• ৪ আষাঢ় ১৪৩৩, রবিবার ২১ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bengal

খেলার দুনিয়া

Vijoy Hazare Trophy : ‌‌‌‌মুম্বইকে হারিয়ে বিজয় হাজারের নক আউটের লাইফ লাইন পেল বাংলা

বাংলার টিম ম্যানেজমেন্ট যতই তারুণ্যকে প্রাধান্য দিতে চায় না কেন, অভিজ্ঞতার যে বিকল্প নেই প্রমাণ হয়ে গেল। তামিলনাডুর বিরুদ্ধে ব্যাটিং ব্যর্থতার জন্য ডুবতে হয়েছিল বাংলাকে। মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে মরণবাঁচন ম্যাচে সেই অভিজ্ঞতার দ্বারস্থ হতে হল টিম ম্যানেজমেন্টকে। প্রথম একাদশে ফেরানো হল অনুষ্টুপ মজুমদারকে। তাঁর দুরন্ত ব্যাটিং বিজয় হাজারে ট্রফিতে লাইফ লাইন দিল বাংলাকে। ভিজেডি নিয়মে মুম্বইকে ৬৭ রানে হারিয়ে নক আউট পর্বে যাওয়ার সম্ভাবনা জিইয়ে রাখল বাংলা। শেষ ম্যাচে কর্ণাটককে বড় ব্যবধানে হারালে পরের রাউন্ডের টিকিট মিলতেও পারে সুদীপ চ্যাটার্জিদের। তবে অনেক অঙ্কের সামনে পড়তে হবে বাংলাকে।রবিবার বাংলামুম্বই ম্যাচ দুই দলের কাছেই ছিল ডু অর ডাই। যে দল হারবে, প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে যাবে। এই পরিস্থিতিতে টস জিতে বাংলাকে ব্যাট করতে পাঠায় মুম্বই। মরণবাঁচন ম্যাচে বেশ কয়েকটা পরিবর্তন করেছিল বাংলা। শ্রীবৎস গোস্বামীকে প্রথম একাদশের বাইরে রাখা হয়। তাঁর পরিবর্তে দলে আসেন শুভঙ্কর বল। কাইফ আমেদ, সুমন্ত গুপ্তর বদলে প্রথম একাদশে অনুষ্টুপ মজুমদার ও রনজোৎ সিং খৈরা। এতদিন তাঁকে বসিয়ে রেখে টিম ম্যানেজমেন্ট যে ভুল করেছিল, প্রমাণ করে দিলেন অনুষ্টুপ মজুমদার।শ্রীবৎসর পরিবর্তে এদিন অভিষেক দাসের সঙ্গে ওপেন করতে নেমেছিলেন সুদীপ চ্যাটার্জি। ব্যাটিং অর্ডার বদলেও ছন্দে ফিরতে পারলেন না বাংলার অধিনায়ক। ৫ রান করে মোহিত অবস্তির বলে বোল্ড হন সুদীপ। এরপর ব্যাট হাতে বাইশ গজে আবির্ভাব অনুষ্টুপ মজুমদারের। আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করতে থাকেন দুজনেই। ১০ ওভারেই ৮০ রানে পৌঁছে যায় বাংলা। এরপর আবার ধাক্কা। ৩৬ বলে ৩৮ রান করে আউট হন অভিষেক। ব্যাটিং অর্ডারে এগিয়ে আসা ঋত্ত্বিক রায় চৌধুরি (৪) ব্যর্থ। শাহবাজ আমেদকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যান অনুষ্টুপ। ৫২ বলে ৫০ রান পূর্ণ করেন তিনি। ৩৫.৫ ওভারে ২০০ রানে পৌঁছে যায় বাংলা। ১১০ বলে সেঞ্চুরি করেন অনুষ্টুপ। শেষ পর্যন্ত ১২২ বলে ১১০ রান করে আউট হন তিনি। শাহবাজের সঙ্গে জুটিতে তোলেন ১২৯। এই জুটিই বাংলার বড় রানের ভিত গড়ে দেয়।অনুষ্টুপ আউট হওয়ার পর ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জিকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যান শাহবাজ। ৯৫ বলে ১০০ রান পূর্ণ করেন তিনি। মোহিত অবস্তিকে ৬ মেরে পরের বলেই আউট হন শাহবাজ (১০৬)। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ৩১৮ রান তোলে বাংলা। ২৭ বলে ৩৩ রান করেন ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি।জয়ের জন্য ৩১৯ রানের লক্ষ্য সহজ ছিল না মুম্বইয়ের সামনে। মুম্বইয়ের ব্যাটিংও তেমন শক্তিশালী নয়। একমাত্র ভরসা সূর্যকুমার যাদব। কিন্তু মুম্বই ব্যাটিংয়ের এই স্তম্ভ ভাল শুরু করেও শেষরক্ষা করতে পারেননি। ৩৪ বলে ৪৯ রান করে তিনি প্রদীপ্ত প্রামানিকের বলে স্টাম্পড হন। তার আগেই আউট হন যশস্বী জয়সোয়াল (১৯) ও আকারশীট গোয়েল (৩৩)। আরমান জাফর করেন ৪৭। ৪১ ওভারে মুম্বই ৮ উইকেটে ২২৩ রান করার পর বৃষ্টির জন্য খেলা বন্ধ হয়ে যায়। ভিজেডি নিয়মে ৬৭ রানে জেতে বাংলা। বাংলার হয়ে প্রদীপ্ত প্রামানিক ৩৩ রানে ৩ উইকেট নেন।

ডিসেম্বর ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে জয় আসবে?‌ আশা দেখাতে পারছেন না দিয়াজ

পাঁচ ম্যাচ খেলা হয়ে গেছে। এবারের আইএসএলে এখনও জয়ের মুখ দেখেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। কোচ মানোলো দিয়াজকে নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠে গেছে। দলের অভ্যন্তরেই কোচের সিদ্ধান্ত নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। দলগত সংহতিও তলানিতে। ৫ ম্যাচ খেলা হয়ে গেল অথচ এখনও প্রথম একাদশ ঠিক করে উঠতে পারেননি। ফুটবলারদের মধ্যে কোনও বোঝাপড়া নেই। এই অবস্থায় রবিবার কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে মাঠে নামছে এসসি ইস্টবেঙ্গল।কঠিন পরিস্থিতিতেও সমর্থকদের কোনও আশার আলো দেখাতে পারছেন না লালহলুদ কোচ মানোলো দিয়াজ। আগের ৫ ম্যাচে এসসি ফুটবলারদের দেখে মনে হয়নি তাঁরা ফিট। মানোলো দিয়াজ অবশ্য একথা মানতে নারাজ। তাঁর দাবি, দক্ষতার দিক দিয়েই দলকে পিছিয়ে পড়তে হচ্ছে। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে দল প্রথম জয় তুলতে পারবে কিনা, সে ব্যাপারেও আত্মবিশ্বাসী নন। কেরালার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে দিয়াজ বলেন, দল খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। সমর্থকদের মানসিক অবস্থা বুঝতে পারছি। সমর্থকরা যেমন জয়ের দিকে তাকিয়ে রয়েছে, আমিও জয়ের খোঁজে রয়েছি। চেষ্টা করব কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটানোর।গোল করেও তা ধরে রাখতে পারছেন না লালহলুদ ডিফেন্ডাররা। এসসি ইস্টবেঙ্গলের খেলায় কোনও ছন্দ দেখা যায়নি। তিনটি ম্যাচে হার, দুটি ম্যাচে ড্র। যে দুটি ম্যাচে মানোলো দিয়াজের দল ড্র করেছে, তাতে নিজেদের থেকে বিপক্ষ দলের ফুটবলারদের কৃতিত্ব বেশি। ফুটবলারদের ভুল শুধরে দিলেও বারবার একই ভুল হচ্ছে। সংশোধনের কোনও ইচ্ছে লালহলুদ ফুটবলারদের নেই। এইরকম চলতে থাকলে কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধেও জয় আসা কঠিন।একেই দল খারাপ অবস্থায়, তার ওপর একাধিক ফুটবলারের চোট। সমস্যা আরও বেড়েছে মানোলো দিয়াজের। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধেও মাঠে নামার মতো জায়গায় আসেননি গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্য। জ্যাকিচাঁদ সিং, সিডোয়েলরাও এখনও পুরো ফিট নন। এই দুই ফুটবলারকেও কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে পাবেন না মানোলো দিয়াজ। আগের ম্যাচে জয়ে ফিরেছে কেরালা ব্লাস্টার্স। বিপক্ষকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন লালহলুদ কোচ।

ডিসেম্বর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Vijoy Hazare Trophy: ‌‌তামিলনাডুর কাছে বিধ্বস্ত, বিজয় হাজারেতে অস্তিত্ব সংকটে বাংলা

সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতায় ব্যর্থতা। কোয়ার্টার ফাইনালে কর্ণাটকের কাছে হেরে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নিতে হযেছিল বাংলাকে। বিজয় হাজারে ট্রফিতে তো আরও খারাপ অবস্থা। গ্রুপ পর্যায়ের বাধা টপকানোই অসম্ভব হয়ে পড়েছে বাংলার কাছে। শনিবার তামিলনাডুর কাছে অস্তিত্ব সংকটে বাংলা। দীনেশ কার্তিকদের কাছে ১৪৬ রানে বিধ্বস্ত হলেন সুদীপ চ্যাটার্জিরা। তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে সাফল্যের যে স্বপ্ন দেখেছিল বাংলার টিম ম্যানেজমেন্ট, এককথায় সেই স্বপ্ন ধুলিস্যাৎ হয়ে গেল। একদিন আগেই পুদুচেরির কাছে ডাকওয়ার্থ ও লুইস নিয়মে হারের ধাক্কা বাংলা যে কাটিয়ে উঠতে পারেনি, তা পরিস্কার। তাছাড়া প্রথম দুটি ম্যাচে বাংলাকে তেমন কঠিন প্রতিপক্ষর সামনে পড়তে হয়নি। তামিলনাডুর মতো শক্ত প্রতিপক্ষর মুখে পড়ে বাংলার ক্রিকেটের অন্তঃসারশূন্যতা প্রকট হয়ে উঠল। বোঝা গেল বাংলার ক্রিকেট যে তিমিরে ছিল, সেই তিমিরেই রয়েছে।ত্রিবান্দমের গ্রিনফিল্ড স্টেডিয়ামে এদিন টসে জিতে তামিলনাডুকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিল বাংলার অধিনায়ক সুদীপ চ্যাটার্জি। শুরুটা ভাল হয়নি তামিলনাডুর। বাংলার দুই জোরে বোলার মুকেশ কুমার ও আকাশ দীপের আঁটোসাঁটো বোলিংয়ের সামনে সেভাবে আক্রমণাত্মক হয়ে উঠতে পারেননি তামিলনাডুর দুই ওপেনার সাই সুদর্শন ও অধিনায়ক নারায়ন জগদেশন। নবম ওভারের দ্বিতীয় বলে সুদর্শনকে (১২) বোল্ড করেন মুকেশ কুমার। পরের বলেই তুলে নেন ওয়াশিংটন সুন্দরকে (০)। পরপর দুবলে দুটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় তামিলনাডু। ৫০ রান আসে ১৬ ওভারে। এক ওভার পরেই অধিনায়ক নারায়ন জগদেশনকে (৩১) তুলে নেন শাহবাজ আমেদ। এইসময় মনে হচ্ছিল তামিলনাডুর পক্ষে বড় রান তোলা কঠিন হয়ে যাবে। কিন্তু রুখে দাঁড়ান বাবা ইন্দ্রজিৎ ও দীনেশ কার্তিক। তাঁদের ১০৫ রানের জুটি চাপমুক্ত করে তামিলনাডুকে। ৭৩ বলে ৬৪ রান করে প্রদীপ্ত প্রামানিকের বলে শ্রীবৎসর হাতে ক্যাচ দেন বাবা ইন্দ্রজিৎ। ইন্দ্রজিৎ আউট হলেও মনঃসংযোগ হারাননি দীনেশ কার্তিক। দলকে টেনে নিয়ে যান এই অভিজ্ঞ উইকেটকিপারব্যাটার। শেষ পর্যন্ত ৯৫ বলে ৮৭ রান করে আকাশ দীপের বলে শ্রীবৎসর হাতে ক্যাচ দেন কার্তিক। এরপর গ্রিনফিল্ড স্টেডিয়ামের বাইশ গজে ঝড় তোলেন জগদীশন কৌশিক ও শাহরুখ খান। এই দুজনের ঝড়ে উড়ে যান মুকেশ কুমার, আকাশ দীপরা। শেষ ৭ ওভারে তামিলনাডু তোলে ৯৭ রান। ৩১ বলে ৫০ রান করেন কৌশিক। শাহরুখ ১২ বলে করেন ৩২। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৯৫ রান তোলে তামিলনাডু। মুকেশ কুমার ৭১ রানে ও আকাশ দীপ ৬৪ রানে ৩টি করে উইকেট নেন। সামনে বড় রানের লক্ষ্য দেখে চাপে পড়ে যায় বাংলা। তার ওপর দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খায়। রঘুপতি সিলাম্বরসনের বলে আউট হন শ্রীবৎস গোস্বামী (১)। অভিষেক দাস ও তিন নম্বরে নামা ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি বাংলাকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। ১১.২ ওবারে আউট হন অভিষেক (৩০)। পরের ওভারেই ফেরেন ঋত্ত্বিক (১৬)। এরপর নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকায় আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি বাংলা। সুদীপ চ্যাটার্জি (১৫), কাইফ আমেদ (১০), ঋত্ত্বিক রায় চৌধুরি (১২), শাহবাজ আমেদরা (৫) ব্যর্থ। সুমন্ত গুপ্ত (২৫) ও প্রদীপ্ত প্রামানিক (২৮) কিছুটা লড়াই করেন। ৩৯.১ ওভারে ১৪৯ রাননে গুটিয়ে যায় বাংলার ইনিংস। রঘুপতি সিলাম্বরসন ২৮ রানে ৪ উইকেট নেন। ৩ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট পেয়ে গ্রুপ শীর্ষে তামিলনাডু। ৩ ম্যাচে কর্ণাটকের পয়েন্ট ৮, বাংলার ৪। বাংলাকে পরের দুটি ম্যাচে খেলতে হবে মুম্বই ও কর্ণাটকের বিরুদ্ধে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Vijoy Hazare Trophy: ‌‌পুদুচেরীর বিরুদ্ধে সহজ ম্যাচে বাংলার পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়াল বৃষ্টি

বিজয় হাজারে ট্রফির প্রথম ম্যাচেই শক্তিশালী বরোদার বিরুদ্ধে দুর্দান্ত জয়। বাংলা শিবিরের আশা ছিল দ্বিতীয় ম্যাচে পুদুচেরীকে হারিয়ে লিগ টেবিলে এগিয়ে যাওয়া। স্বপ্নপূরণ হল না সুদীপ চ্যাটার্জির। বাংলার পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়াল বৃষ্টি। বড় রান তুলেও জয় অধরা থেকে গেল। বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ডাকওয়ার্থ ও লুইস পদ্ধতিতে বাংলার পরাজয় ৮ রানে। বরোদার বিরুদ্ধে বাংলার ম্যাচ ছিল গ্রীনফিল্ড স্টেডিয়ামে। এদিন পুদুচেরী ম্যাচ ছিল মঙ্গলাপূরমে। উইকেট একেবারে অজানা। কেমন আচরণ করবে সে সম্পর্কে কোনও ধারণা ছিল না বাংলা শিবিরের কাছে। তাই টস জিতে ঝুঁকি নেননি বাংলার অধিনায়ক সুদীপ চ্যাটার্জি। প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন। প্রথম ম্যাচে রান পাওয়া অভিষেক দাস এদিন ব্যর্থ। মাত্র ৮ রান করে তিনি আউট হন। কাইফ আমেদও (০) এদিন রান পাননি। শ্রীবৎস গোস্বামী (৪৫) অবশ্য প্রথম ম্যাচের ব্যর্থতা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ালেন। একের পর এক উইকেট পড়লেও তিনি একপ্রান্ত ধরে রেখেছিলেন। সুদীপ চ্যাটার্জি (২৭), ঋত্ত্বিক রায় চৌধুরিরা (৩২) দ্রুত ফিরে যান। একসময় ১১৮ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল বাংলা। সেখান থেকে শাহবাজ আমেদের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে টেনে নিয়ে যান সুমন্ত গুপ্ত (২২)। শেষদিকে ঝড় তোলেন শাহবাজ। ৮টি চার এবং ৪টি ছয়ের সাহায্যে তিনি ৬০ বলে ৮৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। তাঁর দাপটে ৫০ ওভারে ২৬৪/৮ রানে পৌঁছে যায় বাংলা। বড় ইনিংস গড়লেও ভাগ্য এদিন বাংলার সহায় ছিল না। তৃতীয় ওভারেই পুদুচেরীর প্রথম উইকেট তুলে নেন মুকেশ কুমার। ফেরান অধিনায়ক দামোদরন রোহিতকে (০)। একাদশতম ওভারে অপর ওপেনার রামচন্দ্রন রঘুপতিকে (১৫) তুলে নেন শাহবাজ আআমেদ। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান পবন দেশপান্ডে (অপরাজিত ৬২) ও পরশ ডোগরা (অপরাজিত ৪১)। ৩০ ওভার খেলা হওয়ার পর বৃষ্টি নামে। তখন পুদুচেরীর রান ছিল ২ উইকেটে ১৩২। পরে বৃষ্টি থামলেও মাঠ ভেজা থাকায় আর খেলা শুরু করা যায়নি। সেই সময় ডাকওয়ার্থ ও লুইস নিয়মে পুদুচেরীর সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩০ ওভারে ১২৫। ৮ রানে ম্যাচ জিতে যায় পুদুচেরী।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Vijoy Bazare Trophy : ‌বরোদাকে ২৮ রানে হারিয়ে বিজয় হাজারে ট্রফি অভিযান শুরু করল বাংলা

সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতার ব্যর্থতা কাটিয়ে বিজয় হাজারে ট্রফিতে দারুণ শুরু করল বাংলা। প্রথম ম্যাচে বরোদাকে হারাল ২৮ রানে। বাংলার জয়ে মুখ্য ভুমিকা নিলেন বোলাররা। ত্রিবান্দ্রমের গ্রিনফিল্ড স্টেডিয়ামে টস জিতে বাংলাকে ব্যাট করতে পাঠান বরোদা অধিনায়ক কেদার দেবধর। শুরুটা ভাল হয়নি বাংলার। প্রথম ওভারেই মেরিওয়ালার বলে লেগ বিফোর হন শ্রীবৎস গোস্বামী (০)। স্কোর বোর্ডে কোনও রান ওঠার আগেই শ্রীবৎস ফিরে যাওয়ায় সতর্কভাবে ব্যাট করতে থাকেন অন্য ওপেনার অভিষেক দাস ও তিন নম্বরে নামা অধিনায়ক সুদীপ চ্যাটার্জি। ১২.৫ ওভারে ৫০ রান পূর্ণ হয় বাংলার। এরপর আবার ধাক্কা বাংলা শিবিরে। ১৫ নম্বর ওভারের শেষ বলে অতীত শেঠের বলে ভার্গব ভাটের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন সুদীপ চ্যাটার্জি। ৪০ বলে তিনি করেন ১৪। এরপর বাংলাকে টেনে নিয়ে যান অভিষেক দাস ও কাইফ আমেদ। ৯০ বলে ৬২ রান রান করে ক্রূণাল পান্ডিয়ার বলে প্রত্যুষ কুমারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন অভিষেক। বাংলার রান তখন ৩০.৫ ওভারে ১১৫। সুমন্ত গুপ্ত (১৬) বড় রান পাননি।মিডল অর্ডারে ঝড় তোলেন ঋত্ত্বিক রায় চৌধুরি। ৩৬ বলে ৪৮ রান করে তিনি আউট হন। লোয়ার অর্ডারের ব্যর্থতায় বড় ইনিংস গড়তে পারেনি বাংলা। ৪৯.৪ ওভারে ২৩০ রানে গুটিয়ে যায় বাংলার ইনিংস। শাহবাজ আমেদ (৫), ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি (২), আকাশ দীপ (০), গীত পুরিরা (০) রান পাননি। বরোদার হয়ে অতীত শেঠ ৬২ রানে ৪টি ও লুকমান মেরিওয়ালা ৩৩ রানে ৩ উইকেট নেন। ক্রূণাল পান্ডিয়া ৩৪ রানে ২ উইকেট পান।জয়ের জন্য ২৩১ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে বরোদাও শুরুতে ধাক্কা খায়। দ্বিতীয় ওভারেই ফিরে যান শ্বাশত রাওয়াত (০)। আকাশ দীপের বলে তিনি উইকেটের পেছনে শ্রীবৎসর হাতে ক্যাচ দেন। এরপর কেদার দেবধর ও প্রত্যুষ কুমার বরোদাকে টেনে নিয়ে যান। দুজনে মিলে জুটিতে তোলেন ৭৪। কেদারকে (৩৫) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি। ১ ওভার পরেই ফেরান প্রত্যুষকে (৩৮)। বিষ্ণু সোলাঙ্কি (১০) রান আউট হতেই রান তোলার গতি কমে যায় বরোদার। একসময় ১১৭ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল বরোদা। ক্রূণাল পান্ডিয়া ও কার্তিক কাকাদে দলকে ম্যাচে ফেরান। এই জুটি বরোদাকে জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছিল। কাকাদেকে (২৮) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন মুকেশ কুমার। পরের ওভারেই ক্রূণাল পান্ডিয়াকে ফেরান (৩৯) শাহবাজ আমেদ। তখনই জয়ের আশা শেষ হয়ে যায় বরোদার। ৪৮.২ ওভারে ২০৩ রানে গুটিয়ে যায় বরোদার ইনিংস। বাংলার হয়ে আকাশ দীপ ৩৯ রানে ৩টি, মুকেশ কুমার ৪১ রানে ২টি, ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি ৩২ রানে ২টি ও শাহবাজ আমেদ ৪৮ রানে ২টি উইকেট নেন।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Antardhan : ১০ ডিসেম্বর মুক্তি পাচ্ছে অন্তর্ধান, মুক্তি পেল এই ছবির গান

আগামী ১০ ডিসেম্বর বড়পর্দায় মুক্তি পেতে চলেছে পরিচালক অরিন্দম ভট্টাচার্যের ছবি অন্তর্ধান। এই ছবিরই মিউজিক লঞ্চ হয়ে গেল দক্ষিণ কলকাতার একটি হোটেলে। অন্তর্ধান একটি সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার। হিমাচল প্রদেশের কসৌলীতে। ক্লাস এইটের এক মিষ্টি মেয়ে জিনিয়াকে নিয়েই গড়ে উঠেছে ছবির প্লট। এই চরিত্রে অভিনয় করেছে মোহর চৌধুরী। মা-বাবার সঙ্গে হিমাচলে থাকে জিনিয়া। মা-বাবার চরিত্রে রয়েছেন পরমব্রত এবং তনুশ্রী। সুখেই দিন কাটছিল তাদের। তবে, আচমকাই তাদের জীবনে নেমে আসে একটা বিপর্যয়। হঠাৎই কিডন্যাপ হয়ে যায় জিনিয়া। আর জিনিয়ার এই অন্তর্ধান রহস্যকে ঘিরেই ছবির গল্পটা এগিয়েছে। এই ছবির মিউজিক লঞ্চে পরিচালক জানালেন,যারা ঘরে বসে হিমাচল প্রদেশের স্বাদ পেতে চান তারা অন্তর্ধান দেখুন। অনেক থ্রিলার তো হয়। এই থ্রিলারটি অন্যান্য থ্রিলারগুলোর থেকে একদমই আলাদা। এই ছবিতে জিনিয়ার চরিত্রে অভিনয় করছেন মোহর চৌধুরী। অন্তর্ধানে তার চরিত্র নিয়ে মোহর জানালেন,আমার চরিত্রটা হল জিনিয়া। পরম্ব্রত ও তনুশ্রীর মেয়ে। এই ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট খুব কষ্ট করে হয়েছিল। এমনিতে আমার লম্বা চুল। এখানে চুল কেটে দেওয়া হয়েছিল। চশমা পরানো হয়েছিল। ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট যেরকম আস্তে আস্তে হয় সেইভাবেই হয়েছে। ভয়টা আস্তে আস্তে কেটেছে। এই ক্যারেক্টারটা নিয়ে বলতে পারবো যে একটা বাচ্চা যে হারিয়ে যাচ্ছে। এই ছবির গান নিয়ে রাতুল শঙ্কর জানালেন,অন্তর্ধানে আমি দুটো গান করেছি। একটা লালাবাঈ। উজ্জয়িনী গেয়েছে। অম্বরিশ মজুমদার লিখেছে। এটা একটা সফট নাম্বার। আরেকটি ট্র্যাক। যেটা সম্পূর্ণ আলাদা। আশা করি সবাই গানগুলো শুনবেন। হলে এসে ছবিটা দেখবেন। এই আশা করবো। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য অন্তরলীন, ফ্ল্যাট নম্বর-৬০৯ এর পর তৃতীয় ছবি অন্তর্ধান নিয়ে হাজির হয়েছেন পরিচালক। কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় এই ছবির প্রমোশন হয়েছে। এখন ১০ ডিসেম্বর পর ছবিটি দর্শকদের কাছে কেমন ফিডব্যাক পায় সেটাই দেখার।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : তিন–তিনবার সমতা ফিরিয়েও শেষরক্ষা হল না এসসি ইস্টবেঙ্গলের

৫ ম্যাচ হয়ে গেল। এবারের আইএসএলে এখনও জয়ের মুখ দেখতে পেল না এসসি ইস্টবেঙ্গল। আবার হার মানোলো দিয়াজের দলের। এবার হার এফসি গোয়ার কাছে। ম্যাচের ফল ৪৩। তিনতিনবার ম্যাচে সমতা ফিরিয়েও হার বাঁচাতে পারল না এসসি ইস্টবেঙ্গল। ৫ ম্যাচে ২ পয়েন্ট পেয়ে লিগ টেবিলের সবার শেষে লালহলুদ। এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই প্রাধান্য ছিল এফসি গোয়ার। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে এসসি ইস্টবেঙ্গল ডিফেন্সকে ব্যতিব্যস্ত রাখছিলেন জর্জ ওর্টিজ, আলবার্তো নগুয়েরারা। ১৪ মিনিটে এগিয়েও যায় এফসি গোয়া। ওর্টিজের কাছ থেকে বল পেয়ে ডান পায়ের দুরন্ত শটে বল জালে জড়িয়ে দেন নগুয়েরা। লালহলুদ গোলকিপার শুভম সেনের কিছু করার ছিল না। ২৬ মিনিটে সমতা ফেরায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। বক্সের অনেকটা বাইরে ফ্রিকিক পায়। পেরোসিভিচের ফ্রিক এফসি গোয়ার ফুটবলারদের গড়া প্রাচীরে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বলে বাঁপায়ের দুরন্ত শটে সমতা ফেরান পেরোসিভচ। নিঃসন্দেহে বিশ্বমানের গোল। যদিও এই সমতা বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। ৩২ মিনিটে সৌরভ বসু বক্সের মধ্যে শেরিটনকে ফাউল করেন। সহকারী রেফারির সঙ্গে কথা বলে রেফারি কৃষ্ণা পেনাল্টির নির্দেশ দেন। পেনাল্টি থেকে গোল করে এফসি গোয়াকে আবার এগিয়ে দেন ওর্টিজ। ৩৭ মিনিটে আবার সমতা ফেরায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। ডার্বিসেভিচের বুদ্ধিদীপ্ত ফ্রিকিক এফসি গোয়া গোলকিপার ধীরাজের সামনে ড্রপ খেয়ে গোলে ঢুকে যায়। ৪৩ মিনিটে আবার এগিয়ে যায় এফসি গোয়া। আলবার্তো নগুয়েরার কর্ণারে দেবেন্দ্র মুরগাঁওকার হেড করেন। দেবেন্দ্রর হেড পেরোসিভিচের পায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়িয়ে যায়। দ্বিতীয়ার্ধে মরিয়া হয়ে ওঠে এসসি ইস্টবেঙ্গল। শুরুতেই দুদুটি পরিবর্তন করেন লালহলুদ কোচ মানোলো দিয়াজ। টমিস্লাভ মার্সেলা ও অমরজিৎ কিয়ামের পরিবর্তে নামান ড্যানিয়েল চিমা ও আদিল খানকে। কিছুটা খেলায় ফেরে লালহলুদ। প্রথমার্ধের তুলনায় অনেক বেশি ঝকঝকে লাগছিল মানোলো দিয়াজের ফুটবলারদের। ৫৯ মিনিটে সমতা ফেরান পেরোসিভিচ। এফসি গোয়ার গ্লেন মার্টিনের ভুল পাস ধরে মাঝমাঠ থেকে একক প্রয়াসে এগিয়ে দারুণ ফিনিশ করেন পেরোসিভিচ। ৬৭ মিনিটে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন ড্যানিয়েল চিমা। নাওরেম মহেশের দুরন্ত পাস ফাঁকা গোলে ঠেলতে পারেননি চিমা। ৭৮ মিনিটে তাঁর শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। চিমার সুযোগ নষ্টের এক মিনিট পরেই জয়সূচক গোল তুলে নেয় এফসি গোয়া। ওর্টিজের পাস থেকে নগুয়েরা ঠান্ডা মাথায় বল জালে পাঠান। এরপর আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। ৫ ম্যাচ খেলা হয়ে গেলেও জয় অধরাই থেকে গেল। অন্যদিকে, এই মরশুমে আইএসএলে প্রথম পয়েন্ট তুলে নিল এফসি গোয়া।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Vijoy Hazare Trophy: ‌হতাশা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারবে বাংলা?‌ বিজয় হাজারেতে সামনে বরোদা

সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতা ঘিরে স্বপ্ন দেখেছিল বাংলা। ভাল পারফরমেন্স আশা করেছিল টিম ম্যানেজমেন্ট। গ্রুপ লিগে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করে শীর্ষে থেকে পৌঁছে গিয়েছিল নক আউটে। কিন্তু কোয়ার্টার ফাইনালে শেষরক্ষা হয়নি। দুর্দান্ত লড়াই করেও কর্ণাটকের কাছে হেরে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল বাংলাকে। সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতায় ব্যর্থতার আক্ষেপ রয়েছে। তবে হতাশা কাটিয়ে বিজয় হাজারে ট্রফিতে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া বাংলা। এলিট বি গ্রুপের প্রথম ম্যাচে বাংলার সামনে বরোদা। বিজয় হাজারে প্রতিযোগিতার দল গঠনে তারুণ্যের পাশাপাশি অভিজ্ঞতার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে বাংলা। দলে ফেরানো হয়েছে সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতায় সুযোগ না পাওয়া অনুষ্টুপ মজুমদার, শ্রীবৎস গোস্বামীদের। যদিও ঋদ্ধিমান সাহার না থাকাটা বাংলার কাছে বড় ধাক্কা। বরোদার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগে অনুষ্টুপ মজুমদার, শ্রীবৎস গোস্বামী, সুদীপ চ্যাটার্জিদের অভিজ্ঞতার ওপর ভরসা করেছেন বাংলার হেড কোচ অরুণলাল। বরোদার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন পর আমরা এই ফরম্যাটে খেলতে নামছি। ভাল প্রস্তুতি হয়েছে। দলেও দারুণ ভারসাম্য রয়েছে। তরুণদের পাশাপাশি অনুষ্টুপ, সুদীপ, শ্রীবৎসদের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররা রয়েছে। ওদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে। সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে শ্রীবৎস গোস্বামী, অনুষ্টুপ মজুমদারের মতো অভিজ্ঞদের বাইরে রেখেই দল গড়েছিল বাংলা। অভিজ্ঞতার অভাবে বাংলাকে ডুবতে হয়েছিল। সৈয়দ মুস্তাক আলির ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আবার অনুষ্টুপদের ফেরানো হয়েছে। মাঠে নিয়েও চিন্তা রয়েছে বাংলা শিবিরে। ত্রিবান্দমের গ্রিনফিল্ড স্টেডিয়ামে বরোদার বিরুদ্ধে খেলতে নামবে বাংলা। দীর্ঘদিন এই স্টেডিয়ামে কোনও ম্যাচ হয়নি। ফলে স্টেডিয়ামের বাইশ গজ কেমন আচরণ করবে, সে ব্যাপারে কোনও ধারণা নেই বাংলা শিবিরের। অরুণলাল বাইশ গজ সম্পর্কে বলেন, দীর্ঘদিন এই মাঠে খেলা হয়নি। উইকেট কেমন হবে তা বুজতে পারছি না। দেখে ভাল মনে হয়েছে। তবে কেমন আচরণ করবে সেটাই দেখার।দীর্ঘদিন পর ৫০ ওভারের ম্যাচ খেলতে নামলেও চিন্তিত নয় বাংলা শিবির। সহকারী কোচ সৌরাশিস লাহিড়ী বলেন, দলের সব ক্রিকেটার দারুণ ফোকাসড। আমরা ত্রিবান্দ্রমে আসার আগে ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে ৫টা প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছি। দল দারুণ তৈরি। ভাল প্রস্তুতির জন্য ম্যাচ প্র্যাকটিসের কোনও বিকল্প হয় না। বরোদাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন সৌরাশিস। তিনি বলেন, হার্দিক পান্ডিয়া না থাকলেও বরোদা যথেষ্ট শক্তিশালী দল। ক্রূণাল পান্ডিয়াসহ আরও ভাল ভাল ক্রিকেটার রয়েছে। আশা করছি ভাল লড়াই হবে।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
রাজ্য

Weather: নিম্নচাপ কেটে দ্রুত পারদ নামার ইঙ্গিত হাওয়া অফিসের

জাওয়াদের নিম্নচাপে রূপান্তর প্রক্রিয়ার জেরে ডিসেম্বরে এক দশকের রেকর্ড বৃষ্টি হল কলকাতায়। আজ, মঙ্গলবার থেকে আবহাওয়ার উন্নতি হতে পারে। শুধু তা-ই নয়, এই সপ্তাহেই গাঙ্গেয় বঙ্গে রাতে পারদ পতনের ইঙ্গিত আছে।আবহাওয়ার উন্নতির সম্ভাবনার খবর শুনেই অবশ্য আমবাঙালির প্রশ্ন, বহু প্রত্যাশীত শীত আসবে কবে? আবহবিদেরা জানাচ্ছেন, চলতি সপ্তাহেই গাঙ্গেয় বঙ্গে রাতের পারদ নামতে পারে। কারণ, সদ্য আগত একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে উত্তর-পশ্চিম ভারতে এবং উত্তর ভারতের পাহাড়ি এলাকায় তুষারপাত হচ্ছে। তার ফলে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে কনকনে ঠান্ডা হাওয়া বয়ে আসবে। নিম্নচাপ বিদায় নেওয়ায় উত্তুরে বাতাসের পথে বাধাও আপাতত কেটে গিয়েছে। আকাশও ক্রমে মেঘমুক্ত হবে। পারদের পতন হতে পারে এই সব কারণেই।আবহাওয়া দপ্তরের হিসেব অনুযায়ী মহানগরে রবিবার বিকেল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে ৬৮ মিলিমিটার। গত এক দশকে ডিসেম্বরে ২৪ ঘণ্টায় এত বৃষ্টি হয়নি। হাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী গত ১০ বছরে ডিসেম্বরে ২৪ ঘণ্টায় সব থেকে বেশি বৃষ্টি হয়েছিল ২০১২ সালের ১২ ডিসেম্বর, ৩৩.৪ মিমি।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ISL : গোয়ার বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছে চোট–আঘাতে জর্জরিত এসসি ইস্টবেঙ্গল

গত বছরের মতোই কি এবারও আইএসএলে ব্যর্থতাই সঙ্গী হবে এসসি ইস্টবেঙ্গলের? যেমন শুরু করেছে লালহলুদ, তেমনই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। চার ম্যাচ খেলা হয়ে গেল। এখনও জয় নেই এসসি ইস্টবেঙ্গলের। এই চার ম্যাচে যে ফুটবল উপহার দিয়েছে মানোলো দিয়াজের দল, অতিবড় লালহলুদ সমর্থকও দলকে নিয়ে স্বপ্ন দেখবেন না। প্রথম ম্যাচে ড্রয়ের পর ডার্বিতে হার। পরের ম্যাচও পরাজয়। আগের ম্যাচে চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে ড্র করে কিছুটা হলেও মনোবল ফিরে এসেছে লালহলুদ শিবিরের।মঙ্গলবার এসসি ইস্টবেঙ্গলের সামনে এফসি গোয়া। চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে ফিরে পাওয়া আত্মবিশ্বাসই ভরসা লালহলুদ শিবিরের কাছে। তবে এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে একেবারেই স্বস্তিতে নেই এসসি ইস্টবেঙ্গল। চোটআঘাতে জর্জরিত লালহলুদ শিবির যেন মিনি হাসপাতাল। গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্য ডার্বি ম্যাচে চোট পেয়েছিলেন। এখনও খেলার মতো জায়গায় আসেননি। অঙ্কিত মুখার্জি, বলবন্ত সিং, জ্যাকিচাঁদ সিংরাও চোটের কবলে। মঙ্গলবার এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে মানোলো দিয়াজ পাবেন না মহম্মদ রফিক ও ড্যারেন সিডোয়েলকে। শুধু গোয়া ম্যাচেই নয়, বেশ কিছুদিন মাঠের বাইরে কাটাতে হবে সিডোয়েলকে। মাঝমাঠের এই বিদেশি হ্যামস্ট্রিংয়ে বেশ ভালোই চোট পেয়েছেন।ফুটবলারদের চোটআঘাত নিয়ে চিন্তিত লালহলুদ কোচ মানোলো দিয়াজ। এর জন্য প্রাক মরশুম প্রস্তুতির অভাবকেই দায়ি করেছেন তিনি। দিয়াজ বলেন, প্রস্তুতির জন্য আমরা খুব বেশি সময় পাইনি। ফলে ফুটবলাররা ঘন ঘন চোট পাচ্ছে। কম সময়ের মধ্যে বেশি ম্যাচ খেলতে হওয়ায় ফুটবলাররা ক্লান্ত। ফলে সেরাটা দিতে পারছে না। গোয়ার বিরুদ্ধে প্রথম একাদশ নির্বাচন করাই সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে মানোলো দিয়াজের কাছে।দুটি ম্যাচ ড্র করে এসসি ইস্টবেঙ্গল ঘরে ২ পয়েন্ট তুললেও এফসি গোয়ার অবস্থা আরও করুণ। তিন ম্যাচে একটা পয়েন্টও সংগ্রহ করতে পারেনি। লিগ টেবিলে সবার শেষে থাকলেও এফসি গোয়াকে দারুণ সমীহ করছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ। এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, প্রথম ৩ ম্যাচে হারলেও গোয়া যথেষ্ট শক্তিশালী দল। ওদের গুরুত্ব দিতেই হবে। আমাদের কাছে সব ম্যাচই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জয়ের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামব। আশা করছি ব্যর্থতা কাটিয়ে গোয়ার বিরুদ্ধে দল ঘুরে দাঁড়াবে। চেন্নাইন ম্যাচ ড্র করে ফুটবলাররা আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Shmaik : অভিনয়ে হাতেখড়ি হচ্ছে পরিচালক 'শমীক' এর

এতদিন সিনেমা থেকে মিউজিক ভিডিও সবেতেই দক্ষ হাতে পরিচালনার দায়িত্ব সামলেছেন শমীক রায় চৌধুরী। এবার অভিনেতা হিসাবে আত্মপ্রকাশ হতে চলেছে তার। পরিচালক অমর্ত্য সিনহার ছবি অসম্পূর্ণ তে অভিনেতা হিসাবে আত্মপ্রকাশ করছেন শমীক। এটি একটি মনস্ত্বাত্তিক থ্রিলার ছবি। এক বিবাহ দম্পতি ও তার পাঁচ বছরের কন্যাসন্তান কে ঘিরে আবর্তিত হচ্ছে পুরো গল্পটা। ছবির গল্পে রয়েছে বিভিন্ন স্তর তাই সেভাবেই অভিনেতা-অভিনেত্রী নির্বাচন করেছেন পরিচালক। শমীকের বিপরীতে এই ছবিতে রয়েছেন শ্রেয়া ভট্টাচার্য। যিনি সম্প্রতি কনফিউজড পিকচারস-এর ওয়েব সিরিজ টাইম আপ এ অভিনয় করেছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি অসম্পূর্ণর সংলাপ লিখেছেন শমীক। ছবির কাহিনি ও চিত্রনাট্যের দায়িত্ব সামলেছেন পরিচালক নিজেই।এই ছবিতে মিউজিকের দায়িত্বে রয়েছেন তমাল কান্তি হালদার। ছবির চিত্রগ্রাহক প্রসেনজিত কোলে। সম্পাদনা করছেন জাতীয় পুরস্কার জয়ী পরিচালক প্রদীপ্ত ভট্টাচার্য।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২১
রাজ্য

Cyclone JAWAD: গভীর নিম্নচাপ হয়েই বাংলায় প্রবেশ জাওয়াদের

শনিবারই শক্তি হারিয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছিল ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ। রবিবার সকালে তা আরও শক্তিক্ষয় করে সাধারণ নিম্নচাপে পরিণত হয় এবং ঘণ্টায় ১১ কিলোমিটার গতিবেগে ওডিশা উপকূলের দিকে এগিয়েছে। হাওয়া অফিসের সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী সোমবার ওডিশা উপকূল থেকে নিম্নচাপটি আরও উত্তরপূর্বে সরেছে। এবং ১০ কিলোমিটার প্রতিঘণ্টা বেগে এগোচ্ছে। আগামী ছঘণ্টায় আরও শক্তি ক্ষয় করে নিম্নচাপ অঞ্চলে পরিণত হবে বাংলার উপকূল।যার জেরে রাত থেকে রাজ্যে শুরু হয়েছে বৃষ্টি। সোমবার সকাল থেকে আকাশের মুখ ভার। টানা বৃষ্টিতে কলকাতার একাধিক অঞ্চলে জল জমার সম্ভাবনা। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, মঙ্গলবার থেকে পরিস্থিতি কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে।হাওয়া অফিসের জানিয়েছে, হাওড়া, কলকাতা, হুগলি, বীরভূম, বাঁকুড়া, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমানে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে। বাংলাদেশ লাগোয়া উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া ও মুর্শিদাবাদ জেলায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে।হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, রাজ্যের উপকূলে আগামী ২৪ ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। দুই ২৪ পরগনা এবং দুই মেদিনীপুরে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। সোমবার বিকেল থেকে ধীরে ধীরে হাওয়ার গতি কমবে। মঙ্গলবারের পর বৃষ্টি কমতে পারে বলেই জানিয়েছে তারা।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Anurag ‘অনুরাগ’ নিয়ে আসছেন শান্তনু সিনহা

পরিচালক শান্তনু সিনহার তৃতীয় ছবি অনুরাগ। ৩৫ মিনিটের এই ছবিটির পোস্টার ও ট্রেলার লঞ্চ হয়ে গেল কলকাতা প্রেস ক্লাবে। উপস্থিত ছিলেন পরিচালক শান্তনু সিনহা, অভিনেতা দেবদূত ঘোষ, আনন্দ শঙ্কর চৌধুরী এবং অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা ভট্টাচার্য্য।এই ছবির মূল বক্তব্য ভালবাসা থাকে চিরদিন। ছবির শুটিং হয়েছে বর্ধমানের মানগড় এলাকায়।টুডে সাইন প্রাইভেট লিমিটেড প্রযোজিত সাইন প্রোডাকশনের ছবি অনুরাগ নিয়ে অভিনেতা দেবদূত ঘোষ জানালেন, পরিচালক শান্তনু আমার বহুদিনের পরিচিত। আমরা হুইলচেয়ার নামে একটি ছবি শুরু করারপরিকল্পনা করেছিলাম। যে ছবিতে মূল অভিনেতা হিসেবে থাকার কথা ছিল কিংবদন্তি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের। কিন্তু অনেক কারণে সেই ছবি হয়নি। পরবর্তীকালে শান্তনু এই ছোট ছবির গল্পটা শোনায়, আমি গল্পটা শুনেই রাজি হয়ে যায়। ছবিতে আমার চরিত্রটা দারুন ইন্টারেস্টিং এবং চ্যালেঞ্জিং। প্রথমত পুরো ছবিটাই আউটডোরে একটা আন এক্সপোজড পিকটোরিয়াল গ্রাম বাংলার ব্যাকড্রপে শুটিং হয়েছে। এবং আমার চরিত্রটা এক রাতে পাল্টাতে পাল্টাতে শেষ পরিনতি কি হয় সেই গল্পই শোনাবে। ছবির গল্প চিত্রনাট্য, সংলাপ পরিচালকের নিজের। সঙ্গীত রাজ নারায়ন দেবের। ব্যবহৃত হয়েছে রবীন্দ্রসঙ্গীতের সুর। পরিচালক শান্তনু সিনহা জানালেন, ছবিটি প্রথমে বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবে পাঠানো হবে এবং তারপর ফেব্রুয়ারিতে মুক্তি পাবে।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২১
নিবন্ধ

Sweet Memory: রোমন্থন (কবিতা)

জল আনতে আর যায় না খুকুপদ্মদীঘি গেছে মজে,তোতাপাখী আজও ফিরে ফিরে আসেআতাগাছটির খোঁজে।চাঁদও ওঠে, ফুলও ফোটেশুধু কদমতলা ফাঁকা,হাতি, ঘোড়া নেইকো সেথানেইকো সোনামনির দেখা।খুকি আর বলেনা কথাকাঠবেড়ালির সাথে,পড়া,আঁকা,নাচের পরেখুকির সময় কোথায় হাতে।দামোদর শেঠ, নুটুবাবুরাবিদায় নিয়েছেন কবে,ভৃগুর দাদু থাকলে কেঁদে ভাসাতেনএ প্রজন্মের বাংলা বলা দেখে।চাঁদামামা আজও উঁকি মারেবাঁশবাগানের মাথায়,শ্লোক শুনতে আর পায় না সেকাজলা দিদির গলায়।বদলে গেছে অনেক কিছুসব হারানোর খেলায়,জমাট বেঁধে শুধু থাকবে স্মৃতিমনের মণিকোঠায়।এখন আমি অনেক বড়,অনেক কিছু বুঝি,জীবন মানে গড়িয়ে চলামেনে সময়সূচী।সময়ের সাথে পাল্লা দিতেচাহিদা ঊর্দ্ধগামী,হাজার ভাবনার ভিড়ের মাঝেহারিয়ে যাচ্ছি আমি।ঘুমপাড়ানি মাসি-পিসিএকবারটি এসো ফিরে,ঘুমের দেশে যাব আমিরাতের ছায়াপথটি ধরে।লেখকদীপক কুমার মণ্ডলআরও পড়ুনঃ পাবলিকআরও পড়ুনঃ বিকল্পআরও পড়ুনঃ প্রতীক্ষা

ডিসেম্বর ০৫, ২০২১
রাজ্য

Cyclone Jawad: বাংলায় গভীর নিম্নচাপ হয়েই প্রবেশের সম্ভাবনা জাওয়াদের, জানাল হাওয়া অফিস

বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ স্থলভাগের ঠিক কোথায় আছড়ে পড়বে, তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানায়নি হাওয়া অফিস। তবে, বাংলায় তা ঢুকতে পারে গভীর নিম্নচাপ হিসাবে। শনিবার সকালে হাওয়া অফিসের বুলেটিন অন্তত এমনটাই ইঙ্গিত দিচ্ছে।মধ্য-পশ্চিম বঙ্গোপাগরেই এখন অবস্থান করছে ঘূর্ণিঝড়টি। গত ৬ ঘণ্টায় ৬ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে উত্তর এবং উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়েছে সে। শনিবার ভোর সাড়ে পাঁচটায় মৌসম ভবনের দেওয়া তথ্য অনুসারে, বিশাখাপত্তনম থেকে ২৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে, পুরী থেকে ৪৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছে। ৫ ডিসেম্বর তা পুরী উপকূলে পৌঁছতে পারে বলে আশঙ্কা আবহাওয়াবিদদের। এর পর তা ধীরে ধীরে দুর্বল হতে পারে। তার পরই তা ক্রমশ এগিয়ে আসতে পারে বাংলার উপকূলবর্তী এলাকায়। কিন্তু বাংলায় যখন আসবে, তখন তার শক্তি কতটা থাকবে, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। এখনও অবধি মৌসম ভবন যা জানিয়েছে, তাতে গভীর নিম্নচাপ হয়েই জাওয়াদ-এর বঙ্গে ঢোকার সম্ভাবনা প্রবল।বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় ঘণীভূত হওয়ার জেরে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের আকাশ শনিবার সকাল থেকেই মেঘলা। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, বিক্ষিপ্ত থেকে হালকা বৃষ্টিও হতে পারে কলকাতায়। উপকূলের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টিরও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২১
রাজ্য

Cyclone-Jawad: আরও শক্তি বাড়াল নিম্নচাপ! আগামী ১২ ঘণ্টায় ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়

আরও শক্তি বাড়াল নিম্নচাপ। বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত অতি গভীর নিম্নচাপ। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর লাগোয়া পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থান। আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে পরিণত হবে ঘূর্ণিঝড়ে। রবিবার সকালের মধ্যে পৌঁছবে ওডিশা-অন্ধ্র উপকূলে। তারপর উত্তর-উত্তরপূর্ব অভিমুখে বাঁক নেবে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ।বঙ্গোপসাগরে ঘণীভূত হওয়া নিম্নচাপের জেরে শনিবার থেকে বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলায়। শনিবার থেকেই বৃষ্টি শুরু হতে পারে রাজ্যের উপকূলের জেলাগুলিতে। রবিবার দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলাতেই বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, শুক্রবার কলকাতার আকাশ থাকবে আংশিক মেঘলা। তবে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। আকাশে বিক্ষিপ্ত মেঘের জেরে বাড়বে তাপমাত্রা। যার জেরে কমবে শীতের অনুভূতি। আগামী ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে যথাক্রমে ২৯.৭ ডিগ্রি এবং ১৮.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি।শুক্রবার থেকেই বেশ কয়েকটি জেলা, দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়ায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে। ৬ জেলায় শনিবার ভারী বৃষ্টি। রবিবার মূল দুর্যোগের আশঙ্কা। এই ঘূর্ণিঝড় অন্ধ্র-ওডিশা উপকূলের দিকে এগোবে। কিন্তু সেখান থেকে এটি স্থলভাগে ঢুকে যাবে কিনা, তা সুস্পষ্ট নয়। এক হতে পারে, স্থলভাগে ঢুকে খানিকটা শক্তি হারিয়ে বাংলার দিকে এল। অথবা স্থলভাগে না ঢুকেই সমুদ্র পথ ধরে বাংলায় আছড়ে পড়তে পারে। ওড়িশার কাছাকাছি আসার পর ঘূর্ণিঝড় একটা টার্ন নিতেই পারে।আবহাওয়াবিদরা বলছেন, এবছর আন্দামান ও বঙ্গোপসাগরে বারবার নিম্নচাপ তৈরি হচ্ছে। যদি নিম্নচাপ একই জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকে,তাহলে শক্তি বৃদ্ধি করবেই। এক্ষেত্রেও সেটি হবে। এবছর একটানা শীতের মরসুমও নেই। তার একটাই কারণ জলীয় বাষ্প। শীতের আমেজও এবার কম থাকবে। এক টানা কনকনে শীতের সম্ভাবনা কম।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২১
রাজ্য

Cyclone: ফের ঘূর্ণিঝড়ের ভ্রুকুটি বঙ্গে, থাইল্যান্ড থেকে ধেয়ে আসছে জাওয়াদ

থাইল্যান্ড থেকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ। ফের বাংলায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার পূর্বাভাস। সপ্তাহান্তে কলকাতা-সহ উপকূল সংলগ্ন জেলায় ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে অতিভারী বৃষ্টির সর্তকতা জারি করা হয়েছে হাওয়া অফিসের তরফে।দক্ষিণ থাইল্যান্ডের ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটি ক্রমশ দক্ষিণ আন্দামান সাগরে ঢুকবে। শক্তি সঞ্চয় করে সেখানেই ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে এই গভীর নিম্নচাপ। ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেওয়া হয়েছে জাওয়াদ। শনিবার সকালে এটি উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ অথবা ওডিশা উপকূলে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে কলকাতা -সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টি এবং উপকূল ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনি ও রবিবার ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে।এর প্রভাবে শনিবার সকালে পশ্চিমবঙ্গের সমুদ্র উপকূলে বাতাসের গতিবেগ ৬৫ থেকে ৮০ কিলোমিটার হতে পারে। মৎস্যজীবীদের দেওয়া সতর্কবার্তায় আবহাওয়া দপ্তর শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। যারা সমুদ্রের রয়েছেন তাদের বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার মধ্যে ফিরে আসতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ০১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ISL Derby : ডার্বিতে হারের হ্যাটট্রিক, বড় লজ্জার হাত থেকে বাঁচল এসসি ইস্টবেঙ্গল

ডার্বিতে হারাটা যেন অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। গত মরশুমে দুটি সাক্ষাৎকারেই জিতেছিল এটিকে মোহনবাগান। এবছর প্রথম ডার্বিতেও ছবিটা বদলাল না। গোয়ার তিলক ময়দানে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে ৩-০ গোলে হারিয়ে আইএসএল ডার্বি জয়ের হ্যাটট্রিক করল এটিকে মোহনবাগান। জয়ের ব্যবধান আরও বাড়তে পারত। লালহলুদকে লজ্জার হাত থেকে বাঁচালেন গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্যর পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নামা শুভম সেন।প্রথমার্ধে তিন গোল হজম করে লাল হলুদ। এটিকে মোহনবাগানের শক্তিশালী আক্রমণভাগের বিরুদ্ধে ৩ জনকে ডিফেন্সে রাখার মাশুল দিতে হল এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। সেই সঙ্গে অরিন্দম ভট্টাচার্যের জঘন্য গোলকিপিংয়ের কথাও বলতে হবে। গত বছর আইএসএলে প্রথম সাক্ষাতে এই দিনেই ডার্বি জিতেছিল আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের দল। কাকতালীয়ভাবে সেই একই দিনে আবার ডার্বিতে জয়।এদিন এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ৩-৪-৩ ছকে আক্রমণাত্মকভাবে শুরু করেছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। অন্যদিকে হাবাস ৪-৩-৩ ছকে শুরু করেন। চেনা ছন্দে ফিরতে দেরি হয়নি এটিকে মোহনবাগানের। ১১ মিনিটের মধ্যে তিন গোল হতোদ্যম করে দেয় এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। ১২ মিনিটে রয় কৃষ্ণর প্রথম গোল। মনবীর সিং ডানদিক দিয়ে উঠে এসে বল বাড়ান প্রীতম কোটালের দিকে। এটিকে মোহনবাগানের অধিনায়ক বক্সের কাছে গিয়ে বল বাড়়ান রয় কৃষ্ণকে উদ্দেশ্য করে। দর্শনীয় ভঙ্গিমায় বল জালে জড়ান রয় কৃষ্ণ। এর ঠিক দুই মিনিট পরেই ব্যবধান বাড়ান মনবীর। জনি কাউকোর দুরন্ত থ্রু পাস থেকে অরিন্দম ভট্টাচার্যকে পরাস্ত করে সবুজ-মেরুনকে এগিয়ে দেন মনবীর। ২৩ মিনিটে লিস্টন কোলাসোর গোল। দ্বিতীয় গোলের মতোই তৃতীয় গোলটিও এটিকে মোহনবাগানকে কার্যত উপহার দেন অরিন্দম। বক্সের প্রায় বাইরে গিয়ে কোলাসোর থেকে বল কেড়ে নিতে গিয়েছিলেন অরিন্দম। তাঁকে পরাস্ত করতে সময় নেননি কোলাসো।৩৩ মিনিটে অরিন্দম ভট্টাচার্যকে তুলে নিতে বাধ্য হন লালহলুদ কোচ। নামান শুভম সেনকে। হলুদ কার্ড দেখা লালরিনলিয়ানা হামতেকে তুলে নিয়ে অমরজিৎ কিয়ামকে নামানো হয়। তিন গোল করার পরও প্রথমার্ধে আরও বেশ কয়েকবার গোলের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল সবুজ মেরুন। কিন্তু লাল হলুদের লজ্জা বিরতির আগে আর বাড়েনি।দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য কিছুটা খেলায় ফেরে এসসি ইস্টবেঙ্গল। মানোলো দিয়াজ ডিফেন্স মজবুত করায় এটিকে মোহনবাগান আর ব্যবধান বাড়াতে পারেনি। এদিনের জয়ের সুবাদে ২ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে লিগশীর্ষে চলে গেল এটিকে মোহনবাগান। এসসি ইস্টবেঙ্গল নেমে গেল নবম স্থানে। ২ ম্যাচে লাল হলুদের ঝুলিতে ১ পয়েন্ট। মঙ্গলবার ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে খেলবে এসসি ইস্টবেঙ্গল। এটিকে মোহনবাগানের পরবর্তী ম্যাচ বুধবার মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে।

নভেম্বর ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal vs Mohun Bagan : ছন্দে থাকলেও ডার্বিতে নিজেদের এগিয়ে রাখছেন না হাবাস

গত বছর অল্পের জন্য খেতাব হাতছাড়া হয়েছে। মুম্বই সিটি এফসি-র কাছে ফাইনালে হেরে রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল। এবছর দারুণভাবে আইএসএল অভিযান শুরু করেছে এটিকে মোহনবাগান। আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের দল উদ্বোধনী ম্যাচেই ৪-২ গোলে হারিয়েছে কেরালা ব্লাস্টার্সকে। আজ কলকাতা ডার্বিতে এসসি ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে ফেবারিট হিসেবেই নামছে এটিকে মোহনবাগান। কারণ ছন্দ ও শক্তির বিচারে অনেক এগিয়ে সবুজমেরুণ শিবির। যদিও কোচ হাবাস নিজেদের ফেবারিট হিসেবে মানতে নারাজ।ডার্বিতে নামার আগে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে সমীহ করে তিনি বলেন, এসসি ইস্টবেঙ্গলের দল এবার একেবারেই নতুন। নতুন কোচ এসেছেন। এমনিতে নতুন দলের থিতু হতে অন্তত এক বছর লাগে। কিন্তু এখানে সব কিছু দ্রুত তৈরি করে নিতে হয়। দুই দলের কাছেই ম্যাচটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ম্যাচ কলকাতার বাইরে হচ্ছে। গ্যালারিতে দর্শক থাকবে না। ফুটবলারদের বাড়তি চাপ নিয়ে মাঠে নামতে হবে না। ফলে এই ডার্বিতে কে এগিয়ে তা আগাম বলা যাবে না।তারকা প্রথায় কখনও বিশ্বাস করেন না এটিকে মোহনবাগান কোচ। তাই হুগো বুমোস, লিস্টন কোলাসো, রয় কৃষ্ণ, জনি কাউকোদের নিয়ে সমর্থক থেকে সংবাদমাধ্যমের মাতামাতি দেখে অসন্তুষ্ট হাবাস। তিনি বলেন,তিন-চারজনকে নিয়ে দল হয় না।বঅমরিন্দর, প্রীতম, প্রবীর, তিরির মতো ফুটবলাররাও রয়েছে। আমার কাছে সব ফুটবলারই গুরুত্বপূর্ণ। গত মরশুমে দুটি ডার্বিতেই জিতেছিল এটিকে মোহনবাগান। অতীতের সাফল্যের কথা মাথায় রাখতে চাইছেন না হাবাস। তিনি বলেন, ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি সবসময় হয় না। নতুন বছর, নতুন ম্যাচ।কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে আগের ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে দলের খেলায় গা ছাড়া মনোভাব যাতে ডার্বিতে না দেখা যায় সেজন্য ফুটবলারদের সতর্ক করে দিয়েছেন হাবাস। ডার্বিতে তিরিকে পাচ্ছে না এটিকে মোহনবাগান। তিনি বাদে সকলেই সুস্থ। রণকৌশলও গোপনই রাখলেন হাবাস। তিনি বলেন, সব ম্যাচে সমানভাবে খেলা যায় না। পরিবেশ, পরিস্থিতি অনুযায়ী বিপক্ষ কেমন খেলছে সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করাটাই স্বাভাবিক। কার হলুদ কার্ড রয়েছে, কাকে কতক্ষণ খেলানো যাবে এই সব বিষয়ও বিবেচনাধীন থাকে। তৎক্ষণাৎ কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হয়। এসসি ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধেও তার ব্যতিক্রম হবে না।পেরোসেভিচ বা চিমাকে বাড়তি গুরুত্ব না দিয়ে গোটা এসসি ইস্টবেঙ্গলকে কীভাবে আটকাবেন সেটাই পরিকল্পনা করছেন।

নভেম্বর ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ISL Derby : ডার্বিতে এগিয়ে কোন দল? নিজেদের আন্ডারডগ ভাবছেন দিয়াজ

দুই দলের মধ্যে পার্থক্য অনেকটাই। গত মরশুমের দল ধরে রাখার পাশাপাশি এটিকে মোহনবাগান শক্তি বাড়িয়েছে অনেকটাই। হুগো বোমাস যোগ দেওয়ায় আক্রমণভাগ অনেকটাই শক্তিশালী হয়েছে। অন্যদিকে, শেষ মুহূর্তে দল গড়তে নেমে তেমন ভাল দল গড়তে পারেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। এই মরশুমে আইএসএল অভিযানের শুরুতেও ছাপ রাখতে পারেনি। অন্যদিকে, দুর্দান্ত শুরু করেছে এটিকে মোহনবাগান। শনিবার মরশুমের প্রথম ডার্বিতে ধারেভারে সবুজমেরুণ শিবিরই যে এগিয়ে, সেকথা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে নতুন কোচের তত্ত্বাবধানে নতুন মুখদের নিয়ে আইএসএলে এবার ডার্বি জিততে মরিয়া লাল হলুদ শিবির।কেরালা ব্লাস্টার্সকে ৪-২ গোলে হারিয়ে এবারের আই এস এল অভিযান শুরু করেছে এটিকে মোহনবাগান। অন্যদিকে, জামশেদপুর এফসির সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করলেও খুব একটা খারাপ খেলেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। ডার্বিতে অন্য খেলা হবে, সে কথা বুঝিয়ে দিয়েছেন লালহলুদ কোচ মানোলো দিয়াজ। তিনি বলেন কলকাতা ডার্বি আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই ম্যাচের গুরুত্ব সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। স্পেন, মেক্সিকোতেও অনেক ডার্বি দেখেছি। ডার্বি সব সময় অন্য মাত্রা নেয়। আমাদের কাছে এটা লিগের দ্বিতীয় ম্যাচ। সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করব।এটিকে মোহনবাগান দারুণ সমীহ করছেন লালহলুদ কোচ। দিয়াজ বলেন, এটিকে মোহনবাগান খুবই ভালো দল। কোচও খুবই ভাল। বিপক্ষ কোচের আইএলএলেও যথেষ্ট অভিজ্ঞতা রয়েছে। ভুলভ্রান্তি কম করে বিপক্ষের দুর্বলতাগুলোকে কাজে লাগিয়ে ভাল খেলতে হবে। সবুজমেরুণকে সমীহ করলেও প্রথম একাদশ খোলসা করেননি মানোলো দিয়াজ। ড্যারেন সিডোলকে খেলাবেন কিনা সে ব্যাপারেও নিশ্চিত করে কিছু বলেননি। দলের সব ফুটবলারই ডার্বি খেলতে প্রস্তুত বলে মানোলো দিয়াজ জানিয়েছেন।মরশুমের প্রথম ডার্বিতে নিজেদের আন্ডারডগ হিসেবে দেখছেন মানোলো দিয়াজ। তিনি বলেন, আন্ডারডগ তকমা আমাদের গায়ে লাগিয়ে দেওয়া হলেও কোনও অসুবিধা নেই। আমরা নিজেদের শক্তি অনুযায়ি খেলব। এটিকে মোহনবাগান গত মরশুমে দারুন খেলেছে। বেশ কয়েকজন ফুটবলার কয়েক মরশুম ধরে একসঙ্গে খেলছেন। আমরাও তৈরি অনেক ফর্মেশন তৈরি রয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী ছক বদল করব। রয় কৃষ্ণ, হুগো বুমোসদের কীভাবে আটকাতে চান সেই কৌশলও গোপন রাখলেন লাল হলুদ কোচ। তিনি বলেছেন, ম্যাচের পরিস্থিতির উপর এটা নির্ভর করবে। বল আমাদের বক্সের কাছাকাছি থাকলে ম্যান মার্কিংয়ে যাব। তবে আমরা রয়, হুগোর বিরুদ্ধে খেলছি না। তাঁরা ভালো ফুটবলার, গোল করতে পারেন। তবে তাঁদেরও সতীর্থদের সাহায্যের প্রয়োজন। ফলে শুধু দুজনকে নয়, গোটা দলকেই আটকানোর চেষ্টা করব।অভিজ্ঞতায় এটিকে মোহনবাগান কিছুটা এগিয়ে রয়েছে মানলেও খেলাটা সবুজ মেরুনের আক্রমণ বনাম লাল হলুদের ডিফেন্সের লড়াই হবে বলে মানতে নারাজ দিয়াজ। তিনি বলেন, আমাদের শক্তিশালী হতে হবে। ভালো ও নিখুঁত পাস দেওয়া-নেওয়া করতে হবে নিজেদের মধ্যে। বিপক্ষের গোল এরিয়ায় প্রচুর গোলের সুযোগ তৈরি করতে হবে। সারাক্ষণ যদি ওদের বিরুদ্ধে আমরা রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলি, তা হলে ম্যাচটা আমাদের কাছে আরও কঠিন হয়ে উঠবে।

নভেম্বর ২৬, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 34
  • 35
  • 36
  • 37
  • 38
  • 39
  • 40
  • ...
  • 56
  • 57
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে ইরানের সঙ্গে চরম অপমান! ম্যাচ খেলেই দেশছাড়া, ক্ষোভে ফুঁসছে ফুটবল দুনিয়া

বিশ্বকাপ খেলতে এসে একের পর এক সমস্যার মুখে পড়ছে ইরান ফুটবল দল। দীর্ঘ যাত্রা, পর্যাপ্ত বিশ্রামের অভাব এবং ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই দেশ ছাড়ার নির্দেশ সব মিলিয়ে চরম ক্ষোভ তৈরি হয়েছে ইরান শিবিরে। ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক হেদায়াত মোম্বেইনি এই পরিস্থিতিকে ফুটবল ইতিহাসের একটি অন্ধকার অধ্যায় বলে মন্তব্য করেছেন।বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করার পরও স্বস্তি মেলেনি মেহদি তারেমিদের। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচ শেষ হতেই দলকে আমেরিকা ছেড়ে মেক্সিকোয় ফিরে যেতে হয়েছে। জানা গিয়েছে, ইরানি ফুটবলারদের জন্য শুধুমাত্র ম্যাচের সময়সীমা অনুযায়ী ভিসা অনুমোদন করা হয়েছে। ফলে দলের সদস্যদের বারবার যাতায়াত করতে হচ্ছে, যা প্রস্তুতিতে বড় প্রভাব ফেলছে।ইরানের কোচ আমির ঘালেনোইও এই পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে ইরানের সঙ্গে অন্যায্য আচরণ করা হচ্ছে। এমন অবস্থায় ফুটবলারদের মানসিক ও শারীরিকভাবে প্রস্তুত রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে।এই ঘটনার প্রতিবাদে ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানাতে চলেছে ইরান ফুটবল ফেডারেশন। হেদায়াত মোম্বেইনি বলেন, আগে যে নিয়ম জানানো হয়েছিল, শেষ মুহূর্তে তা বদলে দেওয়া হয়েছে। এতে শুধু ইরান নয়, গোটা প্রতিযোগিতার ভাবমূর্তিই প্রশ্নের মুখে পড়ছে। তাঁর দাবি, ভবিষ্যতে বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই ঘটনাকে একটি বিতর্কিত অধ্যায় হিসেবেই মনে রাখা হবে।উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘ রাজনৈতিক উত্তেজনা চলেছে। সেই প্রভাবই বিশ্বকাপেও পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ইরানের অনেক কর্মকর্তা ভিসা পাননি। এমনকি বহু সমর্থক টিকিট থাকা সত্ত্বেও আমেরিকায় প্রবেশের অনুমতি পাননি বলে অভিযোগ।এদিকে আগামী ২২ জুন শক্তিশালী বেলজিয়ামের মুখোমুখি হবে ইরান। নকআউট পর্বে যাওয়ার আশা বাঁচিয়ে রাখতে এই ম্যাচে ভালো ফল করতেই হবে তারেমিদের। তবে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি মাঠের বাইরের প্রতিকূলতার সঙ্গেও সমান তালে লড়তে হচ্ছে ইরানকে।

জুন ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

‘আমি স্পেনের ফুটবলার!’ বারবার বলেও লাভ হল না, নিরাপত্তারক্ষীদের কাছে অপমানিত তারকা

বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে অদ্ভুত এক ঘটনার মুখে পড়লেন স্পেনের তারকা ফুটবলার বোরহা ইগলেসিয়াস। নিজের দলের হোটেলে ফিরেও প্রবেশ করতে না পেরে বেশ কিছুক্ষণ সমস্যায় পড়তে হয় তাঁকে। ঘটনাটি ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্র করার পর ফুটবলারদের একদিনের ছুটি দিয়েছিলেন স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। সৌদি আরবের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে খেলোয়াড়দের মানসিকভাবে সতেজ রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।ছুটির দিনে স্ত্রী মারিয়া ভালেরোকে নিয়ে শহর ঘুরতে বেরিয়েছিলেন ইগলেসিয়াস। পরে হোটেলে ফিরতেই ঘটে বিপত্তি। হোটেলের নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁকে চিনতে পারেননি। ফলে টিম হোটেলের দরজার সামনেই আটকে দেওয়া হয় স্পেনের এই তারকা স্ট্রাইকারকে।পরিস্থিতি সামাল দিতে ইগলেসিয়াস বারবার বোঝানোর চেষ্টা করেন যে তিনি স্পেনের জাতীয় দলের ফুটবলার। কিন্তু নিরাপত্তারক্ষীরা পরিচয়পত্র এবং অনুমতির প্রমাণ চাইতে থাকেন। এমনকি তাঁকে নিজের নামও বলতে হয়। তবুও প্রথমে তাঁরা নিশ্চিত হতে পারেননি।ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন স্প্যানিশ সমর্থক ও সাংবাদিকও নিরাপত্তারক্ষীদের বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতির তেমন পরিবর্তন হয়নি। পরে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন ইগলেসিয়াস। কিছুক্ষণের মধ্যেই দলের প্রতিনিধিরা এসে বিষয়টি মিটিয়ে দেন এবং তিনি হোটেলে প্রবেশ করতে সক্ষম হন।এই ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল যখন স্পেনের সামনে রয়েছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে জয় না পাওয়ায় পরের পর্বে ওঠার লড়াই আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। তাই সৌদি আরবের বিরুদ্ধে পূর্ণ তিন পয়েন্ট অর্জন করাই এখন স্পেনের প্রধান লক্ষ্য।তবে মাঠের বাইরের এই ঘটনাই এখন সবচেয়ে বেশি চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ফুটবল দলের এক তারকা ফুটবলারকে নিজের হোটেলের দরজায় দাঁড়িয়ে পরিচয় প্রমাণ করতে হওয়ায় বিস্মিত ফুটবলপ্রেমীরা।

জুন ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হারলেই মৃত্যু! বিশ্বকাপে প্রাণ বাঁচাতে মাঠে নেমেছিলেন কঙ্গোর ফুটবলাররা

পর্তুগালকে প্রথম ম্যাচে আটকে দিয়ে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় চমকের জন্ম দিয়েছে কঙ্গো। আফ্রিকার দেশটি দীর্ঘ ৫২ বছর পর আবার বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলছে। অনেকেই ভেবেছিলেন তারকাখচিত পর্তুগালের সামনে কঙ্গো টিকতেই পারবে না। কিন্তু মাঠে নেমে দুর্দান্ত লড়াই করে তারা সবাইকে অবাক করে দিয়েছে।তবে কঙ্গোর ফুটবল ইতিহাসে এমন একটি অধ্যায় রয়েছে, যা আজও শুনলে গা শিউরে ওঠে। সেই ঘটনা ১৯৭৪ সালের বিশ্বকাপের। তখন দেশের নাম ছিল জাইরে। প্রথমবার বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছিল দেশটি। সেই সময় দেশের শাসক ছিলেন একনায়ক মোবুতু সেসে সেকো। দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ফুটবলকে জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন তিনি।বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডের কাছে হারের পরই ফুটবলারদের বেতন বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ফুটবলাররা পরবর্তী ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু রাষ্ট্রপ্রধানের চাপে শেষ পর্যন্ত মাঠে নামতে বাধ্য হন তাঁরা। দ্বিতীয় ম্যাচে যুগোস্লাভিয়ার কাছে ৯-০ গোলে হারতে হয় দলকে।এরপর ড্রেসিংরুমে গিয়ে এক ভয়ঙ্কর হুমকি দেন মোবুতু। তিনি জানিয়ে দেন, পরের ম্যাচে যদি দল তিন গোলের বেশি ব্যবধানে হারে, তাহলে ফুটবলারদের দেশে ফিরতে দেওয়া হবে না। এই হুমকির পর ব্রাজিলের বিরুদ্ধে মাঠে নামে জাইরে।ম্যাচ চলাকালীন প্রতিটি মুহূর্তে ভয় কাজ করছিল ফুটবলারদের মধ্যে। তাঁদের কাছে ম্যাচটি শুধু ফুটবল ছিল না, ছিল বেঁচে থাকার লড়াই। শেষ পর্যন্ত ব্রাজিল ৩-০ ব্যবধানে জেতে। ফলে কোনওভাবে রক্ষা পায় দল।বহু বছর পরে দলের ডিফেন্ডার এম্পেউ ইলুঙ্গা জানান, ব্রাজিল একটি ফ্রি-কিক পাওয়ার পর তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে নিয়ম ভেঙে বল দূরে সরিয়ে দিয়েছিলেন। কারণ সেই মুহূর্তে আর একটি গোল মানেই দলের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে যেতে পারত। এজন্য তাঁকে হলুদ কার্ড দেখতে হয়েছিল। কিন্তু তাঁর সেই সিদ্ধান্ত হয়তো বাঁচিয়ে দিয়েছিল গোটা দলকে।দেশে ফেরার পরও ফুটবলারদের জীবন সহজ হয়নি। আর্থিক সুবিধা বন্ধ হয়ে যায়। বিদেশে গিয়ে খেলার সুযোগও হারান অনেকে। ফলে বিশ্বকাপের মঞ্চে কঙ্গোর প্রথম অভিযান ফুটবলের চেয়ে বেশি হয়ে ওঠে ভয়, চাপ এবং বেঁচে থাকার লড়াইয়ের প্রতীক।আজ সেই কঙ্গোই আবার বিশ্বকাপে ফিরে পর্তুগালের মতো শক্তিশালী দলকে আটকে দিয়ে নতুন ইতিহাস লিখছে। তাই বর্তমানের সাফল্যের পিছনে লুকিয়ে থাকা এই ভয়ংকর অতীত আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে।

জুন ২০, ২০২৬
দেশ

‘৪ কোটি টাকা নিয়েছেন!’ মহুয়ার বিস্ফোরক অভিযোগে ফুঁসছেন বিদ্রোহী সাংসদরা, এবার আদালতে বড় লড়াই

তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়ার পর থেকেই বিদ্রোহী সাংসদদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে আক্রমণ শানাচ্ছেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। এবার কুড়ি জন বিদ্রোহী সাংসদকে ঘিরে তাঁর একটি মন্তব্য নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ওই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছেন বিদ্রোহী শিবিরের নেতারা।সম্প্রতি এক সমাজমাধ্যম পোস্টে মহুয়া মৈত্র দাবি করেন, তৃণমূল ছেড়ে যাওয়া কুড়ি জন সাংসদ অগ্রিম চার কোটি টাকা করে পেয়েছেন। শুধু তাই নয়, আগামী ছত্রিশ মাস পর্যন্ত প্রতি মাসে এক কোটি টাকা করে পাওয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। এই মন্তব্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় জোর চর্চা।এই অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ করেছেন বিদ্রোহী শিবিরের অন্যতম মুখ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই ধরনের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তাঁর দাবি, তাঁরা রাজনৈতিক ও নৈতিক অবস্থানের কারণে দল ছেড়েছেন, কোনও আর্থিক লেনদেনের জন্য নয়।কাকলির প্রশ্ন, মহুয়া মৈত্র কীভাবে নির্দিষ্ট অঙ্কের কথা বলছেন। তাঁর কাছে যদি কোনও তথ্য বা প্রমাণ থাকে, তাহলে তা প্রকাশ করা উচিত। অন্যথায় এই ধরনের মন্তব্য জনসমক্ষে করা অত্যন্ত গুরুতর বিষয় বলে মনে করছেন তিনি।বিদ্রোহী সাংসদদের দাবি, তাঁদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা শুধু রাজনৈতিক নয়, ব্যক্তিগত ভাবমূর্তির উপরও আঘাত। সেই কারণেই আইনি পদক্ষেপের পথ বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, মহুয়া মৈত্র এক সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারেও বিদ্রোহী সাংসদদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি দাবি করেন, অনেকেই নিজেদের সম্পত্তি, রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং অতীত কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বিগ্ন বলেই দল ছেড়েছেন। তাঁর অভিযোগ, অর্থের প্রলোভনও এই দলবদলের অন্যতম কারণ।এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। একদিকে মহুয়ার বিস্ফোরক অভিযোগ, অন্যদিকে বিদ্রোহী সাংসদদের আইনি পাল্টা লড়াইয়ের প্রস্তুতি সব মিলিয়ে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ।এখন নজর আদালতের দিকে। বিদ্রোহী সাংসদরা সত্যিই আইনি পদক্ষেপ নিলে এই বিতর্ক আরও বড় আকার নিতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জুন ২০, ২০২৬
দেশ

দল ভাঙনের চরমে! ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, সাংসদ পদ হারাতে পারেন ৬ বিদ্রোহী

মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে ফের তীব্র চাঞ্চল্য। দলের নির্দেশ অমান্য করে বৈঠকে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে ৬ বিদ্রোহী সাংসদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের পথে হাঁটল উদ্ধব ঠাকরের শিব সেনা। সংশ্লিষ্ট সাংসদদের শোকজ নোটিস পাঠিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উত্তর না মিললে তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এমনকি সাংসদ পদও খারিজ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।শনিবার দলের মুখ্য সচেতক অনিল দেশাই বিদ্রোহী ৬ সাংসদের হাতে শোকজ নোটিস তুলে দেন। নোটিসে জানতে চাওয়া হয়েছে, কেন তাঁরা দলের সংসদীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না। জবাব না পেলে ধরে নেওয়া হবে যে তাঁরা স্বেচ্ছায় দলের সদস্যপদ ত্যাগ করেছেন। সেই ক্ষেত্রে সংবিধানের দশম তফসিল অনুযায়ী তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।যাঁদের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ শুরু হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন নাগেশ আশিতকর, সঞ্জয় দেশমুখ, সঞ্জয় যাদব, সঞ্জয় দিনা পাটিল, ওমপ্রকাশ রাজেনিম্বলকর এবং ভাওসাহেব ওয়াকচুরে। সূত্রের খবর, সম্প্রতি তাঁরা লোকসভার স্পিকারের সঙ্গে দেখা করে দলের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন।ঘটনার সূত্রপাত গত সপ্তাহে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত দলের সংসদীয় বৈঠককে ঘিরে। সকল সাংসদকে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হলেও বৈঠকে মাত্র ৩ জন উপস্থিত ছিলেন। একসঙ্গে ৬ সাংসদের অনুপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়। অনেকেই মনে করছেন, এটি বৃহত্তর রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসের ইঙ্গিত।দলের রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় রাউত জানিয়েছেন, বিদ্রোহী সাংসদদের অযোগ্য ঘোষণার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। তাঁর দাবি, নিয়ম ও আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ হলে সংশ্লিষ্ট সাংসদদের সদস্যপদ বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।এদিকে এই রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের একটি মন্তব্য নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তিনি বলেন, এখন আর আলাদা কোনও শিবির নেই, শিব সেনা একটাই। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে উদ্ধব ঠাকরের শিবিরের বর্তমান সংকটকেই পরোক্ষে তুলে ধরেছেন তিনি।সব মিলিয়ে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই বিদ্রোহী সাংসদদের ভবিষ্যৎ কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২০, ২০২৬
বিদেশ

শান্তিচুক্তির ২৪ ঘণ্টাও কাটেনি! ফের হরমুজ বন্ধের ঘোষণা, বিশ্বজুড়ে তীব্র উদ্বেগ

শান্তিচুক্তি ঘোষণার একদিনের মধ্যেই ফের আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল। হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার ঘোষণা দিল ইরান। শনিবার তেহরানের শীর্ষ যৌথ সামরিক কমান্ড জানায়, আমেরিকা ও ইজরায়েল যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গ করেছে। সেই কারণেই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে নৌ চলাচল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ইরানের সামরিক নেতৃত্বের দাবি, দক্ষিণ লেবাননে ইজরায়েলের সামরিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি আমেরিকার বিরুদ্ধেও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ তুলেছে তেহরান। তাদের বক্তব্য, পরিস্থিতির জেরে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করা হয়েছে এবং এটি কেবল প্রথম পদক্ষেপ। ভবিষ্যতে আরও কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড বাহিনীও পৃথক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ করা হয়েছে। এই অঞ্চলে প্রবেশকারী জাহাজ নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।শুক্রবার থেকেই আন্তর্জাতিক মহলে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল যে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শনিবার সেই জল্পনাতেই কার্যত সিলমোহর দেয় ইরান। তবে এখানেই তৈরি হয়েছে নতুন ধোঁয়াশা। কারণ আমেরিকার দাবি, হরমুজ প্রণালী এখনও খোলা রয়েছে এবং স্বাভাবিক নৌ চলাচল অব্যাহত আছে।বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালী। এই জলপথ দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল ও পণ্যবাহী জাহাজ যাতায়াত করে। ফলে হরমুজকে ঘিরে যে কোনও উত্তেজনা আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।ইরানের ঘোষণা এবং আমেরিকার পাল্টা দাবির ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। সত্যিই কি হরমুজে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে, নাকি এটি কূটনৈতিক চাপ তৈরির কৌশল সেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে আন্তর্জাতিক মহলে।

জুন ২০, ২০২৬
কলকাতা

চার বছরে আকাশপথে উড়ল দেড়শো কোটি! অভিষেককে ঘিরে তৃণমূলে নতুন বিতর্ক

তৃণমূল কংগ্রেসের আর্থিক খরচ নিয়ে নতুন বিতর্ক সামনে এসেছে। নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়া দলের অডিট রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, গত চার বছরে বিমান ও হেলিকপ্টার ভাড়ার জন্য প্রায় দেড়শো কোটি টাকা খরচ হয়েছে। এই বিপুল অঙ্কের খরচ ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক আলোচনা।রিপোর্ট অনুযায়ী, দুই হাজার বাইশ সালে বিমান ভাড়ার জন্য খরচ হয়েছিল পঁয়ত্রিশ কোটিরও বেশি টাকা। দুই হাজার তেইশ সালে সেই খরচ কিছুটা কমে প্রায় তেরো কোটিতে নেমে আসে। তবে দুই হাজার চব্বিশ সালের লোকসভা নির্বাচনের বছরে বিমান ও হেলিকপ্টার বাবদ খরচ বেড়ে যায় উল্লেখযোগ্যভাবে। সেই বছরে এই খাতে ব্যয় হয় ছেচল্লিশ কোটিরও বেশি টাকা।সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, দুই হাজার চব্বিশ সালের নির্বাচনী প্রচারে দলের মোট ব্যয়ের বড় অংশই নাকি বিমান ও হেলিকপ্টার ব্যবহারের জন্য খরচ হয়েছে। দুই হাজার পঁচিশ সালে কোনও বড় নির্বাচন না থাকলেও বিমান খাতে ব্যয় হয়েছে সাঁইত্রিশ কোটিরও বেশি টাকা।এই বিপুল খরচকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। দলের একাংশের মতে, যখন সংগঠনের বিভিন্ন স্তরে আর্থিক চাপের কথা শোনা যাচ্ছে, তখন এত বড় অঙ্কের বিমান ব্যয় স্বাভাবিকভাবেই আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।সাম্প্রতিক সময়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফর নিয়েও চার্টার্ড বিমান ব্যবহারের জল্পনা তৈরি হয়েছিল। সেই আবহে দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ মন্তব্য করেছিলেন, যদি দলের অর্থ খরচ করে এমন সফর হয়ে থাকে, তাহলে তা সমর্থনযোগ্য নয়। তাঁর সেই মন্তব্যও রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট আলোড়ন তৈরি করে।এদিকে দলের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং তহবিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিতর্কের মাঝেই বিমান খরচের এই পরিসংখ্যান সামনে আসায় চাপ আরও বেড়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অডিট রিপোর্টে উল্লেখিত এই বিপুল ব্যয় আগামী দিনে আরও বড় বিতর্কের কারণ হতে পারে। বিশেষ করে দলের সাংগঠনিক পরিস্থিতি এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে যখন নানা প্রশ্ন উঠছে, তখন বিমান ও হেলিকপ্টার খাতে এত বড় ব্যয় নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।এখন নজর থাকবে, এই খরচ নিয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও বিস্তারিত ব্যাখ্যা বা প্রতিক্রিয়া সামনে আসে কি না। কারণ অডিট রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে।

জুন ২০, ২০২৬
রাজ্য

গরম থেকে স্বস্তি মিলতেই নতুন সতর্কতা! দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির দাপট আরও বাড়বে

ভ্যাপসা গরমে দীর্ঘদিন নাজেহাল থাকার পর অবশেষে স্বস্তির বৃষ্টি পেয়েছে দক্ষিণবঙ্গ। শুক্রবার কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ঝড়-বৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে তাপমাত্রা কিছুটা কমেছে এবং আবহাওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে। তবে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনও বৃষ্টি চলবে।আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, যোগ দিবসেও কলকাতায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও এই বৃষ্টি বড় কোনও কর্মসূচিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। তবু আকাশ মেঘলা থাকবে এবং কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।এদিকে ঝাড়খণ্ড সংলগ্ন এলাকায় বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হওয়ায় পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়েছে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ প্রবল ঝড় ও বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরেও কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই জেলাগুলিতেও দমকা হাওয়া, বজ্রপাত এবং মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে এখনও বৃষ্টির দাপট অব্যাহত রয়েছে। জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির জন্য লাল সতর্কতা জারি হয়েছে। প্রবল বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি এলাকায় ধসের আশঙ্কাও রয়েছে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।রবিবার দার্জিলিং এবং কালিম্পং জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা থাকবে। তবে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সোমবারের পর থেকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির তীব্রতা ধীরে ধীরে কমতে পারে।এছাড়াও রবিবার উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, নদিয়া, হুগলি এবং হাওড়া জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী কয়েক দিন বাংলার বিভিন্ন জেলায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বজায় থাকবে। তাই প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনো এবং বজ্রপাতের সময় নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুন ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal