• ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার ২৯ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Accident

দেশ

অসমে ট্রেন-হাতির সংঘর্ষ, লাইনচ্যুত রাজধানী, মৃত অন্তত ৮ হাতি

ভোরের ঘন কুয়াশায় কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। সেই অবস্থাতেই একপাল হাতিকে ধাক্কা মারল রাজধানী এক্সপ্রেস। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় লাইনচ্যুত হয়ে যায় রাজধানী এক্সপ্রেসের পাঁচটি কামরা। ট্রেনের ধাক্কায় অন্তত আটটি হাতির মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে। দুর্ঘটনার জেরে ওই রুটে আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে ট্রেন চলাচল।শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ভোরে অসমের যমুনামুখ-কামপুর সেকশনে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এলাকাটি নর্থ-ইস্ট ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ের লুমডিং ডিভিশনের আওতায়। জানা গিয়েছে, সাইরং থেকে নয়া দিল্লিগামী রাজধানী এক্সপ্রেস দ্রুত গতিতে আসছিল। সেই সময়ই জঙ্গল থেকে বেরিয়ে রেললাইন পারাপার করছিল একপাল হাতি। চারদিকে ঘন কুয়াশা থাকায় দূর থেকে কিছুই দেখতে পাওয়া যায়নি। সেই কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক অনুমান।গুয়াহাটি থেকে প্রায় ১২৬ কিলোমিটার দূরে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই অংশটি হাতির নির্দিষ্ট করিডর নয়। ট্রেনের লোকো পাইলট জানিয়েছেন, সামনে হাতির পাল দেখতে পেয়েই তিনি সঙ্গে সঙ্গে ইমার্জেন্সি ব্রেক কষেন। কিন্তু হাতিগুলি আরও এগিয়ে আসায় শেষ পর্যন্ত সংঘর্ষ এড়ানো সম্ভব হয়নি।প্রবল ধাক্কার জেরে ট্রেনের ইঞ্জিন ও পাঁচটি কামরা লাইনচ্যুত হয়ে যায়। তবে স্বস্তির খবর, এই দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও যাত্রীর আহত বা নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। দুর্ঘটনার পর যেসব কামরা লাইনচ্যুত হয়েছিল, সেখানকার যাত্রীদের নিরাপদে অন্য কামরায় সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, মোট আটটি হাতি রেললাইন পার হচ্ছিল। তাদের মধ্যে একাধিক হাতির মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত একটি রিলিফ ট্রেন পাঠানো হয়। রেল আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেছেন।রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, লাইনচ্যুত কামরা এবং হাতিগুলির দেহ ট্র্যাকে ছড়িয়ে থাকায় উদ্ধারকাজে বেশ সময় লাগছে। সেই কারণে অসমের উপরের অংশ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের বেশ কয়েকটি রুটে ট্রেন চলাচল আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে।যাত্রীরা যাতে অসুবিধায় না পড়েন, সে জন্য গুয়াহাটি পৌঁছনোর পর রাজধানী এক্সপ্রেসে অতিরিক্ত কোচ জুড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে রেল সূত্রে খবর।

ডিসেম্বর ২০, ২০২৫
রাজ্য

বাংলাদেশি জাহাজের ধাক্কা! ডুবে যাওয়া ট্রলার থেকে মিলল দুই মৎস্যজীবীর দেহ

বাংলাদেশি নৌসেনার জাহাজের সঙ্গে সংঘর্ষের পর গভীর সমুদ্রে ডুবে যাওয়া মৎস্যজীবীদের ট্রলার থেকে মিলল আরও দুজনের দেহ। নামখানার উপকূলে টেনে আনা দুর্ঘটনাগ্রস্ত ট্রলার থেকে ভোররাতে উদ্ধার হয় নিখোঁজ দুই মৎস্যজীবীর দেহ। তাঁদের নাম রঞ্জন দাস ও সঞ্জীব দাস। এখনও তিন জন মৎস্যজীবীর কোনও খোঁজ মেলেনি। তাঁদের নিয়ে উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে।উদ্ধার হওয়া দেহ দুটি পাওয়া গিয়েছে ট্রলার এফবি পারমিতা-১১-এর কেবিনের ভিতর থেকে। মৎস্যজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মৃত রঞ্জন দাসের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানে। সঞ্জীব দাস কাকদ্বীপের বাসিন্দা। ট্রলারের কেবিনে আর কোনও নিখোঁজ মৎস্যজীবী আটকে রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হলেও আর কোনও দেহ পাওয়া যায়নি।গত রবিবার ১৬ জন মৎস্যজীবী নিয়ে ট্রলারটি বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়েছিল। ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক জলসীমানার কাছে আচমকাই ট্রলারটি ডুবে যায়। সেই সময় ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনী এবং আশপাশের অন্য ট্রলারের মৎস্যজীবীদের তৎপরতায় ১১ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়।উদ্ধার হওয়া মৎস্যজীবীদের অভিযোগ, একটি বাংলাদেশি নৌসেনার জাহাজ ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁদের ট্রলারে ধাক্কা মারে এবং তারপর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। যদিও এই অভিযোগ বাংলাদেশ নৌসেনার পক্ষ থেকে অস্বীকার করা হয়েছে।দুর্ঘটনার পর পাঁচ জন মৎস্যজীবী নিখোঁজ ছিলেন। তাঁদের খোঁজে গতকাল গভীর রাতে ডুবে যাওয়া ট্রলারটিকে নামখানার উপকূলে টেনে আনা হয়। সেখান থেকেই এদিন উদ্ধার হয় দুজনের দেহ। প্রিয়জনের দেহ ফিরে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন মৃতদের পরিবার। এখনও নিখোঁজ তিন মৎস্যজীবীর খোঁজে দ্রুত তল্লাশির দাবি জানিয়েছেন তাঁদের পরিজনরা।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫
দেশ

সাতসকালে দুঃস্বপ্ন! ৩৫ পুণ্যার্থী নিয়ে বাস খাদে—চিৎকারে কেঁপে উঠল পাহাড়ি এলাকা

সকালে দিন এখনও ঠিক ফোটেনি। ঘন কুয়াশায় ঢেকে ছিল পাহাড়ি রাস্তা। ঠিক সেই সময়ই ঘটে গেল বড় বিপদ। অন্ধ্রপ্রদেশের আলুরি জেলায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গভীর খাদে পড়ে গেল একটি যাত্রীবাস। ঘটনায় অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, আহত আরও ১২ জন।আজ ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ তুলাসিপাকালু গ্রামের কাছে দুর্ঘটনাটি ঘটে। বাসটিতে মোট ৩৫ জন যাত্রী ছিলেন, সকলেই পুণ্যার্থী। বাসে ছিলেন দুই চালক ও একজন সাফাই কর্মীও। পাহাড়ি ঘন জঙ্গলের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল বাসটি। একটি বাঁক ঘোরানোর সময় হঠাৎই স্টিয়ারিং ঘুরে যায়, আর সঙ্গে সঙ্গেই বাসটি রাস্তা থেকে ছিটকে খাদে ঝুলে পড়ে। পুরোপুরি নিচে না পড়লেও উলটে ঝুলে থাকা অবস্থাতেই আটকে যায়।স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে বাসটিকে ওই ভয়ার্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। দ্রুত উদ্ধারকারী দল পৌঁছে যায় ঘটনাস্থলে এবং যাত্রীদের বের করতে শুরু হয় দমকা অভিযান। জেলাশাসক জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। সাতজন গুরুতর আহত, তাদের চিত্তুর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের ভদ্রাচলম হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। উদ্ধারকাজ এখনও চলছে।দুর্ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু। তিনি জেলাশাসকের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত উদ্ধারকাজ চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। আহতদের চিকিৎসায় কোনও ত্রুটি যেন না থাকে, তাও নিশ্চিত করতে বলেছেন।ঘন কুয়াশাই এই দুর্ঘটনার মূল কারণ বলে অনুমান পুলিশের।

ডিসেম্বর ১২, ২০২৫
কলকাতা

শীতের কুয়াশায় কলকাতায় তাণ্ডব! বাইক দুর্ঘটনায় মৃত্যু, রেড রোডে বেপরোয়া গাড়ির মারাত্মক ধাক্কা

শীতের রাতে আবারও বিপত্তি কলকাতায়। গভীর রাতে ইএম বাইপাসে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল এক বাইক আরোহীর। কয়েক ঘণ্টা পরই ভিক্টোরিয়ার কাছে রেড রোডে বেপরোয়া গাড়ির ধাক্কায় জখম হলেন দুই যাত্রী এবং এক পথচারী মহিলা। দুটি ঘটনারই তদন্তে নেমেছে পুলিশ।জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে ইএম বাইপাসের সার্ভে পার্কের কাছে ঢালাই ব্রিজ থেকে রুবির দিকে যাচ্ছিলেন অলোকেশ হালদার নামে এক যুবক। বাইকের গতি ছিল অত্যন্ত বেশি। সিংহীবাড়ি মোড়ের কাছে দাঁড়িয়ে থাকা একটি গাড়িকে তিনি প্রথমে ধাক্কা মারেন। তার পর বাইকটি গিয়ে ধাক্কা মারে রাস্তার ডিভাইডারে। ধাক্কার জেরে প্রচণ্ড জোরে ছিটকে পড়ে যান অলোকেশ। স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে এমআর বাঙুর হাসপাতালে নিয়ে গেলেও চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার সময়ে তাঁর মাথায় হেলমেট ছিল না। অতিরিক্ত গতি ও মাথায় আঘাতেই মৃত্যু হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।বুধবার সকালে আরও একটি বড় দুর্ঘটনা ঘটে রেড রোডে। এক বেপরোয়া গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সোজা ধাক্কা মারে রাস্তার বিদ্যুতের খুঁটিতে ও একটি গাছে। ধাক্কার জেরে গাড়ির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। গাড়ির ভিতরে থাকা দুই যাত্রীযারা সম্পর্কে বাবা ও ছেলেগুরুতর জখম হন। তাঁদের দ্রুত এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। গাড়ির ধাক্কায় আহত হয়েছেন এক সাফাই কর্মী মহিলা, তাঁর নাম রশিদা বেগম, বাড়ি রায়চকে। গাড়ির গতি এতটাই বেশি ছিল যে খুঁটি ও গাছ দুটিই ভেঙে পড়েছে।শহরে জোড়া দুর্ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ দুটি ঘটনাই খতিয়ে দেখছে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
কলকাতা

হবু বরের সঙ্গে যাচ্ছিলেন বাইকে! মুহূর্তে ছিন্ন ভিন্ন হয়ে গেল হাত

নিউটাউন সিটি সেন্টারের সামনে মঙ্গলবার দুপুরেই ঘটে গেল শিউরে ওঠার মতো এক ভয়াবহ দুর্ঘটনা। চোখের পলকে থেঁতলে গেল এক তরুণীর হাত। সরকারি রুটের বাসের ধাক্কায় বাইক থেকে ছিটকে পড়ে ২৫ বছরের প্রতিশ্রুতি রায়চৌধুরীর ডান হাত দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ব্যস্ত রাস্তায় মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক ও চিৎকার।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রতিশ্রুতি তাঁর হবু স্বামীর বাইকে চড়ে নিউটাউনের দিকে আসছিলেন। ঠিক সেই সময় এয়ারপোর্টমুখী সরকারি বাসটি দ্রুত গতিতে একই দিকে এগোচ্ছিল। হঠাৎই বাইকটি বাসের সামনে চলে আসায় ভারসাম্য হারিয়ে দুজনেই ছিটকে পড়েন। প্রতিশ্রুতি মাটিতে পড়তেই বাসের পিছনের চাকা গড়িয়ে যায় তাঁর হাতের উপর দিয়ে। সঙ্গে সঙ্গে হাতটি দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে রাস্তায়।স্থানীয়রা ছুটে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তরুণীকে উদ্ধার করে ভিআইপি রোডের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁর অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে তড়িঘড়ি বারাসতের আরও উন্নত বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। হাসপাতাল সূত্রের দাবি, প্রতিশ্রুতির অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক।দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়েছে সরকারি বাসের বেপরোয়া গতিতে। এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ভীষণ ভয়ঙ্কর ছিল দৃশ্যটা। বাসটার গতি খুব বেশি ছিল। মেয়েটা বাইক থেকে পড়ে যেতেই চাকা হাতের উপর দিয়ে গেল। সরকারি বাসগুলো এমনিতেই কোনও গতির পরোয়া করে না। ট্রাফিক পুলিশ সামনেই ছিল, তবুও এই বেপরোয়া চালানো আটকাতে পারে না।নিউটাউনের মতো ব্যস্ত এলাকায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের দাবি ফের জোরদার হচ্ছে। সরকারি বাসগুলির গতি নিয়ন্ত্রণ ও নিয়মিত নজরদারির অভাবেই এমন দুর্ঘটনা বাড়ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। শহরের বুকে এক তরুণীর এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা আবারও প্রশ্ন তুলছে, রাস্তা কি সত্যিই সুরক্ষিত?

নভেম্বর ২৫, ২০২৫
রাজ্য

পুকুরে সোজা গাড়ি! তিন শিশুর মৃত্যু—ফাঁস হল পুলকারের ভয়ঙ্কর অবস্থা

সোমবার বিকেলেই ভেঙে পড়ল একাধিক পরিবারের স্বপ্ন। বাড়ি ফেরার পথেই ঘটে গেল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। পড়ুয়াদের নিয়ে ছুটে চলা পুলকারটি হঠাৎই সোজা গিয়ে পড়ে গভীর পুকুরে। মুহূর্তের মধ্যে জলের তলায় তলিয়ে যায় গাড়িটি। স্থানীয় বাসিন্দারা ঝাঁপিয়ে পড়ে পাঁচজনকে কোনওভাবে উদ্ধার করতে পারলেও তিন পড়ুকে বাঁচানো যায়নি।দুর্ঘটনার পরে উঠে এসেছে আরও ভয়ানক তথ্য। যে পুলকারে প্রতিদিন শিশুদের আনা-নেওয়া হত, সেই গাড়ি ছিল ২৩ বছরের পুরনো। ২০১৮ সালেই ফিটনেস ফেল করেছিল। ২০২২-এ শেষ হয়ে যায় বিমার মেয়াদ। দূষণের ছাড়পত্রও ছিল না। অর্থাৎ কোনও নথিই আর বৈধ ছিল না। তবু বছরের পর বছর ওই গাড়িই চলেছে রাস্তায়, শিশুদের নিরাপত্তা ভরসায় রেখেই।অভিভাবকদের দাবি, পুলকারটিতে নিয়মিতই সমস্যা থাকতপ্রবল শব্দ, লক না খোলা, যান্ত্রিক ত্রুটি। এক পড়ুয়ার মা বলেন, চালকের শরীর খারাপ ছিল। গাড়িতে ভীষণ আওয়াজ হচ্ছিল। আমি সকালেই বলেছিলাম, সাবধানে চালাতে। কিন্তু লকটা যদি ঠিক মতো খোলা যেত, তাহলে বাচ্চাগুলোকে হয়ত বাঁচানো যেত।দুর্ঘটনার সময় এক ছাত্রী কয়েক সেকেন্ড আগে গাড়ি থেকে নেমেছিল। তার সামনেই পুকুরে উলটে যায় পুলকারটি। কীভাবে সামলাবে, বুঝতেই পারেনি শিশুরা। ভয় আর আতঙ্কের সেই মুহূর্তেই আটকে যায় সব দরজা।স্কুল কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, অভিভাবকরাই গাড়ি ঠিক করেন, স্কুলের সঙ্গে কোনও সরাসরি সম্পর্ক নেই। কিন্তু অভিভাবকরা বলছেন উল্টো কথাস্কুলের মাধ্যমেই গাড়ি বাছাই ও দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়, তাঁরা কেবল টাকা দেন। ফলে দায় কারনিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক।যে ভাবেই হোক, এই মৃত্যু যেন অকারণ উদাসীনতারই ফল। গাড়ির নথি নেই, নিরাপত্তার মান নেইতবু ছুটছে পুলকার। প্রশাসনিক নজরদারি কোথায়? তিনটি ছোট প্রাণ হারিয়ে একটাই প্রশ্ন বিরাট হয়ে দাঁড়িয়েছেপড়ুয়াদের নিরাপত্তা কি এতটাই উপেক্ষিত?ইনস্যুরেন্স নেই, ফিটনেস নেইএমন এক গাড়ি কীভাবে এতদিন রাস্তায় চললএ প্রশ্নের উত্তর এখনই চাইছে পুরো এলাকা।

নভেম্বর ২৫, ২০২৫
দেশ

ভোরের ট্র্যাজেডি... চোখের সামনে ছিন্নভিন্ন দেহ, ট্র্যাকে লুটিয়ে পড়লেন পুণ্যার্থীরা

উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুরে ভোরের শান্ত সকাল মুহূর্তে পরিণত হল বিভীষিকায়। কার্তিক পূর্ণিমার পুণ্যস্নান শেষ করে স্টেশনে ফিরছিলেন বহু ভক্ত। সকালের ব্যস্ততার মাঝেই ঘটে গেল মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনা। প্ল্যাটফর্মের উল্টো দিকে নামতে গিয়ে হাওড়া-কালকা মেলের তলার তলায় চলে গেলেন তাঁরা। মুহূর্তের মধ্যে প্রাণ গেল অন্তত ছয় পুণ্যার্থীর, আহত একাধিক। চিৎকারে, কান্নায় আর আতঙ্কে ছড়িয়ে পড়ে ভীতি, স্তব্ধ হয়ে যায় চুনার স্টেশন।বুধবার ভোরবেলা ঘটনাটি ঘটেছে মির্জাপুর জেলার চুনার রেলওয়ে স্টেশনে। কার্তিক মাস হওয়ায় বহু পুণ্যার্থী সেখানে জড়ো হয়েছিলেন। রেলসূত্রে জানা যাচ্ছে, ভোরের সেই ভিড়ে অনেকেই প্ল্যাটফর্মের বিপরীত পাশে নেমে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। ঠিক সেই সময় দ্রুতগতিতে এসে পড়ে হাওড়া-কালকা মেল। আর তারই ধাক্কায় থেঁতলে যান পুণ্যার্থীরা। সেকেন্ডের মধ্যেই মৃত্যু, লুটিয়ে পড়ে নিথর দেহ, চারদিকে শুধু আর্তনাদ আর শোকের হাহাকার।ঘটনার পরই স্টেশন জুড়ে চরম বিশৃঙ্খলা। পুলিশ ও রেল আধিকারিকরা দ্রুত পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। রেল প্রশাসন ইতিমধ্যেই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেকেন মানুষজন ট্র্যাক দিয়ে নামলেন, স্টেশনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যাপ্ত ছিল কি না, সব কিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ভয়াবহ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে দ্রুত সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। এসডিআরএফ ও এনডিআরএফ-কে উদ্ধারকাজে নেমে পড়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আহতদের যত্নসহকারে চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।উল্লেখ্য, মাত্র একদিন আগেই ছত্রিশগড়ের বিলাসপুরের কাছে মালগাড়ি ও যাত্রীবাহী ট্রেনের সংঘর্ষে প্রাণ যায় ১১ জনের। তার রেশ কাটার আগেই ফের ট্র্যাজেডি। রেল নিরাপত্তা নিয়ে দেশজুড়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে, উদ্বেগ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মনে।

নভেম্বর ০৫, ২০২৫
দেশ

ভয়াবহ! একের পর এক গাড়ি পিষে এগলো ডাম্পার—চিৎকারে কাঁপল জয়পুর

ভয়াবহ সড়কদুর্ঘটনায় কেঁপে উঠল রাজস্থানের জয়পুর। সোমবার দুপুরে লোহামান্ডি রোডে একটি বেপরোয়া ডাম্পারের ধাক্কায় মৃত্যু হল অন্তত দশ জনের। আহত হয়েছেন প্রায় পঞ্চাশ জন। তাঁদের মধ্যে বহুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সবাইকে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। চিকিৎসকরা প্রাণপ্রত্যাশী লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।চোখের সামনে এতগুলো প্রাণ হারাতে দেখে শিউরে উঠেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। তাঁদের দাবি, ডাম্পারের চালক নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিল। প্রথমে একটি গাড়িকে ধাক্কা মারে। তারপর আর থামেনি। একের পর এক তিন-চারটি গাড়িকে গুঁড়িয়ে এগিয়ে যায় ভয়ঙ্কর ডাম্পারটি। মুহূর্তে রক্তমাখা লোহামুখী রাস্তায় হাহাকার। চিৎকার-আর্তনাদে ভরে যায় এলাকা। আতঙ্কে জীবন বাঁচাতে ছুটোছুটি শুরু করেন মানুষ।খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা। উদ্ধারকাজ চলছে যুদ্ধকালীন তৎপরতায়। স্থানীয়দের আশঙ্কা, এখনও হয়তো কয়েকজন ডাম্পারের নিচে আটকে থাকতে পারেন। ভারি যন্ত্র এনে গাড়ি সরানোর চেষ্টা চলছে। ডাম্পারচালককে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি সত্যিই মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন কিনা, তা খতিয়ে দেখতে মেডিক্যাল পরীক্ষা করানো হচ্ছে। পাশাপাশি গাড়ির নথিপত্রও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।রাজস্থানে যেন দুর্ঘটনার অভিশাপ নেমেছে। একদিন আগেই, রবিবার সন্ধ্যায় যোধপুরে মালা এক্সপ্রেসওয়েতে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন ১৮ জন পুণ্যার্থী। কোলায়াত মন্দির থেকে ফেরার পথে তাঁদের ট্রাভেলার গাড়ি ধাক্কা মারে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে। এখনও সেই শোক কাটেনি রাজস্থানের মানুষের। তার মধ্যেই ফের মৃত্যুপুরীতে পরিণত হল জয়পুরের ব্যস্ত রাস্তা।দেশজুড়ে প্রশ্ন উঠছেকেন এত প্রাণ হাঁটুর চাপে? কেন রাস্তায় এত নেশাগ্রস্ত চালক? নিরাপত্তা কোথায়? আর কত পরিবারকে এভাবে ভেঙে পড়তে হবে? এই রক্তাক্ত ছবিই হয়তো আবারও মনে করিয়ে দিলজীবন সেকেন্ডের খেল, আর গাড়ির স্টিয়ারিং ভুল হাতে পড়লেই সর্বনাশ অনিবার্য।

নভেম্বর ০৩, ২০২৫
রাজ্য

বারুইপুরে রেসিং বাইকের ধাক্কায় মর্মান্তিক মৃত্যু পথচারীর

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে রেসিং বাইকের ধাক্কায় মৃত্যু হল এক পথচারীর। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের নাম জয়ন্ত মন্ডল (৫০)। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বারুইপুর থানার অন্তর্গত বিশালক্ষী তলা এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন জয়ন্তবাবু। সেই সময় পিছন দিক থেকে বেপরোয়া গতিতে ছুটে আসে একটি রেসিং বাইক। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধাক্কা মারে ওই পথচারীকে। প্রবল আঘাতে তিনি রাস্তায় ছিটকে পড়ে যান। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে তড়িঘড়ি বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর বাইকচালক পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু স্থানীয়রা সক্রিয় হয়ে তাঁকে ঘাতক বাইকসহ ধরে ফেলে এবং পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পরে বারুইপুর থানার পুলিশ বাইকচালককে আটক করে। বর্তমানে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।অকস্মাৎ মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। প্রতিবেশীরা জানান, জয়ন্তবাবু শান্ত স্বভাবের মানুষ ছিলেন। রোজকার মতো বাজার সেরে ফিরছিলেন, তখনই ঘটে যায় এই দুর্ঘটনা। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই এলাকায় প্রায়ই বেপরোয়া বাইক দৌড় চলে। প্রশাসন এ বিষয়ে কড়া পদক্ষেপ নিলে এ ধরনের ঘটনা রোখা সম্ভব হবে বলে দাবি তাঁদের।এই মর্মান্তিক ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে রাস্তায় রেসিং বাইকের দৌরাত্ম্য নিয়ে। পুলিশের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, দুর্ঘটনার নেপথ্যে কারও গাফিলতি ধরা পড়লে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

মন্দিরবাজারে মাটির দেওয়াল ধসে মা ও দুই মেয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু

দক্ষিণ ২৪ পরগনার মন্দিরবাজার থানার কামারপাড়া এলাকায় এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মাটির দেওয়াল ধসে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন এক মা ও তাঁর দুই মেয়ে। মৃতরা হলেন বৃহস্পতি কর্মকার (৪৩), তাঁর মেয়ে শিলা কর্মকার (১৫) এবং প্রিয়া কর্মকার (১০)। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার রাতে, যখন তারা তাদের মাটির বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন। এই ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে খাওয়া-দাওয়া সেরে পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। ভোরবেলা হঠাৎ মাটির দেওয়াল ভেঙে পড়ায় তিনজনই চাপা পড়েন। স্থানীয়রা শব্দ শুনলেও প্রাথমিকভাবে বিষয়টি বুঝতে পারেননি। সকালে দেওয়াল ধসে পড়া অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী নাইয়ারহাট হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালে পৌঁছনোর পর চিকিৎসকরা তিনজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।ঘটনার পর মন্দিরবাজার থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পুরনো মাটির দেওয়ালের দুর্বল গঠনই এই দুর্ঘটনার কারণ। তবে ঘটনার বিস্তারিত কারণ জানতে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।এই ঘটনায় মন্দিরবাজারের বিধায়ক জয়দেব হালদার কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনাকে দায়ী করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, বাংলা আবাস যোজনার আওতায় ওই পরিবারকে বাড়ি দেওয়ার জন্য দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দেওয়া হয়েছিল এবং বাড়ি নির্মাণের কাজ চলছিল। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার তিন বছর আগে তৃতীয় কিস্তির টাকা আটকে না রাখলে বাড়িটি সম্পূর্ণ হতো এবং এই মর্মান্তিক ঘটনা এড়ানো যেত। বিধায়ক আরও বলেন, আমরা পরিবারের পাশে রয়েছি এবং তাদের সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করছি।এই ঘটনা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মাটির বাড়ির দুর্বল অবকাঠামোর কারণে এ ধরনের ঘটনা আগেও ঘটেছে। এই ঘটনা সরকারি আবাসন প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। স্থানীয়রা দাবি করেছেন, যোজনার টাকা সময়মতো দেওয়া হলে এই পরিবারের জীবন বাঁচানো যেত।মন্দিরবাজার থানার পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের পর ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদন তৈরি করা হবে। এদিকে, স্থানীয় প্রশাসন মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৫
দেশ

হাওড়া-বেঙ্গালুরু দুরন্তের সঙ্গে দেউলটি–কোলাঘাটে বাইকের সংঘর্ষ, অল্পের জন্য রক্ষা পেল শতাধিক যাত্রী

শুক্রবার দুপুরে হাওড়া-বেঙ্গালুরু দুরন্ত এক্সপ্রেসে চাঞ্চল্যকর দুর্ঘটনা। দেউলটি ও কোলাঘাট স্টেশনের মাঝপথে হঠাৎই রেললাইনে উঠে আসা একটি মোটরবাইকের সঙ্গে ধাক্কা খায় ট্রেন। অল্পের জন্য রক্ষা পান শতাধিক যাত্রী।চোখের সামনে দৃশ্যটা ছিল শিউরে ওঠার মতো। বেলা সাড়ে ১১টার পর এক বাইক আরোহী নির্ধারিত লেভেল ক্রসিং এড়িয়ে সরাসরি লাইনের ওপর দিয়ে পার হচ্ছিলেন। আচমকাই বাইক আটকে যায় রেলের মাঝে। ঠিক তখনই দ্রুতগতিতে আসে হাওড়া-বেঙ্গালুরু দুরন্ত এক্সপ্রেস। মুহূর্তের মধ্যে বাইকটিকে ধাক্কা মারে ট্রেন। স্ফুলিঙ্গ বেরোতে দেখা যায় সংঘর্ষে। আতঙ্কে যাত্রীরা চিৎকার শুরু করেন। তবে সৌভাগ্যবশত ট্রেনের ইঞ্জিনে বড় কোনও ক্ষতি হয়নি।সংঘর্ষের পর ট্রেন প্রায় এক ঘণ্টা থেমে থাকে। ইঞ্জিনিয়াররা জরুরি পরীক্ষা চালান। দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে পুনরায় গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় দুরন্ত। যাত্রীরা খানিকটা স্বস্তি পেলেও আতঙ্ক কাটেনি।স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই এলাকায় নজরদারির অভাব রয়েছে। বহু জায়গায় রেল ফেন্সিং ভাঙা বা অকার্যকর। প্রতিদিনই অবৈধ পারাপার হয়, অথচ রেলওয়ে কড়া ব্যবস্থা নেয় না। একজন যাত্রী ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, এভাবে বাইক নিয়ে লাইনে ওঠা মানে শত যাত্রীর জীবন নিয়ে খেলা। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, এতবছর দেশে শতাধিক দুর্ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে রেললাইনে অবৈধ পারাপার। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ সচেতনতা কর্মসূচি ও জরিমানার ব্যবস্থা চালু করলেও বাস্তবে কার্যকারিতা খুব সীমিত।দক্ষিণ-পূর্ব রেলওয়ের সূত্রে খবর, এই ঘটনা ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে আনতে পারত। বাইক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরপিএফ ও জিআরপি ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। দেউলটি-কোলাঘাটের এই অঘটন আবারও চোখে আঙুল দিয়ে দেখালরেললাইনে অবৈধ পারাপার কেবল বিপজ্জনকই নয়, একেকটা মুহূর্তে তা শত শত প্রাণের জন্য মৃত্যুফাঁদে পরিণত হতে পারে। এখনই কঠোর পদক্ষেপ না নিলে আগামী দিনে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয়।

আগস্ট ২৯, ২০২৫
রাজ্য

বর্ধমানে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা, মৃত্যুমিছিল, মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হাহাকার

বর্ধমানের নবাবহাটের কাছে ফাগুপুরে জাতীয় সড়ক বড়সড় দুর্ঘটনা। পুণ্যার্থী বোঝাই বাস দূর্ঘটনা দুর্ঘটনার কবলে। এই দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। জানা গিয়েছে, রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পিছনে ধাক্কা মারে বাসটি। আহত হয়েছে ৩৫ জন। জখমদের বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বাসটি তারকেশ্বর থেকে দেওঘরের বাবাধাম যাচ্ছিল বলে জানা গিয়েছে। এঁরা সকলেই বিহারের বাসিন্দা।চোখের সামনে এই মর্মান্তিক দৃশ্য দেখে শিউরে উঠেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দুর্ঘটনার সময় বাসটি অতিরিক্ত গতিতে চলছিল। সংঘর্ষের তীব্রতায় বাসের সামনের অংশ সম্পূর্ণ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় অন্তত ৮ জনের, পরে হাসপাতালে মৃত্যু হয় আরও কয়েকজনের। মৃতের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে বলে আশঙ্কা।দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ভাতার থানার পুলিশ ও দমকল। উদ্ধারকাজ চালাতে হয় ঘণ্টার পর ঘণ্টা। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে হাহাকার পরিস্থিতি তৈরি হয়। হাসপাতালের করিডরে শোকাহত পরিজনদের কান্নায় বাতাস ভারী হয়ে ওঠে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যে দুই গাড়ির চালককেই আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক অনুমান, অতিরিক্ত গতি ও অবহেলাই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার মূল কারণ।স্থানীয় প্রশাসন জানায়, আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করা হচ্ছে। মৃতদের পরিবারকে রাজ্য সরকারের তরফে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ১৫, ২০২৫
রাজ্য

ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা, মর্মান্তিক মৃত্যু ডেলিভারি বয়ের

মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা সল্টলেকে নতুন ব্রিজে। পথ দুর্ঘটনায় আগুনে ঝলসে মৃত এক ডেলিভারি বয়। আহত ওই চার চাকা গাড়িতে থেকে তিন জন লাফিয়ে প্রাণে বেঁচে যায়। পুলিশ সূত্রে খবর, কেষ্টপুর এর দিক থেকে একটি চার চাকা গাড়ি সল্টলেকে ঢুকছিল অন্য দিকে আরো একটি চার চাকা গাড়ি সল্টলেকে ওই নতুন ব্রিজ সিগনাল থেকে ইস্ট থানার দিকে যাওয়ার সময় ওই দুটি গাড়ির মধ্যে ধাক্কা লাগে। ধাক্কা লাগার পর যে চাচা গাড়িটিতে আগুন লেগে যায় সেটি রেলিং এ গিয়ে ধাক্কা মারে সঙ্গে সঙ্গে আগুন লেগে যায়। গাড়িতে থাকা সবাই বেরিয়ে আসে আহত অবস্থায় তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর ওই দুর্ঘটনার সময় এক ডেলিভারি বয় সাইকেল নিয়ে ওই দুর্ঘটনার মধ্যে পড়ে যায়। সেখান থেকে কোন ভাবে পালাতে গেলে রেলিং এর তার প্যান্ট আটকে যায় এবং তার গায়ে আগুন লেগে যায়। যার ফলে তার মৃত্যু হয়েছে বলে এমনটাই পুলিশ সূত্রে খবর। দমকল গাড়ি দেরি করে আসার কারণে গাড়িতে ভাঙচুর চালায় উত্তেজিত জনতা।

আগস্ট ১৪, ২০২৫
দেশ

ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা, ট্রেনের ধাক্কা স্কুল বাসকে, মৃত দুই, জখম বহু

ট্রেনের ধাক্কা স্কুল বাসে। ট্রেন ও বাসের সংঘর্ষে ২ জন শিক্ষীর্থীর মৃত্য়ু হয়েছে। বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন। মঙ্গলবার সকালে তামিলনাড়ুর কুড্ডালোর জেলায় রেলক্রসিংয়ে একটি স্কুল ভ্যান ও ট্রেনের ধাক্কায় দুই শিক্ষার্থীর মত্যু হয় এবং চারজন আহত হয়েছে। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ট্রেনটি রেলগেট বন্ধ না করেই যাচ্ছিল। সেই কারণেই সম্ভবত স্কুল বাসটি রেল লাইনে চলে আসে।সংবাদ সংস্থা সূত্রের খবর, সকাল ৭.৪৫ মিনিটে ভ্যানটি কুমারপুরমের কৃষ্ণস্বামী বিদ্যানিকেতন সিনিয়র সেকেন্ডারি স্কুলে শিশুদের নিয়ে যাওয়ার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। কুড্ডালোরের পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট এস জয়াকুমার জানিয়েছেন, ভিল্লুপুরম-মায়িলাদুথুরাই যাত্রীবাহী ট্রেনটি গাড়িটিকে ধাক্কা দেয়।দুর্ঘটনায় ১৬ বছর বয়সী এক ছাত্রী এবং ১২ বছর বয়সী এক ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের মধ্যে ভ্যানের চালক, দুই শিশু, আরেকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। একজন স্থানীয় বাসিন্দাও আহত হয়েছেন। জানা গিয়েছে, এই ব্যক্তি উদ্ধার অভিযানের সময় বৈদ্যুতিক শক খেয়েছিলেন।

জুলাই ০৮, ২০২৫
কলকাতা

কিছু দিন আগে ধাক্কা, সেই গাড়ি ধরে ব্যাপক ভাঙচুর, প্রকাশ্যে সিসিটিভি ফুটেজ

রাজারহাট চৌমাথায় প্রাইভেট চারচাকা গাড়ি ভাঙচুর। প্রকাশ্যে সিসিটিভি ফুটেজ। বাস লাঠি ইট দিয়ে ভাঙচুর করা হয় গাড়িটি। এই ঘটনায় গ্রেপ্তার সাতজন।পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় প্রাইভেট চারচাকা গাড়িটি বেশ কয়েকদিন আগে রায়গাছি এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় এক ব্যক্তিকে ধাক্কা মারে। এলাকার মানুষ গাড়িটিকে আটকানোর চেষ্টা করলেও গাড়িটি দ্রুত গতিতে পালিয়ে যায়। এলাকার মানুষ সেই গাড়িটির ছবি মোবাইল বন্দি করে। গতকাল ওই গাড়িটিকে আবার দেখা যায় রাজারহাট জগারডাঙ্গা এলাকায় সে সময় স্থানীয়রা সেই গাড়িটিকে থামিয়ে ভাঙচুর করার চেষ্টা করে এরপর সেই গাড়িটি কোনভাবে পালিয়ে রাজারহাট চৌমাথায় ট্রাফিক বুথের সামনে গিয়ে দাঁড়ালে ধাওয়া করে সেখানে ৫০ থেকে ৬০ জন গিয়ে গাড়িটা কি ঘিরে ধরে বাস লাঠি পাথর দিয়ে গাড়িটি ভাঙচুর চালায়। আর সেই ভিডিও ধরা পড়ে সিসিটিভি ক্যামেরায়। ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে সাতজনকে গ্রেফতার করা হয় রাজারহাটের বিভিন্ন এলাকা থেকে। বাকিদের খোঁজ চালাচ্ছে রাজারহাট থানার পুলিশ।

জুলাই ০৪, ২০২৫
রাজ্য

শৌচাগারের ট্যাঙ্কি বানাতে গিয়ে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা, মৃত দুই

নির্মীয়মান বাড়ির শৌচাগারের ট্যাঙ্কি ভেঙে মৃত্যু হল দুই ভাইয়ের। এই ঘটনায় জখম হয়েছে আরও একজন শ্রমিক । তাঁর চিকিৎসা চলছে মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। শনিবার সন্ধ্যা ছটা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে ইংরেজবাজার শহরের সুকান্তপল্লি এলাকায়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত দুই ভাইয়ের নাম উজ্জল মন্ডল (২৮) এবং অসিত মন্ডল (২৫)। তাঁদের বাড়ি ইংরেজবাজার থানার বাগবাড়ি বাগরড এলাকায়। আহত হয়েছেন অমল মন্ডল(২৫)। তার বাড়ি রতুয়ার করমনি এলাকায়। এদিন তিনজন সুকান্তপল্লি এলাকার একটি নির্মীয়মান বাড়ির শৌচাগারের ট্যাঙ্কির ভেতরে সাটারিং খুলছিল। সেই সময় হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে সাটারিংয়ের কাঠ এবং কংক্রিটের চাঙর । এই দুর্ঘটনার সময় তিনজন জখম হলে তাদেরকে মালদা মেডিকেল কলেজে স্থানীয়রা উদ্ধার করে নিয়ে আসে। মেডিকেল কলেজের কর্তব্যরত চিকিৎসাকেরা দুইজন শ্রমিককে মৃত বলে জানিয়ে দেয়। পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, বাড়ির মালিকের নাম প্রসেনজিৎ বর্মন। পেশায় তিনি স্কুল শিক্ষক। সেখানেই তিনি একটি নতুন বাড়ি তৈরি করছিলেন। পুলিশ বাড়ির মালিককে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।শৌচাগারের ট্যাঙ্কি বানাতে গিয়ে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা, মৃত দুই

জুন ২১, ২০২৫
রাজ্য

সাতসকালে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা পুরুলিয়ায়, মৃত্যু মিছিল

সাতসকালে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৯ জনের ৷ পুরুলিয়ায় ১৮ নম্বর জাতীয় সড়কের নামশোল এলাকায় আজ, শুক্রবার ঘটনাটি ঘটেছে ৷ পুলিশ সূত্রে খবর, ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি বোলেরোর সংঘর্ষে ঘটে। তার ফলেই জেরেই ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা ৷ গাড়িতে থাকা ৯ জনেরই প্রাণ গিয়েছে ৷ এরা সকলেই ঝাড়খন্ডের বাসিন্দা। বিয়ে বাড়ি থেকে ফিরছিলেন বলে জানা গিয়েছে।জানা গিয়েছে, আজ শুক্রবার সকালে পুরুলিয়ার দিক থেকে চারচাকা বোলেরো গাড়িটি বলরামপুরের অভিমুখে যাচ্ছিল। সেই সময় গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টো দিক থেকে আসা একটি ট্রাককে সরাসরি ধাক্কা মারে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বলরামপুর থানার পুলিশ। প্রথমে জখম সকলকে উদ্ধার করে স্থানীয় বাঁশগড় ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায় পুলিশ। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা আহতদের সকলকেই ঘোষণা করেন।

জুন ২০, ২০২৫
রাজ্য

ভোরে ভিজে রাস্তায় পাল্টি খেল দুধের গাড়ি

ভোরের শহরে ভিজে রাস্তায় দুধের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা। ই এম বাইপাসে চিংড়িঘাটা থেকে সল্টলেক স্টেডিয়াম যাওয়ার রাস্তায় ঘটে এই দুর্ঘটনা। সন্তোষপুর থেকে বাইপাস হয়ে রাজাবাজার গামী মিল্ক ভ্যান ভিজে রাস্তায় পিছলে যায়। সপাটে ধাক্কা মারে রাস্তায় মাঝের রেলিংয়ে। তবে গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকায় হতাহতের খবর নেই। চালক কোনক্রমে উল্টে যাওয়া গাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন। পরে বেলেঘাটা ট্র্যাফিক গার্ডের পুলিশ রেকার ভ্যান দিয়ে গাড়িটি রাস্তা থেকে টেনে সোজা করে এবং সরিয়ে দেয়। এরপর বাইপাসের উত্তর দিকের লেনে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

মে ২২, ২০২৫
কলকাতা

নিউটাউন থানায় মহিলা সাব ইন্সপেক্টরকে মারধর এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগ, গ্রেপ্তার দুই

শুক্রবার সন্ধ্যায় ২ যুবক মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি নিয়ে সেক্টর ফাইভের দিক থেকে নিউটাউনের দিকে আসিছল। তখন বলাকা আবাসনের কাছে অত্যন্ত বেপরোয়া হবে গাড়ি চালাচ্ছিল বলে এলাকার মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করে। গাড়িটি একটা গাড়িকে ধাক্কাও মারে। ওই দুজনকে পুলিশ আটক করে নিয়ে আসে গাড়িসহ। দুই অভিযুক্তকে যখন থানায় কর্মরত অবস্থায় ডিউটি অফিসার সাব ইন্সপেক্টর পদমর্যাদা নাম জিজ্ঞাসা করে তখন ওই মহিলা অফিসারের গায়ে হাত দিয়ে মারধর করে এবং পোশাকের দড়ি ধরে টানাটানি করে। এরপরেই পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযুক্ত দুই যুবককে এদিন বারাসাত আদালতে তোলা হয়।

মার্চ ১৫, ২০২৫
রাজ্য

বড়সড় দুর্ঘটনা মালদায়, টোটোকে ট্রাকের ধাক্কায় মৃত ৩, জখম ১

মালদায় মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় তিনজন মৃত, আহত এক। বৃহস্পতিবার মালদার গাজলের হিয়াঘর এলাকায় ৫১২ নম্বর জাতীয় সড়কে এক অজানা গাড়ি ধাক্কা দেয় টোটোকে। ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। একজন গুরুতর আহত হয়। যদিও ঘাতক গাড়িটির খোঁজ পাওয়া যায়নি। ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ছয়টা নাগাদ।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দেওতলা এলাকার বেশ কিছু লোকজন গাজোলে যাচ্ছিল। কেউ যাচ্ছিল মাছ বিক্রি করতে, কেউ বা আবার আড়ৎ থেকে সবজি কিনতে যাওয়ার জন্য যাচ্ছিল। গাজোল যাওয়ার পথেই গঙ্গারামপুরগামী অজানা গাড়ি ধাক্কা মারে। ঘটনাস্থলে গাজোল থানার পুলিশ ছুটে যায়। মৃতদেহগুলোকে উদ্ধার করে গাজোল স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসে। আহত ব্যক্তিকে মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাঁর অবস্থা আশঙ্কা জনক। নাম নিজামুদ্দিন সেখ, বয়স ৫৫ । অন্যদিকে মৃতরা হলেন ললিত ভুইমালি (৬০), আলতাফ হোসেন (৪২), শামসুদ্দিন শেখ (৬০)।

মার্চ ০৬, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

‘আগুনে পুড়েও আরও শক্তিশালী হয়েছি’! আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি শেখ হাসিনার

বাংলাদেশে ক্ষমতা হারানোর পর দেশ ছেড়ে যেতে হয়েছে শেখ হাসিনাকে। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগের তদন্ত চলছে। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে এত কিছুর পরেও দলকে শেষ হয়ে গেছে বলে মানতে নারাজ বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেছেন, আওয়ামী লীগকে কোনও নিষেধাজ্ঞা বা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত দিয়ে মানুষের মন থেকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়।শেখ হাসিনার কথায়, আওয়ামী লীগ কোনও কাগজে লেখা সংগঠনের নাম নয়। এটি বাংলাদেশের ইতিহাস, মানুষের আবেগ এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা একটি শক্তি। গত সাতাত্তর বছরের ইতিহাসে বহুবার হামলা, নিষেধাজ্ঞা এবং দমন-পীড়নের মুখে পড়েও দল বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। তাঁর দাবি, এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না।তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ কোনও সরকারের সদিচ্ছা বা বিরোধীদের ব্যর্থতার ওপর নির্ভর করে না। মানুষের সমর্থনই দলের সবচেয়ে বড় শক্তি। সেই সমর্থনের জোরেই অতীতে সরকারে থেকে উন্নয়নের কাজ করা সম্ভব হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে সরানো হয়েছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের হৃদয় থেকে দলকে সরানো যায়নি।বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও সরব হয়েছেন শেখ হাসিনা। তাঁর অভিযোগ, বর্তমান শাসনব্যবস্থায় গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং মানুষের নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে পড়েছে। অর্থনীতি দুর্বল হয়েছে, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনা বেড়েছে এবং উগ্রপন্থার বিস্তার ঘটছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে নিপীড়ন চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, দেশের মানুষ অতীত ও বর্তমানের তুলনা করতে পারছেন। তাঁদের উপলব্ধি হচ্ছে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন দেশে স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছিল। সেই কারণেই ভবিষ্যতেও জনগণের সমর্থন নিয়ে দল আবার ঘুরে দাঁড়াবে বলে তাঁর বিশ্বাস।দলের সাংগঠনিক শক্তির প্রসঙ্গ তুলে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি এলাকা এবং মানুষের সঙ্গে আওয়ামী লীগের দীর্ঘ সম্পর্ক রয়েছে। স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে এই দলের ভূমিকা রয়েছে। সেই ঐতিহ্যই আগামী দিনের লড়াইয়ের মূল শক্তি হবে বলে তিনি মনে করেন।তিনি আরও বলেন, যত বেশি দমন-পীড়ন হবে, আওয়ামী লীগ ততই শক্তিশালী হবে। আগুনে যেমন সোনা আরও বিশুদ্ধ হয়, তেমনই প্রতিকূল পরিস্থিতি দলকে আরও দৃঢ় করে তুলছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, প্রতিটি গ্রাম, মহল্লা, ওয়ার্ড এবং ইউনিয়নে মানুষের পাশে থাকতে হবে। সংখ্যালঘু, নারী, শিশু, শ্রমজীবী এবং প্রান্তিক মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তার প্রশ্নে আপস না করারও বার্তা দেন তিনি।শেষে শেখ হাসিনা স্পষ্ট করে বলেন, আওয়ামী লীগের পুনরুত্থান কোনও সরকারের দয়া বা অনুমতির ওপর নির্ভর করে না। জনগণের সমর্থনই দলের আসল শক্তি। নিষেধাজ্ঞা, মামলা কিংবা রাজনৈতিক বাধা যতই আসুক, মানুষের বিশ্বাস থাকলে আওয়ামী লীগ আবারও বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে ফিরে আসবে বলেই তাঁর দাবি।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

কল্যাণকে সরাসরি আক্রমণ রচনার! মহুয়াকেও ছাড়লেন না, বিস্ফোরক মন্তব্যে তোলপাড় রাজনীতি

দলবদলের পর থেকেই রাজনৈতিক আক্রমণের মুখে পড়েছেন সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে তিনি সরাসরি নিশানা করলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মহুয়া মৈত্রকে। এক সাক্ষাৎকারে তাঁদের আচরণ এবং ভাষা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। সেই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, একজন শিক্ষিত জনপ্রতিনিধির ভাষা এবং আচরণ সাধারণ মানুষের কাছে উদাহরণ হওয়া উচিত। তাঁর অভিযোগ, সংসদের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় যে ধরনের ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, তা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই প্রসঙ্গ টেনে তিনি মহুয়া মৈত্রকেও কটাক্ষ করেন এবং অতীতের কিছু বিতর্কের উল্লেখ করেন।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ করে রচনা বলেন, একজন প্রবীণ সাংসদের কাছ থেকে এমন ভাষা আশা করা যায় না। তাঁর দাবি, সংসদের ভিতরে যে ধরনের মন্তব্য করা হয়েছে, তা রাজনৈতিক শালীনতার সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে। সেই আচরণে দলের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।রচনা আরও বলেন, একসময় যাঁরা একে অপরের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে তীব্র আক্রমণ করতেন, এখন তাঁদের একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে। এই পরিবর্তন নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, যারা অতীতে একে অপরের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ করেছিলেন, তাঁদের বর্তমান অবস্থান সাধারণ মানুষের মনে নানা প্রশ্ন তৈরি করছে।উল্লেখ্য, এক সময় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মহুয়া মৈত্রর মধ্যে প্রকাশ্য রাজনৈতিক সংঘাত নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। একে অপরের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ এবং আইনি পদক্ষেপের ঘটনাও সামনে এসেছিল। বর্তমানে তাঁদের সম্পর্কের পরিবর্তিত সমীকরণ নিয়েই নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

আচমকা বড় সিদ্ধান্ত! ইসকন থেকে সরিয়ে দেওয়া হল রাধারমণ দাসকে, নিজেই জানালেন নেপথ্যের কারণ

কলকাতা ইসকনের সহ সভাপতির পদ থেকে আচমকাই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে রাধারমণ দাসকে। শনিবার রাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়। এরপর সমাজমাধ্যমে একটি দীর্ঘ বার্তায় তিনি জানান, কোন কোন ঘটনার জেরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকতে পারে বলে তাঁর ধারণা।রাধারমণ দাস জানান, তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তকে সম্মান করছেন। তবে নিজের বক্তব্যে তিনি কয়েকটি সম্ভাব্য কারণ তুলে ধরেছেন। তাঁর দাবি, গোরক্ষা সংক্রান্ত একটি বিতর্কে মানেকা গান্ধীর মন্তব্যের বিরুদ্ধে তিনি আইনি পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। সেই ঘটনাকে তিনি অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর হামলার অভিযোগ নিয়ে প্রকাশ্যে সরব হওয়াও এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে থাকতে পারে বলে তাঁর ধারণা।সমাজমাধ্যমে করা নিজের পোস্টে তিনি আরও কয়েকটি বিষয়ের উল্লেখ করেছেন। একটি বিতর্কিত মন্তব্যের বিরোধিতা, কট্টরপন্থী সনাতনী গোষ্ঠী নিয়ে প্রকাশ্য অবস্থান এবং বিভিন্ন সাম্প্রতিক মন্তব্যও তাঁর মতে বিতর্কের কারণ হয়ে উঠতে পারে। এছাড়া একটি সাক্ষাৎকার দেওয়াকেও ইসকনের নীতির পরিপন্থী আচরণ হিসেবে দেখা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন।রাধারমণ দাস আরও জানান, এখন থেকে তিনি আর ইসকনের প্রতিনিধি হিসেবে সংবাদমাধ্যমে কোনও মন্তব্য করবেন না। কারণ বর্তমানে তাঁর সঙ্গে সংগঠনের কোনও প্রশাসনিক সম্পর্ক নেই। তবে পদ হারালেও ইসকনের উন্নতি, অগ্রগতি এবং সাফল্য কামনা করেছেন তিনি।এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই নানা মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও ইসকনের তরফে এই সিদ্ধান্তের বিস্তারিত কারণ প্রকাশ্যে জানানো হয়নি। ফলে রাধারমণ দাসের বক্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

জুন ২৮, ২০২৬
দেশ

হেফাজতে থেকেও মদ চাই! সিয়া গোয়েলকে নিয়ে পুলিশের দাবি ঘিরে তুমুল শোরগোল

পুণের লোহাগড় দুর্গে হবু স্বামী কেতন আগরওয়ালকে খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার সিয়া গোয়েলকে ঘিরে তদন্তে একের পর এক নতুন তথ্য সামনে আসছে। পুলিশ সূত্রের দাবি, হেফাজতে থাকাকালীনও বারবার মদ্যপানের অনুমতি চেয়েছেন সিয়া। একই সময়ে তাঁর প্রেমিক চেতন চৌধুরীর সঙ্গে একটি পুরনো ভিডিওও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।তদন্তকারী সূত্রের দাবি, দ্বাদশ শ্রেণিতে অকৃতকার্য হওয়ার পর থেকেই সিয়া মদ্যপানে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। পাশাপাশি তাঁর একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক ছিল বলেও তদন্তে উঠে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের সময়ও তিনি একাধিকবার মদ্যপানের ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন বলে তদন্তকারী মহলের দাবি।এদিকে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ক্রিকেট ম্যাচ চলাকালীন গ্যালারিতে পাশাপাশি বসে রয়েছেন সিয়া এবং চেতন। ভিডিওতে তাঁদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তও ধরা পড়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, সিয়ার দাদা সাহিলের মাধ্যমে চেতনের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়েছিল। পরে সেই পরিচয়ই প্রেমের সম্পর্কে বদলে যায়।এই হত্যাকাণ্ডে ইতিমধ্যেই সিয়া গোয়েল এবং চেতন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্তে জানা গিয়েছে, আগামী নভেম্বরে কেতন আগরওয়ালের সঙ্গে সিয়ার বিয়ের কথা ছিল। প্রথমে রাজি থাকলেও পরে বিয়ে করতে চাননি সিয়া। কিন্তু পারিবারিক চাপে সেই সিদ্ধান্ত জানাতে না পেরে শেষ পর্যন্ত খুনের পরিকল্পনা করেন বলে পুলিশের দাবি।রবিবার তদন্তকারীরা সিয়াকে নিয়ে ঘটনাস্থল লোহাগড় দুর্গে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করেন। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তাঁর বাবা-মাকেও। তদন্তে তাঁরা সহযোগিতা করেছেন বলেই জানা গিয়েছে। এদিকে তদন্তে আরও নানা দাবি সামনে এসেছে। কখনও উঠে এসেছে বিয়ে নিয়ে চাপের অভিযোগ, আবার কখনও প্রেমিকের প্ররোচনার প্রসঙ্গ। প্রথমদিকে একে অপরের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করলেও পরে দুজনেই নিজেদের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ সূত্রের দাবি। এই বহুল আলোচিত মামলার বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য দ্রুত বিচার আদালতে শুনানির প্রস্তুতি চলছে।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

অনুমতি মেলেনি, তবু শুরু মাপজোক! একুশে জুলাই ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে নতুন সংঘাত

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। সভার সরকারি অনুমতি এখনও মেলেনি। তার আগেই ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে পৌঁছে মাপজোক শুরু করলেন কুণাল ঘোষ এবং তাঁর অনুগামীরা। ছুটির সকালের এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কুণাল ঘোষের সঙ্গে দলের আরও কয়েকজন নেতা এবং সাজসজ্জার কাজে যুক্ত কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা ফিতে দিয়ে সভাস্থলের বিভিন্ন অংশ মাপতে শুরু করেন। সাধারণত প্রশাসনিক অনুমতি পাওয়ার পরই এই ধরনের প্রস্তুতি শুরু হয়। কিন্তু এবার অনুমতির আগেই এই পদক্ষেপ নেওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, একই জায়গায় একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি করার জন্য দলের অন্য শিবিরও প্রস্তুতি নিচ্ছে। তারাও ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভার অনুমতি চেয়ে আবেদন করার উদ্যোগ নিয়েছে। ফলে একই স্থানকে ঘিরে দুই পক্ষের মধ্যে টানাপোড়েন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, একুশে জুলাই শহিদদের স্মরণে দীর্ঘদিন ধরে এই কর্মসূচি হয়ে আসছে। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই তাঁরা নিয়ম মেনে আবেদন করেছেন এবং অনুমতি পাবেন বলেই আশাবাদী।অন্যদিকে দলের অন্য নেতারাও জানিয়েছেন, অনুমতি যেখানে মিলবে, সেখানেই একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি পালন করা হবে। এদিকে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, একই কর্মসূচি ঘিরে একাধিক দাবিদারের উপস্থিতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এখন প্রশাসন শেষ পর্যন্ত কাকে অনুমতি দেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে সকলের।

জুন ২৮, ২০২৬
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বড় সাফল্য! বিজেপি কর্মী খুনে গ্রেপ্তার আরও এক অভিযুক্ত

বাগনানে বিজেপি কর্মী প্রশান্ত দে খুনের ঘটনায় আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল তদন্তকারী দল। মুখ্যমন্ত্রীর কড়া নির্দেশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই পদক্ষেপ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। হাওড়া জেলা পুলিশ এবং অপরাধ তদন্ত বিভাগের যৌথ অভিযানে শ্যামপুর এলাকা থেকে শেখ সৈফুদ্দিন নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই খুনের ঘটনায় মোট একান্ন জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। এর আগে দশ জনকে গ্রেপ্তার করা হলেও আরও বহু অভিযুক্ত এখনও পলাতক। সদ্য গ্রেপ্তার হওয়া শেখ সৈফুদ্দিনের নাম অভিযোগপত্রে ছিল। তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, বাকি অভিযুক্তদের খোঁজেও তল্লাশি চলছে।শনিবার নিহত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি জানান, খুনের ঘটনায় কাউকে ছাড়া হবে না। প্রয়োজন হলে লুকিয়ে থাকা অভিযুক্তদেরও খুঁজে বের করে গ্রেপ্তার করতে হবে। পুলিশ প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেন তিনি।গত সতেরো জুন রাতে বাগনানের বাঁটুল গ্রামের বাসিন্দা এবং বিজেপির বুথ স্তরের এক পদাধিকারী প্রশান্ত দে খুন হন। বিজেপির অভিযোগ, একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়। লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পরে পরিবারের দাবি, ফোনে তাঁদের জানানো হয়েছিল যে প্রশান্তকে খুন করা হয়েছে এবং কেউ সেখানে গেলে তাকেও ছাড়া হবে না।এই ঘটনায় স্থানীয় এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। তবে তিনি এখনও অধরা বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সমস্ত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের পর দ্রুত অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হবে এবং আদালতে কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হবে। তাঁর বক্তব্য, দোষীদের এমন শাস্তি হওয়া উচিত যাতে ভবিষ্যতে কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সাহস না পায়।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

রাতারাতি বদলে গেল পার্ক সার্কাস স্টেশন! একের পর এক দোকান গুঁড়িয়ে বড় অভিযান

সোমবার গভীর রাতে পার্ক সার্কাস রেল স্টেশনে বড় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হল। দীর্ঘদিন ধরে স্টেশন চত্বর এবং রেলের জমি দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকান ও অস্থায়ী কাঠামো ভেঙে সরিয়ে দেওয়া হয়। অভিযান ঘিরে গোটা এলাকায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। বিপুল সংখ্যক পুলিশ, রেল পুলিশ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন ছিলেন যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।জানা গিয়েছে, চলতি মাসের শুরুতেই স্টেশন চত্বরে থাকা ব্যবসায়ী ও হকারদের জায়গা খালি করার জন্য নোটিস দেওয়া হয়েছিল। সোমবার রাত সাড়ে দশটার পর নিরাপত্তা বাহিনী পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে। এরপর রেলের পক্ষ থেকে বারবার মাইকিং করে দোকানপাট সরিয়ে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়। কিছুটা সময়ও দেওয়া হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যেও অধিকাংশ দোকান সরানো না হওয়ায় বুলডোজার নামানো হয়। একের পর এক দোকান, গুমটি এবং অবৈধ কাঠামো ভেঙে ফেলা হয়।পার্ক সার্কাস স্টেশন দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধ দোকান ও দখলের সমস্যায় ভুগছিল বলে অভিযোগ। যাত্রীদের চলাচলেও বারবার অসুবিধা তৈরি হতো। সেই পরিস্থিতি বদলাতেই এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অভিযান চলাকালীন স্টেশনের ভিতরে ও বাইরে কড়া নজরদারি ছিল। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে চলে এই উচ্ছেদ অভিযান।এর আগে হাওড়া, শিয়ালদহ, দমদম, হাবরা এবং যাদবপুর-সহ রাজ্যের একাধিক রেল স্টেশন এলাকায় একই ধরনের উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। রেলের জমি দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে এই অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলছে বলে জানা গিয়েছে।তবে এই অভিযান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বহু দোকানদার। তাঁদের অভিযোগ, পুনর্বাসনের কোনও ব্যবস্থা না করেই জীবিকা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। ফলে উচ্ছেদ অভিযানের পাশাপাশি পুনর্বাসনের দাবিও জোরালো হচ্ছে।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

আর মাত্র ৭ দিন! কলকাতার দুই বড় সেতুর নিচে যা হতে চলেছে, জানতেই চমকে উঠবেন

কলকাতায় অবৈধ দখল উচ্ছেদে আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে পুরসভা। এবার নজরে এসেছে শিয়ালদহের বিদ্যাপতি সেতু এবং সুকান্ত সেতুর নিচের বেআইনি দখল। শনিবার কলকাতা পুরসভার পক্ষ থেকে এই দুই জায়গায় নোটিস টাঙিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সাত দিনের মধ্যে সমস্ত বেআইনি দোকান ও দখল সরিয়ে ফেলতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্দেশ না মানলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।পুরসভার নোটিসে জানানো হয়েছে, যাদবপুর ও সন্তোষপুরের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সংযোগকারী সুকান্ত সেতুর নিচে দীর্ঘদিন ধরে বাজার ও হকারদের দোকান বসে আসছে। একইভাবে শিয়ালদহের বিদ্যাপতি সেতুর নিচেও বহু দোকান ও বড় বাজার গড়ে উঠেছে। অভিযোগ, এই সবই অনুমতি ছাড়া দখল করে তৈরি হয়েছে। তাই এবার ওই সমস্ত জায়গা খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এর আগে তপসিয়া, কসবা, পার্ক সার্কাস-সহ শহরের একাধিক এলাকায় বেআইনি নির্মাণ ভাঙার অভিযান চালানো হয়েছে। পাশাপাশি হাওড়া, শিয়ালদহ, দমদম-সহ বিভিন্ন রেল স্টেশনের আশপাশের অবৈধ দোকানও উচ্ছেদ করা হয়েছে। এবার সেই অভিযানের পরিধি আরও বাড়ানো হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে, গত সপ্তাহেই ঢাকুরিয়া থেকে যাদবপুর স্টেশন সংলগ্ন বস্তি এলাকাও খালি করার নোটিস দিয়েছে পুরসভা। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে দখল করে গড়ে ওঠা ওই এলাকায় হাজার হাজার মানুষের বসবাস। শুধু অস্থায়ী ঘর নয়, বহু পাকা ও দোতলা বাড়িও তৈরি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুরসভা ইতিমধ্যেই সেই এলাকাও খালি করার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। ফলে শহরে অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযান আরও জোরদার হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

জুন ২৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal