• ১ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার ১৭ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

খেলার দুনিয়া

খেলার দুনিয়া

ভারতীয় ক্রিকেটের নক্ষত্রপতন, ২২ বছরের কেরিয়ারে ৪০টি টেস্ট খেলেছেন

ভারতীয় ক্রিকেট থেকে এক মহানক্ষত্র খসে পড়ল। চলে গেলেন প্রাক্তন ক্রিকেটার অংশুমান গায়কোয়াড়। বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ক্যানসারে ভুগছিলেন। তাঁর চিকিৎসার জন্য ভারতীয় বোর্ড পাশে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু শেষরক্ষা হল না।বুধবার রাতে রোগভোগের পরে প্রয়াত হলেন এই নামী ক্রিকেটার তথা ভারতীয় দলের প্রাক্তন কোচও। চিকিৎসার জন্য লন্ডনে গিয়েছিলেন তিনি। ফিরে এসেছিলেন তাঁর নিজের শহর বরোদায়। সেখানেই রাতে তাঁর জীবনদীপ নিভে গিয়েছে।গায়কোয়াড়ের পাশে শেষপর্যন্ত ছিলেন তাঁর প্রাক্তন সতীর্থরা। কপিল দেব থেকে দিলীপ ভেঙসরকার সবাই পাশে ছিলেন তাঁর। এমনকী যখন চিকিৎসার জন্য লন্ডন যান, সেইসময় তাঁর হাত ফাঁকা ছিল। কপিল ভারতীয় বোর্ড কর্তাদের অনুরোধ করেছিলেন যাতে অংশুমানের পাশে থাকে। সেইমতো বোর্ড তাঁকে এক কোটি টাকা অর্থ সাহায্যও করেছিল। ২২ বছরের কেরিয়ারে ৪০টি টেস্ট খেলেছেন তিনি। ১৯৭৪ সালে ইডেন গার্ডেন্সে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে অভিষেক হয়। ৪০টি টেস্টে রান করেছিলেন ১৯৮৫। দুটি সেঞ্চুরি এবং ১০টি হাফসেঞ্চুরি ছিল। সর্বোচ্চ রান ২০১ চেন্নাইতে। মোট ১৫টি ওয়ান ডে ম্যাচে ২৬৯ রান করেন। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১২১৩৬ রান করেন, সেঞ্চুরির সংখ্যা ৩৪টি। তিনি সুনীল গাভাসকারের সঙ্গে টেস্টে ওপেনে নামতেন।

আগস্ট ০১, ২০২৪
খেলার দুনিয়া

আন্তর্জাতিক হাঁটা প্রতিযোগিতায় বড় কীর্তি বাংলার গৃহবধূর, সংসার সামলে এমন সাফল্যে প্রশংসার ঝড়

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক প্রাপ্তবয়স্কদের হাঁটা প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক পেলেন মালদার গৃহবধূ। সংসার সামলে সুপ্রিয়া দাসের এমন কীর্তিতে রীতিমতো প্রশংসার ঝড় বইছে মালদায়। এমনকি সুপ্রিয়াদেবীর আন্তর্জাতিক স্তরের ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সাফল্যের জন্য সাধুবাদ জানিয়েছেন মালদা জেলা জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তারা। এর আগেও হেঁটে একাধিক পদক জিতেছেন মালদার গৃহবধূ সুপ্রিয়া দাস। এবার বিশ্বসেরার খেতাব। দুই কিলোমিটার হেঁটে বিশ্বসেরা হলেন সুপ্রিয়াদেবী। তবে শুধুমাত্র হেঁটে নয়, পাশাপাশি রিলে দৌড় ও দৌড় প্রতিযোগিতাতেও একাধিক পদক জমিতেছেন সুপ্রিয়া দেবী। বাংলাদেশে আয়োজিত আন্তর্জাতিক প্রাপ্তবয়স্কদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশ নেন মালদার সুপ্রিয়া দাস। তাঁর স্বামী রাজু দাস পেশায় পুলিশ কর্মী। ছোট বেলা থেকেই খেলাধুলায় বিশেষ আগ্রহ ছিল সুপ্রিয়া দাসের। কিন্তু বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর আর তেমন খেলাধুলা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। সংসার সামলে প্রায় ১৪ বছর পর ২০২৩ সালে আবার শুরু করেন অনুশীলন। গত এক বছরে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরের অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতায় একাধিক সাফল্য এসেছে। ইতিমধ্যে একাধিক পদক জিতেছেন তিনি।গত ২৭ ও ২৮ জুন বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয় ইন্টারন্যাশনাল ওপেন ভ্যাটেনারি অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশিপ। সেখানে বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীরা অংশগ্রহণ করেন। মালদার গৃহবধূ সুপ্রিয়া দাস জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতায় সাফল্যের সুবাদে সেখানে সুযোগ পান। দুই কিলোমিটার হাঁটা প্রতিযোগিতায় স্বর্ণ পদক পেয়ে বাংলার নাম উজ্জ্বল করেছেন মালদার এই গৃহবধূ। পাশাপাশি রিলে দৌড় ও দৌড় প্রতিযোগিতায় আরও চারটি পদক পেয়েছেন। দুটি দ্বিতীয় ও দুটিতে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন। গত এক বছরে একাধিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরের প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক জিতেছেন তিনি। সংসারের সমস্ত কাজের ফাঁকে যেটুকু সময় পান মালদা শহরের পুলিশ লাইন মাঠ অথবা বৃন্দাবন ময়দানে অনুশীলন করেন সুপ্রিয়া দাস। নিজ প্রচেষ্টায় নিয়মিত অনুশীলন করেই প্রাপ্তবয়স্কদের এই অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতায় নেমে সাফল্য অর্জন করছেন তিনি। তাঁর সাফল্যে খুশি পরিবার থেকে জেলার ক্রীড়া প্রেমী মানুষেরা।

জুলাই ১৮, ২০২৪
খেলার দুনিয়া

ইচ্ছা থাকলে কোনও বাধা আটকাতে পারে না, বাঙালির এই কীর্তিতে আপনারও গর্ব হবে

ত্রিপুরার বাপি দেবনাথ দীর্ঘ দিন ধরে থাকেন কলকাতায়। সাধারণ সিঙ্গল গিয়ার সাইকেল নিয়ে বেরিয়েছিলেন অভিষ্ঠ লক্ষ্যে। ২১ মে ২০২৪ কলকাতা থেকে যাত্রা শুরু করেন মাউন্ট এভারেস্টের উদ্দেশে। বাপি ওরফে নীলের যাত্রাপথ ছিল কলকাতা, বেনারস, অযোধ্যা, সানহলি বর্ডার, কাঠমান্ডু, গুরমি, সেলেরি, নামচিবাজার হয়ে এভারেস্টের বেস ক্যাম্প। ১৪ জুলাই ২০০৪, ১০টা ৫৫ মিনিট এভারেস্ট বেস্ট ক্যাম্পে পৌঁছান বাপি।বাপি দেবনাথ বলেন, প্রথম বাঙালি সাইক্লিস্ট হিসাবে আমি এই রেকর্ড করেছি। সাইকেল নিয় কলকাতা থেকে মাউন্ট এভারেস্ট পৌঁছানো। ভারতের তৃতীয় সাইক্লিস্ট, প্রথম বাঙালি। বিশ্বের অষ্টম সাইক্লিস্ট। আমি পুরো সাইকেল জার্নিটা আমার বাবাকে উৎসর্গ করেছিলাম। এখানকার অফিসিয়ালরা জানিয়েছে এটা একটা রেকর্ড। যে রেকর্ড করবো তা জানতাম না। ত্রিপুরা ও পশ্চিমবাংলার বাসিন্দাদের বাসীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন আগরতলার চন্দ্রপুরের এই বাসিন্দা। কাজ করেন সিনেমাটোগ্রাফি ও এডিটিংয়ের। নেশা সাইকেল নিয়ে ঘুরে বেড়ানো। ঘুরে বেড়াতে বেড়াতে পৌঁছে গিয়েছেন এভারেস্টের বেস ক্যাম্পেই। বাপি বলেন, বাঙালি হিসাবে এটা আমার বড় প্রাপ্তি। আমাকে সাপোর্ট করার জন্য় প্রত্যেককে ধন্যবাদ। ভারতের জন্য়ও বড় প্রাপ্তি। এটাই বলব অসম্ভব বলে কিছু নেই। শুধু ইচ্ছাশক্তি থাকা চাই। অনেক দুর্গম রাস্তা দিয়ে আসতে হয়েছে। পথে মৃত্যু মুখে পড়তে হয়েছে। তবে আমার লক্ষ্য ছিল এই অভিযান আমাকে যে কোনও মূল্যে সম্পূর্ণ করতে হবে। আগামী দিনে আরও লক্ষ্য রয়েছে। সেগুলি পূরণ করার চেষ্টা করব।

জুলাই ১৮, ২০২৪
খেলার দুনিয়া

১৯৮৩-২০২৪ ব্যবধান ৪১ বছর হলেও, একসুত্রে ধরা পরলো কপিল-সূর্য-র 'ক্যাচ'-এ

ভারতীয় ক্রিকেট দল শনিবার বর্বাডোসে ২০২৪-র টি-২০ বিশ্বকাপ জয়লাভ করে ক্রিকেট ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় শুরু করেছে। মেন ইন ব্লু চূড়ান্ত খেলায় দক্ষিণ আফ্রিকাকে সাত রানে হারিয়ে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ট্রফি জিতেছে। ১১ বছরের দীর্ঘ আইসিসি ট্রফির খরার অবসান ঘটে। এশিয়ান জায়ান্টরা শেষবার ২০১৩ তে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছিল।ভরতের বারা ভাতে ছায় দিয়ে দিয়েছিলো অক্ষর প্যাটেলের ১৫ তম ওভার। হেনরিক ক্লাসেন অক্ষর প্যাটেলের ওই ওভারে ২৪ রান নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে প্রায় জয়ের দোরগোড়ায় নিয়ে আসেন। ঠিক যখন ম্যাচটি ভারত হাত থেকে সরে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে, ঠিক সেই সময় ১৬ তম ওভারে হার্দিক পান্ড্য বল করতে এসেই বিপজ্জনক ক্লাসেনকে উইকেটের পিছনে ধরা দিতে বাধ্য করেন। এক্ষেত্রে উইকেটরক্ষক ঋষভ পন্থ কোনও ভুল করেননি। অক্ষর প্যাটেলের ওভারে বিশাল রান হওয়ার সাথে সাথে কমেন্ট্রী বক্সে বহু যুদ্ধের নায়ক রবি শাস্ত্রী কে বলতে শোনা যায়, যখন ব্যাটারকে কোনও কিছুতেই পরাস্ত করা যাচ্ছে না তখন মোমেন্টাম ব্রেক করতে হয়। মানে সাময়িক বিরতি খেলোয়ারের মনচ্যুতি বা ধৈর্জচ্যুতি ঘটে, এখানে লক্ষনীয় ঋষভ পন্থ পায়ে চোটের জন্য ফিজিও ডেকে ৩-৪ মিনিট সময় ব্রেক নিলেন। তাতেই কাজ। ক্লাসেন ধৈর্জ হারিয়ে বাইরের বল তারা করে উইকেটের পিছনে ধরা পরলেন।ক্রিজে ডেভিড মিলারের সাথে জনসেন, প্রোটিয়ারা তখনও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে, তাঁরা নিশ্চিত ছিল এই ম্যাচ তাঁরা বের করে নিতে পারবে। ক্লাসেনের বিদায়ের পরের তিনটি ওভার আরশদীপ, বুমরা, হ্রাদিক যেন অলৌকিক স্পেলিং করলেন। বল-রান প্রায় সমান-সমান অবস্থা থেকে আস্কিং রেট ক্রমশ বারতে থাকে। চাপ বাড়ে সাউথ আফ্রিকার। শেষ ওভার কে বল করবে এই নিয়ে ভাবনার মাঝেই হ্রাদিক বল হাতে রান-আপে দাঁড়ায়। ভারতীয় দলের দিকপাল ফিল্ডাররা তখন বাউন্ডারি লাইনের গা ঘেঁশে দাঁড়িয়ে। হ্রাদিকের ২০ তম ওভারের প্রথম বল, কিলার মিলার সোজা লং অফের দিকে তুলে মাড়লেন, হৃদস্পন্দন সাময়ীক ছন্দ হারালো বল মাঠের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে। সবাই যখন বলটাকে মাঠের বাইরে যেতে দেখছে, একজন কিন্তু ওটাকে বিশ্বকাপ দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখছিলেন। লং অফ বাউন্ডারিতে দাড়িঁয়ে ধীর শান্ত ভাবে বলটিকে তালুবন্দি করলেন, নিজের ভারসাম্য ঠিক রাখার জন্য তালুবন্দি বলটিকে হাওয়ায় ভাসিয়ে দিয়ে মাঠের বাইরে গিয়ে ভারসাম্য ঠিক করে আবার মাঠে ঢুকে ফাইনালি বিশ্বকাপ (বল) তালুবন্দি করলেন সূর্যকুমার যাদব। তাঁর এই শান্ত মাথা তাঁকে চাপের মধ্যে সর্বকালের অন্যতম সেরা ক্যাচ নিতে সাহায্য করেছিল।তাঁর এই অনবদ্য ক্যাচ ক্রিকেট ইতিহাসে আইসিসি বিশ্বকাপ ফাইনালে ইভেন্টে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ক্যাচ হয়ে থাকলো। অবধারিত ভাবেই সূর্যকুমার যাদবের এই মহাকাব্যিক ক্যাচ ১৯৮৩-র বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারত অধিনায়ক কপিলদেবের ঐতিহাসিক ক্যাচ নেওয়ার কথা মনে করিয়ে দেয়। সেদিনও মদনলালের বলে ভিভিয়ান রিচার্ডসের ডিপ মিড-উইকেটে তোলা উঁচু ক্যাচ কপিল দেব প্রায় ২৫ মিটার পিছনে দৌড়ে গিয়ে অসামান্য দক্ষতায় তালুবন্দি করেন। সেদিনও ভিভ রিচার্ডস না ফিরলে ভারতের বিশ্বকাপ জয় হয়ত বা সম্ভব হত না। ৪১ বছর পর, সূর্যকুমার যাদবও শেষ ওভারে তার খেলা পরিবর্তনকারী ক্যাচ দিয়ে ভারতের ভাগ্য পরিবর্তন করলেন। যদিও কপিলের ক্যাচ ভারতীয় ক্রিকেটের চেহারা চিরতরে বদলে দিয়েছে, সূর্যকুমার যাদব ভারতীয় ক্রিকেটের ১১ বছরের দীর্ঘ যন্ত্রণার অবসান ঘটিয়েছে কারণ রোহিতের অধিনায়কত্বে এই দলটি অধীর আগ্রহে আইসিসি খেতাবের জন্য অপেক্ষা করেছিল। ভারতীয় ক্রিকেট তাদের ক্রিকেট ইতিহাসে আরেকটি গৌরবময় অধ্যায় শুরু করার সাথে সাথে, কপিলদেব এবং সূর্যকুমার যাদব তাদের দুর্দান্ত ফিল্ডিং দিয়ে দলের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

জুন ৩০, ২০২৪
খেলার দুনিয়া

দেশের হয়ে শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলে ফেললাম, বিশ্বকাপ জিতে সমর্থকদের কাঁদালেন বিরাট কোহলি

বিশের বিশ্বযুদ্ধে আর পাওয়া যাবেনা তাঁকে। ক্রিকেট মহাকাব্যের রূপকথার নায়ক পরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আর খেল্বেন না। বিশ্বকাপ জিতেই এই ফরম্যাট থেকে তাঁর এই অবসরের কথা ঘোষনা করলেন বিরাট কোহলি। সারা টুর্নামেন্ট নিস্প্রভ থেকেও ফাইনালে জ্বলে ওঠেন বিরাট। ম্যাচের সেরার খেলোয়ারের পুরস্কার নিতে এসে নিজের মুখেই অবসরের কথা ঘোষণা করে দিলেন তিনি। হর্ষ ভোগলের প্রশ্নের উত্তরে জানালেন, টি=২০ বিশ্বকাপ ফাইনালই তাঁর শেষ টি-২০ বিশ্বকাপ ম্যাচ হয়ে থাকল। তিনি আরো জানান, পরের প্রজন্মকে জায়গা ছেড়ে দিতেই তাঁর এই সিদ্ধান্ত।শনিবারের ক্রিকেটের মহারনে প্রচণ্ড ধৈর্যশীল এক ইনিংস খেলে ৭৬ রান করেন। গোটা টুর্নামেন্টে চুড়ান্ত সফল ব্যাটার রোহিত শর্মা ফাইনালে প্রথমেই ফিরে যাওয়ায় বিরাটের ওপর বিশাল চাপ এসে পরে। ক্রিকেট দেবতার বরপুত্র চাপ কাটিয়ে ধীরে ধীরে এল আসাধরণ ইনিংস খেললেন কোহলি। শেষ পর্যন্ত তাঁর ওই ইনিংস-ই ভারতকে বড় স্কোরে দাঁড় করিয়ে দেয়। বিরাট কোহলি ম্যাচের সেরার পুরস্কার নিতে এসে বলেন, এটাই আমার শেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ছিল। ঠিক যেটা অর্জন করতে চেয়েছিলাম সেটাই করেছি। মাঝে মাঝে এটা মনে হয় যে আপনি হয়তো রান পাচ্ছেন না। তার পরেই একটা বড় রান চলে আসে। আসলে আমার কাছে ব্যাপারটা ছিল, হয় এখন, না হলে কখনও নয়।তাঁর আগে অবধি কেউ আন্দাজ করতে পারেননি যে এর পর তিনি সেই সাঙ্ঘাতিক সিদ্ধান্তের কথা জানাবেন! হর্ষের পরবর্তী প্রশ্নের উত্তরে কোহলি বলেন, এটাই ভারতীয় দলের হয়ে আমার শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ ছিল। আমরা বিশ্বকাপ জিততে চেয়েছিলাম। জোর করে কোনও পরিস্থিতি তৈরি করার থেকে পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া উচিত। সবাই জানত এর পরে কী হতে চলেছে। এটাই সময় নতুন প্রজন্মের হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়ার। অসাধারণ সব ক্রিকেটার রয়েছে আমাদের ভারতীয় দলে। ওরাই দলকে পরবর্তী সময়ে সঠিক পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং দলকে আরও উঁচুতে তুলবে।

জুন ৩০, ২০২৪
খেলার দুনিয়া

ওস্তাদের 'বিরাট' মার শেষ রাতে! ১৩ বছর পর বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারত

ভারতের ১৭৬ রান টপকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে টি-২০ বিশ্বকাপ ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার রথ থেমে গেল ১৬৯ রানে। ভারতের ১১ বছর পর আইসিসি ট্রফি খরা কাটল। প্রতিযোগিতায় অপরাজিত থেকে এবারের টি-২০ বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন ভারত। ভারতই প্রথম দেশ যারা অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন।রোহিতের নেতৃত্বে ভারত টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভার ৭ উইকেটে তোলে ১৭৬ রান। সারা টুর্নামেন্টে সেভাবে নিজেকে মেলে ধরতে না পারলেও, চূড়ান্ত খেলায় মেলে ধরলেন নিজেকে, কোহলি একাই করেছেন ৭৬ রান। এ যেন ওস্তাদের মার শেষ রাতে। ফাইনালে ভারত দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৭ রানে হারাল।হার্দিকের বলে ঋষভ পন্থের হাতে ধরা পড়লেন হেনরিখ ক্লাসেন। যার ফলে, সংকটজনক পরিস্থিতিতে বড় সাফল্য পেল ভারত। ক্লাসেন ২৬ বলে ৫২ রান করেছেন। ২টো চার ও ৫টা ছয় মেরেছেন। এরপর মার্কো জানসেনকে ২ রানে বোল্ড করে ফিরিয়ে দেন বুমরাহ। শেষলগ্নে দক্ষিণ আফ্রিকার কফিনে পেরেক পুঁতে ডেভিড মিলারকে ফিরিয়ে দেন হার্দিক পান্ডিয়া। মিলার ১টি চার ও ১টি ছয় সহযোগে ১৭ বলে ২১ রান করার পর সূর্যকুমার যাদবের হাতে ধরা পড়েন।দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটারদের হাতে বেধড়ক মার খেলেন কুলদীপ যাদব ও অক্ষর প্যাটেল। কুলদীপ গোটা টুর্নামেন্টে ভালো খেললেও এই ম্যাচে ৪ ওভারে ৪৫ রান দিয়েছেন। তিনি একটাও উইকেট পাননি। অন্যদিকে অক্ষর প্যাটেল ৪ ওভারে ৪৯ রান দিয়েছেন। শুধু ট্রিস্টান স্টাবসের উইকেট পেয়েছেন। অলরাউন্ডার অক্ষর অবশ্য ব্যাটিংয়ে ফাইনালের দর্শকদের তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। তিনি ১টি চার আর ৪টি ছয় সহযোগে ৩১ বলে ৪৭ রান করেন।ক্লাসেন ২৬ বলে ৫২ রান করেছেন। মিলার ৯ বলে ১৫। জয়ের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার ২৪ বলে ২৬ রান প্রয়োজন। ক্লাসেন ২টো চার ও ৫টা ছয় মেরেছেন। ক্লাসেন কাঁপুনি ধরিয়ে দিয়েছিল ভারতীয় বোলারদের। একটা সময় তো মনে হচ্ছিল ম্যাচের রাশ ভারতের হাত থেকে ফসকে যাচ্ছে।পুরো টুর্নামেন্টে ঘারাবাহিকভাবে ব্যর্থ কিংবদন্তি ক্রিকেটার বিরাট কোহলি শনিবার বার্বাডোজে টি-২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে জ্বলে ওঠেন। মধ্যে কয়েকটা বল নষ্ট করলেও রীতিমতো ধরে খেলে অর্ধশতক পূর্ণ করতেই তিনি ফেরেন চেনা ছন্দে। ৬টি চার এবং ২টি ছয় মেরে ৫৯ বলে ৭৬ রান করেন। শেষে মার্কো জানসেনের বলে কাগিসো রাবাদার হাতে ধরা পড়েন কোহলি। যার জেরে ভারতের ৫ম উইকেটের পতন হয়। অক্ষর প্যাটেলও দুর্দান্ত খেলেছেন। ১টি চার আর ৪টি ছয় সহযোগে ৩১ বলে ৪৭ রানও করেন। কিন্তু, অর্ধশতকের মুখে কুইন্টন ডি কক রান আউট করে দেন অক্ষর প্যাটেলকে। শিবম দুবে ৩টি চার ও ১টি ছয় সহযোগে ১৬ বলে ২৭ রান করেছেন। এছাড়া ভারতের বাকিরা দুই অঙ্কের ঘরে প্রবেশ করেনি।

জুন ৩০, ২০২৪
খেলার দুনিয়া

T-20 ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি ভারত, ইংল্যান্ডকে ফুৎকারে উড়িয়ে দিল রোহিতরা

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে টি টোয়েন্টি ফাইনালে রোহিতদের ভারত। এবার সামনে শুধু দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে ফাইনালের লড়াই জোরদোর হবে বলেই মনে করছে অভিজ্ঞমহল। ভারতের ১৭১ রান তাড়া করতে নেমে ৮ বলে ৫ রান করে জসপ্রিত বুমরাহর বলে ফিরে যান ওপেনার ফিল সল্ট। অপর ওপেনার তথা উইকেটকিপার-অধিনায়ক জস বাটলার অক্ষর প্যাটেলের বলে ঋষভ পন্থের হাতে ধরা পড়েন। বাটলার ১৫ বলে ৪টে চার সহযোগে ২৩ রান করেছেন। অক্ষর প্যাটেলের বলে বিনা রানে ফিরে যান জনি বেয়ারস্টো। অক্ষর প্যাটেলের বলে মঈন আলিকে স্ট্যাম্পড করেন ঋষভ পন্থ। ৪ বলে ২ রান করে কুলদীপ যাদবের বলে এলবিডব্লিউ হন সাম কুরান। কুলদীপ যাদবের বলে বোল্ড হন হ্যারি ব্রুক। তার আগে ব্রুক ৩টে চার সহযোগে ১৯ বলে ২৫ রান করেছেন। ৫ বলে ১ রান করে কুলদীপ যাদবের বলে এলবিডব্লিউ হন ক্রিস জর্ডান। ২ বলে ২ রান করা আদিল রশিদকে রান আউট করেন সূর্যকুমার যাদব। তার মধ্যেই চেষ্টা করছিলেন জোফ্রা আর্চার। তিনি ১টি চার ও ২টি ছয়-সহ ১৫ বলে ২১ রান করেন। এই সময় জসপ্রিত বুমরাহর বলে এলবিডব্লিউ হন আর্চার। যার জেরে ১৬.৪ ওভারে ১০ উইকেটে ১০৩ রানে থেমে যায় ইংল্যান্ডের ইনিংস।প্রত্যাশা ছিলই। বিশেষজ্ঞরা বলছিলেন, ভারতের লুকোনো অস্ত্র। তার ওপর গায়ানার স্পিনার সহায়ক পিচ। আর তাতেই কবজির মোচড়ে ইংল্যান্ডের ব্যাটিং অর্ডারে ধস নামিয়ে দিলেন ভারতের স্পিনার কুলদীপ যাদব। ৪ বলে ২ রান করে কুলদীপ যাদবের বলে এলবিডব্লিউ হন সাম কুরান। কুলদীপ যাদবের বলে বোল্ড হন হ্যারি ব্রুক। তার আগে ব্রুক ৩টে চার সহযোগে ১৯ বলে ২৫ রান করেছেন। ৫ বলে ১ রান করে কুলদীপ যাদবের বলে এলবিডব্লিউ হন ক্রিস জর্ডান। কুলদীপ যাদবের বলেই রান নেওয়ার সময় রান আউট হন লিয়াম লিভিংস্টোন। তিনি ১৬ বলে ১১ রান করেছেন।ইংল্যান্ড ১০ ওভার ১ বলে ছয় উইকেট হারিয়েছে। ৮ বলে ৫ রান করে জসপ্রিত বুমরাহর বলে ফিরে গিয়েছেন ওপেনার ফিল সল্ট। অপর ওপেনার তথা উইকেটকিপার-অধিনায়ক জস বাটলার অক্ষর প্যাটেলের বলে ঋষভ পন্থের হাতে ধরা পড়েছেন। বাটলার ১৫ বলে ৪টে চার সহযোগে ২৩ রান করেছেন। অক্ষর প্যাটেলের বলে বিনা রানে ফিরে যান জনি বেয়ারস্টো। অক্ষর প্যাটেলের বলে মঈন আলিকে স্ট্যাম্পড করেন ঋষভ পন্থ। ৪ বলে ২ রান করে কুলদীপ যাদবের বলে এলবিডব্লিউ হন সাম কুরান। কুলদীপ যাদবের বলে বোল্ড হন হ্যারি ব্রুক। তার আগে ব্রুক ৩টে চার সহযোগে ১৯ বলে ২৫ রান করেছেন। ৫ বলে ১ রান করে কুলদীপ যাদবের বলে এলবিডব্লিউ হন ক্রিস জর্ডান।২০ ওভারে ৭ উইকেটে ভারত তুলল ১৭১ রান। সর্বোচ্চ ৫৭ রান করেছেন অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তিনি ৬টি চার ও ২টি ছয় সহযোগে ওই রান করেন। সহ-অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া করেছেন ১টি চার ও ২টি ছয় সহযোগে ১৩ বলে ২৩ রান। ক্রিস জর্ডানের বলে হার্দিকের ক্যাচ নেন সাম কুরান। হার্দিক আউট হতেই নেমেছিলেন শিবম দুবে। কিন্তু, তিনি প্রথম বলেই বিনা রানে মুখ দেখিয়ে ফিরে যান। জর্ডানের বলে দুবের ক্যাচ নেন জস বাটলার। একটি ছয়-সহ ছয় বলে ১০ রান করে ক্রিস জর্ডানের বলে ফিল সল্টের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান অক্ষর প্যাটেল।

জুন ২৮, ২০২৪
খেলার দুনিয়া

১০ জনে খেলেও প্রথমবার আইএসএল লিগ-শিল্ড চাম্পিয়ান মোহনবাগান

ইতিহাস তৈরি করল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। আইএসএল প্রতিযোগিতার দশ বছরের ইতিহাসে মোহনবাগান এই প্রথম লিগ-শিল্ড জিতল মোহনবাগান। বাংলা নববর্ষের দিন বার পুজো করে দ্বিতীয় দিনেই সাফল্য। সোমবার কোলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ফুটবলের মহারণে মুম্বই সিটি এফসি-কে ২-১ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে দিল। মোহনবাগানের হয়ে গোল দুটি করেন লিস্টন কোলাসো এবং জেসন কামিংস।খেলার শেষ মুহুর্তে মুম্বই এফসির একমাত্র গোলটি করেন লালিয়ানজুয়ালা ছাংতের। ২০২৩ এ আইএসএলের ট্রফি মোহনবাগান জয়লাভ করলেও লিগ-শিল্ড কখনও জেতেনি তারা। আন্তোনিয়ো হাবাসের দলের অধরা স্বপ্নও পূরণ হয়ে গেল ২০২৪ এ। মোট ২২ টি ম্যাচ খেলে ৪৮ পয়েন্ট নিয়ে লিগ-শিল্ড শেষ করল তারা। আইএসএল ট্রফি জিতে ডাবল করার সুযোগ এখন মোহনবাগানের সামনে।খেলার শুরু থেকেই বারবার আক্রমণে উঠে মোহনবাগান রক্ষণভাগকে বিব্রত করতে থাকে মুম্বাই এফসি। আক্রমনের চাপে বেশ কয়েকটি কর্নার আদায় করে নিয়েছে মুম্বাই। খেলার ১৭ মিনিটের মাথায় হলুদ কার্ড দেখেন শুভাশিস।LISTON COLACO SENDS THE CROWD CRAZY!!! 🔥🔥🔥Watch #ISL 2023-24 live on @JioCinema , @sports18 @vh1india 👉 https://t.co/lCKd3AbGTl#MBSG #JoyMohunBagan #আমরাসবুজমেরুন #ISL10 #LetsFootball #ISLonJioCinema pic.twitter.com/97oz51PuGo Mohun Bagan Super Giant (@mohunbagansg) April 15, 2024২৮ মিনিটে মোহনবাগানের হয়ে খেলার প্রথম গোলটি করেন লিস্টন কোলাসো। মুম্বই সিটির বিরুদ্ধে মোহনবাগান ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় হাবাসের দল। বক্সের বাঁদিকে বল পেয়েছিলেন কোলাসো। তাঁর সামনে ছিলেন মুম্বাইয়ের বিপিন সিংহ। বিপিনকে এক ঝটকায় ডানদিকে মচ্র দিয়ে বাঁদিক দিয়ে বল কাটিয়ে নিয়েই সোজা জালে জড়িয়ে দেন লিস্টন।খেলার প্রথম দিকেই গোল পেয়ে যাওয়ায়, যুবভারতীর মোহন সমর্থদের প্রবল হর্ষ ধ্বনিতে তখন কান পাতা দায়। সবুজ-মেরুনে সমর্থকে ভরা যুবভারতী তখন মোহনবাগানের ঘরের মাঠ। আনুমানিক ৪৬ হাজার ফুটবল প্রেমী এদিন যুবভারতী স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে হাজিত হয়েছেন। বলাবাহুল্য তাঁরা সকলেই ছিলেন মোহনবাগান সমর্থক।গোল খেয়ে পেছিয়ে গিয়েও হাল ছাড়েনি মুম্বাই এফসি। বারবার প্রতি আক্রমণে এসে বিব্রত করতে থাকে বাগানিদের। এই রকমই এক আক্রমণ থেকে গোল করার সুযোগ পেয়ে যায় তারা। গোলের সিজোগ নষ্ট করে মুম্বইয়ের ছাংতে। মুম্বাইয়ের পেরেদা দিয়াজ় বল ভাসিয়েছিলেন মোহনবাগানের বক্সে ছাংতের উদ্দেশে। কিন্তু সেই ছাংতে বলের আন্দাজ বুঝতে পারেননি। ছাংতে বলে ঠিক মতো পা লাগাতে না পারায় কোনও অঘটন ঘটেনি।খেলায় গতি আনতে মুম্বই এফ সি খেলোয়াড় বদল করে। তারা তিরিকে বসিয়ে সেই জায়গায় নামলেন ইয়াকুব ভজতাস।৬১ মিনিটে মোহনবাগান ও দু - দুটি বদল করে, সবুজ-মেরুন সাদিকু এবং কাউকোকে তুলে নেয়। তদের জায়গায় হাবাস নামান কামিন্স এবং হামিল-কে।CHECKMATE ♟️🃏Watch #ISL 2023-24 live on @JioCinema, @sports18 @vh1india 👉 https://t.co/lCKd3Ab93N#MBSG #JoyMohunBagan #আমরাসবুজমেরুন #ISL10 #LetsFootball #ISLonJioCinema pic.twitter.com/1XnEdAeicz Mohun Bagan Super Giant (@mohunbagansg) April 15, 2024গোলের ব্যবধান কম থাকায় দুদলই মাঝমাঠের দখল নেওয়ার চেষ্টায় মরীয়া হয়ে ওঠে। মুম্বাইয়ের আক্রমণের ঝাঁঝ প্রতিহত করতে খেলার গতিকে মন্থর করে দিতে হাবাসে মোহনবাগান নানা আছিলায় সময় নষ্টের চেষ্টা করছে। এক গোলে এগিয়ে থাকার সুবিধা নিতে তারা গতি মন্থরতার স্ট্রেটেজি নিয়েছে বলে বিশেষজ্ঞ মহলের ধারনা। এদিকে মুম্বাই ও খেলার ঝাঁজ বাড়াতে প্রতি আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করে গেছে বারবার। কিন্তু মোহনবাগানের জমাট রক্ষণে প্রতিহত হয়ে ফিরে এসেছে সেই সমস্ত আক্রমণ।দুই দলের দুজন হলুদ কার্ড দেখেন! মোহনবাগানের দীপক টাংরি এবং মুম্বইয়ের ভান নিফ। খেলার ৮০ মিনিটে আবার গোল মোহনবাগানের। বাগানের হয়ে গোল করলেন পরিবর্ত খেলোয়াড় জেসন কামিন্স। মুম্বইয়ের মাঝমাঠে বল পেয়েছিলেন পেত্রাতোস, তিনি বল বাড়ান কামিন্সকে লক্ষ্য করে। কাউন্টার অ্যাটাকে গিয়ে মুম্বইয়ের রক্ষণভাগ তখন অনেকটাই ওপরে উঠে এসেছে। কামিন্স বল ধরে তাড়াহুড়ো না করে, দেখে শুনে বল জালে জড়িয়ে দেন। মহোনবাগান এগিয়ে যায় ২-০ ব্যবধানে।খেলার নির্ধারিত সময় শেষ হবার ১ মিনিট আগে ৮৯ মিনিটে মুম্বই এফ সি ১ টি গোল শোধ করে। মুম্বাইয়ের হয়ে গোলটি করেন ছাংতে। কর্নার থেকে আসা বলে গোল করেন ছাংতে।

এপ্রিল ১৫, ২০২৪
খেলার দুনিয়া

অপরাজিত জেলা চাম্পিয়ান হয়ে রাজ্যস্তরে 'বর্ধমান মডেল স্কুল', ফাইনালে হারাল 'বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাইস্কুল' কে

দত্তু ফড়কর অনুর্ধ ১৫-র জেলা ভিত্তিক ক্রিকেটে নকআউট পর্বের ম্যাচ জিতে রাজ্যস্তরে খেলার ছাড়পত্র পেল বর্ধমান শহরের ইংরাজি মাধ্যম স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুল। ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল-র উদ্যোগে বর্ধমান জেলা ক্রীড়া সংস্থা-র পরিচালনায় পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলার অনুর্ধ ১৫ র এই ক্রিকেট খেলা অনুষ্ঠিত হয়। ২৫ ওভারের এই খেলায় আজ আগাগোড়া প্রাধান্য রেখে বর্ধমান মডেল স্কুল ৬ উইকেটে বিপক্ষ দল বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাইস্কুল কে পরাজিত করে।সোমবার সকালে রাধারানী স্টেডিয়াম মেঘাচ্ছন পরিবেশে টসে জিতে বর্ধমান মডেল স্কুল প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেয়। কয়েকদিন যাবৎ অত্যাধিক গরম থাকায় বর্ধমান জেলা ক্রীড়া সংস্থা খেলোয়াড়দের কথা ভেবে আজকের খেলাটি সকাল ৯ টায় শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয়। দুই দলের অভিভাবকদেরই এই সিদ্ধান্তের প্রসংশা করতে দেখা যায়। এলোমেলো হাওয়ায় প্রথমদিকে নতুন বল অত্যাধিক সুইং করছিল। পরের দিকে পরিস্থিতি উন্নতি হয়।প্রথমে ব্যাট করে নিয়মিত ব্যবধানে উইকেটের পতন হওয়ায় বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাইস্কুল কোনও জুটি-ই সেই ভাবে স্থিতি হয়নি। তারা তাদের সমস্ত উইকেট হারিয়ে ২৫ ওভারে মাত্র ১১৩ রান তোলে। জয়ের জন্য বর্ধমান মডেল স্কুলকে তারা ১১৪ রানের লক্ষ মাত্রা দেয়। বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাইস্কুল-র শ্রেয়ান ঘোষ ২১ রান ও সৌম্যজিত ঘোষ এবং মির্জা আতিফ হোসেন দুই ব্যাটার-ই ১৫ রান করে। বর্ধমান মডেল স্কুল র সেখ সাবিউদ্দীন ১৫ রান দিয়ে ২ উইকেট ও অরিত্র দাস ২৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট লাভ করে। এই ম্যচে বর্ধমান মডেল স্কুল র হয়ে উল্লেখযোগ্য বোলিং পারফরমেন্স করে আয়ুষ চট্টোপাধ্যায়। ডানহাতি এই লেগ স্পিনার মাত্র ১৬ রান দিয়ে ৪টি উইকেট তুলে নিয়ে বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুল-র মিডিলঅর্ডার কে একেবারে পঙ্গু করে দেয়। ডানহাতি ব্যাটারের লেগ স্ট্যাম্পের বাইরে থেকে ঘুরে তাঁর বলে দু-দুটি বোল্ড আউট হয়। উল্লেখ্য এর আগের দুটি ম্যাচেও আয়ুষ-র বোলিং পারফরমেন্স ছিল লক্ষণীয়।১১৪ রান তারা করতে নেমে, প্রথম থেকেই বর্ধমান মডেল স্কুল গোড়াপত্তনকারী ব্যাটাররা খুব সাবধানী খেলা শুরু করে। মূলত তারা খুচরো রানের ওপরই জোড় দেয়। দলের ৫০ রান অতিক্রম করে তাদের প্রথম উইকেটের পতন হয়। বর্ধমান মডেল স্কুল-র অনীশ দাস মহাপাত্র ২৬ রান করে, সেখ সাবিউদ্দিন ২৮ রান ও চতুর্থ উইকেট পতনের পর ব্যাট করতে নেমে আয়ুষ চট্টোপাধ্যায় ২টি চার ও ১টি ছয় মেরে ঝোড়ো ১৯ রান করে অপরাজিত থেকে দলের জয়ে বিরাট অবদান রাখে। মাত্র ২১.৪ ওভারেই জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় বর্ধমান মডেল স্কুল। বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুল-র জোড়ে বোলার স্নেহাশিস মাহালী খুব ভালো বল করেন। তাঁর বিষাক্ত ইনসুইং বারবার বিব্রত করছিল বর্ধমান মডেল স্কুল-র ব্যাটারদের। বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাইস্কুলর শ্রেয়ান ঘোষ ব্যাটিঙ্গের সাথে সাথে বল হাতেও নজর কারেন। তিনি মডেল স্কুলের ৪টি উইকেটের মধ্যে ৩ টি উইকেট তুলে নেন।আজকের জেলা স্তরের ফাইনাল খেলায় রাধারানী স্টেডিয়াম-র গ্যালারী ভরে ওঠে বর্ধমান মডেল স্কুল-র ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদের দের আগমনে। তারা সারাক্ষণ তাঁদের প্রিয় স্কুলকে ফাইনালে সাপোর্ট করতে থাকে। উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান মডেল স্কুল-র প্রিন্সিপ্যাল বিপিন বিহারী সিং ও। এছাড়াও দুই দলের অভিভাবকদের উৎসাহও ছিল চোখে পড়ার মত।বর্ধমান মডেল স্কুল-র প্রিন্সিপ্যাল বিপিন বিহারী সিং জনতার কথা মাধ্যমে দুই দলকেই অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন খেলাতে অংশগ্রহণ করাই সবচেয়ে বড় কথা, হারজিত তো আছেই। ছেলেরা যত বেশী মাঠমুখী হবে তারা তত বেশী কর্মমুখী হবে। বর্ধমান মডেল স্কুল-র কর্ণধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল তাঁর নিজের স্কুলের বিজয়ী দলের সদস্যদের সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি জনতার কথার মাধ্যমে বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুল এর ছাত্রদেরও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, বর্ধমান মডেল স্কুল আমার তৈরি স্কুল আর বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুল আমায় তৈরি করেছে। তাই ওটাও আমার স্কুল, তাই তাঁদের কেও জেলা পর্বের এই খেলায় ফাইনালে পৌছানোর জন্য বিশেষ অভিনন্দন।বর্ধমান মডেল স্কুল-র ক্রীড়া প্রশিক্ষক চিন্ময় পাঁজা জনতার কথা কে জানান, ছেলেরা চূড়ান্ত খেলায় দাপটের সাথে জেতায় আমি খুশি, কিন্তু দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেলো। সামনে রাজ্য স্তরের খেলা। অন্য জেলায় গিয়ে আমাদের খেলতে হবে। প্রতিদ্বন্দ্বিতা অনেক কঠিন হবে। ছেলেদের নিয়ে অনেক খাটতে হবে। তবে তিনি আশাবাদী রাজ্যস্তরেও বর্ধমান মডেল স্কুল ভালো পারফরমেন্স করবে।বর্ধমান মডেল স্কুলের হয়ে আজকের ম্যাচে আজ প্রথম একাদশ ছিল এই প্রকারঃ অরিত্র দাস, ঋদ্ধিমান হালদার (অধিনায়ক),অনীশ দাস মহাপাত্র (উইকেট রক্ষক), সমৃদ্ধা মন্ডল, অরিন্দম ভকত, আয়ুষ চট্টোপাধ্যায়, সোহম চক্রবর্তী, সেখ সাবিউদ্দিন, বানিব্রত রুদ্র, শিবম কুমার সিং, চন্দ্রজিৎ গোস্বামী।উল্লেখ্য, বর্ধমান শহরের ইংরাজি মাধ্যমের স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুল এই টুর্নামেন্টে এর আগে টানা তিনটি খেলায় জয়লাভ করে। লিগ পর্যায়ের খেলায় বি গ্রুপের তিনটি দলের সাথেই তারা খুব সহজেই জয়লাভ করে।

এপ্রিল ০৮, ২০২৪
খেলার দুনিয়া

সিএবি-র টুর্নামেন্টে টানা তিন ম্যাচ জিতে নজির 'বর্ধমান মডেল স্কুলের'

ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল-র অনুর্ধ ১৫ ক্রিকেট খেলায় অনন্য নজির বর্ধমানের স্কুলের। বর্ধমান শহরের ইংরাজি মাধ্যমের স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুল এই টুর্নামেন্টে টানা তিনটি খেলায় জয়লাভ করল। লিগ পর্যায়ের খেলায় বি গ্রুপের তিনটি দলের সাথেই তারা খুব সহজেই জয়লাভ করে।বৃহস্পতিবার বর্ধমানের মোহনবাগান মাঠে ডিপিএস বেলগ্রাম এর সাথে খেলায় ডিপিএস টসে জয়লাভ করে বর্ধমান মডেল স্কুল কে ব্যাট করতে পাঠায়। ২৫ ওভারের খেলায় ব্যাট করতে নেমে বর্ধমান মডেল স্কুল মাত্র ১ উইকেট হারিয়ে ১৫০ রান করে। বর্ধমান মডেল স্কুলের ব্যাটার আরিত্র দাস ৬২ রান ও ব্যাটার অনিশ দাস মহাপাত্র ৫০ রান করেন।বর্ধমান মডেল স্কুল ১৫০ রান তারা করতে নেমে ডিপিএস বেলগ্রাম নির্ধারিত ২৫ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৭ রান করে। মডেল স্কুল -র বোলার সমৃদ্ধ মণ্ডল ২ উইকেট ও ডানহাতি লেগ স্পিনার আয়ুষ চট্টোপাধ্যায় ১ উইকেট তুলে নিয়ে মডেল স্কুল কে এই ম্যাচ জেতাতে সাহায্য করে। এই ম্যাচে বর্ধমান মডেল স্কুল ৩ রানে জয়লাভ করে সিএবি অনুর্ধ-১৫ স্কুল ক্রিকেটে পরবর্তী পর্যায়ে খেলার যোগ্যতা অর্জন করল।এর আগে, ১লা এপ্রিল লিগের প্রথম খেলায় বর্ধমান মডেল স্কুল বর্ধমান টাউন স্কুল-কে বিশাল রানের ব্যবধানে (১৭৮ রানে) পরাজিত করে। টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করে বর্ধমান মডেল স্কুল ৮ উইকেট হারিয়ে ২২৬ রান (পেনাল্টি সহ) সংগ্রহ করে। জবাবে ব্যট করতে নেমে টাউন স্কুল ২৫ ওভারে মাত্র ৪৮ রানে অলাউট হয়ে যায়। বর্ধমান মডেল স্কুলের অরিত্র দাস ৫টি ও ঋদ্ধিমান হালদার ৪টি উইকেট সংগ্রহ করে।২রা এপ্রিল লিগের অন্য এক খেলায় দুর্গাপুরের পিটার্স স্কুল টশে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। পিটার্স স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুল এর বোলারদের বোলিঙের দাপটে ১০ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৫৫ রান সংগ্রহ করে। মডেল স্কুলের সেখ সাবিউদ্দিন ৫ ওভার বল করে মাত্র ১৭ রান দিয়ে তিনটি উইকেট সংগ্রহ করে। জবাবে বর্ধমান মডেল স্কুল ৬ ওভার ব্যাট করে মাত্র ১ উইকেট হারিয়ে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান সংগ্রহ করে নেয়।বর্ধমান মডেল স্কুল-র ক্রিকেট কোচ চিন্ময় পাঁজা জনতার কথা কে জানান, ছেলেরা অফ সিজিনে প্রচুর অনুশীলন করেছে, যার ফল তারা পেয়েছে। তিনি জানান, এই টুর্নামেন্টের জন্য তারা ফাইনাল পরীক্ষা পর থেকে টানা অনুশীলন করিয়েছেন। যদিও এপ্রিলের চড়া তাপে দুপুরে ক্রিকেট খেলাও খুব চাপের, সেকথাও তিনি উল্লেখ করেছেন। চিন্ময় পাঁজা জানান, পরবর্তী পর্যায়ের খেলা আরো কঠিন হবে, তাই প্রস্তুতিও আরো বেশী নিতে হবে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৪
খেলার দুনিয়া

শিশু ও যুব সমাজকে মোবাইলের আসক্তি থেকে মুক্ত করে মাঠমুখী করতে গঙ্গারামপুরে শুরু হল ফুটবল কোচিং ক্যাম্প

গভীর সমস্যায় জর্জরিত শিশু ও যুব সমাজ। নানাবিধ নেশার সাথে সাথে ভয়ঙ্কর গ্রাস করছে মোবাইল ব্যবহারের অস্বাভাবিক প্রবণতা। মোবাইল আসক্ত এইসমস্ত শিশু ও যুবাদের মুলস্রোতে ফিরিয়ে আনার লক্ষে এবং তাদের এই মোবাইলের আসক্তি থেকে মুক্ত করতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর স্টেডিয়ামে ফুটবল কোচিং ক্যাম্প শুরু করল প্রিমিয়ার ইন্ডিয়ান ফিউচারিস্টিক ফুটবল অ্যাকাডেমি।বর্তমানে প্রায় ৩০ জন কচিকাঁচাদের নিয়ে ফুটবল কোচিং শুরু হয়। উল্লেখ্য, বর্তমান সময় শিশু ও যুবসমাজ মোবাইলের প্রতি আসক্ত। আর যে কারণে শিশু ও যুব সমাজের মানসিক বিকাশ ঘটার রাস্তায় বাধা হয়ে দাড়াচ্ছে এই মোবাইলে প্রতি আসক্তি। তাই তাদের কথা মাথায় রেখে শারীরিক চর্চা ও ফুটবল কোচিংয়ের মধ্য দিয়ে সেই মোবাইলে আসক্তি থেকে মুক্ত দিতেই এই প্রয়াস প্রিমিয়ার ইন্ডিয়ান ফিউচারিস্টিক ফুটবল অ্যাকাডেমির।এই বিষয়ে প্রিমিয়ার ইন্ডিয়ান ফিউচারিস্টিক ফুটবল অ্যাকাডেমি একাডেমীর কর্মকর্তা প্রাক্তন ফুটবলার সুবীর বল বলেন, বর্তমান সময় একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে শিশু ও যুব সমাজের মোবাইলের প্রতি আসক্তি, তারা শারীরিক চর্চা থেকে ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে এবং যার ফলে মানসিক বিকাশ ঘটতে দেরি হচ্ছে। তাই তাদের শারীরিক চর্চা মুখি করতে এই ফুটবল চর্চার আয়োজন। তিনি আরো জানান, ভারতীয় ফুটবলের সাপ্লাই লাইন তৈরি-ই তাঁদের এই একাডেমী করার মূল লক্ষ। তিনি বলেন, ইতিমধ্যেই তাঁরা বর্ধমান শহরে দু - দুটি ফুটবল একাডেমী চালু করেছেন এবং সেখানে বাচ্ছাদের উৎসাহও চোখে পড়ার মত।এই বিষয়ে এক অভিভাবক অজিত দাস জানান, বাচ্চারা বর্তমানে হাতে মোবাইল পেয়ে তার প্রতি আসক্ত হচ্ছে যার ফলে খেলা থেকে দুরে সরে যাচ্ছে। শারীরিক চর্চার কথা মাথায় রেখে গঙ্গারামপুর স্টেডিয়ামে ফুটবল কোচিং ক্যাম্প শুরু হওয়ায় আমরা খুশি। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর শহরের স্টেডিয়ামে ফুটবল কোচিং ক্যাম্পের শুরু হওয়ায় ও এমন একটি উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন গঙ্গারামপুর সহ জেলার শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষরা।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৪
খেলার দুনিয়া

'অক্ষরে' অক্ষরে জবাব অস্ট্রেলিয়াকে, ১ ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ জয় ভারতের

সদ্য বিশ্বচাম্পিয়ানদের হারিয়ে আইডিএফসি টি-২০ সিরিজ সিরিজ় জিতল ৫০-র বিশ্বকাপের রানারআপ ভারত। এই নিয়ে ঘরের মাঠে টানা ১৪-টি টি-২০ সিরিজে ভারত অপরাজিত ভাবে শেষ করল। শুক্রবার রায়পুরে এই সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ২০ রানে হারিয়ে দেয় ভারত। এই ম্যচে জয়ের ফলে ৩-১ ব্যাবধানে সিরিজ়ে এগিয়ে গেল মেন-ইন-ব্লু। মাঝের দিকে ভারতের জোড়া স্পিনারের বোলিঙের কোনও জবাব আজ ছিল না ক্যাঙ্গারু বাহিনীদের। খেলার শেষের দিকে ওভারেও ভারতীয় বোলারদের কৃপণ বোলিং খেলতে ব্যার্থ হয় অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটাররা।শুক্রবার অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক ম্যাথু ওয়েড টসে জিতে আগের দিনের মতই ভারতকে ব্যাট করতে পাঠায়। শুরুটা আশানুরূপ না হলেও খেলা যত গড়াতে থাকে খেলায় ফেরে ভারত। প্রথম ছয় ওভারে ভারত ৫০ রান করে। ভারতের হয়ে ব্যাট হাতে সফল যশস্বী জয়সাওয়াল (২৮ বলে ৩৭ রান), ঋতুরাজ গায়কোয়াড (২৮ বলে ৩২ রান), রিঙ্কু সিংহ এবং এই সিরিজে প্রথম সুযোগ পাওয়া উইকেট রক্ষক জিতেশ শর্মা (১৯ বলে ৩৫ রান)। এদের কেউই পঞ্চাশের কোটা পূরন করতে পারেননি। প্রথম দুটি ম্যাচের মতই রিঙ্কউ সিং আজও খুব ভালো ব্যাট করেন। রিঙ্কু ২৯ বলে ৪৬ রান করেন, চারটি চার ও দুটি ছয় মারেন। এইমধ্যেই ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা রিঙ্কু কে ভবিষ্যতের তারকা হিসাবে চিহ্নিত করেছেন। অস্ট্রেলিয়াকে জেতার জন্য ১৭৪ রানের লক্ষ রাখে ভারত।First ball of his spell and Ravi Bishnoi strikes ⚡️😎He removes Josh Philippe for 8.Follow the Match ▶️ https://t.co/iGmZmBsSDt#TeamIndia | #INDvAUS | @IDFCFIRSTBank pic.twitter.com/ccQxDKoeiw BCCI (@BCCI) December 1, 2023৬৩ রানে ৩ উইকেট পড়ে যাওয়ায় ভারতের রানের গতি এতই কম ছিল যে ১৫০ পেরোবে কিনা সেটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল। সাময়িক ধাক্কা সামলে চাপ কাটিয়ে রিঙ্কু এবং জিতেশ খেলায় ফেরান। সাধারন ভাবে দ্রুত গতিতে রান তুলতেই রিঙ্কু বেশি স্বাছন্দ। আজকের চাপের মুখে পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে পরিণত ব্যাটারের মত ব্যাট করলেন কেকেআরের এই ক্রিকেটার। রিঙ্কু এবং জিতেশ পঞ্চম উইকেটে পঞ্চাশের উপরে রান তোলেন।দারুন ভাবে শুরু করেও কেমন যেন খেই হারিয়ে ফেলে সদ্য বিশ্বচাম্পিয়ানেরা। শুরুটা দুর্দান্ত করেও শেষ রক্ষা হল না। প্রথম দুওভারে ১৮ রান নেওয়ার পরের ওভারেই চাহারের ওভারে ২২ রান নিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় ট্রেভিস হেড। হেড চারটি চার এবং একটি ছয় মারেন। জোড়ে বোলারেরা মার খাওয়ায় একপ্রকার বাধ্য হয়েই চতুর্থ ওভারে স্পিন আনতে বাধ্য হয় সূর্যকুমার। আক্রম্নে আনেন রবি বিষ্ণোইকে। এসে প্রথম বলেই দ্রুত গতির গুগলিতে স্ট্যাম্প ছিটকে দিয়ে জশ ফিলিপকে প্যাভিলিয়নে ফেরান ভারতের তরুণ এই লেগ স্পিনার। পরের ওভারেই আবার এক বোলিং পরিবর্তন করেন সূর্য। আক্রমণে আনেন অক্ষর প্যাটেলকে। বিষ্ণোইয়ের মতই প্রথম অভারেই উইকেট পান অক্ষ্র। তাঁর বলে তুলে মারতে গিয়ে ফেরেন ট্রেভিস হেড (৩১)।First ball of his spell and Ravi Bishnoi strikes ⚡️😎He removes Josh Philippe for 8.Follow the Match ▶️ https://t.co/iGmZmBsSDt#TeamIndia | #INDvAUS | @IDFCFIRSTBank pic.twitter.com/ccQxDKoeiw BCCI (@BCCI) December 1, 2023অল্প রানে দুটি উইকেটে পরে যাওয়ায় অস্ট্রেলিয়া কিছুটা হলেও ব্যাকফুটে চলে যায়। পরবর্তি সময়ে ম্যাথু ওয়েড ছাড়া কেউই সেরকম প্রভাব বিস্তার করতে পারেননি ভারতের স্পিন বোলারদের বিরুদ্ধে। মাত্র ৮৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। ম্যাচে ফিরে আসে ভারত। জবাবে ১৫৪ রানে থেমে গেল অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস।শেষের দিকে টিম ডেভিড এবং ম্যাথু শর্টের ব্যাট কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করে। এই দুই অক্রমনাত্মক ব্যাটারকে পর পর ফিরিয়ে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেন দীপক চাহার। ওয়েড ৩৬ রানে অপরাজিত থাকলেও প্রয়োজনীয় কাজ করতে ব্যার্থ। আবেশ খানের শেষ ওভারে অস্ট্রেলিয়ার জেতার জন্য দরকার ছিল ৩১ রান। আবেশ খানের নিয়ন্ত্রিত বোলিং সেই ওভারে মাত্র ১০ রান ওঠে।

ডিসেম্বর ০১, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

বাংলার ক্রীড়া কুলের দাদা-বন্ধু-ভালো মানুষের গল্পে শ্রদ্ধা অরুণ সেনগুপ্তকে

অরুণ সেনগুপ্তকে যে শুধু একজন নামজাদা ক্রীড়া সাংবাদিক ছিলেন, তাই নয়। ছিলেন আপাদমস্তক একজন ভদ্রলোক। ভালো মানুষ। অরুণ কারও কাছে বড়দা, কারও কাছে দাদা-বন্ধু বা কারও কাছে স্নেহের ভাইয়ের মতো। প্রয়াত অরুণ সেনগুপ্তর স্মরণ সভায় বারেবারে উঠে এল সেই প্রসঙ্গই। বৃহস্পতিবার বিকেলে কলকাতা ক্রীড়া সাংবাদিক ক্লাবের স্মরণ সভায় উপচে পড়া ভিড়ে যেমন মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল-ফেডারেশন-আইএফএ কর্তারা ছিলেন, তেমনই ছিলেন ফুটবলাররা। ছিলেন অরুণের সঙ্গে কাজ করা অসংখ্য ক্রীড়া সাংবাদিকেরা। মোহনবাগান সচিব দেবাশিস দত্ত শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, অরুণের চলে যাওয়া আমার কাছে অঞ্জনদার (মিত্র) চলে যাওয়ার মতোই বেদনার। ময়দানের এক প্রকৃত বন্ধুকে হারালাম। ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষ কর্তা দেবব্রত সরকারের কথায়, অরুণ ছিল এতটাই বিশ্বস্ত, যার কাছে মন খুলে সব কথা বলা যেত। এত বিশ্বস্ত বন্ধু আমি আর পাইনি। শ্রদ্ধা জানান আইএফএ চেয়ারম্যান সুব্রত দত্ত। যাঁর কথায়, অরুণ সেনগুপ্তই আমায় প্রথম শিখিয়েছিলেন, ময়দানে খেলোয়াড়রাই শেষ কথা। সারা জীবন সেটা মনে রাখব। শ্রদ্ধা জানান আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত, টেবল টেনিসের রবি চট্টোপাধ্যায়, প্রাক্তন ফিফা রেফারি চিত্তদাস মজুমদার সহ অসংখ্য মানুষ। শ্রদ্ধা জানিয়েছে কলকাতা প্রেস ক্লাবও। ছিলেন অরুণবাবুর পরিবারের লোকজনও। বন্ধু ও দাদা অরুণকে নিয়ে নানা গল্প শোনান প্রাক্তন ফুটবলার সত্যজিৎ চট্টোপাধ্যায়, গৌতম ঘোষরা। শ্রদ্ধা জানান প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক গোলরক্ষক ভাস্কর গঙ্গোপাধ্যায়। রঞ্জিজয়ী প্রাক্তন ক্রিকেটের অধিনায়ক সম্বরণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এমন লড়াকু সাংবাদিক আমি খুব কম দেখেছি।কলকাতা ক্রীড়া সাংবাদিক ক্লাবের সঙ্গে অরুণ সেনগুপ্তর সম্পর্ক ছিল আজীবন। যখন সাংবাদিকতা করতেন, তখন মাঠ থেকে ফিরে এই তাঁবুই ছিল তাঁর কাজের জায়গা। ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়ে নির্বাচনেও জিতেছিলেন। কয়েক মাস আগে সিএসজেসি বিশেষ সম্মানও জানিয়েছে তাঁকে। বর্তমান ক্লাব প্রেসিডেন্ট শুভেন রাহা বলেন, অরুণদার আদর্শকে নিয়ে এগিয়ে চলাই হবে তাঁর প্রতি আমাদের সঠিক শ্রদ্ধাজ্ঞাপন।

নভেম্বর ৩০, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

রিঙ্কু 'সিং'হের গুঁতোয় কুপকাত 'ক্যাঙারু' বাহিনী! বিশাখাপত্তনমের পর তিরুঅনন্তপুরমেও জয়, ভারত ২-০ তে এগিয়ে

আইডিএফসি টি-২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচে বিশাখাপত্তনমে জিতে ভারতীয় দল তিরুঅনন্তপুরমে আসে। রিঙ্কু, সূর্যকুমার, ঈশান ব্যাটিংয়ে ঝড় তুলে সেই ম্যাচে ২০৮ রান তাড়া করে এক বল বাকি থাকতেই জয়লাভ করে টিম ইন্ডিয়া। রবিবার তিরুঅনন্তপুরমে ব্যাটারদের সাথে পাল্লা দিয়ে দাপট দেখালেন দেখালেন ভারতের স্পিন ও পেস বোলারেরাও। প্রথমে ব্যাট করে ভারত অস্ট্রেলিয়ার জয়ের জন্য ২৩৫ রানের লক্ষমাত্রা রাখে। সেই পাহাড় প্রমান রান তাড়া করতে নেমে হুরমুড়িয়ে ভেঙে পড়ল অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস। বিশ্বচাম্পিয়ানেরা পুরো ২০ ওভার ব্যাট করে থামলেন ১৯১ রানে! ৪৪ রানে জয়লাভ করে মেন ইন ব্লু ২-০ ফলে সিরিজে এগিয়ে যায়।সন্মান পুনরুদ্ধারে মরিয়া বিশ্ব চাম্পিয়ান অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেটের ছোট সংস্করণ দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে টস জেতে অস্ট্রেলিয়া। টস জিতে অসি অধিনায়ক ম্যাথু ওয়েড প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। রবিবারের ম্যাচে ভারতীয় দলে কোনও বদল করেনি ভারত। প্রথম ম্যাচে বিজয়ী একাদশকে নিয়েই দ্বিতীয় ম্যাচে খেলতে নামে তারা। খেলার শুরু থেলেই বড় রানের লক্ষ্যে দ্রুত রান তোলার তাগিদে দুই ওপেনারই হাত খুলে বড় শট খেলেছেন। প্রথম ৫ ওভারেই ৬২ রান তোলে ভারত।Another commanding performance by Team India, securing a 2-0 lead in the T20I series against Australia! Kudos to our dynamic openers @ybj_19 and @Ruutu1331 for setting the stage on fire with their explosive fifties. @ishankishan51, holding his ground at number 3, played yet pic.twitter.com/pqGFUSM9Kj Jay Shah (@JayShah) November 26, 2023ভারতীয় ক্রিকেটে উদীয়মান ওপেনার যশস্বী জয়সাওয়াল মাত্র ২৪ বলে অর্ধশতরান করলেন। তাঁর মোট রানের ৯০ শতাংশ রান বাউন্ডারি মেরে করেছেন। তিনি মোট নটি (৯) বাউন্ডারি ও দুটি (২) ওভার বাউন্ডারি মারেন। যশস্বী জয়সাওয়াল অউট হয়ে ফিরে যাওয়ার পর তিন নম্বরে নেমে ভারতীয় ক্রিকেটের পকেট সাইজ ডিনামাইট ঈশান কিশান যশস্বীর মতো অর্ধশতরান করেই আউট হয়ে যান। তিনি ৫২ রান করলেন তিনি। মাত্র ৩২ বলে তিনটি (৩) চার ও চারটি ছয় মেরে এই রান করেন ঈশান। ছক্কা মেরে নিজের অর্ধশতরান পূরণ করেন ঈশান।শেষ পাঁচ ওভারে ভারতের রানের উল্কা গতি এনে দেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ও বিশ ওভারের নতুন সাইক্লোন রিঙ্কু সিং। ১০ বলে ১৯ রান করে আউট হন সূর্যকুমার। ভারত অধিনায়ক বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ দেন স্টোইনিসের হাতে। মাত্র ৯ বলে ৩১ রান করলেন রিঙ্কু। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ২৩৫ রান তুলল ভারত। ভারতীয় দলের প্রথম তিন ব্যাটার-ই অর্ধশতরান করলেন। শেষবেলায় ঝড় তুললেন রিঙ্কুও। রিঙ্কু চারটি চার এবং দুটি ছক্কা মেরেছেন। পরপর দুটি ম্যাচে দক্ষিণের দুদুটি শহরে রিঙ্কুর দাপট অব্যহত, বিশাখাপত্তনমের পর রিঙ্কু সাইক্লোন অব্যহত তিরুঅনন্তপুরমও। ওপেন করতে নেমে সারা খেলায় সিট অ্যাঙ্কারর ভূমিকায় অবতির্ন হন ঋতুরাজ। তাঁকে খুচরো রান নিয়ে স্ট্রাইক রোটেট করেই খেলতে দেখা যায়। শেষ ওভারে বড় শট খেলার লক্ষ্য নিয়েছিলেন ঋতুরাজ। সেই বড় শট নিয়ে গিয়েই আউট হলেন তিনি। নাথান ইলিশের বলে ৪৩ বলে ৫৮ রান করে টিম ডেভিডের হাতে ধরা পরে আউট রুতুরাজ।হাতে ২৩৫-র পাহাড় প্রমান রান হাতে নিয়ে বল করতে নামা ভারতীয় বোলারদের কাছে কাজটা অনেকটা সহজ ছিল। আগের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া ২০০ রান করেও ভারতের কাছে হার মানে। রবিবার আইডিএফসি টি-২০ সিরিজের দ্বিতীয় ম্যচে প্রথম দুওভারে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ এবং আরশদীপ সিংহ ৩১ রান দেওয়ার পর প্রাথমিক ভাবে অস্ট্রেলিয়া ভারতের শিরদাঁড়ায় কিছুক্ষণের জন্য হলেও ভয় ধরাতে সমর্থ হয়। আজ অসাধরণ বল করেন রবি বিষ্ণোই। ভারতীয় দলের এই লেগস্পিনার চার ওভারে ৩২ রান দিয়ে তিন তিনটি মহামুল্যবান উইকেট তুলে নিয়ে ভারতকে ম্যাচে ফেরান। বিরাট রানের বোঝা নিয়ে খেলতে নেমে অস্ট্রেলিয়া দ্রুত রান তুললেও নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায়। রান রেট বেড়ে যাওয়ায় চাপে বড় শট খেলতে বাধ্য হয় অসি ব্যাটাররা।A win by 44 runs in Trivandrum! 🙌#TeamIndia take a 2⃣-0⃣ lead in the series 👏👏Scorecard ▶️ https://t.co/nwYe5nOBfk#INDvAUS | @IDFCFIRSTBank pic.twitter.com/sAcQIWggc4 BCCI (@BCCI) November 26, 2023বিশাখাপত্তনমে রিঙ্কু, সূর্যকুমার, ঈশান রা ভালো ব্যাট করলেও বোলারদের পারফরমেন্স-এ খুশি ছিল না টিম ম্যনেজমেন্ট। রবিবার ভারত দুই বিভাগেই দাপটের সাথে পারফর্ম করে। বিষ্ণোই ছাড়াও শেষের দিকে পেসের আগুন ছুটিয়ে ৩ উইকেট পান প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা। প্ররম্ভিক ওভারে বল করতে এসে রান দিলেও স্লগ ওভারে তাঁর বলের লাইন লেন্থ অনেক নিয়ন্ত্রিত ছিল। ভারতের হয়ে যে পাঁচজন বোলার আজ বল করেছেন, তাঁদের প্রত্যেকেই উইকেট পেয়েছেন। একটি করে উইকেট পান আরশদীপ সিংহ, অক্ষর পটেল ও ভবিষ্যতের শামি মুকেশ কুমার।অস্ট্রেলিয়া ব্যাটেররা খেলার শুরু থেকেই মারমুখী ছিলেন। তাঁদের প্রথম উইকেটের পতন হয় ২.৫ ওভারে। দলীয় ৩৭ রানের মাথায় ভারতের সফলতম বোলার বিষ্ণোইয়ের গুগলি বুঝতে না পেরে বোল্ড হন ম্যাথু শর্ট (১৯)। এরপর বিষ্ণোইয়ের বলে আউট হন আগের ম্যাচে শতরানকারী ব্যাটার যোশ ইংলিস, দুরন্ত ক্যাচ নিলেন তিলক বর্মা, বিষ্ণোই-র ফ্লাইট মিস করে বড় শট খেলতে গিয়ে মিসহিট করেন, বলটা অনেক উঁচুতে উঠে যায়, অনেকটা পিছনে দোউড়ে সামনের দিকে ঝাঁপিয়ে তালুবন্দি করেন স্মিথকে। অস্ট্রেলিয়া ৩৯-২। এরপর আউট হন ম্যাক্সওয়েল। ৫৩ রানের মাথায় ৩ উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে যায় অস্ট্রেলিয়া। অক্ষরের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে যশস্বী-র হাতে ধরা দিলেন ম্যাক্সওয়েল। প্রথম দিকে মার খাওয়ায় প্রসিদ্ধ কে সরিয়ে নেন সুর্যকুমার। দ্বিতীয় স্পেলে বল করতে এসেই তুলে নিলেন প্রাক্তন অসি অধিনায়ক স্টিভ স্মিথকে। চতুর্থ উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। প্রসিদ্ধের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ দিলেন তিনি। দৌড়ে এসে শরীর ছুড়ে অসাধরণ ক্যাচ ধরেন যশস্বী। মাঝে স্টইনিস ও ডেভিড মরীয়া চেষ্টা করলেও ভারতীয় বোলারদের দাপটে একের পর এক উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। ১৫৫ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে হারের কিনারায় পোঁছায়।

নভেম্বর ২৬, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

প্রাক্তন পাক অধিনায়ক গম্ভীরের মতে মত দিয়ে কোন দুজনকে টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতীয় দলে নিতে বললেন?

২০-২০ র বিশ্বকাপে ভারতীয় পুরুশদের ক্রিকেট দলে রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলির অন্তর্ভুক্তি নিয়ে মিডিয়া থেকে শুরু করে হাটে-বাজারে জোড় জল্পনার ক্সুর নেই। তাঁদের ভবিষ্যত নিয়ে আম জনতার জল্পনা-কল্পনার মধ্যেই পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক ও বাঁহাতি দ্রুত গতির বোলার ওয়াসিম আক্রম ভিন্ন মত পোষণ করলেন। তাঁর মতে ভারতকে অবশ্যই ২০২৪-র আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপে তাদের দলের দুই মহারথী ব্যাটারকে দলে নিতে হবে। এখানে উল্লেখ্য, ২০২২ এর নভেম্বর টি-২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে শেষবারের জন্য বিরাট ও রোহিত ভারতীয় দলের প্রথম একাদশে খেলেন। তারপর থেকে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম ফর্ম্যাটে রোহিত এবং বিরাটের অনুপস্থিতি পাকিস্তানের এই জোরে বোলার কে খুব-ই আশ্চার্যান্বিত করেছে। ২০২৩-র টি ২০ বিশ্বকাপে রোহিত শর্মা অনুপস্থিত থাকায়, হার্দিক পান্ডিয়া ভারতীয় দলকে নেতৃত্ব দেন।কিছুদিন আগে এই বছরের প্রথম দিকে ভারতের বর্তমান অধিনায়ক ও প্রারম্ভিক ব্যাটার রোহিত শর্মা আমেরিকায় ক্রিককিংডম একাডেমির উদ্বোধনের সময় ২০২৪ টি-২০ বিশ্বকাপ নিয়ে খুব উৎসাহিত হয়ে তাঁর মতামত প্রকাশ করেছিলেন। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের অনুমান এর থেকে হয়ত তাঁর আগামী টি-২০ বিশ্বকাপের অংশগ্রহণের ব্যাপারে কিছুটা আন্দাজ করা যেতে পারে।পাকিস্তানের জোরে বোলার ও প্রাক্তন অধিনায়ক বলেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আর মাত্র কয়েক মাস বাকি। আমি ভারতের টিম বাছলে, ওই দুজনকেই দলে নেব। তারাই হবে ভারতের মূল খেলোয়াড়, এতে কোনো সন্দেহ নেই। টি-টোয়েন্টিতে ভারতের ব্যাটিং লাইনআপ-এ একটু অভিজ্ঞতার প্রয়োজন। আপনি শুধুমাত্র তরুণের উপর নির্ভর করতে পাড়েন না। স্পোর্টসকিডা-তে আক্রম আরও বলেন, রোহিত ১৪৮ টি ম্যাচে ৩৮৫৩ রান করেছেন। ওই ফর্মাটে তাঁর স্ট্রাইক রেট প্রায় ১৪০-র কাছাকাছি। রোহিত সেখানে চারটি (৪) শতরান এবং ২৯ টি অর্ধ-শতরান রয়েছে। ভারতের ওপর এক কিংবদন্তী ব্যাটার ক্রিকেটের এই ছোট ফর্মাটে ১১৫ টি ম্যাচ খেলে ৪০০৮ রান করেছেন, একটি সেঞ্চুরি এবং ৩৭টি অর্ধশতরান সহ এই মুহুর্তে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারি। এইমুহুর্তে ভারতের শুভমান গিল, যশস্বী জয়সওয়াল, ইশান কিষাণ, এবং রুতুরাজ গায়কওয়াড় সহ একগুচ্ছ তরুণ খেলোয়াড় আছে যারা আইপিএল-এর মত টুর্নামেন্টে তাঁদের প্রতিভার যথেষ্ট ছাপ রেখেছেন। যদি তরুণ প্রতিভারা পারফর্ম করতে না পারে সেক্ষেত্রে নির্বাচকরা বা বিসিসিআই রোহিতকে তার অবস্থান পুনর্বিবেচনার জন্য অনুরোধ করতেই পারে।রোহিত কুড়ি ওভারের ক্রিকেটের ভারতের সবচেয়ে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়। তিনি ১৪৮ টি ম্যাচ খেলেছেন যা ভারতের কোন ক্রিকেটারের সর্ব্বচ্চ, যেখানে কোহলি ভারতের হয়ে দ্বিতীয়- সর্বচ্চ স্থানে রয়েছেন, তিনি খেলেছেন ১১৫টি ম্যাচ। পুরুষদের টি-২০ বিশ্বকাপের আট বারই রোহিতের ধারাবাহিক পারফরমেন্স বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য। উল্লেখযোগ্যভাবে ২০০৭-র চাম্পিয়ান দলেও তাঁর অবদান অনস্বীকার্য ।ভারতের প্রাক্তন ওপেনার গৌতম গম্ভীর আবার মনে করেন শুধুমাত্র একজন বিশেষজ্ঞ ব্যাটসম্যান হিসেবে নয়, অধিনায়ক হিসেবেই রোহিতের বিশ্বকাপে অন্তর্ভুক্তির পক্ষে কথা বলেন। তাদের (রোহিত এবং কোহলি) উভয়কেই আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপে বাছাই করা দরকার, উভয়কেই বাছাই করা উচিত এবং আরও গুরুত্বপূর্ণ, আমি রোহিত শর্মাকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অধিনায়ক হিসাবে দেখতে চাই, গম্ভীর বলেন।

নভেম্বর ২৫, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

সূর্যের প্রখর তাপপ্রবাহে শীতের মরসুমেও ঝলসে গেল বিশ্বচাম্পিয়ান অস্ট্রেলিয়া

ম্যাড়মেড়ে বোলিং, ততোধিক বাজে ফিল্ডিং স্বত্তেও হার মানতে হল বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াকে। আইডিএফসি টি-২০ সিরিজের প্রথম ম্যচেই ভারতের কাছে না বলে সুর্যের কাছে হার মানলো ৬বারের একদিবসীয় বিশ্বকাপের চাম্পিয়ানদের। জশ ইংলিসের অসাধরণ ব্যটিং এর সুবাদে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করে ৩ উইকেট হারিয়ে ২০৮ রান সংগ্রহ করে অস্ট্রেলিয়া। ইংলিস তাঁর টি-২০ কেরিয়ারের প্রথম শতরান করেন আজ। ৫০ বলে ১১০ রানের এক অনবদ্য ইনিংস আজ বন্দরশহর ভাইজ্যাকে এল তাঁর ব্যাট থেকে। ইনিংস তাঁর ইনিংসে ১১টি চার এবং ৮টি ছক্কা মারেণ।Fantastic performance by Team India in the T20 opener against Australia! Special mention to skipper @surya_14kumar for his outstanding innings, @ishankishan51 for the explosive start and @rinkusingh235 for playing a blinder at the back end! Congratulations to the Men in Blue on a pic.twitter.com/QuMknUYRHF Jay Shah (@JayShah) November 23, 2023ভারতীয় দল একাধিক খেলোয়াড় কে বিশ্রাম দেওয়ায় এই টুর্নামেন্টে সূর্যকুমার যাদবকে অধিনায়ক নির্বাচন করা হয়। রিঙ্কু সিংহের অদম্য লড়াইয়ের রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ম্যাচে ভারত শেষ বলে ছক্কা মেরে ২ উইকেটে এই ম্যাচ জেতে। ভারতের ইনিংসের শেষ ওভারের শেষ বলটি নো বল হওয়ায় ১ বল বাকি থাকতেই ভারত এই ম্যাচ জেতে। সিরিজের প্রথম ম্যাচ জিতে ভারত এই সিরিজ়ে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল। জিতলেও একাধিক বিভাগে দুর্বলতা যথেষ্ট উদ্বেগে রাখবে রাখবে কোচ ভিভিএস লক্ষ্মণকে। বিশেষ করে ভারতীয়দের দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যাটিং!২০৯ রান তাঁরা করতে গিয়ে খেলার শুরুতেই রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের আউট হয়ে প্যাভিলিয়নেফিরে যান। একটিও বল না খেলে তৃতীয় ভারতীয় ব্যাটার হিসাবে ডায়মন্ড ডাক করে আউট হন রুতুরাজ গায়কোয়াড়। ভারতীয় দলের জোরে বোলার যশপ্রীত বুমর এবং লেগ স্পিনার অমিত মিশ্র-ও এর আগে এমন লজ্জার নজির রয়েছে। ফুচকা বয় খ্যাত ওপেনার যশস্বী জয়সওয়ালও এই ম্যাচে সেরকম দাগ রাখতে পারলেন না, ২১ রান করে তিনি আউট হয়ে ফিরে আসেন। পরপর দুটি উইকেট পরে যাবার পর হাল ধরেন ঈশান কিশন এবং সূর্যকুমার যাদব, তাঁরা দুজনে মিলে ১১২ রান জোগ করেন।What A Game!What A Finish!What Drama!1 run to win on the last ball and its a NO BALL that seals #TeamIndias win in the first #INDvAUS T20I! 👏 👏Scorecard ▶️ https://t.co/T64UnGxiJU @IDFCFIRSTBank pic.twitter.com/J4hvk0bWGN BCCI (@BCCI) November 23, 2023বিশ্বকাপ ফাইনালে চূড়ান্ত ব্যর্থ সূর্যকুমার যাদব দিকে নজর ছিল নির্বাচকদের। বিশ্বকাপ জুড়ে উত্তাপহীন মৃয়মান সুর্য আজ জেন মধ্যগগনে বিরাজ করলেন। অনেকদিন পড়ে চেনা মেজাজে দেখা গেল টি-২০-র বাদশা কে। জুটি তে লুটি কিষান-যাদবের লড়াইয়ে যাদব-ই অগ্রাসী ছিলেন প্রথম থেকেই। ইশান কিষান তাঁর ৩৯ বলে ৫৭ রানের ইনিংসে, ২টি চার এবং ৫টি ছক্কা মারেন। ছয় নম্বরে নেমে কেকেআর-র রিঙ্কু সিং আগ্রাসী ব্যাটিং করে ম্যাচ শেষ করে ড্রেসিংরুমে ফিরে আসেন। আজকের ম্যাচে রিঙ্কু সিংহের সহনশীলতা ও ম্যাচুরিটি বিশেষজ্ঞ মহলে যথেষ্ট দাগ কাটতে সক্ষম। শেষ ওভারে অপরদিকে তিন তিনটি উইকেট পড়ে যেতে দেখেও রিঙ্কু লক্ষে অবিচল ছিলেন। কিন্তু এক কি সাম - সূর্য কি নাম মার্কা ম্যাচে ৪২ বলে ৮০ রান করে ঝলসে দেওয়া ইনিংসে সুর্য মেরেছেন ৯টি চার এবং ৪টি ছয়। সব বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে-ই তিনিই এই ম্যাচের সেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার পেলেন।ঘাম জেবজেবে বিশাখাপত্তনমের আবহাওয়া-ই ভারতীয় বোলারদের পারফরমেন্স অনেক কিছু প্রশ্ন রেখে গেল। যাঁদের ভরসায় টস জিতে আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ভারতের নতুন অধিনায়ক সূর্যকুমার, তাঁদের পারফরমেন্স ছিল খুব-ই দুর্বল। শুরু থেকেই মারমার কাটকাট ব্যাটিং শুরে করেন দুই গোড়াপত্তনকারী অস্ট্রেলীয় ব্যাটার। দুই ওপেনার ফিরে যাবার পরও অস্ট্রেলিয়া ব্যাটিং সেই ধাক্কার প্রতিচ্ছবি সেভাবে প্রভাব বিস্তার করেনি। জশ ইংলিসএবং স্টিভেন স্মিথ-র জুটি দ্বিতীয় উইকেটে ১৩০ রান জোড়েন। এই ইনিংসের সুবাদেই অস্ট্রেলিয়া প্রাথমিক ভাবে চালকের আসনে বসে যায়। বিশ্বকাপে সে ভাবে রান না পেলেও এখানে স্মিথ করলেন ৪১ বলে ৫২ রান। জীবনের প্রথম বার গোড়াপত্তন করতে নামা স্মিথ করেন ৮টি বাউন্ডারি পড়েন।

নভেম্বর ২৪, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

কলিঙ্গে ভারত-কাতার ফুটবলের মহারণ! ত্রাতার ভূমিকায় কি আবার সুনীল ছেত্রী?

উদ্বোধনী ম্যাচে কুয়েতের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ জয়ের পর, ভারতীয় পুরুষ ফুটবল দল ২১ নভেম্বর মঙ্গলবার ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ কোয়ালিফায়ারে কাতারের বিরুদ্ধে একটি হোম খেলা দিয়ে ২০২৩ এর তাদের সবচেয়ে বড় পরীক্ষার মুখোমুখি হবে।ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে ব্লু টাইগারদের দ্বিতীয় রাউন্ড-র দ্বিতীয় ম্যাচ এশিয়ান চ্যাম্পিয়নদের বিরুদ্ধে ভারতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। বলাবাহুল্য ফিফা র্যাঙ্কিং অনুযায়ী কাতার ভারতের বিপক্ষে ফেভারিট টিম হয়েই নামবে।ভারতীয় ফুটবল দলের কোচ ইগর স্টিমাচের দল ২০২৩ এ কিছুটা ভালো-খারাপের মধ্য দিয়ে চলছে, এবং এখনও পর্যন্ত তাঁরা ঘরের মাঠে অপরাজিত রয়েছে। কোলকাতার তিন প্রধানের অন্যতম মোহনবাগানের ফরোয়ার্ড মনভীর সিংয়ের অসাধরন গোলে ভারত কুয়েতের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তিন পয়েন্ট অর্জন করে। ঘরের মাঠে চেনা দর্শকের সামনে পূর্ণ সমর্থন নিয়ে গ্রুপের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলার আগে ভারতের মনোবল আরও বাড়িয়ে দেবে বলেই ফুটবল বিশেষজ্ঞ মহলের ধারনা। ২০১৯ এ ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের বাছাইপর্বের খেলায় ভারত অসাধরণ খেলে কাতারের সাথে ম্যচ ০-০ ফলে ড্র করেছে, এবং গ্রুপ এ-তে তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে মঙ্গলবার পয়েন্টের আশা নিয়েই খেলতা নামবে ভারতীয় ফুটবল দল।২০২৩ এ ভারতীয় ফুটবল দল ভারতের মাটিতে যে ১১টি ম্যাচ খেলেছে, তার মধ্যে ৯টিতে তাঁরা জয়লাভ করেছে, এবং ২টি খেলা অমীমাংসিত ভাবে শেষ হয়েছে। এই বছরে ঘরের মাঠে এখনও অবধি হারের মুখে দেখেনি স্তিমাচের প্রসিক্ষানাধীন ভারতীয় ফুটবল দল। টানা আটটি খেলায় কোনও গোল খায়নি ভারত। ভারতীয় ফুটবলে এহেন ধারাবাহিকতা দেখে আশায় বুক বেঁধেছে ভারতীয় সমর্থকেরা। বিশেষজ্ঞদের আশা আজ ভুননেস্বরের কলিঙ্গ স্টেডিয়ামের একটা সিট-ও খালি থাকবে না। এই মুহুর্তে ফিফা র্যাঙ্কিং-এ ভারতীয় ফুটবল দল ৯৯ নম্বর স্থানে অবস্থান করছে। ধারাবাহিক ভাবে ভালো খেলার ফলেই ফিফার বিশ্ব ক্রমতালিকায় উঠে আসে ভারত।২১ নভেম্বর মঙ্গলবার ভারতীয় সময় সন্ধ্যা ৭ টায় খেলা শুরু হওয়ার নির্ধারিত সময়। স্পোর্টস ১৮, স্পোর্টস ১৮ -১ এবং স্পোর্টস ১৮ -৩-এ ভারত-কাতার এর খেলা সরাসরি সম্প্রচার দেখতে পাবেন। এছাড়াও ভারতের সমস্ত ফিফা বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের খেলা অনলাইন লাইভ স্ট্রিমিংয়ের জন্য জিও সিনেমা (JioCinema) অ্যাপ বা জিও-র ওয়েবসাইট বিনামূল্যে দেখতে পাবেন।বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের জন্য ভারতের স্কোয়াড:গোলরক্ষকঃ গুরপ্রীত সিং সান্ধু, অমরিন্দর সিং, বিশাল কাইথ।ডিফেন্ডারঃ সন্দেশ জিঘান, মেহতাব সিং, লালচুংনুঙ্গা, রাহুল ভেকে, নিখিল পূজারি, আকাশ মিশ্র, রোশন সিং নওরেম, শুভাশিস বোস।মিডফিল্ডারঃ সুরেশ সিং ওয়াংজাম, অনিরুধ থাপা, লালেংমাওইয়া আপুইয়া, ব্র্যান্ডন ফার্নান্দেস, রোহিত কুমার, সাহল আবদুল সামাদ, লিস্টন কোলাকো, নওরেম মহেশ সিং, উদন্ত সিং।ফরোয়ার্ডঃ সুনীল ছেত্রী, লালিয়ানজুয়ালা ছাংতে, মানভীর সিং, ইশান পন্ডিত, রাহুল কেপি।

নভেম্বর ২১, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

শ্মশানের স্তব্ধতা সাজঘরে! তবুও অন্যথা হল না 'সেরা ফিল্ডার' পুরষ্কার দেওয়ার নিয়মের, কে সেই সেরা ফিল্ডার?

সাজঘরে তখন শ্মশানের স্তব্ধতা! একটা পিন পড়লেও যেন তার শব্দ পাওয়া যাবে। শুরু হল এই বিশ্বকাপে চালু হওয়া ভারতীয় বোর্ড-এর সেরা ফিল্ডারের পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। একেবারেই অনাড়ম্বর এক ঘরোয়া অনুষ্ঠান। দলের খেলোয়াড়, কোচ ও সাপোর্ট স্টাফ ব্যতীত কারোর প্রবেশ নিষেধ। দলে মধ্যে সংহতি বাড়ানো ও ফিল্ডিং মানের উত্তরণ ঘাটানোর জন্যই ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড এই প্রথা চালু করেন। কিন্তু বিশ্বকাপ ফাইনালের বেদনায়ক পরাজয়ের পর দলের সদস্যদের বেশীরভাগ অংশেরই ধারনা ছিলো, হয়তবা এই পরিস্থিতিতে সেই সেলিব্রেশন বাতিল হবে। কিন্তু না! গত দেড় মাস ধরে যা ঘটছিল, তার একটুও ব্যতিক্রম রবিবার হল না।গত দেড় মাস ধরে যা ঘটছিল, তার একটু ব্যতিক্রম হল রবিবার। বিশ্বকাপে টানা ১০টি ম্যাচ জিতে আসা একমাত্র দল ভারত ফাইনাল ম্যাচে পরাজিত হয়েছে! ম্যাচের পর সেরা ফিল্ডারের পদক দেওয়ার পুরস্কার এ বারের বিশ্বকাপেই প্রথম চালু হয়েছে। এই বিশ্বকাপের প্রত্যেকটি ম্যাচ ভারত জিতেছে। কিন্তু ফাইনালের মতো বেদনাদায়ক ম্যাচের শেষে সেই পদক নেওয়ার মানসিকতা কি কারও থাকে?From our first medal ceremony to the last - thank you to all the fans whove given us a lot of love for it 💙Yesterday, we kept our spirits high in the dressing room and presented the best fielder award for one final time.Watch 🎥🔽 - By @28anand#TeamIndia | #CWC23 BCCI (@BCCI) November 20, 2023খেলোয়াড়েরা পরাজয়ের ধাক্কায় বিমর্ষ থাকলেও বোর্ড প্রথামতোই সেরা ফিল্ডারের পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান বাতিল করলো না, দেওয়া হল সেরা ফিল্ডারের পুরষ্কার। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড এক্স হ্যন্ডেলে (সাবেক টুইটারে) লিখেছে, বিশ্বকাপের প্রথম খেলা থেকে শেষ পদক দেওয়া পর্যন্ত যে ভাবে ভারতীয় দলের সমর্থকেরা আমাদের পাশে থেকেছেন তার জন্য ধন্যবাদ। ফাইনালে পরাজয়ের পরেও আমরা চেষ্টা করেছি ঠিক থাকতে। এই বিশ্বকাপে শেষ বারের মতো সেরা ফিল্ডারের পদক দেওয়া হল।ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড এক্স হ্যন্ডেলে (সাবেক টুইটারে) যে ভিডিয়ো পোস্ট করেছে তাতে প্রথমে চলতি বিশ্বকাপে প্রথম ১০টি ম্যাচের সেরা ফিল্ডার পুরস্কার ঘোষণা এবং সেখানে যে অভিনবত্ব দেখানো হয়েছে, তার একটি কোলাজ দেখানো হয়। এরপর ভারতীয় ক্রিকেট দলের ফিল্ডিং কোচ টি দিলীপ পুরষ্কার প্রপকের নাম ঘোষণা করতে গিয়ে বলেন, আমরা জানি আজ আমরা হেরে গিয়েছি। আমরা যা চেয়েছিলাম তা এদিন হয়নি। কিন্তু আমাদের কোচ রাহুল ভাই বলেছেন, আমাদের প্রত্যকের নিজেকে নিয়ে গর্বিত হওয়া উচিত। আমার পক্ষ থেকে দলের প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানাতে চাই। সবাই যে ভাবে মাঠে নেমে নিজের নিজের সেরাটা উজার করে দিয়েছো তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আজকের পুরস্কার এমন একজন পাবে যে মাঠে নামলেই নতুন একটা ঘরানা তৈরি করে। মাঠে নামলে জাদু দেখায়। নিজের কাজটাই ভাল ভাবে শুধু করে না। বাকিদেরও অনুপ্রাণিত করে। সে আর কেউ নয়, বিরাট কোহলি।এই ঘোষণায় বিরাট কোহলি নিজেও খানিকটা চমকে যান। হয়ত তিনি তাঁর নাম ঘোষণা হবে এটা আসা করেনি নতুবা মাঠের চরম পরিণতি কুরেকুরে খাচ্ছিল। ঘোষণার সাথে সাথে সমস্ত গ্লানি ভুলে হাসিমুখেই ফিল্ডিং কোচ টি দিলীপের হাত থেকে পদক নেন। বিরাট কে ফাইনালের সেরা ফিল্ডারের পদক গলায় পরিয়ে দেন আগের ম্যাচের সেরা ফিল্ডারের পদক জয়ী রবীন্দ্র জাদেজা।

নভেম্বর ২০, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

'হেড'র মগজাস্ত্রে ভোঁতা টিম রাহুলের 'হুল'! ফাইনালের দল নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন!

২০২৩ পুরুষদের ক্রিকেট বিশ্বকাপে গ্রুপ লিগ ৯টি ও সেমিফাইনাল ধরে টানা দশটি ম্যাচ জিতেও চূড়ান্ত খেলায় মুখ থুবরে পড়ল রোহিত ব্রিগেড। আবারো বিশ্বকাপের ফাইনালে এসে হেরে গেল ভারত। রোহিতের অবিশ্বাষ্য ক্যাচ দিয়ে শুরু করে থামলেন ১২০ বলে ১৩৭ করে। ফাইনাল ম্যাচে দলের মাথা হয়েই ট্রেভিস হেড বিরাট অস্ট্রেলিয়াকে চাম্পিয়ান করলেন। রোহিতের ধুমাধার ব্যাটিং, কোহলি, কেএল রাহুলের কঠিন সময়ের অর্ধশতরান অন্তরালেই থেকে গেল।ট্রেভিস হেডর ক্যাচ অনেকেই ১৯৮৩-র কপিল দেবর ধরা ভিব রিচার্ডেসের ক্যাচের সঙ্গে তুলনা করছেন। সেদিন-ও ভিব সমলোচিত হয়েছিলেন তাঁর ওই ঔদ্ধত্য পূর্ণ শট খেলার জন্য। ফাইনালে দুর্দান্ত শুরু করেও ম্যাক্সওয়েলের বলে রোহিতের আত্মহত্যামূলক শট-ও চরম সমলোচিত এদিন। বিশেষজ্ঞ দের মতে, যখন ওভারে একটি চার ও ছয় এসে গেছে, তখন রোহিতের খুচরো রান নিয়ে খেলা উচিত ছিল। তাঁদের মতে, অস্ট্রেলীয় অধিনায়কের কামিংস, ম্যাক্সওয়েলকে সেই মুহুর্তে আনার মূল উদ্দেশ্য-ই ছিল রোহিত কে বড় শটের জন্য প্রলোভিত করা। আর সেই ফাঁদেই তিনি পরলেন।Travis Head stands alongside the greats of Australia cricket 💯 🏆Heads #CWC23 Final masterclass 📲 https://t.co/5OtUt57klm pic.twitter.com/gOdhc3kiVk ICC (@ICC) November 20, 2023২০০৩-এ খেলোয়াড় হিসাবে পারেননি, ২০২৩-এ কোচ হিসাবেও ব্যর্থ হলেন রাহুল দ্রাবিড়। টানা ১০ টি ম্যচ জিতলেও প্রদীপের তলার অন্ধকারের মত টিম ইন্ডিয়ার প্রথম একাদশ নির্বাচনের অনেক খামতি-ই বিশেষজ্ঞদের চোখ এড়াইনি। গ্রুপ লিগে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে পায়ের গোড়ালিতে চোট পেয়ে হার্দিক পান্ডিয়া দল থেকে ছিটকে যাওয়াই ভারতীয় দলের ব্যলেন্স অনেকটাই নষ্ট হয়ে যায়। ২০ ওভারের খেলা বা একদিনের খেলায় বিশেষজ্ঞ খেলোয়ারের সাথে সাথে আলরাউন্ডারের ভারসাম্য টিমে অবশ্যই থাকা উচিত। এই ভারসাম্য না থাকলে প্রথম সারির ব্যাটার বা বোলারদের ব্যর্থতার দিনে আলরাউন্ডারাই হাল ধরে। অস্ট্রেলিয়া দলের দিলে তাকালেই ফারাকটা বোঝা যাবে। ফাইনালে তাঁরা ৭ জন বোলারকে ব্যবহার করল। যেখানে ভারতের প্রথম পাঁচজন বোলার ছাড়া কোন বিকল্প নেই। বিরাট-রোহিত-গিল-সুর্যকুমার কেউই বল হাতে সেরকম সাবলীল নয়।ফাইনালের আরেকটা বিষয়েও বিপক্ষকে ধরাশায়ী করে গেলেন টিম অশট্রেলিয়া। ফিল্ডিংয়ে কমপক্ষে ২০ থেকে ২৫ রান বাঁচালেন তাঁরা। ৩৬ বছর বয়সী ডেভিড ওয়ার্নার গোটা মাঠ চষে বেড়ালেন। এক সময় তো মনে হচ্ছিলো যেখানে বল সেখানই ওয়ার্নার। অস্ট্রেলীয় উইকেটরক্ষক জোশ ইংলিশ বিশ্বকাপ ফাইনালে সর্বোচ্চ ক্যাচ ধরার রেকর্ড গড়লেন। তিনি এদিন পাঁচটি ক্যাচ ধরেন।Virat Kohli put on a magical display at #CWC23 🌟More ➡️ https://t.co/vOK9p7ZFB3 pic.twitter.com/TmNQqrWJe1 ICC (@ICC) November 20, 2023বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা এদিনের দল নির্বাচন নিয়ে আরেকটু চিন্তা ভাবনা করা উচিত ছিল। বিশেষ ম্যাচ, পিচ, পরিবেশ সবকিছু পর্যবেক্ষন করে বিশেষজ্ঞদের মত, ফাইনালের টিমে দুটি পরিবর্তন খুব প্রয়োজন ছিল। মহঃ সিরাজ ও সুর্যকুমার যাদব এই বিশ্বকাপে যথেষ্ট সুযোগ পেয়েও নিজেদের নামে প্রতি সুবিচার করতে ব্যর্থ এই দুই ক্রিকেটার। এই দুজনের পরিবর্তে রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও শার্দুল ঠাকুর কে আজ খেলালে অলরাউন্ডারের সমস্যা অনেকটা মিটে যেত বলে ধারণা। রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে খেলানোর পক্ষে প্রধান যুক্তি বর্তমান ভারতীয় দলে বিরাট কোহলি ছাড়া রবিচন্দ্রন অশ্বিন-ই একমাত্র ক্রিকেটার যাঁর এক আগে বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলার অভিজ্ঞতা আছে। সেই দিকটা অবশ্যই টিম ম্যনেজমেন্টের খেয়াল রাখা উচিত ছিল। এছাড়া অস্ট্রেলিয়ার বিরিদ্ধে রবিচন্দ্রন অশ্বিন যথেষ্ট সফল বোলার, তাঁর ব্যাটিং ও টিম ইন্ডিয়াকে গভীরতা দিত। জিতলেই প্রথম একাদশে রদবদল ঘটানো উচিত নয় এই বদ্ধমূল ধারণা থেকে বেরিয়ে পরিবেশ পরিস্থিতি বিচার করে সঠিক একাদশ নির্বাচন করায় থিঙ্ক ট্যাঙ্ক প্রধান কাজ।ফাইনালে ব্যর্থতার মধ্যেও ভারতীয় দলের পাওনা বিরাটের অনবদ্য ব্যাটিং, মহঃ শামির আগুনে বোলিং, রোহিতের স্বার্থত্যাগ করা ওপেনিং ব্যাটিং, শ্রেয়াস আইয়ার এর ফর্মে ফেরা...। এই বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী ব্যাটারের নাম বিরাট কোহলি (৭৬৫)। তিনি শচীনের সর্বোচ্চ শতরানের রেকর্ড ভেঙ্গে দিয়েছেন এই বিশ্বকাপেই। মহঃ শমি, মাত্র সাতটি (৭) ম্যাচ খেলে ২৪টি উইকেট নিয়ে এই বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রহকারি। আবার অপেক্ষা ৪ টি বছরের, এই ভারতীয় দলের অনেকেই হয়ত তখন আর থাকবেন না।

নভেম্বর ২০, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বিরাট, রোহিত-দের পরামর্শদাতা বদল? কি বললেন নতুন পরামর্শদাতা?

ঠিক চূড়ান্ত খেলার আগের দিন পরামর্শদাতার ভূমিকায় নতুন মুখ ভারতীয় দলে! বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে ভারতীয় কোচ রাহুল দ্রাবিড়ের পরিবর্তে রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলিদের অন্য কাউকে পরামর্শ দিতে দেখা গেল। সেই ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ বলতে দেখা গেল ভরতিয় ক্রিকেটারদের বলছেন,তাঁরা যেন বিশ্বকাপ জিতে ফেরে। সেই বিশেষ ব্যক্তি এই বিশ্বকাপে ভারতীয় ক্রিকেট দলের একজন নির্ভরযোগ্য ক্রিকেটার। তিনি চোট পাওয়ার আগে চার চারটি ম্যাচ খেলেওছেন। ব্যক্তিটি হলেন হার্দিক পান্ডিয়া।বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বিরিদ্ধে ম্যাচ চলাকালীন পায়ে চোট পেয়ে ছিটকে যান হার্দিক। নিজের বলে বাংলাদেশের ব্যাটার লিটন দাশের স্টেট ড্রাইভ পা দিয়ে আটকাতে গিয়ে গোড়ালিতে ভয়ঙ্কর চোট পান। সেটি ছিল বাংলাদেশের নবম ওভার। নবম ওভারের তিন নম্বর বল করতে গিয়েই ঘটনাটি ঘটে। উল্লেখযোগ্য, ওই খেলাই তার বাকি তিনটে বল করতে ডাকা হয় বিরাট কোহলিকে। এটি বিরটের এই বিশ্বকাপে প্রথম বল করা। বিরাট এর পর নেদারল্যান্ডের বিরুদ্ধে বল করে বিশ্বকাপে প্রথবার উইকেট লাভ করেন।ম্যাচের আগের দিন ভারতীয় দলকে সাপোর্ট একটি ভিডিয়ো বার্তা সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেন হার্দিক। ভারতীয় দলের জাতীয় জার্সি পড়ে হার্দিক বলেন, আমি এই দলের জন্য আমি ভীষনভাবে গর্বিত। এখনও পর্যন্ত এই বিশ্বকাপে আমরা যা খেলছি তা আমাদের দীর্ঘ দিনের কঠিন পরিশ্রমের ফসল। আমরা বিশ্বজয়ের থেকে মাত্র এক কদম দূরে। আমরা ছোটবেলা থেকে যে স্বপ্ন দেখে এসেছি, সেটাই সফল করে তুলতে হবে। বিশ্বকাপটা হাতে তুলতে হবে শুধুমাত্র আমাদের জন্য নয়, দেশের কোটি কোটি মানুষ আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে। আমাড় হৃদয় সব সময় তোমাদের পাশে। ভালো কিছুর আশায় রইলাম। চোট পেয়ে দল থেকে ছিটকে গিয়েও হার্দিকের আবেগ ঘন বার্তা সকলের মন ছুঁয়ে গেছে। দলে না থেকেও, এখনও যে মানসিক ভাবে তিনি দলের সঙ্গেই রয়েছেন সেই বার্তা-ই দিয়েছেন হার্দিক। ভারতীয় ক্রিকেট দলকে তিনি যে কতটা ভালবাসেন তা বোঝা গিয়েছে হার্দিকের কথা থেকেই। তাঁকে বলতে দেখা যায়, সব সময় আমি দলের সঙ্গে আছি। আমার মন সব সময় তোমাদের পাশে রয়েছে। রবিবারটা তোমাদের সেরাটা আরেকবার দাও। তা হলেই আমদের আসা পুরন হবে। আমরা সফল হব। এটাই সেরা সময় কাপটা দেশে রাখার। জয় হিন্দ।বেশ কয়েক বছর ধরেই ৫০ ও ২০ ওভারের খেলায় ভারতীয় দলের এক নির্ভরযোগ্য খেলোয়াড় উঠেছেন হার্দিক। এই মুহুর্তে বিশ্ব ক্রিকেটের হাতে গোনা কয়েকজন অলরাউন্ডারের মধ্যে হার্দিক অন্যতম। এই বিশ্বকাপেও ভারতীয় দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন হার্দিক। অধিনায়ক রোহিত শর্মার অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ক্রিকেটার ছিলেন তিনি। ব্যাট-বলে তাঁর উপর অগাধ আস্থা ছিল টিম ইন্ডিয়ায়। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে খেলায় চোট সব কিছুতে জল ঢেলে দিল। যেভাবে শুভমান ডেঙ্গি হয়েও দলে ফিরে এলেন এবং দারুন প্রত্যাবর্তন করলেন। ঠিক সেইরকমই মনে করা হয়েছিল যে, সেমিফাইনালের আগেই হয়ত সুস্থ হয়ে দলে ফিরবেন হার্দিক। কিন্তু বিধি বাম। আগামী তিন-চার মাস তাঁকে মাঠের বাইরেই থাকতে হবে। একজন প্রথম একাদশের খেলোয়ারের মাঠের বাইরে থাকার কি যন্ত্রণা তা আজকের বার্তা থেকেই বোঝা যাচ্ছে। খেলতে না পারলেও হার্দিক যে মানসিক ভাবে ভারতীয় ক্রিকেট দলের সঙ্গেই রয়েছেন সে কথা তিনি বুঝিয়ে দিতে পেরেছেন।

নভেম্বর ১৮, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 8
  • ...
  • 68
  • 69
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

১৬ মাস পর মুখোমুখি মোদী-ট্রাম্প! করমর্দনের সেই মুহূর্ত ঘিরে তুমুল জল্পনা

জি-৭ সম্মেলনের মঞ্চে দীর্ঘ ১৬ মাস পর মুখোমুখি হলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার ফ্রান্সের এভিয়ানে সম্মেলনের ঐতিহ্যবাহী ফটো পর্বের সময় দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতা হয়। করমর্দনের সেই মুহূর্ত ঘিরে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।সম্মেলনে অংশ নিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতারা যখন অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছচ্ছিলেন, তখনই মোদী ও ট্রাম্পকে কথা বলতে দেখা যায়। কিছুক্ষণ কথোপকথনের পর তাঁরা একসঙ্গে ফটো পর্বেও অংশ নেন। দীর্ঘদিন পর দুই নেতার এই মুখোমুখি সাক্ষাৎ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক মহলের একাংশ।জানা গিয়েছে, বুধবার জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে মোদী ও ট্রাম্পের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। তার আগেই এই সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতা দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, এর আগে দুই নেতার শেষ মুখোমুখি বৈঠক হয়েছিল গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়েছিলেন। এরপর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হলেও দুই নেতা একাধিকবার টেলিফোনে কথা বলেছেন।গত কয়েক মাসে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নানা কারণে আলোচনায় ছিল। বাণিজ্য শুল্ক, কৌশলগত সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত কয়েকটি বিষয়ে দুই দেশের অবস্থান নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে একই সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার বিষয়েও দুই দেশ আগ্রহ দেখিয়েছে।কূটনৈতিক সূত্রের মতে, বুধবারের বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, প্রযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। বিশেষ করে দুই দেশের মধ্যে চলমান বাণিজ্য কাঠামো এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার রূপরেখা বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে।প্রসঙ্গত, ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর আমন্ত্রণে এবারের জি-৭ সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। সঙ্গী দেশ হিসেবে ভারত একাধিকবার এই সম্মেলনে আমন্ত্রিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক কূটনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে বিবেচিত এই সম্মেলনে ভারতের উপস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।এখন সকলের নজর বুধবারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের দিকে। দীর্ঘ ১৬ মাস পর মুখোমুখি সাক্ষাতের পর দুই দেশের সম্পর্ক কোন নতুন পথে এগোয়, তা জানতেই আগ্রহী আন্তর্জাতিক মহল।

জুন ১৬, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বড়সড় জঙ্গি চক্র ফাঁস! একসঙ্গে গ্রেপ্তার ৭, তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য

রাজধানী দিল্লিতে একটি সন্দেহভাজন জঙ্গি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযান চালিয়ে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতরা দেশের বিভিন্ন জায়গায় নাশকতার পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপ, অস্ত্র ও মাদক পাচার এবং সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহের অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীদের দাবি, একটি আন্তর্জাতিক চক্রের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ ছিল এবং সেই সূত্রে বিভিন্ন বেআইনি কার্যকলাপ চালানো হত।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে বলে পুলিশের দাবি, সীমান্তবর্তী এলাকা ব্যবহার করে অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং মাদক পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল। পরে সেগুলি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া হত। সম্প্রতি গোয়েন্দা সূত্রে তথ্য পাওয়ার পরই শুরু হয় নজরদারি এবং তল্লাশি অভিযান।অবশেষে দিল্লি পুলিশের বিশেষ শাখার অভিযানে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপরই রাজধানী এবং আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল স্থানে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য বৈদ্যুতিন যন্ত্রে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। কিছু সংবেদনশীল স্থানের ছবি এবং তথ্যও উদ্ধার হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। সেগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, এর আগেও রাজধানীতে নাশকতার সম্ভাবনা ঘিরে কয়েকজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সেই ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে। তার মধ্যেই নতুন করে এই গ্রেপ্তারি নিরাপত্তা সংস্থাগুলির উদ্বেগ বাড়িয়েছে।পুলিশের দাবি, গোটা ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, এই চক্রের সঙ্গে আর কারা যুক্ত এবং তাদের সম্ভাব্য পরিকল্পনা কতদূর এগিয়েছিল।এই ঘটনার পর রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলি।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

একুশের আগে বড় ধাক্কার ছক? তৃণমূলের প্রতীক নিয়েই কি আদালতে যাচ্ছেন সুদীপরা!

একুশে জুলাই তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। দীর্ঘদিন ধরে এই দিনটিকে দলের শক্তি প্রদর্শনের অন্যতম বড় মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। তবে এবার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। ক্ষমতা হারানোর পর দলীয় অন্দরে বিভাজন, বিদ্রোহ এবং নেতৃত্ব নিয়ে জটিলতার আবহে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নিয়েই তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।এই আবহের মধ্যেই নতুন রাজনৈতিক জল্পনার জন্ম দিলেন তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের অন্যতম প্রবীণ সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। বিদ্রোহী সাংসদদের একটি বড় অংশ সম্প্রতি নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপিআই-তে যোগ দিয়েছেন। ফলে অনেকেই মনে করেছিলেন, তাঁরা তৃণমূলের নাম, প্রতীক বা সম্পত্তির দাবি থেকে সরে এসেছেন। কিন্তু সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক মন্তব্য সেই ধারণায় নতুন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।দিল্লি থেকে ফেরার পর তিনি বলেন, দলের প্রতীক, সম্পত্তি এবং ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক অবস্থান নিয়ে কী পদক্ষেপ করা হবে, তা এখনও আলোচনার বিষয়। তাঁর অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, এই ধরনের বিষয় শেষ পর্যন্ত আদালতেই নিষ্পত্তি হয়। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই মন্তব্যের মধ্যেই ভবিষ্যতের আইনি লড়াইয়ের ইঙ্গিত রয়েছে।সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, অন্য রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার পরও কীভাবে তৃণমূলের প্রতীক বা সম্পত্তির দাবি তোলা সম্ভব? রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, লোকসভা ও বিধানসভার বিক্ষুব্ধ শিবিরকে একত্র করার চেষ্টা চলছে। যদি বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলির মধ্যে সমঝোতা তৈরি হয়, তাহলে ভবিষ্যতে দলীয় প্রতীক ও সাংগঠনিক অধিকার নিয়ে নতুন দাবি উঠতে পারে।সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানিয়েছেন, বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে। কীভাবে সবাই একসঙ্গে বসবে, কীভাবে ভবিষ্যতের রূপরেখা তৈরি হবে এবং নতুন দলের রাজনৈতিক কর্মসূচি কী হবে, তা নিয়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে। তাঁর দাবি, বিষয়টি ইতিমধ্যেই অনেক দূর এগিয়েছে এবং বিধানসভা স্তরেও একই ধরনের প্রস্তুতি চলছে।আগামী কুড়ি জুলাই সংসদের অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা। তার আগেই বিদ্রোহী শিবির নিজেদের অবস্থান আরও স্পষ্ট করতে চাইছে বলে রাজনৈতিক সূত্রের খবর। সুদীপ জানিয়েছেন, প্রথম ধাপের কাজ শেষ হয়েছে। এখন পরবর্তী পর্যায়ের প্রস্তুতি চলছে এবং অধিবেশন শুরুর আগেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।তবে এই জল্পনায় জল ঢেলেছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, বিদ্রোহী সাংসদরা ইতিমধ্যেই নতুন দলে যোগ দিয়েছেন এবং তাঁদের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে আলাদা করে কোনও তথ্য তাঁর কাছে নেই। ফলে দুই পক্ষ একসঙ্গে আসবে কি না, তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট ছবি সামনে আসেনি।একুশে জুলাইয়ের আগে এই রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়েই এখন তীব্র আগ্রহ তৈরি হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। বিশেষ করে দলীয় প্রতীক, সম্পত্তি এবং সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন কোনও আইনি লড়াই শুরু হয় কি না, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

সুমিত কোথায়? গ্রেফতারি পরোয়ানার পর এবার লুক আউট নোটিস, চাপে অভিষেকের ঘনিষ্ঠ সহকারী

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহকারী সুমিত রায়কে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হল। তাঁর বিরুদ্ধে আগে থেকেই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। এবার তাঁকে খুঁজে না পাওয়ায় লুক আউট নোটিস জারি করল রাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা। এর ফলে দেশের কোনও বন্দর, বিমানবন্দর বা সীমান্ত দিয়ে দেশ ছাড়ার চেষ্টা করলে তাঁকে আটক করা হতে পারে।গত কয়েক দিন ধরে সুমিত রায়ের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তদন্তকারীরা কলকাতার একাধিক জায়গায় খোঁজ চালানোর পাশাপাশি কালীঘাটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও পৌঁছেছিলেন। সেখানে তল্লাশি চালানো হলেও সুমিতের কোনও হদিস মেলেনি। হুগলির শ্রীরামপুরে তাঁর শ্বশুরবাড়িতেও খোঁজ করা হয়, কিন্তু সেখানেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, সুমিত রায় কোথায় রয়েছেন। তদন্তের অগ্রগতি থমকে যাওয়ায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আবেদন জানায়। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে।অন্যদিকে, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পরই সুমিত রায় কলকাতা হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে তিনি ব্যক্তিগতভাবে আদালতে উপস্থিত হননি। তাঁর আবেদন নিয়ে চলতি সপ্তাহেই শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তদন্ত সূত্রে খবর, এই পরিস্থিতিতে সুমিত রায়ের বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। সেই কারণেই গোয়েন্দা সংস্থা অভিবাসন কর্তৃপক্ষের কাছে লুক আউট নোটিস জারির আবেদন করে। সেই আবেদন অনুমোদিত হওয়ায় এখন থেকে দেশের যে কোনও আন্তর্জাতিক প্রবেশ বা প্রস্থান কেন্দ্রে তাঁর নাম সতর্কতামূলক তালিকায় থাকবে।উল্লেখ্য, প্রতারণা এবং জমি সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে সুমিত রায়ের নাম উঠে এসেছে তদন্তে। এই মামলায় এক প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ককে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাঁর নাম সামনে আসে বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি। তারপর থেকেই তাঁকে খুঁজছে পুলিশ।এখন সবার নজর, সুমিত রায় কোথায় এবং তদন্তকারীরা কবে তাঁর নাগাল পান। একই সঙ্গে আদালতে তাঁর আগাম জামিনের আবেদনের শুনানিও বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

জুন ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে জিতেই বিপাকে ইরান! ম্যাচ শেষ হতেই দেশ ছাড়ার নির্দেশ, ক্ষোভ ফুটবলারদের

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ভালো পারফরম্যান্সের পরই নতুন বিতর্কে জড়াল ইরান ফুটবল দল। দলের অভিযোগ, ম্যাচ শেষ হওয়ার পর পর্যাপ্ত বিশ্রাম বা পুনরুদ্ধারের সময় না দিয়েই তাদের দ্রুত যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে বলা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফুটবলার এবং কোচিং স্টাফের সদস্যরা।সূত্রের খবর, বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য ইরান দলকে সীমিত সময়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। সেই কারণে ম্যাচ ছাড়া বাকি সময় তারা অন্য দেশে অবস্থান করছে এবং সেখানেই অনুশীলন চালাচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ম্যাচের পর যুক্তরাষ্ট্রেই একটি রাত কাটানোর কথা ছিল দলের। কিন্তু ম্যাচ শেষ হওয়ার পর পরিস্থিতি বদলে যায় বলে দাবি ইরান শিবিরের।দলের অভিযোগ, ম্যাচ শেষ হতেই তাদের দ্রুত রওনা হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপরই ইরান দলকে মেক্সিকোর তিজুয়ানায় ফিরে যেতে হয়। সেখানেই বর্তমানে তাদের বেস ক্যাম্প রয়েছে।ইরানের প্রধান কোচ আমির ঘালেনোই এই ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, খেলোয়াড়দের জন্য ম্যাচের পর বিশ্রাম ও পুনরুদ্ধারের সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সেই সুযোগ দেওয়া হয়নি। তিনি দাবি করেন, এই সিদ্ধান্তে দলের প্রস্তুতি এবং শারীরিক অবস্থার উপর প্রভাব পড়তে পারে।কোচ আরও বলেন, শুরুতে যে পরিকল্পনা ছিল, তাতে ম্যাচের আগে এবং পরে নির্দিষ্ট সময় যুক্তরাষ্ট্রে থাকার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবায়িত হয়নি। কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।বিশ্বকাপ শুরুর আগে ইরান শিবির জানিয়েছিল, তারা মাঠের বাইরের বিতর্কে জড়াতে চায় না। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনা শুরু হয়েছে। দলের একাংশের মতে, তাদের প্রতি আলাদা ধরনের আচরণ করা হচ্ছে।অন্যদিকে, অধিনায়ক মেহদি তারেমি নাকি এই বিষয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। ইরানের অভিযোগের পর পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর ফুটবলপ্রেমীদের।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের ভূমিকায় প্রশ্নচিহ্ন! আদালতের পর্যবেক্ষণে বাড়ল রাজনৈতিক চাপ

বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম নিয়ে চলা আইনি লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করল কলকাতা হাই কোর্ট। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে স্পিকারের সিদ্ধান্ত এবং তাঁর ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলে আদালত। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও জানতে চান, বিধানসভার অধিবেশন না ডেকে কীভাবে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এবং স্পিকার কীভাবে নিশ্চিত হলেন যে বিরোধী শিবিরের কোন পক্ষের সমর্থন বেশি।শুনানির সময় বিচারপতি বলেন, বিরোধী দলনেতার নাম প্রস্তাব আকারে স্পিকারের কাছে জমা পড়ার পর তাঁর সাংবিধানিক দায়িত্ব কী ছিল, তা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। আদালতের প্রশ্ন, প্রধান বিরোধী দলের পক্ষ থেকে কোনও নাম পাঠানো হলে স্পিকার কি তা গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?রাজ্যের পক্ষে অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য আদালতে জানান, বিরোধী শিবিরের ভিতরে মতবিরোধ থাকায় স্পিকারকে সবদিক বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। তিনি উদাহরণ হিসেবে অন্য একটি রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথাও তুলে ধরেন, যেখানে বিরোধী দলের নেতৃত্ব নিয়ে দীর্ঘদিন অনিশ্চয়তা ছিল।তবে আদালত এই যুক্তিতে পুরোপুরি সন্তুষ্ট হয়নি। বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, যদি একই দলের দুই পক্ষ আলাদা দাবি জানায়, তাহলে সেই ক্ষেত্রে স্পিকারের ক্ষমতার সীমা কোথায়? তিনি কি নিজে থেকেই কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, নাকি বিধানসভার নিয়ম মেনেই তা নির্ধারণ করতে হবে?শুনানিতে আরও উঠে আসে সই জালিয়াতির অভিযোগের প্রসঙ্গ। রাজ্যের আইনজীবী জানান, বিরোধী শিবিরের দুই বিধায়ক সই জাল করার অভিযোগ তুলেছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তও শুরু হয়। তবে বিচারপতি জানতে চান, তদন্ত শুরু হওয়ার আগে বিরোধী দলনেতার নাম নিয়ে স্পিকার কেন কোনও সিদ্ধান্ত নিলেন না।আদালতের পর্যবেক্ষণে স্পষ্ট, এই মামলায় স্পিকারের ভূমিকা এবং তাঁর সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রয়োজন। বিচারপতি বলেন, মূল প্রশ্ন হল, বিরোধী দলনেতার নাম প্রস্তাব হওয়ার পরও স্পিকার দীর্ঘ সময় কোনও সিদ্ধান্ত না নিয়ে অপেক্ষা করলেন কেন।এদিনের শুনানিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। মামলার পরবর্তী শুনানি বুধবার নির্ধারিত হয়েছে। ফলে এখন রাজনৈতিক মহলের নজর আগামী দিনের শুনানির দিকে। আদালত কী পর্যবেক্ষণ দেয় এবং এই মামলার ভবিষ্যৎ কোন দিকে এগোয়, তা নিয়েই জল্পনা তুঙ্গে।

জুন ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মাঠে বাঁশি বাজিয়ে কোটি টাকা! বিশ্বকাপের রেফারিদের আয় শুনলে চোখ কপালে উঠবে

বিশ্বকাপের মঞ্চে ফুটবলারদের পারফরম্যান্স যেমন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে, তেমনই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন রেফারিরা। একটি সিদ্ধান্ত কখনও ম্যাচের ফল বদলে দিতে পারে। সেই কারণেই তাঁদের কাজ সবসময় কঠোর নজরদারির মধ্যে থাকে। তবে অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে, বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনা করে একজন রেফারি কত টাকা আয় করেন?তথ্য অনুযায়ী, আগের বিশ্বকাপে রেফারিরা নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক হিসেবে প্রায় সত্তর হাজার মার্কিন ডলার পেয়েছিলেন। এর পাশাপাশি প্রতি ম্যাচ পরিচালনার জন্য আলাদা অর্থ দেওয়া হত। ম্যাচের গুরুত্ব এবং রেফারির অভিজ্ঞতার উপর সেই অঙ্ক নির্ভর করত। সহকারী রেফারি এবং ভিডিও সহায়ক রেফারিরাও উল্লেখযোগ্য পারিশ্রমিক পেতেন।এবার সেই অঙ্ক আরও বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, বিশ্বকাপে দায়িত্ব পাওয়া রেফারিরা এককালীন প্রায় এক লক্ষ মার্কিন ডলার পর্যন্ত পেতে পারেন। এর পাশাপাশি প্রতিটি ম্যাচ পরিচালনার জন্যও আলাদা পারিশ্রমিক থাকবে। প্রতিযোগিতার শেষ দিকে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনা করলে সেই আয় আরও বাড়বে। হিসাব অনুযায়ী, ফাইনাল-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনা করা কোনও রেফারির মোট আয় কয়েক কোটি টাকায় পৌঁছতে পারে।বিশ্বকাপে এবার শুধু পারিশ্রমিকই নয়, প্রযুক্তিতেও এসেছে বড় পরিবর্তন। রেফারিদের চোখের কাছে একটি বিশেষ ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। এই অত্যাধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে দর্শকেরা সরাসরি দেখতে পারবেন, ম্যাচ চলাকালীন রেফারি ঠিক কী দেখছেন এবং কোন পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রযুক্তি রেফারির কাজকে আরও স্বচ্ছ করে তুলবে। দ্রুতগতির খেলায় সিদ্ধান্ত নেওয়া কতটা কঠিন, তা বোঝার সুযোগও পাবেন দর্শকেরা। এই বিশেষ ক্যামেরা উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সাহায্যে পরিচালিত হয় এবং রেফারির দৌড় বা নড়াচড়ার সময়ও স্থির চিত্র ধারণ করতে সক্ষম।এছাড়া রেফারিদের কানে থাকে বিশেষ যোগাযোগ ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে তাঁরা সহকারী রেফারি এবং ভিডিও সহায়ক রেফারিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখতে পারেন। মাঠে কোনও বিতর্কিত পরিস্থিতি তৈরি হলে দ্রুত মতামত বিনিময় করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।সব মিলিয়ে, এবারের বিশ্বকাপে রেফারিদের দায়িত্ব যেমন বেড়েছে, তেমনই বেড়েছে তাঁদের আয় এবং প্রযুক্তিগত সুবিধাও। ফলে ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে এবার নতুনভাবে আলোচনায় উঠে এসেছেন ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা এই গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

সাড়ে ছয় ঘণ্টার জেরা শেষে সরাসরি কালীঘাটে! ভবানী ভবন থেকে বেরিয়েই কোথায় গেলেন অভিষেক?

ডিজে মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মামলায় মঙ্গলবার দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দুপুর থেকে শুরু হওয়া জেরা চলে টানা প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টা। সন্ধ্যা ছটা পঁচিশ মিনিট নাগাদ ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে তিনি সরাসরি কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান।সূত্রের খবর, সেখানে দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চলছিল। ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে সেই বৈঠকেই যোগ দেন অভিষেক। যদিও জিজ্ঞাসাবাদ নিয়ে সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর দেননি তিনি।উল্লেখ্য, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় বিজেপিকে উদ্দেশ করে করা একটি মন্তব্য ঘিরেই বিতর্কের সূত্রপাত। একটি জনসভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ফল ঘোষণার দিন রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঙ্গে ডিজেও বাজবে। সেই মন্তব্যের ভাষা ও প্রেক্ষাপট নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। অভিযোগ ওঠে, ওই বক্তব্যের মধ্যে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে পরোক্ষ হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল।এর পরেই অভিষেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়। প্রথমে বিষয়টি বিধাননগর সাইবার থানায় নথিভুক্ত হলেও পরে তদন্তভার যায় সিআইডির হাতে। গত সপ্তাহে তদন্তকারীরা তাঁর বাড়িতে গিয়ে হাজিরার নোটিস দেন। সেই নোটিসের ভিত্তিতেই মঙ্গলবার ভবানী ভবনে উপস্থিত হন তিনি।দুপুর বারোটা নাগাদ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। তদন্তকারীরা বক্তব্যের প্রেক্ষাপট, উদ্দেশ্য এবং বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করেন বলে সূত্রের খবর। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই জেরার পর সন্ধ্যায় ভবানী ভবন ছাড়েন অভিষেক।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর একাধিক মামলায় তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হতে হয়েছে তাঁকে। বিভিন্ন মামলায় সিআইডি ও অন্যান্য সংস্থা ইতিমধ্যেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। রাজনৈতিক মহলের নজর এখন এই মামলার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। ভবিষ্যতে তাঁকে আবারও ডাকা হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

জুন ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal