• ১ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

টুকিটাকি

টুকিটাকি

শরীরে ক্লান্তি দূ্র করতে পুজোয় নিয়ম মেনে করুন খাওয়াদাওয়া

বাড়িতে রয়েছেন বলে খাওয়াদাওয়ায় অনিয়ম করবেন , এরকমটা কিন্তু একেবারেই নয়। এতে শরীরে ক্লান্তি ডেকে আনতে পারে। যা শরীরের পক্ষে একদমই ভাল নয়। বরং , এটা শরীরের ক্ষেত্রে নানাবিধ সমস্যা বয়ে আনতে পারে। জেনে রাখুন , ক্লান্তি দূর করতে কি করবেন। শরীর থেকে ক্লান্তি দূর করতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন খান। মাসল , ত্বক, শরীরের জয়েন্ট , মস্তিষ্ক সবই ঠিকঠাক কাজ করবে প্রোটিন খেলে। আরও পড়ুনঃ সুস্বাস্থ্যের জন্য উপকারী ছোট মাছ প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল খান। অর্থাৎ লেবু , পেয়ারা সহ বিভিন্ন ধরণের ফল। মিষ্টি কিন্তু একেবারেই নৈব নৈব চ ! এর জেরে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হবে। এছাড়াও বাড়িতে বসে অফিসের কাজ করার সময় ঘণ্টায় ঘণ্টায় চা ও কফি খাওয়া এড়িয়ে চলুন।

অক্টোবর ২১, ২০২০
টুকিটাকি

সুস্বাস্থ্যের জন্য উপকারী ছোট মাছ

ছোট মাছ শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী। ছো্ট মাছ খেলে শরীরে কো্নদিক থেকে ভাল হবে , তা জেনে নিন। শিশুদের জন্য প্রোটিন, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি-৩ এবং ভিটামিন ডি যুক্ত গুঁড়া মাছ খুবই উপকারী। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খনিজ লবণ সমৃদ্ধ গুঁড়া মাছ উপকারী। হৃদরোগী, স্ট্রোকের রোগীর ও গর্ভবতী মা ও দুগ্ধদানকারী মায়ের জন্য গুঁড়া মাছ খুবই উপকারী। ছোট মাছে অসম্পৃক্ত চর্বি আছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। আরও পড়ুনঃ কলাপাতা ত্বকের জন্য উপকারী , না জানলে জেনে নিন ! এ ছাড়া আয়রন, প্রোটিন, ফসফরাস, ভিটামিন এ, ভিটামিন বি ২, ফ্যাটি অ্যাসিড, লাইসনি ও মিথিওনিনেরও ভাল উৎস ছোট মাছ।ছোট মাছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ থাকে যা রাতকানা, অন্ধ হয়ে যাওয়া ছাড়াও দৈনন্দিন অনেক শারিরীক সমস্যা দূর করতে সক্ষম। যাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ গুঁড়া মাছ তাদের ব্ল্যাডপ্রেসার কমাতে সাহায্য করবে।

অক্টোবর ২০, ২০২০
টুকিটাকি

কলাপাতা ত্বকের জন্য উপকারী , না জানলে জেনে নিন !

কলাপাতা ত্বকের জন্য অব্যর্থ ওষুধ। কলাপাতা ব্লেন্ড করে রস ক্ষত স্থানে সামান্য সময় রেখে ধুয়ে ফেলুন। যদি এই রস ব্যবহারের পর ত্বক জ্বালাপোড়া করে তাহলে তাড়াতাড়ি ধুয়ে ফেলুন, বেশিক্ষন রাখবেন না। বিভিন্ন ক্রিমে লেবেলে আলাটোয়িং নামক একটি ব্যয়বহুল এবং সক্রিয় উপাদান দেখা যায়। যার উপস্থিতি কলাপাতার মধ্যে পাওয়া যায়। আরও পড়ুনঃ শরীর সুস্থ রাখতে পাতে রাখুন মোচা কলাপাতার উপর কয়েকটি বরফের কিউব ঘষে নিয়ে ত্বকের উপর প্রয়োগ করলে ত্বক আরও উজ্জ্বল ও সতেজ হয়ে উঠবে। তাছাড়া কলাপাতায় নিয়মিত খাবার খেলেও ত্বক ভিতর থেকে সুস্থ ও সতেজ হয়ে ওঠে। কারণ এই পাতার মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীর থেকে টক্সিক বেড়িয়ে যেতে সাহায্য করে। ফলে ত্বক হয়ে ওঠে আরও বেশি উজ্জ্বল এবং সতেজ।

অক্টোবর ১৯, ২০২০
টুকিটাকি

শরীর সুস্থ রাখতে পাতে রাখুন মোচা

মোচার মধ্যে থাকা নির্যাসে শক্তিশালী অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সহ অন্যান্য প্রোটিন থাকে। এটি শরীরের জন্য উপকারী। মোচায় থাকা ম্যাগনেশিয়াম উদ্বেগ ও হতাশা কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও মন ও মেজাজ ভাল রাখতে সাহায্য করে মোচা। মোচায় রয়েছে ফেনোলিক অ্যাসিড , যা রক্তের শর্করা মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। মোচায় রয়েছে প্রাকৃ্তিক গ্যালাক্টাগাগ , যা স্তন্যদান কারী মায়ের বুকের দুধ বৃ্দ্ধিতে সাহায্য করে।এছাড়াও মোচা কার্বোহাইড্রেট ও প্রোটিন সমৃদ্ধ হওয়ায় দেহ গঠনের কাজে সাহায্য করে। আরও পড়ুনঃ মারণ ব্যধি ক্যান্সারকে হারাতে অদ্বিতীয় ব্রোকলি ! মোচায় লৌহ থাকায় এটি খেলে অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা দূর করতে দারুণ সহায়তা করে। মোচার মধ্যে যেই পরিমাণে আঁশ পাওয়া যায় তাতে সহজে হজমশক্তি বৃদ্ধি করে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ক্যান্সার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন মোচায় ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস থাকায় এটি শিশুদের দাঁত ও হাঁড়ের লম্বাটে মজবুত রাখতে সাহায্য করে।

অক্টোবর ১৮, ২০২০
টুকিটাকি

মারণ ব্যধি ক্যান্সারকে হারাতে অদ্বিতীয় ব্রোকলি !

ব্রোকলি ফুলকপি নয়। এই সবজীকে কাঁচাও খাওয়া যায়। রান্না করেও খাওয়া যায় এই সবজী। তবে এই সবজী নিয়মিত খেলে শরীর স্বাস্থ্য ভালো তো থাকবেই, বাড়বে পুষ্টির পরিমাণ। ব্রোকলিতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি, যার মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিএজিংএর গুণ। এছাড়াও পুষ্টিকর সবজি হিসেবে এর জুড়ি মেলা ভার। আমেরিকান ক্যানসার রিসার্চ ইনস্টিটিউটের তালিকা অনুযায়ী ক্যান্সার প্রতিরোধী খাবার হিসেবে এর স্থান দশম। আরও পড়ুনঃ শরীরের উন্নতিতে কাঁচালঙ্কার ভূমিকা অমূল্য ব্রোকলি হল ক্রুসেফেরি প্রজাতির সবজী, যারা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার ও রোগ প্রতিরোধ করার মত ক্ষমতা রাখেন। এছাড়াও ফুসফুস, মলাশয়, বুক, জরায়ুর ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে এই সবজীর গুণ রয়েছে। ক্যান্সার প্রতিরোধক ফলিক অ্যাসিডের উপস্থিতি এই সবজীকে ক্যানসার প্রতিরোধের বিষয়ে বিশেষ ক্ষমতা দেয়।

অক্টোবর ১৭, ২০২০
টুকিটাকি

শরীরের উন্নতিতে কাঁচালঙ্কার ভূমিকা অমূল্য

কাঁচালঙ্কা আমরা রান্নায় ঝাল বাড়ানো্র জন্য ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু কাঁচালঙ্কার অনেক উপকারী গুণ আছে , সে বিষয়ে কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না। চলুন এবার জেনে নিই , কাঁচালঙ্কা আমাদের শরীরে কি কি উপকার করে। রোজ একটি করে কাঁচালঙ্কা খেলে শরীরে ভিটামিন সির ঘাটতি কমবে। আরও পড়ুনঃ সকালে খালি পেটে খান কিসমিস ভেজানো জল , উপকার পাবেন হাজার গুণ এছাড়াও কাঁচালঙ্কা খেলে জ্বর ও কাশি থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া যায়। ্প্রস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমানোর ক্ষেত্রেও কাঁচালঙ্কার ভূমিকা অনবদ্য। হজমশক্তি বাড়ানো্র ক্ষেত্রেও কাঁচালঙ্কার ভূমিকা রয়েছে। কাঁচালঙ্কা শরীরে রক্ত চলাচলে সাহায্য করে।

অক্টোবর ১৬, ২০২০
টুকিটাকি

সকালে খালি পেটে খান কিসমিস ভেজানো জল , উপকার পাবেন হাজার গুণ

সকালে খালি পেটে খান কিসমিস ভেজানো জল খেলে অনেক রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এই কিসমিস ভেজানো জল নিয়মিত খেলে অ্যা্নিমিয়া রোগীরা রক্তশূন্যতা থেকে মুক্তি পায়। টানা চার থেকে পাঁচদিন কিসমিস ভেজানো জল পান করলে পেট একদম পরিস্কার হয়ে যাবে। পেটের গণ্ডগো্লও উধাও হয়ে যাবে। কিশমিশ হার্ট কে ভালো রাখে। এর পাশাপাশি শরীরের ক্ষতিকারক যে কোলেস্টেরল আছে তাকেও দূর করে।কিশমিশে নানা ধরনের ভিটামিন ও মিনারেল থাকে। কিশমিশ না খেয়ে শুধু কিশমিশ ভেজা জল খেলেও সেই ভিটামিন ও মিনারেল শরীরে ঢোকে। জলে ভেজানোর আর একটা কারণ শর্করার মাত্রা কমে। আরও পড়ুনঃ দাঁতের যন্ত্রনায় কাতর ? প্রয়োগ করুন এই ঘরোয়া উপায়গুলি রক্ত পরিষ্কার করতে কিডনির পাশাপাশি লিভারকেও ভালো ভাবে কাজ করতে হবে। কিশমিশের জল তৈরি করবেন জেনে নিন ২ কাপ জল (৪০০ এমএল) ও ১৫০ গ্রাম কিশমিশ লাগবে। খুব চকচক করছে এমন কিশমিশ কিনবেন না। তাতে কেমিক্যাল মেশানো থাকে। একটি পাত্রে দু কাপ জল দিয়ে সারারাত কিশমিশ ভিজিয়ে রাখুন। সকালে কিশমিশ ছেঁকে নিয়ে, সেই জল হালকা গরম করে সকালে খালি পেটে খেয়ে নিন। ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট অন্য কিছু খাবেন না।

অক্টোবর ১৫, ২০২০
টুকিটাকি

দাঁতের যন্ত্রনায় কাতর ? প্রয়োগ করুন এই ঘরোয়া উপায়গুলি

দাঁতের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে গেলে প্রতিদিন দাঁতের যত্ন নেওয়া অবশ্যই দরকার। যেমন, সকালে দাঁত ব্রাশ করা আর রাতে শুতে যাওয়ার আগে দাঁত ব্রাশ করা খুবই দরকারি। কিন্তু অনেকেই এই নিয়ম মেনে চলেন না। এবার জেনে নিন দাঁতের ব্যথা হলে তা কমানোর জন্য কি কি ঘরোয়া উপায় আছে। প্রথমেই দাঁতের ব্যথা কমানোর জন্য যে ঘরোয়া উপায়ের কথা মনে পড়ে যায় , তা হল লবণ জল। আরও পড়ুনঃ ওজন কমানোর ক্ষেত্রে উপকারী কোনটি ? ভাত না রুটি? লবণ এমন একটি উপাদান যা প্রত্যেক ঘরেই থাকে। দাঁতে ব্যথা হলে উষ্ণ গরম জল করে একটু লবণ মিশিয়ে বারবার কুলকুচি করুন। এতে দাঁতের ব্যথা কমবে আর মুখে থাকা জীবাণু থাকলে নাশ হবে। এর সঙ্গে মাড়িতে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হবে ফলে মাড়ির ব্যাথাও কমে যাবে। এছাড়াও যে ঘরোয়া টোটকার কথা অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে তা হল লবঙ্গ। এই জিনিসটি যদিও সব বাড়িতেই থাকে। যখন দাঁতে ব্যথা হবে তখন যে দাঁতটি ব্যথা তার ওপরে একটি লবঙ্গ উলটো দিক দিয়ে চেপে ধরে থাকুন। দাঁতে লবঙ্গ তেল ব্যবহারও করতে পারেন। এর ফলে ব্যথা থেকে সাময়িক হলেও মুক্তি পাবেন। এছাড়াও দাঁতে ব্যথা কমানোর জন্য অমূল্য ঘরোয়া দাওয়াই হল আদা। এক টুকরো আদা নিয়ে ব্যাথা যুক্ত দাঁত দিয়ে চিবতে থাকুন। যে দাঁতে ব্যাথা তার ওপরে আর আশে পাশে আদার রস দিন। কিছুক্ষন পর অবশ্যই ব্যাথা থেকে আরাম পাবেন।

অক্টোবর ১৪, ২০২০
টুকিটাকি

ওজন কমানোর ক্ষেত্রে উপকারী কোনটি ? ভাত না রুটি?

ওজন নিয়ে আমরা সকলেই কম-বেশি চিন্তিত। আর ওজন ঠিক রাখতে গেলে খাদ্য তালিকায় নজর নিতে হবে আমাদের। তবে ওজন কমাতে ভাত না রুটি উপকারী তা নিয়ে আমরা সকলেই একটা দ্বিধার মধ্যেই থাকি। বেশ কিছু তথ্য বিবেচনা করে জানা যাচ্ছে ভাত ও রুটির মধ্যে পুষ্টিগুণের তেমন পার্থক্য নেই। আরও পড়ুনঃ শরীর ভাল রাখতে অনবদ্য কালো জিরে, না জানলে জেনে নিন দুটি খাদ্যই শস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ করেই পাওয়া যায়। তবে যে পার্থক্য লক্ষ্য করা যায় সেটি হল ভাতে নগদ পরিমাণে ১২০ গ্রাম সোডিয়াম থাকে অন্যদিকে গমে সোডিয়াম থাকে ১৯০ মিলিগ্রাম। এছাড়া ৬০ গ্রাম চালে ১ গ্রাম প্রোটিন, ৮০ ক্যালোরি, ০.১ গ্রাম ফ্যাট ও ১৮ গ্রাম কার্বস থাকে। অন্যদিকে একটি ছোট ৬ ইঞ্চি পরিমাপের রুটিতে প্রায় ৩ গ্রাম প্রোটিন, ৭১ ক্যালোরি, 0.৪ গ্রাম ফ্যাট ও ১৫ গ্রাম কার্বস থাকে। উল্লেখ্য রুটি গম থেকে তৈরি হয় সেকারনে চালের তুলনায় বেশি পুষ্টি থাকে রুটিতে। তাই ভাত ও রুটি খেলেও ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। কিন্তু কোনওটিই খুব বেশি পরিমাণে খাওয়া উচিত নয়।

অক্টোবর ১৩, ২০২০
টুকিটাকি

শরীর ভাল রাখতে অনবদ্য কালো জিরে, না জানলে জেনে নিন

রান্নায় তো আমরা কালো জিরে দিয়ে থাকি। কিন্তু শরীর ভাল রাখতে যে কালো ্জিরের গুরুত্ব অপরিসীম , সে বিষয়ে হয়তো আমরা অনেকেই জানি না। চলুন এবার জেনে নিই , কালো ্জিরে খেলে আমাদের কি উপকার হয়। কালো জিরেতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি- অক্সিডেন্টস , যা আমাদের শরীর ভাল রাখতে সাহায্য করে। এছাড়াও কালো জিরে খেলে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায়। আরও পড়ুন ঃ ইমিউনিটি বাড়াতে সকালে খালি পেটে খান এই পাঁচটি পানীয় ক্যান্সার প্রতিরোধের ক্ষে্ত্রেও আমরা কালো ্জিরের অবদান অস্বীকার করতে পারি না। ব্যাকটেরিয়া রোধেও ্কালো জিরের ভূমিকা অপরিসীম। আমাদের লিভার সুরক্ষায় কালো ্জিরে খুব ভাল কাজ করে। ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে কালো জিরে। এছাড়াও প্রদাহ কমানোর ক্ষে্ত্রে কালো ্জিরের গুরুত্ব অপরিসীম। এছাড়াও ্পেটের আলসার রোধ করে কালো জিরে।

অক্টোবর ১২, ২০২০
টুকিটাকি

ইমিউনিটি বাড়াতে সকালে খালি পেটে খান এই পাঁচটি পানীয়

সকালে ঘুম থেকে উঠে চা খান না , এমন মানুষ খুব কমই আছে। কিন্তু এখন করোনার গ্রাফ ও মৃত্যুর হার যখন ক্রমশই বেড়ে চলেছে , তখন করোনাকে রোখার ক্ষেত্রে ইমিউনিটিকে মূল হাতিয়ার হিসেবে মনে করছেন চিকিৎসক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ। ইমিউনিটি বাড়াতে চা এর পরিবর্তে যে পানীয়গুলি ব্যবহার করতে হবে , তা হল লেবু জল। সকালে খালি পেটে লেবু জল শরীরে মেটাবলিজম বাড়ায় এবং একই সঙ্গে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতাও বৃদ্ধি করে। শরীরে ইমিউনিটি বাড়াতে অ্যালোভেরা জুসের অসামান্য অবদান আছে। সকালে খালি পেটে এলোভেরা জুস স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল। আরও পড়ুন ঃ করো্নার সময় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে খান এই বিশেষ ৫ টি ফল এছাড়াও গাজর এবং বিটের রসে থাকে ভিটামিন-এ, সি ও ই। একইসঙ্গে এতে থাকে আয়রন ও ক্যালসিয়ামও। চায়ের অভ্যাস বদলে গাজর ও বিটের রস খেলে নিঃসন্দেহে শরীর তাজা হয়ে উঠবে। এছাড়াও ডাবের জলে সর্বাধিক পরিমাণ ইলেকট্রোলাইট থাকার কারণে তা সবসময়ই শরীরে পক্ষে ভাল। এছাড়াও ইমিউনিটি গ্রিন টির অবদানও আমাদের ভুলে গেলে চলবে না। পলিফেনলস, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস থাকার কারণে গ্রিন টি শরীরের কোষক্ষয় হ্রাস করে। আর সেকারণেই চা কিংবা কফির থেকে তুলনামূলক ভাল গ্রিন টি খাওয়া।

অক্টোবর ১১, ২০২০
টুকিটাকি

করো্নার সময় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে খান এই বিশেষ ৫ টি ফল

ফল খেলে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে, তা বলাই বাহুল্য। এই করো্না পরিস্থিতিতে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো খুবই জরুরি। তাই এখানে এমন ৫ টি ফল নিয়ে আলোচনা করা হল , যা আপনার শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে। কমলালেবুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে, যা রোগ ্প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য খুবই উপযোগী। কমলালেবু আমাদের শরীরের প্রতিদিনের ভিটামিন সি -এর চাহিদাকে মেটায়। ভিটামিন সি কোষের ক্ষয় কম করে। গ্রেপফ্রুটেও ্প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ফাইবার ও ভিটামিন এ থাকে। এগুলি শরীরে রোগ ্প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য খুবই উপযোগী। আরও পড়ুনঃ লেবুর খোসার উপকারিতা জানেন, জানলে চমকে যাবেন ব্লুবেরি খুব কম ক্যালোরির একটি ফল। এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে , যা আপনার শরীরের জন্য খুবই ভালো। এছাড়াও আপেলের খোসায় কো্রেসটিন রয়েছে। এটা এক ধরণের ফ্ল্যাভোনয়েড , যা শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। এছাড়াও ন্যা্সপাতির কথা কোনওভাবেই ভুলে গেলে চলবে না। ন্যা্সপাতিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। এছাড়াও থাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার ও পটাসিয়াম। যা শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে বিশেষ উপকারী।

অক্টোবর ১০, ২০২০
টুকিটাকি

লেবুর খোসার উপকারিতা জানেন, জানলে চমকে যাবেন

লেবু খেতে পছন্দ করেন না, এমন মানুষ খুব কমই আছে। গরমে ক্লান্তি ও পিপাসা দূর করতে অনেকের প্রথম পছন্দ লেবুর শরবত। এছাড়াও শরবত না খেলেও লেবু খান না , এমন মানুষ খুব কমই আছে। তবে এর খোসাও বেশ উপকারী। চলুন জেনে নেওয়া লেবুর খোসা থেকে কী কী উপকার পাওয়া যায়- লেবুর খোসায় ভিটামিন সি ও সাইট্রিক অ্যাসিড থাকে যা মাড়ি থেকে রক্ত পড়া ও একাধিক রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। আরও পড়ুনঃ দীর্ঘক্ষণ বসে থেকে পিঠ কোমরে ব্যথা ? জেনে নিন সমাধানের উপায় এছাড়াও লেবুর খোসায় সাই্ট্রাস বায়ো ফ্লেভোনয়েড থাকে,যা মানসিক চাপ কমানোর জন্য ভীষণ উপকারী। নিয়মিত লেবুর খোসা খেলে শরীরে সাইট্রিক অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যায়। এর ফলে কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। এছাড়াও শরীরের ফ্যাট বার্ন করার ক্ষেত্রেও লেবুর খোসায় উপস্থিত পেকটিন নামক উপাদান সবচেয়ে উপকারী।

অক্টোবর ০৯, ২০২০
টুকিটাকি

দীর্ঘক্ষণ বসে থেকে পিঠ কোমরে ব্যথা ? জেনে নিন সমাধানের উপায়

অনেকক্ষণ অফিসে বসে কাজ করলে পিঠে ও কোমরে অসহ্য ব্যথা হয়, চিন্তা করবেন না। এর সমাধান আছে। মাঝেমধ্যে ব্রেক নিয়ে ২-৩ মিনিট হেঁটে আসুন। চিকিৎসকদের মতে, ২ ঘন্টা একসঙ্গে বসে থাকলে শরীরে ভাল কোলেস্টেরলের মাত্রা এক ধাক্কায় ২০ শতাংশ কমে যেতে পারে। এছাড়াও ডায়াবেটিসের সমস্যাও হয়। বাইরে বেরনোর আগে আমরা অনেকেই পিঠে ভারী ব্যাকপ্যাক নিয়ে থাকি। বেশি ওজনের ব্যাগ দীর্ঘক্ষণ ধরে বইতে হলে দুকাঁধে সমান ভার না পড়লে কাঁধে বা পিঠে ব্যথা হয়। তাই ব্যাগ এমনভাবেই নিতে হবে যাতে দুকাঁধে সমান চাপ পড়ে।ফ্রোজেন শোল্ডারের সমস্যায় সার্ভিক্যাল কলার বা ব্যাক ব্রেস পরলে সাময়িক আরাম পাওয়া যায় ঠিকই, তবে এই অভ্যাস দীর্ঘ মেয়াদী হলেই বিপদের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। কারণ, চিকিৎসকদের মতে, তেমন কোনও চোট, আঘাত না থাকলে সার্ভিক্যাল কলার বা ব্যাক ব্রেস-এর উপর নির্ভর না করাই ভাল। এর থেকে ফিজিওথেরাপিস্টদের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়ম মেনে কসরত করাই ভাল।

অক্টোবর ০৮, ২০২০
টুকিটাকি

শরীর সুস্থ রাখতে কোনও তুলনা নেই ঘিয়ের

বাঙালিদের নানা পছন্দের খাবারের মধ্যে অন্যতম হল ঘি। প্রথম পাতে ভাতের সঙ্গে ঘি না থাকলে অনেকেরই মন ভরে না। এর ব্যতি্ক্রমও আছে। অনেকেই কোলেস্টেরল, ওবেসিটি বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ঘি খাওয়া থেকে বিরত থাকেন। তবে ঘি আমাদের নানা রোগ নিরাময়ে সহায়তাও করে থাকে। তাই নিয়মিত খাবার তালিকায় ঘি থাকা উপকারী।ঘি এর সাহায্যে খাবার তাড়াতাড়ি হজম হয়। সঙ্গে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও দূর হয় এবং ঘি তে থাকা ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরের এনার্জি এবং নির্দিষ্ট তাপমাত্রা বজায় রাখতেও সাহায্য করে। তাই নিয়মিত পাতে ঘি থাকা কিন্তু মাস্ট। আরও পড়ুনঃ ভুলেও এই জিনিসগুলির সাথে কখনই খাবেন না দই এছাড়া যাদের ব্লাড প্রেসার আছে তারাও ঘি খেতে পারেন। কারণ ঘি গুড কোলেস্টেরলের পরিমাণ বৃদ্ধি করতে ও লিপিড প্রোফাইল এর মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।অন্যদিকে ঘি রাতে ভালো ঘুম হওয়ার ক্ষেত্রেও উপকারী। এছাড়া আয়ুর্বেদিক মত অনুযায়ী, যারা ঠাণ্ডা লাগার ধাত রয়েছে তারা সকালে নিয়মিত ঘি গরম করে নাকে টানলে ঠাণ্ডা লাগার উপশম থেকে মুক্তি পাবেন। তবে দৈনিক ৩-৬ চামচ ঘি খাওয়া উচিত। তার বেশি খেলে হিতে বিপরীত হতে পারে। এছাড়া শুধু যে খাবার পাতেই ঘি খেতে হবে তা নয়, বেশ কিছু রান্নায় ঘি দিলে রান্নার স্বাদও ভালো হয়।

অক্টোবর ০৭, ২০২০
টুকিটাকি

ভুলেও এই জিনিসগুলির সাথে কখনই খাবেন না দই

দই স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই উপকারী। দইতে উপস্থিত ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, পটাসিমায় সহ নানা ভিটামিন ও প্রোটিন আমাদের স্বাস্থ্যের পক্ষে উপযোগী। তবে এমন অনেক খাবার জিনিস আছে যা দইয়ের সঙ্গে খেলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়ে থাকে। যেমন চিকেন রান্না সুস্বাদু তৈরি করার জন্য দই ব্যবহার করে থাকেন অনেকেই। কিন্তু এটি স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। চিকেনে দই এর ব্যবহার পেট খারাপ এর সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই দই চিকেনের সাথে না খাওয়ায় ভালো। অন্যদিকে দই বড়া জাতীয় খাবার খাওয়াও স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞদের মতে ডাল ও দই একসাথে খেলে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দেখা দিতে পারে। আরও পড়ুনঃ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে পান করুন ভেষজ চা অন্যদিকে কলা ও দই একসাথে খেলে ফ্লোরিয়া হতে পারে। তাই কলা ও দই একসাথে না খেয়ে প্রায় দু ঘন্টার ব্যবধানে খেতে পারেন। যা স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর হবে না। এছাড়া আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী কোন টক জাতীয় ফল ও দই একসাথে খাওয়া একদমই উচিত নয়। কারণ দুটি টকযুক্ত খাবারে ভিন্ন এনজাইম থাকে ফলে হজমে সমস্যা হতে পারে। এছাড়াও আয়ুর্বেদ অনুযায়ী আম ও দই একসাথে খাওয়া আমাদের স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক। কারণ আম গরম স্বাদের হয় এবং দই ঠাণ্ডা স্বাদের হয়ে থাকে। তাই আম ও দই একসাথে না খাওয়ায় ভালো।

অক্টোবর ০৬, ২০২০
টুকিটাকি

সকালে খালি পেটে ভিজে ছোলা খাওয়ার উপকারিতা জানলে চমকে উঠবেন

ছোলাতে রয়েছে পটাসিয়াম, আঁশ ভিটামিন সি এবং ভিটামিন বি ৬। যা হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে। যেহেতু ছোলায় বেশ ভালো পরিমাণ ফলিক অ্যাসিড থাকে, সেটা শরীরে অ্যানিমিয়া রোধ করে রক্ত বাড়ানোর ক্ষেত্রেও বিশেষভাবে উপকারী। এছাড়াও ছোলা খেলে হাইপারনেটশন হওয়ার প্রবণতা অনেকটাই কমে যায়। ছোলা খেলে নিয়ন্ত্রণে থাকে রক্তচাপও । এছাড়ও মেয়েদের পিরিয়ডের সময় এই ফলিক অ্যাসিড কাজে দেয়।মহিলাদের কয়েক প্রকার ক্যান্সারের ঝুকি কমানোর ক্ষেত্রেও ছোলা্র অবদান অস্বীকার করা যায় না।বেশি পরিমাণে ফলিক অ্যাসিড গ্রহণের ফলে মেয়েদের কোলন ক্যান্সার ও রেক্টাল ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে যায়।এছাড়াও নিয়মিত কাঁচা ছোলা খেলে অ্যাজমা রোগের প্রকোপও কমতে থাকে। নিয়মিত কাঁচা ছোলা খেলে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকার পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা থেকেও সহজে মুক্তি পাওয়া যায়। আর ডায়াবেটিস রোগেও এটি ভালোভাকে কাজ করে।

অক্টোবর ০৫, ২০২০
টুকিটাকি

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে পান করুন ভেষজ চা

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে অনেকেই ভেষজ চা খাচ্ছেন। আদা, গোলমরিচ, লবঙ্গ, মধু, পাতিলেবু, তুলসিপাতা দেওয়া চা খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। এর ফলে স্বাস্থ্য ভালও হয়। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, এই চা অতিরিক্ত পান করলে শরীরের ক্ষতিও হতে পারে।যাঁরা সর্দি-কাশিতে ভোগেন, তাঁদের পক্ষে এই চা খাওয়া খুবই উপকারী। এর ফলে তাঁদের শরীর ভাল হতে পারে। কিন্তু যাঁদের পিত্ত বা বাতের সমস্যা আছে, তাঁদের পক্ষে উষ্ণ পানীয় সেবন ঠিক নয়। চিকিৎসকরা বলছেন, শারীরিক অবস্থা বুঝে এই চা খাওয়া উচিত। যাঁদের বাত রয়েছে, তাঁরা একদিনে সর্বোচ্চ দুবার এই চা খেতে পারেন।এই ধরনের ব্যক্তিরা ভেষজ চায়ে সামান্য ঘি মিশিয়ে খেতে পারেন। তবে যাঁদের শরীরে পিত্তর সমস্যা আছে, তাঁদের দিনে একবারের বেশি ভেষজ চা খাওয়া উচিত নয়। সন্ধেবেলা খেলেই সবচেয়ে ভাল হয়। শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে রোজ ভেষজ চা খেলে উল্টে অনেকরকম ক্ষতি হতে পারে। একজন মানুষের বয়স, শারীরিক অবস্থা এবং আবহাওয়া বিচার করে তবেই তাঁর জন্য ভেষজ চা তৈরি করা উচিত। সবার ক্ষেত্রে এই চা সমান কাজ দেয় না। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে তবেই ভেষজ চা খাওয়া উচিত।

অক্টোবর ০৪, ২০২০
টুকিটাকি

গ্যাসের সমস্যায় ভুগছেন! জেনে নিন সমাধানের উপায়গুলি

শসা : শসা পেট ঠাণ্ডা রাখতে অনেক বেশি কার্যকরী একটি খাদ্য উপাদান।এতে রয়েছে ফ্লেভানয়েড ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা পেটে গ্যাসের উদ্রেক কমাতে সাহায্য করে। দই : দই আমাদের হজমশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।এতে করে দ্রুত খাবার হজম হয়, ফলে পেটে গ্যাস হওয়ার ঝামেলা দূর হয়। পেঁপে : পেঁপেতে রয়েছে পাপায়া নামক এনজাইম যা আমাদের হজমশক্তি বাড়ায়।নিয়মিত পেঁপে খাওয়ার অভ্যাস করলেও গ্যাসের সমস্যা কমে যায়। কলা ও কমলা : কলা ও কমলা পাকস্থলির অতিরিক্ত সোডিয়াম দূর করতে সহায়তা করে। এতে করে গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।সারাদিনে অন্তত দুটি কলা খান।পেট পরিষ্কার রাখতে কলার জুড়ি মেলা ভার। আদা : আদা সবচাইতে কার্যকরী অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানসমৃদ্ধ খাবার।পেট ফাঁপা এবং পেটে গ্যাস হলে আদা কুচি করে লবণ দিয়ে কাঁচা খান, দেখবেন গ্যাসের সমস্যা সমাধান হবে খুব সহজেই। ঠাণ্ডা দুধ : পাকস্থলির গ্যাসট্রিক অ্যাসিডকে নিয়ন্ত্রণ করে অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি দেয় ঠাণ্ডা দুধ।এক গ্লাস ঠাণ্ডা দুধ পান করলে অ্যাসিডিটি দূর হয়।

অক্টোবর ০৩, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ভুতনির বন্যা দেখতে নদীপথে মন্ত্রীদল! বানভাসিদের জন্য কী পরিকল্পনা রাজ্যের?

মালদহের ভুতনিতে বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে আজ এলাকায় পৌঁছেছে রাজ্য সরকারের মন্ত্রীদল। ইতিমধ্যেই মালদহে পৌঁছেছেন একাধিক মন্ত্রী। তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন জেলার সাংসদ, বিধায়ক এবং প্রশাসনের আধিকারিকেরা। জলমগ্ন দুর্গম এলাকাগুলি নদীপথে ঘুরে দেখার কথা রয়েছে মন্ত্রীদের।মন্ত্রীদলের মধ্যে রয়েছেন পর্যটনমন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ, পূর্ত ও জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের মন্ত্রী অজয় পোদ্দার, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকার এবং দমকল ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী। প্রথমে মন্ত্রীরা রতুয়ায় যাবেন। সেখান থেকে যাওয়ার কথা রয়েছে ভুতনিতে। দুপুরে বন্যাত্রাণ শিবিরও পরিদর্শন করবেন তাঁরা।এর পাশাপাশি ব্লক ও জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন মন্ত্রীরা। বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পরিস্থিতি, ত্রাণের ব্যবস্থা এবং মানুষের প্রয়োজন নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা হবে। এই সফরের পর ভুতনির জলবন্দি এলাকাগুলিতে পুনর্গঠন এবং স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে আগামী দিনের পরিকল্পনা তৈরি করা হবে বলে জানা যাচ্ছে।ভুতনির পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও রিপোর্ট দেবেন মন্ত্রীরা। অর্থাৎ শুধু বর্তমান পরিস্থিতি পরিদর্শন নয়, বন্যার জল নেমে যাওয়ার পর এলাকায় কী ভাবে কাজ শুরু করা হবে, সেই বিষয়টিও এই সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য।মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ জানিয়েছেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলাকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। তাঁর দাবি, প্রয়োজনীয় ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে এবং বহু মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আগামী দিনে এলাকার প্রয়োজন অনুযায়ী উন্নয়নের কাজ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।শঙ্কর ঘোষ আরও জানিয়েছেন, মালদহে নদীভাঙন এবং বন্যা দীর্ঘদিনের বড় সমস্যা। এই সমস্যা মোকাবিলায় বড় পরিকল্পনা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকার, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার এবং ঝাড়খণ্ডকে একসঙ্গে পরিকল্পনা করে কাজ করতে হবে।এদিকে ভুতনিতে গঙ্গার জলস্তর ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জলস্তর ১৭ সেন্টিমিটার কমেছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানানো হয়েছে। চলতি মরশুমে এক দিনে জলস্তর কমার ক্ষেত্রে এটিই সর্বোচ্চ পতন বলে দাবি করা হচ্ছে।তবে জল কমলেও এখনও স্বস্তি ফেরেনি ভুতনিতে। মানিকচকে গঙ্গার জলস্তর ২৫.৩৪ মিটারে নেমে এসেছে বলে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, যা চরম বিপদসীমার থেকে এখনও চার সেন্টিমিটার বেশি। ফলে নদীর জলস্তর কমলেও বিপদ পুরোপুরি কাটেনি।ভুতনির বিস্তীর্ণ এলাকা এখনও জলমগ্ন। কোথাও তাকালেই চোখে পড়ছে জল। টানা বহু দিন ধরে জলবন্দি থাকার কারণে একাধিক মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ছেন বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। দুর্গম এলাকায় অসুস্থদের দ্রুত উদ্ধার করে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে আসাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।চরম বিপদসীমার উপরে থাকা গঙ্গা পেরিয়ে দুর্গম এলাকায় পৌঁছতে হচ্ছে উদ্ধারকারীদের। নৌকায় করে জল পেরিয়ে অসুস্থ মানুষকে উদ্ধার করতে গিয়ে তাঁদেরও ঝুঁকি নিতে হচ্ছে। অন্যের প্রাণ বাঁচাতে নিজেদের নিরাপত্তার কথা না ভেবেই তাঁরা কাজ করছেন বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।জলস্তর কমার ফলে পরিস্থিতিতে সামান্য স্বস্তির ইঙ্গিত মিললেও ভুতনির বহু এলাকায় এখনও জল রয়েছে। তাই এখন নজর শুধু গঙ্গার জলস্তরের দিকে নয়, জলবন্দি মানুষের চিকিৎসা, ত্রাণ এবং নিরাপদ আশ্রয়ের দিকেও। মন্ত্রীদের এই সফরের পর ভুতনির পুনর্গঠন এবং স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

২৪৯ বছরের ঐতিহাসিক মহাকরণে ফিরছে সচিবালয়! ১৩ বছর পর বদলাতে চলেছে বাংলার প্রশাসনিক ঠিকানা

দীর্ঘ ১৩ বছরের ব্যবধানের পর ফের ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিং থেকে প্রশাসনিক কাজকর্ম শুরু করতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। পিতৃপক্ষের অবসান ও দেবীপক্ষের সূচনার আবহে পুরনো মহাকরণে ফিরতে চলেছে রাজ্য প্রশাসন। পূর্ত দফতর সূত্রে খবর, আগামী ১০ অক্টোবর মহালয়ার আগেই মুখ্যমন্ত্রী-সহ রাজ্যের ছয় গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর দফতরের সংস্কার ও পুনরুদ্ধারের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।বর্তমানে রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক কাজকর্ম পরিচালিত হয় নবান্ন থেকে। তবে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিংয়ে সচিবালয় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছিল। সেই মতোই চলছে সংস্কারের কাজ।১৩ বছর আগে নবান্নে সরেছিল সচিবালয়প্রায় ২৪৯ বছরের পুরনো ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিং একসময় ছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রশাসনিক কেন্দ্র। ১৩ বছর আগে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে সচিবালয় স্থানান্তরিত হয় নবান্নে। এরপর থেকে সেখান থেকেই রাজ্যের প্রশাসনিক কাজকর্ম পরিচালিত হয়ে আসছে।তবে পুরনো ভবনের সংস্কার ও পুনরুদ্ধারের কাজ শেষ না হওয়ায় এতদিন রাইটার্স বিল্ডিংয়ে পুরোপুরি ফেরা সম্ভব হয়নি। এবার সেই কাজ দ্রুত শেষ করে ঐতিহাসিক মহাকরণ থেকেই প্রশাসনিক কাজ শুরু করার প্রস্তুতি চলছে।সংস্কারকাজ খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকরাইটার্স বিল্ডিংয়ের সংস্কারকাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে সম্প্রতি ঊর্ধ্বতন আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন পূর্তমন্ত্রী অজয় পোদ্দার। পূজা উৎসবের আগেই কাজ শেষ করার জন্য আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।রিপোর্ট অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ের কাজ প্রায় শেষের পথে। পাশাপাশি মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি-সহ একাধিক শীর্ষ আধিকারিকের দফতরও দ্রুত প্রস্তুত করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী-সহ ছয় মন্ত্রীর দফতর তৈরির প্রস্তুতিরাইটার্স বিল্ডিংয়ে যাঁদের দফতর চালু করার প্রস্তুতি চলছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেনশুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রীদিলীপ ঘোষ পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রীঅগ্নিমিত্রা পাল পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রীশঙ্কর ঘোষ পর্যটন মন্ত্রীশারদ্বত মুখোপাধ্যায় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রীঅজয় পোদ্দার পূর্তমন্ত্রীসব মিলিয়ে, দুর্গাপুজোর আগে ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিংয়ে রাজ্য প্রশাসনের প্রত্যাবর্তন ঘিরে প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংস্কারকাজ সম্পূর্ণ করে ঠিক কবে থেকে প্রশাসনিক কাজ শুরু হবে, তা সরকারি ঘোষণার পরই স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

পুজোর ভিড় এড়িয়ে ঘুরে আসুন বাংলার ৫ অফবিট ডেস্টিনেশনে, পাহাড়-জঙ্গল-সমুদ্রের হাতছানি

দুর্গাপুজো মানেই বাংলার পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। পুজোর ছুটিতে দিঘা, মন্দারমণি, দার্জিলিং কিংবা ডুয়ার্সের পরিচিত জায়গাগুলিতে ভিড় জমে। ফলে নিরিবিলিতে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে চান যাঁরা, তাঁদের অনেক সময়ই সমস্যায় পড়তে হয়। তবে ভিড় এড়িয়ে একটু অন্যরকম পরিবেশে ছুটি কাটাতে চাইলে বেছে নিতে পারেন বাংলার কয়েকটি অফবিট ডেস্টিনেশন।পাহাড়ি গ্রাম থেকে গভীর জঙ্গল, নির্জন সমুদ্রসৈকত থেকে ঐতিহ্যবাহী গ্রামবাংলার নানা প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছে এমন কিছু জায়গা, যেখানে মিলতে পারে শান্ত পরিবেশ ও প্রকৃতির সান্নিধ্য। পুজোর পর্যটন ভিড় শুরু হওয়ার আগেই ঘুরে আসতে পারেন এই পাঁচটি জায়গায়।১. টোডে ও টাংতাকালিম্পংয়ের কাছে ভারত-ভুটান সীমান্তের কাছে অবস্থিত টোডে ও টাংতা। প্রায় ৪,৩০০ ফুট উচ্চতায় ন্যোরাভ্যালি জাতীয় উদ্যানের প্রান্তে থাকা এই দুই পাহাড়ি গ্রাম এখনও অনেকটাই পর্যটকদের ভিড়ের বাইরে। মেঘে ঢাকা পাহাড়, নির্জন পথ এবং সবুজে ঘেরা পরিবেশ প্রকৃতিপ্রেমীদের আকর্ষণ করতে পারে।এখানে ঘুরে দেখতে পারেন এলাচের বাগান, মেমোরিয়াল চার্চ এবং পুরনো বৌদ্ধ মঠ। ভারত-ভুটান সীমান্তের দৃশ্যও এই এলাকার অন্যতম আকর্ষণ। থাকার জন্য রয়েছে বিভিন্ন হোমস্টে ও ফার্মস্টে।২. লেপচাখাহালকা ট্রেকিংয়ের পাশাপাশি পাহাড় ও জঙ্গলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে আলিপুরদুয়ারের লেপচাখা হতে পারে পছন্দের গন্তব্য। বক্সা জঙ্গলের মাঝে পাহাড়ের উপরে অবস্থিত এই গ্রাম থেকে পরিষ্কার আকাশে ডুয়ার্সের বিস্তীর্ণ সমতলভূমি ও নদীগুলির মনোরম দৃশ্য দেখা যায়।লেপচাখায় বসবাসকারী ড্রুকপা সম্প্রদায়ের জীবনযাপন ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও রয়েছে। রাতে আকাশ পরিষ্কার থাকলে দেখা মিলতে পারে তারাভরা আকাশের। পর্যটকরা ঘুরে দেখতে পারেন লেপচাখা ভিউপয়েন্ট, বক্সা ফোর্ট, ড্রুকপা গ্রাম এবং হিমালয়ান বার্ডিং ট্রেল।৩. বাঁকিপুটদিঘা কিংবা মন্দারমণির ভিড় এড়িয়ে সমুদ্রের ধারে নিরিবিলিতে সময় কাটাতে চাইলে পূর্ব মেদিনীপুরের বাঁকিপুট ঘুরে আসতে পারেন। ঘন ঝাউবন ঘেরা এই সমুদ্রতট তুলনামূলকভাবে শান্ত পরিবেশের জন্য পরিচিত।নির্জন সৈকতে হাঁটাহাঁটি, বালির উপর লাল কাঁকড়ার আনাগোনা দেখা কিংবা স্থানীয় সামুদ্রিক খাবারের স্বাদ নেওয়াসব মিলিয়ে ছুটি কাটানোর জন্য জায়গাটি আকর্ষণীয় হতে পারে। বাঁকিপুট সি বিচের পাশাপাশি ঘুরে দেখতে পারেন দারিয়াপুর লাইটহাউস এবং পেটুয়াঘাট ফিশিং পোর্ট।৪. দুয়ারসিনিপুরুলিয়া ও ঝাড়খণ্ড সীমান্তের কাছে অবস্থিত দুয়ারসিনি প্রকৃতি ও আদিবাসী সংস্কৃতির মেলবন্ধনের জন্য পরিচিত। চারপাশের পাহাড়, শাল-সেগুন-পিয়ালের জঙ্গল এবং পলাশের সৌন্দর্য এই এলাকার অন্যতম আকর্ষণ।পাশ দিয়ে বয়ে চলা পাথুরে সাতগুরাং নদী জায়গাটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রকৃতির সান্নিধ্যের পাশাপাশি স্থানীয় আদিবাসী সংস্কৃতি, নাচ-গান ও জীবনযাপন সম্পর্কে জানার সুযোগও রয়েছে। দুয়ারসিনি ফরেস্ট এবং বুড়ুডি ড্যাম এখানকার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান। থাকার জন্য রয়েছে পর্যটন দফতরের কটেজ ও বিভিন্ন ইকোট্যুরিজম ব্যবস্থা।৫. আমাদপুরঅল্প সময়ের জন্য ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্বাদ পেতে চাইলে পূর্ব বর্ধমানের আমাদপুর ঘুরে আসতে পারেন। গ্রামবাংলার শান্ত পরিবেশের মধ্যে ছড়িয়ে রয়েছে রাজবাড়ি, পুরনো পুকুর, মন্দির এবং জমিদারি আমলের বিভিন্ন স্থাপত্যের নিদর্শন।আমাদপুর রাজবাড়ি, টেরাকোটা মন্দির, দোলমঞ্চ এবং বাঘবাড়ি এখানকার উল্লেখযোগ্য আকর্ষণ। গ্রামের অলিগলি ধরে হাঁটলে বাংলার পুরনো দিনের গ্রামীণ জীবনের এক অন্যরকম ছবি চোখে পড়বে।পাহাড়, জঙ্গল, সমুদ্র কিংবা ইতিহাস পুজোর ছুটিতে পরিচিত পর্যটনকেন্দ্রের ভিড় এড়িয়ে বাংলার এই পাঁচটি অফবিট গন্তব্যে ঘুরে আসার পরিকল্পনা করতে পারেন। তবে যাওয়ার আগে যাতায়াতের ব্যবস্থা, থাকার জায়গা এবং স্থানীয় পর্যটন সংক্রান্ত তথ্য জেনে নেওয়া প্রয়োজন।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

পুজোর ভিড় এড়িয়ে ঘুরে আসুন বাংলার ৫ অফবিট ডেস্টিনেশনে, পাহাড়-জঙ্গল-সমুদ্রের হাতছানি

দুর্গাপুজো মানেই বাংলার পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। পুজোর ছুটিতে দিঘা, মন্দারমণি, দার্জিলিং কিংবা ডুয়ার্সের পরিচিত জায়গাগুলিতে ভিড় জমে। ফলে নিরিবিলিতে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে চান যাঁরা, তাঁদের অনেক সময়ই সমস্যায় পড়তে হয়। তবে ভিড় এড়িয়ে একটু অন্যরকম পরিবেশে ছুটি কাটাতে চাইলে বেছে নিতে পারেন বাংলার কয়েকটি অফবিট ডেস্টিনেশন।পাহাড়ি গ্রাম থেকে গভীর জঙ্গল, নির্জন সমুদ্রসৈকত থেকে ঐতিহ্যবাহী গ্রামবাংলার নানা প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছে এমন কিছু জায়গা, যেখানে মিলতে পারে শান্ত পরিবেশ ও প্রকৃতির সান্নিধ্য। পুজোর পর্যটন ভিড় শুরু হওয়ার আগেই ঘুরে আসতে পারেন এই পাঁচটি জায়গায়।১. টোডে ও টাংতাকালিম্পংয়ের কাছে ভারত-ভুটান সীমান্তের কাছে অবস্থিত টোডে ও টাংতা। প্রায় ৪,৩০০ ফুট উচ্চতায় ন্যোরাভ্যালি জাতীয় উদ্যানের প্রান্তে থাকা এই দুই পাহাড়ি গ্রাম এখনও অনেকটাই পর্যটকদের ভিড়ের বাইরে। মেঘে ঢাকা পাহাড়, নির্জন পথ এবং সবুজে ঘেরা পরিবেশ প্রকৃতিপ্রেমীদের আকর্ষণ করতে পারে।এখানে ঘুরে দেখতে পারেন এলাচের বাগান, মেমোরিয়াল চার্চ এবং পুরনো বৌদ্ধ মঠ। ভারত-ভুটান সীমান্তের দৃশ্যও এই এলাকার অন্যতম আকর্ষণ। থাকার জন্য রয়েছে বিভিন্ন হোমস্টে ও ফার্মস্টে।২. লেপচাখাহালকা ট্রেকিংয়ের পাশাপাশি পাহাড় ও জঙ্গলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে আলিপুরদুয়ারের লেপচাখা হতে পারে পছন্দের গন্তব্য। বক্সা জঙ্গলের মাঝে পাহাড়ের উপরে অবস্থিত এই গ্রাম থেকে পরিষ্কার আকাশে ডুয়ার্সের বিস্তীর্ণ সমতলভূমি ও নদীগুলির মনোরম দৃশ্য দেখা যায়।লেপচাখায় বসবাসকারী ড্রুকপা সম্প্রদায়ের জীবনযাপন ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও রয়েছে। রাতে আকাশ পরিষ্কার থাকলে দেখা মিলতে পারে তারাভরা আকাশের। পর্যটকরা ঘুরে দেখতে পারেন লেপচাখা ভিউপয়েন্ট, বক্সা ফোর্ট, ড্রুকপা গ্রাম এবং হিমালয়ান বার্ডিং ট্রেল।৩. বাঁকিপুটদিঘা কিংবা মন্দারমণির ভিড় এড়িয়ে সমুদ্রের ধারে নিরিবিলিতে সময় কাটাতে চাইলে পূর্ব মেদিনীপুরের বাঁকিপুট ঘুরে আসতে পারেন। ঘন ঝাউবন ঘেরা এই সমুদ্রতট তুলনামূলকভাবে শান্ত পরিবেশের জন্য পরিচিত।নির্জন সৈকতে হাঁটাহাঁটি, বালির উপর লাল কাঁকড়ার আনাগোনা দেখা কিংবা স্থানীয় সামুদ্রিক খাবারের স্বাদ নেওয়াসব মিলিয়ে ছুটি কাটানোর জন্য জায়গাটি আকর্ষণীয় হতে পারে। বাঁকিপুট সি বিচের পাশাপাশি ঘুরে দেখতে পারেন দারিয়াপুর লাইটহাউস এবং পেটুয়াঘাট ফিশিং পোর্ট।৪. দুয়ারসিনিপুরুলিয়া ও ঝাড়খণ্ড সীমান্তের কাছে অবস্থিত দুয়ারসিনি প্রকৃতি ও আদিবাসী সংস্কৃতির মেলবন্ধনের জন্য পরিচিত। চারপাশের পাহাড়, শাল-সেগুন-পিয়ালের জঙ্গল এবং পলাশের সৌন্দর্য এই এলাকার অন্যতম আকর্ষণ।পাশ দিয়ে বয়ে চলা পাথুরে সাতগুরাং নদী জায়গাটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রকৃতির সান্নিধ্যের পাশাপাশি স্থানীয় আদিবাসী সংস্কৃতি, নাচ-গান ও জীবনযাপন সম্পর্কে জানার সুযোগও রয়েছে। দুয়ারসিনি ফরেস্ট এবং বুড়ুডি ড্যাম এখানকার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান। থাকার জন্য রয়েছে পর্যটন দফতরের কটেজ ও বিভিন্ন ইকোট্যুরিজম ব্যবস্থা।৫. আমাদপুরঅল্প সময়ের জন্য ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্বাদ পেতে চাইলে পূর্ব বর্ধমানের আমাদপুর ঘুরে আসতে পারেন। গ্রামবাংলার শান্ত পরিবেশের মধ্যে ছড়িয়ে রয়েছে রাজবাড়ি, পুরনো পুকুর, মন্দির এবং জমিদারি আমলের বিভিন্ন স্থাপত্যের নিদর্শন।আমাদপুর রাজবাড়ি, টেরাকোটা মন্দির, দোলমঞ্চ এবং বাঘবাড়ি এখানকার উল্লেখযোগ্য আকর্ষণ। গ্রামের অলিগলি ধরে হাঁটলে বাংলার পুরনো দিনের গ্রামীণ জীবনের এক অন্যরকম ছবি চোখে পড়বে।পাহাড়, জঙ্গল, সমুদ্র কিংবা ইতিহাস পুজোর ছুটিতে পরিচিত পর্যটনকেন্দ্রের ভিড় এড়িয়ে বাংলার এই পাঁচটি অফবিট গন্তব্যে ঘুরে আসার পরিকল্পনা করতে পারেন। তবে যাওয়ার আগে যাতায়াতের ব্যবস্থা, থাকার জায়গা এবং স্থানীয় পর্যটন সংক্রান্ত তথ্য জেনে নেওয়া প্রয়োজন।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

‘কিছু প্রত্যাহার করব না’, হলদিয়া আদালতে দাঁড়িয়ে বড় ঘোষণা মিলন প্রধানের! নন্দীগ্রামে নতুন মোড়

নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন ঘিরে উত্তেজনার মধ্যেই শনিবার হলদিয়া আদালতে তোলা হল কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে। আদালত চত্বরে তাঁকে ঘিরে ছিলেন দলীয় কর্মী-সমর্থকেরা। কংগ্রেসের নেতারাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিকেরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, তিনি কি প্রার্থী পদ থেকে সরে দাঁড়াবেন? জবাবে মিলন বলেন, শাসক দল ভয় পেয়েছে, কিছু প্রত্যাহার করব না।শুক্রবার চণ্ডীপুর থানা এলাকার একটি মামলায় মিলনকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের দাবি, ২০০৭ সালের চারটি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি ছিল। সেই পরোয়ানার ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে খুন, খুনের চেষ্টা, অপহরণ, প্রমাণ লোপাট এবং অস্ত্র-সহ অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগে মামলা রয়েছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট মামলাগুলিতে তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের জামিন-অযোগ্য পরোয়ানা ছিল। সেই পরোয়ানা কার্যকর করার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশের দাবি।মিলনকে গ্রেফতার করার পর থেকেই নন্দীগ্রামের উপনির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে গ্রেফতারির সময় নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। অন্য দিকে, বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্বের বক্তব্য, পুলিশের কাজ পুলিশ করেছে এবং এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই বলে তারা দাবি করেছে।কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও এই গ্রেফতারি নিয়ে সরব হয়েছে। রাহুল গান্ধী সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেছেন, মিলন প্রধানের গ্রেফতারি কোনও কাকতালীয় ঘটনা নয় এবং তিনি এটিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবে দেখছেন। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি নির্বাচনী লড়াইয়ের বদলে বিরোধীদের সরিয়ে দিতে চাইছে। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ঘটনায় তারা পিছিয়ে যাবে না।তবে পুলিশের বক্তব্য আলাদা। তাদের দাবি, পুরনো মামলায় আদালতের জারি করা পরোয়ানা কার্যকর করতেই মিলন প্রধানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ফলে গ্রেফতারির আইনি কারণ নিয়ে পুলিশের বক্তব্য এবং রাজনৈতিক দলগুলির অভিযোগদুই দিকই সামনে এসেছে।এর মধ্যেই শনিবার আদালতে দাঁড়িয়ে মিলন প্রধান জানিয়ে দিলেন, তিনি প্রার্থী পদ থেকে কিছু প্রত্যাহার করবেন না। ফলে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে তাঁর প্রার্থিতা নিয়ে যে জল্পনা তৈরি হয়েছিল, আপাতত তাঁর নিজের বক্তব্যে তার জবাব মিলেছে।নন্দীগ্রাম এমনিতেই রাজ্যের রাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কেন্দ্র। ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে জমি আন্দোলনের পর থেকেই এই কেন্দ্রের রাজনৈতিক গুরুত্ব আরও বেড়েছে। সেই নন্দীগ্রামেই এ বার উপনির্বাচনের আগে প্রার্থী প্রত্যাহার, নতুন সমর্থন এবং কংগ্রেস প্রার্থীর গ্রেফতারি ঘিরে একের পর এক ঘটনা সামনে আসছে। ফলে ভোটের আগে এই কেন্দ্রের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমেই আরও সরগরম হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রামের পর রেজিনগরেও বিরাট নাটক! ভোটে না লড়ার ঘোষণার পর তড়িঘড়ি কেন অবস্থান বদল মমতা ঘনিষ্ঠ রবিউল আলমের?

নন্দীগ্রামের পর রেজিনগরেও কি প্রার্থীহীন হতে চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির? শনিবার সকাল থেকে এই প্রশ্ন ঘিরে শুরু হয় জল্পনা। প্রথমে মনোনয়ন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করলেও কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অবস্থান বদল করলেন রেজিনগরে মমতা গোষ্ঠীর তৃণমূল প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী। শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী লড়াইয়ে থাকার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তিনি।শনিবার সকালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রবিউল জানান, অল্প সময়ের মধ্যে নতুন নির্বাচনী প্রতীক ভোটারদের কাছে পরিচিত করে তোলা কঠিন। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করেই তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে জানান। তাঁর অভিযোগ, কর্মীদের মাঠে নামানো যাচ্ছে না। নির্বাচনে প্রতীকের গুরুত্বও তুলে ধরেন তিনি।রবিউলের কথায়, নতুন নির্বাচনী প্রতীক অল্প সময়ের মধ্যে ভোটারদের কাছে পরিচিত করে তোলা কঠিন। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করেই মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ইতিমধ্যে আমার সিদ্ধান্তের কথা নেত্রীকে জানিয়েছি। কর্মীদের মাঠে-ময়দানে নামানো যাচ্ছে না। সিম্বল একটা বড় ফ্যাক্টর।বেলডাঙা থানায় যাওয়ার পর সিদ্ধান্ত বদলতবে বেলা বাড়তেই বদলে যায় পরিস্থিতি। রবিউল জানান, একাধিক তৃণমূল নেতার সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। এরপর তিনি বেলডাঙা থানায় যান। সেখানে নিরাপত্তার আশ্বাস পাওয়ার পর ফের নির্বাচনে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।রবিউলের বক্তব্য, পাশে মাত্র ১০ জন কর্মী থাকলেও তিনি ভোটের লড়াই চালিয়ে যাবেন। নির্বাচনী প্রচারেও নামবেন বলে জানিয়েছেন রেজিনগরের এই প্রার্থী। ফলে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে রেজিনগরকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নাটকীয় পরিস্থিতি।নন্দীগ্রামে সঞ্চিতার মনোনয়ন প্রত্যাহার, গ্রেফতার মিলন প্রধানএর আগে শুক্রবার নন্দীগ্রামে মমতা গোষ্ঠীর প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর তাঁর এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়। পরে নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এরপরই ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম আন্দোলন সংক্রান্ত একটি মামলায় গ্রেফতার হন মিলন প্রধান। তাঁর গ্রেফতারিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে অভিযোগ করেছে কংগ্রেস।নতুন নাম ও প্রতীক ঘিরে বদলেছে সমীকরণতৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর নাম ও প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের পর থেকেই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। নতুন প্রতীক অল্প সময়ে ভোটারদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সমস্যা নিয়ে রবিউলের মন্তব্যও সেই প্রেক্ষাপটে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এখন রবিউল আলম চৌধুরী শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী ময়দানে থাকেন কি না, এবং প্রচারে দলের কর্মীরা কতটা সক্রিয় হন, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। পাশাপাশি নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ উপনির্বাচনের সমীকরণে কী প্রভাব ফেলে, তা নিয়েও চলছে জল্পনা।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

গুগল ম্যাপ দেখেই বাইক চালাচ্ছিলেন! হঠাৎ রাস্তা শেষ, বাইক-সমেত খাদের নীচে যুবক

মোবাইলে গুগল ম্যাপ খুলে সেই পথ দেখেই বাইক চালিয়ে যাচ্ছিলেন যুবক। কিন্তু যে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন, সেটি যে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ এবং পরিত্যক্ত খনি এলাকার মধ্যে দিয়ে গিয়েছে, তা বুঝতে পারেননি তিনি। আচমকাই রাস্তার একটি ভাঙা অংশের কাছে গিয়ে বাইক-সহ গভীর খাদে পড়ে যান। দীর্ঘ সময় পর গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়। দুর্গাপুরের পাণ্ডবেশ্বরের ভাঁটমুড়া মহালক্ষ্মী এলাকায় এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।আহত যুবকের নাম প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি পেশায় কেবল অপারেটর। কাঁকসার বনকাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের ডাঙাল এলাকার বাসিন্দা প্রসূন শুক্রবার রাতে বাইক নিয়ে বেরিয়েছিলেন। অচেনা পথে সুবিধার জন্য মোবাইলে গুগল ম্যাপ চালু করেছিলেন তিনি। ম্যাপে যে রাস্তা দেখানো হচ্ছিল, সেই পথ ধরেই বাইক চালাচ্ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।পাণ্ডবেশ্বরের ভাঁটমুড়া মহালক্ষ্মী এলাকায় পৌঁছনোর পর বিপদ ঘটে। ওই এলাকা পরিত্যক্ত খনি এলাকার মধ্যে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাস্তার একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে ভেঙে গিয়ে সেখানে গভীর খাদ তৈরি হয়েছে। কিন্তু ম্যাপে সেই বিপজ্জনক অংশের কোনও ইঙ্গিত ছিল না বলে জানা গিয়েছে।অন্ধকারে ফাঁকা রাস্তা দিয়ে বাইক চালানোর সময় প্রসূন সেই খাদের কাছে পৌঁছে যান। বাইকের গতি বেশি থাকায় পরিস্থিতি সামলানোর সুযোগ পাননি বলেই প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে। বাইক-সহ তিনি খাদের নীচে পড়ে গুরুতর জখম হন।এ দিকে রাতে অনেক সময় পেরিয়ে গেলেও প্রসূন বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তাঁকে খুঁজে না পেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হন তাঁরা। এরপর তাঁর মোবাইলের অবস্থান শনাক্ত করার চেষ্টা শুরু হয়। মোবাইলের অবস্থান পাণ্ডবেশ্বরের ওই খনি এলাকার আশপাশে দেখাচ্ছিল।এর পরেই পাণ্ডবেশ্বর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলের দিকে রওনা দেয়। শুক্রবার রাতের পর শনিবার সকালে এলাকায় গিয়ে পুলিশ দেখতে পায়, খাদের মধ্যে পড়ে রয়েছে প্রসূনের বাইক। কিছুটা দূরে গুরুতর জখম অবস্থায় পড়ে ছিলেন তিনি।পুলিশ ও স্থানীয়দের তৎপরতায় শুরু হয় উদ্ধারকাজ। শেষ পর্যন্ত প্রসূনকে খাদের নীচ থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁকে দ্রুত দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে।এই ঘটনায় একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। খনি কর্তৃপক্ষের দাবি, ওই রাস্তা দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ। তা হলে প্রসূন কী ভাবে সেই পথে পৌঁছলেন, সেটিই এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি কি শুধুমাত্র গুগল ম্যাপে দেখানো পথ অনুসরণ করেই ওই এলাকায় পৌঁছেছিলেন, নাকি অন্য কোনও কারণে সেই রাস্তা ব্যবহার করেছিলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।দুর্ঘটনার সময় বাইকের গতি কত ছিল, রাস্তার পরিস্থিতি কেমন ছিল এবং ঠিক কোন জায়গায় বাইকটি খাদে পড়ে যায়, তা-ও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। গুগল ম্যাপে ওই রাস্তা কেন দেখাচ্ছিল এবং বিপজ্জনক অংশটি কেন চিহ্নিত ছিল না, সেই প্রশ্নও উঠছে।তবে আপাতত পুলিশের তদন্তের পাশাপাশি আহত প্রসূনের চিকিৎসাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ সময় পর তাঁকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হলেও দুর্ঘটনার কারণ পুরোপুরি স্পষ্ট হয়নি। তদন্ত শেষ হলেই জানা যাবে, ঠিক কী ভাবে গুগল ম্যাপের পথ ধরে চলতে গিয়ে পরিত্যক্ত খনি এলাকার গভীর খাদে বাইক-সহ পড়ে গেলেন ওই যুবক।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

সকালে বললেন মনোনয়ন তুলবেন, দুপুরে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গেলেন! রবিউলকে ঘিরে রেজিনগরে নাটক

রেজিনগর উপনির্বাচন ঘিরে সকাল থেকেই তৈরি হয়েছিল টানটান উত্তেজনা। নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করার পর থেকেই প্রশ্ন উঠেছিল, রেজিনগরেও কি একই পথে হাঁটবেন মমতা শিবিরের প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী? শনিবার সকালে সেই জল্পনা আরও জোরালো হয়। রবিউল নিজেই জানিয়েছিলেন, তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহারের কথা ভাবছেন। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বদলে যায় পরিস্থিতি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলার পর তিনি জানান, মনোনয়ন প্রত্যাহার করছেন না।শনিবার সকাল ৯টা নাগাদ সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে রবিউল জানিয়েছিলেন, তিনি প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করতে পারেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি কর্মীদের উপর চাপ রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। অনেক কর্মী সরে যাচ্ছেন বলেও জানান রবিউল। ফলে কর্মীদের ছাড়া কী ভাবে ভোটের লড়াই করবেন, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন তিনি।রবিউলের কথায়, কর্মীরাই যদি না থাকেন, তা হলে একা ঘুরে ভোট করা সম্ভব কি না, সেই প্রশ্ন উঠছে। সেই কারণেই মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের কথা ভাবছেন বলে জানিয়েছিলেন তিনি।কিন্তু বেলা বাড়তেই পরিস্থিতি বদলে যায়। সাড়ে ১২টা নাগাদ রবিউল জানান, তিনি আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলার পরই তাঁর এই মতবদল বলে জানান তিনি। রবিউলের বক্তব্য অনুযায়ী, মমতার নির্দেশ মেনে তিনি ভোটের লড়াইয়ে থাকবেন।রবিউল বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথামতো তিনি প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের যে চিন্তাভাবনা করেছিলেন, তা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। নতুন পরিস্থিতিতে ভোটের প্রচারে নামার কথাও জানান তিনি। অর্থাৎ, সকালের সিদ্ধান্তের মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রেজিনগরে মমতা শিবিরের প্রার্থীর অবস্থান বদলে যায়।রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই টানাপোড়েন চলছে। তৃণমূলের নাম ও জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের পর মমতা শিবিরকে নতুন নাম ও প্রতীকে লড়তে হচ্ছে। দুই কেন্দ্রেই আগে জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে মনোনয়ন জমা দেওয়া হয়েছিল। পরে কমিশনের সিদ্ধান্তের জেরে পরিস্থিতি বদলে যায়।নন্দীগ্রামে মমতা শিবিরের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন। এরপর ওই কেন্দ্রে কংগ্রেসকে সমর্থনের কথা ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে রেজিনগরের প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী মনোনয়ন প্রত্যাহার করবেন কি না, তা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছিল।সেই জল্পনার মধ্যেই প্রথমে রবিউলের মনোনয়ন প্রত্যাহারের ইঙ্গিত এবং পরে মমতার সঙ্গে কথা বলে লড়াইয়ে থাকার ঘোষণা নতুন করে রাজনৈতিক চর্চা তৈরি করে। তবে পরবর্তী আপডেটে জানা যায়, শেষ পর্যন্ত রবিউল আলম চৌধুরী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। ফলে সকালের সিদ্ধান্ত, দুপুরের মতবদল এবং পরে ফের মনোনয়ন প্রত্যাহারসব মিলিয়ে রেজিনগর উপনির্বাচনে রবিউলকে ঘিরে তৈরি হয় একাধিক নাটকীয় মোড়।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal