• ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২১ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Arrest

রাজ্য

Maldah TMC Leader: মালদায় প্রকাশ্যে বন্দুক চালানো প্র্যাকটিস করছেন তৃণমূল নেতা! ফুটেজ ভাইরাল হতেই অস্বস্তিতে দল

বন্দুক চালানো প্র্যাকটিস করছেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা। মালদহের হরিশচন্দ্রপুরের কাতলামারিতে। টিপ করে গুলি চালানোর ছবি সামনে এল আজ। যদিও ভিডিও ফুটেজ বা ছবির সত্যতা যাচাই করেনি জনতার কথা। তবে ওই ফুটেজ দেখেই আরজাউল হক নামে ওই তৃণমূল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বেআইনি অস্ত্র রাখার আইনে মামলাও শুরু হয়েছে। আরজাউল কাতলামারি এলাকার মালিওর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান তোরিনা খাতুনের দেওর বলে পরিচিত।ভিডিওতে যে ব্যক্তিকে দেখা যাচ্ছে, তিনি হরিশ্চন্দ্রপুর-২ ব্লকের মালিওর-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান তোরিনা খাতুনের দেওর। তিনি ঝোপের মধ্যে বন্দুক তাক করে গুলি চালাচ্ছেন পরপর। আরজাউল দলের সক্রিয় সদিস্য।স্থানীয় নেতা। প্রশ্ন উঠছে, কীভাবে তাঁর হাতে বন্দুক এল? আর কেনই বা বন্দুকের প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন, সেটাও প্রশ্নের। তবে এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে তুমুল রাজনৈতিক বিতর্ক।সার্বিক বিষয়কে ভীষণরকমভাবে অস্বস্তিতে তৃণমূল নেতা।অন্যদিকে, ত্রিপুরার প্রসঙ্গে টেনে এনে তৃণমূল নেতা কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী বলেন, এখানে তো ওরা প্র্যাকটিস করছিল। ত্রিপুরায় তো গুলি করে মেরেই দিচ্ছে। আর আইনের শাসন না থাকলে কীভাবে গ্রেপ্তার হল ওই যুবক? পুলিশ তো তাকে গ্রেপ্তার করেছে। অনেকেই অনুপ্রবেশ করছে, তারাই দাবি করছে আমরা তৃণমূলের নেতা। তবে আদৌ তা কিনা, সেটাও দেখতে হবে। বিহার থেকে লোক ঢুকে পড়ছে। আর তারা তৃণমূলের নাম নিয়ে নিচ্ছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগেই ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের কাতলামারি এলাকায় তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে দুই তৃণমূল কর্মী গুলিবিদ্ধ হন। মালিওর-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ক্ষমতা দখলকে ঘিরে ফের ওই দুই গোষ্ঠী সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে মালিওর-২ এ বাম ও কংগ্রেস বোর্ড গঠন করে। পরে প্রধান ও বাকি সদস্যরা শাসক শিবিরে নাম লেখান। প্রধানের বিরুদ্ধে দলেরই একাংশ অনাস্থা পেশ করে। কিন্তু প্রধান আদালতের দ্বারস্থ হয়ে স্থগিতাদেশ পেয়েছেন। তা নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা রয়েছে। এই আবহেই প্রধানের দেওরের বন্দুক থেকে গুলি ছোড়ার ভিডিও ভাইরাল হতেই হইচই পড়ে গিয়েছে। এদিকে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন মালদা জেলা বিজেপি। বিজেপির পক্ষে প্রান গোবিন্দ মণ্ডল বলেন, তৃণমূল রাজ্য জুড়েই সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করে রেখেছে। এখন তাদের তৃণমূল কর্মীদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। গ্রামে গ্রামে এখন উন্নয়ন কর্মসংস্থানের বদলে অস্ত্রপ্রশিক্ষণ দিয়ে জঙ্গি তৈরি করছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। এই প্রেক্ষিতে মালদা জেলা তৃণমূলের মূখপাত্র শুভময় বসু বলেন, যারা এমন কাণ্ড ঘটাবে দল তাদের পাশে থাকবে না। এরাজ্যে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত বলেই পুলিশ অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে। বিজেপি শাসিত রাজ্যে তা কখনই হয়না। এ প্রসঙ্গে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি সঞ্জয় কুমার দাস জানান, আমরা আরজাউল হককে গ্রেপ্তার করেছি। অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সমস্ত ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন। তার ওপরে ওই এলাকায় চলছে পঞ্চায়েত প্রধানের নির্বাচনকে ঘিরে অনাস্থা। আর এরই মধ্যে তৃণমূল নেতার গেরিলা কায়দায় গুলি ছোড়ার ভিডিও ভাইরাল হতে এলাকায় বিতর্ক শুরু হয়ে গিয়েছে।

নভেম্বর ২৭, ২০২১
রাজ্য

Maldah-New Born Death: টাকা না-পেয়ে সদ্যেজাতকে ছিনিয়ে নিয়ে গেল বৃহন্নলা, সাড়ে তিন ঘণ্টা অভুক্ত থেকে মৃত শিশু

মাত্র কয়েকটা টাকার জন্য প্রাণ গেল সদ্যোজাতর। মালদার মানিকচক থানা এলাকার ঘটনা। টাকার দাবিতে ২০ দিনের শিশুকে মায়ের থেকে দূরে নিয়ে গিয়ে তিনঘণ্টা আটকে রাখার অভিযোগ। গ্রেপ্তার অভিযুক্ত। স্থানীয় সূত্রে খবর, গত ২৯ অক্টোবর তিন সন্তানের জন্ম দেন এক গৃহবধূ। অভিযোগ বুধবার তাঁর বাড়িতে গিয়ে ১২০০ টাকা চান এক বৃহন্নলা। ৩০০ টাকা দিতে রাজি হন পরিবারের লোকজন। কিন্তু এতে সন্তুষ্ট না হওয়ায় ওই শিশুকে মায়ের কোল থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গিয়ে তিনঘণ্টা আটকে রাখা হয়। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যু হয় ওই সদ্যোজাতর। মানিকচক থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। খেতে না পেয়ে এবং ঢোলের আওয়াজে ওই শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ। মানিকচক থানার বাঙালগ্রামের এই ঘটনায় মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে।বাঙালগ্রামের বাসিন্দা মাম্পি মাঝি গত ২৯ অক্টোবর মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তিন সন্তানের জন্ম দেন। বর্তমানে ওই তিন সন্তানকে নিয়ে বাড়িতে ছিলেন তিনি। গতকাল তাঁর সন্তানদের আশীর্বাদের নামে বাড়িতে হাজির হয় এক স্থানীয় ব্যক্তি। ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে তিন ঘণ্টা ধরে শিশুটিকে নিজের কাছে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। এরপর জোরে জোরে ঢোল বাজাতে থাকে। এমনকি খেতেও দেওয়া হয়নি শিশুটিকে। অভিযুক্ত ১২০০ টাকা দাবি করে। তা দিতে অস্বীকার করাতেই দীর্ঘক্ষণ ওই শিশুকে আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগ। মৃত্যু হয় শিশুটির। এই নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। ঘটনার খবর পেয়ে ওই বাড়িতে ছুটে যান মানিকচক থানার পুলিশ।

নভেম্বর ১৮, ২০২১
কলকাতা

FireArms and Ammunition: মোমিনপুরে আগ্নেয়াস্ত্র-সহ ধৃত দুই সন্দেহভাজন

কলকাতায় আগ্নেয়াস্ত্র-সহ পাকড়াও দুই সন্দেহভাজন যুবক। রাতের শহরে নাকা চেকিংয়ের জেরেই এই সাফল্য পেল কলকাতা পুলিশ। বুধবার রাতে বিক্রির উদ্দেশ্যেই আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে যাওয়া হয়েছিল দুই সন্দেহভাজন। মোমিনপুর ক্রসিংয়ের কাছে নাকা চেকিংয়ের সময় হাতেনাতে ধরা পড়ে এক যুবক। নাম শেখ সাদ্দাম হোসেন (১৮)। সে তখন একবালপুরের ফুটপাত দিয়ে যাচ্ছিল।তাকে জেরা করতেই বাবলু আরি (২১) নামক আরও এক যুবকের সন্ধান মেলে। পরে রাতে তাকেও গ্রেপ্তার করে একবালপুর থানার পুলিশ। তাদের কাছ থেকে একটি দেশি পিস্তল ও দুটি তাজা কার্তুজ উদ্ধার হয়। জানা গিয়েছে, তারা আগ্নেয়াস্ত্র সরবরাহ করত। কিন্তু কাদের সেই অস্ত্র তারা সরবরাহ করত তা এখনও জানা যায়নি। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।চলতি সপ্তাহেই কলকাতা বন্দর এলাকায় অস্ত্র উদ্ধার কাণ্ডে ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। নান্টি ওরফে বাবলু ঘোষ এবং বিলাল ওরফে শেখ আবুল হোসেন নামে ওই দুই দুষ্কৃতীকে গতরাতে গ্রেপ্তার করা হয়।

নভেম্বর ১৮, ২০২১
কলকাতা

Threat Letter: আলাপনের নাম করে হুমকি চিঠি-কাণ্ডে গ্রেপ্তার চিকিৎসকর!

রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে খুনের হুমকি চিঠি মামলায় গ্রেপ্তার এক চিকিৎসক-সহ তিন জন। লালবাজার সূত্রে খবর, মূল অভিযুক্ত চিকিৎসক অরিন্দম সেন গত দুবছর ধরে বিভিন্ন লোককে হুমকি চিঠি পাঠাতেন।গত ২৬ অক্টোবর, মঙ্গলবার আলাপনের স্ত্রী সোনালি চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে একটি চিঠি আসে। এক লাইনের চিঠিতে ইংরেজিতে লেখা ছিল, আপনার স্বামী নিহত হবেন। কেউ আপনার স্বামীকে বাঁচাতে পারবে না। চিঠিতে সাক্ষর ছিল গৌরহরি মিশ্রের। প্রযত্নে, রাজাবাজার সায়েন্স কলেজের কেমিক্যাল টেকনোলজি বিভাগের মহুয়া ঘোষ। ঘটনাচক্রে সোনালি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।সেদিনই হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের করে ঘটনার তদন্তে নামে পুলিশ। সোমবার বালিগঞ্জের বিজন সেতু এলাকা থেকে বিজয়কুমার কয়াল নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পেশায় টাইপিস্ট বিজয় পুলিশি জেরায় জানায়, চিকিৎসক অরিন্দম সেনকে সে-ই খুনের হুমকির চিঠি টাইপ করে দিয়েছিল। সন্ধের মধ্যে রাজা রামমোহন রায় সরণির বাসিন্দা অরিন্দমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয় অরিন্দমের গাড়ির চালক রমেশ সাউকেও।জেরায় ওই চিকিৎসক জানিয়েছেন, অনেক ক্ষেত্রে আক্রোশের জেরে তিনি চিঠি পাঠিয়ে থাকতেন। কেন তিনি গৌর হরি মিশ্রের নাম চিঠিতে উল্লেখ করেছিলেন? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানিয়েছেন, গৌর হরি মিশ্রকে অপদস্ত করতেই তাঁর নাম লিখেছিলেন। অনেকক্ষেত্রে নাকি তিনি সাংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত খবরের দ্বারা প্রভাবিত হয়েও চিঠি লিখতেন। চিকিৎসকের মেন্টাল মেডিক্যাল রিপোর্ট খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

নভেম্বর ০৯, ২০২১
রাজনীতি

Big Breaking: দীপাবলিতেই নিভল জীবনপ্রদীপ, প্রয়াত সুব্রত মুখোপাধ্যায়

৭৫-এই নিভল জীবনপ্রদীপ।প্রয়াত হলেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এসএসকেএম হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সুব্রতবাবু। মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম জানান, রাত ৯টা ২২ নাগাদ সিভিয়ার কার্ডিয়াক অ্যারাস্ট হয় তাঁর।এসএসকেএমে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই জানান, সুব্রত মুখোপাধ্যায় প্রয়াত। কালীপুজোতে এ ভাবে আলো নিভে যাবে ভাবতে পারিনি। আমি সুব্রতদার মৃতদেহ দেখতে পারব না। ফিরহাদ হাকিমও উপস্থিত ছিলেন এসএসকেএমে। ফিরহাদ হাকিম বলেন, মমতাদি আসতে আসতে পুরো ভেঙে পড়েছিলেন। বলছিলেন জীবনে অনেক ঝড় ঝাপ্টা দেখেছি। কিন্তু এরকম ভাবে সুব্রতদার চলে যাওয়া ভাবতে পারি না। আজ আমাদের বিরাট ক্ষতি। ৯টা ২২-এ সুব্রতদা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। সিভিয়ার কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট। স্টেন্ট বসে গিয়েছিল। বাথরুম থেকে ঘরে ঢোকার সময় একটা সিভিয়ার হার্ট অ্যাটাক। পরে আবারও হার্ট অ্যাটাক।২৪ অক্টোবর, রবিবার স্বাস্থ্যপরীক্ষা করাতে এসএসকেএম হাসপাতালে যাওয়ার পর সুব্রতকে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন চিকিৎসকেরা। শ্বাসকষ্ট বাড়ায় উডবার্ন ওয়ার্ডের আইসিসিইউ-তে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। কিন্তু অবস্থার অবনতি হতে থাকে। সেখানেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করলেন প্রবীণ রাজনীতিবিদ। I am deeply anguished pained by the passing away of veteran politician senior WB Cabinet Minister Shri Subrata Mukherjee.My thoughts are with his bereaved family members, admirers supporters.May his soul attains eternal peace. Om Shanti 🙏🏻 Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) November 4, 2021মন্ত্রীর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করে টুইট করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শোকপ্রকাশ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর মতে, রাজনৈতিক মহীরুহের পতন হল।

নভেম্বর ০৪, ২০২১
রাজ্য

JMB-Terrorists: সুভাষগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার জেএমবি জঙ্গি, দীপাবিলর আগে নাশকতার ছক?

ফের বাংলা থেকে এনআইএ-র জালে ধরা পড়ল জেএমবি জঙ্গি। দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে এনআইএ এক সন্দেহভাজন জামাত ইল মুজাহিদিন বাংলাদেশ বা জেএমবি জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করেছে। দীপাবলির আগে নাশকতার ছক ছিল কী না জানতে জেরা করছে এনআইএ।NIA arrests Jamaat-ul-Mujahideen Bangladesh terrorist from West Bengals South 24 ParganasRead @ANI Story | https://t.co/5v74Xx3MwK#NIA pic.twitter.com/TLpDz0CWPL ANI Digital (@ani_digital) November 3, 2021গত জুলাই মাসে কলকাতার হরিদেবপুর থেকে নাজিউর রহমান নামে এক সন্দেহভাজন জেএমবি জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করে এনআইএ। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আব্দুল মান্নানের নাম উঠে আসে। তার পরই আব্দুল মান্নানের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে এনআইএ। শেষ পর্যন্ত সুভাষগ্রামে তাঁর সন্ধান মেলে। বুধবার ধৃতকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হবে।সোনারপুরের সুভাষগ্রামে একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন আব্দুল মান্নান নামে এক ব্যক্তি। মঙ্গলবার মধ্যরাতে তাঁর বাড়িতে অভিযান চালায় এনআইএ। স্থানীয় সূত্রে খবর, আদতে বাংলাদেশের নাগরিক আব্দুল মান্নান নাম পরিচয় ভাঁড়িয়ে সুভাষগ্রাম এলাকায় ভাড়া থাকছিলেন। তাঁর কাছ থেকে ভুয়ো আধার কার্ড ও ভোটার কার্ড উদ্ধার করেছে এনআইএ। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, জেএমবি-র সক্রিয় সদস্য ধৃত আব্দুল মান্নান বড়সড় কোনও নাশকতার পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন।

নভেম্বর ০৩, ২০২১
রাজ্য

Raids for Crackers: পূর্ব বর্ধমানে অভিযান চালিয়ে প্রচুর বাজি উদ্ধারের পাশাপাশি গ্রেপ্তার ৪

কালীপুজো ও দীপাবলিতে বাজি পোড়ানো ও বিক্রি রুখতে লাগাতার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ। বৃহস্পতিবার জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ প্রচুর শব্দবাজি উদ্ধার করার পাশাপাশি ৪ জন বাজি বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে। শুক্রবার রাজ্যের সর্ব্বোচ্চ আদালত যে কোনও ধরণের বাজি বিক্রি ও পোড়ানো নিষিদ্ধ করছে। শুধুমাত্র প্রদীপ অথবা মোমবাতি জ্বেলে দীপাবলি পালন করায়ছাড় দিয়েছে আদালত। আদালতের সেই নির্দেশ কার্যকর করতে শুক্রবার অভিযান আরও জোরদার করলো পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলার মেমারি থানার পুলিশ মেমারির গৌরীপুরের একটি বাজি কারখানায় হানা দিয়ে দুটি বস্তায় মজুত করে রাখা ৫০ কেজি শব্দ ও আতসবাজি উদ্ধার করেছে।এছাড়াও ওই কারখানা থেকে ৫০ কেজির বেশি বাজি তৈরির উপকরণও পেয়েছে। উদ্ধার হওয়া সবকিছু বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি পুলিশ অবৈধভাবে বাজি তৈরির অভিযোগে ওই কারখানার মালিক বাদল মুর্মুকে গ্রেপ্তার করেছে। একই দিনে শক্তিগড় থানার পুলিশ একটি দোকানে হানা দিয়ে ৫ কেজি শব্দবাজি বাজেয়াপ্ত করেছে। নিষিদ্ধ বাজি বিক্রির অভিযোগে পুলিশ জগন্নাথ খাঁ ও বনমালি হালদার নামে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। এছাড়াও জেলার মাধবডিহি থানার পুলিম বৃহস্পতিবার রাতে বিনোদপুর এলাকার নিতাই মণ্ডলের বাড়িতে হানা দিয়ে ২ কেজি লঙ্কা বাজি, ১০টি গাছ বাজি, ২৫০টি শব্দবাজি ও ১৫টি তুবড়ি বাজি উদ্ধার করেছে। পুলিশের দাবি, বাজি বিক্রি সংক্রান্ত বৈধ কোনও নথিপত্র ধৃতদের কেউই দেখাতে না পারার তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ শুক্রবার ধৃতদের পেশ করে বর্ধমান আদালতে। জামিনযোগ্য ধারায় মামলা রুজু হওয়ায় সিজেএম যদিও ধৃত সকলের জামিন মঞ্জুর করেন।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
দেশ

NCB-Aryan: আরিয়ান-কাণ্ডে আটক এনসিবি-র অন্যতম সাক্ষী কিরণ গোসাভি

আরিয়ান-কাণ্ডে ফের নয়া মোড়। নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর (এনসিবি) অন্যতম সাক্ষী কিরণ গোসাভিকে আটক করল পুলিশ। পুণে পুলিশের তরফে এ খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। পুণের পুলিশ কমিশনার অমিতাভ গুপ্ত বলেছেন, মুম্বইয়ের প্রমোদতরীতে মাদক মামলায় এনসিবি-র অন্যতম সাক্ষী কিরণ গোসাভিকে আটক করা হয়েছে।মুম্বইয়ের প্রমোদতরীতে এনসিবি যখন হানা দিয়েছিল তখন সেখানে গোসাভি উপস্থিত ছিলেন বলে অভিযোগ। পরে এনসিবি-র অফিসে আরিয়ান খানের সঙ্গে নিজস্বীও তোলেন তিনি। দুই জায়গার ছবি-ভিডিও জানান দেয় শাহরুখ-পুত্রের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগের বিষয়টি। রবিবার গোসাভির দেহরক্ষী হিসাবে দাবি করা এক ব্যক্তি ঘুষ সংক্রান্ত লেনদেনের অভিযোগ তুলেছিলেন তাঁর বিরুদ্ধে। প্রভাকর সইল বলে ওই ব্যক্তি দাবি করেন, টেলিফোনে ২৫ কোটি টাকা ঘুষের বিষয়টি নিয়ে গোসাভিকে কথা বলতে শুনেছিলেন তিনি। সেই ২৫ কোটির মধ্যে আট কোটি টাকা এনসিবি কর্তা সমীর ওয়াংখেড়েকে দেওয়ার কথাও না কি হয়েছিল। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেন গোসাভি। ঘুষের ব্যাপারে তিনি সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমকে বলেছিলেন, প্রথম বার এই বিষয়টি আমি শুনছি। ওয়াংখেড়েকেও তিনি ২ অক্টোবরের আগে চিনতেন না বলে দাবি করেছেন।উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের একটি প্রতারণা মামলায় গোসাভির বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি করে পুণে পুলিশ। পুলিশের দাবি, তার পর থেকেই খোঁজ মিলছিল না।

অক্টোবর ২৮, ২০২১
রাজ্য

Banned Syrup: নিষিদ্ধ সিরাপসহ কাটোয়ায় ধৃত ভিন রাজ্যের দুই মাদক কারবারী

নিষিদ্ধ কোডাইন সিরাপ সহ পুলিশের হাতে ধরা পড়লো ভিনরাজ্যের দুই মাদক কারবারী। ধৃতদের নাম রাহুল কুমার ও আমিল হোসেন। আমিল হোসেনের বাড়ি বিহারের সিওয়ান জেলার গরিয়াকুঠি এলাকায়। অপর ধৃত রাহুল ঝাড়খণ্ডের বোকারো স্টিল সিটির বাসিন্দা। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থানার পুলিশ সোমবর রাতে টহলদারির সময় কাটোয়ার গাঙ্গুলিডাঙ্গার একটি কালভার্টের কাছ থেকে তাদের ধরে। পুলিশের দাবি, তল্লাশিতে ২ লিটার কোডাইন সিরাপ ভর্তি একটি বোতল যুবকদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়ার পরেই তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা আন্তরাজ্য চুরি চক্রের সঙ্গেও যুক্ত রয়েছে বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি ধৃত দুই যুবক মাদকের কারবারের সঙ্গেও জড়িত রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এইসব অপরাধ চক্রে ধৃতদের সঙ্গে আরও কারা কারা যুক্ত রয়েছে তা জানার চেষ্টা চলছে। পুলিশ ধৃতদের অপরাধ সংক্রাণ্ত অতীত রেকর্ড জানতে ঝাড়খন্ড ও বিহারের পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগ করছে। গ্রেপ্তার হওয়া দুই ধৃতকে মঙ্গলবার কাটোয়া মহকুমা আদালতে পেশ করা হয় ।তদন্তকারী অফিসার তাঁদের ৭ দিন পুলিশি হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান। বিচারক ধৃতদের পুলিশি হেপাজত মঞ্জুর করেছেন।

অক্টোবর ২৭, ২০২১
রাজ্য

Palsit Toll Plaza: বাস যাত্রীদের মারধোর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার পালসিট টোলপ্লাজার ২ কর্মী

টোল আদায় নিয়ে বিবাদ চলাকালীন বাসের কয়েকজন যাত্রীকে মারধর ও মহিলাদের শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার হল টোল প্লাজার দুই কর্মী। মঙ্গলবার ভোরে ঘটনাটি ঘটেছে জাতীয় সড়কে পূর্ব বর্ধমানের মেমারির পালসিট টোল প্লাজায়। ধৃতদের নাম রাজু মুখোপাধ্যায় ও ইন্দ্রজিৎ ঘোষ। হুগলির উত্তরপাড়া থানার ভদ্রকালীতে রাজুর বাড়ি। অপর ধৃত ইন্দ্রজিৎতের বাড়ি হুগলির ডানকুনি থানা এলাকায়। বাসযাত্রীদের অভিযোগের ভিত্তিতে মেমারি থানার পুলিশ এদিনই তাদের গ্রেফতার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ এদিনই ধৃতদের পেশ করে বর্ধমান আদালতে। ধৃতদের বিচারবিভাগীয় হেপাজতে পাঠিয়ে বৃহস্পতিবার ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।পুলিশ জানিয়েছে, পশ্চিম বর্ধমানের চিত্তরঞ্জন থেকে একটি বাস যাত্রী নিয়ে হাওড়ার লিলুয়ায় যাচ্ছিল। পালশিট টোল প্লাজার কর্মীরা বাসটির কাছে টোল বাবদ ২৯০ টাকা চায়। ফাস্ট ট্যাগ থাকা সত্বেও কেন বাসের টোল বাবদ নগদে টাকা চাওয়া হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বাস যাত্রীরা। তা সত্ত্বেও টাকা নিয়ে বাসটিকে তখন ছাড়া হয়। এরপর ফেরার সময় ফের বাসটির চালকের কাছে টোল বাবদ ৩০০ টাকা চায় পালসিট টোল প্লাজার কর্মীরা। কেন এত টাকা চাওয়া হচ্ছে তা নিয়ে ফের প্রশ্ন তোলেন বাসের যাত্রীরা। তা নিয়ে বচসা চলাকালীন টোলের কর্মীরা লাঠি, রড প্রভৃতি নিয়ে বাসের যাত্রীদের উপর হামলা চালায়। যাত্রীদের মারধর করে। বাসের মহিলা যাত্রী ও বৃদ্ধরাও হামলাকারীদের হাত থেকে রেহাই পান না। মহিলা যাত্রীদের শ্লীলতাহানি পর্যন্ত করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার বিষয়ে রাহুল কুমার বাল্মীকি নামে বাসের এক যাত্রী মেমারি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে মামলা রুজু করে পুলিশ টোল প্লাজার দুই কর্মীকে গ্রেপ্তার করে।

অক্টোবর ২৭, ২০২১
রাজ্য

Chotkhanda: লাঠি পেটা ও হাতে ঝাঁটার কাঠি ফুঁটিয়ে দিয়ে বৃদ্ধ বাবাকে নির্যাতন, গ্রেফতার গুনধর

বৃদ্ধ বাবাকে মারধর ও হাতে ঝাঁটার কাঠি ফুঁটিয়ে জখম করার অভিযোগে গ্রেপ্তার হল গুনধর ছেলে। ধৃতের নাম সুরজিৎ সরকার। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার চোটখণ্ড গ্রামের উত্তরপাড়ায়। মেমারি থানার পুলিশ মঙ্গলবার ভোরে বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। বৃদ্ধ বাবাকে মারধোরে ব্যবহৃত লাঠি ও ঝাঁটাটি পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ এদিনই ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। বিচারক ধৃতকে বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে ৩ নভেম্বর ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।পুলিশ জানিয়েছে, বসত বাড়ি ও জমি-জমা নিয়ে বৃদ্ধ বাসুদেব সরকারের সঙ্গে তাঁর ছেলে সুরজিতের বেশ কিছুদিন ধরে বিবাদ চলছে। মাঝেমধ্যেই সুরজিৎ তাঁর বাবাকে মারধর করতো বলে অভিযোগ। গত সোমবার সকালে বাড়ির একটি জায়গা ত্রিপল দিয়ে ঘেরা নিয়ে সুরজিতের সঙ্গে তাঁর বাবার বচসা বাধে। অভিযোগ, ওই সময়ে সুরজিৎ অশ্লীল ভাষায় তাঁর বাবাকে গালিগালাজ করে। বৃদ্ধ বাবা তার প্রদিবাদ করলে সুরজিৎ লাঠি দিয়ে তাঁর বাবাকে ব্যাপক মারধোর করে। এমনকি ছেলে সুরজিৎ তাঁর বৃদ্ধ বাবায় হাতের একাধিক জায়গায় ঝাঁটার কাঠি ফুটিয়ে দেয় বলে অভিযোগ।মেমারি হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়ে বৃদ্ধ তাঁর ছেলের অত্যাচারের কথা জানিয়ে মেমারি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। বাবার অভিযোগে পুলিশ ছেলেকে গ্রেপ্তার করে।

অক্টোবর ২৬, ২০২১
কলকাতা

Gariahat Murder: গড়িয়াহাট জোড়া খুনে আটক আরও দুই

গড়িয়াহাটের কাঁকুলিয়া রোডে জোড়া খুন-কাণ্ডে পরতে পরতে যেন রহস্য। মূল চক্রী ভিকি হালদার এখনও অধরা। তবে ওই ঘটনায় জড়িত থাকতে পারেন এমন সন্দেহে শুক্রবার দুই যুবককে আটক করল পুলিশ। তাঁদের পাথরপ্রতিমার গোবর্ধনপুর এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে। কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দারা মনে করছেন, ভিকির সঙ্গে খুনের ঘটনায় ওই দুই যুবকও জড়িত থাকতে পারেন। পুরো ঘটনা জানতে ধৃতদের লালবাজারে এনে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।আরও পড়ুনঃ নিজের ধর্মকে অবমাননা করা হয়েছে অন্যের ধর্মকে আঘাত করতে গিয়েএকটার পর একটা জট ছাড়িয়ে এগোতে হচ্ছে গোয়েন্দাদের। মৃতদেহগুলি দেখে তদন্তকারীরা অনুমান করেছিলেন, এই ঘটনায় একাধিক ব্যক্তি জড়িত। পরে তাঁরা খুনের ঘটনার অন্যতম মূলচক্রী মিঠু হালদারকে গ্রেপ্তার করেন। তাঁকে দফায় দফায় জেরা করে একাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকার বিষয়ে আরও নিশ্চিত হন গোয়েন্দারা। শুক্রবার খুনের সন্দেহে জাহির গাজি এবং বাপি দাস নামে দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। তবে এই ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ভিকির এখনও নাগাল পাননি গোয়েন্দারা। এখন তাঁদের আশা, শুক্রবার ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে শীঘ্রই কোনও সূত্র পাওয়া যাবে।

অক্টোবর ২২, ২০২১
রাজ্য

Alcohol Smuggling: চারচাকা গাড়িতে চোলাই মদের চোরাচালান, গ্রেফতার-গাড়ি আটক, ব্যাপক চাঞ্চল্য পূর্ব বর্ধমানে

গাঁজা, হেরোইন, কোকেন এই সব মাদক দ্রব্যের চোরাচালান কারবার যে হয় তা অনেকেই জানেন। কিন্তু চোলাই মদের চোরাচালান কারবারও যে ইদানিং শুরু হয়েছে তা অনেকের কাছেই অজানা ছিল। যা প্রকাশ্যে এসেছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার পুলিশের চালানো অভিযানে প্রচুর পরিমাণ চোলাই মদ বোঝাই চারচাকা গাড়িসহ এই পাচারকারী ধরা পড়ার পর। পুলিশের দাবি, চারচাকা গাড়িতে চোলাই মদ মজুত করে নিয়ে বুধবার রাতের অন্ধকারে হুগলি জেলা থেকে পূর্ব বর্ধমান জেলায় পাচার করতে এসেছিল পাচারকারীরা। এই পাচারকারী ছাড়া ও চোলাই মদসহ হুগলী জেলার আরও এক চোলাই পাচারকারীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। চোলাই মদের চোরাচালানের জাল কতদূর বিস্তৃত রয়েছে রয়েছে তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে।পুলিশ জানিয়েছে, বিপুল পরিমান চোলাই মদসহ ধৃতের নাম প্রদীপ দাস। অপর ধৃত সুকুমার রুইদাস। প্রদীপ হুগলী জেলার সিঙ্গুর থানার রতনপুর এলাকার বাসিন্দা। সুকুমারের বাড়ি হুগলির তারকেশ্বর থানা এলাকায়। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ দুই ধৃতকে বৃহস্পতিবার পেশ করে বর্ধমান আদালতে। সিজেএম ধৃতদের বিচার বিভাগীয় হেপাজতে পাঠিয়ে আগামী ৩ নভেম্বর ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।এসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ) আমিনুল ইসলাম খাঁন জানিয়েছেন, জামালপুর থানা এলাকায় চোলাই মদ পাচার করতে আসার খবর পুলিশ গোপন সূত্রে মাধ্যমে পায়। সেই খবর পাওয়ার পরেই ওই রাতে পুলিশ অভিযানে নামে। জামালপুরের চকদিঘী পঞ্চায়েতের পর্বতপুর এলাকা দিয়ে যাওয়া একটি টাটাসুমো গাড়ির গতিবিধি দেখে পুলিশের সন্দেশ হয়। পুলিশগাড়িটির পথ আটকায়। তারই মধ্যে গাড়িটিতে সওয়ার থাকা এক ব্যক্তি পালিয়ে যায়। গাড়ির অপর আরোহী প্রদীপ দাসকে পুলিশ ধরে ফেলে। গাড়িতে তল্লাশি চালানো হলে একাধিক পাউচে ভর্তি ১২০০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার হয়েছে। প্রদীপ দাসকে গ্রেপ্তার করার পাশাপাশি চোলাই মদ সহ টাটা সুমো গাড়িটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এসডিপিও বলেন, ধৃত প্রদীপকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলার রায়না, মাধবডিহিসহ বিভিন্ন জয়গায় পাচারের জন্য টাটাসুমোয় প্রচুর মদ বোঝাই করে নিয়ে হুগলির সিঙ্গুর থেকে তারা আসছিল। এসডিপিও বলেন, এই চোলাই মদ কারবারি চক্রের মূল পাণ্ডার সন্ধান চালানো হচ্ছে। পুলিশের একইরকম অভিযানে সুকুমার রুইদাস নামে তারকেশ্বরের এক চোলাই মদ পাচার কারিকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযান জারি থাকবে বলে এডিপিও জানিয়েছেন।

অক্টোবর ২১, ২০২১
রাজ্য

Supari Killer: মঙ্গলকোটের তৃণমূল নেতাকে খুনের ঘটনায় চেন্নাই থেকে গ্রেফতার সুপারি কিলার

তৃণমূল নেতাকে খুনের ঘটনার তিন মাস পর সুপারি কিলারকে গ্রেফতার করলো সিআইডি। ধৃতের নাম মহম্মদ সুরজ মানালি। তাঁর বাড়ি বীরভূম জেলার ঘিদহ গ্রামে। সিআইডি দল চেন্নাই থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে। সিআইডির দাবি, চলতি বছরের ১২ জুলাই গুলি করে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের লাখুড়িয়া অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি আসীম দাসকে খুন করে চেন্নইয়ে পালিয়েছিল কুখ্যাত সুপারি কিলার সুরজ। সিআইডি সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার ধৃতকে কাটোয়া মহকুমা আদালতে পেশকরে সিআইডি হেপাজতে নেওয়া হবে।সিআইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১২ জুলাই সন্ধ্যায় মঙ্গলকোটের লাখুড়িয়া অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি অসীম দাস বাইকে চেপে পার্টি অফিস থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। ওই সময়ে স্থানীয় শিউর গ্রামের মোড়ে দুস্কৃতীরা খুব কাছ থেকে তাঁকে গুলি করে খুন করে পালায়। ঘটনার চার দিনের মাথায় এই খুনের ঘটনার তদন্তভার হাতে নেয় সিআইডি। তদন্তে নেমে সিআইডি আধিকারিকরা নিশ্চিৎ হন মঙ্গলকোটে অজয় নদে অবৈধ বালির কারবারে অসীম দাস বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তার কারণেই তাঁকে খুন হতে হয়। গ্রেফতার হয় খুনের ঘটনার মূল অভিযুক্ত তথা অবৈধ বালির কারবারি শেখ রাজু। তাকে জেরা করে সিআইডি গত ১৩ আগস্ট বীরভূম জেলার ঘিদহ গ্রামের বাসিন্দা পেশায় কাঠমিস্ত্রী শেখ খোকন ওরফে বাবুলকে গ্রেফতার করে। এবার গ্রেফতার হল সুপারি কিলার মহম্মদ সুরজ মানালি। এই নিয়ে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিকে খুনের ঘটনায় সিআইডির জালে ধরা পড়লো আট জন।

অক্টোবর ২১, ২০২১
কলকাতা

Gariahat Double Murder: সুবীর চাকি খুনে ডায়মন্ড হারবার থেকে আটক দুই

গড়িয়াহাটের কাঁকুলিয়া রোডে জোড়া খুনের ঘটনার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে লালবাজার ও ডায়মন্ড হারবার থানায় একাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করল পুলিশ। আজ সেই জোড়া খুনের তদন্তে এক মহিলা ও তাঁর ছেলেকে আটক করেছে কলকাতা পুলিশের হোমিসাইড শাখা। কিছু তথ্যের ভিত্তিতে আজ ওই মা ও ছেলেকে আটক করা হয়েছে। ডায়মন্ড হারবার থেকে তাঁদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।আজই তাঁদের লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। খুনের সঙ্গে তাঁদের প্রত্যক্ষ যোগ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশের ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর নীরবতায় অসন্তুষ্ট বিজেপিপুলিশ সূত্রে খবর, ডায়মন্ড হারবারে থাকেন কলকাতায় পরিচারিকা ও আয়ার কাজ করা মিঠু হালদার নামে এক মহিলা। সুবীর যখন কর্মসূত্রে কলকাতার বাইরে থাকতেন, তখন তাঁর মায়ের দেখভাল করতেন মিঠু। প্রাথমিক তদন্তে গোয়েন্দারা মনে করছেন, সুবীর এবং রবীন খুনের ঘটনায় মিঠুর যোগ আছে। শুধু তাই নয়, মিঠু-সহ তাঁর ছেলে এবং ছেলের তিন বন্ধুর ভূমিকাকেও আতশকাচের তলায় রাখছেন গোয়েন্দারা। গোয়েন্দাদের অনুমান, কাঁকুলিয়া রোডের ওই বাড়ি বিক্রির প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিলেন মিঠুর ছেলেও। তিনিও বিভিন্ন জায়গা থেকে ক্রেতা নিয়ে আসতেন। গোয়েন্দাদের ধারণা, সম্ভবত বাড়ি বিক্রি সংক্রান্ত কোনও চুক্তি নিয়ে মিঠুর ছেলের সঙ্গে সুবীরের বিবাদ হয়। সেই কারণেই খুন কি না তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।রবিবার গড়িয়াহাট থানা এলাকার ৭৮ এ কাঁকুলিয়া রোডের একটি তিনতলা বাড়ি থেকে সুবীর চাকি ও তাঁর গাড়ির চালক রবীন মণ্ডলের রক্তাক্ত, ক্ষত বিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়। তদন্তে নেমে প্রথম দিকে ধোঁয়াশা থাকলেও ধীরে ধীরে এবার বোধহয় কিছু সূত্র হাতে আসছে তদন্তকারীদের। মঙ্গলবার সকালে লালবাজারের ডগ স্কোয়াড ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে পৌঁছতেই পুলিশ কুকুর বাড়িটিতে ঘোরাফেরার পরই সোজা চলে যায় বালিগঞ্জ রেল স্টেশনে। সেখানকার এক ও দুনম্বর প্ল্যাটফর্মে ঘোরাঘুরি করে ডগ স্কোয়াডের ওই দক্ষ সদস্য। এরপরই ফের আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে চলে যায় সে। তদন্তকারীরা অনুমান করছেন, আততায়ীরা এই দুজনকে খুন করার পর ট্রেনে চেপেই গা ঢাকা দিয়েছে।

অক্টোবর ২০, ২০২১
রাজ্য

Brutal Torture: প্রেমিকের নৃশংস নির্যাতনে গুরুতর জখম প্রেমিকা-মন্তেশ্বরে গ্রেপ্তার প্রেমিক

প্রেমিকের প্রতিশোধের আগুনে কখনও মুখ পুড়েছে প্রেমিকার। আবার কখনও ব্যর্থ প্রেমিকের হাতে খুন হতে হয়েছে প্রেমিকাকে। কিন্তু পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বরে আদিবাসী মহিলার উপর হওয়া নৃশংস অত্যাচারের কাহিনী এইসব কিছুকেই হার মানিয়ে দিয়েছে। বছর ৩৫ বয়সী আদিবাসী মহিলার সঙ্গে বিরোধ তৈরি হওয়ায় তাঁর উপর হাড়হিম করা নির্যাচন চালয় প্রেমিক সুনীল টুডু। নির্যাতন চালিয়ে প্রেমিকার গোটা শরীর ক্ষত বিক্ষত করে দিয়েই খান্ত হয়নি প্রেমিক সুনীল।মুগুর জাতীয় কিছু দিয়ে যৌনাঙ্গে আঘাত করেও প্রেমিকাকে চুড়ান্ত ভাবে তিনি ঘায়েল করে দিয়েছে। এমনকি জলে মুখ ডুবিয়ে তিনি তাঁর প্রেমিকাকে প্রাণে মেরে দেওয়ারও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ।বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নির্যাতিতা আদিবাসী মহিলার মুখ থেকে এমন অত্যাচারের কাহিনী শোনার পর মঙ্গলবার পুলিশ সুনীল টুডুকে গ্রেপ্তার করে। এই ঘটনা জানার পর শিউরে উঠেছেন মন্তেশ্বরের বাসিন্দারা। তারা সুনীল টুডুর কঠোরতম শাস্তির শাস্তির দাবি করেছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সুনীল টুডুর বাড়ি মন্তেশ্বরের মামুদপুর ১ পঞ্চায়েতের পুরুনিয়া গ্রামে। তাঁর প্রেমিকার বাড়ি জেলার নাদনঘাট থানা এলাকায়। তাঁর সন্তান রয়েছে। বছর দেড়েক আগে মারা গিয়েছেন তাঁর স্বামী। মহিলা খেত মজুরির কাজ করেন। মাস ছয় আগে মহিলার সঙ্গে সুনীলের প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। তার পর থেকে আদিবাসী ওই মহিলা সুনীলের সঙ্গেই থাকা শুরু করেন। কিন্তু সম্পর্কে চিড় ধরায় দু জনের মধ্যে অশান্তি শুরু হয়। মহিলা রাগারাগি করে নাদনঘাট চলে যান। সুনীল রবিবার তাঁর প্রেমিকাকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনতে নাদনঘাটে যান। মহিলা সুনীলের সঙ্গে আসতে প্রথমে রাজি হয়নি।পরে নানারকম বুফিয়ে রবিবার সুনীল তাঁর প্রেমিকাকে নাদনঘাট থেকে মন্তেশ্বরে নিয়ে আসেন।ওইদিন সন্ধ্যায় পুরুনিয়া গ্রামে ঢোকার মুখে দুজনের মধ্যে ফের ঝামেলা বাঁধে। তখনই সুনীল তাঁর প্রেমিকার উপর চড়াও হয়ে হাড়হিম করা নির্যাতন চালায়। নিজের এই কুকীর্তি আড়াল করতে পরদিন সকালে সুনীল স্থানীয়দের কাছে দুস্কৃতী হামলার গল্প বলে পার পাওয়ার চেষ্টা করে । কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি।জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ধ্রুব দাস জানিয়েছেন, মঙ্গলবার ওই মহিলার সঙ্গে পুলিশ কথা বলে। জিজ্ঞাসাবাদে মহিলা পুলিশকে জানায় তাঁর ওপর এমন অমানুষিক নির্যাতন চালিয়েছে সুনীল টুডু। এরপরেই পুলিশ সুনীল টুডুকে গ্রেপ্তার করে। কেন সুনীল মহিলার উপর এমন নৃশংস নির্যাতন চালালো তা জানতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২১
রাজ্য

Rape: মুখ চাপা দিয়ে রাস্তা থেকে আদিবাসী মহিলাকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ, চাঞ্চল্য মন্তেশ্বরে

অন্ধকার রাস্তায় মুখ চাপা দিয়ে আদিবাসী মহিলাকে নির্জন জায়গায় তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠলো দুস্কৃতিদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনা জানাজানি হতেই সোমবার সকাল থেকে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর থানা এলাকায়। দুস্কৃতিরা আদিবাসী মহিলাকে গণধর্ষণ করেছে লোক মুখে এলাকায় ছড়িয়ে। এই খবর পেয়েই পুলিশ মন্তেশ্বরের বরুনা এলাকার ক্যানেল পাড়ে থাকা নির্যাতিতা মহিলাকে উদ্ধার করে ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায়। শারীরিক অবস্থা খারাপ থাকায় মহিলাকে সেখান থেকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে কয়েকজনকে আটক করে শুরু হয়েছে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,সোমবার ভোর রাতে মন্তেশ্বরের বরুনা গ্রামের ক্যানেল পাড়ে থাকা একটি ট্র্যাক্টরের ট্রলির নিচে পড়ে কাতরাচ্ছিলেন এক আদিবাসী মহিলা। তাঁর স্বামী মহিলার চোখে মুখে জল দিচ্ছিলেন। এমনটা দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা তাঁদের কাছে যান। কি হয়েছে জিজ্ঞাসা করতেই মহিলার স্বামী তাঁর স্ত্রীর উপর রবিবার রাতে হওয়া নির্যাতনের কথা স্থানীয়দের জানায়। স্থানীয়দের মাধ্যমে এই খবর পৌছায় মন্তেশ্বর থানার পুলিশের কাছে। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছায়। স্থানীয়রা বলেন,জিজ্ঞাসাবাদে মহিলা পুলিশকে বলে রবিবার সন্ধ্যায় তিনি তাঁর স্বামীর সঙ্গে মন্তেশ্বরের রাইগ্রামের বাজারে গিয়েছিলেন। বাজারে কাজ মেটাতে তাঁদের দেরী হয়। তাই তাঁর স্বামী রান্না করবে বলে ঘরে ফিরে যান। বাজারের কাজ মিটিয়ে সন্ধ্যার পর মহিলা একা ঘরে ফিরছিলেন। তাঁর অভিযোগ, অন্ধকার রাস্তা দিয়ে তিনি যখন একা হেঁটে আসছিলেন তখন কয়েকজন মিলে তাঁর মুখ চাপা দিয়ে জোরপূর্বক তাঁকে নির্জন জায়গায় তুলে নিয়ে যায়। তারা সেখানে তাঁর উপরে নির্যাতন চালানো শুরু করে। এছাড়াও মহিলার স্বামী পুলিশকে জানায়, অনেকটা সময় কেটে যাবার পরেও স্ত্রী ঘরে ফিরছে না দেখে তিনি স্ত্রীকে আনতে রাতের অন্ধকারেই ঘর থেকে বেরিয়ে পড়েন। কিছুটা যাওয়ার পরেই পুরুনিয়া এলাকায় পুকুর পাড়ে থাকা একটি জায়গা থেকে তিনি মহিলার আর্তনাদ শুনতে পান। সেখানে এগিয়ে যেতেই তিনি তাঁর স্ত্রীর উপর নির্যাতন চালানোর ঘটনা দেখতে পান। মহিলার স্বামীর অভিযোগ নির্যাতন চালাোর ঘটনায় জড়িত দু্কৃতিদের তিনি বাধা দিলে তারা তাঁকে মারধোর করে পালিয়ে যায়। দুস্কৃতিরা মিলে তাঁর স্ত্রীকে ধর্ষণ করেছে বুঝতে পেরে রাতে তিনি স্ত্রীকে ওই জায়গা থেকে উদ্ধার করে কিছুটা দূরে বরুনার ক্যানেল পাড়ে নিয়ে গিয়ে বসে পড়েন। মহিলার স্বামী এদিন সকালে স্থানীয়দের এই ঘটনা জানালে তাঁরাই পুলিশকে খবর দেয়।রাকিব মল্লিক নামে স্থানীয় বাসিন্দা জানান, নির্যাতিতা মহিলার বাড়ি কালনা মহকুমার নাদনঘাট থানা এলাকায়। মহিলা পেশায় খেত মজুর। খেত মজুরির কাজের জন্য মহিলা তাঁর সঙ্গে থাকা পুরুষ ব্যক্তি কয়েকদিন আগে তাঁদের গ্রামে এসেছেন। তাঁরা নিজেদের কে স্বামী স্ত্রী বলেই পরিচয় দিয়েছিলেন। মহিলার উপরে হওয়া নির্যাতনের কথা এদিন তাঁদের কাছ থেকেই জানতে পারেন বলে রাকিব মল্লিক জানিয়েছেন।জেলার পুলিশ সুপার কামনাশিষ সেন জানিয়েছেন, অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ কেস রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে।একজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চালছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২১
রাজ্য

Coal Scam-CBI arrest: কয়লা-কাণ্ডে রাজ্যে প্রথম গ্রেপ্তার লালা-ঘনিষ্ঠ ৪

কয়লা-কাণ্ডে রাজ্যে এই প্রথম গ্রেপ্তার করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (সিবিআই)-র। সোমবার ওই দুর্নীতি মামলায় চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে তারা। ধৃতেরা সকলেই কয়লা মাফিয়া বলে অভিযোগ।সিবিআই কয়লা-কাণ্ডের তদন্তভার নেওয়ার পর থেকে এই প্রথম গ্রেপ্তারির ঘটনা ঘটল। সোমবার জয়দেব মণ্ডল, নারায়ণ নন্দ, গুরুপদ মণ্ডল এবং নীরদ মণ্ডল নামে চার জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের ধারণা, কয়লাপাচার-কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালার সহযোগী হিসাবেই কাজ করত ওই চার জন। তদন্তকারীদের ধারণা, ধৃতেরা বহু দিন ধরেই ওই চক্রের সঙ্গে জড়িত। তাদের দায়িত্ব ছিল মূলত পরিত্যক্ত খাদান থেকে কয়লা তোলা এবং তা বিভিন্ন জায়গায় পাঠানো। তাদের সঙ্গে প্রশাসনিক স্তরের পাশাপাশি প্রভাবশালী কেউ জড়িয়ে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাদের থেকে বহু তথ্য মিলবে বলেই সিবিআইয়ের ধারণা।আরও পড়ুনঃ কৃষি আইনের বিরোধিতায় পালিত হচ্ছে ভারত বনধ, প্রভাব পড়েছে রাজ্যেও মঙ্গলবার আসানসোলে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে ধৃতদের তোলা হবে। ধৃতদের নিজেদের হেপাজতে নিয়ে জেরা করতে চায় সিবিআই। ওই কাণ্ডের তদন্ত করছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-ও। প্রায় এক বছর হতে চলল কয়লাকাণ্ডের তদন্তভার হাতে তুলে নিয়েছে সিবিআই। তবে এতদিন ঢেলে তদন্ত করলেও গ্রেপ্তার হয়নি কেউ। এই প্রথম কয়লাকাণ্ডে গ্রেপ্তারি। তাও একই সঙ্গে চারজন। অভিযোগ, প্রত্যেকে লালার সিন্ডিকেটে যুক্ত। অর্থাৎ, কয়লা কোথায় পাচার করা হবে। কত টাকায় রফা হবে, কে কী ভাবে কয়লার টাকা দেবেন বা নেবেন সবটাই নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল ধৃতদের। সিন্ডিকেটের একেবারে শীর্ষ পদে ছিলেন এই জয়দেব, নীরদ, নারায়ণ, গুরুপদ। অভিযোগ, শুধু সিন্ডিকেটই নয়, লালার আরও একাধিক বেআইনি ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন চারজন। মূলত, এই ব্যবসায় কয়লা পাচারের টাকা খাটানো হতো বলে অভিযোগ। সেই ব্যবসায় ডিরেক্টর পদে নাম রয়েছে চারজনের। সিবিআই এর আগেও বহুবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে তাঁদের। কোনও বারই সন্তোষজনক জবাব পায়নি।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
রাজ্য

Illicit Affair: অবৈধ সম্পর্কের তিক্ততায় মহিলাকে নৃশংস ভাবে খুন, গ্রেপ্তার তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য

মহিলার সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তাঁকে নৃশংসভাবে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য। ধৃতের নাম শোভন টুডু। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার কুচুট গ্রামের কদমতলা এলাকায়। তিনি তৃণমূলের প্রতীকে নির্বাচিত কুচুট গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য। মুখ থেঁতলে দিয়ে মহিলা সুখী মাণ্ডি(৪৭)কে খুনের অভিযোগে জেলার জামালপুর থানার পুলিশ শুক্রবার রাতে শোভন টুডুকে গ্রেপ্তার করে। শনিবার ধৃতকে পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। খুনের ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার ও ঘটনার তদন্তের প্রোয়োজনে তদন্তকারী অফিসার এদিন ধৃতকে ১০ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান । বিচারক ধৃতকে ৬ দিন পুলিশি হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।পুলিশ জানিয়েছে ,গত ১৯ সপ্টেম্বর জেলার জামালপুর থানার জৌগ্রামের জলেশ্বরতলা এলাকার একটি বাঁশবাগান থেকে উদ্ধার হয় অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার মুখ থেঁতলানো মৃতদেহ।মহিলার মৃতদেহ উদ্ধারের সময় পুলিশ তাঁর কোমরে গোঁজা থাকা একটি পুঁটলি পায়। ওই পুঁটলির মধ্যে থাকা কাগজে লেখা ছিল কিছু ফোন নম্বার। তার সূত্র ধরে তদন্ত চালিয়ে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে পুলিশ মহিলার পরিচয় উদ্ধার করে। পুলিশ জানতে পারে মহিলার নাম সুখী মাণ্ডি। তাঁর স্বামীর নাম সাধন মাণ্ডি। তাঁরা মেমারি থানার নবস্তা ১ পঞ্চায়েতের পলশা গ্রামের বাসিন্দা। গত মঙ্গলবার মৃতার পরিবারের লোকজন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে মৃতদেহ সনাক্ত করেন।মহিলকে খুনের প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ তাঁর পরিবার পরিজনের পাশাপাশি এলাকাবাসীর সঙ্গেও কথা বলে। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ জানতে পারে সাধন মাণ্ডির দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী সুখী। সাধনের প্রথম পক্ষের স্ত্রীর কোন সন্তান নেই। সুখীর দুটি পুত্র সন্তান রয়েছে। সুখী পলশা গ্রামে না থেকে কিছু দূরে গাঙ্গুয়া গ্রামের সাপার পাড়ায় থাকতেন বলেও পরিবার সদস্যরা পুলিশকে জানায়। এমনকী অন্য এক পুরুষের সঙ্গে সুখীর সম্পর্ক থাকার কথাও পরিবার সদস্যদের কাছ থেকে পুলিশ জানতে পারে।এসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ )আমিনুল ইসলাম খাঁন এদিন বলেন, সুখীর অন্য পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার কথা জানতে পারার পরেই ওই পুরুষ ব্যক্তির খোঁজ চালানো শুরু হয়। খোঁজ চালিয়ে পুলিশ জানতে পারে মেমারির কুচুট পঞ্চায়েতের সদস্য শোভন টুডুর সঙ্গে দীর্ঘদিন যাবৎ সুখীর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে।পঞ্চায়েত সদস্যের ফোন কলের ডিটেইলস খতিয়ে দেখেও পুলিশ নিশ্চিৎ হয় সুখীর সঙ্গে শোভন টুডুর নিয়মিত কথা হত। শুক্রবার শোভন টুডুকে থানায় টানা জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সুখী মান্ডিকে খুনের কথা স্বীকার করে শোভন টুডু। তার পরেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের দাবি খুনের কারণ হিসাবে শোভন জানিয়েছে, মহিলা তাঁর কাছে প্রায়শই প্রচুর টাকার দাবি করতো। মহিলাকে অত অর্থ যোগান দেওয়ার চাপ তিনি আর নিতে পারছিলন না। সেই কারণে তিনি সুখীকে খুনের পরিকল্পনা কষেন। পরিকল্পনা মাফিক পরিচিতর বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে তিনি সুখীকে সঙ্গে নিয়ে জৌগ্রাম জলেশ্বরতলা এলাকায় আসেন।আগে থেকেই একটি মোটা পাইপ কিনে তিনি তাঁর বাইকের টুল বক্সে ভরে রেখেছিলেন। জলেশ্বরতলা এলাকার বাঁশ বাগানে সুখী বসতেই তিনি সেই পাইপ দিয়ে তার মুখ ও মাথার অংশে একাধিকবার আঘাত করেন। সুখীর মৃত্যু নিশ্চিৎ হবার পর শোভন বাইকে চেপে ঘটনাস্থল ছেড়ে পালায়। ওই পাইপ উদ্ধারের জন্য পুলিশ শোভন টুডুকে হেপাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
দেশ

Priest Suicide: আত্মহত্যা না খুন? আখড়া পরিষদ প্রধানের মৃত্যুতে ঘুরছে নানা তত্ত্ব

অখিল ভারতীয় আখড়া পরিষদের প্রধান নরেন্দ্র গিরির মৃত্যুর ঘটনায় তাঁরই তিন শিষ্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার মধ্যে এক জন তাঁর অন্যতম প্রধান শিষ্য ছিলেন বলেই জানিয়েছে পুলিশ।সোমবার উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে উদ্ধার হয় নরেন্দ্রর দেহ। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান আত্মহত্যা করেছেন তিনি। ঘটনাস্থল থেকে সুইসাইড নোটও উদ্ধার হয়। কিন্তু সেই ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ জানতে পারে কয়েক দিন আগেই নরেন্দ্রর সঙ্গে তাঁর অন্যতম প্রধান শিষ্য আনন্দ গিরির ঝগড়া হয়েছিল। আনন্দর বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ এনে তাঁকে আখড়া থেকে বার করেও দেওয়া হয়। এখন প্রশ্ন উঠছে, সত্যিই কী এটা আত্মহত্যা? না কি এর পিছনে কোনও ষড়যন্ত্র রয়েছে? আরও পড়ুনঃ নভেম্বরে ইডেনে ফিরছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটতদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ জানতে পেরেছে, এই ঝগড়ার ঘটনার পরে আনন্দ এসে নরেন্দ্রর কাছে ক্ষমাও চান। কিন্তু তাতে তাঁদের সম্পর্কের বিশেষ উন্নতি হয়নি। সেই রাগে আনন্দ আখড়া প্রধানকে খুন করে থাকতে পারেন বলে পুলিশের অনুমান। আনন্দ ছাড়া বাকি যে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাঁদের নাম সন্দীপ তিওয়ারি ও আদ্য তিওয়ারি। তাঁরা আনন্দর সঙ্গে থাকতেন। প্রয়াগরাজ পুলিশের এক আধিকারিক কে পি সিংহ সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, নরেন্দ্রর মৃতদেহের কাছে যে সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়েছে তাতে তিনি মানসিক অবসাদের কথা লিখেছেন। তাঁর মৃত্যুর পরে আখড়ার দায়িত্ব কে নেবেন সে কথাও লিখে গিয়েছেন তিনি। আধিকারিক আরও জানান, প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা মনে হলেও এটি খুনের ঘটনাও হতে পারে। আনন্দকে জেরা করছে পুলিশ। এই ঘটনায় আর কেউ যুক্ত রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।সন্ন্যাসী সমাজের অন্যতম বড় সংগঠন হল অখিল ভারতীয় আখড়া পরিষদ। সেই সংগঠনের সভাপতি পদে নিযুক্ত ছিলেন মহন্ত নরেন্দ্র গিরি। তাঁর এই রহস্যজনক মৃত্যুতে স্বাভাবিকভাবেই সন্ন্যাসীকূলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোকবিহ্বল উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও। টুইটারে এক শোকবার্তায় তিনি লিখেছেন, অখিল ভারতীয় আখড়া পরিষদের সভাপতি মহন্ত নরেন্দ্র গিরির মৃত্যু আধ্যাত্মিক জগতের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। আমি ভগবান রামের কাছে প্রার্থনা করি যেন তাঁর আত্মাকে তাঁর চরণে স্থান দেন। এই কঠিন সময়ে নরেন্দ্র গিরির শিষ্য ও অনুগামীদের আরও শক্তি দিক।টুইটারে শোক প্রকাশ করেছেন সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব, বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডা-সহ আরও একাধিক রাজনৈতিক নেতা।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • ...
  • 19
  • 20
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

অভিষেকের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ! থানায় গিয়ে কী জানালেন বিজেপি নেতার স্ত্রী?

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ উঠল। বিষ্ণুপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাসের স্ত্রী মৌসুমী দাস ঘোষ।অভিযোগকারিণীর দাবি, গত শনিবার আমতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাংসদ কার্যালয় ভাঙচুরের সময় তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সেই সময় সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করলে তিনি অভিষেকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে সেই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।মৌসুমী দাস ঘোষের অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই তিনি লাগাতার হুমকি পাচ্ছেন। তাঁর দাবি, সামাজিক মাধ্যমে অভিষেকের ডিজিটাল যোদ্ধারা তাঁকে কদর্য ভাষায় আক্রমণ করছেন। এই কারণে গত দুদিন ধরে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন বলে জানিয়েছেন।সোমবার সকালে তিনি বিষ্ণুপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগপত্রে আমতলার পার্টি অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হুমকির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।পাশাপাশি তিনি ২০১৮ সালে তাঁর স্বামী অভিজিৎ দাসের উপর প্রাণঘাতী হামলার অভিযোগও তুলেছেন। তাঁর দাবি, সেই সময় মারধরের ফলে তাঁর স্বামীর দুটি পা ভেঙে যায় এবং তিনি স্থায়ীভাবে শারীরিকভাবে অক্ষম হয়ে পড়েন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তাঁরা পুলিশি নিরাপত্তার দাবিও জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, এর আগেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আমফানের ত্রাণ বণ্টনে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস নোদাখালি থানায় লিখিত অভিযোগ করে দাবি করেছিলেন, বজবজ ২ ব্লকে প্রায় ৩০ কোটি টাকার ত্রাণ দুর্নীতি হয়েছে এবং ভুয়ো নথি তৈরি করে এই টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুলাই ২০, ২০২৬
কলকাতা

৪৪০ কোটির অ্যাকাউন্ট ফ্রিজেই থাকছে! হাইকোর্টের রায়ে তোলপাড় রাজনৈতিক মহল

কালীঘাট তৃণমূল হাইকোর্টে বড় আইনি ধাক্কা খেল। অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলায় কোনও অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিল না কলকাতা হাই কোর্ট। সোমবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও এর এজলাসে এই মামলার শুনানি হয়।আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই মুহূর্তে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির ফ্রিজ করা অ্যাকাউন্ট নিয়ে কোনও হস্তক্ষেপ করা হবে না। ফলে তৃণমূলের অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। দলের তহবিল থেকে বেআইনিভাবে অর্থ সরানোর অভিযোগে পুলিশ ও ইডি তৃণমূলের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করেছিল। এর মধ্যে তিনটি মূল অ্যাকাউন্টে প্রায় ৪৪০ কোটি টাকা ছিল।এর আগে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর এজলাসে কালীঘাট তৃণমূল আবেদন জানিয়েছিল। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য ওই তিনটি অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলেন। সেই সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের ওপর নজরদারির জন্য একজন বিশেষ আধিকারিকও নিয়োগ করা হয়েছিল।পরবর্তী সময়ে ইডির তল্লাশি অভিযানের পর আরও কয়েকটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়। কালীঘাট তৃণমূলের দাবি ছিল, বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের পর্যবেক্ষণের পরও ইডি কীভাবে নতুন করে আরও অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করতে পারে। এই অভিযোগ নিয়ে তারা পরে বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাসের দ্বারস্থ হয়। গত সপ্তাহেই মামলার শুনানি শেষ হয়েছিল।সোমবার রায়ে বিচারপতি স্পষ্ট করেন, ইডি বর্তমানে তদন্ত চালাচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে ফ্রিজ করা অ্যাকাউন্টের ওপর আদালত আপাতত কোনও হস্তক্ষেপ করবে না।

জুলাই ২০, ২০২৬
দেশ

দুই ঘণ্টার অপেক্ষার পর অবশেষে নাড্ডার সাক্ষাৎ! সিজেপিকে কী আশ্বাস দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

অবশেষে ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্রদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জে পি নাড্ডা। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করবেন। সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস এক্স-এ একটি পোস্ট করে জানান, দুই ঘণ্টারও বেশি অপেক্ষার পর তিনি এবং আশুতোষ রঙ্কা নাড্ডার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পান। বৈঠকটি হয় নাড্ডার বাড়িতে এবং প্রায় দশ মিনিট স্থায়ী হয়।সৌরভ দাস লিখেছেন, দুই ঘণ্টার অপেক্ষার পর আশুতোষ আর আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জে পি নাড্ডা। তাঁর বাড়িতে। তবে মাত্র দশ মিনিটের জন্য। আমরা একটি চিঠি জমা দিয়েছি, যেখানে আমাদের সব দাবির কথা লেখা রয়েছে। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে অভ্যন্তরীণ মহলে কথা বলবেন।এদিকে জানা গিয়েছে, বিক্ষোভকারীদের সংসদ চত্বর থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, সেখানে আর কোনও বিক্ষোভকারী নেই, শুধুমাত্র পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।উল্লেখ্য, নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছে ককরোচ জনতা পার্টি। গত ২৮ জুন থেকে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক যন্তর মন্তরে আমরণ অনশনে বসেছিলেন। তবে ২১ দিনের মাথায় পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতাল থেকেই সোমবার সোনম তিনটি শর্ত দেন। সরকার যদি সেই শর্তগুলির মধ্যে কোনও একটি মেনে নেয়, তবে তিনি অনশন প্রত্যাহার করতে রাজি বলে জানিয়েছেন।

জুলাই ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ জিতেই গোলপোস্টের নেট কেটে নেন কেন ফুটবলাররা? জানুন রীতির নেপথ্যে লুকিয়ে থাকা ইতিহাস

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন। ট্রফি জয়ের উচ্ছ্বাসে যখন গোটা দল মেতে উঠেছে, তখন একটি পরিচিত দৃশ্য আবারও ধরা পড়ল। স্পেনের একাধিক ফুটবলার কাঁচি হাতে গোলপোস্টের নেট কেটে নিজেদের কাছে স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে রেখে দিলেন। একই দৃশ্য প্রায় প্রতি বিশ্বকাপ, ইউরো কিংবা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালের পর দেখা যায়।অন্যদিকে ক্রিকেটেও বড় টুর্নামেন্ট জেতার পর বিজয়ী দলের ক্রিকেটারদের পিচের দুই প্রান্তের স্টাম্প বা উইকেট খুলে নিয়ে যেতে দেখা যায়। প্রশ্ন উঠতেই পারেএই রীতি কোথা থেকে এল? কেনই বা চ্যাম্পিয়নরা মাঠের এই অংশগুলো নিজেদের কাছে স্মৃতি হিসেবে তুলে রাখেন?স্মৃতিকে ধরে রাখার এক অনন্য ঐতিহ্যক্রীড়াজগতের সবচেয়ে বড় অর্জনগুলোর একটি হলো বিশ্বকাপ বা আন্তর্জাতিক শিরোপা জয়। একজন খেলোয়াড়ের জীবনে এমন মুহূর্ত হয়তো একবারই আসে। তাই সেই ঐতিহাসিক দিনের একটি বাস্তব স্মৃতি সঙ্গে করে নিয়ে যেতে চান অনেকেই।ফুটবলে গোলপোস্টের নেট এবং ক্রিকেটে স্টাম্পএই দুটি জিনিসই সেই ম্যাচের অবিচ্ছেদ্য অংশ। যে নেটে জয়ের গোল জড়িয়েছে কিংবা যে উইকেটের সামনে দাঁড়িয়ে ইতিহাস লেখা হয়েছে, সেটিই হয়ে ওঠে সাফল্যের প্রতীক।ফুটবলে নেট কাটার রীতি কবে থেকে?ফুটবলে গোলপোস্টের নেট কেটে নেওয়ার রীতির নির্দিষ্ট কোনও আনুষ্ঠানিক সূচনা নেই। তবে ক্রীড়া ইতিহাসবিদদের মতে, ১৯৬০ ও ১৯৭০-এর দশক থেকে উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন কলেজ ও পেশাদার খেলাধুলায় এই সংস্কৃতির প্রচলন শুরু হয়।বিশেষ করে বাস্কেটবলে এনসিএএ (NCAA) চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর খেলোয়াড় ও কোচেরা সিঁড়ি বেয়ে উঠে বাস্কেটের জাল কেটে নেওয়ার যে ঐতিহ্য গড়ে ওঠে, তা বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। পরে ফুটবলসহ অন্যান্য খেলাতেও একই ধরনের আবেগঘন স্মৃতিচিহ্ন সংগ্রহের সংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়ে।বিশ্বকাপ, ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ কিংবা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মতো বড় টুর্নামেন্টে অনেক সময় খেলোয়াড়রা গোলপোস্টের নেটের ছোট একটি অংশ কেটে পরিবারের সদস্যদের উপহার দেন কিংবা নিজেদের ট্রফি কেবিনেটে সংরক্ষণ করেন।ফিফা কি এতে আপত্তি করে?না। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর এবং আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পরে খেলোয়াড়রা নেটের ছোট অংশ কেটে নিতে পারেন। তবে সেটি অবশ্যই আয়োজকদের অনুমতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে থেকে করা হয়। অনেক সময় মাঠকর্মীরাই খেলোয়াড়দের নেট কেটে দিতে সাহায্য করেন।ক্রিকেটে স্টাম্প নিয়ে যাওয়ার শুরু কীভাবে?ক্রিকেটে ম্যাচ শেষে স্টাম্প তুলে নেওয়ার ইতিহাস আরও পুরনো। ঊনবিংশ শতাব্দী থেকেই বিশেষ ম্যাচ বা ঐতিহাসিক জয়ের স্মারক হিসেবে স্টাম্প সংরক্ষণের রেওয়াজ ছিল।ধীরে ধীরে এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বর্তমানে বিশ্বকাপ, অ্যাশেজ, আইপিএল, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি কিংবা অন্য বড় টুর্নামেন্টের ফাইনাল জয়ের পর বিজয়ী দলের ক্রিকেটারদের স্টাম্প খুলে নিতে দেখা যায়।অনেক খেলোয়াড় সেই স্টাম্পে পুরো দলের স্বাক্ষর করিয়ে ব্যক্তিগত সংগ্রহে রাখেন। কেউ আবার তা নিজের ক্রিকেট অ্যাকাডেমি, জাদুঘর বা পরিবারের কাছে স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে সংরক্ষণ করেন।শুধু আবেগ নয়, ইতিহাসেরও অংশগোলপোস্টের নেট কিংবা স্টাম্পএগুলি আসলে কোনও সাধারণ সরঞ্জাম নয়। এগুলি সেই মুহূর্তের সাক্ষী, যখন একটি দল ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। তাই ট্রফির পাশাপাশি এই ছোট্ট স্মৃতিচিহ্নও খেলোয়াড়দের কাছে অমূল্য সম্পদ হয়ে ওঠে।হয়তো বহু বছর পরে কোনও জাদুঘরে কিংবা নিজের ঘরের ট্রফি কেবিনেটে রাখা সেই নেটের টুকরো বা স্টাম্প দেখে আবার ফিরে আসবে সেই বিশ্বজয়ের রাত, দর্শকদের গর্জন আর সাফল্যের অবিস্মরণীয় মুহূর্ত।২০২৬ বিশ্বকাপেও সেই ঐতিহ্যের পুনরাবৃত্তিনিউ জার্সির ফাইনালে স্পেনের ফুটবলারদের গোলপোস্টের নেট কেটে নিতে দেখা যাওয়ায় আবারও প্রমাণ মিললসময় বদলেছে, প্রযুক্তি বদলেছে, কিন্তু চ্যাম্পিয়নদের আবেগ বদলায়নি। ট্রফি জয়ের আনন্দের সঙ্গে মাঠের একটি ছোট্ট অংশকে স্মৃতি হিসেবে বয়ে নিয়ে যাওয়ার এই ঐতিহ্য আজও বিশ্ব ক্রীড়ার অন্যতম সুন্দর ও আবেগঘন অধ্যায়

জুলাই ২০, ২০২৬
দেশ

‘ধন্যবাদ, ভারত!’ বিশ্বকাপ হারলেও ভারতীয় সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনালে স্পেনের কাছে হৃদয়ভাঙা পরাজয়ের পরও ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন ভারতে নিযুক্ত আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মারিয়ানো কাউচিনো। সামাজিক মাধ্যম এক্স (X)-এ এক আবেগঘন বার্তায় তিনি ভারতীয় সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে লেখেন, আর্জেন্টিনা দলের প্রতি এই বিশ্বকাপ জুড়ে ভারতীয় মানুষের অকুণ্ঠ সমর্থনের জন্য আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। আবারও ধন্যবাদ, ভারত!বিশ্বকাপে শিরোপাধারী হিসেবে অভিযান শুরু করেছিল আর্জেন্টিনা। টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে পৌঁছেও শেষ পর্যন্ত ট্রফি ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে ১-০ গোলে স্পেনের কাছে পরাজিত হয় লিওনেল মেসির দল।ম্যাচের একমাত্র এবং জয়সূচক গোলটি করেন ফেরান তোরেস, অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে। এই জয়ে ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট জেতে স্পেন।পুরো ম্যাচে বলের দখল এবং আক্রমণে আধিপত্য ছিল স্পেনের। অন্যদিকে আর্জেন্টিনাকে বহুবার রক্ষা করেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, যিনি একাধিক দুর্দান্ত সেভ করে দলকে লড়াইয়ে টিকিয়ে রাখেন।Deeply grateful to the Indian People for the endless displays of support for the Argentine team during this latest World Cup. Thank you, India, once again! pic.twitter.com/kd9hmTBnON Mariano Caucino (@CaucinoMariano) July 20, 2026তবে ম্যাচের শেষদিকে বড় ধাক্কা খায় আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত সময়ের যোগ করা মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এনজো ফার্নান্দেজ, ফলে অতিরিক্ত সময়ে ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় মেসিদের।অতিরিক্ত সময়ে প্রথমে নিকো উইলিয়ামস গোল করলেও ফাউলের কারণে তা বাতিল হয়। এরপর কিছুক্ষণের মধ্যেই উইলিয়ামসের পাস থেকে ফেরান তোরেস জোরালো শটে বল জালে জড়িয়ে স্পেনকে বিশ্বকাপ এনে দেন।এই জয়ের ফলে আন্তর্জাতিক ফুটবলে স্পেনের অপরাজিত থাকার রেকর্ড বেড়ে দাঁড়ায় ৩৮ ম্যাচে, যা ইউরোপীয় ফুটবলের ইতিহাসে নতুন নজির। একইসঙ্গে ৬৪ বছর পর বিশ্বকাপ শিরোপা সফলভাবে ধরে রাখার আর্জেন্টিনার স্বপ্নও ভেঙে যায়।তবুও গোটা টুর্নামেন্টে ভারতীয় সমর্থকদের বিপুল ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়েছে আর্জেন্টিনা। বিশেষ করে লিওনেল মেসিকে ঘিরে ভারতের ফুটবলপ্রেমীদের আবেগ বরাবরের মতোই নজর কেড়েছে। সেই ভালোবাসার স্বীকৃতি দিতেই বিশ্বকাপ শেষ হতেই ভারতীয় সমর্থকদের উদ্দেশে কৃতজ্ঞতার বার্তা দেন রাষ্ট্রদূত মারিয়ানো কাউচিনো।বিশ্বকাপ জয় হাতছাড়া হলেও, ভারত ও আর্জেন্টিনার ফুটবল-সম্পর্ক যে আরও গভীর হয়েছে, রাষ্ট্রদূতের এই বার্তাই যেন তারই প্রমাণ।

জুলাই ২০, ২০২৬
দেশ

পুলিশি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই পথে সিজেপি, যন্তর মন্তরে তুমুল ধুন্ধুমার

পুলিশ অনুমতি না দিলেও পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সংসদ অভিযানে নামে ককরোচ জনতা পার্টি। ১৬৩ ধারা উপেক্ষা করে মিছিল বের করতেই রাজধানী দিল্লির পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ব্যারিকেড ভেঙে সংসদের দিকে এগোনোর চেষ্টা করলে পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে। প্রায় পাঁচ হাজার পুলিশ ও আধাসেনা মোতায়েন করে যন্তর মন্তর চত্বর ঘিরে ফেলা হয়।দিল্লি পুলিশ আগেই জানিয়েছিল, সংসদ অভিযানের জন্য সিজেপির পক্ষ থেকে কোনও অনুমতি চাওয়া হয়নি। এমনকি অনুমতি চাইলেও তা দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানানো হয়েছিল। পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, সংসদ ও তার আশপাশের এলাকা উচ্চ নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে পড়ে। তাই সেখানে কোনও মিছিল বা জমায়েত আইনশৃঙ্খলার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। পাশাপাশি যানজটের আশঙ্কাও রয়েছে। তাই সংসদের দিকে কোনও মিছিল এগোতে দেওয়া হবে না।পুলিশের এই সতর্কবার্তার পরও সিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়, বৃষ্টি বা কড়া নিরাপত্তা কোনও কিছুই তাদের আন্দোলন থামাতে পারবে না। সেই অনুযায়ী সোমবার সকালে আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ব্যাপক লাঠিচার্জ করে।संसद के सामने युवाओं पर आँसू गैस छोड़ना बंद कीजिए।दमन की बजाय संवाद का रास्ता चुनिए।#संसद_मार्च pic.twitter.com/C2MHT55Mpk Cockroach Janta Party (@CJP_for_India) July 20, 2026নিরাপত্তার কারণে দিল্লির পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশনরাজীব চক, জনপথ, প্যাটেল চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট এবং সেবা তীর্থসাধারণ যাত্রীদের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই স্টেশনগুলি বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। যন্তর মন্তর ছাড়া দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় পাঁচ বা তার বেশি মানুষের জমায়েতও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছে ককরোচ জনতা পার্টি। গত ২৮ জুন থেকে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক যন্তর মন্তরে আমরণ অনশনে বসেছিলেন। তবে একুশ দিন পর পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতাল থেকেই সোমবার সোনম তিনটি শর্ত দিয়েছেন। সরকার যদি তার মধ্যে কোনও একটি শর্ত মেনে নেয়, তবে তিনি অনশন প্রত্যাহার করতে রাজি বলে জানিয়েছেন।

জুলাই ২০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে বিদেশ যেতে দিল না হাই কোর্ট! এসএসকেএমেই চিকিৎসার নির্দেশে তীব্র চাঞ্চল্য

তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আরও এক বড় আইনি ধাক্কা খেলেন। তাঁকে বিদেশে চিকিৎসা করাতে যাওয়ার অনুমতি দিল না কলকাতা হাই কোর্ট। সোমবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, আইনি রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়লেও আপাতত বিদেশ যেতে পারবেন না অভিষেক। তাঁকে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দিয়েছে আদালত।বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বিজেপিকে উদ্দেশ করে অভিষেকের ডিজে বাজানোর মন্তব্য নিয়ে মামলা হয়। সেই মামলার শুনানিতেই সোমবার বিষয়টি ওঠে। অভিষেকের আইনজীবী আদালতের কাছে আইনি রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন জানান। বিচারপতি সেই আবেদন মেনে আগামী ৬ অক্টোবর পর্যন্ত রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়ান।তবে আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, আগামী ২৯ জুলাই চোখের চিকিৎসার জন্য আমেরিকা যাওয়ার আবেদন মঞ্জুর করা হচ্ছে না। বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, বিদেশেই কেন চোখের চিকিৎসা করাতে হবে? কলকাতাতেও চোখের চিকিৎসার জন্য একাধিক হাসপাতাল রয়েছে। প্রয়োজনে এসএসকেএম হাসপাতালে অভিষেকের চিকিৎসার জন্য মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা যেতে পারে বলেও জানান তিনি।আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য ও সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় বিচারপতির এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেন। তখন বিচারপতি জানান, আদালত কখনওই চান না আবেদনকারীর চিকিৎসায় কোনও সমস্যা হোক। তাই প্রথমে এসএসকেএম হাসপাতালে সমস্ত পরীক্ষানিরীক্ষা করিয়ে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। সেই রিপোর্ট দেখে পরে আদালত সিদ্ধান্ত নেবে, অভিষেক বিদেশে চিকিৎসার জন্য যেতে পারবেন কি না।উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে ডানকুনি হাইওয়ের কাছে এক পথ দুর্ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাঁ চোখে গুরুতর আঘাত লাগে। এরপর দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুরে তাঁর চিকিৎসা চলে। পরে তিনি আমেরিকাতেও চিকিৎসা করান এবং নির্দিষ্ট সময় অন্তর সেখানে চেকআপের জন্য যেতে হয়। তবে আদালতের নির্দেশ মেনে আপাতত আগামী দুমাস তিনি বিদেশে যেতে পারবেন না।

জুলাই ২০, ২০২৬
কলকাতা

২১ জুলাইয়ের আগেই বিস্ফোরণ! ফাইল খুলে কী প্রকাশ করবেন শুভেন্দু?

২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের আগের দিন বড় রাজনৈতিক ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, সোমবার বিকেলে বিধানসভায় বিচারপতি সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করবেন।সোমবার সকালে বিধানসভায় এসে মুখ্যমন্ত্রী অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসুর কাছে ১০ মিনিট সময় চেয়ে আবেদন করেন। তিনি বলেন, বিকেলে ১০ মিনিট সময় নেব। ২১ জুলাই তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট পড়ে শোনাব। আগের সরকার কমিশন তৈরি করলেও সেই রিপোর্ট কোনওদিন প্রকাশ করেনি। রিপোর্টে কী আছে, তা আজ জানানো হবে।১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই সচিত্র পরিচয়পত্রের দাবিতে যুব কংগ্রেস মহাকরণ অভিযান করেছিল। সেই আন্দোলন পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর সরকারের আমলে বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। সেই ঘটনায় ১৩ জন যুব কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যু হয়েছিল।এই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন তখনকার যুব কংগ্রেস সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে তিনি কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করেন এবং ২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী হন। ক্ষমতায় আসার পর তিনি ২১ জুলাইয়ের ঘটনার তদন্তের জন্য বিচারপতি সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তদন্ত কমিশন গঠন করেন।তবে দীর্ঘ ১৫ বছর সেই কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি। রিপোর্টটি ফাইলবন্দি অবস্থায় ছিল। এদিকে সেই সময় গুলিচালনার নির্দেশ দেওয়া প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রসচিব মণীশ গুপ্তকে পরে বিধায়ক ও মন্ত্রী করা হয়েছিল। এই বিষয়টি নিয়ে কংগ্রেস ও তৃণমূলের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে।মঙ্গলবার ৩৩তম শহিদ দিবস পালিত হবে। তার আগের দিনই এই তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করার ঘোষণা রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এখন সকলের নজর, সেই রিপোর্টে ঠিক কী কী তথ্য সামনে আসে।

জুলাই ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal