• ২০ ফাল্গুন ১৪৩২, বুধবার ০৪ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Suvendu Adhikari

কলকাতা

শুভেন্দুর বিরুদ্ধে আনা স্বাধিকারভঙ্গের প্রস্তাব গ্রহণ করলেন স্পিকার

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে স্বাধিকারভঙ্গের প্রস্তাব গ্রহণ করলেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। চার বিধায়ক বুধবার আলাদা আলাদাভাবে অভিযোগ জানিয়েছিলেন, বিধানসভায় দাঁড়িয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে আয়কর হানার বন্দোবস্ত করার হুমকি দিয়েছেন শুভেন্দু। দিয়েছেন খুনের হুমকিও। বৃহস্পতিবার অধিবেশনের শুরুতেই স্পিকার জানিয়ে দেন, বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ তাঁর কাছে জমা পড়েছে। স্বাধিকারভঙ্গের প্রস্তাবটি তিনি গ্রহণ করেছেন। শুভেন্দু অবশ্য বুধবারই তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেন।শুভেন্দুর বিরুদ্ধে অভিযোগ করা চার বিধায়ক হলেন বাগদার বিশ্বজিৎ দাস, বড়জোড়ার তন্ময় ঘোষ, রায়গঞ্জের কৃষ্ণ কল্যাণী এবং কালিয়াগঞ্জের সৌমেন রায়। এঁরা চারজনই বিজেপি-র টিকিটে বিধানসভা নির্বাচনে জেতেন। কিন্তু পরবর্তীতে তৃণমূলের কাছাকাছিই তাঁরা থাকছেন। ওই চার বিধায়ক দাবি করেছিলেন, বুধবার মুখ্যমন্ত্রীর বক্তৃতা চলাকালীন বারবার বাধা দিচ্ছিলেন বিরোধী দলনেতা। এর প্রতিবাদ করেছিলেন তাঁরা। বাকবিতণ্ডা চলে। পরে শুভেন্দুর নেতৃত্বে ওয়াকআউট করেন বিজেপি বিধায়করা। চার বিধায়কদের অভিযোগ, অধিবেশন ছাড়ার সময় বিরোধী দলনেতা তাঁদের উদ্দেশ্য করে বলে যান তোমাদের আয়করের নোটিস পাঠানোর বন্দোবস্ত করছি। এর পর মেরে ফেলার হুমকি দেন বলেও অভিযোগ।দুই বিধায়কের এই অভিযোগ নিয়ে তখনই উদ্বেগ প্রকাশ করেন স্পিকার। স্পিকার বলেন, অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর, সদস্যদের নিরাপত্তার পাশাপাশি ব্যবস্থা নিচ্ছি। কড়া প্রতিক্রিয়া দেন মুখ্যমন্ত্রীও। মমতা বলেন, তাহলেই বুঝুন কে আয়কর দপ্তর চালায়, কেই বা চালায় সিবিআই। মুখ্যমন্ত্রীই ইঙ্গিত দেন শুভেন্দুর বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস আনা উচিত। পরে চার বিধায়ক বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে স্বাধিকারভঙ্গের নোটিস দিয়েছেন। বাগদার বিশ্বজিৎ দাস, রায়গঞ্জের কৃষ্ণ কল্যাণী, বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষ ও কালিয়াগঞ্জের সৌমেন রায় ওই নোটিসে সই করেছেন।

মার্চ ১৭, ২০২২
রাজনীতি

‘ক্ষমতা থাকে তো ছুঁয়ে দেখান,’ মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

রাজ্যে বাজেট অধিবেশন চলছে। বাজেট অধিবেশন শুরুর দিন থেকেই হই হট্টগোল দেখা গিয়েছে অধিবেশন ঘিরে। বাজেট অধিবেশন সূচনার আগে বিজেপির হট্টোগোলের জেরে বারংবার ভাষণ পাঠে বাধা পেয়েছিলেন রাজ্যপাল। অধিবেশন কক্ষ ছেড়ে চলে যেতে চেয়েও অবশ্য তৃণমূল বিধায়কদের ঘেরাও-এর জেরে তা পারেননি। পরে কোনওমতে প্রথম এবং শেষ লাইন পাঠ করে অধিবেশন কক্ষ্য ত্যাগ করেছিলেন রাজ্যপাল। রাজ্যে তৃণমূল-বিজেপি বিবাদ নতুন ঘটনা নয়। সেই বিবাদের প্রতিফলন ঘটে রাজ্য বিধানসভায়ও। এদিন বিধানসভা থেকে ওয়াক আউট করে ভারতীয় জনতা পার্টি। তারপর বিধানসভার বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একাধিক বিষয় নিয়ে শাসক শিবিরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ জানান মুখ্যমন্ত্রীকে। তিনি এদিন বলেছেন, আমি মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করেছি যদি আপনার ক্ষমতা থাকে আমাকে ছুঁয়ে দেখান। শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা গিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট এবং হাইকোর্টে। দুই আদালতেই রায় শুভেন্দুর পক্ষেই গিয়েছিল। আদালতে তরফে রক্ষাকবচ পেয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এই ঘটনার উল্লেখ করেই মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন বিরোধী দলনেতা।প্রসঙ্গত, কাঁথি পুরসভার গোডাউন থেকে ত্রিপল চুরির অভিযোগ ওঠে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে। সেই মামলা গড়ায় কলকাতা হাইকোর্ট অবধি। এই মামলার রায়ে হাইকোর্ট থেকে রক্ষাকবচ পান শুভেন্দু অধিকারী। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, শুভেন্দুর প্রাক্তন দেহরক্ষী শুভব্রত চক্রবর্তীর রহস্যমৃত্যুসহ পাঁশকুড়া এবং নন্দীগ্রামের মামলায়ও স্থগিতাদেশ দেওয়া হয় আদালতের তরফে। পাশাপাশি মানিকতলা এবং তমলুকের মামলায় রাজ্যের শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। হাইকোর্টের এই রায়ে আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দু চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে।বুধবার পুলিশ বাজেট পেশ করেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের পুলিশকে দলদাস হিসেবে অভিহিত করে শুভেন্দু বলেন, বাংলায় শাসকের আইন চলছে। শুভেন্দুর অভিযোগ, দলবিরোধী তিন-চার জনকে শিখিয়ে নিয়ে এসে বিজেপি বেঞ্চ থেকে পরিকল্পিত ভাবে গোলমাল করানোর চেষ্টা করছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, আমাদের কয়েকজন ও দিকে চলে গিয়েছে। তাঁদের সম্পর্কে যদি বলতে শুরু করি আমি মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করছি, আমার বিরুদ্ধে এত মামলা দিয়েছেন। আমি হাই কোর্ট, সুপ্রিম কোর্ট থেকে রক্ষাকবচ পেয়েছি। আপনার ক্ষমতা থাকে শুভেন্দু অধিকারীকে ছুঁয়ে দেখান। বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে এই সব মন্তব্য করছেন। শুভেন্দু বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর মিথ্যাচার ও হাউসকে অচল করার চেষ্টার প্রতিবাদ করে, দলদাস পুলিশ বাজেটের বিরোধিতা করে ওয়াকআউট করেছি।

মার্চ ১৬, ২০২২
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে হেরেছি বলেছিলেন শুভেন্দু, বিস্ফোরক দাবি রাজীব-জয়প্রকাশের

নন্দীগ্রাম নিয়ে ফের তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। এবার নন্দীগ্রামের ভোট নিয়ে বোমা ফাটালেন ঘর ওয়াপসি করা তৃণমূল নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামের ভোট স্বচ্ছ হয়নি। এমনটাই দাবি রাজীবের। শুভেন্দু অধিকারী নাকি তাঁকে গণনার দিন বিকেলেই জানিয়েছিলেন, তিনি হেরে গিয়েছেন । তাঁর বক্তব্য, কারচুপি করে জিতেছেন শুভেন্দু অধিকারী।শনিবার বিকেলে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমি আজ দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি। নন্দীগ্রামের কথা উনি (শুভেন্দু অধিকারী) বার বার বলেন। আমিও সেই সময় ভারতীয় জনতা পার্টিতে ছিলাম। বুকে হাত দিয়ে বলুন তো, নন্দীগ্রামের ভোট কতটা স্বচ্ছ হয়েছে! বাংলার মানুষ জানে, নন্দীগ্রামের ভোট কীভাবে হয়েছে। নন্দীগ্রামের ভোট স্বচ্ছ হয়নি। যেদিন ফলাফল ঘোষণা হয়, তিনি নিজে আমায় বিকেলে ফোন করে বলেছিলেন, নন্দীগ্রামে হেরে গিয়েছেন। তারপর কোন জাদুবলে আবার নন্দীগ্রামে তিনি জিতলেন? হাইকোর্টে যে মামলা হয়েছে, আমরা চাই এর বিচার হোক, যাতে হয় পুনরায় নির্বাচন নাহলে পুনরায় ভোট গণনা হোক। তাহলেই কী আছে তা পুরোপুরি স্পষ্ট হয়ে যাবে।উল্লেখ্য, এই অভিযোগ নতুন কিছু নয়। এর আগেও তৃণমূল এমন অভিযোগ তুলেছিল এবং সেই জল আদালত পর্যন্তও গড়িয়েছে। এখন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় দল বদলের পর সেই প্রসঙ্গকে ফের একবার উস্কে দিলেন। নন্দীগ্রামের ফলাফল প্রকাশ্যে আসার প্রথম দিন থেকেই নন্দীগ্রামের ভোট নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। এরপর শনিবার বিকেলে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে আসা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সদ্য জার্সি বদল করা জয়প্রকাশ মজুমদার, উভয়েই দাবি করেন তাঁদের কাছে খবর ছিল শুভেন্দু অধিকারী হেরে গিয়েছেন। শুভেন্দু অধিকারী নিজে নাকি রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানিয়েছিলেন যে তিনি হেরে গিয়েছেন।

মার্চ ১২, ২০২২
কলকাতা

২ বিজেপি বিধায়কের সাসপেনশন নিয়ে বাজেট অধিবেশনে তুমুল হট্টগোল, ওয়াক আউট বিজেপির

রাজ্য বিধানসভার চলতি বাজেট অধিবেশন যে উত্তপ্ত হবে প্রথম দিনই তার ইঙ্গিত মিলেছিল।সোমবার অধিবেশনের শুরুর দিনই রাজ্যপালের ভাষণের সময় নজিরবিহীন বিক্ষোভ দেখিয়ে সেই চড়া সুর বেঁধে দিয়েছিল বিরোধী বিজেপি। বুধবার অধিবেশনের তৃতীয় দিনেও নিজেদের অবস্থান অপরবর্তিত রাখল শাসক দল। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের দেওয়া বক্তব্যের জবাবি ভাষণ দিতে উঠলে পদ্মশিবিরের বিধায়কেরা চিৎকার চেঁচামেচি জুড়ে দেন।তাদের দাবি সাসপেন্ড হওয়া দুই সদস্যের ওপর থেকে শাস্তি প্রত্যাহার করতে হবে।স্পিকার সেই দাবি না মানলে মুখ্যমন্ত্রীর প্রায় একঘন্টা ভাষণ চলাকালীন স্লোগান শাউটিং চালিয়ে যান তাঁরা।এই ঘটনায় রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে। বিজেপি বিধায়কদের লক্ষ্য করে তিনি বলেন, হাউজে রীতিমতো মস্তানি চলছে। বাংলার বহুশ্রুত প্রবাদের উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওরা যত গর্জন করে, তত বর্ষায় না।ওদের কাজ শুধু সভায় বিশৃঙ্খলা তৈরি করা।সোমবার রাজ্য বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের সূচনায় রাজ্যপালের ভাষণের সময় বিধানসভায় অভব্য আচরণ বিশৃঙ্খলা তৈরির অভিযোগে দুই বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হল। বিজেপি বিধায়ক মিহির গোস্বামী এবং সুদীপ মুখোপাধ্যায়কে চলতি অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড করেছেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার,বিধানসভায় সরকারপক্ষের তরফে ঐদিন বিধানসভায় গোলমাল জন্য বিরোধী বিজেপিকে দায়ী করে একটি প্রস্তাব আনা হয়। পরিষদীয় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ওই প্রস্তাব উত্থাপন করে বলেন সেদিন বিজেপি সদস্যরা যেভাবে চিৎকার-চেঁচামেচি করে কাগজ ছুড়ে ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখিয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরি করেছেন তাতে শুধুমাত্র রাজ্যপাল নয় বিধানসভারও মর্যাদা লংঘন হয়েছে।মিহির গোস্বামী এবং সুদীপ মুখোপাধ্যায় এই কর্মসূচিতে সামনের সারিতে ছিলেন। এই আচরণের শাস্তি স্বরূপ চলতি অধিবেশনের জন্য ওই দুই বিধায়ক কে সাসপেন্ড করার প্রস্তাব দেন। অধ্যক্ষ প্রস্তাবটি সভায় ভোটাভুটির জন্য পেশ করলে ধ্বনি ভোটে সেটি গৃহীত হয়।এদিকে দুই বিধায়কের সাসপেনশনের প্রতিবাদে বিরোধী বিজেপি বিধায়করা অধিবেশন থেকে ওয়াক আউট করে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিধায়করা অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে এসে বিক্ষোভ দেখান। তারা সাসপেনশন প্রত্যাহারের দাবিতে স্লোগান দেন। বিরোধী দলনেতা জানিয়েছেন,সাসপেনশন তোলা না হলে অধিবেশনের বাকি দিনগুলি ওই দুই বিধায়ক লবিতেই বসে থাকবেন। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস পরিষদীয় দল গত সোমবার বিধানসভায় বাজেট অধিবেশনে সূচনায় রাজ্যপালের ভাষণের সময় বিশৃংখলার ঘটনা নিয়ে একটি প্রস্তাব আনতে চলেছে। এদিন কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই ঘটনার পর বিজেপির বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, শাসকদলের হিটলার, মুসোলিনিদের মতো আচরণ আমরা জানি। নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেছেন, বিধানসভা অধিবেশনে প্রথম দিন রাজ্যপালের বক্তৃতা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা হয়নি। টেবিল হয়েছে। দ্বিতীয় দিন বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মৃ্ত্যু নিয়ে শোকজ্ঞাপনের কথা ছিল। সেখানে আমরা অংশগ্রহণ করেছি। কিন্তু আমরা আশা করেছিলাম সাধন পাণ্ডে, যিনি বর্তমানে মন্ত্রী থাকা অবস্থায় মারা গিয়েছেন তাঁর শোক প্রস্তাব আলোচনা হবে। এর আগে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে নোশনে শোকপ্রস্তাব রাখার সবাই সুযোগ পেয়েছিল। তিনি আরও বলেছেন, সাধন পাণ্ডে নিয়ে শোক প্রস্তাব হলে আমাদের তরফ থেকে মনোজ তিগ্গা এবং আরও দুইজন বিধায়ককে তা নিয়ে আলোচনা করার দায়িত্ব দিয়েছিলাম। কিন্তু রীতি ভেঙে এইবার সাধন পাণ্ডেকে স্মরণ করার সুযোগ কোনও বিধায়কদের দেওয় হয়নি। তিনি তাঁর কারণ হিসেবে বলেছেন, এখানে একটাই পোস্ট। সেটা মুখ্যমন্ত্রীর। তিনি নজরুল মঞ্চে তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড করবেন তাই এখানে দুই মিনিটে হাউস শেষ হয়েছে।

মার্চ ০৯, ২০২২
কলকাতা

সল্টলেকে বিজেপি-র মিছিলে ধুন্ধুমার! রাস্তায় বসে প্রতিবাদ শুভেন্দুর

বিধাননগরে বিজেপির মিছিল ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল। সোমবার ইজেডসিসি থেকে বিধাননগর কমিশনারেট পর্যন্ত মিছিলের ডাক দেয় বিজেপি। এই মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। অভিযোগ, মিছিল শুরু হওয়ার কিছু পরেই বিধাননগর পুলিশ ব্যারিকেড করে তা আটকে দেয়। এরপরই রাস্তায় বসে পড়েন শুভেন্দু অধিকারী। বসে পড়েন দলের বাকি নেতা কর্মীরাও। প্রথমে পুলিশের সঙ্গে কথা কাটাকাটি, তার পর বাধা পেয়ে কর্মী সমর্থকদের নিয়ে কমিশনারেটের অফিসের সামনে রাস্তাতেই বসে পড়েন বিজেপি বিধায়ক। বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, রাজ্যে জরুরি অবস্থা জারির মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছে। পুরভোটের আগে সন্ত্রাসের বাতাবরণ সৃষ্টি করেছে রাজ্যের শাসক দল। তাঁর মন্তব্য, বাংলা গণতন্ত্রের গ্যাস চেম্বারে পরিণত হয়েছে। রাজ্যপাল যা বলেছেন, ঠিক বলেছেন।শুভেন্দু বলেন,গত মঙ্গলবার সল্টলেকে বিজেপি কার্যালয়ে হামলা চালিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। আট দিন কেটে যাওয়ার পরও তাদের ধরা হয়নি কেন, পুলিশের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছোড়েন তিনি। বিজেপি বিধায়কের কটাক্ষ, ৮০০ বিজেপি কর্মীকে আটকাতে দুহাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার বিধাননগর পুর নির্বাচনের কার্যালয়ে মঙ্গলবার দুপুরে হামলা চালানো হয়েছে বলে বিজেপি-র অভিযোগ। আঙুল তৃণমূলের দিকে। অভিযোগ, আচমকাই কয়েক জন দুষ্কৃতী জোর করে কার্যালয়ে ঢোকার চেষ্টা করেন। বিজেপি কর্মীরা তাঁদের বাধা দিতে গেলে, তাঁদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। বাদ যাননি মহিলা কর্মীরাও। শুভেন্দুর অভিযোগ, মারধর করার পাশাপাশি কার্যালয় ভাঙচুর চালায় দুষ্কৃতীরা। বিজেপি-র দলীয় পতাকা, প্রচারের জন্য থাকা হোর্ডিং ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। তা ছাড়া দলের কার্যালয়ে থাকা একাধিক কম্পিউটার ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। এই ঘটনায় পুলিশের কাছে তিন জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছেন তাঁরা। কিন্তু এ পর্যন্ত কাউকে ধরা হয়নি বলে অভিযোগ।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২২
কলকাতা

শুভেন্দু-কাণ্ডে রাজ্যের হলফনামা চাইল হাইকোর্ট

নেতাইয়ের শহিদ স্মরণ কর্মসূচিতে শুভেন্দু অধিকারীকে যোগ দিতে পুলিশি বাধা এবং কাঁথিতে তাঁর বাড়ির সামনে সিসিটিভি ক্যামেরা বসিয়ে নজরদারির অভিযোগ সংক্রান্ত মামলায় রাজ্যের হলফনামা চাইল কলকাতা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি রাজশেখর মান্থার নির্দেশ, আগামী দুসপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে হলফনামা দিয়ে বক্তব্য জানাতে হবে রাজ্যকে।হাইকোর্টে দায়ের করা মামলায় শুভেন্দুর অভিযোগ ছিল, তাঁর কাঁথির বাড়ির সামনে রাত ২টো পর্যন্ত উচ্চস্বরে মাইক বাজানো হচ্ছে। পাশাপাশি তাঁর উপর নজরদারির জন্য বাড়ির দরজা, জানালা লক্ষ্য করে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে বলেও অভিযোগ জানান তিনি। এমনকী, নিরাপত্তাজনিত দিক থেকে তাঁর বাড়ি স্পর্শকাতর এলাকা হলেও সেখানে রাজ্যের শাসকদলের কর্মী সমর্থকেরা যখন-তখন মিছিল-সমাবেশ করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।প্রসঙ্গত, ২০২০-র ডিসেম্বরে বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার কয়েক সপ্তাহ পরে ২০২১-এর জানুয়ারিতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার দাবিতেও কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন শুভেন্দু। রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা নির্বাচিত হওয়ার পরে গত জুন মাসে হাইকোর্টে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকার তাঁকে একজন পূর্ণমন্ত্রীর সমতুল নিরাপত্তা দেয়নি। সাংবিধানিক বিধি অনুযায়ী যা তাঁর প্রাপ্য। এখনও তাঁকে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার উপর নির্ভর করতে হচ্ছে। অভিযোগ প্রসঙ্গে, বিচারপতি মান্থা বৃহস্পতিবার জানান নিরাপত্তার স্বার্থে কোথায় সিসিটিভি ক্যামেরা বসবে তা শুভেন্দুর সুরক্ষার দায়িত্বপ্রাপ্ত সিআরপিএফ বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশ আলোচনার ভিত্তিতে স্থির করতে পারে।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
রাজনীতি

মা ক্যান্টিন ও ক্লাবের অনুদানে কোটি টাকার নয়ছয়ের অভিযোগে রাজ্যপালের কাছে নালিশ শুভেন্দুর

রাজ্য রাজ্যপাল সংঘাত অব্যাহত। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতাইয়ে যেতে বাধা দেওয়া প্রসঙ্গে সকালেই রাজ্য সরকারকে এক হাত নিয়েছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। এক সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট চেয়েছেন মুখ্যসচিবের থেকে। আর তারপর সন্ধ্যায় ফের রাজ্যপালের নিশানায় মমতার সরকার। এবারের অভিযোগ, রাজনৈতিক অভিসন্ধিতে স্পোর্টস ক্লাবগুলিকে অনুদান এবং মা ক্যান্টিনের মাধ্যমে সরকারি তহবিলের অপব্যবহার। যদিও এই অভিযোগ সরাসরি রাজ্যপালের নয়। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর এই অভিযোগকে টুইটারে তুলে ধরেছেন রাজ্যপাল।LOP @SuvenduWB called on Guv Shri Jagdeep Dhankhar today demanded thorough probe in criminal diversion of public funds over thousand crores @MamataOfficial for political purposes by way of sports clubs donations and MAA Canteen. pic.twitter.com/KDCQLujSDI Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) January 19, 2022বুধবার বিকেলে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে দেখা করতে রাজভবনে গিয়েছিলেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে শুভেন্দু ফের নালিশ জানিয়েছেন রাজ্যপালের কাছে। তাঁর অভিযোগ, প্রায় কয়েক হাজার কোটি টাকার আর্থিক নয়ছয় করেছে মমতার সরকার। সরকারি তহবিলের অন্যায়ভাবে অপব্যবহার করা হয়েছে বলে ধনখড়ের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন শুভেন্দু। সরকারি তহবিলের এই অপব্যবহারের পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন শুভেন্দু রাজ্যপালের কাছে।এদিকে বুধবার সকালেও রাজ্য সরকারকে টুইট বাণে বিদ্ধ করেছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। সকালের টুইটে রাজ্যের বক্তব্য ছিল, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে নেতাই যেতে কেন বাধা দেওয়া হয়েছিল? এক সপ্তাহের মধ্যে তার রিপোর্ট রাজ্যপালের কাছে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যসচিবকে।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
কলকাতা

ফের মুখ্যসচিবকে ৭ দিন সময় দিয়ে টুইট হুঁশিয়ারি রাজ্যপালের

শুভেন্দু অধিকারীকে নেতাই যেতে বাধা-কাণ্ডে আবারও রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত। আবারও মুখ্য সচিব এইচ কে দ্বিবেদীকে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য ৭ দিন সময় দিলেন রাজ্যপাল। এরপরও রিপোর্ট না এলে, তা অল ইন্ডিয়া সার্ভিস রুল ভাঙা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।বুধবার সকালে একটি টুইট করেন রাজ্যপাল। তাতে লেখেন, রাজ্যের মুখ্যসচিবকে এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হল। কেন শুভেন্দু অধিকারীকে নেতাইয়ে বাধার মুখে পড়তে হয়, তার জবাব দিতে হবে। তার কারণ ব্যাখ্যা করতে হবে। যদি তা অমান্য হয়, তাহলে ধরে নিতে হবে শাসকের আইন, আইনের শাসন নয়।Re: LOP @SuvenduWB-Netai Martyrs Day programme.CS @MamataOfficial H.K. Dwivedi @IASassociation to comply directives explain defiance in a week.Such treatment of LOP @WBPolice in spite of judicial order reflects Law of ruler, not rule of law and cannot be countenanced. https://t.co/H5rhS4i0SY pic.twitter.com/q96i6dD6MT Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) January 19, 2022প্রসঙ্গত, এই ইস্যুতেই গত বুধবারই একটি পোষ্ট করেন রাজ্যপাল। ইস্যু ছিল তলব সত্ত্বেও রাজ্যের মুখ্যসচিব ও ডিজির রাজভবনে অনুপস্থিতি। তাতে তিনি লিখেছিলেন, রাজ্য পুলিশের ডিজি ও রাজ্যের মুখ্যসচিবকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন। পরপর তিন দিন তাঁরা সেই তলব এড়িয়ে গিয়েছেন। অর্থাৎ রাজভবনে আসেননি তাঁরা। কার নির্দেশে তাঁরা রাজভবন বয়কট করেছেন, সে প্রশ্ন তুলে দুদিন আগেও একটি টুইট করেছিলেন তিনি। এদিনও করলেন। বিষয়বস্তু একই। এক্ষেত্রে উল্লেখ্য, মুখ্যসচিব ও ডিজির রাজভবনে না আসাটাকে তিনি বয়কট বলেই উল্লেখ করেছেন। রাজ্যপালের কথায়, এটি একটি অমার্জনীয় সাংবিধানিক গাফিলতি।

জানুয়ারি ১৯, ২০২২
রাজ্য

Gangasagar new Committee: হাইকোর্টের নির্দেশে শুভেন্দুকে ছাড়াই গঙ্গাসাগরের নতুন কমিটি

গঙ্গাসাগর মেলায় শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। তবে উল্লেখ্য, নতুন নজরদারি কমিটি থেকে বাদ পড়লেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পুরনো তিন সদস্যের কমিটি বাতিল করে ২ সদস্যের কমিটি গঠন করল হাইকোর্ট। কমিটির নেতৃত্বে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়। কমিটিতে রয়েছেন লিগ্যাল সার্ভিসেসেস সদস্য সচিব। রাজ্যের মুখ্য সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ৭ থেকে ১০ জানুয়ারির মধ্যে আদালতের দেওয়া অন্যান্য যাবতীয় নির্দেশ কার্যকর করতে হবে। বিধি লঙ্ঘন হলে নজরদারি কমিটি তৎক্ষণাৎ মেলা বাতিলের নির্দেশ দিতে পারবে। তবে মঙ্গলবারের নির্দেশে আরও স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, গোটা গঙ্গাসাগর এলাকাটাই এখন নোটিফায়েড এরিয়া অর্থাৎ যেখানে রাজ্যের বিধি কায়েম হতে পারে যে কোনও সময়ই।রাজ্যে করোনা বাড়ছে দ্রুত গতিতে। এই পরিস্থিতিতে এ বছর গঙ্গাসাগর মেলা বন্ধ রাখা উচিত। এই আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন চিকিৎসক অভিনন্দন মণ্ডল। এর সঙ্গে আরও পাঁচটি মামলা হয়। সব মামলাগুলি একত্র করে হাইকোর্টে শুনানি হয়েছিল। শুনানির পর তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। সেখানে ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। প্রশ্ন ওঠে, ওই কমিটিতে যে সব সদস্য রয়েছেন, তাঁরা কোভিড নিয়ে যথাযথ সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না।শুধু শুভেন্দুর থাকা নয়, আগের কমিটি নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। পুরনো কমিটিতে রাখা হয়েছিল রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানকে। ওই পদে নিয়োগ এখনও আটকে রয়েছে। প্রশ্ন ওঠে, যে পদে নিয়োগই হয়নি, সেই পদের পদাধিকারী কী করে কমিটিতে থাকেন? এর পরই নতুন কমিটি গড়ার পক্ষে রায় দেয় হাইকোর্ট।

জানুয়ারি ১১, ২০২২
কলকাতা

Dhankhar: নেতাইয়ে শুভেন্দুকে ঢুকতে বাধা দেওয়ার ঘটনায় মুখ্যসচিব, ডিজির কাছে কৈফিয়ৎ চান রাজ্যপাল

শুভেন্দু অধিকারীকে নেতাইতে ঢুকতে বাধা দেওয়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ রাজ্যপাল। এবার এই বিষয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিব ও রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে কৈফিয়ৎ তলব করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। আদালতের অনুমতি থাকা সত্ত্বেও কী কারণে, কোন পরিস্থিতিতে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে নেতাইয়ে ঢোকার আগে আটকানো হল। টুইটে রাজ্যপাল লেখেন, এই ঘটনা জরুরি অবস্থার কথা মনে করায়।In view of highly disturbing scenario, reminiscent of emergency, in Jan 07 communication @SuvenduWB WB Guv has directed CS @MamataOfficial DGP @WBPolice to brief him,fully updated,with written report, on Jan 10 at 11 am.Serious that LOP was ill treated in spite of HC order. pic.twitter.com/eRFPWq4Ttj Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) January 8, 2022শুক্রবারই মেদিনীপুরের নেতাইয়ে কর্মসূচি ছিল শুভেন্দু অধিকারীর। সেখানে যাওয়ার পথে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন বিরোধী দলনেতা। আদালতের নির্দেশ অগ্রাহ্য করে তাঁর রাস্তা আটকানোর অভিযোগ তোলেন পুলিশের বিরুদ্ধে। এরপর নেতাইয়ের বদলে ভীমপুরে কর্মসূচি করেন তিনি। নেতাইয়ে যেতে না পারার বিষয়টি উল্লেখ করে শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যপালের কাছে অভিযোগপত্র পাঠান।সেই চিঠির পরই রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী ও রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্যর কাছে এই সংক্রান্ত লিখিত জবাব চান। আগামী ১০ জানুয়ারি সকাল ১১টার মধ্যে লিখিত আকারে তিনি কৈফিয়ৎ তলব করেন।

জানুয়ারি ০৮, ২০২২
রাজ্য

Suvendu Adhikari: নেতাইয়ের পথে শুভেন্দুর পথ আটকাল পুলিশ

নেতাইয়ের শহিদ স্মরণে যোগ দিতে পারলেন না রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নেতাইয়ে ঢোকার আগে ঝিটকা জঙ্গলের কাছে তাঁকে পুলিশ আটকে দেয় বলে অভিযোগ।সূত্রের খবর, আজকে নেতাইয়ে কর্মসূচি ছিল বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। সেখানে যাওয়ার পথে বিরোধী দলনেতার কনভয় আটকে দেওয়া হয়। পুলিশের বক্তব্য, শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে যে কনভয় ছিল তা পুলিশ গন্তব্যস্থলে যেতে দেবে না। একা যদি শুভেন্দু যান তবেই তিনি অনুমতি পাবেন। এদিকে, একা বিরোধী দলনেতা ঘটনাস্থলে যেতে চাননি। তিনি তাঁর সঙ্গে যাঁরা ছিলেন তাঁদের প্রত্যেককে নিয়েই নেতাইয়ে যেতে চেয়েছিলেন। তার ফলে পুলিশ যেতে দেয়নি বলেই প্রাথমিকভাবে জানতে পারা গিয়েছে।তাই লালগড় ঢোকার মুখে ঝিটকার জঙ্গল থেকে ফিরে এসে ভিমপুরে অস্থায়ী শহিদ বেদী তৈরি করে নেতাইয়ের শহিদদের উদ্দেশে স্মৃতি তর্পন করলেন শুভেন্দু। পাশাপাশি করেন মাল্যদান। এছাড়া নেতাইয়ে যাঁরা শহিদ হয়েছিলেন তাঁদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন। পরবর্তীতে তিনি সিধু-কানুর উদ্দেশেও শ্রদ্ধা জানান। আর এইভাবে তিনি নেতাইয়ে না যেতে পারলেও ভিমপুরে শ্রদ্ধা জানান।পুলিশের সঙ্গে কথা বলার সময় শুভেন্দু বলেন, উচ্চ আদালতই আমায় নেতাই যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে। আদালতই বলেছে, বাংলার যে কোনও জায়গায় যাওয়ার অধিকার রয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর। তার জন্য রাজ্যকে নিরাপত্তাও দিতে বলেছে। কিন্তু আপনারা আমাকে নির্দিষ্ট সময় দেননি। যদি কোনও সমস্যা থাকত, আগেই জানাতে পারতেন।

জানুয়ারি ০৭, ২০২২
রাজ্য

Suvendu Adhikari: সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা রাজ্যের, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে রাজ্যের আবেদন খারিজ করল শীর্ষ আদালত

সুপ্রিম কোর্টে স্বস্তি শুভেন্দু অধিকারীর। খারিজ হয়ে গেল রাজ্য সরকারের আবেদন। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে রক্ষাকবচ দেওয়ার যে নির্দেশ দিয়েছিল রাজ্য সরকার, সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই শীর্ষ আদালতে গিয়েছিল রাজ্য সরকার। রাজ্যের আবেদন খারিজ করে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, তারা হাইকোর্টের দেওয়া নির্দেশে হস্তক্ষেপ করতে চায় না।আগেই রাজ্যের করা লিভ পিটিশনে এই আবেদন খারিজ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু রাজ্য ফের এলপিএ করে একই আবেদন জানায়। সেই আবেদনও এবার খারিজ হয়ে গেল।আরও পড়ুনঃ ওমিক্রন সাধারণ সর্দি জ্বর ছাড়া কিছুই নয়! দাবি আমেরিকাবাসী ইজরায়েলি চিকিৎসকেরএকবার লিভ পিটিশনে আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ার পরও কেন এলপিএ করা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। লিভ পিটিশনের ক্ষেত্রে সব সওয়াল জবাব শুনেই হাইকোর্টের নির্দেশ বহাল রাখার কথা বলেছিল শীর্ষ আদালত। তাই আর এলপিএ শোনার প্রয়োজন নেই বলেই মনে করেন বিচারপতি। ১৩ ডিসেম্বর রাজ্যে করা লিভ পিটিশনের ভিত্তিতে রায় নির্দেশ বহাল রাখার নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের তরফ থেকে স্পষ্ট বলা হয়েছে, গত ১৩ ডিসেম্বর এই মামলায় নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। গত ৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশে শুভেন্দু অধিকারীরে রক্ষাকবচ দেওয়া হয়। সেই নির্দেশই বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট।আরও পড়ুনঃ আজ থেকে শুরু ১৫-১৮ বছর বয়সিদের টিকাকরণগত সেপ্টেম্বরে শুভেন্দু অধিকারীর প্রাক্তন দেহরক্ষী মামলা-সহ তিনটি মামলায় স্থগিতাদেশ দেন হাইকোর্টের বিচারপতি রাজশেখর মান্থার সিঙ্গল বেঞ্চ। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য। সেখানেও সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশই বহাল রাখা হয়। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছিল রাজ্যের তৎকালীন মন্ত্রী তথা বর্তমান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দেহরক্ষী শুভব্রত চক্রবর্তীর। সেই মামলার প্রায় তিন বছর পর গত জুলাই মাসে তদন্তের দাবি তুলে এফআইআর দায়ের করেন শুভেন্দুর প্রাক্তন দেহরক্ষীর স্ত্রী সুপর্ণা কাঞ্জিলাল চক্রবর্তী। কীভাবে এই ঘটনা ঘটল? সেই প্রশ্ন তুলে, সঠিক তদন্তের দাবিতে এফআইআর করেন নিহত দেহরক্ষীর স্ত্রী।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
কলকাতা

Suvendu Adhikari: স্বাধীনতার পর এমন প্রহসন হয়নি! ঘেরাও মুক্ত হয়ে অভিযোগ শুভেন্দুর

কলকাতার পুরভোটকে স্বাধীনতার পর পশ্চিমবঙ্গে সবচেয়ে বড় প্রহসনের নির্বাচন বললেন শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে দেখা করার পর তিনি বলেন, এই নির্বাচনে কলকাতার প্রকৃত ভোটদাতাদের ২০ শতাংশ ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।শুভেন্দুর অভিযোগ, রবিবার নির্বিচারে বুথ দখল, ছাপ্পা ভোট হয়েছে শহরজুড়ে। এই পরিস্থিতিতে তাঁর দাবি, আমরা রাজ্যপালের কাছে পুরো ভোট বাতিল করে পুনর্র্নিবাচনের দাবি জানিয়েছি। রাজভবন থেকে বেরিয়ে পুরভোটে শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, আমরা সিপিএমের আমলে লড়াই করেছি। ১৯৯০ সালের নির্বাচনকে রিগিং নির্বাচন বলতাম। কিন্তু এ বারের ভোট সবকিছু ছাপিয়ে গিয়েছে। কলকাতা পুরসভার নির্বাচন চলাকালীন শুভেন্দুর সল্টলেকের বাড়ির বাইরে হঠাৎই সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েন হওয়ার ঘটনার জেরে বিতর্ক হয়। পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বচসাতেও জড়িয়ে পড়েন তিনি। নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়কের আক্ষেপ, কলকাতার ভোটে আমাদের বহিরাগত বলা হচ্ছে।বিজেপি বিধায়কদের এমএলএ হস্টেলে আটক প্রসঙ্গ নিয়েও তিনি রাজভবনে অভিযোগ জানিয়েছেন বলে জানান শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, রবিবার ওই এমএলএ হস্টেল থেকেই বিনা বাধায় বেরিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূল বিধায়ক মানস ভুইয়াঁ। ধনখড়কেও নিরাপত্তা রক্ষী বাইরে রেখে ভোটগ্রহণ কেন্দ্র ঢুকতে বাধ্য করানো হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, রাজ্যপালকেও এরা অপমান করতে ছাড়েনি। বাংলায় ন্যূনতম গণতন্ত্র নেই অভিযোগ করে তাঁর দাবি, এই রাজ্যে উত্তর কোরিয়ার মতো স্বৈরতান্ত্রিক শাসন চলছে।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২১
কলকাতা

Subhendu Adhikari: সল্টলেকে শুভেন্দুর বাড়ি ঘিরে ফেলল পুলিশ

কলকাতা পুরভোট চলাকালীন সল্টলেকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ি ঘিরে ফেলল বিশাল পুলিশ বাহিনী। তবে কী কারণে পুলিশের এ পদক্ষেপ, রবিবার বিকেল ৫টা নাগাদ এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তা স্পষ্ট নয়। বিজেপি-র দাবি, কলকাতা পুরসভার নির্বাচনে ভোটের নামে প্রহসন হচ্ছে। অন্যদিকে, শাসক দল সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।রবিবার সল্টলেকের বাড়িতে ১৬ জন বিধায়ককে নিয়ে একটি বৈঠকে বসেছিলেন শুভেন্দু। বিকেলে ওই বাড়ির বাইরে বিশাল পুলিশ বাহিনী দেখা যায়। বিধাননগর কমিশনারেটের ডিসি (হেড কোয়ার্টার্স)-এর নেতৃত্বে পুলিশকর্মীরা বাড়ি ঘিরে ফেলেন। তবে কেন হঠাৎ শুভেন্দুর বাড়ির সামনে পুলিশ মোতায়েন করা হল, তা জানা যায়নি।এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ অর্জুনের দাবি, কলকাতায় ভোটের নামে প্রহসন হচ্ছে। কেন শুভেন্দুর বাড়ি ঘিরে ফেলা হল? বিজেপি বিধায়কদের শুভেন্দুর বাড়ি থেকে বেরোতে না দেওয়ার অভিযোগও ওঠে।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২১
কলকাতা

BSF-BJP: পদ্ম-মিষ্টি নিয়ে বিএসএফ দপ্তরে ক্ষমা চাইতে গেলেন শুভেন্দু

নিউটাউনে বিএসএফের দপ্তরে গিয়ে তাদের হাতে পদ্মফুল তুলে দিয়ে মিষ্টি খাওয়ালেন বিজেপি নেতা তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন আরও বেশ কয়েক জন বিজেপি বিধায়কও।বিএসএফের এক্তিয়ার বৃদ্ধি নিয়ে তেঁতে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। বুধবারই বিধানসভায় পাশ হয় বিএসএফের এক্তিয়ার বৃদ্ধির বিরোধিতায় আনা প্রস্তাব। বৃহস্পতিবার বিএসএফের দপ্তরে গিয়ে তাদের মিষ্টি খাইয়ে, হাতে পদ্মফুল তুলে দিল বিজেপি। বৃহস্পতিবার বিকেলে নিউটাউনের বিএসএফ ছাউনিতে হাজির হয় বিজেপি-র পরিষদীয় দল। নেতৃত্বে শুভেন্দু। জওয়ানদের সংবর্ধনা জানানোর পর তিনি বলেন, আমাদের প্রত্যেকের মনে রাখা উচিত বিএসএফ দেশের অতন্দ্র প্রহরী। তারা দেশের সীমান্ত রক্ষা করছে বলেই দেশবাসী সুরক্ষিত এবং নিশ্চিন্তে বসবাস করতে পারছেন। ভারত সরকারের ঘোষণা মতো বিএসএফের ক্ষমতা বৃদ্ধি নিয়ে তৃণমূল বিধায়করা তাদের কালিমালিপ্ত করেছেন, কদর্য ভাষায় বিধানসভায় আক্রমণ করেছেন। এটা মেনে নেওয়া যায় না। তাই বিএসএফকে সংবর্ধনা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি।এর আগে বিএসএফ নিয়ে মন্তব্য করার অভিযোগে অপর্ণা সেনকে আইনি চিঠি পাঠিয়েছেন বিজেপি নেতা অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়। সব মিলিয়ে বিএসএফ নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে চড়ছে উত্তেজনার পারদ।

নভেম্বর ১৮, ২০২১
কলকাতা

Nandigram-High Court: ফের পিছল নন্দীগ্রাম মামলা

আজ সোমবার হাইকোর্টে শুনানি ছিল। এর আগেও এই মামলা পিছিয়ে দেওয়া হয়। এবার ফের একবার পিছিয়ে গেল মামলা। এ দিন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর আইনজীবী আদালতে জানান, যেহেতু সুপ্রিম কোর্টে এই সংক্রান্ত মামলা চলছে, তাই হাইকোর্টে শুনানি পিছিয়ে দিতে হবে।সুপ্রিম কোর্টের শুনানির পরই ফের শোনা হবে মামলা। আজ এমনটাই জানানো হয়েছে আদালতের তরফে।অন্যদিকে মামলা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য দিয়ে লিখিত বয়ান আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে শুভেন্দুর আইনজীবীকে। আগামী ১ ডিসেম্বর এই মামলার শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। তার আগে জমা দিতে হবে বয়ান। সুপ্রিম কোর্টে এই মামলা চলছে বলেই হাইকোর্টে মামলাটি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।এই আর্জি শুনে ক্ষুব্ধ হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী গোপাল মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এটি একটি নির্বাচন সংক্রান্ত মামলা, তাই এই মামলা ফেলে রাখা যায় না। তাঁর বক্তব্য, অগস্টে মামলার শুনানি ছিল। এরপরও যদি শোনা না হয় তাহলে কবে শোনা হবে? এভাবে নির্বাচন সংক্রান্ত মামলা ফেলে রাখা যায় না। অযথা এই মামলা ফেলে রাখা যায় না বলে মন্তব্য করেন তিনি। মামলা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য দিয়ে লিখিত বয়ান কেন জমা দেওয়া হয়নি, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। এরপরই বিচারপতি জানান, সুপ্রিম কোর্টের মামলার শুনানির আগে লিখিত আবেদন দিতে হবে শুভেন্দুর আইনজীবীকে। ২৯ নভেম্বর শুভেন্দু অধিকারীকে লিখিত বয়ান দিতে হবে হাইকোর্টে।

নভেম্বর ১৫, ২০২১
রাজনীতি

Suvendu Adhikari: বিশ্বকাপে পাকিস্তানের হার নিয়ে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়লেন শুভেন্দু, কি বললেন তিনি?

টি ২০ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে গ্রুপ লিগ থেকেই বিদায় নিয়েছে ভারত। প্রথম ম্যাচেই ভারতকে হারিয়েছে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান। এবার সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়ে দিল অষ্ট্রেলিয়া। পাকিস্তানকে পরাজিত করার জন্য অষ্ট্রেলিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোশাল মিডিয়ায় উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েছেন গেরুয়া শিবিরের এই নেতা।সেমিফাইনাল ম্যাচে পাকিস্তানের পরাজয়ের পর সোশাল মিডিয়ায় রাজ্য বিজেপি নেতা শুভেন্দু লিখেছেন..দেশদ্রোহীদের জোর কা ঝটকা,পাকিস্তানের হারে ফাটছে পটকা।ভারত পাকিস্তান ম্যাচে ভারতের হারে যারা পটকা ফাটিয়েছিল, উল্লাস করেছিল, আজ সেইসব দেশদ্রোহীদের জন্য কালো দিন। অষ্ট্রেলিয়ার কাছে পাকিস্তানের হার আজ তাদের মুখে ঝামা ঘসে দিল ।অষ্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট টিম কে অভিনন্দন।তবে এখানেই থামেননি গেরুয়া শিবিরের এই নেতা। নন্দীগ্রামের বিধায়ক টুইটে লিখেছেন, পাকিস্তানকে হারানোর জন্য অষ্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট দলকে আন্তরিক অভিনন্দন। এই মুহূর্তটি উদযাপন করতে আমার নন্দীগ্রাম বিধানসভা এলাকার লোকেরা অন্য ভারতীয়দের সঙ্গে যোগ দিয়েছে। আতশবাজি থামবে না, দীপাবলি চলছে। আমাদের শত্রুকে পরাজিত করার জন্য আবার ধন্যবাদ।নন্দীগ্রাম বিধানসভায় প্রার্থী হওয়ার পর থেকেই সরাসরি বিভাজনের পথে হেঁটেছিলেন শুভেন্দু অধিকরী। একেবারেই ঢাক-গুড়গুড় করেননি। গত ১০ নভেম্বর নন্দীগ্রামে শহিদ দিবসের দিনও ফের তিনি বলেছেন, নন্দীগ্রামের ৬৫ হাজার বাদ দিয়ে বাকিদের একসঙ্গে থাকতে হবে। সেই আবেদন জানিয়েছিলেন শহিদ মঞ্চ থেকে। এবার পাকিস্থানের হার নিয়ে ব্যাপক উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তাঁর অবস্থান স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন।

নভেম্বর ১২, ২০২১
রাজ্য

Kunal Ghosh Vs Adhikari's: কুণালের কটূক্তির প্রতিবাদ, মামলা শুভেন্দুর ভাই সৌমেন্দুর

ত্রিপুরার পর এ রাজ্যেও তৃণমূলের মুখপাত্র কুণালের বিরুদ্ধে মামলা। কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করলেন অধিকারীরা৷ ১০ নভেম্বর নন্দীগ্রামে নন্দীগ্রাম দিবস উপলক্ষে ভূমি উচ্ছেদ কমিটির উদ্যোগে রাজ্যের শাসকদল শহিদ স্মরণে একটি সভার আয়োজন করে ৷ সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ, জয়া দত্ত, অখিল গিরি-সহ এক ঝাঁক রাজ্যের প্রথম সারির নেতা-নেত্রী । অভিযোগ, ওই মঞ্চ থেকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ তাঁর পরিবারের উদ্দেশ্যে কটূক্তি করে মন্তব্য করেন তৃনমূল নেতা কুণাল ঘোষ ৷ তার ভিত্তিতেই কুণালের বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করেছেন শুভেন্দুর ভাই সৌমেন্দু অধিকারী৷ তবে মামলার বিষয়টি পাত্তা দিচ্ছেন না কুণাল৷অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ শুভেন্দুদের মীরজাফর, গাদ্দার-সহ একাধিক শব্দবাণে কটূক্তি শানান । তারই প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতার ভাই সৌমেন্দু অধিকারী কাঁথি মহকুমা আদালতে কুণালে বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করলেন । তবে এনিয়ে বিশেষ প্রতিক্রিয়া দেননি সৌমেন্দু ৷ বলেন, কুণাল ঘোষ কুরুচিকর মন্তব্য করার অভিযোগে মামলা করেছি । আর বেশি কিছু বলব না, যা বলার আমার আইনজীবী বলবেন ।বেইমান, অকৃতজ্ঞ, বিভীষণ, মীরজাফর, সুবিধাবাদীকে গদ্দার বলা যাবে না?যাবে। বলেছি। বেশ করেছি।মামলা করেছে?চল্ ভাই কোর্টে দেখা হবে।তৃণমূলের আবেগ বিক্রি করে সব ভোগ করেছো। তারপর সিবিআই থেকে বাঁচতে বেইমানি।এখন বললে গায়ে লাগছে?বেগম.. জেহাদি.. এসব বলে যাবে আর রসগোল্লা খাওয়াব নাকি? Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) November 11, 2021কাঁথি আদালতে এসিজেএম বিচারক শিবম মিশ্রের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে । কেস ফাইল করাও হয়ে গিয়েছে ।তবে মামলা দায়ের হওয়ার বিষয়টি পাত্তা দিতে চাইছেন না কুণাল ৷ তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, আমি এখনও পর্যন্ত কিছু জানি না । তবে আমি গতকাল যা বলেছি, ঠিক বলেছি । ওরা সব পদ তো তৃণমূল কংগ্রেস থেকেই পেয়েছে।

নভেম্বর ১১, ২০২১
কলকাতা

BJP-Suspend: শুভেন্দুকে ‘চোর’ বলে বহিষ্কৃত হাওড়া সদরের বিজেপি সভাপতি

নারদা-কাণ্ড নিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলে বহিষ্কৃত হলেন হাওড়া সদরের বিজেপি সভাপতি সুরজিৎ সাহা। পুরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্প্রতি হাওড়ায় একটি কমিটি গড়েন শুভেন্দু। তা নিয়েই ক্ষুব্ধ ওই বিজেপি নেতা। বুধবার তা নিয়েই শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। এর কিছু ক্ষণের মধ্যেই সুরজিৎকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।বুধবার সুরজিৎ সংবাদমাধ্যমের সামনে শুভেন্দুকে নিশানা করে জানিয়ে দেন, যে কমিটি শুভেন্দু গঠন করেছেন তাতে দলীয় নিয়মশৃঙ্খলা ভঙ্গ হয়েছে। ওই কমিটিকে ভারতীয় জনতা তৃণমূল কংগ্রেস পার্টি বলেও আখ্যা দেন তিনি। বলেন, যাঁরা দলে থাকবেন কি না তা ই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে তাঁদের চেয়ারম্যান করা হচ্ছে। নাম প্রস্তাব করছেন শুভেন্দু। বিজেপি-র তৃণমূলীকরণ আমরা মানব না। আমি ২৮ বছর বিজেপি করছি। উনি ছমাস আগে দলে এসে আমাদের শংসাপত্র দেবেন না কি? আমরা ওঁর শংসাপত্র চাইব। নারদাতে ওঁকে যে টাকা নিতে দেখা গিয়েছে তাতে উনি সৎ কি না, এই প্রশ্নটা জনগণ থেকে দলের কার্যকর্তা সকলের মধ্যে তৈরি হয়েছে। উনি আমাদের বিরুদ্ধে আঙুল তুলবেন এটা জেলা সভাপতি হিসাবে মেনে নেব না।সুরজিতের এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই বিতর্ক শুরু হয়।

নভেম্বর ১০, ২০২১
রাজ্য

Suvendu Adhikari: নন্দীগ্রাম দিবসে স্মরণযাত্রায় শুভেন্দু, কুণালের সঙ্গে জড়ালেন বাক্যবাণে

২০০৭ সালের ১০ই নভেম্বর, নন্দীগ্রাম ভূমিরক্ষা আন্দোলনে নিহত শহিদদের স্মরণে আজ ১৪তম বর্ষপূর্তির দিনে গোকুলনগর থেকে করপল্লী পর্যন্ত শহিদ পরিবারের সদস্য-সহ হাজারো আবেগ আপ্লুত নন্দীগ্রামের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে শহিদ স্মরণ যাত্রায় অংশ গ্রহণের পরে নন্দীগ্রামের শহিদ বেদিতে মাল্যদান ও মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে শহিদদের শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে নন্দীগ্রাম ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির ব্যবস্থাপনায় গোকুলনগরে শহিদ স্মরণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করলেন নন্দীগ্রামের মানুষের হৃদয়ের সনাতনী জননেতা,তথা রাজ্যের বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।অন্যদিকে, নন্দীগ্রাম দিবস পালন ঘিরে যুযুধান দুই পক্ষ। একদিকে তৃণমূলের কুণাল ঘোষ, তাপস রায়, অখিল গিরিরা। অন্যদিকে শুভেন্দু অধিকারী। এদিন সকালেই নন্দীগ্রাম থেকে শুভেন্দুকে বাক্যবাণে বিদ্ধ করেছেন কুণাল ঘোষ। বেইমান, অকৃতজ্ঞ, জানোয়ার এবং এক বাপের ব্যাটা- এ রকম একাধিক বিশেষণে বিরোধী দলনেতাকে আক্রমণ করেছেন তিনি। তার পাল্টা আবার নন্দীগ্রাম থেকে দিলেন শুভেন্দু। তাঁর কটাক্ষ, মমতা কিছু বললে উত্তর দেব, লেভেল বুঝে কথা বলি। অন্যরা ছোটখাটো কর্মচারী।এদিন ফের রাজ্য পুলিশের সমালোচনা করেন শুভেন্দু। বলেন, এরা আগে সিপিএমকে স্যালুট করত। এখন তৃণমূলকে স্যালুট করছে। আবার যেদি একটু ঘুরিয়ে দেব আমরা না তাই ভরসা রাখুন। এর পর তৃণমূল নেতাদের নিশানা করে শুভেন্দুর মন্তব্য, নন্দীগ্রাম আন্দোলনে আমার কী ভূমিকা ছিল, আপনাদের কী ভূমিকা ছিল, এসব মায়ের কাছে মাসির গল্প করে লাভ নেই। এর পর নন্দীগ্রাম আন্দোলনের ইতিহাস তুলে ধরেন। তাঁর পর আবার তৃণমূল নেতৃত্বের শহিদ দিবস পালনকে কটাক্ষ করে তাঁর মন্তব্য, আমি খানিকটা পরিষ্কার করেছি। মায়েরা গোবর-টোবর দিয়ে পরিষ্কার করেছেন। কিছু চাকরকে পাঠিয়ে ছিলেন পিসি আর ভাইপো। গোটা কয়েক কর্মচারীকে পাঠিয়েছিলেন কুৎসা, কুৎসা কুৎসা।শুভেন্দুর দাবি, নন্দীগ্রামের আন্দোলন সম্ভব হয়েছিল বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের জন্য। তাঁর কথায়, এরা ঢুকতে পারল কবে? লালকৃষ্ণ আদবানি, সঙ্গে সুষমা স্বরাজ, রাজনাথ সিং, সুরেন্দর সিং আলুওয়ালিয়া এবং আরও অসংখ্য নেতা। সেদিন হেঁড়িয়া দিয়ে এরা অবরোধ তুলতে তুলতে সোনাচূড়া বাজারে পৌঁছেছিল। সেদিন তাদের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে যে তিনজন ছিলেন, তাঁদের মধ্যে আমার পিতৃদেব ছিলেন (শিশির অধিকারী), আমি ছিলাম এবং দীনেশ ত্রিবেদী ছিলেন। এর পর শুভেন্দুর কটাক্ষ, এখন নেপোয় মারে দই না? যখন চকোলেট আর স্যান্ডউইচ খেয়ে অনশনের নামে নাটক করছিলেন।তৃণমূলকে নিশানা করে তাঁর আরও মন্তব্য, এদের নেতৃত্ব ২-৪ টাকার। এখানে দাঁড়িয়েছিলেন। হেরেছেন। ঘর চলে গিয়েছেন। উত্তর আপনারাই দিয়ে দিয়েছেন। উল্লেখ্য, এদিন কুণাল ঘোষ দাবি করেন, ফের গণনা হলে নন্দীগ্রামে ২২ হাজার ভোটে জিতবেন মমতা। নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন করে শুভেন্দুকে নন্দীগ্রাম থেকে বিদায় দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। এদিকে শুভেন্দুর পাল্টা কটাক্ষ, কোনও সনাতন বুথে নেই ওরা।

নভেম্বর ১০, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মিঠুন জল্পনা উড়িয়ে শেষমেশ রাহুলই ভরসা! রাজ্যসভায় যাচ্ছে বিজেপির পুরনো সৈনিক

রাজ্যসভার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বিজেপি। বাংলা থেকে দলের প্রার্থী করা হয়েছে রাহুল সিনহাকে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যসভায় মোট পাঁচটি আসন ফাঁকা রয়েছে। তার মধ্যে চারটি আসনে ইতিমধ্যেই প্রার্থী ঘোষণা করেছে তৃণমূল। বাকি একটি আসনে কাকে প্রার্থী করবে বিজেপি, তা নিয়ে জল্পনা চলছিল। একাধিক নাম ঘুরছিল রাজনৈতিক মহলে। শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব রাহুল সিনহার নামেই সিলমোহর দিল।মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গ-সহ মোট ছয়টি রাজ্যের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি। বিহার, অসম, ছত্তীসগঢ়, হরিয়ানা, ওড়িশা এবং বাংলা থেকে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। বিহার থেকে প্রার্থী হচ্ছেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। অসম থেকে তেরাস গোয়ালা ও যোগেন মোহন, ছত্তীসগঢ় থেকে লক্ষ্মী বর্মা, হরিয়ানা থেকে সঞ্জয় ভাটিয়া এবং ওড়িশা থেকে মনমোহন সমল ও সুজিত কুমারের নাম ঘোষণা হয়েছে।বাংলার ক্ষেত্রে পঞ্চম আসনে বিজেপির ভরসা রাহুল সিনহা। এর আগে অনন্ত মহারাজ ও শমীক ভট্টাচার্য রাজ্যসভায় গিয়েছেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল রাহুলের নাম। তিনি বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি এবং দীর্ঘদিনের সংগঠক। তবে গত কয়েক বছরে তাঁকে সক্রিয় রাজনীতিতে তেমন দেখা যায়নি। দলের অন্দরেই অনেক সময় তাঁকে কোণঠাসা করে রাখা হয়েছে বলে আলোচনা ছিল।শমীক ভট্টাচার্য রাজ্য সভাপতি হওয়ার পর থেকেই রাহুল সিনহাকে আবার সক্রিয় ভূমিকায় দেখা যায়। বিভিন্ন সভা, মিছিল ও কর্মসূচিতে অংশ নিতে শুরু করেন তিনি। একইভাবে দিলীপ ঘোষকেও নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রাজ্য নির্বাচনের আগে পুরনো মুখদের সামনে আনার কৌশল নিয়েছে বিজেপি, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, রাহুল সিনহা এখনও পর্যন্ত যে কটি নির্বাচন লড়েছেন, সবকটিতেই পরাজিত হয়েছেন। চারবার বিধানসভা এবং পাঁচবার লোকসভা নির্বাচনে লড়ে জিততে পারেননি তিনি। মোট নয়বার ভোটে হেরেছেন। বরাবরই তাঁর আক্ষেপ ছিল, রাজ্য সভাপতি হলেও কখনও বিধায়ক বা সাংসদ হতে পারেননি। রাজ্যসভার প্রার্থী ঘোষণার মাধ্যমে সেই আক্ষেপ ঘোচানোর সুযোগ পেলেন তিনি।আগামী ১৬ মার্চ বাংলার পাঁচটি আসনে রাজ্যসভা নির্বাচন হবে। চারটি আসনে তৃণমূল প্রার্থী করেছে কোয়েল মল্লিক, বাবুল সুপ্রিয়, মেণকা গুরুস্বামী ও রাজীব কুমারকে। সেই তালিকা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা চলছে। বিশেষ করে মেণকা গুরুস্বামী ও রাজীব কুমারের নাম ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে।পাঁচটি আসনের মধ্যে একটি আসন বিজেপির দখলে যাওয়া প্রায় নিশ্চিত ছিল। তবে সেই আসনে কাকে প্রার্থী করা হবে তা নিয়ে জল্পনা ছিল প্রবল। রাহুল সিনহার পাশাপাশি অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী এবং এক পদ্মশ্রী প্রাপক সঙ্গীতশিল্পীর নামও শোনা যাচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত দলের পুরনো মুখের উপরেই ভরসা রাখল বিজেপি।

মার্চ ০৩, ২০২৬
রাজ্য

এক ভোটার, দু’টি কেন্দ্র! এসআইআর চূড়ান্ত তালিকায় বড়সড় গরমিল ফাঁস

মৃত ভোটার, স্থানান্তরিত ভোট এবং একাধিক জায়গায় একই নাম বাদ দিতেই এসআইআর প্রক্রিয়া চালু হয়েছিল বলে জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। এনুমারেশন ফর্ম পূরণ, শুনানি এবং তথ্য যাচাইয়ের পর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। কিন্তু সেই তালিকাতেই এবার ধরা পড়ল বড় গরমিল। একই ভোটারের নাম পাওয়া গেল দুই আলাদা বিধানসভা কেন্দ্রে। এক জায়গায় শ্যামপুকুর, অন্য জায়গায় অশোকনগর। শুনানির পরও কীভাবে দুজায়গায় নাম থেকে গেল, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় দেখা গিয়েছে, ওই ভোটার এবং তাঁর বাবার নাম দুই জায়গাতেই একই রয়েছে। শুধু বয়সে সামান্য পার্থক্য। একটি কেন্দ্রে বয়স লেখা ৫৬ বছর, অন্য কেন্দ্রে ৫৮ বছর। ডিসেম্বর মাসেই সিইও দফতর জানিয়েছিল, ওই ভোটারকে শোকজ করা হয়েছে। কেন তিনি দুই বিধানসভা কেন্দ্রে এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করেছেন, তা জানতে চাওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ বিষয়টি আগে থেকেই কমিশনের নজরে ছিল। তবুও চূড়ান্ত তালিকায় দুজায়গায় তাঁর নাম থেকে যাওয়ায় নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।শ্যামপুকুর উত্তর কলকাতার একটি বিধানসভা কেন্দ্র। অশোকনগর উত্তর ২৪ পরগনার অন্তর্গত। কীভাবে এই ভুল থেকে গেল, তা জানতে চেয়ে দুই জেলার নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে রিপোর্ট তলব করেছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল।গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। প্রায় ৬২ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর। আবার প্রায় ৬০ লক্ষ নাম রয়েছে অমীমাংসিত তালিকায়। তাঁদের নথি এখনও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে শুরু থেকেই নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করে আসছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই আবহে একই ভোটারের নাম দুই জায়গায় থাকার ঘটনা নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর বাড়াল।

মার্চ ০৩, ২০২৬
রাজ্য

বাহিনী ও কর্মী সঙ্কট, বাংলায় একদিনে ভোট অসম্ভব! অবশেষে মানল নির্বাচন কমিশন

বাংলায় এক দফায় বিধানসভা ভোট করার প্রস্তুতি শুরু করেছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু বাহিনীর অপ্রতুলতা এবং পর্যাপ্ত ভোটকর্মীর অভাবের কথা জানিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি তুলেছিল রাজ্য সরকার। তাদের দাবি ছিল, একদিনে ভোট করা বাস্তবে সম্ভব নয়। অবশেষে দুদিনের পর্যালোচনা বৈঠকের পর রাজ্যের সেই বক্তব্যই মানতে বাধ্য হল কমিশন। সিইও কার্যালয় সূত্রে খবর, এক দফায় নির্বাচনের ভাবনা আপাতত বাতিল করা হয়েছে। তবে কত দফায় ভোট হবে, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।নির্বাচনী প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে আগামী ৯ মার্চ দিল্লি থেকে কলকাতায় আসছেন জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধি দল। দুদিন রাজ্যে থেকে তারা বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করবেন। তার আগে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরের শীর্ষ কর্তারা রাজ্য প্রশাসন ও পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেন। জেলা নির্বাচনী আধিকারিক, পুলিশ মহাপরিচালক, আইনশৃঙ্খলা বিভাগের শীর্ষ কর্তা ও জেলাশাসকরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। দিল্লি থেকেও দায়িত্বপ্রাপ্ত এক শীর্ষ আধিকারিক ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।বৈঠকে স্পর্শকাতর এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী কীভাবে ব্যবহার করা হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। কমিশন স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে, প্রয়োজন মতো বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। পাশাপাশি বাহিনী যাতে কোনও রকম আতিথেয়তা গ্রহণ না করে, সে বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে রাজ্য পুলিশকে।এ বার বিধানসভা ভোটে ওয়েব কাস্টিং নিয়েও কড়া অবস্থান নিতে চলেছে কমিশন। সূত্রের খবর, নজরদারির দায়িত্বে থাকা সরকারি কর্মচারীদের আরও বেশি জবাবদিহির আওতায় আনা হবে। একজন কর্মী চার ঘণ্টার বেশি দায়িত্বে থাকতে পারবেন না। দায়িত্ব শেষের পর লিখিতভাবে জানাতে হবে ওই সময়ের মধ্যে কী কী দেখেছেন। পরবর্তীতে কোনও অনিয়ম ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট কর্মীকে দায় নিতে হতে পারে। প্রয়োজনে ওয়েব কাস্টিংয়ের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদেরও নিয়োগ করা হতে পারে।কমিশনের প্রতিনিধি দল রাজ্য সফর সেরে ফেরার পরই বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এক দফা ভোটের পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ০৩, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের পালটা আঘাত? কুয়েতে ভেঙে পড়ল মার্কিন যুদ্ধবিমান, ভাইরাল বিস্ফোরণের ভিডিও

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল কুয়েতে। তেহরানে হামলা চালাতে গিয়ে কুয়েতের মাটিতে ভেঙে পড়ল আমেরিকার অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এফ পনেরো। প্রাথমিক অনুমান, ইরানের হামলার জেরেই ক্ষতিগ্রস্ত হয় বিমানটি। যদিও শেষ মুহূর্তে পাইলট নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন বলে জানা যাচ্ছে।ইরানের সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, মাঝ আকাশে বিস্ফোরণের পর আগুন জ্বলতে জ্বলতে প্রায় তিরিশ সেকেন্ড চক্কর খেয়ে মাটিতে আছড়ে পড়ে যুদ্ধবিমানটি। এই ভিডিও ঘিরে ইতিমধ্যেই তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।তবে দুর্ঘটনার বিষয়ে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিবৃতি দেয়নি আমেরিকা বা কুয়েত। একাংশের দাবি, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলায় বিমানটি ভেঙে পড়েছে। আবার অন্য একটি সূত্রের মতে, ভুলবশত মিত্রপক্ষের হামলাতেই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইরানের মাটিতে যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা ও ইজরায়েল। সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেই নিহত হন বলে দাবি করা হয়েছে। এর পর থেকেই পালটা আঘাত হানছে ইরান। মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ছড়িয়ে থাকা একাধিক মার্কিন ঘাঁটি এবং ইজরায়েলের উপর হামলা চালানো হয়েছে। কুয়েত, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে।রবিবার ইরান রিভলিউশনারি গার্ড দাবি করে, তারা আমেরিকার বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কনের উপর একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। যদিও এ বিষয়ে আমেরিকার তরফে এখনও স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্যও প্রকাশ করা হয়নি।এই পরিস্থিতির মাঝেই মার্কিন যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়ার ঘটনা যুদ্ধের উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিল। ইরান-আমেরিকা সংঘাত কোন দিকে মোড় নেবে, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে।

মার্চ ০২, ২০২৬
দেশ

হরমুজ বন্ধ, তেলের দামে আগুন! চাপে ভারত, বাড়বে কি পেট্রল-ডিজেলের দাম?

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার সরাসরি পড়তে শুরু করেছে বিশ্ববাজারে। শেয়ার বাজারে ধস নামার পর এবার তেলের দামে বড় উল্লম্ফন। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহ কার্যত থমকে গেছে। তার জেরে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক ধাক্কায় প্রায় ছয় শতাংশ বেড়েছে।সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি আশি মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যায়। শুক্রবার এই দাম ছিল প্রায় বাহাত্তর দশমিক নয় ডলার। অর্থাৎ মাত্র দুই দিনে ব্যারেল প্রতি প্রায় দশ ডলার বৃদ্ধি। এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব ভারতের উপরও পড়ছে। কারণ দেশের প্রায় নব্বই শতাংশ অপরিশোধিত তেল আমদানি করতে হয় বিদেশ থেকে।পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, আপাতত পেট্রল ও ডিজেলের দাম বাড়ানো হচ্ছে না। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক ভাবে আমদানি শুল্ক ও অন্যান্য কর কমিয়ে সাধারণ মানুষের উপর চাপ কমানোর কথা ভাবা হচ্ছে। তবে দীর্ঘদিন যদি হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকে, তাহলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠতে পারে।মন্ত্রকের হিসেব অনুযায়ী, ব্যারেল প্রতি দশ ডলার দাম বাড়লে ভারতের বার্ষিক আমদানি খরচ তেরো থেকে চোদ্দ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ কয়েক হাজার কোটি টাকার বেশি।বর্তমানে ভারতের হাতে চুয়াত্তর দিনের তেল মজুত রয়েছে। কিন্তু হরমুজ প্রণালী দিয়ে দেশের মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ শতাংশ আসে। তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের বড় অংশও এই পথেই আসে। সারা বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের প্রায় কুড়ি শতাংশ সরবরাহ হয় এই প্রণালী দিয়ে। ফলে এই পথ বন্ধ থাকায় বিশ্ব জুড়েই চাপ বাড়ছে।এখন বিকল্প উৎসের দিকে তাকিয়ে রয়েছে নয়াদিল্লি। আমেরিকা ও ভেনেজুয়েলা-সহ ল্যাটিন আমেরিকা এবং পশ্চিম আফ্রিকা থেকে তেল আমদানি বাড়ানোর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গত এক বছরে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি কিছুটা কমিয়েছে ভারত। বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। তার সরাসরি প্রভাব পড়বে দেশের পরিবহন খরচ, শিল্প উৎপাদন এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে। এখন নজর হরমুজ প্রণালী কবে খুলবে এবং আন্তর্জাতিক বাজার কতটা স্থিতিশীল হয় তার উপর।

মার্চ ০২, ২০২৬
রাজ্য

বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার মাঝেই তফশিলি সমাবেশে তৃণমূলের শক্তি প্রদর্শন, নজর মতুয়া গড়ে

রাজ্য জুড়ে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার মাঝেই তফশিলি ভোটে জোর দিচ্ছে তৃণমূল। সোমবার কলকাতার নজরুল মঞ্চে তফশিলি সমাবেশের আয়োজন করেছে ঘাসফুল শিবির। সেখানে তফশিলি জাতি ও উপজাতি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।লোকসভা নির্বাচনের আগেও তফশিলি সংলাপ কর্মসূচি নিয়েছিল তৃণমূল। সেই সময় তফশিলি অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে জনসংযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। এবার ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে আবারও সেই রণকৌশলেই ফিরছে দল। সূত্রের খবর, এই বৈঠকে প্রায় সাড়ে তিন হাজার বিধায়ক, সংগঠক ও নেতা উপস্থিত থাকবেন।বৈঠকে থাকছেন ভোট কুশলী সংস্থা ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি-এর কর্ণধার প্রতীক জৈনও। তফশিলি অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে কীভাবে জনসংযোগ বাড়ানো যায়, তা নিয়েই মূলত আলোচনা হবে। বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে মতুয়া গড়। সম্প্রতি ভোটার তালিকা প্রকাশের পর মতুয়া সমাজের বহু মানুষের নাম বাদ পড়েছে বলে দাবি করেছেন সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর। এই বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসতে পারে।রাজ্যের একশোরও বেশি বিধানসভা আসনে তফশিলি জাতি ও উপজাতি ভোটারদের প্রভাব রয়েছে। ফলে ভোটের অঙ্কে এই সম্প্রদায়ের সমর্থন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বৈঠকে যে রূপরেখা তৈরি হবে, তার ভিত্তিতে আগামী দিনে দুয়ারে দুয়ারে প্রচার চালাবেন জনপ্রতিনিধিরা। প্রচার গাড়ি নিয়ে তফশিলি অধ্যুষিত গ্রাম ও এলাকায় গিয়ে মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন নেতা-নেত্রীরা। তাঁদের সমস্যা, দাবি এবং অভাব-অভিযোগ শোনা হবে বলে দল সূত্রে জানা গিয়েছে।দক্ষিণবঙ্গে নদিয়া, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরে তফশিলি জনগোষ্ঠীর বড় অংশের বাস। উত্তরবঙ্গে আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারেও এই ভোট গুরুত্বপূর্ণ। গত বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভোটের হার ছিল প্রায় পঁয়তাল্লিশ থেকে ছেচল্লিশ শতাংশ। এবার সেই হার আরও বাড়ানোর লক্ষ্যেই তফশিলি সমাবেশকে বড় কৌশল হিসেবে দেখছে রাজনৈতিক মহল।

মার্চ ০২, ২০২৬
বিদেশ

মুসলিম বিশ্বে একঘরে ইরান! দূতাবাস বন্ধ করল আমিরশাহী, তেহরানের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। ইরানের লাগাতার হামলায় রক্তাক্ত একাধিক মুসলিম দেশ। সৌদি আরব, কাতার, ওমান-সহ বিভিন্ন দেশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে তেহরানের বিরুদ্ধে। এই পরিস্থিতিতে ইরানকে কার্যত একঘরে করার পথে হাঁটল সংযুক্ত আরব আমিরশাহী। তেহরানে থাকা তাদের দূতাবাস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ইরানে নিযুক্ত কূটনীতিকদেরও ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সম্প্রতি ইরানের মাটিতে আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় মৃত্যু হয় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেই-সহ একাধিক শীর্ষ ব্যক্তিত্বের। তার পর থেকেই প্রতিশোধের আগুনে জ্বলছে তেহরান। শনিবার ও রবিবার দুবাই, আবুধাবি, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত এবং সৌদি আরবে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলেছে।ইরানের এই পদক্ষেপে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে আরব দেশগুলি। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ স্পষ্ট ভাষায় জানান, প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে এভাবে আগ্রাসী হওয়া সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। তিনি বলেন, নিজেদের যুদ্ধ অন্য দেশের উপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়।কিন্তু সতর্কবার্তার পরও হামলা থামেনি। বরং আক্রমণের মাত্রা বেড়েছে বলেই অভিযোগ। ফলে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার কঠোর সিদ্ধান্ত নেয় আমিরশাহী। সে দেশের বিদেশমন্ত্রক জানায়, এই হামলা সার্বভৌমত্বের গুরুতর লঙ্ঘন। কয়েক দশকের সম্পর্কের ইতিহাসে এই প্রথম ইরানে দূতাবাস বন্ধ করল আমিরশাহী।শনিবার মার্কিন হামলার পরই দুবাইয়ের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পাম জুমেইরাহ অঞ্চলে বিস্ফোরণের ঘটনা নিশ্চিত করেছে প্রশাসন। বিশ্বের অন্যতম উঁচু ভবন বুর্জ খলিফা-র কাছেও বিস্ফোরণের খবর মেলে। নিরাপত্তার কারণে খালি করে দেওয়া হয় ওই ভবন।রবিবারও হামলা অব্যাহত থাকে। আবুধাবির একটি নৌসেনা ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দুবাইয়ের রুওয়াইস শিল্পাঞ্চলে ছোড়া রকেট আছড়ে পড়ে। একাধিক মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে।মধ্যপ্রাচ্যের এই ক্রমবর্ধমান উত্তেজনায় উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে। মুসলিম বিশ্বের বড় অংশ ইরানের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নেওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। যুদ্ধের আগুন কোথায় গিয়ে থামবে, তা নিয়েই এখন বড় প্রশ্ন।

মার্চ ০২, ২০২৬
দেশ

মধ্যপ্রাচ্য জ্বলছে, দিল্লিতে তৎপরতা! নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বলেই কড়া বার্তা দিলেন মোদী

মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ফোন করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার গভীর রাতে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে কথা হয়। সূত্রের খবর, বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে। একইসঙ্গে দ্রুত যুদ্ধ বন্ধ করার আবেদনও জানিয়েছেন মোদী।শনিবার থেকে ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। আমেরিকাও ইজরায়েলের পাশে দাঁড়িয়ে হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে। পালটা আক্রমণ চালাচ্ছে ইরান। একাধিক মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার খবর মিলেছে। পরিস্থিতি নিয়ে আগেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। দিল্লিতে ফিরে জরুরি মন্ত্রিসভার বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকের পরই নেতানিয়াহুকে ফোন করা হয় বলে জানা গিয়েছে।সামাজিক মাধ্যমে মোদী জানান, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে ভারতের উদ্বেগের কথা তুলে ধরেছেন তিনি। সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার কথাও বলেছেন। যত দ্রুত সম্ভব যুদ্ধ বন্ধের প্রয়োজনীয়তার বিষয়েও মত জানান তিনি।এদিকে ইজরায়েলের বিদেশমন্ত্রী গিডিয়ন সার-এর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।রবিবার রাতে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান-এর সঙ্গেও কথা বলেন মোদী। সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তিনি। নিহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করে আশ্বাস দিয়েছেন, কঠিন সময়ে ভারত পাশে রয়েছে।উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইজরায়েল সফরে গিয়েছিলেন মোদী। সেখানে দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয় এবং বিশেষ সম্মানও দেওয়া হয় তাঁকে। সেই সফর শেষে ভারতে ফেরার আগেই ইরানের উপর যৌথ হামলা শুরু হয়। ফলে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে চাপের মুখে পড়েছে ভারত।হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় তেল আমদানিও প্রভাবিত হচ্ছে। দেশে ফিরে মন্ত্রিসভার বৈঠকে আটকে পড়া ভারতীয়দের নিরাপত্তা, তেল আমদানি এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। তবে এখনই ইরান থেকে ব্যাপক উদ্ধার অভিযান চালানোর পরিকল্পনা নেই। বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে থাকা ভারতীয় ছাত্রছাত্রী ও কর্মীদের কারণে পরিস্থিতি জটিল। কেন্দ্র জানিয়েছে, ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে বলা হয়েছে সকলকে।মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থির পরিস্থিতিতে ভারতের কূটনৈতিক পদক্ষেপ এখন নজরে আন্তর্জাতিক মহলের। যুদ্ধ থামাতে কূটনৈতিক উদ্যোগ কতটা সফল হয়, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

মার্চ ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal