• ১২ চৈত্র ১৪৩২, বৃহস্পতি ২৬ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

খেলার দুনিয়া

খেলার দুনিয়া

‌হায়দরাবাদকে হারিয়ে চার নম্বরে উঠে এল এটিকে মোহনবাগান

হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে এটিকে মোহনবাগানের ম্যাচ ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জিতলেই প্রথম চারে উঠে আসার সুযোগ। সেই সুযোগ দারুণভাবে কাজে লাগাল সবুজমেরুণ শিবির। হায়দরাবাদ এফসিকে ২১ ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে দারুণভাবে টিকে রইল জুয়ান ফেরান্দোর দল। প্রায় প্রতি ম্যাচেই সুযোগ পেয়েছেন মনবীর সিং। অথচ দীর্ঘদিন গোল পাননি। তবুও এই স্ট্রাইকারের ওপর ভরসা হারাননি। রয় কৃষ্ণা, কিয়ান নাসিরির মতো স্ট্রাইকার থাকা সত্ত্বেও মনবীরের ওপর ভরসা রেখেছিলেন জুয়ান ফেরান্দো। কোচের আস্থার মর্যাদা দিলেন মনবীর। গোল করে দলকে দুর্দান্ত জয় এনে দিলেন। আইএসএলের শীর্ষে থাকা হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে লড়াইটা সহজ ছিল না এটিকে মোহনবাগানের। বিপক্ষে ছিলেন বার্থেলেমেউ ওগবেচের মতো স্ট্রাইকার। তা সত্ত্বেও গুটিয়ে থাকেনি সবুজমেরুণ ব্রিগেড। ম্যাচের শুরু থেকেই হায়দরাবাদ এফসির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। ১৮ মিনিটে এগিয়েও যেতে পারত এটিকে মোহনবাগান। লিস্টন কোলাসোর পাস থেকে বল পেয়ে গোল লক্ষ্য করে দুর্দান্ত শট নেন হুগো বোমাস। তাঁর সেই শট ততোধিক তৎপরতার সঙ্গে বাঁচিয়ে দেন হায়দরাবাদ গোলকিপার লক্ষীকান্ত কাট্টিমানি। ২৪ মিনিটে বার্থেলেমেউ ওগবেচের শট বাঁচিয়ে এটিকে মোহনবাগানের পতন রোধ করেন অমরিন্দার সিং। প্রথমার্ধে জুয়ান ফেরান্দোর দলের আধিপত্য বেশি থাকলেও হায়দরাবাদ এফসি গোল করার মতো সুযোগ বেশি পেয়েছিল। তবে কাজে লাগাতে পারেনি। প্রথমার্ধে ম্যাচের ফল ছিল গোলশূন্য। দ্বিতীয়ার্ধেও দুই দল আক্রমণাত্মক মেজাজে শুরু করেছিল। ৫১ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত হায়দরাবাদ এফসি। রোহিত দানুর শট বারে লেগে গোললাইনের সামনে পড়ে বেরিয়ে যায়। প্রতি আক্রমণে উঠে এসে ৫৬ মিনিটে এগিয়ে যায় এটিকে মোহনবাগান। ডেভিড উইলিয়ামসের কাছ থেকে অনেকটা এগিয়ে গিয়ে কোনাকুনি শটে দলকে এগিয়ে দেন লিস্টন কোলাসো। ৩ মিনিট পর ব্যবধান বাড়ায় এটিকে মোহনবাগান। জনি কাউকোর কাছ থেকে বল পেয়ে তিনি ২০ করেন। ৬৭ মিনিটে ব্যবধান কমায় হায়দরাবাদ এফসি। জোয়াও ভিক্টরের দুরপাল্লার শট এটিকে মোহনবাগান অমরিন্দার সিংয়ের হাত থেকে বেরিয়ে এলে সেই বল জালে ঠেলে দেন জোয়েল চিয়ানিস। সমতা ফেরানোর জন্য ম্যাচের শেষদিকে আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়ায় হায়দরাবাদ। সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি। হায়দরাবাদকে হারিয়ে ১৩ ম্যাচে ২৩ পয়েন্ট পেয়ে লিগ টেবিলে চতুর্থ স্থানে উঠে এল এটিকে মোহনবাগান।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

অনেক অপমান সহ্য করেছেন এসসি ইস্টবেঙ্গলে, বাতিল চিমাই ফুল ফোটাচ্ছেন

তাঁকে মাঠে দেখলেই লালহলুদ সমর্থকরা আতঙ্কিত হয়ে পড়তেন। আবার ড্যানিয়েল চিমা চুকুয়ামা কেন। ওন্য কোনও ফুটবলার ছিল না। লালহলুদ জার্সি গায়ে চূড়ান্ত ব্যর্থ। গোলের সামনে বল পেলেও তিন কাঠিতে পাঠাতে পারতেন না। অনেকেই বলাবলি করতেন চিমা নামের কলঙ্ক। এসসি ইস্টবেঙ্গলের সেই বাতিল চিমাই ফুল ফোটাচ্ছেন জামশেদপুর এফসির জার্সি গায়ে।উইলিস প্লাজাকে মনে আছে? লালহলুদ জার্সি গায়ে আই লিগে মাঠে নেমে প্রথম ম্যাচেই চমকে দিয়েছিলেন। তাঁর টাচ সকলের মন কেড়েছিল। দুএকটা ম্যাচ যেতে না যেতেই প্লাজাকে নিয়ে মোহভঙ্গ হয়েছিল। পরের মরশুমে প্লাজাকে দলে রাখেননি লালহলুদ কর্তারা। অথচ সেই প্লাজাই আই লিগে চার্চিল ব্রাদার্সের হয়ে পরে ফুট ফুটিয়েছিলেন। সেই অবস্থা ড্যানিয়েল চিমা চুকুয়ামারও।লালহলুদ জার্সি গায়ে এই মরশুমে একের পর এক ম্যাচে ব্যর্থতার পর কর্তারা চিমাকে রিলিজ দেন। হতাশায় ভারত ছেড়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন চিমা। দেশে রওনা আগের মুহূর্তে জামশেদপুর এফসিতে খেলার প্রস্তাব পান। জামশেদপুর এফসির প্রস্তাব পাওয়ার পর দ্বিতীয়বার ভাবেননি চিমা। দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত বদলে জামশেদপুরে সই করেন। চিমার জামশেদপুরের জার্সি বেছে নেওয়ার পেছনে লালহলুদে ব্যর্থতা। চিমা চেয়েছিলেন, নিজেকে প্রমাণ করতে। তাই ভারতেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর সেই সিদ্ধান্ত যে ভুল ছিল না, প্রমাণ করে দিয়েছেন। তিনি যে খারাপ ফুটবলার নন, এটাই প্রমাণ করার সবচেয়ে বেশি তাগিদ ছিল। নরওয়ের প্রথম ডিভিশন ক্লাব মোল্ড এফ কেতে চুটিয়ে খেলেছেন চিমা। ক্লাবকে চ্যাম্পিয়নও করেছিলেন। ২০১১ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত মোল্ডের কোচ ছিলেন ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের বর্তমান কোচ গানার সোলসজায়ের। তাঁর কোচিংয়ে খেলেছেন চিমা। ২০১৩ সালে মোল্ডের জার্সি গায়ে প্রথম ডিভিশনে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছিলেন চিমা। করেছিলেন ১৩ গোল। কেন লালহলুদ জার্সি গায়ে সাফল্য পাননি? তার ব্যাখাও দিয়েছেন চিমা। তিনি বলেন, যখন আমি ভারতে আসি, কোনও সমস্যা ছিল না। সবকিছুই ঠিকঠাক চলছিল। ক্লাবের খারাপ পারফরমেন্স আমার ওপর প্রভাব ফেলতে শুরু করে। নানারকম নেগেটিভ কথা বলা হত, আমাকে নিয়ে ট্রোল করা হত, এমনকি অপমানও সহ্য করতে হয়েছে। খারাপ সময়ে পরিবারকে পাশে পেয়েছিলেন চিমা। তিনি বলেন, দুঃসময়ে পরিবার আমার পাশে দাঁড়িয়েছিল। মানসিকভাবে আমাকে উজ্জীবিত করেছিল। না হলে এভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারতাম না। জামশেদপুর এফসি যে তাঁকে দলে নেবে, ভাবতেই পারেননি চিমা। তাঁর কথায়, জামশেদপুর এফসির মতো লিগ টেবলের ওপরের দিকে থাকা দল আমাকে নেবে, ভাবতেই পারিনি। ওদের প্রস্তাব পেয়ে আমি দারুণ খুশি হয়েছিলাম। আমার মধ্যে নিশ্চয় ওরা কিছু দেখেছিল, না হলে প্রস্তাব দিত না। এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নেমেই দলকে জিতিয়েছিলেন।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মহাবিপর্যয় লালহলুদের, সম্মানটুকুও হয়তো বাঁচবে না এসসি ইস্টবেঙ্গলের

এই এসসি ইস্টবেঙ্গলের ভবিষ্যত কী? ফুটবলাররা তো দূরের কথা, কর্তারাও জানেন না। হারতে হারতে একেবারে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে। ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই কবেই শেষ। সম্মানটুকুও হয়তো বাঁচবে না। ওড়িশা এফসি-র কাছে আবার হার। তবে প্রথম পর্বের মতো ৬ গোল হজম করতে হয়নি। এটাই যা রক্ষা। তবে ২-১ ব্যবধানে হেরে প্লে-অফের লড়াইয়ে ধুকতে থাকা ওড়িশা এফসি-কে নতুন করে অক্সিজেন জোগান দিল লাল-হলুদ। এই নিয়ে ১৬ ম্যাচের মধ্যে আটটিতে হারল এসসি ইস্টবেঙ্গল।ঢিমেতালে ম্যাচ শুরু করেছিল দুদল। আস্তে আস্তে ম্যাচের ওপর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় ওড়িশা। ২৩ মিনিটে এগিয়ে যায়। জাভি হার্নান্দেজ একের পর এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বক্সের ধার থেকে ফার পোস্টে পাস বাড়ান অরক্ষিত জোনাথাস ক্রিস্টিয়ানের লক্ষ্য করে। ছোট্ট টোকায় বল গোলে পাঠান জোনাথাস। প্রথম গোলের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ দায় ডিফেন্সের। কোনও ডিফেন্ডারই নিজেদের পজিশনে ছিলেন না। প্রথমার্ধে কয়েকবার গোলের কাছাকাছি পৌঁছলেও সমতা ফেরাতে পারেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। দ্বিতীয়ার্ধেও একই ছবি বজায় ছিল। প্রথমার্ধের প্রথম দশ মিনিট ছাড়া পুরোটাই খেলল ওড়িশা এফসি। একের পর এক আক্রমণ তুলে আনছিলেন জাভি-আইজ্যাকরা। প্রতি আক্রমণে এসে বিশ্বমানের গোল করে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে সমতায় ফেরায় অ্যান্তোনিও পেরোসেভিচ। ফ্রাঞ্জো পর্চের লব করে দেওয়া বল ধরে বাম পায়ের দুরন্ত প্লেসিং-এ দলকে সমতায় ফেরান পেরোসেভিচ। পেরোসেভিচের গোলের কিছু আগে ড্যারেন সিডোলের প্রায় ৪০ গজ দূর থেকে নেওয়া দুরন্ত ফ্রি-কিক অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ঠ হয়।পেরোসেভিচের গোলের মর্যাদা দিতে পারেনি ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণ। ৭৫ মিনিটে পাঁচ ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে জাভি হার্নান্ডেজের উদ্দেশ্যে বল বাড়ান জোনাথাস। সতীর্থের দেওয়া শট থেকে গোল করতে ভুল করেননি স্প্যানিশ মিডফিল্ডার। যদিও বলটি জালে জড়ানোর আগে লাল-হলুদের এক ফুটবলারের পায়ের চেটোয় লেগে দিক পরিবর্তন করে। এই ম্যাচে হেরে ১৬ ম্যাচ থেকে ১০ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবলের দশ নম্বরে থাকল এসসি ইস্টবেঙ্গল।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ওগবেচেকে আটকাতে পারবেন? কী বলছেন সবুজমেরুন কোচ জুয়ান ফেরান্দো

শেষ ৪ ম্যাচে ৩টিতে ড্র। ডার্বি জয়ের পরপর দুম্যাচে আটকে গিয়েছে এটিকে মোহনবাগান। ১২ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট পেয়ে এই মুহূর্তে লিগ টেবিলে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে সবুজমেরুন শিবির। মঙ্গলবার সামনে লিগ টেবিলের শীর্ষে থাকা হায়দরাবাদ এফসি। জিতলেই প্লে অফের দিকে অনেকটাই এগিয়ে যাবে এটিকে মোহনবাগান। কাজটা কিন্তু সহজ হবে না জুয়ান ফেরান্দোর দলের কাছে। কারণ সবুজমেরুন ডিফেন্সকে সামলাতে হবে এই আইএসএলের সবথেকে ভয়ঙ্কর স্ট্রাইকার বার্থেলেমিউ ওগবেচেকে। হায়দরাবাদ এফসি-র বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে এটিকে মোহনবাগানের কাছে স্বস্তির খবর ছোট সরিয়ে রয় কৃষ্ণার পুরো সুস্থ হয়ে ওঠা। তবে এই ম্যাচেও তাঁকে শুরু থেকে খেলানো হবে কিনা, তা নিশ্চিত নয়। আইএসএলের শুরু থেকেই রক্ষণ সমস্যায় ভুগছে এটিকে মোহনবাগান। সমস্যা মেটাতে সন্দেশ ঝিঙ্গানকে সই করিয়েছে। হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে সবুজমেরুন জার্সি গায়ে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু হতে চলেছে সন্দেশের। বার্থেলেমিউ ওগবেচেকে আটকানোই সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ এই অভিজ্ঞ ডিফেন্ডারের কাছে। এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো অবশ্য শুধু বার্থেলেমিউ ওগবেচেকে নিয়ে ভাবছেন না। তাঁর চিন্তা গোটা হায়দরাবাদ টিম। হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে জুয়ান ফেরান্দো বলেন, শুধু ওগবেচেকে আটকানোর পরিকল্পনা করলেই হবে না। ওদের দলে আরও ভাল ভাল ফুটবলার আছে। তাঁদের নিয়েও পরিকল্পনা করতে হবে। ওগবেচে দুর্দান্ত স্ট্রাইকার। সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। ওর পেছনে গোটা দল আছে। তাদের আটকাতে হবে। গোটা হায়দরাবাদ দলকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন জুয়ান ফেরান্দো। প্রথম পর্বের লড়াইয়ে শেষ মুহূর্তের গোলে জয় হাত ছাড়া হয়েছিল এটিকে মোহনবাগানের। এবার ৩ পয়েন্ট তুলতে মরিয়া।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বাকি ৫ ম্যাচে এসসি ইস্টবেঙ্গলের লক্ষ্য কী?‌ কঠিন কাজ করে চলেছেন রিভেরা

সোমবার আইএসএলে ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে খেলতে নামছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। লালহলুদ শিবির এখন লক্ষ্যভ্রষ্ট। সেমিফাইনালে খেলার সম্ভাবনা আগেই শেষ। আইএসএলের বাকি ম্যাচ সম্মান রক্ষার। সামনের মরশুমে তাঁদের কী হবে ফুটবলাররা নিজেরাও জানেন না। শুধু ভাল খেলে পরের মরশুমের জন্য নিজেদের জায়গা খোঁজা। এই পরিস্থিতিতে ফুটবলারদের মোটিভেট করা খুবই কঠিন। সেই কঠিন কাজটাই করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন লালহলুদ কোচ মারিও রিভেরা। যদিও রিভেরা মুখে বলছেন ফুটবলারদের উজ্জীবিত করার কিছু নেই। ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামাগ আগে এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ বলেন, ফুটবলাররা সবাই পেশাদার। জেতার জন্যই সব ম্যাচে মাঠে নামে। ভাল খেলে প্রমাণ করতে চায় ওরা কতটা যোগ্য। লিগ টেবিলে আমরা এই মুহূর্তে যে জায়গায় রয়েছি, সেখানে থাকার কথা নয়। জয়ের খিদে নিয়েই ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামবে ফুটবলাররা। ১৫ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে এই মুহূর্তে দশম স্থানে রয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। লালহলুদের একধাপ এগিয়ে আসার পেছনে কৃতিত্ব অবশ্য তাদের নয়। নর্থইস্ট ইউনাইটেড হেরে একাদশ স্থানে নেমে গেছে। তাও আবার ১ ম্যাচ বেশি খেলেছে। বাকি ৫ ম্যাচ জিতলে লিগ টেবিলে মাঝামাঝি জায়গায় পৌঁছবে এসসি ইস্টবেঙ্গল। সেসব কথা মাথায় রাখছেন না লালহলুদ কোচ রিভেরা। তিনি বলেন, লিগ টেবিলে কোথায় শেষ করব সেটা মাথায় রাখছি না। আপাতত আমাদের লক্ষ্য পরের ম্যাচ। একেকটা ম্যাচ ধরে এগোতে চাই। আপাতত লক্ষ্য ৩ পয়েন্ট। মরশুম শেষ হলে দেখা যাবে কত নম্বরে রয়েছি। আগের ম্যাচে চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে ১৫ মিনিটের মধ্যে ২ গোলে পিছিয়ে পড়েও পরে দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে এসেছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। চেন্নাইন ম্যাচের পারফরমেন্স আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে লালহলুদ শিবিরের। রিভেরা বলেন, চেন্নাইন ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে দল দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। ওই ম্যাচের পারফরমেন্স ফুটবলারদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। ওডিশার বিরুদ্ধে ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে মাঠে নামব।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌মাইলস্টোনের ম্যাচ জিতে স্মরণীয় করে রাখলেন রোহিত শর্মা

দেশের অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক হয়েছে আগেই। তবে সেটা টি২০ ক্রিকেটে। বিরাট কোহলিকে সরিয়ে একদিনের নেতৃত্ব পেয়েছেন গতবছর ডিসেম্বরে। চোটের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যেতে না পারায় একদিনের ক্রিকেটে অভিষেক হয়নি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দেশের হাজারতম একদিনের ম্যাচে অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক। মাইলস্টোনের ম্যাচ জিতে স্মরণীয় করে রাখলেন রোহিত শর্মা। একেবারে সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দিয়ে জেতালেন। মাইলস্টোনের ম্যাচে এদিন সবকিছুই রোহিতের পক্ষে গেছে। টসে জিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ব্যাট করতে পাঠান রোহিত। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে প্রথম ধাক্কা দেন মহম্মদ সিরাজ। তুলে নেন সাই হোপকে (৮)। এরপর দ্বাদশ ওভারে ৪ বলের ব্যবধানে ব্রেন্ডন কিং (১৩) ও ডোয়েন ব্রাভোকে (১৮)। তুলে নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেন ওয়াশিংটন সুন্দর। মিডল অর্ডারে ধস নামান যুজবেন্দ্র চাহাল। ২০ নম্বর ওভারে পরপর ২ বলে ফেরান নিকোলাস পুরান (১৮) ও অধিনায়ক কিয়েরণ পোলার্ডকে (০)। আকিল হোসেনকে (০) ফেরান প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। ৭৯ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেখান থেকে রুখে দাঁড়ান জেসন হোল্ডার ও ফ্যাবিয়ান অ্যালেন। দুজনে মিলে জুটিতে তোলেন ৭৮। স্পিনাররা সুবিধা করতে পারছেন না দেখে জুটি ভাঙতে রোহিত দ্বারস্থ হন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর। তিনি হোল্ডারকে (৫৭) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন। অ্যালেন করেন ২৯। ৪৩.৫ ওভারে ১৭৬ রানে গুটিয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।ভারতের যা ব্যাটিং শক্তি, ১৭৭ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না। দারুণ শুরু করেছিলেন রোহিত শর্মা ও ঈশান কিশান। ভারতের ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৮৪। রোহিত ও ঈশানই দলের জয়ের ভিত তৈরি করে দেন। ৫১ বলে ৬০ রান করে আলজেরি জোশেফের বলে এলবিডব্লিউ হন রোহিত। কোহলিও (৮) বেশিক্ষণ স্থায়ী হননি। ভাল শুরু করেও বড় রান করতে ব্যর্থ ঈশান কিশান। ৩৬ বলে ২৮ রান করে তিনি আউট হন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে রান আউট হন ঋষভ পন্থ (১১)। ১১৬ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। শেষ পর্যন্ত দলকে জয়ে এনে দেন সূর্যকুমার যাদব (অপরাজিত ৩৪) ও অভিষেককারী দীপক হুডা (অপরাজিত ২৬)। ২৮ ওভারে ১৭৮/৪ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌স্নায়ুচাপের লড়াইয়ে বাজিমাত, রবি–রাজের দাপটে ৫ বার বিশ্বসেরা ভারত

ম্যাচের অন্তিমলগ্ন পর্যন্ত টানটান উত্তেজনা। স্নায়ুচাপের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত বাজিমাত ভারতের। ইংল্যান্ডকে ৪ উইকেটে হারিয়ে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন যশ ধুল ব্রিগেড। এই নিয়ে ৫ বার বিশ্বসেরার তকমা ছিনিয়ে নিল ভারত। একটা সময় আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। ১৮৯ রান তাড়া করে জয় আসবে তো। কিন্তু অ্যান্টিগুয়ার স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে যেভাবে স্নায়ু চাপ ধরে রাখার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেন যশ ধুলরা, এককথায় অবিশ্বাস্য। আর ভারতকে বিশ্বকাপের বৈতরণী পার করার নায়ক হরিয়ানার বাঁহাতি ব্যাটার নিশান্ত সিন্ধু। ম্যাচের প্রথমার্ধ যদি রাজ বাওয়া ও রবি কুমারের হয়, দ্বিতীয়ার্ধটা অবশ্যই নিশান্ত সিন্ধুর। দুর্দান্ত হাফ সেঞ্চুরি করে ভারতে বিশ্বসেরার খেতাব এনে দিলেন। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় ওভারেই ইংল্যান্ড শিবিরকে ধাক্কা দেন রবি কুমার। দুরন্ত ইনসুইংয়ে তুলে নেন ওপেনার জ্যাকব বেথেলকে (২)। চতুর্থ ওভারে সবথেকে বড় ধাক্কা খায় ইংল্যান্ড। রবি কুমারের বল ব্যাটের ভেতরের কানায় লাগিয়ে বোল্ড হন টম প্রেস্ট (০)। অধিনায়ক টম প্রেস্টের দিকে তাকিয়ে ছিল ইংল্যান্ড। সেমিফাইনালে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে তাঁর চওড়া ব্যাট জিতিয়েছিল ইংল্যান্ডকে। ১৮ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ইংরেজরা। রবি কুমার, রাজ বাওয়াদের আঁটোসাঁটো বোলিংয়ে সেই চাপ থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি।২ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর পাল্টা আক্রমণ হানার চেষ্টা করছিলেন ইংল্যান্ডের অন্য ওপেনার জর্জ থমাস। চলতি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের মধ্যে তিনিই সবথেকে বেশি ধারাবাহিক। পরিবর্ত বোলার হিসেবে বল করতে এসে জর্জ থমাসকে তুলে নেন রাজ বাওয়া। ৩০ বলে ২৭ রান করে তিনি আউট হন। এক ওভার পরেই পররপর ২ বলে উইলিয়াম লাক্সটন (৪) ও জর্জ বেলকে (০) তুলে নেন রাজ। জেমস রেউয়ের সঙ্গে জুটি বেঁধে চাপ কাটানোর চেষ্টা করেন রেহান আমেদ। সেই রাজ বাওয়াই আবার জুটি ভাঙেন। ফেরান রেহানকে (১০)। এরপর অ্যালেক্স হর্টন (১০) সঙ্গ দেন জেমসকে। জুটিতে ওঠে ৩০। হর্টনকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন কৌশল তাম্বে। এরপর ইংল্যান্ডকে টেনে নিয়ে যান জেমস রেউ ও জেমস সেলস। দুজনে মিলে জুটিতে তোলেন ৯৩ রান। এই জুটিই ইংল্যান্ডে লড়াইয়ে ফেরায়। ৪৪ তম ওভারে বল করতে এসে জুটি ভাঙেন রবি কুমার। তাঁর বল বাউন্ডারির বাইরে পাঠাতে গিয়ে স্কোয়ার লেগে কৌশল তাম্বের হাতে ক্যাচ দেন জেমস রেউ। ১১৬ বলে ৯৫ রান করেন তিনি। জেমস রেউ যখন আউট হন ইংল্যান্ডের রান তখন ১৮৪। একই ওভারের চতুর্থ বলে থমাস অ্যাস্পিনোয়ালকে (০) তুলে নেন রবি কুমার। জোসুয়া বাইডনকে (১) ফিরিয়ে ইংল্যান্ডকে গুটিয়ে দেন রাজ বাওয়া। ৪৪.৫ ওভারে ১৮৯ রানে শেষ ইংল্যান্ড। রবি কুমার ৩৪ রানে ৪ উইকেট নেন, ৩১ রানে ৫ উইকেট নেন রাজ বাওয়া।ইংল্যান্ডের মতো ভারতেরও শুরুটা ভাল হয়নি। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই ফিরে যান ওপেনার অঙ্গকৃশ রঘুবংশী (০)। হার্নুর সিং ও শেখ রশিদ দলকে কিছুটা টানেন। হার্নুর (৪৬ বলে ২১) আউট হওয়ার পর ধৈর্যের পরীক্ষায় অবতীর্ণ হন রশিদ। তিনি ও অধিনায়ক যশ ধুল দারুণভাবে দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ৮৪ বলে ৫০ রান করে নিজের উইকেট উপহার দেন রশিদ। পরপরই আউট হন ধুল। ৩২ বলে ১৭ রান করে আউট হন ধুল। ৯৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। এরপরই মঞ্চে আবির্ভাব রাজ বাওয়া ও নিশান্ত সিন্ধুর। দুজনের ৬৭ রানের পার্টনারশিপ ভারতকে বিশ্বজয়ের দিয়ে এগিয়ে দেয়। ১৬৪ রানের মাথায় রাজ বাওয়া (৫৪ বলে ৩৫) আউট হওয়ার আবার চাপে পড়ে যায় ভারত। চাপ আরও বেড়ে যায় কৌশল তাম্বে (১) দ্রুত ফেরায়। শেষ পর্যন্ত ৫৪ বলে ৫০ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন নিশান্ত সিন্ধু। ৪৭.৪ ওভারে ১৯৫ রান তুলে বিশ্বসেরার মুকুট ছিনিয়ে নেয় ভারত।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রবি–রাজের দাপটে বিশ্বজয়ের স্বপ্ন ভারতের

অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে বরাবরই আধিপত্য দেখিয়ে এসেছে ভারত। এই বিশ্বকাপের আগে ৭ বার ফাইনালে উঠে ৪ বার চ্যাম্পিয়ন। যশ ধুলদের সামনে ছিল পঞ্চমবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার হাতছানি। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দারুণভাবে জ্বলে উঠল ভারত। রাজ বাওয়ার দাপটে বড় রান করতে ব্যর্থ ইংল্যান্ড। ৪৪.৫ ওভারে গুটিয়ে যায়। রাজ বাওয়া নেন ৫ উইকেট, রবি কুমার নেন ৪ উইকেট।ফাইনালে ছিল সেয়ানে সেয়ানে লড়াই। প্রতিযোগিতায় একটা ম্যাচেও যেমন না হেরে ফাইনালে উঠে এসেছিল ভারত, ইংল্যান্ডও অপরাজিত তকমা নিয়ে ফাইনালে উঠে এসেছিল। মনে হচ্ছিল দারুণ জমে উঠবে ফাইনাল। কিন্তু ভারতীয় বোলারদের দাপটে একেবারেই সুবিধা করতে পারল না ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় ওভারেই যে ধাক্কা খেয়েছিল, সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি।অ্যান্টিগুয়ার স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। দ্বিতীয় ওভারেই ইংল্যান্ড শিবিরকে ধাক্কা দেন রবি কুমার। দুরন্ত ইনসুইংয়ে তুলে নেন ওপেনার জ্যাকব বেথেলকে (২)। চতুর্থ ওভারে সবথেকে বড় ধাক্কা খায় ইংল্যান্ড। রবি কুমারের বল ব্যাটের ভেতরের কানায় লাগিয়ে বোল্ড হন টম প্রেস্ট (০)। অধিনায়ক টম প্রেস্টের দিকে তাকিয়ে ছিল ইংল্যান্ড। সেমিফাইনালে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে তাঁর চওড়া ব্যাট জিতিয়েছিল ইংল্যান্ডকে। ১৮ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ইংরেজরা। রবি কুমার, রাজ বাওয়াদের আঁটোসাঁটো বোলিংয়ে সেই চাপ থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি।২ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর পাল্টা আক্রমণ হানার চেষ্টা করছিলেন ইংল্যান্ডের অন্য ওপেনার জর্জ থমাস। চলতি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের মধ্যে তিনিই সবথেকে বেশি ধারাবাহিক। পরিবর্ত বোলার হিসেবে বল করতে এসে জর্জ থমাসকে তুলে নেন রাজ বাওয়া। ৩০ বলে ২৭ রান করে তিনি আউট হন। এক ওভার পরেই পররপর ২ বলে উইলিয়াম লাক্সটন (৪) ও জর্জ বেলকে (০) তুলে নেন রাজ। জেমস রেউয়ের সঙ্গে জুটি বেঁধে চাপ কাটানোর চেষ্টা করেন রেহান আমেদ। সেই রাজ বাওয়াই আবার জুটি ভাঙেন। ফেরান রেহানকে (১০)। এরপর অ্যালেক্স হর্টন (১০) সঙ্গ দেন জেমসকে। জুটিতে ওঠে ৩০। হর্টনকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন কৌশল তাম্বে। এরপর ইংল্যান্ডকে টেনে নিয়ে যান জেমস রেউ ও জেমস সেলস। দুজনে মিলে জুটিতে তোলেন ৯৩ রান। এই জুটিই ইংল্যান্ডে লড়াইয়ে ফেরায়। ৪৪ তম ওভারে বল করতে এসে জুটি ভাঙেন রবি কুমার। তাঁর বল বাউন্ডারির বাইরে পাঠাতে গিয়ে স্কোয়ার লেগে কৌশল তাম্বের হাতে ক্যাচ দেন জেমস রেউ। ১১৬ বলে ৯৫ রান করেন তিনি। জেমস রেউ যখন আউট হন ইংল্যান্ডের রান তখন ১৮৪। একই ওভারের চতুর্থ বলে থমাস অ্যাস্পিনোয়ালকে (০) তুলে নেন রবি কুমার। জোসুয়া বাইডনকে (১) ফিরিয়ে ইংল্যান্ডকে গুটিয়ে দেন রাজ বাওয়া। ৪৪.৫ ওভারে ১৮৯ রানে শেষ ইংল্যান্ড। রবি কুমার ৩৪ রানে ৪ উইকেট নেন, ৩১ রানে ৫ উইকেট নেন রাজ বাওয়া।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌কোহলির পথ অনুসরণ করবেন?‌ সন্ধিক্ষণের মুখে রোহিত ও ভারত

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে রবিবার একদিনের সিরিজ খেলতে নামছে ভারত। ভারতের কাছে এটি হাজারতম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। একদিকে ভারত যেমন সন্ধিক্ষণের মুখে দাঁড়িয়ে, তেমনি সন্ধিক্ষণের মুখে দাঁড়িয়ে অধিনায়ক রোহিত শর্মাও। এই প্রথম দেশকে একদিনের ক্রিকেটে নেতৃত্ব দিতে নামবেন। নতুন অধিনায়ক জানিয়ে দিয়েছেন, বিরাট কোহলির পথ অনুসরণ করেই তিনি দেশকে নেতৃত্ব দেবেন।গত বছর ডিসেম্বরেই একদিনের ক্রিকেটে তাঁকে নেতা হিসেবে বেছে নিয়েছেন নির্বাচকরা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজে একদিনের ক্রিকেটে অভিষেক হয়ে যেত নেতা রোহিতের। কিন্তু হ্যামস্ট্রিংয়ে চোটের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যেতে পারেননি। তাঁর জায়গায় দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন লোকেশ রাহুল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সিরিজে অধিনায়কের আর্ম ব্যান্ড হাতে মাঠে নামবেন রোহিত।আমেদাবাদে সিরিজের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগে রোহিত বলেন, কোহলি অধিনায়ক থাকার সময় আমি সহঅধিনায়ক ছিলাম। কোহলির দেখানো পথেই দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। অধিনায়ক হয়েই যে আমি সবকিছু বদলে দেব, এমন ভাবার প্রয়োজন নেই। পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলায় পরিবর্তন হতেই পারে। কোন ক্রিকেটারের কাছ থেকে দল কী প্রত্যাশা করছে, সে ব্যাপারে সবাই যাতে সুস্পষ্ট ধারণা পায়, সেটা নিশ্চিত করব। দলের সবাই নিজেদের দায়িত্ব সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। দলের একটা কাঠামো রয়েছে, সেই অনুযায়ীই আমরা খেলব।ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগে ব্যাটিং নিয়ে চিন্তায় ভারতীয় দল। করোনার জন্য শিখর ধাওয়ান, ঋতুরাজ গায়কোয়াড়, শ্রেয়স আয়ারকে পাবে না ভারত। মায়াঙ্ক আগরওয়ালও রয়েছেন কোয়ারেন্টিনে। বোনের বিয়ের জন্য লোকেশ রাহুলও প্রথম ম্যাচে নেই। ব্যাকআপ হিসেবে ডাকা হয়েছে ঈশান কিশান ও শাহরুখ খানকে। প্রথম ম্যাচে রোহিতের সঙ্গে ওপেন করবেন ঈশান কিশান। মোতেরায় মাঠে নামার আগে খোলসা করে দিয়েছেন রোহিত।ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে বোলিং কম্বিনেশনে পরিবর্তন হচ্ছে। দীর্ঘদিন পর আবার দেখা যাবে কুলচা জুটি। যুজবেন্দ্র চাহালের সঙ্গে কুলদীপ যাদবকে খেলানোর কথা সাংবাদিক সম্মেলনে বলে গেছেন রোহিত। যশপ্রীত বুমরা ও মহম্মদ সামিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সিরিজে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। শার্দূল ঠাকুর, মহম্মদ সিরাজ, দীপক চাহারদের ওপর জোরে বোলিং সামলানোর দায়িত্ব। দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে অলরাউন্ডার হিসেবে ভেঙ্কটেশ আয়ারকে পরীক্ষা করা হয়েছিল। নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি ভেঙ্কটেশ। অলরাউন্ডার হিসেবে দীপক হুডা অথবা ওয়াশিংটন সুন্দরকে খেলানো হতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌৫ বার বিশ্বজয়ের সামনে দাঁড়িয়ে ভারত, কোহলির বার্তায় কতটা উদ্বুদ্ধ যশরা?‌

গত বিশ্বকাপে ফাইনালে উঠেও অল্পের জন্য শেষরক্ষা হয়নি। বাংলাদেশের কাছে ফাইনালে ডাকওয়ার্থলুইস নিয়মে হেরে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়নের স্বপ্ন চুরমার হয়ে গিয়েছিল। এবার আবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার হাতছানি ভারতের সামনে। যশ ধুল কি পারবেন মহম্মদ কাইফ, বিরাট কোহলি, উন্মুক্ত চাঁদ, পৃথ্বী শদের কৃতিত্ব স্পর্শ করতে? ফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারাতে পারলেই কাইফ, কোহলিদের সঙ্গে একাসনে বসবেন যশ ধুল। ২০২২র আগে ৭ বার অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছিল ভারত। ৪ বার চ্যাম্পিয়ন। অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে ভারতের মতো চমকপ্রদ পারফরমেন্স আর কোনও দলের নেই। এবার সামনে ৫ বার বিশ্বকাপ জয়ের হাতছানি। দেশকে আবার বিশ্বসেরা করার দায়িত্ব যশ ধুল, শেখ রশিদ, ভিকি অস্তোয়াল, রবি কুমারদের সামনে। ইতিমধ্যেই একটা অনন্য কৃতিত্ব অর্জন করে ফেলেছে ভারতীয় দল। টানা ৩ বার ফাইনালে ওঠা। ভারতের আগে কোনও দল এই কৃতিত্ব অর্জন করতে পারেনি। ফাইনালে ওঠার পথে একটা ম্যাচও হারেনি ভারত। ফাইনালে ভারতের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ডের পরিসংখ্যানও একই। প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই ভারতের মতো দুর্দান্ত ধারাবাহিকতা দেখিয়ে এসেছে ইংল্যান্ড। ফাইনালে ভারত তাকিয়ে অধিনায়ক যশ ধুল ও সহঅধিনায়ক শেখ রশিদের ব্যাটের দিকে। সেমিফাইনালে দুর্দান্ত ব্যাটিং করে ভারতের জয়ের ভিত তৈরি করে দিয়েছিলেন এই দুই ব্যাটার। করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ফিরে এসে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছিলেন যশ ও রশিদ। পরে বল হাতে দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন ভিকি অস্তোয়াল ও নিশান্ত সিন্ধু। জোরে বোলার রবি কুমার ও রাজ্যবর্ধন হাঙ্গারগেকরও দাপটের সঙ্গে বোলিং করছেন। তবে ফাইনালে নামার আগে ভারতীয় দলকে চিন্তায় রেখেছে দুই ওপেনার হার্নুর সিং ও অঙ্গকৃশ রঘুবংশীর ফর্ম। ফাইনালে ভারতের লড়াই অবশ্য সহজ হবে না। প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ডও প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই দারুণ ধারাবাহিকতা দেখিয়ে এসেছে। ব্যাটিংয়ে বড় ভরসা অধিনায়ক টম প্রেস্ট। বাঁহাতি জোরে বোলার জোসুয়া বাইডেন ১৩ উইকেট নিয়ে চমক দিয়েছেন। রেহান আমেদের স্পিনও ভারতকে সমস্যায় ফেলতে পারে। সব মিলিয়ে ফাইনালে যে জোরদার লড়াই হবে, সেকথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়। তবে ফাইনালে আগে যশ ধুলদের বড় প্রাপ্তি বিরাট কোহলির ভিডিও বার্তা। ভিডিও বার্তায় কোহলি নিজের বিশ্বকাপ জেতার অভিজ্ঞতা যেমন শেয়ার করেছেন, তেমনই উদ্বুদ্ধ করেছেন যশ ধুলদের।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌দল নির্বাচনী বৈঠকে ছিলেন?‌ মারাত্মক অভিযোগ নিয়ে কী বললেন সৌরভ গাঙ্গুলি

কয়েকদিন আগেই তাঁর বিরুদ্ধে নিয়ম বহির্ভূতভাবে ভারতীয় দল নির্বাচনী বৈঠকে হাজির থাকার অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। পরিস্কার তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, এই ধরণের অভিযোগকে গুরুত্ব দেওয়ার কোনও দরকার নেই। এই ব্যাপারে কারও কাছে তিনি জবাবদিহি করার প্রয়োজন মনে করছেন না ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সৌরভ গাঙ্গুলি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা ছবি দেখছি, আমি নাকি ভারতীয় দল নির্বাচনের বৈঠকে রয়েছি। যে ছবিটা ভাইরাল হয়েছে, ওটা ভারতীয় দল নির্বাচনের বৈঠকেরই নয়। ওই ছবিতে যুগ্মসচিব জয়েশ জর্জ রয়েছে। ওর তো দল নির্বাচনী বৈঠকে থাকারই কথা নয়। বোর্ড প্রেসিডেন্টের চেয়ারে বসার আগে আমি দেশের হয়ে ৪২৪টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছি। ফলে আমার কী করা উচিত আর কী করা উচিত নয়, সেটা খুব ভালভাবে জানি। ইদানিং একটা কথা শোনা যাচ্ছে, বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির সঙ্গে বোর্ড সচিব জয় শাহর দূরত্ব বেড়েছে। এই গুজব উড়িয়ে দিয়েছেন সৌরভ। তিনি বলেন, এইসব কারা রটাচ্ছে জানি না। জয় শাহ, অরুণ ধুমল, জয়েশ জর্জের সঙ্গে তো দারুণ কাজ করছি। আমাদের মধ্যে তো কোনও সমস্যা নেই। এসব রটনা। ভারতওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ যে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে হবে, সেকথাও পরিস্কার করে দিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, আমেদাবাদে তিনটি একদিনের ম্যাচ দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে হবে। ইডেনে টি২০ সিরিজেও দর্শকরা মাঠে ঢুকতে পারবেন না। সাধারণ দর্শকদের জন্য কোনও টিকিট বিক্রি করা হবে না। সিএবির কর্তারা ও সিএবি অনুমোদিত সংস্থার প্রতিনিধিরাই শুধু ইডেনে ঢুকতে পারবেন। এদিকে, ভারতশ্রীলঙ্কা টেস্ট সিরিজ যে পিছিয়ে যাচ্ছে, সেকথা স্পষ্ট করে দিয়েছেন সৌরভ। তিনি বলেন, আগে টি২০ সিরিজ হবে। তারপর টেস্ট সিরিজ। তাই টেস্ট সিরিজ পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে। শ্রীলঙ্কা সিরিজের আগেই টেস্ট দলের অধিনায়ক বেছে নেওয়া হবে বলে জানান সৌরভ।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডার্বির নায়ক সুযোগ পেলেন মাত্র ৫ মিনিট!‌ বদলা নিতে ব্যর্থ সবুজমেরুণ

এটিকে মোহনবাগানের কাছে মুম্বই সিটি এফসি যেন শক্ত গাঁট হয়ে দাঁড়িয়েছে। আইএসএলে মুম্বই সিটির বিরুদ্ধে এখনও জয় নেই সবুজমেরুণ শিবিরের। এবছর প্রথম পর্বের ম্যাচে ৫১ ব্যবধানে বিধ্বস্ত হয়েছিল এটিকে মোহনবাগান। ডার্বি জয়ের পর সমর্থকরা আশা করেছিলেন দ্বিতীয় পর্বের ম্যাচে হয়তো মধুর প্রতিশোধ নেমেন হুগো বোমাসরা। মুম্বই সিটি এফসিকে হারানোর স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে গেল জুয়ান ফেরান্দোর দলের কাছে। ড্র করে কোনও রকম মান বাঁচাল এটিকে মোহনবাগান। ম্যাচের ফল ১১। ম্যাচের আগের দিনই জুয়ান ফেরান্দো ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ডার্বির নায়ক কিয়ান নাসিরিকে শুরু থেকে মাঠে নামাবেন না। এমনকি পুরো ফিট হয়ে যাওয়া রয় কৃষ্ণাকেও মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে রাখেননি। ডেভিড উইলিয়ামসকে একা সামনে রেখে ৪২৩১ ছকে দল সাজিয়েছিলেন জুয়ান ফেরান্দো। উইলিয়ামসের পেছনে মনবীর সিং, হুগো বোমাস ও লিস্টন কোলাসো। সবুজমেরুণ কোচের লক্ষ্য ছিল শুরু থেকে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে গোল তুলে নেওয়া। লক্ষ্যে সফলও হয়েছিলেন। ম্যাচের ৯ মিনিটে এগিয়েও যায় এটিকে মোহনবাগান। আমেদ জাহুর ভুল পাস থেকে বল পেয়ে যান হুগো বোমাস। জাহু মরিয়া হয়ে ট্যাকেল করেন বোমাসকে। বল ছিটকে চলে যায় ডেভিড উইলিয়ামসের কাছে। গড়ানো শটে এটিকে মোহনবাগানকে এগিয়ে দেন উইলিয়ামস। পিছিয়ে পড়ে মরিয়া হয়ে ওঠে মুম্বই সিটি এফসি। এই সময় ছন্দ হারিয়ে ফেলেন হুগো বোমাসরা। সেই সুযোগে ২৪ মিনিটে সমতা ফেরায় মুম্বই সিটি এফসি। যদিও তারা গোল পায় প্রীতম কোটালের বদান্যতায়। ২৪ মিনিটে বিপিন এটিকে মোহনবাগান গোল লক্ষ্য করে লম্বা শট নেন। প্রীতম হেডে বল বিপদমুক্ত করতে গিয়ে নিজেদের জালে পাঠিয়ে দেন। ৩৬ মিনিটে উইলিয়ামসের হেড পোস্টে না লাগলে এগিয়ে যেতে পারত এটিকে মোহনবাগান। দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই গোল করার মতো তেমন সহজ সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। ম্যাচের ৮৫ মিনিটে আশুতোষের জায়গায় কিয়ানকে মাঠে নামান জুয়ান ফেরান্দো। এদিন আর সুপার সাব হতে পারেননি কিয়ান। ম্যাচ ড্র হওয়ায় দ্বিতীয় স্থানে উঠতে পারল না এটিকে মোহনবাগান। ১২ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট নিয়ে ৫ নম্বরেই থাকল সবুজমেরুণ ব্রিগেড।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

জেতার মানসিকতা নিয়ে দল গড়া হয়নি, কেন এমন বললেন লালহলুদের প্রাক্তনরা?‌

একসময় লালহলুদ জার্সি গায়ে ওরা ঘাম ঝড়িয়েছেন। লালহলুদের ব্যর্থতায় আজও ওদের প্রাণ কাঁদে। চলতি আইএসএলে দুরবীন দিয়ে খুঁজতে হচ্ছে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। ১৫ ম্যাচে মাত্র ১টিতে জয়। লিগ টেবিলে একেবারে শেষে। প্রিয় ক্লাবের ব্যর্থতায় যেমন হতাশ সদস্যসমর্থকরা, তেমনই হতাশ একসময় লালহলুদ জার্সি গায়ে মাঠে দাপিয়ে বেড়ানো প্রাক্তন ফুটবলাররা। কীভাবে ক্লাবের মর্যাদা ফিরিয়ে নিয়ে আসা যায়, সেই ব্যাপারে উদ্যোগী লালহলুদেপ প্রাক্তনরা। প্রায় বছরখানেক আগে প্রাক্তন ফুটবলাররা মিলে ১১ জনের একটা কমিটি তৈরি করেছিলেন ক্লাবকে পরামর্শ দেওয়ার জন্য। এই কমিটি ইস্টবেঙ্গল ক্লাব সচিব কল্যান মজুমদারকে একটি চিঠি দিয়েছিলেন। চিঠির উত্তর এখনও দেননি লালহলুদ সচিব। তাঁদের সেই চিঠির বক্তব্য বৃহস্পতিবার সংবাদ মাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন প্রাক্তন ফুটবলাররা। তাঁরা ক্লাবের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন। সেই উদ্বেগের কথাও প্রাক্তন ফুটবলাররা তুলে ধরেন। লালহলুদের ঘরের ছেলে হিসেবে পরিচিত মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য এদিন বলেন, ইস্টবেঙ্গল শুধু খেলার জন্য মাঠে নামে না, চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য নামে। অতীতে আমরা সব টূর্ণামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছি, এমন নয়। দলের মধ্যে জেতার মানসিকতা দরকার। জেতার মানসিকতা নিয়ে দল গড়তে হবে। এবছর শুধু অংশগ্রহনের মানসিকতা নিয়ে দল গড়া হয়েছে। লালহলুদের এই ব্যর্থতার জন্য কোচকে দায়ী করতে রাজি নন মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, একটা দলের ৭০৮০ শতাংশ সাফল্য নির্ভর করে ফুটবলারদের ওপর। এই এসসি ইস্টবেঙ্গলে সেই মানের ফুটবলার নেই। বিদেশিদের মানও যথেষ্ট খারাপ। দল গঠন ঠিক হয়নি। পরে যারা ক্লাবে লগ্নি করবে, তাদের কাছে অনুরোধ যেন জেতার মানসিকতা নিয়ে দল গড়া হয়। পরের মরশুমে প্রাক্তনদের পরামর্শ নিয়ে দল গড়ার কথাও বলেছেন মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য। প্রশান্ত ব্যানার্জি, বিকাশ পাঁজি, মেহতাব হোসেন, ভাস্কর গাঙ্গুলিদের মুখেও মনোরঞ্জনের কথার প্রতিধ্বনি। বিকাশ পাঁজি বলেন, ১০০ বছরের ইতিহাসে লালহলুদকে এইরকম খারাপ অবস্থার মধ্যে কখনও পড়তে হয়নি। জেতার মানসিকতা নিয়ে এবছর দল গড়া হয়নি। শ্রী সিমেন্ট ইস্টবেঙ্গলের সম্মান ধুলোয় মিশিয়েছে। প্রশান্ত ব্যানার্জি বলেন, এই খারাপ পারফরমেন্সের জন্য ক্লাবের সম্মান নষ্ট হচ্ছে। ক্লাব আমাদের দায়িত্ব দিক, সব বিষয়েই আমরা দায়িত্ব নেব। প্রাক্তন ফুটবলারদের আবেদন, ক্লাব নিজেদের ক্ষমতা অনুযায়ী দল গড়ে প্রতিযোগিতায় খেলুক, সেটা যে প্রতিযোগিতাতেই হোক না কেন। আইএসএল খেলার দরকার নেই।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌বেঙ্গালুরুতে কোহলির শততম টেস্ট খেলার ইচ্ছেপূরণে বাধা হতে চলেছে বোর্ড

প্রিয় মাঠ বেঙ্গালুরুর চিন্নস্বামী স্টেডিয়ামে কি জীবনের শততম টেস্ট খেলা হবে না বিরাট কোহলি? সেই সম্ভাবনাই ক্রমশ প্রবল হয়ে উঠছে। আর কোহলিকে বেঙ্গালুরুতে শততম টেস্ট খেলতে না দেওয়ার পেছনে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের ভুমিকা বড় হয়ে দাঁড়াতে চলেছে। অর্থাৎ বোর্ড কর্তারা ইচ্ছে করেই হয়তো বেঙ্গালুরুতে কোহলির আটকে দিতে পারেন। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে কোহলির সম্পর্ক একেবারেই ভাল নয়। বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির গায়ে যেভাবে মিথ্যাবাদী তকমা সাঁটিয়ে দিয়েছেন, তা ভালভাবে নেননি অন্য বোর্ড কর্তারা। যার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে কোহলিকে সরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে। দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে তিনটি টেস্টেই খেললে এতদিন শততম টেস্ট খেলা হয়ে যেত বিরাট কোহলির। কিন্তু জোহানেসবার্গে চোটের অজুহাতে দ্বিতীয় টেস্ট থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন কোহলি। জোহানেসবার্গে খেললে সেটাই হত কোহলির ৯৯ তম টেস্ট। পরে কেপ টাউনে সিরিজের শেষ টেস্টে খেলেন। ফলে ৯৯তম টেস্ট দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজেই খেলে ফেলেছেন। ভারতের পরবর্তী টেস্ট সিরিজ ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে। দুটি টেস্ট হবে বেঙ্গালুরু ও মোহালিতে। বেঙ্গালুরুতেই প্রথম টেস্ট হওয়ার কথা। আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের হয়ে খেলেন কোহলি। সেই সুবাদে বেঙ্গালুরু তাঁর ঘরে মাঠ। বেঙ্গালুরুতে প্রচুর সমর্থকও রয়েছে কোহলির। সেসব কথা মাথায় রেখে কোহলি চেয়েছিলেন বেঙ্গালুরুতে শততম টেস্ট খেলতে। তাই দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে পরিকল্পিতভাবে চোটের অজুহাতে দ্বিতীয় টেস্ট থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। ভারত ও শ্রীলঙ্কা সিরিজে তিনটি টি ২০ ম্যাচও হবে। টেস্ট সিরিজ শেষ হলে তিনটি টি ২০ ম্যাচ হওয়ার কথা মোহালি, ধরমশালা ও লখনউতে। যদিও এই সূচি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। দুটি টেস্ট বেঙ্গালুরু ও মোহালি। একটি টেস্ট দিনরাতের করার ব্যাপারে উদ্যোগী বোর্ড। কিন্তু মোহালিতে দিনরাতের টেস্ট আয়োজন করা সমস্যা। কারণ মোহালিতে সন্ধেবেলা খুব বেশি শিশির পড়ছে। তাই বেঙ্গালুরুতে গোলাপি বলের টেস্টের সম্ভাবনা বেশি। করোনার জন্য যাতায়াতের সুবিধার কথা মাথায় রেখে সূচিতে অদলবদল হতে পারে। বোর্ডের একটি সূত্র থেকে জানা গেছে, টি২০ সিরিজ শেষ করে তারপর টেস্ট সিরিজ হতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রথম দুটি টি২০ ম্যাচ ধরমশালায় খেলার পর দুটি দল মোহালি আসবে। সেখানে ১টি টি২০ ও ১টি টেস্ট ম্যাচ হতে পারে। তারপর দ্বিতীয় টেস্ট হতে পারে বেঙ্গালুরুতে। সেক্ষেত্রে বেঙ্গালুরুতে দিনরাতের টেস্ট হলেও কোহলিকে দর্শকহীন মোহালিতে শততম টেস্ট খেলতে হবে।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

যশ, রশিদদের দাপটে চূর্ণ অস্ট্রেলিয়া, বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারত

এভাবেও ফিরে আসা যায়! ভারতকে না দেখলে বিশ্বাস করা সত্যিই কঠিন। ২০২২ অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে প্রত্যাবর্তনের নায়ক হিসেবে ইতিহাসের খাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে অধিনায়ক যশ ধুল ও সহঅধিনায়ক শেখ রশিদের নাম। এই দুই ব্যাটারের দাপটে অস্ট্রেলিয়াকে ৯৬ রানে উড়িয়ে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারত। সামনে এবার ইংল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়ার দুই জোরে বোলার টম হুইটনি ও জ্যাক নিসবেটের দাপটে তখন থরহরিকম্প ভারতের দুই প্রারম্ভিক ব্যাটার অঙ্গকৃশ রঘুবংশী ও হার্নুর সিংয়ের। রান তোলাই কঠিন হয়ে পড়েছিল এই দুই ব্যাটারের কাছে। শুরু থেকে সতর্ক থাকলেও শেষরক্ষা করতে পারেননি অঙ্গকৃশ রঘুবংশী। ম্যাচের অষ্টম ওভারে উইলিয়াম স্যালজম্যানের দুরন্ত ডেলিভারিতে অঙ্গকৃশের (৩০ বলে ৬) অফস্টাম্প ছিটকে যাওয়ার পর বাইশ গজে আগমন শেখ রশিদের। ভারতের রান তখন ১৬। হার্নুর সিংও খুব একটা সপ্রতিভ ছিলেন না। জ্যাক নিসবেটের বলে মাত্র ১৬ রান করে সাজঘরের পথে পা বাড়ান হার্নুর।১২.৩ ওভারে ভারতের রান তখন ৩৭। এরপর মঞ্চে আবির্ভাব অধিনায়ক যশ ধুলের। বাকিটা ইতিহাস।WHAT. A. PERFORMANCE! 💪 👌India U19 beat Australia U19 by 9⃣6⃣ runs march into the #U19CWC 2022 Final. 👏 👏 #BoysInBlue #INDvAUSThis is India U19s 4th successive 8th overall appearance in the U19 World Cup finals. 🔝Scorecard ➡️ https://t.co/tpXk8p6Uw6 pic.twitter.com/tapbrYrIMg BCCI (@BCCI) February 2, 2022ক্রিজে নেমে শুরু থেকে সতর্ক ছিলেন রশিদ ও যশ। সময় যত গড়িয়েছে ততই চওড়া হয়েছে ভারতের এই দুই ব্যাটারের ব্যাট। শুরুর দিকে ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা হুইটনি ও নিসবেট, স্যালজম্যানদের ক্লাব স্তরে নামিয়ে নিয়ে আসেন রশিদ ও যশ ধুল। স্পিনের বিরুদ্ধে দারুণ স্বপ্রতিভ ছিলেন যশ। ব্যাকফুটে লেট কাটগুলো ছিল দেখার মতো। তৃতীয় উইকেটের জুটিতে ৩৩.২ ওভারে যশ ও রশিদ তোলেন ২০৪ রান। এতেই বড় রানের মঞ্চ তৈরি হয়ে যায় ভারতের। দুরন্ত সেঞ্চুরি করেন যশ ধুল। শেষপর্যন্ত ১১০ বলে ১১০ রান করে দুর্ভগ্যজনকভাবে রান আউট হয়ে ফিরে যান ভারতীয় দলের ক্যাপ্টেন। মাত্র ৬ রানের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া করেন রশিদ। ১০৮ বলে ৯৪ রান করে তিনি জ্যাক নিসবেটের বলে আউট হন। পরপর ২ বলে দুউইকেট হারালেও ভারতের বড় রানে পৌঁছতে অসুবিধা হয়নি। শেষপর্যন্ত ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৯০ রান তোলে ভারত।ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় ওভারেই টিগু উইলিকে (১) তুলে নেন রবি কুমার। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন ক্যাম্পবেল কেলাওয়ে ও কোরে মিলার। কোলে (৩০) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন ভিকি অস্তোয়াল। তবে অস্ট্রেলিয়াকে বড় ধাক্কা দেন নিশান্ত সিন্ধু। অধিনায়ক কুপার কনোলিকে (৩) তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে একেবারে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেন। ভিকি ও নিশান্তের দাপটে ভেঙে পড়ে অস্ট্রেলিয়ার মিডল অর্ডার। ১২৫ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে হারিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। সেখান থেকে ৪১.৫ ওভারে ১৯৪ রানে শেষ। একমাত্র লড়াই করেন লাচলান সাউ (৫১)। ভিকি অস্তোয়াল ৪২ রানে ৩টি, নিশান্ত সিন্ধু ২৫ রানে ২টি এবং রবি কুমার ৩৭ রানে ২টি উইকেট নেন।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আইএসএলের সেরা ম্যাচ খেলে চেন্নাইনকে আটকে দিল এসসি ইস্টবেঙ্গল

অতীতে ডার্বিতে হারের পর ঘুরে দাঁড়ানোর ইতিহাস লালহলুদের রয়েছে। চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে শুরুতে ২ গোলে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন এসসি ইস্টবেঙ্গলের। নামতের শেষ মুহূর্তের গোলে আইএসএলের সেরা ম্যাচ খেলে আটকে দিল চেন্নাইনকে। ম্যাচের ফল ২২।এসসি ইস্টবেঙ্গলের গোল খাওয়ার অভ্যাস কি যাবে না? আইএসএলের প্রথম ম্যাচ থেকেই প্রশ্নটা উঠেছিল। লালহলুদের ১৫ টা ম্যাচ খেলা হয়ে গেল। গোল খাওয়ার অভ্যাস এখনও কাটিয়ে উঠতে পারল না। চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে ১৪ ম্যাচে ২৮ গোল হজম করেছিল। এদিন আরও ২ গোল।শুরুতে গোল খেলে যে কোনও দলের মনোবল ভেঙে পড়তে বাধ্য। চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে সেটা অবশ্য হয়নি। ২ মিনিটেই প্রথম ধাক্কা খায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। জেরি লালরিনজুয়ালা বাঁদিক থেকে একটা সেন্টার করেছিলেন লালহলুদ বক্সে। সুহেল পাশা হেড করার জন্য লাফিয়েছিলেন। কিন্তু বলে মাথা ছোঁয়াতে পারেননি। সেই বল হীরা মণ্ডলের পায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে এসসি ইস্টবেঙ্গলের জালে জড়িয়ে যায়।চেন্নাইন এফসির দ্বিতীয় গোলের ক্ষেত্রেও সেই হীরা মণ্ডলের অবদান। ম্যাচের ১৪ মিনিটে তাঁর ভুল পাস ধরে নিনথোই মিতাই বাঁপায়ের দুরন্ত শটে চেন্নাইন এফসিকে ২০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। ১৪ মিনিটের মধ্যে ২ গোল হজম করেও হতদ্যোম হয়ে পড়েনি লালহলুদ শিবির। দারুণ লড়াই করছিল। ৪৪ মিনিটে ব্যবধান কমানোর সুযোগ পেয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। নওরেম মহেশ সিংয়ের ব্যাক সেন্টার দারুণ জায়গায় পেয়েও বাইরে হেড করেন মার্সেলো রিবেইরো।ম্যাচে ফেরার জন্য দ্বিতীয়ার্ধে মরিয়া হয়ে ওঠে। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে চেন্নাইন এফসির রক্ষণকে চাপে ফেলে দেন পেরোসেভিচ, মার্সেলো, মহেশ সিংরা। ৫৮ মিনিটে পেনাল্টি পেতে পারত এসসি ইস্টবেঙ্গল। রেফারি এড়িয়ে যান। ৬১ মিনিটে ফ্রিকিক থেকে বিশ্বমানের গোল করে ব্যবধান কমান ড্যারেন সিডোয়েল। বাকি সময় চেন্নাইনকে চাপে রাখে এসসি ইস্টবেঙ্গল। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে। অবশেষে দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ে সমতা ফেরায় লালহলুদ। কর্নার থেকে দুরন্ত হেডে গোল করেন নামতে। জয় নার হেড জালে জড়িয়ে যায়।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌আবার বিতর্কে সৌরভ গাঙ্গুলি?‌ ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ

বিরাট কোহলিকে একদিনের নেতৃত্ব থেকে সরানো নিয়ে বিতর্কে জনিয়েছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। আবার নতুন বিতর্কে জড়িয়ে পড়লেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট। যা নিয়ে উত্তাল ক্রিকেটমহল। তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়ে সৌরভ গাঙ্গুলির অবশ্য কোনও বিবৃতি পাওয়া যায়নি।কী এমন করেছেন সৌরভ গাঙ্গুলি যে তাঁকে নিয়ে আবার বিতর্ক তৈরি হয়েছে? এক্তিয়ার বহির্ভূতভাবে তিনি নাকি ভারতীয় দল নির্বাচনের বৈঠকে হাজির ছিলেন। সংবাদ মাধ্যমের এক প্রতিনিধির টুইটে এই ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। বোর্ড প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি কখনোই জাতীয় দল নির্বাচনের বৈঠকে থাকতে পারেন না। দল নির্বাচনের বৈঠকে আহ্বায়ক হিসেবে বোর্ড সচিব জয় শাহ থাকতে পারেন। কিন্তু বেশ কয়েকটা বৈঠকে সৌরভ গাঙ্গুলি নাকি হাজির ছিলেন।You know what else is problematic apart from the obvious Ganguly- Shah duo? The presence of Rohit Sharma.The day a leader decides to share power is the day he loses the room. So many news saying that dressing room is a divided house.Two lions never ruled a jungle together! https://t.co/dYhornzxAN Cricketjeevi (@wildcardgyan) February 1, 2022একটি সর্বভারতীয় টিভি চ্যানেল একটি অনুষ্ঠানে প্রশ্ন তুলেছে কোন নিয়মে সৌরভ গাঙ্গুলি দল নির্বাচনী বৈঠকে হাজির থাকেন। ওই অনুষ্ঠানে দাবি করা হয়, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সব নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সৌরভ গাঙ্গুলি দল নির্বাচনী বৈঠকে হাজির ছিলেন। সংবাদ মাধ্যমের অভিযোগ প্রসঙ্গে এখনও পর্যন্ত মুখ খোলেননি সৌরভ। এমনকি কোনও বোর্ড কর্তাও এই ব্যাপারে মন্তব্য করেননি। তবে অনেক কর্তা এই অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।টি২০ ক্রিকেটের নেতৃত্ব ছাড়া নিয়ে বিরাট কোহলি দাবি করেছিলেন, তিনি বোর্ড কর্তাদের জানিয়েই নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ান। পরে বোর্ড কর্তারা জানান, কোহলির নেতৃত্ব ছাড়া নিয়ে তাঁরা কিছু জানতেন না। এরপর একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে বিরাট কোহলিকে সরিয়ে দেন নির্বাচকরা। এরপরই কোহলিপ্রেমীরা সৌরভের অপসারণের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়ে ওঠেন।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মুম্বই সিটি–র বিরুদ্ধে বদলার ম্যাচ এটিকে মোহনবাগানের, কী বলছেন জুয়ান ফেরান্দো?‌

সোমবার মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে আইএসএলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলতে নামছে এটিকে মোহনবাগান। এই মুহূর্তে ১১ ম্যাচে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলে পঞ্চম স্থানে রয়েছে সবুজমেরুণ শিবির। জুয়ান ফেরান্দোর দলের সামনে চতুর্থ স্থানে উঠে আসার সুযোগ। সুযোগ কাজে লাগাতে মরিয়া এটিকে মোহনবাগান। মুম্বই সিটি এফসিকে হারালেই দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসার পাশাপাশি শীর্ষস্থানে থাকা হায়দরাবাদ এফসির সঙ্গে ব্যবধান অনেকটাই কমে আসবে। সেই দিকেই তাকিয়ে সবুজমেরুণ শিবির। এসসি ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে ডার্বিতে জয় আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে এটিকে মোহনবাগানের। সেই আত্মবিশ্বাসের ওপর ভর করে মুম্বই সিটি এফসিকে বদ করতে চাইছে জুয়ান ফেরান্দোর দল। আইএসএলের প্রথম পর্বে ৫১ ব্যবধানে বিধ্বস্ত হতে হয়েছিল এটিকে মোহনবাগানকে। এবার প্রতিশোধ নিতে মরিয়া সবুজমেরুণ শিবির। ডার্বিতে জয় আশাবাদী করে তুলেছে জু্য়ান ফেরান্দোর দলকে।আইএসএলে সবথেকে কম বয়সী ফুটবলার হিসেবে আগের ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে নজর কেড়েছেন কিয়ান নাসিরি। সবার নজর এখন ২১ বছর বয়সী স্ট্রাইকারের দিকে। রয় কৃষ্ণা, হুগো বোমাস, ডেভিড উইলিয়ামসের মতো বিদেশিদের ভিড়ে ফেরান্দো তাঁকে শুরু থেকেই মাঠে নামান কিনা, এখন সেটাই দেখার। তবে ডার্বিতে হ্যাটট্রিক মনোবল অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে জামশিদ নাসিরির পুত্র কিয়ান নাসিরির। গোটা সবুজমেরুণ শিবিরের আত্মবিশ্বাসও তুঙ্গে।মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে ডার্বিতে জয় মাথায় রাখছেন না এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। আইএসএলে এখনও পর্যন্ত মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে জয় পায়নি এটিকে মোহনবাগান। মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে পরিসংখ্যানও মাথায় রাখছেন না সবুজমেরুণ কোচ। তিনি বলেন, অতীত মাথায় রাখাটা জরুরি নয়। ফুটবলে কোনও কিছু নির্দিষ্ট নয়। প্রত্যেকটা ম্যাচই আলাদা। এবারের আইএসএলে ভাল শুরু করেও ছন্দপতন হয়েছে মুম্বইয়ের। ১২ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট পেয়ে এই মুহূর্তে লিগ টেবিলে এটিকে মোহনবাগানের ঠিক পরেই রয়েছে মু্ম্বই সিটি এফসি। তা সত্ত্বেও বিপক্ষ শিবিরকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন এটিকে মোহনবাগান কোচ।জুয়ান ফেরান্দোর দলকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন মুম্বই সিটি এফসি কোচ ডেস বাকিংহাম। এমনকি প্রথম পর্বের জয়ও মাথায় রাখছেন না। এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, আমি এই ম্যাচের দিকে তাকিয়ে রয়েছি। এটিকে মোহনবাগানকে হারালেই লিগ টেবিলে ওপরের দিকে উঠে আসব। প্রথম পর্বে যে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে খেলেছিলাম, সেই মোহনবাগানের সঙ্গে এই দলের অনেক পার্থক্য রয়েছে। আগের থেকে অনেকটাই সংঘবদ্ধ।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ভারতীয় ক্রিকেটে বাংলার রবির উদয়, চোখে বিশ্ব জয়ের স্বপ্ন

তিন বছর আগে বাংলার অনূর্ধ্ব ১৬ দলের ক্রিকেটারদের বয়স যাচাই প্রক্রিয়া চলছিল। হাড়ের পরীক্ষায় পাশ করতে পারেননি রবি কুমার। সেদিন হতাশায় ইডেন চত্বর ছেড়ে বাড়ি ফিরতে হয়েছিল। তবে ভেঙে পড়েননি। নতুন উদ্যমে আবার প্রস্তুতি শুরু করে দেন। অবশেষে বাংলার অনূর্ধ্ব ১৯ দলে সুযোগ। সেখান থেকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি বাংলার এই জোরে বোলারকে। একেবারে জাতীয় দল। অনূর্ধ্ব ১৯ এশিয়া কাপ খেলে বিশ্বকাপের আসরে।ওয়েস্ট ইন্ডিজে বিশ্বকাপের সুযোগ পেলেও প্রথম দিকে সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেননি। কোয়ার্টার ফাইনালে দুরন্ত বোলিং করে সকলের নজর কেড়েছেন রবি কুমার। তাঁর বিষাক্ত সুইংয়ে নাজেহাল হয়ে পড়েছিলেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। অ্যান্টিগুয়ার পরিবেশও সুবিধা করে দিয়েছিল রবি কুমারকে। তাঁর সুইংয়ে মুগ্ধ হয়েছিলেন স্বয়ং কার্লোস ব্রেথওয়েট। কমেন্ট্রি বক্সে বসে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছিলেন রবি কুমারকে।রবি কুমারের বাবা রাজেন্দ্র কুমার সিং আদতে উত্তর প্রদেশের বাসিন্দা। সিআরপিএফে চাকরি করতেন। চাকরীসূ্ত্রে তিনি কলকাতাতেই থাকতেন। কলকাতাতেই রবির জন্ম। পরে আলিগড়ে চলে যান। সেখানেই প্রথাগত ক্রিকেটে হাতেখড়ি রবি কুমারের। সেখান থেকেই তাঁর ছোট বেলার কোচ অরবিন্দ ভদ্বরাজ রবিকে কলকাতায় পাঠান ক্লাব ক্রিকেট খেলতে। কলকাতায় এসে কাকাকাকীমার কাছে থাকতেন। হাওড়া ইউনিয়নের হয়ে কলকাতা দ্বিতীয় ডিভিশন খেলে নজরে পড়েন। এরপর বালিগঞ্জ ইউনাইটেডে যোগ দেন। সেখানে কোচ হিসেবে পেয়েছিলেন অমিতাভ রায়কে। তারপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি রবি কুমারকে।সিএবির চ্যালেঞ্জার ট্রফিতে ভাল খেলে সুযোগ করে নেন বাংলার অনূর্ধ্ব ১৯ দলে। বাংলা দলে তাঁকে ঘষেমেজে তৈরি করে কোচ দেবাং গান্ধী ও বোলিং কোচ জয়ন্ত ঘোষ দস্তিদার। ছোট থেকেই হাতে সহজাত সুইং ছিল রবি কুমারের। কিন্তু হাতের পেশিতে খুব বেশি জোর ছিল না। অনূর্ধ্ব ১৯ বাংলা দলে রবি কুমারের পেশির শক্তি বাড়ানোর দিকে নজর দেন দেবাং গান্ধী। তবে বোলিং ভঙ্গী বদলানোর চেষ্টা করেননি।অস্ট্রেলিয়ার মিচেল স্টার্কের ভক্ত রবি কুমার। বালিগঞ্জ ইউনাইটেডেই হোক কিংবা বাংলার অনূর্ধ্ব ১৯ দলের অনুশীলনে, নেটে অনেকটা সময় একা একা বোলিং করতেন। কলকাতায় যখন অফ সিজন। চলে যেতেন আলিগড়ে। সেখানে অনুশীলন করতেন অরবিন্দ ভদ্বরাজের কাছে। মরশুম শুরু হলেই আবার কলকাতায় চলে আসতেন রবি কুমার। আলিগড়ে নেটে একটা উইকেট পুঁতে স্পট বোলিং প্র্যাকটিস করাতেন অরবিন্দ ভদ্বরাজ। এইভাবেই অনুশীলন করে লাইনলেংথে নিখুঁত হয়েছেন রবি কুমার। দেশকে সেমিফাইনালে তুলে রবির লক্ষ্য ফাইনাল। বিশ্বকাপ জিতে দেশে ফিরছেন, এখন এই স্বপ্নটাই দেখছেন বাংলার রবি।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ঘুরে দাঁড়াতে পারবে লালহলুদ?‌ কী বলছেন প্রাক্তন ফুটবলাররা

লালহলুদ সমর্থকরা তাকিয়ে ছিলেন ডার্বির দিকে। যদি এটিকে মোহনবাগানকে হারিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো যায়। স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে গেছে লালহলুদ সমর্থকদের কাছে। ডার্বিতে হেরে সম্মান তো গেছেই, ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্নও শেষ এসসি ইস্টবেঙ্গলের। সোমিফাইনালের রাস্তা আগেই বন্ধ হয়েছে। এবার ওপরের দিকে ওঠার রাস্তাও ফিকে হয়ে গেছে ডার্বিতে হেরে। প্রাক্তন ফুটবলাররাও লালহলুদের ঘুরে দাঁড়ানোর আশা দেখছেন না।প্রাক্তন ফুটবলার শ্যাম থাপা বলছিলেন, ডার্বির আগেই বলছিলাম, এসসি ইস্টবেঙ্গল জিতলে সেটা হবে বড় অঘটন। যাই হোক অঘটন ঘটেনি। তবে একটা কথা বলতেই হবে, ডার্বিতে এই আইএসএলের সেরা খেলাটা খেলেছে লালহলুদ। তিনি আরও বলেন, ডার্বিতে কিন্তু জেতার মতো ফুটবল খেলেছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। ভাগ্য সহায় না হওয়ায় গোল পায়নি। শেষ লগ্নে এটিকে মোহনবাগান গোল করে দিয়ে চলে যায়। তবে একটা কথা বলব, ডার্বিতে ভাল খেললেও এই ইস্টবেঙ্গলের ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা খুবই কম। হয়তো দুএকটা ম্যাচ জিততে পারে, কিন্তু খুব বেশি ওপরে উঠতে পারবে না। দলকে জেতানোর মতো কোয়ালিটি ফুটবলার এই দলে নেই।এসসি ইস্টবেঙ্গলের ঘুরে দাঁড়ানোর আশা দেখছেন না আর এক প্রাক্তন ফুটবলার সমরেশ চৌধুরিও। তিনি বলছিলেন, ডার্বিতে এসসি ইস্টবেঙ্গলের খেলা দেখে ভাল লেগেছে ঠিকই, কিন্তু ওপরের দিকে ওঠার সম্ভাবনা খুবই কম। এই বছর আইএসএলে ইস্টবেঙ্গলের সেরা খেলাটা ডার্বিতেই দেখেছি। কিন্তু গোল করতে না পারায় হারতে হয়েছে। প্রথমার্ধে পেরোসেভিচের গোলটা এবং দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি সময়ে নওরেম মহেশ সিংয়ের গোলটা হয়ে গেলে খেলার ফল অন্যরকম হয়ে যেত। কেন লালহলুদের ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা দেখছেন না? সমরেশ চৌধুরির ব্যাখ্যা, ডাটাচচ্চড়ির মশলা দিয়ে কি আর ভাল বিরিয়ানি রাঁধা যায়? এই এসসি ইস্টবেঙ্গলে তো দলকে জেতানোর মতো ফুটবলারই নেই। আমার মনে হয় না এই দল খুব বেশি ওপরের দিকে যেতে পারবে। বড় জোর দুএকটা ম্যাচ জিততে পারে।আর এক প্রাক্তন ফুটবলার মেহতাব হোসেন বলছিলেন, ডার্বিতে হারলেও এসসি ইস্টবেঙ্গল কিন্তু খুব একটা খারাপ ফুটবল খেলেনি। এই জায়গা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে হয়তো সম্মানজনক জায়গায় যেতে পারবে। কিন্তু বেশি ওপরের দিকে উঠতে পারবে না।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 31
  • ...
  • 67
  • 68
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ভোটার তালিকা থেকে উধাও নাম! নন্দীগ্রামে তৃণমূল নেতার স্ত্রীর নাম বাদে তুমুল বিতর্ক

সোমবার রাতে প্রকাশিত সম্পূরক ভোটার তালিকাকে ঘিরে নন্দীগ্রামে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সেই তালিকায় অযোগ্য হিসেবে দেখানো হয়েছে জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহ সভাধিপতি এবং তৃণমূল নেতা শেখ সুফিয়ানের স্ত্রী রহিমা বিবির নাম। প্রায় ষাট বছর বয়সী রহিমা বিবির নাম বাদ পড়ায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় মোট প্রায় আশি হাজার ভোটার যাচাইয়ের তালিকায় ছিলেন। তার মধ্যে প্রায় সত্তর হাজার ভোটারের নথি বিচারকরা পরীক্ষা করেছেন। এখনও সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশিত না হলেও, যাঁদের নাম যোগ্য বা অযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, তাদের নাম ধীরে ধীরে সামনে আসছে।এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শেখ সুফিয়ান। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর স্ত্রী ১৯৮৬ সাল থেকে ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত। তবুও তাঁর নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এখন এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ট্রাইবুনালে যাওয়া ছাড়া তাঁদের আর কোনও উপায় নেই বলে তিনি জানান।অন্যদিকে, বিজেপির পক্ষ থেকে এই অভিযোগকে কটাক্ষ করা হয়েছে। নন্দীগ্রামের এক বিজেপি নেতা বলেন, শুরু থেকেই এই প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করেছে তৃণমূল। এই ধরনের ভুলের জন্য কমিশন নয়, বরং স্থানীয় স্তরের কর্মীরাই দায়ী বলে দাবি করেন তিনি।এদিকে নন্দীগ্রাম এক নম্বর ব্লকের সংখ্যালঘু অধ্যুষিত মহম্মদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে ভোটার তালিকা নিয়ে আরও প্রশ্ন উঠেছে। সেখানে মোট ১৭টি বুথ থাকলেও কয়েকটি বুথের তথ্য এখনও অনলাইনে দেখা যাচ্ছে না। ফলে মনে করা হচ্ছে, সেই বুথগুলির যাচাই প্রক্রিয়া এখনও সম্পূর্ণ হয়নি।যে সব বুথের তথ্য পাওয়া গেছে, সেখানে বহু ভোটারের নাম বাদ পড়েছে বলে জানা যাচ্ছে। বিভিন্ন বুথে বিচারাধীন ভোটারদের মধ্যে অনেকের নাম বাতিল করা হয়েছে। কেন্দামারি, জালপাই, মহম্মদপুর, সামসাবাদ এবং দাউদপুরের মতো সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে এই ঘটনা বেশি ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠছে।সব মিলিয়ে ভোটার তালিকা নিয়ে নন্দীগ্রামে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বেড়েছে। এই বিষয়ে প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।

মার্চ ২৫, ২০২৬
রাজ্য

রামনবমীর মিছিল মানেই কড়া বিধি! নজরে ড্রোন, সর্বত্র পুলিশি ঘেরাটোপ

রামনবমীর শোভাযাত্রাকে ঘিরে কোনও রকম অশান্তি এড়াতে রাজ্যজুড়ে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার কলকাতা-সহ একাধিক জেলায় রামনবমীর মিছিল বের হবে। তার আগেই বুধবার নবান্ন থেকে ভিডিও বৈঠকের মাধ্যমে সমস্ত জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার এবং পুলিশ কমিশনারদের সঙ্গে আলোচনা করেন মুখ্যসচিব দুষ্যন্ত নারিয়ালা। উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।নবান্ন সূত্রে জানা গেছে, মিছিল যাতে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়, সেই জন্য পুলিশকে একাধিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাওড়া, চন্দননগর এবং ইসলামপুরের মতো এলাকাগুলিতে বাড়তি নজরদারি রাখা হবে। অতীতে এই সব এলাকায় মিছিলকে ঘিরে অশান্তির ঘটনা ঘটেছিল বলে প্রশাসন বিশেষ সতর্ক।সারা রাজ্যে প্রায় তিন হাজার পুলিশ মোতায়েন থাকবে। এর মধ্যে কলকাতায় থাকবে প্রায় এক হাজার পুলিশ। প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সাহায্যও নেওয়া হতে পারে। একইসঙ্গে উসকানিমূলক বার্তা বা পোস্ট ছড়ানো বন্ধ করতে সাইবার নজরদারিও চালানো হচ্ছে। ২৬ থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত এই বিশেষ নজরদারি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আদালতের নির্দেশ মেনেই মিছিল করতে হবে। কোনওভাবেই অস্ত্র নিয়ে শোভাযাত্রা করা যাবে না। নির্দিষ্ট সময় ও রুট মেনে মিছিল করতে হবে এবং কোনও মিছিলে পাঁচশোর বেশি মানুষ থাকতে পারবেন না। এই নিয়ম ভাঙলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নবান্নে একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষও খোলা থাকবে, সেখান থেকে গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হবে।কলকাতা পুলিশও বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছে। শহরে প্রায় ষাটটি মিছিল বের হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি বড় মিছিল শুরু হবে এন্টালি, পিকনিক গার্ডেন, সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, হেস্টিংস এবং কাশীপুর এলাকা থেকে। প্রতিটি মিছিলে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন থাকবে।পুলিশকর্মীদের সুরক্ষার জন্য বিশেষ প্রতিরক্ষামূলক পোশাক রাখা হবে। কোথাও কোনও সমস্যা হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মিছিলগুলির উপর ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি করা হবে। পাশাপাশি অতিরিক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে এবং পুলিশ সেই ফুটেজ নজরে রাখবে।পুলিশ জানিয়ে দিয়েছে, বাইক নিয়ে মিছিল করা যাবে না এবং শুধুমাত্র নির্দিষ্ট রুটেই শোভাযাত্রা করতে হবে। প্রতিটি মিছিলের আগে ও পরে পুলিশ থাকবে এবং আশপাশের এলাকাতেও টহলদারি চালানো হবে। পুলিশকর্মীদের পোশাকে বডি ক্যামেরাও থাকবে, যাতে পুরো পরিস্থিতি রেকর্ড করা যায়।সব মিলিয়ে রামনবমীকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যাতে কোনও রকম অশান্তি না ঘটে এবং উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।

মার্চ ২৫, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রামে বড় লড়াই! শুভেন্দুর ঘাঁটিতে অভিষেকের চ্যালেঞ্জ, ‘ডি জে বাজবে’ বার্তায় তোলপাড়

এবারের বিধানসভা নির্বাচনে সবচেয়ে নজরকাড়া কেন্দ্রগুলির মধ্যে অন্যতম নন্দীগ্রাম। এই কেন্দ্রকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। শুভেন্দু অধিকারীর এই কেন্দ্রে এবার তাঁরই প্রাক্তন ঘনিষ্ঠ পবিত্র করকে সামনে রেখে লড়াই করছে তৃণমূল। শুভেন্দু নিজের ঘাঁটি ধরে রাখতে পারবেন, নাকি পুরনো সঙ্গীর কাছে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বেন, সেই প্রশ্ন এখন রাজনৈতিক মহলে ঘুরছে।বুধবার নন্দীগ্রামে গিয়ে দলের কর্মীদের উদ্দেশ্যে বার্তা দেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পবিত্র করকে পাশে নিয়ে তিনি বলেন, আগামী ২৫ দিনের দায়িত্ব কর্মীদের নিতে হবে এবং তারপরের পাঁচ বছরের দায়িত্ব তিনি নিজে নেবেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এমনভাবে লড়াই করতে হবে যাতে একটি বুথ থেকেও বিজেপি মাথা তুলতে না পারে।অভিষেক জানান, নন্দীগ্রামে প্রায় উনিশ হাজারের বেশি যুবসাথীর আবেদন জমা পড়েছে এবং সকলেই সেই সুবিধা পাবেন। তিনি আশ্বাস দেন, প্রয়োজন হলে তিনি বারবার নন্দীগ্রামে আসবেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, কেউ ভয় দেখালে বা চাপ সৃষ্টি করলে মানুষকে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করতে হবে এবং যে ভাষায় বোঝে, তাকে সেই ভাষাতেই জবাব দিতে হবে।তিনি আরও বলেন, চার তারিখের পর নন্দীগ্রামে উৎসবের পরিবেশ তৈরি হবে এবং রবীন্দ্রসংগীতের সঙ্গে ডি জে বাজানো হবে। মানুষের উদ্দেশ্যে তাঁর বার্তা, ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই।শুভেন্দু অধিকারীকেও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন অভিষেক। তিনি বলেন, নন্দীগ্রাম তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি ছিল এবং এখনও আছে। তিনি অভিযোগ করেন, এলাকার বর্তমান বিধায়ক মানুষের জন্য কোনও উন্নয়নমূলক কাজ করেননি। কেন্দ্রের সহায়তায় কী প্রকল্প আনা হয়েছে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, মানুষের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলি নিয়ে কাজ না করে শুধু ধর্মের রাজনীতি করা হচ্ছে।দলের কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মধ্যে নন্দীগ্রামকে সেরা করতে হবে। পবিত্র কর জিতলে প্রতিটি বুথে সেবাশ্রয় প্রকল্প চালু করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। পাশাপাশি তিনি জানান, রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা যেমন চলবে, তেমনই স্থানীয় স্তরেও উন্নয়ন হবে।সব মিলিয়ে স্পষ্ট, নন্দীগ্রামকে কেন্দ্র করে এবারের নির্বাচন আরও উত্তপ্ত হতে চলেছে এবং এই কেন্দ্রের দিকে সবার নজর থাকবে।

মার্চ ২৫, ২০২৬
কলকাতা

আর জি কর কাণ্ডে নতুন মোড়! বিজেপির প্রার্থী অভয়ার মা, উত্তাল সোশ্যাল মাধ্যম

জল্পনাই শেষ পর্যন্ত সত্যি হল। পানিহাটি কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হল অভয়ার মা রত্না দেবনাথের নাম। বুধবার সন্ধ্যায় দলের তৃতীয় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়। মোট ১৯ জনের এই তালিকায় সবচেয়ে বেশি চমক দেখা যায় পানিহাটি কেন্দ্রে। অভয়ার মাকে প্রার্থী করে আর জি কর ঘটনার আবেগকে কাজে লাগিয়ে ভোটে সুবিধা পাওয়ার চেষ্টা করছে বিজেপি, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।দিল্লির নির্ভয়ার ঘটনার সঙ্গে মিল রেখে আর জি করের নির্যাতিতার নাম দেওয়া হয়েছিল অভয়া। সেই ঘটনার পর থেকেই আলোচনায় ছিলেন তাঁর পরিবার। নির্ভয়ার মায়ের মতো তিনিও রাজনীতির বাইরে থাকেননি। অভয়ার মা এবং বাবা বিজেপিতে যোগ দেন। গত সপ্তাহে পানিহাটির বাড়িতে তিনি নিজেই ঘোষণা করেছিলেন, মেয়ের জন্য সুবিচার পেতে তিনি ভোটে লড়বেন।তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় রয়েছেন। অন্য দলগুলি তাঁদের বিষয়টি নিয়ে শুধু রাজনীতি করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বিজেপি ক্ষমতায় এলে সুবিচার পাওয়া যাবে বলে তাঁর বিশ্বাস। এই মন্তব্যের পরই রাজ্য জুড়ে শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। অনেকেই অভিযোগ করেন, মেয়ের মৃত্যুকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।শুধু বিরোধীদের মধ্যেই নয়, বিজেপির অন্দরেও এই সিদ্ধান্ত নিয়ে মতভেদ তৈরি হয়েছিল বলে খবর। দলের একাংশের মত ছিল, অভয়ার মা নিজে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও, তাঁকে প্রার্থী করলে খুব বেশি রাজনৈতিক লাভ হবে না। কারণ এই ঘটনা শুধু একটি কেন্দ্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, গোটা রাজ্যের বিষয়।দলীয় কর্মীদের সঙ্গেও এই বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছিল। অনেকেই মনে করেছিলেন, শুধুমাত্র আবেগ দিয়ে ভোটের ফলাফল নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। তবে সমস্ত বিতর্কের মাঝেই শেষ পর্যন্ত বিজেপি তাঁকেই প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেয়। বুধবার প্রকাশিত তালিকায় পানিহাটি কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হিসেবে অভয়ার মা রত্না দেবনাথের নাম ঘোষণার পর নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বেড়েছে।

মার্চ ২৫, ২০২৬
রাজ্য

এক ঝটকায় বাদ ১৩ লক্ষ নাম! সামনে এল চমকে দেওয়া পরিসংখ্যান

অবশেষে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া নামের পরিসংখ্যান সামনে আনল নির্বাচন কমিশন। এতদিন ধরে যে বিপুল সংখ্যক নাম বিচারাধীন ছিল, সেই বিষয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ হওয়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জানা গেছে, প্রায় ৬০ লক্ষ নাম যাচাইয়ের জন্য রাখা হয়েছিল এবং সেই প্রক্রিয়া এখনও চলছে ।মঙ্গলবার প্রথম সম্পূরক তালিকা প্রকাশ করা হলেও সেখানে ঠিক কত নাম রয়েছে, তা নিয়ে কোনও স্পষ্ট তথ্য দেওয়া হয়নি। ফলে জল্পনা তৈরি হয়েছিল । প্রায় দেড় দিন পর কমিশন সূত্রে জানা গেল, এখন পর্যন্ত ৩২ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি হয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ নাম বাদ পড়েছে। অর্থাৎ নতুন করে প্রায় ১৩ লক্ষ নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল। তার আগে খসড়া তালিকাতেই প্রায় ৫৮ লক্ষ নাম বাদ পড়ে। পরে চূড়ান্ত তালিকায় আরও প্রায় ৫ লক্ষের বেশি নাম বাদ যায়। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৭৬ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে বলে হিসেব উঠে এসেছে।কমিশন সূত্রে আরও জানা গেছে, মঙ্গলবার যে প্রথম সম্পূরক তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, তাতে প্রায় ১০ লক্ষ নাম রয়েছে। তবে এই তালিকার মধ্যে কতজনের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।এদিকে, আগামী শুক্রবার দ্বিতীয় সম্পূরক তালিকা প্রকাশিত হতে পারে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। যদিও নির্বাচন কমিশন এখনও তা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি। প্রতিদিন নতুন তালিকা প্রকাশ করা হবে কি না, সেটাও বিবেচনা করে দেখা হচ্ছে বলে জানা গেছে। এই পরিস্থিতিতে ভোটার তালিকা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ আরও বাড়ছে।

মার্চ ২৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে তীব্র সংঘাত! মমতা ও শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে পাল্টাপাল্টি অভিযোগে উত্তাল রাজ্য

ভোটের আগে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়াল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আদর্শ আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে, শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধেও অভিযোগ জানিয়ে কমিশনের কাছে গিয়েছে তৃণমূল। দুই শিবিরের এই পাল্টাপাল্টি অভিযোগে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির অভিযোগ, আদর্শ আচরণবিধি চালু হওয়ার পরেও ভবানীপুরের বিভিন্ন এলাকায় তাঁর উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ছবি এবং কাটআউট এখনও লাগানো রয়েছে। এই বিষয়টিকেই আচরণবিধি লঙ্ঘন বলে দাবি করেছে তারা এবং সেই কারণেই কমিশনের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে।এর মধ্যে আরও একটি বিষয় নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়। জানা যায়, ভোটে প্রার্থী হওয়ার আগে নিয়ম মেনে একাধিক লাভজনক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমে খবর আসে তিনি ২৬ থেকে ২৮টি পদ ছেড়েছেন। তবে পরে জানা যায়, সেই ইস্তফা আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে এবং পরে নতুন করে জমা দেওয়া হবে।অন্যদিকে, শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধেও অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। বুধবার নন্দীগ্রামে একটি সভায় তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র করকে উদ্দেশ্য করে বিজেপি কর্মীরা অসম্মানজনক স্লোগান দেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে তৃণমূল নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে।সব মিলিয়ে ভোটের আগে দুই শিবিরের এই সংঘাতে রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। কমিশন এই অভিযোগগুলির ভিত্তিতে কী পদক্ষেপ নেয়, এখন সেদিকেই নজর সবার।

মার্চ ২৫, ২০২৬
দেশ

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আঁচ ভারতে! গ্যাস সঙ্কটের আশঙ্কা, কী বলল কেন্দ্র

পশ্চিম এশিয়ায় চলা যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার ভারতে পড়তে শুরু করেছে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। রান্নার গ্যাস বা এলপিজি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। এর মধ্যেই পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে এবং সব রাজনৈতিক দলকে জানাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করল কেন্দ্রীয় সরকার।বুধবার এই বৈঠকে বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি একটি বিস্তারিত উপস্থাপনা করেন। সেখানে স্পষ্ট করে জানানো হয়, ভারত কোনওভাবেই যুদ্ধ চায় না এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে শান্তির পক্ষেই অবস্থান নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই বার্তাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জানিয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে আশ্বস্ত করে বলা হয়েছে, আপাতত দেশে জ্বালানির কোনও সঙ্কট নেই। তেল এবং রান্নার গ্যাস পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে এলপিজি উৎপাদনও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি বিকল্প জ্বালানি হিসেবে পাইপলাইনের গ্যাস ব্যবহারের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।সরকার জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী থেকে আরও কয়েকটি জাহাজ খুব শীঘ্রই ভারতে পৌঁছবে। ইতিমধ্যেই একাধিক জাহাজ রওনা দিয়েছে। পশ্চিম এশিয়া ছাড়াও অন্যান্য দেশ থেকেও তেল ও গ্যাস আমদানি করা হচ্ছে, যাতে সরবরাহে কোনও সমস্যা না হয়।এই বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি, বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা এবং তার প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকের শুরুতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বক্তব্য রাখেন। বিদেশমন্ত্রী ও বিদেশ সচিব পরিস্থিতির বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, যে পরিস্থিতিই তৈরি হোক না কেন, ভারতের স্বার্থই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে।এছাড়াও জানানো হয়েছে, এখনও পর্যন্ত কয়েক লক্ষ ভারতীয়কে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। সব মিলিয়ে কেন্দ্রের বার্তা, আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। বিরোধী দলগুলিও যে কোনও সময় তথ্য জানতে পারবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। সংসদে খুব শীঘ্রই এই বিষয়ে বিস্তারিত বিবৃতি দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।

মার্চ ২৫, ২০২৬
বিদেশ

পদ্মায় মৃত্যুফাঁদ! নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সোজা জলে বাস, এখনও নিখোঁজ বহু যাত্রী

বাংলাদেশের ফরিদপুরে পদ্মা নদীতে এক ভয়ংকর দুর্ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ভেসেলে ওঠার সময় একটি যাত্রীবাহী বাস হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে উলটে পড়ে যায়। বাসটিতে প্রায় ৪০ জন যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে। এই ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকেল পাঁচটার কিছু পরে বাসটি দৌলতদিয়ার তিন নম্বর ঘাটে পৌঁছায়। পদ্মা নদী পারাপারের জন্য সেটি ভেসেলের অপেক্ষায় ছিল। প্রায় দশ থেকে পনেরো মিনিটের মধ্যে ভেসেলটি ঘাটে আসে। সেই সময় ভেসেলে ওঠার সময়ই বাসটির নিয়ন্ত্রণ নষ্ট হয়ে যায় এবং সেটি সোজা নদীতে পড়ে যায়।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনাটি এত দ্রুত ঘটে যে কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই বাসটি জলের তলায় চলে যায়। সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় হইচই শুরু হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ, দমকল এবং উদ্ধারকারী দল। নদীতে ডুবুরি নামিয়ে জোরকদমে উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়েছে।দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের এক আধিকারিক মহম্মদ মনির হোসেন বলেন, তাঁদের চোখের সামনে বাসটি নদীতে উলটে পড়ে যায় এবং কিছু করার সুযোগই পাননি। তিনি জানান, বাসে নারী ও শিশু সহ অন্তত ৪০ জন যাত্রী ছিলেন। কয়েকজন কোনওভাবে প্রাণে বাঁচতে পারলেও অনেকেই বাসের ভিতরে আটকে পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।এখনও পর্যন্ত কতজনকে উদ্ধার করা গেছে, তা স্পষ্ট নয়। তবে উদ্ধারকাজ জোরদারভাবে চলছে এবং প্রশাসন পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক এবং শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মার্চ ২৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal