• ২৪ মাঘ ১৪৩২, বৃহস্পতি ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Burdwan

রাজ্য

তৃণমূল সমর্থক কলেজ ছাত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে গ্রেফতার চার, এফআইআরে নাম কউন্সিলারেরও

পুর ভোটের ফল প্রকাশ হতে না হতেই এক কলেজ ছাত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেবার অভিযোগ উঠলো সদ্য নির্বাচিত কাউন্সিলার ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবারের পর বৃহস্পতিবারও উত্তপ্ত থাকলো বর্ধমান পুরসভার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুরবাগ এলাকা। বাবুরবাগ নতুনপল্লী এলাকার মৃত ছাত্রী তুহিনা খাতুন (১৭) এর দিদি কুহেলি বিবির দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে বর্ধমান থানার পুলিশ বৃহস্পতিবার সকালে গ্রেফতার করে। মৃতার দিদির দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে রুজু হওয়া এফআইআরে সদ্য জয়ী হওয়া ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার শেখ বসির আহমেদ ওরফে বাদশারও নাম রয়েছে। কাউন্সিলার সহ অভিযুক্ত সকলের দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবি করেছে মৃতার পরিবার সদস্যরা।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের নাম শেখ গোলাম নবি ওরফে গোলাপ, তহমিনা বিবি ওরফে তসমিনা, সোনাহার বিবি ওরফে সোনা বিবি, মানোয়ারা বিবি ওরফে মিনু। ধৃতদের সকলের বাড়ি বাবুরবাগের পশ্চিমপাড়ায়। বাড়িতে ভাঙচুর, মারধর, হুমকি, শ্লীলতাহানি ও আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ এদিনই ধৃতদের পেশ করে বর্ধমান আদালতে। তদন্তের প্রয়োজনে গোলাম নবিকে ১০ দিন পুলিশি হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান তদন্তকারী অফিসার। সিজেএম গোলাম নবির ৫ দিনের পুলিশি হেফাজত ও বাকি ধৃতদের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে ১৭ মার্চ ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন ।এদিন ময়নাতদন্ত শেষে মৃত কলেজ ছাত্রীর মৃতদেহ বাড়িতে পৌছালে এলাকা নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদ্য নির্বাচিত কাউন্সিলার বসির আহমেদের নির্বাচনী কার্যালয়ের সামনে মৃতদেহ রেখে এলাকার বাসিন্দারা বিক্ষোভ দেখান। প্রায় ঘন্টা দুয়েক ধরে চলে বিক্ষোভ প্রদর্শন। কাউন্সিলার বসির আহমেদকে তৃণমূল কংগ্রেস দল থেকে বহিস্কারের দাবি তুলেও এলাকার বাসিন্দারা এদিন সোচ্চার হন।বিক্ষোভমৃতার দিদি কুহেলি বিবি পুলিশকে জানিয়েছেন, তৃণমূলের প্রার্থী হিসাবে ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দিতা করার জন্য শেখ বসির আহমেদ টিকিট পান। তার পর থেকেই তিনি অনুগামীরাদের নিয়ে তুহিনা সহ তাঁদের পরিবারের উপর নানাভাবে নির্যাতন চালানো শুরু করে। অত্যাচার দিনের পর দিন বাড়তে থাকে। কুহেলি জানান, তিনি ও তাঁর পরিবারের লোকজন তৃণমূলের অপর একটি গোষ্ঠীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে ওয়াের্ডে কাজ করেন। বুধবার ভোটের ফল বের হওয়ার পর বেশ কয়েকজন একজোট হয়ে তাঁদের বাড়িতে চড়াও হয়। বাড়ির সামনে বোমা ফাটানো হয়। ওই ব্যক্তিরা তাঁকে ও তাঁর বোন তুহিনা খাতুনকে প্রচণ্ড মারধর করে ও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে এমনকি তাঁদের পরিবারের অন্য মহিলাদের শ্লীলতাহানি পর্যন্ত করা হয়। এইসব সহ্য করতে না পেরেই ঘটনার পর বাড়িতে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে তাঁর বোন তুহিনা আত্মঘাতী হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে কুহেলিদের বাড়ির কাছের একটি দেওয়ালে আঁকা হয় গাছে তিন মহিলার ঝুলন্ত দেহের ছবি। বসির আহমেদ ভোটে জিতলে কুহেলি ও তাঁর দুই বোনের ওই ছবির মতন দশা হবে বলে এলাকায় প্রচার করা হয়। ভোটে জেতার পরই বেলা ৩টে নাগাদ বাদশা সহ কয়েকজন কুহেলিদের বাড়িতে হামলা চালায়। তুহিনাকে মারধর করা হয়।যদিও বসির আহমেদ ঘটনায় জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। তিনি আদৌ ঘটনায় জড়িত নন। মিথ্যাভাবে তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। পুলিসি তদন্তে আসল তথ্য উঠে আসবে। বসির আহমেদ এমনটা দাবি করলেও তাঁর বিরুদ্ধে রুজু হওয়া এফআইআরের পরিপ্রেক্ষিতে শপথ নেওয়া নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হওয়ার যথেষ্টই বিড়ম্বনায় পড়ে গিয়েছেন দলীয় নেতৃত্ব।

মার্চ ০৩, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে কলেজ ছাত্রী আত্মঘাতী, সদ্য নির্বাচিত তৃণমূল কাউন্সিলরের দিকে অভিযোগের আঙুল

পুর ভোটের ফল প্রকাশ হতে না হতেই এক তরুণীর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে উতপ্ত হয়ে উঠল বর্ধমান। বিএ প্রথম বর্ষের পড়ুয়া মৃতা তুহিনা খাতুন(১৮)-র বাড়ি বর্ধমান পৌরসভার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুরবাগ মসজিদ সংলগ্ন নতুনপল্লীতে। বুধবার বিকালে বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তরুণীর ঝুলন্ত দেহ। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে বর্ধমান থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করছে। তবে তুহিনার মৃত্যুর জন্য ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে সদ্য জয়ী তৃণমূল প্রার্থী বসির আহমেদকেই (বাদশা) দায়ী করেছেন মৃতার পরিবার।মৃত ছাত্রীর পরিবারের দাবি, তাঁরা বর্ধমান পৌরসভার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল জয়হিন্দ বাহিনীর সভাপতি মুক্তার মিঞার অনুগামী। জানা গিয়েছে, মুক্তার মিঞা সদ্য কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়া ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বসির আহমেদের বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর। সেই কারণে, বুধবার জয়ের পরেই বসির আহমেদ তুহিনার বাড়িতে গিয়ে হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। তার জেরেই তুহিনা আত্মহত্যা করেছে বলে পরিবার অভিযোগ করেছে। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বসির আহমেদ। তিনি বলেন, কিভাবে এই ঘটনা ঘটল সেই বিষয় নিয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। সঠিক তদন্তের দাবী জানাচ্ছি। আমার বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ মিথ্যা।তিন বোনের ছবি এঁকে হুঁশিয়ারীর অভিযোগজয়হিন্দ বাহিনীর ওয়ার্ড সভাপতি মুক্তার মিঞা বলেন, প্রার্থী ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই বসির আহমেদ ওরফে বাদসা তুহিনাদের বাড়িতে হুমকি দেওয়া শুরু করে। বাড়ির দেওয়ালে তুহিনা সহ তাঁদের তিন বোনের ছবি এঁকে দিয়েও হুঁশিয়ারী দেওয়া হয়। বুধবার বিকেলে দলবল নিয়ে বাদসা চড়াও হয় তুহিনাদের বাড়িতে। তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়।সেই অপমানে তুহিনা আত্মঘাতী হয়েছে। একই অভিযোগ করেন মৃতার দিদি ঝর্ণা বেগম। তিনি বলেন, বাদশা বরাবরই বির্তকে থাকেন। তাঁকে নিয়ে বহুবার বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে। কখনও রাজ কলেজের টিচার ইনচার্জকে চড় মারা তো কখনও কোভিড আক্রান্ত ব্যক্তিকে এক ঘরে করে রাখার মত ঘটনাও তিনি ঘটিয়েছেন। শুধুমাত্র শাসকদলের কাউন্সিলর হওয়ায় তিনি এইসব ঘটনা ঘটিয়েও বেঁচে গেছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, পৌরসভা নির্বাচনে তৃণমূলের একচেটিয়া জয়ও দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আটকাতে পারেনি।

মার্চ ০৩, ২০২২
রাজ্য

বিধ্বস্ত ইউক্রেন, ঘরের ছেলের ঘরে ফিরে আসার প্রহর গুনছেন বর্ধমানের পরিবার

গোলা-গুলির লড়াইয়ে তপ্ত ইউক্রেন। রাশিয়ার রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ইউক্রেনও পাল্টা জবাব দিচ্ছে। দিন যত গড়াচ্ছে ততই ইউক্রেনে যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গোটা বিশ্বের পাশাপাশি ভারতেরও উদ্বেগ বাড়ছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই এই রাজ্যের অনেক ছাত্র-ছাত্রী থেকে শুরু করে কর্মসূত্রে যাওয়া মানুষ ইউক্রেনৈ আটকে পড়েছেন। যেমনটা ইউক্রেনের পলতভা শহরে আটকে রয়েছে বর্ধমানের রায়ান ১ নম্বর পঞ্চায়েতের নারায়ণদীঘি এলাকার বাসিন্দা তারাচরণ ভকতের ছেলে রোহিত ভকত। ছেলের কথা ভেবে এখন চরম উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছন ভকত পরিবারের সদস্যরা। রোহিতের মা গীতা ভকত শনিবার জানিয়েছেন, ইউক্রেনে তাঁর ছেলে সারে তিন বছর আগে কম্পিউটার সায়েন্স ও সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করার জন্য যায়। আচমকা রাশিয়ান হামলা শুরু হয়ে যাওয়ায় গোটা ইউক্রেন জুড়ে রেড এলার্ট জারি করা হয়েছে। অন্যান্য দেশের লোকেরা সবাই নিজের নিজের দেশে ফিরে আসার চেষ্টা করছে। তিনি জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই সেখানকার ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে তার ছেলে ও ছেলের সঙ্গীরা। সড়ক পথে প্রায় ৩০০কিলোমিটার দূরে হাঙ্গেরির সীমান্তে নিয়ে যাবার উদ্দেশ্যে বেরিয়েও রাস্তা বন্ধ থাকায় সেখানে পৌঁছাতে পারেনি। সেখান থেকেই প্লেনে ভারতে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করেছিল ভারতীয় দূতাবাস।রোহিতের পরিবার জানিয়েছে, এই মুহূর্তে তাঁরা রীতিমত উদ্বেগে রয়েছেন। ছেলের সঙ্গে ঘন ঘন যোগাযোগ রাখছেন ফোনের মাধ্যমে। রোহিত তাদের বড় ছেলে। তাঁদের সাড়ে তিন বছরের আরেকটি পুত্র সন্তান আছে। বর্ধমান শহরের সিএমএস ( বি সি রোড) স্কুল থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে পড়াশোনার জন্য রোহিতকে ইউক্রেনে পাঠানো হয় উচ্চ শিক্ষার জন্য। কিন্তু পড়াশোনার একদম শেষ পর্যায়ে এসে যুদ্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ায় ক্যারিয়ারের কি হবে তা নিয়েও আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে সব আশঙ্কাকে ছাপিয়ে এখন ঘরের ছেলের ঘরে ফিরে আসার প্রহর গুনছেন মা, বাবা থেকে গোটা পরিবার ও পাড়া প্রতিবেশীরা।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
রাজ্য

প্রচারে বের হওয়া বিজেপি প্রার্থীকে মারধর

পুর ভোটের প্রচার করার সময় বিজেপি প্রার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠলো তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে। সোমবার রাত ৮টা নাগাদ বর্ধমান পৌরসভার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভাতছালা কলোনী এলাকায় ঘটনাটি ঘটে ।আহত অবস্থায় প্রার্থী অসিত কুমার কুণ্ডুকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বর্ধমান পৌরসভার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী অমিত কুমার কুণ্ডুর অভিযোগ,নমিনেশন তোলার জন্য চাপ দিচ্ছিল।একা প্রচারে বেড়িয়েছিলাম।ভাতছালা কলোনির ঐক্যতান ক্লাবের কাছে তৃণমূল আশ্রিত দুস্কৃতিরা লাঠি,ঘুষি ও লাথি মারে।পুলিশ আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে।এলাকায় আমার প্রভাব আছে হেরে যাবার ভয়ে আমাকে মারধর করে।অভিযোগ অস্বীকার করে পূর্ববর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিত দাস জানান,মিথ্যা অভিযোগ,তৃণমূল এসব কাজ করে না।মারধর কেউ করলে থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে।লোকজন নেই, এইসব করে বাজারগরম করার চেষ্টা করছে বিজেপি।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
রাজ্য

প্রচুর গাঁজাসহ চার মহিলা গাঁজা পাচারকারী গ্রেফতার বর্ধমানে

চল্লিশ কেজির বেশী গাঁজা সহ চার মহিলা গাঁজা পাচারকারীকে গ্রেফতার করলো বর্ধমান জিআরপি। ধৃতদের নাম রুবি বিবি, শকুন্তলা রাজবংশী, ঝর্না দাস ও রানু দাস। ধৃতদের মধ্যে রুবির বাড়ি বর্ধমান থানার সরাইটিকর এলাকায়। বাকি ধৃতরা বর্ধমান শহরের তিনকোনিয়া গুডসশেড রোড এলাকার বাসিন্দা। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজে করে জিআরপি চার মহিলা গাঁজা পাচারকারীকে রবিবার বর্ধমান আদালতে পেশ করে। তদন্তের প্রয়োজনে জিআরপির তদন্তকারী অফিসার রুবিকে ৩ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান। বিচারক রুবির ২ দিনের জিআরপি হেপাজত ও বাকি ধৃতদের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে সোমবার বর্ধমানের মাদক সংক্রান্ত বিশেষ আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।জিআরপি জানিয়েছে, চার মহিলা প্রচুর গাঁজা নিয়ে ট্রেনে চড়ে বর্ধমান শহরের বিভিন্ন বিক্রির জন্য আনছে বলে বিশেষ সূত্র মাধ্যমে খবর আসে। সেই খবর পাবার পরেই জিআপি শনিবার বর্ধমান স্টেশনে নজরদারি বাড়ায়। ওইদিন দুপুরে তিনপাহাড়ি লোকাল ট্রেনটি বর্ধমান স্টেশনের ৭ নম্বর প্লাটফের্ম দাঁড়ালে চার মহিলা দুটি বড় ব্যাগ নিয়ে ট্রেন থেকে নামেন। মহিলাদের গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় জিআরপি তাঁদের আটকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। সন্তোষজনক উত্তর না মেলায় জিআরপি ওই মহিলাদের কাছে থাকা ব্যাগে তল্লাশি চালায়। তল্লাশীতে দুটি ব্যাগ থেকে ৪০কেজি ৮০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার হয়েছে বলে জিআরপির দাবি। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জিআরপি আরো জেনেছে, ওই মহিলারা দীর্ঘদিন ধরে গাঁজা পাচারের সঙ্গে জড়িত। শনিবার তাঁরা উত্তরবঙ্গের কোচবিহার থেকে গাঁজা নিয়ে আসছিল। এই কারবারে আরও কয়েকজন তাঁদের সঙ্গে জড়িত রয়েছে বলে জিজ্ঞাসাবাদে ধৃতরা স্বীকার করেছে বলেও জিআরপি আধিকারিকরা জানিয়েছেন।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
রাজ্য

আলিপুর জু-এর মতো দত্তক শুরু বর্ধমানের রমনাবাগানে, শিশু হলেন অভিভাবক

এক শিশু সহ চার পক্ষীপ্রেমি দত্তক নিলেন বর্ধমানের রমনাবাগান জুয়োলজিক্যাল পার্কে থাকা চারটি পাখির। পাখিগুলির মধ্যে রয়েছে ২ টি ময়ূর, ১টি এমু ও ১টি প্যারাকিট টিয়া। বর্ধমান রমনাবাগান কর্তৃপক্ষ বুধবার-ই প্রথম চার পক্ষীপ্রেমীর হাতে চারটি পাখির দত্তক সংক্রান্ত শংসাপত্র তুলে দিলেন। সাথে সাথে এদিন থেকেই পক্ষী প্রেমীরা চারটি পাখির যাবতীয় দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে তুলে নিন।আর এরই পরিপ্রেক্ষিতে পশু-পাখি দত্তক দেওয়ার ক্ষেত্রে আলিপুর জু এর পাশাপাশি এবার বর্ধমানের রমনাবাগান জুয়োলজিক্যাল পার্কও জায়গা করে নিল। রমনাবাগান জুয়োলজিক্যাল পার্ক কর্তৃপক্ষের কথায় জানা গিয়েছে, যে চারজন এদিন পাখি দত্তক নিয়েছেন তাঁদের মধ্যে তিনজন বর্ধমানের বাসিন্দা।শুধুমাত্র বাবা মায়ের সাথে আসা শিশুটির বাড়ি কলকাতায়। তাঁরা প্রত্যেকেই বেশ কিছুদিন আগে পাখিগুলির দায়িত্ব অর্থাৎ দত্তক নেওয়ার জন্য বর্ধমান বনদপ্তরে আবেদন করেছিলেন। তাঁদের সেই আবেদনের স্বীকৃতি এদিন বনদপ্তরের পক্ষ থেকে দেওয়া হল। পাখির দত্তক নেওয়া সংক্রান্থ শংসাপত্র এদিন বন আধিকারিক নিশা গোস্বামী চারজনের হাতে তুলে দেন।পাখি দত্তক নেওয়াদের মধ্যে একজন হলেন অর্নব দাস। তিনি বলেন ছোট থেকেই আমি পশু-পাখিদের নিয়ে কাজ করছি।পশু-পাখিদের নিয়ে আমার থাকতে ভালো লাগে। পাখিদের প্রতি ভালোবাসা থেকেই এক বছরের জন্য একটি ময়ূর আমি দত্তক নিয়েছি ।এক বছরের জন্য ময়ূরটির খাবার, রক্ষনাবেক্ষন সবেরই দায়িত্ব আমি আমার কাঁধে তুলে নিয়েছি। অর্ণব দাস এও বলেন, দেশের জাতীয় পাখির দত্তক নিতে পেরে আমি নিজেকে গর্বিত মনে করছি। অন্যদিকে কলকাতা নিবাসী শিশু সৌর্য দেবের বাবা সর্ণব দেব বলেন,আমি আমার শিশু পুত্রের পছন্দ মত এমু পাখিটি দত্তক নিয়েছি। আর আমার পুত্র সৌর্যের জীববৈচত্র্যের প্রতি ভীষণ আগ্রহ রয়েছে। তাই পুত্রের ইচ্ছানুসারে একটি ময়ূরের দায়িত্বও নিয়েছি। পূর্বে রমনাবাগান জুয়োলজিক্যাল পার্কে বেড়াত এসেছিলাম।এখানকার পাখিদের দেখে খুব ভালো গেলেছিল। তার পরেই এখানকার পাখি দত্তক নেবাব ব্যাপারে মনস্থির করি ।এদিন সেই কাজ সম্পূর্ণ হল ।পেশায় অধ্যাপিকা সৌর্য্যের মা সঞ্চারীদেবী বলেন,আমাদের বেঁচে থাকতে গেলে চারপাশের প্রাণী জগৎকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। ছোট বয়সেই হয়তো এটা বুঝতে পেরে গিয়ে আমার ছেলের পশু পাখিদের প্রতি একটা ভালোবাসা তৈরি হয়েছে। ছেলে বইয়ের পাতা উলটে পাখির ছবি দেখতেও খুব ভালোবাসে ।ছেলের পাখিদের প্রতি এই ভালোবাসা দেখে আমরা স্বামী স্ত্রী মিলে ছেলেকে রমনাবাগান জুয়োলজিক্যাল পার্কে নিয়ে এসে পাখি দত্তক নিতে পেরে খবই খুশি হয়েছি।আমাদের সন্তান সৌর্যও বেজায় খুশি হয়েছে ।পশু পাখি প্রেমী সকল মানুষ জন আমাদের মত এইভাবে এগিয়ে আসলে বনের প্রাণীরা বাঁচবে । জীববৈচিত্রও অটুট থাকবে ।পূর্ব বর্ধমান জেলার বন আধিকারিক নিশা গোস্বামী বলেন, বর্ধমানের রমনাবাগান জুয়োলজিক্যাল পার্কে এদিন থেকেই প্রথম পশুপাখি দত্তক দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হল। এদিন চারজন চারটি পাখি দত্তক নিয়েছেন। এনাদের দেখে অন্যদেরও উৎসাহ বাড়বে। প্রত্যাশা রয়েছে পশু পাখি দত্তক নেওয়া জন্য আগামী দিনে আরো অনেকে এগিয়ে আসবেন।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে দুয়ারে সরকারের ক্যাম্পে তৃণমূল প্রার্থীর সমর্থনে ফ্লেক্স, তীব্র প্রতিবাদ সিপিএম ও বিজেপির

রাজ্যে পুর ভোটের নির্ঘন্ট ঘোষনা হয়ে গিয়েছে। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি হবে বর্ধমানসহ রাজ্যের ১০৮টি পুরসভার ভোট। তারই মধ্যে রাজ্যে দুয়ারে সরকারের ক্যাম্পও চলছে। আর বর্ধমান পৌর এলাকায় চলা তেমনি একটি ক্যাম্পে জ্বলজ্বল করছে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর সমর্থনে লাগানো হোডিং,কার্টআউট ও ফ্লেক্স। যা নিয়ে প্রতিবাদে সরব হয়েছে বিরোধীরা। বিষয়টি নিয়ে সিপিএম নেতৃত্ব জেলা নির্বাচন কমিশনের রিটার্নিং অফিসার তথা বর্ধমান উত্তর মহকুমা শাসকের কাছে ইতিমধ্যেই নালিশ জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, শাসক দল এই ভাবেই নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে। যদিও তৃণমূলের নেতারা বিরোধীদের আনা এই অভিযোগকে কোন আমল দিতে চাননি। রাজ্যে ১৫ ফেব্রুয়ারী থেকে শুরু হয়েছে দুয়ারে সরকারের ক্যাম্প। চলবে ১৫ মার্চ পর্যন্ত। আর এই সময়ের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হবে রাজ্যের ১০৮টি পৌরসভার ভোট। ২৭ ফেব্রুয়ারি হবে পূর্ব বর্ধমানের জেলার কালনা, কাটোয়া, দাঁইহাট, বর্ধমান, দাঁইহাট ও মেমারি পৌরসভার ভোট। এই অবস্থার মধ্যেই বৃহস্পতিবার বর্ধমান শহরের নীলপুরের জাগরণী ক্লাবের মাঠে দুয়ারে সরকারের ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। ওই ক্যাম্পে বর্ধমান পৌরসভার ১২, ১৩ ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা বিভিন্ন সরকারি সহায়তা পাওয়ার আবেদন করার জন্য এদিন লাইনে দাঁড়ান। ওই ক্যাম্পে বর্ধমান পৌরসভার ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বী শাসক দলের প্রার্থীর সমর্থনে হোর্ডিং, ফ্লেক্স, কাটআউট লাগানো থাকায় প্রতিবাদে সরব হয় বিরোধীরা।সিপিএম প্রার্থী দীপঙ্কর দে বলেন, পৌর ভোট চলার সময়ে দুয়ারে সরকারের ক্যাম্প ও পাড়ায় সমাধান কর্মসূচি শুরু করা নিয়ে আপত্তি জানিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিয়েছিলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। কিন্তু আপত্তি মনা হয়নি। এদিন নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ভোটারদের প্রভাবিত করার জন্য বর্ধমানের নীলপুরে দুয়ারে সরকারের ক্যাম্পে শাসক দলের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী রাসবিহারী হালদারের সমর্থনে প্রচার ফ্লেক্স, হোর্ডিং ঝোলানো থাকে। দীপঙ্কর দে জানান, এই বিষয়টি নিয়ে তাঁরা দলীয় ভাবে বর্ধমান উত্তরের মহকুমাশাসক তথা রিটার্নিং অফিসারকে লিখিত ভাবে জানিয়েছেন।সিপিএম প্রার্থীর অভিযোগ, তাঁরা সরকারি কর্মসূচির বিরোধিতা করছেন না। কিন্তু যে ভাবে নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গ করা হচ্ছে তার প্রতিবাদ করছেন। কারণ সাধারণ মানুষকে প্রলুব্ধ করা হচ্ছে দুয়ারে সরকার কর্মসূচির ক্যাম্পে। এমনিতেই নির্বাচনের সময় ক্যাম্প করা বেআইনি। তার উপর দুয়ারে সরকার কর্মসূচির ক্যাম্পে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীর ভোট প্রচারের প্রদর্শনী চলছে। ঘটনার প্রতিবাদ করেছেন বিজেপি নেতারাও। বিজেপির রাজ্য নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, তাঁরাও দলীয় ভাবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে নালিশ করবেন। একই সঙ্গে রাজু বাবু বলেন, নির্বাচন কমিশনকে অভিযোগ করেও কিছু লাভ হবে না। রাজ্য নির্বচন কমিশন শাসকদলের কথায় চলছে।এই বিষয়ে রিটার্নিং অফিসার তীর্থঙ্কর বিশ্বাস বলেন, আমার কাছে কেউ কোন লিখিত অভিযোগ করেনি।তবে ফোনে অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগ পেয়েই সেখানে লোক পাঠানো হয়েছে। যদি কোনও বিধি ভঙ্গ হয়ে থাকে তাহলে তার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২২
রাজ্য

শিক্ষাগুরু বাম প্রার্থীর আশীর্বাদ মাথায় নিয়ে বর্ধমানে পুরভোটের ময়দান চোষে বেড়াচ্ছেন প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল প্রার্থী

রাজনৈতিক মতাদর্শের বিরোধ রয়েছে ঠিকই। তাবলে পুরভোটের যুদ্ধে নেমে শিক্ষাগুরু ও তাঁর ছাত্রের কেউই পারস্পরিক স্নেহ ভালবাসা ও শ্রদ্ধার সম্পর্ককে জলাঞ্জলি দিতে চান না। আর সেই কারণেই এবার বর্ধমান পৌরসভার ভোটে সবার নজর কেড়েছে গুরু শিষ্যের লড়াই।যে লড়াইয়ের শেষ ফল দেখার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন বর্ধমান পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা।রাজ্যের যে কটি পৌরসভার নির্বাচন ইতিমধ্যে সম্পূর্ণ হয়েছে তার সবকটাতেই তৃণমূলেরই জয়জয়কার। এমন ঘাসফুল ঝড়ের মধ্যেই আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি হবে বর্ধমান পৌরসভা ৩৫ টি ওয়ার্ডের নির্বাচন। তার মধ্যে ৪ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছেন নুরুল আলম ওরফে সাহেব। আর তাঁর মূল প্রতিদ্বন্দি সিপিআইএম প্রার্থী লুৎফর রহমান মুন্সী। যুজুধান দুই রাজনৈতিক দলের প্রার্থীর বাড়ি একই ওয়ার্ডে। সেই ওয়ার্ডেরই দুবরাজদিঘী এলাকার বাসিন্দা লুৎফর রহমান মল্লিক দুবরাজদিঘী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক।আর সেই বিদ্যালয়েই পড়াশুনা করে বড় হয়ে ওঠা ছাত্র নুরুল আলম আজ তাঁর প্রতিদ্বন্দি তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী। একজন বয়সে প্রবীন হলেও আপাদমস্তক কমিউনিষ্ট। অপর জন তৃণমূলের তরুণ তুর্কী নেতা।সে যাইহোক ভোট যুদ্ধে অংশ নিয়ে দুজনের কেউ এই বিষয়টিকেই বেশী গুরুত্ব দিতে চান না। বরং দুজনেই চান ভোট যুদ্ধের ময়দানেও অটুট থাকুক গুরু ও শিষ্যের পারস্পরিক স্নেহ ও শ্রদ্ধার বন্ধন। তাই প্রতিদিন ভেটের প্রাচার নেমেই সতীর্থদের সঙ্গে নিয়ে শিষ্য নুরুল পৌছে গেলেন শিক্ষা গুরু লুৎফর রহমান মুন্সীর বাড়িতে। শিক্ষা গুরুর আশীর্বাদ মাথায় নিয়ে গুরুর কাছেও ভোট ভিক্ষা চাইলেন ছাত্র। পাল্টা শিক্ষা গুরুও তাঁর শিষ্যকে বুকে জড়িয়ে নিয়ে আশীর্বাদ ও শুভকামনা জানালেন। একই সঙ্গে শিক্ষক লৎফর রহমান সবাইকে শুনিয়ে বললেন ,আজকের দিনে রাজনীতিতে আমার ছাত্র নুরুলের মত যুবশক্তির উঠে আসা প্রয়োজন রয়েছে। ভোটের দিন লুৎফর রহমান মুন্সী কিংবা তাঁর পরিবারের কেউ হয়তো নুরুল আলমকে ভোট দেবেন না। তবুও রাজনৈতিক সৌজন্যতার এই দৃশ্য চাক্ষুষ করে কার্যতই অবিভূত দুবরাজদিঘীর বাসিন্দারা। শিক্ষা গুরুর আশীর্বাদ মাথায় নিয়ে সোমবার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের অলি গলি ঘুরে নুরুল সারলেন ভোটের প্রচার।নুরুল আলম এদিন বলেন, আমার দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সব সময়েই দলের সবাইকে রাজনৈতিক সৌজন্যতা বজায় রেখে চলার বার্তা দেন। নিজেকে বিনয়ী রেখে সাধারণ মানুষের সুখ দুঃখের সাথী হবার কথা বলেন। সেই আদর্শেই আমি দীক্ষিত।শিক্ষা গুরু আমার প্রতিদ্বন্দি হলেও তিনি আমার গুরুই। তাই ভোট যুদ্ধে শিক্ষা গুরুর আশীর্বাদ মাথায় থাকাটাও বড় প্রাপ্তি। বাকিটা বিচার করবেন ৪ নম্বর ওয়ার্ডের জনতা জনার্দন। অন্যদিকে সিপিআইএম প্রার্থী লুৎফর রহমান মুন্সী বলেন, আমার ছাত্র নুরুল আলমের সৌজন্যতা বোধ আমায় মুগ্ধ করেছে। ওর ভবিষ্যৎ জীবন ভালো হোক এই শুভ কামনাই করছি। বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস জানিয়েছেন, বর্ধমান পুরসভায় লড়াইটা মূলতই তাঁদের সঙ্গে সিপিএমেরই। তবে তিনি আশাবাদী বর্ধমান পৌরসভার ৩৫টি ওয়ার্ডে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীরাই জয়ী হবেন।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজ্য

পৌরভোটে প্রার্থী হতে না পেরে কেঁদে ভাসালেন বর্ধমানের ডাকাবুকো তৃণমূল নেতা

অনেক প্রত্যাশা থাকলেও পৌরসভা নির্বাচনে তৃণমূলের হয়ে প্রতিদ্বন্দিতা করার টিকিট মেলেনি। তাই বুধবার বর্ধমান শহরে থাকা জেলাশাসকের দফতরের সামনে দাঁড়িয়ে কেঁদে ভাসালেন শহরের ডাকাবুকো তৃণমূল নেতা আব্দুল রব। শুধু কেঁদে ভাসানোই নয়, চোখের জল মুছতে মুছতে তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেও ফেললেন তাঁর দল তাঁর সঙ্গে সুবিচার করলো না। আব্দুল রবের কান্না দেখে সতীর্থরা তাঁকে সান্তনা দেন। তবে প্রার্থী হতে না পারার জন্য দলের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা না করার জন্য তৃণমূলের নেতারা তাঁকে বার্তা দিয়েছেন। আব্দুল রব শহর বর্ধমানের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন। এদিন তিনি বলেন, দীর্ঘ ৩৮ বছর ধরে রাজনীতি করছি। তৃণমূল কংগ্রেস দল করার জন্য সি পি এমের আমলে পাঁচ বার জেল খেটেছি। এতকিছুর পরেও দল তাঁর প্রতি সুবিচার করলো না। ৩ নম্বর ওয়ার্ড এবার মহিলা সংরক্ষিত হওয়ার দলের তরফে এবার তাঁর স্ত্রী তনুজা বেগমকে প্রার্থী করবে বলে আশ্বাস দিয়েছিল। কিন্তু দল অন্য একজনকে প্রার্থী করে তালিকা প্রকাশ করে। তার পরেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল প্রার্থী পরিবর্তন করে তাঁর স্ত্রীকেই প্রার্থী করা হবে বলে। শেষমেশ সেটাও দল করেনি বলে আব্দুল রব আক্ষেপ প্রকাশ করে কান্নায় ঙেঙে পড়েন। আর প্রার্থীপদ না পেয়ে তৃণমূলের ডাকাবুকো নেতাকে কেঁদে ভাসাতে দেখে কার্যতই হতবাক হয়েযান বর্ধমান শহরবাসী। এদিকে প্রার্থী হতে না পেরে আব্দুল রব এদিন যখন কেঁদে ভাসাচ্ছেন সেই সময়ে বর্ধমান পৌরসভার ছয়টি ওয়ার্ডে মণোনয়ন জমা দেন ছয় জন গোঁজ প্রার্থী। তার মধ্যে আব্দুল রবের স্ত্রী তনুজা ছাড়াও ৫ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের ঘোষিত প্রার্থী চামেলী বেগমের স্বামী ইফতিকার আহমেদও রয়েছেন। এবিষয়ে বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক জানান, এবার বর্ধমান পৌরসভার ৩৫ টি ওয়ার্ডে টিকিটের দাবিদার অনেকেই ছিলেন।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২২
রাজ্য

রেল পুলিশের তৎপরতায় ফের বেশকিছু টিয়াপাখি সহ গ্রেফতার পাচারকারী

রেল পুলিশের তৎপরতায় ফের পাচারের আগেই উদ্ধার হল বেশকিছু টিয়া পাখি গ্রেফতার করা হয়েছে পাচারকারীকে। মঙ্গলবার সকালে বর্ধমান স্টেশনের ৫ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ফুট ওভারব্রিজে টহলদারি চালাচ্ছিল রেল পুলিশ। ওই সময়ে তারা এক যুবককে একটি বড় ব্যাগে ভরে কিছু নিয়ে যেতে দেখেন। সন্দেহ হওয়ায় রেল পুলিশ মহম্মদ শরিফ নামে বর্ধমানের দুবরাজদিঘী হরেরডাঙ্গা এলাকা নিবাসী ওই যুবকের পথ আটাকায়। রেল পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর শিলেন্দ্র কুমার জানিয়েছেন, যুবকের সঙ্গে থাকা ব্যাগে তল্লাশি চালাতেই উদ্ধার হয় খাঁচা বন্দি অবস্থায় থাকা সাতটি টিয়া পাখি। পাচারের উদ্দেশ্যে খাঁচায় ভরে টিয়া পাখিগুলি নিয়ে যাওয়া যাচ্ছিল বলে জেরায় যুবক স্বীকার করার পরেই তাঁকে ধরে আরপিএফ অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। পাশাপাশি খবর দেওয়া হয় বর্ধমানের বনবিভাগে। এদিনই বন বিভাগের কর্মী ও অফিসাররা বর্ধমান আর পি এফ অফিসে হাজির হয়ে টিয়া পাখিগুলি ও ধৃত যুবককে নিজেদের হেফাজতে নেয়। বর্ধমান বন বিভাগের তরফে জানানো হয়েছে, অবৈধভাবে বন্য প্রাণী পাচারের অভিযোগে মামালা রুজু করে মহম্মদ শরিফ নামে ওই ব্যক্তিকে এদিনই বর্ধমান আদালতে পাঠানো হয়েছে। বন বিভাগের আধিকারিকরা জানিয়েছেন,কিছুদিন আগে বর্ধমান স্টেশনে থাকা রেল পুলিশ ডাউন দানাপুর এক্সপ্রেসের কামরায় তল্লাশি চালিয়ে শতাধিক টিয়াপাখি উদ্ধার করেছিল। সেবারও টিয়া পাচারের অভিযোগে রেল পুলিশের হাতে ধরা পড়ে বর্ধমানের দুবরাজদিঘীরই এক ব্যক্তি। ওই ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে রেল পুলিশ জানতে পারে পাচারের উদ্দেশ্যে সে বিহারের পাটনা থেকে শতাধিক টিয়াপাখি বর্ধমানে আনিয়েছে। পরে সে টিয়াপাখিগুলি বর্ধমান থেকে অন্যত্র পাচার করা হত।যদিও রেল পুলিশের তৎপরতায় পাচারের আগেই ওইদিন শতাধিক টিয়াপাখি সহ পাচারকারী ধরা পড়েযায়। রেল পুলিশ তৎপর থাকায় এদিনও বর্ধমান স্টেশনে বেশ কিছু টিয়া পাখি সহ পাচারকারী ধরা পড়লো বলে বন দফতরের কর্মীরা জানিয়েছেন।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২২
রাজ্য

লোকালয় থেকে উদ্ধার শাবক সহ ৫ টি গন্ধগোকুল

লোকালয় থেকে উদ্ধার হল চারটি শাবক সহ একটি পূর্ণবয়স্ক গন্ধগোকুল।শুক্রবার শহর বর্ধমানে ২ নম্বর ইছলাবাদ নিবাসী আলোক পালের বাড়ি থেকে এই গন্ধগোকুল গুলি উদ্ধার হয়। অলোক পাল জানিয়েছেন, প্রাণীগুলি দেখতে পেয়েই তিনি বর্ধমান সোসাইটি ফর অ্যানিমাল ওয়েলফেয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।খবর পেয়েই সংস্থার সদস্যরা তার ইছলাবাদের বাড়িতে চলে আসেন। তারা একটি মা গন্ধগোকুল ও তাঁর চারটি শাবককে উদ্ধার করে নিয়েযায়। সংস্থার সদস্যরা জানিয়েযান চিকিৎসা করিয়ে নিয়ে তাঁরা প্রাণীগুলিকে জঙ্গলে ছেড়ে দেবেন ।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২২
রাজ্য

স্কুল-কলেজ খোলার দাবিতে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় চত্ত্বরে এসএফআইয়ের প্রতীকী 'ওপেন এয়ার ক্লাসরুম'

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে আন্দোলন। একই দাবিতে মামলার পর মামলাও হয়ে চলেছে হাইকোর্টে।এমন এক পরিস্থিতির মধ্যেই বৃহস্পতিবার বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় চত্ত্বরে প্রতীকী ওপেন এয়ার ক্লাসরুম করল ভারতের ছাত্র ফেডারেশন (এস এফ আই)। পাড়ায় পাঠশালার পরিবর্তে অবিলম্বে স্বাস্থ্যবিধি মেনে রাজ্যের সমস্ত স্কুল কলেজ খোলার দাবিতে এদিন স্বোচ্চার হন এসএফআইয়ের সদস্যরা। এসএফআইয়ের এই আন্দোলনকে অবশ্য কটাক্ষ করতে ছাড়েনি শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব।করোনা অতিমারির কারণে প্রায় দুবছর হল বন্ধ রয়েছে রাজ্যের সমস্ত স্কুল কলেজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। মাঝে সংক্রমণের প্রভাব কিছুটা কমার পর স্কুল আংশিক খোলা হয়। কিন্তু ফের করোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার পর পুনরায় বন্ধ করে দিতে হয় স্কুল-কলেজ. আর তা নিয়েই এখন সরব হয়েছেবিভিন্ন সংগঠন ,বিরোধী রাজনৈতিক দল ও তাদের ছাত্র সংগঠন গুলি। কলকাতার রাজপথ থেকে শুরু করে জেলা সদর,সর্বত্রই এখন প্রতিদিন জোরালো হচ্ছে স্কুল-কলেজ খোলার দাবিতে আন্দোলন। এসএফআই নেতৃত্বের দাবি, তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে ইতিমধ্যেই বিকাশভবনে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। পাশাপাশি প্রতিদিন রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় চলছে বিক্ষোভ কর্মসূচি। এসএফআইয়ের পূর্ব বর্ধমান জেলা সম্পাদক অনির্বান রায় চৌধুরী বলেন, রাজ্যের সমস্ত পানশালা খোলা থাকছে, মেলা খেলা চলছে, যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। অথচ শুধু বন্ধ রাখা হয়েছে রাজ্যের স্কুল-কলেজ সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি। ইন্টারনেট পরিষেবা ও অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন না থাকায় রাজ্যের গ্রামে গঞ্জের বহু ছাত্রছাত্রী অনলাইন ক্লাস করতে পারেনি। তবুও সরকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে পঙ্গু করে রাখার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃত ভাবে স্কুল-কলেজ বন্ধ করে রেখেছে বলে অভিযোগ করেন অনির্বাণ রায় চৌধুরী। একই সঙ্গে তিনি এও বলেন, ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক শিক্ষিকা থেকে অভিভাবক সকলেই চাইছেন রাজ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলুক। কিন্তু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তা চাইছেন না। প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা একেবারে ভেঙ্গে পড়েছে, ছাত্রছাত্রীরা অক্ষর জ্ঞানও ভুলে গেছে। অবিলম্বে স্কুল-কলেজ না খোলা না হলে রাজজুড়ে আরও বৃহত্তর আন্দোলন হবে বলে এদিন হুঁশিয়ারি দিয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলা এস এফ আই নেতৃত্বশিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবীতে রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে আন্দোলন একই দিনে শহর বর্ধমানের ব্যবসায়ীরাও স্বোচ্চার হন শহরের দোকান বাজার সারা সপ্তাহ স্বাভাবিক রাখার দাবিতে। কোভিড সংক্রমণের হার দ্রুতগতিতে বৃদ্ধির কারণে সপ্তাহের বৃহস্পতি ও রবিবার বর্ধমান শহর ও সংলগ্ন এলাকায় দোকান বাজার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। শহরের তেঁতুলতলা বাজার,পুলিশ লাইন, নীলপুর, কালনা গেট, রথতলা, ঝুরঝুরেপুল সহ সব বাজার সপ্তাহে দুদিন পুরো বন্ধ থাকছে। মুদিখানা,সবজি, ফুলফল, মাছ মাংসের বাজারে সবই এদিন থাকে শুনসান। বর্ধমানের ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতা শেখ স্বপন এদিন অভিযোগ করেন, মেলা-খেলা সবই চলছে। শুধু করোনার দোহাই দিয়ে শহর বর্ধমানে দোকান বাজার দু,দিন বন্ধ রাখার নির্দেশ জারি করে রেখেছে প্রশাসন। এতে ব্যবসায়ীরা আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন কিছু ভাবুক।নয়তো তাদের আন্দোলনে নামতে হবে। এসএফআই ও ব্যবসায়ীদের আন্দোলন প্রসঙ্গে পূর্ব বর্ধমান জেলাপরিষদের সহসভাধিপতি তথা তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যের মুখপত্র দেবু টুডু বলেন, মানুষ প্রত্যাখ্যান করায় সিপিএম ও এসএফআইয়ের স্থান এখন জাদু ঘরে হয়েছে। ওরা প্রচারের আলোয় আসার জন্য এখন স্কুল কলেজ খোলার দাবি তুলে পথে নামছে। ওরা মনে হয় ছাত্রছাত্রীদের সুরক্ষার কথা না ভেবে ওদের বিপদে ফেলতে চাইছে। স্কুল-কলেজ খোলার বিষয়ে রাজ্য সরকার যথা সময়েই সিদ্ধান্ত নেবে। পাশাপাশি শহর বর্ধমানে দোকান বাজার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের বিষয়ে দেবু টুডু বলেন, শহরে করোনার বাড়বাড়ন্তের জন্য জেলা প্রশাসন এবিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসন দেখছে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
রাজ্য

শহর বর্ধমানে ব্যাঙ্ক ডাকাতির পর পূর্ব বর্ধমানের ব্যাঙ্কগুলির সুরক্ষা পর্যালোচনা শুরু পুলিশের

এ যেন চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে এমন অবস্থা। বর্ধমানে ব্যাঙ্ক ডাকাতির ঘটনার পর পাঁচ দিন পেরিয়ে গেলেও একজনও দুস্কৃতির নাগাল পায়নি পুলিশ। তবে এই ঘটনার পর জেলার ব্যাঙ্ক গুলির সুরক্ষা ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করার বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ। সেই মতো গত দুদিন ধরে চলছে জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় থাকা ব্যাঙ্ক আধিকারিকদের নিয়ে পুলিশ কর্তাদের বৈঠক। যেমনটা মঙ্গলবার হল জেলার খণ্ডঘোষ, ভাতার, পূর্বস্থলী ও কালনা থানায়। এত কিছুর পরেও ব্যাঙ্কে দুস্কৃতী হানা রোখা যায় কিনা তার উত্তর ভবিষ্যতেই মিলবে বলে মত ওয়াকাবহাল মহলের। ব্যাঙ্কের সুরক্ষা বিষয়ক যে বিষয়গুলি নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয় তা যথেষ্টই গুরুত্বপূর্ণ। কালনা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন, ব্যাঙ্কগুলির সুরক্ষা বিষয়ক মিটিং তাঁরা করেছেন ব্যাঙ্কের আধিকারিকদের সঙ্গে। মূলত ব্যাঙ্কের ইমার্জেন্সি এলার্ম ও সিসিটিভি সচল রাখা সহ ব্যাঙ্কে আর্মড সিকিউরিটি গার্ড নিয়োগ ইত্যাদি বিষয় গুলি নিয়ে মিটিংয়ে জোর দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট থানার নম্বর, দমকল কেন্দ্রের নম্বর, সিকিউরিটি এজেন্সির নম্বর ব্যাঙ্কের অভ্যন্তরে বিভিন্ন জায়গায় টাঙ্গিয়ে রাখার কথা কর্ত্পক্ষকে বলা হয়েছে। এছাড়াও আধুনিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে ব্যাঙ্কের সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার বিষয়গুলি নিয়ে মিটিংয়ে গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। সোমবার ও মঙ্গলবার এই দুদিনে কালনা মহকুমার নাদনঘাট , মন্তেশ্বর ,পূর্বস্থলী , কালনা প্রভৃতি থানা এলাকায় থাকা ব্যাঙ্ক আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে এমন আলোচনা সম্পূর্ণ হয়েছে বলে এসডিপিও সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন। ইতিপূর্বে জামালপুর থানার পুলিশ কর্তারাও একই রকম গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সেরেছেন।এদিন ভাতার ও খণ্ডঘোষ থানাতেও ব্যাঙ্ক আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। একই বিষয় নিয়ে এসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিন)সুপ্রভাত চক্রবর্তী এদিন মেমারি থানায় এলাকার ব্যাঙ্ক ও পেট্রোল পাম্প কর্তৃপক্ষকে নিয়ে মিটিং করেন। শহর বর্ধমানে ডাকাতির ঘটনা এই প্রথম ঘটলো এমনটা নয় ।ইতিপূর্বে ২০২০ সালের ১৭ জুলাই দিনেদুপুরে শহর বর্ধমানের বিসিরোড এলাকায় থাকা স্বর্ণঋণ দান সংস্থাতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। তার আগে ২০০৯ সালের জানুয়ারি মাসে বৈদ্যনাথ ক্যাটরায় একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক শাখা থেকে ৩৫ লক্ষ টাকা লুট হয়। আর গত শুক্রবার সাত সকালে বর্ধমানের কার্জনগেট সংলগ্ন বৈদ্যনাথ ক্যাটরার বাজারের দোতলায় থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে হানা দেয় সশস্ত্র ডাকাত দল।তারা ব্যাঙ্কে থাকা গ্রাহকদের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে বসিয়ে রেখে ও ব্যাঙ্ক কর্মীদের মারধোর করে ৩৩ লক্ষ টাকা লুট করেনিয়ে বিনা বাধায় পালিয়ে যায়। যাওয়ার সময়ে ব্যাঙ্কের মূল গেটে তালাও লাগিয়ে দেয় মুখ ঢাকা থাকা দুস্কৃতিরা। এই ডাকাতির ঘটনার পর তড়িঘড়ি সিট গঠন করে তদন্তে নামার কথা জানান জেলা পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন । দুস্কৃতিদের নাগাল পেতে ঘটনার দিন জেলার বিভিন্ন সড়ক পথে শুরু হয় নাকা চেকিং। কিন্তু তাতে কাজের কাজ কিছু হয়নি। এমনকি ব্যাঙ্ক ডাকাতির ঘটনার পর পাঁচ দিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশ দুস্কৃতিদের একজনেরও নাগাল পায় নি ।তারই মধ্যে এখন জেলার ব্যাঙ্ক গুলির সুরক্ষার বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন থানা এলাকায় থাকা ব্যাঙ্ক আধিকারিকদের সঙ্গে মিটিং করে চলেছেন পুলিশ কর্তারা ।এই প্রসঙ্গে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন ,তাহলেকি এতদিন জেলার ব্যাঙ্ক গুলির সুরক্ষা নিয়ে পুলিশ সে ভাবে মাথা ঘামায় নি ? বর্ধমানে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে ডাকাতির ঘটনা ঘটিয়ে ডাকাতরা পালিয়ে যাবার পর পুলিশ কর্তারা জেলার ব্যাঙ্কগুলির সুরক্ষায় খামতি খুঁজে পেলেন? এই সব প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে পূর্ব বর্ধমান জেলাবাসীর মুখে মুখে।

জানুয়ারি ২৬, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাঙ্কে ডাকাতির ২৪ ঘন্টা পরেও অধরা দুস্কৃতিরা

ব্যাঙ্ক ডাকাতির পর পেরিয়ে গিয়েছে ২৪ ঘন্টা। দুস্কৃতীদের বিষয়ে এখনও অথৈ জলে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ। শুক্রবার বর্ধমানের বৈদ্যনাথ ক্যাটরার বাজারের দ্বিতলে থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক শাখায় হানা দিয়ে ৩৩ লক্ষ টাকা লুট করে পালায় সশস্ত্র ডাকাত দল। ঘটনার পর দ্রুত সিট গঠন করে পুলিশ তদন্তে নামে। দুস্কৃতিদের নাগাল পেতে শুরু হয় জেলার বিভিন্ন সড়কপথে নাকা চেকিং। কিন্তু তাতে কাজের কাজ কিছুই হয় না। পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে বেমালুম গায়েব হয়ে যায় দুস্কৃতীরা।জেলা পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন শনিবার জানিয়েছেন, তদন্ত চলছে। ডাকাতির ঘটনায় পুলিশ এখনও পর্যন্ত কাউকে আটক বা গ্রেফতার করতে পারেনি । যদিও বর্ধমান থানার এক আধিকারিকের কথায় জানা গিয়েছে, ব্যাঙ্কে লুট টালিয়ে দুস্কৃতীরা পায়ে হেটে বিসিরোড হয়ে কার্জন গেটের দিকে যায়। তারপর তারা কোন দিকে গেছে বা কোন গাড়িতে করে গেছে তার কোন তথ্য এখনও পুলিশের কাছে নেই। তবে অনুমান করা হচ্ছে দুস্কৃতিরা বাইকে চেপে বর্ধমান থেকে পালিয়েছে।বিভিন্ন জায়গার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে দুস্কৃতিদের চিহ্নিত করার প্রচেষ্টা চলছে সিআইডিও ব্যাঙ্ক ডাকাতির ঘটনার তদন্ত শুরু করতে চলেছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। শুক্রবার দিনে দুপুরে বর্ধমানের প্রাণকেন্দ্রে থাকা ব্যাঙ্কে ঢুকে ৩৩ লক্ষ টাকা লুট করে নিয়ে পালায় হিন্দিভাষী সশস্ত্র ডাকাত দল। এর আগে ২০২০ সালের ১৭ জুলাই বর্ধমানের বিসিরোড এলাকায় থাকা স্বর্ণ ঋণদান সংস্থায় ডাকাতির ঘটনা ঘটায় হিন্দিভাষী দুস্কৃতীরা। তারও আগে ২০০৯ সালের জানুয়ারি মাসে বৈদ্যনাথ ক্যাটরায় একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক শাখা থেকে ৩৫ লক্ষ টাকা লুট হয়।অতি সম্প্রতি এসটিএফের অভিযানে হেরোইনের আন্তারাজ্য কারবারী ডেরার হদিশ উদ্ধার হয় বর্ধমানের বিবেকানন্দ কলেজ মোড় সংলগ্ন এলাকা থেকে। অপরাধের ঘটনা ঘটানোর জন্য কেন বারে বারে হিন্দি ভাষী দুস্কৃতিরা বর্ধমানকেই বেছে নিচ্ছে সেই প্রশ্নই এখন সবাইকে ভাবিয়ে তুলিয়েছে।পুলিশ কর্তারাও বিষয়টি নিয়ে কাঁটা ছেঁড়া চালিয়ে যাচ্ছেন। দুস্কৃতিদের সঙ্গে ভিন রাজ্যের যোগ রয়েছে কিনা সেই বিষয়টিও পুলিশ খতিয়ে দেখছে। বর্ধমানের বৈদ্যনাথ ক্যাটারার বাজারের দোতলায় থাকা ব্যাঙ্কে শুক্রবার পৌনে ১০টার আগেই ঢুকে পড়ে ৫-৬ জনের দুস্কৃতি দল। হিন্দিভাষী দুস্কৃতীদের মুখ ছিল ঢাকা। হাতে ছিল আগ্নেআস্ত্র। তাঁদের সঙ্গে ছিল স্কুল ব্যাগ। ব্যাঙ্কে যে কজন গ্রাহক ছিল তাদের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে দুস্কৃতিরা আগ্নেআস্ত্র দেখিয়ে বসিয়ে রাখে। এরপর ব্যাঙ্কের অন্য আধিকারিকদের মারধোর করে ব্যাঙ্ক থেকে ৩৩ লক্ষ টাকা লুট করে নিয়ে দুস্কৃতিরা ব্যাঙ্ক থেকে বেরিয়ে পড়ে। ব্যাঙ্কের মূল গেটের দরজায় বাইরে থেকে তালাচাবি দিয়ে দুস্কৃতিরা কাউকে কিছু বুঝতে না দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে ব্যাঙ্কের সাইরেন বাজার পর এই দুস্কৃতি হানার বিষয়টি জানাজানি হয় । খবর পেয়ে জেলার পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যান সিংহরায় সহ জেলা পুলিশের অন্য কর্তারা ঘটনাস্থলে পৌছান ।দ্রুত সিট গঠন করে তদন্ত শুরু হলেও পুলিশ দুস্কৃতিদের টিকি এখনও পর্যন্ত ছুঁতে পারেনি।

জানুয়ারি ২২, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থায় নেই স্থানীয় বিধায়ক, দায়িত্বে কাকলি

বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার (BDA) নতুন চেয়ারপার্সন ঘোষণা করলো রাজ্য পৌর ও নগরোন্নয়ন দফতর। শুক্রবার বিজ্ঞপ্তিতে একজন চেয়ারপার্সন ও ৯ জন সদস্যের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু নতুন কমিটিতে সদস্য পর্যন্ত করা হয়নি বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাসকে। এই নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে।এর আগে বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান ছিলেন প্রাক্তন বিধায়ক রবিবঞ্জন চট্টোপাধ্যায়। তাঁর মৃত্যুর পর পদটি দীর্ঘদিন ফাঁকা ছিল। বিডিএ-র দায়িত্ব দূরের কথা সদস্য়ও করা হয়নি বর্ধমানের বিধায়ক খোকন দাসকে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী নতুন চেয়ারপার্সন হয়েছেন কাকলি তা গুপ্ত। ৯ জন সদস্যের মধ্যে রয়েছেন, পুর্ব-বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি, রাজ্য সরকারের অর্থ দফতরের প্রতিনিধি, পৌর ও নগরোন্নয়ন দফতরের প্রতিনিধি, পুর্ব-বর্ধমান জেলাশাসক, পুর্ব-বর্ধমান পুলিশসুপার, বর্ধমান পৌরসভার চেয়ারম্যান, বর্ধমান উত্তর বিধানসভার বিধায়ক নিশীথ মালিক, শুভব্রত মুখোপাধ্যায় ও বিডিএর চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার।প্রসঙ্গত কাকলি তা গুপ্ত দীর্ঘদিন তৃণমূল দলের সক্রিয় রাজনীতির সাথে যুক্ত। তিনি বর্ধমান-১ পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত-কর্মাধক্ষের দ্বায়িত্ব সামলেছেন। বর্তমানে তিনি বর্ধমান-১ পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য।

জানুয়ারি ২১, ২০২২
রাজ্য

ফের ভেজাল সর্ষের তেলের রমরমা কারবারের পর্দা ফাঁস পূর্ব বর্ধমানে, গ্রেফতার ৫

পুলিশের তৎপরতায় ফের পর্দা ফাঁস হল ভেজাল সর্ষের তেলের কারবারের। ভেজাল সর্ষের তেল তৈরি করে বিক্রীর ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পূর্ব বর্ধমানের শক্তিগড় থানার পুলিশ পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের নাম রাজকুমার সাউ ওরফে রাজু, দীপককুমার সিং, অবদেশ কুমার, অনিতকুমার রায় ও বিশরাম যাদব। ধৃতদের মধ্যে রাজকুমারের বাড়ি বর্ধমান শহরের বাদশাহী রোড এলাকায়। বাকিদের বাড়ি বিহারের ওলাপুর, সারাইয়ারঙ্গন ও উত্তরপ্রদেশের আজমগড় জেলার ছোয়েটা গ্রামে।ধৃতদের গ্রেফতারের পাশাপাশি পুলিশ রাইস অয়েল ভর্তি একটি ট্যাঙ্কার, প্রচুর পরিমাণ ভেজাল সের্ষের তেল, খালি তেলের টিন, রাসায়নিক, রং ও বিভিন্ন কোম্পানির তেলের লেবেল, একটি বাইক ও একটি স্কুটি বাজেয়াপ্ত করেছে।পুলিশর দাবি, ধৃতদের কাছ থেকে ১ লক্ষ ২৮ হাজার ৬৯০ টাকাও উদ্ধার হয়েছে।আরও পড়ুনঃ বুধবারও বৃষ্টির সম্ভাবনা, থাকবে মেঘলা আকাশ, মহানগরীর শীত উধাওভেজাল সর্ষের তেল তৈরি ও বিক্রির ঘটনায় জড়িতরা এই প্রথম ধরা পড়লো এমনটা মোটেই নয়। মাস চারেক আগে দুর্ণীতি দমন শাখা বর্ধমান শহরের লাকুর্ডিতে ভেজাল সর্ষের তেলের কারখানার হদিশ পায়। সেখান থেকে উদ্ধার হয় প্রচুর পরিমাণ ভেজাল তেল। গ্রেপ্তার করা হয় কয়েকজনকে। এর কিছুদিন আগে মেমারি থানার পুলিশ ভেজাল সর্ষের তেলের কয়েকজন কারবারিকে গ্রেপ্তার করে। তাদের ডেরা থেকেও অসংখ্য টিনের ড্রামে ভর্তি ভেজাল সর্ষের তেল, রাসায়নিক, কামধেনু রং উদ্ধার হয়। এইসব ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে সোমবার রাতে শক্তিগড় থানার পুলিশের অভিযানে ফের ধরা পড়ে ভেজাল সর্ষের তেলের কারবারীরা।আরও পড়ুনঃ উৎকণ্ঠা বাড়াচ্ছে অভিজাত আবাসনগুলিই, স্বাস্থ্য দপ্তরের রিপোর্ট পেশ নবান্নেশক্তিগড় থানার পুলিশ জানিয়েছে, সোমবার গভীর রাতে পুলিশ স্থানীয় অশ্বত্থগড়িয়ায় একটি তেলের ট্যাঙ্কারের সামনে দুজনকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে। ট্যাঙ্কারের সামনে একটি বাইক ও স্কুটি দাঁড় করানো ছিল। সন্দেহ হওয়ায় পুলিশ তেলের ট্যাঙ্কারের বিষয়ে তাদের কাছ থেকে জানতে চায়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা ট্যাঙ্কার থেকে রাইস অয়েল বেরকরে পাশের একটি গোডাউনে নিয়ে যাওয়ার কথা পুলিশকে জানায়। কী কারণে গোডাউনে তেল নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তার সদুত্তর না মেলায় পুলিশ তাদের আটকে গোডাউনে হানা দেয়। গোডাউনে গিয়ে চমকে যায় পুলিশ। সেখানে তখন রাইস অয়েলের সঙ্গে রং, রাসায়নিক ও অন্যান্য জিনিসপত্র মিশিয়ে রাইস অয়েল থেকে ভেজাল সের্ষের তেল তৈরি হচ্ছিল। গোডাউন থেকে পুলিশ দুলিটার রাসায়নিক, ৬১৬টি বিভিন্ন কোম্পানির তেলের টিন, ৭০০ খালি তেলের টিন, বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক বাজেয়াপ্ত করে। এছাড়াও গোডাউন থেকে উদ্ধার হয় টিন সিল করার যন্ত্র, তেলের বিভিন্ন কোম্পানির লেবেল। সবকিছু খতিয়ে দেখে পুলিশ নিশ্চিৎ হয় রাইস অয়েলে রং, রাসায়নিক ব্যবহার করে গোডাউনে ভেজাল সের্ষের তেল তৈরি করা হচ্ছিল খোলাবাজারে বিক্রীর জন্য।এই কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে ওই রাতেই পুলিশ মোট পাঁচ জনকে গ্রেফতার করে।আরও পড়ুনঃ হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত মেডিক্যাল অক্সিজেন মজুত রাখতে রাজ্যগুলোকে চিঠি স্বাস্থ্য মন্ত্রকেরস্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার ধৃতদের পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। ভেজাল সর্ষের তেলের কারবারে আরও কারা কারা যুক্ত রয়েছে তা জানতে তদন্তকারী অফিসার রাজকুমারকে ৭ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান। সিজেএম রাজকুমারকে ৫ দিনের পুলিশ হেপাজত ও বাকি ধৃতদের বিচারবিভাগীয় হেপাজতেি পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ বাজেয়াপ্ত হওয়া তেল, রাসায়নিক, রং ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষায় পাঠানো সিদ্ধান্ত নিয়েছে।আরও পড়ুনঃ রাসায়নিক মেশানো ভেজাল সরষের তেল তৈরির ডেরার পর্দা ফাঁস পূূর্ব বর্ধমানে, গোডাউন মালিক বেপাত্তা

জানুয়ারি ১২, ২০২২
রাজ্য

STF Operation Burdwan: বর্ধমানে এসটিএফের অভিযানে ৬৫ কোটি টাকার হেরোইনসহ গ্রেফতার বাবা ও ছেলে, ব্যাপক চাঞ্চল্য

স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের অভিযানে ফাঁস হল হেরোইন তৈরি ও পাচারের সঙ্গপ যুক্ত আন্ত রাজ্য চক্রের।অভিযানে ধরা পড়েছে মোট ৬ জন। তাঁদের মধ্যে দুজনকে এসটিএফ রবিবার রাতে ধরে বর্ধমানে বিবেকানন্দ কলেজ মোড়ের কাছে গ্লাস ফ্যাক্টরি এলাকায় একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে। পৌরসভা ভোটের আগে এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই সোমবার সকাল থেকে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে শহর বর্ধমানে।আরও পড়ুনঃ কেপ টাউন টেস্টের আগে ঋষভকে কেন সতর্ক করলেন কোহলি?এসটিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ধমানের বিবেকানন্দ কলেজ মোড়ের কাছে গ্লাস ফ্যাক্টরি এলাকা থেকে ধৃতদের নাম বাবর মণ্ডল ও রাহুল মণ্ডল। এঁরা সম্পর্কে বাবা ও ছেলে। এই দুই ধৃতর আদি বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গকোটে। তবে ১০ বছর আগে সেখান থেকে চলে এসে তাঁরা ২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে বর্ধমানে পালার- শ্রীরামপুর এলাকায় থাকতে শুরু করে। পরে তাঁরা শহর বর্ধমানের বিবেকানন্দ কলেজ মোড়ের কাছে বাড়ি ক্রয় করে। রবিবার রাতে এসটিএফ বাবর মণ্ডল ও রাহুল মণ্ডলদের বর্ধমানের ডেরায় অভিযান চালিয়ে ১৩ কেজি হেরোইন ও হেরোইন তৈরির রাসায়নিক উপকরণ রাজেয়াপ্ত করেছে। যার আনুমানিক মূল্য ৬৫ কোটি টাকা বলে এসটিএফের দাবি। এছাড়াও ধৃতদের ডেরা থেকে উদ্ধার হয়েছে ২০ লক্ষ ১০ হাজার ১০০ টাকা। বাকি চার ধৃতর মধ্যে ২ জন ওড়িশা ও ২ জন মণিপুরের বাসিন্দা। এদের বিষয়ে হাওড়ার গোলাবারি থানা মামলা রুজু করেছে। হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট মামলার তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন বাবর মণ্ডল ও তাঁর ছেলে বর্ধমানের ডেরার হেরোইন তৈরি করে ওড়িশা ও মণিপুরে পাচার করতো।আরও পড়ুনঃ করোনা সচেতনায় মেমারির বিধায়ক মধূসুদন ভট্টাচার্যর বার্তাতদন্তকারীদের কথায় জানা গিয়েছে, হাওড়ার গোলাবাড়ি থানার রুজু হওয়া একটি মামলার সূত্র ধরে এসটিএফ ওড়িশা ও মণিপুর থেকে ৪ মাদক-পাচারকারীকে গ্রেফতার করে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তকারীরা জানতে পারেন বর্ধমানের দুজনের কাছ থেকে তাঁরা মদক দ্রব্য কেনে। বর্ধমানের মাদক কারবারীদের ৫ জন এজেন্ট ওড়িশাতে থাকার কথাও জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসে। এমনকি বর্ধমানে দৈনিক ৪-৫ কোটি টাকার মাদক তৈরি হয়ে পাচারের তথ্যও তদন্তকারীদের কাছে উঠে আসে। এরপরেই রবিবার রাতে এসটিফ কর্তা আমিনুল ইসলাম খাঁনের নেতৃত্বে বর্ধমানের গ্লাস ফ্যাক্টরি এলাকায় বাবর মণ্ডল ও রাহুল মণ্ডলদের ডেরায় অভিযান চালানো হয়।আরও পড়ুনঃ করোনা রুখতে ৫ জেলাকে সতর্ক করল নবান্নএসটিএফের দাবি বাবর ও রাহুলদের বর্ধমানের ডেরা থেকে ১৩ কেজি হেরোইন, হেরোইন তৈরির রাসায়নিক উপকরণ ও নগদ ২০ লক্ষাধিক টাকা ছাড়াও টাকা গোনার যন্ত্র এবং অন্যান সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে। দুটি বাড়ির ভিতরে বস্তাবন্দি করে বড় বড় প্লাস্টিক ড্রামের ভিতর হেরোইন ও অন্যান্য সামগ্রী লুকিয়ে গুলি রাখা ছিল। তদন্তকাীরা জেনেছেন, বর্ধমানে বাবর ও রাহুলের গোপন ডেরায় যে হেরোইন তৈরি হত তার কাচা মাল আসতো মণিপুর থেকে। হেরোইন তৈরি হওয়ার পর তা পাচারের জন্য দেওয়া হত ওড়িশার এজেন্টদের হাতে। হেরোইনের কারবার চক্রে বর্ধমানের আর কেউ যুক্ত রয়েছে কিনা সেই বিষয়টি নিয়েও এসটিএফ খোঁজ খবর চালাচ্ছে।হেরোইনের কারবারের বিষয়ে বর্ধমান অভিযান চালিয়ে এসটিএফ প্রচুর হেরোইন সহ দুজনকে গ্রেফতার করে নিয়ে গেলেও পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ এই বিষয়ে সম্পূর্ণ অন্ধকারেই ছিল। এদিন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যাণ সিংহ রায় বলেন, এই বিষয়ে আমরা কিছু বলতে পারবো না।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
রাজ্য

Lock Down: অড-ইভেন পদ্ধতিতে বর্ধমান শহরের বাজার বন্ধ থাকবে, ঘোষনা মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোনের

কোভিড নিয়ন্ত্রণে নয়া পদক্ষেপ ঘোষণা করল বর্ধমান পৌরসভা। এবার থেকে একদিন অন্তর দোকানপাট খোলা ও বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি বর্ধমানে তিন-টে মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোন ঘোষণা করেছে পুরসভা। শুক্রবার বর্ধমান আরটিসি হলে এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠকে পুলিশ, প্রশাসন, পুরসভা ও বর্ধমান শহরের বাজার কমিটির কর্তারা হাজির ছিলেন।আরও পড়ুনঃ করোনার বাড়বাড়ন্তে বন্ধ হল কালীঘাটের গর্ভগৃহে প্রবেশবৈঠকের এদিনই বাজার-হাট বন্ধ ও খোলা নিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। অড ও ইভেন (বাম দিক ও ডান দিক) পদ্ধতিতে বর্ধমানের দোকান বন্ধ থাকবে। একদিন বামদিকের সমস্ত দোকান বন্ধ থাকবে। সেদিন বিররীত দিকের দোকানপাট খোলা থাকবে। বিজ্ঞপ্তি অনুসারে শহরে উল্লাস থেকে নবাবহাট পর্যন্ত জিটি রোডের বামদিকের দোকান বন্ধ থাকবে সোম, বুধ ও শুক্রবার। অন্যদিকে উল্লাস থেকে নবাবহাট পর্যন্ত ডানদিকের দোকান বন্ধ থাকবে মঙ্গল, বৃহস্পতি ও শনিবার। এমন ভাবেই বিজয়তোরণ (কার্জনগেট) থেকে উত্তরফটক পর্যন্ত বিসি রোডের বামদিকের সমস্ত দোকান বন্ধ থাকবে সোম, বুধ ও শুক্রবার। তেমনই বিজয়তোরণ (কার্জনগেট) থেকে উত্তরফটক পর্যন্ত বিসি রোডের ডানদিকের দোকানগুলি বন্ধ থাকবে মঙ্গল, বৃহস্পতি ও শনিবার। আরবি ঘোষ রোড ও বিবি ঘোষ রোডেও একইভাবে দোকান বন্ধ থাকবে। অন্যদিকে কোর্ট কম্পাউন্ড চত্বরে মঙ্গল, বৃহস্পতি ও শনিবার দোকান বন্ধ রাখতে হবে।আরও পড়ুনঃ সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে আজই ভার্চুয়াল বৈঠকে করতে পারেন মোদিসুপার মার্কেটের ভিতরের দোকানও অড ও ইভেন ভিত্তিতে বন্ধ থাকবে। শহরের শাক-সব্জি, মাছ ও মাংসের দোকান ১০ জানুয়ারি বন্ধ থাকবে। পরবর্তী ১০ জানুয়ারির বৈঠকে এইসব বাজারের বিষয়ে আলোচনা হবে। পাশাপাশি মিষ্টির দোকান কখন খোলা বা বন্ধ থাকবে তা নিয়েও আলোচনা হবে। এদিকে শহরে মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোন হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে ভাঙাকুঠি, বড়লীনপুর সেন্ট জেভিয়ার্স রোড ও বাবুরবাগ এলাকা।

জানুয়ারি ০৭, ২০২২
রাজ্য

Suspended Festival: করোনা আবহে স্থগিত বর্ধমান পৌরসভার বার্ষিক উৎসব

করোনা আবহে আপাতত বর্ধমানে বর্ধমান পৌর উৎসব স্থগিত ঘোষণা করে দিল বর্ধমান পৌরসভা। আবার কবে এই উৎসব হবে তা এখনও জানায়নি পৌর কতৃপক্ষ। জানুয়ারিতেই বর্ধমান পৌর উৎসব হওয়ার কথা ছিল, মেলার জন্য ২২ জানুয়ারি থেকে ৩০ জানুয়ারি দিন ধার্য্য করা হয়েছিল। মেলা পরিচালনা জন্য যোগ্য সংস্থার কাছে থেকে দরপত্র নেওয়ার পদ্ধতিও শুরু হয়ে গিয়েছিল। মেলার বিষয়ে মতামত নেওয়ার জন্য গত ২২ ডিসেম্বর বংশগোপাল টাউন হলে শহরের নাগরিক বৃন্দ ও বিশিষ্ট মানুষদের নিয়ে এক সভা আয়োজন করা হয় বর্ধমান পৌরসভার পক্ষ থেকে।বর্ধমানের উপ-পৌরপ্রশাসক আইনুল হক বলেন, করোনার বিধিনিষেধ জারি রয়েছে রাজ্যে। পরিস্থিতি মোকাবিলা করা খুব জরুরি। আপাতত স্থগিত রাখা হচ্ছে এই উৎসব। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এ ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করা যাবে। এই মুহুর্তে মানুষের স্বাস্থ্যই পৌরসভার কাছে মূল প্রাধান্য।এই মুহুর্তে বর্ধমান শহর ও সংলগ্ন বিভিন্ন জায়গায় করোনা আক্রান্তের খবর আসছে। মনে করা হচ্ছে করোনা-র তৃতীয় ঢেউ যেভাবে সারা বিশ্বে আছড়ে পরেছে তাঁর থেকে এই শহরও বাদ যাবে না। উপ-পৌরপ্রশাসক আইনুল হক বলেন, আমাদের সদা সতর্ক থাকতে হবে, মাস্ক না পড়ে বাইরে বেরোবেন না, সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে। শরীর খারাপ বুঝলে পৌর-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
রাজ্য

Khagragarh Blasts: খাগড়াগড় বিস্ফোরণ কাণ্ডের পর এবার অস্ত্র চুরির ঘটনায় বর্ধমানে তদন্ত করে গেল এনআইএ

সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্সের অস্ত্র চুরি করে মাওবাদী শীর্ষ নেতাদের সরবরাহ করার ঘটনার নিয়ে বর্ধমানেও তদন্তে এল ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি(এনআইএ)। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দারা বুধবারএকযোগে ধানবাদ, রাঁচি, পাটনা, ছাপড়া, গয়া, উত্তর প্রদেশের চাণ্ডুলি ও বর্ধমান জেলায় তল্লাশি চালিয়ে গেলেও কাকপক্ষীতেও তার টের পায়নি। গোয়েন্দারা অত্যন্ত গোপনে বিভিন্ন জায়গায় হানা দেন। হানায় হিসেব বহির্ভূত ১ লক্ষ ৪৬ হাজার টাকা, ল্যাপটপ, সেল ফোন, কম্পিউটার, ডিজিটাল স্টোরেজ ডিভাইস, আপত্তিকর নথি, চুরি করা অস্ত্রের বাক্স এবং বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র উদ্ধার হয়েছে।সেন্ট্রাল আর্মড ফোর্সের অস্ত্র চুরি সংক্রান্ত মূল মামলাটি শুরু হয়েছে ঝাড়খণ্ডের রাঁচির এটিএস থানায়। পরে ঘটনার গুরুত্ব বুঝে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক তদন্তভার এনআইএ-র হাতে তুলে দেয়। সেই নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে নতুন করে কেস রুজু করে এনআইএ তদন্তে নামে। এর আগে বর্ধমানে খাগড়াগড় বিস্ফোরণ কাণ্ডে তদন্তে নামে এনআইএ। তদন্তে নেমে এনআইএ জামাতুল মুজাহিদিন জঙ্গি গোষ্ঠীর সম্পের্ক বেশ কিছু নতুন তথ্য পায়। খাগড়াগড় বিস্ফোরণ কাণ্ডের পর এবার মাওবাদীদের অস্ত্র সরবরাহে বর্ধমানের নাম জড়িয়ে যাওয়ায় স্বাভাবতই জেলা প্রশাসনিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।এনআইএ সূত্রে জানা গিয়েছে, দেশবিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত একটি গ্যাং বিভিন্ন জায়গা থেকে আগ্নেয়াস্ত্র লুট করে তা মাওবাদীদের সরবরাহ করছে বলে গোয়েন্দারা খবর পান। গ্যাংটি যে শুধু অস্ত্র লুট করে তা মাওবাদীদের সরবরাহ করছে তাই নয়, তারা দেশবিরোধী শক্তিকে আর্থিক ভাবে সাহায্যও করছে। এমনকি তারা আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ভীতি প্রদর্শন করে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে মোটা টাকা তোলা আদায়ও করছে। ইতিমধ্যেই বিহারের গয়া জেলার ইমামগঞ্জ থানার অভিনাশ কুমার ওরফে চুন্নু শর্মা, পাটনার সালিমপুরের ঋষি কুমার, ঝাড়খণ্ডের ধানবাদের আজাদনগরের পঙ্কজকুমার সিং, আমান সাহু ওরফে সাউ, অরুণকুমর সিং ওরফে ফৌজি গোয়েন্দাদের হাতে ধরা পড়েছে। গ্যাংয়ের রাঁচি এয়ারপোর্ট থানা এলাকার বাসিন্দা সঞ্জয়কুমার সিং, পেশায় কনট্রাক্টর মুজাহিদ খান এখনও ধরা পড়েনি। এনআইএর গোয়েন্দারা হন্যে হয়ে তাদের খোঁজ চালাচ্ছে। সিভিল কনট্রাক্টর মুজাহিদ এবং সঞ্জয় দুজনে মাওবাদীদের হয়ে ফান্ড সংগ্রহ করছে এবং তা মাওবাদীদের সরবরাহ করছে। মুজাহিদ ইনসাস রাইফেলের ২৫০টি কার্তুজ ও ১ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা মাওবাদীদের দিয়েছে বলে গোয়েন্দারা জেনেছেন। এছাড়াও ধৃত ঋষি কুমারের কাছ থেকে ৪৫০ রাউন্ড ৫.৫৬ এমএম কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে। ঋষি এবং অভিনাশ মিলে তা একটি টেররিস্ট গ্যাংকে সরবরাহের জন্য মজুত করেছিল বলে জেনেছেন গোয়েন্দারা।তাদের কাছে দেশিয় প্রযুক্তিতে তৈরি পিস্তলও রয়েছে, যা তারা টেররিস্ট গ্যাংকে সরবরাহ করে থাকে বলে গোয়েন্দারা জেনেছেন। তবে বর্ধমানে তল্লাশির বিষয়ে এনআইএর কোনও আধিকারিক মুখ খুলতে চাননি।

জানুয়ারি ০২, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

লোকসভায় বিস্ফোরণ! স্পিকারের ঘরে ঢুকে গালিগালাজ? কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ

বাজেট অধিবেশন ঘিরে লোকসভায় শাসক ও বিরোধীদের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। কংগ্রেস সহ ইন্ডিয়া জোট লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার উদ্যোগ নিয়েছে। তার মাঝেই স্পিকারকে গালিগালাজ করার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজু অভিযোগ করেছেন, কংগ্রেসের ২০ থেকে ২৫ জন সাংসদ একসঙ্গে স্পিকারের ঘরে ঢুকে তাঁকে গালিগালাজ করেন। তিনি দাবি করেন, ঘটনাস্থলে তিনি নিজেও উপস্থিত ছিলেন। সংসদে দাঁড়িয়ে রিজিজু বলেন, কংগ্রেস সাংসদদের আচরণ অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং তা বর্ণনা করার মতো নয়। তাঁর কথায়, স্পিকার নরম স্বভাবের মানুষ বলেই তিনি কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেননি।রিজিজু আরও অভিযোগ করেন, যখন কংগ্রেস সাংসদরা স্পিকারের ঘরে ঢুকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন, তখন সেখানে মল্লিকার্জুন খাড়্গে ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর মতো সিনিয়র নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁর দাবি, তাঁরা পরিস্থিতি শান্ত করার বদলে উল্টে আরও উসকানি দিচ্ছিলেন। বিজেপির অভিযোগ, সংসদের মর্যাদা নষ্ট করা হয়েছে।অন্যদিকে, কংগ্রেসের তরফে এই অভিযোগ নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে অনাস্থা প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ যে আরও বাড়তে চলেছে, তা স্পষ্ট।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

গম্ভীরের ডিনার ছেড়ে হাসপাতালে! নামিবিয়া ম্যাচে বড় ধাক্কা কি টিম ইন্ডিয়ায়?

বিশ্বকাপের মাঝেই বড় ধাক্কা টিম ইন্ডিয়ায়। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অভিষেক শর্মা। দিল্লিতে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচের আগে এই খবর স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়িয়েছে ভারতীয় শিবিরে। অভিষেক ওই ম্যাচে খেলতে পারবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দলের পক্ষ থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।জানা গিয়েছে, অভিষেকের পাকস্থলীতে সংক্রমণ হয়েছে। আমেরিকার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচের আগেই তিনি পেটের সমস্যায় ভুগছিলেন। ম্যাচের পর তাঁর শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়। উচ্চ জ্বর আসে এবং ওষুধ দেওয়া হলেও তাতে বিশেষ উপকার হয়নি। তিনি দলের সঙ্গে অনুশীলনেও অংশ নিতে পারেননি। দিল্লিতে কোচ গৌতম গম্ভীরের আয়োজিত নৈশভোজেও কিছুক্ষণ থাকার পর চলে যান অভিষেক।ভারতীয় দলের সহকারী কোচ রায়ান টেন দুশখাতে কয়েক দিন আগে জানিয়েছিলেন, অভিষেকের পেটের সমস্যা রয়েছে, তবে দুদিনের মধ্যে তাঁকে মাঠে পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি দেখে সেই সম্ভাবনা অনেকটাই কমে গিয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। যদি তিনি খেলতে না পারেন, তা হলে তাঁর জায়গায় সঞ্জু স্যামসনের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে অভিষেকের অনুপস্থিতি ভারতীয় দলের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে।এর আগে চোটের কারণে দল থেকে ছিটকে গিয়েছেন হর্ষিত রানা। ওয়াশিংটন সুন্দর এখনও পুরোপুরি সুস্থ নন। এই পরিস্থিতিতে অভিষেকের অসুস্থতা দলের চিন্তা আরও বাড়িয়েছে। তবে স্বস্তির খবর, অসুস্থতা কাটিয়ে এদিন দলের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন জসপ্রীত বুমরা। নামিবিয়ার বিরুদ্ধে তাঁর খেলা নিয়ে কোনও সংশয় নেই।বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলের ওপর এখন চাপ আরও বেড়ে গেল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

বেলডাঙা মামলায় রাজ্যকে বড় ধাক্কা! NIA তদন্তে সায় সুপ্রিম কোর্টের

বেলডাঙা হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। বেলডাঙার অশান্তির ঘটনায় NIA তদন্তে সায় দিল শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিল, এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে আলাদা করে হস্তক্ষেপ করা হবে না।এর আগে কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, বেলডাঙার পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করবে। পাশাপাশি কেন্দ্র যদি প্রয়োজন মনে করে, তবে NIA তদন্তও হতে পারে। এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার। রাজ্যের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বুধবার সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের রায়ই বহাল রাখে এবং মামলাটি ফের হাইকোর্টে পাঠিয়ে দেয়।শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, UAPA-এর ১৫ নম্বর ধারা প্রয়োগ সঠিক হয়েছে কি না, সেই বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্ট খতিয়ে দেখবে। অর্থাৎ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া আপাতত হাইকোর্টের নজরেই চলবে।জানুয়ারি মাসের শুরুতে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ ওঠে, ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিককে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। মৃতদেহ জেলায় ফেরার পরই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করা হয়। শিয়ালদহ-লালগোলা শাখার মহেশপুর এলাকায় রেললাইনেও অবরোধ করা হয়। রেললাইনে বাঁশ ফেলে দেওয়া হয় এবং সেখানে মৃতদেহের ঝুলন্ত ছবি দেখা যায়। পুলিশ পৌঁছলে স্থানীয়দের সঙ্গে বচসা বাধে। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।ঘটনাস্থলে খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হন সাংবাদিকরাও। এই ঘটনায় সাংসদ ইউসুফ পাঠান কেন সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় যাননি, তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। তিন দিন পর তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে একজন মিম নেতা বলেও জানা গেছে।এই অশান্তি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেছিলেন, শুক্রবার জুম্মাবারের দিন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতি জড়িত থাকে। কেউ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে উস্কানি দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করেছে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।বেলডাঙায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি আগে থেকেই তুলেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হাইকোর্টে মামলা হলে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি NIA তদন্তের ক্ষেত্রে কেন্দ্রকে স্বাধীনতা দেওয়া হয়।সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের সেই নির্দেশে হস্তক্ষেপ না করায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যের আবেদন গ্রহণ করেনি এবং মামলাটি ফের হাইকোর্টে পাঠিয়েছে। তিনি দাবি করেন, রাজ্যের আবেদনে শীর্ষ আদালত গুরুত্ব দেয়নি।সব মিলিয়ে বেলডাঙা হিংসা মামলায় NIA তদন্তের পথে বড় বাধা সরল বলেই মনে করা হচ্ছে। এখন নজর থাকবে হাইকোর্টে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বিস্ফোরক ভিডিও! ভবানীপুরে বিজেপির পতাকায় আগুন, তৃণমূলকে নিশানা শুভেন্দুর

বিধানসভা ভোটের আগে ভবানীপুরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ল। একটি সিসিটিভি ফুটেজ ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ফাঁকা রাস্তায় দাঁড়িয়ে রয়েছে একটি বা দুটি ট্যাক্সি। সেই সময় টুপি পরে মুখ ঢাকা দুজন ব্যক্তি সেখানে এসে একটি বিজেপি পতাকা নামিয়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেন। এই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যদিও ভিডিয়োর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।ঘটনাকে ঘিরে সরব হয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, আসন্ন বিধানসভা ভোটে ভবানীপুর আর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য নিরাপদ আসন নয়। পতাকা পোড়ানোর ঘটনাকে তিনি রাজনৈতিক সন্ত্রাস বলে অভিযোগ করেন। শুভেন্দুর কথায়, ভবানীপুরে বিজেপির কার্যালয়ের কাছে তৃণমূল কর্মীরাই এই কাজ করেছে। তিনি আরও বলেন, যত বিজেপির পতাকা পোড়ানো হবে, ততই মানুষের সমর্থন বাড়বে। নন্দীগ্রামের মতো ভবানীপুরেও মানুষ জবাব দেবে।অন্যদিকে, তৃণমূলের তরফে অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। দলের নেতা জয়প্রকাশ মিশ্র বলেন, যদি সত্যিই এমন ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে পুলিশের কাছে অভিযোগ করুন। শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিযোগ করে লাভ নেই। তিনি দাবি করেন, ভোটের আগে ইস্যু তৈরির চেষ্টা করছে বিজেপি।উল্লেখ্য, ভোটের আগে ভবানীপুরে একাধিক বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া সঠিকভাবে হচ্ছে কি না, তা নিয়ে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেছেন তিনি। ফলে ভবানীপুর এখন রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। পতাকা পোড়ানোর এই ঘটনা ঘিরে ভোটের আগে রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

ডিএ ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর নীরবতা, বিরোধীদের আক্রমণ তীব্র

ডিএ আর বিচারাধীন বিষয় নয় বলে দাবি করলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য খারিজ করে তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে এবং এটি এখন ক্লোজড চ্যাপ্টার।সল্টলেকে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন ডিএ মামলা এখনও বিচারাধীন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, মৌলিক অধিকার রক্ষা করতে হবে। কীভাবে এরিয়ার দিয়ে ডিএ মেটাতে হবে, তার রূপরেখাও শীর্ষ আদালত দিয়েছে। তাঁর দাবি, মার্চ মাসের মধ্যে ২৫ শতাংশ ডিএ না মেটালে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রী বারবার বিচার ব্যবস্থাকে অপমান করছেন।একই দিনে বিজেপির সদর দফতরে সাংবাদিক বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। তিনি বলেন, রাজ্য সরকারি কর্মীদের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। তাঁর বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আদালতে যাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, এসআইআর নয়, ডিএ সংক্রান্ত হতাশা থেকেই মানুষ চরম পদক্ষেপ নিয়েছেন। ডিএ ইস্যুতে রাজ্য সরকার চাইলে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।উল্লেখ্য, মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী ডিএ মামলার প্রসঙ্গে বলেন, বিষয়টি বিচারাধীন, তাই তিনি এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করবেন না। এই মন্তব্যকেই হাতিয়ার করেছেন বিরোধী দলনেতা।গত ৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি সঞ্জয় করোল ও বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ২৫ শতাংশ ডিএ মেটাতে হবে। ২০০৮ সাল থেকে বকেয়া এরিয়ারও দ্রুত পরিশোধ করতে হবে। পাশাপাশি অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স অনুযায়ী ডিএ দিতে হবে বলে স্পষ্ট করে দেয় আদালত। রাজ্যের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, পঞ্চম বেতন কমিশন ও রিভিশন অফ পে অ্যান্ড অ্যালোয়েন্স রুল অনুযায়ী ডিএ দেওয়া হচ্ছে এবং রাজ্য ও কেন্দ্রের আর্থিক কাঠামোয় পার্থক্য রয়েছে। তবে আদালত AICPI অনুযায়ী ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দেয়।এরপর ডিএ মেটানোর দাবিতে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ নবান্নে স্মারকলিপি জমা দিতে যায়। অনুমতি না পেয়ে তারা ট্রাফিক গার্ডের কাছেই স্মারকলিপি জমা দেয়। সংগঠনের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, সাবজুডিস আর জুডিশিয়ারির পার্থক্য বোঝা উচিত। রাজ্য সরকার আর্থিক সঙ্কটের কথা বললেও বিভিন্ন প্রকল্প ঘোষণা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।ডিএ ইস্যুতে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ ও এরিয়ার মেটানো নিয়ে এখন নজর মার্চ মাসের দিকেই।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার বাধ্যতামূলক ‘বন্দে মাতরম’! বড় নির্দেশ শাহের মন্ত্রকের

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার থেকে রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম গাওয়া এবং বাজানো বাধ্যতামূলক করা হল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এই বিষয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, যদি রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম এবং জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন একসঙ্গে গাওয়া বা বাজানো হয়, তবে প্রথমে বন্দে মাতরম বাজাতে হবে। এছাড়া গান চলাকালীন উপস্থিত সকলকে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ডের সংস্করণ, যাতে মোট ছয়টি স্তবক রয়েছে, সেটিই সরকারি অনুষ্ঠানে গাওয়া বা বাজানো উচিত। এতদিন সাধারণত দুটি স্তবক গাওয়া হত। বাকি চারটি স্তবক বাদ থাকত। নতুন নিয়মে ছয়টি স্তবকই গাইতে হবে।জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময়, সরকারি অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির আগমন ও প্রস্থানকালে, জাতির উদ্দেশে রাষ্ট্রপতির ভাষণের আগে ও পরে রাষ্ট্রীয় গীত বাজানো হবে। পদ্ম সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানেও বন্দে মাতরম বাজানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একইভাবে রাজ্যপালের আগমন ও ভাষণের আগে এবং পরে এই গান গাওয়া বা বাজানো হবে। তবে সিনেমা হলে বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়নি।উল্লেখ্য, জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন গাইতে সময় লাগে ৫২ সেকেন্ড। তার তুলনায় বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ সংস্করণ গাইতে সময় লাগবে ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড। রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম-এর সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষে কেন্দ্র বছরভর নানা কর্মসূচি নিয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই এই নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও শুরু হয়েছে। তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, হঠাৎ করে বন্দে মাতরম নিয়ে নতুন করে কথা বলা হচ্ছে। গানটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লিখেছিলেন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সুর দিয়েছিলেন। তবে তাঁর অভিযোগ, পরের স্তবকগুলো নিয়ে বিভাজনের রাজনীতি করা হতে পারে।কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে একদিকে সমর্থন, অন্যদিকে প্রশ্নদুইই সামনে এসেছে। সরকারি অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম বাধ্যতামূলক করার এই নির্দেশিকা নিয়ে দেশজুড়ে এখন আলোচনা শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
বিদেশ

দুপুরে হাইস্কুলে ঢুকে গুলি! মুহূর্তে লাশের স্তূপ, কাঁপছে কানাডা

কানাডার একটি হাইস্কুলে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালালেন এক মহিলা বন্দুকবাজ। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন। হামলাকারীরও মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, নিজের বন্দুকের গুলিতেই তিনি জখম হন এবং পরে মারা যান। কেন তিনি এই হামলা চালালেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ঘটনাটি ঘটেছে ব্রিটিশ কলম্বিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি হাইস্কুলে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দুপুর প্রায় ১টা ২০ মিনিট নাগাদ হঠাৎই গুলির শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। স্কুলে সপ্তম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা হয়। মোট পড়ুয়ার সংখ্যা প্রায় ১৭৫। পুলিশ জানিয়েছে, স্কুলের কর্মী ও পড়ুয়া মিলিয়ে অন্তত ১০০ জনকে নিরাপদে বাইরে বের করে আনা হয়েছে।পুলিশ স্কুলে ঢুকে এক জায়গায় ৬ জনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। অন্য একটি অংশ থেকে উদ্ধার হয় আরও ২ জনের দেহ। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে আরও একজনের মৃত্যু হয়। সব মিলিয়ে ৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহতদের মধ্যে অন্তত দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মৃতদের মধ্যে কতজন পড়ুয়া রয়েছে, তা এখনও জানানো হয়নি।হামলাকারী মহিলা একাই এই হামলা চালিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হলেও, অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনার পর শোকপ্রকাশ করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নে। তিনি মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।একজন নবম শ্রেণির পড়ুয়া স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, গুলির শব্দ শোনার পর সে সহপাঠীদের সঙ্গে একটি ঘরে লুকিয়ে ছিল। আতঙ্কে কাঁপছিল সবাই।এর আগে ২০২০ সালে নোভা স্কোটিয়ায় এলোপাথাড়ি গুলির ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সেই স্মৃতি এখনও তাজা। ফের স্কুলে এই ভয়াবহ হামলার ঘটনায় স্তব্ধ কানাডা।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

নির্বাচন কমিশনে জমা তালিকা নিয়ে কারচুপি? শেষ পর্যায়ে নতুন বিতর্ক

এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে পৌঁছালেও বিতর্ক থামছে না। এবার রাজ্য সরকার অভিযোগ তুলেছে, জাতীয় নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা চলছে। এই নিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে নবান্ন। কারা এই ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে, তা স্পষ্ট না করলেও স্বার্থান্বেষী মহল-এর বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ আনা হয়েছে।রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসআইআর-এর কাজের জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে মোট ৮৫০৫ জন গ্রুপ-বি আধিকারিকের নাম জমা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার নবান্নের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, সেই তালিকাই ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃতভাবে উপস্থাপনের অপচেষ্টা চলছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে। রাজ্যের দাবি, নির্বাচন কমিশনে যে তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে, তা সম্পূর্ণভাবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারিত পে-লেভেল মানদণ্ড মেনেই প্রস্তুত করা হয়েছে।নবান্ন আরও জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের ৯ ফেব্রুয়ারির পর্যবেক্ষণের পরই এই তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের গ্রুপ এ, বি, সি ও ডি হিসেবে যে শ্রেণিবিভাগ রয়েছে, তা বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত। সেই নিয়ম মেনেই অত্যন্ত সতর্কতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে গ্রুপ বি কর্মচারীদের তালিকা তৈরি করে কমিশনে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এতে কোনও অনিয়ম বা বিচ্যুতি হয়নি বলেও স্পষ্ট জানানো হয়েছে।নবান্নের বক্তব্য, সম্প্রতি যে অনিয়ম বা কারচুপির অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মনগড়া। বাস্তবের সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই বলেও দাবি করা হয়েছে।তবে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল বলে কাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এসআইআর প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়েও রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে যে চাপানউতোর চলছে, এই বিজ্ঞপ্তি তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal