• ২৪ মাঘ ১৪৩২, বুধবার ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

India

খেলার দুনিয়া

সেমি ফাইনাল নয়- এ যেন 'শামি ফাইনাল'! বিশ্ব ক্রিকেটের মহারণের ময়দানে মহাকাব্যিক বোলিং!

মহঃ শামি - বিরাট কোহলি - শ্রেয়াস আইয়ার এর দৌলতে এই প্রথমবার কোনও পুরুষদের ক্রিকেট বিশ্বকাপের নকঅউট পর্বের ম্যাচে ভারত নিউজিল্যান্ডকে পরাজিত করল। এই জয়ের সাথে সাথে ভারত ২০২৩ বিশ্বকাপের চূড়ান্ত ফাইনালে পৌঁছে গেল। বুধবার মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ভারত নিউজিল্যান্ডকে ৭০ রানে পরাজিত করে। খেলার প্রায় ৪০ ওভার অবধি টান টান উত্তেজনা ছিলএই ম্যাচে।একদিবসীয় বিশ্বকাপের এবার নিয়ে মোট চতুর্থ বার ফাইনালে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে ভারত। শেষবার এই ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামেই ধনি অধিনায়কত্বে বিশ্ব চাম্পিয়ান হয়েছিল টিম ইন্ডিয়া। লিগ পর্বের নটি ম্যাচের মধ্যে নয়টি জিতে লিগ শীর্ষে ছিল রোহিত শর্মার ছেলেরা। সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয়লাভের পর এই বিশ্বকাপে ভারত এখন ১০ এ ১০।টসে জিতে প্রথমে ব্যাট কারার সিদ্ধান্ত নেয় ভারতীয় অধিনায়ক রোহিত শর্মা। বিরাট কোহলি ও শ্রেয়াস আইয়ারের সেঞ্চুরিতে প্রথম ইনিংসে ভারত ৪ উইকেটে ৩৯৭ রান করে। বিরাট তাঁর ৫০ তম সেঞ্চুরি করার সাথে সাথে ভেঙ্গে দেন কিংবদন্তি শচীন তেন্ডুলকারের একদিনের ক্রিকেটে ৪৯ টি সেঞ্চুরি করার রেকর্ড।𝗢𝗻𝗲 𝘀𝘁𝗲𝗽 𝗰𝗹𝗼𝘀𝗲𝗿! 🏆#TeamIndia 🇮🇳 march into the FINAL of #CWC23 🥳#MenInBlue | #INDvNZ pic.twitter.com/OV1Omv4JjI BCCI (@BCCI) November 15, 2023রোহিত শর্মা এবং শুভমান গিল শুরুতে দুর্দান্ত এক ওপেনিং পার্টনারশিপ দেয়। ৮.২ ওভারে তাঁরা ৭১ রানের পার্টনারশিপ গড়ে তোলে। টিম সাউদির বলে উইলিয়ামসনের এক অনবদ্য ক্যাচে আউট হওয়ার আগে ভারতীয় অধিনায়ক ২৯ বলে ৪৭ রান করে ভারতকে এক ঝোড়ো সূচনা করে দেন। গিলকে মাসল ক্র্যাম্প-র জন্য খেলার মাঝে মাঠ ছাড়তে না হলে হয়ত আরও একটি শতরানের সাক্ষী থাকত ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম। শেষ পর্বে আইয়ারের আউট হওয়ার পর মাঠে ফিরে এসে ৬৬ বলে ৮০ রান করে অপরাজিত থাকেন।শ্রেয়স আইয়ার-ও ৭০ বলে ১০৫ রানের এক অনবদ্য ইনিংস খেলেন। তিনি মাঝ পর্বে কোহলির সাথে একটি গুরুত্বপূর্ণ ১৬৩ রানের জুটি গড়েছিলেন সেই ভিতের ওপর দাঁড়িয়েই ভারত প্রথম ইনিংসে ৩৯৭ মত পাহাড় প্রমান রান করতে সমর্থ হয়। একদম স্লগ ওভারে ব্যাট করতে এসে ছোট্ট কিন্তু মহামূল্যবান একটি ইনিংস খেলে যান কে এল রাহুল। তাঁর মাত্র ২০ বলে ৩৯ রানের এই ঝোড়ো ইনিংস নিউজিল্যান্ডের সামনে ৩৯৮ রানের লক্ষ্যমাত্রা রাখতে খুব সাহায্য করে।নিউজিল্যান্ড ব্যাট করতে নেমে প্রথমেই বুমরাকে আক্রমন করে তাঁর ছন্দ ভেঙ্গে দেওয়ার পরিকল্পনা করে। সাময়িক সফল-ও হয়। কিন্তু মহম্মদ শামি বল করতে এসেই ৩০ ও ৩৯ রানের মাথায় রাচিন রবীন্দ্র এবং ডেভন কনওয়ের দু দুটি উইকেট নিয়ে লড়ায়টা বিপক্ষের দিকে ছুঁড়ে দেন। দ্রুত দুটি উইকেট পরে গেলেও কিউইদের ড্যারিল মিচেল এবং কেন উইলিয়ামসন যে লড়ায় ফিরিয়ে দেন তা ক্রিকেট প্রেমীদের দীর্ঘ দিন মনে থাকবে। মিচেল এবং উইলিয়ামসন ১৮১ রানে অনবদ্য জুটি কিছুটা হলেও কিউয়িদের মনে আশার আলো সঞ্চার করে।We are #TeamIndia 🇮🇳🫶#CWC23 | #MenInBlue | #INDvNZ pic.twitter.com/HrUuQFzi1K BCCI (@BCCI) November 15, 2023যসপ্রীত বুমরার বলে ৫২ রানের মাথায় মিড অনে দাঁড়িয়ে কেন উইলিয়ামসনের এক সহজ ক্যাচ ফেলে দেন মহম্মদ শামি। সেমিফাইনালের মত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে সেই ভুলের মাসুল ভারত কে দিতে হয়নি শুধুমাত্র মহঃ শামি-র জন্যই। তাঁর অনবদ্য আগুনে ফাস্ট বোলিংয়ের দৌলতেই ছাড়খার হয়ে যায় কিউইরা। এক মাহাকাব্যিক বোলিং স্পেল বুধবার চাক্ষূস করল ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে উপস্থিত লক্ষাধিক দর্শক। ৯.৫ - ০ - ৫৭ - ৭ - এক স্বপ্নের স্পেল, তাও বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের মত মঞ্চে। সামাজিক মাধ্যমে তাঁকে নিয়ে নানা মন্তব্য-র মাঝে একটি খুবই প্রাসঙ্গিক - আজ সেমি ফাইনাল ছিল না - আজ শামি ফাইনাল। সত্যি আজ শামি-র ই দিন ছিল। জুড়িরা তাঁকেই এই ম্যাচের জন্য ম্যান-অব-দা-ম্যাচ বেছে নেন।সমগ্র ভারত এখন তাকিয়ে কলকাতায় অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সেমিফাইনালে দিকে। সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে ৫ বারের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার ও দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই লড়াইয়ের বিজয়ী কে হয় সেই দিকেই লক্ষ্য আপামর ক্রিকেট ভক্তের। ১৯ নভেম্বর রবিবার আমেদাবাদ শ হরে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে ফাইনালে কে মুখোমুখি হবে ভারতের সেটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন।

নভেম্বর ১৫, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে ভারতের দাপট অব্যহত, ফলাফল ৮-০! ভারতের কাছে আত্মসমর্পন বাবরদের

১৯৯২ এ যে দাপট সিডনি বিশ্বকাপে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে হারিয়ে যে শুরু হয়েছিল, ২০২৩-এও তা অব্যহত। ২০২৩-র বিশ্বকাপ ক্রিকেটের তৃতীয় ম্যচে বিশ্বক্রিকেটের ডার্বিতে পাকিস্তান কে হেলায় হারিয়ে ভারত লিগ টেবিলের শীর্ষ স্থানে চলে গেল। টানটান উত্তেজনায় ভরা এই ম্যাচে ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন।ক্রিকেট বিশ্বকাপে ভারতের কাছে হারের রেকর্ড অব্যহত থাকল আমদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামেও। শনিবারের ম্যাচে ভারতের বোলিং আক্রমণের সামনে কার্যত তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল বাবর-ইমাম-রিজওয়ান দের ব্যাট। এককথায় আত্মসমর্পন করলো পাকিস্তান।১৯৯২-এ মেলবোর্নে বিশ্বকাপ ক্রিকেটে ভারত-পাকিস্তানের প্রথম সাক্ষাতের ভারত অধিনায়ক ছিল মহম্মদ আজহারউদ্দিন। মাঝে সচিন-সৌরভ-ধোনি হয়ে ২০২৩ ব্যটম এখন রোহিতের হাতে। ব্যট্ম পালটালেও ফলের কোনও হেরফের হয়না। ২০২৩-এ ১৪ অক্টোবর দিনটা ক্রিকেট ইতিহাসের পাতায় স্বর্নাঅক্ষরে লেখা থাকবে রোহিত শর্মার ভারতের বিশ্ব-ক্রিকেটে অষ্টম জয়ের অধ্যায়। আবারও একটা বিশ্বকাপ এবং আরও এক বার পাকিস্তান বধ।M. O. O. D! ☺️ 🇮🇳Scorecard ▶️ https://t.co/H8cOEm3quc#CWC23 | #TeamIndia | #INDvPAK | #MeninBlue pic.twitter.com/18bdPJKDnh BCCI (@BCCI) October 14, 2023টসে জিতে শুরুটা খারাপ করেনি পাকিস্তান। পাকিস্তানের দুই প্রারম্ভিক ব্যাটার আবদুল্লাহ শফিক ও ইমাম-উল-হক ৭.৩ ওভারেই ৪১ রান তুলে ভারতকে যথেষ্ট-ই উদ্বিগ্ন করে তুলেছিল। সিরাজের বলে ওপেনিং জুটি ভাঙার পর ভারত প্রবল ভাবে খেলায় ফিরে আসে। ভারতীয় বোলিং-এর দাপটে হুরমুড়িয়ে তাসের ঘরের মত শেষ হয়ে গেলো পাকিস্তানের ইনিংস। ভারতের প্রথম পাঁচ বোলার-ই ২টি করে উইকেট ভাগ করে নেন। পাকিস্তানের ইনিংস শেষ হয় ১৯১ রানে। জবাবে মাত্র ৩০.৩ ওভারে ভারত ৩ উইকেটে ১৯২ রান তুলে ব্যবধান ৮-০ করে নিল। মেন ইন ব্লু ম্যচ জিতল ৭ উইকেটে।গুজরাটের এই আন্তঃর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম-এ খেলায় পাকিস্তানের ব্যাটিং-বোলিং-ফিল্ডিং দক্ষতা কোনও বিভাগেই আন্তঃর্জাতিক মাত্রা ছুঁতে পারেনি। তাঁদের ব্যাটাররা ভারতীয় বোলারদের সামনে আত্মসমর্পন করে গেলেন। ইমাম, বাবর ও রিজওয়ান সামান্য ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও বাকিরা আয়ারাম-গয়ারাম। জসপ্রীত বুমরাহ, মহম্মদ সিরাজ, হার্দিক পাণ্ডিয়া ও রবীন্দ্র জাদেজা মিলেমিশে সমান ভাগ করে নিলেন পাকিস্তানের ১০টি উইকেট। ভারতের একমাত্র বোলার শার্দুল ২ ওভার বল করলেও কোন উইকেট জোটেনি তাঁর কপালে। ব্যাটিং সহায়ক পিচে নিখুঁত লাইন ও লেন্থ বজায় রেখে যে বোলিং পারফরম্যান্স ভারতীয় বোলারেরা এদিন তুলে ধরলেন তার জন্য কোনও প্রশংশাই যথেষ্ট নয়।পাকিস্তান দল টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করে ভারতের জয়ের জন্য ১৯২ রানের লক্ষ্যমাত্রা রাখেন। ভারতের ব্যাটাররা জয়ের জন্য সহজ লক্ষ্য পেয়ে শুরু থেকেই আগ্রাসী মেজাজে খেলতে শুরু করেন। ভারতের ইনিংসের শুরুতেই শাহিন শাহ আফ্রিদিকে প্রথম বলেই বাউন্ডারির বাইরে পাঠিয়ে চার মেরে রোহিত বুঝিয়ে দেন দিনটা আজ তাঁদের। সদ্য ডেঙ্গু থেকে সুস্থ হয়ে মাঠে ফেরা বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া শুভমন গিলও উৎসাহিত হয়ে ওঠেন রহিতকে দেখে। খুব বেশী রান না করতে পারলেও গিলের ১১ বলে ১৬ রানের ইনিংস পাকিস্তানের দিকে চ্যলেঞ্জ ছূরে দেওয়ার জন্য যঠেষত ছিল।শাহিন আফ্রিদি-র বলে বলে ফিরে যান গিল। গিলের দ্রুত বিদায়ে সেরকম কিছু সুবিধা করতে পারেনি পাকিস্তান। উইকেটের এক দিকে রোহিত শর্মা লক্ষ্যে অবিচল ছিলেন। আফগানিস্তান ম্যাচে যেখানে শেষ করেছিলেন রোহিত যেন সেখান থেকেই শুরু করলেন আজ। আফগানিস্তানকে হারায়ে রোহিত বলেছিলেন, তাঁর কাছে বিশ্বকাপের আসরে আফগানিস্তান যা, পাকিস্তানও তা। রোহিতের মাত্র ৬৩ বলে ৮৬ রানের অনবদ্য ইনিংস পাকিস্তানের আশায় এক ঘটি জল ঢেলে দিল। পাক বোলারদের হেলায় হারিয়ে মারলেন ৬টি চার এবং ৬টি ছয়। বিরাট ব্যর্থ হলেও তাঁর রোহিতের ৫০রানের জুটি ভারতকে ম্যচে চালকের আসনে বসিয়ে দেয়।Congratulations to Team India on their remarkable performance in the #CWC2023! With three consecutive wins, they have set the tournament on fire, demonstrating their prowess on the field. Our bowlers displayed clinical precision by limiting Pakistan to just 191 runs on what pic.twitter.com/wRloJRorEj Jay Shah (@JayShah) October 14, 2023চার নম্বরে নেমে শ্রেয়স আয়ার বুঝিয়ে দিলেন কেন ভারত অধিনায়ক সূর্য কুমারের থেকে তাঁকে বেশী ভরসা করেন। বুক চিতিয়ে লড়াই করে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়লেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের অধিনায়ক। শ্রেয়সের ৬২ বলে ৫৩ রানের অপরাজিত অনবদ্য ইনিংস অনেক শতরানের থেকেও মূল্যবান ইয়ে থাকল। শ্রেয়স ৫৩ রান করতে ৩টি চার এবং ২টি ছয় মারলেন । লোকেশ রাহুলকে সঙ্গে নিয়ে ম্যচ শেষ করে বীরদর্পে প্যাভিলিয়নে ফিরলেন। রাহুল অপরাজিত থাকলেন ১৮ রান করে।ভারতের হয়ে দূর্দান্ত বল করলেন দ্রুত গতির বোলার যশপ্রীত বুমরা, তিনি ৭ ওভার বল করে ১৯ রানে ২ উইকেট নিলেন। ভাল বল করলেন কুলদীপ যাদব, সিরাজ, হার্দিক পান্ডিয়া, জাদেজা ও। এরা প্রত্যেকে ২ করে উইকেট ভাগ করে নিলেন। রোহিত শর্মার আজকের ম্যচে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্তে অনেকেই অবাক হন। কারন, আজ পর্যন্ত বিশ্বকাপে যে-কটি ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হয়েছে, তাতে যে অধিনায়ক-ই টসে জিতেছেন, তিনি প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিন্তু রোহিত আজকের ম্যাচে টস জিতে সকলকে অবাক করে দিয়ে প্রথমে ব্যাটিং না নিয়ে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন। এই ধরনের হাইভোল্টেজ ম্যচে কোনও দলই রান চেজ করার ঝুঁকি নিতে চায় না। কিন্তু রোহিত সেই ব্যতিক্রমি রাস্তাতেই হাঁটলেন।আজ আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম খেলার শুরু থেকেই নানা অনুষ্ঠানে জমে উঠেছিল। ২২ গজের খেলা শুরুর আগেই সার্বিকভাবে জমে উঠেছিল ভারত-পাক লড়াই। এই মুহুর্তে ভারতের এক নম্বর কণ্ঠ সঙ্গীত শিল্পী অরিজিৎ সিং-এর বন্দেমাতরম সহ আরও একগুচ্ছ দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করে টিম ইন্ডিয়াকে উদ্বুদ্ধ করলেন। এ ছাড়াও সুনিধি চৌহান, সুখবিন্দর সিং এবং শংকর মহাদেবনের মত মহান সঙ্গীত শিল্পীর দুর্দন্ত জমজমাট পারফরম্যান্সে ১ লাখ ৩০ হাজার আসন বিশিষ্ট স্টেডিয়াম দুলে ওঠে। ক্রীড়া বিশেষজ্ঞ দের ধারণা বিশ্ব ক্রিকেটের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর মারমার কাটকাট লড়াইয়ের আগে এই রকম জমজমাট সঙ্গীতানুষ্ঠান ফলে দুই দলের দর্শকদের মধ্যে প্রতিহিংসা অনেকটা নমনীয় হবে। এবং সঙ্গীতের রেশ রেখে হালকা ফুরফুরে মেজাজেই পাওয়া গেলো দুই দলের দর্শক সহ ক্রিকেটারদের।

অক্টোবর ১৪, ২০২৩
দেশ

আবর্জনা মুক্ত ভারত গড়ার অঙ্গীকার কলকাতার জিএসআইয়ের পূর্বাঞ্চলীয় সদর দফতরে

আবর্জনা মুক্ত ভারত-এর যুগের অঙ্গীকারে ভারতের জিওলজিক্যাল সার্ভে, পূর্বাঞ্চলীয় সদর দপ্তর, কলকাতা, রবিবার এক ঘন্টা শ্রমদানের মাধ্যমে Swacchata Hi Seva 2023 অভিযান সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেয়। সল্টলেকের জিএসআই কার্যালয়ে ও আনন্দলোক হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকার আবর্জনা অপসারণ এবং পরিচ্ছন্নতার প্রচারের প্রচেষ্টায় ৫০০ জন জিএসআই কর্মীবৃন্দ ও নাগরিক সমবেত হয়েছিলেন। গান্ধী জয়ন্তীর প্রাক্কালে জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের উদ্দেশ্যে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল। জিএসআই, পূর্বাঞ্চল শাখার অ্যডিশেনাল ডিরেক্টার জেনারেল এবং এইচ ও ডি, শ্রীমতি বর্ষা অশোক আগলাওয়ের তত্ত্বাবধানে Ek Tarikh Ek Ghanta এক ঘণ্টার শ্রমদান অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। অধ্যক্ষা সারা বছর নিয়মিত কার্যালয়ে ও সংলগ্ন এলাকার পরিচ্ছন্নতা রক্ষার বিষয়ে জোর দেন। চিফ ইঞ্জিনিয়ার, সকল ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল, ডিরেক্টর, উচ্চপদস্থ কর্মচারী ও অন্যান্য কর্মীবৃন্দ এবং অস্থায়ী স্টাফ পূর্ণ উৎসাহের সাথে অংশগ্রহণ করেন। প্রবীণ নাগরিকসহ স্থানীয় লোকজন ব্যাপকভাবে এই বৃহৎ পরিচ্ছন্নতা কর্মকাণ্ডে যোগ দেন। অনুষ্ঠানে মুখ্য অতিথি হিসেবে হাজির ছিলেন বিশিষ্ট জাতীয় ফুটবল খেলোয়াড় সন্দীপ নন্দী। তিনি একটি পরিষ্কার পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ বৃদ্ধির জন্য এই ধরনের আয়োজনের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে সহমত প্রকাশ করেন।

অক্টোবর ০১, ২০২৩
রাজ্য

রাজ্যর ৪র্থ বন্দেভারত ট্রেন পাটনা-হাওড়ার সময়সূচি জেনে নিন, একদিনেই যাতায়াত

পশ্চিমবঙ্গবাসীর জন্য অত্যন্ত সুখবর চতুর্থ (৪র্থ) বন্দেভারত এক্সপ্রেস পেতে চলেছে রাজ্যবাসীরা। ২২৩৪৮ /২২৩৪৭ পাটনা-হাওড়া বন্দেভারত এক্সপ্রেস প্রতি সপ্তাহে ৬ দিন চলবে ( বুধবার ব্যতীত )। ট্রেনটি সকাল ৮টার সময় পাটনা থেকে ছেড়ে একইদিনে হাওড়ায় পৌঁছাবে দুপুর ২ টা ৩৫ মিনিটে (14:35 Hrs.)। পুনরায় ট্রেনটি দুপুর ৩ টা ৫০ মিনিটে (15 : 50 Hrs.) ছেড়ে একইদিনে পাটনায় পৌঁছাবে রাত ১০ টা ৪০ মিনিটে (22:40 Hrs.)। এই ট্রেনটিতে ৮ টি এসি চেয়ার কার থাকছে।পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র জানিয়েছেন, পাটনা-হাওড়া বন্দেভারত ট্রেন আগামী ২৬শে সেপ্টেম্বর থেকে উভয়পথে যাত্রা শুরু করবে। ট্রেনটি যাত্রাকালে পাটনাসাহিব, মোকামা, লক্ষীসরাই, জসিডি, জামতারা, আসানসোল ও দূর্গাপুর স্টেশনে দাঁড়াবে। উল্লেখযোগ্যভাবে এই ট্রেনটিতে সফররত যাত্রীরা পাটনা থেকে হাওড়া মাত্র ৬ ঘন্টা ৩৫ মিনিটে পৌঁছবেন যা অন্যান্য গণ পরিবহন মাধ্যমের তুলনায় অনেকটা কম সময় নেবে। এতে বহু যাত্রীরা উপকৃত হবেন ।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৩
দেশ

এবার হাওড়া-পাটনা বন্দে ভারত যাত্রা শুরু শীঘ্রই, এই ট্রেনগুলিতে যুক্ত একাধিক সুবিধা

আগামী ২৪সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নয়টি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনের উদ্বোধন করবেন। যার মধ্যে রয়েছে পাটনা-হাওড়া বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। দেশীয়ভাবে তৈরি আধা-হাই-স্পিড বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনগুলি ইতিমধ্যেই স্থল পরিবহনের দ্রুততম মাধ্যম হিসাবে যাত্রী এবং ভ্রমণকারীদের মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। পশ্চিমবঙ্গ ইতিমধ্যেই হাওড়ানিউ জলপাইগুড়ি, নিউ জলপাইগুড়িগুয়াহাটি এবং হাওড়াপুরী রুটে তিনটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেন পেয়েছে।নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন সরকার ভারতের নাগরিকদের সেবায় সমস্ত প্রযুক্তিগত অগ্রগতি আনার জন্য সর্বদা বদ্ধপরিকর। যাত্রীদের আরও সুবিধার জন্য বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনের রেকগুলিতে আরও বৈশিষ্ট্য যুক্ত করা হয়েছে।নতুন বন্দে ভারত এক্সপ্রেস রেকগুলিতে আরও যাযা সুবিধা যুক্ত হল: আসন হেলান কোণ 17.31 ডিগ্রী থেকে 19.37 ডিগ্রী পর্যন্ত বৃদ্ধি করা, আসনের নীচে মোবাইল চার্জিং পয়েন্টের উন্নত ব্যবস্থাপনা, ECC আসনে নানাবিধ সুবিধা, বাথরুমে নানা সুবিধা যুক্ত করা সহ প্রায় ২৫ ধরনের বাড়তি ফিচার যুক্ত হচ্ছে বন্দে ভারতে। নতুন বৈশিষ্ট্যগুলি কেবল যাত্রীদের জন্য আরামদায়ক উপাদানই নয়, যাত্রীদের নিরবচ্ছিন্ন নিরাপত্তা এবং সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৩
রাজ্য

জেলাশাসকের উদ্যোগে পূর্ব বর্ধমান জেলা পর্যটনের ভিডিও প্রকাশ

পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আজ জেলাশাসকের মিটিং হলে পূর্ব বর্ধমান জেলা পর্যটনের এক তথ্যচিত্রের উদ্বোধন হল। তথ্যচিত্রটির উদ্বোধন করেন জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা। তিনি জানান, এই জেলার অনেক জায়গা আছে যেগুলি পর্যটকরা সেভাবে জানে না, সেই জায়গাগুলিকে এই ভিডিওর মাধ্যমে পর্যটন মানচিত্রে নিয়ে এসে মানুষের মধ্যে আরও জনপ্রিয় করে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য। তিনি আরও জানান, পর্যটনে এই জেলার যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে। জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা বলেন, এই ভিডিও সামাজিক মাধ্যম ছাড়াও জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ণ জায়গায় প্রদর্শিত হবে।জেলাশাসক জানান, সামনেই দুর্গাপুজো, জেলার পুজো কমিটিগুলোকেও আমরা এই ভিডিও দেখানোর অনুরোধ করতে পারি। এছাড়াও জেলার ওয়েবসাইটে এই ভিডিওর লিঙ্ক দেওয়া থাকবে। জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা জানান, ইতিমধ্যে তাঁরা পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন দপ্তরকে এই ভিডিওটি পাঠিয়ে দিয়েছেন যাতে রাজ্যের পর্যটন নিয়ে যে সমস্ত প্রচার করা হয় সেখানে যাতে দেখনো হয়।জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা এদিন বলেন, পূর্ব বর্ধমান জেলার পর্যটন বৈচিত্র অনেক বেশী। এখানে যেমন উল্লেখযোগ্য ধর্মীয় স্থান আছে তেমনই ডোকরা, শোলা, তাঁত, কাঠের তৈরি কারুশিল্পেও উল্লেখযোগ্য স্থান আছে। জেলায় বিস্তীর্ণ বনভূমি আছে। এছড়াও এই জেলায় কুমুদরঞ্জন মল্লিক, রাসবিহারী ঘোষ, রাসবিহারী বোস, কাসিরাম দাস, উপেন্দ্রনাথ ব্রম্ভচারী-র মতো বিশিষ্ট মানুষদের জন্মস্থান। জেলার প্রান্ত দিয়ে বয়ে চলেছে গঙ্গা, অজয়, দামোদরের মত নদ নদী।প্রিয়াঙ্কা সিংলা আরও জানান, যাঁরা এই জেলায় বেড়াতে আসতে চান, এই ভিডিও তাঁদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমার বিশ্বাস, এই ভিডিওটি দেখার পরে অনেকেই এই জেলায় বেড়াতে আসার ব্যাপারে অনুপ্রাণিত হবে।আজকের এই ভিডিও উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জেলার বিশিষ্ট সাংবাদিকরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলার তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক রামশঙ্কর মণ্ডল ও টুরিজিম ডেভলপমেন্ট অফিসার মোহাম্মদ হোসেন চৌধুরী (রাহুল)। তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক রামশঙ্কর মণ্ডল জনতার কথাকে জানান, এই ভিডিওটি সর্বস্তরে প্রচার করা হবে। এর ফলে দেশের ও রাজ্যের মানুষ আরও ভালো ভাবে পূর্ব বর্ধমান জেলাকে জানতে পারবে এবং এখানে বেড়াতে আসবে।টুরিজিম ডেভলপমেন্ট অফিসার মোহাম্মদ হোসেন চৌধুরী (রাহুল) জনতার কথাকে জানান, জেলাশাসক শ্রীমতি প্রিয়াঙ্কা শিংলার উদ্যোগে এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পর্যটন দপ্তরের আর্থিক সহযোগিতায় পূর্ব বর্ধমান জেলার গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, হস্তশিল্প, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংমিশ্রনে একটি ভিডিও তৈরী করা হয় যা আজ জেলাশাসকের দপ্তর থেকে প্রকাশিত করা হলো। ভিডিওটি পূর্ব বর্ধমান জেলার অনাবিষ্কৃত পর্যটন সম্ভাবনা খুঁজে বের করতে সাহায্য করবে। ভিডিওটি প্রকাশের মূল লক্ষ্য জেলার পর্যটন সম্ভাবনার প্রচার করা। আগামী দিনে পর্যটনের উন্নয়নে আরও বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হবে। দুর্গাপূজা উৎসবের আগে আমরা জেলার পর্যটনকে ঢেলে সাজানোর প্রস্তুতি নিচ্ছি।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৩
দেশ

কর্মক্ষেত্রে বার্ধক্যের আধিক্য উদ্বেগজনক

দশ বছর ব্যবধানে ভারতে জনগণনা হয়। দেশে শেষ জনগণনা হয় ২০১১ সালে। এই হিসেবে দশ বছর পরে অর্থাৎ ২০২১ সালে জনগণনা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগে বিশ্ব জুড়ে অতিমারির প্রকোপ ছড়িয়েছিল। তার অভিঘাত ভারতেও এসে পড়ে। ফলে নির্দিষ্ট সময় জনগণনার কাজ করা যায় নি। ২০২৩ সাল শেষ হতে আর মাত্র চার মাস বাকি। এই পরিস্থিতিতে জনগণনা কাজ কবে শুরু হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। বিশেষজ্ঞদের অনুমান জনগণনার ফল বেরোলে দেখা যাবে ভারতের জনসংখ্যা ১৪০কোটির কাছাকাছি পৌঁছবে। সাম্প্রতিক কালে এমন কিছু সমীক্ষা হয়েছে যাতে দেখা গিয়েছে দেশে মোট জনসংখ্যায় বয়স্কদের তুলনায় অল্পবয়সী দের সংখ্যা অনেক বেশি। এই সংখ্যার অনুপাত ধরে ভারতকে বলা হচ্ছে তারু ন্যের দেশ। আমরা জানি তারুণ্যের বিকাশের জন্য যে মৌলিক উপাদানগুলি তার মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল শিক্ষা শেষে কাজের সুযোগ।Center for Monitoring Indian Economy র সাম্প্রতিক সমীক্ষায় এক অতি উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। সমীক্ষা বলছে গত সাত বছরে দেশের কর্মশক্তিতে ( work force) বয়স্কদের সংখ্যা বেড়ে চলেছে। সমীক্ষার তথ্য বলছে ২০১৬/১৭ সালে দেশের কর্মশক্তিতে ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সীদের হার ছিল পঁচিশ শতাংশ। ২০২২/২৩ সালে তার কমে এসে দাঁড়িয়েছে সতেরো শতাংশে। ওই একই সময়কালে ৩০ থেকে ৪৪ বছর বয়সীদের হার ছিল ৩৮ শতাংশ। ২০২২/২৩ সালে সেই হার নেমে এসেছে ৩৩ শতাংশে। কর্মশক্তিতে কম বয়সীদের উপস্থিতি এই নিম্নগামী হারের পাশাপাশি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে বয়স্কদের উপস্থিতির সংখ্যা অনেকটাই ঊর্ধগামী। উপরে উল্লেখিত সময়কালের মধ্যে কর্মশক্তিতে ৪৫বছর অথবা তার বেশি উপস্থিতির হার ৩৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ৪৯ শতাংশ হয়েছে। আরেকটু সরল করে বললে বলতে হয় বর্তমান ভারতে কর্মশক্তির প্রায় অর্ধেকটাই দখল করে রয়েছেন ৪৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সী কর্মীরা। দেশের কর্মশক্তিতে তারুণ্যের অনুপাত কমে যাওয়ার অর্থ, কাজের বাজারেও তারুণ্যের উপস্থিতির হার নিম্নগামী। বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগের!অতিমারি পরিস্থিতির আগে থেকেই দেশে বেকারের সংখ্যা বাড়ছিলো। করোনা ভাইরাসের দাপটে অসংখ্য মানুষ কাজ হারানোয় বেকারের সংখ্যা বহুগুন বেড়ে যায়। করোনা কালে দেশের অর্থনীতিতে যে বিশাল ধাক্কা লেগে ছিল তার রেশ এখনো রয়ে গিয়েছে। এখনও বহু মানুষ দারিদ্র্যের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে বেকার তরুনরা কাজের বাজারে প্রবেশ করতে চাইলেও তাদের জন্য যথেষ্ট কাজের সুযোগ নেই। এর-ই মাঝে সাম্প্রতিক কয়েকটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে দেশে কর্মশক্তিতে মেয়েদের সংখ্যা উদ্বেগজনক ভাবে কম। বিশ্বের যে কয়টি দেশে মেয়েদের উপস্থিতির হার অত্যন্ত কম তার মধ্যে ভারত অন্যতম।দেশের কর্মশক্তিতে বয়স্কদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি নীতি নির্ধারকদের অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। কী ভাবে এই পরিস্থিতি তৈরি হল তা জানতে গভীর অনুসন্ধানের প্রয়োজন। কিছু বিশেষজ্ঞের অনুমান এই পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার অন্যতম কারণ হলো কম বয়সীদের মধ্যে কাজ পাওয়ার জন্য যে দক্ষতার প্রয়োজন তার অভাব রয়েছে। বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন দেশের জনসংখ্যায় তারুণ্যের হার বাড়লেই যে তাদের কাজের সুযোগ বাড়বে তা নয়। বর্তমানে শিল্পক্ষেত্রে উৎপাদন ও বিপণনে যে পরিবর্তন এসেছে তাতে কাজের বাজারে দক্ষতায় ও অভিজ্ঞতায় বয়স্কদের সঙ্গে কমবয়সীরা প্রতিযোগিতায় পেরে উঠছেনা না। তাই কর্মশক্তিতে তরুনদের তুলনায় বয়স্কদের সংখ্যা বাড়ছে। এই রেখচিত্র বদলানোর জন্য অতি দ্রুত পদক্ষেপ না করলে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে। দেরি হয়ে গেলে বিশ্বে ভারত এমন এক দেশ হয়ে উঠবে মোট জনসংখ্যায় তারুণ্যের আধিক্য থাকলেও কর্মশক্তিতে বয়স্কদের সংখ্যা আরও বাড়বে।

আগস্ট ৩০, ২০২৩
দেশ

ভারতের ‘রকেট ওমেন’, চন্দ্রাভিযানে গুরুদায়িত্ব সামলানো লখনউ-র এই বিজ্ঞানীকে চিনে নিন

চাঁদ মামা এখন দুরের নয় ট্যুরের, সুদুর দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গ থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সরস এই মন্তব্য ঘরে ঘরে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। চাঁদের মাটিতে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে ভারতের মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। পুর্বনির্ধারিত দিন ও সময় অনুযায়ী বুধবার ঠিক সন্ধ্যা ৬.০৪ মিনিটে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফট ল্যাণ্ডিং করে ইসরোর চন্দ্রযান-৩। সারা দেশজুড়ে উল্লাস ও উৎসব। ভারতীয় হিসাবে সত্যিই গর্ব করার মত মুহুর্ত। চাঁদ এখন ভারতের বিজ্ঞানীদের হাতের মুঠোয়।বিক্রমের কাঁধে ভর করে প্রজ্ঞান চাঁদে ল্যান্ড করেই একের পর এক চমক দিতে শুরু করেছে। সফল অবতরণের পর প্রথম চন্দ্রপৃষ্ঠের একটি ছবি তুলে পাঠায় ল্যান্ডার বিক্রম। তাতে দেখা যায় চাঁদের ঠিক কোন অঞ্চলে নেমেছে বিক্রম। এর পরই বিক্রমের অন্তঃস্থল থেকে বেরিয়ে আসে রোভার প্রজ্ঞান।ইসরো তার সামাজিক মাধ্যমে বৃহস্পতিবার সকালে জানায়,প্রজ্ঞান সঠিক ভাবেই বিক্রমের পেট থেকে চাঁদে ভুমিষ্ট হয়েছে, এবং সুস্থ ও স্বাভাবিক ভাবে মুনওয়াকেও বেড়িয়ে পড়েছে সে। ভারতের জাতীয় প্রতীক অশোক স্তম্ভ চাঁদের মাটিতে এঁকে দিয়ে আসবে রোভার প্রজ্ঞান। চন্দ্রযান-৩-এর চুড়ান্ত সাফল্যে অনেকের মতই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন লখনউয়ের প্রবাসী এক মহিলা। ইসরো খুব বড় দায়িত্ব দিয়েছিল এঁর কাঁধে।সম্পুর্ন ভারতীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ইসরোর চন্দ্রযান ৩ সফলভাবে চাঁদের মাটি ছুঁয়ে ফেলেছে, তথ্য তল্লাস করতে ঘোরাঘুরিও শুরু করে দিয়েছে প্রজ্ঞান। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণকারী হিসাবে প্রথম দেশ হয়ে উঠেছে ভারত। ভারতের এই ঐতিহাসিক সাফল্যে সামগ্র বিশ্ব থেকে অভিনন্দনের বন্যায় ভেসে যাচ্ছে সামাজিক মাধ্যমের ওয়াল। আজ প্রত্যেক ভারতীয়ের কাছে এই মুহুর্ত খুব আবেগের, আনন্দের ও অত্যন্ত গর্বের। উত্তরপ্রদেশের রাজধানী শহর লখনউতে উৎসবের ঝাঁজ বেশ খানিকটা বেশি। কারণ চন্দ্রযান ৩-এর সাফল্যের সঙ্গে জুড়ে রয়েছে লখনউ-র এক ভুমিকন্যার যোগসূত্র। এই শহরেরই মেয়ে ডাঃ ঋতু করিধাল শ্রীবাস্তবের কাঁধেই চন্দ্রযান-৩ এর সফল অবতরণের গুরুত্বদায়িত্ব ছিল।ঋতু করিধাল শ্রীবাস্তব বিজ্ঞানী মহলে ভারতের রকেট ওমেন নামে অধিক পরিচিত। ঋতু করিধাল লখনউ শহরের রাজাজি পুরম এলাকার আদি বাসিন্দা। তার পৈতৃক বাড়ি এখনও রয়েছে এখানে। চন্দ্রযান ৩-এর সাফল্যের পর তার বাড়িতে উৎসবের মেজাজ। ঋতু এর আগেও ISRO-র অনেক বড় বড় প্রকল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। এমনকি চন্দ্রযান ৩ মিশনে সফল অবতরণের মতো গুরুদায়িত্ব তাঁকেই দেওয়া হয়েছিল ইসরোর পক্ষ থেকে। ঋতু করিধাল ছিলেন চন্দ্রযান-৩ প্রোজেক্টে মিশন ডিরেক্টর। এর আগে ঋতু মঙ্গলযানের ডেপুটি অপারেশন ডিরেক্টর ও চন্দ্রযান-২ এর মিশন ডিরেক্টর ছিলেন।করিধালের জন্ম উত্তর প্রদেশের লখনউতে। তিনি একটি মধ্যবিত্ত পরিবারে বেড়ে ওঠেন। পরিবারে পড়াশোনার চল ছিল অনেক আগে থেকেই। তিনি লখনউ-র এক বেসরকারকারি স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনা করেন। তিনি ছাড়াও তাঁর দুই ভাই ও দুই বোন রয়েছে। ছোটবেলা থেকেই তাঁর মহাকাশ নিয়ে আগ্রহ ছিল বেশী। তিনি যেখানে থাকতেন, সেখানকার পরিবেশ তাঁর পড়াশোনার পক্ষে অনুকুল ছিলনা বলে তিনি সেলফ স্টাডি তে জোড় দেন। ঋতু ছোট থেকেই রাতের আকাশের দিকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা তাকিয়ে থাকত এবং মহাকাশের কথা চিন্তা করত, সে চাঁদের কথা ভাবত, কীভাবে এটি তার আকার ও রং পরিবর্তন করে, তারাগুলি কে পর্যবেক্ষণ করে তাঁর মনে প্রশ্ন জাগে ঐ গভীর অন্ধকারের পিছনে কী রয়েছে? তার কৈশোরে, তিনি মহাকাশ-সম্পর্কিত যেকোনো কার্যকলাপ সম্পর্কে সংবাদপত্রের প্রতিটি কাটিং সংগ্রহ করতে শুরু করেছিলেন এবং ISRO এবং NASA-এর কার্যকলাপের উপর তাঁর সাংঘাতিক রকমের নজর ছিল।ঋতু লখনউ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে পদার্থবিদ্যায় স্নাতক ও মাস্টার্স ডিগ্রী সম্পন্ন করেছেন। পদার্থবিদ্যা বিভাগেই ডক্টরেট কোর্সে ভর্তি হন। পরে একই বিভাগে শিক্ষকতাও করেন। তিনি ছয় মাস লখনউ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা স্কলার ছিলেন। তিনি মহাকাশ প্রকৌশলে স্নাতকোত্তর করার জন্য IISc, ব্যাঙ্গালোরে যোগদান করেন। বাকিটা ইতিহাস। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণায় অবদানের জন্য ঋতু করিধাল শ্রীবাস্তবকে রকেট ওমেন হিসাবেই স্মরণ করবে।

আগস্ট ২৬, ২০২৩
দেশ

জগৎ সভায় শ্রেষ্ঠ আসন ভারতের, চন্দ্র অভিযানে ইতিহাস গড়ল ইসরো

ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (ইসরো) দ্বিতীয় দফার প্রচেষ্টা সফল। চন্দ্রযান-৩ বিক্রম ল্যান্ডার সফট ল্যান্ডিং করল চাঁদের পৃষ্ঠে। ইতিহাস গড়ে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফল অবতরণ করল চন্দ্রযান ৩। বুধবার সকাল থেকে টানটান উত্তেজনা ছিল দেশজুড়ে। সারা বিশ্ব তাকিয়ে ছিল ভারতের চন্দ্র অভিযানের দিকে। এরইমধ্যে রাশিয়ার দ্রুত গতির চন্দ্র অভিযান ব্যর্থ হয়েছে। চার বছরের মাথায় সফল ইসরো। চাঁদের সহজেই দক্ষিণ মেরুতে সফল অবতরণ করল চন্দ্রযান ৩।ইতিহাসে নাম লেখাতেই দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একইসঙ্গে ইসরোর বিজ্ঞানীদের কৃতিত্বকে কুর্নিশ জানিয়েছে মোদী। ইসরো প্রধান সোমনাথ আজ সকালেই মিশন সম্পর্কে বলেন, চার বছরের কম সময়ে আমরা আমাদের মিশন উন্নত করতে এবং একটি ব্যাকআপ পরিকল্পনা তৈরিতে আমাদের বিজ্ঞানীরা সাফল্যের সঙ্গে কাজ করেছেন। এই মিশনে এখন পর্যন্ত আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছুই ঠিক ঠাক হয়েছে। আমরা বিভিন্ন স্তরে সিস্টেম যাচাই করে অবতরণের প্রস্তুতি নিয়েছি এবং ল্যান্ডারের স্বাস্থ্য একেবারে ঠিক আছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, চন্দ্রযান-২ মিশনের ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আগের সকল ভুল সংশোধন করেছে ISRO।১৪ জুলাই ইতিহাস গড়ার অভিযানে নেমেছিল ইসরো। শেষমেশ সফল অবতরণ। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে এই প্রথম কোনও দেশ অভিযানে সক্ষম হল। এই অবতরণে সফল হয়ে ইতিহাসে নাম লেখাল ভারত।চন্দ্রযান-২, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯-এ চাঁদে অবতরণের প্রক্রিয়া চলাকালীন ব্যর্থ হয়েছিল, যখন এর ল্যান্ডার বিক্রম একটি প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে চন্দ্রপৃষ্ঠে ভেঙে পড়ে। ভারতের প্রথম চন্দ্র মিশন চন্দ্রযান-১ ২০০৮ সালে চালু হয়েছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চিন এবং প্রাক্তন সোভিয়েত ইউনিয়নের পরে ভারত মুন মিশনে বিশ্বের চতুর্থ দেশ হয়ে হয়ে উঠেছে। ১৪ দিন সেখানে ঘুরে ফিরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাবে চন্দ্রযান-৩-এর রোভার প্রজ্ঞান। এই ১৪ দিন চাঁদের জমিতে থাকা জল ও নমুনা সংগ্রহ করবে রোভার।

আগস্ট ২৩, ২০২৩
দেশ

ইসরোর বিক্রমে ‘হাতের মুঠোয় চাঁদ’, জোছনা এবার আড়ি করেনি

ইতিহাসের সাক্ষী থাকলো সারা বিশ্ববাসী। অন্তরীক্ষে ইতিহাস ভারতের। বিশ্বের প্রথম দেশ হিশাবে চাঁদের বুকে বীর বিক্রমে রোভার প্রজ্ঞানকে পেটে নিয়ে চাঁদের বুকে পা রাখলো ভারত। বুধবার ঠিক সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করল চন্দ্রযান-৩। অবতরণের শেষ ২০ মিনিট নিয়ে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র ইসরোর বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা ও দুশ্চিন্তায় কেটেছে। শেষ ভালো যার সব ভালো। কোনওরকম সমস্যা তৈরি না করে সমস্ত কিছুই পরিকল্পনা মাফিক হয়ে চাঁদের বুকে সফট ল্যান্ডিং করল সম্পূর্ন ভারতীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ল্যান্ডার বিক্রম। চাঁদের মাটি ছুঁয়েই ল্যান্ডারের বিক্রম ভারতকে অভিনন্দন বার্তা পাঠালো। এবার বিক্রমের পেট থেকে বেরিয়ে রোভার প্রজ্ঞান কি কি আজানা খবর দেয় তার দিকেই তাকিয়ে ইসরো-র বিজ্ঞানীরা।উল্লেখ্য, ২০২৩ এর ১৪ জুলাই ভারতের মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে রওনা করে ছিল চন্দ্রযান-৩। ইসরোর তৈরি মহাবলী মার্ক-৩ রকেটে চড়ে কক্ষপথে পাড়ি দেয় এই মহাকাশ যানটি। যাত্রাপথে ৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটারে পথ নির্বিঘ্নে প্রতিটি ধাপ সে সফলভাবে পেরিয়েছে। আগস্ট মাসের ৫ তারিখ চাঁদের কক্ষপথে পৌঁছয় চন্দ্রযান-৩। ১৯ আগস্ট মূল মহাকাশ যান থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে চন্দ্রাভিযানের উদ্দশ্যে রওনা দেয় ল্যান্ডার বিক্রম।Chandrayaan-3 Mission:All set to initiate the Automatic Landing Sequence (ALS).Awaiting the arrival of Lander Module (LM) at the designated point, around 17:44 Hrs. IST.Upon receiving the ALS command, the LM activates the throttleable engines for powered descent.The pic.twitter.com/x59DskcKUV ISRO (@isro) August 23, 2023ইসরো বিজ্ঞানীদের হয়ত বা চার বছর আগের ব্যর্থতার সেই মহুর্তে বার বার মনে আসছিলো। তীরে এসে তরী ডুববে না তো? ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবারের চন্দ্রযানকে এরর -ফ্রী করে তুলে ইসরোর মহাকাশ বিজ্ঞানীরা যে চেষ্টার কোনও ত্রুটি রাখেনি তা বলাই বাহুল্য। এবারের অভিযান নিয়ে প্রথম থেকেই আত্মবিশ্বাসে ভরপুর ছিলেন বিজ্ঞানীরা।২০১৯ র অভিযানে ইসরোর ডিরেক্টর কে সিভান চাঁদের বুকে রুক্ষ মাটিতে চন্দ্রযান-২ আছড়ে পড়ার পর যে ভাবে কান্নায় ভেঙে পরেছিলেন সে দৃশ্য সারা দেশ আজও ভুলতে পারেনি। আজকের দিনে সমস্ত যায়গায় তিনিই ছিলেন আলোচনার কেন্দবিন্দুতে। সেই প্রাক্তন ইসরোর প্রধান কে সিভান কিন্তু এবারের অভিযানের সফলতার প্রতি সম্পূর্ন আস্থা ও আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। তিনি বলেছিলেন, দ্বিতীয় চন্দ্রযানের করা ভুল তৃতীয় আর পুনরাবৃত্তি করবে না। তিনি কতটা ঠিক ছিলেন তা অক্ষরে অক্ষরে মিলে গেল।

আগস্ট ২৩, ২০২৩
কলকাতা

সেক্টর ফাইভ-এ রোড ডাইভারসন, মেট্রোরেলের কাজের জন্য নয়া ঘোষণা

সম্ভবত শনিবার রাত থেকেই সেক্টর ফাইভ এর রোড ডাইভারশন হতে চলেছে। মেট্রোরেলের কাজের জন্যই এই সিদ্ধান্ত বলে জানান বিধান নগর ডিসি ট্রাফিক ইন্দিরা মুখার্জি। টেকনোপলিস মোড়ের আগেই কাজ হচ্ছে মেট্রোর। সেই কাজের জন্যই কলকাতা যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হবে আগামী ছয় মাসের জন্য। কলকাতা যাওয়ার জন্য আলাদা রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করার আবেদন জানায় বিধান নগর পুলিশ কমিশনারেট।বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসি ট্রাফিক ইন্দিরা মুখার্জি বলেন, টেকনোপলিস স্টেশনে মেট্রোর কাজ চলছে। এক সপ্তাহ হয়ে গিয়েছে এখানে কাজ শুরু হয়েছে। এখনও রাস্তা বন্ধ করা হয়নি মেট্রো কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে। কিন্তু আগামীকাল থেকে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষর পক্ষ থেকে টেকনোপলিশের সামনের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হবে। এই রাস্তাটা এয়ারপোর্ট-এর দিক থেকে সল্টলেকের দিকে আসে তাদের জন্য প্রযোজ্য। রাস্তা দিয়ে যারা যাবেন তাদের জন্য ড্রাইভারসশন করা হচ্ছে। নিউটাউন নারকেল বাগান মোড় থেকে এমআর ধরে চিংড়িঘাটার দিকে যেতে পারে। আবার সল্টলেকের দিকে যেতে গেলে যেতে পারবে। আর একটা বিকল্প রাস্তা তৈরী হয়েছে নারকেল বাগান মোড় থেকে নতুন ব্রিজ ধরে গোদরেজ ওয়াটার সাইট রিং রোড ধরে এসডিএফ হয়ে চিংড়িঘাটা যাওয়া যায়।মেট্রো স্টেশন এর কাজের জন্য টেকনোপলিশ-এর সামনে লাল বক্স করে দেওয়া হয়েছে যেটা কলকাতা লেন পুরো বন্ধ থাকবে। নিউটাউন বক্স ব্রিজ থেকে নেমে কেয়া মোটর্স হয়ে ফিলিপস মোড়, আরএ সফটওয়্যার মোড় হয়ে কলকাতার দিকে যেতে পারেন। যদি কেউ মনে করে এলবি রোড বা সল্টলেকের দিকে যাওয়া প্রয়োজন তাহলে কেয়া মোটর্স এর সামনে হয়ে টেকনোপলিস বিল্ডিংয়ের ব্যাক সাইড দিয়ে নিজের গন্তব্যে পৌঁছে যেতে পারেন। ট্রায়াল রান শুরু হয়েছিল। প্রথম প্রথম একটু ডিলে হয়েছিল একটু কনফিউশন হয়েছিল। রোড ড্রাইভারসেশন দেওয়া আছে তাতেও যদি কারও অসুবিধা হয়ে থাকে ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমের রুটিন নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন। শুধুমাত্র কলকাতা বাউন্ডের জন্য। এয়ারপোর্ট বাউন্ডে কোনও চেঞ্জ হচ্ছে না। এয়ারপোর্ট বাউন্ডে যখন কাজ শুরু হবে তখন আমরা জানিয়ে দেব। আমাদের এক্সট্রা পুলিশি ব্যবস্থা রাখা আছে। শনিবার রাতে ডার্বি ম্যাচের পর থেকে রাস্তাটা বন্ধ করে দেওয়া হবে এখনও পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হয়ে রয়েছে।

আগস্ট ১২, ২০২৩
দেশ

ইতিহাসের বারান্দায় অনাস্থা প্রস্তাব

মঙ্গলবার থেকে লোকসভায় শুরু হল বিরোধীদের অনাস্থা প্রস্তাবের উপর বিতর্ক। দুদিন ধরে চলবে বিতর্ক। তার পরে সরকার পক্ষের শীর্ষ ব্যাক্তি তাঁর জবাবই বক্তব্য বলবেন। লোকসভায় বিরোধীদের মিলিত শক্তির চেয়ে সাংসদ সংখ্যার বিচারে সরকার পক্ষের শক্তি অনেক বেশি। তাই বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবের নরেন্দ্র মোদী সরকারের দুশ্চিন্তার কিছু নেই। ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদী ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথম অনাস্থা প্রস্তাব আনলো বিরোধীরা। আর এই প্রথম লোকসভায় বিরোধীদের পারস্পরিক ঐক্য অনেক জমাট দেখাচ্ছে। বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবের পিছনে সংসদীয় রাজনীতির যে কৌশল রয়েছে তা হল মনিপুর প্রসঙ্গে বিরোধীদের সমালোচনার জবাব দিতে প্রধানমন্ত্রী বাধ্য হবেন। কারণ, সময়, পরিস্থিতি ও বিষয় বিচার করে প্রধানমন্ত্রী কখনো মুখ খোলেন কখনো নীরব থাকেন। যেমন মনিপুরে হিংসা ছড়ানোর ৭৯ দিন পরে প্রধানমন্ত্রী বিবৃতি দেন। মনিপুরে এখনো হিংসা থামেনি, লাগাতার হিংসা চললেও প্রধানমন্ত্রীর এই বিষয়ে আর মুখ খোলেননি।লোকসভার নিয়ম অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে গেলে নুন্যতম পঞ্চাশ জন সাংসদের সমর্থন প্রয়োজন। কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি ও সাংসদ মল্লিকার্জুন খারগের পেশ করা অনাস্থা প্রস্তাবের ৭৯জন সাংসদ সাক্ষর করেছেন। বিজেডি এবং ওয়াইএসআর কংগ্রেস ছাড়া সংসদে অস্তিত্ব রয়েছে এমন সব বিরোধী দলই প্রস্তাবের পক্ষে দাঁড়িয়েছে। অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে বিতর্ক শুরুর আগের দিন রাহুল গান্ধী সাংসদ পদ ফিরে পাওয়ায় বিরোধী শিবির, বিশেষত কংগ্রেস অনেকটাই উজ্জীবিত। ১৩৪ দিন সংসদের বাইরে থাকার পরে সাংসদ পদ ফিরে পেলেন রাহুল।আরও পড়ুনঃ কেন সমাজতন্ত্র: অ্যালবার্ট আইনস্টাইনইতিহাসের হুবহু পুনরাবৃত্তি না হলেও ইতিহাসের অনেক ঘটনা কিছু কিছু লক্ষণ পরবর্তী কালে দেখা যায়। যেমন ১৯৬৩ সালে অগাষ্ট মাসে সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনে নেহেরু সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবের সঙ্গে চলতি বর্ষাকালীন অধিবেশনে বিরোধীদের অনাস্থা প্রস্তাবের অনেক ক্ষেত্রে মিল রয়েছে। আবার অনেক ক্ষেত্রে পার্থক্যও রয়েছে। ১৯৬৩ সালে বিরোধীদের অনাস্থা প্রস্তাব ছিল স্বাধীন ভারতের লোকসভার ইতিহাসে প্রথম। সেই সময় দেশের অধিকাংশ মানুষ মনে করতেন স্বাধীনতা এনেছে কংগ্রেস। তাই ১৯৬২ সালে তৃতীয় লোকসভা নির্বাচনেও বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফেরে কংগ্রেস। তখন লোকসভায় আসন সংখ্যা ছিল ৪৯৪। ৩৬১টি আসন পেয়ে তৃতীয় বার প্রধানমন্ত্রী হন নেহেরু। তিনি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দেড় বছরের মাথায় দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত বদলাতে থাকে। ১৯৬২সালের চিন-ভারত যুদ্ধের ফলে নেহেরু সরকার তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন। কংগ্রেস কোনঠাসা হয়ে পড়ায় ক্রমাগত হারতে থাকা বিরোধীরা উজ্জীবিত হয়ে ওঠে। এই আবহে বেশ কয়েকটি বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে পরাজিত হয় কংগ্রেস। কংগ্রেসকে সংসদে আরও চাপে ফেলতে বিরোধীরা কক্ষ সমন্বয় ঐক্যে পৌঁছয়। ফলে লোকসভায় প্রথমবার অনাস্থা প্রস্তাবের মুখোমুখি হয় নেহেরু সরকার।সেই সময় লোকসভার অধ্যক্ষ ছিলেন হুকোম সিং। লোকসভার বর্ষাকালীন অধিবেশনের শুরুতে একাধিক রাজনৈতিক দল অধ্যক্ষের কাছে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেয়। প্রথম অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেন প্রজাশক্তি পার্টির শীর্ষ নেতা ও সাংসদ আচার্য জে বি কৃপালনী। ভারতীয় জনসংঘ ও সিপিআই, পৃথকভাবে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেয়। এছাড়াও আরো কয়েকটি রাজনৈতিক দল অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেয়। সিপিআইয়ের আনা অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে প্রয়োজনীয় নুন্যতম পঞ্চাশ জন সাংসদের সাক্ষর না থাকায় তা বাতিল হয়ে যায়। অন্যান্য রাজনৈতিক দল আচার্য কৃপালনীর আনা প্রস্তাবকে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ায়। অধ্যক্ষ হুকোম সিং আচার্যর আনা প্রস্তাবে আলোচনার অনুমোদন দেন। ১৯ অগাষ্ট লোকসভায় অনাস্থা প্রস্তাবের উপর বিতর্ক শুরু হয়।বিরোধীদের পক্ষে আলোচনা শুরু করেন আচার্য কৃপালনী । তিনি তাঁর বক্তব্যে শুধু চিন-ভারত যুদ্ধ নয়, সরকারের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ ও আনেন। লোকসভায় সরকার ও বিরোধী পক্ষের শক্তির ফারাকের কথা মাথায় রেখে আচার্য কৃপালনী বলেন, শুধু সাংসদ সংক্ষ্যা হিসেব করলে চলবে না। প্রাপ্ত ভোটের হিসেব করলে দেখা যাবে বিরোধীদের শক্তি সরকার পক্ষের থেকে বেশি। সাম্প্রতিক লোকসভা নির্বাচনে সরকার পক্ষ ৪৬ শতাংশের কাছাকাছি ভোট পেয়েছে। বাকি ৫৪ শতাংশ ভোট পেয়েছে বিরোধীরা । এর থেকে প্রমানিত হয় বিরোধীরাই সংসদে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মতামতকেই পেশ করছে। প্রস্তাবের পক্ষে বিরোধী নেতারা বক্তব্য বলার পাশাপাশি সরকার পক্ষের হয়ে বক্তব্য বলেন মোরারজি দেশাই ও ভগবৎ ঝা আজাদ প্রমুখ। সবশেষে জবাবী ভাষনের প্রধানমন্ত্রী নেহেরু বিরোধীদের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন,বিরোধীদের মধ্যে এই বিচিত্র সমঝোতার মূল কারণ হলো আমার বিরোধিতা করা। তাই বিরোধীদের বক্তব্যের পুরোটাই নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া। সরকারের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে তা আসলে সরকারের বিরুদ্ধে নয়। তা হল প্রধানমন্ত্রী নেহেরু ও ব্যক্তি নেহেরুর বিরুদ্ধে মিলিত ব্যক্তিগত আক্রমণ।আরও পড়ুনঃ বাংলায় ক্ষমতায় থাকার কৌশল বদলেছে সময়ের তালে, রাজনৈতিক সংঘর্ষের বীজ লুকিয়ে অতীতের ছায়ায়প্রত্যাশিত ভাবেই বিরোধীদের অনাস্থা প্রস্তাব সংসদ কক্ষে ভোটে পরাজিত হয়। তবে চিন-ভারত যুদ্ধের ফলাফলে নেহেরুর জনপ্রিয়তায় ফাটল ধরে। সেই সুযোগে দলের মধ্যেও তাঁর বিরোধীরা সক্রিয় হয়ে ওঠে। এরই সঙ্গে বেশ কয়েকটি উপনির্বাচনে ক্ংগ্ৰেসের পরাজয় এবং বিরোধীদের জমাট এক্য - সব মিলিয়ে ঘরে বাইরে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন নেহেরু। তার আঁচ গিয়ে পড়ে তাঁর শরীরে। ধীরে ধীরে অসুস্থতা বাড়তে থাকে। ১৯৬৪ সালের ২৭ শে মে দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যু হয়।

আগস্ট ০৮, ২০২৩
দেশ

জুলজিকাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার ১০৮তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদ্বোধন করবেন কেন্দ্রীয় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী

কেন্দ্রীয় বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব জুলজিকাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার ১০৮ তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপনের সূচনা করবেন ১লা জুলাই, সল্টলেকের নিক্কো পার্ক সংলগ্ন ইস্ট প্যাভিলিয়নে। এই অনুষ্ঠান উপলক্ষে তিনি অ্যানিম্যাল ট্যাক্সোনোমি সামিট ২০২৩- শীর্ষক এক সম্মেলনেরও সূচনাও করবেন। এই অনুষ্ঠানে কেন্দ্র সরকারের মিশন লাইফ ভাবনাকে নিয়ে জেডএসআইয়ের কর্মকান্ডকে উপস্থাপন করা হবে। পরিবেশ রক্ষার বার্তা দিতে এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করার পরিকল্পনাও গৃহীত হয়েছে।এই অনুষ্ঠানে মন্ত্রী অ্যানিম্যাল ডিসকভারিজ ২০২২ শীর্ষক একটি পুস্তক প্রকাশ করবেন, যেখানে দেশ জুড়ে আবিষ্কৃত ৬০০ নতুন প্রজাতির সন্ধান থাকবে এই বইয়ে। তাছাড়া স্বাধীনতার ৭৫ বছরকে স্মরণ করতে ও আজাদি কি অমৃত মহোৎসবের অঙ্গ হিসেবে ৭৫ ওয়েটল্যান্ড ফনা অফ ইন্ডিয়া এবং ৭৫ এন্ডেমিক বার্ডস অফ ইন্ডিয়া শীর্ষক দুটি প্রামান্য বই প্রকাশিত হবে। অনুষ্ঠানে দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী অশ্বিণী কুমার চৌবে এবং বন দপ্তরের ডিরেক্টর জেনারেল তথা দপ্তরের বিশেষ সচিব চন্দ্র প্রকাশ গোয়েল উপস্থিত থাকবেন। ১০৮ তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অ্যানিম্যাল ট্যাক্সোনমি সামিট ২০২৩-এ দেশ বিদেশের চার শতাধিক প্রাণীবিদ্যা বিশেষজ্ঞ যোগদান করবেন। লন্ডনের ন্যাচারেল হিস্ট্রি মিউজিয়ামের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত থাকবেন। এই সম্মেলনে ১২ জন খ্যাতনামা বিশেষজ্ঞ পশু শ্রেণীকরণ, বায়োজিওগ্রাফি সহ বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য রাখবেন। এই সম্মেলনে উপস্থাপিত গবেষণাপত্র সমূহ শতাব্দী প্রাচীন ইন্ডিয়ান জুলজি পত্রিকাতেও পরবর্তীতে প্রকাশিত হবে। জেডএসআই-এর প্রথম মহিলা নির্দেশক ধৃতী বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সংস্থা ভুটান সরকারের সঙ্গে কয়েকটি মৌ চুক্তিও স্বাক্ষর করবে। ভবিষ্যত গবেষণার আদান-প্রদানের লক্ষ্যেই এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। অ্যানিম্যাল ট্যাক্সোনোমি সামিট চলবে ৩রা জুলাই পর্যন্ত। এই উপলক্ষে কলকাতা প্রেস ক্লাবে একটি সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

জুলাই ০৭, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

ইতিহাস গড়ল ভারতের অনুর্দ্ধ ১৯ মহিলা ক্রিকেট দল, ধুলোয় মিশিয়ে দিল ইংল্যান্ডকে

বিশ্ব ক্রিকেটে ইতিহাস তৈরিতে সাক্ষী থাকল বাংলার তিন তরুণী ক্রিকেটার। রবিবার মহিলাদের অনুর্দ্ধ ১৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। আইসিসি আয়োজিত প্রথমবারের এই প্রতিযোগিতার ফাইনালে ভারতীয় মহিলা দল ৭ উইকেটে হারায় ইংল্যান্ডকে। শেফালী ভার্মার নেতৃত্বে ভারতের এই দল স্মরণ করিয়ে দিল ২০০৭-এ টি ২০ বিশ্বকাপের প্রথম প্রতিযোগিতায় ধোনীর নেতৃত্বের ভারতের জয়কে। তারপর ১৬ বছর ধরে টি ২০ বিশ্বকাপে ভারতের প্রাপ্তির ভাড়ার শূন্য়। প্রথমবারেই বাজিমাত শেফালীদের।প্রথম ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। ভারতের বোলিংয়ের কাছে কচুকাটা হয় ইংল্যান্ডের ব্যাটাররা। ইংল্যান্ড ১৭.১ ওভারে মাত্র ৬৮ রান তুলতে সক্ষম হয়। তুরি দিয়ে জয় পায় ভারত। সহজেই ইংল্যান্ডের রান তাড়া করে ভারত ১৪ ওভারে ৩ উইকেটে ৬৯ রান তোলে। পরাজিত হয় ইংল্যান্ড। ৪ ওভার বল করে ৬ রান দিয়ে ২ উইকে়ট নিয়ে ফাইনালের সেরা হয়েছেন চুঁচুড়ার তিতাস সাধু।মহিলাদের প্রথম অনূর্ধ্ব ১৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পরই আর্থিক পুরস্কার ঘোষণা করেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। পুরো দল এবং কোচিং স্টাফদের জন্য ৫ কোটি টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে বোর্ড। ভারতীয় এই দলে তিতাস ছাড়াও রয়েছে হাওড়ার হৃষিতা বসু ও শিলিগুড়ির রিচা ঘোষ।

জানুয়ারি ২৯, ২০২৩
রাজ্য

জোকা-তারাতলা মেট্রো সপ্তাহে কদিন, কখন চলবে, কদিন বন্ধ থাকবে, রইল বিস্তারিত সূচি

জোকা-বিবাদী বাগ মেট্রো প্রকল্পের জোকা-তারাতলা রুটের ভার্চুয়াল উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামী সোমবার, ২ জানুয়ারি যাত্রী নিয়ে এই রুটে ছুটবে মেট্রো। জোকা থেকে তারাতলার দূরত্ব ৬.৫ কিলোমিটার। এই যাত্রাপথে মোট ছটি স্টেশন থাকছে জোকা, ঠাকুরপুকুর, সখেরবাজার, বেহালা চৌরাস্তা, বেহালা বাজার এবং তারাতলা। মেট্রো কর্তৃপক্ষ জোকা-তারাতলা রুটে ট্রেন চলাচলের সংখ্যা, সময়সূচীও ঘোষণা করেছে। আপাতত একটি মেট্রো যাতায়াত করবে। জোকা-তারাতলা রুটে প্রতিদিন ১২টা করে মেট্রো চলাচল করবে। ৬টি আপে ও ৬টি ডাউনে মেট্রো চলবে। সোমবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত পরিষেবা মিলবে। তবে শনিও রবিবার পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। ওয়ান ট্রেন সিস্টেম অর্থাৎ একটি ট্রেনই জোকা থেকে ছাড়বে। তা আবার তারাতলা থেকে ফিরবে। সর্বনিম্ন ভাড়া ৫ টাকা। সর্বোচ্চ ভাড়া ২০ টাকা।জোকা-তারাতলা রুটের সময়সূচি-সোমবার থেকে শুক্রবার অর্থাৎ সপ্তাহে ৫ দিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫.৩০টা পর্যন্ত মেট্রো চলবে।জোকা থেকে মেট্রো ছাড়বে সকাল ১০ টা, সকাল ১১ টা, বেলা ১২ টা, দুপুর ৩ টে, বিকেল ৪ টে এবং বিকেল ৫ টায়।তারাতলা থেকে মেট্রো ছাড়বে সকাল ১০.৩০টা, সকাল ১১.৩০টা, বেলা ১২.৩০টা, দুপুর ৩.৩০টে, বিকেল ৪.৩০ টে এবং বিকেল ৫.৩০ টায়।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২২
রাজ্য

বন্দে ভারতের চালক গর্বিত করল বর্ধমানকে, স্টেশনে ভিড়ের মাঝে স্বামীকে হাত নাড়িয়ে শুভেচ্ছা স্ত্রীর

বন্দে ভারতে মেতেছে বাংলা। ইতিমধ্যে ট্রেনের টিকিট পেতেই হিমশিম অবস্থা। হাওড়া থেকে ছাড়ার পর একে একে নানা স্টেশনেই দাঁড়িয়েছে বন্দে ভারত। জনতার উল্লাসে ভেসেছে মশাগ্রাম, বর্ধমান, বোলপুর স্টেশন। প্রথমবার বন্দে ভারতকে চোখের দেখা দেখতে জাতীয় পতাকা নিয়ে অনেকেই হাজির হয়েছেন। এই সুপার স্পিড ট্রেনের চালককে মালা পড়িয়ে অভিনন্দন জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ। বাংলার প্রথম বন্দে ভারতের চালকের বাড়ি বর্ধমানে লোকো সারদা পল্লীতে। বর্ধমান স্টেশনে যখন চালককে নিয়ে মাতামাতি চলছে তখন ভিড়ের মধ্যেই দূর থেকে স্বামীকে হাত নাড়িয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সুনিতা কুমারী। ওই ভিড়ের মধ্যেও পাল্টা হাত নাড়িয়েছেন চালক অনিল কুমার। অনেকে তো ভাবতেই পারেনি চালকের স্ত্রী সেখানে দাঁড়িয়ে। চালক পাল্টা হাত নাড়ানোয় উপস্থিত জনতার টনক নড়ে। বর্ধমান স্টেশনে ট্রেন দাঁড়াতেই উৎসাহী মানুষজন অনিল কুমারের গলায় মালা পরিয়ে দিয়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে দেখে আবেগঘন হয়ে পড়েন সুনীতা কুমারী। গর্বিত চালকের স্ত্রী বলেন, এই দিনটা আমার কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাজ্যে উপস্থিত থাকতে পারলে আরও ভালো লাগতো। আদতে বিহারের বিহারের বাসিন্দা অনিল কুমার। এখন পরিবার নিয়ে তিনি থাকেন বর্ধমানের লোকো সারদাপল্লীতে থাকেন। বন্দেভারত এক্সপ্রেস চালানোর উদ্দেশ্যে বৃহস্পতিবার রাতেই অনিল কুমার বর্ধমানের বাড়ি থেকে হাওড়া স্টেশনের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন।এদিন সকালে টেলিভিশনের পর্দায় বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেন নিয়ে উচ্ছ্বাস-উন্মাদনা দেখে বাড়িতে আর মন টেকেনি। সোজা বর্ধমান স্টেশনে চলে আসেন সুনীতা দেবী। তিনি জানিয়েছেন, ট্রেনের অ্যাসিন্ট্যান্ট ড্রাইভার হিসাবে ১৯৯০ সালে কাজে যোগ দেন তাঁর স্বামী। কর্মের প্রতি অবিচল অনিল কুমারের বরাবরই লক্ষ্য ছিল সবথেকে গুরত্বপূর্ণ ট্রেনগুলো চালানো। পূর্বা, কালকা, শতাব্দী, রাজধানী ও দুরন্ত এক্সপ্রেস ট্রেনও তাঁর স্বামী চালিয়েছেন। বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেন চালানোর স্পেশাল ট্রেনিং নিতে চলতি মাসের ৭ তারিখ অনিল বাবু উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদে যান। ট্রেনিং শেষে ১৯ ডিসেম্বর তিনি বর্ধমানের বাড়িতে ফিরে আসেন। বন্দেভারত এক্সপ্রেসের মতো দুরন্ত গতির ট্রেন চালানোটা তার স্বামীর কাছে আলাদা মাইলস্টোন ছোঁয়ার মতো। এদিন সেই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের সাক্ষী থাকার জন্যই বর্ধমান স্টেশনে উপস্থিত হয়েছিলেন বলে সুনীতাদেবী জানান। এদিন বর্ধমান স্টেশনে হাত নেড়ে, ইশারায় শুভেচ্ছা বিনিময় হলেও গর্বিত স্বামীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ হয়নি সুনীতা দেবীর। কথা না হলেও আপশোষ নেই সুনীতা দেবীর। তিনি বলেন, স্বামী কাজের প্রতি দায়বদ্ধ।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২২
রাজ্য

রেল এলাকা থেকে চুরি যাওয়া একাধিক মোবাইল উদ্ধার করে আসল মালিকের হাতে তুলে দিল রেল পুলিশ

অনন্য নজির রেল পুলিসের। শুক্রবার বর্ধমান জিআরপি থানায় এক ছোট্ট অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ২৩ জন প্রাপকের হাতে তাদের মোবাইল ফিরিয়ে দেওয়া হল। এই অনুষ্ঠানের নাম দেওয়া হয়েছিল ফিরে পাওয়া।অনুষ্ঠানে জি আর পি; ও.সি চিন্তাহরণ সিনহা সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। হারিয়ে পাওয়া মোবাইল পেয়ে প্রাপকেরা জানান; তারা খুব খুশি। বারবার রেল পুলিশকে ধন্যবাদ জানান তারা।

নভেম্বর ২৫, ২০২২
রাজ্য

রেলের উচ্ছেদ নোটিশে অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্রের ভাঙ্গা পড়ার খবরে এলাকায় উত্তেজনা

পাল্লা রোড স্টেশনের পর এবার বর্ধমান হাওড়া কর্ড শাখার জৌগ্রাম স্টেশনে উচ্ছেদের নোটিশ পড়লো। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে জৌগ্রাম এলাকায়। দিন তিনেক আগে রেলের পক্ষ থেকে উচ্ছেদের নোটিশ এলাকায় টাঙানো হয়। ২৮ নভেম্বরের মধ্যে তাদের জায়গা খালি করার সময় সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে রেলের তরফে।এই জায়গার মধ্যেই আছে একটি আইসিডিএস সেন্টার। সেটিও ভাঙা ফেলা হবে রেলের পক্ষ থেকে। স্থানীয় বাসিন্দা বাসন্তী তুরী জানান, তারা ৪০ বছর ধরে এখানে বাস করছেন। এখন হঠাৎ করে উচ্ছেদের নোটিশ দিলে তারা বাচ্চা কাচ্চা নিয়ে কোথায় যাবে। এখানে ৪০ টি পরিবার বাস করে। তারা রেলের উচ্ছেদ নোটিশে কার্যত অথৈজলে পড়েছে।আইসিডিএস সেন্টারে ৬২ টি ছেলে পড়াশোনা করে ও পাঁচজন অন্তঃসত্ত্বা মহিলা এখানে খাবার নেন। এখন রেলের পক্ষ থেকে আইসিডিএস সেন্টারটি ভেঙে দেওয়া হলে বাচ্চাদের পড়াশোনা ও খাওয়া সবই বন্ধ হয়ে যাবে বলে জানান এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য মৃদুলকান্তি মণ্ডল।স্থানীয় বাসিন্দা সুষমা রায় বলেন, মাস দুয়েক আগে একবার এলাকায় মাইকিং করে বলা হয়, জায়গা ছাড়ার জন্য।তারপর হঠাৎই নোটিশ দেওয়া হয় নভেম্বর মাসের ১৯ তারিখে। স্থানীয় বাসিন্দারা চাইছেন তাদের সময় দেওয়া হোক। মাস চারেক সময় দিলে তাদের সুবিধা হয়।এই বিষয়ে পূর্ব রেলের জনসংযোগ আধিকারিক একলব্য চক্রবর্তীর যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, কি করে রেলের জায়গায় আইসিডিএস সেন্টার তৈরী হল বুঝতে পারছি না।তবে যদি বাসিন্দারা রেলের কাছে লিখিত ভাবে জানান যে তারা দুমাসের মধ্যে উঠে যাবেন তাহলে রেল সেটা ভেবে দেখবে।

নভেম্বর ২৩, ২০২২
রাজ্য

আবার ব্যহত হতে চলেছে রেল পরিষেবা! হাওড়া-বর্ধমান শাখার যাত্রী দুর্ভোগের আশঙ্কা

আবার রেল যন্ত্রণা! পূর্ব রেলের মঙ্গলবারের বিজ্ঞপ্তি সেই বার্তাই দিচ্ছে। হাওড়া-বর্ধমান শাখার যাত্রীদের কপালে আবার দূর্ভোগের আশঙ্কা। রেল ট্রাক ও বেশ কিছু রেলসেতুতে মেরামতি-র জন্য হাওড়া-বর্ধমান শাখায় বেশ কিছু লোকাল ট্রেন ১০ দিন বাতিল থাকবে।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী ১৮ই নভেম্বর শুক্রবার থেকে ২৭ নভেম্বর রবিবার অবধি হাওড়া-বর্ধমান শাখার লোকাল ট্রেনের সাথে কিছু মেল এক্সপ্রেস ট্রেনের রুট-ও বদলে দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে ওই সময় ট্রাফিক এবং পাওয়ার ব্লকের সাথে সাথে বারুইপাড়া-চন্দনপুর শাখায় চতুর্থ লাইনের কাজও চলবে।১৮ই নভেম্বর শুক্রবার থেকে ২৭ নভেম্বর রবিবার অবধি হাওড়া থেকে ছেড়ে আসা ১৭টি লোকাল ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। শিয়ালদহ থেকে বাতিল ২টি, বর্ধমান থেকে ৭টি, মশাগ্রাম ও চন্দনপুর থেকে বাতিল করা হয়েছে মোট ৪টি করে লোকাল ট্রেন। এর সাথে সাথে বাতিল করা হয়েছে গুড়াপ থেকে ১টি ট্রেন ও বারুইপুর থেকে ৩টি ট্রেন।এর আগেও দীর্ঘ এক মাস ধরে পাওয়ার ব্লকের কাজের জন্য বর্ধমান-হাওড়া মেন শাখায় কয়েকটি লোকাল ট্রেনের পরিষেবা ব্যাহত হয়েছিল।

নভেম্বর ১৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

'বিরাট' এক ক্রিকেটীয় রহস্য উপন্যাসের আরও এক অধ্যায়

কখনো কখনো মনে হয় ক্রিকেট খেলাটার একটা নিরন্তর কাজ আছে। ক্রিকেট অবতার বানানোর। আবার কখনো কখনো মনে হয় কিছু ক্রিকেটারের নিজস্ব ডিউটি থাকে ক্রিকেট খেলাটাকেই কে উপাস্য বানানোর। মোদ্দা কথা এই দু ধরনের এনটিটি ই সারা পৃথিবীর সব বাইশ গজকে করে তোলে এক একটা কলোসিয়াম। আর যে দেশের ধর্মেরই নাম হয় ক্রিকেট, সে দেশের আট থেকে আশি সবাই যে এই বিয়ন্ড দ্য বেস্ট বা লার্জার দ্যান লাইফ এর রোমান্টিসমে হাবুডুবু খাবেই এ আর নতুন কি! আমরা ভাগ্যবান পিপে ভর্তি এই আনন্দের স্রোত আমাদের সিক্ত করে প্রায়ই। আজ যেমন আস্বাদিত হলাম বিরাট কিং কোহলির আঘ্রানে।নেভিল কার্ডাস সাহেবই ক্রিকেট নামক সঙ্গীতের ঠিক টিউনটা ধরতে পেরেছিলেন। রান, ফর্ম, ব্যাড প্যাচ এসব নিয়ে নয়, বিরাট কোহলিরা জন্মেছে ওই বললাম না ক্রিকেট দেবতাকে সবচেয়ে মহার্ঘ্য পরিজাতের ডালি সাজিয়ে অর্ঘ্য দেওয়ার জন্য। আমার আপনার খুশি-আনন্দ-চিৎকার-কান্না-হাসি-হার-জিৎ সব কিছু এই দেবতা-পূজারীর মধ্যে ঘটে যাওয়া কিছু অমোঘ- অবিনশ্বর ঘটনায় স্রেফ সাক্ষী স্বরূপ থেকে যাওয়ার জন্যই।সাবাস বিরাট।তোমার খেলা দেখতে পাওয়ার জন্য আমরা সত্যিই ভাগ্যবান।

অক্টোবর ২৪, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ...
  • 30
  • 31
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

৪৮ ঘণ্টা আগে ভোট, তার আগেই কুপিয়ে হত্যা হিন্দু ব্যবসায়ীকে

ভোটের ঠিক ৪৮ ঘণ্টা আগে বাংলাদেশে ফের নৃশংস হত্যার অভিযোগ। ময়মনসিংহ জেলায় এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার গভীর রাতে এই ঘটনা ঘটে। মৃতের নাম সুষেন চন্দ্র সরকার, বয়স ৬২ বছর। এখনও পর্যন্ত ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ময়মনসিংহ জেলার দক্ষিণকান্দা গ্রামের বাসিন্দা সুষেন চন্দ্র সরকার পেশায় চাল ব্যবসায়ী ছিলেন। সোমবার রাত সাড়ে দশটা থেকে এগারোটার মধ্যে তিনি নিজের দোকানেই ছিলেন। সেই সময় কয়েক জন দুষ্কৃতী দোকানে ঢুকে তাঁর সঙ্গে বচসা শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে। অভিযোগ, দুষ্কৃতীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে সুষেনবাবুকে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে। গুরুতর জখম অবস্থায় তিনি দোকানের মধ্যেই লুটিয়ে পড়েন। এরপর দোকানের শাটার নামিয়ে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়।স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। কী কারণে এই খুন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, গত বছরের জুলাই মাসে বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের সময় থেকেই দেশজুড়ে অশান্তির ছবি সামনে আসতে শুরু করে। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর মহম্মদ ইউনুস দায়িত্ব নিলেও কট্টরপন্থীদের দাপট কমেনি বলেই অভিযোগ। এর আগেও একাধিক হিংসার ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রনেতা ওসমান হাদি খুনের পর সংবাদমাধ্যমের অফিসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ছায়ানটেও চালানো হয় হামলা। এরপর সংখ্যালঘু হিন্দু যুবক দীপু দাসকে গণপিটুনির পর হত্যা করে দেহ ঝুলিয়ে দেওয়ার ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়।এই পরিস্থিতিতে ভোটের ঠিক আগে ফের এক হিন্দু ব্যবসায়ী খুনের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে ভোটমুখী বাংলাদেশে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
কলকাতা

দোলের পরেই ভোটের দিন ঘোষণা! বাংলায় আসছে কমিশনের হাইভোল্টেজ টিম

মার্চের ১ ও ২ তারিখে রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের উচ্চ পর্যায়ের একটি দল। তারা রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে বৈঠক করবে। সেই বৈঠকের পর দোলের পরেই ঘোষণা করা হতে পারে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। তার আগে কোনও ঘোষণা হবে না বলেই সূত্রের খবর।আগে ঠিক ছিল, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া শেষ হলেই প্রকাশ করা হবে নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের কথা থাকলেও তা পিছিয়ে যায়। ফলে ভোটের দিন ঘোষণা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এখন জানা যাচ্ছে, নেড়া পোড়া বা হোলিকা দহনের আগে কোনওভাবেই ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হবে না।রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, নির্বাচন কমিশন স্বশাসিত সংস্থা হলেও তারা কেন্দ্রের ইঙ্গিত মেনেই চলে। বিজেপি উত্তর ভারতের ধর্মীয় সংস্কৃতিকে গুরুত্ব দেয়। সেই মতে হোলিকা দহনের আগে কোনও শুভ কাজ শুরু করা ঠিক নয় এমন বিশ্বাস থেকেই ভোটের নির্ঘণ্ট দোলের পরে ঘোষণা করা হতে পারে বলে মত অনেকের। উল্লেখ্য, বাংলার পাশাপাশি অসম, তামিলনাড়ু, কেরল ও পুদুচেরিতেও নির্বাচন রয়েছে। সব রাজ্যের ভোট একসঙ্গেই ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা।বাংলায় কত দফায় ভোট হবে তা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর থেকে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে, তারা এক দফায় ভোট করাতে প্রস্তুত। প্রয়োজনীয় লোকবল তাদের হাতে রয়েছে। যদি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাওয়া যায়, তবে এক দফায় ভোট করা সম্ভব এবং তাতে হিংসাও কমবে। তবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন তিন দফায় ভোট করানোর পক্ষেই ঝুঁকছে বলে জানা গিয়েছে। লোকবল ও কেন্দ্রীয় বাহিনী পাওয়ার বিষয়টিই এখন প্রধান চিন্তার কারণ।এদিকে মঙ্গলবার জাতীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। তার পরেই ১ ও ২ মার্চ রাজ্যে আসবে কমিশনের উচ্চ পর্যায়ের দল। সেই বৈঠকের পরই দোলের পরে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
দেশ

কৃষি চুক্তির আড়ালে বড় বিপদ? লোকসভায় সতর্কবার্তা অভিষেকের

মঙ্গলবার লোকসভায় কেন্দ্রীয় বাজেটের কড়া সমালোচনা করলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, এই বাজেটে সাধারণ মানুষ থেকে কৃষক কেউই স্বস্তি পাননি। বরং প্রত্যেকেই আরও বেশি বঞ্চিত হয়েছেন। দীর্ঘ বক্তব্যে তিনি আমেরিকা ও ভারতের সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তির প্রসঙ্গ তুলে কেন্দ্রকে আক্রমণ করেন।অভিষেক বলেন, এই বাণিজ্য চুক্তির ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ভারতের কৃষকরা। তাঁর দাবি, আমেরিকার সঙ্গে চুক্তির পর ভারতীয় কৃষকরা আরও কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন। সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি মার্কিন কৃষি সচিবের একটি মন্তব্যের কথাও উল্লেখ করেন।অভিষেক জানান, বাণিজ্য চুক্তির পর মার্কিন কৃষি সচিব ব্রুক রলিনস এক্স মাধ্যমে একটি বার্তা দেন। সেখানে তিনি লেখেন, এই চুক্তির ফলে আমেরিকার কৃষকরা আরও বেশি পণ্য ভারতে রফতানি করতে পারবেন। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এর ফলে আমেরিকার প্রত্যন্ত অঞ্চলে আরও বেশি অর্থ ঢুকবে এবং ভারতের সঙ্গে কৃষি-বাণিজ্যের ঘাটতি কমবে।এই মন্তব্যের পরেও ভারত সরকার কেন কোনও প্রতিক্রিয়া জানাল না, তা নিয়েই প্রশ্ন তোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ভারতে প্রতিদিন কৃষকদের মৃত্যু হচ্ছে। একের পর এক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনও সুরাহা হচ্ছে না। তাঁর অভিযোগ, আমেরিকার সঙ্গে এই চুক্তিতে লাভবান হচ্ছেন সে দেশের কৃষকরা, আর ভারতীয় কৃষকরা আরও দুর্বল হয়ে পড়ছেন।অভিষেকের প্রশ্ন, মার্কিন কৃষি সচিব প্রকাশ্যে এমন মন্তব্য করার পরেও ভারত সরকার কেন সেই বক্তব্য খারিজ করল না? কেন কোনও জবাব দেওয়া হল না? সংসদে এই প্রশ্ন তুলে কেন্দ্রের নীরবতাকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
দেশ

৮৫ মিনিটের বাজেটে একবারও বাংলার নাম নয়! সংসদে বিস্ফোরক অভিষেক

লোকসভায় কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে তীব্র সমালোচনা করলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ৮৫ মিনিটের বাজেট বক্তৃতায় একবারও বাংলার নাম উচ্চারণ করা হয়নি। তাঁর অভিযোগ, এত দীর্ঘ বক্তব্যেও রাজ্যের প্রতি কেন্দ্রের বঞ্চনার ছবিটাই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।অভিষেকের দাবি, কেন্দ্র যে ফ্রেট করিডরের কথা বাজেটে ঘোষণা করেছে, সেই প্রস্তাব অনেক আগেই দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও বাংলাকে উপেক্ষা করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এই সরকার সমতায় নয়, পক্ষপাতেই বিশ্বাস করে।এদিন অভিষেক বলেন, অর্থমন্ত্রী দাবি করছেন দেশের অর্থনীতি দ্রুত এগোচ্ছে। অথচ বাংলা বছরে প্রায় ৬.৫ লক্ষ কোটি টাকা কর দেওয়ার পরেও কেন্দ্রীয় বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত। মনরেগায় নতুন কাজ বন্ধ, গ্রামীণ সড়ক যোজনা থেকে জল জীবন মিশন সব ক্ষেত্রেই বাংলাকে টাকা দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি পানীয় জলের মতো মৌলিক প্রয়োজনের ক্ষেত্রেও রাজ্যকে দরাদরি করতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।এরপর অভিষেক ট্রিপল ট্যাক্স ট্র্যাপ-এর কথা তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য, সাধারণ মানুষ মনে করেন তাঁরা একবার কর দিচ্ছেন, কিন্তু বাস্তবে তিনবার কর দিতে হচ্ছে। প্রথমে বেতন থেকে আয়কর কাটা হয়। দ্বিতীয়ত জিএসটি বিস্কুট, স্কুলের খাতা, হাসপাতালের বিল, এমনকি সাবানেও কর দিতে হয়। তৃতীয় কর হল মূল্যবৃদ্ধি, যা অনুমতি ছাড়াই বাড়ে। অভিষেকের কথায়, এটিই হল নীরব কর।মধ্যবিত্তদের অবস্থার কথাও তুলে ধরেন তৃণমূল সাংসদ। তিনি বলেন, মাসের মাঝপথেই অনেকের বেতন শেষ হয়ে যায়। একটি গাড়ি কিনলেও তিনবার কর দিতে হয় আয়কর, রোড ট্যাক্স এবং টোল ট্যাক্স।এসআইআর থেকে শুরু করে বাংলা ভাষা ইস্যুতেও কেন্দ্রকে আক্রমণ করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, জয় বাংলা বলা বা সোনার বাংলা গান গাইলেই অনুপ্রবেশকারী তকমা দেওয়া হচ্ছে। সেনাকর্মী, নোবেলজয়ী কিংবা হাইকোর্টের বিচারপতিকেও নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে বলা হচ্ছে। তাঁর দাবি, বাংলায় প্রায় ১৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং এক কোটি মানুষকে সন্দেহভাজন তালিকায় রাখা হয়েছে।সবশেষে অভিষেক বলেন, কেন্দ্র যদি তহবিল বন্ধ করতে চায়, তা করতেই পারে। কিন্তু বাংলার মেরুদণ্ড কখনও ভাঙবে না। সব কিছু কেড়ে নেওয়া গেলেও মানুষের স্মৃতি মুছে ফেলা যায় না। মানুষ জেগে উঠলে শেষ কথা বাংলাই বলবে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
কলকাতা

আগস্ট নয়, এপ্রিল থেকেই ১৫০০ টাকা! যুবসাথীতে বড় চমক মমতার

আগস্টের অপেক্ষা আর নয়। এপ্রিল থেকেই চালু হচ্ছে যুবসাথী প্রকল্প। মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে এই বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, আগামী এপ্রিল মাস থেকেই রাজ্যের বেকার যুবক ও যুবতীরা প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে পাবেন।কয়েক দিন আগে অন্তর্বর্তী বাজেট পেশের সময় শিক্ষিত বেকারদের জন্য যুবসাথী প্রকল্পের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। তখন জানানো হয়েছিল, অগস্ট মাস থেকে এই প্রকল্প চালু হবে। কিন্তু এদিন মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই প্রকল্পটি কার্যকর করা হচ্ছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, যুবসাথী প্রকল্পের সুবিধা পাবেন ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সি যুবক ও যুবতীরা, যাঁরা মাধ্যমিক পাশ করার পর এখনও বেকার। কেউ যদি স্কলারশিপ পেয়ে থাকেন, তাতে এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে কোনও বাধা নেই। তবে স্কলারশিপ ছাড়া রাজ্য সরকারের অন্য কোনও জনমুখী প্রকল্পের সুবিধা যদি কেউ নিয়ে থাকেন, সে ক্ষেত্রে যুবসাথীর টাকা মিলবে না।প্রাথমিকভাবে টানা পাঁচ বছর প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। পাঁচ বছর পরেও কেউ যদি বেকার থাকেন, সে ক্ষেত্রে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।আবেদন পদ্ধতি সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, দুয়ারে সরকার কর্মসূচির আদলে বিধানসভা ভিত্তিক ক্যাম্পের আয়োজন করা হবে। ১৫ তারিখ থেকে ২৬ তারিখ পর্যন্ত এই ক্যাম্প চলবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সেখানে সরকারি আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন। প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়ে সেখানেই আবেদন করা যাবে এবং সঙ্গে সঙ্গে আবেদনপত্রের রসিদও দেওয়া হবে।যুবসাথী প্রকল্প সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য জানিয়ে শীঘ্রই সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা হবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
রাজ্য

চার দিনে ৩৯ বার কাঁপল সিকিম! বড় ভূমিকম্পের আশঙ্কায় সতর্কবার্তা

ভূমিকম্পের পরে আফটারশকের কথা অনেকেই জানেন। কিন্তু টানা চার দিন ধরে একের পর এক কম্পনের ঘটনা খুব একটা শোনা যায় না। পশ্চিমবঙ্গের লাগোয়া পাহাড়ি রাজ্য সিকিমে ঠিক এমনই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। শুক্রবার থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত টানা কম্পনে উদ্বেগ বেড়েছে প্রশাসন ও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে।জানা গিয়েছে, এই চার দিনে মোট ৩৯ বার কেঁপে উঠেছে সিকিম। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা কখনও ৩, কখনও ৪। মাত্রা খুব বেশি না হলেও বারবার কম্পন হওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। গত শুক্রবার গভীর রাতে প্রথম কম্পন অনুভূত হয়। তার প্রভাব পড়ে উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায়। এরপর মাত্র ৪ ঘণ্টা ১২ মিনিটের মধ্যে পরপর ১২টি ভূমিকম্প হয়। মঙ্গলবার সকালেও নামচি ও মঙ্গন এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধারাবাহিক কম্পন ফোর শক হতে পারে। অনেক সময় বড় ভূমিকম্পের আগে এ ধরনের কম্পন দেখা যায়। তাই সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা। সিকিমের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরও নিরাপদ জায়গা খুঁজে রাখার কথা জানিয়েছে বাসিন্দাদের।এই ধারাবাহিক কম্পনের পিছনে পাহাড়ে অতিরিক্ত নির্মাণ, জলাধার তৈরির কাজ, বা রেলপথ নির্মাণের সময় ডিনামাইট ফাটানোর মতো কার্যকলাপ কোনও ভূমিকা রাখছে কি না, তা নিয়েও খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।সিকিম পশ্চিমবঙ্গের খুব কাছেই অবস্থিত। সারা বছরই সেখানে বহু বাঙালি পর্যটক যান। তাই সিকিমে বড় কোনও ভূমিকম্প হলে তার প্রভাব পশ্চিমবঙ্গেও পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সেই কারণেই পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
রাজ্য

বর্ধমানে HIV আতঙ্ক! এক শহরেই আক্রান্ত ৩০ যুবক, চাঞ্চল্য স্বাস্থ্য দফতরে

বর্ধমান জেলায় HIV আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। তার মধ্যে একটি বড় অংশই বর্ধমান শহরের বাসিন্দা বলে জানিয়েছে জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য দফতর। সোমবার দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শহরে অন্তত ৩০ জন যুবক HIV পজ়িটিভ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন।জনস্বাস্থ্য দফতরের কর্মাধ্যক্ষ বিশ্বনাথ রায় জানিয়েছেন, জেলায় বর্তমানে প্রায় ৯০ জন HIV আক্রান্ত রয়েছেন। তার মধ্যে বর্ধমান শহরেই আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ জন। এঁরা সকলেই যুবক, উচ্চশিক্ষিত এবং অভিজাত পরিবারের বলে দাবি করেছেন তিনি। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, ঝুঁকিপূর্ণ যৌন আচরণের কারণেই সংক্রমণ বেড়েছে।বিশ্বনাথবাবুর কথায়, সাধারণত যৌনপল্লি ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত সচেতনতা অভিযান চালানো হয়। কিন্তু এ বছর একটি ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। তাঁর দাবি, সমকামী সম্পর্কের মাধ্যমেও এই সংক্রমণ ছড়িয়েছে।স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি এক যুবক দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর একাধিক পরীক্ষা করান। সেই পরীক্ষার মধ্যেই ছিল HIV টেস্ট। তখনই ধরা পড়ে তিনি সংক্রমিত। পরে তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলের আরও কয়েকজন যুবকের পরীক্ষা করা হলে পরপর অনেকেই HIV পজ়িটিভ হিসেবে চিহ্নিত হন। এই ঘটনার নেপথ্যে কোনও বড় যৌনচক্র থাকতে পারে বলেও মনে করছেন স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ।তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য দফতর প্রস্তুত বলে দাবি করা হয়েছে। আক্রান্তদের পরিচয় গোপন রেখে চিকিৎসা চলছে। পাশাপাশি, বিভিন্ন এলাকায় সচেতনতা বাড়ানোর কাজও শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, HIV সংক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব। নিরাপদ যৌন আচরণ, নিয়মিত পরীক্ষা এবং সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমেই এই রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
বিদেশ

ভোটের আগে বড় চুক্তি! আমেরিকার সঙ্গে ইউনুস সরকারের সমঝোতা ঘিরে জল্পনা

বাংলাদেশে সংসদীয় নির্বাচনের আগে আমেরিকার সঙ্গে একটি পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি স্বাক্ষর করল মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশি পণ্যের উপর মার্কিন শুল্কের হার কমে দাঁড়াল ১৯ শতাংশে। সামাজিক মাধ্যম এক্সে নিজেই এই চুক্তির কথা জানিয়েছেন ইউনুস।তিনি জানান, সোমবার বাংলাদেশ ও আমেরিকার মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং তার ফলে আমেরিকা তাদের শুল্কের হার আরও কমিয়ে ১৯ শতাংশে নামিয়ে এনেছে। ইউনুস আরও বলেন, ভবিষ্যতে কিছু টেক্সটাইল ও পোশাক পণ্যের ক্ষেত্রে শূন্য শুল্কের সুবিধা দেওয়ার জন্য একটি বিকল্প ব্যবস্থা তৈরির বার্তাও দিয়েছে আমেরিকা।উল্লেখ্য, বাংলাদেশ মূলত টেক্সটাইল ও পোশাক রপ্তানির উপর নির্ভরশীল। দেশটির মোট রপ্তানির প্রায় ৮০ শতাংশই এই খাত থেকে আসে। ফলে মার্কিন শুল্ক কমায় বাংলাদেশের রপ্তানি ক্ষেত্রে বড় স্বস্তি মিলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বের একাধিক দেশের বিরুদ্ধে কার্যত শুল্কযুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। সেই সময় প্রথমে বাংলাদেশি পণ্যের উপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক ধার্য করা হয়। পরে গত বছরের আগস্টে তা কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়। এবার নতুন চুক্তির ফলে সেই শুল্ক আরও কমে ১৯ শতাংশে এল।প্রায় ৯ মাস ধরে দীর্ঘ আলোচনার পর এই চুক্তি হয়েছে। তবে নির্বাচন একেবারে সামনে, আর অন্তর্বর্তী সরকারও অস্থায়ীভাবে ক্ষমতায়এই পরিস্থিতিতে এমন বড় বাণিজ্য চুক্তির অর্থ কী, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal