• ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩, সোমবার ২৭ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

রাজ্য

রাজ্য

বর্ধমানের পূজা কার্নিভালের মঞ্চে বসতে চলেছে বলিউডি তাড়কাদের চাঁদের হাট

শুক্রবার বর্ধমান শহরে হতে চলে দুর্গাপূজা কার্নিভালের জন্য যানচলাচলে নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে নির্দেশিকা দিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারী করল পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ। পূর্ব বর্ধমান জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক রামশংকর মন্ডল জানিয়েছেন, কার্নিভাল শুরু হবে বিকাল ৫ টে নাগাদ নীলপুর মোড় সংলগ্ন সৎসঙ্গ ভবন এলাকা থেকে। এই র্যালী শেষ হবে লক্ষ্মীপুর মাঠের পাঞ্জাবী পাড়া মোড়ে। ইতিমধ্যেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্জন গেটের সামনে করা হয়েছে তিনটি ভাগে প্রায় বিশাল মঞ্চ বাঁধা হয়েছে যা প্রায় ২০০ ফুট লম্বা । যেখানে উপস্থিত থাকবেন পূর্ব বর্ধমান জেলার মন্ত্রীরা-সহ বিধায়ক অন্যান্য জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনিক আধিকারিকরা। গড়ে তোলা হয়েছে কড়া পুলিশি নিরাপত্তা। বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস জানিয়েছেন, জেলা প্রশাসনের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ এবং বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়কের ব্যবস্থাপনায় বর্ধমান শহরের ৩১ টি পুজো কমিটিকে নিয়ে হচ্ছে দুর্গাপূজা এবারের কার্নিভাল।আরও জানা গেছে, জি টি রোড ধরে চলবে এই কার্নিভালের র্যালী। সুত্র মারফত জানা গেছে কার্নিভ্যালে হাজির থাকবেন মুম্বাইয়ের বিশিষ্ট অভিনেতা চাংকি পান্ডে-সহ আরও অনেক সেলিব্রেটিরাই। কার্জনগেট চত্বরে প্রত্যেকটি পুজো কমিটিকে ৩-৪ মিনিট করে নিজেদের পারফরম্যান্স তুলে ধরার জন্য সময় দেওয়া হবে। সামগ্রিক বিচারের নিরিখে তাদের মধ্য থেকে পুরস্কৃতও করা হবে। প্রসঙ্গত, দুর্গাপূজাকে ইউনেস্কো হেরিটেজ ঘোষণা করাতে, মুখমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে রাজ্যে সমস্ত জেলাতেই কালকে এই কার্নিভ্যালের আয়োজন করা হয়েছে।জি টি রোড ধরে হতে চলা এই কার্নিভালের জন্য বর্ধমান শহরে যানচলাচলে নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে একটি নির্দেশিকা জারী করল পূর্ব-বর্ধমান জেলা পুলিশ। শুক্রবার আলিশা বাস স্ট্যান্ড থেকে কার্জনগেট এলাকা ও রেলওয়ে ওভারব্রিজ হয়ে গোলাপবাস মোড় পর্যন্ত জি টি রোড বরাবর এই নির্দিশিকা কার্যকরী থাকবে। নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, সকাল ৮ টা থেকেই পণ্যবাহী গাড়ি চলাচলা নিষেধাজ্ঞা থাকছে (যতক্ষন কার্নিভাল চলবে)। বাস চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকছে দুপুর ১২ টা থেকে। ইকো-রিক্সায় (টোটো) নিষেধাজ্ঞা থাকছে দুপুর ২ টো থেকে। চারচাকা গাড়ীতে নিষেধাজ্ঞা থাকছে বিকেল চারটে থেকে এবং দু-চাকা যানে নিষেধাজ্ঞা থাকছে বিকেল সাড়ে চারটে থেকে।

অক্টোবর ০৬, ২০২২
রাজ্য

আউশগ্রামের গোয়ালআড়া গ্রামে পুজো কার্নিভাল ঘিরে ব্যাপক উন্মাদনা

পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের গোয়ালআড়া গ্রামে পুজো কার্নিভাল ঘিরে ব্যাপক উন্মাদনা দেখা গেল এলাকাবাসীর মধ্যে। বিজয়াদশমীর বিকেলে গোয়ালআড়া সার্বজনীন পুজো কমিটির পুজো কার্নিভাল বের হয়। তাতে অংশ নেন আউশগ্রামের বিধায়ক অভেদানন্দ থান্দার ও আব্দুল লালন । এই পুজো কার্নিভালে ছিল বিভিন্ন বাজনার দল, মহিলা ঢাকিদের দল,জীবন্ত প্রতিমার মডেল। পাশাপাশি হিন্দু,মুসলিম,খীষ্টান,শিখ, আদিবাসী এই জীবন্ত মানুষের মডেল নিয়ে সম্প্রীতির বার্তা দেওয়া হয়।গ্রামের মহিলারা শঙ্খ ধ্বনি দিয়ে গ্রাম ঘোরেন।পাশাপাশি ঢাকের তালে তালে নাচলেন বিধায়ক অভেদানন্দ থান্দার ও আব্দুল লালন। বৃষ্টির জন্য এদিন একটু অসুবিধা হয় পুজো উদ্যোক্তাদের।আশপাশের গ্রামের মানুষ এই কার্নিভাল দেখতে সামিল হন আউশগ্রাম ২ নম্বর ব্লকের ৭ টি অঞ্চলের হাজার খানেক মহিলা ও পুরুষ।

অক্টোবর ০৬, ২০২২
রাজ্য

বিসর্জনে ভয়াবহ দুর্ঘটনা-জলপাইগুড়ির মাল নদীতে হরপা বানে মৃত ৮, উদ্বেগ প্রধানমন্ত্রীর

বিজয়াতে ঘোর বিষাদের মেঘ জলপাইগুড়িতে। প্রতিমা বিসর্জনে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা জলপাইগুড়ির মাল নদীতে। হঠাৎ হরপা বানে ভেসে গিয়েছে বহু মানুষ। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ইতিমধ্যে হরপা বানের তোড়ে ভেসে গিয়ে ৪ মহিসাসহ ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে মোট কত জন ভেসে গিয়েছে তা এখনও বোঝা যাচ্ছে না। রাতে দুর্ঘটনা ঘটনায় উদ্ধারকার্যে সমস্যা হয়। তবে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ চালানো হয়েছে। জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, দুর্ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ির মাল নদীতে। গতকাল, দশমীর বিসর্জন পর্ব চলছিল। নদী ও আশেপাশে বহু মানুষ জড় হয়েছিল। রাত সাড়ে আটটা নাগাদ আচমকা হরপা বান চলে আসে। কিছু বোঝার আগেই জলের তোড়ে ভাসিয়ে নিয়ে যায় বহু মানুষকে। চিৎকার চেঁচামেচি জুড়ে দেন উপস্থিত সকলে। স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসন, এনডিআরএফ, এসডিআরএফ দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করে। নদীতে আটকে পড়া ৫০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। কয়েকজনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক তথা রাজ্যের অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ মন্ত্রী বুলু চিক বারাইক আশঙ্কা করছেন, মাল নদীতে ভয়াবহ এই দুর্ঘটনার জেরে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে। মন্ত্রী জানিয়েছেন, ঘটনার সময় তিনিও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। প্রবল জলের স্রোতে বেশ কিছু মানুষ ভেসে গিয়েছেন। জলপাইগুড়ির মাল নদীতে ভয়ঙ্কর এই দুর্ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। মৃত পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

অক্টোবর ০৬, ২০২২
রাজ্য

২৬৩ বছরের পুরানো কালনার ভবানন্দপুরে বিচারক হরিনারায়ণ মুখোপাধ্যায়'র "মুখার্জী বাড়ি"র পুজো

কালনা শহর থেকে মাত্র ৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত একটি গ্রাম ভবনন্দাপুর। সেই সময়ে শহর থেকে দূরে এই প্রত্যন্ত গ্রামে দুর্গা পুজো করা দূর অস্ত, ভাবনাটাই ছিলো কঠিন। বর্তমানে মুখোপাধ্যায় পরিবারের জ্যেষ্ঠ সদস্য অশোক মুখোপাধ্যায় জানালেন, সতেরশো খীষ্টাব্দের মাঝামাঝি সময়ে তৎকালীন কোলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কালনা মহুকুমার অন্তর্গত ভবানন্দপুর গ্রামে জমিদারী লাভ করেন। এই অঞ্চলে দুর্গা পুজোর অধিক্য সেভাবে না থাকায় তিনি দুর্গা পুজোর উদ্যোগ নেন। বহুকাল অবধি এই মুখোপাধ্যায় পরিবারের পুজো-ই গ্রামের একমাত্র পুজো ছিলো। গ্রামবাসীরা চারদিন ধরে এই মন্ডপেই আনন্দ করতেন।শারদ সন্মান নিয়ে ক্ষুদে সদস্যদের উল্লাসভবানন্দপুরে গ্রামে এই দুর্গা পুজোর প্রবর্তক ছিলেন হরিনারায়ন মুখোপাধ্যায়। তারই উদ্যোগে এই পুজোর সূত্রপাত। পরিবারের সুত্রে জানা যায়, হরিনারায়ণ মুখোপাধ্যায় ১৭৫৯ এ (ইংরাজী) এই পুজো শুরু করেন। সাবেকি ঘরানার প্রতিমা, প্রথা মেনে মহালয়ার ভোরে দেবীর চক্ষূদান করা হয়। দেবীর গায়ে মাটি দেওয়া হয় জন্মাষ্টমীর পরেরদিন। মুখোপাধ্যায় পরিবারের সদস্য অশোক মুখোপাধ্যায় জনতার কথা কে জানান, অতীতে এই পুজোতে ছাগল বলিদান দেওয়া হত। উত্তরসুরীদের কাছে শোনা কথা, কোনও এক সাধক একবার এই পুজোতে আসেন, তাঁর আদেশেই ছাগল বলি দেওয়া বন্ধ হয়। বর্তমানে এই পুজোতে ছাঁচি কুমড়ো, কলা ও আখ বলি দেওয়া হয়। নবমীর দিন কুমারী পুজোর আয়োজন করা হয়।মুখার্জী বাড়ির কুমারী পুজোঅশোক মুখোপাধ্যায় আরও জানান, গ্রামের সকলে এসে মায়ের ভোগ প্রসাদ গ্রহণ করেন। আনুমানিক ১৫০০ থেকে ১৬০০ মানুষ মায়ের ভোগ প্রসাদ এখানে বসে খেয়ে যান। গ্রামের মানুষজনই সোৎসাহে এই ভোগ প্রসাদ বিতরণ করেন। জনতার কথার প্রতিনিধীর, দ্রব্য মুল্য বৃদ্ধিতে পুজোর আচার বা মানুষজন কে নিমন্ত্রনে কোনও নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে কিনা প্রশ্নের উত্তরে অশোক মুখোপাধ্যায় জানান, দ্রব্য মুল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় সেভাবে আমারা কোনও কিছু ত্রুটি রাখিনি, কিভাবে মায়ের পুজোর যোগার হয়ে যাচ্ছে সেটা আমরাও বুঝতে পারিনা, পরিবারের প্রত্যকেই তাঁর অর্থনৈতিক ক্ষমতা মত এগিয়ে আসেন তাই এই পুজো করতে আমাদের সেভাবে এখনও কোনও অসুবিধার মধ্যে প্ররতে হয়নি।পরিবারের আরও এক সদস্য তাপস মুখোপাধ্যায় জানান ১৭৭৪ সালে সুপ্রিম কোর্ট কোলকাতা ফোর্ট উইলিয়ামে চালু হয়। হরিনারায়ণ মুখোপাধ্যায় সেই সময়ে সেই কোর্টে কলকাতায় বিচারক ছিলেন তাঁরই উদ্যোগে এই পুজোর শুরু। তাঁর কথায় এই পুজোর খরচ মায়-ই যোগার করে নেন। তিনি আরও বলেন পরিবারের সকলে এবং গ্রামবাসীদের নিয়ে এই পাঁচদিন আমরা মাতোয়ারা থাকি। তাঁর বিশ্বাস খুবই জাগ্রত এই পুজো।পরিবারের কনিষ্ট সদস্য কুনাল মুখোপাধ্যায় জানান, বংশ পরম্পরায় একটা লিগাসি আমরা ক্যারী করে চলেছি খুব আনন্দ সহকারে, আমরা কোনও সময়েই মনে করিনা আমরা খাওয়াচ্ছি। এই যে গ্রামবাসীদের ভোগ বিতরণ, এটা মা দুর্গা নিজেই করিয়ে নেন, এতে আমাদের কোনও ভুমিকা নেই। তিনি ও পরিবারের বাকি সদস্যরা প্যানোরামা ও জনতার কথার শারদ সন্মান সেরা বনেদী বাড়ির পুজো পুরস্কার পেয়ে খুবই আনন্দিত বলে জানান। পুরস্কার পাওয়ার মোমেন্টো নিয়ে পরিবারের সদস্যদের ঢাক বাজিয়ে নৃত্য করতেও দেখা যায়।

অক্টোবর ০৪, ২০২২
রাজ্য

দেবীর নয়টি রূপের নব-কুমারী পুজো বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দিরে

কোভিড বিধি শিথিল হতেই সেই পুরনো ছন্দে ফিরেছে উৎসব।ছন্দে ফিরেছে বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দির। প্রাচীন রীতিনীতি মেনেই নবমীর দিনে বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দিরে কুমারী পুজোর আয়োজন করা হয়। যদিও অন্যান্য জায়গায় অষ্টমীতে কুমারী পুজো হলেও এখানে নবমী তিথিতেই নজন কুমারীকে দেবী দুর্গার নটি রূপে পুজো করা হয়ে থাকে। দেবীর নটা রূপের বিভিন্ন কুমারীরা হলেন, কালিকাঃ প্রত্যুষা ভট্টাচার্য, সাগ্নিকা মিশ্রঃ মালিনী, প্রত্যাশা চক্রবর্তীঃ সুভগা,কব্জিকাঃ রীতবৃতি ব্যানার্জী,কালসন্দর্ভাঃ মেঘা রায়,বর্ণিতা মুখার্জিঃ মালিনী,কালসন্দর্ভাঃ ঐশী মুখার্জি, পৌষালী চক্রবর্তীঃ মালিনী আর উমাঃ সুর্বণা ব্যানার্জী। নবকুমারী পুজোর জন্য অন্যান্য দিনের তুলনায় এদিন মন্দিরে বেশ ভিড় দেখা যায় মন্দিরে।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য,বর্ধমানের রাজপরিবারের অধিষ্ঠাত্রী দেবী সর্বমঙ্গলা মন্দির বর্ধমানের ঐতিহাসিক মন্দিরগুলির অন্যতম। বাহির সর্বমঙ্গলা অঞ্চলে বাস করা চুনুরীদের কাছ থেকে পাওয়া কষ্ঠি পাথরের অষ্টাদশী ভূজা দেবী মূর্তি বর্ধমানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী। ১৭৪০ সালে রাজা কীর্তি চাঁদ অষ্টাদশী দেবী মূর্তিকে প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীকালে মহতাব চাঁদ এই মন্দির তৈরী করেন। রাজা নেই তো কি হয়েছে, রাজার নিয়ম নীতি সবই এখনও বর্তমান। পুজোর দিনগুলোয় ঐতিহ্য মেনে অক্ষরে অক্ষরে মানা হয় সেই রাজ পারিবারের রীতিনীতি। নিয়ম নিষ্ঠায় কোনও নড়চড় হয় না। বর্ধমান শহর ছাড়িয়ে জেলা ও ভিন জেলার বহু ভক্ত এদিন নবকুমারী পুজোয় উপস্থিত হন।জমিদারি প্রথা বন্ধ হলে, ১৯৫৯ সালে তৎকালীন মহারাজ উদয় সিংহ একটি ট্রাস্টি বোর্ড তৈরি করেন এবং তাদের হাতেই মন্দিরের দায়িত্ব তুলে দেন তিনি। এরপর থেকে আজও এই পুজো এবং মন্দিরের দায়িত্ব নিয়ম মেনে পালন করে চলেছে এই ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যরা।অন্যান্য অনেক জায়গায় অষ্টমী তিথিতে কুমারী পুজো আয়োজন করা হলেও যেহেতু এখানে নবরাত্রি পুজো হয়। তাই নবমী তিথিতে সর্বমঙ্গলা মন্দিরে কুমারী পুজো হয়ে আসছে।ট্রাস্টি বোর্ডের সম্পাদক সঞ্জয় ঘোষ বলেন, একেবারে নিয়ম মেনেই এখানে নব কুমারী পুজো হয়। কোভিডের জন্য গত বছর শুধুমাত্র একজন কুমারীকে পুজো করা হয়। কিন্তু এবার ৯ জন কুমারীকেই পুজো করা হচ্ছে। এদিন পুজো শেষে মালসায় করে ভোগ বিতরণ করা হয়।

অক্টোবর ০৪, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানের তালিতে ভট্টাচার্য্য পরিবারের ৩৫০ বছরের দুর্গা পুজো মহাসমারোহে পালিত

পূর্ব বর্ধমান জেলার তালিত গ্রামের ভট্টাচার্য্যদের জমিদার বাড়ির দুর্গা এর পুজো পালিত হচ্ছে ধুমধাম সহকারে। প্রত্যেক বছরের মত এবছরও এই পুজো ঘিরে পরিবারের সদস্যদের উন্মাদনা চোখে পড়ার মত। পরিবার সুত্রে জানা যায় প্রতিমার কাঠামো প্রায় ৩৫০ বছরের পুরনো। পরিবারের সদস্যদের কথায়, রথযাত্রার দিন গঙ্গা মাটি দিয়ে এক চালার প্রতিমা গড়া শুরু হয়। তাঁরা আরও জানান তালিতের ভট্টাচার্য বাড়ির পুজো দেখতে এসেছিলেন সাধক কমলাকান্ত এবং মা সারদা দেবী। মন্দিরের পুরোহিত জানান এ বাড়ির রীতি, পুরোহিত পুজো করতে বসলে শেষ না হওয়া পর্যন্ত আসন থেকে আর উঠতে পারবেন না। দেবীর উদ্দেশে বলিদান দেওয়া হয় ছাঁচিকুমড়ো ও আখ। অতীতে পুজোর বিভিন্ন রীতি পালনে বর্ধমানের অধিষ্টাত্রী দেবী সর্বমঙ্গলা মন্দিরে কামান দাগা অনুসরনে করা হত। ১৯৯৫ সালের মহস্টমীর দিন মর্মান্তিক দূর্ঘটনায় দুজনের মৃত্যুর পর সর্বমঙ্গলা মন্দিরে কামান দাগা বন্ধ হয়ে যায়।তালিতের ভট্টাচার্য বাড়ির পুজোয় এখনো এতটুও ভাটা পড়েনি। পরিবারের কনিষ্ঠ সদস্য সৌরভ ভট্টাচার্য্য জনতার কথা কে জানান, সারা বছর দেশে বিদেশে পরিবারের সদস্যরা থাকলেও এই চারটে দিন তাঁরা একত্রিত হয়ে মহানন্দে কাটিয়ে দেন। গত দুবছর করোনার কারণে পুজোয় জমায়েত একটু কম হলেও জৌলুস কমেনি এতটুকু। বছরের পর বছর পুরোনো রীতি মেনেই পালিত হয়ে আসছে আমাদের তালিতের জমিদার বাড়ির (ভট্টাচার্য পরিবারের) দুর্গাপুজো। ২০২২এর প্যানোরামা শারদ সন্মান সেরা বনেদী বাড়ির পুজো তে তাঁদের সন্মানিত করা হয়।

অক্টোবর ০৪, ২০২২
রাজ্য

রাঢ়ভূমি নারায়ণপুরের সরকার বাড়ির দু'শো বছরের পুরনো পুজো, দ্বিভুজা মা দুর্গার কার্তিক গণেশহীন মর্ত্যে আগমন

পুজো শুরু কাল। নারায়ণপুরে দেশের বাড়িতে দুশো বছরের বেশী পুরোনো পুজো আমাদের। এই পঞ্চান্ন বছরের জীবনে একবার ছাড়া কখনও গ্রামের বাইরে পুজো কাটাই নি। এটা আনন্দের চেয়েও বেশী একটা অভ্যাস... পরম্পরা... ঐতিহ্যরক্ষার দায়িত্ববোধ ।পেশাগত সব দায়িত্ব তাই গুটিয়ে ফেলেছি শুক্রবার রাতের মধ্যেই। আজ সকাল থেকেই বেরোনোর তোড়জোড়। মেয়ে কলকাতার বাসা থেকে বর্ধমান এসে পড়লো দুপুরেই। রূপা ওকে নিয়ে গাড়িতে লটবহর তুলে গ্রামের বাড়ি যাবে কাল সকালে। আমার যাওয়া আজই।সবদিক সামলে সুমলে স্কুটারের সামনে সুটকেস ঠেসে নিয়ে রওনা দিলাম, ঘড়িতে তখন বিকেল তিনটে পঁচিশ। বাড়ি থেকে আধ কি.মি. দূরেই জাতীয় সড়ক; আজ বিকেলে কেন কে জানে গাড়ির চাপ একটু কম। তবু গাঁক গাঁক করে ছুটে আসা ট্রাক-ডাম্পার-দূরপাল্লার বাস-পেরাইভেটদের থেকে সদাসন্ত্রস্ত আমি এগোলাম কোনোমতে। জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজ চলছে; যেখানে সেখানে রাস্তার ধারে একমানুষ সমান খোঁড়াখুঁড়ি... কংক্রিটের বাফার... ক্রেন... পে লোডার। কোনোমতে গুড়গুড় করে বিশ মিনিটে সাড়ে সাত কি.মি. পাড়ি দিয়ে নবাবহাট মোড়--- দু নং জাতীয় সড়ক ছেড়ে উত্তরমুখী সিউড়ি রোডে ঢুকে পড়া গেল; যেন প্রাণ আসলো ধড়ে!মসৃণ পীচঢালা রাস্তা... গাড়ি কম... দুপাশ শ্যামলে শ্যামল, আকাশ নীলিমায় নীল। একশো আট শিবমন্দির-এ ভ্রমণার্থীদের ভিড়। তালিত রেলগেট হাট করে খোলা, অন্তহীন অপেক্ষা থেকে রেহাই পেলাম তাই। বাড়ি থেকে উনিশ কি.মি. আসার পর হলদী-র কাছে খড়ি নদীর সেতু পেরিয়ে ঢুকে পড়লাম ডানদিকে।বিস্ময়ের ওপর বিস্ময়! এই সদা-আহত রুগ্ন গ্রামীণ পথও এখন বেশ ঝাঁ চকচকে। পুরুষ্টু ধানের শীষে দোল খেয়ে যাচ্ছে বাতাস... তারে দোল খাচ্ছে ফিঙে- বাঁশপাতি-মাছরাঙা... মাঝেমাঝেই ঘুঘুদম্পতিদের উড়ে যাওয়া পথের এপাশ থেকে ওপাশে। এদিকের গ্রামগুলি বেশ সাফসুতরো; কিছু বাড়িতে রঙের পোঁচ পরেছে নতুন, কিছু বাড়ি মলিন ও পারিপাট্যহীণ... সম্ভবত বাসিন্দারা ভাগ্যান্বেষণে চলে গেছেন অন্যত্র। থৈ থৈ করছে পুকুরগুলি... ধারে বকবাবাজীদের একঠেঙে প্রার্থনা... কোথাও খোঁটায় বসে ডানা শুকাচ্ছে পানকৌড়ি...প্রকৃতিতে বেশ একটা শান্ত তৃপ্ত ভাব যেন আজ! শষ্যক্ষেত্রের সোনার গানে সমান তানে যেন যোগ দিয়েছে সবাই, সুর ভাসিয়ে দিয়েছে ভরন্ত পুকুরের অমল জলরাশিতে, প্রকৃতি যেন নিমগ্ন আজ মহাষষ্ঠীর পরম প্রেয় লগ্নের প্রত্যাশায়।মাহিনগর-মোহনপুর-হরিবাটি-কামারপাড়া-ধান্দলসা-বিঘড়ে পেরিয়ে এসে গেল নারায়ণপুর --- বাড়ি থেকে উনত্রিশ কি.মি. পথ পেরিয়ে, ঠিক সত্তর মিনিটের মাথায়। স্কুলমোড় দিয়ে ঢুকে গাঁয়ের মধ্যে কংক্রিট-বাঁধানো এক কি.মি. আঁকাবাঁকা পথ ধরে অবশেষে পৌঁছে গেলাম আমাদের সাবেক ভদ্রাসনে।জ্যেঠতুতো দাদারা ও ছোটকাকা এসে পড়েছে ইতিমধ্যেই। বাবা-মাকে তো পাঠিয়ে দিয়েছিলাম চতুর্থী-র দিনই। সবার সাথে দেখাশোনা কুশলবিনিময় হতে হতেই দিনের আলো নিভে এলো , বেজে উঠলো ঢাকের বাদ্যি।সকাল-সন্ধ্যায় ঠাকুরতলায় ঢাক-ঢোল-কাঁসি-র এই একপ্রস্থ বৃন্দবাদনকে এখানে বলা হয় ধেমুল। কোন শব্দের অপভ্রংশ এটা জানিনা, তবে শুনেছি ভোরবেলা এই বাজনা দিয়ে ঠাকুরের ঘুম ভাঙানো হয়, আর সাঁঝের ঝোঁকে এর উদ্দেশ্য দেবতার বন্দনা। ছোটোবেলায় এই ধেমুল-এর সাথে সন্ধ্যের মুখে প্রবল নাচানাচি করতাম একপাল সমবয়সী ছেলেপিলে মিলে; আর আজ বাজনদারেরা ঢাকের বোল তুললো প্রায় ফাঁকা মণ্ডপে।গ্রাম এখন বলতে গেলে শুনশান, বিশেষত আমাদের পাড়ায় স্থায়ী বাসিন্দা এখন বিরল। প্রায় পঁচিশটি পরিবারের মধ্যে অর্ধেক বাড়িতে কেউই থাকেন না, শহরবাসী হয়েছেন সবাই। বাকি বাড়িগুলিতে প্রৌঢ় দম্পতি বাপ-পিতেমো-র ভিটে আগলাচ্ছেন কোনোমতে, ছেলেমেয়েরা কর্মসূত্রে পাকাপাকিভাবে বাইরে। রাঢ়ভূমির গ্রামের পর গ্রামে এটাই এখন সাধারণ চিত্র। ভাবতে ভয় হয়, এই প্রজন্মের পর বাংলার গ্রামগুলি কি একেবারেই উজাড় হয়ে যাবে--- ছিয়াত্তরের মণ্বন্তর, বর্গীর আক্রমণ, বা ম্যালেরিয়া-ওলাউঠোয় ছাড়খার হয়ে যাওয়া বাংলার মতো?আমাদের এই পুজো ব্যতিক্রমী , কারণ মা এখানে পূজিতা হন মহিষাসুরমর্দিনী নয়, হরগৌরী-রূপে। মায়ের দুইটি হাত, বসে আছেন মহেশ্বরের পাশে, দুপাশে সরস্বতী ও লক্ষ্মীকে নিয়ে। সিংহ-অসুর-কার্তিক-গনেশ কেউ নেই, আছেন বরং নন্দী ও ভৃঙ্গী। নিপাট ঘরোয়া রূপে এই মাতৃপূজা চলছে কত কাল, সঠিক জানা নেই কারো। তবে লিখিত নথি আছে অন্ততঃ দুশো বছর আগে পর্যন্ত।ঠাকুরতলায় ছায়া দিচ্ছে যে বিশাল অশ্বত্থগাছটি, আমার সাতাশি বছর বয়সী বাবাও আজন্ম তাকে দেখে আসছেন ঠিক এমনটিই! একসময় বিকেলে তার ডালে ডালে অগুনতি টিয়াপাখির কলরবে মানুষের কথা শোনা যেত না, আজ সেখানে সম্পূর্ণ নীরবতা। সব টিয়া নাকি ধরে নিয়ে গেছে পাখিচোরেরা; আবার কারো কারো বক্তব্য গাছের কোটরে সাপ থাকে, তারাই নাকি পাখির ডিম খেয়ে খেয়ে বংশলোপ করে দিয়েছে!সন্ধ্যায় দেবীর বোধন। কুলপুরোহিত বুড়োদা ও নুপুরদা স্বল্পালোকিত মন্ডপে বসে নিষ্ঠাভরে ক্রিয়াকর্ম সারলেন। শুরু হয়ে গেল মাতৃবন্দনা। কাল সকাল সাতটায় নবপত্রিকা স্নান করাতে যাওয়া হবে পালকি চড়িয়ে।ডঃ সুজন সরকার,বর্ধমান।

অক্টোবর ০২, ২০২২
রাজ্য

উৎসবে কাতারে কাতারে মানুষ মেট্রোতে, ষষ্ঠীতে আয় কোটির ওপর

করোনা আবহ পেরিয়ে এবার দুর্গাপুজোয় মহানগর ভিড়ে ঠাসা। রেকর্ড ভিড় মেট্রোতেও। শহরের এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত যাওয়ার ক্ষেত্রে মেট্রোকেই ভরসা যাত্রীদের। তাই রোজই নতুন নতুন রেকর্ড গড়ছে মেট্রো। চতুর্থী থেকে ষষ্ঠী পর্যন্ত কলকাতা মেট্রো কোটি কোটি টাকার ওপর আয় করেছে। গড় যাত্রী সংখ্যা নিত্য দিন প্রায় ৭ লক্ষ। দিনভর পরিষেবা দিচ্ছে মেট্রো। যাত্রী সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় টিকিট কাউন্টারের সংখ্যাও বাড়িয়েছে কতৃপক্ষ। মেট্রো রেল জানিয়েছে, ষষ্ঠীতে সাড়ে ৭ লক্ষেরও বেশি যাত্রী মেট্রোতে চড়েছেন। গতকাল অর্থাৎ ১ অক্টোবর মেট্রো রেলের মোট যাত্রী সংখ্যা ছিল ৭ লক্ষ ৫৩ হাজার ৩৯০ জন। ষষ্ঠীতে মোট ২৮৮টি ট্রেন চালিয়েছে কলকাতা মেট্রোরেল। এই দিন টোকেন, স্মার্ট কার্ড বিক্রি এবং স্মার্ট কার্ড রিচার্জে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের মোট আয় হয়েছে ১ কোটি ২৮ লক্ষ ৯৭ হাজার ৩৩০ টাকা।ষষ্ঠীতেও সর্বাধিক যাত্রী চড়ার রেকর্ড দমদম স্টেশনের। দমদমে ১ অক্টোবর ৮৭ হাজার ৩৬৪ জন যাত্রী মেট্রোয় চেপেছেন। কালীঘাট স্টেশন থেকে ৬০ হাজার ৯৮৮ জন, এসপ্ল্যানেড থেকে ৪৫ হাজার ৩০১ জন এবং রবীন্দ্র সদন থেকে ৩৭ হাজার ১৪ জন যাত্রী ষষ্ঠীতে মেট্রোয় চেপেছেন। গতকাল ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোয় ৩৬ হাজার ২৭৫ জন যাত্রী মেট্রোয় চেপেছেন।

অক্টোবর ০২, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতার মদতে মারধর করে খুনের অভিযোগ মৃতার পরিবারের

পারিবারিক বিবাদের জেরে স্ত্রী ও শ্বাশুড়িকে মারধরের অভিযোগ পূর্ব বর্ধমানের আলুডাঙ্গা এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী শেখ ফিরোজের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় শ্বাশুড়ি আজো রাউতের মৃত্যু ঘটেছে। তার পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, মারধর করেই তাকে খুন করা হয়েছে। অন্যদিকে এই ঘটনার পিছনে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা শিবশঙ্কর ঘোষের হাত আছে বলে পরিবারের সদস্যদের দাবি করেন। যদিও শিবুবাবু এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এই ঘটনা ঘটেছে বর্ধমানের লোকো এলাকায়।পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ গতকাল তাদের জামাই ভাগ্নেকে নিয়ে মদ্যপ অবস্থায় তাদের বাড়ি আসে। এসে সে ডিভোর্সের মামলা করার জন্য হম্বিতম্বি করতে থাকে। একইসঙ্গে নিজের স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর করতে থাকে। তাকে বাঁচাতে ছুটে এলে শ্বাশুড়িকে ভীষণভাবে মারে। তার জেরেই তিনি মারা যান বলে পরিবারের সদস্যদের দাবি।মৃতার মেয়ে ও তার ভাই জানায়, বেশ কয়েকবছর আগে তাদের বিয়ে হয়। বিয়েতে পণ ও দানসামগ্রী সব দিয়েও জামাইয়ের মন পাওয়া যায়নি। সে মদ্যপ অবস্থায় স্ত্রীকে লাগাতার নির্যাতন করতো। উপায়ান্তর না দেখে মেয়েটি ছেলেমেয়েকে নিয়ে লোকো নেপালী পল্লীতে বাপের বাড়ি চলে আসে। পরে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা করা হয়। তাদের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা শিবু ঘোষ বারবার তাদের ডেকে হুমকি দিয়েছেন। অভিযোগ তুলে নেবার চাপ দিয়েছেন। এমনকি অফিসে ডেকেও ভয় দেখিয়েছেন। এছাড়াও তার হস্তক্ষেপেই স্থানীয় পার্টি অফিসে গিয়েও সুবিচার পাননি তারা। তাদের দাবি অভিযুক্ত শেখ ফিরোজ শিবু ঘোষের অনুগামী। তার উস্কানিতেই সে এত বড় ঘটনা ঘটিয়েছে। এ ঘটনা নিয়ে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে শেখ ফিরোজকে। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।অন্যদিকে স্থানীয় তৃণমূল নেতা শিবশঙ্কর ঘোষ জানান, এ বিষয়ে তার কিছু জানা নেই। তার অফিসে বা পার্টি অফিসে কোনো মিটিং হয়নি। পরিবারের সদস্যরা শেখ ফিরোজের চরম শাস্তি দাবি করেছেন।

অক্টোবর ০২, ২০২২
রাজ্য

নবপত্রিকা স্নানের মধ্যে দিয়ে মহা সপ্তমীর পূজা শুরু

মহাষষ্ঠী অতিক্রান্ত করে আজ সকালে নবপত্রিকা স্নানের মধ্য দিয়ে পারিবারিক প্রথা মেনে বর্ধমানে সেরা বনেদী বড়ির শিরোপা জয়ী দাস বাড়ির পুজো শুরু হল। পরিবারের সকল সদস্যরা বাড়ি থেকে নবপত্রিকা নিয়ে বর্ধমান শহরের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া বাঁকা নদীর ক্ষেত্রপাল ঘাটে যান। সেখানে পুজো পাঠ এবং শঙ্খ ও উলুধ্বনির মধ্যে দিয়ে নবপত্রিকা স্নান করান পরিবারের উত্তর পুরুষ শিব শঙ্কর দাস। এরপর দুর্গামন্দিরে এনে বিশেষ পুজোর পর নবপত্রিকাকে নতুন বস্ত্র পরিধান করিয়ে শুরু হয় মহাসপ্তমীর পুজো।

অক্টোবর ০২, ২০২২
রাজ্য

দুর্গা পুজোয় শব্দবাজির দাপট নিয়ন্ত্রণে বড়সর সাফল্য বর্ধমান থানার

বর্ধমান থানার পুলিসের তৎপরাতায় উদ্ধার বিপুল পরিমাণের শ্বব্দবাজি। মহালয়ার রাত্রে ব্যপক দাপট দেখিয়েছিল শব্দবাজি। শহরবাসী শব্দের পরাক্রমে রাতের প্রহর গুনে কাটিয়েছে। পুজোয় বাজির দাপট কমাতে সতর্ক ছিল পুলিশ। পুজোর মুখেই বর্ধমান থানার পুলিশ প্রচুর পরিমাণে শব্দবাজি উদ্ধার করলো। পঞ্চমীর সন্ধ্যায় বর্ধমান থানার পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তেঁতুলতলা বাজারে অভিযান চালায়। প্রথম অভিযানে সাফল্য না পেলেও, পরে এক ক্রেতাকে ট্রাক করে গোডাউনে পৌঁছয় পুলিশ। গলির ভিতর থেকে লুকিয়ে বিক্রি হচ্ছিল বাজি, অভিযোগ পুলিশের। ওই গোডাউন থেকে প্রচুর পরিমাণে শব্দবাজি উদ্ধার হয়। নিষিদ্ধ শব্দবাজি বিক্রির অপরাধে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে শনিবার আদালতে তোলা হবে।

অক্টোবর ০১, ২০২২
রাজ্য

রসুলপুরে নাবালিকার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার এক

পূর্ব বর্ধমানের রসুলপুর নতুন গেট এলাকায় নাবালিকার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে নেমে জড়িত সন্দেহে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জেরা করতে চায় পুলিশ। ধৃতের নাম রবীন্দ্রনাথ সরকার ওরফে পলাশ সরকার। বাড়ি রসুলপুর এলাকাতেই। মৃতার বাড়ির কাছেই তার বাড়ি। জেলা পুলিশের পক্ষে অতিরিক্ত পুলিশসুপার কল্যাণ সিংহ রায় জানিয়েছেন, পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তদন্তের স্বার্থে এর থেকে বেশি বলা সম্ভব নয়। অন্যদিকে মৃতার আত্মীয় সুরজিৎ মণ্ডল জানিয়েছেন, মেয়েটি খুবই নম্র ভদ্র ছিল। একটি ছেলের সাথে তার প্রেমের কথা বাড়িতে জানত। কয়েকমাস পরে সাবালিকা হবার পর তার বিয়ের জন্য সব যোগাড় চলছিল। এরমধ্যে এইরকম একটি সাধারণ মেয়ের এইভাবে হত্যা কেউ মেনে নিতে পারছে না। তাঁদের ধারণা কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে ভোরবেলা ঘরে ঢুকেছিল। তারপর তাকে চিনে ফেলায় এই কান্ড ঘটিয়েছে। যে বা যারা এই কাজে যুক্ত তাদের কঠোর শাস্তি হোক। ধৃত ছেলেটিও সন্দেহের আওতায়। তার নাকি জিভ কেটে গেছে। সে বাইরে থেকে চিকিৎসা করিয়ে এনেছে বলে তাদের দাবি। অন্যদিকে এই ঘটনা নিয়ে আজও এলাকায় শোকের ছায়া রয়েছে।গতকাল সকালে এক নাবালিকার রহস্যজনক মৃত্যেকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ায় পূর্ব বর্ধমানের রসুলপুর নতুন রাস্তা এলাকায়। মেয়েটির বয়স মাত্র সতেরো। তার মা ও এলাকাবাসীর ধারণা, তাকে কেউ খুন করেছে। পুলিশ খুনের অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে। জেলা পুলিশ সুপার জানিয়েছিলেন, এ ব্যাপারে ফরেন্সিক টিমের সাহায্য নেওয়া হবে। পূর্ব বর্ধমানের রসুলপুর রেলগেটের কাছে নতুন রাস্তা এলাকায় মৃতার বাড়ি। তার মা দুই ছেলেমেয়েকে নিয়ে থাকেন। প্রতিদিন ভোরে তিনি সব্জি আনতে মেমারি যান। সেদিনও মেয়েকে বলেই বেরোন। মেয়েকে জানিয়ে বাইরে দিয়ে দরজা লাগিয়ে যান। আলোও জ্বালা ছিল। সকাল ৭ টা নাগাদ তিনি ফিরে আসেন। তিনি ও তার ভাইপো গিয়ে দেখেন মেয়ের কোনও সাড় নেই। বালিশটা একপাশে পড়ে আছে। মুখটা কিছুটা ফোলা। তাদের চিৎকারে এলাকার মানুষ ছুটে আসেন। এসে দেখা যায় মেয়েটি মৃত। এরপর পুলিশ আসে। উত্তেজিত এলাকাবাসী মৃতদেহ নিয়ে যেতে বাঁধা দেন। তাদের বুঝিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য দেহ পাঠায় পুলিশ। এলাকায় তদন্তে যান জেলা পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২২
রাজ্য

গুসকরাগামী বাসে লক্ষাধিক টাকার গহনা কেপমারি, সিভিকের তৎপরতায় মুহূর্তে উদ্ধার সামগ্রী

বর্ধমান থেকে গুসকরাগামী বাসে লক্ষাধিক টাকার গহনা কেপমারির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল। শুক্রবার এগারোটা নাগাদ দোওয়ানদীঘি থানার মাহিনগরের বাসিন্দা গৃহবধূ মিলন মিশ্র বাসে চেপে গুসকরা বাপের বাড়ি যাচ্ছিলেন। সেই সময় বাসের মধ্যে তাঁর ব্যাগ থেকে দুটি সোনার শাঁকা বাঁধানো, দুটি পলা বাঁধানো ও নগদ হাজার টাকা কেপমারি হয়ে যায় বলে অভিযোগ। বাসের এক কর্মী ওই মহিলাকে জানান যে আপনার ব্যাগের চেন খোলা। মনে হচ্ছে আপনার ব্যাগ থেকে চুরি গিয়েছে। তখন তিনি সঙ্গে সঙ্গে দেখেন ব্যাগে থাকা সোনার জিনিসপত্র ও টাকা নেই। তখন তিনি কৌরুঞ্জি মোড়ে নেমে যান। নেমে যাওয়ার পর তিনি স্থানীয় সিভিক ভলেন্টিয়ারকে গোটা বিষয়টি জানান। ঘটনা শুনেই ওই সিভিক ভলেন্টিয়ার তৎপর হন। তিনি জানতে পারেন ওই বাস থেকে দুই মহিলা কয়রাপুরে নেমে গিয়েছে। তারপর কয়রাপুর থেকে টোটো ধরে বর্ধমানের দিকে যাচ্ছে দুই মহিলা। সঙ্গে কোলে বাচ্চা রয়েছে। হলদি মোড়ে তাঁদেরকে আটক করা হয়। মহিলাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় চুরি যাওয়া সামগ্রী। দেওয়ানদীঘি থানার পুলিশ তাঁদেরকে আটক করে নিয়ে যায়।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমান শহরে ক্লাব ভাংচুরের অভিযোগ কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে, উত্তপ্ত এলাকা

পুজোর মুখে বর্ধমানে ক্লাব ভাংচুরের অভিযোগ উঠল পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার রাতে ওই ওয়ার্ডের লক্ষ্মীপুর মাঠ এলাকায়। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কউন্সিলর সুমিত শর্মা।জানা গিয়েছে, ওই ক্লাবের মধ্যে চলতো এনজিওর কাজ। এনজিওর সদস্যদের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার রাতে ওই এলাকার কাউন্সিলর সুমিত শর্মার নেতৃত্বে কিছু যুবক এসে তাঁদের ক্লাব ও গাড়ি ভাঙচুর করে। পাশাপাশি মহিলাদের সাথে অশ্লীল আচরণ করে। এমনকি তাদের প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে লক্ষ্মীপুর মাঠ এলাকায়। যদিও এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন কাউন্সিলর সুমিত শর্মা।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২২
রাজ্য

সব্জী ব্যবসায়ী মায়ের অনুপস্থিতিতে মেয়ের অস্বাভাবিক মৃত্যু বর্ধমানের রসুলপুরে

এক নাবালিকার রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য পূর্ব বর্ধমানের রসুলপুর নতুন রাস্তা এলাকায়। মেয়েটির বয়স মাত্র সতেরো। তার মা ও এলাকাবাসীর ধারণা, তাকে কেউ খুন করেছে। পুলিশ খুনের অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে। জেলা পুলিশসুপার জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে ফরেন্সিক টিমের সাহায্য নেওয়া হবে।পূর্ব বর্ধমানের রসুলপুর রেল গেটের কাছে নতুন রাস্তা এলাকায় মৃতার বাড়ি। তার মা দুই ছেলেমেয়েকে নিয়ে থাকেন। প্রতিদিন ভোরে তিনি সব্জি আনতে মেমারি যান। আজ ও মেয়েকে বলেই বেরোন। মেয়েকে জানিয়ে বাইরে গিয়ে দরজা লাগিয়ে যান। আলোও জ্বালা ছিল। সকাল ৭ টা বাজতে ১০ মিনিট আগে তিনি ফিরে আসেন। তিনি ও তার ভাইপো গিয়ে দেখেন মেয়ের কোনো সাড় নেই। বালিশ টা একপাশে পড়ে আছে। মুখটা কিছুটা ফোলা। তাদের চিৎকারে এলাকার মানুষ ছুটে আসেন। এসে দেখা যায় মেয়েটি মৃত। এরপর পুলিশ আসে। উত্তেজিত এলাকাবাসী মৃতদেহ নিয়ে যেতে বাঁধা দেন। তাদের বুঝিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য দেহ পাঠায় পুলিশ।এলাকায় এসেছেন জেলা পুলিশসুপার কামনাশীষ সেন সহ পুলিশের টিম।জেলা পুলিশসুপার জানান; ঘটনাটি সকালের দিকেই ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। তারা ফরেন্সিক টিম ডেকেছেন।মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পুলিশ তদন্তে নেমেছে। এর কিনারা করবেই পুলিশ।মৃতা মেয়েটি বৈদ্যডাঙ্গা গার্লস স্কুলে পড়তো। তার মৃত্যতে শোকের ছায়া এলাকায়।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২২
রাজ্য

বেআইনিভাবে চাকরিপ্রাপ্তদের স্বেচ্ছায় ইস্তফার নির্দেশ, এসএসসি নিয়ে কড়া বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

বেআইনি ভাবে অযোগ্য নিয়োগকারীদের কোনও ভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না, ফের নয়া নির্দেশ দিয়ে বুঝিয়ে দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। দুর্নীতির সঙ্গে কোনওভাবেই আপস করা হবে না। বেআইনি ভাবে স্কুলশিক্ষক এবং অ-শিক্ষক পদে কর্মরতদের উদ্দেশে বুধবার কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি এদিন বলেছেন, টাকা ঘুষ দিয়ে যাঁরা চাকরি পেয়েছেন, তাঁরা নিজেরাই চাকরি থেকে পদত্যাগ করুন। ৭ নভেম্বর পর্যন্ত ইস্তফার মেয়াদ। না হলে তাঁদের বরখাস্ত করা হবে। এঁরা যাতে ভবিষ্যতে আর কোনও সরকারি চাকরি না পান সেই ব্যবস্থা করবে আদালত।রাজ্যে স্কুলশিক্ষক এবং অ-শিক্ষকদের নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতির তদন্ত ও আদালতের নানা নির্দেশ নিয়ে তোলপাড়। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পর্যবেক্ষণ, নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগ পরীক্ষায় প্রচুর সংখ্যক সাদা খাতা জমা দেওয়া হয়েছে। কিছু খাতায় শুধুমাত্র পাঁচ-ছটি প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়েছে। তার পরও ওই চাকরিপ্রার্থীরা ৫৩ নম্বর পেয়েছেন। গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি-র পরীক্ষায়ও একই জিনিস হয়েছে। আইনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে কতজনকে সুপারিশপত্র দেওয়া হয়েছে তা-ও জানতে চেয়েছেন বিচারপতি।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২২
রাজ্য

এক্সিস ব্যাঙ্কের বোলপুর শাখায় ভয়াবহ আগুন, রহস্যের গন্ধ!

এক্সিস ব্যাঙ্কের বোলপুর শাখায় ভয়াবহ আগুন লাগে। ঘন ধোঁয়ার কুন্ডলী বের হতে থাকে। এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে। দমকলের দুটি ইঞ্জিন আগুন আয়ত্বে আনার চেষ্টা করছে৷ উল্লেখ্য, গরু পাচার মামলায় তদন্তে নেমে এই ব্যাঙ্কের শাখায় একাধিকবার হানা দিয়েছে সিবিআই। জানা গিয়েছে, এই শাখায় অনুব্রত মণ্ডলের মেয়ে সুকন্যা মণ্ডল, দেহরক্ষী সায়গল হোসেন সহ ঘনিষ্ঠদের একাউন্ট রয়েছে৷ এছাড়া সুকন্যা মণ্ডলের নামে কেনা জমির লেনদেন এই এক্সিস ব্যাঙ্কের বোলপুর শাখার মাধ্যমেই হয়েছিল৷ এই আবহে এই ব্যাঙ্কে ভয়াবহ আগুন৷ তথ্য লোপাটের জন্যই কি এই আগুন? নানা মহলে উঠছে এই প্রশ্ন৷

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২২
রাজ্য

মফস্বল ও শহরতলি থেকে কলকাতায় রাত জেগে প্রতিমা দর্শনঃ রাতভোর লোকাল ট্রেনের সময়সূচি জানুন

বাংলার দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কো হেরিটেজ তকম দিয়েছে। তা নিয়ে মাতোয়াড়া বাংলা। এদিকে কলকাতার প্রতিমা দর্শনে সাধারণের সুবিধা করতে প্রতিবারের মতো এবারও এগিয়ে এসেছে পূর্ব রেল। দুর্গা-পুজোয় ঠাকুর ও প্যান্ডেল দেখার জন্য একগুচ্ছ অতিরিক্ত ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত পূর্ব রেলের। পুজোতে রাতভর ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত কথা জানালো রেল। পূর্ব রেলের শিয়ালদহ ডিভিশনে ২০টি স্পেশাল ট্রেন দুর্গাপুজোর পঞ্চমী থেকে দশমী অবধি চালানো হবে বলে জানানো হয়েছে। এই বাড়তি ট্রেন গুলি শিয়ালদহনৈহাটি, শিয়ালদহরানাঘাট, শিয়ালদহবনগাঁ, শিয়ালদহ-ডানকুনি ও দক্ষিণ শাখায় স্পেশাল বজবজ এবং বারুইপুর লোকাল চালানো হবে বলে সুত্রে জানা গেছে।কোন ষ্টেশন থেকে কোন সময় স্পেশাল ট্রেনগুলি ছাড়বে জেনে নিনঃ* শিয়ালদহ থেকে রানাঘাট যাবার শেষ ট্রেন শিয়ালদহ ষ্টেশন ছাড়বে রাত ১২ টা ৪০ মিনিটে। রানাঘাট থেকে শিয়ালদহ আসার লোকাল ট্রেন রানাঘাট ছাড়বে রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে।* দুটি স্পেশাল শিয়ালদহ-নৈহাটি লোকাল চালানো হবে রাতে। রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে একটি ট্রেন শিয়ালদহ থেকে ছাড়বে, অপরটি ২টা ৩০ মিনিটে। ওই একই শাখায় নৈহাটি থেকে শিয়ালদহের উদ্দেশে শেষ দুটি ট্রেন ছাড়বে যথাক্রমে রাত ১২টা ২৫মিনিট ও রাত ২টা ৫৫ মিনিটে।* শিয়ালদহ - বনগাঁর লাইনের শেষ ট্রেন শিয়ালদহ ষ্টেশন ছাড়বে রাত ১২টা ৪০ মিনিটে। অন্যদিকে বনগাঁ থেকে শেষ শিয়ালদহ আসার শেষ লোকাল ছাড়বে রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে।* শিয়ালদহ-ডানকুনি শেষ লোকাল ট্রেন শিয়ালদহ ছাড়বে রাত ১১টা ৩০ মিনিটে। আবার ডানকুনি থেকে শিয়ালদহের উদ্দেশে শেষ ট্রেন ছাড়বে রাত ১২টা ২৫ মিনিটে।* এছাড়া অতিরিক্ত ভিড় ও ঠাকুর দেখার জন্য পুজোর সময় এক জোড়া রানাঘাট-বনগাঁ লোকাল ট্রেন চলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল দপ্তর। রানাঘাট থেকে বনগাঁ যাওয়ার শেষ লোকাল ট্রেনটি ছাড়বে রাত ১০টায়। অপরদিকে, রানাঘাট আসার শেষ ট্রেন বনগাঁ ষ্টেশন ছাড়বে ৯ টা ৫৮ মিনিটে।* শিয়ালদহ-বারুইপুর শাখায় তিন জোড়া লোকাল ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পূর্ব রেল। শিয়ালদহ থেকে সেই তিনটি ট্রেন ছাড়বে যথাক্রমে- দুপুর ৩টা ২০ মিনিট, রাত ১২টা ৩০ এবং ২টা ২০ মিনিটে।* বারুইপুর থেকে শিয়ালদহ আসারও ট্রেন সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। ওই শাখায় তিনটি লোকাল ট্রেন দেওয়া হয়েছে। একটি বিকেল ৪টা ৩৮ মিনিটে, বাকি দুটি রাত ১টা ২৫ মিনিটে ও ভোর ৩টা ১০ মিনিটে।* শিয়ালদহ-বজবজ শাখায়, বজবজ স্টেশন থেকে শিয়ালদহ আসার শেষ লোকাল ট্রেন ছাড়বে রাত ১২টা ৩০ মিনিটে। অপরদিকে শিয়ালদহ থেকে বজবজের উদ্দশ্যে শেষ ট্রেন ছাড়বে রাত ১১টা ৩০ মিনিটে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২২
রাজ্য

লাগাতার যাত্রীদের দুর্ভোগের পর আপাতত SBSTC -তে ধর্মঘট উঠলো

দক্ষিণবঙ্গ সরকারি পরিবহণ সংস্থায় অস্থায়ী ও চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের ধর্মঘট আপাতত উঠে গেল। পরিবহণমন্ত্রী স্নেহাশিষ চক্রবর্তী এই কর্মীদের মাসে ২৬ দিন কাজের আশ্বাস দিয়েছিলেন। পাশাপাশি বলেছিলেন কালীপুজোর পর আলোচনায় বসবেন ধর্মঘটী কর্মীদের সঙ্গে। তবে পুজোর মুখে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথা ভেবে আন্দোলন তুলে নেওয়া উচিত। শেষমেশ কর্মবিরতি তুললো ধর্মঘটীরা।আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, পরিবহণমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন কালীপুজোর পর তাঁদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। তাছাড়া পুজোর মুখে সাধারণ মানুষের ভোগান্তিও বাড়ছিল। এসব কথা ভেবেই কর্মবিরতি তুলে নেওয়া হল। সাতদিনের বাস ধর্মঘটের ফলে দক্ষিণবঙ্গের মানুষ নিদারুণ দুর্ভোগদের মধ্য়ে পড়ে। আন্দোলনকারীরা জানাচ্ছিল, লিখিত না দিলে তাঁরা ধর্মঘট তুলবে না। পুজোর মুখে এই ধর্মঘটের ফলে যাতায়াত ব্য়বস্থা বড় ধরনের সঙ্কটের মধ্য়ে পড়েছিল।প্রসঙ্গত, আন্দোলনকারীরা সকলেই তৃণমূল সরকারের আমলেই কাজে যোগ দিয়েছেন। সংগঠনের পতাকা নিয়ে আন্দোলন করলেও আইএনটিটিইউ রাজ্য সভাপতি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছিল ধর্মঘটীদের সঙ্গে সংগঠনের কোনও সম্পর্ক নেই। তবে ধর্মঘটীরা কোথাও আইএনটিটিইউসির বা কোথাও তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা নিয়েই কর্মবিরতি পালন করেছে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২২
রাজ্য

এবার বর্ধমানে শাসক দলের নেতা জড়ালেন 'খাস' কেলেঙ্কারীতে

খাস জমি নিজের বাবা মায়ের নামে পাট্টা রেকর্ড করে নেওয়ায় অভিযোগ উঠলো প্রাক্তন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে। পূর্ব বর্ধমানের গলসি ব্লকের ভূমি দপ্তরের কাজ নিয়ে ভুরি ভুরি অভিযোগ তুলছেন সাধারণ মানুষ। যা নিয়ে বারবার ক্ষুব্ধ হয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তবে এবার গলসিতে ৬৭ শতক খাসজমি নিজের বাবা ও মায়ের নামে রেকর্ড করে নেওয়ায় অভিযোগ উঠেছে খোদ গলসি ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি রুবিমনি কিস্কুর বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই গলসি ২ নম্বর ব্লক বিএলআরওকে লিখিত ভাবে অভিযোগে জানিয়েছেন গলসি ২ নম্বর ব্লকের মসজিদপুর গ্রামপঞ্চায়েতের তেঁতুলমুড়ি গ্রামের বাসিন্দারা। পাশাপাশি এই ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছেন বিরোধীরা। বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছে বিজেপি ও সিপিআইএম। অভিযোগে গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, গলসি ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি রুবিমনি কিস্কু তার সময়েই ওই দুর্নীতি করেছেন। তাদের দাবী, ক্ষমতা ও টাকার বলে ওই জমির পাট্টা বের করে নিজের বাবা ও মায়ের নামে রেকর্ড করিয়েছেন রুবিমনি। তবে জমিটি এখনও তেঁতুল মুড়ি গ্রামের কয়েকজন চাষি চাষ করেন। অভিযোগকারীরা আরও জানিয়েছেন, বেলান মৌজায় অবস্থিত ওই জমিটির দাগ নম্বর ১০৫৪। গোরা জমিটির পরিমাণ ২ একর ৭৬ শতক। সেখান থেকেই ৬৭ শতক জমি পাট্টা রেকর্ড করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছেতবে জমিটি এখনও স্থানীয় চাষিদের দখলেই রয়েছে। মূল্যবান ওই জমিটি গলসি-শিকারপুর রোডের পাশে অবস্থিত। বিষয়টি নিয়ে গলসি ২ নম্বর ব্লকের বিএলআর প্রবোধ আড্ড এই বিষয়ে কিছু বলতে অস্বীকার করেন।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 92
  • ...
  • 196
  • 197
  • ›

ট্রেন্ডিং

টুকিটাকি

আমলকী: বর্ষাকালে কতটা উপকারী? সারা বছর কি খাওয়া যায়? এর গুণাগুণ কী?

আমলকী (Indian Gooseberry) আয়ুর্বেদে অমৃত ফল নামে পরিচিত। আধুনিক গবেষণাতেও দেখা গেছে, এটি ভিটামিন সি, পলিফেনল, ফাইবার ও শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে সমৃদ্ধ। তাই বর্ষাকালসহ সারা বছর পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে।বর্ষাকালে আমলকী কেন উপকারী?বর্ষাকালে আর্দ্রতা ও আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে সর্দি-কাশি, ভাইরাল সংক্রমণ এবং হজমের সমস্যা তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। আমলকীতে প্রচুর ভিটামিন সি ও অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকে, যা শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। এটি সরাসরি রোগ সারায় না, তবে নিয়মিত স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে খেলে শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। ভিটামিন সি কোলাজেন তৈরিতে সহায়তা করে, ফলে ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। এই সময়ে আমলকী কি কি উপকার হতে পারে? ১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।২. শরীরে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের জোগান দেয়।৩. হজমশক্তি ভালো রাখতে সহায়তা করে। গ্যাস ও অম্বল কমাতে সহায়ক হতে পারে।৪. মৌসুমি ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করতে পারে।৫. ত্বক ও চুলের সুস্থতা বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে।৬. চুলের গোড়া মজবুত রাখতে সহায়ক। চুলের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।৭. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়৮. সর্দি-কাশির ঝুঁকি কমাতে সহায়ক৯. কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে ফাইবার সাহায্য করে।১০. অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে।১১, রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। তবে এটি কখনোই ডায়াবেটিসের ওষুধের বিকল্প নয়।১২. লিভারের জন্য উপকারী।সরাসরি অ্যালার্জি প্রতিরোধ করেএমন শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। তবে আমলকীর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ও প্রদাহ-নিয়ন্ত্রণকারী কিছু উপাদান শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সাহায্য় করতে পারে।এটি মৌসুমি সংক্রমণের বিরুদ্ধে শরীরকে সুস্থ রাখতে সহায়ক হতে পারে। যদি কারও আমলকীতেই অ্যালার্জি থাকে, তবে অবশ্যই তা এড়িয়ে চলতে হবে। অর্থাৎ, আমলকী অ্যালার্জির ওষুধ নয় এবং অ্যালার্জি প্রতিরোধের নিশ্চয়তা দেয় না।কীভাবে খাবেন? কাঁচা আমলকী- আমলকীর রস মোরব্বা (চিনি কম থাকলে ভালো) শুকনো আমলকী- চাটনি বা আচার (কম লবণ ও তেলে) আমলকীর গুঁড়ো হালকা গরম পানিতেপ্রতিদিন কতটা খাওয়া যেতে পারে?সাধারণভাবে একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কের জন্য১২টি মাঝারি আকারের তাজা আমলকী, অথবাপ্রায় ২০৩০ গ্রাম আমলকী। পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই যথেষ্ট।কারা সতর্ক থাকবেন?যাদের রক্ত পাতলা করার ওষুধ চলছে।যাদের বারবার অম্বল বা অতিরিক্ত অ্যাসিডিটির সমস্যা হয়।কিডনির বিশেষ রোগ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।ডায়াবেটিসের ওষুধ সেবন করলে নিয়মিত রক্তে শর্করা পর্যবেক্ষণ করুন।আমলকী এমন একটি পুষ্টিকর ফল, যা বর্ষাকালসহ সারা বছরই পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যায়। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য় করে, হজম ভালো রাখতে সাহায্য করে, ত্বক ও চুলের যত্নে ভূমিকা রাখে এবং শরীরকে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট সুরক্ষা দেয়। তবে এটি কোনও রোগের নিরাময় বা অ্যালার্জি প্রতিরোধের নিশ্চিত উপায় নয়। সুষম খাদ্য, পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত ব্যায়াম এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের সঙ্গে আমলকী যুক্ত করলে এর উপকারিতা সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়।

জুলাই ২৬, ২০২৬
দেশ

ছাত্র আন্দোলনের পর নতুন রাজনৈতিক ঝড়! অমিত শাহকে কড়া চিঠি রাহুলের, কী লিখলেন?

ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম দাবি ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। শনিবার তিনি পদ ছাড়ার পর রাজনৈতিক বিতর্ক নতুন মোড় নিয়েছে। রবিবার সকালে নিজের সমাজমাধ্যমে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে লেখা একটি চিঠি প্রকাশ করেন রাহুল গান্ধী। চিঠিতে তিনি বিশে জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলনের সময় প্রতিবাদকারীদের উপর বলপ্রয়োগের অভিযোগ তুলে একাধিক প্রশ্ন করেছেন।রাহুল গান্ধীর দাবি, নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে সংসদ অভিযানের সময় শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারী ছাত্রছাত্রীদের উপর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করা হয়। তাঁর অভিযোগ, কয়েক জন আন্দোলনকারী আহত হন এবং চিকিৎসার নথিতেও আঘাতের উল্লেখ রয়েছে। যদিও দিল্লি পুলিশ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ঘটনার তদন্তও চলছে।চিঠিতে রাহুল গান্ধী অমিত শাহের কাছে দুটি প্রশ্ন তোলেন। প্রথমত, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ছররা ব্যবহারের অনুমতি কে দিয়েছিল? দ্বিতীয়ত, সাধারণ পোশাকে যাঁরা আন্দোলনকারীদের মারধর করছিলেন, তাঁরা কারা এবং তাঁদের দায়িত্ব কে দিয়েছিল? তাঁর দাবি, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব ছিল।এর আগে এক আহত আন্দোলনকারীকে সংবাদমাধ্যমের সামনে এনে রাহুল দাবি করেছিলেন, তাঁর শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সেই ঘটনার উল্লেখ করেই এবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন তিনি।অন্যদিকে, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগকে স্বাগত জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর বক্তব্য, দেশের স্বার্থ এবং ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ যে কোনও রাজনৈতিক পদের চেয়ে বড়। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, কিছু দেশবিরোধী শক্তি ছাত্র আন্দোলনকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছিল। তবে রাহুল গান্ধী সেই বক্তব্যের বিরোধিতা করে কেন্দ্রের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ফলে শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার পরও এই ইস্যুতে রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে।

জুলাই ২৬, ২০২৬
কলকাতা

কার্গিল দিবসে বিস্ফোরক মন্তব্য শমীকের! ‘এই স্লোগান দিলে বাড়ি ফেরা কঠিন’, বাড়ল রাজনৈতিক বিতর্ক

কার্গিল দিবস উপলক্ষে কলকাতায় শহিদ কণাদ ভট্টাচার্যের মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে কাশ্মীর ইস্যুতে কড়া মন্তব্য করলেন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। রবিবার সকালে বিটি রোড এলাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, দেশবিরোধী স্লোগান বা কার্যকলাপ কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তাঁর বক্তব্য, আইন অনুযায়ী এমন ঘটনার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।কার্গিল যুদ্ধে শহিদ উত্তর কলকাতার জওয়ান কণাদ ভট্টাচার্যকে শ্রদ্ধা জানিয়ে শমীক ভট্টাচার্য স্বাধীনতার ইতিহাস, দেশভাগ এবং কাশ্মীর প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতকে অস্থির করার চেষ্টা করছে। দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে তিনি কড়া অবস্থান নেওয়ার পক্ষেও মত প্রকাশ করেন।সম্প্রতি নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে কলকাতায় হওয়া ছাত্র মিছিলের প্রসঙ্গও টানেন বিজেপি সাংসদ। ধর্মতলায় সেই মিছিল চলাকালীন হিংসা এবং সাংবাদিকদের হেনস্তার ঘটনাকে উল্লেখ করে তিনি অভিযোগ করেন, কিছু দেশবিরোধী স্লোগানও সেখানে শোনা গিয়েছিল। এই ঘটনায় তিনি বামপন্থীদেরও তীব্র সমালোচনা করেন।শমীক ভট্টাচার্য আরও বলেন, দেশবিরোধী স্লোগানকে কোনওভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া উচিত নয়। তিনি দাবি করেন, এই ধরনের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন। ভবিষ্যতে এ বিষয়ে পুলিশের সঙ্গেও আলোচনা করা হবে বলেও জানান তিনি।

জুলাই ২৬, ২০২৬
দেশ

আন্দোলনে বড় জয়, শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার পরও থামছে না ঝড়! এবার সংসদে কী হতে চলেছে?

ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম দাবি পূরণ হওয়ার পর শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। এর পরই ককরোচ জনতা পার্টি তাদের আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছে। তবে আন্দোলন শেষ হলেও প্রশ্নফাঁসের ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক থামেনি। সংসদের আসন্ন অধিবেশনে এই ইস্যুতে কেন্দ্রকে চাপে রাখতে প্রস্তুতি নিচ্ছে বিরোধী শিবির।বিরোধীদের বক্তব্য, শুধু শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফায় বিষয়টির সমাধান হয়নি। তাঁদের দাবি, দেশের ছাত্রছাত্রীদের কাছে প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষমা চাইতে হবে। পাশাপাশি, বিশে জুলাই সংসদ অভিযানের সময় ছাত্রছাত্রীদের উপর পুলিশি পদক্ষেপের দায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিতে হবে বলেও বিরোধীরা দাবি তুলেছে।সোমবার প্রশ্নফাঁস রোধে কঠোর শাস্তির বিধান থাকা নতুন বিল সংসদে পেশ হওয়ার কথা রয়েছে। সেই বিল নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিরোধীরা নিজেদের দাবিতে সরব হবে বলে জানা গিয়েছে।এই ইস্যুতে সংসদে যৌথ কৌশল ঠিক করতে সোমবার সকালে ইন্ডিয়া জোটের সংসদীয় দলের নেতাদের বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানে সংসদের দুই কক্ষে বিরোধীদের অবস্থান ও কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।অন্যদিকে, বিজেপি প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় আগের সরকার এবং বিরোধী শাসিত রাজ্যগুলির বিভিন্ন ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে পাল্টা আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রশ্নফাঁস রোধে আনা নতুন বিলের আলোচনায় সেই বিষয়গুলিও তুলে ধরতে পারে শাসক দল।এদিকে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পর এবার রাম মন্দিরে চুরির ঘটনাকেও সংসদে বড় রাজনৈতিক ইস্যু করতে চাইছে সমাজবাদী পার্টি, কংগ্রেস-সহ একাধিক বিরোধী দল। এই বিষয় নিয়ে সংসদের দুই কক্ষে মুলতবি প্রস্তাব আনার প্রস্তুতিও চলছে বলে রাজনৈতিক সূত্রে খবর।

জুলাই ২৬, ২০২৬
কলকাতা

ধর্মতলার কাণ্ডে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর! ‘গুণ্ডাদমন আইনেই ব্যবস্থা’, বাড়ল রাজনৈতিক উত্তাপ

ধর্মতলায় নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে হওয়া মিছিলের সময় হিংসা এবং সাংবাদিকদের হেনস্তার ঘটনায় কড়া অবস্থান নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার তিনি দাবি করেন, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের কেউই ছাত্র নন। তাঁর অভিযোগ, এরা সমাজবিরোধী এবং মৌলবাদী চক্রের সঙ্গে যুক্ত। এই ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে গুণ্ডাদমন আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি।ধর্মতলার ঘটনায় হেয়ার স্ট্রিট থানায় ছয়টি এবং এন্টালি থানায় একটি, মোট সাতটি মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই চৌদ্দ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। তদন্তে উঠে এসেছে, ধৃতদের মধ্যে কয়েক জন ভিন রাজ্যে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল বলে অভিযোগ। পুলিশ সেই দিকটিও খতিয়ে দেখছে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের সঙ্গে আন্দোলনকারী ছাত্রদের কোনও সম্পর্ক নেই। তাঁর দাবি, সাংবাদিকদের উপর হামলা এবং অশান্তির ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার ভিত্তিতেই পুলিশ ব্যবস্থা নিয়েছে। বিধানসভায় তিনি যে কঠোর পদক্ষেপের কথা জানিয়েছিলেন, সেই অনুযায়ীই তদন্ত এগোচ্ছে বলেও জানান।একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, সাম্প্রতিক সময়ে খারিজি মাদ্রাসা নিয়ে তদন্ত, অবৈধভাবে পাওয়া অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির শংসাপত্র বাতিলের ক্ষেত্রে উচ্চ আদালতের নির্দেশ কার্যকর করা এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক পদক্ষেপের জেরে একাংশের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, সেই ক্ষোভ থেকেই কিছু সমাজবিরোধী অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।তিনি আরও বলেন, আইন অনুযায়ী তদন্ত চলবে এবং কেউ দোষী প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারের অবস্থান স্পষ্ট, আইনশৃঙ্খলা নষ্টের কোনও চেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না।

জুলাই ২৬, ২০২৬
কলকাতা

ধর্মতলার হিংসা মামলায় ধৃতকে নিয়ে নতুন দাবি! সমাজমাধ্যমের পোস্ট ঘিরে বাড়ছে জল্পনা

ধর্মতলায় ছাত্র মিছিলের সময় হিংসা এবং সাংবাদিকদের হেনস্তার ঘটনায় তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে কলকাতা পুলিশ। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত চৌদ্দ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে অন্যতম মহম্মদ আফরোজকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তাঁর সমাজমাধ্যমের বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও সামনে আসার পর রাজনৈতিক মহলেও নানা প্রশ্ন উঠেছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মহম্মদ আফরোজ মেটিয়াবুরুজ এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রের দাবি, তাঁকে এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী হিসেবেও অনেকে চেনেন। সমাজমাধ্যমে তাঁর প্রোফাইলে একাধিক রাজনৈতিক কর্মসূচির ছবি রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। সেখানে কয়েক জন তৃণমূল নেতার সঙ্গে তাঁর ছবিও দেখা যাচ্ছে। পাশাপাশি দলীয় পতাকা হাতে মিছিলে অংশ নেওয়ার ছবিও সামনে এসেছে। তবে এই সব ছবি ও ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।সমাজমাধ্যমে আফরোজের নামে থাকা কিছু ভিডিও ও ছবিতে অস্ত্রসদৃশ বস্তু দেখা গিয়েছে বলেও দাবি উঠেছে। এছাড়া কয়েকটি পোস্টে নিজেদের মাফিয়া গ্যাং এবং টিম মাফিয়া বলে উল্লেখ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। তবে এই সব সমাজমাধ্যমের পোস্ট বা ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।ধৃতের সঙ্গে স্থানীয় বিধায়কের পরিচয় রয়েছে কি না, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও মেটিয়াবুরুজের বিধায়ক আবদুল খালেক সেই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বহু মানুষ অংশ নেন। সকলকে ব্যক্তিগতভাবে চেনা সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, অভিযুক্তের সঙ্গে তাঁর কোনও ব্যক্তিগত যোগাযোগ বা পরিচয় নেই।ধর্মতলার হিংসার ঘটনায় পুলিশের তদন্ত চলছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গুণ্ডাদমন আইনে মামলা দায়ের হয়েছে। এই প্রসঙ্গে বিধায়ক বলেন, আইন অনুযায়ী পুলিশ তদন্ত করছে। আদালতে দোষ প্রমাণিত হলে আইন মেনে শাস্তি হবে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে তিনি এ বিষয়ে আর কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

জুলাই ২৬, ২০২৬
দেশ

টানা সাঁইত্রিশ দিনের লড়াই শেষে প্রথম শান্তির ঘুম! কিন্তু ঘুম ভাঙতেই অভিজিতের এক কথায় নতুন জল্পনা

ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে টানা সাঁইত্রিশ দিন ধরে দেশজুড়ে আন্দোলন চালিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। বিক্ষোভ, মিছিল, অবস্থান এবং প্রতিবাদের মধ্যে দিয়ে লাগাতার কর্মসূচি চলেছে। আন্দোলনের অন্যতম মুখ অভিজিৎ দীপকে ও তাঁর সহযোগীদের নেতৃত্বে বিভিন্ন রাজ্যে এই কর্মসূচি আরও জোরদার হয়। শেষ পর্যন্ত ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দেন। পরে কেন্দ্র আন্দোলনকারীদের সমস্ত দাবি মেনে নেওয়ার কথা জানায়। এরপরই ককরোচ জনতা পার্টি তাদের অবস্থান কর্মসূচি তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে।রবিবার সকালে নিজের সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন অভিজিৎ। সেখানে তিনি জানান, দীর্ঘ সাঁইত্রিশ দিনের পর কোনও দুশ্চিন্তা ছাড়াই শান্তিতে ঘুমিয়েছেন। এত দিন প্রতিদিন পরবর্তী কর্মসূচি, আন্দোলনের পরিকল্পনা এবং নানা চাপের মধ্যে থাকতে হয়েছে। কিন্তু এবার কয়েক দিনের জন্য অন্তত সেই উদ্বেগ থেকে মুক্তি মিলেছে বলেই জানান তিনি।তবে ভিডিওর শেষের মন্তব্যই নতুন করে চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। অভিজিৎ বলেন, এটা সবে শুরু। ককরোচ জনতা পার্টিকে আরও অনেক দূর যেতে হবে। তাঁর এই মন্তব্যের পরই নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে, ভবিষ্যতে কি আবার কোনও নতুন ইস্যুতে আন্দোলনের পথে নামতে চলেছে সংগঠন? যদিও এ বিষয়ে এখনও বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। ফলে অভিজিতের এই বার্তা ঘিরে রাজনৈতিক এবং সামাজিক মহলে জল্পনা আরও বেড়েছে।

জুলাই ২৬, ২০২৬
দেশ

পাকিস্তানকে আর কোনও ছাড় নয়! কার্গিল দিবসে রাজনাথের স্পষ্ট বার্তা ঘিরে তুমুল আলোচনা

কার্গিল দিবস উপলক্ষে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে পাকিস্তানের সঙ্গে যদি কোনও আলোচনা হয়, তবে তা হবে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর নিয়েই। তাঁর বক্তব্য, জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং পাকিস্তান অবৈধভাবে তার একটি অংশ দখল করে রেখেছে। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, পাকিস্তানে জঙ্গিবাদ দীর্ঘদিন ধরেই রাষ্ট্রের নীতির অংশ হয়ে উঠেছে।রাজনাথ সিং আরও বলেন, সীমান্তে অনুপ্রবেশের কোনও চেষ্টা ভারত মেনে নেবে না। দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় ভারতীয় সেনা সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, অনুপ্রবেশ বা সন্ত্রাসবাদকে কোনওভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না এবং প্রয়োজন হলে উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।তিনি অপারেশন সিঁদুরের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন। তাঁর বক্তব্য, সেই অভিযানে ভারতীয় সেনা নিজেদের সক্ষমতার পরিচয় দিয়েছে। দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ভারতীয় সেনা ভবিষ্যতেও একইভাবে সতর্ক থাকবে বলেও তিনি জানান।অবসরপ্রাপ্ত জাতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রাক্তন কর্তা দীপাঞ্জন চক্রবর্তীও প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন। তাঁর দাবি, সীমান্তে বারবার অনুপ্রবেশের চেষ্টা এবং সন্ত্রাসবাদকে কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তিনি বলেন, পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর ভারতেরই অংশ এবং সেই অবস্থান থেকে ভারত কখনও সরে আসবে না।

জুলাই ২৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal