• ২৭ চৈত্র ১৪৩২, রবিবার ১২ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

রাজনীতি

রাজনীতি

পরের দু’দফা ভোটের জন্য বিজেপির তালিকা আজ

শনিবার পরের দুদফার ভোটের জন্য বাংলার প্রার্থীতালিকা চূড়ান্ত করে ফেলল বিজেপি। আজ, রবিবার সেই তালিকা প্রকাশ হবে। প্রথম দুই পর্বের তালিকা আগেই প্রকাশ করেছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দিল্লিতে দলের সদর দপ্তরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির বৈঠকে শনিবার তৃতীয় ও চতুর্থ দফায় বিজেপি কাদের টিকিট দেবে সেই নামের তালিকায় সিলমোহর বসেছে। এই দুই দফা মিলিয়ে ৭৫ জন প্রার্থী রয়েছেন। তবে পরবর্তী দফাগুলোর আরও কিছু আসনের নাম রবিবার ঘোষণা হয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে কয়েকজন তারকা প্রার্থীও থাকতে পারেন। মিঠুন চক্রবর্তী ভোটে লড়ছেন না। শনিবার রাতে নির্বাচন কমিটির বৈঠকের শেষে বিজেপির এক শীর্ষ নেতার সূত্রে জানা গিয়েছে, মিঠুন শুধু প্রচারেই অংশ নেবেন। তাঁর প্রার্থী হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই।এই দফায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, যাঁরা বর্তমান বিধায়ক, তাঁদের প্রার্থী হতে হলে নিজেদের পুরনো কেন্দ্রেই দাঁড়াতে হবে। কিন্তু ব্যতিক্রম কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ও মন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে। যেহেতু বেহালা পূর্বে তৃণমূল প্রার্থী হয়েছেন শোভনের স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায়, তাই চাইলে শোভন অন্য কোনও কেন্দ্রে প্রার্থী হতে পারেন। ডোমজুড় থেকে প্রার্থী হচ্ছেন রাজ্যের আর এক প্রাক্তন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথম দুদফার ক্ষেত্রে যতটা মসৃণভাবে বিজেপির প্রার্থীতালিকা চূড়ান্ত হয়েছিল, তা পরবর্তী দফাগুলোর ক্ষেত্রে হচ্ছে না। কারণ, প্রতিটি আসনেই বহু দাবিদার। সূত্রের খবর, এদিন প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির বৈঠকের পরেও গভীর রাতে আলাদা করে বৈঠকে বসেন অমিত শাহ, জেপি নাড্ডা, কৈলাস বিজয়বর্গীয় ও দিলীপ ঘোষ। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, বাবুল সুপ্রিয়-সহ বেশ কয়েকজন এমপি বিধানসভা ভোটে প্রার্থী হতে পারেন। এদিন রাতের বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী ছিলেন না বলে জানান মুকুল রায়। আজ, রবিবার নন্দীগ্রাম দিবস থাকায় শুভেন্দু শনিবার রাতেই কলকাতা ফিরে যান।

মার্চ ১৪, ২০২১
রাজনীতি

তৃণমূলে যোগ দিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যশবন্ত সিনহা

আগে বহুবার তাঁকে দেখা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমর্থন করতে। উনিশের লোকসভার আগে মমতার হয়ে প্রচার করেছেন। যোগ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রীর ডাকা ব্রিগেড সমাবেশে। এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখার ইচ্ছেপ্রকাশ করেছেন। এবার সরাসরি তৃণমূলে যোগ দিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা একসময়ের প্রথম সারির বিজেপি নেতা যশবন্ত সিনহা । আজই তৃণমূল ভবনে এসে রাজ্যের শাসকদলের পতাকা হাতে তুলে নিয়েছেন তিনি। তৃণমূল ভবনে ডেরেক ওব্রায়েন, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুব্রত মুখোপাধ্যায়দের উপস্থিতিতে দলে যোগ দেন তিনি। রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এই যোগদান তৃণমূলের জন্য নিঃসন্দেহে উৎসাহ ব্যঞ্জক হতে চলেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই রাজ্যের ২৯১ আসনের জন্য প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে ফেলেছেন। সেক্ষেত্রে যশবন্তকে প্রার্থী করার সম্ভাবনা নেই। তবে, তাঁকে তারকা প্রচারক হিসেবে কাজে লাগাতে পারে তৃণমূল। বিশেষ করে হিন্দিভাষী এলাকাগুলিতে শাসকদলকে সাহায্য করতে পারেন তিনি।

মার্চ ১৩, ২০২১
রাজনীতি

দিল্লিতে কমিশনের দরবারে তৃণমূল, পাল্টা বিজেপিরও

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আহত হওয়ার ঘটনায় যে রাজনৈতিক চাপানউতোর এরাজ্যে শুরু হয়েছিল, তার উত্তাপ পৌঁছে গিয়েছে নয়াদিল্লিতে। তৃণমূল এবং বিজেপির দুই পৃথক প্রতিনিধিদল এদিন দিল্লি নির্বাচন কমিশনের সদর দপ্তরে গিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে এসেছে। তৃণমূলের দাবি, মমতার বিরুদ্ধে পরিকল্পিত হামলা করা হয়েছে। একাধিক বিজেপি নেতার মন্তব্যে তার ইঙ্গিত আগেই মিলেছিল। প্রমাণ হিসেবে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় এবং বিজেপি যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি সৌমিত্র খাঁর তিনটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের স্ক্রিনশট তৃণমূলের তরফে কমিশনে জমা দিয়ে আসা হয়েছে। বিকেলে পাল্টা অভিযোগ করেছে বিজেপিও। তাঁদের দাবি, নন্দীগ্রামের ঘটনার সম্পূর্ণ তদন্ত হোক।মুখ্যমন্ত্রীর উপর হামলা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, এই অভিযোগ তুলে এদিন দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে যায় তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলে ছিলেন ডেরেক ও ব্রায়েন, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সৌগত রায়, প্রতিমা মণ্ডল, শতাব্দী রায় এবং শান্তনু সেন। কমিশনে অভিযোগ দায়ের করে সৌগত রায় বলেন, বিজেপি নেতাদের বক্তব্য, এবং সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ইঙ্গিত ছিল যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হামলার মুখে পড়তে পারেন। এটা নিছক দুর্ঘটনা নয়, রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। আমরা সেসব জানিয়েছি কমিশনকে। এ প্রসঙ্গে তিনি দিলীপ ঘোষ, সৌমিত্র খাঁর নাম উল্লেখ করেন। পার্থর দাবি, মমতার নিরাপত্তার দায়িত্ব যে কমিশনেরই ছিল, সেটা স্বীকারও করে নিয়েছে কমিশন।এদিকে, বিজেপিও এই অভিযোগের পাল্টা দিয়েছে কমিশনের দপ্তরে। ভূপেন্দ্র যাদব এবং পীযুষ গোয়েলের নেতৃত্বে ৮ সদস্যের এক বিজেপি প্রতিনিধি দল কমিশনের দ্বারস্থ হয়। বিজেপি সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত জানিয়েছেন, নন্দীগ্রামের ঘটনার নিরপেক্ষ এবং পূর্ণাঙ্গ তদন্ত তাঁরা চাইছেন। বিজেপির অভিযোগ, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গুজব রটিয়ে বিজেপিকে বদনাম করার চেষ্টা করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর আহত হওয়ার সঙ্গে বিজেপি নেতাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের কোনও সম্পর্ক নেই। স্বপন দাশগুপ্তর কথায়, মুখ্যমন্ত্রীর যেসব নিরাপত্তারক্ষীরা ছিলেন বা গাড়ির চালকরা ছিলেন, তাঁদের সঙ্গে কথা বলে এই রহস্যের সমাধান করা হোক। গোটা ঘটনার ভিডিও প্রকাশ্যে আনা হোক।

মার্চ ১২, ২০২১
রাজনীতি

লোকসভায় দলনেতার দায়িত্ব থেকে সরলেন অধীর

সামনেই বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। তাই সংসদে সময় দিতে পারছেন না। সেই কারণে আপাতত লোকসভায় অধীররঞ্জন চৌধুরীর জায়গায় দলনেতার পদে এলেন পঞ্জাবের লুধিয়ানার সাংসদ রভনীত সিং বিট্টু। বৃহস্পতিবার কংগ্রেসের পক্ষ থেকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি হওয়ার জন্য বঙ্গের নির্বাচনী প্রচারে ব্যস্ত অধীর। অন্যদিকে, নিম্নকক্ষে কংগ্রেসের ডেপুটি লিডার গৌরব গগৈও ব্যস্ত অসমের নির্বাচন নিয়ে। একইভাবে দুই চিফ হুইপ মানিক্কম টেগোর ও কে সুরেশও ব্যস্ত তামিলনাড়ু এবং কেরলের নির্বাচন নিয়ে। তাই লোকসভায় অন্যতম অফিস বেয়ারার রভনীত সিং বিট্টুকেই এই দায়িত্ব দিয়েছেন লোকসভার কংগ্রেসের দলনেতা। যেহেতু তিনি আগে থেকেই অফিস বেয়ারার রয়েছেন, তাই এই নিয়ে নতুন করে কোনও অফিসিয়াল পদক্ষেপ নেওয়ার দরকার হয়নি। শুধু ফোনে লোকসভা অধ্যক্ষ ওম বিড়লাকে এই সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। ফলে আপাতত সংসদের এই গুরুত্বপূর্ণ পদ সামলাবেন লুধিয়ানার সাংসদ। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই প্রসঙ্গে জানানো হয়েছে, বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ব্যস্ত থাকার কারণেই এই সিদ্ধান্ত। আর এটা করা হয়েছে অধীরের পরামর্শ মেনেই। তবে এটা একেবারেই সাময়িক সিদ্ধান্ত। বিট্টুকে নতুন দায়িত্ব দেওয়ার পর থেকেই বিভিন্নমহল থেকে উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন। কংগ্রেস সূত্রের খবর অনুযায়ী, তিন বারের সাংসদ বিট্টুকে দায়িত্ব দেওয়ার পিছনে আসল কারণ হল সংসদের প্রোটোকল। গত অগস্টে বিট্টুকে লোকসভায় অন্যতম হুইপ করে দলীয় প্রতিনিধি দলে নিয়ে আসা হয়।

মার্চ ১১, ২০২১
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে আক্রান্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর চক্রান্ত করে আক্রমণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নন্দীগ্রামে রেয়াপাড়ায় তিনি ঘরভাড়াও নিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবিযোগ করেছেন,গাড়ি দাঁড় করিয়ে মন্দিরে প্রণাম করছিলাম তখন চার-পাঁচ জন আমাকে ঠেলে দেয়। তখনই আমার মুখে ও পায়ে আগাত লাগে। আপাতত কলকাতায় যাচ্ছি।এদিন হলদিয়ায় মনোনয়নপত্র জমা দেন। রাণীচকে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। সেখানেই ঘটনাটি ঘটে। এদিন নন্দীগ্রামে থাকার কথা ছিল। বিজেপি পুরো বিষয়টা নাটক হিসাবে দেখছেন। বিজেপির রাজ্য সহসভাপতি তথা সাংসদ অর্জুন সিং বলেন, এই ঘটায় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্তাদের সাসপেন্ড করা উচিত। সূত্রের খবর,, ভিড়ের মধ্যে নন্দীগ্রামের বিরুলিয়ায় ধাক্কা-ধাক্কিতে মুখ থুবড়ে পড়ে যান মমতা। তাঁর পায়ে প্রচণ্ড চোট লেগেছে। মুখ্যমন্ত্রীকে তড়িঘড়ি কলকাতায় আনা হচ্ছে। জানা গিয়েছে এসএসকেএম-এ তাঁর চিকিৎসা হবে। ঘটনার সময় পুলিশ সুপার বা কোনও রাজ্য পুলিশ ছিল না। বলেই অভিযোগ মমতার। জানা গগিয়েছে, খবর জানাজানি হতেই নির্বাচন কমিশন জেলা প্রশাসনের থেকে রিপোর্ট তলব করেছে।ভোটের বাংলায় এই ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠে গেল। জেড প্লাস নিরাপত্তা রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তার মধ্যেই নিরাপত্তার বেড়াজাল ভেঙে কীভাবে এত মুখ্যমন্ত্রীকে ধাক্কা দিলেন? সব মহলেই এই প্রায় উঠেছে।

মার্চ ১০, ২০২১
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে আজ যুযুধান মমতা-শুভেন্দু

ভোট যুদ্ধের দামামা বেজে গিয়েছে। আর তার আগে কার্যত একই এলাকায় কর্মসূচিতে আসছেন মমতা-শুভেন্দু। সামনাসামনি না হলেও দুই প্রতিপক্ষই আজ নন্দীগ্রামের মাটিতে। হলদিয়ায় মহকুমা শাসকের দপ্তরে মনোনয়ন পেশ করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সকালে রেয়াপাড়ার শিব মন্দিরে পুজো দিয়ে নন্দীগ্রাম থেকে চপারে হলদিয়ার উদ্দেশে রওনা।হলদিয়া হেলিপ্যাডে নেমে রোড শো করে মমতা যাবেন হলদিয়া মহকুমাশাসকের দপ্তরে। নন্দীগ্রাম আসনের তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেবেন তিনি। আজ আন্দোলনের মাটিতে শুভেন্দুও। গেরুয়া পতাকা হাতে নিয়ে এক সময়ের নেত্রীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রস্তুত ভূমিপুত্র। প্রায় কাছাকাছি সময়ে আজ নন্দীগ্রামে নির্বাচনী কার্যালয়ের উদ্বোধনে করবেন শিশির পুত্র বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীও। নন্দীগ্রামে প্রার্থী হতে চান বলে আগে মমতাই ঘোষণা করেছিলেন। গত শুক্রবার প্রার্থিতালিকা প্রকাশ করে তাতে নিজেই সিলমোহর দেন। এরপর একদা পূর্ব মেদিনীপুরের কৃষিজমি রক্ষা আন্দোলনের কেন্দ্রে শুভেন্দুকে দাঁড় করানোর কথা জানায় বিজেপি। প্রার্থী হওয়ার পর মঙ্গলবার প্রথম নন্দীগ্রামে হাজির হয়েছিলেন মমতা। স্টেট ব্যাংক লাগোয়া মাঠে কর্মিসভা করেন তিনি।এর আগেও একাধিকবার নন্দীগ্রামে দেখা গিয়েছে তাঁদের দুজনকে। তবে সহযোদ্ধা হিসেবে, একই মঞ্চে পাশাপাশি। বুধবার প্রথম বার প্রতিপক্ষ হিসেবে নন্দীগ্রামের মাটিতে তাঁদের দেখা যাবে। আগামী ১ এপ্রিল বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় পর্যায়ে নন্দীগ্রামে ভোটগ্রহণ হবে। আর আগামী ২ মে সেই মহারণের ফল জানতে এখন থেকেই প্রতীক্ষার প্রহর গুণছে নন্দীগ্রাম-সহ গোটা রাজ্য।

মার্চ ১০, ২০২১
রাজনীতি

হিন্দু কার্ড খেলা নিয়ে হুঁশিয়ারি মমতার

বিজেপির খেলার সঙ্গে এবার চ্যালেঞ্জ জানালেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু জয় শ্রী রাম বলা ভোটারের পরিসংখ্যান তুলে ধরেছিলেন। বলেছিলেন সংখ্যাগরিষ্ঠ লোক আমাদের পক্ষে রয়েছে। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামের বটতলায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বলেন, আমিও হিন্দু ঘরের মেয়ে। আমার সঙ্গে হিন্দু কার্ড খেলতে যাবেন না। হিন্দু ধর্মের আদর্শ মানুষকে ভালবাসা। আমি সকালে চণ্ডীপাঠ করি। তারপর বাড়ি থেকে বের হই।এদিন তিনি চণ্ডীপাঠ থেকে সরস্বতী পাঠও করেন। বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রীর মন্ত্রোচ্চারণে ভুল ছিল বলে টুইটে কটাক্ষ করেছেন।এবারের বিধানসভা নির্বাচনে মেরুকরণ একটা বড় ফ্যাক্টর হতে চলেছে তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, হিন্দু ধর্ম আমায় শেখাচ্ছেন। ধর্ম নিয়ে খেলবেন তো, খেলা হবে। এদিন তিনি স্থানীয় মন্দিরে পুজোও দেন। তিনি আগাম শিবচতুর্দশীর শুভেচ্ছা জানান নন্দীগ্রামবাসীকে। শিবরাত্রির দিন দলের ইস্তেহার প্রকাশ করা হবে বলেও জানিয়েছেন মমতা। এদিনের সভামঞ্চ থেকে মন্দির, মসজিদ ও গীর্জার কাছ থেকেও সমর্থন চান তৃণমূলনেত্রী।

মার্চ ০৯, ২০২১
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে বাড়ি ভাড়া নিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী, বানাবেন কুঁরে ঘর

সবার প্রথম তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীর নাম ঘোষণা হয়েছে নন্দীগ্রামে। ওই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী হিসাবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করেছে। সম্মুখ সমরে মমতা-শুভেন্দু। জমি আন্দোলনের পর এবার রাজনীতির উত্তাপে দগ্ধ নন্দীগ্রাম। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে সব থেকে নজরকাড়া কেন্দ্র নন্দীগ্রাম। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামের বটতলার সভা থেকে প্রচারে ঝড় তুললেন তৃণমূল প্রার্থী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজে সেখানে দুই কামরার বাড়ি ভাড়া নেওয়ার কথাও ঘোষণা করলেন। স্মৃতি আওড়ালেন নন্দীগ্রাম আন্দোলনের।একসময় বামপন্থীরা স্লোগান তুলছিল ভুলতে পারি বাপের নাম, ভুলবো নাকো ভিয়েতনাম। এদিন মমতা বলেন, ভুলতে পারি সবার নাম, ভুলবো নাকো নন্দীগ্রাম। এভাবেই নন্দীগ্রামকে সম্মান জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সিঙ্গুরে আন্দোলন শুরু হয় নন্দীগ্রামের আগে। সিঙ্গুর আন্দোলন না হলে নন্দীগ্রামের আন্দোলনে তুফান হত না। আমি নিজেও গ্রামের মেয়ে। শহরে মানুষ হয়েছি। সেটাও ভালবাসার জায়গা। ছোটবেলা গ্রামেই কেটেছে। আলে আলে ঘুরে বেড়াতাম। ধান কাটতাম। সর্ষে ক্ষেতে যেতাম। গ্রামের প্রতি আমার টান আছে। সিঙ্গুর বা নন্দীগ্রামে যে কোনও এক জায়গায় আমি প্রার্থী হতাম। রাজনৈতিক মহলের মতে, এভাবেই গ্রামের আবেগ ছুঁতে চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী।আন্দোলনের স্মৃতি উসকে মমতা বলেন, গন্ডগোলের সময় একবার তাহের(আবু তাহের) ফোন করছে, একবার সুফিয়ান(সেখ সুফিয়ান) ফোন করছে। গুলির শব্দ শোনাচ্ছেন ফোনে। যাঁদের থাকার কথা ছিল তাঁরা একটা গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়েও ছিলেন না। ১০ নভেম্বর সূর্য উদয়। ১০ জনকে টানতে টানতে নিয়ে গিয়ে কেটে ভাসিয়ে দিয়েছে না কী করেছে কেউ জানে না। তেখালিতে গুলি চালাচ্ছে, আমার গাড়িতে গুলি লেগেছে। গোকুলনগর, তেখালি, সোনাচূড়া বিভিন্ন গ্রামের নাম বলতে থাকেন মমতা। মমতার বক্তব্য, তাঁকেও বাইরের লোক বলে অভিহিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।বেশ কয়েকটি জনসভায় বামেদের বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। বাম দলেও অনেক ভাল মানুষ আছেন বলেও মন্তব্য করেছিলেন। এদিন নন্দীগ্রামে মমতা বলেন, পুরনো অত্যাচারী সিপিএম চলে এসেছে। বিজেপি এদের নিয়ে এসেছে। নন্দীগ্রামে লক্ষ্মণ শেঠের সঙ্গে কাজ করছে। সিপিএম, কংগ্রেস ও বিজেপি এক। হুমকি দিচ্ছে তোমার বিরুদ্ধে কেস আছে! এসব দুমাস করে নাও। সাতদিন পরে তোমরা কোথায় যাবে?এদিনের সভায় নন্দীগ্রামের উন্নয়নের ফিরিস্তি দিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী। একইসঙ্গে বেশ কিছু প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, নন্দীগ্রাম ও হলদিয়াকে জুড়তে সেতু তৈরি করা হবে। মডেল নন্দীগ্রাম করব। বেকারদের চাকরি হবে। নন্দীগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয় করব। আমি চাই এখানকার ছেলেমেয়েরা পড়াশুনা করুক। মমতা জানিয়ে দেন, নন্দীগ্রামে রুইয়া পাড়ায় দুটি রুমের একটা বাড়ি ভাড়া নিয়েছি। পরে একটা কুঁড়ে ঘর বানিয়ে নেব। এখানে ভোট পয়লা এপ্রিল। ওদের এপ্রিল ফুল করে দেবেন। পয়লা এপ্রিল নন্দীগ্রামে খেলা হবে। তিন মাস অন্তর তিনি নন্দীগ্রামে আসবেন বলেও জানিয়ে দেন।

মার্চ ০৯, ২০২১
রাজনীতি

বিজেপিতে যোগদান মেলা, গেরুয়া শিবিরে ৫ তৃণমূল বিধায়ক

অভিনেত্রী তনুশ্রী চক্রবর্তী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একসময়ের সঙ্গী সোনালি গুহ, তৃণমূলের হবিবপুরের প্রার্থী সরলা মুর্মু যোগ দিলেন বিজেপিতে। পদ্ম পতাকা হাতে নিয়েছেন সিঙ্গুরের মাস্টারমশাই বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য, শিবপুরের তৃণমূল বিধায়ক জটু লাহিড়ি, সাঁকরাইলের বিধায়ক শীতল সর্দার। সোমবার দুপুরে হেস্টিংসে বিজেপির নির্বাচনী অফিসে রীতিমতো যোগদান মেলা। সবমিলিয়ে তৃণমূলের ৫ বিধায়ক একইদিনে সামিল হলেন বিজেপিতে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের ছায়াসঙ্গী ছিলেন সোনালি গুহ । বিধানসভার প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার তথা সাতগাছিয়ার বিধায়ককে এবার প্রার্থী করেননি তৃণমূল নেত্রী । ক্ষোভ গোপন রাখেননি সোনালি। ফোন করেন মুকুল রায়কে। অভিমানে তৃণমূল ত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান তিনি। সোনালি এ দিন আনুষ্ঠানিকভাবে ঘাসফুল ছেড়ে পদ্মফুলে এলেন। সরলা মুর্মুকে মালদহের হবিবপুরে প্রার্থী করেছিল তৃণমূল । তিনি বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছে জানতে পেরে অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে প্রার্থী বদল করে তৃণমূল। হবিবপুরে প্রার্থী হয়েছেন প্রদীপ বাস্কে। অভিনেত্রী তনুশ্রী চক্রবর্তী বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছিল। সেই জনশ্রুতি সত্যি হল আজ। সোনালি, সরলার সঙ্গে পদ্ম শিবিরে সামিল হলেন তিনি। সিঙ্গুরের চারবারের বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থীতালিকা ঘোষণার সময় জানিয়েছিলেন, করোনার কারণে আশির ঊর্ধ্বে কাউকে টিকিট দেওয়া হচ্ছে না। বাদ পড়েন মাস্টারমশাই ও শিবপুরের বিধায়ক জটু লাহিড়ি। তাঁরা এ দিন নাম লেখালেন বিজেপিতে। বসিরহাট দক্ষিণের বিধায়ক দীপেন্দু বিশ্বাসকে এবার আর প্রার্থী করেনি তৃণমূল। তিনিও শিবির বদল করলেন। বিজেপিতে এলেন সাঁকরাইলের বিধায়ক শীতল সর্দার।

মার্চ ০৯, ২০২১
রাজনীতি

লাল-সবুজ পেরিয়ে এবার গেরুয়া পথে মহাগুরু

কোনও দলের নাম না করে নিজের আগের ভুল সিদ্ধান্তের কথা বললেন। রবিবার ব্রিগেড সমাবেশের মঞ্চে বিজেপি-তে যোগ দিয়ে মিঠুন স্পষ্ট বলেন, তাঁর আগের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। তাঁর কথায়, কারও দিকে আঙুল তুলতে চাই না। কাউকে দোষও দিচ্ছি না। আমারই সিদ্ধান্তে ভুল ছিল।প্রসঙ্গত, ব্রিগেডের সভার পরে মঞ্চের পিছনে মিঠুনের সঙ্গে আলাদা করে অন্তত ১৫ মিনিট কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মিঠুনের কথায়, ওঁর সঙ্গে আমার খুব ভাল আলোচনা হয়েছে। সব কথা তো প্রকাশ্যে বলা যায় না। তাঁর আরও বক্তব্য, বাংলায় বিজেপি যথেষ্ট জায়গা তৈরি করেছে। বাংলার মানুষ বিশ্বাস করছে, ওরা রাজ্যের জন্য ভাল কিছু করবে। তারা ক্রমাগত চেষ্টা করে যাচ্ছে। সেটা কখনও মিথ্যে হতে পারে না। তার মধ্যে কিছু সততা থাকে। মিঠুন আগেও বলেছেন, তিনি রাজনীতি নয়, মানবনীতি বোঝেন। কিন্তু তাঁর কথায়, সকলেরই একটা পতাকা প্রয়োজন হয়। প্রধানমন্ত্রী আমায় ডেকে যখন কথা বললেন, আমি বললাম, আমি বাংলার জন্য কাজ করতে চাই। আমি বাংলাকে ভালবাসি। তবে এক সময়ে বাম সঙ্গ থেকে শুরু করে অধুনা সঙ্ঘের হাত ধরা। বেশ কয়েকদিন ধরা চলা জল্পনা সত্যি প্রমাণ করে এদিন মোদির ব্রিগেড মঞ্চে রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তন হল মহাগুরুর। আর তাঁর এই প্রত্যাবর্তনকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি নেটাগরিকরা।

মার্চ ০৭, ২০২১
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে লড়াই মমতা বনাম শুভেন্দু

নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারীই। শনিবার প্রার্থিতালিকা ঘোষণা করে এমনটা্ই জানিয়ে দিল বিজেপি। শুভেন্দু বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার পরেই আলোচনার কেন্দ্রে ছিল নন্দীগ্রাম। যে জমি আন্দোলন থেকে উত্থান মমতার, সেখানে একসময় তাঁর কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়েছিলেন শুভেন্দু। পরবর্তী সময়ে শুভেন্দু এবং অধিকারী পরিবারের গড় হয়ে ওঠে নন্দীগ্রাম। তাই সেখানে জমির দখল টিকিয়ে রাখা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল তৃণমূল এবং মমতার কাছে। তাই ফেব্রুয়ারি মাসে তেখালির মাঠে দাঁড়িয়ে নন্দীগ্রাম থেকে নিজে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে জানিয়ে দেন মমতা।মমতার এই ঘোষণায় স্বভাবতই হইচই পড়ে যায় বিজেপি-র অন্দরে। নন্দীগ্রামকে পাখির চোখ করলেও, তখনও সেখানে কাকে নামানো হবে, তখনও তা ভেবে উঠতে পারেননি গেরুয়া নেতৃত্ব। তবে মমতার ঘোষণার পর থেকেই শুভেন্দুকে সেখানে তৃণমূল দলনেত্রীর বিরুদ্ধে নামানোর দাবি জোরালো হয়ে উঠতে শুরু করে। তার নেপথ্যে শুভেন্দুর ভূমিকাও কম ছিল না। নিজে নন্দীগ্রামে প্রার্থী হতে চান কি না, স্পষ্ট না করলেও, মমতাকে নন্দীগ্রামে ৫০ হাজার ভোটে হারিয়ে ছাড়বেন বলে হুঁশিয়ারি দিতে শুরু করেন তিনি। এমনকি নন্দীগ্রাম থেকে ভোটে লড়লে, শুধু নন্দীগ্রাম থেকেই মমতাকে লড়তে হবে, মুখরক্ষার জন্য ভবানীপুরকে হাতে রাখা চলবে না বলেও সুর চড়াতে শুরু করেন তিনি। বিজেপির অন্য নেতারাও তাতে গলা মেলান।এখনও পর্যন্ত যে তালিকা পাওয়া গিয়েছে, তা থেকে জানা গিয়েছে বিনপুরে বিজেপির প্রার্থী হচ্ছেন পালন সোরেন। দাঁতনে প্রার্থী হচ্ছেন শক্তিপদ নায়েক। নয়াগ্রামে প্রার্থী হচ্ছেন বকুল মুর্মু। গোপীবল্লভপুরে বিজেপি প্রার্থী সঞ্জিত মাহাত। ঝাড়গ্রামে বিজেপি প্রার্থী সুখময় শতপতি। কেশিয়ারিতে বিজেপির প্রার্থী সোনালি মুর্মু। খড়গপুরে বিজেপির প্রার্থী তপন ভুঁইয়া। গড়বেতায় বিজেপির প্রার্থী মদন রুইদাস, শালবনিতে রাজীব কুণ্ডু। বিষ্ণপুরে বিজেপি প্রার্থী তন্ময় ঘোষ, ইন্দাস থেকে বিজেপি প্রার্থী নির্মল ধাড়া। হলদিয়ায় বিজেপির প্রার্থী তাপসী মণ্ডল। নন্দীগ্রামে বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। সবংয়ে বিজেপি প্রার্থী অমূল্য মাইতি। ডেবরায় বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষ। তমলুকে বিজেপির প্রার্থী হরেকৃষ্ণ বেরা। ময়নায় বিজেপির প্রার্থী অশোক ডিন্ডা। নন্দকুমারে বিজেপির প্রার্থী নীলাঞ্জন অধিকারী।

মার্চ ০৬, ২০২১
রাজনীতি

উত্তরবঙ্গে ভোটের প্রচারে মমতা

শুক্রবার দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণার পরদিনই আজ উত্তরবঙ্গের উদ্দেশে রওনা দেবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার শিলিগুড়ি শহরেই তাঁর এক রাজনৈতিক কর্মসূচি রয়েছে। কালীঘাটের সাংবাদিক সম্মেলনে তৃণমূল নেত্রী জানিয়েছেন, সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে ওই দিন শিলিগুড়ি শহরে সিলিন্ডার নিয়ে মিছিল করবেন তিনি। মহিলা তৃণমূলের উদ্যোগে এই মিছিল হবে শিলিগুড়ির প্রাণকেন্দ্রে। নির্বাচন ঘোষণার পর আর কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেননি মমতা। কিন্তু এখন নির্বাচনী নির্ঘণ্ট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে দলীয় প্রার্থীদের নামও প্রকাশ্যে এনেছেন তিনি। অনুষ্ঠানিক ভাবে নির্বাচনের প্রচার শিলিগুড়ি থেকে শুরু করছেন মমতা। সূত্রের খবর, শিলিগুড়ির মিছিলে তাঁর সঙ্গে থাকবেন এই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অধ্যাপক ওমপ্রকাশ মিশ্র। মুখ্যমন্ত্রী শিলিগুড়িতে এই কর্মসূচি করলেও, রাজ্য জুড়ে তৃণমূল কর্মীদের সিলিন্ডার মিছিল করতে নির্দেশ দিয়েছেন।ঘটনাচক্রে রবিবারই বিজেপির ব্রিগেড সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে হাজির থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ব্রিগেড সমাবেশ দিয়েই বিজেপি এ রাজ্যে নিজেদের ভোটপ্রচার শুরু করতে চায়। সেই সমাবেশ থেকে প্রধানমন্ত্রী যে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকেই আক্রমণ করবেন, সে ব্যাপারে নিশ্চিত তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব। তাই রবিবার উত্তরবঙ্গে গিয়ে নির্বাচনী প্রচারের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর আক্রমণের জবাব দেবেন মমতা। সোমবার সকালেই বিমানে কলকাতায় ফিরবেন তিনি। কলকাতায় নেমেই আরও একটি রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা তাঁর। আন্তর্জাতিক মহিলা দিবস উপলক্ষে ভবানীপুর থেকে যাদবপুর পর্যন্ত একটি মিছিলে হাঁটবেন। এই মিছিল আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মহিলা তৃণমূল নেতৃত্বকেই। রবিবার কলকাতায় প্রধানমন্ত্রী যে সমস্ত অভিযোগ করবেন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে, তার জবাব মিছিলের শেষে দিতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। এ ছাড়া আরও একটি তাৎপর্য রয়েছে এই মিছিলের। এ বার তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন এক ঝাঁক মহিলা বিধায়ক। বাদ পড়া সেই সমস্ত মহিলা বিধায়ক মুখ্যমন্ত্রীর মিছিলে আসেন কি না সে দিকে নজর থাকবে রাজনীতির কারবারিদের।

মার্চ ০৬, ২০২১
রাজনীতি

"খেলা হবে, দেখা হবে, জেতা হবে", প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে বললেন মমতা

প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল তৃণমূল কংগ্রেস। কালিঘাটে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিক বৈঠকের শুরুতেই জানিয়ে দেন পাহাড়ের তিনটে সিট গোর্খা জনমুক্তি মোর্চাকে ছাড়া হয়েছে। বাকি ২৯১ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন তিনি। এদিন তৃণমূল নেত্রীর সঙ্গে সাংবাদিক বৈঠকে হাজির ছিলেন সুব্রত বক্সী, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সৌগত রায়, ফিরহাদ হাকিম, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুব্রত মুখোপাধ্যায়। ৫০ জন মহিলা প্রার্থী দেবে তৃণমূল। ৪২ জন সংখ্যালঘু প্রার্থী হচ্ছেন। তপসিলি ৭৯ জন। মমতা বললেন, খেলা হবে, দেখা হবে, জেতা হবে। মমতা এদিন বলেন, আমি কথা দিয়ে কথা রাখি। আমি নন্দীগ্রামেই দাঁড়াব। ভবানীপুর কেন্দ্রে প্রার্থী হচ্ছেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। রাসবিহারী কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী হবেন দেবাশিস কুমার। অতীন ঘোষ কাশীপুর-বেলগাছিয়া, রাজ চক্রবর্তী ব্যারাকপুর, কাঞ্চন মল্লিক উত্তরপাড়া, ইদ্রিস আলি ভগবানগোলা, রত্না চট্টোপাধ্যায় বেহালা পূর্ব, সিঙ্গুর বেচারাম মান্না, মদন মিত্র কামারহাটি, বিধাননগর সিজিত বসু, সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী মন্তেশ্বর। বীরবাহা হাঁসদা ঝাড়গ্রা, কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরী ইংরেজবাজার, উদয়ন গুহ দিনহাটা, পার্থ চট্টোপাধ্যায় বেহালা পশ্চিম, হুমায়ুন কবির ডেবরা, সায়নী ঘোষ আসানসোল দক্ষি, জ্যোতিপ্রয় মল্লিক হাবড়া, অদিতি মুন্সী রাজারহাট-গোপালপুর, চিরঞ্জিত চট্টোপাধ্যায় বারাসাত, সায়ন্তিকা ব্যানার্জী বাঁকড়া, সোহম চক্রবর্তী চন্ডীপুর, মনোজ তিওয়ারি শিবপুর, লাভলি মিত্র সেনারপুর দক্ষিন, অরূপ বিশ্বাস টালিগঞ্জ, অরূপ চক্রবর্তী তালডাংরা, চন্দ্রনাথ সিনহা বোলপুর, ব্রাত্য বসু দমদম, কোশানূ মুখোপাধ্যায় কৃষ্ণনগর উত্তর।

মার্চ ০৫, ২০২১
রাজনীতি

রবিবার মোদির ব্রিগেডে থাকছেন 'মহাগুরু'

রবিবারের ব্রিগেডে সত্যিই বড় চমক দিতে চলেছে বিজেপি। সব ঠিক থাকলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভায় হাজির থাকতে চলেছেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। দলের শীর্ষনেতাদের দেওয়া প্রস্তাবে নাকি ইতিমধ্যেই সম্মতি দিয়ে দিয়েছেন মহাগুরু বিজেপির শীর্ষ নেতাদের সূত্রে এমনটাই খবর।গত কয়েকদিন ধরেই জল্পনা আগামী রবিবার ব্রিগেড সমাবেশে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, মিঠুন চক্রবর্তী, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের মতো মহাতারকাদের হাজির করানোর চেষ্টা করছে বিজেপি। সেইমতো এই তিন মহাতারকার সঙ্গে গেরুয়া শিবির যোগাযোগ করেছে বলেও সূত্রের দাবি। তবে, সৌরভের ঘনিষ্ঠ সূত্র ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে, তিনি ব্রিগেড সমাবেশে হাজির হচ্ছেন না। প্রসেনজিতের তরফে এখনও কিছু জানানো হয়নি। তবে বিজেপি সূত্রের দাবি, মিঠুন চক্রবর্তী রবিবারের সমাবেশে হাজির থাকার ব্যাপারে সম্মতি দিয়েছেন। যদিও, এখনই তিনি সরাসরি বিজেপিতে যোগ দেবেন কিনা সেটা স্পষ্ট নয়। তবে, আগামী দিনে বাংলার নির্বাচনে মিঠুনকে অন্যভাবে কাজে লাগাতে চাইছে গেরুয়া শিবির।উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগেই আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের সঙ্গে দেখা করেন মিঠুন চক্রবর্তী। একপ্রকার হঠাৎই বসন্ত পঞ্চমীর সকালে মুম্বইয়ের মাঢ় অঞ্চলে মহাতারকার বাংলোয় হাজির হন আরএসএস প্রধান। বেশ কিছুক্ষণ কথা হয় দুজনের। তারপর থেকেই রাজনৈতিক মহলে মিঠুনের বিজেপি যোগ নিয়ে জল্পনা চলছে। অভিনেতা নিজে অবশ্য দাবি করেছেন, এই বৈঠক অরাজনৈতিক। ওঁর সঙ্গে আমার আধ্যাত্মিক আলোচনা হয়েছে।

মার্চ ০৫, ২০২১
রাজনীতি

উপ-নির্বাচন কমিশনারের অপসারণ দাবি তৃণমূলের

ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার তথা রাজ্যের নির্বাচনী পর্যবেক্ষক সুদীপ জৈনের অপসারণ চাইল শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস । তৃণমূলের অভিযোগ, সুদীপ জৈন রাজ্যের নির্বাচনী পর্যবেক্ষক থাকাকালীন একের পর এক পক্ষপাতমূলক আচরণ করেছেন। এবং তিনি পর্যবেক্ষকের দায়িত্বে থাকলে রাজ্যে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয় বলেই দাবি তৃণমূলের। সেকারণেই ডেপুটি নির্বাচন কমিশনারের অপসারণ চেয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে চিঠি দিয়েছেন তৃণমূল নেতা ডেরেক ওব্রায়েন।বৃহস্পতিবার তৃণমূল ভবনে সংগীতশিল্পী অদিতি মুন্সির যোগদান অনুষ্ঠানের পর দলের বর্ষীয়ান নেতা সৌগত রায় বলেন, আট দফার নির্বাচন শুনেই প্রতিবাদ করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ নিয়ে আমাদের প্রতিবাদ চলছে। আমাদের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈনের অপসারণ দাবি করেছেন। এই সুদীপ আগেও দায়িত্বে ছিলেন ২০১৯-এ। ওঁর পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ আগেও আমরা দেখেছি। বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙা নিয়ে এই সুদীপই ভুল রিপোর্ট পাঠিয়েছিলেন, যায় জেরে নির্বাচনের দুদিন আগে প্রচার বন্ধ করার নির্দেশ দেয় কমিশন। অথচ, বিজেপি ওই দুদিনও প্রচার চালিয়ে যেতে পেরেছে। কমিশন সেই মূর্তি ভাঙা নিয়ে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। অমিত শাহের বিরুদ্ধেও কোনও পদক্ষেপ করেনি।এখানেই শেষ নয়, ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের আগে সুদীপ জৈন যে কুইক রেসপন্স টিম তৈরি করেছিলেন, সেটা নিয়েও একাধিক অভিযোগ তৃণমূলের। সৌগত এদিন বলেন,কুইক রেসপন্স টিম গড়ে এই সুদীপ বলেছিলেন একজন সেন্ট্রাল অফিসার নেতৃত্বে থাকবে। যা সংবিধান বিরোধী। কারণ কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্য পুলিশকে নির্দেশ দিতে পারে না। নিয়ম অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে পরিচালনা করবে রাজ্য পুলিশ।

মার্চ ০৪, ২০২১
রাজনীতি

শুক্রবারই পূর্ণাঙ্গ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে তৃণমূল

ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশিত হয়ে গিয়েছে গত সপ্তাহে। এখনও পর্যন্ত শাসক-বিরোধী কোনও শিবিরই কোনও প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেনি। সকলেরই চূডা়ন্ত প্রস্তুতি পর্ব চলছে। তবে সূত্রের খবর, শাসকদল তৃণমূল নিজেদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে চলেছে আগামী শুক্রবারই। ২৯৪ আসনের জন্য পূর্ণাঙ্গ প্রার্থীতালিকা ঘোষণা করবেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট ঘোষণার এক সপ্তাহের মধ্যে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশিত হতে চলেছে, যা দলের ইতিহাসে কিছুটা ব্যতিক্রম। পরিকল্পনা ছিল, ধাপে ধাপে নিজেদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হবে তৃণমূলের তরফে। সেভাবেই প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। বুধবারই একদফা তালিকা প্রকাশের কথা ছিল। ভোটের বাকি দফাগুলোতে কে কে লড়বেন, সেই তালিকা ঘোষণা হবে শুক্রবার, এমনই শোনা গিয়েছিল দলীয় সূত্রে। কিন্তু বুধবার সন্ধে নাগাদ পরিকল্পনায় বদল গিয়েছে। জানা যায়, শুক্রবারই একদফায় চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হবে ২৯৪ আসনের জন্য। আর ৯ তারিখ প্রকাশিত হবে ইস্তেহার।

মার্চ ০৩, ২০২১
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী কে? উত্তর দিলেন দিলীপ

জুট কর্পোরেশনের চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফার পরই কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে প্রার্থী হিসাবে শুভেন্দুর নাম নিয়ে আলোচনার কথা জানিয়ে দিল রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। তবে নন্দীগ্রামে তৃণমূল সুপ্রিমোর বিপরীতে বিজেপির কে প্রার্থী হচ্ছেন তা এখনও ঘোষণা হয়নি। যদিও বিজেপির প্রার্থী হিসাবে নন্দীগ্রামের প্রাক্তন বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর নামই বেশ ইঙ্গিতবহ বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে, প্রার্থী নিয়ে পর্যালোচনার পর বঙ্গ বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানিয়ে দিলেন, নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর নাম আলোচনায় আছে। এরপরই জল্পনা আরও বেড়ে গিয়েছে। রাজ্য বিজেপির সভাপতি বলেন, সোমবার জেলা স্তরের কার্যকর্তাদের সঙ্গে প্রার্থী নিয়ে বৈঠক হয়েছে। সেটা পুরো টিমের সামনে রাখা হয়। আগামীকাল, বুধবার নির্বাচন কমিটির মিটিং আছে। সেখানে প্রদেশের প্রথম দুটি পর্যায়ের ভোটের প্রার্থীদের নাম নিয়ে পর্যালোচনা হবে। একএকটি কেন্দ্রে দু-তিনটে করে নাম দিল্লিতে নিয়ে যাব। তারই প্রস্তুতি বৈঠক ছিল। শুভেন্দু অধিকারী কি নন্দীগ্রামে প্রার্থী হচ্ছেন? এই প্রশ্নের জবাবে দিলীপ ঘোষ বলেন, তাঁর সঙ্গে এবিষয়ে কথা হয়নি। তবে ওনার নাম এসেছে। তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট বিধানসভা আসনের সামগ্রিক পরিস্থিতি এবং ওই কেন্দ্রে প্রার্থীর জয়ের সম্ভাবনা আছে কী না সেই সব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হয়নি। ৪-৫ তারিখের মধ্যে প্রথম দুই দফার ভোটের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হয়ে যাবে। বিধানসভা ভোটকে লক্ষ্য রেখে এরাজ্যে প্রতিদিনই গেরুয়া শিবিরের কোনও না কোনও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এরাজ্যে প্রচারে আসছেন। মঙ্গলবার মালদার গাজোলে এসেছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। দিলীপ ঘোষ জানান, অমিত শাহ, নরেন্দ্র মোদিজি-সহ কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব কোথায় কোথায় প্রচার করবেন, সে ব্যাপারেও খসরা প্রস্তাব নেওয়া হচ্ছে।

মার্চ ০৩, ২০২১
রাজনীতি

৮ মার্চ প্রার্থীতালিকা বাম- কংগ্রেস-আইএসএফ-এর

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা ৮ মার্চ ঘোষণা করতে পারে বাম-কংগ্রেস- ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের (আইএসএফ) জোট। মোর্চা সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে। তবে ওই দিন পূর্ণ প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। জোট সূত্রের খবর, ওই দিন প্রথম দুদফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হবে।মঙ্গলবার সিপিএমের রাজ্য দপ্তর আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে বসেন বাম-কংগ্রেস-আইএসএফ নেতারা। বৈঠকে ছিলেন সিপিএমের বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্র, মহম্মদ সেলিম, কংগ্রেসের আব্দুল মান্নান, প্রদীপ ভট্টাচার্য এবং আইএসএফের তরফে নৌশাদ সিদ্দিকী। সেই বৈঠকেই প্রার্থী তালিকা ঘোষণার দিন নিয়ে আলোচনা হয়। জানা গিয়েছে, আগামী ৮ মার্চ তিন দল একসঙ্গে বসে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করবে। কোথায় ঘোষণা হবে তা এখনও ঠিক হয়নি। আগামী দুএক দিনের মধ্যে তা জানানো হবে। প্রথম দফার ভোটের জন্য ৩ মার্চ মঙ্গলবার থেকে মনোনয়ন জমা দেওয়ার কাজ শুরু হবে। কিন্তু জোটের আসন ভাগাভাগি এখনও চূড়ান্ত না হওয়ায় প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতে কিছুটা দেরি হবে বলে জোট সূত্রে খবর। তবে ৮ মার্চ প্রার্থী ঘোষণার ক্ষেত্রে কিছুটা সতর্কতার সঙ্গে এগোতে চাইছেন জোটের নেতারা। কারণ ৯ মার্চ মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। তাই ওই দিন যাতে প্রার্থীর মনোনয়ন জমা দিতে কোনও সমস্যা না হয় সে দিকে নজর রাখছেন জোট নেতৃত্ব।

মার্চ ০২, ২০২১
রাজনীতি

'ছোট থেকে জয় শ্রী রাম বলতাম', ফাঁস করলেন প্রাক্তন তৃণমূল নেতা

শেষমেশ তৃণমূল ছাড়লেন, যোগ দিলেন বিজেপিতে। টানা তিন মাস টালবাহানার পর আসানসোলের প্রাক্তন মেয়র, পান্ডবেশ্বরের বিধায়ক তৃণমূল নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি গেরুয়া শিবিরে ভিড়লেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, বিজেপি নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে বৈদ্যবাটিতে এক সভায় পদ্মপতাকা হাতে তুলে নেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি।শুভেন্দু অধিকারী বিধায়ক পদ ছাড়ার পরই কাঁকসায় তৃণমূল সাংসদ সুনীল মন্ডলের বাড়িতে গিয়েছিলেন। সেখানে হাজির ছিলেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। তারপর বেসুরো বক্তব্যও রাখছিলেন তিনি। রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে আলোচনার পর দলেই থেকে যান। তবে তৃণমূল তাঁকে দলে কোনও পদে রাখেনি। অন্যদিকে আসানসোলের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় জিতেন্দ্রর বিজেপি যোগের তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন। জিতেন্দ্রর ঘটনায় মন্তব্য করায় শোকজের ঘটনাও ঘটে।বিজেপিতে যোগদানের পর জিতেন্দ্র তিওয়ারির মুখে জয় শ্রী রাম ধ্বনি শোনা যায়। তিনি বলেন, ছোট থেকে জয় শ্রী রাম বলতাম। মনে এক বাইরে অনেক কথা বলতে হত। সব কথা বলতে দেওয়া হত না। সেই সুযোগ করে দেওয়ার জন্য বিজেপিকে ধন্যবাদ।জিতেন্দ্র তিওয়ারির সঙ্গে পুরনো বিরোধের কথা বললেও তাঁকে দলে স্বাগত জানিয়েছেন বাবুল সুপ্রিয়। মোদিজির সঙ্গে তিনি কাজ করতে চান, জানান বাবুল।

মার্চ ০২, ২০২১
রাজনীতি

ভাইজান ইস্যুতে বাম-কংগ্রেসকে কড়া তোপ তৃণমূল-বিজেপির

আব্বাস সিদ্দিকিকে নিয়ে বাম-কংগ্রেসের ব্রিগডকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করল তৃণমূল ও বিজেপি। আব্বাসের জাতপাত ও বিভাজনের রাজনীতিকে সমর্থন করছে বাম ও কংগ্রেস এই অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। এর বিরোধিতা করবে বিজেপি। ভাইজানের ঔদ্ধত্য ও আগ্রাসী অবস্থান এরাজ্যে ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টি করছে বলে বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য অভিযোগ করেছেন। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের অভিযোগ, জাতপাতের রাজনীতি করছে কংগ্রেস ও বামফ্রণ্ট। বিজেপি দুই নতুন বন্ধু পেয়েছে।রবিবার ব্রিগেডে পিরজাদা আব্বাস সিদ্দিকি তথা ভাইজানের ভাগিদারি বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছে বিজেপি। শমীক ভট্টাচার্যের দাবি, পশ্চিমবঙ্গকে নতুন করে ভাগ করতে চাইছে। আমরা তা করতে দেব না। এই বিভাজনের রাজনীতি সর্বশক্তি দিয়ে রুখব।এদিকে এদিন তৃণমূল ভবনে বর্ষীয়াণ তৃণমূল নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায় অভিয়োগ করেছেন, ভাইজানকে ভরসা করে রাজনীতি করতে হচ্ছে বাম-কংগ্রেসকে। তারাও জাতপাতের রাজনীতিতে সামিল হল। বিভাজনের রাজনীতির দুই নতুন বন্ধু পেল বিজেপি।

মার্চ ০১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 27
  • ...
  • 37
  • 38
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

বাংলায় বদলের ঝড় বইছে! অমিত শাহর বিস্ফোরক দাবি ঘিরে চাঞ্চল্য

ভোটের মুখে বাংলায় জোরদার প্রচারে নেমেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। একের পর এক সভা ও প্রচারে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সম্প্রতি দলের নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশের পর থেকেই প্রচারে আরও গতি এসেছে। সেই ইস্তাহারে পনেরোটি বড় সংকল্পের কথা তুলে ধরা হয়েছে। ডেবরার সভা থেকেও অমিত শাহ তৃণমূলকে ক্ষমতা থেকে সরানোর ডাক দিয়েছেন। বাংলায় পরিবর্তন আনা এবার বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।এক সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে অমিত শাহ দাবি করেছেন, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যে বিপুল মানুষের ভিড় দেখা যাচ্ছে, তা শুধুই জনসমাগম নয়, বরং বড় পরিবর্তনের স্পষ্ট ইঙ্গিত। তাঁর মতে, ভোটের শুরুতেই বিজেপি এগিয়ে রয়েছে। আগের নির্বাচনে যেসব জেলায় দল তেমন ভালো ফল করতে পারেনি, সেখানেও এবার অভূতপূর্ব জনসমর্থন দেখা যাচ্ছে বলে তিনি দাবি করেছেন। তাঁর কথায়, বাংলার মানুষ ইতিমধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-কে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন।অন্যদিকে, তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিজেপির বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দেওয়া হলেও, অমিত শাহ পাল্টা বলেন, বাংলার মানুষ ইতিমধ্যেই নরেন্দ্র মোদীর উপর আস্থা রেখেছেন। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। তাঁর দাবি, আগে সাধারণ মানুষ তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের ভয়ে আতঙ্কে থাকত, কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলেছে। এখন তৃণমূলের কর্মীরাই সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া দেখে ভয় পাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তিনি জানান, এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া এবং এর সঙ্গে সরাসরি বর্তমান নির্বাচনের যোগ খোঁজা ঠিক নয়।সাম্প্রতিক এক সাংবাদিক বৈঠকে অমিত শাহ বাংলায় বিজেপির বাড়তে থাকা শক্তির প্রমাণ হিসেবে বিভিন্ন নির্বাচনের পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দুই হাজার উনিশ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির ভোটের হার প্রায় একচল্লিশ শতাংশে পৌঁছয় এবং দল আঠারোটি আসন পায়। দুই হাজার চব্বিশ সালের লোকসভা নির্বাচনে সেই হার কিছুটা কমে প্রায় ঊনচল্লিশ শতাংশ হয় এবং দল বারোটি আসন পায়। দুই হাজার ষোলো সালের বিধানসভা নির্বাচনে যেখানে বিজেপি মাত্র দশ শতাংশ ভোট ও তিনটি আসন পেয়েছিল, সেখানে দুই হাজার একুশ সালের নির্বাচনে তাদের ভোটের হার বেড়ে প্রায় আটত্রিশ শতাংশ হয় এবং আসনের সংখ্যা বেড়ে সাতাত্তরে পৌঁছয়।

এপ্রিল ১১, ২০২৬
রাজ্য

ফের দাপট দেখাবে গরম! দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রা বাড়বে ৭ ডিগ্রি, সামনে ভয়াবহ দাবদাহ

মনোরম আবহাওয়ার দিন শেষ হতে চলেছে। ধীরে ধীরে ফের বাড়ছে গরমের দাপট। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী সাত দিনে বৃষ্টির সম্ভাবনা খুবই কম। উল্টে রোদের তেজ বাড়বে এবং তাপমাত্রা দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী হবে।দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৫ থেকে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে। বিশেষ করে ১৩ থেকে ১৬ এপ্রিলের মধ্যে বেশ কিছু জেলায় চরম দাবদাহের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলায় সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত গরম অনেকটাই বাড়বে। সঙ্গে বাড়বে অস্বস্তিও। যদিও সোমবার দু-এক জায়গায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, তবে তা গরম কমাতে খুব একটা সাহায্য করবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হতে পারে।উত্তরবঙ্গে অবশ্য আবহাওয়ার কিছুটা ভিন্ন চিত্র দেখা যাবে। শনিবার ও রবিবার দার্জিলিং, কালিম্পং এবং জলপাইগুড়ির মতো পাহাড়ি এলাকায় হালকা বৃষ্টি এবং বজ্রবিদ্যুতের সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে বইতে পারে দমকা হাওয়া। তবে আগামী সপ্তাহ থেকে সেখানেও বৃষ্টির পরিমাণ কমে যাবে এবং তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করবে। উত্তরবঙ্গের সমতলের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে।কলকাতাতেও গরমের প্রভাব স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। সকাল থেকে আকাশ পরিষ্কার থাকলেও বেলার দিকে আর্দ্রতার কারণে অস্বস্তি বাড়ছে। রবিবারের মধ্যে শহরের তাপমাত্রা ৫ থেকে ৭ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, তবে আগামী কয়েক দিনে শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে অস্বস্তি আরও বাড়বে। বুধবার পর্যন্ত এই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১১, ২০২৬
বিদেশ

প্রণালী খুলেও বিপদ কাটেনি! নিজের পোঁতা মাইনই খুঁজে পাচ্ছে না ইরান, আতঙ্কে জাহাজ চলাচল

যুদ্ধবিরতির ফলে আপাতত থেমেছে গোলাগুলি ও হামলা। ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সংঘর্ষ কিছুটা থামলেও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে। শর্ত মেনে ইরান প্রণালী খুলে দিলেও আগের মতো জাহাজ চলাচল এখনও স্বাভাবিক হয়নি।এর মূল কারণ জলের নীচে পোঁতা মাইন। জানা যাচ্ছে, এই প্রণালী জুড়ে বহু জায়গায় মাইন পুঁতে রাখা হয়েছিল। কিন্তু সমস্যা হল, এখন সেই মাইন ঠিক কোথায় রয়েছে, তা নিজেরাই নিশ্চিত করে বলতে পারছে না ইরান। ফলে সেগুলি সরানোও সম্ভব হচ্ছে না।এক মার্কিন আধিকারিকের দাবি, জলের নীচে থাকা মাইনগুলির সঠিক অবস্থান চিহ্নিত করা যাচ্ছে না বলেই পুরোপুরি প্রণালী খুলে দেওয়া যাচ্ছে না। এমনকি যেখানে কিছু মাইনের অবস্থান জানা রয়েছে, সেখান থেকেও সেগুলি সরানোর মতো প্রযুক্তিগত দক্ষতা ইরানের নেই বলেই মনে করা হচ্ছে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের উপর চাপ সৃষ্টি করেছিলেন যাতে দ্রুত এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ খুলে দেওয়া হয়। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘাচি অবশ্য জানিয়েছেন, কিছু প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণেই পুরো পরিস্থিতি সামাল দিতে সময় লাগছে। যদিও মার্কিন পক্ষের দাবি, আসল সমস্যা হল এই মাইন।বিশ্বের তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের একটি বড় অংশ এই প্রণালী দিয়ে যায়। কিন্তু সংঘাত শুরুর পর থেকেই ইরান এই পথ বন্ধ করে দিয়েছিল। তখন ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পাশাপাশি সমুদ্রপথে বড় অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল এই মাইন।জানা গিয়েছে, ছোট নৌকা ব্যবহার করে দ্রুততার সঙ্গে এই মাইন পোঁতা হয়েছিল। কিন্তু তাড়াহুড়োর কারণে তা সঠিকভাবে নথিবদ্ধ করা হয়নি। ফলে এখন নিজেরাই বুঝতে পারছে না কোথায় কত মাইন রয়েছে। এর মধ্যে আবার স্রোতের কারণে মাইন সরে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে, যা বিপদ আরও বাড়াচ্ছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনও জাহাজের নোঙর বা প্রপেলার যদি এই মাইনের সঙ্গে ধাক্কা খায়, তাহলে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। এতে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।ইসলামিক রেভেলিউশনারি গার্ড বাহিনী নিরাপদ পথের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। তবে সেই পথের আশেপাশেও অজানা মাইন থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে সামান্য ভুল হলেই বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১১, ২০২৬
দেশ

লোকসভা ভোটেই কি বড় বদল? মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন, চমক দিতে পারে কেন্দ্র

আগামী লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে আবারও জোরদার হয়েছে মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে আলোচনা। কেন্দ্রীয় সরকার এই বিলের সংশোধন নিয়ে বড় পদক্ষেপ করতে চলেছে। সেই উদ্দেশ্যে আগামী ১৬, ১৭ এবং ১৮ এপ্রিল বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়েছে। এই অধিবেশনেই বিলটি সংসদে পেশ করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে সংসদে নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম পাস হয়েছিল। এই আইনের মূল লক্ষ্য ছিল সংসদ এবং বিধানসভায় মহিলাদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানো। সেই অনুযায়ী মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছিল। তবে এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে সম্পূর্ণ বিধান তৈরি হয়নি।প্রথমে ঠিক হয়েছিল, জনগণনা এবং আসন পুনর্বিন্যাসের পরই এই সংরক্ষণ কার্যকর করা হবে। কিন্তু সম্প্রতি কেন্দ্রের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, ২০২৯ সালের লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচন থেকেই এই সংরক্ষণ চালু করা হতে পারে। ফলে আসন বিন্যাসে বড় পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।এদিকে এই বিলের সংশোধন নিয়ে নিজেদের অবস্থান ঠিক করতে বিরোধী জোটের মধ্যেও আলোচনা শুরু হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, আগামী ১৫ এপ্রিল বিরোধী জোটের বৈঠক ডাকতে পারেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে। তবে পশ্চিমবঙ্গের ভোটের আবহে এই বৈঠকে সব দল যোগ দেবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। বিশেষ করে তৃণমূলের অবস্থান এখনও স্পষ্ট হয়নি।অন্যদিকে কংগ্রেসের তরফে ইঙ্গিত মিলেছে যে, তারা এই সংশোধনীকে সমর্থন করতে পারে। তবে জনগণনা ছাড়া আসন পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাবে আপত্তি রয়েছে তাদের। এই বিষয়টি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের ভোট পর্ব শেষ হওয়ার পর সর্বদলীয় বৈঠক ডাকার দাবি তুলতে পারে বিরোধীরা।বিশেষ অধিবেশন ডাকার সময় নিয়েও ইতিমধ্যেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুর নির্বাচনের আগে এই সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছে বিরোধীরা। পাল্টা বিজেপি অভিযোগ তুলেছে, বিরোধীরা মহিলাদের অধিকার নিয়ে আন্তরিক নয়।সব মিলিয়ে, ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন থেকে মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণ কার্যকর করার লক্ষ্যে এগোচ্ছে কেন্দ্র। এই বিল সংসদে পাস হলে দেশের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১১, ২০২৬
রাজ্য

বাঁকুড়ায় ভয়াবহ হামলা! প্রকাশ্য রাস্তায় সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত, তোলপাড় রাজনীতি

বাঁকুড়ার স্কুলডাঙ্গা এলাকায় এক ভয়াবহ হামলার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। অভিযোগ, সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতা অরিন্দম মণ্ডলের উপর প্রায় ৪০ জন দুষ্কৃতী লাঠি ও হকি স্টিক নিয়ে নৃশংস হামলা চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে।শুক্রবার শহরের স্কুলডাঙ্গা এলাকায় এবিটিএ-র হলঘরে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের একটি বৈঠক ছিল। বৈঠক শেষ হওয়ার পর মঞ্চের নেতা ভাস্কর ঘোষ ও আরও কয়েকজন স্থানীয় মাজারের কাছে বসে ছিলেন। সেই সময় আচমকাই একদল দুষ্কৃতী সেখানে এসে হামলা চালায় বলে অভিযোগ।অভিযোগ উঠেছে, তৃণমূলের ছাত্র নেতা সুরজ বক্সের নেতৃত্বে এই হামলা হয়। হামলাকারীরা লাঠি, বাঁশ এবং হকি স্টিক দিয়ে অরিন্দম মণ্ডলকে বেধড়ক মারধর করে। তাঁর মাথা ও মুখ লক্ষ্য করে আঘাত করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে। ঘটনাস্থলেই তিনি গুরুতর জখম হন।সহকর্মীরাই দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। এই ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।ভাস্কর ঘোষের অভিযোগ, এটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হামলা। তাঁর দাবি, হামলাকারীদের হাতে তৃণমূলের পতাকা বাঁধা লাঠিও ছিল। তাঁদের লক্ষ্য ছিল অরিন্দমকে প্রাণে মেরে ফেলা। এমনকি তাঁকেও আক্রমণের লক্ষ্য করা হয়েছিল বলে তিনি জানান।যদিও এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে শাসকদল। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ১১, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রামে তুমুল সংঘাত! শুভেন্দুকে ‘মাস্টারমাইন্ড’ বলে তোপ দাগলেন পবিত্র কর

ভোটের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি। সেই আবহে নন্দীগ্রাম আবারও রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। এবার বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন তাঁরই একসময়ের সতীর্থ এবং বর্তমানে তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র কর।ঘটনার সূত্রপাত একটি এফআইআরকে কেন্দ্র করে। নন্দীগ্রাম থানায় বিজেপির এক বুথ সভাপতির পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, পবিত্র কর তাঁর অনুগামীদের নিয়ে ওই বিজেপি কর্মীর উপর হামলা চালিয়েছেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই পবিত্র করের বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর দায়ের হয়।এই ঘটনার পরই শুভেন্দু অধিকারীকে সরাসরি আক্রমণ করেন পবিত্র কর। তিনি দাবি করেন, নন্দীগ্রামে যত মামলা রয়েছে, তার সবকিছুর পেছনেই শুভেন্দু অধিকারীর ভূমিকা রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, সাধারণ মানুষকে ভয় দেখাতে এবং চাপে রাখতে এই সব মামলা করা হচ্ছে।পবিত্র কর কটাক্ষ করে বলেন, শুভেন্দু চাইলে সব কিছুই সম্ভব। তাঁর কথায়, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মামলা করানোই যেন এক বিশেষ দক্ষতা। তিনি আরও বলেন, সব কিছু জেনেই তিনি শুভেন্দুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছেন।উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে নন্দীগ্রাম আবারও অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। ভবানীপুরের মতোই এই কেন্দ্রকে ঘিরে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তেজনা। তৃণমূল এবং বিজেপি দুই দলই জোরকদমে প্রচার চালাচ্ছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংযোগ চলছে।এদিকে নিজের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর খারিজের দাবিতে ইতিমধ্যেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন পবিত্র কর। ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই নন্দীগ্রামে রাজনৈতিক লড়াই তীব্র হচ্ছে। গুরু-শিষ্যের এই দ্বন্দ্ব এখন রাজ্য রাজনীতির অন্যতম বড় আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ১১, ২০২৬
কলকাতা

হিন্দু বাঙালিদের নাম কাটা হচ্ছে? চাঞ্চল্যকর অভিযোগে উত্তপ্ত রাজনীতি

ভোটের আগে নাম বাদ নিয়ে উত্তাল বাংলা। প্রায় নব্বই লক্ষেরও বেশি নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ উঠতেই তীব্র আক্রমণে নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সাংবাদিক বৈঠকে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিস্ফোরক দাবি করেন, বাদ যাওয়া নামগুলির মধ্যে প্রায় তেষট্টি শতাংশই হিন্দু বাঙালির।অভিষেকের অভিযোগ, রাজনৈতিক স্বার্থে পরিকল্পিতভাবে সাধারণ মানুষকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। তাঁর কথায়, জোর করে বাংলা দখলের চেষ্টা চলছে, কিন্তু বাংলার মানুষ তা মেনে নেবে না। তিনি বলেন, এই রাজ্য বিপ্লবীদের ভূমি, এখানে অন্যায়ের বিরুদ্ধে মানুষ সবসময় লড়াই করে। তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর সরকার থাকলে কোনওভাবেই মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, এর জবাব মানুষ ভোটবাক্সেই দেবে এবং মানুষের শক্তির সামনে সব অন্যায় পরাজিত হবে।এর আগেই এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, মতুয়া, রাজবংশী এবং সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় বেছে বেছে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, নির্দিষ্ট কিছু সম্প্রদায়কে টার্গেট করেই এই কাজ করা হচ্ছে। তিনি জানান, দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে প্রায় বত্রিশ লক্ষ নাম আবার তালিকায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। তবে যাঁদের নাম এখনও বাদ রয়েছে, তাঁদের অধিকার ফেরাতে প্রয়োজন হলে আরও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, যারা বহু বছর ধরে এই দেশে বসবাস করছেন, তাঁদের কেন আবার নতুন করে নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কোনও বৈধ ভোটারকে বাংলা থেকে বাদ পড়তে দেবেন না।তৃণমূল নেতৃত্ব এই ঘটনাকে শুধুমাত্র প্রশাসনিক ত্রুটি হিসেবে দেখছে না। বরং তারা মনে করছে, এটি বাঙালির পরিচয় এবং অধিকার খর্ব করার একটি বড় চক্রান্ত। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তাঁদের সাহায্য করতে প্রতিটি ব্লকে বিশেষ আইনি সহায়তা কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে।

এপ্রিল ১০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের মুখে বড় ধাক্কা! তৃণমূল প্রার্থীর মনোনয়ন হঠাৎ বাতিল কেন

নির্বাচনের আগে বড় ধাক্কা খেল তৃণমূল কংগ্রেস। কৃষ্ণনগর উত্তরের প্রার্থী অভিনব ভট্টাচার্যের মনোনয়ন বাতিল হয়ে গেল বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর। জানা গিয়েছে, জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ৯-এ ধারার ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রিটার্নিং অফিসার। প্রশাসনের এক সূত্রের দাবি, রাজ্য সরকারের সঙ্গে তাঁর ব্যবসায়িক চুক্তি থাকার জটিলতার কারণেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।অভিনব ভট্টাচার্য দীর্ঘদিন ধরে দলের সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং এলাকায় একজন পরিচিত মুখ হিসেবে পরিচিতি গড়ে তুলেছিলেন। এবারের নির্বাচনে তাঁকে কৃষ্ণনগর উত্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছিল, যা রাজনৈতিক মহলে বেশ চমক তৈরি করেছিল। শিক্ষিত এবং স্পষ্টভাষী হিসেবে তিনি তরুণ প্রজন্মের কাছেও জনপ্রিয় ছিলেন। অনেকেই মনে করেছিলেন, স্থানীয় এবং গ্রহণযোগ্য মুখ হিসেবে তাঁকে প্রার্থী করে বিশেষ কৌশল নিয়েছিল তৃণমূল।কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্রটি রাজনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে বিরোধী শক্তিও যথেষ্ট প্রভাবশালী। এমন পরিস্থিতিতে অভিনব ভট্টাচার্যের পরিষ্কার ভাবমূর্তি এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ তৃণমূলের পক্ষে বড় শক্তি হতে পারত বলে মনে করছিলেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।তবে শেষ পর্যন্ত আইনি জটিলতার কারণেই তাঁর মনোনয়ন বাতিল হয়ে গেল। নির্বাচনী নিয়ম অনুযায়ী, কোনও ব্যক্তি যদি সরকারের সঙ্গে সরাসরি ঠিকাদারি বা ব্যবসায়িক স্বার্থে যুক্ত থাকেন, তাহলে তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন না। সেই নিয়ম মেনেই তাঁর মনোনয়ন খারিজ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

এপ্রিল ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal