• ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৭ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

BJP Workers

কলকাতা

Torch Rally: বিজেপির মশাল মিছিলে তুলকালাম

বিজেপির মশাল মিছিল ঘিরে বিকেল গড়াতেই জায়গায় জায়গায় শুরু উত্তেজনা। ৯ অগস্ট থেকে সপ্তাহব্যাপী বিজেপির বাংলা বাঁচাও সপ্তাহ উদযাপন কর্মসূচি রয়েছে। প্রথম দিনই ছিল মশাল মিছিল। মুরলীধর সেন লেন, ভবানীপুরে এই মিছিল ঘিরে পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের ধস্তাধস্তির অভিযোগ ওঠে। বিজেপির রাজ্য দপ্তর থেকে মিছিল বেরোতেই করোনা পরিস্থিতির কারণে তা আটকে দেয় কলকাতা পুলিশ। এরপরই শুরু হয় গোলমাল। বিজেপি অফিসের সামনে থেকে সাতজনকে আটক করে পুলিশ।করোনা পরিস্থিতির কারণে মশাল মিছিলে অনুমতি দেয়নি কলকাতা পুলিশ। বিজেপির দপ্তরের সামনে সে সংক্রান্ত পোস্টারও লাগানো হয় কলকাতা পুলিশের তরফে। অভিযোগ, সেই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই মশাল হাতে পথে নামেন বিজেপি কর্মীরা। বিজেপির রাজ্য দপ্তর মুরলীধর সেন লেন থেকে মশাল মিছিল এগোতে পারেনি। সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলের মূর্তি পর্যন্ত এই মিছিলের গন্তব্য হলেও শুরুর আগেই তা থেমে যায়। আটদিন ব্যাপী পশ্চিমবঙ্গ বাঁচাও কর্মসূচির প্রথম দিনই ধাক্কা বিজেপি কর্মীদের।আরও পড়ুনঃ আজ ঝাড়গ্রাম সফরে মুখ্যমন্ত্রীপরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। বিজেপি কর্মীদের সামলাতে ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন হয়। পুলিশের ব্যারিকেড সরিয়ে মিছিল এগেনোর চেষ্টা হয়। বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায় পুলিশের। পরে সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ চত্বরে মাটিতে বসে পড়ে বিক্ষোভে সোচ্চার হতে থাকেন বিজেপি কর্মীরা।এদিকে, পুলিশ মিছিল আটকানোয় রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে কাঠগড়ায় তুলে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, দ্বিচারিতা করছে তৃণমূল, পুলিশ দিয়ে বিজেপিকে আটকানোর চেষ্টা হচ্ছে। এরই পাশাপাশি এদিন বিজেপির মিছিল ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায় ভবানীপুরেও। মশাল মিছিল করতে আগেভাগে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে জড়ো হয়েছিলেন বিজেপি কর্মীরা। মিছিল শুরুর আগেই সেখানে পৌঁছে যায় পুলিশ।মিছিল শুরুর চেষ্টা হলেই পুলিশ বাধা দেয়। পুলিশের সঙ্গে তুমুল বচসা শুরু হয়ে যায় বিজেপি কর্মীদের। ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে আটক করে পুলিশ। এছাড়াও উত্তর ২৪ পরগনার ঘোলাতেও এদিন বিজেপির কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিজেপি নেতা শীলভদ্র দত্তের নেতৃত্বে মিছিল শুরু হয় ঘোলায়। পুলিশ মিছিলে বাধা দিলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। পুলিশের সঙ্গে তুমুল তর্কাতর্কি বেধে যায় বিজেপি নেতৃত্বের।

আগস্ট ০৯, ২০২১
কলকাতা

ন্যাঁড়া হয়ে তৃণমূলে ফিরলেন ৫০০ কর্মী

এবার আরামবাগের বিজেপি শিবিরে ভাঙন। পদ্মশিবিরে যোগের প্রায়শ্চিত্ত হিসেবে ন্যাঁড়া হয়ে সাংসদ অপরূপা পোদ্দারের হাত ধরে তৃণমূলে (TMC) ফিরলেন প্রায় ৫০০ কর্মী। এবিষয়ে এখনও পর্যন্ত বিজেপির কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। একুশের নির্বাচনের (West Bengal Assembly Elections) আগে তৃণমূল ত্যাগের হিড়িক পড়ে গিয়েছিল নেতা-কর্মীদের মধ্যে। বিভিন্ন এলাকা থেকে বহু কর্মী শিবির বদলে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে। কিন্তু কয়েকমাসের মধ্যেই তাঁদের মোহভঙ্গ হয়েছে। দলবদলু বহু নেতা-কর্মীই ধীরে ধীরে ফিরছেন ঘরে। মঙ্গলবার তৃণমূলে ফিরলেন আরামবাগের ৫০০ বিজেপি কর্মী। এদিন তাঁরা প্রত্যেকে ন্যাঁড়া হন। জানা গিয়েছে, বিজেপিতে গিয়ে ভুল করেছিলেন, তার প্রায়শ্চিত্ত স্বরূপ ন্যাঁড়া হয়েছেন ওই কর্মীরা। ফিরে এসেছেন তৃণমূলে। এ বিষয়ে সাংসদ অপরূপা পোদ্দার বলেন, ভোটের আগে কর্মীদের ভুল বুঝিয়ে বিজেপিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এখন প্রত্যেকে ভুল বুঝতে পারছেন তাই ফিরে আসছেন। আর প্রত্যেকে স্বেচ্ছায় প্রায়শ্চিত্ত করার জন্য ন্যাঁড়া হয়েছেন।

জুন ২২, ২০২১
রাজ্য

Homeless: জঙ্গলে তাবু খাটিয়ে দিন কাটানো ঘরছাড়া বিজেপি নেতাদের পাশে নকশাল নেতৃত্ব

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় ঘরবাড়ি ছাড়া হয়ে জঙ্গলে তাঁবু খাটিয়ে দিন কাটানো বিজেপি কর্মী পরিবারগুলির পাশে দাঁড়াননি কোনও বিজেপি নেতা।মানবিকতার খাতিরে শেষ পর্যন্ত নকশাল নেতৃত্বই পাশে দাঁড়ালেন পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের প্রেমগঞ্জ গ্রামের ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীদের পাশে।তাদের বাড়ি ফেরানোর ব্যবস্থা করার জন্য আউশগ্রাম ২ ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির কাছে চিঠি লিখে আবেদন জানালেন সিপিআইএমএল(রেডস্টার) সংগঠনের বর্ধমান জেলা কমিটির সম্পাদক। এই ঘটনা বিজেপি নেতাদের মুখ যথেষ্টই পোড়াল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল । আউশগ্রাম ২ ব্লকের প্রত্যন্ত গ্রাম প্রেমগঞ্জ। এবারের বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার পর প্রেমগঞ্জ গ্রামে বিজয় মিছিল করে তৃণমূল । তার পরেই গ্রামে রাজনৈতিক উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করে। ঘরছাড়া থাকা বিজেপি কর্মী কমল বাগদি ,বলরাম বাগদি প্রমুখরা বলেন , তৃণমূলের বিজয় মিছিলে থাকা লোকজন বেছে বেছে এলাকার বিজেপি কর্মী ও সমর্থকদের বাড়িতে চড়াও হয় । বাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট ও মারধোর শুরু হয় । এরপর প্রাণভয়ে ওইদিন রাতেই তাঁরা প্রায় ২৫ - ৩০ টি বিজেপি সমর্থক পরিবার বাড়ি ছাড়েন। তার পর থেকে এক মাসের বেশি দিন হয়েগেল তারা প্রেমগঞ্জ থেকে বহু দূরে কাঁকশা লাগোয়া ভাতকুণ্ডা গ্রামের অদূরে জঙ্গলের ভিতরে দুটি তাঁবুতে বসবাস করছেন। সঙ্গে ১০টি ছোট বাচ্চাও রয়েছে। কমল বাগদি জানান, বাড়ি ফিরলে ফের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের হামলার মুখে পড়তে হতে পারে, এই ভয়ে তাঁরা বাড়ি ফিরতে পারছেন না। আধপেটা খেয়ে তাঁবুতে অসহায়ভাবে দিন কাটিয়ে চললেও বিজেপি নেতারা কেউ পাশে দাঁড়াননি। ঘরছাড়ারাই জানান, এই অসময়ে তাঁদের কিছুটা হলেও সহযোগিতা করছে একমাত্র নকশাল সংগঠন।এই বিষয়ে সিপিআইএমএল(রেডস্টার) সংগঠনের জেলা সম্পাদক ফতেমা বেগম বলেন, ঘরছাড়া অসহায় পরিবারগুলি রাজনৈতিক হিংসার শিকার।তাঁরা খুব কষ্টে দিন কাটচ্ছে বলে মানবিকভাবেই তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ফতেমা বেগম জানান, ওই ঘর ছাড়াদের বাড়ি ফেরানোর ব্যবস্থা করার জন্যে তিনি চিঠি লিখেও আউশগ্রাম ২ পঞ্চায়েত সমিতির কাছে আবেদন জানিয়েছেন। আউশগ্রাম ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সৈয়দ হায়দর আলি বলেন,যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে। ওদের গ্রামে ফিরতে কেউ নিষেধ করেনি।ওরা গ্রামে ফিরুক, কোন অসুবিধা নেই ।জেলা বিজেপির সম্পাদক শ্যামল রায় বলেন, ঘরছাড়াদের পাশে বিজেপি নেতারা দাঁড়ায়নি এই কথা সঠিক নয় । ওদের বিষয়ে প্রশাসনকে বলা হলেও কোন কাজ হয়নি। বাড়ি ফিরলেই তৃণমূলের লোকজন ফের আক্রমণ করবে এই ভয়ে ঘরছাড়ারা ঘরে ফিরতে পারছেন না।

জুন ১১, ২০২১
রাজ্য

রাজ্যজুড়ে ভোটপরবর্তী হিংসার বলি ৬ বিজেপি কর্মী

ভোটের ফলাফল প্রকাশ্যে আসতেই ফের রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ল কোচবিহারের শীতলকুচিতে। ফের রক্ত ঝরল সেখানে। সোমবার সকাল থেকে রাজনৈতিক সংঘর্ষ শুরু হয়। দুপক্ষের সংঘর্ষে চলে গুলি। আর তাতেই পেটে গুলি লেগে মৃত্যু হল এক বিজেপি কর্মীর। এ নিয়ে ফের অশান্ত হয়ে উঠল কোচবিহারের এই স্পর্শকাতর কেন্দ্র। সোমবার নির্বাচন পরবর্তী হিংসায় তপ্ত রইল রাজ্যের অন্যান্য প্রান্তও। পূর্ব বর্ধমানের রায়নায় তৃণমূল সমর্থক এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ ওঠে। প্রসঙ্গত, এই জেলায় তৃণমূল-বিজেপি ১৬-০ ফলাফলের পর এমন অশান্তি বলে দাবি বিজেপির। এছাড়া উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গায় খুন হয়েছেন এক আইএসএফ সমর্থকও।ভোটের দিন থেকে খবরের শিরোনামে কোচবিহারের এই কেন্দ্র। গত ১০ তারিখ ভোটের দিন এখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে ৪ ভোটারের মৃত্যু নিয়ে তোলপাড় হয়ে উঠেছিল রাজ্য। এই কেন্দ্রের অন্তর্গত জোড়পাটকির ১২৬ নং বুথের বাইরে এই ঘটনার জেরে ভোটপ্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। ২৯ এপ্রিল ফের সেখানে ভোট নেওয়া হয়। জনরায় অবশ্য গিয়েছে বিজেপির পক্ষে। শীতলকুচি কেন্দ্রে ২১ হাজারের বেশি ভোটে তৃণমূল প্রার্থী পার্থপ্রতিম রায়কে হারিয়ে জিতেছেন বিজেপির বরেনচন্দ্র বর্মন। এবার সেই ফলাফলের পরদিনও ফের উত্তাপ বাড়ল শীতলকুচিতে। বুড়াপঞ্চার হাট এলাকায় তৃণমূল-বিজেপি দুপক্ষের গুলির লড়াইয়ের মাঝে পড়ে প্রাণ হারাতে হল তরতাজা এক যুবককে। তাঁকে নিজেদের সমর্থক বলে দাবি করেছে গেরুয়া শিবির। জানা গিয়েছে, পেটে গুলি লাগার পর তাঁকে দিনহাটার হাসপাতালে নিয়ে আসার পথেই মৃত্যু হয়েছে।এদিকে, পূর্ব বর্ধমানের রায়নার সমসপুর গ্রাম নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর থেকেই উত্তপ্ত। সোমবার বেলার দিকে এখানে ফলাফল নিয়েই তৃণমূল ও বিজেপি কর্মী, সমর্থকদের মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। তা চরমে ওঠে, শুরু হয় হাতাহাতি, সংঘর্ষ। সমসপুরের বাসিন্দা বছর ষাটের গণেশ মালিক তা আটকাতে যান। তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত হন তিনি। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। গণেশ মালিকের পরিবারের অভিযোগ, বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা তাঁকে বাঁশ, লাঠি দিয়ে বেদম প্রহারের পরই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। দায়ের হয়েছে খুনের অভিযোগ। তৃণমূলের জেলা মুখপাত্রের বক্তব্য, পূর্ব বর্ধমানের ১৬টি আসনের মধ্যে ১৬টিতেই জিতেছে তৃণমূল। তার বদলা নিতে এই ঘটনা ঘটিয়েছে বিজেপি। এদিকে, পূর্ব মেদিনীপুরের অধিকাংশ আসনে তৃণমূলের জয়ের পর বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চলছে বলে অভিযোগ। খেজুরি, ভগবানপুর, উত্তর কাঁথি এলাকায় বিজেপি সমর্থকদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। সূত্রের খবর, ভয়ে গ্রাম ছেড়ে পালিয়েছেন বহু বিজেপি সমর্থক।গত ২৪ ঘণ্টায় যে ৬ জন বিজেপি কার্যকর্তাকে খুন করা হয়েছে, তারা হলেন, জগদ্দলের শোভারানী মণ্ডল, রানাঘাটের উত্তম ঘোষ, বেলেঘাটার অভিজিৎ সরকার, সোনারপুর দক্ষিণের হরম অধিকারী, শীতলকুচির মোমিক মৈত্র, বোলপুরের গৌরব সরকার।

মে ০৩, ২০২১
রাজ্য

মাঝরাত থেকে জায়গায় জায়গায় অশান্তি, আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা

ভোটপর্ব চলাকালীন রাজ্যের বিভিন্ন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা। রবিবার রাতের মধ্যেই অন্তত তিনটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। প্রতি ক্ষেত্রেই কাঠগড়ায় শাসকদল তৃণমূল। রাতদুপুরে উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটিতে শুটআউট, গুলিবিদ্ধ হয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি এক বিজেপি কর্মী। এছাড়া কসবার আনন্দপুর এবং হাওড়ার বাঁকড়াতেও আক্রান্ত বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা।রবিবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ কসবা কেন্দ্রের অন্তর্গত আনন্দপুরের পশ্চিম চৌবাগায় বিজেপি কার্যালয় বৈঠক চলাকালীন দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ। গেরুয়া শিবিরের মহিলা সদস্যদের হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ। অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই পার্টি অফিসে ঢুকে তাণ্ডব চালিয়েছে। দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়, চলে বোতল ছোঁড়াছুঁড়িও। প্রতিবাদে রাতে আনন্দপুর থানা ঘেরাও করেন বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা।এরপর আরও রাতের দিকে খবর মেলে, নৈহাটিতে গুলি চলেছে। এক বিজেপি কর্মী গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে কল্যাণীপর জেএনএম হাসপাতালে। স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, তাঁদের দলের এই সদস্যকে বেশ কয়েকদিন ধরেই হুমকি দিচ্ছিল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। আগামী ২২ তারিখ এলাকায় ভোটের আগে প্রচারে বেরতেই তিনি আক্রান্ত হলেন। এ নিয়ে রাত পর্যন্ত এলাকায় উত্তেজনা ছিল। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব অবশ্য ঘটনায় নিজেদের জড়িত থাকার অভিযোগ উড়িয়ে পালটা দাবি করেছে, বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দলের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। নৈহাটিতে শুটআউটের ঘটনায় বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের প্রতিক্রিয়া, প্রতি দফা ভোটের আগেই এভাবে বিজেপির উপর হামলা চালিয়ে লড়াই থেকে পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। কিন্তু এভাবে বিজেপিকে রোখা যাবে না। কেন্দ্রীয় বাহিনীর তত্বাবধানে স্বচ্ছভাবে ভোট প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে এবং বিজেপি ক্ষমতায় আসবে। পাশাপাশি, হাওড়ায় ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসা অব্যাহত। বাঁকড়ার রাজীব পল্লি এলাকায় একদল বিজেপি কর্মী, সমর্থকের উপর হামলার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সোমবার ভোরে কোচবিহারের সিতাইয়েও আক্রান্ত হয়েছেন বিজেপি কর্মী। অভিযোগ, তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেও চলে হামলা।

এপ্রিল ১২, ২০২১
রাজ্য

ভোটের দিন সকালেই নন্দীগ্রামে আত্মঘাতী বিজেপি কর্মী

ভোটের দিন সকালে বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল নন্দীগ্রামের ভেকুটিয়ায়। অভিযোগ, বুধবার রাতে তৃণমূলের তরফে উদয়শংকর দেব নামে ওই ব্যক্তিকে খুনের হুমকি দেওয়া হয়েছিল। মৃতের পরিবারের দাবি, সেই আতঙ্কেই আত্মঘাতী হয়েছেন তিনি। যদিও অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেই দাবি তৃণমূলের তরফে। জানা গিয়েছে, নন্দীগ্রামের পূর্ব ভেকুটিয়ার বাসিন্দা উদয়শংকর দেব। দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপির সঙ্গে যুক্ত তিনি। সক্রিয় কর্মী হিসেবেই এলাকায় পরিচিত ছিলেন। অভিযোগ, সেই কারণেই বারবার তৃণমূলের হুমকির মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। রাস্তাঘাটে হেনস্তা করা হত তাঁকে। মৃতের পরিবার সূত্রে খবর, বুধবার গভীর রাতে একদল তৃণমূল কর্মী তাঁদের বাড়িতে যান। অভিযোগ, ভোট দিতে গেলে তাঁদের প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই অত্যন্ত আতঙ্কে ভুগছিলেন উদয়শংকর। পরে বৃহস্পতিবার সকালে বাড়িতেই উদ্ধার হয় ওই ব্যক্তির দেহ। ভোটের দিন সকালে অধিকারীদের গড় নন্দীগ্রামে বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। তৃণমূলের হুমকির জেরেই আত্মঘাতী হয়েছেন উদয়শংকর, এই অভিযোগ তুলে পথে নামেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারির দাবিতে সরব হন তাঁরা। বলেন, তৃণমূল যেভাবে সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে তাতে আমাদের পক্ষে ভোট দিতে যাওয়া কার্যত অসম্ভব।পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যেই দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত হবে।

এপ্রিল ০১, ২০২১
রাজ্য

ভোটের দিন কেশিয়াড়িতে উদ্ধার বিজেপি কর্মীর রক্তাক্ত দেহ

রাজ্যে ভোট শুরুর দিন একাধিক বিক্ষিপ্ত অশান্তির মধ্যে আরও দুঃসংবাদ। ভোটের দিন সাতসকালে বাড়ির উঠোন থেকে বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার হল পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়িতে। এই বিধানসভা কেন্দ্রের বেগমপুর বুথ এলাকার এই ঘটনায় তপ্ত হয়ে ওঠে কেশিয়াড়ি। তৃণমূলের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগে সরব কেশিয়াড়ির বিজেপি প্রার্থী সোনালি মুর্মু। ঘটনার খবর পেয়ে রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। স্থানীয় সূত্রে খবর, কেশিয়াড়ির বেগমপুরে মঙ্গল সোরেন নামে এক বিজেপি কর্মী শুক্রবার রাত প্রায় ৯টা নাগাদ বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। দীর্ঘক্ষণ না ফেরায় থানায় খবর দেয় তাঁর পরিবার। এদিন সকালে মঙ্গল সোরেনের আত্মীয় জানান, দুশ্চিন্তা হচ্ছিল, তাই রাতভর না ফেরায় থানায় গিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু সকালের বাড়ির উঠোনেই তাঁর রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে তুমুল তরজা শুরু হয়েছে। কেশিয়াড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সোনালি মুর্মূর অভিযোগ, শুক্রবার রাতে তৃণমূল কর্মীরা মঙ্গলকে খুন করে বাড়ির সামনে উঠোনে ফেলে রেখে যায়। তাঁর মাথায়, ঘাড়ে আঘাত রয়েছে, আঁচড়ের দাগও রয়েছে। পিটিয়ে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেছেন তিনি। সকালে হত্যার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন পুলিশের পদস্থ কর্তারা। তদন্ত শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৭, ২০২১
কলকাতা

বিজেপির মিছিলকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র তারাতলা

মাঝেরহাট ব্রিজ খোলার দাবিতে তারাতলায় বিজেপির মিছিলে ধুন্ধুমার। পুলিশ মিছিল আটকালে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে তাদের তুমুল বচসা শুরু হয়ে যায়। বেঁধে যায় ধস্তাধস্তিও। ব্যাপক লাঠিচার্জ করা হয়। একাধিক বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার তারাতলা মোড় থেকে মাঝেরহাট পর্যন্ত মিছিলের কর্মসূচি ছিল। কিন্তু মিছিল শুরু হওয়ার আগেই তা আটকে দেয় পুলিশ। পুলিশ ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এরপরই তারাতলা মোড়ে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করে বিজেপি। তাঁদেরও বিক্ষোভ থেকে উঠিয়ে দেয় পুলিশ। পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে মিছিল এগোনর চেষ্টা করে বিক্ষোভকারিরা। এমনকি তাঁরা গার্ডরেল গুলিও ছুঁড়ে ফেলে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। মোড়ের আশেপাশের গলিতে থাকা বিজেপির নেতা-কর্মীদেরও টেনে বের করে আনতে দেখা যায়। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যপালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সরব কল্যাণ আটক করা হয় বহু বিজেপি নেতা কর্মীদের। রেহাই পাননি মহিলা মোর্চার কর্মীরাও। বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীর মাথা ফেটে যায়। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন মহিলা ও পুলিশ কর্মী। অটোয় তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। বেশ কিছুক্ষণ পর পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। যদিও লাঠিচার্জ-গ্রেপ্তারির পরও বারবার করে ফের জমায়েত করতে দেখা যায় বিজেপি কর্মীদের। পরে বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলনে পুলিশের লাঠিচার্জ। আমরা জনতার সুবিধার জন্য মিছিল করেছি। কিন্তু মমতার সরকার তা হতে দেবে না। দুর্নীতির বড় উদাহরণ মাঝেরহাট ব্রিজ।

নভেম্বর ২৬, ২০২০

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ক্ষমতায় এসেও বিশ্বাস হচ্ছে না! ঘুম ভেঙে বাস্তব বুঝছেন শমীক

প্রথমবারের মতো রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। দীর্ঘদিনের লড়াই, আন্দোলন এবং নানা বাধা পেরিয়ে অবশেষে এই সাফল্য পেয়েছে দল। প্রায় পনেরো বছর পর রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল ঘটেছে। তৃণমূলকে সরিয়ে এবার ক্ষমতায় বিজেপি।এই সাফল্যের পিছনে দলের যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তবে এত বড় জয়ের পরেও তিনি যেন পুরো বিষয়টি এখনও বিশ্বাস করতে পারছেন না।তিনি বলেন, রাত অনেকটা দেরিতে ঘুমোতে গিয়েছিলেন। সকালে সাংবাদিকরা এসে তাঁকে ঘুম থেকে তোলেন। ঠিকমতো বিশ্রামও হয়নি। এখনও পুরো বিষয়টি তিনি মেনে নিতে পারছেন না যে দল সত্যিই ক্ষমতায় এসেছে।শমীক জানান, এখন তাঁর জীবনে হঠাৎ অনেক পরিবর্তন এসেছে। আগে যেভাবে সাধারণভাবে চলাফেরা করতেন, এখন তা আর নেই। তিনি বলেন, হঠাৎ করে বাড়ির সামনে নিরাপত্তার গাড়ি দেখে তিনি নিজেই অবাক হয়ে গিয়েছিলেন। কেউ তাঁকে স্যালুট করায় তিনি বুঝতেই পারেননি কী হচ্ছে। একসময় তিনি স্কুটিতে ঘুরতেন, কোনও নিরাপত্তা নিতেন না। এখন হঠাৎ এই পরিবর্তন তাঁকে বিস্মিত করছে।তিনি আরও বলেন, আগে অনেক সময় নিজেকে পরিচয় দিতে হত। এখন পরিস্থিতি পুরো বদলে গেছে। এই পরিবর্তন তাঁর কাছে অবাক করার মতোই মনে হচ্ছে।এদিকে, রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের আগে মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য নামের তালিকায় একাধিক নেতার নাম উঠে আসছে। আগামী দিনে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।

মে ০৬, ২০২৬
কলকাতা

স্লোগান বদলেই নতুন বার্তা! জয়ের পরেই নতুন গান নিয়ে চমক

ভোট প্রচারের সময় শোনা গিয়েছিল পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার স্লোগান। নির্বাচনে জয়ের পর এবার সেই স্লোগান বদলে নতুন বার্তা দিল দল। নতুন স্লোগান হয়েছে, পাল্টেছে এবার, এল বিজেপি সরকার। এর পাশাপাশি প্রকাশ করা হয়েছে একটি নতুন গানও।ভোট ঘোষণার অনেক আগেই এক জনসভা থেকে এই স্লোগান প্রথম শোনা গিয়েছিল। পরে একাধিক সভায় সেই একই স্লোগান তুলে ধরেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। সেই স্লোগানকে কেন্দ্র করেই তৈরি হয়েছিল একটি গান, যা প্রচারের সময় বেশ জনপ্রিয় হয়। বিভিন্ন এলাকায় সেই গান ছড়িয়ে পড়ে।নির্বাচনে জয়ের পর সেই স্লোগান এবং গানকে ঘিরে উদ্যাপনের ভাবনা থেকেই নতুন স্লোগান ও গান প্রকাশ করা হয়েছে। প্রায় দুই মিনিটের এই গানে নির্বাচনের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলির কথা আবার তুলে ধরা হয়েছে। শিক্ষার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং বেকারত্ব কমানোর মতো বিষয়গুলিতে জোর দেওয়া হয়েছে।গানে আরও বলা হয়েছে, রাজ্যে উন্নয়নের নতুন পথ তৈরি হবে এবং পুরনো সমস্যাগুলির সমাধান করা হবে। পাশাপাশি রাজনৈতিক দাদাগিরি বন্ধ করার বার্তাও দেওয়া হয়েছে।এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নিজেদের স্লোগান ও গান প্রকাশ করেছিল। এই ধরনের প্রচার এখন খুবই পরিচিত হয়ে উঠেছে। তবে এই নির্বাচনে যে স্লোগানটি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় হয়েছে, তা নিয়েই নতুন করে উদ্যাপনের পথে হাঁটল দল।নতুন গানের ভিডিওতে প্রচারের নানা মুহূর্ত দেখানো হয়েছে। বিভিন্ন নেতার সভা, জনসমাগম এবং নানা দৃশ্য সেখানে তুলে ধরা হয়েছে। গানের মাধ্যমে আগামী দিনে প্রতিশ্রুতি পূরণের কথাই আরও একবার জানানো হয়েছে।

মে ০৬, ২০২৬
কলকাতা

রাতের অন্ধকারে হামলা! প্রবীণ নেতার বাড়ি ঘিরে চাঞ্চল্য, আতঙ্কে পরিবার

ভোট মিটতেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অশান্তির খবর সামনে আসছে। সেই তালিকায় এবার যোগ হল ভবানীপুরের একটি ঘটনা। প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর বাড়ির সামনে হুজ্জুতি হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।জানা গিয়েছে, ভবানীপুরের রূপনারায়ণ নন্দন লেনে শোভনদেবের বাড়ির সামনে মঙ্গলবার রাতে এই ঘটনা ঘটে। এই বিষয়ে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনার পর পরিবার নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন এই বর্ষীয়ান নেতা। পরিস্থিতির কারণে তিনি নাতনিকে স্কুলেও পাঠাতে পারেননি বলে জানা গিয়েছে।এদিকে, ভোট শেষ হওয়ার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হিংসার অভিযোগ সামনে আসছে। তার মধ্যেই এই ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।সম্প্রতি হওয়া নির্বাচনে দীর্ঘদিন পর রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল ঘটেছে। বিপুল আসনে জয় পেয়ে সরকার গঠনের পথে রয়েছে বিজেপি। এই নির্বাচনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ নেতা পরাজিত হলেও বালিগঞ্জ কেন্দ্রে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।তিনি তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে এই কেন্দ্রে লড়াই করেছিলেন। প্রতিদ্বন্দ্বীদের থেকে অনেক বেশি ভোট পেয়ে তিনি জয়ী হন। তাঁর প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা এক লক্ষেরও বেশি। প্রতিপক্ষ প্রার্থীদের তুলনায় তিনি অনেক ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন।এই জয়ের পরই তাঁর বাড়িতে হামলার অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

মে ০৬, ২০২৬
রাজ্য

ফল ঘোষণার পরই উত্তপ্ত বাংলা! জিয়াগঞ্জে ভাঙা লেনিনের মূর্তি ঘিরে তীব্র বিতর্ক

বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর রাজ্যে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তেই মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জে একটি মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনা সামনে এসেছে। মঙ্গলবার রাতের এই ঘটনার একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মূর্তিটি ভাঙা অবস্থায় পড়ে রয়েছে।সম্প্রতি হওয়া নির্বাচনে বিজেপি বিপুল আসন জিতে সরকার গঠন করার পর রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অশান্তির অভিযোগ উঠছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই এই ভাঙচুরের ঘটনা নতুন করে উত্তেজনা বাড়িয়েছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস বিজেপির বিরুদ্ধে সংগঠিতভাবে সন্ত্রাস চালানোর অভিযোগ তুলেছে। যদিও বিজেপি এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, দলের ভাবমূর্তি খারাপ করার জন্যই এই ধরনের অভিযোগ আনা হচ্ছে।নির্বাচনের ফলাফলে দেখা গিয়েছে, মোট আসনের মধ্যে বিজেপি বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস অনেক কম আসনে সীমাবদ্ধ রয়েছে, যা আগের তুলনায় অনেকটাই কম।এদিকে, নির্বাচনে পরাজয়ের পরও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পদ ছাড়তে রাজি নন। তিনি দাবি করেছেন, প্রকৃত জনসমর্থন তাদের পক্ষেই ছিল এবং ভোটের ফল সঠিকভাবে প্রতিফলিত হয়নি।এই ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে এবং পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন।

মে ০৬, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রামে জনস্রোত! বড় প্রতিশ্রুতি দিয়ে নজর কাড়লেন শুভেন্দু

নন্দীগ্রামে জনসমাগমে ভেসে গেল সভাস্থল। শুভেন্দু অধিকারীকে ঘিরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়লেন কর্মী-সমর্থকেরা। তাঁর নামে জয়ধ্বনি উঠল চারদিকে। এলাকার মানুষও নতুন আশায় বুক বাঁধছেন।এই সভা থেকেই ক্ষমতায় এলে কী কী কাজ করা হবে, তা স্পষ্ট করে জানালেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, দলের ঘোষিত সংকল্পপত্র সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। রাজ্যের সীমান্ত আরও সুরক্ষিত করা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।নারীদের নিরাপত্তা নিয়েও বিশেষ জোর দেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, মহিলারা যখন খুশি বাড়ির বাইরে বেরোতে পারবেন, রাতেও বেরোতে ভয় পাবেন না। আগের মতো কোনও বাধা বা ভয় থাকবে না বলেও দাবি করেন তিনি।শুভেন্দু আরও জানান, সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বাড়ানো হবে। চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষা নিশ্চিত করার কথা বলেন তিনি। যতদিন না স্থায়ী কর্মসংস্থান হচ্ছে, ততদিন উপযুক্ত ভাতা দেওয়ার আশ্বাসও দেন।তিনি বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যেই রাজ্যের মানুষ প্রকৃত পরিবর্তন দেখতে পাবেন। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতিশ্রুতি সময়মতো পূরণ করা হবে বলেও জানান।দল আগেই জানিয়েছে, অনুপ্রবেশমুক্ত বাংলা গড়া, সরকারি নিয়োগে স্বচ্ছতা আনা এবং তোলাবাজি বন্ধ করা তাদের প্রধান লক্ষ্য। পাশাপাশি শুভেন্দু কর্মী-সমর্থকদেরও সতর্ক করে দেন, কেউ যেন কোনও প্ররোচনায় পা না দেন এবং আইন নিজের হাতে তুলে না নেন।

মে ০৬, ২০২৬
কলকাতা

ফল বেরোতেই কড়া হুঁশিয়ারি! হিংসা করলেই গ্রেফতার, স্পষ্ট বার্তা নির্বাচন কমিশনের

ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার সময় থেকেই জানানো হয়েছিল, ভোটপর্ব শেষ হলেও বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে। লক্ষ্য একটাই, ভোট-পরবর্তী হিংসা রোখা। এবার এই বিষয়ে আরও কড়া অবস্থান নিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, হিংসায় উস্কানি দেওয়া বা ভাঙচুরের সঙ্গে যুক্ত কাউকেই ছাড়া হবে না।ভোটের ফল প্রকাশের পর রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে ভাঙচুরের খবর সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজ্যের মুখ্যসচিব, ডিজিপি, কলকাতার পুলিশ কমিশনার এবং কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীর উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের কড়া নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি সমস্ত জেলাশাসক, পুলিশ সুপার ও পুলিশ আধিকারিকদের হিংসা রুখতে সক্রিয় ভূমিকা নিতে বলা হয়েছে। এলাকায় নিয়মিত টহল দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছেন, ভাঙচুরে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে। শুধু তাই নয়, যারা হিংসায় উস্কানি দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ভোট শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং ফল ঘোষণার পরেও সেই শান্তি বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।এদিকে, নির্বাচনের ফলে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর বিভিন্ন জায়গায় অশান্তির অভিযোগ উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও কড়া বার্তা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, কোনওভাবেই হিংসা বরদাস্ত করা হবে না। যদি কেউ বিরোধী দলের দফতর দখল বা ভাঙচুরে জড়িত থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে দলীয় স্তরেও কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি পুলিশকে অনুরোধ করেছেন, রাজনৈতিক পরিচয় না দেখে হিংসায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে।

মে ০৬, ২০২৬
রাজ্য

ফল ঘোষণার পরই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ! সন্দেশখালিতে গুলিবিদ্ধ ওসি-সহ একাধিক জওয়ান

রক্তপাত ছাড়াই ভোটপর্ব শেষ হলেও ফল ঘোষণার পর থেকেই বিভিন্ন জায়গায় অশান্তির খবর সামনে আসছে। এবার উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালিতে দুই পক্ষের সংঘর্ষে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে ন্যাজাট থানার ওসি-সহ একাধিক পুলিশকর্মী ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে সন্দেশখালির ন্যাজাট থানার রাজবাড়ি এলাকায় দুই দলের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। একটি বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হচ্ছিল বলে খবর পেয়ে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। সেই সময় দুষ্কৃতীরা একটি বাড়ির ভিতর থেকে গুলি চালায়।এই ঘটনায় ন্যাজাট থানার ওসি ভরত প্রসূন পুরকায়েতের পায়ে গুলি লাগে। এছাড়া এক মহিলা কনস্টেবল-সহ আরও দুই পুলিশকর্মী আহত হন। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দুই জওয়ানও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।আহতদের দ্রুত কলকাতার চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁদের বাইপাস সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত রয়েছে।বুধবার সকালে ঘটনাস্থল থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, কয়েক রাউন্ড গুলি এবং তাজা বোমা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এলাকায় কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে।নির্বাচন কমিশন আগেই জানিয়েছিল, ভোটের ফল ঘোষণার পরও হিংসা রুখতে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে। সেই মতো বাহিনী মোতায়েন থাকলেও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর আসছে। বিজেপি নেতৃত্ব জানিয়েছে, কোনও ধরনের ভাঙচুর বা অন্য দলের দফতর দখল করা মেনে নেওয়া হবে না। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারও উস্কানি ও ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

মে ০৬, ২০২৬
কলকাতা

বুলডোজার চালালেই বিপদ! কড়া হুঁশিয়ারি কমিশনারের, দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

ভোটের পর কোনও রকম হিংসা ঠেকাতে কড়া অবস্থান নিল পুলিশ ও বাহিনী। শূন্য সহনশীলতা নীতি গ্রহণ করে শান্তি বজায় রাখার আশ্বাস দিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দা। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, বুলডোজার ব্যবহার করার উপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে এবং এই নিয়ম ভাঙলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।পুলিশ কমিশনার আরও জানান, কোনও পুলিশকর্মী বা আধিকারিক দায়িত্বে গাফিলতি করলে তাঁকে শাস্তির মুখে পড়তে হবে। নিউমার্কেট এলাকায় বুলডোজার ব্যবহারের ঘটনায় এক পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি, যারা জেসিবি ভাড়া দিচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধেও আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর পক্ষ থেকেও সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করা হয়। এক আধিকারিক বলেন, নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য যা যা প্রয়োজন, সব করা হবে। কেউ যেন ভয় না পান, সেই বার্তাই দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, বর্তমানে এলাকায় পঁয়ষট্টি কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন রয়েছে এবং তারা সর্বদা সতর্ক রয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই আশি জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ কমিশনার বলেন, ভোট শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং এখন সেই শান্তি বজায় রাখা জরুরি। তিনি সাধারণ মানুষকে গুজবে কান না দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন এবং কোনও সমস্যা হলে সরাসরি পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেছেন। পাশাপাশি তিনি জানান, কোথাও হিংসা বা ভয়ের পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা হলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মে ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal