• ২১ বৈশাখ ১৪৩৩, বুধবার ০৬ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bengal

খেলার দুনিয়া

ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্ব নিতে চলেছেন হাই প্রোফাইল ব্রিটিশ কোচ

যাবতীয় জল্পনা-কল্পনার অবসান। আইএসএলে ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্ব নিতে চলেছেন ভারতের প্রাক্তন কোচ স্টিফেন কনস্টানটাইন। ইতিমধ্যেই চুক্তিপত্র পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে তাঁর কাছে। শেষ মুহূর্তে বড় কোনও অঘটন না ঘটলে ইস্টবেঙ্গলের নতুন মরশুমের হেড কোচ স্টিফেন কনস্ট্যানটাইন। যদিও কলকাতা লিগ ও ডুরান্ডে দায়িত্ব সামলাবেন বিনু জর্জ।অনেকদিন আগেই আইএসএলের জন্য বিদেশি কোচদের তালিকা তৈরি করেছিলেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। তালিকায় জর্জ কোস্টা, সার্জিও লোবেরার সঙ্গে নাম ছিল স্টিফেন কনস্ট্যানটাইনের। অন্য দলেরও প্রস্তাব ছিল তাঁর কাছে। শেষ পর্যন্ত কনস্ট্যানটাইন লালহলুদকেই বেছে নিয়েছেন। নিজের পছন্দের কোচিং স্টাফ নিয়ে ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্ব নিতে চলেছেন এই ব্রিটিশ কোচ।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সাইপ্রাসে কোচিং শুরুর পর বড় দলের দায়িত্ব নেন ১৯৯৯ সালে। তখন থেকে ২০০১ অবধি কনস্টানটাইন নেপালের কোচের দায়িত্ব সামলেছেন। ২০০২ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ভারতীয় দলের কোচের পদে ছিলেন। ২০০৫-০৬ মরশুমে তিনি ইংল্যান্ডের মিলওয়ালের প্রথম দলের কোচ হন। ইংল্যান্ডে এএফসি বোর্নমাউথেও কোচের দায়িত্ব সামলেছেন। ২০০৭ সালে মালাউইয়ের কোচের দায়িত্ব নেওয়ার পর ২০০৮ সালে সরে দাঁড়ান। ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে সুদানের দায়িত্ব নেন। এরপর সাইপ্রাসে এপিইপি, নিয়া সালামিস ফামাগুস্তার কোচের পদেও ছিলেন। ২০১২ থেকে ২০১৩ অবধি এথনিকোস আচনার কোচের দায়িত্ব সামলেছেন। ২০১৩ থেকে ২০১৪ অবধি ছিলেন গ্রীসের ক্লাব আপোলোঁ স্মিরনির সহকারী ম্যানেজার। তার আগে জামাইকা জাতীয় দলের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। ভারতে দ্বিতীয়বার আসার আগে ২০১৪ থেকে ২০১৫ অবধি থিলেন রোয়ান্ডার জাতীয় দলের ম্যানেজার।২০১৫ সালে ভারতের কোচ হিসেবে তিনি প্রত্যাবর্তন করেন। ২০১৯ সাল পর্যন্ত দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর কোচিংয়ে ভারত ২০১৬ সালে সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়। ২০১৮ সালে ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপও জেতে। ২০১৯ সালে এএফসি এশিয়ান কাপ খেলার যোগ্যতাও অর্জন করে কনস্টানটাইনের কোচিংয়ে। অভিজ্ঞ এই কোচের উপরই তাই আস্থা রাখলেন ইমামি গোষ্ঠীর কর্তারা।কলকাতা লিগ ও ডুরান্ডে ইস্টবেঙ্গলের কোচের দায়িত্ব সামলাবেন বিনু জর্জ। বুধবার তিনি কলকাতায় আসবেন বলে জানা যাচ্ছে। লাল হলুদ ক্লাব সূত্রে খবর, সবকিছু ঠিকঠাক চললে ওইদিনই ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে ইমামির চুক্তিও স্বাক্ষরিত হবে। কলকাতা আসার সময় কেরলের কয়েকজন ফুটবলারকেও নিয়ে আসতে পারেন বিনু জর্জ।

জুলাই ২৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ইমামির সঙ্গে চুক্তিজটে ইস্টবেঙ্গলের হাতছাড়া আরও এক বিদেশি স্ট্রাইকার

ইমামির সঙ্গে এখনও চুক্তি না হওয়ায় ফুটবলারদের সি করাতে পারছে না ইস্টবেঙ্গল। প্রাথমিক কথাবার্তা হলেও এর ফলে একের পর এক ফুটবলার হাতছাড়া হয়ে চলেছে লালহলুদের। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে কথাবার্তা অনেকদূর এগিয়েও ভরসা করতে পারলেন না বিদেশি স্ট্রাইকার দেশর্ন ব্রাউন। এবার তিনিও হাতছাড়া। লালহলুদের অপেক্ষায় না থেকে নতুন ক্লাব বেছে নিলেন মেজর সকার লিগে খেলা জামাইকার এই স্ট্রাইকার।শনিবারই দেশর্ন ব্রাউন সই করেছেন মেজর সকার লিগের ক্লাব সাক্রামেন্টোতে। ইস্টবেঙ্গলের পাশাপাশি সাক্রামেন্টোও প্রস্তাব দিয়েছিল ব্রাউনকে। ইস্টবেঙ্গলের টালবাহনার জন্য তিনি মেজর সকার লিগের এই ক্লাবকেই বেছে নিলেন। লালহলুদে সই না করার পেছনে তিনি ক্লাবের চুক্তি জটের কথা জানিয়েছেন।দেশর্ন ব্রাউন ছাড়াও তরুণ গোলকিপার ভাস্কর রায়কেও পাচ্ছে না ইস্টবেঙ্গল। তাঁকেও প্রস্তাব দিয়েছিলেন লালহলুদ কর্তারা। কিন্তু ইমামির সঙ্গে চুক্তি জটের জন্য তিনি আর অপেক্ষা করতে পারলেন না। তাঁকে দলে নেওয়ার জন্য ঝঁাপয়েছিল মুম্বই সিটি এফ সি। দুবছরের চুক্তিতে তিনি মুম্বইতে সি করেছেন। গত মরশুমে আই লিগে রাজস্থান ইউনাইটেডের জার্সিতে দুর্দান্ত খেলেছিলেন। আই লিগের সেরা গোলকিপারের তকমা ছিনিয়ে নিয়েছিলেন। মুম্বই সিটি এফ সির চুক্তিপত্রে সই করার পর তিনি বলেন, মুম্বই সিটির হয়ে আইএসএলে খেলার সুযোগ পাওয়াটা আমার কাছে দারুণ ব্যাপার। এই সুযোগ কাজে লাগাতে আমি বদ্ধপরিকর।এদিকে, সামনের মরশুমের জন্য শক্তিশালী দল গড়ার পথে এগোচ্ছে বেঙ্গালুরু এফ সি। রয় কৃষ্ণাকে তুলে নেওয়ার পর এবার তারা সই করাল অস্ট্রেলিয়ার ডিফেন্ডার অ্যালেক্সজান্ডার জোভানোভিচকে। এশিয়ান কোটার বিদেশি হিসেবে তাঁকে দলে নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও চার ফুটবলারকে সই করাল বেঙ্গালুরু এফসি। এরা হলেন, সুধীর কোটিকালা, অঙ্কিত পদ্মনাভন, ক্লারেন্স এবং ফেলিক্সসন ফার্নান্ডেজ। সুধীরকে দুই বছরের চুক্তিতে এবং অঙ্কিতকে তিন বছরের চুক্তিতে সই করিয়েছে বেঙ্গালুরু এফসি।

জুলাই ২৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এটিকে মোহনবাগানের ঘর ভাঙতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল, লালহলুদের কোচের পদে বড় চমক

ইমামির সঙ্গে এখনও সরকারিভাবে চুক্তি সম্পন্ন হয়নি। কিন্তু লগ্নিকারী সংস্থার সম্মতিতেই দল গঠনের কাজে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছেন লালহলুদ কর্তারা। ফুটবলারদের সঙ্গে পাকা কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে কোচ নিয়োগের দিকেও এক পা বাড়িয়েছে ইস্টবেঙ্গল। প্রস্তাব দেওয়া হয়েছেন কেরলকে সন্তোষ ট্রফিতে চ্যাম্পিয়ন করা বিনু জর্জকে।সঞ্জয় সেন, শঙ্করলাল চক্রবর্তী, রঞ্জন ভট্টাচার্যদের কোচ করার কথাও মাথায় ছিল লালহলুদ কর্তাদের। কিন্তু সন্তোষ ট্রফিতে সাফল্যের কথা মাথায় রেখে কেরলের বিনু জর্জকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সঞ্জয় সেনদেরও একেবারে তালিকা থেকে ঝেড়ে ফেলছেন না লালহলুদ কর্তারা। একান্তই যদি বিনু জর্জের সঙ্গে চুক্তিতে না পোষায় তাহলে সঞ্জয় সেন কিংবা শঙ্করলাল চক্রবর্তীদের কথা ভাবা হবে। বিনু জর্জ ইস্টবেঙ্গলের প্রস্তাবের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। আগেও কলকাতা ময়দানে কোচিং করিয়েছেন বিনু জর্জ। একসময় তিনি ইউনাইটেড স্পোর্টসের কোচের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ আপনি কি আধার কার্ডের আপনার ছবি নি খুশি নন? জেনে নিন আপনার আধার কার্ডের ছবি কীভাবে পরিবর্তন করবেন২০১৯ থেকে ২০২১ পর্যন্ত গোকুলাম কেরলের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর ছিলেন বিনু জর্জ। মূলত কলকাতা লিগের কথা মাথায় রেখেই বিনু জর্জকে প্রস্তাব দিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। ডুরান্ড ও আইএসএলের জন্য বিদেশি কোচ নিয়োগ করবে ইস্টবেঙ্গল। তখন তিনি বিদেশি কোচের সঙ্গে ডুরান্ড এবং আইএসএলে সহকারি হিসেবে কাজ করবেন। এখন দেখার বিনু জর্জ লালহলুদের দায়িত্ব গ্রহন করেন কিনা।এদিকে, এটিকে মোহনবাগানের ঘর ভাঙার উদ্যোগ ইস্টবেঙ্গলের। দীপক টাংরিকে প্রস্তাব দিয়েছেন লালহলুদ কর্তারা। গত মরসুমে এটিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের ফুটবলার দীপক টাংরি নজর কেড়েছিলেন। ডিফেন্সের পাশাপাশি প্রয়োজনে মাঝমাঠে ব্লকারের কাজটাও করতে পারেন তিনি। সন্দেশ ঝিংঘানে মতো দীপককেও বড় অঙ্কের প্রস্তাব দিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। যা যথেষ্ট ভাবাচ্ছে তাঁকে। গত মরসুমে দীপক টাংরির সঙ্গে দুই বছরের চুক্তি করে এটিকে মোহনবাগান। যার ফলে ২০২৩ সালের ৩১ মে দীপকের সঙ্গে চুক্তি শেষ হবে সবুজমেরুনের। তার আগে এই তরুণ ফুটবলারটিকে লালহলুদ জার্সিতে খেলাতে হলে ট্রান্সফার ফি দিতে হবে ইস্টবেঙ্গলকে।

জুলাই ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মেজর লিগ সকারে খেলা স্ট্রাইকারের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত ইস্টবেঙ্গলের

দুএকদিনের মধ্যেই ইমামির সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত হয়ে যাবে ইস্টবেঙ্গলের। চুক্তিপত্রে সইয়ের অপেক্ষা না করে সোমবার থেকেই দলগঠনে ঝাঁপিয়ে পড়লেন লালহলুদ কর্তারা। এদিনই ইমামি কর্তাদের হাতে সামনের মরশুমের জন্য ফুটবলারদের তালিকা তুলে দেওয়া হল। আর সেই তালিকা ধরেই চুক্তি চূড়ান্ত করা হল আমেরিকার মেজর লিগ সকারে খেলা স্ট্রাইকার দেশর্ন ব্রাউনের সঙ্গে। চুক্তিপত্রে শুধু সই করা বাকি।ভারতীয় ফুটবলে যদিও যথেষ্ট পরিচিত নাম দেশর্ন ব্রাউন। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি আইএসএলে খেলছেন। ২০১৯ সালে ডিসি ইউনাইটেডের হয়ে খেলা এই তারকা স্ট্রাইকারকে সই করায় বেঙ্গালুরু এফসি। দুই মরশুম তিনি বেঙ্গালুরু এফসির জার্সি গায়ে খেলেন। এরপর তিনি যোগ দেন নর্থইস্ট ইউনাইটেডে। ২০২০২১ মরশুমে ২২ ম্যাচে তিনি ১২টি গোল করেন। গত মরশুমেও তিনি নর্থইস্ট ইউনাইটেডে ছিলেন। কিন্তু বারবার চোটের কবলে পড়ায় সব ম্যাচে খেলতে পারেননি। মাত্র ১২টি ম্যাচে মাঠে নামতে পেরেছিলেন। গোল করেছিলেন ৭টি।এই মরশুমে নর্থইস্ট ইউনাইটেড দেশর্ন ব্রাউনের প্রতি আগ্রহ দেখায়নি। মহমেডান ব্রাউনকে সাদাকালো জার্সি গায়ে খেলার প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু ব্রাউন আইএসএল খেলা ক্লাবের অপেক্ষায় ছিলেন। এই পরিস্থিতিতে ইস্টবেঙ্গল কর্তারা ব্রাউনের সঙ্গে কথা বলেন। লালহলুদের প্রস্তাব পছন্দ হয় ব্রাউনের। তিনি লালহলুদ কর্তাদের পাকা কথা দেন। কথাবার্তা চূড়ান্ত হয়ে গেলেই এখনও সই হয়নি। আসলে ইমামির সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত না হওয়ায় সইসাবুদ পর্ব সম্ভব হয়নি। কয়েকদিনের মধ্যেই তা হয়ে যাবে। ইমামির সঙ্গে সরকারিভাবে সই পর্ব মিটে যাওয়ার পরই একে একে নতুন ফুটবলারের নাম ঘোষণা করবে ইস্টবেঙ্গল। তখনই সরকারিভাবে দেশর্ন ব্রাউনকে সই করানোর কথা ঘোষণা করা হবে।

জুলাই ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লালহলুদ সমর্থকদের জন্য সুখবর, সোমবারই দলগঠন নিয়ে বৈঠক

দুদফায় ইস্টবেঙ্গল কর্তাদেরল কাছে চুক্তিপত্র পাঠিয়েছিল ইমামি। সেই চুক্তিপত্র আইনজীবীদের দেখিয়ে আবার ইমামি কর্তাদের কাছে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছিলেন লালহলুদ কর্তারা। কয়েকদিনের মধ্যেই চুক্তিপত্রে সই হয়ে যাবে। চুক্তিপত্রে সই না হলেও দলগঠন প্রক্রিয়া বন্ধ রাখতে চাইছে না দুই পক্ষের কর্তারা। কারণ দেরি করলে আর ফুটবলার পাওয়া যাবে না। তাই চুক্তিপত্রে সই হওয়ার আগেই দল গঠন শুরু করতে চাইছেন কর্তারা। এই নিয়ে সোমবার বৈঠকে বসছেন দুই পক্ষের কর্তারা।রবিবার ইমামি ও ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের মধ্যে সামনের মরশুমের দল গঠন নিয়ে আলোচনা হয়। সেই বৈঠকে ঠিক হয়েছে সোমবার আবার সামনাসামনি আলোচনায় বসা হবে। সেই বৈঠকে ইস্টবেঙ্গল কর্তারা লগ্নিকারী সংস্থা ইমামির কর্তাদের হাতে ফুটবলারদের তালিকা তুলে দেবেন। সেই তালিকা অনুযায়ী দলগঠন শুরু হবে। আপাতত কলকাতা লিগ ও ডুরান্ড কাপের জন্য দল গঠন করা হবে। পরে আইএসএলের জন্য নতুন ফুটবলার নেওয়া হবে। কলকাতা লিগ ও ডুরান্ড কাপে নজরকাড়া ফুটবলারদেরও আইএসএলের জন্য দলে রাখা হবে। ১৬ আগস্ট ডুরান্ডে এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচ। হাতে একমাসেরও কম সময়। তাই দুই পক্ষের কর্তারা চাইছেন দ্রুত দল গড়ে অনুশীলনে নামতে।চুক্তি নিয়ে দুই পক্ষের আর টালবাহনা নেই। ইমামির কর্তাদের সঙ্গে লালহলুদ কর্তাদের যে আলোচনা হয়েছিল, তার ভিত্তিতেই চুক্তিপত্রের খসড়া তৈরি করা হয়েছিল। সেটা ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে পাঠানো হয়েছিল। সেই চুক্তিপত্রে অবশ্য কোনও বদলের দাবি করেননি লালহলুদ কর্তারা। ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের দাবি, আর কোনও জটিলতা তৈরি হবে না। এই সপ্তাহেই চুক্তিপত্রে সই হয়ে যাবে।

জুলাই ১৭, ২০২২
রাজ্য

বিজেপির আবার 'মাস্টারস্ট্রোক'? একজন শিয়া মুসলিম নেতা ধনখড়ের স্থলাভিষিক্ত হতে পারেন বাংলায়

ভারতীয় জনতা পার্টি-র সংসদীয় বোর্ড পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে উপ-রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসাবে বেছে নেওয়ায় পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী রাজ্যপাল কে হবেন তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চুড়ান্ত জল্পনা শুরু হয়েছে। মাত্র দুবছর পর ২০২৪-এ লোকসভা নির্বাচন। ২০১৯ সালে পশ্চিমবঙ্গে আশাতীত ভালো ফলের পর ২০২৪-এও রাজ্যে ভালো ফল পেতে মরিয়া বিজেপি শিবির। এই অবস্থায় পশ্চিমবঙ্গে রাজ্যপাল পদে কে বসতে পারেন তা নিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। বিজেপি সূত্রের খবর, তারা পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের পদের জন্য উত্তরপ্রদেশের একজন শিয়া মুসলিম নেতা মুখতার আব্বাস নকভির কথা ভাবছেন। অতি সম্প্রতি রাজ্যসভার সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রক থেকে পদত্যাগ করেছেন তিনি।জগদীপ ধনখড়কে ২০১৯-এ পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছিল৷ সাধারণভাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজ্যপালের নাম চূড়ান্ত করার আগে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এই নাম নিয়ে প্রাথমিকভাবে পরামর্শ করে ঘোষণা করেন। যদিও সাংবিধানিক ভাবে এই আলোচনা কনওভাবেই বাধ্যতামূলক নয়। তবে, ফেডারেল কাঠামোতে এটি একটি প্রচলিত প্রথা। কিন্তু জগদীপ ধনখড়ের ক্ষেত্রে, তৎকালীন তৃণমূল সরকার অভিযোগ করেছিল, রাজ্যপাল হিসাবে ধনখড়ের নাম ঘোষণা করার পরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজ্যপালের নিয়োগের বিষয়ে অবহিত করার জন্য ডেকেছিলেন।সেই সময় পশ্চিমবঙ্গের মুখমন্ত্রী খোলাখুলি ক্ষোভ প্রকাশ করছিলেন। ফলস্বরূপ, ধনখড়ের নিয়োগকে ঘিরে প্রাথমিকভাবে যে ফাটল তৈরি হয়েছিল তা সময়ের সঙ্গে ক্রমশ প্রসারিত হয়। তিক্ততা চরমে পৌঁছয়। ধনখড়ের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ হয়ে রাজ্য বিধানসভায় রাজ্যপালের বিরুদ্ধে নজিরবিহীনভাবে একটি নিন্দা প্রস্তাব নিয়ে আসে।অভিজ্ঞ রাজনৈতিক সচেতন মানুষের প্রশ্ন, এবার কী হবে? পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল নিয়োগের আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে ফোন করবেন অমিত শাহ? লোকসভা নির্বাচনের আগে ধনকড়কে সরিয়ে কেন্দ্র ইতিমধ্যেই তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে ইতিবাচক বার্তা পাঠিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রশ্ন হচ্ছে, আগামী দিনে যে নতুন গভর্নর আসবেন, তিনি কি সংঘাতের পথ ধরে রাখবেন না সমঝোতার পথে হাঁটবেন? বিজেপি সূত্রে খবর, নকভি এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গে যাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন। তিনি একজন প্রাজ্ঞ রাজনৈতিক নেতা। তিনি অটল বিহারী বাজপেয়ী মন্ত্রিসভায় মমতার এক সময়ের সহকর্মীও ছিলেন। একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে নকভি যথেষ্ট দক্ষ ও বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছে এর আগে। অনেক রাজনীতিবিদই মনে করেন যে ধনখড় যেভাবে মমতার প্রকাশ্যে বিরোধিতা করতেন সে পথে হয়তো তিনি হাঁটবেন না। এছাড়া নকভির ওপর সরাসরি আক্রমণ রাজ্যের সংখ্যালঘু ভোটে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। বিষয়টি একদিকে মমতাকে অস্বস্তিতে ফেলবে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা।

জুলাই ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ইস্টবেঙ্গলকে ভরসা করতে পারলেন না, লালহলুদ ছাড়লেন তারকা গোলকিপার

কবে ইমামির সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের চুক্তি হবে, সেটাই এখন কলকাতা ময়দানে বড় প্রশ্ন। লালহলুদ সমর্থকরা যেমন তিতিবিরক্ত, তেমনই ভরসা করতে পারছেন না ফুটবলাররাও। একের পর এক ফুটবলার ইস্টবেঙ্গলের আশা ছেড়ে অন্য ক্লাব খুঁজে নিয়েছেন। এবার সেই রাস্তায় হাঁটলেন গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্য। ইস্টবেঙ্গল ছেড়ে তিনি অন্য ক্লাব বেছে নিলেন। ঢাকঢোল পিছিয়ে গতমরশুমে এটিকে মোহনবাগান থেকে অরিন্দম ভট্টাচার্যকে তুলে নিয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। ২০২০২১ আইএসএলে গোল্ডেন গ্লাভসজয়ী এই গোলকিপারকে রেকর্ড অর্থে সই করিয়েছিলেন লালহলুদ কর্তারা। তাঁর হাতে নেতৃত্বের দায়িত্বও তুলে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু গত আইএসএলে প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফরমেন্স করতে না পারায় মাঝপথেই নেতৃত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন অরিন্দম। এমনকি টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে বিতর্কেও জড়িয়ে পড়েছিলেন। অনেক টাকা খরচ করে নিয়ে এসেও পারফর্ম করতে না পারায় টিম ম্যানেজমেন্টের ক্ষোভও বেড়েছিল অরিন্দমের ওপর। জঘন্য পারফরমেন্সের জন্য, তাঁকে বাধ্য হয়ে বেঞ্চে বসাতে হয়েছিল। এই মরশুমে অরিন্দমকে যে রাখা হবে না, তা পাকাই ছিল। নিজের ভবিষ্যত বুঝে নতুন ক্লাব খুঁজে নিলেন অরিন্দম। সামনের মরশুমে তাঁকে মুম্বই সিটি এফসির জার্সি গায়ে খেলতে দেখা যাবে। অমরিন্দার সিং গত মরশুমে এটিকে মোহনবাগানে যোগ দেওয়ার পর আরও একজন গোলকিপারের খোঁজে ছিল মুম্বই সিটি এফসি। অরিন্দম ভট্টাচার্যকে নিয়ে ফাঁক ভরাট করাল। নিজের খেলার উন্নতির জন্য স্পেনে গিয়ে ট্রেনিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অরিন্দম। ২০০৭ থেকে ২০১২ পর্যন্ত চার্চিল ব্রাদার্সের জার্সিতে খেলেছেন অরিন্দম। ২০১২১৩ মরসুম তিনি খেলেন মোহনবাগানের হয়ে। ২০১৩১৪ মরসুমে ফের চার্চিল ব্রাদার্সে ফিরে যান তিনি। ২০১৪ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত পুনে সিটি এফসির হয়ে মাঠে নামেন। ২০১৫ সালে ভারত এফসি, ২০১৬ সালে স্পোর্টিং ক্লাব দ্যা গোয়া এবং ২০১৭ সালে বেঙ্গালুরু এফসিতে লোনে খেলেন তিনি। ২০১৭-১৮ মরসুমে তিনি খেলেন মুম্বই সিটি এফসির হয়ে। ২০১৮ সালে তিনি যোগ দেন এটিকেতে। এর পর এটিকে এবং মোহনবাগানের ফুটবল দলের সংযুক্তির পর সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে চাপান অরিন্দম। তারপর লালহলুদে।

জুলাই ১৪, ২০২২
রাজ্য

পাহাড়ের সঙ্গে সম্পর্কের বন্ধনে মুখ্যমন্ত্রীর পরিবার, খুশি মমতা

দার্জিলিং সফরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরইমধ্যে বুধবার পাহাড়ের জনপ্রিয় কবি ভানু ভক্তের জন্মদিনের এক অনুষ্ঠানে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী। সেই অনুষ্ঠানে তিনি ফাঁস করেন তাঁর পরিবারের সঙ্গে পাহাড়ের বিশেষ সম্পর্কের কথা। নিজের খুশির কথাও তিনি প্রকাশ্যে জানিয়েছেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আপনারা শুনে খুশি হয়ে যাবেন। আমার এক ভাইপোর সঙ্গে কার্শিয়াংয়ের মেয়ের বিয়ে হচ্ছে। সে আমার বাড়িতে যাওয়ার পর তাঁর কাছ থেকে আমি গোর্খা শিখে নেব। সে ডাক্তার, আমার ভাইপো ডাক্তার। এভাবে পাহাড়ের সঙ্গে আমার সম্পর্ক জুড়ে গেল। আমার রাজ্য় সরকারের সঙ্গে পাহাড়ের যেমন ভাল সম্পর্ক। আমার পরিবারের সঙ্গেও ভাল সম্পর্ক। এতে আমি খুব খুশি হয়েছি।

জুলাই ১৩, ২০২২
রাজ্য

'পায়ে হেঁটে, সাইকেলে ঘুরুন, চারচাকা গাড়িতে ঘোরার দরকার নেই,' নেতা-কর্মীদের কড়া হুঁশিয়ারি অভিষেকের

আলিপুরদুয়ারের সভাতে গিয়ে ক্ষমা চাইলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে দলীয় নেতা-কর্মীদের বার্তা দিলেন মানুষের পাশে থাকার। অভিষেক বলেন, রাজনীতি মানে শুধু ভোটের রাজনীতি নয়। ১০০দিনের কর্মসূচি নিতে হবে। মানুষের কথা বলতে এসেছি। আমি আপনাদের কাছে ক্ষমা চাইতে এসেছি। নিশ্চিতভাবে আমাদের গাফিলতি ছিল। অপনাদের আস্থা বা ভালবাসা আমাদের দোষেই হারিয়েছি। যে কোনও প্রয়োজনে 7887778877 নম্বরে ফোন করবেন।অভিষেক কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দলের একশ্রেণির নেতাদের। তিনি বলেন, মানুষ ভোট দিতে চায়। কয়েকটা লোকের মুখ দেখে ভোট দেয় না। তাঁদের টিকিট দেওয়া হবে না। জেলার দায়িত্ব মানে কেউ কেটা হয়ে গিয়েছে, সেটা চলবে না। বাইকে করে ঘুরুন, পায়ে হেঁটে ঘুরুন, বড় চারচাকায় ঘোরার দরকার নেই। সাইকেলে ঘুরুন। বিরোধী মনে করে ঘুরুন।এরইমধ্যে বিজেপির মন্ত্রী থেকে বিধায়ক নয়া উত্তরবঙ্গ রাজ্যের দাবি তুলেছেন। এই নিয়ে বিতর্ক চলছেই। এদিন অভিষেক জানিয়ে দিলেন তৃণমূলের অভিধানে আর উত্তরবঙ্গ শব্দটাই থাকবে না{ এমনকী তিনি সাংবাদিকদের কাছেও আবেদন করেছেন উত্তরবঙ্গ না লিখতে। অভিষেক বলেন, কোনও দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গ নয়। একটাই বঙ্গ।বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্প নিয়ে বিতর্ক চলছে। একাধিক প্রকল্পে কেন্দ্রীয় সরকার অর্থ দিচ্ছে না বলে অভিযোগ করে আসছে রাজ্য। অভিষেক বলেন, বাংলার মানুষের প্রকল্প বাংলার নামে হবে না প্রধানমন্ত্রীর নামে হবে? পঞ্চায়েত সমিতির নামে রাস্তা হলে এলাকার নামে হবে না সদস্যর নামে হবে? প্রকল্প প্রধানমন্ত্রীর নামে হবে না বাংলার নামে হবে। মুখ্যমন্ত্রী গ্রাম সড়ক প্রকল্প করতে পারত, করেনি। বাংলার নামে করেছে। তাঁর দাবি, ১০০ দিনের ৯হাজার কোটি টাকা, বাংলার আবাস যোজনা ৮হাজার কোটি টাকা, প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা ৫হাজার কোটি টাকা আটকে রেখে দিয়েছে কেন্দ্র।

জুলাই ১২, ২০২২
রাজ্য

চলে গেলেন 'রাজা' দক্ষিণরায়! জলদাপারা'য় দেহত্যাগ করলেন দেশের প্রবীনতম রয়েল বেঙ্গল টাইগার

উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ার জেলার জলদাপাড়ার দক্ষিণ খয়েরবাড়ির ব্যাঘ্র পুনর্বাসন কেন্দ্রে দীর্ঘদিন চিকিৎসা চলার পর রবিবার রাত ২টো নাগাদ দেশের প্রবীনতম রয়েল বেঙ্গল টাইগার রাজা প্রান ত্যাগ করল। তাঁর প্রয়াণে জলদাপাড়া অভয়ারন্য সহ দেশের অগণিত পশুপ্রেমী শোকস্তব্দ। সোমবার জলদাপারা বনদপ্তরের তরফে জানানো হয় এহ মর্মান্তিক সংবাদ।এক বনকর্তা জানান, গত বছর (২০২১) ২৩ আগস্ট রাজার ২৫ তম জন্মদিন বনবিভাগের তরফে মহাসমারোহে পালন করা হয়। ২০০৮ এ সুন্দরবনের খারিতে কুমিরের আক্রমণে গভীর ভাবে আহত হয়েছিল রাজা, তাকে অঙ্গপ্রতিস্থাপন করে সুস্থ করে তোলা হয়। সেই থেকেই রাজা দক্ষিণ খয়েরবাড়ির বাঘ পুনর্বাসন কেন্দ্রের বাসিন্দা।প্রধান বন্যপ্রাণী ওয়ার্ডেন দেবল রায় সংবাদসংস্থা কে জানিয়েছেন সাম্প্রতিক সময়ে কোনও গুরুতর অসুস্থতার লক্ষণ রাজার শরীরে দেখননি পশুচিকিৎসকরা। তাঁরা রাজার মৃত্যুর কারণ মূলত বার্ধক্যজনিত সমস্যা হিসাবে ধারনা করছেন। পশু বিশেষজ্ঞ মতে, বিড়াল শ্রেনীভুক্ত বড় প্রানীদের গড় আয়ু সাধারণভাবে ২০ বছর। সে দিক থেকে দেখলে ব্যাঘ্র পুনর্বাসন কেন্দ্রে সঠিক দেখভাল ও সময়মত চিকিৎসার জন্য রাজা দীর্ঘজিবন লাভ করেছে।জলদাপারা দক্ষিণ খয়েরবাড়ির ব্যাঘ্র পুনর্বাসন কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, রাজার খাঁচার গরাদের ভিত্রে থাকতে একদমই পছন্দ ক্রত না। বনকর্মীরা গরদের সামনে দাঁড়িয়ে কথা বললে তিনি একদমই পছন্দ করতেন না। রাজার কিছুদিন আগে অবধি দৈনিক খাবারের তালিকায় দশ কেজি মাংস থাকতেই হত।প্রবাদপ্রতিম সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহর অসামান্য এক উপন্যাস বাঘের আত্মকাহিনীর কথা টেনে বলতে ইচ্ছে করছে বাজা তোরা রাজা যায়।।

জুলাই ১২, ২০২২
দেশ

দ্রৌপদী মুর্মু ভোটপ্রচারে শিলিগুড়িতে, কাল কলকাতায়

এনডিএ-র রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মু শিলিগুড়ি পৌঁছেছেন। সোমবার তিনি বাগডোগরা বিমান বন্দরে অবতরণ করেন। বিধায়ক-সাংসদদের কাছে ভোট চাইতে তিনি বাংলায় এসেছেন। শিলিগুড়িতে দ্রৌপদী মুর্মু সিকিম ও আশেপাশের রাজ্যের বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। আগমিকাল তিনি কলকাতায় যাবেন। সেখানে এরাজ্যের দলীয় বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন উত্তরবঙ্গে আছেন। তৃণমূল নেত্রী এর আগে রাষ্ট্রপতি পদে বিরোধীদের বিজেপির বিরুদ্ধে একজোট করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। অবিজেপি দলের রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন যশবন্ত সিনহা। যদিও পরবর্তীতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, বিজেপি প্রার্থী নিয়ে আলোচনা করেনি। দ্রোপদী মুর্মুর জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানিয়ে দেন তিনি।

জুলাই ১১, ২০২২
রাজ্য

করোনা আক্রান্ত অমর্ত্য সেন, রাজ্যে বেড়েই চলেছে সংক্রমিতের সংখ্যা

করোনার থাবা কিছুতেই কমছে না রাজ্যে। বরং ক্রমশ বেড়েই চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এদিকে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন নোবলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। তিনি শান্তিনিকেতনের বাড়িতেই আইসোলেশনে আছেন। বাড়িতে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছে। আপাতত নোবেলজয়ীর ইংল্যান্ড যাত্রা বাতিল হয়েছে।গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় সংক্রিমত হয়েছেন ২,৯৬৮ জন। গতকাল এই সংখ্যাটা ছিল ২,৯৫০ জন। এদিনও জেলাগুলির মধ্যে আক্রান্তের সংখ্য়ায় শীর্ষে উত্তর ২৪ পরগনা। এই জেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ৭৪৩ জন। ঠিক পরের স্থান কলকাতার। মহানগরে আক্রান্ত হয়েছে ৭৪২জন। মোট ৯টি জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা ১০০-এর ওপর। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরকে চিন্তায় ফেলেছে করোনার এই বাড়বাড়ন্ত। কমার কোনও লক্ষণ আপাতত দেখা যাচ্ছে না।করোনা আক্রান্ত হয়ে একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের। এদিন মোট সুস্থ হয়েছেন ৬৬২ জন। হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৬০৪ জন। হোম আইসোলেশনে আছেন ২০,৫৫৫জন। এদিন পজিটিভিটি রেট ছিল ১৫.৬৯।

জুলাই ০৯, ২০২২
রাজ্য

বাংলায় লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, চতুর্থ ঢেউ কী শুধু সময়ের অপেক্ষা?

বাংলায় করোনা সংক্রমণ ক্রমশ বেড়েই চলেছে। তাহলে কী সত্যি চতুর্থ ঢেউ কি শুধু সময়ের অপেক্ষা? সেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা চতুর্থ ঢেউ নিয়ে আগেই সতর্ক করেছিলেন। একদিকে যেমন লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, সেই সঙ্গে পজিটিভিটি রেটও রোজ বৃদ্ধি পাচ্ছে।রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় বাংলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২,৮৮৯ জন। গতকালের তুলনায় বেড়েছে ৫৩৭ জন। গতকাল আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২,৩৫২। এই মাসের শুরুর দিন ১জুলাই করোনায় সংক্রমিত হয়েছিলেন ১,৭৩৯জন। তখন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ৩২৭ জন। এদিন পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৪৫৯জন।কলকাতাকে ছাপিয়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে উত্তর ২৪ পরগনায়। পাশাপাশি ৯ জেলায় করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১০০-র ওপর। গত ২৪ ঘন্টায় ২ জন করোনা আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে। এদিন পজিটিভিটি রেট ১৮.৭৪ শতাংশ। গতকাল পজিটিভিটি রেট ছিল ১৬.২৪ শতাংশ। ২৪ ঘন্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৬১১ জন।রাজ্যে এখনও পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২০,৪২,৮৩১ জন। সুস্থতার হার ৯৮.১৫ শতাংশ। বাংলায় মোট করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ২২,২৩৩ জন। মৃত্যু হার ১.০৪ শতাংশ। গত ২৪ ঘন্টায় কলকাতায় আক্রান্ত হয়েছে ৮১৯ জন, উত্তর ২৪ পরগনায় ৮৩৪ জন।

জুলাই ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লালহলুদ অন্তঃপ্রান শ্যাম থাপাকে মোহনবাগানরত্ন!‌

লালহলুদের ঘরের ছেলে বলে পরিচিত ছিলেন শ্যাম থাপা। খেলা ছাড়ার পরও মোহনবাগানের থেকে ইস্টবেঙ্গলের প্রতি তাঁর আবেগ বেশি। সেই লালহলুদপ্রেমী শ্যাম থাপাকে কিনা এবছর মোহনবাগানরত্ন দেওয়া হচ্ছে! হ্যাঁ, এটাই বাস্তব। এবছর মোহনবাগান রত্ন পেতে চলেছেন শ্যাম থাপা। ২৯ জুলাই মোহনবাগান দিবসে তাঁর হাসে এই সম্মান তুলে দেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার মোহনবাগানের কার্যকরী কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।১৯৬৬ সালে কলকাতা ময়দানে পেশাদার ফুটবলে আবির্ভাব ঘটে শ্যাম থাপার। সুব্রত কাপে দুর্দান্ত ফুটবল খেলা শ্যামের প্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে ১৯৬৬ সালে তাঁকে সই করায় ইস্টবেঙ্গল। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ পর্যন্ত গোর্খা ব্রিগেডের জার্সি গায়ে খেলেন। এরপর তিনি যোগ দেন মফতলাল মিলসে। ১৯৭৫ সালে আবার লালহলুদে ফিরে আসেন। ইস্টবেঙ্গলের টানা ষষ্ঠ বার কলকাতা লিগ জয়ের দলের সদস্য ছিলেন। ১৯৭৭ সালে শ্যাম থাপাকে তুলে নেয় মোহনবাগান। ১৯৮২ পর্যন্ত সবুজমেরুন জার্সি গায়েই খেলেন তিনি।এবছর জীবনকৃতি পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে প্রাক্তন গোলকিপার বলাই দেকে। কয়েকমাস আগে মোহনবাগান ক্লাবের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছিল, সুভাষ ভৌমিকের নামে একটা পুরস্কার দেওয়া হবে। এবছর সেই পুরস্কার পাচ্ছেন কিয়ান নাসিরি। শিবদাস ভাদুড়ি নামাঙ্কিত বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার পাচ্ছেন লিস্টন কোলাসো। রণব ব্যানার্জির নামাঙ্কিত সেরা ক্রীড়াবিদের পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে বাপি শেখকে। অরুণলালের নামাঙ্কিত সেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার পাচ্ছেন প্রিনান দত্ত। এবছর থেকেই চালু হচ্ছে ক্রীড়া সাংবাদিক পুরস্কার। প্রয়াত মতি নন্দীর নামাঙ্কিত এই পুরস্কার পাচ্ছেন অশোক দাশগুপ্ত। সেরা ক্রীড়া সংগঠকের পুরস্কার পাচ্ছেন গোকুলম কেরলের সভাপতি ভিসি প্রবীণ।করোনা মহামারীর কারণে বিগত দুই বছর ধরে ভার্চুয়ালভাবে মোহনবাগান দিবস পালন করা হয়েছিল। এখন পরিস্থিতি বদলেছে। কোভিডের প্রকোপ কিছুটা কমেছে তাই এবারের মোহনবাগান দিবসকে চিরাচরিত উজ্জ্বল্য ফিরিয়ে আনতে চায় সবুজমেরুনের নতুন কার্যকরী কমিটি। প্রাক্তনদের একটি ম্যাচ আয়োজিত হবে মোহনবাগান দিবসের অনুষ্ঠান শুরুর আগে। অনুষ্ঠান শুরু হবে পৌষালি বন্দ্যোপাধ্যায়ের গান দিয়ে। সবশেষে অনুষ্ঠান করবে চন্দ্রবিন্দু।

জুলাই ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

স্মরণে তরুণ মজুমদার

ফুলেশ্বরী বালিকা বধু বেশে শ্রীমান পৃথ্বীরাজ কে ভালোবাসা ভালোবাসা য় আবদ্ধ করে সংসার সীমান্তে ভালোবাসার বাড়ি তৈরি করলো। এই সম্পর্কে কুহেলি র দাদার কীর্তি ই বেশি ছিল, বাড়ির নাম রাখাল স্মৃতিটুকু থাক। চারিদিক আলো ঝলমলে, পূর্নিমায় চাঁদের বাড়ি মনে হয়। বাড়ির ঠাকুর ঘরের নামকরণ হল আপন আমার আপন। বহু পথ ভোলা পথিকের জন্য চাওয়া পাওয়া ভুলে এই কাঁচের স্বর্গ এ নিমন্ত্রণ রইল। তরুন নিষ্ঠাবান পুরোহিতের কাছে জবা, টগর, গাঁদা, পদ্মশ্রী র পুষ্পঞ্জলি দিলে আনন্দলোক এর অনুভুতি পাবেন। এই প্রেক্ষাপটে তৈরি চলচ্চিত্রটি অনেক ফ্লিমফেয়ার এ প্রদর্শীত ও পুরস্কৃত হয়। রিলিজ হবার পরেই সেন, রায়, মজুমদার, ব্যানার্জী পরিবার ছবিটা দেখে এসে খুব প্রসংসা করেছে।।সুরজিৎ পান(স্কুল শিক্ষক)

জুলাই ০৬, ২০২২
রাজনীতি

'কাজ করতে গেলে ক্ষমতার দরকার', মিঠুন খুশি ২১-এর বিধানসভার ফলে

হায়দরাবাদে বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকের পরই মহাগুরু মিঠুনের কলকাতা আসাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে জোর শোরগোল শুরু হয়েছে। সোমবার মিঠুনের আসাকে কেন্দ্র করে বিজেপির রাজ্য কার্যালয়েও ভিড় ছিল নেতা-কর্মীদের। লোকসভা ভোটের প্রচারের পর এই প্রথম কলকাতায় পা রাখলেন বিজেপি নেতা অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। মিঠুন বলেন, আমি রাজনীতি করি না। মানুষনীতি করি। পশ্চিমবঙ্গের মানুষের জন্য কিছু করতে চাই। প্রশ্ন করা হয়েছিল কেউ বলছে ২৪-এ কেউ বলছে ২৬-এ মমতা সরকার চলে যাবে। মিঠুনের স্পষ্ট জবাব, এ নিয়ে আমি কিছু বলতে পারব না। তবে নির্বাচন পরবর্তী হিংসাতে খুব কষ্ট পেয়েছে বলে জানিয়েছেন কিংবদন্তী অভিনেতা। তাঁর কথায়, রাজনীতি থাকবে রাজনীতির জায়গায়। কেন হিংসা হবে। ২০২১ বিধানসভায় বিজেপির ফলাফল প্রসঙ্গে মিঠুন বলেন, আমি খুব খুশি ৩ থেকে ৭৭ হয়েছে। ৫৫ লক্ষ থেকে ২ কোটি ২৮ লক্ষ ভোট পেয়েছে বিজেপি। এটা সায়েন্স। প্রথমবারেই বাজিমাত হয়ে যাবে। তাতে নিরাশ হওয়ার কারণ নেই। বিজেপি একটা জায়গা তৈরি করেছিল। ওর থেকে ভাল জায়গা হয়েছে। তবে সেই সময় কর্মীরা আরও উৎসাহ পেলে ভাল হত বলে মনে করেন একাধিকবার জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা।ব্যক্তিগত ভাবে মানুষের জন্য় অনেক কাজ করেছেন বলে দাবি করেছেন সুপারস্টার। তবে তাঁর জন্য ক্ষমতার দরকার বলে তিনি মনে করেন। মিঠুন বলেছেন, মানুষের জন্য কাজ করতে গেল পাওয়ারের দরকার। কাজ করতে চাইলেও পারি না। আমাদের সরকার থাকলে মানুষের জন্য আরোও কাজ করতে পারব।

জুলাই ০৪, ২০২২
রাজ্য

শিলিগুড়িতে বাংলা পক্ষর বিজেপির বাংলা ভাগ ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিলে অভুতপুর্ব সাড়া

রবিবার শিলিগুড়ির জলপাই মোড় থেকে শুরু করে পানিটাঙ্কি মোড় অবধি এক প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করে বাংলা পক্ষ। বাংলা পক্ষ জানাই বিজেপির বাংলা ভাগ ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে এই মহা মিছিলের আয়োজন। এই মিছিলে বাংলা পক্ষর বিভিন্ন জেলার সদস্যরা যোগ দেন। বাংলা পক্ষ-র তরফে তাঁদের শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি জনতার কথা কে জানান, প্রায় এক হাজারেরও বেশি সহযোদ্ধা এই মিছিলে পা মেলান। তিনি আরও জানান, এই মহামিছিলে মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত এবং এই দীর্ঘ মিছিলে রাস্তার দুইপাশে উৎসুক বাঙালিদের মধ্যে বিপুল উদ্দীপনার সৃষ্টি করে। বাঙ্গালী ও বাংলা প্রেমী মানুষজন স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই মিছিলে যোগ দেন।মিছিলের নেতৃত্ব দেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়। ছিলেন বাংলা পক্ষর শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, অমিত সেন, ডঃ অরিন্দম বিশ্বাস, মনোজিৎ বন্দোপাধ্যায়, কালাচাঁদ চট্টোপাধ্যায়, বাংলা পক্ষ শিলিগুড়ি জেলা সম্পাদক গিরিধারী রায়, বাংলা পক্ষ জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক অভিষেক মিত্র মজুমদার, বাংলা পক্ষর উত্তর দিনাজপুর জেলা সম্পাদক শুভঙ্কর ঘোষ , বাংলা পক্ষর কোচবিহার নেতৃত্ব প্রশান্ত নাথ ও হাশিফুল হোসেন, প্রমুখ।মিছিল থেকে তাঁরা দাবী তোলেন- বাংলা ভাগ হবেনা। তাঁরা পশ্চিমবঙ্গে দুটি এইমস-র (AIIMS) দাবী তোলেন। তাঁরা বলেন, যেখানে বিহারে দুটো এইমস হতে পারে সেখানে পশ্চিমবঙ্গে একটি কেন? তাঁদের দাবী জলপাইগুড়ি অথবা রায়গঞ্জে বাংলার দ্বিতীয় এইমস। এছাড়াও তারা বেশ কিছুদিন ধরেই উত্তরবঙ্গের রেল ব্যবস্থার উন্নতি-র দাবী করে আসছেন। কয়েকদিন আগেই এর প্রতিবাদে জন্য শিয়ালদহ তে ডিআরএম অফিসে ধর্না দেন। তাঁদের দাবী এনজেপিকে হাব করে কোচবিহার ও মালদা অবধি বিস্তৃত লোকাল ট্রেন নেটওয়ার্ক চালু করা হয়।তাঁরা বেআইনী অনুপ্রবেশের বিরিদ্ধেও সরব হয়েছেন। তাঁরা অনুপ্রবেশ রুখতে নেপাল সীমান্ত সিল করার আবেদন জানান কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে এবং সেখানে সশস্ত্র সীমান্ত রক্ষা বাহিনী (BSF) মোতায়েন করার দাবী তোলেন।

জুলাই ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌বাংলার সঙ্গে দীর্ঘ ক্রিকেট জীবনের সম্পক ছিন্ন করলেন ঋদ্ধিমান

২০০৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলার সিনিয়র দলের জার্সি গায়ে অভিষেক। তারপর মাঝে কেটে গেছে ১৫টা বছর। অবশেষে ১৫ বছর পর বাংলার ক্রিকেটের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করলেন ঋদ্ধিমান সাহা। বাংলা থেকে অন্য রাজ্যের হয়ে খেলার জন্য ছাড়পত্র নিয়ে নিলেন। চললেন ত্রিপুরায়। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে সামনের মরশুমে ত্রিপুরার হয়ে রনজি খেলতে দেখা যাবে ঋদ্ধিমানকে। সামনের সপ্তাহেই চূড়ান্ত হয়ে যাবে ত্রিপুরার সঙ্গে চুক্তি।সোমবার দুপুর ১টা নাগাদ সিএবিতে আসেন ঋদ্ধিমান সাহা। তার আগেই সিএবিতে পোঁছে গিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়া ও সচিব স্নেহাশিস গাঙ্গুলি। তিনজনের মধ্যে রুদ্ধদ্বার বৈঠক শুরু হয়। টানা ৪০ মিনিট ধরে বৈঠক হয়। ঋদ্ধিমানকে বাংলা ছেড়ে না যাওয়ার অনুরোধ করেন অভিষেক ডালমিয়া ও স্নেহাশিস গাঙ্গুলি। দুজনের অনুরোধে সাড়া দেননি ঋদ্ধি। নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন। নো অবজেকশন সার্টিফিকেট নিয়ে নেন। সিএবির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ঋদ্ধিমান সাহা সিএবিতে এসে সভাপতি অভিষেক ডালমিয়ার কাছে রাজ্য ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থার নো অবজেকশন সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করেন। তাঁর আবেদনের প্রেক্ষিতে অন্য রাজ্যের হয়ে খেলার জন্য এনওসি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। ঋদ্ধিমানের জন্য শুভেচ্ছাও জানানো হয়েছে। ভারতীয় টেস্ট দল থেকে বাদ পড়ার পর ঋদ্ধি সিএবিকে জানিয়েছিলেন, তিনি এবছর রঞ্জি খেলবেন না। পারিবারিক কারণেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানান। তারপরই সিএবি যুগ্মসচিব দেবব্রত দাস ঋদ্ধিমানের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। ঋদ্ধিমান দাবি করেছিলেন দেবব্রত দাসের নিঃশর্ত ক্ষমাপ্রার্থনা। সিএবি সভাপতি অভিষেক ডালমিয়া অবশ্য দেবব্রতর বক্তব্যের দায় নিতে চাননি। এরপর রঞ্জি কোয়ার্টার ফাইনালে ঋদ্ধিমানকে বাংলা দলে রাখা হয়। কিন্তু ঋদ্ধির অভিযোগ ছিল, তাঁকে না জানিয়েই এই সিদ্ধান্ত। এরপরই তিনি বাংলার হয়ে আর না খেলার সিদ্ধান্ত নেন। এনওসি পেয়ে ঋদ্ধি বলেন, বাংলা না ছাড়ার জন্য আমাকে আগেও অনুরোধ করা হয়েছিল। আজকেও অনুরোধ করা হয়। কিন্তু আগে থেকেই আমার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে গেছে। আজ এনওসি নিয়ে নিলাম। কোন রাজ্যের হয়ে খেলবেন, সে প্রসঙ্গে ঋদ্ধি বলেন, এখনও সিদ্ধান্ত নিইনি। বেশ কয়েকটা রাজ্যের সঙ্গে কথা হয়েছে। চূড়ান্ত হলে সবাইকে জানাব। ত্রিপুরার সঙ্গে কথা অনেকদূর এগিয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যে চূক্তি চূড়ান্ত হয়ে যাবে। বাংলার সঙ্গে তাঁর কোনও ইগোর লড়াই ছিল না বলে জানিয়েছেন ঋদ্ধিমান।

জুলাই ০২, ২০২২
রাজ্য

বেড়েই চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, সংক্রমিত ১,৭৩৯

একনাগারে বেড়েই চলেছে রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘন্টায় সংক্রমণ হয়েছে ১,৭৩৯ জনের। গত কয়েক দিন পর পর বৃদ্ধি পেয়েছে সংক্রমণ। স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে করোনায় মৃত্যু হয়নি। গতকাল আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১,৫২৪। বুধবার করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১,৪২৪। মঙ্গলবার করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন ৯৫৪।এদিন করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৪৫৬ জন। একদিনে করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১১,৮১১ জনের। পজিটিভি রেট ১৪.৭২শতাংশ। কোভিড আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৩২৭ জন। হোম আইশোলেশনের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭,৯৫০ জন।

জুলাই ০২, ২০২২
রাজ্য

বাংলায় গত ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পেরিয়ে গেল ১৫০০, সংক্রমণ বেড়েই চলেছে

রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গতকালের পর এদিনও বৃদ্ধি পেয়েছে সংক্রমণ। স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ১৫২৪। গতকাল এই সংখ্যা ছিল ১৪২৪। মঙ্গলবার করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন ৯৫৪। করোনায় গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে একজনের। এদিন করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৪১৪ জন। একদিনে করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১১,৮২৭ জনের। পজিটিভি রেট ১২.৮৯শতাংশ। কোভিড আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৩০৩ জন। হোম আইশোলেশনে আছেন ৬,৬৯১।

জুন ৩০, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • 26
  • ...
  • 54
  • 55
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

হার নয়, নতুন লড়াই! “আমি এখন মুক্ত পাখি”—দেশ জয়ের ইঙ্গিত দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ভোটের আগে তিনি বলেছিলেন, বাংলা জিতে দিল্লির দিকে এগোবেন। কিন্তু ফল তাঁর বিপক্ষে গেলেও লক্ষ্য থেকে সরে আসছেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরাজয়ের পর প্রথম সাংবাদিক বৈঠকেই তিনি নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা স্পষ্ট করে দিলেন। তাঁর সাফ কথা, আমি এখন মুক্ত পাখি। কোনও পদে নেই। সাধারণ কর্মীর মতো ইন্ডিয়া জোটকে শক্তিশালী করব।ফল ঘোষণার আগেই বিরোধী শিবিরের একাধিক নেতার সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। তিনি জানান, সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, হেমন্ত সোরেন এবং তেজস্বী যাদব-এর সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। অখিলেশ যাদব আসতে চাইলেও তিনি পরের দিনের জন্য সময় দিতে বলেন।মমতার দাবি, ইন্ডিয়া জোটের নেতারা তাঁর পাশে আছেন। তিনি বলেন, আমি ছোট কর্মীর মতো কাজ করব। ইন্ডিয়া জোটকে আরও শক্তিশালী করব। এই জোট খুব শক্তিশালী হবে।ভোট প্রক্রিয়া নিয়েও গুরুতর অভিযোগ করেছেন তিনি। তাঁর দাবি, বাংলাতেও গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি নির্বাচন ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ভোট গণনার প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে বাইরে থেকে।এই বিষয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী-ও তৃণমূলের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, বাংলা এবং অসমে ভোটে অনিয়ম হয়েছে এবং এটি বৃহত্তর চক্রান্তের অংশ। এমনকি কংগ্রেসের কিছু নেতাকে সতর্কও করেছেন তিনি, যাতে এই পরিস্থিতি নিয়ে ভুল বার্তা না যায়।এতে রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। কংগ্রেস ও তৃণমূল কি আরও কাছাকাছি আসতে চলেছে? ভবিষ্যতে কি কোনও বড় জোট গড়ে উঠতে পারে? এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেননি মমতা। তিনি শুধু বলেন, এই ধরনের কৌশল নিয়ে এখনই কিছু বলব না।পরাজয়ের পরেও তাঁর এই অবস্থান স্পষ্ট করে দিচ্ছে, আগামী দিনে জাতীয় রাজনীতিতে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে চান তিনি।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

চাঞ্চল্যকর বিস্ফোরণ! “রাজভবনে কেন যাব?”—ইস্তফা নয়, চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee), তিনি রাজভবনে যাবেন না। তাঁর সাফ কথা, আমি কেন রাজভবনে যাব? যদি শপথ নিতে যেতাম, তাহলে যেতাম। ওরা দখল করেছে ভেবে আমি পদত্যাগ করতে যাবএটা ভুল। আমরা ভোট হারিনি, তাই ইস্তফা দেওয়ার প্রশ্নই নেই।কংগ্রেসের সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনও জোট হবে কি না, এই প্রশ্নে তিনি কৌশলী উত্তর দেন। জানান, এই বিষয়ে এখনই কিছু বলবেন না।ভোটের ফল ঘোষণার পর একাধিক গুরুতর অভিযোগও তুলেছেন মমতা। তিনি দাবি করেন, বিভিন্ন জায়গায় তাঁর দলের কর্মীদের উপর হামলা হয়েছে। বেলেঘাটায় খুনের ঘটনা, মহিলাদের ধর্ষণের হুমকিএমন অভিযোগও করেন তিনি। তাঁর কথায়, এতে বিশ্বের কাছে ভুল বার্তা যাচ্ছে যে নির্বাচন গণতান্ত্রিক ভাবে হয়নি।তিনি আরও বলেন, মা-মাটি-মানুষকে ধন্যবাদ। ওঁরা ভোট দিয়েছিলেন, কিন্তু আমরা সেই ভোট রক্ষা করতে পারিনি। একই সঙ্গে প্রশ্ন তোলেন, দেশে কি একটাই দল থাকবে?কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকাও তীব্রভাবে আক্রমণ করেন তিনি। অভিযোগ করেন, তারা গুণ্ডার মতো আচরণ করেছে। তাঁর দাবি, এভাবে অত্যাচার চলতে থাকলে খুব তাড়াতাড়ি সত্য সামনে চলে আসবে।মমতা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, তাঁর দলের উপর যদি অত্যাচার করা হয়, তবে তার জবাব মিলবে। তিনি অভিযোগ করেন, জোর করে ভোট দখল করা হয়েছে। এই পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে তিনি দশ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। সেই কমিটি বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে ঘটনার সত্যতা যাচাই করবে।তিনি আরও দাবি করেন, ভোট গণনার সময় তাঁর এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেওয়া হয়েছে। এমনকি তাঁকেও শারীরিকভাবে হেনস্থা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর কথায়, আমাকে ধাক্কা মেরে বের করে দেওয়া হয়েছে। একজন মহিলা হিসেবে যে ব্যবহার করা হয়েছে, তা অত্যন্ত অপমানজনক।মমতা অভিযোগ করেন, সংবাদমাধ্যমের একাংশ আগেই দেখাতে শুরু করেছিল যে তিনি পিছিয়ে রয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা জিতলে বলেছিলাম বদল চাই, বদলা নয়। কিন্তু এখন তিন দিন ধরে অত্যাচার চলছে।তাঁর অভিযোগ, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তফশিলি জাতি ও উপজাতিদের উপরও হামলা হয়েছে। ভাঙর থেকে বারাসত, কলকাতা থেকে জঙ্গলমহলসব জায়গাতেই অশান্তির অভিযোগ তোলেন তিনি।নিজের অবস্থান নিয়ে মমতা বলেন, আমি এখন পদে নেই, আমি স্বাধীন। আমি কখনও বেতন নিইনি, সারা জীবন মানুষের জন্য কাজ করেছি।তিনি আরও দাবি করেন, এমন নির্বাচন তিনি আগে কখনও দেখেননি। সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, উদ্ধব ঠাকরে, হেমন্ত সোরেন-সহ বিরোধী জোটের নেতাদের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে বলে জানান।সবচেয়ে বড় অভিযোগ হিসাবে তিনি বলেন, প্রায় একশো আসন জোর করে কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, লড়াই হয়েছে শুধু একটি দলের বিরুদ্ধে নয়, নির্বাচন ব্যবস্থার বিরুদ্ধেও। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।ভোটের ফলের পর রাজ্যের রাজনৈতিক ছবি আমূল বদলে গিয়েছে। একাধিক মন্ত্রী পরাজিত হয়েছেন, কিছু এলাকায় দল টিকে থাকলেও কয়েকটি জেলায় একেবারে শূন্য হয়ে গিয়েছে তৃণমূল। তবে এই পরিস্থিতিতেও পরাজয় মানতে নারাজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

ফল ঘোষণার পরই চমক! রাজভবনে যাচ্ছেন না মমতা, বললেন “আমরা হারিনি”

সোমবার ভোটের ফল স্পষ্ট হতেই বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দাবি উঠতে থাকে যে এবার রাজ্যের ক্ষমতা গিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টির হাতে। জল্পনা ছিল, বিকেলের মধ্যেই লোকভবনে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু রাত গড়ালেও তিনি সেখানে যাননি।মঙ্গলবার কালীঘাটে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দেন, তিনি পরাজয় মানছেন না। তাঁর কথায়, আমরা হারিনি। তাই লোকভবনে যাওয়ার প্রশ্ন নেই। আমাদের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হয়েছে। যদি শপথ নিতে হত, তাহলে যেতাম।২০১১ সালে যেমন ৩৪ বছরের বামশাসনের অবসান ঘটিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন মমতা, তখন ফলাফল স্পষ্ট হতেই তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য রাজ্যপালের কাছে ইস্তফা দিয়েছিলেন। অনেকেই ভেবেছিলেন, ২০২৬ সালেও একই ছবি দেখা যাবে। কিন্তু সেই প্রত্যাশা ভেঙে দিয়ে এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন অবস্থান নিলেন মমতা।নিয়ম অনুযায়ী রাজ্যপাল আর এন রবি তাঁকে ইস্তফা দিতে বলতে পারেন। তবে মমতা জানিয়েছেন, সেই নির্দেশ এলেও তিনি ইস্তফা দেবেন না। অর্থাৎ ফলাফলকে তিনি কোনওভাবেই মেনে নিতে রাজি নন।এই অবস্থানে তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বিজেপি। দলের মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, এই আচরণ ভারতের সংবিধানের পরিপন্থী।এদিন সাংবাদিক বৈঠকে ভোটের ফল নিয়ে আরও বিস্ফোরক অভিযোগ করেন মমতা। তিনি বলেন, সকাল থেকেই সংবাদমাধ্যমে বিজেপির জয়ের খবর দেখানো হচ্ছিল। কয়েক রাউন্ড গণনার পর থেকেই তাঁদের কর্মীদের উপর হামলা শুরু হয় বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, কর্মীদের মারধর করা হয়েছে, মহিলাদেরও রেহাই দেওয়া হয়নি, এমনকি গুরুত্বপূর্ণ নথিও কেড়ে নেওয়া হয়েছে।মমতা আরও বলেন, তাঁকেও অপমানের মুখে পড়তে হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, তাঁকে ধাক্কা মেরে বের করে দেওয়া হয় এবং শারীরিকভাবে হেনস্থা করা হয়। তাঁর কথায়, একজন মহিলা এবং একজন মানুষ হিসেবে যে অপমান করা হয়েছে, তাতে বোঝা যায় কর্মীদের সঙ্গে কী করা হয়েছে।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

নবান্নে নজিরবিহীন দৃশ্য! কর্মীদের মুখে ‘জয় শ্রীরাম’—গেরুয়া আবিরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ল প্রশাসন

বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির জয়ের পর নবান্নে দেখা গেল এক বিরল ছবি। ফল প্রকাশের পরই নবান্নের ভিতরে সরকারি কর্মচারীদের একাংশের মুখে শোনা গেল জয় শ্রীরাম স্লোগান। বিভিন্ন তলা থেকে কর্মীদের বাইরে বেরিয়ে এসে স্লোগান দিতে দেখা যায়। গেরুয়া আবিরে একে অপরকে শুভেচ্ছা জানানোর ছবিও সামনে আসে।চোখে পড়ার মতো বিষয়, মহিলা ও পুরুষউভয় কর্মীদেরই এই উচ্ছ্বাসে অংশ নিতে দেখা যায়। নবান্নের বিভিন্ন তলায় একই ছবি ধরা পড়ে। কর্মীদের দাবি, এতদিন তারা ভয়ের মধ্যে কাজ করতেন, এখন সেই ভয় কাটিয়ে উঠেছেন। তাঁদের কথায়, এখন আমরা মুক্ত।অন্যদিকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তেও জয় উদ্যাপনে মেতে উঠেছেন ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মী ও সমর্থকরা। বিশেষ করে বিধাননগরের গণনাকেন্দ্রের বাইরে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে।এই নির্বাচনে প্রায় ১৫ বছর পর বাংলায় বড় রাজনৈতিক পালাবদল ঘটেছে। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে ভারতীয় জনতা পার্টি। ফলাফল অনুযায়ী, তারা ২০৭টি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৮০টি আসন।উত্তর থেকে দক্ষিণরাজ্যের প্রায় সর্বত্রই গেরুয়া শিবিরের সাফল্য চোখে পড়েছে। তৃণমূলের একাধিক শক্ত ঘাঁটিতেও এবার জয় ছিনিয়ে নিয়েছে তারা।নবান্নের আশপাশেও গেরুয়া পতাকা উড়তে দেখা গিয়েছে। ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকেই পরিবর্তনের আবহ স্পষ্ট হয়েছে রাজ্যের প্রশাসনিক কেন্দ্রেও।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বড় ঘোষণা! বাংলায় সরকার গঠনের আগে বড় দায়িত্বে অমিত শাহ—মুখ্যমন্ত্রী কে হচ্ছেন?

বাংলার ভোটে বহু প্রতীক্ষিত জয়ের পর এখন সরকার গঠনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। গেরুয়া ঝড়ে কার্যত বিপর্যস্ত হয়েছে তৃণমূল শিবির। এই পরিস্থিতির মধ্যেই দলের কেন্দ্রীয় সংসদীয় বোর্ড পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের জন্য কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে। এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অমিত শাহ-কে।দল সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলায় পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়া তিনি তদারকি করবেন। তাঁর সঙ্গে সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি-কে। এই দুই নেতার উপরই এখন বড় দায়িত্ব, কারণ তাঁদের তত্ত্বাবধানেই ঠিক হবে বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন।মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবিদার নিয়ে ইতিমধ্যেই জল্পনা শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের শীর্ষ নেতৃত্বের এই পদক্ষেপ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এখন সকলের নজর, শেষ পর্যন্ত কাকে বেছে নেয় পদ্ম শিবিরের নেতৃত্ব।অন্যদিকে অসমেও একইভাবে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে দল। সেখানে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক করা হয়েছে জেপি নাড্ডা-কে। সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নবাব সিং সাইনি। দল ইতিমধ্যেই বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।উল্লেখ্য, বুথ ফেরত সমীক্ষার ইঙ্গিতকেই সত্যি করে বাংলায় বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। দুইশোর বেশি আসন পেয়েছে তারা। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস শতকের গণ্ডিও পার করতে পারেনি।ফলাফল অনুযায়ী, বিজেপি পেয়েছে ২০৭টি আসন, তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৮০টি আসন। কংগ্রেস পেয়েছে ২টি আসন। হুমায়ুনের আম জনতা উন্নয়ন পার্টিও পেয়েছে ২টি আসন। এছাড়া সিপিএম এবং আইএসএফ পেয়েছে ১টি করে আসন।তবে এই ফলাফল নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল। তাদের অভিযোগ, ভোট প্রক্রিয়ায় একাধিক অনিয়ম হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। যদিও রেকর্ড সংখ্যক ভোটদানের সাক্ষী থেকেছে গোটা রাজ্য, যা দেশের নজর কেড়েছে।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত! মমতার বাড়ির সামনে থেকে সরল কড়া নিরাপত্তা, কী ঘটছে ভিতরে?

এখনও ইস্তফা দেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে তাঁর নামের পাশে প্রাক্তন শব্দটি যুক্ত হওয়া এখন সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে দুই শতাধিক আসন পেয়ে জয়ী হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। এমনকি তাঁর নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরেও প্রায় পনেরো হাজার ভোটে পরাজিত হয়েছেন তিনি (Mamata Banerjee)।এই পরিস্থিতিতে তাঁর পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। এরই মধ্যে সামনে এল আরও এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ছবি। তাঁর বাড়ির সামনে থেকে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেকটাই সরিয়ে নেওয়া হয়েছে (Mamata Banerjee)।দীর্ঘদিন ধরেই কলকাতার হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাড়িতেই থাকেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এই বাড়িতেই তাঁর রাজনৈতিক জীবনের দীর্ঘ পথচলা। সময়ের সঙ্গে বাড়ির আশপাশের পরিবেশ বদলালেও তাঁর বাড়ির গঠন খুব একটা বদলায়নি। তবে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর ওই এলাকার নিরাপত্তা অনেকটাই বাড়ানো হয়েছিল।বিশেষ করে ২০১৬ সালের পর তাঁর বাড়ির সামনে শক্ত নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়। বাড়ির সামনে রাস্তা প্রায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। বাইরের কেউ ওই এলাকায় ঢুকতে গেলে গার্ডরেল পেরোতে হত এবং কারণ জানাতে হত। এমনকি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও নিজেদের পরিচয় জানিয়ে ঢুকতে হত (Mamata Banerjee)।এখন সেই গার্ডরেল সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের যাতায়াতে আর আগের মতো বাধা থাকছে না। তবে গলির মুখে পুলিশি নজরদারি এখনও বজায় রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।উল্লেখ্য, অতীতে একাধিকবার তাঁর বাড়ির নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কয়েকবার সন্দেহভাজন ব্যক্তির ঢুকে পড়ার ঘটনাও সামনে এসেছে। এমনকি অস্ত্র নিয়ে ঢোকার অভিযোগও উঠেছিল। বিভিন্ন সময়ে এই ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করা হয়েছে।কয়েক মাস আগেও অভিযোগ উঠেছিল, কিছু অচেনা ব্যক্তি তাঁর বাড়ির আশপাশে সিসিটিভি ক্যামেরার মুখ ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। এই ঘটনাগুলি সামনে আসার পরই নিরাপত্তা আরও কড়া করা হয়েছিল।তবে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির পর সেই নিরাপত্তা বলয়ে শিথিলতা আসায় নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

হার মানলেন না মমতা! পরাজয়ের পরেই বড় ঘোষণা, কালই সাংবাদিক বৈঠক

বিধানসভা নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। হেরে গিয়েছেন দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই পরিস্থিতিতে আগামীকাল মঙ্গলবার কালীঘাটের বাসভবনে সাংবাদিক বৈঠক ডেকেছেন তিনি। বিকেল চারটেয় এই বৈঠক হবে বলে জানা গিয়েছে। সেখানে উপস্থিত থাকবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও।প্রায় পনেরো বছর রাজ্যে ক্ষমতায় থাকার পর এই প্রথমবার বড় পরাজয়ের মুখে পড়ল তৃণমূল। অন্যদিকে বিজেপি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে। ভবানীপুর কেন্দ্রে প্রায় পনেরো হাজারের বেশি ভোটে হেরে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু এই কেন্দ্রই নয়, রাজ্যের একাধিক জায়গায় তৃণমূল পরাজিত হয়েছে। মুর্শিদাবাদ, কলকাতা এবং পূর্ব বর্ধমানের মতো এলাকাতেও বিজেপি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।এর মধ্যেই সোমবার বিকেলে গণনাকেন্দ্রে গিয়ে উত্তেজনার মুখে পড়েন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শাখাওয়াত মেমোরিয়াল গণনাকেন্দ্রে দলের এজেন্টকে বের করে দেওয়ার খবর পেয়ে তিনি হঠাৎই সেখানে পৌঁছে যান। কয়েক ঘণ্টা পর বেরিয়ে এসে তিনি গুরুতর অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, তাঁকে মারধর করা হয়েছে এবং জোর করে হারানো হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রায় একশোটি আসনে ভোট লুঠ হয়েছে।এই ঘটনার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। মমতার এই অভিযোগকে সমর্থন করেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, নির্বাচন কমিশনের সহায়তায় ভোটে কারচুপি হয়েছে এবং বহু আসন ছিনতাই করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আগামীকালের সাংবাদিক বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

মে ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মমতার দুর্গেই ভাঙল ঘাঁটি! ভবানীপুরে বিশাল ব্যবধানে শুভেন্দুর জয়

দীর্ঘদিন ধরে ভবানীপুরে লড়াই করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এবারের নির্বাচনে সেই কেন্দ্রেই বড় ধাক্কা খেলেন তিনি। কুড়ি রাউন্ড গণনা শেষে প্রায় ১৫ হাজার ১১৪ ভোটে তাঁকে পরাজিত করলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। এর ফলে নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুর থেকেও জয়ী হলেন শুভেন্দু।ভবানীপুরে ভোটগণনা ঘিরে দিনভর উত্তেজনা ছিল। গণনার মাঝপথে নিজেই কেন্দ্রে পৌঁছে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, ভোট গণনায় কারচুপি হচ্ছে। যদিও সেই অভিযোগের মধ্যেই গণনা চলতে থাকে। রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ স্পষ্ট হয়ে যায় ফলাফল। দেখা যায়, ২০ রাউন্ড শেষে শুভেন্দু অধিকারী পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৪৬৩ ভোট, আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়েছেন ৫৮ হাজার ৩৪৯ ভোট।নির্বাচনের আগেই শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন, তিনি ধীরে ধীরে ব্যবধান বাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত জিতবেন। তাঁর সেই পূর্বাভাসই যেন মিলল বাস্তবে। শুরুতে কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও পরের রাউন্ডগুলোতে ব্যবধান কমিয়ে শেষে এগিয়ে যান তিনি এবং জয় নিশ্চিত করেন।জয়ী হওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারী প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানান। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, তাঁকে জোর করে হারানো হয়েছে এবং ভোট লুঠ করা হয়েছে। তিনি জানান, এই লড়াই এখানেই শেষ নয়, তিনি আবার ফিরে আসবেন।শুধু ভবানীপুর নয়, নন্দীগ্রামেও জয় পেয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় তৃণমূলের অবস্থানও এই নির্বাচনে দুর্বল হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের মত।

মে ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal