• ১ চৈত্র ১৪৩২, রবিবার ১৫ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Durgapur

রাজ্য

ধর্মঘটে দুর্গাপুরে টায়ার জ্বালিয়ে জাতীয় সড়ক অবরোধ, গ্রেফতার বাম কর্মী-সমর্থকরা

মঙ্গলবার সাধারণ ধর্মঘটের দ্বিতীয় দিনে কোনও প্রভাব না পড়লেও মঙ্গলবার দুর্গাপুরের মুচিপাড়ায় জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভে সামিল হলেন বাম কর্মী সমর্থকরা।সোম বার ও মঙ্গলবার সারা দেশ ব্যাপী সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেয় কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন ও ফেডারেশন সমূহ। সাধারণ ধর্মঘটের সমর্থনে মঙ্গলবার সকালে দুর্গাপুরের মুচিপাড়ায় রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় বাম কর্মী সমর্থকরা।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বিভিন্ন থানার পুলিশ পৌঁছে বিক্ষোভকারীদের সরাতে গেলে।পুলিশের সাথে বিক্ষোভকারীদের শুরু হয় বচসা ও ধস্তাধস্তি।বিক্ষোভকারীদের সরাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।

মার্চ ২৯, ২০২২
রাজ্য

দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানায় গ্যাস লিক করে মৃত ৩ শ্রমিক, আশঙ্কাজনক ৪

গ্যাস লিক করে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটল পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানায়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তিন ঠিকা শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় চার জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কারখানার শ্রমিকদের অভিযোগ, কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসের মিশ্রণে তৈরি হয় বিওএফ গ্যাস। এই মারণ কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসের কারণেই অসুস্থ হয়ে পড়েন এই ঠিকা কর্মীরা।কারখানা সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ ডিএসপি কারখানার বেসিক অক্সিজেন ফার্নেস (বিওএফ) বিভাগের দুনম্বর কনভার্টারের রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। ওই কনভার্টার পরিচর্যার কাজ করছিলেন তিন ঠিকা শ্রমিক। এই কনভার্টারে হট মেটাল গ্যাসের সাহায্যে ব্লো করে লিকিউড স্টিল তৈরি করা হয়। কনভার্টার পরিচর্যার কাজে যাওয়া ওই তিন ঠিকা কর্মীর ফিরতে দেরি হওয়ায় বিষয়টি দেখতে সেখানে যান আরও এক ঠিকা কর্মী। তিনিই দেখেন, জ্ঞান হারিয়ে পড়ে রয়েছেন ওই তিন ঠিকা কর্মী। এর পরেই তিনি বাকিদের খবর দেন। এর ঘণ্টা দুয়েক পর তাঁদের উদ্ধার করে ডিএসপি ইস্পাত কারখানার দমকল ও সিআইএসএফ। উদ্ধারের সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন আরও চার জন। সঙ্গে সঙ্গেই আহতদের ইস্পাত কারখানার হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত তিন ঠিকা শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের নাম সিন্টু যাদব (২৭), সন্তোষ চৌহান (২৭) ও সজন চৌহান (৪৮)।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যের মন্ত্রীর স্ত্রী দুর্গাপুর এক্সপ্রেস ওয়েতে দুর্ঘটনার কবলে, বর্ধমান থেকে ছুটে গেলেন বাবা

দুর্ঘটনার কবলে রাজ্যের মন্ত্রী হুমায়ুন কবীরের স্ত্রী অনিন্দিতা দাস কবীরের গাড়ি। মঙ্গলবার বিকাল চারটে নাগাদ ঘটনাটি ঘটে গুড়াপ থানার বশিপুর মোড়ে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন বিকেলে বর্ধমানের দিক থেকে কলকাতার দিকে যাচ্ছিলেন মন্ত্রীর স্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী অনিন্দিতা। গাড়িতে ছিলেন তাঁর সিকিউরিটি। দুর্ঘটনায় ড্রাইভারসহ তিন জনই জখম হয়েছেন।দুর্ঘটনাগ্রস্ত লালবাতি লাগানো গাড়িটি উদ্ধার করে পুলিশ গুড়াপ থানায় নিয়ে যায়। পুলিশ সূত্রে খবর, কলকাতা যাওয়ার পথে দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়েতে বশিপুর এর কাছে হুমায়ুনের স্ত্রীর গাড়িতে পিছন থেকে ধাক্কা মারে একটি লরি। যার ফলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ওই গাড়িটি দাঁড়িয়ে থাকা একটি কনটেইনারের পিছনে ধাক্কা মারে। দুমড়ে-মুচড়ে যায় গাড়িটি। লালবাতি গাড়িটির পিছনে ও সামনের অংশে ভেঙে গিয়েছে। দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে গুড়াপ থানার পুলিশ।মেয়ের দুর্ঘটনার খবর পেয়ে অনিন্দিতার বাবা বর্ধমান থেকে চলে আসেন। ঘন্টা তিন পরে বাবার গাড়িতে তাঁরা কলকাতা রওয়ানা হয়ে যান।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২২
রাজ্য

Durgapur: চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা দুর্গাপুরে

চিকিৎসায় গাফিলতিতে মৃত্য়ুকে ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ছড়াল দুর্গাপুরে। মৃতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ ও অভিযুক্ত চিকিৎসকের শাস্তির দাবিতে হাসপাতালে দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ চলে। হাসপাতালের কর্মীদের সঙ্গে মৃতের পরিবারের ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। ঘটনাস্থলে পুলিশ এলে ক্ষোভে ফেটে পড়ে মৃতের পরিজনরা। পুলিশকে ঘিরে ধরে প্রবল দেখাতে থাকে। মৃতদেহ নিতে অস্বীকার করতে থাকে পরিবারের লোকেরা। চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ধুন্দুমার কান্ড ঘটে দুর্গাপুরের সোভাপুরের কাছে এক বেসরকারি হাসপাতালে। বৃহস্পতিবার এই ঘটনার জেরে হাসপাতাল চত্বরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশকে ঘিরে ধরে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু করে দেয় মৃতের পরিবার-পরিজনরা। হাসপাতালের গেটের সামনে দাঁড়িয়ে পড়ে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে ওঠে। ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায় হাসপাতাল কর্মীদের সঙ্গে। ঠেলাঠেলি শুরু হয়ে যায় পুলিশের সঙ্গেও। হাসপাতালের গেটের সামনে বসে পড়ে প্রবল বিক্ষোভ শুরু করে দেয় মৃতের পরিবার পরিজনরা।মৃতের পরিবারের দাবি. যত ক্ষণ না চিকিৎসক আসছেন ততক্ষন তাঁরা বসে থাকবেন হাসপাতালের গেটের সামনে। এছাড়া তাঁরা ক্ষতিপূরণের দাবি করতে থাকেন। প্রবল বিক্ষোভের জেরে হাসপাতালে চত্বরে চরম বিশৃঙ্খলা শুরু হয়। বোঝাতে এলে পুলিশকে ঘিরে ধরে শুরু হয় তুমুল বিক্ষোভ। গত ৮ নভেম্বর অন্ডালের কাজোড়ার কাজল মন্ডলকে বুকে ব্যাথা নিয়ে সোভাপুরের এই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। স্বাস্থ্য সাথী কার্ড নিয়ে ভর্তি করা হয় এই হাসপাতালে। অভিযোগ, বুধবার পর্যন্ত রুগী ভালো আছে বলে জানানো হয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে। কিন্তু বৃহস্পতিবার সকালে হঠাৎই হাসপাতাল থেকে খবর দেওয়া হয় রুগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক, হাসপাতালে এসে দেখেন তাদেরকে প্রিয়জনের মৃত্য়ু হয়েছে। অবিলম্বে অভিযুক্ত চিকিৎসককে এসে ক্ষমা চাইতে হবে এই দাবিতে তুমুল বিক্ষোভ শুরু হয় হাসপাতাল গেটের সামনে, এরপরই শুরু হয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বচসা, দু এক কথা হতে হতে শুরু হয়ে যায় ধস্তাধস্তি, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এলে তাদেরকে ঘিরে ধরেও প্রবল বিক্ষোভ শুরু হয় জনতার। গোটা ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এরই মধ্যে হাসপাতালের এক নিরাপত্তারক্ষীর বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলে উত্তপ্ত হয় হাসপাতাল চত্বর। দাবি ওঠে অবিলম্বে তাঁকে গ্রেপ্তার করতে হবে। ফের চলতে থাকে বিক্ষোভ। পরিস্তিতির সামাল দিতে ঘটনাস্থলে আসে দূর্গাপুর থানার পুলিশ। আটকে দেওয়া হয় হাসপাতালের বাকি রুগীদের পরিবার-পরিজনকে, পুলিশের মধ্যস্থাতায় পরিস্থিতি শান্ত হলেও ক্ষতিপূরণ আর অভিযুক্ত চিকিৎসকের শাস্তির দাবিতে চলতে থাকে বিক্ষোভ। মীমাংসা না হওয়া মৃতদেহ নিতে অস্বীকার করে মৃতের পরিবারের সদস্যরা। প্রবল উত্তেজনা থাকায় হাসপাতাল চত্বরে পুলিশ মোতায়ন রয়েছে। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

নভেম্বর ১১, ২০২১
রাজ্য

Tragic Death: মৌমাছির কামড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু বৃদ্ধের

মর্মান্তিক মৃত্যু বৃদ্ধের। মৌমাছির কামড়ে মৃত্যু হয়েছে এমএএমসি কলোনির বাসিন্দা ওই বৃদ্ধর। মৃতের নাম বিকে সিং। তাঁর বয়স আনুমানিক ৭০ বছর।সোমবার বিকেলের ঘটনা। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ওই বৃদ্ধ রাস্তা দিয়ে হেটে পারাপার করার সময় দুর্গাপুরের একটি সরকারি মহাবিদ্যালয়ের কাছে তাঁকে এক ঝাঁক মৌমাছি ঘিরে ধরে। ঘটনার পরই তিনি ছুটে স্থানীয় একটি নির্মীয়মাণ বাড়ির জলাশয় ঝাঁপ দেন। স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করে।সোমবার গভীর রাতে হাসপাতালেই বৃদ্ধর মৃত্যু হয়। মঙ্গলবার মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। পরিবারের সদস্যরা এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ওই রাস্তা দিয়ে পারাপার করতে হলে রীতিমতো আতঙ্কের মধ্যে পারাপার করতে হয়। কারণ ওই মৌমাছির ঝাঁক। জানা গিয়েছে, ওই বৃদ্ধ অবসরপ্রাপ্ত বিওএইচএল কারখানার অবসরপ্রাপ্ত আধিকারিক ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
রাজ্য

Covid: দুর্গাপুরে কোভিড আক্রান্ত তিন শিশু, বাড়ছে শ্বাসকষ্টজনিত জ্বর, আতঙ্ক শিল্পশহরে

দুদিন আগে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালের শিশু বিভাগে ইনজেকশন দেওয়ার পর শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়ে বলে অভিযোগ। আতঙ্কে শিশুদের নিয়ে হাসপাতাল ছাড়তে শুরু করে অভিভাবকরা। দূর্গাপুর মহকুমা হাসপাতাল কতৃপক্ষ আশ্বাস দিলেও শোনেনি তাঁরা। এবার এই হাসপাতালে তিন শিশুর শরীরে করোনা সংক্রমণ হওয়ায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।ইনজেকশন বিতর্কের মাঝেই দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে তিন শিশুর শরীরে কোভিডের নমুনা ধরা পড়ায় অভিভাবকদের মধ্যে দুশ্চিন্তা বেড়েছে। জানা গিয়েছে, একই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শ্বাসকষ্ট জনিত জ্বরে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা। এর ফলেই ক্রমশ উদ্বেগ বাড়ছে শিল্পশহর দুর্গাপুরে। পরিস্থিতি সামাল দিতে তৎপর জেলা স্বাস্থ্য দফতর।সূত্রের খবর, দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সমস্ত শিশুরই কোভিড পরীক্ষা করা হচ্ছে। এর মধ্যেই শনিবার তিন শিশুর শরীরে কোভিডের নমুনা পাওয়া যায়। এই শিশুদের সঙ্গে সঙ্গেই কোডিড ওয়ার্ডে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে জেলা স্বাস্থ্য দফতর। পশ্চিম বর্ধমান জেলার ডেপুটি CMOH কেকা মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, করোনার থার্ড ওয়েভ নিয়ে স্বাস্থ্য দফতর চিন্তিত। একই সঙ্গে শিশুদের অভিভাবকদের আরও সতর্ক ভাবে কোভিড বিধি মেনে চলার পরামর্শ দেন।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১
রাজ্য

Durgapur Dharna: স্ত্রী-সন্তানকে বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চেয়ে শ্বশুরবাড়ির সামনে ধরনায় বসলেন স্বামী

স্বামীর ঘরে ফিরে যাওয়ার আবেদন করে শ্বশুরবাড়ির সামনে বধূর ধরনায় বসতে দেখা গিয়েছে। কিন্তু নিজের স্ত্রী ও সন্তানকে বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার আবেদন করে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার ঘটনা খুব একটা চোখে পড়েনা। দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলের ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের ডিটিপিএস এলাকাতে এমনটাই ঘটতে দেখা গেল। এলাকার নিউ কলোনির বাসিন্দা দেবদুলাল দে নিজের স্ত্রী ও সাত বছরের সন্তানকে ফিরে পেতে শ্বশুরবাড়ির সামনেই ধরনায় বসেছেন। যদিও এর আগে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। আরও পড়ুনঃ ইউপিএসসি-তে প্রথম দুশোয় বাংলার রিকি ও ময়ূরীজানা গিয়েছে, শাশুড়ির বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন দেবদুলাল বাবুর স্ত্রী অপর্ণা দেবী। বিষয়টির নিষ্পত্তি হলে শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে মহিলা বাপের বাড়িতে চলে যান। ফিরে আসার কথা বললেও তিনি কথা শোনেনি। বরং শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন। আইনি চিঠিও পাঠানো হয়েছে কিন্তু তাতেও আখেড়ে কোনও লাভ হয়নি। দেবদুলাল বাবুর অভিযোগ, ছেলেকে তাঁর বাবা-মা দেখতে গেলে স্ত্রী ও তাঁ বাড়ির লোকজনেরা তাঁদের অপমান করেন। সব চেষ্টা বিফলে যাওয়ায় অবশেষে শ্বশুরবাড়ির সামনেই শনিবার ধরনায় বসলেন দেবদুলাল বাবু। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, স্ত্রী ও সন্তান বাড়িতে না ফিরলে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নেবেন। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এদিন সকাল থেকেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। যদিও এখনও জানা যায়নি, স্বামীর কথা শুনে দেবদুলাল বাবুর স্ত্রী শ্বশুরবাড়িতে ফিরে যাবেন কি না। কারণ, আগেই তিনি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, তিনি কিছুতেই আর স্বামীর ঘরে ফিরে যাবেন না।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
রাজ্য

Water Logged: জল যন্ত্রণার শিকার দুর্গাপুরের মহালক্ষ্মী পার্কনিবাসীরা, চিঠি লিখলেন মুখ্যমন্ত্রীকে

রাজ্যজুড়ে সক্রিয় মৌসুমী বায়ু। তার উপর আবার নিম্নচাপ। দুয়ে মিলে রাজ্যজুড়ে প্রবল বর্ষণ। জলমগ্ন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত। আর এই জলযন্ত্রণার শিকার দুর্গাপুর বিধাননগরের মহালক্ষ্মী পার্ক। এলাকায় পাকা নর্দমার অভাবে টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন অবস্থায় দিন কাটছে মহালক্ষ্মী পার্ক নিবাসীবৃন্দর। স্থানীয় প্রশাসনকে বারংবার বলে কাজ না হওয়ায় অগত্যা দুর্গাপুর পৌর নিগম-এর মেয়রকে উদ্দেশ্য করে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। সেখানে তাঁরা উল্লেখ করেছেন যে, স্থানীয় প্রশাসনকে বিগত বছর ধরে জানিয়েও কোনও সুরহা পাননি। আরও পড়ুনঃ সিবিএসই দ্বাদশের ফলপ্রকাশ, পাশের হার ৯৯.৩৭%এক ঘণ্টা ভারী বৃষ্টি বা মাঝারি বৃষ্টিপাতেই এলাকার নালা ভরে রাস্তায় আবর্জনাজল উঠে আসে। ঝর্নাপল্লী বিধাননগর হাউজিং ও শরৎপল্লী এলাকায় এই আবর্জনা জলের সঙ্গে বাড়ির পাশেপাশে উঠে আসে বিষধর সাপ, ব্যাঙ ও নানা পোকামাকড়। দীর্ঘদিনের সমস্যা বৃ্হস্পতিবারের বৃষ্টির পর আরও বেড়ে গিয়েছে। বৃষ্টি থামলেও জল নামেনি এলাকার। বাড়িতে প্রায় জলবন্দি অবস্থায় দিন কাটাতে হচ্ছে বাসিন্দাদের। বাড়ির ভিতরে জল ঢুকে গিয়ে বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের পরিস্থিতিও সৃষ্টি হয়েছে। এমতাবস্থায় প্রত্যেকদিন এরকম আতঙ্কের মধ্যে থাকা যায়না বলে পুরমাতা লাভলী রায় ও বরো চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। এরওপর মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য এই প্রচেষ্টা বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। যাতে সত্ত্বর এই সমস্যা থেকে মুক্তি পায় এলাকার বাসিন্দারা। এবং নির্ভয়ে বসবাস করতে পারেন।

জুলাই ৩১, ২০২১
রাজ্য

Note: ঝোপ থেকে উদ্ধার বাতিল ৫০০-র নোট

পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরে রাস্তার ধারে ঝোপজঙ্গল থেকে উদ্ধার হল লক্ষাধিক টাকার পুরনো পাঁচশো টাকার নোট! আগাছা পরিষ্কার করতে গিয়ে এই পুরনো ৫০০ টাকা ভর্তি বস্তা দেখতে পান ১০০ দিনের কাজের সাফাইকর্মীরা। প্রায় পাঁচ বছর আগে নোট বাতিলে অচল হয়ে যাওয়া এত পুরনো নোট কীভাবে এলাকায় এল, তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। গোটা ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।নোট বাতিলের প্রায় ৫ বছর পর বাতিল পাঁচশো টাকার নোটের দেখা মিলল পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরের সিজোন এলাকায়। সেখানে পড়েছিল গুচ্ছ গুচ্ছ বাতিল ৫০০ টাকার নোট। রাস্তার ধারে দুর্গাপুর পুরসভার আগাছা সাফাইয়ের কাজ চলছিল। সেই সময় শ্রমিকরা দেখতে পান নোটগুলি। কোথা থেকে কীভাবে এল লক্ষাধিক টাকার পুরনো নোট, খতিয়ে দেখছে পুলিশ। উল্লেখ্য, ২০১৬-র ৮ নভেম্বর ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । দুর্নীতি ও কালো টাকা দমনে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয় বলে জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তখনকার সময়ে চালু থাকা ৫০০ ও হাজার টাকার নোটকে বাতিল বলে ঘোষণা করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণায় রাতারাতি কাগজের টুকরোয় পরিণত হয় ৫০০ ও হাজার টাকার নোট।

জুলাই ২৬, ২০২১
রাজ্য

Murder: দুর্গাপুরে দিদিকে ইট দিয়ে থেতলে খুন, গ্রেফতার ভাই

পারিবারিক সম্পত্তিগত বিবাদে নিজের দিদিকে মাথায় ইট দিয়ে থেতলে খুন করল ভাই। রবিবার দুর্গাপুরের নিউটাউনশিপ থানার স্টিল পার্কের এই নৃশংস খুনের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। জানা গিয়েছে, মৃতা নুপুর চ্যাটার্জী(৪৬) হাওড়াতে থাকতেন। ভোটের আগে দুর্গাপুরে স্টিল পার্কে বাড়িতে এসেছিলেন। আর এরপর থেকেই দীর্ঘদিনের সম্পত্তিগত বিবাদ ফের মাথা চাড়া দেয়।আরও পড়ুনঃ ছাদ থেকে পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু, আত্মহত্যা না দুর্ঘটনা?পুলিশের বক্তব্য, প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে সম্পত্তি নিয়ে বাড়িতে ছোটখাটো ঝঞ্ঝাট লেগেই থাকত। এদিন ইট দিয়ে মাথায় আগাত করে দিদিকে মেরে ফেলে ভাই। তারপর নিজেও আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছিল। ঘটনার কথা সে স্বীকারও করেছে। বাড়িতে বিধবা মা-ও থাকেন। তদন্তে বিষয়টা আরও স্পষ্ট হবে।রবিবার দুপুরে দু এক কথা হতে হতে ঝগড়া চরমে ওঠে। নুপুরদেবী বাড়ীর ছাদে কাপড় মেলতে উঠেছিল। ঠিক সেই সময় নুপুরের দাদা মলয় বাড়ীর ছাদে উঠে দিদিকে চেপে ধরে মাথায় ইটের আঘাত করতে শুরু করে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় নুপুর চট্টোপাধ্যায়ের। প্রতিবেশীরা এই খবর জানতে পেরে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ এসে অভিযুক্ত মলয় চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেপ্তার করে। মলয় দুর্গাপুরের বেসরকারি এক কলেজের কর্মী। গোটা ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে দুর্গাপুরের নিউটাউনশীপ থানার স্টিল পার্ক এলাকায়।আরও পড়ুনঃ হিজবুল মুজাহিদিনের নামে হুমকির সিডি রায়গঞ্জে, হুঙ্কার প্রাথমিকে নিয়োগ নিয়েএদিনের ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছেন মলয়ের স্ত্রী মৌমিতা চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এদিন ননদ জামাকাপড় মেলতে ছাদে উঠছিল। তখন তাঁর পিছনে আমার স্বামীও ওঠে। ননদের চিৎকার শুনতে পাই। আমার স্বামী ইট দিয়ে ননদের মাথায় আঘাত করতে থাকে। সে নৃশংস দৃশ্য। নিমিষেই সব শেষ হয়ে যায়। নিয়মিত বাড়িতে ঝগড়া হয়। তবে এদিন তেমন কিছু হয়নি। বিয়ের পর থেকে বাড়ির অন্যরা আমাকে মেনে নিতে পারেনি। আমি বলেছিলাম বাড়ি ছেড়ে ভাড়াবাড়িতে গিয়ে উঠি।

জুলাই ১৮, ২০২১
রাজ্য

Cheating Style: কীভাবে ফাঁদে ফেলত চাকরির প্রতারণা চক্র? কারাই বা পান্ডা?

চিটফাণ্ড কাণ্ডে এরাজ্যে লক্ষ লক্ষ মানুষ নিঃস্ব হয়েছে। এবার চাকরি, তার সঙ্গে প্রশিক্ষণের নামে সক্রিয় প্রতারণা চক্র। করোনা আবহেও তারা অতি-সক্রিয়। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে এই প্রতারণা চক্রের জাল বহুদূর বিস্তৃত রয়েছে, যার সঙ্গে যোগসাজস থাকতে পারে প্রভাবশালীদেরও। কীভাবে এই চক্র জাল বিছিয়ে ছিল? কারাই বা এই কাণ্ডের মাথা?আরও পড়ুনঃ কীভাবে ফাঁদে ফেলত চাকরির প্রতারণা চক্র? কারাই বা পান্ডা?পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা হল মিহির কুমার দাস, আলি হোসেন, হাসিবুল রহমান, আবুল বাসদ, রিয়াজুল ইসলাম, ইব্রাহিম শেখ, শ্যামসুল আলম ও মলয় কর্মকার। এই ধৃতদের মধ্যে প্রথম ছয় জন মুর্শিদাবাদ জেলার বাসিন্দা। বাকিদের মধ্যে শ্যামসুল বীরভূম জেলার নলহাটি থানার গোপালচক ও মলয় কর্মকার হুগলির সিঙ্গুর থানার জগৎনগর এলাকার বাসিন্দা। পুলিশের দাবি ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ৭টি মোবাইল ফোন, ৩ টি পেনড্রাইভ, ৭টি স্ট্যাম্প, অশোকস্তম্ভ দেওয়া বেশ কিছু নথিপত্র ও ফর্ম, কয়েকটি রেজিস্টার খাতা, ১লক্ষ ১০ হাজার ৫০০ টাকা, সংবাদপত্রে দেওয়া বিজ্ঞাপনের কপি এবং একটি দামি চারচাকা গাড়ি। এ ছাড়াও উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের কাছে পাঠানো চিঠি, পথ-সুরক্ষা নিয়ে রাজ্যপালের শংসাপত্রও উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ দাবি করেছে।আরও পড়ুনঃ গানওয়ালার গান চুরির অভিযোগ, ক্ষোভপ্রকাশ সামাজিক মাধ্যমেপ্রতারণার একাধিক ধাারায় মামলা রুজু করে পুলিশ মঙ্গলবার ৮ ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। প্রতারণা চক্রে জড়িত বাকি পাণ্ডাদের হদিশ পেতে ও তদন্তের প্রয়োজনে তদন্তকারী অফিসার ধৃতদের মধ্যে মিহির দাস, আবুল বাসার ও মলয় কর্মকারকে ৭ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে এদিন আদালতে আবেদন জানান। সিজেএম ৩ ধৃতের ৫ দিনের পুলিশি হেপাজত ও বাকিদের জেল হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন প্রতারিত চাকরি প্রার্থীরা।আরও পড়ুনঃ দাম্পত্যে ইতি। বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত লাগান খ্যাত ভুবনেরপথ সুরক্ষার প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রায় তিন হাজার বেকার যুবক -যুবতীয় কাছে একটি সংস্থার নাম করে প্রতারকরা কয়েক কোটি টাকা তুলেছে বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার জেলার মেমারির পালসিটের একটি ধাবাতে প্রশিক্ষণ নেওয়া কর্মপ্রার্থীদের শপথ পত্রে সই করাতে আসে প্রতারক দলটি। মেমারির কানাইডাঙা নিবাসী সেখ মইনুল হাসান নামে এক প্রতারিত যুবক প্রতারকদের বিষয়ে ওইদিনই মেমারি থানায় অভিযোগ জানান। পালশিটের এক ধাবায় হাজির হয়েছিলেন ৩৩ জন কর্মপ্রার্থী। তাঁরা মূলত পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, হুগলি জেলার বাসিন্দা। তাঁদের মধ্যে মেমারির কানাইডাঙার মইনুল হাসান সহ ২০ জন পুলিশকে প্রতারণার কথা জানান। মইনুল হাসানের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা রুজু করেছে।আরও পড়ুনঃ শিব- পার্বতীর বিবাহ স্থলেযুবক মইনুল হাসান পুলিশকে অভিযোগে জানিয়েছে, ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে শক্তিগড়ের সামন্তী গ্রামের বাসিন্দা ধনঞ্জয় মাঝির মাধ্যমে তাঁর মুর্শিদাবাদের নবগ্রামের মিহির কুমার দাসের পরিচয় হয়। ওই ব্যক্তির সঙ্গেই তারকেশ্বরের মহেশপুরের বিনয় কুমার মালিকের কাছে গিয়ে তিনি কেন্দ্র সরকারের চাকরির আশায় ৫৫ হাজার টাকা দেন। তাঁদের গ্রামের শেখ গোলাম মহম্মদ ছাড়াও আরও কোন কোন কর্মপ্রার্থী কত টাকা চাকরির জন্য দিয়েছে তাও তিনি পুলিশকে লিখিত ভাবে জানিয়েছেন। ওই যুবক জানিয়েছে, ২০১৭ সাল থেকে এই চক্রটি চলছে। দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে-সহ রাজ্যের অন্য লেনে পথ নিরাপত্তার কাজে তাঁদের নিয়োগ করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কেন্দ্র সরকারের তরফে এই চাকরি দেওয়া হবে বলে জানিয়ে কর্মপ্রার্থীদের কাছে আবেদন নেওয়া হয়। তারপর ৬০ হাজার থেকে সাড়ে চারলক্ষ টাকা ধাপে ধাপে কর্মপ্রার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া হয়। এরপর কলকাতার কসবার কাছে একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁদের শারীরিক পরীক্ষা করানো হয়। এরপর তাঁদের বারাসাতে তিনদিনের প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়। যদিও ধৃতরা দাবি করেছে, চাকরি দেওয়ার নাম করে নয়, প্রশিক্ষণ দেওয়ার নামে ২৫ হাজার টাকা করে তাঁরা নিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ বিধানসভায় দিলীপ-মদনের রঙিন রসিকতাজেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যাণ সিংহ রায় জানিয়েছেন, ধৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, তাঁদের হেড অফিস কলকাতার নিমতা থানার বিরাটিতে। জনৈক দেবকুমার চট্টোপাধ্যায় হচ্ছেন ওই সংস্থার প্রধান। গোটা চক্রটিকে ধরার চেষ্টা চলছে।

জুলাই ০৬, ২০২১
স্বাস্থ্য

Vaccinated Without Vaccine: করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ না নিয়েও ’ফাইনাল সার্টিফিকেট’! তারপর কি ঘটল?

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়করোনা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ না নেওয়া সত্ত্বেও ফাইনাল সার্টিফিকেট চলে এসেছে বর্ধমানের এক বাসিন্দার। কোউইন অ্যাপ (CoWin App) থেকে ডাউনলোড করে এমন সার্টিফিকেট পাওয়ার পরেই কার্যত চোখ কপালে উঠে গিয়েছে শহর বর্ধমানের টিকরহাটের বাসিন্দা উত্তম সাহার। এমন সার্টিফিকেট আসার পর আর দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন পাবেন কিনা তা নিয়েই দুঃশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছেন উত্তম বাবু। বিষয়টি নিয়ে তিনি সোমবার জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। উত্তমবাবুর সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন পূর্ব বর্ধমানের জেলা শাসক।আরও পড়ুনঃ ছোট্ট ছুটির ঠিকানা সিঙ্গিবর্ধমানের সরাইটিকরের বাসিন্দা বছর ৫৭ বয়সী উত্তম সাহা প্রশাসনকে জানিয়েছেন, গত ৬ এপ্রিল তিনি কোভিশিল্ডের প্রথম ডোজের টিকা নেন বর্ধমান পৌরসভার স্বাস্থ্য কেন্দ্রে। তারপর সম্প্রতি তিনি কোউইন অ্যাপ থেকে ওই প্রথম ডোজের সার্টিফিকেট ডাউনলোড করেন । তখনই তিনি জানতে পারেন ২৯ জুন থেকে ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে তাঁকে দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিতে হবে। তার জন্য কয়েকদিন আগে তিনি কোউইন অ্যাপের মাধ্যমে শ্লট বুকিং করেন। তাঁকে মেমারি গ্রামীণ হাসপাতালের অধীন দুর্গাপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ৩ জুলাই দ্বিতীয় ডোজের টিকা নেওয়ার স্লট বুকিং দেওয়া হয়। উত্তম বাবু বলেন, যেহেতু তিনি ডায়াবেটিক রোগী তাই মেমারি যেতে চাননি।আরও পড়ুনঃ দাম্পত্যে ইতি। বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত লাগান খ্যাত ভুবনেরকোউইন (CoWin) অ্যাপের মাধ্যমে বুকিং ক্যানসেল করার চেষ্টা করেন। কিন্তু তিনি তা পারেননি। ৩ জুলাই মেমারিতে দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন নিতে যেতেও পারেননি। উত্তমবাবু জানান, তিনি দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন নিতে যেতে না পারলেও তাঁর মোবাইলে দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন নেওয়ার সার্টিফিকেট চলে আসে। সেই সার্টিফিকেট কোউইন অ্যাপের মাধ্যমে ডাউনলোডও করা যাচ্ছে বলে উত্তম বাবু দাবি করেন।আরও পড়ুনঃ গানওয়ালার গান চুরির অভিযোগ, ক্ষোভপ্রকাশ সামাজিক মাধ্যমেউত্তম বাবুর অভিযোগ পাওয়ার পর জেলাশাসক প্রিয়াংকা সিংলা সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। স্বাস্থ্য দপ্তরের বক্তব্য, প্রযুক্তিগত সমস্যায় এমনটা ঘটছে। ভ্যাকসিন নেওয়ার স্লট বুকিং থাকলে অনেক ক্ষেত্রে ফাইনাল সার্টিফিকেট চলে আসছে। তবে ত্রুটি সংশোধন করে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর মঙ্গলবার উত্তম সাহার দ্বিতীয় ডোজের টিকা পাওয়ার ব্যবস্থা করেছে বলে জানা গিয়েছে।

জুলাই ০৬, ২০২১
উৎসব

Jamai Sasthi: হায়দ্রাবাদবাসী দুর্গাপুরের জামাইয়ের ষষ্ঠীর মহাভোজের আয়োজন ভায়া আমেরিকা

পার্বণ আর বাঙালি সমুচ্চারিত শব্দবন্ধ। বাঙালি পার্বণ ছাড়া বাঁচতে পারবে না,আবার পার্বণ-ও বৃথা বাঙালি ছাড়া। ইংরাজি মাধ্যমে পড়া আধো আধো বাংলা বলা বাঙালির বাঙ্গালিত্ব বেঁচে আছে শুধুমাত্র রীতি-রেওয়াজ পালন করেই। বাড়িতে আসকে পিঠে বানাবার সরঞ্জাম না থাকলেও তাঁরা সপরিবারে কোনও এক কর্পোরেট সংস্থা আয়োজিত পৌষ পার্বণ অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে যায়। স্যোসাল প্লাটফর্মে লাইভ না হলেও সেলফী পোস্ট করে অন্তত এই গর্ব শেয়ার না করে ক্ষান্ত হন না। সেই বাঙালির আজ এক বিশেষ দিন জামাই ষষ্ঠী। জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষের ষষ্ঠ দিনটি হল জামাই ষষ্ঠী। বাংলায় দুটো বিশেষ দিন মাংসের (ছাগল) বাজেট পেশ হয়, এক ভাইফোঁটা আর এক জামাই ষষ্ঠী, সেই দাম-ই চলে আগামী দিন গুলিতে। জামাই ষষ্ঠী মানেই বাঙালিদের কাছে কার্যত মহা ভোজন উৎসব। বহু জামাই আছেন এমন দিনে সাবেকি বাঙালি সেজে ধুতি-পাঞ্জাবি পরে হাতে মিষ্টির ঝোলা ও বিশাল মাছ হাতে শ্বশুরবাড়িতে হাজির হতে পছন্দ করেন। কিন্তু, কিছু নারীবাদী আবার রে রে করে এসে বলতে থাকেন জামাই হল গিয়ে মেয়ের বর। মেয়েকে ছেড়ে জামাই আদরের এত ঘটা কেন? সেটা কখনও কেউ কি ভেবেছেন? আসলে তাঁদেরকে সসন্মানে জানায়, তাহলে তো ভাইফোঁটার সাথে সাথে বোনফোঁটাও চালু করা উচিত? আসলে এই এক সমস্যা বাঙালিদের, ভাল কাজেও কাঠি না দিলে চলবে না, সেই জন্য শাশুড়িমায়েদের অনুরোধ চিংড়িমাছের মালাইকারির চিংড়ি থেকে কাঠি টা খুলে জামাইয়ের পাতে দিন। বেচারি একটা দিন শান্তিতে খাওয়া দাওয়া করুক।বাংলা বছরের নতুন ক্যালেন্ডার খুলেই নববিবাহিত বাঙালি যে দুটোদিন প্রথম খুঁজে দেখে তার একটি দুর্গাপুজা হলে অপরটি নিশ্চিত জামাইষষ্ঠী। আজ সেই বঙ্গজীবনের অঙ্গ এক বিশেষ দিন। বিবাহিতা কন্যা তথা জামাই বাবাজীবনদের জন্য বাঙালি সমাজে দারুণ এক পার্বণ। সে আনকোরা নতুন জামাই থেকে পুরনো জামাই বাবাজি সকলের জন্য বাংলা পঞ্জিকার এক বিশেষ দিন। বাংলার জামাইদের জন্য উৎসর্গীকৃত নির্দিষ্ট দিনটিতে জামাইয়ের মঙ্গল কামনায় শাশুড়িরা প্রতি বছর পালন করেন। এটি মূলত ষষ্ঠীদেবীর পার্বণ। দিনবদলের সাথে সাথে এই ধর্মীয় সংস্কার সামাজিকতায় স্থান পেয়েছে গেছে।আধুনিকতার দিক থেকে আমরা যতই সমকালীন হই না কেন, কিছু কিছু রীতিনীতি, প্রথা-পার্বণ আজও বাঙালি ঘরে থেকে গিয়েছে। তাই এই বিশ্বায়নের যুগে বাঙালি জীবন থেকে আচার-অনুষ্ঠান সবই যে এক-এক করে উঠে যাচ্ছে বলে হা হুতাশ করা ঠিক না। কখনও পুরনো লোকাচার হাজির হচ্ছে নব আঙ্গিকে, যেমন নতুন মোড়কে জামাই আদর। গ্রামবাংলা, মফস্বলের পাশাপাশি শহুরে পরিমণ্ডলেও জামাইষষ্ঠী পালনের রীতি-রেওয়াজ খুব একটা ফিকে হয়ে যায়নি আজও। জিভে জল আনা নানান পদ রেঁধে জমিয়ে জামাইকে খাওয়ানোর আহ্লাদ আগেও যেমন ছিল, সেটা এখনও তেমনই আছে। আদরের জামাইকে খাতির-আপ্যায়নের ধরনটা যদিও বদলে বদলে যাচ্ছে। যেমন বদলে যাচ্ছে আয়োজনের রকমও। করোনা অতিমারি পরিস্থিতিতেও আয়োজনের ঘাটতি নেই। যারা কাছাকাছি আছেন তারা সপরিবারে হাজির হয়ে যাচ্ছেন শশুরবাড়ি। দূরপাল্লার ট্রেন ও যানবাহনের সমস্যায় অনেকেই এই মহা-অনুষ্ঠানে হাজির হতে পারেননি। সারা দিন ধরে ঘেমে নেয়ে বাটনা বেঁটে, সব্জী কেটে রান্নার জোগাড় করা থেকে শুরু করে জামাইয়ের জন্য ভুরিভোজ বানানোর ব্যাপার বদলে দিয়েছে কিছু বাঙালি রেস্তোরাঁর ষষ্ঠী স্পেশাল বা স্পেশাল থালি। জামাই প্রবাসী হলেও আজ আর দূরে নয়, জুম, স্কাইপ, হোয়াটসঅ্যাপ এর সৌজন্যে জামাইকে ভার্চুয়াল ফোঁটা দেওয়াও সেরে নেওয়া যাচ্ছে। এইরকমই পশ্চিম-বর্ধমানের দুর্গাপুরের এক পরিবার যাঁদের জামাই থাকেন সৈনিকপুরি, হায়দ্রাবাদে। ইচ্ছে থাকলেও তাঁদের পক্ষে এবারের জামাইষষ্ঠী অধরাই থেকে গিয়েছিলো। তাঁদের মনোকষ্ট বুঝতে পেরে সেটা নিরসন করতে এগিয়ে এলেন তাঁদের আমেরিকাবাসী বহুজাতিক সংস্থায় কর্মরত সন্তান সুরজিৎ বন্দোপাধ্যায়। বহুজাতিক সফটওয়্যার সংস্থায় কর্মরত হায়দ্রাবাদবাসী বাঙালি জামাই প্রীতম রায় সকালে নিয়মমাফিক অফিস যাওয়ার জন্য মধ্যাহ্ন ভোজনে বসার মুহুর্তে বাড়ির কলিং বেল বেজে ওঠে, ওনার সহধর্মিনী সুমানি রায় দরজা খুলে দেখেন হায়দ্রাবাদের এক সংস্থা আহার্ন্য জামাইষষ্ঠী-র মহা-আয়োজন নিয়ে হাজির তার দরজায়। তাঁরা জিঞ্জাসা করতেই জানতে পারেন তাঁর আমেরিকাবাসী দাদা সুরজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ওই রেস্তঁরা-র সাথে যোগাযোগ করে এই জামাইষষ্ঠীর মহা আয়োজন করেছেন। কি ছিলো না -ওই মেনুতে? বাসমতী চালের ভাত, ফিশ কাটলেট, চিকেন কাটলেট, ফিশ ডেভিল, কাসুন্দি,সালাড, মুগের ডাল, বেগুন ভাজা, সুক্তো, দই পটল, মিক্স ভেজিটেবল, দই বেগুন, সর্ষে দিয়ে মাছের ঝাল, মাছের কালিয়া, চিকেন কারি, চিংড়ির মালাইকারি, আলুর দম ও লুচি, লাচ্চা পড়োটা ও কষা মাংস, চাটনি,পাপড়, মোগলাই পড়োটা-আলুর তড়করি ও সালাড, নুডলস, চিকেন মনচুরিয়ান, চিলি মোমো, ডিমের কারি। দুর্গাপুরবাসি কমল বন্দ্যোপাধ্যায় ও সুস্মিতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটনাটা জানার পর জনতার কথাকে বলেন আমরা খুব খুসি আমার ছেলে সুরজিৎ আমেরিকা থেকে এই মহা আয়োজন করার জন্য। আক্ষেপ ছিল এবারে এই পরিস্থিতিতে মেয়ে জামাই না আসতে পারার জন্য। তার অনেকটাই আজ কেটে গেলো। সুমানি জনতার কথাকে বলেন আমরা এত দুরে থাকি, একটা দিনের অনুষ্ঠানের জন্য হটাৎ করে যাওয়া খুব চাপের,তারপর এই মহামারীর সময় বাবা মায়ের বয়স হয়েছে বাইরে থেকে গিয়ে ওঁদেরও বিপদে ফেলতে চাইনি। সকালে মা-বাবা ভিডিও কল করে ফোঁটা দেওয়ার সময়ও জানতো না দাদা এই রকম সারপ্রাইজ রেখেছিল আমাদের জন্য। আমি, প্রীতম ও মেয়ে জিনি, মাত্র তিন জন মানুষ কিন্তু খাওয়ার জন্য এটা আনেক বেশী, তাও আকস্মিক আনন্দ-র একটা আলাদা আমেজ আছে। এটাকে মূল্য দিয়ে হিসাব করা যায় না। আমরা এত দূরে থেকেও মুহূর্তের মধ্যে সব দুরত্ব ঘুচে গেল। আমার মেয়ে জিনি তো আনন্দে আত্মহারা হয়ে বলে কি মা সব ভালো করে রেখে দাও, সারা সপ্তাহ ধরে খাবো ।অনুষ্ঠান যেরকমই হোক, আপনার প্রিয় মানুষ সে যত দুরেই থাকুক না কেনও আধুনিক মিডিয়া, সামাজিক মাধ্যম ও বৈদ্যুতিকরণের জন্য সব কিছুই নাগালের মধ্যে। আপনি কি ভাবে পালন করতে চান সেটাই বড় কথা। সামাজিক মাধ্যমের কল্যাণে অনেক আগেভাগেই জানা যায়, কোন অনুষ্ঠানের জন্য কবে, কোথায় কী ব্যবস্থা থাকছে। পত্রিকা, সামাজিক মাধ্যমে সেই বিশেষ দিনের বিজ্ঞাপনী প্রচার, তামাশা, রঙ্গ, কেনাকাটার হরেক আয়োজন। বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে জামাইদের নিয়ে নানা রঙ্গ-তামাশা চলতেই থাকে, এক জায়গায় লিখেছে জামাই কতপ্রকার? তার উত্তরে আরেকজন জানাচ্ছেনঃ ঘরজামাই, প্রবাসী জামাই, দায়িত্বশীল জামাই, উদাসীন জামাই, পেন্নামঠোকা জামাই, ইংলিশ-মিডিয়াম জামাই, ডাকসাইটে জামাই, প্রভাবশালী জামাই, সুবিধাবাদী জামাই, মিষ্টিমুখ জামাই, সুগার-ফ্রি জামাই, শৌখিন জামাই, আপনভোলা জামাই, টি-টোয়েন্টি ভক্ত জামাই, এমনই নানা প্রকার জামাইয়ের নিয়ে মজাদার মিম।জামাই নিয়ে মহান লোকসঙ্গীত শিল্পী স্বপ্না চক্রবর্তির সেই বিখ্যাত লোকগানঃ বলি ও ননদি, আর দুমুঠো চাল ফেলে দে হাঁড়িতেঠাকুরজামাই এল বাড়িতে!জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

জুন ১৬, ২০২১
কলকাতা

কোভিড ত্রাণে সাহায্যের হাত বাড়াল এনআইটি দুর্গাপুর অ্যালুমনি অ্যাসোসিয়েশন অফ নর্থ আমেরিকা

বিপদে পড়লে মানুষের পাশে থাকে মানুষই। আর যখন বিপদ মহামারির রূপে আসে, তখন একজন মানুষের সাহায্য ছাড়া আরেকজনের বাঁচার কোনও পথ থাকে না। কোভিড মহামারি পরিস্থিতিতে অসহায় মানুষদের সাহায্যে তাই এবার এগিয়ে এলেন এন আই টি দুর্গাপুর অ্যালুমনি অ্যাসোসিয়েশন অফ নর্থ আমেরিকার সদস্যরা। অলাভজনক এই সংগঠনটির সদস্যরা অনুদান সংগ্রহ করে জীবনদায়ী সরঞ্জাম যেমন ভেন্টিলেটর, বিপিএপি, অক্সিজেন কনসেনট্রেটর ও অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহ করা হয়েছে রাজ্যের হাসপাতালগুলোকে। এই মর্মে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সহযোগীতাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন দিলীপ সিং মেহতা (ব্যবসায়ী, কোলকাতা), ইন্দ্রনীল মুখার্জী (প্রেসিডেন্ট,দূর্গাপুর রোটারি ক্লাব), গুনময় কুণ্ড (প্রাক্তনী এন আই টি দুর্গাপুর, অবসরপ্রাপ্ত জেনেরাল ম্যানেজার,ও এন জি সি) অদৃশ দাস (প্রাক্তনী এন আই টি দুর্গাপুর), বিশ্বজিৎ রায় (সানফ্রানসিসকো) যিনি নিজের শারীরিক অসুস্থতা কে উপেক্ষা করে বাকি সকলকে উৎসাহ দিয়ে চলেছেন, ডঃ সাহিল শর্মা, অক্সিজেন ইকুইপমেন্ট বিশেষজ্ঞ ডঃ অপূর্ব বসাক (প্রাক্তনী এন আই টি দুর্গাপুর, নিউইউর্ক) সহ আরও অনেকের সহযোগীতাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সংস্থার ভলান্টিয়ার। উত্তর আমেরিকায় বসবাসকারী ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনলজি দুর্গাপুরের প্রাক্তনীরা মিলে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজ করে থাকেন। পড়ুয়াদের আর্থিকভাবে সাহায্য করাই হোক বা গবেষণামূলককাজে সাহায্য করা, সবসময়ই এগিয়ে এসেছেন এই সংগঠনের সদস্যরা। এবার করোনা মহামারির সময়, যখন অক্সিজেন, জীবনদায়ী ওষুধের জোগানের অভাব দেখা দিয়েছে, তখনই সবরকমভাবে সাহায্যে এগিয়ে এসেছে সংগঠনটি। সংস্থার অর্থ সাহায্যে কেনা হয়েছে, অক্সিজেন সিলিন্ডার, অক্সিজেন কনসেনট্রেটর, ভেন্টিলেটর প্রভৃতি। সংগঠনের সহ-সভাপতি সুরজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, স্বচ্ছভাবে আর্থিক অনুদানের টাকা কাজে লাগানো হলে, এরকম সাহায্য আরও অনেক আসবে। সকলেই মনে করেন, তাঁদের টাকা ঠিক জায়গায় কাজে লাগানো হচ্ছে কী না। যদি এব্যাপারে আশ্বাস পাওয়া যায়, তাঁদের টাকায় সত্যি কেউ উপকৃত হচ্ছেন, তাহলে খুশি হয়ে সকলে সাহায্য করতে এগিয়ে আসবেন। এরকম নন প্রফিট সংগঠনগুলো আরও বেশি করে এরকম কাজে এগিয়ে আসার যাতে উৎসাহ পান, সেজন্য বার্তাও দিতে চান তিনি।সংগঠনের পাঠানো মেডিক্যাল সরঞ্জাম পৌঁছতে চলেছে এসএসকেএম হাসপাতাল, এমআর বাঙুর হাসপাতাল, দুর্গাপুরের সাব ডিভিশনাল হাসপাতাল, গুরুদ্বারা বড়া শিখ সঙ্গত (কলকাতা), রোটারি ক্লাব অফ এন্ডেভিয়র (কলকাতা), শিলচরের নিস্বার্থ সেবা বরক, শুশুনিয়া হেলথ সেবা মিশন (বাঁকুড়া)। জানা গিয়েছে, আরও বেশ কিছু অক্সিজেন কনসেনট্রেটর এদেশে আসার জন্য তৈরি হয়ে রয়েছে। এই সমস্ত হাসপাতালগুলোর তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, এই মেডিক্যাল সরঞ্জামগুলো ১০০ শতাংশ বিনামূল্যে রোগীদের জন্য ব্যবহার করা হবে। সরকার ও অন্যান্যদের সাহায্যে প্রকৃত চাহিদাসম্পন্ন মানুষের কাছে এই উপকারটুকু পৌঁছে দিতে পেরে সংগঠনের সদস্যরা কৃতজ্ঞ বলে জানিয়েছেন। আগামীদিনে, বাড়ি বাড়ি গিয়ে বয়স্কদের টিকাকরণের কর্মসূচি নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে দুর্গাপুর এনআইটির প্রবাসী প্রাক্তনীরা।

জুন ০৪, ২০২১
রাজ্য

দুর্গাপুরে কাউন্সিলরদের সঙ্গে বৈঠক, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ভুলে একযোগে কাজের বার্তা মমতার

দ্বন্দ্ব ভুলে উন্নয়নের স্বার্থে কাউন্সিলরদের একসঙ্গে চলার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার দুর্গাপুর থেকে বনগাঁ উড়ে যাওয়ার ঠিক আগে ভগৎ সিং ক্রীড়াঙ্গনে দুর্গাপুরের প্রতিটি কাউন্সিলরকে জরুরি তলব করেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠকে ছিলেন আইন মন্ত্রী মলয় ঘটক এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলার শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি তথা বিশ্বনাথ পাড়িয়াল, পশ্চিম বর্ধমান জেলার সহ সভাপতি উত্তম মুখোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, নব্বই সাল থেকে সিপিএমের হাতে মার খেয়ে খেয়ে কোমর ভেঙে গেছে। হাত ভাঙা আছে। কোমরে বেল্ট ছাড়া হাটাচলা করতে পারি না। মাথায় ৬৫ টি স্টিচ আছে। এখন যারা ছোট তারা জানো না। তোমরা একসঙ্গে কাজ করো। আরও পড়ুন ঃ মতুয়ারা সকলেই নাগরিক, ঘোষণা মমতার সূত্রের খবর, তিনি নির্দেশ দিয়েছেন কারখানাগুলোতে যাতে স্থানীয় বেকার যুবকদের চাকরি হয় সেই বিষয়টি দেখতে। মেয়র পারিষদ সদস্য প্রভাত চট্টোপাধ্যায়কে আসানসোল সংগঠন নিয়ে ফের সতর্ক করেন মুখ্যমন্ত্রী। এলাকার উন্নয়ন নিয়ে যেন আসানসোল-দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদ এবং দুর্গাপুর নগর নিগম যৌথভাবে দুর্গাপুর শহরের বিভিন্ন কাজ করে সে নির্দেশও দেন। যেমন, রাস্তা, জল, আলো, নিকাশি সমস্যার দ্রুত সমাধান করা। দুর্গাপুর নগর নিগমে ট্রেড লাইসেন্স বা অন্যান্য কাজ যেন বাকি না থাকে সে বিষয়ে দুর্গাপুরের মেয়রকে বলেন। এবং ওই আলোচনা থেকেই দুর্গাপুরের প্রাক্তন মেয়র তথা বিধায়ক অপূর্ব মুখোপাধ্যায়ের সাথে ফোনে কথা বলে পুরনো দ্বন্দ্ব ভুলে গিয়েে ফের সক্রিয় হয়ে ময়দানে নামার কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
রাজ্য

বিজেপি নিজে খুন করে বলছে পুলিশ মেরেছেঃ মমতা

আসানসোলের রানীগঞ্জে প্রশাসনিক সভা শেষ করে ফেরার পথে দুর্গাপুরে সিটি সেন্টারে নবনির্মিত সার্কিট হাউসের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ এরপর সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এটা তো তোমাদের অতিথিশালা। খড়্গপুর ও আসানসোলেও অতিথিশালা। তিনি আরও বলেন, ধংসাত্মক রাজনীতি করলে তা স্থায়ী হয় না। উন্নয়নমূলক রাজনীতি করলে তা স্থায়ী হয়। ধংসাত্মক রাজনীতি মানুষকে সর্বনাশের পথে নিয়ে যায়। আর উন্নয়নমূলক রাজনীতি মানুষের মন ভাল রাখে। তিনি আরও বলেন, বিজেপি পরিকল্পনা করে রাজ্যজুড়ে হিংসা করছে। আরও পড়ুন ঃ মেদিনীপুরে হঠাৎই দুয়ারে সরকার কর্মসূচির ক্যাম্প পরিদর্শনে মমতা আমার কোনও বড় কর্মসূচি থাকলে ওরা এই ধরণের পরিকল্পনা করে। আমি ময়নাতদন্তের রিপোর্টে পুলিশ ওই ধরণের বন্দুক ব্যবহার করে না। প্রচার করার জন্য লোককে মেরে ফেলল। একটা রাজবংশী ভাইকে মেরে ফেলল। মেরে ফেলে বলছে পুলিশ মেরেছে। বাংলায় গুন্ডারাজ চালাচ্ছে বিজেপি। আজকে সেইল, রেল বিক্রি করে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। বিএসএনএল এবং অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তিনি বলেন, করোনা আমাদের গৃহবন্দি করেছে। এখন আমাদের জীবনবন্দি করে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। সংগ্রামী আমার জীবন। এই সংগ্রাম জারি থাকবে ৷ রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা তৃণমূল সমর্থকদের সাথে তিনি রাস্তায় নেমে হেঁটে এসে কর্মীদের সাথে তিনি কথা বলেন ৷

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীকে জেলা সফরে না আসার পরামর্শ রাজুর

মুখ্যমন্ত্রী ভয় পেয়েছেন তাই জেলা সফর শুরু করছেন। কিন্তু এতে লাভ কিছুই হবে না। সোমবার সকালে দুর্গাপুরের রাতুরিয়ায় চা চক্রে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি বলেন, আর তাঁকে জেলা সফরে না আসার পরামর্শ দেব। বয়স হয়েছে। কোরোনা আবহে তিনি বরং না বেরিয়ে বিশ্রাম নিন। শান্তিতে থাকুন। দরকারে কাশীতে ব্যবস্থা করে দেব। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে বলেন, যার দুধের দাঁত ভাঙেনি তাঁকে নিয়ে কি বলব! জিরো ব্যালেন্সের নেতাকে মুখ্যমন্ত্রী হিরো বানাচ্ছেন বলেই দলের নেতারা জবাব দিচ্ছেন। একে একে সবাই সরে যাচ্ছেন। কদিন পর পিসি-ভাইপো কোম্পানিতে ২ জন ছাড়া আর কেউ-ই থাকবে না। আরও পড়ুন ঃ মতুয়াদের নাগরিকত্বের জন্য কোনও সরকার কিছু করেনিঃ শান্তনু ঠাকুর প্রাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী যোগে লাভবান হবে বিজেপি? এ প্রশ্নের উত্তরে রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, অবশ্যই। রাজনীতিতে, নন্দীগ্রামে ওনার একটা বড় অবদান আছে। উনি এলে আমাদের লড়াই আরও জোরদার হবে। আরও বেশি মানুষ এই লড়াইয়ের শরিক হবেন। বিজেপি নেতার কথায়, আমরা ওনাকে স্বাগত জানিয়েছি। উনি আসবেন কি না, সেটা ওনার একান্ত ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। উনি ঠিক করবেন।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
রাজ্য

দুর্গাপুরে রাস্তায় বসে চপ ভেজে বিক্ষোভ কর্মসূচি বিজেপির

দুর্গাপুরে এন টি এস যুব মোর্চার পক্ষ থেকে রবিবার বিওয়ান মোড়ের কাছে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করল বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা। এদিন বিক্ষোভ কর্মসূচিতে চপ ও মদের বোতল রাস্তায় ফেলে বিক্ষোভ দেখায় কর্মী-সমর্থকরা ৷ পশ্চিম বর্ধমানের বিজেপি জেলা সভাপতি লক্ষণ ঘড়ুই বলেন, তৃণমূল সরকার বলেছিল এমএমসি খুলবে, ফার্টিলাইজার খুলবে। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে এখনই নয় জাঁকিয়ে শীত কিন্তু দশ বছর ধরে একের পর এক কারখানা বন্ধ হয়েছে। একটা কারখানাও খোলেনি। মুখ্যমন্ত্রী বলছেন চপ শিল্প করতে। বাড়িতে বাড়িতে মদ তৈরি হচ্ছে। বেকার ছেলেরা মদ খেয়ে বাড়িতে ঢুকছে। বাড়িতে বাড়িতে অশান্তি হচ্ছে। বেকার যুবক যুবতীরা কোন চাকরি পাচ্ছে না। তারা দিল্লি যাচ্ছে, গুজরাত যাচ্ছে। আর তারই প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি ৷

নভেম্বর ২৯, ২০২০
রাজ্য

এনামূলের ল্যাবরেটরিতে অনুব্রত মণ্ডল সহ অনেকেরই ভ্যাকসিন তৈরি হচ্ছেঃ সায়ন্তন

অনুব্রতকে দিয়ে শুরু করে এরপর যে যে তৃণমূল নেতার ভাইরাস রয়েছে তাঁদের টিকাদান কর্মসূচী নেবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি। রবিবার দুর্গাপুরের মায়াবাজারে চায়ে পে চর্চায় যোগ দিয়ে এই মন্তব্য করেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। তিনি তৃণমূলকে আক্রমণ করে আরও বলেন, ইডি, সিবিআই, আইটি , এনামূলের ল্যাবরেটরিতে অনুব্রত মণ্ডল সহ অনেকেরই ভ্যাকসিন তৈরি হচ্ছে। অনুব্রত মণ্ডলের মতো কয়েকশো ভাইরাস আছে তাঁদের উপর প্রয়োগ করা হবে। আর ছয় মাস অপেক্ষা করুন। আরও পড়ুন ঃ পারদ অনেকটাই নেমে ফিরল শীতের আমেজ বহিরাগত ইস্যুতে এদিন সায়ন্তনবাবু পালটা প্রশ্ন করেন, পিকে কোন রাজ্যের বাসিন্দা? এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, আমাদের সর্বভারতীয় দল। কেন্দ্রীয় নেতারা আসবেন। আমাদের রাজ্য নেতারাও ভিন রাজ্যে যান। তৃণমূলের ভোটের প্রচারে বাংলাদেশ থেকে চিত্র তারকা আসতে পারেন কিংবা জামাত, রোহিঙ্গারা তারা বহিরাগত নয় প্রধানমন্ত্রী এখানে বহিরাগত? তৃ্ণমূল সাংসদদের বিজেপিতে যোগদানের প্রসঙ্গে সায়ন্তনবাবু বলেন, এই বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।

নভেম্বর ২২, ২০২০
রাজ্য

দুর্গাপুর প্রজেক্ট লিমিটেডে বিস্ফোরণ , মৃত ১

দুর্গাপুর প্রজেক্ট লিমিটেডে বিস্ফোরণের জেরে একজনের মৃত্যু হল। মৃতের নাম ওমপ্রকাশ চৌহান। তিনি একজন ঠিকাকর্মী। এই বিস্ফোরণের ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন। আহত কর্মীর নাম বাম রুইদাস। তিনি ডিপিএলের নিরাপত্তারক্ষী। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ রাষ্ট্রদ্রোহীদের হাত ধরে পাহাড়ে উঠতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ঃ দিলীপ তাকে ভরতি করা হয়েছে বেসরকারি হাসপাতালে। জানা গিয়েছে , মঙ্গলবার সকাল ১১ টা ১০ মিনিট নাগাদ বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে ডিপিএলের ৭ নম্বর কনস্ট্রাকশন গেট এলাকা। ঘটনাস্থলে আসে কোকওভেন থানার পুলিশ। তারা মৃতদেহ উদ্ধার করে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। কিন্তু কীভাবে এই বিস্ফোরণ হল , তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

নভেম্বর ০৩, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে এল আরজি করের ঘটনা! বিস্ফোরক বার্তা দিলেন মোদি

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ব্রিগেডে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন, বাংলায় বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে মহিলারা সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকবেন। তিনি জানান, তৃণমূলের গুন্ডারাজ আর থাকবে না, কেউ দমন করতে পারবে না। মোদির দাবি, বর্তমানে রাজ্যে সন্ত্রাসবাদ ও অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে মায়েরা কাঁদছে, বাঙালিরা নিজেদের জন্মভূমি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে। মোদী বলেন, বাংলার রুটি, মাটি, বেটি বিপন্ন, জনবিন্যাস পরিবর্তিত হয়েছে এবং হিন্দু বাঙালিদের সংখ্যালঘু করার চেষ্টা হচ্ছে।মোদী অভিযোগ করেন, কেন্দ্রের বিভিন্ন কর্মসংস্থানের প্রকল্প রাজ্যে পৌঁছতে দিচ্ছে না তৃণমূল সরকার। বিশ্বকর্মা প্রকল্প থেকে টাকা দেওয়া সত্ত্বেও মানুষের কাছে তা পৌঁছায় না। বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দেওয়ার প্রকল্পও আটকানো হয়েছে। চা শ্রমিকদের কেন্দ্রীয় সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। পিএম আবাস যোজনার নাম বদলানো হয়েছে, তালিকা বদল করা হয়েছে, গরিবদের বাড়ি দেওয়া হয়নি। জলজীবন মিশন এবং আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পও চালু হতে দিচ্ছে না। মোদীর দাবি, বাংলার গরিবরা এ সব থেকে বঞ্চিত হয়েছে।তিনি আরও বলেন, কৃষকদের পরিস্থিতিও শোচনীয়। একজন আলু চাষি আত্মহত্যা করেছেন। তৃণমূলের নোংরা রাজনীতি মা-বোনেদের সম্মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। মোদী স্মরণ করান, বাংলার মানুষ আগে একসময় বাম গুন্ডাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল। কিন্তু বর্তমানে সেই বাম দলের কিছু নেতাকে তৃণমূল আশ্রয় দিচ্ছে। রাজ্যে অপরাধীরা নিরাপদ, কলেজে ও আদিবাসী মহিলাদের উপর হামলা হচ্ছে, এবং মানুষ এখনো সন্দেশখালি, আরজিকরের মতো ঘটনা মনে রাখে।মোদী স্পষ্ট জানান, বিজেপি সরকার এলে এসব অন্যায়ের অবসান হবে। আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা হবে, অপরাধীদের জেল ভাড়া হবে, এবং গরিব ও সাধারণ মানুষ কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা পাবে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
কলকাতা

পাঁচ বছর পর ব্রিগেডে মোদি! বাংলার জন্য আঠারো হাজার আটশো ষাট কোটির প্রকল্প ঘোষণা

ভোটের আবহে কলকাতায় এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রায় পাঁচ বছর পর আবার ব্রিগেড ময়দানে তাঁর জনসভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই সভার মঞ্চে রাখা হয়েছে বাঙালিয়ানার ছোঁয়া। দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের আদলে সাজানো হয়েছে পুরো মঞ্চ।সভা শুরু হওয়ার আগে ব্রিগেডের সরকারি অনুষ্ঠান থেকে বাংলার জন্য প্রায় আঠারো হাজার আটশো ষাট কোটি টাকার একাধিক প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এই সব প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের পরিকাঠামো উন্নয়নের নতুন দিশা খুলবে বলেই জানিয়েছেন তিনি।ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ কলকাতার মাটি থেকে পশ্চিমবঙ্গ এবং পূর্ব ভারতের উন্নয়নের একটি নতুন অধ্যায় শুরু হচ্ছে। তাঁর কথায়, সড়ক, রেল এবং বন্দর পরিকাঠামোর সঙ্গে যুক্ত আঠারো হাজার কোটিরও বেশি টাকার প্রকল্পের সূচনা হয়েছে।তিনি জানান, এই সব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বাংলার উন্নয়নে নতুন গতি আসবে। লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন আরও সহজ ও উন্নত হবে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, খড়গপুর থেকে মৌরিগ্রাম পর্যন্ত দ্রুতগতির সড়ক প্রকল্প সম্পূর্ণ হলে রাজ্যের বহু এলাকায় অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুযোগ বাড়বে। এছাড়াও দুবরাজপুর বাইপাস এবং কংসাবতী ও শিলাবতী নদীর উপর নতুন সেতু তৈরি হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে।এই অনুষ্ঠানে ছয়টি রেলস্টেশনকে আধুনিকীকরণের প্রকল্পেরও উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জানান, কামাখ্যাগুড়ি, আনারা, তমলুক, হলদিয়া, বীরভূম এবং সিউড়ি এই ছয়টি স্টেশনকে নতুনভাবে উন্নত করা হচ্ছে।এছাড়াও তিনি জানান, হলদিয়া বন্দর এবং কলকাতা বন্দরের সংস্কার কাজও শুরু হয়েছে। তাঁর মতে, এই উদ্যোগের ফলে শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, পুরো পূর্ব ভারতের উন্নয়নেও বড় প্রভাব পড়বে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
কলকাতা

গিরিশপার্কে রণক্ষেত্র! ইটের আঘাত মন্ত্রীর পেটে, বিজেপির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

কলকাতার গিরিশপার্ক এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয়েছেন রাজ্যের নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁকে লক্ষ্য করে ইট ছুড়েছিল। সেই ইটের আঘাত তাঁর পেটে লেগেছে বলে তিনি জানান। সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি সেই আঘাতের দাগও দেখান। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর সভায় যোগ দিতে বাইরে থেকে লোক ভাড়া করে আনা হয়েছে এবং তারাই এই হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে।শনিবার দুপুরে ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা রয়েছে। সেই সভায় যোগ দিতে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা ব্রিগেডের দিকে যাচ্ছিলেন। সেই সময় হঠাৎ গিরিশপার্ক এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়ির সামনের এলাকা কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়।বিজেপির অভিযোগ, তাঁদের কর্মী সমর্থকেরা বাসে করে ব্রিগেডে যাচ্ছিলেন। সেই সময় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁদের বাসে হামলা চালায় এবং ভাঙচুর করে। এই ঘটনায় বিজেপি নেতা তমোঘ্ন ঘোষ সহ একাধিক কর্মী আহত হন। আহত হন বৌবাজার থানার ওসিও।অন্যদিকে মন্ত্রী শশী পাঁজার দাবি, বিজেপি কর্মীরাই প্রথম হামলা চালায়। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের উপর আক্রমণ করা হয় এবং মারধর করা হয়। মন্ত্রী আরও দাবি করেন, বিজেপি আশ্রিত বহিরাগত দুষ্কৃতীরা বাসভর্তি ইট, বোতল এবং বিস্ফোরক নিয়ে যাচ্ছিল। তাঁর কথায়, তারাই তাঁর বাড়িতে হামলা চালায় এবং ভাঙচুর করে।শশী পাঁজা বলেন, তাঁর বাড়ি রাস্তার ধারে হওয়ায় দুষ্কৃতীরা সরাসরি সেখানে আক্রমণ চালায়। তিনি অভিযোগ করেন, ইট, বোতল ও লাঠি নিয়ে তৃণমূল সমর্থকদের উপর হামলা করা হয় এবং তাকেও আঘাত করা হয়। তাঁর দাবি, এই ঘটনায় তাঁর দলের একাধিক কর্মী সমর্থক আহত হয়েছেন এবং তাঁদের মধ্যে কয়েকজনকে হাসপাতালে ও নার্সিংহোমে ভর্তি করতে হয়েছে।তিনি আরও অভিযোগ করেন, দুষ্কৃতীরা পুলিশের উপরও হামলা চালায় এবং মহিলা পুলিশকর্মী ও এলাকার কাউন্সিলরের উপরও আক্রমণ করা হয়। তাঁর দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত অনেকেই বাংলার বাসিন্দা নয়, বাইরে থেকে আনা হয়েছে।মন্ত্রী আরও বলেন, বিজেপির বয়কট সংক্রান্ত একটি ফ্লেক্স ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা নিয়ে প্রথমে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যায় এবং ইট-পাটকেল ছোড়াছুড়ি শুরু হয়। তাঁর কথায়, সেই সময় পুরো এলাকা যেন যুদ্ধ পরিস্থিতির মতো হয়ে উঠেছিল। তিনি বলেন, একটি বড় ইট তাঁর পেটে লাগে এবং তখন তাঁকে দ্রুত ভিতরে নিয়ে যাওয়া হয়।

মার্চ ১৪, ২০২৬
রাজ্য

ব্রিগেডে যাওয়ার পথে বিজেপি সমর্থকদের বাসে হামলা! ভোরে বেলদায় ভাঙচুর, উত্তেজনা চরমে

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্রিগেড সভার আগে পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদায় বিজেপি সমর্থকদের একটি বাসে হামলার অভিযোগ উঠেছে। দুষ্কৃতীরা বাসটি ঘিরে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। ঘটনাটি ঘটেছে বেলদা থানার পাতলি এলাকায়।জানা গিয়েছে, শনিবার ভোর প্রায় পাঁচটা ত্রিশ মিনিট নাগাদ বাসটি আহার মুণ্ডা এলাকার দিকে যাচ্ছিল। সেই সময় কয়েকজন দুষ্কৃতী বাসটি থামিয়ে চালকের কাছে জানতে চায় বাসটি কোথায় যাচ্ছে। চালক জানান, তাঁরা ব্রিগেডে হওয়া সভায় যোগ দিতে যাচ্ছেন।অভিযোগ, এই কথা শুনেই কয়েকটি মোটরবাইকে করে আসা দুষ্কৃতীরা বাসটিকে ঘিরে ধরে। এরপর লাঠি নিয়ে এলোপাথাড়ি আঘাত করে বাসের কাচ ভেঙে ফেলা হয়। সেই সময় বাসের চালক এবং খালাসিও আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ভাঙচুর চালিয়ে দুষ্কৃতীরা দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।কিছু সময় বাসটি ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে থাকার পর পরে সেটিকে ঘুরিয়ে অন্য দিকে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, ব্রিগেডের সভায় সমর্থকদের যাওয়া আটকাতেই শাসকদল ঘনিষ্ঠ দুষ্কৃতীরা এই হামলা চালিয়েছে।অন্যদিকে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। নারায়ণগড় ব্লকের তৃণমূল সভাপতি জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে তাদের দলের কোনও সম্পর্ক নেই। পুলিশ তদন্ত করলেই সত্য সামনে আসবে। তাঁর দাবি, বিজেপি নিজেরাই এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে প্রচার পাওয়ার চেষ্টা করছে।তবে এই ঘটনার বিষয়ে এখনও পর্যন্ত বেলদা থানায় কোনও লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি বলে জানা গিয়েছে।এদিকে শনিবার কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বড় জনসভা হওয়ার কথা। সেই সভাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ব্রিগেডের মঞ্চ সাজানো হয়েছে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের আদলে। এই বিষয়টি নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।সূত্রের খবর, শনিবার দুপুরে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে তিনি হেলিকপ্টারে রেসকোর্সের হেলিপ্যাডে নামবেন। তারপর সেখান থেকে ব্রিগেড ময়দানে যাবেন।দুপুরের দিকে ব্রিগেডে বিজেপির পরিবর্তন সংকল্প সভায় যোগ দেওয়ার কথা তাঁর। মঞ্চে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের আদলের পাশাপাশি বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বিভিন্ন চিত্রও তুলে ধরা হয়েছে। দার্জিলিংয়ের চা বাগান থেকে বাঁকুড়ার টেরাকোটা শিল্পের ছবি দিয়ে সাজানো হয়েছে মঞ্চ।

মার্চ ১৪, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের মাঝেও ভারতের পাশে ইরান! হরমুজ প্রণালী দিয়ে ট্যাংকার যাওয়ার অনুমতি

ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাতের জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভারতেও। ইতিমধ্যেই গ্যাসের দাম বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে। তেলের দামও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে পণ্য পরিবহনে সমস্যা হওয়ায় তেলের জোগান কমে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে ভারতের জন্য স্বস্তির খবর এল ইরানের দিক থেকে। জানা গিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে দুটি পেট্রোলিয়াম পণ্যবাহী ট্যাংকারকে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে ইরান। যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।গত প্রায় পনেরো দিন ধরে ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে সংঘাত চলছে। এই অবস্থায় হরমুজ প্রণালী দিয়ে পণ্য পরিবহন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। কারণ এই পথ দিয়েই বিশ্বের বড় অংশের তেল পরিবহন হয়।ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আগেই আশার কথা শোনান। শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, খুব শিগগিরই ইতিবাচক খবর আসতে পারে। তাঁর কথার কিছু সময় পরেই দুটি পেট্রোলিয়াম পণ্যবাহী ট্যাংকারকে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভারতীয় জাহাজ নিরাপদে যেতে পারবে কি না, এই প্রশ্নের উত্তরে রাষ্ট্রদূত বলেন, অবশ্যই পারবে। তিনি বলেন, অল্প সময়ের মধ্যেই তার প্রমাণ মিলবে।রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ভারত ও ইরানের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি জানান, অনেক কঠিন সময়ে ভারত ইরানের পাশে দাঁড়িয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ভারত নানা ক্ষেত্রে ইরানকে সাহায্য করেছে বলে তিনি স্মরণ করেন। সেই সম্পর্কের গুরুত্ব থেকেই ভারতের পণ্যবাহী ট্যাংকারকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেডে মোদীর সভা ঘিরে কড়া নিরাপত্তা! তিন হাজার রক্ষী, আকাশে উড়বে না কিছুই

বিধানসভা ভোটের আগে বাংলায় বড় রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার ব্রিগেড ময়দানে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি। সেখানে জাতীয় সড়ক উদ্বোধনের পাশাপাশি রাজনৈতিক বার্তাও দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। এই সভাকে ঘিরে বিজেপি শিবিরে তুঙ্গে প্রস্তুতি এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থলের আশপাশের এলাকা সম্পূর্ণ উড়ান নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে আকাশে কোনও ড্রোন উড়তে দেওয়া হবে না। তবে আশপাশের বহুতল ভবন থেকে দূরবীন নিয়ে নজরদারি চালাবে পুলিশ।সভাস্থলে প্রায় তিন হাজার নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করা হচ্ছে। গোটা নিরাপত্তা ব্যবস্থার দায়িত্বে থাকবেন উপকূল নিরাপত্তা শাখার অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক পদমর্যাদার আধিকারিক। শুক্রবার সন্ধ্যায় ব্রিগেড ময়দানে গিয়ে প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেন বিজেপির একাধিক নেতা।শনিবার সকাল থেকেই ব্রিগেড এবং আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হবে। গোটা এলাকাকে একাধিক সেক্টরে ভাগ করে নিরাপত্তা মোতায়েন করা হচ্ছে। প্রতিটি সেক্টরের দায়িত্বে থাকবেন উপ পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার আধিকারিকরা।চার থেকে পাঁচটি সেক্টর মিলিয়ে একজন যুগ্ম পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার আধিকারিক থাকবেন। তাঁদের সঙ্গে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনাররাও দায়িত্ব পালন করবেন।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, কলকাতার বিভিন্ন এলাকা থেকে যে মিছিল ব্রিগেডের দিকে আসবে, সেই সব রাস্তায় প্রায় পঞ্চাশটি পিকেট বসানো হয়েছে।শিয়ালদহ, হাওড়া, শ্যামবাজার এবং দক্ষিণ কলকাতার বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল ব্রিগেডে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সেই সব রাস্তায় বসানো হয়েছে পর্যাপ্ত নজরদারি ক্যামেরা। ব্রিগেডের মঞ্চ এবং আশপাশের এলাকাতেও ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি চালাবে পুলিশ।উড়ান নিষিদ্ধ এলাকা হওয়ায় আকাশে কোনও ড্রোন ব্যবহার করা হবে না। তবে আশপাশের বহুতল ভবন থেকে দূরবীন নিয়ে পুলিশ নজরদারি চালাবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
রাজ্য

‘১৪ মার্চ ভুলিনি’—নন্দীগ্রামে শহিদ বেদিতে শুভেন্দু, একই দিনে শ্রদ্ধা মমতারও

ভোটের আবহে আবারও আলোচনায় উঠে এল নন্দীগ্রাম। দুই হাজার সাত সালের চৌদ্দ মার্চের ঘটনাকে স্মরণ করে শনিবার নন্দীগ্রামে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। অন্যদিকে একই দিনে নন্দীগ্রাম দিবস উপলক্ষে শহিদদের স্মরণ করে সামাজিক মাধ্যমে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।শনিবার সকালেই নন্দীগ্রামের মালোপাড়ায় শহিদ বেদিতে মাল্যদান করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জমি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত নেতারা এবং বিজেপির একাধিক পদাধিকারী। সেখানে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, দুই হাজার সাত সালের চৌদ্দ মার্চের সেই দিনটি ভোলা সম্ভব নয়। তাঁর কথায়, জমি ও বাড়ি রক্ষার জন্য নন্দীগ্রামের সাধারণ মানুষের যে লড়াই ছিল, সেই ঐতিহাসিক দিনের স্মৃতি আজও মানুষের মনে রয়েছে।অন্যদিকে নন্দীগ্রাম দিবস উপলক্ষে সকালে সামাজিক মাধ্যমে একটি বার্তা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লেখেন, নন্দীগ্রাম দিবসে নন্দীগ্রাম, সিঙ্গুর ও নেতাই সহ সমস্ত শহিদদের প্রতি তিনি বিনম্র শ্রদ্ধা ও প্রণাম জানাচ্ছেন।প্রতি নির্বাচনের আগেই নন্দীগ্রামের ঘটনা নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসে। গত বিধানসভা নির্বাচনে এই নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকেই শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই আসন্ন নির্বাচনের আগে আবারও নন্দীগ্রামকে ঘিরে রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়তে শুরু করেছে।সূত্রের খবর, পরে অধিকারী পাড়ার শহিদ বেদিতেও শ্রদ্ধা জানাতে যাওয়ার কথা রয়েছে শাসকদলের নেতাদের। সেখানে রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী এবং ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির সঙ্গে যুক্ত নেতারাও উপস্থিত থাকবেন।জানা গিয়েছে, শুভেন্দু অধিকারীরা প্রথমে অধিকারী পাড়ায় কর্মসূচি পালন করছেন। তারপর সোনাচূড়া শহিদ মিনারে গিয়ে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর কথা রয়েছে তাঁদের।অন্যদিকে বেলা এগারোটার দিকে তৃণমূল ঘনিষ্ঠ ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির পক্ষ থেকেও আলাদা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। প্রথমে ভাঙাবেড়া এলাকায় শহিদদের স্মরণ করা হবে। এরপর অধিকারী পাড়া এবং মালোপাড়ায় কর্মসূচি করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেড মঞ্চে বড় চমক? বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন পরিচিত চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়

ভোটের মুখে বাংলার রাজনীতিতে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, পরিচিত চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন। শনিবার কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভার মঞ্চেই তিনি পদ্ম শিবিরে যোগ দিতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও নিশ্চিত ঘোষণা হয়নি। নিজেও এই বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি ওই চিকিৎসক।জানা গিয়েছে, ব্রিগেডে অনুষ্ঠিত বিজেপির পরিবর্তন সংকল্প সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে ডাক পেয়েছেন নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, আমন্ত্রণ পেয়েছেন এবং সভায় যাবেন বলেই ভাবছেন। তবে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন কি না, সেই বিষয়ে সরাসরি উত্তর দিতে চাননি তিনি।এই প্রসঙ্গে চিকিৎসক বলেন, তিনি সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে যাচ্ছেন। কিন্তু কোনও সভায় আমন্ত্রিত হয়ে যাওয়া মানেই যে সেই দলে যোগ দেওয়া, এমনটা নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘদিন ধরেই বামপন্থী মনোভাবাপন্ন চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত। আর জি কর হাসপাতালের এক তরুণী চিকিৎসকের হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর থেকেই তাঁর বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।সেই সময় জুনিয়র চিকিৎসকদের একাধিক মিছিল এবং প্রতিবাদ কর্মসূচিতে তাঁকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে দেখা গিয়েছিল। রাতভর আন্দোলন এবং বিভিন্ন কর্মসূচিতেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন।শুধু তাই নয়, সেই সময় তিনি আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকদের পাশে দাঁড়িয়ে সরকারের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছিলেন।তবে পরে তাঁকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও তৈরি হয়। তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়।এরপর চিকিৎসকদের একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও চিকিৎসক সংগঠনের প্রতিনিধি কি না, তা তারা জানে না। ব্যক্তিগতভাবে তিনি কারও সঙ্গে দেখা করতেই পারেন, কিন্তু চিকিৎসকদের সম্মিলিত আন্দোলনের প্রতিনিধি হিসেবে কথা বলার অধিকার তাঁকে কেউ দেয়নি বলেও ওই বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।পরে আবার আন্দোলনের কিছু মুখের বিরুদ্ধে সমালোচনাও করতে দেখা যায় তাঁকে। সেই ঘটনার পর থেকেই তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়।এখন সেই নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়ই বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা ছড়িয়েছে। সামনে বিধানসভা নির্বাচন। রাজনৈতিক সূত্রে খবর, সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের প্রার্থী করার পরিকল্পনা করতে পারে বিজেপি।সেই কারণে প্রশ্ন উঠছে, নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় কি ভবিষ্যতে নির্বাচনে প্রার্থীও হতে পারেন। তবে এই প্রশ্নের উত্তর আপাতত ভবিষ্যতের হাতেই রয়েছে।

মার্চ ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal