• ২৪ মাঘ ১৪৩২, বৃহস্পতি ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

DA

দেশ

সাধারণতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে রাষ্ট্রপতির ভাষণ

সাধারণতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিলেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। সোমবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতির ভাষণে উঠে এল করোনা থেকে সীমান্ত সংঘাতের প্রসঙ্গ। সম্ভাষণে দেশবাসীকে সাধারণতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।এদিন দেশের করোনা যোদ্ধা ও সীমান্তে মোতায়েন জওয়ানদের শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি কোবিন্দ। তিনি বলেন, সিয়াচেন ও লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় মাইনাস ৫০ ডিগ্রি থেকে জয়সলমেরে ৫০ ডিগ্রি প্রচণ্ড উত্তাপেও দেশের সুরক্ষায় সদা সতর্ক রয়েছেন আমাদের যোদ্ধারা। খাদ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে আমাদের বিশাল দেশকে আত্মনির্ভর বানিয়েছেন চাষিরা। করোনা আবহেও নিজেদের কাজ করে গিয়েছেন তাঁরা। প্রত্যেক ভারতবাসী আজ তাঁদের স্যালুট জানাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, করোনা মোকাবিলায় চিকিৎসকদের সঙ্গে কাজ করেছেন আমাদের বিজ্ঞানীরা। এই মহামারিতে ভারতে মৃত্যুর হার উন্নত দেশগুলোর থেকে কম থাকার নেপথ্যে সমাজের সকল স্তরের মানুষের অবদান রয়েছে।এদিন রাষ্ট্রপতির ভাষণে জায়গা করে নিয়েছে ভারত-চিন সংঘাত। সরাসরি চিনের নাম না করলেও গালওয়ান ও লাদাখের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেছেন, দেশের সার্বভৌমত্বের সঙ্গে কোনওভাবেই আপস করবে না দেশ। দেশের সেনবাহীনবীর সর্বাধিনায়ক হওয়ার সুবাদে এদিন দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেন রাষ্ট্রপতি। কিন্তু আগ্রাসনের জবাব দেওয়ার জন্য স্থলসেনা, নৌসেনা ও বায়ুসেনা সবসময় প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।

জানুয়ারি ২৫, ২০২১
রাজ্য

দলের 'একনিষ্ঠ' হয়েও ফের আক্রমণাত্মক রাজীব

আমি দলের বিধায়ক। দলের একনিষ্ঠ কর্মী। শনিবার হাওড়ায় এক অনুষ্ঠানে এসে এভাবেই নিজের প্রতিক্রিয়া জানালেন ডোমজুড়ের বিধায়ক তথা রাজ্যের সদ্য প্রাক্তন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দোপাধ্যায়। শনিবার দুপুরে হাওড়ার পাকুড়িয়া এলাকায় তেঁতুলকুলি বিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে এসে এই মন্তব্য করেন রাজীব। তবে বৈশালী ডালমিয়াকে বহিষ্কার নিয়ে দলীয় নেতৃত্বের সমালেচনা করতেও ছাড়লেন না তিনি।বারেবারে বেসুরো রাজীবের বিজেপিতে যোগ নিয়ে গত কিছুদিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে চলছে জল্পনা। এদিনের মন্তব্যে কার্যত সেই জল্পনাতে জল ঢালার চেষ্টা করলেন রাজীব বন্দোপাধ্যায়। এমনই মনে করছেন জেলার রাজনৈতিক মহল। এর পাশাপাশি বালির বিধায়ক বৈশালী ডালমিয়ার বহিষ্কারের প্রসঙ্গে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বৈশালীর পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিলেন তিনি।রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ প্রসঙ্গে বালির বিধায়ক বৈশালী ডালমিয়া তাঁর হয়ে জোরালো সওয়াল করেন। হাওড়ার এক শীর্ষ নেতার জন্যই দলের এই দশা বলে তিনি মন্তব্য করেন। এরপরই বালির বিধায়ককে দল থেকে বহিষ্কার করে তৃণমূল নেতৃত্ব।এদিন বৈশালীর বহিষ্কার নিয়ে ফের মুখ খুলেছেন সদ্য প্রাক্তন বনমন্ত্রী। রাজীব বলেন, বৈশালী ডালমিয়ার থেকেও গুরুতর কথা দলের অনেকেই বলেছেন। কিন্তু তাঁদের বহিষ্কার তো দুরের কথা, তাঁদের কাছে কারণও জানতে চাওয়া হয়নি। এদিন নিজের বিধানসভা এলাকায় চাকুরী প্রার্থীদের বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন রাজীব বন্দোপাধ্যায়।

জানুয়ারি ২৪, ২০২১
কলকাতা

চলতি মাসে ৩ দিন ট্যাক্সি ধর্মঘট

চলতি মাসের ২৮, ২৯ এবং ৩০ শে জানুয়ারি ট্যাক্সি ধর্মঘটের ডাক দিল বেঙ্গল ট্যাক্সি অ্যাসোসিয়েশন বা বিটিএ। ভাড়াবৃদ্ধির দাবিতে ২, ৩ এবং ৪ ফেব্রুয়ারি ধর্মঘট ডেকেছিল তাঁরা। কিন্তু শুক্রবার সেই দিনক্ষণ বদলে বাস ধর্মঘটের দিনই ট্যাক্সি ধর্মঘট ডাকেন মালিকরা। ট্যাক্সি অ্যাসোসিয়েশন দাবি, প্রথম দুকিলোমিটারের ভাড়া ৩০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০ করতে হবে। তাছাড়া পরের প্রতি কিলোমিটারের ভাড়া ১৫ টাকা থেকে ২৫ টাকা করতে হবে। একই দাবিতে ফেব্রুয়ারি মাসের গোড়া থেকেই আন্দোলনে নামছে এআইটিইউসির ট্যাক্সি এবং ক্যাব সংগঠনও। জানা গিয়েছে, আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি এন্টালি থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিল করবে ট্যাক্সি ও ক্যাব সংগঠন এবং ৯ তারিখ থেকে পরিবহণ ভবন অভিযান করবে। এদিকে ধর্মঘটের সমর্থনে ইতিমধ্যেই বাস মালিকরা প্রচার শুরু করে দিয়েছেন। চলছে পোস্টারিং। তাঁদের দাবি, ভাড়া বৃদ্ধি না হলে ধর্মঘট তাঁরা করবেনই। ওই তিন দিন কোনও বাস রাস্তায় নামবে না। টানা ৭২ ঘণ্টা বাস-ট্যাক্সি ধর্মঘট হলে আগামী সপ্তাহে দুর্ভোগ অপেক্ষা করে আছে নিত্যযাত্রীদের জন্য।বিটিএ সভাপতি বিমল গুহ বলেন, আমাদের দাবিটা একই। তাই ভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে বাসের পাশাপাশি আমরাও ২৮, ২৯ এবং ৩০ জানুয়ারি ধর্মঘট ডাকলাম। এআইটিইউসি সমর্থিত ওয়েস্টবেঙ্গ ট্যাক্সি অপারেটরস কো-অর্ডিনেশন কমিটির আহ্বায়ক নওয়াল কিশোর শ্রীবাস্তব জানিয়েছেন, পরিবহণ ক্ষেত্রে সমস্যা নিয়ে এবং ট্যাক্সি ভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে যে চিঠি আমরা মুখ্যমন্ত্রীকে দিয়েছি, তা ২৫ হাজার প্রিন্ট করে রাজ্যে বিলি করা হবে।

জানুয়ারি ২২, ২০২১
রাজনীতি

বৈশালী ডালমিয়াকে বহিষ্কার, এরপর কার পালা

সকালে হাওড়ার এক বিধায়ক মন্ত্রীত্ব ছাড়লেন, বিকেলে আর এক বিধায়ককে দল থেকে ছেঁটে ফেলা হল। দলবিরোধী কাজের জন্য বালির দলীয় বিধায়ক বৈশালী ডালমিয়াকে বহিষ্কার করল তৃণমূল কংগ্রেসের শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটি। দীর্ঘদিন ধরেই দলের নানা সমস্যা নিয়ে কথা বলছিলেন বালির এই বিধায়ক। শেষমেশ তাঁর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিল তৃণমূল কংগ্রেস। এর আগে ক্রীড়া দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী হাওড়া উত্তরের বিধায়ক লক্ষ্মীরতন শুক্লা মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ করেন। তখন ও দলের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন।আজ, শুক্রবার মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেন হাওড়া ডোমজুড় এর আরেক বিধায়ক রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। সেক্ষেত্রেও রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ নিয়ে বালির বিধায়ক বৈশালী ডালমিয়া পরিষ্কার বলেন, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় চলে যাওয়া দলের ক্ষতি, সাধারণ মানুষের ক্ষতি। সে কাজের লোক। বৈশালী ডালমিয়া মাঝেমধ্যেই দলের পরিবেশ-পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। এসব নানা কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিল কংগ্রেসের শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটি।সমবায়মন্ত্রী তথা হাওড়ার তৃণমূল নেতা অরূপ রায় জানিয়ে দেন, দল একেবারে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৈশালী ডালমিয়া না থাকলেও দলের কোনও ক্ষতি হবে না। দলের কর্মীরাই দলের সম্পদ। তাছাড়া দলবিরোধী কোনও কাজ করলে তাঁকে বরখাস্ত করা উচিত এবং তিনি সে কাজ করেছেন বলেই অরূপবাবুর দাবি।বেশ কয়েক মাস ধরেই দেখা যাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের একাংশ প্রথমে দলের বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন। তারপর পদ্ম শিবিরের দিকে পা বাড়াচ্ছেন। এটা বাংলার রাজনীতি একটা ধারায় পরিণত হয়েছেতৃণমূল নেতৃত্ব সেভাবে কারও বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারেনি। এই পর্যায়ে প্রথম বৈশালী ডালমিয়ার বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিয়ে অন্যদের বার্তা দেওয়া হল। এর পরও কেউ যদি দল বিরোধী কাজ করেন সেক্ষেত্রেও বরদাস্ত করা হবে না। সম্প্রতি তৃণমূলের একাংশের মুখে কিছুতেই লাগাম টানা যাচ্ছে না। তাই এরপর কার পালা সেটাই এখন দেখার।

জানুয়ারি ২২, ২০২১
কলকাতা

রাজীব ঝরে যাওয়া বটপাতা, তুলনা তৃণমূল মহাসচিবের

বনমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানালেন তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এর সঙ্গে তুলনা টানলেন বটগাছের ঝরে যাওয়া পাতার সঙ্গে। শুক্রবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠকে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, যারা দলের মধ্যে নানা অভিযোগ করে কোনও ক্ষতি করতে পারছে না তাঁরাই দল থেকে চলে যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, তাঁর মন্তব্য, যেমন বট গাছের দু-একটা পাতা ঝরে গেলে বট গাছের কোন ক্ষতি হয় না, এই ঘটনা তেমনই একটা ব্যাপার। সমুদ্র থেকে দু ঘটি জল তুলে নিলেও সমুদ্র নিঃশেষ হয়ে যায় না। এদিন তৃণমূলে দলে যোগ দেন অভিনেতা সৌরভ দাস এবং ২০১৬-তে কালনার বিজেপি প্রার্থী নিউটন মজুমদার। সৌরভ দাস বেশ কিছু ওয়েব সিরিজে কাজ করেছেন। অন্যদিকে নিউটন মজুমদার দীর্ঘ কুড়ি বছর ধরে বিজেপি দলের সঙ্গে যুক্ত। তিনি বিভিন্ন সামাজিক কাজকর্মের সঙ্গে জড়িত বলে জানিয়েছেন। উল্লেখ্য কালনার তৃণমূল বিধায়ক বিশ্বজিৎ কুণ্ডু বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। এবার সেই কেন্দ্রের পরাজিত বিজেপি প্রার্থী তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন। একেবারেই অদল-বদল।

জানুয়ারি ২২, ২০২১
কলকাতা

তৃণমূলের 'ফেল কার্ড' প্রকাশ বিজেপির

রাজ্যে ক্ষমতায় এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যের নেতৃত্বে গত দশ বছরে কী কী কাজ হয়েছে, তা নিয়ে গত সপ্তাহে নিজেদের রিপোর্ট কার্ড পেশ করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যের শাসকদলের তাবড় মন্ত্রীদের উপস্থিতি গত বৃহস্পতিবার এই রিপোর্ট কার্ড পেশ করে শাসকদল। বাড়ি বাড়ি ওই রিপোর্ট কার্ড পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগও নিয়েছে তৃণমূল। আরও পড়ুন ঃ ভাল আছেন বুদ্ধদেব, মঙ্গলবার ফিরছেন বাড়ি কিন্তু তৃণমূলের এই রিপোর্ট কার্ডকে কটাক্ষ করে এবার পাল্টা ফেল কার্ড প্রকাশ করল বিজেপি। সোমবার বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত এই কার্ড প্রকাশ করেন। বিজেপির এই ফেল কার্ডয়ে পরিসংখ্যান দিয়ে বলা হয়েছে রাজ্য সরকার উন্নয়নের সবকটি ক্ষেত্রে ডাহা ব্যর্থ হয়েছে। কোনও প্রতিশ্রুতি তাঁরা রাখতে পারে নি। এদিন স্বপন দাশগুপ্ত বলেন, রাজ্যে বুজরুগির সরকার চলছে। দুর্নীতিগ্রস্তদের সরকার চলছে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২০
রাজ্য

রাজ্য সরকারি কর্মীদের জানুয়ারি থেকেই মিলবে ডিএ

রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য সুখবর। জানুয়ারি মাসের ১ তারিখ থেকে তিন শতাংশ হারে মিলবে মহার্ঘ ভাতা। সোমবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে একথা জানাল নবান্ন। রাজ্য সরকারি কর্মী সংগঠনের সঙ্গে চলতি মাসেই বৈঠকে বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। নবান্নে সেই বৈঠকে তাঁদের অভাব-অভিযোগ শোনেন তিনি। এরপরই মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার বিষয়টি জানিয়ে দেন। বলেন, কোভিড পরিস্থিতি চলছে। রাজ্য সরকারের হাতে টাকা কম। তবু প্রতি বছরের মতো এবারও জানুয়ারি মাসে ৩ শতাংশ ডিএ পাবেন আপনারা। যেখান থেকেই হোক টাকা জোগাড় করব। এই ডিএ দিতে রাজ্য সরকারের অতিরিক্ত খরচ হবে ২ হাজার কোটি টাকা। আরও পড়ুন ঃ পিসি-ভাইপো ক্ষমতায় টিকে থাকতে একের পর এক খুন করাচ্ছে , অভিযোগ রাজুর উল্লেখ্য, প্রতি বছর এই সময় ২ শতাংশ ডিএ দেওয়া হয় রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের। কিন্তু এবছর তা এক শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। যা নিয়ে উচ্ছসিত ডিএ ঘোষণা করায় বৈঠকে উপস্থিত ফেডারেশন নেতারা। ভোটের মুখে মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। প্রসঙ্গত, বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মেটানো ও ডিএ বৃদ্ধির দাবিতে রাজ্য সরকারের সঙ্গে সরকারি কর্মচারীদের একটি সংগঠনের মামলা চলছে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২০
রাজ্য

পিকের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন বৈশালী ডালমিয়া

বঙ্গ জননী কর্মসূচি নিয়ে বালি বিধানসভা এলাকার ১৬ জন প্রাক্তন কাউন্সিলরের সঙ্গে বুধবারে বেলুড় অগ্রসেন ভবনে বৈঠক করছিলেন পিকের টিম। সকাল এগারোটা নাগাদ বৈঠক শেষ হওয়ার সময় বালির প্রাক্তন তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের সভাপতি বিজয়লক্ষী রাও উপস্থিত হন। তিনি সেখানে প্রশ্ন তোলেন, বিধায়ককে বাদ দিয়ে কেন মিটিং করা হচ্ছে। কেন মিটিং সম্পর্কে জানানো হয়নি বিধায়ককে। এ বিষয়ে পিকের টিমের প্রতিনিধি ও উপস্থিত তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে সরব হন তিনি। এরপরেই দু পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। পিকের টিমের সামনেই চলে বচসা। হাতাহাতি হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। কয়েকজন প্রাক্তন কাউন্সিলর পরিস্থিতি সামাল দেন। গোটা ঘটনা টিম পিকে-র সামনে হলেও আশ্চর্যজনকভাবে তাঁরা নীরব ছিলেন বলেই অভিযোগ বৈশালী ডালমিয়ার। ফলে পিকে-র ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিধায়ক। টিম-পিকে আদৌ দলের ভাল করতে চান কিনা তা নিয়ে ঘনিষ্ট মহলে প্রশ্ন তোলেন বৈশালী। আরও পড়ুন ঃ কোচবিহারে বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার তাকে না জানিয়ে কেন বৈঠক করা হচ্ছে, এটা জানতে চাওয়ায় বিজয়লক্ষী রাওকে তৃণমূল কর্মীরা মারধর করে বলে অভিযোগ। পালটা ক্ষোভ উগরে দেন বালির তৃণমূল নেতা তফজিল আহমেদ। তিনি বলেন, কোনও মারধরের ঘটনা ঘটেনি। বালির বিধায়ক ও ঘনিষ্ঠরা সুযোগ সুবিধা নেওয়ার জন্য এখানে এসেছেন। এদেরকে বহিষ্কার না করলে দলটাই থাকবে না। এই ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রীর ভাবা উচিত।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
কলকাতা

কৃষকদের আন্দোলনকে নৈতিক সমর্থন তৃণমূলের

আগামী ৮ তারিখ যে বনধ ডাকা হয়েছে তার প্রতি আমাদের নৈতিক সমর্থন আছে। কিন্তু, রাস্তায় নেমে বনধ আমরা করছি না। শনিবার তপসিয়ার তৃণমূল কংগ্রেস ভবনে অকালি দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পরে সাংবাদিক সম্মেলনে এমনটাই জানালেন সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার দুপুরে তৃণমূল কংগ্রেস ভবনে এসে তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও ডেরেক ও ব্রায়েনের সঙ্গে বৈঠক করেন অকালি দলের প্রতিনিধিরা। বৈঠক শেষে তাঁরা সাংবাদিক সম্মেলনে মিলিত হন। সেখানে সুদীপবাবু বলেন, কৃষকদের সঙ্গে দল রয়েছে। তাঁরা যে আন্দোলন করছে, তাতে আমাদের পূর্ণ সমর্থন আছে।আগামীদিনে যদি একসঙ্গে রাজ্যপালের কাছে যেতে হয়, তাহলেও আমরা যেতে রাজি আছি। কারণ, আমরা কৃষকদের কষ্ট বুঝি, কারণ আমরা সিঙ্গুর- নন্দীগ্রামের আন্দোলন করেছি। তাই গোটা দেশে যখন কৃষকদের জন্য কঠিন সময়, তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর চুপ থাকবেন না। আমরা চাই কৃষি বিল প্রত্যাহার করে নতুন করে বিল তৈরি করা হোক। আরও পড়ুন ঃ ৬ প্রভাবশালীর নাম উল্লেখ করে মোদী-মমতাকে চিঠি সুদীপ্তর বেচারাম মান্নার নেতৃত্বে আমাদের যে ক্ষেতমজুর সংগঠন আছে ৮, ৯ ও ১০ তারিখে তারা গান্ধীমূর্তির পাদদেশে অবস্থান বিক্ষোভ করবে। ১০ তারিখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেখানে বক্তব্য রাখবেন। এছাড়া ওই তিনদিন রাজ্যের প্রতিটি ব্লকে আমরা কৃষক আন্দোলনের সমর্থনে বিশেষ কর্মসূচি পালন করব। অন্যদিকে, অকালি দলের সহ সভাপতি ও মুখপাত্র প্রেম সিং চন্দুমাজরা বলেন, সব রাজনৈ্তিক দলের এখন উচিত একসঙ্গে আসা। কৃষকদের এই আন্দোলনে আমরা চাই সমাজের সমস্ত শ্রেণির মানুষ রাস্তায় নেমে আসুক। আমরা চাই দেশে উন্নয়ন ও শান্তি থাকুক।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

জানুয়ারিতে রাজ্য সরকারি কর্মীদের তিন শতাংশ ডিএ, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য সুখবর। জানুয়ারি মাসে তিন শতাংশ মহার্ঘ ভাতা পাবেন রাজ্য সরকারী কর্মচারীরা। বৃহস্পতিবার এমনই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন রাজ্য সরকারি কর্মী সংগঠনের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই তিনি এই ঘোষণা করে বলেন, এর জন্য রাজ্যের ২ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে। তিনি বলেন, কোভিড পরিস্থিতি চলছে। রাজ্য সরকারের হাতে টাকা কম। অন্যদিকে, অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র অসুস্থ। আমি তাঁর সঙ্গে কথা বলতে পারিনি। তবু প্রতি বছরের মতো এবারও জানুযারি মাসে ৩ শতাংশ ডিএ পাবেন আপনারা। কর্মচারীদের জানান নতুন পে কমিশন কার্যকর করার কথা তাঁর মাথায় আছে। আরও পড়ুন ঃ আমি বাংলার ছেলে, মানুষের কাজ করবঃ শুভেন্দু মমতা বলেন, আমি খুশি হলে আপনারা বুঝতে পারবেন। আমি বিরক্ত হলেও আপনারা বুঝতে পারবেন। রাজনীতিতে আমি কোনও ছলনা করি না। যদিও আমার টাকা নেই, পয়সা নেই। ৮৫ হাজার কোটি টাকা কেন্দ্র থেকে পাই। তবু সরকারি কর্মচারীদের গায়ে হাত পড়ুক তা আমরা চাইনি। কর্মচারীদের তাঁর পরামর্শ, ভোটের সময় রাজনীতি করুন, ঠিক আছে। কিন্তু কাজের সময় আপনি সরকারি কর্মচারী। সে কথা ভুলবেন না। আমিও রাজনীতি করি। কিন্তু এই চেয়্যারে বসলে আমার কাছে সকলেই সমান।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
রাজ্য

মহিষাদলে সভার আগে 'দাদার অনুগামী'দের সংহতি দেখানোর অভিনব উদ্যোগ

মন্ত্রিত্ব ছাড়ার পর রবিবার ২৯ নভেম্বরই প্রথম জনসমক্ষে আসছেন শুভেন্দু অধিকারী‌।যদিও স্বাধীনতা সংগ্রামী রণজিৎ বয়ালের স্মরণসভা আয়োজনের কথা মন্ত্রিত্ব ছাড়ার অনেক আগেই ঘোষণা করেছিলেন তিনি। তাম্রলিপ্ত জনকল্যাণ সমিতির সভাপতি হিসেবে স্মরণসভার মুখ্য স্মৃতিচারক তিনিই। এই মঞ্চে রাজনীতির কথা বলার সম্ভাবনা না থাকলেও অন্তত ইঙ্গিত পেতে চাতকপাখির মতো অপেক্ষায় রাজনৈতিক মহল ও সংবাদমাধ্যম‌। ইতিমধ্যেই রাজ্যের জেলায় জেলায় আমরা দাদার অনুগামী বলে নানা ক্যাপশন দিয়ে ফ্লেক্স, ব্যানার পড়েছে। দলের স্টিয়ারিং কমিটির অন্যতম সদস্য দল না ছাড়লেও তাঁর পোস্টার তৃণমূলীদের পোড়াতেও দেখা গিয়েছে কোন্নগরে। পাল্টা সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকে 'দিদির সঙ্গে' লেখা ছবি নিজেদের প্রোফাইল বা ডিপিতে রেখেছেন। মন্ত্রিত্ব ছাড়ার পর প্রথম জননেতা জনসমক্ষে আসায় অনুগামীরাও নিলেন আরেকটি অভিনব উদ্যোগ। রবিবার সকলের ডিপিতে শুভেন্দুবাবুর ছবি রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অনুগামীরা। রাত ১২টার পর থেকেই হু হু করে এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে ডিপি বদলাচ্ছেন তাঁরা। নিজেদের সংহতি দেখাতেই এমন উদ্যোগ বলে জানা গিয়েছে। এদিকে, অরাজনৈতিক সভা হলেও প্যান্ডালের রং নীল-সাদা রাখার বিষয়টিও তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
কলকাতা

কেন্দ্রে এখন ফেক নিউজের সরকার চলছেঃ কাকলি

বাংলায় এখন শান্তি ফিরেছে। বিজেপি বাংলার সংস্কৃতি মানে না। বহিরাগত ইস্যুতে এবার সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপিকে আক্রমণ করলেন তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। এদিন তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন, বাংলার সম্মান, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতিকে অপমান করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এছাড়াও তিনি বলেন , কেন্দ্রীয় সরকারের উদাসীনতা এবং ভুল নীতিতেই করোনার প্রকোপ ক্রমশ বেড়েছে। যখন আমরা সংসদে এ নিয়ে জানুয়ারিতে বলেছিলাম, তখন আমাদের বলা হয়েছিল বাচ্চাদের মতো কথা বলবেন না, বসে পড়ুন। লকডাউনে অসংখ্য দিনমজুর মারা গিয়েছে। শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনেই ৯০ জন অভিবাসী মারা গিয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকার কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। লকডাউনে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছেন। সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে এগিয়ে এসেছে রাজ্য সরকার। সেই জায়গায় অভিবাসী শ্রমিকদের কথা ভাবেনি কেন্দ্রীয় সরকার। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে নারী নির্যাতনের অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি ধনকড়ের তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার ফেক নিউজের সরকার। মিথ্যাচার করার জন্য হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খোলা হয়েছে। ২০২১ বিধানসভা ভোটে রাজ্যের ক্ষমতা দখলে সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে বিজেপি। যা বাংলার মানুষ মেনে নেবে না বলে উল্লেখ করে কাকলি বলেন, দেশে এখন ভয়ানক পরিস্থিতি চলছে। ভারতে দলিতদের উপর অত্যাচার চলছে। দলিতরা সুরক্ষিত নয়। দেশে নারীসুরক্ষা তলানিতে। গণপিটুনি চলছে। ধর্মের নামে ভাগাভাগি চলছে। অন্যদিকে , এদিন সকালে অর্জুন সিং শুভেন্দুকে বিজেপিতে স্বাগত জানিয়েছেন। সে প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তৃণমূল সাংসদ বলেন, অর্জুন সিং কি শুভেন্দু অধিকারীর মুখপাত্র ? শুভেন্দু অধিকারী দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা । একজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী ।

নভেম্বর ২১, ২০২০
কলকাতা

প্র্য়াত কবি অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত

প্র্য়াত কবি অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত। বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। দীর্ঘদিন ধরে বয়সজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন তিনি। মঙ্গলবার জার্মানিতে নিজস্ব বাসভবনে প্রয়াত হন তিনি।তাঁর স্ত্রী এলিজাবেথ এই মৃত্যু সংবাদ জানিয়েছেন। আমৃত্যু ছাড়েননি কবিতা লেখা। যেসব কবিতা উস্কে দিয়েছিল বহু বাঙালির কবিতা লেখার আবেগ। একটা সময় ঝড় তুলেছিল তাঁর কবিতা বুধুয়ার পাখি। বাংলা কবিতার রূপান্তরের দীর্ঘ পর্বে ঝাঁকুনি দিয়ে গিয়েছিল সেই ভাবনা। শান্তিনিকেতন, বিশ্বভারতীর ছাত্র ছিলেন অলোকরঞ্জন। পরে ভর্তি হন সেন্ট জেভিয়ার্সে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করে চোদ্দো বছর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে তুলনামূলক সাহিত্য বিভাগে অধ্যাপনা। তার পরে হাম্বোলড ফেলোশিপ নিয়ে বিদেশে পাড়ি। আরও পড়ুন ঃ ট্রেনে ও স্টেশনে প্রবেশের দাবিতে বিক্ষোভ হকারদের তাঁর কবিতার ভাষা পাঠকসমাজে সাড়া ফেলেছিল। বাংলায় ছিল কুড়িটি কাব্যগ্রন্থ। ফরাসি এবং জার্মান ভাষায় একাধিক উল্লেখযোগ্য অনুবাদের কাজ। পেয়েছেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুধা বসু সম্মান, আনন্দ পুরস্কার, প্রবাসী ভারতীয় সম্মান, রবীন্দ্র পুরস্কার। ১৯৯২ সালে কাব্যগ্রন্থ মরমী করাত-এর জন্য সম্মানিত হন সাহিত্য অ্যাকাডেমি পুরস্কারে। তাঁর মৃত্যুতে বাংলার কবিতামহলে তৈরি হল বিশাল শূন্যতা।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
বিনোদুনিয়া

বাবাকে আমরা সেলিব্রেট করব হাসিমুখেঃ পৌলমী বসু

অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াণের খবর প্রকাশ্যে আসতেই বেলা ১টা নাগাদ বেলভিউ হাসপাতালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মেয়ে পৌলমি বসুর সঙ্গে কথা বলেন। হাসপাতাল চত্বরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন কন্যা পৌলমী বসু। পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কান্না ধরা গলায় পৌলমী জানালেন, হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে ২টো নাগাদ বেরিয়ে গলফ্গ্রীনের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে মার কাছে নিয়ে যাওয়া হবে তাঁকে। এরপর টেকনিশিয়ান স্টুডিওতে নিয়ে যাওয়া হবে। তারপর ৩টের পর রবীন্দ্র সদনে যাব। সেখানে ২ ঘণ্টা রাখা হবে তাঁকে। এরপর কেওড়াতলা মহাশ্মশানে হবে শেষ কৃত্য। যে সম্মান ওঁর প্রাপ্য ছিল, তার থেকেও বেশি সম্মান দিয়েছেন বাবাকে। এত আপনজনের মতো ভালবাসা দেওয়ার জন্য আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে চিরকৃতজ্ঞ। বেলভিউ নার্সিংহোমের প্রতিও কৃতজ্ঞ। অরিন্দম কর থেকে শুরু করে প্রত্যেককে অসংখ্য ধন্যবাদ যেভাবে ওনারা চেষ্টা করেছেন।তাঁর মতো চিকিৎসক আরও প্রয়োজন। বাবা চিরকাল আমাদের মধ্যে থেকে যাবেন। বাবাকে আমরা সেলিব্রেট করব হাসিমুখে। আরও পড়ুন ঃ প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন , সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু সত্যিই বেদনাদায়ক। চলচ্চিত্র জগৎ থেকে শুরু করে নাট্যজগৎ অনেক ক্ষেত্রেই ওঁর অগাধ বিচরণ ছিল। রবীন্দ্র সদন থেকে মহাশ্মশানে নিয়ে যাওয়ার পর সন্ধে ৬টা থেকে ৬:৩০-এর মধ্যে গান স্যালুট দিয়ে তাঁকে সম্মান জানানো হবে। উনি পার্থিবভাবে হয়তো চলে গিয়েছেন। কিন্তু তিনি আমাদের মধ্যে বেঁচে থাকবেন। সৌমিত্রদার শূন্যস্থান কেউ পূরণ করতে পারবেন না। আপনি যেখানেই থাকুন ভাল থাকুন। মুখ্যমন্ত্রী এদিন তাঁর শোকবার্তায় লেখেন , বাংলার তথা ভারতের চলচ্চিত্র জগতের কিংবদন্তী নায়ক সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় আমাদের ছেড়ে চলে যাওয়ায় বাংলার সকল মানুষের হয়ে আমি আমাদের গভীর মর্মবেদনা প্রকাশ করছি। যে প্রতিভাবান মানুষদের জন্য বিশ্বের দরবারে আমরা প্রতিনিধিত্ব পেয়েছি, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় তাঁদের মধ্যে অগ্রগণ্য ছিলেন। জগৎবরেণ্য চিত্রপরিচালক সত্যজিৎ রায়ের চোদ্দটি ছবি সহ তিনি দুশতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তাঁর অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলি হল অপুর সংসার, চারুলতা, অভিযান, অরণ্যের দিনরাত্রি, অশনি সংকেত, সোনার কেল্লা, জয় বাবা ফেলুনাথ, হীরক রাজার দেশে, ঘরে বাইরে, গণশত্রু, গণদেবতা, ঝিন্দের বন্দী, তিন ভুবনের পারে, ক্ষুধিত পাষাণ, কোনি ইত্যাদি। বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় একাধারে ছিলেন প্রবাদপ্রতিম চলচ্চিত্র ও মঞ্চাভিনেতা, পাশাপাশি অসামান্য বাচিক শিল্পী, কবি, লেখক, নাট্যকার এবং নাট্যনির্দেশক। পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাঁকে ২০১২ সালে সারা জীবনের অবদানের জন্য চলচ্চিত্র পুরস্কার, ২০১৫ সালে টেলি অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড (হল অফ ফেম) ও ২০১৭ সালে বঙ্গবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করে। এছাড়াও তিনি তাঁর অসামান্য অভিনয়ের জন্য পদ্মভূষণ, দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার, বিএফজেএ অ্যাওয়ার্ড, ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড, সংগীত নাটক অ্যাকাডেমি টেগোর রত্ন অ্যাওয়ার্ড সহ বিভিন্ন পুরস্কার পেয়েছেন। ফ্রান্স সরকার সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে ২০১৮ সালে তাঁদের সর্বোচ্চ সম্মান- লিজিয়ন দ্য অনার- এ ভূষিত করে। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে আমার বিশেষ শ্রদ্ধা ও প্রীতির সম্পর্ক ছিল। আমাদের আমন্ত্রণে তিনি বঙ্গবিভূষণ পুরস্কার গ্রহণ করতে নজরুল মঞ্চে যেমন আমাদের সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন, আবার পাশাপাশি কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নেতাজী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে উপস্থিত থেকেছেন। তাঁর সসম্মান ও মর্যাদাপূর্ণ, আন্তরিক ব্যবহারে তিনি সকল সময়ে আমাদের চিত্ত স্পর্শ করেছেন। তাঁর মৃত্যু বাংলার জনজীবনে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি করল। আমি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের পরিবার-পরিজন ও অসংখ্য অনুরাগীর প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি ।

নভেম্বর ১৫, ২০২০
দেশ

আজ দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে শিশু দিবস

আন্তর্জাতিক শিশুদিবস থাকলেও ভারতে আলাদা করে শিশু দিবস পালন করা হয় প্রতি বছর ১৪ নভেম্বর৷ দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর জন্মদিনকে শিশু দিবস হিসেবে পালন করা হয়। তবে ১৯৬৪ সালের আগে পর্যন্ত প্রতি বছর ২০ নভেম্বর পালিত হত শিশু দিবস । শুধু ভারত নয় বিশ্বের অন্য দেশেও ওই তারিখটি পালনের কথা ঘোষণা করেছিল রাষ্ট্রসঙ্ঘ। কিন্তু ওই বছর নেহরুর মৃত্যুর পর থেকে সর্বসম্মতিতে দিন বদল হয়।শিশুদের প্রতি তাঁর স্নেহ ও ভালোবাসার কথা সর্বজন বিদিত। জওহরলাল নেহরু ছোটদের সঙ্গে সময় কাটাতে খুব ভালবাসতেন। তাই জওহরলাল নেহরুর মৃত্যুর পর তাঁর জন্মদিনকে ভারতে শিশু দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ওই দিন শিশুদের অধিকার, যত্ন এবং শিক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য নানা উত্সবের মাধ্যমে শিশু দিবস পালিত হয়। এদিন গুগল ডুডুল-এও ছোট্ট আকর্ষণীয় ভিডিওর মাধ্যমে শিশু দিবস উদযাপন করা হচ্ছে। ১ মিনিট ২৭ সেকেন্ডের এই ভিডিওয় সংক্ষেপে ভারতে শিশু দিবস পালনের কারণ এবং গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ বিহারের মসনদে কে , সিদ্ধা্ন্ত রবিবারের এনডিএ বৈঠকে প্রসঙ্গত, আমরা সবাই জানি শিশুদের নিজস্ব জগত রয়েছে। রয়েছে নিজেদের চাওয়া, পাওয়া। অনেক সময় আমরা সচেতন ভাবে তাদের চাওয়া, পাওয়াকে গুরুত্ব দিই না। তাদের প্রতি দ্বায়িত্ব পালনে কিছুটা হলেও উদাসীন থাকি। অথচ এরাই আগামী সমাজের নাগরিক। এদের মঙ্গলের কথা সবার আগে ভাবা দরকার। শিশুদের সুস্থ ভাবে বেড়ে ওঠার জন্য তাদের অধিকার ও চাহিদা সম্পর্কে প্রাপ্তবয়স্কদের সব সময়ে সজাগ থাকতে হবে এমন কথাই বলছেন বিশেষজ্ঞেরা। আর তা আবশ্যকও। স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং অন্য সুযোগসুবিধা সম্পর্কে দেশে কী কী প্রকল্প রয়েছে এবং কী ভাবে এরা তার সুযোগ পেতে পারে সে বিষয়ে বড়দের সব সময় সচেতন থাকা জরুরি। শিশুদের অধিকার ও মানসিকতা সম্পর্কে সচেতনতা কেবল শিশুদিবসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। সারা বছর যাতে এই কর্মকাণ্ডের ধারা অব্যাহত থাকে তার জন্যও সচেতনতা জরুরি। সেই প্রতিজ্ঞাই করা দরকার শিশুদিবসে। স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু শিশুদের উন্নতি ও বিকাশের জন্য একগুচ্ছ পরিকল্পনা নিয়েছিলেন। নেহরুর সময় থেকে শিশুদের বিকাশের জন্য যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল সেগুলির উত্তরাধিকার বর্তমান নাগরিক এবং প্রশাসনের উপরে। তাই এই কাজে সরকার ও অভিভাবকদের আরও বেশি করে এগিয়ে আসতে হবে।

নভেম্বর ১৪, ২০২০
রাজনীতি

রাজ‌্য নেতৃত্বকে উপেক্ষা? মন্ত্রীর সভামঞ্চে হাতের লাঠি বহিষ্কৃত নেতা!

হুগলি জেলায় তৃণমূলের কমিটি গঠন নিয়ে বেড়ে চলা অসন্তোষের মধ্যেই ফের চাঞ্চল্য। এবার দল থেকে বহিষ্কৃত নেতাকেই দেখা গেল মন্ত্রীর সভামঞ্চে। শুধু তাই নয়, তাঁকে বেশ কিছু দায়িত্বও দিলেন মন্ত্রী‌! স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, জেলা বা রাজ্য নেতৃত্বকে কি মন্ত্রী তোয়াক্কা করছেন না? বিতর্ক শুরু হয়েছে রবিবার ৮ নভেম্বর সন্ধ্যায় সপ্তগ্রাম বিধানসভার ডানলপ তৃণমূল কংগ্রেস কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত বিজয়া সম্মিলনীতে। এদিন হুগলি জেলা কমিটি ঘোষণায় তৃণমূলে ভাঙনের ইঙ্গিত মিলেছে। অনেক নেতা-কর্মীই নন্দীগ্রাম যেতে প্রস্তুত‌। তাঁদের সাফ কথা, শুভেন্দুবাবু আমাদের দলের নেতা, তাঁর সভায় যেতে দল তো নিষেধ করেনি। আর জেলা ও ব্লক কমিটিতে দুর্নীতিবাজরা ঠাঁই পাওয়ায় সিঙ্গুরের বিধায়ক-সহ অনেকেই অসম্মানিত বোধ করে দলত্যাগের কথা ভাবছেন। এর মধ্যেই বহিষ্কৃত নেতা মন্ত্রীর হাতের লাঠি কীভাবে হতে পারেন তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। মন্ত্রী তপন দাশগুপ্তের ঘনিষ্ঠ সত্যরঞ্জন ওরফে সোনা শীলকে আর্থিক অনিয়ম ও দলবিরোধী কাজের জন্য বহিষ্কার করার কথা ঘোষণা করেন হুগলিতে তৃণমূলের জেলা সভাপতি দিলীপ যাদব। শুক্রবার ৬ নভেম্বর তিনি বলেন, সোনা শীলের সঙ্গে দলের কেউ যোগাযোগ রাখতে পারবেন না। অথচ রবিবার সাহাগঞ্জ ডানলপ মাঠে বিজয়া সম্মিলনীতে মঞ্চে দেখা যায় সোনা শীলকে। তিনি বাঁশবেড়িয়ার প্রশাসক অরিজিতা শীলের স্বামী। নতুন পদাধিকারী-সহ দলের বিভিন্ন শাখা সংগঠনের মাথারাও ছিলেন মঞ্চে। মন্ত্রী ভাষণে বলেন, এখানে কিছু কল দরকার। সত্যরঞ্জনকে বলছি সব দেখে আমাকে বিস্তারিত জানাতে। পুরসভাকে আমি টাকা দিয়ে দেব, ওই টাকায় কাজ হবে। প্রশ্ন উঠছে, দল যাঁকে দলবিরোধী কাজ ও আর্থিক অনিয়মের জেরে বহিষ্কার করেছে তাঁকে মন্ত্রী কীভাবে মাথায় তুলে রাখতে পারেন? তাহলে কি পিকের রিপোর্টে ভিত্তি করে কমিটি ঘোষণা, বহিষ্কার সবটাই নাটক। রাজ্য বা জেলা নেতৃত্বকে উপেক্ষার সাহস কীভাবে পেলেন তপন? দলের নীচুতলায় উপরমহলের রাশ কি তবে আলগাই হচ্ছে?

নভেম্বর ০৯, ২০২০
রাজ্য

তোষণের রাজনীতিতে বাংলার ঐতিহ্য ক্ষুণ্ন হচ্ছেঃ অমিত শাহ

বাংলায় তুষ্টিকরণের রাজনীতি চলছে বলে অভিযোগ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার তিনি পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী সকাল ১১ টা নাগাদ দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দেন। তাঁর জন্য গোটা মন্দির চত্বরে ছিল কড়া নিরাপত্তা। মন্দিরে অমিত শাহকে স্বাগত জানান বঙ্গ বিজেপির মহিলা মোর্চার সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। পুজো দিয়ে তিনি সাংবাদিকদের সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন , পুজো দিয়ে আমি আপ্লুত। তিনি আরও বলেন , বাংলার এই পবিত্র ভূমি রামকৃষ্ণ, স্বামী বিবেকানন্দ, প্রণবানন্দ ঠাকুর, শ্রী অরবিন্দের। কিন্তু এখানেই তুষ্টিকরণের রাজনীতি চলছে। তোষণের রাজনীতিতে ঐতিহ্য ক্ষুণ্ন হচ্ছে। আধ্যাত্মিক-ও ধর্মীয় চেতনায় দেশের শীর্ষে ছিল বাংলা। সেই গৌরব আবার ফিরিয়ে আনতে হবে। রাজ্যবাসীকে বিচার-বিবেচনার উপর বিশেষ নজর দিয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানাব। আরও পড়ুন ঃ বালি বোঝাই লরি উলটে দুর্ঘটনা , মৃত্যু একই পরিবারের তিনজনের এছাড়াও তিনি আরও বলেন, মা কালীর কাছে গোটা দেশ তথা বাংলার মঙ্গল কামনা করেছি। মোদীর নেতৃত্বে দেশ এক নম্বরে পৌঁছক তাই চাই। দক্ষিণেশ্বরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এ দিন ছিলেন মুকুল রায়, দিলীপ ঘোষ, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, বাবুল সুপ্রিয়, অনুপম হাজরা-সহ আরও অনেকে। এছাড়াও মন্দিরে উপস্থিত ছিলেন মন্দিরে ছিলেন বিজেপির মহিলার মোর্চার সদস্যারাও।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
রাজনীতি

দার্জিলিং পুরসভার ১৭ কাউন্সিলর বিজেপি ছেড়ে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চায়

২০২১-এ তৃণমূলকে ফের ক্ষমতায় আনতে তাঁরাও যে মন-প্রাণ দিয়ে লড়াই করবেন, তা স্পষ্ট করে দিলেন বিমল গুরুং । বৃহস্পতিবার কলকাতায় তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন , বিজেপি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা পূরণ করেনি। ১৭ বছর ধরে ওদের সঙ্গে রয়েছি আমরা। গোর্খাল্যান্ড ইস্যুতে স্থায়ী সমাধানের জন্য কিছুই করেনি বিজেপি। তাই আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমর্থন করব। ওঁনাকে আমাদের দাবি-দাওয়া জানিয়েছি। আমি নিশ্চিত উনি আমাদের দাবি পূরণ করবে। আমি চেয়ারে বসার জন্য রাজনীতি করি না। আমি আগামীকে আরও সুন্দর করে সাজিয়ে তোলার জন্য রাজনীতি করি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেতাতে যা করতে হবে আমরা তাই করব। বিজেপিকে চরম শিক্ষা দেব। আরও পড়ুন ঃ রাজ্য নেতৃত্বকে বিধানসভা নির্বাচনে ২০০ টি আসন জয়ের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিলেন অমিত শাহ এদিন দার্জিলিং পুরসভার ১৭ জন কাউন্সিলর বিজেপি ছেড়ে ফিরলেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চায়। তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বিমল গুরুং। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে ছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক রোশন গিরিও। এদিন দার্জিলিং পুরসভার কাউন্সিলররা জানান, বিজেপি তাদের কথা রাখেনি। যে আশায় তাঁরা বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন, তার কিছুই হয়নি। তাই এদিন তাঁরা বিজেপি ছেড়ে আবার গোর্খা জনমুক্তি মোর্চায় ফিরলেন। এদিন বিনয় তামাংকে নিয়ে প্রশ্ন বিব্রত হন গুরুং। সাফ জানিয়ে দেন, বিনয় তামাংকে নিয়ে তিনি এখানে কিছু বলতে আসেননি। বিনয় তামাং কী বলছেন সেটা তাঁর ব্যাপার। উনি কী বললেন সেটা নিয়ে ভাবছি না।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

নিরপেক্ষতা বজায় রেখে কাজ করুন , এসপি , ডিএমদের বার্তা ধনকড়ের

নিরপেক্ষতা বজায় রেখে কাজ করুন। সোমবার দার্জিলিঙের রাজভবনে এসপি ও ডিএমদের সঙ্গে বৈঠকের পর এই টুইট করেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। সেখানে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ট্যাগ করে লেখেন, কাজের সময় রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ থাকা উচিত। কোনও আপস করা চলবে না। এদিন তিনি দার্জিলিঙের ডঃ সন্তোষ নিম্বলকর ও জেলাশাসক এস পুনমবালমের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে বিভিন্ন বিষয় আলোচনায় উঠে আসে। রাজ্যপাল তাদের অনুরোধ করেন, যা্তে তারা রাজনীতির উব্ধে উঠে নিরপেক্ষভাবে কাজ করেন। আরও পড়ুন ঃ এখনও শুরু হয়নি দুর্গাপুর ব্যারাজের ৩১ নং লকগেটের মেরামতির কাজ প্রসঙ্গত , রবিবারই তিনি দার্জিলিঙে এসেছেন। আগামী এক মাস তাঁর উত্তরবঙ্গে থাকার কথা। এই সময়ে তিনি প্রশাসনের বিভিন্ন আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকও করবেন। এছাড়াও বৈঠক করবেন সমাজের বিভিন্ন ব্যক্তিদের সঙ্গে।

নভেম্বর ০২, ২০২০
কলকাতা

বিজ্ঞাপনে টাকা খরচ নিয়ে মোদির সমালোচনা তৃণমূলের

করোনাকালে অজস্র পরিযায়ী শ্রমিক ও চিকিৎসার সঙ্গে যারা যুক্ত আছেন, তাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । কোনও কিছু না ভেবেই বৃথ বিজ্ঞাপনের পিছনে টাকা খরচ করা হয়েছে , এটা ভয়ঙ্কর। সোমবার টুইট করে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে এভাষাতেই তোপ দাগলেন তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দু আসলে দরজা খোলা , জল্পনা বাড়িয়ে ইঙ্গিত দিলীপের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার টুইটে লিখেছেন , নির্লজ্জভাবে জনগণের টাকা অপব্যবহার করছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। গরিব ও প্রান্তিক মানুষদের জন্য এই সঙ্কটজনক সময়ে অনেক কিছু করা যেত। রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম টুইটে লেখেন, কেন্দ্রীয় সরকার দেশের মানুষকে ধোঁকা দিচ্ছে।নিজের সরকারের বিজ্ঞাপনের জন্য জনগণের টাকা নয়ছয় করছে। এটাই মোদির সুশাসন। আচ্ছে দিন ?

নভেম্বর ০২, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

লোকসভায় বিস্ফোরণ! স্পিকারের ঘরে ঢুকে গালিগালাজ? কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ

বাজেট অধিবেশন ঘিরে লোকসভায় শাসক ও বিরোধীদের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। কংগ্রেস সহ ইন্ডিয়া জোট লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার উদ্যোগ নিয়েছে। তার মাঝেই স্পিকারকে গালিগালাজ করার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজু অভিযোগ করেছেন, কংগ্রেসের ২০ থেকে ২৫ জন সাংসদ একসঙ্গে স্পিকারের ঘরে ঢুকে তাঁকে গালিগালাজ করেন। তিনি দাবি করেন, ঘটনাস্থলে তিনি নিজেও উপস্থিত ছিলেন। সংসদে দাঁড়িয়ে রিজিজু বলেন, কংগ্রেস সাংসদদের আচরণ অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং তা বর্ণনা করার মতো নয়। তাঁর কথায়, স্পিকার নরম স্বভাবের মানুষ বলেই তিনি কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেননি।রিজিজু আরও অভিযোগ করেন, যখন কংগ্রেস সাংসদরা স্পিকারের ঘরে ঢুকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন, তখন সেখানে মল্লিকার্জুন খাড়্গে ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর মতো সিনিয়র নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁর দাবি, তাঁরা পরিস্থিতি শান্ত করার বদলে উল্টে আরও উসকানি দিচ্ছিলেন। বিজেপির অভিযোগ, সংসদের মর্যাদা নষ্ট করা হয়েছে।অন্যদিকে, কংগ্রেসের তরফে এই অভিযোগ নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে অনাস্থা প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ যে আরও বাড়তে চলেছে, তা স্পষ্ট।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

গম্ভীরের ডিনার ছেড়ে হাসপাতালে! নামিবিয়া ম্যাচে বড় ধাক্কা কি টিম ইন্ডিয়ায়?

বিশ্বকাপের মাঝেই বড় ধাক্কা টিম ইন্ডিয়ায়। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অভিষেক শর্মা। দিল্লিতে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচের আগে এই খবর স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়িয়েছে ভারতীয় শিবিরে। অভিষেক ওই ম্যাচে খেলতে পারবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দলের পক্ষ থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।জানা গিয়েছে, অভিষেকের পাকস্থলীতে সংক্রমণ হয়েছে। আমেরিকার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচের আগেই তিনি পেটের সমস্যায় ভুগছিলেন। ম্যাচের পর তাঁর শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়। উচ্চ জ্বর আসে এবং ওষুধ দেওয়া হলেও তাতে বিশেষ উপকার হয়নি। তিনি দলের সঙ্গে অনুশীলনেও অংশ নিতে পারেননি। দিল্লিতে কোচ গৌতম গম্ভীরের আয়োজিত নৈশভোজেও কিছুক্ষণ থাকার পর চলে যান অভিষেক।ভারতীয় দলের সহকারী কোচ রায়ান টেন দুশখাতে কয়েক দিন আগে জানিয়েছিলেন, অভিষেকের পেটের সমস্যা রয়েছে, তবে দুদিনের মধ্যে তাঁকে মাঠে পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি দেখে সেই সম্ভাবনা অনেকটাই কমে গিয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। যদি তিনি খেলতে না পারেন, তা হলে তাঁর জায়গায় সঞ্জু স্যামসনের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে অভিষেকের অনুপস্থিতি ভারতীয় দলের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে।এর আগে চোটের কারণে দল থেকে ছিটকে গিয়েছেন হর্ষিত রানা। ওয়াশিংটন সুন্দর এখনও পুরোপুরি সুস্থ নন। এই পরিস্থিতিতে অভিষেকের অসুস্থতা দলের চিন্তা আরও বাড়িয়েছে। তবে স্বস্তির খবর, অসুস্থতা কাটিয়ে এদিন দলের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন জসপ্রীত বুমরা। নামিবিয়ার বিরুদ্ধে তাঁর খেলা নিয়ে কোনও সংশয় নেই।বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলের ওপর এখন চাপ আরও বেড়ে গেল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

বেলডাঙা মামলায় রাজ্যকে বড় ধাক্কা! NIA তদন্তে সায় সুপ্রিম কোর্টের

বেলডাঙা হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। বেলডাঙার অশান্তির ঘটনায় NIA তদন্তে সায় দিল শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিল, এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে আলাদা করে হস্তক্ষেপ করা হবে না।এর আগে কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, বেলডাঙার পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করবে। পাশাপাশি কেন্দ্র যদি প্রয়োজন মনে করে, তবে NIA তদন্তও হতে পারে। এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার। রাজ্যের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বুধবার সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের রায়ই বহাল রাখে এবং মামলাটি ফের হাইকোর্টে পাঠিয়ে দেয়।শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, UAPA-এর ১৫ নম্বর ধারা প্রয়োগ সঠিক হয়েছে কি না, সেই বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্ট খতিয়ে দেখবে। অর্থাৎ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া আপাতত হাইকোর্টের নজরেই চলবে।জানুয়ারি মাসের শুরুতে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ ওঠে, ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিককে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। মৃতদেহ জেলায় ফেরার পরই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করা হয়। শিয়ালদহ-লালগোলা শাখার মহেশপুর এলাকায় রেললাইনেও অবরোধ করা হয়। রেললাইনে বাঁশ ফেলে দেওয়া হয় এবং সেখানে মৃতদেহের ঝুলন্ত ছবি দেখা যায়। পুলিশ পৌঁছলে স্থানীয়দের সঙ্গে বচসা বাধে। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।ঘটনাস্থলে খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হন সাংবাদিকরাও। এই ঘটনায় সাংসদ ইউসুফ পাঠান কেন সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় যাননি, তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। তিন দিন পর তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে একজন মিম নেতা বলেও জানা গেছে।এই অশান্তি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেছিলেন, শুক্রবার জুম্মাবারের দিন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতি জড়িত থাকে। কেউ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে উস্কানি দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করেছে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।বেলডাঙায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি আগে থেকেই তুলেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হাইকোর্টে মামলা হলে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি NIA তদন্তের ক্ষেত্রে কেন্দ্রকে স্বাধীনতা দেওয়া হয়।সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের সেই নির্দেশে হস্তক্ষেপ না করায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যের আবেদন গ্রহণ করেনি এবং মামলাটি ফের হাইকোর্টে পাঠিয়েছে। তিনি দাবি করেন, রাজ্যের আবেদনে শীর্ষ আদালত গুরুত্ব দেয়নি।সব মিলিয়ে বেলডাঙা হিংসা মামলায় NIA তদন্তের পথে বড় বাধা সরল বলেই মনে করা হচ্ছে। এখন নজর থাকবে হাইকোর্টে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বিস্ফোরক ভিডিও! ভবানীপুরে বিজেপির পতাকায় আগুন, তৃণমূলকে নিশানা শুভেন্দুর

বিধানসভা ভোটের আগে ভবানীপুরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ল। একটি সিসিটিভি ফুটেজ ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ফাঁকা রাস্তায় দাঁড়িয়ে রয়েছে একটি বা দুটি ট্যাক্সি। সেই সময় টুপি পরে মুখ ঢাকা দুজন ব্যক্তি সেখানে এসে একটি বিজেপি পতাকা নামিয়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেন। এই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যদিও ভিডিয়োর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।ঘটনাকে ঘিরে সরব হয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, আসন্ন বিধানসভা ভোটে ভবানীপুর আর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য নিরাপদ আসন নয়। পতাকা পোড়ানোর ঘটনাকে তিনি রাজনৈতিক সন্ত্রাস বলে অভিযোগ করেন। শুভেন্দুর কথায়, ভবানীপুরে বিজেপির কার্যালয়ের কাছে তৃণমূল কর্মীরাই এই কাজ করেছে। তিনি আরও বলেন, যত বিজেপির পতাকা পোড়ানো হবে, ততই মানুষের সমর্থন বাড়বে। নন্দীগ্রামের মতো ভবানীপুরেও মানুষ জবাব দেবে।অন্যদিকে, তৃণমূলের তরফে অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। দলের নেতা জয়প্রকাশ মিশ্র বলেন, যদি সত্যিই এমন ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে পুলিশের কাছে অভিযোগ করুন। শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিযোগ করে লাভ নেই। তিনি দাবি করেন, ভোটের আগে ইস্যু তৈরির চেষ্টা করছে বিজেপি।উল্লেখ্য, ভোটের আগে ভবানীপুরে একাধিক বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া সঠিকভাবে হচ্ছে কি না, তা নিয়ে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেছেন তিনি। ফলে ভবানীপুর এখন রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। পতাকা পোড়ানোর এই ঘটনা ঘিরে ভোটের আগে রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

ডিএ ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর নীরবতা, বিরোধীদের আক্রমণ তীব্র

ডিএ আর বিচারাধীন বিষয় নয় বলে দাবি করলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য খারিজ করে তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে এবং এটি এখন ক্লোজড চ্যাপ্টার।সল্টলেকে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন ডিএ মামলা এখনও বিচারাধীন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, মৌলিক অধিকার রক্ষা করতে হবে। কীভাবে এরিয়ার দিয়ে ডিএ মেটাতে হবে, তার রূপরেখাও শীর্ষ আদালত দিয়েছে। তাঁর দাবি, মার্চ মাসের মধ্যে ২৫ শতাংশ ডিএ না মেটালে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রী বারবার বিচার ব্যবস্থাকে অপমান করছেন।একই দিনে বিজেপির সদর দফতরে সাংবাদিক বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। তিনি বলেন, রাজ্য সরকারি কর্মীদের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। তাঁর বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আদালতে যাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, এসআইআর নয়, ডিএ সংক্রান্ত হতাশা থেকেই মানুষ চরম পদক্ষেপ নিয়েছেন। ডিএ ইস্যুতে রাজ্য সরকার চাইলে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।উল্লেখ্য, মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী ডিএ মামলার প্রসঙ্গে বলেন, বিষয়টি বিচারাধীন, তাই তিনি এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করবেন না। এই মন্তব্যকেই হাতিয়ার করেছেন বিরোধী দলনেতা।গত ৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি সঞ্জয় করোল ও বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ২৫ শতাংশ ডিএ মেটাতে হবে। ২০০৮ সাল থেকে বকেয়া এরিয়ারও দ্রুত পরিশোধ করতে হবে। পাশাপাশি অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স অনুযায়ী ডিএ দিতে হবে বলে স্পষ্ট করে দেয় আদালত। রাজ্যের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, পঞ্চম বেতন কমিশন ও রিভিশন অফ পে অ্যান্ড অ্যালোয়েন্স রুল অনুযায়ী ডিএ দেওয়া হচ্ছে এবং রাজ্য ও কেন্দ্রের আর্থিক কাঠামোয় পার্থক্য রয়েছে। তবে আদালত AICPI অনুযায়ী ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দেয়।এরপর ডিএ মেটানোর দাবিতে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ নবান্নে স্মারকলিপি জমা দিতে যায়। অনুমতি না পেয়ে তারা ট্রাফিক গার্ডের কাছেই স্মারকলিপি জমা দেয়। সংগঠনের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, সাবজুডিস আর জুডিশিয়ারির পার্থক্য বোঝা উচিত। রাজ্য সরকার আর্থিক সঙ্কটের কথা বললেও বিভিন্ন প্রকল্প ঘোষণা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।ডিএ ইস্যুতে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ ও এরিয়ার মেটানো নিয়ে এখন নজর মার্চ মাসের দিকেই।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার বাধ্যতামূলক ‘বন্দে মাতরম’! বড় নির্দেশ শাহের মন্ত্রকের

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার থেকে রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম গাওয়া এবং বাজানো বাধ্যতামূলক করা হল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এই বিষয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, যদি রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম এবং জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন একসঙ্গে গাওয়া বা বাজানো হয়, তবে প্রথমে বন্দে মাতরম বাজাতে হবে। এছাড়া গান চলাকালীন উপস্থিত সকলকে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ডের সংস্করণ, যাতে মোট ছয়টি স্তবক রয়েছে, সেটিই সরকারি অনুষ্ঠানে গাওয়া বা বাজানো উচিত। এতদিন সাধারণত দুটি স্তবক গাওয়া হত। বাকি চারটি স্তবক বাদ থাকত। নতুন নিয়মে ছয়টি স্তবকই গাইতে হবে।জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময়, সরকারি অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির আগমন ও প্রস্থানকালে, জাতির উদ্দেশে রাষ্ট্রপতির ভাষণের আগে ও পরে রাষ্ট্রীয় গীত বাজানো হবে। পদ্ম সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানেও বন্দে মাতরম বাজানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একইভাবে রাজ্যপালের আগমন ও ভাষণের আগে এবং পরে এই গান গাওয়া বা বাজানো হবে। তবে সিনেমা হলে বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়নি।উল্লেখ্য, জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন গাইতে সময় লাগে ৫২ সেকেন্ড। তার তুলনায় বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ সংস্করণ গাইতে সময় লাগবে ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড। রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম-এর সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষে কেন্দ্র বছরভর নানা কর্মসূচি নিয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই এই নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও শুরু হয়েছে। তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, হঠাৎ করে বন্দে মাতরম নিয়ে নতুন করে কথা বলা হচ্ছে। গানটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লিখেছিলেন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সুর দিয়েছিলেন। তবে তাঁর অভিযোগ, পরের স্তবকগুলো নিয়ে বিভাজনের রাজনীতি করা হতে পারে।কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে একদিকে সমর্থন, অন্যদিকে প্রশ্নদুইই সামনে এসেছে। সরকারি অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম বাধ্যতামূলক করার এই নির্দেশিকা নিয়ে দেশজুড়ে এখন আলোচনা শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
বিদেশ

দুপুরে হাইস্কুলে ঢুকে গুলি! মুহূর্তে লাশের স্তূপ, কাঁপছে কানাডা

কানাডার একটি হাইস্কুলে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালালেন এক মহিলা বন্দুকবাজ। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন। হামলাকারীরও মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, নিজের বন্দুকের গুলিতেই তিনি জখম হন এবং পরে মারা যান। কেন তিনি এই হামলা চালালেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ঘটনাটি ঘটেছে ব্রিটিশ কলম্বিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি হাইস্কুলে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দুপুর প্রায় ১টা ২০ মিনিট নাগাদ হঠাৎই গুলির শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। স্কুলে সপ্তম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা হয়। মোট পড়ুয়ার সংখ্যা প্রায় ১৭৫। পুলিশ জানিয়েছে, স্কুলের কর্মী ও পড়ুয়া মিলিয়ে অন্তত ১০০ জনকে নিরাপদে বাইরে বের করে আনা হয়েছে।পুলিশ স্কুলে ঢুকে এক জায়গায় ৬ জনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। অন্য একটি অংশ থেকে উদ্ধার হয় আরও ২ জনের দেহ। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে আরও একজনের মৃত্যু হয়। সব মিলিয়ে ৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহতদের মধ্যে অন্তত দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মৃতদের মধ্যে কতজন পড়ুয়া রয়েছে, তা এখনও জানানো হয়নি।হামলাকারী মহিলা একাই এই হামলা চালিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হলেও, অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনার পর শোকপ্রকাশ করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নে। তিনি মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।একজন নবম শ্রেণির পড়ুয়া স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, গুলির শব্দ শোনার পর সে সহপাঠীদের সঙ্গে একটি ঘরে লুকিয়ে ছিল। আতঙ্কে কাঁপছিল সবাই।এর আগে ২০২০ সালে নোভা স্কোটিয়ায় এলোপাথাড়ি গুলির ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সেই স্মৃতি এখনও তাজা। ফের স্কুলে এই ভয়াবহ হামলার ঘটনায় স্তব্ধ কানাডা।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

নির্বাচন কমিশনে জমা তালিকা নিয়ে কারচুপি? শেষ পর্যায়ে নতুন বিতর্ক

এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে পৌঁছালেও বিতর্ক থামছে না। এবার রাজ্য সরকার অভিযোগ তুলেছে, জাতীয় নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা চলছে। এই নিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে নবান্ন। কারা এই ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে, তা স্পষ্ট না করলেও স্বার্থান্বেষী মহল-এর বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ আনা হয়েছে।রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসআইআর-এর কাজের জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে মোট ৮৫০৫ জন গ্রুপ-বি আধিকারিকের নাম জমা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার নবান্নের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, সেই তালিকাই ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃতভাবে উপস্থাপনের অপচেষ্টা চলছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে। রাজ্যের দাবি, নির্বাচন কমিশনে যে তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে, তা সম্পূর্ণভাবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারিত পে-লেভেল মানদণ্ড মেনেই প্রস্তুত করা হয়েছে।নবান্ন আরও জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের ৯ ফেব্রুয়ারির পর্যবেক্ষণের পরই এই তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের গ্রুপ এ, বি, সি ও ডি হিসেবে যে শ্রেণিবিভাগ রয়েছে, তা বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত। সেই নিয়ম মেনেই অত্যন্ত সতর্কতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে গ্রুপ বি কর্মচারীদের তালিকা তৈরি করে কমিশনে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এতে কোনও অনিয়ম বা বিচ্যুতি হয়নি বলেও স্পষ্ট জানানো হয়েছে।নবান্নের বক্তব্য, সম্প্রতি যে অনিয়ম বা কারচুপির অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মনগড়া। বাস্তবের সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই বলেও দাবি করা হয়েছে।তবে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল বলে কাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এসআইআর প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়েও রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে যে চাপানউতোর চলছে, এই বিজ্ঞপ্তি তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal