• ১৫ মাঘ ১৪৩২, সোমবার ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

খেলার দুনিয়া

খেলার দুনিয়া

Sourav Ganguly : টি২০ বিশ্বকাপের আগে কোহলিদের কী পরামর্শ দিলেন সৌরভ?‌

টি২০ বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ডের খেলা শুরু হয়েছে। ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে টি২০ বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ভারত। ২০০৭এ মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। তারপর থেকে খেতাব অধরা থেকে গেছে। প্রতিবারই অন্যতম ফেবারিট হিসেবে প্রতিযোগিতায় খেলতে নামে ভারত। কিন্তু চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন অধরাই থেকে যায়। অধিনায়ক হিসেবে এবছরই শেষ টি২০ বিশ্বকাপ বিরাট কোহলির। খেতাব জিততে মরিয়া কোহলি। এবছরও অন্যতম ফেবারিট হিসেবে মাঠে নামবে ভারত। মাঠে নামার আগে ভারতীয় দলকে সতর্ক করে দিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। নিজের দেশকে অন্যতম ফেবারিট হিসেবে অভিহিত করে একগুচ্ছ পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। সৌরভ গাঙ্গুলি ভারতীয় দলকে সতর্ক করে বলেছেন, ভারতীয় দলের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মতো প্রতিভা রয়েছে। তবে একটু পরিণতিবোধ দরকার। বিশ্বকাপে একগুচ্ছ ম্যাচ খেলতে হবে। ক্রিকেটাররা যদি শুরু থেকেই ভেবে নেয় যে চ্যাম্পিয়ন হতে এসেছে, সেটা বোকামি হবে। একেকটা ম্যাচ ধরে এগোতে হবে। চ্যাম্পিয়ন হতে গেলে ফাইনালে জিততে হবে। তার জন্য ধাপে ধাপে এগোতে হবে। কাজটা কিন্তু ততটা সহজ নয়। কোনও টুর্নামেন্টে নামলেই চ্যাম্পিয়ন হওয়াও যায় না। একটি প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। নিজেদের খেলায় পরিণতভাব দেখানোটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শুরু থেকেই যদি চ্যাম্পিয়নের কথা মাথায় ঢুকে যায়, তাহলে ফোকাস ঠিক রাখতে পারবে না। সৌরভ আরও বলেছেন, ভারতের এই দলে প্রতিভার কোনও অভাব নেই। রান করা বা উইকেট নেওয়ার দক্ষতাসম্পন্ন ক্রিকেটাররাই বিশ্বকাপের দলে সুযোগ পেয়েছে। মানসিকভাবে ভাল অবস্থায় থাকলে চ্যাম্পিয়ন হওয়া সম্ভব। ভারতীয় দলে যে প্রতিভার ছড়াছড়ি, সেকথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন সৌরভ। তঁার কথায়, দলে প্রতিভাবান ক্রিকেটারের অভাব নেই। প্রত্যেকের ব্যাট হাতে রান তোলার দক্ষতা রয়েছে, বল হাতে উইকেটও তুলে নিতে পারে। বিশ্বকাপ জিততে এসেছি এমন মানসিকতা নিয়ে ব্যাটিংয়ের সময় গার্ড নেওয়া উচিত নয়। তাতে গোটা প্রক্রিয়াটি কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে যায়। যে বলের মুখোমুখি হতে হচ্ছে সেটা কতটা সঠিকভাবে খেলা যায় তার ওপর ফোকাস রাখা উচিত। ফাইনালে ওঠা না পর্যন্ত এমনটাই করতে হবে। আইপিএলের পরেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে টি২০ বিশ্বকাপ। আইপিএলের ম্যাচগুলি যেখানে খেলা হয়েছে সেখানেই হবে বিশ্বকাপের খেলা। তবে তাতে পিচগুলি মন্থর হবে না বলেই ধারণা সৌরভের। তবে শারজার উইকেট মন্থর আচরণ করতে পারে মনে করছেন তিনি। সৌরভের কথায়, শারজার উইকেটে একটু কম রান উঠতে পারে। দুবাইয়ে সেই সমস্যা নেই। আইপিএল ফাইনালেও উইকেট ভাল আচরণ করেছে। তবে সবথেকে ভাল উইকেট আবু ধাবিতে। বিশ্বকাপের আদর্শ উইকেট।

অক্টোবর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SAFF Championship : মেসিকে স্পর্শ সুনীলের, সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে আধিপত্য ভারতের

লিগ পর্বে প্রথম দুটি ম্যাচে ড্র করে একসময় ফাইনালে ওঠাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। শেষ দুটি ম্যাচ জিতে ফাইনালের ছাড়পত্র। অবশেষে নেপালকে ৩০ ব্যবধানে হারিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আধিপত্য বজায় রাখল ভারত। এই নিয়ে ৮ বার চ্যাম্পিয়ন হল। ২০১৫ সালে কেরলে আফগানিস্তানকে হারিয়ে শেষবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন সুনীল ছেত্রিরা। ফাইনালেও গোল করে লিওনেল মেসিকে স্পর্শ করলেন সুনীল। নেপালের বিরুদ্ধে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে মাঠে নামার আগে ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক বলেছিলেন, তাঁর দল যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী, তবে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী নয়। সুনীল ছেত্রিরা যে সত্যিই আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন, ম্যাচের শুরু থেকেই তার প্রমাণ মিলেছে। লিগ পর্যায়ের মতো এদিনও রক্ষণাত্মক মানসিকতা নিয়ে মাঠে নেমেছিল নেপাল। ওই ম্যাচের না হয় আলাদা উদ্দেশ্য ছিল। ১ পয়েন্ট পেলেই ফাইনালের ছাড়পত্র পেয়ে যেত নেপাল। ফাইনালে তো আর সেই ব্যাপার ছিল না। আসলে নেপাল কোচ আব্দুল্লাহ আলমুতাইরির লক্ষ্য ছিল শক্তিশালী ভারতের বিরুদ্ধে রক্ষণ শক্ত করে প্রতিআক্রমণভিত্তিক ফুটবল খেলা। রক্ষণে জাল বিছিয়ে রেখেছিলেন নেপাল কোচ। ফলে বারবার আক্রমণে উঠে গিয়েও তিন কাঠি খুঁজে পাচ্ছিলেন না সুনীল ছেত্রি, মনবীর সিংরা। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ ঝড় তুলেছিল ভারত। ৪ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগও এসেছিল। মহম্মদ ইয়াসিরের দুরপাল্লার শট আংশিক প্রতিহত করেন নেপাল গোলকিপার লিম্বু। ফিরতি বল যায় অনিরুদ্ধ থাপার কাছে। তাঁর শট আবার বাঁচান নেপাল গোলকিপার। ৬ মিনিটে প্রতি আক্রমণে উঠে এসে গোল করার সুযোগ পেয়েছিল নেপাল। নোয়াং শ্রেষ্ঠা কাজে লাগেতে পারেননি। বারবার আক্রমণ তুলে নিয়ে এলেও নেপাল পেনাল্টি বক্সে রক্ষণের ভুলে খেই হারিয়ে ফেলছিলেন মনবীররা। তবে প্রথমার্ধে সবথেকে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন সুনীল ছেত্রি। ডানদিক থেকে মহম্মদ ইয়াসিরের ভেসে আসা সেন্টার সুবিধাজনক জায়গা থেকেও জালে রাখতে পারেননি সুনীল। তাঁর ভলি অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। মালদ্বীপের বিরুদ্ধে লিগের শেষ ম্যাচে লাল কার্ড দেখায় ফাইনালে রিজার্ভ বেঞ্চে ছিলেন না ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। তাঁর পরিবর্তে দল পরিচালনা করেন সহকারী কোচ বেঙ্কটেশ। ম্যাচের বিরতিতে তাঁর পেপ টকই বদলে দেয় ভারতীয় দলকে। প্রান্ত দিয়ে আক্রমণ তুলে নিয়ে আসার পরামর্শ দেন স্টিম্যাক। তাঁর পরামর্শেই দ্বিতীয়ার্ধে বদলে যায় ভারত। শুরু থেকেই গোলের জন্য আরও মরিয়া হয়ে ওঠেন সুনীলরা। মাঝখান দিয়ে আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে কোনও ফায়দা না ওঠায় দুপ্রান্ত দিয়ে আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিলেন মহম্মদ ইয়াসির, প্রীতম কোটালরা। ফলও পেয়ে যায়।ম্যাচের ৪৯ মিনিটে কাঙ্খিত গোল পেয়ে যায় ভারত। ডান প্রান্ত দিয়ে উঠে এসে সেন্টার করেন প্রীতম কোটাল। দুর্দান্ত হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন সুনীল ছেত্রি। এই গোলের সঙ্গে সঙ্গে লিওনেল মেসিকে স্পর্শ করেন তিনি। দেশের হয়ে দুজনের গোল সংখ্যাই ৮০। এক মিনিট পরেই ব্যবধান বাড়ান সুরেশ সিং। মহম্মদ ইয়াসিরের কাছ থেকে বল পেয়ে দুর্দান্ত শটে তিনি গোল করেন। ৯০ মিনিটে ভারতের হয়ে তৃতীয় গোলটি করেন সাহাল।

অক্টোবর ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

V‌irat Kohli : বায়ো বাবলের মধ্যে থেকে খেলার অনুভূতি কেমন?‌ মজার ছবি শেয়ার কোহলির

করোনা আবহে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর একবছরেরও বেশি সময় আগে আবার চালু হয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট। ক্রিকেটাররা মাঠে নেমেছেন। বিভিন্ন দেশে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ যেমন হচ্ছে, তেমনই অনুষ্ঠিত হয়েছে আইপিএল। আইপিএল শেষ হতে না হতেই টি২০ বিশ্বকাপের ঢাকে কাঠি পড়ে গেছে। বিভিন্ন সিরিজ খেলার জন্য ক্রিকেটারদের কাটাতে হচ্ছে জৈব সুরক্ষা বলয়ে। জৈব সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে থেকে ক্রিকেট খেলার অভিজ্ঞতা কেমন? ইনস্টাগ্রামে বিরাট কোহলির পোস্ট করা ছবিই অনেককিছুর ইঙ্গিত দিয়ে দেয়।সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি একটা মজার ছবি শেয়ার করেছেন। সেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে ব্রডকাস্টিং রুমে কোহলি চেয়ারে বসে রয়েছেন, আর তাঁকে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে। ছবির নিচে শিরোনামে কোহলি লিখেছেন, বাবলের মধ্যে থেকে খেলার অনুভূতি। কোহলির এই ইনস্টাগ্রাম ঘিরে তোলপাড়। অনেকেই নিজেদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার কেভিন পিটারসেন প্রতিক্রিয়া জানিয়ে লিখেছেন, বায়ো বাবলের সঙ্গে প্লেয়ার/ব্রডকাস্টররা কাজ করছে। দারুণ ছবি।দীর্ঘদিন জৈব সুরক্ষা বলয়ে থেকে ক্রিকেটাররা ক্লান্ত। অনেক ক্রিকেটারই জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকার ক্লান্তি নিয়ে সাম্প্রতিককালে মুখ খুলেছেন। বিরাট কোহলি তাঁদের মধ্যে সর্বশেষ সংযোজন। আইপিএলের প্রথম পর্বে জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকার ধকল নিতে না পেরে বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার দ্বিতীয় পর্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। দ্বিতীয় পর্বে জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকতে থাকতে মানসিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন পাঞ্জাব কিংসের ক্রিস গেইল। শেষ দিকে তিনি জৈব সুরক্ষা বলয় থেকে বেরিয়ে যান। টি২০ বিশ্বকাপের জন্য আবার জৈব সুরক্ষা বলয়ে ঢুকে পড়তে হবে। সেকথা মাথায় রেখে মানসিকভাবে একটু চাঙ্গা হচে চেয়েছিলেন ক্রিস গেইল। ইংল্যান্ডের বেন স্টোকস তো আবার জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকার আতঙ্কে আসন্ন অ্যাশেজ সিরিজ থেকেই নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন।রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর এলিমিনেটরে কলকাতা নাইট রাইডার্সের কাছে হেরে বিদায় নিলেও বিরাট কোহলি দুবাইয়ে থেকে গেছেন। কারণ টি২০ বিশ্বকাপে মাঠে নামতে হবে। টি২০ বিশ্বকাপে ২৪ অক্টোবর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে অভিযান শুরু করবে ভারত।

অক্টোবর ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Rahul Dravid : টি২০ বিশ্বকাপের পর দ্রাবিড়ের হাতেই যাচ্ছে বিরাট কোহলিদের দায়িত্ব

টি২০ বিশ্বকাপের পরপরই শেষ হচ্ছে ভারতীয় দলের হেড কোচ রবি শাস্ত্রীর মেয়াদ। তাঁর পরিবর্তে কে বিরাট কোহলিদের দায়িত্ব পাবেন, তা নিয়ে চলছিল জোর কল্পনা। ভেসে উঠছিল একাদিক নাম। সেই তালিকায় যেমন ভারতীয় কোচদের নাম ছিল, তেমনই ছিল বিদেশি কোচদের নাম। শেষ পর্যন্ত সবাইকে টপকে রবি শাস্ত্রীর স্থলাভিষিক্ত হতে চলেছেন রাহুল দ্রাবিড়। শুক্রবারই তঁার হাতে ভারতীয় দলের হেড কোচের দায়িত্ব তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। রাহুল দ্রাবিড়ও শেষ পর্যন্ত রাজি হয়েছেনদীর্ঘদিন অনূর্ধ্ব ১৯ ভারতীয় দলের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন রাহুল দ্রাবিড়। পাশাপাশি ভারতীয় এ দলের দায়িত্বও তাঁর ওপর অর্পন করা হয়। পরে তাঁকে জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকডেমির দায়িত্ব দেওয়া হয়। কয়েকমাস আগে শ্রীলঙ্কা সফরে তঁাকে শিখর ধাওয়ানদের কোচ করে পাঠানো হয়েছিল। তখন থেকেই সিনিয়র দলের হেড কোচ হিসেবে রাহুল দ্রাবিড়ের নাম ভেসে উঠেছিল। কয়েকটা সূত্র থেকে জানা গিয়েছিল, তিনি নাকি বিরাট কোহলিদের কোচ হতে রাজি নন। এরপর অনিল কুম্বলে, ভিভিএস লক্ষ্মণ, মাহেলা জয়বর্ধনে, টম মুডিদের নাম উঠে আসে। টম মুডি নিজেও ভারতীয় দলের হেড কোচ হতে আগ্রহী ছিলেন। শেষ পর্যন্ত দ্রাবিড়ই হতে চলেছেন।শুক্রবার দুবাইয়ে আইপিএল ফাইনাল চলাকালীনই আলোচনায় বসেছিলেন ভারতীয় বোর্ডের শীর্ষ কর্তারা। বৈঠক থেকেই রাহুল দ্রাবিড়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেন সৌরভ গাঙ্গুলি। তিনিই দ্রাবিড়কে রাজি করান। প্রাথমিকভাবে ভারতীয় দলের হেড কোচের দায়িত্ব নিতে রাজি ছিলেন না দ্রাবিড়। তিনি জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমির ডিরেক্টরের দায়িত্বই সামলাতে চেয়েছিলেন। অনেক টালবাহনার পর শেষ পর্যন্ত তিনি রাজি হন। তঁার সঙ্গে ২ বছরের চুক্তি করতে চলেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। দ্রাবিড়কে বছরে ১০ কোটি টাকা দেওয়া হবে বলে বোর্ডের এক সূত্র থেকে জানা গেছে।দ্রাবিড়কে হেড কোচ করার পাশাপাশি পরশ মামরেকেও সিনিয়র দলের দায়িত্বে নিয়ে আসা হচ্ছে। ভরত অরুণের পরিবর্তে তাঁকে বোলিং কোচের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। রাহুল দ্রাবিড় ও পরশ মামরে জুটি বেঁধে দীর্ঘদিন একসঙ্গে কাজ করেছেন। সেই জুটিকেই আবার ভারতীয় সিনিয়র দলে দেখা যাবে। হেড কোচ ও বোলিং কোচ পরিবর্তন হলেও ব্যাটিং কোচে কোনও বদল ঘটছে না। বিক্রম রাঠোরের সঙ্গে পুনরায় চুক্তি করার পথে হাঁটছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।

অক্টোবর ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL Final : মধুর প্রতিশোধ, ২০১২–র বদলা নিয়ে আইপিএল চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই সুপার কিংস

গতবছর আইপিএলের প্লে অফেই যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি চেন্নাই সুপার কিংস। এবছর দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। শুরু থেকেই ছন্দ ধরে রেখে ফাইলানে। তারা যে ফ্লুকে ফাইনালে ওঠেনি, প্রমাণ করে দিল ধোনি ব্রিগেড। কলকাতা নাইট রাইডার্সকে ২৭ রানে হারিয়ে আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই সুপার কিংস। ২০১২ সালে ফাইনালের হারের মধুর প্রতিশোধ। এই নিয়ে ৪ বার আইপিএল শিরোপা জিতল চেন্নাই। আইপিএল ফাইনালে নতুন কীর্তি মহেন্দ্র সিং ধোনির। অধিনায়ক হিসেবে ৩০০তম টি২০ ম্যাচে মাঠে নেমে দলকে খেতাব এনে দিলেন। তাঁর নেতৃত্বে ৪ বার চ্যাম্পিয়ন হল চেন্নাই। এবছর আইপিএলে ৬ ম্যাচে রান তাড়া করতে নেমে ৬টি ম্যাচেই জিতেছিল চেন্নাই সুপার কিংস। তাই হয়তো বিপক্ষকে রান তাড়া করার সুযোগ দেননি কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক ইওয়িন মর্গ্যান। তাছাড়া তাঁর দল যেভাবে রান তাড়া করে পরপর ম্যাচ জিতেছে, তাতে আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়েছে। রাতের দিকে শিশিরের কথাও তিনি মাথায় রেখেছিলেন। তাই হয়তো ফাইনালে টস জিতে চেন্নাই সুপার কিংসকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন নাইট ক্যাপ্টেন। প্রথমে ব্যাট করার সুযোগ পেয়ে নিজেদের মেলে ধরেন চেন্নাই সুপার কিংসের দুই ওপেনার ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ফাফ ডুপ্লেসি। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে দুজনে তোলেন ৫০। ওপেনিং জুটিতে ৮ ওভারের ওঠে ৬১। জুটি ভাঙেন সুনীল নারাইন। তঁার বলে শিবম মাভির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। ২৭ বলে তিনি করেন ৩২। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান রবিন উথাপ্পা ও ফাফ ডুপ্লেসি। ঝড় তুলে ১৫ বলে ৩১ রান করে সুনীল নারাইনে বলে আউট হন উথাপ্পা। ঋতুরাজ, উথাপ্পা আউট হলেও মনসংযোগে চিড় ধরেনিই ডুপ্লেসির। শুরুর দিকে যেমন ইনিংস গড়ার দিকে মন দিয়েছিলেন, ডেথ ওভারে ঝড় তোলেন। তাঁর ঝড়েই উড়ে গেলেন লকি ফার্গুসনরা। ডুপ্লেসিকে যোগ্য সহায়তা দেন মঈন আলি। ডেথ ওভারে এই দুজনের দাপটে দিশেহারা হয়ে পড়েন নাইট বোলাররা। শেষ ৫ ওভারে চেন্নাই তোলে ৬১। ডুপ্লেসি ও মঈনে জুটিতে ৩৯ বলে ওঠে ৬৮। ইনিংসের একেবারে শেষ বলে আউট হন ডুপ্লেসি। ৫৯ বলে ৮৬ রান করেন তিনি। অন্যদিকে মঈন ২০ বলে ৩৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে চেন্নাই তোলে ১৯২/৩। ইওয়িন মর্গ্যানের লক্ষ্য ছিল কম রানে চেন্নাইকে বেঁধে রেখে জয় তুলে নেওয়া। কিন্তু তাঁর সেই পরিকল্পনায় জল ঢেলে দেন চেন্নাইয়ের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানরা। তবে সামনে বড় রানের লক্ষ্য দেখেও ঘাবড়ে যাননি নাইট রাইডার্সের দুই ওপেনার। দলকে ফাইনালে তোলার কৃতিত্ব দাবি করতেই পারেন শুভমান গিল ও বেঙ্কটেশ আয়ার। ফইনালেও দুর্দান্ত শুরু করেছিলেন নাইটদের দুই ওপেনার। ওপেনিং জুটিতে ৯১ তুলে চাপ বাড়িয়ে দিয়েছিলেন চেন্নাই শিবিরের ওপর। এই সময় বেশ দিশেহারা লাগছিল চেন্নাই অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনিকে। শার্দূল ঠাকুর বল করতে এসে ক্যাপ্টেনকে চাপমুক্ত করেন। একাদশতম ওভারের চতুর্থ বলে বেঙ্কটেশ আয়ারকে (৩২ বলে ৫০) তুলে নিয়ে নাইটদের প্রথম ধাক্কা দেন। এক বল পরেই ফেরান নীতীশ রানাকে (০)। এক বলের ব্যবধানে উইকেট হারানোর ধাক্কা সামলাতে পারেনি নাইটরা। সুনীল নারাইনকে (২) তুলে নিয়ে নাইটদের ওপর আরও চাপ বাড়িয়ে দেন জস হ্যাজেলউড। এরপর শুভমান গিলকে (৪৩ বলে ৫১) দীপক চাহার ফেরাতেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে নাইটদের মিডল অর্ডার। পরপর ফিরে যান দীনেশ কার্তিক (৯), সাকিব আল হাসান (০), রাহুল ত্রিপাঠী (২), ইওয়িন মর্গ্যান (৪)। লকি ফার্গুসন (১১ বলে অপরাজিত ১৮) ও শিবম মাভি (১৩ বলে ২০) কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও জেতার জন্য যথেষ্ট ছিল না। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৬৫/৯ রানে থেমে যায় নাইটদের ইনিংস। ৩৮ রানে ৩ উইকেট নেন শার্দূল ঠাকুর। হ্যাজেলউড ও রবীন্দ্র জাদেজা ২টি করে উইকেট নেন। ২০১২ সালের পুনরাবৃত্তি হল না। মর্গ্যান ব্রিগেডকে ২৭ রানে হারিয়ে ২০১২ সালের ফাইনালের হারের মধুর প্রতিশোধ নিল চেন্নাই।

অক্টোবর ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SAFF Final-Sunil Chettri : মেসিকে স্পর্শ নয়, দলকে চ্যাম্পিয়ন করাই লক্ষ্য সুনীল ছেত্রির

বয়স বাড়লেও দক্ষতায় এখনও মরচে ধরেনি। পরপর দুটি মরণবাঁচন ম্যাচে দলের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। গোল করে দলকে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে তুলেছেন। নেপালের বিরুদ্ধে ফাইনালে সেই সুনীল ছেত্রির দিকে তাকিয়ে ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। প্রতিযোগিতায় ইতিমধ্যেই ৪ ম্যাচে ৪ গোল করেছেন। এই মুহূর্তে দেশের জার্সি গায়ে তাঁর গোল সংখ্যা ৭৯। লিওনেল মেসির থেকে ১ গোল পেছনে। ফাইনালে ১ গোল করলেই সুনীল ছেত্রি ধরে ফেলবেন আর্জেন্টিনার তারকাকে। ব্যক্তিগত মাইলস্টোন নয়, দলকে চ্যাম্পিয়ন করাই লক্ষ্য সুনীলের। ফাইনালে নেপালের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, কাজ এখনও শেষ হয়নি।এক সময় ফাইনালের ছাড়পত্র পাওয়াই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। আর এখন খেতাব জয়ের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে আরও একবার আধিপত্য কায়েম করার মুখে দাঁড়িয়ে ভারত। শনিবার ফাইনালে সামনে নেপাল। নেপালকে হারালেই ৮ বার খেতাব জয়ের স্বাদ পাবে ভারত। অন্যতম ফেবারিট হিসেবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে খেলতে নেমেছিলেন সুনীল ছেত্রিরা। কিন্তু বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পরপর দুটি ম্যাচে ড্র অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিয়েছিল ভারতকে। লিগের শেষ দুটি ম্যাচে নেপাল ও মালদ্বীপের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না। শেষ দুটি ম্যাচে জ্বলে উঠে দলকে ফাইনালে তুলেছিলেন সুনীল ছেত্রি। ফাইনালে নেপালের বিরুদ্ধে ফেবারিট হিসেবেই মাঠে নামবে ভারত। পরিসংখ্যানের দিক দিয়ে নেপালের থেকে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে ইগর স্টিম্যাকের দল। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নামার আগে দুই দল মুখোমুখি হয়েছে ২২ বার। এরমধ্যে ভারত জিতেছে ১৫ বার, নেপাল জিতেছে দুটি ম্যাচে। ৫টি ম্যাচ ড্র হয়েছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানও ভারতের অনুকূলে। সেপ্টেম্বরে দুটি প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল দুদল। একটা ড্র হয়েছিল, একটায় ভারত জিতেছিল। গ্রুপ লিগের ম্যাচেও ভারত জিতেছিল। ফলে পরিসংখ্যানের দিক দিয়ে ভারত এগিয়ে থেকেই মাঠে নামবে। নেপালের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে অবশ্য স্বস্তিতে নেই ভারতীয় শিবির। আগের ম্যাচে লাল কার্ড দেখায় রিজার্ভ বেঞ্চে বসতে পারবেন না কোচ ইগর স্টিম্যাক। চোটের জন্য ফারুখ চৌধুরি, ব্রেন্ডন ফার্নান্ডেজ ফাইনালে মাঠে নামতে পারবেন না। লাল কার্ড দেখায় নেই শুভাশিস বোসও। বিপক্ষ শিবিরকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। লিগ পর্যায়ে নেপালের বিরুদ্ধে জিতলেও ফাইনালে মাঠে নামার আগে ফুটবলাররা যাতে আত্মতুষ্টিতে না ভোগে, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি স্টিম্যাকের। ফাইনালে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, দলের মধ্যে কোনও প্রকার আত্মতুষ্টি ঢুকতে দিইনি। আমাদের কী করতে হবে তা জাই। আত্মবিশ্বাস ও অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসের মধ্যে একটা সূক্ষ্ম লাইন রয়েছে। সেই লাইন অতিক্রম করে ফুটবলাররা যাতে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী না হয়ে পড়ে সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রয়েছে। লিগের শেষ দুটি ম্যাচ জিতে ফুটবলারদের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়েছে, দাবি করেছেন স্টিম্যাক। তিনি বলেন, আমাদের ধৈর্য ধরতে হবে। ফুটবলাররা যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী। নেপাল আমাদের কাছে পরিচিত প্রতিপক্ষ। শেষ দুটি ম্যাচ জিতে ফুটবলারদের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়েছে। তবে আমার অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী নই। গোলের জন্য সেই অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার সুনীল ছেত্রির দিকে তাকিয়ে ভারতীয় শিবির।

অক্টোবর ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India T20 Jersey : বিরাট কোহলিদের টি২০ বিশ্বকাপের জার্সিতে অভিনব চমক

ভক্তদের কথা মাথায় রেখে ভারতীয় ক্রিকেট দলে জার্সি! হ্যাঁ, এমনই অভাবনীয় উদ্যোগ নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। যার নাম দেওয়া হয়েছে বিলিয়ন চিয়ার্স জার্সি। এই জার্সি গায়েই বিশ্বকাপ মাতাবেন বিরাট কোহলিরা। হালকা নীলের শেড ও গাঢ় নীল রঙ দিয়ে ভারতীয় দলের জার্সি তৈরি করা হয়েছে। কোটি কোটি ভক্তরা ভারতীয় দলকে সমর্থন করবেন, নতুন জার্সির ডিজাইন তৈরির করার সময় সেকথা মাথায় রাখা হয়েছে। ভক্তরা এই জার্সি কিনতে পারবেন।মহিলা ও পুরুষদের জার্সির দাম ১৭৯৯ টাকা। নাম ও নম্বর লেখা বিরাট কোহলির জার্সি যদি কেউ কিনতে চান তাহলে অতিরিক্ত ২০০ টাকা খরচ করতে হবে। সেগুলির দাম রাখা হয়েছে ১৯৯৯ টাকা। কলার ছাড়া বিলিয়ন চিয়ার্স ফ্যান জার্সির দাম ১৬৯৯ টাকা। এর পাশাপাশি ৩৬৯৯ টাকা দামের অফিসিয়াল টিম ইন্ডিয়া বিলিয়ন চিয়ার্স প্লেয়ার্স জার্সিও পাওয়া যাবে।২০২০ সালে অস্ট্রেলিয়া সফর থেকেই সীমিত ওভারের ক্রিকেটে বিরাট কোহলিরা খেলছেন রেট্রো জার্সি পরে। নেভি ব্লু রংয়ের জার্সির কাঁধের কাছে চারটি রং, নীল, সবুজ, লাল ও সাদা দিয়ে ডিজাইন করা। টি২০ বিশ্বকাপে বিরাট কোহলিরা অন্য ডিজাইনের জার্সি পরে মাঠে নামবেন, তা আগেই জানা গিয়েছিল। আগের আকাশি নীল এখন বদলে হয়েছে গাঢ় নীল। টি২০ বিশ্বকাপের জার্সিতে ক্রিকেটারদের নাম ও নম্বর লেখা রয়েছে গেরুয়া রঙে। নতুন ধরণের জার্সি ক্রিকেটপ্রেমীদের দারুণ পছন্দ হয়েছে। শুধু বিরাট কোহলিরা নন, মহিলা ক্রিকেট দল, অনূর্ধ্ব ১৯ ভারতীয় দলও এই নতুন জার্সি পরে খেলবেন। নতুন জার্সি প্রসঙ্গে ভারতীয় বোর্ড সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি বলেছেন, সারা বিশ্বে ভারতীয় দলের অগনিত ভক্ত রয়েছে। তাঁদের আবেগ, উৎসাহ, উল্লাস ফুটে উঠেছে এই নতুন জার্সিতে। টি২০ বিশ্বকাপেও দলকে এই জার্সি অনুপ্রেরণা জোগাবে। অধিনায়ক বিরাট কোহলিরও এই নতুন ডিজাইনের জার্সি বেশ পছন্দ হয়েছে। তিনি বলেন, দারুণ আকর্ষণীয় হয়েছে নতুন জার্সি। নতুন জার্সিতে কোটি কোটি সমর্থকদের সামনে নিজেদের মেলে ধরার জন্য আমরা তৈরি। চেষ্টা করব নতুন জার্সিতে সেরাটা দেওয়ার। সমর্থদের প্রতি আমাদের যে শ্রদ্ধা রয়েছে, এই নতুন জার্সিতে ফুটে উঠেছে।

অক্টোবর ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

K‌KR-Russell : ফাইনালে প্রথম একাদশে ফিরবেন আন্দ্রে রাসেল?‌ দ্বিধায় নাইট টিম ম্যানেজমেন্ট

দীর্ঘদিন ঘরে ট্রফি আসেনি। চেন্নাই সুপার কিংসকে হারিয়ে কি এবারের আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন হতে পারবে কলকাতা নাইট রাইডার্স? নাইট রাইডার্স শিবির যেমন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দিকে তাকিয়ে রয়েছে, তেমনই ২০১২র আইপিএলের ফাইনালের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস। সেবার নাইটদের কাছে হেরে খেতাব জয়ের স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল মহেন্দ্র সিং ধোনিদের। হাইভোল্টেজ ফাইনালের আগে আত্মবিশ্বাসে ভরপুর নাইট রাইডার্স শিবির। মর্গ্যান ব্রিগেডের মনোবল বাড়িয়েছে সম্প্রতিক পারফরমেন্স। প্রথম পর্বে ৭ ম্যাচে ৫টিতে হেরে প্লে অফের লড়াই থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছিল নাইট শিবির। দ্বিতীয় পর্বে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। এলিমিনেটরে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর, দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে দিল্লি ক্যাপিটালসকে হারিয়ে অবশেষে ফাইনালের ছাড়পত্র। এটাই আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে নাইট শিবিরের।চেন্নাই সুপার কিংসকেও পিছিয়ে রাখা যাবে না। আইপিএলের শুরু থেকেই দারুণ ছন্দে ছিল ধোনি ব্রিগেড। বিপক্ষের যাবতীয় চ্যালেঞ্জ হেলায় উড়িয়ে একের পর এক ম্যাচ জিতে লিগ টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করেছিল। লিগ পর্যায়ে শেষদিকে কয়েকটা ম্যাচে হোঁচট খেতে হলেও প্লে অফের প্রথম কোয়ালিফায়ারে ৪ উইকেটে দিল্লি ক্যাপিটালসকে হারিয়ে ফাইনালের ছাড়পত্র জোগাড় করে নেয় চেন্নাই সুপার কিংস। আবার ফিনিশারের ভুমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। দলকে জিতিয়ে ধোনির যেমন আত্মবিশ্বাস বেড়ে গেছে, চেন্নাই শিবিরেরও মনোবল তুঙ্গে। দুই দলের ফাইনালের লড়াই যে জমে উঠবে সেকথা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ফাইনালে মাঠে নামার আগে নাইট শিবিরকে স্বস্তি দিচ্ছে আন্দ্রে রাসেলের সুস্থ হয়ে ওঠা। খেলার জায়গায় চলে এসেছেন নাইটদের এই অলরাউন্ডার। হ্যামস্ট্রিংয়ে চোটের জন্য বেশ কয়েকটা ম্যাচে খেলতে পারেননি রাসেল। আপাতত তিনি ফিট। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে নেটে বোলিংও করেছিলেন। তিনি যে প্রথম একাদশে ফিরতে পারেন, তেমন ইঙ্গিতও দিয়েছেন দলে মেন্টর ডেভিড হাসি। রাসেল ফিরলে দল আরও শক্তিশালী হবে, সেকথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়। তবে কার জায়গায় তাঁকে খেলানো হবে, তা নিয়ে দ্বিধায় নাইট টিম ম্যানেজমেন্ট। রাসেলের পরিবর্তে এতদিন সাকিব আল হাসানকে প্রথম একাদশে সুযোগ দিয়েছিল। সুযোগ পেয়েই প্রতিটা ম্যাচে নিজেকে মেলে ধরেছেন সাকিব। দুবাইয়ের মন্থর উইকেটে তাঁর স্পিন বোলিং কার্যকরী হতে পারে। সবদিক মিলিয়ে প্রথম একাদশ নিয়ে দ্বিধায় নাইট টিম ম্যানেজেমন্ট।

অক্টোবর ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL : সহজ ম্যাচ কঠিন করে জিতে ফাইনালে নাইট রাইডার্স

সহজ ম্যাচও যে কঠিন করে জেতা যায়, কলকাতা নাইট রাইডার্সকে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে জয়ের জন্য নাইটদের ২৪ বলে দরকার ছিল ১৩ রান। ৭ রানের মধ্যে ৬ উইকেট হারিয়ে পরিস্থিতি কঠিন করে ফেলেছিল নাইটরা। শেষ ওভারে জয়ের জন্য দরকার ছিল ৭ রান। পরপর ২ বলে সাকিব আল হাসান ও সুনীল নারাইনকে তুলে নিয়ে ম্যাচ জমিয়ে দিয়েছিলেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। শেষ পর্যন্ত ওভারের পঞ্চম বলে ৬ মেরে নাইটদের জেতালেন রাহুল ত্রিপাঠী। দিল্লি ক্যাপিটালসকে ৩ উইকেটে হারিয়ে আইপিএলের ফাইনালে কলকাতা নাইট রাইডার্স। নাইট রাইডার্স অধিনায়ক ইওয়িন মর্গ্যান টস জিতে দিল্লি ক্যাপিটালসকে ব্যাট করতে পাঠান। তাঁর মাথায় ছিল অতীত পরিসংখ্যান। সাতটি ম্যাচে পাঁচটি দলই রান তাড়া করে জিতেছে। তাছাড়া আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে নাইট রাইডার্স পাঁচটি ম্যাচে রান তাড়া করেছে, পাঁচটিতেই জিতেছে। শারজার বাইশ গজে খেলার অভিজ্ঞতা থেকেই টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নাইট রাইডার্স অধিনায়কের।দিল্লি ক্যাপিটালসের দুই ওপেনার পৃথ্বীশ এবং শিখর ধাওয়ান যেভাবে শুরু করেছিলেন, মনে হচ্ছিল নাইট অধিনায়কের সিদ্ধান্ত বুমেরাং হয়ে যেতে পারে। ৪ ওভারেই দুজনে তুলে ফেলেন ৩২। এরপরই ধাক্কা খায় দিল্লি। বল করতে এসে ব্রেক থ্রু দেন বরুণ চক্রবর্তী। পৃথ্বীকে (১২ বলে ১৮)। পৃথ্বী আউট হতেই রান তোলার গতি কমে যায় দিল্লি ক্যাপিটালসের। বরুণ চক্রবর্তী, সুনীল নারাইন, লকি ফার্গুসনদের আঁটোসাটো বোলিংয়ের সামনে আক্রমণাত্মক হয়ে উঠতে পারেননি শিখর ধাওয়ান, মার্কাস স্টয়নিসরা। দিল্লির দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেন শিবম মাভি। তাঁর বলে বোল্ড হন মার্কাস স্টয়নিস (২৩ বলে ১৮)।এরপর বরুণ চক্রবর্তীর বলে সাকিবের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন শিখর ধাওয়ান (৩৯ বলে ৩৬)। পরের ওভারেই লকি ফার্গুসনের বলে রাহুল ত্রিপাঠীর হাতে ক্যাচ দেন ঋষভ পন্থ (৬ বলে ৬)। ঋষভ আউট হতেই বড় রানের স্বপ্ন শেষ দিল্লির। হেটমায়ের ১০ বলে ১৭ করে রান আউট হন। শেষ পর্যন্ত শ্রেয়স আয়ারের (২৭ বলে অপরাজিত ৩০) সৌজন্যে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৩৫ রান তোলে দিল্লি ক্যাপিটালস।ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করেন নাইট রাইডার্সের দুই ওপেনর শুভমান গিল ও বেঙ্কটেশ আয়ার। নাইটদের ওপেনিং জুটিই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়। দিল্লি ক্যাপিটালসের বোলারদের কোনও রকম সুযোগই দেননি শুভমান ও বেঙ্কটেশ। আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে এই দুই ওপেনারই নাইট রাইডার্সকে বদলে দিয়েছেন। এদিন দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ওপেনিং জুটিতে দুজনে তোলেন ৯৬। ৪১ বলে ৫৫ রান করে কাগিসো রাবাডার বলে আউট হন বেঙ্কটেশ আয়ার। নীতীশ রানা ১২ বলে ১৩ রান করে আউট হন। এরপর শুভমান গিলকে (৪৬ বলে ৪৬) ফেরান আবেশ খান। শুভমান আউট হতেই নাইট রাইডার্স ইনিংসে ধস। দ্রুত ফেরেন দীনেশ কার্তিক (০) ও মর্গ্যান (০)। তারপর শেষ ওভারে অশ্বিনের বলে নাটক। ১ বল বাকি থাকতে রাহুল ত্রিপাঠী (১১ বলে অপরাজিত ১২) নাইটকে (১৩৬/৭) জেতান।

অক্টোবর ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Football Match : মেসির থেকে ১ গোল পেছনে সুনীল, সাফ চাম্পিয়নশিপে ফাইনালে ভারত

দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শক্তিধর দেশ। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে অন্য দলগুলির তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে। অনেক প্রত্যাশা নিয়ে এবছর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে খেলতে নেমেছিল ভারত। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথম দুটি ম্যাচ ড্র করে চাপে পড়ে গিয়েছিল। নেপালকে হারিয়ে ফাইনালের আশা জিইয়ে রেখেছিল ইগর স্টিম্যাকের দল। মালদ্বীপকে ৩১ ব্যবধানে হারিয়ে অবশেষে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারত। আগের বারের ফাইনালে হারের মধুর প্রতিশোধ। জোড়া গোল করে ভারতের জয়ের নায়ক সুনীল ছেত্রি। ম্যাচের ৮০ মিনিটে লাল কার্ড দেখে রিজার্ভ বেঞ্চ থেকে বেরিয়ে যেতে হয় ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাককে। লিগের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের সঙ্গে ড্র করে ৪ ম্যাচে ৭ পয়েন্টে পৌঁছে গিয়েছিল নেপাল। ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগে মালদ্বীপের ৩ ম্যাচে পয়েন্ট ছিল ৬। আর ভারতের ৫। ফলে ফাইনালে যেতে গেলে শেষ ম্যাচে মালদ্বীপের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া কোনও রাস্তা ছিল না ভারতীয় দলের সামনে। মরণবাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠলেন সুনীল ছেত্রি। ৪ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট পেয়ে শীর্ষে ভারত। সুনীলরা ফাইনালে খেলবে দ্বিতীয় স্থানে থাকা নেপালের বিরুদ্ধে। মালদ্বীপের বিরুদ্ধে ডু অর ডাই ম্যাচে প্রথম একাদশে পরিবর্তন করেননি ইগর স্টিম্যাক। নেপালের বিরুদ্ধে জয়ী দলকেই মাঠে নামিয়েছিলেন। এদিন শুরু থেকেই মালদ্বীপের চাপ ছিল। ম্যাচের ৯ মিনিটে সুবিধাজনক জায়গায় বল পেয়ে গিয়েছিলেন আলি আশফাক। কোনও রকমে পরিস্থিতি সামাল দেন রাহুল বেকে। ১৩ মিনিটে আবার সুযোগ এসে গিয়েছিল মালদ্বীপের সামনে। সে যাত্রায় দলকে রক্ষা করেন গুরপ্রীত সিং সান্ধু। ম্যাচের ২৬ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ এসেছিল ভারতের সামনে। সুনীল ছেত্রির হেড পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ম্যাচের ৩৩ মিনিটে এগিয়ে যায় ভারত। মনবীর সিংয়ের ডান পায়ের জোরালো শট জালে জড়িয়ে যায়। ম্যাচের ৪৩ মিনিটে মালদ্বীপের হামজাকে ফাউল করেন প্রীতম কোটাল। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। পেনাল্টি থেকে সমতা ফেরান আশফাক। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারত। ৪৮ মিনিটে চোট পেয়ে মাঠ থেকে বেরিয়ে যায় ব্রেন্ডন। তাঁর পরিবর্তে মাঠে নামেন উদান্ত সিং। গোলের জন্য দ্বিতীয়ার্ধে আরও মরিয়া হয়ে ওঠে ভারত। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে মালদ্বীপ রক্ষণে। ম্যাচের ৬২ মিনিটে সুনীল ছেত্রির গোলে আবার এগিয়ে যায় ভারত। ২ মিনিট পরেই সমতা ফেরানোর সুযোগ এসেছিল মালদ্বীপের সামনে। গুরপ্রীত ভারতের পতন রোধ করেন। ৭১ মিনিটে দ্বিতীয় গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করেন সুনীল ছেত্রি। এদিন ২ গোল করার সুবাদে দেশের হয়ে গোল করার দিক দিয়ে পেলেকে টপকে গেলেন তিনি। পেলের গোল সংখ্যা ৭৭। সুনীলের গোল সংখ্যা ৭৯। লিওনেল মেসির থেকে ১ গোল পেছনে। ম্যাচের একেবারে অন্তিম লগ্নে লাল কার্ড দেখেন ভারতের শুভাশিস বোস।

অক্টোবর ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌India T20 Squad : ভারতীয় টি২০ বিশ্বকাপ দলে পরিবর্তন, দলে শার্দূল ঠাকুর

হার্দিক পান্ডিয়ার ওপর কি আস্থা নেই ভারতীয় দলের নির্বাচকদের? যদি আস্থা না থাকে, তাহলে দলেই বা রেখে দেওয়া হল কেন? অক্ষর প্যাটেলের পরিবর্ত হিসেবে টি২০ বিশ্বকাপ দলে শার্দূল ঠাকুরকে অন্তর্ভূক্ত করাতেই প্রশ্নটা উঠতে শুরু করেছে। তাহলে কি হার্দিক পান্ডিয়ার ব্যাকআপ হিসেবে শার্দূল ঠাকুরকে নেওয়া হল?আইপিএলে হার্দিক পান্ডিয়া বোলিং না করাতে তাঁকে নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। আদৌও কি সম্পূর্ণ সুস্থ ভারতীয় দলের এই অলরাউন্ডার? মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কোচ মাহেলা জয়বর্ধনেও পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছিলেন, হার্দিক পান্ডিয়ার বোলিং করতে সময় লাগবে। তাই কোনও ঝুঁকি নিল না ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। হার্দিক পান্ডিয়ার ব্যাকআপ হিসেবে শার্দূল ঠাকুরকে মূল দলে নিয়েছেন নির্বাচকরা। আগে স্ট্যান্ডবাই হিসেবে দলে ছিলেন। অক্ষর প্যাটেলের পরিবর্তে তাঁকে দলে নেওয়া হয়েছে। আর শার্দূলের পরিবর্তে অক্ষর প্যাটেলকে স্ট্যান্ডবাই হিসেবে রাখা হয়েছে। অনেকেই আশা করেছিলেন ভারতীয় দলে আরও কয়েকটা পরিবর্তন করা হবে। হয়তো বরুণ চক্রবর্তী, রাহুল চাহার, হার্দিক পান্ডিয়াদের পরিবর্ত নেওয়া হবে। ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি অবশ্য আগেই বলেছিলেন দলে কোনও পরিবর্তন করা হবে না। আক্ষরিক অর্থে তাঁর কথাই মিলে গেল। শুধু শার্দূল ঠাকুরকে স্ট্যান্ডবাই থেকে মূল দলে নেওয়া হয়েছে। বাকি দল অপরিবর্তিত রয়েছে। চলতি আইপিএলে অক্ষর প্যাটেলের ইকনমি খুবই ভাল। কিন্তু রবীন্দ্র জাদেজা, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, বরুণ চক্রবর্তী, রাহুল চাহাররা দলে রয়েছেন। কেউ চোট পেলে তবেই প্রথম একাদশে সুযোগ পেতেন অক্ষর। সেই কারণেই এই বাঁহাতি অলরাউন্ডারকে আপাতত স্ট্যান্ডবাই হিসেবেই রাখা হয়েছে।এবারের আইপিএলে দারুণ ছন্দে ছিলেন শার্দূল ঠাকুর। চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে যেমন ব্রেক থ্রু দিয়েছেন, তেমনই ডেথ ওভারে কার্যকরী ভুমিকা নিয়েছেন। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে শার্দূল ১৩ উইকেট পেয়েছেন। বোলিংয়ের পাশাপাশি ব্যাট হাতেও ঝোড়ো ইনিংস খেলার ব্যাপারে ওস্তাদ শার্দূল। অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজেও ব্যাটিং দক্ষতার নমুনা রেখেছেন। হার্দিক পাণ্ডিয়া যেহেতু বোলিং করতে পারছেন না, তাই সিম বোলিং অলরাউন্ডার হিসেবে প্রথম একাদশে সুযোগ পেতে পারেন শার্দূল ঠাকুর।আবেশ খান, উমরান মালিক, হর্ষল প্যাটেল, লুকমান মেরিওয়ালা, ভেঙ্কটেশ আয়ার, কর্ণ শর্মা, শাহবাজ আহমেদ ও কৃষ্ণাপ্পা গৌতম দুবাইয়ে ভারতীয় দলের বায়ো বাবলে থাকছেন। তাঁরা নেট বোলার হিসেবে বিশ্বকাপের ক্রিকেটারদের প্রস্তুতিতে সহায়তা করবেন।

অক্টোবর ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL 2021: নারাইনের ম্যাজিকে ফাইনালের আশা নাইট রাইডার্সের

একসময় প্লে অফে ওঠাই কঠিন ছিল কলকাতা নাই রাইডার্সের কাছে। এলিমিনেটরের ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে ৪ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন জিইয়ে রাখল নাই রাইডার্স। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে এবার খেলবে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে। নাইটদের জয়ের নায়ক সুনীল নারাইন।শারজার বাইশ গজে রান তাড়া করা কঠিন হবে এটা মনে করে টস জিLতে ব্যাটিং নেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর অধিনায়ক বিরাট কোহলি। দারুণ শুরু করেন দুই ওপেনার দেবদত্ত পাড়িক্কল ও বিরাট কোহলি। ষষ্ঠ ওভারের প্রথম বলে দলের ৪৯ রানের মাথায় আউট হন দেবদত্ত পাড়িক্কল। তিনি ২টি চারের সাহায্যে ১৮ বলে ২১ রান করেন। দশম ওভারের চতুর্থ বলে ৬৯ রানের মাথায় দ্বিতীয় উইকেট পড়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের। নিজের প্রথম ওভারেই কেএস ভরতের উইকেট তুলে নেন সুনীল নারাইন। নাইট রাইডার্সের স্পিনারদের দাপটে রান তোলা কঠিন হয়ে পড়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের। ১২.২ ওভারে ৮৮ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় ব্যাঙ্গালোরে। ৩০ বলে ৩৯ রান করে নারাইনের বলে বোল্ড হন কোহলি। এরপর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স তাকিয়ে ছিল ডিভিলিয়ার্সের দিকে। ১৫তম ওভারে নারাইনের দ্বিতীয় বলে ভিলিয়ার্সও বোল্ড হন। তিনি ৯ বলে ১১ রান করেন। নিজের শেষ ওভারে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকেও ফেরান নারাইন। ১৮ বলে ১৫ রান করেন ম্যাক্সওয়েল। ১৯তম ওভারে লকি ফার্গুসনের বলে আউট হন শাহবাজ আহমেদ। তিনি করেন ১৪ বলে ১৩। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৩৮ তোলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। ৪ ওভারে ২১ রানের বিনিময়ে ৪ উইকেট নেন সুনীল নারাইন। লকি ফার্গুসন ৪ ওভারে ৩০ রানের বিনিময়ে ২টি উইকেট দখল করেন।গোটা ইনিংসে একটাও ছয় মারতে পারেননি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের ব্যাটাররা। জয়ের জন্য ১৩৯ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না নাইট রাইডার্সের কাছে। ভাল শুরু করেন নাইটদের দুই ওপেনার শুভমান গিল ও ভেঙ্কটেশ আয়ার। ব্যাট শুরুতেই ঝড় তোলেন শুভমান। ৫ ওভারে ওঠে ৪১। এরপরই হর্ষল প্যাটেলের বলে আউট হন শুভমান। ১৮ বলে তিনি করেন ২৯। ভেঙ্কটেশ আয়ারকেও (৩০ বলে ২৬) তুলে নেন হর্ষল। রাহুল ত্রিপাঠী (৫ বলে ৬) ব্যর্থ হলেও দলকে কিছুটা টেনে নিয়ে যান নীতীশ রানা (২৫ বলে ২৩)। নীতীশ যখন আইট হন নাইট রাইডার্সের রান তখন ১১০/৪।এরপর মহম্মদ সিরাজের দাপটে চাপে পড়ে যায় নাইট রাইডার্স। দ্রুত ২ উইকেট তুলে নেন তিনি। একই ওভারে ফেরান সুনীল নারাইন (২৬) ও দীনেশ কার্তিককে (১০)। শেষ ওভারে জয়ের জন্য নাইটদের দরকার ছিল ৭ রান। ২ বল বাকি থাকতে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন মর্গ্যান (অপরাজিত৫ ৫) ও সাকিব (অপরাজিত ৯)।

অক্টোবর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sunil Chetri: রেকর্ড নয়, দলের সাফল্যই আসল সুনীল ছেত্রির কাছে

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখতে গেলে নেপালের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না ভারতীয় দলের সামনে। ডু অর ডাই ম্যাচে দলকে দায়িত্ব নিয়ে জয় এনে দিয়েছেন অধিনায়ক সুনীল ছেত্রি। নেপালের বিরুদ্ধে গোল করে স্পর্শ করেছেন কিংবদন্তী পেলেকে। পেলেকে স্পর্শ করে খিদে আরও বেড়ে গেছে। ভবিষ্যতে আরও গোল করে দেশকে জেতাতে চান এই বর্ষীয়ান স্ট্রাইকার।৩৭ বছর বয়সেও সুনীল ছেত্রির ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার অবকাশ নেই। নিজেকেই নিজের ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন করেন সুনীল। আর প্রতিটা ম্যাচেই সেরাটা দেওয়ার জন্য মুখিয়ে থাকেন। এই প্রসঙ্গে সুনীল বলেছেন, ধারাবাহিকতা নিয়ে সর্বদা নিজেকে প্রশ্ন করি। উত্তরের অপেক্ষায় থাকি। আমার কাছে এর কোনও নকশা নেই। এটাই বাস্তব। প্রতিটা ম্যাচে নিজের সেরাটা দেওয়ার জন্য মাঠে নামি। ভগবানকে ধন্যবাদ দেব, কখনও ব্যর্থ হইনি।বাইচুং ভুটিয়া, রেনেডি সিংদের সঙ্গে খেলার সুযোগ হয়েছে। দুজনই খেলা থেকে অনেক আগে অবসর নিয়ে কোচিংয়ে যুক্ত হয়ে পড়েছেন। এদের সঙ্গে খেলার সুযোগ পেয়ে গর্বিত সুনীল। তিনি বলেন, বেশ কয়েকজন গ্রেট ফুটবলারের সঙ্গে আমার খেলার সুযোগ হয়েছে। তাঁরা কিন্তু ততটা কৃতিত্ব পায়নি। যে সব কোচের অধীনে খেলেছি, সবার কাছ থেকে কিছু না কিছু শিখেছি। সে ছোটই হোক কিংবা বড়। আশা করছি ভবিষ্যতেও এটা ধরে রাখতে পারব। ইতিমধ্যেই পৌঁছে গেছেন ৩৭ বছর বয়সে। আর কতদিন খেলা চালিয়ে যাবেন? এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এখনই অবশ্য খেলা ছাড়ার পরিকল্পনা নেই সুনীল ছেত্রির। ভবিষ্যত নিয়েও এখনও কোনও পরিকল্পনা করেননি। তিনি বলেছেন, ভবিষ্যত নিয়ে এখনও কোনও পরিকল্পনা করিনি। ফুটবলের বাইরে অন্যকিছু নিয়ে এখনও ভাবিনি। যতদিন খেলা উপভোগ করব, ততদিন খেলে যাব। পেলেকে স্পর্শ করলেও রেকর্ড নিয়ে সুনীলের মাথা ব্যাথা নেই। তাঁর কাছে দলের সাফল্যই আসল। সুনীল বলেছেন, পরিসংখ্যান নিয়ে আমার কোনও মাথা ব্যাথা নেই। কোন মাইলস্টোনে পৌঁছলাম, সেটা নিয়েও ভাবছি না। আমি যা অর্জন করেছি, তাতেই সন্তুষ্ট। যদি ট্রফি জয়ের সুযোগ থাকে, তাহলে আমি তার জন্যই ঝাঁপাব। দলের জয়ই আমার কাছে আসল। আপাতত প্রত্যেকটা সুযোগ কাজে লাগাতে চাই।দেশের হয়ে সবথেকে বেশি গোল করার ব্যাপারে বর্তমান ফুটবলারদের মধ্যে বিশ্বে ৩ নম্বরে রয়েছেন সুনীল। তাঁর আগে রয়েছেন পর্তুগালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো (১১২), আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি (৭৯)। সংযুক্ত আমিরশাহির আলি মাবখাউতের সঙ্গে যুগ্মভাবে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন সুনীল (৭৭)।

অক্টোবর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌PL : আবার পুরনো মেজাজে ধোনি, ফাইনালে চেন্নাই সুপার কিংস

কিং ইজ ব্যাক। আবার ফিনিশারের ভুমিকায় মহেন্দ্র সিং ধোনি। গত বছর আইপিএলের প্লে অফে পৌঁছাতে না পারার যন্ত্রণা মিটিয়ে নিলেন ক্যাপ্টেন কুল। স্নায়ুযুদ্ধে বাজিমাত করলেন। সাত নম্বরে নেমে তিনটি চার ও একটি ছয়ের সাহায্যে দলকে জেতালেন মাহি। দিল্লি ক্যাপিটালসকে ৪ উইকেটে হারিয়ে আইপিএলের ফাইনালে চেন্নাই সুপার কিংস।টস জিতে দিল্লি ক্যাপিটালসকে ব্যাট করতে পাঠান চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। তাঁর ধারণা ছিল শুরুর দিকে ব্যাট করা কঠিন হবে। জোরে বোলাররা বাইশ গজ থেকে সাহায্য পাবেন। ধোনির সেই ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে দেন দিল্লি ক্যাপিটালসের ব্যাটসম্যানরা। ৩ ওভারে ৩২ রানে পৌঁছে যায় দিল্লি ক্যাপিটালস। এর পরেই ধাক্কা খায় দিল্লি। চতুর্থ ওভারের দ্বিতীয় বলে জস হ্যাজেলউডের বলে আউট হন শিখর ধাওয়ান। ৭ রান করে তিনি উইকেটের পেছনে ধোনির হাতে ক্যাচ দেন। পঞ্চম ওভারে শার্দুল ঠাকুরকে আক্রমণে নিয়ে আসেন ধোনি। শার্দূলের প্রথম ওভারেই পৃথ্বী শ দুটি ছক্কা মারেন। এই ওভারে ওঠে ১৪। ৫ ওভারে দিল্লি ক্যাপিটালসের রান দাঁড়ায় ১ উইকেটে ৫০। শার্দুল ঠাকুর ২ ওভারে দিয়েছিলেন ২৮ রান। ষষ্ঠ ওভারে দ্বিতীয় উইকেট হারায় দিল্লি ক্যাপিটালস। হ্যাজেলউডের বলে আউট হন শ্রেয়স আয়ার (১)। চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে সুবিধা করতে পারেননি অক্ষর প্যাটেল। ১১ বলে ১০ রান করে তিনি মঈন আলির বলে আউট হন। অন্যপ্রান্তে একের পর এক উইকেট পড়লেও ঝড় অব্যাহত ছিল পৃথ্বী শর ব্যাটে। একাদশ ওভারের দ্বিতীয় বলে তিনি আউট হন। ৩৪ বলে ৬০ রান করেন পৃথ্বী। এরপর দিল্লিকে ২০ ওভারে ১৭২/৫ রানে পৌঁছে দেন ঋষভ পন্থ ও শিমরণ হেটমায়ের। ২৪ বলে ৩৭ রান করে আউট হন হেটমায়ের। ঋষভ ৩৫ বলে ৫১ রান করে অপরাজিত থাকেন। জস হ্যাজলউড ৪ ওভারে ২৯ রানের বিনিময়ে ২ উইকেট নেন। মঈন আলি চার ওভার হাত ঘুরিয়ে ২৭ রান খরচ করে একটি উইকেট পান। শার্দুল ঠাকুর ৩ ওভারে দেন ৩৬ রান, দীপক চাহার ৩ ওভারে ২৬, কেউই উইকেট পাননি। ব্র্যাভো এক উইকেট পেলেও ৩ ওভারে ৩১ রান খরচ করেন।জয়ের জন্য ১৭৩ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় চেন্নাই সুপার কিংস। ডুপ্লেসি প্রথম ওভারের চতুর্থ বলে ১ রান করে এনরিখ নরকিয়ার বলে বোল্ড হন। এরপরই দলকে শক্ত ভিতে দাঁড় করিয়ে দেয় ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও রবিন উথাপ্পার জুটি। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে এদিন ১০০ রান যোগ করেন ঋতুরাজ ও উথাপ্পা। ১৩.৩ ওভারে ৪৪ বলে ৬৩ রান করে টম কারানের বলে প্যাভিলিয়নে ফেরেন উথাপ্পা। উথাপ্পা ফেরার পর ৮ বলের ব্যবধানে ৬ রানের মধ্যে আরও দুটি উইকেট হারায় চেন্নাই। ১৪তম ওভারের তৃতীয় বলে উথাপ্পাকে আউট করার পর ষষ্ঠ বলে শার্দুল ঠাকুরকে শূন্য রানে আউট করেন কারান। ১৪.৪ ওভারে শ্রেয়স ও কাগিসো রাবাডার যুগলবন্দিতে রান আউট হন অম্বাতি রায়ুডু। তিনি ১ রান করেন। এই সময় ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। যদিও পাল্টা লড়াই চালাতে থাকেন ঋতুরাজ ও মঈন আলি। ১৮.১ ওভারে ঋতুরাজ গায়কোয়াড় আবেশ খানের বলে আউট হন। পাঁচটি চার ও দুটি ছয়ের সাহায্যে ৫০ বলে ৭০ রান করেন ঋতুরাজ। এরপর মঈনের সঙ্গে যোগ দেন ধোনি। ফিনিশারের ভুমিকায় চেনা ঝলক দেখা গেল ক্যাপ্টেন কুলের ব্যাটে। শেষ ওভারে জেতার জন্য দরকার ছিল ১৩। টম কারানের প্রথম বলে মঈন আলি (১২ বলে ১৬) আউট হন। শার্দুলকে শেষ বলে আউট করায় কারানের সামনে ছিল হ্যাটট্রিকের হাতছানি। হ্যাটট্রিক বাঁচান ধোনি। অবশেষে দুই বল বাকি থাকতে চার মেরে দলকে ফাইনালে তুলে দিলেন ধোনি (৬ বলে অপরাজিত ১৮)। ১৯.৪ ওভারে ১৭৩/৬ তুলে ফাইনালে পৌঁছে যায় চেন্নাই।

অক্টোবর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SAFF Championship : পেলেকে স্পর্শ সুনীলের, ফাইনালের স্বপ্ন ভারতের

বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পরপর জুটি ম্যাচে ড্র করে দারুণ চাপে পড়ে গিয়েছিল ভারত। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখতে গেলে নেপালের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না ভারতীয় দলের সামনে। মরণবাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠল ইগর স্টিম্যাকের দল। নেপালকে ১০ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখল। মরণবাঁচন ম্যাচে দেশের মান বাঁচালেন সুনীল ছেত্রি। পাশাপাশি এদিন গোল করে কিংবদন্তি ফুটবলার পেলেকে স্পর্শ করলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। ভারতের কাছে যেমন এদিন ছিল মরণবাঁচন ম্যাচ, তেমনই সুনীল ছেত্রির কাছে ছিল পেলেকে ছোঁয়ার ম্যাচ। ব্রাজিলের জার্সি গায়ে পেলে ৭৭ গোল করেছেন। নেপালের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে দেশের জার্সি গায়ে সুনীলের গোল সংখ্যা ছিল ৭৬। ম্যাচের ৮২ মিনিটে নেপালের জালে বল ঢুকিয়ে পেলের পাশে জায়গাআ করে নিলেন সুনীল ছেত্রি। নেপালের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটা পরিবর্তন করেছিলেন ইগর স্টিম্যাক। তা সত্ত্বেও ভারতের খেলায় খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। প্রথমার্ধে ভারতকে তেমন ছন্দে দেখা যায়নি। বলার মতো একটা মাত্রই সুযোগ পেয়েছিল ইগর স্টিম্যাকের দল। ৩৪ মিনিটে প্রীতম কোটালের কাছ থেকে নেপাল পেনাল্টি বক্সে বল পেয়ে মাইনাস করেন সুরেশ। সুরেশ যখন মাইনাস করেন, সুনীলের সামনে কেউ ছিলেন না। ফাঁকা গোলে বল ঠেলতে ব্যর্থ হন সুনীল। প্রথমার্ধে কোনও দলই আর গোল করার সুযোগ পাননি। দ্বিতীয়ার্ধেও সেই ছন্নছাড়া ফুটবল। নেপালের লক্ষ্য ছিল ভারতকে কোনও রকমে আটকে দিয়ে ১ পয়েন্ট নিশ্চিত করা। তাহলেই ফাইনালের দিকে এগিয়ে যাবে। তাই রক্ষণের দিকে বেশি নজর দিয়েছিল। নেপালের রক্ষণ ভেদ করতে পারছিলেন না সুনীলরা। তার মাঝেই ৫৭ মিনিটে ব্রেন্ডনের কর্ণারে সুবিধাজনক জায়গা থেকে নেপাল গোলকিপারের হাতে হেড করেন মনবীর সিং। ৭৭ মিনিটে আবার গোল করার সুযোগ পেয়েছিল ভারত। ব্রেন্ডনের ফ্রিকিক বক্সের মধ্যে হেড করার চেষ্টা করেন সুনীল ছেত্রি। বল তাঁর মাথার পেছন দিকে লেগে যায় শুভাশিস বোসের কাছে। তাঁর হেড আটকে দেন নেপাল গোলকিপার কিরণ কুমার।শেষদিকে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ভারত। ৮০ মিনিটে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন সুনীল ছেত্রি। বেশ কয়েকটা সুযোগ নষ্ট করার পর অবশেষে ৮২ মিনিটে লক্ষ্যভেদ ভারতীয় দলের অধিনায়কের। বাঁদিক থেকে ব্রেন্ডনের সেন্টার ফারুখ চৌধুরি হেডে নামিয়ে দিলে বাঁপায়ের সাইড ভলিতে বল জালে জড়িয়ে দেন সুনীল। একই সঙ্গে ভারতের ফাইনালের স্বপ্নও জেগে রইল। ৩ ম্যাচে ভারতের পয়েন্ট ৫। শেষ ম্যাচ খেলবে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকা মালদ্বীপের সঙ্গে। জিতলেই ফাইনালে পৌঁছে যাবে ভারত। প্রতিযোগিতায় দেশকে টিকিয়ে রাখতে পেরে খুশি সুনীল ছেত্রি। ম্যাচের পর তিনি বলেন, গোলের সামনে আমরা বারবার ব্যর্থ হয়েছি। ফাইনালের আশা টিকিয়ে রাখতে পেরে ভাল লাগছে। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পরপর জুটি ম্যাচে ড্র করে দারুণ চাপে পড়ে গিয়েছিল ভারত। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখতে গেলে নেপালের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না ভারতীয় দলের সামনে। মরণবাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠল ইগর স্টিম্যাকের দল। নেপালকে ১০ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখল। মরণবাঁচন ম্যাচে দেশের মান বাঁচালেন সুনীল ছেত্রি। পাশাপাশি এদিন গোল করে কিংবদন্তি ফুটবলার পেলেকে স্পর্শ করলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। ভারতের কাছে যেমন এদিন ছিল মরণবাঁচন ম্যাচ, তেমনই সুনীল ছেত্রির কাছে ছিল পেলেকে ছোঁয়ার ম্যাচ। ব্রাজিলের জার্সি গায়ে পেলে ৭৭ গোল করেছেন। নেপালের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে দেশের জার্সি গায়ে সুনীলের গোল সংখ্যা ছিল ৭৬। ম্যাচের ৮২ মিনিটে নেপালের জালে বল ঢুকিয়ে পেলের পাশে জায়গাআ করে নিলেন সুনীল ছেত্রি। নেপালের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটা পরিবর্তন করেছিলেন ইগর স্টিম্যাক। তা সত্ত্বেও ভারতের খেলায় খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। প্রথমার্ধে ভারতকে তেমন ছন্দে দেখা যায়নি। বলার মতো একটা মাত্রই সুযোগ পেয়েছিল ইগর স্টিম্যাকের দল। ৩৪ মিনিটে প্রীতম কোটালের কাছ থেকে নেপাল পেনাল্টি বক্সে বল পেয়ে মাইনাস করেন সুরেশ। সুরেশ যখন মাইনাস করেন, সুনীলের সামনে কেউ ছিলেন না। ফাঁকা গোলে বল ঠেলতে ব্যর্থ হন সুনীল। প্রথমার্ধে কোনও দলই আর গোল করার সুযোগ পাননি। দ্বিতীয়ার্ধেও সেই ছন্নছাড়া ফুটবল। নেপালের লক্ষ্য ছিল ভারতকে কোনও রকমে আটকে দিয়ে ১ পয়েন্ট নিশ্চিত করা। তাহলেই ফাইনালের দিকে এগিয়ে যাবে। তাই রক্ষণের দিকে বেশি নজর দিয়েছিল। নেপালের রক্ষণ ভেদ করতে পারছিলেন না সুনীলরা। তার মাঝেই ৫৭ মিনিটে ব্রেন্ডনের কর্ণারে সুবিধাজনক জায়গা থেকে নেপাল গোলকিপারের হাতে হেড করেন মনবীর সিং। ৭৭ মিনিটে আবার গোল করার সুযোগ পেয়েছিল ভারত। ব্রেন্ডনের ফ্রিকিক বক্সের মধ্যে হেড করার চেষ্টা করেন সুনীল ছেত্রি। বল তাঁর মাথার পেছন দিকে লেগে যায় শুভাশিস বোসের কাছে। তাঁর হেড আটকে দেন নেপাল গোলকিপার কিরণ কুমার।শেষদিকে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ভারত। ৮০ মিনিটে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন সুনীল ছেত্রি। বেশ কয়েকটা সুযোগ নষ্ট করার পর অবশেষে ৮২ মিনিটে লক্ষ্যভেদ ভারতীয় দলের অধিনায়কের। বাঁদিক থেকে ব্রেন্ডনের সেন্টার ফারুখ চৌধুরি হেডে নামিয়ে দিলে বাঁপায়ের সাইড ভলিতে বল জালে জড়িয়ে দেন সুনীল। একই সঙ্গে ভারতের ফাইনালের স্বপ্নও জেগে রইল। ৩ ম্যাচে ভারতের পয়েন্ট ৫। শেষ ম্যাচ খেলবে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকা মালদ্বীপের সঙ্গে। জিতলেই ফাইনালে পৌঁছে যাবে ভারত। প্রতিযোগিতায় দেশকে টিকিয়ে রাখতে পেরে খুশি সুনীল ছেত্রি। ম্যাচের পর তিনি বলেন, গোলের সামনে আমরা বারবার ব্যর্থ হয়েছি। ফাইনালের আশা টিকিয়ে রাখতে পেরে ভাল লাগছে।

অক্টোবর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : টি২০ বিশ্বকাপের নিয়মে চমক নিয়ে এল আইসিসি

আসন্ন টি২০ বিশ্বকাপের নিয়মে চমক নিয়ে আসছে বিশ্বের ক্রিকেট নিয়ামক সংস্থা। এই প্রথম টি২০ বিশ্বকাপে ডিআরএস পদ্ধতি চালু করতে চলেছে আইসিসি। শুধু তাই নয়, ডাকওয়ার্থলুইস পদ্ধতি ব্যবহারের ক্ষেত্রেও পরিবর্তন করা হচ্ছে। পাশাপাশি টি২০ বিশ্বকাপের আর্থিক পুরস্কারের অঙ্কও ঘোষণা করেছে আইসিসি।আগে কখনও টি২০ বিশ্বকাপে ডিআরএস পদ্ধতি ব্যবহার করা হত না। ২০১৬ সালে শেষবার টি২০ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই বিশ্বকাপেও ডিআরএস ছিল না। ২০১৮ সালে প্রথম মহিলাদের টি২০ বিশ্বকাপে ডিআরএস ব্যবহার করা হয়। পুরুষদের বিশ্বকাপে এই প্রথমবার ডিআরএস ব্যবহার করা হবে। এ বারের বিশ্বকাপে প্রতি ইনিংসে একেকটা দল দুটি করে ডিআরএস নিতে পারবে। এছাড়া ডাকওয়ার্থলুইস নিয়ম ব্যবহারের ক্ষেত্রেও পরিবর্তন নিয়ে আসা হয়েছে। বৃষ্টি ম্যাচে ব্যাঘাত ঘটালে ডাকওয়ার্থ লুইস নিয়ম ব্যবহার করতে হলে অন্তত ৫ ওভার খেলা হতেই হবে। সেমিফাইনাল এবং ফাইনালের ক্ষেত্রে ১০ ওভার খেলা হতে হবে। প্রতিটা ইনিংসের মাঝে ২.৩০ মিনিটের জলপানের বিরতি থাকবে। অর্থাৎ ম্যাচে ৫ মিনিট।এদিক, বিশ্বকাপের জন্য আর্থিক পুরস্কারমূল্য ঘোষণা করেছে আইসিসি। চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ১২ কোটি টাকা। রানার্স দল পাবে ৬ কোটি টাকা। এবছর টি২০ বিশ্বকাপে প্রায় ৪৫ কোটি টাকা আর্থিক পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি। সেমিফাইনালে হেরে যাওয়া দল পাবে ৪ কোটি টাকা করে। সুপার ১২ পর্ব থেকে ছিটকে যাওয়া দল পাবে ৫৩ লক্ষ টাকা করে। সুপার ১২ পর্বে প্রতিটা ম্যাচে জয়ী দল ভারতীয় মুদ্রায় ৩০ লক্ষ টাকা করে পাবে। আর প্রথম পর্ব থেকে যে দল ছিটকে যাবে তারা প্রত্যেকে ৩০ লক্ষ টাকা করে পাবে।টি২০ বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ডে অংশ নেবে বাংলাদেশ, আয়ারল্যান্ড, নামিবিয়া, নেদারল্যান্ডস, ওমান, পাপুয়া নিউ গিনি, স্কটল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা। ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও গতবারের চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সরাসরি সুপার ১২তে খেলবে। প্রথম রাউন্ড থেকে সুপার টুয়েলভে যাবে দুটি গ্রুপ থেকে দুটি করে অর্থাৎ মোট চারটি দল। সংযুক্ত আরব আমিরশাহী ও ওমানে হবে প্রথম রাউন্ডের ম্যাচগুলি।

অক্টোবর ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sakib-Knight Riders : এলিমিনেটর ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা নাইটদের, পাবে না সাকিবকে

আইপিএলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা কলকাতা নাইট রাইডার্স শিবিরে। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে এলিমিনেটর ম্যাচে নাইট রাইডার্স পাবে না দলের গুরুত্বপূর্ণ অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে। নাইটদের মতো রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সও পাবে না ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ও দুষ্মন্ত চামিরাকে। তবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের থেকেও নাইটদের কাছে ধাক্কাটা জোরালো। কারণ হাসারাঙ্গা ও চামিরা প্রথম একাদশের পরিকল্পনায় নেই। অন্যদিকে, দুরম্ত ছন্দে থাকা সাকিব আল হাসান অন্যতম বড় ভরসা ছিলেন নাইটদের কাছে। দুই দলের মধ্যে যদি কোনও দল দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে কিংবা ফাইনালে ওঠে তাহলেও এই তিন জনের মধ্যে কেউ খেলতে পারবেন না। আর সপ্তাহখানেক পরেই শুরু হতে চলেছে টি২০ বিশ্বকাপ। সাকিব আল হাসান যেমন বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দলে রয়েছেন, তেমনই শ্রীলঙ্কা দলে রয়েছেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ও দুষ্মন্ত চামিরা। বিশ্বকাপ শুরুর আগে দুই দেশই প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে। এই তিন ক্রিকেটারকে জাতীয় শিবিরে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট দেশের ক্রিকেট বোর্ড। ফলে আইপিএলে আর খেলতে পারবেন না এই তিন ক্রিকেটার। শ্রীলঙ্কার দুই ক্রিকেটারকে না পেলেও খুব একটা ক্ষতি হবে না রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের। তবে সাকিবের না থাকাটা অবশ্যই বড় ধাক্কা কলকাতা নাইট রাইডার্সের কাছে। আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে সাকিব নাইট রাইডার্সের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলেছেন। দুটি ম্যাচেই দুর্দান্ত বোলিং করেছেন। আন্দ্রে রাসেল খেলতে না পারলে তিনি অলরাউন্ডার হিসেবে দলের অন্যতম ভরসা। টি২০ বিশ্বকাপ শুরুর আগে রাসেল হয়তো ঝুঁকি নেবেন না। সাকিব ও মুস্তাফিজুর রহমানকে রবিবারই বাংলাদেশ দলের সঙ্গে যোগ দিতে বলা হয়েছে। ১২ ও ১৪ অক্টোবর শ্রীলঙ্কা ও আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। সাকিবদের মতোই হাসারাঙ্গা ও চামিরা দুষ্মন্তকে জাতীয় শিবিরে যোগ দিতে বলা হয়েছে। বাংলাদেশ ছাড়াও পাপুয়া নিউ গিনির বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে শ্রীলঙ্কা। ১৮ অক্টোবর নামিবিয়ার বিরুদ্ধে শ্রীলঙ্কার প্রথম রাউন্ডের প্রথম ম্যাচ।

অক্টোবর ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SAFF Championship : নেপালের বিরুদ্ধে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে মরণবাঁচন ম্যাচে নামছেন সুনীলরা

অনেক প্রত্যাশা নিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ খেলতে নেমেছে ভারতীয় ফুটবল দল। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে প্রতিযোগিতার অন্য দলগুলির তুলনায় এগিয়ে থাকলেও প্রথম দুটি ম্যাচে সুনীল ছেত্রিদের পারফরমেন্স অনুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে খুঁজতে হচ্ছে। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পরপর ড্র করে অস্তিত্ব সংকটে ভারত। ফাইনালে ওঠার আশা জিইয়ে রাখতে গেলে রবিবার নেপালের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা নেই ইগর স্টিম্যাকের দলের সামনে। বলতে গেলে একপ্রকার ডু অর ডাই ম্যাচ।দু ম্যাচে জিতে ৬ পয়েন্ট নিয়ে এই মুহূর্তে গ্রুপ শীর্ষে রয়েছে নেপাল। গ্রুপ শীর্ষে থাকা দলের বিরুদ্ধে লড়াই যে সহজ হবে না, সেকথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়। মাস খানেক আগে এই নেপালের বিরুদ্ধে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছিলেন সুনীল ছেত্রিরা। একটা ড্র, আর একটা ম্যাচে জিতেছিল ভারত। প্রীতি ম্যাচ আর প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের মধ্যে আকাশপাতাল পার্থক্য। ফলে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ভারতের কাছে লড়াইটা যে যথেষ্ট কঠিন হবে, সেকথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়।ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক অবশ্য মনে করছেন, নেপালের বিরুদ্ধে প্রীতি ম্যাচে তাঁর দল যে ফুটবল উপহার দিয়েছিল, তা তুলে ধরতে পারলে জেতা সমস্যা হবে না। নেপালকে হারিয়ে ফাইনালের লড়াইয়ে থাকার ব্যাপারে তিনি আত্মবিশ্বাসী। মরণবাঁচন ম্যাচে খেলতে নামার আগে স্টিম্যাক বলেন, নেপালের বিরুদ্ধে জিতলে আমরা ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে থাকব। সেপ্টেম্বরে ওদের বিরুদ্ধে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছিলাম। একে অপরের সম্পর্কে ধারণা আছে। তবে বিপক্ষের ওপর বেশি ফোকাস করতে চাই না। জিততে গেলে আমাদের নিজেদের খেলায় উন্নতি করতে হবে। আগের দুটি ম্যাচের মতো ভুল করলে চলবে না। গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। সুনীল ছেত্রি আটকে গেলেই গোল পেতে সমস্যা হচ্ছে ভারতের। প্রথম ম্যাচে মনবীর সিং নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। রিস্টন কোলাসোও ব্যর্থ। বাকিরাও পজিটিভ সুযোগ নষ্ট করছেন। এই অবস্থায় সেই অভিজ্ঞ সুনীল ছেত্রির দিকেই তাকিয়ে ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। নেপালের বিরুদ্ধে আবার প্রথম একাদশে পরিবর্তন করতে চলেছেন তিনি। মনবীরকে প্রথম একাদশে ফেরাতে পারেন। প্রথম একাদশে ফিরতে পারেন ব্রেন্ডন ফার্নান্ডেজ ও প্রীতম কোটাল। প্রথম দুটি ম্যাচে ড্র করে অনেকটাই ভেঙে পড়ছিল গোটা ভারতীয় শিবির। কোচ ইগর স্টিম্যাক দলকে নতুন করে উদ্দীপ্ত করেছেন। অধিনায়ক সুনীল ছেত্রিও দলকে উদ্বুদ্ধ করার দায়িত্ব তুলে নিয়েছেন। তিনিও তাকিয়ে পেলের রেকর্ড স্পর্শ করার দিকে।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌ndia Coach : ভারতীয় কোচের দায়িত্ব আবার এক অস্ট্রেলিয়ানের হাতে?‌

ভারতীয় হেড কোচের দায়িত্ব কি আবার এক অস্ট্রেলিয়ানের হাতে যাবে? তেমন সম্ভাবনাই তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ভারতের কোচের পদে ঘোরাফেরা করা টম মুডির নাম আবার ভেসে উঠেছে। গ্রেগ চ্যাপেলের পর আবার এক অস্ট্রেলিয়ানের হাতে ভারতীয় ক্রিকেটারদের দায়িত্ব অর্পিত হলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। টি২০ বিশ্বকাপের পরই দায়িত্ব শেষ হচ্ছে হেড কোচ রবি শাস্ত্রীর। তাঁর পাশাপাশি অন্য কোচিং স্টাফদেরও মেয়াদ শেষ হবে। পুরো কোচিং স্টাফ খোলনলচে বদলে ফেলতে চায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। এর মধ্যে কে ভারতীয় দলের কোচ হবেন তা নিয়ে জোর কল্পনা। বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি চেয়েছিলেন অনিল কুম্বলেকে হেড কোচ করতে। কিন্তু বোর্ডের অনেক কর্তারই আপত্তি কুম্বলেকে নিয়ে। কারণ এর আগে তিনি যখন কোচের দায়িত্বে ছিলেন, অধিনায়ক বিরাট কোহলির সঙ্গে সম্পর্ক বেশ খারাপ হয়েছিল কুম্বলের। সেই দলের অনেক ক্রিকেটারই এখন দলে রয়েছেন। তাই কুম্বলেকে আবার কোচ হিসেবে চাইছেন না বাকি বোর্ড কর্তারা। তাছাড়া কুম্বলের বিরুদ্ধে যাচ্ছে আইপিএলে পাঞ্জাব কিংসের ব্যর্থতা। ভারতীয় দলের পাশাপাশি পাঞ্জাব কিংসের কোচ হিসেবেও তেমন কোনও ভাল রেকর্ড নেই কুম্বলের। তিনিও নাকি এখন আর কোচ হতে চাইছেন না। ভিভিএস লক্ষ্মণকেও হেড কোচের পদে বসানোয় সায় নেই অনেক বোর্ড কর্তার। রাহুল দ্রাবিড় এই মুহূর্তে জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমির দায়িত্ব ছেড়ে বিরাট কোহলিদের দায়িত্ব নিতে রাজি নন। ফলে হেড কোচের জন্য বিদেশিদের দিকেই ঝুঁকছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। বীরেন্দ্র শেহবাগ অবশ্য ভারতীয় দলের কোচ হতে আগ্রহী। কিন্তু তাঁর হেড কোচ হওয়ার সম্ভাবনা নেই। সহকারীর দায়িত্ব পেতে পারেন। মহম্মদ কাইফকে ফিল্ডিং কোচ হিসেবে নিয়োগ করা হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে হে়ড কোচের দৌড়ে ভেসে বেড়াচ্ছে টম মুডির। ২০০৫ সালে যখন গ্রেগ চ্যাপেলকে কোচ করা হ্য তখনও টম মুডির নাম উঠেছিল। ২০১৭ ও ২০১৯ সালে তিনি কোচ হতে আগ্রহী ছিলেন। মুডি এখনও চাইছেন ভারতীয় দলের কোচ হতে। তাঁর কোচিংয়ে ২০০৭ সালে শ্রীলঙ্কা ৫০ ওভারের বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছিল।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌‌Ishan Kishan-Virat Kohli : টি২০ বিশ্বকাপের জন্য ঈশানকে কী প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিরাট কোহলি?‌

আইপিএলে প্লে অফের জন্য এবছর ঈশান কিষান ও সূর্যকুমার যাদবের ব্যাটের দিকে তাকিয়ে ছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু নিজেদের সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের এই দুই ব্যাটসম্যানকে নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। স্বয়ং সুনীল গাভাসকার পর্যন্ত ঈশান কিষান ও সূ্র্যকুমার যাদবের তাগিদ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। গাভাসকারের মনে হয়েছিল, ভারতীয় টি২০ বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পেয়ে যাওয়ায় আইপিএলে সেভাবে তাগিদ দেখাচ্ছেন না এই দুই ব্যাটসম্যান। গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে ছবিটা বদলে গেছে। ফর্মে ফিরেছেন ঈশান কিষান ও সূর্যকুমার যাদব। ঈশানকে তো টি২০ বিশ্বকাপে ওপেন করানোর প্রতিশ্রুতিও দিয়ে ফেলেছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। বেশ কয়েকটা ম্যাচে রান না পেলেও আইপিএলের গ্রুপ লিগের শেষ দুই ম্যাচে পরপর দুটি হাফ সেঞ্চুরি করেছেন ঈশান কিষান। তার মধ্যে ওপেন করতে নেমে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ৩২ বলে ৮৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস সকলের নজর কেড়েছে। ম্যাচের পর ঈশান বলেন, আমি ওপেন করতে ভালবাসি। কিন্তু দলের কম্বিনেশনের জন্য আইপিএলের সব ম্যাচে ওপেন করার সুযোগ পাইনি। শেষ দুই ম্যাচে ওপেন করতে নেমে নিজেকে মেলে ধরতে পেরেছি। বিরাট ভাই আমাকে বলেছে, টি২০ বিশ্বকাপে আমাকে ওপেনে সুযোগ দিতে পারে। পাশাপাশি আরও বলেছে, বড় পর্যায়ে সব পরিস্থির জন্য তৈরি থাকতে হয়।বিরাট কোহলি প্রতিশ্রুতি দিলেও টি২০ বিশ্বকাপে ঈশান কিষান ওপেন করার কতটা সুযোগ পাবেন, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। কারণ নিয়মিত ওপেনার হিসেবে রোহিত শর্মা রয়েছেন। লোকেশ রাহুলও দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন। বিরাট কোহলিও অনেক আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, প্রয়োজনে টি২০ বিশ্বকাপে তিনি ওপেন করতে পারেন। ফলে ঈশানের পক্ষে ওপেনিংয়ে সুযোগ পাওয়া কঠিন। এদিকে, টি২০ বিশ্বকাপের আগে ফর্মে ফেরার জন্য খুশি ঈশান কিষান। তিনি বলেন, বিশ্বকাপ শুরুর আগে আমি রানে ফিরেছি। এটা আমার কাছে যেমন ভাল ব্যাপার, তেমনি দলের কাছেও দারুণ খবর।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 45
  • ...
  • 65
  • 66
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

শেষ কি আমেরিকার দাপট? আইএমএফ রিপোর্টে চমক, মুখ খুললেন এলন মাস্ক

বিশ্ব অর্থনীতিতে আমেরিকার একছত্র আধিপত্য কি শেষের পথে? সদ্য প্রকাশিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের রিপোর্ট সামনে আসার পর তেমনই ইঙ্গিত মিলছে। আর সেই রিপোর্ট দেখেই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন ধনকুবের এলন মাস্ক। তাঁর মতে, বিশ্ব অর্থনীতিতে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাতে শুরু করেছে।আইএমএফ তাদের সাম্প্রতিক রিপোর্টে ২০২৬ সালে গোটা বিশ্বের সম্ভাব্য আর্থিক প্রবৃদ্ধির হিসাব তুলে ধরেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, বিশ্বের মোট আর্থিক বৃদ্ধিতে আমেরিকাকে ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত। বিশ্ব জিডিপিতে ভারতের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে প্রায় ১৭ শতাংশ। সেই তুলনায় আমেরিকার অবদান মাত্র ৯.৯ শতাংশ। ফলে তালিকায় তৃতীয় স্থানে নেমে গিয়েছে ডলারের দেশ।এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে চিন। বিশ্ব জিডিপিতে চিনের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে ২৬.৬ শতাংশ। অর্থাৎ প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এশিয়ার দুই দেশ চিন এবং ভারত। একসঙ্গে এই দুই দেশের আর্থিক যোগদান দাঁড়াচ্ছে ৪৩.৬ শতাংশ। অর্থাৎ গোটা বিশ্বের প্রায় অর্ধেক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র এখন এশিয়ায়।আইএমএফের রিপোর্টে আরও দেখা গিয়েছে, এই তালিকায় রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভিয়েতনাম, ব্রাজিল, নাইজেরিয়া, জার্মানির মতো দেশগুলিও। তবে ইউরোপ এবং আমেরিকার তুলনায় এশিয়ার দেশগুলির প্রভাব যে দ্রুত বাড়ছে, তা স্পষ্ট।এই রিপোর্ট সোশাল মিডিয়ায় তুলে ধরেই এলন মাস্ক লেখেন, অবশেষে বিশ্বে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাচ্ছে। তাঁর এই মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব অর্থনীতির কেন্দ্র ছিল আমেরিকা ও ইউরোপ। কিন্তু এখন সেই জায়গা দখল করছে চিন ও ভারত।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এলন মাস্কের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন আমেরিকার কড়া শুল্কনীতি এবং কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের জেরে বিশ্ব অর্থনীতি অস্থির। চিন ও ভারতের উপর সবচেয়ে বেশি শুল্ক আরোপ করেছে আমেরিকা। অথচ আইএমএফের রিপোর্ট বলছে, আগামী দিনে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হতে চলেছে এই দুই দেশই।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

মেঝেতে কিশোরী, উপর ঝুঁকে প্রিন্স অ্যান্ড্রু! এপস্টেইন ফাইলসে ফাঁস চাঞ্চল্যকর ছবি

মেঝেতে শুয়ে রয়েছে এক কিশোরী। তাঁর উপর ঝুঁকে পড়ে আছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ প্রিন্স অ্যান্ড্রু। এপস্টেইন ফাইলসের সদ্য প্রকাশিত নথিতে এই ছবি সামনে আসতেই নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। বহুদিন ধরেই যৌন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে অ্যান্ড্রুর সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক চলছিল। এ বার সেই বিতর্ক আরও তীব্র হল নতুন ছবি ও তথ্য প্রকাশ্যে আসায়।এপস্টেইন ফাইলস ঘিরে সামনে এসেছে ব্রিটেনের রাজপরিবারের নামও। গত বছরই জানা যায়, যৌন অপরাধে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল প্রিন্স অ্যান্ড্রুর। সেই ঘটনার পর ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস নিজের ছোট ভাই অ্যান্ড্রুর সমস্ত রাজকীয় উপাধি, সম্মান এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা কেড়ে নেন। রাজপরিবার থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় তাঁকে।এই পরিস্থিতিতেই গত শুক্রবার এপস্টেইন সংক্রান্ত নথির নতুন একটি অংশ প্রকাশ্যে আসে। সেখানে একাধিক ছবিতে দেখা যাচ্ছে, এক অজ্ঞাত পরিচয়ের কিশোরী মাটিতে শুয়ে রয়েছেন। তাঁর পাশে এবং উপর ঝুঁকে আছেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু। একটি ছবিতে দেখা যায়, কিশোরীর পেটের উপর হাত রেখেছেন তিনি। তবে ওই কিশোরী কে, ছবিগুলি কোথায় এবং কবে তোলা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।শুধু ছবি নয়, এই নথিতে উঠে এসেছে আরও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, ২০১০ সালে জেফ্রি এপস্টেইন ও প্রিন্স অ্যান্ড্রুর মধ্যে ইমেলে যোগাযোগ হয়েছিল। সেই ইমেলে এপস্টেইন অ্যান্ড্রুকে লেখেন, তাঁর এক রুশ বান্ধবী রয়েছে, যিনি ২০ থেকে ২৪ তারিখের মধ্যে লন্ডনে থাকবেন। এপস্টেইনের দাবি ছিল, ওই মহিলার সঙ্গে নৈশভোজ অ্যান্ড্রু উপভোগ করবেন। তবে এই রহস্যময়ী রুশ মহিলার সঙ্গে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর আদৌ কখনও দেখা হয়েছিল কি না, তা এখনও জানা যায়নি।নতুন করে সামনে আসা এই নথি ও ছবিকে ঘিরে ফের প্রশ্নের মুখে পড়েছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ। এপস্টেইন কাণ্ডে তাঁর ভূমিকা নিয়ে তদন্ত এবং বিতর্ক যে এখনও শেষ হয়নি, তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
রাজ্য

তৃণমূলের মিছিলে ভাতারে বিধায়কের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগান, মুচকি হাসি বিরোধীদের

বিধানসভা ভোটের আগে প্রার্থী হওয়ার দাবিদারের লড়াই চরমে উঠেছে। ভাতারের তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিলে চোর চোর স্লোগান উঠলো। তবে এই চোর চোর স্লোগান বিজেপির বিরুদ্ধে ছিল না। ভাতারের তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের বিরুদ্ধেই এই চোর চোর স্লোগান উঠেছে মুহূর্মুহু। এই মিছিলে নেতৃত্ব দেন ভাতারের প্রবীণ তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক বনমালী হাজরা। ভাতারের এই মিছিলে স্লোগান ওঠে, মানু চোর, শান্তনু চোর। কেন তাঁদের চোর বলা হচ্ছে? মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, পঞ্চায়েত সমিতি থেকে গ্রামপঞ্চায়েত, সর্বত্র লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতি হচ্ছে। লুঠপাট চলছে। পকেট ভরছে নেতারা। তাদের দাবি, মানগোবিন্দ অধিকারীকে আর যেন বিধায়কপদের টিকিট না দেওয়া হয়। প্রার্থী করতে হবে বনমালী হাজরাকে।সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বিধায়ক পদের টিকিট পাওয়া নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে দড়ি টানাটানি চলছে। কে হবেন বিধানসভার প্রার্থী, এখন সেই প্রতিযোগিতা চলছে। বর্ধমান জেলার প্রায় প্রতিটি জায়গায় দলের তরফে দুই পক্ষের মিছিল হয়। বর্ধমানে কখনও বিধায়ক খোকন দাসের নেতৃত্বের মিছিল হয়, আবার কখনও কাউন্সিলর রাসবিহারী হালদারের নেতৃত্বে পৃথক মিছিল হয়। ভাতারেও সেই অবস্থা চলছে। সেখানে একাংশ চাইছে মানু অধিকারী নয়, বনমালী হাজরাকে তৃণমূল প্রার্থী করুক। তবে তৃণমূলের মিছিলেই নেতৃত্বের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগানে মুচকি হাসছে বিরোধী শিবির।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

রক্তে ভাসল পাকিস্তান! একযোগে জঙ্গি হামলায় মৃত ১২০ ছাড়াল

পরপর গুলির শব্দ, তার পর একের পর এক বিস্ফোরণ। শনিবার ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় কেঁপে উঠল পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।হামলা শুধু গুলি ও বোমাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। সন্ত্রাসীরা কারাগারেও হামলা চালায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের মাস্তুং জেলার একটি জেল ভেঙে প্রায় ৩০ জনেরও বেশি বন্দিকে পালাতে সাহায্য করেছে তারা। একই সঙ্গে নুস্কি জেলার আধাসামরিক বাহিনীর দফতরেও হামলা চালানো হয়। এই হামলায় একাধিক নিরাপত্তারক্ষী আহত হয়েছেন। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৪ জন নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ভয়াবহ হামলার ঘটনাগুলি ঘটেছে বালোচিস্তানে। গত কয়েক মাস ধরেই এই এলাকায় পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে। দফায় দফায় সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন। শনিবারও একযোগে একাধিক জায়গায় হামলা চালানো হয়। এখনও পর্যন্ত কোনও সংগঠন প্রকাশ্যে এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, কোয়েটা, গোদার, মাস্তুং, নুস্কি, দালবানদিন এবং পাঞ্জগুর-সহ বালোচিস্তানের একাধিক জেলায় একসঙ্গে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। হামলার পরই পাল্টা অভিযানে নামে পাকিস্তানের সেনা। সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ান-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা ৪৮ ঘণ্টা ধরে সন্ত্রাসদমন অভিযান চালিয়ে এখনও পর্যন্ত ১৩৩ জনের বেশি জঙ্গিকে খতম করেছে পাক সেনা। শুধু শনিবারেই নিহত হয়েছে অন্তত ৯২ জন সন্ত্রাসী।যদিও এই হামলার দায় বালোচ লিবারেশন আর্মি এখনও স্বীকার করেনি, তবে হামলার দিনেই একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ওই সংগঠন। সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পাকিস্তান সরকার ও সেনার বিরুদ্ধে সংঘর্ষে বন্দুক হাতে অংশ নিচ্ছেন মহিলারাও। এই ছবি নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

ভুল নাকি অপরাধ? গোমাংস কাণ্ডে অলি পাবের ক্ষমা চাওয়ায় প্রশ্ন

সায়ক চক্রবর্তীর গোমাংস বিতর্কে অবশেষে মুখ খুলল পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। পাঁঠার মাংসের বদলে গোমাংস পরিবেশনের অভিযোগে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার দায়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায় তীব্র বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে এই ঐতিহ্যবাহী পাব। রবিবার সোশাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতি জারি করে রেস্তরাঁর তরফে জানানো হয়েছে, এটি একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। এই ঘটনার জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।অলি পাবের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ৩০ জানুয়ারি রাতে রেস্তরাঁর এক কর্মী ভুলবশত একটি গুরুতর ভুল করে ফেলেন। কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। ওই কর্মীর ভুলের জন্য রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ ক্ষমা চেয়েছে এবং জানিয়েছে, অনিচ্ছাকৃতভাবে ক্রেতার ভাবাবেগে আঘাত লাগায় তারা গভীরভাবে দুঃখিত।এদিকে সায়ক চক্রবর্তীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার পুলিশ অলি পাবের বেয়ারা শেখ নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। এই গ্রেপ্তারি ঘিরে শহরজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। একাংশ ওই কর্মীর পাশে দাঁড়ান, আবার অনেকে সেলেব ইনফ্লুয়েন্সারের বিরুদ্ধে রেস্তরাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার অভিযোগ তোলেন। সোশাল মিডিয়ায় প্রশ্ন উঠতে থাকে, ভুল খাবার পরিবেশন করা কি অপরাধ, না কি কর্মীর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে বিষয়টিকে অন্য খাতে বইয়ে দেওয়া হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে অলি পাবের তরফে জানানো হয়, জাতি, ধর্ম বা বর্ণ নির্বিশেষে সকলের প্রতি সম্মানের ভিত্তিতেই রেস্তরাঁটি পরিচালিত হয়। আট দশকের ঐতিহ্য নিয়ে তারা গর্বিত বলেও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে রেস্তরাঁর সমস্ত কর্মী ও সহযোগীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার বার্তাও দেওয়া হয়।এর মাঝেই গুজব ছড়ায় যে এই ঘটনার জেরে অলি পাব বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেই খবরে বহু নিয়মিত অতিথির মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। তবে রবিবারের বিবৃতিতে রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, অলি পাব বন্ধ হচ্ছে না। বরং এই কঠিন সময়ে যাঁরা পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আগের মতোই পরিষেবা চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।এদিকে শুক্রবার রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে পরপর ফেসবুক লাইভে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছিলেন সায়ক চক্রবর্তী। যদিও বর্তমানে সেই পোস্টগুলি আর পাওয়া যাচ্ছে না। জানা গিয়েছে, সেদিন রাতে সায়ক তাঁর দুই বন্ধু অনন্যা গুহ ও সুকান্ত কুণ্ডুর সঙ্গে অলি পাব যান। তাঁরা মাটন স্টেক অর্ডার করেছিলেন। খাবার পরিবেশনের পর প্রথমে খিদের চোটে বিষয়টি বুঝতে পারেননি তাঁরা। পরে টেবিলে আরও একটি স্টেক আসতেই সন্দেহ হয়।সায়কের দাবি, তাঁরা একটি মাত্র স্টেক অর্ডার করেছিলেন। কিন্তু বেয়ারা জানান, দুটি স্টেক অর্ডার করা হয়েছেএকটি মাটন এবং একটি বিফ। তখনই সায়ক প্রতিবাদ করেন। তাঁর কথায়, অজান্তে গরুর মাংস খাওয়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। বচসার মধ্যেই বেয়ারা স্বীকার করেন যে তিনি ভুল করেছেন। বিষয়টি নিয়ে রেস্তরাঁর মধ্যেই উত্তেজনা ছড়ায়। পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন সায়ক। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার ওই বেয়ারাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

গোমাংস বিতর্কে ইউটার্ন! বেয়ারার বিরুদ্ধে এফআইআর প্রত্যাহার সায়কের

রবিবার সোশাল মিডিয়ায় বিবৃতি জারি করে অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছে পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। তাদের বক্তব্যে জানানো হয়েছে, কোনও ক্রেতার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্য তাদের ছিল না। এই ক্ষমা প্রার্থনার কিছুক্ষণের মধ্যেই রেস্তরাঁ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিলেন অভিনেতা ও ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তী।অলি পাবের বিবৃতি প্রকাশের পরই সায়ক সোশাল মিডিয়ায় জানান, তিনি জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেন। তাঁর কথায়, তিনি জনগণের উপর নির্ভরশীল এবং মানুষ যা বলবেন, সেটাই তিনি মেনে নেবেন। সেই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি চাপের মুখেই নিজের অবস্থান বদল করলেন অভিনেতা।গত ২৪ ঘণ্টায় গোমাংস বিতর্ক ঘিরে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয় সোশাল মিডিয়ায়। ঘটনার সূত্রপাত একটি ভ্লগকে কেন্দ্র করে। সেই ভ্লগে রেস্তরাঁর এক বেয়ারার ধর্মীয় পরিচয় উল্লেখ করে মন্তব্য করায় সমালোচনার মুখে পড়েন সায়ক। পরে অলি পাব এবং ওই কর্মীর বিরুদ্ধে পার্ক স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের করেন তিনি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার সকালে গ্রেপ্তার হন রেস্তরাঁর কর্মী শেখ নাসির উদ্দিন। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৯৯ ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়। আদালতে তোলা হলেও শনিবার তিনি জামিন পাননি বলে খবর।এদিকে শনিবার রাতেই সায়কের বিরুদ্ধেও পার্ক স্ট্রিট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নাট্যব্যক্তিত্ব জয়রাজ ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ ছিল, সায়কের বক্তব্য থেকে দাঙ্গায় উসকানি দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠার মধ্যেই রবিবার অলি পাব প্রকাশ্যে ক্ষমা চায়। তার পরই সায়ক নিজে থেকে অভিযোগ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন।সায়ক চক্রবর্তী তাঁর পোস্টে লেখেন, অলি পাব শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চেয়েছে, তাই নতুন করে কোনও গল্প বানানোর প্রয়োজন নেই। তিনি স্বীকার করেন, রাগের মাথায় থানায় গিয়েছিলেন এবং সেই সময় তাঁর মাথা ঠিক ছিল না। তিনি জানান, তিনি কোনওদিন গোমাংস খাননি এবং ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকবেন। অলি পাব ও সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে করা অভিযোগ তিনি প্রত্যাহার করছেন বলেও স্পষ্ট করে দেন।অভিনেতা আরও লেখেন, রেস্তরাঁর ভুল নিয়ে তাঁর সমস্যা ছিল, কিন্তু তাঁর প্রতিক্রিয়াও হয়তো ভুল ছিল। সে জন্য তিনি দুঃখিত। ভবিষ্যতে ভ্লগ বা ইনস্টাগ্রাম কনটেন্ট বানাতে গিয়ে এই ধরনের বিতর্কে জড়াতে চান না বলেও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন, তাঁর হিন্দু-মুসলিম কোনও সমস্যা নেই। তিনি কেবল নিজের কিছু ব্যক্তিগত আচার মেনে চলতে চান। তাঁর কনটেন্ট আগেও মানুষের মধ্যে ঐক্যের কথা বলেছে, ভবিষ্যতেও বলবে। পুরো ঘটনায় অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আবারও দুঃখপ্রকাশ করেন সায়ক।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

বাজেট ২০২৬–এ পশ্চিমবঙ্গের প্রাপ্তি: মেট্রোতে জোরালো বিনিয়োগ, গতি পাচ্ছে ফ্রেট করিডর

কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ পশ্চিমবঙ্গের পরিকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিল কেন্দ্র সরকার। বিশেষ করে কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলের মেট্রো রেল প্রকল্পে অতিরিক্ত বিনিয়োগ এবং রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্য সম্ভাবনাকে চাঙ্গা করতে ফ্রেট করিডর সম্প্রসারণে বরাদ্দএই দুই ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি হয়েছে রাজ্যের।মেট্রো রেলে গতি, শহুরে যাত্রায় স্বস্তির আশ্বাসবাজেটে কলকাতা মেট্রোর একাধিক চলমান ও প্রস্তাবিত প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নিউ গড়িয়াএয়ারপোর্ট মেট্রো, জোকাএসপ্ল্যানেড লাইন এবং ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো করিডরের কাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।কেন্দ্রের দাবি, এই বিনিয়োগের ফলে শহরের যানজট কমবে, যাত্রার সময় বাঁচবে এবং পরিবেশবান্ধব গণপরিবহণ আরও জনপ্রিয় হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মেট্রো নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হলে কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর ২৪ পরগনার যাত্রীদেরও সরাসরি উপকার হবে।কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ কলকাতা মেট্রো সম্প্রসারণে ফের বড়সড় বিনিয়োগের ঘোষণা করল কেন্দ্র সরকার। শহর ও শহরতলির গণপরিবহণকে আরও গতিশীল করতে অরেঞ্জ লাইন, পার্পল লাইন ও গ্রিন লাইনের জন্য মোট ২,১৪১.১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই বরাদ্দকে পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহৎ শহুরে পরিবহণ বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।অরেঞ্জ লাইন: বিমানবন্দরের সঙ্গে সরাসরি সংযোগে জোরনিউ গড়িয়ানেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংযোগকারী অরেঞ্জ লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৭০৫.৫০ কোটি টাকা। এই অর্থ মূলত ভায়াডাক্ট নির্মাণ, স্টেশন অবকাঠামো, সিগন্যালিং ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার কাজে ব্যবহার করা হবে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে দক্ষিণ কলকাতা ও সল্টলেক-নিউ টাউনের সঙ্গে বিমানবন্দরের যাত্রা অনেকটাই সহজ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।পার্পল লাইন: জোকাএসপ্ল্যানেডে শহর-উপশহর সেতুবন্ধনজোকাএসপ্ল্যানেড পার্পল লাইনের জন্য সর্বাধিক বরাদ্দ৯০৬.৬০ কোটি টাকা। এই লাইনের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিম কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্রথমবারের মতো মেট্রো নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হবে। বাজেট বরাদ্দের বড় অংশ যাবে এলিভেটেড স্টেশন নির্মাণ, রোলিং স্টক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে। কেন্দ্রের দাবি, এই লাইনের কাজ দ্রুত শেষ হলে শহরের দক্ষিণ প্রান্তের যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতে বড় স্বস্তি মিলবে।গ্রিন লাইন: পূর্ব-পশ্চিম মেট্রোতে গতি ফেরানোর চেষ্টাপূর্ব-পশ্চিম মেট্রো করিডর বা গ্রিন লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৫২৯.০০ কোটি টাকা। হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর-৫ পর্যন্ত এই লাইন কলকাতার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইস্ট-ওয়েস্ট করিডর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বরাদ্দের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ অংশের প্রযুক্তিগত কাজ, স্টেশন ফিনিশিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।শহুরে পরিবহণে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবপরিবহণ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তিনটি লাইনে বিনিয়োগ শুধু যাত্রী সুবিধা বাড়াবে না, বরং যানজট ও দূষণ কমাতেও বড় ভূমিকা নেবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শহরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনবে এই মেট্রো প্রকল্পগুলি।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬২৭-এ অরেঞ্জ, পার্পল ও গ্রিন লাইনের জন্য ঘোষিত বরাদ্দ কলকাতা মেট্রোকে নতুন মাত্রা দিতে চলেছে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।ফ্রেট করিডর: শিল্প ও বাণিজ্যের নতুন দিগন্তবাজেট ২০২৬-এ পূর্ব ভারতের শিল্প সম্ভাবনাকে সামনে রেখে ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর (EDFC)-এর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সংযোগ আরও শক্ত করার ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যের শিল্পাঞ্চল, বন্দর ও লজিস্টিক হাবগুলিকে এই করিডরের সঙ্গে যুক্ত করতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।বিশেষ করে হলদিয়া বন্দর, দুর্গাপুরআসানসোল শিল্পাঞ্চল এবং কলকাতা বন্দরের সঙ্গে দ্রুত মাল পরিবহণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পরিবহণ খরচ কমবে, শিল্পে বিনিয়োগ বাড়বে এবং রাজ্যে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক তাৎপর্যবিশ্লেষকদের মতে, এই বাজেট বরাদ্দ শুধু পরিকাঠামো উন্নয়ন নয়, বরং পূর্ব ভারতের প্রবৃদ্ধিতে পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় আনার ইঙ্গিতও দিচ্ছে। যদিও রাজ্য সরকার আরও বেশি বরাদ্দের দাবি তুলতে পারে, তবু মেট্রো ও ফ্রেট করিডরএই দুই ক্ষেত্রে ঘোষণাকে রাজ্যের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬এ পশ্চিমবঙ্গের জন্য মেট্রো রেল ও ফ্রেট করিডর সংক্রান্ত বিনিয়োগ রাজ্যের শহুরে জীবনযাত্রা ও শিল্প-বাণিজ্যে নতুন গতি আনতে পারে বলেই আশা।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির ফাঁকে কেন্দ্রের বাজেট: স্বস্তি সীমিত, হতাশা বিস্তৃত

রবিবার সংসদে ২০২৬২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। টানা নবমবার বাজেট বক্তৃতা করলেন তিনি। নরেন্দ্র মোদী তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটি তাঁর সরকারের তৃতীয় পূর্ণাঙ্গ বাজেট। তবে বাজেট বক্তৃতা শেষ হতেই স্পষ্টপ্রত্যাশার পাহাড়ের তুলনায় প্রাপ্তি অনেকটাই খর্ব।বাজেট পেশের আগেই ব্যয় বরাদ্দ ও করছাড় ঘিরে সাধারণ মানুষ থেকে শিল্পমহলসর্বত্র উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ সংসদে ভাষণ শুরু করেন অর্থমন্ত্রী। তার আগে প্রথামাফিক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। কিন্তু বাজেট ঘোষণার পর ক্রমশ স্পষ্ট হয়, বড় কোনও চমক নেই।বিশেষ করে রাজ্যভিত্তিক বরাদ্দের ক্ষেত্রে বাংলা কার্যত ব্রাত্য। পরিকাঠামো, শিল্প বা বিশেষ প্রকল্পকোনও ক্ষেত্রেই রাজ্যের জন্য উল্লেখযোগ্য ঘোষণা শোনা যায়নি। করদাতাদের ক্ষেত্রেও হতাশা চোখে পড়ার মতো। আয়কর কাঠামোয় তেমন কোনও বড় পরিবর্তন বা অতিরিক্ত ছাড় ঘোষণা হয়নি।তবে সম্পূর্ণ হতাশার ছবি নয়। কিছু পণ্যে শুল্ক কমানোর ফলে দৈনন্দিন জীবনে সীমিত হলেও স্বস্তি মিলতে পারে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, বিমানের যন্ত্রাংশে শুল্ক কমানো হবে। এর ফলে বিমান সংক্রান্ত খরচ কমার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে মাইক্রোওভেনের যন্ত্রাংশ-সহ বেশ কিছু বৈদ্যুতিন পণ্যের উপর শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে, যা বাজারদরে প্রভাব ফেলতে পারে।স্বাস্থ্যক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ঘোষণা হিসেবে ১৭টি ক্যানসারের ওষুধে আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। পাশাপাশি ডায়াবেটিসের কিছু ওষুধও সস্তা হতে চলেছে। এতে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা খরচ কিছুটা কমবে বলেই আশা।পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও শুল্কছাড়ের ঘোষণা করা হয়েছে। বৈদ্যুতিন গাড়ির ব্যাটারি এবং সৌরশক্তিচালিত প্যানেলের দাম কমতে পারে। মোবাইল ফোন তৈরির কাঁচামালের উপর শুল্ক কমানোয় দেশীয় স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট সস্তা হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।চামড়াশিল্পকে উৎসাহ দিতে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত আমদানির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকার উচ্চ শুল্কের চাপে থাকা চামড়া রফতানিকারকদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তির খবর। পাশাপাশি বিদেশে পড়াশোনা ও ভ্রমণের খরচ কমার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, স্বস্তির পাশাপাশি চাপও বাড়ছে কিছু ক্ষেত্রে। বিলাসবহুল ঘড়ি এবং বিদেশি মদের উপর কর বাড়ানো হয়েছে। ফলে এই সব পণ্যের দাম আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে। কফি রোস্টিং ও ব্রিউইং মেশিনে ছাড় তুলে নেওয়ায় সেগুলিও আরও ব্যয়বহুল হতে পারে। পাশাপাশি কিছু সার, আমদানিকৃত টেলিভিশন সরঞ্জাম, ক্যামেরা এবং চিত্রগ্রহণ সংক্রান্ত যন্ত্রাংশের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।বাজেট বক্তৃতাজুড়ে আত্মনির্ভর ভারত ও বিকশিত ভারত-এর কথা বারবার উঠে এসেছে। অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার এবং ভোক্তাদের স্বস্তি দেওয়ার দাবি করেছে কেন্দ্র। কিন্তু অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বাস্তবে এই বাজেটে এমন কোনও যুগান্তকারী ঘোষণা নেই, যা সাধারণ মানুষের জীবনে বড় পরিবর্তন আনবে।সব মিলিয়ে, ২০২৬২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট সীমিত স্বস্তি দিলেও বৃহত্তর প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থএই মূল্যায়নই এখন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal