• ৯ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

BJP

রাজ্য

রাজু ঝা খুনের সিসি টিভি ফুটেজ সামনে এল, তবে এখনও খুনিরা অধরা

ঘটনা ঘটে গিয়েছে প্রায় দু সপ্তাহ হতে চলল। এখনও গুলিতে ঝাঁঝরা কুখ্যাত কয়লা মাফিয়া রাজু ঝায়ের খুনীদের গ্রেফতার করতে পারল না পুলিশ। তবে এবার রাজু ঝা খুনের সিসি টিভি ফুটেজ সামনে চলে এসেছে। এর আগে গরুপাচার চক্রে অভিযুক্ত লতিফের মোবাইল ফোনে কথা বলার ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। যদিও লতিফ এখনও ফেরার। তাঁকে তলব করেই চলেছে ইডি। সিসি টিভি ফুটেজের দেখা যাচ্ছে সাদা রংয়ের ফরচুনা গাড়ি দাড়িয়ে আছে। নীল রঙের অন্য একটি চারচাকা গাড়িতে চড়ে আসা দুষ্কৃতীরা গাড়ি থাকে নামে। একেবারে সাধারণ ভাবে সাদা গাড়ির সামনে আসে। তারপর একেবারে পয়েন্ট ব্ল্যাক রেঞ্জ থেকে সাদা গাড়িতে বসে থাকা কাউকে এক নাগারে গুলি করতে থাকে। পরে জানা যায় সাদা গাড়িতে ছিলেন রাজু ঝা। তাঁকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে দুষ্কৃতীরা। হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাজুকে মৃত বলে চিকিৎসকরা ঘোষণা করেন। বর্ধমান শহর থেকে অনতি দূরে আমড়ায় জাতীয় সড়কের দুধারে ল্যাংচার দোকানের সামনের এই ঘটনা ঘটেছে ১ এপ্রিল। তারপর ৯ দিন কেটে গিয়েছে। দুষ্কৃতীদের ধরতে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। খুনিদের গাড়ি ঝাড়খন্ডের দিক থেকে এসেছে সেই সিসি টিভি ফুটেজও সামনে এসেছে। ঝাড়খন্ডে পুলিশ খুনিদের ধরতে গিয়েছে বলে সূত্রের খবর। তবে এখনও একজনও দুষ্কৃতী ধরা পড়ার খবর মেলেনি।

এপ্রিল ১০, ২০২৩
রাজ্য

দোকানপাট বন্ধ, থমথমে, বৃহস্পতিবারও গুমোট পরিবেশ কাটেনি রিষড়ায়

রিষড়া পরিদর্শন করে এসেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। গন্ডগোলের জেরে ট্রেন বন্ধও রাখতে হয়েছিল। বুধবারও রিষড়া ছিল থমথমে। অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ। পুলিশি পিকেট। রয়েছে ১৪৪ ধারা। তারই মধ্যে চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটে মিছিল করে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। জমা দিয়েছেনন স্মারকলিপিও।রামনবমীর শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়েছিল রিষড়া। দেওয়ালির মত বোমা বাজি চলেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। ক্ষুব্ধ জনতা পুড়িয়ে দিয়েছে পুলিশের গাড়ি। কিন্তু এখনও স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে পারেনি হুগলির এই শিল্পাঞ্চল। যেখানে সাইরেনের শব্দে মানুষ হাজিরা দেবে কারখানায় সেখানে ধর্মীয় উন্মাদনাকে কেন্দ্র করে রক্তাক্ত হচ্ছে। গতকাল মঙ্গলবার লোকাল ট্রেনে রিষড়া গিয়েছেন লকেট। যদিও সেখান থেকেই তাঁকে ফেরত পাঠিয়েছে পুলিশ। ঘটনাস্থলে যেতে দেওয়া হয়নি বিজেপি সাংসদকে। হাওড়ার শিবপুরের পরিস্থিতি ক্রমশ ফিরেছে।

এপ্রিল ০৫, ২০২৩
রাজ্য

কুখ্যাত কয়লা মাফিয়া রাজু ঝা গুলিতে ঝাঁঝরা শক্তিগড়ে, গভীর রহস্য

গুলিতে ঝাঁঝরা কুখ্যাত কয়লা মাফিয়া। পরে অবশ্য বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। শনিবার সন্ধ্যায় শক্তিগড়ে দুনম্বর জাতীয় সড়কের ধারে থাকা ল্যাংচার দোকানের সামনে এই শুট আউটে মৃত্যু হয় রাজু ঝায়ের। সাদা রংয়ের ফরচুনা গাড়িতে ছিলেন রাজু ঝা। নীল রঙের অন্য একটি চারচাকা গাড়িতে চড়ে আসা দুষ্কৃতীরা এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে। গুরুতর জখম রাজুর এক সঙ্গীকে উদ্ধার করে বর্ধমানের অনাময় সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ভর সন্ধ্যায় এই গুলি চালনার ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে জাতীয় সড়কের ধারে থাকা ব্যবসায়ী মহলে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছান জেলা পুলিশ সুপার কামনাশিষ সেন,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যান সিংহ সহ অন্যান্য উচ্চ পদস্থ কর্তারা। ঘটনাস্থল ব্যারিকেড করে রেখেছে পুলিশ।বর্ধমান শহর থেকে একটু দূরে আমরায় জাতীয় সড়কের দুধারে রয়েছে ল্যাংচার একাধিক দোকান। সন্ধ্যার পর দূরদূরান্তে যাতায়াত করা গাড়ির আরোহীরা ওইসব ল্যাংচার দোকানে দাঁড়িয়ে খাওয়া দাওয়া সারেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, শনিবার সন্ধ্যায় কলকাতা মুখি রোডে শক্তিগড়ের একটি ল্যাংচা দোকানের সামনে দাঁড়ায় সাদা রংয়ের একটি ফরচুনা গাড়ি। ওই গাড়ির আরোহীরা, গাড়ি থেকে নামতে না নামতেই নীলচে রঙের একটি চারচাকা গাড়ি সেখানে এসে দাঁড়ায়। নীলচে রঙের গাড়ি থেকে কয়েকজন নেমেই দাঁড়িয়ে থাকা ওই ফরচূনা গাড়ির আরোহীদের লক্ষ্য করে পরপর গুলি চালায়। গুলি চালিয়ে নীলচে রঙের গাড়িতে চেপেই দুষ্কৃতীরা দ্রুত কলকাতা মুখি রোড ধরে পালিয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কমপক্ষে ছয় রাউণ্ড গুলি চালিয়েছে দুষ্কৃতীরা। গুলিতে ফরচুনা গাড়ির চালকের পাশের সিটে বসে থাকা একজন আরোহী এবং পেছনের শিটে বসে থাকা রাজু ঝা গুলিবিদ্ধ হন। বরাত জোরে রেহাই পেয়ে যান ফরচুনা গাড়ি চালক। তাঁদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় অনাময় সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা রাজু ঝাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। অপরজনের হাতে গুলি লাগায় তিনি প্রাণে বেঁচে যান। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, এটি গ্যাং ওয়ারের ঘটনা হতে পারে। রাজু ঝা কুখ্যাত কয়লা মাফিয়া হিসেবেই দুর্গাপুরে পরিচিত ছিলেন। বিভিন্ন থানায় তার নামে অভিযোগ রয়েছে। সিআইডি ইতিপূর্বে তাকে গ্রেফতার করেছিল। ২০২১ শের বিধানসভা ভোটের আগে রাজু বিজেপিতে যোগ দেয়। বাম আমলে কয়লা পাচারে রাজু ঝায়ের হাতে খড়ি হয়। কয়লা পাচার নিয়ে এখন যে তদন্ত চালাচ্ছে তার স্ক্যানারেও রাজু ঝা ছিল বলে খবর। এমনই এক সময় রাজু ঝাকে কারা খুন করল তা নিয়ে রহস্য দানা বেড়েছে। তদন্ত নেমে পুলিশ শক্তিগড়ের ঘটনাস্থল এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা শুরু করার পাশাপাশি জাতীয় সড়ক ও সংলগ্ন সড়ক পথ গুলিতে নাকা চেকিং শুরু করেছে। পালসিট টোল প্লাজার সিসিটিভি ফুটেজ ও পুলিশ ক্ষতিয়ে দেখা শুরু করেছে। ফরচুনা গাড়িটি বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ আব্দুল লতিফের গাড়ি বলে জানা গিয়েছে। এদিন গাড়িটিতে যে চালক ছিল সে আব্দুল লতিফের নিয়োগ করা বলেই সূত্রের খবর। কয়লা মাফিয়া রাজু ঝায়ের সঙ্গে আব্দুল লতিফের ও এনামুলের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে বলে খবর মিলেছে। গরু ও কয়লা পাচার কাণ্ডের তদন্তের দায়িত্বে থাকা সিবিআই এর ডাক পাওয়ার পর আব্দুল লতিফ গা-ঢাকা দেন।

এপ্রিল ০১, ২০২৩
রাজনীতি

সাগরদিঘিতে কি উলোটপূরাণ? ২১ হাজার ভোটে এগিয়ে কংগ্রেস প্রার্থী

২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনের পর কোনও উপনির্বাচনে তৃণমূল ছাড়া কোনও বিরোধী দল এগিয়ে থাকেনি। এই প্রথম সাগরদিঘি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রথম রাউন্ডের গণনাতেই ৫১৫ ভোটে এগিয়ে গিয়েছিল কংগ্রেস প্রার্থী। এখন এগিয়ে ২১ হাজার ভোটে। এখানে বামেদের সমর্থনে লড়াই করছে কংগ্রেস। এই বিধানসভা কেন্দ্রে ২০১১, ২০১৬ ও ২০২১ নির্বাচনে জয় পেয়েছিল তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত সাহা। তাঁর অকাল প্রয়াণে এখানে ভোট হয়েছে। গত বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ৫০ হাজারের বেশি রেকর্ড ভোটে জয়ী হয়েছিল। যদিও ২০১১ বিধনসভা নির্বাচনে নামমাত্র ভোটে জয় পেয়েছিল তৃণমূল। ২০১৬-তে খুব বেশি জয়ের মার্জিন ছিল না। তবে এবার কংগ্রেস প্রার্থী বায়রন বিশ্বাস এই কেন্দ্র থেকে জয় পেলে বিধানসভায় খরা কাটবে হাত শিবিরের। তবে এখনও গণনা অনেকটা বাকি রয়েছে। এখনই ফলাফল বলা যায় না।

মার্চ ০২, ২০২৩
রাজনীতি

'ক্যা ক্যা করার জন্য কাক আছে, তুমি(বিজেপি) কেন ক্যা ক্যা করছো,' কটাক্ষ মমতার

মালদায় প্রশাসনিক বৈঠক থেকে কেন্দ্রীয় সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্যে উঠে এল এনআরসি থেকে সিএএ প্রসঙ্গে। সংখ্যালঘু ও মতুয়াদের জন্য রাজ্য কি করেছে সে কথাও বললেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার রাজনীতি নিয়ে ভাবছে অর্থনীতি নিয়ে ভাবছে না। কেন্দ্রীয় শাসক দলটা কেন এত হিংসুটে? প্রশ্ন তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সংখ্যালঘুদের নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ভাবছে না বলেও দাবি তাঁর। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের এখানে ৩০ শতাংশ সংখ্যালঘু জনসংখ্য়া আছে। সেটা তো তাদের অপরাধ নয়। তারা যদি পড়াশুনো করতে চায় আমাদের কি উচিত তাঁদের পড়াশুনার ব্যবস্থা করা। নাকি উইপোকা কামড়ালেও তাঁদের একটা এজেন্সি পাঠিয়ে গ্রেফতার করা। কোনটা কাজ? তাদের পড়াশুনা করিয়ে এগিয়ে দেওয়াটা আমাদের কাজ।ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন স্কলারশিপ কেন্দ্রীয় সরকার বন্ধ করে দিয়েছে বলে জানান মমতা। তিনি বলেন, সংখ্যালঘুদের স্কলারশিপ অনেক বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ১কোটি ২০ লক্ষ সংখ্য়ালঘু ছেলেমেয়ের ঐক্যশ্রী স্কলারশিপ দিচ্ছি। শিক্ষাশ্রী তপসিলি জাতি ও উপজাতিদের দিচ্ছি। ওবিসি স্কলারশিপ এবছর থেকে কেন্দ্রীয় সরকার বন্ধ করে দিয়েছে। ওবিসিদের জন্য তৈরি করেছি মেধাশ্রী। মুখ্যমন্ত্রী এদিন দাবি করেছেন, মতুয়াদের জন্য আমরা সবটা করেছি। তাঁর বক্তব্য, ভোট এলে হঠাৎ ভাত খেয়ে বলবে আমরা মতুয়ার বন্ধু হয়ে গেলাম। ক্যা ক্যা করে চিৎকার করবে, ওদের বলুন ক্যাক্যা করার জন্য কাক আছে। তুমি কেন ক্যা ক্য়া করছো? এনআরসির নামে সবাইকে জেলে বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। ক্যার নামে মানুষকে ভুল বোঝানো হচ্ছে। যতদিন মতুয়াদের বড়মা বেঁচে ছিলেন তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা কে করেছিল? আমি করেছিলাম। কেউ তাকিয়ে দেখেনি। আমরা কন্য়াশ্রী কলেজ করেছি, কৃষ্ণনগরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্য়াম্পাস করেছি, মতুয়া বাড়ির গেট করা হয়েছে। সৌন্দর্যকরণ করা হয়েছে। কি করা হয়নি? আমি চাই আপনাদের উন্নয়ন হোক। রাজ্যে শিক্ষাক্ষেত্র, গরুপাচার, কয়লাপাচার নিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা একাধিক তৃণমূল নেতা ও প্রশাসনিক কর্তাকে গ্রেফতার করেছে। বিজেপি চোর চোর বলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে স্লোগানও দিচ্ছে সভা-সমাবেশ। মমতা এদিন বলেন, আমরা যদি চোর হই তোমরা ডাকাত। তোমরা কি করছ। ডাকাত, গদ্দার বলে কটাক্ষ করে মমতার অভিযোগ, পুরুলিয়ার কোটা নিজের পকেটে রেখে দিয়েছিলেন। কেন তারা চাকরি পায়নি?

জানুয়ারি ৩১, ২০২৩
রাজ্য

'মাতাল আমাদের বর্তমান, মদ আমার ভবিষ্যৎ,' নদিয়ায় বললেন সুকান্ত মজুমদার

নদিয়ার জনসভাতে পঞ্চায়েত ভোটে লুট করতে এলে তৃণমূলকে দাওয়াই দেওয়ার কথা বললেন বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এই সভাতে বক্তব্য রাখেন বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। মিঠুনে উপস্থিতি বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে মিঠুন বলেন, এত ভালবাসা বিজেপির বাক্সে পড়বে কিনা। যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে আমরা সবাই মিলে নতুন বাংলা তৈরি করি।এদিন রাজ্য সরকারের মদের কারবার নিয়ে কটাক্ষ করেন সুকান্ত মজুমদার। রাজ্য বিজেপির সভাপতি বলেন, গত আর্থিক বছরে রাজ্যে১০,৬৬৬ কোটি টাকা আয় হয়েছে। মাতাল আমাদের বর্তমান, মদ আমার ভবিষ্য়ৎ। যত দিন মদ খাওয়াবে ততদিন বোকা বানানো যাবে। এছাড়া রাজ্যে এই মুহূর্তে ঋণের বোঝা চাপতে বসেছেন ৫.৮৬ লক্ষ কোটি টাকা। রাজ্যে প্রতিজনের ঋণ ৬০ হাজার টাকা। বিশ্বব্যাংক সহ নানা জায়গা থেকে রাজ্য ঋণ নিয়েছে। রাজ্যটাকে বিক্রি করে দিচ্ছেন।পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে সুকান্তর বক্তব্য, গতবার ভোট লুট করতে এসেছিল এবার যদি ফের লুট করতে আসে দিদির ভুতকে ঘোল ঢেলে ভুত বানিয়ে ফেরত পাঠিয়ে দেবেন। আর পুলিশ যদি তৃণমূল হয় তাহলে সেরকম আচরণ হবে। টিবি হাসপাতাল তৃণমূল চুরি করে নিয়েছে।

জানুয়ারি ২৫, ২০২৩
রাজ্য

'রাজ্যবাসী শীতে কাঁপছে, তৃণমূল সিবিআইয়ের ভয়ে কাঁপছে,', কেন বললেন দিলীপ ঘোষ?

পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে রাজ্যে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন দিদির দূত। এই প্রসঙ্গে কটাক্ষ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি দিলীপ ঘোষ। অন্য দিনের মতো শনিবার সকালে নিউটাউন ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমনে যান বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ। এক প্রশ্নের জবাবে দিলীপ ঘোষ বলেন, দিল্লীর দূত এখন তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে বাড়িতে পৌছে যাচ্ছে। সেই ভয়ে তৃণমূল কাঁপছে। রাজ্যবাসী শীতে কাঁপছে। তৃণমূল সিবিআইয়ের ভয়ে কাঁপছে। ওরা যে দিদির সুরক্ষা কবচ আনছে, ওটা ওদের নেতাদের লাগবে।শহীদ দিবস নিয়ে তরজা প্রসঙ্গে দিলীপ বলেন, যারা শহীদ হল তাদের কথা ভুলে গিয়ে সবাই নিজেদের কথা ভাবছে। শহীদ তো সারা বাংলায় আগে হয়েছে। এখনও হচ্ছে। কোনো একটা দিবস রাজনীতির ইস্যু হয়ে যায়। এটা আগেও হত এখনও হয়।সিপিএম কি বিজেপিকে সাপোর্ট করছে? খড়্গপুরের সাংসদ বলেন, বিজেপির কারও সাপোর্ট লাগে না। সামাজিক সাপোর্টে বিজেপি এগোয়। ওনারা এতদূর এগোলেন কার সাপোর্ট নিয়ে? যাদের সাপোর্ট নিয়ে এলেন, তাদেরই খুন হতে হচ্ছে। পার্টির লোক পার্টির নেতার বিরুদ্ধে আবাস যোজনায় নাম কেটে দেওয়ার অভিযোগ তুলছে। হুমকি দিচ্ছে। নিজেদের মধ্যে গুলি চালাচ্ছে। এটা তৃণমূল কালচার। বিজেপি সারা দেশে আছে। বিজেপিকে সবাই চেনে, জানে।আবার কি তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দিতে চাইছে, বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, বহু লোক আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। ওই দলে আর ভদ্রলোকেরা থাকতে চাইছে না। যোগদান তো চলছে। আমাদের থেকে জোর করে নিয়ে যাওয়া কিছু লোক আবার ফিরছে। লোকে দেখতে চাইছে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়।

জানুয়ারি ০৭, ২০২৩
রাজ্য

বন্দে ভারতে ঢিল ছোড়ায় গ্রেফতার তিন নাবালক, মজা পেতেই নাকি এই কান্ড

বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে ঢিল ছোড়া নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই তিন কিশোরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যদিও কুমারগঞ্জের ঢিল ছোড়ার ঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি। তবে ধৃত কিশোরদের জবানবন্দিতে তাজ্জব পুলিশ। আরও এক অভিযুক্ত কিশোরকে খুঁজছে পুলিশ।পুলিশের কাছে জেরায় ধৃতরা জানিয়েছে, তারা নাকি নেহাত মজার ছলেই মঙ্গলবার আপ বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে পাথর ছুড়েছিল। বৃহষ্পতিবার ওই তিন নাবালককে গ্রেপ্তার করেছে কিষানগঞ্জের পুঠিয়া থানার পুলিশ। অভিযোগ পুঠিয়া থানার অধীন নিমলা গ্রামের কাছে এনজেপিগামী বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে পাথর ছোড়ে এই নাবালকের দল। রেলের প্রকাশ করা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে তিন জন ছাড়াও ঘটনাস্থলে আরও একজন ছিল। তারও খোঁজ চলছে।এই ঘটনার পরেই আরপিএফের ইন্সপেক্টর অমৃত কুমার বর্মা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। একইসঙ্গে ঢিল ছোড়ার ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজও সামনে নিয়ে আসে রেল। এরপরই পুলিশ ওই সিসি টিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। একজন অভিযুক্ত এখনও পলাতক। এইদিন বিহার পুলিশের সঙ্গে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের সময় মালিগাঁও থেকে আসা আরপিএফের ডিআইজি রাজেন্দ্র বাবু রূপ নবার, আরপিএফের কাটিহার জোনের কমান্ড্যান্ট কমল সিং ও পুঠিয়ার ওসি নিশিকান্ত কুমারও ছিলেন। কিষানগঞ্জের পুলিশ সুপার ডাঃ এমানুল হক মেগনু জানান, ধৃত তিনজনকে কিষানগঞ্জ জুভেনাইল কোর্টে তোলা হয়েছে।বাংলায় বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালু হওয়ার পর থেকেই সোমবার এবং মঙ্গলবার পরপর দুদিন ট্রেন লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়ার ঘটনায় উত্তাল হয়ে ওঠে বঙ্গ রাজনীতি। এনআইএ থেকে সিবিআই, সিআইডি তদন্তের দাবি উঠতে থাকে। বিজেপি তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করে ঢিল ছোড়া ইস্যুতে। তৃণমূল এই ঘটনায় বিজেপির ষড়যন্ত্র দেখে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৩
রাজ্য

বাংলায় আবাস যোজনা খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল

আবাস কেলেঙ্কারির অভিযোগ নিয়ে আরও উত্তপ্ত হচ্ছে বঙ্গ রাজনীতি। তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্ব থেকে শাসকদলের পঞ্চায়েতের জনপ্রতিনিধিদের আবাস যোজনার তালিকায় নাম থাকা নিয়েই যাবতীয় বিতর্কের সূত্রপাত। যদিও অনেকে তাঁদের নাম কাটিয়ে দেওয়ার জন্য স্থানীয় বিডিওর কাছে আবেদন জানিয়েছেন। এদিকে এই কেলেঙ্কারি বিশদে খতিয়ে দেখতে আসছেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। কেন্দ্রীয় দল মূলত দুটি ভাগে পূর্ব মেদিনীপুর ও মালদা জেলা পরিদর্শন করবেন। কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের পক্ষে বুধবারই পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের প্রধান সচিবকে পত্র মারফত বিষয়টি জানানো হয়েছে।বাংলার গ্রামে গ্রামে আবাস দুর্নীতি নিয়ে সরব শুভেন্দু অধিকারী, সকান্ত মজুমদাররা ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে নালিশও জানিয়েছেন। তাঁরা দেখা করেছিলেন কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েতমন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের সঙ্গেও। এদিকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার তহবিলও আটকে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রতিবাদ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই পরিস্থিতিতে বাংলায় কেন্দ্রীয় দল পাঠানোর মতো পদক্ষেপ আদতে মমতা সরকারের উপর চাপ বাড়ানোর কৌশল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের আন্ডার সেক্রেটারি অনিলকুমার সিং-য়ের লেখা চিঠিতে রাজ্যকে জানিয়ে দিয়েছে, কেন্দ্রের দুটি দল আসবে বাংলায়। একটি দল পূর্ব মেদিনীপুর এবং অপরটি মালদহের আবাস যোজনার প্রাপক তালিকা খতিয়ে দেখবেন। দুটি দলেই তিনজন করে প্রতিনিধি থাকবেন। পূর্ব মেদিনীপুরে যাবেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের ডিরেক্টর শৈলেশ কুমার, আন্ডার সেক্রেটরি অনিল কুমার সিং এবং সিনিয়র স্ট্যাটিস্টিক্যাল অফিসার সুভাষ দ্বিবেদী। মালদহে পর্যালোচনা করবেন, মন্ত্রকের ডেপুটি সেক্রেটারি শক্তিকান্ত সিং, অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার চাহাত সিং এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট সেকশন অফিসার গৌরব আহুজা। জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই কেন্দ্রীয় দল আসবেন। আবাস যোজনার আপডেট করা নথি ও লজিস্টিক সাপোর্ট কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদের জন্য রাজ্যের তরফে ওই দুই জেলায় আয়োজনের কথা বলা হয়েছে। স্বভাবতই কেন্দ্রের এই পদক্ষেপে উচ্ছ্বসিত বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৩
রাজ্য

বন্দে ভারতে ঢিল, সিবিআই নয় সিআইডিতে ভরসা বিজেপি সাংসদের

বন্দে ভারতে ঢিল ছোড়া নিয়ে সিআইডি তদন্তের দাবি তুললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বাঁকুড়ার বিজেপি সাংসদ সুভাষ সরকার। এদিকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এনআইএ তদন্তের দাবি তুলেছেন, বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, বিডিও অফিসে ঢিল ছুড়ুন। তদন্তের ক্ষেত্রে রাজ্য পুলিশ যথেষ্ট দক্ষ বলেও মনে করেন সুভাষ সরকার।বঙ্গে প্রথম তিন দিনের যাত্রাতেই দুবার ঢিলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। এই ঘটনায় বঙ্গ রাজনীতি তোলপাড়। বন্দে ভারতে দ্বিতীয়বার হামলার পর কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা নয় সিআইডি তদন্ত চাইছেন।বুধবার সুভাষ সরকার বলেন, বন্দে ভারতে দ্বিতীয় দিন হামলা হল, পরিকল্পিতভাবে পাথর ছোড়া হল। তারপরও রাজ্য সরকার ও মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর কোনও বক্তব্য নেই। কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও উন্নয়নই কী রাজ্য প্রশাসন বরদাস্ত করতে পারছেন না? এটা স্পষ্ট করে রাজ্যবাসীকে রাজ্য সরকার তাহলে জানিয়ে দিক। না হলে চাইব, মানীয়া মুখ্যমন্ত্রী এই হামলার তদন্তে সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিন। আমি বলছি না এতে সিবিআই তদন্ত প্রয়োজন। রাজ্য পুলিশ যথেষ্ট যোগ্য। কোথা থেকে কারা ঢিল ফেললেন তা খুঁজে বার করুক পুলিশ। তবে তদন্তের ক্ষেত্রে যেন কোনও স্বজনপোষণ রাজনীতি না হয়। রাজ্য পুলিশ সুয়োমোটো এফআইআর করুন আজকের মধ্যে, ইতিমধ্যেই দেরি হয়ে গিয়েছে, আর দেরি ঠিক হবে না।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৩
রাজ্য

জয় শ্রীরামের বদলা পাথর ছোড়া নয় তো? দিলীপের প্রশ্ন

বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের উদ্বোধনের পর ট্রেনে পাথর ছোড়া নিয়ে বিতর্ক কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না। দ্বিতীয়বার পাথর ছোড়ার ঘটনাও ঘটেছে। তা নিয়ে চলছে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে অভিযোগ পাল্টা বক্তব্য। বুধবার দিলীপ ঘোষ বলেন, বন্দে ভারত নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী নীরব। তাই অনেকেই সন্দেহ করছেন, জয় শ্রীরামের বদলা পাথর ছোড়া নয় তো? কাশ্মীরে দেশপ্রেমীদের পাথর ছুঁড়ে মারা হতো। এখানে রাষ্ট্রবাদীতার প্রতীক বন্দে ভারতে পাথর মারা হচ্ছে। আমরা দেখেছি, স্টেশনে স্টেশনে কি বিপুল উন্মাদনা। ট্রেনকে স্বাগত জানানোর জন্য মানুষের সীমাহীন উৎসাহ। মানুষ এই ট্রেনকে আন্তরিকভাবে নিয়েছেন। এতে মুখ্যমন্ত্রী বোধহয় খুব কষ্ট পেয়েছেন। তিনি পশ্চিমবঙ্গকে পিছন দিকে নিয়ে যাচ্ছেন, জনতাকেও এগোতে দিচ্ছেন না। যারা এগোতে চাইছে, তাদের পাথর মারা হচ্ছে। বিজেপি নেতার দাবি, যাঁরা আমাদের রাজ্যকে বদনাম করছে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।তৃণমূল কংগ্রেস দিদির রক্ষাকবচ নিয়ে পথে নেমে পড়েছে। বাড়ি যাবেন নেতৃত্ব{ দিলীপ ঘোষ বলেন, এর আগেও এই ধরনের ঘোষণা হয়েছে। তৃণমূল নেতাদের বাড়ি বাড়ি যাওয়ার কথা বলা হয়েছিল। কেউ যায়নি। সিএম জাটুয়া রায়দিঘী গিয়ে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে মাছ ভাত খেয়েছিলেন। ওনার দলের কেউ ওনাকে খেতে দেয়নি। এই প্রকল্পগুলো মিডিয়াকে বলে বাজার গরম করার চেষ্টা। কারণ ওদের এখন পাবলিকের সামনে মুখ দেখানোর জো নেই।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৩
রাজ্য

মালদার গাজোলের সভা থেকে হুংকার শুভেন্দু অধিকারীর

বন্দে ভারত থেকে কিছুতেই ঘুচছে না রাজনীতির ছোঁয়া। নাম না করে রাজ্যের একটি দলের বিরুদ্ধে বন্দে ভারতের পাথর ছোঁড়া পার্টি বলে মালদায় তুলোধনা করলেন বিরোধী দলনেতা তথা বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। সভা মঞ্চ থেকেই সংশ্লিষ্ট থানার আইসিকে হুঁশিয়ারি দিলেন শুভেন্দু অধিকারী । তিনি বলেন, গাজোলের আইসি সাহেব খুব মাল তুলছেন। এখনও সময় আছে সাবধান হয়ে যান, তৃণমূল দল আপনাকে বাঁচাতে পারবে না। আইনের কাজ করুন। যা করছেন সব খবর আমাদের কাছে আছে।মঙ্গলবার গাজোল থানার বিএসএ ময়দানে উত্তর মালদা সাংগঠনিক জেলার কর্মীসভার আয়োজন করা হয়। এই সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন বিজেপির বিধায়ক তথা রাজ্যের বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন দলের উত্তর মালদার সাংসদ খগেন মুর্মু, গাজোলের বিধায়ক চিন্ময় দেব বর্মন, উত্তর মালদার সাংগঠনিক সভাপতি উজ্জ্বল দত্ত, দলের রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বপ্রিয় রায় চৌধুরী প্রমূখ।এদিন মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, যারা বন্দে ভারতে পাথর ছুঁড়েছে সেই পাথর ছোড়ার পার্টির দিন ঘনিয়ে এসেছে। মানুষ এর জবাব দিবে।বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় চরম দুর্নীতি হচ্ছে। যাদের পাকা বাড়ি, চারচাকা গাড়ি, আড়াই একরের ওপর জমি আছে, তাদের এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার কথা নয়। কিন্তু প্রকৃত গরীব মানুষেরা বঞ্চিত হয়ে একশ্রেণীর বড়লোকদের এই সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তাই আমি বলছি বঞ্চিত লোকেদের নিয়ে জনস্বার্থ মামলা করবে বিজেপি।শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, এরাজ্যে প্রধানমন্ত্রীর স্বচ্ছ ভারত প্রকল্পে ৭০ লক্ষ শৌচালায় তৈরি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখনও বহু গ্রামীণ এলাকায় এই সুবিধা পাননি সাধারণ মানুষ। সবেতেই দুর্নীতি। তৃণমূল একটা দুর্নীতির সরকারের পরিণত হয়েছে। এই সরকারের এখন এমন অবস্থা যে সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া দিয়ে দিতে গেলে মাইনে বন্ধ হবে । আর মাইনে দিতে গেলে লক্ষী ভান্ডার বন্ধ হবে। কোন কিছুই ওরা বুঝে উঠতে পারছে না কি করবে। তাই এবারে মতোই ইতি টানতে হবে এই চোর সরকারকে।শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় এত দুর্নীতি হয়েছে, যে ভয়ে নিজেরা প্রশাসনিকভাবে কাজ না করে খেটে খাওয়া অঙ্গনওয়াড়ি এবং আশা কর্মীদের দিয়ে সমীক্ষা করাতে বলেছে। আসলে তৃণমূল দল কিছুই করতে পারবে না। তবে এটা মনে রাখতে হবে পঞ্চায়েত নির্বাচনে বহু ভোট লুঠ হয়েছিল। কিন্তু এবার মানুষ বদ্ধপরিকর। ভোট এবার লুঠ হতে দেওয়া যাবে না। গাজোল তার জলজ্যান্ত উদাহরণ। এই বিধানসভা কেন্দ্রে বহু জায়গায় পঞ্চায়েতের ভোট লুঠ আটকে দিয়েছিল জনগণ এবং বিজেপি। ফলে বহু আসন বিজেপি পেয়েছিল। এবারে সোচ্চার হয়েছে। বন্যার টাকা নিয়েও দুর্নীতি করা হয়েছে মালদার বেশ কয়েকটি বিধানসভা কেন্দ্রে। একজন প্রধানও জেল খাটছে। বাকিরা ও বাদ যাবেন না।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৩
রাজ্য

আলকায়দা ঢুকছে, বিদেশী জঙ্গিরা আশ্রয় পাচ্ছে বাংলায়, দিলীপ ঘোষের দাবি

বন্দে ভারতে পাথর ছোড়া নিয়ে বিতর্ক বেড়েই চলেছে। মঙ্গলবার বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, আগেও বলেছি, কাশ্মীর শুধরে গেছে। বাংলা কাশ্মীর হয়ে যাচ্ছে। দেশ বিরোধী শক্তি এরাজ্যে এতো সক্রিয়, এখানকার সরকার সেই শক্তিকে মদত দিচ্ছে। পার্লামেন্টে যখন সি এ এ পাস হল, তখন বিরোধিতা অনেক রাজ্যে হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে তিনদিন ধরে উৎপাত হয়েছে। আড়াইশো কোটি টাকার সম্পত্তি ধংস করা হয়েছে। যার সিংহভাগ রেলের সম্পত্তি। দেশের সম্পত্তিকে এই রাজ্যের একাংশ শত্রু সম্পত্তি মনে করতে শুরু করেছে। দেশের সংবিধানকে তারা শত্রুপক্ষের সংবিধান বলে মনে করছে। তারা হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের লোক। এবং তৃণমূল কংগ্রেস তাদের পাশে আছে। একাধিকবার এই ঘটনা ঘটেছে। দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, নুপুর শর্মার সময়ে দেখেছি। মন্দিরে সে সময় ঢিল মারা হয়েছে। দেশ বিরোধি শক্তির হাতে বাংলা চলে যাচ্ছে। ১৯৪৭ এর আগে যেরকম হয়েছিল, আবার সেই দিকে যাচ্ছে। এর সম্পূর্ণ কৃতিত্ব তৃণমূলের। মমতা তাদের সহযোগিতা করছেন। পুলিস এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না।বিজেপি নেতার দাবি, বর্ডার দিয়ে সিমি, জামাত আল কায়দা ঢুকছে। বিদেশী জঙ্গিরা এখানে আশ্রয় পাচ্ছে। সমস্ত গ্যাং স্টার বা সমাজবিরোধী এখানে শেল্টার পাচ্ছে, ধরা পড়ছে। এখানে দেশ বিরোধি শক্তি সহযোগিতা পায়। এখানে তাদের আধার কার্ড হয়। রেশন কার্ড হয়। দেশের অন্যত্র গিয়ে এরা বিস্ফোরণ করে। দেশ বিরোধি কাজের অনুপ্রেরণা এই রাজ্য থেকেই পাওয়া যায়।দিদির সুরক্ষা কবচ নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, দিদি বক ধার্মিক। মমতা ব্যানার্জির মুখ থেকে সত্যের বাণী শুনতে হবে, এটা তো একপ্রকার বিড়ম্বনা। সারাজীবন যিনি মিথ্যা বলায় রেকর্ড করেছেন, মিথ্যা ছাড়া কিছু বলেন নি, দেশের একতা ও অখণ্ডতার বিরুদ্ধে কাজ করেছেন, তিনি সত্যের কথা বলছেন, এটা সত্যিই বিড়ম্বনা।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৩
রাজ্য

'সিনেমার জন্য দেব হয়েছি, রাজনীতির জন্য নয়,' মিঠুনদার সঙ্গে ফের সিনেমা করবঃ সাংসদ অভিনেতা

নন্দনে জায়গা হয়নি মিঠুন ও দেব অভিনীত সিনেমা প্রজাপতি। তা নিয়ে চরম বিতর্ক শুরু হয়েছে বঙ্গ রাজনীতিতে। মিঠুন বিজেপি নেতা ও দেব তথা দীপক অধিকারী তৃণমূল কংগ্রেসের সাসংদ। বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষের দাবি, মিঠুন চক্রবর্তী বিজেপি করেন বলেই নন্দনে জায়গা পায়নি প্রজাপতি। এদিকে এদিন এক সংবাদ মাধ্যমে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন দেব। এই প্রসঙ্গে দেব বলেছেন, আমার কাছে সিনেমা আগে। রাজনীতির জন্য নয়, আমি সিনেমার জন্য দেব হয়েছি। প্রয়োজনে হলে আবার মিঠুনকে নিয়ে সিনেমা করব।এদিন ছিল দেবের জন্ম দিন। টলিউডের অভিনেতা বলেন, প্রজাপতি মানুষ শুধু দেখছে না অন্যদের দেখতে বলছে। নন্দনে শো পাওয়া না পাওয়া নিয়ে আমার কোনও দুঃখ নেই। তবে কম পয়সায় নন্দনে সিনেমা দেখতে পারতেন মানুষজন। মিঠুন আছেন বলে নন্দনে স্থান পায়নি প্রজাপতি। এই প্রসঙ্গে দেব বলেন, এরপরেও যদি স্ক্রিপ্ট আসে তাহলে ফের তাঁকে নিয়ে সিনেমা করব। আমি কোনও দিন সিনেমার মধ্যে রাজনীতি করিনি, রাজনীতিতে সিনেমা আনিনি। সিনেমা করতে গিয়ে রাজনীতির ক্ষমতা দেখায়নি। আমি ব্যালেন্স করেছি। ছবি ও সিনেমা আমার প্রথম থেকে ভাললাগা, ভালবাসা। সিনেমার জন্য আজ দেব হয়েছি। রাজনীতির জন্য নয়।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২২
রাজ্য

'গোলগাল, নাদুস নুদুস, মেরুদণ্ড নেই, গলায় গেরুয়া উত্তরীয়' পোস্টারে ছয়লাপ বর্ধমানসহ নানা জেলা, বঙ্গ রাজনীতি তোলপাড়

বর্ধমান, সল্টলেক, মালদা সহ রাজ্যের নানা জায়গায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কার্টুন ছবি দিয়ে নিরুদ্দেশ সংবাদের পোস্টার পড়ায় হইচই পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। সমস্ত ক্ষেত্রেই পোস্টারের নীচে লেখা রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস সোশ্যাল মিডিয়া ও আইটি সেল। বর্ধমান শহরের প্রাণকেন্দ্র কার্জন গেটের পাশে বড় বড় করে পোস্টার লাগানো আছে। সেই পোস্টারে লেখা রয়েছে-নিরুদ্দেশ সংবাদ- শুভেন্দুর কার্টুন ছবি তার নীচে লেখা রয়েছে এমন কোন ব্যক্তিকে খুঁজে পেলে দ্রুত সন্ধান দিন। রূপ-দেখতে গোলগাল, নাদুস নুদুস। মেরুদণ্ড নেই। গলায় গেরুয়া উত্তরীয়। ঠিকানা-কাঁথি।অসুখ-ভোট এলে লাইট বন্ধ করে দেন। নিয়মিত ২০০ চিৎকার করে মধ্যরাতে ঘুম থেকে উঠে পড়েন। অকারণ ভ্যাট বকতে ভালোবাসেন। ডিসেম্বরে সরকার ফেলে দেওয়ার হুমকি দেন ,তারপর লজ্জাবতী হয়ে মুখ লুকান ক্যামেরায় ঠোঙ্গা মুড়িয়ে খাম নিতে দেখা যায়।বিশেষ চিহ্ন-অভিষেক শব্দটি শুনলে দাঁত খেচিয়ে কামড়াতে আসেন। বেগম বেগম করে হেঁচকি তোলেন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দেওয়া হলে বিরোধিতা করেন, কিন্তু গ্যাসের দাম বাড়লে চুপ থাকেন। এই পোস্টারের নীচে লেখা রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস সোশ্যাল মিডিয়া ও আইটি সেল এদিন মালদা শহর জুড়ে এমনই পোস্টারকে ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র চাঞ্চল্য। মালদা শহরের প্রাণকেন্দ্র পোস্ট অফিস মোড়, নেতাজি মোড় এলাকায় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মূর্তির পাশেই নিরুদ্দেশ সংবাদ বলে শুভেন্দুর কার্টুন পোস্টার দেখা যায়।একই ধরনের পোস্টার দেখা গিয়েছে বিধান নগর স্টেশন ও সল্টলেকের করুণাময়ী, বিকাশ ভবনের সামনে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এই পোস্টার তৃণমূল কংগ্রেস টাঙিয়েছে, যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব অস্বীকার করেছে।

ডিসেম্বর ২২, ২০২২
রাজ্য

নবান্নের ১৪ তলায় অমিত-মমতা একান্তে বৈঠক, সাফাই শুভেন্দুর

একান্তে বৈঠক মানেই সেটিং গত কয়েক বছর ধরেই বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসকে এভাবেই কটাক্ষ করেছে সিপিএম ও কংগ্রেস। বিজেমূল কটাক্ষের ফের সুযোগ পেয়েছে নবান্নের ১৪ তলায় অমিত শাহ ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ২০ মিনিটের বৈঠকের পর। যদিও সৌজন্য সাক্ষাৎ বলেই দুদলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তো এক পা এগিয়ে ওই বৈঠক নিয়ে অমিত শাহ যা তাঁকে বলেছেন তা সাংবাদিকদের শুনিয়েছেন। শুভেন্দু বলেছেন, সীমান্তে বিএসএফের চৌকি নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা হয়েছে। যদিও রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য, শুভেন্দু যাই বলুক না কেন মমতা-অমিতের বৈঠকের প্রকৃত নির্যাস কি তা কি সহজে প্রকাশ্যে আসবে? প্রথমত মমতা বা শাহ কেউই সাংবাদিক বৈঠক করে কিছু বলেননি। তাছাড়া দুজন শীর্ষ নেতৃত্ব একান্তে কোনও কথা বললে তা প্রকাশ্যে চলে আসবে তা ভাবার কোনও কারণ নেই।এর আগে দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠক করলেই সেটিং সেটিং বলে চিৎকার জুড়ে দিত সিপিএম ও কংগ্রেস। এবার তো নবান্নে বৈঠক করলেন মমতা-শাহ। শুভেন্দু আবার ওই বৈঠকের সাফাই গাইতে অমিত শাহ কি বলেছেন তা ঘোষণা করে দিলেন। সময়ই জানান দিতে পারে আদৌ শাহ-মমতা কি আলোচনা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২২
রাজনীতি

২১ ডিসেম্বরের আগের দিনই দিল্লিতে শাহ-শুভেন্দু-সুকান্ত বৈঠক, নয়া কৌশল?

ডিসেম্বর ডেডলাইন দেওয়ার পর তিনটে তারিখ খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে নজর রাখতে বলেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তার মধ্যে ১২ ও ১৪ ডিসেম্বর পেরিয়ে গিয়েছে। সামনে ২১ ডিসেম্বর, বুধবার।১২ ডিসেম্বর সিবিআই হেফাজতে বগটুই কান্ডের মূল অভিযুক্ত লালন শেখের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। তারপর ১৪ ডিসেম্বর আসানসোলে বিজেপির কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে পদপিষ্ট হয়ে তিন জনের মৃত্যু। এই অনুষ্ঠানে শুরুতে হাজির ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল অভিযোগ করে এই দুদিনের দুটি ঘটনাই কি শুভেন্দুর ডিসেম্বর ধামাকা? এবার বাকি রইল তৃতীয় তারিখ ২১ ডিসেম্বর।এদিকে ২০ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন শুভেন্দু অধিকারী। সঙ্গে থাকবেন দলের রাজ্য় সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। স্বভাবতই ২০ ডিসেম্বরের বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ২১ ডিসেম্বরের আগে দিল্লিতে ওই বৈঠকের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২২
রাজনীতি

সুকান্ত মজুমদারের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ জয়নগরে, প্রতিবাদ বিজেপির

দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ চলল। গাড়ির ওপর একদলকে লাঠি উঁচিয়ে মারতে দেখা যায়। পাশাপাশি কালো পাতাকাও ছিল কারও কারও হাতে। পুলিশ কোনওরকমে সেখান থেকে সুকান্তর গাড়ি বের করে নিয়ে যায়। এরপরই রাজ্য সভাপতিকে কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। তৃণমূল কংগ্রেস এই হামলা করেছে অভিযোগ করেছে বিজেপি।এদিন সুকান্ত মজুমদার গিয়েছিলেন জয়নগরে। সেখানে ৫ নং মন্ডলের মায়াহাউড়িতে দেখা করেন গ্রেফতার করা বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে। বিজেপির দাবি, এই কর্মীদের শুভেন্দুর জনসভায় যোগ দিতে গিয়ে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। সুকান্ত বলেন, আমাকে মারতে এসেছিল, গাড়ি ভাঙতে এসেছিল। আমাকে মেরে কি হবে বাংলায় হাজার হাজার সুকান্ত মজুমদার আছে। মমতা সরকারের পতন হবেই। তা শুধু সময়ের অপেক্ষা।

ডিসেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

মেমারি থেকে কাটোয়া রেল প্রকল্পের আশ্বাস দিয়ে পঞ্চায়েত ভোট প্রচার শুরু বিজেপি সাংসদ আলুওয়ালিয়া'র

পঞ্চায়েত ভোটের আগে দলীয় কর্মীদের নিয়ে সভা করলেন বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ এস এস আলুওয়ালিয়া। শনিবার পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর বিধানসভার কর্মীদের নিয়ে বৈঠক করেন তিনি। পাশপাশি, এদিন মেমারি ২ ব্লকে সাতগেছিয়া এলাকায় একটি হিমঘরে এই পঞ্চায়েত সম্মেলন ও বিশেষ সাংগঠনিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়।পঞ্চায়েত নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় কর্মীরা কিভাবে কাজ করবেন, কোন কোন বিষয়গুলিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মানুষের কাছে তুলে ধরা হবে সেই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এদিনের বৈঠকে সাংসদ ছাড়াও ছিলেন বিজেপির জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা ও অন্যান্যরা।সাংসদ এস এস আলুওয়ালিয়া বলেন, মেমারি কাটোয়া ভায়া মন্তেশ্বর একটি রেল লাইন করার দাবি দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে। এই রেল লাইন চালু হলে এলাকার মানুষের উপকার হবে। এই এলাকায় মানুষের উৎপাদিত ফসল সহজেই অন্যত্র পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। এই রেলপথ দ্রুত চালু করতে চেষ্টা করা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু নিজেই চাইছেন তাঁর বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্ত

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী নিজেই তাঁর বিরুদ্ধে করা সমস্ত এফআইআর-এর সিবিআই তদন্ত দাবি করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে যে চক্রান্ত করা হয়েছে তা খোলসা করতেই সিবিআই তদন্ত চান তিনি। অবশ্য আদালতের তত্বাবধানেই সিবিআই তদন্ত হতে হবে বলেও শর্ত আরোপ করেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। এদিকে এদিনই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সব এফআইআর-এর উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছে কলকাতা উচ্চ আদালত। আদালত নির্দেশ দিয়েছে, শুভেন্দুর মামলাগুলি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে।এর আগে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তাঁর বিরুদ্ধে রাজ্য পুলিশের এফআইআরগুলি নিয়ে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করেছেন। তা পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির কাছে। তাঁর স্পষ্ট কথা, রাজ্য পুলিশের ওপর কোনও ভরসা নেই। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমি তো আদালতে প্রমান করেছি কি ধরনের মামলাগুলি করেছে। আমি তো তৃণমূল কংগ্রেসকে চ্য়ালেঞ্জ করছি এই মামলাগুলি সিবিআইকে ট্রান্সফার করে দিক তাহলে বুঝতে পারবে সিআইডির রাজশেখরণ, পূর্ব মেদিনীপুরের অমরনাথ ও বিনীত গোয়েলরা কিকি করেছে।এদিনই তাঁর বিরুদ্ধে করা মামলাগুলিতে বড়সড় স্বস্তি পেয়েছেন হাইকোর্টে। শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সব এফআইআর-এর উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি রাজশেখর মান্থার নির্দেশ, ওই মামলাগুলির নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • ...
  • 46
  • 47
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

এশিয়ান গেমসে মেয়েদের ক্রিকেটে পরপর ২ সোনা ভারতের, ভিত তৈরির নেপথ্যে সৌরভেরই অবদান

এশিয়ান গেমসে ভারত পরপর ২ বার সোনা জিতল মেয়েদের ক্রিকেটে। এবারের গেমসে দেশকে প্রথম সোনা এনে দিল হরমনপ্রীত কৌরের নেতৃত্বাধীন দল। ফাইনাল-সহ এবারের এশিয়ান গেমসে দলের জয়ে অবদান রেখেছেন বাংলার রিচা ঘোষও। ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের এই সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বড় ভূমিকা। এক সাক্ষাৎকারে এই বিষয়ে আলোকপাত করেছেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক ঝুলন গোস্বামী।ঝুলন বলেন, ২০১৭-র পর থেকেই আমরা বিসিসিআইকে বলেছিলাম ইংল্যান্ডে যেমন সুপার লিগ (এখন দ্য হান্ড্রেড), অস্ট্রেলিয়ায় মেয়েদের বিগ ব্যাশ লিগ হচ্ছে। আমাদের দেশে কেন হবে না? তখন বিসিসিআই চলছিল কমিটি অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটরসের নেতৃত্বে। কীভাবে আমাদের দেশে এমন লিগ হতে পারে তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়। বিসিসিআই ভাবছিল বড় কেউ আসবে কিনা, টিম নেবে না। আইপিএল অনেক বড় মাপের। তার পাশাপাশি এই টুর্নামেন্ট নিয়ে মানুষের আগ্রহ থাকবে কিনা। ফলে তিনটি টিমকে আইপিএলের ফাঁকে নিজেদের মধ্যে খেলানো শুরু হলো। যা ট্রায়াল রান বলা যেতে পারে। বিদেশিদের আনা হলো। আমরা প্রথম খেলেছিলাম জয়পুরে। প্রথম থেকেই রেসপন্স ভালো ছিল।ঝুলনের কথায়, মহারাজদা (সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়) ২০১৯ সালে বিসিসিআই সভাপতি হলেন। কঠিন সময়ে। কেন না, এর পরেই কোভিড শুরু হয়। যা প্রায় ২ বছর ক্রিকেটকে স্তব্ধ করে দেয়। তবে ক্রিকেট এই সময়কালেও অন্য জায়গায় পৌঁছেছিল মহারাজদা, জয় শাহর জন্য। প্লেয়ার, সাপোর্ট স্টাফ, আম্পায়ার, স্কোরার- পুরুষ ও মহিলা নির্বিশেষে কারও স্যালারি আটকায়নি। সবাই জানেন ওই সময় কতটা কঠিন ছিল। তার মধ্যেই ম্যাচ খেলানোর ব্যবস্থা হয়েছে। চার্টার্ড বিমানে পুরুষ ও মহিলা দলকে দুবাই পাঠিয়ে খেলানোর সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। ট্রাভেল করে কোয়ারান্টিনের মধ্যে কাটানোর পর সকলে পারফর্ম করেছেন। মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়া হয়। মানসিক স্বাস্থ্য যাতে ভেঙে না পড়ে তা নিশ্চিত করতে কেউ না কেউ সব সময় থাকতেন। ঝুলন জানান, দেশের মহিলাদের ক্রিকেটে সৌরভের বড় পদক্ষেপ টেস্ট ক্রিকেট ফেরানো। ঝুলন বলেন, আমি এতদিনে মাত্র ১২টি টেস্ট খেলেছি। কারণ ২০০৬-এর পর ৮ বছর কোনও টেস্ট খেলিনি। ২০১৪-১৫ নাগাদ খেলার পর আবার বন্ধ ছিল দীর্ঘদিন। মহারাজদা টেস্ট ক্রিকেট ফেরান। কোভিডকালে দাদা, জয় শাহরা আমাদের ইংল্যান্ড সফরে টেস্ট খেলার বন্দোবস্ত করেন। অস্ট্রেলিয়ায় গোলাপি বলে টেস্ট ক্রিকেট খেলি, যা দেশের মেয়েদের ক্রিকেটে সবচেয়ে বড় বিপ্লব। টেস্টই আল্টিমেট ক্রিকেট। যেখানে দক্ষতা, মানসিকতার বিকাশ ঘটে। সবরকম চ্যালেঞ্জের জন্য প্লেয়ারকে তৈরি করে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

হোল্ডিং সেন্টারের দেওয়াল টপকে চম্পট, গন্ধ শুঁকে রোহিঙ্গা যুবককে খুঁজে দিল অরল্যান্ডো

হোল্ডিং সেন্টারের কড়া নিরাপত্তা এড়িয়ে দেওয়াল টপকে পালিয়েও শেষরক্ষা হল না এক রোহিঙ্গা যুবকের। বন দপ্তরের প্রশিক্ষিত স্নিফার ডগ অরল্যান্ডোর নিখুঁত ট্র্যাকিংয়ের জেরে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাকে ফের আটক করল পুলিশ। রাজগঞ্জের ফাটাপুকুর হোল্ডিং সেন্টার থেকে পালানোর পর প্রায় এক কিলোমিটার দূরে একটি চা বাগান থেকে ওই যুবককে উদ্ধার করা হয়।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত যুবকের নাম মোহাম্মদ সোলেমান। গত ২০ সেপ্টেম্বর নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন এলাকা থেকে চার জনের একটি সন্দেহভাজন রোহিঙ্গা দলকে আটক করা হয়েছিল। সেই দলের সদস্য সোলেমানকেও রাজগঞ্জের ফাটাপুকুর হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়।রবিবার সকালে শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলে সেন্টারের ভিতর থেকে বেরিয়েছিল সোলেমান। সেই সুযোগেই উঁচু দেওয়াল টপকে ঝোপঝাড়ের মধ্যে দিয়ে পালিয়ে যায় সে। কিছুক্ষণ পর বিষয়টি নিরাপত্তারক্ষীদের নজরে আসে। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় রাজগঞ্জ থানায়। শুরু হয় বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি।দীর্ঘক্ষণ খোঁজ চালিয়েও পলাতক যুবকের সন্ধান না মেলায় পুলিশের পক্ষ থেকে বন দপ্তরের সাহায্য চাওয়া হয়। মালবাজার মহকুমা পুলিশের অনুরোধে জলপাইগুড়ি বন্যপ্রাণী বিভাগের পক্ষ থেকে গরুমারা জাতীয় উদ্যানের প্রশিক্ষিত স্নিফার ডগ অরল্যান্ডোকে ঘটনাস্থলে আনা হয়।সোলেমানের পরনে থাকা বা ফেলে যাওয়া পোশাকের গন্ধ শুঁকিয়ে অরল্যান্ডোকে তল্লাশি অভিযানে নামানো হয়। এরপর গন্ধ অনুসরণ করে সে হোল্ডিং সেন্টার থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে পানিকৌড়ি মোড় সংলগ্ন একটি চা বাগানের দিকে এগিয়ে যায়। অরল্যান্ডোর দেখানো পথ অনুসরণ করে তল্লাশি চালাতেই চা বাগানের মধ্যে লুকিয়ে থাকা অবস্থায় সোলেমানের সন্ধান পান পুলিশকর্মীরা। সেখান থেকেই তাকে ফের আটক করা হয়।বন দপ্তরের সহকারী বনাধিকারিক রাজীব দে জানান, পুলিশের সঙ্গে যৌথ অভিযানে তাঁদের প্রশিক্ষিত কুকুর সফলভাবে পলাতক বন্দিকে খুঁজে বের করায় তাঁরা অত্যন্ত আনন্দিত। এর আগে গরুমারা এলাকায় চোরাশিকারীদের দমনে একাধিকবার সাফল্য দেখিয়েছে অরল্যান্ডো। এবার পলাতক বন্দির সন্ধানেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিল সে।তবে এই ঘটনায় রাজগঞ্জের হোল্ডিং সেন্টারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কড়া পাহারা ও নজরদারি থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এক যুবক সেন্টারের উঁচু দেওয়াল টপকে পালিয়ে গেল, তা নিয়ে শুরু হয়েছে তদন্ত। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোথায় গলদ ছিল, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

দমকা ঝড়ে লন্ডভন্ড পূর্বস্থলীর গ্রাম, উড়ল চাল, উপড়ে পড়ল গাছ, খতিয়ে দেখলেন বিধায়ক

হঠাৎ ঝড়ের তান্ডবে লন্ডভন্ড পূর্বস্থলীর গ্রাম। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ২ ব্লকের কালেখাঁতলা ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের চাপাতলা তিনপাড়া এলাকা ঝড়ের দাপটে তছনছ হয়ে গিয়েছে। কারও কারও বাড়ির ওপর গাছ ভেঙে পড়েছে। কারও টিনের চালা উড়ে গিয়েছে। মোদ্দা কথা পুজোর মুখে এই ঘটনায় মাথায় হাত পড়েছে গ্রামবাসীদের। কি করে সামাল দেবেন এই অবস্থা তা নিয়ে কপালে ভাঁজ পড়েছে বাসিন্দাদের। প্রশাসন গ্রামবাসীদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে। গ্রামে গিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায়।গ্রামবাসীরা জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে হঠাৎ দমকা ঝড় ওঠে। ঝড় মাত্র কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী ছিল বলে তাঁরা জানিয়েছেন। কিছু সময়ের প্রবল ঝড়ে আঁতকে ওঠেন তাঁরা। গ্রামের প্রায় ২৫-৩০ টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এর মধ্যে অনেকগুলো কাঁচা বাড়িও রয়েছে। অসহায় মানুষগুলো এবার কি করবেন তা ভেবেই পাচ্ছেন না। হঠাৎ মাথার ছাদ চলে যাওয়ায় গ্রামবাসীরা অসহায় বোধ করছেন। ঝড়ে একজন জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। খবর পেয়ে স্থানীয় বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায় শনিবার সাকালে ওই গ্রামে গিয়ে হাজির হন। ঝড়ে ক্ষয়-ক্ষতি খতিয়ে দেখেন তিনি। বিধায়ক গ্রামবাসীদের জানিয়ে দেন, তিনি গ্রামবাসীদের পাশে আছেন। সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দেন। পূর্বস্থলী উত্তরের বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায় জানান, বিধ্বংসী ঝড়ে ওই গ্রামের প্রায় ৩০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেশ কিছু বাড়ির চালা উড়ে গিয়েছে। কয়েকটা গাছপালাও ঝড়ে পড়ে গিয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে চাষাবাদেরও। প্রশাসনের কর্তাদের নজরদারিতে উদ্ধারের কাজ চলছে। সরকারি ভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করা হবে। বিডিও পারিজাত বোস জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্তদের নামের তালিকা অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
কলকাতা

অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠান, তারপরই বচসা থেকে হাতাহাতি! উত্তপ্ত সত্যজিৎ রায় ফিল্ম ইনস্টিটিউট

কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটে একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের পশ্চিমবঙ্গ শাখার একটি কর্মসূচি প্রতিষ্ঠানের অডিটোরিয়ামে চলছিল। সেই অনুষ্ঠানকে ঘিরে পড়ুয়াদের একাংশ আপত্তি জানালে প্রথমে বচসা এবং পরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলেছে। ঘটনায় একাধিক জন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের তরফে প্রতিষ্ঠানের অডিটোরিয়াম ভাড়া নিয়ে ওই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অনুষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠানের অনুমতি নিয়েই আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠান চলাকালীন কয়েক জন পড়ুয়া সেখানে গিয়ে কেন প্রতিষ্ঠানের ভিতরে এই ধরনের কর্মসূচি হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।পড়ুয়াদের অভিযোগ, অনুষ্ঠানে কয়েক জন বক্তার বক্তব্য নিয়ে তাঁদের আপত্তি ছিল। সেই আপত্তি জানাতে গেলে তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং মারধর করা হয়। কয়েক জন পড়ুয়া ও শিক্ষকের উপরেও হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পড়ুয়াদের আরও দাবি, তাঁদের নানা নামে কটাক্ষ করা হয়েছে এবং ক্যাম্পাসের ভিতরে তাঁদেরই আক্রান্ত হতে হয়েছে। এই অভিযোগগুলির স্বাধীনভাবে সত্যতা এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি।অন্য দিকে, অনুষ্ঠান আয়োজকদের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাঁদের দাবি, টাকা দিয়ে অডিটোরিয়াম ভাড়া নেওয়ার পর তাঁরা নিজেদের কর্মসূচি করছিলেন। সেই সময় পড়ুয়ারা অনুষ্ঠানে বাধা দেন এবং তাঁদের পোস্টার ও ব্যানার ছিঁড়ে দেওয়া হয়। সেখান থেকেই বচসা এবং পরে হাতাহাতি শুরু হয় বলে আয়োজকদের দাবি। অর্থাৎ, সংঘর্ষের সূত্রপাত নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্য সম্পূর্ণ আলাদা।ঘটনার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পড়ুয়ারা ক্যাম্পাসের গেট আটকে বিক্ষোভ দেখান বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। অনুষ্ঠান আয়োজকদের একটি বাসও আটকে রাখা হয়েছিল বলে জানা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের বড় বাহিনী ক্যাম্পাসে পৌঁছয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।ক্যাম্পাসের বাইরে থেকেও ইট ও জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। কয়েক জন পড়ুয়া আহত হয়েছেন বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলে। ঘটনার জেরে দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ উত্তপ্ত ছিল।এই ঘটনার সঙ্গে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক অশান্তির প্রসঙ্গও টেনে আনছেন অনেকে। তবে দুই ঘটনার মধ্যে সরাসরি কোনও যোগসূত্র রয়েছে, এমন তথ্য এখনও সামনে আসেনি। ফলে এই তুলনা রাজনৈতিক বা সামাজিক আলোচনার অংশ হলেও, তা প্রতিষ্ঠিত তথ্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে বিভিন্ন স্লোগান এবং পাল্টা স্লোগানও শোনা গিয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছে। পরিস্থিতি যাতে আরও না ছড়ায়, সে জন্য পুলিশ ক্যাম্পাসে অবস্থান করছে। সংঘর্ষের ঘটনায় ঠিক কত জন আহত এবং কার বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, সে বিষয়ে তদন্ত ও পুলিশের পরবর্তী বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠেছে। কেন অনুষ্ঠান নিয়ে পড়ুয়াদের আপত্তি তৈরি হয়েছিল, সংঘর্ষ কী ভাবে শুরু হল এবং দুই পক্ষের অভিযোগের মধ্যে কোনগুলি তদন্তে সত্যি প্রমাণিত হয়, এখন সেদিকেই নজর। পুলিশি তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলির বক্তব্যের ভিত্তিতেই ঘটনার পূর্ণ চিত্র স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
বিদেশ

কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পরপর বন্দুকবাজের হামলা! দক্ষিণ আফ্রিকায় মৃত অন্তত ২৭

কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পরপর বন্দুকবাজের হামলায় কেঁপে উঠল দক্ষিণ আফ্রিকা। জোহেনেসবার্গ এবং কেপটাউনে দুটি পৃথক ঘটনায় অন্তত ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। হামলার পর অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। তবে রবিবার সকাল পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।প্রথম হামলাটি ঘটে শনিবার সন্ধ্যায় জোহেনেসবার্গে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি পানশালায় আচমকা ঢুকে পড়ে কয়েক জন বন্দুকধারী। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাঁরা এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করেন। ওই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১৫ জন।পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের মধ্যে ১৩ জন পুরুষ এবং ৪ জন মহিলা। হামলার পর পালিয়ে যাওয়ার আগে বন্দুকধারীরা বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা দুটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় বলেও জানা গিয়েছে। ঠিক কী কারণে এই হামলা চালানো হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।এর কয়েক ঘণ্টা পরেই দ্বিতীয় হামলার ঘটনা ঘটে কেপটাউনের একটি জনবহুল এলাকায়। রবিবার ভোরে একটি বিনোদন কেন্দ্রের বাইরে আচমকা গুলির শব্দ শোনা যায়। সেখানে গুলিবিদ্ধ হয়ে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১১ জন।পুলিশ জানিয়েছে, দ্বিতীয় ঘটনায় পাঁচ জনের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় বাকিদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও পাঁচ জনের মৃত্যু হয়। এই হামলার পিছনে কারা রয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। কোনও সংগঠিত সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীর যোগ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।দুটি হামলার পর দক্ষিণ আফ্রিকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হামলাকারীদের সন্ধানে বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তবে রবিবার সকাল পর্যন্ত কোনও সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।সাম্প্রতিক বছরগুলিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার এবং গ্যাং-হিংসা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। মাদক পাচার, অবৈধ খনি এবং বিভিন্ন অপরাধচক্রের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনাও দেশটির একাধিক এলাকায় ঘটে থাকে। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি বড় বন্দুক হামলার ঘটনায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।তবে জোহেনেসবার্গ ও কেপটাউনের দুটি হামলার মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। হামলার নেপথ্যে উদ্দেশ্য কী ছিল এবং একই গোষ্ঠী এর সঙ্গে জড়িত কি না, তদন্তের পরই তা স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
কলকাতা

‘মৌসম বদলেছে, জমানাও বদলেছে’, সাধুদের কী বার্তা দিলেন শুভেন্দু?

নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ১১ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাধু-সন্তদের উদ্দেশে বড় বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, সময় বদলেছে, পরিস্থিতিও বদলেছে। তাই সাধু-সন্তদের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। তাঁরা মন খুলে গীতাপাঠ, গীতা বিতরণ এবং হনুমান চালিশা পাঠ করতে পারেন।শুভেন্দুর দাবি, সাধু-সন্তদের অপমান করা বা তাঁদের ভয় দেখানোর ঘটনা কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। এমন ঘটনা ঘটলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে জেল পর্যন্ত হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। সম্প্রতি বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ানোর অভিযোগে কলকাতায় এক কংগ্রেস নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার আগে বিধানসভা থেকে ওই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন শুভেন্দু।গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে নিজের বক্তব্যের শেষে গীতার একটি অধ্যায়ও পাঠ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সাধু-সন্তদের ধর্মীয় কাজকর্ম নিয়ে ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। গীতা পাঠ, গীতা বিতরণ, হনুমান চালিশা পাঠের পাশাপাশি ধর্মীয় বাদ্যযন্ত্র বাজানো বা হরেকৃষ্ণ নাম করার ক্ষেত্রেও কোনও ভয় থাকা উচিত নয়।শুভেন্দুর বক্তব্যে বাগেশ্বর বাবার প্রসঙ্গও উঠে আসে। তিনি বলেন, কোনও সাধু-সন্ত নিজের মতো করে সনাতনী ধর্মের প্রচার করতে পারেন। কেউ তাঁর বক্তব্য গ্রহণ করবেন কি না, সেটা ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু তাঁর ছবি পোড়ানো বা তাঁকে অপমান করার ঘটনা গ্রহণযোগ্য নয়। বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ানোর অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই পুলিশি পদক্ষেপ হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।শুভেন্দু আরও বলেন, সাধু-সন্তদের অপমান করা বা ভয় দেখানোর চেষ্টা করলে ভবিষ্যতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাঁর বক্তব্যে ধর্মীয় আচার পালনের পাশাপাশি সবাইকে এক থাকার বার্তাও উঠে আসে।এদিনের অনুষ্ঠানে আগামী ২৯ ডিসেম্বর কলকাতায় আরও বড় গীতাপাঠের আয়োজনের কথা জানান শুভেন্দু। তাঁর ঘোষণা অনুযায়ী, ওই দিন ১০ লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রধান মোহন ভাগবত প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে পারেন বলেও জানান তিনি।গীতাপাঠের মঞ্চ থেকেই রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করেন শুভেন্দু। শ্রীরামপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আজাদি সংক্রান্ত মন্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে তিনি তীব্র রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া জানান।শুভেন্দুর বক্তব্য, এই ধরনের মন্তব্য করলে রাষ্ট্রবাদী মানুষের প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়তে হবে। তাঁর বক্তব্যে উপড়ে ফেলে দেওয়ার মতো তীব্র রাজনৈতিক ভাষাও উঠে আসে। এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এদিনের অনুষ্ঠানে ধর্মীয় আচার, সাধু-সন্তদের নিরাপত্তা ও সম্মানের পাশাপাশি রাজনৈতিক বিষয়ও উঠে আসে। একদিকে বাগেশ্বর বাবাকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক, অন্যদিকে ছবি পোড়ানোর ঘটনায় পুলিশি পদক্ষেপএই দুই ঘটনাপ্রবাহের মধ্যেই শুভেন্দুর নতুন বক্তব্য সামনে এল। বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যের সঙ্গে বিজেপির একাংশের মতপার্থক্যের কথাও সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।সব মিলিয়ে ১১ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠের অনুষ্ঠান থেকে সাধু-সন্তদের উদ্দেশে শুভেন্দুর বার্তা এবং আগামী দিনে আরও বড় গীতাপাঠের ঘোষণা রাজনৈতিক ও ধর্মীয়দুই ক্ষেত্রেই নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট, হঠাৎ বিরোধীদের দাবিতে বড় প্রশ্ন তুললেন মুকুল রোহতগি

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে সংসদে নতুন করে প্রস্তাব আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিরোধীরা। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বিরোধী শিবিরের তরফে লোকসভা ও রাজ্যসভাদুই কক্ষেই প্রস্তাব আনার প্রস্তুতির কথা জানানো হয়েছে। সেই আবহেই প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল তথা প্রবীণ আইনজীবী মুকুল রোহতগির মন্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রোহতগি দাবি করেছেন, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে যে ধরনের অভিযোগ সামনে আনা হচ্ছে, সেগুলি ইমপিচমেন্টের সাংবিধানিক ভিত্তি তৈরি করার জন্য যথেষ্ট নয়। তাঁর বক্তব্য, সম্পূর্ণ অস্পষ্ট এবং শক্ত প্রমাণহীন অভিযোগের ভিত্তিতে এমন প্রস্তাব আনা যায় না।রোহতগির যুক্তি, নির্বাচন কমিশনের তিন সদস্যের মধ্যে কোনও বিষয়ে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। তাঁর মতে, মতের অমিল নিজে থেকে অসাংবিধানিক বা বেআইনি কাজের প্রমাণ নয়। বরং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আলোচনা ও মতপার্থক্য সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাভাবিক অংশ হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।এই প্রসঙ্গে রোহতগি নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথাও উল্লেখ করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কমিশনের অন্দরে কোনও পর্যায়ে মতের অমিল থাকলেও শেষ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক ভাবে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সেটিই কমিশনের সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। নির্বাচন কমিশনও জানিয়েছে, তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবে গৃহীত হয়েছে এবং অভ্যন্তরীণ পর্যায়ের মতামতকে আনুষ্ঠানিক ভিন্নমত হিসেবে দেখা ঠিক নয়।তিন সদস্যের কমিশনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ভোট অন্য দুই নির্বাচন কমিশনারের চেয়ে বেশি নয় বলেও ব্যাখ্যা দিয়েছেন রোহতগি। অর্থাৎ তিন সদস্যের প্রত্যেকের ভোটের মূল্য সমান। কোনও বিষয়ে দুই কমিশনার এক দিকে থাকলে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায় বলে তাঁর বক্তব্য।রোহতগি এই পরিস্থিতির সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের একাধিক বিচারপতির বেঞ্চের তুলনাও করেছেন। তাঁর যুক্তি, বিচারপতিদের মধ্যে কোনও মামলায় মতপার্থক্য থাকলেও সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতির রায়ই শেষ পর্যন্ত আদালতের সিদ্ধান্ত হিসেবে কার্যকর হয়। একই ভাবে নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের মধ্যে মতের অমিলকে শুধুমাত্র সেই কারণেই অসদাচরণ বলা যায় না বলে মত তাঁর।তবে জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্ক শুধু কমিশনের অন্দরের মতপার্থক্যে সীমাবদ্ধ নেই। প্রাক্তন কেরল মুখ্যসচিব জিজি থমসন সম্প্রতি দাবি করেছেন, ২০১৬ সালে একটি বিমানে দিল্লি যাওয়ার সময় তৎকালীন আমলা জ্ঞানেশ কুমার তাঁকে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। থমসনের দাবি, তাঁকে পাঠানমতিট্টা কেন্দ্র থেকে লড়ার কথা বলা হয়েছিল এবং তিনি সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।থমসনের এই দাবি অবশ্য তাঁর নিজের বক্তব্য হিসেবেই সামনে এসেছে। জ্ঞানেশ কুমারের তরফে এই অভিযোগের কোনও জবাব প্রকাশ্যে এসেছে কি না, তা নিয়েও সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে যে তিনি এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাননি। তাই অভিযোগটির সত্যতা নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য সামনে আসা প্রয়োজন।জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বর্তমান বিতর্কের আরও একটি বড় কারণ নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন। একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত কয়েক মাসে কমিশনের দুই নির্বাচন কমিশনার একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি নথিভুক্ত করেছিলেন। নির্বাচন কমিশন অবশ্য জানিয়েছে, মতের পার্থক্য স্বাভাবিক এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এক দিকে জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে বিরোধীদের প্রস্তাব আনার প্রস্তুতি, অন্য দিকে সেই প্রস্তাবের সাংবিধানিক ভিত্তি নিয়ে মুকুল রোহতগির প্রশ্নদুই ঘটনাই জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে চর্চার জন্ম দিয়েছে। পাশাপাশি প্রাক্তন আমলার বিজেপির টিকিটের প্রস্তাব সংক্রান্ত দাবিও বিতর্ককে আরও জটিল করেছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগ, দাবি ও পাল্টা বক্তব্যের মধ্যে কোনগুলি প্রমাণিত এবং কোনগুলি রাজনৈতিক দাবি, তা নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট নথি, প্রক্রিয়া এবং সব পক্ষের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

মায়ের গর্ভগৃহে পুজো, প্রবীণ নেতার পায়ে প্রণাম—বর্ধমানে মুখ্যমন্ত্রীর সফরে আবেগের অন্য ছবি

মন্দির সংস্কার ও সৌন্দর্যায়নে পূর্ণাঙ্গ ডিপিআর চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী, ৫ তারিখের ক্যাবিনেট বৈঠকে জমা দেওয়ার নির্দেশ।বর্ধমান: বর্ধমানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী মা সর্বমঙ্গলার মন্দিরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পুজো ঘিরে শুক্রবার শহরে তৈরি হল এক অন্য আবহ। প্রশাসনিক কর্মসূচি শুরুর আগে সর্বমঙ্গলা মন্দিরে পৌঁছে গর্ভগৃহে গিয়ে প্রায় ১০ মিনিট ধরে পুজো দেন আরতি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে তাঁর এই সফরের সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত হয়ে রইল মন্দিরে প্রবেশের মুখে এক প্রবীণ বিজেপি নেতার সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ এবং অগ্রজের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর দৃশ্য।মন্দিরে প্রবেশের সময় অবিভক্ত বর্ধমান জেলার প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি দেবীপ্রসাদ মল্লিকের সঙ্গে দেখা হয় মুখ্যমন্ত্রীর। দেবীপ্রসাদ মল্লিক পুষ্পস্তবক দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান। এরপরই কোনও আনুষ্ঠানিকতার তোয়াক্কা না করে তাঁর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন শুভেন্দু অধিকারী। মুহূর্তের সেই দৃশ্য উপস্থিত সকলের নজর কাড়ে।বর্ধমানের বিজেপি সংগঠনের প্রবীণ কর্মীদের মধ্যে দেবীপ্রসাদ মল্লিকের নাম দীর্ঘদিনের। আশির দশক থেকেই তিনি বিজেপির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত বলে দলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি। সেই সময় বর্ধমান - দুর্গাপুর ভাগ হয়নি, গোটা বর্ধমানই ছিল একটি জেলা। বিরোধী রাজনীতির কঠিন সময়ে সংগঠন বিস্তারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন তিনি।আজকের বিজেপি যখন বাংলার রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি, তখন তার অতীতের সাংগঠনিক পথচলার সঙ্গে যুক্ত প্রবীণ কর্মীদের ভূমিকার কথাও সামনে আসে এই ধরনের ঘটনায়। স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের একাংশের মতে, বর্ধমান শহরে দলের সংগঠনকে শূন্য থেকে দাঁড় করানোর সময় দেবীপ্রসাদ মল্লিকের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিবেশে সংগঠনের কাজ চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি কর্মীদের একত্রিত করার কাজও করেছেন তিনি।আর সেই প্রবীণ নেতার সামনে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এই শ্রদ্ধাজ্ঞাপনকে তাই শুধুমাত্র সৌজন্য বিনিময় হিসেবে দেখছেন না স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের একাংশ। তাঁদের মতে, এর মধ্যে উঠে এসেছে একটি দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার প্রতি সম্মান জানানোর বার্তা। অবশ্য এই ঘটনার রাজনৈতিক ব্যাখ্যা যার যার নিজস্ব হলেও, মুহূর্তটির আবেগ এবং তাৎপর্য বর্ধমানের মানুষের নজর কেড়েছে।এরপরই মুখ্যমন্ত্রী প্রবেশ করেন বর্ধমানের ঐতিহ্যবাহী সর্বমঙ্গলা মন্দিরে। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এই প্রথম কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সর্বমঙ্গলা মন্দিরে এসে পুজো দিলেন।পুরোহিতদের উপস্থিতিতে গর্ভগৃহে গিয়ে নিজের হাতে দেবীর পুজো করেন তিনি। পুজোর ডালিতে ছিল পাঁচ রকম ফল ও মিষ্টি, নারকেল, চেলি, পদ্মফুলের মালা, আলতা-সিঁদুর এবং দেবীর জন্য একটি বেনারসি শাড়ি।পুজো শেষে মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে মুখ্যমন্ত্রীকে সম্মান জানানো হয়। বর্ধমান পুরসভার চেয়ারম্যান তথা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান তাঁর হাতে তুলে দেন দেবী সর্বমঙ্গলার প্রতিকৃতি। ট্রাস্টের সম্পাদক আইনজীবী সঞ্জয় ঘোষ বাঁশ দিয়ে তৈরি সর্বমঙ্গলা মন্দিরের একটি রেপ্লিকা এবং দেবীর একটি প্রতিমা মুখ্যমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।তবে শুধু পুজো বা সৌজন্য সাক্ষাতেই শেষ হয়নি মুখ্যমন্ত্রীর মন্দির সফর। মন্দিরের ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং সামগ্রিক উন্নয়ন নিয়েও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি।মন্দির সংস্কার, ঐতিহ্যবাহী হেরিটেজ ভবন সংরক্ষণ, সংলগ্ন এলাকার সৌন্দর্যায়ন এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়নের বিষয়গুলি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হয়। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, বিষয়গুলি শুনে রাজ্যের শিল্প প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্রকে একটি পূর্ণাঙ্গ ডিপিআর (Detailed Project Report) তৈরি করার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামী ৫ তারিখের ক্যাবিনেট বৈঠকে সেই ডিপিআর জমা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে বলে মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।প্রায় তিনশো বছরের ঐতিহ্য বহন করে চলা সর্বমঙ্গলা মন্দির বর্ধমানের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। মন্দিরের স্থাপত্য, ইতিহাস এবং স্থানীয় জনজীবনের সঙ্গে তার দীর্ঘ সম্পর্ককে সামনে রেখে দীর্ঘদিন ধরেই সংস্কার ও সৌন্দর্যায়নের দাবি উঠেছে।মুখ্যমন্ত্রীর সফরে সেই দাবিই নতুন করে গুরুত্ব পেল বলে মনে করছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ধর্মীয় পর্যটনের পাশাপাশি বর্ধমানের ঐতিহাসিক স্থাপত্য ও সংস্কৃতিকে আরও বৃহত্তর পর্যায়ে তুলে ধরা সম্ভব হবে বলেও তাঁদের আশা।সময়াভাবে মন্দিরে বসে ভোগ গ্রহণ করতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর জন্য অবশ্য বিশেষভাবে ভোগ পার্সেল করে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। মন্দির কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সেই ভোগের মেনুতে ছিল পোলাও, ফুলকপি-আলুর তরকারি, ছানার ডালনা, মাগুর মাছের ঝোল, ডাল, পায়েস এবং বর্ধমানের বিখ্যাত কেশরভোগ।একদিকে কয়েক শতকের ধর্মীয় ঐতিহ্য, অন্যদিকে বর্ধমানের রাজনৈতিক ইতিহাসের প্রবীণ এক চরিত্রের প্রতি প্রকাশ্য শ্রদ্ধামুখ্যমন্ত্রীর সর্বমঙ্গলা মন্দির সফর তাই একাধিক কারণে আলাদা মাত্রা পেল।সর্বমঙ্গলার গর্ভগৃহে মুখ্যমন্ত্রীর পুজো, মন্দির সংস্কারের জন্য ডিপিআর তৈরির নির্দেশ এবং প্রবীণ বিজেপি নেতা দেবীপ্রসাদ মল্লিকের পায়ে হাত দিয়ে তাঁর প্রণামএকসঙ্গে এই তিনটি মুহূর্ত বর্ধমানের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিসরে তৈরি করেছে আলোচনার নতুন আবহ।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal