• ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩, বুধবার ০৫ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Actress

বিনোদুনিয়া

Piyali Chatterjee : আমার ডিরেক্টর ভীষণ হেল্পফুল - পিয়ালী চ্যাটার্জি

পরিচালক সপ্তাশ্ব বসুর নতুন ছবি জতুগৃহ-র শুটিং শেষ হয়ে গেল। শুটিং ফ্লোরে জনতার কথা-র মুখোমুখি এই ছবির প্রধাণ চরিত্র পিয়ালী চ্যাটার্জি। জনতার কথাঃ তোমার ফার্স্ট প্রোজেক্ট অ্যাস অ্যা লিড। কেমন এক্সপিরিয়েন্স?পিয়ালীঃ ভীষণ ভালো এক্সপিরিয়েন্স। সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করেছি। আমার কো-অ্যাক্টর, ডিরেক্টর ভীষণ পরিমাণে সাপোর্টিভ। জনতার কথাঃ বনি সেনগুপ্তর সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করার এক্সপিরিয়েন্সটা কেমন ছিল?পিয়ালীঃ বনি কো-অ্যাক্টর পরে। আগে ভীষণ ভালো বন্ধু। ও শুটিং-এর মাঝে এত মজা করে। ওকে টিভির পর্দায় দেখে মনেই হয় না ও এতটা ফ্রি, ফ্র্যাঙ্কলি। ভীষণ সাপোর্টিভ-ও।জনতার কথাঃ পরিচালক সপ্তাশ্ব বসু কে নিয়ে কি বলবে?পিয়ালীঃ আমার ডিরেক্টর ভীষণ হেল্পফুল। আমরা ভীষণ মজা করেছি। জুন থেকে আমাদের শুটিং স্টার্ট হয়। জুন টু আজকে ডিসেম্বরের লাস্ট ডে শুট। পাঁচ মাসের জার্নি। ভীষণ ভালোভাবে কাটিয়েছি।জনতার কথাঃ প্রোডিউসারের কথা কি বলবে? প্রোডিউসার না থাকলে হয়তো তোমাকে এইভাবে লিড কাস্টে দেখতে পেতাম না।পিয়ালীঃ একদম। প্রোডিউসারের কথা তো সবার আগে। রক্তিম চ্যাটার্জি না থাকলে হয়তো পিয়ালী চ্যাটার্জি থাকতো না। আমি তো এটাই উইশ করবো সব মেয়েরা এরকম সাপোরটিং হাজব্যান্ড পাক।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Dog Show: সারমেয়-র টানে পশুপ্রেমী টলি অভিনেত্রী বর্ধমানে

রবিবার পুর্ব-বর্ধমানের মেমারি তে মেমারি কেনাল ক্লাব আয়োজিত এবং শিক্ষা বিকাশ সেবা ফাউন্ডেশন-র ঐশী সিংঘ রায়-র উদ্যোগের এক সারমেয়-র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এই প্রদর্শনী তে নানা প্রকারের সারমেয় নিয়ে উপস্থিত হন দূর-দুরান্ত থেকে আগত সারমেয় প্রেমী-রা। এই শো দেখতে ঢল নামে মেমারি শহর সংলগ্ন বি-এড কলজের মাঠে। একপ্রকার মেলা বসে যায়।মেমারি কেনাল ক্লাব আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে-র প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট অভিনেত্রী ও পশু-প্রেমী শ্রীলেখা মিত্র। তাঁর সারমেয় প্রেম বহুজনবিদিত। সামাজিক মাধ্যমে তাঁর এই পথ সারমেয় ভালোবাসা নিয়ে বহুবার তাঁকে কটাক্ষ শুনতে হয়েছে। শ্রীলেখা মিত্র-র সামাজিক মাধ্যম ফলো করলেই মানুষ জানতে পারবে তিনি কোনও তথাকথিত নামজাদা সারমেয় পালন করেন না। তিনি পথ চলতি সারমেয় দের কেই তাঁর বাড়ির অন্দরমহলে স্থান দেন। তাদের লালন পালন করেন।আজকের এই অনুষ্ঠানে আসার পথে জাতীয় সড়কের পাসে এক ধাবা তে দাঁড়িয়ে সেখানকার কয়েকটি সারমেয় সাথে অন্তরঙ্গ মুহুর্তের ছবি পোস্ট করেন। তিনি সেখানে উল্লেখ করেন বর্ধমানে একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে তার মাঝে আমার বন্ধুদের শুভেচ্ছা। এর থেকেই তাঁর সারমেয় প্রেম সমন্ধে কিছুটা ধারনা পাওয়া যায়।এ-হেন মানুষ কেই এই ধরনের অনুষ্ঠানের প্রধান অথিতি হিসাবে আমন্ত্রন যতার্থ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে জাতীয় সঙ্গীত-এ গলা মেলালেন, এবং শো-তে উপস্থিত থাকা এক সারমেয়-র জাতীয় সঙ্গীত কে সন্মান জানানোর মুহুর্তটি মনে রাখার মত। যদিও যান্ত্রিক গোলযোগের কারনে জাতীয় সঙ্গীত-র ছন্দ পতন হয়। অভিনেত্রী কোনও রকমে সামলে নেন।আজকের এই শোয়ে প্রধান অকর্ষন ছিলো এক ট্রেন দুর্ঘটনায় চলশক্তিরহিত পথভ্রষ্ট সোনামনি, সঞ্চিতা নামের এক গর্বিত কুকুর অভিভাবক এই অবলা পথভ্রষ্ট সারমেয় কে পালন করে জীবনদান করেন। অভিনেত্রী বলেন আমি এটা দেখে আরো অভিভূত কারণ এই সমস্ত মানুষ আমাদের লোমশ বন্ধুদের সম্পর্কে যে সচেতনতা ছড়াচ্ছে তাতে সাধারণ মানুষের অদের প্রতি ভালোবাসা কিছুটা হলেও বাড়বে। সঞ্চিতা বলেন হোক প্রতিবাদ, সবাই যেনো সতর্ক থাকে, ওদের ওপর কেউ যেন কেউ অত্যাচার করতে না পারে, সারমেয়দের ভালো রাখার আবেদন রাখেন।এই অনুষ্ঠানে বহু প্রজাতির সারমেয় অংশগ্রহন করে, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য- জার্মান শেফার্ড, গ্রে হাউন্ড, ল্যাব্রেডার, তোসা ইনু, আমেরিকান বানডগ, কেনে কর্সো, রোডেশিয়ান রিংব্যাক, ডগো আর্জেন্টিনা, বোয়ের বোয়েল, গাল ডং, সেন্ট বার্নাড, আমেরিকান বুলডগ, বক্সার ইত্যাদি। এই সমস্ত সারমেয়রা প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করে।আয়োজক সংস্থা জনতার কথা কে জানান এই ধরণের অনুষ্ঠান করার উদ্দশ্যে একটাই যাতে সামান্য হলেও মানুষের এই সমস্ত অবলা পশুদের প্রতি সহমর্মিতা একটু হলেও বৃদ্ধি পায়। তখনই এই আয়োজনটাকে স্বার্থক বলে মনে করবো আমরা। মেমারি এলাকাই এই ধরণের আয়োজন এই প্রথম। প্রথম বারেই বেশ সাড়া ফেলে দেয়। বিশিষ্ট এক সাহিত্যিক বলেছিলেন কাউকে অমুকের বাচ্ছা বলে সেই পশু / জন্তু টার অপমান করবেন না। আর সাহিত্যিক দুলেন্দ্র ভৌমিকের বাজা তোরা রাজা যায় তে এক যায়গায় লিখেছেন, এক মানুষ দ্বারা আহত বাঘ তাঁর বাচ্ছা বাঘ কে বলছেন আমাদের বীরত্ব ফলাতে গেলে মানুষের চামড়া দেওয়ালে টাঙ্গিয়ে রাখতে হয় না। এর থেকে সপাট থাপ্পড় বোধহয় হাত দিয়েও মারা যায় না। তাই মানুষকে ডগ-শো করে সারমেয় / পশু প্রেম বাড়াতে হয়। যাক মুঠো টা তো খুলুক।।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Darshana Banik : বর্ষশেষে নজরকাড়া ফ্যাশন শোয়ে মাতালেন দর্শনা বণিক

বর্ষশেষে INIFD সল্টলেক আয়োজিত নজরকাড়া ফ্যাশন শোতে উষ্ণতা ছড়ালেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী দর্শনা বণিক। উদীয়মান ডিজাইনাররাদের সাথে সময় কাটিয়ে তাঁদের উৎসাহিতও করেন এই ইয়ুথ আইকন। অংশগ্রহণকারীদের সাথে সমানতালে র্যাম্পও মাতিয়ে তোলেন তিনি। অতিমারির কারণে ঘরবন্দী শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ফিরিয়ে আনতে ফ্যাশন শো এক্সপ্লোডিয়া ২০২১ এর উদ্যোগ নিয়েছেন কলকাতার নামী ফ্যাশন এবং ইন্টিরিয়র সংস্থা সল্টলেকের INIFD। টার্কি, ব্রাজিল, নেদারল্যান্ডস সহ ১০টি আলাদা আলাদা দেশের সংস্কৃতি, ফ্যাশন, খাবার তৈরি করেন ছাত্রছাত্রীদের ১০টি দল। এই দলগুলি তাঁদের থিম অনুযায়ী বিষয় প্রদর্শন করলেন। বিভিন্ন দেশের পোশাক, সংস্কৃতি, খাবার দিয়ে সাজানো শোতে নজর কাড়লেন INIFD এর ছাত্রছাত্রীরা। প্রদর্শনী শেষে জয়ের খেতাব জিতে নেন ব্রাজিল টিমের সদস্যরা। গতকাল এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন সেলিব্রিটি ফ্যাশন ডিজাইনার অভিষেক দত্ত। সাধারণ মানুষের কাছে ফ্যাশনকে পৌঁছে দিতে কলকাতায় বহুবছর ধরে কাজ করছে INIFD। এই সংস্থার শিক্ষার্থীরা Lakme Fashion Week, New York Fashion Week সহ বিখ্যাত প্ল্যাটফর্মে আগেও দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছে। মণীশ মালহোত্র, মি. অ্যাশলে রাবেলোর মতো জনপ্রিয় ফ্যাশন আইকনও এই সংস্থার সাথে জড়িত।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Kajal Aggarwal : অভিনেত্রী কাজল আগরওয়াল কি অন্তঃসত্ত্বা? তার পোস্ট দেখে উঠছে প্রশ্ন

২০২০-র সেপ্টেম্বরে ইন্টেরিয়ার ডিজাইনার গৌতম কিচলুর সঙ্গে চার হাত এক হ্য অভিনেত্রী কাজল আগরওয়ালের। কাছের বন্ধু ও দুই পরিবারের উপস্থিতিতেই বিয়ের পর্ব সেরেছিলেন তাঁরা। তেলেগু ইন্ডাস্ট্রির এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ কয়েকটি ছবি পোস্ট করেছেন। তার এই ছবিতেই বেবি বাম্প ফুটে উঠেছে। বন্ধুর সঙ্গে ছবিটি শেয়ার করেছিলেন কাজল। ক্যাপশনে লিখেছিলেন, বেয় (BAY) ও আমি। বেইজ় রঙের বডিকন ড্রেস পরেছেন অভিনেত্রী। সেই ছবিতেই কাজলের ছোট্ট বেবি বাম্প নাকি স্পষ্ট ফুটে উঠেছে। তাহলে কি প্রথম সন্তানকে স্বাগত জানাতে চলেছেন কাজল এবং গৌতম? এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে অনুরাগী মহলে। যদিও এ বিষয়ে এখনও মুখ খোলেননি দম্পতির কেউই। সম্প্রতি কাজলের কাছে বেশ কিছু ছবির অফার আসে। সেই অফার তিনি নাকচ করে দেন। এর মধ্যে রয়েছে নাগারজুনের দ্য গোস্ট ছবিতে মুখ্য চরিত্র। এতগুলো প্রজেক্ট থেকে সরে আসার কারণ নিয়ে কাজলের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর আরও জোরালো হচ্ছে।

ডিসেম্বর ২২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Hamsa Nandini : স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত মডেল-অভিনেত্রী হামসা

মারণরোগ ক্যানসার। সেই মারণরোগে আক্রান্ত হয়েছেন তেলেগু ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় মডেল-অভিনেত্রী হমসা নন্দিনী। তবে সেটা এখন তৃতীয় ধাপে পৌঁছে গেছে। এবার চিকিৎসা শুরু হয়েছে হমসার। এই মারণরোগের কথা ইনস্টাগ্রামে নিজেই জানালেন তেলুগু ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় মডেল-অভিনেত্রী। সঙ্গে তাঁর ছবি। সেই ছবিতে রং নেই। মাথায় চুল নেই। কেমোথেরাপি চলার ফলে শরীরে বদল এসেছে। তবু সেই পরিবর্তনকে আলিঙ্গন করেছেন হমসা। নেতিবাচক ভাবনা থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখে লিখেছেন নিজের কথা।চার মাস আগে বেশ কিছুদিন ধরে নিজের বুকে শক্ত একটি ডেলার অস্তিত্ব টের পাচ্ছিলেন। সেই মুহূ্র্তেই ভয় পেয়েছিলেন হমসা। বুঝতে পেরেছেন, এক ধাক্কায় জীবন অনেকটাই বদলে যাবে। চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরে তাঁর আশঙ্কাই সত্যি হল। চিকিৎসক স্তন ক্যানসার শনাক্ত করলেন। সংক্রমণ তৃতীয় ধাপে পৌঁছে যাওয়ায় তাড়াহুড়ো করে কেমোথেরাপি শুরু হয়। ইতিমধ্যে ৯টি কেমো নিয়েছেন হমসা। আরও ৭টি বাকি।হমসা লিখেছেন ১৮ বছর আগে যখন মা কে হারিয়েছেন তিনি তখন তাঁর মায়ের বয়স ৪০ বছর। মৃত্যুর কারণ, সেই একই রোগ, স্তন ক্যানসার। নিজের শরীরেও একই রোগ বাসা বেঁধেছে দেখে ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন হমসা।তবু ক্যানসার নিয়ে বেশি কিছু ভাবতে চাননা হামসা। মনের জোরেই মারণরোগের সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন তেলুগু মডেল-অভিনেত্রী। অস্ত্রোপচার করে ইতিমধ্যেই হমসার শরীর থেকে বার করা হয়েছে টিউমারটি। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ক্যানসার এর থেকে বেশি ছড়ায়নি। তাই খানিক স্বস্তিতে অভিনেত্রী।

ডিসেম্বর ২১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Gulshanara: থিয়েটার আমার চরিত্রের জটটা অনেকটা খুলতে সাহায্য করেছে

ভালো অভিনেত্রী মানেই যে তিনি নেটিজেনদের কাছে জনপ্রিয় হবেনই এমনটা নয়। এমন বেশ কিছু অভিনেত্রীকে আমরা খুঁজে পাবো যাদের অভিনয় নিয়ে সেইভাবে আলোচনা না হলেও তাঁরা তাঁদের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে বেশ কিছু মানুষের মনে বিশেষ জায়গা করে নেন। এরকমই একজন হলেন টলিউডের অভিনেত্রী গুলশানারা খাতুন। চূর্ণী গাঙ্গুলীর তারিখ-এ বেশ ভালো অভিনয় করেছিলেন তিনি। বর্তমানে অরুণ রায়ের ৮/১ তে কমলার চরিত্রে অভিনয় করছেন। আগামী দিনে আরও বেশ কিছু ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আমরা তাঁকে দেখতে পাবো। বড়পর্দার পাশাপাশি ছোটপর্দাতেও অভিনয় করেছেন তিনি। শুটিং-এর ব্যস্ততার মধ্যেও কিছুটা সময় বার করে ফোনে জনতার কথায় সাক্ষাৎকার দিলেন গুলশানারা।জনতার কথাঃ ৮/১২ তে কমলার চরিত্রটা কেমন?গুলশানারাঃ চরিত্রটা সম্পর্কে এখন পুরোটা রিভিল করতে পারবো না। তবে যতটুকু বলা যায় ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের যে সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলন হয় সেই বিপ্লবী আন্দোলনের একজন মহিলা কমরেড ছিল কমলা। তবে কমলা আসলে একা তো স্ট্যান্ডআউট করেনি। পশ্চিমবঙ্গের গ্রামীণ মেয়েরা, বাড়ির মেয়েরা ইংরেজদের কাছে অত্যাচারিত হওয়ার পর বেরিয়ে এসে যেভাবে সশস্ত্র বিপ্লবকে মদতপুষ্ট করেছে নানাভাবে কমলাও সেরকম একজন মেয়ে বিপ্লবী যে এই গোটা বিনয়-বাদল-দীনেশের পিছনের যে ইতিহাস সেই ইতিহাসের একটি অংশ।জনতার কথাঃ এই চরিত্রটাকে পোট্রে করার জন্য কি কি হোমওয়ার্ক করেছো?গুলশানারাঃ এই বছর যখন লকডাউন হয় তখন আমাদের যিনি চিত্রনাট্য লিখেছেন সৌনাভ দা যোগাযোগ করেন। অরুণ দা ও যোগাযোগ করেন এবং আমাকে বলা হয় যে একটি বিপ্লবী চরিত্র, তার সময়কাল এইটা। তো সেই সময়ের কিছুটা ইতিহাস আমাকে পড়তে বলা হয়। সেই সময় বাড়ির মেয়েরা কিভাবে আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে, তাদের ফিলোজফি কি, কর্মকাণ্ড কি সেইগুলো নিয়ে পড়াশোনা করতে বলা হয়। তখন আমি স্ক্রিপ্টটা পুরোটা পড়িনি। তো আমি চরিত্রের খানিকটা ব্রিফিং শুনে পড়াশোনা করতে শুরু করি। লকডাউনের পরে একদিন অরুণদা বসে স্ক্রিপটা শোনায় এবং আমার যে যে অভিনয়ের জায়গা ছিল সেটা নিয়ে একটা প্রাইমারি ওয়ার্কশপ করা হয় এবং পুরো টিম আমাকে বোঝায় যে গোটা জিনিসটা কীভাবে এগোবে। আমি প্রিপারেশন নিয়েছি বলতে এক তো অরুণদার সঙ্গে প্রায়ই ফোনে কথা বলতাম। পড়াশোনাটা, রিসার্চ ওয়ার্ক খানিকটা কাজে লেগেছে এবং পুরো টিমটা আমাকে বিভিন্ন সময়ে ইমপুট দিয়ে গেছে। সেটা আমার মেপআপ থেকে শুরু করে স্টাইলিং, ডিরেকশন, মিউজিক সবকিছুই।জনতার কথাঃ বর্তমান সময়ের ছেলে-মেয়েরা সেইভাবে হয়তো বিনয়-বাদল-দীনেশ কে সেইভাবে জানেনা বা জানানো হয়নি। যারা জানে না তাদের কি এই ছবি দেখার পর বিনয়-বাদল-দীনেশ কে নিয়ে আগ্রহ জন্মাবে একটু হলেও?গুলশানারাঃডেফিনেটলি। তবে শুধুমাত্র বিনয়-বাদল-দীনেশ নয়। ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আন্দোলনে বাড়ির ছেলে-মেয়েরা কারণ বিনয়-বাদল-দীনেশ তিনজনেই তখন মিড টোয়েন্টিস-এ। শুধুমাত্র সাহস কে মাথায় রেখে এবং দেশের স্বাধীনতাকে মাথায় রেখে তারা যেভাবে রাইটার্স অ্যাটাক করেছিল এবং যেরকম সাহসীকতার পরিচয় দিয়েছিল তাঁদের সেই সেই বিস্মৃতির অতলে তলিয়ে যাওয়া গল্পটা জানা ভীষণ দরকার। ওডিও-ভিজুয়াল মাধ্যম তো আমাদের অনেক বেশি ট্রিগার করে, আমাদের রি-ভিজিট করতে সাহায্য করে তো আমার ধারণা এই ছবিটা যেভাবে তৈরি হয়েছে, তার গল্প যেভাবে এগিয়েছে এবং এন্টার ডিরেক্টোরিয়াল যে আউটলুকটা, মিউজিক, সবটা মিলিয়ে মানুষকে রিভিজিট করতে সাহায্য করবে। অকারণ চোখরাঙানির বিরুদ্ধে কীভাবে লড়াই করা যায় সেই ইন্সপিরেশনটা বোধহয় মানুষ এই ছবি থেকে আবার পাবেন।জনতার কথাঃ তুমি অনেকদিন ধরে থিয়েটার করছো বলে এই ছবিতে অভিনয় করাটা কিছুটা সহজ হয়েছে বলে মনে হয়?গুলশানারাঃ সহজ হয়েছে বলবো না। তবে থিয়েটার আমার চরিত্রের জটটা অনেকটা খুলতে সাহায্য করেছে। কারণ থিয়েটার একটা স্কুল, একটা বেস।সিনেমায় অভিনয় সম্পূর্ণ আলাদা। তবে থিয়েটার আমাকে অনেকটা সাহায্য করেছে চরিত্রের গভীরে ঢুকে, বুঝে তার যাপনটাকে আরও জীবন্ত করে তুলতে।জনতার কথাঃ আগামী দিনে আর কি কি প্রোজেক্টে আমরা তোমাকে দেখতে পাবো?গুলশানারাঃ ২০২২ এর ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে আমার করা প্রথম ফিচার ফিল্ম অ্যাস অ্যা লিড আমি ও আমার মাধুরী সেটা দেখানো হবে বেঙ্গলি প্যানোরামার আন্ডারে। এটা মাধুরী দীক্ষিত কে ডেডিকেট করে একটি ছবি। শিলাদিত্য মৌলিকের পরিচালনায় লুকোচুরি, চিনেবাদাম আসছে। ন্যাশানাল ওটিটি তে একটি হিন্দি শর্ট ফিল্ম আসছে। ন্যাশনাল ওটিটি তে এটা আমার প্রথম হিন্দি কাজ। এছাড়া কিছু সিরিয়াল আসছে। যেটা নিয়ে এখনই কিছু বলতে পারবো না। এছাড়া গোরা ও উত্তরণ আসছে হইচই তে।

ডিসেম্বর ২০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Indrani Halder : আর মেগা নয়, বড়পর্দায় ফিরছেন ইন্দ্রাণী হালদার

সদ্য শেষ হয়েছে স্টার জলসার অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক শ্রীময়ী-র শুটিং। আগামীকাল এই ধারাবাহিকের শেষ এপিসোড টিভিতে দেখতে পাবেন দর্শকরা। ১০ জুন ২০১৯ থেকে শুরু হওয়া এই ধারাবাহিক দর্শকদের মনে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে। শ্রীময়ী শেষ হওয়ার পর ইন্দ্রাণী হালদারকে কি এবার নতুন ধারাবাহিকে দেখা যাবে? সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। কিন্তু যা খবর পাওয়া গেছে তাতে মৈনাক ভৌমিকের পরবর্তী ছবিতে মুখ্য চরিত্রে দেখা যাবে ইন্দ্রাণী হালদার কে।এসভিএফ-এর প্রযোজনায় এই ছবিতে ইন্দ্রাণী হালদার ছাড়াও অভিনয় করবেন মধুমিতা সরকার। আগামী বছরের শুরুর দিকে শুরু হবে এই ছবির শুটিং। এই ছবির জন্য পুরুষ চরিত্র নির্বাচন এখনও বাকি রয়েছে। ধারাবাহিক বোঝেনা সে বোঝেনা ধারাবাহিকের পাখির চরিত্রে অভিনয় করে সকলের নজর কেড়েছিলেন অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার। এরপর বেশ কয়েকটি মেগায় দেখা গেছে তাকে। যদিও বর্তমানে তিনি শুধু বড়পর্দায় অভিনয়ই করছেন।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Katrina Kaif : শ্বশুরবাড়ির সবাইকে খুশি করতে পাঞ্জাবি শিখেছেন ক্যাটরিনা, জানালেন ননদ

বিয়ে হয়ে গেলেও রেশটা যেন কিছুতেই কাটছে না। এখনও ক্যাটরিনার বিয়ে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কম আলোচনা হচ্ছে না। নিয়মিত প্রকাশ্যে আসছে একের পর এক খবর। এবার প্রকাশ্যে এল তাঁর বিয়ে সংক্রান্ত আরও একটি খবর। আর এই খবরটা প্রকাশ্যে এনেছেন ভিকির তুতো বোন উপাসনা ও তার স্বামী অরুণেন্দ্র কুমার।ইনস্টাগ্রামে ভিক্যাটের ভক্তদের বেশ কিছু প্রশ্নের জবাব দেন তাঁরা। সেখানে একজন জানতে চায়, ক্যাটরিনার পরিবারের মানুষজনের কেমন? জবাবে উপাসনা বলেন, অসাধারণ, সবাই খুব ভালো। অপর একজন প্রশ্ন রাখেন, ক্যাটরিনা কি বিয়েতে পঞ্জাবি বলেছেন? হাসিমুখে নায়িকার ননদের জবাব, বিশ্বাস করবেন না গোটা বিয়ের আসরে ক্যাটরিনা শুধু পঞ্জাবিতেই কথা বলেছে। বৌদি কে নিয়ে উপাসনা জানিয়েছেন,বৌদি খুব মিষ্টি, আমাদের পরিবারের সকলকে নাম নিয়ে ডাকছিল। তিনদিন ধরে একছাদের তলায় একটা বড় পরিবার হয়ে ছিলাম আমরা।বৌদি কে নিয়ে উপাসনা জানিয়েছেন,বৌদি খুব মিষ্টি, আমাদের পরিবারের সকলকে নাম নিয়ে ডাকছিল। তিনদিন ধরে একছাদের তলায় একটা বড় পরিবার হয়ে ছিলাম আমরা।আসলে জন্মসূত্রে ব্রিটিশ ক্যাটরিনাকে হিন্দি রপ্ত করতে অনেক সময় লেগেছে। সেই ক্যাটরিনাই শ্বশুরবাড়ির লোকেদের সঙ্গে আলাপ জমাতে বাড়িতে শিক্ষক রেখে পাঞ্জাবী ভাষা রপ্ত করেছেন। আর বিয়ের অনুষ্ঠানে শুধু পাঞ্জাবিতেই কথা বলেছেন তিনি।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Anxious Sreelekha: পিতৃ বিরহে ব্যকুল শ্রীলেখা

পিতা স্বর্গ পিতা ধর্ম: পিত্য হি পরমং তপ: পিতরি প্রীতিমাপন্নে প্রীয়ন্তে সর্বদেবতা।স্লোকটির সরলার্থ: পিতা স্বর্গ, পিতা ধর্ম, পিতা-ই শ্রেষ্ট তপস্যা। পিতা সন্তুষ্ট হলে দেবতারাও সন্তুষ্ট হন। মাত্র কয়েকমাস আগেই শ্রীলেখার বাবা গত হয়েছেন। কিন্তু তাঁর অস্ত্বিত্ব কিছুতেই তিনি ভুলতে পারছেন না। তাঁর সামাজীক মাধ্যমে পোস্ট-এ বাবার প্রতি যে আকুতি ফুটে উঠছে তা থেকে মনে হচ্ছে তিনি ভুলতেও চাইছেন না। কেন-ই বা চাইবেন / পারবেন? তাঁর জীবনের অনেকটা জুড়েই আছেন তাঁর বাবা। তিনি বাবাকে আজও সকালবেলা চা খেতে দেন, তাঁর বিশ্বাস তিনি অর্থাৎ শ্রীর বাবা তাঁর এই নিবেদন গ্রহণ করবেন। যেন হটাৎ কবিরের মত জলদগম্ভীর গলায় গেয়ে উঠবেন এক কাপ চায়ে আমি তোমাকে চায়। তাঁর বিভিন্ন বক্তব্য থেকে বোঝা যায় তাঁর এই ধৃঢ়চেতা মানসিকতা-র অনেকটাই তিনি তাঁর বাবার কাছ থেকে পেয়েছেন।আরও পড়ুনঃ মেয়ের জন্মদিনে স্মৃতিতে ভাসলেন শ্রীলেখাতিনি সামাজিক মাধ্যমে বাবার ছবি পোস্ট করে লিখেছেন ঠাকুরের সিংহাসনের ওপরে টাঙ্গিয়েছি, এটা পড়ে হয়ত নেটিজেনরা বলতেই পারেন ভগবানের ওপরে? হিন্দু ধর্মের ভাবাবেগকে আঘাত করতেই তিনি একথা লিখেছেন। হ্যাঁ তিনি শ্রীলেখা! বাঁধাগতের জীবনের ধরাছোঁয়ার বাইরে গিয়ে যিনি টালিগঞ্জের কোনো এক ভাগ্যনিয়ন্তা অভিনেতার বিরুদ্ধে বলতে পারেন ... প্রেমপ্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় তিনি বাংলা ছবিতে নায়িকা চরিত্রে বঞ্চিত হন। সোজা কথাটা সোজা ভাবে অকপটে বলতে পারেন বলেই তিনি সামাজিক মাধ্যমে এত জনপ্রিয়।শ্রীলেখা কয়েকদিন আগেই সামাজিক মাধ্যমে লিখেছিলেন, তিনি কোনও ভাবে শুনেছেন বা জেনেছেন যে তাঁকে নিয়ে মেকআপ-রুমে চর্চা হচ্ছিলো তিনি কেনও তাঁর সব বিষয় সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেন আর মিডিয়াই বা কেনও সেই জিনিস নিয়ে খবর করেন? তিনি সামাজিক মাধ্যমে অনুরোধ করেছেন মিডিয়ার লোকজন যেনও বাকিদের নিয়েও লেখেন। তাঁর সরল যুক্তি আমি কি করছি কি লিখছি এত দেখার কি আছে বুঝিনা বাপু, আমি রিল থেকে রিয়েল মানুষের সাথে কানেক্ট করি, ... বুঝে নিন, বাকিটা ব্যাক্তিগত। আসলে আম জনতার কৌতুহল এখন শুধুমাত্র কোনও এক অভিনেতা বা অভিনেত্রী-র অভিনয়-এই সীমাবদ্ধ নেই এই মিডিয়ার যুগে। তাঁরা ভয়ঙ্কর উৎসুক তাঁদের স্বমন্ধে আরও অনেক কিছু জানতে। তাঁরা কি খায়, কি পড়ে, কি প্রসাধন ব্যবহার করে আরও আরও অনেক কিছু... শ্রীলেখার ভাষায় বাকিটা ব্যাক্তিগত। সাধারণ মানুষের তাদের-ই কানেক্ট করতে পারে, যারা তাঁদের কানেক্ট করে। শ্রী সেটা পাড়েন।আরও পড়ুনঃ জনতার কথার মুখোমুখি অভিনেত্রী শ্রেষ্ঠাশ্রীলেখা তাঁর প্রথম জীবনে তাজ হোটেলে যখন কর্মরত, চিত্র-পরিচালক দুলাল লাহিড়ী তখন বাংলা ধারাবাহিক বালিকার প্রেম এ একটি চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন তাকে। আরও অনেক বাংলা সিরিয়ালে অভিনয় করার পর, ১৯৯৮ এ বাসু চ্যাটার্জীর হঠাৎ বৃষ্টি তে তিনি অভিনয়ের সুযোগ পান। এই ছবির সাফল্য তাঁকে বাংলা ছবির দর্শকের হেঁসেলে পৌছে দেয়। আর ২০০৩-এ আমীরের সাথে ঠান্ডা পানীয়-র বিজ্ঞাপন এ মেরে প্যারি বিন্দু... তাঁকে জাতীয় পরিচিত দিয়ে দেয়। চিত্র জগতের অনেকের-ই মত তাঁর সরল সোজাসাপটা আকপট আপসহীন আচরণ হয়ত তাঁকে যোগ্যতা অনুযায়ী টলিউড সেই ভাবে মূল্যায়ন করেনি। তিনি কোনও অন্যায়ের-ই সাথেই কোনও ভাবে আপস করেন নি। তাঁর অপসহীন লড়াই আজও চালিয়ে যাচ্ছেন। ২০২১ বিধানসভা বিধানসভা ভোটের আগে ভরাকোটালের মত টলিউডি অভিনেত্রী/অভিনেতারা যখন ফুলবদল করে ফেললেন, তখনও শ্রীলেখা তাঁর আইডিওলোজি বদলাননি। তাঁর সপাট যুক্তি ছিলো মূল্যবোধ কেনা যায় না।আরও পড়ুনঃ ডেটিং শো তে বর্তমান প্রজন্মের কথা বলবে উরিবাবাসত্যিই তাই, সেই মূল্যবোধ কে আঁকড়ে ধরেই তিনি দেবতার উর্ধাসনে পিতা কে বসাতে পাড়েন। কোভিড আক্রান্তদের জন্য অক্সিজেন জোগাড় করতে পারেন, রাস্তার সারমেয় দের পুত্র স্নেহ দিতে পারেন, এর জন্য তাঁকে কোনও এনজিও সাহায্য নিতে হয় না। সেই সারমেয়দের জন্য তাঁকে আবাসনে অপমানিত লাঞ্ছিত অবধি হতে হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার না করলে কি সাধারণ মানুষ এসব জানতে পাড়তেন? না, শ্রী-র তথাকথিত শুভাকাঙ্খি সহকর্মী রা পিএনপিসি (পর নিন্দা পর চর্চা) করার সুযোগ পেতেন? শ্রীলেখা আপনি গলা খুলে গাইতেই পাড়েন আমাকে আমার মত থাকতে দাও...... বা আমার যেমন বেনী তেমনি রবে চুল ভেজাবো না......আরও পড়ুনঃ আমি তখন অষ্টাদশীর ছোঁওয়ায়, টিউশন শেষ করে বাড়ি ঢুকছেন শ্রীলেখা!

ডিসেম্বর ১২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Bachelor Party : ব্যাচেলর পার্টিতে মাতলেন অলকানন্দা

সামনেই বিয়ে, ব্যাচেলর পার্টিতে মাতলেন অভিনেত্রী অলকানন্দা।সামনেই চার হাত এক হচ্ছে অভিনেত্রী অলকানন্দা গুহ ও পরিচালক মনোজিত মজুমদারের। ইরাবতীর চুপকথা-র পরিচালকের সঙ্গে চার হাত এক হওয়ার আগে ব্যাচেলার পার্টিতে মাতলেন অ্যায় তবে সহচরীর ঝুমকি ও দেবী ধারাবাহিকের শ্রুতি। সোশ্যাল মিডিয়াতে ব্যাচেলর পার্টির ছবি পোস্ট করে অলকানন্দা লেখেন ব্যাচেলর পার্টি ১। অর্থাৎ এখনও ব্যাচেলর পার্টি শেষ হয়ে যায়নি। এছাড়া ব্যাচেলর পার্টিতে পুল থেকে একটি রিলস ও পোস্ট করেন এই টলি অভিনেত্রী। অলকানন্দার এই ব্যাচেলর পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন সউমি ঘোষ, দেবাদ্রিতা বসু, অলকানন্দার বোন অনন্যা গুহ, ঐন্দ্রিলা বোস এবং লহরী সেনগুপ্ত। এই ব্যাচেলর পার্টির ছবি অলকানন্দার বন্ধুরাও তাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন।আলো ছায়া ধারাবাহিকের ছায়া অর্থাৎ অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা বোস সোশ্যাল মিডিয়াতে ব্যাচেলর পার্টি উদযাপনের ছবি পোস্ট করে লেখেন, এমন কোনও বন্ধু কোরোনা যারা তোমার সঙ্গে কমফোর্টেবল ফিল করে বরং তাদের সঙ্গেই বন্ধুত্ব করুন যারা তোমাকে ভালো কিছু করার জন্য উত্তেজিত করবে। অভিনেত্রী সউমি ঘোষ সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করে লেখেন, ইটস ব্যাচেলরেট। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আগামী ফেব্রুয়ারিতে বিয়ের পিড়িতে বসার কথা অলকানন্দার। ইতিমধ্যেই মনোজিতের সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক ছবি পোস্ট করেছেন এই টলি অভিনেত্রী। জানা গেছে তাদের এনগেজমেন্ট অনুষ্ঠান হবে কলকাতায়, এরপর বিয়ের মূল অনুষ্ঠান হবে কল্যাণীতে।

ডিসেম্বর ১২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Shresttha : 'জনতার কথার' মুখোমুখি অভিনেত্রী শ্রেষ্ঠা

আকাশ আট-এ শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক মেয়েদের ব্রতকথা। এই ধারাবাহিকে মুখ্য চরিত্র মায়া-র চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেত্রী শ্রেষ্ঠা প্রামাণিক। ধারাবাহিক নিয়ে জানালেন অনেক কথা। জনতার কথাঃ মায়া চরিত্র করে তোমার কেমন লাগছে?শ্রেষ্ঠাঃ খুবই ভালো লাগছে। মায়া চরিত্রটা খুবই স্নিগ্ধ, সরল একটা মেয়ে। মায়ার অলরেডি তিনবার মিসক্যারেজ হয়ে গেছে। এটা ফোরথ টাইম ছিল। খুবই ভালো একটা ক্যারেক্টার। আমি খুবই ভালোবেসে ফেলেছি ক্যারেক্টারটাকে।মেয়েদের ব্রতকথাজনতার কথাঃ মায়া ও বিমলার মধ্যে কতটা ভালো বন্ডিং?শ্রেষ্ঠাঃ অনস্ক্রিন মায়া বিমলা কে খুবই ভালোবাসে। বিমলা মায়া কে খুবই ভালোবাসে। অনস্ক্রিন মায়া বিমলা কে খুব ভালো বাসলেও বিমলা যেহেতু নেহেটিভ ক্যারেক্টার ওকে সেই পার্টতা তো করতেই হয়। আমি আর ঐশ্বর্য ওখানে বেস্ট ফ্রেন্ড হয়ে গেছি। খুব ভালো লাগে একসাথে থাকতে। একসাথে গল্প করতে। আমাদের মধ্যে আন্ডারস্ট্যান্ডিং খুব ভালো। আমাদের থিঙ্কিং অনেকটা ম্যাচ করে যার জন্যা আমাদের মধ্যে এত তাড়াতাড়ি ফ্রেন্ডশিপ হয়ে গেছে। জনতার কথাঃমেয়েদের ব্রতকথার বাকি টিম কেমন?শ্রেষ্ঠাঃ গোটা ইউনিট খুবই ভালো। এটা আমার ফার্স্ট প্রজেক্ট। ফার্স্ট মেগা এস অ্যা লিড। আমি অনেক জায়গায় শুনেছি জে অনেক টিমে অনেককিছু হত বাঁ হয়। আমাদের টিমটা এরকমই। আমরা খুব মজা করে কাজ করি।জনতার কথাঃ সামনে বড়দিন আসছে। প্ল্যান রয়েছে? শ্রেষ্ঠাঃকোনও প্ল্যান নেই। মেয়েদের ব্রতকথা-র শুটিং থাকলে সেটেই সমস্ত প্ল্যান হবে।

ডিসেম্বর ১২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Dil Se : দিলসের সঙ্গে জুন মালিয়া

দিলসে এবং এক প্যাকেট উমিদ এর সহযোগিতায় একজন তরুণ ভারতীয়র উদ্যোগে তাদের পণ্যের প্রচার যাতে ভালোভাবে হয় সেই দিকটা মাথায় রেখে এনজিওগুলির জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে। যে প্ল্যাটফর্ম সকলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।খোয়াবনকেপারিন্দে একটি অনন্য প্ল্যাটফর্ম যা কিছু এনজিও ও কারিগরদের সম্মিলিত কাজ নিয়ে আসে। তাদের স্টেকহোল্ডারদের কাছে পৌঁছানোর জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দেয়। এই দিলসে ও খোয়াবনকেপারিন্দের যৌথ উদ্যোগে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা পিছিয়ে পরা ছেলে-মেয়েদের পাশে দাঁড়ালো। এই উপলখ্যে তারা একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এখানে উপস্থিত ছিলেন টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জুন মালিয়া।এই উদ্যোগে সামিল হতে পেরে তিনি খুশি। জুন মালিয়া এদিন দিল সে-র বিভিন্ন আইটেম ঘুরে দেখেন এবং জানান সবকিছুর মধ্যেই একটা বিশেষত্ব রয়েছে। বর্তমান সময়ে এরকম উদ্যোগ সত্যিই খুব ভালো বলে জানান জুন মালিয়া। তাদের আগামী কাজগুলোর জন্য অনেক শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন এই টলি অভিনেত্রী।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

AIshwarya : 'মেয়েদের ব্রতকথা' নিয়ে অভিনেত্রী ঐশ্বর্য মণ্ডল

সোম থেকে শনি বিকাল ৬.৩০ এ আকাশ আট-এ দেখা যাচ্ছে নতুন ধারাবাহিক মেয়েদের ব্রতকথা। এই ধারাবাহিকে বিমলার চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেত্রী ঐশ্বর্য মণ্ডল। মেয়েদের ব্রতকথা নিয়েই জনতার কথা-র মুখোমুখি ঐশ্বর্য। জনতার কথাঃ এখনও পর্যন্ত মেয়েদের ব্রতকথা যতটুকু হয়েছে তার এক্সপিরিয়েন্স কেমন?ঐশ্বর্যঃ খুব ভালো। ফ্লোরে বলো, মেকআপ রুমে বলো একটা পুরো ফ্যামিলি হয়ে গেছে। মানে আমি যে দুমাস কাজ করেছি হনেস্টলি, আমার মনেই হয় না যে আমি দুমাস কাজ করেছি। আমাদের যিনি ডিরেক্টর আছেন সুমন দা যখন ব্রেক দিচ্ছেন উনি কিন্তু আমাদের সঙ্গে এসেই আড্ডা মারছেন। বা মজা করছেন একসঙ্গে। অ্যাই সিন পড়ছিস না কেন? সিন পর। একটু ক্যারেক্টার বিল্ড আপ করা। আমার যে বর করছে প্রীতম ভীষণ ভালো। খুব কো-অপারেটিভ। সিনিয়র আর্টিস্ট রা রয়েছেন। তারাও কোনোদিন ফিল করতে দেননি যে তারা সিনিয়র। জনতার কথাঃ সব শুটিং-এই খাওয়াটা খুব ইম্পরট্যান্ট। তোমরা কি সবাই খাবার নিয়ে যাও না অনলাইনে অর্ডার দেওয়া হয়?ঐশ্বর্যঃ ব্যাপারটা হচ্ছে আমার মায়ের হাতের খাবার অনেকেরই ভালো লাগে। তাই অর্ডারটা আমার বাড়ি থেকে আসে। আন্টিকে বলিস না এটা একটু করতে। এরকম। বাকি সবাই বানিয়ে আনে। আমাদের চৈতালি দি আছেন সিনিয়র আর্টিস্ট। নমিতা দি আছেন সিনিয়র আর্টিস্ট বিরিয়ানি বানিয়ে এনেছেন, চিকেন তন্দুরী বানিয়ে এনেছেন। আমি চিলি চিকেন-ফ্রায়েড রাইস বানিয়ে নিয়ে গেছি। কি বলবো এটা কোনও প্ল্যানিং ছিল না। এরকম ভাবেই আমাদের চলে। জনতার কথাঃ বিমলা ও মায়ার কেমিস্ট্রি কেমন?ঐশ্বর্যঃ খুব ভালো। আমরা দুটো বোন। যেটা আমরা দেখাই অনস্ক্রিন যে আমি মায়াকে টলারেট করতে পারছি না কিন্তু সামনে ভীষণ ভালো। অ্যাকশন মানে আমরা চরিত্রতে। আর কাট বলা মানে বিমলা আর মায়া একসাথে। দুজনের একসঙ্গে শুটিং থাকলে একসাথে ঘুরে বেড়াচ্ছে। হাতে হাত ধরে, নয়তো সিন নিয়ে রিহার্সাল করছে। কিছু না কিছু একসঙ্গে করছে। আর আমার বর ও মায়ার বর চারজন-পাঁচজন একসঙ্গে থাকছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Swastika Dutta : মেলাতে খোশমেজাজে অভিনেত্রী স্বস্তিকা দত্ত

শীতকাল এলেই কলকাতায় অনেক মেলা বসে। আর সেইসব মেলা দেখতে ভিড় জমান সাধারণ মানুষ। তবেও মাঝেমধ্যে সেখানে সেলিব্রিটিদেরও দেখা মেলে। দৈনন্দিন জীবনের ব্যস্ততা কাটিয়ে একটু রিফ্রেশমেন্ট খুঁজে পান মেলাতে।সেরকমই কলকাতার একটি জনপ্রিয় মেলা ইকো পার্কের হস্তশিল্প মেলায় দেখা গেল টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী স্বস্তিকা দত্তকে। মেলায় বেড়ানোর রিলস সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন তিনি।স্বস্তিকার গায়ে ছিল কালো পুলওভার। মেকআপ ছাড়াই রিলস ছেড়ে ক্যাপশনে লেখেন হাসি খুশি। রিলসে দেখা যাচ্ছে কখনও তিনি হাওয়াই মিঠাই খাচ্ছেন, কখনো ঘুরে ঘুরে মেলা দেখছেন, আবার কখনো কচিকাঁচাদের সঙ্গে ছবি তুলতে ব্যস্ত। মেলাতে খোশমেজাজে বেশ কিছুটা সময় কাটালেন এই টলি অভিনেত্রী।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Kriti Sanon : ফ্যানের টুইটের মজার উত্তর দিলেন কৃতী শ্যানন

সোশ্যাল মিডিয়া আসার ফলে তারকাদের সঙ্গে অনুরাগীদের বন্ডিংটা আরও ভালো হয়েছে। অনুরাগীরা তার প্রিয় তারকাকে নিয়ে কিছু পোস্ট করলে বা ট্যাগ করলে তারকারা তার উত্তর দেন। যার মধ্যে কিছু মজার কমেন্টও থাকে। এরকমই একটা কাজ করেছেন বলিউড অভিনেত্রী কৃতী শ্যাননের এক ফ্যান। পরম ছায়া নামে তার এক ফ্যান টুইট করে কৃতী শ্যাননকে ট্যাগ করে লিখেছেন,ছোট থেকেই আমাকে স্কুলে কোনও সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়নি। আমি কারুর উপর রাগও করিনি, কেউ আমাকে বা আমার নাম নিয়ে কোনও মশকরা করেনি। কিন্তু যেদিন থেকে কৃতী শ্যাননের পরম সুন্দরী গানটা এসেছে, সবাই আমার পিছনে পড়ে গেছে, আমাকে নিয়ে হাসিঠাট্টা করছে। অন্তত হাজারবার আমাকে এই পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়েছে। কেন এমনটা করলে কৃতী? কেন আমার জীবন নষ্ট করলে? এর সঙ্গে হাসির ইমোজি জুড়ে দেন তিনি। তার টুইটের রিপ্লাইয়ে কৃতী লেখেন, হে ভগবান! সরি! পরম সুন্দরী চলতি বছরের অন্যতম সুপারহিট গান। লক্ষ্মণ উটেকার পরিচালিত নেটফ্লিক্সে মুক্তি পাওয়া মিমি ছবির এই গানটি মুক্তির পর হু হু করে ভাইরাল রয়েছে। এ আর রহমানের সুরে গানটি গেয়েছেন শ্রেয়া ঘোষাল। মিমি ছবিতে সারোগেট মা-এর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন কৃতী।

ডিসেম্বর ০২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Shreelekha : বিয়ে করছে শ্রীলেখা! এমনটাই জানালেন পোস্টে

শ্রীলেখা মিত্র পোস্ট করেছেন। সেখানে খবর হওয়াটা তো স্বাভাবিক। কারণ টলিউড অভিনেত্রীদের মতো এত সোজাসাপ্টা কথা তিনি ছাড়া আর কেউ বোধহয় বলতে পারেন না। তবে তার এবারের পোস্টটা একটু আলাদা। পরিপাটি করে সেজেগুজে সকলের সামনে এনেন শ্রীলেখা। পরনের পোশাক নজরে না এলেও খোলা চুল, গলায় পান্না-হিরে দিয়ে সাজানো ভারী নেকপিস, কানে ঝোলা দুল দেখে কিছুটা আঁচ করাই যাচ্ছিল। হাসি মুখে শ্রীলেখার প্রশ্ন, মেয়ে পছন্দ?অভিনেত্রী আরও জানান, মেয়ে পছন্দ মানে বিয়ের জন্যই পছন্দ করতে হবে তেমন তো কোনও কথা নেই। কেউ নিজের মেয়ে হিসাবেও তাঁকে পছন্দ করতে পারে। আসলে শ্রীলেখার মন এখন একদমই ভালো নেই। গত সেপ্টেম্বর তিনি তার বাবাকে হারিয়েছেন। তাই বাবাকে হারানোয় মন খারাপ বাসা বেঁধেছে শ্রীলেখা মিত্রর মনে। তাই হয়তো তার এই পোস্ট মেয়ে পছন্দ?তার এই পোস্টে অনেক কমেন্টও এসেছে। একজন লিখেছেন,ছোটোবেলা থেকেই আপনার সিনেমা দেখেছি, আমার প্রিয় নায়িকাদের মধ্যে আপনি একজন। মেয়ে পছন্দ বলেই সিনেমাগুলো দেখতাম, আর এখন আপনার পেজ ফলো করি। আরেকজনের কমেন্ট,অসম্ভব সুন্দরী তো মেয়ে।খুব পছন্দ।আর এই মেয়েকে তো অনেক ছোট থেকেই পছন্দ করি।আমার কাছে খুব খুব প্রিয় তুমি। এরকম আরও অনেক কমেন্ট এসেছে তার পোস্টে।

নভেম্বর ২৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Devlina Kumar : লন্ডনে ড্যান্স মুডে দেবলীনা কুমার

করোনা চারপাশের পরিবেশটা অনেকটাই বদলে দিয়েছে। আমরা আগের মতো সেইভাবে ঘুরতে যেতে পারছি না। ঘুরতে গেলেও আমাদের মানতে হচ্ছে অনেক বিধিনিষেধ। মাঝে তো কোভিডের জন্য বিদেশে ঘুরতে যাওয়া একদমই বন্ধ হয়ে যায়। তবে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে। আস্তে আস্তে মানুষ দেশের গন্ডী পেরিয়ে বিদেশের মাটিতে পা রাখছেন। এবার সেই তালিকায় নাম লেখালেন অভিনেত্রী দেবলীনা কুমার। স্বামী অভিনেতা গৌরব চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে লন্ডন উড়ে গেলেন তিনি। লন্ডন থেকেই একটি নাচের ভিডিও পোস্ট করেছেন দেবলীনা। কোনও একটি কটেজের সামনে র্যাপার বাদশার জুগনু গানে নাচ করছেন দেবলীনা। পরনে রয়েছে টর্ন জিনস ও লং ওভারকোট। নাচের ভিডিওটি যে তার স্বামী গৌরব করেছেন সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আসলে, নাচ দেবলীনার প্রথম ভালবাসা। অনেক ছোট থেকেই নাচের প্রশিক্ষক নিয়েছেন তিনি। রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাচের গেস্ট লেকচারার ও তিনি। ছোটপর্দার জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ডান্স বাংলা ডান্স-এও মেন্টরের ভূমিকা পান করতে দেখা গেছে এই টলিপাড়ার অভিনেত্রীকে। নাচ ছাড়াও ফিটনেস নিয়ে দারুণ সতর্ক তিনি। নিয়মিত জিম করা, সাইক্লিং করা সবই করে থাকেন এই অভিনেত্রী।

নভেম্বর ২৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Anushka-Aditya : চার হাত এক হল অনুষ্কা-আদিত্যর

পরিবার এবং কাছের মানুষদের উপস্থিতিতে সাত পাকে বাঁধা পড়লেন অভিনেতা আদিত্য শীল এবং অভিনেত্রী অনুষ্কা রঞ্জন। প্রায় তিন বছর প্রেম করার পর বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন তাঁরা। মুম্বইয়ে বসেছিল এই বিয়ের আসর। বিয়েতে বেগুনি রঙের লেহেঙ্গায় নজর কাড়েন অনুষ্কা। অদিত্য পরেছিলেন হালকা হলুদ রঙের ডিজাইনার পঞ্জাবি, সঙ্গে গলায় সাদা ওড়না ও মাথায় পাগড়ি পরেছিলেন। বিয়ের অনুষ্ঠানে আবেগপ্রবণ অনুষ্কা, ধরে রাখতে পারেননি চোখের জল। তাঁর চোখের জল মুখে দিলেন নতুন বর অদিত্য। দেখুন তরকা দম্পতির বিয়ের অন্দরের ছবি।বিয়ের আসরে আদিত্য শীল কে অনুষ্কা বলেন, আমার হাসির কারণ তুমি। প্রতিদিন আমার দুঃখ দূর করে দেওয়ার জন্য এবং আমাকে পৃথিবীতে চলার জন্য সবচেয়ে ভাগ্যবান ব্যক্তি বলে মনে করার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ। এখন আসো আমরা সুখের সাথে জীবনযাপন করি। তুমি আমার আশা আমি তোমার ভালোবাসা।তরকা দম্পতির বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন বলিউডের একঝাঁক তারকা। আলিয়া ভাট থেকে বাণী কাপুর, ভূমি পেদনেকর, ক্রিস্টেল ডিসুজা সুজান খান সকলে তাঁর বিয়েতে হাজির ছিলেন।

নভেম্বর ২২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Sreelekha : বিয়ের ছবি পোস্ট করে স্মৃতির পাতা ওল্টালেন শ্রীলেখা

টলিউডের অন্যান্য অভিনেত্রীদের থেকে শ্রীলেখা মিত্র একটু আলাদা টাইপের। সহজ কথা সহজভাবে বলতে পছন্দ করেন তিনি। তার জন্য অনেকবার ট্রোলড হতে হয়েছে তাকে। কিন্তু সেইসব ট্রোলিংকে পরোয়া করেন না তিনি।২০ নভেম্বর তারিখটি শ্রীলেখা মিত্রর জীবনে একটা বিশেষ দিন হয়ে রয়েছে। ১৮ বছর আগে শিলাদিত্য সান্যালের সঙ্গে চার হাত এক হয় তার। শনিবার ছিল সেই বিশেষ দিন। তবে এই দিনটি তার কাছে আর বিশেষ অর্থ বহন করে আনে না। কারণ ২০১৩ সালে এই দিনেই দুজনের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তার ওপর তার বাবার জন্মদিনও ২০ নভেম্বর। সদ্যই বাবাকে হারিয়েছেন শ্রীলেখা। তাই তার খুব মনখারাপ। সেই কথাই সোশ্যাল মিডিয়ায় সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন তিনি। কনের সাজে একটা ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন,কিছু কিছু দিন জীবনে এমন দাগ কেটে যায় বা এমন ক্ষত দিয়ে যায়, যা চিরতরে থেকে যায়। একইসঙ্গে সেই ক্ষত তা যন্ত্রণার আবার ভালোলাগারও। ২০০৩ সালের এমনই এক ২০ নভেম্বর বিয়ে করেছিলাম। আর এই ২০ নভেম্বরই আমার বাবার জন্মদিন। দুটো দিনই আজ আমার জীবনে অতীত। বিয়েও অতীত হয়েছে আর বাবাও ছেড়ে চলে গিয়েছে। আমি শুধু স্মৃতির পাতা ওল্টাচ্ছি।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে শ্রীলেখার বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যাওয়ার পর অভিনেত্রী এখন তার মেয়ে ঐশীর সঙ্গে থাকেন। তবে প্রাক্তন স্বামীর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছেন।

নভেম্বর ২১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Sreelekha : হাতকাটা কুর্তি পরে 'মানিকে মাগে হিথে' গানে নেচে ভাইরাল শ্রীলেখা

বয়স হয়েছে। তাতে কি? এই বয়সেও নিজের যৌবন ধরে রেখেছেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। লাল রঙ এর হাতকাটা কুর্তি পরে বাড়ির বারান্দায় জনপ্রিয় গান মানিকে মাগে হিতে তে নাচলেন টলি ক্রাশ শ্রীলেখা। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে বারান্দায় প্রচুর গাছ। সেখানেই ড্যান্স মুডে শ্রীলেখা। ইন্সটাগ্রামে সেই গানের রিলস পোস্ট করতেই কিছুক্ষণের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। ভিডিওর ক্যাপশনে লেখা যাই কথা কিন্তু রাখলাম ! অনেক অভিনেত্রীই বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে এক্টু গুটিয়ে রাখতে চান। কিন্তু শ্রীলেখা মিত্র সম্পূর্ণ আলাদা। তাঁর বয়স এখন ৪৬। কিন্তু এই বয়সেও যেভাবে সোশ্যাল মিডিয়াতে ঝড় তুলছেন তা অবাক করেছে নেটিজেনদের। তাঁর এই রিলস দেখে প্রচুর কমেন্টও এসেছে কমেন্ট বক্সে। বয়স বাড়লেও শ্রীলেখা মিত্র দেখিয়ে দিলেন মনের বয়স যেন না বাড়ে। তিনি আরও একবার প্রমাণ করলেন বয়স শুধুমাত্র একমাত্র সংখ্যা মাত্র।

নভেম্বর ১৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

মোদির ভিডিও সরাতেই বড় বিপাকে মেটা! ফের তলব শীর্ষ কর্তা, এবার কী হতে চলেছে?

ফেসবুক থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাইরাল সেলফি ভিডিও সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই ঘটনায় এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বার মেটার বৈশ্বিক জননীতি বিষয়ক প্রধানকে তলব করল কেন্দ্র। বুধবার সকালে সংশ্লিষ্ট সরকারি আধিকারিকের সামনে হাজির হতে বলা হয়েছে মেটার শীর্ষ কর্তা জোয়েল কাপলানকে। সূত্রের খবর, একই বিষয়ে ইনস্টাগ্রামের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তাকেও ডেকে পাঠানো হয়েছে।জেন-জি প্রজন্মের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তৈরি সেলফি ভিডিও হঠাৎ ফেসবুক থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়। পরে মেটা এই ঘটনার জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেও তাতে সন্তুষ্ট নয় কেন্দ্র।তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় কমিটির বৈঠকের পর কমিটির প্রধান নিশীকান্ত দুবে স্পষ্ট জানান, শুধু ক্ষমা চাইলেই দায় শেষ হয় না। এই ঘটনার পূর্ণ দায় মেটাকেই নিতে হবে। প্রয়োজনে সংস্থার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপও করা উচিত বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।প্রসঙ্গত, নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদ এবং পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতার দাবিতে দেশজুড়ে আন্দোলনের আবহের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী একটি বিশেষ ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছিলেন। সেখানে তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁসকে অত্যন্ত গুরুতর সমস্যা বলে উল্লেখ করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের স্বার্থে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।প্রধানমন্ত্রীর এই ভিডিও প্রকাশের পর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তা ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। ইনস্টাগ্রামে মাত্র চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে ভিডিওটির দর্শকসংখ্যা তিনশো তিন মিলিয়ন ছাড়িয়ে যায়। সেই সাফল্যের মধ্যেই ফেসবুক থেকে ভিডিওটি সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। এখন কেন্দ্রের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
বিদেশ

পাকিস্তানে কি ফের সেনা অভ্যুত্থান? এক মন্ত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্যে তীব্র জল্পনা

পাকিস্তানের রাজনীতিতে আবারও অনিশ্চয়তার মেঘ ঘনিয়ে উঠেছে। দেশের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী মহসিন নকভির একের পর এক মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, পাকিস্তানে কি আবারও সেনা অভ্যুত্থানের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে?পাকিস্তানের ইতিহাসে একাধিকবার সামরিক শাসন এসেছে। অতীতে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে তিনবার দেশের ক্ষমতা পরিবর্তন হয়েছে। সেই অতীতের প্রেক্ষাপটেই নকভির সাম্প্রতিক মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক।সম্প্রতি তিনি দাবি করেছেন, পাকিস্তানের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় দুর্নীতির ঘটনা সামনে এসেছে। তাঁর অভিযোগ, এই দুর্নীতির সঙ্গে রাজনীতিবিদ, আমলা, বিচারপতি এবং ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার বহু ব্যক্তি জড়িত। দীর্ঘদিন ধরে ঘুষ ও দুর্নীতির সংস্কৃতি চলেছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, তদন্তে যাঁদের নাম উঠে আসবে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তবে রাজনৈতিক মহলের নজর কেড়েছে অন্য একটি বিষয়। দুর্নীতির অভিযোগে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কথা উল্লেখ করলেও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে কোনও মন্তব্য করেননি নকভি। এই ঘটনাকে ঘিরেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, সেনাবাহিনীর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তাঁর উপস্থিতি রাজনৈতিক সমীকরণকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, পাকিস্তানের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ক্ষমতার অন্দরে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদিও সেনা অভ্যুত্থান নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি ঘোষণা বা নির্ভরযোগ্য প্রমাণ সামনে আসেনি। ফলে বিষয়টি এখন জল্পনার পর্যায়েই রয়েছে। তবে নকভির ধারাবাহিক মন্তব্যে পাকিস্তানের রাজনীতি যে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
দেশ

বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর! আরও পাঁচ হাজার মহিলা পাবেন অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা, কারা থাকছেন তালিকায়?

দিল্লির বঙ্গভবনে এনসিপিআই সাংসদদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রায় এক ঘণ্টার এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়-সহ দলের অন্যান্য সাংসদরা। বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা দেন, রাজ্যের উন্নয়নের কাজ আরও দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছেও পৌঁছে দিতে হবে।বৈঠকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ছিল অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে। যাঁরা আবেদন করার পরেও এখনও এই প্রকল্পের আর্থিক সুবিধা পাননি, তাঁদের জন্য নতুন সুযোগের ঘোষণা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রত্যেক এনসিপিআই সাংসদ তাঁদের নিজ নিজ লোকসভা এলাকায় অতিরিক্ত পাঁচ হাজার উপভোক্তার নাম সুপারিশ করতে পারবেন। সেই তালিকায় থাকবেন এমন মহিলারা, যাঁরা এখনও অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাননি।ইতিমধ্যেই বহু উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পৌঁছে গিয়েছে। তবে অনেক আবেদনকারী এখনও এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। তাঁদের কথা মাথায় রেখেই এই নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে কুড়ি জন সাংসদের মাধ্যমে মোট এক লক্ষ নতুন উপভোক্তা এই প্রকল্পের আওতায় আসতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।বৈঠকের পরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে শতাব্দী রায় জানান, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে অত্যন্ত ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, এলাকার উন্নয়নের জন্য নতুন রাস্তা, সমন্বিত শিশু বিকাশ কেন্দ্র এবং বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি যাঁরা অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা এখনও পাননি, তাঁদের মধ্যে পাঁচ হাজার জনের নাম প্রত্যেক সাংসদ সুপারিশ করতে পারবেন বলেও জানানো হয়েছে।সূত্রের খবর, বৈঠকে কয়েকজন সাংসদ অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরেও অনেক এলাকায় নিচুতলার কর্মীদের সহযোগিতা তাঁরা পাচ্ছেন না। কোথাও কোথাও প্রশাসনিক সহযোগিতার অভাবের কথাও তুলে ধরা হয়। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ আরও বাড়ানো এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মহালয়ার অমর কণ্ঠকে বড় সম্মান! বদলে যেতে পারে শ্যামবাজার মেট্রোর নাম, সামনে এল বড় প্রস্তাব

বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে আরও মর্যাদা দিতে বড় উদ্যোগের প্রস্তাব সামনে এল। প্রবাদপ্রতিম কণ্ঠশিল্পী বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জন্মদিনে তাঁর স্মৃতিকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের দাবি তুললেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি প্রস্তাব দিয়েছেন, শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশনের নাম বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের নামে করা হোক। পাশাপাশি তাঁর ঐতিহাসিক বাড়িকে হেরিটেজ হিসেবে সংরক্ষণের উদ্যোগও নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন।মঙ্গলবার বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জন্মদিনে শ্যামবাজারের রামধন মিত্র লেনের বাড়িতে যান অগ্নিমিত্রা পাল। সেখানে তিনি কিংবদন্তি শিল্পীর মূর্তিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। বীরেন্দ্রকৃষ্ণের পুত্রবধূ সুস্মিতা ভদ্রের সঙ্গেও দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেন তিনি।মন্ত্রী জানান, মহালয়ার ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের চণ্ডীপাঠ ছাড়া বাঙালির দুর্গাপুজোর আবহ যেন সম্পূর্ণ হয় না। তাই তাঁর অবদানকে আগামী প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় করে রাখতে স্থায়ী উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। সেই কারণেই শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশনের নাম তাঁর নামে করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।শ্যামবাজারের রামধন মিত্র লেনের পুরনো বাড়িটিও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন মন্ত্রী। বর্তমানে বাড়িটির অবস্থা অনেকটাই জীর্ণ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঐতিহাসিক এই বাড়ির গুরুত্ব আরও বেড়েছে। তাই এটিকে হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করে সংরক্ষণ করার পরিকল্পনা রয়েছে।কলকাতার একাধিক মেট্রো স্টেশনের নাম ইতিমধ্যেই বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের নামে রাখা হয়েছে। মহানায়ক উত্তম কুমার, কাজী নজরুল ইসলাম, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং সুকান্ত ভট্টাচার্যের নামে মেট্রো স্টেশন রয়েছে। এবার সেই তালিকায় বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের নামও যুক্ত হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অনেকে।রাজ্য সরকার বাংলার ঐতিহ্য ও মনীষীদের স্মৃতি সংরক্ষণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল। শুধু বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র নন, অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ঐতিহাসিক বাড়িও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক বাসভবন সংরক্ষণের বিষয়েও পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
দেশ

বড় ভাঙনের ইঙ্গিত! বিজেপির সঙ্গে যাব না, স্পষ্ট জানালেন আবু তাহের, বাড়ল নতুন জল্পনা

রাজ্যের রাজনীতিতে আবারও নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। এনসিপিআইয়ের সাংসদ আবু তাহের স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি এনসিপিআইতে থাকলেও বিজেপির সঙ্গে কোনওভাবেই যেতে চান না। একই ধরনের বক্তব্য রেখেছেন খলিলুর রহমানও। এই মন্তব্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।তৃণমূল ছেড়ে একসঙ্গে বিশ জন সাংসদ এনসিপিআইতে যোগ দিয়েছিলেন। পরে তাঁরা লোকসভার স্পিকারের কাছে নতুন দল হিসেবে স্বীকৃতির আবেদন করেন। পাশাপাশি এনডিএর শরিক হওয়ার জন্যও আবেদন করা হয়। সেই পরিস্থিতিতে আবু তাহের ও খলিলুর রহমানের এই অবস্থান নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে।রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, যদি শুরু থেকেই এনডিএর অংশ হওয়ার পরিকল্পনা থাকে, তাহলে এখন কেন বিজেপির সঙ্গে যাওয়ার ক্ষেত্রে আপত্তি জানানো হচ্ছে? এই অবস্থান কি শুধুই রাজনৈতিক, নাকি ভবিষ্যতের বড় কোনও সমীকরণের ইঙ্গিত?আবু তাহের বলেন, তাঁদের নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়েছেন, সংখ্যালঘু সাংসদরা এনডিএর বৈঠকে অংশ নেননি। তাঁদের রাজনৈতিক ও সামাজিক কিছু বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেই কারণেই তাঁরা এনডিএর বৈঠকে যাননি এবং ভবিষ্যতেও যাওয়ার পরিকল্পনা নেই। তাঁরা এনসিপিআইতেই থাকবেন।এই বক্তব্যের পর আরও একটি প্রশ্ন সামনে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই এনসিপিআইকে এনডিএর শরিক হিসেবে পরিচয় করিয়েছেন। সে ক্ষেত্রে একই দলে থেকেও কয়েকজন সাংসদ কীভাবে এনডিএ থেকে নিজেদের দূরে রাখবেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এর আগে দিল্লিতে এনডিএর বৈঠকে এনসিপিআইয়ের কয়েকজন সাংসদ উপস্থিত থাকলেও আবু তাহের, খলিলুর রহমান এবং আরও এক সংখ্যালঘু সাংসদ সেখানে যাননি। সেই ঘটনাও যথেষ্ট আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। এরই মধ্যে সংসদ চত্বরে তাঁদের সঙ্গে তৃণমূলের নেতাদের কথোপকথন ঘিরেও নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে আগামী দিনে এনসিপিআইয়ের রাজনৈতিক অবস্থান কী হবে এবং এই দল এনডিএর সঙ্গে কতটা এগোবে, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
কলকাতা

চিনার পার্ক থেকে নবান্ন! হামিমের নিশানায় কি মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা? জেরায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

জঙ্গি সন্দেহে ধৃত হামিম মণ্ডল এবং তার সহযোগীদের জেরা করে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। তাঁদের দাবি, শুধু মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সভা বা যাতায়াতের পথ নয়, চিনার পার্কের বাড়ির আশপাশেও নজরদারি চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি হামিম বা তার সহযোগীরা নবান্ন চত্বরেও গিয়েছিল কি না, তা জানতে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।গত সপ্তাহে বর্ধমান থেকে হামিম মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, জেরায় জানা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজর রাখা ছিল তার অন্যতম দায়িত্ব। অভিযোগ, বিদেশে থাকা হ্যান্ডলারদের নির্দেশেই এই নজরদারি চলছিল। নিরাপত্তার কোথাও দুর্বলতা রয়েছে কি না, সেটাই খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে তদন্তকারীদের ধারণা।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, হামিম মুখ্যমন্ত্রীর একাধিক জনসভা এবং কর্মসূচির আশপাশে গিয়েছিল। পাশাপাশি চিনার পার্কের বাড়ির অবস্থানও খতিয়ে দেখেছিল বলে দাবি। এমনকি বাড়ির কাছাকাছি কোথাও থাকার পরিকল্পনাও করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের অনুমান। যদিও সত্যিই সেখানে কোনও বাড়ি ভাড়া নেওয়া হয়েছিল কি না, তা এখনও নিশ্চিত হয়নি।তদন্তকারীদের ধারণা, হামিম ও তার সহযোগীরা নবান্ন চত্বরেও গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে থাকতে পারে। সেই কারণেই ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে। হামিমের গতিবিধি এবং তার সঙ্গে কারা যোগাযোগ রেখেছিল, সেই তথ্যও সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।তদন্তে আরও দাবি করা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও হাওড়ার উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক এবং রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাইও হামিমদের নজরদারির তালিকায় ছিলেন। অভিযোগ, তাঁর ছেলেকে হানিট্র্যাপের মাধ্যমে ফাঁদে ফেলে অপহরণের পরিকল্পনাও করা হয়েছিল। এই তথ্য হামিমকে জেরা করেই পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার।ইতিমধ্যেই হামিমের ঘনিষ্ঠ অর্পিতা সরকার এবং আদিত্য সিংকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, অর্পিতার বিদেশে থাকা হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। তবে এই নেটওয়ার্কে আরও কারা জড়িত, অর্থ কোথা থেকে আসত এবং আর কী কী পরিকল্পনা ছিল, সেই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ধৃতদের জেরা চলছে।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
রাজ্য

জঙ্গি সন্দেহে তদন্তে বড় মোড়! হামিমের পর গ্রেফতার আরও এক যুবক, সামনে চাঞ্চল্যকর দাবি

জঙ্গি সন্দেহে ধৃত হামিমকে ঘিরে তদন্তে আরও এক বড় সাফল্যের দাবি করল বিশেষ তদন্তকারী দল। হামিম এবং তাঁর বান্ধবী অর্পিতার পর এবার গ্রেফতার করা হয়েছে আদিত্য সিং ওরফে রাজুকে। ভোররাতে হাওড়ার বেলিলিয়াস রোডের বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করে তদন্তকারীরা।তদন্তকারীদের দাবি, আদিত্য দীর্ঘদিন ধরেই হামিমের পরিচিত ছিল এবং বিভিন্নভাবে তাকে সাহায্য করত। তদন্তে এমন তথ্যও উঠে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে, যেখানে বলা হয়েছে এক মন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজর রাখার দায়িত্ব আদিত্যর উপর ছিল। তদন্তকারীদের অভিযোগ, ওই মন্ত্রী এবং তাঁর ছেলের গাড়ি, বাড়ি ও চলাফেরার ছবি এবং ভিডিও সংগ্রহ করে হামিমের কাছে পাঠিয়েছিল আদিত্য। তবে এই অভিযোগের সত্যতা এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি।এখন তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, শুধুমাত্র ওই মন্ত্রী এবং তাঁর পরিবারের উপরই নজর রাখা হচ্ছিল, নাকি আরও কেউ তাদের লক্ষ্য ছিল। সেই কারণেই আদিত্যকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।আদিত্যর গ্রেফতারের পর তাঁর পরিবার এবং প্রতিবেশীরা কার্যত হতবাক। পরিবারের দাবি, তিনি কলেজে বাণিজ্য বিভাগে পড়াশোনা করতেন। কীভাবে হামিমের সঙ্গে তাঁর পরিচয় বা যোগাযোগ তৈরি হল, তা তাঁদের জানা নেই।এক প্রতিবেশীর কথায়, আদিত্যকে সবসময় পড়াশোনা করতে দেখা যেত। তিনি কখনও এমন কোনও কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন, তা বিশ্বাস করা কঠিন। আর এক প্রতিবেশীর দাবি, আদিত্যর বাড়িতে কোনও বন্ধুবান্ধবকে নিয়মিত আসতে দেখা যেত না। তাই এই ঘটনায় তাঁরাও বিস্মিত।আদিত্যর মা জানিয়েছেন, তাঁর ছেলে নিয়মিত কলেজে যেত এবং পড়াশোনাতেই মন দিত। সম্প্রতি পড়াশোনার জন্য একটি ল্যাপটপও কিনে দিয়েছিলেন তাঁর বাবা। প্রতিদিন হাতখরচের টাকাও দিতেন। পরিবারের দাবি, যদি আগে কোনও সন্দেহজনক বিষয় তাঁদের নজরে আসত, তাহলে অবশ্যই তাঁকে সতর্ক করা হত।পরিবারের এক আত্মীয় জানান, কয়েক দিন আগে তদন্তকারী আধিকারিকরা বাড়িতে এসে কিছু প্রশ্ন করেছিলেন। কিন্তু তারপর অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি এতটা বদলে যাবে, তা তাঁদের কল্পনারও বাইরে ছিল।তদন্ত এখনও চলছে। আদিত্যর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা আদালতের বিচার এবং তদন্তের মাধ্যমেই স্পষ্ট হবে।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
দেশ

অন্যকে জেতানোর কারিগর এবার নিজেই জিতলেন! বাঁকিপুরে প্রশান্ত কিশোরের ঐতিহাসিক চমক

অন্যকে নির্বাচনে জেতানোর কৌশল তৈরি করেই এতদিন পরিচিত ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। এবার নিজেই ভোটে লড়ে ইতিহাস গড়লেন তিনি। বিহারের বাঁকিপুর বিধানসভা উপনির্বাচনে দীর্ঘ একত্রিশ বছর ধরে বিজেপির দখলে থাকা আসন ছিনিয়ে নিয়ে প্রথমবার বিধায়ক হলেন প্রশান্ত কিশোর। তাঁর জয়ের হাত ধরেই প্রথমবার বিধানসভায় প্রতিনিধিত্ব পেল জন সুরাজ।গণনার শুরু থেকেই এগিয়ে ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। বত্রিশ দফা গণনা শেষে তাঁর জয় নিশ্চিত হয়। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, তিনি পেয়েছেন চৌষট্টি হাজার একশো একান্ন ভোট। বিজেপি প্রার্থী নীরজ কুমার পেয়েছেন চুয়াল্লিশ হাজার আটশো সাতাশ ভোট। ফলে উনিশ হাজার তিনশো চব্বিশ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন প্রশান্ত কিশোর। আরজেডি প্রার্থী রেখা কুমারী চৌদ্দ হাজার দুইশো তিয়াত্তর ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে শেষ করেন।জয়ের পর বাঁকিপুরের ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রশান্ত কিশোর বলেন, বিহারের উন্নয়ন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। তাঁর দাবি, এই ফলের মাধ্যমে রাজ্যের মানুষ এমন নেতৃত্বের পক্ষেই মত দিয়েছেন, যিনি শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের উন্নতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবেন।জন সুরাজের নেতাদের দাবি, তরুণ ভোটারদের সমর্থন তাদের সাফল্যের অন্যতম কারণ। যদিও এই দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব নয়। ভোটের আগে বিহারে বিভিন্ন ছাত্র আন্দোলন এবং শিক্ষা নিয়ে বিতর্ক রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। সেই কারণেই তরুণ ভোটারদের ভূমিকা নিয়ে জোর আলোচনা চলছিল।বাঁকিপুর দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপির অন্যতম শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। উনিশশো পঁচানব্বই সাল থেকে এই আসন বিজেপির দখলে ছিল। এখান থেকেই একাধিকবার জয়ী হয়েছিলেন দলের শীর্ষ নেতা নিতিন নবীন। পরে তিনি রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি ছেড়ে দেন। সেই শূন্য আসনেই অনুষ্ঠিত হয় এই উপনির্বাচন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, দুই হাজার পঁচিশ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনে জন সুরাজ একটি আসনও জিততে পারেনি। সেই নির্বাচনে প্রশান্ত কিশোর নিজেও প্রার্থী হননি। মাত্র এক বছরের মধ্যে পটনার গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে জয় পেয়ে দলকে প্রথমবারের মতো বিধানসভায় পৌঁছে দিলেন তিনি।জন সুরাজের সভাপতি মনোজ ভারতী বলেন, বাঁকিপুরের মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছেন। তাঁর দাবি, নীরব ভোটারদের বড় অংশ জন সুরাজের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং এই ফল বিহারের রাজনীতিতে নতুন বার্তা দিল।অন্যদিকে, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী জনগণের রায়কে সম্মান জানিয়ে প্রশান্ত কিশোরকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, গণতন্ত্রে জনগণের সিদ্ধান্তই সর্বোচ্চ এবং সেই রায়কে সম্মান জানানোই সকলের দায়িত্ব।

আগস্ট ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal