• ১৪ মাঘ ১৪৩২, সোমবার ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bardhaman,

রাজনীতি

জয়ের সার্টিফিকেট হাতে নিয়েই তৃণমূলে যোগ, ফের 'বায়রন বিশ্বাস'

ভোটে জিতেই আর এক মুহূর্ত দেরি নয়। পঞ্চায়েতে সিপিএমের প্রার্থী হিসেবে গ্রাম সভার আসনে ২৩ ভোটে জিতেই সটান তৃণমূলে যোগদিয়ে দিলেন পূর্ব বর্ধমানের কালনার সহজপুরের ১৬৯ সংসদ প্রার্থী গীতা হাসদা। এরপরইএই পঞ্চায়েতে মোট ১৮ টি আসনের মধ্যে তৃণমূল ১৭ টি আসনেই জয়লাভ করেছিল, একটি আসনে কেবলমাত্র সিপিএম জয় লাভ করে। আর গননা কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে আসার পরই তিনি তৃণমূলের যোগদান করেছেন বলে জানান সংবাদ মাধ্যমকে। তিনি এ প্রসঙ্গে বলেন আগে আমি তৃণমূলটাই করতাম কিছু রাগের কারণে সিপিএম এ যোগদান করেছিলাম। ফের তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদান করলাম। চাপের কারণে সিপিএম থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদান এমন বামেদের দাবি হলেও, দাবি মানতে চাইনি শাসক দল।

জুলাই ১১, ২০২৩
রাজনীতি

বিজেপি থাকলে দেশ জলাঞ্জলিতে যাবে, অভিষেক

বিজেপি ভাইরাস। তৃণমূল কংগ্রেস ভাইরাসের ভ্যাকসিন। বিজেপি দলের প্রধানমন্ত্রী বড় ঢপ মারছে আর সেই দলেরই এই রাজ্যের বিরোধী নেতা সুকান্ত ও শুভেন্দু ছোট ঢপ মারছে। এই বিজেপিকে কেন্দ্র থেকে উৎখাত করতে না পারলে বাংলা সহ গোটা দেশের ভবিষ্যৎ জলাঞ্জলি দিতে হবে। পঞ্চায়েত নির্বাচন উপলক্ষে বুধবার পূর্ব বর্ধমানের কালনা বৈদ্যপুরে অনুষ্ঠিত জনসভা থেকে এই ভাষাতেই কেন্দ্রের সরকার ও বিজেপিকে তুলো ধনা করলেন তৃণমূলের সেকেন্ড হ্যান্ড কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি রাজ্যের পাওনা আদায়ের জন্য এদিনের সভাবঞ্চ থেকেই অভিষেক দিল্লি চলো এই ডাকও দিলেন।কালনায় পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারে এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বাম ও কংগ্রেসকে ধর্তব্যের মধ্যেই রাখেননি। তবে তাঁর নিশানায় আগা গোড়াই ছিল কেন্দ্রের সরকার ও বিজেপি। অভিষেক বলেন, প্রায় দুআড়াই বছর ধরে প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সহ এই রাজ্যের বিজেপি নেতারা মিলে বাংলার পাওনা ন্যায্য টাকা আটকে রেখে দিয়েছে। পূর্ব বর্ধমান জেলায় ১৭ লক্ষ ৮২ হাজার জন মানুষের একশ দিনের কাজের টাকা ওরা আটকে রেখেছে।৮ জুলাই পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন এর জবাব বাংলার মানুষকে দিতে হবে। সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি এবং জেলা পরিষদ আসনে জয়ী করতে হবে তৃণমূলের প্রার্থীদের। ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনে বাংলার মানুষ তৃণমূলকে জিতিয়েছিল বলেই লক্ষীর ভান্ডার, কন্যাশ্রী ও রূপসী প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন বলে অঅভিষেক সভায় উপস্থিত সবাইকে স্নরণ করিয়ে দেন।

জুলাই ০৬, ২০২৩
নিবন্ধ

'মহীনের ঘোড়া' নিয়ে পথ পরিক্রমা বর্ধমানের বাংলা ব্যান্ড প্রেমী শিল্পীদের

বিকালের সূর্যস্নাত শহর বর্ধমানের পথের দখল নিয়েছিল এক ঝাঁক কালো ঘোড়া। গিটার কাঁধে কালো পোশাকে পথে নামলো সঙ্গীত প্রিয় তরুণ প্রজন্ম। মহীনের ঘোড়ার শেষ ঘোড়া বাপিদা(তাপস দাস)-র প্রয়াণকে স্মরণ করতে তাঁরা আজ বিকালে বর্ধমানের কার্জন গেটের সামনে কাঁধে গিটার নিয়ে সমবেত গানে গলা মিলিয়ে পথ হাঁটলো মফস্বলের নবীন প্রজন্ম।ঘোড়াগুলি থামবে না এই শিরোনামে এক মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানে আজ শেষ বিকেলে থমকে যায় শহর বর্ধমানের প্রানকেন্দ্র। বাংলা গানে রকব্যান্ড-র স্বাদ নিয়ে আসা আসা মহীনের ঘোড়াগুলির অন্যতম ঘোড়া তাপস দাস (বাপীদা)-র স্মরণে এই মহৎ উদ্যোগ। এই ছোট্ট কিন্তু প্রানোচ্ছল অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা বর্ধমান শহরেরই একঝাঁক তরুণ সঙ্গীত প্রেমী সংকেত ও গান বন্ধুরা এবং বর্ধমান ওয়েভ।শিল্পীর দল ও সংগীত প্রেমী এক ঝাঁক তরুণ-তরুণী আজ রবিবাসরীয় বিকালে কার্জন গেটের সামনে জড়ো হয়। কোনও রকম আনুষ্ঠানিক উপঢৌকনতা ও গুরুগম্ভীর অভিভাষণ না করেই, গিটারে সুর তুলে সমবেত কন্ঠে গেয়ে ওঠে সত্তরের দশকের তুফান তোলা গান পৃথিবীটা নাকি ছোট ছোট হতে হতে... যে গান আজও সমান প্রসঙ্গিক এই প্রজন্মের সঙ্গীত প্রেমীদের কাছে।সংকেত, মধুবন্তী, অনির্বাণ, অয়ন, অরাত্রিকা হয়ে শত কন্ঠ মিলিয়ে দিল সত্তর দশককে একবিংশের সাথে। অষ্টাদশী থেকে মধ্যযৌবনা কেউই বাদ যাননি এই আনন্দের স্বাদ নিতে। মহীনের ঘোড়াগুলির অ্যালবাম থেকে একের পর এক গান উদ্ধত কন্ঠে মাতিয়ে দিল শহরের প্রান কেন্দ্র।প্রসঙ্গত, মহীনের ঘোড়াগুলি ১৯৭৬ সালে কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত প্রথম বাংলা স্বাধীন রক ব্যান্ড। জানা যায়, এটিই ভারতের প্রথম রক ব্যান্ড, ১৯৭০-এর দশকের মাঝ পর্বে কলকাতায় এর যাত্রা শুরু হয়। গৌতম চট্টোপাধ্যায়, বিশ্বনাথ চট্টোপাধ্যায়, প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়, রঞ্জন ঘোষাল, এব্রাহাম মজুমদার, তাপস দাস ও তপেশ বন্দ্যোপাধ্যায়, এই সাত সঙ্গীতশিল্পী একত্রে নব্বই-এর দশকের পর তাঁরা ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। আমেরিকান, লাতিন, রক, জ্যাজ, লোক, বাউল বিভিন্ন সঙ্গীত ধারায় পরীক্ষামূলক নানা কাজ তাঁরা করতে থাকে এবং তরুণ প্রজন্মের কছে প্রবল জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।আজ বর্ধমানে নানারকমের পোশাক, বাদ্যযন্ত্র, পোস্টার আর প্লাকার্ডে ছয়লাপ হয়ে ওঠে কার্জনগেট চত্বর। নানারকম বার্তা প্লাকার্ডে লিখে তাঁরা হাজির হয়। সেইরকমই একটি প্লাকার্ডে লেখা...ঘোড়াগুলি ছুটছে.... শহর বর্ধমান উত্তেজনায় ফুটছে ছুটছে ওরা ছুটছে... মহীনের ঘোড়াগুলি ছুটছে...... কার্জন গেট থেকে টাউনহল প্রাঙ্গণ পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত পথ পরিক্রমা করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। পরিশেষে এই কথাই মনে করায় মহীনের মৃত্যু হলেও ঘোড়া গুলির দৌড় বোধহয় থামার নয়।

জুলাই ০২, ২০২৩
শিক্ষা

বিজ্ঞানে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ রামকৃষ্ণ মিশনের বৃত্তি প্রদান বর্ধমানের মেয়েকে

বর্ধমানের মেয়ে দিগন্তিকা কে তাঁর ক্রমাগত বিজ্ঞান সাধনার স্বীকৃতি স্বরূপ বৃত্তি প্রদান রামকৃষ্ণ মিশনের। রামকৃষ্ণ মিশনের ১২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ভারত সরকারের মিনিস্ট্রি অফ কালচার এর আর্থিক সহযোগিতায় ও রামকৃষ্ণ মিশন বেলুর মঠের উদ্যোগে সারা ভারত স্টুডেন্ট ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ অনুষ্ঠিত হল। স্টুডেন্ট ইনোভেশন প্রতিযোগিতা অষ্টম শ্রেণি থেকে শুরু করে পিএইচডি স্তর পর্যন্ত নথিভুক্ত শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত ছিল। সারা ভারত থেকে বেশ কয়েক জন উদ্ভাবককে উচ্চ শিক্ষার জন্য বৃত্তি প্রদান করা হয় এই অনুষ্ঠানে।বেলুর মঠে স্বামী বিবেকানন্দ সভাগৃহে (বেলুর মঠ) এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে মঠের মহারাজ দের আলোকোজ্জ্বল উপস্থিতিতে উদ্ভাবক বৃত্তি প্রদান করা হয়।এই অনুষ্ঠানে দিগন্তিকা বোসের হাতে বৃত্তি স্বরূপ সাতষট্টি হাজার টাকার অর্থমুল্যের একটি চেক তুলে দেওয়া হয়। বেঙ্গালুরুরর নার্সিং কলেজে দিগন্তিকা এখন বিএসসি নার্সিং পড়ছে, সে কারণেই সে দক্ষিণ ভারতের হয়ে অংশগ্রহণ করেছিল। শ্রীমৎ স্বামী সুবীরা নন্দজী মহারাজ রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠের সাধারণ সম্পাদক প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেন ও মঠের সম্পাদক স্বামী শুকদেবানন্দ মহারাজ উপস্থিতিতে সমগ্ৰ অনুষ্ঠিত হয়।দিগন্তিকা জানায় তার আবিস্কৃত ভাইরাস ডেসট্রয়েড মাস্ক এর আর একটি উন্নত ভার্সন, যা তার আগের উদ্ভাবিত মাস্ক এর সব বৈশিষ্ট্য তো থাকছেই সঙ্গে পাওয়া যাবে পকেট ভেন্টিলেশনে সুবিধা। পকেট ভেন্টিলেশন এমন একটা ব্যবস্থা, হঠাৎ যদি কোনো ব্যক্তির কৃত্রিম শ্বাস চালু রাখাতে পারে, চিকিৎসা কেন্দ্র নিয়ে যাওয়ার আগে বা গ্ৰামিন চিকিৎসা কেন্দ্র এটি ব্যবহার করে মানুষের জীবন রক্ষার সহআয়ক হবে মাস্কের এই উন্নত ভার্সন যা তাকে এনে দিল রামকৃষ্ণ মিশনের দেওয়া জাতীয় উদ্ভাবক শিক্ষা বৃত্তি।

জুলাই ০২, ২০২৩
রাজ্য

বর্ধমানের বর ও বাংলাদেশের কনে, কাঁটাতার টপকে ঘর বেঁধেও হল না শেষরক্ষা

কথায় আছে বর্ধমানের বর আর বরিশালের কনে। এই জুটি ছিল নাকি সেরা জুটি। সোশাল মিডিয়ার বদান্যতায় জোরালো হয়েছে প্রেমের বাঁধন। দালাল চক্র ধরে কাঁটাতার পেরিয়ে বর্ধমানে এসে প্রেমিকের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রেমিকা। কিন্তু দুজনেই এখন শ্রীঘরে। অভিযোগ, বেআইনি ভাবে এদেশে এসেছেন প্রেমিকা নূরতাজ আক্তার মিম।প্রেমিকের টানে কাঁটাতার টপকে অবৈধ ভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ করে বিয়েটাও সেরে ফেলেছিল পড়শি দেশের প্রেমিকা। কিন্তু সংসার আর জমে উঠল না। অভিযোগের পরিপেক্ষিতে বর্ধমান থানার পুলিশ প্রেমিক ও প্রেমিকা দুজনকেই গ্রেপ্তার করেছে। ধৃত প্রেমিকা নূরতাজ আক্তার মিম। আর প্রেমিক বর্ধমান শহরের তেঁতুলতলা এলাকার যুবক শেখ সামিম।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর ১৮-এর প্রেমিকা নূরতাজ আক্তার মিমের বাড়ি বাংলাদেশের নারায়নগঞ্জ জেলার এনায়েতনগরে। বর্ধমানের তেঁতুলতলার ২২ বছরের যুবক শেখ সামিমের সঙ্গে ফেসবুকের বন্ধুত্বের সম্পর্ক প্রেমের সম্পর্ক রূপ নেয়। তারপর থেকেই প্রেমিকের টানে ভারতে আসার জন্য ব্যাকুল হয়ে ওঠে নূরতাজ। মাস তিনেক আগে বাংলাদেশের এনায়েতনগর থেকে বনগাঁ বর্ডার পৌছে যায় অষ্টাদশি নূরতাজ। দালাল ধরে এর পর সে অবৈধ ভাবে বর্ডার পার হয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করে। অভিযোগ, এই কাজেও নাকি তাঁকে সাহায্য করে প্রেমিক সামিম। বর্ডার টপকেই নূরতাজ তাঁর প্রেমিকের সঙ্গে বর্ধমানের উদ্দশ্যে রওনা হয়। তেঁতুলতলায় প্রেমিকের বাড়িতেই সে ওঠে। সেখানে মুসলিম শরিয়ত অনুযায়ী তাঁরা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। কিন্তু আইনের গেরোয় তাঁদের সংসারে আপাতত ছেদ পড়েছে।এদিন দুজনকে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হলে বিচারক দুজনের জামিন নামাঞ্জুর করে জেল হেপাজতে পাঠিয়ে দেয়। ১ জুলাই ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

জুন ২৬, ২০২৩
শিক্ষা

মাধ্যমিকে প্রথম কাটোয়ার দেবদত্তা ও দ্বিতীয় বর্ধমানের শুভমের সাফল্যের পিছনে কারণ কি?

এবার মাধ্য়মিক পরীক্ষায় জয়জয়কার বর্ধমান জেলার। বিশেষত কাটোয়া ও বর্ধমান শহরের নাম জ্বল জ্বল করছে। সারা রাজ্যে মাধ্যমিকে প্রথম হয়েছে দেবদত্তা মাঝি। ৬৯৭ নম্বর পেয়ে প্রথম কাটোয়ার দুর্গাদাসী চৌধুরানী হাইস্কুলের ছাত্রী। মাধ্য়মিকে প্রথম স্থানাধিকারী ছাত্রীর উচ্ছ্বসে ভেসে গিয়েছেন। দেবদত্তা জানিয়েছে, এই ফল উৎসর্গ করেছে মাকে। এই সাফল্য এসেছে স্কুলের ও গৃহশিক্ষদের জন্য। ফলপ্রকাশের পর থেকেই তাকে শুভেচ্ছা জানাতে হাজির হয়েছেন পাড়া প্রতিবেশি থেকে আত্মীয়স্বজনেরা। ভবিষ্যতে ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়তে চান তিনি।দেবদত্তা মাঝি প্রাইভেট টিউশন যেমন পড়ত, তেমনই বাড়িতেও নিজের পড়াশোনার দিকে খেয়াল রাখত। দিনে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা পড়ত এবারের মাধ্যমিকের একমাত্র প্রথম স্থানাধিকারী। সাদামাটা পরিবারে বড় হয়েছে দেবদত্তা। সেলফ-স্টাডি করতেই বেশি পছন্দ করে।এদিকে বর্ধমান শহরের শুভম পাল মাধ্যমিকে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৫। এবারে তাঁর রেজাল্ট আকাশছোঁয়া, খবর পেতেই বাড়িতে উৎসবের আমেজ। যেন নিজেই বিশ্বাস করতে পারছেন না শুভম। শহরের ঐতিহ্য়বাহী বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুলের ছাত্র শুভম। শুভমের কথায়, ভীষণ ভাল লাগছে। এই দিনটার জন্য অপেক্ষায় ছিলাম। তবে এতটা ভাল ফল হবে আশা করতে পারিনি।প্রত্যেকটা বিষয়ে একজন করে প্রাইভেট টিউটর ছিল শুভমের। মা বাংলার শিক্ষিকা। মায়ের কাছেই বাংলা পড়তাম। শুভম বলেন, মা সব থেকে সাহায্য করেছেন। স্কুলের শিক্ষকরাও পাশে ছিল। সে জানিয়েছে, সারাদিন নির্দিষ্ট সময়ে পড়াশোনা করতাম না। যখন ইচ্ছে হত তখনই পড়তাম। বাঁধাধরা ছিল না কিছুই। পাঠ্য বই ভাল করে পড়তে হবে। প্রতিটা লাইন খুঁটিয়ে পড়েই সাফল্য এসেছে। শুভমের পড়াশোনা ছাড়া গান, আবৃত্তিতে বেশ ঝোঁক রয়েছে।

মে ১৯, ২০২৩
রাজ্য

বর্ধমানের মুখ উজ্জ্বল করল সেবন্তী, ভিন রাজ্যে আইএসসি পরীক্ষায় সেরার সেরা স্বীকৃতি

বর্ধমানের সেন্ট জেভিয়ার্সের ছাত্র সম্বিত মুখোপাধ্যায় আইসিএসই-তে সর্বভারতীয় স্তরে প্রথম স্থান পাওয়ার পর ফের বর্ধমানকে গর্বিত করল প্রবসী তরুণী সেবন্তী হুই।ভিন রাজ্যে বাংলার মুখ উজ্জ্বল করলেন বর্ধমানের মেয়ে। আইএসসি পরীক্ষায় কর্নাটকে সেরার সেরা হওয়ার কীর্তি অর্জন করেছে সেবন্তী হুই। আইএসসিতে ৯৯.২৫ শতাংশ নম্বর পেয়ে কর্নাটকে শীর্ষ স্থান অর্জন করেছে সেবন্তী। মোট ৪০০ নম্বরে সেবন্তী পেয়েছে ৩৯৭। তাঁর লক্ষ্য অধ্যাপিকা হওয়া।কর্মসূত্রে ব্যাঙ্গালুরুতে থাকেন দীপ্তেন্দ্র হুই ও সায়ন্তনী হুই। দীপ্তেন্দ্র পেশায় ইঞ্জিনিয়ার ও সায়ন্তনী অঙ্কন শিক্ষিকা। তাঁদের সন্তান সেবন্তীর পড়াশুনা ব্যাঙ্গালুরু গ্রীণউড হাইস্কুলে। তবে হঙকঙে থাকতে আইএসসি ফল বেরনোর খবর পেয়েছেন সেবন্তী। এখন দীপ্তেন্দ্র পেশার কাজেই হঙকঙে রয়েছেন। সেখানেই গিয়েছেন সেবন্তী ও তাঁর মা। ফোনে ও ভিডিও কলেই বহু মানুষ তাঁদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। মেয়ের সাফল্যে খুশি বাবা-মা।সেবন্তী ভবিষ্যতে ইংরেজির অধ্যাপিকা হতে চায়। সেবন্তী জানিয়েছেন, যেদিন স্কুল থাকত না ওই দিন প্রায় ৮-১০ ঘন্টা পড়াশোনা করেছে। স্কুল থাকলে দিনে ৩-৪ ঘন্টা পড়াশোনা করেছে। পড়াশুনা ছাড়া কবিতা লিখতে ও ভিডিও গেম খেলতে ভালবাসে সেবন্তী।

মে ১৫, ২০২৩
রাজ্য

আইসিএসই-তে দেশের সেরা বর্ধমানের ছাত্র সম্বিত, গর্বিত করল বাংলাকে

সর্বভারতীয় আইসিএসই (ICSE) বোর্ডের দশম শ্রেণীর পরীক্ষায় দেশের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করল বর্ধমান সেন্ট জেভিয়ার্সের ছাত্র সম্বিত মুখোপাধ্যায়। বর্ধমানের সম্বিত উজ্জ্বল করল বাংলার মুখ। তাঁর এই সাফল্যে গর্বিত বর্ধমান। বর্ধমানের সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুলের ছাত্র সম্বিত ৯০০ নম্বরের পরীক্ষায় ৮৯২ নম্বর পেয়ে ভারত সেরা হয়েছে। সম্বিতদের বাড়ি বর্ধমান শহরের পার্কাসরোডে। তবে কলকাতার লেকটাউনের বাড়িতেও তার পরিবার থাকে। ভারত সেরা ছাত্রটির লক্ষ্য দক্ষ সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার হওয়া।সম্বিত কখনও পড়াশুনাকে চাপ হিসেবে নেয়নি। সে নিয়মিত ৭-৮ ঘন্টা পড়াশুনা করত। পরীক্ষার আগে আর একটু বেশি সময় পড়ত সে। পড়ার জন্য রুটিন তৈরি ছিল। মোট ৯০০ নম্বরের পরীক্ষায় ইংরেজিতে ৯৯, বাংলায় ৯৫, ইতিহাস ও সিভিক্স-এ ১০০, ভূগোলে ৯৯, অংকে ১০০, ফিজিক্সে ৯৯, কেমিস্ট্রিতে ১০০, বায়োলজিতে ১০০ এবং কম্পিউটার এপ্লিকেশনে ১০০ নম্বর পেয়েছে সম্বিত। সম্বিতের এখন লক্ষ্য আইআইটি পাওয়া। সে সফল সফটওঅ্যার ইঞ্জিনিয়ার হতে চায়। এই ফল তাঁকে সামনের বড় পরীক্ষাগুলোতে আরও ভাল ফল করার উৎসাহ যোগাবে বলে সম্বিত জানিয়েছে।পড়াশুনা ছাড়া সম্বিতের সখ গিটার বাজানো, ছবি আঁকা। দাবা খেলতেও ভালবাসে সে। সময় পেলে ক্রিকেট খেলা দেখে। তৃতীয় শ্রেণি থেকে সম্বিত প্রথম হয়ে আসছে। আইসিএসই-তে প্রথম হওয়ায় বাবা-মা, স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং প্রাইভেট শিক্ষকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে সেন্টজেভিয়ার্সের ছাত্রটি। সম্বিতের বাবা মনোজ মুখোপাধ্যায় পেশায় কেমিক্যাল বিজ্ঞানী ও মা সুতপা মুখোপাধ্যায় দেবীপুর স্টেশন গার্লস হাই স্কুলের শিক্ষিকা।

মে ১৪, ২০২৩
রাজ্য

মালগাড়ি-লোকালের ধাক্কা, ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত বর্ধমান-হাওড়া ডাউন মেইন লাইনে

মালগাড়ির সঙ্গে ধাক্কায় লোকাল ট্রেনের লাইনচ্যুত হয় বর্ধমানের শক্তিগড়ের কাছে। বর্ধমান-হাওড়া মেন ডাউন লাইনে ট্রেন চলাচল বুধবার রাত থেকে বন্ধ রয়েছে। এর ফলে নিত্য যাত্রী দুর্ভোগ পোয়াচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকালেও এই ডাউন লাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়নি।রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাত ৯. ১৬ মিনিট নাগাদ পূর্ব বর্ধমানের শক্তিগড় স্টেশনের কাছে ট্র্যাক চেঞ্জ করার সময় একই লাইনে চলে আসা মালগাড়ির সঙ্গে ধাক্কায় লাইনচ্যুত হয় যাত্রীবাহী ডাউন ব্যান্ডেল লোকাল। তবে দুর্ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর নেই। কিন্তু ট্রেনের যাত্রীরা যথেষ্টই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছান রেলের আধিকারিকরা। দুর্ঘটনার ফলে এখনও ট্রেন চলাচল ব্যহত রয়েছে।পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র জানিয়েছেন, ৩৭৭৮৪ ডাউন বর্ধমানব্যান্ডেল লোকাল ট্রেনটি রাত ৯. ১৬ মিনিট নাগাদ শক্তিগড় স্টেশনে ঢুকছিল। তখন দুর্ঘটনাটি ঘটে। ট্রেনটির গতিবেগ কম থাকায় বড়সড় কোনও বিপদ ঘটেনি। ট্রেনের যাত্রী রাজু রায় বলেন, ওই সময়ে আমরা ট্রেনে বসেই প্রবল ঝাঁকুনি অনুভব করি। আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। তারপর দেখতে পাই আমাদের ট্রেনের একটা বগি লাইনচ্যুত হয়ে গিয়েছে। ট্রেনে ধীর গতি থাকায় বড় বিপদের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছি। কেন এমন দুর্ঘটনা ঘটল তা খতিয়ে দেখছে পূর্বরেলের পদস্থ কর্তারা। দ্রুত গতিতে কাজ চলছে।

মে ১১, ২০২৩
রাজ্য

বর্ধমানের জেলাশসক ও পুলিশ সুপারকে আমের প্যাকেট উপহার দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

মালদা যাওয়ার সময় বর্ধমান স্টেশনে ট্রেন দাঁড়ানোয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখতে বহু মানুষ ভিড় করেছিলেন। প্রশাসনিক বৈঠক ও দলীয় সভা করতে মালদা গিয়েছিলেন তিনি। কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে ফেরার পথে বর্ধমান স্টেশনে ফের একই ভিড় চোখে পড়ল। তবে এবার বিশেষ ঘটনার সাক্ষী থাকল উপস্থিতি মানুষজন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় আম ভর্তি প্যাকেট উপহার দিলেন পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক প্রিয়াংকা সিংলা ও পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেনকে। হাজির ছিলেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ও তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা।শুক্রবার ডাউন কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে চড়ে মালদা থেকে কলকাতায় ফিরছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বিকেল ৫টার পর কাঞ্চনজঙ্ঘা বর্ধমান স্টেশনের পাঁচ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়ায়। মুখ্য়মন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলাশাসক প্রিয়াংকা সিংলা ও পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন স্টেশনে উপস্থিত ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী ট্রেনের কামরা থেকে বেরিয়ে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারের হাতে আম ভর্তি প্যাকেট ও তোয়ালে উপহার দেন। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথকে জেলার উন্নয়ন নিয়ে একগুচ্ছ দায়িত্ব দেন মুখ্যমন্ত্রী। স্বপন দেবনাথ বলেন, মুখমন্ত্রী আমার সঙ্গে জেলার উন্নয়ন নিয়ে কথা বলেছেন। ৫ টা ১৩ মিনিটে ডাউন কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস বর্ধমান স্টেশন ছেড়ে চলে যায়।

মে ০৫, ২০২৩
রাজ্য

কুখ্যাত কয়লা মাফিয়া রাজু ঝা গুলিতে ঝাঁঝরা শক্তিগড়ে, গভীর রহস্য

গুলিতে ঝাঁঝরা কুখ্যাত কয়লা মাফিয়া। পরে অবশ্য বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। শনিবার সন্ধ্যায় শক্তিগড়ে দুনম্বর জাতীয় সড়কের ধারে থাকা ল্যাংচার দোকানের সামনে এই শুট আউটে মৃত্যু হয় রাজু ঝায়ের। সাদা রংয়ের ফরচুনা গাড়িতে ছিলেন রাজু ঝা। নীল রঙের অন্য একটি চারচাকা গাড়িতে চড়ে আসা দুষ্কৃতীরা এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে। গুরুতর জখম রাজুর এক সঙ্গীকে উদ্ধার করে বর্ধমানের অনাময় সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ভর সন্ধ্যায় এই গুলি চালনার ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে জাতীয় সড়কের ধারে থাকা ব্যবসায়ী মহলে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছান জেলা পুলিশ সুপার কামনাশিষ সেন,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যান সিংহ সহ অন্যান্য উচ্চ পদস্থ কর্তারা। ঘটনাস্থল ব্যারিকেড করে রেখেছে পুলিশ।বর্ধমান শহর থেকে একটু দূরে আমরায় জাতীয় সড়কের দুধারে রয়েছে ল্যাংচার একাধিক দোকান। সন্ধ্যার পর দূরদূরান্তে যাতায়াত করা গাড়ির আরোহীরা ওইসব ল্যাংচার দোকানে দাঁড়িয়ে খাওয়া দাওয়া সারেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, শনিবার সন্ধ্যায় কলকাতা মুখি রোডে শক্তিগড়ের একটি ল্যাংচা দোকানের সামনে দাঁড়ায় সাদা রংয়ের একটি ফরচুনা গাড়ি। ওই গাড়ির আরোহীরা, গাড়ি থেকে নামতে না নামতেই নীলচে রঙের একটি চারচাকা গাড়ি সেখানে এসে দাঁড়ায়। নীলচে রঙের গাড়ি থেকে কয়েকজন নেমেই দাঁড়িয়ে থাকা ওই ফরচূনা গাড়ির আরোহীদের লক্ষ্য করে পরপর গুলি চালায়। গুলি চালিয়ে নীলচে রঙের গাড়িতে চেপেই দুষ্কৃতীরা দ্রুত কলকাতা মুখি রোড ধরে পালিয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কমপক্ষে ছয় রাউণ্ড গুলি চালিয়েছে দুষ্কৃতীরা। গুলিতে ফরচুনা গাড়ির চালকের পাশের সিটে বসে থাকা একজন আরোহী এবং পেছনের শিটে বসে থাকা রাজু ঝা গুলিবিদ্ধ হন। বরাত জোরে রেহাই পেয়ে যান ফরচুনা গাড়ি চালক। তাঁদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় অনাময় সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা রাজু ঝাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। অপরজনের হাতে গুলি লাগায় তিনি প্রাণে বেঁচে যান। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, এটি গ্যাং ওয়ারের ঘটনা হতে পারে। রাজু ঝা কুখ্যাত কয়লা মাফিয়া হিসেবেই দুর্গাপুরে পরিচিত ছিলেন। বিভিন্ন থানায় তার নামে অভিযোগ রয়েছে। সিআইডি ইতিপূর্বে তাকে গ্রেফতার করেছিল। ২০২১ শের বিধানসভা ভোটের আগে রাজু বিজেপিতে যোগ দেয়। বাম আমলে কয়লা পাচারে রাজু ঝায়ের হাতে খড়ি হয়। কয়লা পাচার নিয়ে এখন যে তদন্ত চালাচ্ছে তার স্ক্যানারেও রাজু ঝা ছিল বলে খবর। এমনই এক সময় রাজু ঝাকে কারা খুন করল তা নিয়ে রহস্য দানা বেড়েছে। তদন্ত নেমে পুলিশ শক্তিগড়ের ঘটনাস্থল এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা শুরু করার পাশাপাশি জাতীয় সড়ক ও সংলগ্ন সড়ক পথ গুলিতে নাকা চেকিং শুরু করেছে। পালসিট টোল প্লাজার সিসিটিভি ফুটেজ ও পুলিশ ক্ষতিয়ে দেখা শুরু করেছে। ফরচুনা গাড়িটি বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ আব্দুল লতিফের গাড়ি বলে জানা গিয়েছে। এদিন গাড়িটিতে যে চালক ছিল সে আব্দুল লতিফের নিয়োগ করা বলেই সূত্রের খবর। কয়লা মাফিয়া রাজু ঝায়ের সঙ্গে আব্দুল লতিফের ও এনামুলের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে বলে খবর মিলেছে। গরু ও কয়লা পাচার কাণ্ডের তদন্তের দায়িত্বে থাকা সিবিআই এর ডাক পাওয়ার পর আব্দুল লতিফ গা-ঢাকা দেন।

এপ্রিল ০১, ২০২৩
রাজ্য

বন্দে ভারতের চালক গর্বিত করল বর্ধমানকে, স্টেশনে ভিড়ের মাঝে স্বামীকে হাত নাড়িয়ে শুভেচ্ছা স্ত্রীর

বন্দে ভারতে মেতেছে বাংলা। ইতিমধ্যে ট্রেনের টিকিট পেতেই হিমশিম অবস্থা। হাওড়া থেকে ছাড়ার পর একে একে নানা স্টেশনেই দাঁড়িয়েছে বন্দে ভারত। জনতার উল্লাসে ভেসেছে মশাগ্রাম, বর্ধমান, বোলপুর স্টেশন। প্রথমবার বন্দে ভারতকে চোখের দেখা দেখতে জাতীয় পতাকা নিয়ে অনেকেই হাজির হয়েছেন। এই সুপার স্পিড ট্রেনের চালককে মালা পড়িয়ে অভিনন্দন জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ। বাংলার প্রথম বন্দে ভারতের চালকের বাড়ি বর্ধমানে লোকো সারদা পল্লীতে। বর্ধমান স্টেশনে যখন চালককে নিয়ে মাতামাতি চলছে তখন ভিড়ের মধ্যেই দূর থেকে স্বামীকে হাত নাড়িয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সুনিতা কুমারী। ওই ভিড়ের মধ্যেও পাল্টা হাত নাড়িয়েছেন চালক অনিল কুমার। অনেকে তো ভাবতেই পারেনি চালকের স্ত্রী সেখানে দাঁড়িয়ে। চালক পাল্টা হাত নাড়ানোয় উপস্থিত জনতার টনক নড়ে। বর্ধমান স্টেশনে ট্রেন দাঁড়াতেই উৎসাহী মানুষজন অনিল কুমারের গলায় মালা পরিয়ে দিয়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে দেখে আবেগঘন হয়ে পড়েন সুনীতা কুমারী। গর্বিত চালকের স্ত্রী বলেন, এই দিনটা আমার কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাজ্যে উপস্থিত থাকতে পারলে আরও ভালো লাগতো। আদতে বিহারের বিহারের বাসিন্দা অনিল কুমার। এখন পরিবার নিয়ে তিনি থাকেন বর্ধমানের লোকো সারদাপল্লীতে থাকেন। বন্দেভারত এক্সপ্রেস চালানোর উদ্দেশ্যে বৃহস্পতিবার রাতেই অনিল কুমার বর্ধমানের বাড়ি থেকে হাওড়া স্টেশনের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন।এদিন সকালে টেলিভিশনের পর্দায় বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেন নিয়ে উচ্ছ্বাস-উন্মাদনা দেখে বাড়িতে আর মন টেকেনি। সোজা বর্ধমান স্টেশনে চলে আসেন সুনীতা দেবী। তিনি জানিয়েছেন, ট্রেনের অ্যাসিন্ট্যান্ট ড্রাইভার হিসাবে ১৯৯০ সালে কাজে যোগ দেন তাঁর স্বামী। কর্মের প্রতি অবিচল অনিল কুমারের বরাবরই লক্ষ্য ছিল সবথেকে গুরত্বপূর্ণ ট্রেনগুলো চালানো। পূর্বা, কালকা, শতাব্দী, রাজধানী ও দুরন্ত এক্সপ্রেস ট্রেনও তাঁর স্বামী চালিয়েছেন। বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেন চালানোর স্পেশাল ট্রেনিং নিতে চলতি মাসের ৭ তারিখ অনিল বাবু উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদে যান। ট্রেনিং শেষে ১৯ ডিসেম্বর তিনি বর্ধমানের বাড়িতে ফিরে আসেন। বন্দেভারত এক্সপ্রেসের মতো দুরন্ত গতির ট্রেন চালানোটা তার স্বামীর কাছে আলাদা মাইলস্টোন ছোঁয়ার মতো। এদিন সেই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের সাক্ষী থাকার জন্যই বর্ধমান স্টেশনে উপস্থিত হয়েছিলেন বলে সুনীতাদেবী জানান। এদিন বর্ধমান স্টেশনে হাত নেড়ে, ইশারায় শুভেচ্ছা বিনিময় হলেও গর্বিত স্বামীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ হয়নি সুনীতা দেবীর। কথা না হলেও আপশোষ নেই সুনীতা দেবীর। তিনি বলেন, স্বামী কাজের প্রতি দায়বদ্ধ।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২২
রাজ্য

মহা সমারোহে শুরু দু'দিন ব্যাপী বর্ধমান মডেল স্কুলের বাৎসরিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

শুক্রবার বর্ধমানের বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুল-র বাৎসরিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হল। ২৩ ও ২৪ ডিসেম্বর যথা শুক্র ও শনিবার এই অনুষ্ঠান চলবে। প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ (OAER) র সচিব ও বর্ধমান মডেল স্কুলের কর্নধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল ও ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ র সহ-সভাপতি ডঃ নন্দন গুপ্ত।এছাড়াও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন সংস্থার অন্যান্য কলেজের অধ্যক্ষ যথা লিজা ব্যানার্জী (BIMS), ডঃ বিদ্যুৎ বন্দ্যোপাধ্যায় (OIST), সত্যরাজ আদিত্যাংশু মেদ্দা (সোসাইটির সদস্য), বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক শম্বুনাথ চক্রবর্তী, স্কুল পরিচালন সমিতি-র সদস্যা ডঃ ইন্দ্রানী মুখার্জি ও রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত শিক্ষক ডঃ সুভাষ দত্ত। অথিতিদের বরণ করে নেন বর্ধমান মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক (প্রিন্সিপ্যাল) বিপিন বিহারী সিং।সুসজ্জিত মঞ্চওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ র সচিব তথা বর্ধমান মডেল স্কুলের কর্নধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরেন সামগ্রিক শিক্ষার কথা। তিনি বলেন, শুধুমাত্র বই-মুখী পড়াশোনার বাইরেও সমাজ থেকে অনেক কিছু শেখা যায়, সমাজ যে শিক্ষা দেয় তা চিরস্থায়ী। তিনি জানান, করোনা অতিমারীর কারণে দীর্ঘ দুবছর অপেক্ষার পর এবছর আবার খুব জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে সংস্থার বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মেসমারাইজ (Mesmerize-2K22) অনুষ্ঠিত হচ্ছে।নৃত্য পরিবেশনওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ র সহ-সভাপতি ডঃ নন্দন গুপ্ত তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরেন পড়াশোনায় টেকনোলজি-র প্রভাব। তিনি বলেন, আগের প্রজন্মের ছাত্রছাত্রীরা জানতেই পারতো না যে, সে যে বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করছে সেই বিষয়ে বিশ্বের সেরা শিক্ষক কে? আজকের ছাত্রদের কাছে সেটা খুবই মামুলি ব্যাপার, সেই শিক্ষক আজ তাদের মুঠোয় বন্দি (Mobile)। তিনি আরও বলেন, টেকনোলজিকে সঠিক ভাবে ব্যবহার করে বাড়িতে বসেই অনেক দূর অবধি যাওয়া যায়। তিনি বেশ কয়েকজন ছাত্রের উদাহরণ টেনে বলেন, তাঁরা এই টেকনলজির সাহায্য নিয়েই (অন লাইন এডুকেশন) এই বছর সারা ভারতের মধ্যে উল্লেখযোগ্য র্যাঙ্কিং করেছে।রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত শিক্ষক ডঃ সুভাস চন্দ্র দত্ত তাঁর বক্তব্যে জানান, বিজ্ঞানমনস্ক না হলে উন্নতি কিছুতেই হবেনা। ছাত্রছাত্রীদের খুব অল্প বয়স থেকেই বিজ্ঞান শিক্ষায় উৎসাহী করে তুলতে হবে। তাঁর কথায়, জীবনের চলার পথে বিজ্ঞানকে আমরা কখনোই অবহেলা করতে পারবো না। এরপর বর্ধমান মডেল স্কুল-র বার্ষিক ম্যাগাজিন ড্যাজেল-র (Dazzle) শুভ উদ্বোধন করেন সম্মানিত অতিথিবর্গ। এছাড়াও স্কুলের ছাত্রদের দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় ভালো ফল করার জন্য পুরস্কৃত করা হয়।বার্ষীক ম্যাগাজিন ড্যাজেল-র (Dazzle) শুভ উদ্বোধনস্কুলের খুদে বাচ্চা থেকে শুরু করে বড়দের নাচ, গান, নাটক ও আবৃত্তিতে ভরে ওঠে অনুষ্ঠান। অভিভাবক সহ সাধরণ দর্শককুল দারুণভাবে উপভোগ করেন আজকের এই অনুষ্ঠান। বিশেষ করে হিন্দি নাটকে বেড়ালের চরিত্রে ছোট্ট আদিত্য সিং-র অভিনয় দর্শকের মন ছুঁয়ে যায়। এছাড়াও স্কুলের আবৃত্তি শিক্ষিকা সুদেষ্ণা আচার্যের তত্ত্বাবধানে অনুপ্রাণ সমবেত আবৃত্তি এককথায় আসাধরণ। ৪০ জন ছাত্র ছাত্রী সম্বলিত এই প্রয়াস এক কথায় অনবদ্য। একেবারে অনুষ্ঠানের শেষ লগ্নে বিবিধের মাঝে দেখ মিলন মহান বার্তা নিয়ে সমগ্র দেশের বিভিন্ন নৃত্য শৈলীর সমন্বয় ঘটিয়ে স্কুলের নৃত্য শিক্ষিকা তুনা রুদ্রের প্রয়াস সত্যিই মেসমারাইজ (Mesmerize)।ছোটদের আবৃত্তিসঙ্গীত বিভাগের দুই শিক্ষক নম্রতা রায় ও সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়-র নিরলস প্রয়াস ছাত্র ছাত্রীদের সঙ্গীত প্রদর্শন এক অন্য মাত্রা পায়। এবছরের মেসমারাইজ-এর (Mesmerize) সবচেয়ে বড় পাওনা ব্যান্ড বিএমএস। স্কুলের এক ঝাঁক ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে তৈরি এই ব্যান্ড মুগ্ধ করে দেয় তাদের উপস্থাপনায়। নম্রতা রায়ের প্রচেষ্টা ও কর্নধার অচিন্ত্য মণ্ডলের উৎসাহে এই ব্যন্ড সত্যিই ব্রান্ড বিএমএস (Brand BMS)উল্লখ্য গতকাল ২২ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার তিনদিন ব্যাপি ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ-র কলেজ গুলির Mesmerize-2K22 শীর্ষক বার্ষিক সাংস্কৃতীক অনুষ্ঠান শুভ সূচনা হয়। ছাত্রছাত্রীদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি কলকাতার ফকিরা ব্যান্ড গান পরিবেশন করেন।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২২
রাজ্য

ফ্লাইওভারের দাবিতে জাতীয় সড়কে অবরোধ গ্রামবাসীদের

মঙ্গলবার বর্ধমানের ২ নম্বর জাতীয় সড়কের নলা বাসস্ট্যাণ্ডের কাছে প্রায় ৪০ মিনিট ধরে অবরোধ করেন এলাকাবাসিন্দারা। অবরোধের জেরে বেশ কিছুক্ষণ জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বর্ধমান থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।তারপর পুলিশি আশ্বাসে অবরোধ ওঠে। স্থানীয় মানুষদের অভিযোগ এখানে প্রায় ছ থেকে সাতটি গ্রাম আছে। বেশ কয়েকটি বাস চলাচল করে, তার জন্য জাতীয় সড়কের নলা বাসস্ট্যাণ্ডের কাছে কাটাউট ছিল।কিন্তু রাস্তা সম্প্রসারণের করতে গিয়ে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ সেই কাটাউটটি বন্ধ করে দেয়। যার কারণে এলাকার বাসিন্দাদের প্রায় ২ কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে আসতে হবে। এর ফলেই তারা চরম সমস্যার মধ্যে পড়বে। এই নিয়ে তারা জেলা পরিষদ, জেলাশাসক, পঞ্চায়েত অফিস সহ সমস্ত জায়গাতে লিখিত ভাবে তারা জানান যদি এই কাটআউট বন্ধ করে দেওয়া হয় তাহলে তার বদলে যেন এখানে ফ্লাইওভার তৈরি করা হয়। কিন্তু এই বিষয়ে কোন সদুত্তর না মেলায় অবরোধে সামিল হন গ্রামবাসীরা।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২২
রাজ্য

মেমারি থেকে কাটোয়া রেল প্রকল্পের আশ্বাস দিয়ে পঞ্চায়েত ভোট প্রচার শুরু বিজেপি সাংসদ আলুওয়ালিয়া'র

পঞ্চায়েত ভোটের আগে দলীয় কর্মীদের নিয়ে সভা করলেন বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ এস এস আলুওয়ালিয়া। শনিবার পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর বিধানসভার কর্মীদের নিয়ে বৈঠক করেন তিনি। পাশপাশি, এদিন মেমারি ২ ব্লকে সাতগেছিয়া এলাকায় একটি হিমঘরে এই পঞ্চায়েত সম্মেলন ও বিশেষ সাংগঠনিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়।পঞ্চায়েত নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় কর্মীরা কিভাবে কাজ করবেন, কোন কোন বিষয়গুলিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মানুষের কাছে তুলে ধরা হবে সেই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এদিনের বৈঠকে সাংসদ ছাড়াও ছিলেন বিজেপির জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা ও অন্যান্যরা।সাংসদ এস এস আলুওয়ালিয়া বলেন, মেমারি কাটোয়া ভায়া মন্তেশ্বর একটি রেল লাইন করার দাবি দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে। এই রেল লাইন চালু হলে এলাকার মানুষের উপকার হবে। এই এলাকায় মানুষের উৎপাদিত ফসল সহজেই অন্যত্র পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। এই রেলপথ দ্রুত চালু করতে চেষ্টা করা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

পঞ্চায়েত ভোটের প্রাক্কালে উল্টো পুরান বর্ধমানে! দলীয় কর্মিদেরই প্রকাশ্যে হুমকি বিধায়কের

পঞ্চায়েত নির্বাচনের ঢাকে কাঠি পড়ে গেছে। রাজ্যে নেতৃত্বের নির্দেশে ইতিমধ্যেই রাজ্যে জুড়ে গুটি সাজাতে শুরু করেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। বিরোধী রাজনৈতিক দল বিশেষ করে বিজেপিকে কোনঠাসা করতে ছোট-বড় বিভিন্ন জনসভা থেকে আক্রমণ শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব। কিন্তু পূর্ব বর্ধমানে বর্ধমান ১ নম্বর ব্লকে চিত্রটা ঠিক উল্টো। বিরোধীদের পরিবর্তে প্রকাশ্যে নিজের দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্য হুমকি দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ধমান-উত্তরের বিধায়ক নিশীথ কুমার মালিক।রবিবার বর্ধমান ১ নম্বর ব্লক তৃণমূল পক্ষ থেকে আয়োজিত শীতবস্ত্র প্রদান অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে বিধায়ক তার দলের বেশ কয়েকজন নেতার নাম না করেই পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর কুত্তার দশা হবে বলে হুঁশিয়ারী করেন। সেই সঙ্গে পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর তাদের দেখে নেওয়ার হুমকিও দেন তিনি। বিধায়ক নিশীথ কুমার মালিক বলেন, আমি প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে বলছি, খেলা শুরু হয়ে গেছে। জামালের (সেখ জামাল রায়ান ১ নম্বর অঞ্চলের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি) টিম রেডি আছে। তুমি তোমার দম নিয়ে রেডি হও। যেদিন বলবে, যে জায়গায় বলবে সেখানে দেখা হবে। কার কত প্লেয়ার আছে।বিধায়ক নিশীথ মালিকের এই মন্তব্যর পরেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পরে। তৃণমূলের অন্দরমহলেও শুরু হয় চাপান উতর। উল্টোদিকে এই মন্তব্যর পরিপেক্ষিতে ব্লকের জেলাপরিষদ সদস্য নরুল হাসান জানান, বিধায়ক অনেক পরে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। আমরা দলের পুরাতন কর্মী, দলের জন্মলগ্ন থেকে আছি। বিধায়ক ১১ সালের পর তৃণমূলে এসেছেন। উচ্চ নেতৃত্বের নির্দেশ সত্ত্বেও বিধায়ক পুরানো দিনের নেতা-কর্মীদের নিয়ে কাজ করছেন না, তাদের প্রাপ্য সম্মান টুকুও দেন না। বিধায়ক নিশীথ মালিক নিজেই একজন অশিক্ষিত, তাই তিনি বিরোধী রাজনৈতিক দলকে ছেড়ে নিজের দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছেন বলে দাবী নরুল হাসানের।বিজেপি অবশ্য গোটা বিষয়টি তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করছে। বিজেপি নেতা সুধীররঞ্জন সাউ বলেন, পঞ্চায়েত ভোটে এলাকায় রক্তগঙ্গা বয়ে যাবে। কারণ তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের মধ্যেই লড়াই করবে। গোটা ব্লক দুর্নীতিতে ভরে গেছে। এলাকার সাধারণ মানুষ পঞ্চায়েতে গেলে পরিষেবা পাচ্ছেন না।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২২
রাজ্য

পঞ্চায়েতে প্রার্থী হওয়ার জন্য কাউকে টাকা দিতে নিষেধ করলেন তৃণমূলের মন্ত্রী

পঞ্চায়েতে প্রার্থী হবার জন্য কাউকে কোন টাকা দেবেন না, খোলা মঞ্চ থেকে দলীয় কর্মীদের বার্তা মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরীর। মন্ত্রীর কথাতেই স্পষ্ট তৃণমূলে টাকা ছাড়া কিছু নেই, কটাক্ষ বিরোধীদের। মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের সাতগাছিয়ায় কেন্দ্রীয় সরকারের জনবিরোধী নীতি, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বৃদ্ধি ও একশো দিনের কাজ বন্ধের বিরুদ্ধে পথসভার আয়োজন করা হয়। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ বলেন, দলের টিকিট আমি দেব না। অনেকে ভাবছে আমি টিকিট দেব। কিন্তু না, টিকিট দেবে দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব। যারা ভাল কাজ করেছেন তারা টিকিট পাবেন। যারা ভাল কাজ করতে পারেননি তারা লাইনে থাকবেন এ, বি, সি, ডি হিসাবে। দল চাইবে ভাল ও পরিচ্ছন্ন মানুষকে প্রার্থী করতে। আমরা বলবো টাকা দাও প্রার্থী করবো ওই সব গ্যাজাখুরি গল্প হবে না। আপনারাও দলের প্রার্থী পদের জন্য একটাও ফুটো পয়সা দেবেন না। তিনি বলেন, অনেক গ্রামের খবর রয়েছে সেখানে রাস্তা নেই, বিদ্যুৎ নেই। আমাদের মনটা ফেটে যায়। এতদিন নেতারা কি করছিলেন? কেন গ্রামের রাস্তা হয়নি? এর কৈফিয়ৎ নেতাদের দিতে হবে বলে সমালোচনা করেন তিনি। সভাশেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী জানান, সমাজে অনেক ধরনের মানুষ থাকে। যাতে কেউ কারো খপ্পরে পরে টাকা লেনদেনের কথা ভাববেন না সেকারণেই আমি সাবধান হওয়ার বার্তা দিয়েছি। মন্ত্রীর এই বক্তব্যকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধী দল বিজেপি। বিজেপির জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা বলেন, মন্ত্রী পরোক্ষে স্বীকার করে নিলেন তৃণমূলের টিকিট টাকা নিয়ে দেওয়া হয়। উনি সত্যিটা বলছেন তাই মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। তৃণমূলের আমলে টাকা ছাড়া কিছু হয়না মন্ত্রীর বক্তব্যে তা স্পষ্ট বলে জানান জেলা বিজেপি সভাপতি।

নভেম্বর ৩০, ২০২২
রাজনীতি

তৃণমূল দলটা নিজেদের মধ্যে লড়াই করতে গিয়ে শেষ হয়ে যাবেঃ লকেট

এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস মেদিনীপুরে দাঁত ফোটাতে পারবে না। মঙ্গলবার বর্ধমানে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্তব্য করলেন বিজেপির সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। তিনি আরও বলেন, পঞ্চায়েতে নিজেদের সিণ্ডিকেট বাজির জন্য, টাকা তোলার জন্য ক্ষমতার লড়াই চলছে। আগে এটা তৃণমূল - বিজেপি ছিল। বহু বিজেপি কার্যকর্তা শহীদ হয়েছে। এখন নিজেদের মধ্যে লড়াই চলছে। তৃণমূল দলটা নিজেদের মধ্যে লড়াই করতে করতে শেষ হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।ভুপতি নগর থানায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিক্ষোভ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তৃণমূল বিভিন্ন ভাবে বিজেপিকে আক্রমণ করার চেষ্টা করছে। এই পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল মেদিনীপুরে দাঁত ফোটাতে পারবে না। প্রশ্নপত্র ফাঁস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা এখন পশ্চিমবঙ্গে ফ্যাশান হয়ে গেছে। সর্ষের মধ্যেই ভূত আছে। গোটা শিক্ষা মন্ত্রালয় জেলে চলে গেছে কিন্তু এখনো এই ভূতগুলো বসে আছে।বাংলার যে শিক্ষা নিয়ে আমরা গর্ববোধ করতাম কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীকে বলবো বাংলার শিক্ষা কোন জায়গায় চলে গেছে উনি যেন ধ্যান দেন। মঙ্গলবার বর্ধমান জেলা বিজেপি কার্যালয়ে কার্যাকারিনী বৈঠকে যোগ দিতে আসেন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও ছিলেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ, বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি সহ একাধিক বিজেপি নেতৃত্ব।

নভেম্বর ২৯, ২০২২
রাজনীতি

ফিরহাদ হাকিমের সাথে ভাইপোর লড়াইয়ে বোমা পড়বে! ভবিষ্যত বানী বিজেপি নেতার

বোম তৈরি করা আর সবাইকে বোম ছোড়া, এটাই তৃণমূল কংগ্রেসের কালচার। আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে না এটা তার আভাস। কালীঘাটেও বোমা পড়বে, যেদিন ফিরহাদ হাকিমের সাথে ভাইপোর লড়াই হবে বোমা পড়বে আমরা দেখবো। মঙ্গলবার বর্ধমানে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই মন্তব্য করেন বিজেপি নেতা সৌমিত্র খাঁ এর। তিনি আরও বলেন, এই ফিরহাদ হাকিম একদিন কালীঘাটে পাথর ছুঁড়েছিল। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, তৃণমূলের উন্নয়ন মানে পারিবারিক উন্নয়ন। একই সাথে বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাসকে একহাত নেন তিনি। বর্ধমানে যত অপসংস্কৃতি খোকন দাস এনেছেন, উনি বর্ধমানের কেষ্ট হয়ে গেছেন। খুব তাড়াতাড়ি উনি যাবেন বলে মন্তব্য করেন সৌমিত্র খাঁ।মঙ্গলবার বর্ধমান জেলা বিজেপি কার্যালয়ে কার্যাকারিনী বৈঠকে উপস্থিত হয়েছেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।

নভেম্বর ২৯, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে স্বজন পোষণের মারাত্মক অভিযোগ পঞ্চায়েত সদস্যদের

সারা রাজ্য জুড়ে শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যাপক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে যখন রাজ্য রাজনীতি সরগরম। ঠিক সে সময় পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে শাসক দলের পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে স্বজন পোষণের মারাত্মক অভিযোগে উঠল। ঘটনার জেরে এলাকায় শোরগোল পরেছে। বিষয়টি নিয়ে এদিন গলসি ১ নং ব্লক বিডিওকে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন লোয়া রামগোপালপুর পঞ্চায়েতের ৮ জন পঞ্চায়েত সদস্য। এদিন ওই পঞ্চায়েতের ১৪ জন সদস্যের মধ্যে ৮ জন বিডিওকে লিখিত অভিযোগ জানান। জানা গেছে, ওই পঞ্চায়েতে ভিসিটি অর্থাৎ ভেক্টর ডিজিস কন্ট্রোল টিমের জন্য দুটি শুন্যপদ রয়েছে। অভিযোগ, সেই পদে নিয়োগের জন্য পঞ্চায়েত প্রধান নিজের ছেলের নামই রেজুলেশন করে পাঠান লোয়া রামগোপালপুর পঞ্চায়েত প্রধান পম্পা রুইদাস।পঞ্চায়েত সদস্যরা জানিয়েছেন, পঞ্চায়েতে ভিসিটি নিয়োগের জন্য আবেদন জমা করেছে এলাকার বেশ কিছু বেকার যুবক যুবতী। তবে সেই পরিপ্রেক্ষিতে পঞ্চায়েতে জেনারেল মিটিং না করে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁরা জানান, আচমকা টেলিফোনে গ্রাম সংসদ সভার মিটিং ডেকে সদস্য সদস্যাদের ফাঁকা রেজুলেশনে স্বাক্ষর করিয়ে নেন প্রধান। তারপরই রেজুলেশন কপি বিডিও অফিসে পাঠিয়ে দেন বলে জানিয়েছেন তাঁরা। পঞ্চায়েত প্রধানের এমন কাজে মুখ খুলেছে বিরোধী দল বিজেপি।তবে গলসি ১ নং ব্লকের বিডিও দেবলীনা দাস জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত কোনও নিয়োগ হয়নি। লোয়া রামগোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে দুটি ভ্যাকেন্সি আছে। ওখান থেকে একটি রেজুলেশন পেয়েছিলাম। সেখানে দুইজনের নাম পাঠানো হয়েছিল। আজকে কয়েকজন এসে অভিযোগ করে গেছেন। তাঁরা বলছেন ওই মিটিং এ আমরা ছিলাম না। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি।

নভেম্বর ২৮, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 16
  • 17
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

শেষ কি আমেরিকার দাপট? আইএমএফ রিপোর্টে চমক, মুখ খুললেন এলন মাস্ক

বিশ্ব অর্থনীতিতে আমেরিকার একছত্র আধিপত্য কি শেষের পথে? সদ্য প্রকাশিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের রিপোর্ট সামনে আসার পর তেমনই ইঙ্গিত মিলছে। আর সেই রিপোর্ট দেখেই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন ধনকুবের এলন মাস্ক। তাঁর মতে, বিশ্ব অর্থনীতিতে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাতে শুরু করেছে।আইএমএফ তাদের সাম্প্রতিক রিপোর্টে ২০২৬ সালে গোটা বিশ্বের সম্ভাব্য আর্থিক প্রবৃদ্ধির হিসাব তুলে ধরেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, বিশ্বের মোট আর্থিক বৃদ্ধিতে আমেরিকাকে ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত। বিশ্ব জিডিপিতে ভারতের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে প্রায় ১৭ শতাংশ। সেই তুলনায় আমেরিকার অবদান মাত্র ৯.৯ শতাংশ। ফলে তালিকায় তৃতীয় স্থানে নেমে গিয়েছে ডলারের দেশ।এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে চিন। বিশ্ব জিডিপিতে চিনের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে ২৬.৬ শতাংশ। অর্থাৎ প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এশিয়ার দুই দেশ চিন এবং ভারত। একসঙ্গে এই দুই দেশের আর্থিক যোগদান দাঁড়াচ্ছে ৪৩.৬ শতাংশ। অর্থাৎ গোটা বিশ্বের প্রায় অর্ধেক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র এখন এশিয়ায়।আইএমএফের রিপোর্টে আরও দেখা গিয়েছে, এই তালিকায় রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভিয়েতনাম, ব্রাজিল, নাইজেরিয়া, জার্মানির মতো দেশগুলিও। তবে ইউরোপ এবং আমেরিকার তুলনায় এশিয়ার দেশগুলির প্রভাব যে দ্রুত বাড়ছে, তা স্পষ্ট।এই রিপোর্ট সোশাল মিডিয়ায় তুলে ধরেই এলন মাস্ক লেখেন, অবশেষে বিশ্বে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাচ্ছে। তাঁর এই মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব অর্থনীতির কেন্দ্র ছিল আমেরিকা ও ইউরোপ। কিন্তু এখন সেই জায়গা দখল করছে চিন ও ভারত।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এলন মাস্কের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন আমেরিকার কড়া শুল্কনীতি এবং কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের জেরে বিশ্ব অর্থনীতি অস্থির। চিন ও ভারতের উপর সবচেয়ে বেশি শুল্ক আরোপ করেছে আমেরিকা। অথচ আইএমএফের রিপোর্ট বলছে, আগামী দিনে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হতে চলেছে এই দুই দেশই।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

মেঝেতে কিশোরী, উপর ঝুঁকে প্রিন্স অ্যান্ড্রু! এপস্টেইন ফাইলসে ফাঁস চাঞ্চল্যকর ছবি

মেঝেতে শুয়ে রয়েছে এক কিশোরী। তাঁর উপর ঝুঁকে পড়ে আছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ প্রিন্স অ্যান্ড্রু। এপস্টেইন ফাইলসের সদ্য প্রকাশিত নথিতে এই ছবি সামনে আসতেই নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। বহুদিন ধরেই যৌন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে অ্যান্ড্রুর সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক চলছিল। এ বার সেই বিতর্ক আরও তীব্র হল নতুন ছবি ও তথ্য প্রকাশ্যে আসায়।এপস্টেইন ফাইলস ঘিরে সামনে এসেছে ব্রিটেনের রাজপরিবারের নামও। গত বছরই জানা যায়, যৌন অপরাধে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল প্রিন্স অ্যান্ড্রুর। সেই ঘটনার পর ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস নিজের ছোট ভাই অ্যান্ড্রুর সমস্ত রাজকীয় উপাধি, সম্মান এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা কেড়ে নেন। রাজপরিবার থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় তাঁকে।এই পরিস্থিতিতেই গত শুক্রবার এপস্টেইন সংক্রান্ত নথির নতুন একটি অংশ প্রকাশ্যে আসে। সেখানে একাধিক ছবিতে দেখা যাচ্ছে, এক অজ্ঞাত পরিচয়ের কিশোরী মাটিতে শুয়ে রয়েছেন। তাঁর পাশে এবং উপর ঝুঁকে আছেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু। একটি ছবিতে দেখা যায়, কিশোরীর পেটের উপর হাত রেখেছেন তিনি। তবে ওই কিশোরী কে, ছবিগুলি কোথায় এবং কবে তোলা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।শুধু ছবি নয়, এই নথিতে উঠে এসেছে আরও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, ২০১০ সালে জেফ্রি এপস্টেইন ও প্রিন্স অ্যান্ড্রুর মধ্যে ইমেলে যোগাযোগ হয়েছিল। সেই ইমেলে এপস্টেইন অ্যান্ড্রুকে লেখেন, তাঁর এক রুশ বান্ধবী রয়েছে, যিনি ২০ থেকে ২৪ তারিখের মধ্যে লন্ডনে থাকবেন। এপস্টেইনের দাবি ছিল, ওই মহিলার সঙ্গে নৈশভোজ অ্যান্ড্রু উপভোগ করবেন। তবে এই রহস্যময়ী রুশ মহিলার সঙ্গে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর আদৌ কখনও দেখা হয়েছিল কি না, তা এখনও জানা যায়নি।নতুন করে সামনে আসা এই নথি ও ছবিকে ঘিরে ফের প্রশ্নের মুখে পড়েছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ। এপস্টেইন কাণ্ডে তাঁর ভূমিকা নিয়ে তদন্ত এবং বিতর্ক যে এখনও শেষ হয়নি, তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
রাজ্য

তৃণমূলের মিছিলে ভাতারে বিধায়কের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগান, মুচকি হাসি বিরোধীদের

বিধানসভা ভোটের আগে প্রার্থী হওয়ার দাবিদারের লড়াই চরমে উঠেছে। ভাতারের তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিলে চোর চোর স্লোগান উঠলো। তবে এই চোর চোর স্লোগান বিজেপির বিরুদ্ধে ছিল না। ভাতারের তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের বিরুদ্ধেই এই চোর চোর স্লোগান উঠেছে মুহূর্মুহু। এই মিছিলে নেতৃত্ব দেন ভাতারের প্রবীণ তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক বনমালী হাজরা। ভাতারের এই মিছিলে স্লোগান ওঠে, মানু চোর, শান্তনু চোর। কেন তাঁদের চোর বলা হচ্ছে? মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, পঞ্চায়েত সমিতি থেকে গ্রামপঞ্চায়েত, সর্বত্র লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতি হচ্ছে। লুঠপাট চলছে। পকেট ভরছে নেতারা। তাদের দাবি, মানগোবিন্দ অধিকারীকে আর যেন বিধায়কপদের টিকিট না দেওয়া হয়। প্রার্থী করতে হবে বনমালী হাজরাকে।সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বিধায়ক পদের টিকিট পাওয়া নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে দড়ি টানাটানি চলছে। কে হবেন বিধানসভার প্রার্থী, এখন সেই প্রতিযোগিতা চলছে। বর্ধমান জেলার প্রায় প্রতিটি জায়গায় দলের তরফে দুই পক্ষের মিছিল হয়। বর্ধমানে কখনও বিধায়ক খোকন দাসের নেতৃত্বের মিছিল হয়, আবার কখনও কাউন্সিলর রাসবিহারী হালদারের নেতৃত্বে পৃথক মিছিল হয়। ভাতারেও সেই অবস্থা চলছে। সেখানে একাংশ চাইছে মানু অধিকারী নয়, বনমালী হাজরাকে তৃণমূল প্রার্থী করুক। তবে তৃণমূলের মিছিলেই নেতৃত্বের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগানে মুচকি হাসছে বিরোধী শিবির।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

রক্তে ভাসল পাকিস্তান! একযোগে জঙ্গি হামলায় মৃত ১২০ ছাড়াল

পরপর গুলির শব্দ, তার পর একের পর এক বিস্ফোরণ। শনিবার ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় কেঁপে উঠল পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।হামলা শুধু গুলি ও বোমাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। সন্ত্রাসীরা কারাগারেও হামলা চালায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের মাস্তুং জেলার একটি জেল ভেঙে প্রায় ৩০ জনেরও বেশি বন্দিকে পালাতে সাহায্য করেছে তারা। একই সঙ্গে নুস্কি জেলার আধাসামরিক বাহিনীর দফতরেও হামলা চালানো হয়। এই হামলায় একাধিক নিরাপত্তারক্ষী আহত হয়েছেন। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৪ জন নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ভয়াবহ হামলার ঘটনাগুলি ঘটেছে বালোচিস্তানে। গত কয়েক মাস ধরেই এই এলাকায় পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে। দফায় দফায় সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন। শনিবারও একযোগে একাধিক জায়গায় হামলা চালানো হয়। এখনও পর্যন্ত কোনও সংগঠন প্রকাশ্যে এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, কোয়েটা, গোদার, মাস্তুং, নুস্কি, দালবানদিন এবং পাঞ্জগুর-সহ বালোচিস্তানের একাধিক জেলায় একসঙ্গে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। হামলার পরই পাল্টা অভিযানে নামে পাকিস্তানের সেনা। সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ান-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা ৪৮ ঘণ্টা ধরে সন্ত্রাসদমন অভিযান চালিয়ে এখনও পর্যন্ত ১৩৩ জনের বেশি জঙ্গিকে খতম করেছে পাক সেনা। শুধু শনিবারেই নিহত হয়েছে অন্তত ৯২ জন সন্ত্রাসী।যদিও এই হামলার দায় বালোচ লিবারেশন আর্মি এখনও স্বীকার করেনি, তবে হামলার দিনেই একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ওই সংগঠন। সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পাকিস্তান সরকার ও সেনার বিরুদ্ধে সংঘর্ষে বন্দুক হাতে অংশ নিচ্ছেন মহিলারাও। এই ছবি নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

ভুল নাকি অপরাধ? গোমাংস কাণ্ডে অলি পাবের ক্ষমা চাওয়ায় প্রশ্ন

সায়ক চক্রবর্তীর গোমাংস বিতর্কে অবশেষে মুখ খুলল পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। পাঁঠার মাংসের বদলে গোমাংস পরিবেশনের অভিযোগে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার দায়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায় তীব্র বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে এই ঐতিহ্যবাহী পাব। রবিবার সোশাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতি জারি করে রেস্তরাঁর তরফে জানানো হয়েছে, এটি একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। এই ঘটনার জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।অলি পাবের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ৩০ জানুয়ারি রাতে রেস্তরাঁর এক কর্মী ভুলবশত একটি গুরুতর ভুল করে ফেলেন। কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। ওই কর্মীর ভুলের জন্য রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ ক্ষমা চেয়েছে এবং জানিয়েছে, অনিচ্ছাকৃতভাবে ক্রেতার ভাবাবেগে আঘাত লাগায় তারা গভীরভাবে দুঃখিত।এদিকে সায়ক চক্রবর্তীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার পুলিশ অলি পাবের বেয়ারা শেখ নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। এই গ্রেপ্তারি ঘিরে শহরজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। একাংশ ওই কর্মীর পাশে দাঁড়ান, আবার অনেকে সেলেব ইনফ্লুয়েন্সারের বিরুদ্ধে রেস্তরাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার অভিযোগ তোলেন। সোশাল মিডিয়ায় প্রশ্ন উঠতে থাকে, ভুল খাবার পরিবেশন করা কি অপরাধ, না কি কর্মীর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে বিষয়টিকে অন্য খাতে বইয়ে দেওয়া হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে অলি পাবের তরফে জানানো হয়, জাতি, ধর্ম বা বর্ণ নির্বিশেষে সকলের প্রতি সম্মানের ভিত্তিতেই রেস্তরাঁটি পরিচালিত হয়। আট দশকের ঐতিহ্য নিয়ে তারা গর্বিত বলেও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে রেস্তরাঁর সমস্ত কর্মী ও সহযোগীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার বার্তাও দেওয়া হয়।এর মাঝেই গুজব ছড়ায় যে এই ঘটনার জেরে অলি পাব বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেই খবরে বহু নিয়মিত অতিথির মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। তবে রবিবারের বিবৃতিতে রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, অলি পাব বন্ধ হচ্ছে না। বরং এই কঠিন সময়ে যাঁরা পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আগের মতোই পরিষেবা চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।এদিকে শুক্রবার রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে পরপর ফেসবুক লাইভে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছিলেন সায়ক চক্রবর্তী। যদিও বর্তমানে সেই পোস্টগুলি আর পাওয়া যাচ্ছে না। জানা গিয়েছে, সেদিন রাতে সায়ক তাঁর দুই বন্ধু অনন্যা গুহ ও সুকান্ত কুণ্ডুর সঙ্গে অলি পাব যান। তাঁরা মাটন স্টেক অর্ডার করেছিলেন। খাবার পরিবেশনের পর প্রথমে খিদের চোটে বিষয়টি বুঝতে পারেননি তাঁরা। পরে টেবিলে আরও একটি স্টেক আসতেই সন্দেহ হয়।সায়কের দাবি, তাঁরা একটি মাত্র স্টেক অর্ডার করেছিলেন। কিন্তু বেয়ারা জানান, দুটি স্টেক অর্ডার করা হয়েছেএকটি মাটন এবং একটি বিফ। তখনই সায়ক প্রতিবাদ করেন। তাঁর কথায়, অজান্তে গরুর মাংস খাওয়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। বচসার মধ্যেই বেয়ারা স্বীকার করেন যে তিনি ভুল করেছেন। বিষয়টি নিয়ে রেস্তরাঁর মধ্যেই উত্তেজনা ছড়ায়। পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন সায়ক। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার ওই বেয়ারাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

গোমাংস বিতর্কে ইউটার্ন! বেয়ারার বিরুদ্ধে এফআইআর প্রত্যাহার সায়কের

রবিবার সোশাল মিডিয়ায় বিবৃতি জারি করে অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছে পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। তাদের বক্তব্যে জানানো হয়েছে, কোনও ক্রেতার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্য তাদের ছিল না। এই ক্ষমা প্রার্থনার কিছুক্ষণের মধ্যেই রেস্তরাঁ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিলেন অভিনেতা ও ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তী।অলি পাবের বিবৃতি প্রকাশের পরই সায়ক সোশাল মিডিয়ায় জানান, তিনি জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেন। তাঁর কথায়, তিনি জনগণের উপর নির্ভরশীল এবং মানুষ যা বলবেন, সেটাই তিনি মেনে নেবেন। সেই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি চাপের মুখেই নিজের অবস্থান বদল করলেন অভিনেতা।গত ২৪ ঘণ্টায় গোমাংস বিতর্ক ঘিরে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয় সোশাল মিডিয়ায়। ঘটনার সূত্রপাত একটি ভ্লগকে কেন্দ্র করে। সেই ভ্লগে রেস্তরাঁর এক বেয়ারার ধর্মীয় পরিচয় উল্লেখ করে মন্তব্য করায় সমালোচনার মুখে পড়েন সায়ক। পরে অলি পাব এবং ওই কর্মীর বিরুদ্ধে পার্ক স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের করেন তিনি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার সকালে গ্রেপ্তার হন রেস্তরাঁর কর্মী শেখ নাসির উদ্দিন। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৯৯ ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়। আদালতে তোলা হলেও শনিবার তিনি জামিন পাননি বলে খবর।এদিকে শনিবার রাতেই সায়কের বিরুদ্ধেও পার্ক স্ট্রিট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নাট্যব্যক্তিত্ব জয়রাজ ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ ছিল, সায়কের বক্তব্য থেকে দাঙ্গায় উসকানি দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠার মধ্যেই রবিবার অলি পাব প্রকাশ্যে ক্ষমা চায়। তার পরই সায়ক নিজে থেকে অভিযোগ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন।সায়ক চক্রবর্তী তাঁর পোস্টে লেখেন, অলি পাব শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চেয়েছে, তাই নতুন করে কোনও গল্প বানানোর প্রয়োজন নেই। তিনি স্বীকার করেন, রাগের মাথায় থানায় গিয়েছিলেন এবং সেই সময় তাঁর মাথা ঠিক ছিল না। তিনি জানান, তিনি কোনওদিন গোমাংস খাননি এবং ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকবেন। অলি পাব ও সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে করা অভিযোগ তিনি প্রত্যাহার করছেন বলেও স্পষ্ট করে দেন।অভিনেতা আরও লেখেন, রেস্তরাঁর ভুল নিয়ে তাঁর সমস্যা ছিল, কিন্তু তাঁর প্রতিক্রিয়াও হয়তো ভুল ছিল। সে জন্য তিনি দুঃখিত। ভবিষ্যতে ভ্লগ বা ইনস্টাগ্রাম কনটেন্ট বানাতে গিয়ে এই ধরনের বিতর্কে জড়াতে চান না বলেও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন, তাঁর হিন্দু-মুসলিম কোনও সমস্যা নেই। তিনি কেবল নিজের কিছু ব্যক্তিগত আচার মেনে চলতে চান। তাঁর কনটেন্ট আগেও মানুষের মধ্যে ঐক্যের কথা বলেছে, ভবিষ্যতেও বলবে। পুরো ঘটনায় অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আবারও দুঃখপ্রকাশ করেন সায়ক।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

বাজেট ২০২৬–এ পশ্চিমবঙ্গের প্রাপ্তি: মেট্রোতে জোরালো বিনিয়োগ, গতি পাচ্ছে ফ্রেট করিডর

কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ পশ্চিমবঙ্গের পরিকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিল কেন্দ্র সরকার। বিশেষ করে কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলের মেট্রো রেল প্রকল্পে অতিরিক্ত বিনিয়োগ এবং রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্য সম্ভাবনাকে চাঙ্গা করতে ফ্রেট করিডর সম্প্রসারণে বরাদ্দএই দুই ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি হয়েছে রাজ্যের।মেট্রো রেলে গতি, শহুরে যাত্রায় স্বস্তির আশ্বাসবাজেটে কলকাতা মেট্রোর একাধিক চলমান ও প্রস্তাবিত প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নিউ গড়িয়াএয়ারপোর্ট মেট্রো, জোকাএসপ্ল্যানেড লাইন এবং ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো করিডরের কাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।কেন্দ্রের দাবি, এই বিনিয়োগের ফলে শহরের যানজট কমবে, যাত্রার সময় বাঁচবে এবং পরিবেশবান্ধব গণপরিবহণ আরও জনপ্রিয় হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মেট্রো নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হলে কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর ২৪ পরগনার যাত্রীদেরও সরাসরি উপকার হবে।কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ কলকাতা মেট্রো সম্প্রসারণে ফের বড়সড় বিনিয়োগের ঘোষণা করল কেন্দ্র সরকার। শহর ও শহরতলির গণপরিবহণকে আরও গতিশীল করতে অরেঞ্জ লাইন, পার্পল লাইন ও গ্রিন লাইনের জন্য মোট ২,১৪১.১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই বরাদ্দকে পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহৎ শহুরে পরিবহণ বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।অরেঞ্জ লাইন: বিমানবন্দরের সঙ্গে সরাসরি সংযোগে জোরনিউ গড়িয়ানেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংযোগকারী অরেঞ্জ লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৭০৫.৫০ কোটি টাকা। এই অর্থ মূলত ভায়াডাক্ট নির্মাণ, স্টেশন অবকাঠামো, সিগন্যালিং ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার কাজে ব্যবহার করা হবে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে দক্ষিণ কলকাতা ও সল্টলেক-নিউ টাউনের সঙ্গে বিমানবন্দরের যাত্রা অনেকটাই সহজ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।পার্পল লাইন: জোকাএসপ্ল্যানেডে শহর-উপশহর সেতুবন্ধনজোকাএসপ্ল্যানেড পার্পল লাইনের জন্য সর্বাধিক বরাদ্দ৯০৬.৬০ কোটি টাকা। এই লাইনের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিম কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্রথমবারের মতো মেট্রো নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হবে। বাজেট বরাদ্দের বড় অংশ যাবে এলিভেটেড স্টেশন নির্মাণ, রোলিং স্টক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে। কেন্দ্রের দাবি, এই লাইনের কাজ দ্রুত শেষ হলে শহরের দক্ষিণ প্রান্তের যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতে বড় স্বস্তি মিলবে।গ্রিন লাইন: পূর্ব-পশ্চিম মেট্রোতে গতি ফেরানোর চেষ্টাপূর্ব-পশ্চিম মেট্রো করিডর বা গ্রিন লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৫২৯.০০ কোটি টাকা। হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর-৫ পর্যন্ত এই লাইন কলকাতার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইস্ট-ওয়েস্ট করিডর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বরাদ্দের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ অংশের প্রযুক্তিগত কাজ, স্টেশন ফিনিশিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।শহুরে পরিবহণে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবপরিবহণ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তিনটি লাইনে বিনিয়োগ শুধু যাত্রী সুবিধা বাড়াবে না, বরং যানজট ও দূষণ কমাতেও বড় ভূমিকা নেবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শহরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনবে এই মেট্রো প্রকল্পগুলি।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬২৭-এ অরেঞ্জ, পার্পল ও গ্রিন লাইনের জন্য ঘোষিত বরাদ্দ কলকাতা মেট্রোকে নতুন মাত্রা দিতে চলেছে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।ফ্রেট করিডর: শিল্প ও বাণিজ্যের নতুন দিগন্তবাজেট ২০২৬-এ পূর্ব ভারতের শিল্প সম্ভাবনাকে সামনে রেখে ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর (EDFC)-এর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সংযোগ আরও শক্ত করার ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যের শিল্পাঞ্চল, বন্দর ও লজিস্টিক হাবগুলিকে এই করিডরের সঙ্গে যুক্ত করতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।বিশেষ করে হলদিয়া বন্দর, দুর্গাপুরআসানসোল শিল্পাঞ্চল এবং কলকাতা বন্দরের সঙ্গে দ্রুত মাল পরিবহণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পরিবহণ খরচ কমবে, শিল্পে বিনিয়োগ বাড়বে এবং রাজ্যে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক তাৎপর্যবিশ্লেষকদের মতে, এই বাজেট বরাদ্দ শুধু পরিকাঠামো উন্নয়ন নয়, বরং পূর্ব ভারতের প্রবৃদ্ধিতে পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় আনার ইঙ্গিতও দিচ্ছে। যদিও রাজ্য সরকার আরও বেশি বরাদ্দের দাবি তুলতে পারে, তবু মেট্রো ও ফ্রেট করিডরএই দুই ক্ষেত্রে ঘোষণাকে রাজ্যের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬এ পশ্চিমবঙ্গের জন্য মেট্রো রেল ও ফ্রেট করিডর সংক্রান্ত বিনিয়োগ রাজ্যের শহুরে জীবনযাত্রা ও শিল্প-বাণিজ্যে নতুন গতি আনতে পারে বলেই আশা।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির ফাঁকে কেন্দ্রের বাজেট: স্বস্তি সীমিত, হতাশা বিস্তৃত

রবিবার সংসদে ২০২৬২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। টানা নবমবার বাজেট বক্তৃতা করলেন তিনি। নরেন্দ্র মোদী তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটি তাঁর সরকারের তৃতীয় পূর্ণাঙ্গ বাজেট। তবে বাজেট বক্তৃতা শেষ হতেই স্পষ্টপ্রত্যাশার পাহাড়ের তুলনায় প্রাপ্তি অনেকটাই খর্ব।বাজেট পেশের আগেই ব্যয় বরাদ্দ ও করছাড় ঘিরে সাধারণ মানুষ থেকে শিল্পমহলসর্বত্র উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ সংসদে ভাষণ শুরু করেন অর্থমন্ত্রী। তার আগে প্রথামাফিক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। কিন্তু বাজেট ঘোষণার পর ক্রমশ স্পষ্ট হয়, বড় কোনও চমক নেই।বিশেষ করে রাজ্যভিত্তিক বরাদ্দের ক্ষেত্রে বাংলা কার্যত ব্রাত্য। পরিকাঠামো, শিল্প বা বিশেষ প্রকল্পকোনও ক্ষেত্রেই রাজ্যের জন্য উল্লেখযোগ্য ঘোষণা শোনা যায়নি। করদাতাদের ক্ষেত্রেও হতাশা চোখে পড়ার মতো। আয়কর কাঠামোয় তেমন কোনও বড় পরিবর্তন বা অতিরিক্ত ছাড় ঘোষণা হয়নি।তবে সম্পূর্ণ হতাশার ছবি নয়। কিছু পণ্যে শুল্ক কমানোর ফলে দৈনন্দিন জীবনে সীমিত হলেও স্বস্তি মিলতে পারে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, বিমানের যন্ত্রাংশে শুল্ক কমানো হবে। এর ফলে বিমান সংক্রান্ত খরচ কমার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে মাইক্রোওভেনের যন্ত্রাংশ-সহ বেশ কিছু বৈদ্যুতিন পণ্যের উপর শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে, যা বাজারদরে প্রভাব ফেলতে পারে।স্বাস্থ্যক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ঘোষণা হিসেবে ১৭টি ক্যানসারের ওষুধে আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। পাশাপাশি ডায়াবেটিসের কিছু ওষুধও সস্তা হতে চলেছে। এতে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা খরচ কিছুটা কমবে বলেই আশা।পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও শুল্কছাড়ের ঘোষণা করা হয়েছে। বৈদ্যুতিন গাড়ির ব্যাটারি এবং সৌরশক্তিচালিত প্যানেলের দাম কমতে পারে। মোবাইল ফোন তৈরির কাঁচামালের উপর শুল্ক কমানোয় দেশীয় স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট সস্তা হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।চামড়াশিল্পকে উৎসাহ দিতে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত আমদানির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকার উচ্চ শুল্কের চাপে থাকা চামড়া রফতানিকারকদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তির খবর। পাশাপাশি বিদেশে পড়াশোনা ও ভ্রমণের খরচ কমার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, স্বস্তির পাশাপাশি চাপও বাড়ছে কিছু ক্ষেত্রে। বিলাসবহুল ঘড়ি এবং বিদেশি মদের উপর কর বাড়ানো হয়েছে। ফলে এই সব পণ্যের দাম আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে। কফি রোস্টিং ও ব্রিউইং মেশিনে ছাড় তুলে নেওয়ায় সেগুলিও আরও ব্যয়বহুল হতে পারে। পাশাপাশি কিছু সার, আমদানিকৃত টেলিভিশন সরঞ্জাম, ক্যামেরা এবং চিত্রগ্রহণ সংক্রান্ত যন্ত্রাংশের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।বাজেট বক্তৃতাজুড়ে আত্মনির্ভর ভারত ও বিকশিত ভারত-এর কথা বারবার উঠে এসেছে। অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার এবং ভোক্তাদের স্বস্তি দেওয়ার দাবি করেছে কেন্দ্র। কিন্তু অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বাস্তবে এই বাজেটে এমন কোনও যুগান্তকারী ঘোষণা নেই, যা সাধারণ মানুষের জীবনে বড় পরিবর্তন আনবে।সব মিলিয়ে, ২০২৬২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট সীমিত স্বস্তি দিলেও বৃহত্তর প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থএই মূল্যায়নই এখন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal