• ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার ২৯ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Footballer

খেলার দুনিয়া

স্পেনের হয়ে দুটি বিশ্বকাপ খেলা স্ট্রাইকার আসছে এটিকে মোহনবাগানে!‌

সামনের মরশুমে দিয়েগো কোস্তাকে কি খেলতে দেখা যাবে সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে? শোনা যাচ্ছে স্পেনের এই বিশ্বকাপারকে দলে নেওয়ার জন্য আসরে নেমেছে এটিকে মোহনবাগান কর্তারা। বেশ কিছুধিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল দিয়েগো কোস্তাকে দলে নেওয়া হতে পারে। তাঁর এজেন্টের সঙ্গে কথা বলেছেন কর্তারা। তবে এখনও চূড়ান্ত কিছু হয়নি। কোস্তাকে দলে নিতে গেলে বিশাল অঙ্কের বেতন দিতে হবে এটিকে মোহনবাগানকে। স্পেনের এই বিশ্বকাপার মার্কি ফুটবলার হওয়ায় আইএসএলের নিয়ম তা আটকাবে না। স্পেনের জার্সি গায়ে ২০১৪ ও ২০১৮ বিশ্বকাপে খেলেছিলেন দিয়েগো কোস্তা।বর্তমানে ফ্রি ফুটবলার হিসেবে রয়েছেন দিয়েগো কোস্তা। এই মুহূর্তে তিনি কোনও ক্লাবের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ নন। গতবছর ব্রাজিলের অ্যাটলেটিকো মিনেইরোতে ছিলেন। এই ক্লাবের হয়ে ব্রাজিলীয় সিরি এ লিগ, কোপা ডো ব্রাজিল জিতেছিলেন। গত মরশুমে মিনেইরোর হয়ে ৭টি গোল করেছিলেন দিয়েগো কোস্তা। ব্রাজিলের প্রথম ডিভিশন থেকে ভারতে তিনি আইএসএল খেলতে আসবেন কিনা, সে নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। তাছাড়া কোস্তার বিপুল বেতন এটিকে মোহনবাগান মেটাতে পারবে কিনা, তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। তবে এটিকে মোহনবাগান কর্তারা হাল ছাড়ছেন না।আসলে ডেভিড উইলিয়ামস ও রয় কৃষ্ণার এটিকে মোহনবাগান ছাড়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়ে গেছে। নতুন মরশুমে মুম্বই সিটি এফসিতে যোগ দিচ্ছেন তিনি। শনিবার সবুজমেরুণের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে উইলিয়ামসকে বিদায়ী শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। রয় কৃষ্ণার কাছেও মুম্বই সিটি এফসির প্রস্তাব আছে। এখন দেখার তিনি মুম্বইয়ের প্রস্তাব গ্রহন করেন কিনা।দিয়েগো কাস্তা ছাড়াও আরও দুজন বিদেশি ফুটবলারের দিকে নজর রয়েছে এটিকে মোহনবাগান কর্তাদের। সার্বিয়ার জাতীয় দলের স্ট্রাইকার আলেকজান্ডার প্রিয়োভিচ ও জাপানের ইউমা সুজুকির এজেন্টের সঙ্গে কথা বলেছেন তাঁরা। কাশিমা অ্যান্টলার্সের হয়ে খেলা ২৬ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড সুজুকির প্রতি বেশি আগ্রহী এটিকে মোহনবাগান। তবে জাপানি সুজুকিকে আনতে বড় সমস্যা হবে ট্রান্সফার ফি। ২০২৩ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত কাশিমা অ্যান্টলার্সের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ সুজুকি। তাঁকে দলে নিতে গেলে ১০ কোটি টাকার বেশি ট্রান্সফার ফি দিতে হতে পারে। জানা গিয়েছে, সবুজমেরুন কর্তারা নাকি সেই টাকা দিতে রাজি।

মে ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নতুন চমক ইস্টবেঙ্গলের?‌ লালহলুদে আসতে পারেন ‘‌এ’‌ লিগে খেলা বিদেশি

স্পনসর এখনও চূড়ান্ত না হলেও সামনের মরশুমের জন্য ধীরে ধীরে দল গুছিয়ে নিচ্ছে ইস্টবেঙ্গল। গত দুবছর ধারাবাহিকভাবে ভাল খেলা ওয়াহেংবাম আঙ্গুসানা লুয়াংয়ের সঙ্গে চুক্তি নবীকরণ করল লালহলুদ। মনিপুরের এই মিডফিল্ডারের সঙ্গে আরও দুবছরের চুক্তি করল ইস্টবেঙ্গল। তাঁকে প্রাক চুক্তিপত্রে সই করিয়েছেন লালহলুদ কর্তারা।ট্রাই এফসি থেকে যোগ দেওয়ার পর গত দুমরশুম ধরে লালহলুদ জার্সিতে খেলছেন আঙ্গুসানা লুয়াং। প্রথম মরসুমে রবি ফাওলারের কোচিংয়ে এবং এই মরশুমে প্রথমে মানোলো দিয়াজ, পরবর্তীতে মারিও রিভেরার কোচিংয়ে নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরেছিলেন আঙ্গুসানা। তাই তাঁর সঙ্গে চুক্তি বাড়াল ইস্টবেঙ্গল।সাগোসবান্দ এফসির হয়ে ফুটবলজীবন শুরু করেন আঙ্গুসানা। এরপর তিনি আই লিগের দল ট্রাউ এফসিতে সই করেন। সেই সময় ট্রাউ এফসি আই লিগের দ্বিতীয় ডিভিশনে খেলত। দ্বিতীয় ডিভিশন আই লিগে ট্রাউয়ের হয়ে ১২টি ম্যাচ খেলেন। দুরন্ত ফুটবল উপহার দিয়ে দলকে আই লিগের মূলপর্বেও তোলেন। আই লিগের মূলপর্বে ট্রাউয়ের হয়ে ১৭টি ম্যাচ খেলেছিলেন আঙ্গুসানা। আই লিগে ভাল খেলার সুবাদে লালহলুদ কর্তারা তাঁকে সই করান। ইস্টবেঙ্গলের জার্সিতে এখনও পর্যন্ত ২৮টি ম্যাচ খেলেছেন আঙ্গুসানা লুয়াং। এই বছর আই লিগে যে কটা ম্যাচে সুযোগ পেয়েছিলেন, নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরেছিলেন।এদিকে, আরও এক বিদেশি ফুটবলারের লালহলুদে আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার এ লিগে খেলা দিমিত্রি পেত্রতোসকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই মাঝমাঠের এই জীবনপঞ্জী লালহলুদ কর্তাদের হাতে এসে পৌঁছেছে। বর্তমানে তিনি অস্ট্রেলিয়ার এ লিগে ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্সের হয়ে খেলছেন। সৌদি আরবের প্রফেশনাল লিগের দল আল ওহেদাতেও খেলেছেন তিনি। সেখান থেকেই লোনে তিনি ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্সে যোগ দিয়েছেন।২৯ বছর বয়সী এই ফুটবলার বহু ক্লাবে খেলেছেন।২০১৩ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত ব্রিসবেন রোরে। তারপর যোগ দেন উলসান হুন্ডাইয়ে। ২০১৭ থেকে ২০২০ পর্যন্ত খেলেন নিউক্যাসেল জেটসে। অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন বয়স ভিত্তিক জাতীয় দলে খেলেছেন। অনূর্ধ্ব ১৭, ২০, ২৩ দলের হয়ে কিছু ম্যাচ খেলেছেন। সিনিয়র দলেও সুযোগ পেয়েছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় দলের হয়ে তিনটি ম্যাচও খেলেছেন। এখন দেখার তাঁকে শেষ পর্যন্ত পছন্দ হয় কিনা লালহলুদ কর্তাদের।

মে ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌মৃত্যুর মুখে পড়া স্টেডিয়ামেই স্বপ্নের প্রত্যাবর্তন, পুনর্জন্ম ক্রিশ্চিয়ান এরিকসেনের

ডেনমার্কের পার্কেন স্টেডিয়াম। ৯ মাস আগে এই স্টেডিয়ামেই মৃত্যুর মুখে চলে গিয়েছিলেন ক্রিশ্চিয়ান এরিকসেন। তাঁর ফুটবলজীবন চলে গিয়েছিল অনিশ্চয়তার মুখে। সেই মাঠেই আবার প্রত্যাবর্তন। আর সেই প্রত্যাবর্তনকে স্মরণীয় করে রাখলেন গোল করে। এইরকম পুনর্জন্ম সত্যিই দৃষ্টান্ত হয়ে থাকল বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে।গতবছর ইউরো কাপে ফিনল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচের প্রথমার্ধের শেষদিকে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছিলেন ডেনমার্কের ক্রিশ্চিয়ান এরিকসেন। তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে দীর্ঘ চিকিৎসার পর তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন। আবার খেলার মাঠে ফিরতে পারবেন কিনা তা নিয়ে একসময় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। অবশেষে সব আশঙ্কা দূর করে মাঠে ফিরেছেন এই ড্যানিশ ফুটবলার।দিনকয়েক আগেই আবার মাঠে ফিরেছেন। কয়েকদিন আগে হল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলেন এরিকসেন। সেই ম্যাচে ডেনমার্ক ২৪ গোলে হারলেও গোল করেছিলেন এরিকসেন। যদিও সেই ম্যাচে তিনি পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন। মঙ্গলবার কোপেনহেগেনের পার্কেন স্টেডিয়ামে সার্বিয়ার বিরুদ্ধে প্রীতি ম্যাচে খেলতে নেমেছিল ডেনমার্ক। ক্রিশ্চিয়ান এরিকসেনের হাতে নেতৃত্বের আর্মব্যান্ড তুলে দেওয়া হয়েছিল। এরিকসেনকে স্বাগত জানাতে স্টেডিয়াম ভরিয়ে দিয়েছিলেন দর্শকেরা। বিশাল ব্যানারও নিয়ে এসেছিলেন তাঁরা। সেই বড় ব্যানারে লেখা ছিল, ওয়েলকাম ব্যাক ক্রিশ্চিয়ান। তিনি মাঠে নামতেই গোটা স্টেডিয়াম গর্জে উঠেছিল। দর্শকদের মুখে একটাই ধ্বনি, এরিকসেন, এরিকসেন।পার্কেন স্টেডিয়ামের এই প্রীতি ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখলেন এরিকসেন। ৫৭ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে দুরন্ত শটে তিনি গোল করেন। এরিকসেনের গোলের আগেই অবশ্য ২ গোলে এগিয়ে গিয়েছিল ডেনমার্ক। ম্যাচের ১৫ মিনিটে ডেনমার্ককে এগিয়ে দেন জোয়াকিম মাহলে। বিরতির ৮ মিনিট পর দ্বিতীয় গোল করেন জেসপার লিন্ডস্ট্রোয়েম। ম্যাচের ৮০ মিনিটে এরিকসেনকে মাঠ থেকে তুলে নেওয়া হয়। গোটা স্টেডিয়াম উঠে দাঁড়িয়ে করতালি দিয়ে তাঁকে অভিবাদন জানায়। ম্যাচের সেরাও হয়েছেন এরিকসেন।

মার্চ ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আইএসএলে অন্য দলগুলির তুলনায় এটিকে মোহনবাগানের ভারতীয় স্ট্রাইকারদের কেন এত দাপট?‌

গত মরশুমে আইএসএলে এটিকে মোহনবাগানের হয়ে সর্বোচ্চ গোল করেছিলেন রয় কৃষ্ণা। এবছর সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে একেবারেই নিস্প্রভ ফিজির এই তারকা স্ট্রাইকার। রয় কৃষ্ণা সেভাবে জ্বলে উঠতে না পারলেও এবছর ফুল ফোটাচ্ছেন লিস্টন কোলাসো। ধারাবাহিকভাবে গোল করে চলেছেন এটিকে মোহনবাগানের এই ফরোয়ার্ড। এখনও পর্যন্ত আইএসএলে সব দল মিলিয়ে এটিকে মোহনবাগানের ভারতীয় স্ট্রাইকাররাই সবথেকে বেশি গোল করেছেন।এই বছর আইএসএলে হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় পর্বের ম্যাচ পর্যন্ত এটিকে মোহনবাগান ১৩ ম্যাচে গোল করেছে ২৬টি। সবথেকে বেশি গোল হুগো বোমাসের। ১১ ম্যাচ খেলে তিনি করেছেন ৫ গোল। সবথেকে বেশি ম্যাচ খেলেছেন লিস্টন কোলাসো। ১২ ম্যাচে তাঁর গোল সংখ্যা ৫। এরপরই রয়েছেন রয় কৃষ্ণা। ১০ ম্যাচে তিনি করেছেন ৪ গোল। আর পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নেমে ৩ ম্যাচে কিয়ান নাসিরির গোল সংখ্যা ৩টি। ডেভিড উইলিয়ামস ১২ ম্যাচে করেছেন ৩ গোল।২০২০২১ আইএসএলে ২৩ ম্যাচে ৩২ গোল করেছিল এটিকে ২৬ গোল করেছিলেন বিদেশি স্ট্রাইকাররা। এরমধ্যে রয় কৃষ্ণাই একা করেছিলেন ১৪ গোল। আর ভারতীয় স্ট্রাইকারদের মধ্যে সবথেকে বেশি গোল করেছিলেন মনবীর সিং। ২১ ম্যাচে তাঁর গোল ছিল ৫টি। এবছর মনবীর তেমন জ্বলে উঠেতে না পারলেও তাঁর জায়গা নিয়েছেন লিস্টন কোলাসো। গত মরশুমে ১৯ ম্যাচে ২ গোল করেছিলেন লিস্টন কোলাসো। আর তাঁর পাস থেকে এসেছিল ৩ গোল।অন্য দলগুলিতে যেখানে বিদেশি স্ট্রাইকারদের দাপট, সেখানে এটিকে মোহনবাগানে স্বদেশি স্ট্রাইকারদের জয়জয়কার। হুগো বোমাস, রয় কৃষ্ণা, ডেভিড উইলিয়ামসদের মতো তারকা বিদেশি স্ট্রাইকারদের ভিড়ে নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরেছেন লিস্টন কোলাসো। পরিবর্ত হিসেবে ৩ ম্যাচে মাঠে নেমে একটা হ্যাটট্রিকও করে ফেলেছেন কিয়ান নাসিরি। ১৫ ম্যাচে হায়দরাবাদ এফসি করেছে ৩৪ গোল। ১৩ ম্যাচ খেলে ১৪ গোল করেছেন আইএসএলের সেরা স্ট্রাইকার বার্থোসলোমেউ ওগবেচে। আপাতত তিনিই চলতি আইএসএলের সর্বোচ্চ গোলদাতা। ৪টি গোল করেছেন টোরো। ৩টি গোল করেছেন জোয়াও ব্রুনো। ২টি করে গোল করেছেন এডুয়ার্ডো গার্সিয়া ও জোয়েল যোশেফ।অন্যদিকে বেঙ্গালুরু এফসি ১৫ ম্যাচে করেছে ২৭ গোল। এর মধ্যে স্বদেশি ফুটবলারদের গোল সংখ্যা ২০। ওডিশা এফসি, মুম্বই সিটি এফসি, জামশেদপুর এফসি, কেরালা ব্লাস্টার্স, এফসি গোয়া, এসসি ইস্টবেঙ্গল, চেন্নাইন এফসির দলগুলির অধিকাংশ গোলই এসেছে বিদেশি ফুটবলারদের পা থেকে। ব্যতিক্রম নর্থইস্ট ইউনাইটেডের। এটিকে মোহনবাগানের মতো তাদেরও অধিকাংশ গোলের মালিক স্বদেশি ফুটবলাররা।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : সীমাবদ্ধতা নিয়েও দুর্দান্ত লড়াই এসসি ইস্টবেঙ্গলের

যদি একজন ভাল মানের স্ট্রাইকার থাকতেন। কিংবা আন্তোনীয় পেরোসেভিচকে নির্বাসনের যদি নির্বাসনের কবলে পড়তে না হত। নিশ্চিতভাবেই মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে ৩ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ত এসসি ইস্টবেঙ্গল। সীমাবদ্ধতা নিয়েও দুর্দান্ত লড়াই রেনেডি সিংয়ের দলের। গতবারের চ্যাম্পিয়ন শক্তিশালী মুম্বই সিটি এফসিকে আটকে দিল লালহলুদ ব্রিগেড। ম্যাচের ফল গোলশূন্য।আরও পড়ুনঃ ম্যাকহিউ, বোমাস কেন চিন্তা বাড়িয়েছে জুয়ান ফেরান্দোর?মানোলো দিয়াজ চলে যাওয়ার পর ফুটবলারদের শরীরী ভাষাই বদলে গেছে। নিজেদের দক্ষতার শীর্ষে উঠে লড়াই আদিল, হাওকিপ, অঙ্কিত মুখার্জিদের। গতবারের চ্যাম্পিয়ন মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে এদিন এক বিদেশিকে প্রথম একাদশে রেখে দল সাজিয়েছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ রেনেডি সিং। ইগর অ্যাঙ্গুলো, মোর্তাদা ফল, আহমেদ জাহুদের বিরুদ্ধে দারুণ লড়াই করলেন হাওকিপ, আদিল খান, হীরা মণ্ডলরা।আরও পড়ুনঃ অড-ইভেন পদ্ধতিতে বর্ধমান শহরের বাজার বন্ধ থাকবে, ঘোষনা মাইক্রো কনটেইনমেন্টজোন জোনেরএদিন ম্যাচের শুরু থেকেই এসসি ইস্টবেঙ্গল প্রেসিং ফুটবলের ওপর জোর দিয়েছিল। প্রতিটা বলের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ছিলেন হাওকিপ, আদিল খান, সৌরভ দাসরা। শুরুর দিকে এসসি ইস্টবেঙ্গলের আধিপত্য বেশি ছিল। তার মাঝেই ৯ মিনিটে ডানদিক থেকে ভেসে আসা বল ইগর অ্যাঙ্গুলোর হেড সরাসরি অরিন্দম ভট্টাচার্যর হাতে চলে যায়। পরের মিনিটেই হীরা মণ্ডলের থ্রো চিমার ব্যাকহেড গোলে ঢোকার মুখে বাঁচান মুম্বই সিটি এফসি গোলকিপার। ১৩ মিনিটে আবার সেই হীরা মণ্ডলের থ্রো ইন বক্সে জটলার মধ্যে সুবিধা জায়গায় পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন চিমা। ১৯ মিনিটে চোটের জন্য বেরিয়ে যেতে হয় জয়নার লরেন্সোকে। তাঁর পরিবর্তে নামেন অঙ্কিত মুখার্জি। রক্ষণকে দারুণ নির্ভরতা দিলেন অঙ্কিত। প্রথমার্ধে ইগর অ্যাঙ্গুলোদের বিন্দুমাত্র জ্বলে উঠতে দেননি।আরও পড়ুনঃ সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে আজই ভার্চুয়াল বৈঠকে করতে পারেন মোদিদ্বিতীয়ার্ধেও ছবিটা বদলায়নি। শক্তিশালী মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে সমানে সমানে লড়ে গেলেন হাওকিপরা। ইস্টবেঙ্গল মাঝমাঠকে দুর্দান্ত নেতৃত্ব দিলেন সৌরভ দাস। ম্যাচের সেরাও তিনি। বিদেশিদের ভিড়ে একজন বাঙালী ফুটবলার ম্যাচের সেরা হচ্ছেন, এটাই এসসি ইস্টবেঙ্গলের কাছে বড় প্রাপ্তি। দ্বিতীয়ার্ধে গোল করার মতো সুযোগ পেয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। ড্যানিয়েল চিমা সহজ সুযোগ নষ্ট না করলে এবারের আইএসএলে প্রথম জয় তুলে ননিতে পারত লালহলুদ শিবির।

জানুয়ারি ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : ‌মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে কেন রেনেডির ভরসা স্বদেশি ব্রিগেড?‌

ভাল খেলেও জয় অধরা। এসসি ইস্টবেঙ্গল সম্পর্কে এই কথাটা বলা যেতেই পারে। হায়দরাবাদ এফসি ও বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে আগের দুটি ম্যাচে তুলনামূলকভাবে ভাল ফুটবল উপহার দিয়েছিল। তবুও জয় আসেনি। শুক্রবার সামনে আইএসএলের অন্যতম সেরা দল গতবারের চ্যাম্পিয়ন মুম্বই সিটি এফসি। তাদের বিরুদ্ধে মরশুমের প্রথম জয় কি তুলে নিতে পারবে এসসি ইস্টবেঙ্গল? লালহলুদের অন্তর্বর্তীকালীন কোচ রেনেডি সিংকে আত্মবিশ্বাসী মনে হলেও কাজটা যথেষ্ট কঠিন।আরও পড়ুনঃ রাজ্যজুড়ে শীতের আমেজ কমিয়ে বাড়ছে তাপমাত্রাচোটআঘাত, নির্বাসন সমস্যায় এই মুহূর্তে জর্জরিত লালহলুদ শিবির। নির্বাসিত থাকায় মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধেও আন্তোনীয় পেরোসেভিচকে পাবেন না রেনেডি। আগের ম্যাচে দুই বিদেশিকে নিয়ে প্রথম একাদশ সাজিয়েছিলেন। চোটের জন্য টমিস্লাভ মার্সেলোকে পরের দিকে বেরিয়ে যেতে হয়। মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে তাঁকেও পাবেন না। হাতে রইল এক বিদেশি ড্যানিয়েল চিমা। অর্থাৎ শক্তিশালী মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে এক বিদেশি নিয়ে মাঠে নামতে হবে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। স্বদেশি ব্রিগেডের ওপরই ভরসা করতে হবে রেনেডি সিংকে।আরও পড়ুনঃ সুরাতে গ্যাস লিক করে মর্মান্তিক মৃত্যু ৬ কারখানা শ্রমিকেরআগের দুটি ম্যাচের পারফরমেন্স আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে লালহলুদ কোচকে। মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে রেনেডি সিং বলেন, আগের ম্যাচে গোটা দল যেভাবে খেলেছে তাতে আমি খুশি। তবে আমাদের আরও আত্মবিশ্বাসী হতে হবে। মুম্বই সিটি এফসিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিলেও লড়াই করার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী রেনেডি। তিনি বলেন, মুম্বইয়ের আক্রমণভাগ এই আইএসএলে অন্যতম সেরা। গত কয়েকটা মরশুম ধরে দুর্দান্ত খেলছে। এই ম্যাচে ওদের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে হবে। আমরা যদি দল হিসেবে খেলতে পারি, তাহলে মুম্বই সমস্যায় পড়বে। আশা করছি ভাল ম্যাচ হবে। দুএকজন ছাড়া বিদেশি ফুটবলারকে এই ম্যাচে পাব না। স্বদেশি ফুটবলারদের ওপরই ভরসা করছি। তবে একটা কথা মানতেই হবে, দুএকজন বিদেশি নিয়ে বিপক্ষ দলের চার সেরা বিদেশি খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে লড়াই করা কঠিন।আরও পড়ুনঃ রক্ষণ সামলাতে পুরনো ডিফেন্ডারকে ফেরাল এটিকে মোহনবাগানমুম্বই সিটি এফসিতে রয়েছেন ইগর অ্যাঙ্গুলো, মোর্তাদা ফল, জাহুর মতো বিদেশি। স্বদেশি ফুটবলাররাও যথেষ্ট ভাল। বিপক্ষ ফুটবলারদের নিয়ে বেশি না ভেবে নিজেদের খেলার ওপর বেশি ফোকাস করছে লালহলুদ শিবির। কোচ রেনেডি সিংয়ের বিশ্বাস, তাঁর দলের ফুটবলাররা নিজেদের খেলা খেলতে পারলে মুম্বইয়ের কাজ কঠিন হয়ে যাবে।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

A‌fganistan Footballer: বিমান থেকে পড়ে মৃত্যু আফগানিস্তানের জাতীয় দলের ফুটবলারের

দেশ ছাড়তে চেয়েছিলেন। বাঁচার মরিয়া প্রচেষ্টা বিফলে গেল। এক নিমেষে শেষ তরতাজা প্রান। স্বপ্নের উড়ান থেমে গেল তালিবান আতঙ্কে। বিমানের চাকায় পিষ্ট হয়ে মারা গেলেন আফগানিস্তানের তরুণ ফুটবলার জাকি আনওয়ারি।তালিবানরা কাবুলের দখল নেওয়ার পর গত সোমবার থেকে দেশ ছাড়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন আফগানরা। কাবুলের বিমানবন্দর থেকে উড়ছে বিমান। বিমানের চাকাসহ বিভিন্ন জায়গা আঁকড়ে ধরে বাঁচার চেষ্টায় বহু মানুষ। যারা সৌভাগ্যক্রমে ঠেলাঠেলি করে বিমানে উঠতে পেরেছেন তাঁরা বেঁচে গেছেন। কিন্তু বহু হতভাগ্য বিমানের ডানা, চাকাসহ নানা জায়গায় মরিয়া হয়ে উঠে পড়েছিলেন। বিমান থেকে পড়ে মৃত্যু হচ্ছে দুই হতভাগ্যের। তাঁদেরই একজন ছিলেন আফগানিস্তানের জাতীয় দলের ফুটবলার জাকি আনওয়ারি।আরও পড়ুনঃ সিএবির আপত্তিতে পিছিয়ে গেল রনজি ট্রফিমার্কিন বিমানবাহিনীর বোয়িং সি১৭ বিমান থেকে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন জাকি। আফগানিস্তানের দখল তালিবানরা নেওয়ার পর জাকিও অনেক দেশবাসীর মতোই পালিয়ে কাবুলে হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছিলেন। মরিয়া হয়ে প্রাণ বাঁচাতে মৃত্যুভয় তুচ্ছ করে কোনওভাবে উঠেছিলেন বিমানের বাইরের কোনও অংশে। ওই বিমানটির চাকা ধরে কেউ কেউ বসেছিলেন। কেউ বসেছিলেন উড়ানের ডানার ওপর। প্রাণে বাঁচতে এতটাই মরিয়া হয়ে দেশ ছাড়তে উদ্যত হয়েছিলেন। তাঁদেরই একজন ছিলেন জাকি। বিমানের চাকায় তাঁর দেহাংশ পাওয়া গেছে।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশওই বিমানের ভিতরে উঠতে পেরেছিলেন ৬৪০ জন। বিমানে যা যাত্রী ধরে তার চেয়ে পাঁচগুণ বেশি। যদিও আফগানিস্তানের জাতীয় যুব দলের ফুটবলার ১৯ বছরের জাকির বিমানের ভিতরে প্রবেশের সৌভাগ্য হয়নি। তাই বিমান থেকে পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হল তাঁর। একের পর এক ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত হচ্ছে। একটিতে দেখা গিয়েছে বহু মানুষ বিমানবন্দরের গেট ও ঘেরা অংশের বাইরে দাঁড়িয়ে বিমানবন্দরে প্রবেশের জন্য আকুতি করছেন। আর্তনাদ করে তাঁরা বলছেন, তালিবানরা আসছে। আমাদের বাঁচান।আরও পড়ুনঃ টাকা চুরি করে নয়, চটি পড়ে দেশ ছেড়েছি, মুখ খুললেন আসরাফমার্কিন বিমানবাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, যে মিলিটারি কার্গো বিমানটির ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে, সেটি কাতার বিমানবন্দরে পৌঁছয় যাত্রীদের নিয়ে। ওই বিমান থেকে পড়ে কত সংখ্যক মানুষ প্রাণ হারিয়ছেন এবং তাঁদের পরিচয় সম্পর্কে এখনও পুরোপুরিভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে বিমানের চাকাতে অনেকের দেহাংশ মিলেছে বলে ডিপার্টমেন্ট অব দ্য এয়ার ফোর্স অব স্পেশ্যাল ইনভেস্টিগেশনসের তরফে জানানো হয়েছে। বিমানটি কাবুল বিমানবন্দরে পৌঁছেছিল আফগান ও মার্কিনদের দ্রুত আফগানিস্তান থেকে সরানোর জন্য। কিন্তু সেই সরঞ্জামগুলি নামানোর আগেই কয়েক হাজার মানুষ বিমানটিকে ঘিরে ফেলেন। এরপরই অবস্থার অবনতি লক্ষ্য করে দ্রুত বিমানটি ছেড়ে দেওয়ার ব্যবস্থা হয়। পরিস্থিতি এতটাই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল যে দূতাবাসের আধিকারিকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে মার্কিন বাহিনীকে গুলি চালাতে হয়, যাতে জনা পাঁচেক মানুষ প্রাণ হারান।

আগস্ট ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

প্রয়াত দিয়েগো মারাদোনা, শোকার্ত ফুটবল বিশ্ব

প্রয়াত ফুটবলের রাজপুত্র দিয়েগো মারাদোনা। জানা যায়, বুধবার নিজের বাড়িতে থাকাকালীনই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬০। অজস্র ম্যাচে তাঁর অবিস্মরণীয় পারফরম্যান্স সকলে মনে রাখবে। প্রথমেই যে ম্যাচের কথা না বললেই নয়, ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ। সেখানে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হয়েছিল পশ্চিম জার্মানি। আর্জেন্টিনা সেই ম্যাচে ৩-২ গোলে জয়লাভ করে। সেই ম্যাচে মারাদোনার অবিস্মরণীয় পারফরম্যান্স সকলেই মনে রাখবে। আরও পড়ুন ঃ ফুটবলার হওয়ার লক্ষ্যে পথচলা শুরু বাইচুংয়ের ছেলে ইউজেনের এছাড়াও ১৯৮৭ সালে নাপোলি স্কুপ সিরিজ এ কোপা ইটালিয়া ডবলসের ফাইনালে তার অনবদ্য পারফরম্যান্স সকলের মন জয় করে নিয়েছে। এছাড়াও ১৯৮৮-৮৯ ইউয়েফা কাপ কোয়ার্টার ফাইনালে নাপোলি ৩-০ গোলে জুভেন্টাসকে পরাজিত করে। সেই ম্যাচেও মারাদোনার পারফরম্যান্স মনে রাখার মতো। ১৯৮৮-৮৯ এ ইউয়েফা কাপ সেমিফাইনালে তাঁর পারফরম্যান্স প্রশংসার দাবি রাখে। ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে ১-০ গোলে পরাজিত করে আর্জেন্টিনা। সেই ম্যাচে অসাধারণ খেলেছিলেন মারাদোনা। এছাড়াও ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে আর্জেন্টিনা ৪-০ গোলে গ্রিসকে পরাজিত করে। সেই ম্যাচেও মারাদোনার পারফরম্যান্স অনবদ্য। প্রয়াত হলেও মারাদোনার এই পারফরম্যান্স সকলে মনে রাখবে।

নভেম্বর ২৬, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

‘আগুনে পুড়েও আরও শক্তিশালী হয়েছি’! আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি শেখ হাসিনার

বাংলাদেশে ক্ষমতা হারানোর পর দেশ ছেড়ে যেতে হয়েছে শেখ হাসিনাকে। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগের তদন্ত চলছে। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে এত কিছুর পরেও দলকে শেষ হয়ে গেছে বলে মানতে নারাজ বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেছেন, আওয়ামী লীগকে কোনও নিষেধাজ্ঞা বা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত দিয়ে মানুষের মন থেকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়।শেখ হাসিনার কথায়, আওয়ামী লীগ কোনও কাগজে লেখা সংগঠনের নাম নয়। এটি বাংলাদেশের ইতিহাস, মানুষের আবেগ এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা একটি শক্তি। গত সাতাত্তর বছরের ইতিহাসে বহুবার হামলা, নিষেধাজ্ঞা এবং দমন-পীড়নের মুখে পড়েও দল বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। তাঁর দাবি, এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না।তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ কোনও সরকারের সদিচ্ছা বা বিরোধীদের ব্যর্থতার ওপর নির্ভর করে না। মানুষের সমর্থনই দলের সবচেয়ে বড় শক্তি। সেই সমর্থনের জোরেই অতীতে সরকারে থেকে উন্নয়নের কাজ করা সম্ভব হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে সরানো হয়েছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের হৃদয় থেকে দলকে সরানো যায়নি।বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও সরব হয়েছেন শেখ হাসিনা। তাঁর অভিযোগ, বর্তমান শাসনব্যবস্থায় গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং মানুষের নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে পড়েছে। অর্থনীতি দুর্বল হয়েছে, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনা বেড়েছে এবং উগ্রপন্থার বিস্তার ঘটছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে নিপীড়ন চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, দেশের মানুষ অতীত ও বর্তমানের তুলনা করতে পারছেন। তাঁদের উপলব্ধি হচ্ছে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন দেশে স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছিল। সেই কারণেই ভবিষ্যতেও জনগণের সমর্থন নিয়ে দল আবার ঘুরে দাঁড়াবে বলে তাঁর বিশ্বাস।দলের সাংগঠনিক শক্তির প্রসঙ্গ তুলে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি এলাকা এবং মানুষের সঙ্গে আওয়ামী লীগের দীর্ঘ সম্পর্ক রয়েছে। স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে এই দলের ভূমিকা রয়েছে। সেই ঐতিহ্যই আগামী দিনের লড়াইয়ের মূল শক্তি হবে বলে তিনি মনে করেন।তিনি আরও বলেন, যত বেশি দমন-পীড়ন হবে, আওয়ামী লীগ ততই শক্তিশালী হবে। আগুনে যেমন সোনা আরও বিশুদ্ধ হয়, তেমনই প্রতিকূল পরিস্থিতি দলকে আরও দৃঢ় করে তুলছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, প্রতিটি গ্রাম, মহল্লা, ওয়ার্ড এবং ইউনিয়নে মানুষের পাশে থাকতে হবে। সংখ্যালঘু, নারী, শিশু, শ্রমজীবী এবং প্রান্তিক মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তার প্রশ্নে আপস না করারও বার্তা দেন তিনি।শেষে শেখ হাসিনা স্পষ্ট করে বলেন, আওয়ামী লীগের পুনরুত্থান কোনও সরকারের দয়া বা অনুমতির ওপর নির্ভর করে না। জনগণের সমর্থনই দলের আসল শক্তি। নিষেধাজ্ঞা, মামলা কিংবা রাজনৈতিক বাধা যতই আসুক, মানুষের বিশ্বাস থাকলে আওয়ামী লীগ আবারও বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে ফিরে আসবে বলেই তাঁর দাবি।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

কল্যাণকে সরাসরি আক্রমণ রচনার! মহুয়াকেও ছাড়লেন না, বিস্ফোরক মন্তব্যে তোলপাড় রাজনীতি

দলবদলের পর থেকেই রাজনৈতিক আক্রমণের মুখে পড়েছেন সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে তিনি সরাসরি নিশানা করলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মহুয়া মৈত্রকে। এক সাক্ষাৎকারে তাঁদের আচরণ এবং ভাষা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। সেই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, একজন শিক্ষিত জনপ্রতিনিধির ভাষা এবং আচরণ সাধারণ মানুষের কাছে উদাহরণ হওয়া উচিত। তাঁর অভিযোগ, সংসদের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় যে ধরনের ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, তা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই প্রসঙ্গ টেনে তিনি মহুয়া মৈত্রকেও কটাক্ষ করেন এবং অতীতের কিছু বিতর্কের উল্লেখ করেন।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ করে রচনা বলেন, একজন প্রবীণ সাংসদের কাছ থেকে এমন ভাষা আশা করা যায় না। তাঁর দাবি, সংসদের ভিতরে যে ধরনের মন্তব্য করা হয়েছে, তা রাজনৈতিক শালীনতার সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে। সেই আচরণে দলের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।রচনা আরও বলেন, একসময় যাঁরা একে অপরের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে তীব্র আক্রমণ করতেন, এখন তাঁদের একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে। এই পরিবর্তন নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, যারা অতীতে একে অপরের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ করেছিলেন, তাঁদের বর্তমান অবস্থান সাধারণ মানুষের মনে নানা প্রশ্ন তৈরি করছে।উল্লেখ্য, এক সময় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মহুয়া মৈত্রর মধ্যে প্রকাশ্য রাজনৈতিক সংঘাত নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। একে অপরের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ এবং আইনি পদক্ষেপের ঘটনাও সামনে এসেছিল। বর্তমানে তাঁদের সম্পর্কের পরিবর্তিত সমীকরণ নিয়েই নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

আচমকা বড় সিদ্ধান্ত! ইসকন থেকে সরিয়ে দেওয়া হল রাধারমণ দাসকে, নিজেই জানালেন নেপথ্যের কারণ

কলকাতা ইসকনের সহ সভাপতির পদ থেকে আচমকাই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে রাধারমণ দাসকে। শনিবার রাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়। এরপর সমাজমাধ্যমে একটি দীর্ঘ বার্তায় তিনি জানান, কোন কোন ঘটনার জেরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকতে পারে বলে তাঁর ধারণা।রাধারমণ দাস জানান, তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তকে সম্মান করছেন। তবে নিজের বক্তব্যে তিনি কয়েকটি সম্ভাব্য কারণ তুলে ধরেছেন। তাঁর দাবি, গোরক্ষা সংক্রান্ত একটি বিতর্কে মানেকা গান্ধীর মন্তব্যের বিরুদ্ধে তিনি আইনি পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। সেই ঘটনাকে তিনি অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর হামলার অভিযোগ নিয়ে প্রকাশ্যে সরব হওয়াও এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে থাকতে পারে বলে তাঁর ধারণা।সমাজমাধ্যমে করা নিজের পোস্টে তিনি আরও কয়েকটি বিষয়ের উল্লেখ করেছেন। একটি বিতর্কিত মন্তব্যের বিরোধিতা, কট্টরপন্থী সনাতনী গোষ্ঠী নিয়ে প্রকাশ্য অবস্থান এবং বিভিন্ন সাম্প্রতিক মন্তব্যও তাঁর মতে বিতর্কের কারণ হয়ে উঠতে পারে। এছাড়া একটি সাক্ষাৎকার দেওয়াকেও ইসকনের নীতির পরিপন্থী আচরণ হিসেবে দেখা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন।রাধারমণ দাস আরও জানান, এখন থেকে তিনি আর ইসকনের প্রতিনিধি হিসেবে সংবাদমাধ্যমে কোনও মন্তব্য করবেন না। কারণ বর্তমানে তাঁর সঙ্গে সংগঠনের কোনও প্রশাসনিক সম্পর্ক নেই। তবে পদ হারালেও ইসকনের উন্নতি, অগ্রগতি এবং সাফল্য কামনা করেছেন তিনি।এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই নানা মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও ইসকনের তরফে এই সিদ্ধান্তের বিস্তারিত কারণ প্রকাশ্যে জানানো হয়নি। ফলে রাধারমণ দাসের বক্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

জুন ২৮, ২০২৬
দেশ

হেফাজতে থেকেও মদ চাই! সিয়া গোয়েলকে নিয়ে পুলিশের দাবি ঘিরে তুমুল শোরগোল

পুণের লোহাগড় দুর্গে হবু স্বামী কেতন আগরওয়ালকে খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার সিয়া গোয়েলকে ঘিরে তদন্তে একের পর এক নতুন তথ্য সামনে আসছে। পুলিশ সূত্রের দাবি, হেফাজতে থাকাকালীনও বারবার মদ্যপানের অনুমতি চেয়েছেন সিয়া। একই সময়ে তাঁর প্রেমিক চেতন চৌধুরীর সঙ্গে একটি পুরনো ভিডিওও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।তদন্তকারী সূত্রের দাবি, দ্বাদশ শ্রেণিতে অকৃতকার্য হওয়ার পর থেকেই সিয়া মদ্যপানে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। পাশাপাশি তাঁর একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক ছিল বলেও তদন্তে উঠে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের সময়ও তিনি একাধিকবার মদ্যপানের ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন বলে তদন্তকারী মহলের দাবি।এদিকে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ক্রিকেট ম্যাচ চলাকালীন গ্যালারিতে পাশাপাশি বসে রয়েছেন সিয়া এবং চেতন। ভিডিওতে তাঁদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তও ধরা পড়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, সিয়ার দাদা সাহিলের মাধ্যমে চেতনের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়েছিল। পরে সেই পরিচয়ই প্রেমের সম্পর্কে বদলে যায়।এই হত্যাকাণ্ডে ইতিমধ্যেই সিয়া গোয়েল এবং চেতন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্তে জানা গিয়েছে, আগামী নভেম্বরে কেতন আগরওয়ালের সঙ্গে সিয়ার বিয়ের কথা ছিল। প্রথমে রাজি থাকলেও পরে বিয়ে করতে চাননি সিয়া। কিন্তু পারিবারিক চাপে সেই সিদ্ধান্ত জানাতে না পেরে শেষ পর্যন্ত খুনের পরিকল্পনা করেন বলে পুলিশের দাবি।রবিবার তদন্তকারীরা সিয়াকে নিয়ে ঘটনাস্থল লোহাগড় দুর্গে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করেন। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তাঁর বাবা-মাকেও। তদন্তে তাঁরা সহযোগিতা করেছেন বলেই জানা গিয়েছে। এদিকে তদন্তে আরও নানা দাবি সামনে এসেছে। কখনও উঠে এসেছে বিয়ে নিয়ে চাপের অভিযোগ, আবার কখনও প্রেমিকের প্ররোচনার প্রসঙ্গ। প্রথমদিকে একে অপরের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করলেও পরে দুজনেই নিজেদের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ সূত্রের দাবি। এই বহুল আলোচিত মামলার বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য দ্রুত বিচার আদালতে শুনানির প্রস্তুতি চলছে।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

অনুমতি মেলেনি, তবু শুরু মাপজোক! একুশে জুলাই ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে নতুন সংঘাত

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। সভার সরকারি অনুমতি এখনও মেলেনি। তার আগেই ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে পৌঁছে মাপজোক শুরু করলেন কুণাল ঘোষ এবং তাঁর অনুগামীরা। ছুটির সকালের এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কুণাল ঘোষের সঙ্গে দলের আরও কয়েকজন নেতা এবং সাজসজ্জার কাজে যুক্ত কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা ফিতে দিয়ে সভাস্থলের বিভিন্ন অংশ মাপতে শুরু করেন। সাধারণত প্রশাসনিক অনুমতি পাওয়ার পরই এই ধরনের প্রস্তুতি শুরু হয়। কিন্তু এবার অনুমতির আগেই এই পদক্ষেপ নেওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, একই জায়গায় একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি করার জন্য দলের অন্য শিবিরও প্রস্তুতি নিচ্ছে। তারাও ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভার অনুমতি চেয়ে আবেদন করার উদ্যোগ নিয়েছে। ফলে একই স্থানকে ঘিরে দুই পক্ষের মধ্যে টানাপোড়েন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, একুশে জুলাই শহিদদের স্মরণে দীর্ঘদিন ধরে এই কর্মসূচি হয়ে আসছে। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই তাঁরা নিয়ম মেনে আবেদন করেছেন এবং অনুমতি পাবেন বলেই আশাবাদী।অন্যদিকে দলের অন্য নেতারাও জানিয়েছেন, অনুমতি যেখানে মিলবে, সেখানেই একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি পালন করা হবে। এদিকে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, একই কর্মসূচি ঘিরে একাধিক দাবিদারের উপস্থিতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এখন প্রশাসন শেষ পর্যন্ত কাকে অনুমতি দেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে সকলের।

জুন ২৮, ২০২৬
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বড় সাফল্য! বিজেপি কর্মী খুনে গ্রেপ্তার আরও এক অভিযুক্ত

বাগনানে বিজেপি কর্মী প্রশান্ত দে খুনের ঘটনায় আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল তদন্তকারী দল। মুখ্যমন্ত্রীর কড়া নির্দেশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই পদক্ষেপ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। হাওড়া জেলা পুলিশ এবং অপরাধ তদন্ত বিভাগের যৌথ অভিযানে শ্যামপুর এলাকা থেকে শেখ সৈফুদ্দিন নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই খুনের ঘটনায় মোট একান্ন জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। এর আগে দশ জনকে গ্রেপ্তার করা হলেও আরও বহু অভিযুক্ত এখনও পলাতক। সদ্য গ্রেপ্তার হওয়া শেখ সৈফুদ্দিনের নাম অভিযোগপত্রে ছিল। তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, বাকি অভিযুক্তদের খোঁজেও তল্লাশি চলছে।শনিবার নিহত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি জানান, খুনের ঘটনায় কাউকে ছাড়া হবে না। প্রয়োজন হলে লুকিয়ে থাকা অভিযুক্তদেরও খুঁজে বের করে গ্রেপ্তার করতে হবে। পুলিশ প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেন তিনি।গত সতেরো জুন রাতে বাগনানের বাঁটুল গ্রামের বাসিন্দা এবং বিজেপির বুথ স্তরের এক পদাধিকারী প্রশান্ত দে খুন হন। বিজেপির অভিযোগ, একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়। লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পরে পরিবারের দাবি, ফোনে তাঁদের জানানো হয়েছিল যে প্রশান্তকে খুন করা হয়েছে এবং কেউ সেখানে গেলে তাকেও ছাড়া হবে না।এই ঘটনায় স্থানীয় এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। তবে তিনি এখনও অধরা বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সমস্ত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের পর দ্রুত অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হবে এবং আদালতে কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হবে। তাঁর বক্তব্য, দোষীদের এমন শাস্তি হওয়া উচিত যাতে ভবিষ্যতে কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সাহস না পায়।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

রাতারাতি বদলে গেল পার্ক সার্কাস স্টেশন! একের পর এক দোকান গুঁড়িয়ে বড় অভিযান

সোমবার গভীর রাতে পার্ক সার্কাস রেল স্টেশনে বড় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হল। দীর্ঘদিন ধরে স্টেশন চত্বর এবং রেলের জমি দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকান ও অস্থায়ী কাঠামো ভেঙে সরিয়ে দেওয়া হয়। অভিযান ঘিরে গোটা এলাকায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। বিপুল সংখ্যক পুলিশ, রেল পুলিশ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন ছিলেন যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।জানা গিয়েছে, চলতি মাসের শুরুতেই স্টেশন চত্বরে থাকা ব্যবসায়ী ও হকারদের জায়গা খালি করার জন্য নোটিস দেওয়া হয়েছিল। সোমবার রাত সাড়ে দশটার পর নিরাপত্তা বাহিনী পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে। এরপর রেলের পক্ষ থেকে বারবার মাইকিং করে দোকানপাট সরিয়ে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়। কিছুটা সময়ও দেওয়া হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যেও অধিকাংশ দোকান সরানো না হওয়ায় বুলডোজার নামানো হয়। একের পর এক দোকান, গুমটি এবং অবৈধ কাঠামো ভেঙে ফেলা হয়।পার্ক সার্কাস স্টেশন দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধ দোকান ও দখলের সমস্যায় ভুগছিল বলে অভিযোগ। যাত্রীদের চলাচলেও বারবার অসুবিধা তৈরি হতো। সেই পরিস্থিতি বদলাতেই এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অভিযান চলাকালীন স্টেশনের ভিতরে ও বাইরে কড়া নজরদারি ছিল। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে চলে এই উচ্ছেদ অভিযান।এর আগে হাওড়া, শিয়ালদহ, দমদম, হাবরা এবং যাদবপুর-সহ রাজ্যের একাধিক রেল স্টেশন এলাকায় একই ধরনের উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। রেলের জমি দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে এই অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলছে বলে জানা গিয়েছে।তবে এই অভিযান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বহু দোকানদার। তাঁদের অভিযোগ, পুনর্বাসনের কোনও ব্যবস্থা না করেই জীবিকা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। ফলে উচ্ছেদ অভিযানের পাশাপাশি পুনর্বাসনের দাবিও জোরালো হচ্ছে।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

আর মাত্র ৭ দিন! কলকাতার দুই বড় সেতুর নিচে যা হতে চলেছে, জানতেই চমকে উঠবেন

কলকাতায় অবৈধ দখল উচ্ছেদে আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে পুরসভা। এবার নজরে এসেছে শিয়ালদহের বিদ্যাপতি সেতু এবং সুকান্ত সেতুর নিচের বেআইনি দখল। শনিবার কলকাতা পুরসভার পক্ষ থেকে এই দুই জায়গায় নোটিস টাঙিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সাত দিনের মধ্যে সমস্ত বেআইনি দোকান ও দখল সরিয়ে ফেলতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্দেশ না মানলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।পুরসভার নোটিসে জানানো হয়েছে, যাদবপুর ও সন্তোষপুরের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সংযোগকারী সুকান্ত সেতুর নিচে দীর্ঘদিন ধরে বাজার ও হকারদের দোকান বসে আসছে। একইভাবে শিয়ালদহের বিদ্যাপতি সেতুর নিচেও বহু দোকান ও বড় বাজার গড়ে উঠেছে। অভিযোগ, এই সবই অনুমতি ছাড়া দখল করে তৈরি হয়েছে। তাই এবার ওই সমস্ত জায়গা খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এর আগে তপসিয়া, কসবা, পার্ক সার্কাস-সহ শহরের একাধিক এলাকায় বেআইনি নির্মাণ ভাঙার অভিযান চালানো হয়েছে। পাশাপাশি হাওড়া, শিয়ালদহ, দমদম-সহ বিভিন্ন রেল স্টেশনের আশপাশের অবৈধ দোকানও উচ্ছেদ করা হয়েছে। এবার সেই অভিযানের পরিধি আরও বাড়ানো হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে, গত সপ্তাহেই ঢাকুরিয়া থেকে যাদবপুর স্টেশন সংলগ্ন বস্তি এলাকাও খালি করার নোটিস দিয়েছে পুরসভা। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে দখল করে গড়ে ওঠা ওই এলাকায় হাজার হাজার মানুষের বসবাস। শুধু অস্থায়ী ঘর নয়, বহু পাকা ও দোতলা বাড়িও তৈরি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুরসভা ইতিমধ্যেই সেই এলাকাও খালি করার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। ফলে শহরে অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযান আরও জোরদার হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

জুন ২৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal