• ২০ ভাদ্র ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

বিনোদুনিয়া

বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের ওয়েব সিরিজ ‘রক্তপলাশ’

কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় ক্লিক এর নতুন ওয়েব সিরিজ রক্তপলাশ। প্রযোজনা করেছে ডার্ক এনার্জি।ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন শিলাজিৎ, দেবদূত ঘোষ, অনন্যা সেনগুপ্ত, উৎসব মুখার্জি, রোজা পারমিতা দে, অসীম রায় চৌধুরী, শুভজিত কর, মৌমিতা পন্ডিত, দিপঙ্কর, মৌসুমি দালাল, বেবী তামান্না, কোয়েল মিত্র, সুব্রত দাসগুপ্ত ও কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায় প্রমুখ। এই ওয়েব সিরিজের প্রিমিয়ার হয়ে গেল সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইন্সটিটিউটে।জঙ্গলমহলে অবস্থিত সুরম্য ফক্সহোল রিসোর্টে বেড়াতে আসা সমাজের সাতজন বিশিষ্ট উচ্চমধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয় রক্তপলাশ সিরিজের গল্প। শুরুতে সবাই ভ্রমণবিলাসে মজে গেলেও, নৈশ আড্ডায় রিসোর্ট মালিকের প্ররোচনায় গল্পের পরতে পরতে সেই বিশিষ্টজনেদের অতীত জীবনের লুকোনো অন্যায় ও অপরাধমূলক কাজকর্মের ইতিহাস সামনে আসে দর্শকের। এরই মধ্যে জঙ্গলে নিছক ছুটি কাটাতে আসা, আপাতভাবে নিষ্পাপ মানুষগুলি হঠাৎ করেই আধাসামরিক বাহিনী ও একদল চরমপন্থীর লড়াইয়ে মাঝে পড়ে। তখনি সভ্য যাপনের শহুরে মুখোশ খুলে গিয়ে তাঁদের ভেতরে থাকা স্বার্থপর জান্তব চারিত্রিক বৈশিষ্টগুলো ধীরে ধীরে স্পষ্ট হতে থাকে।সাতজন ব্যক্তিমানুষের আভ্যন্তরীণ সাদা-কালোর দ্বন্দগুলো উন্মুক্ত হতে না হতেই তারা রিসোর্টে বন্দি হয়ে পড়েন মুক্তিপনের টোপ হিসেবে। প্রশ্ন ওঠে একজোট হয়ে সাতজনের বাঁচার লড়াইয়ে সামিল হবার। চরমপন্থীরা সময় দেয় ঘন্টা চারেক। প্রশাসনের তরফে নিযুক্ত হন এক সরকারি মধ্যস্থতাকারী। কিন্তু সে সাত বিশিষ্টজনের অবস্থা হয় সঙ্গিন। তাঁদের মধ্যে কেই বা করলেন বিশ্বাসঘাতকতা? কি ছিল তাঁদের পুরোনো পাপ? কেনই বা তাঁদের পণবন্দী হতে হলো চরমপন্থীদের হাতে? কিভাবে প্রশাসন পৌঁছবে তাঁদের কাছে? বন্দিরা কি আদৌ চরমপন্থীদের হাত থেকে রেহাই পাবেন? আদিম জঙ্গলের উপদ্রুত অঞ্চলের প্রেক্ষাপটে এই টানটান রোমাঞ্চ ও রহস্যের গল্প আরো গভীরে গিয়ে জানা যাবে ক্লিক এর নতুন ওয়েব সিরিজের মাধ্যমে।

জুন ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল নিধনের ট্রেলার ও পোস্টার

নিধনের ট্রেলার এবং পোস্টার লঞ্চ হয়ে গেল কলকাতার একটি হোটেলে। উপস্থিত ছিলেন ছবির অভিনেতা অভিনেত্রী রুপসা এবং ঋতুপর্ণা।অভিষেক ব্যানার্জি এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন। কিন্তু ছবিটি মুক্তির আগেই তিনি মারা যান। তাই তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে তার জন্য প্রথমে একটি স্মরণ সভা হয়।প্রোগ্রাম শুরুর প্রথমে পোস্টার লঞ্চ করা হয় এবং পরবর্তীতে ট্রেলার দেখানো হয়। ছবির প্রত্যেকে অভিষেক ব্যানার্জি কে নিয়ে তাদের নিজস্ব মতামত জানান এবং ছবিটি করে তাদের কেমন লেগেছে সেটা জানান।এই ছবিতে এক ভিন্ন চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেত্রী রুপসা মুখোপাধ্যায়কে। রুপসার চরিত্রের নাম রাধা। যার একটি পা নেই। দুর্ঘটনায় হারিয়ে ফেলে এক পা। জীবনের এক অন্তদন্দ্ব তুলে ধরেছে এই ছবি। ছবির প্রতিটি ছন্দে রয়েছে সাসপেন্স ও রহস্য।পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন পরিচালক সঞ্জয় দাস। ছবিতে রুপসা মুখোপাধ্যায় এর বিপরীতে অভিনয় করছেন অভিনেতা মিত দাস। এছাড়া ছবিতে অন্যান্য চরিত্রে দেখা যাবে রজতাভ দত্ত, সুপ্রিয় দত্ত, সোমা চক্রবর্তী, ভরত কল প্রমুখ অভিনেতাদের।পরিচালক সঞ্জয় দাস জানিয়েছেন এটি তার দ্বিতীয় ছবি। ছবিটিতে দর্শককে একটি ভিন্ন ঘরানার গল্প উপহার দেওয়া হবে। একটি মার্ডারকে নিয়ে এই গল্প। কিন্ত গল্প যত এগোতে থাকবে তত সাসপেন্স বাড়তে থাকবে। কিন্ত অবশেষে রাধার জীবনের পরিণতি কি হবে? পুরোটাই জানা যাবে নিধন ছবিটি দেখলে।

জুন ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মিলিন্দ গাবার মিউজিক ইন্ডিয়া ট্যুর

কলকাতার বৃহত্তম লাইভ এন্টারটেইনমেন্ট কোম্পানি, সিলেক্ট দর্শকদের জন্য নিয়ে এল মিলিন্দ গাবার ইন্ডিয়া ট্যুর। এটি হল মিলিন্দ গাবার প্রথম লাইভ ইন কনসার্ট ইন্ডিয়া ট্যুর। কলকাতার জে ডব্লু ম্যারিওটে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।সিলেক্টের এই উদ্যোগে ২ মাসে দেশের ৮ টি শহরে হবে মিলিন্দ গাবার এই মিউজিক ট্যুর। কনসার্টগুলি হবে একদম অনন্য, আগে কখনও দেখা যায়নি এমন অভিজ্ঞতা হবে। যেখানে মিলিন্দ গাবা তার সেরা পারফরম্যান্স তুলে ধরবেন৷ মিলিন্দ গাবার সঙ্গে লাইভ এবং প্রিয় গায়কের সঙ্গে ছন্দ ও সুরে ভক্তরা গান গাইতে এবং নাচতে পারে।মিলিন্দ গাবা একজন ভারতীয় বলিউড গায়ক, গীতিকার, সঙ্গীত প্রযোজক, পাঞ্জাবি এবং বলিউড সঙ্গীতের সঙ্গে যুক্ত অভিনেতা। তিনি তার নজর লাগা যায়েগি, সে জানে না এবং ইয়ার মোদ দো গানগুলির জন্য পরিচিত। তার জনপ্রিয় একক গানগুলি হল নজর লাগা যায়েগি, সে জানে না, ম্যায় তেরি হো গায়ে, জিন্দেগি দি পাউদি, পিলে পিলে, সুন্দর, নাচুঙ্গা আইসে এবং কেয়া কারু। তার সে ডোন্ট নো গানের মিউজিক ভিডিওটি ইউটিউবে টি-সিরিজে ৮ জানুয়ারী ২০১৯-এ প্রকাশিত হয়েছিল।এই ভিডিওটি ৫০০মিলিয়নেরও বেশি ভিউ নিয়ে তুমুল জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলিউড গায়ক মিলিন্দ গাবা বলেন , এটি হল আমার প্রথম সমন্বিত এবং একচেটিয়া ভারত সফর। বিভিন্ন শহরে আমার দর্শকদের জন্য লাইভ পারফর্ম করার এই সুযোগ পেয়ে আমি খুবই কৃতজ্ঞ। সিলেক্টের সঙ্গে এই যাত্রা অবশ্যই আমার জন্য একটি অবিশ্বাস্য অভিজ্ঞতা।এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে, সিলেক্টের ম্যানেজিং ডিরেক্টর রবি আগরওয়াল এবং গীতেশ শর্মা, সিলেক্টের প্রতিনিধি বলেন, সিলেক্ট সারা ভারতে ভক্তদের কাছে সেরা লাইভ মিউজিক্যাল অভিজ্ঞতা আনার ক্ষেত্রে একটি অবিচ্ছেদ্য ভূমিকা পালন করছে। আমরা এখন মিলিন্দ গাবার প্রথম মেগা ইন্ডিয়া ট্যুরে তার ভক্তদের বিনোদন দেওয়ার জন্য তার সঙ্গে কাজ করতে পেরে উত্তেজিত। মিলিন্দ গাবা, তার প্রাণময় সুর দিয়ে, ভারতের লক্ষ লক্ষ ভক্তের সঙ্গে একসঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। তিনি এই প্রজন্মের কণ্ঠস্বর। সিলেক্ট দ্বারা আয়োজিত এই মিউজিক ট্যুরটি অন্যান্য তিনটি শহরের সঙ্গে মুম্বই, কলকাতা, গোয়া, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদের মতো বড় শহরগুলিতে পৌঁছাবে।

জুন ০৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

নতুন ওয়েব সিরিজের মোশন লোগো প্রকাশ

সৌপ্তিক সি নির্দেশিত Sthalantar Films and Entertainment P Ltd প্রযোজিত ক্লিক ওরিজিনালসের আগামী ওয়েব সিরিজের মোশন লোগো প্রকাশ্যে এল। ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন পায়েল সরকার, ঐশ্বর্য সেন, রিচা শর্মা, রানা বসু ঠাকুর, অমিতাভ আচার্য, অর্পিতা দাস, রানা মুখার্জি, সূর্যেন্দ্র বাগচী, ইন্দ্রনীল দে, সানু সোমনাথ, সুলগ্না চক্রবর্তী প্রমুখ।এনক্রিপটেড সিরিজটি দিয়া ও তানিয়া নামের দুই বোনের জীবনকে কেন্দ্র করে আবর্তিত। যেখানে আমরা দেখতে পাই প্রেমে ব্যর্থ হয়ে তানিয়া মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে এবং এই আসক্তির কারণে তার প্রচুর অর্থব্যয় হয়। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তানিয়া আর্থিক অনটনের শিকার হয়ে খুব সহজে টাকা আয়ের উপায় খুঁজতে থাকে। ঠিক এই সময়ে একটি আইটি কোম্পানির ডার্ক ডেয়ার শীর্ষক অ্যাপ্লিকেশন তানিয়ার হাতে এসে পরে। এই অ্যাপটি ব্যবহারকারিকে কিছু সাহসী টাস্ক করার নির্দেশ দেয়, যা করতে পারলে ব্যবহারকারী একটি নির্দিষ্ট অর্থ লাভ করে। তানিয়া নিজের মাদকের খরচ তুলতে এই অ্যাপ এর প্রতি আকৃষ্ট হয় এবং কিছু সাহসী টাস্ক করে ফেলে যার মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীর খুন ও থাকে।যথারীতি তানিয়া গ্রেপ্তার হয় এবং পুলিশি হেফাজতে তার ওপর মাত্রাতিরিক্ত শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার হলে সে আত্মহত্যা করে। এদিকে বোনের রহস্য মৃত্যুর কারণ খুঁজতে শহরে উপস্থিত হয়, তানিয়ার দিদি দিয়া। ঘটনাচক্রে দিয়ার সাথে আলাপ হয় তদন্তকারী অফিসার এসিপি হেমা সিং ও রিপোর্টার সোহাগের সাথে। দিয়া তাদের কাছ থেকে জানতে পারে এই ডার্ক ডেয়ার অ্যাপ টি কিভাবে তাঁর বোনের মতো লক্ষ লক্ষ্য যুবক যুবতী কে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিভিন্ন তথ্য থেকে দিয়া নিশ্চিত হয় যে তাঁর বোন একটি ঘৃণ্য চক্রান্তের শিকার। সে তাঁর বোনের মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য বদ্ধপরিকর হয়ে ওঠে। এবার সে নিজেই প্ল্যান করে এই চক্রান্তের পর্দা ফাঁস করতে ময়দানে নামে। দিয়া কি পারবে এই কুখ্যাত অ্যাপ্লিকেশনটির এনক্রিপটেড কোড এর মাস্টারমাইন্ড কে খুঁজে বের করতে? এটা কি পরিকল্পিত চক্রান্ত, নাকি পূর্বতন কোনো অপরাধীর ধারাবাহিক অপরাধ! ডার্ক ওয়েব এর অন্তর্জালে জড়িয়ে পড়া এই রোমহর্ষক থ্রিলার দেখা যাবে নতুন ওয়েব সিরিজে। যে ওয়েব সিরিজ নিয়ে শুরু হয়েছে উন্মাদনা।এর আগে সৌপ্তিকের পরিচালিত খেলা শুরু ক্লিক-এ জনপ্রিয় হয়। অনেক দর্শকদেরই পছন্দ হয়েছিল এই ওয়েব সিরিজটি। এবার নতুন ওয়েবে সৌপ্তিক দর্শকদের মন কতটা জিতে নিতে পারে সেটাই দেখার।

জুন ০৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অ্যাম্বারকে হারিয়ে মামলা জিতলেন জনি ডেপ

অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হল।প্রাক্তন স্ত্রী অ্যাম্বার হার্ডের বিরুদ্ধে করা মানহানির মামলা জিতলেন আমেরিকান অভিনেতা জনি ডেপ। আদালতের জুরি সদস্যরা জানিয়েছেন, জনি ডেপের বিরুদ্ধে করা অ্যাম্বার হেডের গার্হস্থ্য হিংসার মামলা মিথ্যা এবং অবমাননাকর। অ্যাম্বারকে প্রায় ১১৭ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দেওয়ারও নির্দেশও দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি জনির বিরুদ্ধে গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ আনার পিছনে অ্যাম্বারের অসৎ উদ্দেশ্য ছিল বলেও আদালত জানিয়েছে। ২০১৮ সালে জনির বিরুদ্ধে গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ এনেছিলেন তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী। এর পরেই অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন জনি। অভিনেতা মিথ্যা বলছেন দাবি করে পাল্টা মামলা করেন অ্যাম্বারও। এই জোড়া মামলার শুনানিতে বিস্তর কাদা ছোড়াছুড়ি দেখছে আদালত। উত্তাল ছিল দুপক্ষের অনুরাগী মহলও। তবে জনির আইনজীবী অ্যাডাম ওয়াল্ডম্যান এক বিবৃতিতে জানিয়েছিলেন, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে অ্যাম্বারের আনা গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ ধাপ্পাবাজি ছাড়া আর কিছু নয়। এই বিবৃতিকেও অবমাননা বলে উল্লেখ করে জনির আইনজীবীকেও প্রায় সাড়ে ১৫ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাত সদস্যের জুরি রায় দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আদালতের বাইরে জনি, জনি, জনি বলে চিৎকার ও স্লোগান ওঠে।

জুন ০২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কেকে'র প্রয়াণে বিশাল স্তব্ধতা

কেকে-র প্রয়াণে দেশবাসীর চুপ হয়ে গেছেন। কেকে-র প্রিয়জন থেকে শুরু করে তার অগুণিত ভক্ত কারোরই মনে ভালো নেই। একটি পোস্টের মাধ্যমে আবেগঘন বার্তা শেয়ার করলেন পরিচালক বিশাল ভরদ্বাজ। টুইট করে তিনি লিখেছেন, আমার ছোট ভাই। একসঙ্গে দিল্লি থেকে এসেছিলাম। আমাদের প্রথম ব্রেক, প্রথম ছবি, প্রথম সফলতা একসঙ্গে- মাচিস। ছোড় আয়ে হাম ওহ গলিয়াঁ, লতাজির পানি পানি রে-তে দ্বিতীয় গানও গেয়েছিলেন। অগণিত সময়, অগণিত মুহূর্ত, অনেকটা যন্ত্রণা, সবটাই একটু একটু করে হারালো।Mera chhota Bhaiyaa.Hum saath aaye thay dilli se. Humara pehla break pehli film pehli kaamyaabi ek saath- MAACHIS(Chhodh aaye hum wo galiyan. He also sang the 2nd music in Lata jis pani pani re)Anginat lamhe.. anginat yaadein..Bepanah dard..Bichhdey sabhee baari baari.. pic.twitter.com/gHrJHqpA9g Vishal Bhardwaj (@VishalBhardwaj) June 1, 2022উল্লেখ্য বিশাল ভরদ্বাজের একাধিক ছবিতে গান গেয়েছেন কেকে। তাঁর পরিচালনাতে ১৯৯৬ সালে ছোড় আয়ে হাম ওহ গলিয়াঁ গানটা গেয়েছিলেন। বিশাল ভরদ্বাজের সঙ্গীত পরিচালনায় রঙ্গুন সিনেমাতেও গেয়েছিলেন কেকে।

জুন ০১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সাইকেল এক করে দিল সাইক্লিস্ট ও সঙ্গীতশিল্পীকে

একজন পাহাড়ে, পাহাড়ে ঘুরে বেড়ান, আর আরেকজন স্ট্রিট মিউজিক করেন শহরের রাস্তা থেকে সুন্দরবনের গ্রামে।একজন চন্দন বিশ্বাস, আরেকজন নীলাঞ্জন সাহা। এদের মিল বাইসাইকেল-এ। চন্দন বেড়িয়ে পড়েন নানা পাহাড়ের উঁচু-নিচু রাস্তায়, ঘুরে ফেরেন এমন রাস্তায় যা খুব কম লোকই পাড়ি দিয়েছেন, শুধু ঘুরেই বেড়াননি,বানিয়েছেন ডকুমেন্টারি ছবি চরৈবেতি দেখান হয়েছে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে। আর এই ঘুরে বেড়ানোটা সবটাই কলকাতা থেকে সঙ্গী বাইসাইকেল। আরেকজন নীলাঞ্জন সাহা কলকাতার রাজপথে স্ট্রিট মিউজিক নিয়ে কাজ করবেন বলে ভেবে ফেলেন এক অভিনব ভাবনা।মিউজিক্যাল স্যান্ডউইচ, হ্যাঁ এটাই তাঁর ব্র্যান্ড। এখন অনেকেই তাঁকে সেই নামেই চেনেন। পারফর্ম করেছেন কলকাতা স্ট্রিট মিউজিক ফেস্টিভ্যাল, মাউন্টেন মিউজিক ফেস্টিভ্যাল এর মতো অনুষ্ঠানে। নিজে উদ্যোগী হয়ে করেছেন কলকাতা ইনস্ট্রুমেন্টাল জ্যামিং ফেস্টিভ্যাল। গোলপার্কের মোড়ে বাইসাইকেলকে সঙ্গী করে স্যান্ডউইচ বিক্রির সাথে গানের উপহার আজ অনেকেই জানেন। অনেকেই আসেন এই স্ট্রিট মিউজিক উপভোগ করতে। এসেছেন তিমির বিশ্বাস, সমীধ-ঊর্ভির মতো পরিচিত শিল্পীরা গলা মিলিয়েছেন গানে। বাইসাইকেলকে সঙ্গী করে কলকাতা থেকে পাড়ি দেন সুন্দরবনে এক স্থানীয় স্কুলে কচিকাঁচাদের গান শেখাতে।এমনই দুই বাইসাইকেলিস্টদের সম্মান জানানো হল খুকুমণি-সিন্দুর ও আলতার পক্ষ থেকে কলকাতার আইসিসিআর এর স্পাইসেস এন্ড সসেস ক্যাফেতে। উপস্থিত ছিলেন সংস্থার কর্ণধার অরিত্র রায়চৌধুরী। এদিন চন্দন বিশ্বাস বললেন, ১৭ ফেব্রুয়ারি,২০১৮ সাইকেল নিয়ে ট্রান্স হিমালয়ান সফর শুরু করি, কলকাতা, বাংলাদেশ, ত্রিপুরা হয়ে গোটা উত্তর পূর্বাঞ্চল ঘুরে সেখান থেকে ভুটান পৌঁছই। তারপর সিকিম ঘুরে শিলিগুড়িতে আসি। সেখান থেকে গন্তব্য ছিল নেপাল। ২-৩ মে সাইকেল নিয়ে রওনা দিই নেপালে। ঘুরে বেড়ানোর পাশাপাশি সেই জায়গার ছবি-ভিডিও তোলা আর সেখানকার নানা তথ্য সংগ্রহের অমোঘ নেশা আমার এই সব জার্নির পিছনের মূল লক্ষ্য। সম্প্রতি একটা তথ্যচিত্র বানিয়েছি চরৈবেতি যেটা কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে দেখানো হয়েছে।নীলাঞ্জন সাহা তার জার্নি শেয়ার করে বলেন, গানকে সঙ্গী করে আগামী দিনে পথ চলার ইচ্ছা রয়েছে। মিউজিক্যাল স্যান্ডউইচ করার উদ্দেশ্য ছিল স্ট্রিট মিউজিককে একটা জায়গা করে দেওয়া। স্ট্রিট মিউজিক নিয়ে চর্চা হওয়া।সব কিছুর জন্য একটা অর্থ লাগে তাই স্যান্ডউইচ বিক্রির কনসেপ্টটা মাথায় আসে। কিছুটা হাতখরচ তো আসে।আর সাথে রইল গান। সঙ্গী বাইসাইকেল। এই বাইসাইকেল কেন বলতে দুজনেরই মত দূষণহীন এই যান প্রকৃতির পক্ষে ভালো, সাইকেলিং করলে শরীর ভালো থাকে, ভীড় এড়িয়ে নিজের মতো করে চলা যায়।এদিন খুকুমণি এর পক্ষে সংস্থার কর্ণধার অরিত্র রায়চৌধুরী বলেন, যাঁরা এই ধরনের কাজে এগিয়ে আসেন। এই অকুতোভয় যুবকেরা যাঁরা এই প্রজন্মের প্রতিনিধি এই রকম কাজ করে দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছেন তাঁদের আমরা আমাদের সংস্থার পক্ষ থেকে কুর্নিশ জানাই। এরকম একটা উদ্যোগ আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রেরণা যোগাবে। জীবনে একটু অন্যরকম ভাবেও যে ভাবা যায় আর সেই মাধ্যমের প্রতি ভালোবাসা, নিষ্ঠা দিয়ে যে নিজের পরিচয় গড়ে তোলা যায় এই দুই যুবক তার নজির সৃষ্টি করেছেন। বাইসাইকেলকে সঙ্গী করে ওঁদের এই যাত্রাপথ আরও ভালোভাবে এগিয়ে যাক এটাই আমি চাই।

জুন ০১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল 'প্রাপ্তি'-র গান, ১০ জুন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি

বুদ্ধদেব গুহর গল্প প্রাপ্তি অবলম্বনে আগামী ১০ জুন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে অনুরাগ পাতি পরিচালিত ছবি প্রাপ্তি। এই ছবিরই গান মুক্তি পেল। গান মুক্তির অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছবির কলাকুশলীরা ছাড়াও অন্যান্য অভিনেতারা।প্রাপ্তি তে অভিনয় করেছেন সমদর্শী দত্ত, প্রত্যুষা রোসলিন, দেবদূত ঘোষ এবং অনন্যা পাল ভট্টাচার্য। ছবিটির প্রযোজনা করেছেন প্রত্যুষা। এই ছবির সঙ্গীত পরিচালনা করেছে শ্রবণ ভট্টাচার্য। গানের কথা লিখেছেন ঋতম সেন। ছবিতে গানগুলি গেয়েছেন রেখা ভরদ্বাজ ও অমৃতা সিং।অনুরাগ পাতি-র প্রাপ্তি তে মোট ৩টি গান রয়েছে। একটি গান রাই। রিতম সেনের লেখায় শ্রবণ ভট্টাচার্যের সুরে গানটি গেয়েছেন রেখা ভরদ্বাজ। গানটির রিপ্রাইস ভার্সনও গেয়েছেন তারা। আরেকটি গান সই। এই গানটি গেয়েছেন ঋতম সেন ও শ্রবণ ভট্টাচার্যের কথায় শ্রবণ ভট্টাচার্যের সুরে গানটি গেয়েছেন শ্রবণ নিজেই। ছবির গানগুলো দর্শকদের মনে আলাদা জায়গা করে নিয়েছে। এখন ছবিটি কতটা দর্শকদের মন ছুঁয়ে যেতে পারে সেটাই দেখার।

জুন ০১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কে কে র মৃত্যুর জন্য এবার রূপঙ্করকে ট্রোল ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়ের

ভারতীয় সঙ্গীতের এক তারকা কে কে কে হারিয়ে আমরা সবাই মুহ্যমান। নজরুল মঞ্চে গতকাল পর্যন্ত যার লাইভ পারফরম্যান্সের সাক্ষী থাকলেন দর্শকরা সেই কে কে আজ আমাদের সঙ্গে নেই ভাবতে পারছেন না অনেকেই। এরকম একটা পরিস্থিতিতে সঙ্গীতশিল্পী রূপঙ্করের ভিডিও নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে তুমুল সমালোচনা। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে তারকারা কেউই রূপঙ্করকে ছেড়ে কথা বলেননি। এবার অভিনেতা ভাস্বর চট্টোপাধ্যায় রূপঙ্করের বিরুদ্ধে তার ক্ষোভ উগড়ে দিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাস্বর লিখেছেন, আজ থেকে রূপুংকরবাবুর নাম দিলীপ ঘোষ হোক। কারণ উনিও আলটপকা কথা বলে লাইমলাইটে থাকতে চান। কি অসহ্য সময়, নিজেকেই বলছেন KK-র থেকে ভালো গায়ক। সে তো মানুষ বলবে আপনি লাফাচ্ছেন কেন? রাঘবদা বা কাউকে তো এসব বলতে শুনি না। কমেন্ট বক্সে অভিনেত্রী রিমঝিম গুপ্ত লিখেছেন, এই লোকটা কারও মৃত্যুকেও একটা পাবলিসিটি স্টান্ট করতে পারে জাস্ট ভাবে না। ছি!! আমরা কোন সমাজে, কোন যুগে বসবাস করছি।প্রসঙ্গত, বুধবার সকালে রূপঙ্কর সংবাদবাদ্যমকে কেকে-র মৃত্যু প্রসঙ্গে দুঃখপ্রকাশ করেছেন রূপঙ্কর। তিনি বলেছেন, দু:খ লাগছে, কষ্ট হচ্ছে। কেকে অত্যন্ত বড় মাপের শিল্পী ছিলেন। এটা ওঁর মৃত্যুর বয়স নয়। অতীতে অনেক মিউজিশিয়ান ছেড়ে চলে গিয়েছেন। ওর সেই বয়স নয়। তাঁর পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। আমি কেকে-র বিরুদ্ধে কিছু বলতে চাইনি। মানুষ বুঝতে না পারলে সত্যি খারাপ লাগবে। বাংলা গান, বাংলা সাহিত্য নিয়ে বলতে চেয়েছিলাম আমি। চিনিই না মানুষটাকে। ওঁর উপর কেন রাগ থাকবে। আমি ওঁর ভক্ত। আমার বক্তব্য নিয়ে কেউ অন্য কিছু ভেবে থাকলে সেটা তাঁদের ভুল।

জুন ০১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কবিতা ক্লাবের সত্যজিৎ রায় স্মরণে বিশেষ পিকচার কথার অনুষ্ঠান

সত্যজিৎ রায়ের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এপিজে বাংলা সাহিত্য উৎসব, অক্সফোর্ড বুকস্টোর এবং কবিতা ক্লাবের উদ্যোগে পার্ক স্ট্রিটের শতাব্দীপ্রাচীন অক্সফোর্ড বুকস্টোরে আয়োজিত হল। মে মাসে সত্যজিৎ রায়ের জন্মমাস। সেই কারণেই এই কিংবদন্তির জন্মশতবার্ষিকীতে, কবিতা ক্লাবের মে মাসের পিকচার কথা বিভাগটি সত্যজিৎ রায় স্মরণে। এই মাসের পিকচার কথায় যাদের লেখা নির্বাচিত হয়েছে তাদের অক্সফোর্ড বুক স্টোরের সৌজন্যে বিশেষ পুরস্কার ও শংসাপত্র প্রদান করা হয় এই অনুষ্ঠানে। এই অনুষ্ঠানে বিশেষ আকর্ষণ ছিল অপরাজিত ছবির চরিত্রাভিনেতাদের উপস্থিতি। অনীক দত্ত পরিচালিত, সদ্য রিলিজ হওয়া, বহুলচর্চিত অপরাজিত ছায়াছবির চরিত্রাভিনেতারা তাদের অভিজ্ঞতার কথা উপস্থিত সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন I উপস্থিত ছিলেন দেবাশিস রায়, শৌণক সামন্ত, শোয়েব কবীর এবং ঋত্বিক পুরকায়েত। এই অভিনেতারা সিনেমার পর্দায় সুবীর মিত্র, সুনীল চৌধুরী, চন্দ্রগুপ্ত কিচলু এবং দেবাশিস বর্মণের চরিত্রে দর্শকদের সামনে ধরা দিয়েছেন I এই চরিত্রগুলি সম্পূর্ণ কাল্পনিক নয়, বরঞ্চ নির্মিত হয়েছে সুব্রত মিত্র, অনিল চৌধুরী, বংশী চন্দ্রগুপ্ত এবং আশিস বর্মণের ছায়া অবলম্বনে। কবিতা ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা এবং অন্যতম সদস্য জনপ্রিয় গীতিকার, গায়ক এবং সঙ্গীত পরিচালক সুরজিৎ চট্টোপাধ্যায়ও উপস্থিত হন। কবিতাক্লাবকে ঘিরে সারা বছর চলে বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। পিকচার কথার সূচনাপর্ব কবিতাক্লাবের এক আড্ডায়। ভাবনাটা কথায় কথায় স্পষ্ট হয়েছিল যে ছবির বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিলিয়ে চার লাইনের কবিতা, কিম্বা চার পাঁচে কুড়ি শব্দের অণুগল্প লেখা হয়।

মে ৩১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

'পাঁচফোরোন্স'-এর গল্পে রয়েছে চমক

ইন্দ্রনীল ব্যানার্জি পরিচালিত ওয়েব সিরিজ পাঁচফোরোন্স। এই ওয়েব সিরিজে একদিকে যেমন বর্ষীয়ান অভিনেতারা রয়েছেন অন্যদিকে তরুণ মুখও রয়েছে। পরাণ বন্দোপাধ্যায়, সাম্য সমাদ্দার, অর্ক ভট্টাচার্য, সুমিত প্রামাণিক, শুভাশিস সিকদার, সৌনক রায়, রাজরানি দাস, প্রিয়াঙ্কা বোস এবং শুভ্রনীল সমাদ্দার অভিনয় করেছেন পাঁচফোরন্স-এ। এই সিটকমের গল্পটি উত্তর কলকাতার সাধারণ মেসবাড়ির চারপাশে আবর্তিত হয়েছে। মালিক হলেন ধনেশ্বর পাচাল নামে একজন বৃদ্ধ যিনি প্রতিদিনের সাবান দেখতে এবং দেশীয় মদ খেতে পছন্দ করেন। মালিক ধনেশ্বরের ভাড়াটেদের জন্য কিছু নিয়ম রয়েছে এবং তার মধ্যে একটি হল কোনও মেয়েকে বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। মেসবাড়িতে ৫ জন তরুণ ভাড়াটিয়া রয়েছে যারা বিভিন্ন পটভূমি থেকে এসেছেন। এদের মধ্যে একজন গবেষক, গায়ক, একজন ক্যাফেতে কাজ করা একজন ব্যক্তি, একজন ফটোগ্রাফার, উদীয়মান অভিনেতা এবং একজন কর্মচারী যার বস তাকে সবসময় পাশে রাখে। এই যুবকরা প্রায়ই মালিকের জন্য সমস্যা সৃষ্টি করে। যদিও ধনেশ্বর এই তরুণ ফেলোদের তার নিয়ম মেনে চলতে বাধ্য করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, তারা তাকে মানতে রাজি নয়।

মে ৩১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

একই মঞ্চে শ্রীলেখা-তসলিমা

দুজন দুই জগতের বাসিন্দা হলেও তাদের ব্যক্তিত্বে অনেকটাই মিল রয়েছে। দুজনেই স্পষ্টভাষী। সোশ্যাল মিডিয়া দেখলেই তার প্রমাণ পাওয়া যায়। তাই স্বাভাবিকভাবেই তাঁদের বিতর্ক পিছু ছাড়ে না। এই দুজনের মধ্যে একজন হলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী, আর একজন জনপ্রিয় লেখিকা। অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র এবং লেখিকা তসলিমা নাসরিন। সম্প্রতি দিল্লিতে হঠাৎ দেখা দুজনের। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন শ্রীলেখা। লে রিদম নামের সংস্থার অনুষ্ঠানে যোগ দিতে নয়াদিল্লিতে হাজির ছিলেন শ্রীলেখা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তসলিমা নাসরিনও। সেখানেই দুজনের আলাপ। অনুষ্ঠানে খুব বেশি কথা হয়েছে তেমনটা নয় তবে শ্রীলেখার কথায় খুব কম বয়সেই তসলিমার লজ্জা, আমার মেয়েবেলা পড়েছিলেন, স্বভাবতই তসলিমার লেখনী মুগ্ধ করেছিল তাঁকে। শ্রীলেখার কথায়, এত সাহসী কলম! ওঁর উপস্থিতিও ওঁর লেখার মতোই উজ্জ্বল! লে রিদম নামের এই সংস্থা অসহায়, দুস্থ নারীদের স্বনির্ভর করার জন্য নিয়মিত কাজ করে চলেছে। প্রান্তিক নারীদের পায়ের তলায় শক্ত জমি জোগানোর এই উদ্যোগে এবার শামিল শ্রীলেখা, তসলিমারাও। দুস্থ নারীদের পড়াশোনা, নাচ-গানের পাশাপাশি অভিনয়েরও পাঠও দেবেন শ্রীলেখা, যাতে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে পারে ওরা।

মে ৩১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অভিনয় দক্ষতায় পরিচিত তৈরি করছেন টলিউডের নতুন শুভশ্রী

টলিউডে শুভশ্রী মানেই প্রথমে আসবে সবার প্রিয় শুভশ্রী গাঙ্গুলী। কিন্তু শুভশ্রী গাঙ্গুলী ছাড়াও আরেক শুভশ্রী ধীরে ধীরে নিজের পরিচিতি তৈরি করছে। এই শুভশ্রী হল শুভশ্রী কর। বর্ধমানে সৌন্দর্যের প্রতিযোগিতায় জিতে একরাশ স্বপ্ন নিয়ে ২০১৭ সালে কলকাতায় পা রাখে শুভশ্রী। কলকাতায় নিজের পরিচিতি তৈরি করে শুভশ্রী এখন সিনেমায় নিজের নাম তৈরি করেছে। সদ্য মুক্তি পাওয়া তিরন্দাজ শবর এ যমুনা-র চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মন ছুঁয়েছেন শুভশ্রী। পরিচালক অরিন্দম শীল কে নিয়ে শুভশ্রী জানিয়েছেন, অডিশন দেওয়ার পর আমি দাদার সঙ্গে দেখা করি। যখন দেখলাম যে অডিশনে আমাকে সিলেক্ট করা হয়েছে তখন কনফিডেন্স একটু বেড়ে যায়। সেরকম ভয় কিছু লাগেনি। আগামী দিনে অরিন্দম শীলের পরিচালনায় মায়াকুমারী তে দেখা যাবে শুভশ্রী কে। এই ছবির চরিত্র নিয়ে এখনই সেরকম কিছু বলতে চান না তিনি। মায়াকুমারী ছাড়াও একটি ওয়েব সিরিজেও দর্শকরা শুভশ্রী কর কে দেখতে পাবেন। শুভশ্রীর মডেলিং থেকে অভিনয় প্রতি মুহূর্তে পাশে পেয়েছেন তার মা কে। তখনই বিপদে পড়েছেন মা বটগাছের মতো আগলে রেখেছেন। শুভশ্রীর জন্য তার আপকামিং জার্নির জন্য জনতার কথা-র পক্ষ থেকে রইল অনেক শুভেচ্ছা।

মে ৩০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বেবি বাম্প আগলে ছবি শেয়ার সোনমের

অভিনেতা অনিল কাপুরের মেয়ে সোনম কাপুর বেবি বাম্পের নতুন ছবি শেয়ার করলেন। প্রথম খবরটা অভিনেত্রী গত মার্চ মাসেই দিয়েছিলেন। এবার আরও একটি খুশির খবর ভাগ করে নিলেন। স্বামীর সঙ্গে পুনর্মিলনের জেরে সোনমের আনন্দ আরও অনেকটাই বেড়েছে এটা শেয়ার করলেন অভিনেত্রী। সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট থেকে এমনটাই আঁচ পাওয়া গেল। কর্মসূত্রে আনন্দ আহুজা বেশিরভাগ সময় লন্ডনে থাকেন। তবে এখন সোনম মা হতে চলায় তার সঙ্গেই সময় কাটছে। এদিন শরীর চাপা কাঁধকাটা কালো রং-এর পোশাকে বেবি বাম্প ফ্লন্ট করতে দেখা গেল সোনমকে। পেটের নীচের দিকটা এক হাত দিয়ে আগলে, অপর হাতে ক্যামেরা- আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ছবিটি তুলেছেন অভিনেত্রী। কমেন্টে প্রচুর শুভেচ্ছা পেয়েছেন অভিনেত্রী। এখন শুধু সন্তানের পৃথিবীর আলো দেখার অপেক্ষা।

মে ৩০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ঋতুপর্ণ ঘোষের স্মৃতিচারণায় প্রসেনজিৎ

ঋতুর পরিবর্তন হয়। তবে ঋতুপর্ণ ঘোষ বাঙালির জীবনে, বাঙালির মননে চিরজীবনের মতো থেকে যায়।আজ বাঙালির জীবনে তাই বিশেষ দিন। আজ আরও একটা ৩০মে। আজ থেকে ঠিক ৯ বছর আগে বাঙালি কোনো উৎসবে আর ঋতুপর্ণ ঘোষের নতুন ছবি মন ছুঁয়ে যায়নি। সেদিন থেকে শুরু হয়েছিল তার পুরনো ছবির স্মৃতিচারণ। সেদিনই না ফেরার দেশে পারি দিয়েছিলেন ঋতুপর্ণ ঘোষ। টলিউডের বুম্বা দা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ঋতুপর্ণ ঘোষের একাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন। দোসর এ অভিনয় করেছেন জিতেছেন জাতীয় পুরস্কারও। পেশাদার সম্পর্কের বাইরে ঋতুপর্ণ ছিলেন বুম্বাদার খুব কাছের মানুষ। পরিচালকের মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মৃতিমেদুর হয়ে পড়লেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় ঋতুপর্ণের উদ্দেশে একটি আবেগঘন পোস্ট লেখেন বুম্বাদা। হাসিমাখা মুহূর্তের একটি ছবি শেয়ার করে লেখেন, কিছু শূন্যস্থান কখনো পূরণ হয় না... ভালো থাকিস ঋতু।

মে ৩০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ছোটপর্দার জার্নি শুরু করছেন আমির খানের বোন

কয়েকমাস আগেই খুকুমণি হোম ডেলিভারি বাংলায় বেশ জনপ্রিয় হয়। কয়েক সপ্তাহ পরপর টিআরপির তালিকায় শীর্ষে ছিল। যদিও অজ্ঞাত কারণে হঠাৎই ৫ মাসেই বন্ধ হয়েছে এই শো। তবে খুকুমণির জনপ্রিয়তা এতটাই ঝড় তুলেছিল যে এই শো হিন্দিতে তৈরি হচ্ছে জাতীয় স্তরের দর্শকদের জন্য, নাম বান্নি চাও হোম ডেলিভারি নামে একটি মেগার কথাও চলে আসে। শশী-সুমিত মিত্তল প্রোডাকশনের স্টার প্লাসের এই শো-র সঙ্গে ছোট পর্দায় জার্নি শুরু করছেন আমির খানের বোন নিখাত খান। এই সিরিয়ালে নাম ভূমিকায় অভিনয় করছেন উল্কা গুপ্তা, নায়কের চরিত্রে থাকছেন প্রবিষ্ট মিশ্রা। এছাড়াও নিখাত এবং রাজেন্দ্র চলকে দেখা যাবে উল্লেখযোগ্য চরিত্রে। নতুন জার্নি নিয়ে নিখাত জানিয়েছেন, আমি দারুণ এক্সাইটেড এই সফর নিয়ে। স্টার প্লাস আমাদের দেশের অন্যতম জনপ্রিয় চ্যানেল। আমার কাছে এটা একটা গর্বের ব্যাপার, আশা করছি দর্শকদের হৃদয় ছুঁতে সফল হব।টেলিভিশনে এটা তাঁর প্রথম কাজ হলেও বড়পর্দায় এর আগে অনেক কাজ করেছেন নিখাদ। এর আগে মিশন মঙ্গল, তানাজি, সান্ড কি আঁখ-এর মতো ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। পরিচালক-প্রযোজক তাহির হুসেনের বড় মেয়ে নিখাত। তাঁর দুই ভাই আমির, ফয়জল এবং বোন ফারহাত। নব্বইয়ের দশকে একাধিক বলিউড ছবির প্রযোজনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন নিখাত। আমির খানের লাগান ছবির সহ-প্রযোজক ছিলেন তিনি। বাড়ি বাড়ি বান্নির খাবার পৌঁছে দেওয়ার গল্প বাঙালি দর্শকরা আগেই পছন্দ করেছেন। এখন হিন্দিতে দর্শকরা কতটা পছন্দ করেন সেটাই দেখার। ৩০শে মে থেকে রাত ৯টায় সম্প্রচারিত হবে এই শো।

মে ২৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কেজিএফ ৩ এ কি হৃতিক রোশন ?

যশ অভিনীত কেজিএফ চ্যাপ্টার ২ সাফল্যের দিক থেকে ভালো ব্যবসা করেছে। বক্স অফিসের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে এই ছবি। বিপুল পরিমাণ আয় করেছে। ৪৬ দিনে ১২৩০ কোটি টাকা আয় করেছে ছবিটি। দর্শকরা এখন চ্যাপ্টার ৩ এর জন্য অপেক্ষা করে আছেন। খবর পাওয়া গেছে চ্যাপ্টার ৩ এর বড় মুখ হতে পারেন হৃতিক রোশন। এই ছবির জন্য হৃতিকের সঙ্গে যোগাযোগও করেন কেজিএফ-এর প্রোডাকশন হাউস হোমবেল ফিল্মস-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিজয়। এশিয়ানেট নিউজএবলের সঙ্গে একটি কথোপকথনে হৃতিক রোশনের কাস্টিং সম্পর্কে বলেছেন, কেজিএফ ৩ এই বছর আসছে না। আমাদের কিছু পরিকল্পনা আছে। প্রশান্ত নীল এই মুহুর্তে সালারের জন্য ব্যস্ত, যশও তার পরবর্তী চলচ্চিত্র ঘোষণা করতে চলেছেন। আমরা সবাই একসঙ্গে কেজিএফ ৩ তে কাজ করার জন্য অপেক্ষা করছি। এখন পর্যন্ত, আমাদের কোনও নির্দিষ্ট তারিখ নেই। যদি কিছু আপডেট থাকে তৃতীয় পর্ব শুরু হলে বলা হবে। বিজয় আরও বলেছেন, যখন আমরা তারিখ চূড়ান্ত করব, তখন আমরা স্টার কাস্ট নিয়েও ভাবব। তবেই আমরা বাকি কাস্টগুলি চূড়ান্ত করব। এর সঙ্গে, এটিও দেখা উচিত যে কার কাছে ছবির জন্য সময় আছে। সবকিছু নির্ভর করে কাজ শুরু করার সময়।

মে ২৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

শহরে কার্তিক আরিয়ান, দর্শকদের ভিড়ে আপ্লুত বলি স্টার

বেশ কয়েকটা ছবি মুখ থুবড়ে পরার পর ভুল ভুলাইয়া ২ এর হাত ধরে আবার পুরনো ফর্মে ফিরেছেন অভিনেতা। কার্তিক আরিয়ান ও কিয়ারা আদবানী অভিনীত হরর কমেডি মুক্তির ৬ দিনের মধ্যেই প্রায় ৮৬ কোটির কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। ফলে পরিচালক আনিস বাজমীর এই ছবিটি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে। ছবির প্রচারে বিভিন্ন জায়গায় যেতে হচ্ছে ভুল ভুলাইয়া ২ এর টিমকে। এবার এই ছবির প্রচারে কলকাতায় এলেন কার্তিক আরিয়ান অর্থাৎ এই ছবির রুহ বাবা। আজ দুপুরে কলকাতার সল্টলেকের নভোটেলে ছবির প্রচারে এলেন অভিনেতা। তাকে দেখতে দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় ছিল। ভুল ভুলাইয়া গানের পোজে পাওয়া গেল এই বলি অভিনেতাকে। যারা নিজস্বীর আবদার রেখেছিলেন সকলের আবদারও মেটালেন কার্তিন আরিয়ান। কলকাতায় এসে বাংলায় কার্তিক বললেন আমি খুব ভালোবাসি। এছাড়া তিনি জানালেন কলকাতায় আসতে তার সবসময় ভালো লাগে। বন্ধুদের সঙ্গে বেশ কয়েকবার এখানে এসেছেন।

মে ২৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ইউটিউবে দর্শকদের নাটক দেখাতে বিশেষ ভাবনা

নাটক দেখবো। কিন্তু তাও আবার ইউটিউবে? সেরকমই ভাবনা নিয়ে এসেছে ইউপিক্স কলকাতা। করোনা পরিস্থিতিতে ইউটিউবের জনপ্রিয়তা বেড়ে যাওয়ায় সেই ইউটিউব কে কাজে লাগিয়ে নাটকের ভাবনা নিয়েছে এই সংস্থা। তাদের এই ইউটিউব চ্যানেলের শুভ উদ্বোধন হয়ে গেল যাদবপুরের ইন্দুমতি সভাগৃহ তে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ গাঙ্গুলি, প্রান্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়, রিমি গাঙ্গুলি, অভিজিৎ সেন, রিপণ দাস সহ অন্যান্যরা। বাংলাদেশে ইউটিউবের মাধ্যমে নাটককে তুলা ধরার বিষয়টা বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। তাদের আদলেই নাটককে ইউটিউবের মাধ্যমে দর্শকদের কাছে তুলে ধরার ভাবনা নিয়েছে ইউপিক্স কলকাতা। ইউপিক্স কলকাতা-র প্রতিষ্ঠাতা সানি মন্ডল জানিয়েছেন নবাগত চলচ্চিত্র পরিচালকরা যাতে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে তার জন্য এগিয়ে এসেছে ইউপিক্স কলকাতা। এদিন এই সংস্থার পক্ষ থেকে হ্যাপি বার্থডে, টোটাল সোশ্যাল, এবং দ্য ট্রিপ এই তিনটি ছোট নাটকের পোস্টার উন্মোচন করা হয়। চ্যানেলটি ৫ জুন ইউটিউবে লঞ্চ হবে। সেদিন হ্যাপি বার্থডে নাটকটি দেখতে পাবেন দর্শকরা।

মে ২৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

হাস্যরসের ছবি টাকার রং কালো'

মেসার্স প্রশান্ত সাহানা নিবেদিত, বিলাস ফাউন্ডেশন প্রযোজিত, কল্যাণ সরকারের হাস্যকৌতুক ছবি টাকার রং কালো র ট্রেলার ও মিউজিক লঞ্চ হয়ে গেল বেঙ্গল লাউঞ্জে (ভি আই পি রোড)। ট্রেলার ও মিউজিক লঞ্চের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছবির কলাকুশলীরা। উপস্থিত ছিলেন ছবির সঙ্গীতশিল্পী কুমার শানু, সঙ্গীত পরিচালক অশোক ভদ্র, ছবির অভিনেতা অমিতাভ ভট্টাচার্য, দেবাশিস গাঙ্গুলী, ছবির পরিচালক কল্যাণ সরকার সহ আরো অনেকে। ছবির বিষয়ে পরিচালক জানালেন, আমাদের এই ছবি সাহিত্যিক সুনীল চক্রবর্তীর প্রখ্যাত সমনামী নাটক থেকে নির্মিত। ছবির চিত্রনাট্য লিখেছেন সুনীল চক্রবর্তীর সুযোগ্য পুত্র পার্থ চক্রবর্তী। এক প্রতিপত্তিশালী অসাধু ব্যবসায়ীর টাকার প্রতি প্রবল লোভ, এবং সেই অর্থ চুরি হওয়াতে তার পারিপার্শ্বিক জুড়ে ঘটে যাওয়া ঘটনা আমাদের এই হাস্যরসের ছবির মূল উপজীব্য। সমাজের অনেক গভীর সত্যি এই ছবি তুলে ধরবে অচিরেই। অন্যদিকে ছবির সঙ্গীতশিল্পী এবং গানের জগতে কিংবদন্তী কুমার শানু জানালেন, অনেক দিন পর বাংলা ছবিতে এত মেলোডিয়াস একটা কাজ করলাম। সঙ্গীত পরিচালক অশোক ভদ্র যে সুর এই ছবির গানে ব্যবহার করেছে তা সকলের মন ছুঁয়ে যাবে। গানে সহজ সুরের মায়া আমাকে সবসময় আকর্ষণ করে। আমার সকলের কাছে অনুরোধ আপনারা এই ছবি অবশ্যই দেখুন, কল্যাণ সরকার বর্তমানে বাংলা ছবির সংকটের সময় একটা দুর্দান্ত ছবি তৈরি করেছে।বাংলা ছবির পাশে থাকুন।

মে ২৭, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 9
  • ...
  • 58
  • 59
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

চিনুন একটুকরো অচেনা বাংলাকে! রইল দুর্গাপুজোয় মন ভাল করা সেরা ৫ অফবিট ট্রাভেল ডেস্টিনেশন

দুর্গাপুজোর ছুটি মানেই বাঙালির বেড়ানোর পরিকল্পনা। দিঘা, পুরী কিংবা দার্জিলিংয়ের মতো জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্রে প্রতি বছরই পুজোর সময় উপচে পড়ে ভিড়। ফলে পরিবার নিয়ে নিরিবিলিতে কয়েকটা দিন কাটানোর সুযোগ অনেক সময়ই মেলে না। তাই এবার যদি ভিড় এড়িয়ে প্রকৃতি, পাহাড়, সমুদ্র কিংবা বাংলার ইতিহাস-ঐতিহ্য উপভোগ করতে চান, তাহলে বেছে নিতে পারেন বাংলার কয়েকটি তুলনামূলক অফবিট গন্তব্য। রইল এমনই পাঁচ জায়গার হদিশ।দাওয়াইপানি, দার্জিলিংদার্জিলিং শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে পাহাড়ের কোলে অবস্থিত ছোট্ট গ্রাম দাওয়াইপানি। পর্যটকদের ভিড় থেকে অনেকটাই দূরে এই গ্রাম থেকে দেখা যায় কাঞ্চনজঙ্ঘার মনোরম প্যানোরামিক দৃশ্য। দিনের বিভিন্ন সময়ে সূর্যের আলোয় পাহাড়ের রং বদলে যাওয়ার দৃশ্য এখানকার অন্যতম আকর্ষণ।জঙ্গলঘেরা পরিবেশ, নিরিবিলি সকাল এবং পাহাড়ি পথে হাঁটার সুযোগসব মিলিয়ে পুজোর ছুটিতে শান্তিতে সময় কাটানোর জন্য দাওয়াইপানি হতে পারে আদর্শ ঠিকানা।কলকাতা থেকে প্রায় ৬২৪ কিলোমিটার দূরে এই পাহাড়ি গ্রাম। ট্রেনে গেলে নিউ জলপাইগুড়ি (NJP) স্টেশনে নেমে প্রায় ৭৬ কিলোমিটার সড়কপথ পাড়ি দিতে হয়। বিমানপথে নিকটতম বিমানবন্দর বাগডোগরা। দাওয়াইপানিতে বেশ কিছু হোমস্টে রয়েছে। সেখানে প্রতি রাতে মাথাপিছু আনুমানিক ১,২০০ থেকে ২,৫০০ টাকা খরচ হতে পারে। চার দিনের সফরে যাতায়াত ও থাকা-খাওয়া মিলিয়ে মাথাপিছু প্রায় ১০ থেকে ১৪ হাজার টাকা খরচ হতে পারে।বাগুরান জলপাই, পূর্ব মেদিনীপুরদিঘা বা মন্দারমণির ভিড় এড়িয়ে সমুদ্রের ধারে কয়েকটা দিন কাটাতে চাইলে পূর্ব মেদিনীপুরের বাগুরান জলপাই হতে পারে ভালো বিকল্প। কাঁথি মহকুমার এই তুলনামূলক কম পরিচিত সমুদ্রসৈকত ঘিরে রয়েছে সবুজ ঝাউবন। সৈকতে প্রায়ই দেখা মেলে লাল কাঁকড়ার।ভোরের শান্ত পরিবেশে সমুদ্রের ধারে হাঁটা কিংবা বিকেলে সূর্যাস্ত উপভোগসব মিলিয়ে নিরিবিলি সমুদ্রভ্রমণের জন্য জায়গাটি বেশ আকর্ষণীয়। রাতে সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দে তৈরি হয় অন্যরকম আবহ।কলকাতা থেকে বাগুরান জলপাইয়ের দূরত্ব প্রায় ১৬০ কিলোমিটার। হাওড়া থেকে ট্রেনে কাঁথি গিয়ে সেখান থেকে টোটো বা অটো করে পৌঁছনো যায়। সৈকতের কাছে রয়েছে বেশ কিছু সাধারণ রিসর্ট ও হোমস্টে। প্রতি রাতে মাথাপিছু আনুমানিক ৮০০ থেকে ১,৮০০ টাকা খরচ হতে পারে। চার দিনের সফরে মোট খরচ দাঁড়াতে পারে প্রায় ১০ থেকে ১৪ হাজার টাকা।বরন্তি, পুরুলিয়াপাহাড়, জলাশয়, জঙ্গল এবং আদিবাসী সংস্কৃতির স্বাদ একসঙ্গে পেতে চাইলে পুরুলিয়ার বরন্তি হতে পারে পুজোর ছুটির অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য। বিহারীনাথ ও পাঞ্চেত পাহাড়ের মাঝে অবস্থিত এই ছোট্ট গ্রামটির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ মুরাডি লেক।পাহাড় ও জঙ্গলে ঘেরা জলাশয়ের ধারে সূর্যাস্তের দৃশ্য পর্যটকদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করে। পাশাপাশি ঘুরে দেখা যায় অযোধ্যা পাহাড়। স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও রয়েছে। সময় ও সুযোগ থাকলে ছৌ নৃত্যের অনুষ্ঠানও উপভোগ করা যেতে পারে।কলকাতা থেকে বরন্তির দূরত্ব প্রায় ২৬৫ কিলোমিটার। ট্রেনে আসানসোল পৌঁছে সেখান থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার সড়কপথে বরন্তি যাওয়া যায়। এলাকায় রয়েছে ইকো-রিসর্ট ও গ্রামীণ হোমস্টে। প্রতি রাতে মাথাপিছু প্রায় ১,২০০ থেকে ২,৫০০ টাকা খরচ হতে পারে। চার দিনের সফরে মাথাপিছু আনুমানিক খরচ ১২ থেকে ১৪ হাজার টাকা।কোচবিহার রাজবাড়িপুজোর ছুটিতে প্রকৃতির পাশাপাশি ইতিহাস ও বাংলার ঐতিহ্য উপভোগ করতে চাইলে গন্তব্য হতে পারে কোচবিহার। কোচবিহার রাজবাড়িকে ঘিরে রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস। রাজবাড়ির দুর্গাপুজোর ঐতিহ্যও বহু পুরনো। ফলে কলকাতার ব্যস্ততা থেকে দূরে গিয়ে বাংলার প্রাচীন পুজোর রীতি ও রাজপরিবারের ইতিহাসের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ মিলবে।রাজবাড়ির পাশাপাশি ঘুরে দেখা যেতে পারে প্রাচীন মদনমোহন মন্দির। সময় হাতে থাকলে কাছাকাছি ডুয়ার্সের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রেও ঘুরে আসা যায়।কলকাতা থেকে কোচবিহারের দূরত্ব প্রায় ৬৮০ কিলোমিটার। ট্রেনে সরাসরি কোচবিহার স্টেশনে পৌঁছনো সম্ভব। বিমানপথে বাগডোগরা গিয়ে সেখান থেকে সড়কপথে কোচবিহার যাওয়া যায়। পর্যটকদের জন্য রয়েছে পর্যটন লজ, হোমস্টে ও বাজেট হোটেল। প্রতি রাতে মাথাপিছু প্রায় ১,০০০ থেকে ৪,০০০ টাকা খরচ হতে পারে। চার দিনের সফরে মোট খরচ আনুমানিক ১৬ থেকে ১৮ হাজার টাকা হতে পারে।টাকি, উত্তর ২৪ পরগনাপুজোর ছুটিতে একটু অন্যরকম অভিজ্ঞতা চাইলে উত্তর ২৪ পরগনার টাকিও হতে পারে আকর্ষণীয় গন্তব্য। ইছামতী নদীর তীরে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে অবস্থিত এই শহরের দুর্গাপুজোর অন্যতম আকর্ষণ বিজয়া দশমীর বিসর্জন।দশমীর দিন ইছামতী নদীতে ভারত ও বাংলাদেশের প্রতিমা কাছাকাছি সময়ে বিসর্জন দেওয়ার দৃশ্য দেখতে প্রতি বছরই বহু মানুষের সমাগম হয়। প্যান্ডেল বা আলোর চাকচিক্যের বদলে এই ঐতিহ্যবাহী বিসর্জনই টাকির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ।কলকাতা থেকে টাকির দূরত্ব প্রায় ৭৫ কিলোমিটার। লোকাল ট্রেনে টাকি রোড স্টেশনে পৌঁছে যাওয়া যায়। সড়কপথেও রয়েছে যোগাযোগের সুবিধা। থাকার জন্য রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পর্যটনের লজ, নদীর ধারের রিসর্ট এবং বাজেট হোমস্টে। প্রতি রাতে মাথাপিছু আনুমানিক ১,২০০ থেকে ৩,৫০০ টাকা খরচ হতে পারে। চার দিনের সফরে মাথাপিছু মোট খরচ প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার টাকার মধ্যে হতে পারে।পুজোর ছুটিতে এবার একটু অন্যরকম ভ্রমণদুর্গাপুজোর ছুটিতে একই পরিচিত পর্যটনকেন্দ্রে ভিড়ের মধ্যে সময় কাটানোর বদলে এবার চাইলে বেছে নিতে পারেন এই পাঁচ গন্তব্যের যে কোনও একটি। দাওয়াইপানিতে পাহাড় ও কাঞ্চনজঙ্ঘা, বাগুরান জলপাইয়ে সমুদ্র, বরন্তিতে পাহাড়-জঙ্গল ও জলাশয়, কোচবিহারে ইতিহাস-ঐতিহ্য কিংবা টাকিতে বাংলার ঐতিহ্যবাহী বিসর্জনপুজোর ছুটিতে মিলতে পারে একেবারে ভিন্ন ধরনের ভ্রমণের অভিজ্ঞতা।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

২০২৬ সালের কৌশিকী অমাবস্যা কবে? জেনে নিন তারাপীঠের বিশেষ পুজোর দিনক্ষণ

ভাদ্র মাসের অমাবস্যা তিথি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই তিথিতে স্নান, দান, পিতৃতর্পণ-সহ নানা ধর্মীয় আচার পালনের রীতি রয়েছে। তবে পশ্চিমবঙ্গে ভাদ্র অমাবস্যার আলাদা মাহাত্ম্য রয়েছে। বিশেষ করে বীরভূমের তারাপীঠে এই অমাবস্যা কৌশিকী অমাবস্যা বা তারা রাত্রি হিসেবে বিশেষভাবে পালিত হয়। এই উপলক্ষে মা তারার দর্শন ও পুজো দিতে দূরদূরান্ত থেকে বহু ভক্ত তারাপীঠে ভিড় করেন।১০ না ১১ সেপ্টেম্বরকবে কৌশিকী অমাবস্যা?২০২৬ সালের কৌশিকী অমাবস্যার তারিখ নিয়ে অনেকের মধ্যেই বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। কারণ, অমাবস্যা তিথি শুরু হচ্ছে ১০ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৩৩ মিনিটে। এই তিথি শেষ হবে ১১ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার সকাল ৮টা ৫৬ মিনিটে।তবে কৌশিকী অমাবস্যার মূল তাৎপর্য অমাবস্যার রাতকে ঘিরে। সেই কারণে তারাপীঠে কৌশিকী অমাবস্যার প্রধান পুজো ও বিশেষ রাত্রিকালীন অনুষ্ঠান হবে ১০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাতেই। অর্থাৎ, ২০২৬ সালে কৌশিকী অমাবস্যার বিশেষ রাত হিসেবে ধরা হচ্ছে ১০ সেপ্টেম্বরের রাতকে।কেন তারা রাত্রি নামে পরিচিত কৌশিকী অমাবস্যা?কৌশিকী অমাবস্যার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে রয়েছে তারাপীঠের নাম। বীরভূমের এই ঐতিহ্যবাহী শক্তিসাধনার ক্ষেত্রটি মা তারার অন্যতম প্রধান সাধনভূমি হিসেবে পরিচিত। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, কৌশিকী অমাবস্যার রাতে মা তারার আরাধনা করলে ভয়, সংকট ও নেতিবাচকতার বিরুদ্ধে লড়াই করার মানসিক শক্তি লাভ করা যায়।এই বিশেষ রাতে তারাপীঠ মন্দির ও সংলগ্ন এলাকায় পুজো, আরতি এবং বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালিত হয়। রাতভর চলে মা তারার আরাধনা। ভক্তদের পাশাপাশি সাধকরাও মন্ত্রজপ, ধ্যান ও সাধনায় মগ্ন থাকেন।কৌশিকী অমাবস্যায় কী করেন ভক্তরা?এই তিথিতে ভক্তরা মা তারা বা মা কালীর পুজো করেন। প্রদীপ জ্বালানো, মন্ত্রজপ, নামস্মরণ এবং ধ্যানের পাশাপাশি অনেকে দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের খাবার ও বস্ত্র দান করেন। পিতৃপুরুষের উদ্দেশে তর্পণও এই দিনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় আচার।অনেকেই এই দিন জীবনের নেতিবাচক চিন্তা ও অভ্যাস থেকে বেরিয়ে আসার সংকল্প নেন। তবে তন্ত্রসাধনার মতো বিশেষ ধর্মীয় আচার অভিজ্ঞ গুরু বা সাধকের নির্দেশ ছাড়া না করাই শ্রেয়। সাধারণ ভক্তরা বাড়িতেই সহজভাবে মা তারা বা মা কালীর পুজো, দীপদান ও নামস্মরণ করতে পারেন।বাড়িতে কীভাবে করবেন কৌশিকী অমাবস্যার পুজো?কৌশিকী অমাবস্যার সন্ধ্যায় স্নান করে পুজোর স্থান পরিষ্কার করে মা তারা বা মা কালীর ছবি কিংবা মূর্তির সামনে প্রদীপ জ্বালানো যেতে পারে। এরপর লাল ফুল, ফল ও মিষ্টি নিবেদন করে পারিবারিক রীতি অনুযায়ী মন্ত্রজপ বা নামস্মরণ করা যায়।ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, পুজোয় বাহ্যিক আড়ম্বরের চেয়ে ভক্তি, একাগ্রতা ও নিষ্ঠাকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। পুজোর শেষে পরিবারের সুখ-শান্তি, মঙ্গল এবং সমস্ত বিপদ থেকে রক্ষার জন্য মা তারার কাছে প্রার্থনা করতে পারেন ভক্তরা।তাই ২০২৬ সালের কৌশিকী অমাবস্যার বিশেষ রাত্রিকালীন পুজো ও তারাপীঠের মূল অনুষ্ঠান হবে ১০ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার রাতে। যদিও অমাবস্যা তিথি পরের দিন, অর্থাৎ ১১ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা ৫৬ মিনিট পর্যন্ত থাকবে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬
দেশ

দুর্গাপুজোয় আমিষ বিতর্কে নতুন বিস্ফোরণ! বাগেশ্বর বাবাকে কী বললেন পরমাত্মানন্দ?

দুর্গাপুজোয় বাঙালির আমিষ খাওয়া নিয়ে বাগেশ্বর বাবা তথা ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রীর মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক থামার নাম নেই। এবার তাঁকে তীব্র আক্রমণ করলেন পরমাত্মানন্দজী মহারাজ। তাঁর দাবি, কে কী পরবেন, কীভাবে চলবেন বা কী খাবেন, তা ঠিক করে দেওয়ার অধিকার বাগেশ্বর বাবার নেই।বাগেশ্বর বাবাকে বাচাল ছেলে বলেও কটাক্ষ করেন পরমাত্মানন্দ মহারাজ। তাঁর কথায়, বাঙালির খাবার নিয়ে এভাবে নির্দেশ দেওয়া এক ধরনের অসভ্যতা। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, দুর্গাপুজোর সময়ে বাঙালি নিজের পছন্দমতো মাছ-মাংস খাবেন। তাঁর বক্তব্য, পুজোর কয়েক দিন বাঙালি কচি পাঠার ঝোল, ইলিশ মাছের ভাপা, মাছের কাটলেট বা মাংসের নানা পদ খেতেই পারেন। দেবতাকে মাছ-মাংস দিয়ে ভোগ দেওয়ার বিষয়েও আপত্তি থাকা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।পরমাত্মানন্দ মহারাজের আরও দাবি, অন্য রাজ্যের মানুষকে বাগেশ্বর বাবা নিজের মতো করে ধর্মের কথা বলতে পারেন। কিন্তু বাঙালিকে সেইভাবে বোঝাতে গেলে বাঙালি তা মেনে নেবে না। তাঁর বক্তব্য, শাস্ত্রে দেবীকে মদ্য মাংস বলি প্রিয়া বলা হয়েছে। তাই বাঙালির ধর্মীয় রীতি ও খাবারের সংস্কৃতিকে অন্য জায়গার নিরামিষ ভাবনার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা উচিত নয়।বাগেশ্বর বাবার আমিষবিরোধী মন্তব্যের প্রসঙ্গে উপস্থিত ভক্তদের মধ্যেও প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। মোবাইলের আলো জ্বেলে তাঁরা পরমাত্মানন্দ মহারাজের বক্তব্যকে সমর্থন করেন বলে জানানো হয়েছে।এই বক্তব্যের মধ্যেই সিপিএমকেও কটাক্ষ করেন পরমাত্মানন্দ মহারাজ। তিনি বলেন, রাজ্যে দীর্ঘ ৩৪ বছরের সিপিএম শাসনের শেষের দিকেও ব্রিগেড সমাবেশে বিপুল মানুষের উপস্থিতি দেখা গিয়েছিল। কিন্তু মানুষের সেই উপস্থিতি সত্ত্বেও পরে রাজনৈতিক ক্ষমতার পরিবর্তন হয়। এই প্রসঙ্গ টেনে তিনি বাগেশ্বর বাবাকেও কটাক্ষ করেন। তাঁকে হনু বাবা বলেও মন্তব্য করেন মহারাজ।এর আগে রাজ্য সফরে এসে দুর্গাপুজোয় বাঙালির আমিষ খাওয়া নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন বাগেশ্বর বাবা তথা ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রী। তিনি দাবি করেছিলেন, নবরাত্রির সময়ে পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপুজোর মণ্ডপের পিছনে আমিষ রান্না করা হয় এবং সেখানে নানা ধরনের খাবার তৈরি হয়, যা তাঁর পছন্দ নয়।এই মন্তব্যের পরেই বাঙালিকে পাখণ্ডী বা ভণ্ড বলেও আক্রমণ করেছিলেন বাগেশ্বর বাবা বলে অভিযোগ। আমিষভোজীদের বহিষ্কার করার বার্তাও তিনি দিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁর সেই বক্তব্য ঘিরে রাজ্যজুড়ে বিতর্ক তৈরি হয়।বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যের পর রাজ্যের মন্ত্রী, বিধায়ক থেকে বিজেপির একাধিক নেতাও জানান, ওই মন্তব্য তাঁর ব্যক্তিগত মত। অন্যদিকে, বাঙালির ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার অভিযোগ তুলে বাগেশ্বর বাবার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করে কংগ্রেস।ফলে দুর্গাপুজোয় আমিষ খাওয়া নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্কে এবার নতুন করে উত্তাপ ছড়াল পরমাত্মানন্দ মহারাজের মন্তব্যে। বাগেশ্বর বাবার বক্তব্যের বিরোধিতা করে তিনি বাঙালির নিজস্ব খাদ্যাভ্যাস ও ধর্মীয় রীতির পক্ষে জোরালো সওয়াল করেছেন।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

নিহত আপ্তসহায়কের মা-ই কি নন্দীগ্রামে বিজেপির মুখ? জোর জল্পনা রাজনৈতিক মহলে

নন্দীগ্রাম মানেই হাইভোল্টেজ রাজনৈতিক লড়াই। তার উপর এবার সেখানে উপনির্বাচন। ফলে স্বাভাবিকভাবেই গোটা বাংলার রাজনৈতিক মহলের নজর এখন নন্দীগ্রামের দিকে। উপনির্বাচনকে সামনে রেখে বিজেপি ইতিমধ্যেই নিজেদের মতো করে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। অন্যদিকে, তৃণমূল শিবিরে এখনও সেই তৎপরতার ছবি দেখা যাচ্ছে না বলে দাবি রাজনৈতিক মহলের।রেয়াপাড়ার বিধায়ক কার্যালয়ে কেন্দ্র ও রাজ্য নেতৃত্বের উপস্থিতিতে বিজেপির একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়েছে। সেখানে সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী কে হবেন, তা নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি। এর মধ্যেই সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে একাধিক নাম নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।রাজনৈতিক মহলে সবচেয়ে বেশি চর্চায় রয়েছে হাসি রথের নাম। তিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নিহত আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের মা। জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই হাসি রথ রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। সেই কারণেই তাঁকে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে বলে খবর।চন্দ্রনাথ রথকে ঘিরেও রয়েছে একটি মর্মান্তিক ঘটনা। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর শপথ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে আততায়ীদের গুলিতে তাঁর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথ নিহত হন বলে জানানো হয়েছে। সেই চন্দ্রনাথের মা হাসি রথের নাম এবার নন্দীগ্রামের সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় উঠে আসায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।তবে শুধু হাসি রথই নন, বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে অঞ্জন ভারতী, মেঘনাদ পাল এবং প্রলয় পালের নামও শোনা যাচ্ছে। তিনজনই তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির পরিচিত কার্যকর্তা। ফলে শেষ পর্যন্ত কার নাম নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের জন্য বেছে নেওয়া হয়, সে দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল।তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি মলয় সিনহা জানিয়েছেন, দলের সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। তবে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে প্রার্থী কে হবেন, তা রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বই ঘোষণা করবে। এই বিষয়ে তাঁর কিছু বলার নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি।অন্যদিকে, নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনকে ঘিরে তৃণমূলের মধ্যে এখনও তেমন কোনও তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না বলে দাবি রাজনৈতিক মহলের। এমনকি প্রশাসনের ডাকা সর্বদলীয় বৈঠকেও তৃণমূলের উপস্থিতি দেখা যায়নি বলে জানা গিয়েছে।বিজেপি সরকার গঠনের পর থেকেই পূর্ব মেদিনীপুরে তৃণমূলের সাংগঠনিক পরিস্থিতি নিয়েও নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। জেলার তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশ জোড়াফুল প্রতীক থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে নিচ্ছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। এরপর থেকে জেলার নেতাদের তেমন কোনও বড় রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও দেখা যাচ্ছে না বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি।এর মধ্যে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা রামনগরের প্রাক্তন বিধায়ক অখিল গিরিকে দু-একটি বৈঠকে দেখা গিয়েছিল। কিন্তু উপনির্বাচন ঘোষণার পর তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না বলে দাবি করা হয়েছে। তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। দলের অন্য নেতাদেরও ফোনে পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ।সব মিলিয়ে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের আগে বিজেপি যখন প্রার্থী বাছাই ও সাংগঠনিক প্রস্তুতিতে ব্যস্ত, তখন তৃণমূল শিবিরের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। হাসি রথের নাম কি শেষ পর্যন্ত বিজেপির প্রার্থী তালিকায় জায়গা পাবে, নাকি অন্য কোনও পরিচিত মুখকে বেছে নেওয়া হবে, এখন সেটাই দেখার। একইসঙ্গে নন্দীগ্রামে তৃণমূলের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কোন দিকে যায়, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬
বিদেশ

কোমরে শিকল, রাস্তায় টেনে নিয়ে যাওয়া হল কিশোরীকে! ভিডিও ভাইরাল হতেই হতবাক নেটিজেন

বাংলাদেশের সিলেট নগরীতে ১৬ বছরের এক কিশোরীকে কোমরে শিকল বেঁধে রাস্তায় নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সেই ঘটনার ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। ভিডিয়োতে কিশোরীকে শিকল দিয়ে টেনে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখা যায় বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে তালিবানি কায়দা চলছে বলেও কেউ কেউ অভিযোগ তুলেছেন।ঘটনার সূত্রপাত সোমবার। শাহজালালপুরের ডি-ব্লক মসজিদ মার্কেটের একটি দোকানে চুরির চেষ্টা করা হয়েছিল বলে ১৬ বছরের ওই কিশোরীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। ব্যবসায়ীরা তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন বলে জানা গিয়েছে।এর পর রাত ১১টা নাগাদ কিশোরীর কোমরে শিকল বাঁধা হয় বলে অভিযোগ। তাকে রাস্তায় হাঁটিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই ঘটনার ভিডিয়ো পরে সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিয়োতে কিশোরীকে কাঁদতে কাঁদতে হাঁটতে দেখা যায় এবং কয়েক জন তাকে শিকল ধরে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ।ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। পরে স্থানীয়রা কিশোরীকে উদ্ধার করে শাহপরাণ থানার পুলিশের কাছে নিয়ে যান।ভিডিয়োটি ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশও নড়েচড়ে বসে। মঙ্গলবার ভিডিয়ো দেখে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করার পর তিন জনকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। ধৃতদের নাম জাকির হোসেন, তাঁর ভাই মোজাক্কির হোসেন এবং বুরহান উদ্দিন।শাহপরাণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মহম্মদ মনির হোসেন জানিয়েছেন, সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিয়োর ভিত্তিতেই অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।অন্য দিকে, কিশোরীর বিরুদ্ধেও চুরির চেষ্টার অভিযোগে মামলা হয়েছে। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে তাকেও আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।ঘটনাটি ঘিরে এখন একাধিক প্রশ্ন উঠছে। চুরির অভিযোগ থাকলেও আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে কিশোরীর সঙ্গে এমন আচরণ করা হল কেন, সেই প্রশ্নই সামনে এসেছে। ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসার পর পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপে তিন জন গ্রেফতার হলেও গোটা ঘটনা নিয়ে বিতর্ক এখনও অব্যাহত।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

শর্মিষ্ঠার কোনও খোঁজ নেই, অপেক্ষা ডিএনএ রিপোর্টের! শুভ্রাংশুর নতুন ছবিতে বাড়ল উৎকণ্ঠা

নেপালে হড়পা বানের পর নিখোঁজ শর্মিষ্ঠা রায়। প্রায় দুই সপ্তাহ কেটে গেলেও এখনও তাঁর কোনও সন্ধান মেলেনি। প্রশাসন থেকে বিদেশ মন্ত্রক, এমনকি কাঠমান্ডুতে ভারতীয় দূতাবাসেও যোগাযোগ করেছেন পরিবার। কিন্তু এখনও কোনও ইতিবাচক খবর মেলেনি বলে জানা গিয়েছে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে স্ত্রী শর্মিষ্ঠাকে সঙ্গে নিয়ে একটি সাদা-কালো ছবি নিজের প্রোফাইলের ছবি করেছেন প্রাক্তন বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়। সেই ছবি ঘিরেই নতুন করে নানা প্রশ্ন ও জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে ওই ছবি দেখে শর্মিষ্ঠার বিষয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যায় না।ঘটনার সূত্রপাত গত ২১ অগস্ট। হাওড়ার একটি ভ্রমণ সংস্থার মাধ্যমে কয়েক জন সহযোগীর সঙ্গে নেপালে গিয়েছিলেন শর্মিষ্ঠা। ২৫ অগস্ট রাতেও স্বামীর সঙ্গে তাঁর স্বাভাবিক কথাবার্তা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু পরের দিন, ২৬ অগস্ট নেপালে হড়পা বান আসার পর থেকেই তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর আর তাঁর সঙ্গে পরিবারের কোনও যোগাযোগ হয়নি।স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চালিয়ে যান শুভ্রাংশু। নেপালের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখতে থাকেন তিনি। পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বিভিন্ন সরকারি দফতরেও যোগাযোগ করেন।ভবানী ভবন থেকে স্থানীয় থানা, বিদেশ মন্ত্রকসব জায়গাতেই শর্মিষ্ঠার খোঁজে যোগাযোগ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কাঠমান্ডুতে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত শর্মিষ্ঠার কোনও নিশ্চিত সন্ধান মেলেনি।এর মধ্যেই নেপালে উদ্ধার হওয়া কয়েকটি পরিচয়হীন দেহ শনাক্ত করার প্রক্রিয়াও চলছে। পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য পরিবারের সদস্যদের ডিএনএ নমুনা পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই পরীক্ষার চূড়ান্ত রিপোর্ট এখনও হাতে আসেনি।ফলে এক দিকে শর্মিষ্ঠার সন্ধান না মেলা, অন্য দিকে ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্টের অপেক্ষাসব মিলিয়ে পরিবারের উৎকণ্ঠা আরও বেড়েছে। তার মধ্যেই শুভ্রাংশুর সাদা-কালো ছবি সামাজিক মাধ্যমে নজর কাড়ায় নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।শুভানুধ্যায়ীদের একাংশ ওই ছবিকে উদ্বেগের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। তবে শর্মিষ্ঠার বিষয়ে কোনও চূড়ান্ত তথ্য এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট এবং নেপালে চলা অনুসন্ধানের পরেই গোটা বিষয়টি আরও স্পষ্ট হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

জলপাইগুড়ির স্কুলে প্রধান শিক্ষককে মারধর! ঘটনার নেপথ্যে আসলে কী, তদন্তে শিক্ষা দপ্তর

জলপাইগুড়ির জেলা স্কুলে প্রধান শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে স্কুলশিক্ষা দপ্তর। ঘটনার আগে ঠিক কী হয়েছিল, ছাত্রদের সঙ্গে প্রধান শিক্ষকের কী নিয়ে সমস্যা হয়েছিল এবং কেন পরিস্থিতি এতটা উত্তপ্ত হয়ে উঠল, তা খতিয়ে দেখতে বুধবার স্কুলে পৌঁছন জেলা স্কুল পরিদর্শকের নেতৃত্বাধীন দল।স্কুল পরিদর্শক সুজিত সরকারের নেতৃত্বে এদিন তদন্ত শুরু হয়। স্কুলে গিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেন পরিদর্শক দলের সদস্যরা। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কারা ছিলেন, ছাত্রদের কী অভিযোগ ছিল এবং প্রধান শিক্ষককে মারধরের আগে পরিস্থিতি কেন নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি, সেই সব বিষয় জানতে চাওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।শিক্ষা দপ্তর সূত্রে খবর, গোটা ঘটনার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কী ভাবে পরিস্থিতি বদলেছিল, তা খতিয়ে দেখে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। জলপাইগুড়ির জেলা স্কুল পরিদর্শককে এই নির্দেশ দিয়েছেন স্কুলশিক্ষা দপ্তরের সচিব বিনোদ কুমার।মঙ্গলবার শিক্ষক দিবস উপলক্ষে স্কুলে বিশেষ খাওয়াদাওয়ার আয়োজনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। স্কুলের মিড ডে মিলের ঘরে ওই আয়োজন হয়েছিল। কয়েক জন ছাত্র সেখানে উঁকি দেওয়ায় তাঁদের প্রধান শিক্ষক মারধর করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগকে কেন্দ্র করেই পরে ছাত্রদের একাংশ প্রধান শিক্ষকের উপর চড়াও হয় বলে জানা গিয়েছে।অভিযোগ, ছাত্ররা প্রধান শিক্ষককে মারধর করে তাঁর মাথায় আঘাত করে। এর পর স্কুল চত্বরে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ স্কুলে পৌঁছয়। পরে পুলিশই প্রধান শিক্ষককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে তিনি জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।প্রধান শিক্ষক ধর্মুচাঁদ বারুইয়ের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক অভিযোগ উঠেছিল বলে জানা গিয়েছে। বিভিন্ন সময়ে স্কুলের শিক্ষক, অভিভাবক এবং ছাত্রদের একাংশ তাঁর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন বলেও দাবি করা হয়েছে। তবে সেই অভিযোগগুলির সঙ্গে মঙ্গলবারের ঘটনার কী সম্পর্ক রয়েছে, তা-ও তদন্ত করে দেখছে শিক্ষা দপ্তর।এখন মূল প্রশ্ন, শিক্ষক দিবসের আয়োজন ঘিরে ঠিক কী থেকে এত বড় অশান্তি তৈরি হল এবং প্রধান শিক্ষককে মারধরের আগে স্কুলে কী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। তদন্তকারী দলের রিপোর্টেই সেই প্রশ্নগুলির উত্তর মিলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬
কলকাতা

গেরুয়ার অসম্মান বরদাস্ত নয়! যাদবপুরের মঞ্চ থেকে ‘শিকড়-সহ উপড়ে ফেলার’ হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

বাংলায় দাঁড়িয়ে গেরুয়ার অসম্মান কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না বলে বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার গেরুয়া সম্মান যাত্রা শেষে যাদবপুরের এইট বি বাসস্ট্যান্ডের মঞ্চ থেকে তিনি বলেন, গেরুয়াকে যারা অপমান করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে। একই সঙ্গে কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি-র মতো স্লোগান নিয়েও কড়া বার্তা দেন তিনি।যাদবপুরের মঞ্চে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু বলেন, তিনি এই এলাকায় দাঁড়িয়ে একটি শপথ নিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যে কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি স্লোগান এবং কয়েকটি রাজনৈতিক অবস্থানের প্রসঙ্গ উঠে আসে। যারা গেরুয়া নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে শিকড়-সহ উপড়ে ফেলার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।এর পাশাপাশি নিজের রাজনৈতিক জীবনের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, ২০১১ সালে কমিউনিস্ট সরকারকে সরানোর লক্ষ্য নিয়ে তিনি পণ করেছিলেন। পরে নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ২০২৬ সালে জামাতি সরকারকে সরানোর কথাও তিনি বলেছিলেন বলে দাবি করেন। তাঁর বক্তব্য, মানুষের সহযোগিতায় সেই লক্ষ্য পূরণ হয়েছে।যাদবপুরের মঞ্চ থেকেই শুভেন্দু বলেন, স্বামী বিবেকানন্দ, শ্রীচৈতন্য এবং প্রণবানন্দের ভূমিতে গেরুয়ার গুরুত্ব আরও বাড়বে। বক্তব্যের শেষে তিনি বার বার বলেন, গেরুয়াই হবে।এদিনের গেরুয়া সম্মান যাত্রা শুরু হয়েছিল গোলপার্ক থেকে। মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। শঙ্খধ্বনি এবং উলুধ্বনিতে মিছিলের পরিবেশ বদলে যায়। গেরুয়া পতাকা হাতে মিছিলে হাঁটেন সাধু-সন্তরাও।মিছিলে শুভেন্দুর পাশে ছিলেন রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী তাপস রায়। উপস্থিত ছিলেন যাদবপুরের বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায়ও। পদ্মশ্রী কার্তিক মহারাজকেও শুভেন্দুর পাশে মিছিলে হাঁটতে দেখা যায়।মিছিল যাদবপুরের এইট বি বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছনোর পর বন্দে মাতরম গানে অংশ নেন উপস্থিত সকলে। এরপর মঞ্চে উঠে বক্তব্য রাখেন শুভেন্দু। সেখান থেকেই গেরুয়ার অসম্মান এবং দেশবিরোধী স্লোগান নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন তিনি।শুভেন্দুর এই বক্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। গেরুয়া সম্মান যাত্রা এবং তার শেষে মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বক্তব্যকে ঘিরে আগামী দিনে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ে কি না, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal