• ২ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১৮ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bjp

রাজ্য

খেজুরিতে তৃণমূলের পার্টি অফিস দখলের অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে

তৃণমূলের পার্টি অফিস দখল নেওয়ার অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে খেজুরিতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিবাদে দফায় দফায় পথ অবরোধ করে তৃণমূল কর্মীরা বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তৃণমূলের অভিযোগ, খেজুরির বীরবন্দরের পাটনা, কন্ঠীবাড়ি, আলিচক-সহ মোট ছয়টি পার্টি অফিস দখল করে নেওয়া হয়েছে। সেখানে লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বিজেপির পতাকা। অনেক দলীয় দফতরে ভাঙচুর চালানো হয়। এছাড়াও আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে বিজেপির তরফ থেকে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে অভিযোগ তুলছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বই। আরও পড়ুন ঃ অশালীন মন্তব্যের জের, অভিযোগ দায়ের অগ্নিমিত্রা পলের বিরুদ্ধে তৃণমূলের অভিযোগ, শুক্রবার সন্ধে থেকেই খেজুরির বিভিন্ন জায়গায় দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্য শুরু হয়েছে। জনকা, বীরবন্দ-সহ একাধিক এলাকায় মোটর সাইকেল বাহিনী রাতে তৃণমূলের ছটি পার্টি অফিসে হামলা চালিয়েছে। সেখানে লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বিজেপির দলীয় পতাকা। এভাবে দখলের খেলা শুরু করেছে বিজেপি, অভিযোগ তৃণমূলের। আরও অভিযোগ, রাতে স্থানীয় কয়েকজন তৃণমূল কর্মীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে বিজেপিতে যোগদানের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী সময়ে অবশ্য তাঁদের নিরাপদে বাড়ি ফেরানো হয়।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
রাজনীতি

বিজেপিতে যোগ দিলেন মিহির গোস্বামী

অবশেষে তৃৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন কোচবিহার দক্ষিণের বিধায়ক মিহির গোস্বামী। প্রসঙ্গত, শুক্রবার তিনি তৃণমূলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকেও ইস্তফা দিয়েছেন। এদিন তিনি দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে গিয়ে কেন্দ্রের শাসকদলে যোগদান করেন। তাঁর যোগদানের সময় উপস্থিত ছিলেন দলের রাজ্যের পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়, সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক ও অর্জুন সিং। কৈলাস বিজয়বর্গীয় তার গলায় উত্তরীয় পড়িয়ে দলে বরণ করে নেন। বিজেপিতে যোগ দিয়ে মিহির গোস্বামী বলেন, আমি ইতিমধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেস থেকে ইস্তফা দিয়েছি৷ আমাদের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গে যে অনাচার চলছে, দুর্নীতি ও ঠিকাদারি সংস্থার রাজত্ব তৈরি হয়েছে তার প্রতিবাদেই আমার এই সিদ্ধান্ত। স্বাধীনতার পর থেকে বাম ও ডানপন্থী উভয় জামানায় উত্তরবাংলার প্রতি যে বঞ্চনা, ধারাবাহিকভাবে যে অবহেলা হয়ে এসেছে তার প্রতিবাদে আমার ধর্মযুদ্ধ বলতে পারেন ৷ রাজনৈতিক জীবনের প্রান্তে এসে, আমি আমার বাংলার নতুন দিনের ভোট দেখতে চাই। আমার দৃঢ় বিশ্বাস প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজির নেতৃত্বে আমরা উত্তরবঙ্গের মানুষ সুদিন দেখতে পাব ৷ আরও পড়ুন ঃ মারের বদলা মারের নিদান দিলীপের প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগে থেকে দলের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় কোচবিহার দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক মিহির গোস্বামীর। বারবার দলের নেতা-মন্ত্রী এমনকী মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিধায়ক। দলের তরফে প্রথমে বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিলেও পরবর্তীতে একাধিক নেতা কথা বলেন মিহিরবাবুর সঙ্গে। এই পরিস্থিতিতে প্রকাশ্যে আসে বিজেপি সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকের সঙ্গে মিহির গোস্বামীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা। তখন থেকেই শুরু কানাঘুষো। অনেকের মনেই ধারণা তৈরি হয়, সাংগঠনিক পদত্যাগের পাশাপাশি এবার মিহিরবাবু দলবদলও করতে চলেছেন। কিন্তু এতদিন পর্যন্ত এই জল্পনাকে প্রশ্রয় দেননি বিধায়ক। বরং বারবারই জানিয়েছেন, দলবদল নিয়ে কখনওই কিছু ভাবেননি তিনি। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার দলের প্রতি অভিমান ব্যক্ত করে একটি ফেসবুক পোস্ট করেন বিধায়ক। সেখানেই লেখেন, আজ এই তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে আমার যাবতীয় সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাই। আমি আশা করছি, আমার দীর্ঘদিনের সাথী, বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীরা আমাকে মার্জ্জনা করবেন।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
রাজ্য

অশালীন মন্তব্যের জের, অভিযোগ দায়ের অগ্নিমিত্রা পলের বিরুদ্ধে

অশালীন মন্তব্যের জেরে বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পলের বিরুদ্ধে তমলুক থানায় অভিযোগ দায়ের হল। তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৫০৪, ৩০৬ ও ৫০৯ নম্বর ধারায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ হাওড়ায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আনতে বসছে এক হাজার সিসিটিভি প্রসঙ্গত, তমলুকের সভা থেকে অগ্নিমিত্রা বলেছিলেন, বাংলায় মেয়েরা নিরাপদ নন। তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা ধর্ষণ করছে। দিদিমণি বলে দিয়েছেন, আমি তোদের চাকরি দিতে পারি নি। তাই এন্টারটেইনমেন্টের জন্য তোরা ধর্ষণ কর। ধর্ষণ হলে ক্ষতিপূরণ দিয়ে দেব। গোটা ঘটনায় কিছুটা অস্বস্তিতে পড়ে যায় রাজ্য বিজেপিও। বিদ্বজ্জন থেকে সাধারণ মানুষ সকলেই সরব হয়েছেন অগ্নিমিত্রার এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
কলকাতা

বিজেপির মিছিলকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র তারাতলা

মাঝেরহাট ব্রিজ খোলার দাবিতে তারাতলায় বিজেপির মিছিলে ধুন্ধুমার। পুলিশ মিছিল আটকালে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে তাদের তুমুল বচসা শুরু হয়ে যায়। বেঁধে যায় ধস্তাধস্তিও। ব্যাপক লাঠিচার্জ করা হয়। একাধিক বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার তারাতলা মোড় থেকে মাঝেরহাট পর্যন্ত মিছিলের কর্মসূচি ছিল। কিন্তু মিছিল শুরু হওয়ার আগেই তা আটকে দেয় পুলিশ। পুলিশ ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এরপরই তারাতলা মোড়ে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করে বিজেপি। তাঁদেরও বিক্ষোভ থেকে উঠিয়ে দেয় পুলিশ। পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে মিছিল এগোনর চেষ্টা করে বিক্ষোভকারিরা। এমনকি তাঁরা গার্ডরেল গুলিও ছুঁড়ে ফেলে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। মোড়ের আশেপাশের গলিতে থাকা বিজেপির নেতা-কর্মীদেরও টেনে বের করে আনতে দেখা যায়। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যপালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সরব কল্যাণ আটক করা হয় বহু বিজেপি নেতা কর্মীদের। রেহাই পাননি মহিলা মোর্চার কর্মীরাও। বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীর মাথা ফেটে যায়। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন মহিলা ও পুলিশ কর্মী। অটোয় তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। বেশ কিছুক্ষণ পর পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। যদিও লাঠিচার্জ-গ্রেপ্তারির পরও বারবার করে ফের জমায়েত করতে দেখা যায় বিজেপি কর্মীদের। পরে বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলনে পুলিশের লাঠিচার্জ। আমরা জনতার সুবিধার জন্য মিছিল করেছি। কিন্তু মমতার সরকার তা হতে দেবে না। দুর্নীতির বড় উদাহরণ মাঝেরহাট ব্রিজ।

নভেম্বর ২৬, ২০২০
রাজ্য

শুভেন্দুর জেলার তৃণমূল নেতার বিজেপিতে যোগ

প্রত্যাশামতোই বিজেপিতে যোগ দিলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ সিরাজ খান। বুধবার তিনি মেচেদাতে বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় ও সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেন। তাঁরা সিরাজ খানের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন। কয়েকদিন আগেই তিনি কৈলাস বিজয়বর্গীয়র সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন বলে জানা গিয়েছিল। তিনি বলেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীকে দেখেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, আমি একজন মৎস্যজীবী। আমাকে মৎস কর্মাধ্যক্ষ না দিয়ে খাদ্য দফতর দেওয়া হয়েছে। সেখানে কোন কাজ করতে পারছি না। এছাড়াও খাদ্য দফতরের বিরুদ্ধে তিনি গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগও তুলেছিলেন। আরও পড়ুন ঃ কেন্দ্রের টাকা দিদির ভাইয়েরা লুটেপুটে নিচ্ছেঃ দিলীপ তাঁর বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জল্পনা নিয়ে তোলপাড় পূর্ব মেদিনীপুরের রাজনৈতিক মহল। এদিকে শুভেন্দু অধিকারীর অরাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে দল বেজায় অস্বস্তিতে পড়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা তলে বহু দিন ধরেই কোনও কর্মসূচিতে নন্দীগ্রামের বিধায়ককে দেখা যাচ্ছে না। এদিকে শুভেন্দুর সঙ্গেই দলের সাংসদ সৌগত রায়ের বৈঠক চলছে। এখনও পর্যন্ত কোনও রফাসূত্র মেলেনি বলেই জানা গিয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের এক মুসলিম তৃণমূল নেতার বিজেপিতে যোগ দেওয়া খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
কলকাতা

অগ্নিমিত্রা পলের মন্তব্যের কড়া নিন্দা পার্থর

অগ্নিমিত্রা পল পূর্ব মেদিনীপুরের সভায় যে কুরুচিকর মন্তব্য করেছেন, তার তীব্র নিন্দা করেছেন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বুধবার তিনি টুইটে লেখেন, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে সেক্স র্যাকেট চলে বলে তিনি যে মন্তব্য করেছেন, তা আমাদের স্তম্ভিত করে দিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধর্ষণকে সমর্থন করেন বলে তিনি যে মন্তব্য করেছেন, তা শুধু রাজ্য সরকারের অবমাননা নয়, বাংলার সংস্কৃতিকে লজ্জায় ফেলে দিয়েছে। আমরা এখন দেখছি, বিজেপি নেতারা বাংলার মূল্যবোধকে অসম্মান করছে। আরও পড়ুন ঃ সারা দেশে এক দল, এক ভাষা করতে চাইছে বিজেপিঃ সৌগত রায় প্রসঙ্গত , অগ্নিমিত্রা পল বলেছিলেন, মালদহতে দুদিন আগে একটা ৬ বছরের বাচ্চাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। তারকেশ্বরেও একই ঘটনা। কারা ধর্ষণ করছে জানেন? বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই তৃণমূল পার্টির যারা সদস্য বা সমর্থক, তারা ধর্ষণ করছে। দিদিমণি এদের বলে দিয়েছেন, শোন রে, তোদের তো চাকরি দিতে পারিনি! তাই এন্টারটেনমেন্টের জন্য শরীর গরম হয়ে গেলে তোরা গিয়ে ধর্ষণ করবি। তোরা গিয়ে ধর্ষণ কর। আর আমি মহিলাদের ক্ষতিপূরণের টাকা দিয়ে দেব। তার এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সমালোচনার ঝড় বয়ে গেছে রাজ্য রাজনীতিতে।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
রাজ্য

দিলীপ ঘোষের সভায় যোগ দিতে যাওয়ার পথে বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

দিলীপ ঘোষের সভায় যোগ দিতে যাওয়ার সময় বিজেপি কর্মীদের ব্যাপক মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় এক বিজেপি কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আহত বিজেপি কর্মীর নাম অভীক মণ্ডল। তাকে বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, বুধবার সিউড়ি জেলা স্কুল মাঠে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের সভা ছিল। অভিযোগ, সভায় যোগ দিতে যাওয়ার সময় বিজেপি কর্মী -সমর্থকদের বাধা দেওয়া হয় নানুরের শিমুলিয়া গ্রামে। চলে বোমা, গুলিও। বেশ কয়েকটি বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। একাধিক বাইক ভাঙচুর করা হয়। সমস্ত অভিযোগ অবশ্য অস্বীকার করেছে তৃণমূল। আরও পড়ুন ঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হিটলার বলে কটাক্ষ সায়ন্তনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। তাদের প্রথমে গ্রামে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। শিমুলিয়ায় এদিন পাল্টা তৃণমূল কর্মীদের লাঠিপেটা করেছেন বিজেপি সমর্থকরা বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে আরও পুলিশকর্মী এলাকায় এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। খবর পেয়েই শিমুলিয়া চলে আসে নানুর থানার পুলিশ। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। অন্যদিকে, একইরকম ঘটনা ঘটে সাঁথিয়ার ভ্রমরকল গ্রামে। বিজেপির অভিযোগে, সেখান থেকেও দলের সমর্থকরা দিলীপ ঘোষের সভায় আসছিলেন। ভ্রমরকলে তাদের বাধা দেওয়া হয়। এর প্রতিবাদে রাস্তায় তির ধনুক নিয়ে বসে পড়েছেন বিজেপি সমর্থকরা।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
রাজ্য

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হিটলার বলে কটাক্ষ সায়ন্তনের

এবার নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হিটলার বলে কটাক্ষ করলেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। তিনি বলেন, মঙ্গলবার সাংগঠনিক বৈঠকে যোগ দিতে মালদহে যান বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। সকালে পুরাতন মালদহের মঙ্গলবাড়ি এলাকায় চা-চর্চায় যোগ দেন তিনি। সেখানে তিনি বলেন, কালিঘাট প্রাইভেট লিমিটেডের শাড়ি পড়া হিটলারি শাসন কেউ বরদাস্ত করবে না। একুশের পর কালিঘাটে মাত্র ২ জন থাকবেন। ডুবন্ত জাহাজ ছেড়ে পালাবেন বাকি সকলে। যারা মমতা সরকারের বিরুদ্ধে লড়তে চান, তাঁদের সকলকে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরামর্শও দেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ গোটা রাজ্যে আমিই পর্যবেক্ষকঃ মমতা সুজাপুর বিস্ফোরণ কাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সায়ন্তন বসু দাবি করেন, ওই বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা অনেক বেশি। সরকার সংখ্যা গোপন করছে, দেহ লুকিয়ে ফেলা হয়েছে। বাংলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জঙ্গি গ্রেপ্তারির ঘটনার জন্য রাজ্য সরকারকেই দায়ী করেন তিনি। বলেন, পশ্চিমবঙ্গকে পশ্চিম বাংলাদেশ তৈরি করার চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
রাজনীতি

জনসভায় ধর্ষণ নিয়ে অশালীন মন্তব্য অগ্নিমিত্রার

ধর্ষণ নিয়ে বেলাগাম ও অশালীন মন্তব্য করলেন বিজেপি রাজ্য মহিলা মোর্চার সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। মঙ্গলবার তমলুকে বিজেপির ডাকা জেলাশাসকের দফতর ঘেরাও ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি ছিল। সেখানে ধর্ষণ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করতে গিয়ে কু মন্তব্য করে বসলেন অগ্নিমিত্রা। তিনি বলেন, মালদহতে দুদিন আগে একটা ৬ বছরের বাচ্চাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। তারকেশ্বরেও একই ঘটনা। কারা ধর্ষণ করছে জানেন? বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই তৃণমূল পার্টির যারা সদস্য বা সমর্থক, তারা ধর্ষণ করছে। দিদিমণি এদের বলে দিয়েছেন, শোন রে, তোদের তো চাকরি দিতে পারিনি! তাই এন্টারটেনমেন্টের জন্য শরীর গরম হয়ে গেলে তোরা গিয়ে ধর্ষণ করবি। তোরা গিয়ে ধর্ষণ কর। আর আমি মহিলাদের ক্ষতিপূরণের টাকা দিয়ে দেব। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দুকে নিয়ে কী বললেন সৌগত? তার এই মন্তব্যের সমালোচনায় সরব হয়েছেন সমাজের বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। এর আগেও ধর্ষণ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন বিজেপি নেত্রী। অগ্নিমিত্রার তোপ, রাজ্যে চাকরি-বাকরি নেই। ধর্ষণটাও একটা শিল্পের পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। এরপরেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে হুঙ্কার দেন অগ্নিমিত্রা, ১০ বছর ধরে বাংলায় যে অন্যায় চলছে তার হিসেব ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে নেবে বিজেপি।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
রাজ্য

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য কেন্দ্রের পাঠানো ৬ হাজার টাকা পাননি বাংলার কৃষকরাঃ কৈ্লাস বিজয়বর্গীয়

বাংলার কৃষকরা বছরে ৬ হাজার টাকা পাননি। নরেন্দ্র দাদা টাকা পাঠান, এটা চান না দিদি। দিদি তালিকা পাঠালে আপনারা বছরে ৬ হাজার টাকা পাবেন। মঙ্গলবার জয়নগরে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে এই ভাষাতেই তোপ দাগলেন কৈ্লাস বিজয়বর্গীয়। তিনি এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, এতে নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয়তা আরও বাড়বে, এই আশঙ্কায় বাংলার কৃষকদের বঞ্চিত করেছেন মমতা। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রকল্প নিজের সরকারের নামে মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একবারও কেন্দ্রের সরকারের নাম নেওয়া হচ্ছে না। করোনা মহামারীতেও কেন্দ্র পয়সা দিয়েছে, আবার আম্ফানে ১ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। মানুষের কাছে সেই বার্তা দেওয়া হচ্ছে না। আরও পড়ুনঃ পঞ্চানন বর্মার জন্মদিনে রাজ্য সরকারি ছুটি, ঘোষণা মমতার তিনি আরও বলেন, কৃষ্ণভক্তি ও রামভক্তির ভূমি বাংলা। চৈতন্য মহাপ্রভুর পরম্পরাকে আপনারা বহন করে চলছেন। ভক্তিরসের গঙ্গা এখানে প্রবাহমান। চৈতন্য মহাপ্রভু না থাকলে গোটা বাংলা বাংলাদেশ হয়ে যেত। ষাট বছর পরে কীর্তন শিল্পীরা গাইতে পারেন না। তখন আয় হয় না। সংসারের বোঝা হয়ে ওঠেন তাঁরা। প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কীর্তন শিল্পীদের কথা বলি। তাঁদের পেনশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখন ১২০০ শিল্পী পাবেন। ক্ষমতায় আসার পর সবাইকে দেওয়া হবে।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
কলকাতা

সারা দেশে এক দল, এক ভাষা করতে চাইছে বিজেপিঃ সৌগত রায়

রাজ্য বিজেপি অন্তর্কলহে ক্লান্ত। বিজেপি মমতার সমান্তরাল মুখ তৈরি করতে পারছে না, যে কারণে ভিন রাজ্য থেকে বিজেপি নেতাদের নিয়ে আসছে। আমাদের আশঙ্কা তাঁরা এখানে বিভাজনের রাজনীতি করতে আসছেন। যাতে আমাদের রাজ্যের শান্তির পরিবেশ বিঘ্নিত হতে পারে। মঙ্গলবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠক করে এমনই অভিযোগ করলেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। তিনি আরও বলেন, বিজেপি দেশের অনেক রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছে। আবার যেখানে ক্ষমতায় ছিল না, সেখানে দলত্যাগে উৎসাহ দিয়ে বিজেপি-বিরোধী রাজ্য সরকারকে ফেলে দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি এটা করতে পারবে না। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সৌগত রায় বলেন, দেশে যেটা ঘটছে, সেটা আমাদের জন্য চিন্তার বিষয়। বিজেপি সারা দেশে এক দল, এক ভাষা করতে চাইছে। যা ভয়ঙ্কর চিন্তাভাবনা। আমাদের দেশের স্বশাসিত সংস্থাগুলি ধীরে ধীরে ভেঙে পড়ছে। আরও পড়ুন ঃ ৬০ বছর অবধি কাজের দাবিতে বিক্ষোভ সিভিল ডিফেন্স ভলেন্টিয়ারদের তিনি বলেন, রাজ্য সরকার কৃষকদের পাশে রয়েছে। কেন্দ্র কৃষকদের কথা ভাবে না। এমনিতে কেন্দ্রের কাছে রাজ্যের প্রাপ্যের পরিমাণ ৫০ হাজার কোটি টাকা। সেই টাকা মেটানো হচ্ছে না। এই সংকটের মধ্যে দিয়ে চলেও রাজ্য সরকার নিজের দায়িত্ব পালন করে চলেছে। নিজের রাজনৈতিক জীবনে রাজনীতির মান এতটা নীচে নামতে পারে তা কল্পনাও করতে পারেননি বলে দাবি করলেন সৌগত রায়।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
রাজনীতি

অগ্নিমিত্রা পলের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কড়া জবাব বৈশাখীর

বিধানসভা ভোটের আগে দলের কাজে শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে যতই সক্রিয় করে তোলার চেষ্টা হোক না কেন, দলের মধ্যেকার বিরোধ যেন কিছুতেই মিটছে না। সম্প্রতি বিজয়া সম্মিলনীতে শোভনকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও বৈশাখীকে আমন্ত্রণ না করা নিয়ে জল অনেকদূর পর্যন্ত গড়ায়। সে প্রসঙ্গে বিজেপির মহিলা মোর্চার সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পল বলেন, এই ঘটনা মোটেই অস্বাভাবিক নয়। সব অনুষ্ঠানে সকলে আমন্ত্রিত হবেন, এমন নয়। তাছাড়া বৈশাখী নিশ্চয়ই শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সমান মর্যাদা আশা করতে পারেন না। অগ্নিমিত্রা পলের এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে এবার পালটা জবাব দিলেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। অগ্নিমিত্রা পাল যখন বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন, তাঁর একটাই পরিচয় ছিল, তিনি একজন ফ্যাশন ডিজাইনার। যতদূর আমি জানি, আপনার কোনও রাজনৈতিক পরিচয় ছিল না। কখনও কোনও রাজনৈতিক ভূমিকাও পালন করেননি। তা সত্ত্বেও বিজেপি মহিলা মোর্চার প্রধানের মতো গুরুদায়িত্ব পেয়েছেন। আরও পড়ুন ঃ ভোল পালটে ছত্রধর মাহাতোকে দলে যোগ দেওয়ার বার্তা দিলীপের উনি বোধহয় অবগত নন। আমি ওয়েবকুপার জেনারেল সেক্রেটারি পদে ছিলাম। অনৈতিক, অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি। পেজ ৩-তে আমার কখনও নাম আসেনি। পুরুলিয়া থেকে বর্ধমান, গোসাবা থেকে গড়িয়া, ধর্মতলা থেকে যাদবপুর পর্যন্ত ঘুরেছি, ভোটে টিকিট পাওয়ার জন্য নয়, আমার দলের সদস্যপদ বাড়ানোর জন্য। গার্হস্থ্য হিংসা, শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে লড়ার চেষ্টা করেছি। কিছু ছবি পোস্ট করে জনসমর্থন পাইনি। মিটিং-মিছিলে অংশ নিয়ে মানুষের ভালবাসা অর্জন করেছি। আপনার পূর্বসূরী লকেট চট্টোপাধ্য়ায় সুহৃদয়ে আমায় বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে আমন্ত্রণ জানাতেন। যার জন্য ওঁকে শ্রদ্ধা করি। তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষও সে দলে আমার অবস্থান স্বীকৃতি দিয়েছেন। আপনার মন্তব্যে আমি ব্যথিত। কোনও বিরোধী দল নয়, আমার দলের সহকর্মীই আমাকে সমালোচিত করলেন। আমার কোনও গডফাদার নেই। মুকুল রায়, শোভন চট্টোপাধ্য়ায়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে রাজনৈতিক মূল্যবোধ শিখেছি। বিজেপিতে রামলালজি, শিবপ্রকাশজি, মেননজি, অমিতাভদার থেকে অনেক উৎসাহ পেয়েছিশোভন আমার মেন্টর, আমি ওঁকে শ্রদ্ধা করিলকেট, রূপা, ভারতী ঘোষদের পছন্দ করি, যাঁরা আমার মতো একজন ক্ষুদ্র নেতাকে অনুপ্রাণিত করতে পারেন।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
কলকাতা

বিজেপির বিজয়া সম্মিলনীতে আমন্ত্রণ পায়নি বৈশাখী , না যাওয়ার সিদ্ধান্ত শোভনের

বিজেপির বিজয়া সম্মিলনীতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল প্রাক্তন মেয়র তথা অধুনা বিজেপি নেতা শোভন চট্টোপাধ্যায়কে। কিন্তু সেখানে শোভন আমন্ত্রণ পেলেও বৈশাখীকে নাকি ডাকা হয়নি। তাই দলীয় অনুষ্ঠানে থাকছেন না তাঁরা। এমনটাই সূত্রের খবর। শোভন চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, রবিবার সল্টলেকের ইজেডসিসি-তে বিজেপির বিজয়া সম্মিলনীতে হাজির থাকার জন্য বৈশাখীর মোবাইল ফোনে ফোন করে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। কিন্তু বৈশাখীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। কয়েকদিন রাজ্য সফরে এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এসে গভীর রাতে নিউটাউনের হোটেলে শোভন-বৈশাখীকে তলব করে বৈঠকও করেন। দিন দুয়েক আগে বঙ্গ বিজেপির সহ-পর্যবেক্ষক অরবিন্দ মেনন এবং সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তী বৈঠক করেন শোভন-বৈশাখীর সঙ্গে। সেখানে উপহার বিনিময়ের পর দুজনকেই আরও দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আরও পড়ুন ঃ শিল্পীদের জন্য সব ধরণের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের অনুমতি নবান্নের গত বছর আগস্ট মাসে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র তথা বিধায়ক শোভন এবং তাঁর বান্ধবী বৈশাখী। কিন্তু কোনও দলীয় কর্মসূচিতেই তাদের দেখা যায়নি। বিজেপির নেতাদের সঙ্গে তাদের দূরত্ব ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সদ্য রাজ্য কমিটিতে সদস্য পদ দেওয়া হয়েছে শোভন-বৈশাখীকে। কিন্তু আমন্ত্রণ বিতর্কে ফের দলের সঙ্গে শোভন-বৈশাখীর দূরত্ব তৈ্রি হল বলে মত রাজ্যের রাজনৈ্তিক মহলের।

নভেম্বর ২২, ২০২০
রাজ্য

প্রধানমন্ত্রী কি দেশের নাগরিক নয়? প্রশ্ন কৈলাসের

প্রধানমন্ত্রী আমফানের জন্য এক হাজার কোটি টাকা দিয়েছিল। কিন্তু সেই টাকা কীভাবে খরচ হয়েছে কেউ জানে না । শনিবার রামনগরের এক সভা থেকে তৃণমূলকে এভাষাতেই আক্রমণ করলেন বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়। তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন , এই চাল চোর সরকার ঝড়ের পয়সাও খেয়ে নেয়। খেয়ে নেয় গরিবের পয়সাও। একথা বলে তিনি জনসাধারণের উদ্দেশে প্রশ্ন করেন, এই সরকার কি পশ্চিমবঙ্গে থাকা উচিত? সভায় উপস্থিত জনতা সমস্বরে চিৎকার করে জানায়, না এই সরকার থাকা উচিত না। সেই সঙ্গে অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিপুল কর্মীদের তিনি প্রশ্ন করেন, এই চালচোর সরকারের কী আর রাজ্যে থাকা উচিত? উত্তর আসে না। আরও পড়ুনঃ সুজাপুরে পাওয়া যায়নি কোনও বিস্ফোরক সামগ্রীর নমুনাঃ ফরেনসিক তিনি আরও বলেন, এর আগে আপনারা এই রাজ্যে কংগ্রেসের সরকার দেখেছেন , সিপিএম-এর সরকারও দেখেছেন। সিপিএমের সময় খুন হত , লুটপাট হত। এরপর আপনারা সিপিএমকে সরিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে নিয়ে এসেছেন এই ভেবে যে , সোনার বাংলা গড়ে উঠবে। মা- মাটি-মানুষ স্লোগানের মাধ্যমে তিনি রাজ্যের মানুষের কাছ থেকে দুবার সরকার গড়ার সুযোগ পেয়েছেন। মহিলাদের সম্মানহানি এই রাজ্যে বেশি হয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, মা সুরক্ষিত নয় , মাটি সুরক্ষিত নয়। এদিন সিএএ নিয়েও তিনি সরব হয়ে বলেন, দেশের বাইরে যে সমস্ত হিন্দু বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান থেকে বিতাড়িত হয়েছেন সেই সমস্ত মানুষকে ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য অমিত শাহ এই আইন লাগু করেছেন। দেশের প্রধানমন্ত্রী যখন রাজ্যে আসেন, তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন তিনি বহিরাগত। কৈলাস বিজয়বর্গীয় জনতাকে প্রশ্ন করেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি , অমিত শাহ কি বহিরাগত ? প্রধানমন্ত্রী কি দেশের নাগরিক নয়? জনতা জানায় প্রধানমন্ত্রী বহিরাগত নয়। রোহিঙ্গা , মুসলমান , বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের সঙ্গে গলা মেলান মমতা। আজ টিএমসি মমতার নয় , শুভেন্দুর নয়। টিএমসি এখন পুরনো নেতাদের নেই । টিএমসি এখন পিকে ও অভিষেকের। ভাইপোই এখন টিএমসি চালাচ্ছে। এখন যারা সিন্ডিকেট চালাচ্ছে , তাদের ঠিকানা হবে জেল। পাশাপাশি রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিয়ে কৈলাস বলেন, দিদি আর ভাইপোর হাতে আর চার মাস সময় রয়েছে যত পারেন এই সময় টাকা গুছিয়ে নিন। কিন্তু ওই টাকা কি করবেন, যখন সিবিআই হস্তক্ষেপ করবে। তখন ওই পয়সা কোনো কাজে লাগবে না। জেলে বসে পয়সা গুনতে পারবেন না। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছে , এবার বিজেপির সরকার হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে বেকারত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। ১০০০০ এর উপর কলকারখানা বন্ধ হয়েছে। আমরা সরকারে এলে নতুন কারখানা তৈরি হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন এই বিজেপি নেতা। এদিন বিজেপিতে ২২ জন বাম নেতা যোগ দেন। এদিন যোগদান মেলায় উপস্থিত ছিলেন সাংসদ লকেট চ্যাটার্জী সহ অন্যান্য বিজেপি নেতৃত্ব।

নভেম্বর ২১, ২০২০
রাজনীতি

খুনের রাজনীতি বন্ধে প্রয়োজনে ব্যবস্থা নেওয়া হবেঃ বাবুল

ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কড়া আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। শুক্রবার বাবুল সুপ্রিয় রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেছেন , হিংস্র সরকারকে থামানোর পথ কিন্তু সংবিধানে রয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি ভাবেন, ভয় দেখিয়ে মানুষকে ভোট দিতে যেতে দেবেন না, বিরোধীদের ওপর আক্রমণ করবেন, তা হলে সংবিধানে এসব থামানোর ব্যবস্থা আছে। আগামী ছমাসে নিজেকে শুধরে নিন মমতা। এভাবে হিংসার রাজনীতি কিন্তু চলবে না। আমরা এই নিয়ে বারবার রাস্ট্রপতির কাছে আবেদন করেছি। হিংসার রাজনীতি, খুনের রাজনীতি কিন্তু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। প্রয়োজনমতা ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাংলার মানুষ আমাদের পাশে রয়েছে। যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবারও ক্ষমতায় আসেন তবে ধরে নিতে হবে তা পুলিশ, প্রশাসনের উপর প্রভাব খাটিয়েই হয়েছে। আমরা আশাবাদী কমপক্ষে ২০০ আসন পেয়ে বাংলায় ক্ষমতায় আসব। বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় আসলে রাজ্যবাসী সবকিছুই পাবে। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি বিস্ফো্রণের ঘটনা নিয়ে রাজনীতি করছেঃ ফিরহাদ যদিও সাংসদ সৌগত রায় পালটা প্রতিক্রিয়া দিয়ে বলেন, বাবুল গানবাজনা নিয়ে থাকতেন। তাই তিনি রাজনীতির কিছুই বোঝেন না। এসব কথা বলে তৃণমূলকে ভয় দেখিয়ে লাভ হবে না।

নভেম্বর ২০, ২০২০
কলকাতা

অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে মুকুল রায়ের

অস্ত্রোপচারের পর ভালো আছেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। বৃহস্পতিবার গলব্লাডারে অস্ত্রোপচার হয়েছে তাঁর। সেই অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বুধবার হঠাৎ অসুস্থ বোধ করায় তাঁকে বাইপাসের একটা বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার সকালে তাঁকে দেখতে হাসপাতালে এসেন দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এছাড়াও তাঁকে দেখতে আসেন রাজ্যের বিজেপি পর্যবেক্ষক কৈ্লাস বিজয়বর্গীয়। আরও পড়ুন ঃ বহিরাগতদের মানে না বাংলার মানুষঃ চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য মুকুল রায়কে দেখে এসে দিলীপবাবু বলেন, মুকুলদা এখন ভালো আছেন। তিনি খুব শীঘ্রই দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেবেন। হাসপাতাল সূত্রে খবর, আগের থেকে অনেকটাই সুস্থ তিনি। আজ সকালে তরল জাতীয় খাবার দেওয়া হয়েছে তাঁকে। দু-একদিনের মধ্যে হাসপাতাল থেকে ছুটিও দেওয়া হবে। বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় উদ্বিগ্ন দলীয় নেতা - কর্মীরা।

নভেম্বর ২০, ২০২০
রাজনীতি

বিজেপি বিস্ফো্রণের ঘটনা নিয়ে রাজনীতি করছেঃ ফিরহাদ

কালিয়াচক থানার সুজাপুরে প্লাস্টিকের কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনার পর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মালদা এসেই মৃত ও আহতদের পরিবারের হাতে দুই লক্ষ টাকা এবং ৫০ হাজার টাকার চেক তুলে দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। পাশাপাশি মৃত ও আহতদের পরিবারের সঙ্গেও দেখা করেন তিনি। এদিন বিকেলে সুজাপুরে প্লাস্টিকের কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনার পর হেলিকপ্টারে মালদায় আসেন ফিরহাদ হাকিম। মালদার বিমানবন্দর থেকে সরাসরি কনভয় নিয়ে চলে যান সুজাপুরের স্কুলপাড়া এলাকায় । সেখানে মৃত এবং আহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। এর পাশাপাশি সুজাপুর থেকে ফিরে মালদা মেডিকেল কলেজে আহতদের সঙ্গে দেখা করেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। আরও পড়ুন ঃ বহিরাগতদের মানে না বাংলার মানুষঃ চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বৃহস্পতিবার বিকালে সুজাপুরে বিস্ফোরণকাণ্ডে মৃত ও আহতদের পরিবারের সঙ্গে সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর সরাসরি বিজেপির বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেন , বিজেপি সব কথাতেই এনআইএর তদন্তের দাবি তোলে। অথচ এই পরিস্থিতির পর ওদের দলের কোনও নেতৃত্বকেই দেখা যায়নি। মুখ্যমন্ত্রী এই ঘটনার পর সঙ্গে সঙ্গে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা করেছেন। কলকাতা থেকে হেলিকপ্টারে মালদা এসেই সেই আর্থিক ক্ষতিপূরণ ওই পরিবারগুলির হাতে তুলে দিয়েছি। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সমবেদনা জানানো উচিৎ। কিন্তু এখন বিজেপি রাজনীতি করছে। এদিকে সুজাপুরে প্লাস্টিকের কারখানায় বিস্ফোরণ কাণ্ডে বিজেপির উত্তর মালদা সাংসদ খগেন মুর্মু এনআইএর তদন্তের দাবি জানিয়ে বিস্তর অভিযোগ তুলেছেন। যদিও বিজেপি সাংসদের এই বক্তব্যকে তুলোধনা করে তৃণমূল সাংসদ তথা দলের জেলা সভাপতি মৌসুম নূর বলেন , এই মর্মান্তিক পরিস্থিতিতে বিজেপি এখন রাজনীতি করতে ময়দানে নেমে পড়েছে। পুলিশ প্রশাসন যেখানে বলছে প্লাস্টিকের কারখানায় কাটিং মেশিন বিস্ফোরণ হয়ে এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। সেখানে বিজেপি সাংসদ এরকম কথা বলে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত এবং আহতদের সঙ্গে দেখা করতে আসেননি বিজেপির জেলা নেতৃত্ব। অথচ তারা ঘরে বসে বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করছেন। তৃণমূল সাংসদ মৌসুম নূর আরও বলেন, এদিন বিস্ফোরণকাণ্ডে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম । আমিও তাঁর সঙ্গে ছিলাম । মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি এই ঘটনায় আহতদের সঙ্গে সঙ্গেই ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে জেলা পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তারা। ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে ছিলেন সাংসদ মৌসুম নূর সহ জেলা পুলিশ প্রশাসনের কর্তারা।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

কর্মী খুনের প্রতিবাদে বিজেপির ডাকা বন্ধে রণক্ষেত্র তুফা্নগঞ্জ

দলীয় কর্মী খুনের প্রতিবাদে বিজেপির ডাকা বন্ধে উত্তপ্ত তুফা্নগঞ্জ। বিজেপির অভিযোগ , তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বন্ধ ব্যর্থ করতে না পেরে তাদের কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে। জোড়াই মোড়ে বিজেপির দুই কর্মী রবীন্দ্র দাস ও বিমল পাল জখম হয়েছেন বলে অভিযোগ বিজেপির। দুজনকে তুফা্নগঞ্জ হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। তৃণমূলের দাবি , জোর করে রাস্তা বন্ধ ও দোকানে হামলার জেরে সাধারণ মানুষের প্রতিরোধের মুখে পড়তে হয়েছে বিজেপি সমর্থকদের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশি টহল বাড়ানো হয়। তুফা্নগঞ্জ ব্যবসায়ী সমিতির তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয় , বন্ধে গোলমাল এড়াতে দোকান - বাজার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। তবে সরকারি বাস চলাচল স্বাভাবিক ছিল। আরও পড়ুন ঃ মালদার কালিয়াচকে প্লাস্টিক কারখানায় বিস্ফোরণে মৃত্যু ৫ জনের , ক্ষতিপূরণ ঘোষণা রাজ্যের অভিযোগ নাককাটিগাছ এলাকার পূর্ব শিকারপুরে বুধবার সকালে খুন হন বিজেপির ৯/১৯৮ নম্বর বুথের বুথ সম্পাদক কালাচাঁদ কর্মকার। এই ঘটনায় আহত হন আরও দুজন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত কালাচাঁদকে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে চলে যায় দুষ্কৃতীরা। তুফানগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। মৃতের পরিজনদের দাবি, বিজেপি করার অপরাধেই তাঁদের উপরে এই আক্রমণ। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ বিজেপির জেলা নেতৃত্বেরও। যদিও পুলিশের দাবি কালীপুজোর ভাসানকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার রাতে পূর্ব শিকারপুরের ২টি ক্লাবের মধ্যে গণ্ডগোলকে কেন্দ্র করেই অশান্তির সূত্রপাত। বিবাদ থামাতে গিয়ে দুষ্কৃতীদের হামলার শিকার হন ৫৫ বছরের কালাচাঁদ কর্মকার। এই ঘটনায় বিজেপি রাজনৈতিক রং লাগানোর অভিযোগ করছে বলে পাল্টা দাবি করছে তৃণমূলও।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

ভাটপাড়ায় খুন তৃণমূল কর্মী

গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে এক তৃণমূল কর্মীকে খুন করার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। মৃতের নাম আকাশ প্রসাদ। তৃণমূল কংগ্রেসের টাউন প্রেসিডেন্ট সোমনাথ শ্যামের অনুগামী বলে এলাকায় পরিচিত আকাশ। উত্তর ২৪ পরগনার জগদ্দল থানার পাল ঘাট রোড এলাকার ঘটনা। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী অশোক সাউ ও তাঁর দলবল ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও আগ্নেয়াস্ত্রর বাঁট দিয়ে মেরে আকাশকে হত্যা করে ৷ তারপর বোমাবাজি করতে করতে এলাকা ছাড়ে তারা। আরও পড়ুন ঃ বৃদ্ধ দম্পতির দেহ উদ্ধার, গ্রেফতার ছেলে যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের টাউন প্রেসিডেন্ট সোমনাথ শ্যামের দাবি , এই ঘটনা ঘটিয়েছে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এতে তৃণমূলের কেউ জড়িত নয়। অন্যদিকে, সাংসদ অর্জুন সিং বলেন, আকাশ প্রসাদ একজন দুষ্কৃতী ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে জানতাম। কিন্তু তৃণমূল কর্মী বলে জানতাম না। এই ঘটনায় বিজেপি-র কোনও যোগ নেই ৷ একথা আকাশের পরিবারই বলছে ৷ তৃণমূল তাদের গোষ্ঠীকোন্দল বিজেপি-র উপর চাপানোর চেষ্টা করছে।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
রাজনীতি

রাঢ়বঙ্গ বিজেপিকে ক্ষমতায় আসার জন্য পথ দেখাবেঃ রাজু

বিহারের পর বাঙালিকে পাখির চোখ করেছে বিজেপি। বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় আসবে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমনটাই জানালেন বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার দলের কেন্দ্রীয় ও রাজ্য কমিটির নেতাদের উপস্থিতিতে শুরু হল আলোচনাসভা। তার আগে তিনি সাংবাদিকদের বলেন , কংগ্রেস , সিপিএম , তৃণমূল সব এক। তাদের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে মিম। সকলের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। তিনি আরও বলেন, রাঢ়বঙ্গের ৫০টি আসনের লক্ষ্যে এগোচ্ছে বিজেপি। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে রাঢ়বঙ্গই বিজেপিকে ক্ষমতা দখলের পথে অনেকটা এগিয়ে দেবে দাবি করেন বিজেপির রাঢ়বঙ্গের পর্যবেক্ষক রাজু ব্যানার্জী। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে সাতটি সাংগঠনিক জেলাকে নিয়ে তৈরি রাঢ়বঙ্গ বিজেপিকে ক্ষমতায় আসার জন্য পথ দেখাবে। বুধবার দুর্গাপুরে গুরুত্বপূর্ণ এক সাংগঠনিক বৈঠকে যোগ দিতে এসে এই দাবি করলেন বিজেপির রাঢ় বঙ্গের পর্যবেক্ষক রাজু ব্যানার্জী। দিদি নয় ভোটটা এবার দাদা করাবে। তাই মানুষ ভোট দেবে আর তাতেই মিলবে ৫০টির মতো আসন। এমনই দাবি রাজ্য বিজেপির নেতা রাজু ব্যানার্জীর। এই রাঢ়বঙ্গে ৫৭টি বিধানসভা আছে,আর রাঢ়বঙ্গের এই সাতটি সাংগঠনিক জেলা থেকে গত লোকসভা নির্বাচনে পাঁচ জন সাংসদ পেয়েছে বিজেপি। আরও পড়ুন ঃ সংখ্যালঘুদের জন্য কিছু করেনি তৃণমূলঃ দিলীপ বিজেপি নেতা রাজু ব্যানার্জীর দাবি , লোকসভার নিরিখে ৩৭টি আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি, তাই ৫০টি আসনে এবার জয় নিশ্চিত বলে দাবি বিজেপি নেতৃত্বের। বুধবার সিটিসেন্টারে এক বেসরকারী অতিথিশালায় বিজেপির রাঢ় বঙ্গের সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক বিনোদ সনকার দলের সাতটি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি ও পদাধিকারীদের নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেন, যেখানে দলের কেন্দ্রীয় দল ওয়ান টু ওয়ান বৈঠক করেন বিজেপির জেলা নেতৃত্ব ও পদাধিকারীদের সাথে জানতে চান কোথায় সমস্যা হচ্ছে, আর কোথায় বা প্লাস পয়েন্টে রয়েছে দল। এখন একুশে বাংলা জয়ের লক্ষ্যে বিজেপির রাঢ়বঙ্গের টার্গেট আসন কতটা বাস্তব রূপ পায় সেটাই এখন দেখার বিষয়। আর যার উত্তর সময় ছাড়া আর কেউ দিতে পারবে না।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

একের পর এক মামলার চাপে অভিষেক! এবার কি আরও বড় আইনি সংকট সামনে?

তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে আইনি ও রাজনৈতিক চাপ আরও বেড়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। মধ্যপ্রদেশে দায়ের হওয়া একটি মানহানি মামলাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।অভিযোগ, একটি রাজনৈতিক সভায় দেওয়া বক্তব্যে এক বিজেপি নেতাকে উদ্দেশ করে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মানহানির মামলা দায়ের করা হয়। মামলার শুনানির জন্য একাধিকবার সমন পাঠানো হলেও তিনি আদালতে হাজির হননি বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর আদালতের পক্ষ থেকে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়। পরবর্তীতে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে তিনি অন্তর্বর্তী স্বস্তি পেয়েছিলেন। তবে সাম্প্রতিক আদালতি সিদ্ধান্তকে ঘিরে আবারও নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।এদিকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর দলের অন্দরে নেতৃত্ব ও সংগঠন নিয়ে একাধিক প্রশ্ন সামনে এসেছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, দলীয় স্তরেও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা ও মতভেদ দেখা দিয়েছে।শুধু তাই নয়, গত কয়েক মাসে একাধিক মামলার তদন্তে বিভিন্ন সংস্থার তলবের মুখোমুখি হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি মামলায় তিনি তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ পেয়েছেন এবং সেই অনুযায়ী তদন্তকারী সংস্থার দপ্তরে হাজিরাও দিয়েছেন। অন্য কয়েকটি মামলাতেও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে।এছাড়াও বিভিন্ন আর্থিক ও প্রশাসনিক অনিয়ম সংক্রান্ত অভিযোগের তদন্তে তাঁর নাম উঠে এসেছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে আদালত বা তদন্তকারী সংস্থার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও সামনে আসেনি।নতুন আদালতি পরিস্থিতির ফলে আগামী দিনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনি লড়াই কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। একই সঙ্গে এই ঘটনার রাজনৈতিক প্রভাব নিয়েও শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

জুন ১৭, ২০২৬
দেশ

প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে বড় পদক্ষেপ! কেন হঠাৎ টেলিগ্রামের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান কেন্দ্রের?

প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই আবহে টেলিগ্রামের একাধিক চ্যানেলের কার্যকলাপ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ, কিছু চ্যানেল পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্র পাইয়ে দেওয়ার নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ দাবি করছিল এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছিল।সরকারি সূত্রের দাবি, শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে সক্রিয় একাধিক প্রতারণা চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, এটি কোনও মতপ্রকাশ বা কণ্ঠরোধের বিষয় নয়। বরং পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং পরীক্ষার্থীদের সুরক্ষার জন্য নির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে সংশ্লিষ্ট সংস্থা। তাদের দাবি, কয়েকজন দুষ্কৃতীর কর্মকাণ্ডের জন্য বিপুল সংখ্যক সাধারণ ব্যবহারকারী সমস্যার মুখে পড়ছেন। সংস্থার পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বদলে সাধারণ ব্যবহারকারীদের উপর প্রভাব পড়ছে।এদিকে পরীক্ষা পরিচালনাকারী সংস্থার দাবি, গত কয়েক মাস ধরে একাধিক সন্দেহভাজন চ্যানেলের উপর নজর রাখা হচ্ছিল। তদন্তে দেখা যায়, কিছু চ্যানেল প্রকাশ্যে প্রশ্নপত্র দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে কয়েক হাজার থেকে কয়েক লক্ষ টাকা পর্যন্ত দাবি করছিল।তবে পরীক্ষা কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়েছে, এই ধরনের দাবি সম্পূর্ণ ভুয়ো এবং প্রতারণামূলক। পরীক্ষার্থীদের কোনওভাবেই এমন প্রলোভনে পা না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সন্দেহজনক কোনও বার্তা বা চ্যানেলের তথ্য প্রশাসনকে জানানোর আবেদনও করা হয়েছে।পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং প্রতারণা চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রশ্নে এখন নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ এবং তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষা মহলের।

জুন ১৭, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের পর এবার সমাজবাদী পার্টি? বিস্ফোরক দাবিতে তোলপাড় উত্তরপ্রদেশ রাজনীতি

দেশের রাজনীতিতে আবারও দলভাঙার জল্পনা ঘনীভূত হচ্ছে। তৃণমূল এবং শিবসেনাকে ঘিরে বিতর্কের পর এবার সমাজবাদী পার্টিকে কেন্দ্র করে নতুন রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের এক মন্ত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্য ঘিরে সরগরম রাজনৈতিক মহল।সূত্রের দাবি, আগামী দিনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আইন সংসদে আনার প্রস্তুতি চলছে। সেই প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং তাদের সাংসদদের অবস্থান নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। এই আবহেই সমাজবাদী পার্টির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন জল্পনা সামনে এসেছে।এক মন্ত্রীর দাবি, সমাজবাদী পার্টির ভিতরে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে এবং দল ভাঙার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তাঁর বক্তব্য, দলের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সাংসদ নাকি অন্য রাজনৈতিক পথ বেছে নেওয়ার বিষয়ে ভাবছেন। এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে।সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে একটি কথিত তালিকাকে ঘিরে। দাবি করা হয়েছে, কয়েকজন সাংসদের নাম নিয়ে একটি তালিকা তৈরি হয়েছে এবং তা দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্বের কাছে পৌঁছেছে। যদিও এই দাবির পক্ষে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রমাণ সামনে আসেনি।এদিকে সমাজবাদী পার্টির শীর্ষ নেতারা এই সমস্ত জল্পনা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, দলের মধ্যে কোনও ভাঙনের পরিস্থিতি নেই এবং বিরোধীদের পক্ষ থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।দলের এক প্রবীণ নেতা স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি কোনও তালিকা কারও হাতে দেননি এবং দল ভাঙার প্রশ্নই ওঠে না। তাঁর দাবি, সমাজবাদী পার্টি আগের মতোই ঐক্যবদ্ধ রয়েছে।তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক সময়ের নানা ঘটনাকে সামনে রেখে এই ধরনের জল্পনা আরও বাড়তে পারে। কারণ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে দলবদল ও রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাস এখন প্রায় নিয়মিত ঘটনা হয়ে উঠেছে।ফলে সমাজবাদী পার্টিকে ঘিরে ওঠা এই নতুন বিতর্ক আগামী দিনে কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে নজর রয়েছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। আপাতত দাবি ও পাল্টা দাবির মধ্যেই উত্তপ্ত উত্তরপ্রদেশের রাজনৈতিক অঙ্গন।

জুন ১৭, ২০২৬
কলকাতা

বুলডোজারে আপাতত ব্রেক! হকার উচ্ছেদে বড় রায়, স্বস্তির নিঃশ্বাস হাজার হাজার পরিবারের

হকার উচ্ছেদ নিয়ে চলা বিতর্কে বড় স্বস্তির খবর। কলকাতা হাই কোর্ট আপাতত একাধিক এলাকায় হকার উচ্ছেদ প্রক্রিয়ার উপর স্থগিতাদেশ জারি করেছে। ফলে বালিগঞ্জ, বামনগাছি, বারুইপুর, ডানকুনি, গুমা, বনগাঁ, দুর্গনগর, মথুরাপুর, যাদবপুর-সহ বিভিন্ন জায়গায় আগের উচ্ছেদ নোটিস এখনই কার্যকর করা যাবে না।আদালতে মামলাকারীদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, যেভাবে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে, তাতে বহু মানুষের মৌলিক অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাঁদের বক্তব্য, জীবিকার অধিকার এবং বেঁচে থাকার অধিকার সংবিধান স্বীকৃত অধিকার। হাজার হাজার পরিবার ছোট দোকান, ঠেলাগাড়ি বা অস্থায়ী ব্যবসার উপর নির্ভর করে সংসার চালায়। হঠাৎ করে উচ্ছেদ করে দিলে তাদের জীবন ও জীবিকা সংকটে পড়বে।মামলাকারীদের আইনজীবীর বক্তব্য, রাষ্ট্রের দায়িত্ব দুর্বল ও প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়ানো। তাঁদের শত্রুর মতো আচরণ করা নয়। অথচ বহু জায়গায় আচমকা বুলডোজার নিয়ে গিয়ে দোকান ভেঙে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলা হয় আদালতে। এমন পরিস্থিতিতে বহু মানুষ রাত জেগে নিজেদের দোকান ও জীবিকা বাঁচানোর চেষ্টা করছেন বলেও দাবি করা হয়।আদালতে আরও বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে কোনও জায়গায় মানুষ বসবাস বা ব্যবসা করে এলে সেই বিষয়টি বিবেচনা না করে হঠাৎ উচ্ছেদ করা উচিত নয়। অতীতে সর্বোচ্চ আদালতের বিভিন্ন পর্যবেক্ষণের কথাও তুলে ধরা হয়।অন্যদিকে রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট জমি বহু বছর আগে আইনসম্মতভাবে অধিগ্রহণ করা হয়েছিল। সেই জমি ব্যবহারের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নোটিসও দেওয়া হয়েছিল। তাই উচ্ছেদ প্রক্রিয়া আইন মেনেই করা হচ্ছে বলে দাবি করে রেল।শুনানির সময় আদালত গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি প্রশ্ন তোলে। বিশেষ করে যাঁদের বৈধ অনুমতি বা লাইসেন্স ছিল, তাঁদেরও উচ্ছেদ করা হয়েছে কি না, তা জানতে চাওয়া হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকার বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত আপাতত উচ্ছেদ প্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ জারি করেছে। ফলে বহু হকার ও তাঁদের পরিবারের মধ্যে সাময়িক স্বস্তি ফিরেছে। তবে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই বিতর্কের উপর নজর থাকবে প্রশাসন, আদালত এবং সাধারণ মানুষের।

জুন ১৭, ২০২৬
কলকাতা

একসময় ছিল দেশের ভরসা, আজ বিস্মৃত ইতিহাস! ফের আলোচনায় ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলস

একসময় দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলস। দুই বিশ্বযুদ্ধ থেকে শুরু করে সীমান্ত রক্ষা এবং জঙ্গি দমনএকাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছে এই বাহিনী। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই গৌরব অনেকটাই ফিকে হয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা ও গুরুত্বহীনতার কারণে বাহিনীটি প্রায় বিস্মৃতির আড়ালে চলে গিয়েছে।সম্প্রতি এই বাহিনীকে ঘিরেই নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনা শুরু হয়েছে। দার্জিলিং সফরে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন, ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলসকে আবারও শক্তিশালী করা হবে। তাঁর বক্তব্য, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এক হাজার যুবক-যুবতীকে এই বাহিনীতে নিয়োগের সুযোগ দেওয়া হবে। সেই সঙ্গে মহিলাদের জন্যও উল্লেখযোগ্য সংরক্ষণের কথা জানানো হয়েছে।ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলসের ইতিহাস অত্যন্ত সমৃদ্ধ। ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত এই বাহিনীতে মূলত পাহাড়ি অঞ্চলের যোদ্ধাদের নিয়োগ করা হত। দেশভাগের আগে বিভিন্ন যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তারা। স্বাধীনতার পরও সীমান্ত নিরাপত্তা এবং দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষায় এই বাহিনীর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য।পরবর্তীকালে বিভিন্ন প্রশাসনিক পরিবর্তনের ফলে বাহিনীর গুরুত্ব কমতে শুরু করে। একসময় জঙ্গি দমন অভিযানে নিয়মিত ব্যবহৃত হলেও পরিস্থিতি বদলের সঙ্গে সঙ্গে তাদের ভূমিকা সীমিত হয়ে যায়। ধীরে ধীরে নিয়োগ, পরিকাঠামো এবং আধুনিকীকরণেও গতি কমে আসে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দীর্ঘদিন ধরে এই বাহিনীর উন্নয়ন নিয়ে কার্যকর উদ্যোগের অভাব ছিল। ফলে বহু দক্ষ ও ঐতিহ্যবাহী সদস্য থাকা সত্ত্বেও বাহিনীটি তার পুরনো অবস্থান হারায়।এবার সেই পরিস্থিতি বদলানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকার যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন করে এই বাহিনীকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলে সূত্রের খবর।এছাড়াও ভবিষ্যতে সীমান্ত এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে এই বাহিনীকে ব্যবহার করা হতে পারে বলেও জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি, তবু প্রশাসনিক মহলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানা যাচ্ছে।একসময় যে বাহিনী দেশের নিরাপত্তার অন্যতম স্তম্ভ ছিল, তাকে আবারও সক্রিয় ও শক্তিশালী করার এই উদ্যোগ কতটা সফল হয়, এখন সেদিকেই নজর সকলের।

জুন ১৭, ২০২৬
দেশ

ফের ভাঙনের মুখে উদ্ধব শিবির! হঠাৎ উধাও একাধিক সাংসদ, দিল্লিতে বড় রাজনৈতিক নাটক

মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে ফের বড় অস্থিরতার ইঙ্গিত মিলছে। একসময় শিবসেনা ভেঙে আলাদা শিবির গড়েছিলেন একনাথ শিন্ডে। সেই ঘটনার পর নতুন করে ধাক্কার মুখে পড়তে চলেছে উদ্ধব ঠাকরের দল। সূত্রের খবর, দলের একাধিক সাংসদ আচমকাই যোগাযোগের বাইরে চলে গিয়েছেন। তাঁদের ফোন বন্ধ থাকায় রাজনৈতিক মহলে জল্পনা আরও বেড়েছে।দলীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, অন্তত ছয় থেকে সাতজন সাংসদ শিবির বদলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন দিল্লিতে গিয়ে একনাথ শিন্ডের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন বলেও খবর। এই সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক অন্দরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।জানা গিয়েছে, বেশ কয়েকদিন ধরেই দলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছিল। সেই অসন্তোষই এবার প্রকাশ্যে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। যাঁদের নাম সামনে এসেছে, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরেই দলের গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবে পরিচিত। ফলে তাঁদের সম্ভাব্য বিদ্রোহ উদ্ধব শিবিরের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়াতে পারে।দল ভাঙার এই সম্ভাব্য প্রক্রিয়াকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন একটি নামও ঘুরছে। সূত্রের দাবি, পুরো পরিকল্পনাকে ঘিরে বিশেষ কৌশল নেওয়া হয়েছে এবং সেই কারণেই সাংসদদের আচমকা অদৃশ্য হয়ে যাওয়া নিয়ে এত আলোচনা শুরু হয়েছে।অন্যদিকে উদ্ধব ঠাকরে নিজে এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্ব বিদ্রোহী সাংসদদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত তাঁদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ফলে অনিশ্চয়তা আরও বাড়ছে।এদিকে একনাথ শিন্ডেও বর্তমানে দিল্লিতে রয়েছেন। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, আগামী কয়েক ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। কারণ সম্ভাব্য বৈঠকের পর বিদ্রোহী সাংসদরা নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে পারেন।শিবসেনার প্রতিষ্ঠাতা বাল ঠাকরের আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের জন্য দলের দরজা খোলা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন শিন্ডে শিবিরের এক শীর্ষ নেতা। সেই মন্তব্যের পর থেকেই জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে।একসময় যে দল মহারাষ্ট্র রাজনীতির অন্যতম শক্তিশালী মুখ ছিল, সেই দলের ভবিষ্যৎ এখন নতুন করে প্রশ্নের মুখে। উদ্ধব ঠাকরের নেতৃত্বে থাকা শিবির কি এই ধাক্কা সামলাতে পারবে, নাকি আবারও বড় ভাঙনের সাক্ষী হবে মহারাষ্ট্রসেই উত্তর মিলবে খুব শীঘ্রই।

জুন ১৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মাত্র ২৮ বছরেই ইতিহাসের দরজায় এমবাপে! আর মাত্র তিন গোল, তারপরই বিশ্ব ফুটবলে মহারেকর্ড

বিশ্ব ফুটবলে নতুন ইতিহাস লেখার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন কিলিয়ান এমবাপে। সেনেগালের বিরুদ্ধে দুরন্ত পারফরম্যান্সে জোড়া গোল করে ফ্রান্সকে ৩-১ ব্যবধানে জিতিয়ে রেকর্ডের খাতায় নিজের নাম আরও উজ্জ্বল করে তুললেন এই তারকা ফুটবলার।আট বছর আগে বিশ্বকাপের মঞ্চে এক কিশোরকে দেখে বিস্মিত হয়েছিল ফুটবল বিশ্ব। তাঁর গতি, ড্রিবলিং এবং গোল করার ক্ষমতা নজর কেড়েছিল সকলের। সেই কিশোরই আজ বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার। বয়স এখনও মাত্র ২৮, অথচ ইতিমধ্যেই তিনি পৌঁছে গিয়েছেন একের পর এক ঐতিহাসিক মাইলফলকের সামনে।সেনেগালের বিরুদ্ধে ম্যাচের প্রথমার্ধে ফ্রান্স বেশ কয়েকবার আক্রমণ গড়লেও গোলের দেখা পায়নি। এমবাপেকে কড়া নজরে রেখেছিল প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ। ফলে তাঁকে খুব বেশি জায়গা দেওয়া হয়নি।দ্বিতীয়ার্ধে ফরাসি কোচ একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত পরিবর্তন করেন। এমবাপেকে মাঝের জায়গা থেকে সরিয়ে প্রান্তে খেলানো শুরু হয়। আর সেই পরিবর্তনের ফল মিলতে সময় লাগেনি। ম্যাচের ৬৬ মিনিটে সতীর্থের পাস থেকে গোল করে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন এমবাপে।এরপর ম্যাচের শেষ মুহূর্তে আবারও জ্বলে ওঠেন তিনি। অতিরিক্ত সময়ে দুরন্ত শটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন। সেই গোলেই নিশ্চিত হয় ফ্রান্সের জয়।তবে শুধু ম্যাচ জেতানো নয়, এই দিনটি এমবাপের জন্য বিশেষ হয়ে থাকল আরও একটি কারণে। ফ্রান্সের জার্সিতে তাঁর মোট গোলসংখ্যা পৌঁছে গেল ৫৮-তে। এর ফলে তিনি ছাড়িয়ে গেলেন দেশের প্রাক্তন কিংবদন্তি অলিভিয়ের জিরুকে এবং ফ্রান্সের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে উঠে এলেন।একই সঙ্গে বিশ্বকাপের মঞ্চে তাঁর মোট গোলসংখ্যা দাঁড়াল ১৪। প্রথম বিশ্বকাপে চার গোল, পরের আসরে আট গোল এবং এবার শুরুতেই দুই গোল করে তিনি পৌঁছে গিয়েছেন এই মাইলফলকে। এর ফলে তিনি ছাড়িয়ে গিয়েছেন ফরাসি কিংবদন্তি জুল ফন্টেকেও।এখন বিশ্ব ফুটবলের নজর একটাই প্রশ্নে। আর মাত্র তিন গোল করলেই বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড স্পর্শ করবেন এমবাপে। বয়স, ফর্ম এবং ধারাবাহিকতা বিচার করলে সেই রেকর্ড ভাঙা সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও প্রমাণ হল, কিলিয়ান এমবাপে শুধু বর্তমানের তারকা নন, তিনি ভবিষ্যতের এক জীবন্ত কিংবদন্তি। আর সেই কিংবদন্তির নতুন অধ্যায় দেখার অপেক্ষায় এখন গোটা ফুটবল বিশ্ব।

জুন ১৭, ২০২৬
কলকাতা

মেসিকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ! কলকাতা পুলিশকে চিঠি, উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

মেসিকে ঘিরে বিতর্কে ফের নতুন মোড়। এবার কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছে চিঠি পাঠালেন আর্জেন্টিনার মহাতারকার ম্যানেজমেন্ট টিমের প্রতিনিধিরা। সেই চিঠিতে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। পাশাপাশি মাঠে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে, যা নিয়ে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে।চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, মেসির মাঠে উপস্থিতির সময় নির্দিষ্ট কিছু নিরাপত্তা বিধি আগে থেকেই ঠিক করা ছিল। সেই নিয়ম অনুযায়ী মাঠের ভেতরে কোনও বিশেষ অতিথি বা ভিআইপির থাকার অনুমতি ছিল না। শুধুমাত্র কয়েকজন অনুমোদিত ক্যামেরা কর্মী উপস্থিত থাকতে পারতেন। কিন্তু সেই নিয়ম মানা হয়নি বলে অভিযোগ।ম্যানেজমেন্ট টিমের দাবি, নির্ধারিত তালিকার বাইরে একাধিক ব্যক্তি মাঠে প্রবেশ করেছিলেন। এমনকি অনেক অননুমোদিত ফটোগ্রাফার ও ক্যামেরা কর্মীকেও সেখানে দেখা যায়। এর ফলে মাঠের পরিবেশ বিশৃঙ্খল হয়ে ওঠে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়ে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, কিছু ব্যক্তি বারবার মেসির খুব কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এতে তাঁর ব্যক্তিগত পরিসর ও স্বাচ্ছন্দ্য নষ্ট হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে পরিকল্পিত কিছু কর্মসূচি বাতিল করে নির্ধারিত সময়ের আগেই মাঠ ছেড়ে যেতে বাধ্য হন মেসি এবং তাঁর দলের সদস্যরা।এই ঘটনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন মেসির ভারত সফরের উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত। তাঁর দাবি, মেসির সফরের পরামর্শদাতা ও প্রতিনিধি পুলিশকে পাঠানো ইমেলে স্পষ্টভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ব্যর্থতার কথা উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, মাঠে বহু অননুমোদিত ব্যক্তি প্রবেশ করেছিলেন এবং সেই কারণেই সফরের কিছু অংশ বাতিল করতে হয়েছিল।শতদ্রু দত্ত আরও দাবি করেছেন, এতদিন যেসব অভিযোগ সামনে আনা হয়েছিল, সেই চিঠি নাকি তারই সমর্থন করছে। তাঁর মতে, ঘটনাস্থলে উপস্থিত একজন প্রত্যক্ষদর্শী এই অভিযোগগুলির কথা লিখিতভাবে জানিয়েছেন। ফলে পুরো বিষয়টি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।এদিকে সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মঞ্চে হ্যাটট্রিক করে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন মেসি। সেই আবহের মধ্যেই এই চিঠি সামনে আসায় বিতর্ক আরও বেড়েছে। ফুটবল মহল থেকে রাজনৈতিক মহলসব জায়গাতেই এখন আলোচনা একটাই, যুবভারতীতে সেদিন আসলে কী ঘটেছিল?চিঠির বিষয়বস্তু প্রকাশ্যে আসার পর গোটা ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে তদন্ত ও আলোচনার দাবি উঠেছে। আগামী দিনে এই বিতর্ক কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর সকলের।

জুন ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal