• ৩ কার্তিক ১৪৩৩, শুক্রবার ২৩ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

রাজ্য

রাজ্য

দলীয় কর্মীকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ বিজেপির

অন্যায়ভাবে বিজেপি কর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এর প্রতিবাদে বুধবার সকাল থেকেই খড়্গপুর টাউন থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। দীর্ঘক্ষণ ধরে বিক্ষোভ চলতে থাকে। বিক্ষোভ তুলতে গেলে পুলিশকর্মীদের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের প্রথমে বচসা বাধে। তারপর ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। প্রসঙ্গত , বুধবার খড়্গপুর শহরের আঠারো নম্বর ওয়ার্ডের কার্যকর্তা লিপু বেরাকে গ্রেপ্তার করে খড়্গপুর টাউন থানার পুলিশ। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে শুরু লোকাল ট্রেন চলাচল এরই প্রতিবাদ জানাতে খড়গপুর টাউন থানা ঘেরাওয়ের ডাক দেয় বিজেপি। বিজেপির এই কর্মসূচির জেরে খড়্গপুর শহরে ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় প্রচুর পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়।

নভেম্বর ১১, ২০২০
রাজ্য

রাজ্যে শুরু লোকাল ট্রেন চলাচল

করোনাজনিত কারণে চলতি বছরের মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে শুরু হয়েছিল লকডাউন। সেই থেকে ৮ মাস গড়ায়নি লোকাল ট্রেনের চাকা। মাঝে রেলকর্মীদের জন্য স্পেশাল ট্রেন চললেও সাধারণ নিত্যযাত্রীদের কাছে অধরাই থেকে গিয়েছিল লোকাল ট্রেন। অবশেষে রাজ্য-রেল বৈঠকের পর বুধবার সকালে প্রায় সাড়ে ৭ মাস পর বাংলায় চালু হল লোকাল ট্রেন পরিষেবা। বুধবার সকাল থেকেই হাওড়া ও শিয়ালদহ স্টেশনের টিকিট কাউন্টারে ছিল যাত্রীদের লম্বা লাইন। বঁনগা স্টেশনেও ভিড় ছিল ভালই। কয়েকটি স্টেশনে কিছুটা হলেও ভিড় দেখা গিয়েছে। আবার কয়েকটি স্টেশনে একদমই ভিড় ছিল না। নিয়ম মেনে প্রত্যেক যাত্রীই পালন করেছে কোভিডবিধি। পরিস্থিতি আয়ত্তে রাখতে প্রতি স্টেশনেই রয়েছে আরপিএফ, জিআরপি। ঘিরে দেওয়া হয়েছে স্টেশনের প্রবেশ ও বাহির পথ। যাতে কোনও ভাবে জমায়েত হতে না পারে। কিন্তু এদিন যারা ট্রেনে যাতায়াত করেছেন , সকলকে অনেকক্ষণ ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে চালু এবার নতুন ওয়েবসাইট রেলসুত্রে খবর, প্রতিদিন রাজ্যে ৬৯৬টি ট্রেন চলবে। শিয়ালদা ডিভিশনে চলবে ৪১৩টি ট্রেন, শিয়ালদা উত্তর ও মেইন শাখায় চলবে ২৭০টি ট্রেন, শিয়ালদা দক্ষিণ শাখায় চলবে ১৪৩টি ট্রেন, হাওড়া স্টেশনে ২০২টি ট্রেন, বাকি ৮১টি ট্রেন চলবে খড়গপুর ডিভিশনে। যাত্রীদের দাবি , আরও বেশি সংখ্যায় ট্রেন চালানো হলে সকলে কোভিড বিধি মেনে যাতায়াত করতে পারে।

নভেম্বর ১১, ২০২০
রাজ্য

পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে চালু এবার নতুন ওয়েবসাইট

পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে এবার নতুন ওয়েবসাইট চালু করল আমরা দাদার অনুগামীরা। www.dadaranugami.com এই লিঙ্ক-এ গিয়ে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন করা যাবে ১২ নভেম্বর থেকে। তিনিই যে প্রকৃ্ত জননেতা , তা সকলের সামনে তুলে ধরার জন্য এই ওয়েবসাইটটি চালু করা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ ভূমিপুত্র সংরক্ষণ আইন অবিলম্বে পাস করানোর দাবিতে বিধায়ককে স্মারকলিপি বাংলা পক্ষের প্রসঙ্গত , সম্প্রতি দলের ব্যানার ছাড়া বিভিন্ন কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি বিভিন্ন বক্তব্য রাখছেন। তাঁর এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে জল্পনা সৃষ্টি হয়েছে শাসক দলের অন্দরে। এরইমধ্যে আগামিকাল মঙ্গলবার নন্দীগ্রামে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির সভা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। পালটা সভা করবেন ফিরহাদ হাকিম। এই দুটি সভার দিকে সকলের লক্ষ্য রয়েছে। ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির সদস্য অশোক করন বলেন, প্রস্তুতি প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছে। তিনটে মঞ্চ করা হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীর জন্য আলাদা একটি মঞ্চের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমরা আশা করছি মঙ্গলবারের সভায় লক্ষাধিক লোক আসবেন। মাঠে ৫০ হাজারের ওপর লোক হবে। অন্য জেলা থেকেও একাধিক গাড়িতে মানুষ আসবেন সভা শুনতে। উল্লেখ্য , শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে পোস্টার পড়েছে। এনিয়ে দলের মধ্যে থেকে শুভেন্দু বিরোধী কিছু বক্তব্য মাঝেমধ্যেই প্রকাশ্যে চলে আসছে। রবিবারই দেখা গিয়েছিল , দলনেত্রীর সঙ্গে একই ব্যানারে শুভেন্দুর ছবি জায়গা করে নিয়েছে। এই ছবি দলের মধ্যে বেড়ে চলা বিরোধকে কিছুটা মেটাতে চেষ্টা করবে বলে মত রাজ্যের রাজনৈ্তিক মহলের।

নভেম্বর ০৯, ২০২০
রাজ্য

ভূমিপুত্র সংরক্ষণ আইন অবিলম্বে পাস করানোর দাবিতে বিধায়ককে স্মারকলিপি বাংলা পক্ষের

বাংলার চাকরি সহ ব্যবসা , টেন্ডার , ঠিকাকাজ , লাইসেন্স সমস্ত ক্ষেত্রে বাঙালি প্রতিনিধিদের অধিকার সুনিশ্চিত করতে উত্তরপাড়ার বিধায়ক প্রবীর ঘোষালের কাছে ডেপুটেশন জমা দিল বাংলা পক্ষ হুগলি জেলা। প্রসঙ্গত , গত ১ নভেম্বর এই একই ইস্যুতে ৯০% ভূমিপুত্র সংরক্ষণের দাবিতে হুগলীর জাঙ্গিপাড়ার বিধায়ক স্নেহাশীষ চক্রবর্তীকে স্মারকলিপি জমা দেয় বাংলা পক্ষর প্রতিনিধিরা। বিধায়ক তাদের কথা শোনেন এবং তা বিবেচনা করে দেখার প্রতিশ্রুতি দেন। আরও পড়ুনঃ ডোমজুড়ে অগ্নিকাণ্ডের জেরে ভস্মীভূত ছয়টি কারখানা দীর্ঘ দুবছর ধরে ভূমিপুত্র সংরক্ষণের জন্য লড়াই করে চলেছে বাংলা পক্ষ। তাদের মতে , হিন্দি সাম্রাজ্যবাদকে দমন করার জন্য শ্রেষ্ঠ উপায় হল ভূমিপুত্র সংরক্ষণ। বাঙালি তথা বাংলার ভূমিজ জাতির প্রতিনিধিরা যাতে বাংলায় চাকরি , ব্যবসা এবং সমস্ত ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পায় তা সুনিশ্চিত করতে ৯০% ভূমিপুত্র সংরক্ষণ আইন অবিলম্বে বাংলায় পাস করানো দরকার। বিধানসভায় যাতে এই দাবি ওঠে , সেদিকে লক্ষ্য রাখছে বাংলা পক্ষ। এর আগে, ইটাহারের বিধায়ক অমল আচার্য ভূমিপুত্র সংরক্ষণ আইনের কথা বিধানসভায় তোলেন। তার এই পদক্ষেপের কারণে বাংলা পক্ষর তরফ থেকে তাকে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছিল। উল্লেখ্য , ইতিমধ্যে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ নিয়ে ভারতের বিভিন্ন রাজ্য আইন পাস করেছে। তারমধ্যে বিজেপি, কংগ্রেস ও বাম শাসিত রাজ্য আছে। তাই বাংলা পক্ষর দাবি যে বাংলার ক্ষেত্রেও যেন এই রাজনৈতিক দলগুলি একইভাবে নিজেদের দায়িত্ব পালন করেন।

নভেম্বর ০৯, ২০২০
রাজ্য

ডোমজুড়ে অগ্নিকাণ্ডের জেরে ভস্মীভূত ছয়টি কারখানা

অগ্নিকাণ্ডের জেরে পুড়ে ছাই হয়ে গেল ছয়টি কারখানা। ঘটনাটি ঘটেছে , হাওড়ার ডোমজুড় থানা এলাকার নারনায়। সোমবার ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ প্লাস্টিকের কারখানায় আগুন লাগে। সেখানে রাতে কাজ চলছিল। দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ায় অন্য কারখানাগুলিও আগুন লেগে যায়। প্রায় ২০ হাজার বর্গ ফুট এলাকা জুড়ে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা জল ঢেলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। আরও পড়ুন ঃ রাজনীতির টুপি মাথা থেকে ফেলে আইন মেনে কাজ করুন , বার্তা ধনকড়ের কিন্তু তাতে আগুন আয়ত্তে না আসায় দমকলকে খবর দেওয়া হয়। দমকলের পাঁচটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে এসে আগুন নেভানোর কাজে হাত দেয়। প্রায় ৬ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুন নিয়ন্ত্রনে আনার সময় আহত হন এক দমকল কর্মী। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে , অন্যান্য কারখানাগুলিতে জামাকাপড়, চানাচুর এবং পাইপ তৈরি হত।দমকল সূ্ত্রে জানা গিয়েছে , প্রায় ২০ হাজার স্কোয়ার ফুট এলাকা জুড়ে ১০ - ১২টি কারখানা এখানে ছিল। এর মধ্যে ৬টি কারখানায় আগুন ভয়াবহ আকার নিয়েছিল। দমকল কর্মীদের অনুমান, দাহ্য পদার্থ মজুত থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। কারখানাগুলিতে অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা কতটা আঁটসাঁট ছিল তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও জানা যায়নি। তবে বেশ কয়েক লক্ষ টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে অনুমান।

নভেম্বর ০৯, ২০২০
রাজ্য

রাজনীতির টুপি মাথা থেকে ফেলে আইন মেনে কাজ করুন, বার্তা ধনকড়ের

ফের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও পুলিশ-প্রশাসনকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তিনি রাজ্য সরকার ও পুলিশ - প্রশাসনের কড়া সমালোচনা করে সোমবার একাধিক টুইট করেন । একটি টুইটে তিনি লেখেন , সংবিধানের বাইরে গিয়ে যাঁরা কাজ করছেন, তাঁরা এবার সেসব বাতিল করুন। গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে ক্ষমতার অলিন্দে বেআইনি অনুপ্রবেশ চলবে না। রাজনীতির টুপি মাথা থেকে ফেলে আইন মেনে কাজ করুন। আরও পড়ুন ঃ ভুবনেশ্বরে সিবিআই-এর স্পেশাল সেলে মারা গেলেন আইকোর কর্তা অনুকূল মাইতি আরেকটি টুইটে রাজ্যপাল লেখেন, পুলিশ ও প্রশাসনকে অবশ্যই রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ হতে হবে। এর জন্য তিনি ১৯৬৮ সালের এআইএস কন্ডাক্ট রুলস-এর কথা মনে করিয়ে দেন । আর তা মানা না হলে যে ফল ভালো হবে না তাও জানান রাজ্যপাল। রাজ্যপালের মতে, তাঁর বার বার সংবিধান মেনে চলার পরামর্শ কিছুটা প্রশাসনের উপর প্রভাব ফেলেছে । তবে এখনও অনেকে তা মানছেন না ৷ এরপরই তিনি বলেন, যতই উপরে উঠে যান, আইন সবার ঊর্ধ্বে। প্রসঙ্গত , এর আগেও একাধিকবার টুইট করে রাজ্য সরকার ও পুলিশ প্রশাসনের কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছেন ধনকড়। দিল্লিতে গিয়ে অমিত শাহের কাছে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ্পরিস্থিতি নিয়ে রিপোর্টও করেছেন তিনি। এবার তার এই টুইটের জেরে রাজ্য সরকারের সঙ্গে তার সম্পর্কের যে অবনতি হবে , তা বলাই বাহুল্য।

নভেম্বর ০৯, ২০২০
রাজ্য

ভুবনেশ্বরে সিবিআই-এর স্পেশাল সেলে মারা গেলেন আইকোর কর্তা অনুকূল মাইতি

মারা গেলেন আইকোর কর্তা অনুকূল মাইতি। রবিবার ভুবনেশ্বরে সিবিআই-এর স্পেশাল সেলে মৃত্যু হয় তাঁর। জানা গিয়েছে , তাঁর ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা ছিল। শনিবার রাতে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। জেলের হাসপাতালেই ভর্তি করানো হয়েছিল তাঁকে। সেখানেই তিনি মারা যান। প্রসঙ্গত , বছর ১২ আগে বাংলায় তৈরি হওয়া একাধিক চিটফান্ড সংস্থার মধ্যে আইকোর ছিল অন্যতম। ২০০৭ সালে নিজের সংস্থা তৈরি করেন। ২০১৫ সালের এপ্রিল মাসে অনুকূলকে গ্রেফতার করে রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থা। আরও পড়ুন ঃ বিভিষণ হাঁসদার মেয়ের চিকিৎসায় সবরকম সাহায্যের আশ্বাস বিজেপি সাংসদ সুভাষ সরকারের দক্ষিণ কলকাতায় নিজের বাড়ি থেকেই গ্রেফতার করা হয়েছিল তাঁকে। তাঁর স্ত্রীকেও গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনেই এই মামলায় হাত দেয় সিবিআই। এই সময় দেখা যায় ডিবেঞ্চার, ফিক্সড ডিপোজটের মতো নানা প্রকল্পে হাজার হাজার কোটি টাকা বাজার থেকে তুলেছেন অনুকূল। ভুবনেশ্বরে সিবিআইয়ের স্পেশাল সেলে রাখা হয়েছিল অনুকূল মাইতি ও অন্যান্য ধৃতদের। মাত্র কয়েক মাস আগেই জামিনে মুক্তি পান অনুকূলের স্ত্রী। অনুকূলের পরিবারের দাবি, সম্প্রতি কটক হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছিলেন অনুকূলও।কিন্তু জামিনের শর্ত হিসাবে প্রয়োজনীয় বন্ডের টাকা জমা দিতে না পারায় জেল থেকে ছাড়া পাননি তিনি।

নভেম্বর ০৮, ২০২০
রাজ্য

বিভিষণ হাঁসদার মেয়ের চিকিৎসায় সবরকম সাহায্যের আশ্বাস বিজেপি সাংসদ সুভাষ সরকারের

বাঁকুড়ার প্রত্যন্ত গ্রামের বিভীষণ হাঁসদার বাড়িতে গিয়ে মধ্যাহ্নভোজ সেরেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তারপর থেকে তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে নিয়ে শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক টানাপোড়েন। শনিবারই ্তৃ্ণমূলের এক জেলা পরিষদ সদস্যা বিভিষণ হাঁসদার বাড়িতে গিয়ে আর্থি্ক সাহায্য করেছিলেন। সেই ঘটনার পর ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই বিভীষণ হাঁসদার পরিবারের কাছে সাহায্যের ডালি নিয়ে হাজির হলেন বাঁকুড়া লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ চিকিৎসক সুভাষ সরকার। রবিবার তিনি বিভীষণবাবুর মেয়ের চিকিৎসার কাগজপত্র খতিয়ে দেখেন। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, প্রয়োজনে এইমসে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানো হবে ওই ছাত্রীর। বিজেপির এই সহযোগিতায় আপ্লুত বিভীষণ হাঁসদা। তিনি বলেন , আমি রাজনীতি করি না। কোনওদিন রাজনীতি করিনি। আজ সুভাষবাবু সরকার আসায় মনে হচ্ছে মেয়েটা ফের সুস্থ হয়ে যাবে।বিভীষণবাবুর একটাই আবেদন, তাঁকে নিয়ে যেন রাজনীতি না করা হয়। আরও পড়ুন ঃ বেশি বাড়াবাড়ি করলে শ্মশানে পাঠিয়ে দেব , হুঁশিয়ারি দিলীপের জানা গিয়েছে , বিভীষণ হাঁসদার মেয়ে রচনা দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়া। দীর্ঘদিন ধরেই ডায়বেটিস ইনসিপিডাসে আক্রান্ত সে। ২ বছর ধরে চলছে চিকিৎসা। নিয়মিত নিতে হয় ইনসুলিন। ফলে মাসে মেয়ের চিকিৎসার জন্যই বিভীষণের খরচ হয় ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা। যা জোগাতে কার্যত হিমশিম খেতে হয় তাঁকে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর বাড়িতে যাবে জানার পরই তাই বিভীষণ স্থির করেছিলেন, অমিত শাহের কাছে মেয়ের চিকিৎসার জন্য সরকারি সাহায্যের আরজি জানাবেন। ঘটনাচক্রে সেই মুহূর্তে মনের কথা শাহের কাছে প্রকাশ করতে পারেননি বিভীষণ। যদিও পরবর্তীতে তা জানতে পারেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জানান, ওই পড়ুয়ার খরচ নেবে বিজেপি। এরপরই রবিবার সকালে বিভীষণ হাঁসদার বাড়ি যান সুভাষ সরকার।

নভেম্বর ০৮, ২০২০
রাজ্য

বেশি বাড়াবাড়ি করলে শ্মশানে পাঠিয়ে দেব , হুঁশিয়ারি দিলীপের

ফের কুকথা দিলীপ ঘোষের মুখে। রবিবার তিনি বলেন , বেশি বাড়াবাড়ি করলে শ্মশানে পাঠিয়ে দেব। রবিবার দুপুরে পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ায় জনসভার আয়োজন করেছিল বিজেপি। সেখানে ছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি এই মন্তব্য করে বলেন , নির্বাচন করবে দাদার পুলিশ। কমাস পর দিদির পুলিশের দাঁত ভাঙবেন অমিত শাহ। তিনি এদিন আরও বলেন, আলুর দাম বাড়ার কারণ কাটমানি। তৃণমূল নেতাদের কাটমানি দেওয়া ও নির্বাচনের ফান্ড গড়ে তোলার জন্যই আলুর দাম বাড়ানো হয়েছে। কারণ, আলু অন্য রাজ্য থেকে আনতে হয় না। আমাদের রাজ্যে যথেষ্ট ্পরিমাণে আলু উৎপাদন হয়। হিমঘরগুলিতেও প্রচুর আলু মজুত রয়েছে। পুরোহিত ভাতা থেকে আমফানের ত্রাণ, যারা প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত তারা পায়নি, পেয়েছে শাসকদলের কিছু লোক। সংখ্যালঘুদের উদ্দেশ্য করে বলেন, বিজেপি কোনও বিভাজন করে না। মোদির প্রকল্পে রাজ্যের সংখ্যালঘুরাও উপকৃত। এরপরই আত্মবিশ্বাসী কন্ঠে দিলীপ ঘোষ বলেন, একুশে ২০০-র বেশি আসন পেলে বাংলায় সরকার গড়বে বিজেপি। দলত্যাগ প্রসঙ্গে বলেন, শাসকদলের কর্মীরা বিজেপিতে আসার ইচ্ছে প্রকাশ করছেন। কিন্তু বিজেপিতে যোগ দিতে চাইলেই পুলিশকে দিয়ে চাপ দেওয়া হচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ তপনে একই পরিবারের পাঁচজনের রহস্যমৃত্যু অন্যদিকে , এদিন সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ওদের এখন বাঁধাকপির মত অবস্থা। পাতা ছাড়াতে ছাড়াতে কপি খুঁজে পাওয়া যাবে না। পার্টিতে দুজনেই থাকবেন। বাকি পার্টি উঠে যাবে। দুর্নীতি আর গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ছাড়া তৃণমূলের আর কিছুই নেই। কেন্দ্রীয় সংস্থা কাজ শুরু করতেই চারিদিকে হইচই পড়েছে। কারণ, বাংলায় চলা গরু ও কয়লা পাচারের সঙ্গে রাজ্যের সরকারি পার্টির নেতাদের অধিকাংশই জড়িত। সেই জন্যই তল্লাশি শুরু হতেই মুখ্যমন্ত্রী প্রতিবাদ করছেন। এতেই স্পষ্ট যে ক্ষমতায় রয়েছেন যাঁরা তাঁদের আসল চেহারা।

নভেম্বর ০৮, ২০২০
রাজ্য

তপনে একই পরিবারের পাঁচজনের রহস্যমৃত্যু

একই পরিবারের পাঁচজনের দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ল। ঘটনাটি ঘটেছে , দক্ষিণ দিনাজপুরের তপন থানা এলাকার দক্ষিণ জামালপুরে। মৃতদের নাম কুলো বালা বর্মন (৬০), তাঁর ছেলে অনু বর্মন (৩২), অনু বর্মনের স্ত্রী মল্লিকা বর্মন (২৮), দুই শিশু সন্তান বিউটি বর্মন (১০) ও স্নিগ্ধা বর্মন (৭)। জানা গিয়েছে , রবিবার সকালে ওই বাড়ি থেকে কাউকে বের হতে দেখা যায়নি। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানকে গ্রেফতারের দাবি , রণক্ষেত্র হাওড়া প্রতিবেশীরা জানান, অনেক ডাকাডাকি করা হলেও সাড়া মেলেনি। এরপর তারা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ এসে ৫টি মৃতদেহ উদ্ধার করে। ৪ জনের দেহ ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় থাকলেও, অনু বর্মণের দেহ ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। ময়নাতদন্তের জন্য দেহগুলি পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে , তদন্ত শুরু হয়েছে। সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বাড়িতে কোনও সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি। ঘটনাটিকে খুন বলে অনুমান করছে পুলিশ।

নভেম্বর ০৮, ২০২০
রাজ্য

তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানকে গ্রেফতারের দাবি , রণক্ষেত্র হাওড়া

তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানকে গ্রেফতারের দাবিতে উত্তপ্ত হল হাওড়া। শনিবার তার গ্রেফতারির দাবিতে হাওড়া সিটি পুলিশের পুলিশ কমিশনারের অফিস ঘেরাও করে তুমুল বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। তারা পথ অবরোধেও সামিল হয়। বিক্ষোভ সামাল দিতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে বলেও অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ। আরও পড়ুন ঃ অমিত শাহের বাংলা ছাড়ার পরই একাধিক সাহায্য নিয়ে বিভিষণ হাঁসদার দ্বারস্থ তৃণমূল সদস্যা জানা গিয়েছে , এদিন সকালে জগদীশপুর হাইস্কুলের মাঠে বিজেপির গ্রিন হাওড়া ক্লিন হাওড়া কর্মসূচি চলছিল। সেই সময় জগদীশপুরের তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধান গোবিন্দ হাজরা আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সদলবলে বিজেপি কর্মীদের ওপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় লিলুয়া থানায় এফআইআর দায়ের করা হয় বিজেপির তরফ থেকে। কিন্তু বিজেপির অভিযোগ পুলিশ অভিযুক্তকে তো গ্রেফতার করেনি , উলটে তাদের দু জন কর্মীকে গ্রেফতার করে নিয়ে গেছে। ওই দুই কর্মীর মুক্তি এবং পঞ্চায়েত প্রধান গোবিন্দ হাজরাকে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবিতে পুলিশ কমিশনারের অফিসের সামনে বসে পড়েন হাজার হাজার বিজেপি কর্মী ও সমর্থক। তাদের সামাল দিতে হিমশিম খায় পুলিশ। নামানো হয় বিশেষ পুলিশ বাহিনীকে। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে বিজেপির এই বিক্ষোভ। অবশেষে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হবে বলে পুলিশ কর্তারা আশ্বাস দিলে বিক্ষোভকারীরা চলে যান।

নভেম্বর ০৭, ২০২০
রাজ্য

অমিত শাহের বাংলা ছাড়ার পরই একাধিক সাহায্য নিয়ে বিভিষণ হাঁসদার দ্বারস্থ তৃণমূল সদস্যা

রাজ্য সফর চলাকালীন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মধ্যহ্নভোজ করেছিলেন বিভিষণ হাঁসদার বাড়িতে। রাজ্য সফর সেরে শুক্রবার দিল্লিতে ফিরে গিয়েছেন অমিত শাহ। তার পরেরদিন অর্থাৎ শনিবার মিথ্যা পরিচয় দিয়ে বিভিষণ হাঁসদার বাড়িতে গিয়ে সাহায্য করার অভিযোগ উঠল এক তৃ্ণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে। সোনাই মুখোপাধ্যায় নামে শাসক দলের এই নেত্রী জেলা পরিষদের নির্বাচিত সদস্যা বলে জানা গিয়েছে। বিভীষণ হাঁসদা নিজের বাড়িতে দাঁড়িয়ে বলেন, উনি এক জন এন.জি.ও কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে আমার বাড়িতে এসেছিলেন, সাহায্য করে গিয়েছেন। ওনার কি রাজনৈতিক পরিচয় জানি না। এরপর তিনি জানিয়ে দেন, দিন আনি দিন খাই। অতিতে কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না। ভবিষ্যতেও কোনও রাজনৈতিক দলে যোগ দেবেন না। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি যুব মোর্চার কর্মীদের উপর হামলা , অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে এবিষয়ে সোনাই মুখোপাধ্যায় বলেন , স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ফিরে যাওয়ার পর ওনাদের অবস্থার কি পরিবর্তন হয়েছে তা দেখতে ও কিছু খাদ্য সামগ্রী ও আর্থিক সাহায্য নিয়ে গিয়েছিলাম। তৃণমূল নেতা কর্মীরা ও রাজ্য সরকার জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবার পাশে আছে, বিজেপি এসব নিয়ে রাজনীতি করছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২০
রাজ্য

বিজেপি যুব মোর্চার কর্মীদের উপর হামলা , অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

ফের বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে হালিশহর মহাশ্মশানে। এই ঘটনায় বিজেপি যুব মোর্চার দুজন সদস্য আক্রান্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ , হালিশহর শ্মশানে এক বৃদ্ধের মৃতদেহ দাহ করতে এসে তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের হাতে এই দুই বিজেপি কর্মী আক্রান্ত হন। আহত বিজেপি কর্মীদের নাম শান্তনু গাঙ্গুলি ও সুকান্ত গাঙ্গুলি। শ্মশানে তাঁদের ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ। আহত হয়ে দুজনই আপাতত কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালে ভরতি রয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে খবর, শুক্রবার গভীর রাতে এক বন্ধুর বাবার শেষকৃত্যের জন্য শ্মশানে গিয়েছিলেন সুকান্ত ও শান্তনু। আরও পড়ুন ঃ দলের মহিলা কর্মীকে কুপ্রস্তাব, তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে এফআইআর অভিযোগ, সেখানেই তাঁদের উপর হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, রাতে তৃণমূল আশ্রিত গুন্ডাবাহিনীর প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন আমাদের উপর আচমকা চড়াও হয়ে মারধর শুরু করে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। আমরা বিজেপি যুব মোর্চার সদস্য, সেটাই আমাদের অপরাধ।এদিকে এই ঘটনায় শনিবার দুপুরে নদীয়ার কল্যাণী জওহরলাল নেহরু মেমোরিয়াল হাসপাতালে জখম বিজেপি কর্মীদের দেখতে যান ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং । তিনি বলেন, তৃণমূলের পায়ের তলার মাটি সরে গেছে । জনসমর্থন নেই। তাই আমাদের নিরীহ কর্মীদের উপর হামলা করছে। তৃণমূলের সরকার আর বেশিদিন নেই। এভাবে মারধর করে বিজেপির জয় আটকাতে পারবে না। পুলিশকে বলে লাভ হবে না। বাঁচতে গেলে আমাদের পালটা দিতে হবে। তৃণমূলের তরফ থেকে অবশ্য বিজেপির উপর হামলার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২০
রাজ্য

দলের মহিলা কর্মীকে কুপ্রস্তাব, তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে এফআইআর

ফের বিতর্কে হলদিয়ায় শাসক দলের নেতা তথা প্রাক্তন চেয়ারম্যান দেবপ্রসাদ মণ্ডল। হলদিয়া শহরে শুভেন্দু অধিকারীর বিরোধী গোষ্ঠীর এই নেতাকে শহর তৃণমূলের সহ সভাপতি পদে বসানো হয়েছে। খারাপ ইমেজের এমন একজনকে রাজ্য নেতৃত্ব পদ দেওয়ায় অসন্তোষ বাড়ছিল তৃণমূলের অন্দরে। পদে বসেই নিজের জাত চেনালেন দেবু মণ্ডল। হলদিয়ার এই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে অশালীন ইঙ্গিত এবং কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ তুললেন দলেরই এক মহিলা কর্মী! সদ্য হলদিয়া টাউন ব্লক তৃণমূলের সহ সভাপতি, হলদিয়া পুরসভার বর্তমান ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও প্রাক্তন চেয়ারম্যান দেবপ্রসাদ মণ্ডলের বিরুদ্ধে অশালীন ইঙ্গিত ও কুপ্রস্তাব দেওয়ার প্রমাণ-সহ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তৃণমূলের মহিলা কর্মী চান্দ্রেয়ী বিশ্বাস। চান্দ্রেয়ী বিশ্বাস গত ২০১২ সালে হলদিয়া পুরসভা নির্বাচনে তৃণমুলের টিকিটে প্রার্থীও হয়েছিলেন। সেই চান্দ্রেয়ীদেবী দলেরই নেতা দেবপ্রসাদ মণ্ডলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলায় অস্বস্তিতে পড়েছে তৃণমূল। তাঁকে লাগাতার হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ ও ভিডিও কল যে দেবপ্রসাদ মণ্ডল করতেন তার স্ক্রিনশট-সহ হলদিয়া থানার পুলিশের কাছে অভিযোগ জানান চান্দ্রেয়ীদেবী। শুভেন্দু-বিরোধী এই নেতার বিরুদ্ধে পুলিশ পদক্ষেপ করে কিনা সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল। অভিযুক্ত নেতা অভিযোগ অস্বীকার করলেও তার সপক্ষে কিছু জানাতে পারেননি। তৃণমূল নেতা, কর্মীরা পদাধিকারীর এমন কাণ্ড শীর্ষ নেতাদের নজরে আনতে চাইছে। যদিও রাজ্যজুড়ে পিকের টিমের রিপোর্টের ভিত্তিতে গঠিত কমিটি নিয়ে যা চলছে তাতে আদৌ কিছু হবে কিনা তা নিয়ে সন্দিহান। বিজেপি গোটা বিষয়টি গ্যালারিতে বসে আপাতত উপভোগ করছে।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
রাজ্য

আচমকাই এই জেলা সফরে শুভেন্দু

শুভেন্দু অধিকারী ৮ তারিখ মুর্শিদাবাদের খড়গ্রামে যাবেন জেলা পরিষদের এক কর্মাধ্যক্ষর স্মরণসভায়, এটা আগে জানা ছিল। তেমন প্রচার করেছিলেন তৃণমূলের একাংশ। ৭ তারিখ শুভেন্দুবাবুর পুরুলিয়া জেলায় যাওয়ার বিষয়টিও পূর্ব নির্ধারিত ছিল বলে জানা যায়। কিন্তু আচমকাই আজ, শুক্রবার ৬ নভেম্বর মুর্শিদাবাদ জেলায় হাজির মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বেলডাঙা ভারত সেবাশ্রম সংঘে যান তিনি। মন্দিরে পুজো দেন। এরপর শুভেন্দু পাশে দাঁড়ালেন পাঁচ পরিবারের। গত ২৬ অক্টোবর বিজয়া দশমীর দিন ঠাকুর বিসর্জন দিতে গিয়ে বেলডাঙাতে ডুমনিতলা ঘাটে পাঁচ জন যুবক নৌকাডুবিতে মারা যান। আজ শুভেন্দুবাবু তাঁর প্রাক্তন সাংসদ সদস্য তহবিল থেকে পাঁচজন মৃত যুবকের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য করলেন এবং সবরকমভাবে পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন। জানা গিয়েছে, শুভেন্দুবাবুর এই সফরের কথা তৃণমূলের অনেক নেতাই আগে জানতে পারেননি।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
রাজ্য

গরু পাচার কাণ্ডের মূল চক্রী এনামুল গ্রেফতার

গরু পাচার কাণ্ডের মূল মাথা মুর্শিদাবাদের ব্যবসায়ী এনামুল হককে শুক্রবার দিল্লি থেকে গ্রেফতার করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এই খবর জানার পরেই সিবিআইয়ের পূর্বাঞ্চলীয় সদর দফতর সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্স থেকে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের একটি দল এনামুলকে কলকাতায় নিয়ে আসার জন্য দিল্লি রওনা দিয়েছে। তাকে কলকাতার সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে তোলা হবে বলে জানা গিয়েছে। এই এনামুলের সঙ্গে কলকাতারও ঘনিষ্ঠ যোগ সূত্র ছিল। মূলত মুর্শিদাবাদের লালগোলার বাসিন্দা এনামুলের কলকাতাতেও বাড়ি রয়েছে, রয়েছে দিল্লিতেও। কয়েকদিন আগে তার কলকাতার বাড়িতেও তল্লাশি চালায় সিবিআই। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে গরু পাচার কাণ্ডের তদন্ত সিবিআই শুরু করতেই গা ঢাকা দেয় এনামুল। অবশেষে তার দিল্লির বাড়ি থেকে শুক্রবার তাকে গ্রেফতার করে সিবিআই। আরও পড়ুন ঃ তোষণের রাজনীতিতে বাংলার ঐতিহ্য ক্ষুণ্ন হচ্ছেঃ অমিত শাহ প্রসঙ্গত , রাজ্যে গরু পাচারকাণ্ডে বৃহস্পতিবার কলকাতার চার জায়গায় তল্লাশি চালায় সিবিআই। মানিকতলায় ব্যবসায়ী রাজন পোদ্দারের ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু নথি আটক করা হয়। কয়েকদিন আগে এই কাণ্ডে জড়িত থাকা এনামুল ঘনিষ্ঠ এক বিএসএফ কর্তাকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। দিন দুয়েক আগেও কলকাতায় শুল্ক দপ্তরের আধিকারিক-সহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে সিবিআই। গোটা চক্রের জাল খুলে ধীরে ধীরে এগোচ্ছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। জানা গিয়েছিল, সীমান্তে গরুপাচারে যোগসাজশ ছিল বিএসএফেরও। প্রতি গরুতে হাজার দুয়েক টাকা পেত বিএসএফের এক শ্রেণির কর্তারা। গরুর এই দরদাম চলত মুর্শিদাবাদের শুল্ক দপ্তরের এক শ্রেণির কর্তাদের যোগসাজশে। গরু পাচারের ঘটনার সঙ্গে এই রাজ্যের কোনও রাজনৈতিক নেতা জড়িত আছে কিনা , তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
রাজ্য

তোষণের রাজনীতিতে বাংলার ঐতিহ্য ক্ষুণ্ন হচ্ছেঃ অমিত শাহ

বাংলায় তুষ্টিকরণের রাজনীতি চলছে বলে অভিযোগ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার তিনি পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী সকাল ১১ টা নাগাদ দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দেন। তাঁর জন্য গোটা মন্দির চত্বরে ছিল কড়া নিরাপত্তা। মন্দিরে অমিত শাহকে স্বাগত জানান বঙ্গ বিজেপির মহিলা মোর্চার সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। পুজো দিয়ে তিনি সাংবাদিকদের সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন , পুজো দিয়ে আমি আপ্লুত। তিনি আরও বলেন , বাংলার এই পবিত্র ভূমি রামকৃষ্ণ, স্বামী বিবেকানন্দ, প্রণবানন্দ ঠাকুর, শ্রী অরবিন্দের। কিন্তু এখানেই তুষ্টিকরণের রাজনীতি চলছে। তোষণের রাজনীতিতে ঐতিহ্য ক্ষুণ্ন হচ্ছে। আধ্যাত্মিক-ও ধর্মীয় চেতনায় দেশের শীর্ষে ছিল বাংলা। সেই গৌরব আবার ফিরিয়ে আনতে হবে। রাজ্যবাসীকে বিচার-বিবেচনার উপর বিশেষ নজর দিয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানাব। আরও পড়ুন ঃ বালি বোঝাই লরি উলটে দুর্ঘটনা , মৃত্যু একই পরিবারের তিনজনের এছাড়াও তিনি আরও বলেন, মা কালীর কাছে গোটা দেশ তথা বাংলার মঙ্গল কামনা করেছি। মোদীর নেতৃত্বে দেশ এক নম্বরে পৌঁছক তাই চাই। দক্ষিণেশ্বরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এ দিন ছিলেন মুকুল রায়, দিলীপ ঘোষ, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, বাবুল সুপ্রিয়, অনুপম হাজরা-সহ আরও অনেকে। এছাড়াও মন্দিরে উপস্থিত ছিলেন মন্দিরে ছিলেন বিজেপির মহিলার মোর্চার সদস্যারাও।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
রাজ্য

বালি বোঝাই লরি উলটে দুর্ঘটনা , মৃত্যু একই পরিবারের তিনজনের

এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল একই পরিবারের তিনজনের। এই দুর্ঘটনার জেরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর এলাকা। মৃতরা হলেন , সন্ধ্যা বাউরি (৩০), রিঙ্কু বাউরি (১৪) ও রাহুল বাউরি(১২)। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন স্বামী স্বামী প্রশান্ত বাউরি। জানা গিয়েছে , বৃহস্পতিবার রাতে পূর্ব বর্ধমান জামালপুর থানার কুলির মুইদিপুর গ্রামে বালি বোঝাই লরি উলটে যায় দামোদরের বাঁধের রাস্তার ধারে থাকা একটি বাড়ির উপরে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। শুরু করে উদ্ধারকাজ। বাড়ির মধ্যেই প্রশান্ত বাউরির ছেলে ও মেয়ে চাপা পড়ে মারা যায়। হাসপাতালে মারা যান সন্ধ্যা বাউরি। স্থানীয়দের অভিযোগ, চালক মদ্যপ অবস্থায় ছিল। গতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারার ফলে এই বিপত্তি ঘটেছে। আরও পড়ুন ঃ শীর্ষ নেতার ফোনেই জেলা কমিটি ঘোষণা বন্ধ করে পালালেন কল্যাণ? নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য দিতে হবে। এছাড়া ওই এলাকা দিয়ে বালিবোঝাই লরি চলাচল অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। নচেৎ পুলিশের হাতে কোনওভাবেই দেহ তুলে দেওয়া হবে না। পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর করা হয়। পুলিশ তাদের বোঝাতে গেলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়। গ্রামবাসীরা পুলিশকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। পরে সেই জনরোষ বালিখাদানে গিয়েও পড়ে। উত্তেজিত মানুষজন ওই এলাকার বালিখাদানে চড়াও হয়। সেখানের অফিসে আগুন ধরিয়ে দেয় বলে জানা গিয়েছে। উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিসকে লাঠিচার্জ করতে হয় । কিছু সময় পর অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে কোন রকমে বিক্ষুব্ধ মানুষজনকে সরিয়ে দিয়ে মৃত ও জখমদের উদ্ধার করে।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
রাজ্য

শীর্ষ নেতার ফোনেই জেলা কমিটি ঘোষণা বন্ধ করে পালালেন কল্যাণ?

নজিরবিহীন! তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা কমিটি ঘোষণার মাঝপথেই তা বন্ধ রাখতে হলো শীর্ষ নেতার ফোনে। উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় শেষে সাংবাদিক বৈঠকের মাঝপথেই পিঠটান দিলেন তৃণমূল সাংসদ। জেলার কোর কমিটির সদস্যরাও। ঘটনা হুগলির চুঁচুড়ায়। চুঁচুড়ার ঘড়ির মোড়। যেখানে তিন-চারশো লোক হলেই ভরে যায়, একের পর এক বিধানসভাভিত্তিক প্রতিবাদ সভা ডাহা ফ্লপ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর চুঁচুড়ার সভা হয় ঘড়ির মোড়ে। যথারীতি ফ্লপ। তার মধ্যেই প্রথমে এক প্রবীণার সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ দুর্ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ। স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমায় আরও কিছু মন্তব্য করেন যা সাংসদের কাছে কাম্য নয়। এরপরেই তিনি বলেন, সাংবাদিকদের ডেকে কোর কমিটির সদস্যদের নিয়ে জেলা ও ব্লক কমিটি ঘোষণা করবেন। এরপরেই সেই নজিরবিহীন ঘটনা। ৫-৬ জনের নাম ঘোষণার পরেই কল্যাণের কাছে একজনের ফোন আসে, কমিটি ঘোষণা বন্ধ রাখতে বলা হয়। ক্ষেপে গিয়ে তাঁকে যারপরনাই আপত্তিকর কথা বলেন তৃণমূল সাংসদ। ফোন কেটে ফের কমিটি ঘোষণা করতে যেতেই আসে আরেকটি ফোন। প্রথমে ঠিকঠাক কথা বললেও একটু পরেই শুরু হয় উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়। প্রত্যক্ষদর্শীদের কথায়, প্রয়োজনে দল ছাড়বেন, এমন কথাও বলেন সাংসদ। এরপর সেই ফোন কেটে সাংবাদিক বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে যান কল্যাণ। একে একে বাকিরাও। এই প্রথম কোনও জেলার কমিটি ঘোষণা মাঝপথেই থমকে গেল। স্থগিত রইল জেলা ও ব্লক কমিটি ঘোষণা। তৃণমূল সূত্রে খবর, প্রথম ফোন আসে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়ের কাছ থেকে। তাঁকে আপত্তিজনক কথা বলেন তৃণমূল সাংসদ। এরপর অভিষেক ফোন করলে তাঁর সঙ্গেও উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। হুগলিতে শাসক দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে। লবিবাজি আর টাকার খেলায় ভালো কাজের নেতা, কর্মীদের সরিয়ে অসৎ, দুর্নীতিবাজদের পদে বসানোর অভিযোগ পৌঁছেছে দলের শীর্ষস্তরে‌। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই কমিটি ঘোষণা বন্ধ রাখতে বলা হলো কিনা তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা চলছে। সাংসদের সঙ্গে দলের শীর্ষ নেতার উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় গোটা ঘটনায় অন্য মাত্রা যোগ করল।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

হাওড়ার কলেজে পড়ুয়াদের বিক্ষোভের জেরে উত্তেজনা

অবিলম্বে সম্পুর্ন রেজাল্ট হাতে তুলে দেওয়া সহ একাধিক দাবিতে বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ দেখালেন হাওড়ার নরসিংহ দত্ত কলেজের তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়ারা। তাঁদের দাবি এখনই রেজাল্ট না হাতে পেলে কিভাবে পরবর্তীতে তারা ভর্তি হবেন ? এদিন তৃতীয় বর্ষের ছাত্র-ছাত্রীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। এদিন কলেজের সামনে পড়ুয়ারা এবং অভিভাবকরা কলেজের গাফিলতির অভিযোগ তোলেন। থার্ড ইয়ারের স্টুডেন্টদের ফাইনাল পরীক্ষার রেজাল্টে ইতিহাসের নম্বর না দেওয়ায় কার্যত বিপাকে পড়েছেন এইসব পড়ুয়ারা। পড়ুয়াদের একাংশের অভিযোগ , কলেজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষার খাতার নম্বর না যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন ইতিহাস অনার্সের পড়ুয়ারা। একটি বিষয়ে ফলাফল অসম্পূর্ণ থাকায় তাঁরা স্নাতকোত্তর স্তরে ভর্তি হতে পারছেন না। বৃহস্পতিবার এই অভিযোগকে কেন্দ্র করেই উত্তেজনা ছড়ালো হাওড়ার নরসিংহ দত্ত কলেজের সামনে। এই মাসের ১০ নভেম্বর এমএ-তে ভর্তির লাস্ট ডেট। যদিও কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে খুব তাড়াতাড়ি স্টুডেন্টদের রেজাল্ট হাতে দিয়ে দেওয়া হবে। দুর্গাপূজার সপ্তমীর দিন রেজাল্ট আউট হয়। কিন্তু সেখানে ইতিহাসের নম্বর ছিল না বলে অভিযোগ। আরও পড়ুন ঃ অমিত শাহকে খাইয়েও মনের কথা বলা হল না বিভীষণ হাঁসদার এই বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষা সোমা বন্দোপাধ্যায় জানান , প্রযুক্তিগত ত্রুটির জন্যই নম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছায়নি। বিশ্ববিদ্যালয়কে ফের নম্বর পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। খুব শীঘ্রই সমস্যা মিটে যাবে। এই প্রসঙ্গে ছাত্রীরা জানান, আমাদের বলা হয়েছিল লক্ষ্মীপুজোর পরে আমাদের রেজাল্ট দিয়ে দেওয়া হবে, কিন্তু এখনও তা হয়নি। তাছাড়া পড়ুয়াদের আরো অভিযোগ , অন্যান্য বিষয়ে গড়ে নম্বর দেওয়া হয়েছে । যে ফার্স্ট ক্লাস পায় তাকেও কম নম্বর দিয়েছে। এছাড়াও দ্বিতীয় পত্রে কোনও নম্বর নেই। পড়ুয়ারা আরো বলেন, আমরা চাইছি এই মুহুর্তে আমাদের রেজাল্ট আমাদের হাতে তুলে দেওয়া হোক। আমাদের প্রাপ্য নম্বর দেওয়া হোক। দরকার পড়লে আমরা খাতা রিভিউ করব। প্রয়োজনে বিষয়টি শিক্ষামন্ত্রীকেও জানাবেন তাঁরা।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 201
  • ...
  • 208
  • 209
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

ইস্টবেঙ্গলের ঘরে নতুন লগ্নির আলো! উৎসবেই কি চমক, বিনিয়োগকারী হিসেবে উঠে আসছে হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের নাম?

ইমামির বিদায়ের পর লাল-হলুদের আর্থিক ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে, পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের শিল্পগোষ্ঠীর সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার সম্ভাবনায় নতুন আশার সঞ্চারইমামি গোষ্ঠীর সঙ্গে বিনিয়োগকারী হিসেবে সম্পর্কের অবসানের পর থেকেই নতুন পৃষ্ঠপোষকের সন্ধানে ছিল ইস্টবেঙ্গল। একের পর এক সম্ভাব্য নাম নিয়ে আলোচনা চলার মধ্যেই এবার লাল-হলুদের বিনিয়োগকারী হওয়ার দৌড়ে উঠে এল হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালস লিমিটেডের (এইচপিএল) নাম। সূত্রের খবর, ক্লাব ও সংস্থার মধ্যে কথাবার্তা বেশ কিছুটা এগিয়েছে। সব কিছু পরিকল্পনামাফিক এগোলে উৎসবের মরশুমেই নতুন বিনিয়োগকারী নিয়ে বড় ঘোষণা করতে পারে ইস্টবেঙ্গল। যদিও চুক্তি চূড়ান্ত হওয়া এবং আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে বিষয়টি নিয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।ইস্টবেঙ্গলের মতো ঐতিহ্যবাহী ক্লাবের কাছে নতুন বিনিয়োগকারী খুঁজে পাওয়া শুধুমাত্র আর্থিক সংস্থানের প্রশ্ন নয়, আগামী দিনের ফুটবল পরিকল্পনার সঙ্গেও তা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। দল গঠন, ভালো মানের ফুটবলারদের ধরে রাখা, নতুন প্রতিভা তুলে আনা এবং পরিকাঠামোর উন্নয়নসব ক্ষেত্রেই ধারাবাহিক অর্থের জোগান প্রয়োজন। সেই জায়গায় হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের সঙ্গে সম্ভাব্য সম্পর্ক লাল-হলুদ শিবিরকে নতুন দিশা দেখাতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশ।শিল্পপতি পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের সংস্থাকে ঘিরে প্রত্যাশাহলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের নাম সামনে আসতেই স্বাভাবিকভাবে আলোচনায় উঠে এসেছে শিল্পপতি পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দ্য চ্যাটার্জি গ্রুপ (টিসিজি)। এই সংস্থা হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের প্রধান উদ্যোক্তা। পাশাপাশি, সংস্থাটিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারেরও অংশীদারি রয়েছে। ফলে এই সম্ভাব্য সমীকরণ বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের অন্যতম পরিচিত শিল্পগোষ্ঠীর সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের সম্পর্ক তৈরি হতে পারে।তবে শিল্পগোষ্ঠীর সঙ্গে ক্লাবের সম্ভাব্য সম্পর্কের গুরুত্ব যতই থাকুক, চুক্তির আর্থিক কাঠামো এবং পরিচালন সংক্রান্ত শর্তগুলি কী হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। নতুন বিনিয়োগকারী ক্লাবের দৈনন্দিন পরিচালনায় কতটা ভূমিকা নেবে, ফুটবল দলের বাজেট কতটা বাড়বে কিংবা দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনায় কী ধরনের সহযোগিতা পাওয়া যাবে, সে সবই এখন দেখার বিষয়।ইমামির বিদায়েই শুরু নতুন অধ্যায়গত ২৫ অগস্ট বিবৃতি দিয়ে ইমামি গোষ্ঠী জানিয়ে দিয়েছিল, ইস্টবেঙ্গলের বিনিয়োগকারী হিসেবে তাদের ভূমিকার অবসান ঘটছে। গত আইএসএল মরশুম শেষ হওয়ার পর থেকেই এই বিচ্ছেদের সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনা চলছিল। ক্লাব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কিছু বিষয়ে মতপার্থক্যের খবরও সামনে এসেছিল। এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, ইমামির জায়গায় লাল-হলুদের আর্থিক দায়িত্ব সামলাবে কোন সংস্থা?চলতি মরশুমের শুরুতে ইস্টবেঙ্গলের জার্সিতে ইমামির লোগো না দেখা যাওয়ায় সেই জল্পনা আরও জোরালো হয়। যদিও ডুরান্ড কাপের ফাইনালে জার্সিতে ছোট আকারে ফিরে আসে ইমামির লোগো। তার আগে থেকেই ইঙ্গিত মিলছিল, বিনিয়োগকারীর ভূমিকা থেকে সরে গেলেও ক্লাবের সঙ্গে স্পনসর হিসেবে সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী সংস্থাটি।পরে ইমামির বিবৃতিতেও সেই অবস্থান স্পষ্ট করা হয়। সংস্থার তরফে জানানো হয়, বিনিয়োগকারী ও পরিচালন সংক্রান্ত দায়িত্ব থেকে সরে এলেও স্পনসর হিসেবে ইস্টবেঙ্গলের পাশে থাকবে তারা। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নিজেদের শেয়ার এবং সংশ্লিষ্ট ভোটাধিকার ক্লাব কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছিল। অর্থাৎ, বিনিয়োগের অধ্যায় শেষ হলেও লাল-হলুদের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক পুরোপুরি ছিন্ন করার পথে হাঁটেনি ইমামি।আর্থিক অনিশ্চয়তা কাটানোর অপেক্ষানতুন বিনিয়োগকারী নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই ইস্টবেঙ্গলের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। ফুটবলারদের বেতন বকেয়া থাকার খবর সামনে আসায় পরিস্থিতি আরও আলোচনায় আসে। নতুন মরশুমে দল গঠন, খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক এবং অন্যান্য খরচের সংস্থান কীভাবে হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে থাকে।এই পরিস্থিতিতে হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের নাম সামনে আসা লাল-হলুদের কাছে তাৎপর্যপূর্ণ। আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে ক্লাবের আর্থিক পরিকল্পনায় স্থিতিশীলতা ফেরানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতের জন্য শক্তিশালী দল গড়ার ক্ষেত্রেও সুবিধা মিলতে পারে।তবে নতুন বিনিয়োগকারী এলেই যে সমস্ত সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান হয়ে যাবে, এমনটা ধরে নেওয়ার অবকাশ নেই। বিনিয়োগের পরিমাণ, অর্থ প্রদানের সময়সূচি, ক্লাব পরিচালনায় অংশীদারিত্ব এবং ফুটবল বিভাগের জন্য বরাদ্দপ্রতিটি বিষয়ই গুরুত্বপূর্ণ। সেই শর্তগুলির উপরেই নির্ভর করবে নতুন সমীকরণে ইস্টবেঙ্গল কতটা লাভবান হবে।উৎসবের মরশুমেই কি লাল-হলুদে নতুন সূর্যোদয়?ইস্টবেঙ্গলের সমর্থকদের কাছে নতুন বিনিয়োগকারী পাওয়ার সম্ভাবনা নিঃসন্দেহে স্বস্তির খবর। ঐতিহ্য, বিপুল সমর্থকগোষ্ঠী এবং সাফল্যের প্রত্যাশা থাকা সত্ত্বেও আধুনিক ফুটবলে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে প্রয়োজন শক্তিশালী আর্থিক ভিত। সেই ভিত মজবুত করার লক্ষ্যেই এখন নজর নতুন বিনিয়োগকারীকে ঘিরে।সূত্রের খবর অনুযায়ী, হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে থাকায় উৎসবের মরশুমে ঘোষণার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু যতক্ষণ না চুক্তি সম্পূর্ণ হচ্ছে এবং ক্লাব বা সংশ্লিষ্ট সংস্থার তরফে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি আসছে, ততক্ষণ বিষয়টিকে সম্ভাবনা হিসেবেই দেখতে হবে।শেষ পর্যন্ত হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের গাঁটছড়া বাঁধা হলে তা ক্লাবের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ মোড় হতে পারে। এখন অপেক্ষা আনুষ্ঠানিক ঘোষণার। সেই ঘোষণাই স্পষ্ট করবে, নতুন বিনিয়োগের হাত ধরে লাল-হলুদ শিবির কতটা নতুন পথে এগোতে পারে।

অক্টোবর ২২, ২০২৬
কলকাতা

চোরবাগানের দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা, ২০২৭-এর পুজোর আগেই আগাম প্রস্তুতি! শ্যামপুরে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

চোরবাগানের পদপিষ্টের ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে আগামী বছর দুর্গাপুজোর আগেই প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর। শ্যামপুরে স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নয়ন, নদীবাঁধ মেরামতি, কর্মসংস্থান ও আবাস যোজনা নিয়েও একাধিক ঘোষণা করলেন তিনি।শ্যামপুর: উৎসবের আনন্দের মধ্যে চোরবাগানের পদপিষ্টের ঘটনায় যে বেদনার ছায়া নেমে এসেছে, তা থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামী বছর দুর্গাপুজোর আগেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে চায় রাজ্য সরকার। ২০২৭ সালের পুজোয় যাতে এ ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়, তার জন্য আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার অঙ্গীকার করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার রাতে শ্যামপুরের বেলপুকুর কলেজের মাঠে বিজয়া সম্মেলনীর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে চোরবাগানের ঘটনা থেকে শুরু করে রাজ্যের উন্নয়ন, স্বাস্থ্য পরিষেবা, কর্মসংস্থান ও গ্রামীণ পরিকাঠামো নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে এ দিন বিশেষ গুরুত্ব পায় চোরবাগানের দুর্ঘটনা। প্রথম সপ্তমীর রাতে ওই ঘটনায় প্রাণহানির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, উৎসবের আনন্দের মধ্যেই বেদনার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তাঁর কথায়, এই ঘটনার তদন্ত হবে এবং ভবিষ্যতে যাতে এমন বিপর্যয় আর না ঘটে, সে বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় শিক্ষা নিয়েছে। আগামী বছরের দুর্গাপুজোর অনেক আগে থেকেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন তিনি।দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবারের পাশে থাকার কথাও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, মৃত ১৮ জনের মধ্যে ১২ জনের পরিবারের সঙ্গে তিনি দেখা করেছেন। বাকি ছটি পরিবারের সঙ্গে ২৩ ও ২৪ তারিখের মধ্যে দেখা করার পরিকল্পনার কথাও জানান। দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে ২৫ জন সুস্থ হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি। ক্ষতিপূরণ দিয়ে স্বজনহারা পরিবারের ক্ষতি পূরণ করা সম্ভব নয়, তবে সরকারের কিছু দায়িত্ব রয়েছে এবং সেই দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে প্রশাসনকে আরও সতর্ক হওয়ার বার্তা দেন তিনি।শ্যামপুরের অতীত প্রসঙ্গ তুলে রাজনৈতিক আক্রমণবিজয়া সম্মেলনীর মঞ্চ থেকে শ্যামপুরের কয়েক বছর আগের অশান্তির প্রসঙ্গও টেনে আনেন মুখ্যমন্ত্রী। পূর্ববর্তী তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেন, এক সময়ে যাঁরা মা কালীকে প্রিজন ভ্যানে তুলেছিলেন, তাঁদেরই এখন প্রিজন ভ্যানে উঠতে হচ্ছে। দুর্গাপ্রতিমা ভাঙার প্রসঙ্গ তুলে তাঁর আরও মন্তব্য, যাঁরা দুর্গাঠাকুর ভেঙেছিলেন, তাঁদের মা দুর্গাই ক্ষমতার অলিন্দ থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছেন। রাজনৈতিক বক্তব্যের পাশাপাশি এ দিনের অনুষ্ঠানে এলাকার উন্নয়ন নিয়েও একাধিক পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তিনি।১৪ শয্যার স্বাস্থ্যকেন্দ্র হবে ১০০ শয্যারশ্যামপুরের স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নয়নে বড় পরিকল্পনার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। বর্তমানে এলাকায় ১৪ শয্যার একটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র রয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সেটিকে ১০০ শয্যার হাসপাতালে উন্নীত করার আশ্বাস দেন তিনি। শুধু শয্যা বাড়ানোই নয়, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আল্ট্রাসনোগ্রাফি ও এক্স-রে পরিষেবা চালুর কথাও ঘোষণা করেন। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের চিকিৎসার জন্য দূরে যাওয়ার প্রয়োজন কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।নদীবাঁধের ভাঙন রোধে উদ্যোগ, কাঠের সেতুর বদলে পাকা ব্রিজপ্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ এলাকা হিসেবে শ্যামপুরের পরিকাঠামোগত সমস্যার কথাও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এই এলাকায় নদীবাঁধের ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন জায়গায় থাকা কাঠের সেতুগুলিকে পাকা সেতুতে রূপান্তরের প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তিনি। বোয়ালিয়ায় একটি বড় সেতু তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।শ্যামপুরে পর্যটনের সম্ভাবনা নিয়েও আশাবাদী তিনি। এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ ও ভৌগোলিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে পর্যটনকেন্দ্রিক উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী। পরিকাঠামোর উন্নয়ন হলে স্থানীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।আগামী ৮ মে-র মধ্যে এক লক্ষ চাকরির প্রতিশ্রুতিকর্মসংস্থান প্রসঙ্গেও এ দিন বড় ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রতিশ্রুতি, আগামী বছরের ৮ মে-র মধ্যে রাজ্যে এক লক্ষ যুবক-যুবতীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন করার আশ্বাসও দেন তিনি। তবে কোন কোন দপ্তরে কত পদে নিয়োগ হবে এবং তার বিস্তারিত সময়সূচি কী, সে বিষয়ে এ দিনের বক্তব্যে নির্দিষ্ট তথ্য সামনে আসেনি।পঞ্চায়েতে ৫০ লক্ষ টাকার কাজের নির্দেশ, আবাস যোজনায় আরও ২৫ লক্ষ বাড়িগ্রামীণ উন্নয়নের ক্ষেত্রেও পঞ্চায়েতগুলিকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী। বিকশিত ভারত ভিবি-জিরামজি প্রকল্পের প্রসঙ্গ তুলে আগামী ছমাসের মধ্যে প্রতিটি পঞ্চায়েতে ৫০ লক্ষ টাকার কাজ করার কথা বলেন তিনি। তাঁর দাবি, ১২৫ দিনের কর্মসূচিতে ৩৭০ ধরনের কাজ করার সুযোগ রয়েছে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে এলাকার উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর উপর জোর দেন তিনি।আবাস যোজনার পরবর্তী ধাপে আরও ২৫ লক্ষ বাড়ি তৈরির কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী। গ্রামীণ এলাকার মানুষের বাসস্থানের চাহিদা পূরণ এবং স্থানীয় পরিকাঠামোর উন্নয়নকে সামনে রেখেই এই উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন তিনি।চোরবাগানের দুর্ঘটনা এ দিনের অনুষ্ঠানে শোক ও সতর্কতার বার্তা নিয়ে এলেও, একই মঞ্চ থেকে শ্যামপুরের স্বাস্থ্য পরিষেবা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, পর্যটন, কর্মসংস্থান এবং আবাসন নিয়ে একগুচ্ছ পরিকল্পনার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। এখন নজর থাকবে, ঘোষিত প্রকল্পগুলির কতটা নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে বাস্তবায়িত হয় এবং আগামী বছরের দুর্গাপুজোর আগে দুর্ঘটনা রোধে কী ধরনের আগাম ব্যবস্থা গ্রহণ করে প্রশাসন।

অক্টোবর ২২, ২০২৬
দেশ

যন্তর মন্তরে প্রতিবাদে ‘না’, জামিনের শর্তে কী মুচলেকা দিলেন ককরোচ জনতা পার্টির দুই নেতা?

এক সপ্তাহ তিহাড়ে কাটিয়ে মুক্তি আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসের, ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিনজ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে এখনও অনড় দুই নেতা।এক সপ্তাহ জেলবন্দি থাকার পর অবশেষে মুক্তি পেলেন ককরোচ জনতা পার্টির দুই নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস। বুধবার বিকেলে তাঁদের জামিন মঞ্জুর করেন স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট। তবে মুক্তির পথ একেবারে শর্তহীন ছিল না। ভবিষ্যতে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা, অনুমতি ছাড়া প্রতিবাদ কর্মসূচি না করা এবং শান্তিভঙ্গকারী কোনও কাজে জড়িত না হওয়ার অঙ্গীকার করতে হয়েছে দুই নেতাকে। মাথাপিছু ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডেও সই করেছেন তাঁরা।প্রশাসনের নির্ধারিত বিধি উপেক্ষা করে যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ কর্মসূচি চালানোর অভিযোগেই তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ওই এলাকায় প্রতিবাদ কর্মসূচির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার পরেও সেখানে প্রবেশ করে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন ককরোচ জনতা পার্টির কর্মীরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই পুলিশি পদক্ষেপ এবং পরবর্তী সময়ে দুই নেতার জেলযাত্রা।জামিনের শর্তে কী জানালেন দুই নেতা?জামিনের শুনানিতে আশুতোষ ও সৌরভের বক্তব্য ছিল, দেশের আইন ও সংবিধান মেনেই তাঁরা ভবিষ্যতে নিজেদের রাজনৈতিক কর্মসূচি পরিচালনা করবেন। যন্তর মন্তরে অনুমতি ছাড়া কোনও প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করবেন না বলেও জানিয়েছেন তাঁরা। একই সঙ্গে শান্তি বজায় রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দুই নেতা।প্রশাসনিক বিধিনিষেধ মেনে চলার এই অঙ্গীকারের ভিত্তিতেই তাঁদের জামিন মঞ্জুর হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে জামিন পাওয়ার অর্থ এই নয় যে, তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। দুই নেতার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রক্রিয়া চলবে।তিন দিনের অতিরিক্ত হেফাজতের আবেদন খারিজসূত্রের খবর, আশুতোষ ও সৌরভকে আরও তিন দিন হেফাজতে রাখার আবেদন জানিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। কিন্তু সেই আবেদন মঞ্জুর হয়নি। বুধবার বিকেলে জামিনের নির্দেশ দেওয়ার পর রাতের দিকে তাঁদের তিহাড় জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। ফলে প্রায় এক সপ্তাহের বন্দিজীবনের অবসান ঘটে দুই নেতার।জেল থেকে বেরিয়েও অবস্থান বদল নয়জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পরেও নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান থেকে সরে আসেননি আশুতোষ ও সৌরভ। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে তাঁরা এখনও অনড়। ককরোচ জনতা পার্টির সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত একটি ভিডিয়োয় দুই নেতাকে স্লোগান দিতেও দেখা গিয়েছে। সেখানে তাঁদের মুখে শোনা যায়, ভারতমাতা কি জয়, ইনকিলাব জিন্দাবাদ-এর পাশাপাশি জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে স্লোগান।অন্যদিকে, জেলজীবন নিয়ে আশুতোষের মন্তব্যও নজর কেড়েছে। মুক্তির পর তিনি জানিয়েছেন, তিহাড় জেলের খাবার বেশ ভালো। তবে জেলবন্দি হওয়ার অভিজ্ঞতা কিংবা জামিনের শর্তকোনও কিছুই যে তাঁদের রাজনৈতিক দাবিতে প্রভাব ফেলেনি, তাঁদের বক্তব্য ও স্লোগানে সেই বার্তাই স্পষ্ট।সব মিলিয়ে, জামিনে মুক্তি পেলেও ককরোচ জনতা পার্টির দুই নেতার আইনি লড়াই এখনও শেষ হয়নি। একদিকে জামিনের শর্ত মেনে চলার বাধ্যবাধকতা, অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অবস্থানএই দুইয়ের মধ্যে আগামী দিনে তাঁরা কীভাবে নিজেদের রাজনৈতিক কর্মসূচি এগিয়ে নিয়ে যান, এখন সেদিকেই নজর।

অক্টোবর ২২, ২০২৬
কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal