• ৬ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২৩ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

খেলার দুনিয়া

খেলার দুনিয়া

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সাফ অভিযানে নামার আগে সতর্ক সুনীলরা

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতের আধিপত্য প্রশ্নাতীত। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির এই প্রতিযোগিতায় ১২ বারের মধ্যে ৭ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। আরও একবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যে সোমবার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করছেন সুনীল ছেত্রিরা। চেনা প্রতিপক্ষ হলেও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে সতর্ক ভারতীয় শিবির। কারণ যে কোনও প্রতিযোগিতার প্রথম ম্যাচ সবসময়ই কঠিন। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান ভারতের অনুকূলে। প্রাক বিশ্বকাপের যোগ্যতাঅর্জন পর্বে যুবভারতীতে ঘরের মাঠে ম্যাচ ১১ ড্র হলেও দোহায় ফিরতি ম্যাচে ২০ ব্যবধানে জিতেছিলেন সুনীল ছেত্রিরা। ধারেভারে বাংলাদেশের থেকে কিছুটা হলেও এগিয়ে ভারত। তাসত্ত্বেও বিপক্ষকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, প্রতিযোগিতার প্রথম ম্যাচ সবসময়ই কঠিন। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক কালে খেলেছি। প্রাক বিশ্বকাপের যোগ্যতাঅর্জন পর্বে যুবভারতীতে ঘরের মাঠে ড্র হলেও দোহায় ফিরতি ম্যাচে আমরা জিতেছিলাম। তা সত্ত্বেও ওদের হালকাভাবে নেওয়া যাবে না। সব দলকেই গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ প্রত্যেক দলের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।কিছুদিন আগেই বেঙ্গালুরু এফসি এবং এটিকে মোহনবাগন মালদ্বীপে এএফসি কাপের ম্যাচ খেলেছে। ওই প্রতিযোগিতায় খেলা যে ফুটবলাররা ভারতীয় দলে রয়েছেন, তাঁদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চাইছেন কোচ স্টিমাক। তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচে এটিকে মোহনবাগান ও বেঙ্গালুরু এফসির ফুটবলারদের প্রথম একাদশে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। ওরা ম্যাচের মধ্যেই রয়েছে। তাছাড়া মালদ্বীপের মাঠে কিছুদিন খেলে যাওয়ায় পরিবেশ সম্পর্কে যথেষ্ট ওয়াকিবহাল। শারীরিক ও মানসিকভাবেও ভাল জায়গায় রয়েছে। সেই সুযোগটা কাজে লাগাতে চাই। অধিনায়ক সুনীল ছেত্রির গলাতেও বাংলাদেশকে সমীহ করার সুর। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অতীত পারফরমেন্সের কথা মাথায় রাখছেন না। প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, প্রতিপক্ষ হিসেবে বাংলাদেশ খুবই শক্তিশালী। সাম্প্রতিককালে ওদের বিরুদ্ধে খেলেছি। দারুণ লড়াই হয়েছিল। অতীত মাথায় রাখতে চাই না। এটা নতুন লড়াই। প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে রয়েছে। তবে আমরাও পিছিয়ে নেই। জিততে গেলে সেরাটা দিতে হবে। শুধু সুনীল ছেত্রি নন, শেষ বার সাফ চ্যাম্পিয়ন হওয়া ভারতীয় দলের গুরপ্রীত সিং, প্রীতম কোটালরা ওই দলে রয়েছেন। তঁারাও মনে করছেন, লড়াই সহজ হবে না। কারণ প্রতিটা দলই আগের থেকে অনেক বেশি উন্নতি করেছে।

অক্টোবর ০৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌টি২০ ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরি করেও দলকে জেতাতে পারলেন না ঋতুরাজ

শেষ হয়েও হইল না শেষ। খাদের কিনারা থেকে উঠে এসে প্লে অফের লড়াইয়ে দারুণভাবে টিকে রইল রাজস্থান রয়্যালস। লিগ টেবিলেনর শীর্ষে থাকা চেন্নাই সুপার কিংসকে ৭ উইকেটে হারিয়ে জমিয়ে দিল আইপিএলের প্লে অফের লড়াই। যদিও সঞ্জু স্যামসনের দলের কাছে কাজটা যথেষ্ট কঠিন। কারণ নেট রান রেটে রাজস্থান রয়্যালস অনেকটাই পিছিয়ে। প্লে অফের ছাড়পত্র পেতে গেলে বাকি ম্যাচগুলোতে শুধু জিতলেই হবে না, অন্যদলগুলির দিকেও তাকিয়ে থাকতে হবে। ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের টি২০ কেরিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি জেতাতে পারল না চেন্নাইকে।রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে চেন্নাই সুপার কিংস যে হারতে পারে, কল্পনারও অতীত ছিল। কিন্তু ক্রিকেট যে মহান অনিশ্চয়তার খেলা। ২০ ওভারে ১৮৯/৩ রান তুলে রাজস্থানের সামনে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিল চেন্নাই। ১৫ বল বাকি থাকতে অবলীলায় সেই রান তুলে সঞ্জু স্যামসনরা বুঝিয়ে দিলেন তাঁদেরও ক্ষমতা আছে চেন্নাইকে হারানোর। টস জিতে চেন্নাইকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন সঞ্জু স্যামসন। ভাল শুরু করেছিলেন চেন্নাইয়ের দুই ওপেনার ডুপ্লেসি ও ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। ১৯ বলে ২৫ রান করে আউট হন ডুপ্লেসি। সুরেশ রায়না (৩), মঈন আলি (২১), অম্বাতি রায়ডুরা (২) ব্যর্থ হলেও দুর্দান্ত ব্যাট করেন ঋতুরাজ। আইপিএলের প্রথম পর্বে একের পর এক ম্যাচে ব্যর্থ হলেও তাঁর ওপর ভরসা হারাননি ধোনি। অধিনায়করে আস্থার মর্যাদা দিয়েই চলেছেন ঋতুরাজ। ৯টি বাউন্ডারি ও ৫টি ছয়ের সাহায্যে ৬০ বলে ১০১ রানে তিনি অপরাজিত থাকেন। ইনিংসের শেষ বলে বিশাল ছক্কা হাঁকিয়ে আইপিএল তথা টি২০ কেরিয়ারে প্রথম শতরানটি পান ঋতুরাজ। এই ইনিংস খেলার ফাঁকে চলতি আইপিএলে সর্বাধিক রানের মালিক হয়ে কমলা টুপি নিজের দখলে নিলেন। রবীন্দ্র জাদেজা অপরাজিত থাকেন ১৫ বলে ৩২ রান করে। জাদেজা ৪টি চার ও ১টি ছয় মারেন।জয়ের জন্য ১৯০ রানের লক্ষ্য একেবারেই সহজ ছিল না রাজস্থানের সামনে। কিন্তু শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করে দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান রাজস্থানের দুই ওপেনার এভিন লুইস (১২ বলে ২৭) ও যশস্বী জয়সোয়াল (২১ বলে ৫০)। ওপেনিং জুটিতে ৫.১ ওভারে ওঠে ৭৭। পরপর দুই ওপেনার ফিরে গেলেও চাপে পড়েনি রাজস্থান। দুরন্ত ব্যাট করে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন তরুণ ক্রিকেটার শিবম দুবে। তিনি ৪২ বলে ৬২ রান করে অপরাজিত থাকেন। গ্লেন ফিলিপ ৮ বলে ১৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন ২৪ বলে করেন ২৮। ১৭.৩ ওভারে ১৯০/৩ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় রাজস্থান। ১২ ম্যাচে রাজস্থানের পয়েন্ট ১০।

অক্টোবর ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Mohammedan SC: ৮ বছর পর অতীতকে ছোঁয়ার হাতছানি মহমেডানের সামনে

দীর্ঘদিন পর আবার কলকাতার ফুটবলে প্রাণ ফিরে এসেছে মহমেডান স্পোটিং ক্লাবের দৌলতে। টিকিটের জন্য হাহাকার। এই ছবিটাই তো দেখতে চেয়েছিল ডুরান্ড কাপের আয়োজকরা। তাই দিল্লি থেকে কলকাতায় সরিয়ে নিয়ে এসেছে শতাব্দীপ্রাচীন এই প্রতিযোগিতা। দীর্ঘদিন পর ডুরান্ড কাপের এত জনপ্রিয়তা মহমেডান ক্লাবের সমর্থকদের সৌজন্যে। কেনই বা হবে না? ৮ বছর পর আবার ইতিহাসের মুখে দাঁড়িয়ে সাদাকালো ব্রিগেড। রবিবার ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মহমেডানের সামনে এফ সি গোয়া।২০১৩ সালে শেষবার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল মহমেডান স্পোর্টিং। দীর্ঘদিন পর আবার সর্বভারতীয় ট্রফি জয়ের হাতছানি সাদাকালো ব্রিগেডের সামনে। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আশায় উত্তেজনায় টগবগ করে ফুটছে মহমেডান শিবির। দলকে তাতানোর দায়িত্ব তুলে নিয়েছেন ফুটবল সচিব দীপেন্দু বিশ্বাস। শেষবার মহমেডান যখন ডুরান্ত চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল, সেই দলে ছিলেন দীপেন্দু। ৮ বছর আগের সেই অভিজ্ঞতার কথা তুলে দরছেন ফৈয়াজ, আজহারউদ্দিনদের সামনে।এফসি গোয়া যথেষ্ট শক্তিশালী দল। তাদের বিরুদ্ধে লড়াই সহজ হবে না। তবে মহমেডানের বাড়তি সুবিধা ঘরের মাঠে প্রিয় দর্শকদের সামনে খেলা। সেমিফাইনালে এফসি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে ম্যাচে সাদাকালো ফুটবলারদের বাড়তি অক্সিজেন জুগিয়েছিল সমর্থকরা। রবিবারও যে মহমেডান বাড়তি অক্সিজেন নিয়ে নামবে সেকথা বলাই বাহুল্য। আইএসএলের প্রস্তুতি হিসেবে ডুরান্ড কাপ খেলছে এফসি গোয়া। পূর্ণশক্তি নিয়ে খেলতে এসেছে। তা সত্ত্বেও বিপক্ষকে ভয় পাচ্ছেন না মহমেডান কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ। এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, ফাইনাল সবসময়ই বড় ম্যাচ। আমরা ভারতের অন্যতম সেরা দলের বিরুদ্ধে খেলতে নামব। বিপক্ষকে গুরুত্ব দিতেই হবে। তবে ভয় পাচ্ছি না। আমরা নিজেদের ক্ষমতা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। যথেষ্ট ভাল ফুটবল উপহার দিয়ে ফাইনালে উঠে এসেছি। এখন লক্ষ্য ফাইনালে সেরাটা দিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়া। এফসি গোয়াকে হারানোর জন্য সেরাটা দিতে হবে, সেটা ফুটবলাররা জানে।দীপেন্দু বিশ্বাসও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। তিনি বলেন, দল ভাল ছন্দে রয়েছে। যদি আগেরল ম্যাচগুলোর মতো খেলতে পারি, চ্যাম্পিয়ন হওয়া আটকাবে না। দীর্ঘদিন পর আবার কলকাতা ময়দানে উন্মাদনা ফিরে এসেছে। এমন উন্মাদনা দীর্ঘদিন দেখিনি। চ্যাম্পিয়ন হলে ষোলকলা পূর্ণ হবে। এফসি গোয়া ডিফেন্সে অনেক ফাঁকফোকর রয়েছে। সেটা কাজে লাগাতে হবে। ফুটবলারদের কাছে সেরা সুযোগ নিজেদের প্রমাণ করার।

অক্টোবর ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL: নেতা হিসেবে চূড়ান্ত ব্যর্থ, মর্গ্যানকে সরানোর জোরালো দাবি উঠল

আইপিএলের প্রথম পর্বে একের পর এক ব্যর্থতায় নেতৃত্ব ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন দীনেশ কার্তিক। অধিনায়কের ব্যাটন তুলে দেওয়া হয়েছিল ইওয়িন মর্গানের হাতে। তাঁর নেতৃত্বেও যে কলকাতা নাইট রাইডার্স একটুও বদলায়নি, ইতিমধ্যেই প্রমানিত। দ্বিতীয় পর্বের শুরুতে পরপর দুটি ম্যাচ জিতলেও নাইটদের প্লে অফের ভাগ্য এখন অন্য দলের ওপর নির্ভর করছে। আর সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ অধিনায়ক ইওয়িন মর্গান। একে তো ব্যাটে রান নেই, তার ওপর নেতা হিসেবেও দলকে উজ্জীবিত করতে চূড়ান্ত ব্যর্থ। আইপিএলে ৮ দলের অধিনায়কদের মধ্যে সবথেকে খারাপ হাল মর্গ্যানের। ১১ ইনিংসে তাঁর রান ২,০, ৮, ৭, ০, ০, ৪৭, ০, ৭, ২৯, ৭, ০। মোট ১০৯। গড় ১০.৯০, স্ট্রাইক রেট ১০০.৯২। আইপিএলে ইওয়িন মর্গ্যানের চেয়ে খারাপ গড় কোনও অধিনায়কের নেই। আইপিএলের অধিনায়ক হিসেবে খারাপ গড়ের পরিসংখ্যান বলছে, ২০১২ সালের আইপিএলে হরভজন সিংয়ের ব্যাটিং গড় ছিল ১২। ২০০৯ সালে শেন ওয়ার্নের ১৩.৫। পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ব্যর্থতার পর মর্গ্যানের দশা সেগুলির চেয়েও খারাপ। তার উপর রবিচন্দ্রন অশ্বিনের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়ে অনেকের কাছেই চক্ষুশূল হয়েছেন। নাইট রাইডার্স অধিনায়কের একের পর এক ব্যর্থতায় তাঁকে সরানোর দাবিও ইতিমধ্যে উঠতে শুরু করেছে। অধিনায়ক মর্গ্যানের একর পর এক ব্যর্থতায় অস্বস্তি বাড়ছে নাইট শিবিরেও। মর্গ্যান কার্যত দলের বোঝা হিসেবেই প্রতিপন্ন হয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে তাঁকে দল থেকে বাদ দেওয়ার দাবিও উঠেছে।সোশ্যাল মিডিয়ায় মর্গ্যানকে উদ্দেশ্য করে নানা কটাক্ষ ভেসে উঠেছে। কেউ কেউ টুইট করে বলেছেন যে, মর্গ্যান আসন্ন টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের মহেন্দ্র সিং ধোনির মতোই ইংল্যান্ডের মেন্টরের ভুমিকা পালন করুন। কেউ কেই আবার লিখেছেন, পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে মর্গ্যানের ব্যর্থতা দেখে নিশ্চিতভাবেই খুশি হবেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। হাইভোল্টেজ ম্যাচে স্টাম্প লক্ষ্য করে বল করে সামি ক্রিকেটীয় স্পিরিট ভেঙেছেন কিনা প্রশ্নও নাইট অধিনায়কের সামনে রেখেছেন নেটাগরিকরা। কেউ কেউ আবার মর্গ্যানের নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা আছে কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। এরপরেও কি অধিনায়ক সরানোর পথে হাঁটবে নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট?

অক্টোবর ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL: পাঞ্জাব কিংসের কাছে হেরে প্লে অফের জটিল সমীকরণের সামনে নাইট রাইডার্স

শেষ পর্যন্ত প্লে অফের ছাড়পত্র পাবে তো কলকাতা নাইট রাইডার্স? ইওয়িন মর্গানের দলের ওপর অনিশ্চয়তার মেঘ ঘনিয়ে এসেছে। আর এই মেঘের ঘনঘটা তৈরি করে দিয়েছে লোকেশ রাহুলের পাঞ্জাব কিংস। শুক্রবার পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে জিতলেই প্লে অফের দিকে অনেকটাই এগিয়ে যেত নাইটরা। কিন্তু ৫ উইকেটে হেরে দিল্লি ক্যাপিটালসের প্লে অফের রাস্তা পরিস্কার করে দেওয়ার পাশাপাশি পাঞ্জাব কিংসের সম্ভাবনাও তৈরি করেছে। আর নিজেদের ভবিষ্যত ঠেলে দিয়েছে অনিশ্চয়তার দিকে।পাঞ্জাব কিংসের কাছে হেরে প্লে অফের জটিল সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে কলকাতা নাইট রাইডার্স। এই মুহূর্তে ১২ ম্যাচে ১০ পয়েন্টে দাঁড়িয়ে নাইটরা। পাঞ্জাব কিংসেরও ১২ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ১১ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট। কিন্তু নেট রান রেটে পাঞ্জাব ও মুম্বইয়ের থেকে এগিযে নাইটরা। চেন্নাই সুপার কিংস ও দিল্লি ক্যাপিটালস ইতিমধ্যেই পৌঁছে গেছে প্লে অফে। চেন্নাইয়ের ১১ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট। দিল্লির ১১ ম্যাচে ১৬। এই দুটি দলকে বাকি দলগুলি ধরতেই পারবে না। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের ১১ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট। প্লে অফের ছাড়পত্র পেতে গেলে লিগের বাকি দুটি ম্যাচ জিততেই হবে নাইটদের। পাশাপাশি তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য দলগুলির দিকে। নাইটদের এত জটিল সমীকরণের সামনে পড়তে হত না, যদি পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ম্যাচ জিততে পারত। শুক্রবার লোকেস রাহুলের অধিনায়কোচিত অর্ধশতরানের পর শাহরুখ খানের ছক্কায় নাটকীয় শেষ ওভারে জয় পাঞ্জাবের। তিন বল বাকি থাকতে নাইটদের ৫ উইকেটে হারিয়ে আইপিএলের পয়েন্ট তালিকায় পাঁচে উঠে এসে প্লে অফের লড়াই জমিয়ে দিয়েছে পাঞ্জাব কিংস। ভেঙ্কটেশ আয়ারের শেষ ওভারে দরকার ছিল ৫ রান। প্রথম বলে এক রান নেন শাহরুখ খান। দ্বিতীয় বলে আউট হন লোকেশ রাহুল। চারটি চার ও দুটি ছয়ের সাহায্যে ৫৫ বলে ৬৭ রান করে আউট হন তিনি। তৃতীয় বলে ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে জেতান শাহরুখ। একটি চার ও দুটি ছয় মেরে ৯ বলে ২২ রানে অপরাজিত থাকেন।জয়ের জন্য ১৬৬ রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে দারুণ ছন্দে শুরু করেন পাঞ্জাব কিংসের দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও মায়াঙ্ক আগরওয়াল। তিনটি চার ও তিনটি ছক্কার সাহায্যে ২৭ বলে ৪০ রান করেন ময়াঙ্ক আগরওয়াল। ৭০ রানের মাথায় প্রথম উইকেট পড়ে পাঞ্জাবের। নিকোলাস পুরাণ ৭ বলে ১২ রান করে বরুণ চক্রবর্তীর দ্বিতীয় শিকার। ১৫.৩ ওভারে আউট হন এইডেন মার্করাম, তিনি করেন ১৬ বলে ১৮। দীপক হুডা চার বলে ৩ রান করে আউট হন। ১৬.৩ ওভারে হুডা আউট হওয়ার পর পাঞ্জাবের স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ১৩৪।শেষ দুই ওভারে জেতার জন্য পাঞ্জাবের প্রয়োজন ছিল ১২ বলে ১৫ রান। ১৯তম ওভারে বল করতে আসেন শিবম মাভি। প্রথম বলে চার মারেন লোকেশ রাহুল। পরের বলে কোনও রান হয়নি। তৃতীয় বলে লোকেশ রাহুলের শট ঝাঁপিয়ে পড়ে তালুবন্দি করেন রাহুল ত্রিপাঠি। তিনি পরিষ্কারভাবে ক্যাচ নেওয়ার কথা বললেও আম্পায়াররা তৃতীয় আম্পায়ারের দ্বারস্থ হন। যদিও রিপ্লেতে দেখা যায় বল ত্রিপাঠির হাতে জমা পড়ার আগে মাটি স্পর্শ করেছিল। ফলে জীবন পান রাহুল। যদিও এই আউট নিয়ে আম্পায়ারিংয়ের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ১৯তম ওভারের শেষ বলে রাহুল চার মারায় শেষ ওভারে জয়ের জন্য পাঞ্জাবের প্রয়োজন ছিল ৫ রান। তিন বল বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে নেয় পাঞ্জাব কিংস। বরুণ চক্রবর্তী দুটি উইকেট নেন ৪ ওভারে ২৪ রানের বিনিময়ে। একটি করে উইকেট নেন শিবম মাভি, সুনীল নারিন ও আয়ার।টস হেরে ব্যাট করতে নেমে কলকাতা নাইট রাইডার্স করেছিল ৭ উইকেটে ১৬৫। সর্বাধিক ৬৭ রান করেন ভেঙ্কটেশ আয়ার। রাহুল ত্রিপাঠি ৩৪ ও নীতীশ রানা ৩১ রান করেন। অর্শদীপ সিং ৩২ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট দখল করেন। রবি বিষ্ণোই দুটি এবং মহম্মদ শামি একটি উইকেট দখল করেন। পাঞ্জাব কিংস কলকাতা নাইট রাইডার্সকে হারিয়ে দেওয়ায় চলতি আইপিএলের দ্বিতীয় দল হিসেবে প্লে অফে জায়গা পাকা হয়ে গেল দিল্লি ক্যাপিটালসের।

অক্টোবর ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে গেলে গভীর সঙ্কটে গতবারের চ্যাম্পিয়ন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স

এবারের আইপিএলে প্লে অফের ছাড়পত্র পাবে না গতবারের চ্যাম্পিয়ন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স? আশঙ্কার কালো মেঘ ঘনিয়ে এসেছে রোহিত শর্মার দলের ওপর। শনিবার দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে ৪ উইকেটে হেরে গভীর সঙ্কটে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ব্যাটারদের ব্যর্থতাই ডুবিয়েছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে।টস জিতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন দিল্লি অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে ব্যাট হাতে নিজেকে একেবারেই মেলে ধরতে পারেননি রোহিত শর্মা। এদিনও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। দ্বিতীয় ওভারেই আবেশ খানের বলে রাবাডার হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রোহিত (৭)। কুইন্টন ডিকক (১৯) ও সূর্যকুমার যাদব (৩৩) সাময়িক প্রতিরোধ গড়ে তুললেও যথেষ্ট ছিল না। দুজনকেই তুলে নেন অক্ষর প্যাটেল। সৌরভ তেওয়ারি করেন ১৫। তিনিও অক্ষর প্যাটেলের শিকার। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মিডল অর্ডারে ভাঙন ধরান অক্ষর। ৪ ওভারে ২১ রানে ৩ উইকেট তুলে নেন তিনি। আবেশ খানও দুর্দান্ত বোলিং করেন। ১৫ রানে তিনি নেন ৩ উইকেট। এই দুই বোলারের দাপটে ২০ ওভারে ১২৯/৯ রানের বেশি তুলতে পারেনি মুম্বই ইন্ডিয়ান্স।দিল্লির জয় অবশ্য সহজে আসেনি। জয়ের জন্য ১৩০ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়। ১৫ রান ওঠার ফাঁকেই ফিরে যান দুই ওপেনার শিখর ধাওয়ান (৮) ও পৃথ্বী শ (৬)। ৯ রান করে কুল্টারনাইলের বলে বোল্ড হন স্টিভ স্মিথ। এরপর দলকে কিছুটা টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক ঋষভ পন্থ (২২ বলে ২৬) ও শ্রেয়স আয়ার। অক্ষর প্যাটেল (৯), শিমরণ হেটমায়েররা (১৫) দ্রুত ফিরে গেলে চাপে পড়ে যায় দিল্লি। এরপর অবিচ্ছেদ্য জুটিতে দলের জয় নিশ্চিত করেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও শ্রেয়স আয়ার। শ্রেয়স আয়ার ৩৩ বলে ৩৩ এবং রবিচন্দ্রন অশ্বিন ২১ বলে ২০ রানে অপরাজিত থাকেন। ক্রুণাল পাণ্ডিয়ার শেষ ওভারের প্রথম বলে ছয় মেরে ম্যাচ জেতান অশ্বিন।শনিবার মুম্বইয়র বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগেই প্লে অফ নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালসের। ১১ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে আপাতত পয়েন্ট তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রইল দিল্লি। নেট রান রেটে চেন্নাই সুপার কিংসের থেকে পিছিয়ে ঋষভরা পন্থরা। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ১২ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে রইল ষষ্ঠ স্থানে। প্লে অফে ওঠা কঠিন হয়ে পড়ল রোহিতদের সামনে।

অক্টোবর ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL 2021: চূড়ান্ত ধারাবাহিকতা দেখিয়ে প্লে অফ নিশ্চিত করল চেন্নাই সুপার কিংস

এক নম্বরের সঙ্গে লিগ টেবিলে শেষে থাকা দলের লড়াই। শীর্ষে থাকা দলই যে ফেবারিট সে কথা বলাই বাহুল্য। প্রত্যাশামতোই সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্লে অফ নিশ্চিত করল চেন্নাই সুপার কিংস। আর কোনও জটিল সমীকরণ প্লে অফ থেকে ছিটকে দিতে পারবে না ধোনি ব্রিগেডকে। ১১ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট পেয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে রইল চেন্নাই সুপার কিংস। টস জিতে এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে হারানোর কিছু ছিল না। শুধু নিজেদের প্রমান করার তাগিদ। সেই প্রমান করার ম্যাচেও জ্বলে উঠতে ব্যর্থ হায়দরাবাদের ব্যাটসম্যানরা। একমাত্র ব্যতিক্রম ঋদ্ধিমান সাহা। তিনি রুখে না দাঁড়ালে লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছতে পারত না সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। চতুর্থ ওভারেই তারা প্রথম উইকেট হারায়। আগের ম্যাচে রান পাওয়া জেসন রয় এদিন মাত্র ২ রান করে জস হ্যাজেলউডের বলে আউট হন। অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনও (১১) এদিন ব্যর্থ। প্রিয়ম গর্গ করেন ৭। ৪৬ বলে ৪৪ রান করে রবীন্দ্র জাদেজার বলে ধোনির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ঋদ্ধিমান। অভিষেক শর্মা ও আব্দুল সামাদ দুজনেই করেন ১৮। রশিদ খান ১৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৩৪ রান তোলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। জস হ্যাজেলউড ২৪ রানে ৩টি এবং ডোয়েন ব্র্যাভো ১৭ রানে ২ উইকেট নেন।চেন্নাইয়ের যা ব্যাটিং শক্তি তাতে ১৩৫ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন হওয়ার কথা ছিল না। তার উপর দূর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন চেন্নাইয়ের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানরা। বিশেষ করে ওপেনার ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের কথা বলতে হবে। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখলেন। ওপেনিং জুটিতে ফাফ ডুপ্লেসির সঙ্গে তোলেন ৭৫। ৩৮ বলে ৪৫ রান করে জেসন হোল্ডারের বলে ঋতুরাজ আউট হন। ১৭ বলে ১৭ রান করে রশিদ খানের বলে বোল্ড হন মঈন আলি। ৩৬ বলে ৪১ রান করে হোল্ডারের বলে আউট হন ডুপ্লেসি। সুরেশ রায়নাও (২) হোল্ডারের শিকার। এরপর দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন অম্বাতি রায়ুডু (অপরাজিত ১৭) ও ধোনি (১১)। ১৯.৪ ওভারে ৪ উইকেটে ১৩৯ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় চেন্নাই।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Smriti Mandhana: আশঙ্কা অমূলক প্রমাণ করে গোলাপি টেস্টে দারুন শুরু স্মৃতিদের

অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে গোলাপি বলে ঐতিহাসিক টেস্ট খেলতে নামার আগে কিছুটা হলেও চাপে ছিল ভারতীয় দল। অস্ট্রেলিয়ার গোলাপি বলে খেলার অভিজ্ঞতা থাকলেও মিতালি রাজদের একেবারেই ছিল না। ভালভাবে অনুশীলনের সুযোগও পাননি। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজ শেষ হওয়ার পর মাত্র একটা সেশন অনুশীলনে সুযোগ পেয়েছিলেন গোলাপি বলে মানিয়ে নেওয়ার জন্য। তাতেই কামাল স্মৃতি মান্ধানাদের। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দিনরাতের টেস্টের প্রথম দিনে রীতিমতো দাপট দেখালেন স্মৃতি, শেফালিরা। ঐতিহাসিক দিনরাতের টেস্টে দারুণ শুরু ভারতীয় মহিলা দলের। বৃষ্টিবিঘ্নিত প্রথম দিনের শেষে ১৩২/১।জুন মাসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের বেশ কয়েকজনের টেস্ট অভিষেক হয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে এদিন টেস্ট অভিষেক হল মেঘনা সিং ও ইয়াস্তিকা ভাটিয়ার। একদিনের সিরিজে দারুণ নজর কেড়েছিলেন এই দুই ক্রিকেটার। তার পুরস্কার পেলেন। এদিন টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠায় অস্ট্রেলিয়া। দারুণ শুরু করেন ভারতের দুই ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা ও শেফালি ভার্মা। আশঙ্কা ছিল গোলাপি বলে অস্ট্রেলিয়ার জোরে বোলাররা শুরুতেই চেপে বসবে ভারতীয়দের ওপর। কিন্তু এলিসে পেরি ও ডার্সি ব্রাউন কোনও প্রভাব বিস্তার করতে পারেননি দুই ভারতীয় ওপেনারের উপর। ভারতের ওপেনিং জুটিতে ২৫ ওভারে ওঠে ৯৩। শেষ পর্যন্ত জুটি ভাঙেন বাঁহাতি স্পিনার সোফিয়ে মলিনেক্স। মলিনেক্সের বল তুলে মারতে মিড অফে তালিয়া ম্যাকগ্রাথের হাতে ক্যাচ দেন শেফালি। ৬৪ বলে ৩১ রান করে তিনি আউট হন। ভারতের রান তখন ৯৩। শেফালি আউট হওয়ার পর দলকে টেনে নিয়ে যান স্মৃতি মান্ধানা ও পুনম রাউত। দুজনের অসমাপ্ত জুটিতে ওঠে ৩৯। এদিন টেস্ট জীবনের সর্বোচ্চ রান করেন স্মৃতি। তাঁর আগের সর্বোচ্চ রান ছিল ৭৮। ৪৪.১ ওভার পর বৃষ্টির জন্য খেলা বন্ধ হয়ে যায়। ভারতের রান তখন ১৩২/১। স্মৃতি ৮০ রানে ও পুনম ১৬ রানে অপরাজিত রয়েছেন। টেস্টের আগের দিন ভারতীয় দলের অধিনায়ক মিতালি রাজ আশঙ্কা করেছিলেন, গোলাপি বলে সুইং সামলাতে সমস্যা হবে। তাঁর সেই আশঙ্কা অমূলক প্রমাণ করে দিলেন স্মৃতিরা।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Indian Coach: সৌরভ চাইলেও বাকি বোর্ড কর্তারা কুম্বলেকে কোচ হিসেবে চান না

টি২০ বিশ্বকাপের পরেই ভারতীয় দলের হেড কোচ রবি শাস্ত্রীর মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তাঁর জায়গায় নতুন কোচ নেওয়ার জন্য বিজ্ঞাপন দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। শাস্ত্রীর উত্তরসূরি হিসেবে অনিল কুম্বলেকে পছন্দ বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির। শোনা যাচ্ছে ভিভিএস লক্ষণের নাম। অনিল কুম্বলেকে সৌরভের পছন্দ হলেও বাকি বোর্ড কর্তারা কুম্বলেকে হেড কোচ হিসেবে চান না। কুম্বলেও নাকি বিরাট কোহলিদের কোচ হতে রাজি নন।রবি শাস্ত্রীর আগে অনিল কুম্বলের হাতেই ভারতীয় দলের দায়িত্ব ছিল। মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি চেয়েছিলেন কুম্বলে জাতীয় দলের কোচিং চালিয়ে যান। কিন্তু ২০১৭ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর কুম্বলে কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ান। সৌরভ এবারেও চেয়েছিলেন শাস্ত্রীর পর আবার একবার জাতীয় দলের কোচিংয়ের ব্যাটন তুলে নিন তাঁর একদা সতীর্থ। তবে সৌরভ বাদে বোর্ডের অন্যান্য কর্তারা কুম্বলেকে ফেরাতে আগ্রহী নন। বোর্ডের এক কর্তা বলেছেন, সৌরভ বাদে বাকি বোর্ডের সদস্যরা যেমন কুম্বলেকে ফেরাতে চান না, তেমনই কুম্বলে নিজেও আর জাতীয় দলের কোচ হতে আগ্রহী নয়। বোর্ডের অন্য কর্তারা শাস্ত্রীর জায়গায় বিদেশি কোচ নিয়োগ করতে চায়। কুম্বলে জানে, কোহলিসহ জাতীয় দলে সেই পুরনো মুখদেরই কোচিং করাতে হবে। নতুন মুখ তেমন নেই। তাহলে আবার কেন ফিরবে? সবথেকে বড় কথা, সৌরভ কুম্বলের নাম সুপারিশ করলেও বোর্ডের বাকিরা এতে সম্মত হয়নি।সৌরভ ছাড়া বোর্ডের বাকি সদস্যরা কুম্বলেকে কোচ হিসেবে না চাওয়ার অন্যতম কারণ হল কুম্বলের ট্র্যাক রেকর্ড। অতীতে জাতীয় দলের কোচ হিসেবে সাফল্য পাননি। আইপিএলে পাঞ্জাব কিংসের দায়িত্বে রয়েছেন। একবারও নিজের ফ্র্যাঞ্চাইজিকে প্লে অফেও তুলতে পারেননি। তাই অন্য বোর্ড কর্তাদের তাঁকে নিয়ে আপত্তি রয়েছে। কুম্বলের সঙ্গেই সম্ভাব্য কোচ হিসেবে ভেসে উঠেছিল ভিভিএস লক্ষ্মণের নাম। তবে জানা গিয়েছে, লক্ষ্মণও কোচ হচ্ছেন না। তাই বিদেশি কোচের পথেই হাঁটতে চলেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। শ্রীলঙ্কার মাহেলা জয়বর্ধনেকে বিরাট কোহলিদের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য নাকি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তিনিও নাকি রাজি নন।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL 2021: প্লে অফের দিকে এগিয়ে গেল রয়্যাল চ্যালঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর

বুধবার আইপিএলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল রাজস্থান রয়্যালস ও রয়্যাল চ্যালঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। দু-দলের কাছেই এই ম্যাচ ছিল oiগুরুত্বপূর্ণ। রাজস্থানের বিরুদ্ধে জিতলেই প্লে অফ নিশ্চিত হয়ে যেত কোহলিদের। অন্যদিকে প্লে অফের আশা টিকিয়ে রাখতে রাজস্থান রয়্যালসকে জিততেই হত। ৭ উইকেটে জিতে প্লে অফের দিকে এগিয়ে গেল রয়্যাল চ্যালঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর।আরও পড়ুনঃ রোহিতকে পরপর দুটি বিশ্বকাপে নেতৃত্বে দেখতে চান গাভাসকারটস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন বিরাট কোহলি। দুই দলেই একটি করে পরিবর্তন করে মাঠে নামে। চোট সরিয়ে প্রথম একাদশে ফেরেন রাজস্থানের কার্তিক ত্যাগী। আর রয়্যাল চ্যালঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর দলে অভিষেক জয় জর্জ গার্টনের। আগের ম্যাচে লিগ তালিকার সবথেকে নিচে থাকা সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে হেরে প্লে অফের লড়াইয়ে পড়ে রাজস্থান। তাই এদিনের ম্যাচ তাদের জিততেই হত। চ্যালেঞ্জ নিয়ে মাঠে নেমেছিল সঞ্জু স্যামসন ব্রিগেড।ভাল শুরু করেছিল রাজস্থানের দুই ওপেনার এভিন লুইস ও যশস্বী জয়সোয়াল। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৭৭। ২২ বলে ৩১ রান করে ক্রিশ্চিয়ানের বলে আউট হন লুইস ৩৭ বলে ৫৮ রান করেন। লুইস যখন আউট হন তখন রাজস্থানের রান ১১ ওভারে ১০০। এরপরই ধস নামে রাজস্থানের ইনিংসে। ১১৭ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়ে বড় রানের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় রাজস্থানের। অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন করেন ১৯। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রান তোলে রাজস্থান। হর্শল প্যাটেল ৩টি, যুজবেন্দ্র চাহাল ও শাহবাজ আমেদ ২টি করে উইকেট পান।আরও পড়ুনঃ ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণের সামনে দাঁড়িয়ে কেন চিন্তিত মিতালিরা?জয়ের জন্য ১৫০ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করে রয়্যাল চ্যালঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৪৮। দেবদত্ত পড়িক্কল ১৭ বলে ২২ রান করে মুস্তাফিজুরের বলে বোল্ড হন। এরপর অধিনায়ক বিরাট কোহলি ২০ বলে ২৫ রান করে রান আউট হন। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান এস ভরত ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ৩৫ বলে ৪৪ রান করে আউট হন ভরত। দলকে জয়ের লক্ষ্যে পোঁছে দেন ম্যাক্সওয়েল। ৩০ বলে ৫০ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ১৭.১ ওভারে ১৫৩/৩ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় রয়্যাল চ্যালঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Gavaskar-Rohit: রোহিতকে পরপর দুটি বিশ্বকাপে নেতৃত্বে দেখতে চান গাভাসকার

টি২০ বিশ্বকাপের পর জাতীয় দলের নেতৃত্ব ছাড়ার কথা আগেই ঘোষণা করেছেন বিরাট কোহলি। তাঁর পরিবর্তে নির্বাচকরা কার হাতে দায়িত্ব তুলে দেবেন, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। দেশের প্রাক্তন অধিনায়ক সুনীল গাভাসকার চান, এই টি২০ বিশ্বকাপেই কোহলির পরিবর্তে রোহিত শর্মাকে অধিনায়ক করা হোক। আগামী দুটি টি২০ বিশ্বকাপে রোহিতকে জাতীয় দলের নেতৃত্বে দেখতে চান ভারতীয় ক্রিকেটের এই কিংবদন্তি।আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে নেতৃত্ব দিয়ে দারুণ সফল রোহিত শর্মা। তিনি দলকে পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন করেছেন। মোটামুটি এটা পরিস্কার, টি২০ বিশ্বকাপের পর কোহলির হাতেই দায়িত্ব উঠতে চলেছে। দু বছর পরপর টি২০ বিশ্বকাপ হওয়ার কথা। ২০২০ সালে অস্ট্রেলিয়ায় হওয়ার কথা ছিল। করোনার জন্য ২০২২ পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এবছর টি২০ বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্ব ভারতের। ২০২৩ সালে আবার ভারতে একদিনের বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে। গাভাসকার চান পরপর দুটি বিশ্বকাপেই রোহিত শর্মা নেতৃত্ব দিক।আরও পড়ুনঃ প্রাক্তন শিষ্যের কাছে মাথা নত পেপ গুয়ার্দিওলারগাভাসকার বলেছেন, দেশকে এশিয়া কাপ ও নিদাহাস ট্রফি দেওয়া রোহিত শর্মাই এই গুরু দায়িত্ব পালন করার যোগ্য দাবিদার। ওর হাতে এখনই নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হোক। একটা বিশ্বকাপ হতে কয়েকমাস বাকি। পরের বিশ্বকাপের মধ্যে খুব বেশি সময় নেই। তাই এখনই ওর হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়া উচিত। যাতে দুটি বিশ্বকাপে নেতৃত্ব দিতে পারে। গাভাসকারের এই মন্তব্য অন্য ইঙ্গিত বহন করছে। কারণ, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড আগেই কোহলিকে অধিনায়ক ঘোষণা করেছে। রোহিতকে অধিনায়ক করার পাশাপাশি সহ অধিনায়ক হিসেবে নিজের পছন্দের কথাও জানিয়েছেন গাভাসকার। লোকেশ রাহুল ও ঋষভ পন্থের মধ্যে একজনকে সহ অধিনায়ক হিসেবে দেখতে চান তিনি। গাভাসকারের কথায়, ভারতীয় ক্রিকেটের বর্তমান দুই তারকা আইপিএলে যেভাবে নিজ নিজ দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছে, মাঠে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, বোলিং পরিবর্তন করছে, তা অসাধারণ। দিল্লি দলে প্রচুর তারকা। ঋষভ দারুন সামলাচ্ছে। বিরাট কোহলির পর রোহিত শর্মা ভারতের টি২০ দলের অধিনায়ক নির্বাচিত হলে লোকেশ রাহুল ও ঋষভ পন্থের মধ্যে যে কোনও একজনকে ওর ডেপুটি করে দেওয়া উচিত।আরও পড়ুনঃ ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণের সামনে দাঁড়িয়ে কেন চিন্তিত মিতালিরা?আইপিএলে পাঞ্জাব কিংসকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন লোকেশ রাহুল। দিল্লি ক্যাপিটালসকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তরুণ ঋষভ পন্থ। দুই ক্রিকেটারের উর্বর ক্রিকেট মস্তিষ্কের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন সুনীল গাভাসকর। তবে দুই ক্রিকেটারের মধ্যে বেশি দক্ষ কে, তা অবশ্য বলেননি ভারতীয় ক্রিকেটের কিংবদন্তি।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Pink Ball Test: ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণের সামনে দাঁড়িয়ে কেন চিন্তিত মিতালিরা?

ক্রিকেটের নন্দনকানন ইডেনে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গোলাপি বলে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল বিরাট কোহলিদের। এবার ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণের সামনে দাঁড়িয়ে মিতালি রাজরা। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে গোলাপি বলে টেস্ট অভিষেক হতে চলেছে মিতালিদের। বৃহস্পতিবার থেকে কুইন্সল্যান্ডের ক্যারারা ওভালে দিনরাতের টেস্ট খেলতে নামবে ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দল।২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে শেষ টেস্ট খেলেছিল ভারত। ১৫ বছর পর আবার অসিদের বিরুদ্ধে মাঠে নামবেন মিতালিরা। ওই টেস্টে মিতালি রাজের সঙ্গে খেলেছিলেন ঝুলন গোস্বামী। এবারও তাঁরা মাঠে নামবেন। ওই টেস্টে খেলা কোনও ক্রিকেটার অবশ্য অস্ট্রেলিয়া দলে নেই। ঐতিহাসিক গোলাপি বলে দিনরাতের টেস্ট খেলার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক মিতালি রাজ। গোলাপি বলে টেস্ট খেলাটা চ্যালেঞ্জিং বলেও মনে করছেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে মিতালি বলেন, গোলাপি বলে একটা সেশন প্র্যাকটিস করেছি। অন্যরকম অভিজ্ঞতা। লাল বলের তুলনায় অনেক বেশি সুইং করে। ম্যাচে খেলাটা অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং হবে। একদিনের সিরিজের পর আরও কয়েকদিন অনুশীলনের সুযোগ পেলে ভাল হত। কিন্তু কিছু করার নেই। কোভিড প্রটোকলের জন্য মানিয়ে নিতে হচ্ছে।অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে গোলাপি বলের টেস্টে ঝুলন গোস্বামীদের ওপর ভরসা করছেন মিতালি রাজ। ভারতীয় দলের অধিনায়ক বলেন,আমাদের এই জোরে বোলিং শক্তি দেশের সর্বকালের অন্যতম সেরা। ঝুলনের প্রচুর অভিজ্ঞতা রয়েছে। একদিনের সিরিজে মেঘনা সিং দুর্দান্ত বোলিং করেছে। ওর বলে দারুন গতি আছে। দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলে ফিরে এসে পুজা বাস্ত্রকার নিজেকে মেলে ধরেছে। ওকে অলরাউন্ডার হিসেবে তৈরি করার দিকে নজর দিচ্ছি।মাস দুয়েক আগে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট খেলেছিল ভারত। ফলোঅন করেও ম্যাচ বাঁচিয়েছিল ভারত। ওই টেস্টের লড়াই আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে মিতালিদের। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে ভারতীয় শিবিরকে চিন্তায় রাখছে হরমনপ্রীত কাউরের চোট। নেটে ব্যাট করার সময় আঙুলে ছোট পেয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামতে পারবেন না।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Lionel Messi: প্রাক্তন শিষ্যের কাছে মাথা নত পেপ গুয়ার্দিওলার

দীর্ঘদিন পর আবার মুখোমুখি প্রাক্তন গুরু-শিষ্য। একসময় পেপ গুয়ার্দিওলা সাইড লাইন থেকে নির্দেশ দিতেন মেসিকে। মঙ্গলবার রাতে অন্য ছবি। সাইড লাইনে দাঁড়িয়ে এক সময়ের শিষ্যকে আটকানোর ছক কষে গেলেন। শেষ পর্যন্ত শিষ্যের কাছে হার মানতে হল পেপ গুয়ার্দিওলাকে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ম্যাঞ্চেস্টার সিটিকে ২-০ ব্যবধানে হারাল প্যারিস সেন্ট জার্মেইন। দুরন্ত গোলে নায়ক সেই লিওনেল মেসি।মাস দুয়েক আগে বার্সেলোনা ছেড়ে প্যারিস সাঁ জাঁ-তে সই করেছেন লিওনেল মেসি। ফরাসি লিগে মাঠে নামলেও গোল পাননি। দলের হয়ে প্রথম গোল পেলেন চ্যাম্পিয়ন্স লিগে। ম্যাঞ্চেস্টার সিটির বিরুদ্ধে গোলের জন্য শুরু থেকেই মরিয়া ছিলেন মেসি। তবে প্যারিস সাঁ জাঁ-কে এগিয়ে দেন ইদ্রিসা গাইয়ে। ম্যাচের ৮ মিনিটে নেইমারের বাড়ানো বলের গতি ধরতে পারেননি রিয়াদ মাহরেজ। পেছন থেকে উঠে এসে ডান পায়ের দুর্দান্ত শটে গোল করেন ইদ্রিসা গাইয়ে।প্রথমার্ধের শেষ দিকে সুযোগ পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন মেসি। অবশেষে ৭৪ মিনিটে প্যারিস সাঁ জাঁ-র জার্সি গায়ে প্রথম গোল করেন তিনি। ৭৪ মিনিটে বল নিয়ে ম্যাঞ্চেস্টার সিটির বক্সে ঢুকে মাইনাস করেন কিলিয়ান এমবাপে। পেছন থেকে দ্রুত গতিতে উঠে এসে বাঁ পায়ের জোরালো শটে জালে বল জড়িয়ে দেন মেসি। বার্সেলোনা ছাড়া অন্য ক্লাবের হয়ে এই প্রথম গোল করলেন আর্জেন্টিনা তারকা।এই দিনটার জন্য অপেক্ষা করেছিলেন মেসি। ম্যাচের পর তিনি বলেন, প্যারিস সাঁ জাঁ-র জার্সি গায়ে প্রথম গোলটা করার জন্য মুখিয়ে ছিলাম। সাম্প্রতিককালে খুব বেশি ম্যাচ খেলিনি। নতুন দলের হয়ে আগে মাত্র একটা ম্যাচে মাঠে নেমেছিলাম। আস্তে আস্তে দলের সঙ্গে মানিয়ে নিচ্ছি। যত বেশি ম্যাচ খেলব, তত বেশি বোঝাপড়া বাড়বে। আশা করছি পরের দিকে সেরাটা দিতে পারব। মেসি গোল পাওয়ায় খুশি প্যারিস সাঁ জাঁ কোচ মরিসিও পোচেতিনোও। তিনি বলেছেন, মেসি গোল করা শুরু করল। আশা করছি এবার আরও গোল দেখতে পাব।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL Match : মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে প্লে অফের লড়াইয়ে রাখলেন হার্দিক পান্ডিয়া

পাঞ্জাব কিংস ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্স মুখোমুখি হওয়ার আগে দুই দলের ওপর চাপ বাড়িয়ে দিয়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে কলকাতা নাইট রাইডার্সের জয়। নাইট রাইডার্স জিতে যাওয়ায় প্লে অফে ওঠার লড়াইয়ে ম্যাচ রোহিত ও রাহুল দুজনের দলের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পাঞ্জাব কিংসকে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্লে অফের লড়াইয়ে দারুণ ভাবে টিকে রইল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। টস জিতে পাঞ্জাব কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ঘাড়ে চোটের জন্য এই ম্যাচে খেলতে পারেননি মায়াঙ্ক আগরওয়াল। তাঁর পরিবর্তেন প্রথম একাদশে সুযোগ পান মনদীপ সিং। লোকেশ রাহুলের সঙ্গে ওপেন করতে নেমে ১৪ বলে ১৫ রান করে আউট হন মনদীপ। তাঁকে ফেরান ক্রুনাল পান্ডিয়া। এরপর দুবলের মধ্যে ক্রিস গেইল ও লোকেশ রাহুলকে তুলে নেন কিয়েরণ পোলার্ড। ৪ বলে ১ রান করে আউট হন গেইল। ২১ বলে ২২ রান করে আউট হন লোকেশ রাহুল। নিকোলাস পুরাণকে (৩ বলে ২) তুলে নিয়ে পাঞ্জাব কিংসকে আরও চাপে ফেলে দেন যশপ্রীত বুমরা। ৭.৩ ওভারের মধ্যে ৪৮ রানে ৪ উইকেট হারায় পাঞ্জাব কিংস। এরপর পঞ্চম উইকেট জুটিতে ৬১ রান যোগ করেন এইডেন মার্করাম ও দীপক হুডা। ২৯ বলে ৪২ রান করে রাহুল চাহারের বলে বোল্ড হন মার্করাম। তিনি ৬টি বাউন্ডারি মারেন। ১৫.২ ওভারে ১০৯ রানের মাথায় পঞ্চম উইকেট পড়ে পাঞ্জাব কিংসের। দীপক হুডা ২৬ বলে ২৮ রান করে আউট হন। হরপ্রীত ব্রার ১৯ বলে ১৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৩৫ তোলে পাঞ্জাব কিংস। পোলার্ড ৮ রানে ২টি এবং বুমরা ২৪ রানে ২ উইকেট নেন। জয়ের জন্য ১৩৬ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ১৬ রানের মাথায় আউট হন রোহিত শর্মা (৮)। তাঁকে তুলে নেন রবি বিষ্ণোই। পরের বলেই ফেরান সূর্যকুমার যাদবকে (০)। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান কুইন্টন ডিকক ও সৌরভ তেওয়ারি। ২৭ বলে ২৯ রান করে মহম্মদ সামির বলে আউট হন ডিকক। ইশান কিশানের জায়গায় সুযোগ পেয়ে নিজেকে মেলে ধরেন সৌরভ তেওয়ারি। হার্দিক পান্ডিয়ার সঙ্গে জুটি বেঁধে তোলেন ৩১। এই জুটিই মুম্বইকে জয়ের দিকে এগিয়ে দিয়েছিল। ৩৭ বলে ৪৫ রান করে নাথান এলিসের বলে আউট হন সৌরভ। এরপর দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন হার্দিক পান্ডিয়া (৩০ বলে অপরাজিত ৪০) ও কিয়েরণ পোলার্ড (৭ বলে অপরাজিত ১৫)। ১৯ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৩৭ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় মুম্বই।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL-KKR Match : বল ও ব্যাট হাতে কামাল, নাইট রাইডার্সকে জেতালেন সুনীল নারাইন

দুই দলের কাছেই ছিল গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। তবে দিল্লি ক্যাপিটালসের তুলনায় নাইট রাইডার্সের কাছে বেশি। প্লে অফের লড়াইয়ে টিকে থাকতে গেলে মর্গানদের সামনে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পয়েন্ট তালিকায় দুইয়ে থাকা দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ৩ উইকেটে দুর্দান্ত জয় ছিনিয়ে নিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। এই জয়ের ফলে নাইট রাইডার্সের ১১ ম্যাচে পয়েন্ট ১০। অন্যদিকে, ১১ ম্যাচে ১৬ পয়েন্টেই রইল দিল্লি ক্যাপিটালস। নাইটদের জয়ের নায়ক সুনীল নারাইন। বল হাতে দাপট দেখানোর পর ব্যাটেও কামাল করেন নারাইন। টসে জিতে নাইট রাইডার্স অধিনায়ক মর্গান দিল্লিকে ব্যাট করতে পাঠান। খারাপ শুরু করেনি দিল্লি। চোটের জন্য এদিন পৃথ্বী শ খেলতে পারেননি। তাঁর জায়গায় ওপেন করতে নামেন স্টিভ স্মিথ। হতাশ করেননি এই অসি ব্যাটার। শিখর ধাওয়ানের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে ভালোই টানছিলেন স্মিথ। ২০ বলে ২৪ রান করে আউট হন শিখর। তাঁকে ফেরান ফার্গুসন। এক ওভার পরেই নারাইন তুলে নেন শ্রেয়স আয়ারকে (১)। শিখর ধাওয়ান আউট হওয়ার পর স্মিথের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। স্মিথকে (৩৪ বলে ৩৯) ফার্গুসন তুলে নিতেই ধস নামে দিল্লির ইনিংসে। পরপর ফিরে যান হেটমায়ের (৪), ললিত যাদব (০), অক্ষর প্যাটেল (০)। দ্রুত এই তিন ব্যাটারকে হারানোর চাপ থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি দিল্লি। এদিন নাইট রাইডার্সের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন সুনীল নারাইন। ১৮ রানে ২ উইকেট তুলে নেন। ঋষভ পন্থের (৩৬ বলে ৩৯) লড়াই দিল্লিকে ২০ ওভাআরে ১২৭/৯ রানে পৌঁছে দেয়। শারজার মন্থর উইকেটে ১২৮ রানের লক্ষ্য খুব একটা সহজ ছিল না নাইট রাইডার্সের কাছে। কিন্তু এত কম রানের পুঁজি নিয়ে কতটা লড়াই করতে পারবেন দিল্লির বোলাররা, সেটাই ছিল দেখার। এই কম রানের পুঁজি নিয়েও দারুণ লড়াই করে গেলেন আবেশ খান, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, অক্ষর প্যাটেল, আনরিখ নর্টিয়েরা। ভেঙ্কটেশকে (১৪ বলে ১৫) তুলে নিয়ে নাইট শিবিরে প্রথম ধাক্কা দিয়েছিলেন ললিত যাদব। পরের ওভারেই আবেশ খান তুলে নেন রাহুল ত্রিপাঠীকে (৯)। শুভমান (৩৩ বলে ৩০) ও মর্গানকে (০) পরপর দু ওভারে হারিয়ে কিছুটা হলেও চাপে পড়ে যায় নাইট রাইডার্স। কার্তিকও (১৪ বলে ১২) বেশিক্ষণ দলকে টানতে পারেননি। তিনি আউট হওয়ার পর নারাইন (১০ বলে ২১) দ্রুত ম্যাচ শেষ করতে চেয়েছিলেন। জয়ের জন্য ১২৮ রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে ১০ বল বাকি থাকতেই তিন উইকেটে জয় ছিনিয়ে নেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স। দুটি করে ৪ ও ৬ মেরে ২৭ বলে ৩৬ রানে অপরাজিত থাকেন নীতিশ রানা। আবেশ খান ৩ ওভারে ১৩ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট নেন।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : বিদেশিদের ভিড়ে এসসি ইস্টবেঙ্গলের ম্যানেজারের দায়িত্বে এক বাঙালী

আসন্ন আইএসএলে এসসি ইস্টবেঙ্গলের ম্যানেজারের ভুমিকায় দেখা যাবে মৃদুল ব্যানার্জিকে। মঙ্গলবারই তাঁর সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত করেছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। শুধু ম্যানেজারের ভুমিকাই পালন করবেন না মৃদুল ব্যানার্জি। দ্বিতীয় সহকারী কোচ হিসেবে স্পেনের ম্যানুয়েল মানোলো দিয়াজ ও গোলকিপার কোচ লেসলি ক্লিভেলিকেও সাহায্য করবেন। তিনি ছাড়াও ভারতীয় দলের প্রাক্তন ফুটবলার রেনেডি সিংও সহকারী কোচের ভুমিকা পালন করবেন।এই প্রথম নয়, এর আগেও আইএসএলের দলের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে মৃদুল ব্যানার্জির। একসময় দিল্লি ডায়নামোজের সহকারী কোচের ভুমিকা পালন করেছেন। ইস্টবেঙ্গলের কোচের দায়িত্বও সামলেছেন মৃদুল ব্যানার্জি। প্রায় তিন দশক ধরে কোচিংয়ের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তিনি। ইস্টবেঙ্গল ছাড়াও মোহনবাগান, ইন্ডিয়ান অ্যারোজ, ভারতীয় অনূর্ধ্ব ১৬, অনূর্ধ্ব ১৯ দলের কোচের দায়িত্ব সমলেছেন। এবার আইএসেলে তাঁকে দ্বৈত ভুমিকা পালন করতে হবে। একদিকে যেমন দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব সামলাতে হবে, অন্যদিকে, ম্যানুয়েল মানোলো দিয়াজকে সাহায্য করতে হবে। এসসি ইস্টবেঙ্গলের দ্বৈত দায়িত্ব পেয়ে রোমাঞ্চিত এ লাইসেন্সধারী কোচ মৃদুল ব্যানার্জি। তিনি বলেন, এসসি ইস্টবেঙ্গলের মতো ক্লাবের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাওয়াটা রীতিমতো গর্বের ব্যাপার। আমার কাছে এটা নতুন ভুমিকা। দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি সহকারী কোচের ভুমিকাও পালন করতে হবে। চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য আমি তৈরি। ভারতীয় ফুটবল প্রশাসন সম্পর্কে আমার প্রচুর অভিজ্ঞতা আছে। আগেও ম্যানেজারের ভুমিকা পালন করেছি। মাঠের মধ্যে ও মাঠের বাইরে দলকে পরিচালনা করাই আমার কাছে বেশি গুরুত্ব পাবে। আশা করছি নিজের দায়িত্ব ভালভাবে পালন করতে পারব। এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের আস্থার মর্যাদা দেওয়ার ব্যাপারে আমি আশাবাদী। এএফসির এ লাইসেন্স ডিগ্রি করা আছে মৃদুল ব্যানার্জির। ক্লাব কোচিং ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে বাংলা সিনিয়র দল, বাংলা বয়সভিত্তিক দলকে কোচিংও করিয়েছেন। অনূর্ধ্ব ২১ জাতীয় ফুটবলে বাংলাকে ২০০১ ও ২০০২ সালে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন। ২০১৬ সালে মহমেডান স্পোর্টিংকে কলকাতা প্রিমিয়ার লিগে রানার্স করেছিলেন। বাংলা সিনিয়র দলকে সন্তোষ ট্রফিতেও চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন। আবার আইএসএলে কাজ করার সুযোগ পেয়ে খুশি মৃদুল ব্যানার্জি। তিনি আরও বলেন, আমার অভিজ্ঞতা দিয়ে এসসি ইস্টবেঙ্গলের কোচিং স্টাফকে সাহায্য করার চেষ্টা করব। আমার লক্ষ্য প্রতিটা দিন দলের উন্নতি করা। লালহলুদ সমর্থকদের আবেগ আমি জানি। আমি এই পরিবেশেই বড় হয়েছি। কাজ শুরু করার জন্য আমার আর তর সইছে না। গত বছর থেকেই লালহলুদের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন রেনেডি সিং। রবি ফাউলারের জায়গায় এবছর কর্তারা হেড কোচের দায়িত্ব তুলে দিয়েছেন স্পেনের ম্যানুয়েল মানোলো দিয়াজকে। গোলকিপার কোচ হিসেবে নিযুক্ত করেছেন চেলসির প্রাক্তন গোলকিপার কোচ লেসলি ক্লিভেজিকে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌PL : রাজস্থানকে হারিয়ে প্লে অফের লড়াই জমিয়ে দিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ

সোমবার দুবাইয়ে আইপিএলের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরবাদ ও রাজস্থান রয়্যালস। প্লে অফে যাওয়ার জন্য দুই দলের কাছেই এই ম্যাচ খুবই গুরুত্বপূ্র্ণ ছিল। ৭ উইকেটে রাজস্থানকে হারিয়ে অঙ্কের বিচারে প্লে অফের সম্ভাবনা জিইয়ে রাখল রাখল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। একই সঙ্গে প্লে অফের লড়াই জমিয়ে দিল। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে টস জিতে ব্যাটিং নেয় রাজস্থান রয়্যালস। দুই দলই প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে। সানরাইজার্স বাদ দিয়েছিল ডেভিড ওয়ার্নার, মণীশ পাণ্ডে, কেদার যাদব, খলিল আহমেদের। অন্যদিকে, রাজস্থান রয়্যালসে চোটের কারণে ছিল না কার্তিক ত্যাগী। ডেভিড মিলার, তাবরেজ শামসিও বাদ পড়েছেন। দলে ফেরানো হয় এভিন লুইস, ক্রিস মরিসকে। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় রাজস্থান। ১.১ ওভারে মাথায় ব্যক্তিগত ৬ রানে আউট হন এভিন লুইস। এরপর যশস্বী জয়সওয়ালকে নিয়ে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ৫৬ রান যোগ করেন সঞ্জু স্যামসন। ২৩ বলে ৩৬ রান করেন যশস্বী। লিয়াম লিভিংস্টোন চারে নেমে সফল হননি। ৪ রান করে রশিদ খানের শিকার হন। ১০.১ ওভারে ৭৭ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় রাজস্থান রয়্যালস।পাওয়ার প্লের শেষে ৬ ওভারে রাজস্থান রয়্যালসের রান ছিল ১ উইকেটে ৪৯। ১৩.৪ ওভারে ১০০ রান পূর্ণ করে রাজস্থান রয়্যালস। সঞ্জু স্যামসন ও মহীপাল লোমরোর চতুর্থ উইকেটে জুটিতে ওঠে ৮৪ রান। এই জুটির ওপর ভর করে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৬৪ তোলে রাজস্থান। সঞ্জু স্যামসন ৫৭ বলে করেন ৮২। এবারের আইপিএলে দ্বিতীয় অর্ধশতরানের সুবাদে দিল্লি ক্যাপিটালসের শিখর ধাওয়ানকে টপকে সর্বাধিক রানের মালিক হয়ে গেলেন রাজস্থান রয়্যালস অধিনায়ক সঞ্জু। ১০ ম্যাচে তিনি ৪৩৩ রান করেছেন। ১০ ম্যাচে শিখর ধাওয়ান করেছেন ৪৩০ রান। লোমরোর ২৯ রান করে অপরাজিত থাকেন। ডেভিড ওয়ার্নারের পরিবর্তে এদিন হায়দরাবাদের হয়ে ওপেন করতে নেমেছিলেন জেসন রয়। দারুণ শুরু করেন ইংল্যান্ডের এই ওপেনার। ঋদ্ধিমান সাহাকে সঙ্গে নিয়ে ৫ ওভারে তোলেন ৫৭। ষষ্ঠ ওভারের প্রথম বলে ঋদ্ধিমান আউট হন। ১১ বলে তিনি করেন ১৮। এরপর দলকে টানেন অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন ও জেসন রয়। দলের ১১৪ রানের মাথায় আউট হন জেসন রয়। ৪২ বলে তিনি করেন ৬০। পরের ওভারেই প্রিয়ম গর্গ (০) ফিরে গেলেও সানরইজার্সের জয় পেতে অসুবিধা হয়নি। দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন উইলিয়ামসন (৪১ বলে অপরাজিত ৫১) ও অভিষেক শর্মা (১৬ বলে অপরাজিত ২১)। ১৮.৩ ওভারে ১৬৭/৩ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় সানরাইজার্স হায়দরবাদ।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Durand Cup-Mohamedan : ৮ বছর পর আবার ডুরান্ড কাপ জয়ের হাতছানি মহমেডানের সামনে

ডুরান্ড কাপ শুরুর আগে মহমেডান কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ বলেছিলেন, কলকাতা প্রিমিয়ার লিগের থেকেও বেশি গুরুত্ব দিতে চান ডুরান্ড কাপকে। কারণ এটি সর্বভারতীয় প্রতিযোগিতা। শক্তিশালী দলগুলির বিরুদ্ধে খেলে নিজেদের শক্তি যাচাই করে নিতে পারবেন। তঁার লক্ষ্য যে ডুরান্ড কাপ জয়, সেকথাও খোলসা করে দিয়েছিলেন। লক্ষ্যে পৌঁছতে আর মাত্র একধাপ বাকি। এফসি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডকে ৪২ ব্যবধানে হারিয়ে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে পৌঁছে গেল সাদাকালো ব্রিগেড। শুরুতে পিছিয়ে পড়েও দুরন্ত জয় তুলে নিল মহমেডান স্পোর্টিং। ৮ বছর পর আবার ডুরান্ড কাপের ফাইনালে। মহমেডান সমর্থকদের দৌলতে দীর্ঘদিন পর আবার যুবভারতীতে প্রাণ ফিরে এল। এদিন যুবভারতীতে মহমেডান ও এফসি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডের ম্যাচ দেখতে প্রায় হাজার পঁচিশেক দর্শক মাঠে হাজির ছিলেন। অন্যরকম পরিবেশে ম্যাচ শুরু হওয়ার অপেক্ষা ছিল। আর তার আগেই ঘটল বিপত্তি। সেই পুরনো রোগ। হঠাৎ করে একটি বাতিস্তম্ভের আলো নিভে যায়। ফলে নির্দিষ্ট সময়ের ১০ মিনিট পর খেলা শুরু হয়। আলো আসার পর তখনও দর্শকরা মাঠে ঠিকভাবে আসনে বসেননি। তার মধ্যেই ধাক্কা মহমেডান শিবিরে। ১৯ সেকেন্ডের মধ্যেই গোল। এগিয়ে যায় এফসি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেড। লুকা মাসেনের পাস থেকে দুরন্ত শটে দলকে এগিয়ে দেন পেড্রো মানজি। ডুরান্ড কাপে দ্রুততম গোলের নজির হয়ে গেল এদিন যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে। তবে এই অগ্রগমন বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি এফসি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেড। ৮ মিনিটের মধ্যে সমতা ফেরায় মহমেডান। পরিত্রাতা সেই মার্কাস জোসেফ। আগের ম্যাচে গোল করে দলকে সেমিফাইনালে তুলেছিলেন। এদিন দলকে সমতায় ফেরালেন। হেডে ফৈয়াজের নামিয়ে দেওয়া বল ধরে মার্কাস ৩ জন ফুটবলারকে ড্রিবল করে জোরালো কোনাকুনি শটে গোল করে মার্কাস। ৩৮ মিনিটে মহমেডানকে এগিয়ে দেন ফয়জল আলি। এই গোলের পেছনেও মার্কাসের অবদান। তাঁর সাজিয়ে দেওয়া বল থেকে মাটি ঘেঁসা শটে গোল করেন ফয়জল। সমতা ফেরানোর জন্য দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই মরিয়া হয়ে ওঠে এফসি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেড। একাধিক গোলের সুযোগও তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয়ার্ধের ৭৮ মিনিটে সমতা ফেরায় বেঙ্গালুরু। সঞ্জু প্রধানের কর্ণার থেকে দুরন্ত সাইড ভলিতে গোল করেন কিংশুক দেবনাথ। দ্বিতীয়ার্ধের সংযুক্তি সময়ে হাত দিয়ে গোল করতে গিয়ে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন বেঙ্গালুরুর পেড্রো মানজি। নির্ধারিত সময়ে ম্যাচ ২২ থাকে। ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। অতিরিক্ত সময়ে দুটি অর্ধে দুটি গোল করে ডুরান্ড ফাইনাল নিশ্চিত করে মহমেডান। অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধের ১২ মিনিটে ছোটখাটো চেহারার ব্রেন্ডন ভানলালরেমডিকার গোল করে স্বস্তি দেন সাদাকালো সমর্থদের। অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই নিকোলার পেনাল্টি থেকে করা গোল ডুরান্ড কাপ নিশ্চিত করে মহমেডানের। ২০১৩ সালের পর আবার ডুরান্ড জয়ের হাতছানি মহমেডানের সামনে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌KKR-Andre Russell : দিল্লির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে আন্দ্রে রাসেল কেন চিন্তার কারন নাইট টিম ম্যানেজমেন্টের?‌

মঙ্গলবার শারজায় আইপিএলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে কলকাতা নাইট রাইডার্স ও দিল্লি ক্যাপিটালস। প্লে অফের ছাড়পত্রর জন্য এই ম্যাচ দুই দলের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ।এই মুহূর্তে ১০ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে আইপিএলের লিগ টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে থেকে প্লে অফের রাস্তা অনেকটাই পরিস্কার করে ফেলেছে ঋষভ পন্থের দিল্লি ক্যাপিটালস। অন্যদিকে, ১০ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলে চতুর্থ স্থানে রয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। তাদের সামনেও প্লে অফে ওঠার সুযোদ রয়েছে। দিল্লির থেকেও কলকাতার কাছে ম্যাচটা অবশ্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ হারলেই প্লে অফে লড়াই কঠিন হয়ে পড়বে মর্গানদের সামনে। দিল্লির বিরুদ্ধে এইরকম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্টের মাথা ব্যাথা হয়ে দাঁড়িয়েছে অলরাউন্ডার আন্দ্রে রাসেলের চোট।আগের ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে হারের পাশাপাশি কলকাতা নাইট রাইডার্সকে বড় ধাক্কা দিয়ে গেছে আন্দ্রে রাসেলের চোট। ফিল্ডিং করার সময় হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়েছিলেন রাসেল। মাঠ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন। তাঁকে আর বল করাতে পারেননি মর্গান। রাসেল মাঠে থাকলে হয়তো হারতে হত না নাইট রাইডার্সকে। কারণ প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর পরিবর্তে ডেথ ওভারে তাঁর হাতেই বল তুলে দিতেন মর্গান। দিল্লির বিরুদ্ধে রাসেলের খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। পরপর দুটি ম্যাচ জিতে আগের ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে হারতে হয়েছে নাইট রাইডার্সকে। জয়ের কাছাকাছি এসেও শেষরক্ষা হয়নি। ছোটখাট ভুল শুধরে দিল্লির বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া। এছাড়া অন্য কোনও রাস্তা খোলা নেই ইওয়িন মর্গানদের সামনে। হারলেই প্লে অফের লড়াই থেকে অনেকটাই দুরে সরে যেতে হবে। এতদিন আবু ধাবিতে খেলে এসেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। দিল্লির বিরুদ্ধে এবার শারজায় মাঠে নামতে হবে। শারজার উইকেট আবু ধাবির থেকে অপেক্ষাকৃত মন্থর। দিল্লি বধের জন্য বরুণ চ্ক্রবর্তী, সুনীল নারাইনের দিকে তাকিয়ে নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। নাইট রাইডার্সের টপ অর্ডার যেমন রানের মধ্যে রয়েছে, মিডল অর্ডারের রান পাওয়াটা স্বস্তি দিচ্ছে নাইট টিম ম্যানেজমেন্টকে। তবে দিল্লির শক্তিশালী জোরে বোলিংয়ের বিরুদ্ধে শুভমান, ভেঙ্কটেশ, ত্রিপাঠীদের বড় পরীক্ষা। শুভমানরা স্বসম্মানে উত্তীর্ণ হলেই প্লে অফের রাস্তা অনেকটাই পরিস্কার হয়ে যাবে নাইটদের সামনে। পরীক্ষায় বসতে হবে বরুণ চক্রবর্তী, সুনীল নারাইনদেরও। চলতি আইপিএলে ধারাবাহিকতার দিক দিয়ে সবথেকে এগিয়ে রয়েছেন দিল্লি ক্যাপিটালসের ব্যাটাররা। শিখর ধাওয়ান, পৃথ্বী শ, শ্রেয়স আয়ার, ঋষভ পন্থ, শিমরণ হেটমায়ের সমৃদ্ধ ব্যাটিং লাইন যে কোনও বোলিং শক্তিকে বেগ দিতে পারে। টানা ৪ ম্যাচ জিতে আত্মবিশ্বাসও তুঙ্গে রয়েছে ঋষভ পন্থের দলের। ফলে নাইটদের কাছে লড়াইটা সহজ হবে না।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

K‌‌uldeep Yadav : হাঁটুতে মারাত্মক চোট, আইপিএল থেকে ছিটকে গেলেন কুলদীপ যাদব

সময়টা একেবারেই ভাল যাচ্ছে না কুলদীপ যাদবের। চলতি আইপিএলের প্রথম পর্বে কলকাতা নাইট রাইডার্সের ডাগ আউটে বসেই সময় কেটেছিল। টি২০ বিশ্বকাপেও জাতীয় দলে জায়গা পাননি। আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বেও প্রথম একাদশে ব্রাত্য। এবার হাঁটুতে চোট পেয়ে দীর্ঘদিনের জন্য বাইশ গজ থেকে ছিটকে গেলেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের এই চাইনাম্যান বোলার। চলতি বছরের আইপিএল তো নয়ই, ঘরোয়া ক্রিকেটেও দীর্ঘদিন মাঠে নামতে পারবেন না।কিছুদিন আগে আবু ধাবিতে কলকাতা নাইট রাইডার্সের অনুশীলনে ফিল্ডিং করার সময় হাঁটুতে মারাত্মক চোট পান কুলদীপ যাদব। তাঁর হাঁটু ঘুরে যায়। স্ক্যান করে দেখা যায় চোট যথেষ্ট গুরুতর। আইপিএলের বাকি ম্যাচে আর মাঠে নামতে পারবেন না। এরপরই টিম ম্যানেজমেন্ট কুলদীপকে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেয়। দেশে ফেরার পর মুম্বইয়ের হাসপাতালে তাঁর হাঁটুর অস্ত্রোপচার হয়েছে। পুরো সুস্থ হতে ৪ থেকে ৬ মাস সময় লাগতে পারে। ফলে ঘরোয়া ক্রিকেটেও দীর্ঘদিন মাঠে বাইরে কাটাতে হবে মুম্বইয়ের এই চাইনাম্যান বোলারকে। হয়তো রনিজর শেষদিকে মাঠে ফিরতে পারেন। জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে তাঁর রিহ্যাব চলবে।আইপিএলের প্রথম পর্বে ডাগ আউটে বসে সময় কেটেছিল কুলদীপের। দ্বিতীয় পর্ব শুরুর আগে সুযোগ না পাওয়ার জন্য মুখ খুলেছিলেন টিম ম্যানেজমেন্টের বিরুদ্ধে। কুলদীপের আক্রমণের নিশানায় ছিলেন নাইট রাইডার্সের বিদেশি অধিনায়ক, কোচসহ অন্যান্যরা। এরপরও চলতি আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বেও এই নাইট স্পিনারকে প্রথম একাদশে দেখা যায়নি।২৬ বছরের কুলদীপ যাদব ভারতের হয়ে ৭টি টেস্ট, ৬৫টি একদিনের ম্যাচ ও ২৩টি টি২০ ম্যাচ খেলছেন। তিন ফর্ম্যাট মিলিয়ে তাঁর উইকেট সংখ্যা ১৭৪। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুটি হ্যাটট্রিকের মালিক এই বাঁহাতি চায়নাম্যান ২০১৯ সালের ৫০ ওভারের বিশ্বকাপে ভারতীয় দলের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। দুই বছর আগে কুলদীপকে শংসাপত্র দিয়েছিলেন স্বয়ং টিম ইন্ডিয়ার কোচ রবি শাস্ত্রী। বলেছিলেন, বিদেশের মাটিতে কুলদীপই সেরা ভারতীয় স্পিনার। সেই ক্রিকেটারের আন্তর্জাতিক আঙিনা থেকে আচমকাই হারিয়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে আইপিএলকে তুলে ধরা হচ্ছে। নাইট রাইডার্স শিবিরে একের পর এক ম্যাচে প্রথম একাদশের বাইরে কাটিয়ে কুলদীপ জাতীয় নির্বাচকদের চোখের আড়ালে চলে গিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। কয়েক মাস আগে শ্রীলঙ্কা সফরে ভারতীয় দলের জার্সি গায়ে শেষবার মাঠে দেখা গিয়েছিল কুলদীপ যাদবকে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 50
  • ...
  • 69
  • 70
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

ট্রাম্পকে প্রকাশ্য মঞ্চে কার্যত চ্যালেঞ্জ! নেতানিয়াহুর মন্তব্যে তোলপাড় বিশ্বরাজনীতি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি মন্তব্য ঘিরে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সম্পর্ক। ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু তাঁকে সম্মান করেন এবং তাঁর কথা শোনেন। তবে সেই মন্তব্যের কয়েক দিনের মধ্যেই প্রকাশ্যে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন নেতানিয়াহু।জেরুজালেমে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেকেই মনে করেন তিনি ট্রাম্পের কথামতো চলেন। আবার আমেরিকায় অনেকের ধারণা, ট্রাম্পও তাঁর কথামতো সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু এই দুই ধারণাই ভুল বলে মন্তব্য করেন নেতানিয়াহু।তিনি জানান, আমেরিকা এবং ইজরায়েল ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও দুই দেশের নিজস্ব স্বার্থ রয়েছে। সব বিষয়ে দুই দেশের মত এক হবে, এমন নয় বলেও স্পষ্ট করেন তিনি।একইসঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও কড়া অবস্থান নেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ইরানকে কোনওভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সুযোগ দেওয়া হবে না। এই বিষয়ে তাঁর সরকার কোনও ধরনের আপস করতে রাজি নয়। পাশাপাশি দক্ষিণ লেবাননে ইজরায়েলি সেনার উপস্থিতি বজায় থাকবে বলেও জানান তিনি। যতদিন প্রয়োজন হবে, ততদিন সেনা সেখানে মোতায়েন থাকবে বলে তাঁর স্পষ্ট বার্তা।সম্প্রতি ইরান ও আমেরিকার মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একাধিক শর্ত নিয়ে সমঝোতা হয়েছে। সেই শর্তগুলির মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সংঘাত এড়ানোর বিষয়টিও ছিল। কিন্তু তারপরও দক্ষিণ লেবাননে ইজরায়েলের সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প কিছুটা কঠোর সুরে ইজরায়েলের ভূমিকা নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, ইজরায়েলের সামরিক পদক্ষেপে প্রভাব বিস্তার করার ক্ষমতা তাঁর রয়েছে। সেই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, নেতানিয়াহু তাঁর কথা গুরুত্ব দিয়ে শোনেন।ট্রাম্প আরও বলেন, তাঁর সমর্থন ছাড়া ইজরায়েলের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা কঠিন হতো। এই মন্তব্যের পরই আন্তর্জাতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়।তবে নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক বক্তব্য স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ইজরায়েল নিজের নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েই সিদ্ধান্ত নিতে চায়। ফলে লেবানন ও ইরান ইস্যুতে আগামী দিনে আমেরিকা ও ইজরায়েলের অবস্থান কতটা একসুরে থাকবে, তা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

জুন ২২, ২০২৬
দেশ

একদিনে দুই বিরোধী শিবিরে বড় ধাক্কা! মমতার পর এবার উদ্ধবের ঘরেও ভাঙন

দেশের রাজনীতিতে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বিরোধী শিবিরে বড়সড় ভাঙনকে ঘিরে। পূর্ব ভারতে তৃণমূলের অন্দরে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই পশ্চিম ভারতে বড় ধাক্কা খেল উদ্ধব ঠাকরের শিব সেনা। দলের ছয় সাংসদ একনাথ শিণ্ডের নেতৃত্বাধীন শিব সেনায় যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।গত কয়েকদিন ধরেই উদ্ধব শিবিরে ভাঙনের জল্পনা চলছিল। সেই জল্পনা আরও জোরালো হয় যখন দলের সাংসদদের বৈঠকে কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সাংসদ অনুপস্থিত থাকেন। পরে জানা যায়, ওই সাংসদরা স্পিকারকে চিঠি দিয়ে শিণ্ডে শিবিরের সঙ্গে একীভূত হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।দলবদল করা সাংসদদের মধ্যে রয়েছেন সঞ্জয় দিনা পাটিল, সঞ্জয় দেশমুখ, নাগেশ পাটিল, ওমরাজে নিম্বলকর, ভৌসাহেব ওয়াকচৌর এবং সঞ্জয় যাদব। মোট নয়জন সাংসদের মধ্যে ছয়জন একসঙ্গে সিদ্ধান্ত নেওয়ায় দলত্যাগ বিরোধী আইনের জটিলতাও এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা।সোমবার মুম্বইয়ে এক অনুষ্ঠানে একনাথ শিণ্ডের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে শিবির বদল করেন ওই সাংসদরা। এরপর শিণ্ডে দাবি করেন, তাঁর দলে আরও শক্তি বৃদ্ধি হয়েছে। অন্যদিকে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিসও এই ঘটনাকে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন।এই দলবদলের পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, বাল ঠাকরের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার নিয়ে ভবিষ্যতে কার দাবি বেশি শক্তিশালী হবে। একসময় যে দলকে কেন্দ্র করে মহারাষ্ট্রের রাজনীতি আবর্তিত হতো, সেই শিব সেনার নিয়ন্ত্রণ এখন কোন শিবিরের হাতে বেশি, তা নিয়েও শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ঘটনাটি শুধু মহারাষ্ট্রেই নয়, জাতীয় রাজনীতিতেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে। লোকসভায় এনডিএর শক্তি আরও বৃদ্ধি পেল। বিরোধী জোটের জন্যও এই ভাঙন নিঃসন্দেহে বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।এদিকে বিরোধী শিবিরের একাংশের দাবি, রাজনৈতিক চাপ এবং ক্ষমতার সমীকরণের কারণেই এই দলবদল। তবে শিণ্ডে শিবিরের মতে, এটি আদর্শ ও নেতৃত্বের প্রতি আস্থার ফল।সব মিলিয়ে ছয় সাংসদের দলবদল দেশের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন অধ্যায় যোগ করল। আগামী দিনে এর প্রভাব কতদূর গড়ায়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২২, ২০২৬
দেশ

কোচিং সেন্টারে ভয়াবহ আগুন! প্রাণ বাঁচাতে জানলা ভেঙে ঝাঁপ, মৃত অন্তত ১৪

লখনউয়ে একটি কোচিং সেন্টারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সোমবার দুপুরে আলিগঞ্জ এলাকার ওই কোচিং সেন্টারে আচমকাই আগুন লাগে। প্রাথমিকভাবে অন্তত ১৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। আশঙ্কা করা হচ্ছে, ভবনের ভিতরে এখনও কিছু মানুষ আটকে থাকতে পারেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আগুন লাগার পর মুহূর্তের মধ্যে ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। প্রাণ বাঁচাতে বহু পড়ুয়া ভবনের একতলা থেকে নিচে ঝাঁপ দেন। সেই সময় হুড়োহুড়িতে অনেকে গুরুতর আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে প্রকাশ্যে আসা কয়েকটি ভিডিওতে আতঙ্কের চিত্র ধরা পড়েছে। দেখা যাচ্ছে, আগুনের হাত থেকে বাঁচতে মরিয়া চেষ্টা করছেন ভিতরে আটকে থাকা মানুষজন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পুলিশ ও দমকল বাহিনী। চারপাশের এলাকা খালি করে উদ্ধারকাজ শুরু হয়। তবে ঘিঞ্জি এলাকা এবং আগুনের তীব্রতার কারণে প্রথমদিকে দমকল কর্মীদের বেশ সমস্যার মুখে পড়তে হয়। দীর্ঘ সময় ধরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালানো হয়।আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা তাঁদের চিকিৎসা শুরু করেছেন। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে এবং ভবনের ভিতরে কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।কী কারণে এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং দ্রুত তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন।মর্মান্তিক এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে। একইসঙ্গে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন তিনি।এই দুর্ঘটনার পর এলাকায় শোক ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তা জানতে এখন তদন্তের দিকেই তাকিয়ে প্রশাসন ও সাধারণ মানুষ।

জুন ২২, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে সাসপেন্ড! তৃণমূলে বিস্ফোরক সিদ্ধান্ত, মমতার নামও নেই নতুন কমিটিতে

বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বিদ্রোহী শিবিরের এক সিদ্ধান্তকে ঘিরে। নতুন তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয়েছে, দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।পালাবদলের পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে ভাঙনের ছবি স্পষ্ট হতে শুরু করে। একের পর এক বিধায়ক বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দেওয়ার ফলে দলের সাংগঠনিক শক্তি ও পরিষদীয় অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে থাকে। সেই পরিস্থিতিতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক মঞ্চ তৈরি হয়।সোমবার নিউ টাউনের একটি বৈঠকে নতুন কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়। সেখানে চেয়ারম্যান হিসেবে অরূপ রায়ের নাম সামনে আনা হয়েছে। ভাইস চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস এবং রথীন ঘোষ। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জাভেদ খান, সন্দীপন সাহা, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সাবিনা ইয়াসমিন।নতুন কমিটি ঘোষণার পর সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁকে দলের অন্যতম প্রধান মুখ এবং সংগঠনের কার্যকর নেতৃত্ব হিসেবে দেখা হতো। ফলে এই সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।বিদ্রোহী শিবিরের দাবি, নতুন সাংগঠনিক কাঠামোর মাধ্যমে দলের পুনর্গঠন করা হচ্ছে। অন্যদিকে নতুন কমিটিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও সাংগঠনিক পদ না থাকায় বিতর্ক আরও বেড়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই পদক্ষেপ ভবিষ্যতের বৃহত্তর রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত বহন করতে পারে।উল্লেখযোগ্যভাবে, মাসখানেক আগেই দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহিষ্কার করা হয়েছিল। তারপর থেকেই দুই শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক সংঘাত ক্রমশ তীব্র হয়েছে। এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করার ঘোষণার পর সেই সংঘাত আরও নতুন মাত্রা পেল।নতুন কমিটি এবং তার সিদ্ধান্ত ঘিরে এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে এই সংঘাত কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ২২, ২০২৬
কলকাতা

মমতার নামই নেই! নতুন তৃণমূলের কমিটি ঘোষণা হতেই বাংলার রাজনীতিতে তোলপাড়

রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে বিদ্রোহী শিবিরের নব তৃণমূল। পালাবদলের পর থেকেই একাংশ বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে আলাদা রাজনৈতিক অবস্থান তৈরি করেছিলেন উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই শিবির আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের সাংগঠনিক কাঠামো ঘোষণা করল।সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়, নব তৃণমূলের ঘোষিত কমিটিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও নাম নেই। বরং চেয়ারম্যান করা হয়েছে হাওড়া মধ্যের বিধায়ক অরূপ রায়কে। ফলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সংগঠনের নিয়ন্ত্রণ এখন পুরোপুরি বিদ্রোহী শিবিরের হাতেই চলে গেল।ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী, সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন জাভেদ খান, সন্দীপন সাহা, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সাবিনা ইয়াসমিন। কোষাধ্যক্ষ করা হয়েছে আখতারুজ্জামানকে। ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে রয়েছেন অরূপ বিশ্বাস, ফিরহাদ হাকিম এবং রথীন ঘোষ। চেয়ারম্যান হয়েছেন অরূপ রায়।এই ঘোষণার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। এত দ্রুত সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে তোলার অর্থ কি ভবিষ্যতে আলাদা প্রতীকের দাবিতে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হওয়ার প্রস্তুতি? সেই প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে।এই বিদ্রোহের সূত্রপাত হয়েছিল বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে ঘিরে। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম পাঠানো হয়। সেই প্রস্তাবের সঙ্গে বহু বিধায়কের স্বাক্ষর ছিল বলে দাবি করা হয়। কিন্তু ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা অভিযোগ করেন, তাঁদের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তাঁরা স্পিকারের কাছে অভিযোগ জানান।এরপর ধীরে ধীরে একাধিক বিধায়ক ঋতব্রতের শিবিরে যোগ দিতে শুরু করেন। রাজনৈতিক সংঘাত আদালত পর্যন্ত গড়ায়। শেষ পর্যন্ত স্পিকার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে বিভাজন আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।সোমবার নিউ টাউনের একটি হোটেলে বিদ্রোহী শিবিরের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে কয়েকজন কাউন্সিলর এবং একাধিক বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে অরূপ বিশ্বাসকেও দেখা যায়। সেই বৈঠক থেকেই নব তৃণমূলের সাংগঠনিক পদাধিকারীদের নাম ঘোষণা করা হয়।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। আগামী দিনে নব তৃণমূল কোন পথে এগোয় এবং তাদের রাজনৈতিক কৌশল কী হয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২২, ২০২৬
রাজ্য

ঘাটালবাসীর কপাল খুলল! বাজেটে বিশাল ঘোষণা, এবার কি সত্যিই শেষ হবে বন্যার যন্ত্রণা?

ঘাটালবাসীর বহু বছরের অপেক্ষার অবসান হতে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে। রাজ্যের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের জন্য ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা ঘিরে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বন্যা ও জলযন্ত্রণায় জর্জরিত এলাকার মানুষ এবার স্থায়ী সমাধানের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন।ঘাটাল অঞ্চল মূলত শীলাবতী, কংসাবতী এবং দ্বারকেশ্বর নদের শাখা নদী ঝুমিকে ঘিরে গড়ে উঠেছে। অতীতে জমিদারি আমলে বন্যার জল আটকাতে বিভিন্ন এলাকায় সার্কিট বাঁধ তৈরি করা হয়েছিল। সেই বাঁধগুলির সাহায্যে নিচু এলাকা বন্যার হাত থেকে রক্ষা পেত এবং কৃষিজমির পরিমাণও বাড়ানো সম্ভব হয়েছিল।কিন্তু সময়ের সঙ্গে জমিদারি ব্যবস্থা বিলুপ্ত হলেও সেই পুরনো বাঁধগুলি রয়ে যায়। দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বহু বাঁধ দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। ফলে প্রতি বছর বর্ষার সময় বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। অন্যদিকে নদীতে জমতে থাকা পলির কারণে জলধারণ ক্ষমতাও ক্রমশ কমেছে। তার ফলেই বন্যার ঝুঁকি বছর বছর বেড়েছে।এই দীর্ঘস্থায়ী সমস্যার সমাধান করতেই ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। স্থানীয়দের আশা, প্রকল্পটি সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত হলে বন্যা পরিস্থিতির অনেকটাই উন্নতি হবে এবং জলযন্ত্রণা থেকে মুক্তি মিলবে।এর আগে তৃণমূল সরকার বারবার অভিযোগ করেছিল যে কেন্দ্রীয় আর্থিক সহায়তার অভাবেই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়নি। গত লোকসভা নির্বাচনের সময়ও ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসে। ঘাটালের সাংসদ দেব তথা দীপক অধিকারী প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন, এলাকার মানুষকে বন্যার হাত থেকে মুক্তি দিতে না পারার দায় তিনি অনুভব করছেন।এরপর রাজ্য সরকারের উদ্যোগে প্রায় ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়। প্রথম পর্যায়ে ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে কাজও শুরু হয়েছিল। তবে রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর এবার নতুন সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের জন্য ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।এই ঘোষণার পর ঘাটালজুড়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। বহু মানুষের প্রশ্ন, এতদিনের প্রতীক্ষার পর এবার কি সত্যিই শেষ হবে বন্যার দুর্ভোগ? প্রকল্পের কাজ কত দ্রুত এগোয় এবং তার বাস্তব ফল কতটা পাওয়া যায়, সেদিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছেন ঘাটালবাসী।

জুন ২২, ২০২৬
কলকাতা

সীমান্তরক্ষীদের জন্য বড় উপহার! এবার আর দিতে হবে না এই কর, বাজেটে চমক

বৃত্তিকর নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। এবার থেকে বিএসএফ জওয়ানদের আর বৃত্তিকর দিতে হবে না বলে বাজেটে প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি স্বল্পবেতনের চাকরিজীবীদের জন্যও বড় স্বস্তির ঘোষণা করা হয়েছে। কর মকুবের ক্ষেত্রে মাসিক আয়ের সীমা ১০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ফলে বহু নিম্ন ও স্বল্পবেতনের কর্মী সরাসরি উপকৃত হতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।সোমবার বিধানসভায় বিজেপি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। বাজেট বক্তৃতায় তিনি একাধিক নতুন প্রকল্প ও সুবিধার কথা ঘোষণা করেন। সিভিক ভলান্টিয়ার, গ্রিন পুলিশ-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মরত কর্মীদের বেতন বৃদ্ধির কথাও জানানো হয়েছে।তবে বাজেটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা ছিল বিএসএফ জওয়ানদের জন্য বৃত্তিকর মকুবের প্রস্তাব। অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য, দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় বিএসএফ জওয়ানরা দিনরাত দায়িত্ব পালন করেন। দেশের নিরাপত্তা ও অখণ্ডতা রক্ষায় তাঁদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অথচ এতদিন তাঁদের জন্য বৃত্তিকর মকুবের কোনও বিশেষ ব্যবস্থা ছিল না।সরকারের দাবি, সীমান্তরক্ষীদের এই অবদানের স্বীকৃতি ও কৃতজ্ঞতা জানাতেই বৃত্তিকর থেকে সম্পূর্ণ অব্যাহতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই প্রস্তাব কার্যকর হলে রাজ্যের বহু বিএসএফ জওয়ান সরাসরি আর্থিক সুবিধা পাবেন।একইসঙ্গে স্বল্পবেতনের চাকরিজীবীদের জন্য কর ছাড়ের সীমা বৃদ্ধি করার প্রস্তাবও বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সব মিলিয়ে সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে জওয়ান এবং সাধারণ কর্মজীবী মানুষের জন্য একাধিক স্বস্তির বার্তা উঠে এসেছে।

জুন ২২, ২০২৬
কলকাতা

কত টাকা উঠেছিল? আদালতের এক প্রশ্নেই নতুন করে চর্চায় ইন্দ্রনীল-মধুছন্দা

দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শো-কে কেন্দ্র করে ওঠা প্রতারণার অভিযোগে নতুন মোড় এল আদালতে। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন এবং তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেন আগাম জামিনের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। সোমবার সেই মামলার শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল আদালত।বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের বেঞ্চ রাজ্যকে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। আগামী ৪ জুলাইয়ের মধ্যে সেই রিপোর্ট জমা দিতে হবে। পাশাপাশি অভিযোগের ভিত্তিতে কত টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে, সেই তথ্যও আদালতকে জানাতে বলা হয়েছে।অভিযোগ, ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে দুর্গাপুজোর বিশেষ প্রিভিউ শো-এর জন্য উচ্চ মূল্যে পাস বিক্রি করা হয়েছিল। মধুছন্দা সেনের সংস্থা এই পাস বিক্রির সঙ্গে যুক্ত ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক পর্যটন সংস্থার পরামর্শদাতা জয়দীপ মুখোপাধ্যায় বউবাজার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।সোমবার আদালতে শুনানির সময় বিচারপতি জানতে চান, এই প্রক্রিয়ায় ঠিক কত টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে। রাজ্যের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিষয়টি এখনও তদন্তাধীন এবং তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে।মামলাকারীর আইনজীবীর দাবি, গত দুই বছর ধরে নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে পাস দেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়াই ইউনেস্কোর নাম এবং পরিচিতি ব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি ইউনেস্কোর নিয়ম অনুযায়ী বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে তাদের নাম বা পরিচিতি ব্যবহারের অনুমতি ছিল না বলেও আদালতে দাবি করা হয়।অন্যদিকে ইন্দ্রনীল সেন ও মধুছন্দা সেনের আইনজীবীর বক্তব্য, ইউনেস্কো কখনও এই বিষয়ে কোনও অভিযোগ করেনি। তাঁদের দাবি, প্রিভিউ শো-এর সঙ্গে ইউনেস্কোর নাম যুক্ত থাকলেও পাসে সেই পরিচিতি ব্যবহার করা হয়নি।দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, অর্থের বিনিময়ে ডোনার পাস দেওয়া হলে তা বাণিজ্যিক ব্যবহারের মধ্যেই পড়ে কি না। আদালতের এই পর্যবেক্ষণ মামলাটিকে নতুন গুরুত্ব দিয়েছে।তবে আপাতত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আগামী দুই সপ্তাহ কোনও কঠোর পদক্ষেপ করা হবে না বলে রাজ্যের পক্ষ থেকে আদালতে মৌখিক আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এখন তদন্ত রিপোর্টের দিকেই নজর রয়েছে সকলের।

জুন ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal