• ৪ চৈত্র ১৪৩২, বুধবার ১৮ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

খেলার দুনিয়া

খেলার দুনিয়া

মহেশতলায় মারাদোনা: আজও শিহরিত হই, আছে আক্ষেপও

মানস ভট্টাচার্য ২০০৮-এর ডিসেম্বর। প্রথম কলকাতা সফরে মহেশতলায় মারাদোনা! কোচিংয়ে সফল না হলেও যাঁর ক্রীড়াশৈলীতে মুগ্ধ হয়ে আমিও তাঁকেই ফুটবলের ঈশ্বর মানি। মঞ্চে তাঁর দু-পাশে ছিলাম আমি আর কৃষ্ণেন্দু রায়। মারাদোনার প্রয়াণের খবর পেয়ে প্রতি মুহূর্তে সেই দিনের কথাগুলো মনে পড়ছি। শিহরণ জাগে। আছে আক্ষেপ। কেন? তখন যাঁরা মারাদোনাকে এনে তাঁর পায়ের ছাপ নিয়ে শিলান্যাসের মাধ্যমে স্টেডিয়াম তৈরির ঘোষণা করেছিলেন, জমি দেখিয়ে টেন্ডার হয়েছিল, তারপরও সেখানে ফুটবল প্রতিভার বিকাশে স্টেডিয়ামটি কেন হলো না, তা নিয়ে মহেশতলা, বাটানগরের মানুষের মতো আমারও ধোঁয়াশা আছে। মারাদোনাকে ঘিরে আবেগ কাজে লাগিয়েও কি তখন তাঁকে যোগ্য সম্মান দেওয়া হয়েছিল? এমনকী সেই মারাদোনার পায়ের ছাপ, যা আজ দুর্লভ সংগ্রহ, সেটারও হদিশ নেই। নিশ্চয় সেটা কেউ ব্যক্তিগত সংগ্রহে রেখেছেন। আবেদন, আজ সেটিকে সামনে এনে অন্তত মারাদোনাকে মর্যাদা দিন। আরও পড়ুন ঃ প্রয়াত দিয়েগো মারাদোনা, শোকার্ত ফুটবল বিশ্ব মারাদোনা মঞ্চে বসে। তাঁকে নিয়ে গান বাজছিল। দোভাষীর মাধ্যমে গানের অর্থ বুঝে তিনি আপ্লুত হয়েছিলেন। অবাকও হয়েছিলেন। যে দেশে তিনি প্রথম এলেন সেখানেও তাঁকে ঘিরে এত উন্মাদনা! হবে না-ই বা কেন? বিরাশি থেকে চারটি বিশ্বকাপ খেলেছেন। কার্যত একার কাঁধে জিতিয়েছেন ছিয়াশির বিশ্বকাপ। নব্বইয়েও দলকে ফাইনালে নিয়ে গিয়েছিলেন, রেফারির বিতর্কিত পেনাল্টি আর্জেন্টিনার তথা মারাদোনার দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ালে ফুটবল ইতিহাস অন্য খাতে বইত। চুরানব্বইয়ের বিশ্বকাপে আগাগোড়া তাঁকে চক্রান্ত করে হেনস্থা করা হয়। অনেকে পেলের সঙ্গে মারাদোনার তুলনা করেন। এটা ঠিক, পেলে তিনবার বিশ্বকাপ জিতেছেন, মারাদোনা একবার। কিন্তু পেলের পাশে যেসব প্লেয়াররা ছিলেন তাতে বিশ্বকাপ না জেতাটাই ছিল আশ্চর্যের। মারাদোনার পাশে সে তুলনায় কেউ ছিলেন না? একার কাঁধে দেশকে বিশ্ব ফুটবলে এক অন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছেন। এটাও ঠিক, বিরাশির ওই সময় অবধি ফুটবল মহলে জনপ্রিয়তায় পেলের ধারেকাছে কেউ ছিলেন না। আমি নিজেও পেলের বিরুদ্ধে খেলার সুযোগ পেয়েছি কলকাতায়। কিন্তু অস্বীকারের উপায় নেই, সেই জনপ্রিয়তায় ভাগ বসিয়ে বিপুল সংখ্যক ফ্যান বেস তৈরি করে ফেলেন মারাদোনা, তাঁর জন্যই আজও বহু ফুটবল ভক্ত আর্জেন্টিনার সাপোর্টার। ইতালির লিগ এমনিতেই কঠিন। সেখানে নাপোলিকে দ্বিতীয় ডিভিশন থেকে দেশের শীর্ষে নিয়ে যাওয়াও কম বড় ব্যাপার নয়। একার ক্যারিশমা, দক্ষতায় দেশ বা ক্লাবকে যেভাবে একা তিনি টেনে নিয়ে গিয়েছেন তার তুলনা হয় না। মারাদোনাকে চিরকাল খাটো করে দেখিয়েছে আমেরিকা, ব্রিটিশরা। মারাদোনার আর্জেন্টিনার সঙ্গে ইংল্যান্ডের ফুটবল মাঠের যুদ্ধেও তো বারবার জড়িয়ে দেওয়া হয় ১৯৮২-র ফকল্যান্ড যুদ্ধের কথা। ফকল্যান্ড যুদ্ধে ব্রিটিশদের কাছে আর্জেন্টিনার হারের মধুর প্রতিশোধ হিসেবে দেখানো হয় ছিয়াশির বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ইংল্যান্ডের পরাজয়কে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমে মারাদোনার মৃত্যুর পরও বারবার দেখানো হয়েছে ছিয়াশির বিশ্বকাপের সেই হ্যান্ড অব গড। কেন তারপরেই পাঁচ ফুটবলারকে কাটিয়ে ওই ম্যাচে মারাদোনার দ্বিতীয় গোলটি, যা ফিফার বিচারে শতাব্দীর সেরা গোল সেটা দেখানো হবে না? কিংবা সেমিফাইনালে বেলজিয়াম ম্যাচের সেই চোখধাঁধানো জোড়া গোলের ফুটেজ দেখাচ্ছ না? আসলে চে গুয়েভারার ভক্ত, ফিদেল কাস্ত্রোর অভিন্নহৃদয় বন্ধু বলেই মারাদোনাকে খাটো করে দেখানোর প্রয়াস। মনে রাখতে হবে, কাউকে খাটো দেখিয়ে নিজে বড় হওয়া যায় না। প্রতিভাকে ছাইচাপা দিয়ে রাখা যায় না বলেই তো তৃতীয় বিশ্বে মারাদোনার অগণিত ভক্ত। নিজের উপার্জন থেকে অর্থসাহায্য করে নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়ানো মারাদোনা সত্যিই অতুলনীয় হয়ে থাকবেন আমাদের কাছে। ২৫ নভেম্বর ২০১৬ কাস্ত্রোর মৃত্যুদিন। এবার সেদিনই চলে গেলেন ফুটবল ঈশ্বরও।

নভেম্বর ২৬, ২০২০
খেলার দুনিয়া

প্রয়াত দিয়েগো মারাদোনা, শোকার্ত ফুটবল বিশ্ব

প্রয়াত ফুটবলের রাজপুত্র দিয়েগো মারাদোনা। জানা যায়, বুধবার নিজের বাড়িতে থাকাকালীনই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬০। অজস্র ম্যাচে তাঁর অবিস্মরণীয় পারফরম্যান্স সকলে মনে রাখবে। প্রথমেই যে ম্যাচের কথা না বললেই নয়, ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ। সেখানে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হয়েছিল পশ্চিম জার্মানি। আর্জেন্টিনা সেই ম্যাচে ৩-২ গোলে জয়লাভ করে। সেই ম্যাচে মারাদোনার অবিস্মরণীয় পারফরম্যান্স সকলেই মনে রাখবে। আরও পড়ুন ঃ ফুটবলার হওয়ার লক্ষ্যে পথচলা শুরু বাইচুংয়ের ছেলে ইউজেনের এছাড়াও ১৯৮৭ সালে নাপোলি স্কুপ সিরিজ এ কোপা ইটালিয়া ডবলসের ফাইনালে তার অনবদ্য পারফরম্যান্স সকলের মন জয় করে নিয়েছে। এছাড়াও ১৯৮৮-৮৯ ইউয়েফা কাপ কোয়ার্টার ফাইনালে নাপোলি ৩-০ গোলে জুভেন্টাসকে পরাজিত করে। সেই ম্যাচেও মারাদোনার পারফরম্যান্স মনে রাখার মতো। ১৯৮৮-৮৯ এ ইউয়েফা কাপ সেমিফাইনালে তাঁর পারফরম্যান্স প্রশংসার দাবি রাখে। ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে ১-০ গোলে পরাজিত করে আর্জেন্টিনা। সেই ম্যাচে অসাধারণ খেলেছিলেন মারাদোনা। এছাড়াও ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে আর্জেন্টিনা ৪-০ গোলে গ্রিসকে পরাজিত করে। সেই ম্যাচেও মারাদোনার পারফরম্যান্স অনবদ্য। প্রয়াত হলেও মারাদোনার এই পারফরম্যান্স সকলে মনে রাখবে।

নভেম্বর ২৬, ২০২০
খেলার দুনিয়া

ফুটবলার হওয়ার লক্ষ্যে পথচলা শুরু বাইচুংয়ের ছেলে ইউজেনের

বাবা একসময় ছিলেন দেশের অন্যতম সেরা জনপ্রিয় ফুটবলার। দেশের হয়ে দীর্ঘদিন চুটিয়ে খেলেছেন। দেশকে দীর্ঘদিন ধরে নেতৃত্বেও দিয়েছেন। ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান, জেসিটির হয়ে চুটিয়ে খেলছেন। বারি এফসি, পেরাক এফএর মতো বিদেশের ক্লাবেও খেলেছেন। বাবা বাইচুং ভুটিয়ার মতো ফুটবলার হওয়ার লক্ষ্যে পথ চলা শুরু করলেন ইউজেন ভুটিয়া। গুরগাঁওতে আবাসিক ফুটবল অ্যাকাডেমি তৈরি করেছেন বাইচুং ভুটিয়া। নাম বাইচুং ভুটিয়া ফুটবল অ্যাকাডেমি। এই অ্যাকাডেমিতেই রবিবার থেকে প্রথাগত ফুটবল পাঠ নিতে শুরু করল ইউজেন। হরিয়ানার গুরগাঁও ও কেরালার নীলাম্বুরে দুটি আবাসিক অ্যাকাডেমি তৈরি করেছেন বাইচুং। গুরগাঁওতেই ইউজেনকে ভর্তি করেছেন বাইচুং। ছেলেকে অ্যাকাডেমিতে ভর্তি করার কথা তিনি নিজেই জানিয়েছেন। টুইট করেছেন, ইউজেন ফুটবল দুনিয়ায় নতুন যাত্রা শুরু করল।

নভেম্বর ০৮, ২০২০
খেলার দুনিয়া

‌রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে প্লে অফ ম্যাচে কেন খেললেন না ঋদ্ধিমান?‌ 

গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে বহুবার চোট পেয়ে দলের বাইরে ছিটকে গেছেন। আবার সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। হ্যামস্ট্রিংয়ে চোটের জন্য আইপিএলে প্লে অফে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে ম্যাচ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন ঋদ্ধিমান সাহা। অস্ট্রেলিয়া সফরের জন্য বাড়তি ঝুঁকি নিলেন না বাংলার এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ব্যাট করার সময় হ্যামস্ট্রিংয়ে টান লেগেছিল ঋদ্ধিমানের। ব্যাট হাতে ৮৭ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেছিলেন। পরে অবশ্য গ্লাভস হাতে উইকেটের পেছনে দাঁড়াননি। তাঁর পরিবর্তে কিপিং করেছিলেন শ্রীবৎস গোস্বামী। দিল্লি ক্যাপিটালস ম্যাচের পর আরও দুটি ম্যাচ খেলেন ঋদ্ধি। চোট কিছুটা বেড়েছে। তাই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর ম্যাচে ঝুঁকি নিলেন না। টিম ম্যানেজমেন্টও চায়নি ঋদ্ধিকে খেলাতে। যদি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ফাইনালে ওঠে আর ঋদ্ধির চোটের যদি উন্নতি হয় তাহলে তিনি ফাইনালে খেলবেন।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
খেলার দুনিয়া

কোহলিকে স্লেজিং করা নিয়ে দেশের ক্রিকেটারদের সতর্ক করে দিলেন স্টিভ ওয়া

ভারতঅস্ট্রেলিয়া ম্যাচে স্লেজিং হবে না, এটা হতে পারে? ডেনিস লিলি, অ্যালান বর্ডার, ডেভিড বুন, স্টিভ ওয়াদের সময়ের ধারা আজও অব্যাহত। ভারতীয় ক্রিকেটারদের কথার আক্রমণে নাজেহাল করে দিয়েছে অসিরা। বেছে নিত তারকা ক্রিকেটারদের। তবে আসন্ন সিরিজে বিরাট কোহলিকে স্লেজিং করে যে খুব একটা লাভ হবে না, নিজের দেশের ক্রিকেটারদের সতর্ক করে দিয়েছেন স্টিভ ওয়া। এক ওয়েবসাইটকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অস্ট্রেলিয়ার এই প্রাক্তন অধিনায়ক বলেছেন, স্লেজিং করে কোহলিকে সমস্যায় ফেলা যাবে না। বড় বড় ক্রিকেটারদের স্লেজিং করে লাভ নেই। বরং আরও উজ্জীবিত হয়ে ভাল খেলতে পারে। সেটা অস্ট্রেলিয়ার কাছে খারাপ হতে পারে। তাই স্লেজিং না করাই ভাল। আসন্ন সিরিজে জোরদার লড়াই হবে বলে মনে করেন স্টিভ ওয়া। আর তাঁর মতে লড়াইটা মূলত দাঁড়াবে বিরাট কোহলি ও স্টিভ স্মিথের মধ্যে। স্টিভ ওয়া বলেন, কোহলি বিশ্বের সেরা ক্রিকেটার। নিজের সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে চাইবে। তাছাড়া দলের দায়িত্বও ওর কাঁধে। নিজের সেরাটা দিয়ে সিরিজ জেতার চেষ্টা করবে। সেরা ব্যাটসম্যান হতে চাইবে। শেষ ভারত সিরিজে স্মিথ ৩টে সেঞ্চুরি করেছিল। কোহলি টেক্কা দিতে পারেনি। এবার নিশ্চয় টপকে যাওয়ার চেষ্টা করবে।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
খেলার দুনিয়া

এটিকে মোহনবাগানের প্রধান স্পনসর হল কারা?‌

এটিকে মোহনবাগানের প্রধান স্পনসর হল কারা? আইএসএল শুরুর ২ সপ্তাহ আগে নতুন স্পনসর পেল এটিকে মোহনবাগান। ক্লাবের জার্সিতে দেখা যাবে এসবিওটিওপি.নেটএর লোগো। এই বহুজাতিক সংস্থাটি শুক্রবারই এটিকে মোহনবাগানেরর সঙ্গে প্রধান স্পনসর হিসেবে যুক্ত হয়েছে। খেলা সংক্রান্ত খবরাখরব সরবরাহ করে সংস্থাটি। এসবিওটিওপি.নেটএর মত বড় সংস্থাকে প্রধান স্পনসর হিসেবে পেয়ে খুশি এটিকে মোহনবাগান কর্তারা। ক্লাবেন সিইও রঘু আয়ার বলেন, এইরকম একটা বড় সংস্থাকে প্রধান স্পনসর হিসেবে পেয়ে আমরা খুশি। ক্লাবকে স্পনসর করার ধন্যবাদ। সংস্থার বিজনেস ডেভেলপমেন্টের প্রধান স্কাই ট্যানার বলেন, এটিকে মোহনবাগানের মতো দলের প্রধান স্পনসর হতে পেরে আমরা খুশি। ক্লাবকে সাফল্য এনে দিতে সবরকম সাহায্য করব। এটিকে মোহনবাগানের ম্যাচ ও প্র্যাকটিসের জার্সিতে সংস্থাটির লোগো থাকবে। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব লিডস ইউনাইটেডের প্রধান স্পনসর হিসেবে রয়েছে এসবিওটিওপি.নেট। উদ্বোধনী ম্যাচ থেকেই নতুন সংস্থার লোগো দেওয়া জার্সি পরে নামবেন এটিকে মোহনবাগান ফুটবলাররা।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
খেলার দুনিয়া

কোন ব্যাটে খেলে সাফল্য পেলেন ঋদ্ধি?‌ 

মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ম্যাচের ওপর নির্ভর করছিল কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্লে অফের ভাগ্য। এক বাঙালী ক্রিকেটারের হাতেই কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিদায় ঘন্টা বেজেছে। বিষয়টা এইভাবে দেখছেন না ঋদ্ধিমান সাহা। নাইট রাইডার্সের বিদায়ের প্রসঙ্গ উঠতেই তিনি বলেন, কলকাতা একসময় আমার হোম টিম ছিল। মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে মাঠে নামার সময় কলকাতা আবেগ আমার মনে কাজ করেনি। এখন আমি হায়দরাবাদের ক্রিকেটার। দলকে প্লেঅফে তুলতে পেরে তৃপ্ত। একটা ম্যাচে মিডল অর্ডারে মন্থর ব্যাটিং করে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন। বেশ কয়েকটা ম্যাচ বসে থাকার পর ওপেনিংয়ে সুযোগ। ওপেন করতে যাওয়ার আগে টিম ম্যানেজমেন্টের আলাদা কোনও নির্দেশ ছিল না বলে জানান ঋদ্ধি। তাঁকে নিজের স্বাভাবিক খেলা খেলতে বলা হয়েছিল। ব্যাট করতে নামার আগে সূর্যকুমার যাদবকে স্ট্যাম্পড করেছিলেন। ক্রুনাল পান্ডিয়ার ক্যাচ ধরেছিলেন। এই দুটি শিকারের মধ্যে সূর্যকে স্টাম্পড করাটাকেই এগিয়ে রাখছেন ঋদ্ধি। রনজি ফাইনালের ব্যাটেই মঙ্গলবার খেলেছেন। আবার সাফল্য। প্রথম একাদশ থেকে ছিটকে যাওয়ার পর ফিরে এসে তিন ম্যাচে রান করেছেন ৮৭, ৩৯ ও অপরাজিত ৫৮। এই তিনটি ইনিংসের মধ্যে প্রথমটাকেই এগিয়ে রেখেছেন ঋদ্ধি। তাঁর কথায়, দল থেকে বাদ পড়ে ফিরে এসে সুযোগ কাজে লাগিয়েছিলাম। ওই ইনিংসটাই সবথেকে বেশি তৃপ্তি দিয়েছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
খেলার দুনিয়া

রোহিতকে নিয়ে শাস্ত্রীর বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কী বললেন শেহবাগ?‌ 

কদিন আগেই রোহিতের বাদ যাওয়া প্রসঙ্গে রবি শাস্ত্রী বলেছিলেন, তিনি নির্বাচন প্রক্রিয়ার অংশ নন। রোহিতের বাদ যাওয়ার বিষয়টাও তাঁর সিদ্ধান্ত নয়। শাস্ত্রীর বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন ভারতীয় দলের প্রাক্তন তারকা বীরেন্দ্র শেহবাগ। শেহবাগ বলেন, আমি মনে করি না যে রোহিতের বিষয়টা রবি শাস্ত্রী জানত না। দল নির্বাচনের আগে নির্বাচকরা নিশ্চয় ওর সঙ্গে কথা বলেছিল। শাস্ত্রী নির্বাচক কমিটির অংশ নয়, এই বক্তব্যের সঙ্গে আমি একমত নই। কোন কোন ক্রিকেটারকে নেওয়া উচিত, এই ব্যাপারে দল নির্বাচনের আগে নির্বাচকরা কোচ ও ক্যাপ্টেনের সঙ্গে কথা বলে। অস্ট্রেলিয়া সফরের দল নির্বাচনের আগে নির্বাচকরা নিশ্চয় শাস্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছিল। চোটের জন্য জাতীয় দলে সুযোগ না পেলেও মঙ্গলবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিলেন রোহিত। এই প্রসঙ্গে শেহবাগ বলেন, সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে রোহিত মাঠে নেমেছিল। প্লে অফেও খেলবে। আর রোহিত নিজে বলেছে ও পুরো ফিট। তাহলে কেন ওকে জাতীয় দল থেকে বাদ দেওয়া হল? রোহিতকে নিয়ে বোঝাবুঝি তৈরি হওয়ায় হতাশ শেহবাগ। তাঁর কথায়, কোটি কোটি সমর্থক ভাবছে কেন রোহিতকে বাদ দেওয়া হয়েছে। ওর চোট কি খুবই গুরুতর? ২৩ মাস খেলতে পারবে না? বোর্ড ও নির্বাচকদের ওপর আমি হতাশ। রোহিতকে দলে রাখা উচিত ছিল।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
খেলার দুনিয়া

দিল্লি–বেঙ্গালুরু প্লে অফে, ঝুলে রইল কলকাতার ভাগ্য

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর ১৫২/৭ (২০ ওভার) দিল্লি ক্যাপিটালস ১৫৪/৪ (১৯ ওভার) দিল্লি ক্যাপিটালস ৬ উইকেটে জয়ী ধারাবাহিকতা দেখিয়েও নিজেদের শেষ ম্যাচ পর্যন্ত ঝুলে ছিল দিল্লি ক্যাপিটালসের প্লে অফের ভাগ্য। সোমবার মাটে নামার আগে প্লে অফের ব্যাপারে নিশ্চিত ছিল না। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরকে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্লে অফ নিশ্চিত করল দিল্লি। হেরেও প্লে অফে চলে গেল বেঙ্গালুরু। অন্যদিকে নাইট রাইডার্সের প্লে অফের ভাগ্য ঝুলে রইল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ম্যাচের ওপর। এদিন টসে জিতে বেঙ্গালুরুকে ব্যাট করতে পাঠান শ্রেয়াস আয়ার। পঞ্চম ওভারেই ধাক্কা খায় বেঙ্গালুরু। ফিলিপেকে (১২) ফেরান রাবাডা। দেবদত্ত পাড়িক্কল ও বিরাট কোহলি দলকে টেনে নিয়ে যান। রবিচন্দ্রন অশ্বিন ফেরান কোহলিকে (২৯)। অর্ধশতরান করার পর নর্টিয়ের বলে বোল্ড হন দেবদত্ত পাড়িক্কল (৫০) ও মরিসকে (০)। রাবাডা ফেরান শিবম দুবেকে (১১ বলে ১৭)। বেঙ্গালুরুর বড় ভরসা ডিভিলিয়ার্স (৩৫)। আউট হতেই বড় রানের স্বপ্ন শেষ বেঙ্গালুরুর (১৫২/৭)। ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারে পৃথ্বী শর (৬ বলে ৯) উইকেট হারায় দিল্লি। তবে দলকে চাপে পড়তে দেননি শিখর ধাওয়ান ও অজিঙ্ক রাহানে। তাঁদের ৮৮ রানের পার্টনারশিপ দিল্লির জয়ের প্ল্যাটফর্ম গড়ে দেয়। শিখর ধাওয়ানকে (৫৪) তুলে নেন শাহবাজ আমেদ। শ্রেয়াস আয়ারকেও (৭) তিনি ফেরান। রাহানেকে (৪৬ বলে ৬০) ফেরান ওয়াশিংটন। দিল্লি তখন প্রায় জয়ের দোরগোড়ায়। ১৯ ওভারেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় দিল্লি (১৫৪/৪)।

নভেম্বর ০২, ২০২০
খেলার দুনিয়া

‌বিরাট কোহলিদের নতুন কিট স্পনসর কারা?‌

বিরাট কোহলিদের নতুন কিট স্পনসর কারা? বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মাদের জার্সিতে এবার থেকে দেখা যাবে এমপিএল স্পোর্টস অ্যাপারেল অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজের লোগো। এই সংস্থাটি ভারতীয় দলের নতুন কিট স্পনসর হয়েছে। বোর্ডের সঙ্গে সংস্থার আপাতত তিন বছরের জন্য চুক্তি হয়েছে। কিট স্পনসরের সঙ্গে চুক্তি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের অ্যাপেক্স কাউন্সিল অনুমোদন করেছে। এর আগে নাইকি ছিল ভারতীয় দলের কিট স্পনসর। তাদের জায়গায় আসছে এমপিএল। এমপিএলের সঙ্গে লড়াইয়ে ছিল অ্যাডিডাস, পুমার মতো সংস্থাগুলি। তাদের পেছনে ফেলে দিয়েছে এমপিএল। শুধু বিরাট কোহলিদেরই নয়, ভারতীয় এ, অনূর্ধ্ব ১৯, মহিলা ক্রিকেট দলকেও স্পনসর করবে এমপিএল। ২০২৩ সালের নভেম্বর পর্যন্ত চুক্তি। প্রতি ম্যাচে নাইকি ৮৮ লক্ষ টাকা এবং রয়্যালটি বাবদ ৩০ কোটি টাকা দিত। এখন কোনও সংস্থাই এতবেশি টাকা দিতে রাজি নয়। এমপিএল ম্যাচ প্রতি ৬৫ লক্ষ টাকা এছানা ১০ শতাংশ রয়্যালটি দেবে।

নভেম্বর ০২, ২০২০
খেলার দুনিয়া

‌এসসি ইস্টবেঙ্গলের নতুন জার্সিতে কীসের প্রতীক?‌ 

সরকারিভাবে প্রকাশ্যে নিয়ে আসা হল এসসি ইস্টবেঙ্গলের জার্সি। সোমবার গোয়ার পানাজিতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই জার্সি প্রকাশ্যে নিয়ে আসা হয়েছে। এবার আইএসএলের জন্য তিন ধরনের জার্সি তৈরি করেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। তিন জার্সিতে রাখা হয়েছে যথাক্রমে মশাল, ইলিশ ও রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের প্রতীক। জার্সির ডিজাইন তৈরি করেছেন কলকাতার পরিবেশ সচেতন ডিজাইনার মেঘনা নায়েক। একটা জার্সি হোম ম্যাচের জন্য, একটা অ্যাওয়ে ম্যাচের জন্য। আর একটা বাড়তি জার্সি তৈরি করে রাখা হয়েছে। হোম ম্যাচের জার্সি লালহলুদ। সঙ্গে থাকছে মশাল দেওয়া ক্লাবের লোগো। অ্যাওয়ে জার্সির রং নীল ও সাদা। এই জার্সিতে থাকছে ইলিশ মাছ। আর তিন নম্বর জার্সিতে থাকছে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের প্রতীক। ক্লাবের নতুন জার্সি ভাল লেগেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ রবি ফাউলারের। তিনি বলেন, জার্সিগুলো দেখতে খুব ভাল হয়েছে। হোম জার্সি ক্লাবের ঐতিহ্যবজায় রেখেছে।

নভেম্বর ০২, ২০২০
খেলার দুনিয়া

‌নিজেদের প্লে অফের ভাগ্য কার হাতে ছেড়ে দিলেন নাইট অধিনায়ক মর্গ্যান?‌

রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে জয়টাইপ্লে অফের জন্য নাইট রাইডার্সের কাছে লাইফলাইন। তবে আদৌও প্লে অফের ছাড়পত্র পাবে কিনা নির্ভর করছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদমুম্বই ইন্ডিয়ান্স ম্যাচের ওপর। হায়দরাবাদ হারলেই প্লে অফের টিকিট এসে যাবে ইওন মর্গ্যানদের হাতে। নিজেদের হাতে কিছু নেই। ঈশ্বরের ওপরই নিজেদের ভাগ্য ছেড়ে দিয়েছেন নাইট রাইডার্স অধিনায়ক। প্লে অফের প্রসঙ্গে মর্গ্যান বলেন, রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগে রান রেটের বিষয়টা আমাদের মাথায় ছিল। তার আগে আমাদের জয়টা জরুরি ছিল। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে আমাদের এর বেশি কিছু করার ছিল না। সবকিছু ঈশ্বরের হাতে ছেড়ে দিয়েছি। রবিবার জয়ের জন্য বোলারদের প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন মর্গান। তিনি বলেন, দলের সামগ্রিক বোলিং খুবই ভাল হয়েছে। এক কথায় বলতে গেলে অসাধারণ। বোলাররা নিজেদের সেরাটা দিয়েছিল। রাজস্থান ব্যাটসম্যানরা জবাব দিতে পারেনি। পাওয়ার প্লের মধ্যে ৪ উইকেট হারালে যে কোনও দলের পক্ষে ম্যাচে ফেরা কঠিন হয়ে যায়। রাজস্থানও ম্যাচে ফিরতে পারেনি। ১৯১ রান জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল বলে মনে করছেন মর্গান। তিনি বলেন, উইকেট খুবই ভাল ছিল। ১০ থেকে ১৫ ওভারের মধ্যে আমরা বেশ কয়েকটা উইকেট হারিয়েছিলাম। তবে শেষটা ভাল হওয়ায় বড় রানে পৌঁছতে পেরেছিলাম।

নভেম্বর ০২, ২০২০
খেলার দুনিয়া

রাজস্থান রয়্যালসকে হারিয়ে প্লে অফের লাইফলাইন পেল নাইট রাইডার্স

সংক্ষিপ্ত স্কোর: কলকাতা ১৯১/৭, ২০ ওভারে। রাজস্থান ১৩১/৯, ২০ ওভারে। কলকাতা ৬০ রানে জয়ী। প্লেঅফের লড়াইয়ে থাকতে গেলে জেতা ছাড়া কোনও রাস্তা ছিল না কলকাতা নাইট রাইডার্স ও রাজস্থান রয়্যালসের সামনে। রাজস্থানকে ৬০ রানে হারিয়ে প্লে অফের স্বপ্ন বেঁচে রইল কলকাতার। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও জ্বলে উঠতে পারলেন না আন্দ্রে রাসেল। শুভমান গিল (২৪ বলে ৩৬), রাহুল ত্রিপাঠী (৩৪ বলে ৩৯) ও মর্গানদের (৩৫ বলে অপরাজিত ৬৮) দাপটে ২০ ওভারে ১৯১/৭ তোলে নাইট রাইডার্স। ম্যাচের দ্বিতীয় বলেই নীতীশ রানাকে (০) তুলে নিয়ে নাইটদের চাপে ফেলে দিয়েছিলেন জোফ্রা আর্চার। শুভমান ও রাহুলের ৭২ রানের জুটি বড় রানের ভিত গড়ে দিয়েছিল। সুনীল নারাইন (০) ব্যর্থ। কার্তিকের (০) খারাপ সময় অব্যাহত। ৪ ম্যাচ পর প্রথম একাদশে ফিরে বড় রান পেলেন না রাসেল (১১ বলে ২৫)। ১৯২ রানের লক্ষ্য সহজ ছিল না রাজস্থানের সামনে। কামিন্সের প্রথম বলেই ছয় হাঁকিয়ে শুরু করেছিলেন উথাপ্পা। প্রথম পাঁচ বলে ওঠে ১৯। শেষ বলে উথাপ্পাকে (২ বলে ৬) তুলে নেন কামিন্স। এক ওভার পরে আবার কামিন্সের ধাক্কা। স্টোকসকে (১১ বলে ১৮) ফেরান। ওভারের শেষ বলে স্মিথকেও (৪ বলে ৪) ফেরান কামিন্স। সঞ্জু স্যামসনকে (৪ বলে ১) তুলে নেন শিবম মাভি। পরের ওভারে আবার কামিন্সের (৪/৩৪) ধাক্কা। ফেরান রিয়ান পরাগকে (৭ বলে ০)। ৫ ওভারের মধ্যে সেরা ৫ ব্যাটসম্যানকে হারায় রাজস্থান। বাটলার (২২ বলে ৩৫) ও তেওয়াটিয়া (২৭ বলে ৩১) কিছুটা লড়াই করেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৩১/৯ তোলে রাজস্থান।

নভেম্বর ০১, ২০২০
খেলার দুনিয়া

প্রকাশিত আইএসএলের সূচি, মোহন-ইস্ট কবে মাঠে নামবে দেখে নিন !

আগামী ২০ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে ২০২০-২১ মরশুমের ইন্ডিয়ান সুপার লিগ বা আইএসএল। ১১টি দলকে নিয়ে গোয়ায় শুরু হচ্ছে এবারের আইএসএল। শুক্রবার লিগের আংশিক সূচি ঘোষণা করল আইএসএল কর্তৃপক্ষ। গোয়ার ব্যাম্বোলিমে উদ্বোধনী ম্যাচে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় কেরালা ব্লাস্টার্সের মুখোমুখি হবে এটিকে মোহনবাগান। এসসি ইস্টবেঙ্গল আইএসএল অভিযান শুরু করছে কলকাতা ডার্বি দিয়ে। ইলিশ-চিংড়ির বহুচর্চিত লড়াইটি হবে ভাস্কোর তিলক ময়দান স্টেডিয়ামে, ২৭ নভেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়। আরও পড়ুন ঃ প্রথম কোভিড পরিবর্ত ক্রিকেটার হিসেবে ইতিহাসে নাম তুললেন কে? গোয়াতে বায়ো বাবলের মধ্যে ফতোরদার জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়াম, ব্যাম্বোলিমের জিএমসি স্টেডিয়াম ও ভাস্কোর তিলক ময়দানে খেলাগুলি হবে ক্লোজড ডোরে অর্থাৎ দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে। ৯৫-এর বদলে এবার আইএসএলে ম্যাচের সংখ্যা বেড়ে হচ্ছে ১১৫। ১১টি দল ডাবল রাউন্ড রবিন ফরম্যাটে পরস্পরের মুখোমুখি হবে। পয়েন্ট তালিকায় প্রথম চারে থাকা দলগুলি প্লে অফ খেলার সুযোগ পাবে। আপাতত ১১ রাউন্ডের ৫৫টি ম্যাচের ক্রীড়াসূচি ঘোষণা হয়েছে। বাকি ম্যাচ কবে হবে তা এএফসি-র ক্রীড়াসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ডিসেম্বরে ঘোষণা করা হবে। ১১ রাউন্ডের মধ্যে ৬টি ডাবল হেডার রয়েছে অর্থাৎ একদিনে দুটি ম্যাচ। ডাবল হেডারের ক্ষেত্রে প্রথম ম্যাচ বিকেল ৫টা থেকে, এরপরের ম্যাচ শুরু সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়।

অক্টোবর ৩০, ২০২০
খেলার দুনিয়া

‌প্রথম কোভিড পরিবর্ত ক্রিকেটার হিসেবে ইতিহাসে নাম তুললেন কে?‌

প্রায় ৪ মাস হতে চলল কোভিড ১৯ পরিবর্ত ক্রিকেটার নিয়ম চালু করেছে আইসিসি। এর মধ্যে বেশ কয়েকটা আন্তর্জাতিক সিরিজ হয়ে গেছে। কোনও দলেরই পরিবর্তর প্রয়োজন হয়নি। এই প্রথম প্রয়োজন হল অকল্যান্ডের। পরিবর্ত হিসেবে ইতিহাসের পাতায় নাম তুলে ফেললেন বেন লিস্টার। মার্ক চ্যাপম্যানের পরিবর্তে তিনি দলে ঢুকেছেন। সোমবার থেকে নিউজিল্যান্ডের প্রথম শ্রেণীর প্রতিযোগিতা প্লাঙ্কেট শিল্ডে অকল্যান্ডওটাগো ম্যাচ শুরু হয়েছে। ম্যাচের প্রথম দিন ফিল্ডিং করার সময় অসুস্থবোধ করেন মার্ক চ্যাপম্যান। তাঁর করোনা পরীক্ষা করা হয়। রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। তখনই অকল্যান্ড টিম ম্যানেজমেন্ট চ্যাপম্যানের পরিবর্ত হিসেবে লিস্টারকে দলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। দেশের হয়ে ৬টি একদিনের ম্যাচ ও ২৪টি টি২০ ম্যাচ খেলেছেন চ্যাপম্যান। তাঁর আচরণে বিরক্ত নিউজিল্যান্ড কোচ গ্যারি স্টিড। তিনি বলেন, সোমবার জানতাম না চ্যাপম্যান অসুস্থ। মঙ্গলবার মাঠে এসে জানতে পারি। ওর কোভিড টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। ওর কোভিডের প্রোটোকল মানা উচিত ছিল।

অক্টোবর ২০, ২০২০
খেলার দুনিয়া

মোহনবাগানকে আই লিগ জয়ের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর

আইলিগ চ্যাম্পিয়ন মোহন বাগানকে শুভেচ্ছা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি টুইটে লেখেন , আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য মোহনবাগান খেলোয়াড়, সাপোর্ট স্টাফ, সভ্যসমর্থকদের অসংখ্য অভিনন্দন। এটা খুবই আনন্দের দিন। এরপর টুইট করেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী কিরেন রিজিজুও। এছাড়াও মোহনবাগানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তিনি লেখেন , মোহনবাগানকে আই লিগ জয়ের জন্য অসংখ্য অভিনন্দন। সবুজমেরুন ব্রিগেড অসাধারণ মাইলস্টোন স্পর্শ করেছে। আইএসএল অভিযানের জন্য তাঁদের অনেক শুভেচ্ছা। Congratulations to the players, staff and fans of the illustrious @Mohun_Bagan for emerging as @ILeagueOfficial Champions! Indeed, a joyful occasion. #Champion5 Narendra Modi (@narendramodi) October 18, 2020 Heartiest congratulations to @Mohun_Bagan for becoming @ILeagueOfficial Champions. Wonderful achievement for the Green Maroon Brigade best wishes as you step into upcoming @IndSuperLeague season as @atkmohunbaganfc.#Champions5 Mamata Banerjee (@MamataOfficial) October 18, 2020

অক্টোবর ১৮, ২০২০
খেলার দুনিয়া

৪৯ বছর বয়সেই মারা গেলেন চ্যাপম্যান

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন ভারতীয় ফুটবল দলের প্রাক্তন অধিনায়ক কার্লটন চ্যাপম্যান। বয়স হয়েছিল ৪৯ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই লিভারের সমস্যায় ভুগছিলেন চ্যাপম্যান। সোমবার সকালে বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে মারা যান এই প্রাক্তন ফুটবলার। ১৯৯১ সালে টি এফ এতে যোগ দেন চ্যাপম্যান। দুবছর বাদে ইস্টবেঙ্গলে সই করেন। ১৯৯৩ সালে এশিয়ান কাপ উইনার্স কাপের ম্যাচে লাল হলুদের হয়ে ইরাকের আল জাওরার বিরুদ্ধে দুরন্ত হ্যাটট্রিক করেছিলেন। ১৯৯৫ সালে জেসিটিতে যোগ দেন। ১৯৯৬ সালে জেসিটির হয়ে ফেডারেশন কাপ, আই এফ এ শিল্ড ও ডুরান্ড কাপ জিতেছিলেন। ১৯৯৭তে সুখবিন্দার সিংয়ের কোচিংয়ে জেসিটির জার্সিতে প্রথম জাতীয় লিগ জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করেন। ইস্টবেঙ্গলে দুদফায় খেলার সময় ৪ বার কলকাতা লিগ (১৯৯৩, ৯৮-২০০০), ২ বার শিল্ড ( ৯৪, ২০০০), একবার ডুরান্ড, রোভার্স, কলিঙ্গ কাপ জেতেন। বাংলার হয়ে ১৯৯৩, ১৯৯৪, ১৯৯৮ সালে সন্তোষ ট্রফি জয়ের কৃতিত্ব রয়েছে চ্যাপম্যানের। সন্তোষ ট্রফির ইতিহাসে ১৯৯৫ সালে গোয়ার বিরুদ্ধে প্রথম গোল্ডেন গোলের অধিকারী তিনি। উইঙ্গার ও মিডফিল্ডার দুটো পজিশনেই দাপিয়ে খেলেছিলেন চ্যাপম্যান। তাঁর নেতৃত্বে ১৯৯৭ সালে কাঠমান্ডুতে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছিল ভারত। দেশের জার্সিতে ৩৯ ম্যাচে ৬ গোল করেছিলেন তিনি। ৫টি ম্যাচে দেশকে নেতৃত্ব দেন। ১৯৯৫ সাফ গেমস, ১৯৯৭ নেহরু কাপ, ১৯৯৯ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপজয়ী দলের সদস্য ছিলেন চ্যাপম্যান। ২০০১ সালে ফুটবল থেকে অবসর নেন। ছাড়ার পর ২০০২ সালে টি এফ এতে কোচিং জীবন শুরু করেন চ্যাপম্যান। বিভিন্ন সময়ে রয়াল ওয়াহিংডো, ভবানীপুর এফসি, স্টুডেন্টস ইউনিয়ন এফসি, সুদেভা এফসিতে কোচিং করেন।

অক্টোবর ১২, ২০২০
খেলার দুনিয়া

সুনীল নারাইনকে নিয়ে কী বলল নাইট রাইডার্স কর্তৃপক্ষ?‌

দলের সেরা অস্ত্রের বিরুদ্ধে বল ছোঁড়ার অভিযোগ। প্রায় দেড়দিন চুপচাপ ছিল। অবশেষে সুনীল নারাইনের ব্যাপারে মুখ খুলল কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। নারাইনের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়ায় নাইট কর্তৃপক্ষ অবাক। দলের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আবু ধাবিতে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে ম্যাচের পর অফিসিয়ালরা সুনীল নারাইনের বিরুদ্ধে সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগ এনে রিপোর্ট জমা দিয়েছে। ওর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় আমরা অবাক। নারাইন ২০১২ থেকে আইপিএলে ১১৫টা ম্যাচ খেলেছে। ২০১৫তে ওর বোলিং অ্যাকশন নিয়ে রিপোর্ট জমা পড়ার পন ৬৮টা ম্যাচ খেলে ফেলেছে। ওই সময় আইসিসির অনুমোদিত সংস্থা নারাইনের বোলিং অ্যাকশনের ছাড়পত্র দিয়েছিল। এই মরশুমেও নারাইন ছটা ম্যাচ খেলে ফেলেছে। এতদিন ম্যাচ অফিসিয়ালরা কোনও অভিযোগ তোলেননি। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আইপিএলের এই পর্যালোচনা প্রক্রিয়াকে সম্মান করি। এই বিষয় নিয়ে অতীতে আমরা সবসময় সহযোগিতা করে এসেছি। ভবিষ্যতেও করব। আশা করছি খুব তাড়াতাড়ি সমাধানসূত্র বেরিয়ে আসবে। আইপিএল পরিচালকবর্গ যেভাবে সহযোগিতা করে আসছে তা প্রশংসনীয়। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব ও কলকাতা নাইট রাইডার্স ম্যাচের পর আইপিএলের পক্ষ থেকে নারাইনের সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশন নিয়ে একটি বিবৃতি পাঠানো হয়েছিল। সেই বিবৃতিতে লেখা ছিল, আইপিএলের সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশন নিয়ম মেনে ফিল্ড আম্পায়াররা সুনীল নারাইনের বিরুদ্ধে রিপোর্ট জমা দিয়েছেন। তাঁকে সতর্কিত করা হয়েছে। তবে প্রতিযোগিতায় বোলিং করতে পারবেন। দ্বিতীয়বার অভিযোগ জমা পড়লে বোলিং করতে দেওয়া হবে না।

অক্টোবর ১২, ২০২০
খেলার দুনিয়া

১০ বছর আগের স্মৃতিই ভরসা চেন্নাই সুপার কিংসের

চেন্নাই সুপার কিংস শিবিরের স্মৃতিতে ভেসে উঠছে ১০ আগের ছবি। শুরুতে একের পর এক পরাজয়। শেষদিকে প্রতিটা ম্যাচেই অগ্নিপরীক্ষায় নামতে হয়েছিল ধোনির দলকে। সেখান থেকে চ্যাম্পিয়ন। এবছর চ্যাম্পিয়ন হতে পারবে কিনা সময়ই বলবে, তবে চেন্নাইয়ের অবস্থা যে সঙ্কটজনক, সেকথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়। আপাতত ৭ ম্যাচে ২টিতে জয়। ৪ পয়েন্ট পেয়ে গ্রুপ লিগে ৭ নম্বরে। প্লে অফে যেতে গেলে বাকি ৭ ম্যাচের মধ্যে ৬টিতে জিততে হবে। এই অবস্থায় বুধবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে অগ্নিপরীক্ষায় নামছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। হায়দরাবাদের কাছে হার মানেই একটা লাইফ লাইন কমে যাওয়া। হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট চিন্তিত ব্যাটসম্যানদের ফর্ম নিয়ে। এখনও জ্বলে উঠতে পারেননি ব্যাটসম্যানরা। ওপেনিংয়ে শেন ওয়াটসন ও ফাপ ডুপ্লেসি কয়েকটা ম্যাচে ভাল শুরু করলেও মিডল অর্ডার ভরসা জোগাতে পারেনি। ধোনির অবস্থাও যথেষ্ট খারাপ। ব্যাটে রান নেই। তঁার মুখেও বারবার শোনা গেছে ব্যাটিং নিয়ে চিন্তার কথা। হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ব্যাটসম্যানরা দায়িত্ব না নিলে আবার ভুগতে হবে চেন্নাইকে।

অক্টোবর ১২, ২০২০
খেলার দুনিয়া

দিল্লিকে হারিয়ে শীর্ষে পৌঁছে গেল মুম্বই

সংক্ষিপ্ত স্কোর:‌ দিল্লি ২০ ওভারে ১৬২/‌৪, শিখর ধাওয়ান অপরাজিত ৬৯ (‌৫২)‌, ক্রুনাল ২/‌২৬। মুম্বই ১৯.‌৪ ওভারে ১৬৬/‌৫। ডিকক ৫৩ (‌৩৬), সূর্যকুমার ৫৩ (‌৩২)‌, রাবাডা ২/‌২৮‌। মুম্বই ৫ উইকেটে জয়ী। লিগ টেবিলের শীর্ষে ছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। দ্বিতীয় স্থানে মুম্বই ইন্ডিয়ানস। দিল্লিকে হারিয়ে রোহিত শর্মারা শীর্ষে পৌঁছতে পারে কিনা সেটাই ছিল দেখার। দিল্লির বিজয়রথ থামিয়ে ৫ উইকেটে জিতে শীর্ষে উঠে গেল মুম্বই। মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে দুটি পরিবর্তন করে খেলতে নেমেছিল দিল্লি। ঋষভ পন্থের জায়গায় অজিঙ্কা রাহানে, শিমরন হেটমেয়ারের জায়গায় অ্যালেক্স ক্যারে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠতে পারলেন না দিল্লি ক্যাপিটালসের ব্যাটসম্যানরা। টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে ট্রেন্ট বোল্টের প্রথম ওভারেই পৃথ্বীকে (‌৩ বলে ৪)‌ হারায় দিল্লি। সুযোগ পেয়ে কাজে লাগাতে পারলেন না রাহানে ১৫ (‌১৫)‌। শিখর ধাওয়ান (‌৫২ বলে অপরাজিত ৬৯)‌ ও শ্রেয়স আয়ারই (‌৩৩ বলে ৪২) দিল্লিকে টেনে নিয়ে যান। ২০ ওভারে দিল্লি তোলে ১৬২/‌৪। ‌ ব্যাট করতে নেমে মুম্বইও শুরুতে ধাক্কা খায়। পঞ্চম ওভারে আউট হন রোহিত শর্মা (‌১২ বলে ৫)‌। কুইন্টন ডিকক (‌৩৬ বলে ৫৩)‌ ও সূর্যকুমার যাদব (‌৩২ বলে ৫৩)‌ দলকে টেনে নিয়ে যান। ইশান কিশান করেন ১৫ বলে করেন ২৮। হার্দিক পান্ডিয়া ব্যর্থ (০‌)‌। দ্রুত কয়েকটা উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় মুম্বই। শেষ পর্যন্ত ২ বল বাকি থাকতেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যান রোহিতরা।

অক্টোবর ১১, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 65
  • 66
  • 67
  • 68
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

দুর্নীতির অভিযোগে জড়িত কারা পেল টিকিট, কারা বাদ, তালিকায় চমক

রেশন দুর্নীতি হোক বা নিয়োগ দুর্নীতি, একাধিক মামলায় নাম জড়িয়েছিল রাজ্যের শাসক দলের অনেক নেতার। সেই সব অভিযোগে কেউ জেলে গিয়েছেন, কেউ এখনও আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন। প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর দেখা গেল, এইসব নেতাদের মধ্যে কেউ টিকিট পেয়েছেন, আবার কেউ বাদ পড়েছেন। ফলে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। দীর্ঘদিন জেলে থাকার পর বর্তমানে তিনি জামিনে মুক্ত। শুরুতে মনে করা হচ্ছিল, তিনি বেহালা পশ্চিম কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হতে পারেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেখানে প্রার্থী করা হয়েছে রত্না চট্টোপাধ্যায়কে।একই মামলায় অভিযুক্ত মানিক ভট্টাচার্য, যিনি পলাশিপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক, তাকেও এবার টিকিট দেওয়া হয়নি। তার জায়গায় প্রার্থী হয়েছেন রুকবানুর রহমান। মুর্শিদাবাদের বড়ঞা কেন্দ্রে নতুন মুখ হিসেবে সামনে এসেছেন প্রতিমা রজক। তিনি আগে কংগ্রেসের বিধায়ক ছিলেন এবং কিছুদিন আগে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। ওই কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা বর্তমানে নিয়োগ মামলায় জেলে রয়েছেন।অন্যদিকে দেগঙ্গা কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে আনিসুর রহমানকে। রেশন দুর্নীতি মামলায় তার নাম জড়িয়েছিল এবং তিনি জেলও খেটেছেন। তবুও তাকে প্রার্থী করেছে দল। একইভাবে হাবড়া কেন্দ্র থেকে আবার প্রার্থী হয়েছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তিনিও একই মামলায় দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন এবং বর্তমানে জামিনে মুক্ত।সব মিলিয়ে দেখা যাচ্ছে, দুর্নীতির অভিযোগে নাম জড়ালেও অনেক ক্ষেত্রে দল প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আবার কিছু ক্ষেত্রে নতুন মুখকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত কতটা প্রভাব ফেলবে ভোটে, তা নিয়েই এখন জোর চর্চা চলছে।

মার্চ ১৭, ২০২৬
বিদেশ

বন্ধু দেশ পাশে নেই, ক্ষোভে বিস্ফোরণ ট্রাম্পের, বললেন আমাদের কাউকে দরকার নেই

বিপদের সময়ে কে সত্যিই পাশে থাকে, সেই প্রশ্নই যেন সামনে এনে দিল হরমুজ প্রণালী ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি। এই সংকট মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশের কাছে সাহায্য চেয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু সেই ডাকে সাড়া দেয়নি কোনও দেশই। এরপরেই সোশ্যাল মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। জানান, আমেরিকা বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ এবং তাদের কাউকে প্রয়োজন নেই।ইজরায়েলের সঙ্গে মিলে ইরানের উপর হামলা চালানোর পর থেকেই উত্তেজনা বেড়েছে। পালটা পদক্ষেপ হিসেবে হরমুজ প্রণালী কার্যত নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে ইরান। এর ফলে বিশ্বজুড়ে তেল ও গ্যাস সরবরাহে সমস্যা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন দেশে জ্বালানির দাম বাড়তে শুরু করেছে। আমেরিকাতেও তার প্রভাব পড়ছে এবং জ্বালানি সংকট দেখা দিচ্ছে।এই পরিস্থিতি সামাল দিতে ট্রাম্প বিভিন্ন দেশকে হরমুজে রণতরী পাঠানোর আহ্বান জানান। তিনি ন্যাটোর সদস্য দেশগুলির পাশাপাশি আরও কয়েকটি দেশের নাম উল্লেখ করেছিলেন। কিন্তু কোনও দেশই তার প্রস্তাবে আগ্রহ দেখায়নি।এরপরেই ট্রাম্প বলেন, আমেরিকার শক্তিশালী সেনাবাহিনী রয়েছে এবং তারা নিজেরাই পরিস্থিতি সামাল দিতে সক্ষম। তিনি আরও জানান, তিনি আসলে দেখতে চেয়েছিলেন, তার ডাকে অন্য দেশগুলি কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানায়। তার দাবি, অনেক সময় প্রয়োজনের মুহূর্তে এই দেশগুলি পাশে থাকে না।তিনি আরও মনে করিয়ে দেন, দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকা বিভিন্ন দেশকে আর্থিক সাহায্য দিয়ে এসেছে। তবুও এই পরিস্থিতিতে তাদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সাড়া পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।উল্লেখযোগ্যভাবে, ট্রাম্প চিন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ব্রিটেনের মতো দেশের নাম উল্লেখ করেছিলেন। কিন্তু কেউই এগিয়ে আসেনি। অন্যদিকে ভারত জানিয়েছে, এই বিষয়ে তাদের সঙ্গে সরাসরি কোনও আলোচনা হয়নি। তবে ইরানের সঙ্গে তারা নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং নিজেদের জ্বালানিবাহী জাহাজ নিরাপদে পার করার চেষ্টা চালাচ্ছে।সব মিলিয়ে এই পরিস্থিতিতে বিশ্বরাজনীতিতে আমেরিকা কিছুটা একা হয়ে পড়েছে বলেই মনে করছেন অনেকেই। হরমুজ প্রণালী নিয়ে উত্তেজনা এখনও বজায় রয়েছে এবং পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

মার্চ ১৭, ২০২৬
বিদেশ

কাবুলে রক্তাক্ত রাত, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন রশিদ খানরা

পবিত্র রমজান মাসে কাবুলের একটি হাসপাতালে ভয়াবহ হামলার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে। এই হামলায় অন্তত চারশো জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। বহু মানুষ আহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে হাসপাতালের বড় অংশ। আগুনে জ্বলতে থাকে পুরো এলাকা। এই ঘটনার পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন আফগানিস্তানের একাধিক ক্রিকেটার।রশিদ খান, মহম্মদ নবি এবং নবীন উল হক এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। তারা সরাসরি পাকিস্তানকে দায়ী করে সোশ্যাল মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। অনেকেই বলেছেন, এই ধরনের হামলা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। রমজানের মতো পবিত্র মাসে এমন ঘটনা আরও বেশি কষ্টদায়ক বলে উল্লেখ করেছেন তারা।নবীন উল হক এক পোস্টে লেখেন, তিনি ইজরায়েল এবং পাকিস্তানের মধ্যে কোনও পার্থক্য দেখছেন না। এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে। রমজান মাসে মুসলিম দেশ হয়েও এমন হামলা চালানো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।রশিদ খানও নিজের প্রতিক্রিয়ায় জানান, কাবুলের হাসপাতালে হামলার খবর শুনে তিনি অত্যন্ত মর্মাহত। তিনি এটিকে যুদ্ধাপরাধ বলে উল্লেখ করেন। তার দাবি, রাষ্ট্রসংঘ এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলির এই ঘটনার তদন্ত করা উচিত। এই কঠিন সময়ে দেশের মানুষের পাশে থাকার বার্তাও দিয়েছেন তিনি।মহম্মদ নবি তার পোস্টে লেখেন, হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য গিয়েছিল বহু শিশু ও সাধারণ মানুষ। তাদের উপর এই হামলা অত্যন্ত নিষ্ঠুর। তিনি জানান, অনেক মা তাদের সন্তানের অপেক্ষায় ছিলেন, কিন্তু সেই সন্তানরা আর বাড়ি ফিরতে পারেনি।উল্লেখ্য, এর আগেও পাকিস্তানের হামলায় আফগানিস্তানের তরুণ ক্রিকেটারদের মৃত্যু হয়েছিল। সেই সময়ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন আফগান ক্রিকেটাররা। এমনকি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একটি প্রতিযোগিতাও বয়কট করা হয়েছিল।এই নতুন হামলার পর আবারও প্রশ্ন উঠছে, পাকিস্তানের সঙ্গে ক্রীড়া সম্পর্ক আদৌ বজায় রাখা হবে কি না। পরিস্থিতি কোন দিকে এগোয়, তা এখন দেখার অপেক্ষা।

মার্চ ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কারা থাকছেন আর কারা বাদ, তৃণমূলের তালিকা ঘিরে চরম জল্পনা

মঙ্গলবার তৃণমূল কংগ্রেস তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে চলেছে বলে জোর জল্পনা চলছে। সূত্রের খবর, এদিনই রাজ্যের সমস্ত বিধানসভা আসনের জন্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে পারেন দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তালিকায় একাধিক চমক থাকতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। নতুন মুখ যেমন জায়গা পেতে পারেন, তেমনই বেশ কিছু পুরনো নাম বাদ পড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।দলীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, নতুন প্রার্থী হিসেবে কয়েকটি পরিচিত নাম উঠে আসতে পারে। পাশাপাশি তারকা প্রার্থী হিসেবেও কিছু নাম শোনা যাচ্ছে। সংগীত ও অভিনয় জগতের কয়েকজন পরিচিত মুখকেও প্রার্থী করা হতে পারে বলে আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে তরুণ প্রজন্মকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। কয়েকজন বর্তমান প্রার্থীর কেন্দ্র বদলও হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।অন্যদিকে, কিছু বিদায়ী বিধায়কের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারে বলে জল্পনা। বেহালা পশ্চিম কেন্দ্র থেকে বর্তমান বিধায়কের টিকিট পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ওই কেন্দ্রে অন্য কাউকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে খবর। একই সঙ্গে সোনারপুর কেন্দ্র নিয়েও জল্পনা চলছে। বর্তমান বিধায়ককে টিকিট দেওয়া হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।বারাসত কেন্দ্রেও পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। সেখানে নতুন মুখকে সুযোগ দেওয়া হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। সব মিলিয়ে এদিন বিকেলের মধ্যেই পুরো ছবিটা স্পষ্ট হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১৭, ২০২৬
রাজ্য

দ্বিতীয় বিয়ের বিতর্কেই কি কাটা পড়ল টিকিট, হিরণকে সরিয়ে চমক বিজেপির

খড়গপুরে বিজেপির প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পরই নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। একসময় এই কেন্দ্রের বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে নানা বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। কয়েক মাস আগে তার দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে অভিযোগ ওঠে। তার প্রথম পক্ষের স্ত্রী এবং মেয়ে থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের করেন। অভিযোগ ছিল, ডিভোর্স না দিয়েই তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। সেই ঘটনার পর থেকেই তার প্রার্থী হওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই সোমবার বিজেপির প্রার্থী তালিকা প্রকাশিত হয়। সেই তালিকায় হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের নাম না থাকায় জল্পনা আরও বেড়ে যায়। তার বদলে খড়গপুর সদর কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে দিলীপ ঘোষকে। ফলে অনেকেই মনে করছেন, এই বিতর্কের প্রভাবই পড়েছে তার রাজনৈতিক ভবিষ্যতের উপর।এই বিষয়ে দিলীপ ঘোষকে প্রশ্ন করা হলে তিনি স্পষ্টভাবে জানান, কে কাকে বিয়ে করছেন, তা নিয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চান না। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকেই জিজ্ঞেস করতে বলেন তিনি।মঙ্গলবার সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ আরও জানান, আগের নির্বাচনে হিরণ অন্য একটি কেন্দ্র থেকে লড়েছিলেন। তাই দল চাইলে তাকে অন্যত্র প্রার্থী করতেই পারে। তিনি বলেন, দলের সিদ্ধান্তের উপর ভরসা রাখা উচিত এবং দলের নেতৃত্বই ঠিক করবে কে কোথা থেকে লড়বেন।তিনি আরও বলেন, রাজনীতিতে ওঠানামা থাকেই। অনেক সময় অভিজ্ঞ নেতারাও কিছুদিন সুযোগ পান না, আবার পরে তাদের গুরুত্ব দেওয়া হয়। তাই দল এবং তার আদর্শের উপর আস্থা রাখা প্রয়োজন।উল্লেখযোগ্যভাবে, দুই হাজার ষোল সালে খড়গপুর সদর কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী ছিলেন দিলীপ ঘোষ। পরে তাকে সরিয়ে ওই কেন্দ্রে হিরণকে প্রার্থী করা হয়েছিল এবং তিনি জয়ী হন। তবে এবার আবার সেই পুরনো কেন্দ্রে ফিরেছেন দিলীপ ঘোষ।তিনি জানান, খড়গপুরে গত কয়েকটি নির্বাচনে বিজেপি ভালো ফল করেছে এবং এইবারও তারা আরও বেশি ভোটে জয়ের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে। তার দাবি, কর্মীরা ইতিমধ্যেই লক্ষ্য স্থির করেছেন, এই কেন্দ্রে এক লক্ষ ভোট পাওয়ার চেষ্টা করা হবে। খুব শীঘ্রই তিনি পুরোদমে প্রচার শুরু করবেন বলেও জানিয়েছেন।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে খড়গপুরে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। হিরণের ভবিষ্যৎ কী হবে এবং দিলীপ ঘোষের প্রার্থিতা কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়েই এখন জোর আলোচনা চলছে।

মার্চ ১৭, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রামে আবার বড় লড়াই, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কি নতুন চমক দেবে তৃণমূল

বাংলার রাজনীতিতে নন্দীগ্রাম বরাবরই একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। কলকাতা থেকে প্রায় একশো তিরিশ কিলোমিটার দূরের এই কেন্দ্র আবারও নির্বাচনের আগে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। দুই হাজার একুশ সালের নির্বাচনের মতো এবারও নন্দীগ্রাম ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। বিদায়ী বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন, তিনি এই কেন্দ্র ছাড়বেন না। সোমবার বিজেপির প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায়, দল তার সেই সিদ্ধান্তকেই সমর্থন করেছে। তিনি একসঙ্গে দুটি কেন্দ্র থেকে লড়ছেন।তবে এবার বড় প্রশ্ন, নন্দীগ্রামে তার প্রতিপক্ষ কে হবেন। আগের নির্বাচনে তার বিরুদ্ধে লড়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত পরাজিত হন তিনি। তাই এবার তৃণমূল প্রার্থী বাছাইয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলে নানা নাম ঘুরে বেড়ালেও এখনও কিছুই চূড়ান্ত হয়নি।সূত্রের খবর, তৃণমূল এবার স্থানীয় কোনও মুখের উপরেই ভরসা রাখতে পারে। এমনই এক নাম সামনে এসেছে, যাকে ঘিরে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। শোনা যাচ্ছে, নন্দীগ্রাম দুই নম্বর ব্লকের এক বিজেপি নেতা খুব শীঘ্রই তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন। তিনি আগে তৃণমূলেই ছিলেন এবং পরে বিজেপিতে যোগ দেন। এলাকায় তার যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে।এই নেতার নাম প্রার্থী তালিকায় থাকতে পারে বলেই জল্পনা। তিনি এলাকায় খুব বেশি প্রচারে থাকেন না, কিন্তু চুপচাপ কাজ করে গেছেন দীর্ঘদিন। অনেকেই তাকে এলাকায় অত্যন্ত প্রভাবশালী বলে মনে করেন। ফলে যদি তাকে প্রার্থী করা হয়, তাহলে নন্দীগ্রামে লড়াই আরও জমে উঠতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রটি দুইটি ব্লক নিয়ে গঠিত এবং তার মধ্যে একটি ব্লকে বিজেপির প্রভাব বেশি। সেই ব্লকেরই বাসিন্দা এই সম্ভাব্য প্রার্থী। তাই তাকে সামনে আনা হলে লড়াই আরও কঠিন হতে পারে।সব মিলিয়ে নন্দীগ্রাম এবারও রাজ্যের রাজনীতির অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। কে হবেন শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিপক্ষ, তা জানার জন্য এখন সকলের নজর রয়েছে প্রার্থী তালিকা ঘোষণার দিকে। মঙ্গলবার বিকেলের মধ্যেই পুরো বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১৭, ২০২৬
রাজ্য

ভোটার তালিকায় নাম ঝুলে, তবু প্রার্থী কলিতা মাজি, আউশগ্রামে তুমুল বিতর্ক

সোমবার বিজেপির প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হওয়ার পরই পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্র ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। ওই তালিকায় বিজেপির প্রার্থী হিসেবে নাম রয়েছে কলিতা মাজির। পেশায় পরিচারিকা কলিতাকে আগের বিধানসভা নির্বাচনেও প্রার্থী করেছিল বিজেপি, যদিও তখন তিনি পরাজিত হয়েছিলেন। এবারও তার উপরেই ভরসা রেখেছে দল। তপসিলি জাতির জন্য সংরক্ষিত এই আসনে তাকে প্রার্থী করা নিয়ে আগেও চমক তৈরি হয়েছিল, তবে এবার তার নাম ঘিরে অন্য কারণে জোর বিতর্ক দানা বেঁধেছে।গত আঠাশে ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় দেখা যায়, কলিতা মাজির নাম এখনও বিবেচনাধীন অবস্থায় রয়েছে। গুসকরা পুরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের মাঝপুকুর পাড়ের বাসিন্দা তিনি। গুসকরা পুরসভার একশো পঁচানব্বই নম্বর বুথে তিনশো সাতানব্বই নম্বরে তার নাম থাকলেও পাশে বিবেচনাধীন উল্লেখ রয়েছে। অর্থাৎ তার ভোটার পরিচয় নিয়ে নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, তিনি নিজে ভোট দিতে পারবেন কি না এবং এমন অবস্থায় তিনি কীভাবে প্রার্থী হলেন। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস ইতিমধ্যেই এই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।যদিও এই বিতর্কের মাঝেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন কলিতা মাজি। তার দাবি, প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু নথি সংক্রান্ত অসঙ্গতির কারণে তাকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছিল এবং তিনি সেখানে উপস্থিতও ছিলেন। তিনি জানান, তাদের সাত বোনের মধ্যে বাকি ছয়জনের নাম তালিকায় চূড়ান্ত হলেও শুধুমাত্র তার নাম এখনও বিবেচনাধীন রয়েছে। প্রয়োজনীয় সব নথি জমা দিয়েছেন বলেও দাবি করেছেন তিনি। এখন নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি আত্মবিশ্বাসের সুরে জানান, এবার জয়ের ব্যাপারে তিনি আশাবাদী।আউশগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রটি বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি তপসিলি জাতির জন্য সংরক্ষিত আসন। গত নির্বাচনে এই কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী অভেদানন্দ থাণ্ডার জয়ী হয়েছিলেন। তিনি এক লক্ষের বেশি ভোট পেয়েছিলেন, আর বিজেপির প্রার্থী হিসেবে কলিতা মাজি দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন।এই ইস্যুতে তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা নেতৃত্বের অভিযোগ, বিজেপির প্রার্থীর নাম যখন এখনও বিবেচনাধীন, তখন তাকে প্রার্থী করা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। তাদের মতে, এতে নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে সন্দেহ তৈরি হচ্ছে। অন্যদিকে বিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বিষয়ে খোঁজ নিয়ে দেখা হবে এবং নির্বাচন কমিশন নিয়ম মেনেই কাজ করছে।পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে আউশগ্রাম এবং আশপাশের এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। ভোটের আগে এই বিতর্ক কোন দিকে যায়, তা নিয়েই এখন সবার নজর।

মার্চ ১৭, ২০২৬
কলকাতা

মরশুমের প্রথম কালবৈশাখীতেই লণ্ডভণ্ড কলকাতা, ঝড়বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত একাধিক জেলা

মরশুমের প্রথম কালবৈশাখীর দাপটে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেল কলকাতা সহ রাজ্যের একাধিক জেলা। গত কয়েকদিন ধরেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টির দফা চলছিল। তারই মধ্যে সোমবার সন্ধ্যা নামতেই হঠাৎ ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি শুরু হয় শহরে। এরপরই তীব্র ঝড় বয়ে যায়। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর সহ একাধিক জেলায় ঝড়ের তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ছবি সামনে আসে। কলকাতায় ঝড়ের গতিবেগ পৌঁছে যায় ঘণ্টায় প্রায় বাহাত্তর কিলোমিটার।আবহাওয়া দফতর আগেই সতর্ক করেছিল। সোমবার রাতে হাওড়া, কলকাতা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে লাল সতর্কতা জারি করা হয়। ঘণ্টায় সত্তর থেকে আশি কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে বলে জানানো হয়েছিল। উত্তর চব্বিশ পরগনায় জারি ছিল কমলা সতর্কতা। সেই সতর্কতার মধ্যেই শুরু হয় ঝড়ের তাণ্ডব।শহরের বিভিন্ন জায়গায় গাছ ভেঙে পড়ে এবং বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে যায়। জিনজিরা বাজারের কাছে একটি বড় হোর্ডিং ভেঙে পড়ে রাস্তা আটকে দেয়, ফলে যান চলাচলে সমস্যা তৈরি হয়। কলকাতার কিছু এলাকায় শিলাবৃষ্টিও দেখা যায়, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বাড়ায়।পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল এলাকায় একাধিক জায়গায় গাছ ভেঙে রাস্তার উপর পড়ে যাওয়ায় যাতায়াত বন্ধ হয়ে যায়। দাসপুর এলাকায় একটি বড় দুর্ঘটনাও ঘটে। ঝড়বৃষ্টির মধ্যে একটি মোটরসাইকেলের উপর গাছ ভেঙে পড়ায় তিনজন গুরুতর আহত হন। তাদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।এর আগে রবিবার সন্ধ্যাতেও বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং মেদিনীপুরে বৃষ্টির দেখা মিলেছিল। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ঝাড়খণ্ড দিক থেকে বজ্রগর্ভ মেঘ ঢোকার কারণেই এই ঝড়বৃষ্টি। আগামী দিনেও উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে ঝড়সহ বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন। হঠাৎ আবহাওয়ার এই বদলে যাওয়ায় আগামী কয়েকদিন রাজ্যে এমন পরিস্থিতি আরও তৈরি হতে পারে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মার্চ ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal