• ৫ ভাদ্র ১৪৩৩, সোমবার ২৪ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Cup

খেলার দুনিয়া

Durand Cup : মমতা ব্যানার্জির পায়ে ‘‌খেলা হল’‌, জমকালো উদ্বোধন ডুরান্ডের

ভারতের রাজধানী দিল্লি থেকে ডুরান্ড কাপ সরে এসেছে বাংলার রাজধানী কলকাতায়। ২০১৯ সাল থেকে কলকাতায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আগামী ৫ বছর কলকাতাতেই ডুরান্ড কাপ কলকাতায় আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গতবছর করোনার জন্য এই শতাব্দীপ্রাচীন প্রতিযোগিতা স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়েছিল আয়োজকরা। এবছর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির উদ্বোধনে অন্যমাত্রা পেল ডুরান্ড কাপ। রবিবার পড়ন্ত বিকেলে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উদ্বোধন হল ডুরান্ড কাপের। সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারের মাধ্যমে আকাশ থেকে পুস্পবৃষ্টি মোহিত করে রেখেছিল যুবভারতীকে। তারই মাঝে বলে লাথি মেরে ডুরান্ড কাপের উদ্বোধন করলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। এরপর দুই দলের ফুটবলারদের সঙ্গে তিনি পরিচিত হন। মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, ক্রীড়াদপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী মনোজ তেওয়ারি এবং সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্তারা।এবারের প্রতিযোগিতায় ১৬টি দল অংশ নিচ্ছে। ১৬টি দলকে চারটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। উদ্বোধনী ম্যাচে অংশ নিয়েছিল কলকাতার মহমেডান স্পোর্টিং ও ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্স। প্রথম ম্যাচেই দুর্দান্ত জয় দিয়ে শুরু করল মহমেডান। ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্সকে ৪১ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে সাদা কালো ব্রিগেড। ডুরান্ড কাপ অভিযানে নামার আগে মহমেডান কোচ আন্দ্রে চেরনিসভ বলেছিলেন, তাঁর দল উপভোগ্য ফুটবল উপহার দেবে। সাদা কালো কোচ যে ভুল প্রতিশ্রুতি দেননি, ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্সের বিরুদ্ধেই প্রমাণিত।ম্যাচের শুরু থেকেই মহমেডানের আধিপত্য ছিল। দুই বিদেশি মার্কাস ও নিকোলা স্টোজানোভিচের মাঝমাঠে বোঝাপড়া ছিল চোখে পড়ার মতো। মাঝমাঠে দুর্দান্ত কর্তৃত্ব নিয়ে খেলেন ম্যাচের সেরা নিকোলা। তাঁর জন্যই মাঝমাঠে খেলা ধরতে পারেননি বায়ুসেনার ফুটবলাররা। মহমেডানের জয়ের পেছনে নিকোলার অবদান অনস্বীকার্য। ম্যাচের ১৯ মিনিটে তাঁরই বাড়ানো পাস থেকে ১৮ গজের দূরপাল্লার শটে দর্শনীয় গোল করে দলকে এগিয়ে দেন মিলন সিং। ৩২ মিনিটে শেখ ফৈয়াজের মাইনাসে বক্সের ডানদিকের কোনা থেকে ডানপায়ের শটে ২০ করেন ওভারল্যাপে উঠে আসা ডিফেন্ডার অরিজিত সিং। ৩৭ মিনিটে ব্যবধান বাড়ত। মার্কাসের দুরন্ত শট কোনও রকমে বাঁচান এয়ারফোর্সের গোলকিপার। প্রথমার্ধের একাবারে শেষলগ্নে নিকোলাসের ডিফেন্স চেরা পাস থেকে ৩০ করেন আজহারউদ্দিন মল্লিক। প্রথমার্ধেই ৩ গোলে এগিয়ে যাওয়ায় হয়তো আত্মতুষ্টি গ্রাস করেছিল মহমেডানকে। তার খেসরতও দিতে হয় সাদাকালো ব্রিগেডকে। ম্যাচের ৪৭ মিনিটে গোল হজম করতে হয় মহমেডানকে। দুরন্ত ফ্রিকিক থেকে ব্যবধান কমান এয়ারফোর্সের সৌরভ সাধুখাঁ। ম্যাচের ৭৬ মিনিটে আবার ব্যবধান বাড়ায় মহমেডান। নিকোলার ফ্রিকিক থেকে ফ্লাইং হেডে ৪১ করেন মার্কাস জোসেফ।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Durand Cup : রবিবার শুরু ডুরান্ড কাপ, উদ্বোধনে থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি

দিল্লির সঙ্গে ডুরান্ত কাপ অবিচ্ছেদ্যভাবে যুক্ত ছিল। প্রতিযোগিতার আয়োজন করে ভারতীয় সেনাবাহিনী। কিন্তু দিল্লিতে শতাব্দীপ্রাচীন এই প্রতিযোগিতা জনপ্রিয়তা হারানোয় ২০১৯ সালে কলকাতায় সরিয়ে নিয়ে আসার পরিকল্পনা করা হয়। জনপ্রিয়তা হারানোর মূল কারন ছিল কলকাতার দুই বড় ক্লাবের অংশ না নেওয়া। ডুরান্ড কাপের প্রাণ ফেরাতে এবছর কলকাতায় ডুরান্ড কাপ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। রবিবার যুবভারতীতে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হবে। উদ্বোধন করবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। ১৬টি দলকে নিয়ে এবারের ডুরান্ড কাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। ১৬টি দলকে ৪টি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। গ্রুপ এতে রয়েছে মহমেডান, এয়ারফোর্স, সিআরপিএফ, এফসি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেড। গ্রুপ বিতে রয়েছে এফসি গোয়া, সুদেভা এফসি, জামশেদপুর এফসি, আর্মি গ্রিন। গ্রুপ সিতে রয়েছে বেঙ্গালুরু এফসি, কেরালা ব্লাস্টার্স, দিল্লি ফুটবল ক্লাব, ইন্ডিয়ান নেভি। গ্রুপ ডিতে গত ডুরান্ডের চ্যাম্পিয়ন গোকুলাম কেরালা, হায়দরাবাদ এফসি, আসাম রাইফেল্স, আর্মি রেড। যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন ছাড়াও মোহনবাগান ও কল্যানী স্টেডিয়ামে ডুরান্ডের ম্যাচগুলি অনুষ্ঠিত হবে। যুবভারতীতে হবে ১৪টি ম্যাচ, মোহনবাগান মাঠে ৯টি এবং কল্যানীতে ৮টি ম্যাচ হবে।রবিবার ৫ সেপ্টেম্বর যুবভারতীতে উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে মহমেডান ও এয়ারফোর্স। ফাইনালও হবে যুবভারতীতে, ৩ অক্টোবর। বৃহস্পতিবার ফোর্ট উইলিয়ামে ক্রীড়াদপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী মনোজ তেওয়ারিকে সঙ্গে নিয়ে ডুরান্ড কাপের আবরণ উন্মোচন করেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তিনি জানান, যুবভারতীতে প্রতিযোগিতার উদ্বোধনে হাজির থাকবেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। ডুরান্ডের আয়োজক কমিটির পক্ষে লেফটেনেন্ট জেনারেল কমল রেপসওয়াল (চিফ অফ স্টাফ, হেডকোয়ার্টার ইস্টার্ন কমান্ড,এসএম, ভিএসএম) বলেন, এটিকে মোহনবাগান, এসসি ইস্টবেঙ্গল অসুবিধার জন্য এবার ডুরান্ডে অংশ নিতে পারছে না। পরে বছর যাতে তারা অংশ নেয়, সেটা দেখবেন। তবে দেশের সেরা অন্য দলগুলি অংশ নিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, কোভিড প্রোটোকল মেনেই প্রতিযোগিতায় খেলবে দলগুলো। শুরুতে দর্শকদের প্রবেশাধিকার না থাকলেও পরের দিকে কোভিড পরিস্থিতি বুঝে অল্পসংখ্যক দর্শক মাঠে ঢুকে খেলা দেখার অনুমতি পেতে পারেন। সেই সিদ্ধান্ত হলে টিকিটের দাম জানানো হবে।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌ATK Mohun Bagan : ৫ বছর পর আবার এএফসি কাপের নক আউট পর্বে এটিকে মোহনবাগান

ড্র করলেই এএফসি কাপের পরের রাউন্ডে যাওয়া নিশ্চিত। বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে ড্র করেই পরের রাউন্ডে পৌঁছে গেল এটিকে মোহনবাগান। ম্যাচের ফল ১১। শুরুতে পিছিয়ে পড়েও দারুণভাবে ম্যাচে ফেরে হাবাসের দল। বসুন্ধরার বিরুদ্ধে বাগানের রক্ষাকর্তা হয়ে দাঁড়ালেন ডেভিড উইলিয়ামস। গোল করে তিনি দলের মান বাঁচালেন। ৭ পয়েন্ট পেয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হল এটিকে মোহনবাগান। ২০১৬ সালের পর আবার এএফসি কাপের নক আউট পর্বে পৌঁছে গেল সবুজমেরুণ।পরের রাউন্ডে যেতে গেলে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না বসুন্ধরা কিংসের কাছে। তাই শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে বসুন্ধরা কিংস। এটিকে মোহনবাগানের রক্ষণে চাপও তৈরি করছিল। অন্যদিকে, হাবাসের লক্ষ্য ছিল প্রতি আক্রমণে গোল তুলে নেওয়া। বিক্ষিপ্ত লগ্নে আক্রমণে উঠে আসছিলেন রয় কৃষ্ণারা। এভাবেই প্রতি আক্রমণে উঠে এসে ১৮ মিনিটে এগিয়ে যেত পারত এটিকে মোহনবাগান। রয় কৃষ্ণা বসুন্ধরা কিংসের গোলকিপারকে টেনে এসে বল সাজিয়ে দিয়েছিলেন লিস্টন কোলাসোকে। ফাঁকা গোলে বল ঠেলতে ব্যর্থ হন লিস্টন কোলাসো। আরও পড়ুনঃ বেড পেতে গেলে আরেকটি শিশুর মৃত্যু অবধি অপেক্ষা করতে হবে!২৮ মিনিটে এগিয়ে যায় বসুন্ধরা কিংস। এটিকে মোহনবাগানের পেনান্টি বক্সের ডানদিকে বল পান ব্রাজিয়ান ফুটবলার ফার্নান্ডেজ। ছোট্ট জায়গার মধ্যে সবুজমেরুণের এক ডিফেন্ডারকে ড্রিবল করে ডানপায়ের দুরন্ত শটে গোল করেন তিনি। এটিকে মোহনবাগানের মাঝমাঠে এদিন হুগো বুমাসের অভাব বারবার চোখে পড়ছিল। দুটি হলুদ কার্ড দেখায় তিনি বসুন্ধরার বিরুদ্ধে মাঠে নামতে পারেননি। সেই সুযোগে মাঝমাঠে রাজত্ব করে গেলেন বসু্ন্ধরার ফুটবলাররা। ডেভিড উইলিয়ামসকে বারবার নীচে নেমে আসতে হচ্ছিল। প্রথমার্ধে লেনি রডরিগেজ একেবারে নিষ্প্রভ ছিলেন। ৪০ মিনিটে সমতা ফেরাতে পারত এটিকে মোহনবাগান। রয় কৃষ্ণার শট বসুন্ধরা কিংসের এক ফুটবলারের পায়ে লেগে বারের ওপর দিয়ে চলে যায়। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে বসুন্ধরা কিংসের সুশান্ত ত্রিপুরা বিপজ্জনক ফাউল করে লাল কার্ড দেখে মাঠের বাইরে চলে যান।আরও পড়ুনঃ কলকাতায় টিকাকরণের নিয়মে বড়সড় বদলগ্রুপ লিগের আগের ম্যাচে মাজিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয়ার্ধে দারুণভাবে খেলায় ফিরে এসেছিল এটিকে মোহনবাগান। বসুন্ধরার বিরুদ্ধেও সেই একই ছবি। দ্বিতীয়ার্ধে নিজেদের অনেকটাই গুছিয়ে নেয়ে হাবাসের ফুটবলাররা। তবে সবুজমেরুণ ব্রিগেডের কাজ সহজ করে দিয়েছিল বসুন্ধরা কিংসের ১ জনের কম থাকাটা। বিপক্ষের ১ জন কম থাকার সুযোগ নিয়ে ম্যাচে আধিপত্য বিস্তার করে এটিকে মোহনবাগান। ৬২ মিনিটে সমতাও ফেরায় সবুজমেরুণ। লিস্টন কোলাসোর কাছ থেকে বল পেয়ে বক্সের মাঝখান থেকে দুরন্ত শটে গোল করেন ডেভিড উইলিয়ামস। জয়ের জন্য শেষ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে বসুন্ধরা কিংস। ৮৪ মিনিটে রবসনের শট পোস্টের বাইরে লেগে বেরিয়ে যায়। অল আউট আক্রমণে গেলেও আর গোল তুলে নিতে পারেনি বসুন্ধরা কিংস।

আগস্ট ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ATK Mohunbagan : বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে কী বলছেন হাবাস?‌

গ্রুপ লিগে পরপর দুটি ম্যাচ জিতে এএফসি কাপের পরের পর্বে যাওয়ার রাস্তা অনেকটাই পরিস্কার করে ফেলেছে এটিকে মোহনবাগান। মঙ্গলবার গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংসের সঙ্গে ড্র করলেই পরের পর্বে যাওয়া নিশ্চিত। তবে ড্রয়ের কথা ভাবছে না। জয়ের দিকেই তাকিয়ে এটিকে মোহনবাগান। ফুটবলারদের জয়ের জন্য ঝাঁপানোর নির্দেশ দিয়েছেন সবুজমেরুণ কোচ আন্তেনীয় লোপেজ হাবাস।আরও পড়ুনঃ অভিষেক বচ্চন হাসপাতালে, চিন্তায় পরিবার থেকে অনুরাগীরাটানা দুটি ম্যাচে জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ শীর্ষে রয়েছে এটিকে মোহনবাগান। বসুন্ধরা কিংস মাজিয়াকে প্রথম ম্যাচে হারালেও বেঙ্গালুরু এফসির সঙ্গে ড্র করেছে। এই পরিস্থিতিতে সুনীল ছেত্রীদের সঙ্গে নক আউটে ওঠার দৌড় থেকে ছিটকে গিয়েছে মাজিয়া। বসুন্ধরা পয়েন্ট তালিকায় রয়েছে এটিকে মোহনবাগানের পরেই, ৪ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে। ফলে শেষ ম্যাচে ড্র করলেই সবুজমেরুণ পৌঁছে যাবে এএফসি কাপের নক আউটে। অন্যদিকে, পরের রাউন্ডে যেতে গেলে জিততেই হবে বসুন্ধরা কিংসকে।আরও পড়ুনঃ অক্টোবরেই চরম আকার নেবে তৃতীয় ঢেউ!বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে কিছুটা হলেও সমস্যায় এটিকে মোহনবাগান। হলুদ কার্ডের জন্য হাবাস গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে পাবেন না মিডফিল্ডার হুগো বুমাসকে। নিঃসন্দেহে বাগান শিবিরের কাছে এটা একটা বড় ধাক্কা। কারণ, প্রথম দুটি ম্যাচেই দলের জয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নিয়েছিলেন। তবে হাবাস তাঁর না থাকাকে বড় করে দেখছেন না। তিনি বসুন্ধরা বধের পরিকল্পনা তৈরি করেছেন।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের ত্রিপুরা-চ্যালেঞ্জে নতুন তাস দেবপরপর দুটি ম্যাচ জিতে আত্মবিশ্বাস তুঙ্গে রয়েছে সবুজমেরুণ শিবিরের। তবে নিজেদের ফেবারিট হিসেবে দেখছেন না হাবাস। বসুন্ধরার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, নিজেদের ফেবারিট ভেবে মাঠে নামতে চাই না। ফুটবল খেলাটা খুবই কঠিন। অনেক সময় অঙ্ক মেলে না। বসুন্ধরা কিংসের খেলা দেখেছি। বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়ন দল। ওদের সমীহ করতেই হবে। এই ম্যাচের ফলের ওপর নির্ভর করবে নকআউটে যাওয়া। লক্ষ্য থাকবে গোল না খাওয়া। তার মানে এই নয় আমরা রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলব। খেলায় ভারসাম্য রাখতে হবে। জেতার জন্য ফুটবলারদের সেরাটা দিতে হবে। আরও পড়ুনঃ পুজোর পর কি খুলবে স্কুল? বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীরএদিকে, এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে নিজেদের পিছিয়ে রাখছেন বসুন্ধরা কোচ অস্কার ব্রুজো। হাবাসের দলকে ফেবারিট হিসেবে মেনে নিলেও, বিনা লড়াইয়ে জমি ছাড়তে নারাজ। তিনি বলেন, এটিকে মোহনবাগান নিঃসন্দেহে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ। তবে ওদের হারিয়ে নকআউটে যাওয়া সম্ভব। ভারতীয় ক্লাবে কোচিংয়ের সূত্রে ওদেশের ফুটবলের সঙ্গে পরিচয় আছে। এটিকে মোহনবাগানের শক্তি ও ওদের কোচ হাবাসের কোচিং সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা আছে। সেটা মাথায় রেখেই জেতার জন্য মরিয়া হবে আমার ফুটবলাররা।

আগস্ট ২৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Roy Krishna : বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে নামার আগে হুঙ্কার রয় কৃষ্ণার

নতুন মরশুম। দলে অনেক পরিবর্তন এসেছে। সেভাবে প্রস্তুতির সুযোগও পায়নি। তা সত্ত্বেও এএফসি কাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে দাপট দেখাচ্ছে এটিকে মোহনবাগান। প্রথম ম্যাচে বেঙ্গালুরু এফসিকে ২ গোলে হারানোর পর মালদ্বীপের মাজিয়া স্পোর্টস অ্যান্ড রিক্রিয়েশন ক্লাবের বিরুদ্ধেও দুরন্ত জয়। পরের পর্বে যাওয়া প্রায় নিশ্চিত। শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংসের সঙ্গে দরকার শুধু ড্র।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি খুনের ঘটনায় এবার সিআইডি জালে লিঙ্কম্যানটানা দুটি ম্যাচে জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ শীর্ষে রয়েছে এটিকে মোহনবাগান। বসুন্ধরা কিংস মাজিয়াকে প্রথম ম্যাচে হারালেও বেঙ্গালুরু এফসির সঙ্গে ড্র করেছে। এই পরিস্থিতিতে সুনীল ছেত্রীদের সঙ্গে নক আউটে ওঠার দৌড় থেকে ছিটকে গিয়েছে মাজিয়া। বসুন্ধরা পয়েন্ট তালিকায় রয়েছে এটিকে মোহনবাগানের পরেই, ৪ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে। ফলে শেষ ম্যাচে ড্র করলেই সবুজমেরুণ পৌঁছে যাবে এএফসি কাপের নক আউটে।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনেরতবে ড্র নয়, শেষ ম্যাচে জয়ের দিকেই তাকিয়ে বাগান শিবির। হাবাস ব্রিগেড যে জয়ের জন্যই ঝাঁপাবে, দলের সেরা ফুটবলার রয় কৃষ্ণার কথাতেই পরিস্কার। তিনি টুইটারে লিখেছেন, দুটি ম্যাচ হয়ে গেল, আর একটা বাকি। যেভাবে প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও দ্বিতীয়ার্ধে তিনটি গোল করে ম্যাচের রং বদলে দিয়েছেন আমাদের দলের সকলে তাতে সত্যিই গর্বিত। এটা মোটেই সহজ ম্যাচ ছিল না। তবে যাঁরা আমাদের সমর্থন করেছেন, আমাদের উপর বিশ্বাস রেখেছেন, তাঁদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞতা জানাই। এবার পরের ম্যাচের জন্য প্রস্তুত হচ্ছি আমরা।আরও পড়ুনঃ কলকাতার পাশেই ছুটি কাটানোর দারুন সুযোগ, সুন্দরবনের পথে অপরূপ সৌন্দর্যের হাতছানিরয় কৃষ্ণা আরও বলেন, মেজিয়ার বিরুদ্ধে পিছিয়ে পড়েও কখনও চাপে ছিলাম না। কারণ জানি, আমাদের দলে কোয়ালিটি ফুটবলার আছে। জানতাম, আমরা গোলের সুযোগ পাব। প্রথমার্ধে গোলশোধে তাড়াহুড়ো ভাব দেখানোয় সেই লক্ষ্যপূরণ হয়নি। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে ধৈর্য ধরায় গোল ও জয় এসেছে। এটাই আমাদের দলের আসল চরিত্র।আরও পড়ুনঃ বর্ধমান আদালতের লক্লার্ককে অপহরণ করে মুক্তিপন দাবি, গ্রেপ্তার অপহরণকারীফুটবলারদের লড়াকু মানসিকতার প্রশংসা করেছেন কোচ আন্তোনীয় লোপেজ হাবাস। তিনি বলেন, মাজিয়া শুরুতে গোল করায় আমরা কিছুটা সমস্যায় পড়েছিলাম। গরম, আর্দ্রতা, শক্ত মাঠের জন্য ফুটবলারদের ঘুরিয়েফিরিয়ে ব্যবহার করতে হচ্ছে। হুগো বুমাসকে এই জন্য পরে নামিয়েছিলাম। ফুটবলাররা দ্রুত নিজেদের গুছিয়ে নিয়ে সেরাটা দেওয়ার জন্য গর্বিত। আমরা ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছি। পরের ম্যাচে ড্র করলেই নকআউটে পৌঁছে যাব। কিন্তু ড্রয়ের মানসিকতা নিয়ে নামব না। গ্রুপের শেষ ম্যাচও জেতার জন্যই ঝাঁপাবে আমার ফুটবলাররা।

আগস্ট ২২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ATK Mohonbagan : মাজিয়াকে হারিয়ে পরের রাউন্ডে যাওয়ার রাস্তা পরিস্কার করল এটিকে মোহনবাগান

জিতলেই এএফসি কাপের পরের রাউন্ডে যাওয়ার রাস্তা পরিস্কার হয়ে যেত এটিকে মোহনবাগানের। অন্যদিকে, পরের রাউন্ডে যাওয়ায় সম্ভবনা টিকিয়ে রাখতে গেলে জিততেই হত মাজিয়া স্পোর্টস অ্যান্ড রিক্রিয়েশন ক্লাবকে। এটিকে মোহনবাগানের কাছে হেরে গ্রুপ লিগ থেকেই বিদায় নিল মালদ্বীপের এই দলটি। পিছিয়ে পড়েও ৩১ ব্যবধানে দারুণ জয় তুলে নিল সবুজমেরুণ। পরের রাউন্ডে যাওয়ার রাস্তা অনেকটাই পরিস্কার হয়ে গেল এটিকে মোহনবাগানের।আরও পড়ুনঃ তালিবান জমানায় আফগান ক্রিকেটের ভবিষ্যত কী?বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে ডুবতে হয়েছিল মাজিয়া স্পোর্টস এন্ড রিক্রিয়েশন ক্লাবকে। এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে সেই ভুল করেনি মালদ্বীপের দলটি। শুরু থেকেই সতর্ক। ম্যাচের সূচনা থেকেই অবশ্য সবুজমেরুণের আক্রমণের চাপ অনেক বেশি ছিল। তবে প্রতি আক্রমণে উঠে এসে গোল তুলে নেয় মাজিয়া। খেলার গতির বিরুদ্ধে এগিয়ে যায় মালদ্বীপের দলটি। ২৫ মিনিটে প্রতি আক্রমণে উঠে এসে ডানদিক থেকে বক্সের মধ্যে মাইনাস করেন। আইজল ইব্রাহিম হালকা পুশে বল জালে পাঠান। শুভাশিস জায়গায় ছিলেন না। দুজন ডিফেন্ডার একসঙ্গে ট্যাকেলে যাওয়ায় আইজল ইব্রাহিম ফাঁকা হয়ে যান। ৩২ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল। লিস্টন কোলাসোর দুরন্ত ফ্রিকিক মাজিয়া গোলকিপার কর্নারের বিনিময়ে বাঁচান। হুগো বুমোকে প্রথমার্ধে মাঠে নামাননি হাবাস। তাঁর অভাব বারবার চোখে পড়ছিল। রয় কৃষ্ণা সেভাবে বল পাচ্ছিলেন না। ডেভিড উইলিয়ামসও ছিলেন একেবারে নিষ্প্রভ। ফলে এটিকে মোহনবাগানের আক্রমণভাগ প্রথমার্ধে সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেননি। সবুজমেরুনে মাঝমাঠে ফাঁক তৈরি হয়। প্রথমার্ধে সেটাই কাজে লাগায় মাজিয়া।আরও পড়ুনঃ বর্ধমান আদালতের লক্লার্ককে অপহরণ করে মুক্তিপন দাবি, গ্রেপ্তার অপহরণকারীম্যাচের বিরতিতে আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের পেপ টক বদলে দেয় এটিকে মোহনবাগানকে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোল তুলে নেয় সবুজমেরুন। ৪৯ মিনিটে আশুতোষ মেহতার সেন্টার থেকে হেডে সমতা ফেরান লিস্টন কোলাসো। ৬৩ মিনিটে ডেভিড উইলিয়ামসের পরিবর্তে হুগো বুমোকে মাঠে নামান হাবাস। তিনি মাঠে আসার সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায় এটিকে মোহনবাগান। ৬৫ মিনিটে বুমোর বাড়ান বল লিস্টন গোল লক্ষ্য করে শট নেন। গোলকিপারের গায়ে লেগে ফিরে এলে সেই বল ঠান্ডা মাথায় জালে পাঠান রয় কৃষ্ণা। ৭৮ মিনিটে সেই হুগো বুমোর পাশ থেকে ৩১ করেন মনবীর সিং। এটিকে মোহনবাগানের পরের ম্যাচ বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে। সেই ম্যাচে ড্র করলেই পরের রাউন্ডে পৌঁছে যাবে এটিকে মোহনবাগান।

আগস্ট ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌ATK Mohunbagan : আজ মাজিয়ার বিরুদ্ধে জিতলেই এএফসি কাপের পরের পর্ব নিশ্চিত বাগানের

মরশুমের প্রথম ম্যাচে এএফসি কাপে বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে আধিপত্য নিয়ে জিতেছে এটিকে মোহনবাগান। আজ মালদ্বীপের মাজিয়া স্পোর্টস অ্যান্ড রিক্রিয়েশন ক্লাবের বিরুদ্ধে খেলতে নামছে আন্তেনীয় লোপেজ হাবাসের দল। মাজিয়ার বিরুদ্ধে জিতলেই পরের পর্বে যাওয়া নিশ্চিত হয়ে যাবে সবুজমেরুণ শিবিরের। আজই পরের পর্বে যাওয়া নিশ্চিত করতে চান রয় কৃষ্ণারা। তবে আজ সতর্কভাবে মাঠে নামতে চান হাবস।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশমাজিয়ার স্পোর্টস অ্যান্ড রিক্রিয়েশন ক্লাবের বিরুদ্ধে এগিয়ে থেকেই মাঠে নামবে এটিকে মোহনবাগান। প্রথম ম্যাচে বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে জয় দলের ফুটবলারদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। তাছাড়া বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংসের কাছে গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচ হেরে বেশ চাপে রয়েছে মাজিয়া। পরের রাউন্ডে যাওয়ার আশা টিকিয়ে রাখতে গেলে আজ মোহনবাগানের বিরুদ্ধে জিততেই হবে মালদ্বীপের এই দলটিকে।আরও পড়ুনঃ শরিকী বিবাদে কিংবদন্তী গোষ্ঠ পালও আজ দুভাগবেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে যথেষ্ট ইতিবাচক ফুটবল উপহার দিয়েছিল সবুজমেরুণ শিবির। মাজিয়ার বিরুদ্ধে সেটাই ধরে রাখতে চান এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তেনীয় লোপেজ হাবাস। তবে বিপক্ষ শিবিরকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। মাজিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামর আগে হাবাস বলেন, মাজিয়া নতুন প্রতিপক্ষ। আগের ম্যাচে কী হয়েছে তা ভুলে আমাদের মাঠে নামতে হবে। প্রতিপক্ষকে সমীহ করতেই হবে। নিজেদের খেলায় আরও উন্নতি করতে হবে। নানা প্রতিকূলতা কাটিয়ে বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে দল জিতেছে। প্রথম ম্যাচ জিতলেও আত্মতুষ্টির কোনও জায়গা নেই। একটা বাজে দিন পরিস্থিতি বদলে দিতে পারে।সবুজমেরুণ কোচ আরও বলেন, বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে মাজিয়ার খেলা দেখেছি। একইরকম স্ট্র্যাটেজিতে আমাদের বিরুদ্ধে নাও খেলতে পারে। আমাদের বিরুদ্ধে কী রকম স্ট্র্যাটেজিতে খেলে, সেটা দেখেই আমাদের খেলতে হবে। ওরা আমাদের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিতে পারে, এটা মাথায় রেখেই মাঠে নামতে হবে।আরও পড়ুনঃ মধ্যস্থতাকারীর সঙ্গে বৈঠকেও সমস্যা মিটল না ইস্টবেঙ্গলেরঅন্যদিকে, প্রথম ম্যাচে হারের পর এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া মাজিয়া। কোচ রিস্টো ভিদাকোভিচের বলেন, বসুন্ধরা ম্যাচে আমার ফুটবলাররা নার্ভাস ছিল। নিজেদের স্বাভাবিক খেলা তুলে ধরতে পারিনি। শুরুতে ২ গোলে পিছিয়ে পড়ে ম্যাচেও ফিরতে পারিনি। ফুটবলারদের বলেছি আগের ম্যাচের কথা ভুলে গিয়ে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ফোকাস করতে। অতীতে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে পয়েন্ট তোলার অভিজ্ঞতা রয়েছে মাজিয়া স্পোর্টসের।

আগস্ট ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ATK Mohunbagan : জয় দিয়ে এএফসি কাপ অভিযান শুরু করল এটিকে মোহনবাগান

জাতীয় প্রতিযোগিতায় বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে এটিকে মোহনবাগানের পরিসংখ্যান বেশ চমকপ্রদ। গত মরশুমে আইএসএলর দুটি ম্যাচেই জিতেছিল সবুজমেরুণ ব্রিগেড। এই মরশুমেও সাফল্যের ধারা অব্যাহত। জাতীয় মঞ্চ ছেড়ে সাফল্য এবার আন্তর্জাতিক মঞ্চে। এএফসি কাপের ডি গ্রুপের প্রথম ম্যাচেই জিতল এটিকে মোহনবাগান। ২০ ব্যবধানে হারাল বেঙ্গালুরু এফসিকে। এটিকে মোহনবাগানের হয়ে দুটি গোল করেন রয় কৃষ্ণা ও সুরজিৎ বোস।আরও পড়ুনঃ বাংলার নবাবের ব্যর্থতা ঢেকে লর্ডস অভিযানে নায়ক হায়দরাবাদি সিরাজম্যাচের শুরুর দিকে একটু জড়তা ছিল এটিকে মোহনবাগানের খেলায়। বোঝাপড়া অভাব বেশ স্পষ্ট। এটাই স্বাভাবিক। গত মরশুমের বেশ কয়েকজন ফুটবলার এবছর নেই। আক্রমণভাগে রয় কৃষ্ণার সঙ্গে হুগো বুমোর এখনও সেভাবে বোঝাপড়া গড়ে ওঠেনি। তার ওপর মরশুমের প্রথম ম্যাচ। ম্যাচ যত গড়িয়েছে ধীরে ধীরে খোলস ছেড়ে বেরিয়েছেন আন্তেনীয় লোপেজ হাবাসের ফুটবলাররা।আরও পড়ুনঃ লর্ডসে জেতার পর সতীর্থদের সম্পর্কে কী বললেন কোহলি?অন্যদিকে, প্লে অফ ম্যাচ খেলে মূলপর্বে উঠে এসেছে বেঙ্গালুরু এফসি। প্লে অফ ম্যাচে জয়েস রানের গোলে হারিয়েছিল মালদ্বীপের ক্লাব ঈগলসকে। মোহনবাগানের তুলনায় সুনীল ছেত্রীদের বোঝাপড়া অনেক বেশি ছিল। বেঙ্গালুরু এফসি মাঝে মাঝেই বিপজ্জনকভাবে আক্রমণে উঠে আসছিল। তবে ম্যাকাউ, প্রীতম কোটালরা সজাগ থাকায় সুনীল ছেত্রিরা সুবিধা করতে পারেননি।আরও পড়ুনঃ ১২ ঘন্টার দীর্ঘ লড়াই শেষে ১২ তম ইন্ডিয়ান আইডল স্নিগ্ধ হাওয়া পবনদীপসবুজমেরুণ জার্সি গায়ে অভিষেক ম্যাচেই যথেষ্ট নজরকাড়া ফুটবল খেললেন হুগো বুমো। শুরু থেকেই দাপট ছিল। ২১ মিনিটে বক্সের ডানদিক থেকে বাঁদিকে ঢুকে গিয়ে বাঁপায়ে জোরালো শট নিয়েছিলেন হুগো বুমো। তাঁর শট ঝাঁপিয়ে বাঁচান বেঙ্গালুরু এফসি গোলকিপার গুরপ্রীত সিং। হুগো বুমো ও রয় কৃষ্ণা মিলে বেঙ্গালুরু রক্ষণে যথেষ্ট চাপ তৈরি করেছিলেন। তার ফলও মেলে প্রথমার্ধে।আরও পড়ুনঃ মহিলাদের জন্য বড় সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্টেরম্যাচের ৩৯ মিনিটে এগিয়ে যায় এটিকে মোহনবাগান। হুগো বুমোর কর্ণারে লাফিয়ে উঠে হেড করেন সুরজিৎ বোস। গোলমুখী সেই বলে বেঙ্গালুরু গোলকিপার গুরপ্রীতের সামনে থেকে ফ্লিক করে জালে পাঠান রয় কৃষ্ণা। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ব্যবধান বাড়ায় এটিকে মোহনবাগান। ৪৬ মিনিটে ডেভিড উইলিয়ামসের ফ্রিকিক থেকে বল পেয়ে বক্সের ডানদিক থেকে বাঁপায়ের দুর্দান্ত শটে ২০ করেন সুরজিৎ।1️⃣st #AFCCup outing for #ATKMohunBagan 💪2️⃣ Goals on the scoreboard! 🤩3️⃣ Points in the bag! 🙌The #Mariners start the tournament with a convincing display!💚❤️📸 - @AFCCupATKMB 2-0 BFC#ATKMBvBFC #MarinersInAsia #ATKMohunBagan #JoyMohunBagan #IndianFootball pic.twitter.com/dtH7wI5ISw ATK Mohun Bagan FC (@atkmohunbaganfc) August 18, 2021৫৩ মিনিটে ব্যবধান কমানোর সুযোগ পেয়েছিল বেঙ্গালুরু এফসি। ক্লেইটন সিলভার ডানপায়ের জোরালো শট দারুণ দক্ষতার সঙ্গে বাঁচিয়ে দেন সবুজমেরুণ গোলকিপার অমরিন্দার সিং। বেঙ্গালুরুর সুনীল ছেত্রি এদিন একেবারেই নিস্প্রভ ছিলেন। ৬৮ মিনিটে তাঁকে তুলে লিওন অগাস্টিনকে নামান বেঙ্গালুরু কোচ। অন্যদিকে হুগো বুমো ক্লান্ত হয়ে পড়ায় শেষ দিকে তাঁকে তুলে নিয়ে ম্যাচের গতি বাড়ানোর জন্য বিদ্যানন্দ সিংকে নামান হাবাস। ম্যাচের শেষ দিকে চাপ বাড়ালেও গোল পায়নি বেঙ্গালুরু।

আগস্ট ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T-20 World Cup: টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের প্রথম ম্যাচ কবে? সূচি প্রকাশ করল আইসিসি

টি২০ বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান একই গ্রুপে রয়েছে, আগেই জানা গিয়েছিল। সেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধেই টি২০ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ খেলবেন বিরাট কোহলিরা। সুপার ১২-র গ্রুপ দুইতে খেলবে ভারতীয় ক্রিকেট দল। মঙ্গলবারই টি ২০ বিশ্বকাপের পূর্ণাঙ্গ সূচি প্রকাশ করল আইসিসি।আরও পড়ুনঃ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয় ভারতের২৩ অক্টোবর শুরু হবে সুপার ১২-র খেলা। প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকা। ২৩ অক্টোবরই ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলতে নামবে চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ২৪ অক্টোবর বাবর আজমদের বিরুদ্ধে দুবাইতে খেলতে নামবেন বিরাট কোহলিরা। ৩১ অক্টোবর নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচে খেলবে ভারত। ভারতের পরের ম্যাচ ৩ নভেম্বর আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে। আফগানিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি খুবই খারাপ। এই পরিস্থিতিতে তারা টি২০ বিশ্বকাপে খেলবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ আছে।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপের প্রথম প্রতিপক্ষ নিয়ে কেন সতর্ক হাবাস?৫ নভেম্বর ও ৮ নভেম্বর যোগ্যতা অর্জনকারী দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ বিরাট কোহলিদের। সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১০ ও ১১ নভেম্বর। ফাইনাল হবে ১৪ নভেম্বর। তবে ফাইনালের জন্য একটা দিন রিজার্ভ রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি। বিরাট কোহলিদের গ্রুপ পর্বের সবকটি ম্যাচ দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত হবে। ১৭ অক্টোবর থেকে মূলপর্বের যোগ্যতা অর্জনের খেলা শুরু হবে। দুপুর ২টোয় ঘরের মাঠে পাপুুয়া নিউ গিনির বিরুদ্ধে রাউন্ড ওয়ানের গ্রুপ বি-র প্রথম ম্যাচ খেলবে ওমান। রাউন্ড ওয়ানের গ্রুপ বি-র প্রথম ম্যাচও একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে। সন্ধ্যে ওমানের মাঠে স্কটল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। একদিন পর সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর আবু ধাবিতে রাউন্ড ওয়ানের গ্রুপ এ-র মোকাবিলা শুরু হবে। এই গ্রুপে আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, শ্রীলঙ্কা, নামিবিয়ার মতো দলগুলি লড়াই করবে। ২২ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে রাউন্ড ওয়ানের মোকাবিলা। দুই গ্রুপের দুটি করে দল সুপার ১২ রাউন্ডে খেলার সুযোগ পাবে।আরও পড়ুনঃ অবশেষে ইস্টবেঙ্গলকে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের সংশোধিত খসড়া পাঠাল শ্রী সিমেন্টপাঁচ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে চলেছে টি২০ বিশ্বকাপ। ১৭ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে প্রতিযোগিতা। ২০১৬ সালে শেষবার টি২০ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ২০২০ সালে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল প্রতিযোগিতার পরবর্তী সংস্করণ। করোনা ভাইরাসের জেরে দুই বছরের জন্য পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে ওই টুর্নামেন্ট। চলতি বছরের টি২০ বিশ্বকাপ ভারতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও অতিমারীর জেরে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে বাধ্য হয় আইসিসি। সংযুক্ত আরব আমিরশাহী এবং ওমানে আয়োজিত হবে টুর্নামেন্ট। উদ্যোক্তার ভূমিকায় থাকবে বিসিসিআই। কবে থেকে শুরু হচ্ছে টুর্নামেন্ট, তা জানা গিয়েছিল আগেই।

আগস্ট ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

M‌ohun Bagan : এএফসি কাপে প্রথম পর্বের বাধা টপকাতে পারবেন?‌ কী বলছেন হাবাস

কলকাতায় শুরু হয়ে গেছে এটিকে মোহনবাগনের এএফসি কাপের প্রস্তুতি শিবির। প্রতিযোগিতায় খেলতে ১৪ আগস্ট মালদ্বীপ রওনা হবে সবুজমেরুণ শিবির। নতুনভাবে দল সাজাতে হচ্ছে এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তেনীয় লোপেজ হাবাসকে। তবুও প্রথম পর্বের বাধা টপকানোর ব্যাপারে আশাবাদী তিনি।আরও পড়ুনঃ অশান্ত আফগানিস্তানের জন্য শান্তির আবেদন ক্রিকেটার রশিদ খানেরপ্রস্তুতি নেওয়ার ফাঁকেই হাবাস বলেন, দলে এবছর বেশ কয়েকজন নতুন ফুটবলার এসেছে। আবার নতুন করে দল সাজাতে হচ্ছে। অতিমারীর জন্য সব বিদেশিকে প্রথম দিন থেকে অনুশীলনে পাওয়া যায়নি। জনি কাউকো, হুগো বোমাসরা এলেও ডেভিড উইলিয়ামস এখনও এসে পৌঁছয়নি। ও অনুশীলনে যোগ দিলে বুঝতে পারব কেমন অবস্থায় রয়েছে। তবে আশা করছি দল প্রথম রাউন্ডের বাধা টপকাবে। জনি কাউকো ও হুগো বুমাস যে দলের শক্তি অনেটাই বাড়িয়েছে, স্বীকার করে নিয়েছেন হাবাস। এই দুই বিদেশি বড় ভুমিকা নেবে বলে তিনি মনে করছেন। সবুজমেরুণ কোচ বলেন, দুজনেই গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার। দলে বড় ভুমিকা নেবে। আগের মরশুমে বোমাস মুম্বই সিটি এফসির হয়ে খুব ভাল খেলেছিল। কাউকো ইউরো কাপ খেলে এটিকে মোহনবাগানে যোগ দিয়েছে। ওরা যোগদান করায় দলে বাড়তি ভারসাম্য আসবে।আরও পড়ুনঃ প্যারিসে পৌঁছে অন্যরকম অভ্যর্থনা পেলেন লিওনেল মেসিগতমরশুমে এটিকে মোহনবাগানের ঘরে কোনও ট্রফি আসেনি। এই মরশুমে ট্রফি খরা কাটাতে মরিয়া হাবাস। যদিও অন্যতম ফেবারিট হিসেবে তিনি মুম্বই সিটি এফসিকে মনে করছেন। তিনি বলেন, মুম্বই খেতাবের অন্যতম দাবিদার। তবে এবারও হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। গতবার ভাল খেলেও আমরা কোনও ট্রফি জিততে পারিনি। এই মরশুমে গতবছরের ভুল করা চলবে না। বেঙ্গালুরু এফসি যদি প্লে অফ ম্যাচ জেতে, তাহলে এএফসি কাপের গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচে তাদের বিরুদ্ধে খেলতে হবে এটিকে মোহনবাগানকে। ম্যাচ ১৮ আগস্ট।

আগস্ট ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T‌20 World Cup : টি২০ বিশ্বকাপে গ্রুপ লিগেই মুখোমুখি ভারত–পাকিস্তান

শুক্রবার প্রকাশিত হল টি২০ বিশ্বকাপের সূচি। ভারতের সঙ্গে একই গ্রুপে রয়েছে ভারত ও পাকিস্তান। ভারত, পাকিস্তান ছাড়াও ২ নম্বর গ্রুপে রয়েছে নিউজিল্যান্ড ও আফগানিস্তান। টি ২০ বিশ্বকাপে সুপার ১২তে সরাসরি ৮টি দল খেলবে। এই দলগুলি হল ভারত, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আফগানিস্তান। যোগ্যতা অর্জন পর্ব খেলে আরও ৪টি দল সুপার ১২তে উঠে আসবে। যোগ্যতা অর্জন পর্বে দুটি গ্রুপ করা হয়েছে। গ্রুপ এতে রয়েছে শ্রীলঙ্কা, আয়ারল্যান্ড, হল্যান্ড ও নামিবিয়া। গ্রুপ বিতে রয়েছে বাংলাদেশ, ওমান, স্কটল্যান্ড ও পাপুয়া নিউ গিনি। এই দুটি গ্রুপ থেকে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স সুপার ১২তে উঠে আসবে। সুপার ১২তে দুটি গ্রুপ করা হয়েছে। ১ নম্বর গ্রুপে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকা। যোগ্যতা অর্জন পর্ব খেলে গ্রুপ এর চ্যাম্পিয়ন ও গ্রুপ বির রানার্স ১ নম্বর গ্রুপে উঠে আসবে। অন্যদিকে ২ নম্বর গ্রুপে উঠে আসবে বির চ্যাম্পিয়ন ও গ্রুপ এর রানার্স। বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছেন শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডের সুপার ফাইভে উঠে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। মার্চ মাসে আইসিসির র্যাঙ্কিং অনুসারে গ্রুপ বিন্যাস করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইসিসি।বৃহস্পতিবার গ্রুপ বিন্যাস হলেও পূর্ণাঙ্গ সূচি পরে ঘোষণা করা হবে। ১৭ অক্টোবর থেকে টি২০ বিশ্বকাপ শুরু হবে। ১১ ও ১২ নভেম্বর প্রথম ও দ্বিতীয় সেমিফাইনাল। ১৪ নভেম্বর ফাইনাল। সংযুক্ত আরব আমীরশাহী ও ওমানে বিশ্বকাপের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্বকাপের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির সংযুক্ত আরব আমীরশাহী ও ওমান যাওয়ার কথা। দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। আইপিএল নিয়েও সংযুক্ত আরব আমীরশাহীর কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন সৌরভ।

জুলাই ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

England Football: রাশফোর্ডদের বিরুদ্ধে বর্ণবৈষম্যমূলক মন্তব্য, সাউথগেটের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন

ইওরো ফাইনালে ইতালির বিরুদ্ধে টাইব্রেকারের গোল করতে ব্যর্থ ইংল্যান্ডের তিন কৃষ্ণাঙ্গ ফুটবলার র্যাশফোর্ড,স্যাঞ্চো ও সাকা। হারের পর তাঁদের বিরুদ্ধা সোশ্যাল মিডিয়ায় বর্ণবৈষম্যমূলক মন্তব্য করেছে ইংল্যান্ডে উগ্র সমর্থক। তা নিয়ে চারিদিকে সমালোনার ঝড় উঠেছে। ব্যাপারটা ভালভাবে নেয়নি ইংল্যান্ড ফুটবল সংস্থাও। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনও ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার কেভিন পিটারসেনও সমাচনায় মুখর। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ।আরও পড়ুনঃ প্রয়াত বলিউড অভিনেতা ও মিমিক্রি শিল্পী মাধব মোঘেইংল্যান্ড ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এক প্রেস বিবৃতিতে জানিয়েছে, র্যাশফোর্ডদের বিরুদ্ধে যেভাবে বর্ণবৈষম্যমূলক মন্তব্য করা হয়েছে, তা লজ্জাজনক ও নিন্দানীয়। এই ধরণের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। সরকারের উচিত দোষীদের দ্রুত বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন টুইটারে লিখেছেন, যারা এই ধরণের ঘৃণ্য কাজ করেছে, তাদের নিজেদেরই লজ্জা হওয়া উচিত। ওরা জাতির কলঙ্ক। প্রাক্তন ক্রিকেটার কেভিন পিটারসেনও ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি বলেছেন, ২০২১ সালে এসে এই ধরণের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। এই ফুটবলাররা দেশের সম্পদ। ওরা দেশকে কত সম্মান এনে দিয়েছে। এই ঘটনার পরে ২০৩০ সালে বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য আমরা যোগ্য কিনা ভাবতে হবে। যারা এই ধরণের মন্তব্য করেছে, তাদের লজ্জা হওয়া উচিত। লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ডের স্বপ্ন চুরমার করে ইউরো চ্যাম্পিয়ন ইতালিএদিকে, ফাইনালে ইতালির কাছে টাইব্রেকারে হারের পর ইংল্যান্ড কোচ গ্যারেথ সাউথগেটের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। টাইব্রেকারে গোল করতে ব্যর্থ রাশফোর্ড, স্যাঞ্চো ও সাকা। কেন অনভিজ্ঞ সাকাকে টাইব্রেকারের গুরুত্বপূ্ণ শট নিতে দেওয়া হয়েছিল? জ্যাক গ্রিলিস শট নিতে চাইলেও কেন তঁার ইচ্ছেকে দমিয়ে রাখা হয়েছিল? পাঁচ শুটারের তালিকায় কেন রাহিম স্টার্লিংয়ের নাম ছিল না? সাউথগেট অবশ্য তরুণ সাকার পাশে দাঁড়িয়েছেন। বলেছেন, সাকা হয়তো নিজের মধ্যে ছিল না। তবে আমাদের ওর পাশে দাঁড়াতে হবে। ওকে সাহায্য করতে হবে। আশা করছি বাইরের কেউ সাকাকে ঘৃণা করবে না। রাশফোর্ড ও স্যাঞ্চোকে দীর্ঘক্ষণ রিজার্ভ বেঞ্চে বসিয়ে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। রাশফোর্ড, স্যাঞ্চো, সাকাকে টাইব্রেকারের জন্য মনোনীত করার জন্য সাউথগেট নিজেই দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন। তিনি বলেন, এটা পুরোপুরি আমার সিদ্ধান্ত। প্র্যাকটিসে টাইব্রেকার শট মারার ভিত্তিতেই ফুটবলারদের বেছে নিয়েছিলাম। কেউই নিজে থেকে মারতে যায়নি। সব দায়িত্ব আমার। সাউথগেটের এই সিদ্ধান্ত নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন প্রাক্তন অধিনায়ক অ্যালান শিয়েরার। এদিকে, জ্যাক গ্রিলিশ দাবি করেছেন, তিনি টাইব্রেকার শট নিতে চাইলেও মারতে দেওয়া হয়নি।

জুলাই ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Euro Cup Semi Final 2020: ৫৫ বছরের শাপমুক্তি, এই প্রথম ইউরো কাপের ফাইনালে উঠল ইংল্যান্ড

নাসরীন সুলতানাইউরো কাপের প্রথম সেমিফাইনালে ইতালি ও স্পেনের মধ্যে রোমাঞ্চকর পরিসমাপ্তি। ইংল্যান্ড ও ডেনমার্কের মধ্যে দ্বিতীয় সেমিফাইনাল ততটা রুদ্ধশ্বাস না হলেও তুল্যমূল্য লড়াই হল। শেষপর্যন্ত অতিরিক্ত সময়ে হ্যারি কেনের করা গোলে ফাইনালে পৌঁছে গেল গ্যারেথ সাউথগেটের দল। ডেনমার্কের বিরুদ্ধে জিতল ২১ ব্যবধানে। এই প্রথম ইউরো কাপের ফাইনালে উঠল ইংল্যান্ড। ১১ জুলাই ওয়েম্বলিতে ইতালির মুখোমুখি।আরও পড়ুনঃ মার্টিনেজ যেন ১৯৯০ র গাইকোচিয়া। কোপা ফাইনালে মেসি-নেইমার১৯৬৬ সালের পর কোনও বড় প্রতিযোগিতার ফাইনালে খেলার সুযোগ হয়নি ইংল্যান্ডের। বিশ্বকাপই বলুন, আর ইউরো কাপ, প্রতিবার ডাকহর্স হিসেবে শুরু করে শুধুই ব্যর্থতা। এবার ইউরোতে শাপমোচনের অঙ্গীকার নিয়ে মাঠে নেমেছিল সাউথগেটের দল। শেষপর্যন্ত স্বপ্নের ফাইনালের ছাড়পত্র। ৫৫ বছর পর কোনও বড় প্রতিযোগিতার ফাইনালে উঠে শাপমুক্তি। ওয়েম্বলিতে ডেনমার্কের বিরুদ্ধে ফেবারিট হিসেবেই মাঠে নেমেছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু ড্যানিশদের বিরুদ্ধে জয় পেতে যথেষ্ট বেগ পেতে হল হ্যারি কেনদের। জার্মানির বিরুদ্ধে প্রিকোয়ার্টার ফাইনালে, কিংবা ইউক্রেনের বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনালে যে ফুটবল উপহার দিয়েছিলেন রাহিম স্টার্লিংরা, ডেনমার্কের বিরুদ্ধে ততটা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারেননি। তবে ডেনমার্কের লড়াইও প্রশংসার যোগ্য।আরও পড়ুনঃ জখম কলেজ ছাত্রী, রক্তমাখা ধারালো কাঁচিসহ গ্রেপ্তার যুবকম্যাচের শুরু থেকে ইংল্যান্ডকে কখনোই স্বস্তিতে থাকতে দেয়নি ডেনমার্ক। বিশেষ করে ড্যামসগর্ডের কথা বলতে হবে। বারবার আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে ব্যতিব্যস্ত রাখছিল ইংল্যান্ডের রক্ষণকে। ম্যাচের ৩০ মিনিটে এগিয়ে যায় ডেনমার্ক। বক্সের বাইরে ফ্রিকিক পেয়েছিল। ফ্রিকিক থেকে দুরন্ত গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ড্যামসগার্ড। এই গোলের আগে আরও একটা সুযোগ পেয়েছিলেন ড্যামসগার্ড। তাঁর বাঁক খাওয়ানো শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। যদিও এই লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি ডেনমার্ক। ৩৯ মিনিটে ম্যাচে সমতা ফেরে। ডানদিক থেকে উঠে এসে বুকায়ো সাকা রাহিম স্টার্লিংকে উদ্দেশ্য করে পাস বাড়ান। স্টার্লিং শট নেওয়ার আগেই বল বিপদমুক্ত করতে গিয়ে নিজেদের জালে বল পাঠান ডেনমার্কের ডিফেন্ডার সিমোন শ্যার।আরও পড়ুনঃ বিধানসভায় দিলীপ-মদনের রঙিন রসিকতাদুই দলই প্রথমার্ধে কোনও ঝুঁকি নেয়নি। দ্বিতীয়ার্ধে তুলনায় অনেক বেশি আক্রমণাত্মক ফুটবল। ইংল্যান্ডের আক্রমণে যাওয়া ছাড়া উপায় ছিল না। ডেনমার্কও সমানে প্রতি আক্রমণ চালিয়ে যায়। বল পজেশন ইংল্যান্ডের বেশি থাকলেও দুই দলের সামনেই গোলের সুযোগ এসেছিল। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি। নির্ধারিত সময়ে খেলার ফল থাকে ১১। ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। ১০৪ মিনিটে ডেনমার্কের ম্যাশহোলে অবৈধভাবে রাহিম স্টার্লিংকে বাধা দেন। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। হ্যারি কেনের পেনাল্টি ডেনমার্ক গোলকিপার ক্যাস্পার স্কিমেচেল বাঁচালেও ফিরতি বলে গোল করেন।

জুলাই ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

EURO 2020‌: স্পেনকে হারানোর পর স্বপ্ন বেড়ে গিয়েছে অভিমানী মানচিনির

নাসরীন সুলতানা২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে না পারার কী শাপমোচন হতে চলেছে ইতালির? প্রায় কাছাকাছি পৌঁছে গেছে রবার্তো মানচিনির দল। মঙ্গলবার রাতে লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে লুই এনরিকের স্পেনকে রোমাঞ্চকর, রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে টাইব্রেকারে ৪২ গোলে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছে গেছে ইতালি। সামনে মাত্র আর একটা হার্ডলস।আরও পড়ুনঃ মার্টিনেজ যেন ১৯৯০ র গাইকোচিয়া। কোপা ফাইনালে মেসি-নেইমারএকসময় ইতালি ছিল বিশ্ব ফুটবলে রীতিমতো সাড়া জাগানো দল। মাঝে শক্তিক্ষয় করে অনেকটা পেছনের সারিতে চলে গিয়েছিল। ২০১৮ বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জন করতে না পারাটা ইতালির কাছে ছিল একটা বড় ধাক্কা। ১৯৫৮ সালের পর সেবছর প্রথম বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি ইতালি। ইওরো কাপে ইতালি যে চমক দেখাতে পারে, বছর দুয়েক আগেও অতিবড় আজুরি সমর্থকও ভাবতে পারেননি। কিছুদিন আগে পর্যন্তও ইতালি ছিল বিদ্রুপের উপাদান। ইতালি যে সাফল্য পেতে পারে কেউ বিশ্বাস করেনি। রবার্তো মানচিনির কোচিংয়ে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় ইতালি। স্পেন বধের পর বিশ্বাসটা বেড়েছে।আরও পড়ুনঃ স্প্যানিশ তারকা এডু গার্সিয়াকে ছেড়ে দিচ্ছে এটিকেমোহনবাগানস্পেনকে হারানোর পর কিছুটা যেন অভিমানী ইতালির কোচ রবার্তো মানচিনি। তিনি বলেন, আমাদের ওপর তো কারও ভরসা ছিল না। কেউ ভাবেনি আমরা এই পর্যন্ত পৌঁছতে পারি। তবুও একটা ফাইনালে পৌঁছে গেলাম। মানচিনি আরও বলেন, ফুটবলাররা এই ইওরো কাপে কিছু একটা করে দেখাতে চেয়েছিল। ওরা চেয়েছিল এমন ফুটবল উপহার দিতে, যাতে দর্শকরা উপভোগ করতে পারে। স্পেনের বিরুদ্ধেও উপভোগ্য ফুটবল খেলেছে। সব ম্যাচ যে সহজেই জিতব, এটা হতে পারে না। প্রচুর পরিশ্রম করে জিততে হয়। সেমিফাইনালেও আমাদের জিততে অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে। জানতাম স্পেনের বিরুদ্ধে আমাদের কঠিন লড়াইয়ের মুখে পড়তে হবে। সেটাই হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ৯৬ বছর বয়সে মারা গেলেন হকির কিংবদন্তী কেশব দত্তফুটবলারদের পাশাপাশি সমর্থকদের কৃতজ্ঞতা জানাতে ভোলেননি ইতালির কোচ। মানচিনি বলেন, সমর্থকরাই প্রেরণা। প্রতিটা ম্যাচে মাঠে হাজির থেকে যেভাবে গোটা দলকে উদ্বুদ্ধ করে গেছে, কৃতজ্ঞতা জানাতেই হবে। স্পেনকে হারিয়ে স্বপ্ন বেড়ে গেছে ইতালির কোচের। এখন চ্যাম্পিয়নের স্বপ্ন দেখা শুরু করে দিয়েছেন। ৩৩ ম্যাচ অপরাজিত থাকার পর মানচিনির লক্ষ্য সেটা ৩৪এ নিয়ে যাওয়া।

জুলাই ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Euro 2020: ২৫ বছর আগের যন্ত্রণা ভুলিয়ে দিলেন স্টারলিং ও হ্যারিকেন

২-০ গোলে জার্মানিকে হারাল ইংল্যান্ড। খেলার শুরু থেকেই আক্রমণের বন্যা বইয়ে দেয় ইংল্যান্ড। নিজেদের ঘরের মাঠে দেশের সমর্থকদের সামনে তাঁরা উজাড় করে খেলতে থাকেন। ১৬ মিনিটের মাথায় গোলের সহজ সুযোগ পেয়েছিলেন রহিম স্টারলিং। মাঝমাঠ থেকে উঠে এসে গোল লক্ষ্য করে জোরালো শট নেন তিনি। বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে অসীম দক্ষতায় বল বাইরে বার করেন গোলকিপার নয়্যার। এটা প্রায় লোকগাঁথায় পরিণত হয়ে গেছে, যে খেলায় স্টারলিং গোল করবে সে ম্যাচ সহজে হারবে না ইংল্যান্ড। ম্যান সিটির ফুটবলার সেই প্রবাদটির সপক্ষে আবার প্রমান দিলেন। ইংল্যান্ড ও জার্মানি দুই দলই ৩-৫-২ ফর্মেশনের খেলার জন্য প্রথমার্ধের বেশিরভাগ আক্রমণ খেই হারিয়ে যাচ্ছিলো মাঝমাঠে এসে। খেলার ৭৫ মিনিটে মাথায় প্রথম গোল করেন স্টারলিং। তাঁর পা থেকেই শুরু হয় আক্রমণ। বক্সের বাঁদিক খেকে লুক শ-র ব্যাক হিল পাস থেকে নিখুঁত টাচে স্টারলিং গোল করে যান। ম্যানুয়েল নয়্যারকে নড়তে না দিয়ে ডান দিক দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন শুরু থেকেই স্টারলিং বল ধরলেই জার্মান ডিফেন্সে হৃদকম্পন শুরু হয়ে যাচ্ছিল। 🏴󠁧󠁢󠁥󠁮󠁧󠁿 England have beaten Germany for the first time in a knockout round of a major tournament since 1966 🎉#EURO2020 pic.twitter.com/G8HBoO9gHJ UEFA EURO 2020 (@EURO2020) June 29, 2021খেলার ৮৬ মিনিটে ফের জার্মানির জালে বল জড়িয়ে দেয় ইংল্যান্ড। এবার ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারিকেন গোল করেন। গ্রেলিশের ক্রস বক্সের ডান দিকে ধরে গোলকিপারকে এগিয়ে থাকতে দেখে মাথার উপর দিয়ে ভাসিয়ে দেন। ১৯৯৬ সালে ইউরো কাপে নক আউট পর্যায়ে খেলায় ইংল্যান্ড ও জার্মানি মুখোমুখি হয়েছিল। খেলাটি নির্ধারিত সময়ে অমীমাংসিত থাকায় পেনাল্টি শুট আউটে ফল নির্ধারন হয়। শুট আউটে হার স্বীকার করে ইংল্যান্ড টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয়। এবারের ইংল্যান্ড প্রশিক্ষক সাউথগেট পেনাল্টি মিস করেছিলেন। মঙ্গলবার তিনি জার্মানিকে হারিয়ে সেই হিসাব বরাবর করে দিলেন। গ্যারেথ সাউথগেটের দীর্ঘ ২৫ বছর আগের যন্ত্রণা ভুলিয়ে দিলেন দিলেন স্টারলিং ও হ্যারিকেন।England 2-0 Germany! What a day ⚽️🏴󠁧󠁢󠁥󠁮󠁧󠁿 Fans were UNBELIEVABLE ️🏴󠁧󠁢󠁥󠁮󠁧󠁿 pic.twitter.com/nbWPZ8Dsmc Jack Grealish (@JackGrealish) June 29, 2021১৯৮৮ সালে রাশিয়ার বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারনের প্লে-অফ জয়ের পর ইংল্যান্ড এই প্রথম কোনও ইওরোকাপ নকআউট ম্যাচ ট্রাইব্রেকার ছাড়া সরাসরি জিতল। ইংল্যান্ড ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে কোনও বড় টুর্নামেন্টের নক আউটে হার স্বীকার করেনি।জার্মানির বিরুদ্ধে এই জয় তাদের মনোবল অনেকাংশে বাড়িয়ে দেবে বলে আশা ইংল্যান্ড প্রশিক্ষক সাউথগেটের। কিন্তু এখনই তিনি আনন্দে গা ভাসাতে রাজি নন। সামনের কোয়ার্টার ফাইনালে ম্যাচ নিয়ে মনোনিবেশ করতে চান। তিনি বলেন কেউই এই জয় মনে রাখবে না যদি আমরা সামনের ম্যাচে ভালো খেলতে না পারি।জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

জুন ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ICC WTC: প্রাথমিক ধাক্কা সামলে ক্রিজে বিরাট-আজিঙ্কা, মন্দ আলোয় সমাপ্ত দ্বিতীয় দিনের খেলা

বিশ্ব টেস্ট চাপমিয়ন্সিপ চূড়ান্ত ফাইনালে টসে জয়লাভ করে নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন ভারতকে ব্যাটিং করতে পাঠানোর সিদ্ধন্ত নেয়। বৃষ্টি ভেজা ইংল্যান্ডের সাদাম্পটনের মাঠে এই টস খুব গূরুত্বপূর্ণ ছিল দুই দলের কাছে। প্রথম ইনিংসে ব্যাট করা কতটা ভয়ঙ্কর সেটা একটা উদাহরনেই বোঝা যাবে, নিউজিল্যান্ড পাঁচ জন সিম বোলার কলিন ডে গ্র্যান্ডহোম, কাইল জেমিসন, টিম সাউদি, নিল ওয়াগনার এবং ট্রেন্ট বোল্ট কে তাদের প্রথম একাদশে নেয়। ভারত তাদের প্রথম একাদশ ম্যাচ শুরুর একদিন আগেই জানিয়ে দিয়েছিলো, সেখান থেকে কোনও পরিবর্তন হয়নি। রোহিত ও শুভমান গোড়াপত্তন করতে নামেন। প্রয়াত মিলখা সিংহের প্রয়াণে জন্য তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে কালো রিবন পরে নেমেছেন কোহলীরা।নিউজিল্যান্ডের হয়ে বোলিং শুরু করেন সাউদি এবং বোল্ট। এই ম্যাচটি খেলা হচ্ছে ডিউক বলে। সাধারণত ডিউক বল এসজি বা কোকাবুরা বলের থেকে অনেক বেশী সুইং করে। বলের রং সাধরন ক্রিকেট বলের থেকে একটু বেশী গাড়। ডিউক বল হাতে সেলাই করা, তাই ব্যাটসম্যানদের সদা সতর্ক থাকতে হবে। পড়ে আনেক বেশী সুইং করে। এতে কিছু ক্ষেত্রে বোলারদেরও বলের সুইং নিয়ন্ত্রন রাখতে সমস্যা হয়। আরও পড়ুনঃ টেস্ট চাম্পিয়ান্সিপ ফাইনালের ডিউক বলের মালিক এক ভারতীয়রোহিত ও শুভমান অপরাজিত থেকে দলের অর্ধশতরান পূর্ন করেন। যখন সবাই ভাবছে ভারতের ওপেনিং জুড়ি বড় রনের পার্টনারশিপ দেবে, ঠিক তাখনই জেমিসনের বলে স্লিপে খোঁচা দিয়ে ৩৪ রানে ফিরে গেলেন রোহিত। রোহিত প্যাভিলিয়নে ফিরে প্যাড খোলার আগেই আবার চিরাচরিত ভারতীয় দুর্বলতার কাহিনীকে উসকে দিয়ে দলের ৬৩ রানের মাথায় নিল ওয়াগনারের বলে উইকেটের পিছনে খোঁচা দিয়ে ফিরে গেলেন। আউট হবার আগে গিল ২৮ রান করেন। নিউজিল্যান্ড জোরে বোলারদের দাপটে ভারত তাদের ওপেনিং জুড়ির ভালো সুচনা কাজে লাগাতে পাড়লো না। দুই উইকেট হারিয়ে ৬৯ রান করে ভারত মধ্যাহ্নভোজনের বিরতিতে যায়। দলের ৭৮ রানের মাথায় নিল ওয়াগনারের বাউন্সার আছরে পড়ে পূজারার মাথায়। হেলমেটের পিছনের গার্ড ভেঙে ছিটকে পড়ে মাটিতে, অল্পের জন্য রক্ষা পান পূজারা। ওই ঘটনার পর বেশীক্ষন ক্রিজে থাকেননি পুজারা, ট্রেন্ট বোল্টের ইনসুইং বলের লাইন মিস করে এলবিডব্লিউ হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান। আজিঙ্কা রাহানে ও বিরাটের ব্যাটে ভর করে দলীয় শতরানের গণ্ডী পাড় করে ভারত।Bad light plays spoilsport and thats stumps in Southampton!India finish day two on 146/3 with Virat Kohli on 44* and Ajinkya Rahane keeping him company on 29*.#WTC21 Final | #INDvNZ | https://t.co/4vtSUyliQF pic.twitter.com/Xq9vD448Zk ICC (@ICC) June 19, 2021মেঘলা আবহাওয়ার জন্য আলো কমে আসে, তাই নির্ধারিত সময়ের কিছুটা আগেই চা-বিরতি ঘোষণা করে নিলেন আম্পায়াররা। চা-বিরতিতে ক্রিজে রয়েছেন বিরাট (৩৫) ও রাহানে (১৩)। বিরতির পর খেলা শুরুর কিছুক্ষনের মধ্যে আবার মন্দ আলোর জন্য আম্পায়াররা খেলা বন্ধ করে দেন। কয়েক ওভারের পর আবার খেলা বন্ধ করে দিতে হয়। আবহাওয়া একটু ভালো হলে আবার খেলা শুরু হয়, বিরাট ও রাহানে জুটিতে অর্ধ-শতরান পূর্ণ করেন। আবার ৬৪ ওভারের মাথায় আবার আলো কমে যাওয়ায় দ্বিতীয় দিনের খেলা আজকের মতো স্থগিত করে দেওয়া হয়। ভারতের রান ১৪৬, ৩ উইকেটের বিনিময়ে। আপরাজিত ক্রিজে রয়েছেন বিরাট (৪৪) ও রাহানে (২৯)। ম্যাচ রিপোর্টঃ জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

জুন ১৯, ২০২১
রাজ্য

খেজুরিতে তৃণমূলের পার্টি অফিস দখলের অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে

তৃণমূলের পার্টি অফিস দখল নেওয়ার অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে খেজুরিতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিবাদে দফায় দফায় পথ অবরোধ করে তৃণমূল কর্মীরা বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তৃণমূলের অভিযোগ, খেজুরির বীরবন্দরের পাটনা, কন্ঠীবাড়ি, আলিচক-সহ মোট ছয়টি পার্টি অফিস দখল করে নেওয়া হয়েছে। সেখানে লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বিজেপির পতাকা। অনেক দলীয় দফতরে ভাঙচুর চালানো হয়। এছাড়াও আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে বিজেপির তরফ থেকে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে অভিযোগ তুলছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বই। আরও পড়ুন ঃ অশালীন মন্তব্যের জের, অভিযোগ দায়ের অগ্নিমিত্রা পলের বিরুদ্ধে তৃণমূলের অভিযোগ, শুক্রবার সন্ধে থেকেই খেজুরির বিভিন্ন জায়গায় দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্য শুরু হয়েছে। জনকা, বীরবন্দ-সহ একাধিক এলাকায় মোটর সাইকেল বাহিনী রাতে তৃণমূলের ছটি পার্টি অফিসে হামলা চালিয়েছে। সেখানে লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বিজেপির দলীয় পতাকা। এভাবে দখলের খেলা শুরু করেছে বিজেপি, অভিযোগ তৃণমূলের। আরও অভিযোগ, রাতে স্থানীয় কয়েকজন তৃণমূল কর্মীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে বিজেপিতে যোগদানের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী সময়ে অবশ্য তাঁদের নিরাপদে বাড়ি ফেরানো হয়।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

যুবভারতীতে লাল-হলুদ ঝড়, বাগানকে উড়িয়ে ২২ বছর পর ডুরান্ড ইস্টবেঙ্গলের

২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফের ট্রফি ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল। ডার্বির মঞ্চে এমন একতরফা জয় যে লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছেও ছিল প্রায় অবিশ্বাস্য। আর সেই জয়ের কেন্দ্রে একটাই নামএডমুন্ড লালরিনডিকা। দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে তিনিই হয়ে উঠলেন রাতের নায়ক।গ্রুপ পর্বে মোহনবাগানের কাছে হারের যন্ত্রণা ছিল ইস্টবেঙ্গলের। ফাইনালের মঞ্চে সেই হারের জবাব দেওয়ার সুযোগও ছিল। কিন্তু জবাবটা যে এতটা নির্মম হবে, তা সম্ভবত কেউই ভাবেননি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তুলে মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল করে ইস্টবেঙ্গল কার্যত ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলে।শুরুটা করেন বিপিন সিংহ। মোহনবাগানের রক্ষণ তখনও নিজেদের মধ্যে সামলে ওঠার চেষ্টা করছে। সেই সুযোগেই ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ পৌঁছে যায় বিপজ্জনক জায়গায়। বিপিনের গোলের পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে লাল-হলুদ আক্রমণ। মুহূর্তের মধ্যে জোড়া গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন এডমুন্ড।৩-০ পিছিয়ে গিয়ে মোহনবাগান কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। মনবীর সিংহ ব্যক্তিগত দক্ষতায় একটি গোল শোধও করেন। কিন্তু সেই প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ফের গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন এডমুন্ড। এক ফাইনালের প্রথমার্ধেই চার গোলতার মধ্যে তিনটি একই ফুটবলারের! যুবভারতীর গ্যালারিতে তখন কার্যত লাল-হলুদ উৎসব।দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ছিল ইস্টবেঙ্গলের হাতে। সবুজ-মেরুন আক্রমণে সেই ধার দেখা যায়নি, যা একটি ডার্বি ফাইনালে প্রত্যাশিত। বরং ইস্টবেঙ্গল সুযোগ পেলেই দ্রুত আক্রমণে উঠে এসেছে এবং আরও গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ স্কোরলাইনেই শেষ হয় ম্যাচ।ইস্টবেঙ্গলের সাফল্যের অন্যতম বড় কারণ ছিল দলের সামগ্রিক সংগঠন। মাঝমাঠে মহম্মদ রশিদ ছিলেন অসাধারণ। বল নিয়ন্ত্রণ, পাসিং এবং খেলা পরিচালনায় বারবার তিনি মোহনবাগানের ছন্দ নষ্ট করেছেন। তাঁর সঙ্গে জিকসন সিংহ, আনোয়ার আলি এবং জয় গুপ্তারাও নিজেদের দায়িত্ব নিখুঁত ভাবে পালন করেন।অন্যদিকে মোহনবাগানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে দাঁড়ায় রক্ষণ। শুভাশিস বসু, আলবের্তো রদ্রিগেজ়দের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব বারবার প্রকট হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের দ্রুত আক্রমণের সামনে তাঁরা অনেক সময়ই দিশেহারা হয়ে পড়েন। বিশেষ করে তৃতীয় ও চতুর্থ গোলের ক্ষেত্রে রক্ষণভাগের ভুল চোখে পড়ার মতো।মাঝমাঠেও মোহনবাগান প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেনি। আপুইয়া এবং অনিরুদ্ধ থাপা কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন। আক্রমণে জেমি ম্যাকলারেনও একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। মনবীর গোল করলেও দলকে ম্যাচে ফেরানোর মতো ধারাবাহিকতা তৈরি করতে পারেননি।ফাইনালের আগে মোহনবাগানের ক্লান্তি নিয়ে আলোচনা ছিল। শিলংয়ে সেমিফাইনাল, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং কর্দমাক্ত মাঠে খেলার ধকলসবই ছিল। কিন্তু ডার্বির মতো বড় ফাইনালে সেই ক্লান্তিকে অজুহাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ইস্টবেঙ্গলও একই টুর্নামেন্টের চাপ সামলে মাঠে নেমেছিল, অথচ তাদের ফুটবলারদের মধ্যে ছিল অনেক বেশি তাগিদ, ক্ষুধা এবং জয়ের মানসিকতা।আর সেই মানসিকতারই সবচেয়ে বড় প্রতিফলন এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে। তিন গোল করে শুধু ম্যাচের সেরা ফুটবলারই হলেন না, ডুরান্ডের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গলের প্রত্যাবর্তনের রাতটিকেও নিজের নামে লিখে দিলেন তিনি।মজার বিষয়, ম্যাচের বিভিন্ন পরিসংখ্যানে মোহনবাগান কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও তার কোনও প্রভাব পড়েনি স্কোরলাইনে। কারণ ফুটবল শুধু বল দখল বা শটের সংখ্যা দিয়ে জেতা যায় নাবড় ম্যাচে প্রয়োজন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সুযোগকে গোলে পরিণত করার ক্ষমতা। সেই পরীক্ষায় রবিবার সম্পূর্ণ সফল ইস্টবেঙ্গল।২২ বছর আগে শেষ বার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর দীর্ঘ অপেক্ষা, হতাশা এবং একের পর এক অসম্পূর্ণ স্বপ্ন। সেই অপেক্ষার অবসান হল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে হারিয়েই। ফলে এই জয় শুধু একটি ট্রফি জয় নয়লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে এটি দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফিরে পাওয়া গৌরবের রাত।একদিকে এডমুন্ডের হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের বিপর্যয়সব মিলিয়ে যুবভারতীতে রবিবারের ডার্বি যেন হয়ে রইল এক লাল-হলুদ ঝড়ের রাত।তবে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মনে হয়তো শেষ পর্যন্ত একটাই আক্ষেপ থেকে গেলচার নয়, আরও কয়েকটি গোল হতে পারত!

আগস্ট ২৩, ২০২৬
টুকিটাকি

কাঁচা কুমড়ো না পাকা কুমড়ো, কোনটি বেশি উপকারী?

কুমড়ো বাঙালির রান্নাঘরের অতি পরিচিত একটি সবজি। কাঁচা সবুজ কুমড়ো হোক বা পাকা হলুদ-কমলা কুমড়ো, দুটিরই রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। তবে পরিপক্বতার সঙ্গে কুমড়োর পুষ্টি উপাদানে কিছুটা পরিবর্তন ঘটে। বিশেষ করে পাকা কমলা কুমড়ো বিটা-ক্যারোটিনের অন্যতম ভালো উৎস হিসেবে পরিচিত।কাঁচা কুমড়োতে তুলনামূলকভাবে ভিটামিন C-এর পরিমাণ বেশি থাকতে পারে। এতে ক্যালোরিও কম, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণের খাদ্যতালিকায় এটি রাখা যেতে পারে। কিছু জাতের অপরিপক্ব কুমড়োতে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট কার্যকারিতাও দেখা যায়। তবে কাঁচা কুমড়ো রান্না করে খাওয়াই ভালো, কারণ তাতে হজম সহজ হয়।অন্যদিকে, পাকা হলুদ বা কমলা কুমড়োর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল প্রচুর বিটা-ক্যারোটিন। শরীর এই উপাদানকে ভিটামিন A-তে রূপান্তর করে। ফলে চোখের স্বাস্থ্য, ত্বক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে পাকা কুমড়ো উপকারী। এতে লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও রয়েছে। রান্না করলে কুমড়োর বিটা-ক্যারোটিন শরীর তুলনামূলক সহজে শোষণ করতে পারে।কুমড়োকে ক্যানসারের ওষুধ বা নিশ্চিত প্রতিরোধক বলা যায় না। তবে এতে থাকা ক্যারোটিনয়েড, পলিফেনল, ভিটামিন C ও E এবং খাদ্যআঁশ শরীরকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে কুমড়ো খাওয়া উপকারী হতে পারে।কুমড়োর বীজেও রয়েছে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর অসম্পৃক্ত চর্বি, জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন E। হৃদ্স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক পুষ্টির জন্য এগুলি গুরুত্বপূর্ণ।পুষ্টিগত বিচারে বিটা-ক্যারোটিনের জন্য পাকা কমলা কুমড়ো কিছুটা এগিয়ে থাকলেও কাঁচা কুমড়োকেও খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কারণ নেই। অল্প তেলে রান্না করে, অতিরিক্ত ভাজা বা চিনি এড়িয়ে কুমড়ো খাওয়াই ভালো। সব মিলিয়ে, বিভিন্ন ধরনের সবজি, ডাল ও স্বাস্থ্যকর খাবারের সঙ্গে কুমড়ো রাখলেই মিলবে বেশি সুষম পুষ্টি।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ওয়াকফ-অশান্তির মামলায় নাম, এবার তৃণমূল ছেড়ে অধীরের হাত ধরে কংগ্রেসে ইনজামুল! কেন এই দলবদল?

ওয়াকফ সংশোধিত আইনকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনার পর থেকেই বিতর্কে ছিলেন ধুলিয়ানের পুরপ্রধান ইনজামুল ইসলাম রাজা। এবার সেই ইনজামুলই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিলেন। রবিবার প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর হাত ধরে কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। তাঁর এই দলবদল ঘিরে মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।গত বছর সংশোধিত ওয়াকফ আইনকে কেন্দ্র করে জঙ্গিপুরের সামশেরগঞ্জ, সুতি এবং ধুলিয়ানে অশান্তি ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনায় ইনজামুল ইসলাম রাজার বিরুদ্ধে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বর্তমানে সেই মামলা চলছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইনজামুল। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।রবিবার ধুলিয়ানের কাঞ্চনতলা ঘাটে কংগ্রেসের যোগদান সভায় বড়সড় দলবদল হয়। ইনজামুল ইসলাম রাজার পাশাপাশি ধুলিয়ান পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান খায়রুল আলম, কাউন্সিলর শরিফ শেখ, ফারহানা খাতুন-সহ একাধিক কাউন্সিলর এবং তৃণমূলের কর্মীরা কংগ্রেসে যোগ দেন। একই দিনে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি ওবায়দুর রহমানও কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।ইনজামুলের দলবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপির দক্ষিণ মালদহ সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি মিলন ঘোষ কটাক্ষ করে দাবি করেন, তৃণমূলের দুর্নীতি থেকে বাঁচতেই অনেকে দলবদল করছেন। সামশেরগঞ্জের অশান্তিতে যাঁদের নাম উঠেছিল, তাঁরাও নিজেদের বাঁচাতে দল পরিবর্তন করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে দলবদল করেও তাঁরা আইনি পরিস্থিতি থেকে রেহাই পাবেন না বলেও দাবি করেন বিজেপি নেতা।বিজেপির এই অভিযোগ অবশ্য সরাসরি খারিজ করেছেন ইনজামুল ইসলাম রাজা। তাঁর দাবি, সামশেরগঞ্জের অশান্তির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ ছিল না। রাজনৈতিক কারণে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। সেই মামলার বিরুদ্ধে তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের এই ভাঙন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ধুলিয়ান পুরসভার একাধিক জনপ্রতিনিধির একসঙ্গে দলবদল স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে ওয়াকফ-অশান্তির মামলা চলার মধ্যেই ইনজামুলের কংগ্রেসে যোগদান ঘিরে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এ দিনের যোগদান সভায় উপস্থিত ছিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী, দক্ষিণ মালদহের সাংসদ ইশা খান চৌধুরী, ফরাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলাম এবং জঙ্গিপুর মহকুমা কংগ্রেসের সভাপতি আলফাজুদ্দিন বিশ্বাস-সহ জেলা ও ব্লক স্তরের কংগ্রেস নেতৃত্ব।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ বাংলায় এত বড় বিনিয়োগ! জাহাজ শিল্পে পাঁচ প্রকল্পের সূচনায় বাড়ল আশার আলো

পশ্চিমবঙ্গে জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের ভবনে পাঁচটি সম্প্রসারণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এই পাঁচটি প্রকল্পে মোট ৩৪০৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।এই উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে রাইচক CPR, টিম্বার পন্ট শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, দামোদর শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, রেডিয়াল ফোরজিং প্ল্যান্ট এবং ৩০০০ টন ওপেন-ডাই ফোরজিং প্রেস প্রকল্প। জাহাজ নির্মাণের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা উৎপাদনের ক্ষেত্রেও এই প্রকল্পগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে বাংলায় বিনিয়োগ আনার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের ভূমিকার প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, বাংলায় শিল্প গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় জমি, দক্ষ মানবসম্পদ, পরিকাঠামো এবং কাঁচামাল রয়েছে। এতদিন এই সম্ভাবনাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার একসঙ্গে কাজ করলে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, নতুন সরকারের আমলে কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ের ফলে উন্নয়নের গতি আরও বাড়ছে।সীমান্ত সুরক্ষার প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য জমি দেওয়া কোনও রাজনৈতিক বিষয় নয়, বরং রাজ্য সরকারের দায়িত্ব বলেই মন্তব্য করেন তিনি। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় জমির প্রায় ৯০ শতাংশ হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা জনগণনা সংক্রান্ত কাজও ফের শুরু হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে রাজ্যে বেকারত্ব কমাতে শিল্পায়ন এবং বড় বিনিয়োগের উপর জোর দেওয়ার কথা বলেন তিনি।গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকার জমি এবং পরিকাঠামো সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ৩৪০৪ কোটি টাকার এই বিনিয়োগ দিয়েই উদ্যোগ শেষ নয়, আগামী দিনে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদনের পাশাপাশি এই ধরনের শিল্প প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাকে ফের দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে বার্তা দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

মহাকাশে বদলে যাচ্ছে ভারতের ছবি! স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে কী বললেন মোদী?

জাতীয় মহাকাশ দিবসে দেশের মহাকাশ ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার দেশের প্রথম সারির মহাকাশ স্টার্টআপগুলির প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে স্টার্টআপগুলির উদ্যম, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং নতুন ভাবনার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবন আরও সহজ করতে মহাকাশ প্রযুক্তির নতুন ব্যবহার খুঁজে বার করার পরামর্শ দেন তিনি।মোদী বলেন, মহাকাশ প্রযুক্তিকে শুধু প্রচলিত কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, সেই বিষয়ে নতুন করে ভাবার পরামর্শ দেন তিনি।ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ নিয়েও স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের আত্মবিশ্বাস এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার প্রশংসা করে তিনি সরকারি নীতির ধারাবাহিকতার উপর জোর দেন। তাঁর বক্তব্য, সরকারের সিদ্ধান্তের উপর মহাকাশ ক্ষেত্রে কাজ করা সংস্থাগুলির যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তা ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি।বিশ্বের মহাকাশ অর্থনীতিতে ভারতকে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যাওয়ার কথাও বলেন মোদী। তাঁর আশা, আগামী দিনে মহাকাশ ক্ষেত্রে কোনও বড় প্রযুক্তিগত সাফল্য এলেই বিশ্বের নজর ভারতের স্টার্টআপগুলির দিকে ঘুরবে। ভারতীয় সংস্থাগুলি যেন বিশ্ব মহাকাশ ক্ষেত্রে নিজেদের শক্তিশালী পরিচয় তৈরি করতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এগোতে হবে বলে বার্তা দেন তিনি।মহাকাশ স্টার্টআপ, মহাকাশ সংস্থা এবং বৃহত্তর প্রযুক্তি ক্ষেত্রের মধ্যে আরও বেশি সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বিদেশে কাজ করা ভারতীয় দক্ষ পেশাদারদের দেশে ফিরে আসার প্রবণতাকেও ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, ভারতে এমন পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দক্ষ মানুষ মহাকাশ ক্ষেত্রে কেরিয়ার গড়ার জন্য ভারতকে অন্যতম সেরা ঠিকানা হিসেবে বেছে নেন।মোদীর বক্তব্য, ভারতীয় মহাকাশ স্টার্টআপগুলির দ্রুত বৃদ্ধি আগামী দিনে বিশ্বের প্রতিভাবান পেশাদারদের আকৃষ্ট করতে পারে। শুধু দেশের প্রতিভা নয়, গোটা বিশ্বের দক্ষ মানুষকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যেই এগোতে হবে। জাতীয় মহাকাশ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তায় মহাকাশ ক্ষেত্রে ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

আবার নিম্নচাপের চোখরাঙানি! রবিবার থেকে মঙ্গলবার ভিজবে বাংলা, কোথায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা?

রবিবার থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় ফের বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা। উপকূলের দিকে ইতিমধ্যেই মেঘ ঢুকতে শুরু করেছে। ফলে রবিবার থেকে বৃষ্টি বাড়তে পারে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি চলতে পারে।গত সপ্তাহে নিম্নচাপের জেরে প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়েছিল দক্ষিণবঙ্গ। কলকাতা-সহ প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হয়েছিল। বহু জায়গায় জল জমে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। এর মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে ফের একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। অগস্ট মাসে এটি তৃতীয় নিম্নচাপ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। নতুন এই নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নতুন নিম্নচাপটি বাংলা ও ওড়িশা উপকূলের কাছে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উপকূলবর্তী এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টি বেশি হতে পারে। কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে নিম্নচাপের মূল প্রভাব পড়তে পারে ওড়িশা এবং ছত্তীসগঢ়ে।দক্ষিণবঙ্গের পর মঙ্গলবার থেকে উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে।বৃহস্পতিবারও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে সপ্তাহের শুরু থেকেই ফের বৃষ্টির দাপট দেখা দিতে পারে বাংলায়। নতুন নিম্নচাপের গতিপথ এবং শক্তি বদলালে বৃষ্টির পূর্বাভাসেও পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক বাইচুংয়ের, ‘স্থানীয় রাজনীতি’ বলে উড়িয়ে দিল ব্রাজিল! যুবভারতীর ম্যাচ ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক

৩ অক্টোবর কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারত বনাম ব্রাজিলের বহু প্রতীক্ষিত ফুটবল ম্যাচ। বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবল দলের বিরুদ্ধে ভারতের মাঠে নামার খবরে ইতিমধ্যেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু ম্যাচ যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে বিতর্কও। একদিকে এই ম্যাচ আয়োজনকে ঘিরে বিপুল খরচ এবং দেশের ফুটবল পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, অন্যদিকে এর জন্য ঘরোয়া ফুটবল সূচি ও জাতীয় দলের পরিকল্পনায় প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ।এই পরিস্থিতিতেই ভারতীয় ফুটবলের কিংবদন্তি বাইচুং ভুটিয়া সরাসরি ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, একটি মাত্র প্রদর্শনী ম্যাচের পিছনে বিপুল অর্থ খরচ না করে সেই টাকা দীর্ঘমেয়াদি ভাবে ভারতীয় ফুটবলের উন্নয়নে বিনিয়োগ করা উচিত। বাইচুংয়ের মতে, এমন ম্যাচের পিছনে অর্থ ব্যয় করলে তা দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎকে এগিয়ে নেওয়ার বদলে উল্টে পিছিয়ে দিতে পারে।বাইচুংয়ের কথায়, ম্যাচ বয়কট করলে একটি স্পষ্ট বার্তা যাবে। ভবিষ্যতে এই ধরনের বড় ম্যাচ আয়োজনের আগে ফেডারেশনকে আরও সতর্ক হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।বিপুল খরচ, প্রশ্নের মুখে ঘরোয়া ফুটবলকলকাতায় ব্রাজিলকে নিয়ে ম্যাচ আয়োজন করতে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। ম্যাচের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ব্রাজিলের পর্যবেক্ষক দল যুবভারতী পরিদর্শনও করেছে। স্টেডিয়ামের পরিকাঠামো নিয়ে তাদের তরফে কিছু উদ্বেগের কথাও উঠে এসেছে।এর পাশাপাশি সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে ভারতীয় ফুটবলের ঘরোয়া কাঠামো নিয়ে। ব্রাজিল ম্যাচকে কেন্দ্র করে আইএসএলের সূচি পিছিয়ে যাওয়ার জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে ক্লাবগুলির প্রস্তুতি এবং গোটা মরসুমের পরিকল্পনা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।অন্যদিকে ফিফা এশিয়ান কাপের বিষয়টিও নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। একই সময়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ এবং অন্যান্য সূচির সংঘাতের কারণে ভারত এশিয়ান কাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। যদিও এই বিষয়ে ব্রাজিল ফুটবল কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও নিশ্চিত তথ্য তাদের কাছে নেই বলেই জানানো হয়েছে।বাইচুংয়ের প্রশ্নএক ম্যাচের জন্য এত টাকা কেন?বাইচুং ভুটিয়ার যুক্তি, ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে ৯০ মিনিটের ম্যাচ নিঃসন্দেহে ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে বড় আকর্ষণ। কিন্তু সেই আবেগের বাইরে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা ভাবতে হবে।তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, যদি এত বড় অঙ্কের অর্থ হাতে থাকে, তবে তা আগামী কয়েক বছরের জন্য দেশের ক্রীড়া পরিকাঠামো, প্রতিভা অন্বেষণ, প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরিতে বিনিয়োগ করা যায় না কেন? তাঁর মতে, সেই বিনিয়োগ থেকে ভবিষ্যতে কমনওয়েলথ গেমস বা অলিম্পিক্সের মতো মঞ্চে পদক পাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।এবার পাল্টা বার্তা ব্রাজিলেরভারতীয় ফুটবল মহলে যখন ম্যাচ বয়কট নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে, তখন ব্রাজিলের ফুটবল কর্তাদের বক্তব্য পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের অভ্যন্তরে এই ম্যাচ নিয়ে কী ধরনের বিতর্ক চলছে, তা নিয়ে ব্রাজিল কর্তৃপক্ষ বিশেষ চিন্তিত নয়। ম্যাচের সূচি পরিবর্তনেরও কোনও সম্ভাবনা নেই।বয়কট নিয়ে ব্রাজিলের তরফে বিশেষ মাথাব্যথা নেই বলেও ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। বরং এই ধরনের বক্তব্যকে স্থানীয় রাজনৈতিক বা অভ্যন্তরীণ বিতর্কের অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের দাবি।এশিয়ান কাপ থেকে ভারতের নাম প্রত্যাহারের বিষয়েও ব্রাজিল কর্তৃপক্ষের কাছে কোনও স্পষ্ট তথ্য নেই বলে জানা গিয়েছে। ফলে ভারতের অভ্যন্তরীণ ফুটবল পরিস্থিতির সঙ্গে ব্রাজিলের কলকাতা সফরকে যুক্ত করার কোনও কারণ দেখছে না পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।ভারত আমাদের সমর্থন করেছে, বলছে ব্রাজিলব্রাজিল দলের পক্ষ থেকে রড্রিগো কেতানোও এই ম্যাচের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর বক্তব্যের মূল সুরভারত বিশ্বকাপের সময়ে ব্রাজিলকে যে সমর্থন দিয়েছে, তার জন্য তারা কৃতজ্ঞ। কলকাতায় ম্যাচ আয়োজনকে তাই শুধু বাণিজ্যিক বা প্রদর্শনী ম্যাচ হিসেবে দেখছে না ব্রাজিল।ব্রাজিলের তরফে জানানো হয়েছে, এই ম্যাচে তারা নিজেদের সেরা ফুটবল উপহার দিতে চায়। অর্থাৎ ভারতের মাটিতে এসে শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা সারাই তাদের লক্ষ্য নয়; বরং ভালো পারফরম্যান্স করে ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে তুলতে চায় তারা।স্টিমাচের কটাক্ষেও বাড়ছে বিতর্কব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন ভারতের প্রাক্তন কোচ ইগর স্টিমাচও। তাঁর বক্তব্য, দেশের ঘরোয়া লিগ এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনার মধ্যে এখনও প্রয়োজনীয় সামঞ্জস্য তৈরি হয়নি। সেই সমস্যা সমাধান না করে ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনার মতো দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ আয়োজন করা হলে তা ভারতীয় ফুটবলের জন্য উল্টে অস্বস্তির কারণ হতে পারে।অর্থাৎ একদিকে বাইচুংয়ের আর্থিক অগ্রাধিকারের প্রশ্ন, অন্যদিকে স্টিমাচের ঘরোয়া ফুটবলের কাঠামো নিয়ে অভিযোগসব মিলিয়ে ৩ অক্টোবরের ম্যাচ এখন শুধুমাত্র একটি ফুটবল ম্যাচে সীমাবদ্ধ নেই।ম্যাচ হবে, বিতর্কও চলবে?একদিকে ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে যুবভারতীতে ভারতকে দেখার স্বপ্নে ফুটবলপ্রেমীরা উত্তেজিত। অন্যদিকে দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ, বিপুল খরচ, আইএসএলের সূচি এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন প্রাক্তন ফুটবলার ও কোচেরা।ব্রাজিলের তরফে অবশ্য এখনও পর্যন্ত বার্তা স্পষ্টতারা ম্যাচ খেলতে প্রস্তুত এবং সূচি বদলের কোনও পরিকল্পনা নেই। ফলে ৩ অক্টোবর যুবভারতীতে ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা যেমন বাড়ছে, তেমনই তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিতর্কও। এখন দেখার, শেষ পর্যন্ত মাঠের ৯০ মিনিট কি সমস্ত বিতর্ককে ছাপিয়ে যেতে পারে, নাকি ম্যাচ শেষ হওয়ার পরও ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে এই প্রশ্নগুলি আরও জোরালো হয়ে ওঠে।

আগস্ট ২২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

দুই দশকের ডুরান্ডের আক্ষেপ ঘোচানোর লড়াই, ডার্বির আগে হাবাসের মন্ত্র—‘আবেগ নয়, বুদ্ধিই শেষ কথা’

দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অপেক্ষা। শেষ বার ২০০৪ সালে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ২-১ গোলে হারিয়ে ট্রফি জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর থেকে সময় গড়িয়েছে, বদলেছে দল, কোচ, ফুটবলারকিন্তু লাল-হলুদ শিবিরের ডুরান্ড-খরা কাটেনি। ২২ বছর পর সেই আক্ষেপ মুছে ফেলার সামনে দাঁড়িয়ে ইস্টবেঙ্গল। আর সেই লড়াইয়ের মঞ্চে প্রতিপক্ষ আবারও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান।রবিবারের ডুরান্ড ফাইনাল তাই শুধু একটি ট্রফির লড়াই নয়। একদিকে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটানোর তাগিদ, অন্যদিকে ডার্বির অতিরিক্ত উত্তেজনাসব মিলিয়ে ম্যাচের আবহ ইতিমধ্যেই তুঙ্গে। তবে এই আবেগকেই নিয়ন্ত্রণে রাখাকে সাফল্যের অন্যতম চাবিকাঠি বলে মনে করছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস।হাবাসের কাছে ডার্বি মানেই শুধু আবেগের লড়াই নয়, বরং মাথা ঠান্ডা রেখে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরীক্ষা। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, কলকাতার ফুটবলপ্রেমীদের কাছে ম্যাচটির গুরুত্ব যতই বেশি হোক, তাঁর দলকে মাঠে নেমে এটিকে একটি সাধারণ ম্যাচের মতোই খেলতে হবে।হাবাসের কথায়, ডার্বিতে আবেগ থাকবেই। কিন্তু সেই আবেগ যদি খেলোয়াড়দের নিয়ন্ত্রণ করে, তাহলে কৌশল এবং পরিকল্পনা ভেস্তে যেতে পারে। তাই তাঁর লক্ষ্য আবেগের মাত্রা ১০০ শতাংশ থেকে নামিয়ে প্রায় ২৫ শতাংশে নিয়ে আসা। ম্যাচের ৯০ মিনিটে কোন মুহূর্তে ঝুঁকি নিতে হবে, কখন ধৈর্য ধরতে হবে এবং কখন কৌশল বদলাতে হবেসেই বুদ্ধিমত্তাই পার্থক্য গড়ে দিতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।ফাইনালের আগে ইস্টবেঙ্গলের জন্য বড় ধাক্কা পিভি বিষ্ণুর অনুপস্থিতি। সেমিফাইনালের মতো ফাইনালেও মাঠে নামতে পারবেন না দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আক্রমণভাগের ফুটবলার। চলতি ডুরান্ডে দুরন্ত ছন্দে ছিলেন বিষ্ণু। সিআইএসএফের বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গলের ৮-০ জয়ের ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে নজর কেড়েছিলেন তিনি। তাঁর গতি এবং আক্রমণাত্মক ফুটবল প্রতিপক্ষের রক্ষণকে একাধিক বার সমস্যায় ফেলেছে।বিষ্ণুকে না পাওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই পরিকল্পনায় কিছুটা পরিবর্তন আনতে হবে হাবাসকে। তাঁর জায়গায় প্রথম একাদশে বিপিন সিংয়ের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিকল্প হিসেবে ভাবনায় রয়েছেন জেসিন টিকে। ডুরান্ডেই সিআইএসএফের বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে নিজের দাবিও জোরালো করেছেন তিনি।শুধু বিষ্ণু নন, ফাইনালে এফিয়ংকেও পাওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন হাবাস। বিদেশি স্ট্রাইকার এবং ডিফেন্ডার ছাড়া এমন গুরুত্বপূর্ণ ডার্বিতে নামা যে সহজ নয়, তা স্বীকার করেছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। তবে সমস্যাকে সামনে রেখে অজুহাত তৈরি করতে তিনি একেবারেই রাজি নন।হাবাসের বক্তব্য, রেফারিং, প্রতিপক্ষ কিংবা দলের কোনও নির্দিষ্ট ফুটবলার না থাকার মতো বিষয়কে সামনে রেখে ম্যাচের আগে অজুহাত খোঁজা অর্থহীন। মাঠে যে ফুটবলাররা থাকবেন, তাঁদের নিয়েই সেরাটা দিতে হবে। তাঁর বিশ্বাস, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও ইস্টবেঙ্গল নিজেদের সেরা ফুটবল খেলতে সক্ষম।অন্যদিকে, মোহনবাগানকে যথেষ্ট সমীহ করছেন লাল-হলুদ কোচ। সবুজ-মেরুন দলের প্রত্যেক ফুটবলারকেই বিপজ্জনক বলে মনে করছেন তিনি। বিশেষ করে গোলরক্ষক বিশাল কাইথের প্রশংসা করেছেন হাবাস। তবে নিজের দলের গোলরক্ষক প্রভসুখন সিং গিলের উপরও তাঁর আস্থা অটুট। ফলে ফাইনালে দুই গোলরক্ষকের পারফরম্যান্সও ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।ডার্বির উত্তাপের মধ্যেও অবশ্য প্রস্তুতির ধরন বদলে ফেলেছে ইস্টবেঙ্গল। ফাইনালের আগে মাঠের অনুশীলন বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দল। হাবাসের মতে, এই মুহূর্তে আরও একটি অনুশীলনের চেয়ে ফুটবলারদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম দেওয়া বেশি জরুরি। গত কয়েক দিনে ম্যাচের প্রস্তুতি এবং রিকভারির জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া গিয়েছে। তাই ফুটবলারদের শরীরকে তরতাজা রাখাই এখন তাঁর অগ্রাধিকার।মাঠের বদলে হোটেলেই চলবে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি। জিমে অনুশীলন, ফুটবলারদের কাছ থেকে আরও নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং ইনডোর সেশনের মাধ্যমে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সারবে দল।সব মিলিয়ে রবিবারের ফাইনাল ইস্টবেঙ্গলের কাছে একাধিক কারণে বিশেষ। ২২ বছরের ডুরান্ড-খরা কাটানোর হাতছানি, সামনে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান, আবার ২০০৪ সালের ফাইনালের স্মৃতিও ফিরছে। কিন্তু ইতিহাস কিংবা আবেগ নিয়ে বেশি ভাবতে চান না হাবাস। তাঁর কাছে হিসাবটা একেবারেই সরল৯০ মিনিট মাথা ঠান্ডা রেখে খেলতে হবে, সঠিক মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং কোনও অজুহাত ছাড়াই ট্রফির জন্য লড়াই করতে হবে।২২ বছর আগের সেই জয়ের স্মৃতি কি আবারও লাল-হলুদ সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটাবে? নাকি ডার্বির মঞ্চেই ইস্টবেঙ্গলের দীর্ঘ অপেক্ষা আরও বাড়বেউত্তর মিলবে রবিবারের মহারণে।

আগস্ট ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal