• ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩, শুক্রবার ১৪ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Health

কলকাতা

শুধুমাত্র স্বাস্থ্যকর্মীরাই চড়তে পারবেন স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেনে

রেলকর্মী ও স্বাস্থ্যকর্মী ছাড়া আর কেউ চড়তে পারবেন না স্টাফ স্পেশ্যালে, সাফ জানালো রেল। স্বাস্থ্যকর্মীদের কাছে উপযুক্ত পরিচয়পত্র থাকলে তবেই তাঁরা উঠতে পারবেন ট্রেনে। অন্য কেউ যাতে রেল পরিষেবা ব্যবহার করতে না পারে সেজন্য কঠোর পদক্ষেপ করছে রেল।এবিষয়ে হাওড়ার ডিআরএম সুমিত নারুলা বলেন, স্বাস্থ্যকর্মী ছাড়া আর কেউ স্টাফ স্পেশ্যালে উঠতে পারবেন না। স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর নজর রাখতে ট্রেনগুলিতে কামরা আলাদা করে নির্ধারণ করে দেওয়া হচ্ছে। শুধুমাত্র স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্যই তা বরাদ্দ থাকছে। হাওড়ামুখী ট্রেনগুলির একেবারে সামনের দুটি কামরা সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্যকর্মীরা ব্যবহার করতে পারবেন। এজন্য তাঁদের কাছে সঠিক পরিচয়পত্র থাকতে হবে। টিকিট পরীক্ষক তাঁদের পরিচয়পত্র খতিয়ে দেখবেন। রেলকর্মীরা যাতে সংক্রমিত না হন, তা সুনিশ্চিত করতেই দূরত্ব বিধি মেনে ট্রেন যাত্রার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কারণ, রেলকর্মীদের মধ্যে অতিমাত্রায় সংক্রমণের ঘটনা ঘটছে। পূর্ব রেলের মেনস ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অমিত ঘোষ বলেন, নির্ধারিত দিনক্ষণ জানা না গেলেও কয়েকদিনের মধ্যে শিয়ালদহ ডিভিশনে কোভিডে মৃত কর্মীদের তালিকা সোমবার হাতে এসেছে। যাতে দেখা গিয়েছে, শিয়ালদহ ডিভিশনে ৩০ জন মারা গিয়েছেন অল্প কয়েকদিনের মধ্যে। তিনি বলেন, বিআর সিং হাসপাতালে পালমোনোলজিস্ট মাত্র একজন। ফলে চরম বিপদের মধ্যে পড়ছেন রেলকর্মীরা। উপযুক্ত চিকিৎসা হচ্ছে না বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, সোমবার করুণাময় মুখোপাধ্যায় নামের এক রেলকর্মী মাস দুয়েক আগে অবসর নিয়েছেন। তাঁর বুকে সংক্রমণ তীব্র আকার নিলেও চিকিৎসা হয়নি। তিনি আবার মেনস ইউনিয়নের দক্ষিণদাঁড়ির সাধারণ সম্পাদক। তাঁকে এদিন ভেন্টিলেশনে পাঠানো হয়। পূর্ব রেলের স্বাস্থ্যদপ্তরের প্রিন্সিপ্যাল চিফ মেডিক্যাল ডিরেক্টর রুদ্রেন্দু ভট্টাচার্য বলেন, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পাওয়া যাচ্ছে না। কেউ পাঠালেই তাঁকে নিয়োগ দেবে পূর্ব রেল।এদিকে দীর্ঘ দাবির পর সোমবার থেকে রামপুরহাটে রেলের হেলথ সেন্টারে ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হল। এরপর বর্ধমান হেলথ সেন্টার পেলে দূর থেকে কর্মীদের কলকাতায় ভ্যাকসিন নিতে আসতে হবে না। এই দাবি বেশ কিছুদিন ধরে করে আসছিল রেলের চিকিৎসক মহল। এদিকে রেলের অসংখ্য টিকিট পরীক্ষক আক্রান্ত হওয়ায় শহরতলির টিকিট পরীক্ষকদের এবার মেল এক্সপ্রেসে টিকিট পরীক্ষার জন্য পাঠানো হচ্ছে।

মে ১১, ২০২১
স্বাস্থ্য

মাংস ছাড়াই আমিষ-বিকল্প সয়াবিনে

ডায়াটেশিয়ানরা পরামর্শ দিয়ে থাকেন, আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকার ২০ বা ৩০ শতাংশ হওয়া খাবার হওয়া উচিত আমিষ। কিন্তু অনেকেই আছেন, যাঁরা মাছ- মাংস খায় না, তাহলে তাদের কী করনিও? আমাদের অনেকের ধারণা, আমিষ কেবল মাংস খেলেই পাওয়া যায়। কিন্তু মাংস ছাড়াও আমিষের আরও নানান উৎস আছে। ধরা যাক, কেউ মাংস পরিহার করতে চান বা নিরামিষাশী হতে চান, তবে তাঁর আমিষের চাহিদা কীভাবে পূরণ হবে? ডিম, দুধ, দুধের তৈরি খাবার, শিমের বীজ, বাদাম, ছোলা, সয়াবিন, মটরশুঁটি, বরবটি, বিভিন্ন সবজির বীজ ইত্যাদি থেকেও আমরা প্রচুর পরিমাণে আমিষ পেতে পারি। এই খাবারগুলোকে নানাভাবে রান্না করে, যেমন বুটের ডালের হালুয়া, ডিমদুধের পুডিং, পায়েস, মাছের কাটলেট বা চপ, ডালের বড়া, ছানা, দই ইত্যাদি প্রস্তুত করে খেলে আমিষের চাহিদা পূরণ হবে মাংস ছাড়াই।মাংসের পরিপূরক কী হতে পারে?এক টুকরা ৩০ গ্রাম পরিমাণ মাংসে আছে ৬ গ্রাম আমিষ। এর পরিবর্তে সমপরিমাণ আমিষ পেতে হলে আপনি খেতে পারেন ১৬০ গ্রাম বাদাম, দেড় কাপ দুধ, ৩৫ গ্রাম মাছ, আধ কাপ মটরশুঁটি, ২ কাপ তরল ডাল (মুগ-মসুর), ২০ গ্রাম পনির, ৩৫ গ্রাম ছানা, ২৫ গ্রাম ছোলার ডাল, ১৫ গ্রাম সয়াবিন, ৩০ গ্রাম ছোলা, ২০ গ্রাম সরিষা ইত্যাদির যেকোনো একটি। সয়াবিনের উপকারিতাপ্রতি ১০০ গ্রাম সয়াবিনে প্রোটিনের পরিমাণ ৪৩ গ্রাম। কার্বোহাইড্রেট থাকে ৩০ গ্রাম। ফ্যাট ২০ গ্রাম। আক্ষরিক অর্থেই সয়াবিনের হাজার গুণ। একেবারে এক সে বরকর এক এফেক্ট। ১. সয়াবিনে প্রচুর পটাসিয়াম থাকায় হাই ব্লাড প্রেশারের রোগীদের ক্ষেত্রে উপকারী।সয়াবিন হার্টের পক্ষে খুবই ভাল, এটি হার্ট অ্যাটাক কিংবা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।৩. সয়াবিনে থাকা স্বাস্থ্যসম্মত আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট দেহে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।৪. ডিম, মাংস, দুগ্ধজাত দ্রব্যের মতো প্রাণিজ প্রোটিনের সমতুল্য সয়াবিন।৫. ডালের চেয়েও বেশি প্রোটিন রয়েছে সয়াবিনে।৬. সয়াবিন ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের খনি, যা হার্ট ও লিভারের সক্রিয়তা বজায় রাখতে সহায়ক।৭. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ সয়াবিন ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।৮. সয়াবিনে থাকা প্রোটিন সেরিব্রাল কর্টেক্সের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে, যা মানুষের কাজের ক্ষমতা বাড়ায়।৯. সয়াবিনে প্রচুর লেসিথিন থাকে যা মস্তিষ্ক গঠনের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।১০. বয়ঃসন্ধিকালে মেয়েদের ডায়েটে সয়াবিন রাখা জরুরি, পরবর্তীকালে ব্রেস্ট ক্যানসারের সম্ভাবনা কমে।সত্যিই সয়াবিনের জুড়ি মেলা ভার। রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়ার ক্ষেত্রেও সয়াবিন খাওয়া উপকারী। সয়াবিন বিভিন্ন ধরনের বিপাক ক্রিয়ায় সাহায্য করে যা ঘুমের সমস্যা বা ইনসমনিয়া দূর করতে সক্ষম। সয়াবিনে প্রচুর ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড ও ফোলেট রয়েছে যা অস্টিওআর্থ্রাইটিস দূর করতে সাহায্য করে। সয়াবিনে থাকা ফাইবার কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক। গর্ভবতী মহিলাদের জন্য সয়াবিন বিশেষ উপকারী। টাইপ টু ডায়াবেটিসের হাত থেকে মুক্তির জন্য সয়াবিন সহায়ক।সুস্বাস্থ্যের এই মন্ত্র তাই পাতছাড়া একেবারেই করবেন না। করলে নিজেই পস্তাবেন।

মে ১১, ২০২১
কলকাতা

কোভিডে মৃতের দেহ পড়ে থাকল ৪৮ ঘণ্টা, স্বাস্থ্য দপ্তরের উদ্যোগে সৎকারের ব্যবস্থা

রেল ও রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের টানাপোড়েনে কোভিডে মৃতের দেহ প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পড়ে রইল। সোমবার জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের উদ্যোগে অবশেষে দেহটির সৎকারের ব্যবস্থা করা হয়। শনিবার লিলুয়ার রেলের হাসপাতালে বেলা ৩টে নাগাদ মৃত্যু হয় বেলুড়ের ৮/১/এ, বিভূতিভূষণ লেনের বাসিন্দা কার্তিকচন্দ্র বাইনের(৬৬)। পরিবারসূত্রে জানা গিয়েছে, গত প্রায় ১২দিন আগে শ্বাসকষ্ট নিয়ে বেলুড়ের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি হন তিনি। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে শনিবার সকালে তাঁকে লিলুয়ার রেলের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ভর্তি করার কয়েক ঘণ্টা পরে থাকার পর বেলা প্রায় ৩টে নাগাদ পরিজনদের জানানো হয় রোগীর মৃত্যুর খবর।দেহটি ওইভাবেই পড়ে থাকার অভিযোগ ওঠে। এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কিছু বলতে চায়নি। বিষয়টি স্বাস্থ্য দপ্তরের উপরেই চাপানো হয়। এই চাপানউতোরের জেরে মৃতার কন্যা বাবার দেহ সৎকারের আশায় বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করতে থাকেন। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতাল থেকে প্রাইভেট অ্যাম্বুল্যান্সের নম্বর দেওয়া হয়। কিন্তু তারা প্রচুর টাকা দাবি করে। এই ঘটনা প্রসঙ্গে মৃতের মেয়ে কমলিকা বাইন জানান, তাঁর বাবার ফুসফুস নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। প্রথমে তাঁকে স্থানীয় একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। পরে সেখান থেকে লিলুয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে নিয়ে আসা কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিনি মারা যান। হাসপাতাল থেকে তাদের বলা হয় সম্পূর্ণ নিজের দায়িত্বে মৃতদেহ তারা নিয়ে যাবেন অথবা মৃতদেহ সৎকারের ব্যবস্থা করবে হাসপাতাল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যুক্তি, রবিবার ছুটির জন্য পুরনিগম গাড়ি পাঠাতে পারেনি। সোমবারও তারা আসতে পারবে না। এতদিন মৃতদেহ হাসপাতালে রাখা সম্ভব নয় বলে প্রাইভেট অ্যাম্বুল্যান্সে মৃতদেহ নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়।

মে ১০, ২০২১
দেশ

করোনা আবহে বাতিল মেডিক্যালে স্নাতক নিট পরীক্ষা

দেশজুড়ে ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে করোনা অতিমারি। ভেঙে পড়েছে একাধিক রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো। এমতাবস্থায় সংক্রমণ যেন আরও দ্রুত না ছড়াতে পারে তাই মহারাষ্ট্র প্রশাসন দ্বাদশ ও দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষা বাতিল করেছে। বারবার দাবি ওঠার পর সিবিএস দশম শ্রেণির পরীক্ষা বাতিল ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এ বার আপাতত বাতিল হয়ে গেল স্নাতকোত্তর মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষা অর্থাৎ নিট-পিজি ২০২১।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন টুইট করে জানিয়েছেন, নিট পরীক্ষা আপাতত বাতিল হয়ে যাওয়ার কথা। টুইটে তিনি লিখেছেন, দেশে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার পরিস্থিতিতে ভারত সরকার নিট-পিজি ২০২১ পরীক্ষা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ১৮ এপ্রিল হওয়ার কথা ছিল এই পরীক্ষা। পরিবর্তিত সূচি পরে জানানো হবে। তরুণ মেডিক্যাল পড়ুয়াদের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সিবিএসই পরীক্ষা বাতিল হওয়ার পর নিট পরীক্ষা বাতিলের আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের শরণাপন্ন হয়েছিলেন চিকিৎসক পড়ুয়ারা। তাঁদের দাবি, যে চিকিৎসকরা করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা করেন, তাঁদের খাতায়-পেনে পরীক্ষা দিতে বাধ্য করায় হাজারো মানুষকে বিপদে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সিবিএসই দশম শ্রেণির পরীক্ষা বাতিল হওয়া ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা স্থগিত হওয়ার প্রসঙ্গ টেনে এনেও নিট বাতিলের সওয়াল করেন তাঁরা। সুপ্রিম কোর্ট এই আবেদন শুনবে আগামিকাল। তবে তার আগেই হর্ষবর্ধন জানিয়েছেন, এই পরীক্ষা বাতিলের কথা।

এপ্রিল ১৫, ২০২১
টুকিটাকি

রোজ পাতে থাকুক ঢ্যাঁড়স! জেনে নিন এর গুণাবলী…

করোনা পরিস্থিতিতে প্যাচপ্যাচে গরমে নাজেহাল অবস্থা সাধারণের। তারই মধ্যে শরীরে যত্ন নিতে বদ্ধপরিকর সকলেই। গরমে শরীরের যত্ন নিতে সপ্তাহে তিনদিন খান ঢ্যাঁড়স। শিশু, প্রবীণ ও গর্ভবতী মহিলাদের জন্য ঢ্যাঁড়স অত্যন্ত উপকারী।ঢ্যাঁড়সের নাম শুনেই নাক সিঁটকাচ্ছেন! অনেকেরই এই উপকারী সবজিতে না-পসন্দ। তবে এই গরমে সবচেয়ে সহজপাচ্য সবজির মধ্যে অন্যতম হল এই ঢ্যাঁড়স। শিশু ও প্রবীণরা ঢ্যাঁড়স খেলেও নতুন প্রজন্মের কাছে ঢ্যাঁড়স এখনও গুরুত্বহীন। ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, উপকারী ফাইবার সমৃদ্ধ ঢ্যাঁড়সের উপকারীতা শুনলে চমকে যাবেন। এই গরমে শরীর ভালো রাখতে তাই রোজ পাতে থাকুন ঢ্যাঁড়সের পদ।আসুন দেখে নিই, ঢ্যাঁড়স খেলে আমাদের শরীর কেন ভালো থাকে১. ঢ্যাঁড়সের অনেক গুণ রয়েছে। এতে রয়েছে ভিটামিন এ , অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়, শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধ করে।২. ঢ্যাঁড়সে রয়েছে সলিউবল ফাইবার পেকটিন, যা রক্তের মন্দ কোলেস্টেরলকে কমাতে সাহায্য করে ও অ্যাথেরোসক্লোরোসিস প্রতিরোধ করে।৩. গর্ভাবস্থায় ভ্রূণ তৈরির জন্য ভালো ঢ্যাঁড়স গর্ভাবস্থায় ভ্রূণের মস্তিষ্ক তৈরিতে সাহায্য করে, গর্ভপাত হওয়া প্রতিরোধ করে।৪. বাতাসের মধ্যে ভেসে থাকা দূষিত পদার্থ দূরে করে শরীরের টিস্যু পুনর্গঠনে ও মুখের ব্রণ দূর করতে সাহায্য করে।৫. ঢ্যাঁড়স কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। ঢ্যাঁড়সের উচ্চমাত্রার অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ক্ষতিকর ফ্রি রেডিকেলসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ তৈরি করে।৬. ঢ্যাঁড়স চুলের কন্ডিশনার হিসেবে খুব ভাল উপাদান। খুসকি দূর করতে এবং শুষ্ক মাথার ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী।৭. বিষণ্ণতা, দুর্বলতা এবং অবসাদ দূর করতে সাহায্য করে।৮. ঢ্যাঁড়সে আছে বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন এ, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, লিউটিন। এর কারণে চোখের গ্লুকোমা, চোখের ছানি প্রতিরোধে সাহায্য করে।৯. ঢ্যাঁড়সের মধ্যে বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন এ থাকায় ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। সূর্যের ইউভি রস্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করতে সাহায্য করে।১০. চোখের নানান সমস্যা রোধ করা যায় ঢ্যাঁড়সের গুণের জেরে।খারাপ লাগলেও আজ থেকেই ট্রাই করতে পারেন ঢ্যাঁড়স। গরমে ঠান্ডা থাকে, পেট ভালো রাখতে, দূষণ থেকে ত্বককে রক্ষা করতে এই ঢ্যাঁড়সের গুণের শেষ নেই।

এপ্রিল ০৫, ২০২১
টুকিটাকি

গাজরের বহুবিধ গুনাগুণ

বহুল উপকারি সবজির মধ্যে অন্যতম গাজর। গাজরের মধ্যে থাকে ভিটামিন সি। আর এই উপাদান ত্বকের জৌলুস ফেরাতে এবং ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে সাহায্য করে। যাবতীয় দাগছোপ দূর করে ত্বক রাখে ঝকঝকে। ত্বকের গঠন সুদৃঢ় করতেও সাহায্য করে গাজরে থাকা বিভিন্ন রকমের উপাদান। চুল এবং ত্বকের পরিচর্যায় গাজর খুবই উপকারি। অনেকেই প্রতিদিনের ডায়েটে রাখেন গাজরের রস। অনেকে আবার ফ্রুট স্যালাড কিংবা এমনি স্যালাডে রাখেন গাজর। শুধু ত্বক বা চুল ভাল রাখতে নয়, স্বাস্থ্য বজায় রাখার অসংখ্য গুণ রয়েছে গাজরে।গাজরের গুনাগুন জেনে নেওয়া যাক:১. গাজরে থাকে বিটা ক্যারোটিন। এই উপাদান ভিটামিন এ- তে পরিণত হয়। ফলে নতুন স্কিন সেল তৈরি হতে সাহায্য করে গাজরে থাকা এই উপাদান। এছাড়া ত্বকের ঔজ্জ্বল্যও বাড়ায়।২. গাজরের মধ্যে থাকে ভিটামিন সি। আর এই উপাদান ত্বকের জৌলুস ফেরাতে এবং ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে সাহায্য করে। যাবতীয় দাগছোপ দূর করে ত্বক রাখে ঝকঝকে।৩. ত্বকের টেক্সচার বা গঠন সুদৃঢ় করতেও সাহায্য করে গাজরে থাকা বিভিন্ন রকমের উপাদান। বিশেষ করে গাজরে থাকা ভিটামিন এ স্কিন টেক্সচার সুদৃঢ় করতে সাহায্য করে।৪. সূর্যের তেজে যে ট্যান পড়ে আপনার চামড়ায় সেটা দূর করে গাজরে থাকা বিটা ক্যারোটিন। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে আপনার ত্বককে রক্ষা করা এই উপাদান।৫. হেয়ারফল অর্থাৎ চুল পড়ার সমস্যা আজকাল প্রায় সকলেরই রয়েছে। এক্ষেত্রেও সমাধানের কাজ করে গাজর। শুধু তাই নয়, আপনার স্ক্যাল্পে পুষ্টিও জোগায় গাজর।৬. শুধু চুল বা ত্বকের পরিচর্যায় নয়, স্বাস্থ্য বজায় রাখতে, চোখের দৃষ্টিশক্তি প্রখর করতে এবং মেন্সট্রুয়াল বিভিন্ন ইস্যুর সমাধানে সাহায্য করে গাজর। প্রতিরোধ ক্ষমতাও গড়ে তোলে গাজর।

মার্চ ৩১, ২০২১
কলকাতা

জোর করে রং মাখালে ঠাঁই হতে পারে শ্রীঘরে

গায়ের জোরে রং মাখালে রাত কাটবে শ্রীঘরে। দোলের জন্য এমনই কড়া বিধিনিষেধ জারি করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ। সেই আইনেই লেখা, শারীরিকভাবে কাছে গিয়ে ধরে রং/আবির মাখাবেন না।যুগ্ম কমিশনার (অপরাধ) মুরলীধর শর্মা জানিয়েছেন, গায়ের জোরে কাউকে রং দেওয়া অপরাধ। কোথাও এমনটা হচ্ছে, খবর পেলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনস্বাস্থ্য আধিকারিক অনির্বাণ দলুইয়ের কথায়, উত্তরোত্তর বাড়ছে সংক্রমণ। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এ বছর উৎসবে অংশগ্রহণ করতে হবে। এদিকে, নিজেরা নিয়ম মেনে রং খেললেও রাস্তাঘাটে একটা আতঙ্ক থেকেই যায়। রাজপথে পথচলতি কাউকে চেপে ধরে রং মাখানোর দৃশ্য গা-সওয়া। জনস্বাস্থ্য আধিকারিক জানিয়েছেন, এ বছর এমন প্রবণতা না থাকাই শ্রেয়। বৃহস্পতিবারের ৫১৬ জন থেকে করোনা আক্রান্ত বেড়ে এক লাফে শনিবারে ৮১২। জনস্বাস্থ্য আধিকারিক অনির্বাণ দলুইয়ের গলায় শঙ্কা, সংক্রমণ কী হারে বাড়ছে সরকারি তথ্যই বলে দিচ্ছে। এমন আবহেই আজ দোল। বাঁধভাঙা রং খেলার হুল্লোড় তিনগুণ করে দিতে পারে দৈনিক সংক্রমণ। সেক্ষেত্রে ফের ২০২০ সালের মতো পরিস্থিতি তৈরি হবে।

মার্চ ২৮, ২০২১
টুকিটাকি

চুল এবং ত্বকের পরিচর্যায় অব্যর্থ নারকেল তেল, জেনে নিন কী কী কাজে লাগে

নারকেলের গুণের কথা সকলে্রই জানা। নারকেলের নির্যাস তেলেও রয়েছে অনেক গুণ।এই তেলে রান্না করা খাবার খেতে যতই কম সুস্বাদু লাগুক, এর মধ্যে পুষ্টিগুণ নাকি মারাত্মক। তবে শুধু খাওয়ায় নয়, চুল এবং ত্বকের পরিচর্যাতেই ভীষণ ভাবে উপকার করে এই নারকেল তেল।চুলের পরিচর্যা-১. যাঁদের শ্যাম্পু করলেই চুল মারাত্মক রুক্ষ হয়ে যায়, কন্ডিশনার দিলেও বিশেষ লাভ হয় না, তাঁরা শ্যাম্পু করার আগে নারকেল তেল সামান্য গরম করে মাথায় ম্যাসাজ করুন। তারপর শ্যাম্পু করে নিলেই দেখবেন আপনার চুল স্মুদ এবং সিল্কি হয়ে গিয়েছে।২. খুশকির সমস্যাও কমিয়ে দেয় নারকেল তেল। মূলত, স্ক্যাল্প শুকনো এবং রুক্ষ থাকলেই খুশকির সমস্যা প্রবলভাবে দেখা দেয়। তা থেকে অনেকসময় আবার অনেক স্কিনের সমস্যাও হয়ে থাকে। তাই স্ক্যাল্পে পুষ্টি জোগাতে নারকেল তেল ব্যবহার করুন। এর ফলে খুশকির সমস্যা কমবে।৩. ঘরোয়া পদ্ধতিতে হেয়ার মাস্ক বা স্পা-এর জন্য প্যাক তৈরির সময় সামান্য নারকেল তেল মিশিয়ে নিতে পারেন। এর ফলে চুল অনেক বেশি নরম থাকে। চুলের ফ্রিজি ভাব চলে যায়।ত্বকের পরিচর্যা-১. চড়া মেকআপ তুলতে নারকেল তেল অব্যর্থ। ক্লিনজার-ফেসওয়াস এসবের বদলে পুরু করে নারকেল তেল লাগিয়ে নিন। মিনিট ১০ রেখে পরিষ্কার জলে মুখ ধুয়ে নিন। খুব চিটচিটে ভাব লাগবে সামান্য ক্লেনজার দিয়ে আর একবার মুখ ধুয়ে নিন। এর ফলে মেকআপ উঠে গেলেও মুখের ত্বক রুক্ষ-শুষ্ক হবে না।২. পা ফাটার সমস্যা দূর করতেও কাজে লাগে নারকেল তেল। পায়ের ফাটা জায়গা, বিশেষ করে গোড়ালির অংশে সামান্য নুন আর নারকেল তেল মিশিয়ে পা ঘষার ব্রাশ দিয়ে ভাল করে ঘষতে হবে। এর ফলে চামড়া নরম হয়ে যাবে। সেই সঙ্গে ফাটা অংশে বসে যাওয়া ময়লাও দূর হবে। এবার সামান্য গরম জলে খানিকক্ষণ পা ডুবিয়ে রাখুন। তারপর ভাল করে পা মুছে নিয়ে ফুটক্রিম লাগিয়ে নিন। সাতদিন এই পদ্ধতিতে পায়ের যত্ন করলে ফল পাবেন হাতেনাতে।৩. অনেকে আবার শরীরের রুক্ষভাব দূর করতেও নারকেল তেল মালিশ করে থাকেন। এর উপকারও আছে অনেক।

মার্চ ২২, ২০২১
স্বাস্থ্য

ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যায় কী কী খাবেন না, দেখুন কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা

সকালে উঠে মাটিতে পা ফেলতেই ব্যথা শুরু। দু-একদিন পর হাত-পায়ের জয়েন্টেও একই অবস্থা। কিছুক্ষণ হাঁটাচলার পর ব্যথা কমছে ঠিকই, কিন্তু পুরোপুরি সারছে না। জয়েন্ট ফুললে সমস্যা আরও বাড়ছে। মাটিতে পা ফেলাটাই তখন বিভীষিকা। একজন সুস্থ, সবল মানুষ রাতারাতি শয্যাশায়ী। এতটাই মারাত্মক হতে পারে ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা। কেন হয়-৪০ বছরের পর এমন সমস্যা হয়। তবে অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভাস, প্রোটিনের আধিক্য, মদ্যপানের জন্য এখন অল্পবয়সিদের মধ্যেও এর প্রবণতা বাড়ছে। অনেকেই তাড়াতাড়ি ওজন কমাতে কার্বোহাইড্রেট বাদ দিয়ে প্রোটিন বেশি খান। সেখান থেকেই সমস্যা সূত্রপাত।মেটাবলিক ডিসঅর্ডারের জন্য শরীরের বিভিন্ন জয়েন্ট ইউরিক অ্যাসিডের ক্যালসিফিকেশনহয়, ফলে ইনফ্লেমেশন হয়ে ফুলে যায়। মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা বেশি। মহিলাদের শরীরের ইস্ট্রোজেন হরমোন ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।কী খাবেন আর কী খাবেন না? ইউরিক অ্যাসিডের ডায়েট নিয়ে অনেক ভুল ধারণা রয়েছে। অনেকেই টমেটো খাওয়া ছেড়ে দেন। রান্নায় টমেটো, পিঁয়াজ খেতে পারেন তবে কাঁচা পিঁয়াজ বা টমেটো খাবেন না। ভাত, রুটি, চিঁড়ে, মুড়ি, ভুট্টা খেতে পারেন। পালং, ফুলকপি, বাঁধাকপি অল্প খাবেন। বীজ আছে এরকম সবজিও খেতে পারেন, পরিমাণ কম। তৈলাক্ত নয় এমন মাছ খান। ইলিশে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। বর্ষাকালে এক-দুদিন ইলিশ খেলে সমস্যা নেই। সব ফল খেতে পারেন। তবে মিক্সড ফ্রুটের বদলে সারাদিনে যে কোনও একটা ফল খান। ড্রাই ফ্রুটস চলবে। ২০০-২৫০ এম.এল.-এর বেশি দুধ খাবেন না। দই, ছানা খেতে পারেন। খাবারের তালিকা থেকে প্রোটিনের পরিমাণ কমান। ৬০ কেজি ওজনের কেউ সারাদিনে ৬০ গ্রামের বেশি প্রোটিন খাবেন না। ডাল বা ডাল থেকে তৈরি জিনিস, রাজমা, সয়াবীন খাদ্যতালিকা থেকে সরিয়ে রাখুন।ডিমের সাদা অংশই খেতে পারেন। চিকেন চলবে। মাটন, মাটনের মেটে, চিংড়ি খাবেন না। অক্সালেট জাতীয় স্টোনের সমস্যা থাকলে দুধ বা দুগ্ধজাতীয় কিছু খাবেন না। ফলের রস খাবেন না। কারণ ফ্রুকটোজ ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

মার্চ ১৭, ২০২১
রাজ্য

ভ্যাকসিন নেওয়ার পরই রাজ্যে দু’জনের মৃত্যু!

করোনার টিকা নেওয়ার পর রাজ্যে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তর। মৃত দুজনেরই ময়নাতদন্ত হয়েছে। তবে স্বাস্থ্যদপ্তরের প্রাথমিক ধারণা, টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নয়, অন্য কোনও সমস্যা ছিল দুজনেরই। তাতেই মৃত্যু হয়েছে।রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, মৃত দু জনের নাম পারুল দত্ত (৭৫) এবং কৃষ্ণ দত্ত (৬০)। দুজনেরই বাড়ি উত্তরবঙ্গে। পারুল দত্ত ও কৃষ্ণ দত্ত কোভিশিল্ডের টিকা নেন। গত ৮ মার্চ টিকা নিয়েছিলেন পারুল দত্ত। তিনি দার্জিলিং জেলার বাসিন্দা। ঠিক পরদিনই টিকা নেন কৃষ্ণ দত্ত। রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন নেওয়ার পর কৃষ্ণ বাড়ি চলে যান। কিন্তু কিছুক্ষণ পর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। সন্ধ্যা নাগাদ ডায়রিয়া ও অন্যান্য সমস্যা নিয়ে তাঁকে খরিবাড়ি ব্লকের বাতাসি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। কিন্তু অবস্থার দ্রুত অবনতি হওয়ায় তাকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রাত সাড়ে নটা নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয়।এদিকে আবার ধুপগুড়ির হসপিটাল রোডের বাসিন্দা বৃদ্ধ কৃষ্ণবাবু টিকা নেওয়ার পর হঠাৎ অসুস্থ বোধ করেন। তাঁর শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। ওইদিন রাতেই তাঁর বমি হয়। পরদিন শ্বাসকষ্ট আরও তীব্র হয়। কোনওরকম চিকিৎসা শুরুর আগেই ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়। জেলা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে তা্ঁর দেহের ময়নাতদন্ত হয়েছে।

মার্চ ১১, ২০২১
স্বাস্থ্য

এক টমেটোর হাজারো গুণ, শুনলে আপনিও চমকে যাবেন

লাল টুকটুকে রূপের বাহার দেখে মন তো ভুলবেই। সুস্বাস্থ্যও বজায় থাকবে।এমন কোনও খাবার পেলে সকলেই চোখ ভরে দেখবেন ও মন ভরে খাবেন। টমেটো হচ্ছে তেমনই একটি সবজি, যা স্বাদে ও স্বাস্থ্যে একেবারে একে অপরকে টেক্কা দেয় বললেই চলে। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, টমেটোতে এমন গুণ আছে যা খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। ফলে মানুষের হার্ট সতেজ ও চাঙ্গা থাকে। মারণ রোগ ক্যানসারের হাত থেকেও রক্ষা করতে পারে টমেটো।টমেটোর মধ্যে কোনওরকম চর্বি জাতীয় উপাদান নেই। তাই এটি খেলে ওজন বাড়ারও সম্ভাবনা নেই। উলটে শরীরে ভিটামিন সির জোগান বাড়বে। টমেটোতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এতে যেমন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। আর করোনার এই সময় তা কতটা জরুরি, সেকথা তো সবারই জানা। হাড়ের জোর বাড়ানোর ক্ষমতাও রয়েছে টমেটোতে। এতে থাকা লাইকোপিনের উপস্থিতিতে আবার ত্বকের জেল্লাও বাড়ে।কাঁচা খান বা পাঁকা, স্যুপ খান বা চাটনি বা সস, যেভাবে ইচ্ছা টমেটো খেতেই পারেন। কিন্তু এত গুণের পরিমাণ জেনে আবার যথেচ্ছ পরিমাণে খেয়ে ফেলবেন না। পেটের সহ্য করার ক্ষমতা বুঝে তবেই স্বাদের কথা ভাববেন।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২১
রাজ্য

আতঙ্ক বিদেশে, করোনায় সুস্থতার হার বেড়েছে বাংলায়

ব্রিটেনে নতুন করে করোনা নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। যদিও ভারতে সেই আশঙ্কা নেই বলেই জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। এদিকে বাংলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা গত ২৪ ঘণ্টায় সামান্য বেড়েছে। রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৬৫৩ জন। একই সঙ্গে বেড়েছে দৈনিক সুস্থতার হার। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী বাংলায় করোনা অ্যাক্টিভ কেসের মোট সংখ্যা ১৬ হাজার ২৪৮। দৈনিক অ্যাক্টিভ কমেছে ৬৫৫। সরকারি রিপোর্ট দেখা যাচ্ছে বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরেই রাজ্যে বাড়ছে সুস্থতার হার। এরাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ লক্ষ ৩৯ হাজার ৯৯৬। অ্যাক্টিভ কেসের মোট সংখ্যা ১৬ হাজার ২৪৮। দৈনিক অ্যাক্টিভ কেস কমল ৬৫৫। একই সঙ্গে সুস্থতার হার বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ২,২৭০ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৫ লক্ষ ১৪ হাজার ৩০৯ জন। সুস্থতার হার এখন ৯৫.২৪ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। দৈনিক মৃত্যুহারের সংখ্যাও কমেছে রাজ্যে। কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা কমলেও অ্যাক্টিভ কেসের নিরিখে এখনও শীর্ষে কলকাতা। কলকাতায় মোট কোভিড ১৯ অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৩৮৬০। এরপরই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা (২৯৭৪), হুগলি (৮১১), দক্ষিণ ২৪ পরগনা (৯৩৩), হাওড়া (৭৯৮)।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২০
টুকিটাকি

সুস্থ থাকতে প্রতিদিন চাই এক কোয়া রসুন

সুস্থ থাকতে রোজ খেতে হবে এক কোয়া কাঁচা রসুন। কাঁচা রসুনেই উপকার৷ তবে হাই প্রেশার বা কোলেস্টেরল থাকলে খাওয়া দরকার ৩৪টি করে৷ এক্ষেত্রে প্রেশার বা কোলেস্টেরলের ওষুধ বন্ধ করবেন না৷ প্রয়োজনে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে নিতে হবে। সঠিক খাবার, ব্যায়াম ও চেকআপ চালিয়ে যাবেন৷ রক্তচাপ কমায়৷ চার কোয়া করে খেলে সে রক্তচাপ কমানোর ওষুধের সঙ্গেও পাল্লা দিতে পারে কিছু ক্ষেত্রে৷ টোটাল এবং এলডিএল কোলেস্টেরল প্রায় ১০১৫ শতাংশ কমে যায়৷আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক হিপোক্রেটিস একে ব্যবহার করেছিলেন সারভাইকাল ক্যান্সারের চিকিৎসায়৷ লুই পাস্তুর এর অ্যান্টিফাংগাল ও অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল গুণের খবর জানান৷ সময়ের সঙ্গে আরও উপকারের কথা জানা গেছে৷ আর আধুনিক বিজ্ঞানীরা জানালেন, হৃদরোগ প্রতিরোধে এর ভূমিকার কথা৷ ইউনিভার্সিটি অব কানেক্টিকাট স্কুল অব মেডিসিনএর কার্ডিওভাসকুলার রিসার্চ টিমের মতে, কাঁচা রসুন খেলে হার্ট অনেক বেশি সুস্থ থাকে৷ আরও পড়ুন ঃ ওষুধ ছাড়াই মুক্তি পাওয়া যাবে সর্দি-কাশি থেকে , জেনে নিন কীভাবে!তবে উপকারি কোলেস্টেরল বা এইচডিএল বাড়াতে ও ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে এর কোনও ভূমিকা নেই৷ যে সমস্ত হৃদরোগী নিয়মিত রসুন খান, তারা অনেক বেশি অ্যাকটিভ থাকেন৷ অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের দৌলতে কমে অ্যালঝাইমার ও ডিমেনসিয়ার প্রকোপ৷ সংক্রমণজনিত অসুখবিসুখ কম হয়, বাড়ে আয়ু৷ ইস্ট্রোজেন লেভেল বেড়ে হাড়ের স্বাস্থ্য ভাল হয় মেয়েদের৷ তবে এ নিয়ে শেষ কথা বলার সময় এখনও আসেনি৷লেড টক্সিসিটি কমাতে কাজে লাগে৷

ডিসেম্বর ২২, ২০২০
স্বাস্থ্য

শীতে বাংলায় কমছে করোনার দাপট, স্বস্তি

কনকনে ঠান্ডায় উল্লেখযোগ্য ভাবে কমেছে করোনার ভয়াবহ দাপট। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিনে দেখা যাচ্ছে দৈনিক করোনা সংক্রমণের বেশ খানিকটা হ্রাস পেয়েছে। বিগত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় কোভিড ১৯ আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৫১৫ জন। গতকাল এই সংখ্যা ছিল ১,৯৭৮। এক ধাক্কায় কমেছে প্রায় পাঁচশো।সোমবার পর্যন্ত এরাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ লক্ষ ৩৮ হাজার ৩৪৩। দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমে যাওয়ায় স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় এরাজ্যে করোনা-মুক্ত হয়েছেন ২ হাজার ৩৪২ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৫ লক্ষ ১২ হাজার ৩৯ জন। বাংলায় সুস্থতার হার ৯৫.১১ । আক্রান্তের সংখ্যা কমলেও সেই হারে মৃত্যুহার কমেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় রাজ্যে আরও ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। তুলনামূলকভাবে আক্রান্তের হারের তুলনায় করোনা আক্রান্ত হয়ে বাংলায় মৃতের সংখ্যা বেশি। অ্যাক্টিভ কেসে অন্য জেলাগুলিকে পিছনে ফেলে শীর্ষে রয়েছে কলকাতা। মহানগরে মোট কোভিড ১৯ অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৪০০৯। যথারীতি কলকাতার পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা (৩১৩৩)। এছাড়া দক্ষিণ ২৪ পরগনা (১০০৭), হুগলি (৮৭৪), হাওড়া (৮৬২), পূর্ব মেদিনীপুর (৭৪৪),পশ্চিম মেদিনীপুর (৬৫১),নদিয়া (৭৩৬)।

ডিসেম্বর ২২, ২০২০
টুকিটাকি

শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত পান করুন আমলকী চা, জেনে নিন উপকারিতাগুলি

আমলকীর নানা গুনের কথা আমরা জানি। আমলকী চুল থেকে শুরু করে ত্বকের নানা সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে থাকে। তবে এসবের সাথে সাথে আমাদের শারীরিক নানা সমস্যা দূর করতেও আমলকী খুবই উপকারী। আর তাই নিয়মিত আমলকীর চা খাওয়া অভ্যাস করতে পারেন। এতে আপনি নানা ভাবে উপকৃত হবেন। চলুন তবে জেনে নিই আমলকী চা এর নানা গুনাগুন সম্পর্কে। আরও পড়ুন ঃ রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে অনবদ্য ফুলকপি, না জেনে থাকলে জেনে নিন ! উচ্চ রক্তচাপ ও ব্লাড সুগার এর সমস্যা যাদের রয়েছে তারা নিয়মিত আমলকী চা খতে পারেন। কারণ আমলকী রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে তার জেরে শরীরে সুগার নিয়ন্ত্রিত হয়। তাই নিয়মিত আমলকী খেতে পারেন। উপকৃত হবে। এছাড়া আমলকী রক্ত জমাট বাঁধতে বাঁধা দেয় তারসাথে কোলেস্টেরলের লেভেল নিয়ন্ত্রন করে। তারফলে হার্টের যেকোনো সমস্যা দূর হয়। অন্যদিকে গলা ব্যথা থেকে শুরু করে সর্দি-কাশি ইত্যাদি থেকে রেহাই দেয় আমলকী। তাই নিয়মিত আমলকী চা কিংবা আমলকী খেতে পারেন। উপকার পাবেন।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২০
টুকিটাকি

বাদাম খেলে আমাদের শরীরে কি হয় জানেন, জানলে চমকে যাবেন !

বাদাম অত্যন্ত পুষ্টিকর একটি খাবার। যেকোনো বয়সের মানুষের জন্য বাদাম একটি স্বাস্থ্য সম্মত খাবার।বাদামে প্রচুর খাদ্য আঁশ, উপকারি তেল, শর্করা, আমিষ, ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান রয়েছে। বাদামের প্রোটিন দেহ গঠনে ও মাংসপেশি তৈরিতে সাহায্য করে। বাদাম স্মৃতি শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। কারন এতে রয়েছে ভিটামিন বি৩ এবং রেসভেরাট্রল। এই দুটি উপাদান মস্তিষ্কে রক্ত চলাচাল বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্মৃতিশক্তিরও উন্নতি ঘটে পাশাপাশি ব্রেন এর পাওয়ার বৃদ্ধি পায়। তাছাড়া এতে উপস্থিত নিয়াসিন উপাদান আলঝেইমার রোগের প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভুমিকা পালন করে। আরও পড়ুন ঃ চোখের যত্নে দরকারি পাঁচ খাবার হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে বাদাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এতে উপস্থিত উপকারী তেল শরীর থেকে খারাপ কোলেস্টরলের মাত্রা কমায়। ফলে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা হ্রাস পায়। ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে বাদাম। বাদামে উপস্থিত পলিফেনোলিক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট একাধিক ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস করে। বিশেষ করে কোলোন ক্যান্সারের প্রকোপ কমাতে বাদাম বেশ কার্যকরী। ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে বাদাম। রাতে ১০-১৫ টি কাঁচা বাদাম জলে ভিজিয়ে রেখে সকালে খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে। বাদাম ওজন কমাতে বেশ কার্যকরী। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় এক মুঠো বাদাম যুক্ত করে আপনি অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। বাদামে টাইটোফন নামক অ্যামাইনো অ্যাসিড রয়েছে যা শরীরে নানাবিধ হরমোনের ক্ষরণকে নিয়ন্ত্রণে রেখে ডিপ্রেশন কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই মানসিক অবসাদ এবং স্ট্রেস কমাতে বাদামের কোন বিকল্প হয় না বললেই চলে। বাদামে উপস্থিত ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরকে সচল ও কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে। তাই শরীরের কর্মক্ষমতা বাড়াতে প্রতিদিন বাদাম খাবেন।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
টুকিটাকি

ডিম খেয়ে কমতে পারে ওজন , কীভাবে জেনে নিন !

ওজন কমানোর জন্য অনেক কিছুই করে থাকেন আপনি। খাওয়ার রুটিন থেকে শুরু করে হাঁটাচলা সবই হয়তো করছেন। তবে আপনি জানেন কি তিন উপায়ে ডিম খেয়ে ওজন কমাতে পারেন। ডিম হচ্ছে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার। ডিম খেলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে, তাই খিদে কম লাগে। ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার চাহিদা কমে, তাই ওজনও কমে। ওজন কমাতে প্রতিদিনের খাবার তালিকায় ডিম রাখতে পারেন। আসুন জেনে নিই অতিরিক্ত ওজন কমাতে চাইলে কীভাবে ডিম খাবেন? আরও পড়ুন ঃ অতিরিক্ত ভিটামিন ডি খাচ্ছেন না তো, জেনে নিন কি কি সমস্যা হতে পারে ! হাঁড়িতে জল নিয়ে তাতে অল্প ভিনিগার মিশিয়ে নিন। জল ফুটে উঠলে তাতে ডিম ভেঙে ছেড়ে দিন। কিছুক্ষণ পরই পোচটিকে আলতো করে তুলে নিন জল থেকে। ডিমের সবটুকু পুষ্টিগুণ মেলে এই পোচ থেকে। আর পেটের অতিরিক্ত চর্বি কমে। আপনার প্রতি দিনের খাবার তালিকায় স্যালাড থাকে, এতে নতুনত্ব আনতে যোগ করুন সিদ্ধ ডিমের কুঁচানো অংশ। এর সঙ্গে মেশান গোলমরিচ ও লেবুর রস। এতে পুরো ডিমের পুষ্টিগুণ তো মিলবে। আর মেদও ঝরবে দ্রুত। ডিমের সঙ্গে ওটমিল মিশিয়ে খেতে পারেন। ওটমিল শরীরে বাড়তি কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইড জমার পথে বাধা দেয়। আর ডিম জোগায় প্রোটিন। ওটমিল ও ডিম একসঙ্গে খেলে মেদ বাড়বে না।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
টুকিটাকি

শরীর সুস্থ রাখতে শীতের মরশুমে নিয়মিত খান কমলালেবু

শীতের মরশুমে ফলের মধ্যে অন্যতম হল কমলালেবু। আর এই ফলের উপকারিতাও রয়েছে অনেক। অন্যদিকে কমলালেবু আমাদের বহু রোগ নিরাময়েও সাহায্য করে থাকে। চলুন জেনে নিন কমলালেবুর নানা উপকারিতা সম্পর্কে.. ঠাণ্ডা লাগা, কানের সমস্যা দূর করতে ভীষণ উপকারী কমলা। কমলায় রয়েছে বিটা ক্যারোটিন; যা শরীরের কোষের ক্ষয় রোধে সাহায্য করে। লিমোনয়েড নামে এক ধরনের পদার্থ রয়েছে কমলালেবুতে যা মুখ, ত্বক, ফুসফুস, স্তন, পাকস্থলীতে ক্যানসার প্রতিরোধে দারুণ সহায়ক। মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য জরুরি উপাদন ফলিক অ্যাসিডও যথেষ্ট পরিমাণে থাকে কমলায়। আরও পড়ুন ঃ সুস্থ থাকতে প্রতিদিন খান এক কোয়া রসুন বিশেষজ্ঞদের মতে, কমলায় থাকে ভিটামিন বি৬; যা মানবদেহে প্রয়োজনীয় হিমোগ্লোবিন তৈরি করে। কমলালেবু জাতীয় ফল আমাদের স্ট্রোক হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে। তাই নিয়মিত কমলালেবু খেলে স্ট্রোকের সম্ভাবনা অনেকটাই দূর হবে। কার্ডিওভাস্কুলার সিস্টেমে ভারসাম্য বজায় রাখতে ভীষণ সহায়ক কমলালেবু। কমলা খেলে খিদে বাড়ে, খাওয়ার রুচি তৈরি হয়। শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতেও কমলার জুড়ি মেলা ভার। লিভার কিংবা হার্টের বিভিন্ন রোগে কমলা খুবই উপকারী। হাইপারটেনশনের রোগীদের ক্ষেত্রেও কমলা খেলে উপকার মেলে।তবে শুধু কমলার কোয়াতেই নয়; এর খোসাতেও রয়েছে অনেক গুণ।যেমন, কমলার খোসা রূপচর্চায় অত্যন্ত উপকারী। স্কিনে ব্ল্যাকহেডস দূর করতে সহায়ক পাঁকা কমলার খোসা। তাছাড়া কমলার খোসা একেবারে প্রাকৃতিক উপায়ে দাঁতের হলদে ভাব দূর করে। তাই কমলার তাজা খোসা বেঁটে টুথপেস্টের মতো ব্যবহার করা যায়।

নভেম্বর ২৩, ২০২০
দেশ

শারীরিক অবস্থার অবনতি, ভেন্টিলেশনে তরুণ গগৈ

শারীরিক অবস্থার অবনতি হল অসমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈয়ের। জানা গিয়েছে, একাধিক অঙ্গ বিকল হয়ে তিনি আপাতত গুয়াহাটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভেন্টিলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। শ্বাসকষ্টের প্রবল সমস্যা রয়েছে। তরুণ গগৈর স্বাস্থ্য সম্পর্কে খবর নিশ্চিত করেছেন অসমের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। গত আগস্টে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। বেশ কিছু শারীরিক সমস্যা থাকায় হাসপাতালে ভরতি হতে হয়। প্রায় দুমাস সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন অসমের তিনবারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। করোনা জয়ের পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন অক্টোবরের শেষদিকে। কিন্তু নভেম্বরের শুরুতেই করোনা পরবর্তী একাধিক উপসর্গ নিয়ে তাঁকে ভরতি করাতে হয় গুয়াহাটি মেডিক্যাল কলেজে। সেখানেই চিকিৎসাধীন তিনি। আরও পড়ুন ঃ মোদি সরকার গরিবদের জন্য কোনও কাজ করেনিঃ রাহুল তবে শনিবার বিকেল থেকে দ্রুত তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, মাল্টি-অর্গ্যান ফেলিওরের পাশাপাশি শ্বাসকষ্টের সমস্যা বাড়ে। ধীরে ধীরে অচৈতন্য হয়ে পড়েন। তাঁকে দিতে হয় ইনভেসিভ ভেন্টিলেশনে। খবর পেয়ে দ্রুত হাসপাতালে ছুটে যান তাঁর সাংসদ পুত্র গৌরব গগৈ। তাঁর পাশে ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব জিষ্ণু বড়ুয়া। এদিকে, অসমের স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিজে নিয়মিত হাসপাতালে গিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর খোঁজ নিচ্ছেন।

নভেম্বর ২২, ২০২০
টুকিটাকি

সুস্থ থাকতে প্রতিদিন চাই এক কোয়া রসুন

সুস্থ থাকতে রোজ খেতে হবে এক কোয়া কাঁচা রসুন। কাঁচা রসুনেই উপকার৷ তবে হাই প্রেশার বা কোলেস্টেরল থাকলে খাওয়া দরকার ৩৪টি করে৷ এক্ষেত্রে প্রেশার বা কোলেস্টেরলের ওষুধ বন্ধ করবেন না৷ প্রয়োজনে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে নিতে হবে। সঠিক খাবার, ব্যায়াম ও চেকআপ চালিয়ে যাবেন৷ রক্তচাপ কমায়৷ চার কোয়া করে খেলে সে রক্তচাপ কমানোর ওষুধের সঙ্গেও পাল্লা দিতে পারে কিছু ক্ষেত্রে৷ টোটাল এবং এলডিএল কোলেস্টেরল প্রায় ১০১৫ শতাংশ কমে যায়৷ আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক হিপোক্রেটিস একে ব্যবহার করেছিলেন সারভাইকাল ক্যান্সারের চিকিৎসায়৷ লুই পাস্তুর এর অ্যান্টিফাংগাল ও অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল গুণের খবর জানান৷ সময়ের সঙ্গে আরও উপকারের কথা জানা গেছে৷ আর আধুনিক বিজ্ঞানীরা জানালেন, হৃদরোগ প্রতিরোধে এর ভূমিকার কথা৷ ইউনিভার্সিটি অব কানেক্টিকাট স্কুল অব মেডিসিনএর কার্ডিওভাসকুলার রিসার্চ টিমের মতে, কাঁচা রসুন খেলে হার্ট অনেক বেশি সুস্থ থাকে৷ আরও পড়ুন ঃ ওষুধ ছাড়াই মুক্তি পাওয়া যাবে সর্দি-কাশি থেকে , জেনে নিন কীভাবে! তবে উপকারি কোলেস্টেরল বা এইচডিএল বাড়াতে ও ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে এর কোনও ভূমিকা নেই৷ যে সমস্ত হৃদরোগী নিয়মিত রসুন খান, তারা অনেক বেশি অ্যাকটিভ থাকেন৷ অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের দৌলতে কমে অ্যালঝাইমার ও ডিমেনসিয়ার প্রকোপ৷ সংক্রমণজনিত অসুখবিসুখ কম হয়, বাড়ে আয়ু৷ ইস্ট্রোজেন লেভেল বেড়ে হাড়ের স্বাস্থ্য ভাল হয় মেয়েদের৷ তবে এ নিয়ে শেষ কথা বলার সময় এখনও আসেনি৷লেড টক্সিসিটি কমাতে কাজে লাগে৷

নভেম্বর ২২, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

গুরুদ্বারের সামনেই সুখবীর বাদলকে কোপ! পেটে হামলার চেষ্টা, রক্তাক্ত প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী

মহারাষ্ট্রের নন্দেদে অকালি দল প্রধান তথা পঞ্জাবের প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী সুখবীর সিং বাদলের উপর আচমকা হামলার অভিযোগ উঠল। বৃহস্পতিবার একটি গুরুদ্বারে যাওয়ার সময় তাঁর উপর ছুরি নিয়ে হামলা করা হয় বলে জানা গিয়েছে। হামলায় হাতে চোট পেয়েছেন সুখবীর বাদল। তাঁকে রক্ষা করতে গিয়ে এক পুলিশকর্মীও আহত হয়েছেন।জানা গিয়েছে, নন্দেদের একটি গুরুদ্বারে যাওয়ার সময় ঘটনাটি ঘটে। গুরুদ্বারের সামনেই আচমকা এক ব্যক্তি সুখবীর বাদলের দিকে এগিয়ে এসে হামলা করার চেষ্টা করেন। অভিযোগ, হামলাকারী তাঁর পেটে আঘাত করার চেষ্টা করেছিলেন। তবে নিরাপত্তারক্ষী এবং পুলিশকর্মীদের তৎপরতায় বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়। হামলার সময় সুখবীর বাদলের হাতে চোট লাগে এবং তিনি রক্তাক্ত হন।ঘটনার পর দ্রুত তাঁকে নন্দেদের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে বলে জানা গিয়েছে। হামলার সময় তাঁর স্ত্রী তথা অকালি দলের সাংসদ হরসিমরত কৌর বাদলও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। ঘটনার পর সুখবীর বাদলকে ধরে নিয়ে যাওয়ার একটি ভিডিয়োও প্রকাশ্যে এসেছে। তাতে তাঁর ডান হাতে কাপড় বাঁধা দেখা যায়।হামলার ঘটনায় এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। তাঁর নাম যশপাল সিং বলে জানা গিয়েছে। তিনি নিহাঙ্গ শিখ বলে সূত্রের দাবি। হামলায় কৃপাণ ব্যবহার করা হয়েছিল বলেও জানা গিয়েছে। যশপাল সিং গত দুই বছর ধরে তখত শ্রী হাজুর সাহিব গুরুদ্বারে কাজ করছিলেন বলে সূত্রের খবর। তবে হামলার প্রকৃত কারণ কী, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।সুখবীর বাদলের উপর এই প্রথম হামলার চেষ্টা নয়। এর আগে ২০২৪ সালের ৪ ডিসেম্বর অমৃতসরের স্বর্ণমন্দিরের বাইরে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর চেষ্টা হয়েছিল। সেই ঘটনায়ও অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান তিনি। ঘটনাস্থল থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।ফলে নন্দেদের এই হামলার পর নতুন করে তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঠিক কী কারণে সুখবীর বাদলকে লক্ষ্য করে হামলা করা হল এবং এর পিছনে অন্য কোনও পরিকল্পনা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
দেশ

ঝাড়খণ্ডে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে আগুন! ছ’শো বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে মামলা, আরও পাঁচশো আটক

সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে ঝাড়খণ্ডে আন্দোলনের আঁচ আরও বাড়ল। গত সোমবার বিধানসভা অভিযানের পর বৃহস্পতিবার ৬০০ বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে ১০০ জনের নাম এফআইআরে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আরও প্রায় ৫০০ বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে বলেও খবর।গত প্রায় ২০ দিন ধরে নিয়োগ পরীক্ষায় স্বচ্ছতার দাবিতে আন্দোলন করছেন ঝাড়খণ্ডের তরুণ প্রজন্ম। রাঁচির জয়পাল সিং মুন্ডা স্টেডিয়ামে জেপিএসসি-জেএসএসসি সংস্কার মঞ্চ-এর ব্যানারে চলছে লাগাতার বিক্ষোভ। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, সরকারি চাকরির একাধিক নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম হয়েছে। তাঁদের দাবি, অভিযোগ ওঠা পরীক্ষাগুলি বাতিল করতে হবে এবং পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে হবে।আন্দোলনকারীরা নিরপেক্ষ তদন্তেরও দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের প্রস্তাব, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অথবা ঝাড়খণ্ডের বাইরের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়ে একটি বিশেষ প্যানেল তৈরি করে অভিযোগের তদন্ত করা হোক। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার বার্তাও দিয়েছেন তাঁরা।সোমবার বিধানসভা অভিযানের সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীদের মিছিল আটকাতে পুলিশ লাঠিচার্জ, জলকামান এবং কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে বলে অভিযোগ। এর পরেই রাজ্য রাজনীতিতে বিষয়টি নিয়ে চাপানউতোর শুরু হয়। পুলিশের পদক্ষেপের প্রতিবাদে বিজেপি রাজ্যজুড়ে বন্ধের ডাক দেয়।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাসও আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়িয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। দাবি পূরণ না হলে অনশনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি ২০২৪ সালে আবগারি কনস্টেবল পদের শারীরিক পরীক্ষায় মৃত্যু হওয়া ১৯ জন চাকরিপ্রার্থীর পরিবারকে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার দাবিও তুলেছেন।এই ইস্যুতে বিজেপির ছাত্র সংগঠনও আন্দোলনে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ এখন শুধু ঝাড়খণ্ডের রাজনীতিতেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, জাতীয় স্তরেও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক চাপ তৈরি হচ্ছে।অন্যদিকে আন্দোলনকারীদের উপর পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে জোট সরকারের শরিক কংগ্রেসের মধ্যেও অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। পুলিশের লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহারের সমালোচনা করেছেন রাহুল গান্ধী। একই সঙ্গে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বিজেপির ছাত্র সংগঠন আন্দোলনকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে সরকারি চাকরির নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে ঝাড়খণ্ডে আন্দোলন ক্রমেই বড় আকার নিচ্ছে। এক দিকে পড়ুয়া ও চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলন, অন্য দিকে পুলিশের মামলা এবং বিরোধীদের চাপসব মিলিয়ে হেমন্ত সোরেন সরকারের উপর রাজনৈতিক চাপও বাড়ছে।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
দেশ

‘আপনারা না পারলে আমরা করে দেখাব’, প্যাকেটজাত খাবার নিয়ে কেন্দ্রকে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের

প্যাকেটজাত খাবারে চিনি, নুন এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ বেশি হলে তার গায়ে স্পষ্ট স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা থাকা উচিতএই বিষয়টি ফের মনে করিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। এ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের গড়িমসি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে শীর্ষ আদালত। এমনকি কর্পোরেট সংস্থাগুলির চাপের কারণে বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্র বা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা নরম মনোভাব দেখাচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নও উঠেছে।একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে কড়া মন্তব্য করেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জে পি পার্দিওয়ালা এবং বিচারপতি কে বিনোদ চন্দ্রনের বেঞ্চ। আদালতের বক্তব্য, বিষয়টির সঙ্গে সরাসরি সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য জড়িত। তাই কোনও শিল্পগোষ্ঠীর চাপের কারণে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত প্রভাবিত হওয়া উচিত নয়।মামলাকারীর পক্ষ থেকে আদালতে অভিযোগ করা হয়, প্যাকেটজাত খাদ্যপণ্যের গায়ে স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা দেওয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিল্পমহলের আপত্তি রয়েছে। সেই কারণেই খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করছে না বলে অভিযোগ করা হয়। মামলাকারীর আইনজীবী আরও জানান, গত ৭ মার্চ খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার বৈঠকে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তা সুপ্রিম কোর্টের আগের নির্দেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে অবশ্য শিল্পমহলের আপত্তির কথা আদালতে জানানো হয়। তাদের প্রস্তাব ছিল, প্যাকেটের গায়ে সরাসরি সতর্কবার্তা না দিয়ে প্রতিদিন কতটা অতিরিক্ত চিনি, নুন বা স্যাচুরেটেড ফ্যাট খাওয়া উচিত, সেই পরিমাণ উল্লেখ করা যেতে পারে।কেন্দ্রের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ব্রিজেন্দর চাহার বিষয়টি আদালতে ব্যাখ্যা করেন। কেন্দ্রের যুক্তি ছিল, সতর্কবার্তা বাধ্যতামূলক করলে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। কারণ, দেশের বহু প্রচলিত খাবারেই ঐতিহ্যগত ভাবে চিনি ও নুনের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি থাকে।কেন্দ্রের এই যুক্তি শুনে আরও কড়া প্রশ্ন করেন বিচারপতিরা। তাঁদের বক্তব্য, সাধারণ মানুষকে সুস্থ রাখার বিষয়টি কি সরকারের অগ্রাধিকার নয়? বিশেষ করে শিশুদের স্বাস্থ্যের সঙ্গে যখন বিষয়টি জড়িত, তখন আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন বলেই মত শীর্ষ আদালতের।আদালত স্পষ্ট করে জানায়, প্যাকেটজাত খাবারে অতিরিক্ত চিনি, নুন এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাটের বিষয়টি জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার এবং খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন। ফলে প্যাকেটজাত খাবারের গায়ে স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা দেওয়ার বিষয়ে আগামী দিনে বড় সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
দেশ

পাইলটের শরীরে নিষিদ্ধ মাদক? ৩০০ ফুট নীচে নেমে যাওয়া বিমানের ঘটনায় তদন্তে বড় তথ্য

ফুকেত থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমানে আচমকা প্রায় ৩০০ ফুট উচ্চতা কমে যাওয়ার ঘটনায় তদন্তে নয়া মোড়। বিমানের পাইলটদের পরীক্ষার ফল নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। সরকারি সূত্র এবং সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিমানের প্রধান পাইলটের নিশ্চিতকরণমূলক পরীক্ষায় গাঁজার উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছে। তবে ওই পরীক্ষার ফল এবং বিমানের উচ্চতা কমে যাওয়ার ঘটনার মধ্যে সরাসরি কোনও যোগ এখনও তদন্তকারীরা নিশ্চিত করেননি।৪ অগস্ট ফুকেত থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা হয়েছিল বিমানটি। মাঝ আকাশে আচমকাই বিমানের উচ্চতা প্রায় ৩০০ ফুট কমে যায়। ঘটনায় যাত্রী ও কেবিনকর্মীদের কয়েক জন আহত হন। বিমানটি শেষ পর্যন্ত নিরাপদে দিল্লিতে অবতরণ করে।ঘটনার পর দুই পাইলটেরই বাধ্যতামূলক মাদক পরীক্ষা করা হয়। প্রধান পাইলটের প্রথম পরীক্ষার ফল নেতিবাচক ছিল না। সেই কারণে নমুনা নিশ্চিতকরণমূলক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। পরের পরীক্ষাতেও গাঁজার উপস্থিতি পাওয়ার দাবি সামনে এসেছে। দুই পাইলটকেই তদন্ত চলাকালীন উড়ান থেকে সরিয়ে রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এর পাশাপাশি বিমানের যান্ত্রিক অবস্থাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উড়ানের সময় একাধিক সতর্কবার্তা দেখা গিয়েছিল বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। হাইড্রলিক ব্যবস্থা, উড়ান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং স্বয়ংক্রিয় উড়ান ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত সমস্যার কথাও তদন্তে উঠে এসেছে। ফলে শুধু পাইলটের ভূমিকা নয়, বিমানের প্রযুক্তিগত বিষয়ও তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।প্রধান পাইলট তদন্তকারীদের কাছে দাবি করেছেন, ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে তাঁকে ঘুমের ওষুধ দেওয়া হয়েছিল। তাঁর বক্তব্য, সেই ওষুধের কারণেই পরীক্ষায় এমন ফল আসতে পারে। এই দাবি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। বিমানে তাঁর আচরণ নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেবিনকর্মীরা তাঁর আচরণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।ঘটনার গুরুত্ব বুঝে বিমান সংস্থার নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। বিমান সংস্থাকে পরিচালনাগত নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার কথাও জানানো হয়েছে বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে তদন্তে যে বা যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হবে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তাও দেওয়া হয়েছে।তবে বিমানের আচমকা উচ্চতা কমে যাওয়ার প্রকৃত কারণ এখনও চূড়ান্তভাবে জানা যায়নি। পাইলটের পরীক্ষার ফল, বিমানের প্রযুক্তিগত সমস্যা, উড়ানের তথ্য এবং ককপিটে ঠিক কী ঘটেছিলসব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও একটি কারণকে দুর্ঘটনার জন্য দায়ী করা ঠিক হবে না।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
কলকাতা

এনআরএসে নয়, অন্য হাসপাতালে ময়নাতদন্ত! নার্সের মৃত্যু ঘিরে বড় সিদ্ধান্ত, কী জানাল স্বাস্থ্যদপ্তর?

এনআরএস হাসপাতালের শৌচালয় থেকে নার্সের দেহ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন মোড়। মৃত নার্সের স্বামী ও পরিবারের দাবি মেনে এনআরএস হাসপাতালে ময়নাতদন্ত হবে না। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ফরেন্সিক বিভাগের প্রধানের নেতৃত্বে ময়নাতদন্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার পর তিনি জানান, মৃতার স্বামী রাহুল দাস এবং পরিবারের পক্ষ থেকে অন্য হাসপাতালে ময়নাতদন্তের আবেদন জানানো হয়েছিল। সেই আবেদন মেনে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ফরেন্সিক বিভাগের প্রধানের নেতৃত্বে ময়নাতদন্ত হবে।নার্সের কীভাবে মৃত্যু হল, তা নিয়ে এখনই কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছতে চাইছে না স্বাস্থ্যদপ্তর। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে না আসা পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ নিয়ে কোনও অনুমান করা ঠিক হবে না। তাঁর কথায়, বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে অনুমানের জায়গা নেই। রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।ঘটনার তদন্তে আলাদা অভ্যন্তরীণ কমিটিও গঠন করা হয়েছে। এনআরএস হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্যদপ্তরের উদ্যোগে তৈরি এই কমিটিতে হাসপাতালের ফরেন্সিক বিভাগের প্রধান, এমএসভিপি, নার্সিং সুপারিনটেনডেন্ট, পরিচ্ছন্নতা বিভাগের প্রতিনিধি-সহ একাধিক বিভাগের প্রধানদের রাখা হয়েছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে ওই কমিটিকে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।বুধবার রাতে এনআরএস হাসপাতালের স্ত্রী রোগ বিভাগের এইচডিইউতে কর্মরত ওই নার্সের দেহ বিভাগেরই শৌচালয় থেকে উদ্ধার হয়। জানা গিয়েছে, রাত আটটা নাগাদ তিনি কাজে যোগ দিয়েছিলেন। রাত নটা নাগাদ এক রোগীকে পরিষেবা দেওয়ার পর শৌচালয়ে যান। এরপর দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও তিনি ফিরে না আসায় সহকর্মীদের সন্দেহ হয়।এক জন জুনিয়র চিকিৎসক তাঁর খোঁজ শুরু করেন। শৌচালয়ের সামনে গিয়ে ডাকাডাকি করেও কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে গ্রুপ ডি কর্মীদের ডেকে দরজা ভাঙা হয়। ভিতর থেকে নার্সকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। চিকিৎসকরা তাঁকে দ্রুত উদ্ধারের চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো যায়নি।এরপর থেকেই নার্সের মৃত্যু ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল, শৌচালয়ের ভিতরে ঠিক কী ঘটেছিল এবং মৃত্যুর আগে তাঁর শারীরিক বা মানসিক অবস্থার কী পরিস্থিতি ছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, শৌচালয় থেকে কিছু জিনিস উদ্ধার হয়েছে। সেগুলিও তদন্তের আওতায় থাকবে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও অভ্যন্তরীণ কমিটির রিপোর্ট সামনে এলেই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ছবি পাওয়া যাবে।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
দেশ

স্বাধীনতা দিবসের আগে রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে বিস্ফোরক তথ্য! লালকেল্লা ঘিরে কেন বাড়ল নিরাপত্তা?

স্বাধীনতা দিবসের আগে রাষ্ট্রপুঞ্জের একটি বিশেষ রিপোর্ট ঘিরে নতুন করে সতর্ক হয়েছে দিল্লি। ১৫ অগস্ট লালকেল্লায় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের আগে ওই রিপোর্টে আল কায়দার ভারতীয় উপমহাদেশে নতুন করে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা নিয়ে একাধিক তথ্য উঠে এসেছে। রিপোর্ট সামনে আসার পর নিরাপত্তা সংস্থাগুলির তৎপরতাও বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে।রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশে গোপন ঘাঁটি তৈরি করার চেষ্টা চালাচ্ছে আল কায়দার একটি শাখা। ভারতীয় উপমহাদেশে এই সংগঠনের কার্যকলাপ নিয়ে রিপোর্টে সতর্ক করা হয়েছে। সংগঠনটির নাম উল্লেখ করা হয়েছে আল কায়দা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট হিসেবে।রিপোর্ট অনুযায়ী, বড় কোনও সংগঠিত ইউনিট হিসেবে কাজ না করে ছোট ছোট বিচ্ছিন্ন দলের মাধ্যমে নিজেদের কার্যকলাপ বাড়ানোর চেষ্টা করছে এই গোষ্ঠী। বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ তৈরি, অর্থ সংগ্রহের ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে বলেও রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।বাংলাদেশে সংগঠনটির সম্ভাব্য তৎপরতা নিয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা হতে পারে কি না, তা নিয়েও নিরাপত্তা মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। রিপোর্টে সংগঠনটির সঙ্গে পাকিস্তানভিত্তিক একটি জঙ্গি গোষ্ঠীর যোগাযোগের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।গত বছর নভেম্বর মাসে লালকেল্লার বাইরে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনায় অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই হামলার সঙ্গে আল কায়দার যোগ থাকার তথ্যও রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে উঠে এসেছে বলে দাবি করা হয়েছে।স্বাধীনতা দিবসের আগে লালকেল্লায় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণকে কেন্দ্র করে এমনিতেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। তার উপর রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে আল কায়দার নতুন করে সক্রিয় হওয়ার তথ্য সামনে আসায় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির নজরদারি আরও বাড়তে পারে।রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, ছোট ছোট গোষ্ঠীর মাধ্যমে কাজ করায় সংগঠনটির প্রকৃত পরিধি চিহ্নিত করা কঠিন। অর্থ সংগ্রহ এবং বিভিন্ন ধরনের পরিকাঠামোগত সহযোগিতার মাধ্যমে ধীরে ধীরে নিজেদের শক্তি বাড়ানোর চেষ্টা চলছে বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।স্বাধীনতা দিবসের আগে এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসায় বিষয়টি নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। লালকেল্লায় প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা এবং ভারতীয় ভূখণ্ডে সম্ভাব্য জঙ্গি তৎপরতার বিষয়ে এখন নিরাপত্তা সংস্থাগুলি কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
কলকাতা

আর জি করের ফাইল খুলতেই প্রথম গ্রেপ্তার! ওড়িশা থেকে পুলিশের জালে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ

আর জি কর মামলার ফাইল নতুন করে খোলার পরই বড় পদক্ষেপ করল পুলিশ। এই মামলায় প্রথম গ্রেপ্তার হলেন পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ। অভয়ার দেহ দ্রুত সৎকার এবং পরিবারের সদস্যদের সই ছাড়াই দেহ সৎকারের অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকালে ওড়িশা থেকে নির্মল ঘোষকে গ্রেপ্তার করা হয়। আর জি কর কাণ্ডের পর নিহত তরুণী চিকিৎসকের দেহ তড়িঘড়ি সৎকার করে প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। পরিবারের সদস্যদের সই ছাড়াই দেহ সৎকার করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে।এই ঘটনা নিয়ে সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সরব হয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, অভয়ার দেহ দ্রুত সৎকার করে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এমনকি দেহ সৎকারের খরচও পরিবারের কাছ থেকে নেওয়া হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।এই ঘটনায় পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষের পাশাপাশি ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সোমনাথ দে এবং প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ের নামও সামনে এসেছিল। গত সোমবার খড়দা থানায় তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন অভয়ার বাবা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ তদন্ত শুরু করে।তদন্তের মধ্যেই বৃহস্পতিবার সকালে ওড়িশা থেকে নির্মল ঘোষকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁকে রাজ্যে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত অথবা শুক্রবার সকালে তাঁকে রাজ্যে নিয়ে আসা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।এর আগে ৯ অগস্ট আর জি কর কাণ্ডে নিহত তরুণী চিকিৎসকের দেহ দ্রুত সৎকারের অভিযোগের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় থেকেই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়। পরিবারের সই ছাড়া কীভাবে দেহ সৎকার করা হয়েছিল এবং ওই প্রক্রিয়ায় কারা যুক্ত ছিলেন, তা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।নির্মল ঘোষের পরিবারের বিরুদ্ধেও এর আগে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। গত ১৩ জুলাই তাঁর ছেলে তীর্থঙ্কর ঘোষকে তোলাবাজি-সহ একাধিক অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। নির্মল ঘোষের নাম লটারিকাণ্ডের সঙ্গেও জড়িয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।নির্মল ঘোষের গ্রেপ্তারির পর আর জি কর মামলার তদন্তে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। অভয়ার দেহ সৎকারের ঘটনায় আর কারা জড়িত ছিলেন এবং পুলিশের তদন্তে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
রাজ্য

স্বপ্ন ছিল পাক আর্মিতে যোগ দেওয়ার! আইএসআইএয়ের এজেন্ট হয়ে কত বার ভারতে এসেছিল পাক জঙ্গি

বেঙ্গল এসটিএফের হাতে গ্রেফতার রানা রউফ ওরফে ওয়াহাব আলমকে জেরা করে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। তদন্তকারীদের দাবি, রানা মোট পাঁচ বার ভারতে এসেছিল। প্রতিবারই কলকাতায় এসে তিলজলায় ইজাজের বাড়িতে থাকত বলে জানা গিয়েছে। ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে তার কলকাতায় আসার তথ্য পেয়েছেন তদন্তকারীরা।এসটিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতে আসার পর ভুয়ো পরিচয়ে একাধিক সরকারি নথি তৈরি করেছিল রানা। ইজাজের বাবা যুবের আলমকে নিজের বাবা বলে পরিচয় দিয়ে ভোটার কার্ড তৈরি করা হয় বলে অভিযোগ। পরে সেই পরিচয়ের ভিত্তিতেই প্যান কার্ড এবং আধার কার্ডও তৈরি করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি।জেরায় রানা জানিয়েছে, ছোটবেলা থেকেই পাকিস্তান সেনায় চাকরি করার ইচ্ছা ছিল তার। কিন্তু শারীরিক সমস্যার কারণে সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। এরপর পাকিস্তান সেনা এবং আইএসআইয়ের সঙ্গে তার যোগাযোগ তৈরি হয় বলে তদন্তকারীদের দাবি। সেই যোগাযোগের সূত্রেই সে গুপ্তচরবৃত্তির কাজে যুক্ত হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।তদন্তকারীরা আরও জানতে পেরেছেন, পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশে ক্যারাটের প্রশিক্ষণ নিয়েছিল রানা। পাশাপাশি কাঠমান্ডুতেও তার ব্যবসা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেখানেই একটি মসজিদে ইজাজের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে সেই পরিচয় বন্ধুত্বে গড়ায়। অভিযোগ, ইজাজের সাহায্যেই কাঠমান্ডু থেকে ভারতে ঢুকত রানা।প্রথম বার কলকাতায় আসার সময় রানার কাছে কোনও ভারতীয় পরিচয়পত্র ছিল না বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, বিহারের রক্সৌল সীমান্ত দিয়ে চোরাপথে ভারতে প্রবেশ করত সে। পাঁচ বার ভারতে আসার সময়ই একই পথ ব্যবহার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। প্রতিবার কাঠমান্ডু থেকে ইজাজই তাকে ভারতে নিয়ে আসত বলে জানা গিয়েছে।সম্প্রতি ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় রানাকে ডেকেছিলেন বুথ স্তরের আধিকারিক। কিন্তু সে হাজির না হওয়ায় ভোটার তালিকা থেকে তার নাম বাদ যায় বলে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন। ইজাজ রানার পাকিস্তানি পরিচয় সম্পর্কে জানত কি না, তা-ও তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। অভিযোগ, পরিচয় জানার পরেও ইজাজ তাকে নিজের বাড়িতে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছিল।রানার গতিবিধি নিয়েও তদন্তকারীদের হাতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এসেছে। ফোর্ট উইলিয়াম ছাড়াও ব্যারাকপুর ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় সে ঘোরাফেরা করেছিল বলে জানা গিয়েছে। ওই সব জায়গার ছবি ও ভিডিয়ো তুলে সেগুলি বিদেশে থাকা সন্দেহভাজন যোগাযোগের কাছে পাঠানো হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।ভুয়ো পরিচয়ে ভোটার কার্ড তৈরি করার পর একাধিক সিম কার্ড সংগ্রহ করেছিল রানা বলেও অভিযোগ। ওই সিম ব্যবহার করেই সে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ রাখত বলে তদন্তকারীদের দাবি। তার যোগাযোগের জাল কত দূর পর্যন্ত ছড়িয়েছিল, তা জানতে ফোন ও অন্যান্য নথি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারীদের দাবি, গ্রেফতারের আগে বাংলাদেশের পথে পাকিস্তানে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল রানার। বনগাঁ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকে সেখান থেকে পাকিস্তানে যাওয়ার ছক ছিল বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু সীমান্ত পেরোনোর আগেই এসটিএফের হাতে গ্রেফতার হয় সে। এখন রানা ও তার সহযোগীদের মাধ্যমে আর কারা এই কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিল, সেটাই খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

আগস্ট ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal