• ৭ চৈত্র ১৪৩২, শনিবার ২১ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

TMC. Leader

রাজ্য

নেতাজি জন্মবার্ষিকীতে বিশেষ কমিটি গঠন মুখ্যমন্ত্রীর

বিজেপি শাসিত রাজ্যে দুর্নীতি হচ্ছে , বলে আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, নাটক করছেন বিজয়বর্গীয় । ছবি তুলবে বলে গ্রেপ্তারির নামে নাটক করেছেন। মাঝেরহাট ব্রিজের কাজ অনেক আগেই শেষ হয়ে যেত। রেলের অসহযোগিতায় কাজ শেষ করতে দেরি হচ্ছে। রেলের অনুমতি না পাওয়ায় কাজ শেষ করতে ৯ মাস দেরি হয়েছে। না হলে ৯ মাস আগেই শেষ হয়ে যেত। তিনি দাবি করেন, নেতাজি সম্পর্কিত অনেক তথ্য এখনও প্রকাশ্যে আনা হয়নি। কেন্দ্রীয় সরকার এখনও পর্যন্ত সব তথ্য সামনে আনেনি। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ কমিটি গঠন করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আমি ক্ষমতায় আসার পরে কলকাতা বিমানবন্দরের নামকরণ নেতাজির নামে করানোর উদ্যোগ নিয়েছি। এর আগেই অবশ্য নতুন কমিটি ঘোষণা করেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। কমিটিতে রয়েছেন নোবেলজয়ী অর্মত্য সেন ও অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়,ব্রাত্য বসু, সুগত বসু শীর্ষেন্দু মুখ্যোপাধ্যায়। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যায়েরর উপাচার্যরাও স্থান পেয়েছেন এই কমিটিতে। কমিটির চেয়ারপার্সন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এখন তো দেখছি ইতিহাস পরিবর্তন করারও একটা প্রবণতা তৈরি হয়েছে। যারা স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন তাদের বাদ দিয়ে, যারা স্বাধীনতা আন্দোলনে বিরোধিতা করেছিলেন তাদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। রাজনৈতিক ভাবে রং করা হচ্ছে। এরপরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ২০২১-এর ২৩ জানুয়ারি থেকে ২০২২-এর ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত কর্মসূচি চলবে। নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর কর্মপন্থা, ভাবাদর্শ, আন্দোলন, দেশপ্রেম চারিদিকে ছড়িয়ে দেওয়ার কর্মসূচি থাকবে। নেতাজির স্লোগান জয় হিন্দ গোটা দেশকে সংযুক্ত করে। বলেন, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু শুধুমাত্র জন্মদিনটি জানি, মৃত্যুদিন এখনও জানি না। আজও তাঁর স্বজন, পরিবার ও সমর্থকরা জানতে পারলেন না, শেষ বিদায়টা আদৌ হয়েছিল কিনা। কেন্দ্রীয় সরকার বলেছিল তাঁরা এবিষয়ে জানাবে। কিন্তু তারাও জানাতে পারেনি।নেতাজি সম্পর্কিত আজও অনেক সত্য আমরা এখনও জানতে পারিনি। আরও পড়ুন ঃ ধর্মঘট চাইছেন না বাংলার মানুষঃ দিলীপ কৃষকদের পাশে দাঁঁড়িয়ে তিনি আরও বলেন, নয়া কৃষি আইন কৃষকদের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। এই আইন কালোবাজারি-লুঠেরাদের সাহায্য করছে। ডাকলে আমিও দিল্লি যাব। আপনাদের পাশে দাঁড়াব। আন্দোলন করব। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্র সরকার কৃষকদের সমস্ত গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিচ্ছে। এই আইন কৃষকদের মঙ্গলের জন্য আনা হয়নি। বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর আরও অভিযোগ, দেশের জনতাকে মেরে ফেলতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। তাই চাষিদের ফসল বিক্রির অধিকার কেড়ে নিয়েছে। বিজেপিকে তীব্র কটাক্ষ করে তৃণমূল নেত্রীর অভিযোগ, বিজেপি শুধু এক নেতা, এক দল, একার রাজনীতি চায়। আর কিছু না। এই দেশটা আমাদের সবার। স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় ওঁরা কোথায় ছিল? দেশের সঙ্গে বেইমানি করেছে ওঁরা। আমি সম্পূর্ণভাবে কৃষকদের সঙ্গে আছি। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, রাজ্যের উন্নয়নের কথা বলতে গেলে রামায়ণ, মহাভারত, বাইবেল পড়া শেষ হয়ে যাবে। এছাড়াও বাঁকুড়ায় জোর করে স্থানীয়দের উচ্ছেদের খবর তার কাছে এসেছে বলেও জানান তিনি। রেল ওই এলাকায় বসবাসকারীদের জন্য পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করেই উচ্ছেদ শুরু হওয়ায় ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

নভেম্বর ২৬, ২০২০
কলকাতা

ডিসেম্বর থেকে স্বাস্থ্যসাথীর আওতায় রাজ্যের সমস্ত পরিবারঃ মমতা

স্বাস্থ্যসাথী কার্ড প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, রাজ্যের সাড়ে সাত কোটি পরিবারকে স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের আওতায় আনার লক্ষ্য ছিল রাজ্যের। কিন্তু এখন বাকি আড়াই কোটি মানুষকে এই প্রকল্পের আওতায় আনা হচ্ছে। এদিন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান জানান, কোনওরকম স্বাস্থ্য বিমার সুবিধা পান না এমন প্রত্যেকটি পরিবারই এই প্রকল্পের আওতায় অন্তর্ভূক্ত হচ্ছে। কার্ডটি গৃহকর্ত্রীর নামে ইস্যু হবে, সেক্ষেত্রে ওই মহিলা তাঁর বাপের বাড়ির সদস্যদেরও এই প্রকল্পের আওতায় চিকিৎসা করাতে পারবেন। মুখ্যমন্ত্রী জানান, ১ ডিসেম্বর থেকে অভিযান শুরু হবে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, দুয়ারে দুয়ারে সরকার ক্যাম্প করবে। সেখানে গিয়েই আবেদন করতে হবে। যথাসময়ে স্মার্ট কার্ড পেয়ে যাবেন। তিনি জানান, রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলিতে এমনিতেই বিনামূল্যে চিকিৎসা হয়। এই স্মার্টকার্ডের ফলে এবার থেকে বেসরকারি হাসপাতালগুলিতেও চিকিৎসা মিলবে। শুধু তাই নয়, ভেলোর ও এইমসে চিকিৎসার সুবিধা মিলবে। এরজন্য রাজ্য অতিরিক্ত ২ হাজার কোটি টাকা খরচ করবে বলেও দাবি করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ বিজেপির মিছিলকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র তারাতলা স্বাস্থ্যসাথীর কার্ড প্রকাশ্যে এনে তার সঙ্গে কেন্দ্রের আয়ুষ্মান ভারত যোজনার তুলনাও করেন মমতা। তাঁর বক্তব্য, আয়ুষ্মান প্রকল্পে কেন্দ্রে চিকিৎসার ৬০ শতাংশ খরচ দেয়, ৪০ শতাংশ আমাদেরই দিতে হয়। আর আমাদের প্রকল্পে ১০০ শতাংশ খরচই দিই আমরা। এতে অনেক বেশি মানুষ উপকৃত হন। এ প্রসঙ্গেই তিনি কেন্দ্রের থেকে প্রাপ্য অর্থ নিয়ে ফের সরব হন। ফের অভিযোগ তোলেন যে রাজ্যগুলোর প্রাপ্য অর্থ দিচ্ছে না কেন্দ্র। সেই অর্থ হাতে না পেয়েও এত রকমের প্রকল্প করা হচ্ছে প্রতিকূলতা কাটিয়ে, তা দৃষ্টান্ত বলেও দাবি করেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান।

নভেম্বর ২৬, ২০২০
রাজনীতি

সিপিএম ও বিজেপি লোভী ও ভোগী, তৃণমূল ত্যাগীঃ মমতা

বাঁকুড়ার সভা থেকে একযোগে সিপিএম ও বিজেপিকে আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার বাঁকুড়ার শুনুকপাহাড়ী ময়দানে ছিল দলের কর্মীসভা। সেখানে তিনি বলেন, সিপিএম হল লোভী, বিজেপি হল ভোগী ও তৃণমূল হল ত্যাগী। লোকসভা ভোটের সময় জগাই-মাধাই-গদাই এক হয়েছিল। সিপিএম-এর হার্মাদরাই আজ রং পরিবর্তন করে বিজেপি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আপনারা কি সিপিএম-এর সেদিনের অত্যাচার ভুলে গেছেন। সেদিনের লড়াইয়ের কথা ভুলে গেছেন। আমি কিন্তু ভুলিনি। বাঁকুড়ার ছেলেমেয়েরা আগে ভয়ে বাড়ি থেকে বের হতে পারত না। কিন্তু আজ সেই বাঁকুড়া শান্তিতে আছে। বিজেপিকে আক্রমণ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অন্য সময় পাত্তা নেই। আর আজ যখন বাংলার মানুষ শান্তিতে বাস করছে তখন মানুষের শান্তি কেড়ে নেওয়ার জন্য দিল্লি কা লাড্ডু কয়েকজনকে বাংলায় পাঠিয়েছে। তাঁরা কেউ বাংলার লোক নয়। বাইরের লোক। আপনাদের সব লুটে নেবে। কিন্তু যখন নির্বাচন আসবে তখন দেখবেন আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দিচ্ছে। এলাকায় লুকিয়ে লুকিয়ে টাকা দিচ্ছে। পুলিশের বিভিন্ন এজেন্সিতে যারা কাজ করে তাদের মাধ্যমেও টাকা দেওয়া হচ্ছে বলে শুনেছি। আরও পড়ুন ঃ অনুব্রতর গড়ে চ্যালেঞ্জ দিলীপের বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, ১০০ দিনের কর্মীরা সঠিক সময় টাকা পাচ্ছেন না। কারণ সেই টাকা সুদে খাটাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। তাঁর কথায়, কেন্দ্র বাংলা থেকে করের টাকা নিয়ে যায়। সেই টাকাই আবার রাজ্যকে দেয়। আলাদা করে কিছুই দেয় না। জনসভা থেকে নাম না করে দিলীপ ঘোষকেও কটাক্ষ করতে পিছপা হননি মমতা। তাঁর খোঁচা, কেউ কেউ বলছেন গোমূত্র খেলে করোনা হবে না। তিনি তো খেয়েছিলেন. তাহলে তাঁর কীভাবে করোনা হল? বিজেপির রাজ্য সভাপতির গোমূত্র থেকে সোনা তৈরির মন্তব্য নিয়েও কটাক্ষ করলেন তিনি। বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের বাঁকুড়া সফর নিয়ে মমতার খোঁচা, বাঁকুড়ায় এসে পাঁচতারা হোটেলের খাবার খেয়েছেন তিনি। এভাবে কি মানুষের কাছে আসা যায়? এছাড়াও নাম না করে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কেও বিঁধলেন তিনি। তাঁর কথায়, কিছু মানুষের কোনও কাজ নেই সকাল থেকে শুধু টুইট করে যান। উল্লেখ্য,বাংলা কৃষকদের কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা না দেওয়ার নিয়ে রাজ্য সরকারকে বিঁধেছিলেন রাজ্যপাল। পালটা মমতার দাবি, আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি, কৃষকদের প্রকল্পের টাকা চেয়ে কেন্দ্রকে চিঠি দিয়েছিলাম। বলেছিলাম, রাজ্যকে টাকা পাঠিয়ে দিন, আমরা কৃষকদের দিয়ে দেব। কিন্তু তাঁরা টাকা পাঠায়নি।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
রাজ্য

গোটা রাজ্যে আমিই পর্যবেক্ষকঃ মমতা

শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল কংগ্রেসে থাকবেন কিনা, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক জল্পনা চলছে। এছাড়াও বেশ কয়েকজন বিধায়ক ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মন্তব্য করে দলকে অস্বস্তিতে ফেলেছেন। এবার দলের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার বাঁকুড়ার শুনুকপাহাড়ী ময়দানে দলীয় কর্মীসভার মঞ্চ থেকে তিনি বলেন, গোটা রাজ্যে আমিই দলের পর্যবেক্ষক। দলের কর্মী হিসেবে আমি নজর রাখছি। সব নজরে আছে, দলে থেকেও কে কোথায় কার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এ টু জেড খবর রাখি। দলের কর্মীদের থেকেই জানতে পারি। তিনি এদিন এই প্রসঙ্গে বলেন, একটা কথা বলতে চাই, অনেকে ভাবেন বাঁকুড়া জেলার পর্যবেক্ষক কে, পুরুলিয়ার কে, আসানসোল কে দেখবে? মেদিনীপুর কে দেখবে? আগে দলকে মেসেজ দিই, গোটা রাজ্যে আমিই পর্যবেক্ষক। প্রত্যেকটা ব্লকে ব্লকে কে কী করছে, কার সাথে যোগাযোগ করছে, এর সব আমি জানি। দল আমায় সাহায্য করছে। আরও পড়ুন ঃ কেন্দ্রের পাঠানো টাকা কৃষকরা না পাওয়ায় সরব ধনকড় এরপরেই তাঁর তাৎপর্যপূর্ণ সংযোজন, একটু ঢিলে দিয়ে দিয়েছিলাম। আর দেব না। দু-একজন তৃণমূল করে আবার অন্য দলেও যোগাযোগ রাখছে। ভাববেন না আমি জানি না। সব জানি। মাঝেমাঝে একটু ছাড় দিতে হয়, ছাগলের তিন নম্বর সন্তানদের ছেড়ে রাখতে হয়, যাতে খবর পেতে সুবিধা হয়। নজর রাখুন। রাতের অন্ধকারে গাড়ি করে কে কার বাড়ি যাচ্ছে। কার সঙ্গে ফোনে কথা বলছে। ফোন তো ট্যাপ করতে পারি না। ধান্দাবাজদের একটা গোষ্ঠী আছে। দলের যুবদের দায়িত্ব নিতে হবে। নজর রাখতে হবে। তারাই ভবিষ্যত। নতুন ছেলে তৈরি করে নেব। টাকার কাছে আমরা মাথা নত করি না। তৃণমূল করলে ত্যাগী হতে হয়। বিজেপি কাঁচকলা আসবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেছেন, কেউ কেউ ভাবছে বাইচান্স যদি ওরা ক্ষমতায় চলে আসে। আরে চান্সই নেই তো বাই চান্স! বাঁকুড়ার একটি একটি করে আসন বুঝে নেব।এদিন বাম ও বিজেপিকে তোপ দেগে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ওরা বলছে হয় ঘরে থাকো-নয় জেলে থাকো। আমি বলছি পারলে আমাকে জেলে ভরো। চ্যালেঞ্জ করছি জেল থেকে আমি তৃণমূলকে জিতিয়ে দিব। একটিতেও বিজেপি, সিপিএম থাকবে না।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
রাজ্য

 পঞ্চানন বর্মার জন্মদিনে রাজ্য সরকারি ছুটি, ঘোষণা মমতার

পঞ্চানন বর্মার জন্মদিনে মিলবে রাজ্য সরকারি ছুটি। মঙ্গলবার বাঁকুড়ার প্রশাসনিক সভা থেকে ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার বাঁকুড়ার রবীন্দ্রভবনে প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেন তিনি। সেখান থেকেই পঞ্চানন বর্মার জন্মদিনে রাজ্য সরকারি ছুটির কথা ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ইতিমধ্যেই নেতাজি, বীরসা মুন্ডা, পঞ্চানন বর্মা-সহ একাধিক ব্যক্তিত্বের নামে বিশ্ববিদ্যালয় করেছি। পঞ্চানন বর্মার জন্মদিনে ছুটি ঘোষণা করার পরিকল্পনা অনেকদিন ধরেই ছিল। এটা হয়ে গেলে খানিকটা নিশ্চিন্ত। আরও পড়ুন ঃ ধূলাগড়ে গরুবোঝাই লরি উল্টে দুর্ঘটনা, মৃত ১, জখম বহু প্রসঙ্গত, সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে আদিবাসী দলিতদের মন জয়ে বাঁকুড়ায় গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পরপর দু-দিন দু-দুটো সরকারি ছুটি ঘোষণা বলে মনে করল বলে মত রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের৷

নভেম্বর ২৪, ২০২০
রাজ্য

কেন্দ্রের নতুন আইনে বেড়ে গিয়েছে কালোবাজারিঃ মমতা

কেন্দ্রের নতুন আইনে কালোবাজারি বেড়ে গিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই আলুপেঁয়াজের কালোবাজারিও বেড়ে যাবে। মঙ্গলবার বাঁকুড়ার প্রশাসনিক বৈঠকে এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন, রাজ্যের আলু যদি ফুরিয়ে যায় তখন কী করা যাবে জানি না। এদিন বন দফতরের কাজ নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করে তিনি বলেন, জেলায় ৮৭ শতাংশেরও বেশি কাজ বাকি রয়েছে বন দফতরের। তা দ্রুত সম্পন্ন করার পাশাপাশি হাতির হানায় মৃত্যু নিয়েও সচেতন থাকতে নির্দেশ দেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। পাশাপাশি পথশ্রী অভিযান নিয়েও জেলা প্রশাসনকে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করতে নির্দেশ দিলেন মমতা। ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিটি রাস্তা সারাইয়ের কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে সারা রাজ্যে নতুন আড়াই লক্ষ রাস্তা তৈরি হয়েছে। একইসঙ্গে এসসি, এসটিসহ অন্যান্য জাতি শংসাপত্রের আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করতে সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছেন মমতা। তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দেন, আবেদনকারীর পরিবারের কোনও একজনের যদি শংসাপত্র থাকে তবে তাঁকে দ্রুত জাতিগত শংসাপত্র দিতে হবে। ফেলে রাখা যাবে না। মুরগির ডিম উৎপাদনে বাঁকুড়া রাজ্যে শীর্ষে রয়েছে বলে এক আধিকারিক জানান বৈঠকে। তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী পোল্ট্রির পাশাপাশি হাঁসের ডিম উৎপাদনেও জোর দিতে বলেছেন। পাশাপাশি জনসংযোগ নিয়ে জেলা প্রশাসনকে আরও গুরুত্ব দিতে বলেন মুখ্যমন্ত্রী। বাড়ি বাড়ি গিয়ে লোকজনের অভাবঅভিযোগ শুনতে বলেছেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ করোনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে জিএসটি বাবদ বকেয়া দাবি মমতার এছাড়াও এদিন তিনি বাগদি, বাউরি ও মতুয়া কালচারাল বোর্ডের হেড কোয়ার্টার কোথায় হবে, দায়িত্বে কারা থাকবেন, তাও জানান। বাউরি কালচারাল বোর্ডের সদর দফতর বাঁকুড়ায় করা হচ্ছে। বাগদি বোর্ডের হেডকোয়ার্টার হচ্ছে বর্ধমানে। মতুয়াদের ঠাকুরনগরে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, বাউরি ও বাগদিরা পাবেন ৫ কোটি টাকা। মতুয়ারা পাবে দশ কোটি। এদিন অভাব-অভিযোগ শোনার মাঝেই মেজাজ হারিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আর কিছু চাইবেন না। সবসময় দাও আর দাও। টাকা কোথা থেকে আসবে? বাঁকুড়ার জন্য অনেক করেছি। সামনে ভোট আসছে। আগে ভাল করে ভোট করাও। তারপর বাকি সব হবে। নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, সমস্যার সমাধান করতে না পারলেও সাধারণ মানুষের কথা শুনুন।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
রাজ্য

করোনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে জিএসটি বাবদ বকেয়া দাবি মমতার

অতিমারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে টিকাকরণ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার জন্য পশ্চিমবঙ্গও প্রস্তুত আছে। টিকাকরণের জন্য রাজ্যে প্রশিক্ষিত দক্ষ ব্যক্তি ও পরিকাঠামো প্রস্তুত। যত দ্রুত ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে, কেন্দ্র ও অন্যান্য সহযোগী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় রেখে তত তাড়াতাড়িই কাজ শুরু করে দেবে বাংলা। যাতে সবাই দ্রুত ভ্যাকসিন পায়, তা নিশ্চিত করা হবে। মঙ্গলবার করোনা পরিস্থিতি নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠকে মোদীকে একথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, সারা দেশে করোনার টিকার দিকে তাকিয়ে আছে। একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, দুর্গাপুজো, কালীপুজো, ছট প্রভৃতি উৎসব ও লোকাল ট্রেন পরিষেবা চালু হওয়া সত্ত্বেও রাজ্যে করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আছে। রাজ্যে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার কমেছে। সুস্থতার হার বেড়েছে। বাংলা একটি সংবেদনশীল রাজ্য, বাংলাদেশ-ভুটানের সীমান্ত এই রাজ্যে রয়েছে। দেশগুলি থেকে রোগীরাও বাংলায় চিকিৎসার জন্য আসে। ফলে বাংলাদেশে করোনা রোগীর পরিমাণ বাড়লে তা এ রাজ্যেও প্রভাব ফেলে। অন্যদিকে বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশার রোগীরাও এ রাজ্যে চিকিৎসার জন্য আসে। তা সত্ত্বেও অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় বাংলায় মৃত্যুর হার কম। অন্যান্য বছরে রাজ্যে এর চেয়ে বেশি মানুষ ডেঙ্গু, কিডনির রোগ বা হৃদরোগে মারা যেতেন। সে তুলনাতেও রাজ্যে এখনও পর্যন্ত মৃত্যুর হার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আরও পড়ুন ঃ রবীন্দ্রনাথ ঘোষের সঙ্গে বৈঠকের পরও একই অবস্থানে মিহির গোস্বামী এর আগেও বার বার কেন্দ্রের বিরুদ্ধে জিএসটি বকেয়া নিয়ে অভিযোগ করেছেন মমতা। তবে এবার সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর সামনে ভার্চুয়াল বৈঠকে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জিএসটি বাবদ রাজ্য কেন্দ্রের কাছ ৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা পায়। সেই টাকা কেন্দ্র দিচ্ছে না। এদিকে বিভিন্ন খাতে রাজ্যের খরচ বেড়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য ৪০০০ কোটি টাকা খরচ করে ফেলেছে। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যকে দিয়েছে মাত্র ১৯৩ কোটি টাকা।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
রাজ্য

দু'জন খারাপ লোকের জন্য পুরো রাজ্যকে বদনাম করা ঠিক নয়ঃ মমতা

দুজন খারাপ লোকের জন্য পুরো রাজ্যকে বদনাম করা ঠিক নয় বলে মন্তব্য করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার তিনি বাঁকুড়ার খাতড়ার জনসভা থেকে এই প্রসঙ্গে বলেন, সব জায়গায় সবাই একরকম হয় না। কেউ দুষ্টু হয়, কেউ মিষ্টি হয়। বাংলায় ৯৯ শতাংশ লোক ভাল। যারা খারাপ কাজ করছে, তারা সিপিএম, বিজেপি থেকে এসেছে। আমি অন্যায় সহ্য করি না। অভিযোগ আসলেই ব্যবস্থা নিতে বলি। কেউ দু টাকা নিলে বলা হচ্ছে, অথচ দু লক্ষ কোটি নিয়ে কেউ পালিয়ে গেলেও তার কোনও বিচার হয় না। চালুনি করবে ছুঁচের বিচার। এই মন্তব্য করেন তিনি। প্রসঙ্গত , সামনেই বিধানসভা ভোট। তার আগে দুর্নীতি ইস্যুতে কিছুটা ব্যাকফুটে রয়েছে তৃণমূল। বিশেষত, আমফান ও রেশন দুর্নীতিতে দলের একাংশ জড়িয়ে যাওয়ায় নির্বাচনের আগে বেশ চাপে রয়েছে তৃণমূল শিবির। তাই এদিনের জনসভা থেকে এই বিষয়ে সাফাই দিলেন মুখ্যমন্ত্রী, এমনই মত রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের। আরও পড়ুন ঃ বিরসা মুন্ডার জন্মদিনে ছুটি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর তিনি আরও বলেন, উৎসব, দুর্গাপুজো, ছটপুজো সব কিছু নিয়ে মামলা করাই বিজেপির কাজ। দুর্গাপুজো, কালীপুজো, জগদ্ধাত্রী পুজো আমরা করি না? সব করি। তা সত্ত্বেও নির্বাচনের আগে অনেকে এসে দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করবে। এছাড়াও এদিন তিনি কর্মই ধর্ম নামক একটি প্রকল্পের সূচনা করেন। এই প্রকল্পে ২ লক্ষ বেকারকে বাইকের পিছনে ঠাণ্ডা বাক্স করে দেওয়ার ব্যাবস্থা হবে। যাতে করে তাঁরা মাছ, সবজি, প্রয়োজনে এমনি বাক্সয় শাড়ি সহ অন্যান্যা পণ্য বিক্রি করতে পারবেন। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, ২ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান মানে ১০ লক্ষের সুবিধা করে দেওয়া।

নভেম্বর ২৩, ২০২০
রাজনীতি

দুয়ারে দুয়ারে সরকার কর্মসূচির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

সামনেই বিধানসভা ভোট। তার আগে বাঁকুড়ার খাতড়ায় প্রশাসনিক জনসভা থেকে নতুন কর্মসূচির ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার তিনি দুয়ারে দুয়ারে সরকার কর্মসূচির ঘোষণা করলেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, নয়া এই প্রকল্পের আওতায় আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়ে যাবে কাজ। চলবে আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত। এই প্রকল্পের আওতায় প্রতিদিন বেলা ১২ টা থেকে বেলা ৩টে পর্যন্ত রাজ্যের ব্লকে ব্লকে প্রশাসনের তরফে ক্যাম্প করা হবে। দুয়ারে দুয়ারে সরকার প্রকল্পে মানুষ প্রশাসনের কাছে যে অভাব, অসুবিধার কথা তুলে ধরবে, তা সঙ্গে সঙ্গে সমাধান করতে হবে। মানুষ যা চাইবে, তা তত্ক্ষণাত্ মানুষকে দিতে হবে। যদি সেইসময় প্রশাসনের হাতে সেই সুযোগ না থাকে, তবে তালিকা তৈরি করতে হবে। জনপরিষেবা সংক্রান্ত প্রকল্পগুলির সুযোগ-সুবিধা আরও বেশি করে মানুষকে পাইয়ে দিতে হবে। আরও পড়ুন ঃ বাঁকুড়া সফরে শুভেন্দুকে নিয়ে কীসের ইঙ্গিত মমতার? এছাড়াও তিনি বলেন, কেন্দ্র বিভিন্ন প্রকল্পের নামে নিয়োগ করছে। তারপর যেই সেই প্রকল্প শেষ হয়ে যাচ্ছে, তখন ছেলেমেয়েরা কাজ হারাচ্ছে। বেকার হয়ে যাচ্ছে। কেন্দ্র মাছের তেলে মাছ ভাজছে। করোনা পরিস্থিতিতে অনেক রাজ্যে বেতন কমিয়ে দিয়েছে। কেন্দ্র এমপি ল্যাডের টাকা বন্ধ করে দিয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ডিএ ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছে। এমনকি মাসে একদিন করে বেতনও কাটা হচ্ছে। কিন্তু এরাজ্যে কারও বেতন, পেনশন বন্ধ হয়নি। রাজ্যের স্কিমে যাঁরা চাকরি করেন, তাঁদের কারও চাকরি আমরা নষ্ট করিনি। উপরন্তু রাজ্য সরকার চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা বাড়িয়েছে। জেনারেল প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা ৪০ বছর, ওবিসি ৪৩ বছর, তফশিলি জাতি-উপজাতির ক্ষেত্রে ৪৫ বছর করা হয়েছে। আমরা বাংলায় ৪০ শতাংশ বেকারত্ব কমিয়ে দিয়েছি। আমরা আপনাদের জন্য কাজ করব। ভোটের আগে অনেকে আসবে। ভোটের জন্য ব্যাঙ্কে টাকা দেবে। মনে রাখবেন, ওটা আপনাদের হকের খাতা। ভোট আপনারা আমাদের দেবেন। কেন্দ্রর থেকে টাকার ভাগ আমরা পাই। দয়া করে দেয় না। কেন ১০০ দিনের কাজের টাকা তিন মাস পরে আসবে? বিআরজিএস প্রকল্পের টাকা এখনও পাইনি আমরা। আরও পড়ুন ঃ বিরসা মুন্ডার জন্মদিনে ছুটি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর তিনি আরও বলেন, আজকের রাস্তা দেখুন। এখন এত ভাল ভাল রাস্তা হয়েছে। মানুষ মনে করে রাস্তায় শোয়া যায়। পঞ্চায়েতগুলিকে বলব, ভাল করে কাজ করুন। মুকুটমণিপুর, খাতড়া কি ছিল? এখন দেখুন কি হয়েছে। স্টেডিয়াম, হাসপাতাল সব করেছি। শিল্পের কাজ এখানে চলছে। আগামী দু-বছরের মধ্যে মানুষের কাছে পানীয় জল পৌছে যাবে। মাওবাদী হামলায় যারা নিখোঁজ, ১০ বছরেও যাদের কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি, যারা ফিরে আসেননি, তাদের পরিবাররাও পুলিশের কাছে দরখাস্ত করবেন। যারা শুধু পুরোহিতবৃত্তি করে সংসার চালান, তাদের পুরোহিত কল্যাণ ভাতা হিসেবে বর্তমানে ১০০০ টাকা দেওয়া হচ্ছে। পরবর্তীতে এটাকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা করা হবে। বিজেপির বিরুদ্ধে তার অভিযোগ, বিজেপি শুধু মামলা আর হামলা, এটাই করতে পারে। পরবর্তী হবে গামলা। তাতে আবর্জনার মতো পুড়ে ছুড়ে ফেলা হবে ওদের। জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে, তার জন্য কে দায়ী? আগে আলু, পটল, পেঁয়াজ রাজ্যের এক্তিয়ারে ছিল। দিল্লির সরকার, আলুর সরকার। ওরা আপনাদের খেতে দিচ্ছে না। সব আলু নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে। চাষিদের, দলিতদের, আদিবাসীদের, সংখ্যালঘুদের সব কেড়ে নেবে। আর ক্ষমতায় এসে বলবে, এনআরসি চাই। বাংলা থেকে বের করে দেবে। আরও পড়ুন ঃদুজন খারাপ লোকের জন্য পুরো রাজ্যকে বদনাম করা ঠিক নয়ঃ মমতা এদিন মমতা বলেন, কোভিডের চিকিৎসা বিনামূল্যে করার ব্যবস্থা করেনি কেন্দ্র। রাজ্যে সরকার করোনা আক্রান্তদের জন্য খরচ করছে। নাটক! কেন্দ্র এখন বলবে ইঞ্জেকশন দেব আর আসতে আসতে সাত মাস-আট মাস হয়ে যাব। আমরা যদি একটা কেসে দেড় লক্ষ-দুলক্ষ টাকা খরচ করতে পারি, তবে ইঞ্জেকশনও দিতে পারি। কেন্দ্র বলে দিক কার থেকে নেব, রাজ্য সরকার তৈরি আছে। একটা কোভিড ইঞ্জেকশনে ২৫ হাজার টাকা লাগে। লকডাউনের সময় পরিযায়ী শ্রমিকদের অবস্থার কথা উল্লেখ করে মমতা এদিন বলেন, পরিযায়ী শ্রমিকদের রাজ্যে ফিরিয়ে আনতে আক টাকাও সাহায্য করেনি কেন্দ্র। ট্রেন ভাড়া পুরোটা আমরা দিয়েছি। খালি মিথ্যে কথা বলে। পরিযায়ী শ্রমিকদের রাজ্যে ফিরিয়ে আনতে আক টাকাও সাহায্য করেনি কেন্দ্র। ট্রেন ভাড়া পুরোটা আমরা দিয়েছি। খালি মিথ্যে কথা বলে।

নভেম্বর ২৩, ২০২০
রাজ্য

বিরসা মুন্ডার জন্মদিনে ছুটি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

বাঁকুড়া সফরে এসে আদিবাসী পরিবারে ভাত খেয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সোমবার বাঁকুড়ার খাতড়ার জনসভা থেকে অমিত শাহের বিরুদ্ধে এনিয়ে তোপ দাগলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাঁওতাবাজি মানুষ বুঝেছেন। নামী হোটেল থেকে ভাত আনিয়ে আদিবাসী বাড়িতে খান। বাইরে থেকে ব্রাহ্মণ এনে আগে থেকে ঘর রং করা হয়, স্যানিটাইজ করা হয়। লোক দেখানো তরকারি কাটা হয়। যা রান্না হয়েছে তা খাননি। খেয়েছেন বাসমতি চালের ভাত, পোস্তর বড়া। গরীব পরিবার বাইরে ধনে পাতা ছাড়াচ্ছে, কিন্তু কোনও তরকারিতে ধনে পাতা নেই। আর উনি ভিতরে বসে হোটেল থেকে আনা বাসমতী চালের ভাত খাচ্ছেন। এসে খেয়ে চলে গিয়েছেন। এরা গরীবের সমস্যা কী বুঝবে! আরও পড়ুন ঃ সপ্তাহের শুরুতেই রাজ্যে জাঁকিয়ে শীত , সক্রিয় উত্তুরে হাওয়া অমিত শাহকে কটাক্ষ করে তৃণমূল সুপ্রিমো এদিন আরও বলেন, যে মূর্তিতে মালা দেওয়া হয়েছিল, তা তো বিরসা মুন্ডারই নয়। এক আদিবাসী শিকারির। আমি শিকারি বলে তাঁকে ছোট করছি না, সেও আমার ভাই। কিন্তু এই মিথ্যাচারটা হল কেন? এরপরই তাঁর ঘোষণা, আদিবাসী ভাইবোনেদের আবেগের কথা মাথায় রেখে এরপর থেকে সংগ্রামী বিরসা মুন্ডার জন্মদিনে ছুটি দেওয়া হবে। সেটাই হবে প্রকৃত সম্মান জ্ঞাপন। এই ঘোষণার পরই উচ্ছ্বাসে ভাসেন উপস্থিত জনতা। এছাড়াও এদিন তিনি জানান, জুন পর্যন্ত বিনামূল্যে রেশন বিলির কথা আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল। জুনের পরও তা মিলবে। অর্থাৎ বাড়ানো হবে বিনামূল্যে রেশন বিলির সময়সীমা। আগামীতেও আমাদের সরকারই থাকবে। তাই কোনও চিন্তা করবেন না। জুনের পরও সকলে বিনামূল্যে ডাল-ভাত খেয়ে বাঁচবেন।

নভেম্বর ২৩, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে বেকার ভাতা! ইস্তাহারে চমকে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে নিজেদের ইস্তাহার প্রকাশ করল তৃণমূল কংগ্রেস। প্রতিজ্ঞা নামে এই ইস্তাহারে দশটি অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরা হয়েছে। শিক্ষা, শিল্প, কর্মসংস্থান এবং সামাজিক প্রকল্পে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ইস্তাহারে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পকে আবারও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, মহিলারা সারা জীবন এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। আগে ঘোষণা করা ভাতা বৃদ্ধির বিষয়টিও এতে উল্লেখ করা হয়েছে।যুবকদের জন্য যুবসাথী প্রকল্পের কথা বলা হয়েছে। চাকরি না পাওয়া পর্যন্ত প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এতে বহু বেকার যুবক-যুবতী উপকৃত হবেন বলে দাবি করা হয়েছে।কৃষিক্ষেত্রেও বড় প্রতিশ্রুতি রয়েছে। কৃষির উন্নতির জন্য ত্রিশ হাজার কোটি টাকার বাজেটের কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি শিল্প ও বাণিজ্যে নতুন বিনিয়োগ এবং পরিকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনাও তুলে ধরা হয়েছে।স্বাস্থ্য পরিষেবায় দুয়ারে চিকিৎসা নামে নতুন প্রকল্প চালুর কথা ঘোষণা করা হয়েছে। প্রতি বছর প্রতিটি ব্লক ও শহরে এই পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে, যাতে মানুষের দোরগোড়ায় চিকিৎসা সুবিধা পৌঁছয়।প্রবীণদের জন্যও বিশেষ উদ্যোগের কথা বলা হয়েছে। অনেক সময় পরিবারের সদস্যরা বাইরে থাকেন, ফলে বয়স্ক মানুষদের দেখাশোনার সমস্যা হয়। সেই বিষয়টি মাথায় রেখে তাঁদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।প্রশাসনিক ক্ষেত্রেও পরিবর্তনের ইঙ্গিত রয়েছে। নতুন সাতটি জেলা গঠন এবং পৌরসভার সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি আবাস প্রকল্পে কাঁচা বাড়িকে পাকা করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।পানীয় জলের ক্ষেত্রেও বড় লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই বহু বাড়িতে জল পৌঁছেছে বলে দাবি করে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী দিনে প্রতিটি বাড়িতে পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া হবে। এই প্রসঙ্গে তিনি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগও তুলেছেন।সব মিলিয়ে, নির্বাচনের আগে এই ইস্তাহার ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। প্রতিশ্রুতিগুলি কতটা বাস্তবায়িত হবে, এখন সেদিকেই নজর রাজ্যবাসীর।

মার্চ ২০, ২০২৬
রাজ্য

খড়গপুরে ফিরেই আগুন দিলীপ! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে বিস্ফোরক মন্তব্য

দীর্ঘদিনের টানাপোড়েনের পর অবশেষে বিজেপির মধ্যে নিজের জায়গা আরও মজবুত করলেন দিলীপ ঘোষ। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তাঁর পছন্দের খড়গপুর কেন্দ্র থেকেই প্রার্থী করা হয়েছে তাঁকে। নাম ঘোষণার পর থেকেই আবার আগের মতোই আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখা গেল তাঁকে।শুক্রবার খড়গপুরে চা চক্রে অংশ নিয়ে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন দিলীপ। তৃণমূলের ইশতেহার নিয়ে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, এখন আর কেউ এই ইশতেহার পড়ে না বা গুরুত্ব দেয় না। তাঁর দাবি, ভোটের আগে শুধু প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, কিন্তু বাস্তবে সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ হয় না।ভোটের আগে সিভিক ভলান্টিয়ার ও গ্রাম পুলিশদের বোনাস ঘোষণার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। দিলীপের বক্তব্য, একদিকে রাজ্য সরকার বলছে টাকা নেই, অন্যদিকে আবার নানা খাতে খরচ বাড়ানো হচ্ছে। তিনি সাধারণ মানুষকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভাতা নয়, যদি বেতন বাড়াতে চান, তাহলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ভোট দিতে হবে।রাজ্যে বিজেপির জয়ের ব্যাপারে তিনি আত্মবিশ্বাসী। তাঁর দাবি, একের পর এক রাজ্যে জয়ের ধারা বজায় রেখে এবার পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপি ক্ষমতায় আসবে। তিনি আরও বলেন, দেশের নিরাপত্তা ও উন্নয়নের জন্য বাংলায় বিজেপির সরকার প্রয়োজন।এছাড়াও, নির্বাচন কমিশনকে লেখা মুখ্যমন্ত্রীর চিঠি নিয়েও কড়া প্রতিক্রিয়া দেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন রাজ্যে শাসন করার পর এখন মুখ্যমন্ত্রীর বিশ্রাম নেওয়া উচিত। নির্বাচন কমিশন তার কাজ করছে এবং ভবিষ্যতে বাকি দায়িত্ব বিজেপি সামলাবে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।ভোটের আগে এই ধরনের মন্তব্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা যে আরও বাড়বে, তা বলাই যায়।

মার্চ ২০, ২০২৬
বিদেশ

ইরান ভেঙে পড়ছে! আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হামলায় কার্যত শেষ পরমাণু শক্তি, দাবি নেতানিয়াহুর

ইরানকে ঘিরে চলা যুদ্ধে নতুন করে বড় দাবি করলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আমেরিকাকে এই যুদ্ধে টেনে আনার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভুয়ো। তাঁর কথায়, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নিজে সিদ্ধান্ত নেন, তাঁকে কেউ প্রভাবিত করতে পারে না।একই সঙ্গে তিনি বলেন, ইজরায়েল ও আমেরিকার মধ্যে এই যুদ্ধে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় রয়েছে এবং তারা খুব দ্রুত নিজেদের লক্ষ্য পূরণ করছে। তাঁর দাবি, টানা কুড়ি দিনের হামলার ফলে ইরান এখন আর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার ক্ষমতা রাখে না, এমনকি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সামর্থ্যও অনেকটাই নষ্ট হয়ে গিয়েছে।নেতানিয়াহুর বক্তব্য অনুযায়ী, ইরানের মিসাইল ও ড্রোন শক্তি কার্যত ধ্বংসের মুখে। এখন মূলত সেই সব কারখানা গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, যেখান থেকে এই অস্ত্র তৈরি হত। তবে তাঁর এই দাবির পক্ষে কোনও নির্দিষ্ট প্রমাণ এখনও সামনে আসেনি।তিনি আরও দাবি করেন, ইরান এখন আগের থেকে অনেক দুর্বল, আর ইজরায়েল এই অঞ্চলের শক্তিশালী দেশ হিসেবে উঠে এসেছে। প্রয়োজন হলে এই অভিযান আরও দীর্ঘ সময় চলবে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।এদিকে, নেতানিয়াহুর সাংবাদিক বৈঠক চলাকালীনই ইরান ফের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। ইজরায়েলের সেনাবাহিনীও জানায়, নতুন করে হামলা হয়েছে তাদের দিকে।ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্যাসক্ষেত্রে হামলার প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, ওই হামলা ইজরায়েল নিজের সিদ্ধান্তেই চালিয়েছিল। তবে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ভবিষ্যতে এমন হামলা না করার অনুরোধ করেছেন, তাই আপাতত সেই সিদ্ধান্ত মেনে চলছে ইজরায়েল।নেতানিয়াহু আরও বলেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে বিশ্বকে চাপ দেওয়ার চেষ্টা করছে ইরান। কিন্তু সেই কৌশল সফল হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ যে আরও জটিল আকার নিতে পারে, তা স্পষ্ট বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মার্চ ২০, ২০২৬
রাজ্য

আচমকা বদলাবে আবহাওয়া! ঘণ্টায় ৮০ কিমি বেগে ঝড়, সতর্ক করল আবহাওয়া দফতর

তীব্র গরমের মধ্যেই দেশজুড়ে হঠাৎ করে আবহাওয়ার বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিল আবহাওয়া দফতর। আগামী কয়েকদিনে দেশের একাধিক রাজ্যে ঝড়-বৃষ্টি, বজ্রপাত এবং শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই ২১টি রাজ্যে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৭৫ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। কিছু জায়গায় এই বেগ ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। সঙ্গে থাকবে বজ্রপাত এবং বিদ্যুৎ চমক। এর ফলে সাধারণ মানুষের জন্য বিপদের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়েই দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রচণ্ড গরম পড়েছে। তাপমাত্রা বাড়ায় মানুষ বেশ সমস্যায় পড়েছিলেন। এই পরিস্থিতিতে বৃষ্টির খবর কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে। তবে আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি কমলেও ঝড়-বৃষ্টির জন্য নতুন সমস্যা তৈরি হতে পারে।১৯ থেকে ২২ মার্চের মধ্যে আবহাওয়ার এই বড় পরিবর্তন ঘটতে পারে বলে জানানো হয়েছে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা এবং ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে এই পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন অংশে আকাশ মেঘে ঢেকে যাবে এবং হঠাৎ করেই ঝড়-বৃষ্টি নামতে পারে।বর্তমানে উত্তর প্রদেশের পশ্চিম অংশ এবং পূর্ব অংশের উপর দুটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে। এই দুই আবহাওয়া ব্যবস্থার প্রভাবে উত্তর, পূর্ব এবং দক্ষিণ ভারতের বহু এলাকায় আবহাওয়ার দ্রুত পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। প্রবল বাতাস, বজ্রপাত এবং বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।পশ্চিমবঙ্গেও এই প্রভাব পড়বে বলে জানানো হয়েছে। উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, দুই দিনাজপুর এবং মালদহ জেলায় শনিবার পর্যন্ত ঝড়-বৃষ্টির পরিস্থিতি থাকতে পারে। শুক্রবার থেকে এই পরিস্থিতি আরও জোরালো হতে পারে।আবহাওয়া দফতর সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে। বিশেষ করে কৃষক এবং মৎস্যজীবীদের বেশি সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। ঝড়-বৃষ্টি এবং শিলাবৃষ্টি ফসলের ক্ষতি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি মিললেও এই আবহাওয়ার পরিবর্তন নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

মার্চ ২০, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের মাঝেই অ্যাপ ক্যাবে ২৫ লক্ষ! নিউটাউনে পুলিশের হানা, গ্রেফতার এক

রাজ্যে ভোটের আবহের মধ্যেই কলকাতায় বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শুক্রবার নিউটাউনের সিটি সেন্টারের কাছে একটি অ্যাপ ক্যাব থেকে ২৫ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তিনি গুজরাতের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।পুলিশ সূত্রে খবর, গোপন সূত্রে তথ্য পেয়ে সকাল থেকেই নিউটাউনের ওই এলাকায় নজরদারি চালাচ্ছিল বিধাননগর গোয়েন্দা পুলিশ এবং ইকোপার্ক থানার পুলিশ। সন্দেহজনক একটি অ্যাপ ক্যাবকে থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। সেই সময় গাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার হয়।গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির নাম সুরেশ ঠাকুর। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি গুজরাতের বাসিন্দা। তাঁর দাবি, কলকাতার বড়বাজার এলাকা থেকে এই টাকা নিয়ে নিউটাউনে যাচ্ছিলেন। তবে এত বড় অঙ্কের টাকার সঠিক নথি তিনি দেখাতে পারেননি বলে জানা গেছে। এরপরই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।উল্লেখযোগ্য, এর আগেও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় নাকাতল্লাশির সময় নগদ টাকা উদ্ধার হয়েছে। কয়েকদিন আগে আলিপুরদুয়ারে একটি গাড়ি থেকে প্রায় ২ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা উদ্ধার করেছিল পুলিশ। সেই ক্ষেত্রেও টাকার উৎস সম্পর্কে সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি।গত ১৫ মার্চ রাজ্যে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই আদর্শ আচরণবিধি চালু হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, ৫০ হাজার টাকার বেশি নগদ বা ১০ হাজার টাকার বেশি মূল্যের জিনিস নিয়ে যাতায়াত করলে তার সঠিক নথি দেখাতে হয়। এই নিয়ম ভাঙলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।এই ঘটনার পর ভোটের আগে নগদ টাকার লেনদেন এবং তার উৎস নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

মার্চ ২০, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে কড়া বার্তা! নির্বাচন কমিশনের টানা বৈঠক, নজরে আইন-শৃঙ্খলা

রাজ্যে বিধানসভা ভোটের আগে প্রস্তুতি জোরদার করতে শুক্রবার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করছে নির্বাচন কমিশন। দুপুর সাড়ে বারোটা থেকে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক ভার্চুয়াল মাধ্যমে জেলাশাসক, পুলিশ কমিশনার এবং পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। এই বৈঠকে ভোটের প্রস্তুতি, সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশের পর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হচ্ছে।জানা গেছে, এই বৈঠকের পর শনিবার আবার সব পর্যবেক্ষকদের নিয়ে আলাদা বৈঠক করা হবে। রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য মোট ২৯৪ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক এবং ৮৪ জন পুলিশ ও ব্যয় পর্যবেক্ষকের সঙ্গে আলোচনা করবেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক।এদিকে নতুন দফতরের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে নির্বাচন কমিশনের। শিপিং কর্পোরেশন ভবনে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের নতুন অফিস আগামী সোমবার থেকে পুরোপুরি চালু হবে। কিন্তু সেই অফিসের নিরাপত্তা নিয়ে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টে কিছু উদ্বেগের কথা বলা হয়েছে।এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই নতুন দফতরে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কলকাতা পুলিশের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা বলয়েও রাখা হবে এই অফিসকে। কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে, গোয়েন্দা রিপোর্টের ভিত্তিতেই এই কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।ভোটের আগে প্রশাসনিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে এই ধারাবাহিক বৈঠক ও পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২০, ২০২৬
কলকাতা

অটো নেই, বাসও উধাও! গ্যাসের দাম বাড়তেই শহরে যাতায়াতে চরম সঙ্কট

কলকাতায় গ্যাসের দামের বড় বৃদ্ধি এবং ভোটের প্রস্তুতির জেরে পরিবহণ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অটোতে ব্যবহৃত এলপিজির দাম এক ধাক্কায় অনেকটা বেড়ে যাওয়ায় ইতিমধ্যেই বহু অটো রাস্তায় নামছে না। তার উপর ভোটের কাজে বাস তুলে নেওয়া শুরু হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।জানা গেছে, বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে কলকাতায় অটোতে ব্যবহৃত এলপিজির নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। প্রতি লিটার গ্যাসের দাম দাঁড়িয়েছে ৭০ টাকা ৬৮ পয়সা। এক ধাক্কায় প্রায় ৮ টাকা বেড়েছে দাম। এর আগেও মার্চের শুরুতে দাম বেড়েছিল। তখন লিটার প্রতি দাম ছিল ৫৭ টাকা ৬৮ পয়সা থেকে বেড়ে ৬২ টাকা ৬৮ পয়সা হয়েছিল। বারবার দাম বাড়ায় অটো চালকদের অনেকেই রাস্তায় নামতে চাইছেন না। ফলে ইতিমধ্যেই প্রায় ৩০ শতাংশ অটো বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানা যাচ্ছে। যেগুলি চলছে, সেগুলিও অনিয়মিত এবং অনেক ক্ষেত্রে ভাড়াও বেড়েছে।এর মধ্যে আবার ভোটের জন্য ধীরে ধীরে বাস কমতে শুরু করবে। নির্বাচন কমিশনের কাজে বহু বাস তুলে নেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই প্রায় ১৬০০ বেসরকারি বাস নেওয়া হয়েছে বলে বাসমালিকদের দাবি। এই বাসগুলি নির্বাচনী কাজে ব্যবহার করা হবে। সামনে আরও বাস নেওয়া হতে পারে। কলকাতা ও আশপাশের বিভিন্ন দপ্তর থেকে বাস তোলার প্রস্তুতি চলছে।বাসমালিকদের মতে, শহরে প্রায় আড়াই হাজার বেসরকারি বাস চলে। তার মধ্যে প্রায় দুই হাজার বাস রাস্তায় কমে যেতে পারে। ফলে যাত্রীদের সমস্যার শেষ থাকবে না। সরকারি বাসের সংখ্যাও এমনিতেই কম, ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।অন্যদিকে শুধু বাস নয়, স্কুলবাস, অ্যাপ ক্যাব, পুলকারসব ধরনের গাড়িই নির্বাচনের কাজে ব্যবহার করা হবে। এতে রাস্তায় সাধারণ মানুষের জন্য গাড়ির সংখ্যা আরও কমে যাবে। সাধারণত এমন পরিস্থিতিতে অটো কিছুটা ভরসা দেয়, কিন্তু এবার গ্যাসের সঙ্কটের কারণে সেই সুযোগও কমে গেছে। গ্যাস ভরার জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে চালকদের, ফলে রাস্তায় অটো কম দেখা যাচ্ছে।পরিবহণ সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আগামী মাসের শুরু থেকেই এই সমস্যা আরও বাড়বে। ভোটের কারণে একসঙ্গে অনেক গাড়ি তুলে নেওয়া হলে শহরের রাস্তায় বের হওয়া মানুষের জন্য চরম ভোগান্তির পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

মার্চ ২০, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় চমক! নতুন ইস্তেহারে কী দিচ্ছে তৃণমূল, জানলে অবাক হবেন

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, যুব সাথীর মতো একাধিক প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের হাতে সরাসরি টাকা পৌঁছে দিয়েছে রাজ্য সরকার। ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের আগে বেশ কিছু ভাতার পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। এবার নজর তৃণমূলের নতুন ইস্তেহারের দিকে। সূত্রের খবর, ইস্তেহার প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে এবং খুব শীঘ্রই তা প্রকাশ করা হবে। শুক্রবার বা শনিবারের মধ্যেই সেটি সামনে আসতে পারে।জানা যাচ্ছে, এবারের ইস্তেহারে সামাজিক সুরক্ষার উপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্য এবং শিক্ষার ক্ষেত্রেও নতুন পরিকল্পনার কথা থাকতে পারে। নতুন কোনও প্রকল্প ঘোষণা করা হবে কি না, তা নিয়েও কৌতূহল বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।এবারের ভোটে তৃণমূল আবারও বাংলা অস্মিতাকে বড় ইস্যু করতে চাইছে। অতীতে মুখ্যমন্ত্রী বারবার বাঙালিদের সম্মান এবং অধিকার নিয়ে কথা বলেছেন। ভিনরাজ্যে বাঙালি শ্রমিকদের সঙ্গে খারাপ আচরণের অভিযোগ তুলে প্রতিবাদও করেছেন। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বাংলা-বিরোধী মনোভাবের অভিযোগ এনে রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র করেছেন তিনি। সেই ধারাই বজায় রাখতে চায় শাসক দল।২০২১ সালের নির্বাচনে তৃণমূলের স্লোগান ছিল বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়। এবার নতুন স্লোগান সামনে এসেছেযে লড়ছে সবার ডাকে, সেই বাঁচাবে বাংলা মা কে। এই স্লোগানকে সামনে রেখে ভোটের ময়দানে নামতে প্রস্তুত তৃণমূল। এখন দেখার, সাধারণ মানুষের জন্য কী কী প্রতিশ্রুতি নিয়ে আসে এই ইস্তেহার।

মার্চ ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal