• ২৭ চৈত্র ১৪৩২, রবিবার ১২ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

রাজনীতি

রাজনীতি

যশ-এর ক্ষয়ক্ষতি ও অর্থ বরাদ্দ নিয়ে কলাইকুণ্ডায় মোদি-মমতার বৈঠক

আম্ফানের পর তিনি রাজ্যে এসেছিলেন। এ বার যশ পরবর্তী পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতেও রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার ওডিশার বালেশ্বর এবং ভদ্রক পরিদর্শনের পর এ রাজ্যে আসার কথা তাঁর। এমনটাই জানা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয় (পিএমও) সূত্রে। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কলাইকুণ্ডায় তাঁর নামার কথা। যশ-এর দাপটে রাজ্যের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা।যশ-এর জেরে হওয়া ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির থেকে রিপোর্ট সংগ্রহ করেছে কেন্দ্র। সেই সঙ্গে পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে আসছেন মোদিও। পিএমও সূত্রে খবর, ঘূর্ণিঝড় বিধ্বস্ত ওডিশা এবং পশ্চিমবঙ্গ, দুই রাজ্যেই যাবেন মোদি। শুক্রবার দিল্লি থেকে প্রথমে যাবেন ভুবনেশ্বর। সেখানে ওডিশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েকের সঙ্গে বৈঠক করার কথা প্রধানমন্ত্রীর। সেখান থেকে কপ্টারে বালেশ্বর এবং ভদ্রক পরিদর্শন করার কথা মোদির। এ রাজ্যে এসে পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুরের ঝড়ে বিধ্বস্ত স্থানগুলোও পরিদর্শনের কথা রয়েছে তাঁর। প্রধানমন্ত্রীর সফরের খবর পেয়ে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে জেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার বিকেলে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কোভিড পরীক্ষা করানো শুরু হয়েছে পুলিশের কর্মীদের।ইতিমধ্যেই যশ মোকাবিলায় রাজ্যকে ৪০০ কোটি টাকা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে কেন্দ্র। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওডিশাকেও ৬০০ কোটি করে দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দ বণ্টনে বৈষম্যের অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন মমতা। মনে করা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পরে বিপর্যয় মোকাবিলা খাতে আরও কিছু বরাদ্দ করা হতে পারে।পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী হিঙ্গলগঞ্জ, সাগর এবং দিঘার দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করে প্রশাসনিক বৈঠক করার কথা। বুধবারই নবান্নের সাংবাদিক সম্মেলন থেকে মুখ্যমন্ত্রীর এই কর্মসূচির কথা জানিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী আচমকাই রাজ্য সফরে চলে আসায় সেই কর্মসূচিতে খানিক বদল আসতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ, পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষ করে দিঘায় যেতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। শুক্রবার রাতে দিঘা থেকে প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানতে চাইবেন। সে ক্ষেত্রে শনিবার সকালে দিঘার পর্যুদস্ত এলাকা পরিদর্শনে যেতে পারেন মমতা।প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের আমপান ঘূর্ণিঝড়ের পরেও রাজ্যের পরিস্থিতি দেখতে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সে বার বসিরহাটে বৈঠক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে। বৈঠকের পর এক হাজার কোটি টাকা বরাদ্দও করেছিলেন। সে বার প্রধানমন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ও। তবে এ বার তিনি থাকছেন কি না তা জানা যায়নি।

মে ২৭, ২০২১
রাজনীতি

'দিদির আঁচলের নীচে' ফিরতে চান সোনালি

বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরতে চেয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদ্দেশ্য করে সোশ্যাল মিডিয়ায় খোলা চিঠি দিলেন সোনালি গুহ৷ সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ক্ষমা চেয়ে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের খোলা স্বীকারোক্তি , মাছ যেমন জল ছাড়া বাঁচতে পারে না, তেমনই আমি আপনাকে ছাড়া বাঁচতে পারব না৷ এ বিষয়ে দলনেত্রী বা তৃণমূল কংগ্রেসের কোন প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে সোনালিকে সুবিধেবাদী আখ্যা দিয়ে পাল্টা সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থকেরা।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের সঙ্গী এবং সাতগাছিয়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সোনালিকে এবার বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট দেয়নি তৃণমূল৷ এর পরই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি-তে যোগ দেন তিনি৷ যদিও বিজেপি-ও তাঁকে প্রার্থী করেনি৷ সোনালি অবশ্য এ দিন দাবি করেছেন, তাঁকে জোড়াসাঁকো থেকে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দিলেও তিনি রাজি হননি৷ তিনি চেয়েছিলেন দলের হয়ে প্রচার করতে৷এ দিন টুইটারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে সোনালি লিখেছেন, অত্যন্ত ভগ্ন হৃদয়ে বলছি যে. আমি আবেগপূর্ণ হয়ে চরম অভিমানে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে অন্য দলে গিয়েছিলাম৷ যেটা ছিল আমার চরম ভুল সিদ্ধান্ত৷ কিন্তু সেখানে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারিনি৷ মাছ যেমন দল ছাড়া বাঁচতে পারে না, তেমনই আমি আপনাকে ছাড়া বাঁচতে পারব না৷তৃণমূলনেত্রীর কাছে ক্ষমা চেয়ে সোনালির কাতর আর্জি, দিদি আমি আপনার কাছে ক্ষমাপ্রার্থী৷ দয়া করে আমারে ক্ষমা করে দিন৷ আপনি ক্ষমা না করলে আমি বাঁচব না৷ আপনার আঁচলের তলায় আমাকে টেনে নিয়ে, বাকি জীবনটা আপনার স্নেহতলে থাকার সুযোগ করে দিন৷কিন্তু কেন বিজেপি ছাড়ছেন? সোনালির দাবি, বিজেপি তাঁকে কাজেই লাগায়নি৷ প্রার্থী হতে নয়, সামাজিক সুরক্ষার জন্যই বিজেপি-তে গিয়েছিলেন তিনি৷ সোনালির দাবি, তিনি প্রচার করতে চাইলেও দল তাঁকে ডাকেনি৷ তাই বিজেপি-তে দমবন্ধ হয়ে আসছিল তাঁর৷ তবে সোনালি বার বারই স্বীকার করে নিয়েছেন, বিজেপি-তে যাওয়া জীবনের অন্যতম ভুল সিদ্ধান্ত তাঁর৷ প্রাক্তন বিধায়ক বলেন, মানুষ মাত্রেই তো ভুল হয়৷ বিজেপি-তে দমবন্ধকর পরিস্থিতি৷ নাথুরাম গডসের জন্মদিন পালন করতে পারব না৷ আমি গান্ধিবাদী মহিলা৷ সোনালি গুহর কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি আমার বাড়ি৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ে আমার প্রতিটা নিঃশ্বাসে জড়িয়ে রয়েছেন, প্রতি মুহূর্তে জড়িয়ে রয়েছেন৷ আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ছাড়া বাঁচতে পারব না৷ নিজের দলেই ফিরতে চাই৷ একই সঙ্গে তিনি বলেন, চার জন নেতাকে গ্রেপ্তার করল৷ বসে থেকে হাত কামড়ালাম৷ নিজাম প্যালেসে গিয়ে দিদির পাশে দাঁড়াতে পারলাম না৷সোনালির দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত নম্বর তাঁর কাছে নেই৷ তাই তিনি টুইটেই ক্ষমা চেয়ে চিঠি লিখেছেন তিনি৷ সোনালির আশা, মুখ্যমন্ত্রী নিশ্চয়ই তাঁর চিঠি দেখবেন৷ তবে ভুল বুঝতে অনেক দিন দেরি হয়ে গেল বলেও আক্ষেপ করতে শোনা গিয়েছে তাঁকে৷যদিও তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, যাঁরা দল ছেড়ে চলে গিয়েছিল তাঁদের ফেরানো হবে কি না, এ বিষয়ে তৃণমূল এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি৷ সোনালি গুহর স্বামী আমাকে বেশ কয়েকবার ফোন করেছিলেন৷ কিন্তু দলত্যাগীদের আদৌ ফেরানো হবে কি না, ফেরালেও এক্ষেত্রে দলের নীতি কী হবে তা নিয়ে কোনও সিদ্ধান্তই হয়নি৷

মে ২২, ২০২১
রাজনীতি

বিধায়ক পদ থেকে পদত্যাগ শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের

ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে পদত্যাগে করলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। আজই বিধানসভায় পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এই কেন্দ্র ছেড়ে দিতেই এমন সিদ্ধান্ত বলে উল্লেখ করলেন বর্ষীয়ান এই বিধায়ক। আজ শুক্রবার বিধানসভায় পদত্যাগ করতে যাওয়ার পথে তিনি জানিয়েছেন, দলনেত্রীকে ভবানীপুর কেন্দ্র ছেড়ে দেওয়ার জন্যই এমন সিদ্ধান্ত। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ৬ মাসের মধ্যে নির্বাচিত হয়ে আসতে আসতে হবে। তাঁর নিজের কেন্দ্র থেকে আমি জিতেছিলাম। আর মমতার মুখ্যমন্ত্রী থাকাটা আমাদের ও আমাদের দলের অস্তিত্তের প্রশ্ন। সেই প্রশ্ন যখন সামনে এসেছে, তখনই আমি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তিনি আরও জানান, রাজনৈতিক কেরিয়ারের শুরুর দিকে তিনি বারুইপুর কেন্দ্র থেকে লড়েছিলেন, তখন ওই কেন্দ্র চিনতেন না তিনি। পরে তাঁকে রাসবিহারী কেন্দ্রে টিকিট দেওয়া হয়। আর এবার ভবানীপুর। কোনওদিনই প্রতিবাদ করেননি বলে উল্লেখ করেন শোভনদেব। তিনি বলেন, এর জন্য কোনও আক্ষেপ নেই। আমি দলের দীর্ঘদিনের অনুগত সৈনিক। তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যত কী হবে, সে ব্যাপারে মমতা সিদ্ধান্ত নেবেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।দীর্ঘদিন ধরেই মমতার নিজের কেন্দ্র ভবানীপুর। আর সেই কেন্দ্র ছেড়ে এবার বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। অন্য দিকে, ভবানীপুর থেকে লড়াই করেন ও জয়ী হন তৃণমূলের বর্ষীয়ান নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরও বিপুল আসনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথও নেন মমতা। কিন্তু পরাজিত প্রার্থী হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী থাকা সম্ভব নয়, তাই আগামী ৬ মাসের মধ্যে তাঁকে কোনও একটি কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে আসতে হবে। সেই হিসেবেই তাঁকে ভবানীপুর কেন্দ্র ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।

মে ২১, ২০২১
রাজনীতি

নারদ কাণ্ডে গ্রেপ্তার ফিরহাদ-সুব্রত-মদন-শোভন, নিজাম প্যালেসে মমতা

নিজাম প্যালেসে পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার সকালে মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, বিধায়ক মদন মিত্রকে তুলে আনা হয় সিবিআই দপ্তর নিজাম প্যালেসে। নিয়ে আসা হয় শোভন চট্টোপাধ্যায়কেও। কোনও নোটিস ছাড়া মাত্র ঘণ্টা দেড়েকের ব্যবধানে চার জনকে তুলে আনা হয়। পরে গ্রেপ্তার করা হয় তাঁদের।সোমবার সকালে ফিরহাদকে চেতলার বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর মমতা যান ফিরহাদের বাড়িতে। সেখান থেকে তার পর সোজা চলে আসেন নিজাম প্যালেসে। সেখানে সাংবাদিকরা মমতাকে জিজ্ঞেস করেন তাঁর আসার কারণের বিষয়ে। তিনি বলেন, ওদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছি। সোমবার সকালে কলকাতার প্রাক্তন মেয়র, তৃণমূলের বিধায়ক এবং মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের চেতলার বাড়ি ঘিরে ফেলে কেন্দ্রীয় বাহিনী। সকাল নটা নাগাদ তাঁকে বাড়ি থেকে নিয়ে যায় সিবিআই। বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় ফিরহাদ বলেন, নারদ মামলায় আমাকে গ্রেপ্তার করেছে সিবিআই। বিনা নোটিসে আমাকে গ্রেপ্তার করা হল। ফিরহাদ আরও বলেন, স্পিকারের অনুমতি ছাড়াই আমায় গ্রেপ্তার করা হল। আদালতে দেখে নেব। সোমবার সকালেই মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যায়কে নিজাম প্যালেসে নিয়ে যাওয়া হয়। নিজাম প্যালেসে আনা হয় রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়কেও। সেখানে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে সিবিআই সূত্রের খবর। সিবিআই সূত্রে খবর, সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ নিজাম প্যালেসে অ্যারেস্ট মেমোয় সই করানো হয় এই চার জনকে।বর্ষীয়ান তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়ের প্রতিক্রিয়া, একজন বিধায়ককে স্পিকারের অনুমতি ছাড়া এভাবে গ্রেপ্তার করা অনৈতিক। আদালতে সব বোঝাপড়া হবে। ফিরহাদ আত্মবিশ্বাসী, তাই আদালতের কথা বলেছেন। এই গ্রেপ্তারি প্রতিহিংসামূলক, তৃণমূলের এই দাবি উড়িয়ে বিজেপি নেতা রাহুল সিনহার বক্তব্য,ফিরহাদ বা মদনের গ্রেপ্তারির সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগই নেই।

মে ১৭, ২০২১
রাজনীতি

এবার ভোট পরবর্তী হিংসা খতিয়ে দেখতে নন্দীগ্রাম যাচ্ছেন রাজ্যপাল

শাসকদলের সমালোচনায় দমছেন না রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। কোচবিহারের পর ভোটপরবর্তী হিংসার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে তিনি যাচ্ছেন রাজ্যের সবচেয়ে হেভিওয়েট কেন্দ্র নন্দীগ্রামে। এই কেন্দ্র থেকেই এবারের নির্বাচনে লড়াই করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর কাছে সামান্য ভোটের ব্যবধানে হারতে হয়েছে মমতাকে।রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসায় আক্রান্তদের পাশে দাঁড়াতে গতকাল থেকেই জেলা সফর শুরু করেছেন রাজ্যপাল। বৃহস্পতিবার দিনভর অশান্ত কোচবিহারের বিভিন্ন জায়গা ঘুরেছেন জগদীপ ধনখড় । তাঁর সাংবিধানিক অধিকারের কথা মনে করিয়ে রাজ্যবাসীর সুরক্ষা কতটা, তা সরেজমিনে দেখেছেন। আজ আবার তিনি গিয়েছিলেন অসমে। অসমের ধুবুড়ি জেলার আগমনিতে যান তিনি। রাঙ্গাপালি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শরণার্থী শিবিরে আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলেন ৷ অভিযোগ, এই রাঙ্গাপালি প্রাথমিক বিদ্যালয়েই আশ্রয় নিয়েছেন কোচবিহারের বক্সিরহাট, তুফানগঞ্জ, ঝাউকুঠি এলাকার আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা৷ ধনখড় তাঁদের দ্রুত ঘরে ফেরানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কোচবিহার, অসমের পর শনিবারই তিনি যাবেন নন্দীগ্রাম। সকালেই বিএসএফের কপ্টারে নন্দীগ্রামে যাচ্ছেন তিনি। নন্দীগ্রাম বাজারে, বঙ্কিম মোড়, কেন্দামারিতে যাবেন রাজ্যপাল। এলাকা পরিদর্শনের পর জানকীনাথ মন্দির যাবেন রাজ্যপাল। সেখানে পুজো দিয়ে শনিবারই কলকাতা ফিরবেন তিনি। তাৎপর্যপূর্ণভাবে রাজ্যপালের সফরের একদিন আগে নন্দীগ্রামের বিরুলিয়া বাজারে কর্মীকে খুনের অভিযোগে মৌন মিছিল করেছে বিজেপি।এদিকে, রাজ্যপালের জেলা সফরের মধ্যেই ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা রাজ্যে বহু মহিলার শ্লীলতাহানি করেছে। আধার কার্ড, ভোটার কার্ড সব নিয়ে নেওয়া হয়েছে। তৃণমূল নেতারা বিজেপি কর্মীদের রেশন নিতে দিচ্ছে না। পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, দুই বর্ধমানের অবস্থা মারাত্মক। ওডিশা, অসমে বহু মানুষ চলে গিয়েছেন প্রাণ বাঁচাতে। দিল্লি থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের দল এসেও আক্রান্ত হচ্ছে। তপসিলি কমিশন এসেও আক্রান্ত হচ্ছেন। দিলীপের দাবি, রাজ্যের গণতান্ত্রিক পরিবেশ মোটেই সুখকর নয়।

মে ১৪, ২০২১
রাজনীতি

বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিলেন নিশীথ-জগন্নাথ

যাবতীয় জল্পনার অবসান ঘটিয়ে রাজ্য বিধানসভায় বিধায়ক পদে ইস্তফা দিলেন বিজেপির দুই সাংসদ জগন্নাথ সরকার ও নিশীথ প্রামাণিক। বুধবার দুপুরে একসঙ্গে বিধানসভায় গিয়ে ইস্তফা দিয়ে আসেন বিজেপির দুই সাংসদ তথা বিধায়ক। দলের নির্দেশেই বিধায়ক পদ ছেড়ে সাংসদ পদে বহাল থাকার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা।নিয়ম অনুযায়ী এক ব্যক্তি একই সঙ্গে সাংসদ এবং বিধায়ক পদে থাকলে ৬ মাসের মধ্যে কোনও একটি পদ তাঁকে ছাড়তে হয়। সেই নিয়ম মেনেই বিধায়ক পদ ছাড়লেন তাঁরা। যদিও এই সিদ্ধান্তের জন্য বিরোধীদের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে গেরুয়া শিবিরের দুই সাংসদকে। বিরোধীরা বলছেন, এভাবে ইস্তফা দিয়ে মানুষের বিশ্বাস ভেঙেছেন দুই বিজেপি সাংসদ। দুই বিধায়কের ইস্তফার অর্থ, ওই দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচন। ভোটের এই ব্যাপক খরচ কে দেবে? প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। সাংসদ হওয়া সত্ত্বেও বিধানসভা ভোটে দাঁড়ানোর যৌক্তিকতা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। এ বিষয়ে অবশ্য এদিন সাফাই দিয়ে বিজেপির দুই নেতা বলছেন, এটা পুরোপুরি দলের সিদ্ধান্ত। আগের বিধানসভায় বিজেপির বিধায়ক ছিল মাত্র ৩ জন। পরিষদীয় রাজনীতিতে সেভাবে কারও অভিজ্ঞতা ছিল না। সাংসদদের অনেকের সেই অভিজ্ঞতা থাকায় দল তাঁদের প্রার্থী করেছিল। বিজেপির দুই নেতা স্বীকার করে নিয়েছেন, দলের ফলাফল আশানুরূপ হয়নি। তাই দলের সিদ্ধান্ত মেনেই ইস্তফা দিয়েছেন তাঁরা। তবে, বিজেপির দুই সাংসদের দাবি, উপনির্বাচনে আরও বড় ব্যবধানে জিতবে গেরুয়া শিবির। ভোটের পর তৃণমূল যেভাবে বেলাগাম হিংসা চালাচ্ছে, মানুষ তারই জবাব দেবে।

মে ১২, ২০২১
রাজনীতি

৪৩ জনকে নিয়ে শুরু মমতার মন্ত্রিসভার পথ চলা

করোনা পরিস্থিতিতে অনাড়ম্বরভাবেই মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । রাজ্য মন্ত্রিসভার শপথেও দেখা গেল না কোনও আড়ম্বর। কোভিড বিধি মেনে সোমবার রাজভবনে অনুষ্ঠিত হল মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান। মোট ৪৩ জনকে শপথ বাক্য পাঠ করালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। এদিন খোশমেজাজে দেখা গেল মমতা ও ধনখড়কে। এদিন রাজভবনে উপস্থিত ছিলেন ৪০ জন মন্ত্রী। দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ অমিত মিত্র। সেই কারণে রাজভবনে হাজির হতে পারেননি তিনি। অন্যদিকে করোনা আক্রান্ত রথীন ঘোষ ও ব্রাত্য বসু। ফলে উপস্থিত হতে পারেননি তাঁরাও। তবে বাকি ২১ জন পূর্ণমন্ত্রীদের সঙ্গে একই সময়ে এদিন ভারচুয়ালি শপথ গ্রহণ করলেন এই তিন মন্ত্রী। পূর্ণমন্ত্রীদের তালিকায় রয়েছেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, সাধন পাণ্ডে, অরূপ রায়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, শশী পাঁজা-সহ অন্যান্যরা। তারপরে শপথ নেন স্বাধীন দায়িত্ব প্রাপ্ত ১০ মন্ত্রী। শেষে শপথ নেন ৯ জন প্রতিমন্ত্রী। মাত্র ৭ মিনিটে শেষ হয় শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। মমতার তৃতীয় মন্ত্রিসভায় একাধিক নতুন মুখের ভিড়। মমতার তৃতীয় মন্ত্রিসভায় রয়েছে একাধিক নতুন মুখ। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বীরবাহা হাঁসদা, রয়েছেন জঙ্গলমহলের বিধায়ক জ্যোৎস্না মাণ্ডি, শ্রীকান্ত মাহাতো। শপথ নিলেন মনোজ তিওয়ারি, রত্না দে নাগ, আখরুজ্জামান, দিলীপ মণ্ডল, অখিল গিরি সহ-বেশ কয়েকজন। দীর্ঘদিন ধরেই দিদির সৈনিক অখিল গিরি। কিন্তু আগে কোনওদিনই মন্ত্রিসভায় ঠাঁই হয়নি তাঁর। শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তৃণমূলের সম্পর্কচ্ছিন্ন হওয়ার পর দলে গুরুত্ব বাড়ে অখিল গিরির। তাঁর হাতেই পূর্ব মেদিনীপুরের ভার দিয়েছিল তৃণমূল। নন্দীগ্রাম হাতছাড়া হলেও বিধানসভা ভোটে পূর্ব মেদিনীপুরে মোটের উপর ভাল ফলই করেছে দল। পুরস্কারস্বরূপ এবার মন্ত্রিসভায় অখিল গিরি।

মে ১০, ২০২১
রাজনীতি

রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হলেন শুভেন্দু অধিকারীই

তৃণমূলের তৃতীয়বারের জমানায় বিরোধী দলনেতা হলেন শুভেন্দু অধিকারী । সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিরোধী দলনেতার নাম ঘোষণা করে দিল বিজেপি। গত বছর ডিসেম্বরে তৃণমূল থেকে বেরিয়ে এসে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়া শুভেন্দুই এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বিরোধী মুখ। বিরোধী দলনেতা কে হবেন তা নিয়ে দলীয় বিধায়কদের মতামত নিতে সোমবার কলকাতার হেস্টিংসে পরিষদীয় দলের বৈঠকে বসে বিজেপি। দলের অভ্যন্তরে আদি-নব্য বিবাদের কথা মাথায় রেখেই বিরোধী দলনেতা নির্বাচনে বসেছিল গেরুয়া শিবির। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে নিযুক্ত দলের দুই পর্যবেক্ষক, কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশংকর প্রসাদ ও দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ভূপেন্দ্র যাদব। একইসঙ্গে দলের নবনির্বাচিত ৭৭ জন বিধায়ককেও ডাকা হয়। ছিলেন রাজ্যের শীর্ষনেতারাও। সেখানেই শুভেন্দুর নাম নির্বাচিত হয়। দায়িত্ব নিয়ে শুভেন্দু বলেন, বৈঠক হল। আমার নাম ঘোষণা হল। হাতাতালি পড়ল। কিন্তু মন ভাল নেই। কারণ বাংলা ভাল নেই। দল যে দায়িত্ব দিয়েছে তা পালন করব। আমার তিনটে লক্ষ্য, হিংসামুক্ত বাংলা। যে কোনও অন্যায় হলে সাংবিধানিক রীতিনীতি মেনে প্রতিবাদ করা। এবং যে কোনও ধরনের গঠনমূলক কাজ।বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানান, সবার মতামত নিয়ে ঐকমত্যের ভিত্তিতেই বিরোধী দলনেতা নির্বাচন করা হয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লড়ে জয়ী হওয়ার পর থেকেই বিরোধী দলনেতা হিসাবে শুভেন্দু অধিকারীর পাল্লাই ভারী ছিল।

মে ১০, ২০২১
রাজনীতি

পুরনো ও নতুন মুখের মিশেলে তৈরি মমতার নতুন মন্ত্রিসভা

করোনা অতিমারির আবহেই তৃতীয়বারের জন্য রাজ্যে গঠিত হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস সরকার। মুখ্যমন্ত্রী এবং অধ্যক্ষ-সহ বিধানসভার সদস্যদের শপথগ্রহণ পর্ব একে একে শেষ হয়েছে। এবার মন্ত্রিসভা গঠনের পালা। সোমবার রাজভবনে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে রাজ্য মন্ত্রিসভার ৪৩ জন সদস্য শপথ গ্রহণ করবেন বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। এরমধ্যে ২৪জন পূর্ণমন্ত্রী, দশজন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী এবং ৯জন প্রতিমন্ত্রী থাকছেন। তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রবিবার দুপুরে কালীঘাটে দলের কোর কমিটির বৈঠক বসে সেখানেই মন্ত্রিসভার সদস্যদের নাম চূড়ান্ত করা হয়।তৃতীয় তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের মন্ত্রিসভায় প্রবীণ এবং অভিজ্ঞদের পাশাপাশি নতুন কিছু মুখ স্থান পেয়েছে। পূর্ণ মন্ত্রীদের তালিকা নতুন উল্লেখযোগ্য নাম সাগরের দীর্ঘদিনের বিধায়ক বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা, মধ্যমগ্রামের বিধায়ক রথীন ঘোষ, উলুবেরিয়া দক্ষিণের বিধায়ক পুলক রায়, সবং এর বিধায়ক মানস ভুঁইয়া, উত্তরবঙ্গ থেকে হরিরামপুরের বিধায়ক বিপ্লব মিত্র এবং গোয়ালপখোরের বিধায়ক মোঃ গোলাম রব্বানীর। স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী তালিকায় নতুনদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রাক্তন আইপিএস আধিকারিক হুমায়ুন কবীর, রামনগরের বিধায়ক অখিল গিরি, প্রাক্তন সাংসদ রত্না দে নাগ প্রমুখ। রাজ্য মন্ত্রিসভার নতুন প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন ঝাড়গ্রাম থেকে বিধায়ক হওয়া ঝাড়খণ্ড পার্টি নরেনের প্রতিষ্ঠাতা নরেন হাঁসদার মেয়ে বীরবাহা হাঁসদা।টলিউডের তারকা মুখেরা ঠাঁই না পেলেও সাঁওতালি ছবির নায়িকা বীরবাহা সামিল হয়েছেন মন্ত্রিসভায়।এছাড়া দিলীপ মণ্ডল, আখোরুজ্জামান, জ্যোৎস্না মান্ডি, সাবানা ইয়াসমিন, ফরওয়ার্ড ব্লক থেকে তৃণমূল কংগ্রেসে আসা প্রাক্তন মন্ত্রী পরেশ অধিকারী প্রাক্তন ক্রিকেটার মনোজ তিওয়ারি রয়েছেন প্রতিমন্ত্রীদের তালিকায়।পুরনো ওজনদার সব মুখেরাই প্রায় এসরকারের পূর্ণ মন্ত্রী পদে থাকছেন।ক্যাবিনেট মন্ত্রী হিসাবে সোমবার শপথ নিতে চলেছেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অমিত মিত্র, অরূপ বিশ্বাস, ফিরহাদ হাকিম, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, অরূপ রায়, সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী, সৌমেন মহাপাত্র, উজ্জ্বল বিশ্বাস, সাধন পাণ্ডে, চন্দ্রনাথ সিনহা, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, ব্রাত্য বসু, শশী পাঁজা, জাভেদ আহমেদ খান, গুলাম রব্বানী, মলয় ঘটক এবং স্বপন দেবনাথ।তবে এবার বাদ বিভিন্ন কারণে বেশ কিছু পুরনো হেভিওয়েট বাদ পড়েছেন। যার মধ্যে প্রাক্তন পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব এবং উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্র নাথ ঘোষ রয়েছেন। এদের দু-জনের একজনও এবার ভোটে জিততে পারেননি।উত্তরবঙ্গ লবি থেকে তাদের স্থান নিয়েছেন একদা তৃণমূল থেকে বিজেপিতে গিয়ে ফের দলে ফিরে আসা বালুরঘাটের হেভিওয়েট তৃণমূল নেতা বিপ্লব মিত্র ও গোয়ালপোখরের গোলাম রব্বানী। আবার দলে স্বমিমায় প্রত্যাবর্তন এবং ভোটে বিপুল জনাদেশ লাভের পর মদন মিত্রর ফের একবার মন্ত্রী হওয়া নিয়ে জল্পনা ছড়িয়েছিল। কিন্তু রবিবার হবু মন্ত্রীদের যে তালিকা নবান্ন থেকে প্রকাশ হয়েছে, তাতে দেখা গেল মদন মিত্রর নাম নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম জমানায় পরিবহণ মন্ত্রী ছিলেন মদন। অর্থাৎ পূর্ণমন্ত্রী। একবার কাউকে পূর্ণমন্ত্রী করা হলে পরে আর তাঁকে প্রতিমন্ত্রী বা স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতি মন্ত্রী করলে দেখতে ভাল দেখায় না। কিন্তু মদনকে কোনও মন্ত্রীই করলেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।চিটফান্ড কাণ্ডে অতীতে সাড়ে তিন বছর জেলে ছিলেন মদন মিত্র। তাঁর সেই সব মামলার নিষ্পত্তি এখনও হয়নি। অনেকের মতে, সম্ভবত সেই কারণেই মদন মিত্রকে আর মন্ত্রিসভায় ফেরালেন না মুখ্যমন্ত্রী।কামারহাটির পাশের আসন বরাহনগরের বিধায়ক তথা প্রবীণ নেতা তাপস রায়কেও এ বার মন্ত্রিসভায় নেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাপস রায় বিধানসভা উপ মুখ্য সচেতক ছিলেন। সেই সঙ্গে মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। তাঁর ভাবমূর্তিও পরিচ্ছন্ন। তাঁকে কেন মন্ত্রিসভা থেকে বাদ দেওয়া হল তা অবশ্য অনেকের কাছে বিষ্ময়ের।উল্লেখযোগ্য ভাবে মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়েছেন নির্মল মাঝিও। গত মেয়াদের তাঁর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খুবই অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন বলেই খবর।মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়েছেন অসীমা পাত্র, মন্টুরাম পাখিরা, গিয়াসউদ্দিন মোল্লা ও তপন দাশগুপ্ত। জঙ্গিপুর বিধানসভায় এখনও ভোট না হওয়ায় মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়েছেন জাকির হোসেনও।সোমবার রাজভবনে শপথ শেষে নবান্নে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

মে ০৯, ২০২১
রাজনীতি

রাজ্যজুড়ে লাগাতার অশান্তির প্রতিবাদে বিধানসভা অধিবেশন বয়কট বিজেপির

রাজ্য জুড়ে লাগাতার অশান্তির প্রতিবাদ। স্পিকার নির্বাচন ও বিধানসভা অধিবেশন বয়কট করল বিজেপি। শুক্রবার দিলীপ ঘোষ জানালেন, বিধায়কদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে, রাজ্যের অশান্তি বন্ধ না হলে কোনও বিজেপি বিধায়ক আসবেন না বিধানসভায়। নির্বাচনের পরই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে হিংসার খবর উঠে এসেছে। প্রাণ গিয়েছে অন্তত ১৬ জনের। তাঁদের মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মীরা রয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েই অশান্তি মোকাবিলায় কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাফ বলেছিলেন, বাংলা শান্তির জায়গা। কোনও অশান্তি বরদাস্ত করা হবে না। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ঘটে চলা অশান্তির প্রতিবাদ করেছে বিজেপি। ৫ মে দেশজুড়ে ধরনার ডাকও দেয় গেরুয়া শিবির। ইতিমধ্যেই জল গড়িয়েছে হাই কোর্ট পর্যন্ত। বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা আর অশান্তি রুখতে কী কী পদক্ষেপ করেছে রাজ্য? কোথায় কতটা অশান্তি ছড়িয়েছে? এর বিস্তারিত তথ্য চেয়ে স্বরাষ্ট্র সচিবের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে কলকাতা হাইকোর্ট । এই পরিস্থিতিতেই অধিবেশন বয়কটের সিদ্ধান্তের কথা জানালেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শুক্রবার মেদিনীপুরের সাংসদ বললেন, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে অশান্তি চলছে। যতদিন পর্যন্ত না অশান্তি বন্ধ হচ্ছে, বিধায়কদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত কোনও বিজেপি বিধায়ক বিধানসভা অধিবেশনে সামিল হবে না। এমনকী, স্পিকার নির্বাচনেও তাঁরা সামিল হবেন না বলেই জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি এদিন দিলীপ জানিয়েছেন, রাজ্যজুড়ে ঘটে চলা অশান্তির কারণে অনেক বিধায়ক এদিন শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে সামিল হতে পারেননি। যাঁরা এসেছেন তাঁরা কীভাবে ফিরবেন বুঝতে পারছেন না। উল্লেখ্য, ৫ মে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গতকাল ৬ মে, মোট ১৪৩ জন বিধায়ক শপথ নিয়ছেন। শুক্রবার শপথ নেওয়ার কথা ১৪৮ জনের।

মে ০৭, ২০২১
রাজনীতি

মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েই কোভিড মোকাবিলা ও রাজ্যে হিংসা বন্ধের আবেদন মমতার

বুধবার রাজভবনে তৃতীয় বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ গ্রহণ করে উঠেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, তাঁর প্রথম কাজ হবে রাজ্যের কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলা করা। শপথ নেওয়ার পরে নবান্নে গিয়ে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করবেন বলে জানিয়েছেন মমতা।রাজভবনে তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করালেন রাজ্যপাল। আগামী ৫ বছর মানুষের দ্বারা নির্বাচিত সরকার মানুষের হয়ে, মানুষের জন্য কাজ করতে অঙ্গীকারবদ্ধ হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোভিড পরিস্থিতিতে বর্ণাঢ্য নয়, বরং একেবারে অনাড়ম্বরেই হয়ে গেল শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। সর্বসাকুল্যে অতিথি ছিলেন ৫০ জন। ছিলেন না সিপিএম, বিজেপির কোনও প্রতিনিধি।রাজ্যপালের থেকে শপথ বাক্য পাঠ করার পরে মমতা বলেন, তাঁর সরকারের প্রথম কাজ রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা। রাজভবন থেকে সরাসরি নবান্নে গিয়ে বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ বৈঠকে বসবেন তিনি। সেখানেই রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হবে। তার পর দুপুর ৩টের সময় সাংবাদিক বৈঠক করবেন মমতা। বৈঠকে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সেই বিষয়ে সবাইকে জানাবেন মুখ্যমন্ত্রী। এর আগে গত রবিবার নির্বাচনের ফল পরিষ্কার হতেই কালীঘাটে সাংবাদিকদের সামনে মমতা বলেছিলেন, তাঁর প্রথম কাজ হবে করোনা পরিস্থিতির মোকাবিলা করা। শপথ নেওয়ার পরেও সেই একই কথা শোনা গেল তাঁর মুখে।এদিন রাজ্যে নির্বাচন পরবর্তী হিংসা নিয়েও বলতে শোনা যায় তাঁকে। গত ৩ মাস রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে ছিল নির্বাচন কমিশন। এবার তিনি দায়িত্ব হাতে নিয়ে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা সামলাবেন বলেও জানান। এমনকী, যারা এই হিংসা ছড়ানোর কাজের সঙ্গে যুক্ত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। রাজনৈতিক দলগুলোকেও রাজনৈতিক হিংসা থেকে বিরত থাকার আবেদন করেন। সমস্ত পাশাপাশি প্রতিহিংসাবশবর্তী হয়ে কোনও কাজ না করার আবেদনও করেন। এরপর নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয়।

মে ০৫, ২০২১
রাজনীতি

দলত্যাগী পুরনো সৈনিকরা ফিরতে চাইলে স্বাগত, জানালেন মমতা

ভোটের মুখে অনেকেই মুখ ফিরিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে। দল থেকে বেরিয়েই প্রাক্তন নেত্রীকে অভিযোগে বিদ্ধ করতে ছাড়েননি কেউই। ব্যাপক সাফল্য পাওয়ার পরও দলত্যাগীদের প্রতি এতটুকুও ক্ষোভ দেখা গেল না তৃণমূল সুপ্রিমোর চোখে-মুখে। উলটে কেউ ফিরতে চাইলে স্বাগত, এমনটাই বললেন তিনি।তৃণমূল ত্যাগীদের তালিকায় প্রথম নাম ছিল শুভেন্দু অধিকারীর। বিজেপিতে গিয়ে তিনি সাফল্য পেলেও, বাকি দলত্যগীদের অধিকাংশই ফিরেছেন শূন্যহাতে। যেমন নিজের কেন্দ্র ডোমজুর থেকে বিজেপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেও সফল হননি প্রাক্তন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। ওয়াকিবহল মহলের মতে, তাঁর দলত্যাগকে ভালভাবে নেয়নি আমজনতা। একইভাবে জয়ের মুকুট পাওয়া তো দূর-অস্ত দ্বিতীয় স্থানও পাননি বৈশালী ডালমিয়া। একইভাবে পরাজিত হয়েছেন প্রবীর ঘোষাল, জিতেন্দ্র তিওয়ারি, শীলভদ্র দত্ত, মিহির গোস্বামী, বিশ্বজিৎ কুণ্ডু, রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য, সব্যসাচী দত্ত-সহ একাধিক দলবদলু নেতা। স্বাভাবিকভাবেই দল বদলেও দাঁত ফোটাতে পারেননি যাঁরা তাঁদের রাজনৈতিক কেরিয়ার নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠতে শুরু করছে। তবে কি ফের দল পালটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছত্রছায়ায় ফিরবেন তাঁরা? এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে সকলের মনে। সেই সঙ্গে আরও একটি প্রশ্ন মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে, বিপদ আশঙ্কা করে যে নেতারা দল ছেড়েছিলেন আর তাঁদের ফিরিয়ে নেবেন মমতা? সোমবার কালীঘাট থেকেই সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাফ বললেন, যাঁরা ফিরতে চান, ফিরুন না, কে বারণ করেছে, ওয়েলকাম। অর্থাৎ মান-অভিমান ভুলে পুরনো সৈনিকদের কাছে টেনে নিতে যে কোনও সমস্যা নেই, তা জানিয়ে দিলেন মমতা। উল্লেখ্য, রাজ্যে পরিবর্তন হতে চলেছে, এই আশঙ্কা করে গত কয়েকমাসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনেক বিশ্বস্ত সৈনিক দল ছেড়েছিলেন। তবে লক্ষ্যে অবিচল ছিলেন নেত্রী। বিপুল আসন নিয়ে ফের বাংলা জয় করেছেন তিনি।

মে ০৩, ২০২১
রাজনীতি

মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা মমতার, ৫ মে শপথ

শপথগ্রহণের দিনক্ষণ ঠিক হতেই রাজভবনে গেলেন রাজ্যের ভাবী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে প্রায় সোয়া একঘণ্টা বৈঠক সারলেন তিনি। জমা দিলেন নিজের পদত্যাগপত্রও। যদিও নতুন সরকার দায়িত্ব না নেওয়া পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতাকেই রাজ্যের দায়িত্ব সামলাতে বললেন রাজ্যপাল। এদিকে এদিন সন্ধেয় রাজ্য থেকে আচরণবিধি প্রত্যাহার করেছে নির্বাচন কমিশন। অর্থাৎ আজ থেকে আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব ফিরল রাজ্যের হাতে। বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোট পরবর্তী হিংসার খবর আসছে। সেই মুহূর্তে রাজ্যের হাতে ক্ষমতা ফেরানো বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। ফলপ্রকাশের দিনই মমতা জানিয়েছিলেন, দলের সঙ্গে আলোচনা করে শপথগ্রহণের দিনক্ষণ ঠিক করবেন। এদিন তৃণমূল ভবনে নির্বাচিত দলীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে একান্ত বৈঠক করেন মমতা। তার পরই দলের তরফে জানানো হয়. ৫ তারিখ তৃতীয়বারের জন্য শপথ নেবেন মমতা। বিধায়কদের স্বাক্ষর করা চিঠি নিয়ে রাজভবনে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। সঙ্গে ছিলেন তৃণমূলের মহাসচিব তথা বিধায়ক পার্থ চট্টোপাধ্যায়, বিধায়ক ফিরহাদ হাকিম, সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা। রাজ্যপালের কাছে সরকার গড়ার দাবি জানান মমতা। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগও করেন তিনি। উল্লেখ্য, নতুন সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার আগে মুখ্যমন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ করাই নিয়ম। এদিন রাজ্যপালের সঙ্গে সোয়া একঘণ্টা বৈঠক হয় রাজ্যের ভাবী মুখ্যমন্ত্রীর। সূত্রের খবর, দুজনের মধ্যে রাজ্যের ভোট পরবর্তী হিংসা, কোভিড পরিস্থিতি এবং মন্ত্রিসভা নিয়ে আলোচনা হয়। কোভিড টুইট করে সাক্ষাতের কথা জানিয়েছেন রাজ্য ধনখড়ও। তৃতীয়বারের জন্য রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় মমতাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ধনখড়। ছিলেন রাজ্যপালের স্ত্রীও। ধনখড় জানিয়েছেন, ৫ তারিখ সকালে পৌনে ১১টায় শপথ নেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়।পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান ছোট করে সারতে চাইছেন বলে দলীয় সূত্রে খবর। এদিন তা নিয়েও রাজ্যপালের সঙ্গে কথা হয় বলে খবর রাজভবন সূত্রে।

মে ০৩, ২০২১
রাজনীতি

অনেক টানাপড়েনের পর নন্দীগ্রামে জয়ী শুভেন্দু অধিকারী

ভোটের ফল প্রকাশ পাওয়ার পর একেবারে শেষ লগ্নে এসেও ধোঁয়াশা কাটল না নন্দীগ্রাম নিয়ে। জেলার রিটার্নিং অফিসার অবশ্য শুভেন্দু অধিকারীকেই জয়ী ঘোষণা করেছেন। যার কিছুক্ষণ পরই রীতিমতো গণনার কাগজ প্রকাশ করে নিজেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে জয়ী ঘোষণা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।সাম্প্রতিক সময়ে যে যে নেতা তৃণমূল নেতা দলবদল করে বিজেপিতে নাম লিখিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে একমাত্র শুভেন্দু অধিকারীই এ দিন সামান্য কিছু ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন নন্দীগ্রামে। যদিও তাঁর জয়ের রাস্তাটা সহজ ছিল না। ভোটগণনা শুরু হওয়ার পর থেকে এগিয়েই ছিলেন শুভেন্দু। কিন্তু, কয়েক রাউন্ড ভোট গণনার পরই এগিয়ে যান মমতা। চলতে থাকে সাপ লুডোর খেলা। কখনও এগিয়ে যান শুভেন্দু, কখনও এগোতে থাকেন মমতা।এই প্রবণতা অব্যাহত ছিল শেষ রাউন্ড গণনা পর্যন্ত। বিকেলে সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১২০০ ভোটের ব্যবধানে নন্দীগ্রামে জিতেছেন মমতা। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই আবার বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, শুভেন্দু জিতেছেন নন্দীগ্রামে। কমিশনের পক্ষ থেকেও এমনটাই জানানো হয়। এরপরই ক্ষোভে ফেটে পড়ে তৃণমূল। মমতা জানান যে তিনি আদালতে যাবেন। যা নিয়ে এখনও জলঘোলা অব্যাহত। পুর্নগণনার আবেদন জানিয়েছে শাসকদল।অন্যদিকে, কমিশনের তরফে জয়ী তকমা পাওয়ার পর শুভেন্দু টুইটে লেখেন, আমার ওপর বিশ্বাস এবং ভরসা রাখার জন্য নন্দীগ্রামের প্রতিটি মানুষকে অসংখ্য ধন্যবাদ। এই জয় নন্দীগ্রামে প্রতিটি মানুষের জয়। আগামী দিনে নন্দীগ্রামের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করাই আমার সংকল্প।

মে ০২, ২০২১
রাজনীতি

গেরুয়া ঝড়ের অপেক্ষায় কী বাংলা? কত আসন পেতে পারে বিজেপি, তৃণমূলের সম্ভাবনা কতটা? আর সংযুক্ত মোর্চা!

টানটান উত্তেজনায় রাজ্যের ২৯২টি কেন্দ্রে নির্বাচন শেষ হল। শেষ দিনেও উত্তজনার পারদ ছিল চরমে। রক্তও ঝড়েছে। রাজ্যে মোট ৮ দফার ভোটে কোচবিহারের শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল এরা ভোট বানচাল করার চেষ্টা করছিল। বাহিনীর ওপর আক্রমণ শানিয়েছিল। যদিও নিরীহ ভোটারদের হত্যা করা হয়েছে বলে তৃণমূল অভিযোগ করেছে।ভোট শেষ হতেই এক্সিট৷ পোল নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়বে বাংলা, হিন্দি ও ইংরেজি চ্যানেলগুলো। কে এগিয়ে, কে পিছিয়ে তা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ হবে। শুরু হয়েও গিয়েছে। সংস্থার সঙ্গে অন্য বিশেষজ্ঞ টিমও রয়েছে। যদিও এক্সিট পোল বা কোন সমীক্ষাই শেষকথা বলে না।জনতার কথা নির্বাচনের একমাস আগে থেকেই গ্রাম-বাংলা, শহরের মানুষের সঙ্গে কথা বলেছে। তাঁদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেছে। সেক্ষত্রে জঙ্গলমহলের আদিবাসী সম্প্রদায় এবারও ক্ষোভপ্রকাশ করেছে রাজ্য সরকারের ওপর। স্বাভাবিক ভাবে পদ্মশিবিরেই ঝুঁকে তাঁরা। সেখানে গত লোকসভার মতো এবারও ফের আসন বাড়তে পারে বিজেপির। এদিকে উত্তরবঙ্গের রাজবংশীদের একটা বড় অংশ গেরুয়া শিবিরে ভিড়ে আছে। সেক্ষেত্রে রাজবংশীদের ভোটের সামান্য অংশ তৃণমূল পেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছ। আবার মতুয়ারা এবারও বেশিরভাগ বিজেপির দিক থেকে মুখ ফেরায়নি। অভিজ্ঞ মহলের মতে দলিত, আদিবাসীদের ভোটে বাজিমাত করবে বিজেপি। তারওপর ব্যাপক অ্যান্টিএস্টাব্লিসমেন্ট ভোট। তাছাড়া মেরুকরণের ভোট আছে। উন্নয়নের নিরিখে ভোটে লড়েছে তৃণমূল। জাতপাতের বিরুদ্ধে লড়েছে। গ্যাস, পেট্রলের দাম বৃদ্ধির বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। এসব ক্ষেত্রে শহরে ভোটাররা প্রভাবিত হবে। গ্রামে কোনও কাজ আসবে না বলে অভিজ্ঞ মহলের মত। বরং গ্রামের পর গ্রাম হিসেব হয়েছে কী কী পায়নি। কেন আবাস যোজনার বাড়ি পায়নি। কেন এখনও কু্ঁয়ো বা পুকুরের জল পান করতে হয়। কাটমানি, আমফানের হিসেবও আছে। ভোট দেওয়ার পর এসব অনেক জায়গায় চোখেমুখে ফুটে উটেছে।এসব ছাড়া ভোটে হাজার ইস্যু কাজ করে। তার কোনও ইয়াত্তা নেই। এমন কোন ভোট পন্ডিত নেই যিনি ভোটের হারজিতের নির্দিষ্ট কারণ বলতে পারবেন। প্রচুর স্থানীয় কারণ থাকে। বোফর্স মামলায় দেশ হিলেছিল। কিন্তু এবার রাজ্য যে ৮ দফার ভোট হল তার নির্দিষ্ট কোনও ইস্যু ছিল না তা স্পষ্ট। তবে দক্ষিণবঙ্গের গড়ে অনেকটাই ভোটে লড়াই দিয়েছে তৃণমূল। এটাই ঘাসফুল শিবিরের এখন বড় ভরসা।২৯১ কেন্দ্রের যা পরিস্থিতি ওপরের বিশ্লেষন অনুযায়ী রাজ্যে শাসন ক্ষমতায় পরিবর্তনের সম্ভাবনা প্রবল। রাজ্যের জনতা মনে করছে বিজেপি ১৬০-১৮০টি আসন পেতে পারে। তৃণমূল পেতে পারে ১০০-১১০টি আসন। সংযুক্ত মোর্চার জুটতে পারে ২০-২৫টি। এটা জনতার কথা, তাঁদের মতামত। এবার অনেক রথী-মহারথীর আসন টলে যাবে তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। এইসব পরিসংখ্যান নির্ভুল হবে তার গ্যারান্টি কেউ দিতে পারে না। তবে আগাম রাজনৈতিক বিশ্লেষণ তো থাকবেই। নেতা-নেত্রীরা ভোট ঘোষণার পর থেকে রোজ বলছে কোন দফায় কত আসন পাবে। তাহলে মোট আসন সংখ্যা ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যাবে।হুইল চেয়ারে মমতা ম্যাজিক দেখার জন্য বসে আছে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। অভিজ্ঞমহলের মতেএটাও এবার খুব গুরুত্বপূর্ণ। অনেক অঙ্ক ঘুরে বেড়াচ্ছে।

এপ্রিল ২৯, ২০২১
রাজনীতি

এবার কমিশনের কোপে রাহুল, দিলীপ, শুভেন্দু

এবার বিজেপি নেতা রাহুল সিনহার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। শীতলকুচির ঘটনা নিয়ে মন্তব্যের জেরে এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে। গতকালই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে নির্বাচন কমিশন। তার পর থেকেই প্রশ্ন উঠতে থাকে বিজেপি নেতারা একাধিক বার আপত্তিকর মন্তব্য করলেও, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠতে থাকে। এহেন পরিস্থিতিতে রাহুল সিনহার প্রচার ৪৮ ঘণ্টার জন্য নিষিদ্ধ করল নির্বাচন কমিশন। শীতলকুচি নিয়ে দিলীপ ঘোষের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে তাঁকেও শোকজ নোটিস পাঠানো হল। বুধবার সকাল ১০টার মধ্যে উত্তর দিতে হবে বিজেপি রাজ্য সভাপতিকে। শুভেন্দু অধিকারীকেও সতর্ক করা হয়েছে। বিতর্কিত মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে কমিশনের তরফে।শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে মারা যান ৪ জন। যা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরের মাঝেই বিতর্কিত মন্তব্য করে বসেন রাহুল সিনহা। তিনি বলেন, ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা একটা ছেলেকে যারা গুলি করেছে, তাদের নেত্রী আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওঁর দিন শেষ হয়ে গিয়েছে। মস্তানরাজ কায়েম করে গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে চলেছেন। এরপরই জুড়ে দেন, শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী ঠিক কাজ করেছে। তাদের উপর বোমা ছোঁড়া হচ্ছে। আবারও গোলমাল করলে এই জবাবই দেবে। কেন চারজনকে মারল? ৮ জনকে গুলি করে মারা উচিত ছিল। এর জন্য বাহিনীকেই শোকজ করা উচিত।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রচার ২৪ ঘণ্টার জন্য নিষিদ্ধ করার পর রাহুলের এই বিতর্কিত মন্তব্য নিয়ে নতুন করে জলঘোলা শুরু হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই ধর্মতলার গান্ধি মূর্তির পাদদেশে অবস্থান কর্মসূচি নিয়েছেন। তার মাঝেই কমিশনের তরফে রাহুলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত সামনে এল। যদিও তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়নি বলে জানা গিয়েছে। রাহুলকে নোটিস পাঠানো না হলেও দিলীপকে শোকজ করা হয়েছে কমিশনের তরফে। এর আগে রবিবার বরাহনগরের সভা থেকে হুমকির সুরে দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, সকলে ভোট দিতে যাবেন। কেউ যদি বাধা দেয়, কোনও কথা শুনবেন না। আমরা সব দেখে নেব। মাথায় রাখবেন কেউ বাড়াবাড়ি করলে জায়গায় জায়গায় শীতলকুচি হবে। বিজেপি সাংসদের এই মন্তব্যে স্বাভাবিকভাবেই বিতর্কের ঝড় ওঠে। তার পর কমিশনের এই পদক্ষেপ।এদিকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তার পর শুভেন্দু অধিকারীকে শোকজ নোটিস ধরায় কমিশন। কিন্তু শুভেন্দুর দেওয়া উত্তরে কমিশন সন্তুষ্ট নয় বলে জানা গিয়েছে। সে কথা জানিয়ে, কমিশন শুভেন্দুকে আপাতত সতর্ক করে ছেড়ে দিয়েছে। যে কোনও রকম বিতর্কিত মন্তব্য থেকে বিরত থাকতে বলেছে।

এপ্রিল ১৩, ২০২১
রাজনীতি

শুভেন্দুর বিরুদ্ধে আপত্তিকর পোস্ট, ব্যবস্থা নিচ্ছে কমিশন

বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপত্তিকর পোস্ট করার অভিযোগ। অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া বা পোস্ট মুছে ফেলার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। আপত্তিকর পোস্ট নিয়ে আজ সোমবার শুভেন্দু অধিকারীর তরফে কমিশনে অভিযোগ জানানো হয়।তৃতীয় দফা ভোটের আগে সোমবার বিকেলে বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়ার নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দল কমিশনে যায়। সেখানে তথ্য প্রমাণ সহযোগে অভিযোগ পত্র জমা দেওয়া হয়। অনিন্দ্য চৌধুরী নামে এক ব্যক্তি সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে লাগাতার আপত্তিকর পোস্ট করতেন বলে অভিযোগ। সেই পোস্টের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানানো হয়।সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ধরনের পোস্টের উপর নজর রাখার জন্য কমিশনের মিডিয়া মনিটরিং সেল রয়েছে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, মিডিয়া মনিটরিং সেলকে শুভেন্দুর অভিযোগ পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এবং সেই অভিযোগে, তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে মিডিয়া মনিটরিং সেল ওই পোস্টগুলির উৎস খুঁজে বের করে। এবং যে জেলা থেকে এই পোস্টগুলি করা হয় সেখানে অভিযোগ পাঠানো হয়। জেলায় এই সংক্রান্ত কাজের দায়িত্বে থাকা অফিসাররা আপত্তিকর পোস্টগুলি সেন্সর করা বা মুছে ফেলার কাজ করে। জানা গিয়েছে, অনিন্দ্য চৌধুরী নামের ওই ব্যক্তির আপত্তিজনক পোস্টগুলো ইতিমধ্যেই মুছে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে। এবং প্রয়োজনে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

এপ্রিল ০৫, ২০২১
রাজনীতি

‘২০২৪-এ বারাণসী সামলান’, মোদিকে নিশানা তৃণমূলের

বঙ্গে দ্বিতীয় দফা ভোটের দিন প্রচারে এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । নন্দীগ্রামের ভোট পরিস্থিতিতে গেরুয়া ঝড়, দিদির হার দেখেছিলেন তিনি। তাই উলুবেড়িয়ার সভা থেকে তাঁর শ্লেষমিশ্রিত প্রশ্ন ছিল, তাহলে কি অন্য কোনও আসন থেকে ফের লড়াই করবেন তৃণমূল সুপ্রিমো? সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূলও এর জবাব দিয়েছে। নন্দীগ্রামে জয় নিশ্চিত, অন্য আর কোথাও লড়বেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, টুইট করে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে তৃণমূল। ২০২৪এ দিল্লি দখলের লড়াইয়ে নেমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে।তৃণমূলের অফিশিয়াল পেজে লেখা হয়েছে, দিদি নন্দীগ্রাম থেকে জিতছেনই।তাই অন্য কোনও আসন থেকে তাঁর লড়াইয়ের কোনও প্রশ্নই ওঠে না। পরের অংশের বার্তাই বেশ ইঙ্গিতবাহী। নরেন্দ্র মোদির উদ্দেশে তৃণমূলের পরামর্শ বাংলার মানুষকে বিভ্রান্ত করা বন্ধ করুন, আপনার মিথ্যাচার প্রকাশ্যে এসে পড়েছে। বরং ২০২৪এ নিজের জন্য নিরাপদ একটি আসন খুঁজে নিন। কারণ, আপনি বারাণসীতে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়বেন। আর এখানেই উসকে উঠছে জল্পনা। তবে কি পরবর্তী লোকসভা ভোটে নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে নির্বাচনী লড়াইয়ে নামবেন স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই? তারই ইঙ্গিত দিয়ে রাখল দলের তরফে এই টুইট?

এপ্রিল ০২, ২০২১
রাজনীতি

'দিদি হার মেনে নিয়েছেন', মমতাকে কটাক্ষ মোদির

নন্দীগ্রামের বয়ালে যখন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুথে বসে একের পর এক ফোন করছেন, ঠিক তখনই দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুরে জনসভা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর আধা সেনার উদ্যোগে বয়াল থেকে বেরিয়ে মমতা যখন সাংবাদিক বৈঠক করলেন তার পরেই হাওড়ার উলুবেড়িয়ায় জনসভা শুরু হল মোদির। আর দুই সভাতেই মোদি টেনে নিয়ে এলেন হট সিট নন্দীগ্রাম প্রসঙ্গ। বললেন, বাংলা যা চাইছে সেটাই হয়েছে নন্দীগ্রামে। দিদি, প্রথমে ভবানীপুর ছেড়ে নন্দীগ্রামে গিয়েছিলেন। পরে বুঝলেন সেটা ভুল করেছি।গোটা দিন নন্দীগ্রামের ভোটগ্রহণ নিয়ে একের পর এক অভিযোগ করে গেছে তৃণমূল। অভিযোগ জানিয়েছেন প্রার্থী মমতাও। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে ফোন করেও ভোটে অনিয়মের কথা জানিয়েছেন। অন্যদিকে, তাঁর কোনও অভিযোগ নেই জানিয়ে নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, তাঁর কোনও অভিযোগ নেই। শান্তিপূর্ণ ও অবাধ ভোট হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। শুভেন্দু যেমন জয়ের ব্যাপারে তিনি নিশ্চিন্ত বলে দাবি করেছেন তেমন মমতাও দুআঙুলে ভিকট্রি দেখিয়ে বলেন, নন্দীগ্রামে তৃণমূল ৯০ শতাংশ ভোট পাবে। মা-মাটি-মানুষের আশীর্বাদে আমিই জিতব। পাশাপাশি তিনি বলেন, নন্দীগ্রাম নিয়ে চিন্তিত নই আমি। গণতন্ত্র নিয়ে চিন্তিত। এখানে ভোটে চিটিংবাজি হয়েছে।যদিও মোদির বক্তব্যে ইঙ্গিত স্পষ্ট, নন্দীগ্রামে বিজেপি-র জয় নিয়ে তিনি নিশ্চিত। দ্বিতীয় দফার ভোটের দিনেই বাংলা দখলের প্রত্যায়ও বৃহস্পতিবার শোনা গিয়েছে মোদির গলায়। তিনি বলেন, দিদিকে দেখুন। তা হলেই সব বুঝে যাবেন। দিদিই ওপিনিয়ন পোল, দিদিই এক্সিট পোল। ওঁর চোখ-মুখ, হাব-ভাবেই সব পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে। মোদি বৃহস্পতিবার দাবি করেন, বাংলায় যে আসল পরিবর্তন-এর জোর হাওয়া বইছে তা প্রথম দফাতেই বোঝা গিয়েছে। বিজেপি ২০০-র বেশি আসনে জিতবে বলেও দাবি করেন তিনি। তবে বাংলায় তৃতীয় দফার ভোট প্রচারে রাজ্যে সিন্ডিকেটের সরকার চলছে বলে আক্রমণ করেন। বলেন, দিদি সব কিছুতে শুধু বাধা দিতেই জানেন। শিল্পকে ধ্বংস করেছেন। ১০ বছর কোনও পরিকল্পনা ছাড়াই সরকার চালিয়েছেন। কিন্তু একবিংশ শতকের বাংলায় ওই সরকার চলবে না। বাংলার দরকার এক দূরদৃষ্টিসম্পন্ন সরকার, যারা পরিকল্পনা করে বাংলার উন্নতির লক্ষ্যে কাজ করবে।

এপ্রিল ০১, ২০২১
রাজনীতি

বিজেপিতে যোগ দিলেন দীনেশ বাজাজ, নান্টু পাল

বুধবার বিজেপিতে যোগ দিলেন তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক দীনেশ বাজাজ, শিলিগুড়ির উন্নয়ন পর্ষদ বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান নান্টু পাল-সহ একাধিক নেতা-নেত্রী। এদিন দুপুরে হেস্টিংস অফিসে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়র হাত থেকে বিজেপির পতাকা নেন তাঁরা।চলতি মাসেই তৃণমূল ছাড়ার কথা জানিয়েছিলেন জোড়াসাঁকোর প্রাক্তন বিধায়ক দীনেশ বাজাজ। এবার দ্বিতীয় দফা নির্বাচনের আগেই বিজেপিতে যোগ দিলেন তিনি। এদিন দীনেশ ছাড়াও বিজেপিতে যোগ দেন শিলিগুড়ির উন্নয়ন পর্ষদ বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান নান্টু পাল, প্রাক্তন কাউন্সিলর মঞ্জুশ্রী পাল, বিধান রোড ব্যবসায়িক সংগঠনের বাবলু তালুকদার, সর্বভারতীয় বৈশ্য ফেডারেশনের রাজ্যের সহ-সভাপতি সুমন আগরওয়াল, আইএনটিটিইউসির সহ-সভাপতি বিজয়শংকর পাণ্ডে।এদিকে তৃণমূলের টিকিট না পেয়ে শিলিগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে নির্দল থেকে মনোনয়ন দাখিল করেছিলেন নান্টু পাল। বুধবার কলকাতায় কৈলাস বিজয়বর্গীয়ের হাত থেকে বিজেপির পতাকা তুলে নেন তিনি। উল্লেখ্য, প্রার্থী ঘোষণার পরই তৃণমূলের প্রতি ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছিলেন তিনি। শিলিগুড়ির প্রার্থী হয়েছেন ওমপ্রকাশ মিশ্র। তাঁকে বহিরাগত বলে দাগিয়ে দল ছাড়েন নান্টু পাল। এবার সরাসরি বিজেপিতে যোগ দিলেন তিনি।

মার্চ ৩১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 25
  • ...
  • 37
  • 38
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

বাংলায় বদলের ঝড় বইছে! অমিত শাহর বিস্ফোরক দাবি ঘিরে চাঞ্চল্য

ভোটের মুখে বাংলায় জোরদার প্রচারে নেমেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। একের পর এক সভা ও প্রচারে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সম্প্রতি দলের নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশের পর থেকেই প্রচারে আরও গতি এসেছে। সেই ইস্তাহারে পনেরোটি বড় সংকল্পের কথা তুলে ধরা হয়েছে। ডেবরার সভা থেকেও অমিত শাহ তৃণমূলকে ক্ষমতা থেকে সরানোর ডাক দিয়েছেন। বাংলায় পরিবর্তন আনা এবার বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।এক সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে অমিত শাহ দাবি করেছেন, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যে বিপুল মানুষের ভিড় দেখা যাচ্ছে, তা শুধুই জনসমাগম নয়, বরং বড় পরিবর্তনের স্পষ্ট ইঙ্গিত। তাঁর মতে, ভোটের শুরুতেই বিজেপি এগিয়ে রয়েছে। আগের নির্বাচনে যেসব জেলায় দল তেমন ভালো ফল করতে পারেনি, সেখানেও এবার অভূতপূর্ব জনসমর্থন দেখা যাচ্ছে বলে তিনি দাবি করেছেন। তাঁর কথায়, বাংলার মানুষ ইতিমধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-কে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন।অন্যদিকে, তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিজেপির বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দেওয়া হলেও, অমিত শাহ পাল্টা বলেন, বাংলার মানুষ ইতিমধ্যেই নরেন্দ্র মোদীর উপর আস্থা রেখেছেন। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। তাঁর দাবি, আগে সাধারণ মানুষ তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের ভয়ে আতঙ্কে থাকত, কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলেছে। এখন তৃণমূলের কর্মীরাই সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া দেখে ভয় পাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তিনি জানান, এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া এবং এর সঙ্গে সরাসরি বর্তমান নির্বাচনের যোগ খোঁজা ঠিক নয়।সাম্প্রতিক এক সাংবাদিক বৈঠকে অমিত শাহ বাংলায় বিজেপির বাড়তে থাকা শক্তির প্রমাণ হিসেবে বিভিন্ন নির্বাচনের পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দুই হাজার উনিশ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির ভোটের হার প্রায় একচল্লিশ শতাংশে পৌঁছয় এবং দল আঠারোটি আসন পায়। দুই হাজার চব্বিশ সালের লোকসভা নির্বাচনে সেই হার কিছুটা কমে প্রায় ঊনচল্লিশ শতাংশ হয় এবং দল বারোটি আসন পায়। দুই হাজার ষোলো সালের বিধানসভা নির্বাচনে যেখানে বিজেপি মাত্র দশ শতাংশ ভোট ও তিনটি আসন পেয়েছিল, সেখানে দুই হাজার একুশ সালের নির্বাচনে তাদের ভোটের হার বেড়ে প্রায় আটত্রিশ শতাংশ হয় এবং আসনের সংখ্যা বেড়ে সাতাত্তরে পৌঁছয়।

এপ্রিল ১১, ২০২৬
রাজ্য

ফের দাপট দেখাবে গরম! দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রা বাড়বে ৭ ডিগ্রি, সামনে ভয়াবহ দাবদাহ

মনোরম আবহাওয়ার দিন শেষ হতে চলেছে। ধীরে ধীরে ফের বাড়ছে গরমের দাপট। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী সাত দিনে বৃষ্টির সম্ভাবনা খুবই কম। উল্টে রোদের তেজ বাড়বে এবং তাপমাত্রা দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী হবে।দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৫ থেকে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে। বিশেষ করে ১৩ থেকে ১৬ এপ্রিলের মধ্যে বেশ কিছু জেলায় চরম দাবদাহের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলায় সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত গরম অনেকটাই বাড়বে। সঙ্গে বাড়বে অস্বস্তিও। যদিও সোমবার দু-এক জায়গায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, তবে তা গরম কমাতে খুব একটা সাহায্য করবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হতে পারে।উত্তরবঙ্গে অবশ্য আবহাওয়ার কিছুটা ভিন্ন চিত্র দেখা যাবে। শনিবার ও রবিবার দার্জিলিং, কালিম্পং এবং জলপাইগুড়ির মতো পাহাড়ি এলাকায় হালকা বৃষ্টি এবং বজ্রবিদ্যুতের সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে বইতে পারে দমকা হাওয়া। তবে আগামী সপ্তাহ থেকে সেখানেও বৃষ্টির পরিমাণ কমে যাবে এবং তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করবে। উত্তরবঙ্গের সমতলের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে।কলকাতাতেও গরমের প্রভাব স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। সকাল থেকে আকাশ পরিষ্কার থাকলেও বেলার দিকে আর্দ্রতার কারণে অস্বস্তি বাড়ছে। রবিবারের মধ্যে শহরের তাপমাত্রা ৫ থেকে ৭ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, তবে আগামী কয়েক দিনে শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে অস্বস্তি আরও বাড়বে। বুধবার পর্যন্ত এই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১১, ২০২৬
বিদেশ

প্রণালী খুলেও বিপদ কাটেনি! নিজের পোঁতা মাইনই খুঁজে পাচ্ছে না ইরান, আতঙ্কে জাহাজ চলাচল

যুদ্ধবিরতির ফলে আপাতত থেমেছে গোলাগুলি ও হামলা। ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সংঘর্ষ কিছুটা থামলেও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে। শর্ত মেনে ইরান প্রণালী খুলে দিলেও আগের মতো জাহাজ চলাচল এখনও স্বাভাবিক হয়নি।এর মূল কারণ জলের নীচে পোঁতা মাইন। জানা যাচ্ছে, এই প্রণালী জুড়ে বহু জায়গায় মাইন পুঁতে রাখা হয়েছিল। কিন্তু সমস্যা হল, এখন সেই মাইন ঠিক কোথায় রয়েছে, তা নিজেরাই নিশ্চিত করে বলতে পারছে না ইরান। ফলে সেগুলি সরানোও সম্ভব হচ্ছে না।এক মার্কিন আধিকারিকের দাবি, জলের নীচে থাকা মাইনগুলির সঠিক অবস্থান চিহ্নিত করা যাচ্ছে না বলেই পুরোপুরি প্রণালী খুলে দেওয়া যাচ্ছে না। এমনকি যেখানে কিছু মাইনের অবস্থান জানা রয়েছে, সেখান থেকেও সেগুলি সরানোর মতো প্রযুক্তিগত দক্ষতা ইরানের নেই বলেই মনে করা হচ্ছে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের উপর চাপ সৃষ্টি করেছিলেন যাতে দ্রুত এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ খুলে দেওয়া হয়। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘাচি অবশ্য জানিয়েছেন, কিছু প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণেই পুরো পরিস্থিতি সামাল দিতে সময় লাগছে। যদিও মার্কিন পক্ষের দাবি, আসল সমস্যা হল এই মাইন।বিশ্বের তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের একটি বড় অংশ এই প্রণালী দিয়ে যায়। কিন্তু সংঘাত শুরুর পর থেকেই ইরান এই পথ বন্ধ করে দিয়েছিল। তখন ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পাশাপাশি সমুদ্রপথে বড় অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল এই মাইন।জানা গিয়েছে, ছোট নৌকা ব্যবহার করে দ্রুততার সঙ্গে এই মাইন পোঁতা হয়েছিল। কিন্তু তাড়াহুড়োর কারণে তা সঠিকভাবে নথিবদ্ধ করা হয়নি। ফলে এখন নিজেরাই বুঝতে পারছে না কোথায় কত মাইন রয়েছে। এর মধ্যে আবার স্রোতের কারণে মাইন সরে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে, যা বিপদ আরও বাড়াচ্ছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনও জাহাজের নোঙর বা প্রপেলার যদি এই মাইনের সঙ্গে ধাক্কা খায়, তাহলে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। এতে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।ইসলামিক রেভেলিউশনারি গার্ড বাহিনী নিরাপদ পথের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। তবে সেই পথের আশেপাশেও অজানা মাইন থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে সামান্য ভুল হলেই বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১১, ২০২৬
দেশ

লোকসভা ভোটেই কি বড় বদল? মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন, চমক দিতে পারে কেন্দ্র

আগামী লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে আবারও জোরদার হয়েছে মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে আলোচনা। কেন্দ্রীয় সরকার এই বিলের সংশোধন নিয়ে বড় পদক্ষেপ করতে চলেছে। সেই উদ্দেশ্যে আগামী ১৬, ১৭ এবং ১৮ এপ্রিল বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়েছে। এই অধিবেশনেই বিলটি সংসদে পেশ করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে সংসদে নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম পাস হয়েছিল। এই আইনের মূল লক্ষ্য ছিল সংসদ এবং বিধানসভায় মহিলাদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানো। সেই অনুযায়ী মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছিল। তবে এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে সম্পূর্ণ বিধান তৈরি হয়নি।প্রথমে ঠিক হয়েছিল, জনগণনা এবং আসন পুনর্বিন্যাসের পরই এই সংরক্ষণ কার্যকর করা হবে। কিন্তু সম্প্রতি কেন্দ্রের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, ২০২৯ সালের লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচন থেকেই এই সংরক্ষণ চালু করা হতে পারে। ফলে আসন বিন্যাসে বড় পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।এদিকে এই বিলের সংশোধন নিয়ে নিজেদের অবস্থান ঠিক করতে বিরোধী জোটের মধ্যেও আলোচনা শুরু হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, আগামী ১৫ এপ্রিল বিরোধী জোটের বৈঠক ডাকতে পারেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে। তবে পশ্চিমবঙ্গের ভোটের আবহে এই বৈঠকে সব দল যোগ দেবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। বিশেষ করে তৃণমূলের অবস্থান এখনও স্পষ্ট হয়নি।অন্যদিকে কংগ্রেসের তরফে ইঙ্গিত মিলেছে যে, তারা এই সংশোধনীকে সমর্থন করতে পারে। তবে জনগণনা ছাড়া আসন পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাবে আপত্তি রয়েছে তাদের। এই বিষয়টি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের ভোট পর্ব শেষ হওয়ার পর সর্বদলীয় বৈঠক ডাকার দাবি তুলতে পারে বিরোধীরা।বিশেষ অধিবেশন ডাকার সময় নিয়েও ইতিমধ্যেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুর নির্বাচনের আগে এই সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছে বিরোধীরা। পাল্টা বিজেপি অভিযোগ তুলেছে, বিরোধীরা মহিলাদের অধিকার নিয়ে আন্তরিক নয়।সব মিলিয়ে, ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন থেকে মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণ কার্যকর করার লক্ষ্যে এগোচ্ছে কেন্দ্র। এই বিল সংসদে পাস হলে দেশের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১১, ২০২৬
রাজ্য

বাঁকুড়ায় ভয়াবহ হামলা! প্রকাশ্য রাস্তায় সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত, তোলপাড় রাজনীতি

বাঁকুড়ার স্কুলডাঙ্গা এলাকায় এক ভয়াবহ হামলার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। অভিযোগ, সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতা অরিন্দম মণ্ডলের উপর প্রায় ৪০ জন দুষ্কৃতী লাঠি ও হকি স্টিক নিয়ে নৃশংস হামলা চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে।শুক্রবার শহরের স্কুলডাঙ্গা এলাকায় এবিটিএ-র হলঘরে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের একটি বৈঠক ছিল। বৈঠক শেষ হওয়ার পর মঞ্চের নেতা ভাস্কর ঘোষ ও আরও কয়েকজন স্থানীয় মাজারের কাছে বসে ছিলেন। সেই সময় আচমকাই একদল দুষ্কৃতী সেখানে এসে হামলা চালায় বলে অভিযোগ।অভিযোগ উঠেছে, তৃণমূলের ছাত্র নেতা সুরজ বক্সের নেতৃত্বে এই হামলা হয়। হামলাকারীরা লাঠি, বাঁশ এবং হকি স্টিক দিয়ে অরিন্দম মণ্ডলকে বেধড়ক মারধর করে। তাঁর মাথা ও মুখ লক্ষ্য করে আঘাত করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে। ঘটনাস্থলেই তিনি গুরুতর জখম হন।সহকর্মীরাই দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। এই ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।ভাস্কর ঘোষের অভিযোগ, এটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হামলা। তাঁর দাবি, হামলাকারীদের হাতে তৃণমূলের পতাকা বাঁধা লাঠিও ছিল। তাঁদের লক্ষ্য ছিল অরিন্দমকে প্রাণে মেরে ফেলা। এমনকি তাঁকেও আক্রমণের লক্ষ্য করা হয়েছিল বলে তিনি জানান।যদিও এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে শাসকদল। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ১১, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রামে তুমুল সংঘাত! শুভেন্দুকে ‘মাস্টারমাইন্ড’ বলে তোপ দাগলেন পবিত্র কর

ভোটের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি। সেই আবহে নন্দীগ্রাম আবারও রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। এবার বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন তাঁরই একসময়ের সতীর্থ এবং বর্তমানে তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র কর।ঘটনার সূত্রপাত একটি এফআইআরকে কেন্দ্র করে। নন্দীগ্রাম থানায় বিজেপির এক বুথ সভাপতির পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, পবিত্র কর তাঁর অনুগামীদের নিয়ে ওই বিজেপি কর্মীর উপর হামলা চালিয়েছেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই পবিত্র করের বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর দায়ের হয়।এই ঘটনার পরই শুভেন্দু অধিকারীকে সরাসরি আক্রমণ করেন পবিত্র কর। তিনি দাবি করেন, নন্দীগ্রামে যত মামলা রয়েছে, তার সবকিছুর পেছনেই শুভেন্দু অধিকারীর ভূমিকা রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, সাধারণ মানুষকে ভয় দেখাতে এবং চাপে রাখতে এই সব মামলা করা হচ্ছে।পবিত্র কর কটাক্ষ করে বলেন, শুভেন্দু চাইলে সব কিছুই সম্ভব। তাঁর কথায়, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মামলা করানোই যেন এক বিশেষ দক্ষতা। তিনি আরও বলেন, সব কিছু জেনেই তিনি শুভেন্দুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছেন।উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে নন্দীগ্রাম আবারও অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। ভবানীপুরের মতোই এই কেন্দ্রকে ঘিরে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তেজনা। তৃণমূল এবং বিজেপি দুই দলই জোরকদমে প্রচার চালাচ্ছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংযোগ চলছে।এদিকে নিজের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর খারিজের দাবিতে ইতিমধ্যেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন পবিত্র কর। ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই নন্দীগ্রামে রাজনৈতিক লড়াই তীব্র হচ্ছে। গুরু-শিষ্যের এই দ্বন্দ্ব এখন রাজ্য রাজনীতির অন্যতম বড় আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ১১, ২০২৬
কলকাতা

হিন্দু বাঙালিদের নাম কাটা হচ্ছে? চাঞ্চল্যকর অভিযোগে উত্তপ্ত রাজনীতি

ভোটের আগে নাম বাদ নিয়ে উত্তাল বাংলা। প্রায় নব্বই লক্ষেরও বেশি নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ উঠতেই তীব্র আক্রমণে নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সাংবাদিক বৈঠকে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিস্ফোরক দাবি করেন, বাদ যাওয়া নামগুলির মধ্যে প্রায় তেষট্টি শতাংশই হিন্দু বাঙালির।অভিষেকের অভিযোগ, রাজনৈতিক স্বার্থে পরিকল্পিতভাবে সাধারণ মানুষকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। তাঁর কথায়, জোর করে বাংলা দখলের চেষ্টা চলছে, কিন্তু বাংলার মানুষ তা মেনে নেবে না। তিনি বলেন, এই রাজ্য বিপ্লবীদের ভূমি, এখানে অন্যায়ের বিরুদ্ধে মানুষ সবসময় লড়াই করে। তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর সরকার থাকলে কোনওভাবেই মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, এর জবাব মানুষ ভোটবাক্সেই দেবে এবং মানুষের শক্তির সামনে সব অন্যায় পরাজিত হবে।এর আগেই এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, মতুয়া, রাজবংশী এবং সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় বেছে বেছে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, নির্দিষ্ট কিছু সম্প্রদায়কে টার্গেট করেই এই কাজ করা হচ্ছে। তিনি জানান, দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে প্রায় বত্রিশ লক্ষ নাম আবার তালিকায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। তবে যাঁদের নাম এখনও বাদ রয়েছে, তাঁদের অধিকার ফেরাতে প্রয়োজন হলে আরও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, যারা বহু বছর ধরে এই দেশে বসবাস করছেন, তাঁদের কেন আবার নতুন করে নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কোনও বৈধ ভোটারকে বাংলা থেকে বাদ পড়তে দেবেন না।তৃণমূল নেতৃত্ব এই ঘটনাকে শুধুমাত্র প্রশাসনিক ত্রুটি হিসেবে দেখছে না। বরং তারা মনে করছে, এটি বাঙালির পরিচয় এবং অধিকার খর্ব করার একটি বড় চক্রান্ত। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তাঁদের সাহায্য করতে প্রতিটি ব্লকে বিশেষ আইনি সহায়তা কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে।

এপ্রিল ১০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের মুখে বড় ধাক্কা! তৃণমূল প্রার্থীর মনোনয়ন হঠাৎ বাতিল কেন

নির্বাচনের আগে বড় ধাক্কা খেল তৃণমূল কংগ্রেস। কৃষ্ণনগর উত্তরের প্রার্থী অভিনব ভট্টাচার্যের মনোনয়ন বাতিল হয়ে গেল বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর। জানা গিয়েছে, জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ৯-এ ধারার ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রিটার্নিং অফিসার। প্রশাসনের এক সূত্রের দাবি, রাজ্য সরকারের সঙ্গে তাঁর ব্যবসায়িক চুক্তি থাকার জটিলতার কারণেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।অভিনব ভট্টাচার্য দীর্ঘদিন ধরে দলের সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং এলাকায় একজন পরিচিত মুখ হিসেবে পরিচিতি গড়ে তুলেছিলেন। এবারের নির্বাচনে তাঁকে কৃষ্ণনগর উত্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছিল, যা রাজনৈতিক মহলে বেশ চমক তৈরি করেছিল। শিক্ষিত এবং স্পষ্টভাষী হিসেবে তিনি তরুণ প্রজন্মের কাছেও জনপ্রিয় ছিলেন। অনেকেই মনে করেছিলেন, স্থানীয় এবং গ্রহণযোগ্য মুখ হিসেবে তাঁকে প্রার্থী করে বিশেষ কৌশল নিয়েছিল তৃণমূল।কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্রটি রাজনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে বিরোধী শক্তিও যথেষ্ট প্রভাবশালী। এমন পরিস্থিতিতে অভিনব ভট্টাচার্যের পরিষ্কার ভাবমূর্তি এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ তৃণমূলের পক্ষে বড় শক্তি হতে পারত বলে মনে করছিলেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।তবে শেষ পর্যন্ত আইনি জটিলতার কারণেই তাঁর মনোনয়ন বাতিল হয়ে গেল। নির্বাচনী নিয়ম অনুযায়ী, কোনও ব্যক্তি যদি সরকারের সঙ্গে সরাসরি ঠিকাদারি বা ব্যবসায়িক স্বার্থে যুক্ত থাকেন, তাহলে তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন না। সেই নিয়ম মেনেই তাঁর মনোনয়ন খারিজ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

এপ্রিল ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal