• ১৪ মাঘ ১৪৩২, সোমবার ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

BJP

কলকাতা

একটি রাজনৈতিক দল রাজ্যের শান্তি বিঘ্নিত করার চেষ্টা করছে , টুইট নবান্নের

একটা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল সংকীর্ণতা দেখিয়ে রাজ্যের শান্তি বিঘ্নিত করার চেষ্টা করছে। নাম না করে বিজেপির সমালোচনা করা হল রাজ্য প্রশাসনের তরফ থেকে। রবিবার রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের তরফ থেকে টুইটে লেখা হয় , এ রাজ্যে শিখ ভাইবোনেরা খুব শান্তিতেই বসবাস করেন। সেদিন বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র-সহ এক শিখের গ্রেপ্তারির ঘটনাকে এখন অন্যভাবে দেখা হচ্ছে। একটা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল সংকীর্ণতা দেখিয়ে রাজ্যের শান্তি বিঘ্নিত করার চেষ্টা করছে। কিন্তু রাজ্যবাসী মোটেই এসবে অভ্যস্ত নয়। তাই তাঁরা নিজেদের মতো করে শান্তি বজায় রাখবেন। শিখ ভাইবোনদের প্রতি আমাদের সরকারের সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা, সম্মান আছে। সম্প্রতি একটি অন্য ঘটনা হয়েছে । একজন ব্যক্তি মিছিলে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র বহন করছিলেন। তাঁকে সেই অস্ত্রের সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয় । কিন্তু এখন সেই বিষয়টিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করে স্বরাষ্ট্র দপ্তর । টুইটে লেখেন, তথ্য বিকৃত করা হচ্ছে । ঘটনায় সংকীর্ণ পক্ষপাতী সাম্প্রদায়িক রং দেওয়া হচ্ছে । আরও পড়ুন ঃ মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফের সিবিআই তদন্তের দাবিতে রাজ্যপালের দ্বারস্থ বিজেপি বিজেপি-র নবান্ন অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্রর চেহারা নেয় হাওড়া ও কলকাতা । সেই মিছিল থেকেই পুলিশ পিস্তল উদ্ধার করে । গ্রেপ্তার করা হয় বলবিন্দর সিংকে । মিছিলের একদিন পর বলবিন্দর সিংয়ের গ্রেপ্তারের ভিডিয়ো ভাইরাল হয় । ভিডিয়োয় দেখা যায়, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির সময়ে বলবিন্দর সিংয়ের পাগড়ি খুলে যাচ্ছে । এই ঘটনায় রাজ্য পুলিশের তীব্র নিন্দা করে বিজেপি । পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্দিষ্ট পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানান । অভিযোগ ওঠে, শিখ সম্প্রদায়ের ভাবাবেগে আঘাত করা হয়েছে ।

অক্টোবর ১১, ২০২০
কলকাতা

মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফের সিবিআই তদন্তের দাবিতে রাজ্যপালের দ্বারস্থ বিজেপি

মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফের রাজ্যপালের কাছে গিয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি জানাল তিন সদস্যের বিজেপির একটি প্রতিনিধিদল। সেই দলে ছিলেন বিজেপির জাতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায় , রাজ্যের সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার , রাজ্য সম্পাদক সব্যসাচী দত্ত। রবিবার তাঁরা রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে এই দাবি জানিয়ে চিঠি দেন। রাজ্যপাল তাদের দাবি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। বিজেপি নেতাদের বক্তব্য, এই খুনের ঘটনার পিছনে রাজ্য সরকারের যে ষড়যন্ত্র রয়েছে , সিবিআই তদন্তের মাধ্যমে তা খুঁজে বের করতে হবে। প্রকৃ্ত দোষীদের শাস্তি দিতে হবে। আরও পড়ুন ঃ বিশ্ববাংলা শারদ সম্মান-২০২০ র জন্য নির্দেশিকা জারি রাজ্যের রাজ্যপালকে লেখা চিঠিতে বিজেপির অভিযোগ , সিআইডি যে তদন্ত করছে , সেখানে এই খুনের ঘটনার সঙ্গে প্রকৃ্ত কারা যুক্ত , তা উঠে আসছে না। এছাড়াও তারা রাজ্যপালকে লেখা চিঠিতে অভিযোগ করেন, দেবেন্দ্রনাথ রায় সহ আমাদের একশজনের বেশি সদস্য শাসকদলের হামলার জেরে খুন হয়েছেন। বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায় বলেন, রাজ্যপালের হাতে ক্ষমতা নেই সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার। আমরা চাই যে তদন্ত হচ্ছে সেটা সঠিক হোক। মণীশ শুক্লার পরিবার যেন বিচার পায়।

অক্টোবর ১১, ২০২০
রাজ্য

মণীশ শুক্লাকে হত্যার জন্য ভাড়া করা হয়েছিল ভিন রাজ্যের সুপারি কিলার

টিটাগড়ের বিজেপি কাউন্সিলর মণীশ শুক্লা খুনের ঘটনায় ধৃতদের জেরা করে জানা গেল, স্থানীয় এক প্রভাবশালী নেতা এই ঘটনার পিছনে জড়িয়ে আছে। মণীশ শুক্লাকে হত্যা করার জন্য ভিনরাজ্য থেকে সুপারি কিলারদের ভাড়া করে আনা হয়েছিল বলে জানা যাচ্ছে। পাটনার সেন্ট্রাল জেলে বন্দি কুখ্যাত এক দুষ্কৃতীর সাহায্য নেওয়া হয়েছিল আগ্নেয়াস্ত্র এবং সুপারি কিলার ভাড়া করার জন্য। এর জন্য দুবাই থেকে অর্থও এসেছিল। এই দুষ্কৃতীকে কাজের জন্য টাকা দেওয়ার ভার ছিল খুররমের উপর। সেই টাকা আবার দুবাই থেকে এসেছিল। অন্যতম মূল অভিযুক্ত ব্যবসায়ী মহম্মদ খুররম খান এবং তৃণমূল নেতা ঘনিষ্ঠ সুবোধ যাদবকে জেরা করে এরকম অনেক তথ্যই হাতে এসেছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। আরও পড়ুন ঃ শহিদ জওয়ানের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য রাজ্যপালের উল্লেখ্য , খুররমের বাবার খুনের ঘটনায় মণীশের নাম উঠে আসা থেকেই প্রতিশোধস্পৃহার সূত্রপাত। সেই মূলত মণীশকে খুনের পরিকল্পনা করে। স্থানীয় প্রভাবশালী ওই রাজনৈ্তিক নেতা মনীশ শুক্লার প্রতি খুররমের এই ক্ষোভকে কাজে লাগায়।এমনই অনুমান তদন্তকারীদের। যদিও এই নেতার পরিচয় এখনও বিশদে জানতে পারেননি তদন্তকারীরা। এও জানা গিয়েছে যে এই হত্যাকাণ্ডের জন্য যে সুপারি কিলারদের ভাড়া করা হয়েছিল, তারা সকলে ভিনরাজ্যের, যাদের হদিশ এখনও মেলেনি। প্রসঙ্গত, এই খুনের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

অক্টোবর ০৯, ২০২০
কলকাতা

বিজেপির নবান্ন অভিযানে আটক ১১৩ঃ মুখ্যসচিব

বিজেপির নবান্ন অভিযান মহামারী আইন ও জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইনের পরিপন্থী। কলকাতা ও হাওড়ায় মোট ১১৩ জনকে বিশৃঙ্খলার জন্য আটক করা হয়েছে। কলকাতা পুলিশের এলাকায় ৮৯ জন ও হাওড়া পুলিশের এলাকায় ২৪ জনকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলনে এমনটাই জানালেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে জলকামানে ব্যবহার করা রং নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে প্রশ্ন করা হয়েছিল মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আরও পড়ুনঃ করোনায় প্রয়াত শিক্ষাবিদ আনন্দদেব মুখোপাধ্যায় তিনি সাফ জানিয়ে দেন, জলে হোলির রঙ মেশানো হয়েছিল। যদি এই বিক্ষোভ-মিছিলের পরবর্তী সময় হট্টগোলকারীদের সহজেই চিহ্নিত করা যায়, তার জন্যই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। এদিন মুখ্যসচিব স্পষ্ট জানান, বুধবার সন্ধ্যাতেই আন্দোলনকারী সংগঠনকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছিল শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক ভাবে মিছিল করতে প্রশাসনও সাহায্য করবে। সেই চিঠির জবাব তো আসেইনি বরং চরম মিছিলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছিল বিজেপি। কোথায় জ্বলন্ত টায়ার ইতিউতি ফেলে দেওয়া হয়, কোথাও বোমাবাজি হয়, এমনকী আগ্নেয়াস্ত্র-সহ এক বিজেপি কর্মীকেও আটক করা হয়েছে।

অক্টোবর ০৮, ২০২০
কলকাতা

বিজেপি সন্ত্রাসবাদীদের দল : ফিরহাদ

বিজেপি কোনও রাজনৈতিক দল না। সন্ত্রাসবাদীদের দল বিজেপি। বাংলার শান্ত পরিবেশকে নষ্ট করার চেষ্টা করছে।তাই এই সন্ত্রাসবাদীদের ঠিক করতে যা যা ব্যবস্থা নেওয়া দরকার, পুলিশ প্রশাসনকে বলব সেসব ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। বিজেপির নবান্ন অভিযান নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে এমনটাই জানালেন কলকাতা পুরনিগমের প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম।তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক দলে বোমা চালানো যায় না ,রাজনৈতিক দলের মিছিল থেকে গুলি চলে না বন্দুক থাকে না।রাজনৈতিক দল স্লোগান দেবে, ঝান্ডা নেবে, তার বক্তব্য রাখবে। আরও পড়ুনঃ বিজেপির নবান্ন অভিযানকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র হয়ে উঠল কলকাতা ও হাওড়া এরা বাহু প্রদর্শন করে মানুষকে ভীত সন্ত্রস্ত করছে। যেটা দিল্লির সরকার করছে, রাজ্য বিজেপিও একই কাজ করছে। আমরা ভয় পাইনি। প্রশাসন প্রশাসনের মত চলবে। তৃণমূল কংগ্রেস কাউকে ভয় পায় না। কারণ মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসের পাশে আছে।আমরা সিঙ্গুর নন্দীগ্রামে যে আন্দোলন করেছিলাম সেই আন্দোলনের ভয়াবহতা উপলব্ধি করার ক্ষমতা নেই ।আমরা যে আন্দোলন করেছি ওরা তা ভাবতেই পারে না।ওরা যেটা করছে সেটা গুন্ডামি।

অক্টোবর ০৮, ২০২০
রাজনীতি

হাথরসকাণ্ডের প্রতিবাদে আজ বিকেলে প্রতিবাদ মিছিল মুখ্যমন্ত্রীর

করোনা আবহে আজ উত্তরপ্রদেশের হাথরস ইস্যুতে কলকাতার রাজপথে প্রতিবাদ মিছিল করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। করোনা পরিস্থিতিতে এই প্রথম প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কর্মসূচি নিচ্ছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। শনিবার বিকেল ৪টায় মিছিল বিড়লা প্লানেটোরিয়াম থেকে শুরু হয়ে শেষ হবে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে। শুক্রবার হাথরসে ঢুকতে গিয়ে বাধা পায় তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। অভিযোগ, মাটিতে ফেলে দেওয়া হয় সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েনকে। উত্তরপ্রদেশের হাথরসে দলিত তরুণীর গণধর্ষণে মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষুব্ধ আপামর জনতা। তারওপর যোগী সরকারের কর্মকাণ্ডে ক্ষোভ আরও বাড়ছে। স্থানীয় জেলাশাসক হুমকি দিয়েছেন ওই পরিবারকে। এমনটাই অভিযোগ। কংগ্রেসে নেতা রাহুল গান্ধীকে মেরে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। এর আগে টুইটে উত্তরপ্রদেশের ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার পথে নেমে প্রতিবাদ করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

অক্টোবর ০২, ২০২০
কলকাতা

কমিশনের দারস্থ বিজেপি নেতারা

কলকাতাঃ রাজ্যে ১০৭ পুরসভার ভোট স্থগিত হয়ে রয়েছে গত এক বছর ধরে। সেই ভোট দ্রুত করানোর দাবিতে রাজ্য বিজেপির প্রতিনিধিদল রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দারস্থ হল বৃহস্পতিবার। তারা দ্রুত ভোট করানোর দাবি জানায়। এখন প্রশাসকরা পুরসভার কাজ পরিচালনা করছেন। গত ২২ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোট মত দেয়, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব , এই পুরসভাগুলির ভোট সম্পন্ন করতে হবে। কলকাতা হাইকোটও তাতে সহমত পোষণ করে। এছাড়াও ২০২১ সালের বিধানসভা নিরবাচন যাতে অবাধ ও শান্তিপূণ হয়,সে দাবি জানিয়েছেন তারা।

অক্টোবর ০১, ২০২০
দেশ

মুকুল রায়ের হাতে বাংলার দায়িত্ব দিতে চলেছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব

নয়াদিল্লি: রাজ্য বিজেপির একটাই লক্ষ্য বাংলার শাসনভার নিজেদের হাতে নেওয়া। সেই নিয়ে একাধিকবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বাংলার শীর্ষ স্থানীয় বিজেপি নেতাদের আলোচনা ও বৈঠক হয়েছে। বর্তমানে বিজেপির কেন্দ্রীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার ডাকে দিল্লিতেই রয়েছেছেন মুকুল রায়, দিলীপ ঘোষেরা। আজকের বৈঠকে দিলীপ ঘোষের হাতে নয় বরং মুকুল রায়ের হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে নির্বাচনের আগে বঙ্গ সামলানোর দায়িত্ব। প্রসঙ্গত বিজেপি পার্টির নিয়মে রয়েছে জাতীয় সহ সভাপতি এবং জাতীয় সম্পাদকদের এক একটি রাজ্যের নির্বাচনের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে কে কোন দায়িত্ব পাবে তা ঠিক করে দেন বিজেপির জাতীয় সভাপতি। তবে এতদিন মুকুল রায় বাংলার প্রতিনিধি ছিলেন তাই হিসেব মতো তাঁর হাতে রাজ্যের ভার না যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এই কথা যাতে না ওঠে সেই কারণে আগেই তিনি দিল্লির ভোটার ও দিল্লি থেকে বিজেপির সদস্যও হয়ে গিয়েছেন। বলা বাহুল্য যে হয়ত বাংলা সামলানোর দায়িত্ব দেওয়ার জন্য আগেই মুকুল রায়কে বিজেপি জাতীয় সহ-সভাপতির পদ দেওয়া হয়েছে বাধা দূর করতে। তাই এখন যদি বাংলার দায়িত্ব মুকুল রায়কে দেওয়া হয় সেই নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারবেন না।এটা বলার আর অপেক্ষা রাখে না যে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের উপর নয় বরং বাংলা জয়ের জন্য মুকুল রায়ের উপর আস্থা রাখছে কেন্দ্রীয় বিজেপি। এক সময় তৃণমূলের দাপুটে নেতা ছিলেন মুকুল রায়। সেই কারণে বাংলার খুঁটিনাটি তাঁর থেকে ভালো করে জানা বিজেপির অন্যান্য সদস্যদের পক্ষে সম্ভব নয় সেটা খুব ভালো করেই জানে কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্ব। সেই কারণে দিলীপ ঘোষ বা অন্যান্য বিজেপি নেতাদের থেকে ভোট যুদ্ধে জিততে মুকুল রায়ের হাতেই বৃহস্পতিবার বাংলার দায়িত্ব তুলে দেওয়া হবে বলে সূত্রের খবর। বঙ্গে ২০২১-এর নির্বাচনী যুদ্ধে জিতেতে বিজেপি চাইছে বাংলায় সমগ্র নেতৃত্ব দিক মুকুল রায়।

অক্টোবর ০১, ২০২০
রাজনীতি

গুরুত্ব বাড়ল মুকুল-অনুপমের, বিদ্রোহে চাপ নাকি দলত্যাগের ভাবনা রাহুলের?

রাজ্য বিজেপিতে ফাটল চওড়া হচ্ছে। বিজেপিতে মুকুল রায় পদ পেতেই বাদ পড়ে বিদ্রোহের সুর রাহুল সিনহার গলায়। শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর বিজেপির কেন্দ্রীয় পদাধিকারীদের নাম ঘোষণা হয়েছে‌। সর্বভারতীয় সহ সভাপতি হয়েছেন মুকুল রায়। তাঁর ঘনিষ্ঠ অনুপম হাজরাকে কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। মুখপাত্র করা হয়েছে দার্জিলিঙের সাংসদ রাজু বিস্তাকে। নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন রাহুল সিনহা। এরপরই ক্ষুব্ধ রাহুল সিনহা বলেন, বিজেপির জন্মলগ্ন থেকে চল্লিশ বছর ধরে দলের সেবা করার পুরস্কার পেলাম। তৃণমূল থেকে আসা লোকদের জায়গা করে দিতে আমাকে এই পুরস্কার দেওয়া হলো। এর পক্ষে বা বিপক্ষে আজ কিছু বলব না। যা বলব ১০-১২ দিনের মধ্যে। নিজের ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা তখন ঠিক করব। রাহুলের এই বক্তব্যে জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, তিনি দলত্যাগ করতে পারেন, যোগ দিতে পারেন তৃণমূলেই। অথবা দলের উপর চাপ বাড়াতেই তাঁর এই মন্তব্য। এদিকে, মুকুল রায় বলেন, দল আমাকে গুরুদায়িত্ব দিয়েছে। ঐক্যবদ্ধভাবেই কাজ করব বাংলায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার জন্য।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০
বিবিধ

নারী সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ অগ্নিমিত্রার

২০১৬ থেকে ২০১৮ অবধি ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর পরিসংখ্যান অনুযায়ী মহিলা মুখ্যমন্ত্রী থাকা সত্ত্বেও বাংলার স্থান যৌন নিগ্রহে চতুর্থ, মহিলাদের উপর ঘটে যাওয়া অন্যায়ে তৃতীয় এবং অ্যাসিড আক্রমণে শীর্ষে। আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে প্রশাসনের গাফিলতিতে চলছে অবাধে অ্যাসিড বিক্রি। গত এক দশকে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে নারী ও শিশু পাচারের ঘটনা। মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর বিজেপির রাজ্য সদর দফতরে এমন দাবি করলেন মহিলা মোর্চার সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। গত ৯ বছরে রাজ্যে নারী নিগ্রহে ঘটনা সম্বলিত একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে 'আর নয় মহিলাদের অসুরক্ষা'-র ডাক দেন তিনি। ৯৭২৭২৯৪২৯৪ 'আর নয় অন্যায়'-এর এই নম্বরে ১ টিপে যে কোনও মহিলা যে কোনও সময় অভিযোগ জানাতে পারবেন। এই নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপ বা এসএমএস করেও তাঁদের উপর ঘটে যাওয়া অন্যায় বা অবিচারের অভিযোগ জানানো যাবে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২০
রাজনীতি

তৃণমূলকে সার্কাসের জোকার বললেন সায়ন্তন, দলের লোকেরা ওকেই বলে, পাল্টা দিলীপ

বিজেপি ক্ষমতায় এলে সিঙ্গুরে শিল্প এবং কৃষি দুটোই হবে। কৃষি বিল নিয়ে তৃণমূল-সহ বিরোধীরা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। বাস্তবে এই বিলের ফলে একদিকে কৃষকরা যেমন বেশি দাম পাবেন, তেমনই ক্রেতাদেরও সুবিধা হবে। মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলায় দাঁড়িয়ে এ কথা বলেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। বিজেপির হুগলির সিঙ্গুর সাংগঠনিক মোর্চার উদ্যোগে নসীবপুরে আয়োজিত এক রক্তদান শিবিরে যোগ দিয়ে সায়ন্তন বসু বলেন, তৃণমূল দলটা সার্কাসের জোকারের মতো সংসদের ভেতরে ও বাইরে আচরণ করছে। কিন্তু সংসদ পশ্চিমবঙ্গ নয় যে যেমন খুশি তেমন আচরণ করব। এ সব মেনে নেওয়া হবে না। আরও পড়ুন- অনুব্রতকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েও অনড় নিত্যানন্দ এর পাল্টা তৃণমূলের জেলা সভাপতি দিলীপ যাদব বলেন, যিনি এখানে এসে সাংসদদের সম্পর্কে যে কথাগুলো বলেছেন জোকার সার্কাস বলে সেটা সায়ন্তনবাবুকে তাঁর দলের লোকেরাই বলে থাকেন। উনি এখানে আসেন কলকাতার নেতাদের কাছে নম্বর বাড়াবার জন্য। ওঁর কথার কোন দাম নেই। এদিন বিজেপির হুগলির সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, কৃষকদের কথা তৃণমূলের মুখে মানায় না। সিঙ্গুরে কৃষির কথা বলে যাঁরা ক্ষমতায় এসেছেন তাঁদের আমলে দেখছি সিঙ্গুর কেমন সর্ষে আর কাশফুলে ভর্তি! বিজেপি কৃষককে বাঁচাতে রাস্তায় নামছে আর তৃণমূল নামছে ফড়ে আর দালালদের স্বার্থরক্ষায়। এর পাল্টা দিলীপ যাদব বলেন, আমাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায সিঙ্গুরের কৃষকদের আন্দোলনে যেমন ছিলেন, তেমনই কৃষকদের স্বার্থে তাঁদের পাশেই থাকবেন এবং কৃষকদের উন্নতির জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন। কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষি বিল সাধারণ কৃষকদের বিপদে ফেলবে। দেশের বড় বড় শিল্পপতি পুঁজিপতিরা ফড়ে হিসেবে কাজ করবে। কৃষকদের তো কোনও উপকার হবে না, উপরন্তু কৃষকদের আরও সমস্যার মধ্যে ফেলে দিচ্ছে এই মোদী সরকার। বিজেপি সরকারের আমলে আমাদের দেশে হাজার হাজার কৃষক আত্মহত্যা করেছেন। আর ওদের নেতারা এসে এখানে বড় বড় কথা বলে যাচ্ছেন। শিল্প নিয়ে কথা তুলছেন। বিজেপি কটা শিল্প করেছে? দিন যাচ্ছে দেশের মানুষ কর্মচ্যুত হচ্ছেন। শিল্প বিলগ্নীকরণ করার নামে দেশকে দেউলিয়া করে দিচ্ছে। দুদিন পরে এই সরকারকে বেচুরাম বলে ডাকবে সকলে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২০
রাজনীতি

রাতভর সংসদে অবস্থান, বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দিয়ে মোদীকে বেনজির আক্রমণ মমতার

কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষি বিল নিয়ে দেশজুড়ে লাগাতার আন্দোলনের ডাক দিলেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবাসরীয় রাজ্যসভাকে ব্ল্যাক সানডে আখ্যা দিয়ে সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর তিনি নরেন্দ্র মোদীকে হিটলার, উলঙ্গ রাজা বলেও বেনজির আক্রমণ করেন। এদিন নবান্ন থেকেই দলের মহিলা শাখার সভানেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, করোনা স্বাস্থ্যবিধি না মেনে বিজেপি মিটিং, মিছিল করে করোনা বাড়িয়ে চলেছে। করোনা আবহে কৃষকদের মরোনা বিল এনেছে। এর প্রতিবাদে আন্দোলন সংগঠিত করতে হবে। আজ রাতভর ডেরেক, দোলা-সহ ৮ সাংসদকে সাসপেনশনের প্রতিবাদে সংসদে গান্ধি মূর্তির পাদদেশে রাতভর অবস্থান চলছে। বিভিন্ন বিরোধী দল রয়েছে। আমি বেশ কয়েকবার তাঁদের সঙ্গে কথা বলে সলিডারিটি জানিয়েছি। কৃষকদের জন্য কথা বলতে গিয়ে সাংসদরা সাসপেন্ড হলেও আমি তাঁদের জন্য গর্বিত। তৃণমূলের মহিলা শাখা মঙ্গলবার মেয়ো রোডে গান্ধীমূর্তির পাদদেশে ধরনায় বসবে। পরশু দলের ছাত্র সংগঠন এবং তারপর ক্ষেতমজুর ও কিষানদের সংগঠনকেও পর্যায়ক্রমে পথে নামার নির্দেশ দিয়ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, হিটলারের কায়দায় দেশ চালানো হচ্ছে। ফ্যাসিজম চলছে। রাজ্যসভায় ওদের সাংসদরা ছিল না, প্রয়োজনীয় সংখ্যাও ছিল না। বিলের বিরোধিতায় ডিভিশন চাওয়া যেতেই পারে। কিন্তু তা না করে জোর করে ধ্বনি ভোটে কৃষি বিল পাশ করানো হলো। করোনা ঠেকাতে পারল না, এবার দেশকে দুর্ভিক্ষের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। দেশে দুর্ভিক্ষ, ফুড প্যানডেমিক ডেকে আনতে চাইছে মোদী সরকার। ১৯৪৩-এর মন্বন্তরকে মনে করাচ্ছে। জিনিসের দাম বাড়বে, কৃষকরা দাম পাবেন না, আত্মহত্যা বাড়বে। কালকের ঘটনা নিন্দার যোগ্য। শুধু সাসপেন্ড নয় সাংসদদের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাবও নিয়েছে! বিজেপির আবার নিন্দা প্রস্তাব! সারা দেশের মানুষ ছিঃ ছিঃ বলবে। বলবে এই সরকারের থাকার দরকার নেই। কৃষকদের জমি কেড়ে নেওয়ার চক্রান্ত চলছে। আলু, পেঁয়াজ বাইরে পাঠিয়ে দিচ্ছে। রোজকার জনজীবনে যে খাদ্যসামগ্রীগুলি লাগে সেগুলিকে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে। জিনিসের দাম বাড়লে এ সব মনিটরিং করতাম। এখন রাজ্যের সেই সব ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে চলে গিয়েছে। করোনার সময় অর্ডিন্যান্স এনেছে এ বিষয়ে। একজনই বসে সব চালাবে। মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না, মজুতদার, ফোঁড়েদের সুবিধা করে দিচ্ছে। কৃষকদের পাশাপাশি শ্রমিকদের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করছে। যখন তখন শ্রমিকরা কাজ হারাবেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন সমস্ত রাজনৈতিক দলকে আন্দোলন গড়ে তোলার ডাক দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, প্রয়োজনে তৃণমূল কংগ্রেস পিছনের সারিতে থাকবে। সামনের সারিতে থাকবেন মানুষ। অন্য দলগুলিকেও এগিয়ে আসতে হবে। প্রতিবাদ করলেই ওরা দেশদ্রোহী বলে দেয়। সীতারাম ইয়েচুরিদের সঙ্গে আমার রাজনৈতিক মতাদর্শগত ফারাক আছে। কিন্তু দিল্লিতে যারা দাঙ্গা করল তাদের নাম বাদ দিয়ে কেন বিরোধী দলের নেতাদের নাম চার্জশিটে রাখা হলো। বাংলা আন্দোলন, নবজাগরণের ভূমি। ছাত্রসমাজকেও এগিয়ে আসতে হবে। তাঁদের নিয়ে জেইই, নিটে কী না করল কেন্দ্র! আবার নাকি দুর্গাপুজোর মধ্যে নেট পরীক্ষা নেবে! আমরাই প্রথম প্রতিবাদ করেছি। কাঁসর-ঘণ্টা বাজিয়ে বলব এই বিজেপি সরকার আর নেই দরকার।সব রাজনৈতিক দলগুলো এক হয়েছে কৃষক ইস্যুতে। আগামী দিন শ্রমিক ইস্যুতেও সব রাজনৈতিক দলগুলি এক হবে। শ্রমিকদের ওপর বজ্রাঘাত ও কৃষকদের ওপর প্রত্যাঘাত চলছে। সর্বস্তরের মানুষকে প্রতিবাদে সামিল হতে আহ্বান জানাচ্ছি। চন্দ্রিমার নেতৃত্বে তৃণমূল মহিলা কংগ্রেস কয়েকজনকে নিয়ে হলেও কাল গান্ধীমূর্তির পাদদেশে বসে ধরনা দেবে। কাল মহিলারা, পরশু ছাত্ররা, তারপর দিন আমাদের ক্ষেত মজুর কিষান সংগঠন পথে নামবে। বিজেপি মজুতদার, কালোবাজারিদের সরকার হয়ে গিয়েছে বলে মন্তব্য করেন মমতা। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর গলায় ছিল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর সুরের প্রতিধ্বনি, উলঙ্গ রাজা তোমার কাপড় কোথায়?

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০
রাজনীতি

রাজুর হুমকি সপাটে ওড়ালেন অকুতোভয় স্বপন

১৯৬৭ সাল থেকে রাজনীতি করছি। মৃত্যুকে ভয় পাই না। কোন নেতা কোথায় দাঁড়িয়ে আমাকে নিয়ে কী বলল তা নিয়ে ভাবি না। আমি ক্রিমিনাল কিনা তা জানেন মানুষই। গণদেবতা রয়েছেন, আমার বাঁচা-মরা তাঁদের হাতেই। রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর পূর্ব বর্ধমানের কালনার মধুপুর খেলার মাঠে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভার মঞ্চ থেকে এ কথা বলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূলের জেলা সভাপতি স্বপন দেবনাথ। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে কালনা থানা ঘেরাও করতে এসে বিজেপির রাজ্য সহ সভাপতি রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় হুমকি দেন স্বপন দেবনাথ ও অনুব্রত মণ্ডলকে উত্তরপ্রদেশের কুখ্যাত দুষ্কৃতী বিকাশ দুবের মতো এনকাউন্টার করে মারা হবে। তার প্রেক্ষিতেই সেই হুমকিকে সপাটে ওড়ালেন স্বপন দেবনাথ। এদিনের সভায় রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক প্রকল্প এই এলাকায় কীভাবে কতটা পৌঁছেছে তা পরিসংখ্যান দিয়ে তুলে ধরেন স্বপনবাবু। সভায় বিভিন্ন দল থেকে ১০০ জন তৃণমূলে যোগ দেন। এ ছাড়া ২৪ জন ব্রাহ্মণ পুরোহিত তৃণমূলের পতাকা গ্রহণ করেন। সভায় অন্যদের মধ্যে ছিলেন কালনা ১ নং পঞ্চায়েত সমিতির সভানেত্রী শ্রাবণী পাল, কালনা ১ নং ব্লক সভাপতি শান্তি চাল, তৃণমূল যুব কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি সৌরভ দেবনাথ প্রমুখ। ছবি ও সংবাদ: মোহন সাহা

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
দেশ

তুমুল অশান্তিতে পাশ কৃষি বিল, ঐতিহাসিক দিনকে গণতন্ত্রের হত্যা বলল বিরোধীরা

লোকসভায় নির্বিঘ্নে পাশ হলেও রাজ্যসভায় কৃষি বিল পাশ যে সহজে হবে না তার ইঙ্গিত ছিল। কৃষি বিপণন মন্ত্রী হরসিমরত কউর বাদলের পদত্যাগকে হাতিয়ার করে বিরোধীরা যে অল আউট যাবে তাতে আশ্চর্যের কী! অশান্তির আশঙ্কা মিলে গেল রবিবারের রাজ্যসভায়। কৃষি বিলের বিরোধিতায় হই-হট্টগোল, ওয়েলে নেমে বিরোধীদের তপ্ত স্লোগান, রুল বুক ছিঁড়ে ফেলা, মাইক্রোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা কোনও কিছুই বাদ গেল না। সবই হলো, কিন্তু শেষ হাসি হাসল সরকারপক্ষই। ধ্বনিভোটে রাজ্যসভায় পাশ হয়ে গেল কৃষি সংস্কার সংক্রান্ত দুটি বিল। কৃষি বিল নিয়ে রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর অধিবেশন শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজ্যসভা। এক সময় করোনা বিধিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বিলের প্রতিবাদে ওয়েলে নেমে স্লোগান দিতে দেখা যায় বিরোধী সদস্যদের। সরকারপক্ষের পাল্টা স্লোগানে সরগরম হয়ে ওঠে অধিবেশন। তখন সভা পরিচালনা করছেন ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ নারায়ণ সিং। তিনি সদস্যদের আসন গ্রহণ করতে বলেন। কিন্তু কে শোনে কার কথা? তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ওব্রায়েন-সহ কয়েকজন বিরোধী সাংসদকে দেখা যায় রুল বুক-সহ কাগজপত্র ও মাইক নিয়ে টানাটানি করতে। পরে ডেরেক টুইটে বলেন, সরকারপক্ষ প্রতারণা করেছে। বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতে, তাঁদের কথা যাতে দেশের মানুষের কাছে না পৌঁছয় সেজন্য রাজ্যসভা টিভির সম্প্রচার সেন্সর করা হয়েছে। সাংসদদের সাংবিধানিক অধিকার ছিনিয়ে নিয়ে গণতন্ত্রের পীঠস্থান সংসদে আজ সবচেয়ে খারাপ দৃষ্টান্ত রাখল বিজেপি। যদিও নরেন্দ্র মোদী এদিনও একাধিক টুইট করে বোঝাতে চেয়েছেন এই বিল পাশের ফলে কৃষকদের স্বার্থ সুরক্ষিত হবে। এদিন বিরোধীরা ভোটাভুটি চাইলেও শেষে বিলটি ধ্বনিভোটে পাশ করিয়ে হাঁফ ছাড়ে সরকারপক্ষ। ৭০ বছর পর ভারতের কৃষকরা বঞ্চনার হাত থেকে রক্ষা পেল বলে সওয়াল করেন বিজেপির সভাপতি জে পি নাড্ডা। যদিও কৃষি বিলকে কৃষকদের মৃত্যু পরোয়ানা বলে দাবি করে সরব হয় বিরোধীরা। দুই নতুন কৃষি বিল চাষিদের ক্রীতদাসে পরিণত করবে বলে দাবি করা হয়। একইসঙ্গে বিলের বিরোধিতা করছে এনডিএ শরিক শিরোমণি অকালি দল। বিলকে কৃষক-বিরোধী বলে দাবি করে প্রতিবাদে সরব হয় তারা। বিলের বিরোধিতায় এনডিএ ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছে শিরোমণি অকালি দল। সঙ্গ ছাড়ার হুমকি দিয়েছেন হরিয়ানার দুষ্মন্ত চৌতালাও। সংসদের দুই কক্ষে বিল পাশ হলেও আগামী দিনে মোদী সরকারকে এই বিল বেকায়দায় ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এদিন বিলের বিরোধিতা করে পথে নেমেছে বেশ কয়েকটি কৃষক সংগঠন। পাঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থানের পর এবার প্রতিবাদে শরিক হয়েছে উত্তর ভারতে প্রভাবশালী কৃষক সংগঠন ভারতীয় কৃষক ইউনিয়ন।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
রাজনীতি

বিজেপি কর্মী খুন, উত্তেজনা ময়না-সবং-এ

পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার বাকচার বিজেপি কর্মী দীপক মন্ডলকে বোমা মেরে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। যদিও তৃণমূল কংগ্রেস ওই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। জানা গিয়েছে, ময়নার বাকচায় ওই বিজেপি কর্মীর বাড়ি হলেও পাশেই সবং-এ গিয়েছিল নৈশ ফুলবল খেলা দেখতে। সেখানেই বোমার আঘাতে ঘটনাস্থলেই বিজেপি কর্মী দীপক মন্ডলের মৃত্যু হয়েছে। এলাকায় তীব্র উত্তেজনা রয়েছে। বিজেপির অভিযোগ বেশ কিছু দিন ধরেই দীপক মন্ডল ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ফোনে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। তবে তাঁরা ভাবতে পারেনি এভাবে বোমা মেরে খুন করে দেবে। তখন নৈশ ফুটবল খেলা চলছিল। হঠাৎ বাইক বাহিনী এসে দীপককে ঘিরে বোমা ছুড়তে থাকে। বোমার আঘাতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দীপকের। যদিও তৃণমূলের বক্তব্য, নিজেদের কাছে বোমা মজুত ছিল। তা ফেটেই এই ঘটনা ঘটেছে। পুলিশি তদন্তেই সঠিক তথ্য উঠে আসবে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর জবাব চাইলেন মুকুল-পুত্র

আগামী বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি একক সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়েই বাংলায় ক্ষমতায় আসবে। সেটা বুঝে রাজ্য থেকে জেলাস্তরে অনেকেই তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দিতে যোগাযোগ করছেন। সেবা সপ্তাহ উদযাপনের শেষ দিনে রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর হুগলির শ্রীরামপুরে এক রক্তদান শিবিরে এসে এমন দাবিই করলেন বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়। তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দিয়ে সদ্য রাজ্য কমিটির সদস্য শুভ্রাংশু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জবাবদিহি চেয়ে বলেন, কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ তোলার আগে তিনি বলুন কেন কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পগুলো রাজ্য সরকার রূপায়িত করছে না? আগে তার জবাব দিন তারপরে তো বঞ্চনার প্রশ্ন। তিনি বলেন, বিলগ্নীকরণ নিয়েও তৃণমূল-সহ বিরোধী দলগুলি মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে। শিল্প বিলগ্নীকরণ তো নতুন নয়, ২০০৯ সালে কংগ্রেস সরকারের আমলেও বহু শিল্প বিলগ্নীকরণ হয়েছে। আর বিলগ্নীকরণ মানে তো পুরোপুরি বেচে দেওয়া নয়, এটা মানুষকে বুঝতে হবে। এদিনের অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হুগলি জেলা বিজেপি সভাপতি শ্যামল বসু-সহ দলীয় নেতৃবৃন্দ।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

কেশপুরে বোমাবাজি, নাবালক-সহ নিহত ২, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের তত্ত্ব জোরালো

আবার অশান্ত কেশপুর। রাজ্যে পালাবদলের আগে যে কেশপুর নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, কেশপুর হবে সিপিআইএমের শেষপুর! সেই কেশপুরেই এবার অস্বস্তিতে শাসক দল। এমনিতেই দলের নতুন জেলা, ব্লক, শহর কমিটি ঘোষণার পরেও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কমে তো নি, বরং বেড়েইছে। ফলে বিধানসভা ভোটের আগে কেশপুরের ঘটনা তৃণমূলকে আরও চিন্তায় রাখল। ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর। ব্যাপক বোমাবাজিতে অশান্ত হয়ে ওঠে পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরের দামোদরচক। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বোমাবাজি ও গুলিচালনার ঘটনায় এক নাবালক-সহ দুজনের মৃত্যু হয়েছে। ৫ জন আহতকে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতরা হলেন শেখ নাসির ও ১৪ বছরের শেখ মাজহার। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য সেলিমের ভাই স্বর্ণশিল্পী নাসিরের আজ মুম্বাই ফেরার কথা ছিল। অভিযোগ, বৃহস্পতিবার রাতে তৃণমূল কংগ্রেসের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষের ফলেই এই পরিস্থিতি। তবে তৃণমূলের পাল্টা দাবি, এক সময়ের সিপিআইএমের হার্মাদরাই বিজেপির আশ্রয়ে থেকে এই হামলা চালিয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে রীতিমতো রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় দামোদরচক। লাগাতার বোমার শব্দে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রাতে ব্যাপক বোমাবাজি ও গুলিচালনার ফলে শেখ মাজহার ও শেখ নাসির গুরুতর জখম হন। জানা গিয়েছে, জখমদের প্রথমে কেশপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে মেদিনীপুর জেলা হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানেই চিকিৎসকরা ওই দুজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তৃণমূলের দাবি, কেশপুরের ঘটনা জমি-জায়গা নিয়ে পারিবারিক বিবাদের ফল। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা তৃণমূলের সভাপতি অজিত মাইতি বলেন, হামলাকারীরা সিপিএমের হার্মাদ। তারা কখনও তৃণমূল, কখনও বিজেপির আশ্রয় নেয়। এটা কোনও রাজনৈতিক ঘটনা নয়। তৃণমূল এতো বড়ো দল যে কে কোথায় মিছিলে হাঁটল তা কারও মনে থাকে না। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে নিজেদের স্বার্থ রক্ষার্থে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। সূত্রের খবর, কেশপুর ব্লক তৃণমূল সভাপতি ঘোষণা নিয়ে দলের অন্দরেই বিতর্ক দেখা দিয়েছিল। অজিত মাইতি বলেন, ব্লক সভাপতি ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে এই ঘটনার কোনও যোগ নেই। এসব কোনও বিষয়ই নয়। মৃতরা তৃণমূল সমর্থক বলে দাবি করেছেন জেলা সভাপতি। যদিও নিহতদের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ব্লক সভাপতি উত্তম ত্রিপাঠী ও প্রাক্তন ব্লক সভাপতি সঞ্জয় পানের গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদ লেগেই আছে। নিহতরা প্রাক্তন ব্লক সভাপতি শিবিরের। যেখানে ঘটনা তার দেড় কিলোমিটারের মধ্যে থানা রয়েছে। বর্তমান ব্লক সভাপতির মদতেই পরিকল্পিতভাবে এই ঘটনা বলে অভিযোগ। ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ইন্তাজ আলি ওরফে ঝন্টু পলাতক। সে তৃণমূল কর্মী, ঘটনার পর শাসক দলের কয়েকজন নেতার সঙ্গে তার কথা হয়েছে। মেদিনীপুরে যে বাড়িতে সে গা ঢাকা দিতে চেয়েছিল সেই বাড়ির মালিক রামুকে পুলিশ আটক করেছে। পুলিশ পৌঁছানোর আগেই তৃণমূলের কয়েকজন নেতার সঙ্গে ফোনে কথা বলে সে পালিয়েছে। নিহতদের বাড়ির কাছেই তার বাড়ি। তৃণমূলের জেলা সভাপতি অজিত মাইতি বিজেপিকে দায়ী করলেও বিধায়ক শিউলি সাহা বলেন, নিহতরা তৃণমূলের। যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তারা তৃণমূলের আদর্শে বিশ্বাসী হতে পারে না। কোন দাদার হাত তাদের মাথার উপর আছে তা তদন্ত করে দেখে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হবে এটাই চাই। বিজেপির ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার সভানেত্রী অন্তরা ভট্টাচার্য বলেন, এই ঘটনার পিছনে বিজেপি নেই। এটা তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। তদন্তে তা প্রমাণ হবে। কেন্দ্রীয় এজেন্সি এলে দেখতে পাবে কেশপুরে কত অস্ত্র মজুত করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। জানা গিয়েছে, প্রথম পর্যায়ে পুলিশও পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে ব্যর্থ হয়। অভিজ্ঞ মহলের মতে, শক্ত হাতে না ধরলে ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে আগে এমন অশান্তি আরও বাড়তে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০
রাজনীতি

অনুব্রতর হুমকির পাল্টাতেই কি উত্তপ্ত মল্লারপুর?

বিজেপিকে মেরে হাত, পা ভেঙে দেওয়ার নিদান গত জুলাই মাসের এক দলীয় সভায় দিয়েছিলেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। সম্প্রতি অনুব্রতর ওই উস্কানিমূলক মন্তব্যের প্রতিবাদে মল্লারপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করে বিজেপি। সেই ঘটনার রেশ ধরেই কি পাল্টা প্রতিরোধে সরগরম বীরভূমের মল্লারপুর? বাংলা আবাস যোজনার বাড়ি লিপিবদ্ধ করতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন এক পঞ্চায়েত কর্মী। ওই কর্মীকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। অভিযোগের তির বিজেপির দিকে। ঘটনাটি ঘটেছে ময়ূরেশ্বর ১ নং ব্লকে দক্ষিণগ্রাম পঞ্চায়েতের শিব গ্রাম মোড়ে৷ এই পঞ্চায়েত এখন তৃণমূলের দখলে এলেও দীর্ঘ ১৫ বছর এটি বিজেপির দখলে ছিল। বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর সকাল ৮.৩০ মিনিটে দক্ষিণগ্রাম পঞ্চায়েতে জিআরএস পদে কর্মরত অভিজিৎ গড়াই সরকারি নির্দেশমতো টাওসিয়া গ্রামে বাংলা আবাস যোজনার জিও ট্যাগ করতে যান। ঠিক সেই সময় কয়েকজন যুবক এসে গালিগালাজ করেন, কাজে বাধা দেন বলে অভিযোগ। কারণ জানতে চাইলে শুরু হয় বেপরোয়া লাথি, ঘুষি। প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। এদিন বিকেলে অভিজিৎ বাবু মল্লারপুর থানায় অভিযোগ জানান বিজেপি কর্মী সুশান্ত দে, দীপ কুণ্ডুর নামে। এই অভিযোগের জেরে বিজেপি নেতা তথা মণ্ডল সভাপতি সুশান্ত দে-কে মুক্তির দাবিতে মল্লারপুর থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। মল্লারপুর থেকে সাঁইথিয়া যাওয়ার রাস্তায় বসে বিক্ষোভ চলায় রাস্তা বেশ কিছুক্ষণ অবরুদ্ধ থাকে। এদিকে, ধৃত বিজেপি নেতাকে রামপুরহাট আদালতে তোলা হলে তাঁকে তিন দিন পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
রাজনীতি

আরামবাগে তৃণমূলের বিশাল পদযাত্রা, পরিযায়ী শ্রমিক ইস্যুতে দিলীপকে পাল্টা শান্তনুর

বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ পরিযায়ী শ্রমিকদের যেভাবে অসম্মান করেছেন তার কড়া সমালোচনা করলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার ৮ সেপ্টেম্বর হুগলির আরামবাগে তৃণমূল কংগ্রেসের বিশাল পদযাত্রা ও সমাবেশ হয়। উপস্থিত ছিলেন সাংসদ অপরূপা পোদ্দার, বিধায়ক কৃষ্ণচন্দ্র সাঁতরা, তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়, পৌর প্রশাসক স্বপন নন্দী, ব্লক সভাপতি কমল কুশারী প্রমুখ। সম্প্রতি খড়দহে দিলীপ ঘোষ বলেন, পুলিশের সন্তানদের ডাক্তার- ইঞ্জিনিয়ার নয়, পরিযায়ী শ্রমিক করে ছাড়ব। এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে শান্তনু বলেন, বিজেপি ও তাদের রাজ্য সভাপতি পরিযায়ী শ্রমিকদের কী চোখে দেখেন এই মন্তব্যেই তা বোঝা যায়। আরামবাগে ২০-৩০ হাজার মানুষ আছেন যাঁরা ভিনরাজ্যে নানাবিধ কাজ করে উপার্জন করেন। লকডাউনে তাঁদের ফিরিয়ে এনেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁদের পরিবারগুলিকে বিনামূল্যে রেশনের ব্যবস্থা করেছেন, তাঁরা যাতে কাজ পান প্রশাসনকে দিয়ে তার ব্যবস্থা করেছেন। ভিনরাজ্যে থাকা শ্রমিকদের স্নেহের পরশ প্রকল্পে অর্থসাহায্য করেছেন। তিনিই প্রথম প্রধানমন্ত্রীকে ও বিভিন্ন রাজ্যকে অনুরোধ করেছিলেন পরিযায়ী শ্রমিকদের যত্ন নিতে। এ রাজ্যে থাকা অন্য রাজ্যের শ্রমিকদের জন্য তিনি এতো ভালো বন্দোবস্ত করেছিলেন যে তাঁরা কেউ ফিরে যেতে চাননি। বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিতে পরিযায়ী শ্রমিকদের দুর্দশা সকলেই নিজের চোখে দেখেছেন। দিলীপ ঘোষ সেই শ্রমিকদের নিকৃষ্টতম মনে করে তাঁদের প্রতি অসম্মানজনক কথা বলছেন! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে মানুষ কীভাবে ভালো থাকেন সেদিকে নজর রাখেন। আর কেন্দ্রীয় সরকার মানুষের বিপদেও রাজনীতির স্বার্থ দেখে। রাজ্যের প্রাপ্য না দিয়ে সরকারকে বেকায়দায় ফেলছে। সরকারি সম্পত্তি বিক্রি করা হচ্ছে একের পর এক। ব্যাঙ্কে জনসাধারণের টাকা সুরক্ষিত নয়। এলআইসি নিয়েও আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মানুষের ঘাড়ে জিএসটির বোঝা চাপাচ্ছে। বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী ছাঁটাইয়ের খাঁড়ার নীচে রয়েছেন। আর ভোট এলেই নজর ঘোরাতে বিজেপির যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা শুরু হয়।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
দেশ

জন্মদিনে মোদী সাইক্লিস্ট?

আজ নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিন। সেই জন্মদিনেই প্রধানমন্ত্রী কি ধরা দিলেন নতুন অবতারে? সাইক্লিস্ট হিসেবে? ছবি দেখলে তেমনটাই মনে হচ্ছে। বাস্তবে তা নয়। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে দিল্লিতে বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর সাইকেল র্যালির সূচনা করেন সাংসদ অরুণ সিং। সেখানেই এক সাইক্লিস্ট এসেছিলেন মোদীর মুখোশ আর সানগ্লাস পরে। দূর থেকে দেখে তাই এই ভুল হতেই পারে যে, নরেন্দ্র মোদী সাইক্লিস্ট অবতারে অবতীর্ণ হয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 33
  • 34
  • 35
  • 36
  • 37
  • 38
  • 39
  • 40
  • 41
  • 42
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

শেষ কি আমেরিকার দাপট? আইএমএফ রিপোর্টে চমক, মুখ খুললেন এলন মাস্ক

বিশ্ব অর্থনীতিতে আমেরিকার একছত্র আধিপত্য কি শেষের পথে? সদ্য প্রকাশিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের রিপোর্ট সামনে আসার পর তেমনই ইঙ্গিত মিলছে। আর সেই রিপোর্ট দেখেই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন ধনকুবের এলন মাস্ক। তাঁর মতে, বিশ্ব অর্থনীতিতে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাতে শুরু করেছে।আইএমএফ তাদের সাম্প্রতিক রিপোর্টে ২০২৬ সালে গোটা বিশ্বের সম্ভাব্য আর্থিক প্রবৃদ্ধির হিসাব তুলে ধরেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, বিশ্বের মোট আর্থিক বৃদ্ধিতে আমেরিকাকে ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত। বিশ্ব জিডিপিতে ভারতের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে প্রায় ১৭ শতাংশ। সেই তুলনায় আমেরিকার অবদান মাত্র ৯.৯ শতাংশ। ফলে তালিকায় তৃতীয় স্থানে নেমে গিয়েছে ডলারের দেশ।এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে চিন। বিশ্ব জিডিপিতে চিনের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে ২৬.৬ শতাংশ। অর্থাৎ প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এশিয়ার দুই দেশ চিন এবং ভারত। একসঙ্গে এই দুই দেশের আর্থিক যোগদান দাঁড়াচ্ছে ৪৩.৬ শতাংশ। অর্থাৎ গোটা বিশ্বের প্রায় অর্ধেক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র এখন এশিয়ায়।আইএমএফের রিপোর্টে আরও দেখা গিয়েছে, এই তালিকায় রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভিয়েতনাম, ব্রাজিল, নাইজেরিয়া, জার্মানির মতো দেশগুলিও। তবে ইউরোপ এবং আমেরিকার তুলনায় এশিয়ার দেশগুলির প্রভাব যে দ্রুত বাড়ছে, তা স্পষ্ট।এই রিপোর্ট সোশাল মিডিয়ায় তুলে ধরেই এলন মাস্ক লেখেন, অবশেষে বিশ্বে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাচ্ছে। তাঁর এই মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব অর্থনীতির কেন্দ্র ছিল আমেরিকা ও ইউরোপ। কিন্তু এখন সেই জায়গা দখল করছে চিন ও ভারত।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এলন মাস্কের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন আমেরিকার কড়া শুল্কনীতি এবং কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের জেরে বিশ্ব অর্থনীতি অস্থির। চিন ও ভারতের উপর সবচেয়ে বেশি শুল্ক আরোপ করেছে আমেরিকা। অথচ আইএমএফের রিপোর্ট বলছে, আগামী দিনে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হতে চলেছে এই দুই দেশই।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

মেঝেতে কিশোরী, উপর ঝুঁকে প্রিন্স অ্যান্ড্রু! এপস্টেইন ফাইলসে ফাঁস চাঞ্চল্যকর ছবি

মেঝেতে শুয়ে রয়েছে এক কিশোরী। তাঁর উপর ঝুঁকে পড়ে আছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ প্রিন্স অ্যান্ড্রু। এপস্টেইন ফাইলসের সদ্য প্রকাশিত নথিতে এই ছবি সামনে আসতেই নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। বহুদিন ধরেই যৌন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে অ্যান্ড্রুর সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক চলছিল। এ বার সেই বিতর্ক আরও তীব্র হল নতুন ছবি ও তথ্য প্রকাশ্যে আসায়।এপস্টেইন ফাইলস ঘিরে সামনে এসেছে ব্রিটেনের রাজপরিবারের নামও। গত বছরই জানা যায়, যৌন অপরাধে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল প্রিন্স অ্যান্ড্রুর। সেই ঘটনার পর ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস নিজের ছোট ভাই অ্যান্ড্রুর সমস্ত রাজকীয় উপাধি, সম্মান এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা কেড়ে নেন। রাজপরিবার থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় তাঁকে।এই পরিস্থিতিতেই গত শুক্রবার এপস্টেইন সংক্রান্ত নথির নতুন একটি অংশ প্রকাশ্যে আসে। সেখানে একাধিক ছবিতে দেখা যাচ্ছে, এক অজ্ঞাত পরিচয়ের কিশোরী মাটিতে শুয়ে রয়েছেন। তাঁর পাশে এবং উপর ঝুঁকে আছেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু। একটি ছবিতে দেখা যায়, কিশোরীর পেটের উপর হাত রেখেছেন তিনি। তবে ওই কিশোরী কে, ছবিগুলি কোথায় এবং কবে তোলা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।শুধু ছবি নয়, এই নথিতে উঠে এসেছে আরও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, ২০১০ সালে জেফ্রি এপস্টেইন ও প্রিন্স অ্যান্ড্রুর মধ্যে ইমেলে যোগাযোগ হয়েছিল। সেই ইমেলে এপস্টেইন অ্যান্ড্রুকে লেখেন, তাঁর এক রুশ বান্ধবী রয়েছে, যিনি ২০ থেকে ২৪ তারিখের মধ্যে লন্ডনে থাকবেন। এপস্টেইনের দাবি ছিল, ওই মহিলার সঙ্গে নৈশভোজ অ্যান্ড্রু উপভোগ করবেন। তবে এই রহস্যময়ী রুশ মহিলার সঙ্গে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর আদৌ কখনও দেখা হয়েছিল কি না, তা এখনও জানা যায়নি।নতুন করে সামনে আসা এই নথি ও ছবিকে ঘিরে ফের প্রশ্নের মুখে পড়েছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ। এপস্টেইন কাণ্ডে তাঁর ভূমিকা নিয়ে তদন্ত এবং বিতর্ক যে এখনও শেষ হয়নি, তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
রাজ্য

তৃণমূলের মিছিলে ভাতারে বিধায়কের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগান, মুচকি হাসি বিরোধীদের

বিধানসভা ভোটের আগে প্রার্থী হওয়ার দাবিদারের লড়াই চরমে উঠেছে। ভাতারের তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিলে চোর চোর স্লোগান উঠলো। তবে এই চোর চোর স্লোগান বিজেপির বিরুদ্ধে ছিল না। ভাতারের তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের বিরুদ্ধেই এই চোর চোর স্লোগান উঠেছে মুহূর্মুহু। এই মিছিলে নেতৃত্ব দেন ভাতারের প্রবীণ তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক বনমালী হাজরা। ভাতারের এই মিছিলে স্লোগান ওঠে, মানু চোর, শান্তনু চোর। কেন তাঁদের চোর বলা হচ্ছে? মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, পঞ্চায়েত সমিতি থেকে গ্রামপঞ্চায়েত, সর্বত্র লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতি হচ্ছে। লুঠপাট চলছে। পকেট ভরছে নেতারা। তাদের দাবি, মানগোবিন্দ অধিকারীকে আর যেন বিধায়কপদের টিকিট না দেওয়া হয়। প্রার্থী করতে হবে বনমালী হাজরাকে।সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বিধায়ক পদের টিকিট পাওয়া নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে দড়ি টানাটানি চলছে। কে হবেন বিধানসভার প্রার্থী, এখন সেই প্রতিযোগিতা চলছে। বর্ধমান জেলার প্রায় প্রতিটি জায়গায় দলের তরফে দুই পক্ষের মিছিল হয়। বর্ধমানে কখনও বিধায়ক খোকন দাসের নেতৃত্বের মিছিল হয়, আবার কখনও কাউন্সিলর রাসবিহারী হালদারের নেতৃত্বে পৃথক মিছিল হয়। ভাতারেও সেই অবস্থা চলছে। সেখানে একাংশ চাইছে মানু অধিকারী নয়, বনমালী হাজরাকে তৃণমূল প্রার্থী করুক। তবে তৃণমূলের মিছিলেই নেতৃত্বের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগানে মুচকি হাসছে বিরোধী শিবির।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

রক্তে ভাসল পাকিস্তান! একযোগে জঙ্গি হামলায় মৃত ১২০ ছাড়াল

পরপর গুলির শব্দ, তার পর একের পর এক বিস্ফোরণ। শনিবার ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় কেঁপে উঠল পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।হামলা শুধু গুলি ও বোমাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। সন্ত্রাসীরা কারাগারেও হামলা চালায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের মাস্তুং জেলার একটি জেল ভেঙে প্রায় ৩০ জনেরও বেশি বন্দিকে পালাতে সাহায্য করেছে তারা। একই সঙ্গে নুস্কি জেলার আধাসামরিক বাহিনীর দফতরেও হামলা চালানো হয়। এই হামলায় একাধিক নিরাপত্তারক্ষী আহত হয়েছেন। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৪ জন নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ভয়াবহ হামলার ঘটনাগুলি ঘটেছে বালোচিস্তানে। গত কয়েক মাস ধরেই এই এলাকায় পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে। দফায় দফায় সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন। শনিবারও একযোগে একাধিক জায়গায় হামলা চালানো হয়। এখনও পর্যন্ত কোনও সংগঠন প্রকাশ্যে এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, কোয়েটা, গোদার, মাস্তুং, নুস্কি, দালবানদিন এবং পাঞ্জগুর-সহ বালোচিস্তানের একাধিক জেলায় একসঙ্গে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। হামলার পরই পাল্টা অভিযানে নামে পাকিস্তানের সেনা। সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ান-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা ৪৮ ঘণ্টা ধরে সন্ত্রাসদমন অভিযান চালিয়ে এখনও পর্যন্ত ১৩৩ জনের বেশি জঙ্গিকে খতম করেছে পাক সেনা। শুধু শনিবারেই নিহত হয়েছে অন্তত ৯২ জন সন্ত্রাসী।যদিও এই হামলার দায় বালোচ লিবারেশন আর্মি এখনও স্বীকার করেনি, তবে হামলার দিনেই একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ওই সংগঠন। সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পাকিস্তান সরকার ও সেনার বিরুদ্ধে সংঘর্ষে বন্দুক হাতে অংশ নিচ্ছেন মহিলারাও। এই ছবি নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

ভুল নাকি অপরাধ? গোমাংস কাণ্ডে অলি পাবের ক্ষমা চাওয়ায় প্রশ্ন

সায়ক চক্রবর্তীর গোমাংস বিতর্কে অবশেষে মুখ খুলল পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। পাঁঠার মাংসের বদলে গোমাংস পরিবেশনের অভিযোগে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার দায়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায় তীব্র বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে এই ঐতিহ্যবাহী পাব। রবিবার সোশাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতি জারি করে রেস্তরাঁর তরফে জানানো হয়েছে, এটি একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। এই ঘটনার জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।অলি পাবের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ৩০ জানুয়ারি রাতে রেস্তরাঁর এক কর্মী ভুলবশত একটি গুরুতর ভুল করে ফেলেন। কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। ওই কর্মীর ভুলের জন্য রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ ক্ষমা চেয়েছে এবং জানিয়েছে, অনিচ্ছাকৃতভাবে ক্রেতার ভাবাবেগে আঘাত লাগায় তারা গভীরভাবে দুঃখিত।এদিকে সায়ক চক্রবর্তীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার পুলিশ অলি পাবের বেয়ারা শেখ নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। এই গ্রেপ্তারি ঘিরে শহরজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। একাংশ ওই কর্মীর পাশে দাঁড়ান, আবার অনেকে সেলেব ইনফ্লুয়েন্সারের বিরুদ্ধে রেস্তরাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার অভিযোগ তোলেন। সোশাল মিডিয়ায় প্রশ্ন উঠতে থাকে, ভুল খাবার পরিবেশন করা কি অপরাধ, না কি কর্মীর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে বিষয়টিকে অন্য খাতে বইয়ে দেওয়া হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে অলি পাবের তরফে জানানো হয়, জাতি, ধর্ম বা বর্ণ নির্বিশেষে সকলের প্রতি সম্মানের ভিত্তিতেই রেস্তরাঁটি পরিচালিত হয়। আট দশকের ঐতিহ্য নিয়ে তারা গর্বিত বলেও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে রেস্তরাঁর সমস্ত কর্মী ও সহযোগীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার বার্তাও দেওয়া হয়।এর মাঝেই গুজব ছড়ায় যে এই ঘটনার জেরে অলি পাব বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেই খবরে বহু নিয়মিত অতিথির মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। তবে রবিবারের বিবৃতিতে রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, অলি পাব বন্ধ হচ্ছে না। বরং এই কঠিন সময়ে যাঁরা পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আগের মতোই পরিষেবা চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।এদিকে শুক্রবার রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে পরপর ফেসবুক লাইভে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছিলেন সায়ক চক্রবর্তী। যদিও বর্তমানে সেই পোস্টগুলি আর পাওয়া যাচ্ছে না। জানা গিয়েছে, সেদিন রাতে সায়ক তাঁর দুই বন্ধু অনন্যা গুহ ও সুকান্ত কুণ্ডুর সঙ্গে অলি পাব যান। তাঁরা মাটন স্টেক অর্ডার করেছিলেন। খাবার পরিবেশনের পর প্রথমে খিদের চোটে বিষয়টি বুঝতে পারেননি তাঁরা। পরে টেবিলে আরও একটি স্টেক আসতেই সন্দেহ হয়।সায়কের দাবি, তাঁরা একটি মাত্র স্টেক অর্ডার করেছিলেন। কিন্তু বেয়ারা জানান, দুটি স্টেক অর্ডার করা হয়েছেএকটি মাটন এবং একটি বিফ। তখনই সায়ক প্রতিবাদ করেন। তাঁর কথায়, অজান্তে গরুর মাংস খাওয়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। বচসার মধ্যেই বেয়ারা স্বীকার করেন যে তিনি ভুল করেছেন। বিষয়টি নিয়ে রেস্তরাঁর মধ্যেই উত্তেজনা ছড়ায়। পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন সায়ক। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার ওই বেয়ারাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

গোমাংস বিতর্কে ইউটার্ন! বেয়ারার বিরুদ্ধে এফআইআর প্রত্যাহার সায়কের

রবিবার সোশাল মিডিয়ায় বিবৃতি জারি করে অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছে পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। তাদের বক্তব্যে জানানো হয়েছে, কোনও ক্রেতার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্য তাদের ছিল না। এই ক্ষমা প্রার্থনার কিছুক্ষণের মধ্যেই রেস্তরাঁ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিলেন অভিনেতা ও ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তী।অলি পাবের বিবৃতি প্রকাশের পরই সায়ক সোশাল মিডিয়ায় জানান, তিনি জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেন। তাঁর কথায়, তিনি জনগণের উপর নির্ভরশীল এবং মানুষ যা বলবেন, সেটাই তিনি মেনে নেবেন। সেই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি চাপের মুখেই নিজের অবস্থান বদল করলেন অভিনেতা।গত ২৪ ঘণ্টায় গোমাংস বিতর্ক ঘিরে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয় সোশাল মিডিয়ায়। ঘটনার সূত্রপাত একটি ভ্লগকে কেন্দ্র করে। সেই ভ্লগে রেস্তরাঁর এক বেয়ারার ধর্মীয় পরিচয় উল্লেখ করে মন্তব্য করায় সমালোচনার মুখে পড়েন সায়ক। পরে অলি পাব এবং ওই কর্মীর বিরুদ্ধে পার্ক স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের করেন তিনি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার সকালে গ্রেপ্তার হন রেস্তরাঁর কর্মী শেখ নাসির উদ্দিন। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৯৯ ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়। আদালতে তোলা হলেও শনিবার তিনি জামিন পাননি বলে খবর।এদিকে শনিবার রাতেই সায়কের বিরুদ্ধেও পার্ক স্ট্রিট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নাট্যব্যক্তিত্ব জয়রাজ ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ ছিল, সায়কের বক্তব্য থেকে দাঙ্গায় উসকানি দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠার মধ্যেই রবিবার অলি পাব প্রকাশ্যে ক্ষমা চায়। তার পরই সায়ক নিজে থেকে অভিযোগ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন।সায়ক চক্রবর্তী তাঁর পোস্টে লেখেন, অলি পাব শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চেয়েছে, তাই নতুন করে কোনও গল্প বানানোর প্রয়োজন নেই। তিনি স্বীকার করেন, রাগের মাথায় থানায় গিয়েছিলেন এবং সেই সময় তাঁর মাথা ঠিক ছিল না। তিনি জানান, তিনি কোনওদিন গোমাংস খাননি এবং ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকবেন। অলি পাব ও সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে করা অভিযোগ তিনি প্রত্যাহার করছেন বলেও স্পষ্ট করে দেন।অভিনেতা আরও লেখেন, রেস্তরাঁর ভুল নিয়ে তাঁর সমস্যা ছিল, কিন্তু তাঁর প্রতিক্রিয়াও হয়তো ভুল ছিল। সে জন্য তিনি দুঃখিত। ভবিষ্যতে ভ্লগ বা ইনস্টাগ্রাম কনটেন্ট বানাতে গিয়ে এই ধরনের বিতর্কে জড়াতে চান না বলেও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন, তাঁর হিন্দু-মুসলিম কোনও সমস্যা নেই। তিনি কেবল নিজের কিছু ব্যক্তিগত আচার মেনে চলতে চান। তাঁর কনটেন্ট আগেও মানুষের মধ্যে ঐক্যের কথা বলেছে, ভবিষ্যতেও বলবে। পুরো ঘটনায় অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আবারও দুঃখপ্রকাশ করেন সায়ক।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

বাজেট ২০২৬–এ পশ্চিমবঙ্গের প্রাপ্তি: মেট্রোতে জোরালো বিনিয়োগ, গতি পাচ্ছে ফ্রেট করিডর

কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ পশ্চিমবঙ্গের পরিকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিল কেন্দ্র সরকার। বিশেষ করে কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলের মেট্রো রেল প্রকল্পে অতিরিক্ত বিনিয়োগ এবং রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্য সম্ভাবনাকে চাঙ্গা করতে ফ্রেট করিডর সম্প্রসারণে বরাদ্দএই দুই ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি হয়েছে রাজ্যের।মেট্রো রেলে গতি, শহুরে যাত্রায় স্বস্তির আশ্বাসবাজেটে কলকাতা মেট্রোর একাধিক চলমান ও প্রস্তাবিত প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নিউ গড়িয়াএয়ারপোর্ট মেট্রো, জোকাএসপ্ল্যানেড লাইন এবং ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো করিডরের কাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।কেন্দ্রের দাবি, এই বিনিয়োগের ফলে শহরের যানজট কমবে, যাত্রার সময় বাঁচবে এবং পরিবেশবান্ধব গণপরিবহণ আরও জনপ্রিয় হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মেট্রো নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হলে কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর ২৪ পরগনার যাত্রীদেরও সরাসরি উপকার হবে।কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ কলকাতা মেট্রো সম্প্রসারণে ফের বড়সড় বিনিয়োগের ঘোষণা করল কেন্দ্র সরকার। শহর ও শহরতলির গণপরিবহণকে আরও গতিশীল করতে অরেঞ্জ লাইন, পার্পল লাইন ও গ্রিন লাইনের জন্য মোট ২,১৪১.১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই বরাদ্দকে পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহৎ শহুরে পরিবহণ বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।অরেঞ্জ লাইন: বিমানবন্দরের সঙ্গে সরাসরি সংযোগে জোরনিউ গড়িয়ানেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংযোগকারী অরেঞ্জ লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৭০৫.৫০ কোটি টাকা। এই অর্থ মূলত ভায়াডাক্ট নির্মাণ, স্টেশন অবকাঠামো, সিগন্যালিং ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার কাজে ব্যবহার করা হবে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে দক্ষিণ কলকাতা ও সল্টলেক-নিউ টাউনের সঙ্গে বিমানবন্দরের যাত্রা অনেকটাই সহজ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।পার্পল লাইন: জোকাএসপ্ল্যানেডে শহর-উপশহর সেতুবন্ধনজোকাএসপ্ল্যানেড পার্পল লাইনের জন্য সর্বাধিক বরাদ্দ৯০৬.৬০ কোটি টাকা। এই লাইনের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিম কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্রথমবারের মতো মেট্রো নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হবে। বাজেট বরাদ্দের বড় অংশ যাবে এলিভেটেড স্টেশন নির্মাণ, রোলিং স্টক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে। কেন্দ্রের দাবি, এই লাইনের কাজ দ্রুত শেষ হলে শহরের দক্ষিণ প্রান্তের যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতে বড় স্বস্তি মিলবে।গ্রিন লাইন: পূর্ব-পশ্চিম মেট্রোতে গতি ফেরানোর চেষ্টাপূর্ব-পশ্চিম মেট্রো করিডর বা গ্রিন লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৫২৯.০০ কোটি টাকা। হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর-৫ পর্যন্ত এই লাইন কলকাতার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইস্ট-ওয়েস্ট করিডর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বরাদ্দের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ অংশের প্রযুক্তিগত কাজ, স্টেশন ফিনিশিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।শহুরে পরিবহণে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবপরিবহণ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তিনটি লাইনে বিনিয়োগ শুধু যাত্রী সুবিধা বাড়াবে না, বরং যানজট ও দূষণ কমাতেও বড় ভূমিকা নেবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শহরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনবে এই মেট্রো প্রকল্পগুলি।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬২৭-এ অরেঞ্জ, পার্পল ও গ্রিন লাইনের জন্য ঘোষিত বরাদ্দ কলকাতা মেট্রোকে নতুন মাত্রা দিতে চলেছে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।ফ্রেট করিডর: শিল্প ও বাণিজ্যের নতুন দিগন্তবাজেট ২০২৬-এ পূর্ব ভারতের শিল্প সম্ভাবনাকে সামনে রেখে ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর (EDFC)-এর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সংযোগ আরও শক্ত করার ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যের শিল্পাঞ্চল, বন্দর ও লজিস্টিক হাবগুলিকে এই করিডরের সঙ্গে যুক্ত করতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।বিশেষ করে হলদিয়া বন্দর, দুর্গাপুরআসানসোল শিল্পাঞ্চল এবং কলকাতা বন্দরের সঙ্গে দ্রুত মাল পরিবহণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পরিবহণ খরচ কমবে, শিল্পে বিনিয়োগ বাড়বে এবং রাজ্যে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক তাৎপর্যবিশ্লেষকদের মতে, এই বাজেট বরাদ্দ শুধু পরিকাঠামো উন্নয়ন নয়, বরং পূর্ব ভারতের প্রবৃদ্ধিতে পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় আনার ইঙ্গিতও দিচ্ছে। যদিও রাজ্য সরকার আরও বেশি বরাদ্দের দাবি তুলতে পারে, তবু মেট্রো ও ফ্রেট করিডরএই দুই ক্ষেত্রে ঘোষণাকে রাজ্যের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬এ পশ্চিমবঙ্গের জন্য মেট্রো রেল ও ফ্রেট করিডর সংক্রান্ত বিনিয়োগ রাজ্যের শহুরে জীবনযাত্রা ও শিল্প-বাণিজ্যে নতুন গতি আনতে পারে বলেই আশা।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির ফাঁকে কেন্দ্রের বাজেট: স্বস্তি সীমিত, হতাশা বিস্তৃত

রবিবার সংসদে ২০২৬২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। টানা নবমবার বাজেট বক্তৃতা করলেন তিনি। নরেন্দ্র মোদী তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটি তাঁর সরকারের তৃতীয় পূর্ণাঙ্গ বাজেট। তবে বাজেট বক্তৃতা শেষ হতেই স্পষ্টপ্রত্যাশার পাহাড়ের তুলনায় প্রাপ্তি অনেকটাই খর্ব।বাজেট পেশের আগেই ব্যয় বরাদ্দ ও করছাড় ঘিরে সাধারণ মানুষ থেকে শিল্পমহলসর্বত্র উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ সংসদে ভাষণ শুরু করেন অর্থমন্ত্রী। তার আগে প্রথামাফিক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। কিন্তু বাজেট ঘোষণার পর ক্রমশ স্পষ্ট হয়, বড় কোনও চমক নেই।বিশেষ করে রাজ্যভিত্তিক বরাদ্দের ক্ষেত্রে বাংলা কার্যত ব্রাত্য। পরিকাঠামো, শিল্প বা বিশেষ প্রকল্পকোনও ক্ষেত্রেই রাজ্যের জন্য উল্লেখযোগ্য ঘোষণা শোনা যায়নি। করদাতাদের ক্ষেত্রেও হতাশা চোখে পড়ার মতো। আয়কর কাঠামোয় তেমন কোনও বড় পরিবর্তন বা অতিরিক্ত ছাড় ঘোষণা হয়নি।তবে সম্পূর্ণ হতাশার ছবি নয়। কিছু পণ্যে শুল্ক কমানোর ফলে দৈনন্দিন জীবনে সীমিত হলেও স্বস্তি মিলতে পারে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, বিমানের যন্ত্রাংশে শুল্ক কমানো হবে। এর ফলে বিমান সংক্রান্ত খরচ কমার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে মাইক্রোওভেনের যন্ত্রাংশ-সহ বেশ কিছু বৈদ্যুতিন পণ্যের উপর শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে, যা বাজারদরে প্রভাব ফেলতে পারে।স্বাস্থ্যক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ঘোষণা হিসেবে ১৭টি ক্যানসারের ওষুধে আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। পাশাপাশি ডায়াবেটিসের কিছু ওষুধও সস্তা হতে চলেছে। এতে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা খরচ কিছুটা কমবে বলেই আশা।পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও শুল্কছাড়ের ঘোষণা করা হয়েছে। বৈদ্যুতিন গাড়ির ব্যাটারি এবং সৌরশক্তিচালিত প্যানেলের দাম কমতে পারে। মোবাইল ফোন তৈরির কাঁচামালের উপর শুল্ক কমানোয় দেশীয় স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট সস্তা হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।চামড়াশিল্পকে উৎসাহ দিতে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত আমদানির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকার উচ্চ শুল্কের চাপে থাকা চামড়া রফতানিকারকদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তির খবর। পাশাপাশি বিদেশে পড়াশোনা ও ভ্রমণের খরচ কমার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, স্বস্তির পাশাপাশি চাপও বাড়ছে কিছু ক্ষেত্রে। বিলাসবহুল ঘড়ি এবং বিদেশি মদের উপর কর বাড়ানো হয়েছে। ফলে এই সব পণ্যের দাম আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে। কফি রোস্টিং ও ব্রিউইং মেশিনে ছাড় তুলে নেওয়ায় সেগুলিও আরও ব্যয়বহুল হতে পারে। পাশাপাশি কিছু সার, আমদানিকৃত টেলিভিশন সরঞ্জাম, ক্যামেরা এবং চিত্রগ্রহণ সংক্রান্ত যন্ত্রাংশের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।বাজেট বক্তৃতাজুড়ে আত্মনির্ভর ভারত ও বিকশিত ভারত-এর কথা বারবার উঠে এসেছে। অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার এবং ভোক্তাদের স্বস্তি দেওয়ার দাবি করেছে কেন্দ্র। কিন্তু অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বাস্তবে এই বাজেটে এমন কোনও যুগান্তকারী ঘোষণা নেই, যা সাধারণ মানুষের জীবনে বড় পরিবর্তন আনবে।সব মিলিয়ে, ২০২৬২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট সীমিত স্বস্তি দিলেও বৃহত্তর প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থএই মূল্যায়নই এখন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal