• ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার ২০ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

College

রাজ্য

আর জি করে নতুন বিস্ফোরণ! সিবিআই অফিসার সীমা পাহুজাকেই তদন্তের আওতায় আনার দাবি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা ঘিরে ফের উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। এবার সরাসরি সিবিআইয়ের তদন্তকারী অফিসার সীমা পাহুজার ভূমিকাতেই প্রশ্ন তুললেন কলকাতা হাই কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি তথা তমলুকের বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। শুধু প্রশ্ন তোলাই নয়, তাঁকে তদন্তের আওতায় এনে জিজ্ঞাসাবাদের দাবিও তুলেছেন তিনি।শনিবার আচমকাই আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের এমার্জেন্সি ভবনে হাজির হন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, হাসপাতালের এই ভবনেই ওই তরুণী চিকিৎসকের উপর নৃশংস অত্যাচার চালিয়ে তাঁকে খুন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থল ঘুরে দেখার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বিস্ফোরক অভিযোগ করেন।অভিজিৎবাবুর দাবি,তদন্ত চলাকালীন এমন এক গুরুত্বপূর্ণ ঘর রয়েছে যা প্রায় দুবছর ধরে তালাবন্ধ ও সিল করা অবস্থায় পড়ে আছে। তাঁর বক্তব্য, ওই ঘর থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ বা অপরাধসংক্রান্ত তথ্য উদ্ধার হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। অথচ সিবিআইয়ের তদন্তকারী অফিসার সীমা পাহুজা সেই ঘর খুলে দেখার প্রয়োজনই মনে করেননি।তিনি বলেন, আমি জানতে পেরেছি, এমন একটি ঘর রয়েছে যেখান থেকে গুরুত্বপূর্ণ ইনক্রিমিনেটিং তথ্য মিলতে পারত। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, এখনও পর্যন্ত সেটি খোলা হয়নি। আমি নিজে গিয়ে দেখলাম, ঘরটি এখনও সিল করা অবস্থাতেই রয়েছে।এতেই শেষ নয়। আরও গুরুতর অভিযোগ তুলে অভিজিৎ দাবি করেন, ঘটনার রাতেই হাসপাতালের একটি সিঁড়ি দিয়ে একটি মৃতদেহ নামানোর দৃশ্য এক নার্স মোবাইলে রেকর্ড করেছিলেন। পরে সেই ভিডিও নাকি সিবিআই অফিসার সীমা পাহুজা নিজের কাছে রেখে দেন এবং সংশ্লিষ্ট নার্সকে ভিডিওটি ফোন থেকে মুছে ফেলতে বলেন। এমনকি তাঁকে ভয়ও দেখানো হয়েছিল বলে অভিযোগ।অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের কথায়,নার্সকে বলা হয়েছিল ভিডিওটি ডিলিট না করলে বিপদে পড়তে হবে। তিনি বাধ্য হয়ে ভিডিওটি মুছে দেন এবং কপি তুলে দেন সীমা পাহুজার হাতে। তারপর থেকে সেই ভিডিও আর প্রকাশ্যে আসেনি।তাঁর দাবি, ওই সিঁড়ি সরাসরি হাসপাতালের এমার্জেন্সি বিভাগে পৌঁছয় এবং সেখান থেকে একটি নির্দিষ্ট প্যাসেজ দিয়ে সেই জায়গায় যাওয়া যায়, যেখানে তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়েছিল। অথচ এই সম্ভাব্য গুরুত্বপূর্ণ রুট নিয়ে তদন্তে কোনও গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বলেই অভিযোগ তাঁর।এই প্রসঙ্গে সরাসরি প্রশ্ন তুলে বিজেপি সাংসদ বলেন,এত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকা সত্ত্বেও কেন তদন্তকারী অফিসার এগুলো দেখলেন না? কে তাঁকে প্রভাবিত করেছিল? কেন সত্য সামনে আনার চেষ্টা হয়নি?তিনি আরও দাবি করেন, সীমা পাহুজার ভূমিকা নিছক গাফিলতি নয়, বরং প্রমাণ লোপাটের সঙ্গে যুক্ত থাকার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তাঁর মতে, গোটা সিবিআই সংস্থাকে দায়ী করা ঠিক হবে না, তবে নির্দিষ্ট ওই অফিসারের ভূমিকা খতিয়ে দেখা জরুরি।এদিকে রাজ্যে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ফের খুলছে আর জি কর কাণ্ডের তদন্ত-ফাইল। ঘটনার সময় দায়িত্বে থাকা তিন আইপিএস অফিসারকে ইতিমধ্যেই সাসপেন্ড করা হয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, নির্যাতিতার পরিবারের আবেদনের ভিত্তিতে মামলার শুনানির জন্য বিশেষ ডিভিশন বেঞ্চ গঠন করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ ও বিচারপতি শম্পা সরকারের বেঞ্চে এবার এই মামলার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হতে চলেছে।এই আবহেই আর জি করে গিয়ে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিস্ফোরক অভিযোগে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।এদিকে হাসপাতাল প্রশাসনও কড়াকড়ি শুরু করেছে। হাসপাতাল চত্বরে বেআইনি পার্কিং রুখতে নির্দেশ জারি হয়েছে। পাশাপাশি দালালচক্রের বিরুদ্ধে নজরদারি বাড়ানো, রোগী ও তাঁদের পরিবারের কাছ থেকে বেআইনি টাকা আদায়ের অভিযোগ পেলেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাও আরও জোরদার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সব মিলিয়ে, আর জি কর কাণ্ডে তদন্তের মোড় যে আরও নাটকীয় দিকে এগোচ্ছে, তা স্পষ্ট। এখন নজর আদালতের পরবর্তী শুনানি এবং সিবিআই এই গুরুতর অভিযোগের প্রেক্ষিতে কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকেই।

মে ১৭, ২০২৬
রাজ্য

চাঞ্চল্য কল্যাণীর মেডিক্যাল হস্টেলে, ঘরবন্দি পড়ুয়ার পচাগলা দেহ উদ্ধারে রহস্য ঘনীভূত

রাজ্যে ফের এক মেডিক্যাল পড়ুয়ার অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নদিয়ার কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু মেমোরিয়াল হাসপাতাল হস্টেল থেকে উদ্ধার হল এক ছাত্রের দেহ। মৃত ছাত্রের নাম পুলক হালদার। তিনি মেডিক্যাল কলেজের চূড়ান্ত বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তাঁর বাড়ি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার মগরাহাটের ধামুয়ায়।জানা গিয়েছে, গত কুড়ি তারিখ হস্টেলের ক্যান্টিনে খেতে গিয়েছিলেন পুলক। তারপর থেকে আর তাঁকে ঘরের বাইরে দেখা যায়নি। এমনকি পরবর্তী দিনগুলিতেও তিনি ক্যান্টিনে যাননি বলে সহপাঠীরা জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁর ঘর থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বের হতে শুরু করে। গন্ধ পেয়ে হস্টেলের ছাত্ররা কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে খবর দেন।এরপর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং কল্যাণী থানার পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ঘরে ঢোকে। ভিতরে বিছানার উপর পুলকের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। হস্টেলের অন্যান্য আবাসিকদের বক্তব্য, পুলক ঘরে একাই থাকতেন। আগামী মাসের পাঁচ তারিখ থেকে তাঁর পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে কলেজে।এই মৃত্যুর পিছনে পরীক্ষার চাপ, না কি ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন রয়েছে, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।কলেজের চিকিৎসক মনিদীপ পাল জানিয়েছেন, দুপুর প্রায় দুটো থেকে আড়াইটে নাগাদ তাঁরা বিষয়টি জানতে পারেন। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে খবর দেওয়া হয় এবং দরজা খোলার পর দেহ উদ্ধার করা হয়।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুরের মেডিক্যাল কলেজে ফের চাঞ্চল্যকর ঘটনা, একই কলেজে ছাত্রের রহস্যমৃত্যু

দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে ফের চাঞ্চল্যকর ঘটনা। হস্টেলের বাথরুম থেকে উদ্ধার হল দ্বিতীয় বর্ষের এক চিকিৎসক পড়ুয়ার দেহ। মৃতের নাম লাবণ্য প্রতাপ, বয়স ২২। তিনি বিহারের পাটনার বাসিন্দা। শনিবার রাতে পুলিশ দেহ উদ্ধার করে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। কীভাবে মৃত্যু হল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃতের বাবা জানিয়েছেন, তাঁদের কেউ আগে কিছু জানায়নি। দরজা খুলে তিনি দেখেন, তাঁর ছেলে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। এরপরই প্রশাসনকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে।মৃতের পরিবারের অভিযোগ, কলেজ কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বাবা বলেন, অভিভাবকেরা টাকা দেন পড়াশোনার জন্য, কিন্তু ছাত্রদের নিরাপত্তার দায়িত্ব কলেজেরই।সম্প্রতি কলেজে পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। সেই ফল ভাল না হওয়ায় মানসিক চাপে এই ঘটনা কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সব দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ।উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর এই একই কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রীকে মেডিক্যাল কলেজের বাইরে জঙ্গলে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনায় ছয় জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে পাঁচজন স্থানীয় যুবক এবং একজন সহপাঠী। বর্তমানে তারা পুলিশি হেফাজতে রয়েছে।সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের একই কলেজে ছাত্রের মৃত্যু ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। পুলিশ পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
কলকাতা

স্কটিশ চার্চ কলেজে রহস্যমৃত্যু! হস্টেল থেকে উদ্ধার ছাত্রীর নিথর দেহ

স্কটিশ চার্চ কলেজের এক ছাত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কলেজ চত্বরে। মৃত ছাত্রীর নাম ঋষিতা বণিক। তিনি স্কটিশ চার্চ কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন এবং কলেজের হস্টেলেই থাকতেন। অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে হস্টেল থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঋষিতার বাড়ি ত্রিপুরায়। গত ২৪ জানুয়ারি হঠাৎই হস্টেলে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পেটে তীব্র যন্ত্রণা শুরু হলে প্রথমে তাঁকে হস্টেলের সিক রুমে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় দ্রুত আরজি কর হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে সেখানে পৌঁছনোর আগেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে চিকিৎসকেরা জানান।পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, বিষক্রিয়ার কারণেই ছাত্রীর মৃত্যু হতে পারে। তবে ঠিক কী কারণে এই মৃত্যু, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে। হস্টেলের অন্যান্য পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলছে পুলিশ। পাশাপাশি, মৃত ছাত্রীর পরিবারের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে।সূত্রের খবর, ঋষিতা বেশ কিছুদিন ধরেই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। তিনি কোনও ওষুধ সেবন করেছিলেন বলেও প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে। সেই ওষুধ থেকেই বিষক্রিয়া হয়ে থাকতে পারে বলে অনুমান। তবে যদি খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণে মৃত্যু হয়ে থাকে, তা হলে অন্য কেউ কেন অসুস্থ হননি, সেই প্রশ্নও উঠছে। সব দিক খতিয়ে দেখেই তদন্ত এগোচ্ছে পুলিশ।উল্লেখ্য, প্রায় এক বছর আগে স্কটিশ চার্চ কলেজে একটি গুরুতর অভিযোগ ঘিরে শোরগোল পড়ে যায়। এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের অশ্লীল বার্তা পাঠানোর অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ ছিল, ওই অধ্যাপক মূলত দরিদ্র পরিবারের ছাত্রীদের টার্গেট করতেন এবং কাজ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁদের অনুপযুক্ত বার্তা পাঠাতেন। সেই ঘটনায় পড়ুয়াদের বিক্ষোভের জেরে অভিযুক্ত অধ্যাপককে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। বর্তমান ঘটনার সঙ্গে ওই ঘটনার কোনও যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থা।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ঢুকেই বিপাকে নির্মল মাজি, ‘গো ব্যাক’ স্লোগানে তাড়ানো হল বিধায়ককে

কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে বুধবার তীব্র বিক্ষোভের মুখে পড়লেন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল মাজি। অনুষ্ঠানের মঞ্চে ওঠার পরই একাংশ পড়ুয়ারা তাঁর বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে শুরু করেন। চোর, গো ব্যাকএই ধরনের স্লোগানে উত্তাল হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে বক্তব্য শেষ না করেই অনুষ্ঠানস্থল ছাড়তে বাধ্য হন তিনি।একসময় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান ছিলেন নির্মল মাজি। সেই সময়েও একাধিকবার ছাত্রদের বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন তিনি। পড়ুয়াদের একাংশের অভিযোগ, চেয়ারম্যান থাকাকালীন তিনি পরীক্ষার নম্বর কেটে দেওয়ার নির্দেশ দিতেন এবং ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি দিতেন। সেই অভিযোগ ঘিরেই তখনও প্রবল অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। এমনকী, কলেজের হস্টেলেও ঢুকতে পারেননি তিনি। ফলে এ দিনের বিক্ষোভ নতুন কিছু নয় বলেই মনে করছেন অনেকেই।জানা গিয়েছে, বুধবার সকাল দশটার কিছু পরে নির্মল মাজি কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে পৌঁছন। কলেজের গেটে পা দিতেই শুরু হয় স্লোগান। পরে তিনি অডিটোরিয়ামের মঞ্চে উঠলে ফের বিক্ষোভ জোরালো হয়। বিক্ষোভ দেখাতে দেখাতে তাঁকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে কলেজ গেটের বাইরে বের করে দেওয়া হয়।বিক্ষোভরত পড়ুয়াদের বলতে শোনা যায়, নির্মল মাজিকে স্বাগত জানাতে পারছি না। গো ব্যাক, গো ব্যাক। নির্মল মাজি হায় হায়, নির্মল মাজি ধিক্কার। প্রতিষ্ঠা দিবসের মতো অনুষ্ঠানে এমন ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কলেজ চত্বরে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২৬
কলকাতা

“চার বছর ধরে অভিযোগ!”—অবশেষে চাপের মুখে পদত্যাগ করলেন অধ্যাপক কল্যাণ ভট্টাচার্য

কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে বিস্ফোরক পরিস্থিতি তৈরি হল শুক্রবার। প্রথম বর্ষের ছাত্রীদের শ্লীলতাহানি ও শারীরিক হেনস্থার অভিযোগে শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করলেন অ্যানাটমি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক কল্যাণ ভট্টাচার্য। সকাল থেকেই চাপে ছিলেন তিনি। আর সেই চাপের উৎস হাসপাতালের ছাত্রছাত্রীদের একটানা আন্দোলন। অধ্যক্ষের দফতরের সামনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিক্ষোভে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মেডিক্যাল কলেজের পরিবেশ।অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই প্রথম বর্ষের ছাত্রীর সঙ্গে অশালীন আচরণ করতেন এইচওডি। একাধিক ছাত্রী বারবার বিষয়টি অভিযোগ জানালেও ব্যবস্থা হয়নি বলে দাবি পড়ুয়াদের। অবশেষে সাম্প্রতিক হেনস্থার অভিযোগ সামনে আসতেই ফেটে পড়ে ক্ষোভ। শুক্রবার দুপুর বারোটার পর থেকেই স্টুডেন্টস ইউনিয়নের সদস্যরা প্রিন্সিপালের ঘরের সামনে অবস্থান শুরু করেন। তাঁরা জানান, তাঁরা লিখিত আকারেই এমন অভিযোগ গত কয়েক বছর ধরে তুলে আসছেন, কিন্তু কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।বিকেলের দিকে পরিস্থিতি জটিল হতে থাকলে শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করতে বাধ্য হন অ্যানাটমি বিভাগের প্রধান। পরে কলেজ কর্তৃপক্ষ জানায়, নতুন এইচওডি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অধ্যাপক মৈত্রেয়ী মণ্ডলকে। একই সঙ্গে সাত সদস্যের একটি কমিটিও তৈরি হয়েছে। আগামী ১০ দিনের মধ্যে সেই কমিটির রিপোর্ট যাবে অধ্যক্ষের হাতে। এরপর তা স্বাস্থ্যদপ্তরে পাঠানো হবে, আর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে সেখানকার কর্তৃপক্ষ।এক বিক্ষোভকারী ছাত্র বলেন, আমাদের দাবি আংশিকভাবে পূরণ হলেও ক্ষোভ থেকেই যাচ্ছে। চার বছর ধরে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। কোনও দিন ব্যবস্থা হল না। আজ আন্দোলনের জেরে পদক্ষেপ হল। অন্যদিকে এমএসভিপি অঞ্জন অধিকারী বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল। মেডিক্যাল কলেজে এমন ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। প্রশাসন সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেছে। হেড স্যার ইস্তফা দিয়েছেন। এখন সমস্তটাই কমিটির রিপোর্টের উপর নির্ভর করছে।এই পুরো ঘটনা ফের একবার প্রশ্ন তুলছেশিক্ষাঙ্গনে নিরাপত্তাহীনতার উদ্বেগ কতটা গভীর? আর চাপ না থাকলে কি কোনও অভিযোগ কখনও গুরুত্ব পায়?

নভেম্বর ২১, ২০২৫
রাজ্য

দুর্গাপুরে ডাক্তারি ছাত্রী গণ.ধর্ষণ কাণ্ডে মুখ খুললেন পুলিশ কমিশনার, উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

দুর্গাপুরে ডাক্তারি পড়ুয়া ছাত্রীর উপর গণধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনায় ইতিমধ্যেই পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট। সোমবার বিকেলে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে পুলিশ কমিশনার সুনীল কুমার চৌধুরী বলেন, পুলিশ নির্যাতিতার পরিবারের পাশে আছে। প্রথম দিন থেকেই আমরা তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। তাঁরা যেন নিরাপদে থাকেন, তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।কমিশনার আরও বলেন, পুলিশ এই মামলায় নির্যাতিতার পরিবারের সদস্য হিসেবেই কাজ করছে। তাঁরা যেন ন্যায়বিচার পান, সেই লক্ষ্যে দ্রুত তদন্ত চলছে। তিনি জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরই একাধিক দল গঠন করে অভিযুক্তদের খোঁজে অভিযান শুরু করা হয়। এখন পর্যন্ত পাঁচজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে।তদন্তের স্বার্থে ঘটনাস্থলের পুনর্নির্মাণ (crime scene reconstruction) করা হয়েছে। অভিযুক্তদের ব্যবহৃত জামাকাপড় ও অন্যান্য সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। পুলিশের দাবি, তদন্তের প্রতিটি ধাপে নির্যাতিতার পরিবারকে অবহিত করা হচ্ছে।তবে তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে কমিশনার বলেন, মেডিক্যাল রিপোর্ট ও প্রাথমিক ফরেনসিক বিশ্লেষণে জানা যাচ্ছে, ধর্ষণের ঘটনায় মূলত একজন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। বাকিদের ভূমিকা এখনও তদন্তাধীন। ফলে গণধর্ষণ অভিযোগের পরিধি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও কমিশনার স্পষ্ট জানান, যে দোষী হবে, তাকে কোনওভাবেই রেয়াত করা হবে না। আইনের পথে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এই ঘটনার পর দুর্গাপুর জুড়ে উত্তেজনা ছড়ালেও পুলিশ কমিশনার সকলকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ঘটনাকে কেউ রাজনৈতিক রঙ দেওয়ার চেষ্টা করলে, তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিন পুলিশ কমিশনার ব্যক্তিগতভাবে নির্যাতিতার বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। তাঁর কথায়, মেয়েটির সাহসকে আমরা স্যালুট জানাই। এমন অপরাধ যেন আর কেউ করার সাহস না পায়, তার জন্য পুলিশ সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেবে।

অক্টোবর ১৪, ২০২৫
রাজ্য

দুর্গাপুরে ডাক্তারি ছাত্রীর ‘গণধর্ষণ’, তিন অভিযুক্ত গ্রেফতার — সহপাঠীর ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে

দুর্গাপুরে কলেজ ছাত্রীকে অপহরণ করে গণধর্ষণের অভিযোগে তীব্র চাঞ্চল্য। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রেফতার করা হয়েছে তিন অভিযুক্তকে। তাঁদের রবিবার দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন।ঘটনাস্থল কলেজ ক্যাম্পাস থেকে মাত্র ৭০০ মিটার দূরে, ঘন ঝোপঝাড়ে ঘেরা এলাকায়। পুলিশ জানায়, সেখানে দীর্ঘদিন ধরেই বসে নেশার ঠেকমদ ও গাঁজা বিক্রির আড্ডা। শনিবার রাতে ওই ঠেকেই ছিলেন তিন অভিযুক্ত। তখনই তাঁরা কলেজের ডাক্তারি ছাত্রী এবং তাঁর এক সহপাঠীকে রাস্তায় হাঁটতে দেখে প্রথমে তরুণীকে উত্ত্যক্ত করতে শুরু করেন। এর পর তাঁকে জোর করে টেনে নিয়ে গিয়ে জঙ্গলে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনাকালীন তরুণীর মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় অভিযুক্তরা। পরে তদন্তে ধৃতদের কাছ থেকেই তরুণীর ফোন উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ দাবি করেছে, তিন জনের বিরুদ্ধেই প্রত্যক্ষ প্রমাণ মিলেছে। তদন্তকারীদের একটি সূত্র জানিয়েছে, সহপাঠীকে পালিয়ে যেতে দেখে তরুণী কলেজের বন্ধুদের ফোন করেছিলেন। পরে তাঁর বন্ধুরাই ওই সহপাঠীকে ঘটনাস্থলে ফের যেতে বলেন। এই সময়েই নির্যাতিতাকে ধর্ষণ করা হয় বলে প্রাথমিক তদন্তে ধারণা পুলিশের।ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পরেই পুলিশ ওই সহপাঠীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। তাঁর বয়ানেই পুরো ঘটনার প্রাথমিক তথ্য মিলেছে বলে সূত্রের খবর। তরুণীর সঙ্গে কথা বলেছেন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট রঞ্জনা রায়।কলেজ কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, রাত ৭টা ৫৮ মিনিটে সহপাঠীর সঙ্গে ক্যাম্পাস থেকে বেরিয়েছিলেন তরুণী। ৮টা ৪২ মিনিটে সহপাঠী একা ফিরে আসেন, গেটের কাছে কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করে ফের বাইরে যান। পরে রাত ৯টা ২৯ মিনিটে দুজন একসঙ্গে কলেজে ফেরেন। ৯টা ৩১ মিনিটে তরুণী নিজের হস্টেলে ফিরে যান।অভিযোগ, তরুণীর বাবার দাবি অনুযায়ী, তাঁর মেয়েকে বাইরে নিয়ে গিয়েছিলেন সেই সহপাঠীই, এবং ধৃত তিন জন ওই ছাত্রেরই বন্ধু। তাঁর কথায়, রাত ১০টার দিকে ওর বন্ধু ফোন করে জানায়, আমার মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়েছে। ওর এক বন্ধু ওকে খেতে নিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু যখন দু-তিন জন মেয়েকে ঘিরে ধরে, তখন ওর বন্ধুটি পালিয়ে যায়।এখনও পর্যন্ত তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে পুলিশ মনে করছে, ঘটনায় আরও কয়েক জন যুক্ত থাকতে পারে। তাঁদের খোঁজে চলছে তল্লাশি অভিযান

অক্টোবর ১২, ২০২৫
রাজ্য

মালদার অধ্যাপক অপহরণ কাণ্ড : ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৬

অবশেষে অপহরণের তিন দিনের মাথায় উদ্ধার হলেন মালদার পলিটেকনিক অধ্যাপক তাপস কুমার মন্ডল (৩৬)। পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক থেকে বুধবার রাতে তাঁকে উদ্ধার করে মালদা ও পূর্ব মেদিনীপুর পুলিশের যৌথ টিম। ঘটনায় মোট ছজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।ধৃতদের মধ্যে পাঁচজনের বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি এলাকায়। আরেকজন অমৃত হালদার, যিনি মালদার মানিকচকের বাসিন্দা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই অমৃতই গত ছমাস ধরে অধ্যাপকের নড়াচড়া লক্ষ্য করছিল। তাঁর মাধ্যমেই কাঁথির দুষ্কৃতীদের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে ওঠে। মাস্টারমাইন্ড কার্তিক গুচ্ছেদের নেতৃত্বে অপহরণকারীরা একটি টিম তৈরি করে অধ্যাপককে তুলে নিয়ে যায়।অপহরণের দিন৮ সেপ্টেম্বর মালদা থেকে পদাতিক এক্সপ্রেস ধরে জলপাইগুড়ির উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন অধ্যাপক তাপস মন্ডল। মাঝপথেই নিখোঁজ হয়ে যান তিনি। ওইদিন রাতেই ইংরেজবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন অধ্যাপকের স্ত্রী রাখি মন্ডল। পরদিন, ৯ সেপ্টেম্বর অপহরণকারীরা রাখিদেবীর মোবাইলে ফোন করে মুক্তিপণ হিসেবে তিন কোটি টাকা দাবি করে।কীভাবে উদ্ধারপুলিশ জানিয়েছে, অপহরণকারীরা তমলুকের একটি গেস্ট হাউস ভাড়া নিয়ে অধ্যাপককে আটকে রেখেছিল। মুক্তিপণের দাবির পাশাপাশি বন্দুক দেখিয়ে ভিডিও কলে খুনের হুমকিও দেওয়া হয়। অপহরণকারীদের ফোন ট্র্যাক করেই তমলুকের অবস্থান চিহ্নিত করে পুলিশ। এরপর বিশেষ টিম অভিযান চালিয়ে অধ্যাপককে উদ্ধার করে এবং পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে ধৃতদের জেরা করে উঠে আসে অমৃত হালদারের নাম।ধৃতদের পরিচয়গ্রেপ্তারদের নাম কার্তিক গুচ্ছেদ, রিয়াদ শেখ, সুরাজ শেখ, কালু শেখ, নাজিমুদ্দিন খান (সকলের বাড়ি কাঁথিতে) এবং অমৃত হালদার (মানিকচক, মালদা)। জানা গিয়েছে, অমৃত এর আগেও একাধিক অপরাধমূলক ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল।পুলিশি পদক্ষেপবৃহস্পতিবার মালদায় সাংবাদিক বৈঠকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সম্ভব জৈন জানান, তদন্ত এখনও চলছে এবং ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতের কাছে সাত দিনের হেফাজতের আবেদন জানানো হয়েছে।অধ্যাপক তাপস মন্ডল মালদার ইংরেজবাজার শহরের মহানন্দাপল্লির বাসিন্দা ও জলপাইগুড়ি পলিটেকনিকের অধ্যাপক। স্ত্রী রাখি মন্ডলও সরকারি কর্মচারী। তাঁদের আড়াই মাসের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৫
রাজ্য

কলকাতা 'ল কলেজে ঘটনার প্রতিবাদ সামশেরগঞ্জে, পথে বামেরা

কলকাতার ল কলেজে ছাত্রী ধর্ষণের প্রতিবাদে সামসেরগঞ্জেও রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করে বামেরা। শনিবার বিকেলে DYFI এবং SFI এর নেতৃত্বে সামসেরগঞ্জের কাকুড়িয়ায় রাস্তা অবরোধ ঘিরে ব্যাপক শোরগোল সৃষ্টি হয়। রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করলে পুলিশের বিরুদ্ধে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।মুখ্যমন্ত্রীর কুশ পুতুল পুড়িয়ে বিক্ষোভ করে বামেরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সামসেরগঞ্জ থানার পুলিশ। যদিও রাস্তা অবরোধে বাধা দেওয়ার সময় থেকেই পুলিশের সঙ্গে কার্যত ধস্তাধস্তি হয় বাম কর্মী সমর্থকদের। তামান্না খাতুনের খুনিদের শাস্তি দেওয়ার পাশাপশি কলকাতার কলেজে ধর্ষণ কাণ্ডে জড়িতদের কঠোর শাস্তির দাবি জানান বাম কর্মী সমর্থকরা।

জুন ২৮, ২০২৫
কলকাতা

লালবাজারে আটক বঙ্গ বিজেপির সভাপতি, অবস্থান থেকে পুলিশ গাড়িতে তোলা হল ৩ কাউন্সিলরকে

কসবা ল কলেজে তৃণমূল ছাত্র নেতা মনোজিৎ মিশ্রকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার দুই সঙ্গীকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদিন গড়িয়াহাটে এই ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। সেখান থেকে রাজ্য সভাপতি ডঃ সুকান্ত মজুমদার সহ বিজেপি নেতৃত্বকে গ্রেফতার করা হয়। পশ্চিমবঙ্গের নারী নিরাপত্তার অবনতি এবং কসবা লকলেজে ছাত্রীকে ধর্ষণের প্রতিবাদ করছিল বিজেপি। এরপর দলের অন্যদের সঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে লালবাজারে আটক করে রেখেছে। সুকান্ত মজুমদার স্পষ্ট জানিয়েছে, ব্যক্তিগত বন্ডে এবার আর জামিন নেবেন না। রাত সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত সুকান্ত মজুমদার জামিন নেননি। তিনি দলের অন্যদের সঙ্গে এখন লালবাজারেই আছেন। অন্যদিকে এই সময় লালবাজারের সামনে বিক্ষোভ অবস্থান করছিল বিজেপি। সেই অবস্থান থেকে বিজেপির তিন কাউন্সিলরকে আটক করে পুলিশ। সজল ঘোষ, মীনাদেবী পুরোহিত ও বিজয় ওঝাকে আটক করে পুলিশ।

জুন ২৮, ২০২৫
কলকাতা

কসবা কাণ্ডে মদন মিত্র ও কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যে তোলপাড় বাংলা, তৃণমূলের নিন্দা

তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিধায়ক মদন মিত্রের কসবা গণধর্ষণ কাণ্ডে মন্তব্যে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়। তৃণমূল বলছে, দল দুই নেতার মন্তব্য সমর্থন করে না। কার্যত এই দুই নেতা থেকে তৃণমূল কংগ্রেস দূরত্ব তৈরি করছে। বিজেপি কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছে বিজেপি। কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র বলেন, যদি ওই মেয়েটি না যেত, তাহলে এই ঘটনা এড়ানো যেত, যদি সে কাউকে জানাত অথবা দুজন বন্ধুকে সাথে নিয়ে যেত, তাহলেও সেদিনের এই ঘটনা এড়ানো যেত। প্রশ্ন উঠেছে তাহলে কি অপরাধীদের সমর্থন করতে চাইছে এই তৃণমূল নেতা। অন্য দিকে শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, মানসিকতার পরিবর্তন না হলে হবে না। আইন বা পুলিশ দিয়ে কিছু হবে না। স্টুডেন্টরা যদি তাঁদের সহপাঠিনীকে রেপ করা তা প্যাথিটিক। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কি পুলিশ থাকবে? মূল অভিযুক্ত যে প্রাক্তনী তা এড়িয়ে গিয়েছেন কল্যান। এদিকে এই দুই নেতার সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের বক্তব্য, সাউথ ক্যালকাটা ল কলেজে ঘটে যাওয়া নৃশংস ঘটনা প্রসঙ্গে সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিধায়ক মদন মিত্র যে মন্তব্য করেছেন, তা তাঁদের ব্যক্তিগত মতামত। দল তাঁদের বক্তব্যের সঙ্গে কোনোভাবেই একমত নয় এবং এই মন্তব্যগুলিকে কড়াভাবে নিন্দা করছে। এই ধরনের বক্তব্য কোনওভাবেই দলের অবস্থানকে প্রতিফলিত করে না।তৃণমূল বলছে আমাদের অবস্থান স্পষ্টমহিলাদের ওপর অপরাধের ক্ষেত্রে বরাবরই জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও করা হবে। যারা এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে যেন কঠোরতম শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়।

জুন ২৮, ২০২৫
কলকাতা

কলকাতার 'ল কলেজে ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ, গ্রেফতার ৩, তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি

কসবা ল কলেজের ক্যাম্পাসের ভিতরে এক আইনের ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের ছাত্র নেতা মনজিৎ মিশ্র সহ অন্যান্য দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অন্য অভিযুক্ত জাইব আহমেদ ও প্রমিত মুখার্জি। মনজিৎ মিশ্র ওই ল কলেজের প্রাক্তনী এবং তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতা ছিল এবং বাকি দুজন সেখানকার পড়ুয়া। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটানো হয় ২৫ জুন, বুধবার রাতে কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যেই। শুধু ধর্ষণই নয়, ধর্ষিতার মুখ বন্ধ রাখতে ভিডিও রেকর্ডিং করে ভয় দেখায় অভিযোগকারীরা। পরবর্তীতে ধর্ষিতা যাতে অভিযোগ না জানান, তার জন্যও নানাভাবে চাপ দেওয়া হয় এবং অভিযোগের এফআইআর কপিতে অভিযুক্তদের নাম দেওয়ার বদলে তাদের নামের আদ্যক্ষর দিয়ে অভিযোগ লেখা হয়। এমন ঘটনা বোধহয় কেবলমাত্র পশ্চিমবঙ্গেই ঘটা সম্ভব। ভারতীয় জনতা পার্টি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানায় এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করে। বিজেপির দাবি, কসবার গণধর্ষণের ঘটনা কোনও বিচ্ছিন্ন অপরাধের ঘটনা নয়, এটি অভয়া ধর্ষণ কান্ডের পর এই রাজ্যের নারী নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলার ব্যর্থতার আবারও এক জলজ্যান্ত উদাহরণ।এই বিষয়ে রাজ্য সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী ড. সুকান্ত মজুমদার জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী ধর্ষণের মতো গুরুতর অপরাধকে ছোটখাটো বলে উপেক্ষা করেন, যা রাজ্যে এই ধরনের অপরাধ বৃদ্ধির জন্য দায়ী। তাঁর এই মনোভাব পুলিশ প্রশাসনকেও প্রভাবিত করে, যার ফলে অপরাধীরা নির্ভয়ে এই ধরনের কাজ করে। রাজ্যে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি বলেন, কলকাতার মতো শহরে, যেখানে মুখ্যমন্ত্রীর নিজের কার্যালয় রয়েছে, সেখানে এই ধরনের ঘটনা ঘটলে সাধারণ মানুষ কীভাবে নিরাপদ বোধ করবে?২০২৪ সালে আরজি কর মেডিকেল কলেজের এক নারী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার পর থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগের দাবি উঠেছিল। রাজ্য সভাপতি সেই ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, আরজি করের ঘটনায়ও মুখ্যমন্ত্রী পুলিশকে নিয়ন্ত্রণ করেছিলেন। এখনও তিনি একই ভুল করছেন।পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ প্রশাসন মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি অতিরিক্ত আনুগত্য দেখায়, যার ফলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। তিনি বলেন, পুলিশের কাজ অপরাধীদের ধরা, কিন্তু তারা শাসক দলের নেতাদের সুরক্ষা দিতে ব্যস্ত।এই বিষয়ে বিরোধী দলনেতা শ্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এই ঘটনা শুধুমাত্র একটি অপরাধ নয়, এটি তৃণমূল কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠনের নেতাদের দ্বারা শিক্ষাঙ্গনকে কলুষিত করার একটি জ্বলন্ত প্রমাণ। তৃণমূলের ছাত্র নেতারা বারবার তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভয় ও অরাজকতার পরিবেশ তৈরি করছে। তিনি আরও বলেন, ঘটনার জন্য পুলিশ দায়ী । মনোজ ভার্মা থেকে শুরু করে বিনীত গোয়েল এবং বাকি সব পুলিশ দিঘায় রয়েছে । পুরো কলকাতা পুলিশকে নিয়ে চলে গিয়েছে ওখানে। দিঘায় তো লোকই হয়নি৷ তাই জামা খুলিয়ে পুলিশকে দিয়ে হাঁটাবে। এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে থাকার যোগ্যতা নেই। বিজেপি এই বিষয়টা নিয়ে লড়বে। খুব বড় পদক্ষেপ করা হবে। সুপ্রিম কোর্টের এই সরকারকে উচিত শাস্তি দেওয়া উচিত।এদিনের ঘটনার প্রতিবাদে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন বিজেপির বিধায়ক এবং সাধারণ সম্পাদিকা শ্রীমতী অগ্নিমিত্রা পা ৷ তিনি বলেন, শিউরে ওঠার মতো ঘটনা। অভয়ার ঘটনার পরে দশ মাসও কাটেনি আজকে আরেক অভয়া বোনের গণধর্ষণ হয়ে গেল। এই ঘটনা ঘটেছে বুধবার।এদিকে তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠকে দলীয় নেতৃত্ব ল কলেজের ঘটনাকে ঘৃণ্য ঘটনা বলে উল্লেখ করেছে। অপরাধীদের কড়া শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, অভিযুক্তরা কেউ তৃণমূল কংগ্রেস বা টিএমসিপির নেতৃত্বে নেই। দলের সঙ্গে এখন তাদের কোন সম্পর্ক নেই। আর অভিযুক্তদের সঙ্গে নেতাদের ছবি প্রসঙ্গে তৃমূলের দাবি, বিজেপি নেতাদের সঙ্গে বহু অপরাধীদের ছবি দেখা গিয়েছে।

জুন ২৭, ২০২৫
স্বাস্থ্য

দিনের পর দিন কাজ করেও বেতন জোটেনি, শেষমেশ অবস্থান-বিক্ষোভ মালদা মেডিক্যাল কলেজে

দিনের পর দিন বেতন না মেলায় অবশেষে ক্ষোভ দানা বাঁধলো মেডিক্যাল কলেজের শতাধিক অস্থায়ী কর্মীদের মধ্যে। কাজ করেও তাঁদের বেতন জোটেনি। বকেয়া বেতন মেটানোর দাবিতে সোমবার সকাল থেকেই কর্মবিরতির ডাক দিলেন মালদা মেডিকেল কলেজের শতাধিক অস্থায়ী কর্মী। এদিন সকাল থেকেই মেডিকেল কলেজের ট্রমা কেয়ার ভবনের সামনের অবস্থান-বিক্ষোভে বসে পড়েন অস্থায়ী কর্মীরা। যতক্ষণ পর্যন্ত বেতন সমস্যা না মেটানো হবে ততক্ষণ কর্মবিরতি চলবে বলেও সরাসরি জানিয়ে দিয়েছেন অবস্থান-বিক্ষোভে সামিল হওয়া অস্থায়ী কর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, পরিশ্রম করেও প্রতিমাসে নিয়ম করে বেতন মিলছে না। এই মেডিকেল কলেজের হাউসকিপিং, নিরাপত্তারক্ষী সহ বিভিন্ন বিভাগে প্রায় ১৮১ জন অস্থায়ী কর্মী রয়েছেন। ১৪ ঘণ্টারও বেশি কাজ করেন প্রত্যেকেই। কিন্তু বেতনের সময় এলেই আর নিয়ম করে তা দেওয়া হচ্ছে না। অধিকাংশ অস্থায়ী কর্মীদের ছয় মাসের বেতন মেলেনি। আবার কেউ চার মাস এবং তিন মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না। মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে এব্যাপারে গণস্বাক্ষর সম্বলিত চিঠি দেওয়া হলেও কোনওরকম সদুত্তর পাওয়া যায়নি। তাই নিজেদের বকেয়া বেতনের দাবিতে এদিন কর্মবিরতির ডাক দিয়ে এভাবে অবস্থান-বিক্ষোভে বসেছে। এদিন বিক্ষোভকারী এক অস্থায়ী কর্মী অম্লান মিশ্র বলেন, আমি নিজে ছয় মাস ধরে বেতন পাইনি। অথচ মেডিকেল কলেজের প্রতিদিনই ১২ থেকে ১৪ ঘন্টা ডিউটি করছি। আমার মতো শতাধিক অস্থায়ী কর্মী মাসের পর মাস বেতন পাচ্ছে না। অথচ আমরা কর্তব্যে কোনও সময় গাফিলতি করি না। মালদা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ পার্থ প্রতিম মুখোপাধ্যায় বলেন, নির্দিষ্ট একটি এজেন্সির মাধ্যমেই ওই অস্থায়ী কর্মীরা কাজ করেন। এখানে মেডিকেল কলেজের কোনও হাত নেই। তবুও বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

জুন ০৯, ২০২৫
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডে বিচারের দাবিতে ফের সিজিও অভিযান চিকিৎসকদের

জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টরস এবং অভয়া মঞ্চের পক্ষ থেকে সিজিও কমপ্লেক্স অভিযান। প্রতিনিধিরা যায় করে সিবিআই দপ্তরে। ৮ মাসেও মেলেনি বিচার। দ্রুত তদন্ত, সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট দেওয়ার দাবিতে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সের সামনে জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টরস এবং অভয়া মঞ্চের অভিযান। মিছিল করে তারা উপস্থিত হয় ফিজিও কমপ্লেক্সের সামনে। এর পরে সিজিও কমপ্লেক্সের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিক্ষোভকারীরা। তাঁদের অভিযোগ, ৮ মাস পার হলেও প্রকৃত বিচার মিলল না। তদন্তে সিবিআই এর দীর্ঘসূত্রিতা এমনকি সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট দেওয়ার ক্ষেত্রেও তদন্তকারীদের উদাসীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন চিকিৎসকরা। এরপর তাদের একটি প্রতিনিধি দল প্রবেশ করে ফিজিও কমপ্লেক্সের ভেতরে সিবিআই দপ্তরে।

এপ্রিল ১০, ২০২৫
রাজ্য

মালদা মেডিক্যাল কলেজের ফেসিলিটি ম্যানেজার সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার, বড়সড় দুর্নীতির অভিযোগ

এবার সরকারি হাসপাতালে দুর্নীতির তদন্তে সিবিআই। আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে মালদা মেডিক্যাল কলেজের ফেসিলিটি ম্যানেজারকে গ্রেফতার করলো সিবিআই। মঙ্গলবার তিনজন সিবিআই আধিকারিক হানা দেয়। মালদা মেডিক্যাল কলেজের ফেসিলিটি ম্যানেজার অভিজিৎ দাসকে গ্রেফতারের পর ইংরেজবাজার থানায় নিয়ে যায়। পরে সিবিআই কর্তারা সেখান থেকেই পুলিশি সহযোগিতা নিয়ে মালদা আদালতের ট্রানজিট রিমান্ডের মাধ্যমে কলকাতায় নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করে। এদিকে এদিন মালদা মেডিকেল কলেজের ফেসিলিটি ম্যানেজার অভিজিৎ দাস গ্রেপ্তার হওয়াতেই নতুন করে শোড়গোল পড়ে গিয়েছে ।মেডিকেল কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত চার মাস আগে আলিপুরদুয়ার সরকারি হাসপাতাল থেকে স্থানান্তরিত হয়ে মালদা মেডিকেল কলেজের ফেসিলিটি ম্যানেজার হিসেবে যোগদান করেন অভিজিৎ দাস। আলিপুরদুয়ারের আগে তিনি কামারহাটি বিধানসভা কেন্দ্রের বরানগর হাসপাতালে ওয়ার্ড মাস্টার পদে কর্মরত ছিলেন। বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজে মোটা টাকার আর্থিক দুর্নীতিতে বিগত দিনে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন অভিজিৎ দাস। কলকাতার আলিপুরেই মূলত আর্থিক দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার হয়েছিল অভিজিৎ দাস। পরবর্তীতে জামিন পেলেও মামলা চলতে থাকে। এরপর অভিজিৎ দাসের বিরুদ্ধে একাধিকবার আদালতে হাজিরা না হওয়া সমন জারি হয়। এবার সিবিআই অভিজিৎ দাসকে গ্রেফতার করেছে। এদিন মালদা মেডিকেল কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল ডাঃ প্রসেনজিৎ কুমার বর জানিয়েছেন, একটি পুরনো মামলায় মেডিকেল কলেজের ফেসিলিটি ম্যানেজারকে গ্রেপ্তার করেছে সিবিআই কর্তারা। তিনি চার মাস আগে মেডিক্যাল কলেজে যোগদান করেছিলেন। এর আগে তিনি আলিপুরদুয়ার এলাকায় ছিলেন।

মার্চ ১১, ২০২৫
রাজ্য

বর্ধমান হাসপাতালে প্রসূতি বিভাগে ইনজেকশন নিয়ে বিভ্রান্তি, ক্ষোভে ফেটে পড়ল রোগীর আত্মীয়স্বজনরা

ইনজেকশন দেওয়া নিয়ে প্রসূতি বিভাগে ছড়াল চরম বিভ্রান্তি। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ক্ষোভে ফেটে পড়ল রোগীর আত্মীয়স্বজন। সন্তান জন্ম দেওয়ার পর নাকি ভালই ছিলেন প্রসূতিরা। কিন্তু সোমবার রাত বাড়তেই ঘটে বিপত্তি। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগে ভর্তি থাকা প্রসূতিরা পরপর অসুস্থ হয়ে পড়ে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই হাসপাতাল জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। উদ্বেগ ছড়ায় প্রসূতি পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের অভিযোগ, প্রসূতিদের ভুল ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে। তবে ভুল ইনজেকশনের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাঁদের বক্তব্য, যে উপসর্গ দেখা যাচ্ছে তা হল ইনজেকশন পরবর্তীতে অ্যালার্জিটিক সমস্যা। প্রসূতিদের পরিবারের সদস্য জয়দেব মণ্ডল, শেখ রহমতুল্লা, সুমন দাসরা বলেন, আমাদের রোগী প্রসূতি বিভাগে ভর্তি আছে। সন্তান জন্ম দেওয়ার পর সকলেই ভাল ছিল। সোমবার সন্ধ্যায় প্রসূতিদের একসঙ্গে তিনটি ইনজেকশন দেওয়া হয়। তারপর থেকেই একের পর এক প্রসূতি অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদের কাঁপুনি হতে থাকে। জ্বরও চলে আসে। প্রসূতি পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, এমন ঘটনার পর হাসপাতালের পক্ষ থেকে তাঁদের ডেকে পাঠানো হয়। কিন্তু কোনওভাবেই উপরে যেতে দেওয়া হয়নি। তাঁদের সন্দেহ, প্রশিক্ষিত নয়, এমন কেউ এই ইঞ্জেকশন দিয়েছে। তাই এই ঘটনা ঘটেছে। কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, ইনজেকশন দেওয়ার পর একটা অ্যালার্জিটিক সমস্যা হয়। তাতে যে সাতজন অসুস্থ হন, তাঁরা এখন সুস্থ আছেন।

মার্চ ০৪, ২০২৫
স্বাস্থ্য

১৮ বছরের বধূ একসঙ্গে চার কন্যা সন্তানের জন্ম দিলেন

প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে ভর্তির পর একসঙ্গে চারটি কন্যা সন্তানের জন্ম দিলেন ১৮ বছর বয়সী গৃহবধূ। যদিও জন্মের পর ওই চারটি সদ্যজাতের ওজন কম হওয়ায় অপুষ্টি এবং শারীরিক গত সমস্যা দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছে মালদা মেডিকেল কলেজের কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা। চারটি সদ্যোজাতকে মাতৃমা বিভাগের আইসিইউতে ভর্তি রেখে চিকিৎসা পরিষেবা দিচ্ছেন কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা।মালদা মেডিক্যাল কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, গাজোল ব্লকের বাচাহার এলাকার গৃহবধূ রেহেনা খাতুন। তার স্বামী রেজাউল হোসেন পেশায় ভিন রাজ্যের শ্রমিক। স্ত্রী গর্ভবতী হওয়ার পর গত এক মাস আগেই রেজাউল হোসেন দিল্লি থেকে কাজ সেড়ে গাজোলের গ্রামের বাড়িতে ফিরে আসেন। গত সপ্তাহের শুক্রবার প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে মালদা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হয় গৃহবধূর রেহেনা খাতুন। সোমবার রাতে ওই গৃহবধূ একসঙ্গে পরপর চারটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেয়। স্বাভাবিকভাবেই প্রসবের মাধ্যমেই এই কন্যা সন্তানগুলি জন্ম দিয়েছেন ওই গৃহবধূ বলে জানিয়েছে মালদা মেডিকেল কলেজের কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা। কিন্তু জন্মের পর চারটি সদ্যোজাতের মধ্যে তিনটির ওজন হয়েছে ১ কিলো ৫০০ গ্রাম। আরেকটির ওজন হয়েছে এক কিলো। ওজন কম হওয়ার কারণেই পুষ্টিজনিত সমস্যা দেখা দিয়েছে ওই চার সদ্যোজাতের। তাদের চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ারও ব্যবস্থা করেছে মালদা মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ।এদিকে মেডিক্যাল কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, আধার কার্ডের জন্ম পরিচয় অনুযায়ী ওই গর্ভবতী গৃহবধূ রেহেনা পারভীনের বয়স ১৮ বছর। তার স্বামী রেজাউল হোসেন জানিয়েছেন, সাড়ে ১৬ বছর বয়স থাকার সময় রেহেনাকে বিয়ে করেছিল সে। এদিকে এত অল্প বয়সে বিয়ে, তার ওপর সন্তান ধারণ। এক্ষেত্রে বাল্যবিবাহের প্রতিরোধ বিষয়টিও সামনে উঠে এসেছে।মালদা মেডিকেল কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল ডাঃ প্রসেনজিৎ বর জানিয়েছেন, এটা একটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা। একজন গৃহবধূ একসঙ্গে চারটি কন্যা সন্তান জন্ম দিয়েছে। তবে ওই সন্তানগুলি অপুষ্টিতজনিত কারণে সমস্যা দেখা দিয়েছে। মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকেরা ওই গৃহবধূ ও তার চার কন্যা সন্তানের চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার ব্যবস্থা চালিয়ে যাচ্ছে।এদিকে জেলায় বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে মালদার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ সুদীপ্ত ভাদুড়ি জানিয়েছেন, কিছু ক্ষেত্রে বাল্যবিবাহের ঘটনা ঘটছে। দুর্গম এলাকাগুলিতেই বেশ কিছু পরিবারের সদস্যরা অল্প বয়সে তাদের বাড়ির মেয়েদের বিয়ে দিচ্ছে। দুর্গম গ্রাম হওয়ার কারণেই সহজেই সেইসব খবর আমরা জানতে পারছি না। তবে স্বাস্থ্য দপ্তর প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে সচেতনতা মূলক প্রচার চালানো হচ্ছে। গত এক দশকের ব্যবধানে মালদা জেলায় ৪৪ শতাংশ থেকে বাল্যবিবাহ ১৬ শতাংশতে নামিয়ে আনা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৫
রাজ্য

ফুল দিয়ে সাজিয়ে-গুছিয়ে হাসপাতালেই নার্সিং স্টাফের আইবুড়ো ভাত! বিতর্ক বীরভূমে

নার্সিং স্টাফের আইবুড়ো ভাত খাওয়া নিয়ে তোলপাড় রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। আইবুড়ো ভাত খাওয়ার ছবি রীতিমতো সামাজিক সাধ্যমে ভাইরাল। আবার এই অনুষ্ঠান হয়েছে হাসপাতালের পুরুষ বিভাগে। কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, হাসপাতালে এইরকম অনুষ্ঠানের আয়োজন করা ঠিক হয়নি। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুরে নার্সিং স্টাফরা রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুরুষ বিভাগে সহকর্মীর আইবুড়ো ভাতের আয়োজন করে। টেবিলের মধ্যে ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছিল পঞ্চব্যঞ্জন রান্না। চলে ভুঁড়িভোজ। সেই ছবি সমাজ মাধ্যমে আপলোড করতেই মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়।প্রশ্ন হচ্ছে, রোগী পরিষেবা দেওয়ার পরিবর্তে নার্সের পোশাক পরে এই ধরনের অনুষ্ঠান করা যায়? যেখানে হাসপাতালে রোগীদের পরিষেবা দেওয়ার কথা সেখানে কাজ বন্ধ রেখে আইবুড়ো ভাত! কোন নার্স এনিয়ে মুখ খোলেননি। তবে হাসপাতালে ভারপ্রাপ্ত সুপার ঈশ্বর চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এই ধরনের কোনও অনুষ্ঠান হাসপাতাল চত্বরে করা যায় না। বিষয়টা জেনে তদন্ত করে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি তদন্ত করে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন হাসপাতালের জয়েন্ট নার্সিং সুপারিন্টেনডেন্ট মুনমুন মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। আপনাদের কাছেই শুনলাম। তদন্ত করে দেখা হবে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৫
রাজ্য

পেনের ঢাকনা গিলে শিশুর জীবন সংশয়, প্রাণরক্ষা করলেন বর্ধমান হাসপাতালের চিকিৎসকরা

খেলতে গিয়ে পেনের বড় ঢাকনা গিলে বড় বিপদে পড়েছিল বছর সাতের শিশু। হুগলির দেবখন্ডের বাবুলাল হোসনের ফুসফুসের বা দিকে আটকে যায় পেনের ঢাকনাটা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় আরামবাগ হাসপাতালে। সেখান থেকে আনা হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। সেখানেই বিশেষ চিকিৎসা পদ্ধতি অবলম্বন করে মুশকিল আসান করেন চিকিৎসকরা। পাণে রক্ষা পায় শিশুটি।শিশুটির ফুসশুসের পাশে পেনের ঢাকনা আটকে যাওয়ায় পরিবারের সদস্যদের খাওয়া-দাওয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। নেজাল এন্ডোস্কোপির সাহায্য় নেন চিকিৎসকরা। বিশেষ কৌশল অবলম্বন করে সেই পেনের ঢাকনা শিশুর গলা থেকে বের করে শিশুটির প্রাণ রক্ষা করলেন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নাক, কান ও গলা বিভাগের চিকিৎসকরা। শিশুটি এখন বিপন্মুক্ত।বর্ধমান হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এই ঘটনায় শিশুর বাম ফুসফুস ক্রমশই অকেজো হয়ে পড়ছিল। তাঁরা প্রথম ব্রঙ্কোস্কোপি করেন। কিন্তু পেনের ঢাকনাটি আকারে বড় হওয়ায় এটি বেরিয়ে আসেনি। এরপর তাঁরা ট্র্যাকিওস্টোমি করেন এবং ট্র্যাকিওস্টোমির মাধ্যমে অনুনাসিক এণ্ডোস্কোপি এবং এফ.বি. অপসারণ পদ্ধতিতে ঢাকনাটি বার করে আনতে সক্ষম হন। বর্তমানে শিশুটি বিপদমুক্ত এবং সুস্থ রয়েছেন বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।হাসপাতালের সুপার ডাক্তার তাপস ঘোষ জানিয়েছেন, পেনের ঢাকনাটি শিশুটির ফুসফুসে যে ভাবে আটকে ছিল তাতে তার জীবন সংশয় হতে পারত। ফুসফুস ওপেন করে অপারেশন না করে গলায় একটি ছোট ছিদ্র করে বিকল্প পদ্ধতিতে অপারেশন করে পেনের ঢাকনাটি বার করেছেন চিকিৎসকরা। তিনজন শল্যচিকিৎসক এবং দুজন অজ্ঞান করার চিকিৎসক মিলে এই কাজটি করেছেন। এই অভিজ্ঞতার কথা আরও ছড়িয়ে দিয়ে আরও জীবন বাঁচানো সম্ভব বলে তাঁদের ধারণা।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

আরজি কর মামলায় বড় মোড়! ঘটনাস্থল ফের সিল করার নির্দেশ আদালতের

আরজি কর মামলায় ফের নতুন মোড়। নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল ফের পরিদর্শনের আবেদন জানানো হয়েছিল। সেই মামলার শুনানিতে কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ঘটনাস্থল পুনরায় সিল করার নির্দেশ দিয়েছে।মঙ্গলবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ এবং বিচারপতি শম্পা সরকারের বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। শুনানির সময় সিবিআই-এর আইনজীবী রাজদীপ মজুমদার জানান, যেখানে ঘটনা ঘটেছিল বলে দাবি করা হচ্ছে, সেই সেমিনার হল এখনও সিল করা রয়েছে।তবে নির্যাতিতার পরিবারের আইনজীবী জয়ন্ত নারায়ণ আদালতে দাবি করেন, ঘটনাটি সেমিনার হলে ঘটেনি। তাঁর বক্তব্য, হাসপাতালের সপ্তম তলায় সন্দীপ ঘোষের ব্যক্তিগত ঘর এখনও সিল করা হয়নি। সেই কারণেই পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল আবার পরিদর্শনের অনুমতি চাওয়া হয়েছে।শুনানিতে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন সিবিআই-এর তদন্তকারী অফিসার সীমা পাহুজা। বিচারপতিরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, কোন কোন জায়গা সিল করা হয়েছে। উত্তরে তিনি জানান, যেখানে দেহ উদ্ধার হয়েছিল, সেই সেমিনার রুম সিল করা হয়েছে।এরপর বিচারপতি শম্পা সরকার জানতে চান, তদন্তের সময় অন্য কোনও জায়গা সিল করার প্রয়োজন মনে হয়নি কি না। তখন সিবিআই-এর আইনজীবী জানান, নিম্ন আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী সেমিনার হলকেই ঘটনাস্থল ধরা হয়েছিল। পাল্টা বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ বলেন, নিম্ন আদালত তো সিবিআই-এর দেওয়া তথ্য ও প্রমাণের উপর নির্ভর করেই নির্দেশ দেয়।মামলাকারীর আইনজীবী আরও দাবি করেন, সিবিআই-এর রিপোর্টে নতুন কোনও তথ্য নেই। সেখানে শুধু তদন্তে কী কী করা হয়েছে, সেটাই উল্লেখ করা হয়েছে। সেই কারণেই পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল সরাসরি ঘুরে দেখার অনুমতি চাওয়া হয়েছে।এই মামলার শুনানির পর আবারও আরজি কর কাণ্ড নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তদন্তের বিভিন্ন দিক নিয়ে এখন রাজনৈতিক ও আইনি মহলে জোর চর্চা চলছে।

মে ১৯, ২০২৬
দেশ

“গত ১০ বছরের অভিজ্ঞতা ভয়ঙ্কর” — পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের

রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগের মধ্যেই এবার মাদ্রাসা নিয়োগ মামলায় কড়া মন্তব্য করল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মসিহের ডিভিশন বেঞ্চ পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে।আদালত জানায়, গত ১০ বছরে পশ্চিমবঙ্গে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলাগুলিতে তাদের অভিজ্ঞতা অত্যন্ত খারাপ। একইসঙ্গে আদালতের পর্যবেক্ষণ, মাদ্রাসার নিয়ম মেনে পরিচালন কমিটি গঠন করা হয়নি। সেই পরিস্থিতিতে কীভাবে ওই কমিটিগুলি শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগের দায়িত্ব নিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলে শীর্ষ আদালত।তৃণমূল সরকারের আমলে মূলত ২০১৬ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন মাদ্রাসায় বিপুল সংখ্যক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগ করা হয়েছিল। অভিযোগ, বহু ক্ষেত্রে নিয়ম না মেনে ওয়াক ইন ইন্টারভিউ-এর মাধ্যমে নিয়োগ করা হয়। সেই নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করেই মামলা গড়ায় আদালতে।মঙ্গলবার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট প্রশ্ন তোলে, মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন কার্যকর না থাকলে কেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে নিয়োগ করা হল না। আদালত জানতে চায়, এই নিয়োগের জন্য সরকারের অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না। বিচারপতিরা বলেন, রাজ্যে হাজার হাজার মাদ্রাসা রয়েছে। প্রত্যেক পরিচালন কমিটি যদি নিজেদের মতো নিয়োগ করে, তাহলে সরকার কেন সেই দায়িত্ব নেবে?নিয়োগকারীদের যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলে আদালত। বিচারপতিরা জানতে চান, কারা এই নিয়োগ করেছে এবং তাঁদের যোগ্যতা কী ছিল। একইসঙ্গে আদালতের মন্তব্য, আপনারা নিজেদের পছন্দের লোকদের চাকরি দিয়েছেন। কেন দিয়েছেন, সেটাও আমরা জানি।শুনানিতে আরও জানতে চাওয়া হয়, পরিচালন কমিটিতে সরকারের কোনও মনোনীত প্রতিনিধি ছিলেন কি না। মামলার বিস্তারিত শুনানি আগামীকাল আবার হবে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের সম্পত্তিতে পুরনিগমের নোটিস! এবার মুখ খুললেন ফিরহাদ, বাড়ল রহস্য

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। কলকাতা পুরনিগমের তরফে তাঁর সঙ্গে যুক্ত একাধিক সম্পত্তির নথি চেয়ে নোটিস পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনা সামনে আসতেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলে। তবে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম দাবি করেছেন, এই বিষয়ে তাঁকে কিছু জানানো হয়নি।ফিরহাদ হাকিম বলেন, কোন বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত মেয়র নেন না। পুরসভার বিল্ডিং বিভাগ এবং কমিশনার প্রশাসনিক ক্ষমতা অনুযায়ী এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলেও জানান তিনি।পুরনিগম সূত্রে খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত মোট ২১টি সম্পত্তির নথি চাওয়া হয়েছে। অনুমোদন অনুযায়ী নির্মাণ হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। বিশেষ করে অভিষেকের সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর সঙ্গে যুক্ত সম্পত্তিগুলির তথ্য চাওয়া হয়েছে।এই তালিকায় রয়েছে হরিশ মুখার্জি রোডের একটি বাড়ি এবং কালীঘাট মোড়ের একটি বহুতল। জানা গিয়েছে, পুরনিগমের ৯ নম্বর বোরো অফিস থেকে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিগুলিতে নোটিস পাঠানো হয়েছে। বিল্ডিং বিভাগের ৪০০(১) ধারায় এই নোটিস জারি করা হয়েছে বলে খবর।কয়েকদিন আগেই ফলতার নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, কলকাতায় লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর একাধিক সম্পত্তি রয়েছে। সেই মন্তব্যের পরই পুরনিগমের নোটিস ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে, কেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে নয়, তাঁর সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর নামে নোটিস পাঠানো হল? রাজনৈতিক মহলের মতে, এর পিছনে রয়েছে সম্পত্তির মালিকানার বিষয়টি। গত লোকসভা নির্বাচনের হলফনামায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তাঁর ঠিকানা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি, অর্থাৎ ৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট। অন্যদিকে, যে বাড়িগুলিতে তিনি থাকেন বা অফিস করেন, সেগুলি তাঁর সংস্থার অধীনে। সেই কারণেই পুরনিগম সরাসরি ব্যক্তিগত নামে নয়, কোম্পানির নামেই নোটিস পাঠিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

“এসব করে মাথা নত করানো যাবে না” — নোটিস ইস্যুতে ফুঁসছেন অভিষেক, বৈঠকে বড় বার্তা মমতার

ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হারের পর রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তবে এই ফলাফলেও দমে যেতে নারাজ তৃণমূল কংগ্রেস। নির্বাচিত বিধায়কদের নিয়ে ফের বৈঠকে বসেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বিজেপির উত্থানের আবহে দল কী বার্তা দেয়, সেদিকেই নজর ছিল রাজনৈতিক মহলের।বৈঠকে উঠে আসে কলকাতা পুরনিগমের পাঠানো নোটিসের প্রসঙ্গ। সূত্রের খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠকে বলেন, তাঁর বাড়িতে নোটিস পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এসব করে তাঁকে ভয় দেখানো যাবে না। বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই তিনি চালিয়ে যাবেন বলেও স্পষ্ট বার্তা দেন অভিষেক। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বৈঠকে বলেন, আগামী দিনে কেন্দ্রে বিজেপি ক্ষমতায় থাকবে না।কয়েকদিন আগেই কলকাতা পুরনিগমের আধিকারিকেরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। সেই সময় হরিশ মুখার্জি রোডের শান্তিনিকেতন এবং কালীঘাটের বাড়িতে কিছু বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ সামনে আসে বলে জানা গিয়েছে। এরপরই পুরনিগমের তরফে নোটিস পাঠানো হয়। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেই নির্মাণ ভাঙতে হবে। তা না হলে পুরনিগম নিজেই ব্যবস্থা নেবে।যদিও এই বিষয়ে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কী সিদ্ধান্ত হয়েছে, তা তাঁর জানা নেই। তিনি বলেন, কোন বেআইনি নির্মাণ ভাঙা হবে, সেই সিদ্ধান্ত মেয়র নেন না। পুর কমিশনার প্রশাসনিক ক্ষমতা অনুযায়ী এই পদক্ষেপ করতে পারেন।এদিনের বৈঠকে আরও একটি বড় বিষয় ছিল স্বঘোষিত পুষ্পা জাহাঙ্গিরকে ঘিরে বিতর্ক। ফলতায় লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে দলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছে। বৈঠকে একাধিক বিধায়ক প্রশ্ন তোলেন, দলের সঙ্গে আলোচনা না করেই কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। এতে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে। এমনকি জাহাঙ্গিরকে দল থেকে বহিষ্কারের দাবিও ওঠে বৈঠকে। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত তৃণমূলের তরফে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

মে ১৯, ২০২৬
রাজ্য

জাহাঙ্গির ভোটে লড়ছেন না, এবার মুখ খুলল তৃণমূল! সামনে এল বড় সত্য

ফলতার পুনর্নির্বাচনের আগে আচমকা ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেছেন তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির খান। মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি জানান, আগামী ২১ মে-র পুনর্নির্বাচনে তিনি আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না। এরপর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় জোর জল্পনা। প্রশ্ন ওঠে, এই সিদ্ধান্ত কি সম্পূর্ণ তাঁর ব্যক্তিগত, নাকি দলের তরফে তাঁকে ভোটে না লড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল?অবশেষে এই বিতর্কে মুখ খুলল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো জাহাঙ্গির খানের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। সমাজমাধ্যমে তৃণমূলের তরফে জানানো হয়, এই সিদ্ধান্ত দলের নয়।সাংবাদিক বৈঠকে জাহাঙ্গির বলেন, ফলতার উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থের কথা ভেবেই তিনি ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। তবে এই সিদ্ধান্ত কেন নিলেন বা এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, সেই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেননি তিনি।ভোটের সময় ইভিএমে টেপ লাগানো এবং আতর ছড়ানোর অভিযোগও উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও সেই সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন জাহাঙ্গির। তবে কারা এই কাজ করেছে, তা নিয়েও কোনও মন্তব্য করতে চাননি তিনি।এই ঘটনার পর তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষও মুখ খোলেন। তিনি বলেন, পুষ্পা তো ঝুকেগা নেহি। তাহলে ভয় পেল কেন? যদি ভয় পেয়ে থাকে, তাহলে প্রশ্ন উঠবে কেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হল। কুণাল আরও বলেন, ডায়মন্ড হারবার এলাকায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিপুল ভোটে জয় পেয়েছিলেন। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে জাহাঙ্গিরের এই সিদ্ধান্ত দলের জন্য খুব ভাল বার্তা নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।জাহাঙ্গিরকে ঘিরে এই নতুন বিতর্কে এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি। ভোটের আগে তাঁর এই সিদ্ধান্ত আগামী দিনে ফলতার রাজনৈতিক সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

মে ১৯, ২০২৬
রাজ্য

“পুষ্পা ঝুকেগা নেহি” বলেই কি শেষমেশ ঝুকে গেলেন জাহাঙ্গির? ভোটের আগে বড় চমক ফলতায়

একসময় পুষ্পা ঝুকেগা নেহি বলে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। কিন্তু ফলতার পুনর্নির্বাচনের আগেই আচমকা ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করে রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা তৈরি করলেন তিনি। আগামী ২১ মে ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ফলতায় পুনর্নির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগেই সাংবাদিক বৈঠক করে জাহাঙ্গির জানিয়ে দিলেন, তিনি আর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না।জাহাঙ্গির দাবি করেছেন, ফলতার মানুষের শান্তি এবং এলাকার উন্নয়নের স্বার্থেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর কথায়, ফলতার সাধারণ মানুষের ভালোর জন্য তিনি নিজেকে ভোটের লড়াই থেকে সরিয়ে নিচ্ছেন। তবে এই সিদ্ধান্ত তিনি নিজে নিয়েছেন, নাকি দলের নির্দেশে নিয়েছেন, সেই প্রশ্নের কোনও স্পষ্ট উত্তর দেননি।ভোটের সময় ইভিএমে টেপ লাগানো বা আতর ছড়ানোর মতো অভিযোগও উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও সেই সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জাহাঙ্গির। তবে কে বা কারা এই কাজ করেছে, তা নিয়েও মুখ খোলেননি তিনি।হঠাৎ কেন ভোটের ময়দান ছাড়লেন জাহাঙ্গির, তা নিয়েই এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। অনেকের মতে, ফলতায় নিজের অবস্থান দুর্বল বুঝেই হয়তো তিনি সরে দাঁড়ালেন। কারণ, এর আগে ভোটের সময় উত্তরপ্রদেশ থেকে আসা এক আইপিএস অফিসারকে হুঁশিয়ারির সুরে তিনি বলেছিলেন, পুষ্পা ঝুকেগা নেহি। সেই জাহাঙ্গিরই পুনর্নির্বাচনের আগে লড়াই ছেড়ে দেওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, তবে কি তিনি আগেই বুঝে গিয়েছিলেন তাঁর হার প্রায় নিশ্চিত?আবার রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলের উপর অভিমান থেকেও এই সিদ্ধান্ত হতে পারে। গত লোকসভা নির্বাচনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিপুল ভোটে লিড দিয়েছিলেন জাহাঙ্গির। অথচ পুনর্নির্বাচনের প্রচারে অভিষেককে তাঁর পাশে দেখা যায়নি। অন্যদিকে বিজেপির হয়ে প্রচারে নেমেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এমনকি বামফ্রন্টও মাঠে নেমেছিল। কিন্তু তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল বারবার।এখন আরও একটি প্রশ্ন ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে। তৃণমূল কি ইচ্ছাকৃতভাবেই জাহাঙ্গিরকে সরিয়ে দিল? ভোটের পর সরকার গঠনের পর পুনর্নির্বাচনের ঘটনা এমনিতেই রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার মধ্যে জাহাঙ্গিরের সরে দাঁড়ানো নতুন করে বিতর্ক বাড়িয়েছে। এর আগে তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, কয়েকটি বুথে অভিযোগ উঠলে পুরো বিধানসভা কেন্দ্রে কেন পুনর্নির্বাচন হবে। সেই পরিস্থিতিতে তাঁর এই সিদ্ধান্তের পিছনে রাজনৈতিক কৌশল রয়েছে কি না, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ ইডি দফতরে হাজির, রাতেই গ্রেফতার সোনা পাপ্পু

দীর্ঘ সাড়ে তিন মাস লুকিয়ে থাকার পর অবশেষে ইডির হাতে গ্রেফতার হলেন সোনা পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দার। সোমবার হঠাৎই কলকাতার ইডি দফতরে হাজিরা দেন তিনি। প্রায় সাড়ে দশ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।এর আগে একাধিকবার তলব করা হলেও হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছিলেন সোনা পাপ্পু। জানা গিয়েছে, অন্তত ছবার ইডির নোটিস উপেক্ষা করেছিলেন তিনি। তবে সোমবার সকালে ইডি দফতরে পৌঁছে তিনি দাবি করেন, কোনও অন্যায় করেননি। এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে থানায় তোলাবাজির কোনও অভিযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন।গত ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকুরিয়ার কাঁকুলিয়া রোডে এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। স্থানীয়দের দাবি, সেই সময় গুলিও চলেছিল। ওই ঘটনার পর থেকেই আলোচনায় আসে সোনা পাপ্পুর নাম। কিন্তু ঘটনার পর থেকেই কার্যত উধাও হয়ে যান তিনি। পুলিশ দীর্ঘদিন খোঁজ চালিয়েও তাঁর হদিশ পায়নি। যদিও মাঝেমধ্যেই নিজের সমাজমাধ্যমে ভিডিও বার্তা দিতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।তদন্তে উঠে আসে জমি দখল, বেআইনি নির্মাণ এবং প্রতারণার অভিযোগ। এই মামলার তদন্তে নামে ইডি। তদন্ত চলাকালীন সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী জল কামদারকে গ্রেফতার করা হয়। পরে গ্রেফতার হন কলকাতা পুলিশের আধিকারিক শান্তনু সিনহা বিশ্বাসও। তদন্তকারীদের দাবি, এই দুই অভিযুক্তের সঙ্গে সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল।এদিকে তদন্তের সময় একাধিক তৃণমূল নেতার সঙ্গে সোনা পাপ্পুর ছবি প্রকাশ্যে আসে। প্রাক্তন বিধায়ক দেবাশিস কুমারের সঙ্গেও তাঁর ছবি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়।সোমবার আচমকাই ইডি দফতরে হাজির হয়ে যান সোনা পাপ্পু। দীর্ঘ জেরার পর রাতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এখন তাঁকে আদালতে তুলে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাতে পারে ইডি।

মে ১৮, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুর থেকেই মমতার রাজনীতির শেষের বার্তা? বিস্ফোরক শুভেন্দু

ভোটের পর ভবানীপুরে ধন্যবাদ জ্ঞাপন সভা করতে গিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার ভবানীপুরের ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডে সভা করেন তিনি। সেখান থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, গত ১৫ বছরে ভবানীপুরের মানুষ জানতেন না একজন বিধায়কের কাজ কী।শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, এতদিন ভবানীপুরে ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। এবার মানুষ বুঝতে পারবেন একজন বিধায়ক কীভাবে কাজ করেন। তিনি বলেন, এখন ভবানীপুরের মানুষের ভাই বিধায়ক হয়েছেন। আগামী এক মাসের মধ্যে ভবানীপুরের ৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৭টিতে বিধায়ক অফিস খোলা হবে বলেও ঘোষণা করেন তিনি।একইসঙ্গে এলাকার মানুষকে আশ্বস্ত করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা সরাসরি জানানোর জন্য বিশেষ মোবাইল নম্বর এবং ইমেল ব্যবস্থা চালু করা হবে। কেউ কোনও সমস্যা বা অভিযোগের মুখে পড়লে সরাসরি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন বলেও জানান শুভেন্দু।সভা থেকে সিন্ডিকেট রাজ, তোলাবাজি এবং গুন্ডাবাজির বিরুদ্ধেও কড়া বার্তা দেন তিনি। শুভেন্দুর দাবি, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে এই ধরনের ঘটনা হয় না এবং ভবানীপুরেও তা হতে দেওয়া হবে না।এদিন শুভেন্দু আরও দাবি করেন, ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে মিত্র ইনস্টিটিউশন বুথে ভোট দেন, সেই চারটি বুথেই তিনি লিড পেয়েছেন। এখানেই থামেননি তিনি। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে বলেন, যিনি নিজের বুথেই জিততে পারেন না, বাংলার মানুষ তাঁকে পথ দেখিয়ে দিয়েছে। টাটা বাই বাই, আপনার রাজনীতির দিন শেষ, সভা থেকে এমন মন্তব্যও করেন শুভেন্দু অধিকারী।কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকেও নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, চেতলা গার্লস স্কুলের পাঁচটি বুথেও বিজেপি লিড পেয়েছে।শেষে ভবানীপুরের মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, মানুষের এই সমর্থনের ঋণ তিনি শোধ করবেন। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এলাকার উন্নয়ন এবং মানুষের প্রতিশ্রুতি পূরণের কাজ শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

মে ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal