কাছাকাছি রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এখনও স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় দুডিগ্রি কম। তবে আগামী তিন দিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আরও দুডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে আবহাওয়াবিদদের অনুমান।উত্তরবঙ্গেও আপাতত ঘন কুয়াশার কোনও সতর্কবার্তা নেই। সব জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে আগামী তিন থেকে চার দিন। বিশেষ করে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর এবং কোচবিহার জেলায় কুয়াশা একটু বেশি থাকতে পারে।দার্জিলিংয়ের পাহাড়ি এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫ থেকে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে। কালিম্পংয়ে তাপমাত্রা থাকবে ১১ থেকে ১৫ ডিগ্রির মধ্যে। মালদহেও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করবে।কলকাতায় দিন ও রাতের তাপমাত্রা ইতিমধ্যেই বেড়েছে। রাতের তাপমাত্রা এখনও স্বাভাবিকের নিচে থাকলেও দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের সামান্য উপরে। আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বা আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৩৬ থেকে ৮২ শতাংশের মধ্যে রয়েছে।সব মিলিয়ে শীতের দাপট আর বেশি দিন নয়। ধীরে ধীরে গরমের ইঙ্গিত স্পষ্ট হচ্ছে রাজ্যের আবহাওয়ায়।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

বাজেট ২০২৬–এ পশ্চিমবঙ্গের প্রাপ্তি: মেট্রোতে জোরালো বিনিয়োগ, গতি পাচ্ছে ফ্রেট করিডর

কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ পশ্চিমবঙ্গের পরিকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিল কেন্দ্র সরকার। বিশেষ করে কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলের মেট্রো রেল প্রকল্পে অতিরিক্ত বিনিয়োগ এবং রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্য সম্ভাবনাকে চাঙ্গা করতে ফ্রেট করিডর সম্প্রসারণে বরাদ্দএই দুই ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি হয়েছে রাজ্যের।মেট্রো রেলে গতি, শহুরে যাত্রায় স্বস্তির আশ্বাসবাজেটে কলকাতা মেট্রোর একাধিক চলমান ও প্রস্তাবিত প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নিউ গড়িয়াএয়ারপোর্ট মেট্রো, জোকাএসপ্ল্যানেড লাইন এবং ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো করিডরের কাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।কেন্দ্রের দাবি, এই বিনিয়োগের ফলে শহরের যানজট কমবে, যাত্রার সময় বাঁচবে এবং পরিবেশবান্ধব গণপরিবহণ আরও জনপ্রিয় হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মেট্রো নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হলে কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর ২৪ পরগনার যাত্রীদেরও সরাসরি উপকার হবে।কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ কলকাতা মেট্রো সম্প্রসারণে ফের বড়সড় বিনিয়োগের ঘোষণা করল কেন্দ্র সরকার। শহর ও শহরতলির গণপরিবহণকে আরও গতিশীল করতে অরেঞ্জ লাইন, পার্পল লাইন ও গ্রিন লাইনের জন্য মোট ২,১৪১.১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই বরাদ্দকে পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহৎ শহুরে পরিবহণ বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।অরেঞ্জ লাইন: বিমানবন্দরের সঙ্গে সরাসরি সংযোগে জোরনিউ গড়িয়ানেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংযোগকারী অরেঞ্জ লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৭০৫.৫০ কোটি টাকা। এই অর্থ মূলত ভায়াডাক্ট নির্মাণ, স্টেশন অবকাঠামো, সিগন্যালিং ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার কাজে ব্যবহার করা হবে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে দক্ষিণ কলকাতা ও সল্টলেক-নিউ টাউনের সঙ্গে বিমানবন্দরের যাত্রা অনেকটাই সহজ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।পার্পল লাইন: জোকাএসপ্ল্যানেডে শহর-উপশহর সেতুবন্ধনজোকাএসপ্ল্যানেড পার্পল লাইনের জন্য সর্বাধিক বরাদ্দ৯০৬.৬০ কোটি টাকা। এই লাইনের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিম কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্রথমবারের মতো মেট্রো নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হবে। বাজেট বরাদ্দের বড় অংশ যাবে এলিভেটেড স্টেশন নির্মাণ, রোলিং স্টক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে। কেন্দ্রের দাবি, এই লাইনের কাজ দ্রুত শেষ হলে শহরের দক্ষিণ প্রান্তের যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতে বড় স্বস্তি মিলবে।গ্রিন লাইন: পূর্ব-পশ্চিম মেট্রোতে গতি ফেরানোর চেষ্টাপূর্ব-পশ্চিম মেট্রো করিডর বা গ্রিন লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৫২৯.০০ কোটি টাকা। হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর-৫ পর্যন্ত এই লাইন কলকাতার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইস্ট-ওয়েস্ট করিডর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বরাদ্দের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ অংশের প্রযুক্তিগত কাজ, স্টেশন ফিনিশিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।শহুরে পরিবহণে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবপরিবহণ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তিনটি লাইনে বিনিয়োগ শুধু যাত্রী সুবিধা বাড়াবে না, বরং যানজট ও দূষণ কমাতেও বড় ভূমিকা নেবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শহরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনবে এই মেট্রো প্রকল্পগুলি।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬২৭-এ অরেঞ্জ, পার্পল ও গ্রিন লাইনের জন্য ঘোষিত বরাদ্দ কলকাতা মেট্রোকে নতুন মাত্রা দিতে চলেছে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।ফ্রেট করিডর: শিল্প ও বাণিজ্যের নতুন দিগন্তবাজেট ২০২৬-এ পূর্ব ভারতের শিল্প সম্ভাবনাকে সামনে রেখে ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর (EDFC)-এর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সংযোগ আরও শক্ত করার ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যের শিল্পাঞ্চল, বন্দর ও লজিস্টিক হাবগুলিকে এই করিডরের সঙ্গে যুক্ত করতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।বিশেষ করে হলদিয়া বন্দর, দুর্গাপুরআসানসোল শিল্পাঞ্চল এবং কলকাতা বন্দরের সঙ্গে দ্রুত মাল পরিবহণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পরিবহণ খরচ কমবে, শিল্পে বিনিয়োগ বাড়বে এবং রাজ্যে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক তাৎপর্যবিশ্লেষকদের মতে, এই বাজেট বরাদ্দ শুধু পরিকাঠামো উন্নয়ন নয়, বরং পূর্ব ভারতের প্রবৃদ্ধিতে পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় আনার ইঙ্গিতও দিচ্ছে। যদিও রাজ্য সরকার আরও বেশি বরাদ্দের দাবি তুলতে পারে, তবু মেট্রো ও ফ্রেট করিডরএই দুই ক্ষেত্রে ঘোষণাকে রাজ্যের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬এ পশ্চিমবঙ্গের জন্য মেট্রো রেল ও ফ্রেট করিডর সংক্রান্ত বিনিয়োগ রাজ্যের শহুরে জীবনযাত্রা ও শিল্প-বাণিজ্যে নতুন গতি আনতে পারে বলেই আশা।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

‘বুদ্ধবাবুর কোলে ছিলেন, এখন মমতার’, নতুন সিপিকে কটাক্ষ বিজেপির

ভোটের মুখে রাজ্য পুলিশের শীর্ষ পদে রদবদল ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর। কলকাতা পুলিশ কমিশনার পদে আইপিএস সুপ্রতিম সরকারের নিয়োগকে ঘিরে শাসক ও বিরোধীর মধ্যে দড়ি টানাটানি আরও বেড়েছে। বিজেপির দাবি, সন্দেশখালি কাণ্ড সামলানোর পুরস্কার হিসেবেই তাঁকে নগরপালের চেয়ারে বসানো হয়েছে। এই ভাষাতেই নতুন কমিশনারকে কটাক্ষ করেছে বিরোধী দল।বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার অভিযোগ করেন, সিঙ্গুরে কৃষক আন্দোলনের সময় সুপ্রতিম সরকার বামফ্রন্ট সরকারের ঘনিষ্ঠ অফিসার হিসেবে কৃষকদের উপর লাঠিচার্জ করেছিলেন। তাঁর কথায়, আগে তিনি বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের ঘনিষ্ঠ ছিলেন, এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে নিজের ঘনিষ্ঠ করে নিয়েছেন। সিঙ্গুরকে মই হিসেবে ব্যবহার করে আজ তিনি তৃণমূলের কাছের লোক হয়ে উঠেছেন বলে কটাক্ষ করেন সুকান্ত।এদিকে নন্দীগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক ও বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও এই নিয়োগ নিয়ে মন্তব্য করেন। তাঁর দাবি, এটি শুধু সন্দেশখালির পুরস্কার নয়। সিঙ্গুর আন্দোলনের সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিপিএমের চাপে আটকে পড়েছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি। সুপ্রতিম সরকারের অতীত সম্পর্কে প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার সোনালি গুহ আরও ভাল জানেন বলেও মন্তব্য করেন শুভেন্দু।তবে রাজ্য সরকার এই সব অভিযোগ মানতে নারাজ। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু স্পষ্ট করে বলেন, এটি সম্পূর্ণ প্রশাসনিক বদলি। এর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। অন্যদিকে তৃণমূল সাংসদ পার্থ ভৌমিক বিজেপিকে পাল্টা আক্রমণ করে বলেন, এ ধরনের কথা বলাই বিজেপির সংস্কৃতি। উন্নাওয়ের ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, যারা ধর্ষণে অভিযুক্তদের মালা দিয়ে বরণ করে, তাদের কাছ থেকে এমন বিকৃত মন্তব্যই স্বাভাবিক।উল্লেখ্য, এতদিন কলকাতা পুলিশ কমিশনার ছিলেন মনোজ বর্মা। তাঁকে সরিয়ে এবার রাজ্যের ডিরেক্টর অব সিকিউরিটির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নতুন নগরপাল হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন আইপিএস সুপ্রতিম সরকার, যিনি এতদিন রাজ্য পুলিশের এডিজি (দক্ষিণবঙ্গ) পদে কর্মরত ছিলেন। এবার শহরের আইনশৃঙ্খলার ভার তাঁর কাঁধে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
রাজনীতি

নির্বাচনী প্রস্তুতির বার্তা নিয়ে কলকাতায় অমিত শাহ, হোটেল বৈঠক থেকে কর্মী সম্মেলনের ব্যস্ত সফর

শুক্রবার রাতে কলকাতায় এসে পৌঁছোলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা অমিত শাহ। বিমানবন্দর থেকে তিনি সরাসরি নিউ টাউনের একটি হোটেলে যান। প্রকাশ্যে কোনও কর্মসূচি না থাকলেও, রাতেই দলের কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক ও রাজ্য নেতৃত্বের একাংশের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেন তিনি। বিজেপি সূত্রে খবর, এই বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় ছিল আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে সংগঠনের প্রস্তুতি ও কৌশল নির্ধারণ।হোটেলেই অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেন বিজেপির একাধিক প্রথম সারির রাজ্য নেতা এবং কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরা। যদিও বৈঠক নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ মন্তব্য করেননি, দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি, কর্মীসংগঠন এবং নির্বাচনী রণকৌশল নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে। পরে আরও কয়েক জন শীর্ষ নেতার সঙ্গে সাক্ষাতের সম্ভাবনাও ছিল বলে খবর।শনিবার তাঁর কর্মসূচি পুরোপুরি কর্মী সম্মেলন ঘিরে। সকাল ১১টা ১০ নাগাদ তিনি যাবেন উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুরে। আনন্দপুরী মাঠে আয়োজিত কর্মী সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন বনগাঁ, বসিরহাট, বারাসত ও ব্যারাকপুর এই চারটি সাংগঠনিক জেলার বিজেপি কর্মীরা। এরপর কলকাতা বিমানবন্দর থেকে তিনি রওনা দেবেন বাগডোগরার উদ্দেশে।বিকেলে শিলিগুড়ির এয়ারফোর্স ময়দানে দ্বিতীয় কর্মী সম্মেলনে যোগ দেবেন অমিত শাহ। সেখানে শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার এই পাঁচটি সাংগঠনিক জেলার কর্মীরা উপস্থিত থাকবেন। কর্মী সম্মেলন শেষে বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ বাগডোগরা থেকেই দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই সফর স্পষ্টভাবেই রাজ্যে বিজেপির নির্বাচনী প্রস্তুতির গতি বাড়ানোর বার্তা বহন করছে, যেখানে সংগঠন মজবুত করা ও কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করাই মূল লক্ষ্য।

জানুয়ারি ৩০, ২০২৬
রাজ্য

জানুয়ারিতেই শেষ শীত? বাংলার আবহাওয়ায় বড় বদল, সতর্কতা জারি উত্তরে

জানুয়ারির মাঝামাঝি থেকেই ধীরে ধীরে বিদায় নিচ্ছে শীত। দক্ষিণবঙ্গে শীতের আমেজ এখন অনেকটাই ফিকে। সকাল আর রাতে হালকা ঠান্ডা অনুভূত হলেও দিনের বেলায় ঠান্ডা প্রায় নেই বললেই চলে। রোদ উঠলেই উধাও হচ্ছে শীতের দাপট। তবে দক্ষিণবঙ্গে যখন এমন আবহাওয়া, ঠিক সেই সময় উত্তরবঙ্গে একেবারে উল্টো ছবি।উত্তর-পশ্চিম ভারতের জম্মু-কাশ্মীর ও সংলগ্ন এলাকায় সক্রিয় রয়েছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, শুক্রবার নতুন করে আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকতে পারে। এর পাশাপাশি দক্ষিণ-পূর্ব উত্তরপ্রদেশ থেকে উত্তর কর্ণাটক পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে একটি সক্রিয় অক্ষরেখা। উত্তর-পূর্ব বিহারের উপর অবস্থান করছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। এই সমস্ত আবহাওয়াগত পরিবর্তনের প্রভাব সরাসরি পড়ছে বাংলায়।দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই সকালের দিকে হালকা কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা এবং তার পার্শ্ববর্তী এলাকাতেও সকালে হালকা কুয়াশা দেখা যেতে পারে। আজ কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে প্রায় ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। উপকূলবর্তী জেলা ও উত্তরবঙ্গ সংলগ্ন এলাকাগুলিতে আগামী কয়েক দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ১৫ থেকে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা নামতে পারে ১১ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। দিনের বেলায় শীতের প্রভাব কম থাকলেও সকাল ও সন্ধ্যায় ঠান্ডার অনুভূতি বজায় থাকবে।উত্তরবঙ্গে শীতের দাপট তুলনামূলকভাবে বেশি। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুর জেলায় আজ ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগামীকালও দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে ঘন কুয়াশা থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলা এবং দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে সকালে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা যেতে পারে। তবে দিনের দিকে আকাশ থাকবে মূলত পরিষ্কার। রোদ উঠতেই ধীরে ধীরে কমবে শীতের আমেজ।

জানুয়ারি ২৯, ২০২৬
রাজ্য

দার্জিলিংয়ে বরফ-বৃষ্টি, কলকাতায় রোদ—দু’মুখো আবহাওয়ায় বাংলা

মাঘের মাঝামাঝি সময়ে এসে রাজ্যের দুই প্রান্তে যেন দুই রকম আবহাওয়ার ছবি। এক দিকে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকায় তুষারপাত ও বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, অন্য দিকে দক্ষিণবঙ্গে ধীরে ধীরে ফিকে হয়ে যাচ্ছে শীতের আমেজ। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনে উত্তরের জেলাগুলিতে বড়সড় পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।সিকিমে প্রবল তুষারপাত ও বৃষ্টির জেরে তার সরাসরি প্রভাব পড়তে চলেছে দার্জিলিং ও আশপাশের পাহাড়ি এলাকায়। দার্জিলিংয়ের পাশাপাশি কালিম্পং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় এক বা দুই পশলা হালকা বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার থেকে বৃহস্পতিবারের মধ্যে এই বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আপাতত উত্তরবঙ্গের কোথাও ঘন কুয়াশার সতর্কতা নেই। শনিবার সকাল পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা যেতে পারে।আগামী পাঁচ দিন তাপমাত্রার তেমন বড় পরিবর্তন হবে না বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় রাতের তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে। তবে জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারের মতো নিচের দিকের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা তুলনামূলক ভাবে বেশি থাকবে।অন্য দিকে দক্ষিণবঙ্গে শীতের দাপট অনেকটাই কমে এসেছে। সকাল ও সন্ধ্যায় হালকা ঠান্ডা থাকলেও, রোদ উঠলেই শীতের আমেজ উধাও হয়ে যাচ্ছে। কলকাতায় এ দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১৫ থেকে ১৭ ডিগ্রির মধ্যে থাকলেও, পশ্চিমের জেলা যেমন পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ায় তা ১১ থেকে ১৪ ডিগ্রির ঘরে রয়েছে।এক দিন আগে কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ৪৭ থেকে ৯১ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গের আকাশ মূলত পরিষ্কার থাকবে। সকালের দিকে কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা দেখা যেতে পারে, তবে ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা নেই।হাওয়া অফিসের মতে, উত্তরে শীতের গতি কমে যাওয়ার পিছনে বড় কারণ পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। এই মুহূর্তে জম্মু ও কাশ্মীর সংলগ্ন এলাকায় একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা সক্রিয় রয়েছে। আগামী ৩০ জানুয়ারি, শুক্রবার নতুন করে আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢোকার সম্ভাবনা আছে। পাশাপাশি দক্ষিণ-পশ্চিম রাজস্থানের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে, যার প্রভাবেও রাজ্যের আবহাওয়ায় এই বদল দেখা যাচ্ছে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২৬
কলকাতা

চামড়া পোড়া গন্ধে ঢেকে আনন্দপুর! উদ্ধার ৩ কঙ্কাল-সহ ৮ দগ্ধ দেহাংশ

আনন্দপুরের সেই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পরে গোটা এলাকা জুড়ে এখন শুধু পোড়া চামড়ার গন্ধ। পুড়ে যাওয়া গোডাউনের ভিতর থেকে এখনও পর্যন্ত উদ্ধার হয়েছে তিনটি পোড়া কঙ্কাল-সহ মোট আটটি ঝলসে যাওয়া দেহাংশ। ঘটনাস্থলের ভয়াবহ ছবি কার্যত কাঁপিয়ে দিয়েছে গোটা শহরকে। তদন্তে নেমেছে ফরেনসিক দল। ঘটনাস্থলে গিয়েছেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু এবং দমকলের ডিজি।প্রাথমিক তদন্তে দমকল আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ওই গোডাউনে কোনও অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না। সেই কারণেই আগুন লাগার পর প্রথম পর্যায়ে কর্মীরা আগুন নেভানোর কোনও চেষ্টাই করতে পারেননি। সোমবার থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, এত বড় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায়, যেখানে একের পর এক কর্মীর ঝলসে যাওয়া দেহ উদ্ধার হচ্ছে, সেই গোডাউনের মালিক কোথায়?স্থানীয় এক যুবক কথা বলতে গিয়ে জানান, বহু বছর আগে এলাকারই এক প্রবীণ ব্যক্তি গঙ্গাধর দাস এই গোডাউনটি তৈরি করেছিলেন। তবে নিয়মকানুন মানা হয়েছিল কি না, সেই প্রশ্ন করা হলে তিনি উত্তর এড়িয়ে যান। দমকল আধিকারিকরা সোমবারই স্পষ্ট করে জানান, গোডাউনে আগুন নেভানোর মতো কোনও ব্যবস্থা ছিল না। মঙ্গলবার ঘটনাস্থলে গিয়ে দমকলমন্ত্রীও সেই কথাই স্বীকার করেন। তবে তখনও গোডাউনের মালিকের দেখা মেলেনি।পরে জানা যায়, আনন্দপুরের ওই গোডাউনটি একটি নামী মোমো প্রস্তুতকারী সংস্থার। গোডাউনটি ভর্তি ছিল নরম পানীয় এবং শুকনো খাবারের প্যাকেটে। তবে গোডাউনের মালিকের দাবি, সেখানে অগ্নি নির্বাপণের সমস্ত ব্যবস্থা ছিল। তাঁর বক্তব্য, চার থেকে পাঁচ কোটি টাকার জিনিস পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। তিনি বলেন, ফায়ার এক্সটিংগুইশার ছিল, এখনও সেগুলি সেখানে পড়ে রয়েছে। কিন্তু রাত দুটোর সময় আগুন লাগায় সবাই ঘুমিয়ে ছিলেন। তাই কেউ ব্যবহার করার সুযোগ পাননি।যদিও দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু এ বিষয়ে ভিন্ন মত প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, দমকলের ডিজির সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হয়েছেন যে ওই গোডাউনে অগ্নি নির্বাপণের মতো কোনও ব্যবস্থা ছিল না। ফরেনসিক তদন্ত হবে, এফআইআর দায়ের করা হবে এবং পুরো ঘটনার তদন্ত চলবে বলেও জানান তিনি।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
রাজ্য

আর কি শীত পড়বে না বাংলায়? বড় ইঙ্গিত দিল আবহাওয়া দফতর

সরস্বতী পুজোর সময় সামান্য পারদ নামলেও, তার পর থেকেই ফের চড়তে শুরু করেছে তাপমাত্রা। আপাতত আর নতুন করে ঠান্ডা পড়ার কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। শীতের আমেজ আরও ফিকে হচ্ছে। সকালে হালকা ঠান্ডা অনুভূত হলেও, বেলা বাড়তেই তা মিলিয়ে যাচ্ছে।ফেব্রুয়ারির আগেই কি তবে বিদায় নিচ্ছে শীত? আবহাওয়াবিদদের মতে, এর পিছনে একের পর এক পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব রয়েছে। উত্তর-পশ্চিম ভারতে জম্মু-কাশ্মীর এবং সংলগ্ন এলাকায় নতুন করে একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকেছে। পাশাপাশি, আগামী ৩০ জানুয়ারি আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢোকার সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণ পঞ্জাবের উপর একটি সক্রিয় ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে, যার প্রভাব বিস্তৃত রয়েছে দক্ষিণ-পশ্চিম রাজস্থান পর্যন্ত।এদিকে দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই সকালে হালকা কুয়াশা দেখা যেতে পারে। যদিও ঘন কুয়াশার কোনও সতর্কতা জারি করা হয়নি। তবে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনায় কুয়াশার সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি। কলকাতা এবং আশপাশের জেলাগুলিতেও সকালবেলায় হালকা কুয়াশা থাকতে পারে।আজ কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রয়েছে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ থেকে ১৪ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে আগামী সোমবার পর্যন্ত কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ১৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রবিবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বা আপেক্ষিক আর্দ্রতা রয়েছে ৩৯ থেকে ৯৩ শতাংশের মধ্যে।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা-নিউটাউন জুড়ে তল্লাশি, ব্যাঙ্ক জালিয়াতি মামলায় সক্রিয় সিবিআই

বাংলায় আবারও সক্রিয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডির অভিযানের এক সপ্তাহের মধ্যেই এবার কলকাতায় তল্লাশিতে নামল সিবিআই। ব্যাঙ্ক জালিয়াতি মামলায় শহরের একাধিক জায়গায় অভিযান চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কলকাতা ও নিউটাউন মিলিয়ে মোট পাঁচটি জায়গায় তল্লাশি শুরু করে সিবিআই। আলিপুর নিউ রোডে অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে একটি বাড়িতে অভিযান চালানো হচ্ছে। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, ওই বাড়িটি নিশা কেজরিওয়ালের। তিনি মূলত আলিপুর নিউ রোডের ২৮ নম্বর প্লটে একটি বহুতল বিলাসবহুল আবাসনে থাকেন।তল্লাশি চলাকালীন বাড়ির বাইরে ছয় জন আধা-সেনা জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে। ভিতরেও রয়েছেন আরও দুই জন। সূত্রের খবর, ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলায় কোথায় কোথায় টাকা গিয়েছে এবং কারা এর সঙ্গে যুক্ত, সেই সব তথ্য খতিয়ে দেখতেই এই অভিযান।উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার তৃণমূল কংগ্রেসের ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। সেই সময় প্রতীক জৈনের বাড়িতে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে একটি সবুজ ফাইল হাতে নিয়ে তিনি সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন।ইডির অভিযোগ ছিল, মুখ্যমন্ত্রী সেই সময় তদন্তে বাধা দিয়েছেন। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, কেন্দ্রীয় এজেন্সি ভোটের কৌশল সংক্রান্ত নথি হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার শহরে সিবিআইয়ের তল্লাশি শুরু হওয়ায় রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বেড়েছে।

জানুয়ারি ১৫, ২০২৬
কলকাতা

প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি হানা নিয়ে নতুন মোড়! এবার আবাসনের বাসিন্দাদের তলব পুলিশের

আই-প্যাকের ডিরেক্টর প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি হানা ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। একদিকে তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ইডি মামলা দায়ের করেছে এবং সিবিআই তদন্ত চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। অন্যদিকে রাজ্য সরকারও আগাম সতর্কতা হিসেবে ক্যাভিয়েট দাখিল করেছে। এই পরিস্থিতিতে এবার প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি তল্লাশির ঘটনা খতিয়ে দেখতে আবাসনের বাসিন্দা ও প্রতিবেশীদের তলব করল পুলিশ।গত বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি ভোর ছটা নাগাদ লাউডন স্ট্রিটে প্রতীক জৈনের বাড়িতে পৌঁছয় ইডি। শুরু হয় দীর্ঘ তল্লাশি। সেই খবর পেয়ে কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিছু সময় পর তাঁকে একটি সবুজ ফাইল হাতে নিয়ে বাড়ি থেকে বেরোতে দেখা যায়। সেই ফাইলে কী ছিল, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।এই ঘটনার তদন্তে নামিয়ে লাউডন স্ট্রিটের ওই আবাসনের একাধিক বাসিন্দা এবং আশপাশের প্রতিবেশীদের নোটিস পাঠিয়েছে পুলিশ। ইডি তল্লাশির সময় তাঁরা কী শুনেছিলেন, অফিসাররা বাড়িতে ঢোকার পর কীভাবে চলাফেরা করছিলেন, তল্লাশির সময় কোনও অশান্তি হয়েছিল কি নাএই সব বিষয়েই তাঁদের কাছ থেকে বিস্তারিত জানতে চাওয়া হয়েছে। প্রতিবেশীদের কাছ থেকেও ঘটনার প্রত্যক্ষ বিবরণ সংগ্রহ করতে চাইছে পুলিশ।জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে মামলা দায়ের করেছিলেন এবং পুলিশের তরফে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে যে মামলা রুজু করা হয়েছে, এই দুই মামলার ক্ষেত্রেই প্রতীক জৈনের আবাসনের বাসিন্দা ও প্রতিবেশীদের তলব করা হয়েছে।ইডি সূত্রে খবর, তল্লাশির সময় প্রতীক জৈনের বাড়ি বা অফিস থেকে উল্লেখযোগ্য কোনও নথি বা প্রমাণ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তবে তদন্তে বাধা দেওয়ার বিষয়ে তাদের হাতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ এসেছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। ইডির হাতে থাকা দুটি সিসিটিভি ফুটেজে একটিতে দেখা যাচ্ছে, এক পুলিশ অফিসার সিআরপিএফ জওয়ানকে ধাক্কা দিচ্ছেন। অন্য ফুটেজে প্রতীক জৈনের বাড়ির সামনে বচসার দৃশ্য ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য ও কেন্দ্রের সংঘাত আরও তীব্র আকার নিচ্ছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
রাজ্য

এমন ঠান্ডা কবে দেখেছে বাংলা? শীত কমবে নাকি আরও ভয়ংকর হবে?

এত কনকনে ঠান্ডা সাম্প্রতিক কালে কবে দেখেছে বাংলা, তা মনে করা কঠিন। ঘন কুয়াশা আর দিনের পর দিন রোদ না ওঠায় শীত যেন আরও ধারালো হয়ে উঠেছিল। টানা দুদিন সূর্যের দেখা না মেলায় বাংলার বহু জায়গায় শীতলতম দিনের রেকর্ড তৈরি হয়। কলকাতা থেকে শুরু করে জেলাগুলিতে একের পর এক নতুন তাপমাত্রার নজির গড়েছে আবহাওয়া। কোথাও কোথাও পারদ নেমে গিয়েছে দুই থেকে চার ডিগ্রির ঘরে।তবে বুধবার সকাল থেকেই পরিস্থিতিতে কিছুটা বদল এসেছে। রোদের দেখা মিলেছে। বৃহস্পতিবারও সকাল থেকে সূর্য উঠেছে, যদিও সঙ্গে রয়েছে প্রবল হাওয়া। হাওয়া থাকলেও আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, কনকনে শীতের দাপট আপাতত কিছুটা কমেছে। একদিনে কলকাতার তাপমাত্রা এক ডিগ্রিরও বেশি বেড়েছে। আলিপুরে এদিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় এখনও প্রায় ২ ডিগ্রি কম।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, রবিবার থেকে কলকাতায় আরও ২ ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা বাড়তে পারে। অর্থাৎ শহরে শীতের দাপট ধীরে ধীরে কমার ইঙ্গিত মিলছে। তবে জেলাগুলির ক্ষেত্রে এখনও স্বস্তির কোনও বার্তা নেই। আলিপুর আগেই জানিয়েছে, একাধিক জেলায় শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি বজায় থাকবে।বৃহস্পতিবার বীরভূম জেলায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সেখানে একই সঙ্গে শৈত্যপ্রবাহ এবং শীতল দিনের সতর্কতা রয়েছে। পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান এবং মুর্শিদাবাদে জারি রয়েছে হলুদ সতর্কতা। এই সব জেলায় দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকটাই কম থাকতে পারে।এদিন ভোরে শ্রীনিকেতন ও বাঁকুড়ায় তাপমাত্রা নেমে যায় প্রায় ৭ ডিগ্রির ঘরে। কল্যাণীতে পারদ ছিল সাড়ে ৭ ডিগ্রির কাছাকাছি। বর্ধমানে তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৮.৮ ডিগ্রি। পানাগড় ও জলপাইগুড়িতে পারদ ছিল ৯.১ ডিগ্রি। আসানসোলে তাপমাত্রা ছিল ৯.২ ডিগ্রি, পুরুলিয়া ও মালদহে ৯.৪ ডিগ্রি। উলুবেড়িয়ায় ৯.৫ ডিগ্রি এবং কোচবিহার ও কৃষ্ণনগরে পারদ ছিল ৯.৬ ডিগ্রি। দমদমে তাপমাত্রা উঠেছে ১১ ডিগ্রি এবং আলিপুরে ১১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।সব মিলিয়ে শহরে শীতের দাপট কিছুটা কমলেও, জেলাগুলিতে এখনও জাঁকিয়ে ঠান্ডা। আগামী কয়েক দিনে পরিস্থিতি কতটা বদলায়, সেদিকেই নজর রাখছে আবহাওয়া দফতর।

জানুয়ারি ০৮, ২০২৬
রাজ্য

বছরের শেষের দিনে তীব্র শীত, কলকাতা ও পশ্চিম জেলাগুলিতে তাপমাত্রা নেমে ৮-১২ ডিগ্রি

বছরের শেষের দিনগুলোতে রাজ্যে কড়া শীতের আমেজ বিরাজ করছে। কলকাতার তাপমাত্রা লাগাতার ৪৮ ঘণ্টা ১২ ডিগ্রির ঘরে রয়েছে। পশ্চিম জেলাগুলিতেও তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রির কাছাকাছি। এই পরিস্থিতি আগামী সোমবার পর্যন্ত চলবে বলে হাওয়া অফিস জানিয়েছে।উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে ঘন কুয়াশার প্রভাব রয়েছে। বেশিরভাগ জেলাতেই দেখা দিয়েছে ঘন কুয়াশা। বড়দিনের পর থেকেই রাজ্যে শীতের থাবা স্পষ্ট। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী নতুন বছরের শুরুতে তাপমাত্রা ২-৩ ডিগ্রি বাড়তে পারে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে আগামী কয়েকদিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭-১০ ডিগ্রির মধ্যে থাকবে, উপকূলীয় জেলাগুলিতে ১১-১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে।২৫ ডিসেম্বর কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩.৭ ডিগ্রি। এরপর থেকে টানা ৪৮ ঘণ্টা সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রির ঘরে রয়েছে। আজ শনিবারও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২.৯ ডিগ্রি, গতকালের দিনের সর্বোচ্চ ছিল ২১.২ ডিগ্রি। মঙ্গলবার থেকে তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।উত্তরবঙ্গজুড়ে ঘন কুয়াশার জন্য আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সতর্কবার্তা জারি করেছে। আজ ও আগামীকাল রবিবার পার্বত্য এলাকা সহ কয়েকটি জেলায় ঘন কুয়াশা থাকবে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে দৃশ্যমানতা কোথাও কোথাও ২০০ মিটারের নিচে নামতে পারে। বাকি জেলাগুলিতে ২০০ থেকে ৫০০ মিটারের মধ্যে দৃশ্যমানতা থাকবে।কালিম্পং, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহে বিক্ষিপ্তভাবে কুয়াশার পূর্বাভাস রয়েছে। দার্জিলিং ও সংলগ্ন পার্বত্য এলাকায় তাপমাত্রা সর্বনিম্ন ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে। মালদহ ও সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলীয় জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ৯-১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 21
  • 22
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ক্ষমতায় এসেও বিশ্বাস হচ্ছে না! ঘুম ভেঙে বাস্তব বুঝছেন শমীক

প্রথমবারের মতো রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। দীর্ঘদিনের লড়াই, আন্দোলন এবং নানা বাধা পেরিয়ে অবশেষে এই সাফল্য পেয়েছে দল। প্রায় পনেরো বছর পর রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল ঘটেছে। তৃণমূলকে সরিয়ে এবার ক্ষমতায় বিজেপি।এই সাফল্যের পিছনে দলের যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তবে এত বড় জয়ের পরেও তিনি যেন পুরো বিষয়টি এখনও বিশ্বাস করতে পারছেন না।তিনি বলেন, রাত অনেকটা দেরিতে ঘুমোতে গিয়েছিলেন। সকালে সাংবাদিকরা এসে তাঁকে ঘুম থেকে তোলেন। ঠিকমতো বিশ্রামও হয়নি। এখনও পুরো বিষয়টি তিনি মেনে নিতে পারছেন না যে দল সত্যিই ক্ষমতায় এসেছে।শমীক জানান, এখন তাঁর জীবনে হঠাৎ অনেক পরিবর্তন এসেছে। আগে যেভাবে সাধারণভাবে চলাফেরা করতেন, এখন তা আর নেই। তিনি বলেন, হঠাৎ করে বাড়ির সামনে নিরাপত্তার গাড়ি দেখে তিনি নিজেই অবাক হয়ে গিয়েছিলেন। কেউ তাঁকে স্যালুট করায় তিনি বুঝতেই পারেননি কী হচ্ছে। একসময় তিনি স্কুটিতে ঘুরতেন, কোনও নিরাপত্তা নিতেন না। এখন হঠাৎ এই পরিবর্তন তাঁকে বিস্মিত করছে।তিনি আরও বলেন, আগে অনেক সময় নিজেকে পরিচয় দিতে হত। এখন পরিস্থিতি পুরো বদলে গেছে। এই পরিবর্তন তাঁর কাছে অবাক করার মতোই মনে হচ্ছে।এদিকে, রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের আগে মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য নামের তালিকায় একাধিক নেতার নাম উঠে আসছে। আগামী দিনে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।

মে ০৬, ২০২৬
কলকাতা

স্লোগান বদলেই নতুন বার্তা! জয়ের পরেই নতুন গান নিয়ে চমক

ভোট প্রচারের সময় শোনা গিয়েছিল পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার স্লোগান। নির্বাচনে জয়ের পর এবার সেই স্লোগান বদলে নতুন বার্তা দিল দল। নতুন স্লোগান হয়েছে, পাল্টেছে এবার, এল বিজেপি সরকার। এর পাশাপাশি প্রকাশ করা হয়েছে একটি নতুন গানও।ভোট ঘোষণার অনেক আগেই এক জনসভা থেকে এই স্লোগান প্রথম শোনা গিয়েছিল। পরে একাধিক সভায় সেই একই স্লোগান তুলে ধরেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। সেই স্লোগানকে কেন্দ্র করেই তৈরি হয়েছিল একটি গান, যা প্রচারের সময় বেশ জনপ্রিয় হয়। বিভিন্ন এলাকায় সেই গান ছড়িয়ে পড়ে।নির্বাচনে জয়ের পর সেই স্লোগান এবং গানকে ঘিরে উদ্যাপনের ভাবনা থেকেই নতুন স্লোগান ও গান প্রকাশ করা হয়েছে। প্রায় দুই মিনিটের এই গানে নির্বাচনের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলির কথা আবার তুলে ধরা হয়েছে। শিক্ষার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং বেকারত্ব কমানোর মতো বিষয়গুলিতে জোর দেওয়া হয়েছে।গানে আরও বলা হয়েছে, রাজ্যে উন্নয়নের নতুন পথ তৈরি হবে এবং পুরনো সমস্যাগুলির সমাধান করা হবে। পাশাপাশি রাজনৈতিক দাদাগিরি বন্ধ করার বার্তাও দেওয়া হয়েছে।এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নিজেদের স্লোগান ও গান প্রকাশ করেছিল। এই ধরনের প্রচার এখন খুবই পরিচিত হয়ে উঠেছে। তবে এই নির্বাচনে যে স্লোগানটি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় হয়েছে, তা নিয়েই নতুন করে উদ্যাপনের পথে হাঁটল দল।নতুন গানের ভিডিওতে প্রচারের নানা মুহূর্ত দেখানো হয়েছে। বিভিন্ন নেতার সভা, জনসমাগম এবং নানা দৃশ্য সেখানে তুলে ধরা হয়েছে। গানের মাধ্যমে আগামী দিনে প্রতিশ্রুতি পূরণের কথাই আরও একবার জানানো হয়েছে।

মে ০৬, ২০২৬
কলকাতা

রাতের অন্ধকারে হামলা! প্রবীণ নেতার বাড়ি ঘিরে চাঞ্চল্য, আতঙ্কে পরিবার

ভোট মিটতেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অশান্তির খবর সামনে আসছে। সেই তালিকায় এবার যোগ হল ভবানীপুরের একটি ঘটনা। প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর বাড়ির সামনে হুজ্জুতি হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।জানা গিয়েছে, ভবানীপুরের রূপনারায়ণ নন্দন লেনে শোভনদেবের বাড়ির সামনে মঙ্গলবার রাতে এই ঘটনা ঘটে। এই বিষয়ে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনার পর পরিবার নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন এই বর্ষীয়ান নেতা। পরিস্থিতির কারণে তিনি নাতনিকে স্কুলেও পাঠাতে পারেননি বলে জানা গিয়েছে।এদিকে, ভোট শেষ হওয়ার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হিংসার অভিযোগ সামনে আসছে। তার মধ্যেই এই ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।সম্প্রতি হওয়া নির্বাচনে দীর্ঘদিন পর রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল ঘটেছে। বিপুল আসনে জয় পেয়ে সরকার গঠনের পথে রয়েছে বিজেপি। এই নির্বাচনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ নেতা পরাজিত হলেও বালিগঞ্জ কেন্দ্রে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।তিনি তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে এই কেন্দ্রে লড়াই করেছিলেন। প্রতিদ্বন্দ্বীদের থেকে অনেক বেশি ভোট পেয়ে তিনি জয়ী হন। তাঁর প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা এক লক্ষেরও বেশি। প্রতিপক্ষ প্রার্থীদের তুলনায় তিনি অনেক ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন।এই জয়ের পরই তাঁর বাড়িতে হামলার অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

মে ০৬, ২০২৬
রাজ্য

ফল ঘোষণার পরই উত্তপ্ত বাংলা! জিয়াগঞ্জে ভাঙা লেনিনের মূর্তি ঘিরে তীব্র বিতর্ক

বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর রাজ্যে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তেই মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জে একটি মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনা সামনে এসেছে। মঙ্গলবার রাতের এই ঘটনার একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মূর্তিটি ভাঙা অবস্থায় পড়ে রয়েছে।সম্প্রতি হওয়া নির্বাচনে বিজেপি বিপুল আসন জিতে সরকার গঠন করার পর রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অশান্তির অভিযোগ উঠছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই এই ভাঙচুরের ঘটনা নতুন করে উত্তেজনা বাড়িয়েছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস বিজেপির বিরুদ্ধে সংগঠিতভাবে সন্ত্রাস চালানোর অভিযোগ তুলেছে। যদিও বিজেপি এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, দলের ভাবমূর্তি খারাপ করার জন্যই এই ধরনের অভিযোগ আনা হচ্ছে।নির্বাচনের ফলাফলে দেখা গিয়েছে, মোট আসনের মধ্যে বিজেপি বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস অনেক কম আসনে সীমাবদ্ধ রয়েছে, যা আগের তুলনায় অনেকটাই কম।এদিকে, নির্বাচনে পরাজয়ের পরও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পদ ছাড়তে রাজি নন। তিনি দাবি করেছেন, প্রকৃত জনসমর্থন তাদের পক্ষেই ছিল এবং ভোটের ফল সঠিকভাবে প্রতিফলিত হয়নি।এই ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে এবং পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন।

মে ০৬, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রামে জনস্রোত! বড় প্রতিশ্রুতি দিয়ে নজর কাড়লেন শুভেন্দু

নন্দীগ্রামে জনসমাগমে ভেসে গেল সভাস্থল। শুভেন্দু অধিকারীকে ঘিরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়লেন কর্মী-সমর্থকেরা। তাঁর নামে জয়ধ্বনি উঠল চারদিকে। এলাকার মানুষও নতুন আশায় বুক বাঁধছেন।এই সভা থেকেই ক্ষমতায় এলে কী কী কাজ করা হবে, তা স্পষ্ট করে জানালেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, দলের ঘোষিত সংকল্পপত্র সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। রাজ্যের সীমান্ত আরও সুরক্ষিত করা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।নারীদের নিরাপত্তা নিয়েও বিশেষ জোর দেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, মহিলারা যখন খুশি বাড়ির বাইরে বেরোতে পারবেন, রাতেও বেরোতে ভয় পাবেন না। আগের মতো কোনও বাধা বা ভয় থাকবে না বলেও দাবি করেন তিনি।শুভেন্দু আরও জানান, সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বাড়ানো হবে। চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষা নিশ্চিত করার কথা বলেন তিনি। যতদিন না স্থায়ী কর্মসংস্থান হচ্ছে, ততদিন উপযুক্ত ভাতা দেওয়ার আশ্বাসও দেন।তিনি বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যেই রাজ্যের মানুষ প্রকৃত পরিবর্তন দেখতে পাবেন। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতিশ্রুতি সময়মতো পূরণ করা হবে বলেও জানান।দল আগেই জানিয়েছে, অনুপ্রবেশমুক্ত বাংলা গড়া, সরকারি নিয়োগে স্বচ্ছতা আনা এবং তোলাবাজি বন্ধ করা তাদের প্রধান লক্ষ্য। পাশাপাশি শুভেন্দু কর্মী-সমর্থকদেরও সতর্ক করে দেন, কেউ যেন কোনও প্ররোচনায় পা না দেন এবং আইন নিজের হাতে তুলে না নেন।

মে ০৬, ২০২৬
কলকাতা

ফল বেরোতেই কড়া হুঁশিয়ারি! হিংসা করলেই গ্রেফতার, স্পষ্ট বার্তা নির্বাচন কমিশনের

ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার সময় থেকেই জানানো হয়েছিল, ভোটপর্ব শেষ হলেও বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে। লক্ষ্য একটাই, ভোট-পরবর্তী হিংসা রোখা। এবার এই বিষয়ে আরও কড়া অবস্থান নিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, হিংসায় উস্কানি দেওয়া বা ভাঙচুরের সঙ্গে যুক্ত কাউকেই ছাড়া হবে না।ভোটের ফল প্রকাশের পর রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে ভাঙচুরের খবর সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজ্যের মুখ্যসচিব, ডিজিপি, কলকাতার পুলিশ কমিশনার এবং কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীর উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের কড়া নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি সমস্ত জেলাশাসক, পুলিশ সুপার ও পুলিশ আধিকারিকদের হিংসা রুখতে সক্রিয় ভূমিকা নিতে বলা হয়েছে। এলাকায় নিয়মিত টহল দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছেন, ভাঙচুরে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে। শুধু তাই নয়, যারা হিংসায় উস্কানি দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ভোট শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং ফল ঘোষণার পরেও সেই শান্তি বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।এদিকে, নির্বাচনের ফলে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর বিভিন্ন জায়গায় অশান্তির অভিযোগ উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও কড়া বার্তা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, কোনওভাবেই হিংসা বরদাস্ত করা হবে না। যদি কেউ বিরোধী দলের দফতর দখল বা ভাঙচুরে জড়িত থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে দলীয় স্তরেও কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি পুলিশকে অনুরোধ করেছেন, রাজনৈতিক পরিচয় না দেখে হিংসায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে।

মে ০৬, ২০২৬
রাজ্য

ফল ঘোষণার পরই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ! সন্দেশখালিতে গুলিবিদ্ধ ওসি-সহ একাধিক জওয়ান

রক্তপাত ছাড়াই ভোটপর্ব শেষ হলেও ফল ঘোষণার পর থেকেই বিভিন্ন জায়গায় অশান্তির খবর সামনে আসছে। এবার উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালিতে দুই পক্ষের সংঘর্ষে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে ন্যাজাট থানার ওসি-সহ একাধিক পুলিশকর্মী ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে সন্দেশখালির ন্যাজাট থানার রাজবাড়ি এলাকায় দুই দলের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। একটি বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হচ্ছিল বলে খবর পেয়ে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। সেই সময় দুষ্কৃতীরা একটি বাড়ির ভিতর থেকে গুলি চালায়।এই ঘটনায় ন্যাজাট থানার ওসি ভরত প্রসূন পুরকায়েতের পায়ে গুলি লাগে। এছাড়া এক মহিলা কনস্টেবল-সহ আরও দুই পুলিশকর্মী আহত হন। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দুই জওয়ানও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।আহতদের দ্রুত কলকাতার চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁদের বাইপাস সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত রয়েছে।বুধবার সকালে ঘটনাস্থল থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, কয়েক রাউন্ড গুলি এবং তাজা বোমা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এলাকায় কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে।নির্বাচন কমিশন আগেই জানিয়েছিল, ভোটের ফল ঘোষণার পরও হিংসা রুখতে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে। সেই মতো বাহিনী মোতায়েন থাকলেও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর আসছে। বিজেপি নেতৃত্ব জানিয়েছে, কোনও ধরনের ভাঙচুর বা অন্য দলের দফতর দখল করা মেনে নেওয়া হবে না। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারও উস্কানি ও ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

মে ০৬, ২০২৬
কলকাতা

বুলডোজার চালালেই বিপদ! কড়া হুঁশিয়ারি কমিশনারের, দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

ভোটের পর কোনও রকম হিংসা ঠেকাতে কড়া অবস্থান নিল পুলিশ ও বাহিনী। শূন্য সহনশীলতা নীতি গ্রহণ করে শান্তি বজায় রাখার আশ্বাস দিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দা। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, বুলডোজার ব্যবহার করার উপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে এবং এই নিয়ম ভাঙলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।পুলিশ কমিশনার আরও জানান, কোনও পুলিশকর্মী বা আধিকারিক দায়িত্বে গাফিলতি করলে তাঁকে শাস্তির মুখে পড়তে হবে। নিউমার্কেট এলাকায় বুলডোজার ব্যবহারের ঘটনায় এক পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি, যারা জেসিবি ভাড়া দিচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধেও আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর পক্ষ থেকেও সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করা হয়। এক আধিকারিক বলেন, নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য যা যা প্রয়োজন, সব করা হবে। কেউ যেন ভয় না পান, সেই বার্তাই দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, বর্তমানে এলাকায় পঁয়ষট্টি কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন রয়েছে এবং তারা সর্বদা সতর্ক রয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই আশি জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ কমিশনার বলেন, ভোট শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং এখন সেই শান্তি বজায় রাখা জরুরি। তিনি সাধারণ মানুষকে গুজবে কান না দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন এবং কোনও সমস্যা হলে সরাসরি পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেছেন। পাশাপাশি তিনি জানান, কোথাও হিংসা বা ভয়ের পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা হলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মে ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal